বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

ভূগোল ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা

মোট প্রশ্ন৭,১৯১এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ভূগোল ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা

PrepBank · পাতা ৩৯ / ৭২ · ৩,৮০১৩,৯০০ / ৭,১৯১

৩,৮০১.
বাংলাদেশের প্রথম ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র স্থাপিত হয়-
  1. জালালাবাদ
  2. বেতবুনিয়া
  3. তালিবাবাদ
  4. মহাখালী
সঠিক উত্তর:
বেতবুনিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেতবুনিয়া
ব্যাখ্যা

- বর্তমানে বাংলাদেশে ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র ৪টি। যথা-
• রাঙ্গামাটি (বেতবুনিয়া)
• গাজীপুর (তালিবাবাদ)
• মহাখালী
• সিলেট
- বেতবুনিয়া ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্রটি ১৯৭৪ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান উদ্বোধন করেন।
- এটি বাংলাদেশের প্রথম ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র।
উৎসঃ আবহাওয়া অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট।

৩,৮০২.
নিচের কোনটি বায়ুপ্রবাহের প্রভাবে সংঘটিত হয়?
  1. ক) মাছের বংশ বৃদ্ধি
  2. খ) ভূমিতে জলীয়বাষ্প হ্রাস পাওয়া
  3. গ) শব্দ তরঙ্গ বেড়ে যাওয়া
  4. ঘ) ভূমিক্ষয়
সঠিক উত্তর:
ঘ) ভূমিক্ষয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ভূমিক্ষয়
ব্যাখ্যা
- উল্লেখিত প্রশ্নের সঠিক উত্তর হলো- ভূমিক্ষয়। 

বায়ুপ্রবাহ
:
- বায়ুর চলাচল নিয়ত পরিবর্তনশীল। 
- বায়ু সবসময়ই একস্থান হতে অন্যস্থানে প্রবাহিত হয়। 
- ভূ-পৃষ্ঠের সমান্তরাল অর্থাৎ আনুভূমিকভাবে বায়ুর এ সঞ্চালনকে বলা হয় বায়ুপ্রবাহ। 
- বায়ুচাপের পার্থক্যই বায়ুপ্রবাহের কারণ। 
- বায়ু সাধারণত কয়েকটি বিশেষ নিয়ম দ্বারা পরিচালিত হয়- 
(১) নিম্নচাপমন্ডলের উত্তপ্ত ও হালকা বায়ু যখন উপরে উঠে যায় তখন বায়ুমন্ডলে চাপের অসমতা সৃষ্টি হয়। ফলে উচ্চ তাপমন্ডল থেকে শীতল ও ভারী বায়ু সবর্দা নিম্নচাপমন্ডলের দিকে প্রবাহিত হয়।
(২) পৃথিবী পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে আবর্তনশীল এবং নিরক্ষরেখা থেকে মেরু অঞ্চলের দিকে আবর্তনের কারণে গতিবেগ ক্রমান্বয়ে হ্রাস পায়। ফেরেলের সূত্রানুযায়ী বায়ুপ্রবাহ উত্তর গোলার্ধের ডান দিকে ও দক্ষিণ গোলার্ধে বাম দিকে বেঁকে যায়।

বায়ু প্রবাহের প্রভাবসমূহ:
• বায়ু এক প্রকার গতিশীল শক্তি যা পৃথিবীপৃষ্ঠ, তার আশেপাশে ও উর্ধ্বে সর্বদা প্রবাহমান। 
• বায়ুপ্রবাহের নানা গতি ও প্রকৃতির জন্য প্রবল বাতাস, ঝড়, হারিকেন, টাইফুন, হাওয়া, বজ্রঝড় ইত্যাদি আবহাওয়ার অবস্থা দৃশ্যমান হয়।
• এছাড়াও মানব সভ্যতার বিকাশ, ইতিহাস ও যুদ্ধ-বিগ্রহ, ক্ষমতার উৎস নির্ধারণ করা, পরিবহন, চিত্তবিনোদন, দৈনন্দিন জীবনযাপনের সুযোগ-সুবিধা সৃষ্টি ইত্যাদির অগ্রগতিতে বায়ুপ্রবাহের প্রভাব সীমাহীন।
• বায়ুপ্রবাহের জন্যই ভূমিরূপের বৈশিষ্ট্যের ভিন্নতা সৃষ্টি, জমির উর্বরতার হ্রাস-বৃদ্ধি, ভূমিক্ষয়, জমির গঠন, বাস্তুসংস্থানের সক্রিয়তা, পানিচক্র বা খাদ্য চক্রের মত প্রক্রিয়ার স্বাভাবিকতা রক্ষা ইত্যাদিতে পরিবর্তন ঘটে।
• বায়ুর তাপ, চাপ, আর্দ্রতা, ঘনত্ব ইত্যাদির কারণে বায়ুপ্রবাহ প্রভাবিত হয়। এই বায়ুপ্রবাহের ধরনের ভিন্নরূপের কারণে (ফেরেলের সূত্র অনুযায়ী) পৃথিবীর সুমেরু ও কুমেরু বৃত্তে আবহাওয়া ও জলবায়ুতে পার্থক্য তৈরি হয়।
• এছাড়াও শুষ্ক আবহাওয়ায় ভূমিক্ষয়ের একটি বড় কারণ হলো বায়ুপ্রবাহ।
- বায়ুপ্রবাহের প্রভাবেই ছোট বালুকণা ও ধূলিকণা বায়ুসঞ্চালন দ্বারা একস্থান থেকে আরেক স্থানে প্রবাহিত হয়।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৮০৩.
'নয় কুড়ি কান্দার ছয় কুড়ি বিল' নামে পরিচিত কোনটি?
  1. ক) হাইল হাওড়
  2. খ) টাঙ্গুয়ার হাওর
  3. গ) নিকলি হাওর
  4. ঘ) হাকালুকি হাওর
সঠিক উত্তর:
খ) টাঙ্গুয়ার হাওর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) টাঙ্গুয়ার হাওর
ব্যাখ্যা
- টাঙ্গুয়ার হাওর সুনামগঞ্জ জেলার ধরমপাশা ও তাহিরপুর উপজেলায় মেঘালয় পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত প্রায় ১০০ বর্গকিলোমিটার এলাকাজুড়ে বিস্তৃত। 
- এটি বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম মিঠা পানির জলাভূমি এবং দ্বিতীয় রামসার সাইট। 
- টাঙ্গুয়ার হাওর ‘নয় কুড়ি কান্দার ছয় কুড়ি বিল’ নামে পরিচিত। 
-  এ হাওরে জীববৈচিত্র্যের মধ্যে অন্যতম হলো বিভিন্ন জাতের পাখি। 
 
উৎস: প্রথম আলো 
৩,৮০৪.
'জলবায়ু বিষয়ে পদক্ষেপ' SDG'র কত নং লক্ষ্যমাত্রায় উল্লেখ করা হয়েছে?
  1. ১৭ নং
  2. ৯ নং
  3. ১৩ নং
  4. ১৪ নং
সঠিক উত্তর:
১৩ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩ নং
ব্যাখ্যা
টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (SDG):

- SDG - এর পূর্ণরূপ Sustainable Development Goals বা টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য।
- SDGs-এর মেয়াদ ২০১৬ থেকে ২০৩০ সাল।
- এতে মোট ১৭টি বৈশ্বিক লক্ষ্য (Goals) রয়েছে।
লক্ষ্যমাত্রাসমূহ হলো:
১. দারিদ্র্য নির্মূল।
২. ক্ষুধামুক্তি।
৩. সুস্বাস্থ।
৪. মানসম্মত শিক্ষা।
৫. লিঙ্গ সমতা।
৬. বিশুদ্ধ পানি ও স্যানিটেশন।
৭. সাশ্রয়ী ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি।
৮. উপযুক্ত কাজ ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি।
৯. শিল্প, উদ্ভাবন ও অবকাঠামো।
১০. বৈষম্য হ্রাস।
১১. টেকসই শহর ও জনগণ।
১২. পরিমিত ভোগ ও উৎপান।
১৩. জলবায়ু বিষয়ে পদক্ষেপ।
১৪. সামুদ্রিক বাস্তুসংস্থান।
১৫. স্থলভাগের জীবন।
১৬. শান্তি, ন্যায়বিচার ও শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান।
১৭. অভিষ্টের জন্যে অংশীদারিত্ব।

উৎস: SDG অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৩,৮০৫.
নিম্নের কোনটি Hydro-meteorological দুর্যোগ?
  1. ঘূর্ণিঝড়
  2. নদীভাঙ্গন
  3. ভূমিধস
  4. বর্ণিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
Hydro-meteorological দুর্যোগ:
- ভূমিধস, নদীভাঙ্গন ও ঘূর্ণিঝড় জলজ আবহাওয়াজনিত (Hydro-meteorological) দুর্যোগ।

⇒ দুর্যোগ হলো একটি মারাত্মক পরিস্থিতি যা প্রকৃতি বা মানবসৃষ্ট আপদের ফলে দেখা দেয়।
- সাধারণ অর্থে দুর্যোগ বলতে আপদ বোঝায় কিন্তু সব আপদই দুর্যোগ নয়।
- আপদ ও বিপদাপন্নতা এ দুটো উপাদান একত্র হলেই তাকে দুর্যোগ পরিস্থিতি বলা হয়।
- এই পরিস্থিতি চলমান সমাজ জীবনকে গভীরভাবে ব্যাহত করে এবং মানুষ, সম্পদ ও পরিবেশের এত ক্ষতি সাধন করে যা মোকাবেলায় একটি সমাজকে বিশেষ পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হয় এবং ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এত বেশি হয় তা শুধু নিজস্ব সম্পদ দিয়ে প্রায়ই পূরণ করা সম্ভব হয় না বরং বাইরের সাহায্যের প্রয়োজন হয়।
- ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ও সৃষ্ট পরিস্থিতি দুর্যোগ কিনা তা নির্ধারণ একটি সমাজের সামর্থ্যের ওপর নির্ভর করে।

⇒ জলজ আবহাওয়াজনিত দুর্যোগ (Hydrometeorological Disasters) হলো এমন দুর্যোগ যা মূলত জলবায়ু বা আবহাওয়া সম্পর্কিত প্রাকৃতিক ঘটনার কারণে সৃষ্টি হয়।
- এই ধরনের দুর্যোগে সাধারণত জল এবং বায়ু সম্পর্কিত প্রাকৃতিক শক্তি কাজ করে।
- এই দুর্যোগগুলি মানুষ এবং পরিবেশের জন্য বিপজ্জনক হতে পারে এবং এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ঘটে।
- জলজ আবহাওয়াজনিত দুর্যোগের কিছু উদাহরণ হলো: বন্যা, ঘূর্ণিঝড়, ভূমিধস, ভারি বৃষ্টি, খরা, তুষারপাত।

উৎস: i) দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
ii) NIDM.
৩,৮০৬.
'দানিয়ুব নদী' নিম্নের কোন মহাদেশে প্রবাহিত হয়?
  1. আফ্রিকা
  2. ইউরোপ
  3. এশিয়া
  4. দক্ষিন আমেরিকা
সঠিক উত্তর:
ইউরোপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইউরোপ
ব্যাখ্যা
দানিয়ুব নদী:
- দানিয়ুব নদী (Danube River) ইউরোপ মহাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম নদী। 
- এটি মোট ২,৮৫০ কিলোমিটার দীর্ঘ।
- এটি ১০টি দেশের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়।
- দেশগুলো হলো: জার্মানি, অস্ট্রিয়া, হাঙ্গেরি, সার্বিয়া, বুলগেরিয়া, ক্রোয়েশিয়া, স্লোভাকিয়া, মলদোভা, ইউক্রেন এবং রোমানিয়া।
- উৎস: দানিয়ুব নদীর উৎস জার্মানির ব্ল্যাক ফরেস্ট পর্বতে।
- দানিয়ুব নদী কৃষ্ণ সাগরে পতিত হয় যা রোমানিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে অবস্থিত।

এছাড়াও,
- ইউরোপ মহাদেশের বৃহত্তম নদী হলো ভলগা নদী। 

উৎস: World Atlas.
৩,৮০৭.
'পরিবেশ সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী, সরকার কতটি এলাকাকে 'পরিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা' (ECA) হিসেবে ঘোষণা করেছে?
  1. ১৫টি
  2. ১৮টি
  3. ১৩টি
  4. ১০টি
সঠিক উত্তর:
১৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩টি
ব্যাখ্যা

- পরিবেশ সংরক্ষণ আইন (সর্বশেষ সংশোধিত ২০১০) অনুযায়ী এ পর্যন্ত দেশের ১৩টি এলাকাকে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন
এলাকা ঘোষণা করা হয়েছে।

• বাংলাদেশের ঘোষিত প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা:

- অপরিণামদর্শী কর্মকাণ্ডের ফলে দেশের প্রতিবেশ ও জীববৈচিত্র্য মারাত্মক ক্ষতি হয়ে গিয়েছে।
- এর ফলে দেশের জীববৈচিত্র্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং কোনো কোনো প্রতিবেশের উৎপাদনশীলতাও কমে গিয়েছে।
- দেশের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সুরক্ষা এবং প্রাকৃতিক পরিবেশ সংরক্ষণ ও পরিবেশগত মানোন্নয়নের লক্ষ্যে সরকার কর্তৃক - বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন ১৯৯৫ (সর্বশেষ সংশোধিত ২০১০) অনুসারে বিভিন্ন সময়ে কিছু এলাকাকে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা (Ecologically Critical Area-ECA/ইসিএ) হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। 
- এ পর্যন্ত দেশের ১৩টি এলাকাকে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা ঘোষণা করা হয়েছে।

• এলাকাগুলো:
- সুন্দরবন, কক্সবাজার-টেকনাফ সমুদ্র সৈকত, সেন্টমাটিন দ্বীপ, সোনাদিয়া দ্বীপ, হাকালুকি হাওর, টাঙ্গুয়ার হাওর, মারজাত বাওড়, গুলশান-বারিধারা লেক, বুড়িগঙ্গা নদী, তুরাগ নদী, বালু নদী, শীতলক্ষ্যা নদী, জাফলং-ডাউকি নদী।

উৎস: পরিবেশ অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।

৩,৮০৮.
মহেশখালি দ্বীপ কক্সবাজার শহরের কোন দিকে অবস্থিত?
  1. ক) উত্তরে
  2. খ) পশ্চিমে
  3. গ) পূর্বে
  4. ঘ) দক্ষিণে
সঠিক উত্তর:
খ) পশ্চিমে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) পশ্চিমে
ব্যাখ্যা

কক্সবাজার শহর থেকে মাত্র ১২ কিলোমিটার পশ্চিমে সাগরের মাঝে অবস্থিত একটি দ্বীপ মহেশখালী। মহেশখালী বাংলাদেশের একমাত্র পাহাড়িয়া দ্বীপ হিসেবে পরিচিত।
মহেশখালীতে রয়েছে হিন্দুদের তীর্থস্থান বিখ্যাত আদিনাথ মন্দির। পাহাড়ের চূড়ায় অবস্থিত এ মন্দির সারা বিশ্বের হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের কাছে একটি পবিত্র স্থান।
প্রায় ৬০০ বছরের পুরনো এ প্রাচীন সভ্যতা দেখে যে কেউ মুগ্ধ হবেন।
উৎসঃ বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন

৩,৮০৯.
‘সেন্ট হেলেনা’ দ্বীপটি কোন মহাসাগরে অবস্থিত?
  1. প্রশান্ত মহাসাগর
  2. ভারত মহাসাগর
  3. উত্তর মহাসাগর
  4. আটলান্টিক মহাসাগর
সঠিক উত্তর:
আটলান্টিক মহাসাগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আটলান্টিক মহাসাগর
ব্যাখ্যা
সেন্ট হেলেনা দ্বীপ:

- সেন্ট হেলেনা দ্বীপ আটলান্টিক মহাসাগরে অবস্থিত।
- এর আয়তন ১২২ বর্গ কিমি।
- সেন্ট হেলেনার সর্বোচ্চ দৈর্ঘ্য (দক্ষিণ-পশ্চিম-উত্তরপূর্ব) 10.5 মাইল (17 কিমি) এবং সর্বাধিক প্রস্থ 6.5 মাইল (10 কিমি)। 
- সেন্ট হেলেনা  এর জলবায়ু নাতিশীতোষ্ণ ,
- সেন্ট হেলেনা দ্বীপ রাজধানী ও বন্দর জেমসটাউন।
- এটি সতেরো শতকে ইংরেজ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির মালিকানাধীন ছিল।
- দ্বীপটির জলবায়ু নাতিশীতোষ্ণ।
- উল্লেখ্য, ফরাসি সম্রাট নেপোলিয়নকে ১৮১৫ খ্রিস্টাব্দে দক্ষিণ আটলান্টিক মহাসাগরের সেন্ট হেলেনা দ্বীপে নির্বাসন দেওয়া হয়। তিনি ১৮২১ খ্রিস্টাব্দে রোগাক্রান্ত হয়ে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

অপরদিকে, আটলান্টিক মহাসাগরে অন্তর্গত অন্যান্য দ্বীপসমূহ হলো: 
- সেন্ট হেলেনা, যুক্তরাজ্য, বাহামা, বারমুডা, ডোমিনিকান প্রজাতন্ত্র, গ্রিনল্যান্ড, কিউবা ইত্যাদি। 


Image Source: ব্রিটানিকা

উৎস: ব্রিটানিকা। 
৩,৮১০.
Which border line Separate the United States and Mexico?
  1. Hindenburg Line
  2. Siegfried Line
  3. Sonora Line
  4. Durand Line
  5. None of above
সঠিক উত্তর:
Sonora Line
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Sonora Line
ব্যাখ্যা
সনোরা লাইন:
- যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকোকে পৃথককারী সীমান্তরেখা সনোরা লাইন।
- এটি মেক্সিকোর সনোরা প্রদেশকে যুক্তরাষ্ট্রের অ্যারিজোনা অঙ্গরাজ্য থেকে পৃথক করেছে।
- ১৮৫৩ সালে এই সীমান্ত রেখা ভাগ করা হয়।

অন্যদিকে,
⇒ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সীমারেখা:
- ওডারনিস লাইন: জার্মানি ও পোল্যান্ড।
- সিগফ্রিড লাইন: জার্মানি ও ফ্রান্স।
- হিন্ডারবার্গ লাইন: জার্মানি ও ফ্রান্স।
- ডুরান্ড লাইন: পাকিস্তান ও আফগানিস্তান।

উৎস: Britannica.
৩,৮১১.
আরব মালভূমির স্থানীয় বায়ু কোনটি?
  1. মিস্ট্রাল
  2. সাইমুম
  3. পাম্পেরু
  4. বোরা
সঠিক উত্তর:
সাইমুম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাইমুম
ব্যাখ্যা
স্থানীয় বায়ু:
- স্থানীয় প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য ও বিবিধ ভৌগোলিক কারণে যে বায়ুপ্রবাহের সৃষ্টি হয় তাকে বলা হয় স্থানীয় বায়ুপ্রবাহ।
- রকি পবর্তের চিনুক, ফ্রান্সের কেন্দ্রীয় মালভূমি থেকে প্রবাহিত মিস্ট্রাল, আর্জেন্টিনা ও উরুগুয়ের পম্পাস অঞ্চলের উত্তরে পাম্পেরু, আড্রিয়াটিক সাগরের পূর্ব উপকূলে বোরা, উত্তর আফ্রিকা ও দক্ষিণ ইতালিতে সিরাক্কা, আরব মালভূমির সাইমুম, মিসরের খামসিন ও ভারতীয় উপমহাদেশের লু কয়েকটি স্থানীয় বায়ুর উদাহারণ।
- উপত্যকা ও পার্বত্য বায়ু দিনের বেলায় পর্বতের গা বেয়ে উপরের দিকে যে বায়ু প্রবাহিত হয় তাকে উপত্যকা বায়ু।
- ভূমির বন্ধুরতায় পার্বত্য অঞ্চলে বায়ুপ্রবাহ ভিন্নরকম হয়। দিনের বেলায় পর্বত উপত্যকার তলদেশ থেকেও পর্বত গাত্র অনেক বেশি উষ্ণ হয়। এসময় পর্বতের পাদদেশের নিম্নচাপ ও উপত্যকার তলদেশে উচ্চচাপ সৃষ্টি হয় বলেই এই ধরনের বায়ুপ্রবাহ সৃষ্ট হয়।
- অপরদিকে রাতের বেলায় তাপ বিকিরণের ফলে পর্বতগাত্র শীতল হয় এবং এ সময় উপত্যকা উষ্ণ থাকে। এসময় পর্বতের গা বেয়ে ভারী ও শীতল বায়ু উপত্যকার নিচের দিকে নেমে আসে। এই প্রবাহিত বায়ুকে বলা হয় পার্বত্য বায়ু।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৮১২.
ফ্রান্স কর্তৃক জার্মান-ফ্রান্স সীমান্তে নির্মিত সুরক্ষিত সীমারেখা কোনটি?
  1. জিগফ্রিড লাইন
  2. হিন্ডারবার্গ লাইন
  3. ওডেরনিস লাইন
  4. ম্যাজিনো লাইন
সঠিক উত্তর:
ম্যাজিনো লাইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ম্যাজিনো লাইন
ব্যাখ্যা

