বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

ভূগোল ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা

মোট প্রশ্ন৭,১৯১এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ভূগোল ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা

PrepBank · পাতা ৪৭ / ৭২ · ৪,৬০১৪,৭০০ / ৭,১৯১

৪,৬০১.
সংক্ষিপ্ত পথে চলতে হলে জাহাজের চালককে অনুসরণ করতে হবে-
  1. ক) বায়ু প্রবাহের দিক
  2. খ) অক্ষাংশ
  3. গ) সমুদ্রস্রোত
  4. ঘ) ধ্রুব নক্ষত্র
সঠিক উত্তর:
গ) সমুদ্রস্রোত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সমুদ্রস্রোত
ব্যাখ্যা

- সমুদ্রস্রোতের প্রধান কারণ বায়ুপ্রবাহ।
- বায়ুপ্রবাহ সমুদ্রের উপরিভাগের পানির সঙ্গে ঘর্ষণ তৈরি করে এবং ঘর্ষণের জন্য পানিতে ঘূর্ণন তৈরি করে।

- সমুদ্রের পানি একটি নির্দিষ্ট গতিপথ অনুসরণ করে চলাচল করে।
- তাই সংক্ষিপ্ত পথে চলতে হলে জাহাজের চালককে সমুদ্রস্রোত অনুসরণ করতে হবে।

উৎস: নবম-দশম শ্রেণীর ভূগোল ও পরিবেশ বোর্ড বই।

৪,৬০২.
'যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়া' ঘূর্ণিঝড়ের সতর্কীকরণ সংকেতের কত নং এ বলা হয়েছে?
  1. ৬ নং
  2. ১০ নং
  3. ১১ নং
  4. ৯ নং
সঠিক উত্তর:
১১ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১ নং
ব্যাখ্যা
• ঘূর্ণিঝড়ের সময় সতর্কতা ও বিপদ বুঝানোর জন্য ১১টি সংকেত রয়েছে।
- তার মধ্যে প্রথম চারটি সতর্কতা ও স্থানীয় সংকেত। বাকিগুলো বিপদ সংকেত।

• নিম্নে ১১টি সংকেতের অর্থ দেওয়া হল: 

• ১ নং দূরবর্তী সতর্ক সংকেত:
জাহাজ ছেড়ে যাওয়ার পর দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার সম্মুখীন হতে পারে। দূরবর্তী এলাকায় একটি ঝড়ো হাওয়ার অঞ্চল রয়েছে। এ সময় বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ৬১ কিলোমিটার (কি.মি.)। ফলে সামুদ্রিক ঝড়ের সৃষ্টি হবে।
• ২ নং দূরবর্তী হুঁশিয়ারি সংকেত:
দূরে গভীর সাগরে একটি ঝড় সৃষ্টি হয়েছে। সেখানে বাতাসের একটানা গতিবেগ ঘণ্টায় ৬২-৮৮ কিলোমিটার। বন্দর এখনই ঝড়ে কবলিত হবে না, তবে বন্দর ত্যাগকারী জাহাজ পথে বিপদে পড়তে পারে।
• ৩ নং স্থানীয় সতর্ক সংকেত:
বন্দর ও বন্দরে নোঙর করা জাহাজগুলোর দুর্যোগ কবলিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। বন্দরে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে এবং ঘূর্ণি বাতাসের একটানা গতিবেগ ঘণ্টায় ৪০-৫০ কি.মি. হতে পারে।
• ৪ নং স্থানীয় হুঁশিয়ারি সংকেত:
বন্দর ঘূর্ণিঝড় কবলিত। বাতাসের সম্ভাব্য গতিবেগ ঘণ্টায় ৫১-৬১ কি.মি.। তবে ঘূর্ণিঝড়ের চূড়ান্ত প্রস্তুতি নেয়ার মতো তেমন বিপজ্জনক সময় এখনও আসেনি।
• ৫ নং বিপদ সংকেত:
বন্দর ছোট বা মাঝারি তীব্রতর এক সামুদ্রিক ঝড়ের কবলে পড়বে। ঝড়ে বাতাসের সর্বোচ্চ একটানা গতিবেগ ঘণ্টায় ৬২-৮৮ কি.মি.। ঝড়টি বন্দরকে বাম দিকে রেখে উপকূল অতিক্রম করতে পারে।
• ৬ নং বিপদ সংকেত:
বন্দর ছোট বা মাঝারি তীব্রতর এক সামুদ্রিক ঝড়ের কবলে পড়বে। ঝড়ে বাতাসের সর্বোচ্চ একটানা গতিবেগ ঘণ্টায় ৬২-৮৮ কি.মি.। ঝড়টি বন্দরকে ডান দিকে রেখে উপকূল অতিক্রম করতে পারে।
• ৭ নং বিপদ সংকেত:
বন্দর ছোট বা মাঝারি তীব্রতর এক সামুদ্রিক ঘূর্ণিঝড়ের কবলে পড়বে। ঝড়ে বাতাসের সর্বোচ্চ একটানা গতিবেগ ঘণ্টায় ৬২-৮৮ কি.মি.। ঝড়টি বন্দরের উপর বা এর নিকট দিয়ে উপকূল অতিক্রম করতে পারে।
• ৮ নং মহাবিপদ সংকেত:
বন্দর প্রচণ্ড বা সর্বোচ্চ তীব্রতর ঘূর্ণিঝড়ের কবলে পড়তে পারে। ঝড়ে বাতাসের সর্বোচ্চ একটানা গতিবেগ ঘণ্টায় ৮৯ কি.মি. বা এর বেশি হতে পারে। প্রচণ্ড ঝড়টি বন্দরকে বাম দিকে রেখে উপকূল অতিক্রম করবে।
• ৯ নং মহাবিপদ সংকেত:
বন্দর প্রচণ্ড বা সর্বোচ্চ তীব্রতর এক সামুদ্রিক ঘূর্ণিঝড়ের কবলে পড়বে। ঝড়ে বাতাসের সর্বোচ্চ একটানা গতিবেগ ঘণ্টায় ৮৯ কি.মি. বা এর বেশি হতে পারে। প্রচণ্ড ঝড়টি বন্দরকে ডান দিকে রেখে উপকূল অতিক্রম করবে।
• ১০ নং মহাবিপদ সংকেত:
বন্দর প্রচণ্ড বা সর্বোচ্চ তীব্রতর এক সামুদ্রিক ঘূর্ণিঝড়ের কবলে পড়বে। ঝড়ে বাতাসের সর্বোচ্চ একটানা গতিবেগ ঘণ্টায় ৮৯ কি.মি.বা তার বেশি হতে পারে।
• ১১ নং যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার সংকেত:
আবহাওয়ার বিপদ সংকেত প্রদানকারী কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সকল যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে এবং স্থানীয় আবহাওয়া কর্মকর্তা পরিস্থিতি দুর্যোগপূর্ণ বলে মনে করেন।

উৎস: ঘূর্নিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচী (সিপিপি) ওয়েবসাইট ও বিবিসি বাংলা। 
৪,৬০৩.
পৃথিবীর আহ্নিক গতির ফলে কী হয়?
  1. সূর্য পৃথিবীর নিকটতম হয়
  2. চাঁদের তাপ বৃদ্ধি পায়
  3. দিন ও রাত হয়
  4. ঋতু পরিবর্তন হয়
সঠিক উত্তর:
দিন ও রাত হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দিন ও রাত হয়
ব্যাখ্যা
আহ্নিক গতি:
- পৃথিবী তার নিজ অক্ষের উপর পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে নির্দিষ্ট গতিতে আবর্তিত হচ্ছে যা আহ্নিক গতি নামে পরিচিত।
- পৃথিবীর আহ্নিক গতির ফলাফল সমূহ:
• দিন-রাত্রি সংঘটন,
• জোয়ার-ভাটা সৃষ্টি,
• বায়ুপ্রবাহ ও সমুদ্রস্রোত সৃষ্টি,
• তাপমাত্রার তারতম্য সৃষ্টি,
• জীব জগতের সৃষ্টি ও বংশবিস্তার প্রভৃতি।

অন্যদিকে,
- সূর্যের মহাকর্ষ বলের প্রভাবে পৃথিবী তার নিজ অক্ষের উপর অবিরাম ঘূর্ণনের সাথে সাথে নির্দিষ্ট পথে নির্দিষ্ট দিকে (ঘড়ির কাটার বিপরীত দিকে) নির্দিষ্ট সময়ে সূর্যকে প্রদক্ষিণ করছে যা পৃথিবীর বার্ষিক গতি নামে পরিচিত।
- পৃথিবীর বার্ষিক গতির কারণে ঋতু পরিবর্তন ও দিন- রাত্রির হ্রাস বৃদ্ধি হয়ে থাকে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৪,৬০৪.
সিলেটের ভোলাগঞ্জ জিরো পয়েন্ট কোন নদীর উৎসের কাছে অবস্থিত?
  1. কুশিয়ারা
  2. ধলাই
  3. মেঘনা
  4. সুরমা
সঠিক উত্তর:
ধলাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধলাই
ব্যাখ্যা

• ভোলাগঞ্জ জিরো পয়েন্ট:
- সিলেট নগরী থেকে ৩৫ কিলোমিটার দূরত্বে সীমান্তবর্তী উপজেলা কোম্পানীগঞ্জ।
- ভারতের মেঘালয়ের পাহাড়ি ঝর্ণাগুলো থেকে যে নদীর উৎপত্তি হয়ে ভোলাগঞ্জের ওপর দিয়ে বয়ে গেছে সেই নদীর নাম ধলাই নদ।
- পাহাড় থেকে ঝর্ণার পানির স্রোতে এই নদী বেয়েই সাদা পাথর নেমে আসে।
- ধলাই নদের উৎসমুখের এই জায়গার নাম ভোলাগঞ্জ জিরো পয়েন্ট।
- পরিবেশবিদ ও স্থপতি ইকবাল হাবিবের মতে প্রাকৃতিকভাবে তৈরি এই স্থানের গুরুত্ব অপরিসীম।
- কেননা স্বচ্ছ পানির এ আধার এই এলাকার বেশ কিছু স্থানের খাবার পানির চাহিদা মেটায়।
- পানির মধ্যে অক্সিজেন সংশ্লেষ করাও এর কাজ যাকে বৈজ্ঞানিক ভাষায় ‘সোলার অ্যাকুয়াটিক ন্যাচারাল প্রসেস অব ট্রিটমেন্ট’ বলা হয় বলে জানান হাবিব।

তথ্যসূত্র: দৈনিক যুগান্তর। (লিংক)

৪,৬০৫.
বাংলাদেশের মাঝামাঝি স্থান দিয়ে অতিক্রম করেছে -
  1. ২০.৫° উত্তর অক্ষরেখা
  2. ২৩.৫° উত্তর অক্ষরেখা
  3. ২৬.৫° উত্তর অক্ষরেখা
  4. ৮৮.৫° উত্তর অক্ষরেখা
সঠিক উত্তর:
২৩.৫° উত্তর অক্ষরেখা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৩.৫° উত্তর অক্ষরেখা
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান ও সীমানা:
- এশিয়া মহাদেশের দক্ষিণে বাংলাদেশের অবস্থান।
- বাংলাদেশ ২০°৩৪′ উত্তর অক্ষরেখা থেকে ২৬°৩৮′ উত্তর অক্ষরেখার মধ্যে এবং ৮৮°০১′ পূর্ব দ্রাঘিমা রেখা থেকে ৯২°৪১′ পূর্ব দ্রাঘিমা রেখার মধ্যে অবস্থিত।
- বাংলাদেশের মাঝামাঝি স্থান দিয়ে কর্কটক্রান্তি রেখা (২৩.৫° উত্তর অক্ষরেখা) অতিক্রম করেছে।
- পূর্ব-পশ্চিমে সর্বোচ্চ বিস্তৃতি ৪৪০ কি.মি. এবং উত্তর-উত্তর পশ্চিম থেকে দক্ষিণ-দক্ষিণ পূর্ব প্রান্ত পর্যন্ত সর্বোচ্চ বিস্তৃতি ৭৬০ কি.মি.।
- বাংলাদেশের উত্তরে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, মেঘালয় ও আসাম; পূর্বে আসাম, ত্রিপুরা ও মিজোরাম এবং মিয়ানমার; দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর এবং পশ্চিমে ভারতের, পশ্চিমবঙ্গ অবস্থিত।

⇒ কর্কটক্রান্তি রেখা:
- উত্তর গোলার্ধে ২৩.৫° উত্তর অক্ষরেখাকে কর্কটক্রান্তি রেখা নামে অভিহিত করা হয়।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন
৪,৬০৬.
কোনটি নবায়নযোগ্য সম্পদ?
  1. প্রাকৃতিক গ্যাস
  2. জোয়ার-ভাটা
  3. কয়লা
  4. খনিজ তেল
সঠিক উত্তর:
জোয়ার-ভাটা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জোয়ার-ভাটা
ব্যাখ্যা
নবায়নযোগ্য সম্পদ:
- নবায়নযোগ্য সম্পদ (Renewable Energy) হলো এমন শক্তির উৎস যা স্বল্প সময়ের ব্যবধানে পুনরায় ব্যবহার করা যায়।
- এই শক্তির উৎসটি নিঃশেষ হয়ে যায় না।
- বিভিন্ন প্রাকৃতিক উৎস যেমন: সূর্যের আলো ও তাপ, বায়ু প্রবাহ, জলপ্রবাহ, জৈব শক্তি (জৈবভর), ভূ-তাপ, সমুদ্র তরঙ্গ, সমুদ্র-তাপ, জোয়ার-ভাটা, শহুরে আবর্জনা, হাইড্রোজেন ফুয়েল সেল ইত্যাদি নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস হিসেবে বিবেচিত হয়।

অনবায়নযোগ্য সম্পদ: 
- অনবায়নযোগ্য সম্পদ (Non-renewable Energy) হলো যে সম্পদ প্রকৃতিতে প্রাকৃতিকভাবে নবায়ন হয় না এমনকি মানুষ ও নবায়ন করতে পারে না।
- যেমন: প্রাকৃতিক গ্যাস, কয়লা, খনিজ তেল ইত্যাদি।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
         ii) পরিবেশ বিজ্ঞান, বিবিএ বাংলা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৬০৭.
অয়ন বায়ু কোন ধরনের বায়ু?
  1. মৌসুমী বায়ু
  2. মেরু বায়ু
  3. নিয়ত বায়ু
  4. স্থলবায়ু
সঠিক উত্তর:
নিয়ত বায়ু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিয়ত বায়ু
ব্যাখ্যা
নিয়ত বায়ু:
- পৃথিবীর চাপ বলয়গুলো দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়ে যে বায়ু সারাবছর একইদিকে প্রবাহিত হয় তাকে নিয়ত বায়ু বলে।
- নিয়ত বায়ু তিন প্রকার।যথা: পশ্চিমা বায়ু, অয়ন বায়ু , মেরু বায়ু।

উল্লেখ্য
⇒ নিরক্ষীয় নিম্নচাপ বলয় থেকে উষ্ণ ও হালকা বায়ু উপরে উঠে গেলে ক্রান্তীয় উচ্চচাপ বলয় থেকে যে শীতল ও ভারী বায়ু নিরক্ষীয় অঞ্চলের দিকে প্রবাহিত হয় তা অয়ন বায়ু নামে পরিচিত।
- প্রাচীনকালে বাণিজ্য জাহাজসমূহ এই বায়ু অনুসরণ করে চলাচল করতো বিধায় এই বায়ুকে বাণিজ্য বায়ুও বলা হয়।
- অয়ন বায়ু এক প্রকার নিয়ত বায়ু যা সারাবছর একই দিকে প্রবাহিত হয়
⇒ অয়ন বায়ু বা বাণিজ্য বায়ু প্রবাহিত হয় ক্রান্তীয় উচ্চচাপ বলয় থেকে নিরক্ষীয় নিম্নচাপ বলয়ের দিকে।

তথ্যসূত্রঃ ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী।
৪,৬০৮.
ভূ-অভ্যন্তরের যে স্থানে ভূমিকম্পের উৎপত্তি হয় তাঁকে কী বলা হয়?
  1. সমকেন্দ্র
  2. কেন্দ্র
  3. উপকেন্দ্র
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
কেন্দ্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কেন্দ্র
ব্যাখ্যা
ভূমিকম্প:
- ভূ-অভ্যন্তরে আকস্মিক সৃষ্ট কম্পনের দরুণ আকস্মিকভাবে ভূমির যে কম্পন হয় তাকে ভূমিূকম্প বলে।
- একটি শান্ত পুকুরে টিল ছুড়লে যেভাবে ঢেউ চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে তেমনি পৃথিবীর অভ্যন্তরে যেখানে তরঙ্গ শক্তি উৎপত্তি হয় সেখানে থেকে মুক্ত শক্তি টেউয়ের মত শিলায় তরঙ্গের সৃষ্টি করে এবং চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে।
- ভূ-অভ্যন্তরের যে স্থানে ভূমিকম্পের উৎপত্তি হয় তাকে কেন্দ্র বলে।
- কেন্দ্র থেকে সোজা উপরের দিকে ভূ-পৃষ্ঠস্থ বিন্দুকে উপকেন্দ্র বলে।
- ভূমিকম্পের উৎপত্তির কেন্দ্র হতে দূরত্ব বৃদ্ধির সাথে ভূ-কম্পন শক্তি হ্রাস পায়।
- ভূমিকম্পের কেন্দ্র ভূ-অভ্যন্তরের প্রায় ১৬-২০ কিলোমিটারের মধ্যে অবস্থিত হয়ে থাকে।
- যে যন্ত্রের সাহায্যে ভূমিকম্প পরিমাপ করা হয় তাকে বলা হয় সিসমোগ্রাফ।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৬০৯.
কোনটিকে জলবায়ুর উপাদান নয়?
  1. বায়ুর তাপ
  2. মৃত্তিকার গঠন
  3. বৃষ্টিপাত
  4. বায়ুর আর্দ্রতা
সঠিক উত্তর:
মৃত্তিকার গঠন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৃত্তিকার গঠন
ব্যাখ্যা
মৃত্তিকার গঠন আবহাওয়া ও জলবায়ুর নিয়ামক, উপাদান নয়।

আবহাওয়া ও জলবায়ুর উপাদানগুলো হলো:

- বায়ুর তাপ,
- বায়ুর চাপ,
- বায়ু প্রবাহ,
- বায়ুর আর্দ্রতা এবং
- বারিপাত বা বৃষ্টিপাত।

আবহাওয়া ও জলবায়ুর নিয়ামকসমূহ হলো:
- অক্ষাংশ,
- উচ্চতা,
- সমুদ্র থেকে দূরত্ব,
- বায়ুপ্রবাহ,
- সমুদ্রস্রোত,
- পর্বতের অবস্থান,
- ভূমির ঢাল,
- ‍মৃত্তিকার গঠন,
- বনভূমির অবস্থান প্রভৃতি।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী।
৪,৬১০.
জাতিসংঘ গৃহীত দুর্যোগের ঝুঁকিহ্রাস সংক্রান্ত 'সেন্দাই ফ্রেমওয়ার্ক' বাস্তবায়নের সময়সীমা -
  1. ২০১২-২০৩০
  2. ২০১৬-২০৩০
  3. ২০১৫-২০৩০
  4. ২০২৫-২০৩০
সঠিক উত্তর:
২০১৫-২০৩০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১৫-২০৩০
ব্যাখ্যা
• সেন্দাই ফ্রেমওয়ার্ক:
- ১৪ মার্চ - ১৮ মার্চ ২০১৫ তারিখে জাপানের সেন্দাই শহরে অনুষ্ঠিত হয় জাতিসংঘের তৃতীয় দুর্যোগের ঝুঁকিহ্রাস বিষয়ক সম্মেলন।
- এই সম্মেলনের শেষদিন দুর্যোগের ঝুঁকি হ্রাস সংক্রান্ত সেন্দাই ফ্রেমওয়ার্ক: ২০১৫-৩০ গৃহীত হয়।
- সেন্দাই ফ্রেমওয়ার্ক' বাস্তবায়নের সময়সীমা - ২০১৫ -২০৩০ সাল।
- এই ফ্রেমওয়ার্কে ২০৩০ সালের মধ্যে অর্জনের জন্যে সাতটি লক্ষ্য এবং চারটি অগ্রাধিকারের রূপরেখা স্থির করা হয়।
- দুর্যোগ ঝুঁকি প্রশমনে টেকসই ব্যবস্থাপনা এবং যথাযথ বিনিয়োগ নিশ্চিত করাই এ সম্মেলনের প্রধান লক্ষ্য।

উৎস: UNDRR ওয়েবসাইট
৪,৬১১.
‘টাঙ্গুয়ার হাওর‘ কখন রামসার সাইট হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে?
  1. ১৯৯২ সালে
  2. ২০০০ সালে
  3. ২০০২ সালে
  4. ২০০৪ সালে
সঠিক উত্তর:
২০০০ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০০ সালে
ব্যাখ্যা
ইরানের রামসার শহরে ১৯৭১ সালের ফেব্রুয়ারিতে জলাভূমি ও তার সম্পদের সংরক্ষণ ও যথাযথ ব্যবহার বিষয়ক রামসার কনভেনশন অনুষ্ঠিত হয়।
- রামসার কনভেনশন কার্যকর হয় ১৯৭৫ সালের ২১ ডিসেম্বর।
- রামসারের ডকুমেন্ট অনুসারে - Number of Contracting Parties: 171

বাংলাদেশ ও রামসারঃ
- বাংলাদেশ ১৯৯২ সালের ২১ সেপ্টেম্বর রামসার সনদ কার্যকর করে।
- এ চুক্তির আওতায় বাংলাদেশের দুটি স্থান রামসার সাইট হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে -
- সুন্দরবন রিজার্ভ ফরেষ্ট (২১ মে ১৯৯২) ও
- টাঙ্গুয়ার হাওর (১০ জুলাই ২০০০) রামসার সাইটের তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।

