বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

ভূগোল ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা

মোট প্রশ্ন৭,১৯১এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ভূগোল ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা

PrepBank · পাতা ২৩ / ৭২ · ২,২০১২,৩০০ / ৭,১৯১

২,২০১.
নিস (Gneiss) কোন প্রকার শিলার উদাহরণ?
  1. ক) আগ্নেয়
  2. খ) পাললিক
  3. গ) জৈব
  4. ঘ) রুপান্তরিত
সঠিক উত্তর:
ঘ) রুপান্তরিত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) রুপান্তরিত
ব্যাখ্যা
রূপান্তরিত শিলা
ভূ-আন্দোলন, অগ্ন্যুৎপাত, ভূমিকম্পসহ অন্যান্য রাসায়নিক ক্রিয়ার ফলে আগ্নেয় ও পাললিক শিলা অত্যধিক তাপ ও চাপে পরিবর্তিত হয়ে এক নতুন ধরনের শিলার সৃষ্টি করে, যাকে রূপান্তরিত শিলা বলা হয়। যেমন - কাঁদা রূপান্তরিত হয়ে স্লেট, গ্রানাইট
রূপান্তরিত হয়ে নিসে পরিণত হয়।

রূপান্তরিত শিলার বৈশিষ্ট্যসমূহ
১। রূপান্তরিত শিলা স্ফটিক যুক্ত;
২। এই শিলা অত্যন্ত কঠিন;
৩। এই শিলায় জীবাশ্ম নেই;
৪। কোনো কোনো রূপান্তরিত শিলায় ঢেউ খেলানো স্তর দেখা যায়। 

রূপান্তরিত শিলার প্রকারভেদ
• উৎস ও গঠন প্রণালি অনুসারে রূপান্তরিত শিলা দুই প্রকার। যথা -
ক. আগ্নেয়শিলা প্রচন্ড তাপে ও চাপে পরিবর্তিত হয়ে আগ্নেয়শিলা থেকে রূপান্তরিত শিলা তৈরি হয়। যেমন: গ্রানাইট থেকে নিস  (Gneiss) তৈরি হয়।
খ. পাললিক শিলা প্রচন্ড তাপে ও চাপে পরিবর্তিত হয়ে, পাললিক শিলা থেকে রূপান্তরিত শিলা তৈরি হয়। যেমন: বেলেপাথর থেকে কোয়ার্টজাইট (Quartzite) তৈরি হয়।  

তথ্যসূত্র:- ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
২,২০২.
নিচের কোনটি বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ গ্যাস ক্ষেত্র?
  1. বাখরাবাদ
  2. হরিপুর
  3. তিতাস
  4. হবিগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
তিতাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিতাস
ব্যাখ্যা
গ্যাসক্ষেত্র:
- উত্তোলনযোগ্য, প্রমাণিত ও সম্ভাব্য (2P) গ্যাসের মজুদের পরিমাণের হিসাবে দেশের বৃহত্তম গ্যাসক্ষেত্র তিতাস।
- এর উত্তোলনের পরিমাণ ৬৩৬৭ বিলিয়ন ঘনফুট।
- এটি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় অবস্থিত।

উল্লেখ্য,
- দ্বিতীয় বৃহত্তম গ্যাসক্ষেত্র বিবিয়ানা।
- এর উত্তোলনের পরিমাণ ৫৮১৮.৩ বিলিয়ন ঘনফুট।
- এটি হবিগঞ্জ জেলায় অবস্থিত।

অন্যদিকে,
- প্রাথমিক মজুদের পরিমাণের হিসাবে বৃহত্তম গ্যাসক্ষেত্র বিবিয়ানা।
- প্রাথমিক মোট মজুদ পরিমাণ – ৮৩৫০.০ বিলিয়ন ঘনফুট।
- এটি হবিগঞ্জ জেলায় অবস্থিত।

এছাড়া,
- দ্বিতীয় বৃহত্তম গ্যাসক্ষেত্র তিতাস।
- এর পরিমাণ ৮১৪৮.৯ বিলিয়ন ঘনফুট।

⇒ গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
- দেশের উৎপাদনরত ২০টি গ্যাসক্ষেত্রের উৎপাদনরত কূপের সংখ্যা ১০৯টি।
- এগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি কূপ রয়েছে বিবিয়ানা গ্যাসক্ষেত্রের; ২৬টি।
- দ্বিতীয় তিতাস গ্যাসক্ষেত্রের ২৩টি।
- ২০২২-২৩ অর্থবছরে আমদানিকৃত আরএলএনজিসহ গ্যাস সরবরাহের পরিমাণ মোট প্রায় ১,০০২.৬ বিলিয়ন ঘনফুট এবং গ্যাস ব্যবহারের পরিমাণ ৯৩২.৪ বিলিয়ন ঘনফুট।

⇒ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের হিসাব মতে, ২০২২-২৩ অর্থবছরে প্রাকৃতিক গ্যাস সর্বোচ্চ ব্যবহারের কয়েকটি খাত হচ্ছে –
- বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহার – ৩৮৯.৪ বিলিয়ন ঘনফুট (৪২.০০%)। [ব্যবহারের দিক থেকে এই খাতে সবচেয়ে বেশি গ্যাস ব্যবহৃত হয়।]
- শিল্পখাতে ব্যবহার – ১৭৮.৮ বিলিয়ন ঘনফুট (১৯.০০%) [দ্বিতীয়]
- ক্যাপটিভ – ১৬৪.৩ বিলিয়ন ঘনফুট (১৮%) [তৃতীয়]
- গৃহস্থালির কাজে ব্যবহার – ১০০.৬ বিলিয়ন ঘনফুট। (১১.০০%)।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
২,২০৩.
বাংলাদেশে নিচের কোন ধরনের ভূমিরূপের উপস্থিতি নেই?
  1. ক) চত্বরভূমি
  2. খ) বদ্বীপ
  3. গ) সমভূমি
  4. ঘ) মালভূমি
সঠিক উত্তর:
ঘ) মালভূমি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) মালভূমি
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশে মালভূমি বা মরুভূমির ন্যায় ভূমিরূপ নেই।
- এদেশের ভূমিরূপের মধ্যে পাহাড়-পর্বত, চত্বরভূমি, প্লাবন সমভূমি, দ্বীপ, চরাঞ্চল, হাওর-বাওর, ব-দ্বীপ প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য।
- ভূ-প্রকৃতি অনুসারে বাংলাদেশে তিন ধরনের ভূমিরূপ দেখা যায়। এগুলো হলোঃ
- টারশিয়ারি যুগের পাহাড়শ্রেণী
- প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ এবং
- সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় : নবম-দশম শ্রেণী)
২,২০৪.
কোন যুগে ভূতাত্ত্বিকভাবে বাংলাদেশের সবচেয়ে পুরাতন ভূমিরূপ গঠিত হয়?
  1. টারশিয়ারী
  2. প্লাইস্টোসিন
  3. কোয়াটারনারী
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
টারশিয়ারী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টারশিয়ারী
ব্যাখ্যা
- ভূতাত্ত্বিকভাবে বাংলাদেশের সবচেয়ে পুরাতন বা প্রাচীন ভূমিরূপ গঠিত হয় - টারশিয়ারী যুগে।
- আনুমানিক প্রায় ২০ লক্ষ বছর পূর্বে এগুলো গঠিত হয়।

• ভূমিরূপ:
- বাংলাদেশের ভূ-প্রকৃতি অনুসারে তিন ধরনের ভূমিরূপ দেখা যায়: টারশিয়ারি যুগের পাহাড়শ্রেণি, প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ এবং প্লাবন সমভূমি।
- দেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে চট্টগ্রাম, রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি, বান্দরবান ও কক্সবাজার এবং উত্তর-পূর্বাঞ্চলে সিলেট, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ, সুনামগঞ্জ, ময়মনসিংহ প্রভৃতি জেলাজুড়ে টারশিয়ারি যুগের পাহাড়শ্রেণী অবস্থিত। এ অঞ্চলের পাহাড়সমূহকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে: দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ এবং উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ। দেশের মোট আয়তনের প্রায় ২০ শতাংশ অঞ্চল টারশিয়ারি যুগে গঠিত।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
২,২০৫.
কোন স্তর থেকে ঝড়-বৃষ্টিপাত হয়?
  1. ট্রপোস্ফিয়ার
  2. থার্মোস্ফিয়ার
  3. স্ট্রাটোস্ফিয়ার
  4. এক্সোস্ফিয়ার
সঠিক উত্তর:
ট্রপোস্ফিয়ার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ট্রপোস্ফিয়ার
ব্যাখ্যা
ট্রপোমন্ডল (Troposphere):
- বায়ুমন্ডলের যে স্তরটি ভূ-ত্বকের সব থেকে নিচের স্তরে অবস্থিত সেটি হলো ট্রপোমন্ডল বা ট্রপোস্ফিয়ার।
- এই স্তরে বায়ুপ্রবাহ, ঝড়, মেঘ, বৃষ্টি, কুয়াশা, তুষারপাত, শিশির ইত্যাদির সৃষ্টি হয়।
- ট্রপোমন্ডলের শেষ প্রান্তের অংশের নাম ট্রপোবিরতি বা ট্রপোপজ।
- ট্রপোবিরতি এলাকায় তাপমাত্রা ৫৪° সেলসিয়াসের নিচে থাকে।
- ট্রপোমন্ডলের গভীরতা পৃথিবীর চারিদিকে সবসময় সমান থাকে না।
- ভিন্ন ভিন্ন অক্ষাংশে ও ঋতুভেদে এই গভীরতার পার্থক্য হয়।

⇒ এ মন্ডলটিকে ক্ষুদ্রমন্ডলও বলা হয়ে থাকে। এ স্তরে উচ্চতা বৃদ্ধির সাথে সাথে উপরের দিকে তাপমাত্রা ক্রমাগত হ্রাস পেতে থাকে।
- উষ্ণতা হ্রাসের এ হার প্রতি কিলোমিটারে ৬.৫° সেলসিয়াস যা স্বাভাবিক তাপ হ্রাস হার (Normal Lapse Rate বা Environmental Lapse) নামে পরিচিত।
- ট্রপোমন্ডলে বায়ুর ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি।
- এ স্তরের শেষ সীমাকে ট্রপোবিরতি (Tropopause) বলে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
২,২০৬.
'ঋজুক' জলপ্রপাত কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) বান্দরবান
  2. খ) খাগড়াছাড়ি
  3. গ) রাঙ্গামাটি
  4. ঘ) পঞ্চগড়
সঠিক উত্তর:
ক) বান্দরবান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) বান্দরবান
ব্যাখ্যা
• বান্দরবন:
 -বান্দরবান জেলার রুমা বাজার থেকে নদীপথে থানছি যাওয়ার পথে পড়বে ঋজুক ঝর্ণা।
- মার্মা ভাষায় একে রী স্বং স্বং বলা হয়।
- রুমা বাজার থেকে এর দূরত্ব প্রায় ৫ কিলোমিটার। 

তথ্যসূত্র: বান্দরবান জেলার ওয়েবসাইট।
২,২০৭.
মৌসুমী জলবায়ু অঞ্চল কত ডিগ্রি অক্ষাংশের মধ্যে অবস্থিত?
  1. ক) ২৫° - ৪০° উত্তর ও দক্ষিণ অক্ষাংশ
  2. খ) ৪০° - ৬৬.৫° উত্তর ও দক্ষিণ অক্ষাংশ
  3. গ) ২৫°- ৭৫° উত্তর ও দক্ষিণ অক্ষাংশ
  4. ঘ) ১৫° - ৩০° উত্তর ও দক্ষিণ অক্ষাংশ
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৫° - ৩০° উত্তর ও দক্ষিণ অক্ষাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৫° - ৩০° উত্তর ও দক্ষিণ অক্ষাংশ
ব্যাখ্যা
১৫° হতে ৩০° উত্তর ও দক্ষিণ অক্ষাংশের মধ্যে মৌসুমী জলবায়ু অঞ্চল অবস্থিত। 

• মৌসুমী জলবায়ু অঞ্চল:

-  যে বায়ুর গতি ঋতু পরিবর্তনের সাথে সাথে পরিবর্তিত হয় বা বিভিন্ন দিক থেকে প্রবাহিত হয় তাকে মৌসুমী বায়ু বলে। 
- মৌসুমী বায়ু যেসব অঞ্চলের উপর দিয়ে প্রবাহিত হয় তাকে মৌসুমী জলবায়ু অঞ্চল বলে। 
- মহাদেশের পূর্বাঞ্চলসমূহ তথা কর্কটক্রান্তি ও মকরক্রান্তির মধ্যবর্তী অঞ্চলসমূহ এই জলবায়ু অঞ্চলের অন্তর্গত। 
- মৌসুমী জলবায়ু অঞ্চলে বার্ষিক গড় বৃষ্টিপাতের পরিমাণ ১২৭-২০৩ সে.মি.।
 - তবে অবস্থান ও ভূ-প্রকৃতিগত কারনে স্থানভেদে বৃষ্টিপাত ২৫১-২৭০ সে.মি. পর্যন্ত হয়ে থাকে।
 - গ্রীষ্মকালে গড় উষ্ণতা ২১°-৩২° সে. এবং শীতকালে গড় উষ্ণতা ১০°-২১° সে. পর্যন্ত হয়ে থাকে।
 
উৎস: এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাণিজ্যিক ভূগোল; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
২,২০৮.
বাংলাদেশের প্রথম গ্যাসক্ষেত্র কোথায় আবিস্কৃত হয়েছিলো?
  1. সিলেটের জকিগঞ্জে
  2. সিলেটের বিয়ানীবাজার
  3. সিলেটের হরিপুরে
  4. সিলেটের কৈলাসটিলা
সঠিক উত্তর:
সিলেটের হরিপুরে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিলেটের হরিপুরে
ব্যাখ্যা
হরিপুর গ্যাসক্ষেত্র:
- বাংলাদেশের প্রথম গ্যাসক্ষেত্র আবিস্কৃত হয়েছিলো সিলেটের হরিপুরে।
- ১৯৫৫ সালে সর্বপ্রথম এখানে গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয়।
- ১৯৫৭ সালে প্রথম গ্যাস উত্তোলন শুরু হয়।
- হরিপুর গ্যাসক্ষেত্রের ৭ ও ৯ নম্বর কূপ থেকে বর্তমানে গ্যাস উত্তোলন করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য
- হরিপুর গ্যাসক্ষেত্রে নতুন একটি গ্যাসকূপের সন্ধান পাওয়া গেছে।
- কূপটিতে প্রায় ৪৩ বিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস মজুত আছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
- এলএনজির আমদানি মূল্য হিসেবে এই গ্যাসের দাম প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা।
- জুন, ২০২৩ থেকে হরিপুর গ্যাস ক্ষেত্রের ১০ নম্বর কূপে অনুসন্ধান শুরু হয়।
- কূপটি থেকে প্রতিদিন ১৩ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করা যাবে।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
         ii) ২৬ নভেম্বর ২০২৩, প্রথম আলো।
২,২০৯.
নীল নদ কোন সাগরে পতিত হয়েছে?
  1. লোহিত সাগর
  2. ভূমধ্যসাগর
  3. আরব সাগর
  4. ক্যারিবিয়ান সাগর
সঠিক উত্তর:
ভূমধ্যসাগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভূমধ্যসাগর
ব্যাখ্যা

নীল নদ:
- নীল নদ হলো পৃথিবীর দীর্ঘতম নদী।
- এটি নিরক্ষরেখার দক্ষিণে উৎপন্ন হয় এবং উত্তর-পূর্ব আফ্রিকার মধ্য দিয়ে উত্তর দিকে প্রবাহিত হয়ে ভূমধ্যসাগরে পতিত হয়।
- এর দৈর্ঘ্য প্রায় ৬,৬৫০ কিলোমিটার (৪,১৩২ মাইল) এবং এর অববাহিকা প্রায় ৩,৩৪৯,০০০ বর্গকিলোমিটার (১,২৯৩,০০০ বর্গমাইল)।
- নীল নদের অববাহিকায় তানজানিয়া, বুরুন্ডি, রুয়ান্ডা, কঙ্গো গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র, কেনিয়া, উগান্ডা, দক্ষিণ সুদান, ইথিওপিয়া, সুদান এবং মিশরের চাষযোগ্য অংশ অন্তর্ভুক্ত।
- এর সবচেয়ে দূরবর্তী উৎস হলো বুরুন্ডির কাগেরা নদী।
- নীল নদ তিনটি প্রধান স্রোত নিয়ে গঠিত।

তথ্যসূত্র - Britannica.

২,২১০.
সমুদ্রতীরে কোনটির প্রাচুর্য থাকে?
  1. নাইট্রোজেন (Nitrogen)
  2. হাইড্রোজেন (Hydrogen)
  3. অক্সিজেন (Oxygen)
  4. ওজোন (Ozone)
সঠিক উত্তর:
নাইট্রোজেন (Nitrogen)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাইট্রোজেন (Nitrogen)
ব্যাখ্যা
• সাধারণভাবে বায়ুমন্ডলে-
- নাইট্রোজেন - ৭৮.০২%,
- অক্সিজেন - ২০.৭১%,
- আর্গন - ০.৮০%,
- জলীয়বাষ্প ০.৪১%, 
- কার্বন-ডাই-অক্সাইড - ০.০৩% থাকে,
- এবং অন্য গ্যাসসমূহের পরিমাণ ০.০২%।

• সুতরাং বলা যায়,
সমুদ্রতীরের বাতাসে সামান্য হেরফের থাকলেও সেখানে নাইট্রোজেনেরই প্রাচুর্য থাকে।

তথ্যসূত্র:- ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
২,২১১.
নিম্নের কোনটি আগ্নেয় পর্বত?
  1. জার্মানির ব্ল‍্যাক ফরেস্ট
  2. ফিলিপাইনের পিনাটুবো
  3. যুক্তরাষ্ট্রের হেনরী
  4. দক্ষিণ আমেরিকার আন্দিজ
সঠিক উত্তর:
ফিলিপাইনের পিনাটুবো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফিলিপাইনের পিনাটুবো
ব্যাখ্যা

পর্বত (Mountains):
- সমুদ্র সমতল থেকে অন্তত ১,০০০ মিটার-এর অধিক উঁচু, সুবিস্তৃত, খাড়া ঢালবিশিষ্ট শিলাস্তূপকে পর্বত বলে।
- অপর দিকে, সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৬০০ থেকে ১,০০০ মিটার উঁচু, স্বল্প বিস্তৃত শিলাস্তূপকে পাহাড় বলে।
- উৎপত্তিগত বৈশিষ্ট্য ও গঠন প্রকৃতির ভিত্তিতে পর্বত প্রধানত চার প্রকার। যথা:
(ক) ভঙ্গিল পর্বত (Fold Mountains),
(খ) আগ্নেয় পর্বত (Volcanic Mountains),
( গ) চ্যুতি-স্তূপ পর্বত (Fault-block Mountains) এবং,
(ঘ) ল্যাকোলিথ পর্বত (Dome/Laccolith Mountains)।

⇒ আগ্নেয় পর্বত (Volcanic Mountain):
- আগ্নেয় পর্বত আগ্নেয়গিরি থেকে উদগিরিত পদার্থ সঞ্চিত ও জমাট বেঁধে আগ্নেয় পর্বত সৃষ্টি হয়। একে সঞ্চয়জাত পর্বতও বলে। এই পর্বত সাধারণত মোচাকৃতির (Conical) হয়ে থাকে। 
​- আগ্নেয় পর্বতের উদাহরণ হলো- ইতালির ভিসুভিয়াস, কেনিয়ার কিলিমানজারো, জাপানের ফুজিয়ামা এবং ফিলিপাইনের পিনাটুবো পর্বত

​অন্যদিকে,
​- জার্মানির ব্ল‍্যাক ফরেস্ট: চ্যুতি-স্তূপ পর্বত।
​- যুক্তরাষ্ট্রের হেনরী: ল্যাকোলিথ পর্বত।
​- দক্ষিণ আমেরিকার আন্দিজ:  ভঙ্গিল পর্বত। 

উৎস: i) ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,২১২.
নীল নদ কোন মহাদেশে অবস্থিত?
  1. ক) এশিয়া
  2. খ) উত্তর আমেরিকা
  3. গ) আফ্রিকা
  4. ঘ) ইউরোপ
সঠিক উত্তর:
গ) আফ্রিকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) আফ্রিকা
ব্যাখ্যা
নীল নদ:

- নীল নদ আফ্রিকা মহাদেশে অবস্থিত।
- এটি পৃথিবীর দীর্ঘতম নদ/নদী।
- নীল নদের দৈর্ঘ্য ৬৬৫০ কি.মি।
- আফ্রিকার লেক ভিক্টোরিয়া নীল নদের উৎস
- বিভিন্ন দেশ হয়ে ভূ-মধ্যসাগরে নীল নদ পতিত হয়।
- নীল নদের অববাহিকা মিশর, সুদান, দক্ষিণ সুদান, ইরিত্রিয়া, ইথিওপিয়া, কেনিয়া, কঙ্গো গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র, বুরুন্ডি, রুয়ান্ডা, উগান্ডা এবং তানজানিয়া জুড়ে বিস্তৃত.
- এই নদ দুটি উপনদী নিয়ে গঠিত: সাদা নীল এবং নীল নীল।

তথ্যসূত্র - Worldatlas.com
২,২১৩.
নিচের কোনটি স্রোতজ বনভূমির বৃক্ষ?
  1. ক) বৈলাম
  2. খ) শাল
  3. গ) গোলপাতা
  4. ঘ) সবগুলো
সঠিক উত্তর:
গ) গোলপাতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) গোলপাতা
ব্যাখ্যা
যে বন জোয়ারের পানিতে প্লাবিত হয় আবার ভাটার সময় শুকিয়ে যায়, তাকে স্রোতজ বা টাইডাল বনভূমি বলে।
- সুন্দরবন একটি স্রোতজ বনভূমি।
- খুলনা, সাতক্ষীরা ও বাগেরহাট জেলা জুড়ে বিস্তৃত বাংলাদেশ অংশের সুন্দরবনের আয়তন প্রায় ৬,০১৭ বর্গ কি.মি.।
- এটি পৃথিবীর একক বৃহত্তম প্রাকৃতিক ম্যানগ্রোভ বা স্রোতজ বনভূমি।
- সুন্দরবনের প্রধান বৃক্ষ সুন্দরী।
এছাড়া অন্যান্য উদ্ভিদের মধ্যে রয়েছে:
- গেওয়া
- কেওড়া
- ধুন্দল
- পশুর
- গোলপাতা প্রভৃতি।
(তথ্যসূত্র: বন বিভাগ ওয়েবসাইট)
২,২১৪.
মায়ানমারের কোন দুটি প্রদেশের সাথে বাংলাদেশের সীমান্ত আছে?
  1. নেপিদ ও চিন
  2. রাখাইন ও চিন
  3. রাখাইন ও কাচিন
  4. চিন ও কাচিন
সঠিক উত্তর:
রাখাইন ও চিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাখাইন ও চিন
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলা:
- বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী মোট জেলা- ৩২টি।
- ভারত ও মিয়ানমার দুটি দেশের সীমান্ত রয়েছে বাংলাদেশের সাথে।
- ভারতের সাথে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলা- ৩০টি। 
- মিয়ানমারের সাথে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলা- ৩টি (কক্সবাজার, রাঙ্গামাটি ও বান্দরবান)।
- একমাত্র রাঙ্গামাটি জেলার সাথে বাংলাদেশ-ভারত ও মায়ানমার এই তিনটি দেশের যৌথ সীমান্ত রয়েছে।
- বাংলাদেশের সাথে ভারতের ৫টি রাজ্যের সীমান্ত আছে। যথা- পশ্চিমবঙ্গ, আসাম, ত্রিপুরা, মিজোরাম ও মেঘালয়।
- বাংলাদেশের সাথে মায়ানমারের ২টি রাজ্যের সীমান্ত আছে।
- মায়ানমারের রাখাইন ও চিন প্রদেশর সাথে বাংলাদেশের সীমান্ত আছে।

