বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

ভূগোল ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা

মোট প্রশ্ন৭,১৯১এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ভূগোল ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা

PrepBank · পাতা ৩৭ / ৭২ · ৩,৬০১৩,৭০০ / ৭,১৯১

৩,৬০১.
বরেন্দ্রভূমি বাংলাদেশের কোন অঞ্চলে অবস্থিত?
  1. উত্তর-পূর্ব
  2. উত্তর-পশ্চিম
  3. দক্ষিণ-পশ্চিম
  4. দক্ষিণ-পূর্ব
সঠিক উত্তর:
উত্তর-পশ্চিম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উত্তর-পশ্চিম
ব্যাখ্যা
প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ:
- আনুমানিক ২৫,০০০ বছর পূর্বের সময়কে প্লাইস্টোসিনকাল বলে।
- এ অঞ্চলের মাটির রং লাল ও ধূসর।
- দেশের উত্তর-পশ্চিমাংশের বরেন্দ্রভূমি, মধ্যভাগের মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় এবং কুমিল্লা জেলার লালমাই পাহাড় বা উচ্চভূমি এর অন্তর্ভুক্ত।
- প্লাইস্টোসিনকালে এসব উচ্চভূমি গঠিত হয়েছিল বলে ধারণা করা হয়।

⇒ বরেন্দ্রভূমি:
- বরেন্দ্রভূমি রাজশাহী বিভাগের নওগাঁ, রাজশাহী, বগুড়া, জয়পুরহাট এবং রংপুর বিভাগের গাইবান্ধা, রংপুর ও দিনাজপুর জেলার অংশবিশেষ নিয়ে গঠিত।
- এর আয়তন ৯,৩২০ বর্গকিলোমিটার।
- প্লাবন সমভূমি থেকে এর উচ্চতা ৬ থেকে ১২ মিটার।
- এটি প্লাইস্টোসিন যুগের সর্ববৃহৎ উঁচুভূমি।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৬০২.
ভারতের কোন রাজ্য বাংলাদেশের সিলেটের সীমান্তবর্তী?
  1. কেরালা
  2. মেঘালয়
  3. বিহার
  4. ওডিসা
সঠিক উত্তর:
মেঘালয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেঘালয়
ব্যাখ্যা
• সীমান্তবর্তী জেলা:
- বাংলাদেশে মোট বিভাগ ৮টি তার মধ্যে ২টি বিভাগের সবগুলো জেলা সীমান্তবর্তী।
- বিভাগগুলো হলো - ময়মনসিংহ ও সিলেট।
– ময়মনসিংহ বিভাগের সীমান্ত সংলগ্ন জেলাগুলো হলো- জামালপুর, শেরপুর, ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনা।
- সিলেট বিভাগের সীমান্ত সংলগ্ন জেলাগুলো হলো- সুনামগঞ্জ, সিলেট, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ।
- ভারতের মেঘালয় রাজ্য বাংলাদেশের সিলেটের সীমান্তবর্তী?

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৩,৬০৩.
বর্তমানে সার্ক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা, বাংলাদেশ
  2. গুজরাট, ভারত
  3. ইসলামাবাদ, পাকিস্তান
  4. নয়াদিল্লি, ভারত
সঠিক উত্তর:
গুজরাট, ভারত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গুজরাট, ভারত
ব্যাখ্যা
• সার্ক:
- গঠিত হয়- ৮ ডিসেম্বর, ১৯৮৫ সালে।
- সচিবালয়- কাঠমান্ডু, নেপাল।
- সার্কভুক্ত দেশের সংখ্যা- ৮ টি। 
- সর্বশেষ সদস্য - আফগানিস্তান।
- ২০০৬ সালের অক্টোবরে ভারতের নয়াদিল্লিতে সার্ক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। তবে ২০১৬ সালে সার্ক আবহাওয়া কেন্দ্র, সার্ক বন কেন্দ্র এবং সার্ক উপকূলীয় অঞ্চল ব্যবস্থাপনা কেন্দ্রকে সার্ক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্রের সাথে একীভূত করা হয়। তখন এটির কার্যালয় নয়াদিল্লি থেকে গুজরাটের গান্ধীনগরে স্থানান্তর করা হয়।
- বর্তমানে সার্ক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র গুজরাটের গান্ধীনগরে অবস্থিত।

• সার্কের অন্যান্য আঞ্চলিক কেন্দ্রেসমূহ:
→ সার্ক কৃষি কেন্দ্র- ঢাকা, বাংলাদেশ।
→ সার্ক যক্ষ্মা ও এইডস কেন্দ্র- কাঠমান্ডু, নেপাল।
→ সার্ক  সাংস্কৃতিক কেন্দ্র- কলম্বো, শ্রীলঙ্কা।
→ সার্ক জ্বালানি কেন্দ্র- ইসলামাবাদ, পাকিস্তান।

তথ্যসূত্র: সার্ক ওয়েবসাইট।
৩,৬০৪.
'রেমা–কালেঙ্গা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য' কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. কক্সবাজার
  2. গাজীপুর
  3. মুন্সীগঞ্জ
  4. হবিগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
হবিগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হবিগঞ্জ
ব্যাখ্যা
রেমা–কালেঙ্গা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য:
- রেমা–কালেঙ্গা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য হবিগঞ্জ জেলার চুনারুঘাট উপজেলায় অবস্থিত।
- এটি দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম বণ্যপ্রাণী অভয়ারণ্য এবং জীব ও উদ্ভিদবৈচিত্র্যে দেশের সবচেয়ে সমৃদ্ধ বনাঞ্চল।
- এটি মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গল উপজেলার খুব কাছে এবং ভারতের ত্রিপুরা সীমান্ত সংলগ্ন।

⇒ বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় প্রাকৃতিক পাহাড়ি বনাঞ্চল রেমা-কালেঙ্গা।
- এটি সুন্দরবনের পর বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় প্রাকৃতিক বনভূমি।
- ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের সীমান্ত সংলগ্ন এ অভয়ারণ্যের একদিকে ভারতীয় সীমান্ত ও অন্য তিন দিকে বিস্তীর্ণ চা বাগান ঘেরা।
- রেমা–কালেঙ্গা অভয়ারণ্য ১৯৮২ সালে প্রতিষ্ঠা করা হয় এবং পরবর্তীতে ১৯৯৬ সালে এটির আরো সম্প্রসারণ করা হয়।
- বর্তমানে এই অভয়ারণ্যের আয়তন প্রায় ১৭৯৫.৫৪ হেক্টর।
- ব্যবস্থাপনার কারণে বন বিভাগ র্কতৃক এ বনাঞ্চলকে রেমা, কালেঙ্গা, ছনবাড়ি ও রশিদপুর—চারটি বিটে ভাগ করা হয়েছে।
- বিস্তীর্ণ এ অঞ্চলটি যেহেতু প্রাকৃতিক বনাঞ্চল, এজন্য বনের দেখভালের জন্য রয়েছে ১১টি ইউনিট ও ৭টি ক্যাম্প।

⇒ বর্তমানে এই বনে ৩৭ প্রজাতির স্তন্যপায়ী, ১৬৭ প্রজাতির পাখি, ৭ প্রজাতির উভচর, ১৮ প্রজাতির সরীসৃপ ও ৬৩৮ প্রজাতির গাছপালা-লতাগুল্ম পাওয়া যায়।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড।
৩,৬০৫.
নিচের কোনটি একটি সুপ্ত আগ্নেয়গিরি?
  1. পোপো আগ্নেয়গিরি
  2. ভিসুভিয়াস আগ্নেয়গিরি
  3. ফুজিয়ামা আগ্নেয়গিরি
  4. স্ট্রম্বলী আগ্নেয়গিরি
সঠিক উত্তর:
ফুজিয়ামা আগ্নেয়গিরি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফুজিয়ামা আগ্নেয়গিরি
ব্যাখ্যা

আগ্নেয়গিরির শ্রেণিবিভাগ:
পৃথিবীর আগ্নেয়গিরিসমূহকে প্রধানত তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়।
ক. সক্রিয় আগ্নেয়গিরি
খ. সুপ্ত আগ্নেয়গিরি
গ. মৃত আগ্নেয়গিরি

ক. সক্রিয় আগ্নেয়গিরি:
- যেসব আগ্নেয়গিরি থেকে এখনও অগ্ন্যুৎপাত হয়।
- যেমন: স্ট্রম্বলী আগ্নেয়গিরি।

খ. সুপ্ত আগ্নেয়গিরি:
- বহু বছর অগ্ন্যুৎপাত না হলেও যে কোনো সময়ে অগ্ন্যুৎপাত হবার সম্ভাবনা থাকে।
- যেমন: জাপানের ফুজিয়ামা আগ্নেয়গিরি।

গ. মৃত আগ্নেয়গিরি:
- পুনরায় অগ্ন্যুৎপাত হবার সম্ভাবনা নেই।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৬০৬.
ভূ-পৃষ্ঠের আকস্মিক পরিবর্তনকারী প্রক্রিয়ার উদাহরণ কোনটি?
  1. ভূমিকম্প
  2. সুনামি
  3. অগ্ন্যুৎপাত
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

ভূ-পৃষ্ঠের পরিবর্তন প্রক্রিয়াসমূহ:

আকস্মিক পরিবর্তন প্রক্রিয়াসমূহ:
- ভূ-গর্ভস্থ গলিত ম্যাগমাসমূহ ভূ-গর্ভে তাপ ও চাপের তারতম্য এবং অন্যান্য ভূমিরূপ গঠনকারী শক্তির প্রভাবে প্রচন্ড আলোড়িত হয়।
- এইরূপ আকস্মিক আলোড়নের ফলে আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত, ভূ-কম্পন, ভূ-অভ্যন্তরে সংকোচন ও প্রসারণ ইত্যাদি নানা ধরনের পরিবর্তন ঘটে। 
- ফলে অত্যন্ত আকস্মিকভাবে, স্বল্প সময়ের জন্য, অপেক্ষাকৃত স্বল্প বিস্তৃত স্থান জুড়ে যে ব্যাপক পরিবর্তন সাধিত হয়, তাকে আকস্মিক পরিবর্তন প্রক্রিয়া বলা হয়। 
- অগ্ন্যুৎপাত, ভূমিকম্প, সুনামি ইত্যাদি আকস্মিক পরিবর্তনকারী প্রক্রিয়া।

ধীর পরিবর্তন প্রক্রিয়াসমূহ:
- সূর্যতাপ, বায়ুপ্রবাহ, বৃষ্টিপাত, নদী, হিমবাহ ইত্যাদি প্রাকৃতিক শক্তিসমূহের প্রভাবে ভূ-পৃষ্ঠে ব্যাপক এলাকা জুড়ে দীর্ঘ সময় জুড়ে ভূমিরূপের যে পরিবর্তন সাধিত হয়, তাকে ধীর পরিবর্তন বলা হয়। 
- যেমন: পর্বত, সমভূমি, ব-দ্বীপ ইত্যাদি দীর্ঘ সময় ব্যাপী বিশাল অঞ্চল জুড়ে সৃষ্টি হয়। 
- ধীর পরিবর্তন মূলত: দুইভাবে কাজ করে। যেমন: (ক) নগ্নীভবন ও (খ) অবক্ষেপন।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৬০৭.
সুনামি কোথায় সৃষ্টি হয়?
  1. পুুকুর
  2. হ্রদ
  3. সাগর
  4. লেক
সঠিক উত্তর:
সাগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাগর
ব্যাখ্যা

• সুনামি:
- সুনামি (Tsunami) জাপানি শব্দ।
- এর শাব্দিক অর্থ 'পোতাশ্রয়ের ঢেউ'।
- সমুদ্র তলদেশে প্রবল ভূমিকম্প সংঘটিত হলে সমুদরপৃষ্ঠে বিশাল যে ঢেউয়ের সৃষ্টি হয় তাকে সুনামি বলে।
- সুনামির সৃষ্টির প্রধান কারণ সমুদ্রের তলদেশের ভূমিকম্প।
- আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের কারণেও সুনামি সৃষ্টি হয়ে থাকে।
- এছাড়া পারমানবিক বিস্ফোরণ, ভূমিধ্বস, উল্কাপিন্ডের পতন ইত্যাদি কারণেও সুনামি হতে পারে।
- সর্বপ্রথম সুনামির কথা লিপিবদ্ধ হয় খ্রিস্টপূর্ব ১৫০০ অব্দে।
- সুনামি দুর্যোগটি উপকূলীয় অঞ্চলের দুর্যোগ বলে বিবেচিত।

উৎস: ভূগোল-১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৬০৮.
ভৌগলিক অবস্থান অনুসারে বাংলাদেশের টারশিয়ারি পাহাড়কে কত ভাগে ভাগ করা হয়?
  1. ৪ ভাগে
  2. ৩ ভাগে
  3. ৫ ভাগে
  4. ২ ভাগে
সঠিক উত্তর:
২ ভাগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ ভাগে
ব্যাখ্যা

• টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ:
- বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব, উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ এ অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত।
- টারশিয়ারি যুগে হিমালয় পর্বত উত্থিত হওয়ার সময় এ সকল পাহাড় সৃষ্টি হয়েছে। 
- এগুলো টারশিয়ারি যুগের পাহাড় নামে খ্যাত। 
- পাহাড়গুলো আসামের লুসাই এবং মিয়ানমারের আরাকান পাহাড়ের সমগোত্রীয়।
- এ পাহাড়গুলো বেলেপাথর, শেল ও কর্দম দ্বারা গঠিত। 

• এ অঞ্চলের পাহাড়গুলোকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে।
যথা-
(ক) দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ ও
(খ) উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম ও দশম শ্রেণি।

৩,৬০৯.
বাংলাদেশের প্লাবন সমভূমিগুলো কোন যুগের?
  1. ক) টারশিয়ারি
  2. খ) প্রাগৈতিহাসিক
  3. গ) সাম্প্রতিক
  4. ঘ) প্লাইস্টোসিন
সঠিক উত্তর:
গ) সাম্প্রতিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সাম্প্রতিক
ব্যাখ্যা

ভূপ্রকৃতি অনুসারে বাংলাদেশ ৩ ভাগে বিভক্ত।
এগুলো হলোঃ
১. টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ,
২. প্লাইস্টোসিনকালের চত্বর সমূহ এবং
৩. সাম্প্রতিক কালের প্লাবন সমভূমি।
টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চল ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে সিলেট ও চট্টগ্রাম অঞ্চলে অবস্থিত।
মধুপুর ও ভাওয়াল গড়, বরেন্দ্রভূমি এবং লালমাই পাহাড় হলো প্লাইস্টোসিনকালের চত্বর ভূমি।
এ ব্যতীত দেশের বাদবাকি অঞ্চল সাম্প্রতিক কালের প্লাবন সমভূমি।

উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণির ভূগোল ও পরিবেশ বই।

৩,৬১০.
'জয়সাগর দিঘি' কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. সিরাজগঞ্জ
  2. বরিশাল
  3. ময়মনসিংহ
  4. কিশোরগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
সিরাজগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিরাজগঞ্জ
ব্যাখ্যা
জয়সাগর দিঘি: 
- 'জয়সাগর দিঘি' সিরাজগঞ্জ জেলার রায়গঞ্জ উপজেলার সোনাখাড়া ইউনিয়নের নিমগাছী বাজারে অবস্থিত।

- এটি একটি প্রাচীন দিঘি, যা স্থানীয় জনগণের মধ্যে অনেক ইতিহাস ও জনশ্রুতির সাথে জড়িত।
- শীতকালে দিঘির চারপাশে নানা ধরনের পাখির আনাগোনা দেখা যায়, এবং দিনে মৃদু বাতাসে পানির মধ্যে খেলা করার সৌন্দর্য পরিবেশন করে। এর দৈর্ঘ্য আধা কিলোমিটার এবং প্রস্থ কিছুটা কম, আয়তন ৫৮ একর। দিঘি খনন করা হয় ঐতিহাসিক যুদ্ধের স্মৃতি হিসেবে, যা পরবর্তীতে 'জয়সাগর' নামে পরিচিত হয়। এখন এটি একটি জনপ্রিয় দর্শনীয় স্থান, যেখানে মানুষ মাছ চাষও করে। 

সূত্র: প্রথম আলো।
৩,৬১১.
কোমল পাললিক শিলায় ভাঁজ পড়ে যে পর্বত গঠিত হয়েছে তাকে কি বলে?
  1. ক) আগ্নেয় পর্বত
  2. খ) ভঙ্গিল পর্বত
  3. গ) চ্যুতি পর্বত
  4. ঘ) ল্যাকোলিথ পর্বত
সঠিক উত্তর:
খ) ভঙ্গিল পর্বত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ভঙ্গিল পর্বত
ব্যাখ্যা
ভঙ্গিল পর্বত : ভঙ্গ বা ভাঁজ থেকে ভঙ্গিল শব্দটির উৎপত্তি। কোমল পাললিক শিলায় ভাঁজ পড়ে যে পর্বত গঠিত হয়েছে তাকে ভঙ্গিল পর্বত বলে। উত্তর এশিয়ার হিমালয়, ইউরােপের আল্পস, আমেরিকার রকি, দক্ষিণ আমেরিকার আন্দিজ পর্বত ভঙ্গিল পর্বতের উদাহরণ।
৩,৬১২.
ট্রপোমণ্ডল বায়ুমণ্ডলের কোন স্তর?
  1. সর্বোচ্চ স্তর
  2. তাপীয় স্তর
  3. সর্বনিম্ন স্তর
  4. মধ্য স্তর
সঠিক উত্তর:
সর্বনিম্ন স্তর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সর্বনিম্ন স্তর
ব্যাখ্যা

ট্রপোমণ্ডল (Troposphere):
- এই স্তরটি বায়ুমন্ডলের সবচেয়ে নিচের স্তর, ভূপৃষ্ঠের সঙ্গে লেগে আছে।
- মেঘ, বৃষ্টিপাত, বজ্রপাত, বায়ুপ্রবাহ, ঝড়, তুষারপাত, শিশির ও কুয়াশা -সবকিছুই এই স্তরে সৃষ্টি হয়।
- ট্রপোমণ্ডলের শেষ প্রান্তের অংশের নাম ট্রপোবিরতি (Tropopause)।
- এই স্তর ভূপৃষ্ঠ থেকে নিরক্ষীয় অঞ্চলে প্রায় ১৬-১৯ কিলোমিটার।
- মেরু অঞ্চলে প্রায় ৮ কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত।

উল্লেখ্য,
- বায়ুমণ্ডল যে সমস্ত উপাদানে গঠিত তাদের প্রকৃতি, বৈশিষ্ট্য ও উষ্ণতার পার্থক্য অনুসারে ভূপৃষ্ঠ থেকে উপরের দিকে পর্যায়ক্রমে পাঁচটি স্তরে ভাগ করা হয়।
- যথা- ট্রপোমণ্ডল, স্ট্রাটোমণ্ডল, মেসোমণ্ডল, তাপমণ্ডল ও এক্সোমন্ডল।
স্তরগুলোর প্রথম তিনটি সমমণ্ডল (Homosphere) এবং পরবর্তী দুটি বিষমমণ্ডল (Hetrosphere)-এর অন্তর্ভুক্ত।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

৩,৬১৩.
পারস্য উপসাগরের আয়তন কত বর্গ কিলোমিটার?
  1. ৩,৫১,০০০ বর্গ কিলোমিটার
  2. ২,৫১,০০০ বর্গ কিলোমিটার
  3. ৪,৫০,০০০ বর্গ কিলোমিটার
  4. ২,৫০,০০০ বর্গ কিলোমিটার
সঠিক উত্তর:
২,৫১,০০০ বর্গ কিলোমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২,৫১,০০০ বর্গ কিলোমিটার
ব্যাখ্যা
পারস্য উপসাগর: 
- ভূমধ্যসাগরীয় সমুদ্র পারস্য উপসাগর ভারত মহাসাগরের অংশ ।
- এটি পশ্চিম এশিয়ায় অবস্থিত।
- এটি ওমান উপসাগরের একটি সম্প্রসারিত অংশ এবং পূর্বে হরমুজ প্রণালীর মাধ্যমে ভারত মহাসাগরের সাথে সংযুক্ত ।
- পারস্য উপসাগরকে আরব উপসাগর বা ইরান উপসাগরও বলা হয়।
- এটির আয়তন প্রায় ২,৫১,০০০ বর্গ কিলোমিটার ।
- , যার সর্বোচ্চ গভীরতা ৯০ মিটার 
- গড় গভীরতা ৫০ মিটার।
- পারস্য উপসাগর কয়েকটি দেশ দ্বারা বেষ্টিত, যার মধ্যে উত্তরে ইরান, এবং উত্তর-পশ্চিমে বাহরাইন , ইরাক এবং কুয়েত রয়েছে। দক্ষিণে, কাতার, সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত , বাহরাইন, অবস্থিত।
-   এর উপকূলরেখা প্রায় ৫,১১৭ কিলোমিটার, যার মধ্যে ইরানের দীর্ঘতম উপকূলরেখা (১,৫৩৬ কিলোমিটার) রয়েছে।