উৎস: রামসার ওয়েবসাইট।
৪,৬১২.
মহীসোপানের গড় প্রশস্ততা কত কিলোমিটার?
  1. ক) ১৬ কি.মি.
  2. খ) ৫০ কি.মি.
  3. গ) ৭০ কি.মি.
  4. ঘ) ৯৫ কি.মি.
সঠিক উত্তর:
গ) ৭০ কি.মি.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৭০ কি.মি.
ব্যাখ্যা
- পৃথিবীর মহাদেশসমূহের স্থলভাগের যে অংশ অল্প ঢালু হয়ে সমুদ্রের পানির মধ্যে নেমে গেছে তাকে মহীসোপান বলে। মহীসোপান ১° কোণে সমুদ্র তলদেশে নিমজ্জিত থাকে।
- মহীসোপানের গড় প্রশস্ততা ৭০ কিলোমিটার।
- ইউরোপের উত্তর-পশ্চিম উপকূলে পৃথিবীর বৃহত্তম মহীসোপান অবস্থিত। উত্তর আমেরিকার পূর্ব উপকূলে দ্বিতীয় বৃহত্তম মহীসোপান অবস্থিত।
- বাংলাদেশের দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরে মহীসোপানের বিস্তৃতি প্রায় ৩৫৪ নটিক্যাল মাইল।
(তথ্যসূত্রঃ ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী এবং প্রথম আলো)
৪,৬১৩.
'Seismograph' যন্ত্রটি কি মাপার জন্য ব্যবহৃত হয়?
  1. আবহাওয়া
  2. বৃষ্টিপাত
  3. ভূমিকম্প
  4. বাতাসের গতি
সঠিক উত্তর:
ভূমিকম্প
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভূমিকম্প
ব্যাখ্যা
ভূমিকম্প নির্ণায়ক যন্ত্র - সিসমোগ্রাফ।

- রিকটার স্কেল ও সিসমোগ্রাফ দুটোই ভূমিকম্পের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়।
- সিসমােগ্রাফ হচ্ছে ভূমিকম্পের উৎস খুঁজে বের করার যন্ত্র। এর সাহায্যে অন্যান্য বিস্ফোরণ, প্রচণ্ড ঝড় ইত্যাদির খোঁজ পাওয়া যায়।
- এছাড়া মেরু অঞ্চলের বরফের গভীরতা, খনিজ তেল ভাণ্ডার ইত্যাদিও এর সাহায্যে বের করা সম্ভব।

- অপরদিকে, ভূমিকম্পের তীব্রতা মাপা হয় রিকটার স্কেলের মাধ্যমে।

এছাড়াও,
- সমুদ্রের গভীরতা মাপক যন্ত্রের নাম - ফ্যাদোমিটার।
- উদ্ভিদের বৃদ্ধি নির্ণায়ক যন্ত্রের নাম - ক্রেস্কোগ্রাফ।
- সূক্ষ্ম সময় মাপার যন্ত্রের নাম - ক্রোনোমিটার।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৪,৬১৪.
'লম্বক প্রণালী' কোন দুটি দ্বীপের মধ্যবর্তী অঞ্চলে অবস্থিত? 
  1. লম্বক ও বালি
  2. লম্বক ও সুমাত্রা
  3. সুলাওয়েসি ও বোর্নিও
  4. ফ্লোরেস ও তিমোর
সঠিক উত্তর:
লম্বক ও বালি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লম্বক ও বালি
ব্যাখ্যা

• লম্বক প্রণালী (Lombok Strait): 
- একটি প্রণালী (Strait) হলো প্রাকৃতিকভাবে গঠিত একটি সংকীর্ণ জলপথ, যা দুটি স্থলভাগের মধ্যে অবস্থান করে এবং দুটি বড় জলরাশিকে সংযুক্ত করে।
- লম্বক প্রণালী ইন্দোনেশিয়ার লম্বক ও বালি দ্বীপের মধ্যে অবস্থিত।
- এটি ভারত মহাসাগরকে জাভা সাগরের সঙ্গে সংযুক্ত করে।
- লম্বক প্রণালী ৬০ কিমি দীর্ঘ এবং এর সর্বোচ্চ গভীরতা ২৫০ মিটার (৮২০ ফুট)।



তথ্যসূত্র: ওয়ার্ল্ড এটলাস। 

৪,৬১৫.
২০০৯ সালে বিশ্বব্যাংক বৈশ্বিক উষ্ণায়নের জন্য কয়টি ঝুঁকিপূর্ণ দিক চিহ্নিত করেছে?
  1. ৩ টি
  2. ৪ টি
  3. ৫ টি
  4. ৬ টি
সঠিক উত্তর:
৫ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ টি
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব:
- মানবসৃষ্ট নানা রকম কাজকর্ম যা পরিবেশের ক্ষতি করছে সেগুলোই বিশ্ব উষ্ণায়নের জন্য দায়ী।
- এই সমস্ত কার্যক্রম যেমন শিল্পায়ন, বনাঞ্চল উজাড়, পারমানবিক পরীক্ষা, কৃষির সম্প্রসারণ, যানবাহনের কালো ধোঁয়া, কাঠ-কয়লা পোড়ানো ইত্যাদি দ্বারা নির্গত কার্বন ডাই-অক্সাইড, মিথেন, নাইট্রাস গ্যাসই বিশ্ব উষ্ণায়নের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে ঝুঁকিপূর্ণ দেশসমূহের মধ্যে শীর্ষে অবস্থান করছে বাংলাদেশ।
- জাতিসংঘ তার সতর্কীকরণে বলেছে পরবর্তী ৫০ বছরে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা ৩ ফুট বাড়লে বাংলাদেশের সমুদ্র উপকূলবর্তী একটি অংশ প্লাবিত হবে এবং দেশের প্রায় ১৭ শতাংশ ভূমি পানির নিচে চলে যাবে।
- আনুমানিক ৩ কোটি মানুষ তাদের ঘরবাড়ি, ফসলি জমি হারিয়ে উদ্বাস্তুতে পরিণত হবে।
- ইন্টারগভার্মেন্টাল প্যানেল অন ক্লাইমেন্ট চেঞ্জ (আইপিসিসি) এর তথ্যানুযায়ী, ২০৩০ সালের পর এদেশের নদীর প্রবাহ অনেক কমে যাবে।
- ২০০৯ সালে বিশ্বব্যাংক বৈশ্বিক উষ্ণায়নের জন্য ৫টি ঝুঁকিপূর্ণ দিক চিহ্নিত করেছে। যথা- বন্যা, ঝড়, মরুকরণ, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি এবং কৃষিক্ষেত্রে অধিকতর অনিশ্চয়তা।
- এগুলোর প্রতিটিতে শীর্ষ ঝুঁকিপূর্ণ ১২টি দেশের তালিকা তৈরি হয়েছে। সেই তালিকায় ৫টি ঝুঁকিপূর্ণ ভাগের একটিতে শীর্ষ ঝুঁকিপূর্ণসহ ৩টিতে বাংলাদেশের নাম রয়েছে। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৬১৬.
দেশের প্রথম সাফারি পার্ক 'ডুলা হাজরা' কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. রংপুর
  2. বরিশাল
  3. কক্সবাজার
  4. সিলেট
সঠিক উত্তর:
কক্সবাজার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কক্সবাজার
ব্যাখ্যা

ডুলাহাজারা সাফারি পার্ক 
- দেশের প্রথম সাফারি পার্ক কক্সবাজার জেলার চকরিয়া উপজেলাতে অবস্থিত ডুলাহাজারা সাফারি পার্ক ।
- এটি ১৯৮০-৮১ সালে হরিণ প্রজনন কেন্দ্র হিসেবে চালু হয়েছিল।
- বর্তমানে এটি জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের জন্য নানা জীবজন্তুর নির্ভয় আবাসস্থল।
-  এর আয়তন ৯০০ হেক্টর। 
- ডুলাহাজারা সাফারি পার্ক মূলত হরিণ প্রজনন কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হলে ও এখানে বাঘ, সিংহ, হাতি, ভালুক, গয়াল, কুমির, জলহস্তি, মায়াহরিণ, সম্বরহরিণ, চিত্রাহরিণ, প্যারা হরিণ প্রভৃতি প্রাণীও রয়েছে। এই পার্কে স্বাদু পানির কুমির যেমন আছে , তেমনি আছে লোনা পানির কুমির।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৪,৬১৭.
সবচেয়ে বেশি নদী প্রবাহিত জেলার নাম- 
  1. চাঁদপুর
  2. সিলেট
  3. সুনামগঞ্জ
  4. চট্টগ্রাম
সঠিক উত্তর:
সুনামগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুনামগঞ্জ
ব্যাখ্যা

• সবচেয়ে বেশি নদী প্রবাহিত জেলার নাম - সুনামগঞ্জ।
- নদীর সংখ্যা - ৯৭টি।

• সবচেয়ে বেশি জেলা দিয়ে প্রবাহিত নদীর নাম - পদ্মা।
- জেলার সংখ্যা - ১২টি।

• সবচেয়ে বেশি উপজেলা দিয়ে প্রবাহিত নদীর নাম - মেঘনা।
- উপজেলার সংখ্যা - ৩৬টি।

• সবচেয়ে বেশি নদী প্রবাহিত বিভাগের নাম - ঢাকা।
- নদীর সংখ্যা - ২২২টি।

উৎস:  বাংলাদেশ নদী গবেষণা ইনস্টিটিউট।

৪,৬১৮.
কোন উপাদানটি ভূত্বকে সবচেয়ে বেশি পরিমাণে পাওয়া যায়?
  1. ক) নাইট্রোজেন
  2. খ) সিলিকন
  3. গ) অ্যালুমিনিয়াম
  4. ঘ) অক্সিজেন
সঠিক উত্তর:
ঘ) অক্সিজেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) অক্সিজেন
ব্যাখ্যা

- ভূপৃষ্ঠে শিলার যে কঠিন বহিরাবরণ দেখা যায় তাই ভূত্বক।
- ভূত্বকের পুরুত্ব খুবই কম।
- ভূত্বকের প্রধান উপাদান বা সবচেয়ে বেশি পরিমাণে পাওয়া যায় অক্সিজেন।
- ভূত্বকে অক্সিজেনের পরিমাণ- ৪২.৭%,
- সিলিকনের পরিমাণ- ২৭.৭%,
- অ্যালুমিনিয়ামের পরিমাণ- ৮.১%,
- লোহা বা আয়রনের পরিমাণ- ৫.১%,
- ক্যালসিয়ামের পরিমাণ- ৩.৭%
- সোডিয়ামের পরিমাণ- ২.৮%,
- পটাসিয়ামের পরিমাণ- ২.৬% এবং
- ম্যাগনেসিয়ামের পরিমাণ- ২.১%।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

৪,৬১৯.
বর্তমানে ইপিআই কর্মসূচির আওতায় কয়টি রোগ প্রতিরোধের টিকা প্রদান করা হচ্ছে?
  1. ক) ১২টি
  2. খ) ১০টি
  3. গ) ৯টি
  4. ঘ) ৮টি
সঠিক উত্তর:
খ) ১০টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১০টি
ব্যাখ্যা
- বর্তমানে ইপিআই (সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসুচি) কর্মসূচির আওতায় ১০টি রোগ প্রতিরোধের টিকা প্রদান করা হচ্ছে
- ডিপথেরিয়া, হুপিংকাশি, ধনুষ্টংকার, পোলিও, যক্ষ্মা, হেপাটাইটিস-বি, হিমোফিলাস ইনফ্লুয়েঞ্জা-বি, নিউমোকক্কাল নিউমোনিয়া, হাম ও রুবেলা রোগ প্রতিরোধের টিকা প্রদান করা হচ্ছে।
- বর্তমানে সারা দেশে সকল প্রকার টিকা গ্রহণকারী শিশুদের হার ৯৭.২ শতাংশ।

উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ ডাইনামিক প্যানেল।
;
৪,৬২০.
প্রশান্ত মহাসাগরের আকৃতি কোনটির সঙ্গে তুলনীয়? 
  1. বর্গাকার
  2. ত্রিভুজাকার
  3. গোলাকার
  4. আয়তাকার 
সঠিক উত্তর:
ত্রিভুজাকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ত্রিভুজাকার
ব্যাখ্যা

প্রশান্ত মহাসাগর:
- প্রশান্ত মহাসাগর পৃথিবীর বৃহত্তম, গভীরতম ও প্রশস্ততম মহাসাগর, যার আয়তন প্রায় ৬৩ মিলিয়ন বর্গমাইল এবং
- আকৃতিতে এটি বৃহদাকার ত্রিভুজ এর মতো দেখতে।
- এ মহাসাগরটি এশিয়া, অস্ট্রেলিয়া এবং উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশের মধ্যে অবস্থিত।
- প্রশান্ত মহাসাগরের গড় গভীরতা ( সংলগ্ন সমুদ্র ব্যতীত) ১৪,০৪০ ফুট (৪,২৮০ মিটার)।
- উত্তর গোলার্ধে প্রশান্ত মহাসাগর বেরিং সাগরের মাধ্যমে আর্কটিক মহাসাগরের সঙ্গে সংযুক্ত হয়।
- অপরদিকে, দক্ষিণ গোলার্ধে প্রশান্ত মহাসাগর আটলান্টিক মহাসাগরের সঙ্গে একটি তুলনামূলকভাবে সংকীর্ণ অঞ্চলে মিলিত হয়।

- প্রশান্ত মহাসাগরের তথা পৃথিবীর গভীরতম স্থান মারিয়ানা ট্রেঞ্চ, যার গভীরতা প্রায় ১১,০৩৪ মিটার।
- মারিয়ানা ট্রেঞ্চের গভীরতম বিন্দু হচ্ছে Challenger Deep.
- পাশাপাশি এই মহাসাগরেই অবস্থিত বিশ্বের বৃহত্তম প্রবালপ্রাচীর গ্রেট ব্যারিয়ার রিফ।
- এটি অস্ট্রেলিয়ার উত্তর-পূর্ব উপকূল জুড়ে অবস্থিত।  

উৎস: ব্রিটানিকা। 

৪,৬২১.
কোন আন্তর্জাতিক নদী থেকে বাংলাদেশ প্রতি সেকেন্ডে ১৫৩ কিউসেক পানি উত্তোলন করবে?
  1. ক) সুরমা
  2. খ) তিস্তা
  3. গ) ফেনী
  4. ঘ) কুশিয়ারা
সঠিক উত্তর:
ঘ) কুশিয়ারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) কুশিয়ারা
ব্যাখ্যা
- গত ৫ সেপ্টেম্বর ২০২২ সালে, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার সাতটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর হয়। 
- বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এই সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করে। 
- যে সাতটি সমঝোতা চুক্তি মঙ্গলবার সই হয়েছে তার মধ্যে প্রথমটিই ছিল কুশিয়ারা নদীর পানি বণ্টন সম্পর্কিত।
- এর আওতায় বাংলাদেশ সিলেটে কুশিয়ারা নদীর রহিমপুর খাল পয়েন্টে প্রতি সেকেন্ডে ১৫৩ কিউসেক পানি উত্তোলন করবে।
 
উৎস: বিবিসি  
৪,৬২২.
মানুষের শ্রবণ যন্ত্রের স্বাভাবিক ধারণ ক্ষমতা কত?
  1. ১-৭৫ ডেসিবল
  2. ৭৫-১০০ ডেসিবল
  3. ১০০-১৩০ ডেসিবল
  4. ১৩০-১৫০ ডেসিবল
সঠিক উত্তর:
১-৭৫ ডেসিবল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১-৭৫ ডেসিবল
ব্যাখ্যা
• শব্দ দূষণ (Sound Pollution):
- শব্দ দূষণ অনুযায়ী আমাদের শ্রবণযন্ত্রের স্বাভাবিক ধারণ ক্ষমতা ১-৭৫ ডেসিবল এর মধ্যে সীমাবদ্ধ। উক্ত মাত্রার উপরের শব্দ মানুষের জন্য ক্ষতিকর।
- সুতরাং আমরা বলতে পারি যে, মানুষের স্বাভাবিক শ্রবণ ক্ষমতায় ঊর্ধ্বে সৃষ্ট যে কোনো শব্দ যা স্বাভাবিক জীবনযাত্রায় ব্যাঘাত ঘটায় তাই হলো শব্দ দূষণ।

  তথ্যসূত্র: ভূগোল (প্রথম পত্র), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৬২৩.
সাহার মরুভূমি নিচের কোন দেশের অংশ নয়?
  1. মিশর
  2. আলজেরিয়া
  3. গ্যাবন
  4. মালি
সঠিক উত্তর:
গ্যাবন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্যাবন
ব্যাখ্যা
সাহারা মরুভূমি:
- বিশ্বের বৃহত্তম উষ্ণ মরুভূমি।
- আয়তন: প্রায় ৯,২০০,০০০ বর্গ কিলোমিটার।
- আফ্রিকায় অবস্থান: সাহারা উত্তর আফ্রিকার ১১টি দেশে বিস্তৃত,
- যা সমগ্র আফ্রিকা মহাদেশের প্রায় ৩১% জুড়ে রয়েছে। 
- উত্তরে: ভূমধ্যসাগর ও অ্যাটলাস পর্বতমালা। 
- পূর্বে: লোহিত সাগর। 
- পশ্চিমে: আটলান্টিক মহাসাগর। 
- দক্ষিণে: সাহেল অঞ্চল। 
- সাহারা মরুভূমির বিস্তৃত: আলজেরিয়া, মিশর, মালি, মরক্কো, পশ্চিম সাহারা, তিউনিসিয়া, চাদ, লিবিয়া, মৌরিতানিয়া, নাইজার এবং সুদান।
- গ্যাবন সহারা মরুভূমির অন্তর্ভুক্ত নয়। 

উৎস: ওয়ার্ল্ড এটলাস। 
৪,৬২৪.
সিকিমের পাবর্ত্য অঞ্চল থেকে কোন নদীর উৎপত্তি হয়েছে?
  1. যমুনা নদী
  2. তিস্তা নদী
  3. কর্ণফুলী নদী
  4. মহানন্দা নদী
সঠিক উত্তর:
তিস্তা নদী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিস্তা নদী
ব্যাখ্যা
তিস্তা (Teesta):
- ভারতের সিকিমের পাবর্ত্য অঞ্চলে তিস্তা নদী উৎপত্তি হয়েছে।
- এরপর অগ্রসর হয়ে পশ্চিমবঙ্গের জলপাইগুড়ি ও দার্জিলিং জেলার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে বাংলাদেশের নীলফামারী জেলার ডিমলা দিয়ে প্রবেশ করেছে।
- তিস্তা নদীর বর্তমান দৈর্ঘ্য প্রায় ১৭৭ কিলেমিটার এবং চওড়া ৩০০ থেকে ৫৫০ মিটার।
- এ নদীতে তিস্তা ব্যারেজ নির্মাণ করা হয়েছে।
- যা এ অঞ্চলের কৃষি উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

⇒ বিভিন্ন নদীর উৎপত্তিস্থল:
- পদ্মা নদীর উৎপত্তিস্থল: গঙ্গা নামে হিমালয় পর্বতের গাঙ্গোত্রী হিমবাহ।
- মেঘনা নদীর উৎপত্তিস্থল: আসামের লুসাই পাহাড়।
- যমুনা নদীর উৎপত্তিস্থল: ব্ৰহ্মপুত্ৰ নামে কৈলাশ শৃঙ্গের মানস সরোবর হ্রদ।
- কর্ণফুলী নদীর উৎপত্তিস্থল: মিজোরামের লুসাই পাহাড়।
- করতোয়া নদীর উৎপত্তিস্থল: সিকিমের পার্বত্য অঞ্চল।
- সাঙ্গু নদীর উৎপত্তিস্থল: মিয়ানমার-বাংলাদেশ সীমানার আরাকান পাহাড়।
- হালদা নদীর উৎপত্তিস্থল: খাগড়াছড়ির বাদানাতলী পর্বতশৃঙ্গ।
- মহানন্দা নদীর উৎপত্তিস্থল: মহালড্রীম, দার্জিলিং।

উৎস: i) ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৬২৫.
টারশিয়ারি যুগের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়গুলোর গড় উচ্চতা কত?
  1. ৫৫০ মিটার
  2. ৫৭০ মিটার
  3. ৬১০ মিটার
  4. ৬৫০ মিটার
সঠিক উত্তর:
৬১০ মিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬১০ মিটার
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের ভূ-প্রকৃতি :
- ভূ-প্রকৃতির ভিন্নতার উপর ভিত্তি করে বাংলাদেশের ভূ-প্রকৃতিকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১। টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ;
২। প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ এবং
৩। সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি।

• টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ:
- টারশিয়ারি যুগে হিমালয় পর্বত উত্থিত হওয়ার সময় যে সকল পর্বতের সৃষ্টি হয়েছে সেগুলো টারশিয়ারি যুগের পাহাড় নামে পরিচিত।
- আজ থেকে প্রায় ২০ লক্ষ বছর পূর্বের সময়কে টারশিয়ারি যুগ বলা হয়।
- টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ বেলেপাথর, শেল ও কর্দম দ্বারা গঠিত।
- টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহকে দুইভাগে ভাগ করা হয়েছে। যথা-

• ক. দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ:
- রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি এবং কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম জেলার পূর্বাংশ এ অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত।
- দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের এ পাহাড়গুলোর গড় উচ্চতা ৬১০ মিটার।
- এ অঞ্চলের পাহাড়সমূহ কৃষিকাজের জন্য উপযোগী নয়।
- তবে স্থানীয় অধিবাসীগণ সীমিত পরিসরে জুম পদ্ধতিতে চাষাবাদ করে থাকেন।

• খ. উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ:
- ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনা জেলার উত্তরাংশ, সিলেট জেলার উত্তর ও উত্তর- পূর্বাংশ এবং মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ জেলার দক্ষিণের পাহাড়গুলো এ অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত।
- এখানকার পাহাড়গুলোর গড় উচ্চতা ২৪৪ মিটারের বেশি নয়।
- উত্তরের পাহাড়গুলো স্থানীয়ভাবে টিলা নামে পরিচিত। এগুলোর উচ্চতা ৩০ থেকে ৯০ মিটার।
- এ পার্বত্য অঞ্চলে অধিক বৃষ্টিপাত হওয়ায় পাহাড়ের ঢালে প্রচুর চা উৎপন্ন হয়।

 উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,৬২৬.
প্রবাহমান দুটি নদীর মধ্যবর্তী ভূমিকে কী বলা হয়?
  1. মোহনা
  2. অববাহিকা
  3. দোয়াব
  4. উপত্যকা
সঠিক উত্তর:
দোয়াব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দোয়াব
ব্যাখ্যা
• নদী সম্পর্কিত গুরত্বপূর্ণ তথ্যাবলি:
→ উৎস:
নদীর উৎপত্তিস্থলকে নদীর উৎস বলে ।

→ মোহনা:
নদী উৎপত্তি লাভ করে সাগর বা হ্রদের সাথে যে স্থানে মিলিত হয়, সেই মিলিত স্থানকে নদীর মোহনা বলে ।

→ দোয়াব অঞ্চল:
দুটি নদীর মধ্যবর্তী অঞ্চলকে দোয়াব বলে ।


→ নদী উপত্যকা:
যে উপত্যকার মধ্য দিয়ে নদী প্রবাহিত হয় তাকে নদীর উপত্যকা বলা হয়।