উৎস:  জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

২,২১৫.
'বঙ্গবন্ধু দ্বীপ' কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) বাগেরহাট
  2. খ) ভোলা
  3. গ) কক্সবাজার
  4. ঘ) চট্টগ্রাম
সঠিক উত্তর:
ক) বাগেরহাট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) বাগেরহাট
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধু দ্বীপ (যা পুটুনির দ্বীপ নামেও পরিচিত) বাংলাদেশের খুলনা বিভাগের বাগেরহাট জেলার মংলা উপজেলার দুবলার চর থেকে ১০ কিলোমিটার দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরের অবস্থিত একটি দ্বীপ। এটি নতুন পর্যটন আকর্ষণীয় স্থান। ১৯৯২ সালে বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরতে গিয়ে প্রথম নতুন জেগে ওঠা একটি চরের দেখা পান বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের একনিষ্ঠ ভক্ত, মালেক ফরাজী নামের এক মৎস্য শিকারী। এ সময় তিনি জনমানবহীন এ দ্বীপের নাম দেন ‘বঙ্গবন্ধু দ্বীপ' এবং সেখানে একটি সাইন বোর্ড লাগিয়ে দিয়ে আসেন।পরবর্তীতে ২০০৪ সালের পর থেকে দ্বীপের আকার ধীরে ধীরে স্থিতিশীল অবস্থায় আসতে থাকে। এর পর থেকে না ডুবে ক্রমেই বড় হচ্ছে দ্বীপটি। ২০১৭ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষক নতুন করে জেগে ওঠা দ্বীপটিতে যায়। সেখানে তারা টানা তিনদিন অবস্থান করে দ্বীপটির অভ্যন্তরীণ মৃত্তিকা, ডিসিপি জরিপ ও ভিজিবিলিটি অ্যানালাইসিসসহ বিভিন্ন ধরনের বিজ্ঞানভিত্তিক অনুসন্ধান চালান।
২,২১৬.
পৃথিবীর দিবারাত্রির হ্রাস-বৃদ্ধির প্রকৃত কারণ-
  1. পৃথিবীর অভিগত গোলাকৃতি
  2. পৃথিবীর কক্ষপথে কৌণিক অবস্থান
  3. পৃথিবীর উপবৃত্তাকার কক্ষপথ
  4. বর্ণিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
• পৃথিবীর দিবারাত্রির হ্রাস-বৃদ্ধির প্রকৃত কারণ-
- পৃথিবীর অভিগত গোলাকৃতি;
- পৃথিবীর উপবৃত্তাকার কক্ষপথ;
- পৃথিবীর অবিরাম আবর্তন ও পরিক্রমণ গতি;
- পৃথিবীর মেরুরেখার সর্বদা একই মুখে অবস্থান;
- পৃথিবীর কক্ষপথে কৌণিক অবস্থান।

এছাড়াও,
- সূর্যকে প্রদক্ষিণের সময় পৃথিবী আপন মেরুরেখায় কক্ষপথের সঙ্গে ৬৬.৫° কোণে হেলে থাকে।
- পৃথিবী ৬৬.৫° কোণ করে চলার কারণে ২১এ মার্চ সূর্য নিরক্ষরেখার উপর লম্বভাবে কিরণ দেয়।
- উত্তর গোলার্ধে ২১ এ জুন দীর্ঘতম দিন ও ক্ষুদ্রতম রাত হয়।
- ২৩ এ সেপ্টেম্বর পুনরায় ২১ এ মার্চের মতো সূর্য নিরক্ষরেখার উপর লম্বভাবে কিরণ দেয়। সেদিন সর্বত্র দিবারাত্রি সমান থাকে।
- ২২ এ ডিসেম্বর সূর্য এমনভাবে কোণ করে থাকে তাতে দক্ষিণ গোলার্ধে সবচেয়ে বড় দিন এবং উত্তর গোলার্ধে সবচেয়ে ছোট দিন।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
২,২১৭.
বড়পুকুরিয়া কয়লা ক্ষেত্রের আবিষ্কারক প্রতিষ্ঠান কোনটি?
  1. বি.এইচ.পি মিনারেলস
  2. চাইনিজ কোম্পানি CMC
  3. এম/এস ওয়ার্ডেল আর্মস্ট্রং কোম্পানি
  4. বাংলাদেশ ভূ-তাত্ত্বিক জরিপ অধিদপ্তর (জিএসবি)
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ ভূ-তাত্ত্বিক জরিপ অধিদপ্তর (জিএসবি)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ ভূ-তাত্ত্বিক জরিপ অধিদপ্তর (জিএসবি)
ব্যাখ্যা

বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি:
- দিনাজপুরের পার্বতীপুরে অবস্থিত বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি বাংলাদেশের একমাত্র সক্রিয় ভূগর্ভস্থ কয়লা খনি।
- এটি ১৯৮৫ সালে বাংলাদেশ ভূ-তাত্ত্বিক জরিপ অধিদপ্তর (জিএসবি) কর্তৃক আবিষ্কৃত হয়। 
- এটি ২০০৫ সালে বাণিজ্যিকভাবে কয়লা উত্তোলন শুরু করে।
- এই খনি দেশের একমাত্র কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রকে জ্বালানির সরবরাহ দেয়।

- এই কয়লা খনির- 
• বিস্তৃতি: ৬.৬৮ বর্গকিলোমিটার;
• মোট কয়লা মজুদ: ৩৯০ মিলিয়ন মেট্রিক টন;
• উপরিভাগ: বারিন্ড ক্লে স্তর (মধুপুর ক্লে) দ্বারা আবৃত;
• কয়লার মান: উচ্চ-উদ্ভাবনী বিটুমিনাস থেকে সাব-বিটুমিনাস শ্রেণী;
• প্রধান উপাদান: ফিক্সড কার্বন ৪৮.৪০%, এ্যাশ ১২.৪০%, ভোলাটাইল মেটার ২৯.২০%, মোট ময়েশ্চার ১০%, সালফার ০.৫৩%;
• তাপ দহন ক্ষমতা: ১১,০৪০ বিটিউ/পাউন্ড;
• খনি উন্নয়নে প্রাথমিক সমীক্ষা পরিচালনা: এম/এস ওয়ার্ডেল আর্মস্ট্রং কোম্পানি;
• খনি উন্নয়নের চুক্তি: ১৯৯৪ সালে চাইনিজ কোম্পানি CMC-এর সাথে। 
---------------------------- 
কয়লা ক্ষেত্র:
- বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত মোট ৫টি প্রধান কয়লা ক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয়েছে, যা দেশের উত্তরাঞ্চলে অবস্থিত।
- এদের মধ্যে একমাত্র সচল খনি হলো দিনাজপুর জেলার বড়পুকুরিয়া, যেখান থেকে বর্তমানে কয়লা উত্তোলন করা হচ্ছে।
- ১৯৬২ সালে জয়পুরহাট জেলার জামালগঞ্জে দেশের সর্বপ্রথম কয়লাক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয়।
- গভীরতা বেশি হওয়ায় জামালগঞ্জ খনি থেকে এখনো কয়লা উত্তোলন শুরু হয়নি।

বাংলাদেশের কয়লা ক্ষেত্রগুলো:
• জামালগঞ্জ – এই কয়লা ক্ষেত্রটি জয়পুরহাট অবস্থিত। 
- এই কয়লা ক্ষেত্রটি ১৯৬২ সালে জিএসবি কর্তৃক আবিষ্কৃত হয়। (দেশের প্রথম কয়লা ক্ষেত্র, গভীরতার কারণে এখনও উত্তোলন শুরু হয়নি)। 
• ফুলবাড়ী – এই কয়লা ক্ষেত্রটি দিনাজপুর অবস্থিত। 
- এই কয়লা ক্ষেত্রটির আবিষ্কারক: জিএসবি, ১৯৮৯।

• দীঘিপাড়া – এই কয়লা ক্ষেত্রটি দিনাজপুর অবস্থিত। 
- এই কয়লা ক্ষেত্রটি ১৯৯৫ সালে জিএসবি কর্তৃক আবিষ্কৃত হয়। 

• খালাসপীর–
- এই কয়লা ক্ষেত্রটি রংপুর অবস্থিত। 
- এই কয়লা ক্ষেত্রটি ১৯৯৭ সালে বি.এইচ.পি মিনারেলস কর্তৃক আবিষ্কৃত হয়। 

উৎস:
১) খনিজ সম্পদ উন্নয়ন ব্যুরো (Bangladesh Geological Survey & Mineral Development Bureau) ওয়েবসাইট;
২) বড়পুকুরিয়া কোল মাইনিং কোম্পানি লিমিটেড (BCMCL) ওয়েবসাইট;
৩) প্রথম আলো

২,২১৮.
নিচের কোন জেলায় টারশিয়ারি যুগের পাহাড় আছে?
  1. ক) বগুড়া
  2. খ) মৌলভীবাজার
  3. গ) কুমিল্লা
  4. ঘ) রাজশাহী
সঠিক উত্তর:
খ) মৌলভীবাজার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) মৌলভীবাজার
ব্যাখ্যা
টারশিয়ারি যুগের পাহাড় আছে - মৌলভীবাজার জেলায়।

বাংলাদেশের ভূ-প্রাকৃতিক শ্রেণিবিভাগ:
- অবস্থান, ভূমির গঠন ও ভূ-তাত্ত্বিক সময়কাল অনুসারে বাংলাদেশের ভূ-প্রকৃতিকে প্রধানত তিনটি বৃহৎ শ্রেণিতে বিভক্ত করা যায়। যথা-
১. টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ
২. প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ এবং
৩. সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি।

• টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ:
- প্রায় ৭০ মিলিয়ন বছর পূর্বে টারশিয়ারি যুগে হিমালয় পর্বত উত্থিত হওয়ার সময় এ পাহাড়গুলো গঠিত হয়েছে বলে এগুলোকে টারশিয়ারি যুগের পাহাড় বলা হয়।
- এ পাহাড়গুলো বেলেপাথর, শ্লেট জাতীয় প্রস্তর এবং কর্দম দ্বারা গঠিত।
- এ পাহাড়গুলোকে আসামের লুসাই এবং মিয়ানমারের আরাকান পাহাড়ের সমগোত্রীয় বলে মনে করা হয়।

• টারশিয়ারি যুগের পাহাড়ের অবস্থান:
- রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি, বান্দরবান এবং চট্টগ্রাম জেলার অংশবিশেষে, সুনামগঞ্জ, হবিগঞ্জ ও মৌলভীবাজার জেলায় অবস্থিত ছোট-বড় পাহাড়গুলো নিয়ে এ অঞ্চল গঠিত। 

এছাড়াও - 
- কুমিল্লা, রাজশাহী এবং বগুড়ায় আছে প্লাইস্টোসিনকালের পাহাড়।

তথ্যসূত্র: ভূগোল প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,২১৯.
নদী পয়স্তি কারা?
  1. নদী ভাঙ্গনে সর্বস্বান্ত জনগণ
  2. নতুন চর জাগা বা পুনর্গঠন
  3. নদীতে যারা সারা বছর মাছ ধরে
  4. নদীর পাড়ে যারা বসবাস করে
সঠিক উত্তর:
নতুন চর জাগা বা পুনর্গঠন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নতুন চর জাগা বা পুনর্গঠন
ব্যাখ্যা

নদীভাঙন:
- বর্ষাকালে নদীখাতে প্রবল বেগে পানিপ্রবাহ, নদী খাতের উভয় পার্শ্বে নরম মাটি ও ফাটলের অবস্থানের কারণে যে ক্ষয় হয়ে থাকে, তাকে নদীভাঙন বলে।
- নদী ভাঙ্গনের শিকার হয় পলিমাটি গঠিত সমভূমি অধ্যুষিত অঞ্চলসমূহ।
- নদীতে ভেঙে যাওয়া জমির স্থানে নতুন চর জাগা বা পুনর্গঠনকে নদী পয়স্তি বলে।

উল্লেখ্য:
- নদী ভাঙ্গনে সর্বস্বান্ত জনগণকে নদী সিকস্তি বলে।

উৎস:  ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,২২০.
বাংলাদেশ কত ডিগ্রি অক্ষরেখার মধ্যে অবস্থিত?
  1. ক) ২০°৩২′ থেকে ২৮°৯২′ উত্তর অক্ষরেখা
  2. খ) ২০°৩৪′ থেকে ২৬°৩৮′ উত্তর অক্ষরেখা
  3. গ) ২৪°৩৪′ থেকে ৩০°৮৮′ উত্তর অক্ষরেখা
  4. ঘ) ৮৮°০১′ থেকে ৯২°৪১′ উত্তর অক্ষরেখা
সঠিক উত্তর:
খ) ২০°৩৪′ থেকে ২৬°৩৮′ উত্তর অক্ষরেখা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ২০°৩৪′ থেকে ২৬°৩৮′ উত্তর অক্ষরেখা
ব্যাখ্যা
- ভৌগোলিকভাবে বাংলাদেশ ২০°৩৪′ উত্তর অক্ষরেখা থেকে ২৬°৩৮′ উত্তর অক্ষরেখা এবং ৮৮°০১′ পূর্ব দ্রাঘিমারেখা থেকে ৯২°৪১′ পূর্ব দ্রাঘিমারেখার মধ্যে অবস্থিত।
- বাংলাদেশের মাঝামাঝি স্থান দিয়ে ২৩.৫° উত্তর অক্ষরেখা (ট্রপিক অব ক্যান্সার) এবং ৯০° পূর্ব দ্রাঘিমা রেখা অতিক্রম করেছে।
(সূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী : পৃষ্ঠা-৪১)
২,২২১.
দেশের কোন গ্যাসক্ষেত্র থেকে সবচেয়ে বেশি গ্যাস উত্তোলিত হয়?
  1. তিতাস
  2. বিবিয়ানা
  3. রশীদপুর
  4. বিয়ানীবাজার
সঠিক উত্তর:
বিবিয়ানা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিবিয়ানা
ব্যাখ্যা
- বর্তমানে দেশের ২০টি গ্যাসক্ষেত্র থেকে গ্যাস উত্তোলিত হচ্ছে।
উৎপাদনে শীর্ষ গ্যাসক্ষেত্রসমূহ (দৈনিক):
- প্রথম : বিবিয়ানা (৩৪ শতাংশ)
- দ্বিতীয় : তিতাস (১০.৫ শতাংশ)
- তৃতীয় : জালালাবাদ (৫.৬ শতাংশ)
- চতুর্থ : হবিগঞ্জ (৪.৪ শতাংশ)।
(তথ্যসূত্র: পেট্রোবাংলা ওয়েবসাইট)
২,২২২.
'বাটালি পাহাড়' কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. চট্টগ্রাম
  2. রাঙ্গামাটি
  3. মৌলভীবাজার
  4. ময়মনসিংহ
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা

• বাটালি পাহাড়: 
- ”বাটালি পাহাড়” চট্টগ্রাম জেলায় অবস্থিত।
- এটি চট্টগ্রাম শহরের সবচেয়ে উঁচু পাহাড় হিসেবে স্বীকৃত। 
- চট্টগ্রামের লালখানবাজার, টাইগারপাস ও আমবাগানের বিস্তৃত এলাকাজুড়ে বাটালি পাহাড়ের অবস্থান।
- এই পাহাড়ের চূড়া থেকে একঝলকে পুরো শহরসহ বঙ্গোপসাগর দেখা যায়।
- এই পাহাড় এর চূড়ায় মুক্তিযুদ্ধের স্মারকও রয়েছে।

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

২,২২৩.
নিচের কোনটি নদী বিহীন দ্বীপরাষ্ট্র?
  1. শ্রীলঙ্কা
  2. মালদ্বীপ
  3. ফিলিপাইন
  4. জাপান
সঠিক উত্তর:
মালদ্বীপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মালদ্বীপ
ব্যাখ্যা

- মালদ্বীপ নদী বিহীন দ্বীপরাষ্ট্র। 

• নদী বিহীন দেশ:

- কিছু দেশ এত ছোট যে সেখানে নদী থাকার জায়গাই নেই।
- অনেক ক্ষুদ্র দ্বীপরাষ্ট্র, শহর-রাষ্ট্র, অথবা যে-সব দেশে শুধুমাত্র মৌসুমি পানি প্রবাহ ঘটে।
- যা প্রকৃতপক্ষে স্থায়ী নদী হিসেবে বিবেচিত হয় না।
- এই মানদণ্ড অনুযায়ী, বিশ্বে মোট ১৯টি দেশ রয়েছে যেগুলোর মধ্যে কোনো স্থায়ী প্রাকৃতিক নদী নেই।

• নদী বিহীন দেশগুলো হলো যথা:
- কোমোরোস, জিবুতি, লিবিয়া, বাহামাস, বাহরাইন, কুয়েত, মালদ্বীপ, ওমান, কাতার, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত,ইয়েমেন,মাল্টা, মোনাকো, ভ্যাটিকান সিটি,  কিরিবাটি, নাউরু,  টোঙ্গা, টুভ্যুলু।

উৎস: World Atlas. 

২,২২৪.
বাংলাদেশের কোন অঞ্চল বেশী খরা প্রবণ?
  1. ক) উত্তর-পূর্ব অঞ্চল
  2. খ) দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চল
  3. গ) উত্তর-পশ্চিম অঞ্চল
  4. ঘ) দক্ষিণ-পূর্ব অঞ্চল
সঠিক উত্তর:
গ) উত্তর-পশ্চিম অঞ্চল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) উত্তর-পশ্চিম অঞ্চল
ব্যাখ্যা
বোর্ড বইয়ের ম্যাপ এবং বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (BRRI) প্রদত্ত তথ্যানুযায়ী দেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল বেশি খরাপ্রবণ।
২,২২৫.
বাংলাদেশের কোন নদীর নদী-বিধৌত অঞ্চলের আয়তন সবচেয়ে বেশি?
  1. ক) ব্রহ্মপুত্র
  2. খ) পদ্মা
  3. গ) যমুনা
  4. ঘ) সুরমা
সঠিক উত্তর:
ক) ব্রহ্মপুত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ব্রহ্মপুত্র
ব্যাখ্যা

ব্রহ্মপুত্র নদী তিব্বতের মানস সরোবর থেকে উৎপন্ন। তিব্বতে এর নাম সংপো এবং ডিহং নামে এটা আসামের উত্তর-পূর্ব কোণ দিয়ে ভারতে প্রবেশ করেছে।
অতঃপর ব্রহ্মপুত্র নামে পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে বাংলাদেশের কুড়িগ্রামের মাজহিয়ালীতে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।
পরবর্তীতে ব্রহ্মপুত্র দক্ষিণ-পূর্বে বেঁকে ভৈরব বাজারের কাছে মেঘনার সাথে মিলিত হয়েছে। এ স্থানের নাম পুরাতন ব্রহ্মপুত্র।

- ব্রহ্মপুত্র বাংলাদেশের ৫০,৫০৫ বর্গ কিলোমিটার এলাকা বিধৌত করেছে।
১৭৮৭ সালে তিস্তায় প্রবল বন্যার ফলে গতিপথ পরিবর্তন করে ময়মনসিংহ জেলার মধ্যে দিয়ে জোই নামে একটি ক্ষুদ্র শাখা নদীর উপর গিয়ে পড়ে।
অন্যদিকে,
- পদ্মা-বিধৌত অঞ্চল - ৩৪,১৮৮ বর্গকিঃমিঃ ও
- মেঘনা বিধৌত অঞ্চলের পরিমাণ - ২৯,৭৮৫ বর্গকিঃমিঃ।

উৎসঃ একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর ভূগোল (অর্থনৈতিক ভূগোল) দ্বিতীয় পত্র বই (উন্মুক্ত)।

২,২২৬.
প্রাকৃতিক দুর্যোগের পূর্বাভাস পাবার জন্য টোল ফ্রি নম্বর কোনটি?
  1. ৯৯৯
  2. ৩৩৩
  3. ১০৬
  4. ১০৯০
সঠিক উত্তর:
১০৯০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০৯০
ব্যাখ্যা
- দূর্যোগ ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে দুর্যোগের আগাম বার্তা জানার টোল ফ্রি নম্বর হচ্ছে ১০৯০। 

এছাড়াও, 
- মানবাধিকার কল সেন্টার টোল ফ্রি নম্বর - ১৬১০৮।
- ন্যাশনাল ইর্মাজেন্সি সার্ভিস ৯৯৯। 
- সরকারি তথ্য ও সেবা টোল ফ্রি নম্বর - ৩৩৩।
- দুর্নীতি দমন কমিশন টোল ফ্রি নম্বর - ১০৬।
- নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধ টোল ফ্রি নম্বর - ১০৯।

