বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশের জাতীয় বিষয়াবলি

মোট প্রশ্ন১২,৪২১এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশের জাতীয় বিষয়াবলি

PrepBank · পাতা / ১২৪ · ৮০১৯০০ / ১২,৪২১

৮০১.
১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারির প্রথম শহীদ-
  1. ক) শহীদ আব্দুল জব্বার
  2. খ) শহীদ আবুল বরকত
  3. গ) শহীদ শফিউর রহমান
  4. ঘ) রফিকউদ্দিন আহমদ
সঠিক উত্তর:
ঘ) রফিকউদ্দিন আহমদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) রফিকউদ্দিন আহমদ
ব্যাখ্যা

- ১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারির প্রথম শহীদ রফিকউদ্দিন আহমদ রফিক।
- তিনি মানিকগঞ্জ জেলার সিংগাইর থানার পারিল গ্রামের উত্তরপাড়ায় ১৯২৬ সালে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পিতার নাম আব্দুল লতিফ এবং মাতার নাম রাফিজা খাতুন।
উৎসঃ পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।

৮০২.
ইংরেজি কত সালে 'পঞ্চাশের মন্বন্তর' হয়েছিল?
  1. ১৯৪০ সালে
  2. ১৯৪৩ সালে
  3. ১৯৪৬ সালে
  4. ১৯৪৯ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৪৩ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৪৩ সালে
ব্যাখ্যা
 দুর্ভিক্ষ:
- ইংরেজি ১৯৪৩ সালে বাংলায় সংঘটিত দুর্ভিক্ষ পঞ্চাশের মন্বন্তর নামে পরিচিত।
- বাংলা ১৩৫০ বঙ্গাব্দে এই দুর্ভিক্ষ সংঘটিত হওয়ায় এটিকে "পঞ্চাশের মন্বন্তর" বলা হয়।
- এ দুর্ভিক্ষে প্রায় ৩০ লক্ষ মানুষ মারা যায়।
-এ দুর্ভিক্ষের জন্যে কৃত্রিম সংকটকে দায়ী করা হয়। এ দুর্ভিক্ষকে কেন্দ্র করে শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক বাংলার - মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং উচ্চ মাধ্যমিক ইতিহাস, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮০৩.
১৯৬৫ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে সম্মিলিত বিরোধী দল (কপ) কত দফা নির্বাচনী মেনিফেস্টো ঘোষণা করেছেন?
  1. ১ দফা
  2. ৬ দফা
  3. ৯ দফা
  4. ১১ দফা
সঠিক উত্তর:
৯ দফা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯ দফা
ব্যাখ্যা
১৯৬৫ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন:
- ১৯৬২ সালের সংবিধান অনুযায়ী আইয়ুব খানের প্রেসিডেন্ট পদের মেয়াদ ৫ বছর পূর্ণ হওয়ায় ১৯৬৫ সালের ২ জানুয়ারি পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের তারিখ ঘোষিত হয়।
- প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ভোটার ছিলেন সমগ্র পাকিস্তানে ৮০,০০০ (আশি হাজার) মৌলিক গণতন্ত্রী।
- ১৯৬৪ সালের নভেম্বর মাসে মৌলিক গণতন্ত্রীদের নির্বাচন আয়োজন করা হয়। এই নির্বাচনকে সামনে রেখে গঠিত হয় 'সম্মিলিত বিরোধী দল' (COP) |
- আইয়ুব খানের বিরুদ্ধে সম্মিলিত বিরোধী দলের প্রার্থী মনোনীত করা হয় মিস ফাতিমা জিন্নাহকে। তিনি ছিলেন মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর ভগ্নি।
- প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে সম্মিলিত বিরোধী দল (কপ) ৯ দফা নির্বাচনী মেনিফেস্টো ঘোষণা করে। যেমন-
১. একটি গণতান্ত্রিক সংবিধান প্রণয়ন করা হবে,
২. জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য নির্বাচন করা হবে,
৩. জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদকে আইন ও বাজেট প্রণয়নের ক্ষমতা দেয়া হবে,
৪. প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন দেয়া হবে,
৫. প্রেসিডেন্টের ক্ষমতা হ্রাস করা হবে,
৬. শাসন বিভাগ থেকে বিচার বিভাগ পৃথক করা হবে,
৭. আইনের ব্যাখ্যা প্রদানের ক্ষমতা সুপ্রিম কোর্টকে প্রদান করা হবে,
৮. সকল রাজনৈতিক বন্দিদের মুক্তি দেয়া হবে, এবং
৯. নিবর্তনমূলক সকল আইন বিলুপ্ত করা হবে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮০৪.
২১শে ফেব্রুয়ারিকে 'আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস' হিসেবে ঘোষণা করেছে কোন সংস্থা?
  1. UNDP
  2. UNESCO
  3. UNICEF
  4. FAO
সঠিক উত্তর:
UNESCO
উত্তর
সঠিক উত্তর:
UNESCO
ব্যাখ্যা
২১শে ফেব্রুয়ারি 'আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস:
- ২১শে ফেব্রুয়ারিকে 'আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস' হিসেবে ঘোষণা করেছে ইউনেস্কো।

⇒ ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর প্যারিসে অনুষ্ঠিত ইউনেস্কোর ৩০তম সাধারণ সম্মেলনে ২১ ফেব্রুয়ারিকে 'আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস' হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
- ২০০০ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি থেকে সারা বিশ্বে এ দিবস পালন শুরু হয়।
- বাংলা ভাষাকে বিশ্বের মাঝে যথাযথভাবে তুলে ধরার জন্য ২০০৩ সালে বাংলাদেশ সরকার ইউনেস্কোকে 'একুশে পদক' প্রদান করেন।

⇒ একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ঘোষণার বিষয়ে প্রাথমিক উদ্যোগ গ্রহণ করেন কানাডাপ্রবাসী মুক্তিযোদ্ধা রফিকুল ইসলাম এবং কানাডার বহুভাষিক ও বহুজাতিক সংগঠন ‘মাতৃভাষা প্রেমিক গোষ্ঠী’। তৎকালীন সরকার ৭ ডিসেম্বর ১৯৯৯ পল্টন ময়দানে অনুষ্ঠিত বিশাল জনসভায় ঘোষণা করেন যে, পৃথিবীর বিকাশমান ও বিলুপ্তপ্রায় ভাষাগুলির মর্যাদা ও অধিকার রক্ষায় গবেষণার জন্য ঢাকায় একটি প্রতিষ্ঠান, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট স্থাপনের উদ্যোগ গ্রহণ করেন।
- ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর জাতিসংঘের (ইউনেসকো) অধিবেশনে বাংলাদেশসহ ২৭টি দেশের সমর্থন নিয়ে সর্বসম্মতিক্রমে ২১ ফেব্রুয়ারিকে ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
- ২০০০ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি এই বিশেষ দিবসটিকে বিশ্বের ১৮৮টি দেশ প্রথম বারের মতো ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ হিসেবে পালন করে।
- UNESCO'র পর জাতিসংঘও ৫ ডিসেম্বর ২০০৮ তারিখে ২১শে ফেব্রুয়ারিকে ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।

উৎস: i) সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
ii) বাংলাপিডিয়া।
৮০৫.
বিক্রমশীল বিহার প্রতিষ্ঠা করেন —
  1. গোপাল
  2. দেবপাল
  3. ধর্মপাল 
  4. মহীপাল
সঠিক উত্তর:
ধর্মপাল 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধর্মপাল 
ব্যাখ্যা

• ধর্মপালের সাফল্য:
- বাংলা সর্বপ্রথম উত্তর ভারতীয় রাজনীতিতে স্বল্পকালের জন্য হলেও কিছু সাফল্য অর্জন করেছিল। 
- ধর্মপালের অধীনে বাংলার নতুন শক্তি ও উদ্দীপনার পরিচয় এই প্রশস্তিসমূহেই পাওয়া যায়।
- পাল রাজাদের মধ্যে ধর্মপালই প্রথম সর্বোচ্চ সার্বভৌম উপাধি পরমেশ্বর, পরমভট্টারক ও মহারাজাধিরাজ গ্রহণ করেন। 
- পিতার ন্যায় তিনিও বৌদ্ধ ছিলেন।
- বরেন্দ্র অঞ্চলের সোমপুর নামক স্থানে (বর্তমান নওগাঁ জেলার পাহাড়পুরে) একটি বিহার বা বৌদ্ধ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নির্মাণ করেন যা সোমপুর মহাবিহার নামে পরিচিত।
- খুব সম্ভবত এটি সমগ্র ভারতবর্ষে সর্ববৃহৎ বৌদ্ধ বিহার।
- ভাগলপুরের ২৪ মাইল পূর্বে তিনি আরেকটি বৌদ্ধ বিহার প্রতিষ্ঠা করেন। 
- ধর্মপালের অপর নাম 'বিক্রমশীল' অনুসারে বিহারটির নাম দেয়া হয় বিক্রমশীল বিহার। 
- তারনাথ উল্লেখ করেন যে, ধর্মপাল বৌদ্ধ শিক্ষার জন্য ৫০টি শিক্ষা কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করেন।
- ধর্মপাল নিজে বৌদ্ধ হলেও হিন্দু ধর্মের প্রতি উদার ছিলেন। 
- নারায়ণ মন্দিরের জন্য তিনি নিষ্কর ভূমিদান করেন। 

উৎস: ইতিহাস-১ম পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮০৬.
বাংলাদেশ ভূখণ্ডের বাইরে নিম্নের কোন জনপদের অবস্থান ছিল?
  1. হরিকেল 
  2. রাঢ়
  3. বরেন্দ্র
  4. সমতট 
সঠিক উত্তর:
রাঢ়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাঢ়
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ ভূখণ্ডের বাইরে অবস্থিত একটি প্রাচীন জনপদ ছিল রাঢ় জনপদ। বর্তমান ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের একটি বড় অংশ এর অন্তর্ভুক্ত ছিল। 

রাঢ় জনপদ:
- বর্তমান ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের একটি বড় অংশ এর অন্তর্ভুক্ত ছিল। 
- রাঢ় জনপদটি ২টি অংশে বিভক্ত ছিল।
- এটি গঙ্গা নদীর দক্ষিণ ও পশ্চিম ভাগে সীমাবদ্ধ ছিল।
- পশ্চিবঙ্গের আধুনিক হাওড়া, হুগলি ও বর্ধমান জেলার বিভিন্ন বৃহদাকার বসতি স্থানসমূহ বা অজয় ও দামোদর নদের মধ্যবর্তী অংশে অবস্থিত পশ্চিমবঙ্গের উল্লেখযোগ্য অংশ দক্ষিণ রাঢ়ের অন্তর্ভুক্ত ছিল এবং এর দক্ষিণ সীমা সম্ভবত রূপনারায়ণ পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল ও পশ্চিম সীমা প্রসারিত ছিল দামোদর নদের অপর পারে অবস্থিত আরামবাগ মহকুমা পর্যন্ত। 
- এই উত্তর ও দক্ষিণ রাঢ়ই ছিল যথাক্রমে বজ্রভূমি ও সূহ্মভূমি।
- রাঢ়ের প্রধান নগর বা রাজধানী ছিল কোটিবর্ষ।
- অনেক ঐতিহাসিক মেদিনীপুর জেলার পূর্বপ্রান্ত অবস্থিত আধুনিক তমলুককে প্রাচীন তাম্রলিপ্ত বলে চিহ্নিত করেছেন।
- বৌদ্ধ পুঁথি ও বিদেশী পর্যটকদের বর্ণনা থেকে জানা যায় যে, তৎকালে তাম্রলিপ্তি একটি বিখ্যাত নৌ-বাণিজ্য বন্দর ছিল।
- শুধু বাংলা নয় এটি প্রাচীন ভারতেরও পূর্বাঞ্চলের শ্রেষ্ঠ বন্দর।

এছাড়াও, 
- বরেন্দ্র: বরেন্দ্র উত্তরবঙ্গের একটি জনপদ। ঐতিহাসিকদের মতে বর্তমান রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নওগাঁ, নাটোর, বগুড়া, রংপুর, দিনাজপুর এবং পশ্চিমবঙ্গের মালদহ ও মুর্শিদাবাদের কিছু অংশ এবং দার্জিলিং ও কোচবিহারসহ গঠিত সমগ্র অঞ্চল বরেন্দ্র এলাকা।
- হরিকেল জনপদ: হরিকেল প্রাচীন পূর্ববঙ্গের একটি জনপদ। চট্টগ্রাম ও সিলেট প্রাচীন বাংলার হরিকেল জনপদের অংশ ছিল।
- সমতট: দক্ষিণ-পূর্ব বাংলার প্রাচীন জনপদের নাম সমতট। বর্তমান ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের কিছু অংশ, বাংলাদেশের বৃহত্তর কুমিল্লা ও নোয়াখালী অঞ্চল সমতট নামে পরিচিত ছিল।

উৎস: i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) বাংলাপিডিয়া।

৮০৭.
৬ দফা আনুষ্ঠানিকভাবে কত তারিখে ঘোষণা করা হয়?
  1. ২৭ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৬
  2. ২৩ সেপ্টেম্বর, ১৯৬৬
  3. ২৩ মার্চ, ১৯৬৬
  4. ৯ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৬
সঠিক উত্তর:
২৩ মার্চ, ১৯৬৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৩ মার্চ, ১৯৬৬
ব্যাখ্যা
• ছয় দফা:
পূর্ব পাকিস্তানের স্বাধিকার প্রশ্নে ১৯৬৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি লাহোরে বিরোধী দলগুলোর এক মহাসম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সম্মেলনে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তানের রাজনৈতিক, অর্থতিক ও প্রতিরক্ষার দাবি সম্মিলিত ৬ দফাভিত্তিক ঘোষণা উত্থাপন বা পেশ করেন।
- এটাই ইতিহাসে ‘ছয় দফা কর্মসূচি’ নামে পরিচিত।
- ১৯৬৬ সালের ৫ - ৬ ফেব্রুয়ারী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান লাহোরে বিরোধী দলের একটি সম্মেলনে ছয় দফা দাবী পেশ করেন।
- আর এটি ২৩ মার্চ, ১৯৬৬ আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষিত হয়।
- ঐতিহাসিক ছয় দফার খসড়া প্রণেতা - রুহুল কুদ্দুস । তিনি একজন সি এস পি কর্মকর্তা।

• দফা গুলো হলো:-
- প্রথম দফা: প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন‌।
- দ্বিতীয় দফা: কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা,
- তৃতীয় দফা: মুদ্রা বা অর্থ-সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
- চতুর্থ দফা: রাজস্ব, কর বা শুল্ক সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
- পঞ্চম দফা: বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা এবং
- ষষ্ঠ দফা: আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ২য় পত্র, HSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।।
৮০৮.
যুক্তফ্রন্ট গঠনের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয় কবে?
  1. ১২ নভেম্বর, ১৯৫৩ সালে
  2. ১৩ নভেম্বর, ১৯৫৩ সালে
  3. ১৪ নভেম্বর, ১৯৫৩ সালে
  4. ১৫ নভেম্বর, ১৯৫৩ সালে
সঠিক উত্তর:
১৪ নভেম্বর, ১৯৫৩ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪ নভেম্বর, ১৯৫৩ সালে
ব্যাখ্যা
যুক্তফ্রন্ট:

- ১৯৫৩ সালের নভেম্বর মাসে যুক্তফ্রন্ট একটি একুশ দফা কর্মসূচি প্রণয়ন করে এবং এটিকে নির্বাচনী ইশতেহারের অর্ন্তভুক্ত করে।
- ১৯৫৩ সালের ১৪ নভেম্বর ময়মনসিংহে অনুষ্ঠিত আওয়ামী লীগের ঐতিহাসিক কাউন্সিল সম্মেলনে যুক্তফ্রন্ট গঠনের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়।
- যুক্তফ্রন্ট মূলত ৪টি দল নিয়ে গঠিত হয়েছিল।
- এ চারটি দল হলো,
• আওয়ামী লীগ।
• কৃষক শ্রমিক পার্টি।
• নেজামে ইসলাম।
• গণতন্ত্রী দল।
- ১৯৫৪ সালের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল প্রধানত স্বায়ত্তশাসনের দাবিতে।
- ১৯৫৪ সালের ৮ মার্চের নির্বাচন ছিল পূর্ব বাংলায় প্রথম অবাধ ও সর্বজনীন ভোটাধিকারের মাধ্যমে সাধারণ নির্বাচন। 
- ২ এপ্রিল নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশিত হয়।
- নির্বাচনে মুসলিম লীগ শোচনীয়ভাবে পরাজিত হয়। বিশাল ব্যবধানে জয়লাভ করে যুক্তফ্রন্ট।
- মোট ৩০৯টি আসনের মধ্যে যুক্তফ্রন্ট লাভ করে ২২৩টি আসন।
- ক্ষমতাসীন মুসলিম লীগ পায় ৯টি আসন। পাকিস্তান জাতীয় কংগ্রেস ২৪টি, তফসিল ফেডারেশন ২৭টি, খেলাফতে রব্বানী ২টি, খ্রিস্টান ১টি, বৌদ্ধ ১টি, কম্যুনিস্ট পার্টি ৪টি আসন লাভ করে।

তথ্যসূত্র - ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮০৯.
রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে প্রথম পুস্তিকা বের করেন -
  1. রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ
  2. তমদ্দুন মজলিশ
  3. রাষ্ট্রভাষা বাংলা সংগ্রাম পরিষদ
  4. সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ
সঠিক উত্তর:
তমদ্দুন মজলিশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তমদ্দুন মজলিশ
ব্যাখ্যা
তমদ্দুন মজলিশ:
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞানের অধ্যাপক আবুল কাসেমের নেতৃত্বে তমদ্দুন মজলিশ গঠিত হয়।
- এটিই ছিল ভাষা আন্দোলনের প্রথম সংগঠন। 
- তমদ্দুন মজলিশের উদ্যোগে ১৯৪৭ সালের সেপ্টেম্বরে ভাষা আন্দোলনের ওপর প্রথম পুস্তিকা প্রকাশিত হয়।
- ১৯৪৮ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তান গণপরিষদের প্রথম অধিবেশনে ইংরেজির পাশাপাশি উর্দুতে কার্যক্রম পরিচালিত হলে পূর্ব বাংলা কংগ্রেস পার্টির সদস্য কুমিল্লার ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত এর প্রতিবাদ করেন।
- তিনি ‘বাংলা’ ভাষাকেও অধিবেশনের ভাষা হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানান।
- ভাষা ও সংস্কৃতির প্রশ্নে শুরু থেকেই যে আলোড়ন সৃষ্টি হয় তার মধ্য থেকে জন্ম নিতে থাকে অনেক সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান। 
- তমদ্দুন মজলিশের উদ্যোগে ভাষা আন্দোলনকে রাজনৈতিক রূপদানের জন্য ১৯৪৭ সালের অক্টোবর মাসে গঠিত হয় প্রথম ‘রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’। 
- এর আহ্বায়ক মনোনিত হন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক নূরুল হক ভূঁইয়া।

উৎস: i) ইতিহাস, HSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
         ii) ১৩ ডিসেম্বর ২০২১, প্রথম আলো।
৮১০.
পাল বংশের 'শেষ মুকুট' বলে অভিহিত করা হয়-
  1. গোপাল
  2. চন্দ্রপাল
  3. দেবপাল
  4. রামপাল
সঠিক উত্তর:
রামপাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রামপাল
ব্যাখ্যা

পাল বংশ:
- শশাঙ্ক পরবর্তী বাংলায় অরাজকতার যুগের অবসান ঘটিয়ে গোপাল বাংলার সিংহাসনে আরোহণ করেন এবং পাল রাজ বংশের সূচনা করেন। 