→ নদীসঙ্গম:
পার্বত্য অঞ্চলে প্রাথমিক অবস্থায় ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র নদীগুলো নিজ নিজ পথে প্রবাহিত হয়। এক সময় ঐ নদীগুলো একটি অপরটির সাথে মিলিত হয়। ফলে মিলিত স্রোতধারা ক্রমশ অধিকতর বড় হয়। এভাবে দুই বা ততোধিক নদীর মিলন স্থলকে নদীসঙ্গম বলে।

→ নদী অববাহিকা:
মূল নদী, বিভিন্ন শাখানদী ও উপনদী প্রভৃতির মধ্য দিয়ে যে সকল স্থানের বা অঞ্চলের পানিরাশি প্রবাহিত হয় তখন এ অঞ্চলকে ঐ নদীর অববাহিকা বলে। যেমন- পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশে সিন্ধু নদের অববাহিকা।

অন্যদিকে,
→ উপনদী:
বিভিন্ন উৎস হতে যখন ছোট ছোট নদী উৎপত্তি লাভ করে কোনো বড় নদীতে মিলিত হয় তখন এ ছোট নদীগুলোকে সে বড় নদীর উপনদী বলে। যেমন- যমুনার উপনদী করতোয়া, তিস্তা এবং মেঘনার উপনদী সুরমা ও কুশিয়ারা।

→ শাখানদী:
কখনো কখনো বড় কোনো নদী হতে স্রোতধারা বের হয়ে অন্য কোনো নদী, সাগর, হ্রদ বা পুনরায় মূল নদীর সাথে মিলিত হয়। এরূপ মূল নদী হতে যে সকল নদী বের হয় তাকে শাখানদী বলে। যেমন- ইছামতি, গড়াই, আড়িয়াল খাঁ প্রভৃতি পদ্মার শাখানদী ।

তথ্যসূত্র: ভূগোল (প্রথম পত্র), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৬২৭.
কোন গ্রহের একটি উপগ্রহ রয়েছে?
  1. ক) মঙ্গল
  2. খ) বুধ
  3. গ) পৃথিবী
  4. ঘ) শুক্র
সঠিক উত্তর:
গ) পৃথিবী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) পৃথিবী
ব্যাখ্যা
- সৌরজগতের গ্রহ ৮টি।
- বুধ ও শুক্রের কোন উপগ্রহ নেই।
- পৃথিবীর উপগ্রহ ১টি (চাঁদ)
- মঙ্গলের উপগ্রহ দুইটি (ফোবস ও ডিমোস)।
- সবচেয়ে বেশি উপগ্রহ শনির।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ উপগ্রহ বৃহস্পতির।
- ইউরেনাসকে সবুজগ্রহ,
- বুধকে ক্ষুদ্রগ্রহ,
- মঙ্গলকে লালগ্রহ,
- বৃহস্পতিকে গ্রহরাজ বলে।

উৎসঃ ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৪,৬২৮.
বাদনাতলী পর্বত শৃঙ্গে উৎপন্ন হয়েছে কোন নদী?
  1. কর্ণফুলী
  2. মাতামুহুরী
  3. সাংগু
  4. হালদা
সঠিক উত্তর:
হালদা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হালদা
ব্যাখ্যা
পাহাড়ি নদী ব্যবস্থা:
 হালদা:
- হালদা নদী পার্বত্য খাগড়াছড়ি জেলার বাদনা তলী পর্বতশৃঙ্গে উৎপন্ন হয়েছে এবং ফকিটছড়ি থানার উত্তর পূর্ব কোন দিয়ে চট্টগ্রাম জেলায় প্রবেশ করেছে।
 - এ নদী চট্টগ্রামের কালুর ঘাটের কাছে কর্ণফুলী নদীতে পড়েছে।

মাতামুহুরী:
- পার্বত্য বান্দরবন জেলার মইনভার পর্বতে এই নদীর উৎপত্তি।
- উৎপত্তি স্থল থেকে প্রবাহিত হয়ে পশ্চিম দিকে এসে মহেশখালী ঘাটের সাথে মিশেছে।
- এর দৈর্ঘ্য প্রায় ১২০ কিমি।

কর্ণফুলী:
- পাহাড়ি নদী হিসেবে কর্ণফুলী নদী বিখ্যাত।
- লুসাই পাহাড়ের লংলেহ নামক স্থানে এ নদীর উৎপত্তি।এ নদী খুবই খরস্রোতা। 
- নদীর গতিবেগ উপত্যকার ঢালের সমানুপাতিক।
- এই নদী ভারত বাংলাদেশের প্রায় ৫ কিমি সীমা নির্দেশ করে।
- এ নদী সীমান্ত থেকে প্রবেশ করে রাঙামাটির সমভূমিতে প্রবাহিত হয় এবং পরে কাপ্তাই হ্রদে মিশে।
- কাপ্তাই হ্রদের দক্ষিণ পশ্চিম দিক থেকে বেরিয়ে পতেঙ্গার কাছে বঙ্গোপসাগরে পড়েছে।

 সাংগু:
- বান্দরবানের দক্ষিণে মউডাক পর্বতমালায় এ নদীর উৎপত্তি এ নদী এঁকেবেঁকে উত্তর পশ্চিম দিকে প্রবাহিত হচ্ছে।
- এর দৈর্ঘ্য প্রায় ২৪৪ কিমি। কর্ণফুলী নদীর মোহনা থেকে কয়েক কিমি দক্ষিণে সাংগু নদী বঙ্গোপসাগরে পড়েছে।
- এ নদীর উঁচু পাহাড়ি অংশে ছোট ছোট জলপ্রপাত ও নদীপ্রপাত দেখা যায়।


উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ পরিচিতি, বি.এ/বি.এস.এস. প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৬২৯.
প্রবল জোয়ারের কারণ, এ সময়-
  1. ক) সূর্য ও চন্দ্র পৃথিবীর সঙ্গে সমকোণ করে থাকে
  2. খ) চন্দ্র পৃথিবীর সবচেয়ে কাছে থাকে
  3. গ) পৃথিবীর সূর্যর সবচেয়ে কাছে থাকে
  4. ঘ) সূর্য, চন্দ্র ও পৃথিবী এক সরল রেখায় থাকে
সঠিক উত্তর:
ঘ) সূর্য, চন্দ্র ও পৃথিবী এক সরল রেখায় থাকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সূর্য, চন্দ্র ও পৃথিবী এক সরল রেখায় থাকে
ব্যাখ্যা
প্রধানত দুটি কারণে জোয়ার-ভাটা সৃষ্টি হয়৷ এগুলো হলো-
১. চাঁদ ও সূর্যের মহাকর্ষ শক্তির প্রভাব এবং
২. পৃথিবীর আবর্তনের ফলে উৎপন্ন কেন্দ্রাতিগ শক্তি৷

সূর্যের আকর্ষণে জোয়ার তত জোরালো হয় না।
তবে চাঁদ ও সূর্য একই সরলরেখায় থাকলে উভয়ের আকর্ষণে জোয়ার অত্যন্ত প্রবল হয়।
অমাবস্যা এবং পূর্ণিমা তিথিতে অধিকমাত্রায় জোয়ারের ফলে নৌকা, লঞ্চ ডুবে যায় এবং জানমালের ক্ষতি হয়।

উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণির ভূগোল বোর্ড বই
৪,৬৩০.
জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় কোন সমস্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে?
  1. বৃষ্টিপাত কমে যাচ্ছে
  2. বাতাসের আর্দ্রতা কমে যাচ্ছে
  3. মাটির লবণাক্ততা বৃদ্ধি পাচ্ছে
  4. হিমবাহ গলার কারণে পাহাড় ধস হচ্ছে
সঠিক উত্তর:
মাটির লবণাক্ততা বৃদ্ধি পাচ্ছে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাটির লবণাক্ততা বৃদ্ধি পাচ্ছে
ব্যাখ্যা
জলবায়ু পরিবর্তন ও উপকূলীয় এলাকায় প্রভাব:
- জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাচ্ছে, যার ফলে সমুদ্রের উচ্চতা বাড়ছে।
- এর ফলে উপকূলীয় এলাকাগুলোর ওপর ব্যাপক প্রভাব পড়ছে।
- বিশেষ করে, সমুদ্রের উচ্চতা বৃদ্ধির কারণে উপকূলীয় অঞ্চলে সামুদ্রিক জলোচ্ছ্বাসের ঘটনা বেড়ে যাচ্ছে।
- যখন সমুদ্রের পানি উপকূলের দিকে চলে আসে, তখন এটি মাটির লবণাক্ততা বৃদ্ধি করে, যা কৃষিজমি এবং অন্যান্য ভূমির জন্য ক্ষতিকর।
- এই লবণাক্ততা কৃষির উৎপাদনশীলতা কমিয়ে দেয় এবং জমির উর্বরা শক্তি নষ্ট করে।
- এছাড়া, ঘূর্ণিঝড় এবং অতিরিক্ত বৃষ্টির কারণে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব আরও বাড়ছে, যার ফলে মাটির লবণাক্ততা বৃদ্ধি পাচ্ছে, বিশেষ করে উপকূলীয় এলাকায়।

অর্থাৎ জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় মাটির লবণাক্ততা বৃদ্ধি পাচ্ছে।

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো নিউজ। [লিঙ্ক]
৪,৬৩১.
যে ধরনের বন্যার বিস্তৃতি ব্যাপক-
  1. ক) আকস্মিক বন্যা
  2. খ) মৌসুমি বন্যা
  3. গ) জোয়ার-ভাটাজনিত বন্যা
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
খ) মৌসুমি বন্যা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) মৌসুমি বন্যা
ব্যাখ্যা
মৌসুমী বন্যার বিস্তৃতি ব্যাপক। এই বন্যায় ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণও বেশি। উৎসঃ ভূগোল, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই
৪,৬৩২.
পৃথিবীর কোন দেশে খুব বেশি ভূমিকম্প অনুভূত হয়?
  1. ক) নেপাল
  2. খ) ভারত
  3. গ) জাপান
  4. ঘ) চীন
সঠিক উত্তর:
গ) জাপান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) জাপান
ব্যাখ্যা
বিশ্বের সবচেয়ে ভূমিকম্প প্রবণ দেশের তালিকা:-
১। জাপান
২। ইন্দোনেশিয়া
৩। চীন
৪। ফিলিপাইন
৫। ইরান

তথ্যসূত্র: ওয়ার্ল্ড এটলাস।
৪,৬৩৩.
ভূত্বকে সিলিকনের পরিমাণ-
  1. ক) ২০.৭%
  2. খ) ৪২.৭%
  3. গ) ১৬.৮%
  4. ঘ) ২৭.৭%
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২৭.৭%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২৭.৭%
ব্যাখ্যা
- ভূপৃষ্ঠে শিলার যে কঠিন বহিরাবরণ দেখা যায় তাই ভূত্বক।
- ভূত্বকের পুরুত্ব খুবই কম।
- ভূত্বকের প্রধান উপাদান বা সবচেয়ে বেশি পরিমাণে পাওয়া যায় অক্সিজেন।
- ভূত্বকে অক্সিজেনের পরিমাণ ৪২.৭%,
- সিলিকনের পরিমাণ ২৭.৭%,
- অ্যালুমিনিয়ামের পরিমাণ ৮.১%,
- লোহা বা আয়রনের পরিমাণ ৫.১%,
- ক্যালসিয়ামের পরিমাণ ৩.৭%
- সোডিয়ামের পরিমাণ ২.৮%,
- পটাসিয়ামের পরিমাণ ২.৬% এবং
- ম্যাগনেসিয়ামের পরিমাণ ২.১%।

উৎসঃ ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৪,৬৩৪.
বাংলাদেশে সমুদ্র বন্দরগুলোর জন্য সাধারণত কয় ধরনের সতর্ক সংকেত প্রচার করা হয়?
  1. ক) ৩
  2. খ) ৫
  3. গ) ৪
  4. ঘ) ১০
সঠিক উত্তর:
গ) ৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৪
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ব্যুরোর প্রকাশিত “ঘূর্ণিঝড় ও আবহাওয়ার সতর্ক সঙ্কেত ও গণদুর্যোগ বার্তা” অনুসারে,
সমুদ্র বন্দর ও উপকূল অঞ্চলের জন্য ঘূর্ণিঝড়ের সঙ্কেত মোট - ১০টি।
তার মধ্যে,
- সতর্ক সঙ্কেত - চারটি (১ - ৪)।
- বিপদ সঙ্কেত - ৩টি (৫ - ৭)
- মহাবিপদ সঙ্কেত - ৩টি (৮ - ১০)

তবে, আবহাওয়ার বিপদ সংকেত প্রদানকারী কর্তৃপক্ষের সাথে সকল যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়লে আরেকটি সঙ্কেত প্রচার করে থাকে যা মূলত স্থানীয় কর্তৃপক্ষের জন্য। এটি ১১ নং মহাবিপদ সংকেত হিসাবে বিবেচিত। তবে সর্বসাধারণের জন্য প্রচারিত ঘূর্ণিঝড়ের সংকেত - ১০টি।

--------

নিম্নে ১০টি সংকেতের অর্থ দেওয়া হলঃ

সতর্ক সংকেত:
১ নং দূরবর্তী সতর্ক সংকেতঃ
জাহাজ ছেড়ে যাওয়ার পর দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার সম্মুখীন হতে পারে। দূরবর্তী এলাকায় একটি ঝড়ো হাওয়ার অঞ্চল রয়েছে। এ সময় বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ৬১ কিলোমিটার (কি.মি.)। ফলে সামুদ্রিক ঝড়ের সৃষ্টি হবে।

২ নং দূরবর্তী হুঁশিয়ারি সংকেতঃ
দূরে গভীর সাগরে একটি ঝড় সৃষ্টি হয়েছে। সেখানে বাতাসের একটানা গতিবেগ ঘণ্টায় ৬২-৮৮ কিলোমিটার। বন্দর এখনই ঝড়ে কবলিত হবে না, তবে বন্দর ত্যাগকারী জাহাজ পথে বিপদে পড়তে পারে।

৩ নং স্থানীয় সতর্ক সংকেতঃ
বন্দর ও বন্দরে নোঙর করা জাহাজগুলোর দুর্যোগ কবলিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। বন্দরে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে এবং ঘূর্ণি বাতাসের একটানা গতিবেগ ঘণ্টায় ৪০-৫০ কি.মি. হতে পারে।

৪ নং স্থানীয় হুঁশিয়ারি সংকেতঃ
বন্দর ঘূর্ণিঝড় কবলিত। বাতাসের সম্ভাব্য গতিবেগ ঘণ্টায় ৫১-৬১ কি.মি.। তবে ঘূর্ণিঝড়ের চূড়ান্ত প্রস্তুতি নেয়ার মতো তেমন বিপজ্জনক সময় এখনও আসেনি।

বিপদ সংকেত:
৫ নং বিপদ সংকেতঃ
বন্দর ছোট বা মাঝারি তীব্রতর এক সামুদ্রিক ঝড়ের কবলে পড়বে। ঝড়ে বাতাসের সর্বোচ্চ একটানা গতিবেগ ঘণ্টায় ৬২-৮৮ কি.মি.। ঝড়টি বন্দরকে বাম দিকে রেখে উপকূল অতিক্রম করতে পারে।

৬ নং বিপদ সংকেত:
বন্দর ছোট বা মাঝারি তীব্রতর এক সামুদ্রিক ঝড়ের কবলে পড়বে। ঝড়ে বাতাসের সর্বোচ্চ একটানা গতিবেগ ঘণ্টায় ৬২-৮৮ কি.মি.। ঝড়টি বন্দরকে ডান দিকে রেখে উপকূল অতিক্রম করতে পারে।

৭ নং বিপদ সংকেতঃ
বন্দর ছোট বা মাঝারি তীব্রতর এক সামুদ্রিক ঘূর্ণিঝড়ের কবলে পড়বে। ঝড়ে বাতাসের সর্বোচ্চ একটানা গতিবেগ ঘণ্টায় ৬২-৮৮ কি.মি.। ঝড়টি বন্দরের উপর বা এর নিকট দিয়ে উপকূল অতিক্রম করতে পারে।

মহাবিপদ সংকেত:
৮ নং মহাবিপদ সংকেতঃ
বন্দর প্রচণ্ড বা সর্বোচ্চ তীব্রতর ঘূর্ণিঝড়ের কবলে পড়তে পারে। ঝড়ে বাতাসের সর্বোচ্চ একটানা গতিবেগ ঘণ্টায় ৮৯ কি.মি. বা এর বেশি হতে পারে। প্রচণ্ড ঝড়টি বন্দরকে বাম দিকে রেখে উপকূল অতিক্রম করবে।

৯ নং মহাবিপদ সংকেতঃ
বন্দর প্রচণ্ড বা সর্বোচ্চ তীব্রতর এক সামুদ্রিক ঘূর্ণিঝড়ের কবলে পড়বে। ঝড়ে বাতাসের সর্বোচ্চ একটানা গতিবেগ ঘণ্টায় ৮৯ কি.মি. বা এর বেশি হতে পারে। প্রচণ্ড ঝড়টি বন্দরকে ডান দিকে রেখে উপকূল অতিক্রম করবে।

১০ নং মহাবিপদ সংকেতঃ
বন্দর প্রচণ্ড বা সর্বোচ্চ তীব্রতর এক সামুদ্রিক ঘূর্ণিঝড়ের কবলে পড়বে। ঝড়ে বাতাসের সর্বোচ্চ একটানা গতিবেগ ঘণ্টায় ৮৯ কি.মি.বা তার বেশি হতে পারে।

উৎসঃ বাংলাদেশ দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ব্যুরো, ঘূর্নিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচী (সিপিপি) ওয়েবসাইট ও বিবিসি বাংলা প্রতিবেদন।
৪,৬৩৫.
বাংলাদেশের কোন অঞ্চলের পাহাড়গুলো স্থানীয় ভাবে টিলা নামে পরিচিত?
  1. ক) উত্তর
  2. খ) দক্ষিণ
  3. গ) পূর্ব
  4. ঘ) পশ্চিম
সঠিক উত্তর:
ক) উত্তর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) উত্তর
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের পাহাড়গুলো স্থানীয় ভাবে টিলা নামে পরিচিত।

টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ: বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব, উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ এ অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত। 
পাহাড়গুলাে আসামের লুসাই এবং মিয়ানমারের আরাকান পাহাড়ের সমগােত্রীয়। এ পাহাড়গুলাে বেলেপাথর, শেল ও কর্দম দ্বারা গঠিত। এ অঞ্চলের পাহাড়গুলােকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে।
যথা-
(ক) দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ ও
(খ) উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ।

(ক) দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ: রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম জেলার পূর্বাংশ এ অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত।
- দক্ষিণ-পূর্বের এ পাহাড়গুলাের গড় উচ্চতা ৬১০ মিটার।
- বান্দরবানের একটি শৃঙ্গের নাম তাজিনডং (বিজয়), যার উচ্চতা ১.২৮০ মিটার। এটিই বাংলাদেশের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ।।

(খ) উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ : ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনা জেলার উত্তরাংশ, সিলেট জেলার ৫ উত্তর ও উত্তর-পূর্বাংশ এবং মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ জেলার দক্ষিণের পাহাড়গুলাের গড় উচ্চতা ২৪৪ মিটারের বেশি নয়।
- উত্তরের পাহাড়গুলাে স্থানীয়ভাবে টিলা নামে পরিচিত।
- এগুলাের উচ্চতা ৩০ থেকে ৯০ মিটার।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি। 
৪,৬৩৬.
সমুদ্রস্রোত সৃষ্টিতে প্রভাব বিস্তার করেনা কোনটি?
  1. লবণাক্ততা
  2. পৃথিবীর আবর্তন
  3. সমুদ্রের গভীরতা
  4. সূর্যরশ্মি
সঠিক উত্তর:
সূর্যরশ্মি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সূর্যরশ্মি
ব্যাখ্যা
সমুদ্রস্রোত:
- শীতল বা উষ্ণ সমুদ্রস্রোতের প্রভাবে উপকূল সংলগ্ন এলাকার বায়ু ঠান্ডা বা উষ্ণ হয়।
- যেমন- উষ্ণ উপসাগরীয় স্রোতের প্রভাবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পূর্ব উপকূলবর্তী এলাকার উষ্ণতা বেড়ে যায়।
- অর্থাৎ সমুদ্রস্রোত বায়ুর তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রক হিসেবে কাজ করে।
- উদাহরণস্বরূপ বলা যায় উত্তর আমেরিকার উত্তর-পূর্ব উপকূলকে শীতল রাখে শীতল ল্যাব্রাডার স্রোত, এ কারণে শীতল ইউরোপীয় স্রোত ও উষ্ণ উপসাগরীয় স্রোতের প্রভাবে একই অক্ষাংশে অবস্থিত হওয়া সত্ত্বেও উত্তর আমেরিকার পূর্ব উপকূল ও পশ্চিম ইউরোপীয় উপকূলের তাপমাত্রার ব্যাপক পার্থক্য পরিলক্ষিত হয়।

⇒ সমুদ্রস্রোতের কারণ:
- বায়ুপ্রবাহ,
- পৃথিবীর আবর্তন,
- উষ্ণতার তারতম্য,
- লবণাক্ততার তারতম্য,
- স্থলভাগের অবস্থান,
- শৈলশিরার অবস্থান,
- বাষ্পীভবনের তারতম্য,
- সমুদ্রের গভীরতা।

উল্লেখ্য,
- সূর্যরশ্মি সমুদ্রস্রোত সৃষ্টিতে প্রভাব বিস্তার করেনা।

উৎস: ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৬৩৭.
কোন সময়কে প্লাইস্টোসিন কাল বলা হয়?
  1. ২৫,০০০ বছর পূর্বে
  2. ৩০,০০০ বছর পূর্বে
  3. ২৭,০০০ বছর পূর্বে
  4. ২৮,০০০ বছর পূর্বে
সঠিক উত্তর:
২৫,০০০ বছর পূর্বে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫,০০০ বছর পূর্বে
ব্যাখ্যা
• ভূপ্রকৃতির উপর ভিত্তি করে বাংলাদেশের ভূমিকে তিনটি প্রধান ভূ-অঞ্চলে বিভক্ত করা হয়েছে।
- টারশিয়ারি পাহাড় অঞ্চল,
-প্লাইসটোসিন উচ্চভূমি ,
- এবং প্লাবন সমভূমি ।

