বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

ভূগোল ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা

মোট প্রশ্ন৭,১৯১এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ভূগোল ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা

PrepBank · পাতা ৩৫ / ৭২ · ৩,৪০১৩,৫০০ / ৭,১৯১

৩,৪০১.
আয়তনে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় জেলা কোনটি?
  1. মেহেরপুর
  2. যশোর
  3. রাঙ্গামাটি
  4. বান্দরবান
সঠিক উত্তর:
রাঙ্গামাটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাঙ্গামাটি
ব্যাখ্যা

রাঙ্গামাটি জেলা:
- আয়তনে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় জেলা- রাঙ্গামাটি।
- এর আয়তন: ৬১১৬ বর্গ কিলোমিটার।
- রাঙ্গামাটি জেলার ভৌগলিক অবস্থান উত্তর অক্ষাংশের ২১৫০° হতে ২৩-৪৫০।
- এবং পূর্ব দ্রাঘিমাংশের ৯১৪৫° হতে ৯২-৫৩০।
- এ জেলার উত্তরে ভারতের ত্রিপুরা ও মিজোরাম।
- দক্ষিণে বান্দরবান, পূর্বে মিজোরাম ও পশ্চিমে চট্টগ্রাম ও খাগড়াছড়ি।
- বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের স্থান- ছেড়া দ্বীপ (না থাকলে সেন্টমার্টিন হবে)।
- বাংলাদেশের সর্ব পূর্বের স্থান- আখাইনঠং (থানচি, বান্দরবন)।
- বাংলাদেশের পশ্চিমের স্থান- মনাকসা (শিবগড়, চাঁপাই নবাবগঞ্জ)।
- বাংলাদেশের বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের স্থান- জায়গীর জোত, বাংলা বান্ধা।
- আয়তনে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বিভাগ- চট্টগ্রাম।
- আয়তনে বাংলাদেশের সবচেয়ে ছোট জেলা নারায়ণগঞ্জ।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৩,৪০২.
কৃষিতে জলবায়ুর কোন উপাদানগুলি ফসলের বৃদ্ধি ও ফলনের ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলে?
  1. তাপমাত্রা ও বৃষ্টিপাত 
  2. সৌর বিকিরণ ও  আদ্রতা 
  3. সৌর বিকিরণ ও বৃষ্টিপাত
  4. দ্রাঘিমাংশ ও তাপমাত্রা
সঠিক উত্তর:
তাপমাত্রা ও বৃষ্টিপাত 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তাপমাত্রা ও বৃষ্টিপাত 
ব্যাখ্যা

• জলবায়ু এবং আবহাওয়ার প্রভাব:
-কৃষি কাজ মূলত মৌসুম, জলবায়ু এবং আবহাওয়ার ওপর নির্ভরশীল।
- কারণ, তাপমাত্রা, বৃষ্টিপাত এবং আর্দ্রতা ফসলের বৃদ্ধি, ফলন এবং কোন ধরনের ফসল ফলানো যাবে তা নির্ধারণ করে।
- জলবায়ুর যেকোনো পরিবর্তন, যেমন: খরা বা বন্যা, কৃষি উৎপাদনকে ব্যাপকভাবে প্রভাবিত করতে পারে।
- কানাতিশীতোষ্ণ জলবায়ু কৃষি কাজের জন্য উপযোগী।
- জলবায়ুর মূল প্রভাব:
• তাপমাত্রা: প্রতিটি ফসল নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় ভালো জন্মায়।
- তাপমাত্রা খুব বেশি বা কম হলে ফসলের বৃদ্ধি কমে যায় এবং ফলন হ্রাস পায়।
- অতিরিক্ত তাপ গাছের সালোকসংশ্লেষণ ব্যাহত করে, ফলে ফলন হ্রাস পায়।
- অতিরিক্ত তাপে আমের মুকুলের মতো সংবেদনশীল ফসল সহজে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

• বৃষ্টিপাত: অধিকাংশ বীজ অঙ্কুরোদগমের জন্য পরিমিত বৃষ্টিপাত দরকার।
- অতিরিক্ত বৃষ্টিতে জলাবদ্ধতা তৈরি হয়, ফলে বীজ পচে যেতে পারে এবং
- জমি প্রস্তুত করাও কঠিন হয়ে পড়ে।

• লবণাক্ততা ও পানিবদ্ধতা: উপকূলীয় অঞ্চলে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি জমিতে লবণাক্ততা বাড়ায়, যা জমির উর্বরতা কমিয়ে দেয়।

অন্যদিকে,
• সৌর বিকিরণ: সৌর প্যানেলের মাধ্যমে সেচ, শস্যকে অতিরিক্ত তাপ থেকে বাঁচানো (ছায়া দিয়ে), এবং বিদ্যুৎ উৎপাদন ও শস্যের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করে।
- এতে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি পায় ও কৃষকের আয় বাড়ে।
• আর্দ্রতা: অতিরিক্ত আর্দ্রতা রোগবালাই ও পোকামাকড়ের আক্রমণ বাড়ায়, যা ফসলের ক্ষতি করে।
• দ্রাঘিমাংশ: দ্রাঘিমাংশ সরাসরি না হলেও জলবায়ু ও আবহাওয়াকে প্রভাবিত করে।
- এটি বায়ুপ্রবাহ, তাপমাত্রা, বৃষ্টিপাত ও ঋতুর সময় নির্ধারণ করে।
- এর ফলে ফসল, সেচ ও মাটির উর্বরতা প্রভাবিত হয়।

উৎস :
১. প্রাকৃতিক ভূগোল,এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়;
২. কৃষি ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৪০৩.
রূপান্তরিত শিলার উদাহরণ হচ্ছে -
  1. চুনাপাথর
  2. কোয়ার্টজাইট
  3. বেলেপাথর
  4. গ্রানাইট
সঠিক উত্তর:
কোয়ার্টজাইট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোয়ার্টজাইট
ব্যাখ্যা
- কোয়ার্টজাইট রূপান্তরিত শিলা। 

• রূপান্তরিত শিলা:

- অনেক সময় প্রচন্ড তাপ ও চাপের জন্য রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় আগ্নেয় ও পাললিক শিলা নতুন এক ধরনের শিলায় রূপান্তরিত হয় এবং আগের তুলনায় কঠিন ও কেলাসিত হয়, এই শিলাকে রূপান্তরিত শিলা বলে।
- পূর্বের রূপ ও অবস্থার পরিবর্তন হয় বলে একে রূপান্তরিত শিলা বলে।

উল্লেখ্য
- রূপান্তরিত শিলা মূলত আগ্নেয় ও পাললিক শিলার পরিবর্তিত রূপ। যেমন- চুনাপাথর পরিবর্তিত হয়ে মার্বেল, বেলেপাথর পরিবর্তিত হয়ে কোয়ার্টজাইট, কাঁদা পরিবর্তিত হয়ে শ্লেট, গ্রানাইট পরিবর্তিত হয়ে নীসে, কয়লা পরিবর্তিত হয়ে গ্রাফাইটে পরিণত হয়।
- রূপান্তরিত শিলা বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এটি আগ্নেয় শিলার সাথে একত্রে ভূ-ভাগের শতকরা প্রায় ৮৫ ভাগ গঠন করেছে।
- ভূ-ত্বাত্তিক সময় ব্যাপী মহাদেশের যে সঞ্চারণ এবং উত্থান-পতন হয়েছে এ শিলা থেকে তা জানা যায়।
- এ শিলা সূদুর অতীতকালের প্লেট সঞ্চারণের সাক্ষ্য বহন করে।
- রূপান্তরিত শিলা মার্বেল পাথর, শ্লেট, গার্নেট ইত্যাদির মত মূল্যবান খনিজ সম্পদ ধারণ করে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এইস এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৪০৪.
উচ্চতা বৃদ্ধির সাথে সাথে বায়ুর তাপমাত্রা -
  1. বৃদ্ধি পায়
  2. হ্রাস পায়
  3. ধ্রুব থাকে
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
হ্রাস পায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হ্রাস পায়
ব্যাখ্যা
আবহাওয়া ও জলবায়ুর নিয়ামক:
• আবহাওয়া ও জলবায়ুর নিয়ামকসমূহ সর্বত্র সমানভাবে কাজ করে না।
• নিম্নে আবহাওয়া ও জলবায়ুর নিয়ামকসমূহ আলোচনা করা হলো-
১. অক্ষাংশ,
২. উচ্চতা,
৩. সমুদ্র থেকে দূরত্ব,
৪. স্থলভাগ ও জলভাগের অবস্থান, 
৫. সমুদ্রস্রোত,   
৬. ভূমির ঢাল, 
৭. ভূ-প্রকৃতি, 
৮. বায়ুপ্রবাহ,  
৯. বায়ুর চাপ এবং
১০. বনভূমির অবস্থান।   

♣ উচ্চতা: 
• উচ্চতা যত বৃদ্ধি পায় বায়ুমন্ডলীয় তাপমাত্রা তত বেশি হ্রাস পায়। 
• সাধারণত প্রতি ১০০০ মিটার উচ্চতায় ৬° সেলসিয়াস তাপমাত্রা হ্রাস পায়।
• উচ্চতার জন্যই একই অক্ষাংশে অবস্থিত দুই জায়গার জলবায়ুতে পার্থক্য দেখা যায়। 
• যেমন- দিনাজপুর ও শিলং একই অক্ষাংশে অবস্থিত হওয়া সত্ত্বেও শুধু উচ্চতা ভিন্নতার জন্য এদের জলবায়ু ভিন্নরকম হয়।
• দিনাজপুরের চেয়ে শিলং এর তাপমাত্রা অনেক কম। 

উৎস: ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৪০৫.
সাতছড়ি জাতীয় উদ্যান কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) সিলেট
  2. খ) চট্টগ্রাম
  3. গ) ময়মনসিংহ
  4. ঘ) হবিগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
ঘ) হবিগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) হবিগঞ্জ
ব্যাখ্যা
- সাতছড়ি জাতীয় উদ্যান - হবিগঞ্জ।
- এর আয়তন - ২৪২.৯১ হেক্টর।

অন্যদিকে, 
- খাদিমনগর জাতীয় উদ্যান - সিলেট।
- বারৈয়াঢালা জাতীয় উদ্যান - চট্টগ্রাম।
- কাদিগর জাতীয় উদ্যান - ময়মনসিংহ।

তথ্যসূত্র: বন অধিদপ্তর।  
৩,৪০৬.
ভারতে উৎপন্ন ডাউকি নদী বাংলাদেশের কোন অঞ্চল দিয়ে প্রবেশ করেছে?
  1. ক) ভোলাগঞ্জ
  2. খ) তামাবিল
  3. গ) জাফলং
  4. ঘ) জকিগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
গ) জাফলং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) জাফলং
ব্যাখ্যা
- ডাউকি নদী (Dauki River)  শিলং মালভূমির দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চল থেকে উৎপন্ন একটি ক্ষুদ্র পাহাড়ি নদী। 
- সিলেট জেলার জৈন্তাপুর উপজেলার জাফলং এলাকা দিয়ে নদীটি বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।
- ভারতের মেঘালয় এবং বৃহত্তর সিলেটের উত্তরাংশের মধ্যে সীমানা রচনাকারী ডাউকি চ্যুতির নামানুসারে নদীটির নামকরণ করা হয়েছে। পাহাড়ি নদী হওয়ায় ডাউকি স্বভাবতই খরস্রোতা। বাংলাদেশের অভ্যন্তরে নদীটির গতিপথ কিছুটা সর্পিল। সীমানার অভ্যন্তরে প্রবেশের পর এটি দক্ষিণ-পশ্চিম অভিমুখী সুনামগঞ্জ জেলার দিকে প্রবাহিত হয়েছে। 
 
উৎস: বাংলাপিডিয়া 
৩,৪০৭.
আলুটিলা প্রাকৃতিক গুহা কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) খাগড়াছাড়ি জেলায়
  2. খ) রাঙ্গামাটি জেলায়
  3. গ) বান্দরবান জেলায়
  4. ঘ) কক্সবাজার জেলায়
সঠিক উত্তর:
ক) খাগড়াছাড়ি জেলায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) খাগড়াছাড়ি জেলায়
ব্যাখ্যা

আলুটিলা গুহা বাংলাদেশের খাগড়াছড়ি জেলায় অবস্থিত একটি প্রাকৃতিক গুহা।
- খাগড়াছড়ি জেলার মাটিরাঙ্গা উপজেলার মূল শহর থেকে ৭ কিলোমিটার পশ্চিমে সমুদ্র সমতল থেকে ৩ হাজার ফুট উচ্চতাবিশিষ্ট আলুটিলা বা আরবারি পাহাড়ে আলুটিলা গুহা বা রহস্যময় সুড়ঙ্গ অবস্থিত।
- স্থানীয়রা একে বলে মাতাই হাকড় বা দেবতার গুহা। আলুটিলা খাগড়াছড়ি জেলার সবচেয়ে উঁচু পর্বত।
উৎসঃ যুগান্তর রিপোর্ট।

৩,৪০৮.
আরব মরুভূমিতে প্রবাহিত বায়ুর নাম-
  1. ক) টাইফুন
  2. খ) খামসিন
  3. গ) সাইমুম
  4. ঘ) সিরোক্কো
সঠিক উত্তর:
গ) সাইমুম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সাইমুম
ব্যাখ্যা

• তাপমাত্রার তারতম্যের কারণে ভূ-পৃষ্ঠের বিভিন্ন স্থানে উৎপত্তি হয় স্থানীয় বায়ুর।
• কয়েকটি স্থানীয় বায়ুর উদাহরণঃ
- আরব মরুভূমিতে সাইমুম।
- ভারতীয় উপমহাদেশের লু।
- উত্তর আফ্রিকা ও দক্ষিণ ইতালিতে সিরক্কো।
- মিশরের খামসিন।
- আড্রিয়াটিক সাগরের পূর্ব উপকূলে বোরা ইত্যাদি।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

৩,৪০৯.
বাংলাদেশের একমাত্র গরম পানির ঝর্ণা অবস্থিত-
  1. ক) হিমছড়ি পাহাড়ে
  2. খ) মাধবকুণ্ড পাহাড়ে
  3. গ) চন্দ্রনাথ পাহাড়ে
  4. ঘ) শুভলং ঝর্ণায়
সঠিক উত্তর:
গ) চন্দ্রনাথ পাহাড়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) চন্দ্রনাথ পাহাড়ে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের একমাত্র গরম পানির ঝর্ণা অবস্থিত চট্টগ্রামের সীতাকুন্ডের চন্দ্রনাথ পাহাড়ে। আর বাংলাদেশের শীতল পানির ঝর্ণা অবস্থিত কক্সবাজারের হিমছড়ি পাহাড়।
৩,৪১০.
আয়তনে পৃথিবীর ২য় বৃহত্তম দেশ কোনটি?
  1. ক) কানাডা
  2. খ) যুক্তরাষ্ট্র
  3. গ) চীন
  4. ঘ) রাশিয়া
সঠিক উত্তর:
ক) কানাডা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) কানাডা
ব্যাখ্যা
সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙে যাওয়ার পর আয়তনে পৃথিবীর বৃহত্তম দেশ রাশিয়া, দ্বিতীয় বৃহত্তম দেশ হলো কানাডা, তৃতীয় বৃহত্তম দেশ যুক্তরাষ্ট্র, চতুর্থ বৃহত্তম দেশ চীন।
Source: Worldatlas
৩,৪১১.
নাউরু দ্বীপরাষ্ট্রটি কোন মহাসাগরে অবস্থিত?
  1. ভারত মহাসাগর
  2. আটলান্টিক মহাসাগর
  3. প্রশান্ত মহাসাগর
  4. উত্তর মহাসাগর
  5. দক্ষিণ মহাসাগর
সঠিক উত্তর:
প্রশান্ত মহাসাগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রশান্ত মহাসাগর
ব্যাখ্যা
প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত উল্লেখযোগ্য দ্বীপরাষ্ট্রের নাম হল:
- ফিলিপাইন,
- পাপুয়া নিউগিনি,
- পালাউ,
- নাউরু
- সলোমন দ্বীপপুঞ্জ ইত্যাদি।

এছাড়া,
ভারত মহাসাগরের অন্যতম দ্বীপ সমূহ:
-মাদাগাস্কার
- মরিশাস
- সিচেলিস
- শ্রীলঙ্কা
- লাক্ষা দ্বীপ
- আন্দামান ও নিকোবর ইত্যাদি।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৩,৪১২.
পৃথিবীর সর্বত্র দিন-রাত্রি সমান থাকে -
  1. ক) ২১ জুন ও ২২ ডিসেম্বর
  2. খ) ২১ জুন ও ২৩ সেপ্টেম্বর
  3. গ) ২১ মার্চ ও ২২ ডিসেম্বর
  4. ঘ) ২১ মার্চ ও ২৩ সেপ্টেম্বর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২১ মার্চ ও ২৩ সেপ্টেম্বর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২১ মার্চ ও ২৩ সেপ্টেম্বর
ব্যাখ্যা
 • দিন-রাত্রি সমান:
- ২১ জুন উত্তর গোলার্ধের সবচেয়ে বড় দিন ও ছোট রাত এবং দক্ষিণ গোলার্ধে বিপরীত অবস্থা বিরাজ করে।
- ২২ ডিসেম্বর উত্তর গোলার্ধের সবচেয়ে ছোট দিন ও বড় রাত এবং দক্ষিণ গোলার্ধে বিপরীত অবস্থা বিরাজ করে।
- ২১ মার্চ ও ২৩ সেপ্টেম্বর পৃথিবীর সর্বত্র দিন-রাত্রি সমান থাকে।

তথ্যসূত্র, ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,৪১৩.
চুনতি বন্যপ্রাণী অভয়ারন্য কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. কক্সবাজার 
  2. চট্টগ্রাম 
  3. রাঙ্গামাটি
  4. বান্দরবান
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম 
ব্যাখ্যা

চুনতি বন্যপ্রাণী অভয়ারন্য:
- চুনতি বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য বাংলাদেশের একটি সংরক্ষিত বনাঞ্চল ও বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য।
- এটি চুনতি অভয়ারণ্য নামেও পরিচিত।
- চুনতি বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য চট্টগ্রাম জেলার লোহাগড়া ও বাঁশখালি উপজেলা এবং কক্সবাজার জেলার চকরিয়া উপজেলায় অবস্থিত।
- এর আয়তন ৭,৭৬৪ হেক্টর।

• বনের সমৃদ্ধ জীববৈচিত্র্য রক্ষা ও বিপন্ন বন্যপ্রাণী সংরক্ষণের জন্য ১৯৮৬ সালে এই অভয়ারণ্য প্রতিষ্ঠা করা হয়।
- বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যে বন্য এশীয় হাতির যাতায়াতের একটি সংযোগপথ বা করিডোর হিসেবে এই অভয়ারণ্যের গুরুত্ব অপরিসীম।
- এই অভয়ারণ্য তার বিশালাকায় শতবর্ষী মাদার গর্জন গাছের জন্য সুপরিচিত যা এই বনের একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য।

• জীববৈচিত্র্য:
- বন্য এশীয় হাতি এই বনের অন্যতম আকর্ষণ এবং এরা বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের বনের মধ্য দিয়েই চলাচল করে।
- এই বনে ১২০০ প্রজাতির উদ্ভিদ দেখা যায়। যার মধ্যে ৪৫ প্রজাতির উচু গাছও রয়েছে।
- বড় প্রজাতির গাছের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো: গর্জন, রাকতান, জাম, উরি আম, চাপালিশ, শিমুল, কড়ই প্রভৃতি। এছাড়াও বিভিন্ন ধরনের ভেষজ উদ্ভিদ এবং লতাগুল্ম এ বনে পাওয়া যায়।
- জীবজন্তুর মধ্যে ২ প্রজাতির উভচর, ২ প্রজাতির সরীসৃপ, ২ প্রজাতির স্তন্যপায়ী এবং প্রায় ১১ ধরনের পাখি বর্তমানে বেশি দেখতে পাওয়া যায়।
- বন্য প্রানীর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো: হাতি, কয়েক ধরনের বিড়াল, দেশি বন শুকর, হনুমান প্রভৃতি এবং পাখির মধ্যে আছে: কাঠঠোকরা, ছোট বসন্তবৌরি, বনস্পতি, বড় কুবো, আবাবিল, তিলা ঘুঘু, ফিঙে, ময়না, ভাত শালিক প্রভৃতি। এছাড়াও বেশ কিছু জলজ প্রানীও এই বনে পাওয়া যায়।  