- গোপালের রাজত্বকাল সম্পর্কে সঠিকভাবে জানার উপায় নেই।
- অনুমান করা হয় গোপাল ৭৫৬ হতে ৭৮১ খিস্টাব্দ পর্যন্ত রাজত্ব করেছিলেন। 
- পাল বংশের প্রতিষ্ঠাতা-- গোপাল।
- গোপাল কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত পাল রাজবংশের শাসন বাংলায় প্রায় ‘চারশ' বছর স্থায়ী হয়েছিল।
- গোপালের ক্ষমতা লাভ সর্ম্পকে খালিমপুর তাম্রশাসন থেকেও জানা যায়। গোপালের উত্থানের মধ্য দিয়ে বাংলায় প্রতিষ্ঠিত হয় পাল রাজবংশ। 
- প্রায় চারশত বছর ধরে ১৭ জন পাল নৃপতি বাংলা শাসন করেন।
- গোপাল কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত শাসনের উপর ভিত্তি করে তার পরবর্তী দুই উত্তরাধিকারী ধর্মপাল ও দেবপাল সাম্রাজ্যকে উন্নতির চরম শিখরে নিয়ে যান। 
- রামপালকেই পাল বংশের 'শেষ মুকুট' বলে অভিহিত করা হয়। 
- যদিও তার মৃত্যুর পর তার দুই পুত্র তৃতীয় গোপাল ও মদনপাল কিছু সময় বাংলার শাসন ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত ছিলেন। 
- ১১ শতকের শেষ দিকে সেন বংশের উত্থানের ফলে পাল রাজত্বের অবসান ঘটে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮১১.
ওলন্দাজরা বিদরার যুদ্ধে ইংরেজদের কাছে শোচনীয়ভাবে পরাজিত হয় কত খ্রিস্টাব্দে?
  1. ১৭৫৮ খ্রিস্টাব্দে
  2. ১৭৫৯ খ্রিস্টাব্দে
  3. ১৭৬০ খ্রিস্টাব্দে
  4. ১৭৬১ খ্রিস্টাব্দে
সঠিক উত্তর:
১৭৫৯ খ্রিস্টাব্দে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭৫৯ খ্রিস্টাব্দে
ব্যাখ্যা
• ওলন্দাজ
→ হল্যান্ডের অধিবাসীদের ওলন্দাজ বা ডাচ বলা হয়।
→ তারা ‘ডাচ ইস্টইন্ডিয়া কোম্পানি’ গঠন করে বাণিজ্যের উদ্দেশে ১৬০২ খ্রিস্টাব্দে উপমহাদেশে আসে।
→ তারা কালিকট, নাগাপট্টম, বাংলার চুঁচুড়া, বাকুড়া, বলাসোর, কাশিমবাজার এবং বরানগরে বাণিজ্য কুঠি স্থাপন করে।
→ কিন্তু অপর ইউরোপীয় শক্তি ইংরেজদের সঙ্গে তাদের ব্যবসায়-বাণিজ্য নিয়ে বিরোধ শুরু হয় এবং একই সঙ্গে তারা বাংলার শাসকদের সঙ্গে বিরোধে জড়িয়ে পড়ে।
১৭৫৯ খ্রিস্টাব্দে ওলন্দাজরা বিদরার যুদ্ধে ইংরেজদের কাছে শোচনীয়ভাবে পরাজিত হয়। ফলে ১৮০৫ খ্রিস্টাব্দে শেষ পর্যন্ত সকল বাণিজ্যকেন্দ্র গুটিয়ে তারা এদেশ
ত্যাগে বাধ্য হয়।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮১২.
‘বাকল্যান্ড বাঁধ’ কোন নদীর তীরে অবস্থিত?
  1. শীতলক্ষ্যা
  2. ধলেশ্বরী
  3. বুড়িগঙ্গা
  4. করতোয়া
সঠিক উত্তর:
বুড়িগঙ্গা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বুড়িগঙ্গা
ব্যাখ্যা
বাকল্যান্ড বাঁধ:

- বাকল্যান্ড বাঁধ ঢাকা শহরের দক্ষিণ দিক দিয়ে প্রবহমান বুড়িগঙ্গা নদীর উত্তর তীরে একটি শহর পরিবেষ্টনী বাঁধ।
- ১৮৬৪ সালে তৎকালীন নগর কমিশনার সি.টি বাকল্যান্ড এই বাঁধ নির্মাণের প্রকল্প গ্রহণ করেন।
- নদীর ঘাট পর্যন্ত কার্গো ও যাত্রীবাহী স্টিমার চলাচল সুগম করার জন্য পাড়ের নিম্নভাগে পলি প্রতিরোধ করা এবং প্লাবন ও ভাঙন থেকে ঢাকা শহর রক্ষা প্রকল্পের অধীনে এই বাঁধ নির্মিত হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
৮১৩.
ভাষা আন্দোলনে ধীরেন্দ্রনাথ দত্তের ভূমিকা ছিল -
  1. রাষ্ট্রভাষার দাবির পক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বক্তৃতা দেন
  2. ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি আন্দোলনে অংশ নেন
  3. পাকিস্তান গণপরিষদে বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার প্রস্তাব দেন
  4. সরকারি কাগজে বাংলা ব্যবহার না করার প্রস্তাব দেন
সঠিক উত্তর:
পাকিস্তান গণপরিষদে বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার প্রস্তাব দেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাকিস্তান গণপরিষদে বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার প্রস্তাব দেন
ব্যাখ্যা
ভাষা আন্দোলনে ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত:
- ১৯৪৮ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের করাচিতে গণপরিষদের অধিবেশন শুরু হয়।
- সেদিন কুমিল্লার সন্তান ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত সর্বপ্রথম পাকিস্তান গণপরিষদে বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার প্রস্তাব তুলেছিলেন।
- তিনি সরকারি কাগজে বাংলা ব্যবহার না করার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়েছিলেন।
- ২৫ ফেব্রুয়ারি ওই অধিবেশনে ধীরেন্দ্রনাথ দত্তই সর্বপ্রথম রাষ্ট্রভাষা বাংলা করার দাবিতে সোচ্চার হন।
- তিনি অধিবেশনে স্পিকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, গণপরিষদে যে কার্যবিবরণী লেখা হয় তা ইংরেজি ও উর্দু ভাষায় লিপিবদ্ধ হয়।
- সমগ্র পাকিস্তানের ৫৬ শতাংশ মানুষ বাংলা ভাষায় কথা বলেন।
- অধিবেশনে ইংরেজি ও উর্দুর সঙ্গে বাংলা ভাষা ব্যবহারের দাবি তোলেন তিনি।

উৎস: প্রথম আলো।
৮১৪.
বাের্ডের ওপর তেলরঙের ‘চর দখল’ ছবিটি কার আঁকা? 
  1. ক) এস,এম, সুলতান
  2. খ) জয়নুল আবেদীন
  3. গ) মর্তুজা বশীর
  4. ঘ) হাশেম খান
সঠিক উত্তর:
ক) এস,এম, সুলতান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) এস,এম, সুলতান
ব্যাখ্যা

এস এম সুলতানের চিত্রকর্ম:
- 'সভ্যতার ক্রমবিকাশ' 
- 'পাট কাটা',
- 'ধান কাটা',
- 'ধান ঝাড়া',
- 'জলকে চলা',
- 'চর দখল',
- 'গ্রামের খাল',
- 'মৎস্য শিকার'

উৎস: সমকাল রিপোর্ট।

৮১৫.
কত সালে 'জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি' প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ক) ১৯৭৪ সালে
  2. খ) ১৯৭৮ সালে
  3. গ) ১৯৮৩ সালে
  4. ঘ) ১৯৮৫ সালে
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৭৮ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৭৮ সালে
ব্যাখ্যা
জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি:
- ১৯৭৪ সালে দেশে প্রাথমিক শিক্ষা আইন চালু হয়।
- জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি (নেপ) ময়মনসিংহ জেলায় অবস্থিত।
- এটি ১৯৭৮ সালে 'মৌলিক শিক্ষা একাডেমি' নামে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৮৫ সালে এটির নামকরণ করা হয় 'জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি'।
- এখানে প্রাথমিক শিক্ষা সংশ্লিষ্ট শিক্ষক ও কর্মকর্তা- কর্মচারীদের প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়।
- এই প্রতিষ্ঠান প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষার প্রশ্নপত্র প্রণয়ন করে থাকে।
- ১৯৯০ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা আইন প্রণীত হয়।
- এই আইনের অধীনে ১৯৯২ সালের ১ জানুয়ারি দেশের ৬৮টি উপজেলায় এবং ১ জানুয়ারি ১৯৯৩ সারা দেশে বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা আইন চালু হয় ।

উৎস: i) জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি ওয়েবসাইট।
          ii) প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।
৮১৬.
১৯৪৮ সালের ২১ মার্চ মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ কোথায় ঘোষণা করেন “উর্দু এবং একমাত্র উর্দুই হবে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা”?
  1. ক) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন অনুষ্ঠানে
  2. খ) রেসকোর্স ময়দানে
  3. গ) কার্জন হলে
  4. ঘ) গণপরিষদ অধিবেশনে
সঠিক উত্তর:
খ) রেসকোর্স ময়দানে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) রেসকোর্স ময়দানে
ব্যাখ্যা
- ১৯৪৮ সালের ১৯শে মার্চ পাকিস্তানের গভর্নর জেনারেল মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ ঢাকায় আসেন।
- তিনি ২১শে মার্চ রেসকোর্স ময়দান (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) এবং ২৪শে মার্চ কার্জন হলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন অনুষ্ঠানে বক্তৃতাকালে ঘোষণা করেন, “উর্দু এবং একমাত্র উর্দুই হবে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা”।
- উভয় স্থানেই তার এই ঘোষণা উপস্থিত জনতা ও ছাত্ররা ‘না না’ ধ্বনি দিয়ে তীব্র প্রতিবাদ জানায়।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী।
৮১৭.
‘বর্ষিজোড়া ইকোপার্ক’ কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. কুমিল্লা
  2. মৌলভীবাজার
  3. হবিগঞ্জ
  4. কক্সবাজার
সঠিক উত্তর:
মৌলভীবাজার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৌলভীবাজার
ব্যাখ্যা
বর্ষিজোড়া ইকোপার্ক:
- বর্ষিজোড়া ইকোপার্ক বাংলাদেশের মৌলভীবাজার জেলায় অবস্থিত।
- বন বিভাগের বন্য প্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, সদর উপজেলায় মিশ্র চিরহরিৎ প্রাকৃতিক বনে গড়ে তোলা হয়েছে বর্ষিজোড়া ইকোপার্ক।
- বন্য প্রাণী ও উদ্ভিদবৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং পর্যটকদের আকর্ষণ করতে ২০০৬ সালে সংরক্ষিত এই বনভূমিকে ইকোপার্ক ঘোষণা করা হয়।
- ইকোপার্কটির আয়তন ৮৮৭ একর।

উল্লেখ্য,
- ইকোপার্ক রক্ষা ও ব্যবস্থাপনায় প্রয়োজনীয় জনবল নেই।
- প্রায় ৯০০ একরের ইকোপার্কটি চলছে মাত্র তিনজনের লোকবল দিয়ে।
- ইকোপার্কের চারপাশে জনবসতি থাকলেও জনসাধারণের অবাধ চলাচল রোধে প্রতিরক্ষার ব্যবস্থা নেই।
- মৌলভীবাজার শহরের কাছে ছায়ানিবিড় ইকোপার্কটির অবস্থান হলেও সুযোগ-সুবিধা ও নিরাপত্তার অভাবে পর্যটকদের কাছে আকর্ষণীয় হয়ে উঠতে পারেনি।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
         ii)  ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, প্রথম আলো।
৮১৮.
বাংলাদেশে মর্যাদা অনুসারে ২য় বীরত্বসূচক খেতাব-
  1. বীরপ্রতীক
  2. বীরশ্রেষ্ঠ
  3. বীরউত্তম
  4. বীরবিক্রম
সঠিক উত্তর:
বীরউত্তম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বীরউত্তম
ব্যাখ্যা

 ১৫ ডিসেম্বর ১৯৭৩ সালে — সরকারি গেজেট নোটিফিকেশনের মাধ্যমে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার মুক্তিযোদ্ধাদের খেতাব প্রদান করেন।

• মুক্তিযুদ্ধের খেতাব ৪ পর্বে বিভক্ত।
যথা-
- বীরশ্রেষ্ঠ (মর্যাদা অনুসারে প্রথম বীরত্বসূচক খেতাব),
- বীর উত্তম (মর্যাদা অনুসারে দ্বিতীয় বীরত্বসূচক খেতাব),
- বীর বিক্রম (মর্যাদা অনুসারে তৃতীয় বীরত্বসূচক খেতাব) এবং
- বীর প্রতীক (মর্যাদা অনুসারে চতুর্থ বীরত্বসূচক খেতাব)।

• খেতাবপ্রাপ্ত মোট বীর মুক্তিযোদ্ধা:
• ১ম উপাধি: বীরশ্রেষ্ঠ, ৭ জন,
• ২য় উপাধি: বীর উত্তম, ৬৮ জন,
• ৩য় উপাধি: বীর বিক্রম, ১৭৫ জন এবং
• ৪র্থ উপাধি: বীর প্রতীক, ৪২৬ জন।
- মুক্তিযুদ্ধে খেতাবপ্রাপ্ত মোট যোদ্ধার সংখ্যা ৬৭৬ জন।

উৎস: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৮১৯.
'তমদ্দুন মজলিশ' সংগঠনটি কোন আন্দোলনের সাথে সংশ্লিষ্ট?
  1. গণঅভ্যুত্থান
  2. ভাষা আন্দোলন
  3. শিক্ষা আন্দোলন
  4. ৬ দফা আন্দোলন
সঠিক উত্তর:
ভাষা আন্দোলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভাষা আন্দোলন
ব্যাখ্যা
ভাষা আন্দোলন:
- তমদ্দুন মজলিশ ছিল ভাষা আন্দোলনের প্রথম সংগঠন।
- তমদ্দুন মজলিশ ইসলামী আদর্শাশ্রয়ী একটি সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সংগঠন।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আবুল কাশেমের উদ্যোগে ১৯৪৭ সালের ২ সেপ্টেম্বর এটি প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এর নামকরণ হয় পাকিস্তান তমদ্দুন মজলিশ।

ভাষা আন্দোলন নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ অন্যান্য তথ্য:
• ভাষা আন্দোলন ছিলো বাঙালি সংস্কৃতির স্বাধিকার আন্দোলন।
• ১৯০৬ সালে নিখিল ভারত মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠার সময় 'উর্দু বনাম বাংলা' বিতর্ক প্রথম ওঠে।
• ১৯৩৭ সালে মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ মুসলিম লীগের দাপ্তরিক ভাষা উর্দু করার প্রস্তাব করলে শেরে বাংলা এ. কে. ফজলুল হক এর বিরোধিতা করেন।
• ভাষা আন্দোলনের প্রথম পুস্তিকা প্রকাশ করে 'তমদ্দুন মজলিশ।
• বাঙালির ‍মুক্তি সংগ্রামের প্রথম ঘটনা হলো ভাষা আন্দোলন। ভাষা আন্দোলনের মধ্য দিয়েই বাঙালি জাতীয়তাবোধের উন্মেষ ঘটে।
• ভাষার আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটে ১৯৪৭ সালে এবং চূড়ান্ত রূপ লাভ করে ১৯৫২ সালে।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
৮২০.
নিচের কোনটি প্রাচীন বাংলার জনপদ নয়?
  1. ক) তাম্রলিপ্ত
  2. খ) রাঢ়
  3. গ) চন্দ্রদ্বীপ
  4. ঘ) পুণ্ড্রনগর
সঠিক উত্তর:
ঘ) পুণ্ড্রনগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) পুণ্ড্রনগর
ব্যাখ্যা
প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে পুণ্ড্রনগর ছাড়া বাকী সবগুলোই প্রাচীন জনপদ। পুণ্ডনগর হলো প্রাচীন পুণ্ড্র জনপদের রাজধানী।

• প্রচীন জনপদ:

- প্রাচীনকালে বাংলা নামে কোনো অখণ্ড রাষ্ট্র ছিল না। বাংলার বিভিন্ন অংশ তখন ছোট ছোট অঞ্চলে বিভক্ত ছিল। প্রতিটি অঞ্চলের শাসক নিজেদের মতো শাসন করতো। বাংলার এ অঞ্চলগুলোকে তখন সমষ্টিগতভাবে নাম দেয়া হয় জনপদ। 
• জনপদগুলো হলো:
- গৌড়, বঙ্গ, পুণ্ড্র, হরিকেল, সমতট, বরেন্দ্র, চন্দ্রদ্বীপ, রাঢ়, তাম্রলিপ্ত প্রভৃতি।

• জনপদগুলোর অবস্থান:

- গৌড় জনপদ: বর্তমান চাপাইনবাবগঞ্জ থেকে শুরু করে পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ, বীরভূম ও বহরমপুর এলাকায় এটি বিস্তৃত ছিলো।
- বঙ্গ জনপদ: বঙ্গ জনপদ অন্তর্ভুক্ত ছিলো বৃহত্তর ফরিদপুর, বাখেরগঞ্জ ও পটুয়াখালীর নিচু জলাভূমি, ঢাকা, বরিশাল, ময়মনসিংহের কিছু অংশ।
- পুণ্ড্র জনপদ: বগুড়া, রংপুর, দিনাজপুর, রাজশাহী প্রভৃতি অঞ্চল নিয়ে এই জনপদটি গঠিত হয়েছিলো।
- বরেন্দ্র জনপদ: বর্তমান রাজশাহী, রংপুর ও দিনাজপুর অঞ্চল জুড়ে বিরাজমান ছিলো।
- হরিকেল জনপদ: সিলেট ও চট্টগ্রামের অংশবিশেষ ছিলো।
- চন্দ্রদ্বীপ জনপদ: বর্তমান বরিশাল অঞ্চলে চন্দ্রদ্বীপ নামক একটি জনপদের সৃষ্টি হয়েছিল। এ জনপদটি বালেশ্বর ও মেঘনার মধ্যবর্তী স্থানে অবস্থিত।
- সমতট জনপদ: বর্তমান বৃহত্তর নোয়াখালী ও কুমিল্লা অঞ্চল জুড়ে বিস্তৃত ছিলো।
- তাম্রলিপ্ত: মেদিনীপুর।

• প্রাচীন জনপদের রাজধানী:

- গৌড় জনপদের রাজধানী - কর্ণসুবর্ণ
- সমতট জনপদের রাজধানী - বড়কামতা।
- পুণ্ড্র জনপদের রাজধানী - পুণ্ড্রনগর/পুণ্ড্রবর্ধন।
- রাঢ় জনপদের রাজধানী - কোটিবর্ষ।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
৮২১.
‘গণভোট অধ্যাদেশ, ২০২৫’ জারি করা হয় কবে?
  1. ২১ নভেম্বর, ২০২৫
  2. ২৩ নভেম্বর, ২০২৫
  3. ২৫ নভেম্বর, ২০২৫
  4. ২৪ নভেম্বর, ২০২৫
সঠিক উত্তর:
২৫ নভেম্বর, ২০২৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫ নভেম্বর, ২০২৫
ব্যাখ্যা

• গণভোট অধ্যাদেশ, ২০২৫:
- ২৫ নভেম্বর, ২০২৫ তারিখে ‘গণভোট অধ্যাদেশ, ২০২৫’ এর গেজেট জারি করা হয়।
- ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সঙ্গে একই দিনে আয়োজন করা হবে গণভোট। 
- গণভোটে চারটি বিষয়ের ওপর একটি প্রশ্ন উপস্থাপন করা হবে।
- গণভোটের ব্যালট জাতীয় নির্বাচনের ব্যালট থেকে আলাদা এবং ভিন্ন রঙের হবে।
- এছাড়া, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মতো গণভোটেও প্রবাসীসহ চার শ্রেণির নাগরিকদের জন্য পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেওয়ার সুযোগ রাখা হয়েছে। 

উৎস: প্রথম আলো।

৮২২.
ক্রিপস মিশন কোন উদ্দেশ্যে এদেশে আগমন করে?
  1. রাজনৈতিক
  2. অর্থনৈতিক
  3. সামাজিক
  4. সাংস্কৃতিক
সঠিক উত্তর:
রাজনৈতিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাজনৈতিক
ব্যাখ্যা
ক্রিপস মিশন:

- ক্রিপস মিশন রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে এদেশে আগমন করে।
- ক্রিপস মিশন ১৯৪২ সালের ২৩ মার্চ ক্যাবিনেট মন্ত্রী স্যার স্ট্যাফোর্ড ক্রিপসের নেতৃত্বে ব্রিটিশ সরকার কর্তৃক ভারতে প্রেরিত একটি মিশন।
- এ মিশনের মাধ্যমে ভারতকে নতুন কিছু প্রস্তাব দেওয়া হয়।
- শ্রমিক দলের একজন চরমপন্থি সদস্য ও সে সময়ের হাউস অব কমন্স-এর নেতা ক্রিপস ভারতীয় জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের একজন প্রবল সমর্থক হিসেবে পরিচিত ছিলেন।
- দুটি বিষয়ের ওপর বিবেচনা করে ক্রিপস মিশন প্রণোদিত হয়।
- প্রথমত, ১৯৪০ সালের অক্টোবরে গান্ধী কর্তৃক সত্যাগ্রহ আন্দোলনের আহবান, যার উদ্দেশ্য ছিল। ভারতে গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে ব্রিটিশদের যুদ্ধ তৎপরতাকে বিঘ্নিত করা এবং ব্রিটিশদের স্বার্থে এর সমাপ্তি টানা।
- দ্বিতীয়ত, যুদ্ধে জাপানিদের হাতে সিঙ্গাপুর (১৯৪২ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি), রেঙ্গুন (৮ মার্চ) ও আন্দামান দ্বীপপুঞ্জের (২৩ মার্চ) পতন সমগ্র ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক কাঠামোকে হুমকির সামনে ফেলে দিয়েছিল।
- এরকম সংকটময় পরিস্থিতিতে ব্রিটিশগন উপলব্ধি করেছিল যে, ভারতীয়দের সমর্থন পেতে হলে কিছু কাজ করতে হবে।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
৮২৩.
বঙ্গবন্ধুকে হিমালয়ের সাথে তুলনা করেছেন কোন নেতা?
  1. সুভাষ বসু
  2. ইন্দিরা গান্ধী
  3. ফিদেল কাস্ত্রো
  4. গাদ্দাফি
সঠিক উত্তর:
ফিদেল কাস্ত্রো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফিদেল কাস্ত্রো
ব্যাখ্যা
আমি হিমালয় দেখিনি, শেখ মুজিবকে দেখেছি:
- ‘আমি হিমালয় দেখিনি কিন্তু শেখ মুজিবকে দেখেছি। ব্যক্তিত্ব ও সাহসিকতায় এই মানুষটি  হিমালয়’— ফিদেল কাস্ত্রো।
- ফিদেল কাস্ত্রো ছিলেন কিউবা প্রজাতন্ত্রের সাবেক প্রধানমন্ত্রী।
- ফিদেল কাস্ত্রো ছিলেন একজন জগৎখ্যাত বিপ্লবী ও একজন মুক্তিদাতা।
- তিনি তার দ্বীপ জাতিকে ঔপনিবেশিক শক্তি এবং মাফিয়া ডনদের হাত থেকে উদ্ধার করেছিলেন; যারা ১৬ শতকের অর্ধেক থেকে ২০ শতকের মধ্যে শাসন করেছিল এবং ল্যাটিন আমেরিকা ও আফ্রিকার অন্যান্য স্বাধীনতা আন্দোলনে অনুপ্রাণিত করেছেন যে নেতা, যে যোদ্ধা।