ম্যাজিনো লাইন: 
- ফ্রান্স কর্তৃক জার্মান-ফ্রান্স সীমান্তে (প্রধানত আলসাস-লরেন অঞ্চলে) জার্মান আক্রমণ থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য ১৯২৯ থেকে ১৯৩৯ সালের মধ্যে নির্মিত বিশাল প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা হলো ম্যাজিনো লাইন।
- এটি ফ্রান্সের প্রতিরক্ষামন্ত্রী আন্দ্রে ম্যাজিনোর নামে নামকরণ করা হয়েছে।

অপরদিকে,
• হিন্ডারবার্গ লাইন: প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় জার্মানির নির্মিত একটি শক্তিশালী প্রতিরক্ষামূলক সামরিক অবস্থান, যা ফ্রান্সের পশ্চিমাঞ্চলে অ্যারাস থেকে লাফাক্স পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল
• ওডেরনিস লাইন: এটি হলো দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর জার্মানি ও পোল্যান্ডের মধ্যে নির্ধারিত একটি আন্তর্জাতিক সীমান্ত রেখা, 
• জিগফ্রিড লাইন: জিগফ্রিড লাইন (Siegfried Line) ছিল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় জার্মানি কর্তৃক ফ্রান্স-জার্মানি সীমান্তে নির্মিত একটি শক্তিশালী প্রতিরক্ষামূলক সামরিক স্থাপনা।

উৎস:ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।

৩,৮১৩.
সেন্টমার্টিন কি?
  1. বাংলাদেশের একটি দ্বীপ
  2. বাংলাদেশের একটি উপজেলা
  3. ভারতের একটি অঙ্গরাজ্য
  4. ইউরোপের একটি ক্ষুদ্র রাষ্ট্র
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশের একটি দ্বীপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশের একটি দ্বীপ
ব্যাখ্যা
সেন্টমার্টিন দ্বীপ:
- সেন্টমার্টিন দ্বীপ বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরের উত্তর-পূর্বাংশে অবস্থিত একটি প্রবাল দ্বীপ।
- এটি কক্সবাজার জেলার টেকনাফ হতে প্রায় ৯ কিলোমিটার দক্ষিণে এবং মায়ানমার-এর উপকূল হতে ৮ কিলোমিটার পশ্চিমে নাফ নদীর মোহনায় অবস্থিত।
- প্রচুর নারিকেল পাওয়া যায় বলে স্থানীয়ভাবে একে নারিকেল জিঞ্জিরাও বলা হয়ে থাকে।

• টেকনাফ উপজেলা ওয়েবসাইট অনুসারে,
- সেন্টমার্টিন দ্বীপের আয়তন ১৭ বর্গ কিলোমিটার।

• কক্সবাজার জেলা ওয়েবসাইট অনুসারে,
সেন্টমার্টিন দ্বীপের আয়তন প্রায় ৮ বর্গ কিলোমিটার ও উত্তর-দক্ষিণে লম্বা।

• সেন্টমার্টিন দ্বীপ সম্পর্কে সময় নিউজের রিপোর্টে বলা হয়েছে,
- সেন্টমার্টিন দ্বীপ ৭.৩ কিলোমিটার দীর্ঘ এবং আয়তন প্রায় ৮ বর্গ কিলোমিটার।

• দৈনিক প্রথম আলো রিপোর্টে বলা হয়েছে,
- সরকারি তথ্যে দ্বীপের আয়তন ১৩ বর্গকিলোমিটার উল্লেখ রয়েছে।
- তবে গবেষণায় বলা হয়েছে ৮ বর্গকিলোমিটার।

• উপর্যুক্ত আলোচনার প্রেক্ষিতে আমরা এই সিদ্ধান্তে উপনীত হতে পারি যে,
- সেন্টমার্টিন দ্বীপের আয়তন ৮ বর্গ কিলোমিটার।
- পরীক্ষায় যদি ৮ বর্গ কিলোমিটার না থাকে তখন ১৭ বর্গ কিলোমিটার বা ১৩ বর্গ কিলোমিটার উত্তর করবেন, অথবা অপশন বিবেচনায় উত্তর করবেন।

তথ্যসূত্র - টেকনাফ উপজেলা ওয়েবসাইট, কক্সবাজার জেলা ওয়েবসাইট, সময় নিউজ ও দৈনিক প্রথম আলো রিপোর্ট।
৩,৮১৪.
উপকূলীয় অঞ্চলে লবণাক্ততার ফলে কোন ধরনের প্রভাব পরিলক্ষিত হয়? 
  1. মিঠা পানির মাছের প্রজনন ক্ষমতা হ্রাস
  2. উদ্বাস্তু লোকের সংখ্যা বৃদ্ধি 
  3. সুপেয় পানির অভাব দেখা দেওয়া 
  4. বর্ণিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা

লবণাক্ততার কারণ:
- সাধারণত উপকূলীয় অঞ্চলের ভূমি ও পানিতে লবণাক্ততার জন্য জোয়ার-ভাটা ও সমুদ্র পৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধিকে দায়ী করা হয়।
- আর সমুদ্র পৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির জন্য মানুষের বহুমুখী কর্মকাণ্ডকেই দায়ী করা হয়।

• প্রভাব লবণাক্ততার ফলে যেসব প্রভাব পরিলক্ষিত হয় তার মধ্যে অন্যতম হলো-
১. উপকূলীয় অঞ্চলের জমি কৃষিকাজের অনুপযোগী হয়ে উৎপাদন হ্রাস পাওয়া;
. সুপেয় পানির অভাব দেখা দেওয়া;
৩. উদ্বাস্তু লোকের সংখ্যা বৃদ্ধি;
৪. সম্পদহানি ও দারিদ্রতা বৃদ্ধি;
৫. বিভিন্ন রোগব্যাধির প্রাদুর্ভাব দেখা দেওয়া;
৬. ব্যবসা-বাণিজ্যের ক্ষতি;
৭. মিঠা পানির মাছের প্রজনন ক্ষমতা হ্রাস;
৮. গাছপালায় মড়ক লাগা ও ফসলের গোড়া পচে যাওয়া;
৯. সামাজিক বন্ধনে শিথিল হওয়া প্রভৃতি।

উৎস: ভূগোল ১ম পত্র, এইচ এসসি, উন্মুক্ত বিশ্বিবিদ্যালয়।

৩,৮১৫.
Intergovernmental Panel on Climate Change (IPCC) কত সালে নোবেল পুরস্কার পায়?
  1. ক) ২০০৫
  2. খ) ২০০৮
  3. গ) ২০০৯
  4. ঘ) ২০০৭
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২০০৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২০০৭
ব্যাখ্যা
- Intergovernmental Panel on Climate Change (IPCC)  জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত আন্তঃসরকারি প্যানেল, জাতিসংঘের পরিবেশ কর্মসূচি (UNEP) এবং বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা (WMO) দ্বারা ১৯৮৮ সালে প্রতিষ্ঠিত জাতিসংঘের প্যানেল।
- সুইজারল্যান্ডের জেনেভাতে ডব্লিউএমও-এর সদর দপ্তর, জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত আন্তঃসরকারি প্যানেল (IPCC)।
- ২০০৭ সালে (আইপিসিসি) মানব-সৃষ্ট জলবায়ু পরিবর্তন সম্পর্কে জ্ঞান ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য নোবেল শান্তি পুরস্কার পায়। 
- বৈশ্বিক উষ্ণায়নের সাথে সম্পর্কিত জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব এবং সম্ভাব্য প্রতিক্রিয়া নির্ধারণের জন্য পিয়ার-পর্যালোচিত সাহিত্য এবং শিল্প অনুশীলনগুলি মূল্যায়ন করে।
- যদিও এটি নিজস্ব কোনো গবেষণা তৈরি করে না, এর সদস্যরা—তিনটি ওয়ার্কিং গ্রুপে বিভক্ত এবং একটি টাস্ক ফোর্স—বিশ্বব্যাপী শত শত বিজ্ঞানী এবং নীতিনির্ধারকদের কাছ থেকে রিপোর্ট সংগ্রহ করে।

উৎস:- ব্রিটানিকা।
৩,৮১৬.
'মিঠামইন হাওর' কোথায় অবস্থিত?
  1. সুনামগঞ্জ
  2. মৌলভীবাজার
  3. পাবনা
  4. কিশোরগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
কিশোরগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কিশোরগঞ্জ
ব্যাখ্যা

মিঠামইন হাওর:
- মিঠামইন হাওর কিশোরগঞ্জে অবস্থিত হাওর গুলোর মধ্যে অন্যতম একটি হাওর।
- হাওরের উত্তরে ইটনা ও আজমিরিগঞ্জ উপজেলা, দক্ষিণে অষ্টগ্রাম উপজেলা, পূর্বে বানিয়াচং ও অষ্টগ্রাম, পশ্চিমে করিমগঞ্জ ও নিকলী উপজেলা অবস্থিত।
- ২০১৯ অর্থবছরে ইটনা-মিঠামইন ও অষ্টগ্রামে প্রায় ৪৭ কিলোমিটার পাকা সড়ক নির্মাণ করে সড়ক ও জনপথ বিভাগ।  
- এতে ব্যয় হয় এক হাজার ২৬৮ কোটি টাকা।
- এই সড়ক চালু হওয়ায় বর্তমানে মিঠামইন হাওর খুবই জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র।

এছাড়া,
• বাংলাদেশের বৃহত্তম হাওর হাকালুকি হাওর মৌলভীবাজার ও সিলেট জেলায় অবস্থিত।
• দ্বিতীয় বৃহত্তম হাওর টাঙ্গুয়ার হাওর ও শনির হাওর সুনামগঞ্জ জেলায় অবস্থিত।
• হাইল হাওর মৌলভীবাজার জেলায় অবস্থিত।

তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন, বাংলাপিডিয়া।

৩,৮১৭.
বাংলাদেশে সবচেয়ে শীতল মাস -
  1. নভেম্বর
  2. ডিসেম্বর
  3. জানুয়ারি
  4. ফ্রেব্রুয়ারি
সঠিক উত্তর:
জানুয়ারি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জানুয়ারি
ব্যাখ্যা
• মৌসুমী জলবায়ুর প্রধান প্রধান বৈশিষ্ট্য সমূহ:
→ বাংলাদেশের জলবায়ু মোটামুটি সমভাবাপন্ন।
→ জলবায়ুর উপাদানের বৈশিষ্ট্যের ভিত্তি করে বাংলাদেশের জলবায়ুকে ক্রান্তীয় মৌসুমী জলবায়ু বলা হয়।
=================
• ভৌগোলিক অবস্থান:
 → বাংলাদেশের উত্তরে হিমালয়সহ উত্তর-পূর্বে আসাম পাহাড়ী অঞ্চল রয়েছে এবং এর মাঝে বাংলাদেশ নীচু সমতল ভূমি। এরূপ অবস্থানের জন্য বাংলাদেশে দুটি রূপে মৌসুমী জলবায়ুর প্রভাব দেখা যায়।
• মৌসুমী জলবায়ুর বৈশিষ্ট্য:
 → মৌসুমী জলবায়ুর প্রধান এবং অন্যতম বৈশিষ্ট্য হচ্ছে ঋতু পরিবর্তনের সাথে সাথে বায়ুর দিক পরিবর্তিত হয়।
→ নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারী মাস শীত কাল বলে পরিচিত।
জানুয়ারী হচ্ছে সবচেয়ে শীতল মাস। 

তথ্যসূত্র: ভূগোল (একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি), উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৮১৮.
বৈশ্বিক উষ্ণায়নের ফলে বাংলাদেশ কোন দুর্যোগের জন্যে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ?
  1. বন্যা
  2. খরা
  3. ঘূর্ণিঝড়
  4. সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি
সঠিক উত্তর:
বন্যা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বন্যা
ব্যাখ্যা
২০০৯ সালে বিশ্বব্যাংক বৈশ্বিক উষ্ণায়নের ৫টি ঝুঁকিপূর্ণ দিক চিহ্নিত করে।
এগুলো হলো:
- মরুকরণ,
- বন্যা,
- ঝড়,
- সমুদ্রস্তরের উচ্চতা বৃদ্ধি এবং
- কৃষিক্ষেত্রে অনিশ্চয়তা।

তালিকার ৫টি ভাগের একটিতে শীর্ষ ঝুঁকিপূর্ণসহ ৩টিতে নাম আছে বাংলাদেশের। 

- এর মধ্যে বন্যা ঝুঁকিতে বাংলাদেশের অবস্থান ১ নম্বরে।
- ঝড়ের ঝুঁকিতে ২ নম্বর এবং সমুদ্রস্তরের উচ্চতা বৃদ্ধিতে ১০ নম্বর।

বৈশ্বিক উষ্ণায়নের প্রভাবে সবচেয়ে ঝুকিপূর্ণ দেশগুলোর একটি হলো বাংলাদেশ।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেনি।
৩,৮১৯.
উত্তর -দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যকার সীমারেখা কোনটি?
  1. ৩৮ তম অক্ষরেখা
  2. ১৭ তম উত্তর অক্ষরেখা
  3. ম্যাজিনো লাইন
  4. ম্যাকমোহন লাইন
সঠিক উত্তর:
৩৮ তম অক্ষরেখা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৮ তম অক্ষরেখা
ব্যাখ্যা
৩৮ তম অক্ষরেখা:
- দুই কোরিয়ার মধ্যকার সীমারেখা হলো ৩৮ তম অক্ষরেখা।
- ১৯৪৫ সালে মার্কিন প্রশাসন কোরীয় উপদ্বীপকে ৩৮  তম অক্ষরেখায় বিভক্ত করে।
- ১৯১০ সাল থেকে কোরিয়া জাপানের উপনিবেশে ছিল।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জাপানের পরাজয়ের পর উত্তর কোরিয়া সোভিয়েত ইউনিয়ন এবং দক্ষিণ কোরিয়া যুক্তরাষ্ট্র অধীনে চলে যায়।
- ১৯৪৮ সালে দুই কোরিয়ার জন্ম হয়।

এছাড়াও
- ১৭ তম অক্ষরেখা-  দক্ষিণ ও উত্তর ভিয়েতনাম বিভক্তকারী রেখা।
- ম্যাজিনো লাইন - জার্মান ও ফ্রান্স সীমান্তে ফ্রান্স কর্তৃক নির্মিত সীমারেখা।
- ম্যাকমোহন লাইন- ভারত ও চীনের মধ্যবর্তী সীমারেখা।

উৎস: Britannica.
৩,৮২০.
বাংলাদেশের একমাত্র ঘূর্ণিঝড় পূর্বাভাস কেন্দ্র কোনটি?
  1. ক) নিপোর্ট
  2. খ) স্পারসো
  3. গ) বিসিএসআইআর
  4. ঘ) ব্যানবেইস
সঠিক উত্তর:
খ) স্পারসো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) স্পারসো
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের একমাত্র ঘূর্ণিঝড় ও দুর্যোগের পূর্বাভাস কেন্দ্র হলো SPARRSO (Space Research and Remote Sensing Organisations)।
- এটি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি প্রতিষ্ঠান যা ১৯৮০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। এটির প্রধান কার্যালয় ঢাকার আগারগাঁওয়ে অবস্থিত।

(তথ্যসূত্র: SPARSO ওয়েবসাইট)
৩,৮২১.
দ্বিতীয় বৃহত্তম মহাদেশ কোনটি?
  1. ক) ইউরোপ
  2. খ) আফ্রিকা
  3. গ) উত্তর আমেরিকা
  4. ঘ) দক্ষিণ আমেরিকা
সঠিক উত্তর:
খ) আফ্রিকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) আফ্রিকা
ব্যাখ্যা
বৃহত্তম মহাদেশ এশিয়ার আয়তন - ৪৪,৫৭৯,০০০ বর্গ কি.মি.। দ্বিতীয় বৃহত্তম মহাদেশ আফ্রিকার আয়তন ৩০,৩৭০,০০০ বর্গ কি.মি.। ক্ষুদ্রতম মহাদেশ ওশেনিয়ার আয়তন ৮,৫২৫,৯৮৯ বর্গ কি.মি.।
Source: Worldatlas
৩,৮২২.
নিচের কোন দেশ বৈশ্বিক উষ্ণায়ণের ফলে 'মরুকরণ'-এর ঝুঁকিতে রয়েছে?
  1. জিম্বাবুয়ে
  2. মোজাম্বিক
  3. ভারত
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন:
- ২০০৯ সালে বিশ্বব্যাংক বৈশ্বিক উষ্ণায়নের জন্য ৫টি ঝুঁকিপূর্ণ দিক চিহ্নিত করেছে। 
- এগুলো হলো: মরুকরণ, বন্যা, ঝড়, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি এবং কৃষিক্ষেত্রে অধিকতর অনিশ্চয়তা।
- সেই তালিকার ৫টি ভাগের একটিতে শীর্ষ ঝুঁকিপূর্ণসহ ৩টিতে নাম আছে বাংলাদেশের। 
- বৈশ্বিক উষ্ণায়নের প্রভাবে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ দেশ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে বাংলাদেশ।

বৈশ্বিক ঝুঁকিতে থাকা পাঁচটি ক্যাটাগরিতে ১২টি করে দেশের তালিকা:
• বন্যা:
- বাংলাদেশ, চীন, ভারত, কম্বোডিয়া, মোজাম্বিক, লাওস, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, থাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম, বেনিন, রুয়ান্ডা।
• ঝড়:
- ফিলিপাইন, বাংলাদেশ, মাদাগাস্কার, ভিয়েতনাম, মলডোভা, মঙ্গোলিয়া, হাইতি, সামোয়া, টোঙ্গা, চীন, হন্ডুরাস, ফিজি।
• মরুকরণ:
- মালাউয়ি, ইথিওপিয়া, জিম্বাবুয়ে, ভারত, মোজাম্বিক, নাইজার, মৌরিতানিয়া, ইরিত্রিয়া, সুদান, শাদ, কেনিয়া, ইরান।
• সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি:
- সব নিচু দ্বীপদেশ, ভিয়েতনাম, মিসর, তিউনিসিয়া, ইন্দোনেশিয়া, মৌরিতানিয়া, মেক্সিকো, চীন, মিয়ানমার, বাংলাদেশ, সেনেগাল, লিবিয়া।
• কৃষিক্ষেত্রে অনিশ্চয়তা:
- সুদান, সেনেগাল, জিম্বাবুয়ে, মালি, জাম্বিয়া, নাইজার, মরক্কো, ভারত, মালাউয়ি, আলজেরিয়া, ইথিওপিয়া, পাকিস্তান।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,৮২৩.
জলবায়ুর নিয়ামক নয় কোনটি?
  1. ভূমির ঢাল
  2. বায়ুপ্রবাহ
  3. অক্ষাংশ
  4. দ্রাঘিমাংশ
সঠিক উত্তর:
দ্রাঘিমাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্রাঘিমাংশ
ব্যাখ্যা

জলবায়ুর নিয়ামক:
- দ্রাঘিমাংশ জলবায়ুর নিয়ামক নয়। দ্রাঘিমাংশ দ্বারা কোন স্থানের সময় নির্ধারন করা হয়।

- পৃথিবীর সব স্থানের জলবায়ু একধরণের হয় না। কিছু ভৌগৌলিক কারণে স্থানভেদে জলবায়ুর পার্থক্য পরিলক্ষিত হয়। এই বিষয় গুলোকে জলবায়ুর নিয়ামক বলে।
- জলবায়ুর নিয়ামকগুলো হল-
• অক্ষাংশ,
• উচ্চতা,
• সমুদ্র থেকে দূরত্ব,
• বায়ুপ্রবাহ,
• সমুদ্রস্রোত,
• পর্বতের অবস্থান,
• ভূমির ঢাল,
• মৃত্তিকার গঠন।
- বনভূমির অবস্থান ইত্যাদি জলবায়ুর নিয়ামক।

উৎস:  ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৮২৪.
পার্বত্য এলাকায় কোন ধরনের বন্যা বেশি দেখা যায়?
  1. মৌসুমি বন্যা
  2. জোয়ার-ভাটাজনিত বন্যা
  3. আকস্মিক বন্যা
  4. নিয়মিত বন্যা
সঠিক উত্তর:
আকস্মিক বন্যা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আকস্মিক বন্যা
ব্যাখ্যা
বন্যা:
• বাংলাদেশের প্রাকৃতিক দুর্যোগের মধ্যে বন্যা অন্যতম।
• এ দেশের মানুষের কাছে বন্যা যেমন ভয়াবহ তেমনি অর্থনৈতিক অবস্থার উপর অপরিসীম প্রভাব ফেলে।
• প্রকৃতপক্ষে এ দেশের প্রেক্ষিতে কোনো এলাকা প্লাবিত হয়ে যদি মানুষের জীবন ও সম্পদের ক্ষতিসাধন হয় তাহলেই বন্যা হয়েছে ধরা হয়।

♣ বন্যার শ্রেণিবিভাগ: 
১. মৌসুমি বন্যা: 
• ঋতুভিত্তিক;
• বিস্তৃতি ব্যাপক;
• ক্ষতির পরিমাণ বেশি;
• পানি হ্রাস-বৃদ্ধির গতি ধীর।  

