বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশের জাতীয় বিষয়াবলি

মোট প্রশ্ন১২,৪২১এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশের জাতীয় বিষয়াবলি

PrepBank · পাতা ৭৯ / ১২৪ · ৭,৮০১৭,৯০০ / ১২,৪২১

৭,৮০১.
কে অপারেশন সার্চলাইট এর নীল নকশা তৈরি করেন?
  1. ক) ইয়াহিয়া খান
  2. খ) ভুট্টো
  3. গ) টিক্কা খান
  4. ঘ) মো. আলী জিন্নাহ
সঠিক উত্তর:
গ) টিক্কা খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) টিক্কা খান
ব্যাখ্যা
• মুক্তিযুদ্ধ:
- ১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ কালরাতে পাকিস্তানী সামরিক বাহিনী নিরীহ নিরস্ত্র বাঙালিদের উপর 'অপারেশন সার্চ লাইট' পরিচালনা করে।
- এই অপারেশনে ঢাকা শহর জুড়ে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ ও গণহত্যা চালানো হয়।
- ১৮ মার্চ, ১৯৭১ জেনারেল টিক্কা খান এবং মেজর জেনারেল রাও ফরমান আলী অপারেশন সার্চ লাইটের নীলনকশা প্রস্তুত করেন।
- সব প্রস্তুতি শেষে ২৫ মার্চ এই অপারেশন চালানো হয়।
- মেজর জেনারেল রাও ফরমান আলী ঢাকা শহরে অপারেশন সার্চ লাইটের মূল দায়িত্বে ছিলেন।

তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী।
৭,৮০২.
বাংলায় আকবরের শেষ সুবাদার ছিলেন -
  1. কেদার রায়
  2. ইসলাম খান
  3. ঈসা খান
  4. মানসিংহ
সঠিক উত্তর:
মানসিংহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মানসিংহ
ব্যাখ্যা

রাজা মানসিংহ:
- বাংলায় আকবরের শেষ সুবাদার ছিলেন রাজা মানসিংহ।
- তিনি ছিলেন রাজপুত এবং একজন দক্ষ সেনাপতি।
- মানসিংহ তাঁর ছেলে দুর্জন সিংহকে বিশাল বাহিনী নিয়ে ভাটি আক্রমণ করতে পাঠান।
- ব্রহ্মপুত্র তীরে এগারসিন্ধুতে ঈসা খান দুর্জন সিংহকে পরাজিত ও নিহত করেন।
- ঈসা খানের সাথে মানসিংহের একক যুদ্ধ হয়।
- ঈসা খান মানসিংহকে একক যুদ্ধে আহ্বান করেন এবং ঘোষণা করেন যে, যুদ্ধে জয়ী যিনি হবেন তিনিই বাংলার কর্তৃত্ব লাভ করবেন। 

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭,৮০৩.
বাঙালি জাতির নৃতাত্ত্বিক গঠনে কোন নৃগোষ্ঠীর প্রভাব সবচেয়ে বেশি?
  1. আর্য
  2. অস্ট্রিক
  3. মঙ্গোলীয়
  4. নেগ্রিটো
সঠিক উত্তর:
অস্ট্রিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অস্ট্রিক
ব্যাখ্যা

• নৃতাত্ত্বিক গঠন প্রক্রিয়ার দিক থেকে বাঙালি জাতি হলো একটি সংকর জাতি।
- বাঙালি জাতিধারার নৃতাত্ত্বিক গঠনে বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর অংশগ্রহণ থাকলেও অস্ট্রিক জাতির ভূমিকা সর্বাধিক। 
- ইন্দোচীন থেকে আদি অস্ট্রেলীয় নরগোষ্ঠীর অন্তর্গত ‘অস্ট্রিক’ জাতি প্রাক আর্য যুগে বাংলায় বসতি স্থাপন করে। এই অস্ট্রিক নরগোষ্ঠী থেকেই বাঙালি জাতির প্রধান অংশ গড়ে উঠেছে।
- অস্ট্রিক নরগোষ্ঠীর সাথে দ্রাবিড় ও আর্য জাতির সংমিশ্রণে বাঙালি জাতি গড়ে উঠেছে।
- তবে ইতিহাসের নানা পর্যায়ে বাঙালি রক্তপ্রবাহে ভোটচীনীয়, ককেশীয়, ইংরেজ, পর্তুগিজ প্রভৃতি জাতিসত্ত্বার সংমিশ্রণ ঘটেছে।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া ও বাঙালির ইতিহাস, নিহাররঞ্জন রায়। 

৭,৮০৪.
স্বাধীনতা যুদ্ধে অবদানের জন্য বর্তমানে কত জনের খেতাব বহাল রয়েছে?
  1. ৬৭২ জন
  2. ৬৭৪ জন
  3. ৬৭৬ জন
  4. ৬৭৮ জন
সঠিক উত্তর:
৬৭২ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬৭২ জন
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধের খেতাব:
- মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদান ও বীরত্বের জন্যে ১৯৭৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর বঙ্গবন্ধু সরকার মোট ৬৭৬ জনকে চারটি বীরত্বসূচক খেতাব বা উপাধি প্রদান করে। এগুলো হলো:
- সর্বোচ্চ খেতাব বীরশ্রেষ্ঠ : ৭জন।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ খেতাব বীরউত্তম : ৬৮ জন।
- তৃতীয় সর্বোচ্চ খেতাব বীরবিক্রম : ১৭৫ জন।
- চতুর্থ সর্বোচ্চ খেতাব বীরপ্রতীক : ৪২৬জন।

- ৬ জুন ২০২১ তারিখে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় বঙ্গবন্ধু হত্যার চার আসামীর মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্যে প্রদত্ত খেতাব বাতিল করে।
- স্বাধীনতা যুদ্ধে অবদানের জন্য বর্তমানে ৬৭২ জনের খেতাব বহাল রয়েছে। এর মধ্য:
- বীরশ্রেষ্ঠ : ৭জন।
- বীর উত্তম: ৬৭ জন।
- বীর বিক্রম: ১৭৪ জন।
- বীর প্রতীক : ৪২৪ জন।

তথ্যসূত্র - মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও বাংলাপিডিয়া।
৭,৮০৫.
‘শিখা চিরন্তন’ কোথায় অবস্থিত অবস্থিত?
  1. ক) ঢাকা সেনানিবাস
  2. খ) সোহরাওয়ার্দী উদ্যান
  3. গ) শেরেবাংলা নগর
  4. ঘ) সাভার
সঠিক উত্তর:
খ) সোহরাওয়ার্দী উদ্যান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সোহরাওয়ার্দী উদ্যান
ব্যাখ্যা
শিখা চিরন্তন স্বাধীনতাসংগ্রামের জ-লন্ত স্মারক, বাঙালির শৌর্যবীর্য আর অহংকারের প্রতীক। এটি রাজধানী ঢাকার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে (তৎকালীন ঐতিহাসিক রেসকোর্স ময়দান) অবস্থিত। ১৯৭১ সালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এ স্থানে দাঁড়িয়ে ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণ দেন। [সূত্র: কালের কণ্ঠ]
৭,৮০৬.
সুতরাং চলচ্চিত্রটি কে পরিচালনা করেছেন?
  1. সুভাষ মুখোপাধ্যায়
  2. এনায়েত করিম বাবুল
  3. মোরশেদুল ইসলাম
  4. সুভাষ দত্ত
সঠিক উত্তর:
সুভাষ দত্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুভাষ দত্ত
ব্যাখ্যা
সুতরাং:
- সুতরাং ১৯৬৪ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত বাংলাদেশের স্বাধীনতাপূর্ব একটি পাকিস্তানি বাংলা ভাষার চলচ্চিত্র।
- ছবিটি পরিচালনা করেছেন সুভাষ দত্ত। 
- তিনি এই ছবিতে একটি গ্রামের ছেলের চরিত্রে অভিনয় করেছেন।
- সুভাষ দত্ত ছাড়াও ছবির প্রধান প্রধান চরিত্রগুলোতে অভিনয় করেছেন কবরী, রানী সরকার, বেবী জাসমীন, বেবী জামান, মেছবাহ, আকবর, মঞ্জুর, ইনাম, সিরাজ, মেহেদী, খান জইনুলসহ আরো অনেকে।
- সৈয়দ শামসুল হক এই চলচ্চিত্রের চিত্রনাট্য, সংলাপ রচনা করেছিলেন এবং সকল গানের গীতিকার ছিলেন.

উল্লেখ্য,
- এটি সুভাষ দত্তের প্রথম পরিচালিত চলচ্চিত্র।
- এই চলচ্চিত্রের মাধ্যমে সত্য সাহার চলচ্চিত্র সংগীত পরিচালনার অভিষেক ঘটে।
- এটি বাংলাদেশের প্রথম চলচ্চিত্র হিসেবে আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র সম্মাননা লাভ করেছিল।
- ১৯৬৫ সালে ফ্রাংকফুর্ট চলচ্চিত্র উৎসবে দ্বিতীয় শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র হিসেবে পুরস্কার লাভ করে।

উৎস: BBC.
৭,৮০৭.
বরেন্দ্র মিউজিয়াম কোথায় অবস্থিত?
  1. রাজশাহী
  2. বগুড়া
  3. দিনাজপুর
  4. ঢাকা
সঠিক উত্তর:
রাজশাহী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাজশাহী
ব্যাখ্যা
বরেন্দ্র জাদুঘর:
- বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর বাংলাদেশের প্রথম জাদুঘর।
- এটি রাজশাহী শহরের কেন্দ্রস্থল হাতেম খাঁন মহল্লায় অবস্থিত। 
- এটি বরেন্দ্র রিসার্চ সোসাইটির একটি বড় অর্জন।
- বরেন্দ্র অঞ্চলের রাজন্যবর্গ সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য সংরক্ষণের জন্য ১৯১০ সালে এটি প্রতিষ্ঠা করেন।
- ১৯১৩ খ্রিষ্টাব্দের ১৩ নভেম্বর বাংলার তৎকালীন গভর্নর কারমাইকেল জাদুঘরটি উদ্বোধন করেন। 
- বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘরে প্রদর্শিত সুষমামন্ডিত শত শত মূর্তি, রাজ্যপালের ভাতুরিয়া লিপি, প্রথম মহিপালের রাজভিটালিপি, দেওপাড়া প্রশস্তি এবং লক্ষণ সেনের বাগবাড়ী প্রশস্তিতে বরেন্দ্রের নিজস্ব শিল্প ঘরানার যথার্থতা উন্মোচিত হয়েছে।
- বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘরে রয়েছে সমৃদ্ধশালী একটি পুঁথি সংগ্রহশালা।
- এছাড়াও রয়েছে প্রায় পনেরো হাজার দুষ্প্রাপ্য গ্রন্থ ও পত্রিকা সমৃদ্ধ একটি গ্রন্থাগার।
- বর্তমানে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় এটি পরিচালনা করে থাকে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৭,৮০৮.
পাকিস্তানে প্রথম সামরিক শাসন প্রত্যাহার করেন -
  1. মালিক ফিরোজ খান
  2. ইয়াহিয়া খান
  3. আইয়ুব খান
  4. ইস্কান্দার মির্জা
সঠিক উত্তর:
আইয়ুব খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইয়ুব খান
ব্যাখ্যা
• সামরিক শাসন প্রত্যাহার:
- পাকিস্তান ইসলামি প্রজাতন্ত্রের প্রথম প্রেসিডেন্ট ইস্কান্দার মির্জা ১৯৫৮ সালের ৭ অক্টোবর মালিক ফিরোজ খানের সংসদীয় সরকার উৎখাত করে দেশে সামরিক শাসন জারি করেন।
- সেনাপ্রধান আইয়ুব খানকে প্রধান সামরিক শাসক নিযুক্ত করেন।

অন্যদিকে,
- ২৭ অক্টোবর জেনারেল আইয়ুব খান ইস্কান্দার মির্জাকে সড়িয়ে ক্ষমতা দখল করে নিজেকে প্রেসিডেন্ট ঘোষণা করেন।
- ১৯৬২ সালের ৮ জুন আইয়ুব খান সামরিক শাসন প্রত্যাহার করেন।
- ইয়াহিয়া খান ২৫ মার্চ ১৯৬৯ সালে দ্বিতীয়বারের মতো পাকিস্তানে সামরিক শাসন জারি করেন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি এবং বাংলাপিডিয়া।
৭,৮০৯.
প্রাচ্যের ডান্ডি নামে খ্যাত-
  1. নরসিংদী
  2. গাজীপুর
  3. বরিশাল
  4. নারায়ণগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
নারায়ণগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নারায়ণগঞ্জ
ব্যাখ্যা
নারায়ণগঞ্জ: 
- দেশের ক্ষুদ্রতম জেলা। 
- দেশের বৃহত্তম নদীবন্দর।
- পরিবহন ও যোগাযোগ ব্যবস্থার সুবিধা থাকায় এ জেলায় নিবিড় বসতি গড়ে উঠেছে। 
- এখানে অসংখ্য শিল্প-কারখানা রয়েছে এবং ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার ঘটেছে। 
- এসব কারণে নারায়নগঞ্জকে ‘প্রাচ্যের ডান্ডি' বলে অভিহিত করা হয়।

উৎস: ভূগোল দ্বিতীয়পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৮১০.
'কারাগারের রোজনমচা' গ্রন্থটির লেখক কে?
  1. বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
  2. মাওলানা ভাসানী
  3. জাহানারা ইমাম
  4. ড. কামাল হোসেন
সঠিক উত্তর:
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
ব্যাখ্যা
- কারাগারের রোজনামচা হলো বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রচিত দ্বিতীয় আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ।
- বাংলা একাডেমি ২০১৭ সালের ১৭ মার্চ বঙ্গবন্ধুর জন্মদিনে বইটি প্রকাশ করে।
- এটির ভূমিকা লেখেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
- ১৯৬৬ থেকে ১৯৬৮ সাল পর্যন্ত বঙ্গবন্ধু কারান্তরীন থাকালীকান তার জেল জীবনের ডায়েরিকে ‘কারাগারের রোজনামচা’ নামে বই আকারে প্রকাশ করা হয়।
 
১৯৬৬ সালে ৬ দফা দেবার পর বাঙালি জাতির অবিসংবাদিত নেতা গ্রেফতার হন । ১৯৬৬ সাল থেকে ১৯৬৯ সাল পর্যন্ত বন্দি থাকেন। সেই সময়ে কারাগারে প্রতিদিনের ডায়েরি লেখা শুরু করেন। ১৯৬৮ সাল পর্যন্ত লেখাগুলি এই বইয়ে প্রকাশ করা হয়েছে।বইটির ইংরেজি অনুবাদ করেন অধ্যাপক ড. ফকরুল আলম।

(তথ্যসূত্র: কারাগারের রোজনামচা)।
৭,৮১১.
মুজিবনগর সরকারের ‘ক্যাবিনেট সচিব’ ছিলেন কে?
  1. এম মনসুর আলী
  2. এইচ টি ইমাম
  3. আবু সাঈদ চৌধুরী
  4. খন্দকার আসাদুজ্জামান
সঠিক উত্তর:
এইচ টি ইমাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এইচ টি ইমাম
ব্যাখ্যা
• মুজিবনগর সরকার:
- মুক্তিযুদ্ধকালীন গঠিত গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার অর্থাৎ স্বাধীন বাংলাদেশ সরকার মুজিবনগর সরকার নামে পরিচিত।
- মুজিবনগর সরকার গঠিত হয় ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল। 
- মুজিবনগর সরকার শপথ গ্রহণ করে ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল। 
- এ শপথ বাক্য পাঠ করান অধ্যাপক ইউসুফ আলী। 
- মুজিবনগর সরকারের ‘ক্যাবিনেট সচিব’ ছিলেন - এইচ টি ইমাম।

- মুজিবনগর সরকারের রাষ্ট্রপতি ছিলের - বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- উপরাষ্ট্রপতি ও ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি - সৈয়দ নজরুল ইসলাম।
- প্রধানমন্ত্রী - তাজউদ্দিন আহমেদ।
- অর্থ ও বাণিজ্যমন্ত্রী - এম মনসুর আলী।
- স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ, পুনর্বাসন ও কৃষিমন্ত্রী - এএইচএম কামরুজ্জামান।

সূত্র: ইতিহাস প্রথম পত্র, এস এস এইচ এল, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৮১২.
মুক্তিযুদ্ধে খেতাব প্রাপ্তদের মধ্যে নৌবাহিনীর কতজন রয়েছেন?
  1. ক) ১৮ জন
  2. খ) ৩৪ জন
  3. গ) ২৬ জন
  4. ঘ) ২১ জন
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২১ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২১ জন
ব্যাখ্যা
- মুক্তিযুদ্ধে খেতাব প্রাপ্তদের মধ্যে নৌবাহিনীর ২১ জন রয়েছেন

মুক্তিযুদ্ধের খেতাব:
- স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি মন্ত্রিপরিষদ সভায় বীরত্বসূচক খেতাবের নতুন নামকরণ হয়।
- ১৯৭২ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি ৪৩ জন মুক্তিযোদ্ধাকে বীরত্বসূচক খেতাবের জন্য নির্বাচন করা হয়।
- ১৯৭৩ সালের ২৬ মার্চ পূর্বের ৪৩ জনসহ মোট ৫৪৬ জন মুক্তিযোদ্ধা খেতাবের জন্য নির্বাচিত হন।