উৎস: ৯ মার্চ ২০২২, যুগান্তর।
৮২৪.
ভারতের কোন গভর্নর জেনারেল সতীদাহ প্রথার বিলোপ সাধন করেছিলেন?
  1. লর্ড মাউন্টব্যাটেন
  2. লর্ড ক্যানিং
  3. ওয়ারেন হেস্টিংস
  4. লর্ড উইলিয়াম বেন্টিংক
সঠিক উত্তর:
লর্ড উইলিয়াম বেন্টিংক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লর্ড উইলিয়াম বেন্টিংক
ব্যাখ্যা
ভারতের গভর্নর জেনারেল লর্ড উইলিয়াম বেন্টিংক সতীদাহ প্রথার বিলোপ সাধন করেছিলেন।

লর্ড উইলিয়াম বেন্টিংক:

- ভারতের প্রথম গভর্নর জেনারেল ছিলেন লর্ড উইলিয়াম বেন্টিংক।
- লর্ড উইলিয়াম বেন্টিংক ১৮২৮ -৩৫ সাল পর্যন্ত ভারতের গভর্নর জেনারেল ছিলেন।
- বেন্টিংক মাদ্রাজের গভর্নর হিসেবে ১৮০৩ সালে প্রথম ভারতে আসেন।
- ১৮৩৩ সালের সনদ আইন দ্বারা পরে তাঁর পদবিকে ভারতের গভর্নর জেনারেল হিসেবে পুনরাখ্যায়িত করা হয়।

⇒ ১৮৩৩ সালের সনদ আইন দ্বারা বাংলার গভর্নর জেনারেলকে ভারতের গভর্নর জেনারেলে উন্নীত করা হয়।
- ফলে বাংলার তৎকালীন গভর্নর জেনারেল লর্ড উইলিয়াম বেন্টিংক ভারতের প্রথম গভর্নর জেনারেল হিসেবে নিযুক্ত হন।

উল্লেখ্য,
- লর্ড উইলিয়ম বেন্টিঙ্ক সাধারণত হস্তক্ষেপ না করা এবং অনাক্রমণের নীতি অনুসরণ করেছিলেন।
- ১৮৩১ সালে মহিশূরে অনেকদিন যাবৎ চলতে থাকা কুশাসন ঐ রাজ্যটিকে ব্রিটিশ প্রশাসনে আনতে তাঁকে বাধ্য করে।
- বেন্টিঙ্ক উত্তর-পশ্চিম সীমান্ত প্রদেশে ভূমি রাজস্ব ব্যবস্থার সংস্কার করেন এবং সেখানে রাজস্ব বোর্ড প্রতিষ্ঠা করেন।
- সতীদাহ নিবারণ ও ঠগী দমন হলো বেন্টিঙ্কের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য কীর্তি।
- তিনি সতীদাহ প্রথার বিলোপ সাধন করেন

অন্যদিকে,
- ওয়ারেন হেস্টিংস ছিলেন বাংলার প্রথম গভর্নর-জেনারেল, প্রথমে ফোর্ট উইলিয়মএর গভর্নর এবং পরে গভর্নর জেনারেল।
- ভারতের শেষ গভর্নর জেনারেল ছিলেন লর্ড ক্যানিং।
- স্বাধীন ভারতের প্রথম গভর্নর জেনারেল ছিলেন লর্ড মাউন্টব্যাটেন।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) ইতিহাস ১ম পত্র, HSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮২৫.
সার্জেন্ট জহুরুল হককে কখন বন্দি অবস্থায় গুলি করে হত্যা করা হয়?
  1. ১৪ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৯ সালে
  2. ১৫ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৯ সালে
  3. ১৭ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৯ সালে
  4. ১৭ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৮ সালে
সঠিক উত্তর:
১৫ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৯ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৯ সালে
ব্যাখ্যা
• সার্জেন্ট জহুরুল হককে ১৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯ সালে আর্মি হেফাজতে মনজুর শাহ গুলি করে হত্যা করে।

• আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা ও সার্জেন্ট জহুরুল হক:
• ৩ জানুয়ারি, ১৯৬৮ আইয়ুব খান সরকার ঢাকায় আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দায়ের করে।
•  শেখ মুজিবুর রহমানকে প্রধান আসামি করে একটি রাষ্ট্রদ্রোহিতা মামলা দায়ের করা হয়।
• এ মামলার মোট আসামি ছিলেন ৩৫ জন।
• মামলাটির আনুষ্ঠানিক নাম 'রাষ্ট্র বনাম শেখ মুজিবুর রহমান ও অন্যান্য' যা 'আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা' নামে বেশি পরিচিত।
• ১নং আসামি ছিলেন শেখ মুজিবুর রহমান।
• ১৭নং আসামি ছিলেন সার্জেন্ট জহুরুল হক।
• তিনি পাকিস্তান বিমান বাহিনীতে কর্মরত ছিলেন। 
• জন্ম: ১৯৩৫ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি নোয়াখালীর সদর উপজেলার সোনাপুর গ্রামে।
• তাকে ১৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯ সালে আর্মি হেফাজতে মনজুর শাহ গুলি করে হত্যা করে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৮২৬.
কোথায় সিপাহি বিদ্রোহ শুরু হয়?
  1. ফতেহপুর
  2. কানপুর
  3. ব্যারাকপুর
  4. বিহার
সঠিক উত্তর:
ব্যারাকপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যারাকপুর
ব্যাখ্যা

সিপাহী বিদ্রোহ:
- বাংলায় ব্রিটিশ-বিরোধী প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধ আন্দোলন হলো সিপাহী বিদ্রোহ।
- ১৮৫৭ সালের ২৯ মার্চ ব্যারাকপুরের সেনানিবাসে ‘মঙ্গল পান্ডে' নামক একজন সিপাহী প্রকাশ্যে বিদ্রোহ করে।
- ক্রমে এ বিদ্রোহ মিরাট, দিল্লি, বেরলী, ফতেহপুর, কানপুর, বুন্দেল খণ্ড, রোহিলা খণ্ড, এলাহাবাদ, অযোধ্যা, কলকাতা, বিহার, চট্টগ্রাম, ঢাকা, যশোর এবং দিনাজপুর প্রভৃতি অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে।
- বিদ্রোহীরা মোগল সম্রাট ২য় বাহাদুর শাহকে ভারতের বাদশাহ ও বিদ্রোহের নেতা ঘোষণা করে।
- মারাঠা নেতা নানা সাহেব, ঝাঁসির রাণি লক্ষ্মীবাঈ, মৌলভী লিয়াকত আলী, মৌলভী আহম্মদ উল্লাহ প্রমুখ বিদ্রোহে সক্রিয়ভাবে অংশ নেন।
- সিপাহীরা জেলখানা ভেঙ্গে কয়েদিদের মুক্তি, খাজাঞ্চিখানা লুঠ এবং সর্বত্র ব্রিটিশদের আক্রমণ করে।
- এ লড়াই শুধু সিপাহীদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না, ভারতের হিন্দু-মুসলমান নির্বিশেষে ব্যাপক গণমানুষ এর প্রতি সমর্থন ও সহানুভূতি প্রকাশ করে।
- এ সংগ্রামের কারণকে পরোক্ষ ও প্রত্যক্ষ এ দু শ্রেণীতে ভাগ করা যায়।

• পরোক্ষ কারণ: 
- রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সামাজিক, ধর্মীয় ও সামরিক অসন্তোষ।

• প্রত্যক্ষ কারণ:
- ১৮৫৬ সালে সেনাবাহিনীতে ‘এনফিল্ড রাইফেল' প্রচলন করা হয়।
- এতে ব্যবহৃত কার্তুজ দাঁতে কেটে ভরতে হতো।
- গুজব রটে যে, এ কার্তুজে শুকর ও গরুর চর্বি মেশানো আছে।
- এটি ধর্মনাশের একটি পরিকল্পিত ও সূক্ষ্ম ষড়যন্ত্র বলে ভারতের হিন্দু-মুসলমান সিপাহীদের মধ্যে দারুন বিক্ষোভের সূচনা করে।

উৎস: ইতিহাস, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮২৭.
ভারত বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়-
  1. ক) ৬ ডিসেম্বর, ১৯৭১
  2. খ) ৫ ডিসেম্বর, ১৯৭১
  3. গ) ৭ ডিসেম্বর, ১৯৭১
  4. ঘ) ৮ ডিসেম্বর, ১৯৭১
সঠিক উত্তর:
ক) ৬ ডিসেম্বর, ১৯৭১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৬ ডিসেম্বর, ১৯৭১
ব্যাখ্যা
• ভারত বাংলাদেশ কে স্বীকৃতি দেয়- ৬ ডিসেম্বর, ১৯৭১। 

- মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে ৬ ডিসেম্বর গুরুত্বপূর্ণ ও ঘটনাবহুল একটি দিন।
- এদিন প্রথম দেশ হিসেবে ভারত আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীন ও সার্বভৌম দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।
- লোকসভার অধিবেশনে এদিন সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী বাংলাদেশকে স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দানের ঘোষণা করেন।
- এসময় লোকসভার সদস্যরা দাঁড়িয়ে ইন্দিরা গান্ধীর ঘোষণাকে স্বাগত জানান।
- একইসঙ্গে লোকসভার অধিবেশনে হর্ষধ্বনির সঙ্গে 'জয় বাংলা' স্লোগান উচ্চারিত হয়।
- এদিন ইন্দিরা গান্ধী অধিবেশনে তার বক্তব্যে বলেন, 'বাংলাদেশের জনগণ পাকিস্তানি স্বৈরতান্ত্রিক ও গণহত্যা নির্যাতন নিপীড়নের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করলো।' 

সুত্র: ডেইলি স্টার।
৮২৮.
তারামন বিবি কত নং সেক্টরে যুদ্ধ করেন?
  1. ক) ৮নং
  2. খ) ৭নং
  3. গ) ১১নং
  4. ঘ) ৯নং
সঠিক উত্তর:
গ) ১১নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১১নং
ব্যাখ্যা
• তারামন বিবি:
- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে বীর প্রতীক খেতাব প্রাপ্ত মহিলা ২ জন‌।
- একজন ডা. সেতারা বেগম এবং অপরজন তারামন বিবি।
- তারামন বিবি ১১ নং সেক্টরে কর্নেল তাহেরের অধীনে যুদ্ধে অংশ নেন এবং পাকবাহিনীর বিরুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধাদের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তি করেন।
- তিনি ১ ডিসেম্বর, ২০১৮ সালে মৃত্যুবরণ করেন।
- তাঁর নিজ জেলা ছিল কুড়িগ্রাম।

উৎস: দৈনিক প্রথম আলো।
৮২৯.
কোন নদীর তীরে পলাশির যুদ্ধ সংঘটিত হয়?
  1. পদ্মা
  2. মেঘনা
  3. ভাগীরথী
  4. যমুনা
সঠিক উত্তর:
ভাগীরথী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভাগীরথী
ব্যাখ্যা

পলাশী যুদ্ধ:
- ১৭৫৭ খ্রিস্টাব্দে ২৩ জুন ভাগীরথী নদীর তীরে পলাশীর আমবাগানে নবাব সিরাজউদ্দৌলার সঙ্গে ইংরেজ সেনাপতি রবার্ট ক্লাইভের যুদ্ধ হয়।
- এই যুদ্ধে নবাবের পক্ষে ছিলেন দেশপ্রেমিক মীরমদন, মোহন লাল এবং ফরাসি সেনাপতি সিনফ্রে।
- জেতার সবধরণের সুযোগ সুবিধা এবং এদের প্রাণপাত লড়াইয়ের পরও নবাব পরাজিত হন তার সেনাপতি মীরজাফরের বিশ্বাসঘাতকতার কারণে।
- সিরাজউদ্দৌলা ২২ বছর বয়সে সিংহাসনে বসেন।
- সিরাজউদ্দৌলার পরাজয় ও মৃত্যু বাংলায় প্রত্যক্ষ ঔপনিবেশিক শাসনের পথ সুগম করে।
- যুদ্ধের ফলে মীরজাফরকে বাংলার সিংহাসনে বসালেও প্রকৃত ক্ষমতা ছিল রবার্ট ক্লাইভের হাতে।
- পলাশী যুদ্ধের ফলে ইংরেজ বা বাংলায় একচেটিয়া ব্যবসা-বাণিজ্যের সুযোগ পায়। অপরদিকে ফরাসিরা এদেশ ছাড়তে বাধ্য হয়।
- পলাশী যুদ্ধের সুদূর প্রসারী পরিণতি ছিল সমগ্র উপমহাদেশে কোম্পানির শাসন প্রতিষ্ঠা। এ ভাবেই এ যুদ্ধে বাংলা তথা ভারতের স্বাধীনতা ভূলুণ্ঠিত হয়।

 উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮৩০.
সমতটের রাজধানী ছিল কোথায়?
  1. কুমিল্লা
  2. কোটিবর্ষ
  3. বড় কামতা
  4. কর্ণসুবর্ণ 
সঠিক উত্তর:
বড় কামতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বড় কামতা
ব্যাখ্যা

সমতট:
- পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্ব বাংলায় বঙ্গের পাশাপাশি সমতটের অবস্থান।
- সমতটের রাজধানী বড় কামতা। 
- দেবপর্বত কুমিল্লার লালমাই পাহাড়ে অবস্থিত।
- গঙ্গা-ভাগীরথীর পূর্ব তীর থেকে শুরু করে মেঘনার মোহনা পর্যন্ত সমুদ্রকূলবর্তী এলাকা এবং বর্তমান ভারতের ত্রিপুরার প্রাচীন অংশই সমতট।
- কুমিল্লার ময়নামতিতে কয়েকটি প্রাচীন নিদর্শনের সন্ধান পাওয়া গেছে।
- শালবন বিহার এদের অন্যতম।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।

৮৩১.
ভাটিয়ালি মূলত কোন অঞ্চলের গান?
  1. বরিশাল
  2. ময়মনসিংহ
  3. দিনাজপুর
  4. রংপুর
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা

ভাটিয়ালি হলো ময়মনসিংহ অঞ্চলের বিখ্যাত লোকসঙ্গীত
- প্রচলিত মতে মাঝিমাল্লাদের গান থেকে ভাটিয়ালি সুরের উৎপত্তি।
- নিকট অতীতে নদীবিধৌত বাংলাদেশে সাধারণত নদীর ভাটির স্রোতে নৌকা বাইতে মাঝিদের তেমন বেগ পেতে হতো না। তাই সেই অবসর ও আনন্দে তারা লম্বা টানে গলা ছেড়ে গান গাইত। কালক্রমে এই গানই ভাটিয়ালি গান নামে পরিচিতি লাভ করে।

অন্যদিকে,
- রংপুর অঞ্চল ভাওয়াইয়া গানের জন্যে বিখ্যাত। রংপুর ও কুচবিহার জেলা ভাওয়াইয়া গানের জন্মস্থান। ভাওয়াইয়া গানের বিখ্যাত শিল্পী হলেন আব্বাসউদ্দীন আহমেদ।
- চাপাইনবাবগঞ্জ ও রাজশাহী অঞ্চলের বিখ্যাত লোকসঙ্গীত হলো গম্ভীরা।
- চট্টগ্রাম অঞ্চল ভাণ্ডারি গানের জন্যে বিখ্যাত।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

৮৩২.
নিচের কোন ব্যক্তি ঊনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থান আন্দোলনের শহীদ নন?
  1. ক) আসাদ
  2. খ) মতিউর
  3. গ) বরকত
  4. ঘ) জহুরুল হক
সঠিক উত্তর:
গ) বরকত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বরকত
ব্যাখ্যা
- বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হোস্টেল প্রাঙ্গণে বিক্ষোভরত ছাত্র-জনতার উপর পুলিশের গুলিবর্ষণে আবুল বরকত  শাহাদত বরণ করেন।
- তাঁকে আজিমপুর কবরস্থানে দাফন করা হয়।
ঊনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থান:    
- ডাকসুর আহ্বানে ১৯৬৯ সালের ১৪ই জানুয়ারি সমগ্র পাকিস্তানে হরতাল পালিত হয়। 
- ২০শে জানুয়ারি নির্যাতনের প্রতিবাদে ছাত্ররা পূর্ব পাকিস্তানে হরতাল পালন করেন।
- হরতাল  পালনকালে ঢাকা মেডিকেল কলেজের সামনে ছাত্রনেতা আসাদুজ্জামান আসাদ পুলিশের গুলিতে নিহত হন। 
- আসাদের হত্যার প্রতিবাদে ২২, ২৩ ও ২৪ তারিখে ব্যাপক কর্মসূচী ঘোষিত হয়। 
- আবারও পুলিশের গুলিতে নবম শ্রেণির ছাত্র কিশোর মতিউর নিহত হয় এবং অসংখ্য মানুষ আহত হয়। 
- ২৪শে জানুয়ারির পর থেকে লাগাতার আন্দোলন ও হরতালে বহু মানুষ পুলিশ ও সেনাবাহিনীর গুলিতে নিহত ও আহত হয় ।
- ১৫ই ফেব্রুয়ারি ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে ঐতিহাসিক আগরতলা মামলার অন্যতম অভিযুক্ত সার্জেন্ট জহুরুল হককে নৃশংসভাবে গুলি করে হত্যা করা হয়।
- ১৮ই ফেব্রুয়ারি সেনাবাহিনী রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. শামসুজ্জোহাকে বেয়োনেট চার্জ করে হত্যা করে।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
৮৩৩.
স্বাধীন বাংলাদেশের নির্বাচিত প্রথম প্রধানমন্ত্রী ছিলেন কে?
  1. শেখ মুজিবুর রহমান
  2. তাজউদ্দিন আহমদ
  3. সৈয়দ নজরুল ইসলাম
  4. আতাউর রহমান খান
সঠিক উত্তর:
শেখ মুজিবুর রহমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শেখ মুজিবুর রহমান
ব্যাখ্যা
স্বাধীন বাংলাদেশের নির্বাচিত প্রথম প্রধানমন্ত্রী ছিলেন - শেখ মুজিবুর রহমান

• সংসদ নেতা হলেন বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে শাসক দলের নেতা, যিনি জাতীয় সংসদে সরকারের কার্যক্রম নির্ধারন ও পরিচালনার জন্য দায়ী থাকেন।
• সংসদ নেতা সংসদ সদস্যদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সমর্থনের ভিত্তিতে নির্বাচিত হন।
• বাংলাদেশের প্রথম সংসদ নেতা ছিলেন শেখ মুজিবুর রহমান।
• বর্তমানে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে সংসদ নেতার কার্যালয় অবস্থিত।
• বর্তমান সংসদ নেতা হলেন শেখ হাসিনা।

তথ্যসূত্র:- সংসদ সচিবালয় ও আওয়ামী লীগ ওয়েবসাইট।
৮৩৪.
বাংলা ভাষার প্রথম সাময়িকপত্র কোথায় থেকে প্রকাশিত হয়েছিলো?
  1. কুমারখালী
  2. রংপুর
  3. মুর্শিদাবাদ
  4. শ্রীরামপুর
সঠিক উত্তর:
শ্রীরামপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শ্রীরামপুর
ব্যাখ্যা
বাংলা ভাষার প্রথম সাময়িকপত্র হলো দিগদর্শন। এটি বর্তমান হুগলির শ্রীরামপুরের ব্যাপ্টিস্ট মিশনারিদের উদ্যোগে ১৮১৮ সালের এপ্রিল মাসে জন ক্লার্ক মার্শম্যানের সম্পাদনায় দিগদর্শন সাময়িকপত্র প্রকাশিত হয়।
দিগদর্শনের মোট ২৬টি সংখ্যা প্রকাশিত হয়। ১৮২১ সালের পরে এটি বন্ধ হয়ে যায়।

দিগ্দর্শন প্রকাশিত হওয়ার একমাস পর (২৩ মে, ১৮১৮) জন ক্লার্ক মার্শম্যানের সম্পাদনায় প্রকাশিত হয় সমাচার দর্পণ সাময়িকী।

(তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া)
৮৩৫.
বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকার ঘোষণা করা হয়েছিল কবে?
  1. ২৬ মার্চ ১৯৭১
  2. ১০ এপ্রিল ১৯৭১
  3. ১৪ এপ্রিল ১৯৭১
  4. ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১
সঠিক উত্তর:
১০ এপ্রিল ১৯৭১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ এপ্রিল ১৯৭১
ব্যাখ্যা
মুজিবনগর সরকার গঠন:
- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল ও মুজিবনগর সরকারের শপথ গ্রহণ একটি ঐতিহাসিক ও গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়।
- ঐতিহাসিকভাবে বাংলাদেশের জন্য এই দিনটির তাৎপর্য অপরিসীম, কেননা এই দিনেই আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীন বাংলাদেশের জন্ম হয়।
- এদিন (১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল) কুষ্টিয়া জেলার মেহেরপুর মহকুমার ভবেরপাড়া গ্রামের বৈদ্যনাথতলার আম্রকাননে স্বাধীন বাংলাদেশ সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।
- এটি 'মুজিবনগর সরকার' নামেই সমধিক পরিচিত এবং মুজিব নগর সরকারের নেতৃত্বে বাংলাদেশ পাক হানাদারদের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত বিজয় অর্জন করে।
- ১০ এপ্রিল, ১৯৭১ দেশের 'গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ' নামকরণ করে বঙ্গবন্ধুর অন্যতম সহযোগী আওয়ামী লীগ নেতা তাজউদ্দীন আহমদকে প্রধানমন্ত্রী করে মন্ত্রীসভা ঘোষণা করা হয়।
- উল্লেখ্য, মেহেরপুর মহকুমা পরবর্তীতে জেলা হিসাবে উন্নীত হয় এবং বৈদ্যনাথতলার নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়- মুজিবনগর।
- স্বাধীনতা যুদ্ধ চলাকালে মুজিবনগর ছিলো স্বাধীন দেশের অস্থায়ী রাজধানী এবং সচিবালয়/সদরদপ্তর ছিলো- কলকাতার ৮ নং থিয়েটার রোড।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮৩৬.
সিপাহী বিদ্রোহের স্মৃতি বিজড়িত স্থান কোনটি?
  1. বাহাদুর শাহ পার্ক
  2. গুলশান পার্ক
  3. রমনা পার্ক
  4. কার্জন হল
সঠিক উত্তর:
বাহাদুর শাহ পার্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাহাদুর শাহ পার্ক
ব্যাখ্যা
সিপাহী বিদ্রোহ:
- পলাশী যুদ্ধের একশ বছর পর ভারতের উত্তর ও পূর্বাঞ্চলে প্রধানত সিপাহীদের নেতৃত্বে যে ব্যাপক সশস্ত্র বিদ্রোহ সংঘটিত হয়, তাকেই ভারতের প্রথম স্বাধীনতা সংগ্রাম বলা হয়। 
- ভারতের প্রথম স্বাধীনতা সংগ্রাম সংঘটিত হয় - সিপাহী বিদ্রোহ (১৮৫৭ সালে)।
- ব্যারাকপুরে প্রথম প্রকাশ্যে বিদ্রোহ করেন - মঙ্গল পান্ডে।
- সিপাহী বিদ্রোহের প্রথম শহীদ - মঙ্গল পান্ডে।
- ভারতবর্ষে কোম্পানি শাসনের অবসান ঘটে - ১৮৫৭ সালে।
- সিপাহী বিদ্রোহের স্মৃতি বিজড়িত স্থান - বাহাদুর শাহ পার্ক।
- সিপাহী বিদ্রোহকালীন গভর্নর জেনারেল ছিলেন - লর্ড ক্যানিং।

তথ্যসূত্র: ইতিহাস প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮৩৭.
বাংলাদেশে প্রথম গণভোট অনুষ্ঠিত হয় কত সালে?
  1. ১৯৭৬ সালে
  2. ১৯৭৭ সালে
  3. ১৯৭৮ সালে
  4. ১৯৭৯ সালে
  5. ১৯৮০ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭৭ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৭ সালে
ব্যাখ্যা

⇒ গণভোট:
- বাংলাদেশে ৩ বার গণভোট অনুষ্ঠিত হয়।
- ১৯৭৭, ১৯৮৫ ও ১৯৯১ সালে এই গণভোট অনুষ্ঠিত হয়।
- এর মধ্যে ২ বার অনুষ্ঠিত হয় প্রশাসনিক গণভোট।
- এবং ১ বার অনুষ্ঠিত হয় সাংবিধানিক গণভোট।

⇒ প্রথম গণভোট:
- প্রশাসনিক গণভোট হয় ১৯৭৭ সালে।
- প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের শাসন কার্যের বৈধতা দান।
- ফলাফল ৯৮.৮০% 'হ্যাঁ' ভোট।

⇒ দ্বিতীয় গণভোট:
- প্রশাসনিক গণভোট ১৯৮৫ সালে।
- হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদের সমর্থন যাচাইয়ের লক্ষ্যে হ্যাঁ-না ভোট।
- ফলাফল ৯৪.১৪% হ্যাঁ ভোট।

⇒ তৃতীয় গণভোট:
- সাংবিধানিক গণভোট অনুষ্ঠিত হয়- ১৯৯১ সালে।
- এটি সর্বশেষ গনভোট।
- সংবিধানের দ্বাদশ সংশোধনী আইন প্রস্তাব।
- ফলাফল ৮৪.৩৮% হ্যাঁ ভোট।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন, ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮৩৮.
বাংলাদেশের সশস্ত্রবাহিনীর প্রধান-
  1. ক) রাষ্ট্রপতি
  2. খ) প্রধানমন্ত্রী
  3. গ) সেনাপ্রধান
  4. ঘ) স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
সঠিক উত্তর:
ক) রাষ্ট্রপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের সশস্ত্রবাহিনী:

- বাংলাদেশের সশস্ত্রবাহিনীর প্রধান রাষ্ট্রপতি
- সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ (AFD) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীন একটি বিভাগ।
- বাংলাদেশ সশস্ত্রবাহিনী ১৯৭৮ সালে উত্থাপিত হয়
- ২১ নভেম্বরকে বাংলাদেশ সশস্ত্রবাহিনী দিবস হিসেবে পালন করা হয়।
- এই বিভাগটি তিনটি পরিষেবার জন্য একটি যৌথ সমন্বয়কারী সদর দপ্তর এবং যুদ্ধ পরিস্থিতির সময় জয়েন্ট কমান্ড সেন্টার (জেসিসি) হিসাবে কাজ করে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সশস্ত্রবাহিনীর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৮৩৯.
চট্টগ্রামের নাম 'ইসলামাবাদ' কে রাখেন?
  1. ইসলাম খান 
  2. শায়েস্তা খান
  3. ঈশা খাঁ
  4. মীর জুমলা
সঠিক উত্তর:
শায়েস্তা খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শায়েস্তা খান
ব্যাখ্যা

শায়েস্তা খান:
- শায়েস্তা খান ছিলেন বাংলার মুঘল সুবাদার।
- তিনি ছিলেন মুঘল সম্রাট আওরঙ্গজেবের মামা।
- শায়েস্তা খান ৬৩ বছর বয়সে প্রথম বাংলায় আসেন।
- ১৬৬৩ খ্রিস্টাব্দে মীরজুমলার মৃত্যুর পর শায়েস্তা খান বাংলার সুবাহদার নিযুক্ত হন।
- তাঁর শাসনামলে তিনি কুচবিহার বিদ্রোহ দমন করেন, চট্টগ্রাম জয় ও মগ দস্যুদের বিতাড়িত করেন (১৬৬৬ সালে)।
- শায়েস্তা খান চট্টগ্রাম অঞ্চলের নাম রাখেন ইসলামাবাদ।
- তাঁর শাসনামলে টাকায় আট মণ চাল পাওয়া যেত।

• স্থাপত্য ও নির্মাণকর্ম- 
- লালবাগ কেল্লা,
- শায়েস্তা খান মসজিদ,
- ছোট কাটরা,
- সাত গম্বুজ মসজিদ,
- চক মসজিদ প্রভৃতি নির্মাণ করেন।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
         ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৮৪০.
দেশের প্রধান সড়কসমূহ নির্মাণ ও রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব কোন সংস্থার উপর ন্যস্ত?
  1. পরিকল্পনা কমিশন
  2. পল্লী উন্নয়ন বোর্ড
  3. সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর
  4. স্থানীয় সরকার ও প্রকৌশল অধিদপ্তর
সঠিক উত্তর:
সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর
ব্যাখ্যা
মহাসড়ক নির্মাণ, উন্নয়ন ও রক্ষণাবেক্ষণ: 
- দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে সুদৃঢ় সড়ক, সেতু, উড়ালসেতু, ফেরী, টানেল ইত্যাদি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। 
- একটি দেশের সড়ক নেটওয়ার্ক সে দেশের অন্যতম প্রধান বিনিয়োগ, যা দেশের অর্থনৈতিক বিকাশের ভিত্তিরূপে কাজ করে।
- নিরাপদ, নির্ভরযোগ্য এবং সাশ্রয়ী যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তোলার অন্যতম পূর্বশর্ত হচ্ছে একটি সুরক্ষিত সড়ক অবকাঠামো ব্যবস্থা।
- যেহেতু সরকার প্রতি বছর সড়ক অবকাঠামো গড়ে তোলার লক্ষ্যে ব্যাপক বিনিয়োগ করে, সেহেতু সড়ক অবকাঠামোকে নির্ধারিত সময়ের পূর্বে দ্রুত অবক্ষয় হতে রক্ষা করার বিষয়ে সরকারের দৃষ্টি নিবদ্ধ করা প্রয়োজন।
- যথাযথ সড়ক রক্ষণাবেক্ষণ, মেরামত ব্যয় হ্রাসের পাশাপাশি সামগ্রিকভাবে সড়ক পরিবহন ব্যয় হ্রাস করে।
- একটি সড়ক সংস্থাকে সড়কসমূহের সুষ্ঠু রক্ষণাবেক্ষণ নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে কারিগরি, প্রাতিষ্ঠানিক এবং অর্থায়ন এর মতো গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হতে হয়।
- দেশের প্রধান সড়কসমূহ নির্মাণ ও রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের আওতাধীন সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের উপর ন্যস্ত।
- এ লক্ষ্যে একটি নীতি-কাঠামোর মধ্যে সফলভাবে সড়ক রক্ষণাবেক্ষণের বর্ণিত চ্যালেঞ্জসমূহ অতিক্রম করে সড়ক ব্যবহারকারীদের জন্য একটি দক্ষ সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা নিশ্চিত করা সম্ভব।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৮৪১.
মুজিবনগর সরকারের ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রী কে ছিলেন?
  1. ক) তাজউদ্দিন আহমেদ
  2. খ) এ এইচ এম কামরুজ্জামান
  3. গ) সৈয়দ নজরুল ইসলাম
  4. ঘ) এম মনসুর আলী
সঠিক উত্তর:
খ) এ এইচ এম কামরুজ্জামান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) এ এইচ এম কামরুজ্জামান
ব্যাখ্যা
- ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল অস্থায়ী প্রবাসী সরকার/মুজিবনগর সরকার গঠিত হয়।
- ১৭ এপ্রিল এ সরকার শপথ গ্রহণ করে।

এই সরকারের গঠন:
- রাষ্ট্রপতি : বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
- উপরাষ্ট্রপতি ও ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি : সৈয়দ নজরুল ইসলাম
- প্রধানমন্ত্রী : তাজউদ্দিন আহমেদ
- স্বরাষ্ট্র-ত্রাণ-পুনর্বাসন মন্ত্রী : এ এইচ এম কামরুজ্জামান
- অর্থ-বাণিজ্য মন্ত্রী : এম মনসুর আলী
- পররাষ্ট্র ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী : খন্দকার মুশতাক আহমেদ।

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণি।
৮৪২.
বাংলাদেশের অস্থায়ী প্রবাসী সরকার শপথ গ্রহণ করার সময় মুজিবনগর তৎকালীন কোন জেলায় অবস্থিত ছিলো?
  1. ক) যশোর
  2. খ) নোয়াখালী
  3. গ) কুষ্টিয়া
  4. ঘ) বরিশাল
সঠিক উত্তর:
গ) কুষ্টিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) কুষ্টিয়া
ব্যাখ্যা
মুজিবনগর বর্তমান মেহেরপুর জেলায় অবস্থিত। এখানে ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল বাংলাদেশের অস্থায়ী প্রবাসী সরকার বা মুজিবনগর সরকার শপথ গ্রহণ করে। তখন এটি ‍বৃহত্তর কুষ্টিয়া জেলার অধীন ছিলো। মেহেরপুর জেলা ও মুজিবনগর ৮ নং সেক্টরের অধীন ছিলো। এর সেক্টর কমান্ডার ছিলেন আবু ওসমান চৌধুরী এবং এম এ মঞ্জুর।
(সূত্রঃ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও বাংলাপিডিয়া)
৮৪৩.
বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধে আত্মসমর্পণকারী পাকিস্তানি সেনার সংখ্যা কত ছিল?
  1. ৮৯ হাজার
  2. ৯১ হাজার
  3. ৯৩ হাজার
  4. ৯৭ হাজার
সঠিক উত্তর:
৯৩ হাজার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯৩ হাজার
ব্যাখ্যা

মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানি বাহিনীর আত্মসমর্পণ:
- ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিকেলে ঢাকা রেসকোর্স ময়দানে মিত্রবাহিনীর কাছে পাকিস্তান সেনাবাহিনী নিঃশর্তভাবে আত্মসমর্পণ করে।
- তাদের এ আত্মসমর্পণের মধ্য দিয়ে ২৬ মার্চ শুরু হওয়া মুক্তিযুদ্ধের সফল পরিসমাপ্তি ঘটে।

উল্লেখ্য,
- ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ সকালে মানেকশ ভারতের পূর্বাঞ্চল বাহিনীর চিফ অব জেনারেল স্টাফ মেজর জেনারেল জে এফ আর জেকবকে আত্মসমর্পণের দলিল ও আনুষ্ঠানিকতা চূড়ান্ত করার জন্য ঢাকায় পাঠান।
- ১৬ ডিসেম্বর বিকালে ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহ্রাওয়ার্দী উদ্যান) পাকিস্তান সামরিক বাহিনীর ৯৩ হাজার সৈন্য বিনা শর্তে সম্মিলিত বাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ করে।
- এই আত্মসমর্পণ দলিলে স্বাক্ষর করেন পূর্বাঞ্চলের সম্মিলিত বাহিনী প্রধান লেঃ জেনারেল জগজিত সিং অরোরা ও পাকিস্তান সেনাবাহিনীর পূর্বাঞ্চলীয় অধিনায়ক লেঃ জেঃ এ কে নিয়াজী।
- এই আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ সরকারের প্রতিনিধিত্ব করেন মুক্তিবাহিনীর উপ-সেনা প্রধান ও বিমান বাহিনী প্রধান গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ কে খন্দকার।
- ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ বাংলাদেশ শত্রুমুক্ত হয়।
- প্রতি বছর এই দিনটি "বিজয় দিবস" হিসাবে পালিত হয়।

এছাড়াও,
- এই অনুষ্ঠানে মুক্তিবাহিনীর নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিদের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন এস ফোর্স অধিনায়ক লেঃ কর্নেল কে এম সফিউল্লাহ, ২নং সেক্টরের ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক মেজর এ টি এম হায়দার এবং টাঙ্গাইল মুক্তি বাহিনীর অধিনায়ক জনাব কাদের সিদ্দিকী।

উৎস: i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্ৰেণি। 
ii) ইতিহাস, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮৪৪.
বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন গঠিত হয় -
  1. ক) ১৯৭২
  2. খ) ১৯৭৩
  3. গ) ১৯৭৫
  4. ঘ) ১৯৯৭
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৭৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৭৩
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন:
- বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন গঠিত হয় ১৯৭৩ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি
- ১৯৮৮ সাল পর্যন্ত এ প্রতিষ্ঠানটির নাম ছিল আণবিক শক্তি কমিশন। 
- বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন বাংলাদেশের একটি বৈজ্ঞানিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ও অন্যতম নিয়ন্ত্রক সংস্থা।
- এর প্রধান উদ্দেশ্য হল, শান্তিপূর্ণ উদ্দেশ্যে আণবিক শক্তি উৎপাদন ও এটি নিয়ে গবেষণা করা।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন ওয়েবসাইট।
৮৪৫.
বাংলার প্রথম স্বাধীন সুলতান কে ছিলেন?
  1. শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ
  2. ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ
  3. গিয়াসউদ্দিন আজম শাহ
  4. আলাউদ্দিন হোসেন শাহ
সঠিক উত্তর:
ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ
ব্যাখ্যা

ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ: 
- ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ ছিলেন বাংলার প্রথম স্বাধীন সুলতান।
- একজন যোগ্য শাসক ও কূটকৌশলী রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে তিনি নিজ নামে মুদ্রা জারি করেন।
- তিনি তাঁর রাজ্যসীমা দক্ষিণ-পূর্ব দিকে অনেকটা সম্প্রসারণ করেন।
- তিনি চট্টগ্রাম বিজয় করেন এবং এ পর্যন্ত সমগ্র ভূ-ভাগে তাঁর সুদৃঢ় নিয়ন্ত্রণে ছিল।
- তিনি চাঁদপুর থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত একটি রাজপথ নির্মাণ করেছিলেন বলে জানা যায়।

উল্লেখ্য
- তিনি একজন বিচক্ষণ ও প্রজাহিতৈষী শাসক ছিলেন।
- তিনি তাঁর রাজ্যে অনেক মসজিদ, মাদ্রাসা, খানকাহ ইত্যাদি নির্মাণ করেন।
- তিনি আউলিয়া, পীর-দরবেশ ও ফকিরদের উদার পৃষ্ঠপোষকতা করেন।
- ফলে চট্টগ্রাম থেকে পুরো পূর্ববঙ্গে ইসলাম ধর্মের ব্যাপক প্রচার ও প্রসার ঘটে।

উৎস: ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ২য় পত্র, এইচএসসি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮৪৬.
উপমহাদেশে আগত সর্বশেষ ইউরোপীয় বণিক কোম্পানি কোনটি?
  1. ডাচ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি
  2. ডেনিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি
  3. ফরাসি ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি 
  4. ব্রিটিশ ইন্ডিয়া কোম্পানি
সঠিক উত্তর:
ফরাসি ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফরাসি ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি 
ব্যাখ্যা

ফরাসি ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি:
- ফরাসি ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি উপমহাদেশে আগত সর্বশেষ ইউরোপীয় বণিক কোম্পানি।
- ১৬৬৪ খ্রিস্টাব্দে প্রতিষ্ঠিত বাণিজ্যিক কোম্পানিটি সর্বপ্রথম সুরাটে ১৬৬৮ খ্রিস্টাব্দে এবং পরের বছর মুসলিপট্টমে বাণিজ্য কুঠি স্থাপন করে।
- এছাড়া ১৬৭৩ খ্রিস্টাব্দে পন্ডিচেরীতে গড়ে তোলে ফরাসি উপনিবেশ।
- ১৬৭৪ খ্রিস্টাব্দের পর থেকে ফরাসিরা তাদের বাণিজ্যিক কার্যক্রম বাংলায় সম্প্রসারিত করে।
- ফরাসি কোম্পানি বাংলা, বিহার, উড়িষ্যায় নির্দিষ্ট হারে শুল্ক প্রদানের শর্তে বাণিজ্য করার অধিকার লাভ করে।
- ফরাসি বণিকরা যখন এদেশে বাণিজ্য করতে আসে ইংরেজ বণিকরা তখন ব্যবসায় বাণিজ্যে দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠিত।
- ইংরেজদের ষড়যন্ত্র, কূটকৌশল, উন্নত রণ কৌশলের কাছে শেষ পর্যন্ত ফরাসিরা পরাজিত হয়।
- তাছাড়া বাংলার নবাবের পক্ষ অবলম্বন করায় এবং ১৭৫৭ খ্রিস্টাব্দে পলাশীর যুদ্ধে ইংরেজদের সাফল্য তাদেরকে আরও পর্যুদস্ত করে ফেলে।
- স্বাভাবিকভাবে বাংলায় অবস্থিত ফরাসি কুঠিগুলো ইংরেজদের দখলে চলে যায়।
- দাক্ষিণাত্যের কর্ণাটকের যুদ্ধসমূহে ফরাসি কোম্পানির পরাজয় তাদের এদেশ ত্যাগ করতে বাধ্য করে।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮৪৭.
উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় গ্রেডিং পদ্ধতি চালু হয় কোন সালে?
  1. ক) ২০০০
  2. খ) ২০০২
  3. গ) ২০০৩
  4. ঘ) ২০০১
সঠিক উত্তর:
গ) ২০০৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২০০৩
ব্যাখ্যা

উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে গ্রেডিং পদ্ধতি চালু হয় ২০০৩ সালে। তবে এসএসসি (মাধ্যমিক) পর্যায়ে তা ২০০১ সালেই চালু হয়।
(সূত্র: শিক্ষা মন্ত্রণালয়)

৮৪৮.
মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত উপন্যাস ‘রাইফেল রুটি আওরাত’ উপন্যাসের রচয়িতা কে?
  1. ক) শওকত ওসমান
  2. খ) আনিসুল হক
  3. গ) সৈয়দ শামসুল হক
  4. ঘ) আনোয়ার পাশা
সঠিক উত্তর:
ঘ) আনোয়ার পাশা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) আনোয়ার পাশা
ব্যাখ্যা
আনোয়ার পাশা রচিত কাব্যঃ নদী নিঃশেষিত হলে, সমুদ্র শৃঙ্খলতা উজ্জয়িনী, অন্যান্য কবিতা। তার রচিত গল্পগ্রন্থ - নিরুপায় হরিণী। তিনি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের উপর প্রথম উপন্যাস রচনা করেন। রাইফেল রোটি আওরাত- ১৯৭১ সালের এপ্রিল লেখা শুরু করে জুনে শেষ করেন। [উৎসঃ মোহসীনা নাজিলা রচিত শীকর বাংলা ভাষা ও সাহিত্য]
৮৪৯.
তমদ্দুন মজলিশের প্রকাশিত পুস্তিকাটির নাম কী ছিল?
  1. বাংলা ভাষার অধিকার
  2. রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম
  3. পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু
  4. উর্দু বনাম বাংলা
সঠিক উত্তর:
পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু
ব্যাখ্যা