উৎস:  বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগ ওয়েবসাইট।

৩,৪১৪.
'Law of the Sea Convention' অনুযায়ী উপকূল থেকে কত দূরত্ব পর্যন্ত 'Exclusive Economic Zone' হিসেবে গণ্য?
  1. ক) ২২ নটিক্যাল মাইল
  2. খ) ৪৪ নটিক্যাল মাইল
  3. গ) ২০০ নটিক্যাল মাইল
  4. ঘ) ৩৭০ নটিক্যাল মাইল
সঠিক উত্তর:
গ) ২০০ নটিক্যাল মাইল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২০০ নটিক্যাল মাইল
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের দক্ষিণে অবস্থিত বঙ্গোপসাগরে দেশের অর্থনৈতিক সমুদ্রসীমা ৩৭০.৪ কিলোমিটার বা ২০০ নটিক্যাল মাইল।
এছাড়া,
- টেরিটোরিয়াল বা রাজনৈতিক সমুদ্রসীমার দৈর্ঘ্য : ১২ নটিক্যাল মাইল
- মহীসোপানের দৈর্ঘ্য : ৩৫৪ নটিক্যাল মাইল।

(তথ্যসূত্রঃ বাংলাপিডিয়া এবং বিবিসি বাংলা)
৩,৪১৫.
’গরান বৃক্ষ' কোন বনভূমির অন্তর্গত?
  1. ক্রান্তীয় পাতাঝরা বনভূমি
  2. স্রোতজ বনভূমি
  3. পার্বত্য বনভূমি
  4. চিরহরিৎ বনভূমি
সঠিক উত্তর:
স্রোতজ বনভূমি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্রোতজ বনভূমি
ব্যাখ্যা
’গরান বৃক্ষ' স্রোতজ বনভূমির অন্তর্গত।

• স্রোতজ বনভূমি বা সুন্দরবন:

- এটি খুলনা বিভাগের ৬,০০০ বর্গকিলোমিটার এলাকা জুড়ে বিস্তৃত সমুদ্রের জোয়ার-ভাটা ও লোনা পানি এবং প্রচুর বৃষ্টিপাতের জন্য এ অঞ্চল বৃক্ষ সমৃদ্ধ।
- বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাংশ খুলনা এবং দক্ষিণ পূর্বাংশে নোয়াখাসী ও চট্টগ্রাম জেলার উপকূলে জোয়ার ভাটার লোনা ও ভেজা মাটিতে যেসব উদ্ভিজ্জ জন্মায় তাদের স্রোতজ বা গরান বনভূমি বলা হয়।
 - প্রধানত সুন্দরবনে এসব উদ্ভিদ বেশি জন্ম নেয়।
- স্যাঁতসেঁতে লোনা পানিতে সুন্দরী, গেওয়া, পশুর, ফুন্দল, কেওড়া, বাইন, গরান, গোলপাতা ইত্যাদি বৃক্ষ এ বনভূমির অন্তর্গত।
-উত্তরে খুলনা, সাতক্ষীরা, বাগেরহাট জেলা; দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর; পূর্বে হরিণঘাটা নদী, পিরোজপুর ও বরিশাল জেলা এবং পশ্চিমে রাইমঙ্গল, হাড়িয়াভাঙ্গা নদী ও ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের আংশিক প্রান্ত সীমা পর্যন্ত এ বনভূমি বিস্তৃত।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম ও দশম শ্রেণি।
৩,৪১৬.
মানবসৃষ্ট আপদ হলো -
  1. নদী ভাঙ্গন
  2. বন্যা
  3. নৌ ও সড়ক দুর্ঘটনা
  4. ক ও গ
সঠিক উত্তর:
নৌ ও সড়ক দুর্ঘটনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নৌ ও সড়ক দুর্ঘটনা
ব্যাখ্যা
আপদ (Hazard):

‘‘আপদ (Hazard) ’’ অর্থ এমন কোন অস্বাভাবিক ঘটনা যাহা প্রাকৃতিক নিয়মে, কারিগরি ত্রুটির কারণে অথবা মানুষের দ্বারা সৃষ্ট হইয়া থাকে এবং ফলস্বরূপ বিপর্যয় সংঘটনের মাধ্যমে মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা বিপদ ও হুমকির মধ্যে নিপতিত করে এবং জীবিকা নির্বাহের প্রয়োজনীয় উপাদানসমূহের ভয়াবহ ও অপূরণীয় ক্ষতিসহ দুঃখ দুর্দশার সৃষ্টি করে।

• আপদ একটি অস্বাভাবিক ঘটনা - যা প্রাকৃতিক, মানব সৃষ্ট বা কারিগরি ক্রটির কারণে ঘটতে পারে এবং মানুষের জীবন ও জীবিকার ব্যাপক ক্ষতি সাধন করে।
- সব চরম ঘটনাই হচ্ছে আপদ।
• প্রাকৃতিক আপদ হল- ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছাস, বজ্রঝড়, টর্ণেডো, বন্যা, ভূমিকম্প, সুনামি, খরা, নদী ভাঙ্গন ইত্যাদি।
মানবসৃষ্ট আপদ হল- ভবনধ্বস, নৌ ও সড়ক দুর্ঘটনা, অগ্নিকান্ড ইত্যাদি।
• কারিগরি আপদ হল- বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে সৃষ্ট অগ্নিকান্ড, শিল্প ও কলকারখানায় দুর্ঘটনা, পারমানবিক দুর্ঘটন ইত্যাদি। 
- মনে রাখতে হবে - ‘আপদ দুর্যোগ নয়, বরং দুর্যোগের সম্ভাব্য কারণ’।
- দুর্যোগ যেমন ভূমিকম্প,বন্যা ইত্যাদির প্রাথমিক এবং প্রত্যক্ষ প্রভাব পড়ে অবকাঠামোর উপর যার পুনঃনির্মাণ খুব ব্যয়বহুল কাজ।

উৎস: দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১২
৩,৪১৭.
Which one of the following Indian states does not have a common international border with Bangladesh?
  1. Meghalaya
  2. Manipur
  3. Tripura
  4. Assam
  5. Mizoram
সঠিক উত্তর:
Manipur
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Manipur
ব্যাখ্যা
সেভেন সিস্টার্সভুক্ত মনিপুর ও নাগাল্যান্ড-এর বাংলাদেশের কোন সীমানা নেই।

বাংলাদেশের সীমানা:
- বাংলাদেশ এশিয়া মহাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব দিকে অবস্থিত।
- তিনদিকের মূলভাগ ভারত ও মিয়ানমার দ্বারা বেষ্টিত এবং দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর অবস্থিত।
- ভারত ও মিয়ানমার উভয় দেশের সাথে বাংলাদেশের ৩২টি জেলার সীমান্ত রয়েছে।
- ভারতের সাথে ৩০টি এবং মিয়ানমারের সাথে ৩টি।
- বাংলাদেশের রাঙামাটি জেলার সাথে ভারত ও মিয়ানমার উভয় দেশের সীমানা রয়েছে।

উল্লেখ্য,
- ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত সাতটি রাজ্যকে সেভেন সিস্টার্স বলা হয়।
- রাজ্যগুলো হলো: আসাম, মেঘালয়, অরুণাচল, মনিপুর, নাগাল্যান্ড, ত্রিপুরা এবং মিজোরাম।
- ভারতের মোট ৫টি রাজ্য বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী।
- এগুলো হলো: আসাম, ত্রিপুরা, মিজোরাম, মেঘালয় ও পশ্চিমবঙ্গ।

উৎস: i) Britannica.
         ii) ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,৪১৮.
উত্তর আমেরিকার সর্বনিম্ন বিন্দু -
  1. ভালডেস পেনিনসুলা
  2. বেন্টলে স্যাবগ্লাসিয়াল
  3. ডেথ ভ্যালি
  4. লেক আয়ার
সঠিক উত্তর:
ডেথ ভ্যালি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডেথ ভ্যালি
ব্যাখ্যা
ডেথ ভ্যালি:
- এটি উত্তর আমেরিকার সর্বনিম্ন বিন্দু।
- এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ-পূর্ব ক্যালিফোর্নিয়াতে অবস্থিত।
- ডেথ ভ্যালি প্রায় ১৪০ মাইল (২২৫ কিমি) দীর্ঘ।
- উপত্যকাটি পশ্চিমে প্যানামিন্ট রেঞ্জ দ্বারা এবং পূর্বে অমরগোসা রেঞ্জের কালো এবং গ্রেপভাইন পর্বত দ্বারা আবদ্ধ।
- এটি গ্রেট বেসিন এবং মোজাভে মরুভূমির মধ্যে অনির্ধারিত সীমান্তের কাছে অবস্থিত।
- এটি উষ্ণতম এবং শুষ্ক অঞ্চল।

অন্যদিকে -
- দক্ষিণ আমেরিকার সর্বনিম্ন বিন্দু ভালডেস পেনিনসুলা।
- ওশেনিয়া মহাদেশের সর্বনিম্ন বিন্দু লেক আয়ার।
- আন্টার্কটিকার সর্বনিম্ন বিন্দু: বেন্টলে স্যাবগ্লাসিয়াল।

উৎস: Britannica.
৩,৪১৯.
দুই কোরিয়া ও চীনের মধ্যে কোন সাগর অবস্থিত?
  1. কারা সাগর
  2. ব্যারেন্ট সাগর
  3. নরওয়েজিয়ান সাগর
  4. পীত সাগর
সঠিক উত্তর:
পীত সাগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পীত সাগর
ব্যাখ্যা

পীত সাগর:
- পীত সাগর (Yellow Sea) পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রান্তিক সাগর।
- এটি চীনের মূল ভূখণ্ড ও কোরীয় উপদ্বীপের মাঝখানে অবস্থিত।
- এটি মূলত বোহাই উপসাগরসহ পূর্ব চীন সাগরের উত্তরাংশ নিয়ে গঠিত।
- গোবি মরুভূমি থেকে উড়ে আসা সূক্ষ্ম ধূলিকণা ও পলিমাটি সাগরের পানিতে মিশে পানিকে হলুদাভ রঙ প্রদান করে—এ কারণেই এর নাম হয়েছে “পীত সাগর”।
- ভূ-অবস্থান ও প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্যের কারণে এটি পূর্ব এশিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক অঞ্চল।
--------------------------------------- 
অন্যদিকে,
- রাশিয়ার উত্তর পূর্বে রাশিয়ান নোভাইয়া জিমলিয়া দ্বীপপুঞ্জের পূর্বে কারা সাগর অবস্থিত।
- নোভাইয়া জিমলিয়া দ্বীপপুঞ্জের পশ্চিম থেকে নরওয়ে পর্যন্ত ব্যারেন্ট সাগর অবস্থিত।
- নরওয়ে ও আইসল্যান্ডের মাঝে নরওয়েজিয়ান সাগর অবস্থিত। 

উৎস: Britannica. 

৩,৪২০.
নিচের কোনটি আকস্মিকভাবে ভূপৃষ্ঠ পরিবর্তনের প্রক্রিয়া?
  1. ক) অপসারণ
  2. খ) নগ্নীভবন
  3. গ) অগ্ন্যুৎপাত
  4. ঘ) অবক্ষেপণ
সঠিক উত্তর:
গ) অগ্ন্যুৎপাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) অগ্ন্যুৎপাত
ব্যাখ্যা
- প্রাকৃতিকভাবে ভূপৃষ্ঠ পরির্তনের প্রক্রিয়া দুটো। এগুলো হলো:
- আকস্মিক পরিবর্তন ও
- ধীর পরিবর্তন।
আকস্মিক পরিবর্তন প্রক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে:
- ভূমিকম্প
- অগ্ন্যুৎপাত

(সূত্রঃ ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী)
৩,৪২১.
বিশ্বের গভীরতম স্থান মারিয়ানা ট্রেঞ্চ কোন মহাসাগরে অবস্থিত?
  1. প্রশান্ত মহাসাগরে
  2. ভারত মহাসাগরে
  3. উত্তর মহাসাগরে
  4. আটলান্টিক মহাসাগরে
সঠিক উত্তর:
প্রশান্ত মহাসাগরে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রশান্ত মহাসাগরে
ব্যাখ্যা
মারিয়ানা ট্রেঞ্চ (Mariana Trench):
- মারিয়ানা ট্রেঞ্চ বিশ্বের গভীরতম স্থান।
- এর অবস্থান হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জ ও ফিলিপাইনের মধ্যবর্তী প্রশান্ত মহাসাগরে।
- এর নামকরণ করা হয় নিকটবর্তী মারিয়ানা দ্বীপ ও অস্ট্রিয়ার তৎকালীন রানী মারিয়ানার নামে।
- মারিয়ানা ট্রেঞ্চের গভীরতা মাপার উদ্যোগ নেয়া হয় ১৮৭৫ সালে।
- তৎকালীন ব্রিটিশ জরিপ পরিচালনাকারী জাহাজ HMS Challenger।
- তখন গভীরতা নির্ণয় করা হয় ২৬,৮৫০ ফুট।
- পরবর্তীতে আরো কয়েকদফা মাপার পর ২০১০ সালে এর সর্বোচ্চ গভীরতা মাপা হয় ৩৬,০৭০ ফুট।
- বর্তমানে এই গভীরতাই গ্রহণযোগ্য।
- এর গভীরতম অংশকে চ্যালেঞ্জার ডিপ বা Challenger Deep বলা হয়।  

তথ্যসূত্র: ব্রিটেনিকা ওয়েবসাইট।
৩,৪২২.
নিচের কোনটিকে মানচিত্রের সংকলন গ্রন্থ বলা হয়ে থাকে?
  1. ক) Cadastral Map
  2. খ) Topographical Map
  3. গ) Wall Map
  4. ঘ) Atlas Map
সঠিক উত্তর:
ঘ) Atlas Map
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) Atlas Map
ব্যাখ্যা
ভূ-চিত্রাবলী ((Chorographical or Atlas Map): ভ‚-প্রকৃতি, জলবায়ু, উদ্ভিজ্জ, কৃষিজ, খনিজ, শিল্প, শহর, যোগাযোগ ইত্যাদি বিষয়ে তথ্যাদি বিভিন্ন রং ও চিহ্নের মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়। একে মানচিত্রের সংকলন গ্রন্থ বলা হয়ে থাকে।
ভ‚-চিত্রাবলী সবচেয়ে ছোট স্কেলে অঙ্কন করা হয়। এ মানচিত্রের স্কেল সাধারণত ১: ১,০০,০০০ বা ১: ১০,০০,০০০ হিসেবে দেখানো হয়।

উৎস: এস.এস.সি. ভূগোল ও পরিবেশ, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৩,৪২৩.
নিম্নের কোন স্থানে পদ্মা ও মেঘনা নদী মিলিত হয়েছে?
  1. গোয়ালন্দে
  2. চাঁদপুরে
  3. হুগলীতে
  4. দুর্লভপুরে
সঠিক উত্তর:
চাঁদপুরে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চাঁদপুরে
ব্যাখ্যা

পদ্মা নদী: 
- পদ্মা বাংলাদেশের একটি প্রধান নদী।
- এটি হিমালয়ে উৎপন্ন গঙ্গানদীর প্রধান শাখা।
- বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ শহর রাজশাহী এই পদ্মার উত্তর তীরে অবস্থিত।
- হিমালয়ের গঙ্গোত্রী হিমবাহ থেকে থেকে উৎপন্ন গঙ্গা নদীর প্রধান শাখা চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ উপজেলায় (মানাকোসা ও দুর্লভপুর ইউনিয়ন) বাংলাদেশে প্রবেশ করে,এখান থেকে নদীটি পদ্মা নাম ধারণ করেছে।
- গঙ্গার অন্য শাখাটি ভাগীরথী নামে ভারতে হুগলীর দিকে প্রবাহিত হয়।
- উৎপত্তিস্থল হতে ২২০০ কিলোমিটার দূরে গোয়ালন্দে যমুনা নদীর সাথে মিলিত হয়ে মিলিত প্রবাহ পদ্মা নামে আরো পূর্ব দিকে চাঁদপুর জেলায় মেঘনা নদীর সাথে মিলিত হয়েছে।
- সবশেষে পদ্মা-মেঘনার মিলিত প্রবাহ মেঘনা নাম ধারণ করে দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরের সাথে মিলিত হয়।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৩,৪২৪.
সিচেলিস কোন মহাসাগরে অবস্থিত?
  1. ক) প্রশান্ত মহাসাগর
  2. খ) আটলান্টিক মহাসাগর
  3. গ) ভারত মহাসাগর
  4. ঘ) দক্ষিণ মহাসাগর
সঠিক উত্তর:
গ) ভারত মহাসাগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ভারত মহাসাগর
ব্যাখ্যা
ভারত মহাসাগরের অন্যতম দ্বীপ সমূহ:
- মাদাগাস্কার
- মরিশাস
- সিচেলিস
- শ্রীলঙ্কা
- লাক্ষা দ্বীপ
- আন্দামান ও নিকোবর ইত্যাদি।

প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত উল্লেখযোগ্য দ্বীপরাষ্ট্রের নাম হল:
- ফিলিপাইন,
- পাপুয়া নিউগিনি,
- পালাউ, নাউরু ও
- সলোমন দ্বীপপুঞ্জ ইত্যাদি।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৩,৪২৫.
ক্যানারি স্রোত কোনদিকে প্রবাহিত হয়?
  1. ঘড়ির কাঁটার দিকে
  2. ঘড়ির কাটার বিপরীত দিকে
  3. ঘূর্ণন আকারে
  4. চক্রাকারে
সঠিক উত্তর:
ঘড়ির কাঁটার দিকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘড়ির কাঁটার দিকে
ব্যাখ্যা
পৃথিবীর আবর্তন:
- আহ্নিক গতির কারণে পৃথিবী নিজ অক্ষের উপর পশ্চিম থেকে পূর্বদিকে ঘুরছে।
- পৃথিবীর এইরূপ আর্বতনের সাথে সাথে সাগর মহাসাগরের পানিরাশিও পশ্চিম হতে পূর্বদিকে প্রবাহিত হয়ে সমুদ্র স্রোতের সৃষ্টি হয়।

⇒ আবর্তন গতির ফলে সৃষ্ট সমুদ্র স্রোত ফেরেলের সূত্র অনুযায়ী উত্তর গোলার্ধে ডান দিকে এবং দক্ষিণ গোলার্ধে বাম দিকে বেঁকে প্রবাহিত হয।
- যেমন: উত্তর গোলার্ধে উপসাগরীয় স্রোত ও ক্যানারি স্রোতের প্রবাহ ঘড়ির কাঁটার দিকে অর্থাৎ ডান দিক ঘুরে প্রবাহিত হয়।
- একইভাবে দক্ষিণ গোলার্ধে ব্রাজিল স্রোত ও পশ্চিমা বায়ু প্রবাহজনিত স্রোত ঘড়ির কাটার বিপরীত দিকে ঘুরে প্রবাহিত হয়।

উৎস: ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৪২৬.
পৃথিবীর বৃহত্তম আগ্নেয় দ্বীপ কোনটি? 
  1. কৃষ্ণ দ্বীপ
  2. সুমাত্রা দ্বীপ
  3. জাভা দ্বীপ
  4. আইসল্যান্ড
সঠিক উত্তর:
আইসল্যান্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইসল্যান্ড
ব্যাখ্যা
আগ্নেয়গিরি
- ভূ-ত্বকের শিলাস্তর সর্বত্র একইরকম না হওয়ায় শিলাস্তরের দুর্বল অংশ ভূ-গর্ভের চাপে ফেটে ভূ-গর্ভ হতে ভূ-পৃষ্ঠ পর্যন্ত বিশাল নলাকৃতির ছিদ্রপথের সৃষ্টি হয়।
- এই ছিদ্রপথে গলিত ম্যাগমা, উত্তপ্ত প্রস্তর খন্ড, কর্দম, ধুম, ভস্ম, গলিত ধাতব পদার্থ ইত্যাদি প্রবলবেগে ভূ-পৃষ্ঠে নির্গত হয়ে সুরঙ্গপথের চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে একে অগ্ন্যুৎপাত বলে।