বিভিন্ন বাহিনীতে খেতাব প্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা:
৭,৮১৩.
কত সালে লবণ সত্যাগ্রহ শুরু হয়?
  1. ১৯২৯ সালে
  2. ১৯৩০ সালে
  3. ১৯৩১ সালে
  4. ১৯৩২ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৩০ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৩০ সালে
ব্যাখ্যা
লবণ সত্যাগ্রহ:
- ১৯৩০ সালের ১২ মার্চ ডান্ডি পদযাত্রা বা লবণ সত্যাগ্রহ শুরু হয়।
- এই সত্যাগ্রহ ছিল ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
- লবণ পদযাত্রা ঔপনিবেশিক ভারতে ব্রিটিশদের একচেটিয়া লবণ নীতির বিরুদ্ধে একটি অহিংস কর প্রদান-বিরোধী প্রতিবাদ আন্দোলন।
- এই আন্দোলনের মাধ্যমেই আইন অমান্য আন্দোলনের সূচনা হয়।
- এই আন্দোলনের নেতৃত্বে ছিলেন মহাত্মা গান্ধী।

উৎস: Britannica.
৭,৮১৪.
‘দানবীর’ বা ‘বাংলার হাতেম তাই’ হিসেবে পরিচিত?
  1. ক) সৈয়দ আহমদ খান
  2. খ) রাজা রামমোহন রায়
  3. গ) মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানি
  4. ঘ) হাজী মোহাম্মদ মহসীন
সঠিক উত্তর:
ঘ) হাজী মোহাম্মদ মহসীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) হাজী মোহাম্মদ মহসীন
ব্যাখ্যা
হাজী মোহাম্মদ মহসীন একজন ধর্মপ্রাণ মুসলিম, চিরকুমার ও মহান জনহিতৈষী ব্যক্তি। তিনি দানশীলতার জন্য দানবীর বা বাংলার হাতেম তাই নামে পরিচিত ছিলেন। ১৭৬৯-৭০ সালের সরকারি দলিল অনুযায়ী তৎকালীন দুর্ভিক্ষের সময় তিনি অনেক লঙ্গরখানা স্থাপন করেন এবং সরকারি তহবিলে অর্থ সহায়তা প্রদান করেন। ১৮০৬ সালে তিনি ‘মহসিন ফান্ড’ নামক তহবিল গঠন করেন। সূত্র- বাংলাপিডিয়া
৭,৮১৫.
বাংলাদেশ থেকে কত সালে জমিদারি প্রথা উচ্ছেদ হয়?
  1. ১৯৫০ সালে
  2. ১৯৫৪ সালে
  3. ১৯৫৮ সালে
  4. ১৯৬০ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৫০ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৫০ সালে
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশে জমিদারি প্রথা ১৯৫০ সালে উচ্ছেদ হয় এবং এটি ১৯৫০ সালের পূর্ববঙ্গ রাজ্য অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইনের মাধ্যমে বিলুপ্ত হয়। এই আইনের মাধ্যমে চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত বিলুপ্ত করে কৃষকদের জমির মালিকানা নিশ্চিত করা হয়।

The State Acquisition and Tenancy Act, 1950: 
- 'রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০ (১৯৫১ সনের ২৮নং আইন' যা ১৯৫০ সালে প্রণয়ন করা হয়।
- এই আইনে পূর্ববাংলায় জমিতে খাজনা সংগ্রাহক ও অন্যান্য স্বার্থধারীদের তালুক অধিগ্রহণের বিধান, তালুকে প্রজাদের সঙ্গে সম্পর্ক এবং এর সঙ্গে সম্পর্কিত আরও অন্যান্য বিষয়ের আইনগত সম্পর্ক সংজ্ঞায়িত করার বিধান রয়েছে।
- আইনটি পাশের আগে এদেশের কৃষিসংক্রান্ত আইন বলতে প্রধানত ছিল ১৭৯৩ সালের বঙ্গীয় চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত প্রবিধান ও বঙ্গীয় প্রজাস্বত্ব আইন, ১৮৮৫। 
- দেশ বিভাগের পর পূর্ববঙ্গ জমিদারি অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব বিল প্রণয়ন করে ১৯৪৮ সালের ৩১ মার্চ তা প্রকাশ করা হয়।
- তারপর এই বিলটিকে আইন পরিষদের বিশেষ কমিটিতে পাঠানো হয়।
- এই পরিপ্রেক্ষিতে বিলটি পাস হওয়ার পর ১৬ মে ১৯৫১ সালে বিলে প্রয়োজনীয় অনুমোদনমূলক সম্মতি পাওয়া যায়।

উল্লেখ্য,
- এই আইনের আওতায় সরকার দেশের একমাত্র জমিদারে পরিণত হয় এবং সরকার পর্যায়ক্রমে জমিতে সকল খাজনা-আদায়ি স্বার্থ অধিগ্রহণ করে।
- এই আইনের ৩ নং ধারা বলবৎ হওয়ায় জমির সকল মালিক সরকারের প্রত্যক্ষ প্রজায় পরিণত হয়।
- এই আইনবলে সরকার হাটবাজার, ফেরি ও মাছ উৎপাদনমূলক জলভাগের মালিক ও ব্যবস্থাপক হয়।
- এই আইনে ১৫২টি ধারা রয়েছে।
- এগুলি পাঁচটি অংশ ও উনিশটি অধ্যায়ে বিভক্ত।

উৎস: ভূমি মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।

৭,৮১৬.
জিন্নাহ প্রদত্ত দ্বি-জাতি তত্ত্বের ভিত্তি কী ছিলো?
  1. ক) জাতিতাত্ত্বিক গঠন
  2. খ) ভাষা
  3. গ) ধর্ম
  4. ঘ) আঞ্চলিকতা
সঠিক উত্তর:
গ) ধর্ম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ধর্ম
ব্যাখ্যা
বিশ শতকের চল্লিশের দশকে মুহম্মদ আলী জিন্নাহ হিন্দু-মুসলিম পৃথক জাতিসত্ত্বা সম্পর্কিত দ্বি-জাতি তত্ত্ব উপস্থাপন করেন। তার দ্বি-জাতি তত্ত্বের ভিত্তি ছিলো ধর্ম।

জিন্নাহ প্রদত্ত দ্বি-জাতি তত্ত্বের আলোকেই লাহোর প্রস্তাব ও দিল্লি প্রস্তাব গৃহীত হয় এবং ১৯৪৭ সালে পাকিস্তান রাষ্ট্রের জন্ম হয়। জিন্নাহ’র পূর্বে স্যার সৈয়দ আহমদ খান এবং আল্লামা ইকবাল মুসলিম জাতীয়তাবাদ সম্পর্কে ধারণা দিয়েছিলেন।

(তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া)
৭,৮১৭.
'মুজিব: একটি জাতির রূপকার' চলচ্চিত্র বঙ্গবন্ধুর চরিত্রে অভিনয় করেছেন কে?
  1. আহমেদ রুবেল
  2. আরিফিন শুভ
  3. দিব্য জ্যোতি
  4. চঞ্চল চৌধুরী
সঠিক উত্তর:
আরিফিন শুভ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আরিফিন শুভ
ব্যাখ্যা
মুজিব: একটি জাতির রূপকার:
- জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জীবনী নিয়ে নির্মিত চলচ্চিত্র ‘মুজিব: একটি জাতির রূপকার’।
- চলচ্চিত্রটি মুক্তি পায় ১৩ অক্টোবর ২০২৩ সালে।
- ১৯ মে ২০২২ সালে ফ্রান্সে ৭৫তম কান চলচ্চিত্র উৎসবে সিনেমাটির প্রাথমিক ট্রেলার মুক্তি পায়।
- বাংলাদেশ ও ভারতের যৌথ প্রযোজনায় সিনেমাটি পরিচালনা করেছেন ভারতের খ্যাতিমান নির্মাতা শ্যাম বেনেগাল।
- এর নির্মাণ ব্যয় ৮৩ কোটি টাকা। বাংলাদেশ মোট অর্থের ৫০ কোটি ও ভারত ৩৩ কোটি টাকা দিয়েছে।
- চলচ্চিত্রটিতে বঙ্গবন্ধুর চরিত্রে অভিনয় করেছেন আরিফিন শুভ।
• খন্দকার মোশতাক আহমদের চরিত্রে অভিনয় করেছেন ফজলুর রহমান বাবু।
• কিশোর শেখ মুজিব চরিত্রে অভিনয় করেছেন দিব্য জ্যোতি।
• রেণু (শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব) চরিত্রে অভিনেত্রী নুসরাত ইমরোজ তিশা।
• শেখ হাসিনা চরিত্রে নুসরাত ফারিয়া।
• শেখ রেহানা চরিত্রে সাবিলা নূর।
• মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী চরিত্রে রাইসুল ইসলাম আসাদ।
• তাজউদ্দীন আহমদ চরিত্রে রিয়াজ।
• এ কে ফজলুল হক চরিত্রে শহীদুল আলম সাচ্চু।
• টিক্কা খান চরিত্রে জায়েদ খান।

তথ্যসূত্র - সময় নিউজ, ১৫ অক্টোবর ২০২৩।
৭,৮১৮.
"উর্দুই হবে পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্র ভাষা" মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ প্রথম কোথায় ঘোষণা করেন?
  1. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
  2. সোহরাওয়ার্দি উদ্যান
  3. পল্টন ময়দান
  4. ইসলামাাবদ
সঠিক উত্তর:
সোহরাওয়ার্দি উদ্যান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সোহরাওয়ার্দি উদ্যান
ব্যাখ্যা
• জিন্নাহ এর ঐতিহাসিক ঘৃণ্য বক্তব্য:
- ১৯৪৮ সালের ১৯শে মার্চ পাকিস্তানের গভর্নর জেনারেল মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ ঢাকায় আসেন।
- ২১ মার্চ রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমানে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) এবং ২৪ মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সমাবর্তনে ভাষণ দেন তিনি।
- তিনি ঢাকার দুটি সভায় বক্তৃতা দেন এবং দুই জায়গাতেই তিনি বাংলা ভাষার দাবিকে উপেক্ষা করে একমাত্র উর্দুকেই পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা হিসেবে ঘোষণা দেন।
- তিনি ছাত্র-শিক্ষকদের উদ্দেশ্যে বলেন যে, 'উর্দু এবং একমাত্র উর্দুই হবে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা' (Urdu and only Urdu shall be the state language of Pakistan)।
- জিন্নাহর এ বক্তব্য পেশের সময় উপস্থিত ছাত্ররা 'না' 'না' ধ্বনি দিয়ে এর প্রতিবাদ জানান।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, ৯ম-১০ম শ্রেণি।
৭,৮১৯.
ছিয়াত্তরের মন্বন্তরের জন্য দায়ী কোনটি?
  1. নিয়ামক আইন
  2. ভারত শাসন আইন
  3. এলাহাবাদ চুক্তি
  4. দ্বৈত শাসন নীতি
সঠিক উত্তর:
দ্বৈত শাসন নীতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্বৈত শাসন নীতি
ব্যাখ্যা
দ্বৈত শাসন ও ছিয়াত্তরের মন্বন্তর:
- ১৭৬৫ সালে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির বাংলার গভর্নর রবার্ট ক্লাইভ দ্বৈতশাসন ব্যবস্থা প্রবর্তন করেন।
- দ্বৈতশাসন অনুসারে রাজস্ব প্রশাসন ও দেশ রক্ষার ভার থাকে কোম্পানির হাতে এবং নিয়ামত বা প্রশাসন ও বিচার বিভাগের দায়িত্ব অর্পিত হয় নবাবের হাতে।
- দ্বৈত শাসনের দায়িত্বহীনতার ফলে বাংলার জনজীবনে অরাজকতা নেমে আসে।
- অবাধ লুণ্ঠন ও যথেচ্ছভাবে রাজস্ব আদায়ের ফলে গ্রাম্যজীবন ধ্বংস হয়ে যায়।
- নবাবের হাতে পর্যাপ্ত অর্থ না থাকায় প্রশাসন পরিচালনায় ব্যর্থ হন।
- সারাদেশে শুরু হয় বিশৃঙ্খলা।

⇒ এর ফল হিসেবে ১৭৭০ খ্রিস্টাব্দে (১১৭৬ বঙ্গাব্দ) দেখা দেয় ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ, যা ছিয়াত্তরের মন্বন্তর নামে পরিচিত।
- এই দুর্ভিক্ষে বাংলার জনসংখ্যার প্রায় এক-তৃতীয়াংশ মৃত্যুমুখে পতিত হয় ৷

⇒ এই পরিস্থিতিতে ১৭৭২ সালে ওয়ারেন হেস্টিংস দ্বৈত শাসন ব্যবস্থা রহিত করেন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
৭,৮২০.
কার শাসনামলে উত্তর বাংলায় মৌর্য সাম্রাজ্যের একটি প্রদেশে পরিণত হয়?
  1. চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য
  2. বিন্দুসার
  3. রাজা অশোক
  4. সমুদ্রগুপ্ত
সঠিক উত্তর:
রাজা অশোক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাজা অশোক
ব্যাখ্যা

মৌর্য শাসনামলে বাংলা: 
- গ্রিক বীর আলেকজান্ডারের ভারত আক্রমণকালে বর্তমান বাংলাদেশ এলাকায় গঙ্গারিডই নামে সমৃদ্ধশালী রাজ্য ছিল।
- এ রাজ্যের রাজধানীর নাম ছিল গঙ্গা। এ সময়কালকে মৌর্য শাসনামল বলে ধারণা করা হয়।
- পণ্ডিতদের ধারণা হলো, 'গঙ্গারিডই' ছিল বর্তমানকালের বাংলা।
- আর্যদের আগমনের আগেই বাংলায় মৌর্য বংশের শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
- চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য ৩২১ খ্রিস্ট পূর্বাব্দে ভারতে মৌর্য বংশের প্রতিষ্ঠা করেন।
- উত্তর বাংলায় মৌর্য শাসন প্রতিষ্ঠিত হয় রাজা অশোকের সময়ে ২৬৯-২৩২ খ্রিস্ট পূর্বাব্দে। বাংলা ছিল মৌর্যদের একটি প্রদেশ।
- এর রাজধানী ছিল প্রাচীন পুণ্ড্র নগর।
-মৌর্য শাসনামলে বাংলা ছিল ঐশ্বর্যপূর্ণ রাজ্য।
- 'গঙ্গারিডই' (বাংলার পূর্বনাম) রাজ্যের রাজধানীতে সূক্ষ্ম মসলিন কাপড় তৈরি হতো, যা সুদূর পশ্চিমা দেশে রপ্তানি হতো।
- মৌর্য সম্রাট অশোকের সময় প্রাচীন পুণ্ড্ররাজ্য মৌর্য সাম্রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত হয়। ফলে উত্তরবঙ্গের এ অঞ্চল তখন মৌর্য শাসনাধীন একটা প্রদেশে পরিণত হয়।

 উৎস: পৌরনীতি , এইচএসসি, উন্মুক্ত ‍বিশ্ববিদ্যালয়।

৭,৮২১.
পূর্ব বাংলায় যুক্তফ্রন্ট (১৯৫৪) মন্ত্রিসভা ক্ষমতায় ছিল মাত্র-
  1. ক) ৪৫ দিন
  2. খ) ৫৬ দিন
  3. গ) ৭৫ দিন
  4. ঘ) ৯০ দিন
সঠিক উত্তর:
খ) ৫৬ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৫৬ দিন
ব্যাখ্যা
১৯৫৪ সালের ৮-১২ মার্চ পূর্ব পাকিস্তানে অনুষ্ঠিত প্রথম অবাধ নির্বাচনে আওয়ামীলীগ, কৃষক শ্রমিক পার্টি, নেজামে ইসলাম ও গণতন্ত্রী দলের সমন্বয়ে গঠিত যুক্তফ্রন্ট ২৩৭টি মুসলিম আসনের মধ্যে ২২৩টি আসন লাভ করে।
৪ এপ্রিল শেরে বাংলার নেতৃত্বে ৫ সদস্যের যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রিসভা গঠিত হয় যা ১৫ই মে ১৪ জনে সম্প্রসারণ করা হয়৷ এ মন্ত্রিসভায় আওয়ামীলীগ যোগদান করলে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি, বন, সমবায় এবং পল্লী উন্নয়ন মন্ত্রী হন।
আদমজী পাটকলে বাঙালি-বিহারি শ্রমিকদের মধ্যে সংঘর্ষে অনেক শ্রমিক নিহত হলে পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় সরকার দায়িত্ব পালনে ব্যর্থতার অজুহাত তুলে ৩০শে মে ১৯৫৪ মাত্র ৫৬ দিনের মাথায় যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রিসভা বাতিল করে কেন্দ্রের শাসন জারি করে।
[সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী, অসমাপ্ত আত্মজীবনী এবং বাংলাপিডিয়া]
৭,৮২২.
লর্ড ক্লাইভ আত্মহত্যা করে-
  1. ১৭৫৭ সালে
  2. ১৭৭৪ সালে
  3. ১৭৬৬ সালে
  4. ১৭৭৬ সালে
সঠিক উত্তর:
১৭৭৪ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭৭৪ সালে
ব্যাখ্যা
রবার্ট ক্লাইভ:

- উপমহাদেশে ইংরেজ শাসনের প্রতিষ্ঠাতা রবার্ট ক্লাইভ।
- উপমহাদেশে ব্রিটিশ শাসনের ইতিহাসে রবার্ট ক্লাইভের স্থান বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ।
- তরুণ বয়সে মাদ্রাজে (বর্তমান চেন্নাই) ঈস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির চাকুরী গ্রহণ করে স্বীয় কর্ম প্রচেষ্টার দ্বারা উপমহাদেশে ইংরেজ শাসনের প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করেছেন।
- ১৭৬৫ খ্রিস্টাব্দে রবার্ট ক্লাইভ সম্রাট দ্বিতীয় শাহ আলমের সাথে এলাহাবাদ চুক্তি স্বাক্ষর করলে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার দিউয়ানি লাভ করে দ্বৈত শাসন প্রবর্তন করে।
- রবার্ট ক্লাইভের চারিত্রিক দোষ থাকা সত্বেও উপমহাদেশে ইংরেজ শক্তির গোড়াপত্তনে তাঁর অবদান অস্বীকার করা যায় না।
- দ্বিতীয় পর্যায়ে তিনি বাংলা জয় করেন। তৃতীয় পর্যায়ে তিনি নবাব ও সম্রাটকে নিয়ন্ত্রণ করে সার্বভৌম ক্ষমতার অধিকারী হন এবং ইংরেজ শাসনের প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করেন।
- পলাশীর যুদ্ধের ১০ বছর পর ১৭৬৭ সালে ক্লাইভ ইংল্যান্ড ফিরে যান। কিন্তু ভারতে রেখে অপরাজনীতির এক জঘন্য ইতিহাস।
- তার দুর্নীতি এমন পর্যায়ে পৌঁছে ১৭৭২ সালে ইংল্যান্ডের পার্লামেন্ট তার দুর্নীতির তদন্ত শুরু করতে বাধ্য হয়। এতে একে একে তার দুর্নীতির তথ্য বেরুতে থাকে।
- অপমানের জ্বালা সহ্য করতে না পেরে ১৭৭৪ সালের ২২ নভেম্বর আত্মহত্যার পথ বেছে নেন।
৭,৮২৩.
বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকারের কয়টি মন্ত্রণালয় ছিল?
  1. ১০টি
  2. ১১টি
  3. ১২টি
  4. ১৩টি
সঠিক উত্তর:
১২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২টি
ব্যাখ্যা
মুজিব নগর সরকার:
- ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল গঠিত হয় মুজিব নগর সরকার। 
- ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল গঠিত মুজিব নগর সরকার শপথ গ্রহন করেন।
- মুজিবনগর সরকারের তথা প্রবাসী বাংলাদেশ সরকারের সদর দপ্তর ছিল কলকাতার ৮নং থিয়েটার রোড।
- সরকারকে নীতি নির্ধারণী পরামর্শ ও সহযোগিতার জন্য ৯ সদস্যের একটি উপদেষ্টা কাউন্সিল গঠন করা হয়।
- বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকারের ১২টি মন্ত্রণালয় বা বিভাগ ছিল। 
- রাষ্ট্রপতি ও মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।

তথ্যসূত্র- বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৮২৪.
স্বাধীনতা যুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ অবদানের জন্য কত সালে মুক্তিযোদ্ধাকে খেতাব প্রদান করা হয়?
  1. ১৯৭৫ সালে
  2. ১৯৭২ সালে
  3. ১৯৭৩ সালে
  4. ১৯৭৪ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭৩ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৩ সালে
ব্যাখ্যা
→ স্বাধীনতা যুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ অবদানের জন্য ১৯৭৩ সালে মুক্তিযোদ্ধাকে খেতাব প্রদান করা হয়।

মুক্তিযুদ্ধের খেতাব:

- স্বাধীনতা যুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ অবদানের জন্য ১৯৭৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর ৬৭৬ জন মুক্তিযোদ্ধাকে বিভিন্ন খেতাব প্রদান করা হয়:
- সর্বোচ্চ খেতাব বীরশ্রেষ্ঠ : ৭জন।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ খেতাব বীরউত্তম : ৬৮ জন।
- তৃতীয় সর্বোচ্চ খেতাব বীরবিক্রম : ১৭৫ জন।
- চতুর্থ সর্বোচ্চ খেতাব বীরপ্রতীক : ৪২৬জন।

উল্লেখ্য, 
- ৬ জুন ২০২১ তারিখে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় বঙ্গবন্ধু হত্যার চার আসামীর মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্যে প্রদত্ত খেতাব বাতিল করে।
- স্বাধীনতা যুদ্ধে অবদানের জন্য বর্তমানে ৬৭২ জনের খেতাব বহাল রয়েছে। এর মধ্য:
- বীরশ্রেষ্ঠ : ৭জন।
- বীর উত্তম: ৬৭ জন।
- বীর বিক্রম: ১৭৪ জন।
- বীর প্রতীক : ৪২৪ জন।

মহিলা বীরপ্রতীক:
- বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে অসামান্য অবদানের জন্য ২ জন মহিলাকে বীরপ্রতীক উপাধিতে ভূষিত করা হয়।
- তাঁরা হলেন- ডা. সেতারা বেগম ও তারামন বিবি।
- তারামন বিবি ও ডা. সেতারা বেগম ১৯৭১ সালের স্বাধীনতাযুদ্ধে যথাক্রমে ১১ ও ২ নং সেক্টরে যুদ্ধ করেন।

তথ্যসূত্র:- মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও বাংলাপিডিয়া।
৭,৮২৫.
চাকমা ভাষায় লিখিত প্রথম উপন্যাস ‘ফেবো’ এর রচয়িতা হলেন-
  1. অমিত চাকমা
  2. মানবেন্দ্র নারায়ণ লারমা
  3. দেবপ্রিয় চাকমা
  4. চুনিলাল দেওয়ান
সঠিক উত্তর:
দেবপ্রিয় চাকমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দেবপ্রিয় চাকমা
ব্যাখ্যা
- ২০০৪ সালে প্রকাশিত হয় চাকমা ভাষা ও হরফে দেবপ্রিয় চাকমার লেখা ‘ফেবো’ নামের একটি উপন্যাস। 
- প্রকাশিত খবর অনুসারে এই উপন্যাসের পটভূমি হল ১৯৮৬ সালে খাগড়াছড়ি জেলার লোগাংএ সংঘটিত একটি হত্যাকাণ্ড, আর শিরোনামে ব্যবহৃত শব্দটির দ্বিবিধ অর্থ হল ‘ভয়ার্ত মুহূর্ত’ ও ‘ভয়ঙ্কর প্রাণি’।
- বাংলাদেশে বসবাসকারী উপজাতির সংখ্যা- ৫০টি। 
- আর বাংলাদেশের উপজাতীয় ভাষার সংখ্যা ৩২টি। 

উৎসঃ সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট এবং bdnews24.com 
৭,৮২৬.
বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর কোন সেক্টরের অধীনে মুক্তিযুদ্ধ করেন?
  1. ৫নং সেক্টর
  2. ৬নং সেক্টর
  3. ৭নং সেক্টর
  4. ৮নং সেক্টর
সঠিক উত্তর:
৭নং সেক্টর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭নং সেক্টর
ব্যাখ্যা
বীরশ্রেষ্ঠ ও সেক্টর:
- ল্যান্স নায়েক মুন্সি আব্দুর রউফ : ১নং সেক্টর।
- সিপাহী মোস্তফা কামাল : ২নং সেক্টর।
- সিপাহী হামিদুর রহমান : ৪নং সেক্টর।
- ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর : ৭নং সেক্টর।
- ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখ : ৮নং সেক্টর।
- ইঞ্জিনরুম আর্টিফিসার রুহুল আমীন : ১০নং সেক্টর।
- ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান : কোনো সেক্টরের অধীনে ছিলেন না।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া এবং মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৭,৮২৭.
বাংলাদেশে মোট কতটি বিভাগ আছে?
  1. ৬টি
  2. ৭টি
  3. ৮টি
  4. ৫টি
সঠিক উত্তর:
৮টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের বিভাগসমূহ:
- বাংলাদেশ আটটি প্রধান প্রশাসনিক অঞ্চলে বিভক্ত যাদের বাংলায় বিভাগ হিসেবে অভিহিত করা হয়।
- বাংলাদেশের ৮টি বিভাগগুলো হলো:
• ঢাকা বিভাগ,
• চট্টগ্রাম বিভাগ,
• রাজশাহী বিভাগ,
• খুলনা বিভাগ,
• সিলেট বিভাগ,
• বরিশাল বিভাগ,
• রংপুর বিভাগ,
• ময়মনসিংহ বিভাগ।

উল্লেখ্য,
- ভাষা আন্দোলনের পূর্ববর্তী বিভাগ: ঢাকা, চট্টগ্রাম ও রাজশাহী,
- সিলেট বিভাগ: ১৯৫৪ সাল,  
- খুলনা বিভাগ: ১৯৬০ সাল,
- বরিশাল বিভাগ: ১৯৯৩ সাল,
- রংপুর বিভাগ: ২০১০ সাল,
- সর্বশেষ ময়মনসিংহ বিভাগ: ২০১৫ সাল।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৭,৮২৮.
উপমহাদেশে প্রথম কাগজের মুদ্রা প্রচলন করেন কে?
  1. লর্ড ক্যানিং
  2. লর্ড লিটন
  3. লর্ড মিন্টো
  4. লর্ড হার্ডিঞ্জ
সঠিক উত্তর:
লর্ড ক্যানিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লর্ড ক্যানিং
ব্যাখ্যা
লর্ড ক্যানিং:
- ভারতের প্রথম গভর্নর জেনারেল ও ভাইসরয় ছিলেন।
- ১৮৬১ সালে উপমহাদেশে প্রথম কাগজের মুদ্রা চালু করেন।
- ১৮৬১ সালে পুলিশ প্রশাসন ব্যবস্থা চালু করেন।
- চার্লস উড শিক্ষা বিষয়ে ১৮৫৪ সালে যে সুপরিশমালা পেশ করেন তা কার্যকর করা হয় তার সময়ে।
- উপমহাদেশে প্রথম বাজেট ঘোষণা করেন লর্ড ক্যানিং (১৮৬১ সালে)।
- ভারতে তাঁর কর্তব্যপালনের স্বীকৃতিস্বরূপ ১৮৫৯ সালে তাঁকে 'আর্ল' (Earl) মর্যাদায় উন্নীত করা হয়।
- ১৮৫৭ সালে কলকাতা, বোম্বে ও মাদ্রাজে তিনটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়।

অন্যদিকে,
-  লর্ড মিন্টো ১৮০৭ থেকে ১৮১৩ সাল পর্যন্ত ভারতের গভর্নর জেনারেল।
- পুরো নাম গিলবার্ট ইলিয়ট, প্রথম আর্ল অব মিন্টো। 
- তিনি ভারতের রেল ব্যবস্থা প্রবর্তন ও গঙ্গা খাল খননের জন্য প্রাথমিক পরিকল্পনা করেছিলেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৭,৮২৯.
কোন নদীর তীরে 'বং' গোষ্ঠীভুক্ত মানুষের বসবাস ছিল?
  1. যমুনা নদীর তীরে
  2. মেঘনা নদীর তীরে
  3. ভাগীরথী নদীর তীরে
  4. ইছামতি নদীর তীরে
সঠিক উত্তর:
ভাগীরথী নদীর তীরে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভাগীরথী নদীর তীরে
ব্যাখ্যা
• 'বং' গোষ্ঠীভুক্ত 
- বিশেষজ্ঞের ধারণা, একদা যে অঞ্চলের পরিচিতি ছিল পুন্ড্র বরেন্দ্র নামে, বঙ্গ-সমতট-হরিকেল-চন্দ্রদ্বীপ নামে।
- কালের বিবর্তনে আজকের বাংলাদেশের জন্ম সেই ভূখণ্ড থেকে।
- ঐতিহাসিক রমেশ চন্দ্র মজুমদারের মতে বঙ্গদেশ নামের যে গাঙ্গেয় বদ্বীপ এলাকায় বাংলাদেশের অস্তিত্ব, সেই বংগদেশের (বাংলাদেশের) বংগ শব্দটি প্রাচীনতার সাক্ষ্য বহন করে।
- ‘বং’ শব্দ থেকেই ‘বংগ’ শব্দের উৎপত্তি এবং ‘বং’ একটি চৈনিক শব্দ।
- চীনা ভাষায় ‘বং’ শব্দের অর্থ জলাশয় অর্থাৎ নদীমাতৃক এলাকা।
পুরাকালে সুন্দরবনের উত্তর ও পূর্ব ভূখ-টি ছিল এক বিস্তৃত বনাঞ্চল। 
- 'বং' গোষ্ঠীভুক্ত মানুষের বসবাস ছিলো ভাগীরথী নদীর পূর্ব তীরে।  

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৭,৮৩০.
এলাহাবাদ অধিবেশনে ভারতীয় উপমহাদেশের মুসলমানদের জন্য স্বতন্ত্র রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার দাবি উত্থাপন করেন কে? 
  1. চৌধুরী রহমত আলী
  2. আল্লামা ইকবাল
  3. মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ
  4. শেরে বাংলা ফজলুল হক
সঠিক উত্তর:
আল্লামা ইকবাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আল্লামা ইকবাল
ব্যাখ্যা

লাহোর প্রস্তাব (১৯৪০): 
- ১৯৪০ সালের ২৪ মার্চ মুসলিম লীগের লাহোরে অনুষ্ঠিত সপ্তবিংশতিতম অধিবেশনে গৃহীত মুসলিম অধ্যুষিত অঞ্চলসমূহ নিয়ে একাধিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার দাবিকে লাহোর প্রস্তাব নামে অভিহিত করা হয়ে থাকে। 
- এই প্রস্তাবের ওপর ভিত্তি করে মুসলিম লীগ পাকিস্তান প্রতিষ্ঠায় অগ্রসর হয় এবং ১৯৪৭ সালে পাকিস্তানের জন্ম হয়।

পটভূমি
- ভারতীয় উপমাহদেশে মুসলমানদের জন্য স্বতন্ত্র রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার দাবি ১৯৩০ সালে মুসলিম লীগের এলাহাবাদ অধিবেশনে কবি আল্লামা ইকবাল  উত্থাপন করেছিলেন।
- এরপর ১৯৩৩ সালে ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র চৌধুরী রহমত আলী ভারতের উত্তর পশ্চিমাঞ্চলের সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলমানদের নিয়ে 'পাকিস্তান' নামে একটি রাষ্ট্র গঠনের প্রস্তাব দেন।
- ১৯৩৭ সালের সাধারণ নির্বাচনের পর জিন্নাহর নেতৃত্বাধীন মুসলিম লীগ পৃথক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার চিন্তা-ভাবনা শুরু করেন।
- বিশেষ করে মুসলিম লীগের লক্ষ্মৌ অধিবেশন (১৯৩৭)-এর পর থেকে জিন্নাহ সক্রিয় হয়ে উঠেন।
- ১৯৩৯ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হওয়ার পর কংগ্রেস-লীগ রাজনীতিতে ব্রিটিশদের নিয়ে বিভেদ বেড়ে যায়।
- চারদিকে সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা, অত্যাচার নিপীড়নের অভিযোগ বাড়তে থাকে। বস্তুত ১৯৩৭ সাল থেকেই মুসলিম লীগের দ্বিজাতি তত্ত্বের ভিত্তিতে মুসলমানদের জন্য পৃথক পাকিস্তান দাবির পথ ক্রমশ প্রশস্ত হতে থাকে।

উৎস: বাংলাদেশ স্টাডিজ, বিবিএস, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭,৮৩১.
মুক্তিযুদ্ধের সময় ১নং সেক্টরের সদরদপ্তর কোথায় ছিল?
  1. হরিণা
  2. হেজামারা
  3. বাঁশতলা
  4. মেলাঘর
সঠিক উত্তর:
হরিণা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হরিণা
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর:
= ১নং সেক্টর:
- চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রাম জেলা এবং নোয়াখালী জেলার সমগ্র পূর্বাঞ্চল বেলোনিয়া বুলগের মুহুরী নদীর তীরে নিয়ে গঠিত।
- বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সী আব্দুর রব।
- সদরদপ্তর: হরিণা।
- সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর জিয়াউর রহমান, পরে মেজর রফিকুল ইসলামের স্থলাভিষিক্ত হন।

অন্যদিকে,
= ২নং সেক্টর:
- ঢাকা, কুমিল্লা এবং ফরিদপুর জেলা এবং নোয়াখালী জেলার অংশ নিয়ে গঠিত।
- সদরদপ্তর: মেলাঘর।
- সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর খালেদ মোশাররফ, পরে মেজর এটিএম হায়দারের স্থলাভিষিক্ত হন।

= ৩নং সেক্টর:
- উত্তরে চূড়ামনকাঠি (শ্রীমঙ্গলের নিকট) থেকে সিলেট এবং দক্ষিণে ব্রাহ্মণবাড়ীয়ার সিঙ্গারবিল পর্যন্ত এলাকা নিয়ে গঠিত হয়।
- সদরদপ্তর: হেজামারা।
- সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর কে এম শফিউল্লাহ, পরে মেজর এএনএম নুরুজ্জামানের স্থলাভিষিক্ত হন।

= ৫নং সেক্টর:
- সিলেট জেলার দুর্গাপুর থেকে ডাউকি (তামাবিল) এবং জেলার পূর্বসীমা পর্যন্ত বিস্তৃত এলাকা নিয়ে গঠিত।
- সদরদপ্তর: বাঁশতলা।
- সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর মীর শওকত আলী।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৭,৮৩২.
বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্র প্রতিষ্ঠিত হয় কত সালে?
  1. ১৯৭৩ সালে
  2. ১৯৭৮ সালে
  3. ১৯৮৩ সালে
  4. ১৯৮৯ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭৮ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৮ সালে
ব্যাখ্যা
১৯৭৮ সালে বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্র প্রতিষ্ঠিত হয়।
এটির অবস্থান ঢাকার বাংলা মোটরে। এটির প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ।
বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রের শ্লোগান হলো 'আলোকিত মানুষ চাই'।
এটি একটি এনজিও যা শিক্ষার মাধ্যমে অন্ধকার দূরীকরণে কাজ করে যাচ্ছে।
(সূত্রঃ বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্র ওয়েবসাইট)
৭,৮৩৩.
বাংলাদেশের কোথায় প্রথম আর্সেনিক ট্রিটমেন্ট প্লান্ট স্থাপিত হয়?
  1. ক) বগুড়া
  2. খ) চট্টগ্রাম
  3. গ) টুঙ্গিপাড়া
  4. ঘ) বানারিপাড়া
সঠিক উত্তর:
গ) টুঙ্গিপাড়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) টুঙ্গিপাড়া
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের প্রথম আর্সেনিক ট্রিটমেন্ট প্লান্ট গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গিপাড়ায় অবস্থিত। 
-  টুঙ্গিপাড়া উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের পানিতে মাত্রাতিরিক্ত আয়রণ ও আর্সেনিক রয়েছে। 
- গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া উপজেলার ইউনিয়ন পর্যায়ে ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্টের মাধ্যমে তিন হাজার পরিবারে কাছে নিরাপদ ও সুপেয় পানি পৌঁছে দেওয়ার বন্দোবস্ত করেছে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর।  
 