ভাষা আন্দোলন:
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আবুল কাসেম ১৯৪৭ সালে তমদ্দুন মজলিশ প্রতিষ্ঠা করেন।
- এই সংগঠন ১৯৪৭ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবি জানিয়ে একটি পুস্তিকা প্রকাশ করে।
- বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবি জানিয়ে তমদ্দুন মজলিশের প্রকাশিত পুস্তিকাটির নাম ছিল 'পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু'।
- তমদ্দুন মজলিশ ছাত্র-শিক্ষক মহলে বাংলাভাষা সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করে।
- ১৯৪৭ সালের মধ্যেই বহু প্রখ্যাত এবং অখ্যাত লেখক বাংলা রাষ্ট্রভাষার প্রতি তাদের দ্ব্যর্থহীন সমর্থন জানিয়েছিলেন।
- পাকিস্তানের পাবলিক সার্ভিস কমিশনের বিষয়তালিকা থেকে এবং নৌ ও অন্যান্য বিভাগের নিয়োগ পরীক্ষায় বাংলাকে বাদ দেয়া হয়।
- এমনকি পাকিস্তানের গণপরিষদের সরকারি ভাষা হিসেবে ইংরেজি ও উর্দুকে নির্বাচন করা হয়। ফলে বাঙালিরা বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮৫০.
মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার জন্য সমগ্র বাংলাদেশকে কয়টি সেক্টরে বিভক্ত করা হয়?
  1. ৪টি

  2. ৯টি

  3. ১০টি

  4. ১১টি

সঠিক উত্তর:
১১টি

উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১টি

ব্যাখ্যা

মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনা:
- ১০ই এপ্রিল মুজিবনগর সরকার গঠিত হওয়ার পর মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার জন্য সামরিক, বেসামরিক জনগণকে নিয়ে একটি মুক্তিযোদ্ধা বাহিনী গড়ে তোলার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়।
- ১০ই এপ্রিল সরকার ৪টি সামরিক জোনে বাংলাদেশকে ভাগ করে ৪ জন সেক্টর কমান্ডার নিযুক্ত করে।
- ১১ই এপ্রিল তা পুনর্গঠিত করে ১১টি সেক্টরে বিভক্ত করা হয়
- এ ছাড়া বেশ কিছু সাব-সেক্টর এবং তিনটি ব্রিগেড ফোর্স গঠিত হয়।
- এসব সেক্টরে পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে কর্মরত বাঙালি সেনা কর্মকর্তা, সেনাসদস্য, পুলিশ, ইপিআর, নৌ ও বিমানবাহিনীর সদস্যগণ যোগদান করেন।
- প্রতিটি সেক্টরেই নিয়মিত সেনা, গেরিলা ও সাধারণ যোদ্ধা ছিল।
- এরা মুক্তিযোদ্ধা বা মুক্তিফৌজ নামে পরিচিত ছিল।
- এসব বাহিনীতে দেশের ছাত্র, যুবক, নারী, কৃষক, রাজনৈতিক দলের কর্মী-সমর্থক, শ্রমিকসহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ অংশ নিয়েছিল।
- ভারতের বিভিন্ন প্রশিক্ষণ ক্যাম্পে প্রশিক্ষণ শেষে যোদ্ধাগণ দেশের অভ্যন্তরে প্রবেশ করে পাকিস্তানি সামরিক ছাউনি বা আস্তানায় হামলা চালায়।
- মুক্তিযুদ্ধে সরকারের অধীন বিভিন্ন বাহিনী ছাড়াও বেশ কয়েকটি আঞ্চলিক বাহিনী দেশের অভ্যন্তরে স্বতঃস্ফূর্তভাবে গড়ে উঠেছিল।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।

৮৫১.
সিপাহি বিদ্রোহের ফলে নিচের কোনটি ঘটে?
  1. ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসনের অবসান ঘটে
  2. মুঘল সাম্রাজ্য পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়
  3. ব্রিটিশরা ভারত ছেড়ে চলে যায়
  4. ফরাসিদের আগমন ঘটে
সঠিক উত্তর:
ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসনের অবসান ঘটে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসনের অবসান ঘটে
ব্যাখ্যা

সিপাহি বিদ্রোহ:
- সিপাহি বিদ্রোহকে ভারতের প্রথম স্বাধীনতা সংগ্রাম বলা হয়।
- ১৮৫৭ সালের ২৯শে মার্চ পশ্চিমবঙ্গের ব্যারাকপুরে এই বিদ্রোহের সূত্রপাত ঘটে।
- মঙ্গলপাণ্ডে নামে এক সিপাহী কর্তৃক গুলি বর্ষণের মধ্য দিয়ে এই বিদ্রোহের সূচনা হয়।
- দ্রুত এই বিদ্রোহ ছড়িয়ে পড়ে মিরাট, কানপুর, পাঞ্জাব, উত্তর প্রদেশ, মধ্য প্রদেশ, বিহার, বাংলাসহ ভারতের প্রায় সর্বত্র।
- বাংলাদেশের ঢাকা, চট্টগ্রাম, যশোর, সিলেট, কুমিল্লা, পাবনা, রংপুর, দিনাজপুর, রাজশাহী এই বিদ্রোহে শামিল হয় ।
- পরবর্তীতে তা ভারতবর্ষের উত্তর ও পূর্বাঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এই বিদ্রোহ ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয়।
- এ বিদ্রোহের ফলে ভারতে কোম্পানির শাসনের অবসান ঘটে।
- ভারতের শাসনভার ব্রিটিশ সরকার সরাসরি তার হাতে নিয়ে নেয়।

⇒ উল্লেখ্য:
- সিপাহি বিদ্রোহের কারণকে পরোক্ষ ও প্রত্যক্ষ এ দু শ্রেণীতে ভাগ করা যায়৷
• পরোক্ষ কারণ: রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সামাজিক, ধর্মীয় ও সামরিক অসন্তোষ।
• প্রত্যক্ষ কারণ: ১৮৫৬ সালে সেনাবাহিনীতে ‘এনফিল্ড রাইফেল' প্রচলন করা হয়। এতে ব্যবহৃত কার্তুজ দাঁতে কেটে ভরতে হতো। গুজব রটে যে, এ কার্তুজে শুকর ও গরুর চর্বি মেশানো আছে। এটি ধর্মনাশের একটি পরিকল্পিত ও সূক্ষ্ম ষড়যন্ত্র বলে ভারতের হিন্দু- মুসলমান সিপাহীদের মধ্যে দারুন বিক্ষোভের সূচনা করে ৷

তথ্যসূত্র- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮৫২.
জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা সপ্তাহ কত সালে প্রবর্তন করা হয়?
  1. ক) ২০১৩
  2. খ) ২০১০
  3. গ) ২০১১
  4. ঘ) ২০১২
সঠিক উত্তর:
গ) ২০১১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২০১১
৮৫৩.
IEDCR এর পূর্ণরূপ কী?
  1. ক) Institute of Epidemiology, Infectious Diseases Control & Research
  2. খ) Institute of Epidemiology, Disease Control and Research
  3. গ) Infectious Diseases & Epidemiology Research Organisations
  4. ঘ) International Epidemiology, Diseases Control & Research Centre
সঠিক উত্তর:
খ) Institute of Epidemiology, Disease Control and Research
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) Institute of Epidemiology, Disease Control and Research
ব্যাখ্যা
IEDCR এর পূর্ণরূপ হলো Institute of Epidemiology, Disease Control & Research.
এটি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি সরকারি প্রতিষ্ঠান যা ঢাকার মহাখালীতে অবস্থিত। এটি ১৯৭৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
এর বর্তমান পরিচালক অধ্যাপক ডা. তাহমিনা শিরিন৷
IEDCR বাংলাদেশে সংক্রামক রোগের বিস্তার রোধ ও গবেষণায় কাজ করে।
(সূত্রঃ IEDCR ওয়েবসাইট)
৮৫৪.
‘মেগাস্থিনিস’ কে ছিলেন? 
  1. সিজারের প্রেরিত দূত
  2. সেলুকাসের প্রেরিত দূত
  3. আলেকজান্ডারের প্রেরিত দূত
  4. কোনটি নয় 
সঠিক উত্তর:
সেলুকাসের প্রেরিত দূত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সেলুকাসের প্রেরিত দূত
ব্যাখ্যা

সেলুকাসের দূত মেগাস্থিনিস চন্দ্রগুপ্ত মৌর্যের রাজসভায় আসেন এবং তার রচিত 'ইন্ডিকা' গ্রন্থ থেকে মৌর্য সমাজ ও শাসনব্যবস্থা সম্পর্কে জানা যায়।  

মেগাস্থিনিস:

- ‘মেগাস্থিনিস’ ছিলেন সেলুকাসের প্রেরিত দূত।
- ‘ইন্ডিকা’ গ্রন্থের রচয়িতা মেগাস্থিনিস।
- এই গ্রন্থে চন্দ্রগুপ্তের ব্যক্তিগত জীবন ও শাসন ব্যবস্থার বিস্তৃত বর্ণনা আছে।
- তিনি গ্রীক বিশ্বের কাছে পরিচিত ভারতের সবচেয়ে সম্পূর্ণ বিবরণ দিয়েছেন।
- মেগাস্থেনিসের কাজের প্রধান ত্রুটিগুলি ছিল -
- বিবরণে ভুল,
- ভারতীয় লোককাহিনীর একটি সমালোচনামূলক গ্রহণযোগ্যতা
- গ্রীক দর্শনের মানদণ্ডে ভারতীয় সংস্কৃতিকে আদর্শ করার প্রবণতা।

সূত্র: ইতিহাস ১ম পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় & ব্রিটানিকা।

৮৫৫.
বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন চলাকালীন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর ছিলেন -
  1. আবু সাঈদ চৌধুরী
  2. ড. সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন
  3. স্যার এ. এফ. রহমান
  4. ড. রমেশচন্দ্র মজুমদার
সঠিক উত্তর:
ড. সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ড. সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন
ব্যাখ্যা
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়: 
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের প্রাচীনতম, সর্ববৃহৎ এবং উপমহাদেশের অন্যতম প্রাচীন ঐতিহ্যবাহী উচ্চশিক্ষা ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান যা 'প্রাচ্যের অক্সফোর্ড' নামে পরিচিত।
- ১৯২১ সালের ১ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম শুরু হয়।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় গঠিত কমিশনের নাম ছিলো 'নাথান কমিশন'। 
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম উপাচার্য ছিলেন স্যার ফিলিপ জোসেফ হার্টজ। 
- উপ-মহাদেশীয়দের মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ভাইস চেন্সেলর ছিলেন স্যার এ. এফ. রহমান। 
- বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন চলাকালীন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর ছিলেন ড. সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন।
- বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ চলাকালীন সময়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ছিলেন বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট। 
৮৫৬.
সনজিদা খাতুন একজন -
  1. মহিলা দাবাড়ু
  2. রবীন্দ্রসঙ্গীত শিল্পী
  3. পরমাণু বিজ্ঞানী
  4. ভাস্কর্য শিল্পী
সঠিক উত্তর:
রবীন্দ্রসঙ্গীত শিল্পী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রবীন্দ্রসঙ্গীত শিল্পী
ব্যাখ্যা

- সনজিদা খাতুন বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনের অন্যতম ব্যক্তিত্ব। তিনি একাধারে রবীন্দ্রসঙ্গীত শিল্পী, লেখক, গবেষক, সংগঠক, সঙ্গীতজ্ঞ এবং শিক্ষক।
- তিনি বাংলাদেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান ছায়ানটের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য এবং বর্তমানে সভাপতি।
- সম্প্রতি ভারত সরকার তাকে পদ্মশ্রী সম্মাননায় ভূষিত করে।
(তথ্যসূত্র: প্রথম আলো)

৮৫৭.
বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী ১৯৭১ সালে গঠিত মুজিবনগর সরকারের কোন পদে নিযুক্ত ছিলেন?
  1. ক) পররাষ্ট্র বিষয়ক মন্ত্রী
  2. খ) আইন ও বিচার বিষয়ক মন্ত্রী
  3. গ) বিশেষ কুটনৈতিক প্রতিনিধি
  4. ঘ) নয়াদিল্লীস্থ বাংলাদেশ মিশন প্রধান
সঠিক উত্তর:
গ) বিশেষ কুটনৈতিক প্রতিনিধি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বিশেষ কুটনৈতিক প্রতিনিধি
ব্যাখ্যা
• মুজিবনগর সরকার:
- মুক্তিযুদ্ধকালীন গঠিত গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার অর্থাৎ স্বাধীন বাংলাদেশ সরকার মুজিবনগর সরকার নামে পরিচিত।
- মুজিবনগর সরকার গঠিত হয় ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল। 
- মুজিবনগর সরকার শপথ গ্রহণ করে ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল। 
- এ শপথ বাক্য পাঠ করান অধ্যাপক ইউসুফ আলী। 

- এ সরকারের সদর দপ্তর প্রথম স্থাপিত হয় মুজিবনগরে (মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলা)।
- পরবর্তীকালে স্বাধীনতাযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে প্রধানত নিরাপত্তা এবং মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্ব দানের সুবিধার্থে এ সরকারের প্রধান কার্যালয় কলকাতায় স্থানান্তর হয়।
- এ সরকারের প্রধান ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- তাই তাঁরই নামানুসারে বৈদ্যনাথতলার নতুন
নামকরণ হয় মুজিবনগর এবং অস্থায়ী সরকারও পরিচিত হয় মুজিবনগর সরকার নামে।

- এই সরকারের বিশেষ কুটনৈতিক প্রতিনিধি ছিলেন বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী।
- বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মুখপাত্র হিসেবে প্রকাশিত হয় ‘সাপ্তাহিক জয়বাংলা’।
- আব্দুল মান্নান এম.এন.এ. ছিলেন এর সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি এবং জিল্লুর রহমান এম.এন.এ. ছিলেন প্রধান সম্পাদক।
 ১১ মে থেকে ১৬ ডিসেম্বর এটি প্রকাশিত হয়।

তথ্যসূত্র: - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্ব সভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
৮৫৮.
কোন মুঘল সম্রাট 'দ্বীন-ই-ইলাহী' এর প্রবর্তন করেন?
  1. বাবর
  2. আকবর
  3. হুমায়ুন
  4. জাহাঙ্গীর
সঠিক উত্তর:
আকবর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আকবর
ব্যাখ্যা
দীন-ই-ইলাহী:
- সম্রাট আকবর ১৫৮২ সালে 'দীন-ই-ইলাহী' নামে একেশ্বরবাদমূলক এক নতুন ধর্মমত প্রবর্তন করেন।
- সকল ধর্মের সারবস্তু নিয়ে এই ধর্মমত গঠিত হয়। এই ধর্মমতের কালেমা ছিল 'লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ আকবর খলিফাতুল্লাহ'।
- দীন-ই-ইলাহী রীতি-নীতি, বিধানগুলো ছিল নিম্নরূপ:
• এই ধর্মের অনুসারীগণ পরস্পর দেখা হলে, 'আসসালামু আলাইকুম' এর পরিবর্তে 'আল্লাহু আকবার' এবং প্রত্যুত্তরে 'ওয়া আলাইকুম আস্সালাম' না বলে 'জাল্লাজালালুহু' বলা।
• এই ধর্মীয় বিধান অনুসারে মৃত্যুর পরে নয়, মৃত্যুর পূর্বেই দাওয়াত বা আমন্ত্রণের ব্যবস্থা করা।
• সভ্যগণ নিজ নিজ জন্মদিন পালন এবং ভোজের আয়োজন করবেন।
• সভ্যগণ ভিক্ষা প্রদান করবেন কিন্তু ভিক্ষা গ্রহণ করবেন না।
• এই ধর্মমত গ্রহণে কাউকে বাধ্য করা হবে না।

সম্রাট আকবরের শাসনকাল:
- সম্রাট আকবর ভারতে মোগল শাসন বিস্তার ও সুদৃঢ় করার জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছিলেন।
- এসব পদক্ষেপের মধ্যে রয়েছে তার রাজপুত নীতি, ভূমি ব্যবস্থা তথা মনসবদারী প্রথা ইত্যাদি।
- ভারতে মোগল রাজ্য বিস্তারের বিরুদ্ধে অন্যতম প্রধান শক্তি ছিল রাজপুত জাতি।
- জাতিগতভাবে রাজপুতরা ছিল বীর ও স্বজাত্যবোধে সচেতন যোদ্ধা।
- তিনি রাজা টোডরমল, রাজা বিহারী মল, ভগবান দাস এবং মানসিংহকে প্রশাসনের উচ্চ পদে নিযুক্ত করেন।
- তিনি কবি পণ্ডিত ও চিত্রশিল্পীদের পৃষ্ঠপোষক ছিলেন।
- আকবরের রাজপুত নীতি মোগল সাম্রাজ্যের ভিত্তি সুদৃঢ় করে।
- সম্রাট আকবরের ভূমি শাসন ব্যবস্থা অনন্য কৃতিত্বের দাবীদার।
- রাজা টোডরমল সম্রাট আকবরের অর্থমন্ত্রী ছিলেন।

তথ্যসূত্র - ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮৫৯.
What is the capacity of Matarbari power plant?
  1. 800 MW
  2. 1,000 MW
  3. 1,200 MW
  4. 1,400 MW
সঠিক উত্তর:
1,200 MW
উত্তর
সঠিক উত্তর:
1,200 MW
ব্যাখ্যা
মাতারবাড়ি বিদ্যুৎ কেন্দ্র:
- মাতারবাড়ি বিদ্যুৎ কেন্দ্র হলো বাংলাদেশের একটি কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র। 
- এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি চট্টগ্রাম বিভাগের কক্সবাজার জেলার মহেশখালী উপজেলায় মাতারবাড়ী ও ধলঘাটা ইউনিয়নের ১,৪১৪ একর জমিতে এই বিদ্যুৎ প্রকল্পটি নির্মাণ করা হচ্ছে।
- ৬০০ মেগাওয়াট এর মোট দুটি ইউনিট তৈরি হবে।
- মোট উৎপাদন ক্ষমতা হবে ১২০০ ইউনিট। 
- জাপানের আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহযোগিতা সংস্থা জাইকার অর্থায়নে মাতারবাড়ির এই বিদ্যুৎকেন্দ্র।
- বিদ্যুৎ নিয়ে সরকারের মহাপরিকল্পনায় মাতারবাড়িকে ‘বিদ্যুৎ হাব’ হিসেবে গড়ে তোলার ঘোষণা রয়েছে।
- ২৯ জুলাই, ২০২৩ তারিখে পরীক্ষামূলকভাবে চালু হয় মাতারবাড়ি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রথম ইউনিট।
- পরীক্ষামূলক উৎপাদনের শুরুতে ৩৩ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হয়। 

উৎস: ২৯ জুলাই, ২০২৩, কালের কন্ঠ।
৮৬০.
ভোলা জেলাকে বরিশালের মূল ভূখণ্ড থেকে আলাদা করেছে কোন নদী?
  1. তেঁতুলিয়া
  2. কীর্তনখোলা
  3. ধানসিঁড়ি
  4. পশুর
সঠিক উত্তর:
তেঁতুলিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তেঁতুলিয়া
ব্যাখ্যা

ভোলা:
- ‘কুইন আইল্যান্ড অব বাংলাদেশ’ নামে পরিচিত ভোলা জেলা। 
- বাংলাদেশের একমাত্র দ্বীপজেলা ভোলা। 
- বরিশাল বিভাগের পূর্ব অংশ ভোলা জেলা।
- ভোলা জেলার পূর্ব নাম দক্ষিণ শাহবাজপুর।
- হিমালয় থেকে নেমে আসা ৩টি প্রধান নদী পদ্মা, মেঘনা ও ব্রহ্মপুত্র বাহিত পলি দিয়ে মোহনায় গড়ে উঠেছে এ দ্বীপ।
- জেলাটি ১৯৮৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- তেঁতুলিয়া নদী একে মূল ভূখণ্ড থেকে আলাদা করেছে। 

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) The Daily Star বাংলা।

৮৬১.
ভাষা আন্দোলন ভিত্তিক 'বিবাহ' নাটকটি কার লেখা?
  1. সেলিম আল দীন
  2. মমতাজ উদ্দিন আহমেদ
  3. মামুনুর রশিদ
  4. আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ
সঠিক উত্তর:
মমতাজ উদ্দিন আহমেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মমতাজ উদ্দিন আহমেদ
ব্যাখ্যা

বিবাহ:
- ভাষা আন্দোলন ভিত্তিক নাটক 'বিবাহ।
- মমতাজউদদীন আহমদের ভাষা আন্দোলন নিয়ে লেখা প্রথম নাটক বিবাহ।
- একে একে তার হাতে জন্ম নিলো "ক্ষত বিক্ষত", "রঙ্গপঞ্চাদশ", "প্রেম বিবাহ সুটকেশ", "জমিদার দর্পণ", "হৃদয় ঘটিত ব্যাপার স্যাপার" এর মতো অসাধারণ সব নাটক।
- টেলিভিশনে নাট্যকার হিসেবে মমতাজউদদীন আহমদের যাত্রা শুরু হয় ‘দখিনের জানালা’ নাটকটি দিয়ে।
- হুমায়ূন আহমদের উপন্যাস “শঙ্খনীল কারাগার” অবলম্বনে একই নামে চলচ্চিত্র নির্মাণ করেছিলেন মুস্তাফিজুর রহমান। সেই চলচ্চিত্রে মতিন উদ্দিন চরিত্রে অভিনয়ের মধ্য দিয়েই অভিনেতা হিসেবে চলচ্চিত্রে অভিষেক হয়েছিল মমতাজউদদীন আহমদের।

উল্লেখ্য,
- কিংবদন্তী নাট্যকার মমতাজউদদীন আহমদ।
- স্বাধীনতা উত্তর বাংলাদেশের নাট্য আন্দোলনে পথিকৃৎ মমতাজ উদ্দীন আহমদ।
- মমতাজউদদীন আহমদের জন্ম ১৯৩৫ সালের ১৮ জানুয়ারি পশ্চিমবঙ্গের মালদহ জেলার হাবিবপুর থানার আইহো গ্রামে।

উৎস: The Daily Star Bangla.