উৎস: WorldAtlas.
৩,৬১৪.
আকস্মিক বন্যাপ্রবণ জেলা কোনটি?
  1. ক) বান্দরবান
  2. খ) রংপুর
  3. গ) সাতক্ষীরা
  4. ঘ) মুন্সিগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
ক) বান্দরবান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) বান্দরবান
ব্যাখ্যা
আকস্মিক বন্যা
• এপ্রিল-মে, সেপ্টেম্বর-নভেম্বর মাসে স্থানীয় পযার্য়ে স্বল্পস্থায়ী ভারি বর্ষণের দরুন পাহাড়ি নদীর পানি উপচে পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত এলাকায় আকস্মিক ভাবে যে বন্যা দেখা যায় তাকে আকস্মিক বন্যা বলে।
• এদেশের সিলেট, মৌলভীবাজার, সুনামগঞ্জ, হবিগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ, নেত্রকোনা, রাঙ্গামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি প্রভৃতি আকস্মিক বন্যাপ্রবণ জেলা।
• আকস্মিক বন্যায় হাওরাঞ্চলের ফসলের ব্যাপক ক্ষতি সাধিত হয়।

তথ্যসূত্র: বন্যা সাড়াদান ও প্রস্তুতি পরিকল্পনা : বাংলাদেশ, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর ও পরিবেশ বিজ্ঞান, বিবিএ প্রোগ্রাম উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৬১৫.
নিরক্ষীয় জলবায়ু অঞ্চলে বছরে গড়ে কী পরিমাণ বৃষ্টিপাত হয়?
  1. ১২০০-২৫০০ মি.মি.
  2. ১০০০-২১০০ মি.মি.
  3. ১৭০০-২৫০০ মি.মি. 
  4. ১৩০০-২৩০০ মি.মি.
সঠিক উত্তর:
১৭০০-২৫০০ মি.মি. 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭০০-২৫০০ মি.মি. 
ব্যাখ্যা

• নিরক্ষীয় জলবায়ু:
- পৃথিবীর জলবায়ুর পাথর্ক্যরে জন্য সূর্যের অবস্থান একটি বড় নিয়ামক হিসেবে কাজ করে। কারণ তাপমাত্রা প্রাপ্তির ধরনের উপর আবহাওয়া ও জলবায়ুর প্রকৃতির পার্থক্য তৈরি হয়। নিরক্ষরেখায় অবস্থানকারী দেশসমূহ এবং এই নিরক্ষরেখার কাছাকাছি অবস্থানরত দেশসমূহে নিরক্ষীয় জলবায়ু বিরাজমান বলে একে বলা হয় নিরক্ষীয় জলবায়ু। 

• নিরক্ষীয় জলবায়ু অঞ্চলের বৈশিষ্ট্য:
- নিরক্ষরেখার নিকটবর্তী দেশগুলোতে সূর্য প্রায় সারাবছরই লম্বভাবে কিরণ দেয় বলে এখানে গ্রীষ্মঋতুর প্রাধান্য লক্ষ্য করা যায়।
- এই অঞ্চলে উষ্ণ ও আর্দ্র জলবায়ুর জন্য দিন-রাতের মধ্যে তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তনশীল থাকে। শীতের প্রকোপ একদম নেই বললেই চলে।

• নিরক্ষীয় জলবায়ু অঞ্চলের প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলো নিম্নরূপ:
→ সারাবছর সূর্য লম্বভাবে কিরণ দেয়ার জন্য এই অঞ্চলে গ্রীষ্মকালে তাপমাত্রা বেশি থাকে। দিনের ব্যাপ্তি সারা বছর একই থাকে এবং বার্ষিক গড় তাপমাত্রা ২১°- ২৭° সে.। স্থলভাগের বার্ষিক সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রার পার্থক্য ৫০ সেলসিয়াসের কম। অত্যধিক সূর্য তাপ ও আর্দ্রতা এবং সামান্য মেঘাচ্ছন্নতার জন্য তাপমাত্রার পার্থক্য কম।

→ অধিক সূর্য তাপ ও জলভাগের পরিমাণ বেশি হওয়ায় বাষ্পীভবনের মাত্রাও বেশি। এই সকল এলাকায় পরিচলন বৃষ্টিপাত বেশি হয় এবং বছরে গড় বৃষ্টিপাতের পরিমাণ ১৭০০-২৫০০ মিলিমিটার।
→ এ অঞ্চলের মৃত্তিকা কৃষিকাজের জন্য খুব উপকারী হলেও এখানে মাটি ক্ষয় হয়। অতিরিক্ত তাপ ও বৃষ্টিপাতই এই মাটি ক্ষয়ের কারণ।

সূত্র: ভূগোল প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৬১৬.
যুক্তরাষ্ট্রের রকি পর্বত এলাকার মাঝামাঝি স্থানে প্রবাহিত স্থানীয় বায়ু-
  1. সিরক্কো
  2. চিনুক
  3. সাইমুম
  4. খামসিন
সঠিক উত্তর:
চিনুক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চিনুক
ব্যাখ্যা
স্থানীয় বায়ু (Local Wind):
- স্থানীয় প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য কিংবা তাপমাত্রার তারতম্যের কারণে ভূপৃষ্ঠের স্থানে স্থানে স্থানীয় বায়ুর উৎপত্তি হয়।
- কয়েকটি স্থানীয় বায়ুর উদাহরণ হল:
- রকি পর্বতের চিনুক (Chinook),
- ফ্রান্সের কেন্দ্রীয় মালভূমি থেকে প্রবাহিত মিস্ট্রাল (Mistral),
- আর্জেন্টিনা ও উরুগুয়ের পম্পাস অঞ্চলের উত্তরে পাম্পেরু (Pampero),
- আড্রিয়াটিক সাগরের পূর্ব উপকূলে বোরা (Bora),
- উত্তর আফ্রিকা ও দক্ষিণ ইতালিতে সিরক্কো (Sirocco),
- আরব মালভূমির সাইমুম (Simoom),
- মিসরের খামসিন (Khamsin) ও ভারতীয় উপমহাদেশের লু (Loo)।



উৎস:- ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী। এবং ভূগোল ও পরিবেশ পরিচিতি, বি এ /বি এস এস প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৬১৭.
মিসিসিপি-মিশৌরী নদীর একত্রে দৈর্ঘ্য প্রায়-
  1. ক) ৯৫০৮ কি.মি.
  2. খ) ৫০৯৮ কি.মি.
  3. গ) ৬০৯৫ কি.মি.
  4. ঘ) ৮০৯৫ কি.মি.
সঠিক উত্তর:
গ) ৬০৯৫ কি.মি.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৬০৯৫ কি.মি.
ব্যাখ্যা
মিসিসিপি-মিশৌরী নদীর একত্রে দৈর্ঘ্য প্রায় ৫৯৭১ কিমি। ৬০৯৫ কিমি অপশনে থাকায় এটিকে সঠিক উত্তর হিসেবে ধরা হয়েছে। কারন অনেক সময় কাছাকাছি উত্তরকে সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

তথ্যসূত্র:- ব্রিটানিকা।
৩,৬১৮.
মেঘ, ঝড়, বৃষ্টি, বজ্রবিদ্যুৎ প্রভৃতি বায়ুমন্ডলের কোন স্তরে সৃষ্টি হয়?
  1. এক্সোমন্ডল
  2. ট্রপোমন্ডল
  3. তাপমন্ডল
  4. মেসোমন্ডল
সঠিক উত্তর:
ট্রপোমন্ডল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ট্রপোমন্ডল
ব্যাখ্যা
ট্রপোমন্ডল (Troposphere):

- ট্রপোমন্ডল বায়ুমন্ডলের সর্বনিম্ন অর্থাৎ ভূ-পৃষ্ঠ সংলগ্ন স্তর।
- মেরু এলাকায় এ স্তরের গভীরতা প্রায় ৮ কিলোমিটার এবং নিরক্ষীয় এলাকায় ১৬ থেকে ১৯ কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত।
- ট্রপোমন্ডলে বায়ুর গড় গভীরতা প্রায় ১৫ কিলোমিটার।
- এ স্তরের জলীয়বাষ্প এবং ধূলিকণা অশান্ত বায়ুর সাথে মিশ্রিত হয়ে মেঘ, ঝড়, বৃষ্টি, বজ্রবিদ্যুৎ প্রভৃতি সৃষ্টি করে।
- এ মন্ডলটিকে ক্ষুদ্রমন্ডলও বলা হয়ে থাকে।
- এ স্তরে উচ্চতা বৃদ্ধির সাথে সাথে উপরের দিকে তাপমাত্রা ক্রমাগত হ্রাস পেতে থাকে।
- উষ্ণতা হ্রাসের এ হার প্রতি কিলোমিটারে ৬.৫° সেলসিয়াস যা স্বাভাবিক তাপ হ্রাস হার (Normal Lapse Rate বা Environmental Lapse) নামে পরিচিত।
- ট্রপোমন্ডলে বায়ুর ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি।
- এ স্তরের শেষ সীমাকে ট্রপোবিরতি (Tropopause) বলে।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৬১৯.
বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল কোন দুর্যোগের জন্যে অধিক ঝুঁকিপূর্ণ?
  1. বন্যা
  2. খরা
  3. নদীভাঙন
  4. টর্নেডো
সঠিক উত্তর:
খরা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খরা
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের বেশ কয়েকটি জেলা খরার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। এ অঞ্চলের রাজশাহী, চাপাইনবাবগঞ্জ, দিনাজপুর, বগুড়া, কুষ্টিয়া, যশোর প্রভৃতি জেলা খরার জন্যে অত্যধিক ঝুঁকিপূর্ণ।
বাংলাদেশে ১৯৭৮-৭৯ সালে ভয়াবহ খরা হয়েছিলো।
উৎসঃ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি
৩,৬২০.
উচ্চ উচ্চতার মেঘ কোনটি?
  1. স্ট্রেটাস
  2. স্ট্রেটোকিউম্যুলাস
  3. সিরাস
  4. অল্টোস্ট্রেটাস
সঠিক উত্তর:
সিরাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিরাস
ব্যাখ্যা
সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে উচ্চতার ভিত্তিতে মেঘকে তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে।
এগুলো হলো:

উঁচু উচ্চতার মেঘ:
- সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৬,০০০ মিটারের উর্ধ্বে অবস্থিত মেঘসমূহ উঁচু উচ্চতার মেঘ।
উঁচু উচ্চতার মেঘসমূহ হলো:
- সিরাস, 
- সিরোকিউম্যুলাস, 
- সিরোস্ট্রেটাস প্রভৃতি।

মাঝারি উচ্চতার মেঘ:
- সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ২,০০০ থেকে ৬,০০০ মিটার উচ্চতায় অবস্থিত মেঘসমূহ মাঝারি উচ্চতার মেঘ নামে পরিচিত।
মাঝারি উচ্চতার মেঘসমূহ হলো:
- অল্টোস্ট্রেটাস, 
- কিউম্যুলাসস্ট্রেটাস, 
- নিম্বোস্ট্রেটাস।

নিম্ন উচ্চতার মেঘসমূহ:
- সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ২,০০০ মিটার উচ্চতার মধ্যে অবস্থিত মেঘসমূহ নিম্ন উচ্চতার মেঘ নামে পরিচিত।
নিম্ন উচ্চতার মেঘসমূহ হলো:
- স্ট্রেটাস, 
- স্ট্রেটোকিউম্যুলাস,
- কিউম্যুলোনিম্বাস।

(তথ্যসূত্র: বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা)
৩,৬২১.
প্রশান্ত মহাসাগর পৃথিবীর মোট পৃষ্ঠের কত শতাংশ জুড়ে বিস্তৃত?
  1. ৩২%
  2. ৩৩%
  3. ২৭%
  4. ৩৯%
সঠিক উত্তর:
৩২%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩২%
ব্যাখ্যা
• প্রশান্ত মহাসাগর:
প্রশান্ত মহাসাগর এখন পর্যন্ত বিশ্বের বৃহত্তম এবং গভীরতম মহাসাগর।
এটি চীন থেকে ক্যালিফোর্নিয়া পর্যন্ত 63 মিলিয়ন বর্গমাইলেরও বেশি এলাকা জুড়ে বিস্তৃত এবং কিছু কিছু অঞ্চলে জলের পৃষ্ঠের হাজার হাজার ফুট নীচে বিস্তৃত।
মহাসাগরীয় অববাহিকা পৃথিবীর মোট পৃষ্ঠের প্রায় 32% এবং জলের পৃষ্ঠের 46% জুড়ে বিস্তৃত।
প্রশান্ত মহাসাগর কতটা বিশাল তা বোঝার জন্য, বিশ্বের সমস্ত স্থলভাগ সমুদ্রের সাথে মিশে যেতে পারে, যেখানে প্রচুর স্থান অবশিষ্ট রয়েছে।
মহাসাগর উত্তরে আর্কটিক অঞ্চল থেকে দক্ষিণে অ্যান্টার্কটিক অঞ্চল পর্যন্ত বিস্তৃত।
এটি পূর্বে দক্ষিণ এবং উত্তর আমেরিকা এবং পশ্চিমে অস্ট্রেলিয়া এবং এশিয়ার মধ্যে স্যান্ডউইচ করা হয়েছে।

উৎস: worldatlas.
৩,৬২২.
'সীতাকোট বিহার' কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) দিনাজপুর
  2. খ) নওগাঁ
  3. গ) সোনারগাঁও
  4. ঘ) পঞ্চগড়
সঠিক উত্তর:
ক) দিনাজপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) দিনাজপুর
ব্যাখ্যা
সীতাকোট বিহার
সীতাকোট বিহার একটি বৌদ্ধ বিহার।
• বিহারটি দিনাজপুর জেলার নওয়াবগঞ্জ উপজেলায় অবস্থিত।
• প্রায় বর্গাকৃতির এ স্থাপত্যটির পরিমাপ পূর্ব-পশ্চিমে ৬৫.২৩ মি এবং উত্তর-দক্ষিণে ৬৪.১১ মি।
• বিহারটির উত্তর এবং দক্ষিণ বাহুদ্বয় বহির্দিকে প্রক্ষিপ্ত ছিল। প্রশস্ত প্রবেশদ্বারের তোরণ কমপ্লেক্সটি উত্তর বাহুর মধ্যাংশে অবস্থিত।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া।
৩,৬২৩.
বরেন্দ্রভূমি বলা হয় -
  1. ময়নামতি ও লালমাই পাহাড়কে
  2. ময়মনসিংহ ও টাঙ্গাইল অঞ্চলকে
  3. রাজশাহী বিভাগের উত্তর-পশ্চিম অঞ্চলকে
  4. মধুপুর ও ভাওয়ালের গড়কে
সঠিক উত্তর:
রাজশাহী বিভাগের উত্তর-পশ্চিম অঞ্চলকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাজশাহী বিভাগের উত্তর-পশ্চিম অঞ্চলকে
ব্যাখ্যা
• বরেন্দ্রভূমি (Barind Tract):
- রাজশাহী বিভাগের উত্তর-পশ্চিম অঞ্চলকে বরেন্দ্রভূমি বলে।
- বঙ্গ অববাহিকার বৃহত্তম প্লাইসটোসিন ভূ-প্রাকৃতিক একক।
- অবস্থান- বৃহত্তর দিনাজপুর, রংপুর, পাবনা, রাজশাহী ও বগুড়া জেলা জুড়ে বরেন্দ্রভূমির অবস্থান।
- বরেন্দ্রভূমির নামকরণের পেছনে একাধিক পৌরাণিক কাহিনী প্রচলিত রয়েছে। 'বর' শব্দের অর্থ হচ্ছে আশীর্বাদ এবং ‘ইন্দ্র' শব্দের অর্থ দেবতাদের রাজা। অর্থাৎ ইন্দ্রের বর বা ইন্দ্রের আশীর্বাদ থেকে সাধারণভাবে বরেন্দ্র শব্দটির উৎপত্তি।
- বরেন্দ্রভূমির অবস্থান গ্রীষ্মপ্রধান মৌসুমিমন্ডলে।
- কর্কটক্রান্তি এই ভূমির দক্ষিণে অবস্থান করছে।
- এই অঞ্চলের জলবায়ু সাধারণভাবে উষ্ণ ও আর্দ্র।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৩,৬২৪.
বেলেপাথর রূপান্তরিত হয়ে তৈরি হয়-
  1. গ্রাফাইট
  2. কোয়ার্টজাইট
  3. মার্বেল
  4. নিস
সঠিক উত্তর:
কোয়ার্টজাইট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোয়ার্টজাইট
ব্যাখ্যা
- আগ্নেয় ও পাললিক শিলা অত্যধিক চাপ, তাপ ও রাসায়নিক ক্রিয়ায় পরিবর্তিত হয়ে যে নতুন রূপ ধারণ করে তাকে রূপান্তরিত শিলা বলে।
যেমন:
- বেলপাথর রূপান্তরিত হয়ে কোয়ার্টজাইট
- কয়লা রূপান্তরিত হয়ে গ্রাফাইট
- চুনাপাথর রূপান্তরিত হয়ে মার্বেল
- গ্রানাইট রূপান্তরিত হয়ে নিস।
- কাদা ও শেল রূপান্তরিত হয়ে স্লেট।
(তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী)
৩,৬২৫.
পানামা খাল কোন অঞ্চলে অবস্থিত?
  1. মধ্য আমেরিকা
  2. উত্তর আমেরিকা 
  3. দক্ষিণ আমেরিকা 
  4. পশ্চিম ইউরোপ
সঠিক উত্তর:
মধ্য আমেরিকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মধ্য আমেরিকা
ব্যাখ্যা

◉ পানামা খাল মধ্য আমেরিকার পানামা রাষ্ট্রে অবস্থিত। এটি আটলান্টিক মহাসাগর (ক্যারিবীয় সাগরের মাধ্যমে) এবং প্রশান্ত মহাসাগরকে যুক্ত করেছে।

পানামা খাল:
- পানামা খাল (Panama Canal) পৃথিবীর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কৃত্রিম জলপথ।
- এটি পানামা প্রজাতন্ত্রের মধ্যে অবস্থিত।
- খালটি উত্তর আমেরিকাকে দক্ষিণ আমেরিকা থেকে বিচ্ছিন্ন করেছে।
- প্রশান্ত মহাসাগর ও আটলান্টিক মহাসাগরকে যুক্ত করেছে পানামা খাল।

⇒ পানামা খালের দৈর্ঘ্য প্রায় ৮২ কিলোমিটার।
- খালটি জাহাজ চলাচলের জন্য ১৯০৪ সালে খনন করা হয়।
- ১৯১৪ সালে এর খনন কাজ সমাপ্ত হয়।
- তৈরি করেছিলো যুক্তরাষ্ট্র।
- এ খালের মালিকানা ১৯৯৯ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের ছিল।
- এরপর তা পানামা রাষ্ট্রের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

উল্লেখ্য,
- এশিয়া থেকে আমেরিকা পর্যন্ত পণ্য আমদানি-রফতানির অন্যতম প্রধান সমুদ্রপথ পানামা খাল।

উৎস: Britannica.