উৎস : প্রথম আলো 
৭,৮৩৪.
বাংলাদেশে পার্বত্য শান্তিচুক্তি রজত জয়ন্তী পালিত হয়েছে কত সালে?
  1. ২০২১ সালে
  2. ২০২২ সালে
  3. ২০২৩ সালে
  4. ২০২৪ সালে
সঠিক উত্তর:
২০২২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০২২ সালে
ব্যাখ্যা
  ₻ পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তিচুক্তি
- পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তিচুক্তি, ১৯৯৭ বাংলাদেশ সরকার এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির মধ্যে স্বাক্ষরিত একটি আনুষ্ঠানিক চুক্তি।
- ১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- ২০২২ সালে ২ ডিসেম্বর এই চুক্তিটির ২৫ বছর পালন করা হয়েছে।
- ২৫ বছর পূর্তিকে বলা হয় : রজত জয়ন্তী (Silver Jubilee)। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৭,৮৩৫.
‘পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু’-পুস্তিকাটির লেখক নন?
  1. ক) ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্
  2. খ) আবুল মনসুর আহমদ
  3. গ) অধ্যাপক আবুল কাশেম
  4. ঘ) কাজী মোতাহার হোসেন
সঠিক উত্তর:
ক) ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্
ব্যাখ্যা
- 'তমদ্দুন মজলিস' ইসলামী আদর্শাশ্রয়ী একটি সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সংগঠন।
- দেশে ইসলামী আদর্শ ও ভাবধারা সমুন্নত করার প্রত্যয় নিয়ে ভারত বিভাগের অব্যবহিত পরেই ঢাকায় গড়ে উঠে এই সংগঠনটি।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আবুল কাশেমের উদ্যোগে ১৯৪৭ সালের ২ সেপ্টেম্বর সংগঠনটি প্রতিষ্ঠিত হয় এবং নামকরণ হয় পাকিস্তান তমদ্দুন মজলিশ।
- তমদ্দুন মজলিশ প্রতিষ্ঠায় অধ্যাপক আবুল কাশেমের অগ্রণী সহযোগীদের মধ্যে ছিলেন দেওয়ান মোহাম্মদ আজরফ, অধ্যাপক এ.এস.এম নূরুল হক ভূঁইয়া, শাহেদ আলী, আবদুল গফুর, বদরুদ্দীন উমর, হাসান ইকবাল এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কতিপয় সিনিয়র ছাত্র।
- প্রফেসর আবুল কাশেম ছিলেন পাকিস্তান তমদ্দুন মজলিশের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক।
- তমদ্দুন মজলিশের মুখপত্র ছিলো - সাপ্তাহিক সৈনিক পত্রিকা। এটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯৪৮ সালের ১৪ নভেম্বর (২৮ কার্তিক ১৩৫৫)। শুরুতে সৈনিক পত্রিকার সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি ছিলেন শাহেদ আলী এবং পরে সভাপতি হন আবদুল গফুর।
- ১৯৪৭ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর "পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু?" শিরোনামে বাংলা ভাষার পক্ষে তমদ্দুন মজলিশ একটি পুস্তিকা প্রকাশ করে।
এই পুস্তিকার নিবন্ধন সমূহের লেখক ছিলেন,
- কাজী মোতাহার হোসেন
- অধ্যাপক আবুল কাশেম এবং
- আবুল মনসুর আহমদ।
- পুস্তিকাটি সম্পাদনা করেন অধ্যাপক আবুল কাশেম।

তথ্যসূত্র: স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র (প্রথম খন্ড), পৃষ্ঠা - ৪৯ ও বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণি এবং বাংলাপিডিয়া।
৭,৮৩৬.
ক্যাবিনেট মিশন কবে ভারতে এসেছিলো?
  1. ক) ১৯৪২ সালে
  2. খ) ১৯৪৩ সালে
  3. গ) ১৯৪৫ সালে
  4. ঘ) ১৯৪৬ সালে
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৯৪৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৯৪৬ সালে
ব্যাখ্যা
ভারতীয়দের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তরের পরিকল্পনা বিষয়ে আলোচনার জন্যে ১৯৪৬ সালের ২৪ মার্চ ব্রিটিশ সরকার তিন সদস্যের ক্যাবিনেট বা মন্ত্রী মিশন ভারতে পাঠায়।

ক্যাবিনেট মিশনের প্রধান ছিলেন তৎকালীন ভারত সচিব পেথিক লরেন্স। অপর দুই সদস্য হলেন স্যার স্ট্যাফোর্ড ক্রিপস এবং এ. ভি. আলেকজান্ডার।

ক্যাবিনেট মিশন ভারতকে তিনটি ভাগে ভাগ করে এবং তিন স্তর বিশিষ্ট যুক্তরাষ্ট্রের পরিকল্পনা করে। মুসলিমলীগ শেষ পর্যন্ত এই পরিকল্পনা মেনে নিলেও কংগ্রেসের অসহযোগিতায় মন্ত্রী মিশন পরিকল্পনা সফল হয়নি।

(তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
৭,৮৩৭.
'তমদ্দুন মজলিশ' প্রতিষ্ঠায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন -
  1. ক) অধ্যাপক আবুল কাশেম
  2. খ) আবুল হাসেম
  3. গ) সৈয়দ আমির আলি
  4. ঘ) আবুল কালাম
সঠিক উত্তর:
ক) অধ্যাপক আবুল কাশেম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) অধ্যাপক আবুল কাশেম
ব্যাখ্যা

তমদ্দুন মজলিশ
• প্রতিষ্ঠা ১৯৪৭ সালের ২ সেপ্টেম্বর।
• উদ্যোক্তা- অধ্যাপক আবুল কাশেম, পদার্থবিজ্ঞান , ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।
• অন্য সদস্যরা ছিলেন- কাজী মোতাহার হোসেন,আবুল মনসুর আহমদ
• ‘পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু’ শিরোনামে পুস্তিকা প্রকাশ- ১৯৪৭ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর।
• প্রতিষ্ঠাতা সাধারন সম্পাদক- অধ্যাপক আবুল কাশেম।
• প্রথম সভাপতি- দেওয়ান মোহাম্মদ আজরফ।

তথ্যসূত্র:- ইতিহাস প্রথম পত্র, এইচ এস সি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং বাংলাপিডিয়া।

৭,৮৩৮.
মুক্তিযুদ্ধের সময়ে বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান কোন সেক্টরের অধীনে যুদ্ধ করেন?
  1. ৪নং সেক্টর
  2. ৫নং সেক্টর
  3. ৬নং সেক্টর
  4. ৭নং সেক্টর
সঠিক উত্তর:
৪নং সেক্টর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪নং সেক্টর
ব্যাখ্যা
বীরশ্রেষ্ঠ ও সেক্টর:
- ল্যান্স নায়েক মুন্সি আব্দুর রউফ: ১নং সেক্টর।
- সিপাহী মোস্তফা কামাল: ২নং সেক্টর।
- সিপাহী হামিদুর রহমান: ৪নং সেক্টর।
- ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর: ৭নং সেক্টর।
- ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখ: ৮নং সেক্টর।
- ইঞ্জিনরুম আর্টিফিসার রুহুল আমীন: ১০নং সেক্টর।
- ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান: কোনো সেক্টরের অধীনে ছিলেন না।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া এবং মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৭,৮৩৯.
কোনটি বিদ্যুৎ বিতরণ সংস্থা নয়?
  1. ক) পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি
  2. খ) ডিপিডিসি
  3. গ) নেসকো
  4. ঘ) পিজিসিবি
সঠিক উত্তর:
ঘ) পিজিসিবি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) পিজিসিবি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ বিদ্যুত বিতরণ সংস্থাসমূহ: 
- বিউবো: বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড,
- বাপবিবো: বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড,
- ডেসকো: ঢাকা ইলেকট্রিক সাপ্লাই কোম্পানী লিমিটেড,
- ডিপিডিসি: ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানী,
- ওজোপাডিকো: ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানী লিমিটেড,
- নেসকো: নর্দান ইলেক্ট্রিসিটি সাপ্লাই কোম্পানী পিএলসি।

অন্যদিকে, 
পিজিসিবি: পাওায়ার গ্রিড কোম্পানী অব বাংলাদেশ হলো বিদ্যুৎ সঞ্চালনের সংস্থা।

উৎস:
জাতীয় তথ্য বাতায়ন।[Link]
৭,৮৪০.
‘রামরচিত’ গ্রন্থে পাল বংশের কোন রাজার জীবনকথা উল্লেখ আছে?
  1. ক) মহীপাল
  2. খ) ধর্মপাল
  3. গ) দেবপাল
  4. ঘ) রামপাল
সঠিক উত্তর:
ঘ) রামপাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) রামপাল
ব্যাখ্যা
• রামপাল পাল বংশের সর্বশেষ সফল শাসক ছিলেন। তিনি (১০৮২-১১২৪ খ্রিষ্টাব্দ) পর্যন্ত তার শাসনকাল পরিচালনা করেন।
• প্রাচীন বাংলার কবি সন্ধ্যাকর নন্দী রচিত ‘রামরচিত’ থেকে রামপালের জীবনকথা জানা যায়।
• রামপাল রাজ্যগ্রহণ করেই বরেন্দ্র উদ্ধার করতে সচেষ্ট হন এবং রাষ্ট্রকূট, মগধ, রাঢ় দেশসহ  চৌদ্দটি অঞ্চলের রাজাদের সহযোগীতায় যুদ্ধে কৈবর্তরাজ ভীমকে পরাজিত ও নিহত করেন। এরপর তিনি বর্তমান মালদাহের কাছাকাছি ‘রামাবতী’ নামে নতুন রাজধানী স্থাপন করেন।


উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
৭,৮৪১.
জুলাই গণ–অভ্যুত্থান-২০২৪-এ গেজেটভুক্ত শহীদের সংখ্যা কত?
  1. ৮৩৮জন
  2. ৮৪৪জন
  3. ৮৫৪জন
  4. ৮৩৭জন
সঠিক উত্তর:
৮৪৪জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮৪৪জন
ব্যাখ্যা
• জুলাই গণ–অভ্যুত্থান ২০২৪–এ শহীদদের তালিকা গেজেট আকারে প্রকাশ করেছে সরকার।
- মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় এটি প্রকাশ করেছে।
- সরকারি এ গেজেট অনুযায়ী, ওই গণ–অভ্যুত্থানে শহীদের সংখ্যা ৮৪৪। লিংক
- গেজেটে ‘মেডিকেল কেস আইডি’, শহীদদের নাম, বাবার নাম, বর্তমান ঠিকানা, স্থায়ী ঠিকানা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। তবে কে কোথায় এবং কোন তারিখে শহীদ হন, তা গেজেটে উল্লেখ করা হয়নি।

উৎস: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রনালয় লিংক
৭,৮৪২.
প্রাচীনকালে ‘সুবর্ণগ্রাম’ নামে পরিচিত ছিল-
  1. ময়নামতি
  2. চট্রগ্রাম
  3. গৌড়
  4. সোনারগাঁও
সঠিক উত্তর:
সোনারগাঁও
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সোনারগাঁও
ব্যাখ্যা
প্রাচীন জনপদের নাম:
- প্রাচীনকালে ‘সুবর্ণগ্রাম’ নামে পরিচিত ছিল- সোনারগাঁও
- ময়নামতি - রোহিতগিরি।
- চট্রগ্রাম - ইসলামাবাদ/পোর্টোগ্রান্ডে/শাতিলগঞ্জ।
- সিলেট - জালালাবাদ/শ্রীহট্ট।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৭,৮৪৩.
বাংলাদেশের জাতীয় খেলা কোনটি?
  1. ক) ফুটবল
  2. খ) হাডুডু
  3. গ) ক্রিকেট
  4. ঘ) হকি
সঠিক উত্তর:
খ) হাডুডু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) হাডুডু
ব্যাখ্যা
কাবাডি:
- পাক ভারত উপমহাদেশে কাবাডি খেলা অতি প্রাচীন।
- বাংলাদেশের গ্রাম-গঞ্জে হাডুডু নামে এই খেলা অত্যন্ত জনপ্রিয়।
- আঞ্চলিক খেলা হওয়ার কারণে এই খেলার তেমন কোনো বিধিবদ্ধ নিয়মকানুন ছিল না।
- স্বাধীনতার পর এই গ্রামীণ হাডুডু খেলা কাবাডি নামে পরিচিতি লাভ করে।
- খেলাধুলার উন্নয়নের লক্ষ্যে বাংলাদেশে বিভিন্ন ফেডারেশন গঠিত হয়।
- তারই প্রেক্ষিতে ১৯৭৩ সালে বাংলাদেশ কাবাডি ফেডারেশন গঠিত হয়।
- হাডুডু বা কাবাডি বাংলাদেশের জাতীয় খেলা।
- ১৯৮০ সালের ফেব্রুয়ারিতে কলকাতায় প্রথম এশীয় কাবাডি প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।
- বাংলাদেশ কাবাডি ফেডারেশনের প্রচেষ্টায় ১৯৮৫ সালে ঢাকায় অনুষ্ঠিত ২য় সাফ গেমসে কাবাডি খেলা অন্তর্ভুক্ত হয়।
- ১৯৯০ সালে চীনের রাজধানী বেইজিং-এ অনুষ্ঠিত ১০ম এশিয়াডে কাবাডি খেলা নিয়মিত ক্রীড়াসূচি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়ে একে আন্তর্জাতিক খেলার মর্যাদা দিয়েছে। 

উৎস: শারীরিক শিক্ষা, স্বাস্থ্য বিজ্ঞান ও খেলাধুলা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৮৪৪.
সিপাহী বিদ্রোহ সংগঠিত হওয়ার জন্য দায়ী কোন অস্ত্র?
  1. ক) LSAT Rifle
  2. খ) T48 Rifle
  3. গ) Enfield Rifle
  4. ঘ) Metford Rifle
সঠিক উত্তর:
গ) Enfield Rifle
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) Enfield Rifle
ব্যাখ্যা
- ১৮৫৭ সালের সিপাহী বিদ্রোহ কোন একক কারণে হয়নি। 
- ১৭৫৭ সালের পলাশী যুদ্ধের পরে কোম্পানির একশ বছরের অত্যাচার, শোষণ ও বঞ্চনার প্রতিবাদ হল সিপাহী বিদ্রোহ। 
 
প্রত্যক্ষ কারণ/তাৎক্ষণিক কারণ : 
বিভিন্ন কারণে সিপাহী বিদ্রোহ সংগঠিত হয়, নিম্নে সেগুলো আলোচনা করা হল :
- কোম্পানি সামরিক বাহিনীতে ‘Enfield Rifle' নামক এক প্রকার নতুন অস্ত্রের প্রচলন শুরু করে, যার কার্তুজ দাঁত দিয়ে কাটতে হয়। 
- গুজব রটে যে, এ কার্তুজে শুকর ও গরুর চর্বি মিশ্রিত আছে যা যথাক্রমে মুসলমান ও হিন্দু উভয় সম্প্রদায়ে ধর্মীয়ভাবে নিষিদ্ধ।
- এ ঘটনা সিপাহীদের বিদ্রোহী করে তোলে এবং ১৮৫৭ সালে সিপাহী বিদ্রোহ শুরু হয় যা মূলত ইংরেজদের প্রতি একশ বছর ধরে জমে থাকা ক্ষোভের বহি:প্রকাশ।
 
 উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৭,৮৪৫.
কৌলিন্য প্রথার প্রবর্তক হিসেবে কোন শাসক ইতিহাসে বিশেষভাবে পরিচিত?
  1. বিজয় সেন
  2. হেমন্ত সেন
  3. লক্ষ্মণ সেন
  4. বল্লাল সেন
সঠিক উত্তর:
বল্লাল সেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বল্লাল সেন
ব্যাখ্যা
কৌলিন্য প্রথা ও বল্লাল সেন:

- কৌলিন্য প্রথার প্রবর্তক হিসেবে বল্লাল সেন ইতিহাসে বিশেষভাবে পরিচিত।
- সাম্প্রতিক গবেষণায় দেখা যায় যে, কৌলিন্য প্রথার সাথে বল্লাল সেনের সম্পর্কের তেমন কোনো যুক্তিযুক্ত ভিত্তি নেই।
- বাংলাদেশে কৌলিন্য প্রথার বহুল প্রচলন দেখা যায় আঠারো ও উনিশ শতকে।
- বল্লাল সেন তাঁর পিতার ন্যায় শৈব ছিলেন।
- ধর্মপ্রচারে তাঁর বিশেষ আগ্রহ ছিল।
- তিনি তাঁর পিতার অন্যান্য উপাধির সাথে 'অরিরাজ নিঃশঙ্কর' উপাধি গ্রহণ করেন।
- তিনি আনুমানিক ১৮ বছর রাজত্ব করার পর বৃদ্ধ বয়সে পুত্র লক্ষণ সেনের হাতে রাজ্যভার অপর্ণ করে সস্ত্রীক ত্রিবেণীর কাছে গঙ্গাতীরে বাণপ্রস্থ অবলম্বন করে শেষ জীবন অতিবাহিত করেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৮৪৬.
১৯০৫ সালে নতুন গঠিত প্রদেশ ‘পূর্ব বাংলা ও আসাম’-এর রাজধানী কোথায় ছিল?
  1. কলকাতা
  2. ঢাকা
  3. চট্টগ্রাম
  4. শিলং
সঠিক উত্তর:
ঢাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঢাকা
ব্যাখ্যা