৮৬২.
'ফোর্ট উইলিয়াম' দুর্গ কোথায় নির্মিত হয়েছিল?
  1. বলেশ্বর
  2. হায়দ্রাবাদ
  3. কলকাতা
  4. মাদ্রাজ
সঠিক উত্তর:
কলকাতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কলকাতা
ব্যাখ্যা

ইংরেজদের আগমন ও ক্ষমতা বিস্তার:
-পর্তুগিজ ও ওলন্দাজ বণিকদের বাণিজ্যিক সাফল্য ও এদেশের বিপুল ধন-সম্পদের বর্ণনা ইংরেজ বণিকদের মনে এদেশে বাণিজ্য করার আগ্রহ সৃষ্টি করে।
-১৬০০ খ্রিস্টাব্দে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি ইংল্যান্ডের রানী এলিজাবেথের কাছ থেকে ১৫ বছর মেয়াদী সনদ নিয়ে এদেশে বাণিজ্য করতে আসে।
- সম্রাট জাহাঙ্গীরের সময়ে তারা ১৬১২ খ্রিস্টাব্দে মুম্বাইয়ের নিকট সুরাটে বাণিজ্য কুঠি স্থাপন করে।
- ১৬১৫ খ্রিস্টাব্দে ইংরেজ রাজদূত স্যার টমাস রো সম্রাট জাহাঙ্গীরের দরবারে এসে ইংরেজদের বাণিজ্যের জন্য কিছু সুবিধা আদায় করেন।
- পর্তুগিজরা বাংলা থেকে বিতাড়িত হলে ইংরেজগণ বালেশ্বরে বাণিজ্য কুঠি স্থাপন করে এবং করমণ্ডল উপকূলে কিছু জমি নিয়ে একটি দুর্গ নির্মাণ করে এবং এ দুর্গই পরে মাদ্রাজ শহরে পরিণত হয়।
-১৬৫০ খ্রিস্টাব্দে জলপথে ইংরেজগণ হুগলিতে আসে এবং বাংলার সুবেদার শাহ সুজার অনুমতি নিয়ে ১৬৫১ খ্রিস্টাব্দে সেখানে বাণিজ্য কুঠি নির্মাণ করে।
- ইংল্যান্ডের রাজা দ্বিতীয় চার্লস ১৬৬৮ খ্রিস্টাব্দে কোম্পানিকে মুম্বাই ইজারা দেন।
-১৬৯০ খ্রিস্টাব্দে জব চার্নক ভাগীরথী নদীর তীরে ১২০০ টাকার বিনিময়ে কলকাতা, সূতানটি ও গোবিন্দপুর এ তিনটি গ্রামের জমিদারী স্বত্ব কিনে নেন।
- পরবর্তীকালে উপমহাদেশের ভাগ্য নির্ধারণকারী দুর্গ ফোর্ট উইলিয়াম কলকাতায় নির্মিত হয়। 
- ১৭১৭ খ্রিস্টাব্দে সম্রাট ফররুখশিয়ারের অনুমতি নিয়ে ইংরেজগণ বাংলা, মাদ্রাজ ও মুম্বাইয়ে বিনা শুল্কে অবাধ বাণিজ্য করতে থাকে।

উৎস:  বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।

৮৬৩.
নিচের কোন রাজনৈতিক দলটি ১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেনি?
  1. ন্যাপ (ভাসানী)
  2. পিডিপি
  3. জামায়াতে-ইসলামী
  4. ন্যাপ (ওয়ালী)
সঠিক উত্তর:
ন্যাপ (ভাসানী)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ন্যাপ (ভাসানী)
ব্যাখ্যা
- ১৯৭০ সালের ৭ ডিসেম্বর পাকিস্তান জাতীয় পরিষদ এবং ১৭ ডিসেম্বর পূর্ব পাকিস্তানে প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- এই পূর্ব পাকিস্তানের সকল রাজনৈতিক দল অংশগ্রহণ করলেও মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী নেতৃত্বাধীন ন্যাপ অংশগ্রহণ করেনি।
- প্রাদেশিক পরিষদের ১০টি সংরক্ষিত মহিলা আসনসহ মোট ৩১০টি আসনের মধ্যে আওয়ামী লীগ ২৯৮টি লাভ করে।
- জাতীয় পরিষদের পূর্ব পাকিস্তানের ১৬৯টি আসনের মধ্যে আওয়ামী লীগ ৭টি সংরক্ষিত নারী আসন সহ মোট ১৬৭টি আসন লাভ করে।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
৮৬৪.
মুক্তিযুদ্ধকালে বাংলাদেশকে কয়টি সেক্টরে ভাগ করা হয়?
  1. ক) ৯টি
  2. খ) ১১টি
  3. গ) ১০টি
  4. ঘ) ১২টি
সঠিক উত্তর:
খ) ১১টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১১টি
ব্যাখ্যা

- ১৯৭১ সালের ১১ এপ্রিল অস্থায়ী প্রবাসী সরকার মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার সুবিধার্থে সমগ্র দেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করে।
- এর মধ্যে নৌ সেক্টর ছিলো ১০নং সেক্টর।
- ঢাকা শহর ২নং সেক্টর এবং মুজিবনগর ৮নং সেক্টরের অধীন ছিলো।
- সেক্টর প্রধানরা সেক্টর কমান্ডার নামে পরিচিত।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী

৮৬৫.
মুক্তিযুদ্ধে খেতাবপ্রাপ্ত একমাত্র বিদেশী ব্যাক্তি কোন দেশের নাগরিক?
  1. ক) ইতালি
  2. খ) নেদারল্যান্ড
  3. গ) রাশিয়া
  4. ঘ) সুইজারল্যান্ড
সঠিক উত্তর:
খ) নেদারল্যান্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) নেদারল্যান্ড
ব্যাখ্যা
[উইলিয়াম উডারল্যান্ড - বীরপ্রতীক] ডব্লিউ এ এস ওডারল্যান্ড একমাত্র বিদেশি যাঁকে বাংলাদেশ সরকার ‘বীর প্রতীক’ খেতাবে ভূষিত করেছে। অস্ট্রেলিয়া ওডারল্যান্ডের পিতৃভূমি হলেও ১৯১৭ সালের ৬ ডিসেম্বর তাঁর জন্ম হল্যান্ডের (নেদেরল্যান্ড) রাজধানী আমস্টারডামে। [সূত্র: প্রথম আলো]
৮৬৬.
আর্যজাতি আগমন কোন দেশ থেকে হয়েছিল?
  1. ক) ইরাক
  2. খ) ইরান
  3. গ) চীন
  4. ঘ) ভুটান
সঠিক উত্তর:
খ) ইরান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ইরান
ব্যাখ্যা
ইরানের মালভূমি অঞ্চল থেকে আর্যদের ভারতে আগমন ঘটে।
- ভারতে আর্যদের আগমন ও অভিযান চলতে থাকে ধীরে ধীরে শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে।
- এই আগমনের সূচনা ঘটে খ্রিস্টপূর্ব ২০০০ অব্দে।
- প্রথমদিকে আর্যবসতি গড়ে উঠে পূর্ব-পাঞ্জাবে এবং শতদ্রু ও যমুনা নদীর মধ্যবর্তী অঞ্চলে। এই অঞ্চল আর্যাবর্ত নামে পরিচিত।
- আর্যরা ক্রমে স্থানীয় অধিবাসীদের সাথে মিশে যেতে থাকে। এভাবে দেহের দিক থেকে তাদের অনেকটা পরিবর্তন দেখা যায়। এই মিশ্রণের মধ্য
দিয়ে ভারতে এক সময় একটি উচ্চতর সভ্যতার উন্মেষ ঘটেছিল। যেখানে আর্য ও দ্রাবিড় রীতির অনেক কিছুই খুঁজে পাওয়া যায়।

উৎস: উচ্চমাধ্যমিক ইতিহাস দ্বিতীয় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮৬৭.
‘শেখ মুজিব কার্যত ঢাকার সরকার।' - ১৯৭১ সালের অসহযোগ আন্দোলনে ঢাকার পরিস্থিতি সম্পর্কে এ মন্তব্য করেন -
  1. ক) জুলফিকার আলী ভুট্টো
  2. খ) জেনারেল টিক্কা খান
  3. গ) এয়ার মার্শাল (অব.) আসগর খান
  4. ঘ) খান বাহাদুর আবদুল কাইউম খান
সঠিক উত্তর:
গ) এয়ার মার্শাল (অব.) আসগর খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) এয়ার মার্শাল (অব.) আসগর খান
ব্যাখ্যা

সাত মার্চ পরবর্তী পরিস্থিতি এবং স্বাধীনতার প্রস্তুতি শুরু

- শেখ মুজিবের ‘স্বাধীনতা সংগ্রাম' ঘোষণার প্রেক্ষিতে সর্বাত্মক হরতাল পালনের পাশাপাশি সর্বত্র কালো পতাকা উত্তোলন, মিছিল, সমাবেশ শুরু হয়।
- আওয়ামী লীগ ছাড়াও পূর্ব পাকিস্তানের অন্যান্য গণতান্ত্রিক দল অসহযোগ আন্দোলনের প্রতি সমর্থন দেয়।
- ৭ মার্চ থেকেই আওয়ামী লীগের নির্দেশে দেশ চলতে থাকে।
- ঢাকা সফর শেষে করাচিতে গণঐক্য আন্দোলনের নেতা এয়ার মার্শাল (অব.) আসগর খান বলেন,

“শেখ মুজিব কার্যত ঢাকার সরকার, সেখানে সব সরকারি কর্মচারী ও সচিবরা তাঁর নির্দেশ পালন করছে। ঢাকায় কেবল সামরিক সদর দপ্তরে পাকিস্তানি পতাকা উড়ছে।”


তথ্যসূত্র: ইতিহাস ৩, বিএ অ্যান্ড বিএসএস প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮৬৮.
মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক চলচ্চিত্র 'দামাল' পরিচালনা করেছেন -
  1. তানভীর মোকাম্মেল
  2. মোরশেদুল ইসলাম
  3. তারেক মাসুদ
  4. রায়হান রাফি
সঠিক উত্তর:
রায়হান রাফি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রায়হান রাফি
ব্যাখ্যা

দামাল:
- দামাল একটি মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক চলচ্চিত্র।
- ১৯৭১ সালের স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হয়েছে 'দামাল'-এর কাহিনি।
- ফুটবল খেলে অর্জিত অর্থ মুক্তিযুদ্ধের জন্য ব্যয় করেছেন তাঁরা। ইতিহাসের এ অংশ উঠে আসে এই চলচ্চিত্রটিতে।
- ফরিদুর রেজা সাগরের গল্প থেকে যৌথভাবে সিনেমার চিত্রনাট্য করেছেন রায়হান রাফি ও নাজিম উদ দৌলা।
- চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেছেন রায়হান রাফি।
- চলচ্চিত্রটিতে অভিনয় করেছেন বিদ্যা সিনহা মিম, সিয়াম আহমেদ, শরিফুল রাজ, সুমিত, রাশেদ অপু, সাঈদ বাবু, শাহনাজ সুমি, সৈয়দ নাজমুস সাকিব প্রমুখ।
- চলচ্চিত্রটি মুক্তি পায় ২০২২ সালে।

তথ্যসূত্র - প্রথম আলো ও সমকাল পত্রিকার রিপোর্ট।

৮৬৯.
পাঁচসালা বন্দোবস্ত প্রবর্তন করেন কে?
  1. লর্ড কর্নওয়ালিস
  2. ওয়ারেন হেস্টিংস
  3. লর্ড বেন্টিংক
  4. লর্ড ওয়েলেসলি
সঠিক উত্তর:
ওয়ারেন হেস্টিংস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওয়ারেন হেস্টিংস
ব্যাখ্যা

পাঁচসালা বন্দোবস্ত:
- ১৭৭২ খ্রিস্টাব্দে গভর্নর জেনারেল ওয়ারেন হেস্টিংস পাঁচসালা বন্দোবস্ত প্রবর্তন করেন।
- পাঁচসালা বন্দোবস্তের মূল লক্ষ্য ছিল রাজস্ব আদায় করা।
- জমি বন্দোবস্তের নির্দিষ্ট সময়সীমা থাকায় জমিদাররা অর্থ আদায়ের জন্য কৃষকদের প্রতি চরম নির্যাতন মূলক ব্যবস্থা নিতো।
- অথচ কৃষকের বা জমির উন্নয়নের প্রতি তাদের কোনো লক্ষ ছিল না।
- এ অবস্থায় হেস্টিংস জমিদারদের সঙ্গে এক সালা বন্দোবস্ত চালু করেন।
- ১৭৮৯ খ্রিস্টাব্দে কর্নওয়ালিস দশসালা বন্দোবস্ত চালু করেন।

তথ্যসূত্র- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮৭০.
বাংলাদেশের প্রথম নৌবহরের নাম -
  1. ক) বঙ্গবন্ধু
  2. খ) তিতুমীর
  3. গ) ঈশা খাঁ
  4. ঘ) সম্রাট
সঠিক উত্তর:
ক) বঙ্গবন্ধু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) বঙ্গবন্ধু
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ নৌবাহিনী

- মুক্তিযুদ্ধে নিয়মিত বাহিনী হিসাবে নৌবাহিনীও গড়ে তোলা হয়।
- ১৯৭১ সালের নভেম্বর মাসে এ বাহিনী গড়ে তোলা হয়।
- ৯ নভেম্বর পাকবাহিনীর কাছ থেকে ৬টি দখলকৃত নৌযান নিয়ে প্রথম ‘বঙ্গবন্ধু' নৌবহরের উদ্বোধন করা হয়।
- যুদ্ধের শেষদিকে নৌবাহিনী গঠিত হলেও নৌপথে যুদ্ধ পরিচালনার কৃতিত্ব মূলত নৌ-কমান্ডো গেরিলাদের।


তথ্যসূত্র: ইতিহাস ৩, বিএ অ্যান্ড বিএসএস প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
৮৭১.
‘কনসার্ট ফর বাংলাদেশ’ কোথায় অনুষ্ঠিত হয়?
  1. লন্ডন
  2. প্যারিস
  3. নিউইয়র্ক
  4. টোকিও
সঠিক উত্তর:
নিউইয়র্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিউইয়র্ক
ব্যাখ্যা

মুক্তিযুদ্ধ কনসার্ট: 
- যুক্তরাষ্ট্রের জনগণ, প্রচার মাধ্যম, কংগ্রেসের অনেক সদস্য এ দেশের মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে সোচ্চার ছিল;
-  যুক্তরাষ্ট্রের সরকার, চীন এবং ইরান ও সৌদি আরব সহ মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য মুসলিম দেশ মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষে ছিল।
- তবে মার্কিন শিল্পী, সাহিত্যিক এবং অনেক রাজনীতিবিদ বাংলাদেশের পক্ষে ছিলেন।
- পণ্ডিত রবি শংকরের উদ্যোগে আয়োজিত হয় ।
- স্থান: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক।
- অনুষ্ঠান: 'কনসার্ট ফর বাংলাদেশ'
- দর্শক: অনুষ্ঠানে ৪০,০০০ দর্শকের উপস্থিতি ছিল।
- শিল্পী: জর্জ হ্যারিসন, বব ডিলানসহ বিশ্বখ্যাত শিল্পীরা অংশগ্রহণ করেন।
- এই অনুষ্ঠানটির মধ্য দিয়ে আমাদের মুক্তিযুদ্ধের জন্য অর্থ জোগানের ব্যবস্থা হয়।
 
উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।

৮৭২.
মেজর সি আর দত্ত কোন সেক্টরের কমান্ডার ছিলেন?
  1. সেক্টর - ২
  2. সেক্টর - ৪
  3. সেক্টর - ৬
  4. সেকটর - ৮
সঠিক উত্তর:
সেক্টর - ৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সেক্টর - ৪
ব্যাখ্যা
- ১৯৭১ সালের জুন মাসে প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিপরিষদের বৈঠকে এই সেক্টর গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
- জানানো হয়, ১১টি সেক্টরের প্রতিটি সেক্টরে একজন করে সেক্টর কমান্ডার নিযুক্ত হবেন।

৪ নম্বর সেক্টর
- সিলেট জেলার পূর্বাঞ্চল, খোয়াই-শায়েস্তাগঞ্জ রেললাইন বাদে পূর্ব ও উত্তর দিকে সিলেট-ডাউকি সড়ক পর্যন্ত এলাকা নিয়ে ছিলো ৪ নম্বর সেক্টর।
- এ সেক্টরের প্রথম হেডকোয়ার্টার ছিলো করিমগঞ্জ।
- পরবর্তীতে তা আসামের মাসিমপুরে স্থানান্তর করা হয়।
- প্রথম সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর চিত্তরঞ্জন দত্ত (সি আর দত্ত )।
- এরপর দায়িত্ব নেন ক্যাপ্টেন এ. রব।

প্রায় ৯ হাজার গেরিল‍া যোদ্ধা ও প্রায় চার হাজার নিয়মিত বাহিনীর ৪ নম্বর সেক্টরের অন্তর্ভুক্ত ছয়টি সাব-সেক্টরের কমান্ডার ছিলেন-
• জালালপুর - মাহবুবুর রব সাদী।
• বড়পুঞ্জী - ক্যাপ্টেন এ. রব।
• আমলাসিদ - লেফটেন্যান্ট জহির।
• কুকিতল - ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট কাদের ও ক্যাপ্টেন শরিফুল হক।
• কৈলাশ শহর - লেফটেন্যান্ট ওয়াকিউজ্জামান।
• কামালপুর- ক্যাপ্টেন এনাম।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া ও প্রথম আলো।
৮৭৩.
আয়তনে বাংলাদেশের সবচেয়ে ছোট বিভাগ কোনটি?
  1. ময়মনসিংহ
  2. বরিশাল
  3. রাজশাহী
  4. সিলেট
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা

- এর মধ্যে আয়তনে সবচেয়ে ছোট বিভাগ ময়মনসিংহ।

বিভাগ:

- বাংলাদেশে মোট ৮টি বিভাগ রয়েছে।
- এর মধ্যে আয়তনে সবচেয়ে ছোট বিভাগ ময়মনসিংহ।
- এর আয়তন ১০,৫৫২ বর্গ কিমি।
- আয়তনে সবচেয়ে বড় বিভাগ চট্টগ্রাম ৩৩,৯০৪ বর্গ কিমি।
- জনসংখ্যায় সবচেয়ে বড় বিভাগ ঢাকা এবং সবচেয়ে ছোট বরিশাল বিভাগ।
- সবচেয়ে বেশি জেলা রয়েছে ঢাকা বিভাগে ১৩টি।
- সবচেয়ে কম ৪টি করে জেলা রয়েছে সিলেট ও ময়মনসিংহ বিভাগে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও বাংলাপিডিয়া।

৮৭৪.
১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশ কয়টি সেক্টরে বিভক্ত ছিল?
  1. ক) ১২টি
  2. খ) ৯টি
  3. গ) ৮টি
  4. ঘ) ১১টি
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১১টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১১টি
ব্যাখ্যা
• ১৯৭১ সালে সংগঠিত বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ পরিচলনায় অস্থায়ী বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে যুদ্ধ পরিচালনার জন্য বাংলাদেশের সমগ্র ভূখণ্ডকে ১১টি যুদ্ধক্ষেত্র বা সেক্টরে ভাগ করা হয়।

সেক্টর নং 
দায়িত্বপ্রাপ্ত কমান্ডার - সেক্টর- ০১ মেজর জিয়াউর রহমান (এপ্রিল-জুন) ও মেজর রফিকুল ইসলাম (জুন-ডিসেম্বর)।
সদর দপ্তর - হরিনা, ত্রিপুরা

সেক্টর- ০২
দায়িত্বপ্রাপ্ত কমান্ডার - মেজর খালেদ মোশাররফ (এপ্রিল-সেপ্টেম্বর) ও মেজর হায়দার (সেপ্টেম্বর-ডিসেম্বর)
সদর দপ্তর - মেলাঘর, ত্রিপুরা

সেক্টর- ০৩
দায়িত্বপ্রাপ্ত কমান্ডার - মেজর শফিউল্লাহ (এপ্রিল-সেপ্টেম্বর) ও মেজর নুরুজ্জামান (সেপ্টম্বর-ডিসেম্বর)
সদর দপ্তর - কলাগাছি, ত্রিপুরা

সেক্টর- ০৪
দায়িত্বপ্রাপ্ত কমান্ডার - মেজর সি আর দত্ত ও করিমগঞ্জ,
সদর দপ্তর - আসাম

সেক্টর- ০৫
দায়িত্বপ্রাপ্ত কমান্ডার - মেজর মীর শওকত আলী
সদর দপ্তর - বাঁশতলা, সুনামগঞ্জ

সেক্টর- ০৬
উইং কমান্ডার খাদেমুল বাশার।
বুড়িমারী, পাটগ্রাম

সেক্টর- ০৭
মেজর কাজী নুরুজ্জামান
তরঙ্গপুর, পশ্চিমবঙ্গ

সেক্টর- ০৮
মেজর ওসমান চৌধুরী (অক্টোবর পর্যন্ত)
মেজর এম. এ মনজুর (এপ্রিল-ডিসেম্বর পর্যন্ত)
বেনাপোল কল্যাণী, ভারত