সূত্র - দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
২,২২৭.
আঙ্গেয়গিরির ভিতরে যে পদার্থ থাকে তাকে কী বলে?
  1. ক) লাভা
  2. খ) ম্যাগমা
  3. গ) গ্রীবা
  4. ঘ) স্তূপ
সঠিক উত্তর:
খ) ম্যাগমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ম্যাগমা
ব্যাখ্যা
আগ্নেয়গিরি (Volcano):
- ভূ-গর্ভস্থ তাপ ও চাপের পরিবর্তনের ফলে ভূ-অভ্যন্তরস্থ উত্তপ্ত, ও গলিত বিভিন্ন পদার্থ, যেমন: উষ্ণ বাষ্প, গলিত শিলা, কাঁদা, ধাতু, ভষ্ম ইত্যাদি প্রবলবেগে ভূ-ত্বকের নিচের অংশে চাপ প্রয়োগ করে।
- এমতাবস্থায়, ভূ-ত্বকের দুর্বল স্থান বা ফাটলসমূহের ভিতর দিয়ে উক্ত পদার্থগুলো উৎক্ষিপ্ত হয়ে বহু দূর পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ে।
- ভূ-পৃষ্ঠের ঐ ছিদ্র পথ বা ফাটলের চারপাশে উক্ত পদার্থগুলো জমাট বেঁধে ক্রমশ উঁচু পর্বতের ন্যায় ভূমিরূপ গঠন করে।
- এইরূপ পর্বতকে আগ্নেয়গিরি বলা হয়।
- আগ্নেয়গিরি থেকে যে পদার্থগুলো বাইরে উৎক্ষিপ্ত হয়ে বেরিয়ে আসে,তাকে লাভা (Lava) বলে।
- বাইরে উৎক্ষিপ্ত হয়ে বেরিয়ে আসার পূর্ব পর্যন্ত এই পদার্থগুলো ম্যাগমা (Magma) নামে পরিচিত।
- আগ্নেয়গিরির অভ্যন্তরে বিশাল এলাকা জুড়ে ম্যাগমা অর্থাৎ উত্তপ্ত ও গলিত শিলা, কাঁদা, ভষ্ম ও বাষ্প জমাকৃত হয়ে থাকে, যাকে ম্যাগমা চেম্বার বলা হয়।
- লাভা বের হবার মুখটিকে জ্বালামুখ (Crater) বলা হয়।
- যে পথে লাভা বের হয় সেটিকে আগ্নেয় গ্রীবা (Vent) বলা হয়। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,২২৮.
পৃথিবীর সবচেয়ে ছোট সাগর -
  1. লোহিত সাগর
  2. মারমারা সাগর
  3. পীতসাগর
  4. পারস্য উপসাগর
সঠিক উত্তর:
মারমারা সাগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মারমারা সাগর
ব্যাখ্যা
পৃথিবীর সবচেয়ে ছোট সাগর হলো মারমারা সাগর।

মারমারা সাগর:

- মারমারা সাগর পৃথিবীর সবচেয়ে ছোট সাগর।
- এটি মাত্র ১৭৫ মাইল (২৮০ কিমি) দীর্ঘ এবং প্রায় ৫০ মাইল (৮০ কিমি) প্রশস্ত।
- মোট ভূপৃষ্ঠের আয়তন মাত্র ৪৩৮২ বর্গ মাইল (১১৩৫০ বর্গ কিমি)।
- এর গড় গভীরতা ১৬২০ ফুট (৪৯৪ মিটার) এবং কেন্দ্রে সর্বোচ্চ ৪৪৪৬ ফুট (১৩৫৫ মিটার) গভীরতা।
- এটি তুরস্কে অবস্থিত এবং বস্পোরাস হয়ে কৃষ্ণ সাগরকে দার্দানেলসের মাধ্যমে এজিয়ান সাগরের সাথে সংযুক্ত করেছে।

উল্লেখ্য,
- পৃথিবীর বৃহত্তম সমুদ্র হলো দক্ষিণ চীন সাগর প্রায় ৩,৫০০,০০০ বর্গ কিলোমিটার।
- এটি চীন, ফিলিপাইন, মালয়েশিয়া, ব্রুনাই, ইন্দোনেশিয়া, সিঙ্গাপুর এবং ভিয়েতনাম সীমান্তে অবস্থিত।

উৎস: Guinness World Records ওয়েবসাইট।
২,২২৯.
সুন্দরবনের শতকরা কত অংশ বাংলাদেশের মধ্যে রয়েছে?
  1. ক) ৫৮%
  2. খ) ৫৫%
  3. গ) ৬২%
  4. ঘ) ৭৫%
সঠিক উত্তর:
গ) ৬২%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৬২%
ব্যাখ্যা
- সুন্দরবন বাংলাদেশ ও ভারতের সীমান্তে অবস্থিত বিশ্বের সবচেয়ে বড় মানগ্রোভ বন।
- সুন্দরবন বিশ্বের বৃহত্তম প্রাকৃতিক ম্যানগ্রোভ বনভূমি।
- সুন্দরবনের মোট আয়তনের প্রায় ৬২ ভাগ বা ৬,০১৭ বর্গ কিলোমিটার যা বাংলাদেশের অংশে পড়েছে।
- সুন্দরবনের বাকি অংশ ভারতে অবস্থিত।
- বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরা জেলায় সুন্দরবন অবস্থিত।
- সুন্দরবনের প্রধান বৃক্ষ হলো সুন্দরী।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণি ।
২,২৩০.
নিচের কোন সীমারেখা ফ্রান্স-জার্মান সীমান্ত বরাবর স্থাপন করা হয়েছিল?
  1. ম্যাজিনো লাইন
  2. ওডার-নিস লাইন
  3. ডুরান্ড লাইন
  4. সনোরা লাইন
সঠিক উত্তর:
ম্যাজিনো লাইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ম্যাজিনো লাইন
ব্যাখ্যা

ম্যাজিনো লাইন:
- ম্যাজিনো লাইন হলো ফ্রান্স কর্তৃক জার্মান আক্রমণ থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য নির্মিত সুরক্ষিত সীমারেখা,
- এটা ফ্রান্স-জার্মানি সীমান্ত বরাবর স্থাপন করা হয়েছিল।
- ইউরোপের দুই প্রতিবেশী দেশ ফ্রান্স ও জার্মানির মধ্যে অবস্থিত এই দুর্ভেদ্য প্রতিরক্ষা লাইনটি ১৯৩০-এর দশকে নির্মাণ শুরু করে এবং
- ১৯৩৮ সালে এর নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হয়।  

এছাড়াও,
বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সীমারেখার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো: 
- ওডার-নিস লাইন জার্মানি ও পোল্যান্ডের মধ্যে অবস্থিত।
- ডুরান্ড লাইন - পাকিস্তান ও আফগানিস্তান।
- সনোরা লাইন যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকোর মধ্যে সীমান্ত নির্ধারণ করে।

সূত্র: ব্রিটানিকা। 

২,২৩১.
অতিরিক্ত লবণাক্ততার ফলাফল কোনটি?
  1. কৃষি জমি নষ্ট হওয়া
  2. শহরে অভিগমন
  3. মাছ চাষ বৃদ্ধি
  4. শহরে বনাঞ্চল বৃদ্ধি
সঠিক উত্তর:
কৃষি জমি নষ্ট হওয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কৃষি জমি নষ্ট হওয়া
ব্যাখ্যা
জলবায়ু পরিবর্তনে বৈশ্বিক প্রভাব:

- ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস, টর্নেডো, ভূমিকম্প, সুনামির প্রকোপ বৃদ্ধি, অস্বাভাবিকভাবে ঋতু বৈচিত্র্যের চক্র নষ্ট হওয়া, জীববৈচিত্র্য ধ্বংস হওয়া, ইকোলজির প্রতি হুমকি প্রভৃতি জলবায়ু পরিবর্তনের উল্লেখযোগ্য প্রভাব ।
- জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে বাংলাদেশের উপরও বিভিন্ন নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।
- উপকূলীয় অঞ্চলের জমিতে লবনাক্ততার পরিমাণ বৃদ্ধি, অতিরিক্ত লবণাক্ততার ফলে কৃষি জমির উর্বরতা হ্রাস হবে।
- অধিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি,
- দেশের উত্তরাংশসহ বিস্তীর্ণ এলাকা খরায় আক্রান্ত হওয়া,
- ভূ-গর্ভস্থ পানির স্তর নিচে নেমে যাওয়া,
- আবাদী জমির পরিমাণ হ্রাস পাওয়া,
- মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ যেমন- অতিরিক্ত লবনাক্ততায় মৎস্য প্রজাতির বিলুপ্তি দেখা যাচ্ছে।
- যে হারে বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি পাচ্ছে সেই হারে যদি সমুদ্র পৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি পায় তাহলে প্রায় ১৫% স্থলভাগ হারানোর সম্ভাবনা আছে। এক্ষেত্রে উপকূলীয় অঞ্চলে বসবাসকারী প্রায় ৩০ মিলিয়ন (৩কোটি) মানুষ ও নানা প্রজাতির জীবজন্তু, সম্পদ প্রভৃতি ক্ষতিগ্রস্থ হতে পারে।
- এদেশের স্বতন্ত্র বাস্তুতন্ত্রের সবচেয়ে বড় উদাহরণ হলো সুন্দরবন, সেখানে প্রাণি বৈচিত্র্য হুমকির সম্মুখীন হতে পারে।

তথ্যসূত্র - ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,২৩২.
'করতোয়া' নদী কোন জেলার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে?
  1. পঞ্চগড়
  2. লালমনিরহাট
  3. রংপুর
  4. সিলেট
সঠিক উত্তর:
পঞ্চগড়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পঞ্চগড়
ব্যাখ্যা

• বিভিন্ন নদীর প্রবেশ পথ:
- পদ্মা নদীর মূল প্রবাহ রাজশাহী জেলার দক্ষিণ-পশ্চিম প্রান্তে প্রায় ১৪৫ কিলোমিটার পর্যন্ত ভারতের পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের সীমানা বরাবর এসে কুষ্টিয়ার উত্তর-পশ্চিম প্রান্তে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। এরপর রাজবাড়ি জেলার গোয়ালন্দের নিকট যমুনার সাথে মিলিত হয়েছে।
- ব্রহ্মপুত্র নদ তিব্বত ও আসামের ভিতর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে কুড়িগ্রাম জেলার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।
- মেঘনা ভারতের আসাম রাজ্যের নাগা-মনিপুর পার্বত্য অঞ্চলে উৎপন্ন বরাক নদী সিলেট সীমান্তে সুরমা ও কুশিয়ারা নামে দুইটি শাখায় বিভক্ত হয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।
- যমুনা ময়মনসিংহ জেলার দেওয়ানগঞ্জের কাছে ব্রহ্মপুত্রের একাট শাখা যমুনা নদী নামে দক্ষিণ দিকে প্রবাহিত হয়েছে।
- করতোয়া নদী পঞ্চগড় জেলার ভিটগড়ের নিকট বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।
- মহানন্দা নদী পঞ্চগড় জেলার তেঁতুলিয়া উপজেলার সীমান্ত এলাকা দিয়ে প্রবাহিত হয়ে পুনরায় ভারতে প্রবেশ করে।
- কর্ণফুলী নদী রাঙামাটি ও চট্টগ্রাম জেলার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে।
- সাঙ্গু নদী বান্দরবান ও চট্টগ্রামের ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে।
- ফেনী নদী ফেনী জেলার পূর্ব সীমানা দিয়ে প্রবেশ করে সন্দ্বীপ প্রণালির উত্তরে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে।
- নাফ নদী বাংলাদেশের টেকনাফ ও মিয়ানমারের সীমানা নির্দেশ করে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,২৩৩.
নিরক্ষীয় জলবায়ু অঞ্চলের বৈশিষ্ট্য নয় কোনটি?
  1. পরিচলন বৃষ্টিপাত হয়
  2. চিরহরিৎ বনাঞ্চল দেখা যায়
  3. দিন-রাতের তাপমাত্রার অধিক পার্থক্য
  4. গ্রীষ্মঋতুর প্রাধান্য
সঠিক উত্তর:
দিন-রাতের তাপমাত্রার অধিক পার্থক্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দিন-রাতের তাপমাত্রার অধিক পার্থক্য
ব্যাখ্যা
নিরক্ষীয় জলবায়ু অঞ্চলের বৈশিষ্ট্য নয়- দিন-রাতের তাপমাত্রার অধিক পার্থক্য। কারণ এই অঞ্চলে উষ্ণ ও আর্দ্র জলবায়ুর জন্য দিন-রাতের মধ্যে তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তনশীল থাকে।

নিরক্ষীয় জলবায়ু অঞ্চল:

- নিরক্ষরেখার উভয় পাশে ৫° অক্ষাংশের মধ্যে নিরক্ষীয় অঞ্চল অবস্থিত।
- নিরক্ষীয় জলবায়ু অঞ্চলের দেশসমূহ সারা বছর সূর্যের তাপ পায় বলে এখানে প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়।
- সেই সাথে উর্বর মৃত্তিকা এবং জলবায়ুর প্রভাবে চিরহরিৎ বনাঞ্চল দেখা যায়।
- এখানে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তনশীল থাকে।
- বিষুবরেখার পার্শ্ববর্তী ৯৬৫ কি. মি. এলাকাজুড়ে এই জলবায়ুর প্রভাব বিস্তৃত।
- আফ্রিকার কঙ্গো নদী অববাহিকা ও গিনি উপকূলীয় এলাকা, মধ্য আমেরিকার পূর্ব উপকূলের পানামা, হন্ডুরাস, কোস্টারিকা, নিকারাগুয়া এবং দক্ষিণ আমেরিকার পূর্ব উপকূল এই জলবায়ু অঞ্চলের অর্ন্তগত।
- এছাড়াও নিরক্ষরেখার কাছাকাছি অবস্থিত দেশগুলো যেমন: মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, ইন্দোনেশিয়া, ব্রনাই, ফিলিপাইন, আমাজান নদীর অববাহিকা, পেরু, ইকুয়েডর ও কলম্বিয়ার দক্ষিণাঞ্চল জুড়েও এই জলবায়ু প্রভাব বিস্তার করে।

নিরক্ষীয় জলবায়ু অঞ্চলের বৈশিষ্ট্য:
- নিরক্ষরেখার নিকটবর্তী দেশগুলোতে সূর্য প্রায় সারাবছরই লম্বভাবে কিরণ দেয় বলে এখানে গ্রীষ্মঋতুর প্রাধান্য লক্ষ্য করা যায়।ই অঞ্চলে উষ্ণ ও আর্দ্র জলবায়ুর জন্য দিন-রাতের মধ্যে তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তনশীল থাকে। শীতের প্রকোপ একদম নেই বললেই চলে।
১. সারাবছর সূর্য লম্বভাবে কিরণ দেয়ার জন্য এই অঞ্চলে গ্রীষ্মকালে তাপমাত্রা বেশি থাকে। দিনের ব্যাপ্তি সারা বছর একই থাকে এবং বার্ষিক গড় তাপমাত্রা ২১০-২৭০ সে.। স্থলভাগের বার্ষিক সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রার পার্থক্য ৫০ সেলসিয়াসের কম। অত্যধিক সূর্য তাপ ও আর্দ্রতা এবং সামান্য মেঘাচ্ছন্নতার জন্য তাপমাত্রার পার্থক্য কম।
২. অধিক সূর্য তাপ ও জলভাগের পরিমাণ বেশি হওয়ায় বাষ্পীভবনের মাত্রাও বেশি। এই সকল এলাকায় পরিচলন বৃষ্টিপাত বেশি হয় এবং বার্ষিক গড় বৃষ্টিপাতের পরিমাণ ১৭০০-২৫০০ মিলিমিটার।
৩. অধিক বৃষ্টিপাতের জন্য চিরহরিৎ বনাঞ্চল দেখা যায়। এই বনাঞ্চলে সেগুন, মেহগনি, রাবার ইত্যাদি গাছ জন্মে। গভীর এই বনাঞ্চলে সহজে সূর্যালোক প্রবেশ করতে পারে না বলে গাছগুলো সূর্যালোক পাওয়ার জন্য উঁচু হয়।
৪. অধিক উত্তাপ এ অঞ্চলে স্থায়ী নিম্নচাপ তৈরি করে এবং উপক্রান্তীয় উষ্ণ চাপ বলয়ের অয়ন বায়ু এ অঞ্চলে প্রবাহিত হয়। উত্তপ্ত বায়ু হালকা হয়ে উপরে উঠে যায় এবং শাস্ত বলয় বিরাজমান থাকে। ঊর্ধ্বগামী উষ্ণ ও আর্দ্র বায়ু উপরে উঠে ঘনীভূত হয়ে পরবর্তীতে বৃষ্টি হয়ে ঝরে পড়ে।
৫. এ অঞ্চলের মৃত্তিকা কৃষিকাজের জন্য খুব উপকারী হলেও এখানে মাটি ক্ষয় হয়। অতিরিক্ত তাপ ও বৃষ্টিপাতই এই মাটি ক্ষয়ের কারণ।

উৎস: ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,২৩৪.
বাংলাদেশের কোন অঞ্চলে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি?
  1. সিলেট
  2. রাজশাহী
  3. চট্টগ্রাম
  4. বরিশাল
সঠিক উত্তর:
সিলেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিলেট
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের বৃষ্টিপাত:

- বাংলাদেশের জলবায়ু মোটামুটি সমভাবাপন্ন।
- কর্কটক্রান্তি রেখা এ দেশের প্রায় মাঝখান দিয়ে অতিক্রম করায় এখানে ক্রান্তীয় জলবায়ু বিরাজমান।
- বিভিন্ন ঋতুর আবির্ভাব থাকায় এদেশের সামগ্রিক জলবায়ুকে ক্রান্তীয় মৌসুমি জলবায়ু বলা হয়।
- এদেশের বার্ষিক গড় বৃষ্টিপাত ২০৩ সে.মি।
- মৌসুমী বায়ুর প্রভাবে জুন থেকে অক্টোবর মাস পর্যন্ত বৃষ্টি হয়।
- বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি বৃষ্টিপাত হয় সিলেট অঞ্চলে।
- উষ্ণ ও আর্দ্র গ্রীষ্মকাল এবং শুষ্ক শীতকাল এদেশের জলবায়ুর প্রধান বৈশিষ্ট্য।
- বাংলাদেশের জলবায়ুকে মৌসুমি বায়ু প্রবাহ, বৃষ্টিপাত ও বার্ষিক তাপমাত্রার ভিত্তিতে ৩টি প্রধান ঋতুতে ভাগ করা যায়। যথা-
• গ্রীষ্মকাল।
• বর্ষাকাল।
• শীতকাল।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,২৩৫.
পৃথিবীর গভীরতম মহাসাগর কোনটি?
  1. প্রশান্ত মহাসাগর
  2. আটলান্টিক মহাসাগর
  3. আর্কটিক মহাসাগর
  4. ভারত মহাসাগর
সঠিক উত্তর:
প্রশান্ত মহাসাগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রশান্ত মহাসাগর
ব্যাখ্যা

প্রশান্ত মহাসাগর:
- প্রশান্ত মহাসাগর পৃথিবীর বৃহত্তম ও গভীরতম মহাসাগর ।
- এর সর্বোচ্চ গভীরতা ১০,৯২৮ মিটার এবং গড় গভীরতা ৪০৭৯ মিটার।
- প্রশান্ত মহাসাগরের আয়তন- ১৬ কোটি ৬০ লক্ষ বর্গকিলোমিটার।
- পৃথিবীর বৃহত্তম প্রবাল-প্রাচীর 'গ্রেট বেরিয়ার রীফ' (Great Barrier Reef) প্রশান্ত মহাসাগরের অস্ট্রেলিয়ার উত্তরপূর্ব উপকূলে অবস্থিত।

উল্লেখ্য,
- আটলান্টিক মহাসাগর ২য় বৃহত্তম মহাসাগর।
- উত্তর বা আর্কটিক মহাসাগর আয়তনে পৃথিবীর ক্ষুদ্রতম মহাসাগর ও সর্বাপেক্ষা কম গভীর একটি মহাসাগর।

উৎস: ব্রিটানিকা ও হিস্টোরি ডটকম।

২,২৩৬.
বন্যা সংঘটিত হওয়ার প্রাকৃতিক কারণ কোনটি?
  1. ক) ভৌগোলিক অবস্থান
  2. খ) হিমালয়ের বরফগলা পানিপ্রবাহ
  3. গ) ভূমিকম্প
  4. ঘ) সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা
বন্যা সংঘটিত হওয়ার প্রাকৃতিক কারণগুলো হলো ভৌগোলিক অবস্থান, হিমালয়ের বরফগলা পানিপ্রবাহ, ভূমিকম্প , উজানে প্রচুর বৃষ্টি, মৌসুমি জলবায়ুর প্রভাব ইত্যাদি। উৎসঃ ভূগোল, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই
২,২৩৭.
নিচের কোন দেশটি বঙ্গোপসাগর তীরবর্তী নয়?
  1. ক) মালদ্বীপ
  2. খ) মিয়ানমার
  3. গ) শ্রীলংকা
  4. ঘ) থাইল্যান্ড
সঠিক উত্তর:
ক) মালদ্বীপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) মালদ্বীপ
ব্যাখ্যা
- বঙ্গোপসাগর ভারত মহাসাগরের উত্তরাংশে অবস্থিত। এর আয়তন প্রায় ২২ লক্ষ বর্গ কিলোমিটার।
- গড় গভীরতা ২,৬০০ মিটার। সর্বোচ্চ গভীরতা ৪,৬৯৪ মিটার।
- সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড বা গঙ্গাগাত বঙ্গোপসাগরের একটি বিখ্যাত সমুদ্রখাত।
বঙ্গোপসাগর তীরবর্তী দেশসমূহ:
- বাংলাদেশ
- ভারত
- শ্রীলংকা
- থাইল্যান্ড
- মিয়ানমার ও
- ইন্দোনেশিয়া।
- মালদ্বীপ আরবসাগরে অবস্থিত।
(সূত্র: ব্রিটানিকা)
২,২৩৮.
দক্ষিণ আমেরিকায় অবস্থিত নয় কোন দেশটি?
  1. চিলি
  2. ইকুয়েডর
  3. সুরিনাম
  4. কানাডা
সঠিক উত্তর:
কানাডা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কানাডা
ব্যাখ্যা
দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশ:
- দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশ ১২ টি দেশ নিয়ে গঠিত।
- দেশগুলো হচ্ছে - ব্রাজিল, কলম্বিয়া, আর্জেন্টিনা, পেরু, ভেনেজুয়েলা, চিলি, ইকুয়েডর, বলিভিয়া, প্যারাগুয়ে, উরুগুয়ে, গায়ানা, সুরিনাম
- স্বাধীন দেশ - ১২ টি।
- জাতিসংঘভুক্ত দেশ  - ১২ টি।
- আয়তনে বৃহত্তম দেশ - ব্রাজিল।
- জনসংখ্যায় বৃহত্তম দেশ - ব্রাজিল।
- ব্রাজিল, গায়ানা এবং সুরিনাম ছাড়া সবকটিতেই স্প্যানিশ সরকারি ভাষা।
- ব্রাজিলের সরকারী ভাষা পর্তুগিজ।
============
- কানাডা হচ্ছে উত্তর আমেরিকার দেশ।
 