আগ্নেয় দ্বীপ:
- সমুদ্র তলদেশে অগ্ন্যুৎপাতের সময় নির্গত লাভা সঞ্চিত হয়ে দ্বীপের সৃষ্টি করে।
যেমন- আইসল্যান্ড পৃথিবীর বৃহত্তম আগ্নেয় দ্বীপ।

সূত্র: ব্রিটানিকা ও Guinnessworldrecords ।
৩,৪২৭.
সুন্দরবনের ভারতীয় অংশের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের কোন জেলার অন্তর্ভুক্ত?
  1. জলপাইগুড়ি
  2. দক্ষিণ চব্বিশ পরগণা 
  3. দার্জিলিং
  4. মুর্শিদাবাদ
সঠিক উত্তর:
দক্ষিণ চব্বিশ পরগণা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দক্ষিণ চব্বিশ পরগণা 
ব্যাখ্যা

সুন্দরবন:
- সুন্দরবন হলো বঙ্গোপসাগর উপকূলবর্তী অঞ্চলে অবস্থিত একটি প্রশস্ত বনভূমি।
- যা বিশ্বের প্রাকৃতিক বিস্ময়াবলীর অন্যতম।
- প্রায় ১০,০০০ বর্গকিলোমিটার আয়তনের পৃথিবীর বৃহত্তম নিরবিচ্ছিন্ন জোয়ারধৌত ম্যানগ্রোভ বন।
- সুন্দরবন বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিম অংশের খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরা জেলা।
- এটি ভারতের পশ্চিম বঙ্গ রাজ্যের চব্বিশ পরগণা জেলায় অবস্থিত।
- দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা: সুন্দরবনের একটি বড় অংশ এই জেলায় পড়ে, এবং এখানেই সুন্দরবন জাতীয় উদ্যান অবস্থিত।
- উত্তর চব্বিশ পরগনা: এই জেলার কিছু অংশও সুন্দরবনের অন্তর্ভুক্ত।
- সমগ্র সুন্দরবনের প্রায় ৬,০১৭ বর্গকিলোমিটার বাংলাদেশে স্থিত।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৩,৪২৮.
এশিয়া মহাদেশের কোন দেশে সারা বছর পরিচলন বৃষ্টি হয়?
  1. মালয়েশিয়া
  2. সিঙ্গাপুর
  3. ইন্দোনেশিয়া
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
পরিচলন বৃষ্টি:
- ভূ-পৃষ্ঠের বায়ু উষ্ণ হলে জলীয়বাষ্প সম্পন্ন হালকা বায়ু উপরে উঠে যায়।
- এ সময়ে শীতল বায়ুর সংস্পর্শে এসে ঐ জলীয়বাষ্প প্রথমে মেঘ ও পরে বৃষ্টিতে পরিণত হয়ে নিচে নেমে আসে।
- এই বৃষ্টিপাতকে বলা হয় পরিচলন বৃষ্টিপাত। 
- নিরক্ষীয় নিম্নচাপ এলাকায় পরিচলন বৃষ্টিপাত বেশি হয় কারণ এসব এলাকার ঊর্ধ্বগামী বায়ুতে প্রচুর জলীয়বাষ্পপূর্ণ বায়ু থাকে।
- নিরক্ষীয় অঞ্চলে প্রায় সারা বছরই বিকেলে ও সন্ধ্যায় এ ধরনের বৃষ্টি হয়।
- নাতিশীতোষ্ণ মন্ডলে গ্রীষ্মকালের শুরুতে পরিচলন বৃষ্টিপাত হয়।

উল্লেখ্য,
নিরক্ষীয় জলবায়ু অঞ্চলের অবস্থান:
- দক্ষিন আমেরিকার উত্তর পূর্ব উপকূল ও আমাজান নদীর অববাহিকা, ইকুয়েডর, কলম্বিয়ার দক্ষিনাংশ, পেরুর উত্তর পশ্চিমাঞ্চল;
- মধ্য আমেরিকার পূর্ব উপকূলের আয়ন বায়ু পুষ্ট পানামার নিকারাগুয়া, হন্ডুরাস ও কোষ্টারিকা;
- আফ্রিকার কঙ্গো নদীর অববাহিকা ও গিনির উপকূলীয় অঞ্চল ক্যামেরুন, গ্যাবন, লাইবেরিয়া, আইভরিকোষ্ট, টাঙ্গানিকা, কেনিয়া;
- দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, ইন্দোনেশিয়া, ব্রনাই এবং ফিলিপাইনের দক্ষিণ দ্বীপপুঞ্জ অঞ্চলে এ জলবায়ু দেখা যায়।

উৎস: i) ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
         ii) বাণিজ্যিক ভূগোল, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৪২৯.
উত্তর আমেরিকার কোন অঞ্চলকে প্রায়শই "পশ্চিমের জিব্রাল্টার" বলা হয়?
  1. অন্টারিও
  2. কুইবেক
  3. মন্টানা
  4. আলবার্টা
সঠিক উত্তর:
কুইবেক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুইবেক
ব্যাখ্যা

কুইবেক অঞ্চল:
- উত্তর আমেরিকার কুইবেক অঞ্চল এবং তার রাজধানী কুইবেক সিটি প্রায়শই “পশ্চিমের জিব্রাল্টার” (Gibraltar of the North) নামে পরিচিত।
- এর কারণ হলো এর ভৌগোলিক অবস্থান।
- সেন্ট লরেন্স নদীর তীরে উঁচু পাথুরে স্থল (Cap Diamant) হওয়ায় শহরটি প্রাকৃতিকভাবে দুর্ভেদ্য, যা ইউরোপীয় উপনিবেশ স্থাপনের সময় সামরিক দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ ছিল।

- কুইবেক কানাডার পূর্বভাগের বৃহত্তম প্রদেশ, আয়তনে ফ্রান্সের তিনগুণ এবং দেশটির দ্বিতীয় জনবহুল প্রদেশ।
- এটি ১৭টি প্রশাসনিক অঞ্চলে বিভক্ত, যার মধ্যে নর্ড-দ্য-কুয়েবেক, সেন্ট লরেন্স লো-ল্যান্ডস এবং অ্যাপলাচিয়ান আপল্যান্ডস উল্লেখযোগ্য।
- এর প্রধান ভাষা ফরাসি, যা অঞ্চলটির অনন্য সাংস্কৃতিক পরিচয় নিশ্চিত করে।
- কুইবেকের অর্থনীতি মূলত খনিজ সম্পদ, জলবিদ্যুৎ ও দক্ষ জনশক্তির ওপর নির্ভরশীল।

- ১৬০৮ সালে স্যামুয়েল ডি শ্যাম্পলেইন এই অঞ্চলটি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।
- এই অঞ্চলটি উত্তর আমেরিকার প্রাচীন ইউরোপীয় বসতি হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ।
- সব মিলিয়ে, কুইবেক অঞ্চল তার ভৌগোলিক দুর্ভেদ্যতা, ঐতিহাসিক গুরুত্ব, সমৃদ্ধ সম্পদ এবং অনন্য সংস্কৃতির কারণে “পশ্চিমের জিব্রাল্টার” হিসেবে পরিচিত।

উৎস: Britannica. 

৩,৪৩০.
কোনটি বায়ুমণ্ডলে ভালো শোষক হিসেবে কাজ করে?
  1. নাইট্রোজেন
  2. জলীয় বাষ্প
  3. অক্সিজেন
  4. ধূলিকণা
সঠিক উত্তর:
জলীয় বাষ্প
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জলীয় বাষ্প
ব্যাখ্যা
- কিছু পদার্থ সহজে তাপ বিকিরণ করে, এদেরকে বলে বিকিরক। 
- বিকিরক পদার্থ তাপ বিকিরণ করে ঠাণ্ডা হয়ে যেতে চায়। বিকিরক পদার্থ তাপ শোষণও করে। 
- আবার কিছু পদার্থ তাপ শোষণ করে নেয়, তাদেরকে বলে শোষক। 
- শোষক তাপ শোষণ করে উত্তপ্ত হয়। 
- তরল পানি, জলীয় বাষ্প, কার্বন ডাইঅক্সাইড, মিথেন, কাঁচ, প্লাস্টিক এসব পদার্থ তাপ শোষণ করে নেয়।
 
উৎস: বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি। 
৩,৪৩১.
সমুদ্রের নিকটবর্তী স্থানে দিন-রাত্রির তাপের পার্থক্য খুব কম কেন?
  1. ক) সূর্যের তীর্যক পতন
  2. খ) বায়ু প্রবাহ
  3. গ) সমুদ্র স্রোত
  4. ঘ) বেশি জলীয়বাষ্পের দরুন
সঠিক উত্তর:
ঘ) বেশি জলীয়বাষ্পের দরুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) বেশি জলীয়বাষ্পের দরুন
ব্যাখ্যা
জলভাগের অবস্থান কোনো এলাকার জলবায়ুকে মৃদুভাবাপন্ন করে কারণ এই বায়ুতে জলীয়বাষ্পের পরিমাণ বেশি থাকে। সমুদ্রে উপকূলে অবস্থিত হওয়ার কারণে এসব এলাকার তাপমাত্রা দিন-রাত কিংবা শীত-গ্রীষ্মে তেমন পার্থক্য হয় না। উৎসঃ ভূগোল, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই
৩,৪৩২.
বাংলাদেশের অর্থকরী ফসল কোনটি?
  1. ধান
  2. গম
  3. ডাল
  4. পাট
সঠিক উত্তর:
পাট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাট
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের কৃষিজ সম্পদ: 
- বাংলাদেশ কৃষিপ্রধাণ দেশ।

কৃষিজ পণ্যের শ্রেণীবিভাগ:
বাংলাদেশের কৃষিজ পণ্যকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়।
যথা - 
১. খাদ্যশস্য:
- ধান, 
- ডাল, 
- গম, 
- তেলবীজ, 
- সবজি, 
- ফলমূল।

২. অর্থকরী ফসল:
যেসব ফসল সরাসরি বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে চাষ করা হয় তাদের অর্থকরী ফসল বলা হয়।
- পাট (বাংলাদেশের প্রধান অর্থকরী ফসল), 
- চা, 
- ইক্ষু , 
- তামাক, 
- ফুল।

উল্লেখ্য,
- পাট বাংলাদেশের প্রধান অর্থকরী ফসল।
- ধান বা চাল বাংলাদেশের প্রধান খাদ্যশস্য।

তথ্যসূত্র -
১. বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় ( নবম দশম শ্রেণি),
২. বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।

৩,৪৩৩.
পদ্মা নদী উৎপত্তি হয়েছে- 
  1. গঙ্গোত্রী হিমবাহ 
  2. কৈলাস পর্বত
  3. লুসাই পর্বত
  4. মানস সরোবর
সঠিক উত্তর:
গঙ্গোত্রী হিমবাহ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গঙ্গোত্রী হিমবাহ 
ব্যাখ্যা

পদ্মা (Padma):
-পদ্মা নদী গঙ্গা নামে মধ্য হিমালয়ের গঙ্গোত্রী হিমবাহ থেকে উৎপন্ন হয়েছে।
- এরপর প্রথমে দক্ষিণ-পশ্চিমে এবং পরবর্তীতে দক্ষিণ-পূর্ব দিকে অগ্রসর হয়ে;
- ভারতের হরিদ্বারের নিকট সমভূমিতে প্রবেশ করেছে।
- এটি ভারতের উত্তর প্রদেশ এবং বিহার রাজ্যের, পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের মুর্শিদাবাদ জেলার, বের হয়ে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে।
- বাংলাদেশে প্রবেশ: রাজশাহী জেলার দক্ষিণ-পশ্চিম প্রান্তে;
- কুষ্টিয়ার উত্তর-পশ্চিম দিক দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।
- মিলিত হয়েছে: রাজবাড়ি জেলার গোয়ালন্দের নিকট যমুনা নদীর সাথে।
- শাখানদী: কুমার, ভৈরব, গড়াই, মাথাভাঙ্গা, মধুমতি, আড়িয়াল খাঁ, ইছামতি, কপোতাক্ষ, চিত্রা।
- উত্তর দিক থেকে আগত নদীসমূহের মধ্যে মহানন্দা এর প্রধান উপনদী।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৪৩৪.
'সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড' কী নামে পরিচিত?
  1. ক) গঙ্গা খাদ
  2. খ) গিরি খাদ
  3. গ) বেঙ্গল ফ্যান
  4. ঘ) উমা খাদ
সঠিক উত্তর:
ক) গঙ্গা খাদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) গঙ্গা খাদ
ব্যাখ্যা
সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড (Swatch of No Ground):
- সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড খাদ আকৃতির সামুদ্রিক অববাহিকা বা গিরিখাত, যা বঙ্গোপসাগরের মহীসোপানকে কৌণিকভাবে অতিক্রম করেছে।
- এটি গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র বদ্বীপের পশ্চিমে অবস্থিত।
- গঙ্গা খাদ নামেও এটি পরিচিত।
- সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ডের প্রস্থ ৫ থেকে ৭ কিলোমিটার, তলদেশ তুলনামূলকভাবে সমতল এবং পার্শ্ব দেয়াল প্রায় ১২ ডিগ্রি হেলানো। মহীসোপানের কিনারায় খাদের গভীরতা প্রায় ১,২০০ মিটার।
- বঙ্গীয় ডিপ সি ফ্যানের ওপর গবেষণায় দেখা গেছে যে, সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড অবক্ষেপপূর্ণ ঘোলাটে স্রোত এনে বেঙ্গল ফ্যানে ফেলছে। বঙ্গীয় ডিপ সি ফ্যানের অধিকাংশ পলল গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র সঙ্গমস্থলে উদ্ভূত।
- সোয়াচ অফ নো গ্রাউন্ডটি বঙ্গোপসাগরের ১৪ কিলোমিটার প্রশস্ত গভীর সমুদ্রের উপত্যকা। এই উপত্যকার গভীরতম রেকর্ড করা অঞ্চলটি প্রায় ১৩৫০ মি।
- সাবমেরিন উপত্যকাটি বেঙ্গল ফ্যান বা বঙ্গ পাখার অংশ, বিশ্বের বৃহত্তম সাবমেরিন পাখা।
- 'বেঙ্গল ফ্যান' ভূমি রূপটি পাওয়া যায় বঙ্গোপসাগরের সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ডে।

তথ্যসূত্র:- বাংলাপিডিয়া।
৩,৪৩৫.
বাংলাদেশের কোন অঞ্চলের অনাবৃষ্টি বা খরার প্রভাব বেশি পরিলক্ষিত হয়?
  1. দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে
  2. দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে
  3. উত্তর- পূর্বাঞ্চলে
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
কোনটিই নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
['ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়' এর তথ্যমতে অনাবৃষ্টি বা খরার প্রভাব বেশি পরিলক্ষিত হযউত্তর- পূর্বাঞ্চলে যা ভুল। বাংলাপিডিয়া এর তথ্যমতে, সাম্প্রতিক দশকগুলিতে বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিম (বরেন্দ্রভূমি) অঞ্চলে খরার ঘন ঘন প্রাদুর্ভাব ওই এলাকার একটা বৈশিষ্ট্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাই সঠিক উত্তর হবে উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল। অপশন অনুযায়ী উত্তর হবে "কোনটি নয়"।] 

অনাবৃষ্টি ও খরা:

- কোনো এলাকা দীর্ঘদিন বৃষ্টিহীন অবস্থা থাকলে অথবা অপর্যাপ্ত বৃষ্টিপাত হলে উক্ত এলাকাটির মাটির স্বাভাবিক আর্দ্রতা কমে গিয়ে শুষ্ক হয়ে পড়ে। ফলে, উক্ত এলাকার মাটি ফেটে চৌচির হয়ে যায় ও ভূ-গর্ভস্থ পানির স্তর নিচে নেমে যায়। মাটির এরূপ অবস্থাকে খরা বলা হয়।
- বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে  অনাবৃষ্টি বা খরার প্রভাব বেশি পরিলক্ষিত হয়।
- খরা উপদ্রুত অঞ্চলে কৃষিজ ফসলের উৎপাদন কমে যায়।
- উপদ্রুত অঞ্চলে ভূ-গর্ভস্থ পানির স্তর নিচে নেমে গিয়ে পানির অভাব দেখা দেয়।
- পর্যাপ্ত ফসলের অভাবে খাদ্যদ্রব্যের অভাব প্রকট হয়ে পড়ে।
- গাছপালা বিহীন শুষ্ক প্রকৃতি ও তীব্র গরমে মানুষের মধ্যে নানা ধরনের অসুখের প্রাদুর্ভাব ঘটে।
- বনজ সম্পদ বৃদ্ধি তথা অধিক বৃক্ষরোপন করে ও ভূ-গর্ভস্থ পানির ব্যবহার কমিয়ে এ ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগকে কিছুটা নিয়ন্ত্রন করা যায়।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৪৩৬.
ভারত এবং মায়ানমার থেকে কতটি গুরুত্বপূর্ণ নদী বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে?
  1. ক) ৫৮
  2. খ) ৫৪
  3. গ) ৫৫
  4. ঘ) ৫৯
সঠিক উত্তর:
ক) ৫৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৫৮
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে আন্তঃসীমান্ত নদীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্য।
প্রতিবেশী রাষ্ট্র ভারত এবং মায়ানমার থেকে ৫৮টি গুরুত্বপূর্ণ নদী বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।
জলতাত্ত্বিক ও রাজনৈতিক উভয় দিক থেকেই এ নদীগুলি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

উৎস: বাংলাপিডিয়া
৩,৪৩৭.
নিচের কোনটি স্থলবেষ্টিত রাষ্ট্র?
  1. ক) ভিয়েতনাম
  2. খ) কম্বোডিয়া
  3. গ) লাওস
  4. ঘ) মিয়ানমার
সঠিক উত্তর:
গ) লাওস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) লাওস
ব্যাখ্যা
উল্লিখিত দেশসমূহের মধ্যে লাওস একটি স্থলবেষ্টিত রাষ্ট্র।
পৃথিবীর স্থলবেষ্টিত রাষ্ট্রসমূহের মধ্যে রয়েছে:

এশিয়া:
- নেপাল, মঙ্গোলিয়া, আফগানিস্তান, ভুটান, কাজাখস্তান, উজবেকিস্তান, তাজিকিস্তান, কিরগিজস্তান, তুর্কমেনিস্তান।

আফ্রিকা:
- ইথিওপিয়া, লেসোথ, জিম্বাবুয়ে, জায়ারে, নাইজার, চাঁদ, মালি, দক্ষিণ সুদান প্রভৃতি।

দক্ষিণ আমেরিকা:
- বলিভিয়া ও প্যারাগুয়ে।

ইউরোপ:
- সুইজারল্যান্ড, অস্ট্রিয়া, লুক্সেমবার্গ, সার্বিয়া, বেলারুশ, কসোভো, চেক রিপাবলিক, ভ্যাটিকান সিটি, স্লোভাকিয়া, মলদোভা, উত্তর মেসিডোনিয়া, সানম্যারিনো, অ্যান্ডোরা, হাঙ্গেরি প্রভৃতি।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা ও ওয়ার্ল্ড অ্যাটলাস।
৩,৪৩৮.
নিম্নের কোনটি কৃত্রিম হৃদ নয়?
  1. কাপ্তাই লেক
  2. বগা লেক
  3. হাতির ঝিল লেক
  4. ফয়েজ লেক
সঠিক উত্তর:
বগা লেক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বগা লেক
ব্যাখ্যা
হৃদ:
- কাপ্তাই লেক, হাতির ঝিল লেক, ফয়েজ লেক এগুলো কৃত্রিম হৃদ। 
- বগা লেক (Boga Lake) যা সমুদ্র পৃষ্ঠ থেকে প্রায় ২৭০০ ফুট উঁচু পাহাড়ে প্রাকৃতিকভাবে সৃষ্ট একটি লেক।
- ভূ-তত্ত্ববিদগণের মতে প্রায় দুই হাজার বছর আগে প্রাকৃতিক ভাবে পাহাড়ের চূড়ায় এই লেক তৈরি হয়।
- মৃত আগ্নেয়গিরির জ্বালামুখ কিংবা মহাশূন্য থেকে উল্কাপিণ্ডের পতনের ফলে সৃষ্টি হয়েছে।
- কেওকারাডাং এর কোল ঘেঁষে বান্দারবান শহর থেকে প্রায় ৭০ কিলোমিটার দূরে এবং রুমা উপজেলা সদর থেকে প্রায় ১৫ কিলোমিটার দূরে বগা লেক এর অবস্থান। 

তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৩,৪৩৯.
পৃথিবীতে উচ্চচাপ বলয়ের সংখ্যা কতটি?
  1. তিনটি
  2. চারটি
  3. পাঁচটি
  4. সাতটি
সঠিক উত্তর:
চারটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চারটি
ব্যাখ্যা
- পৃথিবীতে মোট চাপ বলয়ের সংখ্যা ৭টি।
- এর মধ্যে উচ্চচাপ বলয় চারটি এবং নিম্নচাপ বলয় তিনটি।
এগুলো হলোঃ
- নিরক্ষীয় নিম্নচাপ বলয়
- কর্কটীয় উচ্চচাপ বলয়
- মকরীয় উচ্চচাপ বলয়
- উত্তর মেরুবৃত্ত নিম্নচাপ বলয়
- দক্ষিণ মেরুবৃত্ত নিম্নচাপ বলয়
- উত্তর মেরু উচ্চচাপ বলয় এবং
- দক্ষিণ মেরু উচ্চচাপ বলয়।
(তথ্যসূত্রঃ উচ্চ মাধ্যমিক প্রাকৃতিক ভূগোল)
৩,৪৪০.
'জলবায়ুর' সংজ্ঞা হিসেবে কোনটি অধিকতর গ্রহণযোগ্য?
  1. কোনো স্থানের দৈনন্দিন তাপমাত্রা
  2. কোনো স্থানের বার্ষিক গড় বৃষ্টিপাত
  3. কোনো স্থানের মাসিক গড় তাপমাত্রা
  4. কোনো স্থানের ৩০-৪০ বছরের আবহাওয়ার গড় অবস্থা
সঠিক উত্তর:
কোনো স্থানের ৩০-৪০ বছরের আবহাওয়ার গড় অবস্থা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোনো স্থানের ৩০-৪০ বছরের আবহাওয়ার গড় অবস্থা
ব্যাখ্যা
আবহাওয়া ও জলবায়ু:

- আবহাওয়া হলো কোনো স্থানের দৈনন্দিন বায়ুর গড় তাপ, চাপ, বায়ুপ্রবাহের বৈশিষ্ট্য।
- জলবায়ু হলো কোনো স্থানের ৩০-৪০ বছরের আবহাওয়ার গড় অবস্থা।
- আবহাওয়া ও জলবায়ুর উপাদানগুলো হলো বায়ুর তাপ, চাপ, বারিপাত, আর্দ্রতা এবং বায়ুপ্রবাহ।
- জলবায়ুর প্রধান নিয়ামকগুলো হলো- অক্ষাংশ, উচ্চতা, সমুদ্র থেকে দূরত্ব, বায়ুপ্রবাহ, বনভূমি, সমুদ্রস্রোত, পর্বতের অবস্থান, ভূমির ঢাল ও মৃত্তিকা প্রভৃতি।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৪৪১.
থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়ার মধ্যে প্রায় কত কিলোমিটার দীর্ঘ সীমান্ত এলাকা রয়েছে?
  1. ৫০০ কিলোমিটার
  2. ৬০০ কিলোমিটার
  3. ৮০০ কিলোমিটার
  4. ৯০০ কিলোমিটার
সঠিক উত্তর:
৮০০ কিলোমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮০০ কিলোমিটার
ব্যাখ্যা

থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়ার সীমান্ত:
- থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়া দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দুটি প্রতিবেশী দেশ।
- এই দুই দেশের মধ্যে সীমান্তের মোট দৈর্ঘ্য প্রায় ৮০০ কিলোমিটার।
- সীমান্তটি থাইল্যান্ডের পূর্বাঞ্চল ও কম্বোডিয়ার পশ্চিমাঞ্চল জুড়ে বিস্তৃত।
- এই সীমান্ত অঞ্চলটি ভৌগোলিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। 
- ঐতিহাসিকভাবে, থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়ার সীমান্ত নিয়ে বিভিন্ন সময়ে বিরোধ দেখা দিয়েছে।

উল্লেখ্য,
- থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়ার মধ্যে মালয়েশিয়ার মধ্যস্থতায় একটি অস্ত্রবিরতি চুক্তি হয়।
- তবে সীমান্তে মাইন বিস্ফোরণে থাই সেনারা আহত হওয়ার পরের মাসে থাইল্যান্ড চুক্তি স্থগিত করে।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা প্রতিবেদন। [link]

৩,৪৪২.
মসজিদের শহর বলা হয় কোনটিকে?
  1. ক) রিয়াদ
  2. খ) জাকার্তা
  3. গ) ঢাকা
  4. ঘ) ইস্তানবুল
সঠিক উত্তর:
গ) ঢাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ঢাকা
ব্যাখ্যা
ঢাকাকে মসজিদের শহর বলা হয়। তবে সম্প্রতি ইউনেস্কো ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট হিসেবে বাগেরহাটকে মসজিদের শহর বলে আখ্যায়িত করেছে।
৩,৪৪৩.
'বেড়িবাঁধ নির্মাণ ও মেরামত এবং আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ' দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা চক্রের কোন পর্যায়ের অংশ?
  1. পূর্বপ্রস্তুতি
  2. পুনরুদ্ধার
  3. উন্নয়ন
  4. প্রতিরোধ
সঠিক উত্তর:
প্রতিরোধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রতিরোধ
ব্যাখ্যা

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা চক্র:
- দুর্যোগ প্রতিরোধ, দুর্যোগ প্রশমন এবং দুর্যোগের পূর্বপ্রস্তুতি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার মুখ্য উপাদান।
- সুতরাং দুর্যোগকে কার্যকরভাবে মোকাবিলার লক্ষ্যে দুর্যোগপূর্ব সময়েই ব্যবস্থাপনার বেশি কাজ সম্পন্ন করতে হয়।
- দুর্যোগ সংঘটনের পরপরই এর ব্যবস্থাপনার অন্যান্য উপাদানের মধ্যে রয়েছে সাড়াদান, পুনরুদ্ধার ও উন্নয়ন।

⇒ পূর্বপ্রস্তুতি:
- পূর্ব প্রস্তুতি বলতে দুর্যোগ চলাকালীন সময়ে দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতি ও ঝুঁকি কমানোর উদ্দেশ্যে দুর্যোগের পূর্বেই ব্যবস্থা গ্রহণকে বোঝায়। ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চল ও জনগোষ্ঠিকে চিহ্নিতকরণ, দুর্যোগ মোকাবিলা সংক্রান্ত পরিকল্পনা প্রনয়ণ, জরুরি অবস্থা মোকাবিলার জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি ও সম্পদের ব্যবস্থা নিশ্চিতকরণ, ড্রিল বা পথ নাটক অভিনয় এবং রাস্তাঘাট, যানবাহন, বেতার যন্ত্র, টর্চ-ব্যাটারি ও প্রয়োজনীয় ঔষধপত্র ইত্যাদি দুর্যোগের পূর্বে প্রস্তুত রাখা দুর্যোগ পূর্বপ্রস্তুতির অন্তর্ভুক্ত।

প্রতিরোধ:
- প্রাকৃতিক দুর্যোগকে সম্পূর্ণরূপে প্রতিরোধ করা সম্ভব নয়। তবে দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কমানোর ব্যাপারে প্রতিরোধব্যবস্থা গ্রহন, যেমন- বেড়িবাঁধ নির্মাণ ও মেরামত, আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ, পাকা ও মজবুত স্কুল ও ঘরবাড়ি নির্মাণ, নদী খনন ইত্যাদি বুঝায়। কাঠামোগত দুর্যোগ প্রশমন যথেষ্ট ব্যয়বহুল, যা বাংলাদেশের ন্যায় উন্নয়নশীল দেশের পক্ষে বৈদেশিক সাহায্য ব্যতীত তৈরি করা কষ্টসাধ্য। অপরদিকে, অকাঠামোগত দুর্যোগ প্রতিরোধ যেমন- দুর্যোগ মোকাবিলার প্রশিক্ষণ, গণসচেতনতা বৃদ্ধি, পূর্বপ্রস্তুতি ইত্যাদি কার্যক্রম অপেক্ষাকৃত স্বল্প ব্যয়ে করা সম্ভব।

⇒ প্রশমন:
- দীর্ঘ সময়ব্যাপী নানা পদক্ষেপের মাধ্যমে দুর্যোগ সংঘটনের হার হ্রাস করা এবং দুর্যোগ-পূর্ব প্রস্তুতি গ্রহন করাকে দুর্যোগ প্রশমন বলে। মজবুত পাকা ভবন ও অবকাঠামো নির্মাণ, শস্য বহুমুখীকরণ, ভূমি ব্যবহারে বিপর্যয় হ্রাসের কৌশল অবলম্বন, অর্থনৈতিক উন্নয়ন, কম ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় লোক স্থানান্তর ইত্যাদি কার্যক্রম দুর্যোগ প্রশমনের আওতাভুক্ত। দীর্ঘস্থায়ী দুর্যোগ প্রশমন ব্যয়বহুল হলেও সরকার সীমিত সম্পদের মধ্যে বিভিন্ন স্থানে বেড়িবাঁধ নির্মাণ, নদী খনন, আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ, বনায়ন ইত্যাদি কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।

⇒ সাড়াদান:
- দুর্যোগের পরপরই সাড়াদান করা প্রয়োজন। সাড়াদান বলতে নিরাপদ স্থানে অপসারণ, তল্লাশি ও উদ্ধার, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপন এবং ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যক্রমকে বোঝায়।

⇒ পুনরুদ্ধার:
- :দুর্যোগের ফলে জৈব ও অজৈব সকল সম্পদ, প্রাকৃতিক পরিবেশ, সামাজিক ও অর্থনৈতিক অবকাঠামো ইত্যাদি খাতে যে ক্ষয়ক্ষতি সাধিত হয়, পুন:নির্মাণের মাধ্যমে দুর্যোগপূর্ব অবস্থায় ফিরিয়ে আনাকেই পুনরুদ্ধার বলা হয়। এক্ষেত্রে সরকারি, বেসরকারি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা ও আন্তর্জাতিক সংস্থাসমূহের সাহায্য ও সহায়তা প্রয়োজন হয়।

⇒ উন্নয়ন:
- দুর্যোগে বিপর্যস্ত এলাকাকে পূর্ব অবস্থায় ফিরিয়ে আনার অব্যবহিত পর উক্ত এলাকার ভৌগোলিক ও পরিবেশগত বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে উন্নয়ন কার্যক্রম গ্রহন করা আবশ্যক।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৪৪৪.
বাংলাদেশ মূল মধ্যরেখা বা গ্রিনিচ মানমন্দির থেকে কত ডিগ্রি পূর্বদিকে অবস্থিত?
  1. ১২০ ডিগ্রি
  2. ৮০ ডিগ্রি
  3. ৯০ ডিগ্রি
  4. ৬০ ডিগ্রি
সঠিক উত্তর:
৯০ ডিগ্রি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯০ ডিগ্রি
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশ মূল মধ্যরেখা বা গ্রিনিচ মানমন্দির থেকে ৯০ ডিগ্রি পূর্বদিকে অবস্থিত হওয়ায়,

গ্রিনিচ মান সময়:

- Greenwich Mean Time (GMT) একটি আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে প্রণীত সময় পদ্ধতি।
- গ্রিনিচ মান মন্দির যুক্তরাজ্যের লন্ডন শহরে অবস্থিত।
- এর উপর দিয়ে মূল মধ্যরেখা বা শূন্য ডিগ্রী দ্রাঘিমারেখা গিয়েছে।
- ১৮৮৪ সালের ১ নভেম্বর জিএমটি আন্তর্জাতিকভাবে প্রমাণ সময় হিসেবে গৃহিত হয়।
- তবে ১৯৭২ সালে GMT এর পরিবর্তে আন্তর্জাতিক প্রমাণ সময় হিসেবে UTC (Coordinated Universal Time) গৃহিত হয়।

উল্লেখ্য,
- পৃথিবীতে প্রতি ডিগ্রি দ্রাঘিমার জন্যে সময়ের পার্থক্য হয় ৪ মিনিট করে।
- গ্রিনিচের পূর্ব দিকে অবস্থিত স্থানগুলোর সময় গ্রিনিচের থেকে এগিয়ে থাকে।
- গ্রিনিচের পশ্চিমের স্থানগুলোর সময় গ্রিনিচ থেকে পিছিয়ে থাকে।
- বাংলাদেশ মূল মধ্যরেখা বা গ্রিনিচ মানমন্দির থেকে ৯০ ডিগ্রি পূর্বদিকে অবস্থিত হওয়ায়,
- বাংলাদেশের সাথে গ্রিনিচের সময়ের পার্থক্য ৯০ x ৪ = ৩৬০ মিনিট বা ৬ ঘন্টা।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণী ও ব্রিটানিকা।

৩,৪৪৫.
কোন মহাসাগরটি ইংরেজি 'S' অক্ষরের মতো?
  1. দক্ষিণ মহাসাগর
  2. উত্তর মহাসাগর
  3. প্রশান্তমহাসাগর
  4. আটলান্টিক মহাসাগর
সঠিক উত্তর:
আটলান্টিক মহাসাগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আটলান্টিক মহাসাগর
ব্যাখ্যা
• আটলান্টিক মহাসাগর (Atlantic Ocean):
- এটি পৃথিবার দ্বিতায় বৃহত্তম মহাসাগর।
- এ মহাসাগর আয়তন প্রশান্তমহাসাগরের প্রায় অর্ধেক।
- পৃথিবীর আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের প্রধান অংশ এ মহাসাগর দিয়ে সম্পন্ন করা হয়।
- এ মহাসাগরের আয়তন ৮ কোটি ২৪ লক্ষ বর্গকিলোমিটার।
- গড় গভীরতা ৩,৯৩২ মিটার এবং সর্বাধিক গভীরতা ৯,১৮৮ মিটার।
- আটলান্টিক মহাসাগর তুলনামূলকভাবে প্রশান্তমহাসাগরের চেয়ে কম প্রশস্ত।
- এবং উত্তর থেকে দক্ষিণ দিকে ইংরেজি S অক্ষরের মতো বিস্তৃত।

এছাড়াও,
- এ মহাসাগরের পূর্বদিকে ইউরোপ ও আফ্রিকা মহাদেশ।
- এবং পশ্চিমে উত্তর আমেরিকা ও দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশ অবস্থিত।
- আর্কটিক সাগরসহ এটি সবচেয়ে লম্বা মহাসাগর যা উত্তর ও দক্ষিণ মেরু অঞ্চলকে যুক্ত করেছে।
- স্থলভাগ সংলগ্ন অনেকগুলো অগভীর সাগর রয়েছে।
- যেমন- আর্কটিক, বাল্টিক, ক্যারাবিয়ান, ভূ-মধ্যসাগর এবং মেক্সিকো উপসাগর রয়েছে।
- এ মহাসাগরে পতিত নদীগুলোর মধ্যে আমাজান এবং কঙ্গো অন্যতম।

→আটলান্টিক মহাসাগরে দ্বীপ:
- এর মধ্যে পৃথিবীর সর্ববৃহৎ দ্বীপ গ্রীনল্যান্ড অন্যতম।
- এছাড়াও রয়েছে পশ্চিম ভারতীয় দ্বীপপুঞ্জ, দক্ষিণ স্যান্ডউইচ, আইসল্যান্ড, সেন্ট পল বক দ্বীপ প্রভৃতি।

উৎস: ভূগোল ১ম পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৪৪৬.
ভূ-ত্বকের নিচের দিক থেকে প্রতি কি.মি তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায় কত?
  1. ক) ২৫° সেলসিয়াস
  2. খ) ২০° সেলসিয়াস
  3. গ) ৩০° সেলসিয়াস
  4. ঘ) ৩৫° সেলসিয়াস
সঠিক উত্তর:
গ) ৩০° সেলসিয়াস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৩০° সেলসিয়াস
ব্যাখ্যা
• অশ্মমন্ডল (Lithosphere):
- ভূ-পৃষ্ঠ থেকে অভ্যন্তরে প্রায় ৭০০ কিলোমিটার গভীর পর্যন্ত প্রথম স্তরকে অশ্মমন্ডল বলে।
- ভূ-কম্পন তরঙ্গ থেকে জানা যায় যে, এ স্তরটি মূলত সিলিকন ও অ্যালুমিনিয়াম উপাদান দিয়ে গঠিত যা সিয়াল ((Sial) নামে পরিচিত।
- ভূ-ত্বকের নিচের দিকে প্রতি কিলোমিটারে ৩০° সেলসিয়াস তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়।
- অশ্বমন্ডলের নিচে গুরুমন্ডল ও কেন্দ্রমন্ডল নামে আরো দুটি প্রধান স্তর রয়েছে।

তথ্যসূত্র: ভূগোল প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৪৪৭.
সাজেক ভ্যালি কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. খাগড়াছড়ি
  2. রাঙ্গামাটি
  3. বান্দরবান
  4. চট্টগ্রাম
সঠিক উত্তর:
রাঙ্গামাটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাঙ্গামাটি
ব্যাখ্যা

• সাজেক ভ্যালি:
- সাজেক উপত্যকা বাংলাদেশের রাঙ্গামাটি জেলার বাঘাইছড়ি উপজেলার অন্তর্গত সাজেক ইউনিয়নে অবস্থিত।
- সাজেক উপত্যকা একটি বিখ্যাত পর্যটন আকর্ষণ।
- এটি রাঙ্গামাটি জেলার সর্বউত্তরের মিজোরাম সীমান্তে অবস্থিত।
- এর উত্তরে ভারতের ত্রিপুরা, দক্ষিণে রাঙ্গামাটির লংগদু, পূর্বে ভারতের মিজোরাম, পশ্চিমে খাগড়াছড়ির দীঘিনালা অবস্থিত।
- সাজেক রুইলুই পাড়া এবং কংলাক পাড়া এই দুটি পাড়ার সমন্বয়ে গঠিত।
- এখানে মূলত লুসাই, পাংখোয়া এবং ত্রিপুরা আদিবাসী বসবাস করে।
- সাজেক হচ্ছে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ইউনিয়ন।
- এর আয়তন ৭০২ বর্গমাইল।
- সাজেকের বিজিবি ক্যাম্প বাংলাদেশের সর্বোচ্চ উঁচুতে অবস্থিত বিজিবি ক্যাম্প।
- সাজেক ভ্যালিকে বলা হয় রাঙ্গামাটির ছাদ।

তথ্যসূত্র: রাঙ্গামাটি জেলার ওয়েবসাইট।

৩,৪৪৮.
শাল বৃক্ষের জন্যে বিখ্যাত বনভূমি- 
  1. পার্বত্য চট্রগ্রাম বনাঞ্চাল
  2. মধুপুর বনাঞ্চাল
  3. সুন্দরবন বনাঞ্চাল
  4. উপকূলীয় বনাঞ্চল
সঠিক উত্তর:
মধুপুর বনাঞ্চাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মধুপুর বনাঞ্চাল
ব্যাখ্যা
• মধুপুর বনাঞ্চাল:
 -বাংলাদেশের তৃতীয় বৃহত্তম প্রাকৃতিক বনাঞ্চল মধুপুর বনাঞ্চাল।
- মধুপুর বনাঞ্চাল  টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহয়ে অবস্থিত।
- এটি বন বিভাগের অধীনে আসে ১৯৬২ সালে।
 - ১৯৭৪ সালের বন্যপ্রাণী আইনের আওতায় মধুপুর বনকে জাতীয় উদ্যান হিসেবে ঘোষণা দেওয়া হয় ১৯৮২ সালে।
- মধুপুর জাতীয় উদ্যানের দক্ষিণ পাশ দিয়ে বয়ে গেছে বংশী নদী।
- মধুপুর বনাঞ্চাল মধুপুর গড় বা শালবন নামে পরিচিত।
- এ জাতীয় উদ্যান উল্লেখযোগ্য গাছপালায় হল- শাল, বহেড়া, আমলকী, হলুদ, আমড়া, জিগা, ভাদি, অশ্বত্থ, বট, সর্পগন্ধা, শতমূলী, জায়না, বিধা, হাড়গোজা, বেহুলা ইত্যাদি। 