২. আকস্মিক বন্যা:
• পানি হ্রাস-বৃদ্ধির দ্রুত গতি;
• পার্বত্য এলাকায় দেখা যায়।   

৩. জোয়ার-ভাটাজনিত বন্যা:  
• স্বল্প স্থায়ী;
• সাধারণ উচ্চতা ৩ থেকে ৬ মিটার;
• অমাবস্যা ও পূর্ণিমায় বন্যার রূপ ভয়াবহ। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,৮২৫.
জাঙ্গালিয়া ও ডাকাতিয়া কোন নদীর শাখা নদী?
  1. ক) পদ্মা
  2. খ) মেঘনা
  3. গ) যমুনা
  4. ঘ) কর্ণফুল
সঠিক উত্তর:
খ) মেঘনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) মেঘনা
ব্যাখ্যা
• মেঘনা (Meghna):
- উৎপত্তিস্থলে মেঘনার নাম ছিল বরাক নদী।
- ভারতের আসাম রাজ্যের নাগা-মনিপুর পার্বত্য অঞ্চলে উৎপন্ন বরাক নদী দুইটি শাখায় বিভক্ত হয়ে বাংলাদেশের সিলেট জেলার সীমান্ত দিয়ে প্রবেশ করেছে।
- এর মধ্যে একটি উত্তর সিলেট থেকে সুরমা নামে এবং অন্যটি দক্ষিণ সিলেট থেকে কুশিয়ারা নামে প্রবাহিত হয়ে হবিগঞ্জের কালনী নদীর সঙ্গে মিলিত হয়েছে।
- পরে সুরমা, কুশিয়ারা এবং কালনী নদীর মিলিত স্রোত কালনী নাম ধারণ করে কিছুদূর অগ্রসর হয়ে মেঘনা নাম ধারণ করেছে।
- এরপর মেঘনা নদী কিশোরগঞ্জ জেলার ভৈরববাজারের নিকট পুরাতন ব্রহ্মপুত্রের সাথে মিলিত হয়ে দক্ষিণ-পশ্চিম দিকে প্রবাহিত হয়েছে।
- অত:পর চাঁদপুরের কাছে পদ্মার সাথে মিলিত হয়ে মেঘনা নামে আরো দক্ষিণে অগ্রসর হয়ে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে।
- বাংলাদেশে মেঘনা বিধৌত অঞ্চলের আয়তন প্রায় ২৯,৭৮৫ বর্গকিলোমিটার।
- মেঘনার উপনদীসমূহের মধ্যে মনু, বাউলাই, গোমতী, তিতাস, কাসনি অন্যতম।
- জাঙ্গাালিয়া ও ডাকাতিয়া মেঘনার শাখানদী

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৩,৮২৬.
ওজন স্তর ক্ষয়ের জন্য দায়ী কোনটি?
  1. ক) CO2
  2. খ) SO2
  3. গ) CO
  4. ঘ) CFC
সঠিক উত্তর:
ঘ) CFC
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) CFC
ব্যাখ্যা
- ওজোন স্তর ক্ষয়কারী পর্দাথের মধ্যে CFC হলো প্রধান।
- সিএফসি হলো ক্লোরোফ্লোরো কার্বনের সংক্ষিপ্ত রূপ।
- এটি বায়ুমণ্ডলের ওজোনস্তরে পৌঁছে ওজোনের সঙ্গে বিক্রিয়া করে অক্সিজেনে পরিণত করে। 
- এর ফলে ওজোনস্তর হালকা বা ফুটো হয়ে যায়।
- এই ফাটল দিয়ে মহাজাগতিক বিভিন্ন রশ্মি পৃথিবীতে এসে জীবজগতের ক্ষতিসাধন করে।
- এছাড়াও N2O, NO, CH4, BCF, CH3Br, CCl4 ইত্যাদি ওজোন স্তর ক্ষয়কারী পর্দাথের অন্তর্ভূক্ত।

উৎস : উচ্চ-মাধ্যমিক রসায়ন ২য় পত্র।
৩,৮২৭.
বাংলাদেশের বৃহত্তম হাওর হাকালুকির বিস্তৃতি কোন জেলা জুড়ে?
  1. ক) সিলেট ও সুনামগঞ্জ
  2. খ) সিলেট ও মৌলভীবাজার
  3. গ) ব্রাহ্মণ বাড়িয়া ও হবিগঞ্জ
  4. ঘ) হবিগঞ্জ ও মৌলভীবাজার
সঠিক উত্তর:
খ) সিলেট ও মৌলভীবাজার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সিলেট ও মৌলভীবাজার
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশের হাওরাঞ্চলে মোট ৩৭৩টি হাওর রয়েছে।
- এর মধ্যে সবচেয়ে বড় হাওর হলো হাকালুকি হাওর।
- এটি সিলেট ও মৌলভীবাজার জেলা জুড়ে বিস্তৃত। এর আয়তন ২১,৫০০ হেক্টর৷

উৎসঃ বাংলাদেশ হাওর ও জলাভূমি উন্নয়ন অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।

৩,৮২৮.
বাংলাদেশের গভীর ও প্রশস্ততম নদী?
  1. ক) পদ্মা
  2. খ) যমুনা
  3. গ) কর্ণফুলী
  4. ঘ) মেঘনা
সঠিক উত্তর:
ঘ) মেঘনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) মেঘনা
ব্যাখ্যা
মেঘনা নদী:
- চাঁদপুরের পর থেকে বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত পদ্মা ও মেঘনার মিলিত ধারার নাম মেঘনা।
- উৎপত্তিস্থলে মেঘনার নাম ছিল বরাক নদী।
- ভোলার চরফ্যাশন এলাকায় মেঘনা বঙ্গোপসাগরের সাথে মিলিত হয়েছে।
- এটি বাংলাদেশের গভীর ও প্রশস্ততম নদী এবং অন্যতম বৃহৎ ও প্রধান নদী।

সূত্র : মাধ্যমিক ভূগোল, নবম-দশম শ্রেণী এবং জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৩,৮২৯.
কোনটি প্রাকৃতিক দুর্যোগের অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. নদী ভাঙন
  2. লবণাক্ততা
  3. রাসায়নিক দূষণ
  4. অগ্ন্যুৎপাত
সঠিক উত্তর:
রাসায়নিক দূষণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাসায়নিক দূষণ
ব্যাখ্যা
প্রাকৃতিক কারণে যেসব দুর্যোগ সংঘটিত হয় তাদের প্রাকৃতিক দুর্যোগ বলা হয়।
প্রাকৃতিক কারণে সংঘটিত দুর্যোগের মধ্যে রয়েছে:
- ভূমিকম্প
- অগ্ন্যুৎপাত
- নদীভাঙন
- তুষারপাত
- ঘূর্ণিঝড়
- খরা
- জলোচ্ছ্বাস
- বন্যা
- লবণাক্ততা ইত্যাদি।
অন্যদিকে,
মানবসৃষ্ট কারণে সংঘটিত দুর্যোগের মধ্যে রয়েছে:
- রাসায়নিক দূষণ
- যুদ্ধ
- পারমাণবিক বিস্ফোরণ
- মরুকরণ
- অগ্নিকাণ্ড
- জলাবদ্ধতা সৃষ্টি
- বনউজারকরণ ইত্যাদি।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় : অষ্টম শ্রেণী)
৩,৮৩০.
শাখালিন দ্বীপপুঞ্জের অবস্থান কোথায়?
  1. প্রশান্ত মহাসাগর
  2. ভারত মহাসাগর
  3. পারস্য উপসাগর
  4. দক্ষিণ চীন সাগর
সঠিক উত্তর:
প্রশান্ত মহাসাগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রশান্ত মহাসাগর
ব্যাখ্যা
শাখালিন দ্বীপপুঞ্জ:

- শাখালিন দ্বীপপুঞ্জ উত্তর-পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরে, রাশিয়ার সাখালিন ওবলাস্ট প্রদেশে অবস্থিত।
- এটি জাপানের উত্তর-পূর্বের হোক্কাইডো দ্বীপের কাছাকাছি এবং রাশিয়ার মূল ভূখণ্ডের পূর্বে অবস্থিত।
- রাশিয়া ও জাপানের মধ্যে বিরোধপূর্ণ দ্বীপ হচ্ছে এই শাখালিন দ্বীপপুঞ্জ।
- ১৯০৫ সালের রুশ-জাপান যুদ্ধের পরে দ্বীপটির দক্ষিণাংশ জাপানের নিয়ন্ত্রণে ছিল, কিন্তু ১৯৪৫ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষে পুরো দ্বীপটি রাশিয়ার অধীনে চলে যায়।

তথ্যসূত্র: ওয়ার্ল্ড অ্যাটলাস।
৩,৮৩১.
আবহাওয়া বলতে কী বোঝায়?
  1. ৩০ থেকে ৪০ বছরের গড় তাপমাত্রা
  2. ৩০ থেকে ৪০ দিনের তাপমাত্রা ও বৃষ্টিপাতের গড়
  3. একটি স্থানের দিনের বায়ু, তাপ, চাপ, আর্দ্রতা ইত্যাদির অবস্থা
  4. একটি অঞ্চলের ভূপ্রকৃতি
সঠিক উত্তর:
একটি স্থানের দিনের বায়ু, তাপ, চাপ, আর্দ্রতা ইত্যাদির অবস্থা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একটি স্থানের দিনের বায়ু, তাপ, চাপ, আর্দ্রতা ইত্যাদির অবস্থা
ব্যাখ্যা

- আবহাওয়া হলো কোনো নির্দিষ্ট স্থানে একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য বায়ুর তাপমাত্রা, আর্দ্রতা, চাপ, মেঘাচ্ছন্নতা, বৃষ্টিপাত ও বায়ুপ্রবাহের সামগ্রিক অবস্থা।
- এটি প্রতিদিন পরিবর্তনশীল এবং খুব অল্প সময়ের ব্যবধানে একেক রকম হতে পারে।
- আবহাওয়া মানুষের দৈনন্দিন জীবনযাপন, কৃষিকাজ, ভ্রমণসহ নানা কার্যক্রমে সরাসরি প্রভাব ফেলে।
- পত্রিকা, রেডিও, টেলিভিশন ও ইন্টারনেটের মাধ্যমে আমরা প্রতিদিনের আবহাওয়ার পূর্বাভাস জানতে পারি।
- আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ করে দীর্ঘ সময়ের তথ্য বিশ্লেষণের মাধ্যমে কোনো অঞ্চলের জলবায়ু সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়।

সূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

৩,৮৩২.
বাংলাদেশের সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত হয় কোন অঞ্চলে?
  1. শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার
  2. লালপুর, নাটোর
  3. লালাখাল, সিলেট
  4. হিমছড়ি, কক্সবাজার
সঠিক উত্তর:
লালাখাল, সিলেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লালাখাল, সিলেট
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশে বৃষ্টিপাত:
- সর্বনিম্ন বৃষ্টিপাত: নাটোর জেলার লালপুর।
- সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত: সিলেট জেলার লালাখাল।
- বার্ষিক গড় বৃষ্টিপাত: ২০৩ সেন্টিমিটার বা ২০৩০ মিলিমিটার।
- বৃষ্টিপাতের তারতম্য: দেশের পূর্বাঞ্চলে বেশি এবং পশ্চিমাঞ্চলে কম বৃষ্টিপাত হয়।
- বর্ষাকালে গড় তাপমাত্রা ২৭° সেলসিয়াস।
- বার্ষিক মোট বৃষ্টিপাতের এক-পঞ্চমাংশ গ্রীষ্মকালে হয়, আর শীতকালে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ খুবই কম।

• বাংলাদেশের উষ্ণতম ও শীতলতম স্থান:
- উষ্ণতম স্থান: নাটোর জেলার লালপুর।
- শীতলতম স্থান: মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গল।
- উষ্ণতম মাস: এপ্রিল।
- শীতলতম মাস: জানুয়ারি।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি এবং জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৩,৮৩৩.
স্ট্রাটোমণ্ডল ও মেসোমণ্ডলের মধ্যবর্তী অঞ্চলকে কী বলা হয়?
  1. ট্রপোবিরতি
  2. স্ট্রাটোবিরতি
  3. মেসোবিরতি
  4. থার্মোবিরতি
সঠিক উত্তর:
স্ট্রাটোবিরতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্ট্রাটোবিরতি
ব্যাখ্যা
• বায়ুমণ্ডলকে পাঁচটি স্তরে ভাগ করা হয়েছে। যথা-
১. ট্রপোমণ্ডল,
২. স্ট্রাটোমন্ডল,
৩. মেসোমণ্ডল,
৪. তাপমণ্ডল ও
৫. এক্সোমণ্ডল।

• স্ট্রাটোমণ্ডল (Stratosphere):
- বায়ুমণ্ডলের দ্বিতীয় স্তর স্ট্রাটোমণ্ডল।
- ট্রপোবিরতির উপরের দিকে প্রায় ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত স্ট্রাটোমণ্ডল নামে পরিচিত।
- স্ট্রাটোমণ্ডল ও মেসোমণ্ডলের মধ্যবর্তী অঞ্চলে তাপমাত্রার স্থিতাবস্থাকে স্ট্রাটোবিরতি (Stratopause) বলে।

• স্ট্রাটোমণ্ডলের বৈশিষ্ট্য:
- বায়ুমণ্ডলের এই স্তরেই ওজোন (O3) গ্যাসের স্তর বেশি পরিমাণে আছে।
- এই ওজোন স্তর সূর্যের আলোর বেশিরভাগ অতিবেগুনি রশ্মি (Ultraviolate rays) শুষে নেয়।
- এই স্তরের বায়ুতে অতি সূক্ষ্ম ধূলিকণা ছাড়া কোনোরকম জলীয়বাষ্প থাকে না। ফলে আবহাওয়া থাকে শান্ত ও শুষ্ক।
- ঝড়বৃষ্টি থাকে না বলেই এই স্তরের মধ্য দিয়ে সাধারণত জেট বিমানগুলো চলাচল করে।
- প্রায় ৫০ কিলোমিটার উচ্চতায় তাপমাত্রা পুনরায় হ্রাস পেতে শুরু করে।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,৮৩৪.
সাহারা মরুভূমি আফ্রিকা মহাদেশের প্রায় কত শতাংশ জুড়ে রয়েছে?
  1. ৩১ শতাংশ
  2. ২১ শতাংশ
  3. ১১ শতাংশ
  4. ১৫ শতাংশ
সঠিক উত্তর:
৩১ শতাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩১ শতাংশ
ব্যাখ্যা

সাহারা মরুভূমি:
- প্রায় ৯,২০০,০০০ বর্গকিলোমিটার এলাকা জুড়ে বিস্তৃত।
- সাহারা মরুভূমিকে বিশ্বের বৃহত্তম উষ্ণ (গরম) মরুভূমি হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
- আয়তনের দিক থেকে এটি তৃতীয় বৃহত্তম মরুভূমি,
- শুধুমাত্র অ্যান্টার্কটিকা ও আর্কটিকের মেরু মরুভূমির পরেই অবস্থান।
- এবং এটি আফ্রিকা মহাদেশের প্রায় ৩১% অংশ দখল করে রেখেছে।
- সাহারা মরুভূমি উত্তর আফ্রিকার ১১টি দেশের বিস্তীর্ণ অঞ্চলজুড়ে বিস্তৃত।
- এই দেশগুলো হলো: আলজেরিয়া, মিশর, লিবিয়া, সুদান, মরক্কো, তিউনিশিয়া, চাঁদ, মালি, নাইজার, মরিতানিয়া, পশ্চিম সাহারা।
 
উৎস: ওয়ার্ল্ড এটলাস।

৩,৮৩৫.
গারো পাহাড় বাংলাদেশের কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. সুনামগঞ্জ
  2. রাঙ্গামাটি
  3. বান্দরবান
  4. ময়মনসিংহ
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা

গারো পাহাড়: 
- গারো পাহাড় বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত একটি গুরুত্বপূর্ণ পাহাড়ি অঞ্চল।
- এটি মূলত ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা ও কিশোরগঞ্জ জেলার অংশবিশেষ জুড়ে বিস্তৃত।
- গারো পাহাড় পূর্ব-পশ্চিম বরাবর বিস্তৃত এবং তিনটি ভাগে বিভক্ত – পূর্ব, পশ্চিম ও দক্ষিণ গারো পাহাড়।
- এর আয়তন প্রায় ৮১৬৭ বর্গ কিলোমিটার এবং এটি পালিজ সমৃদ্ধ পাদদেশীয় এলাকা।
- পাহাড়টির উত্তরে আসাম, পূর্বে ভারতের মেঘালয়ের খাসি পাহাড় অবস্থিত।
- গারো পাহাড় মূলত মেঘালয় রাজ্যের গারো-খাসি পর্বতশ্রেণীর অংশ এবং এ অঞ্চলের প্রাকৃতিক বৈচিত্র্য খুবই সমৃদ্ধ।

সূত্র - বাংলাপিডিয়া ও সংশ্লিষ্ট জেলা সমূহের ওয়েবসাইট।

৩,৮৩৬.
ট্রাফালগার অন্তরীপ কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) ইংল্যান্ড
  2. খ) চিলি
  3. গ) ফ্রান্স
  4. ঘ) স্পেন
সঠিক উত্তর:
ঘ) স্পেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) স্পেন
ব্যাখ্যা
ট্রাফালগার অন্তরীপ : স্পেন
- উত্তমাশা অন্তরীপ : দক্ষিণ আফ্রিকা
- হর্ন অন্তরীপ : চিলি
- মরিস জেসাপ অন্তরীপ : গ্রিনল্যান্ড
- গার্দাফুই অন্তরীপ : সোমালিয়া
- কন্যাকুমারী অন্তরীপ : ভারত।

(তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা ও ওয়ার্ল্ড অ্যাটলাস)
৩,৮৩৭.
নিচের কোনটি জলবায়ু পরিবর্তনে বাংলাদেশের উপর প্রভাব বলে বিবেচিত?
  1. জীবাশ্ম জ্বালানির মাত্রাতিরিক্ত ব্যবহার
  2. বনভূমি এলাকায় দাবানল
  3. ওজোন স্তর ক্ষয়
  4. উপকূলীয় অঞ্চলের জমিতে লবনাক্ততার পরিমাণ বৃদ্ধি
সঠিক উত্তর:
উপকূলীয় অঞ্চলের জমিতে লবনাক্ততার পরিমাণ বৃদ্ধি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপকূলীয় অঞ্চলের জমিতে লবনাক্ততার পরিমাণ বৃদ্ধি
ব্যাখ্যা
জলবায়ু পরিবর্তন :
• কোনো একটি নির্দিষ্ট অঞ্চল বা এলাকায় দীর্ঘ মেয়াদে গড় আবহাওয়ার পরিবর্তনকে জলবায়ুর পরিবর্তন বলে। 

♠ জলবায়ু পরিবর্তনের কারণ: 
• জলবায়ু পরিবর্তন হয়ে থাকে মূলত পৃথিবীর গড় তাপমাত্রার বৃদ্ধির ফলে।
• আর তাপমাত্রা বৃদ্ধির প্রধান কারণ হলো-
১. জীবাশ্ম জ্বালানির মাত্রাতিরিক্ত ব্যবহার;
২. শিল্প-কারখানার ধোঁয়া ও বিষাক্ত বর্জ্য;
৩. যানবাহন থেকে নির্গত ধোঁয়া যেমন- কার্বন মনোঅক্সাইড, সালফার ডাই-অক্সাইড;
৪. ব্যাপকহারে বনাঞ্চল ধ্বংস;
৫. তেজষ্ক্রিয় দূষণ;
৬. বনভূমি এলাকায় দাবানল; 
৭. ওজোন স্তর ক্ষয় এবং 
৮. মানুষের বিলাসবহুল জীবযাপনের জন্য প্রস্তুত বিভিন্ন সামগ্রী (যেমন- এয়ারকন্ডিশনার) প্রভৃতি।

♣ জলবায়ু পরিবর্তনে বাংলাদেশের উপর প্রভাব: 
১. উপকূলীয় অঞ্চলের জমিতে লবনাক্ততার পরিমাণ বৃদ্ধি,
২. কৃষি জমির উর্বরতা হ্রাস,
৩. অধিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি,
৪. দেশের উত্তরাংশসহ বিস্তীর্ণ এলাকা খরায় আক্রান্ত হওয়া,
৫. ভূ-গর্ভস্থ পানির স্তর নিচে নেমে যাওয়া,
৬. আবাদী জমির পরিমাণ হ্রাস পাওয়া,
৭. মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ, যেমন- অতিরিক্ত লবনাক্ততায় মৎস্য প্রজাতির বিলুপ্তি দেখা যাচ্ছে।  
৮. যে হারে বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি পাচ্ছে সেই হারে যদি সমুদ্র পৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি পায় তাহলে প্রায় ১৫% স্থলভাগ হারানোর সম্ভাবনা আছে। এক্ষেত্রে উপকূলীয় অঞ্চলে বসবাসকারী প্রায় ৩০ মিলিয়ন (৩কোটি) মানুষ ও নানা প্রজাতির জীবজন্তু, সম্পদ প্রভৃতি ক্ষতিগ্রস্থ হতে পারে ।
৯. এদেশের স্বতন্ত্র বাস্তুতন্ত্রের সবচেয়ে বড় উদাহরণ হলো সুন্দরবন, সেখানে প্রাণি বৈচিত্র্য হুমকির সম্মুখীন হতে পারে। 
১০. বিশুদ্ধ খাবার পানির সংকট প্রভৃতি। 

