- 'নদী খনন' - বন্যা নিয়ন্ত্রণে সাধারণ ব্যবস্থাপনার অন্তর্ভুক্ত নয়।
- এটি বন্যা নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার 'ব্যয়বহুল প্রকৌশলগত ব্যবস্থাপনা'র অন্তর্ভুক্ত।
• বন্যা নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা (Flood Control System):
ক. সাধারণ ব্যবস্থাপনা:
১) নদীর দুই তীরে প্রচুর বৃক্ষ রোপন করা।
২) নদী-শাসন ব্যবস্থা সুনিশ্চিত করা।
৩) বন্যার পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ ব্যবস্থার উন্নয়ন সাধন।
৪) পুকুর, নালা, বিল প্রভৃতি খনন ও পুনঃখনন করে পানি সংরক্ষণ করা।
৫) বন্যা মোকাবেলার জন্য সরকারি ভাবে স্থায়ী ও দক্ষ প্রশাসনিক কাঠামো গড়ে তোলা।
খ. ব্যয়বহুল প্রকৌশলগত ব্যবস্থাপনা:
১) ড্রেজিং-এর মাধ্যমে নদীর পানি পরিবহন ক্ষমতা বৃদ্ধি করা।
২) জলাধার নির্মাণের মাধ্যমে পানি প্রবাহকে সম্পূর্ণরূপে নিয়ন্ত্রণ করা।
৩) আর্ন্তজাতিক নদীসমূহে পানি প্রবাহকে বাঁধের সাহায্যে নিয়ন্ত্রন ও নিষ্কাশন করা।
৪) সমুদ্র উপকূলবর্তী এলাকার পানির অনুপ্রবেশ বন্ধ করা।
৫) নদী তীরে স্থায়ী ও সুদৃঢ় বাঁধ নির্মাণ করে নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ সংরক্ষণ করা।
গ. সহজ প্রকৌশলগত ব্যবস্থাপনা
১) নদীর দুই তীরে বেড়িবাঁধ দিয়ে নদীর পানি উপচে পড়া বন্ধ করা।
২) দেশের সর্বত্র বনায়ন সৃষ্টি করা।
৩) রাস্তাঘাট নির্মাণের ক্ষেত্রে পরিকল্পিত পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা রাখা।
৪) বন্যা প্রবল অঞ্চলে সর্বোচ্চ বন্যা লেভেলের উপরে 'আশ্রয়কেন্দ্র' প্রতিষ্ঠা করা।
৫) শহর বেষ্টনীমূলক বাঁধ দেওয়া।
তথ্যসূত্র: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।