৩,৬২৬.
পৃথিবীর বৃহত্তম বিমান বন্দরটি কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) নিউইয়র্ক
  2. খ) লন্ডন
  3. গ) বার্লিন
  4. ঘ) দাম্মামে
সঠিক উত্তর:
ঘ) দাম্মামে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) দাম্মামে
ব্যাখ্যা
King Fahd International Airport in Dammam, Saudi Arabia is the biggest airport in the world by surface area.
Source: worldatlas.com
৩,৬২৭.
কুমিল্লা জেলার বিবির বাজার স্থলবন্দরের বিপরীতে ভারতের সীমান্তবর্তী অঞ্চল কোনটি?
  1. ক) ডাউকি
  2. খ) শ্রীমন্তপুর
  3. গ) পেট্রোপোল
  4. ঘ) কৃষ্ণঙ্গর
সঠিক উত্তর:
খ) শ্রীমন্তপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) শ্রীমন্তপুর
ব্যাখ্যা
- চুয়াডাঙ্গার দর্শনা স্থলবন্দর সংলগ্ন পশ্চিমবঙ্গের কৃষ্ণনগর স্থলবন্দর।
- বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্থলবন্দর যশোর জেলার বেনাপোল সংলগ্ন ভারতীয় স্থলবন্দর পেট্রাপোল।
- সিলেটের তামাবিল স্থলবন্দর সংলগ্ন ভারতের মেঘালয় রাজ্যের ডাউকি স্থলবন্দর।
- চাঁপাইনবাবগঞ্জের সোনা মসজিদ সংলগ্ন পশ্চিমবঙ্গের মোহাদিপুর স্থলবন্দর।
- কুমিল্লা জেলার বিবির বাজারের বিপরীতে ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের আগতলার শ্রীমন্তপুর।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৩,৬২৮.
কর্কটক্রান্তি রেখা ও ৯০° পূর্ব দ্রাঘিমা রেখা পরস্পরকে ছেদ করেছে বাংলাদেশের কোন উপজেলায়?
  1. বোয়ালমারী
  2. ভাঙ্গা
  3. আলফাডাঙ্গা
  4. ফরিদপুর সদর
সঠিক উত্তর:
ভাঙ্গা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভাঙ্গা
ব্যাখ্যা

কর্কটক্রান্তি রেখা:
- সাড়ে ২৩° উত্তর অক্ষরেখা কর্কটক্রান্তি রেখা নামে পরিচিত।
- বাংলাদেশের মাঝ বরাবর পূর্ব-পশ্চিমে কর্কটক্রান্তি রেখা অতিক্রম করেছে।
- কর্কটক্রান্তি রেখা অতিক্রম করেছে এমন জেলাগুলো হচ্ছে - চুয়াডাঙা, ঝিনাইদহ, মাগুরা, রাজবাড়ি, ফরিদপুর, ঢাকা, মুন্সীগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ, কুমিল্লা, খাগড়াছড়ি ও রাঙামাটি।
- এছাড়াও বাংলাদেশের উপর দিয়ে ৯০° পূর্ব দ্রাঘিমারেখা অতিক্রম করেছে।
- ফরিদপুর জেলার ভাঙ্গা উপজেলায় কর্কটক্রান্তি রেখা ও ৯০° পূর্ব দ্রাঘিমা রেখা পরস্পরকে ছেদ করেছে।

উৎস:  ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি ও বাংলাপিডিয়া।

৩,৬২৯.
পৃথিবীর ‘শীতলতম মহাদেশ’ বলা হয় কোনটিকে?
  1. ইউরোপ
  2. অ্যান্টার্কটিকা
  3. উত্তর আমেরিকা
  4. দক্ষিণ আমেরিকা
সঠিক উত্তর:
অ্যান্টার্কটিকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যান্টার্কটিকা
ব্যাখ্যা
এন্টার্কটিকা মহাদেশ (Antarctica)
- অ্যান্টার্কটিকা পৃথিবীর সবচেয়ে শীতল এবং শুষ্ক মহাদেশ।

- এটি উত্তর মেরুর সর্বউত্তরে অবস্থিত। 

⇒ এন্টার্কটিকা মহাদেশ আয়তনে বিশ্বে পঞ্চম।
- এর মোট আয়তন ১ কোটি ৩৩ লক্ষ ৪০ হাজার বর্গকিলোমিটার।
- এটি ৯০° দক্ষিণ মেরুরেখা থেকে ৬০° দক্ষিণ অক্ষরেখা পর্যন্ত বিস্তৃত।
- মহাদেশটি পৃথিবীর দক্ষিণ প্রান্তে অবস্থিত এবং দক্ষিণ মেরুকে কেন্দ্র করে প্রায় বৃত্তাকারে অবস্থিত।
- এ মহাদেশের চতুর্দিকে দক্ষিণ মহাসাগর অবস্থিত।
- মহাদেশটি সারাবছর বরফে আচ্ছন্ন থাকে বলে মনুষ্য বসবাসের অনুপযোগী।
- শীতলতম এই মহাদেশে কোনো দেশ নেই।
- এখানকার উল্লেখযোগ্য প্রাণি অ্যালবাট্রস, পেঙ্গুইন, সীল ইত্যাদি।
- এছাড়া এ মহাদেশে মস ও শৈবাল জাতীয় উদ্ভিদ জন্মে।

উৎস: i) ভূগোল ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) Britannica.
৩,৬৩০.
বান্দরবন জেলার মইনভার পর্বতে উৎপত্তি কোন নদীর?
  1. কর্ণফুলী
  2. মাতামুহুরী
  3. হালদা
  4. সাংগু
সঠিক উত্তর:
মাতামুহুরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাতামুহুরী
ব্যাখ্যা
পাহাড়ী নদী ব্যবস্থা:
মাতামুহুরী:
- পার্বত্য বান্দরবন জেলার মইনভার পর্বতে এই নদীর উৎপত্তি।
- উৎপত্তি স্থল থেকে প্রবাহিত হয়ে পশ্চিম দিকে এসে মহেশখালী ঘাটের সাথে মিশেছে।
- এর দৈর্ঘ্য প্রায় ১২০ কিমি।

কর্ণফুলী:
- পাহাড়ী নদী হিসেবে কর্ণফুলী নদী বিখ্যাত।
- লুসাই পাহাড়ের লংলেহ নামক স্থানে এ নদীর উৎপত্তি।এ নদী খুবই খরস্রোতা। 
- নদীর গতিবেগ উপত্যকার ঢালের সমানুপাতিক।
- এই নদী ভারত বাংলাদেশের প্রায় ৫ কিমি সীমা নির্দেশ করে।
- এ নদী সীমান্ত থেকে প্রবেশ করে রাঙামাটির সমভূমিতে প্রবাহিত হয় এবং পরে কাপ্তাই হ্রদে মিশে।
- কাপ্তাই হ্রদের দক্ষিণ পশ্চিম দিক থেকে বেরিয়ে পতেঙ্গার কাছে বঙ্গোপসাগরে পড়েছে।

 সাংগু:
- বান্দরবনের দক্ষিণে মউডাক পর্বতমালায় এ নদীর উৎপত্তি এ নদী এঁকেবেঁকে উত্তর পশ্চিম দিকে প্রবাহিত হচ্ছে।
- এর দৈর্ঘ্য প্রায় ২৪৪ কিমি। কর্ণফুলী নদীর মোহনা থেকে কয়েক কিমি দক্ষিণে সাংগু নদী বঙ্গোপসাগরে পড়েছে।
- এ নদীর উচু পাহাড়ী অংশে ছোট ছোট জলপ্রপাত ও নদীপ্রপাত দেখা যায়।

 হালদা :
- হালদা নদী পার্বত্য খাগড়াছড়ি জেলার বাদনা তলী পর্বতশৃঙ্গে উৎপন্ন হয়েছে এবং ফকিটছড়ি থানার উত্তর পূর্ব কোন দিয়ে চট্টগ্রাম জেলায় প্রবেশ করেছে।
 - এ নদী চট্টগ্রামের কালুর ঘাটের কাছে কর্ণফুলী নদীতে পড়েছে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ পরিচিতি, বি.এ/বি.এস.এস. প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৬৩১.
সেন্ট মার্টিন দ্বীপকে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা ঘোষণা করা হয় কবে?
  1. ১৯৯৭ সালে
  2. ২০০০ সালে
  3. ১৯৯৯ সালে
  4. ১৯৯৮ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৯৯ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯৯ সালে
ব্যাখ্যা

প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা:
- বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন ১৯৯৫ (সর্বশেষ সংশোধিত ২০১০) অনুসারে বিভিন্ন সময়ে কিছু এলাকাকে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা (Ecologically Critical Area-ECA/ইসিএ) হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।
- এ-পর্যন্ত দেশের ১৩টি এলাকাকে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা ঘোষণা করা হয়েছে।
- পরিবেশ অধিদপ্তর ১৯৯৯ সালে সেন্ট মার্টিনকে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা (ইসিএ) ঘোষণা করে।
- ৩৮ বছরের সেন্ট মার্টিন দ্বীপে প্রবাল প্রজাতি ১৪১টি থেকে কমে ৪০টিতে নেমেছে। 

অন্যদিকে,
- সোনাদিয়া দ্বীপ, হাকালুকি হাওর, টাঙ্গুয়ার হাওর, মারজাত বাওড়, এবং সুন্দরবনকে ১৯৯৯ সালে ঘোষণা করে।
- জাফলং-ডাউকি নদী ২০১৫ সালে।

উৎস:পরিবেশ অধিদপ্তর। 

৩,৬৩২.
কোন প্রণালিটি ইউরোপ ও আফ্রিকার মাঝে অবস্থিত?
  1. বেরিং প্রণালী
  2. জিব্রাল্টার প্রণালী
  3. বসফরাস প্রণালী
  4. বাব এল মান্দেব প্রণালী
সঠিক উত্তর:
জিব্রাল্টার প্রণালী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জিব্রাল্টার প্রণালী
ব্যাখ্যা
জিব্রাল্টার প্রণালী (Strait of Gibraltar):
- জিব্রাল্টার প্রণালী হচ্ছে ইউরোপ এবং আফ্রিকা মহাদেশের মধ্যে অবস্থিত জলপথ।
- এটি ভূমধ্যসাগরকে আটলান্টিক মহাসাগরের সঙ্গে সংযুক্ত করে।
- এই প্রণালীটি স্পেনের দক্ষিণ প্রান্তে এবং মরক্কোর উত্তর প্রান্তে অবস্থিত।
- প্রণালীটি মরক্কো ও স্পেনকে পৃথক করে।
- এর গড় গভীরতা ১,২০০ ফুট (৩৬৫ মিটার)।

অন্যদিকে -
- বেরিং প্রণালী: এশিয়া থেকে আমেরিকাকে পৃথক করেছে।
- বসফরাস প্রণালী: এশিয়া এবং ইউরোপের মধ্যে অবস্থিত।
- বাব এল-মান্দেব প্রণালী: এশিয়া থেকে আফ্রিকাকে পৃথক করেছে।

তথ্যসূত্র - Britannica.
৩,৬৩৩.
বিশ্বের সর্বাধিক বনাঞ্চল রয়েছে-
  1. ব্রাজিলে
  2. চীনে
  3. কানাডায়
  4. রাশিয়ায়
সঠিক উত্তর:
রাশিয়ায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাশিয়ায়
ব্যাখ্যা
বিশ্বের সর্বাধিক বনাঞ্চল:

- বিশ্বের সর্বাধিক বনাঞ্চল রয়েছে রাশিয়ায়।
- বিশ্বের বৃহত্তম এই দেশে বিশ্বের এক পঞ্চমাংশ বনভূমির অবস্থান।
- রাশিয়ার মোট ভূমির ৪৫ শতাংশ বন দ্বারা আচ্ছাদিত।
- এখানে প্রায় ৮১৫ মিলিয়ন হেক্টর বনভূমি বিদ্যমান।
- এছাড়া ব্রাজিল, যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, চীন, অস্ট্রেলিয়া এবং গণতান্ত্রিক কঙ্গো হলো অন্যান্য দেশ যেখানে ১০০ মিলিয়ন হেক্টরের অধিক বনাঞ্চল রয়েছে।

উৎস: Worldatlas [লিঙ্ক]
৩,৬৩৪.
বাংলাদেশের কোন বনভূমি শালবনের জন্য বিখ্যাত?
  1. ক) মধুপুর ও ভাওয়ালের বনভূমি
  2. খ) সিলেট অঞ্চলের বনভূমি
  3. গ) উপকূলীয় বনভূমি
  4. ঘ) পার্বত্য চট্টগ্রামের বনভূমি
সঠিক উত্তর:
ক) মধুপুর ও ভাওয়ালের বনভূমি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) মধুপুর ও ভাওয়ালের বনভূমি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের বনভূমিকে প্রধানত ক্রান্তীয় পতনশীল পত্রযুক্ত বৃক্ষের বনভূমি, ক্রান্তীয় চিরহরিৎ এবং পতনশীল পত্রযুক্ত বৃক্ষের বনভূমি ও গরান বা স্রোতজ বনভূমি (সুন্দরবন) এই তিন ভাগে ভাগ করা হয়।
মধুপুর ও ভাওয়ালের বনভূমি ক্রান্তীয় পতনশীল পত্রযুক্ত বৃক্ষের বনভূমির অন্তর্ভুক্ত। এর আয়তন প্রায় ৮৭৫ বর্গ কিলোমিটার।
- শাল জাতীয়
এক ধরনের গজারী এ বনভূমির প্রধান বৃক্ষ।
• পার্বত্য চট্টগ্রামের বনভূমির প্রধান বৃক্ষ গর্জন, জারুল, শিমুল, গামার ইত্যাদি।
• উপকূলীয় অঞ্চল যেমন -  খুলনা, বরিশাল ও পটুয়াখালীর বনভূমির প্রধান বৃক্ষ গেওয়া, ধুন্দল, কেওড়া ইত্যাদি।

উৎস: বাংলাদেশ বন বিভাগের ওয়েবসাইট।
৩,৬৩৫.
যমুনার শাখা নদী কোনটি?
  1. আত্রাই
  2. ধলেশ্বরী
  3. করতোয়া
  4. শীতলক্ষ্যা
সঠিক উত্তর:
ধলেশ্বরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধলেশ্বরী
ব্যাখ্যা
• যমুনার শাখানদী : ধলেশ্বরী।

উল্লেখ্য,
- যমুনা নদীর প্রধান উপনদী : আত্রাই ও করতোয়া।
- ধলেশ্বরীর শাখানদী : বুড়িগঙ্গা
- ব্রহ্মপুত্রের শাখানদী : শীতলক্ষ্যা।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণি।
৩,৬৩৬.
খৈয়াছড়া ঝর্ণা কোথায় অবস্থিত?
  1. চট্টগ্রাম
  2. বান্দরবান
  3. রাঙ্গামাটি
  4. খাগড়াছড়ি
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা
খৈয়াছড়া ঝর্ণা:
- খৈয়াছড়া ঝর্ণা চট্টগ্রামের মীরসরাই উপজেলায় অবস্থিত। 
- স্থানীয়রা এই ঝর্ণাকে চতল বলে ডাকেন।
- খৈয়াছড়া চট্টগ্রামের মীরসরাই উপজেলার ঝর্ণাগুলোর মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয়।

এছাড়া,
- নাফাখুম জলপ্রপাত বান্দরবান জেলায় অবস্থিত একটি প্রাকৃতিক জলপ্রপাত।
- হিমছড়ি ঝর্ণা বাংলাদেশের চট্টগ্রাম বিভাগের কক্সবাজার জেলায় অবস্থিত একটি পর্যটনস্থল।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
The Daily Star বাংলা
৩,৬৩৭.
পানি প্রবাহের দিক থেকে বিশ্বের সবচেয়ে বড় নদী -
  1.  নীল নদ
  2. হোয়াংহো নদী
  3. মেঘনা নদী
  4. আমাজন নদী
সঠিক উত্তর:
আমাজন নদী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আমাজন নদী
ব্যাখ্যা

• আমাজন নদী:
- দক্ষিণ আমেরিকার সর্ববৃহৎ নদী।
- এবং পৃথিবীর বৃহত্তম জলপ্রবাহ ও অববাহিকার অধিকারী।
- এটি বিশ্বের সবচেয়ে বেশি পানি প্রবাহিতকারী নদী হিসেবে পরিচিত।
- অবস্থান: দক্ষিণ আমেরিকা, ৯টি দেশের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।
- ব্রাজিল, পেরু, কলম্বিয়া, ভেনেজুয়েলা, ইকুয়েডর, বোলিভিয়া, গায়ানা, সুরিনাম, ফরাসি গায়ানা।
- উৎস: পেরুর আন্দিজ পর্বতমালা।
- দৈর্ঘ্য: প্রায় ৭,০৬২ কিলোমিটার (নীল নদীর পর দ্বিতীয় দীর্ঘতম,)
- প্রবাহের গন্তব্য: অটলান্টিক মহাসাগর।
- পানি প্রবাহ: পৃথিবীর মোট নদী প্রবাহের ২০% নিয়ন্ত্রণ।
- চ্যালেঞ্জ: বন উজাড়, পরিবেশ দূষণ।

উৎস: Britannica.

৩,৬৩৮.
উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকাকে পৃথক করেছে-
  1. সুয়েজ খাল
  2. কিয়েল খাল 
  3. করিন্থ খাল 
  4. পানামা খাল 
সঠিক উত্তর:
পানামা খাল 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পানামা খাল 
ব্যাখ্যা

পানামা খাল: 
- পানামা খাল পৃথিবীর সবচেয়ে গভীরতম খাল।
- ১৯০৪ সালে পানামা খাল খনন করা শুরু হয়।
- খালটি মূলত যুক্তরাষ্ট্র দ্বারা খনন করা হয়েছিল।
- ১৯১৪ সালে এটি চালু করা হয়।
- পানামা খাল উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকাকে পৃথক করেছে। 
- এবং আটলান্টিক ও প্রশান্ত মহাসাগর কে যুক্ত করেছে।
- পানামা খালের নিয়ন্ত্রণ ১৯৯৯ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে যুক্তরাষ্ট্র থেকে পানামার কাছে হস্তান্তর করা হয়।
- এই হস্তান্তর টরিয়োস-কার্টার চুক্তি এর মাধ্যমে সম্পন্ন হয়। 
- এই চুক্তি নিশ্চিত করেছিল যে- ৩১ ডিসেম্বর ১৯৯৯ সালের মধ্যে খালের সম্পূর্ণ মালিকানা ও পরিচালনার নিয়ন্ত্রণ পানামার হাতে চলে যাবে।
- চুক্তিগুলি স্বাক্ষরিত হয়েছিল মার্কিন রাষ্ট্রপতি জিমি কার্টার এবং পানামার জেনারেল ওমর টোরিজোস এর মধ্যে।

অন্যদিকে,
• সুয়েজ খাল: 
- পৃথিবীর দীর্ঘতম কৃত্রিম খাল হলো সুয়েজ খাল।
- এই খাল লোহিত সাগর ও ভূমধ্যসাগরকে যুক্ত করেছে।

• কিয়েল খাল:
- জার্মানিতে অবস্থিত এই খালটি উত্তর সাগর ও বাল্টিক সাগরকে সংযুক্ত করে।
- এটি ইউরোপের একটি গুরুত্বপূর্ণ জাহাজ চলাচলের পথ।

• করিন্থ খাল:
- গ্রিসে অবস্থিত এই খালটি পেলোপোনিজ উপদ্বীপকে মূল ভূমি থেকে আলাদা করে।
- এটি ছোট হলেও স্থানীয় ও পর্যটন নৌযান চলাচলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

উৎস: প্রথম আলো ও Britannica.

৩,৬৩৯.
বাংলাদেশের জলবায়ু প্রধানত কোন বায়ুর প্রভাবে গঠিত?
  1. ক্রান্তীয় মৌসুমি বায়ু
  2. পশ্চিমী বায়ু
  3. সমুদ্রবায়ু
  4. আদ্র ক্রান্তীয় জলবায়ু 
সঠিক উত্তর:
ক্রান্তীয় মৌসুমি বায়ু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্রান্তীয় মৌসুমি বায়ু
ব্যাখ্যা

জলবায়ু:
- বাংলাদেশের জলবায়ু মূলত সমভাবাপন্ন।
- এখানে গ্রীষ্মকাল উষ্ণ ও আর্দ্র, শীতকাল শুষ্ক এবং চরমভাবে ঠাণ্ডা বা গরম হয় না।
- দেশের জলবায়ু মূলত মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে নিয়ন্ত্রিত হয়। 
- গ্রীষ্মে দক্ষিণ-পূর্ব মৌসুমি বায়ু প্রচুর বৃষ্টি আনে।
- শীতে উত্তর-পূর্ব মৌসুমি বায়ু জলবায়ুকে আরামদায়ক রাখে।
- দেশের ভৌগোলিক অবস্থান ২০°৩৪´ থেকে ২৬°৩৮´ উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৮°০১´ থেকে ৯২°৪১´ পূর্ব দ্রাঘিমাংশের মধ্যে, যা সমভূমি, পাহাড় ও বঙ্গোপসাগর দ্বারা পরিবেষ্টিত।

- বাংলাদেশের জলবায়ু ক্রান্তীয় মৌসুমি।
- তাপমাত্রা, আর্দ্রতা, বায়ুচাপ, মেঘ ও বৃষ্টিপাতের ঋতুগত বৈচিত্র্য লক্ষ্যণীয়।
- শীত ও গ্রীষ্ম মৌসুমের বিপরীতমুখী বায়ু প্রবাহ দেশের বায়ুমন্ডলীয় বৈশিষ্ট্য নির্ধারণ করে।
- শীতকালে উত্তরের উচ্চচাপ কেন্দ্র থেকে শুষ্ক বায়ু প্রবাহিত হয়।
- আর গ্রীষ্মে পশ্চিম ভারতের নিম্নচাপ কেন্দ্র থেকে উষ্ণ ও আর্দ্র বায়ু প্রবাহিত হয়।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি। 

৩,৬৪০.
আর্ন্তজাতিক তারিখ রেখাটি কোন মহাসাগর বরাবর কল্পনা করা হয়?
  1. উত্তর মহাসাগর
  2. ভারত মহাসাগর
  3. প্রশান্ত মহাসাগর
  4. আটলান্টিক মহাসাগর
সঠিক উত্তর:
প্রশান্ত মহাসাগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রশান্ত মহাসাগর
ব্যাখ্যা
• আর্ন্তজাতিক তারিখ রেখা:
- পৃথিবীপৃষ্ঠে কল্পিত ১৮০° দ্রাঘিমা রেখাটি আর্ন্তজাতিক তারিখ রেখা নামে পরিচিত।
- এশিয়া ও উত্তর আমেরিকা মহাদেশের মধ্যভাগ দিয়ে অংকিত এই রেখা স্থলভাগ এড়িয়ে প্রশান্ত মহাসাগরের উপর দিয়ে কল্পনা করা হয়। 

তথ্যসূত্র ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৬৪১.
নিরক্ষীয় জলবায়ুর অন্তর্গত দেশ নয় কোনটি?
  1. ইন্দোনেশিয়া
  2. ব্রুনাই
  3. ফিলিপাইন
  4. মেক্সিকো
সঠিক উত্তর:
মেক্সিকো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেক্সিকো
ব্যাখ্যা
নিরক্ষীয় জলবায়ুর অন্তর্গত দেশ নয় - মেক্সিকো।