তথ্যসূত্র: ওয়াল্ড এটলাস।
২,২৩৯.
বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন কত সালে প্রণয়ন হয়?
  1. ১৯৯৫ সালে
  2. ১৯৯৬ সালে
  3. ১৯৯৭ সালে
  4. ১৯৯৮ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৯৫ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯৫ সালে
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন:
- বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন - ১৯৯৫ সালে প্রণয়ন করা হয়।
-  পরিবেশ সংরক্ষণ আইনের মাধ্যমে - পরিবেশ অধিদপ্তর তৈরি হয়।
-  পরিবেশ অধিদপ্তর  প্রধান হবে-  একজন মহাপরিচালক৷
-  এ আইনের মাধ্যমে পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর সামগ্রী উৎপাদন, বিক্রয় ইত্যাদির উপর বাধা নিষেধ আরোপ করা হয়।
-  ঝুঁকিপূর্ণ বর্জ্য উৎপাদন, আমদানি, মওজুদকরণ, বোঝাইকরণ, পরিবহণ, ইত্যাদি সংক্রান্ত বাধা নিষেধ আরোপ করা হয়।
-  জাহাজ কাটা বা ভাঙার কারণে সৃষ্ট দূষণ সংক্রান্ত বাধা-নিষেধ নিষেধ আরোপ করা হয়।

তথ্যসূত্র: Laws of Bangladesh

২,২৪০.
হিলি স্থল বন্দরটি বাংলাদেশের কোথায় অবস্থিত?
  1. বিরামপুর, দিনাজপুর
  2. ঘোড়াঘাট, দিনাজপুর
  3. হাকিমপুর, দিনাজপুর
  4. পাঁচ বিবি, জয়পুর হাট
সঠিক উত্তর:
হাকিমপুর, দিনাজপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাকিমপুর, দিনাজপুর
ব্যাখ্যা
◉ হিলি স্থলবন্দর দিনাজপুর জেলার হাকিমপুর উপজেলার বাংলা হিলি সীমান্তে অবস্থিত। এর বিপরীতে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার হিলি এলসিএস রয়েছে। দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দরটি ২৬ নভেম্বর ২০০৭ তারিখে বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় চালু হয়।
 
স্থলবন্দর: 
- স্থলবন্দর সীমান্তে অবস্থিত আন্তদেশীয় পণ্য ও যাত্রী যাতায়াত এবং বিনিময় কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র। 
- স্থলবন্দরে শুল্ক, অভিবাসন, সীমান্ত নিরাপত্তা বিধান দপ্তর ছাড়াও প্রযোজ্য ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রণমূলক দপ্তরসমূহের অবকাঠামো গড়ে তোলা হয়। 
- স্থলপথে পণ্য আমদানি-রপ্তানি সহজতর এবং উন্নতর করাই বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের লক্ষ্য।
- দেশের প্রধান ও বৃহত্তম স্থলবন্দর বেনাপোল ।
- এটি যশোর জেলায় অবস্থিত।
- বর্তমানে স্থলবন্দরের মোট সংখ্যা ২৫টি এবং চালুকৃত বন্দরের সংখ্যা ১৫ টি।
- চালুকৃত ১৫টি স্থলবন্দরের মধ্যে বেনাপােল, ভােমরা, আখাউড়া, বুড়িমারী, নাকুগাঁও, তামাবিল ও সোনাহাট স্থলবন্দর বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের (বাস্থবক) নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত হচ্ছে এবং সোনা মসজিদ, হিলি, টেকনাফ, বাংলাবান্ধা ও বিবিরবাজার স্থলবন্দর Build Operate Transfer (BOT) ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে।

কয়েকটি স্থলবন্দর ও অবস্থান দেওয়া হলো: 
→ হিলি স্থল বন্দর- হাকিমপুর, দিনাজপুর।
→ নাকুগাঁও স্থল বন্দর- নালিতাবাড়ী, শেরপুর।
→ ভোমরা স্থল বন্দর- সাতক্ষীরা সদর, সাতক্ষীরা।
→ সোনামসজিদ স্থল বন্দর- শিবগঞ্জ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ।
→ বিবির বাজার স্থল বন্দর- কুমিল্লা সদর, কুমিল্লা।
→ বিরল স্থল বন্দর- বিরল, দিনাজপুর।
→ টেকনাফ স্থল বন্দর- টেকনাফ, কক্সবাজার।
→ হালুয়াঘাট স্থল বন্দর- হালুয়াঘাট, ময়মনসিংহ।
→ আখাউড়া স্থল বন্দর- আখাউড়া, ব্রাম্মণবাড়িয়া।
→ বুড়িমারী স্থলবন্দর- পাট গ্রাম, লালমনিহাট।
→ দর্শনা স্থল বন্দর- দামুরহুদা, চুয়াডাঙ্গা।
→ তামাবিল স্থল বন্দর- গোয়াইনঘাট, সিলেট।
→ সোনাহাট স্থলবন্দর- ভুরুঙ্গামারী, কুুুড়িগ্রাম।

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা – ২০২৩ ও বাংলাদেশ স্থল বন্দর কর্তৃপক্ষ।
২,২৪১.
মানচিত্রে ক্ষুদ্রতম অংশ মাপার জন্য কোন মাপনি ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) সাধারণ মাপনি
  2. খ) মৌজা স্কেল
  3. গ) রেখা মাপনি
  4. ঘ) কৰ্ণ মাপনি
সঠিক উত্তর:
গ) রেখা মাপনি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) রেখা মাপনি
ব্যাখ্যা
মানচিত্রে ক্ষুদ্রতম অংশ মাপার জন্য রেখা মাপনি ব্যবহৃত হয়।

• মানচিত্র:
-  সমগ্র পৃথিবী অথবা পৃথিবীর কোনো অংশকে কাগজে দেখানোই মানচিত্র।
- স্কেল অনুসারে মানচিত্র চার প্রকার।
- যথা:
১. মৌজা মানচিত্র,
২. ভূ-সংস্থানিক মানচিত্র, 
৩. দেওয়াল মানচিত্র,
৪. ভূ-চিত্রাবলী,

১. মৌজা মানচিত্র:
- মৌজা বা Cadastral শব্দটির আভিধানিক অর্থ সম্পত্তি নথিভুক্ত করা।
- সম্পত্তির মালিকানার হিসাব রাখার জন্য যে মানচিত্র তৈরি করা হয় তাকে মৌজা মানচিত্র বলে।
- এ ধরনের মানচিত্র সাধারণত গ্রামে ব্যবহৃত হয়।
- মৌজা মানচিত্র একটি, দুইটি বা তিনটি গ্রাম নিয়ে হতে পারে।
- আবার একটি গ্রামের অংশবিশেষ নিয়েও হতে পারে।
- এই মানচিত্রের স্কেল সাধারণত ১৬ = ১ মাইল থেকে ৩২ = ১ মাইল পর্যন্ত হয়।

২. ভূ-সংস্থানিক মানচিত্র:
- ভূ-সংস্থানিক মানচিত্রে ভূমির বন্ধুরতা, বনভূমি, নদ-নদী, শহর, বন্দর, ঘর-বাড়ি, ভূমির ব্যবহার, পরিবহন প্রভৃতি দেখানো হয়।
- এ ধরনের মানচিত্রে প্রতীক বিন্দু এবং বিভিন্ন রং দিয়ে দেখানো হয়।
- ভূ-সংস্থানিক মানচিত্রের সুবিধা হলো কোনো এলাকা সম্পর্কে একসঙ্গে সবকিছু জানা যায়।
- এ ধরনের মানচিত্রের স্কেল ১=১ মাইল থেকে ১৪" = ১ মাইল পর্যন্ত হতে পারে।।

৩. দেওয়াল মানচিত্র :
- সমগ্র পৃথিবী, মহাদেশ বা দেশের তথ্যাদি বড় কাগজে সহজে উপস্থাপনের জন্য দেওয়াল মানচিত্র ব্যবহার করা হয়।
- দেওয়াল মানচিত্র বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শ্রেণিকক্ষ বা অফিসের দেওয়ালে অথবা বাড়ির দেওয়ালে লাগানো হয়।
- এ ধরনের মানচিত্রে সাধারণত ১ = ৩০০ মাইল পর্যন্ত দেখানো হয়ে থাকে।

৪. ভূ-চিত্রাবলী :
- ভূ-প্রকৃতি, জলবায়ু, উদ্ভিজ্জ, কৃষিজ, খনিজ, শিল্প, শহর, যোগাযোগ ইত্যাদি বিষয়ে তথ্যাদি বিভিন্ন রং ও চিহ্নের মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়।
- একে মানচিত্রের সংকলন গ্রন্থ বলা হয়ে থাকে।
- ভূ-চিত্রাবলী সবচেয়ে ছোট স্কেলে অঙ্কন করা হয়।
- এ মানচিত্রের স্কেল সাধারণত ১: ১,০০,০০০ বা ১: ১০,০০,০০০ হিসেবে দেখানো হয়।

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং প্রথম আলো পত্রিকা। 
২,২৪২.
মহাদেশীয় এবং মহাসাগরীয় প্লেটসমূহের সঞ্চালনের কারণে নিচের কোনটি ঘটে?
  1. টর্নেডো
  2. প্রবল বৃষ্টি
  3. তুষারপাত
  4. ভূমিকম্প
সঠিক উত্তর:
ভূমিকম্প
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভূমিকম্প
ব্যাখ্যা

• পাত সঞ্চালন:
- সঞ্চালনশীল মহাদেশীয় ও মহাসাগরীয় পাতসমূহের গতিশীলতার সময় যখন পরস্পরের সাথে সংঘর্ষ হয় তখন ভূমিকম্প হয়। তাই পৃথিবীর ভমিূকম্প প্রবণ অঞ্চলগুলো পাতসীমা বরাবর অবস্থিত।
- এছাড়া সঞ্চালনশীল পাত দুটি পরস্পর থেকে দূরে সরে যায় বা সামনে-পিছনে গতিশীল হয় তখন ভূ-গর্ভে চাপের তারতম্য ঘটে এবং ভমিূকম্প হয়।

সূত্র: ভূগোল প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,২৪৩.
কোনটিকে পাহাড়িয়া বৃষ্টি বলা হয়?
  1. ক) শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টি
  2. খ) ঘূর্ণিবাত বৃষ্টি
  3. গ) সংঘর্ষ বৃষ্টি
  4. ঘ) পরিচলন বৃষ্টি
সঠিক উত্তর:
ক) শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টি
ব্যাখ্যা
পাহাড়ে বাধা পেয়ে এ জাতীয় বৃষ্টিপাত হয় বলে একে পাহাড়িয়া বৃষ্টিও বলা হয়। উৎসঃ ভূগোল ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোয়াজ্জেম হোসেন চৌধুরী
২,২৪৪.
ভূত্বকের গঠনে সবচেয়ে বেশি পরিমাণে থাকা উপাদান কোনটি?
  1. পটাসিয়াম
  2. অক্সিজেন
  3. সিলিকন
  4. হাইড্রোজেন
সঠিক উত্তর:
অক্সিজেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অক্সিজেন
ব্যাখ্যা
• ভূত্বকের প্রধান উপাদান বা সবচেয়ে বেশি পরিমাণে পাওয়া যায় অক্সিজেন।

ভূত্বকের উপাদান:
- অক্সিজেনের পরিমাণ – ৪৬.১%
- সিলিকনের পরিমাণ – ২৮.২%
- অ্যালুমিনিয়ামের পরিমাণ – ৮.২%
- লোহার (আয়রন) পরিমাণ – ৫.৬%
- ক্যালসিয়ামের পরিমাণ – ৪.১%
- সোডিয়ামের পরিমাণ – ২.৩%
- ম্যাগনেসিয়ামের পরিমাণ – ২.৩%
- পটাসিয়ামের পরিমাণ – ২.০%
- টাইটানিয়ামের পরিমাণ – ০.৫%
- হাইড্রোজেনের পরিমাণ – ০.১%
- অন্যান্য উপাদান – ০.৫%

সূত্র: World Economic Forum ওয়েবসাইট।
২,২৪৫.
বাংলাদেশের কোথায় তেজস্ক্রিয় বালু পাওয়া যায়?
  1. কুয়াকাটা
  2. লালমাই এলাকায়
  3. কক্সবাজার
  4. সিলেটের পাহাড়ে
সঠিক উত্তর:
কক্সবাজার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কক্সবাজার
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের কক্সবাজার জেলার কুতুবদিয়া হতে টেকনাফ পর্যন্ত বিস্তীর্ণ উপকূলীয় অঞ্চলের মাটিতে তেজস্ক্রিয় বালু পাওয়া যায়।
- এছাড়াও মৌলভীবাজার জেলার হাড়গাছা পাহাড়ে ইউরেনিয়াম পাওয়া যায়।
- ইউরেনিয়াম আকরিক প্রধানত পারমাণবিক চুল্লিতে শক্তি ও পারমাণবিক বোমা তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।
- পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদনে জন্য ইউরেনিয়াম আকরিক কাঁচামাল হিসাবে ব্যবহৃত হয়।

উৎস:  ভূগোল ও পরিবেশ ২য় পত্র, এইচ এসসি , উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।[লিঙ্ক]
২,২৪৬.
'সুন্দা খাত' কোন সাগরের গভীরতম খাত?
  1. ক) প্রশান্ত মহাসাগর
  2. খ) আটলান্টিক মহাসাগর
  3. গ) বঙ্গোপসাগর
  4. ঘ) ভারত মহাসাগর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ভারত মহাসাগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ভারত মহাসাগর
ব্যাখ্যা

- ভারত মহাসাগরের গভীরতম খাত 'সুন্দা খাত'।
- প্রশান্ত মহাসাগরে গভীর সমুদ্র খাতের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।
- সর্বাপেক্ষা গভীরতম সমুদ্র খাত মারিয়ানা খাত। এটি গুয়াম দ্বীপের ৩২২ কি.মি. দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত।
- আটলান্টিক মহাসাগরের গভীরতম খাত পোর্টেরিকো খাত।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

২,২৪৭.
ভূ-ত্বক সৃষ্টির প্রথম পর্যায়ের ভূমিরূপের মধ্যে কোনটি অন্তর্ভুক্ত?
  1. পর্বতশ্রেণি
  2. মালভূমি
  3. মহাদেশ ও মহাসাগর
  4. মহীসোপান ও মহীঢাল
সঠিক উত্তর:
মহাদেশ ও মহাসাগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মহাদেশ ও মহাসাগর
ব্যাখ্যা

পৃথিবীর প্রধান ভূমিরূপসমূহ:
- ভূ-পৃষ্ঠের গঠন সর্বত্র একরকম নয়। স্থলভাগের কোথাও সুউচ্চ পাহাড় ও পর্বত, কোথাও মালভূমি, কোথাওবা সুবিস্তৃত সমভূমি রয়েছে।
- পৃথিবীর ভূ-ভাগের শতকরা ৫৮ ভাগ এলাকা সমভূমি, ১৮ ভাগ পার্বত্যময় এবং অবশিষ্ট ২৪ ভাগ মালভূমি ও পাহাড় দ্বারা বিস্তৃত। 
- ভূমিরূপের পর্যায়ক্রমিক সৃষ্টি ও আকৃতির উপর ভিত্তি করে ভূগোলবিদগণ সকল ভূমিরূপকে প্রধান তিনটি পর্যায়ে ভাগ করেছেন। যথা-
ক) প্রথম পর্যায়ের ভূমিরূপ,
খ) দ্বিতীয় পর্যায়ের ভূমিরূপ এবং
গ) তৃতীয় পর্যায়ের ভূমিরূপ।

ক) প্রথম পর্যায়ের ভূমিরূপ: 
- ভূ-ত্বক সৃষ্টির সর্বপ্রথম পর্যায়ে মহাদেশ ও মহাসাগরগুলির সৃষ্টি হয়েছে। 
- উপরের অংশগুলি নিয়ে মহাদেশীয় ভূ-ভাগ এবং নিচু অংশগুলো নিয়ে মহাসাগরীয় অঞ্চল গঠন করে।
- ভূ-ত্বক সৃষ্টির শুরুতেই এ প্রধান দুইটি ভূমিরূপ সৃষ্টি হয় বলে এদেরকে প্রথম পর্যায়ের ভূমিরূপ বলা হয়। 

খ) দ্বিতীয় পর্যায়ের ভূমিরূপ: 
- মহাদেশীয় ভূ-ভাগ ও মহাসাগরের তলদেশে পরবর্তী পর্যায়ে যে প্রধান ভূমিরূপ সৃষ্টি হয়েছে তাকে দ্বিতীয় পর্যায়ের ভূমিরূপ বলে। 
- যেমন- পর্বত, মালভূমি, সমভূমি, মহীসোপান, মহীঢাল, গভীর সমুদ্রের সমভূমি এবং গভীর সমুদ্রখাত।

গ) তৃতীয় পর্যায়ের ভূমিরূপ:
- ভূ-পৃষ্ঠের উপরিভাগে ক্ষয় ও রূপান্তরের ফলে যে সকল ভূমিরূপের সৃষ্টি হয় তাকে তৃতীয় পর্যায়ের ভূমিরূপ বলে। 
- এইরূপ ভূমিরূপ বিভিন্ন ধরনের অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক প্রক্রিয়া দ্বারা সৃষ্টি হয়। 
- যেমন- নদী, হিমবাহ, বায়ুপ্রবাহ, সমুদ্রতরঙ্গ, ভূ-গর্ভস্থ জলধারা ও জৈবিক প্রক্রিয়া দ্বারা ভূ-পৃষ্ঠ অনবরত ক্ষয় সাধিত হয় এবং ক্ষয়প্রাপ্ত শিলাগুলি অন্যত্র পরিবাহিত ও অবক্ষেপিত হয়। হয়। এভাবে ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে উপত্যকা, গিরিখাত প্রভৃতি ভূমিরূপ সৃষ্টি হয়।

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, HSC প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,২৪৮.
বাংলাদেশে প্লাইস্টোসিন সোপান এর উদাহরণ হিসেবে কোন এলাকাগুলোকে ধরা হয়?
  1. রংপুরের প্লাবনভূমি
  2. সুন্দরবন এবং চট্টগ্রাম পাহাড়
  3. মধুপুর ও বরেন্দ্রের লালাভ বাদামি দ্বীপসমূহ
  4. সিলেটের হাওর এবং কুমিল্লার সমতল 
সঠিক উত্তর:
মধুপুর ও বরেন্দ্রের লালাভ বাদামি দ্বীপসমূহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মধুপুর ও বরেন্দ্রের লালাভ বাদামি দ্বীপসমূহ
ব্যাখ্যা

প্লাইস্টোসিন সোপান: 
- প্লাইসটোসিন সোপান সোপান হচ্ছে সমুদ্রতল প্রান্তে স্তরে স্তরে বেঞ্চি আকৃতির গঠন।
- প্লাইসটোসিন যুগে গঠিত এই ধরনের সোপান প্লাইসটোসিন সোপান নামে পরিচিত।
- পৃথিবীর কয়েকটি অংশেই বড় বড় বদ্বীপীয় অঞ্চলে প্লাইসটোসিন বহুমুখী পাললিক সোপান নিয়মিত গড়ে উঠেছে।
- নদীউপত্যকাসমূহ সম্মুখভাগে দ্রুত ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে বর্তমান সময়ের চেয়ে ১০০ থেকে ১৪০ মিটার নিচে একটি নতুন ভিত্তি সমতল (baselevel) লাভ করেছে।
 - মধুপুর ও বরেন্দ্র এলাকার উত্তর-দক্ষিণ প্রলম্বিত লালাভ বাদামি দ্বীপসমূহ বাংলাদেশে প্লাইসটোসিন সোপানের নমুনা বলে ধারণা করা হয়।
-  মধুপুর-বরেন্দ্র এলাকার প্রাথমিক ভূ-পৃষ্ঠ বর্ষার প্রবল বারিপাত ও অন্যান্য ক্ষয়কারী কার্যক্রমের কারণে উত্তর- প্লাইসটোসিন যুগে ব্যাপকভাবে ব্যবচ্ছেদের শিকার হয়েছে।
- যা থেকে এইসব প্লাইসটোসিন সোপান মুক্ত থেকেছে। পরবর্তীতে এই সব ব্যবচ্ছেদিত উপত্যকা উর্বর পলিমাটিতে পূর্ণ হয়ে যায় যা প্রাথমিক প্লাইসটোসিন সোপান সমূহের চেয়ে অধোভাগে সাম্প্রতিক (recent) প্লাবনভূমির সৃষ্টি করেছে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

২,২৪৯.
পৃথিবীর সর্বাধিক গভীর স্থান মারিয়ানা ট্রেঞ্চ কোন মহাসাগরে অবস্থিত?
  1. দক্ষিণ মহাসাগর
  2. ভারত মহাসাগর
  3. প্রশান্ত মহাসাগর
  4. আটলান্টিক মহাসাগর
সঠিক উত্তর:
প্রশান্ত মহাসাগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রশান্ত মহাসাগর
ব্যাখ্যা

• প্রশান্ত মহাসাগরের মারিয়ানা খাত (Mariana Trench) পৃথিবীর সর্বাপেক্ষা গভীর খাত। 

 • প্রশান্ত মহাসাগর:
- পৃথিবীর বৃহত্তম ও গভীরতম মহাসাগর প্রশান্ত মহাসাগর।
- প্রশান্ত মহাসাগরের আকৃতি - ত্রিভুজের মতো।
- প্রশান্ত মহাসাগরের আয়তন - ১৬ কোটি ৮৭ লক্ষ বর্গকিলোমিটার।
- গড় গভীরতা - গড় - ৪,১৮৮ মি.; সর্বোচ্চ গভীরতা - ১০,৯২০ মি.
- এই মহাসাগরে পৃথিবীর সর্ববৃহৎ প্রবাল প্রাচীর গ্রেট বেরিয়ার রিফ অবস্থিত।
- ২৩০০ কিলোমিটার দীর্ঘ এই প্রবাল প্রাচীর অস্ট্রেলিয়ার উত্তর-পূর্বে প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত‌।
- আর পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম মহাসাগরের নাম আটলান্টিক মহাসাগর। 