উৎস:  মধুপুর উপজেলা।
৩,৪৪৯.
মেঘনা নদীর উপনদী কোনটি?
  1. ক) মনু
  2. খ) করতোয়া
  3. গ) আত্রাই
  4. ঘ) শীতলক্ষ্যা
সঠিক উত্তর:
ক) মনু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) মনু
ব্যাখ্যা
মেঘনা:
- আসামের বরাক নদী নাগা-মণিপুর অঞ্চল থেকে উৎপন্ন হয়ে সুরমা ও কুশিয়ারা নামে বিভক্ত হয়ে বাংলাদেশের সিলেট জেলায় প্রবেশ করেছে।
- উত্তরের শাখা সুরমা পশ্চিম দিকে সিলেট, ছাতক, সুনামগঞ্জ শহরের পাশ দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।
- আজমিরীগঞ্জের কাছে উত্তর সিলেটের সুরমা, দক্ষিণ সিলেটের কুশিয়ারা নদী এবং হবিগঞ্জের কালনী নদী একসঙ্গে মিলিত হয়েছে।
- পরে কালনী, সুরমা ও কুশিয়ারার মিলিত প্রবাহ কালনী নামে দক্ষিণে কিছুদূর প্রবাহিত হয়ে মেঘনা নাম ধারণ করেছে।
- মেঘনা ভৈরববাজারের দক্ষিণে পুরাতন ব্রহ্মপুত্রের সঙ্গে মিলিত হয়ে দক্ষিণ-পশ্চিমে প্রবাহিত হয়েছে এবং চাঁদপুরের কাছে পদ্মার সঙ্গে মিলিত হয়ে মেঘনা নামে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে।
- বাংলাদেশে মেঘনা বিধৌত অঞ্চল হচ্ছে ২৯,৭৮৫ বর্গকিলােমিটার।
- মেঘনার উপনদী = মনু, বাউলাই, তিতাস, গােমতী। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি। 
৩,৪৫০.
নিচের কোনটি ভূমধ্যসাগর তীরবর্তী দেশ নয়?
  1. মিশর
  2. আলজেরিয়া
  3. সিরিয়া
  4. জার্মানি
সঠিক উত্তর:
জার্মানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জার্মানি
ব্যাখ্যা

• জার্মানি ভূমধ্যসাগরের তীরবর্তী দেশ নয়।

• ভূমধ্যসাগর (Mediterranean Sea) ইউরোপ, আফ্রিকা এবং এশিয়ার মধ্যবর্তী অঞ্চলে অবস্থিত।
• ভূমধ্যসাগর তীরবর্তী দেশগুলো হলো:
- ইউরোপে: স্পেন, ফ্রান্স, ইতালি, গ্রিস, তুরস্ক (আংশিক ইউরোপে), ইত্যাদি।
- আফ্রিকায়: মিশর, আলজেরিয়া, তিউনিসিয়া, মরক্কো, লিবিয়া।
- এশিয়ায়: তুরস্ক, সিরিয়া, লেবানন, ইসরায়েল, ফিলিস্তিন।

উৎস: ওয়ার্ল্ড এটলাস ও ব্রিটানিকা।

৩,৪৫১.
এশিয়ার দক্ষিণ ভাগ দিয়ে অতিক্রম করেছে-
  1. মূল মধ্যরেখা
  2. কর্কটক্রান্তি
  3. মকর ক্রান্তি
  4. বিষুব রেখা
সঠিক উত্তর:
কর্কটক্রান্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কর্কটক্রান্তি
ব্যাখ্যা
কর্কটক্রান্তি রেখা: 
- এশিয়ার দক্ষিণ ভাগ দিয়ে অতিক্রম করেছে কর্কটক্রান্তি রেখা।
- বাংলাদেশ ট্রপিক অব ক্যানসার বা কর্কটক্রান্তি রেখার উপর অবস্থিত। 
- সাড়ে ২৩° উত্তর অক্ষরেখা কর্কটক্রান্তি রেখা নামে পরিচিত। 
- এটি বাংলাদেশের পূর্ব-পশ্চিম বরাবর প্রায় মধ্যভাগ দিয়ে অতিক্রম করেছে। 
- কর্কটক্রান্তি রেখা অতিক্রম করেছে এমন জেলাগুলো হচ্ছে - চুয়াডাঙা, ঝিনাইদহ, মাগুরা, রাজবাড়ি, ফরিদপুর, ঢাকা, মুন্সীগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ, কুমিল্লা, খাগড়াছড়ি ও রাঙামাটি। 
- এছাড়াও বাংলাদেশের উপর দিয়ে ৯০° পূর্ব দ্রাঘিমারেখা অতিক্রম করেছে। 

তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি ও বাংলাপিডিয়া।
৩,৪৫২.
বরেন্দ্রভূমি হলো -
  1. টারশিয়ারি যুগের পাহাড়
  2. প্লাইস্টোসিন যুগের সোপান
  3. সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি
  4. পাদদেশীয় পালল সমভূমি
সঠিক উত্তর:
প্লাইস্টোসিন যুগের সোপান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্লাইস্টোসিন যুগের সোপান
ব্যাখ্যা
বরেন্দ্রভূমি:
- বরেন্দ্রভূমি রাজশাহী বিভাগের নওগাঁ, রাজশাহী, বগুড়া, জয়পুরহাট এবং রংপুর বিভাগের গাইবান্ধা, রংপুর ও দিনাজপুর জেলার অংশবিশেষ নিয়ে গঠিত।
- এর আয়তন ৯,৩২০ বর্গকিলোমিটার।
- প্লাবন সমভূমি থেকে এর উচ্চতা ৬ থেকে ১২ মিটার।
- এটি প্লাইস্টোসিন যুগের সর্ববৃহৎ উঁচুভূমি।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৪৫৩.
নিচের কোনটি বাংলাদেশের ঘোষিত প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা?
  1. বালু নদী
  2. মারজাত বাওড়
  3. সুন্দরবন
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের ঘোষিত প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা:
- অপরিণামদর্শী কর্মকাণ্ডের ফলে দেশের প্রতিবেশ ও জীববৈচিত্র্য মারাত্মক ক্ষতি হয়ে গিয়েছে।
- এর ফলে দেশের জীববৈচিত্র্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং কোনো কোনো প্রতিবেশের উৎপাদনশীলতাও কমে গিয়েছে।
- দেশের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সুরক্ষা এবং প্রাকৃতিক পরিবেশ সংরক্ষণ ও পরিবেশগত মানোন্নয়নের লক্ষ্যে সরকার কর্তৃক বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন ১৯৯৫ (সর্বশেষ সংশোধিত ২০১০) অনুসারে বিভিন্ন সময়ে কিছু এলাকাকে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা (Ecologically Critical Area-ECA/ইসিএ) হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।
- এ-পর্যন্ত দেশের ১৩টি এলাকাকে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা ঘোষণা করা হয়েছে।
- এলাকাগুলো: সুন্দরবন, কক্সবাজার-টেকনাফ সমুদ্র সৈকত, সেন্টমাটিন দ্বীপ, সোনাদিয়া দ্বীপ, হাকালুকি হাওর, টাঙ্গুয়ার হাওর, মারজাত বাওড়, গুলশান-বারিধারা লেক, বুড়িগঙ্গা নদী, তুরাগ নদী, বালু নদী, শীতলক্ষ্যা নদী, জাফলং-ডাউকি নদী। 

উৎস: পরিবেশ অধিদপ্তর ওয়েবসাইট। 
৩,৪৫৪.
পদ্মা ও যমুনা মিলিত হয়েছে-
  1. গোয়ালন্দ
  2. আজমিরীগঞ্জ
  3. দেওয়ানগঞ্জ
  4. লোহজঙ্গ
সঠিক উত্তর:
গোয়ালন্দ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গোয়ালন্দ
ব্যাখ্যা
• পদ্মা নদী:
- বাংলাদেশের প্রধান নদী পদ্মা। এ নদী গঙ্গা নামে মধ্য হিমালয়ের গঙ্গোত্রী হিমবাহ থেকে উৎপন্ন হয়েছে এবং চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।
- পদ্মা নদী রাজবাড়ি জেলার গোয়ালন্দের নিকট যমুনার সাথে মিলিত হয়েছে।
- এই মিলিত ধারা পদ্মা নামে দক্ষিণ-পূর্ব দিকে প্রবাহিত হয়ে চাঁদপুরে মেঘনার সাথে মিশেছে। অতঃপর তিন নদীর মিলিত স্রোত মেঘনা নামে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে।
- পদ্মার শাখা নদীগুলো হলো ⎯ মধুমতি, আড়িয়াল খাঁ, ভৈরব, মাথাভাঙ্গা, কুমার, কপোতাক্ষ, শিবসাত, পশুর, বড়াল, গড়াই, ইছামতি ইত্যাদি এবং উপনদী ⎯ মহানন্দা, টাঙ্গন, নাগর, পুনর্ভবা, কুলিক।

• নদীর মিলিত স্থান :
- পদ্মা + যমুনা = গোয়ালন্দ
- পদ্মা + মেঘনা = চাঁদপুর,
- সুরমা + কুশিয়ারা = আজমিরীগঞ্জ (কালনী নাম)।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন
৩,৪৫৫.
কোন জেলা গুলোকে কেন্দ্র করে সুন্দরবন অবস্থিত?
  1. ক) পটুয়াখালী, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরা
  2. খ) খুলনা, বাগেরহাট ও পঞ্চগড়
  3. গ) খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরা
  4. ঘ) খুলনা, নওগাঁ ও সাতক্ষীরা
সঠিক উত্তর:
গ) খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরা
ব্যাখ্যা
সুন্দরবন
• বাংলাদেশের অংশ ৬,০১৭ বর্গ কি.মি.আয়তনের সুন্দরবন বিশ্বের বৃহত্তম ব-দ্বীপ, দীর্ঘতম লবণাক্ত জলাভূমি এবং জীব বৈচিত্র্যে সমৃদ্ধ একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ ইকোসিস্টেম।
• এখানে ৩৩৪ প্রজাতির উদ্ভিদ এবং ৩৭৫ প্রজাতির বন্যপ্রাণী বিদ্যমান, যার মধ্যে আছে ৩৫ প্রজাতির সরীসৃপ, ৩১৫ প্রজাতির পাখি, ৪২ প্রজাতির স্তন্যপায়ী প্রাণী এবং বিশ্ব বিখ্যাত রয়েল বেঙ্গল টাইগার। প্রধান সরীসৃপ জাতিগুলোর মধ্যে আছে নোনা পানির কুমির, অজগর, গোখরা, গুইসাপ, সামুদ্রিক সাপ, গিরগিটি, কচ্ছপ এবং অন্যান্য।
• জলাভূমি হিসাবে রামসার এলাকার সকল বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান থাকায় সুন্দরবনকে ১৯৯২ সালে ৫৬০ তম রামসার এলাকা হিসাবে যোষণা করা হয়েছে। ১৯৯৭ সালে ইউনেস্কো সুন্দরবনকে ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট হিসেবে ঘোষণা করে।
• বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরা জেলায় সু্ন্দরবন অবস্থিত।
• সুন্দরবনের প্রধান বৃক্ষ হলো সুন্দরী।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি এবং খুলনা জেলা ওয়েবসাইট। 
৩,৪৫৬.
ঢাকা থেকে পশ্চিমে অবস্থিত একটি স্থানের দ্রাঘিমার পার্থক্য ৪৫°। ঢাকায় যখন সকাল ৯টা তখন সেই স্থানের স্থানীয় সময় কত?
  1. সকাল ১২.০০ টা
  2. বিকেল ৩.০০ টা
  3. সন্ধ্যা ৬.০০ টা
  4. ভোর ৬.০০টা
সঠিক উত্তর:
ভোর ৬.০০টা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভোর ৬.০০টা
ব্যাখ্যা
• ঢাকা থেকে স্থানটির ব্যবধান = ৪৫°
= (৪৫×৪) মিনিট 
= ১৮০ মিনিট 
= ৩ ঘন্টা

সময়ের ব্যবধান হবে ৩ ঘণ্টা 

এখানে যে স্থানটির স্থানীয় সময় নির্ণয় করতে হবে সেটা ঢাকার পশ্চিমে দিকে অবস্থিত। সুতরাং স্থানীয়
সময় ঢাকার সময়ের চেয়ে কম হবে কারণ পূর্ব দিকে সূর্য আগে উদিত হয়েছে। তাই ঢাকার সময়ের সঙ্গে
৩ ঘণ্টা বিয়োগ করতে হবে।
.স্থানটির সময়
= ঢাকার সময় - সময়ের পার্থক্য
= সকাল ৯টা -  ৩ ঘণ্টা 
= ভোর ৬ টা।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ নবম-দশম শ্রেণি বোর্ড বই।
৩,৪৫৭.
'ধলেশ্বরী' কোন নদীর শাখানদী?
  1. মহানন্দা 
  2. যমুনা
  3. পদ্মা
  4. মেঘনা 
সঠিক উত্তর:
যমুনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যমুনা
ব্যাখ্যা

• 'ধলেশ্বরী'— যমুনা নদীর শাখানদী। 
------------------------
• যমুনা:
- যমুনা নদী মূলত ব্রহ্মপুত্র নদীর একটি শাখা।
- এটি গোয়ালন্দের কাছে পদ্মা নদীর সাথে মিলিত হয়েছে।
- ১৭৮২ থেকে ১৭৮৭ সালের মধ্যে সংঘটিত ভূমিকম্প এবং ভয়াবহ বন্যার কারণে ব্রহ্মপুত্রের তৎকালীন গতিপথ পরিবর্তিত হয়, যা বর্তমান যমুনা নদীর সৃষ্টি করেছে।
- প্রথমে যমুনা নদীর নাম ছিল জোনাই।
- যমুনা নদী তিস্তা নদীর মিলিত স্রোতধারার সঙ্গে দক্ষিণ দিকে প্রবাহিত হয়ে পদ্মার সাথে যুক্ত হয়েছে।

• যমুনার শাখানদী হিসেবে রয়েছে- ধলেশ্বরী। 

• এছাড়া বিভিন্ন উপনদী রয়েছে, যেমন:
- তিস্তা, ধরলা, করতোয়া, আত্রাই, বাঙ্গালী, কালজানি, ডোরসা, যমুনেশ্বরী, দুধকুমারত, গঙ্গা, তুলসী গঙ্গা, বড়াল ও নারদ।

উৎস: ভূগোল, এইস এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৪৫৮.
The most abundant element in the earth's crust is -
  1. ক) Nitrogen
  2. খ) Silicon
  3. গ) Hydrogen
  4. ঘ) Oxygen
সঠিক উত্তর:
ঘ) Oxygen
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) Oxygen
ব্যাখ্যা
ভূত্বক:
- ভূপৃষ্ঠে শিলার যে কঠিন বহিরাবরণ দেখা যায় তাই ভূত্বক।
- ভূত্বকের পুরুত্ব খুবই কম।

- ভূত্বকের প্রধান উপাদান বা সবচেয়ে বেশি পরিমাণে পাওয়া যায় অক্সিজেন।
- ভূত্বকে অক্সিজেনের পরিমাণ - ৪২.৭%,
- সিলিকনের পরিমাণ - ২৭.৭%,
- অ্যালুমিনিয়ামের পরিমাণ - ৮.১%,
- লোহা বা আয়রনের পরিমাণ - ৫.১%,
- ক্যালসিয়ামের পরিমাণ - ৩.৭%
- সোডিয়ামের পরিমাণ - ২.৮%,
- পটাসিয়ামের পরিমাণ - ২.৬% এবং
- ম্যাগনেসিয়ামের পরিমাণ - ২.১%।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,৪৫৯.
নিরক্ষরেখার উভয়দিকে উত্তর-দক্ষিণে ৫ ডিগ্রি অক্ষাংশ পর্যন্ত অঞ্চলকে বলা হয়-
  1. ক) গর্জনশীল চল্লিশ
  2. খ) অশ্ব অক্ষাংশ
  3. গ) ক্রান্তীয় শান্ত বলয়
  4. ঘ) নিরক্ষীয় শান্ত বলয়
সঠিক উত্তর:
ঘ) নিরক্ষীয় শান্ত বলয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) নিরক্ষীয় শান্ত বলয়
ব্যাখ্যা
নিরক্ষরেখার উভয়দিকে উত্তর-দক্ষিণে ৫ ডিগ্রি অক্ষাংশ পর্যন্ত অঞ্চল নিরক্ষীয় শান্ত বলয় নামে পরিচিত। নিরক্ষরেখায় সূর্যতাপ অত্যধিক হওয়ায় ক্রান্তীয় উচ্চবলয় থেকে আগত অয়ন বায়ু এখানে তাপে হালকা হয়ে উপরে উঠে যায়। যার কারণে এখানে বায়ুর আনুভূমিক প্রবাহ বন্ধ হয়ে যায়। এতে শান্ত বলয়ের সৃষ্টি হয়।
(সূত্রঃ ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী)
৩,৪৬০.
আয়তনে বিশ্বের সবচেয়ে বড় মুসলিম প্রজাতন্ত্র কোনটি?
  1. আফগানিস্তান
  2. উজবেকিস্তান
  3. কিরগিজিস্তান
  4. কাজাখস্তান
সঠিক উত্তর:
কাজাখস্তান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কাজাখস্তান
ব্যাখ্যা
কাজাখস্তান:
- কাজাখস্তান আয়তনে বিশ্বের সবচেয়ে বড় মুসলিম প্রজাতন্ত্র।
- কাজাখস্তানের আয়তন ২৭২৪৯০০ বর্গ কিলোমিটার।
- দেশটি পশ্চিমে ক্যাস্পিয়ান সাগর থেকে পূর্বে আলতায় পর্বতমালা পর্যন্ত বিস্তৃত।
- কাজাখস্তানের সর্বোচ্চ শিখর হল খান টেংরি।
- সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নদীগুলির মধ্যে রয়েছে ইশিম, ইরতুশ, সির দায়রা, টোবোল এবং উরাল।
- কাজাখস্তান হল বিশ্বের বৃহত্তম স্থলবেষ্টিত দেশ এবং বিশ্বের নবম বৃহত্তম দেশ। 
- কাজাখস্তানের রাজধানী নূর সুলতান।
- কাজাখস্তান স্বাধিনতা লাভ করে ১৯৯১ সালে।

তথ্যসূত্র - Worldatlas.com
৩,৪৬১.
V-20 জোট কোন বিষয়ের সাথে সংশ্লিষ্ট?
  1. নবায়নযোগ্য জ্বালানি
  2. জলবায়ু পরিবর্তন
  3. শুল্কমুক্ত বাণিজ্য
  4. বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ
সঠিক উত্তর:
জলবায়ু পরিবর্তন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জলবায়ু পরিবর্তন
ব্যাখ্যা
• V-20:
→ V-20 (Vulnerable-20) হলো জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে ঝুঁকিতে থাকা দেশগুলোর অর্থমন্ত্রীদের ফোরাম।
→ এর নাম V-20 হলেও এর সদস্য সংখ্যা ৬৮টি দেশ।
→ ২০১৫ সালের ৮ অক্টোবরে পেরুর রাজধানী লিমায় এটি গঠিত হয়।
→ বাংলাদেশ ২০২০-২০২২ মেয়াদে V-20 জোটের সভাপতির দায়িত্ব পালন করছে।

সূত্র: Vulnerable-20 ওয়েবসাইট।
৩,৪৬২.
কার্যকরভাবে কোন দুর্যোগ মোকাবেলার ক্ষমতা হচ্ছে -
  1. ক) প্রশমন
  2. খ) পূর্ব প্রস্তুতি
  3. গ) সক্ষমতা
  4. ঘ) কোনোটি নয়
সঠিক উত্তর:
গ) সক্ষমতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সক্ষমতা
ব্যাখ্যা
• দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায়  ঝুঁকি, বিপদাপন্নতা ও সক্ষমতা সম্পর্কে জানা প্রয়োজন ।

ঝুঁকি (Risk): আপদ, বিপদাপন্ন জনগোষ্ঠী এবং পরিবেশ- এ তিন উপাদানের নেতিবাচক সংমিশ্রণের ফলে সৃষ্ট ক্ষতিকর প্রভাবের আশঙ্কাই হলো ঝুঁকি ।
ঝুঁকি = বিপদাপন্নতা x আপদ/সক্ষমতা