• নিরক্ষীয় জলবায়ু:
-  নিরক্ষরেখায় অবস্থানকারী দেশসমূহ এবং এই নিরক্ষরেখার কাছাকাছি অবস্থানরত দেশসমূহে নিরক্ষীয় জলবায়ু বিরাজমান বলে একে বলা হয় নিরক্ষীয় জলবায়ু।

• অবস্থান ও দেশসমূহ:
- নিরক্ষরেখার উভয় পাশে ৫° অক্ষাংশের মধ্যে নিরক্ষীয় অঞ্চল অবস্থিত।
-  সূর্যের উত্তরায়ন ও দক্ষিণায়নের ফলে এ অঞ্চলে দুইবার মাত্রাতিরিক্ত তাপমাত্রা দেখা যায়। কোনো কোনো স্থানে নিরক্ষরেখার উত্তর ও দক্ষিণে ১০° অক্ষাংশের সীমা পর্যন্ত নিরক্ষরেখা বিস্তৃত।

- বিষুবরেখার পার্শ্ববর্তী ৯৬৫ কি. মি. এলাকাজুড়ে এই জলবায়ুর প্রভাব বিস্তৃত।
- আফ্রিকার কঙ্গো নদী অববাহিকা ও গিনি উপকূলীয় এলাকা, মধ্য আমেরিকার পূর্ব উপকূলের পানামা, হন্ডুরাস, কোস্টারিকা, নিকারাগুয়া এবং দক্ষিণ আমেরিকার পূর্ব উপকূল এই জলবায়ু অঞ্চলের অর্ন্তগত।

- এছাড়াও নিরক্ষরেখার কাছাকাছি অবস্থিত দেশগুলো যেমন- মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, ইন্দোনেশিয়া, ব্রুনাই, ফিলিপাইন, আমাজান নদীর অববাহিকা, পেরু, ইকুয়েডর ও কলম্বিয়ার দক্ষিণাঞ্চল জুড়েও এই জলবায়ু প্রভাব বিস্তার করে।

তথ্যসূত্র: ভূগোল প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৬৪২.
সময় নির্ধারণের ক্ষেত্রে নিচের কোনটি বিবেচ্য?
  1. অক্ষরেখা
  2. মেরুবৃত্তীয় রেখা
  3. দ্রাঘিমারেখা
  4. বিষুবরেখা
সঠিক উত্তর:
দ্রাঘিমারেখা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্রাঘিমারেখা
ব্যাখ্যা
- দ্রাঘিমারেখার উপর সূর্যের অবস্থানের ভিত্তিতে সময় নির্ধারণ করা হয়।
- পুরো পৃথিবীকে মোট ৩৬০ ডিগ্রি দ্রাঘিমারেখায় বিভক্ত করা হয়েছে।
- প্রতি ডিগ্রি দ্রাঘিমার জন্যে সময়ের পার্থক্য হয় ৪ মিনিট করে।
- মূল মধ্যরেখা বা ০ ডিগ্রি দ্রাঘিমারেখাকে প্রমাণ সময় বিবেচনা করা হয়।
- মূল মধ্যরেখার পূর্বদিকে অবস্থিত অঞ্চলসমূহের ক্ষেত্রে প্রতি ডিগ্রি দ্রাঘিমার জন্যে ৪ মিনিট করে যোগ করে প্রমাণ সময় নির্ণয় করতে হয়।
- মূল মধ্যরেখার পশ্চিমদিকে অবস্থিত অঞ্চলসমূহের ক্ষেত্রে প্রতি ডিগ্রি দ্রাঘিমার জন্যে ৪ মিনিট করে সময় বিয়োগ করে প্রমাণ সময় নির্ণয় করতে হয়।
- ১৮০ ডিগ্রি দ্রাঘিমারেখা আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা নামে পরিচিত যা প্রশান্ত মহসাগরের মধ্য দিয়ে অতিক্রম করেছে।
(তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী)
৩,৬৪৩.
'সেন্ট হেলেনা' দ্বীপের মালিকানা দেশ কোনটি?
  1. যুক্তরাজ্য
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. অস্ট্রেলিয়া
  4. ফ্রান্স
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাজ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাজ্য
ব্যাখ্যা
সেন্ট হেলেনা দ্বীপ:
- 'সেন্ট হেলেনা' দ্বীপের মালিকানা দেশ যুক্তরাজ্য।
- এটি দক্ষিণ আটলান্টিক মহাসাগরের অবস্থিত একটি আগ্নেয়গিরির ক্রান্তীয় দ্বীপ।
- রোমান সম্রাজ্ঞী সেন্ট হেলেনার নামে দ্বীপের নামকরণ হয়।
- দ্বীপটি দক্ষিণ-পশ্চিম আফ্রিকার উপকূলের প্রায় ১,৯৫০ কিলোমিটার (১,২১০ মাইল) এবং দক্ষিণ আমেরিকার উপকূলবর্তী শহর রিও ডি জেনেরো থেকে ৪,০০০ কিলোমিটার (২,৫০০ মাইল) পূর্বে অবস্থিত।
- ১৫০২ সালে পর্তুগিজরা এটি আবিষ্কার করে।
- এর আয়তন ১২২ বর্গ কিমি।
- ১৬৫৯ সালে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কম্পানি এই দ্বীপে জেমস টাউন নামে একটি শহর প্রতিষ্ঠা করে।
- বর্তমানে এই শহরটিই সেন্ট হেলেনার রাজধানী।
- দ্বীপটির জলবায়ু নাতিশীতোষ্ণ।

উৎস: Britannica.
৩,৬৪৪.
পৃথিবীতে কয়টি দেশ আছে যারা অপর দেশ দ্বারা সম্পূর্ণরূপে পরিবেষ্টিত?
  1. ক) ৫টি
  2. খ) ২টি
  3. গ) ৪টি
  4. ঘ) ৩টি
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৩টি
ব্যাখ্যা
পৃথিবীতে তিনটি দেশ আছে যারা অপর একটি দেশ দ্বারা সম্পূর্ণরূপে পরিবেষ্টিত। দেশগুলো হলোঃ
১. লেসোথো,
২. সানমারিনো এবং
৩. ভ্যাটিকান সিটি।
৩,৬৪৫.
কত সাল থেকে বাংলাদেশ এবং তৎসংলগ্ন অঞ্চলে ভূমিকম্প সংক্রান্ত রেকর্ড সংগ্রহ শুরু হয়?
  1. ১৫৪৮ সাল
  2. ১৭৪৮ সাল
  3. ১৪৪৮ সাল
  4. ১৩৪৮ সাল
সঠিক উত্তর:
১৫৪৮ সাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫৪৮ সাল
ব্যাখ্যা

ভূমিকম্প:
- ভূতাত্ত্বিক গঠনগত দিক দিয়ে বাংলাদেশ বিশেষত উত্তর ও পূর্ব দিক যথেষ্ট ভূমিকম্পপ্রবণ অঞ্চল।
- উত্তরে হিমালয় চত্বর এবং মালভূমি, পূর্বে মিয়ানমার আরাকান ইয়োমার অস্তিত্ব এবং উত্তর-পূর্বে নাগা-দিসাং-জাফলং অঞ্চলের সংশ্লিষ্টতা অনেক বেশি ভূমিকম্পপ্রবণ করে তুলেছে।
- ১৫৪৮ সাল থেকে বাংলাদেশ এবং তৎসংলগ্ন অঞ্চলে ভূমিকম্প সংক্রান্ত রেকর্ড সংগৃহীত শুরু হয়।
- ভূমিকম্পের কেন্দ্র উপকেন্দ্রের সঙ্গে তিন ধরনের পরিমাপ সম্পর্কযুক্ত।
i) অগভীর কেন্দ্র (০-৭০ কিলোমিটার),
ii) মধ্য পর্যায়ের কেন্দ্র (৭০- ৩০০ কিলোমিটার) এবং
iii) গভীর কেন্দ্র (১,৩০০ কিলোমিটার)। 
- বাংলাদেশের অভ্যন্তরে উপকেন্দ্র না থাকলেও সংলগ্ন অঞ্চলে ভূমিকম্প হলে তার প্রভাব হিসেবে বাংলাদেশেও ভূকম্পন অনুভূত হয়।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

৩,৬৪৬.
নিচের কোন স্থানে বাংলাদেশের সর্বনিম্ন বৃষ্টিপাত হয়?
  1. লালাখাল, সিলেট
  2. লালপুর, নাটোর
  3. মিঠাপুকুর, রংপুর
  4. শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার
সঠিক উত্তর:
লালপুর, নাটোর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লালপুর, নাটোর
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের জলবায়ুর পরিস্থিতি:
- বাংলাদেশের গড় তাপমাত্রা ২৬.০১⁰ সেলসিয়াস।
- গড় বৃষ্টিপাত ২০৩⁰ সেন্টিমিটার এবং এপ্রিল উষ্ণতম মাস।
- সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত হয়: লালাখাল, সিলেট।
- সর্বনিম্ন বৃষ্টিপাত হয়: লালপুর, নাটোর।
- দেশের উষ্ণতম স্থান: লালপুর, নাটোর।
- শীতলতম স্থান: শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।
- বাংলাদেশের শীতলতম জেলা: সিলেট।
- বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের জেলা: কক্সবাজার।
- সর্ব উত্তরের জেলা: পঞ্চগড়।
- আয়তনে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় জেলা: রাঙামাটি।
- আয়তনে বাংলাদেশের সবচেয়ে ছোট জেলা: মেহেরপুর।

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৩,৬৪৭.
মার্বেল কীসের রুপান্তরিত রূপ?
  1. বেলে পাথর
  2. চুনা পাথর
  3. গ্রানাইট
  4. সাদা সেল
সঠিক উত্তর:
চুনা পাথর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চুনা পাথর
ব্যাখ্যা
• রূপান্তরিত শিলা:
- আগ্নেয় ও পাললিক শিলা যখন প্রচন্ড চাপ, উত্তাপ এবং রাসায়নিক ক্রিয়ার ফলে রূপ পরিবর্তন করে নতুন রূপ ধারণ করে তখন তাকে রূপান্তরিত শিলা বলে।
- ভূআন্দোলন, অগ্ন্যুৎপাত ও ভূমিকম্প, রাসায়নিক ক্রিয়া কিংবা ভূগর্ভস্থ তাপ আগ্নেয় ও পাললিক শিলাকে রূপান্তরিত করে।
যেমন-
- চুনাপাথর রূপান্তরিত হয়ে মার্বেল,
- বেলেপাথর রূপান্তরিত হয়ে কোয়ার্টজাইট,
- কাদা ও শেল রূপান্তরিত হয়ে স্লেট,
- গ্রানাইট রূপান্তরিত হয়ে নিস এবং
- কয়লা রূপান্তরিত হয়ে গ্রাফাইটে পরিণত হয়।

- রূপান্তরিত শিলার বৈশিষ্ট্য হচ্ছে এই শিলা স্ফটিকযুক্ত, খুব কঠিন হয়; এতে জীবাশ্ম দেখা যায় না; কোনো কোনো রূপান্তরিত শিলায় ঢেউ খেলানো স্তর দেখা যায়।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,৬৪৮.
বাংলাদেশ এশিয়া মহাদেশের কোন অঞ্চলে অবস্থিত?
  1. ক) উত্তর
  2. খ) উত্তর-পূর্ব
  3. গ) দক্ষিণ
  4. ঘ) দক্ষিণ- পশ্চিম
সঠিক উত্তর:
গ) দক্ষিণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) দক্ষিণ
ব্যাখ্যা
এশিয়া মহাদেশের দক্ষিণাংশে, দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশের অবস্থান।
- বাংলাদেশ  প্রায় ২০°৩৪' উত্তর থেকে ২৬°৩৮' উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৮°০১' পূর্ব থেকে ৯২°৪১' পূর্ব দ্রাঘিমাংশ পর্যন্ত বিস্তৃত।
- বাংলাদেশের মাঝ বরাবর পূর্ব-পশ্চিমে কর্কটক্রান্তি রেখা অতিক্রম করেছে। ফলে এদেশ ক্রান্তীয় অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি। 
৩,৬৪৯.
কোন রেখায় দিন-রাত্রি সর্বত্র সমান থাকে?
  1. ক) নিরক্ষরেখায়
  2. খ) উত্তর গোলার্ধে
  3. গ) দক্ষিণ গোলার্ধে
  4. ঘ) মেরু অঞ্চলে
সঠিক উত্তর:
ক) নিরক্ষরেখায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) নিরক্ষরেখায়
ব্যাখ্যা
- দুই মেরু থেকে সমান দূরত্বে পৃথিবীকে পূর্ব-পশ্চিমে বেষ্টন করে যে রেখা কল্পনা করা হয়েছে, তাকে নিরক্ষরেখা বলে।
- পৃথিবী গোলাকৃতির হওয়ায় এ রেখাও বৃত্তাকার।
- নিরক্ষরেখা পৃথিবীকে উত্তর ও দক্ষিণে সমান দুই ভাবে ভাগ করেছে।
- এ রেখার উত্তরে পৃথিবীর অর্ধাংশকে উত্তর গোলার্ধ এবং দক্ষিণের অর্ধাংশকে দক্ষিণ গোলার্ধ বলা হয়।
- এই রেখাটির মান ০ ডিগ্রি। তাই নিরক্ষরেখায় দিন রাত সর্বত্র সমান।
- নিরক্ষরেখার সাহায্যে উত্তর ও দক্ষিণ গোলার্ধের কোনো স্থানের কৌণিক দূরত্ব স্থির করা হয়।

উৎস: ভূগোল, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৬৫০.
চাকমা গ্রামের প্রধান হলেন -
  1. ক) হেডম্যান
  2. খ) মৌজা
  3. গ) পুঞ্জি
  4. ঘ) কারবারি
সঠিক উত্তর:
ঘ) কারবারি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) কারবারি
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের বৃহত্তম উপজাতি চাকমা।
- চাকমা গ্রামের প্রধান হলেন কারবারি।
- চাকমাদের কয়েকটি পাড়া নিয়ে গঠিত হয় মৌজা।
- চাকমা মৌজার প্রধান হলেন হেডম্যান।
- খাসিয়া গ্রামগুলো পরিচিত পুঞ্জি নামে।
উৎসঃ পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট।
৩,৬৫১.
How many districts are touched by the Sundarbans?
  1. ক) 4
  2. খ) 7
  3. গ) 5
  4. ঘ) 8
সঠিক উত্তর:
গ) 5
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) 5
ব্যাখ্যা
সুন্দরবন পৃথিবীর বৃহত্তম প্রাকৃতিক ম্যানগ্রোভ বা স্রোতজ বনভূমি। বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরা জেলায় সুন্দরবন অবস্থিত। এছাড়া পটুয়াখালী এবং বরগুনা জেলার কিছু অংশেও সুন্দরবনের বিস্তৃতি রয়েছে।
অর্থাৎ, অপশন অনুসারে সঠিক উত্তর ৫টি।  

সুন্দরবনের আয়তন প্রায় ৬,০১৭ বর্গ কিলোমিটার যা সুন্দরবনের মোট আয়তনের প্রায় ৬২ ভাগ। ‍সুন্দরবনের বাকি অংশ ভারতে অবস্থিত।

সুন্দরবনের প্রধান বৃক্ষ হলো সুন্দরী। সুন্দরী গাছের নাম থেকেই এই বনের নাম হয়েছে সুন্দরবন।
সুন্দরবনের অন্যান্য গাছের মধ্যে রয়েছে:
- গরান
- গেওয়া
- কেওড়া
- ধুন্দল
- গোলপাতা ইত্যাদি।

(তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী এবং বনবিভাগ ওয়েবসাইট)
৩,৬৫২.
আমাজন নদী কোথায় পতিত হয়?
  1. আটলান্টিক মহাসাগরে
  2. ভারত মহাসাগরে
  3. আরব সাগরে
  4. প্রশান্ত মহাসাগরে
সঠিক উত্তর:
আটলান্টিক মহাসাগরে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আটলান্টিক মহাসাগরে
ব্যাখ্যা

আমাজন নদী:
- পৃথিবীর দ্বিতীয় দীর্ঘতম নদী আমাজন নদী।
- আমাজন নদীর দৈর্ঘ্য: ৬৪০০ কি.মি।
- আমাজন দক্ষিন আমেরিকার সবচেয়ে বড় নদী।
- নদীটি দক্ষিণ আমেরিকার উত্তরাংশে অবস্থিত, পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে প্রবাহিত হয়েছে। 
-  উৎপত্তি: আন্দিজ পর্বতমালা, পেরু।
- পতিত হয়: আটলান্টিক মহাসাগর।
- আমাজনের মূল স্রোতের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ ব্রাজিলের মধ্যে দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।

তথ্যসূত্র - Britannica.com

৩,৬৫৩.
যমুনা নদীর প্রধান উপনদী কোনটি?
  1. ধরলা
  2. গোমতী
  3. ধলেশ্বরী
  4. শীতলক্ষ্যা
সঠিক উত্তর:
ধরলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধরলা
ব্যাখ্যা
যমুনা নদী:
- এটি বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান নদী।
- ময়মনসিংহ জেলার দেওয়ানগঞ্জের কাছে ব্রহ্মপুত্রের একটি শাখা যমুনা নদী নামে দক্ষিণ দিকে প্রবাহিত হয়েছে।
- এটি গোয়ালন্দের নিকট পদ্মার সাথে মিলিত হয়ে দক্ষিণ-পূর্বদিকে পদ্মা নামে প্রবাহিত হয়েছে। 
- যমুনার প্রধান উপনদী হলো ধরলা, তিস্তা, করতোয়া ও আত্রাই।
- এছাড়া যমুনার প্রধান শাখানদী ধলেশ্বরী এবং ধলেশ্বরীর শাখানদী বুড়িগঙ্গা।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৬৫৪.
দক্ষিণ গোলার্ধ ও সূর্যের মধ্যে সবচেয়ে বেশি দূরত্ব হয়-
  1. ক) ২১ জুন
  2. খ) ২১ জুলাই
  3. গ) ২৩ সেপ্টেম্বর
  4. ঘ) ২২ ডিসেম্বর
সঠিক উত্তর:
ক) ২১ জুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ২১ জুন
ব্যাখ্যা
• দক্ষিণ গোলার্ধ ও সূর্যের মধ্যে সবচেয়ে বেশি দূরত্ব হয়- ২১ জুন। 

• ২১জুন:

→ পৃথিবীর উত্তর গোলার্ধে দীর্ঘতম দিন।
→ পৃথিবীর দক্ষিণ গোলার্ধে সবচেয়ে ছোট দিন।
→ পৃথিবীর দক্ষিণ গোলার্ধ ও সূর্যের মধ্যে সবচেয়ে বেশি দূরত্ব।

সূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, ৯ম-১০ম শ্রেণি। 
৩,৬৫৫.
প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত দ্বীপরাষ্ট্র কোনটি?
  1. ক) মালাগাসি
  2. খ) সলোমন দ্বীপপুঞ্জ
  3. গ) বাহরাইন দ্বীপ
  4. ঘ) দিয়াগো গার্সিয়া
সঠিক উত্তর:
খ) সলোমন দ্বীপপুঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সলোমন দ্বীপপুঞ্জ
ব্যাখ্যা
প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত উল্লেখযোগ্য দ্বীপরাষ্ট্রের নাম হল ফিলিপাইন, পাপুয়া নিউগিনি, পালাউ, নাউরু ও সলোমন দ্বীপপুঞ্জ ইত্যাদি। পারস্য উপসাগরে অবস্থিত দ্বীপ বাহরাইন দ্বীপ। দিয়াগো গার্সিয়া ও মালাগাসি দ্বীপ অবস্থিত ভারত মহাসাগরে। উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া অব ব্রিটিনিকা।
৩,৬৫৬.
তাপমণ্ডলের নিম্ন অংশকে কী বলা হয়?
  1. মেসোস্ফিয়ার
  2. ওজোন স্তর
  3. থার্মোস্ফিয়ার
  4. আয়নমণ্ডল
সঠিক উত্তর:
আয়নমণ্ডল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আয়নমণ্ডল
ব্যাখ্যা
তাপমণ্ডল:
- তাপমণ্ডলের নিম্ন অংশকে আয়নমণ্ডল বলা হয়।
- এটি মেসোবিরতির উপরের তাপমণ্ডলের অংশ, যেখানে তীব্র সৌর বিকিরণ বায়ুর অণু ও পরমাণুকে আঘাত করে তাদের আয়নে পরিণত করে।
- এই কারণে এই স্তরে বায়ু আয়নিত থাকে, অর্থাৎ এতে পজিটিভ ও নেগেটিভ আয়ন সৃষ্টি হয়।
- আয়নমণ্ডল মূলত তাপমণ্ডলের ৬০ কিলোমিটার থেকে শুরু হয়ে প্রায় ৪০০ কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত।
- এটি বেতার তরঙ্গ প্রতিফলনে সহায়তা করে বলে রেডিও যোগাযোগে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
- আয়নমণ্ডল সৌর রশ্মি ও মহাকাশীয় বিকিরণ থেকে পৃথিবীকে আংশিকভাবে রক্ষা করে।

সূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,৬৫৭.
সুনামির কারণ হল -
  1. সমুদ্র তলদেশের ভূমিকম্প
  2. ঘূর্ণিঝড়
  3. চন্দ্র ও সূর্যের আকর্ষণ
  4. আগ্নেয়গিরির অগ্নুৎপাত
সঠিক উত্তর:
সমুদ্র তলদেশের ভূমিকম্প
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সমুদ্র তলদেশের ভূমিকম্প
ব্যাখ্যা
সুনামি (Tsunami):

- সমুদ্র তলদেশে ভূমিকম্পের ফলে সুনামি সংঘটিত হয়।
- বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে সুনামি সংঘটনের সম্ভাবনা কম।
- ১৭৬২ সালের ২রা এপ্রিল কক্সবাজার এবং সন্নিহিত অঞ্চলে সুনামির প্রভাব দেখা যায়।
- ১৯৪১ সালে আন্দামান সাগরে ভূমিকম্পের ফলে বঙ্গোপসাগরে সুনামি সংঘটিত হয়। তবে এর ফলে প্রচন্ড আঘাতপ্রাপ্ত হয় ভারতের পূর্ব উপকূল। যার পরিণতিতে ৫,০০০ মানুষ প্রাণ হারায়।
- ২০০৪ সালের ২৬শে ডিসেম্বর ইন্দোনেশিয়ার সিনুয়েলেষু দ্বীপে সংঘটিত ভূমিকম্পের ফলে সৃষ্ট সুনামির আঘাতে সমগ্র ভারত মহাসাগরীয় এলাকায় বহু সংখ্যক লোকের মৃত্যু ঘটে।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৬৫৮.
বাবেল মান্দেব প্রণালি পৃথক করেছে -
  1. আফ্রিকা থেকে ইউরোপকে
  2. এশিয়া থেকে ইউরোপকে
  3. আফ্রিকা থেকে এশিয়াকে
  4. এশিয়া থেকে আমেরিকাকে
সঠিক উত্তর:
আফ্রিকা থেকে এশিয়াকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আফ্রিকা থেকে এশিয়াকে
ব্যাখ্যা
বাবেল মান্দেব প্রণালি:
- আফ্রিকা থেকে এশিয়াকে পৃথক করেছে।
- প্রণালিটি আরব উপদ্বীপে অবস্থিত ইয়েমেন এবং আফ্রিকার অন্তরীপে অবস্থিত জিবুতি, ইরিত্রিয়া ও সোমালিয়াকে পৃথক করেছে। 

অন্যদিকে -
- জিব্রাল্টার প্রণালি: আফ্রিকা থেকে ইউরোপকে পৃথক করেছে।
- বেরিং প্রণালি: এশিয়া থেকে আমেরিকাকে পৃথক করেছে।
- বসফরাস প্রণালি: এশিয়া থেকে ইউরোপকে পৃথক করেছে।

উৎস: World Atlas.
৩,৬৫৯.
নিম্নের কোন নিয়ামকটি একটি অঞ্চলের বা দেশের জলবায়ু নির্ধারণ করে না?
  1. অক্ষরেখা
  2. দ্রাঘিমারেখা
  3. উচ্চতা
  4. সমুদ্রস্রোত
সঠিক উত্তর:
দ্রাঘিমারেখা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্রাঘিমারেখা
ব্যাখ্যা
দ্রাঘিমারেখা কোনো অঞ্চল বা দেশের জলবায়ু নির্ধারণ করে না।

জলবায়ু নিয়ন্ত্রণকারী নিয়ামক:
- যে সব উপাদান আবহাওয়া এবং জলবায়ুর নিয়ন্ত্রণ ও পরিবর্তন সাধন করে তাদেরকে জলবায়ুর নিয়ামক বলে।

⇒ জলবায়ুর নিয়ামক:
১. অক্ষাংশ:
- বায়ুমণ্ডলের তাদের উৎস সূর্য।
- অক্ষাংশ অনুযায়ী সর্যকিরণ কোথাও লম্বভাবে আবার কোথাও তীর্যকভাবে পতিত হয়।
- নিরক্ষরেখায় সূর্যরশ্মি সারা বছর প্রায় লম্বভাবে পড়ে এবং দিন রাত্রির দৈর্ঘ্য প্রায় সমান হয়।
- তাই নিরক্ষীয় অঞ্চলে অধিক উষ্ণতা বিরাজ করে।

২. সমুদ্র পৃষ্ঠ থেকে উচ্চতা:
- সমুদ্র পৃষ্ঠ থেকে ভূপৃষ্ঠের উচ্চতাও জলবায়ুকে প্রভাবিত করে।
- ফলে উচ্চতার ভিত্তিতে বায়ুর তাপমাত্রায় পার্থক্য দেখা যায়।
- একই অক্ষাংশে অবস্থিত বিভিন্ন স্থানের উচ্চতানুযায়ী তাপমাত্রার তারতম্য হয়ে থাকে।

৩. জল ও স্থলভাগের অবস্থান:
- জলভাগ অপেক্ষা স্থলভাগ স্থিতিশীল।
- তাই জল ও স্থলভাগের অবস্থানজনিত কারণে তাপের ব্যাপক পার্থক্য দেখা যায়।
- জলভাগের ওপর পতিত সূর্য তাপের একটা অংশ বাষ্পীভবনে ব্যয় হয় কিন্তু স্থলভাগের ওপর পতিত সূর্য তাপের খুব একটা অপচয় হয় না।
- ফলে জলভাগের চেয়ে স্থলভাগ অপেক্ষাকৃত উষ্ণ থাকে।

৪. পাহাড়-পর্বতের অবস্থান:
- পাহাড়-পবর্তের অবস্থান জলবায়ুর ওপর প্রভাব বিস্তার করে।
- পাহাড়-পর্বত কোনো স্থানের তাপ ও বৃষ্টিপাত নিয়ন্ত্রণ করে।

৫. বনভূমির অবস্থান:
- জলবায়ু নিয়ন্ত্রণের গুরুত্বপূর্ণ নিয়ামক হলো বনভূমি।
- গভীর বনাঞ্চলে সূর্যকিরণ প্রবেশ করতে না পারায় স্থলভাগ উত্তপ্ত হয় না বলে জলবায়ু আর্দ্র থাকে।

৬. সমুদ্র থেকে দূরত্ব:
- সমুদ্রের নিকটবর্তী অঞ্চল সামুদ্রিক আবহাওয়া দ্বারা প্রভাবিত হয়।
- কারণ জলভাগ অপেক্ষা সস্থলভাগ দ্রুত উষ্ণ ও শীতল হয়।
- পক্ষান্তরে, সমুদ্র থেকে দূরবর্তী অঞ্চলের জলবায়ু চরমভাবাপন্ন হয় অর্থাৎ গ্রীষ্মে অধিক গরম এবং শীতকালে ব্যাপক শীত পড়ে।

৭. সমুদ্র স্রোত:
- কোনো দেশের আবহাওয়া ও জলবায়ুর ওপর সমুদ্র স্রোতের যথেষ্ট প্রভাব রয়েছে।
 শীতল স্রোতের ওপর দিয়ে প্রবাহিত বায়ু শীতল এবং উষ্ণ স্রোতের ওপর দিয়ে প্রবাহিত বায়ু উষ্ণ হয়।

৮. বায়ুপ্রবাহ:
- বায়ুপ্রবাহ জলবায়ুকে বহুলাংশে নিয়ন্ত্রণ করে।
 সমুদ্র হতে জলীয়বাষ্পপূর্ণ বায়ু কোনো এলাকার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হলে সে এলাকায় বৃষ্টিপাত হয় এবং উত্তাপ হ্রাস পায়।

৯. বৃষ্টিপাত:
- বৃষ্টিপাত আবহাওয়া ও জলবায়ুকে নিয়ন্ত্রণ করে।
- কোনো স্থানে বৃষ্টিপাত হলে সেখানে উত্তাপ হ্রাস পায়।
- কিন্তু বৃষ্টিপাত না হলে সেখানকার তাপমাত্রা উত্তপ্ত হয়ে যায়।

১০. ভূমির ঢাল:
- কোনো স্থানের জলবায়ুর ওপর ঢালের প্রভাব রয়েছে।
- যে ভূমির ঢাল সূর্যের দিকে থাকে তাতে সূর্যরশ্মি লম্বাভাবে পড়ে।
- ফলে সে স্থান বেশি উত্তপ্ত হয়।
- আবার যে ভূমির ঢাল সূর্যের বিপরীতে থাকে, তাতে সূর্যরশ্মি তীর্যকভাবে পড়ে। ফলে সে স্থান বেশি উত্তপ্ত হতে পারে না।

১১. জলীয়বাষ্প:
- জলীয়বাষ্প বায়ুমণ্ডলের তাপ সংরক্ষণে সহায়তা করে।
- বেশি জলীয়বাষ্পপূর্ণ বায়ু পৃথিবী থেকে তাপ বিকিরণে বাধার সৃষ্টি করে।
- বায়ুতে জলীয়বাষ্প বেশি পরিমাণে থাকলে তা দিনে খুব উষ্ণ ও রাতে খুব শীতল হতে পারে না।

১২. দিবাভাগের দৈর্ঘ্য:
- দিবাভাগে সূর্যের আলোতে ভূপৃষ্ঠ ও বায়ুমণ্ডল উত্তপ্ত হয় এবং রাতে তাপ বিকিরণ করে পৃথিবী শীতল হয়।
- দিন বড় হলে ভূপৃষ্ঠ বেশি উত্তপ্ত হয় এবং ছোট রাতে তাপ বিকিরণের পরিমাণ কম থাকায় বায়ুমণ্ডল ক্রমান্বয়ে উত্তপ্ত হতে থাকে।

১৩. বায়ুর আর্দ্রতা:
- যে বায়ুতে আর্দ্রতার পরিমাণ বেশি, সে বায়ু জলবায়ুকে অধিক প্রভাবিত করতে পারে।
- ফলে উক্ত এলাকায় দিনে খুবই গরম পড়ে এবং রাতে খুবই শীত পড়ে।

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, HSC প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৬৬০.
বাংলাদেশের 'চিলাহাটি স্থল বন্দর' এর ভারতীয় অংশের নাম কি?
  1. ফুলবাড়ি
  2. হলদিবাড়ি
  3. পেট্রাপোল
  4. ডাউকি
সঠিক উত্তর:
হলদিবাড়ি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হলদিবাড়ি
ব্যাখ্যা
চিলাহাটি স্থল বন্দরঃ
বাংলাদেশ অংশের নামঃ চিলাহাটি,ডোবার নিলফামারী।
ভারতীয় অংশের নামঃ হলদিবাড়ি, কুচবিহার, পশ্চিমবঙ্গ। 
উৎস : http://www.bsbk.gov.bd/
৩,৬৬১.
নিচের কোনটি গ্রীন হাউস গ্যাসের অন্তর্ভুক্ত নয়? 
  1. ওজোন
  2. নাইট্রোজেন
  3. জলীয় বাষ্প
  4. ক্লোরোফ্লোরো কার্বন
সঠিক উত্তর:
নাইট্রোজেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাইট্রোজেন
ব্যাখ্যা

• নাইট্রোজেন গ্রীন হাউস গ্যাসের অন্তর্ভুক্ত নয়। 

গ্রীন হাউস গ্যাস: 
- গ্রীন হাউজ ইফেক্টের জন্য দায়ী গ্যাসগুলোকে বলা হয় গ্রীন হাউজ গ্যাস। 
- কয়েকটি উল্লেখযোগ্য গ্রীন হাউজ গ্যাস হচ্ছে - 
• জলীয় বাষ্প, 
• কার্বন ডাই অক্সাইড, 
• নাইট্রাস অক্সাইড, 
• মিথেন, 
• ওজোন, 
• ক্লোরোফ্লোরো কার্বন ইত্যাদি। 

উল্লেখ্য, 
- কার্বন ডাই সালফাইড (CS2) এবং কার্বনিল সাইফাইড (COS) পরোক্ষ গ্রিন হাউজ গ্যাস। 

তথ্যসূত্র: ভূগোল, নবম-দশম শ্রেণি, ব্রিটানিকা এবং Royal Society of Chemistry. 

৩,৬৬২.
বিশ্বের গভীরতম স্থানের নাম কী?
  1. প্রশান্ত মহাসাগর
  2. মারিয়ানা ট্রেঞ্চ
  3. টোঙ্গা ট্রেঞ্চ
  4. সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড
সঠিক উত্তর:
মারিয়ানা ট্রেঞ্চ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মারিয়ানা ট্রেঞ্চ
ব্যাখ্যা
মারিয়ানা ট্রেঞ্চ (Mariana Trench):
- মারিয়ানা ট্রেঞ্চ বিশ্বের গভীরতম স্থান।
- এর অবস্থান হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জ ও ফিলিপাইনের মধ্যবর্তী প্রশান্ত মহাসাগরে।
- এর নামকরণ করা হয় নিকটবর্তী মারিয়ানা দ্বীপ ও অস্ট্রিয়ার তৎকালীন রানী মারিয়ানার নামে।
- মারিয়ানা ট্রেঞ্চের গভীরতা মাপার উদ্যোগ নেয়া হয় ১৮৭৫ সালে।
- তৎকালীন ব্রিটিশ জরিপ পরিচালনাকারী জাহাজ HMS Challenger।
- তখন গভীরতা নির্ণয় করা হয় ২৬,৮৫০ ফুট।
- পরবর্তীতে আরো কয়েকদফা মাপার পর ২০১০ সালে এর সর্বোচ্চ গভীরতা মাপা হয় ৩৬,০৭০ ফুট।
- বর্তমানে এই গভীরতাই গ্রহণযোগ্য।
- এর গভীরতম অংশকে চ্যালেঞ্জার ডিপ বা Challenger Deep বলা হয়। 

অন্যদিকে,
i) টোঙ্গা ট্রেঞ্চ:- অবস্থান - প্রশান্ত মহাসাগর; গভীরতা - ৩৫,৭০২ ফুট।
- টোঙ্গা ট্রেঞ্চ পৃথিবীর দ্বিতীয় গভীরতম স্থান।
ii)সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড:
- সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড খাদ আকৃতির সামুদ্রিক অববাহিকা বা গিরিখাত, যা বঙ্গোপসাগরের মহীসোপানকে কৌণিকভাবে অতিক্রম করেছে।
- এটি গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র বদ্বীপের পশ্চিমে অবস্থিত। গঙ্গা খাত নামেও এটি পরিচিত।
- সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ডের প্রস্থ ৫ থেকে ৭ কিলোমিটার, তলদেশ তুলনামূলকভাবে সমতল এবং পার্শ্ব দেয়াল প্রায় ১২ ডিগ্রি হেলানো। মহীসোপানের কিনারায় খাদের গভীরতা প্রায় ১,২০০ মিটার।
- 'বেঙ্গল ফ্যান' ভূমি রূপটি পাওয়া যায় বঙ্গোপসাগরের সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ডে।

তথ্যসূত্র: ওয়ার্ল্ড এটলাস, ব্রিটানিকা ও ন্যাশনাল জিওগ্রাফি ওয়েবসাইট।
৩,৬৬৩.
স্ট্রাটোমন্ডলের বৈশিষ্ট নয় কোনটি?
  1. জলীয়বাষ্পপূর্ণ।
  2. অতিবেগুনি রশ্মি শোষণ করে।
  3. ওজোন সমৃদ্ধ।
  4. এই স্তর দিয়ে জেট বিমান চলাচল করে।
সঠিক উত্তর:
জলীয়বাষ্পপূর্ণ।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জলীয়বাষ্পপূর্ণ।
ব্যাখ্যা
স্ট্রাটোমন্ডল
- বায়ুমণ্ডলের দ্বিতীয় স্তর স্ট্রাটোমন্ডল।
- ভূপৃষ্ঠের নিকটতম স্তর ট্রপোমন্ডল এর পর ট্রপোবিরতি।
- ট্রপোবিরতি থেকে উপরে প্রায় ৫০ কিমি পর্যন্ত স্ট্রাটোমন্ডল বিস্তৃত।
- এই স্তর ওজোন সমৃদ্ধ বলে ক্ষতিকর অতিবেগুনি রশ্মি শোষণ করে।
- জলীয়বাষ্পহীন বলে এই স্তর শুষ্ক ও শান্ত।
- এই কারণে এই স্তর দিয়ে জেট বিমান চলাচল করে।

উল্লেখ্য, 
বায়ুমন্ডলকে পাঁচটি স্তরে ভাগ করা হয়েছে। যথা-
১. ট্রপোমণ্ডল,
২. স্ট্রাটোমন্ডল,
৩. মেসোমণ্ডল,
৪. তাপমণ্ডল ও
৫. এক্সোমণ্ডল।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, নবম দশম শ্রেনি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৬৬৪.
সমুদ্রের অগভীর অঞ্চল থেকে সমুদ্রের তলদেশে ক্রমনিম্ন নিমজ্জিত অংশকে কী বলে?
  1. দ্বীপ
  2. মহীঢাল
  3. মহীসোপান
  4. মহাসাগরীয় খাত
সঠিক উত্তর:
মহীসোপান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মহীসোপান
ব্যাখ্যা
• মহীসোপান (Continental Shelf):
- মহাদেশসমূহের চতুর্দিকের স্থলভাগের কিছু অংশ ঢালু হয়ে সমুদ্রের পানির মধ্যে নেমে গেছে। এরূপ সমুদ্রের উপকূল রেখা থেকে সমুদ্রের তলদেশে ক্রমনি নিমজ্জিত অংশকে মহীসোপান বা Continental Shelf বলে।

- এই অঞ্চলটি সমুদ্রের অগভীর অঞ্চল হিসাবেও পরিচিত।
-  মহীসোপানের গড় সর্বোচ্চ গভীরতা ২০০ মিটার এবং মহীসোপান ১° কোণে সমুদ্র তলদেশে নিমজ্জিত থাকে।
- মহীসোপানের গড় প্রশস্ততা ৭০ কিলোমিটার।
- মহাদেশের উপকূল যদি বিস্তৃত সমভূমি হয়, তবে মহীসোপান অধিক প্রশস্ত হয়।
- মহাদেশের উপকূল পর্বত বা মালভূমি থাকলে মহীসোপান সংকীর্ণ হয়।

- ইউরোপের উত্তর-পশ্চিমে পৃথিবীর বৃহত্তম মহীসোপান অবস্থিত। মহীসোপানকে সমুদ্রের অগভীর অঞ্চলও বলা হয়।
- মহীসোপান অঞ্চলের সামুদ্রিক সঞ্চয় বেশি আবার মহাদেশীয় ভূ-খন্ডের শেষ প্রান্তবা শেষ সীমাও বলা হয়।
- মহীসোপানকে প্রধান দুইভাগে ভাগ করা যায়।
যথা :
১.তটদেশীয় অঞ্চল 
২. ঝিনুক অঞ্চল।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৬৬৫.
মেসিনা প্রণালী কোন সাগরে অবস্থিত?
  1. লোহিত সাগর
  2. ভূমধ্যসাগর
  3. আরব সাগর
  4. তিমুর সাগর
সঠিক উত্তর:
ভূমধ্যসাগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভূমধ্যসাগর
ব্যাখ্যা
• মেসিনা প্রণালী (Strait of Messina):
- মেসিনা প্রণালী হচ্ছে ভূমধ্যসাগরের একটি সংকীর্ণ জলপ্রবাহ।
- এটি ইতালির মূলভূখণ্ড (কালাব্রিয়া অঞ্চল) এবং সিসিলি দ্বীপ-এর মধ্যে অবস্থিত।
- এটি তিরেনিয়ান সাগর (Tyrrhenian Sea) ও আয়োনিয়ান সাগর (Ionian Sea)-কে সংযুক্ত করে।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৩,৬৬৬.
ভূ-অভ্যন্তরের আকস্মিক পরিবর্তনের ফলে কোন ধরনের দুর্যোগ সংঘটিত হয়?
  1. ক) অগ্ন্যুৎপাত
  2. খ) ভূমিকম্প
  3. গ) কালবৈশাখি ঝড়
  4. ঘ) ক ও খ
সঠিক উত্তর:
ঘ) ক ও খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ক ও খ
ব্যাখ্যা
• ভূ-অভ্যন্তর উত্তপ্ত বলে প্রচণ্ড তাপ ও চাপের যে তারতম্য হয়, তাতে ভূ-অভ্যন্তরে প্রচন্ড শক্তির সৃষ্টি হয় এবং ভূ-ত্বকের আকস্মিক ও ধীর পরিবর্তন হয়।
• ভূ-অভ্যন্তরের আকস্মিক পরিবর্তনের ফলে ভূমিকম্প, অগ্ন্যুৎপাত প্রভৃতি হয়ে থাকে।
• এসব দুর্যোগের ফলে সৃষ্ট প্রতিক্রিয়ায় দূষণের উদ্ভব হতে পারে। যেমন- আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের ফলে গ্রাম, শহর ও জনপদ ধ্বংস হয়ে যেতে পারে। উদাহরণ হিসেবে বলা যায় যে, ইতালির ভিসুভিয়াস আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের ফলে পম্পেই নগর লাভার নিচে চাপা পড়ে। এছাড়া ছাই, ভস্ম ইত্যাদি চতুর্দিকে ছড়িয়ে পড়ে বাতাস দূষিত করে তোলে।
• আবার ভূমিকম্পের ফলে বহু মানুষ, জীবজন্তু মারা যায় এবং ঘরবাড়ি বিনষ্ট হয়। মৃতদেহসমূহ দ্রুত সরাতে না পারলে তা পচে দুর্গন্ধ এবং রোগ-জীবাণু ছড়িয়ে পড়ে। ফলে বায়ু, পানি এবং মৃত্তিকা দূষণ
দেখা দেয়। সুতরাং বলা যায় যে, ভূ-অভ্যন্তরস্থ প্রক্রিয়ায় সৃষ্ট দুর্যোগসমূহ দূষণের কারণ হিসেবে কাজ করে।   