উৎস: ওয়ার্ল্ড এটলাস

২,২৫০.
আগ্নেয়গিরির জ্বালামুখ দিয়ে নির্গত গলিত পদার্থকে বলা হয় -
  1. ক) ম্যাগমা
  2. খ) লাভা
  3. গ) শিলা
  4. ঘ) ভস্ম
সঠিক উত্তর:
খ) লাভা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) লাভা
ব্যাখ্যা
আগ্নেয়গিরির সংজ্ঞা (Definition of Volcano) : 
- ভূ-গর্ভস্থ তাপ ও চাপের পরিবর্তনের ফলে ভূ-অভ্যন্তরস্থ উত্তপ্ত, ও গলিত বিভিন্ন পদার্থ, যেমন: উষ্ণ বাষ্প, গলিত শিলা, কাঁদা, ধাতু, ভষ্ম ইত্যাদি প্রবলবেগে ভূ-ত্বকের নিচের অংশে চাপ প্রয়োগ করে । 
- এমতাবস্থায়, ভূ-ত্বকের দুর্বল স্থান বা ফাটলসমূহের ভিতর দিয়ে উক্ত পদার্থগুলো উৎক্ষিপ্ত হয়ে বহু দুর পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ে। 
- ভূ-পৃষ্ঠের ঐ ছিদ্র পথ বা ফাটলের চারপাশে উক্ত পদার্থগুলো জমাট বেঁধে ক্রমশ উঁচু পর্বতের ন্যায় ভূমিরূপ গঠন করে। এইরূপ পর্বতকে আগ্নেয়গিরি বলা হয়। 
- আগ্নেয়গিরি থেকে যে পদার্থগুলো বাইরে উৎক্ষিপ্ত হয়ে বেরিয়ে আসে,তাকে লাভা (Lava) বলে।
- বাইরে উৎক্ষিপ্ত হয়ে বেরিয়ে আসার পূর্ব পর্যন্ত এই পদার্থগুলো ম্যাগমা (Magma) নামে পরিচিত।
- আগ্নেয়গিরির অভ্যন্তরে বিশাল এলাকা জুড়ে ম্যাগমা অর্থাৎ উত্তপ্ত ও গলিত শিলা, কাঁদা, ভষ্ম ও বাষ্প জমাকৃত হয়ে থাকে, যাকে ম্যাগমা চেম্বার বলা হয়। 
 
উৎস :  ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
২,২৫১.
জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব নয় কোনটি?
  1. খরা
  2. বনাঞ্চল সৃষ্টি
  3. জলোচ্ছ্বাস
  4. বন্যা
সঠিক উত্তর:
বনাঞ্চল সৃষ্টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বনাঞ্চল সৃষ্টি
ব্যাখ্যা
জলবায়ু পরিবর্তন প্রভাব:
- জলবায়ু পরিবর্তন হলো মানুষের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ কর্মকান্ডের ফলে বায়ুমন্ডলের গঠনগত পরিবর্তন যা নির্দিষ্ট সময়কালে জলবায়ুর উপাদানসমূহের পরিবর্তন ঘটায় এবং প্রাকৃতিক জলবায়ুগত ভিন্নতা প্রদর্শন করে। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণেই বিশ্বের আবহাওয়ার ধরন দিন দিন পরিবর্তিত হচ্ছে।
- বৃষ্টির সময় অনাবৃষ্টি, খরার সময়ে বৃষ্টি, শীতের সময়ে গরম আবহাওয়া এবং গরমের ভিন্নধর্মী আবহাওয়া ইত্যাদিই জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব।
- পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের উপকূলীয় এলাকা পানির নিচে তলিয়ে যাবে এবং বিখ্যাত শহরগুলোও ক্ষতিগ্রস্থ হবে। বাংলাদেশও এই তালিকায় শীর্ষে রয়েছে।
- এছাড়াও এশীয় ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে সমুদ্রপৃষ্ঠ ফুলে উঠা, বন্য জীবজন্তুর সংখ্যা কমে যাওয়া, লোনা পানির প্রবেশ ঝুঁকি বৃদ্ধি, অসময়ে জলোচ্ছ্বাসে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি, সুপেয় পানি দূষণ, বনাঞ্চল ধ্বংস, বাস্তুসংস্থানের উপর হুমকি, খরা বৃদ্ধি, বন্যা ও লবনাক্ততা দ্বারা ফসলি জমির ক্ষতি ইত্যাদিও এই জলবায়ু পরিবর্তনেরই প্রভাব।
- এভাবে পৃথিবী উষ্ণায়নের ফলে একবিংশ শতাব্দীর মাঝামাঝি সময় বিশ্বের মোট জনসমষ্টির প্রায় ২০ শতাংশ অধিবাসীর ভাগ্য বিপর্যয় ঘটবে।
- গ্রীনহাউস প্রতিক্রিয়া বিশ্বব্যাপী উন্নত ও উন্নয়নশীল দেশগুলোর সামাজিক, প্রাকৃতিক, অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ক্ষেত্রে নানা রকম অস্থিরতা তৈরি করবে। ফলে তৈরি হবে অর্থনৈতিক মন্দা ও খাদ্যাভাব যা উন্নয়নশীল ও অনুন্নত দেশের জনগণকে করে তুলবে শরনার্থী।
- উন্নত বিশ্বের অধিবাসীরা যখন আর্থ- সামাজিক উন্নতির শিখরে অবস্থান করবে তখন অনেক দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ জনসমষ্টি দারিদ্রসীমার নিচে মানবেতর জীবনযাপন করবে। উদাহরণসস্বরূপ বলা যায় একদিকে বাংলাদেশ, ভারত, মিয়ানমার, পাকিস্তান, মালয়েশিয়া, চীন, ইন্দোনেশিয়ায় জলবায়ু পরিবর্তন ব্যাপকভাবে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে অপরদিকে অস্ট্রেলিয়ার মত দেশে শীতকাল পূর্বের তুলনায় বর্ষাসিক্ত হওয়ায় শস্য উৎপাদন বৃদ্ধি পাচ্ছে।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,২৫২.
'বাংলাদেশ ক্লাইমেট চেঞ্জ স্ট্র্যাটেজি এন্ড একশন প্ল্যান' প্রণীত হয় -
  1. ক) ২০০৮ সালে
  2. খ) ২০০৯ সালে
  3. গ) ২০১০ সালে
  4. ঘ) ২০১১ সালে
সঠিক উত্তর:
ক) ২০০৮ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ২০০৮ সালে
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ ক্লাইমেট চেঞ্জ স্ট্র্যাটেজি এন্ড একশন প্ল্যান ২০০৯: 
- বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যতম জলবায়ু পরবর্তনজনিত বিপদাপন্ন দেশ হিসেবে স্বীকৃত।
- জলবায়ু পরিবর্তনের উর্দ্ধহার এবং এর প্রভাবে বিপদাপন্নতা আরও অনেকাংশে বেড়ে যাচ্ছে।
- বন্যা, ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস, শৈত্য প্রবাহ এবং খরার মতো আপদগুলো নানা মাত্রা নিয়ে এ দেশে আঘাত হানতে পারে ফলত: গত দশকগুলোতে বাংলাদেশ সরকারের আয় বৃদ্ধি ও দারিদ্র বিমোচনের মতো পদক্ষেপগুলো হুমকির মুখে পড়বে এবং সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জন ব্যাহত হবে।
- এর পরিপ্রেক্ষিতে সরকার ২০০৮ সালে বন ও পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের অধীনে ‘বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তন কৌশল ও কর্ম পরিকল্পনা ২০০৯' প্রণয়ন করে।

• এ পরিকল্পনায় মোট ছয়টি বিষয়কে স্তম্ভ হিসেবে বিবেচনায় নেয়া হয়েছে, যেমন:
- খাদ্য, স্বাস্থ্য ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার মাধ্যমে দারিদ্র্য ও বিপদাপন্ন জনগোষ্ঠীকে জলবায়ু পরিবর্তন জনিত প্রভাব থেকে রক্ষা করা,
- ক্রমবর্ধমান ও বার বার সংগঠিত হওয়া প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকি মোকাবেলায় সার্বিক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার প্রতি জোর দেওয়া,
- উপকূলীয় ও বন্যাপ্রবণ এলাকায় অবকাঠামো, যেমনঃ ঘূর্ণিঝড় ও বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র ও বাঁধ নির্মাণ এবং রক্ষণাবেক্ষণ এর মাধ্যমে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবেলা,
- গবেষণা ও জ্ঞান ব্যবস্থাপনা,
- কার্বন নিঃসরণ ও প্রশমন,
- দক্ষতা বৃদ্ধি ও প্রাতিষ্ঠানিকীকরণ।

সূত্র: জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা নীতিমালা ২০১৫।
২,২৫৩.
ব্যাসল্ট হচ্ছে - 
  1. রূপান্তরিত শিলা
  2. পাললিক শিলা
  3. আগ্নেয় শিলা
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
আগ্নেয় শিলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আগ্নেয় শিলা
ব্যাখ্যা
- ব্যাসল্ট একটি আগ্নেয় শিলা।

আগ্নেয় শিলা:
- জন্মের প্রথমে পৃথিবী একটি উত্তপ্ত গ্যাসপিন্ড ছিল।
- এই গ্যাসপিন্ড ক্রমান্বয়ে তাপ বিকিরণ করে তরল হয়।
- পরে আরও তাপ বিকিরণ করে এর উপরিভাগ শীতল ও কঠিন আকার ধারণ করে।
- এভাবে গলিত অবস্থা থেকে ঘনীভূত বা কঠিন হয়ে যে শিলা গঠিত হয় তাকে আগ্নেয় শিলা বলে।
- আগ্নেয় শিলা পৃথিবীর প্রথম পর্যায়ে সৃষ্টি হয় তাই এই শিলাকে প্রাথমিক শিলাও বলে।
- এ শিলায় কোনো স্তর নেই। তাই আগ্নেয় শিলার অপর নাম অন্তরীভূত শিলা। এই শিলায় জীবাশ্ম নেই।

- এই শিলার বৈশিষ্ট্য হলো-
(ক) স্ফটিকার,
(খ) অন্তরীভূত,
(গ) কঠিন ও কম ভঙ্গুর,
(ঘ) জীবাশ্ম দেখা যায় না এবং
(ঙ) অপেক্ষাকৃত ভারী।

- আগ্নেয়গিরি বা ভূমিকম্পের ফলে অনেক সময় ভূত্বকের দুর্বল অংশে ফাটলের সৃষ্টি হয়। তখন পৃথিবীর অভ্যন্তর থেকে উত্তপ্ত গলিত লাভা নির্গত হয়ে আগ্নেয় শিলার সৃষ্টি করে। এভাবে ব্যাসল্ট ও গ্রানাইট শিলার সৃষ্টি হয়।

- আগ্নেয় শিলাকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়।
যথা-
(ক) বহিঃজ আগ্নেয় শিলা ও
(খ) অন্তঃজ আগ্নেয় শিলা।

(ক) বহিঃজ আগ্নেয় শিলা (Extrusive Igneous Rocks): ভূগর্ভের উত্তপ্ত তরল পদার্থ ম্যাগমা আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত বা অন্য কোনো কারণে বেরিয়ে এসে শীতল হয়ে জমাট বেঁধে বহিঃজ আগ্নেয় শিলার সৃষ্টি হয়, এদের দানা খুব সূক্ষ্ম, রং গাঢ়। এই শিলার উদাহরণ হলো ব্যাসন্ট, রায়োলাইট, অ্যান্ডিসাইট ইত্যাদি।

(খ) অন্তঃজ আগ্নেয় শিলা (Intrusive Igneous Rocks): উত্তপ্ত ম্যাগমা ভূপৃষ্ঠের বাইরে না এসে ভূগর্ভে জমাট বাঁধলে তৈরি হয় অন্তঃজ আগ্নেয় শিলা। এর দানাগুলো স্কুল ও হালকা রঙের হয়। গ্রানাইট, গ্যাব্রো, ডলোরাইট, ল্যাকোলিথ, ব্যাথোলিথ, ডাইক ও সিল এ শিলার অন্যতম উদাহরণ।

সূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ: নবম-দশম শ্রেণি।
২,২৫৪.
বেতবুনিয়া ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্রটি কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) গাজীপুর
  2. খ) ঢাকা
  3. গ) সিলেট
  4. ঘ) রাঙামাটি
সঠিক উত্তর:
ঘ) রাঙামাটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) রাঙামাটি
ব্যাখ্যা
- বেতবুনিয়া ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্রটি রাঙ্গামাটি জেলায় অবস্থিত। 
- এই ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্রটি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান উদ্বোধন করেন।
- এটি বাংলাদেশের প্রথম ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র।

ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র:
- বাংলাদেশে ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র ৪টি।
যথা- 
• বেতবুনিয়া (রাঙ্গামাটি), 
• তালিবাবাদ (গাজীপুর),
• মহাখালী (ঢাকা) এবং 
• সিলেট।

উৎস
: জাতীয় তথ্য বাতায়ন এবং জাতীয় দৈনিক পত্রিকা। 
২,২৫৫.
বাংলাদেশের উপকূলীয় দ্বীপ 'দক্ষিণ তালপট্টি' কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) কক্সবাজার
  2. খ) মহেশখালী
  3. গ) সাতক্ষীরা
  4. ঘ) হাতিয়া
সঠিক উত্তর:
গ) সাতক্ষীরা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সাতক্ষীরা
ব্যাখ্যা
- দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপ সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগর উপজেলার অন্তর্ভূক্ত বঙ্গোপসাগরের অগভীর সামুদ্রিক মহীসোপান এলাকায় জেগে ওঠা একটি  উপকূলবর্তী দ্বীপ।
- বাংলাদেশের সাতক্ষীরা জেলা এবং পশ্চিমবঙ্গের ২৪ পরগণা জেলার বশীরহাট থানার মধ্যকার হাড়িয়াভাঙ্গা নদী দ্বারা চিহ্নিত সীমান্ত রেখা বরাবর দক্ষিণে হাড়িয়াভাঙ্গা মোহনায় অগভীর সমুদ্রে এ ক্ষুদ্র দ্বীপটি গড়ে উঠেছে।
- দ্বীপটির আকৃতি প্রায় গোলাকার এবং ভাটার সময় সমুদ্রের পানি নেমে গেলে এটিকে দেখতে অনেকটা অর্ধচন্দ্রাকৃতির মতো মনে হয়।
- দক্ষিণ তালপট্টির সরাসরি উত্তরে বাংলাদেশের মূল ভূখন্ড তালপট্টি এবং দক্ষিণে উন্মুক্ত বঙ্গোপসাগর।
- দ্বীপটির বর্তমান আয়তন প্রায় ১০ বর্গ কিলোমিটার।
- জোয়ারভাটার উঠানামায় দ্বীপটির জেগে থাকা ভূ-ভাগের আয়তন প্রায় ৭ বর্গ কিমি থেকে ১৪ বর্গ কিমি পর্যন্ত হ্রাস বৃদ্ধি ঘটে।
- ১৯৭০ সালের নভেম্বরে প্রলয়ঙ্করী  ঘূর্ণিঝড় গাঙ্গেয় বদ্বীপাঞ্চলের দক্ষিণ ভাগে আঘাত হানার ঠিক পর পরই দ্বীপটি প্রথম দৃষ্টিগোচর হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া
২,২৫৬.
রকি পার্বত্য অঞ্চলে উৎপন্ন স্থানীয় বায়ু কোনটি?
  1. সিরক্কো
  2. চিনুক
  3. পাম্পেরু
  4. মিস্ট্রাল
সঠিক উত্তর:
চিনুক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চিনুক
ব্যাখ্যা
স্থানীয় প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য ও তাপমাত্রার তারতম্যের ফলে সৃষ্ট বায়ু স্থানীয় বায়ু নামে পরিচিত।
স্থানীয় বায়ুসমূহের মধ্যে রয়েছে:
- চিনুক : রকি পার্বত্য অঞ্চলে উৎপন্ন
- সায়মুম : আরব মালভূমির স্থানীয় বায়ু
- খামসিন : মিশর
- সিরক্কো : উ. আফ্রিকা ও দক্ষিণ ইতালি
- মিস্ট্রাল : ফ্রান্সের মালভূমি থেকে উৎপন্ন
- পাম্পেরু : আর্জেন্টিনা ও উরুগুয়ে
- লু : ভারত প্রভৃতি।

(তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী)
২,২৫৭.
নিচের কোন স্থানটি বাংলাদেশের রামসার সাইট?
  1. চলনবিল
  2. হাকালুকি হাওর
  3. টাঙ্গুয়ার হাওর
  4. সোনাদিয়া দ্বীপ
সঠিক উত্তর:
টাঙ্গুয়ার হাওর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টাঙ্গুয়ার হাওর
ব্যাখ্যা
রামসার সাইট:
- রামসার কনভেনশন রামসার চুক্তি হলো একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি, যা ১৯৭১ সালে ইরানের রামসার শহরে স্বাক্ষরিত হয়।
- এর উদ্দেশ্য হলো জলাভূমি (wetlands) সংরক্ষণ এবং সারা বিশ্বে এসব এলাকার টেকসই ব্যবহারের মাধ্যমে পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষা করা।
- বাংলাদেশ ১৯৯২ সালের ২১ সেপ্টেম্বর রামসার সনদ কার্যকর করে।
- বাংলাদেশের ২টি স্থান রামসার সাইট  হিসেবে অন্তর্ভুক্ত।
- রামসার সাইট ২টি হলো: সুন্দরবন, টাঙ্গুয়ার হাওর।
- বাংলাদেশের প্রথম রামসার সাইট সুন্দরবন।
- ১৯৯২ সালের ২১ মে সুন্দরবনকে রামসার সাইট (রামসার কনভেনশন কর্তৃক আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত জলাভূমি) হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
- বাংলাদেশের দ্বিতীয় 'রামসার সাইট টাঙ্গুয়ার হাওর।
- এটি সুনামগঞ্জ জেলায় অবস্থিত।
- ২০০০ সালের ২৯ জানুয়ারি টাঙ্গুয়ার হাওরকে সুন্দরবনের পর বাংলাদেশের দ্বিতীয় 'রামসার সাইট' হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।

উল্লেখ্য,
- চলনবিল, হাকালুকি হাওর, সোনাদিয়া দ্বীপ রামসার সাইট নয়।

উৎস: Ramsar Convention ওয়েবসাইট।
২,২৫৮.
নিচের কোনটি প্লাইস্টোসিনকালের চত্বর ভূমি?
  1. লালমাই পাহাড়
  2. জৈন্তা পাহাড়
  3. সুন্দরবন
  4. পার্বত্য চট্টগ্রাম
সঠিক উত্তর:
লালমাই পাহাড়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লালমাই পাহাড়
ব্যাখ্যা
ভূপ্রকৃতি অনুসারে বাংলাদেশের ভূমিরূপ তিন ধরনের।
যথা:
- টারশিয়ারি যুগের পাহাড়শ্রেণী
- প্লাইস্টোসিনকালের চত্বরভূমি
- সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি।

- উত্তরাঞ্চলের বরেন্দ্রভূমি, মধুপুর ও ভাওয়ালগড়ের চত্বরভূমি এবং কুমিল্লার লালমাই পাহাড় প্লাইস্টোসিনকালের ভূমিরূপ। আজ থেকে প্রায় পঁচিশ হাজার বছর আগে এরূপ ভূমিরূপ সৃষ্টি হয়।
অন্যদিকে,
- জৈন্তা পাহাড় ও পার্বত্য চট্টগ্রাম হলো টারশিয়ারি যুগের ভূমিরূপ।
- সুন্দরবন : সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি।

(তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী)
২,২৫৯.
'ইয়াংসিকিয়াং' কোন মহাদেশের দীর্ঘতম নদী হিসেবে পরিচিত?
  1. আফ্রিকা
  2. ইউরোপ
  3. এশিয়া
  4. ওশেনিয়া
সঠিক উত্তর:
এশিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এশিয়া
ব্যাখ্যা
ইয়াংসিকিয়াং:
- এশিয়া ও চীনের দীর্ঘতম নদী ইয়াংসিকিয়াং।
- এটি পৃথিবীর ৩য় দীর্ঘতম নদী।
- নদীটির দৈর্ঘ্য ৩,৯১৫ মাইল (৬,৩০০ কিমি)।
- তিব্বতের মালভূমি এর উৎপত্তিস্থল এবং পতিত হয়েছে পূর্ব চীন সাগরে।
- এর অববাহিকা, পশ্চিম থেকে পূর্ব পর্যন্ত প্রায় ২,০০০ মাইল (৩,২০০ কিমি) এবং উত্তর থেকে দক্ষিণে ৬০০ মাইল (১,০০০ কিমি) এরও বেশি সময় পর্যন্ত বিস্তৃত।
- এটি চীন এর পশ্চিমাঞ্চল থেকে পূর্বাঞ্চলে পণ্য পরিবহন করে এবং একটি প্রধান জলপথ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- চীন সরকার এ নদীর বন্যা নিয়ন্ত্রণের জন্য থ্রি গর্জেস ড্যাম (Three Gorges Dam) নামক বৃহৎ জলবিদ্যুৎ প্রকল্প তৈরি করেছে, যা বিশ্বের সবচেয়ে বড় জলবিদ্যুৎ বাঁধ হিসেবে পরিচিত।

তথ্যসূত্র: Britannica.com
২,২৬০.
What is Micronesia?
  1. Small islands situated in the Oceania area
  2. Process to suck minerals from porous rock
  3. A category of profous rock that contains pertroleum
  4. a motherboard used in samrt phones
  5. None
সঠিক উত্তর:
Small islands situated in the Oceania area
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Small islands situated in the Oceania area
ব্যাখ্যা
মাইক্রোনেশিয়া:
- মাইক্রোনেশিয়া অঞ্চলটি প্রশান্ত মহাসাগরের পশ্চিমে অবস্থিত।
- এ অঞ্চলটি ফিলিপাইনের পূর্বে এবং নিউগিনি দ্বীপের উত্তর ও উত্তর-পূর্ব দিকে অবস্থিত।
- এ অঞ্চলে মাইক্রোনেশিয়া, পালাউ, মার্শাল দ্বীপপুঞ্জ, কিরিবাতি ও নাউরু এ পাঁচটি স্বাধীন দেশ রয়েছে।

এছাড়াও,
⇒ প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপপুঞ্জ:
- প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপপুঞ্জকে ভৌগোলিকভাবে তিনটি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়ে থাকে।
- যথা: মাইক্রোনেশিয়া; মেলানেশিয়া; পলিনেশিয়া।

• মাইক্রোনেশিয়া অঞ্চলের দেশসমূহ:
- নাউরু; পালাউ; কিরিবাতি; মার্শাল দ্বীপপুঞ্জ এবং মাইক্রোনেশিয়া।

• মেলানেশিয়া অঞ্চলের দেশসমূহ:
- সলোমান দ্বীপপুঞ্জ; ফিজি; ভানুয়াতু; ও পাপুয়া নিউগিনি।