সেক্টর- ০৯
মেজর আবদুল জলিল (এপ্রিল-ডিসেম্বর পর্যন্ত)
হাসনাবাদ, ভারত

সেক্টর- ১০
মুক্তিবাহিনীর ট্রেনিংপ্রাপ্ত নৌ-কমান্ডারগণ
নেই

সেক্টর- ১১
মেজর আবু তাহের (এপ্রিল-নভেম্বর)

ফ্লাইট লেঃ এম হামিদুল্লাহ (নভেম্বর-ডিসেম্বর)
মহেন্দ্রগঞ্জ, আসাম

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৮৭৫.
‘দ্বীন-ই-ইলাহী’ এর প্রবর্তক কে?
  1. ক) বাবর 
  2. খ) হুমায়ুন
  3. গ) আকবর
  4. ঘ) জাহাঙ্গীর
সঠিক উত্তর:
গ) আকবর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) আকবর
ব্যাখ্যা
• সম্রাট আকবর:
– সম্রাট আকবর ১৫৮২ সালে ‘দীন-ই-ইলাহী’ নামে একেশ্বরবাদমূলক এক নতুন ধর্মমত প্রবর্তন করেন। 
– সকল ধর্মের সারবস্তু নিয়ে এই ধর্মত গঠিত হয়।
–  এই ধর্মমতের কালেমা ছিল ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ আকবর খলিফাতুল্লাহ’।
 
• দ্বীন-ই-ইলাহী রীতি-নীতি, বিধানগুলো ছিল নিম্নরূপ:
১. এই ধর্মের অনুসারীগণ পরস্পর দেখা হলে, ‘আসসালামু আলাইকুম’ এর পরিবর্তে ‘আল্লাহু আকবার’ এবং প্রত্যুত্তরে ‘ওয়া আলাইকুম আস্সালাম’ না বলে ‘জাল্লাজালালুহু’ বলা।
২. এই ধর্মীয় বিধান অনুসারে মৃত্যুর পরে নয়, মৃত্যুর পূর্বেই দাওয়াত বা আমন্ত্রণের ব্যবস্থা করা।
৩. সভ্যগণ নিজ নিজ জন্মদিন পালন এবং ভোজের আয়োজন করবেন।
৪. সভ্যগণ ভিক্ষা প্রদান করবেন কিন্তু ভিক্ষা গ্রহণ করবেন না।
৫. এই ধর্মমত গ্রহণে কাউকে বাধ্য করা হবে না। 

তথ্যসূত্র:  বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণী।
৮৭৬.
আয়তনে বৃহত্তম উপজেলা হচ্ছে -
  1. বাঘাইছড়ি, রাঙামাটি
  2. মহেশখালি, কক্সবাজার
  3. শ্যামনগর, সাতক্ষীরা
  4. ফুলগাজী, ফেনী
সঠিক উত্তর:
শ্যামনগর, সাতক্ষীরা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শ্যামনগর, সাতক্ষীরা
ব্যাখ্যা
বৃহত্তম উপজেলা:
- আয়তনে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় উপজেলা হলো শ্যামনগর উপজেলা, সাতক্ষীরা।
- শ্যামনগর উপজেলা বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত।
- শ্যামনগর উপজেলা হলো খুলনা বিভাগের অন্তর্গত সাতক্ষীরা জেলার একটি উপজেলা।
- শ্যামনগর উপজেলার আয়তন হলো ১,৯৬৮.২৪ বর্গ কিলোমিটার বা ৭৫৯.৯৪ বর্গ মাইল।

তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্যবাতায়ন।
৮৭৭.
প্রাচীনকালে বাংলাদেশের কোন অঞ্চলকে 'বঙ্গ' বলা হতো?
  1. দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব অঞ্চল
  2. পশ্চিম ও দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চল
  3. উত্তর ও উত্তর-পূর্ব অঞ্চল
  4. উত্তর ও উত্তর-পশ্চিম অঞ্চল
সঠিক উত্তর:
দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব অঞ্চল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব অঞ্চল
ব্যাখ্যা
বঙ্গ জনপদ:
- প্রাচীন বাংলা কতগুলো অঞ্চল বা জনপদে বিভক্ত ছিলো।
- এর মধ্যে ‘বঙ্গ' জনপদ ছিলো অন্যতম।
- বর্তমান বরিশাল, ফরিদপুর, বিক্রমপুর, বাখেরগঞ্জ, পটুয়াখালীর নিচু জলাভূমি নিয়ে ‘বঙ্গ' জনপদ গঠিত ছিলো।
- এই অঞ্চলে বসবাসকারী ‘বঙ্গ’ জনগোষ্ঠী থেকে ‘বঙ্গ’ নামের উৎপত্তি ঘটেছে বলে ধারণা করা হয়।

⇒ ঐতরেয় আরণ্যক গ্রন্থে একটি উপজাতির নাম হিসেবে বঙ্গের প্রথম উল্লেখ পাওয়া যায়।
- আর এ অঞ্চলই সম্ভবত টলেমির ‘গঙ্গরিডাই'।
- প্রাচীন শিলালিপিতে বঙ্গের দুটি অঞ্চলের নাম পাওয়া যায়।
- একটি বিক্রমপুর বঙ্গ অন্যটি নাব্য বঙ্গ।
- অনুমান করা যায় ঢাকা-ফরিদপুর-বরিশাল এলাকা নাব্য বঙ্গের অন্তর্ভুক্ত ছিল।
- বাংলায় মুসলমান শাসনামলের প্রাথমিক পর্যায়ে 'বঙ্গ' বলে বাংলার দক্ষিণ ও দক্ষিণপূর্ব অংশকেই বুঝানো হতো।
- মধ্যযুগের বিখ্যাত মুঘল ঐতিহাসিক আবুল ফজল রচিত আইন-ই-আকবরী গ্রন্থে পাওয়া যায় যে, বঙ্গদেশের উত্তরকালীন নাম বঙ্গাল।
- কারণ এ দেশের প্রাচীন রাজাগণ সারাদেশে চওড়া 'আল' নির্মাণ করতেন।
- সেজন্যে ‘বঙ্গ' ও 'আল' শব্দ দুটির যোগে 'বঙ্গাল' নামের উৎপত্তি হয়েছে।

অন্যদিকে -
- সমতট জনপদ বর্তমান বৃহত্তর নোয়াখালী ও কুমিল্লা অঞ্চল জুড়ে বিস্তৃত ছিলো।
- বর্তমান বগুড়া, রংপুর, রাজশাহী ও দিনাজপুর অঞ্চল নিয়ে পুণ্ড্র জনপদটির সৃষ্টি হয়েছিল।
- রাঢ় জনপদ ভারতের পূর্বাঞ্চলের রাজ্য পশ্চিমবঙ্গ ও ঝাড়খণ্ডের একটি ঐতিহাসিক ও ভৌগোলিক অঞ্চল। উত্তর রাঢ় বর্তমান মুর্শিদাবাদ জেলার পশ্চিমাংশ সমগ্র বীরভূম জেলা এবং বর্ধমান জেলার কাটোয়া মহকুমা দক্ষিণ রাঢ় বর্ধমানে দক্ষিণাংশ হুগলি বহুলাংশ এবং হাওড়া জেলা।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
৮৭৮.
মহান মুক্তিযুদ্ধে মুজিবনগর কত নম্বর সেক্টরের অধীনে ছিল? 
  1. ২ নং সেক্টর
  2. ৭ নং সেক্টর
  3. ৮ নং সেক্টর
  4. ৯ নং সেক্টর 
সঠিক উত্তর:
৮ নং সেক্টর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮ নং সেক্টর
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর: 

• মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিলো।
• নৌ-বাহিনীর অধীনে ছিল ১০ নং সেক্টর (সকল নদী ও বঙ্গোপসাগর)। 
• ১০ নং সেক্টরে কোনো নিয়মিত সেক্টর কমান্ডার ছিলো না। 
• চট্টগ্রাম ১নং সেক্টরের অধীনে ছিল। 
• অপরদিকে ঢাকা ২ নং সেক্টর এবং রাজশাহী ৭ নং সেক্টরের অধীনে ছিল।
• মুক্তিযুদ্ধের সময় মুজিব নগর ৮ নং সেক্টরের অধীনে ছিল।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৮৭৯.
'বাহারীস্তান ই গায়েবী' কে লিখেছেন?
  1. ক) আবুল ফজল
  2. খ) মির্জা বুরহান
  3. গ) মির্জা কামরান
  4. ঘ) মির্জা নাথান 
সঠিক উত্তর:
ঘ) মির্জা নাথান 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) মির্জা নাথান 
ব্যাখ্যা
• 'বাহারীস্তান ই গায়েবী:
- 'বাহারীস্তান ই গায়েবী' লিখেছেন - মির্জা নাথান।
- বাহারিস্তান-ই-গায়েবী বাংলার মুগল সেনাপতি আলাউদ্দীন ইসফাহান ওরফে মির্জা নাথান রচিত একটি গ্রন্থ।
- সম্রাট জাহাঙ্গীরের সময়ে মির্জা নাথানের লেখা বাহারীস্তান ই গায়েবী গ্রন্থে সতের শতকের প্রথম দশকে ভাটি অঞ্চলে স্বাধীন জমিদারদের যে তালিকা পাওয়া যায় এ মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী হিসেবে বলা হয় মুসা খান ‘মসনদ-ই-আলা’কে। ১৫৯৯ সালে তিনি জমিদার হন।

- তার রাজ্যসীমা ছিল ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জ, ত্রিপুরার কিছু অংশ এবং সুসঙ্গ ছাড়া ময়মনসিংহের সম্পূর্ণ এলাকা।
- এসময়ের আরেকজন শক্তিশালী জমিদার ছিলেন যশোরের রাজা প্রতাপাদিত্য। তাঁর রাজ্যের পরিধি বর্তমান যশোর, খুলনা ও বাখেরগঞ্জ জেলা নিয়েছিল।
- তার রাজ্য পশ্চিম দিকে ভাগিরথী নদী পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল।

এ ছাড়াও সিলেট এলাকায় বায়জিদ কররানি ও তার অধীনস্থ আফগানদের নিয়ন্ত্রণ ছিল। এ সময় ভুলুয়া রাজ্য ছিল রাজা অনন্ত মানিক্যের নিয়ন্ত্রণে।
- এই রাজ্যটির অবস্থান বর্তমান বৃহত্তর নোয়াখালী। বানিয়াচঙ্গের জমিদার আনোয়ার গাজীও ছিলেন স্বাধীন জমিদারদের মধ্যে একজন। 

তথ্যসূত্র: ইতিহাস (১ম পত্র), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮৮০.
লর্ড রিপন কর্তৃক গঠিত শিক্ষা কমিশনের নাম কী?
  1. রিপন কমিশন
  2. হান্টার কমিশন
  3. নাথান কমিশন
  4. পাওয়েল কমিশন
সঠিক উত্তর:
হান্টার কমিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হান্টার কমিশন
ব্যাখ্যা
• হান্টার কমিশন:
- লর্ড রিপন 'হান্টার কমিশন' নামে শিক্ষা কমিশন গঠন করেন।
- ভারতীয় উপমহাদেশের প্রথম শিক্ষা কমিশন হলো হান্টার কমিশন।
- এটি ১৮৮২ সালে স্যার উইলিয়াম হান্টার কে প্রধান করে গঠিত হয়।
- এতে মোট সাতজন সদস্য ছিলেন।

• লর্ড রিপন:
- লর্ড রিপন স্থানীয় শাসন ব্যবস্থা প্রবর্তন করেন।
- তিনি আফগান সীমান্ত সমস্যার সন্তোষজনক সমাধান করেন।
- তাঁর আমলে দেশীয় সংবাদপত্রের স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৮৮৫ খ্রীষ্ঠাব্দের রাজস্ব ও প্রজাস্বত্ব আইন তাঁর আরেকটি উল্লেখযোগ্য কীর্তি।
- তিনি ফ্যাক্টরি আইন পাস করে শ্রমিকদের জন্য দৈনিক ৮ ঘন্টা কর্মঘণ্টা নির্ধারণ করেন।
- তিনি ইলবার্ট বিল পাস করে ইউরোপীয় ও ভারতীয়দের জাতিগত বৈষম্য নিরসনে সচেষ্ট হন।

উৎস: বাংলাদেশ ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম ও দশম শ্রেণি।
৮৮১.
মুক্তিযুদ্ধের সময় মুজিবনগর থেকে প্রকাশিত বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের বাংলা সাপ্তাহিক মুখপত্র ছিলো কোন পত্রিকাটি?
  1. মুক্তির ডাক
  2. জয়বাংলা
  3. মুক্তির বাণী
  4. স্বাধীনতা
সঠিক উত্তর:
জয়বাংলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জয়বাংলা
ব্যাখ্যা
সাপ্তাহিক জয়বাংলা:
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় মুজিবনগর থেকে প্রকাশিত বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের বাংলা সাপ্তাহিক মুখপত্র।
- পত্রিকাটি মূলত ছিল মুজিবনগরে প্রবাসী বাংলাদেশ সরকারের একটি প্রচার মাধ্যম।
- এর লক্ষ্য ছিল একদিকে মুক্তিযুদ্ধের অগ্রগতি ও মুক্তিযোদ্ধাদের কৃতিত্ব জনসমক্ষে তুলে ধরা এবং অন্যদিকে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষে বিশ্বজনমত সৃষ্টি ও আন্তর্জাতিক সমর্থন লাভ।

- পত্রিকাটি প্রবাসী বাংলাদেশ সরকারের প্রকাশনা, তথ্য, বেতার ও চলচ্চিত্র বিভাগের ব্যবস্থাপনায় প্রকাশিত হয়।
- এই বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত আবদুল মান্নান এমএন-এর উপর পত্রিকাটির সার্বিক ব্যবস্থাপনা ও প্রকাশনার দায়িত্ব ন্যস্ত ছিল।
- তিনি ছিলেন পত্রিকার সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি।
- সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য ছিলেন আবদুল গাফফার চৌধুরী, ইবনে গোলাম সামাদ, মাহবুব উল্লাহ চৌধুরী, আবদুর রাজ্জাক চৌধুরী, মোঃ সলিমুল্লাহ, আসাদ চৌধুরী, আবুল মঞ্জুর, মোহাম্মদ খালেদ, অনু ইসলাম।
- মোঃ জিল্লুর রহমান এমপি ছিলেন সম্পাদক মন্ডলীর উপদেষ্টা।
- পশ্চিমবঙ্গের কয়েকজন বাঙালি শিল্পপতি পত্রিকাটির প্রকাশনায় আর্থিক সহায়তা দান করেন।
- পত্রিকার জন্য নিউজপ্রিন্ট কাগজের যোগান দিতেন কলকাতার আনন্দবাজার গ্রুপ।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া। 
৮৮২.
ভাষা আন্দোলন ভিত্তিক প্রথম পত্রিকার সম্পাদকের নাম কী?
  1. ক) মনির চৌধুরী
  2. খ) হাসান হাফিজুর রহমান
  3. গ) শামসুর রহমান
  4. ঘ) গাজীউল হক
সঠিক উত্তর:
খ) হাসান হাফিজুর রহমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) হাসান হাফিজুর রহমান
ব্যাখ্যা
ভাষা আন্দোলন ভিত্তিক প্রথম পত্রিকা:

- হাসান হাফিজুর রহমান ভাষা আন্দোলন ভিত্তিক প্রথম পত্রিকার সম্পাদক।
- ভাষা আন্দোলন ভিত্তিক প্রথম সম্পাদনা - “একুশে ফেব্রুয়ারি”।
- এটি ১৯৫৩ সালে হাসান হাফিজুর রহমানের সম্পাদনায় প্রকাশিত হয়।
- হাসান হাফিজুর রহমানের সাহিত্যচর্চার শুরু ছাত্রজীবনথেকেই।
- ১৯৪৬ সালে স্কুলে পড়া অবস্থায় তাঁর প্রথম রচনা একটি ছোটগল্প 'অশ্রুভেজা পথ চলতে' সওগাত পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।
- ১৯৪৯ সালে সোনার বাংলা পত্রিকায় প্রকাশিত হয় তাঁর প্রথম কবিতা। এ বছর তিনি 'ঢাকা প্রগতি লেখক ও শিল্পী সঙ্ঘ'-এর সঙ্গে সম্পৃক্ত হন।
- ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনে তিনি সক্রিয় অংশগ্রহণ করেন এবং এ বছরই তাঁর বিখ্যাত কবিতা 'অমর একুশে' রচিত হয়।
- ১৯৫৩ সালে তাঁর সম্পাদনায় প্রকাশিত হয় ভাষা আন্দোলনের ওপর প্রথম সংকলন গ্রন্থ একুশে ফেব্রুয়ারী।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
৮৮৩.
২০২৪ সালের জুলাই–আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের স্মরণে আয়োজিত কনসার্টটির নাম কী ছিল?
  1. Voices of Change
  2. Songs for Justice 
  3. Echoes of Freedom: Charity Concert
  4. Echoes of Revolution: Charity Concert 
সঠিক উত্তর:
Echoes of Revolution: Charity Concert 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Echoes of Revolution: Charity Concert 
ব্যাখ্যা

২০২৪ সালের জুলাই–আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের স্মরণে আয়োজিত কনসার্টটির নাম-  Echoes of Revolution: Charity Concert.
---------------------------------------------------------- 
• Echoes of Revolution: Charity Concert:
- তারিখ: ২১ ডিসেম্বর ২০২৪।
- ভেন্যু: আর্মি স্টেডিয়াম, ঢাকা।
- আয়োজক: Spirits of July এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।
- উদ্দেশ্য:
- জুলাই–আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে নিহত ও আহত ব্যক্তিদের পরিবারের সহায়তার জন্য এই কনসার্টের আয়োজন করা হয়।
- দেশজুড়ে আন্দোলনের শহীদদের স্মরণ ও মানবিক সহযোগিতার বার্তা ছড়িয়ে দিতে এই কনসার্টটি বিশাল সাড়া ফেলে।

উৎস: The Daily Star. 

৮৮৪.
'এক সাগর রক্তের বিনিময়ে' গানটির শিল্পী কে?
  1. স্বপ্না রায়
  2. শাহনাজ রহমত উল্লাহ
  3. নন্দিতা ঘোষ
  4. ফেরদৌসী বেগম
সঠিক উত্তর:
স্বপ্না রায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বপ্না রায়
ব্যাখ্যা
স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র:
- স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ শুরু হওয়ার পরপরই বাংলাদেশের প্রবাসী সরকার কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত বেতার সম্প্রচার কেন্দ্র।
- চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে এর প্রাথমিক যাত্রা শুরু হয়।
- মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের প্রচারিত গানগুলো মানুষকে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণের প্রেরণা যুগিয়েছে।

⇒ জয় বাংলা, বাংলার জয়:
- গীতিকার: গাজী মাজহারুল আনোয়ার।
- সুরকার: আনোয়ার পারভেজ।
- শিল্পী: শাহনাজ রহমত উল্লাহ।

⇒ তীর হারা এই ঢেউয়ের সাগর:
- কথা ও সুর: আপেল মাহমুদ।
- শিল্পী: রথীন্দ্রনাথ রায়।

⇒ পূর্ব দিগন্তে সূর্য উঠেছে, রক্ত লাল রক্ত লাল রক্ত লাল:
- গীতিকার: গোবিন্দ হালদার।
- সুরকার: সমর দাস।
- গানটি কয়েকজন শিল্পীর সমবেত কণ্ঠে প্রচার করা হয়।

⇒ মোরা একটি ফুলকে বাঁচাব বলে যুদ্ধ করি:
- গীতিকার: গোবিন্দ হালদার।
- সুরকার: আপেল মাহমুদ।
- শিল্পী: আপেল মাহমুদ।

⇒ এক সাগর রক্তের বিনিময়ে:
- গীতিকার: গোবিন্দ হালদার।
- সুরকার: আপেল মাহমুদ।
- শিল্পী: স্বপ্না রায়।

⇒ সালাম সালাম হাজার সালাম:
- গীতিকার: ফজলে খোদা।
- সুরকার: আব্দুল জব্বার।
- শিল্পী: আব্দুল জব্বার।

তথ্যসূত্র - প্রথম আলো পত্রিকার রিপোর্ট।
৮৮৫.
খুলনা কলকাতা ট্রেন সার্ভিসের নাম কী?
  1. ক) যমুনা
  2. খ) বন্ধন
  3. গ) একতা
  4. ঘ) মৈত্রী
সঠিক উত্তর:
খ) বন্ধন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বন্ধন
ব্যাখ্যা
ঢাকা-কলকাতা ট্রেন সার্ভিসের নাম ''মৈত্রী এক্সপ্রেস'' এবং খুলনা-কলকাতা ট্রেন সার্ভিসের নাম ''বন্ধন এক্সপ্রেস''।
Source: railway.gov.bd
৮৮৬.
বঙ্গবন্ধুর শাসনামলে বাংলাদেশ বিশ্বের কতটি রাষ্ট্রের স্বীকৃতি অর্জন করে?
  1. ১২৭টি
  2. ১২৮টি
  3. ১২৯টি
  4. ১৩০টি
সঠিক উত্তর:
১৩০টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩০টি
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধুর শাসনামল: 
- বঙ্গবন্ধু সরকার বিশ্বের সকল রাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থকে সবার উপরে স্থান দিয়েছেন।
- মুক্তিযুদ্ধে নানাভাবে সাহায্য সহযোগিতা করায় ভারত, সোভিয়েত ইউনিয়নসহ অন্যান্য সমাজতান্ত্রিক দেশগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের আস্তরিক বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে ওঠে।
- মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা করায় বঙ্গবন্ধু সরকার প্রথম দিকে মার্কিন সাহায্য গ্রহণে অস্বীকৃতি জানায়।
- তবে বঙ্গবন্ধু সরকার দেশের স্বার্থে পুঁজিবাদী ও মুসলিম বিশ্বের দেশগুলোর সঙ্গে সুসম্পর্ক স্থাপনে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করেছিলেন।
- তারপরও বঙ্গবন্ধুর শাসনামলে বাংলাদেশ বিশ্বের ১৩০টি রাষ্ট্রের স্বীকৃতি অর্জন করে।
- এ ছাড়া জাতিসংঘ, কমনওয়েলথ ও ইসলামি সম্মেলন সংস্থার সদস্যপদসহ ১৪টি আস্তর্জাতিক সংগঠনের সদস্যপদ লাভ করে।