তথ্যসূত্র: ভূগোল দ্বিতীয় পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৩,৬৬৭.
কর্ণফুলী নদী কোথা থেকে উৎপত্তি লাভ করেছে?
  1. গঙ্গোত্রী হিমবাহ
  2. লুসাই পাহাড়
  3. মানস সরোবর
  4. ত্রিপুরা পাহাড়
সঠিক উত্তর:
লুসাই পাহাড়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লুসাই পাহাড়
ব্যাখ্যা
কর্ণফুলী নদী: 
- বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের নদীগুলোর মধ্যে অন্যতম কর্ণফুলী। 
- এটি মিজোরামের লুসাই পাহাড় থেকে উৎপত্তি লাভ করেছে
- পাহাড়ি এ নদী চট্টগ্রাম ও রাঙামাটি জেলার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে পতেঙ্গার কাছে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে।
- উৎস থেকে মোহনা পর্যন্ত এ নদীর দৈর্ঘ্য প্রায় ২৭৪ কিলোমিটার।
- কর্ণফুলী নদীর প্রধান উপনদী হালদা, কাসালং, বোয়ালখালি, চেঙ্গী, শিলক, রাঙখিয়াং ইত্যাদি।
- রাঙামাটি জেলার কাপ্তাই নামক স্থানে বাঁধ দিয়ে দেশের একমাত্র পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে।
- দেশের প্রধান সমুদ্র বন্দরটি এই নদীর তীরে চট্টগ্রামে অবস্থিত।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৬৬৮.
পৃথিবীর সর্বাধিক দ্বীপ দেশ কোনটি?
  1. রাশিয়া
  2. ইন্দোনেশিয়া
  3. জাপান
  4. শ্রীলংকা
সঠিক উত্তর:
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইন্দোনেশিয়া
ব্যাখ্যা
• দ্বীপ দেশ:
→ পৃথিবীতে ৪৭টি দ্বীপ দেশ রয়েছে।
→ পৃথিবীর প্রতিটি অঞ্চলে, বিশ্বের প্রতিটি মহাসাগরে দ্বীপ দেশ রয়েছে।
ইন্দোনেশিয়া বিশ্বের বৃহত্তম এবং সর্বাধিক জনবহুল দ্বীপ দেশ।
==============
→ গ্রীনল্যান্ড পৃথিবীর বৃহত্তম দ্বীপ।
→  ১০টি বৃহত্তম দ্বীপ দেশ হচ্ছে - ইন্দোনেশিয়া, মাদাগাস্কার, পাপুয়া নিউ গিনি, জাপান, মালয়েশিয়া, ফিলিপাইন, নিউজিল্যান্ড, যুক্তরাজ্য, কিউবা, আইসল্যান্ড।

তথ্যসূত্র: ওয়ার্ল্ড এটলাস।
৩,৬৬৯.
নিচের কোনটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ?
  1. অগ্নিকাণ্ড
  2. বনাঞ্চল ধ্বংস
  3. আগ্নেয়গিরি
  4. মরুকরণ
সঠিক উত্তর:
আগ্নেয়গিরি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আগ্নেয়গিরি
ব্যাখ্যা
- ’রাসায়নিক দূষণ’ একটি মানব-সৃষ্ট দুর্যোগ।

• প্রাকৃতিক দুর্যোগঃ
-  প্রাকৃতিক দুর্যোগ বলতে প্রাকৃতিক শক্তি দ্বারা সংঘটিত দুর্যোগসমূহকে বুঝায়। 
 যেমন:
- বন্যা, ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছাস, টর্নেডো, ভূমিকম্প, খরা, নদীভাঙন, সুনামি, আগ্নেয়গিরি, ইত্যাদি।

• মানব- সৃষ্ট দুর্যোগ:
- মানব-সৃষ্ট দুর্যোগ বলতে মানব কর্মকান্ডের ফলে সংঘটিত দুর্যোগসমূহকে বুঝায়।
যেমন:
- জলাবদ্ধতা, অগ্নিকাণ্ড, রাসায়নিক দূষণ, যুদ্ধ-বিগ্রহ, সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা, বনাঞ্চল ধ্বংস, পরিবেশ দূষণ, মরুকরণ, অগ্নিকাণ্ড ইত্যাদি।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম ও দশম শ্রেণি বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৬৭০.
বন্যা নিয়ন্ত্রণে সাধারণ ব্যবস্থাপনার অন্তর্ভুক্ত নয় কোনটি?
  1. নদী খননের মাধ্যমে পানি পরিবহন সক্ষমতা বৃদ্ধি করা
  2. নদী শাসন ব্যবস্থা সুনিশ্চিত করা
  3. নদীর দুই তীরে বনাঞ্চল সৃষ্টি করা
  4. বন্যার পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ ব্যবস্থার উন্নয়ন সাধন করা
সঠিক উত্তর:
নদী খননের মাধ্যমে পানি পরিবহন সক্ষমতা বৃদ্ধি করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নদী খননের মাধ্যমে পানি পরিবহন সক্ষমতা বৃদ্ধি করা
ব্যাখ্যা
◉  "নদী খননের মাধ্যমে পানি পরিবহন সক্ষমতা বৃদ্ধি করা" - বন্যা নিয়ন্ত্রণে সাধারণ ব্যবস্থাপনার অন্তর্ভুক্ত নয়।

⇒ বন্যা নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা (Flood Control System):
ক. সাধারণ ব্যবস্থাপনা:
১) নদীর দুই তীরে প্রচুর বৃক্ষ রোপন করা।
২) নদী-শাসন ব্যবস্থা সুনিশ্চিত করা।
৩) বন্যার পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ ব্যবস্থার উন্নয়ন সাধন।
৪) পুকুর, নালা, বিল প্রভৃতি খনন ও পুনঃখনন করে পানি সংরক্ষণ করা।
৫) বন্যা মোকাবেলার জন্য সরকারি ভাবে স্থায়ী ও দক্ষ প্রশাসনিক কাঠামো গড়ে তোলা।

খ. ব্যয়বহুল প্রকৌশলগত ব্যবস্থাপনা:
১) ড্রেজিং-এর মাধ্যমে নদীর পানি পরিবহন ক্ষমতা বৃদ্ধি করা।
২) জলাধার নির্মাণের মাধ্যমে পানি প্রবাহকে সম্পূর্ণরূপে নিয়ন্ত্রণ করা।
৩) আর্ন্তজাতিক নদীসমূহে পানি প্রবাহকে বাঁধের সাহায্যে নিয়ন্ত্রন ও নিষ্কাশন করা।
৪) সমুদ্র উপকূলবর্তী এলাকার পানির অনুপ্রবেশ বন্ধ করা।
৫) নদী তীরে স্থায়ী ও সুদৃঢ় বাঁধ নির্মাণ করে নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ সংরক্ষণ করা।

গ. সহজ প্রকৌশলগত ব্যবস্থাপনা
১) নদীর দুই তীরে বেড়িবাঁধ দিয়ে নদীর পানি উপচে পড়া বন্ধ করা।
২) দেশের সর্বত্র বনায়ন সৃষ্টি করা।
৩) রাস্তাঘাট নির্মাণের ক্ষেত্রে পরিকল্পিত পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা রাখা।
৪) বন্যা প্রবল অঞ্চলে সর্বোচ্চ বন্যা লেভেলের উপরে 'আশ্রয়কেন্দ্র' প্রতিষ্ঠা করা।
৫) শহর বেষ্টনীমূলক বাঁধ দেওয়া।

সূত্র: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৬৭১.
বাংলাদেশের মৃত্তিকা সম্পদ ইনস্টিটিউট এর কার্যালয় কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) জয়দেবপুর, গাজীপুর
  2. খ) ত্রিশাল, ময়মনসিংহ
  3. গ) ঈশ্বরদী, পাবনা
  4. ঘ) ফার্মগেট, ঢাকা
সঠিক উত্তর:
ঘ) ফার্মগেট, ঢাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ফার্মগেট, ঢাকা
ব্যাখ্যা

মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট (এসআরডিআই) হচ্ছে কৃষি মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণাধীন একটি সরকারী প্রতিষ্ঠান। প্রতিষ্ঠান-এর প্রধান নির্বাহী হচ্ছেন মহাপরিচালক।
- এর উদ্দেশ্য যথাযথ এবং টেকসই ভূমি ও মৃত্তিকা (বাংলাদেশের প্রধান সম্পদ) ব্যবস্থাপনা ও পরিবেশ বান্ধব কৃষি প্রযুক্তির মাধ্যমে খাদ্যে সয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন এবং সকলের জন্য খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ।
- ১৯৬১ সালে প্রতিষ্ঠিত এই প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন ধাপ পেরিয়ে ১৯৮৩ সালে মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট নামে নতুনভাবে যাত্রা শুরু করে। 
- এর প্রধান কার্যালয়, মৃত্তিকা ভবন, কৃষি খামার সড়ক, ফার্মগেট, ঢাকা।

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও srdi.portal.gov.bd
৩,৬৭২.
বাংলাদেশের বৃহত্তম জলপ্রপাত কোনটি?
  1. খৈয়াছড়া জলপ্রপাত
  2. মাধবকুন্ড জলপ্রপাত
  3. মায়াবী জলপ্রপাত
  4. রিছাং জলপ্রপাত
সঠিক উত্তর:
মাধবকুন্ড জলপ্রপাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাধবকুন্ড জলপ্রপাত
ব্যাখ্যা
মাধবকুন্ড জলপ্রপাত:

- মৌলভীবাজার জলোর বড়লখো উপজলোয় মাধবকুন্ড জলপ্রপাতটি বাংলাদেশের বৃহত্তম জলপ্রপাত।
- প্রায় ২০০ ফুট উঁচু টিলা হতে পাহাড়ি ঝর্নার পতিত জলরাশি পর্যটকের জন্য আকর্ষণীয়।
- এ জলপ্রপাতের নিকটেই খাসিয়া নৃ-গোষ্ঠীর বসবাস।
- জলপ্রপাতের চতুর্দিকে বিশাল বনভূমি অবস্থিত।
- মাধবকুন্ড ইকোপার্কে প্রতিবছর লক্ষ লক্ষ পর্যটকের সমাগম ঘটে। তাছাড়া এ মাধবকুন্ড জলপ্রপাত সংলগ্ন কুন্ডে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের চৈত্রমাসের মধুকৃষ্ণা ত্রয়োদশী তিথিতে বারুনী স্নান হয় এবং মেলা বসে।
- হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের এটি একটি তীর্থ স্থান।

তথ্যসূত্র - মৌলভীবাজার জেলা।
৩,৬৭৩.
পৃথিবীর মোট জলভাগের মধ্যে হিমবাহের পরিমাণ কত শতাংশ?
  1. ০.৬৮ শতাংশ
  2. ০.৯৮ শতাংশ
  3. ২.০৫ শতাংশ
  4. ৫.৭১ শতাংশ
সঠিক উত্তর:
২.০৫ শতাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২.০৫ শতাংশ
ব্যাখ্যা
পৃথিবীর জলভাগের অবস্থানভিত্তিক বণ্টন:
- সমুদ্র : ৯৭.২৫ শতাংশ
- হিমবাহ : ২.০৫ শতাংশ
- ভূগর্ভস্থ পানি : ০.৬৮ শতাংশ
- হ্রদ : ০.০১ শতাংশ
- মাটির আর্দ্রতা : ০.০০৫ শতাংশ
- বায়ুমণ্ডল : ০.০০১ শতাংশ
- নদী : ০.০০০১ শতাংশ
- জীবমণ্ডল : ০.০০০০৪ শতাংশ।
(তথ্যসূত্রঃ ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী)
৩,৬৭৪.
সাবমেরিন ক্যাবলের মাধ্যমে প্রথম যে উপজেলায় বিদ্যুৎ সংযোগ দেয়া হয়?
  1. ক) রাঙ্গাবালি (পটুয়াখালী)
  2. খ) সন্দ্বীপ (চট্টগ্রাম)
  3. গ) পেকুয়া (কক্সবাজার)
  4. ঘ) ঝিংলা(কক্সবাজার)
সঠিক উত্তর:
খ) সন্দ্বীপ (চট্টগ্রাম)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সন্দ্বীপ (চট্টগ্রাম)
ব্যাখ্যা
- সাবমেরিন ক্যাবলের মাধ্যমে প্রথম যে উপজেলায় বিদ্যুৎ সংযোগ দেয়া হয় - সন্দীপ (চট্টগ্রাম)।
- সাগর তলদেশে সাবমেরিন ক্যাবল স্থাপনের মাধ্যমে সাগর দ্বীপ সন্দ্বীপকে জাতীয় বিদ্যুৎ গ্রিডের আওতায় আনা হয়েছে।
- ‘চট্টগ্রাম বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থা উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড থেকে সন্দ্বীপ পর্যন্ত ১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ সাগর তলদেশে এই সাবমেরিন ক্যাবল স্থাপন করা হয়েছে।
- এতে সন্দ্বীপের চার লাখ অধিবাসী গ্রিড বিদ্যুৎ সুবিধার আওতায় এলো।
- সাবমেরিন ক্যাবল স্থাপনের ফলে পর্যাপ্ত বিদ্যুৎ সরবরাহের সুযোগ সৃষ্টি হওয়ায় এখানে শিল্প কারখানা স্থাপনসহ বাণিজ্যিক কর্মকাণ্ডের ব্যাপক প্রসার ঘটবে।’
- সর্বশেষ রাঙ্গাবালি (পটুয়াখালী) উপজেলা বিদ্যুতের আওতায় আসে।

তথ্যসূত্র- বাংলা ট্রিবিউন এবং সাম্প্রতিক সমাচার এপ্রিল ২০২২।
৩,৬৭৫.
১৯৬৪ সালে কোন দেশে প্রথম জিআইএস-এর ব্যবহার শুরু হয়?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. কানাডা
  3. যুক্তরাজ্য
  4. অস্ট্রেলিয়া
সঠিক উত্তর:
কানাডা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কানাডা
ব্যাখ্যা
জিআইএস (GIS): 
- GIS-এর পূর্ণরূপ: Geographic information systems বা ভৌগোলিক তথ্য পদ্ধতি হলো ভৌগোলিক তথ্য সংরক্ষণ এবং বিশ্লেষণ ব্যবস্থা।
- বৃটিশ গবেষক সোহো (Soho) ১৮৫৪ সালে লন্ডন শহরের ভয়াবহ কলেরা রোগের উপর কাজ করেন। তিনি নিশ্চিত হন যে, কিছু পাম্পের পানি দূষিত হয়ে কলেরা ছড়াচ্ছে। লন্ডন শহরের ঐ এলাকার পানির পাম্প এবং চারপাশে কী পরিমাণ লোকের মধ্যে কলেরা ছড়াচ্ছে বা মারা যাচ্ছে সে সম্পর্কে উপাত্ত সংগ্রহ করে তা মানচিত্রে দেখান। তাঁর এ গবেষণার ফলে সমস্যা অনুধাবন করে কলেরা রোগ দূর করার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা সহজ হয়।
- ১৯৬৪ সালে কানাডিয়ান 'The Canadian Geographic Information System (CGIS)' এর মাধ্যমে জিআইএস এর ব্যবহার শুরু হয়।
- ১৯৮৬ সালে ESRI বাণিজ্যিকভাবে Arc/Info সফট্ওয়্যার তৈরি শুরু করে।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশে ১৯৯১ সালে প্রথম জিআইএস এর ব্যবহার শুরু হয়।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৬৭৬.
ইসরাইল ও সিরিয়ার মধ্যে সীমানা নিচের কোনটি?
  1. ম্যাকমোহন লাইন
  2. পার্পল লাইন
  3. সনেরা লাইন
  4. লাইন অব ডিমারকেশন
সঠিক উত্তর:
পার্পল লাইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পার্পল লাইন
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন দেশের সীমানা:

- ডুরান্ড লাইন - পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যে সীমানা।
- ম্যাকমোহন লাইন - ভারত ও চীনের মধ্যে সীমানা।
- রেডক্লিফ লাইন - ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সীমারেখা।
- লাইন অব ডিমারকেশন - পর্তুগাল ও স্পেনের মধ্যে সীমানা।
- লাইন অব কন্ট্রোল - ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সীমানা।
- লাইন অব একচুয়াল কন্ট্রোল - চীন ও ভারত মধ্যে সীমানা।
- পার্পল লাইন - ইসরাইল ও সিরিয়ার মধ্যে সীমানা।
- সনেরা লাইন - মেক্সিকো ও যুক্তরাষ্ট্র মধ্যকার সীমানা।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
৩,৬৭৭.
নিচের কোনটি রূপান্তরিত শিলার উদাহরণ?
  1. নিস
  2. স্লেট
  3. ব্যাসল্ট
  4. ক ও খ উভয়ই
সঠিক উত্তর:
ক ও খ উভয়ই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক ও খ উভয়ই
ব্যাখ্যা
শিলার প্রকারভেদ:
- ভূ-ত্বক গঠনকারী সকল শিলাসমূহকে গঠন প্রণালির ভিত্তিতে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়।
ক. আগ্নেয়শিলা:
- যেমন: ব্যাসল্ট, গ্রানাইট ইত্যাদি।
খ. পাললিক শিলা:
- যেমন: বেলে পাথর, শেল,লিগনাইট, বিটুমিনাস, জিপসাম, ডলোমাইট ইত্যাদি।
গ. রূপান্তরিত শিলা:
- কাঁদা রূপান্তরিত হয়ে স্লেটে, গ্রানাইট রূপান্তরিত হয়ে নিসে পরিণত হয়।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৬৭৮.
কোন নদীকে 'বঙ্গবন্ধু মৎস্য হেরিটেজ' ঘোষণা করা হয়?
  1. মেঘনা নদী
  2. কর্ণফুলী নদী
  3. পদ্মা নদী
  4. হালদা নদী
সঠিক উত্তর:
হালদা নদী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হালদা নদী
ব্যাখ্যা
হালদা নদী:
- ২০২০ সালে হালদার জীববৈচিত্র্য এবং পরিবেশ রক্ষায় খাগড়াছড়ির রামগড়, মানিকছড়ি; চট্টগ্রামের হাটহাজারী, ফটিকছড়ি, রাউজান উপজেলা ও পাঁচলাইশ থানার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হালদা এবং এর তীরবর্তী ২৩ হাজার ৪২২ একর সীমানা বঙ্গবন্ধু হেরিটেজ এলাকা ঘোষণা করা হয়।
- বাংলাদেশের সীমানায় উৎপত্তি ও সমাপ্তি হয়েছে হালদা নদী।
- চট্টগ্রামে অবস্থিত হালদা নদী বাংলাদেশের একমাত্র প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন ক্ষেত্র।
- এটি খাগড়াছড়ি (বাদনাতলী) থেকে উৎপন্ন হয়ে কর্ণফুলী নদীতে পতিত হয়েছে।
- হালদী নদী সরকার ঘোষিত একটি মৎস্য অভয়াশ্রম।
- সম্প্রতি সরকার এই নদীকে 'বঙ্গবন্ধু মৎস্য হেরিটেজ' ঘোষণা করেছে।

তথ্যসূত্র - মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।
৩,৬৭৯.
কর্ণফুলী নদীর উৎপত্তিস্থল-
  1. ক) আসাম
  2. খ) হিমালয়
  3. গ) চট্রগ্রাম
  4. ঘ) ভৈরব
সঠিক উত্তর:
ক) আসাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) আসাম
ব্যাখ্যা
-- বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের নদীগুলোর মধ্যে অন্যতম কর্ণফুলী।
-- এটি আসামের লুসাই পাহাড় থেকে উৎপত্তি লাভ করেছে।
-- পাহাড়ি এ নদী চট্টগ্রাম ও রাঙামাটি জেলার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে পতেঙ্গার কাছে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে।
-- উৎস থেকে মোহনা পর্যন্ত এ নদীর দৈর্ঘ্য প্রায় ২৭৪ কিলোমিটার।
-- কর্ণফুলী নদীর প্রধান উপনদী হালদা, কাসালং, বোয়ালখালি, চেঙ্গী, শিলক, রাঙখিয়াং ইত্যাদি।
-- এ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের উৎপাদন ক্ষমতা ২৩০ মেগাওয়াট। দেশের
-- প্রধান সমুদ্র বন্দরটি এই নদীর তীরে চট্টগ্রামে অবস্থিত। 