বঙ্গভঙ্গ:
- ১৯০৫ সালের ১৬ অক্টোবর লর্ড কার্জনের সময়ে বাংলা প্রেসিডেন্সিকে ভেঙ্গে দুটো প্রদেশ করা হয় যা বঙ্গভঙ্গ নামে পরিচিত।
- বঙ্গভঙ্গ অবিভক্ত বাংলায় তথা সমগ্র ভারতীয় উপমহাদেশের রাজনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা।
- ১৯০৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর বঙ্গভঙ্গের ঘোষণা প্রদান করা হয় এবং ১৫ অক্টোবর থেকে তা কার্যকর হয়।

- ঢাকা, রাজশাহী ও চট্টগ্রাম বিভাগ এবং আসাম নিয়ে গঠিত হয় 'পূর্ববঙ্গ ও আসাম' প্রদেশ। এ প্রদেশের রাজধানী স্থাপিত হয় ঢাকায়।
- পশ্চিমবঙ্গ, বিহার ও উড়িষ্যা নিয়ে গঠিত হয় পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশ। এ প্রদেশের রাজধানী হয় কলকাতা।
- কিন্তু কংগ্রেস ও হিন্দুদের তীব্র বিরোধিতা এবং সহিংস আন্দোলনের কারণে ব্রিটিশ সরকার বঙ্গভঙ্গ রদ করতে বাধ্য হয়।
- লর্ড হার্ডিঞ্জের সময় ১৯১১ সালের ডিসেম্বরে ব্রিটেনের রাজা পঞ্চম জর্জ দিল্লিতে বঙ্গভঙ্গ রদের ঘোষণা দেন।

সূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।

৭,৮৪৭.
ঐতিহাসিক তাম্রলিপ্ত জনপদটি বর্তমানে কোন স্থানে অবস্থিত ছিল?
  1. বর্ধমান
  2. মেদিনীপুর
  3. বরিশাল
  4. আসাম
সঠিক উত্তর:
মেদিনীপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেদিনীপুর
ব্যাখ্যা

• তাম্রলিপ্ত জনপদ:
- হরিকেলের উত্তরে ছিল তাম্রলিপ্ত জনপদ।
- বর্তমান পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুর জেলার (প্রাচীন যুগে মিধুনাপুর নামে পরিচিত) তমলুক শহরই ছিল প্রাচীন তাম্রলিপ্তি নগরস্থল।
- বর্তমান শহরটি বঙ্গোপসাগরের কাছে রূপনারায়ণের তীরে অবস্থিত।
- সমুদ্র উপকূলবর্তী এ এলাকা ছিল খুব নিচু ও আর্দ্র।
- নৌ চলাচলের জন্য জায়গাটি ছিল খুবই উওম।
- প্রাচীনকালে তাম্রলিপ্ত গুরুত্বপূর্ণ নৌ-বাণিজ্যের কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত ছিল।
- চৈনিক তীর্থযাত্রী হিউয়েন-সাং তাম্রলিপ্তি শহরকে ‘তান-মো-লি-তি’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাপিডিয়া।

৭,৮৪৮.
বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা কোথায় প্রথম উত্তোলিত হয়?
  1. রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
  2. পল্টন ময়দানে
  3. সোহরাওয়ার্দী উদ্যান
  4. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
সঠিক উত্তর:
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যাখ্যা

- ১৯৭১ সালের ২রা মার্চ সে পতাকাটিই ছাত্ররা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে উত্তোলন করে।
- এদিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলাভবনের সামনে ছাত্রসমাজকে সঙ্গে নিয়ে পতাকা ওড়ান তৎকালীন ডাকসুর ভিপি আ স ম আব্দুর রব।
- এই জাতীয় পতাকাটি প্রথম তৈরি করা হয়েছিল ১৯৭০ সালের ৬ জুন।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান সার্জেন্ট জহুরুল হক হলের ১১৬ নম্বর কক্ষে এই পতাকা তৈরি করেন কয়েকজন ছাত্রনেতা।
- জাতীয় পতাকা তৈরির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন ছাত্রনেতা কাজী আরেফ আহমেদ, শিব নারায়ণ দাস সহ ২২ জন।
- বিদেশে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা প্রথম উত্তোলন করা হয় ১৯৭১ সালের ১৮ এপ্রিল। 
- ভারতের কলকাতায় বাংলাদেশ মিশনে প্রথম জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়।
- স্বাধীনতার পর পতাকা থেকে মানচিত্র বাদ দেওয়া হয়। পতাকার মাপ ও রঙ নির্ধারণ করে পরিমার্জন করা হয় পতাকা।
- যা আজ বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা।
- সবুজ আয়তক্ষেত্রের মাঝখানে লাল বৃত্ত, বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার এই রূপটি ১৯৭২ সালের ১৭ জানুয়ারি সরকারিভাবে গৃহীত হয়।

উৎস:  বিডিনিউজ-২৪ এবং জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৭,৮৪৯.
হোসেন শাহী বংশের শেষ সুলতান কে ছিলেন?
  1. ইলিয়াস শাহ
  2. নসরত শাহ
  3. গিয়াসউদ্দিন মাহমুদ শাহ
  4. আলাউদ্দিন ফিরোজ শাহ
সঠিক উত্তর:
গিয়াসউদ্দিন মাহমুদ শাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গিয়াসউদ্দিন মাহমুদ শাহ
ব্যাখ্যা

গিয়াসউদ্দিন মাহমুদ শাহ:
- গিয়াসউদ্দিন মহমুদ শাহ ১৫৩৩ খ্রিস্টাব্দে সিংহাসনে আরোহণ করেন।
- তিনি ছিলেন হোসেন শাহী বংশের শেষ সুলতান এবং একজন অযোগ্য শাসক।
- এ সময় শের খান নামক একজন তরুণ আফগান দলপতির আবির্ভাব ঘটলে তিনি বিপদগ্রস্থ হয়ে পড়েন।
- শের খান কর্তৃক বিতাড়িত হয়ে বিহারের শাসনকর্তা জালাল খান গিয়াসউদ্দিন মাহমুদ শাহের শরণাপন্ন হন।
- এর ফলে শের খানের সাথে মাহমুদ শাহের যুদ্ধ বাঁধে।
- ১৫৩৪ খ্রিস্টাব্দে সুরুজগড়ে সংঘটিত যুদ্ধে শেরখান মাহমুদ শাহের বাহিনীকে পরাজিত করেন।
- অবশেষে শের খান ১৫৩৮ খ্রিস্টাব্দে গৌড় সংঘটিত যুদ্ধে সুলতান গিয়াসউদ্দিন মাহমুদের বাহিনীকে পরাজিত করে গৌড় অধিকার করে নেন।
- তিনি মাহমুদ শাহকে বঙ্গ দেশ থেকে বিতাড়িত করলে হোসেন শাহী বংশের শাসনের পরসমাপ্তি ঘটে।

উৎস: ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭,৮৫০.
‘কাগমারি সম্মেলন’ অনুষ্ঠিত হয় কোথায়?
  1. ফরিদপুর
  2. ময়মনসিংহ
  3. দিনাজপুর
  4. টাঙ্গাইল
সঠিক উত্তর:
টাঙ্গাইল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টাঙ্গাইল
ব্যাখ্যা
- ১৯৫৭ সালের ৬-১০ ফেব্রুয়ারি টাঙ্গাইলে আওয়ামী লীগের ‘কাগমারি সম্মেলন’ অনুষ্ঠিত হয়।
- এই সম্মেলনে পাকিস্তানের পররাষ্ট্রনীতি প্রশ্নে সোহরাওয়ার্দীর সাথে মাওলানা ভাসনীর বিরোধ দেখা দেয়। এতে করে ১৮ই মার্চ ১৯৫৭ মাওলানা ভাসানী আওয়ামী লীগ থেকে পদত্যাগ করেন।
- পরবর্তীতে ১৯৫৭ সালের ২৪-২৫ জুলাই ঢাকার রূপমহল সিনেমা হলে আয়োজিত গণতান্ত্রিক কর্মী সম্মেলনের মাধ্যমে মাওলানা ভাসানী ‘ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ন্যাপ)’ গঠন করেন।
(তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
৭,৮৫১.
মুক্তিযুদ্ধে গেরিলা দল 'ক্র্যাক প্লাটুন' কোন শহরে সক্রিয় ছিল?
  1. ক) ঢাকা
  2. খ) বরিশাল
  3. গ) খুলনা
  4. ঘ) চট্রগ্রাম
সঠিক উত্তর:
ক) ঢাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ঢাকা
ব্যাখ্যা
• ক্র্যাক প্লাটুন:
- ক্র্যাক প্লাটুন হলো ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় ২ নং সেক্টরের অধীনে ঢাকা শহরের তরুণদের সমন্বযে গঠিত একটি গেরিলা সংগঠন।
- ক্র্যাক প্লাটুন দলটি গঠন করার ক্ষেত্রে প্রধান ভূমিকা পালন করেছিলেন ২নং সেক্টরের কমান্ডার খালেদ মোশাররফ, বীরউত্তম এবং এটিএম হায়দার বীরউত্তম।
- এটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের ২নং সেক্টরের অধীন একটি স্বতন্ত্র গেরিলা দল ছিল যারা আসলে গণবাহিনীর অংশ বলে পরিচিত।

 - ক্র্যাক প্লাটুন ঢাকা শহরে ছোটো বড় মিলিয়ে মোট ৮২টি অপারেশন পরিচালনা করে।
- ১৯৭১ সালের জুনে ভারতের মেঘালয়ের মেলাঘর ক্যাম্প থেকে প্রথমে ১৭ জন গেরিলা প্রশিক্ষণ গ্রহণের মাধ্যমে ক্র্যাক প্লাটুনের যাত্রা শুরু করে।
- শহীদ জননী জাহানারা ইমামের সন্তান শহিদ রুমী ইমাম, শহিদ জুয়েল, শহিদ আলতাফ মাহমুদ, প্রয়াত আযম খান, প্রয়াত সাদেক হোসেন খোকা, ইশতিয়াক আজিজ উলফাত, মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া প্রমুখ ক্র্যাক প্লাটুনের সাথে যুক্ত ছিলেন।

তথ্যসূত্র: দৈনিক জনকণ্ঠ।
৭,৮৫২.
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রচিত গ্রন্থ কোনটি?
  1. ক) অসমাপ্ত আজীবনী
  2. খ) আমার দেখা নয়াচীন
  3. গ) কারাগারের রোজনামচা
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রচিত তার প্রথম আত্মজীবনীমূলক বই। 
- ২০১২ সালের জুন মাসে বইটি প্রথম প্রকাশিত হয়।
এটির ভূমিকা লিখেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ইংরেজি অনুবাদ করেছেন ড. ফকরুল আলম।
প্রকাশক ইউনিভার্সিটি প্রেস লিমিটেড। বর্তমান পর্যন্ত বইটি ১৪টি ভাষায় অনূদিত হয়েছে।
বঙ্গবন্ধু রচিত অপর দুটি বই হলো:
- ‘কারাগারের রোজনামচা’ (২০১৭)
- ‘আমার দেখা নয়াচীন’ (২০২০)।

(সূত্রঃ অসমাপ্ত আত্মজীবনী এবং দৈনিক ইত্তেফাক) 
৭,৮৫৩.
মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্যে বীর প্রতীক খেতাবপ্রাপ্ত ডব্লিউ. এস. ওডারল্যান্ড কোন দেশের নাগরিক?
  1. ক) সুইডেন
  2. খ) ইতালি
  3. গ) অস্ট্রেলিয়া
  4. ঘ) কানাডা
সঠিক উত্তর:
গ) অস্ট্রেলিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) অস্ট্রেলিয়া
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্যে ‘বীর প্রতীক’ খেতাবপ্রাপ্ত একমাত্র বিদেশি নাগরিক হলেন ডব্লিউ এ.এস. ওডারল্যান্ড।
- তিনি অস্ট্রেলিয়ার নাগরিক। তবে তার জন্ম নেদারল্যান্ডসে।
- তিনি ১৯৭১ সালে ঢাকা বাটা সু কোম্পানিতে কর্মরত ছিলেন। ওডারল্যান্ড ২নং সেক্টরে যুদ্ধ করেন।
- তিনি ২০০১ সালের ১৮ মে অস্ট্রেলিয়ায় মারা যান।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাপিডিয়া)
৭,৮৫৪.
একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়ন ও ঘাতক-দালাল নির্মূল কমিটির আহবায়ক কে ছিলেন?
  1. জাহানারা ইমাম
  2. শাহারিয়ার কবির
  3. রাশেদ খান মেনন
  4. নীলিমা ইব্রাহীম
সঠিক উত্তর:
জাহানারা ইমাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাহানারা ইমাম
ব্যাখ্যা
• জাহানারা ইমাম (১৯২৯-১৯৯৪)  শহীদ জননী হিসেবে খ্যাত।
- মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়ন ও ঘাতক-দালাল নির্মূল কমিটির আহবায়করূপে তিনি ব্যাপক পরিচিতি লাভ করেন।
- অবিভক্ত বাংলার মুর্শিদাবাদ জেলার সুন্দরপুর গ্রামের এক রক্ষণশীল পরিবারে ১৯২৯ সালের ৩ মে জাহানারা ইমাম জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর শৈশবকালে মুসলিম পরিবারের মেয়েদের নিকট আধুনিক শিক্ষালাভের দ্বার উন্মুক্ত ছিল না।
- তবে তিনি তাঁর ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট পিতা আবদুল আলীর তত্ত্বাবধানে রক্ষণশীলতার বাইরে এসে আধুনিক শিক্ষা লাভ করেছিলেন।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া।
৭,৮৫৫.
কোন বিখ্যাত ম্যাগাজিন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে রাজনীতির কবি (Poet of Politics) আখ্যা দিয়েছিল?
  1. টাইম
  2. ইকোনোমিস্ট
  3. নিউজ উইকস
  4. ইকোনোমিক এন্ড পলিটিক্যাল উইক্লি
সঠিক উত্তর:
নিউজ উইকস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিউজ উইকস
ব্যাখ্যা
◉ নিউজ উইক্‌স ম্যাগাজিন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে রাজনীতির কবি (Poet of Politics) আখ্যা দিয়েছিল।

Poet of Politics:
- রাজনীতির কবি ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব’।
- তিনি শুধু বাঙালির বঙ্গবন্ধু নয়, বিশ্ববরেণ্য রাজনীতিক 'বিশ্ববন্ধু' উপাধিতেও বিশ্বনন্দিত।
- তিনি ছিলেন বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রের একজন স্বপ্নদ্রষ্টা।
- ৫ এপ্রিল, ১৯৭১ সাংবাদিক লোরেন জেঙ্কিন্স সাপ্তাহিক ম্যাগাজিন নিউজ উইকস পত্রিকায় তার প্রতিবেদনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে 'রাজনীতির কবি' বা Poet of Politics বলে আখ্যায়িত করেছিলেন।
- সকল শ্রেণী ও আদর্শের অনুসারীদের একতাবদ্ধ করার জন্য সম্ভবত তাঁর 'স্টাইল' সবচেয়ে বেশি উপযোগী ছিল।
- এ প্রসঙ্গে বঙ্গবন্ধুর কালজয়ী ৭ মার্চের ভাষণকে এক অনবদ্য কবিতা এবং বঙ্গবন্ধুকে মহাকবি হিসেবে ভূষিত করার অবারিত যুক্তি রয়েছে।

উল্লেখ্য,
- নিউজউইক যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সাপ্তাহিক ম্যাগাজিন।
- ১৯৩৩ সালে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।

উৎস: i) রাষ্ট্রপতির কার্যালয়।
         ii) ১৫ আগস্ট ২০১৮, দৈনিক জনকণ্ঠ।
৭,৮৫৬.
ভাষা আন্দোলনের মুখপাত্র হিসেবে পরিচিত 'সাপ্তাহিক সৈনিক' পত্রিকার সম্পাদক কে ছিলেন?
  1. আবুল কাসেম
  2. শাহেদ আলী
  3. আবুল মনসুর আহমদ
  4. তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া
সঠিক উত্তর:
শাহেদ আলী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শাহেদ আলী
ব্যাখ্যা

- ভাষা আন্দোলনের মুখপাত্র হিসেবে পরিচিত 'সাপ্তাহিক সৈনিক' পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন শাহেদ আলী।
- সৈনিক পত্রিকার সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি ছিলেন শাহেদ আলী এবং পরে সভাপতি হন আবদুল গফুর।

তমদ্দুন মজলিশ:

- তমদ্দুন মজলিশের মুখপাত্র ছিলো সাপ্তাহিক সৈনিক পত্রিকা।
- এটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯৪৮ সালের ১৪ নভেম্বর (২৮ কার্তিক ১৩৫৫)।
- শুরুতে সৈনিক পত্রিকার সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি ছিলেন শাহেদ আলী এবং পরে সভাপতি হন আবদুল গফুর।
- ১৯৪৭ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর "পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু?" শিরোনামে বাংলা ভাষার পক্ষে তমদ্দুন মজলিশ একটি পুস্তিকা প্রকাশ করে।
- তমদ্দুন মজলিশ ইসলামী আদর্শাশ্রয়ী একটি সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সংগঠন। 
- ১৯৪৭ সালের ২ সেপ্টেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু ছাত্র ও অধ্যাপকের উদ্যোগে তমদ্দুন মজলিশ প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এই প্রতিষ্ঠানের উদ্দেশ্য ছিলো বাংলা ভাষার মাধ্যমে সংস্কৃতির সেবা করা। পাকিস্তান সৃষ্টির পর বাংলা ভাষার পক্ষে সংস্থাটির ভূমিকা ছিলো প্রাথমিক ও গুরুত্বপূর্ণ।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আবুল কাশেমের উদ্যোগে এটি প্রতিষ্ঠিত হয় এবং তিনি এই সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।

উৎস: স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র (প্রথম খন্ড), পৃষ্ঠা ৪৯ ও বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা: নবম-দশম শ্রেণী।