-  ২৫০০০ বছর পূর্বের সময়কে প্লাইস্টোসিন কাল বলে।

• প্লাইসটোসিন উচ্চভূমির অন্তর্গত ভূ-অঞ্চাল হল- লালমাই পাহাড়ি অঞ্চল, বরেন্দ্রভূমি, মধুপুর ভাওয়ালের গড়।

• টারশিয়ারি পাহাড় অঞ্চলের অন্তর্গত ভূ-অঞ্চল - উত্তর ও পূর্বাঞ্চলের পাহাড়ি অঞ্চল, দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চালের পাহাড় সমূহ।
- বাংলাদেশের মোট ভূমির প্রায় ১২% ভাগ নিয়ে টারশিয়ারি পাহাড় অঞ্চল নিয়ে গঠিত।
-  দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চালের পাহাড় সমূহ- রাঙ্গামাটি, বান্দরবন, কক্সবাজার,ও চট্টগ্রাম, জেলার পূর্বাংশ এ অঞ্চলের অন্তর্গত।
- উত্তর ও পূর্বাঞ্চলের পাহাড়ি অঞ্চল- ময়মনসিংহ ও নেত্রকোণা জেলার উত্তরাংশ, সিলেট জেলার উত্তর ও উত্তর- পূর্বাংশ এবং মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ জেলার পাহাড়গুলো নিয়ে এ অঞ্চল গঠিত।

• সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি :
- বাংলাদেশের প্রায় ৮০% ভূমি নদীবিধৌত এক বিস্তৃীর্ণ সমভূমি।
- সমতল ভূমির উপর দিয়ে অসংখ্য নদী প্রবাহিত হওয়ার কারণে এখানে বর্ষাকালে বন্যার সৃষ্টি হয়।
- বছরের পর বছর এভাবে বন্যার পানির সঙ্গে পরিবাহিত পলিমাটি সঞ্চিত হয়ে এ প্লাবন সমভূমি গঠিত হয়েছে।  
-সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমিকে কয়েকটি ভাগে ভাগ করা যায়-
- যেমন- দেশের উত্তর-পশ্চিমে অবস্থিত রংপুর ও দিনাজপুর জেলার অধিকাংশ স্বান, ঢাকা, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, জামালপুর, পাবনা ও রাজশাহী অঞ্চলের অংশবিশেষ।
- কুমিল্লা, নোয়াখালী, সিলেট, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ জেলার অধিকাংশ এলাকা।
-  ফরিদপুর, কুষ্টিয়া, যশোর, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী ও ঢাকা অঞ্চলের অংশবিশেষ নিয়ে ব-দ্বীপ সমভূমি গঠিত।


উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয়, নবম ও দশম শ্রেণি।
৪,৬৩৮.
নিচের কোনটি মানবসৃষ্ট দুর্যোগ?
  1. ভূমিকম্প
  2. যুদ্ধ-বিগ্রহ
  3. ঘূর্ণিঝড়
  4. নদীভাঙন
সঠিক উত্তর:
যুদ্ধ-বিগ্রহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুদ্ধ-বিগ্রহ
ব্যাখ্যা
• দুর্যোগ
- যে অবস্থা অস্বাভাবিক ও অসহনীয় পরিবেশের সৃষ্টি করে এবং সম্পদের ক্ষয়ক্ষতি, পরিবেশের ক্ষতি ও প্রাণহানি ঘটে তাই দুর্যোগ।
- এর ফলে বাহ্যিকভাবে ক্ষতিসাধন, জীবনহানি কিংবা পরিবেশগতভাবে ব্যাপক পরিবর্তন দেখা দেয়। 
 
দুর্যোগ বিভিন্নভাবে ও বিভিন্ন ধরনের হতে পারে। প্রধানত দুর্যোগ দুই ধরনের-
১/ প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও
২/ মানবসৃষ্ট দুর্যোগ।
 
প্রাকৃতিক দুর্যোগ
- প্রাকৃতিক কারণে যে সকল দুর্যোগ সৃষ্টি হয়, সেগুলোকে প্রাকৃতিক দুর্যোগ বলে।
- প্রাকৃতিক দুর্যোগ আকস্মিকভাবে ঘটে এবং সাধারণত এর উপর মানুষের কোন নিয়ন্ত্রন থাকে না।
- বন্যা, ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছাস, টর্নেডো, ভূমিকম্প, খরা, নদীভাঙন, সুনামি, আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত ইত্যাদি প্রধান প্রাকৃতিক দুর্যোগসমূহ।
 
মানবসৃষ্ট দুর্যোগ
- মানুষের অসচেতনতা বা দূরদৃষ্টির অভাবে যে দুর্যোগ সৃষ্টি হয় তাকে মানবসৃষ্ট দুর্যোগ বলে।
- মানুষের প্রাণহানি ঘটানোর পাশাপাশি স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হয়।
- যেমন- যুদ্ধ-বিগ্রহ, সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা, বনাঞ্চল ধ্বংস, পরিবেশ দূষণ, মরুকরণ, অগ্নিকান্ড ইত্যাদি।
 
উৎস- বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়; অষ্টম শ্রেণীর বোর্ড বই।
৪,৬৩৯.
সিকিমের পর্বত থেকে বাংলাদেশের কোন নদীর উৎপত্তি হয়েছে?
  1. ক) মনু
  2. খ) ব্রহ্মপুত্র
  3. গ) করতোয়া
  4. ঘ) সুরমা
সঠিক উত্তর:
গ) করতোয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) করতোয়া
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের কয়েকটি প্রধান নদীর উৎপত্তি স্থলঃ
পদ্মাঃ গঙ্গা নামে হিমালয় পর্বতের গাঙ্গোত্রী হিমবাহ।
মেঘনাঃ আসামের লুসাই পাহাড়।
যমুনাঃ ব্রহ্মপুত্র নামে কৈলাশ শৃঙ্গের মানস সরোবর হ্রদ।
কর্ণফুলীঃ মিজোরামের লুসাই পাহাড়।
করতোয়াঃ সিকিমের পার্বত্য অঞ্চল।
সাঙ্গুঃ মিয়ানমার-বাংলাদেশ সীমানার আরাকান পাহাড়।
হালদাঃ খাগড়াছড়ির বাদানাতলী পর্বতশৃঙ্গ।
মহানন্দাঃ মহালড্রীম, দার্জিলিং।
বিশ্বের কয়েকটি প্রধান নদীর উৎপত্তি স্থলঃ
হোয়াংহোঃ কুনকুন পর্বত, চিন দেশ।
মিসিসিপিঃ মিনোসোটার হ্রদ, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
দানিয়ুবঃ ব্ল্যাক ফরেস্ট, ইউরোপ।
মারে ডার্লিংঃ কোমিয়াস্কে, অষ্ট্রেলিয়া।
তিস্তাঃ সিকিমের পর্বত অঞ্চল।
নীলনদঃ ভিক্টোরিয়া হ্রদ, আফ্রিকা মহাদেশ।
আমাজানঃ আন্দিজ পর্বতমালা, দক্ষিণ আমেরিকা।
উৎসঃ এইসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,৬৪০.
'Natural Disaster Risk by Country-2025' অনুসারে, বিশ্বের শীর্ষ দূর্যোগ ঝুঁকিপূর্ণ দেশ কোনটি? 
  1. ফিলিপাইন
  2. ইন্দোনেশিয়া
  3. চীন
  4. থাইল্যান্ড
সঠিক উত্তর:
ফিলিপাইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফিলিপাইন
ব্যাখ্যা

'Natural Disaster Risk by Country-2025' অনুসারে, দূর্যোগ ঝুঁকি সূচক ও বিশ্বের শীর্ষ দূর্যোগ ঝুঁকিপূর্ণ ৫টি দেশ:
১। ফিলিপাইন → ৪৬.৯
২। ইন্দোনেশিয়া → ৪১.১
৩। ভারত → ৪১
৪। মেক্সিকো → ৩৭.৮
৫। কলম্বিয়া → ৩৫.৯

তথ্যসূত্র: বিশ্ব জনসংখ্যা রিভিউ রিপোর্ট। (লিংক)

৪,৬৪১.
কোনটি নবায়নযােগ্য সম্পদ হিসেবে বিবেচিত?
  1. গ্যাস
  2. তেল
  3. কয়লা
  4. বায়ু
সঠিক উত্তর:
বায়ু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বায়ু
ব্যাখ্যা

অনবায়নযােগ্য সম্পদ:
- অনবায়নযােগ্য মানে হলাে, যে শক্তি একবার ব্যবহার করা হলে তা থেকে পুনরায় শক্তি উৎপন্ন করা যায় না।
- এটি হলো মূলত প্রাকৃতিক সম্পদ, যা পুনরায় উৎপন্ন করা যায় না।
যেমন - তেল, গ্যাস, কয়লা, ইউরেনিয়াম।

নবায়নযােগ্য সম্পদ:
- যে জ্বালানি পুনঃপুন ব্যবহার করলে সাধারণত ফুরােয় না এমনকি অদূর ভবিষ্যতেও ঘাটতির সম্ভাবনা থাকে না, তাকে নবায়নযােগ্য জ্বালানি বলা হয়।
যেমন: সূর্যের আলাে, নদীর বহমান পানি, সমুদ্রের জোয়ার-ভাটা, সমুদ্রের ঢেউ, বায়ু, পৃথিবীর গভীরের উত্তপ্ত ম্যাগমা।

সূত্র:- পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,৬৪২.
বায়ুমন্ডলে নিচের কোন উপাদানটি সবচেয়ে বেশি থাকে?
  1. ক) জলীয়বাষ্প
  2. খ) ধূলিকণা ও কণিকা
  3. গ) আর্গন
  4. ঘ) কার্বন-ডাই-অক্সাইড
সঠিক উত্তর:
গ) আর্গন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) আর্গন
ব্যাখ্যা

বায়ুমন্ডলে নাইট্রোজেনের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি ৭৮.০১%।
এছাড়া,
- অক্সিজেন ২০.৭১%,
- আর্গন ০.৮০%,
- জলীয়বাষ্প ০.৪১%
- কার্বন-ডাই-অক্সাইড ০.০৩%।
- অন্যান্য গ্যাস ০.০২% ও
- ধূলিকণা ও কণিকা ০.০১% থাকে।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণির ভূগোল ও পরিবেশ বই।

অপশনগুলোর মধ্যে বায়মন্ডলে আর্গন সবচেয়ে বেশি পরিমাণে থাকে।

৪,৬৪৩.
লাতাকিয়া শহরটি কোথায় অবস্থিত?
  1. ইরান
  2. সিরিয়া
  3. লেবানন
  4. আফগানিস্তান
সঠিক উত্তর:
সিরিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিরিয়া
ব্যাখ্যা
সিরিয়া:
- লাতাকিয়া, আলেপ্পো শহর সিরিয়ায় অবস্থিত।
- আনুষ্ঠানিকভাবে সিরিয়ান আরব প্রজাতন্ত্র।
- সিরিয়া মধ্যপ্রাচ্যের ভূমধ্যসাগরের পূর্ব উপকূল বরাবর অবস্থিত।
- আয়তন: ৭১,৪৯৮ বর্গ মাইল (১৮৫,১৮০ বর্গ কিমি)।
- রাজধানী: দামেস্ক।
- ভাষা: আরবি।
- ধর্ম: ইসলাম (প্রধানত সুন্নি)।
- মুদ্রা: সিরিয়ান পাউন্ড।

সূত্র - Britannica.com
৪,৬৪৪.
নিম্নের কোনটি আগ্নেয় পর্বত নয়?
  1. হেনরী পর্বত
  2. ফুজিয়ামা পর্বত
  3. কিলিমানজারো পর্বত
  4. ভিসুভিয়াস পর্বত
সঠিক উত্তর:
হেনরী পর্বত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হেনরী পর্বত
ব্যাখ্যা
আগ্নেয় পর্বত (Volcanic Mountain):
- ভূ-অভ্যন্তরস্থ ক্রিয়াকলাপের জন্য ম্যাগমা লাভা হিসাবে উদগিরিত হয়ে চারদিকে সঞ্চিত হয়।
- পরবর্তীতে জমে ঠান্ডা হয়ে যে শিলাস্তূপের সৃষ্টি করে তাকে আগ্নেয় পর্বত বলে।
- লাভার প্রকৃতির ওপর আগ্নেয় পর্বতের বিস্তৃতি ও আকৃতি নির্ভর করে।
- আগ্নেয় পর্বতের উৎপত্তি কোনো কোনো ক্ষেত্রে ভূ-আলোড়নের জন্য ভূ-ত্বকের দুর্বল অংশের ফাটলের মধ্য দিয়ে ভূ-গর্ভস্থ উত্তপ্ত লাভা, নানা প্রকার গ্যাস ও বাষ্প, ছাই, ধাতু ইত্যাদি প্রবল বেগে বেরিয়ে আসে।
- এই উত্তপ্ত লাভা ফাটলের চতুর্দিকে সঞ্চিত হতে হতে উঁচু পর্বতের সৃষ্টি করে।
- যেমন- জাপানের ফুজিয়ামা, হাওয়াই দ্বীপের মওনালোয়া, ইতালির ভিসুভিয়াস, আফ্রিকার কিলিমানজারো ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
⇒ ল্যাকোলিথ পর্বত:
- ভূ-অভ্যন্তর থেকে গলিত শিলা বা ম্যাগমা বিভিন্ন উপায়ে ভূ-পৃষ্ঠে বের হয়ে আসার চেষ্টা করে।
- আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের হেনরী পর্বত এর উদাহরণ।

উৎস: i) ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৬৪৫.
ব্রহ্মপুত্রের প্রধান উপনদী কোনটি?
  1. ধরলা
  2. বংশী
  3. সালদা
  4. গোমতী
সঠিক উত্তর:
ধরলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধরলা
ব্যাখ্যা

ব্রহ্মপুত্র:
- ব্রহ্মপদ নদ হিমালয় পর্বতের কৈলাস শৃঙ্গের মানস সরোবর থেকে উৎপন্ন হয়েছে।
- কুড়িগ্রাম জেলার উত্তরপূর্ব দিক এবং আসামের (ভারত) ভবানীপুরের পূর্ব দিক দিয়ে ব্রহ্মপুত্র নদ বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।
- এই নদ ময়মনসিংহ জেলার দেওয়ানগঞ্জের কাছে দক্ষিণ-পূর্ব দিকে বাঁক নিয়ে ভৈরববাজারের দক্ষিণে মেঘনায় মিলিত হয়েছে।
- বাংলাদেশের ভিতরে এ নদের দৈর্ঘ্য প্রায় ২৭৭ কিলোমিটার।

⇒ ব্রহ্মপুত্রের প্রধান উপনদী:
• ধরলা
• তিস্তা।

⇒ প্রধান শাখা নদী:
• বংশী ও
• শীতলক্ষ্যা।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাপিডিয়া।

৪,৬৪৬.
খুলনা ও পটুয়াখালী অঞ্চল কোন ধরনের প্লাবন সমভূমি?
  1. ব-দ্বীপ সমভূমি
  2. স্রোতজ সমভূমি
  3. নিয়তভাবাপন্ন
  4. পাদদেশীয় সমভূমি
সঠিক উত্তর:
স্রোতজ সমভূমি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্রোতজ সমভূমি
ব্যাখ্যা
সমভূমি:
 - সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমিকে কয়েকটি ভাগে ভাগ করা যায়। এগুলো হলো-
- খুলনা ও পটুয়াখালী অঞ্চল এবং বরগুনা জেলার অংশবিশেষ নিয়ে স্রোতজ সমভূমি।
- রংপুর ও দিনাজপুরের পাদদেশীয় সমভূমি।

এছাড়াও,
- ঢাকা, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, জামালপুর, পাবনা, কুমিল্লা নোয়াখালী ও সিলেট অঞ্চলের বন্যা প্রবণ প্লাবন সমভূমি।
- ফরিদপুর, কুষ্টিয়া, যশোর, খুলনা ও ঢাকা অঞ্চলের অংশবিশেষ নিয়ে ব-দ্বীপ সমভূমি।
- নোয়াখালী ও ফেনী নদীর নিম্নভাগ থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত বিস্তৃত চট্টগ্রামের উপকূলীয় সমভূমি।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ ৯ম-১০ম শ্রেণি।
৪,৬৪৭.
কৃষি ক্ষেত্রে কী পরিবর্তন হয়েছে?
  1. রাসায়নিক সার ও কীটনাশক ব্যবহার হচ্ছে
  2. একই জমিতে সারা বছর চাষ হচ্ছে
  3. ফসল উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়েছে
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
ব্যাখ্যা
• কৃষি উন্নয়ন (Agricultural Development):
- আগেকার দিনে সনাতন পদ্ধতিতে অর্থাৎ গরু, লাঙল ইত্যাদি দিয়ে চাষাবাদ করা হতো।
- উন্নতমানের সার, কীটনাশক, উচ্চ ফলনশীল বীজের ব্যবহার তেমন ছিল না। এর ফলে অধিক জমিতে আবাদ করেও ফসল উৎপাদিত হতো অল্প।
- বিশ শতকের ষাটের দশকে কৃষি ক্ষেত্রে সবুজ বিপ্লব শুরু হয়।

- এরপর থেকে ফসল উৎপাদন বৃদ্ধি পেতে থাকে।
- বর্তমানে জমিতে বিভিন্ন ধরনের সার, কীটনাশক, পানি সেচ, উচ্চ ফলনশীল বীজ ব্যবহারের ফলে অল্প জমিতে অধিক ফসল উৎপাদিত হয়।
- এছাড়া সারা বছর ধরে একাধিক ফসল ফলানো হয়। এতে বাংলাদেশ এখন খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করেছে।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৬৪৮.
‘সাড়াদান’ বলতে কোন ধরনের কার্যক্রমকে বুঝায়?
  1. দুর্যোগ ঝুঁকিপুর্ণ অঞ্চলসমূহকে চিহ্নিতকরণ
  2. দুর্যোগ পূর্ব সময়ে উদ্ধার কার্যে ব্যবহৃত সরঞ্জাম সংগ্রহ
  3. দীর্ঘস্থায়ী দুর্যোগ প্রশমন পরিকল্পনা প্রণয়ন
  4. দুর্যোগের অব্যবহিত পরে নিরাপদ স্থানে অপসারণ, তল্লাশি ও উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা
সঠিক উত্তর:
দুর্যোগের অব্যবহিত পরে নিরাপদ স্থানে অপসারণ, তল্লাশি ও উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুর্যোগের অব্যবহিত পরে নিরাপদ স্থানে অপসারণ, তল্লাশি ও উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা
ব্যাখ্যা

সাড়াদান (Response):
- সাড়াদান দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার একটি অংশ মাত্র।
- দুর্যোগের পরপরই উপযুক্ত সাড়াদানের প্রয়োজন হয়।
- সাড়াদান বলতে নিরাপদ স্থানে অপসারণ, তল্লাশি ও উদ্ধার, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ এবং ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যক্রমকে বোঝায়।

অন্যদিকে:
• প্রশমন (Mitigation):
- দুর্যোগের দীর্ঘস্থায়ী হ্রাস এবং দুর্যোগ পূর্বপ্রস্তুতিকেই দুর্যোগ প্রশমন বলে।
- মজবুত পাকা ভবন নির্মাণ, শস্য বহুমুখীকরণ, ভূমি ব্যবহারে বিপর্যয় হ্রাসের কৌশল নির্ধারণ, অর্থনৈতিক উন্নয়ন, শক্ত অবকাঠামো নির্মাণ, কম ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় লোক স্থানান্তর; প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো গঠন ইত্যাদি কার্যক্রম দুর্যোগ প্রশমনের আওতাভুক্ত।

• পুনরুদ্ধার (Recovery):
- দুর্যোগে সম্পদ, পরিবেশ, সামাজিক ও অর্থনৈতিক অবকাঠামো ইত্যাদির যে ক্ষতি হয়ে থাকে তা পুননির্মাণের মাধ্যমে দুর্যোগপূর্ব অবস্থায় ফিরিয়ে আনাকেই পুনরুদ্ধার বোঝায়।
- এক্ষেত্রে সরকারি, বেসরকারি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা ও আন্তর্জাতিক সংস্থাসমূহের সাহায্য ও সহায়তার প্রয়োজন হয়।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ (এসএসসি প্রোগ্রাম), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,৬৪৯.
নিচের কোন জেলা রেশম গুটি উৎপাদনের জন্য বিখ্যাত?
  1. ক) ভোলা
  2. খ) নাটোর
  3. গ) রাজশাহী
  4. ঘ) সিলেট
  5. ঙ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
গ) রাজশাহী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) রাজশাহী
ব্যাখ্যা
রেশম গুটি উৎপাদনের জন্য বিখ্যাত রাজশাহী জেলা।
তথ্য যাচাইঃ বাংলাদেশ সরকারের ওয়েবসাইট এবং বাংলাপিডিয়া।
৪,৬৫০.
নাতিশীতোষ্ণ অঞ্চলে কোন ধরনের বৃষ্টিপাত দেখা যায়?
  1. ক) শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টি
  2. খ) বায়ুপ্রাচীরজনিত বৃষ্টি
  3. গ) ঘূর্ণি বৃষ্টি
  4. ঘ) সবগুলো
সঠিক উত্তর:
খ) বায়ুপ্রাচীরজনিত বৃষ্টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বায়ুপ্রাচীরজনিত বৃষ্টি
ব্যাখ্যা

বায়ুপ্রাচীরজনিত বৃষ্টিঃ
শীতল ও উষ্ণ বায়ু মুখোমুখি হলে উষ্ণ বায়ু এবং শীতল বায়ু একে অপরের সঙ্গে মিশে না গিয়ে তাদের মধ্যবর্তী এলাকায় অদৃশ্য বায়ুপ্রাচীরের সৃষ্টি করে।
বায়ুপ্রাচীর সংলগ্ন এলাকায় শীতল বায়ুর সংস্পর্শে উষ্ণ বায়ুর তাপমাত্রা হ্রাস পায়; ফলে শিশিরাঙ্কের সৃষ্টি হয়। ফলে উভয় বায়ুর সংযোগস্থলে যে ধরনের বৃষ্টিপাত ঘটে তাকে বায়ুপ্রাচীর জনিত বৃষ্টি বলে।
সাধারণত নাতিশীতোষ্ণ অঞ্চলে এ ধরনের বৃষ্টিপাত ঘটে। গ্রীষ্মকালে নাতিশীতোষ্ণ অঞ্চলে পরিচলন বৃষ্টিও হয়।