• পলিনেশিয়া অঞ্চলের দেশসমূহ:
- টোঙ্গা; টুভ্যালু ও সামোয়া।

উৎস: World Atlas.
২,২৬১.
নিচের কোনটি বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্থলবন্দর?
  1. হিলি স্থলবন্দর
  2. বিবির বাজার স্থলবন্দর
  3. বেনাপোল স্থলবন্দর
  4. সোনামসজিদ স্থলবন্দর
সঠিক উত্তর:
বেনাপোল স্থলবন্দর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেনাপোল স্থলবন্দর
ব্যাখ্যা
বেনাপোল স্থল বন্দর:
- বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্থল বন্দর বেনাপোল স্থল বন্দর।
- বেনাপোল স্থল বন্দর যশোর জেলার শার্শা উপজেলার বেনাপোল সীমান্তে অবস্থিত।
- মোট ৮৬.৬৮ একর এলাকা জুড়ে বিস্তৃত।
- স্থলবন্দরটি ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে পণ্য আমদানি/রপ্তানির জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বন্দর হিসেবে কাজ করে।।
- বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যকার গুরুত্বপূর্ণ তল্লাশী ঘাঁটি ও আন্তর্জাতিক স্থলবন্দর হিসেবে পরিচিত।
- দেশের স্থল বাণিজ্যের প্রায় ৯০% এ বন্দরের মাধ্যমে হয়ে থাকে।

অন্যদিকে -
- হিলি স্থলবন্দর বাংলাদেশ–ভারত সীমান্তে দিনাজপুর জেলার হাকিমপুর উপজেলায় অবস্থিত।
- সোনামসজিদ স্থল বন্দর হলো বাংলাদেশের উল্লেখযোগ্য একটি স্থল বন্দর, যা রাজশাহী বিভাগের শিবগঞ্জ উপজেলা পরিষদ থেকে প্রায় ১৯ কিমি উত্তরে শাহাবাজপুর ইউনিয়নে অবস্থিত।
- কুমিল্লার বিবির বাজার(গোমতী নদী সংলগ্ন) দেশের ১৩তম স্থলবন্দর।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ স্থল বন্দর কর্তৃপক্ষ।
২,২৬২.
ইউরোপ মহাদেশের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ -
  1. মাউন্ট এলব্রুস
  2. মাউন্ট এটনা
  3. মাউন্ট ম্যাককিনলি
  4. মাউন্ট কিলিমাঞ্জারো
সঠিক উত্তর:
মাউন্ট এলব্রুস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাউন্ট এলব্রুস
ব্যাখ্যা
ইউরোপ মহাদেশ:
- ইউরোপ মহাদেশ আয়তনের দিক থেকে বিশ্বের ষষ্ঠ বৃহত্তম মহাদেশ।
- এর উত্তরে উত্তর মহাসাগর, দক্ষিণে ভূমধ্যসাগর ও কৃষ্ণসাগর, পূর্বে কাস্পিয়ান সাগর, ইউরাল নদী ও ইউরাল পর্বত এবং পশ্চিমে আটলান্টিক মহাসাগর অবস্থিত।
- ইউরোপের ক্ষুদ্রতম দেশ হল ভ্যাটিকান সিটি।
- যদিও রাশিয়া এশিয়া ও ইউরোপ উভয় মহাদেশে বিস্তৃত, তবে এটি ইউরোপ মহাদেশের অন্তর্ভুক্ত বলে ধরা হয়।
- ইউরোপের দীর্ঘতম নদী ভলগা, এর দৈর্ঘ্য ৩,৬৮৭ কিলোমিটার, এবং এর সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ মাউন্ট এলব্রুস।

এছাড়াও,
- এশিয়ার সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ মাউন্ট এভারেস্ট,
- আফ্রিকার সর্বোচ্চ শৃঙ্গ কিলিমাঞ্জারো,
- উত্তর আমেরিকার সর্বোচ্চ শৃঙ্গ মাউন্ট ডেনালি এবং
- দক্ষিণ আমেরিকার সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ অ্যাকাঙ্কাগুয়া। 
- মাউন্ট এটনা – এটি ইতালির সিসিলি দ্বীপে অবস্থিত ইউরোপের অন্যতম সক্রিয় আগ্নেয়গিরি।

উৎস: WorldAtlas.
২,২৬৩.
বিশ্বব্যাংক জলবায়ু পরিবর্তনের কয়টি ঝুঁকিপূর্ণ দিক চিহ্নিত করেছে?
  1. ৩ টি
  2. ৪ টি
  3. ৫ টি
  4. ৬ টি
সঠিক উত্তর:
৫ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ টি
ব্যাখ্যা
বিশ্বব্যাংক বৈশ্বিক উষ্ণায়নের জন্য ৫টি ঝুঁকিপূর্ণ দিক চিহ্নিত করেছে 

• বাংলাদেশে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব:
- জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে ঝুঁকিপূর্ণ দেশসমূহের মধ্যে শীর্ষে অবস্থান করছে বাংলাদেশ।
- জাতিসংঘ তার সতর্কীকরণে বলেছে পরবর্তী ৫০ বছরে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা ৩ ফুট বাড়লে বাংলাদেশের সমুদ্র উপকূলবর্তী একটি অংশ প্লাবিত হবে এবং দেশের প্রায় ১৭ শতাংশ ভূমি পানির নিচে চলে যাবে। ’আনুমানিক ৩ কোটি মানুষ তাদের ঘরবাড়ি, ফসলি জমি হারিয়ে উদ্বাস্তুতে পরিণত হবে। উচ্চ তাপমাত্রার প্রভাবে ঘন ঘন বন্যা, ঝড়, অনাবৃষ্টি, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি ইত্যাদি ঝুঁকি বাড়বে।

- জলবায়ু পরিবর্তনের ফলেই এশিয়ায় পানির স্বল্পতা দেখা যাবে এবং ২০৫০ সালের মধ্যে প্রায় ১৫০ কোটি মানুষ ক্ষতিগ্রস্থ হবে।
- ইন্টারগভার্মেন্টাল প্যানেল অন ক্লাইমেন্ট চেঞ্জ (আইপিসিসি) এর তথ্যানুযায়ী, ২০৩০ সালের পর এদেশের নদীর প্রবাহ অনেক কমে যাবে।

- ২০০৯ সালে বিশ্বব্যাংক বৈশ্বিক উষ্ণায়নের জন্য ৫টি ঝুঁকিপূর্ণ দিক চিহ্নিত করেছে যথা- বন্যা, ঝড়, মরুকরণ, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি এবং কৃষিক্ষেত্রে অধিকতর অনিশ্চয়তা। এগুলোর প্রতিটিতে শীর্ষ ঝুঁকিপূর্ণ ১২টি দেশের তালিকা তৈরি হয়েছে। সেই তালিকায় ৫টি ঝুঁকিপূর্ণ ভাগের একটিতে শীর্ষ ঝুঁকিপূর্ণসহ ৩টিতে বাংলাদেশের নাম রয়েছে। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বিরূপ প্রতিক্রিয়া থেকে দেশকে বাঁচাতে হলে সঠিক পরিকল্পনার মাধ্যমে কার্যকরী অভিযোজন কৌশল প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করা অত্যন্ত জরুরি।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,২৬৪.
বাংলাদেশের একমাত্র মিঠাপানির জলাবন-
  1. সুন্দরবন
  2. টাঙ্গুয়ার হাওর
  3. হাকালুকি হাওর
  4. রাতারগুল জলাবন
সঠিক উত্তর:
রাতারগুল জলাবন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাতারগুল জলাবন
ব্যাখ্যা
রাতারগুল জলাবন: 
- রাতারগুল জলাবন বাংলাদেশের একমাত্র মিঠাপানির জলাবন।
- যা সিলেটের গোয়াইনঘাটে অবস্থিত।
- বনের আয়তন ৩,৩২৫.৬১ একর,
- আর এর মধ্যে ৫০৪ একর বনকে ১৯৭৩ সালে বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
- সারা পৃথিবীতে স্বাদুপানির জলাবন আছে মাত্র ২২টি।
- ভারতীয় উপমহাদেশে আছে দুটি।
- একটি শ্রীলংকায়, আরেকটি বাংলাদেশের রাতারগুল।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।  
২,২৬৫.
সূর্যের চারদিকে একবার পরিক্রমণ করতে শুক্র গ্রহের কত দিন সময় লাগে?
  1. ১৬৭ দিন
  2. ২২৫ দিন
  3. ২৮১ দিন
  4. ৩১০ দিন 
সঠিক উত্তর:
২২৫ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২২৫ দিন
ব্যাখ্যা

• শুক্র:
- সূর্যের চারিদিকে ঘুরে আসতে শুক্রের সময় লাগে ২২৫ দিন।
- সূর্য থেকে এর গড় দূরত্ব প্রায় ১০.৮ কোটি কিলোমিটার।
- ভোর রাতে পূর্ব আকাশে শুক্র গ্রহকে বলা হয় শুকতারা।
- সন্ধ্যাবেলায় পশ্চিম আকাশে একে বলা হয় সন্ধ্যাতারা।
- শুক্র গ্রহেরও কোনো উপগ্রহ নেই।

তথ্যসূত্র:  ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,২৬৬.
মনপুরা দ্বীপ কোন জেলার অন্তর্গত?
  1. ভোলা
  2. নোয়াখালী
  3. বরিশাল
  4. বরগুনা
সঠিক উত্তর:
ভোলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভোলা
ব্যাখ্যা

মনপুরা দ্বীপ: 
- মনপুরা দ্বীপ বাংলাদেশের ভোলা জেলার অন্তর্গত একটি অন্যতম পুরনো দ্বীপ।
- এটি মেঘনা নদীর পলিবাহিত একটি দ্বীপ, এখানে প্রায় লক্ষাধিক মানুষের বসবাস।
- ইতিহাসবিদদের মতে, ষোড়শ শতাব্দীতে এখানে প্রথম বসতি স্থাপন করা হয়, এবং ১৬০০ খ্রিষ্টাব্দে পর্তুগিজ জলদস্যুরা এখানে বসতি গড়ে তোলে।
- পরবর্তীতে স্থানীয় জনগোষ্ঠীর আগমনের ফলে এটি একটি আধুনিক উপজেলায় পরিণত হয়।
- মনপুরার ভাষা ও সংস্কৃতি ভোলা ও নোয়াখালীর সংমিশ্রণে গড়ে উঠেছে।

সূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 

২,২৬৭.
ভলগা নদীর উৎপত্তিস্থল-
  1. ভ্যালডাই হিলস
  2. হিমালয় পর্বতমালা
  3. আল্পস পর্বতমালা
  4. আন্দিজ পর্বতমালা
সঠিক উত্তর:
ভ্যালডাই হিলস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভ্যালডাই হিলস
ব্যাখ্যা

• ভলগা নদী (Volga River):
- উৎপত্তি: মস্কোর উত্তরে ভ্যালডাই হিলস।
- পতিত হয়েছে:  ক্যাসপিয়ান সাগরে, দক্ষিণে প্রায় ৩,৫৩০ কিমি দূরে।
- নদীর মোট দৈর্ঘ্য: প্রায় ৩,৫৭,০০০ মাইল।
- এটি প্রায় ২০০ উপনদী, ১,৫১,০০০ নদী ও স্থায়ী ও অস্থায়ী নালা সমন্বিত।

- এটি ইউরোপের দীর্ঘতম নদী এবং পশ্চিম রাশিয়ার প্রধান নৌপথ।
- এটি রাশিয়ার ঐতিহাসিক কেন্দ্রস্থল এবং দেশের রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার মূল উৎস।
- ভলগা নদীর অববাহিকা ইউরোপীয় রাশিয়ার প্রায় দুই-পঞ্চমাংশ এলাকায় বিস্তৃত এবং এটি প্রায় রাশিয়ার জনসংখ্যার অর্ধেকের আবাসস্থল।
- অর্থনৈতিক, সাংস্কৃতিক ও ঐতিহাসিক গুরুত্বের কারণে এটি বিশ্বের প্রধান নদীর মধ্যে গণ্য।

উৎস: ব্রিটানিকা।

২,২৬৮.
কোন স্থানে ব্রহ্মপুত্র নদ যমুনা ও পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদে বিভক্ত হয়েছে?
  1. জামালপুর
  2. কুড়িগ্রাম
  3. দেওয়ানগঞ্জ
  4. সিরাজগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানগঞ্জ
ব্যাখ্যা
যমুনা নদী:
- ব্রহ্মপুত্র-যমুনা বাংলাদেশের দ্বিতীয় এবং বিশ্বের দীর্ঘতম নদীসমূহের মধ্যে অন্যতম।
- তিববত, চীন, ভারত এবং বাংলাদেশের ভূখন্ড জুড়ে রয়েছে এর অববাহিকা অঞ্চল।
- প্রকৃতপক্ষে ব্রহ্মপুত্র নদের নিম্ন প্রবাহ যমুনা নামে অভিহিত।
- ১৭৮২ থেকে ১৭৮৭ সালের মধ্যে সংঘটিত ভূমিকম্প ও ভয়াবহ বন্যার ফলে ব্রহ্মপুত্রের তৎকালীন গতিপথ পরিবর্তিত হয়ে বর্তমান কালের যমুনা নদীর সৃষ্টি হয়।
- জামালপুর জেলার দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার বাহাদুরাবাদ নামক স্থানে ব্রহ্মপুত্র নদ তার পুরানো গতিপথ পরিবর্তন করে দক্ষিণাভিমুখী যমুনা নদী নামে প্রবাহিত হয়ে আরিচায় গঙ্গা (পদ্মা) নদীর সঙ্গে মিলিত হয়েছে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
২,২৬৯.
পৃথিবীর চাপ বলয় আছে -
  1. ক) ৩ টি
  2. খ) ৪ টি
  3. গ) ৬ টি
  4. ঘ) ৭ টি
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৭ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৭ টি
ব্যাখ্যা
পৃথিবীতে মোট ৭ টি চাপ বলয় রয়েছে। এর মধ্যে চারটি উচ্চচাপ বলয় এবং তিনটি নিম্নচাপ বলয়। এগুলো হলোঃ
নিরক্ষীয় নিম্নচাপ বলয়, কর্কটক্রান্তীয় উচ্চচাপ বলয়, মকরক্রান্তীয় উচ্চচাপ বলয়, উত্তর মেরুবৃত্তীয় নিম্নচাপ বলয়, দক্ষিণ মেরুবৃত্তীয় নিম্নচাপ বলয়, উত্তর মেরু উচ্চচাপ বলয় এবং দক্ষিণ মেরু উচ্চচাপ বলয়।
(সূত্রঃ উচ্চ মাধ্যমিক প্রাকৃতিক ভূগোল এবং ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী)
২,২৭০.
নিচের কোনটি অস্তরীভূত শিলার উদাহরণ নয়?
  1. ব্যাসল্ট
  2. গ্রানাইট
  3. ডলোরাইট
  4. শেল
সঠিক উত্তর:
শেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শেল
ব্যাখ্যা
আগ্নেয় শিলা:
- তাপ বিকিরণ করে গলিত অবস্থা থেকে ঘনীভূত বা কঠিন হয়ে যে শিলা গঠিত হয় তাকে আগ্নেয় শিলা বলে।
- আগ্নেয় শিলা পৃথিবীর প্রথম পর্যায়ে সৃষ্টি হয় তাই এই শিলাকে প্রাথমিক শিলাও বলে।
- এ শিলায় কোনো স্তর নেই।
- তাই আগ্নেয় শিলার অপর নাম অস্তরীভূত শিলা
- এই শিলায় জীবাশ্ম নেই।
- বহিঃজ আগ্নেয় শিলার উদাহরণ হলো ব্যাসল্ট, রায়োলাইট, অ্যান্ডিসাইট ইত্যাদি।
- অন্তঃজ আগ্নেয় শিলার উদাহরণ হলো গ্রানাইট, গ্যাব্রো, ডলোরাইট, ল্যাকোলিথ, ব্যাথোলিথ, ডাইক ও সিল। 

পাললিক শিলা:
- পলি সঞ্চিত হয়ে যে শিলা গঠিত হয়েছে তাকে পাললিক শিলা বলে।
- স্তরে স্তরে সঞ্চিত হয় বলে একে স্তরীভূত শিলাও বলে।
- বেলেপাথর, কয়লা, শেল, চুনাপাথর, কাদাপাথর ও কেওলিন পাললিক শিলার উদাহরণ।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
২,২৭১.
টাইগ্রিস নদী পতিত হয়েছে-
  1. ভারত মহাসাগরে
  2. পারস্য উপসাগরে
  3. কৃষ্ণসাগরে
  4. লোহিত সাগরে
সঠিক উত্তর:
পারস্য উপসাগরে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পারস্য উপসাগরে
ব্যাখ্যা
• টাইগ্রিস নদী:
- টাইগ্রিস নদী হলো মধ্যপ্রাচ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ ও ঐতিহাসিক নদী।
- এটি মূলত তুরস্কের পূর্বাঞ্চল থেকে উৎপন্ন হয়ে সিরিয়া ও ইরাক হয়ে দক্ষিণ দিকে প্রবাহিত হয়।
- টাইগ্রিস নদী তুরস্কের তৌরুস পর্বতমালা থেকে উৎপন্ন হয়।
- এটি সিরিয়ার একটি ছোট অংশ দিয়ে প্রবাহিত হয়ে মূলত ইরাকের মধ্য দিয়ে দক্ষিণ দিকে প্রবাহিত হয়।
- ইরাকের দক্ষিণ অংশে টাইগ্রিস নদী ও ইউফ্রেটিস নদী একত্রিত হয়ে একটি নতুন নদী গঠন করে যার নাম শাত আল-আরব (Shatt al-Arab)।
- শাত আল-আরব নদী শেষ পর্যন্ত পারস্য উপসাগরে পতিত হয়।
- এই নদীটি হাজার বছর ধরে মেসোপটেমিয়া সভ্যতার (সুমের, আকাদ, ব্যাবিলন ইত্যাদি) প্রাণরেখা হিসেবে বিবেচিত হয়ে এসেছে।
- টাইগ্রিস ও ইউফ্রেটিস নদীর মাঝে অবস্থিত অঞ্চলকে বলা হয় মেসোপটেমিয়া, যার অর্থ “নদীর মাঝে ভূখণ্ড”।

উৎস: National Geographic Society ও ব্রিটানিকা
২,২৭২.
এশিয়া মহাদেশের সর্ব দক্ষিণের বিন্দুর নাম কি?
  1. বেবা অন্তরীপ, তুরস্ক
  2. আগামীকাল দ্বীপ, রাশিয়া
  3. পানামা দ্বীপ, ইন্দোনেশিয়া
  4. ফ্রীগেলি অন্তরীপ, রাশিয়া
সঠিক উত্তর:
পানামা দ্বীপ, ইন্দোনেশিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পানামা দ্বীপ, ইন্দোনেশিয়া
ব্যাখ্যা

সর্ব দক্ষিণের বিন্দুর নাম পানামা দ্বীপ যা ইন্দোনেশিয়াতে অবস্থিত।
Pamana Island, 11°00′36″S 122°52′37″E, is the southernmost point of Asia, located in the Lesser Sunda Islands, East Nusa Tenggara province of Indonesia. Legend has it that all its inhabitants were massacred in the 17th century and their bodies disposed of in the lake. It is a tourist attraction offering a variety of deers, bird species and its beautiful beaches.

সর্ব পূর্বের বিন্দু আগামীকাল দ্বীপ,রাশিয়া।
সর্ব পশ্চিমের বিন্দু বেবা অন্তরীপ,তুরস্ক।
সর্ব উত্তরের বিন্দু ফ্রীগেলি, রাশিয়া।

উৎস: Britannica.com and World atlas.com

২,২৭৩.
Which strait separates Italy from Sicily?
  1. Strait of Gibraltar
  2. Bering Strait
  3. Bosphorus Strait
  4. Babel Mandeb Straits
  5. Strait of Messina
সঠিক উত্তর:
Strait of Messina
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Strait of Messina
ব্যাখ্যা
মেসিনা প্রণালী:
- মেসিনা প্রণালী হলো সিসিলির পূর্ব প্রান্ত এবং দক্ষিণ ইতালিতে এর পশ্চিম প্রান্তের মধ্যবর্তী একটি সরু প্রণালী।
- এটি ইতালিকে সিসিলি থেকে আলাদা করেছে।
- এটি মধ্য ভূমধ্যসাগরের মধ্যে উত্তরে টাইরহেনিয়ান সাগরকে দক্ষিণে আয়োনিয়ান সাগরের সাথে সংযুক্ত করেছে।

অন্যদিকে -
- জিব্রাল্টার প্রণালী: আফ্রিকা থেকে ইউরোপকে পৃথক করেছে।
- বেরিং প্রণালী: এশিয়া থেকে আমেরিকাকে পৃথক করেছে।
- বসফরাস প্রণালী: এশিয়া থেকে ইউরোপকে পৃথক করেছে।
- বাবেল মান্দেব প্রণালী: আফ্রিকা থেকে এশিয়াকে পৃথক করেছে।

উৎস: World Atlas.
২,২৭৪.
বাংলাদেশের সবচেয়ে খরস্রোতা নদী -
  1. তিস্তা নদী
  2. কর্ণফুলী নদী
  3. সুরমা নদী
  4. পদ্মা নদী
সঠিক উত্তর:
কর্ণফুলী নদী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কর্ণফুলী নদী
ব্যাখ্যা
কর্ণফুলী নদী:
- বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের একটি প্রধান নদী।
- এটি ভারতের মিজোরামের লুসাই পাহাড়ে শুরু হয়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম ও চট্টগ্রামের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে চট্টগ্রামের পতেঙ্গার কাছে বঙ্গোপসাগরে মিলিত হয়েছে।
- এই নদীর মোহনাতে বাংলাদেশের প্রধান সমুদ্র বন্দর চট্টগ্রাম বন্দর অবস্থিত।
- এই নদীর দৈর্ঘ্য ৩২০ কিলোমিটার।
- এটি চট্টগ্রাম ও রাঙামাটির প্রধান নদী।
- এটি বাংলাদেশের সবচেয়ে খরস্রোতা নদী। 
- প্রধান উপনদী হলো কাসালং, হালদা, বোয়ালখালী।
- কাপ্তাই নামক স্থানে বাঁধ দিয়ে কর্ণফুলী পানিবিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। 

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
         ii) ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
২,২৭৫.
বার্ষিক গড় আপেক্ষিক আর্দ্রতার সর্বোচ্চ মান কত?
  1. ক) ৭৮.১%
  2. খ) ৭১.৮%
  3. গ) ৭০.৫%
  4. ঘ) ৭৫.০%
সঠিক উত্তর:
ক) ৭৮.১%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৭৮.১%
ব্যাখ্যা
বার্ষিক গড় আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিসীমাটি হল কক্সবাজারে সর্বোচ্চ ৭৮.১% থেকে পাবনায় সবনিম্ন ৭০.৫% পর্যন্ত।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া
২,২৭৬.
খরার সময় কোন ধরনের দুর্যোগের উপদ্রব বেড়ে যায়?
  1. ভূমিকম্প
  2. অগ্নিকাণ্ড 
  3. ঘূর্ণিঝড়
  4. বন্যা
সঠিক উত্তর:
অগ্নিকাণ্ড 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অগ্নিকাণ্ড 
ব্যাখ্যা