উৎস: ভূগোল ১ম পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৩,৮৩৮.
বাংলাদেশের প্রথম খনিজ তেলক্ষেত্রটি আবিষ্কৃত হয়-
  1. ক) সিলেটে
  2. খ) কক্সবাজারে
  3. গ) হবিগঞ্জে
  4. ঘ) মৌলভীবাজারে
সঠিক উত্তর:
ক) সিলেটে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) সিলেটে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের দুটি খনিজ তৈল ক্ষেত্র রয়েছে। বাংলাদেশের প্রথম খনিজ তেলক্ষেত্রটি হরিপুর তেলক্ষেত্র। এটি আবিষ্কৃত হয় ১৯৮৬ সালে সিলেটের হরিপুরে। ১৯৮৭ সালে তেলক্ষেত্রটি থেকে তেল উৎপাদন শুরু হয় এবং ১৯৯৪ সাল থেকে তেল উৎপাদনে স্থগিত হয়ে যায়।
উৎসঃ সিলেট জেলার সরকারি ওয়েবসাইট।
৩,৮৩৯.
বাংলাদেশের প্রথম আর্সেনিক পাওয়া যায় কোন জেলায়? 
  1. শরিয়তপুর 
  2. চাঁদপুর 
  3. চাঁপাইনবাবগঞ্জ 
  4. মেহেরপুর
সঠিক উত্তর:
চাঁপাইনবাবগঞ্জ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চাঁপাইনবাবগঞ্জ 
ব্যাখ্যা

আর্সেনিক (Arsenic):
- আর্সেনিক দূষণ একটি Global Problem.
- তাইওয়ানে প্রথম শনাক্তকরণ হয়।
- পৃথিবীর সকল মহাদেশের ৫০ টির মতো দেশে ভূগর্ভস্থ বা ভূউপরিস্থ পানিতে উচ্চমাত্রার আর্সেনিক শনাক্ত করা হয়েছে।
- বাংলাদেশের জনস্বাস্থ্য ও প্রকৌশল অধিদপ্তর ১৯৯৩ খ্রিষ্টাব্দে চাঁপাই নবাবগঞ্জ উপজেলার বড়ঘরিয়া মৌজায় কয়েকটি কূপে পরীক্ষা চালিয়ে সর্বপ্রথম ভূগর্ভস্থ পানিতে আর্সেনিকের উপস্থিতি লক্ষ্য করে।
- বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা-এর মতে, পানিতে নির্ধারিত মান অনুযায়ী ০.০১ পিপিএম আর্সেনিকের মাত্রা গ্রহণযোগ্য। 
- তবে যখন কোন এলাকার পানিতে ০.০১ পিপিএম এর চেয়ে বেশি পরিমাণ আর্সেনিক থাকে তখন সেই এলাকার পানিকে আর্সেনিক দূষণযুক্ত বলে।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে আর্সেনিক দূষণের মাত্রা বেশি।
- এবং উত্তর-পূর্ব অঞ্চলে এ দূষণের মাত্রা কম।
- সর্বোচ্চ দূষণযুক্ত জেলাগুলো হচ্ছে চাঁদপুর (৯০%), মুন্সিগঞ্জ (৮৩%), গোপালগঞ্জ (৭৯%), মাদারীপুর (৬৯%), নোয়াখালী (৬৯%), সাতক্ষীরা (৬৭%), কুমিল্লা (৬৫%), ফরিদপুর (৬৫%), শরিয়তপুর (৬৫%), মেহেরপুর (৬০%) ও বাগেরহাট (৬০%)।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ প্রশিক্ষণ, বিএড, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৮৪০.
নিচের কোনটি নিয়ত বায়ুপ্রবাহ?
  1. স্থলবায়ু
  2. পশ্চিমা বায়ু
  3. সমুদ্রবায়ু
  4. উপত্যকা বায়ু
সঠিক উত্তর:
পশ্চিমা বায়ু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পশ্চিমা বায়ু
ব্যাখ্যা

বায়ুপ্রবাহের প্রকারভেদ:
- বায়ুপ্রবাহ মূলত চার প্রকার। যথা-
# নিয়মিত বায়ু।
# স্থানীয় বায়ু।
# সাময়িক বায়ু।
# অনিয়মিত বায়ু।

• নিয়ত বায়ুপ্রবাহ তিন প্রকার। যথা-
# অয়ন বায়ু।
# মেরু বায়ু।
# পশ্চিমা বায়ু।

• সাময়িক বায়ু প্রধানত দুই প্রকার। যথা-
# স্থলবায়ু ও সমুদ্রবায়ু।
# মৌসুমি বায়ু।

• স্থানীয় বায়ু হলো দুই প্রকার। যথা-
# পার্বত্য বায়ু।
# উপত্যকা বায়ু।

• অনিয়মিত বায়ু দুই প্রকার। যথা-
# ঘূর্ণিবাত বায়ু।
# প্রতীপ ঘূর্ণিবাত বায়ু।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৮৪১.
কোনটি পাললিক শিলার উদাহরণ নয়?
  1. ক) চুনাপাথর
  2. খ) লবণ
  3. গ) জিপসাম
  4. ঘ) মার্বেল
সঠিক উত্তর:
ঘ) মার্বেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) মার্বেল
ব্যাখ্যা
- পলি সঞ্চিত হয়ে যে শিলা গঠন করে তা পাললিক শিলা।
- এ শিলায় পলি সাধারণত স্তরে স্তরে সঞ্চিত হয় বলে একে স্তরীভূত শিলাও বলে।
- পাললিক শিলা নরম ও হালকা যা সহজেই ক্ষয়প্রাপ্ত হয়।
- এর মধ্যে জীবাশ্ম দেখা যায়। পাললিক শিলায় ছিদ্র দেখা যায়।

• পাললিক শিলার উদাহরণঃ
- চুনাপাথর,
- কয়লা,
- নুড়িপাথর,
- বেলেপাথর,
- পলিপাথর,
- কর্দমপাথর,
- চক,
- কোকিনা,
- লবণ,
- জিপসাম,
- ডায়াটম,
- ডোলোমাইট ইত্যাদি।

• কিছু রূপান্তরিত শিলার উদাহরণঃ
- গ্রাফাইট (কয়লার রূপান্তরিত রূপ),
- মার্বেল (চুনাপাথরের রূপান্তরিত রূপ),
- নিস (গ্রানাইটের রূপান্তরিত রূপ) ইত্যাদি।

উৎসঃ ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,৮৪২.
বাংলাদেশের কোন অঞ্চলকে '৩৬০ আউলিয়ার দেশ' বলা হয়?
  1. চট্টগ্রাম
  2. সিলেট
  3. ঢাকা
  4. রাজশাহী
সঠিক উত্তর:
সিলেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিলেট
ব্যাখ্যা
◉ বাংলাদেশের — সিলেট অঞ্চলকে ৩৬০ আউলিয়ার দেশ বলা হয়।

৩৬০ আউলিয়ার দেশ:
- হযরত শাহজালাল (র.) ছিলেন উপমহাদেশের একজন বিখ্যাত দরবেশ ও পীর।
- তিনি ছিলেন ওলিকুল শিরোমণি।
- সিলেট অঞ্চলে তার মাধ্যমেই ইসলামের প্রসার ঘটে।
- সিলেটের প্রথম মুসলমান শেখ বোরহান উদ্দিন (র.) এর ওপর রাজা গৌড়গোবিন্দের অত্যাচার এবং এর প্রেক্ষিতে হযরত শাহজালাল (র.) ও তাঁর সফরসঙ্গী ৩৬০ আউলিয়ার সিলেট আগমন ইতিহাসের একটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা।
- এ কারণে সিলেটকে ৩৬০ আউলিয়ার দেশ বলা হয়।
- কেউ কেউ সিলেটকে পূণ্যভূমি অভিধায়ও অভিহিত করেন।

উল্লেখ্য,
⇒ সিলেট জেলা:
- মহান সাধক হযরত শাহজালাল (র.) ও হযরত শাহপরাণ (র.)সহ ৩৬০ আউলিয়ার পুণ্যভূমি সিলেট একটি প্রাচীন জনপদ।
- সুলতানী আমলে সিলেটের নাম ছিল জালালাবাদ। 
- নানকার বিদ্রোহ সিলেটের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। 
- সিলেট জেলা ১৭৭২ সালের ১৭ মার্চ প্রতিষ্ঠিত হয়।
- দেশের সর্ববৃহৎ হাওর হাকালুকি সিলেট জেলায় অবস্থিত।
- দেশে সবচেয়ে বেশি চা উৎপাদন হয় এই বিভাগে।
- সিলেট জেলা প্রাকৃতিক গ্যাস, তেল, চুনাপাথর, কঠিন শিলা, বালুসহ অন্যান্য প্রাকৃতিক সম্পদে অনন্য একটি জেলা। 
- দেশের সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত সিলেটের লালাখালে হয়ে থাকে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৩,৮৪৩.
'রিছাং ঝর্ণা' কোথায় অবস্থিত?
  1. বান্দরবানে
  2. মৌলভীবাজারে
  3. কক্সবাজারে
  4. খাগড়াছড়িতে
সঠিক উত্তর:
খাগড়াছড়িতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খাগড়াছড়িতে
ব্যাখ্যা

- খাগড়াছড়ির অন্যতম সৌন্দর্য ‘রিছাং ঝর্ণা’।
- আলুটিলা পর্যটন কেন্দ্র খাগড়াছড়িতে অবস্থিত।
- হিমছড়ি জলপ্রপাত কক্সবাজারে অবস্থিত।
- 'শৈলপ্রপাত' জলপ্রপাত বান্দরবানে অবস্থিত।
- হামহাম, মাধবকুন্ড জলপ্রপাত মৌলভীবাজারে অবস্থিত।
উৎসঃ সংশ্লিষ্ট জেলার সরকারি ওয়েবসাইট।

৩,৮৪৪.
নিচের কোনটি সুনামির কারণ?
  1. ভূমিধ্বস
  2. আগ্নেয়গিরির অগ্নুৎপাত
  3. ভূমিকম্প
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
সুনামি (Tsunami): 
- সুনামি (Tsunami) ‘সুনামি’ জাপানি শব্দ।
- বাংলায় এর অর্থ ‘পোতাশ্রয় ঢেউ’।
- সাগর বা নদী বা অন্য কোন জলক্ষেত্রে ভূমিকম্পের, ভূমিধ্বসের কিংবা আগ্নেয়গিরির উদগীরণের প্রভাবে সৃষ্ট জলোচ্ছ্বাসকেই বলা হয় সুনামি।
- বিভিন্ন কারণে সুনামির সৃষ্টি হতে পারে।
- কারণগুলোর মধ্যে ভূমিকম্প, আগ্নেয়গিরির অগ্নুৎপাত, ভূমিধ্বস অন্যতম।
- তন্মধ্যে দুটি কারণ উলে­খযোগ্য হলো সমুদ্রতলের ২০-৩০ কিলোমিটার গভীরে ভূমিকম্প সংঘটন এবং টেকটোনিক পে­টের আকষ্মিক উত্থান-পতন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৩,৮৪৫.
চর রাজিবপুর - কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. কুড়িগ্রাম
  2. লক্ষীপুর
  3. নোয়াখালী
  4. নেত্রকোণা
সঠিক উত্তর:
কুড়িগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুড়িগ্রাম
ব্যাখ্যা
• দেশে মোট উপজেলা ৪৯৫টি, সবচেয়ে দরিদ্র উপজেলা কুড়িগ্রামের চর রাজিবপুর।
• উত্তরে রৌমারী, পূর্বে ভারতের মেঘালয় রাজ্য, দক্ষিণে জামালপুর ও গাইবান্ধা, পশ্চিমে গাইবান্ধা ও চিলমারী উপজেলা
• আয়তন : ১১১.০৩ বর্গকিলোমিটার।
• উপজেলার জনসংখ্যা ৮৪ হাজার, দারিদ্র্যের হার ৭৯.৮ শতাংশ
• জেলা সদর থেকে ব্রহ্মপুত্র নদ দ্বারা বিচ্ছিন্ন, অনেকটা দ্বীপের মতো
• এই অঞ্চলে নদীভাঙন সবচেয়ে বড় সমস্যা, এ কারণে ভিটেমাটি ছাড়া হয় মানুষ।
• লোকজন এলাকায় কাজের অভাবে টাঙ্গাইল, ঢাকায় দিনমজুরের কাজ করেন।

উৎস:- দৈনিক প্রথম আলো।
৩,৮৪৬.
বায়ুপ্রভাবের ফলে কোন যন্ত্র ব্যবহার করে বিদ্যুৎ শক্তি উৎপাদন করা যায়?
  1. ক) চাকাযন্ত্র
  2. খ) ঘূর্ণনযন্ত্র
  3. গ) তড়িৎযন্ত্র
  4. ঘ) সৌরযন্ত্র
সঠিক উত্তর:
খ) ঘূর্ণনযন্ত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ঘূর্ণনযন্ত্র
ব্যাখ্যা
বায়ুপ্রভাবের ফলে ঘূর্ণনযন্ত্র ব্যবহার করে বিদ্যুৎ শক্তি উৎপাদন করা যায়।

• বায়ু প্রবাহ:

- বায়ুপ্রবাহের কারণে নানারকম নৌযান, আকাশযান, যুদ্ধবিমান, মহাকাশযান পরিবহনের গতি নির্ধারিত হয়।
- বায়ুপ্রবাহের শক্তি দ্বারাই বায়ু ঘূর্ণনযন্ত্র চালিত হয়। ফলে পৃথিবীব্যাপি বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হচ্ছে।

এছাড়াও,
- বায়ুপ্রবাহের শক্তি ব্যবহার করে বিভিন্ন পণ্যবহনকারী বিশাল জাহাজের পাওয়ার বা চলার শক্তি প্রদান করা হয়।
- বায়ুপ্রবাহের কারণেই বেশ কিছু জনপ্রিয় খেলা যেমন-ঘুড়ি ওড়ানো, স্নোকাইটিং, ঘুড়ি সাফিং ইত্যাদি সারা পৃথিবীতে প্রচলিত রয়েছে।

এছাড়াও,
- শুষ্ক আবহাওয়ায় ভূমিক্ষয়ের একটি বড় কারণ হলো বায়ুপ্রবাহ।
- বায়ুপ্রবাহের প্রভাবেই ছোট বালুকণা ও ধূলিকণা বায়ু সঞ্চালন দ্বারা একস্থান থেকে আরেক স্থানে প্রবাহিত হয়।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৮৪৭.
বায়ুমণ্ডলের দ্বিতীয় স্তর কোনটি?
  1. ট্রপোস্ফিয়ার
  2. এক্সোস্ফিয়ার
  3. স্ট্র্যাটোস্ফিয়ার
  4. আয়নোস্ফিয়ার
সঠিক উত্তর:
স্ট্র্যাটোস্ফিয়ার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্ট্র্যাটোস্ফিয়ার
ব্যাখ্যা
স্ট্রাটোমন্ডল:

- বায়ুমন্ডলের দ্বিতীয় স্তরটি হলো স্ট্রাটোমন্ডল।
- বায়ুমন্ডলের দ্বিতীয় স্তর হলো স্ট্রাটোমন্ডল বা স্ট্রাটোস্ফিয়ার যা উর্ধ্বে ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত।
- এটি এমনই একটি স্তর যা জলীয়বাষ্পবিহীন।
- স্ট্রাটোমন্ডল ও মেসোমন্ডলের মধ্যবর্তী অঞ্চলে তাপমাত্রার স্থিতাবস্থাকে বলা হয় স্ট্রাটোবিরতি বা স্ট্রাটোপস।
- স্ট্রাটোমন্ডলে বায়ুর ঘনত্ব ও চাপ অনেক কম।
- এই স্তরেই ওজোন (O₃) গ্যাসের পরিমাণ বেশি থাকায় সূর্য হতে আগত অতিবেগুনী রশ্মি এই ওজোন স্তর শুষে নেয়।
- এই স্তরের নিম্নে উষ্ণতার তেমন পরিবর্তন না হলেও ১০ কিলোমিটার থেকে ধীরে ধীরে উষ্ণতা বাড়তে বা ওজোনোস্ফিয়ার থাকে। এই উষ্ণতা বৃদ্ধি উচ্চ স্ট্রাটোমন্ডলে ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত অব্যাহত থাকে।
- পৃথিবীতে প্রাণিজগতের বসবাসের উপকারী পরিবেশ তৈরিতে এই স্তরের ভূমিকা রয়েছে। এই স্তরেই সূর্যের ক্ষতিকর অতিবেগুনী রশ্মি শোষণ করে নেয়া হয়।
- স্ট্রাটোমন্ডলে ধূলিকণার পরিমাণ নগন্য এবং মেঘ দেখাই যায় না।
- এই স্তরে আবহাওয়া শুষ্ক ও শান্ত থাকে। সাধারণত জেট বিমানগুলো এই স্তর দিয়ে চলাফেরা করতে পারে কারণ ঝড়-বৃষ্টি থাকে না।
- প্রায় ৫০ কিলোমিটার উচ্চতায় তাপমাত্রা ধীরে ধীরে কমে যেতে থাকে এবং তা স্ট্রাটোমন্ডলের শেষ প্রান্ত পর্যন্ত পৌছায়।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৮৪৮.
বাংলাদেশের রাজনৈতিক সমুদ্রসীমা কত নটিক্যাল মাইল?
  1. ১০ নটিক্যাল মাইল
  2. ১৬ নটিক্যাল মাইল
  3. ২০ নটিক্যাল মাইল 
  4. ১২ নটিক্যাল মাইল
সঠিক উত্তর:
১২ নটিক্যাল মাইল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২ নটিক্যাল মাইল
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের সমুদ্রসীমা:
- দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরের উপকূল রেখার দৈর্ঘ্য ৭১৬ কিলোমিটার।
- বঙ্গোপসাগরে বাংলাদেশের রাজনৈতিক সমুদ্রসীমা ১২ নটিক্যাল মাইল বা ২২.২২ কিলোমিটার।
- অর্থনৈতিক সমুদ্রসীমা ২০০ নটিক্যাল মাইল বা ৩৭০.৪০ কিলোমিটার এবং
- ৩৫০ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত মহীসোপান এলাকা বাংলাদেশের সমুদ্রসীমার অন্তর্ভুক্ত।
- [নোট: ১ নটিক্যাল মাইল = ১.৮৫২ কিলোমিটার।]

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি এবং বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।।

৩,৮৪৯.
বৈশ্বিক উষ্ণায়নের ফলে সমুদ্র পৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি পেলে কোন দেশের উপকূলীয় অঞ্চল সমুদ্রগর্ভে বিলীন হয়ে যেতে পারে?
  1. ভিয়েতনাম
  2. ফিজি
  3. কিরিবাতি
  4. বর্ণিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা

বৈশ্বিক উষ্ণায়নের প্রভাব: 
• সমুদ্রে পৃষ্ঠের উচ্চতা পরিবর্তন: 
- বৈশ্বিক উষ্ণায়নের ফলে সমুদ্র পৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি পাবে।
- সমুদ্র পৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি পেলে বাংলাদেশ, মালদ্বীপ, মিশর, ভিয়েতনাম, ফিজি, কিরিবাতি, টুভ্যালু প্রভৃতি দেশের উপকূলীয় অঞ্চল সমুদ্রগর্ভে বিলীন হয়ে যেতে পারে।
- এছাড়া কৃষি জমি লবণাক্ত হয়ে উৎপাদন ক্ষমতা হ্রাস পাবে।
• রোগব্যাধি: উষ্ণায়নের ফলে বিভিন্ন সংক্রামক রোগ যেমন-ম্যালেরিয়া, এজমা, এলার্জি প্রভৃতি রোগের বিস্তার ঘটছে।

উৎস: ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৮৫০.
ভিসুভিয়াস আগ্নেয় পর্বত কোথায় অবস্থিত?
  1. জার্মানিতে
  2. ইতালিতে
  3. যুক্তরাষ্ট্রে
  4. জাপানে
সঠিক উত্তর:
ইতালিতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইতালিতে
ব্যাখ্যা
আগ্নেয় পর্বত :
- আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের ফলে নির্গত লাভা, দীর্ঘকাল ধরে একই জায়গায় সঞ্চিত হয়ে আগ্নেয় পর্বতের সৃষ্টি করে। যেমন- ইতালির ভিসুভিয়াস।

এছাড়াও -
আগ্নেয় হ্রদ: 
→ মৃত আগ্নেয়গিরির জ্বালামুখে বৃষ্টির পানি জমে হ্রদের সৃষ্টি করে। যেমন- আলাস্কার মাউন্ট আতাকামা, নিকারাগুয়ার কোসেগায়েনা, অ্যারিজোনা ও নেভাদার আগ্নেয় হ্রদ উল্লেখযোগ্য।