আবার, নিরক্ষীয় অঞ্চলে সারা বছর পরিচলন বৃষ্টি হয়ে থাকে।
মধ্য ইউরোপের বিভিন্ন দেশে শীতকালে ঘূর্ণি বৃষ্টিপাত হতে দেখা যায়।

উৎসঃ ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণি

৪,৬৫১.
যমুনার উপনদী কোনটি?
  1. ধরলা
  2. তিস্তা
  3. করতোয়া
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

যমুনা: 
- ব্রহ্মপুত্র একসময় বিশাল স্রোতধারা নিয়ে ছিল দেশের গুরুত্বপূর্ণ নদ।
- যমুনা নদীও ছিল ব্রহ্মপুত্রের শাখা নদী।
- মূলত ১৭৮৭ সালের ভূমিকম্পের ফলে ব্রহ্মপুত্রের স্রোতধারা দেওয়ানগঞ্জের কাছে এসে ওই শীর্ণকায় খাল দিয়ে প্রবাহিত হয়।
- সেটিই আজকের যমুনা নদী। 
- এটি দক্ষিণ দিকে প্রবাহিত হয়ে রাজবাড়ী জেলার গোয়ালন্দের নিকট পদ্মার সাথে মিলিত হয়। 
- এরপর এই মিলিত স্রোত দক্ষিণ-পূর্ব দিকে পদ্মা নামে প্রবাহিত হয়েছে। 
- যমুনার প্রধান শাখানদী: ধলেশ্বরী। 
- যমুনার উপনদীগুলোর মধ্যে ধরলা, তিস্তা, করতোয়া, আত্রাই অন্যতম।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৪,৬৫২.
“কান্সা খিওং”- কোন নদীর আঞ্চলিক নাম?
  1. কর্ণফুলী
  2. যমুনা
  3. পদ্মা
  4. সুরমা
সঠিক উত্তর:
কর্ণফুলী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কর্ণফুলী
ব্যাখ্যা
• কর্ণফুলী নদী:
- কর্ণফুলী নদী রাংগুনিয়া উপজেলার ঠিক মধ্য দিয়ে বয়ে গেছে। কর্ণফুলী নদী বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের একটি প্রধান নদী।
- এটি ভারতের মিজোরামের লুসাই পাহাড়ে শুরু হয়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম ও চট্টগ্রামের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে চট্টগ্রামের পতেঙ্গার কাছে বঙ্গোপসাগরে মিলিত হয়েছে।
- এই নদীর দৈর্ঘ্য ৩২০ কিলোমিটার।
- কর্ণফুলী নদীর আঞ্চলিক নাম - কান্সা খিওং।

=============================
• নামের ইতিকথা:

- কর্ণফুলী নদীর নামের উৎস সম্পর্কে বিভিন্ন কাহিনী প্রচলিত আছে। কথিত আছে যে, আরাকানের এক রাজকন্যা চট্টগ্রামের এক আদিবাসী রাজপুত্রের প্রেমে পড়েন। এক জ্যোৎস্নাস্নাত রাতে তাঁরা দুই জন এই নদীতে নৌভ্রমণ উপভোগ করছিলেন। নদীর পানিতে চাঁদের প্রতিফলন দেখার সময় রাজকন্যার কানে গোঁজা একটি ফুল পানিতে পড়ে যায়। ফুলটি হারিয়ে কাতর রাজকন্যা সেটা উদ্ধারের জন্য পানিতে ঝাঁপিয়ে পড়েন। কিন্তু প্রবল স্রোতে রাজকন্যা ভেসে যান, তাঁর আর খোঁজ পাওয়া যায়নি। রাজপুত্র রাজকন্যাকে বাঁচাতে পানিতে লাফ দেন, কিন্তু সফল হন নি। রাজকন্যার শোকে রাজপুত্র পানিতে ডুবে আত্মাহুতি দেন। এই করুণ কাহিনী থেকেই  নদীটির নাম হয় 'কর্ণফুলী। মার্মা আদিবাসীদের কাছে নদীটির নাম কান্সা খিওং।

তথ্যসূত্র: রাঙ্গুনিয়া উপজেলা ওয়েবসাইট।
৪,৬৫৩.
’ম্যাজিনো লাইন’ কোন দুই দেশের মধ্যে একটি সীমারেখা?
  1. ইরাক ও ইরান
  2. ফ্রান্স ও জার্মানি
  3. কম্বোডিয়া ও থাইল্যান্ড
  4. ফিলিপাইন ও ভিয়েতনাম
সঠিক উত্তর:
ফ্রান্স ও জার্মানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফ্রান্স ও জার্মানি
ব্যাখ্যা

ম্যাজিনো লাইন:
- ফ্রান্স ও জার্মানির মধ্যে একটি সীমারেখা। 
- ম্যাজিনো লাইন ছিল ফ্রান্সের একটি প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার অংশ,
- যা প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর জার্মানি ও ইতালির সীমান্ত বরাবর নির্মাণ করা হয়েছিল।
- এটি সম্ভাব্য আগ্রাসনের বিরুদ্ধে এক অদম্য প্রতিরক্ষা ব্যূহ হিসেবে বিবেচিত হতো।
- তবে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় জার্মান বাহিনী এই লাইনকে পাশ কাটিয়ে এবং ভেঙে প্রবেশ করতে সক্ষম হয়।

অপরদিকে,
- ম্যানারহেম রেখা: রাশিয়া ও ফিনল্যান্ড,
- লাইন অব ডিমারকেশন: পর্তুগাল ও স্পেন,
- ওডারনিস লাইন: জার্মানি ও পোল্যান্ড।
- সিগফ্রিড লাইন: জার্মানি ও ফ্রান্স।
- হিন্ডারবার্গ লাইন: জার্মানি ও ফ্রান্স।
- সনোরা লাইন: যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকো।

উৎস: ওয়ার্ল্ড এটলাস।

৪,৬৫৪.
কোনটি "পৃথিবীর ছাদ" হিসেবে পরিচিত?
  1. তারিম মালভূমি
  2. পামীর মালভূমি
  3. তিব্বত মালভূমি
  4. কলোরাডো মালভূমি
সঠিক উত্তর:
পামীর মালভূমি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পামীর মালভূমি
ব্যাখ্যা
→ পামীর মালভূমি "পৃথিবীর ছাদ" হিসেবে পরিচিত।

⇒ পামীর মালভূমি:
- পৃথিবীর উচ্চতম মালভূমি হলো পামীর মালভূমি।
- যা মধ্য এশিয়ার তাজিকিস্তান, কিরগিজস্তান, চীন ও আফগানিস্তানে অবস্থিত। 
- এর উচ্চতা প্রায় ৭,৬৪৯ মিটার, যা একে "পৃথিবীর ছাদ" হিসেবে পরিচিতি দিয়েছে।
- পামীর মালভূমি বিশ্বের কয়েকটি বৃহৎ পর্বতমালার মিলনস্থল, যেমন: হিমালয়, কারাকোরাম এবং তিয়ান শান।

অন্যদিকে,
- গোলান মালভূমি: সিরিয়া ও ইসরাইল সীমান্তে অবস্থিত এবং এটি একটি কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ এলাকা।
- তিব্বত মালভূমি: এটি একটি পর্বতমধ্যবর্তী মালভূমি, যা উত্তরে কুনলুন পর্বতমালা এবং দক্ষিণে হিমালয় পর্বতমালা দ্বারা বেষ্টিত।
- কলোরাডো মালভূমি (Colorado Plateau) উত্তর আমেরিকার একটি প্রাকৃতিক এলাকা, যা পশ্চিমী যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ-পশ্চিম অংশে বিস্তৃত।
- তারিম মালভূমি পশ্চিম চীনের শিনজিয়াং অঞ্চলের অবস্থিত।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট। [লিঙ্ক]
৪,৬৫৫.
বাংলাদেশের সীমান্তের সাথে মিয়ানমারের কয়টি অঙ্গরাজ্য অবস্থিত?
  1. ১টি
  2. ২টি
  3. ৩টি
  4. ৪টি
সঠিক উত্তর:
২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২টি
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের সীমানা:
- বাংলাদেশ এশিয়া মহাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব দিকে অবস্থিত।
- বাংলাদেশের তিনদিকে ভারত ও মিয়ানমার দ্বারা বেষ্টিত এবং দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর অবস্থিত।
- ভারত ও মিয়ানমার উভয় দেশের সাথে বাংলাদেশের ৩২টি জেলার সীমান্ত রয়েছে।
- ভারতের সাথে ৩০টি এবং মিয়ানমারের সাথে ৩টি।
- বাংলাদেশের রাঙামাটি জেলার সাথে ভারত ও মিয়ানমার উভয় দেশের সীমানা রয়েছে।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব সীমান্তের সাথে মিয়ানমারের ২টি প্রদেশ বা অঙ্গরাজ্য অবস্থিত।
- বাংলাদেশের রাঙ্গামাটি, বান্দরবান ও কক্সবাজার জেলার সাথে মিয়ানমারের এই ২ প্রদেশের সীমান্ত রয়েছে।
- এগুলো হলো: রাখাইন রাজ্য ও চিন রাজ্য। 

উৎস: i) Britannica.
ii) ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

৪,৬৫৬.
ম্যানগ্রোভ বনের বৃক্ষ নয় কোনটি?
  1. শাল
  2. কেওড়া
  3. ধুন্দল
  4. গরান
সঠিক উত্তর:
শাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শাল
ব্যাখ্যা
- ম্যানগ্রোভ বনের বৃক্ষ নয় শাল।

ম্যানগ্রোভ বন:

বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণ পশ্চিম অঞ্চলে বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে ম্যানগ্রোভ বন সৃষ্টি হয়েছে।
এ বনের অধিকাংশ এলাকা জোয়ার ভাটার কারণে দিনে দু'বার লোনা পানি দ্বারা বিধৌত হয় বলে একে ম্যানগ্রোভ বন বলা হয়।
এই বন সুন্দরবন নামে সমধিক পরিচিত।
সুন্দরবন পৃথিবীর সর্ববৃহৎ ম্যানগ্রোভ বন।

ম্যানগ্রোভ বনের বিস্তৃতি:
প্রাকৃতিকভাবে ম্যানগ্রোভ বন বা সুন্দরবন বৃহত্তর খুলনা জেলার দক্ষিণাংশে এবং চট্টগ্রামের চকরিয়া (ক্ষয়িষ্ণু) অংশে অবস্থিত।

ম্যানগ্রোভ বনের বৈশিষ্ট্য: 
ম্যানগ্রোভ বা সুন্দরবনের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো:
১। ম্যানগ্রোভ বনের অধিকাংশ এলাকা জোয়ার ভাটার ফলে দৈনিক দু'বার লোনা পানি দ্বারা বিধৌত হয়।
২। এ বনের গাছপালা লোনা পানি সহনশীল এবং বৃক্ষসমূহের বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলো জরায়ুজ অঙ্কুরোদগম।
৩ । সুন্দরবনের বার্ষিক গড় বৃষ্টিপাত ১৬৫১ থেকে ১৭৭৮ মি.মি.।
৪। এ বনের মাটিতে অতিরিক্ত লবণ ও পচা জৈব পদার্থ থাকায় অক্সিজেনের অভাব ঘটে বলে গাছপালা শ্বাসমূল তৈরী
৫। ম্যানগ্রোভ বনের আবহাওয়া সব সময় আর্দ্র এবং লোনা পানিতে ভেজা থাকে।

প্রধান প্রধান গাছপালা ও বন্যপ্রাণী:
ম্যানগ্রোভ বনের প্রধান প্রধান বৃক্ষ হলো- সুন্দরী, ধুন্দল, গরান, বাইন, কেওড়া, পশুর, গোলপাতা, হেন্তাল ইত্যাদি।
বন্যপ্রাণীসমূহের মধ্যে- রয়েল বেঙ্গল টাইগার, চিত্রা হরিণ, বানর ইত্যাদি।

উৎস: কৃষি শিক্ষা দ্বিতীয় পত্র , এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৬৫৭.
হরমুজ প্রণালী পৃথক করেছে -
  1. ক) আফ্রিকা ও ইউরোপ মহাদেশকে
  2. খ) সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ইরানকে
  3. গ) পারস্য উপসাগর ও ওমান উপসাগরকে
  4. ঘ) আটলান্টিক এবং ভূমধ্যসাগরকে
সঠিক উত্তর:
খ) সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ইরানকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ইরানকে
ব্যাখ্যা
- হরমুজ প্রণালী পৃথক করেছে সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ইরানকে।
- হরমুজ প্রণালী সংযুক্ত করেছে পারস্য উপসাগর ও ওমান উপসাগরকে।

জিব্রাল্টার প্রণালী
- সংযুক্ত করেছে - আটলান্টিক এবং ভূমধ্যসাগরকে এবং
- পৃথক করেছে -  আফ্রিকা (মরক্কো) ও ইউরোপ (স্পেন) মহাদেশকে।

তথ্যসূত্র: ওয়ার্ল্ড এটলাস।
৪,৬৫৮.
কোনটি সবচেয়ে কঠিন খনিজ?
  1. রূপা
  2. হীরা
  3. সোনা
  4. তামা
সঠিক উত্তর:
হীরা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হীরা
ব্যাখ্যা
সবচেয়ে কঠিন খনিজ - হীরা।

• খনিজ:
- ভূ-পৃষ্ঠ নানা প্রকার রাসায়নিক মৌলিক উপাদান একত্রে মিলিত হয়ে যে যৌগিক পদার্থের সৃষ্টি করে, তাকে খনিজ বলে।
- তবে কিছু কিছু খনিজ একটি মাত্র মৌল দ্বারাও গঠিত হতে পারে। যেমন- হীরা, সোনা, তামা, রূপা, পারদ ও গন্ধক ।

- এর মধ্যে হীরার কাঠিন্য সবচেয়ে বেশি এবং টেলক এর কাঠিন্য সর্বনিম্ন।
- খনিজ তরল, কঠিন ও বায়বীয় এই তিন ধরনের হয়।
- শিলা ও খনিজের মূল পার্থক্য হচ্ছে খনিজ বিভিন্ন রাসায়নিক উপাদানে গঠিত আর বিভিন্ন খনিজের সমন্বয়ে শিলা গঠিত।

তথ্যসূত্র: ইতিহাস প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৬৫৯.
ইউরোপের আল্পস ও উত্তর আমেরিকার রকি কোন ধরনের পর্বত?
  1. ভঙ্গিল পর্বত
  2. চ্যুতি-স্তুপ পর্বত
  3. আগ্নেয় পর্বত
  4. ল্যাকোলিথ পর্বত
সঠিক উত্তর:
ভঙ্গিল পর্বত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভঙ্গিল পর্বত
ব্যাখ্যা
- সমুদ্রতল থেকে অন্তত ১০০০ মিটারের বেশি উঁচু সুবিস্তৃত ও খাড়া ঢালবিশিষ্ট শিলাস্তূপকে পর্বত বলে।
- উৎপত্তিগত বৈশিষ্ট্য ও গঠন প্রকৃতির ভিত্তিতে পর্বত প্রধানত ৪ প্রকার।

যথা:
→ ভঙ্গিল পর্বত,
→ আগ্নেয় পর্বত,
→ চ্যুতি-স্তুপ পর্বত ও
→ ল্যাকোলিথ পর্বত।

ভঙ্গিল পর্বত:
- ভঙ্গ বা ভাঁজ থেকে ভঙ্গিল শব্দটির উৎপত্তি।
- কোমল পাললিক শিলায় ভাঁজ পড়ে যে পর্বত গঠিত হয়েছে তাকে ভঙ্গিল পর্বত বলে।
- ভঙ্গিল পর্বতের প্রধান বৈশিষ্ট্য ভাঁজ।
- এশিয়ার হিমালয়, ইউরোপের আল্পস, উত্তর আমেরিকার রকি, দক্ষিণ আমেরিকার আন্দিজ পর্বত ভঙ্গিল পর্বতের উদাহরণ।
- পৃথিবীর উচ্চতম অধিকাংশ পর্বত এ শ্রেণীর অন্তর্ভুক্ত।

সূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৪,৬৬০.
GMT-এর পূর্ণরূপ -
  1. Greenwich Main Time
  2. Global Main Time
  3. Greenwich Mean Time
  4. Global Mean Time
সঠিক উত্তর:
Greenwich Mean Time
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Greenwich Mean Time
ব্যাখ্যা
 গ্রিনিচ মান:
- GMT-এর পূর্ণরূপ: Greenwich Mean Time.
- গ্রিনিচ মানমন্দির যুক্তরাজ্যের লন্ডন শহরে অবস্থিত।
- এর উপর দিয়ে মূল মধ্যরেখা বা শূন্য ডিগ্রী দ্রাঘিমারেখা গিয়েছে।
- ১৮৮৪ সালের ১ নভেম্বর জিএমটি আন্তর্জাতিকভাবে প্রমাণ সময় হিসেবে গৃহিত হয় ৷
- তবে ১৯৭২ সালে GMT এর পরিবর্তে আন্তর্জাতিক প্রমাণ সময় হিসেবে UTC (Coordinated Universal Time) গৃহিত হয়।
- গ্রিনিচ মানমন্দির অফিসিয়াল টাইম জোন হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- বাংলাদেশের সাথে যুক্তরাজ্যের গ্রিনিচ মানমন্দিরের সময়ের পার্থক্য +৬ ঘন্টা।
- অর্থাৎ, ৬ ঘন্টা আগে।
- পৃথিবীতে প্রতি ডিগ্রি দ্রাঘিমার জন্যে সময়ের পার্থক্য হয় ৪ মিনিট করে।
- সেজন্যে বাংলাদেশ মূল মধ্যরেখা বা গ্রিনিচ মানমন্দির থেকে ৯০ ডিগ্রি পূর্বদিকে অবস্থিত হওয়ায় বাংলাদেশের সাথে গ্রিনিচের সময়ের পার্থক্য ৯০ x ৪ = ৩৬০ মিনিট বা ৬ ঘন্টা।
- গ্রিনিচের পূর্ব দিকে অবস্থিত স্থানগুলোর সময় গ্রিনিচের থেকে এগিয়ে থাকে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৪,৬৬১.
‘শাত-ইল-আরব’কে কেন্দ্র করে কোন দুটি দেশের মধ্যে যুদ্ধ চলেছিল?
  1. ক) সৌদি আরব ও ইরাক
  2. খ) ইরান ও ইরাক
  3. গ) সিরিয়া ও ইরান
  4. ঘ) ইরাক ও কুয়েত
সঠিক উত্তর:
খ) ইরান ও ইরাক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ইরান ও ইরাক
ব্যাখ্যা
‘শাত-ইল-আরব:
‘শাত-ইল-আরব’ জলপথের অবস্থান পারস্য উপসাগরে।
- এর মালিকানা নিয়ে দীর্ঘদিন থেকে ইরাক ও ইরানের মধ্যে দ্বন্দ্ব রয়েছে।
- বর্তমানে এটি ইরানের দখলে রয়েছে। 
- ১৯৮০-১৯৮৮ সাল পর্যন্ত শাত-ইল-আরবকে কেন্দ্র করে ইরান ও ইরাকের মধ্যে যুদ্ধ  হলেছিল
- তাঁর আগে, শাত-ইল আরব জলপথকে কেন্দ্র করে ইরাক ও ইরানের মধ্যে বিরোধ অবসানের উদ্দেশ্যে ১৯৭৫ সালের ১৩ জুন আলজিয়ার্স চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- এতে ইরানের পক্ষে রেজা শাহ পাহলভী এবং ইরাকের তৎকালীন ভাইস প্রেসিডেন্ট সাদ্দাম হোসেন স্বাক্ষর করেন।
- তবে চুক্তি স্বাক্ষরের পাঁচ বছরের মাথায় দেশ দুটি শাত-ইল আরবকে কেন্দ্র করে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে।
- চুক্তির বিষয়বস্তু ছিল শাত-ইল-আরব সহ বিরোধপূর্ণ সীমানা নিয়ে ইরাক ও ইরানের মধ্যে মীমাংসা।

তথ্যসূত্র: হিস্টরি.কম এবং ব্রিটানিকা।
৪,৬৬২.
সুয়েজ খাল কোন দুটি সাগরের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে?
  1. ক্যালিফোর্নিয়া ও ক্যারিবিয়ান সাগর
  2. ভূমধ্যসাগর ও লোহিত সাগর
  3. নরওয়ে ও ব্যাল্টিক সাগর
  4. আরব ও ভূমধ্যসাগর সাগর
সঠিক উত্তর:
ভূমধ্যসাগর ও লোহিত সাগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভূমধ্যসাগর ও লোহিত সাগর
ব্যাখ্যা

• সুয়েজ খাল- 
- মিশরের সিনাই উপদ্বীপের পশ্চিমে অবস্থিত সুয়েজ খাল মনুষ্য নির্মিত একটি কৃত্রিম খাল। 
- খালটি ভূমধ্যসাগর ও লোহিত সাগরের মাঝে সংযোগ স্থাপন করে।
- ১৮৫৯ সালে শুরু হয়ে দশ বছর ধরে চলে এই খনন কাজ।
- ১৮৬৯ সালে সর্বসাধারণের জন্য খুলে দেয়া হয় এটি।
- মিশর ১৯৫৬ সালে সুয়েল খালকে জাতীয়করণ করে।

উৎস: Suez Canal Authority.