• খরা (Drought):
⇒ দীর্ঘ সময় বৃষ্টি না হওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে যে অবস্থা তাকে খরা বলে। অনেকদিন বৃষ্টিহীন অবস্থা থাকলে অথবা অপর্যাপ্ত বৃষ্টিপাত হলে মাটির আর্দ্রতা কমে যায়। সেই সঙ্গে মাটি তার স্বাভাবিক বৈশিষ্ট্য বা কোমলতা হারিয়ে রুক্ষরূপ গ্রহণ করে খরায় পরিণত হয়।

• অনাবৃষ্টি বা খরার প্রভাব (Rainless or Impact of Drought):
-  দেশে উত্তর-পূর্বাঞ্চলে খরার প্রভাবে কৃষিজ ফসলের উৎপাদন কমে যায়
- খাদ্যদ্রব্যের অভাব হওয়ায় দুর্ভিক্ষ দেখা দেয়
- উপদ্রুত অঞ্চলে পানির অভাব দেখা দেয়
- প্রবল উত্তাপে বিভিন্ন ধরনের অসুখের প্রাদুর্ভাব ঘটে
- পরিবেশ রুক্ষ হয়ে ওঠে
- অগ্নিকান্ডের উপদ্রব বেড়ে যায়
- বৃষ্টিহীন ও খরাযুক্ত পরিবেশ মানুষ ও জীবজগতের স্বাভাবিক কাজকর্মের বিঘ্ন সৃষ্টি করে।
- বনজ সম্পদ বৃদ্ধি তথা অধিক বৃক্ষরোপণ করে এবং ভূগর্ভস্থ পানির ব্যবহার কমিয়ে এ ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগকে কিছুটা নিয়ন্ত্রণ করা যায়।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম ও দশম শ্রেণি।

২,২৭৭.
বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট ফান্ড (BCCTF) গঠন করা হয় কত সালে?
  1. ২০১৫ সালে
  2. ২০১০ সালে
  3. ২০১৯ সালে
  4. ২০২০ সালে
সঠিক উত্তর:
২০১০ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১০ সালে
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট:
- বর্তমানে বাংলাদেশ বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি ও বিভিন্ন প্রাকৃতিক কারণে পৃথিবীর অন্যতম জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ একটি দেশ।
- জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত মোকাবেলায় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এর ২০০৮ সালের নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় গ্রহণের পর সরকার কর্তৃক ২০০৯ সালে বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তন কৌশল ও কর্ম পরিকল্পনা ২০০৯ (বিসিসিএসএপি, ২০০৯) চুড়ান্ত করা হয়।
- উন্নয়নশীল দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ প্রথম এই ধরণের সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা গ্রহন করে।
- জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ঝুঁকি মোকাবিলা ও অভিযোজন কর্মসূচি ত্বরান্বিত করার লক্ষ্যে Bangladesh Climate Change Strategy and Action Plan (BCCSAP), 2009' বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ অব্যাহত রয়েছে।
- এই কর্মপরিকল্পনায় ৬টি থিমেটিক এরিয়ায় ৪৪টি কার্যক্রম চিহ্নিত করা হয়েছে।
- জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত মোকাবিলার জন্য এবং BCCSAP, ২০০৯ এ উল্লিখিত কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য সরকারের নিজস্ব অর্থায়নে জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট ফান্ড (BCCTF) গঠন করা হয়েছিল ২০১০ সালে।
- জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট ফান্ডটি সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য বলবৎ করা হয় জলবায়ু ট্রাস্ট আইন-২০১০।

সূত্র: বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট ও অর্থনৈতিক সমীক্ষা - ২০২৪।
২,২৭৮.
মধুপুর ও ভাওয়াল গড়ের বনভূমির প্রধান বৃক্ষ কোনটি?
  1. তেলুসর
  2. গর্জন
  3. সেগুন
  4. গজারি
সঠিক উত্তর:
গজারি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গজারি
ব্যাখ্যা
- টাঙ্গাইল ও ময়মনসিংহের মধুপুর গড়, গাজীপুরের ভাওয়াল গড়, শেরপুর ও বরেন্দ্রভূমি এলাকায় বিস্তৃত বনভূমি ‘শালবন’ নামে পরিচিত।
- শাল বা গজারি এই বনের প্রধান বৃক্ষ।
- এছাড়া অন্যান্য গাছের মধ্যে রয়েছে: পলাশ, সিধা জারুল, বহেড়া, হরীতকী, শীলকরই, শিমুল ইত্যাদি।
- শালবন একটি পত্রপতনশীল বৃক্ষের বনভূমি। যার কারণে শীতকালে এই বনের গাছের পাতা ঝড়ে যায়।
- শালবনের মোট আয়তন প্রায় ১.২ লক্ষ হেক্টর।
(তথ্যসূত্রঃ বন অধিদপ্তর ওয়েবসাইট ও বাংলাপিডিয়া)
২,২৭৯.
নিচের কোন তথ্যটি সঠিক নয়?
  1. গোবি মরুভূমি মঙ্গোলিয়ায় অবস্থিত
  2. মোজাবে মরুভূমি ক্যালিফোর্নিয়ায় অবস্থিত
  3. ভিক্টোরিয়া মরুভূমি অস্ট্রেলিয়ায় অবস্থিত
  4. আতাকামা মরুভূমি পাকিস্তানে অবস্থিত
সঠিক উত্তর:
আতাকামা মরুভূমি পাকিস্তানে অবস্থিত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আতাকামা মরুভূমি পাকিস্তানে অবস্থিত
ব্যাখ্যা
⇒ গোবি মরুভূমি (Gobi Desert):
- গোবি মরুভূমি মধ্য এশিয়ায় অবস্থিত একটি বিশাল মরুভূমি।
- মরুভূমিটির অবস্থান চীন ও মঙ্গোলিয়া এই দুই দেশে বিস্তৃত।
- এর আয়তন আনুমানিক ১৩ লক্ষ বর্গকিলোমিটার।

⇒ ভিক্টোরিয়া মরুভূমি (Great Victoria Desert):
- গ্রেট ভিক্টোরিয়া মরুভূমি দক্ষিণ ও পশ্চিম অস্ট্রেলিয়ায় অবস্থিত।
- একে বলা হয় Great Victoria Desert।
- এটি ১৮৭৫ সালে অস্ট্রেলিয়ান অনুসন্ধানকারী Ernest Giles একে মহারানী ভিক্টোরিয়ার নামানুসারে Great Victoria Desert নামকরণ করেন।
- এর আয়তন ৩৫০,০০০ বর্গকিলোমিটার।
- এটি বিশ্বের ৭ম বৃহৎ ও অস্ট্রেলিয়ার বৃহত্তম মরুভূমি।

⇒ মোজাবে মরুভূমি:
- মোজাবে মরুভূমি যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যের দক্ষিণ-পূর্বাংশ জুড়ে অবস্থিত।
- কিছু অংশ নেবাদা, এরিজোনা, উতাহ অঙ্গরাজ্যে জুড়ে বিস্তৃত।
- মোজাবে মরুভূমির আয়তন ২৫০০০ বর্গ মাইল (৬৫০০০বর্গ কিমি)।

⇒ আতাকামা মরুভূমি:
- আতাকামা মরুভূমি চিলির উত্তরাঞ্চলে অবস্থিত।
- এটি উত্তর থেকে দক্ষিণে ৬০০ থেকে ৭০০ মাইল (১০০০ থেকে ১১০০ কিমি) পর্যন্ত বিস্তৃত।
- এর সুনির্দিষ্ট সীমানা নির্ধারিত নয়, তবে এটি মূলত লোয়া নদীর দক্ষিণ বাঁক এবং সালাডো-কোপিয়াপো জলাধারের মধ্যবর্তী পর্বতমালার মধ্যে অবস্থিত।
- উত্তরে, মরুভূমি পেরুর সীমানা পর্যন্ত বিস্তৃত।

এছাড়াও -
⇔ কয়েকটি মরুভূমি ও এদের অবস্থান:
- পাতাগোনিয়া মরুভূমি: চিলি ও আর্জেন্টিনা,
- থর মরুভূমি: ভারত ও পাকিস্তান,
- সাহারা মরুভূমি: আফ্রিকা,
- কালাহারি মরুভূমি: নামিবিয়া ও দক্ষিণ আফ্রিকা,

উৎস: Britannica.
২,২৮০.
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের পাহাড়িয়া অঞ্চলে আছে -
  1. ক) গেইসার
  2. খ) সবিরাম প্রস্রবণ
  3. গ) অবিরাম প্রস্রবণ
  4. ঘ) উষ্ণ প্রস্রবণ
সঠিক উত্তর:
ঘ) উষ্ণ প্রস্রবণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) উষ্ণ প্রস্রবণ
ব্যাখ্যা
• চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের পাহাড়িয়া অঞ্চলে আছে - উষ্ণ প্রস্রবণ।


উষ্ণ প্রস্রবণ (Hot Spring): 
- ভূগর্ভ থেকে প্রাকৃতিকভাবে বেরিয়ে আসা এক ধরনের উষ্ণ ঝর্নাধারা যার পানির তাপমাত্রা মানব দেহের তাপমাত্রার চেয়ে বেশি।
- পশ্চিমবঙ্গের বীরভূম জেলার বক্রেশ্বর, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইয়েলোস্টোন পার্ক, নিউজিল্যান্ডের উত্তরাঞ্চলের দ্বীপসমূহ, আইসল্যান্ড, ইটালি ও জাপান উষ্ণ প্রস্রবণের জন্য বিখ্যাত। 
- বাংলাদেশে চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের পাহাড়িয়া অঞ্চলে আছে- উষ্ণ প্রস্রবণ।

তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
২,২৮১.
ঢাকায় পৃথিবীর আহ্নিক গতির বেগ কত কিলোমিটার?
  1. ১৬০০ কিলোমিটার
  2. ১৫০০ কিলোমিটার
  3. ১৪০০ কিলোমিটার
  4. ১৩০০ কিলোমিটার
সঠিক উত্তর:
১৬০০ কিলোমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬০০ কিলোমিটার
ব্যাখ্যা

আহ্নিক গতি (Rotation): 
- পৃথিবী গতিশীল। পৃথিবী তার নিজের মেরুদন্ডের বা অক্ষের চারদিকে দিনে একবার নির্দিষ্ট গতিতে পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে আবর্তন করে।
- পৃথিবী তার নিজের মেরুদন্ডের উপর একবার পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে আবর্তন করতে সময় নেয় ২৩ ঘণ্টা ৫৬ মিনিট ৪ সেকেন্ড বা ২৪ ঘণ্টা অর্থাৎ একদিন। একে সৌরদিন বলে।
- পৃথিবীর আহ্নিক গতি বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্ন রকম।
- পৃথিবীপৃষ্ঠ পুরোপুরি গোল না হওয়ায় এর পৃষ্ঠ সর্বত্র সমান নয়।
- সে কারণে পৃথিবীপৃষ্ঠের সকল স্থানের আবর্তন বেগও সমান নয়।
- নিরক্ষরেখায় পৃথিবীর পরিধি সবচেয়ে বেশি।
- এজন্য নিরক্ষরেখায় পৃথিবীর আবর্তনের বেগ সবচেয়ে বেশি। 
- ঢাকায় পৃথিবীর আহ্নিক গতির বেগ ১৬০০ কিলোমিটার।
- যত মেরুর দিকে যাবে এ আবর্তনের বেগ তত কমতে থাকে এবং মেরুদ্বয়ে প্রায় নিঃশেষ হয়ে যায়।

সূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

২,২৮২.
বাংলাদেশে মোট আয়তনের শতকরা কত ভাগ বনভূমি বিদ্যমান?
  1. ক) ১৫.৩৫
  2. খ) ১৬.২০
  3. গ) ১৭.২৬
  4. ঘ) ২০.৭২
সঠিক উত্তর:
গ) ১৭.২৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৭.২৬
ব্যাখ্যা
- জাতীয় সংসদে পরিবেশ ও বন মন্ত্রী প্রদত্ত তথ্যানুযায়ী বাংলাদেশে ২৫,৪৭৫ বর্গ কিলোমিটার বনভূমি রয়েছে যা দেশের মোট আয়তনের ১৭.২৬ শতাংশ।
- মাধ্যমিক ভূগোল বইয়ের তথ্যমতে বনভূমির পরিমাণ ১৭ শতাংশ।
(সূত্রঃ বাংলা ট্রিবিউন এবং ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী)
২,২৮৩.
২০১৮ সালে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ-সৌদি আরব যৌথ সামরিক মহড়ার নাম কি ছিলো?
  1. ব্লাক ক্যাট-১
  2. ডেজার্ট রোড
  3. গাল্ফ শিল্ড-১
  4. পিস ফোর্স-১
সঠিক উত্তর:
গাল্ফ শিল্ড-১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গাল্ফ শিল্ড-১
ব্যাখ্যা
সামরিক মহড়া:
- ২০১৮ সালে সৌদির পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশ আল-জুবাইলে ‘গালফ শিল্ড-১’ সামরিক মহড়া অনুষ্ঠিত হয়েছে।
- বাংলাদেশসহ ২৪টি দেশের সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা অংশ নেন।
- উপসাগরীয় অঞ্চলের নিরাপত্তা ও শান্তি রক্ষায় বন্ধু দেশগুলোর প্রতিরক্ষা সমন্বয় ও সহযোগিতায় সৌদি আরব মাসব্যাপী এ সামরিক মহড়ার আয়োজন করে।
- এতে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর ১৮ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল অংশ নেয়।

উৎস: কালের কন্ঠ পত্রিকা রিপোর্ট।
২,২৮৪.
বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর কোন জেলায় অবস্থিত? 
  1. যশোর 
  2. চাঁপাইনবাবগঞ্জ
  3. পঞ্চগড়
  4. দিনাজপুর
সঠিক উত্তর:
পঞ্চগড়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পঞ্চগড়
ব্যাখ্যা

• বাংলাবান্ধা বন্দর: 
- বাংলাবান্ধা বন্দরটি বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলে পঞ্চগড় জেলার তেঁতুলিয়া উপজেলায় অবস্থিত। 
- মূলত ভারত, নেপাল ও ভুটানের সঙ্গে এ বন্দরের মাধ্যমে যোগসূত্র রয়েছে বাংলাদেশের।
- দুই যুগের বেশি সময় ধরে আন্তঃদেশীয় বাণিজ্যিক কার্যক্রম চলে আসছে দেশের একমাত্র চতুর্দেশীয় এ স্থলবন্দরে।
 - ভারতের শিলিগুড়ি করিডোর সংলগ্ন এবং নেপাল ও ভুটানের সীমান্তবর্তী হওয়ায় আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে প্রভাবক হয়ে উঠছে বাংলাবান্ধা।

- ভৌগোলিক অবস্থান বিবেচনায় বাংলাবান্ধা বন্দরটি বহুদেশীয় বাণিজ্যের ক্ষেত্রে সবচেয়ে সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে। 
- বন্দরটির সঙ্গে রাজধানী ঢাকার দূরত্ব ৫০৩ কিলোমিটার। 
- আর ভুটানের রাজধানী থিম্পুর দূরত্ব ২৮৬ কিলোমিটার ও নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুর দূরত্ব ৪৯৪ কিলোমিটার। 
- এছাড়া ভারতের পশ্চিমবঙ্গের অন্যতম বৃহৎ নগরী শিলিগুড়ির দূরত্ব ১৬ কিলোমিটার। 
- ভারতের অন্যতম পর্যটন স্পট দার্জিলিং ও সিকিমের দূরত্ব যথাক্রমে ৭৭ ও ১৫৪ কিলোমিটার। 
- ফলে তিনটি দেশের সঙ্গে স্বল্প দূরত্বের কারণে এ বন্দরের কার্যক্রম বাড়ছে।

তথ্যসূত্র: বনিক বার্তা ও বাসস। 

২,২৮৫.
'তুন্দ্রা অঞ্চল' কোন জলবায়ু অঞ্চলের অন্তর্গত?
  1. উষ্ণ অঞ্চল
  2. মেরু দেশীয় অঞ্চল
  3. নাতিশীতোষ্ণ অঞ্চল
  4. পার্বত্য ও উচ্চভূমি অঞ্চল
সঠিক উত্তর:
মেরু দেশীয় অঞ্চল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেরু দেশীয় অঞ্চল
ব্যাখ্যা
তুন্দ্রা অঞ্চল:
- তুন্দ্রা অঞ্চল মেরু দেশীয় জলবায়ু অঞ্চলের অন্তর্গত।
- সুমেরু ও কুমেরু বৃত্তের মধ্যবর্তী স্থানে এই তুন্দ্রা অঞ্চল অবস্থিত।
- দক্ষিণ গোলার্ধের এন্টার্কটিকা মহাদেশ; উত্তর গোলার্ধের সুইডেন, নরওয়ে, আলাস্কা, গ্রীনল্যান্ড, রাশিয়ার উত্তরাংশ, উত্তর কানাডা ইত্যাদি তুন্দ্রা অঞ্চলের অন্তর্গত।
- তুন্দ্রা অঞ্চল প্রায় সারাবছরই বরফাচ্ছন্ন থাকে। তাই হিমশীতল জলবায়ু এ অঞ্চলের প্রধান বৈশিষ্ট।
- এ অঞ্চলে বছরের অধিকাংশ সময়ই শীতকাল থাকে। আর গ্রীষ্মকাল হল ক্ষনস্থায়ী।

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,২৮৬.
ভূ-পৃষ্ঠের যে কোনো দুটি প্রতিপাদ স্থানের সময়ের পার্থক্য কত?
  1. ৪ ঘণ্টা
  2. ৬ ঘণ্টা
  3. ৮ ঘণ্টা
  4. ১২ ঘণ্টা
সঠিক উত্তর:
১২ ঘণ্টা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২ ঘণ্টা
ব্যাখ্যা
প্রতিপাদ স্থান (Antipode):
- পৃথিবী পৃষ্ঠের কোনো বিন্দুর ঠিক বিপরীত দিকের বিন্দুকে সেই স্থানের প্রতিপাদ স্থান বলে।
- যেমন ঢাকার প্রতিপাদ স্থান দক্ষিণ আমেরিকার অন্তর্গত চিলির নিকট প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত।

উল্লেখ্য,
- প্রতিপাদ স্থান সম্পূর্ণরূপে একে অন্যের বিপরীতে অবস্থান করে।
- প্রতিপাদ স্থান নির্ণয়ের জন্য পৃথিবী পৃষ্ঠের কোনো বিন্দু থেকে পৃথিবীর কেন্দ্রের মধ্য দিয়ে একটি কল্পিত রেখা পৃথিবীর ঠিক বিপরীত দিকে টানলে ঐ কল্পিত রেখা যে বিন্দুতে পৃথিবী পৃষ্ঠের বিপরীত পাশে মিলিত হয় সেই স্থানই ঐ বিন্দুর প্রতিপাদ স্থান।
- প্রতিপাদ স্থানদ্বয়ের অক্ষাংশ এক, তবে এরা পরস্পর বিপরীত গোলার্ধে অবস্থান করে।
- প্রতিপাদ স্থান দুইটির অক্ষাংশের মান এক হলেও এদের দ্রাঘিমার পার্থক্য ১৮০°।
- ভূ-পৃষ্ঠের যে কোনো দুটি প্রতিপাদ স্থানের সময়ের পার্থক্য ১২ ঘণ্টা। 

উৎস: i) ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
ii) প্রথম আলো।
২,২৮৭.
বাংলাদেশ সরকার কত সালে সেন্টমার্টিন দ্বীপকে পরিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা (ইসিএ) ঘোষণা করে?
  1. ১৯৯৭ সালে
  2. ১৯৯৮ সালে
  3. ১৯৯৯ সালে
  4. ২০০০ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৯৯ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯৯ সালে
ব্যাখ্যা
সেন্টমার্টিন দ্বীপ: 
- সেন্ট মার্টিন্‌স দ্বীপ বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরের উত্তর-পূর্বাংশে অবস্থিত একমাত্র প্রবালদ্বীপ।
- এটি কক্সবাজার জেলার টেকনাফ হতে প্রায় ৯ কিলোমিটার দক্ষিণে এবং মায়ানমার-এর উপকূল হতে ৮ কিলোমিটার পশ্চিমে নাফ নদীর মোহনায় অবস্থিত।
- জনসংখ্যার চাপ, অনিয়ন্ত্রিত পর্যটন, এবং প্রাকৃতিক সম্পদের অপব্যবহার দ্বীপটির পরিবেশের ওপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলছে।
- বাংলাদেশ সরকার ১৯৯৯ সালে পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ এর আওতায় সেন্টমার্টিন দ্বীপকে পরিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা (Ecologically Critical Area - ECA) ঘোষণা করে।

ঘোষণার উদ্দেশ্য:
- দ্বীপের প্রাকৃতিক বাস্তুসংস্থান রক্ষা করা,
- জীববৈচিত্র্যের সংরক্ষণ নিশ্চিত করা,
- অনিয়ন্ত্রিত পর্যটন কার্যক্রম বন্ধ করা,
- প্লাস্টিক ও বর্জ্য দূষণ কমানো,
- পরিবেশ বান্ধব টেকসই পর্যটন ব্যবস্থা চালু করা।

উল্লেখ্য,
পরিবেশ অধিদপ্তর এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট সংস্থা দ্বীপের পরিবেশ রক্ষায় সাম্প্রতিক নানা উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এর মধ্যে রয়েছে:
- পর্যটক সংখ্যা সীমিত,
- পরিবেশবান্ধব পর্যটন ব্যবস্থা,
- প্লাস্টিক নিষিদ্ধকরণ।