৭,৮৫৭.
ঐতিহাসিক ছয় দফার প্রথম দফা ছিল-
  1. ক) স্বতন্ত্র মুদ্রা ব্যবস্থা চালু
  2. খ) প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন
  3. গ) পূর্ব বাংলার স্বাধীনতা
  4. ঘ) রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবি
সঠিক উত্তর:
খ) প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন
ব্যাখ্যা

• বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ নামে পরিচিত বঙ্গবন্ধু ছয় দফা ঘোষিত হয় ১৯৬৬ সালে।
• দফা গুলো হলোঃ
- প্রথম দফাঃ প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন‌।
- দ্বিতীয় দফাঃ কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা,
- তৃতীয় দফাঃ মুদ্রা বা অর্থ-সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
- চতুর্থ দফাঃ রাজস্ব, কর বা শুল্ক সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
- পঞ্চম দফাঃ বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা এবং
- ষষ্ঠ দফাঃ আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা।

উৎসঃ পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।

৭,৮৫৮.
মুজিবনগর সরকারের অর্থসচিব ছিলেন কে?
  1. রুহুল কুদ্দুস
  2. এম মনসুর আলী
  3. হোসেন তাওফিক ইমাম
  4. খন্দকার আসাদুজ্জামান
সঠিক উত্তর:
খন্দকার আসাদুজ্জামান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খন্দকার আসাদুজ্জামান
ব্যাখ্যা
• মুজিবনগর সরকার: 
- মুজিবনগর সরকার  মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার জন্য গঠিত বাংলাদেশের প্রথম সরকার। 
- ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ স্বাধীনতা ঘোষণার পর ১০ এপ্রিল এ সরকার গঠিত হয়।
- ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল প্রণীত ‘স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র’ ছিল বাংলাদেশের মুক্তিকাঙ্ক্ষী রাষ্ট্রের প্রথম সংবিধান।
- ১০ এপ্রিলের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র অনুসারে ২৬ মার্চ আমাদের স্বাধীনতা দিবস। কারণ ঘোষণাপত্রে লেখা হয়েছে- ‘আমাদের এই স্বাধীনতার ঘোষণা ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ থেকে কার্যকর বলে গণ্য হবে।’
- ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলা গ্রামে মুজিবনগর সরকার শপথ গ্রহণ করে। 
- শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন আবদুল মান্নান এম.এন.এ। 
- স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র পাঠ করেন অধ্যাপক ইউসুফ আলী এম.এন.এ।

- এ সরকার গঠনের মাত্র ২ ঘণ্টা পর পাকিস্তানি বিমান বাহিনী মুজিবনগরে বোমাবর্ষণ করে মেহেরপুর দখল করে নেয়।
পরে মুজিবনগর সরকারের সদর দপ্তর কলকাতার ৮ নং থিয়েটার রোডে স্থানান্তর করা হয়। 
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামে বৈদ্যনাথতলা গ্রামের নামকরণ হয় মুজিবনগর। 
- মুজিবনগর সরকারের কর্মকান্ড বাংলাদেশ ভূখন্ডের বাইরে থেকে পরিচালিত হয়েছিল বলে এ সরকার প্রবাসী মুজিবনগর সরকার হিসেবেও খ্যাত।
- নবগঠিত সরকারের অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলামকে এখানে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়।
- মুজিবনগর সরকারকে ১৫টি মন্ত্রণালয় ও বিভাগে ভাগ করা হয়।
- মন্ত্রীদের মধ্যে দপ্তর বণ্টন হয় ১৮ এপ্রিল ১৯৭১।

মন্ত্রণালয় ও বিভাগের কার্যক্রম নিম্নরূপ:
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান - রাষ্ট্রপতি। 
- সৈয়দ নজরুল ইসলাম - উপরাষ্ট্রপতি।
- তাজউদ্দীন আহমদ - প্রধানমন্ত্রী এবং প্রতিরক্ষা, তথ্য, সম্প্রচার ও যোগাযোগ, অর্থনৈতিক বিষয়াবলি, পরিকল্পনা বিভাগ, শিক্ষা, স্থানীয় সরকার, স্বাস্থ্য, শ্রম, সমাজকল্যাণ, সংস্থাপন এবং অন্যান্য যেসব বিষয় কারও ওপর ন্যস্ত হয়নি তার দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী। 
- খন্দকার মোশতাক আহমদ - মন্ত্রী, পররাষ্ট্র, আইন ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়। 
- এম মনসুর আলী - মন্ত্রী, অর্থ, শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। 
- এ এইচ এম কামরুজ্জামান - মন্ত্রী, স্বরাষ্ট্র, সরবরাহ, ত্রাণ ও পুনর্বাসন এবং কৃষি মন্ত্রণালয়। 

- রুহুল কুদ্দুস - মূখ্য সচিব। 
- খন্দকার আসাদুজ্জামান - অর্থসচিব। 
- হোসেন তাওফিক ইমাম - ‘ক্যাবিনেট সচিব। 

সূত্র: বাংলাপিডিয়া।
৭,৮৫৯.
'অপারেশন সার্চলাইট' এর নীলনকশা তৈরি করেন কে?
  1. মো: আলী জিন্নাহ
  2. ইয়াহিয়া খান
  3. টিক্কা খান
  4. জুলফিকার আলী ভুট্টো
সঠিক উত্তর:
টিক্কা খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টিক্কা খান
ব্যাখ্যা
অপারেশন সার্চ লাইট:
- ১৯৭১ সালের ১৫ মার্চ ইয়াহিয়া খান শেখ মুজিবের সাথে সমঝোতার উদ্দেশ্যে কয়েকজন জেনারেলসহ ঢাকায় আসেন। 
- ১৬ থেকে ২৪ মার্চ পর্যন্ত মুজিব-ইয়াহিয়া বৈঠক চলে।
- ২১ মার্চ ভুট্টো ঢাকায় আসেন এবং আলোচনায় অংশ নেন। 
- ইয়াহিয়া খান ভুট্টোর মতের বিরুদ্ধে যাওয়া সমীচীন মনে করেননি।
- কারণ তখন পাঞ্জাবে ভুট্টোর ব্যাপক জনপ্রিয়তা ছিল। 
- তাছাড়া পাকিস্তান সামরিক ও বেসামরিক বাহিনীর অধিকাংশ সদস্য ছিলেন পাঞ্জাব থেকে আগত। 
- পাঞ্জাবিরা কিছুতেই ছয় দফার বাস্তবায়নে সম্মত ছিল না। 
- আওয়ামী লীগও ছয়দফার প্রশ্নে ছাড় দিতে রাজি ছিল না। 
- ইতোমধ্যে ঢাকায় ২৩ মার্চ পাকিস্তান দিবসে পাকিস্তানী পতাকার পরিবর্তে বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করা হয়। 
- ভুট্টো ও ইয়াহিয়া খান বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে আলোচনায় কালক্ষেপণ করে অলক্ষ্যে পশ্চিম পাকিস্তান থেকে পূর্ব পাকিস্তানে সেনাসদস্য ও সামরিক সরঞ্জামাদি আনয়ন করতে থাকে। 
- পাকিস্তান সামরিক জান্তা শক্তির সাহায্যে বাঙালির দমন করার একটি পরিকল্পনা করে রেখেছিল।
- এর নাম দিয়েছিল 'অপারেশন সার্চলাইট'। 
- 'অপারেশন সার্চলাইট' এর নীলনকশা তৈরি করেন টিক্কা খান।
- ২৫ মার্চ মধ্যরাতে ৩ ব্যাটেলিয়ান পাকিস্তানী সৈন্য 'অপারেশন সার্চলাইটে' অংশগ্রহণ করে।
- তারা ইতিহাসের বর্বরতম গণহত্যা সংগঠিত করে। 

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭,৮৬০.
বাংলায় দ্বৈতশাসন ব্যবস্থা চালু করেন কে?
  1. লর্ড কর্নওয়ালিস
  2. লর্ড ওয়েলেসলি
  3. লর্ড হেস্টিংস
  4. লর্ড ক্লাইভ
সঠিক উত্তর:
লর্ড ক্লাইভ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লর্ড ক্লাইভ
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলায় দ্বৈতশাসন চালু করেন-  লর্ড ক্লাইভ।

• বাংলায় দ্বৈতশাসন:

- সরাসরি রাজস্ব আদায় করা কোম্পানির জন্য বিপদজনক হয়ে দেখা দেয়।
- কেননা সরাসরি কোম্পানি রাজস্ব গ্রহণ করলে বাংলায় বাণিজ্যরত অন্যান্য ইউরোপীয় বণিকদের সাথে তাদের সংঘর্ষ ছিল অনিবার্য। 
- বাণিজ্যিক শুল্ক আদায় ছিল দিউয়ানির কর্মকাণ্ডের অন্তর্গত।
- অন্য সব ইউরোপীয় কোম্পানিগুলো এদেশীয় সরকারকে শুল্ক দিতে রাজী থাকলেও ইংরেজদের শুল্ক দেয়ার কথা নয়।
- ফলে লর্ড ক্লাইভ কৌশলে দিউয়ানির সমস্ত শাসনভার নামমাত্র দিয়েছিলেন নবাবের উপর।
- আর কোম্পানির কাছে রাখা হয় কেন্দ্রিয়ভাবে তত্ত্বাবধানের ক্ষমতা।
- নবাবের ভাতা এবং শাসনকাজের জন্য নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থকড়ি বরাদ্দ রেখেছিল।
- উদ্বৃত্ত প্রায় সব অর্থ কোম্পানি গ্রহণ করতো।
- তাদের গৃহীত এ ব্যবস্থার ফলে দায়দায়িত্ব কাগজে কলমে না নিয়েও প্রকৃত ক্ষমতা চলে যায় কোম্পানির হাতে।
- এক্ষেত্রে নবাব প্রায় ক্ষমতাহীন থেকেও প্রায় সব দায়-দায়িত্ব পালন করতে থাকে।
- আর কোম্পানি কাগজে কলমে কোনো ক্ষমতা না রেখেও পুরো শাসন ক্ষমতা নিজের হাতে নিয়ে যায় এই দ্বৈতশাসন নীতির মধ্য দিয়ে।

উৎস: ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭,৮৬১.
বঙ্গবন্ধু হত্যায় জড়িত কতজন আসামীর মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য প্রদত্ত খেতাব বাতিল করা হয়?
  1. ২ জন
  2. ৪ জন
  3. ৬ জন
  4. ৮ জন
সঠিক উত্তর:
৪ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ জন
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধের খেতাব:
- মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদান ও বীরত্বের জন্যে ১৯৭৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর বঙ্গবন্ধু সরকার মোট ৬৭৬ জনকে চারটি বীরত্বসূচক খেতাব বা উপাধি প্রদান করে। এগুলো হলো:
- সর্বোচ্চ খেতাব বীরশ্রেষ্ঠ : ৭জন।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ খেতাব বীরউত্তম : ৬৮ জন।
- তৃতীয় সর্বোচ্চ খেতাব বীরবিক্রম : ১৭৫ জন।
- চতুর্থ সর্বোচ্চ খেতাব বীরপ্রতীক : ৪২৬জন।

- গত ৬ জুন ২০২১ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় বঙ্গবন্ধু হত্যার চার আসামীর মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্যে প্রদত্ত খেতাব বাতিল করে।
- স্বাধীনতা যুদ্ধে অবদানের জন্য বর্তমানে ৬৭২ জনের খেতাব বহাল রয়েছে। এর মধ্য:
- বীরশ্রেষ্ঠ : ৭জন।
- বীর উত্তম: ৬৭ জন।
- বীরবিক্রম: ১৭৪ জন।
- বীরপ্রতীক : ৪২৪ জন।

তথ্যসূত্র - মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও বাংলাপিডিয়া।
৭,৮৬২.
‘স্বাধীনতার ইশতেহার' ঘোষণা করে কোন সংগঠন?
  1. ছাত্রসংগ্রাম পরিষদ
  2. স্বাধীনতা সংগ্রাম কমিটি
  3. ছাত্র ইউনিয়ন
  4. বাংলাদেশ ছাত্রলীগ
সঠিক উত্তর:
ছাত্রসংগ্রাম পরিষদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ছাত্রসংগ্রাম পরিষদ
ব্যাখ্যা
স্বাধীনতার ইশতেহার:
- ১৯৭১ সালের ১ মার্চ ইয়াহিয়া খানের জাতীয় পরিষদের অধিবেশন স্থগিত করার অপ্রত্যাশিত ঘোষণায় সমগ্র পূর্ব-পাকিস্তান বিক্ষোভে ফেটে পড়ে।
- স্বাধিকার আন্দোলন পরিণত হয় স্বাধীনতা আন্দোলনে।
- ২ মার্চ হরতাল চলাকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কলাভবনে 'স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের' ছাত্র সমাবেশে স্বাধীন বাংলার মানচিত্র খচিত বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করা হয়।
- ১৯৭১ সালের ৩ মার্চ পল্টন ময়দানে ছাত্রলীগ আয়োজিত বিক্ষোভ গণসমাবেশে স্বাধীন বাংলাদেশের ছাত্রসংগ্রাম পরিষদ ‘স্বাধীনতার ইশতেহার' ঘোষণা করে।
- এ ইশতেহারে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে স্বাধীন ও সার্বভৌম 'বাংলাদেশের সর্বাধিনায়ক’ ঘোষণা করা হয় ।
- তিনি এদিন এ সমাবেশে তাঁর ভাষণে স্বৈরাচারী সরকারের বিরুদ্ধে 'অসহযোগ আন্দোলনের’ ডাক দেন।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
৭,৮৬৩.
প্রাচীন কোন জনপদের পূর্বের নাম ছিল 'বাকলা'?
  1. পুন্ড্র
  2. সমতট
  3. চন্দ্রদ্বীপ
  4. হরিকেল
সঠিক উত্তর:
চন্দ্রদ্বীপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চন্দ্রদ্বীপ
ব্যাখ্যা
চন্দ্রদ্বীপ:
- বর্তমান বরিশাল জেলা ছিল চন্দ্রদ্বীপের মূল ভূখন্ড ও প্রাণকেন্দ্র।
- এ প্রাচীন জনপদটি বালেশ্বর ও মেঘনার মধ্যবর্তী স্থানে অবস্থিত ছিল।
- চন্দ্রদ্বীপ নামের আগে এ অঞ্চলটির নাম ছিল ‘বাকলা’।
- চন্দ্রদ্বীপের রাজধানী ছিল কচুয়া।
- মধ্যযুগে চন্দ্রদ্বীপ বেশ সমৃদ্ধ ছিল।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
৭,৮৬৪.
মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন ঢাকা জেলা কোন সেক্টরের অধীন ছিল?
  1. ক) সেক্টর - ৬
  2. খ) সেক্টর - ৫
  3. গ) সেক্টর - ২
  4. ঘ) সেক্টর - ৪
সঠিক উত্তর:
গ) সেক্টর - ২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সেক্টর - ২
ব্যাখ্যা
- ১৯৭১ সালের ১০-১৭ জুলাই কলকাতায় তাজউদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত যুদ্ধাঞ্চলের অধিনায়কদের সম্মেলনে সমগ্র দেশকে ১১টি সেক্টরে বিভক্ত করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
- প্রত্যেক সেক্টরে একজন করে সেক্টর কমান্ডার নিযুক্ত করা হয়। ১১টি সেক্টরকে ৬৪টি সাব সেক্টরে বিভক্ত করা হয়।
এগারোটি সেক্টর হলো:
১ নং সেক্টর:
- সেক্টর এলাকা : চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রাম জেলা এবং নোয়াখালি জেলার মুহুরী নদীর পূর্বাংশের সমগ্র এলাকা
- সেক্টর কমান্ডার : মেজর জিয়াউর রহমান এবং মেজর রফিকুল ইসলাম
২ নং সেক্টর:
- সেক্টর এলাকা : ঢাকা, কুমিল্লা, ফরিদপুর এবং নোয়াখালি জেলার অংশবিশেষ
- সেক্টর কমান্ডার : মেজর খালেদ মোশাররফ এবং মেজর এ.টি.এম হায়দার
৩ নং সেক্টর:
- সেক্টর এলাকা : উত্তরে চূড়ামনকাঠি (শ্রীমঙ্গলের নিকট) থেকে সিলেট এবং দক্ষিণে ব্রাহ্মণবাড়ীয়ার সিঙ্গারবিল পর্যন্ত এলাকা
- সেক্টর কমান্ডার : মেজর কে.এম শফিউল্লাহ এবং মেজর এ.এন.এম নূরুজ্জামান
৪ নং সেক্টর:
- সেক্টর এলাকা : উত্তরে সিলেট জেলার হবিগঞ্জ মহকুমা থেকে দক্ষিণে কানাইঘাট থানা
- সেক্টর কমান্ডার : মেজর চিত্তরঞ্জন দত্ত
৫ নং সেক্টর:
- সেক্টর এলাকা : সিলেট জেলার দুর্গাপুর থেকে ডাউকি (তামাবিল) এবং জেলার পূর্বসীমা পর্যন্ত বিস্তৃত এলাকা
- সেক্টর কমান্ডার : মেজর মীর শওকত আলী
৬ নং সেক্টর:
- সেক্টর এলাকা : সমগ্র রংপুর জেলা এবং দিনাজপুর জেলার ঠাকুরগাঁও মহকুমা
- সেক্টর কমান্ডার : উইং কমান্ডার এম খাদেমুল বাশার
৭ নং সেক্টর:
- সেক্টর এলাকা : রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া এবং দিনাজপুর জেলার দক্ষিণাংশ
- সেক্টর কমান্ডার : মেজর নাজমুল হক এবং সুবেদার মেজর এ. রব ও মেজর কাজী নূরুজ্জামান
৮ নং সেক্টর:
- সেক্টর এলাকা : কুষ্টিয়া, যশোর, খুলনা, বরিশাল, ফরিদপুর ও পটুয়াখালী জেলা
- সেক্টর কমান্ডার : মেজর আবু ওসমান চৌধুরী এবং মেজর এম.এ মঞ্জুর
৯ নং সেক্টর:
- সেক্টর এলাকা : বরিশাল ও পটুয়াখালি জেলা এবং খুলনা ও ফরিদপুর জেলার অংশবিশেষ
- সেক্টর কমান্ডার : মেজর এম. এ জলিল এবং মেজর এম. এ মঞ্জুর
১০ নং সেক্টর:
- সেক্টর এলাকা : সমুদ্র ও নৌ অঞ্চল
- সেক্টর কমান্ডার : নিয়মিত কোন সেক্টর কমান্ডার ছিলো না
১১ নং সেক্টর:
- সেক্টর এলাকা : টাঙ্গাইল জেলা এবং কিশোরগঞ্জ মহকুমা ব্যতীত সমগ্র ময়মনসিংহ জেলা
- সেক্টর কমান্ডার : মেজর এম. আবু তাহের এবং স্কোয়াড্রন লীডার হামিদুল্লাহ

(তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া)
৭,৮৬৫.
বাবর উপমহাদেশে মুঘল সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠা করেন -
  1. ১৫১৬ খ্রিস্টাব্দে
  2. ১৫২২ খ্রিস্টাব্দে
  3. ১৫২৬ খ্রিস্টাব্দে
  4. ১৫৫৬ খ্রিস্টাব্দে
সঠিক উত্তর:
১৫২৬ খ্রিস্টাব্দে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫২৬ খ্রিস্টাব্দে
ব্যাখ্যা
• পানি পথের যুদ্ধ:
- পানিপথ ভারতের হরিয়ানা রাজ্যের যমুনা নদীর তীরে অবস্থিত।
- দিল্লি হতে পানি পথের দূরত্ব- ৯০ কি.মি.
- পানি পথে এ পর্যন্ত তিনটি যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছে।

• পানি পথের প্রথম যুদ্ধ:
- সময়কাল - ১৫২৬ খ্রিস্টাব্দ।
- পক্ষ- বারব বনাম ইব্রাহিম লোদী।
- ফলাফল - ইব্রাহিম লোদী পরাজিত হন এবং নিহত হন।
- এই যুদ্ধে প্রথম কামানের ব্যাবহার হয়।
- এই যুদ্ধের ফলে ভারতে মোঘল সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠা লাভ করে এবং দিল্লি সালতানাতের পতন হয়।

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
৭,৮৬৬.
[তৎকালীন সাম্প্রতিক প্রশ্ন, বর্তমানে গুরুত্বহীন] চাকমা শরণার্থীদের দ্বিতীয় দফায় ১ম ‍দিন অর্থাৎ ২১ জুলাই, ১৯৯৪ তারিখে কতজন বাংলাদেশে প্রত্যাবর্তন করেন?
  1. ৩৮৭ জন
  2. ৩৭৫ জন
  3. ৩৫৭ জন
  4. ৩৭৮ জন
সঠিক উত্তর:
৩৭৫ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৭৫ জন
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]
--------------------- 
• চাকমা শরণার্থীদের দ্বিতীয় দফায় ২১ জুলাই, ১৯৯৪ তারিখে — ৩৭৫ জন বাংলাদেশে প্রত্যাবর্তন করেন।

চাকমা শরণার্থীরা ৯০-এর দশকে পার্বত্য চট্টগ্রামের সংঘাতমূলক পরিস্থিতির কারণে সীমান্ত অতিক্রম করে ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যে আশ্রয় নিয়েছিলেন। শান্তিচুক্তি এবং বিভিন্ন আলোচনার মাধ্যমে তাদের প্রত্যাবর্তনের প্রক্রিয়া শুরু হয়।

উৎস: স্বাধীকার পত্রিকা রিপোর্ট, ১৯৯৭, jumjourna, পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তিচুক্তি নিয়ে লেখা গবেষণা নিবন্ধ।
৭,৮৬৭.
ইয়াহিয়া খান কবে জাতীয় পরিষদের অধিবেশন আহ্বান করেন?
  1. ১৯৭১ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি
  2. ১৯৭১ সালের ১ মার্চ
  3. ১৯৭১ সালের ৩ মার্চ
  4. ১৯৭১ সালের ৪ মার্চ
সঠিক উত্তর:
১৯৭১ সালের ৩ মার্চ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭১ সালের ৩ মার্চ
ব্যাখ্যা
জাতীয় পরিষদের অধিবেশন স্থগিত ঘোষণা: 
- পাকিস্তানি সামরিক শাসকচক্র আওয়ামী লীগকে ক্ষমতা হস্তান্তরে নানা চক্রান্ত শুরু করে।
- ১৯৭১ সালের ৩রা মার্চ ইয়াহিয়া খান জাতীয় পরিষদের অধিবেশন আহ্বান করেন।
- পাকিস্তান পিপলস পার্টির নেতা জুলফিকার আলী ভুট্টো ঢাকায় অধিবেশনে যোগদান করতে অস্বীকার করেন।
- অন্যান্য সদস্যকেও তিনি হুমকি দেন। এসবই ছিল ভুট্টো-ইয়াহিরার ষড়যন্ত্রের ফল।
- ইয়াহিয়া খান ১লা মার্চ ভুট্টোর ঘোষণাকে অজুহাত দেখিয়ে ৩রা মার্চের অধিবেশন অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত ঘোষণা করেন।
- সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সাথে কোনো প্রকার আলোচনা না করে অধিবেশন স্থগিত করায় পূর্ব পাকিস্তানের জনগণ বিক্ষোভে ফেটে পড়ে।
- অধিবেশন স্থগিত করার প্রতিবাদে সর্বদলীয় সংগ্রাম পরিষদ ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আহ্বানে ২রা মার্চ ঢাকায় এবং ৩রা মার্চ সারা দেশে হরতাল পালিত হয়।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৭,৮৬৮.
কোন আমল থেকে সমগ্র বাংলাদেশ 'বাঙ্গালা' নামে পরিচিত হয়?
  1. সেন আমল
  2. ইলিয়াস শাহী আমল
  3. হোসেন শাহী আমল
  4. মুঘল আমল
সঠিক উত্তর:
ইলিয়াস শাহী আমল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইলিয়াস শাহী আমল
ব্যাখ্যা
ইলিয়াস শাহী আমল:
- ইলিয়াস শাহী সুলতানগণ বাংলাদেশে প্রায় ১২২ বছর শাসন করেন।
- এ বংশের প্রতিষ্ঠাতা সুলতান শামসুদ্দীন ইলিয়াস শাহ্ সর্বপ্রথম বাংলার বিভিন্ন অংশ একত্রো করেন।
- এর আগে কোন মুসলমান সুলতান সমগ্র বাংলাদেশকে একত্র করতে পারেননি। 
- আমল থেকেই সমগ্র বাংলাদেশ 'বাঙ্গালা' নামে পরিচিত হয় এবং অধিবাসীরা পরিচিত হয় 'বাঙালি' নামে।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৮৬৯.
মুক্তিযুদ্ধকালীন যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশের মিশনের প্রধান ছিলেন কে?
  1. এম আর সিদ্দিকী
  2. বিচারপতি আবু সায়েদ চৌধুরী
  3. আবুল হাসান মাহমুদ আলী
  4. হুমায়ুন রশিদ চৌধুরী
সঠিক উত্তর:
বিচারপতি আবু সায়েদ চৌধুরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিচারপতি আবু সায়েদ চৌধুরী
ব্যাখ্যা

মুক্তিযুদ্ধকালীন বাংলাদেশের মিশন:
- মুক্তিযুদ্ধকালীন যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশের মিশন প্রধান ছিলেন বিচারপতি আবু সায়েদ চৌধুরী।

-১৯৭১ সালেল ২৭ আগস্ট যুক্তরাজ্যের লন্ডনের ২৪ পেমব্রিজ গার্ডেনসে প্রবাসী বাংলাদেশ সরকারের কূটনীতিক মিশনের আনুষ্ঠানিক কার্যালয় উদ্বোধন করা হয়।
- ভারতের বাইরে এটিই প্রথম বাংলাদেশের কূটনীতিক মিশন হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু।

অন্যদিকে,
- ওয়াশিংটনে বাংলাদেশ মিশনের প্রধান ছিলেন এম আর সিদ্দিকী।
- হুমায়ূন রশীদ চৌধুরী দিল্লীতে বাংলাদেশ মিশনের প্রধান ছিলেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এব ডেইলি স্টার বাংলা।

৭,৮৭০.
সর্বশেষ উল্লেখযোগ্য সেন রাজা-
  1. ক) হেমন্ত সেন
  2. খ) বল্লাল সেন
  3. গ) লক্ষণ সেন
  4. ঘ) বিজয় সেন
সঠিক উত্তর:
গ) লক্ষণ সেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) লক্ষণ সেন
ব্যাখ্যা
পাল বংশের পতনের পর একাদশ শতকের মধ্যভাগে হেমন্ত সেন বাংলায় সেন বংশের সূচনা করেন। ১০৬১ সাল থেকে ১২০৪ সাল পর্যন্ত সেন বংশ বাংলা শাসন করে। হেমন্ত সেনের (১০৬১-১০৯৮) পর তারপুত্র বিজয় সেন (১০৯৮-১১৬০), বিজয় সেনের পর তার পুত্র বল্লাল সেন (১১৬০-১১৭৮) এবং বল্লাল সেনের পর তার পুত্র লক্ষণ সেন (১১৭৮-১২০৪) বাংলা শাসন করেন। ১২০৪ সালে তুর্কি বীর ইখতিয়ার উদ্দিন মুহাম্মদ বিন বখতিয়ার খলজি লক্ষণ সেনকে পরাজিত করে বাংলায় মুসলিম শাসনের সূত্রপাত করেন। সেন বংশ দক্ষিণ ভারতের কর্ণাটক থেকে বাংলায় আসেন। (সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
৭,৮৭১.
কোন এলাকাটি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকালীন জনযুদ্ধে ক্যাপ্টেন (অবঃ) আব্দুল হালিম চৌধুরীর দ্বারা গঠিত আঞ্চলিক বাহিনীর আওতাধীন এলাকা ছিল না?
  1. ধামরাই
  2. কেরানীগঞ্জ
  3. কালিয়াকৈর
  4. সাভার
সঠিক উত্তর:
কালিয়াকৈর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কালিয়াকৈর
ব্যাখ্যা

→ কালিয়াকৈর এলাকাটি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকালীন জনযুদ্ধে ক্যাপ্টেন (অবঃ) আব্দুল হালিম চৌধুরীর দ্বারা গঠিত আঞ্চলিক বাহিনীর আওতাধীন এলাকা ছিল না।

♦ আঞ্চলিক বাহিনী:

- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় সারা বাংলাদেশে একাধিক আঞ্চলিক বাহিনী গড়ে উঠেছিল।
- বেঙ্গল রেজিমেন্টের নিয়মিত বাহিনীর প্রশিক্ষিত ও সাব সেক্টরের অধীনে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধারা যেভাবে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন ঠিক তেমনি আঞ্চলিক বাহিনীর মুক্তিযোদ্ধারাও পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে প্রতিটি যুদ্ধে অসীম বীরত্ব দেখিয়েছেন।

♦ হালিম বাহিনী:
- অবসরপ্রাপ্ত বাঙালি সেনা কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন আবদুল হালিম চৌধুরীর নেতৃত্বে গড়ে ওঠা বাহিনীটি পরিচিত ছিল 'হালিম বাহিনী' নামে।
- মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে মানিকগঞ্জের সদর, সিঙ্গাইর, ঘিওর, শিবালয়, দৌলতপুর, হরিরামপুর, ঢাকার দোহার, নবাবগঞ্জ, কেরানীগঞ্জ, ধামরাই, সাভার, মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগরসহ ২২টি থানার প্রায় ৮০০ বর্গকিলোমিটার এলাকাজুড়ে ছিল হালিম বাহিনীর বিস্তৃতি।
- মুক্তিযুদ্ধের পুরোটা সময়েই হালিম বাহিনীর স্বতন্ত্র গঠনতন্ত্র বজায় ছিল।
- বাহিনী প্রধান ছিলেন ক্যাপ্টেন আবদুল হালিম চৌধুরী।
- বাহিনীর সহযোগী পরিচালক ছিলেন আবদুল মতিন চৌধুরী (সার্বিক) ও অধ্যক্ষ আবদুর রউফ খান (অপারেশন)।
- অতিরিক্ত পরিচালক ছিলেন আওলাদ হোসেন।


♦ আঞ্চলিক বাহিনী:
- কাদেরিয়া বাহিনী (টাঙ্গাইল)।
- আফসার ব্যাটালিয়ন (ভালুকা, ময়মনসিংহ)।
- বাতেন বাহিনী (টাঙ্গাইল)।
- হেমায়েত বাহিনী (গোপালগঞ্জ, বরিশাল)।
- আকবর বাহিনী (মাগুরা)।
- লতিফ মীর্জা বাহিনী (সিরাজগঞ্জ, পাবনা)।
- জিয়া বাহিনী (সুন্দরবন)।
- এছাড়া ছিল ঢাকার গেরিলা দল, যা 'ক্র্যাক প্লাটুন' নামে পরিচিত। ঢাকা শহরের বড় বড় স্থাপনা, বিদ্যুৎ কেন্দ্র, হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল, ব্যাংক ও টেলিভিশন ভবনে বোমা বিস্ফোরণ ঘটায় ঢাকার ক্র্যাক প্লাটুনের গেরিলারা।

তথ্যসূত্র - সংগ্রামের নোটবুক।

৭,৮৭২.
স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় বাংলাদেশ কতগুলো সেক্টরে বিভক্ত ছিল?
  1. ১১ টি
  2. ১০ টি
  3. ৭ টি
  4. ৩টি
সঠিক উত্তর:
১১ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১ টি
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনা:
- ১০ই এপ্রিল মুজিবনগর সরকার গঠিত হওয়ার পর মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার জন্য সামরিক, বেসামরিক জনগণকে নিয়ে একটি মুক্তিযোদ্ধা বাহিনী গড়ে তোলার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়।
- ১০ই এপ্রিল সরকার ৪টি সামরিক জোনে বাংলাদেশকে ভাগ করে ৪ জন সেক্টর কমান্ডার নিযুক্ত করে।
- ১১ই এপ্রিল তা পুনর্গঠিত করে ১১টি সেক্টরে বিভক্ত করা হয়।
- এ ছাড়া বেশ কিছু সাব-সেক্টর এবং জেড, কে এবং এস নামে তিনটি ব্রিগেড ফোর্স গঠিত হয়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৭,৮৭৩.
ইলিয়াস শাহ কোন দেশের অধিবাসী ছিলেন?
  1. ইরান
  2. ইরাক
  3. আফগানিস্তান
  4. সিরিয়া
সঠিক উত্তর:
ইরান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইরান
ব্যাখ্যা