বিপদাপন্নতা বা নাজুকতা (Vulnerability): হলো কোন ব্যক্তি, পরিবার বা জনগোষ্ঠীর এক বা একাধিক সুনির্দিষ্ট আপদে আক্রান্ত হওয়ার আশংকা এবং ঐ আপদ সংঘটনের ফলে জনগোষ্ঠীর ও ব্যক্তির জীবন যাপনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে ক্ষয়ক্ষতির সম্ভাব্য মাত্রা।

সক্ষমতা (Capacity): কার্যকরভাবে কোন দুর্যোগ মোকাবেলার ক্ষমতাকেই সক্ষমতা বলে। সক্ষমতা হচ্ছে আগাম প্রস্ততি অথবা পূর্ব প্রস্তুতি গ্রহণ করার মতো জ্ঞান বা দক্ষতা তৈরি করা।

সূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, বিএড প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৪৬৩.
বাংলাদেশের কোন দ্বীপটি প্রবাল দ্বীপ নামে খ্যাত?
  1. নিঝুম দ্বীপ
  2. সেন্টমার্টিন
  3. হাতিয়া
  4. কুতুবদিয়া
সঠিক উত্তর:
সেন্টমার্টিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সেন্টমার্টিন
ব্যাখ্যা
- দেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ হলো- সেন্টমার্টিন।
- সেন্টমার্টিনের অপন নাম- নারিকেল জিঞ্জিরা।
- বাংলাদেশের একমাত্র পাহাড়ী দ্বীপ হলো মহেশখালী।
- কুতুবদিয়া দ্বীপে বাতিঘর রয়েছে।
- সন্দ্বীপে প্রাচীনকালে বাণিজ্যিক জাহাজ নির্মাণ হতো।

তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন
৩,৪৬৪.
'ডম্বুর বাঁধ' ভারতের কোন নদীর উপর অবস্থিত?
  1. গঙ্গা
  2. তিস্তা
  3. ব্রহ্মপুত্র
  4. গোমতী
সঠিক উত্তর:
গোমতী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গোমতী
ব্যাখ্যা
ডম্বুর বাঁধ:
- ত্রিপুরার রাজধানী আগরতলা থেকে সড়ক পথে প্রায় ১২০ কিলোমিটার দূরের ডম্বুর হ্রদ।
- “রাইমা আর সরমা' এই দুটি ছোট নদী ত্রিপুরার এই তীর্থমুখ হ্রদে এসে মিশেছে।
- সেখান থেকেই গোমতী নদীর উৎপত্তি।
- এই গোমতী নদীর উপর ডুম্বুর বাঁধ অবস্থিত।

⇒ মূলত ত্রিপুরা রাজ্যকে বন্যা থেকে সুরক্ষা প্রদান এবং ডুম্বুর জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের অধীনে বিদ্যুত সরবরাহ নিশ্চিত করতে ১৯৭০-এর দশকে গোমতি নদীর উপর ডম্বুর বাঁধ নির্মাণ করা হয়।

⇒ ২০২৪ সালের আগস্ট মাসে, দীর্ঘ ৩১ বছর পর ভারী বর্ষণের কারণে ডম্বুর বাঁধের জলাধারের পানির স্তর অত্যন্ত বৃদ্ধি পায়।
- এই অতিরিক্ত পানি নিয়ন্ত্রণ করার জন্য এবং বাঁধের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাধ্য হয়ে কর্তৃপক্ষ ডুম্বুর বাঁধের গেট খুলে দেয়।
- এই পদক্ষেপটি নেওয়া হয়েছিল যাতে বাঁধের উপর অতিরিক্ত চাপ না পড়ে এবং বড় ধরনের বিপর্যয় এড়ানো যায়।
- গোমতী নদী ত্রিপুরা থেকে প্রবাহিত হয়ে বাংলাদেশের কুমিল্লা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, এবং আশেপাশের অঞ্চলে প্রবেশ করে।
- বাঁধের গেট খোলার পর অতিরিক্ত পানি বাংলাদেশের এই অঞ্চলে প্রবাহিত হয়, যা আকস্মিক বন্যার সৃষ্টি করে।
- এর ফলে নিম্নাঞ্চলের গ্রাম, ফসলের মাঠ এবং সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

উৎস: BBC বাংলা।
৩,৪৬৫.
মুন্সিগঞ্জ কোন নদীর তীরে অবস্থিত?
  1. পশুর
  2. ধলেশ্বরী
  3. গোমতী
  4. করতোয়া
সঠিক উত্তর:
ধলেশ্বরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধলেশ্বরী
ব্যাখ্যা
₻ ধলেশ্বরী নদী 
বাংলাদেশের আরো কয়েকটি নদী তীরবর্তী শহর:

• সিরাজগঞ্জ - যমুনা। 
• শরীয়তপুর - পদ্মা।
• কুমিল্লা - গোমত। 
• পঞ্চগড় - করতোয়া।
• মুন্সিগঞ্জ - ধলেশ্বরী । 
• মংলা - পশুর।
• রাজবাড়ী - পদ্মা।
• ঢাকা - বুড়িগঙ্গা
৩,৪৬৬.
পৃথিবীর নিরক্ষীয় ব্যাস কত?
  1. ১২,৭৫৭ কিলোমিটার
  2. ১৮,৭৫৭ কিলোমিটার
  3. ৮,৭৫৭ কিলোমিটার
  4. ১০,৭৫৭ কিলোমিটার
সঠিক উত্তর:
১২,৭৫৭ কিলোমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২,৭৫৭ কিলোমিটার
ব্যাখ্যা
পৃথিবীর ব্যাস:
- পৃথিবীর কেন্দ্র বিন্দুকে ছেদ করে একটি রেখা যদি পৃথিবীর যে কোনো দুইটি প্রান্তকে স্পর্শ করে, তবে ঐ রেখাকে পৃথিবীর ব্যাস বলা হয়।

• ইরাটোসথেনীসের গণনা অনুযায়ী-
- মেরুদেশীয় এলাকায় পৃথিবীর ব্যাস ১২,৭১৪ কি.মি. বা ৭,৯০০ মাইল,
- নিরক্ষরেখা বরাবর পৃথিবীর ব্যাস ১২,৭৫৭ কি.মি. বা ৭,৯২৭ মাইল।

⇒ পৃথিবীর ব্যাসার্ধ:
- পৃথিবীর ব্যাসার্ধ (Radius) হলো এমন একটি রেখা বা লাইন যেটি পৃথিবীর কেন্দ্র বিন্দু থেকে যে কোনো একটি প্রান্ত স্পর্শ করে।
- পৃথিবীর গড় ব্যাসার্ধ হলো ৬,৪০০ কিঃ মিঃ।

⇒ পৃথিবীর আয়তন:
- বিজ্ঞানীদের মতে, পৃথিবীর আয়তন ৫১ কোটি ৪৯ লক্ষ ২৫ হাজার ৭১৪.৩ বর্গ কিঃমিঃ।

⇒ পৃথিবীর পরিধি:
- গ্রীক পন্ডিত ইরাটোসথেনীস খৃস্টপূর্ব ২৫০ অব্দে গাণিতিক পদ্ধতিতে পৃথিবীর পরিধি নির্ণয় করেন।
- পৃথিবীর ঠিক মধ্যভাগ বরাবর অবস্থিত নিরক্ষরেখার (০০ অক্ষাংশ) পরিধি হলো পৃথিবীর পরিধি।
- পৃথিবীর প্রকৃত পরিধি প্রায় ৪০,০০০ কিঃ মিঃ বা ২৫,০০০ মাইল।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,৪৬৭.
এভারেস্ট পর্বতের উচ্চতা কত?
  1. ৮,৭৪৮.৮৪ মিটার
  2. ৮,৭৪৮.৮৪ ফুট
  3. ২৯,০৩২ মিটার
  4. ২৯,০৩২ ফুট
সঠিক উত্তর:
২৯,০৩২ ফুট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৯,০৩২ ফুট
ব্যাখ্যা
এভারেস্ট পর্বত
- মাউন্ট এভারেস্ট পৃথিবীর সর্বোচ্চ পর্বত।
- এটি দক্ষিণ এশিয়ার গ্রেট হিমালয়ের চূড়ায় অবস্থিত পর্বত যা চীন ও নেপালের সীমান্ত অঞ্চলে অবস্থিত।
- তিব্বত এবং নেপালের সীমান্তে উত্থিত, লক্ষ লক্ষ বছর আগে ভারতীয় এবং ইউরেশিয়ান টেকটোনিক প্লেটের মধ্যে একটি টেকটোনিক সংঘর্ষ থেকে মাউন্ট এভারেস্ট তৈরি হয়েছিল।
- মাউন্ট এভারেস্ট হিমালয়ের মাঝের অংশে অবস্থিত।
- এভারেস্টের উচ্চতা ৮,৮৪৮.৮৬ মিটার বা ২৯,০৩২ ফুট।

উৎস: i) Britannica.
         ii) National Geographic.
৩,৪৬৮.
সোনালী প্যাগোডার দেশ নামে পরিচিত-
  1. শ্রীলঙ্কা
  2. মিয়ানমার
  3. থাইল্যান্ড
  4. হংকং 
সঠিক উত্তর:
মিয়ানমার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মিয়ানমার
ব্যাখ্যা

সোনালী প্যাগোডার দেশ:
- মিয়ানমারে অসংখ্য সোনালী রঙের প্যাগোডা ও স্তূপ ধর্ম, সংস্কৃতি এবং ঐতিহ্যের প্রতীক।
- তাই মিয়ানমারকে  সোনালী প্যাগোডার দেশ বলা হয়।

ভৌগলিক উপনাম:
- সোনালী প্যাগোডার দেশ: মিয়ানমার।
- লিলি ফুলের দেশ: কানাডা।
- ক্যাঙ্গারুর দেশ: অস্ট্রেলিয়া।
- সিল্ক রুটের দেশ: ইরান।
- মার্বেলের দেশ: ইতালি।
- পঞ্চম ড্রাগনের দেশ: তাইওয়ান।
- তামার দেশ: জাম্বিয়া।
- পিরামিডের দেশ: মিশর।
- প্রাচীরের দেশ: চীন।
- ভূমিকম্পের দেশ: জাপান।

উৎস: Britannica.com

৩,৪৬৯.
যমুনা নদীর পূর্ব নাম কী ছিল?
  1. লোহিত্য নদী
  2. কীর্তিনাশা নদী
  3. জোনাই নদী
  4. দোলাই নদী
সঠিক উত্তর:
জোনাই নদী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জোনাই নদী
ব্যাখ্যা

যমুনা:
- যমুনা গোয়ালন্দের কাছে পদ্মা নদীর সাথে মিশেছে।
- ১৭৮২ থেকে ১৭৮৭ সালের মধ্যে সংঘটিত ভূমিকম্প ও ভয়াবহ বন্যার ফলে ব্রহ্মপুত্রের তৎকালীন গতিপথ পরিবর্তিত হয়ে বর্তমান কালের যমুনা নদীর সৃষ্টি হয়।।
- যমুনা নদী মূলত ব্রহ্মপুত্রের শাখা। তিস্তা ব্রহ্মপুত্রের মিলিত স্রোতধারাটি যমুনা নামে দক্ষিণে প্রবাহিত হয়ে গোয়ালন্দের কাছে এসে পদ্মার সাথে মিলিত হয়েছে।
- যমুনা নদীর পূর্ব নাম ছিল জোনাই নদী।
- যমুনার শাখানদী হলো- ধলেশ্বরী, বুড়িগঙ্গা এবং উপনদীগুলো হলো- তিস্তা, ধরলা, করতোয়া, আত্রাই, বাঙ্গালী, কালজানি, ডোরসা, যমুনেশ্বরী, দুধকুমারত, গঙ্গা, তুলসী গঙ্গা, বড়াল, নারদ ইত্যাদি।

উৎস: ভূগোল, এইস এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৪৭০.
বাংলাদেশের ভূ-প্রকৃতিকে কয় ভাগে ভাগ করা যায়?
  1. ২ ভাগে
  2. ৩ ভাগে
  3. ৪ ভাগে
  4. ৫ ভাগে
সঠিক উত্তর:
৩ ভাগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ ভাগে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের ভূ-প্রকৃতি:
ভূ-প্রকৃতির ভিন্নতার উপর ভিত্তি করে বাংলাদেশের ভূ-প্রকৃতিকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়।
যথা:
১. টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ।
২. প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ এবং
৩. সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৪৭১.
মেরু জলবায়ু কয়টি শ্রেণিতে বিভক্ত?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
সঠিক উত্তর:
২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২টি
ব্যাখ্যা
মেরু জলবায়ুসমূহ:
- এ জলবায়ুতে বছরের বেশিরভাগ সময় তাপমাত্রা হিমাংকের নিচে থাকে।
- ফলে উদ্ভিজ্জের জন্ম ও বৃদ্ধির জন্য গ্রীষ্মকালের স্থায়িত্ব ও উত্তাপের প্রাচুর্য অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
- উষ্ণতম মাসের গড় তাপমাত্রা ১০° সে. এর কম থাকে।
- এই জলবায়ু মূলত দুটি শ্রেণিতে বিভক্ত। যথা-
১. তুন্দ্রা অঞ্চল।
২. চিরস্থায়ী বরফের আচ্ছাদনজনিত জলবায়ু।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৪৭২.
নিচের কোনটি গ্রিন হাউস গ্যাসের উদাহরণ?
  1. ক) ক্লোরোফ্লোরো কার্বন
  2. খ) নাইট্রাস অক্সাইড
  3. গ) মিথেন
  4. ঘ) সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা
• শীতপ্রধান দেশে গ্রিন হাউসের (কাঁচ নির্মিত একটি ঘর) মাধ্যমে কৃত্রিমভাবে সবুজ উদ্ভিদ জন্মানো হয়।
• গ্রিন হাউস গ্যাসসমূহ শীতপ্রধান দেশের গ্রিন হাউস ঘরের ন্যায় সূর্য থেকে আগত রশ্মি তাপ বিকিরণে বাঁধা সৃষ্টি করে বায়ুমণ্ডলকে উত্তপ্ত করে। গ্রিন হাউস গ্যাস কর্তৃক বায়ুমণ্ডলের এইরূপ তাপ বৃদ্ধির প্রক্রিয়াকে গ্রিন হাউস অ্যাফেক্ট বলে।
• গ্রিন হাউস অ্যাফেক্ট কথাটি সর্বপ্রথম সোভানটে আরহেনিয়াস প্রথম ব্যবহার করেন।
• গ্রিন হাউস গ্যাসসমূহ হলো - কার্বন ডাইঅক্সাইড, মিথেন, নাইট্রাস অক্সাইড, ক্লোরোফ্লোরো কার্বন।       

তথ্যসূত্র:- পরিবেশ বিজ্ঞান, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
 
৩,৪৭৩.
নিচের কোন দেশটি দ্বীপ রাষ্ট্র?
  1. নেপাল
  2. ভুটান
  3. থাইল্যান্ড
  4. শ্রীলঙ্কা
সঠিক উত্তর:
শ্রীলঙ্কা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শ্রীলঙ্কা
ব্যাখ্যা
• শ্রীলঙ্কা:
- শ্রীলঙ্কা দক্ষিণ এশিয়ার একটি দ্বীপরাষ্ট্র।
- যা ভারতীয় উপমহাদেশের দক্ষিণে অবস্থিত।
- এবং পাক প্রণালী (Palk Strait) দ্বারা ভারত থেকে পৃথক।
- দেশটি দক্ষিণ-পশ্চিমে মালদ্বীপ।
- এবং উত্তর-পশ্চিমে ভারতের সঙ্গে সমুদ্রসীমা ভাগ করে।
- শ্রীলঙ্কার মোট আয়তন প্রায় ৬৫,৬১০ বর্গকিলোমিটার।
- শ্রীলঙ্কার বাণিজ্যিক রাজধানী কলম্বো।


উৎস: World Atlas.
৩,৪৭৪.
২৩.৫° উত্তর অক্ষরেখার অপর নাম কী?
  1. কর্কটক্রান্তি রেখা
  2. মকর ক্রান্তি রেখা
  3. সুমেরু বৃত্ত
  4. কুমেরু বৃত্ত
সঠিক উত্তর:
কর্কটক্রান্তি রেখা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কর্কটক্রান্তি রেখা
ব্যাখ্যা
• ২৩.৫° উত্তর অক্ষরেখার অপর নাম কর্কটক্রান্তি রেখা।

• কর্কটক্রান্তি রেখা:
- বছরে সূর্য একবার বিষুবরেখা অতিক্রম করে উত্তর গোলার্ধের সর্বশেষ যে স্থান পর্যন্ত পরিক্রমা করে (২৩.৫ ডিগ্রী উত্তর অক্ষাংশ ) আবার বিষুবরেখার দিকে ফিরে আসে, সেই কাল্পনিক রেখাটিকে কর্কটক্রান্তি রেখা বলে
- ভূ-পৃষ্ঠের যে কোনো স্থানে নিরক্ষরেখার সাথে পৃথিবীর কেন্দ্র বিন্দুতে সৃষ্ট কৌণিক দূরত্বকে অক্ষাংশ বলে এবং যে কাল্পনিক রেখার মাধ্যমে একে প্রকাশ করা হয়, তাকে অক্ষরেখা বলে।

উল্লেখ্য: 
- ২৩.৫° উত্তর ও দক্ষিণ অক্ষরেখাসমূহ যথাক্রমে কর্কটক্রান্তি রেখা ও মকর ক্রান্তি রেখা নামে অভিহিত হয়।
- ৬৬.৫° উত্তর ও দক্ষিণ অক্ষরেখাসমূহ যথাক্রমে সুমেরু বৃত্ত ও কুমেরু বৃত্ত নামে অভিহিত হয়।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৪৭৫.
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার কোন পর্যায়ে অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতি পুননির্মাণের মাধ্যমে পূর্বাবস্থায় ফিরিয়ে আনা হয়?
  1. প্রশমন
  2. সাড়াদান
  3. পুনরুদ্ধার
  4. প্রতিরোধ
সঠিক উত্তর:
পুনরুদ্ধার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুনরুদ্ধার
ব্যাখ্যা
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা:
 - দুর্যোগের ফলে সৃষ্ট অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতি পুনর্নির্মাণের মাধ্যমে পূর্বাবস্থায় ফিরিয়ে আনাই হলো পুনরুদ্ধার।

অন্যদিকে,
- দুর্যোগ পরবর্তী সময়ে তল্লাশি ও উদ্ধার কার্যক্রম, নিরাপদ স্থানে অপসারণ, ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণ, পুনর্বাসন কার্যক্রম দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার সাড়াদান পর্যায়ের অন্তর্ভুক্ত।
- দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতি কমিয়ে আনার লক্ষ্যে কাঠামোগত ও অবকাঠামোগত ব্যবস্থা গ্রহণই হলো প্রতিরোধ।
- দুর্যোগের দীর্ঘস্থায়ী হ্রাস ও দুর্যোগ পূর্বপ্রস্তুতিই হলো প্রশমন।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেনি।
৩,৪৭৬.
'সাঙ্গু' নদী কোথায়?
  1. ক) সিলেট
  2. খ) জামালপুর
  3. গ) বান্দরবান
  4. ঘ) ফরিদপুর
সঠিক উত্তর:
গ) বান্দরবান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বান্দরবান
ব্যাখ্যা
- সাঙ্গু নদী বান্দবান জেলার প্রধানতম নদী। স্থানীয়ভাবে শঙ্খ নদী, পাহাড়ি নদী।
- কর্নফুলীর পর এটি চট্টগ্রাম বিভাগের দ্বিতীয় বৃহত্তম নদী।
- বাংলাদেশের অভ্যন্তরে যে কয়টি নদীর উৎপত্তি তার মধ্যে সাঙ্গু নদী অন্যতম।
- মিয়ানমার সীমান্তবর্তী বাংলাদেশের থানচি উপজেলারমদক এলাকার পাহাড়ে এ নদীর জন্ম।
- বান্দরবান জেলা ও দক্ষিণ চট্টগ্রামের ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে এটি বঙ্গোপসাগরে গিযে মিশেছে।
- উৎসমুখ হতে বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত এই নদীর দৈর্ঘ্য ১৭০ কিলোমিটার। 
- বাংলাদেশের বেশির ভাগ নদী উত্তর হতে দক্ষিণ দিকে প্রবাহিত হয়ে বঙ্গোপসাগরে গিয়ে মিশেছে।
- কিন্তু সাঙ্গু নদী বান্দরবানের দক্ষিণাঞ্চলে সৃষ্টি হয়ে উত্তর দিকে প্রবাহিত হয়ে বঙ্গোপসাগরে গিয়ে শেষ হয়েছে। 
- বান্দরবান জেলার আরও অন্যতম দুইটি নদী হল মাতামুহুরী ও বাঁকখালী।