উৎস: ইতিহাস ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮৮৭.
মহাস্থানগড় প্রাচীন বাংলার কোন জনপদের রাজধানী ছিল?
  1. গৌড়
  2. পুণ্ড্র
  3. বঙ্গ
  4. রাঢ়
সঠিক উত্তর:
পুণ্ড্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুণ্ড্র
ব্যাখ্যা
পুণ্ড্র:
- পুণ্ড্র শব্দের অর্থ আখ বা ইক্ষু।
- প্রাচীন বাংলার জনপদগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো পুণ্ড্র।
- খুব সম্ভবত পুণ্ড্র বলে একটি জনগোষ্ঠী এ জনপদ গড়ে তুলেছিল।
- বর্তমান বগুড়া, রংপুর, রাজশাহী ও দিনাজপুর এলাকা নিয়ে এ পুণ্ড্র জনপদটির সৃষ্টি হয়েছিল।
- রাজধানীর নাম ছিল পুণ্ড্রনগর। পরবর্তীকালে এর নাম হয় মহাস্থানগড়।
- মহাস্থানগড় প্রাচীন পুণ্ড্র নগরীর ধ্বংসাবশেষ বলে পণ্ডিতেরা মনে করেন।
- প্রাচীন সভ্যতার নিদর্শনের দিক দিয়ে পুণ্ড্রই ছিল প্রাচীন বাংলার সবচেয়ে সমৃদ্ধ নগরসভ্যতা।
- পাথরের চাকতিতে খোদাই করা লিপি এখানে পাওয়া যায়। লিপিটির নাম মহাস্থান ব্রাহ্মীলিপি।
- ধারণা করা হয়, বাংলাদেশে প্রাপ্ত এটিই প্রাচীনতম শিলালিপি।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৮৮৮.
'ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট' গঠন করেন কে?
  1. হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
  2. আবুল কাশেম ফজলুল হক
  3. মাওলানা আতাহার আলী
  4. আবদুল হামিদ খান ভাসানী
সঠিক উত্তর:
হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
ব্যাখ্যা
এন. ডি. এফ:
- এন. ডি. এফ এর পূর্ণরূপ ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট।
- এটি গঠিত হয় হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর উদ্যোগে।
- ১৯৬২ সালে আইয়ুব বিরোধী আন্দোলন শুরু হয়।
- আওয়ামী লীগ, নেজামে ইসলাম, ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি, কাউন্সিল মুসলিম লীগ ও নূরুল আমিনের নেতৃত্বাধীন মুসলিম লীগ মিলে বা এন. ডি. এফ গঠিত হয়।
- এই ফ্রন্ট ১৯৬২ সালে গঠিত হয়।
- এই ফ্রন্টের উদ্দেশ্য ছিল গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও ১৯৫৬ সালের সংবিধানে ফিরে যাওয়া।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮৮৯.
উল্লিখিত ব্যক্তিদের মধ্যে বীরশ্রেষ্ঠ নন কে?
  1. ল্যান্স নায়েক মুন্সি আব্দুর রউফ
  2. ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর
  3. সিপাহী হামিদুর রহমান
  4. সিপাহী মোস্তফা কালাম
সঠিক উত্তর:
সিপাহী মোস্তফা কালাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিপাহী মোস্তফা কালাম
ব্যাখ্যা
• বীরশ্রেষ্ঠ:
- মহান মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ অবদানের জন্যে বঙ্গবন্ধু সরকার ১৯৭৩ সালে সাতজন মুক্তিযোদ্ধাকে সর্বোচ্চ বীরত্বসূচক খেতাব ‘বীরশ্রেষ্ঠ’ প্রদান করেন।
- এদের মধ্যে সেনাবাহিনীর সদস্য তিনজন, সাবেক ই. পি. আর. সদস্য দুইজন এবং বিমান বাহিনী ও নোবাহিনীর একজন করে।

বীরশ্রেষ্ঠরা হলেন:
- ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর : সেনাবাহিনী,
- সিপাহী মোস্তফা কামাল : সেনাবাহিনী, 
- সিপাহী হামিদুর রহমান : সেনাবাহিনী, 
- ইঞ্জিনরুম আর্টিফিসার মোহাম্মদ রুহুল আমিন : নৌবাহিনী, 
- ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান : বিমান বাহিনী,  
- ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখ : সাবেক ই. পি. আর,.
- ল্যান্স নায়েক মুন্সি আব্দুর রউফ : সাবেক ই. পি. আর।

উৎস: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও জাগো নিউজ।
৮৯০.
'রাষ্ট্র বনাম শেখ মুজিবুর রহমান ও অন্যান্য'-এই মামলা থেকে ১৯৬৯ সালের কত তারিখে পাকিস্থান সরকার জাতির পিতাকে মুক্তি দিতে বাধ্য হয়?
  1. ২২ জানুয়ারি
  2. ২২ ফেব্রুয়ারি
  3. ২২ মার্চ
  4. ২২ এপ্রিল
সঠিক উত্তর:
২২ ফেব্রুয়ারি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২২ ফেব্রুয়ারি
ব্যাখ্যা
• আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা:
- ১৯৬৮ সালের ৩ জানুয়ারি আইয়ুব খান সরকার আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দায়ের করে।
- ১৮ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধুকে এই মামলায় অভিযুক্ত করা হয়।
- প্রথম আসামী - শেখ মুজিবুর রহমান।
- শেষ আসমী ছিলেন - লে. আবদুর রউফ।
- বঙ্গবন্ধুকে প্রধান আসামী করে মোট ৩৫ জনকে এই মামলার আসামী করা হয়।

- মামলার নাম “রাষ্ট্র বনাম শেখ মুজিবুর রহমান এবং অন্যান্য”। তবে এটি “আগরতলা ষড়যন্ত্র” মামলা হিসেবেই বেশি পরিচিত।
- ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে ১৯ জুন কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে এই মামলার বিচারকার্য শুরু হয়।
- এই মামলার আসামী সার্জেন্ট জহুরুল হককে ১৫ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৯ বন্দি অবস্থায় গুলি করে হত্যা করা হয়।
- আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার করে ১৯৬৯ সালের ২২শে ফেব্রুয়ারি শেখ মুজিবসহ সকল বন্দিকে নিঃশর্ত মুক্তি দেয়া হয়।

- ১৯৬৮ সালের ৫ আগস্ট ব্রিটিশ আইনজীবী ও ব্রিটিশ পার্লামেন্ট সদস্য টমাস উইলিয়াম শেখ মুজিবের পক্ষে ট্রাইব্যুনাল গঠন সংক্রান্ত বিধানের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট আবেদন পেশ করেন।
- বিশেষ ট্রাইব্যুনালে মামলা পরিচালনায় তাঁর সহযোগী ছিলেন আবদুস সালাম খান, আতাউর রহমান খান প্রমুখ।
- সরকার পক্ষে প্রধান কৌশুলী ছিলেন সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী মঞ্জুর কাদের ও অ্যাডভোকেট জেনারেল টি.এইচ খান।
- ৩ সদস্য বিশিষ্ট ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান ছিলেন বিচারপতি এস এ রহমান। তিনি ছিলেন অবাঙালি। অপর দুজন এম আর খান ও মুকসুমুল হাকিম ছিলেন বাঙালি।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি এবং বাংলাপিডিয়া।
৮৯১.
বর্তমানে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মাসিক সম্মানি ভাতা কত?
  1. ক) ৫,০০০ টাকা
  2. খ) ১০,০০০ টাকা
  3. গ) ১৫,০০০ টাকা
  4. ঘ) ২০,০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২০,০০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২০,০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
অর্থ বিভাগ সূত্রে জানা যায়, ২০১৮-১৯ অর্থবছরে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মানী ভাতা বাবদ ৩ হাজার ৩০৫ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছিল। তখন তাঁরা মাসিক সম্মানী ভাতা পেতেন ১০ হাজার টাকা করে।
২০১৯-২০ অর্থবছরের মাসিক সম্মানী ভাতা ১২ হাজার টাকা করা হয়।
এবং বর্তমানে তা বেড়ে ২০০০০ টাকা হয়েছে।
প্রথম আলো
৮৯২.
BTCL-এর পূর্ণরূপ -
  1. Bangladesh Telecommunications Company Limited
  2. Bangladesh Television Company Limited
  3. Bangladesh Telegram Company Limited
  4. Bangladesh Tobacco Company Limited
সঠিক উত্তর:
Bangladesh Telecommunications Company Limited
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Bangladesh Telecommunications Company Limited
ব্যাখ্যা
BTCL:
- BTCL-এর পূর্ণরূপ: Bangladesh Telecommunications Company Limited. 
- বাংলাদেশ তার ও টেলিফোন বোর্ডের বর্তমান নাম BTCL. 
- বিটিসিএল বাংলাদেশের সরকারি টেলিফোন সংস্থা ও বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ টেলিযোগাযোগ কোম্পানি।
- The Bangladesh Telegraph and Telephone Board Ordinance, 1979 এর বিধান অনুসারে বাংলাদেশ তার ও টেলিফোন বোর্ড (বিটিটিবি) গঠিত হয়। 
- পরবর্তীতে ২০০৮ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় বিটিটিবিকে বিলুপ্ত করে কোম্পানী আইন, ১৯৯৪ এর অধীনে যথাক্রমে বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন্স কোম্পানি লিমিটেড (বিটিসিএল) এবং বাংলাদেশ সাবমেরিন কেবল কোম্পানি লিমিটেড (বিএসসিসিএল) গঠন করা হয়। 
 
উৎস: টেলিযোগাযোগ অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট।
৮৯৩.
নিচের কোনটি ‘বাঙালির মুক্তির সনদ’ নামে পরিচিত?
  1. ক) একুশ দফা
  2. খ) আট দফা
  3. গ) ছয় দফা
  4. ঘ) এগারো দফা
সঠিক উত্তর:
গ) ছয় দফা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ছয় দফা
ব্যাখ্যা
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক রচিত ছয়দফা দাবী কে ‘বাঙালির মুক্তির সনদ’ বা ‘ম্যাগনাকার্টা’ বলা হয়।
- ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারী পাকিস্তানের লাহোরে অনুষ্ঠিত বিরোধীদলসমূহের সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু প্রথম ছয়দফা দাবী উত্থাপন করেন।
- একই বছরের ১৮-১৯ মার্চ আওয়ামীলীগের ওয়ার্কিং কমিটির সভায় ছয়দফা গৃহিত হয় এবং ২৩শে মার্চ বঙ্গবন্ধু সংবাদ সম্মেলনে আনুষ্ঠানিকভাবে ছয়দফা উত্থাপন করেন।
- ৭ জুন ‘ছয়দফা দিবস’ পালিত হয়।
(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া)
৮৯৪.
নিচের কোনটি স্বাধীন বাংলা বেতারকেন্দ্র থেকে প্রচারিত কথিকা নয়?
  1. ক) পিণ্ডির প্রলাপ
  2. খ) জয়বাংলা
  3. গ) কাঠগড়ার আসামী
  4. ঘ) চরমপত্র
সঠিক উত্তর:
খ) জয়বাংলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) জয়বাংলা
ব্যাখ্যা
স্বাধীন বাংলা বেতারকেন্দ্র থেকে প্রচারিত কথিকাসমূহ:
- পিণ্ডির প্রলাপ : তোয়াব খান (কথক)
- চরমপত্র : এম আর আখতার মুকুল (কথক)
- জনতার সংগ্রাম : রণেশ দাশগুপ্ত, বিপ্রদাস বড়ুয়া (কথক)
- পুতুল নাচের খেল : আবদুল গাফফার চৌধুরী (কথক)
- কাঠগড়ার আসামি : মুস্তাফিজুর রহমান (কথক)
- রক্তের অক্ষরে লিখি : মোহাম্মদ আবু জাফর (কথক)
- সাময়িকী : আবুল কাশেম সন্দ্বীপ (কথক)।
অন্যদিকে,
- জয়বাংলা হলো মুজিবনগর সরকার থেকে প্রকাশিত একটি পত্রিকা।

(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র : পঞ্চম খণ্ড)
৮৯৫.
১৯৭০ সালের প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচনে আওয়ামীলীগ কয়টি আসনে নির্বাচিত হয়?
  1. ক) ২৮৮ টি
  2. খ) ১৬০ টি
  3. গ) ১৬৭ টি
  4. ঘ) ২৯৮টি
সঠিক উত্তর:
ক) ২৮৮ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ২৮৮ টি
ব্যাখ্যা

১৯৭০ এর নির্বাচনে মোট ২৪টি দল অংশ নেয়। ৩০০টি আসনে মনোনয়নপত্র জমা দেন মোট এক হাজার ৯৫৭ জন প্রার্থী। মনোনয়নপত্র বাছাই শেষে এক হাজার ৫৭৯ জন প্রার্থী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।
- জাতীয় পরিষদে আওয়ামী লীগ ১৭০ আসনে প্রার্থী দেয়। এর মধ্যে ১৬২টি আসন পূর্ব পাকিস্তানে এবং বাকিগুলো পশ্চিম পাকিস্তানে।
- আওয়ামী লীগ ১৬০টি আসনে জয়লাভ করে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে। সংরক্ষিত ও স্বতন্ত্র নির্বাচিত সদস্য আওয়ামী লীগে যোগ দেওয়ায় মোট আসন সংখ্যা দাঁড়ায় - ১৬৭টি।

- আবার প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ পূর্ব পাকিস্তান অ্যাসেম্বলির ৩০০টি আসনের মধ্যে ২৮৮টিতে সরাসরি ভোটে জয়লাভ করে।
- স্বতন্ত্র ও সংরক্ষিত নারী আসনে জয়লাভ করে আওয়ামী লীগে যোগ দিলে আওয়ামী লীগের দলীয় আসন দাঁড়ায় - ২৯৮টি।

( তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া)

৮৯৬.
‘চিরঞ্জীব মুজিব’ চলচ্চিত্রের পরিচালক -
  1. শ্যাম বেনেগাল
  2. সন্তু রায়
  3. সেলিম খান
  4. নজরুল ইসলাম
সঠিক উত্তর:
নজরুল ইসলাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নজরুল ইসলাম
ব্যাখ্যা
চিরঞ্জীব মুজিব:
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রচিত অসমাপ্ত আত্মজীবনী গ্রন্থ অবলম্বনে নির্মিত চলচ্চিত্র হলো চিরঞ্জীব মুজিব।
- এটির পরিচালনা করেন প্রধানমন্ত্রীর স্পিচ রাইটার নজরুল ইসলাম।
- হায়দার এন্টারপ্রাইজের ব্যানারে নির্মিত চলচ্চিত্রটি আগস্ট মাসে মুক্তি পায়।
- চলচ্চিত্রটিতে বঙ্গবন্ধু চরিত্রে অভিনয় করেন আহমেদ রুবেল।
 
উৎস: ১ জানুয়ারি ২০২২, প্রথম আলো।
৮৯৭.
মুজিবনগর সরকারের উপদেষ্টা কমিটির আহবায়ক কে ছিলেন?
  1. আবদুল হামিদ খান ভাসানী
  2. তাজউদ্দীন আহমেদ
  3. মোজাফফর আহমদ
  4. মনোরঞ্জন ধর
সঠিক উত্তর:
তাজউদ্দীন আহমেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তাজউদ্দীন আহমেদ
ব্যাখ্যা
মুজিবনগর সরকারের উপদেষ্টা কমিটি গঠন:
- মুজিবনগর সরকারকে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ে উপদেশ প্রদান করার জন্য মুক্তিযুদ্ধে সমর্থনদানকারী বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দকে নিয়ে ৮ সদস্য বিশিষ্ট একটি উপদেষ্টা কমিটি গঠিত হয় (৯ সেপ্টেম্বর ১৯৭১)।
- মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী এই কমিটির নেতা।
- এর আহবায়ক ছিলেন তাজউদ্দীন আহমেদ।
- কমিটির অন্যান্য সদস্যরা ছিলেন:
• অধ্যাপক মোজাফফর আহমদ (মস্কোপন্থী ন্যাপ এর প্রতিনিধি)।
• মনি সিংহ (কমিউিনিস্ট পার্টির প্রতিনিধি)।
• মনোরঞ্জন ধর (কংগ্রেস দলের নেতা)।
• ক্যাপ্টেন মনসুর আলী (আওয়ামী লীগ দলের প্রতিনিধি)।
• এ. এইচ. এম. কামারুজ্জামান (আওয়ামী লীগ দলের প্রতিনিধি)।
• খন্দকার মোশতাক আহমদ (মুজিবনগর সরকারের প্রতিনিধি)।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮৯৮.
বাংলাদেশের কোন অভিনেত্রী সত্যজিৎ রায়ের 'অশণি সংকেত' চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন?
  1. চম্পা
  2. শাবানা
  3. ববিতা
  4. জয়া আহসান
সঠিক উত্তর:
ববিতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ববিতা
ব্যাখ্যা

 • চলচ্চিত্র: 'অশণি সংকেত'- 
- চলচ্চিত্রকার সত্যজিৎ রায় ১৯৭৩ সালে ‘অশনি সংকেত’-এর জন্য বার্লিন চলচ্চিত্র উৎসবে গোল্ডেন বেয়ার পুরস্কার অর্জন করেন।
- সত্যজিৎ রায়ের 'অশনি সংকেত' ছবিতে অনঙ্গ বৌ চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন বাংলাদেশের অভিনেত্রী ববিতা।

• সত্যজিৎ রায়ের চলচ্চিত্রসমূহের (২৮টি) উল্লেখযোগ্য হলো:
- পথের পাঁচালী (১৯৫৫),
- অপরাজিত (১৯৫৬),
- অপুর সংসার (১৯৫৯),
- দেবী (১৯৬০),
- তিন কন্যা (১৯৬১),
- রবীন্দ্রনাথ (১৯৬১),
- কাঞ্চনজঙ্ঘা (১৯৬২),
- অভিযান (১৯৬২),
- চারুলতা (১৯৬৪),
- নায়ক (১৯৬৬),
- অশনি সংকেত (১৯৭৩),
- হীরক রাজার দেশে (১৯৮০),
- ঘরে বাইরে (১৯৮৪),
- আগন্তুক (১৯৯১)

উৎস: বিবিসি বাংলা।লিঙ্ক]

৮৯৯.
মুক্তিযুদ্ধের সময় 'কাদেরিয়া বাহিনী' কোন অঞ্চলে গড়ে উঠে?
  1. সিরাজগঞ্জে
  2. ঝিনাইদহে
  3. টাঙ্গাইলে
  4. ফরিদপুরে
সঠিক উত্তর:
টাঙ্গাইলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টাঙ্গাইলে
ব্যাখ্যা
মুক্তিবাহিনী:
- বাংলাদেশের অভ্যন্তরেও অনেকে গেরিলা বাহিনী গঠন করেন। 
- যেমন:
• টাঙ্গাইলের কাদের সিদ্দিকীর কাদেরিয়া বাহিনী।

• সিরাজগঞ্জে রফিক মির্জা বাহিনী। 
• ফরিদপুরের হেমায়েত বাহিনী। 
• ঝিনাইদহের আকবর বাহিনী।
• বরিশালের কুদ্দুস বাহিনী।
• ময়মনসিংহের আফসার বাহিনী।
• ভারতের বাহিনীর মেজর জেনারেল ওবানের অধীনে বঙ্গবন্ধুর নামে ‘মুজিব বাহিনী’ নামে একটি বাহিনী গঠিত হয়।

উৎস:  বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯০০.
How many enclaves of India came under Bangladesh through enclave exchange of 2015?
  1. 162
  2. 51
  3. 111
  4. 70
  5. 55
সঠিক উত্তর:
111
উত্তর
সঠিক উত্তর:
111
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যবর্তী ছিট্মহল বিনিময়:

- ছিটমহল বিনিময় কার্যকর হয় ২০১৫ সালের ৩১ জুলাই মধ্যরাতে।
- বাংলাদেশ ভারতের মধ্যে মোট ১৬২ টি ছিটমহল বিনিময় হয়।
- বাংলাদেশের মধ্যে থাকা ভারতের ১১১টি ছিটমহল বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্ত।
- ভারতের মধ্যে থাকা বাংলাদেশের ৫১টি ছিটমহল ভারতের অন্তর্ভুক্ত।
- বাংলাদেশের ভাগে অন্তর্ভুক্ত ১৭,১৬০ একর জায়গা।
- ভারতের ভাগে অন্তর্ভুক্ত ৭১১০ একর জায়গা।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।