আগ্নেয় দ্বীপ:
 → সমুদ্র তলদেশে অগ্ন্যুৎপাতের সময় নির্গত লাভা সঞ্চিত হয়ে দ্বীপের সৃষ্টি করে। যেমন- প্রশান্ত মহাসাগরের
হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জ পৃথিবীর বৃহত্তম আগ্নেয় দ্বীপ।

তথ্যসূত্র: ভূগোল (প্রথম পত্র), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৮৫১.
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার মুখ্য উপাদান কোনটি?
  1. সাড়াদান
  2. উন্নয়ন
  3. প্রশমন
  4. পুনরুদ্ধার
সঠিক উত্তর:
প্রশমন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রশমন
ব্যাখ্যা
• দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা:
- দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার অর্থ হলো যথাযথ পর্যবেক্ষণ ও বিশ্লেষণের মাধ্যমে দুর্যোগ প্রতিরোধ, দুর্যোগ প্রস্তুতি এবং দুর্যোগে সাড়াদান ও পুনরুদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা করা।
- দুর্যোগ মোকাবিলার জন্যে দুর্যোগ-পূর্ব প্রস্তুতির কাজ সম্পন্ন করা আবশ্যক, যা মূলত আক্রান্ত অঞ্চলের অধিবাসীদেরকে দুর্যোগের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে সহায়তা করে।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার মুখ্য উপাদান:
১. দুর্যোগ প্রতিরোধ:
দুর্যোগের সম্ভাবনা বা ঝুঁকি কমাতে যে সকল ব্যবস্থা নেওয়া হয়, তা দুর্যোগ প্রতিরোধের অংশ। এর মধ্যে পূর্বাভাস ব্যবস্থা, সতর্কতা কার্যক্রম এবং প্রতিরোধী কাঠামো তৈরি করা অন্তর্ভুক্ত থাকে।

২. দুর্যোগ প্রশমন:
দুর্যোগের সম্ভাব্য ক্ষতিকর প্রভাব কমানোর জন্য দুর্যোগ প্রশমনের কাজ করা হয়। এটি সরাসরি দুর্যোগের তীব্রতা কমানোর জন্য পদক্ষেপ গ্রহণ, যেমন বাঁধ নির্মাণ, নিরাপত্তা প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং পরিবেশগত বিপর্যয় রোধ করা।

৩. দুর্যোগের পূর্বপ্রস্তুতি:
দুর্যোগের প্রাক্কালে সঠিক প্রস্তুতি গ্রহণ গুরুত্বপূর্ণ। এটি ক্ষতিগ্রস্ত অঞ্চলের জনগণকে সচেতন করা, দুর্যোগের সময় দ্রুত সাহায্য পৌঁছানোর জন্য প্রস্তুতি তৈরি করা এবং উপকরণ সংরক্ষণ করা ইত্যাদি বিষয়গুলির অন্তর্ভুক্ত।

দুর্যোগ সংগঠনের পরপরই এর ব্যবস্থাপনার অন্যান্য উপাদান:
১. সাড়াদান:
দুর্যোগের পরপরই ত্রাণ, উদ্ধারকাজ এবং মানবিক সহায়তা প্রদান করা হয়, যা ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জরুরি চাহিদা মেটাতে সহায়তা করে। সাড়াদানের মাধ্যমে দ্রুততম সময়ে প্রাণ রক্ষাকারী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়।

২. পুনরুদ্ধার:
দুর্যোগের প্রভাব থেকে পুনরুদ্ধারের মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত অঞ্চলের অবকাঠামো, জীবনযাত্রা এবং অর্থনৈতিক কার্যক্রম পুনর্স্থাপন করা হয়। এটি একটি দীর্ঘমেয়াদি প্রক্রিয়া যা পুনর্বাসন এবং সামাজিক অবকাঠামো উন্নয়নের উপর গুরুত্ব দেয়।

৩. উন্নয়ন:
দুর্যোগের পরবর্তী সময়ে উন্নয়নমূলক কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়, যাতে এলাকাটি আরও শক্তিশালী এবং দুর্যোগ সহনশীল হয়ে ওঠে। এটি ভবিষ্যতে আরও উন্নত জীবনযাত্রা নিশ্চিত করার জন্য সুরক্ষা ব্যবস্থা, অবকাঠামো এবং সামাজিক উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করে।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,৮৫২.
গভীর সমুদ্রের সমভূমির গড় গভীরতা -
  1. ক) ৩,০০০ মিটার
  2. খ) ৭,০০০ মিটার
  3. গ) ৫,০০০ মিটার
  4. ঘ) ৮,০০০ মিটার
সঠিক উত্তর:
গ) ৫,০০০ মিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৫,০০০ মিটার
ব্যাখ্যা
• গভীর সমুদ্রে সমভূমি (Deep Sea Plains):
- মহাসাগরের তলদেশে মহীসোপান, মহীঢালের পরবর্তী বিস্তীর্ণ প্রায় সমতল অংশকে গভীর সমুদ্রের সমভূমি বলে।
- গভীর সমুদ্রের সমভূমির গড় গভীরতা ৫,০০০ মিটার
- এই সমভূমির মাঝে মাঝে বহু জলমগ্ন মালভূমি, অনুন্নত পর্বত শ্রেণি রয়েছে, যেমন আটলান্টিকের মধ্যস্থান দিয়ে বিস্তৃত সুদীর্ঘ মধ্য আটলান্টিক শৈলশিরা।
- আবার কোথাও রয়েছে বিভিন্ন ধরনের আগ্নেয়গিরি। আগ্নেয়গিরিগুলি হতে উৎক্ষিপ্ত নানা প্রকার পদার্থ ও সূক্ষ্ম ভস্ম গভীর সমুদ্রের সমভূমিতে স্তরে স্তরে সঞ্চিত হয়।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,৮৫৩.
'Rijuk Falls' is located in -
  1. ক) Bandarban
  2. খ) Rangamati
  3. গ) Khagrachhari
  4. ঘ) Cox’s Bazar
সঠিক উত্তর:
ক) Bandarban
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) Bandarban
ব্যাখ্যা
বান্দরবানে অবস্থিত কয়েকটি ঝর্ণাঃ
- ঋজুক ঝর্ণা (Rijuk Falls)
- ট্রিপল ঝর্ণা (Triple Falls)
- জাদিপাই ঝর্ণা (Jadipai Falls)
- চিংড়ি ঝর্ণা (Shrimp Fountain)
- জোড়া ঝর্ণা বা যমজ ঝর্ণা (Twin Falls or Double Falls)
- রূপমুহুরী ঝর্ণা (Rupmuhuri Falls)
- বাকলাই ঝর্ণা (Baklai Falls)
- কুমারী ঝর্ণা (Kumari Falls)
- দামতুয়া ঝর্ণা(Damtuya Falls)
- রেনিক্ষ্যং ঝর্ণা (Renikkhyng Falls)
- শৈলপ্রপাত (Shaoilo Propat)
- তিনাপ সাইতার (Tinap Saitar)
- নাফাখুম (Nafakhum)

উৎসঃ বান্দরবান জেলা ওয়েবসাইট। 
৩,৮৫৪.
বাংলাদেশের সীমানায় উৎপত্তি ও সমাপ্তি হয়েছে কোন নদীটির?
  1. কুশিয়ারা
  2. হালদা
  3. মাতামুহুরি
  4. নবগঙ্গা
সঠিক উত্তর:
হালদা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হালদা
ব্যাখ্যা
হালদা নদী:
- হালদী নদী সরকার ঘোষিত একটি মৎস্য অভয়াশ্রম।
- বাংলাদেশের সীমানায় উৎপত্তি ও সমাপ্তি হয়েছে হালদা নদী।
- চট্টগ্রামে অবস্থিত হালদা নদী বাংলাদেশের একমাত্র প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন ক্ষেত্র।
- এটি খাগড়াছড়ি (বাদনাতলী) থেকে উৎপন্ন হয়ে কর্ণফুলী নদীতে পতিত হয়েছে।
- সম্প্রতি সরকার এই নদীকে 'বঙ্গবন্ধু মৎস্য হেরিটেজ' ঘোষণা করেছে।

তথ্যসূত্র - মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।
৩,৮৫৫.
সবচেয়ে বেশি চাল রপ্তানিকারক দেশ-
  1. ক) চীন
  2. খ) ভারত
  3. গ) পাকিস্তান
  4. ঘ) থাইল্যান্ড
সঠিক উত্তর:
খ) ভারত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ভারত
ব্যাখ্যা
২০২০ সালে বিশ্বের সবচেয়ে চাল রপ্তানিকারক দেশ:
১. ভারত - ৮ বিলিয়ন USD (বিশ্বের চাল রপ্তানির ৩২%)
২. থাইল্যান্ড - ৩.৭ বিলিয়ন USD 
৩. পাকিস্তান - ২.১ বিলিয়ন USD
৪. যুক্তরাষ্ট্র - ১.৯ বিলিয়ন USD
৫. ভিয়েতনাম - ১.৮ বিলিয়ন USD
৬. চীন - ০.৯১৬ বিলিয়ন USD

উৎস: ওয়ার্ল্ড এক্সপোর্টার ওয়েবসাইট
৩,৮৫৬.
বাংলার ‘দার্জিলিং’ নামে খ্যাত পাহাড়টি কোনটি?
  1. চিম্বুক
  2. গারো পাহাড়
  3. লালমাই পাহাড়
  4. চন্দ্রনাথ পাহাড়
সঠিক উত্তর:
চিম্বুক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চিম্বুক
ব্যাখ্যা

• চিম্বুক:
- সমুদ্রপৃষ্ঠ হতে আনুমানিক ২,৪০০ ফুট উঁচু চিম্বুক পাহাড় চুড়া।
- পাহাড়ি আকাঁবাকা পথে সর্পিল গতিতে চিম্বুক পাহাড়ের দিকে যেতে যেতে অধিকাংশ পর্যটকই ‘‘চিম্বুককে বাংলার দার্জিলিং’’ হিসেবে  আখ্যায়িত করেন।
- এটি চট্টগ্রাম বিভাগের পার্বত্য জেলা বান্দরবানের থানচিতে অবস্থিত।
- দূরত্ব: জেলাশহরহতে ২৬ কি. মি।
- ‘‘ম্রো’’ উপজাতীয়দের গ্রাম রয়েছে।
- বাংলাদেশের তৃতীয় বৃহত্তম পাহাড়।
- ঠিক এই চিম্বুকের পাহাড়ি এলাকার আদি নিবাসী ছিলেন “চিম্বুক ম্রো”। 
তার নামানুসারেই পাহাড়টি নাম পেয়েছে “চিম্বুক”।'
- কিন্তু স্থানীয় ম্রো’দের মাঝে এটি এখনও “ইয়াং বং হুং” নামে প্রচলিত।
- ম্রো ভাষায় “পাহাড়” বোঝাতে “হুং” শব্দটি ব্যবহার করা হয়।

উল্লেখ্য, 
- ভারতের মেঘালয় রাজ্যের গারো-খাসিয়া পর্বতশ্রেণির একটি অংশকে গারো পাহাড় বলে।
- এর কিছু অংশ রয়েছে ভারতের আসাম রাজ্যে ও বাংলাদেশের শেরপুর জেলার নালিতাবাড়ী উপজেলায়।
- ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা, কিশোরগঞ্জ জেলাগুলো এ পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত।
- চন্দ্রনাথ পাহাড়: সীতাকুণ্ডে অবস্থিত।

তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও ঢাকা ট্রিবিউন। 

৩,৮৫৭.
নিচের কোন দুটি ব্রহ্মপুত্রের উপনদী?
  1. করতোয়া ও আত্রাই
  2. ধরলা ও তিস্তা
  3. গোমতী ও তিতাস
  4. কাপ্তাই ও হালদা
সঠিক উত্তর:
ধরলা ও তিস্তা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধরলা ও তিস্তা
ব্যাখ্যা

• ব্রহ্মপুত্র এবং যমুনা:
- তিব্বতের মানস সরোবরে ব্রহ্মপুত্র নদের উৎপত্তি হয়েছে।
- আসাম হয়ে বাংলাদেশের কুড়িগ্রাম জেলায় এটি প্রবেশ করেছে।
- ধরলা ও তিস্তা ব্রহ্মপুত্রের উপনদী।
- ব্রহ্মপুত্রের প্রধান ধারাটি এক সময়ে ময়মনসিংহের মধ্য দিয়ে উত্তর-পশ্চিমদিক থেকে দক্ষিণ-পূর্বদিকে আড়াআড়িভাবে প্রবাহিত হতো।
- কিন্তু ১৭৮৭ সালে সংঘটিত ভূমিকম্পে ব্রহ্মপুত্রের তলদেশ উত্থিত হওয়ায় পানি ধারণ ক্ষমতার বাইরে চলে যায় এবং নতুন স্রোতধারার একটি শাখা নদীর সৃষ্টি হয়।
• এই নতুন স্রোত ধারাটি যমুনা নামে পরিচিত হয়।
- এটি দক্ষিণে গোয়ালন্দ পর্যন্ত যমুনা নদী বলে পরিচিত।
- যমুনার শাখা নদী ধলেশ্বরী এবং ধলেশ্বরীর শাখা নদী-বুড়িগঙ্গা।
 - করতোয়া ও আত্রাই হলো যমুনার উপনদী।

• কর্ণফুলীর প্রধান উপনদী হলো- কাপ্তাই, হালদা, কাসালায়ং, রাঙখিয়াং,
• যমুনার উপনদীগুলোর মধ্যে ধরলা, তিস্তা, করতোয়া, আত্রাই অন্যতম। 
• মেঘনার উপনদীসমূহের মধ্যে মনু, বাউলাই, গোমতী, তিতাস, কাসনি অন্যতম।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম ও দশম শ্রেণি ।
৩,৮৫৮.
‘সাফারী পার্ক’ কি?
  1. ক) ফলের বাগান
  2. খ) খোলা উদ্যান
  3. গ) পশু পালনের স্থান
  4. ঘ) জীবজন্তুর অভয়ারণ্য
সঠিক উত্তর:
ঘ) জীবজন্তুর অভয়ারণ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) জীবজন্তুর অভয়ারণ্য
ব্যাখ্যা
• চিড়িয়াখানায় জীবজন্তুসমূহ আবদ্ধ অবস্থায় থাকে এবং দর্শনার্থীগণ মুক্ত অবস্থায় থেকে জীবজন্তু পরিদর্শন করেন।
- কিন্তু সাফারী পার্কে বন্যপ্রাণীসমূহ উন্মুক্ত অবস্থায় বনজঙ্গলে বিচরণ করবে এবং মানুষ সতর্কতার সহিত চলমান যানবাহনে আবদ্ধ অবস্থায় জীবজন্তুসমূহ পরিদর্শন করেন।
- তাই সাফারি পার্ককে জীবজন্তুর অভয়ারণ্য বলা হয়। 

সূত্র: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারী পার্ক, ডেইলি স্টার। 
৩,৮৫৯.
বাংলাদেশের প্রায় সমগ্র ভূপৃষ্ঠ কি দ্বারা গঠিত?
  1. ক) পলিমাটি
  2. খ) বেলেমাটি
  3. গ) কাদামাটি
  4. ঘ) সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ক) পলিমাটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) পলিমাটি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের প্রায় সমগ্র ভূপৃষ্ঠ পলিমাটি দ্বারা গঠিত। পলিমাটির বৈশিষ্ট্য হচ্ছে পানির সংস্পর্শে এটি সহজে দ্রবণে পরিণত হয়। (রেফারেন্সঃ নবম দশম শ্রেণির ভূগোল)
৩,৮৬০.
পৃথিবীতে নিম্নচাপ বলয়ের সংখ্যা কতটি?
  1. ৩টি
  2. ৪টি
  3. ৫টি
  4. ৭টি
সঠিক উত্তর:
৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩টি
ব্যাখ্যা
পৃথিবীতে ৭টি চাপ বলয় রয়েছে। এর মধ্যে ৩টি নিম্নচাপ বলয় এবং ৪টি উচ্চচাপ বলয়।
এগুলো হলোঃ
নিরক্ষীয় নিম্নচাপ বলয়
কর্কটীয় উচ্চচাপ বলয়
মকরীয় উচ্চচাপ বলয়
উত্তর মেরুবৃত্ত নিম্নচাপ বলয়
দক্ষিণ মেরুবৃত্ত নিম্নচাপ বলয়
উত্তর মেরু উচ্চচাপ বলয় এবং
দক্ষিণ মেরু উচ্চচাপ বলয়।
(সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক প্রাকৃতিক ভূগোল : উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)
৩,৮৬১.
দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমী বায়ুর প্রভাবে বাংলাদেশের কোন ফসল প্রচুর পরিমাণে উৎপন্ন হয়?
  1. ডাল
  2. তেলবীজ
  3. পাট
  4. পেঁয়াজ
সঠিক উত্তর:
পাট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাট
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে দু'ধরণের মৌসুমী বায়ু প্রবাহিত হয়।
যথা- 
দক্ষিণ-পশ্চিম ও উত্তর-পূর্ব মৌসুমী বায়ু।

দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমী বায়ু:
- গ্রীষ্মকালে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমী বায়ু বঙ্গোপসাগর হতে উদিত হয়ে বাংলাদেশের উপর দিয়ে প্রবাহিত হয় এবং এ বায়ুর প্রভাবে এ সময় প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়।
- এ বৃষ্টিপাতের ফলে বাংলাদেশের প্রধান ফসল ধান, পাট, ইক্ষু, চা প্রচুর পরিমাণে উৎপন্ন হয়ে থাকে। - উপরন্ত গ্রীষ্মকালীন বৃষ্টিপাতের প্রভাবে বাংলাদেশে আম, জাম, লিচু, কাঁঠাল, পেয়ারা ইত্যাদি ফলের উৎপাদন হয়ে থাকে।

উত্তর-পূর্ব মৌসুমী বায়ু:
- উত্তর-পূর্ব মৌসুমী বায়ুর প্রভাবে শীতকালে সামান্য বৃষ্টিপাত হয়ে থাকে।
- এই বৃষ্টিপাতের প্রভাবে নানা ধরণের ডাল, তেলবীজ, গোল আলু, মিষ্টি আলু, পেঁয়াজ, রসুন, ধনিয়া প্রভৃতি রবিশস্যের উৎপন্ন হয়।
- এ সকল শস্য অধিক বৃষ্টিপাত ও আর্দ্রতা সহ্য করতে পারে না বলেই এই রবি মৌসুম বা শীতকালে ফলন হয়ে থাকে।

উৎস: ভূগোল ১ম পত্র- উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৮৬২.
আটলান্টিক ও প্রশান্ত মহাসাগরকে যুক্ত করেছে কোনটি?
  1. সুয়েজ খাল
  2. পানামা খাল
  3. পক প্রণালী
  4. জিব্রাল্টার প্রণালী
সঠিক উত্তর:
পানামা খাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পানামা খাল
ব্যাখ্যা
পানামা খাল:
- বিশ্ব বাণিজ্যের এক গুরুত্বপূর্ণ রুট।
- পানামা প্রজাতন্ত্রের বুক চিরে বয়ে চলা কৃত্রিম খালটি জাহাজ চলাচলের জন্য ১৯০৪ সালে খনন করা হয় যেটি বিশ্ববাসীর কাছে পানামা খাল হিসেবে সমাধিক পরিচিত।
- ১৯০৪ সালে এর খনন কাজ শুরু হয় এবং ১৯১৪ সালে সমাপ্ত হয়।
- পানামা খালের দৈর্ঘ্য ৬৫ কিলোমিটার এবং প্রস্থ ৩০ থেকে ৯০ মিটার পর্যন্ত।
- তবে গভীর জলভাগ থেকে এর দৈর্ঘ্য হিসেব করলে এর দৈর্ঘ্য দাঁড়ায় ৮২ কিলোমিটার।
- গভীরতা স্থানভেদে ৪৬ থেকে ৮৫ ফুট।
- এটি আটলান্টিক ও প্রশান্ত মহাসাগরকে যুক্ত করেছে এবং উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশ কে পৃথক করেছে।
- এই খাল নির্মাণের ফলে যুক্তরাষ্ট্রে পুর্ব থেকে পশ্চিম উপকূলে চলাচলকারী জাহাজ গুলোর পথ প্রায় ১৫ হাজার কিলোমিটার হ্রাস পেয়েছে।

তথ্যসূত্র - এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।
৩,৮৬৩.
সুরমা ও কুশিয়ারা নদী কোথায় মিলিত হয়?
  1. চাঁদপুর
  2. ভৈরববাজার
  3. চিলমারি
  4. আজরিমিগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
আজরিমিগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আজরিমিগঞ্জ
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের প্রধান নদীর মিলনস্থল: 
- পদ্মা ও যমুনার মিলনস্থল: গোয়ালন্দ (রাজবাড়ী)।
- সুরমা ও কুশিয়ারার মিলনস্থল: আজরিমিগঞ্জ (হবিগঞ্জ)।
- পদ্মা ও মেঘনার মিলনস্থল: চাঁদপুর।
- ব্রহ্মপুত্র ও তিস্তার মিলনস্থল: চিলমারি (কুড়িগ্রাম)।
- পুরাতন ব্রহ্মপুত্র ও মেঘনার মিলনস্থল: ভৈরববাজার (কিশোরগঞ্জ)।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন

৩,৮৬৪.
বাংলাদেশের উষ্ণতম মাস-
  1. ক) মার্চ
  2. খ) এপ্রিল
  3. গ) জুলাই
  4. ঘ) আগস্ট
সঠিক উত্তর:
খ) এপ্রিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) এপ্রিল
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের উষ্ণতম মাস এপ্রিল।
উৎসঃ নবম দশম শ্রেণীর ভূগোল বই
৩,৮৬৫.
জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে বাংলাদেশ কোন দুর্যোগের জন্যে সর্বাধিক ঝুঁকিপূর্ণ?
  1. মরুকরণ
  2. টর্নেডো
  3. বন্যা
  4. ঘূর্ণিঝড়
সঠিক উত্তর:
বন্যা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বন্যা
ব্যাখ্যা
- ২০০৯ সালে বিশ্বব্যাংক বৈশ্বিক উষ্ণায়নের ৫টি ঝুঁকিপূর্ণ দিক চিহ্নিত করে। এগুলো হলোঃ
- মরুকরণ
- বন্যা
- ঝড়
- সমুদ্রস্তরের উচ্চতা বৃদ্ধি এবং
- কৃষিক্ষেত্রে অনিশ্চয়তা।
- এর মধ্যে বন্যা ঝুঁকিতে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান ১ নম্বরে।
- এছাড়া ঝড়ের ঝুঁকিতে ২ নম্বর এবং সমুদ্রস্তরের উচ্চতা বৃদ্ধিতে ১০ নম্বর।
(তথ্যসূত্রঃ ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী)
৩,৮৬৬.
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে নিম্নের কোনটি তুলনামূলক কম ব্যয়বহুল?
  1. অকাঠামোগত প্রশমন ব্যবস্থা
  2. নদী খনন
  3. আশ্রয়কেন্দ্র তৈরি 
  4. বেরিবাঁধ নির্মাণ
সঠিক উত্তর:
অকাঠামোগত প্রশমন ব্যবস্থা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অকাঠামোগত প্রশমন ব্যবস্থা
ব্যাখ্যা

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা:
- প্রাকৃতিক দুর্যোগকে পুরোপুরি নির্মূল করা সম্ভব না হলেও যথাযথ ব্যবস্থাপনার দ্বারা এর ক্ষতির পরিমাণ অনেকটাই কমিয়ে আনা সম্ভব।
- এ ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে কাঠামোগত ও অকাঠামোগত প্রশমন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।
- কাঠামোগত দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা যেমন: বেরিবাঁধ নির্মাণ, আশ্রয়কেন্দ্র তৈরি, নদী খনন ইত্যাদি খুবই ব্যয়বহুল যা অনুন্নত ও উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্যে উপযোগী নয়।
- গণসচেতনতা বৃদ্ধি, প্রশিক্ষণ প্রদান প্রভৃতি অকাঠামোগত প্রশমন ব্যবস্থা তুলনামূলক কম ব্যয়বহুল যা দরিদ্রদেশগুলোর জন্যে উপযোগী।

সূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেনি। 

৩,৮৬৭.
হালদা নদীর উৎপত্তি স্থল কোনটি?
  1. ক) শুভলং ঝর্ণা
  2. খ) কর্ণফুলী নদী
  3. গ) কাপ্তাই হ্রদ
  4. ঘ) চট্টগ্রামের বদনাতলী পাহাড়
সঠিক উত্তর:
ঘ) চট্টগ্রামের বদনাতলী পাহাড়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) চট্টগ্রামের বদনাতলী পাহাড়
ব্যাখ্যা
হালদা নদী (Halda River) পার্বত্য চট্টগ্রামের বদনাতলী পাহাড়ি এলাকা থেকে উৎসারিত হয়ে ফটিকছড়ি উপজেলার উত্তর-পূর্ব কোণ দিয়ে চট্টগ্রাম জেলায় প্রবেশ করেছে।
- সুউচ্চ শ্রেণীমালা উত্তরে রেখে হালদা নদী দক্ষিণ-পশ্চিম বরাবর প্রবাহিত হয়ে আবার দক্ষিণ গতিপথে এর মূল অববাহিকা গঠনকারী ফটিকছড়ি, হাটহাজারী, রাউজান ও চট্টগ্রাম শহরের বিবিরহাট, নাজিরহাট, সাত্তারঘাট ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ স্থান অতিক্রম করে গেছে।
- কালুরঘাটের কাছে এটি কর্ণফুলী নদীতে এসে মিশেছে। এর মোট দৈর্ঘ্য ৮০.৪৫ কিমি। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৩,৮৬৮.
বাংলাদেশের প্রায় মধ্যভাগ দিয়ে পূর্ব-পশ্চিমে কোন রেখাটি অতিক্রম করেছে?
  1. সাড়ে ২৩ ডিগ্রি উত্তর অক্ষরেখা
  2. ৯০ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমারেখা
  3. সাড়ে ২৩ ডিগ্রি দক্ষিণ অক্ষরেখা
  4. ৯০ ডিগ্রি পশ্চিম দ্রাঘিমারেখা
সঠিক উত্তর:
সাড়ে ২৩ ডিগ্রি উত্তর অক্ষরেখা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাড়ে ২৩ ডিগ্রি উত্তর অক্ষরেখা
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের প্রায় মধ্যভাগ দিয়ে পূর্ব-পশ্চিম বরাবর সাড়ে ২৩ ডিগ্রি উত্তর অক্ষরেখা বা কর্কটক্রান্তি রেখা (ট্রপিক অব ক্যান্সার) অতিক্রম করেছে।
- এছাড়া, বাংলাদেশের উপর দিয়ে উত্তর-দক্ষিণ বরাবর ৯০ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমারেখা অতিক্রম করেছে।
(তথ্যসূত্রঃ ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী)
৩,৮৬৯.
ব্রহ্মপুত্র নদ হিমালয়ের কোন শৃঙ্গ থেকে উৎপন্ন হয়েছে?
  1. বরাইল
  2. কৈলাস
  3. কাঞ্চনজঙ্গা
  4. গডউইন অস্টিন
সঠিক উত্তর:
কৈলাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কৈলাস
ব্যাখ্যা
• ব্রহ্মপুত্র নদ:
- ব্রহ্মপদ নদ হিমালয় পর্বতের কৈলাস শৃঙ্গের মানস সরোবর থেকে উৎপন্ন হয়েছে।
- এরপর এটি তিব্বত ও আসামের ভিতর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে কুড়িগ্রাম জেলার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।
- এই নদ ময়মনসিংহ জেলার দেওয়ানগঞ্জের কাছে দক্ষিণ-পূর্ব দিকে বাঁক নিয়ে ভৈরববাজারের দক্ষিণে মেঘনায় মিলিত হয়েছে।
- বাংলাদেশের ভিতরে এ নদের দৈর্ঘ্য প্রায় ২৭৭ কিলোমিটার।
- ধরলা ও তিস্তা ব্রহ্মপুত্রের প্রধান উপনদী।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৮৭০.
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব থেতে পৃথিবীকে রক্ষার জন্য জাতিসংঘে কয় দফা প্রস্তাব উপস্থাপন করেছেন?
  1. ক) পাঁচ দফা
  2. খ) ছয় দফা
  3. গ) সাত দফা
  4. ঘ) আট দফা
সঠিক উত্তর:
ক) পাঁচ দফা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) পাঁচ দফা
ব্যাখ্যা
জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব থেতে পৃথিবীকে রক্ষার জন্য জাতিসংঘে পাঁচ দফা প্রস্তাব উপস্থাপন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
প্রথম প্রস্তাবে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের জোরালো সহযোগিতা কামনা করেছেন তিনি। তিনি বলেন, ‘জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব থেকে পৃথিবী ও নিজেদের রক্ষার জন্য আমি রাজনৈতিক নেতৃত্বকে অবশ্যই জোরালো আন্তর্জাতিক সহযোগিতার পরামর্শ দেব।’
প্রধানমন্ত্রী তাঁর দ্বিতীয় প্রস্তাবে বলেন, ‘বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত সীমাবদ্ধ রাখতে হবে এবং প্যারিস চুক্তি বাস্তবায়ন করতে হবে।’
তৃতীয় প্রস্তাবে বলেন, দুর্বল দেশগুলোকে প্রতিশ্রুত তহবিল সরবরাহ করতে হবে।
চতুর্থ প্রস্তাবে শেখ হাসিনা বলেন, দূষণকারী দেশগুলোকে প্রয়োজনীয় প্রশমন ব্যবস্থার মাধ্যমে তাদের এনডিসি (জাতীয় নির্ধারিত অবদান) বাড়াতে হবে। পঞ্চম প্রস্তাবে তিনি বলেন, জলবায়ু শরণার্থীদের পুনর্বাসন একটি বৈশ্বিক দায়িত্ব হিসেবে স্বীকৃতি দিতে হবে।
উৎসঃ দৈনিক পত্রিকা রিপোর্ট
৩,৮৭১.
জলবায়ু পরিবর্তনের হুমকির ব্যাপকতা তুলে ধরার জন্য কোন দেশটি সমুদ্রের গভীরে মন্ত্রিসভার বৈঠক করেছে?
  1. ক) মালদ্বীপ
  2. খ) মালেয়েশিয়া
  3. গ) ফিজি
  4. ঘ) ভিয়েতনাম
সঠিক উত্তর:
ক) মালদ্বীপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) মালদ্বীপ
ব্যাখ্যা
বৈশ্বিক উষ্ণতার বিরুদ্ধে জনমত গঠনের লক্ষ্যে সাগর জলের ছয় মিটার নিচে মন্ত্রিসভার বৈঠক করার সিদ্ধান্ত নেয় মালদ্বীপ সরকার। এই বৈঠকে মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ নাশিদ ও তাঁর মন্ত্রিসভার সদস্যরা বিশ্বব্যাপী ক্ষতিকর কার্বন উদিগরণের বিরুদ্ধে এক ঘোষণাপত্রে স্বাক্ষর করেন।
উৎসঃ prothom-alo.com
৩,৮৭২.
নিচের কোন জেলায় টারশিয়ারি যুগের পাহাড় নেই?
  1. বান্দরবান
  2. রাঙামাটি
  3. সুনামগঞ্জ
  4. কুমিল্লা
সঠিক উত্তর:
কুমিল্লা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুমিল্লা
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের ভূ-প্রাকৃতিক শ্রেণিবিভাগ:
- অবস্থান, ভূমির গঠন ও ভূ-তাত্ত্বিক সময়কাল অনুসারে বাংলাদেশের ভূ-প্রকৃতিকে প্রধানত তিনটি বৃহৎ শ্রেণিতে বিভক্ত করা যায়।
যথা-
১. টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ;
২. প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ এবং
৩. সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি।

• টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ:
- প্রায় ৭০ মিলিয়ন বছর পূর্বে টারশিয়ারি যুগে হিমালয় পর্বত উত্থিত হওয়ার সময় এ পাহাড়গুলো গঠিত হয়েছে বলে এগুলোকে টারশিয়ারি যুগের পাহাড় বলা হয়।
- এ পাহাড়গুলো বেলেপাথর, শ্লেট জাতীয় প্রস্তর এবং কর্দম দ্বারা গঠিত।
- এ পাহাড়গুলোকে আসামের লুসাই এবং মিয়ানমারের আরাকান পাহাড়ের সমগোত্রীয় বলে মনে করা হয়।

• টারশিয়ারি যুগের পাহাড়ের অবস্থান:
- রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি, বান্দরবান এবং চট্টগ্রাম জেলার অংশবিশেষে, সুনামগঞ্জ, হবিগঞ্জ ও মৌলভীবাজার জেলায় অবস্থিত ছোট-বড় পাহাড়গুলো নিয়ে এ অঞ্চল গঠিত। 
==================
এছাড়াও - 
- কুমিল্লা আছে প্লাইস্টোসিনকালের পাহাড়।

তথ্যসূত্র: ভূগোল প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৮৭৩.
মহীসোপানের গড় গভীরতা-
  1. ক) ১২০ মিটার
  2. খ) ১৪০ মিটার
  3. গ) ১৫০ মিটার
  4. ঘ) ৩৭০ মিটার
সঠিক উত্তর:
গ) ১৫০ মিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৫০ মিটার
ব্যাখ্যা
সমুদ্রের উপকূল রেখা থেকে তলদেশ ক্রমনিম্ন নিমজ্জিত অংশকে মহীসোপান বলে। এর গড় গভীরতা ১৫০ মিটার এবং গড় প্রশস্ততা ৭০ কিলোমিটার। এটি ১° কোণে ঢালু থাকে। ইউরোপের উত্তর-পশ্চিমে পৃথিবীর বৃহত্তম মহীসোপান অবস্থিত। (সূত্রঃ ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী)
৩,৮৭৪.
'বজ্রপাতের দেশ' বলা হয় কোনটিকে?
  1. জাপান
  2. ভুটান
  3. তিব্বত
  4. থাইল্যান্ড
সঠিক উত্তর:
ভুটান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভুটান
ব্যাখ্যা
বজ্রপাতের দেশ:
- বজ্রপাতের দেশ: ভুটান।

অন্যদিকে,
⇒ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের ভৌগলিক উপনাম:
- নিশীথ সূর্যের দেশ: নরওয়ে।
- সূর্যোদয়ের দেশ: জাপান।
- নিষিদ্ধ দেশ: তিব্বত।
- শান্ত দেশ: কোরিয়া।
- সাদা হাতির দেশ: থাইল্যান্ড।
- সোনালী প্যাডোডার দেশ: মিয়ানমার।
- ধীবরের দেশ: নরওয়ে।
- হাজার হ্রদের দেশ: ফিনল্যান্ড।
- নীল নদের দেশ: মিশর।
- মরুভুমির দেশ: আফ্রিকা।
- চীর সবুজের দেশ: নাটাল (দ: আফ্রিকা)।
- লিলি ফুলের দেশ: কানাডা।
- ক্যাঙ্গারুর দেশ: অস্ট্রেলিয়া।
- সিল্ক রুটের দেশ: ইরান।
- মার্বেলের দেশ: ইতালি।
- পঞ্চম ড্রাগনের দেশ: তাইওয়ান।
- দক্ষিণের গ্রেট ব্রিটেন: নিউজিল্যান্ড।
- তামার দেশ: জাম্বিয়া।
- পিরামিডের দেশ: মিশর।
- প্রাচীরের দেশ: চীন।
- ভূমিকম্পের দেশ: জাপান।
- ম্যাপল পাতার দেশ: কানাডা।

উৎস: Britannica.
৩,৮৭৫.
ভূমধ্যসাগর ও আটলান্টিক মহাসাগরের মধ্যে
  1. জিব্রাল্টার প্রণালী
  2. হরমুজ প্রণালী
  3. পক প্রণালী
  4. বেরিং প্রণালী 
সঠিক উত্তর:
জিব্রাল্টার প্রণালী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জিব্রাল্টার প্রণালী
ব্যাখ্যা

• জিব্রাল্টার:
- ভূমধ্যসাগরের তীরে স্পেন উপকূলে ব্রিটিশ শাসিত একটি ভূখণ্ড জিব্রাল্টার।
- অঞ্চলটি ব্রিটিশদের অন্যতম সামরিক ও নৌঘাঁটি।
- এর ওপর আধিপত্য বিস্তার করে আছে ‘রক অব জিব্রাল্টার’, যার পাদদেশে প্রায় ৩৪ হাজার মানুষের বসবাস।
- জিব্রাল্টার নামটি নেওয়া হয়েছে আরবি জবাল তারিক বা তারিকের পাহাড় থেকে। 
- ১৭০৪ সালে স্পেনের কাছ থেকে জ্রিব্রাল্টার দখল করে ব্রিটিশরা।
- এর পর থেকেই অঞ্চলটি ব্রিটিশদের দখলে।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় এটি রয়েল নেভির গুরুত্বপূর্ণ ঘাঁটি ছিল।
- জিব্রাল্টার প্রণালি বা স্ট্রেইট অব জিব্রাল্টার নামে পরিচিত প্রণালিটির পশ্চিমে আটলান্টিক মহাসাগর আর পূর্বে ভূমধ্যসাগর।
- এটি আটলান্টিক ও ভূমধ্যসাগরের মধ্যে অবস্থিত এবং সাগর দুটিকে যুক্ত করে।
- আর পৃথক করেছে ইউরোপের স্পেন এবং আফ্রিকার মরক্কোকে।
- জিব্রাল্টার প্রণালির দৈর্ঘ্য ৬০ কিলোমিটার এবং প্রস্থ ১৪.৩ কিলোমিটার।
- বর্তমানেও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের জন্য এই প্রণালি খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

অন্যদিকে,
• হরমুজ প্রণালী:
- এই চ্যানেলটি ৩৪ কিলোমিটার দীর্ঘ।
- পারস্য উপসাগর ও ওমান উপসাগরকে সংযুক্ত করেছে হরমুজ প্রণালি।
- আরব উপদ্বীপ থেকে ইরানকে পৃথক করেছে।

• পক প্রণালী: 
- পক প্রণালী (Palk Strait) ভারত মহাসাগরের মধ্যে অবস্থিত।
- আরব উপসাগর এবং বঙ্গোপসাগরকে সংযুক্ত করে।
- এটি শ্রীলঙ্কার মান্নার জেলা এবং ভারতের তামিলনাড়ু রাজ্যকে পৃথক করেছে।
- শ্রীলঙ্কা ও ভারত পৃথক করেছে।

• বেরিং প্রণালী:
- The Gateway to the Arctic নামে পরিচিত। 
- বেরিং প্রণালী উত্তর মহাসাগর ও বেরিং সাগরকে যুক্ত করেছে।
- এটি এশিয়া (রাশিয়া) ও উত্তর আমেরিকা (যুক্তরাষ্ট্রের আলাস্কা) কে পৃথক করেছে।
- সবচেয়ে সরু অংশ ৮৫ কিলোমিটার (৫৫ মাইল) চওড়া

উৎস: Britannica.