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় (SSC Programme), উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৬৮০.
সূর্য কোন তারিখে ২৩.৫° উত্তর অক্ষাংশ বরাবর লম্বভাবে কিরণ দেয়?
  1. ২১শে জুন
  2. ২১শে মার্চ
  3. ২২শে ডিসেম্বর
  4. ২৩শে সেপ্টেম্বর
সঠিক উত্তর:
২১শে জুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২১শে জুন
ব্যাখ্যা
পৃথিবীর বার্ষিক গতির ফল ও দিবারাত্রির হ্রাস-বৃদ্ধি:
⇒ পৃথিবী নিজ কক্ষপথে ঘুরতে ঘুরতে ২১শে জুন তারিখে এমন অবস্থানে আসে যে, ঐ দিন উত্তর গোলার্ধে ২৩.৫° উত্তর অক্ষাংশ বরাবর সূর্য রশ্মি লম্বভাবে পতিত হয়।
- অর্থাৎ সূর্য ২১শে জুন তারিখে ২৩.৫° উত্তর অক্ষাংশ বরাবর লম্বভাবে কিরণ দেয়।
- ২১ শে জুন তারিখে উত্তর গোলার্ধে সর্বাপেক্ষা বড় দিন (১৪ ঘণ্টা) ও সর্বাপেক্ষা ছোট (১০ ঘণ্টা) রাত হয়ে থাকে।
- সূর্যের এই অবস্থানকে সূর্যের উত্তরায়ণ বলে।
- এ সময়ে উত্তর গোলার্ধ সূর্যের দিকে হেলে থাকায় দীর্ঘ দিবাভাগ ও অপেক্ষাকৃত কম দীর্ঘ রাত্রি সংঘটিত হয়।
- এ সময়ে সূর্যের কিরণ দীর্ঘ সময় যাবৎ ভূ-পৃষ্ঠ ও তৎসংলগ্ন বায়ুস্তরকে অত্যন্ত উত্তপ্ত করে তোলে।
- ফলে এপ্রিল মাসের প্রথম ভাগ থেকে জুন মাসের শেষ ভাগ পর্যন্ত উত্তর গোলার্ধে গ্রীষ্মকাল বিরাজ করে।
- অপরদিকে দক্ষিণ গোলার্ধ সূর্য থেকে অধিক দূরত্বে অবস্থান করায় সে সময়ে ঐ গোলার্ধে শীতকাল বিরাজ করে।
- সূর্য উত্তর গোলার্ধে ২৩.৫° উত্তর অক্ষরেখা বা কর্কটক্রান্তি রেখা পর্যন্ত লম্বভাবে কিরণ দিতে পারে।
- অতএব ২১ শে জুন ২৩.৫° উত্তর অক্ষরেখায় সূর্যের উত্তরায়ণকে কর্কট সংক্রান্তি বলা হয়।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৬৮১.
বঙ্গোপসাগর ও জাভা সাগরকে সংযুক্ত করে কোন প্রণালী? 
  1. তাতার প্রণালী
  2. পক প্রণালী
  3. মালাক্কা প্রণালী
  4. হরমুজ প্রণালী
সঠিক উত্তর:
মালাক্কা প্রণালী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মালাক্কা প্রণালী
ব্যাখ্যা

মালাক্কা প্রণালী:
- মালাক্কা প্রণালী বিশ্বের দীর্ঘতম প্রণালী, যা মালয় উপদ্বীপ ও সুমাত্রা দ্বীপের মধ্যে অবস্থিত।
- মালাক্কা প্রণালী ভারতের আন্দামান সাগর (বঙ্গোপসাগরের অংশ) এবং প্রশান্ত মহাসাগরের দক্ষিণ চীন সাগরকে সংযুক্ত করে।
- এই প্রণালী বঙ্গোপসাগর ও জাভা সাগরকেও সংযুক্ত করে।
- এই প্রণালী মালয় উপদ্বীপ (মালয়েশিয়া ও থাইল্যান্ডের অংশ) এবং ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রা দ্বীপকে পৃথক করেছে।
- এটি প্রায় ৮০০ কিলোমিটার দীর্ঘ।।
- প্রণালীর পশ্চিমে সুমাত্রা এবং পূর্বে মালয়েশিয়া ও দক্ষিণে থাইল্যান্ড অবস্থিত।
- এই প্রণালীর নাম এসেছে মালাকা বাণিজ্য বন্দর থেকে।

অন্যদিকে,
- তাতার প্রণালী দক্ষিণে জাপান সাগরকে উত্তরে ওখোটস্ক সাগরের সাথে যুক্ত করেছে।
- ভারত ও শ্রীলঙ্কাকে পৃথক করেছে পক প্রণালী।
- পক প্রণালী সংযুক্ত করেছে ভারত মহাসাগর ও আরব সাগরকে।
- হরমুজ প্রণালী পারস্য উপসাগরকে ওমান উপসাগর ও আরব সাগরের সাথে যুক্ত করেছে।

উৎস: Britannica.

৩,৬৮২.
রিং অব ফায়ারে অবস্থিত পৃথিবীর সবচেয়ে গভীর সমুদ্র খাত কোনটি?
  1. পুয়ের্তো রিকো ট্রেঞ্চ
  2. মারিয়ানা ট্রেঞ্চ
  3. জাভা ট্রেঞ্চ
  4. টোঙ্গা ট্রেঞ্চ
সঠিক উত্তর:
মারিয়ানা ট্রেঞ্চ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মারিয়ানা ট্রেঞ্চ
ব্যাখ্যা

রিং অফ ফায়ার (Ring of Fire):
- রিং অফ ফায়ার (Ring of Fire) প্রশান্ত মহাসাগরের চারপাশে অবস্থিত একটি বিশাল আগ্নেয়গিরি ও ভূমিকম্পপ্রবণ অঞ্চল।
- এটি দেখতে বিশাল ঘোড়ার ক্ষুরের মতো আকৃতির।
- এটি দক্ষিণ চিলি থেকে শুরু করে আমেরিকার পশ্চিম উপকূল পর্যন্ত, আলাস্কার দ্বীপপুঞ্জ এবং জাপানের নিচে ফিলিপাইন পর্যন্ত বিস্তৃত। 
- এটি টেকটোনিক প্লেটগুলির সংঘর্ষের কারণে তৈরি।
- বিশ্বের বেশিরভাগ সক্রিয় আগ্নেয়গিরি (৭৫%) এবং বেশিরভাগ ভূমিকম্প (৯০%) এখানেই ঘটে, যার ফলে গভীর সমুদ্র খাত ও আগ্নেয়গিরির সৃষ্টি হয়েছে। 

উল্লেখ্য,
- রিং অফ ফায়ারের মধ্যে পৃথিবীর সবচেয়ে গভীর সমুদ্র খাত হলো মারিয়ানা ট্রেঞ্চ যার গভীরতম বিন্দুটি চ্যালেঞ্জার ডিপ (Challenger Deep) নামে পরিচিত। 

এছাড়াও,
- ১৮০০ সাল থেকে রিং অফ ফায়ারের মধ্যে যেসব প্রধান আগ্নেয়গিরির ঘটনা ঘটেছে তার মধ্যে রয়েছে অগ্ন্যুৎপাত মাউন্ট টাম্বোরা (১৮১৫), ক্রাকাটোয়া (১৮৮৩), নোভারূপ্তা (১৯১২), মাউন্ট সেন্ট হেলেন্স (১৯৮০), মাউন্ট রুইজ (১৯৮৫), এবং মাউন্ট পিনাটুবো (১৯৯১)।
- রিং অফ ফায়ার ইতিহাসের বেশ কয়েকটি বৃহত্তম রেকর্ডকৃত ভূমিকম্পের জন্য পরিচিত যার মধ্যে রয়েছে ১৯৬০ সালের চিলির ভূমিকম্প , ১৯৬৪ সালের আলাস্কার ভূমিকম্প , ২০১০ সালের চিলির ভূমিকম্প এবং ২০১১ সালের জাপানের ভূমিকম্প এবং সেই সাথে ধ্বংসাত্মক ২০০৪ সালের ভারত মহাসাগরের সুনামি।

অন্যদিকে,
- পুয়ের্তো রিকো ট্রেঞ্চ আটলান্টিক মহাসাগরে অবস্থিত এবং এটি আটলান্টিক মহাসাগরের গভীরতম স্থান, যা ক্যারিবিয়ান সাগর ও আটলান্টিকের সীমানায় পুয়ের্তো রিকো দ্বীপের উত্তরে অবস্থিত। 
- জাভা ট্রেঞ্চ বা সুন্দা খাত ভারত মহাসাগরে অবস্থিত এবং এটি ভারত মহাসাগরের গভীরতম স্থান, যা ইন্দোনেশিয়ার জাভা দ্বীপের দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত।
- টোঙ্গা ট্রেঞ্চ প্রশান্ত মহাসাগরের দক্ষিণ-পশ্চিম অংশে অবস্থিত। এটি মারিয়ানা ট্রেঞ্চের পর পৃথিবীর দ্বিতীয় গভীরতম মহাসাগরীয় খাত হিসেবে পরিচিত।

উৎস: Britannica.

৩,৬৮৩.
সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড কোন ধরনের ভূমিরূপ?
  1. সমতল সমুদ্রতল
  2. গিরিখাত
  3. প্রবাল প্রাচীর
  4. নদীর মোহনা
সঠিক উত্তর:
গিরিখাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গিরিখাত
ব্যাখ্যা

সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড:
- সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড খাদ আকৃতির সামুদ্রিক অববাহিকা বা গিরিখাত, যা বঙ্গোপসাগরের মহীসোপানকে কৌণিকভাবে অতিক্রম করেছে।
- এটি গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র ব-দ্বীপের পশ্চিমে অবস্থিত।
- গঙ্গা খাদ নামেও এটি পরিচিত।
- সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ডের প্রস্থ ৫ থেকে ৭ কিলোমিটার, তলদেশ তুলনামূলকভাবে সমতল এবং পার্শ্ব দেয়াল প্রায় ১২ ডিগ্রি হেলানো।
- মহীসোপানের কিনারায় খাদের গভীরতা প্রায় ১,২০০ মিটার।
- বেঙ্গল ফ্যান ভূমিরূপটি পাওয়া যায় বঙ্গোপসাগরের সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ডে।
- বঙ্গীয় ডিপ সি ফ্যানের ওপর গবেষণায় দেখা গেছে যে, সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড অবক্ষেপপূর্ণ ঘোলাটে স্রোত এনে বেঙ্গল ফ্যানে ফেলছে।
- বঙ্গীয় ডিপ সি ফ্যানের অধিকাংশ পলল গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র সঙ্গমস্থলে উদ্ভূত।
- সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ডটি বঙ্গোপসাগরের ১৪ কিলোমিটার প্রশস্ত গভীর সমুদ্রের উপত্যকা।
- এই উপত্যকার গভীরতম রেকর্ড করা অঞ্চলটি প্রায় ১৩৫০ মিটার।
- সাবমেরিন উপত্যকাটি বেঙ্গল ফ্যান বা বঙ্গ পাখার অংশ, বিশ্বের বৃহত্তম সাবমেরিন পাখা।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।

৩,৬৮৪.
নিচের কোন দুর্যোগের পূর্বাভাস দেওয়া সম্ভব নয়?
  1. বন্যা
  2. ঘূর্ণিঝড়
  3. খরা
  4. ভূমিকম্প
সঠিক উত্তর:
ভূমিকম্প
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভূমিকম্প
ব্যাখ্যা
ভূমিকম্প (Earthquake):
- বাংলাদেশ যেহেতু মহাসাগরগুলো থেকে অনেক দূরে অবস্থিত সেহেতু এ দেশকে সরাসরি সামুদ্রিক ভূমিকম্পপ্রবণ অঞ্চল হিসেবে তেমন চিহ্নিত করা যায় না।
- তবে বাংলাদেশের উত্তরে আসামের খাসিয়া ও জয়ন্তিয়া পাহাড়,
- হিমালয়ের পাদদেশ, আন্দামান দ্বীপপুঞ্জ ও বঙ্গোপসাগরের তলদেশে ভূমিকম্প প্রবণতা যথেষ্ট লক্ষ করা যায়।
- এছাড়াও রয়েছে ভূ-গাঠনিক গতিময়তা। সামগ্রিক দিক হতে দেখা যায় বাংলাদেশ ক্রমেই ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
- বাংলাদেশের পূর্বাংশে রয়েছে টারশিয়ারি যুগের পাহাড়।
- উত্তর-দক্ষিণে বিস্তৃত স্বল্প ভাঁজবিশিষ্ট ভঙ্গিল প্রকৃতির পাহাড়গুলোকে আসামের লুসাই এবং মিয়ানমারের আরাকান পাহাড়ের সমগোত্রীয় বলে ধরা হয়।
- এ পাহাড়গুলো বেলেপাথর, সেলপাথর এবং কর্দম দ্বারা গঠিত।
- গঠনগত কারণে এ চত্বর ভূমিকম্পপ্রবণ।
- ভূমিকম্প কোন পূর্ভাবাস পাওয়া যায় না।
- বন্যা, ঘূর্ণিঝড়, খরা এগুলো পূর্বাভাস পাওয়া যায়।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, অষ্টম শ্রেণি।

৩,৬৮৫.
আহ্নিক গতি বলতে বোঝায় -
  1. পৃথিবীর কক্ষপথ পরিবর্তন
  2. সূর্যের চারপাশে পৃথিবীর আবর্তন
  3. পৃথিবীর নিজ অক্ষে আবর্তন
  4. চাঁদের চারপাশে পৃথিবীর আবর্তন
সঠিক উত্তর:
পৃথিবীর নিজ অক্ষে আবর্তন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পৃথিবীর নিজ অক্ষে আবর্তন
ব্যাখ্যা

• পৃথিবীর আহ্নিক গতি:
- পৃথিবীর আহ্নিক গতি বলতে পৃথিবীর নিজ অক্ষে পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে আবর্তনকে বোঝানো হয়।
- পৃথিবী সূর্যকে কেন্দ্র করে নিজ অক্ষে ২৩ ঘণ্টা ৫৬ মিনিট ৪ সেকেন্ড বা ২৪ ঘণ্টা সময়ে অনবরত পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে আবর্তন করছে। 
- এই সময়কে সৌরদিন এবং আবর্তনকে আহ্নিক গতি বা দৈনিক গতি বলা হয়। 
- আহ্নিক গতির মূল কারণ হলো-পৃথিবীর আবর্তন এবং পৃথিবীর আকৃতি। 

• আহ্নিক গতির ফলাফল:
১. দিবা-রাত্রির সংঘটন: পৃথিবী সূর্যকে কেন্দ্র করে নিজ অক্ষে পশ্চিম হতে পূর্ব দিকে আবর্তনের দরুন আহ্নিক গতি বা দিবা-রাত্রি সংঘটিত হয়। আবর্তনরত পৃথিবীর যে অংশে সূর্যের আলো পড়ে সেই অংশ আলোকিত হয় অর্থাৎ সেই অংশে দিন এবং অপর অংশে অন্ধকারাচ্ছন্ন বা রাত থাকে।

২. জোয়ার-ভাটা: নির্দিষ্ট সময়ের ব্যবধানে আহ্নিক গতির জন্য সমুদ্রে প্রতিদিন দুইবার জোয়ার ও দুইবার ভাটা হয়।

৩. বায়ুপ্রবাহ ও সমুদ্রস্রোতের সৃষ্টি: ফেরেলের কোরিওলিস সূত্রানুসারে, আহ্নিক গতির কারণে বায়ুপ্রবাহ ও সমুদ্রস্রোত উত্তর গোলার্ধে ডানদিকে ও দক্ষিণ গোলার্ধে বাম দিকে বেঁকে প্রবাহিত হয়।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৬৮৬.
কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হয় -
  1. ১৯৬০ সালে
  2. ১৯৬২ সালে
  3. ১৯৬৪ সালে
  4. ১৯৬৬ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৬২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৬২ সালে
ব্যাখ্যা
কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্র:
- কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি পানি শক্তি দ্বারা পরিচালিত।
- কর্ণফুলী নদীর নির্ধারিত স্থানে বাধ দিয়ে পানি প্রবাহ বন্ধ করে সঞ্চিত পানির বিরাট জলধারা সৃষ্টি এবং সঞ্চিত পানি সুড়ঙ্গ সদৃশ্য পথে ধাবিত করে জলের তোড়ে বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী যন্ত্র সক্রিয় করে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়।
- রাঙামাটি জেলার কাপ্তাই উপজেলায় এ প্রকল্পটির অবস্থান।

⇒ ১৯৫৬ সালে এ বাধের নির্মাণ কাজ শুরু হয় এবং ১৯৬০ সালে শেষ হয়।
- ১৯৬২ সালে কাপ্তাই বিদ্যুৎ কেন্দ্রের বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হয়।
- ইন্টারন্যাশানাল ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানী এবং ইউতাহ ইন্টারন্যাশানাল ইনকর্পোরেট ৬৭০.৬ মিটার দীর্ঘ এবং ৪৫.৭ মিটার উচু এই বাধটি তৈরী করে।
- প্রাথমিক পর্যায়ে ২টি ইউনিটের উৎপাদন ছিল ৮০ মেগাওয়াট।
- প্রকল্পের বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা ধারায় ২৩০ মেগাওয়াট।

উল্লেখ্য,
- বিদ্যুৎ প্রকল্পের করা হ্রদের পানিতে ভেসে যায় পার্বত্য এলাকার ৫৪ হাজার একর ধানের জমি।
- পার্বত্য এলাকার প্রায় ১৮ হাজার পরিবারের ১ লাখ মানুষ এতে উদ্বাস্তু হয়ে পড়েন।
- বাঁধে বিপুল এলাকা প্লাবিত হওয়ার পর ‘১৯৬৪ সালে লংগদু, বরকল ও বাঘাইছড়ি থানার কাচালং পুনর্বাসন এলাকা থেকে ৩৫ হাজার উপজাতীয় লোক ভারতে চলে যায়।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৩,৬৮৭.
কালবৈশাখী ঝড় সৃষ্টির প্রধান কারণ কোনটি?
  1. নিম্নতাপ
  2. নিম্নচাপ
  3. উচ্চচাপ 
  4. আর্দ্রতা
সঠিক উত্তর:
নিম্নচাপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিম্নচাপ
ব্যাখ্যা
কালবৈখাশী ঝড় (North Westerlies):
- বাংলাদেশের একটি অতি পরিচিত প্রাকৃতিক দুর্যোগ হলো কালবৈখাশী ঝড়।
- এটি গ্রীষ্মকালীন জলবায়ুর অন্যতম বৈশিষ্ট্য।
- সাধারণত বৈশাখ মাসের শেষের দিকে এ ঝড় হতে দেখা যায় বলে একে কালবৈশাখী বলা হয়।
- মার্চ-এপ্রিল মাসে সন্ধ্যার দিকে আকাশ কালো মেঘে ঢেকে আসে এবং সেই সাথে বজ্রবিদ্যুৎসহ প্রবল ঝড়ো বাতাস প্রবাহিত হয়।
- এটিই কালবৈশাখী ঝড় নামে পরিচিত। 
- কালবৈশাখী ঝড় সৃষ্টির প্রধান কারণ হল নিম্নচাপ (Depression)।
- নিম্নচাপের কারণে উষ্ণ বাতাস ওপরের দিকে উঠতে থাকে।
- এর ফলে সৃষ্ট ফাঁকা জায়গা পূরণের জন্য ঠান্ডাবাতাস প্রচন্ড বেগে ঐ ফাঁকা স্থানের দিকে অগ্রসর হয়।
- ফলে ঝড়ের উৎপত্তি হয়।

তথ্যসূত্র: ভুগোল ও পরিবেশ, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৬৮৮.
প্রচণ্ড তাপ ও চাপের ফলে আগ্নেয় ও পাললিক শিলা পরিবর্তিত হয়ে কী তৈরি হয়?
  1. আগ্নেয় শিলা
  2. পাললিক শিলা
  3. অবক্ষেপিত শিলা
  4. রূপান্তরিত শিলা
সঠিক উত্তর:
রূপান্তরিত শিলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রূপান্তরিত শিলা
ব্যাখ্যা
রূপান্তরিত শিলা:
- প্রচণ্ড তাপ ও চাপের প্রভাবে আগ্নেয় ও পাললিক শিলা রাসায়নিক পরিবর্তনের মাধ্যমে নতুন ধরনের শিলায় পরিণত হয়, যা রূপান্তরিত শিলা নামে পরিচিত।
- এই শিলা আগের তুলনায় আরও কঠিন ও স্ফটিকযুক্ত হয়ে ওঠে।
- আগের গঠন ও প্রকৃতি পরিবর্তিত হওয়ায় একে রূপান্তরিত শিলা বলা হয়।
- এটি মূলত আগ্নেয় ও পাললিক শিলার পরিবর্তিত রূপ।
- ভূ-গঠনে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে এবং আগ্নেয় শিলার সঙ্গে মিলে পৃথিবীর ভূ-পৃষ্ঠের প্রায় ৮৫% তৈরি করেছে।
- ভূতাত্ত্বিক পরিবর্তন, মহাদেশীয় সঞ্চারণ ও প্লেট গতিবিধির তথ্য বিশ্লেষণে এই শিলা গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ দেয়।
- এতে মার্বেল, শ্লেট, গার্নেটসহ বিভিন্ন মূল্যবান খনিজ পাওয়া যায়, যা বাণিজ্যিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