৪,৬৬৩.
জলবায়ুর নিয়ামকসমূহের ওপর ভিত্তি করে বাংলাদেশের জলবায়ুকে সাধারণত কয়টি ঋতুতে ভাগ করা যায়?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
সঠিক উত্তর:
৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের জলবায়ু:
- বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান এবং ভূ-প্রকৃতি এখানকার জলবায়ুর ওপর যথেষ্ট প্রভাব বিস্তার করে থাকে।
- মৌসুমী বায়ুর অত্যধিক প্রভাবের দরুণ এখানকার জলবায়ু ক্রান্তীয় মৌসুমী জলবায়ু নামে পরিচিত।
- বায়ুপ্রবাহের দিক পরিবর্তন, তাপমাত্রা এবং বৃষ্টিপাতের বৈশিষ্ট্যের ওপর ভিত্তি করে এদেশের জলবায়ুকে তিনটি ঋতুতে ভাগ করা যায়।
এগুলো হলো:
১) গ্রীষ্মকাল।
২) বর্ষাকাল।
৩) শীতকাল।

উল্লেখ্য, 
- বায়ুপ্রবাহের দিক পরিবর্তন, তাপমাত্রা এবং বৃষ্টিপাতের বৈশিষ্ট্য হচ্ছে গুরুত্বপূর্ণ জলবায়ুর নিয়ামক।

তথ্যসূত্র:- ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৬৬৪.
সুন্দরবনের মোট আয়তনের কী পরিমাণ বাংলাদেশ ভূখন্ডে অবস্থিত?
  1. ৫,৯৮৮ বর্গ কি. মি
  2. ৬,০১৭ বর্গ কি. মি
  3. ৬,২১২ বর্গ কি. মি
  4. ৬,৪১৯ বর্গ কি. মি
সঠিক উত্তর:
৬,০১৭ বর্গ কি. মি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬,০১৭ বর্গ কি. মি
ব্যাখ্যা
সুন্দরবন:
- সুন্দরবন পৃথিবীর বৃহত্তম প্রাকৃতিক ম্যানগ্রোভ বনভূমি ।
- এ বনের অধিকাংশ এলাকা জোয়ার ভাটার কারণে দিনে দু'বার লোনা পানি দ্বারা বিধৌত হয় বলে একে ম্যানগ্রোভ বন বলা হয়।
- সুন্দরবনের মোট আয়তন প্রায় ১০০০০ বর্গ কিলোমিটার।
- বাংলাদেশের সুন্দরবনের আয়তন প্রায় ৬০১৭ বর্গ কিলোমিটার।
- এর অন্য নাম বাদাবন।

⇒ সুন্দরবন সংলগ্ন জেলা ৩টি। সেগুলো হলো বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের জেলা খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরা।
- সুন্দরবনের প্রধান বৃক্ষ হলো সুন্দরী। সুন্দরী গাছের নাম থেকেই এই বনের নাম হয়েছে সুন্দরবন।
- সুন্দরবনের অন্যান্য গাছের মধ্যে গরান, গেওয়া, কেওড়া, ধুন্দল, গোলপাতা ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।
- বন্যপ্রাণীসমূহের মধ্যে: রয়েল বেঙ্গল টাইগার, চিত্রা হরিণ, বানর ইত্যাদি।

⇒ ১৮৭৮ সালে সমগ্র সুন্দরবন এলাকাকে সংরক্ষিত বন হিসাবে ঘোষণা দেয়া হয়।
- ইউনেস্কো ৭ ডিসেম্বর, ১৯৯৭ সালে সুন্দরবনকে ৭৯৮তম 'World Heritage site' বা বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করে।

উৎস: i) বনবিভাগ ওয়েবসাইট।
ii) বাংলাপিডিয়া।
৪,৬৬৫.
'দাহনা' কোন দেশের মরুভূমি? 
  1. ইরাক
  2. সৌদি আরব 
  3. মিশর 
  4. ইয়েমেন
সঠিক উত্তর:
সৌদি আরব 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সৌদি আরব 
ব্যাখ্যা

• মরুভূমি: 
যে স্থানের বৃষ্টিপাত ২৫ সে.মি. এর কম এবং বাস্পীভবন থেকে বৃষ্টিপাত কম তাকে মরুভূমি বলে। 
মরুভূমি ২ ধরনের। 
শীতল মরুভূমি – উত্তর মেরু, দক্ষিণ মেরু ও লাদাখ । 
উষ্ণ মরুভূমি – দস্ত ই লুত।

উল্লেখযোগ্য মরুভূমি: 
- দক্ষিণ মেরু মরুভূমি – পৃথিবীর সর্ববৃহৎ শীতল মরুভূমি। 
- সাহারা মরুভূমি - পৃথিবীর সর্ববৃহৎ উষ্ণ মরুভূমি (আফ্রিকার দুঃখ)। 
- অ্যারাবিয়ান মরুভূমি: 
   • রাব আল খালি - সৌদি আরব, ওমান, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ইয়েমেন। 
   • আন নাফুদ – সৌদি আরব 
   • দাহনা-সৌদি আরব
- গোবি মরুভূমি - মঙ্গোলিয়া এবং চীন । 
- কালাহারি – আফ্রিকা (নামিবিয়া, বতসোয়ানা, দক্ষিণ আফ্রিকা)। 
- গ্রেট ভিক্টোরিয়া মরুভূমি – অস্ট্রেলিয়া। 
- সোনোরান মরুভূমি – যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকো । 
- থর মরুভূমি – ভারত ও পাকিস্তান ।

তথ্যসূত্র: Britannica.

৪,৬৬৬.
“ভবদহ” বিল কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) ফরিদপুরে
  2. খ) জামালপুরে
  3. গ) পটুয়াখালীতে
  4. ঘ) যশোরে
সঠিক উত্তর:
ঘ) যশোরে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) যশোরে
ব্যাখ্যা

যশোর জেলার অভয়নগর উপজেলায় মোট ২৯ টি বিল আছে।
এই উপজেলাতেই ভবদহ বিল অবস্থিত।
উৎসঃ অভয়নগর উপজেলা ওয়েবসাইট।

৪,৬৬৭.
ম্যানগ্রোভ কী?
  1. কেওড়া বন
  2. চিরহরিৎ বন
  3. শালবন
  4. উপকূলীয় বন
সঠিক উত্তর:
উপকূলীয় বন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপকূলীয় বন
ব্যাখ্যা
ম্যানগ্রোভ:
- ম্যানগ্রোভ (Mangrove) বলতে সাধারণভাবে জোয়ারভাটায় প্লাবিত বিস্তির্ণ জলাভূমিকে বোঝায়।
- বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চলে বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে ম্যানগ্রোভ বন সৃষ্টি হয়েছে।
- এ বনের অধিকাংশ এলাকা জোয়ার ভাটার কারণে দিনে দু'বার লোনা পানি দ্বারা বিধৌত হয় বলে একে ম্যানগ্রোভ বন বলা হয়।
- ম্যানগ্রোভ বন হলো উপকূলীয় বন।
- এই বন সুন্দরবন নামে সমধিক পরিচিত।
- সুন্দরবন পৃথিবীর সর্ববৃহৎ ম্যানগ্রোভ বন।
- সুন্দরবনের ৬২ শতাংশ খুলনা, সাতক্ষীরা ও বাগেরহাট জেলায় এবং বাকী অংশ পশ্চিমবঙ্গের ২৪ পরগণা জেলায় অবস্থিত।
- এ বনাঞ্চলের আয়তন প্রায় ৬১১৭ বর্গমাইল যা বাংলাদেশের মোট আয়তনের শতকরা ৪.০৭ ভাগ।
- এ বনের গাছপালা লোনা পানি সহনশীল এবং বৃক্ষসমূহের বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলো জরায়ুজ অঙ্কুরোদগম।
- সুন্দরবনের বার্ষিক গড় বৃষ্টিপাত ১৬৫১ থেকে ১৭৭৮ মি.মি.।
- এ বনের মাটিতে অতিরিক্ত লবণ ও পচা জৈব পদার্থ থাকায় অক্সিজেনের অভাব ঘটে বলে গাছপালা শ্বাসমূল তৈরী করে।
- বৃক্ষসমূহ চিরহরিৎ।
- ম্যানগ্রোভ বনের প্রধান প্রধান বৃক্ষ হলো: সুন্দরী, ধুন্দুল, গরান, বাইন, কেওড়া, পশুর, গোলপাতা, হেন্তাল ইত্যাদি।
- বন্যপ্রাণীসমূহের মধ্যে: রয়েল বেঙ্গল টাইগার, চিত্রা হরিণ, বানর ইত্যাদি।

সূত্র - বাংলাপিডিয়া ও কৃষি শিক্ষা ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৬৬৮.
Which one of the following districts has no border with Myanmar?
  1. Khagrachari
  2. Bandarban
  3. Rangamati
  4. Cox's Bazar
  5. None
সঠিক উত্তর:
Khagrachari
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Khagrachari
ব্যাখ্যা
• 'খাগড়াছড়ি' জেলার সাথে মিয়ানমারের সীমান্ত নেই।

সীমান্তবর্তী জেলা:
- বাংলাদেশের সাথে ২টি দেশের আন্তর্জাতিক সীমান্ত রয়েছে। তার মধ্যে - 
 → একটি ভারত এবং
 → অপরটি মিয়ানমার।

 → ভারত ও মিয়ানমার উভয় দেশের সাথে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলা -৩২টি।
 → ভারতের সাথে ৩০টি এবং মিয়ানমারের সাথে ৩টি।
 → মিয়ানমারের সাথে সীমান্ত থাকা জেলাগুলো হলো - কক্সবাজার, রাঙামাটি ও বান্দরবান।
 → ভারত ও মিয়ানমার উভয় দেশের সীমান্তবর্তী বাংলাদেশের একমাত্র জেলা রাঙামাটি।

তথ্যসূত্র- জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও বাংলাপিডিয়া।
৪,৬৬৯.
কিল প্রণালী (Kiel Canal) কোন দুটি সাগরের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে? 
  1. আরব সাগর এবং ভারত মহাসাগর 
  2. ভূমধ্যসাগর এবং আটলান্টিক মহাসাগর
  3. প্রশান্ত মহাসাগর এবং আটলান্টিক মহাসাগর
  4. উত্তর সাগর এবং বাল্টিক সাগর 
সঠিক উত্তর:
উত্তর সাগর এবং বাল্টিক সাগর 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উত্তর সাগর এবং বাল্টিক সাগর 
ব্যাখ্যা

কিল প্রণালী (Kiel Canal): 
- যা ইডার কানাল  কাইজার-উইলহেল্ম কানাল, নর্ড-ওস্টসি-কানাল, নর্ড-ওস্টসি-কানাল বা উত্তর সাগর-বাল্টিক সাগর প্রণালী নামেও পরিচিত।
- জার্মানির উত্তরাঞ্চলে অবস্থিত একটি গুরুত্বপূর্ণ জলপথ।
- এটি পূর্বমুখী ৯৮ কিলোমিটার (৬১ মাইল) দৈর্ঘ্যের এই প্রণালী।
- উত্তর সাগর এবং বাল্টিক সাগরের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে।
- প্রণালীটি ব্রুনসবুটেলকুগ (উত্তর সাগরে, এলব নদীর মুখে) থেকে হোলটেনাউ (বাল্টিক সাগরে কিয়েল বন্দরে) পর্যন্ত বিস্তৃত।

উল্লেখ্য,
- কিল প্রণালী ১৮৮৭ থেকে ১৮৯৫ সালের মধ্যে নির্মিত হয়, যা প্রথমে জার্মান সামরিক চাহিদা মেটানোর জন্য তৈরি করা হয় যাতে জাহাজগুলিকে ডেনমার্কের জুটল্যান্ড উপদ্বীপের চারপাশে উত্তরমুখী যাত্রা এড়ানো যায়। 

উৎস: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।

৪,৬৭০.
’ডেকার হাওর’ কোন জেলায় অবস্থিত? 
  1. সিলেট 
  2. সুনামগঞ্জ
  3. কিশোরগঞ্জ
  4. নাটোর
সঠিক উত্তর:
সুনামগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুনামগঞ্জ
ব্যাখ্যা

ডেকার হাওর:
- সুনামগঞ্জ জেলার দক্ষিণ সুনামগঞ্জ, দোয়ারাবাজার এবং সুনামগঞ্জ সদরের অধীনে অবস্থিত।
- এর আয়তন ২৫,১০০ হেক্টর।
- এতে বেশ কয়েকটি বড় অগভীর বিল রয়েছে যাতে ভাসমান এবং উদ্ভিদ জলজ উদ্ভিদের উল্লেখযোগ্য পরিমাণ রয়েছে,
- যা ধানক্ষেত দ্বারা ঘেরা। 

আরো কয়েকটি হাওড়:
• হাইল হাওর:
- হাইল হাওর মৌলভীবাজার জেলার মৌলভীবাজার সদর এবং শ্রীমঙ্গল উপজেলার অধীনে অবস্থিত।
- এর আয়তন ১৫,১০০ হেক্টর।
- এটি দক্ষিণ-পূর্বভাগে তারাপ এবং বানুগাছ পাহাড়শ্রেণীর মধ্যবর্তী অঞ্চলে অবস্থিত।

বাইক্কা বিল:
- বাইক্কা বিল হলো হাইল হাওরের মধ্যে অবস্থিত ১০০ হেক্টর আয়তনের একটি জলাভূমি অভয়ারণ্য।
- এতে উন্মুক্ত জলস্থান রয়েছে যাতে উদ্ভিদ (প্রধানত পদ্ম) উদ্ভিদ এবং স্থানীয় জলাভূমি বনের একটি ফ্রিঞ্জ রয়েছে।
- বিলটি মাছ সংরক্ষণ এবং পুনরুদ্ধারের জন্য সুরক্ষিত এবং এতে প্রায় ৯০ প্রজাতির মাছ পাওয়া যায়।
- শীতকালে প্রায় ১৪১ প্রজাতির পরিযায়ী পাখি এখানে বিশ্রাম এবং বাসার জন্য ব্যবহার করে। 

উৎস: বাংলাদেশ হাওর ও জলাভূমি উন্নয়ন অধিদপ্তর।

৪,৬৭১.
'আবহাওয়া'র বৈশিষ্ট্য -
  1. ক) বায়ুমণ্ডলের নিম্নস্তরের দীর্ঘকালীন সামগ্রিক অবস্থা
  2. খ) বায়ুমণ্ডলের নিম্নস্তরের দৈনন্দিন অবস্থা
  3. গ) ঋতুভেদে পরিবর্তন হয়
  4. ঘ) প্রতিদিনের ব্যবধানে পরিবর্তিত হয় না
সঠিক উত্তর:
খ) বায়ুমণ্ডলের নিম্নস্তরের দৈনন্দিন অবস্থা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বায়ুমণ্ডলের নিম্নস্তরের দৈনন্দিন অবস্থা
ব্যাখ্যা
• আবহাওয়া:
- কোনো নির্দিষ্ট স্থানের নির্দিষ্ট সময়ের বায়ুর উষ্ণতা, বায়ুচাপ, বায়ুপ্রবাহ, আর্দ্রতা, বৃষ্টিপাত প্রভৃতি উপাদানের দৈনন্দিন অবস্থাই আবহাওয়া।
- আবহাওয়া হলো বায়ুমণ্ডলের নিম্নস্তরের দৈনন্দিন অবস্থা।
- স্থানভেদে আবহাওয়া সহজেই পরিবর্তিত হয়।
- কোনো স্থানের আবহাওয়া প্রতিদিন, এমনকি প্রতি ঘণ্টায় পরিবর্তিত হয়।

• জলবায়ু:
- জলবায়ু হলো কোনো বিস্তৃত অঞ্চলের কমপক্ষে ৩০-8০ বছরের আবহাওয়ার গড় অবস্থা।
- জলবায়ু হলো বায়ুমণ্ডলের নিম্নস্তরের দীর্ঘকালীন সামগ্রিক অবস্থা।
- জলবায়ুর পরিবর্তন হয় স্থানভেদে ও ঋতুভেদে।
- প্রতিদিনের ব্যবধানে কোনো অঞ্চলের জলবায়ু পরিবর্তিত হয় না।

সূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৬৭২.
দেশ হিসেবে রাশিয়া ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে পৃথক করেছে কোন প্রণালী?
  1. ডোভার প্রণালী
  2. বেরিং প্রণালী
  3. পক প্রণালী
  4. হরমুজ প্রণালী
সঠিক উত্তর:
বেরিং প্রণালী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেরিং প্রণালী
ব্যাখ্যা

বেরিং প্রণালী:
- এটি প্রশান্ত মহাসাগরের সবচেয়ে উত্তরের অংশ।
- বেরিং প্রণালী পৃথক করেছে এশিয়া ও উত্তর আমেরিকা মহাদেশকে।
- এটি দেশ হিসেবে রাশিয়া ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে পৃথক করেছে।
- এই প্রণালীর নামকরণ করা হয়েছিল ভিটাস বেরিং-এর সম্মানে।
- বেরিং প্রণালী তুলনামূলকভাবে অগভীর।
- এর গড় গভীরতা: ৫০ মিটার, গভীরতম বিন্দু: ৯০ মিটার।
- বেরিং প্রণালীতে ডায়োমেড দ্বীপপুঞ্জ ও সেন্ট লরেন্স দ্বীপপুঞ্জসহ অসংখ্য দ্বীপ রয়েছে।

উল্লেখ্য,
- ডোভার প্রণালী ফ্রান্স ও যুক্তরাজ্যকে পৃথক করেছে।
- পক প্রণালী শ্রীলঙ্কা ও ভারত পৃথক করেছে।
- হরমুজ প্রণালী: ইরান ও সংযুক্ত আরব আমিরাতকে পৃথক করেছে।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৪,৬৭৩.
খুলনা শহর কোন নদীর তীরে অবস্থিত?
  1. মহানন্দা
  2. কপোতাক্ষ
  3. রূপসা
  4. পশুর
সঠিক উত্তর:
রূপসা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রূপসা
ব্যাখ্যা

খুলনা: 
- খুলনা বিভাগ বাংলাদেশের আটটি বিভাগের মধ্যে একটি এবং এটি দেশের দক্ষিণ পশ্চিম দিকে অবস্থিত। 
- খুলনা বিভাগের সদর দপ্তর খুলনা শহর।
- ঢাকা এবং চট্টগ্রামের পরে বাংলাদেশের তৃতীয় বৃহত্তম শহর।
- খুলনা বাংলাদেশের দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলে রূপসা নদী এবং ভৈরব নদীর তীরে অবস্থিত।
- বাংলাদেশের প্রাচীনতম নদী বন্দরগুলোর মধ্যে খুলনা অন্যতম।
- খুলনা বাংলাদেশের অন্যতম শিল্প ও বাণিজ্যিক এলাকা হওয়ায় খুলনা শহরকে শিল্প নগরী হিসেবে ডাকা হয়।
- খুলনা শহর থেকে ৪৮ কি.মি. দূরে বাংলাদেশের দ্বিতীয় সমুদ্র বন্দর মংলা সমুদ্র বন্দর অবস্থিত।
- পৃথিবী বিখ্যাত উপকূলীয় বন সুন্দরবন খুলনা বিভাগের দক্ষিণাংশে অবস্থিত।
- খুলনা বিভাগের খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরা জেলায় সুন্দরবনের বিস্তৃতি ঘটেছে।
- খুলনাকে সুন্দরবনের প্রবেশদ্বার বলা হয়।
- রাজধানী ঢাকা থেকে খুলনা শহরের দূরত্ব সড়কপথে ৩৩৩কি.মি.।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 

৪,৬৭৪.
প্লাইস্টোসিন যুগের সর্ববৃহৎ উঁচুভূমি কোনটি?
  1. বরেন্দ্রভূমি
  2. লালমাই পাহাড়
  3. মধুপুর ও ভাওয়ালের গড়
  4. দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ
সঠিক উত্তর:
বরেন্দ্রভূমি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বরেন্দ্রভূমি
ব্যাখ্যা
প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ:
- আজ থেকে আনুমানিক প্রায় ২৫,০০০ বছর পূর্বের সময়কে প্লাইস্টোসিনকাল বলে।
- এ অঞ্চলের মাটির রং লাল ও ধূসর।
- দেশের উত্তর-পশ্চিমাংশের বরেন্দ্রভূমি, মধ্যভাগের মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় এবং কুমিল্লা জেলার লালমাই পাহাড় বা উচ্চভূমি এর অন্তর্ভুক্ত। 

বরেন্দ্রভূমি:
- বরেন্দ্রভূমি রাজশাহী বিভাগের নওগাঁ, রাজশাহী, বগুড়া, জয়পুরহাট এবং রংপুর বিভাগের গাইবান্ধা, রংপুর ও দিনাজপুর জেলার অংশবিশেষ নিয়ে গঠিত।
- এর আয়তন ৯,৩২০ বর্গকিলোমিটার। প্লাবন সমভূমি থেকে এর উচ্চতা ৬ থেকে ১২ মিটার।
- এটি প্লাইস্টোসিন যুগের সর্ববৃহৎ উঁচুভূমি।
- বর্তমানে বরেন্দ্র বহুমুখী সেচ প্রকল্প এবং আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি ব্যবহার করে এ অঞ্চলটিকে কৃষিকাজের জন্য বিশেষ উপযোগী করা হয়েছে।

মধুপুর ও ভাওয়ালের গড়:
- টাঙ্গাইল ও ময়মনসিংহ জেলার মধুপুর এবং গাজীপুর জেলার ভাওয়ালের গড় নিয়ে এলাকাটি গঠিত। 
- এটি প্লাইস্টোসিন যুগের দ্বিতীয় বৃহত্তম উঁচুভূমি।
- সমভূমি থেকে এর গড় উচ্চতা প্রায় ৩০ মিটার এবং আয়তন ৪,১০৩ বর্গকিলোমিটার।
- এটি দেশের গজারী বৃক্ষের কেন্দ্র হিসাব পরিচিত।

লালমাই পাহাড়:
- কুমিল্লা শহর থেকে ৮ কিলোমিটার পশ্চিমে লালমাই থেকে ময়নামতি পর্যন্ত এ পাহাড়টি বিস্তৃত।
- এর আয়তন প্রায় ৩৪ বর্গকিলোমিটার এবং গড় উচ্চতা ২১ মিটার।
- এ পাহাড়ের মাটি লাল এবং নুড়ি, বালি ইত্যাদি দ্বারা গঠিত।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৬৭৫.
লালমাই পাহাড় কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. চট্টগ্রাম
  2. রাজশাহী
  3. কুমিল্লা
  4. ময়মনসিংহ
সঠিক উত্তর:
কুমিল্লা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুমিল্লা
ব্যাখ্যা
- লালমাই পাহাড় কুমিল্লা জেলার একটি বিখ্যাত ভূ-আকৃতি।

লালমাই পাহাড়: 
- লালমাই পাহাড়ের গড় উচ্চতা ২১ মিটার।
- এটি কুমিল্লা জেলার একটি বিশেষ ধরনের উঁচুভূমি, এটি প্লাইস্টোসিন যুগে গঠিত হয়েছিল বলে ধারণা করা হয়।
- পাহাড়টি কুমিল্লা শহর থেকে ৮ কিলোমিটার পশ্চিমে লালমাই থেকে ময়নামতি পর্যন্ত বিস্তৃত।
- এর আয়তন প্রায় ৩৪ বর্গকিলোমিটার।
- পাহাড়ের মাটি লাল রঙের এবং এতে নুড়ি, বালি, ও অন্যান্য খনিজ উপাদান মিশ্রিত।
- সমভূমি থেকে অপেক্ষাকৃত উঁচু হওয়ায় এটি এক ধরনের প্রাকৃতিক উচ্চভূমি হিসেবে বিবেচিত।  

সূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৬৭৬.
ডাউকি চ্যুতি বরাবর কোন সালে ভূমিকম্প সংঘটিত হয়?
  1. ১৭৮১ সালে
  2. ১৭৮৩ সালে
  3. ১৭৮৭ সালে
  4. ১৭৮৯ সালে
সঠিক উত্তর:
১৭৮৭ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭৮৭ সালে
ব্যাখ্যা
ব্রহ্মপুত্র (Brahmaputra):
- ব্রহ্মপুত্র নদ হিমালয় পর্বতের তিব্বত অংশের মানস সরোবর থেকে উৎপত্তি লাভ করেছে।
- এরপর তিব্বত হয়ে ভারতের আসাম রাজ্যের ভিতর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে কুড়িগ্রাম জেলার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।
- এরপর ময়মনসিংহ জেলার দেওয়ানগঞ্জের কাছে দক্ষিণ-পূর্ব দিকে বাঁক নিয়ে ভৈরববাজারের দক্ষিণে মেঘনা নদীর সাথে মিলিত হয়েছে।
- মেঘনা নদীতে মিলিত হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত এটি পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নামে পরিচিত।
- বাংলাদেশ অংশে ব্রহ্মপুত্র নদ প্রায় ২৭৭ কিলোমিটার প্রবাহিত হয়েছে।
- প্রধান শাখানদী: বংশী ও শীতলক্ষ্যা।
- ধরলা ও তিস্তা প্রধান উপনদী।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের মাটির নিচে ভূমিকম্পের দুটি বড় উৎস আছে।
- একটি হচ্ছে উত্তরাঞ্চলের ডাউকি চ্যুতি বা ফাটল (ফল্ট)।
- ১৭৮৭ সালে ডাউকি চ্যুতিতে তীব্র ভূমিকম্পের পর ব্রহ্মপুত্র নদের গতিপথ পরিবর্তন হয়েছিল।
- সংঘটিত ভূমিকম্পে ব্রহ্মপুত্রের তলদেশ উপরে উত্থিত হওয়ায় পানি ধারণ ক্ষমতা কমে গিয়ে একটি নতুন স্রোতধারা সৃষ্টি হয়।
- যা বর্তমানে যমুনা নামে পরিচিত।

উৎস: i) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) ২০ জুলাই, ২০১৯, প্রথম আলো।
৪,৬৭৭.
What percentage of the total area must be forested to maintain the natural balance of a country or region?
  1. ক) 20%
  2. খ) 25%
  3. গ) 30%
  4. ঘ) 26%
সঠিক উত্তর:
খ) 25%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) 25%
ব্যাখ্যা
• বনভূমি:
- সাধারণভাবে বনভূমি বলতে স্বাভাবিকভাবে কোনো অঞ্চলে বিভিন্ন ধরনের যে অসংখ্য বৃক্ষের সমারোহ দেখা যায় তাকে বুঝায়। আর বনভূমি থেকে যে সকল সম্পদ পাওয়া যায় সেগুলোকে বনজ সম্পদ বলে।
- যে কোনো দেশ বা অঞ্চলের প্রকৃতির ভারসাম্য বজায় রাখার জন্য মোট আয়তনের শতকরা ২৫ ভাগ বনভূমি থাকা আবশ্যক।

• বনভূমির প্রকারভেদ : মৃত্তিকার গুণাগুণ এবং জলবায়ুগত বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী বাংলাদেশের বনভূমিসমূহকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
১. ক্রান্তীয় চিরহরিৎ ও পাতাঝরা বৃক্ষের বনভূমি
২. ক্রান্তীয় পাতাঝরা বৃক্ষের বনভূমি এবং
৩.  স্রোতজ  বনভূমি বা সুন্দরবন।

• পাতাঝরা বৃক্ষের বনভূমিকে প্রধানত দুইটি ভাগে ভাগ করা যায়
যথা-
- মধুপুর ও ভাওয়ালের বনভূমি এবং
- রংপুর ও দিনাজপুর অঞ্চলের বনভূমি। 
• মধুপুর ও ভাওয়ালের বনভূমি : ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল ও গাজীপুর জেলার বনভূমি এর অন্তর্ভুক্ত।
এ বনভূমির প্রধান বৃক্ষ গজারী হওয়ায় এটি গজারী বৃক্ষের বনভূমি হিসেবে পরিচিত।
 এর আয়তন প্রায় ৮৭৫ বর্গকিলোমিটার।

• রংপুর ও দিনাজপুর অঞ্চলের বনভূমি : রংপুর ও দিনাজপুর জেলার প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহে এ বনভূমি
অবস্থিত।
- এখানকার প্রধান বৃক্ষ শাল।
- এজন্য এটি শাল বৃক্ষের বনভূমি হিসেবে পরিচিত।
- এ বনভূমির আয়তন প্রায় ৩৯ বর্গকিলোমিটার। 

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্বপরিচয়।
৪,৬৭৮.
কোনটি 'ল্যাটিন আমেরিকান' রাষ্ট্র নয়?
  1. ক) ব্রাজিল
  2. খ) আর্জেন্টিনা
  3. গ) কানাডা
  4. ঘ) মেক্সিকো
সঠিক উত্তর:
গ) কানাডা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) কানাডা
ব্যাখ্যা
- ল্যাটিন আমেরিকা বিশটি সার্বভৌম রাষ্ট্র এবং বিভিন্ন অঞ্চল নিয়ে গঠিত।
- ল্যাটিন আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে দক্ষিণে অবস্থিত সমস্ত পর্তুগিজ এবং স্প্যানিশ ভাষী রাষ্ট্রসমূহকে অন্তর্ভুক্ত করে।
- অন্তর্ভূক্ত রাষ্ট্রসমূহ: আর্জেন্টিনা, বলিভিয়া, ব্রাজিল, চিলি, কলম্বিয়া, ইকুয়েডর, প্যারাগুয়ে, পেরু, উরুগুয়ে, ভেনেজুয়েলা, পানামা, এল সালভাদর, গুয়েতেমালা, হুন্ডুরাস, নিকারাগুয়া, কোস্টারিকা, কিউবা, হাইতি, ডোমিনিকান প্রজাতন্ত্র।

- 'কানাডা' উত্তর আমেরিকার উত্তরাংশে অবস্থিত একটি দেশ।

সোর্সঃ worldatlas
৪,৬৭৯.
“বঙ্গবন্ধু দ্বীপ” কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) সুন্দরবনের উত্তরে
  2. খ) পদ্মা এবং যমুনার সংযােগস্থলে
  3. গ) সুন্দরবনের দক্ষিণে
  4. ঘ) মেঘনা মােহনায়
সঠিক উত্তর:
গ) সুন্দরবনের দক্ষিণে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সুন্দরবনের দক্ষিণে
ব্যাখ্যা
• বঙ্গবন্ধু দ্বীপ (যা পুটুনির দ্বীপ নামেও পরিচিত) বাংলাদেশের খুলনা বিভাগের বাগেরহাট জেলার মংলা উপজেলার সুন্দরবনের অংশ 'দুবলার চর' থেকে ১০ কিলোমিটার দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরে অবস্থিত একটি দ্বীপ।
- ১৯৯২ সালে বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরতে গিয়ে প্রথম নতুন জেগে ওঠা একটি চরের দেখা পান বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের একনিষ্ঠ ভক্ত, মালেক ফরাজী নামের এক মৎস শিকারী।
- এ সময় তিনি জনমানবহীন এ দ্বীপের নাম দেন ‘বঙ্গবন্ধু দ্বীপ’ এবং সেখানে একটি সাইনবোর্ড লাগিয়ে দিয়ে আসেন।
- পরবর্তীতে ২০০৪ সালের পর থেকে দ্বীপটির আয়তন ক্রমেই বড় হচ্ছে এবং না ডুবে স্থিতিশীল অবস্থায় আসছে।

সূত্র: প্রথম আলো।
৪,৬৮০.
IPCC-এর মতে কত সালের মধ্যে বাংলাদেশের নদীপ্রবাহ কমে যাবে?
  1. ২০৫০ সাল
  2. ২০৪৫ সাল
  3. ২০৩৫ সাল
  4. ২০৩০ সাল
সঠিক উত্তর:
২০৩০ সাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০৩০ সাল
ব্যাখ্যা
জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব:
- মাত্রাতিরিক্ত গ্রিনহাউস গ্যাস অর্থাৎ কার্বন ডাইঅক্সাইড মিথেন এবং নাইট্রাস অক্সাইড গ্যাসগুলো নির্গমনের কারণে বিশ্বে উষ্ণতা বৃদ্ধি পাচ্ছে।
- বিশ্বের স্বল্পোন্নত ও উন্নয়নশীল অনেক দেশ বিশেষ করে বাংলাদেশ আছে সবচেয়ে ঝুঁকির মধ্যে।
- জাতিসংঘ তার সতর্কীকরণে বলেছে পরবর্তী ৫০ বছরে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা ৩ ফুট বাড়ল বাংলাদেশের সমুদ্র উপকূলবর্তী ১৭ শতাংশ ভূমি পানির নিচে চলে যাবে।
- IPCC-এর তথ্য অনুসারে ২০৩০ সালের পর নদীর প্রবাহ নাটকীয়ভাবে কমে যাবে।
- ফলে এশিয়ায় পানির স্বল্পতা দেখা দেবে এবং ২০৫০ সালের মধ্যে প্রায় ১০০ কোটি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

এছাড়াও,
- এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের (ADB)-এর মতে উষ্ণায়নের বর্তমান ধারা ২০৫০ সাল পর্যন্ত অব্যাহত থাকলে দক্ষিণ এশিয়ার ১৫০ কোটির বেশি মানুষ সরাসরি পানি ও খাদ্য ঝুঁকিতে পড়বে।
- এ শতকের শেষ নাগাদ বিশ্বে চাষাবাদ ২০ থেকে ৪০ শতাংশ হ্রাস পেতে পারে।
- আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলোজি (MIT) অর্থনীতিবিদদের নতুন গবেষণা অনুসারে বিশ্ব উষ্ণায়ন ধনী ও দরিদ্র দেশগুলোর মধ্যকার ব্যবধান আরও বাড়িয়ে দেবে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৪,৬৮১.
বাংলাদেশের কোন বিভাগের সবগুলো জেলা সীমান্তবর্তী?
  1. ময়মনসিংহ
  2. চট্টগ্রাম
  3. রংপুর
  4. খুলনা
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা

সীমান্তবর্তী জেলা:
- বাংলাদেশে মোট বিভাগ ৮টি তার মধ্যে ২টি বিভাগের সবগুলো জেলা সীমান্তবর্তী।
- বিভাগগুলো হলো - ময়মনসিংহ ও সিলেট।
- ময়মনসিংহ বিভাগের সীমান্ত সংলগ্ন জেলাগুলো হলো- জামালপুর, শেরপুর, ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনা।
- সিলেট বিভাগের সীমান্ত সংলগ্ন জেলাগুলো হলো- সুনামগঞ্জ, সিলেট, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ।

উল্লেখ্য,
- এশিয়া মহাদেশের দক্ষিণে বাংলাদেশের অবস্থান।
- বাংলাদেশের উত্তরে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, মেঘালয় ও আসাম; পূর্বে আসাম, ত্রিপুরা ও মিজোরাম এবং মিয়ানমার; দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর এবং পশ্চিমে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ অবস্থিত।
- ভারত ও মিয়ানমার উভয় দেশের সাথে বাংলাদেশের ৩২টি জেলার সীমান্ত রয়েছে। ভারতের সাথে ৩০টি এবং মিয়ানমারের সাথে ৩টি।
- বাংলাদেশের রাঙামাটি জেলার সাথে ভারত ও মিয়ানমার উভয় দেশের সীমানা রয়েছে।
- ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত সাতটি রাজ্যকে সেভেন সিস্টার্স বলা হয়। রাজ্যগুলো হলো: আসাম, মেঘালয়, অরুণাচল, মনিপুর, নাগাল্যান্ড, ত্রিপুরা এবং মিজোরাম।
- ভারতের মোট ৫টি রাজ্য বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী। এগুলো হলো: আসাম, ত্রিপুরা, মিজোরাম, মেঘালয় ও পশ্চিমবঙ্গ।

উৎস: i) ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৪,৬৮২.
তিতাস গ্যাস ক্ষেত্র কত সালে আবিষ্কৃত হয়?
  1. ১৯৬০ সালে
  2. ১৯৬৪ সালে
  3. ১৯৬৩ সালে
  4. ১৯৬২ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৬২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৬২ সালে
ব্যাখ্যা

- ১৯৬২ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তিতাস নদীর তীরে বিরাট গ্যাস ক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয়
 - ১৯৬৪ সালের ২০ নভেম্বর তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিসন এন্ড ডিস্ট্রিবিউশন পিএলসি জন্মলাভ করেছে।
- তৎকালীন সরকারি প্রতিষ্ঠান শিল্প উন্নয়ন সংস্থা কর্তৃক ১৪″ব্যাস সম্পন্ন ৫৮ মাইল দীর্ঘ তিতাস-ডেমরা সঞ্চালন পাইপলাইন নির্মাণের পর ১৯৬৮ সালের ২৮ এপ্রিল সিদ্ধিরগঞ্জ তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রে গ্যাস সরবরাহের মাধ্যমে কোম্পানী বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরু করে। 
- কর্পোরেশন : বাংলাদেশ তৈল, গ্যাস ও খনিজ কর্পোরেশন (পেট্রোবাংলা)।
- প্রশাসনিক মন্ত্রণালয়  : বিদ্যুৎ, জ্বালানী ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়।
- তিতাস অধিভূক্ত এলাকা : বৃহত্তর ঢাকা ও বৃহত্তর ময়মনসিংহ।

উৎস: তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিসন এন্ড ডিস্ট্রিবিউশন পিএলসি, ওয়েবসাইট।

৪,৬৮৩.
'পশ্চিমা বায়ু' দক্ষিণ গোলার্ধে প্রধানত কোন দিক থেকে বয়ে আসে? 
  1. দক্ষিণ-পশ্চিম
  2. উত্তর-পশ্চিম
  3. পূর্ব-পশ্চিম
  4. উত্তর-পূর্ব
সঠিক উত্তর:
উত্তর-পশ্চিম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উত্তর-পশ্চিম
ব্যাখ্যা

• নিয়ত বায়ু: 
- যে বায়ু সর্বদাই উচ্চচাপ অঞ্চল হতে নিম্নচাপ অঞ্চলে দিকে প্রবাহিত হয়, তাকে নিয়ত বায়ু বলে। 
- নিয়ত বায়ুপ্রবাহ সারা বছর একই দিকে প্রবাহিত হয়। 
- এই বায়ুপ্রবাহ পৃথিবীর চাপ বলয়গুলো দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। 
- নিয়ত বায়ুকে আবার তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। 
যথা- অয়ন বায়ু, পশ্চিমা বায়ু ও মেরু বায়ু। 

• পশ্চিমা বায়ু (The Westerlies):

- কর্কটীয় ও মকরীয় উচ্চচাপ বলয় থেকে অয়ন বায়ু ব্যতীত আরও দুটি বায়ুপ্রবাহ মেরুবৃত্ত নিম্নচাপ বলয়ের দিকে প্রবাহিত হয়।
- উত্তর গোলার্ধে এটি দক্ষিণ-পশ্চিম দিক থেকে এবং দক্ষিণ গোলার্ধে উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে প্রবাহিত হয়।
- এ বায়ুপ্রবাহকে পশ্চিমা বায়ু বলে।
- উত্তর গোলার্ধে স্থলভাগের পরিমাণ অধিক বলে স্থানীয় কারণে পশ্চিমা বায়ুর সাময়িক বিরতি ঘটে।
- কিন্তু দক্ষিণ গোলার্ধে জলভাগের পরিমাণ বেশি বলে পশ্চিমা বায়ু প্রবলবেগে এ অঞ্চলে প্রবাহিত হয়।
- এজন্য এই বায়ুপ্রবাহকে প্রবল পশ্চিমা বায়ু (Brave west winds) বলে।
- ৪০° থেকে ৪৭° দক্ষিণ অক্ষাংশ পর্যন্ত পশ্চিমা বায়ুর গতিবেগ সর্বাপেক্ষা বেশি।
- এ অঞ্চলকে গর্জনশীল চল্লিশ (Roaring forties) বলে।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।

৪,৬৮৪.
কৈলাশটিলা গ্যাসক্ষেত্র কোথায় অবস্থিত?
  1. খাগড়াছড়ি
  2. হবিগঞ্জ
  3. সুনামগঞ্জ
  4. সিলেট
সঠিক উত্তর:
সিলেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিলেট
ব্যাখ্যা
কৈলাশটিলা গ্যাস ফিল্ড: 
- ১৯৬১ সালে আবিষ্কৃত এ গ্যাসক্ষেত্রে এযাবৎ মোট ৮টি কূপ খনন করা হয়েছে।
- ২০২৪ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত এ ফিল্ড হতে উত্তোলিত গ্যাসের পরিমাণ ৮১২.১৭ বিলিয়ন ঘনফুট।
- কৈলাশটিলা গ্যাস ফিল্ড সিলেটে অবস্থিত।

এছাড়াও,
- সিলেটে কয়েকটি গ্যাসক্ষেত্র:
- হরিপুর গ্যাস ফিল্ড,
- রশিদপুর গ্যাস ফিল্ড,
- বিয়ানীবাজার গ্যাস ফিল্ড,
- ছাতক গ্যাস ফিল্ড। 

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ান।
 
৪,৬৮৫.
ম্যাকমোহন লাইন কোন কোন দেশের সীমানা নির্ধারণ করেছে?
  1. চীন ও রাশিয়া
  2. চীন ও ভারত
  3. ভারত ও পাকিস্তান
  4. পাকিস্তান ও আফগানিস্তান
সঠিক উত্তর:
চীন ও ভারত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চীন ও ভারত
ব্যাখ্যা
ম্যাকমোহন লাইন ভারত ও চীনের সীমানা নির্ধারণ করেছে।

আন্তর্জাতিক সীমারেখা:
- ম্যাকমোহন লাইন: ভারত ও চীন,
- র‍্যাডক্লিফ লাইন: ভারত ও পাকিস্তান,
- ডুরান্ড লাইন: পাকিস্তান ও আফগানিস্তান,
- তিন বিঘা করিডোর: ভারত ও বাংলাদেশ,
- লাইন অব কন্ট্রোল (LOC ): ভারত ও পাকিস্তান,
- লাইন অব অ্যাকচুয়াল কন্ট্রোল (LAC ): ভারত ও চীন,
- ১০ ডিগ্রী চ্যানেল: আন্দামান ও নিকোবর,
- ১৬তম প্যারালাল: নামিবিয়া ও অ্যাঙ্গোলা,
- ১৭তম প্যারালাল: উত্তর ভিয়েতনাম ও দক্ষিণ ভিয়েতনাম,
- ২৪তম প্যারালাল: ভারত ও পাকিস্তান,
- ২৮তম প্যারালাল: ভারত ও পাকিস্তান,
- ৩৭তম প্যারালাল: ভারত ও মায়ানমার,
- ৩৮তম প্যারালাল: উত্তর কোরিয়া ও দক্ষিণ কোরিয়া,
- ৪৯তম প্যারালাল: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা,
- ৮° চ্যানেল: ভারত (মিনিকয় দ্বীপ) ও মালদ্বীপ,
- ইংলিশ চ্যানেল: ইংল্যান্ড ও ফ্রান্স,
- ওডার-নাইসে লাইন: পূর্বতন পূর্ব জার্মানি ও পোল্যান্ড,
- গ্রেট চ্যানেল: ভারত (আন্দামান, নিকোবর) ও সুমাত্রা,
- ডানকান প্যাসেজ: গ্রেট আন্দামান ও লিটন আন্দামান,
- ম্যাগিনট লাইন: জার্মানি ও ফ্রান্স,
- ম্যানারহেম রেখা: রাশিয়া ও ফিনল্যান্ড,
- লাইন অব ডিমারকেশন: পর্তুগাল ও স্পেন,
- সিগফ্রেড লাইন: জার্মানি ও ফ্রান্স,
- হিনডেন বার্গ লাইন: জার্মানি ও পোল্যান্ড।

উৎস: i) Britannica.
        ii) WorldAtlas.
৪,৬৮৬.
কর্কটক্রান্তি এবং ৯০ ডিগ্রি দ্রাঘিমার ছেদবিন্দু কোন উপজেলার অবস্থিত?
  1. ক) শিবচর
  2. খ) ভাঙ্গা
  3. গ) চরভদ্রাসন
  4. ঘ) সদরপুর
সঠিক উত্তর:
খ) ভাঙ্গা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ভাঙ্গা
ব্যাখ্যা
৯০° পূর্ব দ্রাঘিমা:

- কর্কটক্রান্তি এবং ৯০ ডিগ্রি দ্রাঘিমার ছেদবিন্দু ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার অবস্থিত।
- চারটি উত্তর দক্ষিণ রেখা এবং তিনটি পূর্ব পশ্চিম রেখা, সব মিলিয়ে ১২ জায়গায় ছেদ করেছে।
- ১২টি বিন্দুর ১০টি বিন্দুই পড়েছে সাগরে-মহাসাগরে, সেখানে কেউ যেতে পারে না।
- এর মধ্যে শুধু দুটি ছেদ বিন্দু পড়েছে স্থলভাগে।
- এর একটি পড়েছে সাহারা মরুভূমিতে, সেখানেও কেউ যেতে পারে না। 
- কর্কট ক্রান্তি এবং ৯০ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমার ছেদ বিন্দুটি পড়েছে ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলায়।

তথ্যসূত্র - দৈনিক যুগান্তর, ১ জুলাই ২০১৯।
৪,৬৮৭.
কীসের প্রভাবে ’ঋতু পরিবর্তন’ ঘটে?
  1. আহ্নিক গতি
  2. ঘূর্ণন গতি
  3. পর্যায়বৃত্ত গতি
  4. বার্ষিক গতি
সঠিক উত্তর:
বার্ষিক গতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বার্ষিক গতি
ব্যাখ্যা

• বার্ষিক গতি :
- সূর্যের মহাকর্ষ বলের আকর্ষণে পৃথিবী নিজের অক্ষের উপর অবিরাম ঘুরতে ঘুরতে একটি নির্দিষ্ট পথে নির্দিষ্ট দিকে (ঘড়ির কাঁটার বিপরীতে) এবং নির্দিষ্ট সময়ে সূর্যের চারদিকে ঘুরছে।
পৃথিবীর এই গতিকে বার্ষিক গতি বা পরিক্রমণ গতি বলে।

• বার্ষিক গতির ফল (The results of Revolution):বার্ষিক গতির ফল হলো-
- দিবারাত্রির হ্রাস-বৃদ্ধি,
- ঋতু পরিবর্তন।