 
৩,৪৭৭.
নিচের কোনটি বন্যার মানবসৃষ্ট কারণ নয়?
  1. বনজ সম্পদ ধ্বংস করা
  2. নিম্নচাপের ফলে ভারী বর্ষণ
  3. খাল ও নালা ভরাট করা
  4. উজানে বাঁধ নির্মাণ
সঠিক উত্তর:
নিম্নচাপের ফলে ভারী বর্ষণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিম্নচাপের ফলে ভারী বর্ষণ
ব্যাখ্যা

বন্যা:
- সাধারণ অর্থে নদীর পানি যখন দু'কুল ছাপিয়ে পার্শ্ববর্তী গ্রাম, নগর, বন্দর, বাড়িঘর ভাসিয়ে নিয়ে যায় এবং বিস্তীর্ণ অঞ্চলের ফসল বিনষ্ট করে তখন তাকে বন্যা বলে।
- বন্যার কারণ ২টি।
• প্রাকৃতিক কারণ।
• মানবসৃষ্ট কারণ।

⇒ প্রাকৃতিক কারণ:
- বর্ষা মৌসুমে অতিবৃষ্টি,
- ভৌগোলিক অবস্থান, ভূমিরূপের গঠন ও প্রকৃতি,
- পাহাড়ি বরফগলা পানি,
- নদীর আকাবাঁকা গতিপথ,
- নিম্নচাপের ফলে ভারী বর্ষণ,
- বর্ষা মৌসুমে নদীর অতিরিক্ত পানি,
- নদীর পানি প্রবাহ ক্ষমতা কমে যাওয়া,
- বৈশ্বিক উষ্ণায়নের ফলে জলবায়ুর পরিবর্তন প্রভৃতি।

⇒ মানবসৃষ্ট কারণ:
- নদীর গতিপথে বাধা প্রদান,
- খাল ও নালা ভরাট করে ফেলা,
- অপরিকল্পিতভাবে রাস্তাঘাট নির্মাণ,
- নদীর তলদেশ ভরাট করে ফেলা,
- বনজ সম্পদ ধ্বংস করা,
- প্রয়োজনে বা অপ্রয়োজনে অপরিকল্পিতভাবে নদীশাসন করা,
- উজানে পানি প্রত্যাহার বা বাঁধ নির্মাণ,
- পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার অপ্রতুলতা প্রভৃতি।

তথ্যসূত্র - ভুগোল দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৪৭৮.
আয়তনে বিশ্বের বৃহত্তম উপসাগর (bay) কোনটি?
  1. Bay of Bengal
  2. Gulf of Mexico
  3. San Francisco Bay
  4. Hudson Bay
সঠিক উত্তর:
Bay of Bengal
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Bay of Bengal
ব্যাখ্যা
বঙ্গোপসাগর (Bay of Bengal):
- আয়তনে বিশ্বের বৃহত্তম উপসাগর (bay) হলো বঙ্গোপসাগর।
- বঙ্গোপসাগর ভারত মহাসাগরের অংশ।
- পৃথিবীর সর্ববৃহৎ এ উপসাগরটি পশ্চিমে ভারত ও শ্রীলংকার পূর্ব উপকূল, উত্তরে গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র-মেঘনা নদীপ্রণালী সৃষ্ট বদ্বীপ এবং পূর্বে মায়ানমার উপদ্বীপ থেকে আন্দামান-নিকোবর শৈলশিরা পর্যন্ত বিস্তৃত ভূভাগ দ্বারা বঙ্গোপসাগর তিনদিকে আবদ্ধ।
- বঙ্গোপসাগরের আয়তন ২,১৭২,০০০ বর্গ কিমি (৮,৩৯,০০০ বর্গ মাইল)।
- এর গড় গভীরতা প্রায় ২,৬০০ মিটার এবং সর্বোচ্চ গভীরতা ৫,২৫৮ মিটার।
- বঙ্গোপসাগরের সবচেয়ে উত্তর প্রান্তে বাংলাদেশ অবস্থিত।
- বঙ্গোপসাগরের একটি গিরিখাত সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড।

অন্যদিকে -
- মেক্সিকো উপসাগরের আয়তন ১৫,৪২,৯৮৫ বর্গ কিমি.।
- পারস্য উপসাগরের আয়তন ২,৩৭,৭৬০ বর্গ কিমি.।
- হাডসন উপসাগরের আয়তন ১২,৩০,০০০ বর্গ কিমি.।

উৎস: i) World atlas.
ii) Guinness World Records. [link]
৩,৪৭৯.
বাংলাদেশের জলবায়ুর ধরন নিচের কোনটি?
  1. ক্রান্তীয় জলবায়ু
  2. উপক্রান্তীয় জলবায়ু
  3. ক্রান্তীয় মৌসুমি জলবায়ু
  4. ক্রান্তীয় ও উপক্রান্তীয় জলবায়ু
সঠিক উত্তর:
ক্রান্তীয় মৌসুমি জলবায়ু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্রান্তীয় মৌসুমি জলবায়ু
ব্যাখ্যা
আবহাওয়া:
- আবহাওয়া হলো কোনো স্থানের দৈনন্দিন বায়ুর গড় তাপ, চাপ, বায়ুপ্রবাহের বৈশিষ্ট্য।
- জলবায়ু হলো কোনো স্থানের ৩০-৪০ বছরের আবহাওয়ার গড় অবস্থা।
- আবহাওয়া ও জলবায়ুর উপাদানগুলো হলো বায়ুর তাপ, চাপ, বারিপাত, আর্দ্রতা এবং বায়ুপ্রবাহ।
- জলবায়ুর প্রধান নিয়ামকগুলো হলো- অক্ষাংশ, উচ্চতা, সমুদ্র থেকে দূরত্ব, বায়ুপ্রবাহ, বনভূমি, সমুদ্রস্রোত, পর্বতের অবস্থান, ভূমির ঢাল ও মৃত্তিকা প্রভৃতি।
- বাংলাদেশের জলবায়ুতে মৌসুমী বায়ুর প্রভাব অত্যধিক হওয়ায় বাংলাদেশের জলবায়ু ক্রান্তীয় মৌসুমি জলবায়ু নামে পরিচিত।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৪৮০.
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা চক্রের মূখ্য উপাদান কোনটি?
  1. প্রশমন
  2. সাড়াদান
  3. পুনরুদ্ধার 
  4. উন্নয়ন
সঠিক উত্তর:
প্রশমন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রশমন
ব্যাখ্যা
• দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা (Disaster Management):
- দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা হচ্ছে এরূপ একটি ব্যবহারিক বিজ্ঞান যার আওতায় পড়ে যথাযথ পর্যবেক্ষণ ও বিশ্লেষণের মাধ্যমে দুর্যোগ প্রতিরোধ, দুর্যোগ প্রস্তুতি এবং দুর্যোগে সাড়াদান ও পুনরুদ্ধার ইত্যাদি কার্যক্রম।

• দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার উপাদান:
- দুর্যোগ প্রতিরোধ,
- দুর্যোগ প্রশমন এবং
- দুর্যোগের পূর্বপ্রস্তুতি 
- সাড়াদান,
- পুনরুদ্ধার 
- উন্নয়ন। 
- প্রতিরোধ, প্রশমন, পূর্বপ্রস্তুতি হলো দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার মূখ্য উপাদান।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম ও দশম শ্রেণি।
৩,৪৮১.
পশ্চিমা বায়ুপ্রবাহজনিত স্রোত প্রবাহিত হওয়ার ক্ষেত্রে নিচের কোনটি সঠিক?
  1. ঘড়ির কাটার বিপরীত দিকে
  2. ঘূর্ণন আকারে
  3. চক্রাকারে
  4. পশ্চিমা বায়ুপ্রবাহজনিত স্রোত প্রবাহিত
সঠিক উত্তর:
ঘড়ির কাটার বিপরীত দিকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘড়ির কাটার বিপরীত দিকে
ব্যাখ্যা
পৃথিবীর আবর্তন:
- আহ্নিক গতির কারণে পৃথিবী নিজ অক্ষের উপর পশ্চিম থেকে পূর্বদিকে ঘুরছে। পৃথিবীর এইরূপ আর্বতনের সাথে সাথে সাগর মহাসাগরের পানিরাশিও পশ্চিম হতে পূর্বদিকে প্রবাহিত হয়ে সমুদ্র স্রোতের সৃষ্টি হয়।
- আবর্তন গতির ফলে সৃষ্ট সমুদ্র স্রোত ফেরেলের সূত্র অনুযায়ী উত্তর গোলার্ধে ডান দিকে এবং দক্ষিণ গোলার্ধে বাম দিকে বেঁকে প্রবাহিত হয। যেমন: উত্তর গোলার্ধে উপসাগরীয় স্রোত ও ক্যানারি স্রোতের প্রবাহ ঘড়ির কাঁটার দিকে অর্থাৎ ডান দিক ঘুরে প্রবাহিত হয়।
- একইভাবে দক্ষিণ গোলার্ধে ব্রাজিল স্রোত ও পশ্চিমা বায়ুপ্রবাহজনিত স্রোত ঘড়ির কাটার বিপরীত দিকে ঘুরে প্রবাহিত হয়।

তথ্যসূত্র - ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৪৮২.
রামসার কনভেনশনের বিষয়বস্তু-
  1. ক) ওজন স্তর সুরক্ষা
  2. খ) গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন রোধ
  3. গ) কার্বন-ডাই-অক্সাইড নির্গমন রোধ
  4. ঘ) জলাভূমি সংরক্ষণ
সঠিক উত্তর:
ঘ) জলাভূমি সংরক্ষণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) জলাভূমি সংরক্ষণ
ব্যাখ্যা

ইরানের রামসার শহরে ১৯৭১ সালের ফেব্রুয়ারিতে জলাভূমি ও তার সম্পদের সংরক্ষণ ও যথাযথ ব্যবহার বিষয়ক রামসার কনভেনশন অনুষ্ঠিত হয়।
- রামসার কনভেনশন কার্যকর হয় ১৯৭৫ সালের ২১ ডিসেম্বর।
- রামসারের ডকুমেন্ট অনুসারে - Number of Contracting Parties: 171
বাংলাদেশ ও রামসারঃ
বাংলাদেশ ১৯৯২ সালের ২১ সেপ্টেম্বর রামসার সনদ কার্যকর করে।
এ চুক্তির আওতায় বাংলাদেশের দুটি স্থান রামসার সাইট হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে -
- সুন্দরবন রিজার্ভ ফরেষ্ট (২১ মে ১৯৯২) ও
- টাঙ্গুয়ার হাওর (১০ জুলাই ২০০০) রামসার সাইটের তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।
উৎসঃ রামসার ওয়েবসাইট

৩,৪৮৩.
বাংলাদেশের ভূমিকম্প বলয় মানচিত্র তৈরি করেছিলেন কে?
  1. ফরাসি ইঞ্জিনিয়ারিং কনসোর্টিয়াম, ১৯৮৯ সালে
  2. বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়, ১৯৭৯ সালে
  3. চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, ১৯৮৯ সালে
  4. খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, ১৯৭৮ সালে
সঠিক উত্তর:
ফরাসি ইঞ্জিনিয়ারিং কনসোর্টিয়াম, ১৯৮৯ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফরাসি ইঞ্জিনিয়ারিং কনসোর্টিয়াম, ১৯৮৯ সালে
ব্যাখ্যা
১৯৮৯ সালে ফরাসি ইঞ্জিনিয়ারিং কনসাের্টিয়াম বাংলাদেশের ভূমিকম্প বলয় সম্বলিত মানচিত্র তৈরি করেন।
এতে ৩টি বলয় দেখানাে হয়েছে।
- প্রথম বলয়কে “প্রলয়ঙ্করী”;
- দ্বিতীয় বলয়কে ‘বিপজ্জনক’ এবং
- তৃতীয় বলয়কে ‘লঘু' বলে বর্ণনা করেছেন।

উৎস: www.ittefaq.com.bd.
৩,৪৮৪.
একটি উপকূলীয় রাষ্ট্রের মহীসোপানের (Continental Shelf) সীমা হবে ভিত্তি রেখা হতে -
  1. ২০০ নটিক্যাল মাইল
  2. ৪৫০ নটিক্যাল মাইল
  3. ৩৫০ নটিক্যাল মাইল
  4. ৩০০ নটিক্যাল মাইল
সঠিক উত্তর:
৩৫০ নটিক্যাল মাইল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৫০ নটিক্যাল মাইল
ব্যাখ্যা
UNCLOS:
- UNCLOS-এর পূর্ণরূপ: United Nations Convention on the Law of the Sea.
- UNCLOS জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক সমুদ্র বিষয়ক আইন।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১৯৮২ সালে।
- কার্যকর হয়: ১৯৯৪ সালে।
- মৎস্য শিকার, নৌচলাচল, মহীসােপান, গভীর সমুদ্রতল, বৈজ্ঞানিক গবেষণা ও সমুদ্র দূষণের মত বিষয়গুলাে এ চুক্তির মূল বিষয়।
- ১৯৮২ সালের সমুদ্র আইন সংক্রান্ত কনভেনশন অনুযায়ী একটি উপকূলীয় রাষ্ট্রের মহীসোপানের (Continental Shelf) সীমা হবে ভিত্তি রেখা হতে ৩৫০ নটিক্যাল মাইল।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের রাজনৈতিক সমুদ্রসীমা ১২ নটিক্যাল মাইল।
- বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সমুদ্রসীমা ২০০ নটিক্যাল মাইল।

উৎস: UN ওয়েবসাইট।
৩,৪৮৫.
স্পারসো (SPARRSO) কী?
  1. ক) মহাকাশ গবেষণাকারী বেসরকারী সংস্থা
  2. খ) একটি আধুনিক মহাকাশ প্রযুক্তি
  3. গ) মহাকাশ গবেষণাকারী সরকারি সংস্থা
  4. ঘ) বাংলাদেশের একটি ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র
সঠিক উত্তর:
গ) মহাকাশ গবেষণাকারী সরকারি সংস্থা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) মহাকাশ গবেষণাকারী সরকারি সংস্থা
ব্যাখ্যা
SPARRSO (স্পারসো) এর পূর্ণরূপ- Space Research and Remote Sensing Organisation (মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন কেন্দ্র)। এটি বাংলাদেশ সরকারের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি প্রতিষ্ঠান। স্পারসো প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৮০ সালে এবং এটি ঢাকা শহরের আগারগাঁও এ অবস্থিত।
উৎসঃ স্পারসোর ওয়েবসাইট।
৩,৪৮৬.
তাপমাত্রার পার্থক্য অনুসারে সারা বছরকে ভাগ করা হয়-
  1. ক) ৩ ভাগে
  2. খ) ৪ ভাগে
  3. গ) ৫ ভাগে
  4. ঘ) ৬ ভাগে
সঠিক উত্তর:
খ) ৪ ভাগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৪ ভাগে
ব্যাখ্যা

• তাপমাত্রার পার্থক্য অনুসারে সারা বছরকে ৪ ভাগে ভাগ করা হয়।
যথা:
- গ্রীষ্মকাল,
- শরৎকাল,
- শীতকাল ও
- বসন্তকাল।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

৩,৪৮৭.
কাস্পিয়ান সাগর আসলে কী ধরনের জলাশয়?
  1. হ্রদ
  2. প্রণালী
  3. উপসাগর
  4. সমুদ্র
সঠিক উত্তর:
হ্রদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হ্রদ
ব্যাখ্যা

কাস্পিয়ান সাগর:
- কাস্পিয়ান সাগর (Caspian Sea) হলো পৃথিবীর সবচেয়ে বড় আন্তঃমহাদেশীয় হ্রদ।
- কাস্পিয়ান সাগর প্রকৃতপক্ষে একটি হ্রদ।
- এটি এশিয়া এবং ইউরোপের মাঝে অবস্থিত।
- আয়তনে পৃথিবীর বৃহত্তম লবণাক্ত পানির হ্রদ।
- কাস্পিয়ান সাগরের আয়তন ৩,৮৬,৪০০ বর্গ কিলোমিটার।
- প্রধান নদী: ভলগা, ইউরাল, কুরা ও তেরেক নদী এতে পানি সরবরাহ করে।

উল্লেখ্য,
- এটি পাঁচটি দেশের সীমান্তে অবস্থিত: রাশিয়া, কাজাখস্তান, আজারবাইজান, ইরান এবং তুর্কমেনিস্তান। এটি এশিয়া-ইউরোপের মাঝে, ককেসাস পর্বতমালার পূর্বে এবং স্তেপ ও মধ্য এশিয়ার পশ্চিমে অবস্থিত।

উৎস: World Atlas.

৩,৪৮৮.
কোন তরঙ্গ ভূমিকম্পের সময় প্রথম উপকেন্দ্রে পৌঁছায়?
  1. P তরঙ্গ
  2. S তরঙ্গ
  3. L তরঙ্গ
  4. T তরঙ্গ
সঠিক উত্তর:
P তরঙ্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
P তরঙ্গ
ব্যাখ্যা

প্রাথমিক তরঙ্গ (Primary Wave):
- সংক্ষেপে প্রাথমিক তরঙ্গকে P Wave বা P তরঙ্গ বলে। সর্বপ্রথম P তরঙ্গ ভূমিকম্প কেন্দ্র হতে ভূ-কম্পলেখ যন্ত্রে অর্থাৎ উপকেন্দ্রে এসে পৌঁছে বলে একে প্রাথমিক তরঙ্গ বলে।
- এটি মাটির মধ্য দিয়ে সোজা পথে গমন করে এবং তরঙ্গের গতিবেগ ঘনত্বের সাথে সমানুপাতিক।
 - মহাদেশীয় ভূ-ত্বকের উপরিভাগে এর গতিবেগ ৬.১ কি.মি/সেকেন্ড, মহাদেশীয় ভূ-ত্বকের নিম্নভাগে এর গতিবেগ ৬.৯ কি.মি/সেকেন্ড এবং - সামুদ্রিক ভূ-ত্বকে এর গতিবেগ ৮ কি.মি/সেকেন্ড।
- অপরদিকে পৃথিবীর কেন্দ্রে অর্থাৎ ম্যান্টল এ এর গতিবেগ ১১ কি.মি/সেকেন্ড। প্রাথমিক তরঙ্গ সংকোচন ও প্রসারণের মাধ্যমে বস্তুকে আন্দোলিত করে এবং শিলায় সামান্য পরিমাণে স্থান পরিবর্তন হয়।

গৌণ তরঙ্গ (Secondary Wave):
- গৌণ তরঙ্গকে S Wave বা দ্বিতীয় পর্যায়ের তরঙ্গ বলে। প্রাথমিক তরঙ্গের পরে  দ্বিতীয় পর্যায়ের তরঙ্গ ভূমিকম্প তরঙ্গ কেন্দ্র হতে ভূ-কম্পলেখ যন্ত্রে এসে পৌঁছে।
 - প্রাথমিক তরঙ্গ হতে এর পার্থক্য হলো এটি প্রাথমিক তরঙ্গের তুলনায় ধীরগতি সম্পন্ন এবং এটি তরল মাধ্যমের মধ্য দিয়ে যেতে পারে না।
S তরঙ্গ বস্তুকে সামনে পিছনে সমকোণে দোলাতে থাকে এবং দালানের কাঠামোর জন্য সবচেয়ে বেশি ক্ষতির কারণ হয়।

পৃষ্ঠ তরঙ্গ (Surface Wave):
- পৃষ্ঠ তরঙ্গকে দীর্ঘ তরঙ্গ বা Long Wave বলে।
- এই তরঙ্গ সবচেয়ে কম গতিবেগ সম্পন্ন।
 - Long Wave বা পৃষ্ঠ তরঙ্গের বিশেষ বৈশিষ্ট্য হচ্ছে পৃষ্ঠ তরঙ্গ শুধুমাত্র পৃথিবীর উপরিভাগ বা বহিরাবরণ দিয়ে চলতে পারে।
 - এর গতিবেগ অত্যন্ত কম মাত্র ৪.৮-৬.২ কি.মি/সেকেন্ড।
 - এই তরঙ্গও গৌণ তরঙ্গ বা S তরঙ্গের ন্যায় তরল মাধ্যমে চলাচল করতে পারে না।