রূপান্তরিত শিলার বৈশিষ্ট্যসমূহ:
- এটি স্ফটিকযুক্ত ও ঘন কাঠামোর হয়ে থাকে।
- অত্যন্ত কঠিন এবং আগের শিলার তুলনায় শক্তিশালী হয়।
- এতে জীবাশ্ম পাওয়া যায় না, কারণ তাপ ও চাপে জীবাশ্ম নষ্ট হয়ে যায়।
- কিছু রূপান্তরিত শিলায় ঢেউ খেলানো স্তর বা ব্যান্ড দেখা যায়, যা চরম তাপ ও চাপের ফলে তৈরি হয়।

অন্যদিকে,
- আগ্নেয় শিলা: ম্যাগমা থেকে সরাসরি সৃষ্ট শিলা, যা উত্তপ্ত হয়ে রূপান্তরিত হয় না।
- পাললিক শিলা: নদী, হ্রদ বা সমুদ্রে পলির স্তূপীকরণের মাধ্যমে তৈরি হয়, যা রূপান্তরিত শিলায় পরিবর্তিত হতে পারে
- অবক্ষেপিত শিলা: এটি পাললিক শিলার আরেক নাম, যা সাধারণত সঞ্চিত পলির স্তর থেকে তৈরি হয়।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং ভূগোল প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৬৮৯.
লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান কোন বিলুপ্ত প্রাণীর জন্যে বিখ্যাত?
  1. বনগরু
  2. কৃষ্ণষাড়
  3. রাজ শকুন
  4. উল্লুক
সঠিক উত্তর:
উল্লুক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লুক
ব্যাখ্যা

• লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান:
- মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলায় অবস্থিত লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান। 
- ১৯২৫ সালে বনায়ন করে সৃষ্ট বনরাজি এখন ঘন প্রাকৃতিক বনের আকার ধারণ করেছে।
- লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান বাংলাদেশে অবশিষ্ট চিরহরিৎ বনের একটি উল্লেখযোগ্য নমুনা।
- এটি একটি সংরক্ষিত বনাঞ্চল।
- এর আয়তন ১২৫০ হেক্টর।
- বাংলাদেশের ২৫টি বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য ও ১৯টি জাতীয় উদ্যানের মধ্যে এটি অন্যতম।
- বাংলাদেশ সরকার ১৯৯৭ খ্রিস্টাব্দে এই বনকে 'জাতীয় উদ্যান' হিসেবে ঘোষণা করে।
- বিলুপ্তপ্রায় উল্লুকের জন্য এ বন বিখ্যাত।
- নিরক্ষীয় অঞ্চলের চিরহরিৎ বর্ষাবন বা রেইন ফরেষ্টের মতো এখানে প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়।
- সূর্যের আলোর জন্য প্রতিযোগিতা করে এ বনের গাছপালা খুব উঁচু হয়ে থাকে, এবং অনেক ওপরে ডালপালা ছড়িয়ে চাঁদোয়ার মত সৃষ্টি করে।
- এই বন এতই ঘন যে মাটিতে সূর্যের আলো পড়েনা বললেই চলে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৩,৬৯০.
বাংলাদেশে কালবৈশাখী ঝড় সাধারণত কোন দিক থেকে প্রবাহিত হয়?
  1. উত্তর-পশ্চিম
  2. দক্ষিণ-পূর্ব
  3. উত্তর-পূর্ব
  4. দক্ষিণ-পশ্চিম
সঠিক উত্তর:
উত্তর-পশ্চিম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উত্তর-পশ্চিম
ব্যাখ্যা

কালবৈশাখী ঝড়:
- বাংলাদেশে বৈশাখ মাসের শেষের দিকে এ ঝড় হতে দেখা যায় বলে একে কালবৈশাখী ঝড় বলে।
- সাধারণ বৈশাখ-জ্যৈষ্ঠের প্রবল গরমের সময় কালবৈশাখী ঝড় হয় বাংলাদেশে।
- কাল শব্দের অর্থ ধ্বংস এবং বৈশাখ মাসে উৎপত্তি হয় বলে একে কালবৈশাখী নামে অভিহিত করা হয়।

⇒ কালবৈশাখী ঝড় উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে প্রবাহিত হয় বলে একে ইংরেজিতে নরওয়েস্টার বলা হয়।
- এই ঝড়ের গতিবেগ ৫৫ থেকে ৮০ কি. মি. পর্যন্ত হয়ে থাকে।
- বাংলাদেশে উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে আগত শীতল ও শুষ্ক বায়ু এবং দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে আগত উষ্ণ ও আর্দ্র বায়ুর সংঘর্ষে সাধারণত কালবৈশাখী ঝড় সংঘটিত হয়।

উল্লেখ্য,
- মার্চ-এপ্রিল মাসে সন্ধ্যার দিকে আকাশ হঠাৎ কালো মেঘে ঢেকে বজ্রবিদ্যুৎসহ প্রবল ঝড়ো হাওয়া প্রবাহিত হয়।
- এ ঝড়ে বাৎসরিক বৃষ্টিপাতের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ সংঘটিত হয়।
- অনেক সময় বৃষ্টিপাতের সাথে শিলাবৃষ্টিও হয়ে থাকে।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

৩,৬৯১.
’বৃষ্টিপাত, বজ্রপাত’ বায়ুমন্ডলের কোন স্তরে সৃষ্টি হয়?
  1. মেসোমণ্ডল
  2. ট্রপোমণ্ডল
  3. স্ট্রাটোমণ্ডল
  4. তাপমণ্ডল
সঠিক উত্তর:
ট্রপোমণ্ডল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ট্রপোমণ্ডল
ব্যাখ্যা

ট্রপোমণ্ডল (Troposphere): 
- এই স্তরটি বায়ুমন্ডলের সবচেয়ে নিচের স্তর, ভূপৃষ্ঠের সঙ্গে লেগে আছে।
- মেঘ, বৃষ্টিপাত, বজ্রপাত, বায়ুপ্রবাহ, ঝড়, তুষারপাত, শিশির ও কুয়াশা সবকিছুই এই স্তরে সৃষ্টি হয়।
- ট্রপোমণ্ডলের শেষ প্রান্তের অংশের নাম ট্রপোবিরতি (Tropopause)।
- এই স্তর ভূপৃষ্ঠ থেকে নিরক্ষীয় অঞ্চলে প্রায় ১৬-১৯ কিলোমিটার।
- মেরু অঞ্চলে প্রায় ৮ কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত।

উল্লেখ্য,
- বায়ুমণ্ডল যে সমস্ত উপাদানে গঠিত তাদের প্রকৃতি, বৈশিষ্ট্য ও উষ্ণতার পার্থক্য অনুসারে ভূপৃষ্ঠ থেকে উপরের দিকে পর্যায়ক্রমে পাঁচটি স্তরে ভাগ করা হয়।
- যথা- ট্রপোমণ্ডল, স্ট্রাটোমণ্ডল, মেসোমণ্ডল, তাপমণ্ডল ও এক্সোমন্ডল।
- স্তরগুলোর প্রথম তিনটি সমমণ্ডল (Homosphere) এবং পরবর্তী দুটি বিষমমণ্ডল (Hetrosphere)-এর অন্তর্ভুক্ত।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

৩,৬৯২.
সূর্যোদয়ের এবং সূর্যাস্তের অব্যবহিত আগের সময়কে কি বলে?
  1. ছায়াবৃত্ত
  2. গোধূলি
  3. ঊষা
  4. সন্ধ্যা
সঠিক উত্তর:
গোধূলি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গোধূলি
ব্যাখ্যা
• ভূপৃষ্ঠের সৌরদীপ্ত ও অন্ধকারাচ্ছন্ন অংশের সংযোগস্থলকে গোধূলি বলে। 

বিশেষ তথ্য:

- প্রভাতের কিছু পূর্বে যে সময় ক্ষীণ আলো থাকে সেখানে ঊষা এবং সন্ধ্যার কিছু পূর্বে যে সময় ক্ষীণ আলো থাকে সে সময়কে গোধূলি বলে।
- সূর্যোদয় এবং সূর্যাস্তের আগের সময়কে গোধূলি বলা হয়। 
- সূর্যোদয়ের আগে যে সময়টি থাকে তাকে বলা হয় প্রাতঃগোধূলি। 
- আবার সূর্যাস্তের আগে যে সময়টি থাকে তাকে বলা হয় সন্ধ্যাগোধূলি। 
- ভূপৃষ্ঠের সৌরদীপ্ত ও অন্ধকারাচ্ছন্ন অংশের সংযোগস্থলকে গোধূলি বলে। 
- আবর্তনের ফলে পৃথিবীর যে অংশ অন্ধকার থেকে ছায়াবৃত্ত পার হয়ে সবেমাত্র আলোকিত অংশ পৌঁছায় সেখানে প্রভাত হয়। 

উৎস: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।
৩,৬৯৩.
প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহে কোন ধরনের বনভূমি দেখা যায়?
  1. স্রোতজ বনভূমি
  2. ক্রান্তীয় চিরহরিৎ বৃক্ষের বনভূমি
  3. ক্রান্তীয় পাতাঝরা বৃক্ষের বনভূমি
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ক্রান্তীয় পাতাঝরা বৃক্ষের বনভূমি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্রান্তীয় পাতাঝরা বৃক্ষের বনভূমি
ব্যাখ্যা

ক্রান্তীয় পাতাঝরা বৃক্ষের বনভূমি: 
- ​ক্রান্তীয় পাতাঝরা বৃক্ষের বনভূমির বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলো শীতকালে গাছের পাতা ঝরে যাওয়া। 
​- তবে গ্রীষ্মকালে গাছগুলোতে আবার নতুন কচি পাতা গজায়।
​- প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহে এ বনভূমির অবস্থান দেখতে পাওয়া যায়। 
​- পাতাঝরা বৃক্ষের বনভূমিকে প্রধানত দুইটি ভাগে ভাগ করা যায়। যথা- মধুপুর ও ভাওয়ালের বনভূমি এবং রংপুর ও দিনাজপুর অঞ্চলের বনভূমি।

​ক. মধুপুর ও ভাওয়ালের বনভূমি: 
- ​ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল ও গাজীপুর জেলার বনভূমি এর অন্তর্ভুক্ত। 
​- এ বনভূমির প্রধান বৃক্ষ গজারী হওয়ায় এটি গজারী বৃক্ষের বনভূমি হিসেবে পরিচিত। 
​- এর আয়তন প্রায় ৮৭৫ বর্গকিলোমিটার।

খ. রংপুর ও দিনাজপুর অঞ্চলের বনভূমি:
​- রংপুর ও দিনাজপুর জেলার প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহে এ বনভূমি অবস্থিত। 
​- এখানকার প্রধান বৃক্ষ শাল। এজন্য এটি শাল বৃক্ষের বনভূমি হিসেবে পরিচিত। 
​- এ বনভূমির আয়তন প্রায় ৩৯ বর্গকিলোমিটার।

​​তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এস এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৬৯৪.
'নিউ ক্যালিডোনিয়া' দ্বীপটি কোন মহাসাগরে অবস্থিত?
  1. ভারতীয় মহাসাগর
  2. আটলান্টিক মহাসাগর
  3. আর্কটিক মহাসাগর
  4. প্রশান্ত মহাসাগর
সঠিক উত্তর:
প্রশান্ত মহাসাগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রশান্ত মহাসাগর
ব্যাখ্যা
নিউ ক্যালিডোনিয়া:
- এটি দক্ষিণ-পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত।
- এটি অস্ট্রেলিয়ার প্রায় ৯০০মাইল (১৫০০ কিমি) পূর্বে  অবস্থিত।
- এটি প্রবাল প্রাচীর দ্বারা বেষ্টিত ।
- এটি (৫০কিমি) প্রশস্ত এবং ৩১০ মাইল (৫০০ কিমি) দীর্ঘ। 

উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া অব ব্রিটানিকা।
৩,৬৯৫.
বারিমন্ডলে সমুদ্রের পানির পরিমাণ কত?
  1. ক) ৭১.৩৭%
  2. খ) ৮৬.৯৭%
  3. গ) ৯৫.৯৬%
  4. ঘ) ৯৭.২৫%
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৯৭.২৫%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৯৭.২৫%
ব্যাখ্যা

বারিমন্ডলের পানির প্রধান উৎসসমূহঃ
সমুদ্র - ৯৭.২৫%
হিমবাহ - ২.০৫
ভূগর্ভস্থ পানি - ০.৬৮%
হ্রদ - ০.০১%
নদী - ০.০০০১%

উৎসঃ ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

৩,৬৯৬.
নিচের কোনটি বৈশ্বিক উষ্ণায়নের প্রভাব নয়?
  1. সমুদ্রে পৃষ্ঠের উচ্চতা পরিবর্তন
  2. জীববৈচিত্র্য ধ্বংস
  3. মেরু অঞ্চলের বরফ গলন
  4. পরিবেশ বান্ধব শিল্পায়ন
সঠিক উত্তর:
পরিবেশ বান্ধব শিল্পায়ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরিবেশ বান্ধব শিল্পায়ন
ব্যাখ্যা
- পরিবেশ বান্ধব শিল্পায়ন বৈশ্বিক উষ্ণায়নের প্রভাব নয়। 

বৈশ্বিক উষ্ণায়নের প্রভাব:

- জলবায়ু পরিবর্তন।
- প্রাকৃতিক দুর্যোগ সৃষ্টি।
- মেরু অঞ্চলের বরফ গলন।
- সমুদ্রে পৃষ্ঠের উচ্চতা পরিবর্তন।
- জীববৈচিত্র্য ধ্বংস।
- রোগব্যাধি।

বৈশ্বিক উষ্ণায়ন প্রতিরোধের উপায়:
১. পৃথিবীর তাপমাত্রা বৃদ্ধি ও কার্বন উৎপাদনের হারকে কমিয়ে আনা;
২. যানবাহন ও কল-কারখানার দূষিত গ্যাস নির্গমন নিয়ন্ত্রণ;
৩. যথাযথ মাত্রায় জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার;
৪. বিকল্প জ্বালানি যেমন- কয়লা, খনিজ তেল, পারমানবিক শক্তি এর পরিবর্তে সৌরশক্তি, বায়ু শক্তি, জৈব গ্যাস ব্যবহার করা;
৫. প্রাকৃতিক বন সংরক্ষণ এবং নতুন বন সৃজন;
৬. পরিবেশ বান্ধব শিল্পায়ন;
৭. জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং রাষ্ট্রীয় ও বৈশ্বিক পদক্ষেপ প্রভৃতি।

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৬৯৭.
পৃথিবীর প্রায় কত শতাংশ বারিমন্ডলের অন্তর্ভুক্ত?
  1. তিন চতুর্থাংশ
  2. দুই তৃতীয়াংশ
  3. দুই সপ্তমাংশ
  4. এক ষষ্টমাংশ
সঠিক উত্তর:
তিন চতুর্থাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিন চতুর্থাংশ
ব্যাখ্যা
- পৃথিবীর প্রায় তিন চতুর্থাংশ বারিমন্ডলের অন্তর্ভুক্ত।
- বারিমন্ডল হলো ভূ-ত্বকের অবনমিত অংশে অবস্থিত বিশাল পানিরাশি।
- এই বিশাল পানিরাশির সবচেয়ে বড় আধার মহাসাগর এবং সাগর।
- এছাড়া রয়েছে অসংখ্য নদ-নদী, হ্রদ, খাল, বিল ও জলাশয়।

বারিমণ্ডলের জলের পরিমাণ ভিত্তিক বন্টন:
• সমুদ্র (৯৭.২৫%),
• হিমবাহ (২.০৫%),
• ভূগর্ভস্থ পানি (০.৬৮%),
• হৃদ (০.০১%),
• মাটির আর্দ্রতা (০.০০৫%),
• বায়ুমণ্ডল (০.০০১%),
• নদী(০.০০০১%),
• জীবমণ্ডল (০.০০০০৪%)।

উৎস:
১. ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
২. ভূগোল প্রথম পত্র , এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৬৯৮.
বাংলাদেশের একমাত্র পাহাড়ি দ্বীপের নাম কি?
  1. নিঝুম দ্বীপ
  2. সেন্টমার্টিন দ্বীপ
  3. মহেশখালী
  4. কুতুবদিয়া 
সঠিক উত্তর:
মহেশখালী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মহেশখালী
ব্যাখ্যা

মহেশখালী:
- বাংলাদেশের একমাত্র পাহাড়ি দ্বীপ।
- মহেশখালী উপজেলা কক্সবাজার জেলার চট্টগ্রাম বিভাগের একটি প্রশাসনিক এলাকা।
- এটি কক্সবাজার জেলার 'ভাটি আঁচল দ্বীপ' হিসেবে বিবেচিত।
- বিশেষ করে, প্রায় ২০০ বছর আগে এটি মহেশ খালি নামে পরিচিতি পায়।
- বৌদ্ধ সেন মহেশ্বরের নামানুসারে এর নামকরণ করা হয়েছিল ।
- মহেশখালী একটি দ্বীপ যা বেশ পাহাড়ি এবং ম্যানগ্রোভ বনে ঘেরা।
- এই দ্বীপটি লবণ উৎপাদনের জন্যও বিখ্যাত। 
- আদিনাথ মন্দির দ্বীপের একটি বিখ্যাত তীর্থস্থান যেখানে প্রতি বছর হাজার হাজার হিন্দু ভক্ত সমাগম করেন।
- দ্বীপটি উপকূলীয় সমুদ্র সৈকতের পাশে বনভূমি পাহাড় এবং ম্যানগ্রোভ গাছ দ্বারা বেষ্টিত।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৩,৬৯৯.
কোন মাসে মৌসুমী বায়ুর আগমন ঘটে?
  1. জানুয়ারি
  2. মার্চ
  3. মে
  4. জুন
সঠিক উত্তর:
জুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জুন
ব্যাখ্যা
বর্ষাকাল:
- জুন হতে অক্টোবর মাস (জ্যৈষ্ঠ-কার্তিক) পর্যন্ত এদেশে বর্ষাকাল বিরাজমান থাকে।
- এটি গ্রীষ্ম ও শীতকালের মাঝামাঝি সময়।
- এ সময় সারা দেশেই কম বেশি বৃষ্টিপাত হয়ে থাকে।
- জুন মাসের প্রথমার্ধে মৌসুমী বায়ুর আগমনের সাথে সাথে বর্ষা ঋতু শুরু হয়ে যায়।
- জুন মাসে সূর্য এদেশের ওপর অবস্থান করায় বায়ুচাপের পরিবর্তন ঘটে।
- এ সময় উত্তর-পূর্ব অয়ন বায়ু অন্তর্হিত হয় এবং দক্ষিণ-পূর্ব অয়ন বায়ু নিরক্ষরেখা অতিক্রম করলে ফেরেলের সূত্রানুসারে উত্তর গোলার্ধের ডান দিকে বেঁকে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমী বায়ুতে পরিণত হয়।
- বর্ষা ঋতুর শেষে মাঝে মাঝে ঘূর্ণিঝড় আঘাত হানতে দেখা যায়।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,৭০০.
গারো পাহাড়ের সর্বোচ্চ শৃঙ্গের নাম কী?
  1. নকরেক
  2. বালফাক্রাম
  3. তুরা
  4. আরবেলা
সঠিক উত্তর:
নকরেক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নকরেক
ব্যাখ্যা

গারো পাহাড়:
- গারো পাহাড় বাংলাদেশের উত্তর পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত ভারতের মেঘালয় রাজ্যের গারোখাসি পাহাড়শ্রেণীর অন্তর্গত। 
- এটি বাংলাদেশের ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা, কিশোরগঞ্জ জেলাসমূহ গারো পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত। 
- এটি বাংলাদেশের বৃহত্তম ও সবচেয়ে উঁচু পাহাড়।
- মেঘালয়ের রাজধানী শিলং এখানে অবস্থিত।
- গারো পাহাড়ে রয়েছে তিনটি জেলা তুরা, বলপাকরাম এবং নকরেক। 
- গারো পাহাড় বিশ্বের অন্যতম বৃষ্টিপ্রধান অঞ্চলসমূহের মধ্যে একটি। 
- গারো পাহাড়ের দীর্ঘতম নদীটির নাম সিমসাং। নদীটির উৎপত্তি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ১৪০০ মিটার উচ্চতায় নকরেক অঞ্চলে, পরবর্তীতে নদীটি বাংলাদেশে প্রবেশ করে প্রবাহিত হয়েছে। 
- গারো পাহাড়ের সর্বোচ্চ শৃঙ্গের নাম নকরেক। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে এর উচ্চতা ১৪১২ মিটার।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) ভারতীয় তথ্য বাতায়ন।