৩,৮৭৬.
মহাকাশে গ্রহ, নক্ষত্র, ধূলিকণা, ধূমকেতু বাষ্পকুন্ডের এক বিশাল সমাবেশকে কী বলে?
  1. গ্যালাক্সি
  2. নীহারিকা
  3. মহাজাগতিক বলয়
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
গ্যালাক্সি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্যালাক্সি
ব্যাখ্যা

গ্যালাক্সি (Galaxy):
- মহাকাশে গ্রহ, নক্ষত্র, ধূলিকণা, ধূমকেতু বাষ্পকুন্ডের এক বিশাল সমাবেশকে গ্যালাক্সি বা নক্ষত্রজগৎ বলে।
- মহাকাশে একশত বিলিয়ন গ্যালাক্সি রয়েছে।
- এদের বিভিন্ন আকার ও আকৃতি রয়েছে, তবে এদের অধিকাংশই সর্পিলাকার বা উপবৃত্তাকার।
- সর্পিলাকার গ্যালাক্সিগুলো বৃহৎ আকৃতির এবং উপবৃত্তাকার গ্যালাক্সিগুলো বেশি উজ্জ্বল।
- এরা পরস্পর ব্যাপক ব্যবধানে অবস্থিত।
- কোনো একটি গ্যালাক্সির ক্ষুদ্র অংশকে ছায়াপথ বলে।

সূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ: নবম-দশম শ্রেণি। 

৩,৮৭৭.
বাংলাদেশের কোন দ্বীপটি প্রবাল দ্বীপ নামে খ্যাত?
  1. নিঝুমদ্বীপ
  2. সেন্ট মার্টিনস
  3. হাতিয়া
  4. কুতুবদিয়া
সঠিক উত্তর:
সেন্ট মার্টিনস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সেন্ট মার্টিনস
ব্যাখ্যা
সেন্ট মার্টিন দ্বীপ:
- সেন্ট মার্টিন্‌স দ্বীপ বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরের উত্তর-পূর্বাংশে অবস্থিত একটি প্রবালদ্বীপ।
- এটি কক্সবাজার জেলার টেকনাফে নাফ নদীর মোহনায় অবস্থিত।
- প্রচুর নারিকেল পাওয়া যায় বলে স্থানীয়ভাবে একে নারিকেল জিঞ্জিরাও বলা হয়ে থাকে।
- এটি বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ।
- বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিন অসাধারণ জীববৈচিত্র্যে পরিপূর্ণ।
- এর আয়তন আয়তন ১৭ বর্গ কিলোমিটার।
- ৬৭২ বর্গমাইলের এই দ্বীপ বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণ সীমানায় অবস্থিত এবং প্রবাল, ইন্দো-প্যাসিফিক হ্যাম্পব্যাক ডলফিন, বিপদাপন্ন তিমি হাঙরসহ বহুসংখ্যক সামুদ্রিক প্রাণীর গুরুত্বপূর্ণ আশ্রয়স্থল।

উল্লেখ্য,
- টেকনাফ উপজেলা ওয়েবসাইট অনুসারে, সেন্টমার্টিন দ্বীপের আয়তন ১৭ বর্গ কিলোমিটার।
- কক্সবাজার জেলা ওয়েবসাইট অনুসারে, সেন্টমার্টিন দ্বীপের আয়তন প্রায় ৮ বর্গ কিলোমিটার ও উত্তর-দক্ষিণে লম্বা।
- সেন্টমার্টিন দ্বীপ সম্পর্কে সময় নিউজের রিপোর্টে বলা হয়েছে, সেন্টমার্টিন দ্বীপ ৭.৩ কিলোমিটার দীর্ঘ এবং আয়তন প্রায় ৮ বর্গ কিলোমিটার।
- প্রথম আলো রিপোর্টে বলা হয়েছে, দ্বীপের আয়তন ১৩ বর্গকিলোমিটার উল্লেখ রয়েছে।
- তবে গবেষণায় বলা হয়েছে ৮ বর্গকিলোমিটার।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৩,৮৭৮.
নিম্নের কোন জেলাটি বাংলাদেশ ও ভারত সীমান্তের মধ্যে সংযোগ নেই?
  1. বাগেরহাট
  2. নেত্রকোণা 
  3. রাঙ্গামাটি
  4. হবিগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
বাগেরহাট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাগেরহাট
ব্যাখ্যা

- বাগেরহাট জেলার সাথে বাংলাদেশ ও ভারত সীমান্তের মধ্যে সংযোগ নেই।

• সীমান্ত জেলা:

- বাংলাদেশে বিভাগ রয়েছে ৮টি এবং জেলা ৬৪টি।
- বাংলাদেশের মোট সীমান্তবর্তী জেলা ৩২টি।
- ভারত ও মিয়ানমার উভয় দেশের সাথে বাংলাদেশের ৩২টি জেলার সীমান্ত রয়েছে।
- ভারতের সাথে সীমান্তবর্তী জেলা ৩০টি এবং মিয়ানমারের সাথে সীমান্তবর্তী জেলা ৩টি।
- রাঙামাটি জেলার সাথে ভারত ও মিয়ানমার উভয় দেশের সীমানা রয়েছে।
- এছাড়াও, ৬টি বিভাগের সাথে আন্তর্জাতিক সীমান্ত থাকলেও ঢাকা ও বরিশাল বিভাগের সাথে কোনো আন্তর্জাতিক সীমান্ত নেই।

• খুলনা বিভাগের সীমান্তবর্তী জেলাগুলো হলো: সাতক্ষীরা, যশোর, চুয়াডাঙ্গা, মেহেরপুর, ঝিনাইদহ এবং কুষ্টিয়া।
• সিলেট বিভাগের সীমান্তবর্তী জেলাগুলো হলো: সুনামগঞ্জ, সিলেট, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ।
• ময়মসসিংহ বিভাগের সীমান্তবর্তী জেলাগুলো হলো: জামালপুর, শেরপুর, ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনা।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৩,৮৭৯.
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার প্রধান উদ্দেশ্যগুলোর মধ্যে কোনটি অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. পরিবেশের সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি হ্রাস করা
  2. ক্ষতিগ্রস্ত জনগণের পুনর্বাসন নিশ্চিত করা
  3. দুর্যোগের আগে সম্পদের পরিমাণ বৃদ্ধি করা
  4. দুর্যোগের পর পুনরুদ্ধার কাজ সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করা
সঠিক উত্তর:
দুর্যোগের আগে সম্পদের পরিমাণ বৃদ্ধি করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুর্যোগের আগে সম্পদের পরিমাণ বৃদ্ধি করা
ব্যাখ্যা
• দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা চক্র:
- দুর্যোগ মোকাবিলার জন্যে দুর্যোগ-পূর্ব প্রস্তুতির কাজ সম্পন্ন করা আবশ্যক, যা মূলত আক্ৰান্ত অঞ্চলের অধিবাসীদেরকে দুর্যোগের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে সহায়তা করে।
- দুর্যোগ চলাকালীন সময়ে ও সংঘটনের অব্যবহিত পরে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার অন্যান্য উপাদান যেমন- সাড়াদান, পুনরুদ্ধার, প্রশমন উন্নয়ন, প্রতিরোধ, পূর্বপ্রস্তুতি কার্যক্রম সম্পাদন করা প্রয়োজন।

• দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার প্রধান উদ্দেশ্য তিনটি।
এগুলো হলো:
(১) দুর্যোগকালিন সময়ে জীবন, সম্পদ ও পরিবেশের সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি এড়ানো বা পরিমাণ হ্রাস করা;
(২) দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত জনগণের মধ্যে দ্রুত প্রয়োজনীয় ত্রাণ পৌঁছানো ও পূর্ণবাসন নিশ্চিত করা এবং
(৩) দুর্যোগ পরবর্তী পুনরুদ্ধার কাজ সুষ্ঠুরূপে সম্পন্ন করা।

অর্থাৎ, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার মূল লক্ষ্য ক্ষয়ক্ষতি কমানো, পুনরুদ্ধার করা ও পুনর্বাসন নিশ্চিত করা।
তবে, সম্পদের পরিমাণ বৃদ্ধি করা এর উদ্দেশ্য নয়, কারণ এটি মূলত অর্থনৈতিক উন্নয়নের অংশ, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার নয়।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,৮৮০.
'নয় কুড়ি কান্দায় ছয় কুড়ি বিল' নামে পরিচিত স্থান কোনটি?
  1. হাইক্কা বিল
  2. টাঙ্গুয়ার হাওর
  3. হাকালুকি হাওর
  4. চলন বিল
সঠিক উত্তর:
টাঙ্গুয়ার হাওর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টাঙ্গুয়ার হাওর
ব্যাখ্যা
টাঙ্গুয়ার হাওর (Tanguar Haor):  
- টাঙ্গুয়ার হাওর বাংলাদেশের বৃহত্তম গ্রুপ জলমহালগুলোর অন্যতম। বাংলাদেশের উত্তর-পূর্ব প্রান্তে সুনামগঞ্জ জেলার ধর্মপাশা এবং তাহিরপুর উপজেলাস্থিত জীববৈচিত্রে সমৃদ্ধ মিঠা পানির এ হাওর বাংলাদেশের ২য় রামসার এলাকা।
- এই হাওরের স্থানীয় নাম: নয় কুড়ি কান্দায় ছয় কুড়ি বিল।
- এ হাওরটিতে ছোটবড় ১২০টি বিল রয়েছে। ৪৬টি গ্রামসহ পুরো হাওর এলাকার আয়তন প্রায় ১০০ বর্গ কিমি, এর মধ্যে ২৮০২.৩৬ হেক্টর জলাভূমি রয়েছে।
- কেবল সুনামগঞ্জ নয়, গোটা বাংলাদেশেই হাওরটি শীতের অতিথি পাখিদের ‘স্বর্গরাজ্য’ হিসেবে পরিচিত। প্রতি বছর এখানে প্রায় ২০০ প্রজাতির অতিথি পাখির আগমন ঘটে।
- টাঙ্গুয়ার হাওরকে ২০০০ সালের ১০ জুলাই ১০৩১তম রামসার সাইট ঘোষণা করা হয়।

উৎস: সুনামগঞ্জ জেলা ওয়েবসাইট এবং বাংলাপিডিয়া।
৩,৮৮১.
গঙ্গা-কপোতাক্ষ সেচ প্রকল্প কোন জেলায় অবস্থিত?
  1.  রংপুর
  2. কুড়িগ্রাম
  3. রাজশাহী
  4. কুষ্টিয়া
সঠিক উত্তর:
কুষ্টিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুষ্টিয়া
ব্যাখ্যা

গঙ্গা-কপোতাক্ষ সেচ প্রকল্প (জি-কে প্রজেক্ট):
- গঙ্গা কপতাক্ষ সেচ প্রকল্প কুষ্টিয়া জেলার ভেড়ামারা উপজেলায় অবস্থিত।
- এটি বাংলাদেশে প্রথম সেচ প্রকল্প।
- এটি গঙ্গা নদীর দক্ষিণ তীরের বিস্তৃত অঞ্চল জুড়ে (বাংলাদেশের ভূখন্ডে) সেচের জন্য বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃক গৃহীত একটি প্রকল্প।
- কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা, ঝিনাইদহ এবং মাগুরা জেলার ১,৯৭,৫০০ হেক্টর জমি এ সেচ কার্যক্রমের আওতাভুক্ত।
- ১৯৬৯ সালে এই প্রকল্পের কাজ শেষ হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

৩,৮৮২.
পদ্মা নদী কোন জেলার সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে?
  1. ক) লালমনিরহাট
  2. খ) চাপাইনবাবগঞ্জ
  3. গ) পঞ্চগড়
  4. ঘ) যশোর
সঠিক উত্তর:
খ) চাপাইনবাবগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) চাপাইনবাবগঞ্জ
ব্যাখ্যা
পদ্মা নদী:

- পদ্মা নদী চাপাইনবাবগঞ্জ জেলার সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।
- হিমালয় পর্বতের গঙ্গোত্রী হিমবাহ থেকে পদ্মা নদী উৎপত্তি লাভ করে।
-পদ্মা নদী ভারতের উপর দিয়ে গঙ্গা নামে প্রবাহিত হয়। এর সর্বমোট দৈর্ঘ্য ২,৬০০ কি.মি.
- রাজবাড়ি জেলায় গোয়ালন্দের কাছে পদ্মা নদী ও যমুনা নদী একসাথে মিলিত হয়েছে।
- চাঁদপুরের নিকট পদ্মা নদী ও মেঘনা নদীর সাথে মিলিত হয়ে মেঘনা নামে বঙ্গোপসাগরে পড়েছে।
- পদ্মার শাখা নদীগুলো হলো- মধুমতি, আড়িয়াল খাঁ, ভৈরব, মাথাভাঙ্গা, কুমার, কপোতাক্ষ, শিবসাত, পশুর, বড়াল, গড়াই, ইছামতি ইত্যাদি।
- এর উপনদী মহানন্দা, টাঙ্গন, নাগর, পুনর্ভবা, কুলিক।

তথ্যসূত্র- ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৮৮৩.
নিচের কোন বিভাগের সবগুলো জেলা সীমান্তবর্তী?
  1. খুলনা
  2. রংপুর
  3. ময়মনসিংহ
  4. চট্টগ্রাম
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা
• সীমান্তবর্তী জেলা:
- বাংলাদেশে মোট বিভাগ ৮টি তার মধ্যে ২টি বিভাগের সবগুলো জেলা সীমান্তবর্তী।
- বিভাগগুলো হলো - ময়মনসিংহ ও সিলেট।
- ময়মনসিংহ বিভাগের সীমান্ত সংলগ্ন জেলাগুলো হলো- জামালপুর, শেরপুর, ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনা।
- সিলেট বিভাগের সীমান্ত সংলগ্ন জেলাগুলো হলো- সুনামগঞ্জ, সিলেট, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ।

সূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৩,৮৮৪.
বাংলাদেশের ঘোষিত প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা নয় কোনটি?
  1. সোনাদিয়া দ্বীপ
  2. নিঝুম দ্বীপ
  3. মারজাত বাওড়
  4. গুলশান-বারিধারা লেক
সঠিক উত্তর:
নিঝুম দ্বীপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিঝুম দ্বীপ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের ঘোষিত প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা:
- অপরিণামদর্শী কর্মকাণ্ডের ফলে দেশের প্রতিবেশ ও জীববৈচিত্র্য মারাত্মক ক্ষতি হয়ে গিয়েছে।
- এর ফলে দেশের জীববৈচিত্র্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং কোনো কোনো প্রতিবেশের উৎপাদনশীলতাও কমে গিয়েছে।
- দেশের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সুরক্ষা এবং প্রাকৃতিক পরিবেশ সংরক্ষণ ও পরিবেশগত মানোন্নয়নের লক্ষ্যে সরকার কর্তৃক বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন ১৯৯৫ (সর্বশেষ সংশোধিত ২০১০) অনুসারে বিভিন্ন সময়ে কিছু এলাকাকে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা (Ecologically Critical Area-ECA/ইসিএ) হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।
- এ-পর্যন্ত দেশের ১৩টি এলাকাকে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা ঘোষণা করা হয়েছে।
- এলাকাগুলো: সুন্দরবন, কক্সবাজার-টেকনাফ সমুদ্র সৈকত, সেন্টমাটিন দ্বীপ, সোনাদিয়া দ্বীপ, হাকালুকি হাওর, টাঙ্গুয়ার হাওর, মারজাত বাওড়, গুলশান-বারিধারা লেক, বুড়িগঙ্গা নদী, তুরাগ নদী, বালু নদী, শীতলক্ষ্যা নদী, জাফলং-ডাউকি নদী। 

উৎস: পরিবেশ অধিদপ্তর ওয়েবসাইট। 
৩,৮৮৫.
পৃথিবীর বৃহত্তম আগ্নেয় দ্বীপ -
  1. আইসল্যান্ড
  2. জাভা দ্বীপ
  3. সুমাত্রা দ্বীপ
  4. কৃষ্ণ দ্বীপ
সঠিক উত্তর:
আইসল্যান্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইসল্যান্ড
ব্যাখ্যা
আগ্নেয়গিরি
- ভূ-ত্বকের শিলাস্তর সর্বত্র একইরকম না হওয়ায় শিলাস্তরের দুর্বল অংশ ভূ-গর্ভের চাপে ফেটে ভূ-গর্ভ হতে ভূ-পৃষ্ঠ পর্যন্ত বিশাল নলাকৃতির ছিদ্রপথের সৃষ্টি হয়।
- এই ছিদ্রপথে গলিত ম্যাগমা, উত্তপ্ত প্রস্তর খন্ড, কর্দম, ধুম, ভস্ম, গলিত ধাতব পদার্থ ইত্যাদি প্রবলবেগে ভূ-পৃষ্ঠে নির্গত হয়ে সুরঙ্গপথের চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে একে অগ্ন্যুৎপাত বলে।

আগ্নেয় দ্বীপ:
- সমুদ্র তলদেশে অগ্ন্যুৎপাতের সময় নির্গত লাভা সঞ্চিত হয়ে দ্বীপের সৃষ্টি করে।
যেমন- আইসল্যান্ড পৃথিবীর বৃহত্তম আগ্নেয় দ্বীপ

সূত্র: ব্রিটানিকা ও Guinnessworldrecords ।
৩,৮৮৬.
নিচের কোন দেশটি আসিয়ান অঞ্চলের জোটের নয়?
  1. ক) ব্রুনেই
  2. খ) মিয়ানমার
  3. গ) ভারত
  4. ঘ) ভিয়েতনাম
সঠিক উত্তর:
গ) ভারত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ভারত
ব্যাখ্যা
ASEAN (Associaion of South East Asian Nations) দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর একটি আঞ্চলিক জোট। স্নায়ুযুদ্ধের সময় ১৯৬৭ সালের ৮ আগস্ট ব্যাংকক ডিক্লারেশনের মাধ্যমে আসিয়ান (ASEAN) প্রতিষ্ঠিত হয়। এর সদরদপ্তর ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তায় অবস্থিত। বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১০টি। এগুলো হলো: ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, ফিলিপাইন, থাইল্যান্ড, সিঙ্গাপুর, কম্বোডিয়া, লাওস, ভিয়েতনাম, ব্রুনেই ও মিয়ানমার।
উৎসঃ আসিয়ান ওয়েবসাইট
৩,৮৮৭.
ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভ (Kyiv) কোন নদীর তীরে অবস্থিত?
  1. ক) ভলগা (Volga)
  2. খ) দানিয়ুব (Danube)
  3. গ) উড়াল (Ural)
  4. ঘ) নিপার (Dnieper)
সঠিক উত্তর:
ঘ) নিপার (Dnieper)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) নিপার (Dnieper)
ব্যাখ্যা
- কিয়েভ ইউক্রেনের রাজধানী। 
- এটি নিপার (Dnieper) নদীর তীরে অবস্থিত।
- নিপার নদীর উৎপত্তি রাশিয়ার ভলদাই পর্বত থেকে। 
- এটির দৈর্ঘ্য প্রায় ২,২০০ কিলোমিটার। দৈর্ঘ্যে এটি ইউরোপের চতুর্থ দীর্ঘতম নদী। 
- রাশিয়া, বেলারুশ ও ইউক্রেনের উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে নিপার নদী কৃষ্ণসাগরে পতিত হয়েছে।

(তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট)
৩,৮৮৮.
কোন দুটি টেকটোনিক প্লেটের সংঘর্ষে হিমালয় পর্বতমালার উৎপত্তি ঘটেছে?
  1. আফ্রিকান ও ইউরেশিয়ান প্লেট
  2. ইন্ডিয়ান ও ইউরেশিয়ান প্লেট
  3. প্যাসিফিক ও আমেরিকান প্লেট
  4. প্যাসিফিক ও ইউরেশিয়ান প্লেট
সঠিক উত্তর:
ইন্ডিয়ান ও ইউরেশিয়ান প্লেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইন্ডিয়ান ও ইউরেশিয়ান প্লেট
ব্যাখ্যা

হিমালয় পর্বতমালা:
- হিমালয় এশিয়ার একটি পর্বতমালা।
- এটি অনেকগুলো পর্বতের সমন্বয়ে গঠিত যা তিব্বতীয় মালভূমি থেকে ভারতীয় উপমহাদেশকে পৃথক করেছে।
- ভূ-তত্ত্ববিদদের ধারণা অনুযায়ী, ভারতীয় প্লেট ও ইউরেশিয়ান প্লেটের সংঘর্ষে হিমালয় সৃষ্টি হয়েছে।
- বিশ্বের তিনটি প্রধান নদী- সিন্ধু, ব্রহ্মপুত্র ও গঙ্গার উৎপত্তি হয়েছে এই পর্বতমালা থেকেই।
- হিমালয়ের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গের নাম মাউন্ট এভারেস্ট। এটি বিশ্বের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ। এভারেস্টের উচ্চতা ৮,৮৪৮.৮৬ মিটার বা ২৯,০৩২ ফুট।

উল্লেখ্য,
- হিমালয় পর্বতমালার উত্তর-পশ্চিমে হিন্দুকুশ এবং কারাকোরাম পর্বতমালা এবং উত্তরে তিব্বতের উচ্চ ও বিশাল মালভূমি অবস্থিত ।
- আফগানিস্তান, পাকিস্তান, ভারত, চীন, নেপাল ও ভুটান এশিয়ার এই ছয় দেশে বিস্তৃত হিমালয় পর্বতমালায় বিশ্বের উচ্চতম শৃঙ্গগুলো অবস্থান করছে। 
- এভারেস্ট পর্বতের পর বিশ্বের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ কেটুও হিমালয় পর্বতমালায় অবস্থিত। 
- মাউন্ট এভারেস্ট ও কেটু  ছাড়াও আট হাজার মিটারের বেশি বেশ কিছু পর্বত রয়েছে হিমালয়ে। এর মধ্যে কাঞ্চনজঙ্ঘা, মাকালু, ধবলগিরি, অন্নপূর্ণা পর্বত অন্যতম।

উল্লেখ্য,
- ইউরেশিয়ান প্লেট বিশ্বের সবচেয়ে বড় কনটিনেন্টাল প্লেট, যা ইউরোপ এবং এশিয়া জুড়ে বিস্তৃত।
- ইন্দোঅস্ট্রেলিয়ান প্লেট (বা ইন্ডিয়ান প্লেট) ভারতীয় উপমহাদেশ এবং অস্ট্রেলিয়া অন্তর্ভুক্ত করে। এটি উত্তর দিকে চলমান হয়ে ইউরেশিয়ান প্লেটের সাথে সংঘর্ষ করে, যা হিমালয় গঠনের প্রধান কারণ।
- আফ্রিকান প্লেট ইউরেশিয়ানের সাথে সংঘর্ষ করে মরক্কো থেকে ইউরোপীয় পর্বত গঠন করে, কিন্তু হিমালয়ের জন্য নয়।

উৎস: i) Britannica।
ii) National Geographic।

৩,৮৮৯.
The longest mountain range in the world is
  1. ক) The Alps
  2. খ) The Himalayas
  3. গ) The Rockies
  4. ঘ) The Andes
সঠিক উত্তর:
ঘ) The Andes
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) The Andes
ব্যাখ্যা
- পৃথিবীর দীর্ঘতম পর্বতশ্রেণী হলো দক্ষিণ আমেরিকার আন্দিজ পর্বতমালা
- এর দৈর্ঘ্য প্রায় ৭ হাজার কিলোমিটার।
- এটি দক্ষিণ আমেরিকার সাতটি দেশজুড়ে বিস্তৃত।
- দ্বিতীয় দীর্ঘতম পর্বতশ্রেণী হলো উত্তর আমেরিকার রকি পর্বতমালা।
- হিমালয় পর্বতমালায় বিশ্বের সর্বোচ্চ পর্বত শৃঙ্গ মাউন্ট এভারেস্ট অবস্থিত।