উল্লেখ্য,
কেন্দ্র থেকে সোজা উপরের দিকে ভূ-পৃষ্ঠস্থ বিন্দুকে উপকেন্দ্র (Epicentre) বলে 

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৪৮৯.
বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশন পর্যটকদের আকৃষ্ট করতে বিপুল সুযোগ-সুবিধা সম্পন্ন 'হলিডে হাউস' নামক অত্যাধুনিক হোটেল নির্মাণ করে কোথায়?
  1. ক) হিরণ পয়েন্ট
  2. খ) কক্সবাজার
  3. গ) কুয়াকাটা
  4. ঘ) সেন্টমার্টিন
সঠিক উত্তর:
গ) কুয়াকাটা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) কুয়াকাটা
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশন পর্যটকদের আকৃষ্ট করতে বিপুল সুযোগ-সুবিধা সম্পন্ন 'হলিডে হাউস' নামক অত্যাধুনিক হোটেল নির্মাণ কুয়াকাটায়। কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত অবস্থিত কলাপাড়া পটুয়াখালী। বাংলাদেশের একমাত্র কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত থেকে সূর্যোদয় এবং সূর্যাস্ত দেখা যায়।
৩,৪৯০.
নিয়ত বায়ুপ্রবাহ কত প্রকার?
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা

 বায়ুপ্রবাহের প্রকারভেদ:
- বায়ুপ্রবাহ মূলত চার প্রকার। যথা-
• নিয়মিত বায়ু।
• স্থানীয় বায়ু।
• সাময়িক বায়ু।
• অনিয়মিত বায়ু।

♣ নিয়ত বায়ুপ্রবাহ তিন প্রকার। যথা-
• অয়ন বায়ু।
• মেরু বায়ু।
• পশ্চিমা বায়ু।

♣ সাময়িক বায়ু প্রধানত দুই প্রকার। যথা-
• স্থলবায়ু ও সমুদ্রবায়ু।
• মৌসুমি বায়ু।

♣ স্থানীয় বায়ু হলো দুই প্রকার। যথা-
• পার্বত্য বায়ু।
• উপত্যকা বায়ু।

♣ অনিয়মিত বায়ু দুই প্রকার। যথা-
• ঘূর্ণিবাত বায়ু।
• প্রতীপ ঘূর্ণিবাত বায়ু।

উৎস:  ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৪৯১.
বাংলাদেশের জলবায়ুর প্রকৃতি কেমন?
  1. নাতিশীতোষ্ণ
  2. সমভাবাপন্ন
  3. চরমভাবাপন্ন
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
সমভাবাপন্ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সমভাবাপন্ন
ব্যাখ্যা
আবহাওয়া:
- কোনো স্থানের প্রতিদিনের গড় তাপমাত্রা, চাপ, আর্দ্রতাকে ঐ স্থানের আবহাওয়া বলে।
- বাংলাদেশের আবহাওয়া নাতিশীতোষ্ণ।

জলবায়ু:
- কোনো স্থানের ৩০ থেকে ৪০ বছরের গড় আবহওয়াকে জলবায়ু বলা হয়।
- বাংলাদেশের জলবায়ু সমভাবাপন্ন।

উৎস: উচ্চমাধ্যমিক ভূগোল (১ম পত্র) বই।
৩,৪৯২.
লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান কোথায় অবস্থিত?
  1. মৌলভীবাজার
  2. সিলেট
  3. ময়মনসিংহ
  4. পার্বত্য চট্টগ্রাম
সঠিক উত্তর:
মৌলভীবাজার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৌলভীবাজার
ব্যাখ্যা
লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান:
- মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলায় অবস্থিত লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান। 
- ১৯২৫ সালে বনায়ন করে সৃষ্ট বনরাজি এখন ঘন প্রাকৃতিক বনের আকার ধারণ করেছে।
- লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান বাংলাদেশে অবশিষ্ট চিরহরিৎ বনের একটি উল্লেখযোগ্য নমুনা।
- এটি একটি সংরক্ষিত বনাঞ্চল।
- এর আয়তন ১২৫০ হেক্টর।
- বাংলাদেশের ৭টি বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য ও ১০টি জাতীয় উদ্যানের মধ্যে এটি অন্যতম।
- বাংলাদেশ সরকার ১৯৯৭ খ্রিস্টাব্দে এই বনকে 'জাতীয় উদ্যান' হিসেবে ঘোষণা করে।
- বিলুপ্তপ্রায় উল্লুকের জন্য এ বন বিখ্যাত।
- নিরক্ষীয় অঞ্চলের চিরহরিৎ বর্ষাবন বা রেইন ফরেষ্টের মতো এখানে প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়।
- সূর্যের আলোর জন্য প্রতিযোগিতা করে এ বনের গাছপালা খুব উঁচু হয়ে থাকে, এবং অনেক ওপরে ডালপালা ছড়িয়ে চাঁদোয়ার মত সৃষ্টি করে।
- এই বন এতই ঘন যে মাটিতে সূর্যের আলো পড়েনা বললেই চলে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৩,৪৯৩.
IPCC-এর পূর্বাভাস অনুযায়ী, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ২০৫০ সালে বাংলাদেশে খাদ্য উৎপাদন কত শতাংশ হ্রাস পাবে?
  1. ১৫%
  2. ২০%
  3. ৩০%
  4. ৪০%
সঠিক উত্তর:
৩০%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০%
ব্যাখ্যা

• জলবায়ু পরিবর্তনে বাংলাদেশের ঝুঁকি: 
- জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সৃষ্ট প্রতিকূল প্রভাবগুলোর কারণে ও সমুদ্র উপকূলীয় দেশ হওয়ায় বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে বসবাসকারী একটি বড় জনগোষ্ঠীর জীবন ও জীবিকা নাজুক হয়ে ওঠেছে।
 - এখানকার ৬০ শতাংশ ভূমি সমুদ্রপৃষ্ঠ হতে মাত্র ৫ মিটার উপরে।
 - 'Headley Center for Climate Prediction and Research (HCCPR)' এর প্রাক্কলন অনুযায়ী বাংলাদেশে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা ২০৮০ সালে ৪০ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পাবে। 
- ফলশ্রুতিতে, অবকাঠামো, বাসস্থান, কৃষি এবং জীবিকার ব্যাপক ক্ষতিসাধিত হবে। সমুদ্র উপকূলীয় নিম্নাঞ্চল ঝড় জলোচ্ছ্বাসের ঝুঁকিতেও থাকবে।
 - 'Inter-governmental Panel on Climate Change (IPCC)' এর প্রাক্কলন অনুযায়ী ২০৫০ সালে বাংলাদেশের ভূমির ১৭ শতাংশ এবং খাদ্য উৎপাদনের ৩০ শতাংশ হারিয়ে যাবে। 

তথ্যসূত্র: ভূগোল দ্বিতীয় পত্র, মোয়াজ্জেম হোসেন চৌধুরী। 

৩,৪৯৪.
ফারাক্কা বাঁধের কারণে বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলে কী প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে?
  1. জমির উর্বরতা বৃদ্ধি
  2. অতিবৃষ্টি
  3. বন্যার প্রকোপ বৃদ্ধি
  4. বর্ণিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
বন্যার প্রকোপ বৃদ্ধি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বন্যার প্রকোপ বৃদ্ধি
ব্যাখ্যা
ফারাক্কা বাঁধের কারণে বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলে বন্যার প্রকোপ বৃদ্ধি পেয়েছে। অন্যদিকে, ঐসব অঞ্চলে খরা, জমির উর্বরতা নষ্ট ইত্যাদি প্রতিক্রিয়াও দেখা দিয়েছে। 

ফারাক্কা বাঁধ:

- ফারাক্কা বাঁধ গঙ্গা নদীর উপর অবস্থিত একটি বাঁধ।
- ভারতের হুগলী নদীতে পানি সরবরাহ এবং কলকাতা বন্দরটি সচল করার জন্য ১৯৭৪ সালে এই ফারাক্কা বাঁধ নির্মাণ করা হয়।
- ১৯৬১ সালে এই বাঁধ নির্মাণের কাজ শুরু হয়। প্রাথমিকভাবে নির্মাণকাজ শেষ হয় ১৯৭০ সালে। তবে ব্যবহার উপযোগী করতে পুরোপুরিভাবে এর নির্মাণকাজ শেষ হয় ১৯৭৪ সালের ডিসেম্বরে। ২১ এপ্রিল, ১৯৭৫ থেকে এই বাঁধ চালু হয়।
- বাঁধটিতে মোট ১০৯টি গেট রয়েছে।

⇒ বাংলাদেশ থেকে ১৮ কিলোমিটার উজানে ভারত গঙ্গা নদীতে ফারাক্কা ব্যারেজ নির্মাণ ও চালুর পর গত পাঁচ দশকে এটি গঙ্গা অববাহিকায় ব্যাপক পরিবর্তন ঘটিয়ে চলেছে।
- ফারাক্কার কারণে নদীর পানির প্রবাহ কমে যাওয়ায লবণাক্ততা ছড়িয়ে পড়ছে সমস্ত পদ্মা অববাহিকায়। 
- শুকনো মওসুমে নদীর পানি কমে যাওয়ায় পানির স্তর অনেক নীচে নেমে যায়। 
- অন্যদিকে, বর্ষা মওসুমে ফারাক্কা বাঁধের কারণে বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলে বন্যার প্রকোপ বৃদ্ধি পায়।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) BBC বাংলা।
৩,৪৯৫.
বাংলাদেশের পার্বত্য জেলা কয়টি ?
  1. ৩টি
  2. ৪টি
  3. ৫টি
  4. ৬টি
সঠিক উত্তর:
৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩টি
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের পার্বত্য জেলা ৩ টি।
পার্বত্য চট্টগ্রাম বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের একটি এলাকা, যা তিনটি জেলা নিয়ে গঠিত:
- রাঙ্গামাটি 
- বান্দরবান 
- খাগড়াছড়ি নিয়ে গঠিত।

চট্টগ্রাম বিভাগের এই এলাকা পাহাড় ও উপত্যকায় পূর্ণ বলে এর নামকরণ হয়েছে পার্বত্য চট্টগ্রাম।

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক ভূগোল একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি

৩,৪৯৬.
গোলান মালভূমিতে সিরিয়া-ইসরাইলের মধ্যে যুদ্ধবিরতি রেখা কী নামে পরিচিত?
  1. ওডেরনিস লাইন 
  2. ব্লু লাইন
  3. পার্পল লাইন
  4. রেড লাইন
সঠিক উত্তর:
পার্পল লাইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পার্পল লাইন
ব্যাখ্যা

গোলান মালভূমি:
- গোলান হলো সিরিয়ার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত প্রায় ১৮০০ বর্গকিলোমিটার (প্রায় ১০০০ বর্গমাইল) আয়তনের এক পাথুরে মালভূমি।
- এর উত্তরে লেবানন এবং দক্ষিণে জর্ডান অবস্থিত।
- গোলান মালভূমি নিয়ে সিরিয়া ও ইসরায়েলের মধ্যে বিরোধ রয়েছে।
- গোলান মালভূমিতে সিরিয়া-ইসরাইলের মধ্যে যুদ্ধবিরতি রেখা ‘পার্পল লাইন' নামে পরিচিত।

উল্লেখ্য,
- গোলান মালভূমি ১৯৬৭ সাল পর্যন্ত সিরিয়ার একটি অংশ ছিল।
- ১৯৬৭ সালের তৃতীয় আরব-ইসরাইল যুদ্ধে ইসরাইল গোলান মালভূমির দুই-তৃতীয়াংশ দখল করে নেয়।
- ১৯৭৩ সালে মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের (যা ইয়োম কাপুর নামেও পরিচিত) সিরিয়া গোলানের নিয়ন্ত্রণ ফিরে পাওয়ার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়।
- ১৯৭৪ সালে দুই দেশই অস্ত্রবিরতিতে সই করে।
- ১৯৮১ সালে ইসরায়েলি সরকার ঘোষণা করে যে গোলান মালভূমি এলাকাটি ইসরায়েলের একটি অংশ।

⇒ এই এলাকায় ইসরায়েলের সার্বভৌমত্বে কখনও আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি মেলেনি।
- তবে মার্কিন নীতি ভঙ্গ করে ২০১৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই দখলদারিত্বে স্বীকৃতি দেন।

অন্যদিকে -
- ওডেরনিস লাইন  জার্মানি ও পোল্যান্ডের মধ্যেকার আধুনিক আন্তর্জাতিক সীমানা।
- ব্লু লাইন ইসরাইল এবং লেবাননের মধ্যকার সীমারেখা।
- গ্রিন লাইন ইসরাইল ও তার পার্শ্ববর্তী দেশ (ইজিপ্ট, জর্ডান, লেবানন এবং সিরিয়া) এর মধ্যে অবস্থিত সীমারেখা।

উৎস: Britannica.

৩,৪৯৭.
'​দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপ' কোন নদীর মোহনায় অবস্থিত ছিল?
  1. মেঘনা
  2. কর্ণফুলী
  3. হাড়িয়াভাঙ্গা
  4. নাফ
সঠিক উত্তর:
হাড়িয়াভাঙ্গা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাড়িয়াভাঙ্গা
ব্যাখ্যা

দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপ:
- দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপ ছিল বাংলাদেশের সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগর উপজেলার উপকূলে, হাড়িয়াভাঙ্গা নদীর মোহনায় অবস্থিত একটি ক্ষুদ্র দ্বীপ। 
​- এটি ১৯৭০ সালের প্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড়ের পর বঙ্গোপসাগরের অগভীর মহীসোপানে জেগে ওঠে। দ্বীপটি গঙ্গা-পদ্মা নদীপ্রণালীর পলল অবক্ষেপণের ফলে গঠিত হয় এবং এর অবস্থান ছিল বাংলাদেশের মূল ভূখণ্ড তালপট্টির দক্ষিণে।
​- হাড়িয়াভাঙ্গা নদী বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের সীমান্ত বিভাজক হিসেবে কাজ করে, এবং নদীর মূল স্রোতধারার মধ্যরেখা নীতির (Thalweg Doctrine) ভিত্তিতে দ্বীপটির অধিকারের প্রশ্ন ওঠে। 
​- বাংলাদেশ দ্বীপটিকে “দক্ষিণ তালপট্টি” নামে অভিহিত করে, আর ভারত একে “নিউমুর দ্বীপ” বলে দাবি করে। দ্বীপটি ছিল কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এর আশপাশে তেল ও গ্যাসের সম্ভাব্য মজুদ ছিল।
​- ২০১০ সালের পর জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে দ্বীপটি সমুদ্রগর্ভে নিমজ্জিত হয়। এই দ্বীপটি বাংলাদেশ-ভারতের সামুদ্রিক সীমা বিরোধের কারণ ছিলো।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া।

৩,৪৯৮.
মঙ্গল ও বৃহস্পতি গ্রহের কক্ষপথ দুইটির মাঝামাঝি অবস্থানে কোন ধরনের বস্তু রয়েছে?
  1. ক) ধূমকেতু
  2. খ) উল্কা
  3. গ) গ্রহাণুপুঞ্জ
  4. ঘ) নক্ষত্র
সঠিক উত্তর:
গ) গ্রহাণুপুঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) গ্রহাণুপুঞ্জ
ব্যাখ্যা
• গ্রহাণুপুঞ্জ (Asteroids):
- সৌরজগতে মঙ্গল (Mars) ও বৃহস্পতি (Jupiter) এই দুইটি গ্রহের মধ্যবর্তী অংশে অসংখ্য ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র গ্রহ (১.৬-৮০৫ বর্গ কি. মি.আয়তন বিশিষ্ট) একত্রে পূঞ্জীভূত হয়ে সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে। এগুলোকে একত্রে গ্রহাণুপুঞ্জ বলে।
- গ্রহাণুপুঞ্জসমূহ একটি বলয়ের মতো ঘিরে থাকে, যা গ্রহাণুপুঞ্জ বলয় নামে অভিহিত।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৪৯৯.
ভূ-মধ্যসাগরীয় জলবায়ু অঞ্চলে কোথায় বেশি বৃষ্টিপাত থাকে?
  1. বনভূমিতে
  2. সমুদ্র উপকূলে
  3. খোলা মাঠে
  4. পাহাড়ের কাছে
সঠিক উত্তর:
সমুদ্র উপকূলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সমুদ্র উপকূলে
ব্যাখ্যা
ভূ-মধ্যসাগরীয় জলবায়ু:
- পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চলের প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্যের বিভিন্নতার কারণে জলবায়ুর ধরনেরও পার্থক্য দেখা যায়।
- ভূ-মধ্যসাগরীয় অঞ্চল অর্থাৎ পৃথিবীর উত্তর গোলার্ধের ৩০০-৪৫০ অক্ষাংশের মধ্যে যে সকল মহাদেশসমূহের অবস্থান তাদের পশ্চিমাংশ জুড়েই ভূ-মধ্যসাগরীয় জলবায়ু অঞ্চল বিস্তৃত।
- উত্তর আফ্রিকার লিবিয়া, তিউনিশিয়া, মিশরের উত্তরাংশ, মরক্কোর উত্তরাংশ, ভূ-মধ্যসাগরের তীরবর্তী অঞ্চলসমূহ এই জলবায়ু অঞ্চলের অন্তর্গত।
- এছাড়াও তুরস্ক, স্পেন, গ্রিস, দক্ষিণ ফ্রান্স, ইতালি, ইসরাইল, সিরিয়া, দক্ষিণ ও পশ্চিম যুগোশ্লাভিয়া এই জলবায়ুর অর্ন্তভুক্ত।
- ভূ-মধ্যসাগরীয় জলবায়ু অঞ্চলের মধ্যে আরও যে দেশসমূহ রয়েছে সেগুলো হলো- লেবানন, পর্তুগাল, আলবেনিয়া এবং দ্বীপসমূহ হলো কর্ষিকা, মাল্টা, সাইপ্রাস ইত্যাদি।
- এছাড়াও অস্ট্রেলিয়ার দক্ষিণ-পশ্চিমাংশ, আফ্রিকার দক্ষিণ-পশ্চিমাংশ, দক্ষিণ আমেরিকার চিলির মধ্যভাগ এবং উত্তর আমেরিকার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া এই জলবায়ুর অর্ন্তগত।
- ভূ-মধ্যসাগরীয় জলবায়ুর প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো উষ্ণ, শুষ্ক ও বৃষ্টিহীন গ্রীষ্মকাল এবং শীতকাল বৃষ্টিবহুল।
- এই অঞ্চলে গ্রীষ্মকালে গড় উষ্ণতা থাকে ২০০- ২৮০ সে. এবং শীতকালে উষ্ণতা ১০° সে. এর কম থাকে।
- এই জলবায়ু অঞ্চলে যে বৈশিষ্ট্যটি উল্লেখযোগ্য তা হলো- এখানে সমুদ্র বায়ুর প্রভাবে শীতকালে বৃষ্টিপাত হয় এবং বৃষ্টিপাতের পরিমাণ ৩৮ সে.মি থেকে ৭৫ সে.মি।
- সাধারণত অন্যান্য এলাকার তুলনায় সমুদ্র উপকূলে বৃষ্টিপাতের হার বেশি।
- বৃষ্টিপাত অধিক বলে এখানে শীতকালীন বৃক্ষ যেমন- জলপাই, কর্ক, তুঁত, নিম, পাইন গাছের উৎপত্তি লক্ষ্যণীয়। কম বৃষ্টি হয় এমন স্থানে ঝোপঝাড় জন্মে।
- প্রকৃতপক্ষে ভূ-মধ্যসাগরীয় জলবায়ু স্বাস্থ্যকর ও আরামদায়ক।

তথ্যসূত্র - ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৫০০.
নিচের কোন স্থানের ভৌগোলিক উপনাম 'বারো আউলিয়ার দেশ?
  1. ক) সিলেট
  2. খ) চট্রগ্রাম
  3. গ) বরিশাল
  4. ঘ) বগুড়া
  5. ঙ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
খ) চট্রগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) চট্রগ্রাম
ব্যাখ্যা
বারো আউলিয়ার দেশ’ হিসাবে পরিচিত - চট্টগ্রাম; ৩৬০ আউলিয়ার দেশ’ হিসাবে পরিচিত - সিলেট।
উৎসঃ দৈনিক প্রথম আলো