• ঋতু পরিবর্তন:
- তাপমাত্রার পার্থক্যের কারণে বছরকে চারটি ঋতুতে ভাগ করা হয়—গ্রীষ্ম, বর্ষা, শরৎ, শীত, বসন্ত ও হেমন্ত। তবে সাধারণভাবে চারটি মৌলিক ঋতু হচ্ছে গ্রীষ্ম, শরৎ, শীত ও বসন্ত।
- পৃথিবীকে দুটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে—উত্তর গোলার্ধ ও দক্ষিণ গোলার্ধ।
- নিরক্ষরেখার উপরে উত্তর গোলার্ধ আর নিচে দক্ষিণ গোলার্ধ।
- উত্তর গোলার্ধে যখন গ্রীষ্ম, দক্ষিণ গোলার্ধে তখন শীত।
- আবার উত্তর গোলার্ধে যখন শীত, দক্ষিণে তখন গ্রীষ্ম।
- বাংলাদেশ উত্তর গোলার্ধে অবস্থিত।
- তাই এখানে জুন মাসে গ্রীষ্ম থাকে, আর তখন দক্ষিণ গোলার্ধে শীতকাল চলে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম ও দশম শ্রেণি

৪,৬৮৮.
বায়ুমন্ডলের উপাদান কোনটি?
  1. ক) ধূলিকণা
  2. খ) বিভিন্ন প্রকার গ্যাস
  3. গ) জলীয়বাষ্প
  4. ঘ) সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা
বায়ুমন্ডলের উপাদান
• পৃথিবীপৃষ্ঠ ও তার চারদিক জুড়ে বায়ুমন্ডল বেষ্টিত। এই মন্ডল নানা রকমের গ্যাসের মিশ্রণে গঠিত হয়েছে। এই গ্যাসীয়
মিশ্রণ ভূ-পৃষ্ঠ থেকে আনুমানিক ৮০ কিলোমিটার উচ্চতা পর্যন্ত প্রায় সমান।
• বায়ুমন্ডলে আরও রয়েছে অসংখ্য ধূলিকণার সংমিশ্রণ। এই সব কঠিন ও তরল কণিকাকে একত্রে বলা হয় রঞ্জক পদার্থ।
• বায়ুমন্ডলের বর্ণ, গন্ধ, আকার কিছুই নেই। তাই বায়ুমন্ডলের এই সব উপাদান স্বাভাবিক অবস্থায় অনুভব করা যায় না।
• সুতরাং বায়ুমন্ডলের উপাদান বলতে বিভিন্ন প্রকার গ্যাস, জলীয়বাষ্প, ধূলিকণা ও কণিকার সংমিশ্রণকে বুঝায়।   

তথ্যসূত্র:- ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৪,৬৮৯.
 নিচের কোন জেলায় টারশিয়ারি যুগের পাহাড় নেই?
  1. খাগড়াছড়ি
  2. মৌলভীবাজার
  3. কুমিল্লা 
  4. রাঙামাটি
সঠিক উত্তর:
কুমিল্লা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুমিল্লা 
ব্যাখ্যা

কুমিল্লায় প্লাইস্টোসিনকালের পাহাড় রয়েছে।

বাংলাদেশের ভূ-প্রাকৃতিক শ্রেণিবিভাগ:
- অবস্থান, ভূমির গঠন ও ভূ-তাত্ত্বিক সময়কাল অনুসারে বাংলাদেশের ভূ-প্রকৃতিকে প্রধানত তিনটি বৃহৎ শ্রেণিতে বিভক্ত করা যায়।
যথা-
১. টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ;
২. প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ এবং
৩. সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি।

• টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ:
- প্রায় ৭০ মিলিয়ন বছর পূর্বে টারশিয়ারি যুগে হিমালয় পর্বত উত্থিত হওয়ার সময় এ পাহাড়গুলো গঠিত হয়েছে বলে এগুলোকে টারশিয়ারি যুগের পাহাড় বলা হয়।
- এ পাহাড়গুলো বেলেপাথর, শ্লেট জাতীয় প্রস্তর এবং কর্দম দ্বারা গঠিত।
- এ পাহাড়গুলোকে আসামের লুসাই এবং মিয়ানমারের আরাকান পাহাড়ের সমগোত্রীয় বলে মনে করা হয়।

• টারশিয়ারি যুগের পাহাড়ের অবস্থান:
- রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি, বান্দরবান এবং চট্টগ্রাম জেলার অংশবিশেষে, সুনামগঞ্জ, হবিগঞ্জ ও মৌলভীবাজার জেলায় অবস্থিত ছোট-বড় পাহাড়গুলো নিয়ে এ অঞ্চল গঠিত। 

সূত্র: ভূগোল প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,৬৯০.
‘দেখার হাওর’ বাংলাদেশের কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. সুনামগঞ্জ
  2. নেত্রকোনা
  3. কিশোরগঞ্জ
  4. পাবনা
সঠিক উত্তর:
সুনামগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুনামগঞ্জ
ব্যাখ্যা

দেখার হাওর:
- 'দেখার হাওর' বাংলাদেশের সুনামগঞ্জ জেলায় অবস্থিত।
- জেলার চারটি উপজেলায় হাওটির অবস্থান। 
- সুনামগঞ্জ সদর, দক্ষিণ সুনামগঞ্জ, দোয়ারাবাজার ও ছাতক চার উপজেলা নিয়ে সুনামগঞ্জের অন্যতম বৃহত্তম হাওর ‘দেখার হাওর’।
- এতে রয়েছে ১২ হাজার হেক্টর ফসলি জমি। 
- দেখার হাওরকে বলা হয় বোরো ভান্ডার।
- ভরা বর্ষায় হাওরের সৌন্দর্য মানুষের নজর কাড়ে। পানি কমার সঙ্গে সঙ্গে কৃষকেরা বোরো রোপণ করেন।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 
ii) প্রথম আলো।

৪,৬৯১.
পৃথিবীর গভীরতম স্থান কোন মহাসাগরে?
  1. ভারত মহাসাগর
  2. প্রশান্ত মহাসাগর
  3. আটলান্টিক মহাসাগর
  4. উত্তর মহাসাগর
সঠিক উত্তর:
প্রশান্ত মহাসাগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রশান্ত মহাসাগর
ব্যাখ্যা
পৃথিবীর গভীরতম স্থান প্রশান্ত মহাসাগরে।

মারিয়ানা ট্রেঞ্চ (Mariana Trench):

- পৃথিবীর গভীরতম স্থান মারিয়ানা ট্রেঞ্চ।
- এর অবস্থান হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জ ও ফিলিপাইনের মধ্যবর্তী প্রশান্ত মহাসাগরে।
- এর নামকরণ করা হয় নিকটবর্তী মারিয়ানা দ্বীপ ও অস্ট্রিয়ার তৎকালীন রানী মারিয়ানার নামে।
- মারিয়ানা ট্রেঞ্চের গভীরতা মাপার উদ্যোগ নেয়া হয় ১৮৭৫ সালে।
- তৎকালীন ব্রিটিশ জরিপ পরিচালনাকারী জাহাজ HMS Challenger।
- তখন গভীরতা নির্ণয় করা হয় ২৬,৮৫০ ফুট।
- পরবর্তীতে আরো কয়েকদফা মাপার পর ২০১০ সালে এর সর্বোচ্চ গভীরতা মাপা হয় ৩৬,০৭০ ফুট।
- বর্তমানে এই গভীরতাই গ্রহণযোগ্য।
- এর গভীরতম অংশকে চ্যালেঞ্জার ডিপ বা Challenger Deep বলা হয়।

উৎস: i) World Atlas.
ii) National Geographic Society.
৪,৬৯২.
ফ্রান্সের কেন্দ্রীয় মালভূমি থেকে কোন বায়ু প্রবাহিত হয়?
  1. লু
  2. সাইমুম
  3. খামসিন
  4. মিস্ট্রাল
সঠিক উত্তর:
মিস্ট্রাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মিস্ট্রাল
ব্যাখ্যা

স্থানীয় বায়ু:
- স্থানীয় প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য ও বিবিধ ভৌগোলিক কারণে যে বায়ুপ্রবাহের সৃষ্টি হয় তাকে বলা হয় স্থানীয় বায়ুপ্রবাহ।
- রকি পবর্তের চিনুক, ফ্রান্সের কেন্দ্রীয় মালভূমি থেকে প্রবাহিত মিস্ট্রাল, আর্জেন্টিনা ও উরুগুয়ের পম্পাস অঞ্চলের উত্তরে পাম্পেরু, আড্রিয়াটিক সাগরের পূর্ব উপকূলে বোরা, উত্তর আফ্রিকা ও দক্ষিণ ইতালিতে সিরাক্কা, আরব মালভূমির সাইমুম, মিসরের খামসিন ও ভারতীয় উপমহাদেশের লু কয়েকটি স্থানীয় বায়ুর উদাহারণ।
- উপত্যকা ও পার্বত্য বায়ু দিনের বেলায় পর্বতের গা বেয়ে উপরের দিকে যে বায়ু প্রবাহিত হয় তাকে উপত্যকা বায়ু।
- ভূমির বন্ধুরতায় পার্বত্য অঞ্চলে বায়ুপ্রবাহ ভিন্নরকম হয়। দিনের বেলায় পর্বত উপত্যকার তলদেশ থেকেও পর্বত গাত্র অনেক বেশি উষ্ণ হয়। এসময় পর্বতের পাদদেশের নিম্নচাপ ও উপত্যকার তলদেশে উচ্চচাপ সৃষ্টি হয় বলেই এই ধরনের বায়ুপ্রবাহ সৃষ্ট হয়।
- অপরদিকে রাতের বেলায় তাপ বিকিরণের ফলে পর্বতগাত্র শীতল হয় এবং এ সময় উপত্যকা উষ্ণ থাকে। এসময় পর্বতের গা বেয়ে ভারী ও শীতল বায়ু উপত্যকার নিচের দিকে নেমে আসে। এই প্রবাহিত বায়ুকে বলা হয় পার্বত্য বায়ু।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,৬৯৩.
তিয়েন আনমেন স্কয়ার কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) হংকং
  2. খ) বেইজিং
  3. গ) সাংহাই
  4. ঘ) ম্যাকাও
সঠিক উত্তর:
খ) বেইজিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বেইজিং
ব্যাখ্যা
ত্রিশ বছর আগে, ১৯৮৯ সালে বেইজিংয়ের তিয়েনআনমেন স্কোয়ারে বিশাল এক বিক্ষোভ শুরু হয়েছিল, যা দমন করে চীনের ক্ষমতাসীন কম্যুনিস্ট পার্টি। ধারণা করা হয়, তিয়েনআনমেন স্কোয়ারের বিক্ষোভে অংশ নিয়েছিল দশ লাখ মানুষ।
উৎসঃ বিবিসি
৪,৬৯৪.
সিন্ধু নদের পতন স্থান -
  1. পূর্ব চীন সাগরে
  2. জাপান সাগরে
  3. আরব সাগরে
  4. দক্ষিণ চীন সাগরে
সঠিক উত্তর:
আরব সাগরে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আরব সাগরে
ব্যাখ্যা
সিন্ধু নদ: 

• উৎপত্তি: তিব্বতের মালভূমি। 
• পতন স্থান: আরব সাগরে। 
• পাকিস্তানের করাচি সিন্ধু নদীর তীরে।

অপরদিকে- 
• আমুদরিয়া নদী পামীর মালভূমি থেকে উৎপন্ন হয়েছে। 
• হোয়াংহো নদীর অন্য নাম: পীত নদী / হলুদ নদী/The Yellow River/চীনের দুঃখ ।
- এটি কুনলুন পর্বত থেকে উৎপন্ন হয়ে দক্ষিণ চীন সাগরে পতিত হয়েছে ।
• ইয়াংসিকিয়াং এশিয়ার দীর্ঘতম নদী।
- এর দৈর্ঘ্য ৬৩৮০ কি.মি.। 
- এটি তিব্বতের মালভূমি থেকে উৎপন্ন হয়ে পূর্ব চীন সাগরে পতিত হয়েছে ।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা ও  Live Mcq লেকচার।
৪,৬৯৫.
দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু মেঘালয় পাহাড়ে বাধা পাওয়ায় প্রচুর শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টি হয় কোথায়?
  1. ক) সিলেট এলাকায়
  2. খ) নেত্রকোণায়
  3. গ) বরেন্দ্র অঞ্চলে
  4. ঘ) উপকূলীয় জেলায়
সঠিক উত্তর:
ক) সিলেট এলাকায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) সিলেট এলাকায়
ব্যাখ্যা
• শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টিপাত (Orogaphic Rainfall):
- জলীয়বাষ্পপূর্ণ উষ্ণ ও আর্দ্র বায়ু ভূ-পৃষ্ঠের উপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ার সময় পর্বতে বাধাপ্রাপ্ত হলে তা পর্বতের ঢাল বেয়ে উপরের দিকে উঠে যায়।
- এই বায়ু শীতল হয়ে পর্বতের প্রতিবাত ঢালে যে বৃষ্টিপাত ঘটায় তাকে শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টিপাত বলে।
- দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু মেঘালয় পাহাড়ে বাধা পাওয়ায় সিলেট এলাকায় প্রচুর শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টি হয়।
- তবে পর্বত অতিক্রমকারী বায়ু যদি পর্বতের অপর পাশে অর্থাৎ অনুবাত ঢালে পৌঁছায় তখন ঐ বায়ুতে জলীয়বাষ্প কম থাকে।
- ঐ বায়ু নিচে নামার ফলে আরও উষ্ণ এবং শুষ্ক হয়ে উঠায় ঐ স্থানে বৃষ্টিপাত হয় না। এই বৃষ্টিহীন স্থানকে বলা হয় বৃষ্টিচ্ছায় অঞ্চল (Rain-Shadow Region)।

সূত্র: ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৬৯৬.
বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নিষ্কাশন ও সেচ প্রকল্প (Flood Control, Drainage and Irrigation Projects, FCDI) মাষ্টারপ্ল্যান কত সালে গৃহীত হয়? 
  1. ১৯৬৪
  2. ১৯৯৮
  3. ১৯৭২
  4. ১৯৬৮
সঠিক উত্তর:
১৯৬৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৬৪
ব্যাখ্যা
FCDI প্রকল্প: 

• FCDI: Flood Control, Drainage and Irrigation Projects 
• বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নিষ্কাশন ও সেচ প্রকল্প হলো বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের একটি প্রকল্প। 
• উদ্দেশ্য: বন্যাপ্রবণ এলাকার ২০% ভূমিকে রক্ষা করা। 
• ১৯৬৪ সালে দেশজুড়ে ৫৮টি বন্যা প্রতিরোধ এবং নিষ্কাশন প্রকল্প সম্বলিত একটি মাস্টার প্ল্যান গৃহীত হয়েছিল।  
• FCDI এর প্রধান প্রধান কয়েকটি সেচ প্রকল্প হলো:
- গঙ্গা কপোতাক্ষ সেচ প্রকল্প (জি-কে প্রজেক্ট);
- ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ-ডেমরা (ডিএনডি) প্রকল্প ;
- কর্ণফুলি বহুমুখী প্রকল্প ইত্যাদি। 

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন, বাংলাপিডিয়া এবং বাংলাদেশ হাওর ও জলাভূমি উন্নয়ন অধিদপ্তর। 
৪,৬৯৭.
নিম্নোক্ত কোনটি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার উদ্দেশ্য নয়?
  1. জীবন, সম্পদ এবং পরিবেশের ক্ষতির পরিমাণ হ্রাস করা
  2. দুর্যোগ পরবর্তী পুনরুদ্ধার কাজ ভালোভাবে সম্পন্ন করা
  3. ক্ষতিগ্রস্ত জনগণের মাঝে ত্রাণ পৌছানো ও পুনর্বাসন নিশ্চিত করা
  4. দুর্যোগ পরবর্তী ক্ষতিগ্রস্ত জনগণকে শুধু পর্যবেক্ষণ করা
সঠিক উত্তর:
দুর্যোগ পরবর্তী ক্ষতিগ্রস্ত জনগণকে শুধু পর্যবেক্ষণ করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুর্যোগ পরবর্তী ক্ষতিগ্রস্ত জনগণকে শুধু পর্যবেক্ষণ করা
ব্যাখ্যা

- 'দুর্যোগ পরবর্তী ক্ষতিগ্রস্ত জনগণকে শুধু পর্যবেক্ষণ করা' দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার উদ্দেশ্য নয়।

• দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা:
- দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা হচ্ছে এরূপ একটি ব্যবহারিক বিজ্ঞান।
- পর্যবেক্ষণ ও বিশ্লেষণের মাধ্যমে দুর্যোগ প্রতিরোধ, দুর্যোগ প্রস্তুতি এবং দুর্যোগে সাড়াদান ও পুনরুদ্ধার ইত্যাদি হচ্ছে  দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম।
সার্বিক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে দুর্যোগপূর্ব, দুর্যোগকালীন এবং দুর্যোগ পরবর্তী সময়ের কার্যক্রমকে বোঝায়।

• দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার প্রধান উদ্দেশ্য হলো তিনটি :
১। দুর্যোগের সময় জীবন, সম্পদ এবং পরিবেশের যে ক্ষতি হয়ে থাকে তা এড়ানো বা ক্ষতির পরিমাণ হ্রাস করা;
২। প্রয়োজন অনুযায়ী ক্ষতিগ্রস্ত জনগণের মধ্যে অল্প সময়ে সকল প্রকার ত্রাণ পৌছানো ও পুনর্বাসন নিশ্চিত করা এবং
৩। দুর্যোগ পরবর্তী পুনরুদ্ধার কাজ ভালোভাবে সম্পন্ন করা।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

৪,৬৯৮.
দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপ কোন নদীর মোহনায় অবস্থিত?
  1. সন্ধ্যা
  2. হাড়িয়াভাঙ্গা
  3. তেতুলিয়া
  4. আড়িয়াল খাঁ
সঠিক উত্তর:
হাড়িয়াভাঙ্গা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাড়িয়াভাঙ্গা
ব্যাখ্যা

• দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপ 'হাড়িয়াভাঙ্গা' নদীর মোহনায় অবস্থিত।

• দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপ:
- পূর্ববাশা বা নিউ মুর আইল্যান্ড বঙ্গোপসাগরের অবস্থিত ভারতের ছোটো জনবসতিহীন সাগরমুখী দ্বীপ। 
- এটি গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র বদ্বীপ অঞ্চলের উপকূলে অবস্থিত এবং১৯৭০ সালের প্রলয়ংকরী ঘূর্ণিঝড়ের পর হাড়িয়াভাঙ্গা নদীর মোহনার অদূরে বাংলাদেশের সমুদ্রসীমায় দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপ জেগে ওঠে। 
- নদীর মোহনা থেকে দুই কিলোমিটার দূরে এর অবস্থান।

উৎসঃ বাংলাপিডিয়া।

৪,৬৯৯.
'চিকেন নেক' চিহ্নিত অঞ্চলটি ভারতের কোন রাজ্যে অবস্থিত?
  1. পশ্চিম বঙ্গ
  2. অরুণাচল
  3. মেঘালয়
  4. মনিপুর
সঠিক উত্তর:
পশ্চিম বঙ্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পশ্চিম বঙ্গ
ব্যাখ্যা

 • চিকেন নেক:
- চিকেন নেক বলতে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের রাজ্যগুলোর সঙ্গে বাকি ভারতের একমাত্র স্থল যোগাযোগ পথ বোঝানো হয়, যেটি একটি সংকীর্ণ ভৌগোলিক করিডোর।
- এর প্রকৃত নাম সিলিগুড়ি করিডোর।
- এটি পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের দার্জিলিং জেলার সিলিগুড়ি শহরের কাছে অবস্থিত।
- প্রস্থ: মাত্র ১৭-২৪ কিলোমিটার (সবচেয়ে সরু স্থানে)
- এই সরু পথই ভারতের মূল ভূখণ্ডকে ৭টি উত্তর-পূর্ব রাজ্যের (যাকে একত্রে "সেভেন সিস্টার্স" বলা হয়) সাথে যুক্ত করে রেখেছে।
- এটি ভূ-রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত স্পর্শকাতর অঞ্চল।
- যদি এই পথ কোনো কারণে বন্ধ হয়ে যায়, তবে উত্তর-পূর্বাঞ্চল ভারতের মূল ভূখণ্ড থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যেতে পারে।

উৎস: এটলাস রিপোর্ট।

৪,৭০০.
আমাজান নদীর উৎপত্তিস্থল কোথায়?
  1. আন্দিজ পর্বতমালা
  2. ব্ল্যাক ফরেস্ট
  3. ভিক্টোরিয়া হ্রদ
  4. মিনোসোটা হ্রদ
সঠিক উত্তর:
আন্দিজ পর্বতমালা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আন্দিজ পর্বতমালা
ব্যাখ্যা
→ আমাজন নদী পেরুর আন্দিজ পর্বতমালা থেকে উৎপন্ন হয়।

আমাজন নদী:
- পৃথিবীর দ্বিতীয় দীর্ঘতম নদী আমাজন নদী।
- আমাজন নদীর দৈর্ঘ্য ৬৪০০ কি.মি। 
- এটি দক্ষিণ আমেরিকার সবচেয়ে বড় নদী।
- আমাজন নদী ৯টি দেশের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।
- নদীটি দক্ষিণ আমেরিকার উত্তর অংশে অবস্থিত, পশ্চিম থেকে পূর্বদিকে প্রবাহিত হয়েছে।
- এই নদীটি - পেরুর আন্দিজ পর্বতমালায় উৎপন্ন হয় এবং আটলান্টিক মহাসাগরে যুক্ত হয়েছে।
- আমাজনের মূল স্রোতের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ ব্রাজিলের মধ্যে দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।

উল্লেখ্য,
- পৃথিবীর দীর্ঘতম নদী নীল নদ।

বিশ্বের কয়েকটি প্রধান নদীর উৎপত্তি স্থল-
→ মারে ডার্লিং নদী: কোমিয়াস্কে, অষ্ট্ৰেলিয়া।
→ তিস্তা নদী: সিকিমের পর্বত অঞ্চল।
→ হোয়াংহো নদী: কুনকুন পর্বত, চিন দেশ।
→ মিসিসিপি নদী: মিনোসোটার হ্রদ, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
→ দানিয়ুব নদী: ব্ল্যাক ফরেস্ট, ইউরোপ।
→ নীলনদ: ভিক্টোরিয়া হ্রদ, আফ্রিকা মহাদেশ।

সূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও Britannica.com & Worldatlas.com