সূত্র: ওয়ার্ল্ড অ্যাটলাস
৩,৮৯০.
তিব্বত মালভূমি কোন শ্রেণির মালভূমি?
  1. পর্বত মধ্যবর্তী মালভূমি
  2. পাদদেশীয় মালভূমি
  3. ব্যবচ্ছিন্ন মালভূমি
  4. মহাদেশীয় মালভূমি 
সঠিক উত্তর:
পর্বত মধ্যবর্তী মালভূমি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পর্বত মধ্যবর্তী মালভূমি
ব্যাখ্যা
• পর্বত মধ্যবর্তী মালভূমি:
→ পর্বতের মধ্যখানে এই প্রকারের মালভূমি দেখতে পাওয়া যায়।
→ এই মালভূমির উচ্চতা প্রায় ৩,০০০ থেকে ৪,৫০০ মিটার হয়ে থাকে।
তিব্বত মালভূমি একটি পর্বত মধ্যবর্তী মালভূমি।
→ এই পর্বতের উত্তরে কুনলুন ও দক্ষিণে হিমালয় পর্বত এবং পূর্ব-পশ্চিমের অন্যান্য পর্বত ঘিরে আছে।
→  দক্ষিণ আমেরিকার বলিভিয়া, মধ্য আমেরিকার মেক্সিকো এবং এশিয়ার মঙ্গোলিয়া এ ধরনের মালভূমি। 

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ (নবম-দশম শ্রেণি), উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৮৯১.
নিরক্ষরেখার অপর নাম কী?
  1. ক) বিষুবরেখা
  2. খ) ২৩.৫° অক্ষরেখা
  3. গ) ০° অক্ষরেখা
  4. ঘ) ক ও গ
সঠিক উত্তর:
ঘ) ক ও গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ক ও গ
ব্যাখ্যা
• পৃথিবীর ঠিক মাঝখান দিয়ে যে রেখাটি পূর্ব-পশ্চিমে সমগ্র পৃথিবীকে বেষ্টন করে আছে তাকে নিরক্ষরেখা বলে।

• নিরক্ষরেখার অপর নাম হলো-
- বিষুবরেখা (Equator),
- ০° অক্ষরেখা ( ০° Latitude),
- মহাবৃত্ত (Great circle)।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণি।
৩,৮৯২.
কোন জেলার মধ্য দিয়ে ব্রহ্মপুত্র নদ বাংলাদেশে প্রবেশ করে?
  1. লালমনিরহাট
  2. গাইবান্ধা
  3. শেরপুর
  4. কুড়িগ্রাম
সঠিক উত্তর:
কুড়িগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুড়িগ্রাম
ব্যাখ্যা

⇒ বিভিন্ন নদীর প্রবেশ পথ:
- পদ্মা নদীর মূল প্রবাহ রাজশাহী জেলার দক্ষিণ-পশ্চিম প্রান্তে প্রায় ১৪৫ কিলোমিটার পর্যন্ত ভারতের পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের সীমানা বরাবর এসে কুষ্টিয়ার উত্তর-পশ্চিম প্রান্তে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। এরপর রাজবাড়ি জেলার গোয়ালন্দের নিকট যমুনার সাথে মিলিত হয়েছে।
- ব্রহ্মপুত্র নদ তিব্বত ও আসামের ভিতর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে কুড়িগ্রাম জেলার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। 
- মেঘনা ভারতের আসাম রাজ্যের নাগা-মনিপুর পার্বত্য অঞ্চলে উৎপন্ন বরাক নদী সিলেট সীমান্তে সুরমা ও কুশিয়ারা নামে দুইটি শাখায় বিভক্ত হয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। 
- যমুনা ময়মনসিংহ জেলার দেওয়ানগঞ্জের কাছে ব্রহ্মপুত্রের একাট শাখা যমুনা নদী নামে দক্ষিণ দিকে প্রবাহিত হয়েছে। 
- করতোয়া নদী পঞ্চগড় জেলার ভিটগড়ের নিকট বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। 
- মহানন্দা নদী পঞ্চগড় জেলার তেঁতুলিয়া উপজেলার সীমান্ত এলাকা দিয়ে প্রবাহিত হয়ে পুনরায় ভারতে প্রবেশ করে।
- কর্ণফুলী নদী রাঙামাটি ও চট্টগ্রাম জেলার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে। 
- সাঙ্গু নদী বান্দরবান ও চট্টগ্রামের ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে।
- ফেনী নদী ফেনী জেলার পূর্ব সীমানা দিয়ে প্রবেশ করে সন্দ্বীপ প্রণালির উত্তরে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে।
- নাফ নদী বাংলাদেশের টেকনাফ ও মিয়ানমারের সীমানা নির্দেশ করে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৮৯৩.
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার মুখ্য উপাদানগুলো কী?
  1. প্রতিরোধ, প্রশমন ও পূর্বপ্রস্তুতি
  2. পুনরুদ্ধার, উন্নয়ন ও প্রশমন
  3. প্রতিরোধ, প্রশমন ও পুনরুদ্ধার
  4. প্রতিরোধ, পুনরুদ্ধার ও সাড়াদান
সঠিক উত্তর:
প্রতিরোধ, প্রশমন ও পূর্বপ্রস্তুতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রতিরোধ, প্রশমন ও পূর্বপ্রস্তুতি
ব্যাখ্যা

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা:
- দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা হচ্ছে এরূপ একটি ব্যবহারিক বিজ্ঞান যার আওতায় পড়ে- যথাযথ পর্যবেক্ষণ ও বিশ্লেষণের মাধ্যমে দুর্যোগ প্রতিরোধ, দুর্যোগ প্রস্তুতি এবং দুর্যোগ সাড়াদান ও পুনরুদ্ধার ইত্যাদি কার্যক্রম।
- দুর্যোগ প্রতিরোধ, দুর্যোগ প্রশমন এবং দুর্যোগের পূর্বপ্রস্তুতি হলো দূর্যোগ ব্যবস্থাপনার মুখ্য উপাদান।
- দুর্যোগ সংঘটনের পরপরই এই ব্যবস্থাপনার অন্যান্য উপাদানের মধ্যে রয়েছে সাড়াদান, পুনরুদ্ধার ও উন্নয়ন।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম -দশম শ্রেণি।

৩,৮৯৪.
তিস্তা নদীর তীরবর্তী  জেলা কোনটি?
  1. লালমনিরহাট
  2. নীলফামারী
  3. রংপুর
  4. সবকয়টি
সঠিক উত্তর:
সবকয়টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবকয়টি
ব্যাখ্যা

• তিস্তা নদী:
- তিস্তা নদী (Tista River)  বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি নদী।
- হিন্দু পুরাণ অনুসারে এটি দেবী পার্বতীর স্তন থেকে উৎপন্ন হয়েছে।
- প্রকৃতপক্ষে নদীটির বাংলা নাম তিস্তা এসেছে ‘ত্রি-স্রোতা’ বা ‘তিন প্রবাহ’ থেকে।
- সিকিম হিমালয়ের ৭,২০০ মিটার উচ্চতায় অবস্থিত চিতামু হ্রদ থেকে এ নদীটি সৃষ্টি হয়েছে।
- এটি  দার্জিলিং-এ অবস্থিত শিভক গোলা নামে পরিচিত একটি গিরিসঙ্কটের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।
- দার্জিলিং পাহাড়ে তিস্তা একটি বন্য নদী এবং এর উপত্যকা ঘনবনে আচ্ছাদিত।
- পার্বত্য এলাকায় এর নিষ্কাশন এলাকার পরিমাণ মাত্র ১২,৫০০ বর্গ কিলোমিটার।
- পার্বত্য এলাকা থেকে প্রথমে প্রবাহটি দার্জিলিং সমভূমিতে নেমে আসে এবং পরে পশ্চিমবঙ্গের (ভারত) দুয়ার সমভূমিতে প্রবেশ করে। - নদীটি নিলফামারী জেলার খড়িবাড়ি সীমান্ত এলাকা দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।

- অষ্টাদশ শতকের প্রায় শেষ পর্যন্ত এ ধারাটি বিভিন্ন নদীপ্রবাহের মাধ্যমে  গঙ্গা নদীতে প্রবাহিত হতো।
- ১৭৮৭ সালের অতিবৃষ্টি একটি ব্যাপক বন্যার সৃষ্টি করেছিল এবং সেই সময় নদীটি গতিপথ পরিবর্তন করে লালমনিরহাট, রংপুর, কুড়িগ্রাম এবং গাইবান্ধা জেলার মধ্যদিয়ে প্রবাহিত হয়ে চিলমারী নদীবন্দরের দক্ষিণে  ব্রহ্মপুত্র নদে পতিত হয়।
- তিস্তা নদীর সর্বমোট দৈর্ঘ্য ৩১৫ কিমি, তার মধ্যে ১১৫ কিমি বাংলাদেশ ভূখন্ডে অবস্থিত।

- তিস্তার মাসিক গড় পানি অপসারণের পরিমাণ ২,৪৩০ কিউমেক।
- তিস্তা একসময় করতোয়া নদীর মাধ্যমে গঙ্গার সঙ্গে সংযুক্ত ছিল এবং এর অংশবিশেষ এখনও বুড়ি তিস্তা নামে পরিচিত। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

৩,৮৯৫.
কোন নদীতে বাঁধ দিয়ে পানিবিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে?
  1. মেঘনা
  2. কর্ণফুলী
  3. সাঙ্গু
  4. মাতামুহুরি
সঠিক উত্তর:
কর্ণফুলী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কর্ণফুলী
ব্যাখ্যা
কর্ণফুলী নদী:
- আসামের লুসাই পাহাড় থেকে উৎপন্ন হয়ে প্রায় ২৭৪ কিলোমিটার দীর্ঘ কর্ণফুলী নদী রাঙামাটি ও চট্টগ্রাম অঞ্চলের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে বঙ্গোপসাগরে পড়েছে।
- এটি চট্টগ্রাম ও রাঙামাটির প্রধান নদী। কর্ণফুলীর প্রধান উপনদী কাসালং, হালদা এবং বোয়ালখালী।
- পার্বত্য চট্টগ্রামের বৃহত্তর রাঙ্গামাটি জেলার কাপ্তাই অঞ্চলে জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের জন্য ১৯৬১ সনে কাপ্তাই হ্রদ সৃষ্টি করা হয়।
- কাপ্তাই নামক স্থানে কর্ণফুলী নদীতে বাঁধ দিয়ে 'কর্ণফুলী পানিবিদ্যুৎ কেন্দ্র' স্থাপন করা হয়েছে।
- বাংলাদেশের প্রধান সমুদ্রবন্দর চট্টগ্রামে কর্ণফুলী নদীর তীরে অবস্থিত।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 
৩,৮৯৬.
'ভেঙ্গী ভেলী'র অবস্থান কোন জেলায়?
  1. ক) রাঙামাটি
  2. খ) খাগড়াছড়ি
  3. গ) বান্দরবান
  4. ঘ) চট্রগ্রাম
সঠিক উত্তর:
ক) রাঙামাটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) রাঙামাটি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের ভেলী বা উপত্যকাসমূহ:- 
• বালিশিরা ভেলী : মৌলভীবাজার।
ভেঙ্গী ভেলী : কাপ্তাই (রাঙামাটি)।
• সাজেক ভেলী : রাঙামাটি।
• হালদা ভেলী : খাগড়াছড়ি।
• সাঙ্গু ভেলী : চট্টগ্রাম।
• নাপিত খালী ভেলী : কক্সবাজার।

তথ্যসূত্র:- জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও দৈনিক পত্রিকা।
৩,৮৯৭.
কৃষ্ণ সাগর তীরবর্তী দেশ নয়- 
  1. রোমানিয়া
  2. জর্জিয়া
  3. বুলগেরিয়া
  4. ইতালি
সঠিক উত্তর:
ইতালি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইতালি
ব্যাখ্যা

- ইতালি কৃষ্ণসাগরের তীরে অবস্থিত নয়।

• কৃষ্ণ সাগর:

- কৃষ্ণ সাগর পূর্ব ইউরোপ এবং পশ্চিম এশিয়ার মধ্যে অবস্থিত।
• কৃষ্ণ সাগরের তীরে মোট ৬টি দেশ অবস্থিত।
- তুরস্ক, বুলগেরিয়া, জর্জিয়া, রোমানিয়া, ইউক্রেন, রাশিয়া।
- ইউরোপ মহাদেশ, আনাতোলিয়া এবং ককেশাস পর্বতমালা দ্বারা আবদ্ধ।
- এবং ভূ-মধ্যসাগর হয়ে আটলান্টিক মহাসাগরের সাথে মিলেছে।
- এই সাগর ভূ-মধ্যসাগরের সাথে বসফরাস প্রণালি দ্বারা যুক্ত হয়েছে।
- এই প্রণালিটি সরু যার গড় গভীরতা ৭০০ মিটার এবং সর্বনিম্ন গভীরতা ৪০ মিটার।
- কৃষ্ণ সাগরের আয়তন প্রায় ৪.৩৬ বর্গকিলোমিটারG
- এবং গড় গভীরতা ১,৩১১ মিটার।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৩,৮৯৮.
সেন্দাই ফ্রেম ওয়ার্ক ২০১৫-২০৩০ নিচের কোনটির সাথে সম্পর্কিত?
  1. ভূমিকম্পের ঝুঁকি হ্রাস কৌশল
  2. সুনামি দুর্যোগের ঝুঁকি হ্রাস কৌশল
  3. দুর্যোগের ঝুঁকি হ্রাস কৌশল
  4. টেকশই উন্নয়ন কৌশল
সঠিক উত্তর:
দুর্যোগের ঝুঁকি হ্রাস কৌশল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুর্যোগের ঝুঁকি হ্রাস কৌশল
ব্যাখ্যা
→ দুর্যোগের ঝুঁকি হ্রাস কৌশল 

• সেন্দাই ফ্রেমওয়ার্ক:

- ২০১৫–২০৩০: দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাসের কৌশল।
- সম্মেলন: 3rd World Conference on Disaster Risk Reduction (WCDRR).
- স্থান: জাপানের সেন্দাই সিটি।
- আয়োজক: UNISDR (United Nations Office for Disaster Risk Reduction), জাপান সরকার।
- তারিখ: ১৪ – ১৮ মার্চ, ২০১৫।
- "সেন্দাই ফ্রেমওয়ার্ক ২০১৫–২০৩০"
- একটি নতুন দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস কাঠামো, যা ভবিষ্যতের নিরাপদ বিশ্ব গড়ার লক্ষ্য নিয়ে গৃহীত হয়।
- ১টি প্রত্যাশিত ফলাফল (Expected Outcome)।
- ১টি লক্ষ্য (Goal),
- ৭টি বৈশ্বিক উদ্দেশ্য (Global Targets),
- ৪টি অগ্রাধিকার কর্মপরিকল্পনা (Priorities for Action),
- ৭টি বৈশ্বিক লক্ষ্য (Targets) – ২০৩০ সালের মধ্যে অর্জনের জন্য।

৪টি অগ্রাধিকারমূলক কর্মপদ্ধতি:
১. ঝুঁকি বোঝা ও মূল্যায়ন,
২. ঝুঁকি ব্যবস্থাপনায় শাসনব্যবস্থা জোরদার করা,
৩. ঝুঁকি হ্রাসে বিনিয়োগ বৃদ্ধি,
৪. দুর্যোগ-পরবর্তী প্রস্তুতি, পুনরুদ্ধার ও পুনর্গঠন।

 উৎস:  ¡) জাতিসংঘ দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস কার্যালয় (UNDRR)।
        ¡¡) দৈনিক প্রথম আলো
৩,৮৯৯.
অ্যান্টার্কটিকা মহাদেশের সর্বোচ্চ বিন্দুর নাম কী?
  1. ভিনসন হ্যাসিও
  2. অ্যাপেলেশিয়ান
  3. ভিনসন ম্যাসিফ
  4. মাউন্ট ইরেবাস
সঠিক উত্তর:
ভিনসন ম্যাসিফ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভিনসন ম্যাসিফ
ব্যাখ্যা

অ্যান্টার্কটিকা মহাদেশ:
- অ্যান্টার্কটিকা পৃথিবীর দক্ষিণ মেরু অঞ্চলে অবস্থিত একটি বিরল এবং শীতল মহাদেশ।
- এটি পৃথিবীর পঞ্চম বৃহত্তম মহাদেশ এবং প্রায় পুরোপুরি বরফে ঢাকা।
- এর আয়তন ১,৪২,০০,০০০ বর্গ কি.মি.।
- অ্যান্টার্কটিকার আবহাওয়া অত্যন্ত শীতল, গড় তাপমাত্রা -২০°C থেকে -৫০°C এর মধ্যে থাকে।
- এখানে মানব বসতি নেই, তবে বিভিন্ন দেশের গবেষণা স্টেশনগুলো থাকে যেখানে বিজ্ঞানীরা জলবায়ু, জীববৈচিত্র্য এবং অন্যান্য পরিবেশগত বিষয় নিয়ে গবেষণা করেন।
- বিশ্বের প্রায় ৭০% স্বাদু পানির রিজার্ভ সেখানে হিমায়িত রয়েছে।

-  অ্যান্টার্কটিকার সর্বোচ্চ বিন্দু হলো ভিনসন মাসিফ (Vinson Massif)।
- এটি অ্যান্টার্কটিকার পেনিনসুলা অঞ্চলে অবস্থিত।
- ভিনসন মাসিফ একটি পর্বতশৃঙ্গ এবং এটি অ্যান্টার্কটিকার একমাত্র পর্বতশৃঙ্গ যা ৪,৮০০ মিটার বা তার বেশি উচ্চতার।
- সর্বনিম্ন বিন্দু: বেন্টলে স্যাবগ্লাসিয়াল।
- এখানকার প্রাণীকুলে পেঙ্গুইন, সিল, নরওয়েসহ নানা ধরনের শীতকালীন জীবের বাসস্থান রয়েছে।
- এ মহাদেশের প্রধান সম্পদ: পাথর।
- অ্যান্টার্কটিকার উপর আন্তর্জাতিক চুক্তি রয়েছে, যার মাধ্যমে এটি শুধুমাত্র শান্তিপূর্ণ গবেষণার জন্য ব্যবহৃত হয়, এবং সেখানে সামরিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ।

উৎস: World Atlas.

৩,৯০০.
গ্রীনিচ মান মন্দির থেকে কোন স্থানের অবস্থান ৫০° পশ্চিম দ্রাঘিমায়। গ্রীনিচ মান মন্দিরে দুপুর ১২.০০টা বাজলে ঐ স্থানের স্থানীয় সময় কত হবে?
  1. দুপুর ৩.২০টা
  2. সকাল ৯.২০টা
  3. সকাল ৮.৪০টা
  4. সকাল ৮.২০টা
সঠিক উত্তর:
সকাল ৮.৪০টা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সকাল ৮.৪০টা
ব্যাখ্যা
দ্রাঘিমা নির্ণয়:
১। যেহেতু ১° দ্রাঘিমার পার্থক্যের জন্য দুটি স্থানের স্থানীয় সময়ের পার্থক্য হয় ৪ মিনিট। এ কারণে স্থান দুটির সময়ের পার্থক্য যা হয় তাকে ৪ দিয়ে ভাগ করে দ্রাঘিমা নির্ণয় করা যায়।
-আবার দ্রাঘিমার পার্থক্য যা হয় তাকে ৪ দিয়ে গুণ করে স্থানীয় সময় নির্ণয় করা যায়।

২। যে কোনো স্থানের সময় গ্রীনিচের সময় অপেক্ষা অধিক হলে বুঝতে হবে স্থানটি গ্রীনিচের পূর্ব দিকে অবস্থিত এবং কম হলে স্থানটি গ্রীনিচের পশ্চিমে অবস্থিত। গ্রীনিচের দ্রাঘিমাকে ০° ধরে সময়ের পার্থক্য অনুযায়ী অন্যান্য স্থানের দ্রাঘিমা নির্ণয় করা যায়। ক্রনোমিটার নামক ঘড়ি গ্রীনিচ সময় অনুসারে চলে। তাই এই ঘড়ি দেখে কোনো স্থানের স্থানীয় সময়ের সাথে গ্রীনিচ সময়ের পার্থক্য নির্ণয় করা যায়।

আমরা জানি, পৃথিবীতে প্রতি ১ ডিগ্রি দ্রাঘিমার জন্যে সময়ের পার্থক্য হয় ৪ মিনিট।
৫০° দ্রাঘিমার জন্য সময়ের পার্থক্য হবে (৫০ × ৪)=২০০ মিনিট বা ৩ ঘণ্টা ২০ মিনিট।

উল্লিখিত প্রশ্নমতে, স্থানটি যেহেতু গ্রীনিচ মান মন্দির থেকে ৫০° পশ্চিম অবস্থিত তাই ঐ স্থানের স্থানীয় সময় গ্রীনিচ মান মন্দির থেকে ৩ ঘণ্টা ২০ মিনিট কম হবে। 
অর্থাৎ গ্রীনিচ মান মন্দির স্থানীয় সময় থেকে ৩ ঘণ্টা ২০ মিনিট বাদ দিলে ঐ স্থানের স্থানীয় সময় পাওয়া যাবে।

⇒( দুপুর ১২.০০টা বিয়োগ ৩ ঘণ্টা ২০ মিনিট )= সকাল ৮.৪০টা।

অর্থাৎ গ্রীনিচ মান মন্দিরে দুপুর ১২.০০টা বাজলে ঐ স্থানের স্থানীয় সময় সকাল ৮.৪০টা হবে।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।