তথ্যসূত্র: পরিবেশ অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
২,২৮৮.
শিলিগুড়ি করিডোর ভারতের কোন রাজ্যে অবস্থিত?
  1. আসাম
  2. সিকিম
  3. ত্রিপুরা
  4. পশ্চিমবঙ্গ
সঠিক উত্তর:
পশ্চিমবঙ্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পশ্চিমবঙ্গ
ব্যাখ্যা
শিলিগুড়ি করিডোর:
- শিলিগুড়ি করিডোর ভারতের অন্তর্গত পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশে অবস্থিত একটি ক্ষুদ্র ভূখণ্ড।
- এই করিডোর ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলকে বাকি দেশের মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে যুক্ত করে রেখেছে।
- এই করিডোর অনেকটা বাঁকানো মুরগির ঘাড়ের মতো দেখায় বলে, তা ‘চিকেনস নেক' নামেও পরিচিত।
- এ ভূখণ্ডের প্রস্থ প্রায় ২১-৪০ কিমি।
- এটি ভারতের একমাত্র অংশ, যা চারটি ভিন্ন দেশের সঙ্গে যুক্ত।
- এর দুপাশে নেপাল, বাংলাদেশ এবং রাজতান্ত্রিক ভুটান করিডোরের উত্তর দিকে অবস্থিত।
- ১৯৪৭ এর দেশভাগের সময় বৃহত্তর বাংলা প্রদেশ দ্বিখণ্ডিত হলে এই শিলিগুড়ি করিডোরের সৃষ্টি হয়।
- এই সংকীর্ণ করিডোরটির মাধ্যমে নয়াদিল্লির পক্ষে উত্তর–পূর্ব ভারতের ওপর নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখা সম্ভব হয়েছে।

তথ্যসূত্র: বিবিসি রিপোর্ট, ব্রিটানিকা।
২,২৮৯.
’জাদিপাই ঝর্ণা’ কোথায় অবস্থিত?
  1. রাঙামাটি
  2. বান্দরবান
  3. মৌলভীবাজার
  4. কক্সবাজার
সঠিক উত্তর:
বান্দরবান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বান্দরবান
ব্যাখ্যা
জাদিপাই ঝর্ণা:
- জাদিপাই ঝর্ণাকে বলা হয় ঝর্ণার রানি। বাংলাদেশের আকর্ষণীয় ঝর্ণাগুলোর একটি জাদিপাই ঝর্ণা।
- আকৃতিতে দেশের সবচেয়ে বড় না হলেও গঠন আর অবস্থানের ভিত্তিতে এ ঝর্ণা অনন্য, অপরূপা। উঁচু পাহাড় আর চার দিকে সবুজের সমারোহ। 
- কেওক্রাডং, জংছিয়া ও জাদিপাই তিন পাহাড়ি ঝিরি একসঙ্গে মিলিত হয়ে জাদিপাই ঝর্ণার সৃষ্টি হয়েছে।
- প্রায় ২০০ ফুট উপর থেকে কালো পাথর বেয়ে স্বচ্ছ পানির ধারা নিচে নেমে আসে। ঝর্ণাটি পরে মিলিত হয়েছে সাঙ্গু নদীর সঙ্গে।
- জাদিপাই ঝর্ণাটি অবস্থান হচ্ছে - বান্দরবান জেলায়।

তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
২,২৯০.
বালিশিরা ভ্যালি কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. ক) খাগড়াছড়ি
  2. খ) রাঙামাটি
  3. গ) চট্টগ্রাম
  4. ঘ) মৌলভীবাজার
সঠিক উত্তর:
ঘ) মৌলভীবাজার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) মৌলভীবাজার
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের ভেলী বা উপত্যকাসমূহ:
- বালিশিরা ভেলী : মৌলভীবাজার
- ভেঙ্গী ভেলী : কাপ্তাই (রাঙামাটি)
- সাজেক ভেলী : রাঙামাটি
- হালদা ভেলী : খাগড়াছড়ি।
(সূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও দৈনিক পত্রিকা)
২,২৯১.
বাংলাদেশের দীর্ঘতম স্থলসীমান্ত ভারতের কোন রাজ্যের সাথে?
  1. মেঘালয়
  2. আসাম
  3. পশ্চিমবঙ্গ
  4. ত্রিপুরা
সঠিক উত্তর:
পশ্চিমবঙ্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পশ্চিমবঙ্গ
ব্যাখ্যা

◉ বাংলাদেশের দীর্ঘতম স্থলসীমান্ত ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের সাথে।

• বাংলাদেশের স্থলসীমান্ত: 

- বাংলাদেশের স্থলসীমান্ত ভারতের পাঁচটি রাজ্যের সাথে সংযুক্ত। যথা: 
- পশ্চিমবঙ্গ, আসাম, মেঘালয়, ত্রিপুরা এবং মিজোরাম। 
- বাংলাদেশের সাথে মেঘালয়ের স্থলসীমান্ত রয়েছে, যা প্রায় ৪৩৬ কিলোমিটার দীর্ঘ। 
- আসামের সাথে বাংলাদেশের স্থলসীমান্ত প্রায় ২৬৪ কিলোমিটার। 
- ত্রিপুরার সাথে বাংলাদেশের স্থলসীমান্ত প্রায় ৮৭৪ কিলোমিটার। 
- বাংলাদেশের সাথে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের স্থলসীমান্ত সবচেয়ে দীর্ঘ, যা প্রায় ২,২৬২ কিলোমিটার।
- সর্বমোট স্থল সীমানা ৪১৫৬ কিলোমিটার।

• পশ্চিমবঙ্গ: 
- বাংলাদেশের সাথে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের স্থলসীমান্ত সবচেয়ে দীর্ঘ, যা প্রায় ২,২৬২ কিলোমিটার।
-  এই সীমান্ত বাংলাদেশের পশ্চিম, উত্তর-পশ্চিম এবং দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের বেশিরভাগ জেলার সাথে সংযুক্ত, যেমন রাজশাহী, কুষ্টিয়া, যশোর, সাতক্ষীরা, এবং দিনাজপুরের  এলাকা। 
- পশ্চিমবঙ্গের সাথে বাংলাদেশের এই দীর্ঘ সীমান্তের কারণে এটি দীর্ঘতম হিসেবে বিবেচিত।

∴ সুতারাং সঠিক উত্তর: পশ্চিমবঙ্গ,পশ্চিমবঙ্গের সাথে বাংলাদেশের এই দীর্ঘ সীমান্তের কারণে এটি দীর্ঘতম হিসেবে বিবেচিত।

উৎস: বাংলাদেশ বর্ডার গার্ড।

২,২৯২.
বাংলাদেশের কোন সংস্থা ভূ-উপগ্রহ চিত্র ও রাডার চিত্রের সাহায্যে উপাত্ত সংগ্রহ করে?
  1. প্রশিকা
  2. সিপিপি
  3. রেড ক্রিসেন্ট
  4. স্পারসো
সঠিক উত্তর:
স্পারসো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্পারসো
ব্যাখ্যা
উপকূলীয় প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা:
- বাংলাদেশের উপকূল (৭১৬ কি.মি.) অঞ্চল সমুদ্র সমতলের উচ্চতা বৃদ্ধি, লবণাক্ততা, জলাবদ্ধতা, ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস ও নদীভাঙন ইত্যাদি প্রাকৃতিক দুর্যোগ দ্বারা অনবরত ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। ফলে বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে বসবাসরত অসংখ্য নিম্নআয়ের মানুষ প্রতিনিয়ত নানা ধরনের দুর্যোগ দ্বারা বিপদাপন্ন অবস্থায় পতিত হচ্ছে। অতএব সুষ্ঠু দুর্যোগ মোকাবিলা ও ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে উপকূলীয় জনগণের দুর্যোগ মোকাবিলার সক্ষমতা (দুর্যোগ মোকাবেলার ক্ষমতা) বৃদ্ধি ও পাশাপাশি উপকূলীয় এলাকার সার্বিক উন্নয়নের জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ নেয়া প্রয়োজন।

⇒ উপকূলীয় অঞ্চলে প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলা ও ব্যবস্থাপনার কতিপয় পন্থা সম্পর্কে বর্ণনা করা হল:
• আবহাওয়ার তথ্যভিত্তিক পূর্বাভাস ও সর্তীকরণ যথা সময়ে প্রচার করা। 
• বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর ও মহাকাশ গবেষণা সংস্থা স্পারসো-এর মাধ্যমে ভূ-উপগ্রহের চিত্র ও রাডার চিত্রের সাহায্যে উপাত্ত সংগ্রহ ও বিশ্লেষণের মাধ্যমে পূর্বাভাস ও আগাম সতর্কীকরণের ব্যবস্থার উন্নয়ন করা।
• পানি উন্নয়ন বোর্ডের আওতাধীন বন্যা পূর্বাভাস কেন্দ্র হতে বন্যা সংক্রান্ত পূর্বাভাস প্রচার ব্যবস্থার উন্নয়ন সাধন করা।
• ঘূর্ণিঝড় পূর্ব ও পরবর্তি সংকেত দান, সতর্কীকরণ, উদ্ধার ও পূর্ণর্বাসন ইত্যাদি কাজে সরকারি সংস্থা ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচী (সিপিপি)-এর কার্যক্রমের আওতা ও সক্ষমতা বৃদ্ধি করা।
• বাংলাদেশ বেতার ও বাংলাদেশ টেলিভিশন সংস্থা কর্তৃক দুর্যোগ সংক্রান্ত সংকেতসমূহ প্রচারের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করা।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,২৯৩.
জলবায়ু নিয়ন্ত্রণকারী নিয়ামক নয় কোনটি?
  1. সমুদ্রস্রোত
  2. বায়ু প্রবাহ
  3. বায়ুর আর্দ্রতা
  4. উষ্ণতা
সঠিক উত্তর:
উষ্ণতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উষ্ণতা
ব্যাখ্যা

আবহাওয়া ও জলবায়ু নিয়ন্ত্রণকারী নিয়ামকসমূহ হলো:
- উষ্ণতা জলবায়ু নিয়ন্ত্রণকারী নিয়ামক নয়।

- অক্ষাংশ,
- সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে উচ্চতা,
- বায়ু প্রবাহ,
- সমুদ্র স্রোত,
- বৃষ্টিপাত,
- পাহাড় পর্বতের অবস্থান,
- ভূমির ঢাল,
- বনভূমির অবস্থান,
- মাটির প্রকৃতি,
- সমুদ্র থেকে দূরত্ব এবং
- বায়ুর আর্দ্রতা।

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, (এইচএসসি প্রোগ্রাম), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,২৯৪.
পৃথিবীর দীর্ঘতম স্থলসীমান্ত কোন দুটি দেশের মধ্যে অবস্থিত?
  1. রাশিয়া ও কাজাখস্তান
  2. কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্র
  3. চীন ও রাশিয়া 
  4. আর্জেন্টিনা ও চিলি
সঠিক উত্তর:
কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা

পৃথিবীর দীর্ঘতম স্থলসীমান্ত:
- পৃথিবীর দীর্ঘতম স্থলসীমান্ত রয়েছে কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে।
- এই দুই দেশের মধ্যকার সীমান্তটির দৈর্ঘ্য প্রায় ৮,৮৯৩ কিলোমিটার। 
- এটি বিশ্বের দীর্ঘতম অসামরিক বা অরক্ষিত সীমান্ত হিসেবেও পরিচিত।

উল্লেখ্য, দীর্ঘতম স্থলসীমান্ত:
১. আমেরিকা ও কানাডা: দৈর্ঘ্য ৮৮৯৩ কিলোমিটার।
২. রাশিয়া ও কাজাখস্তান: দৈর্ঘ্য ৭৬৪৪ কিলোমিটার।
৩. আর্জেন্টিনা ও চিলি: দৈর্ঘ্য ৬৬৯১ কিলোমিটার।
৪. চীন ও মঙ্গোলিয়া: দৈর্ঘ্য ৪৬৩০ কিলোমিটার।
৫. ভারত ও বাংলাদেশ: দৈর্ঘ্য ৪১৪২ কিলোমিটার।

উৎস: World Atlas.

২,২৯৫.
জ্বলন্ত গ্যাসপিন্ড, হাইড্রোজেন, হিলিয়াম গ্যাস দিয়ে তৈরি-
  1. ক) উপগ্রহ
  2. খ) মহাকাশ
  3. গ) নক্ষত্র
  4. ঘ) নীহারিকা
সঠিক উত্তর:
গ) নক্ষত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) নক্ষত্র
ব্যাখ্যা
নক্ষত্রগুলাে হলাে জ্বলন্ত গ্যাসপিণ্ড, এরা হাইড্রোজেন ও হিলিয়াম গ্যাস দিয়ে তৈরি। এই গ্যাস অতি উচ্চ (প্রায় ৬০০০° সেলসিয়াস) তাপমাত্রায় জ্বলছে। সুর্যের প্রখর আলাের জন্য দিনের বেলায় অন্যান্য নক্ষত্র দেখা যায় না। (রেফারেন্সঃ space.com)
২,২৯৬.
’মধুপুর ও ভাওয়ালের গড়’ বাংলাদেশের কোন ভূপ্রাকৃতিক অঞ্চলের অন্তর্গত?
  1. টারশিয়ারি যুগের পাহাড় অঞ্চল
  2. প্লাইস্টোসিন কালের সোপান
  3. সাম্প্রতিক কালের প্লাবন সমভূমি
  4. পশ্চিমাঞ্চলের পাহাড় অঞ্চল
সঠিক উত্তর:
প্লাইস্টোসিন কালের সোপান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্লাইস্টোসিন কালের সোপান
ব্যাখ্যা

’মধুপুর ও ভাওয়ালের গড়’ বাংলাদেশের’ প্লাইস্টোসিন কালের সোপান’ অঞ্চলের অন্তর্গত।

বাংলাদেশের ভূ-প্রকৃতি:

⇒ ভূ-প্রকৃতির ভিন্নতার উপর ভিত্তি করে বাংলাদেশের ভূ-প্রকৃতিকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
১. টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ।
২. প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ এবং 
৩. সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি।

১. টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ:
টারশিয়ারি যুগে হিমালয় পর্বত উত্থিত হওয়ার সময় যে সকল পর্বতের সৃষ্টি হয়েছে সেগুলো টারশিয়ারি যুগের পাহাড় নামে পরিচিত। আজ থেকে প্রায় ২০ লক্ষ বছর পূর্বের সময়কে টারশিয়ারি যুগ বলা হয়।
• রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, চট্টগ্রাম, সিলেট, মৌলভীবাজার এবং হবিগঞ্জের পাহাড়গুলো টারশিয়ারি যুগের।

২. প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ:
আজ থেকে আনুমানিক প্রায় ২৫,০০০ বছর পূর্বের সময়কে প্লাইস্টোসিনকাল বলে।
• এ অঞ্চলের মাটির রং লাল ও ধূসর।
• দেশের উত্তর-পশ্চিমাংশের বরেন্দ্রভূমি,মধ্যভাগের টাঙ্গাইলের মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় এবং কুমিল্লা জেলার লালমাই পাহাড় বা উচ্চভূমি এর অন্তর্ভুক্ত। 
 
৩. সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি:
• টারশিয়ারি যুগের পাহাড়ি এলাকা এবং প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ ব্যতীত সমগ্র বাংলাদেশ সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমির অন্তভুর্ক্ত।
• সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি অঞ্চলটি পদ্মা, ব্রহ্মপুত্র, যমুনা, মেঘনা প্রভৃতি নদ-নদী ও এদের উপনদী, শাখানদী বাহিত পলিমাটি দ্বারা গঠিত।

 উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,২৯৭.
কোন নদীর ভারতীয় অংশের নাম বরাক?
  1. পদ্মা
  2. মেঘনা
  3. যমুনা
  4. তিস্তা
সঠিক উত্তর:
মেঘনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেঘনা
ব্যাখ্যা
বরাক নদী

- বরাক নদী (Barak River)  আসামের (ভারত) মহিপুর ও কাছাড় জেলায় সুরমা কুশিয়ারা নদীর উজান প্রবাহের নাম।
- বদরপুরের কাছে সুরমা ও কুশিয়ারা নামে দুটি শাখায় বিভক্ত হয়ে বাংলাদেশে সিলেটের সমভূমিতে এসে এই শাখা দুটি আবার মিলিত হয়েছে।
- এই মিলিত ধারা সাধারণভাবে বরাক নদী হলেও স্থানভেদে কালনী, ভেড়ামোহনা, বলেশ্বর ও মেঘনা নামে পরিচিত।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
২,২৯৮.
বন্যা নিয়ন্ত্রণে সহজ প্রকৌশলগত ব্যবস্থাপনার উদাহরণ কোনটি?
  1. সুনিশ্চিত নদী-শাসন ব্যবস্থা তৈরি করা
  2. বন্যার পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ ব্যবস্থার উন্নয়ন সাধন।
  3. দেশের সর্বত্র বনায়ন সৃষ্টি করা।
  4. নদী তীরকে স্থায়ী সুদৃঢ় কাঠামোর সাহায্যে সংরক্ষণ করা।
সঠিক উত্তর:
দেশের সর্বত্র বনায়ন সৃষ্টি করা।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দেশের সর্বত্র বনায়ন সৃষ্টি করা।
ব্যাখ্যা

• বন্যা নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা (Flood Control Measures):

⇒ সাধারণ ব্যবস্থাপনা (General management):
(১) সহজে স্থানান্তরযোগ্য বসতি তৈরি করা।
(২) নদীর দু'তীরে ঘন জঙ্গল সৃষ্টি করা।
(৩) নদী-শাসন ব্যবস্থা সুনিশ্চিত করা।
(৪) বন্যার পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ ব্যবস্থার উন্নয়ন সাধন।
(৫) পুকুর, নালা, বিল প্রভৃতি খনন করা এবং সেচের পানি সংরক্ষণ করা।
(৬) প্রতি বছর বন্যা মোকাবেলার জন্য সরকারিভাবে স্থায়ী প্রশাসনিক কাঠামো গড়ে তোলা।

⇒ শ্রমসাধ্য ও ব্যয়বহুল প্রকৌশল ব্যবস্থাপনা (Laboure intensive and expensive engineering management):
(১) ড্রেজারের মাধ্যমে নদীর তলদেশ খনন করে পানির পরিবহন ক্ষমতা বৃদ্ধি করা।
(২) সন্নিহিত স্থানে জলাধার নির্মাণের মাধ্যমে পানিপ্রবাহকে সম্পূর্ণরূপে নিয়ন্ত্রণ করা।
(৩) ভারত থেকে আসা পানিকে বাঁধের সাহায্যে নিয়ন্ত্রণ ও নিষ্কাশন করা।
(৪) সমুদ্র উপকূলবর্তী এলাকার পানির অনুপ্রবেশ বন্ধ করা।
(৫) নদী তীরকে স্থায়ী সুদৃঢ় কাঠামোর সাহায্যে সংরক্ষণ করা।

⇒ সহজ প্রকৌশলগত ব্যবস্থাপনা (Easy engineering management):
(১) নদীর দু'তীরে বেড়িবাঁধ দিয়ে নদীর পানি উপচে পড়া বন্ধ করা।
(২) দেশের সর্বত্র বনায়ন সৃষ্টি করা।
(৩) রাস্তাঘাট নির্মাণের ক্ষেত্রে পরিকল্পিত পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা রাখা।
(৪) বন্যা প্রবল অঞ্চলে সর্বোচ্চ বন্যা লেভেলের উপরে 'আশ্রয়কেন্দ্র' প্রতিষ্ঠা করা।
(৫) শহর বেষ্টনীমূলক বাঁধ দেওয়া।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম ও দশম শ্রেণি।

২,২৯৯.
Which is the first sea shore gas field in Bangladesh?
  1. Bakhrabad
  2. Sangu
  3. Semutang
  4. Srikail
  5. None
সঠিক উত্তর:
Sangu
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Sangu
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের প্রথম সামুদ্রিক গ্যাসক্ষেত্র হলো সাঙ্গু গ্যাসক্ষেত্র।

সাঙ্গু গ্যাসক্ষেত্র:
- বাংলাদেশের সমুদ্রবক্ষে একমাত্র উৎপাদনশীল গ্যাসক্ষেত্র সাঙ্গু গ্যাসক্ষেত্র।
- এটি আনুষ্ঠানিকভাবে নিঃশেষ ও পরিত্যক্ত হয় ২০১৩ সালের ১ অক্টোবর।
- সাঙ্গু গ্যাসক্ষেত্রটি ১৯৯৬ সালে ব্রিটিশ তেল কোম্পানি কেয়ার্ন এনার্জি কর্তৃক আবিষ্কৃত হয়।
- কোম্পানিটি ১৯৯৮ সালে সেখান থেকে গ্যাস উৎপাদন শুরু করে।
- ২০০৭-০৮ সালে সাঙ্গু গ্যাসক্ষেত্রে উৎপাদনে ধস নামে।
 
উল্লেখ্য,
-  পেট্রোবাংলার এমআইএস রিপোর্ট সূত্রে জানা যায়, ১৯৯৮ থেকে ২০১৪ পর্যন্ত সাঙ্গু গ্যাসক্ষেত্র থেকে প্রায় ৪৮৮ বিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উৎপাদিত হয়।
 
উৎস: ৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৪, প্রথম আলো।
২,৩০০.
দেশের প্রথম গ্যাসক্ষেত্র কোনটি?
  1. বাখরাবাদ
  2. তিতাস
  3. হরিপুর
  4. বিবিয়ানা
সঠিক উত্তর:
হরিপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হরিপুর
ব্যাখ্যা
দেশের প্রথম গ্যাসক্ষেত্র: 
- ১৯৫৫ সালে হরিপুরে আবিষ্কৃত দেশের প্রথম গ্যাসক্ষেত্রে এযাবৎ মোট ১০টি কূপ খনন করা হয়েছে।
- সর্বশেষ Schlumberger SEACO Inc. কর্তৃক সম্পাদিত ৩ডি সাইসমিক রিভিউ প্রতিবেদন অনুযায়ী হরিপুর ফিল্ডের প্রাথমিক উত্তোলনযোগ্য গ্যাস মজুদের পরিমাণ ৩৮৫ বিলিয়ন ঘনফুট।
- ২০২৪ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত এ ফিল্ড হতে উত্তোলিত গ্যাসের পরিমাণ ২২৪.৭০৯ বিলিয়ন ঘনফুট যা উত্তোলনযোগ্য মজুদের শতকরা ৫৮.২১ ভাগ।
- ২০২৩-২০২৪ অর্থবছরে এ ফিল্ডের উৎপাদনরত ৩টি কূপ হতে গড়ে দৈনিক প্রায় ৫.৪৭ মিলিয়ন ঘনফুট উৎপাদিত গ্যাস সিলিকাজেল প্লান্টের মাধ্যমে প্রক্রিয়াকরণ করে জালালাবাদ গ্যাস ট্রান্সমিশন ও ডিস্ট্রিবিউশন সিস্টেম লিমিটেড (জেজিটিডিএসএল)-এ সরবরাহ করা হয়েছে।
- এছাড়া এ ফিল্ডে গ্যাসের উপজাত হিসেবে গড়ে দৈনিক প্রায় ৩৩.১৪ ব্যারেল কনডেনসেট উৎপাদিত হয়।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন (সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ২৯ অক্টোবর ২০২৪)।