ইলিয়াস শাহের সিংহাসন লাভ ও রাজ্য বিস্তার:
- ইলিয়াস শাহী সুলতানগণ বাংলাদেশে প্রায় ১২২ বছর শাসন করেন। 
- এ বংশের প্রতিষ্ঠাতা সুলতান শামসুদ্দীন ইলিয়াস শাহ্ সর্বপ্রথম বাংলার বিভিন্ন অংশ একত্র করেন। 
- এর আগে কোন মুসলমান সুলতান সমগ্র বাংলাদেশকে একত্রো করতে পারেননি। তাই এ আমল থেকেই সমগ্র বাংলাদেশ 'বাঙ্গালা' নামে পরিচিত হয় এবং অধিবাসীরা পরিচিত হয় 'বাঙালি' নামে। 
- ইলিয়াস শাহ ইরানের অধিবাসী ছিলেন।
- ইলিয়াস লখনৌতির শাসনকর্তা আলী মুবারকের ধাত্রীমাতার পুত্র ছিলেন।
- পরে আলী মুবারক বাংলাদেশে চলে আসেন এবং অল্প দিনের মধ্যেই লখনৌতির শাসনকর্তা কদর খানের প্রধান সেনাপতি হন।
- ইলিয়াস শাহ যখন সিংহাসনে বসেন তখন পূর্ব ও দক্ষিণ বঙ্গ তার রাজ্যের বাইরে ছিল।
- তিনি প্রথমে সাতগাও দখল করেন।
- এরপর ১৩৫০ খ্রিস্টাব্দে নেপাল আক্রমণ করেন ও প্রচুর ধন-সম্পদ লাভ করেন।
- ইলিয়াস শাহ ১৩৫২ খ্রিস্টাব্দে সোনারগাও অধিকার করে সারা বাংলাদেশের সুলতান হন।
- ঐতিহাসিক শামস-ই-সিরাজ আফীফ তাঁকে 'শাহ-ই-বাঙ্গালাহ' ও 'সুলতান-ই- বাঙ্গালাহ' উপাধিতে ভূষিত করেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা,এসএসসি প্রোগ্রাম,বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭,৮৭৪.
ভাষা আন্দোলনে অবদানের জন্যে একুশে পদক-২০২১ লাভ করেন কে?
  1. মোতাহার হোসেন তালুকদার
  2. শামছুল হক
  3. আফসার উদ্দিন আহমেদ
  4. উপরের সবাই
সঠিক উত্তর:
উপরের সবাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবাই
ব্যাখ্যা
একুশে পদক-২০২১ প্রাপ্তরা (মোট ২১ জন):
ভাষা আন্দোলন:
- মোতাহার হোসেন তালুকদার (মরণোত্তর)
- শামছুল হক (মরণোত্তর)
- আফসার উদ্দীন আহমদ (মরণোত্তর)
শিল্পকলা:
- পাপিয়া সারোয়ার (সংগীত)
- রাইসুল ইসলাম আসাদ (অভিনয়)
- সালমা বেগম সুজাতা (অভিনয়)
- আহমেদ ইকবাল হায়দার (নাটক)
- সৈয়দ সালাউদ্দিন জাকী (চলচ্চিত্র)
- ড. ভাস্বর বন্দ্যোপাধ্যায় (আবৃত্তি)
- পাভেল রহমান (আলোকচিত্র)
মুক্তিযুদ্ধ:
- গোলাম হাসনায়েন
- ফজলুর রহমান খান ফারুক
- বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুমা সৈয়দা ইসাবেলা (মরণোত্তর)
সাংবাদিকতা:
- অজয় দাশগুপ্ত
গবেষণা:
- ড. সমীর কুমার সাহা
শিক্ষা:
- মাহফুজা খানম
অর্থনীতি:
- ড. মির্জা আব্দুল জলিল
সমাজসেবা:
- প্রফেসর কাজী কামরুজ্জামান
ভাষা ও সাহিত্য:
- কবি কাজী রোজী
- বুলবুল চৌধুরী
- গোলাম মুরশিদ।
(তথ্যসূত্র: ডেইলি স্টার)
৭,৮৭৫.
কোন পাল সম্রাট 'বিক্রমশীলা মহাবিহার' প্রতিষ্ঠা করেন?
  1. গোপাল
  2. মহীপাল
  3. দেবপাল
  4. ধর্মপাল
সঠিক উত্তর:
ধর্মপাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধর্মপাল
ব্যাখ্যা
বিক্রমশীলা মহাবিহার:
- বিক্রমশিলা মহাবিহার বর্তমান বিহারের ভাগলপুর জেলার কাছে নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়ের নিকটবর্তী অঞ্চলে গড়ে উঠেছিল।
- পালযুগে সম্রাট ধর্মপাল তাঁর নিজের নাম বিক্রমশিল অনুসারে এটি প্রতিষ্ঠা করেন।
- খ্রিস্টীয় নবম শতকের প্রথম দিক থেকে বারো শতক পর্যন্ত এর নির্মাণকাজ চলে।
- এই বিশ্ববিদ্যালয়টিও সুউচ্চ প্রাচীর দ্বারা পরিবেষ্টিত ছিল।
- বিহারের কেন্দ্রস্থলে ছিল মহাবােধির মূর্তি।
- এ মহাবিহার বৌদ্ধ ধর্মীয় শিক্ষা ও বুদ্ধিবৃত্তিক চর্চার কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত ছিল।
- এই বিশ্ববিদ্যালয়ে বৌদ্ধশাস্ত্র, ব্যাকরণ, গণিত, চিকিৎসাশাস্ত্র, জ্যোতির্বিদ্যা, চিত্রাঙ্কন, জাদুবিদ্যা প্রভৃতি বিষয়ে পাঠদান করা হত। শিক্ষাদান পদ্ধতি ছিল মৌখিক।
- এ মহাবিহারের মধ্যে ছিল ৫৮টি সংস্থা বা প্রতিষ্ঠান। আর এগুলিতে বাস করতেন ১০৮ জন পন্ডিত। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া। 
৭,৮৭৬.
বাংলাদেশে কত সালে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন সংঘটিত হয়?
  1. ১৯৬৯ সালে
  2. ১৯৮৯ সালে
  3. ২০১৭ সালে
  4. ২০২৪ সালে
সঠিক উত্তর:
২০২৪ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০২৪ সালে
ব্যাখ্যা
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন:
- বাংলাদেশে গণআন্দোলন গড়ে তোলার মাধ্যমে শেখ হাসিনার সরকারের পতন ঘটানোর ক্ষেত্রে মুখ্য ভূমিকা পালন করেছে শিক্ষার্থীদের সংগঠন 'বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন'।
- সরকারি চাকরিতে কোটাব্যবস্থা সংস্কারের দাবিতে ১ জুলাই, ২০২৪ তারিখে গঠিত হয় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন।

⇒ সরকারি চাকরিতে কোটা বাতিলের ২০১৮ সালের প্রজ্ঞাপন ৫ জুন, ২০২৪ হাইকোর্ট অবৈধ ঘোষণা করলে তা নিয়ে শিক্ষার্থীদের মাঝে অসন্তোষের শুরু হয়।
- বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ব্যানারে ১ জুলাই, ২০২৪ থেকে তাদের আন্দোলন সংঘটিত হয়।
- শুরুতে এ আন্দোলন অহিংস ছিল। কিন্তু পরবর্তীকালে শিক্ষার্থীদের ওপর ছাত্রলীগসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বেপরোয়া হলে ১৫ জুলাই, ২০২৪ আন্দোলন সহিংস রূপ নেয়, যার শেষ পরিণতি ঘটে ৫ আগস্ট, ২০২৪ পতন ঘটে দীর্ঘ প্রায় ১৬ বছরের কর্তৃত্ববাদী সরকার শেখ হাসিনার।

⇒ ৩০ জুলাই, ২০২৪ তারিখে তারা মার্চ ফর জাস্টিস কর্মসূচী পালন করার ঘোষণা দিয়েছে।
- ৩১ জুলাই, ২০২৪ তারিখে তারা মার্চ ফর জাস্টিস কর্মসূচী পালন করেছে। ৯ দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে এ কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।
- ৫ আগস্ট, ২০২৪ পতন ঘটে দীর্ঘ প্রায় ১৬ বছরের কর্তৃত্ববাদী সরকার শেখ হাসিনার।

উৎস: i) BBC.
ii) প্রথম আলো।
৭,৮৭৭.
প্রাচীন সভ্যতার নিদর্শনের দিক দিয়ে প্রাচীন বাংলার সবচেয়ে সমৃদ্ধ নগরসভ্যতা কোনটি?
  1. বঙ্গ
  2. পুণ্ড্র
  3. গৌড়
  4. সমতট
সঠিক উত্তর:
পুণ্ড্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুণ্ড্র
ব্যাখ্যা
পুণ্ড্র:
- পুণ্ড্র শব্দের অর্থ আখ বা ইক্ষু।
- প্রাচীন বাংলার জনপদগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো পুণ্ড্র।
- খুব সম্ভবত পুণ্ড্র বলে একটি জনগোষ্ঠী এ জনপদ গড়ে তুলেছিল।
- বর্তমান বগুড়া, রংপুর, রাজশাহী ও দিনাজপুর এলাকা নিয়ে এ পুত্র জনপদটির সৃষ্টি হয়েছিল।
- রাজধানীর নাম ছিল পুণ্ড্রনগর। 
- মহাস্থানগড় প্রাচীন পুণ্ড্র নগরীর ধ্বংসাবশেষ বলে পণ্ডিতেরা মনে করেন।
- প্রাচীন সভ্যতার নিদর্শনের দিক দিয়ে পুণ্ড্রই ছিল প্রাচীন বাংলার সবচেয়ে সমৃদ্ধ নগরসভ্যতা।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৭,৮৭৮.
শহীদ মুক্তিযোদ্ধা শাফি ইমাম রুমী মুক্তিবাহিনীর কোন গেরিলা দলের সদস্য ছিলেন?
  1. বাংলাদেশ লিবারেশন ফোর্স
  2. ঢাকা গেরিলা
  3. সার্বভৌম বাংলা
  4. ক্র্যাক প্লাটুন
সঠিক উত্তর:
ক্র্যাক প্লাটুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্র্যাক প্লাটুন
ব্যাখ্যা
শহীদ শাফী ইমাম রুমী:

- শাফী ইমাম রুমী বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের একজন গেরিলাযোদ্ধা।
- শহীদ জননীখ্যাত জাহানারা ইমামের বড় ছেলে।
- ছেলে রুমী শহীদ হওয়ার জন্য জাহানারা ইমাম শহীদ জননী উপাধী পান।
- ১৯৫১ সালের ২৯ মার্চ শরীফ ও জাহানারা ইমামের উচ্চ মধ্যবিত্ত পরিবারে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- ১৯৬৮ সালে স্টার মার্কস নিয়ে আদমজী ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং ১৯৭০ সালে ঢাকা কলেজ থেকে উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন।
- তিনি সেক্টর ২-এর অধীনে মেলাঘরে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন।
- এই সেক্টরটি পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন খালেদ মোশাররফ ও রশিদ হায়দার।
- প্রশিক্ষণ শেষ করে শাফী ইমাম রুমী ঢাকায় ফেরত আসেন এবং ক্র্যাক প্লাটুনে যোগ দেন।
- ক্র্যাক প্লাটুন হলো পাকিস্তান সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে গেরিলা আক্রমণ পরিচালনাকারী একটি সংগঠন।
- রুমী ও তাঁর দলের ঢাকায় আসার অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য ছিল সিদ্ধিরগঞ্জ পাওয়ার স্টেশন হামলা করা।
- ১৯৭১ সালের ২৯ আগস্ট তিনি তার নিজের বাড়িতে কাটান এবং এই রাতেই বেশ কিছু গেরিলাযোদ্ধার সঙ্গে পাকবাহিনীর হাতে ধরা পড়েন।

তথ্যসূত্র - দৈনিক যুগান্তর, ২৯ মার্চ ২০২০।
৭,৮৭৯.
তমদ্দুন মজলিশের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক- 
  1. দেওয়ান মোহাম্মদ আজরফ
  2. অধ্যাপক আবুল কাশেম
  3. অধ্যাপক এ.এস.এম নূরুল হক ভূঁইয়া
  4. শাহেদ আলী
সঠিক উত্তর:
অধ্যাপক আবুল কাশেম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অধ্যাপক আবুল কাশেম
ব্যাখ্যা

• তমদ্দুন মজলিশ:
- তমদ্দুন মজলিশ  ইসলামী আদর্শাশ্রয়ী একটি সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সংগঠন।
- দেশে ইসলামী আদর্শ ও ভাবধারা সমুন্নত করার প্রত্যয় নিয়ে ভারত বিভাগের অব্যবহিত পরেই ঢাকায় গড়ে উঠে এই সংগঠনটি।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আবুল কাশেমের উদ্যোগে ১৯৪৭ সালের ১ সেপ্টেম্বর এটি প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এর নামকরণ হয় পাকিস্তান তমদ্দুন মজলিশ।
- তমদ্দুন মজলিশ প্রতিষ্ঠায় অধ্যাপক আবুল কাশেমের অগ্রণী সহযোগীদের মধ্যে ছিলেন দেওয়ান মোহাম্মদ আজরফ, অধ্যাপক এ.এস.এম নূরুল হক ভূঁইয়া, শাহেদ আলী, আবদুল গফুর, বদরুদ্দীন উমর, হাসান ইকবাল এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কতিপয় সিনিয়র ছাত্র। 
- প্রফেসর আবুল কাশেম ছিলেন পাকিস্তান তমদ্দুন মজলিশের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক।
- দেওয়ান মোহাম্মদ আজরফ ১৯৪৯ সালে মজলিশের সভাপতি নির্বাচিত হন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

৭,৮৮০.
বাংলাদেশের বৃহত্তর হাওর ’হাকালুকি হাওর’ কোন দুটি জেলা জুড়ে বিস্তৃত?
  1. মৌলভীবাজার ও সিলেট
  2. মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ
  3. হবিগঞ্জ ও সুনামগঞ্জ
  4. মৌলভীবাজার ও সুনামগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
মৌলভীবাজার ও সিলেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৌলভীবাজার ও সিলেট
ব্যাখ্যা
• হাকালুকি হাওর:
→ বাংলাদেশের বৃহত্তর হাওর।
→ এটি মৌলভীবাজার ও সিলেট জেলায় অবস্থিত।
→ হাকালুকি হাওরের আয়তন ১৮১.১৫ বর্গ কিমি।
→ হাওরটি ৫টি উপজেলা ও ১১টি ইউনিয়ননিয়ে বিস্তৃত। 
→ হাকালুকি হাওরের বিশাল জলরাশির মূল প্রবাহ হলো জুরী এবং পানাই নদী। এইজলরাশি হাওরের উত্তর-পশ্চিমে অবস্থিত কুশিয়ারা নদী দিয়ে প্রবাহিত হয়।

তথ্যসূত্র: সিলেট জেলার ওয়েবসাইট।
৭,৮৮১.
বাংলাদেশের দীর্ঘতম রেল সেতু-
  1. যমুনা সেতু
  2. হার্ডিঞ্জ সেতু
  3. ব্রহ্মপুত্র সেতু
  4. তিস্তা সেতু
সঠিক উত্তর:
যমুনা সেতু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যমুনা সেতু
ব্যাখ্যা
• এটা তৎকালীন সাম্প্রতিক প্রশ্ন (১৬তম বি.সি.এস.)।

• বাংলাদেশের দীর্ঘতম রেল সেতু হলো যমুনা সেতু। এটি যমুনা নদীর ওপর নির্মিত এবং সড়ক ও রেল যোগাযোগের জন্য ব্যবহৃত হয়।

• সে সময় অনুসারে, 
উত্তর- যমুনা সেতু।
যমুনা বহুমুখী সেতু বা বঙ্গবন্ধু সেতু যা যমুনা নদীর উপরে অবস্থিত একটি সড়ক ও রেল সেতু। ৪.৮ কিলোমিটার দৈর্ঘ্য বিশিষ্ট এই সেতুটি নির্মিত হয় ১৯৯৮ সালে।

তবে,
একক দীর্ঘতম রেল সেতু - হার্ডিঞ্জ সেতু। 

• উল্লেখ্য, বর্তমানে (২০২৪) 
পদ্মা সেতু, যা রেলসেতু হিসেবেও ব্যবহৃত হচ্ছে, তার দৈর্ঘ্য ৬.১৫ কিমি (৩.৮ মাইল) কিন্তু এটি মূলত একটি সড়ক ও রেল সেতু।
তবে, পদ্মা সেতু দীর্ঘতম সেতু হিসাবে বিবেচিত।

উৎস: বাংলাপিডিয়া, বিভিন্ন পত্রিকা রিপোর্ট, জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৭,৮৮২.
মংলা বন্দর কোন নদীর তীরে অবস্থিত?
  1. ক) পদ্মা
  2. খ) মেঘনা
  3. গ) ভৈরব
  4. ঘ) পশুর
সঠিক উত্তর:
ঘ) পশুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) পশুর
ব্যাখ্যা
মোংলা বন্দর:

- পশুর নদীর তীরে মোংলা বন্দর অবস্থিত।
- মোংলা বন্দর খুলনার অন্যতম শেষ্ঠ আকর্ষন এবং বাংলাদেশের দ্বিতীয় সমুদ্র বন্দর তাই দেশের দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলে তথা দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক উন্নয়নে এ বন্দর ব্যাপক ভূমিকা রেখে চলেছে।
- ১৯৫০ সালে ১১ ডিসেম্বর বৃটিশ বাণিজ্যিক জাহাজ The City of Lyons" সুন্দরবনের মধ্যে পশুর নদীর জয়মনিগোল নামক স্থানে নোঙ্গর করে ।
- এটাই ছিল মোংলা বন্দর প্রতিষ্ঠার শুভ সুচনা।
- মে ১৯৭৬ সালে চালনা বন্দর কর্তৃপক্ষ নামক একটি স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচিতি লাভ করে।
- পুনঃরায় ১৯৮৭ সালের মার্চ মাসে এটি নাম পরিবর্তনপূর্বক "মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ” হিসেবে যাত্রা শুরু করে।

তথ্যসূত্র - মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ।
৭,৮৮৩.
নিচের কোনটি শায়েস্তা খান নির্মাণ করেন?
  1. লালবাগ কেল্লা
  2. সাত গম্বুজ মসজিদ
  3. ছোট কাটরা
  4. বর্ণিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
শায়েস্তা খান:
- ইরানি বংশোদ্ভূত শায়েস্তা খান মোগল আমলে বাংলার একজন বিখ্যাত সুবাদার ছিলেন।
- তাঁর প্রকৃত নাম ছিল আবু তালিব।
- মোগল সম্রাট জাহাঙ্গীর তাঁকে শায়েস্তা খান নাম দেন।
- শায়েস্তা খান সম্রাট আওরঙ্গজেবের মামা ছিলেন।
- ১৬৬৩ সালে বাংলার সুবাদার মীর জুমলার মৃত্যু হলে ১৬৬৪ সালে আওরঙ্গজেব তাঁকে বাংলার সুবাদার হিসেবে নিযুক্ত করেন।
- শায়েস্তা খান ৬৩ বছর বয়সে প্রথম বাংলায় আসেন।
- তাঁর শাসনামলে তিনি কুচবিহার বিদ্রোহ দমন করেন, চট্টগ্রাম জয় ও মগ দস্যুদের বিতাড়িত করেন (১৬৬৬ সালে)।
- তাঁর শাসনামলে টাকায় আট মণ চাল পাওয়া যেত।
- ১৬৯৪ সালে তিনি ৯৪ বছর বয়সে মারা যান।

উল্লেখ্য,
- তিনি লালবাগ কেল্লা, শায়েস্তা খান মসজিদ, ছোট কাটরা, সাত গম্বুজ মসজিদ প্রভৃতি নির্মাণ করেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৭,৮৮৪.
মুক্তিযুদ্ধের সময় কয়টি ব্রিগেড ফোর্স গঠন করা হয়?
  1. ৩টি
  2. ৪টি 
  3. ৬টি 
  4. ১১টি
সঠিক উত্তর:
৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩টি
ব্যাখ্যা

ব্রিগেড ফোর্স:
- মুজিবনগর সরকার পরিকল্পিত উপায়ে মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনা করার জন্য সামরিক ও বেসামরিক সকল জনগণকে নিয়ে ১৯৭১ সালের ১১ জুলাই মুক্তিবাহিনী গঠন করে।
- মুক্তিবাহিনীর সদস্যরা দুটি ভাগে বিভক্ত ছিল।
- নিয়মিত ও অনিয়মিত বাহিনী।
- অনিয়মিত বাহিনী গণবাহিনী নামে পরিচিত ছিল।
- ছাত্র, কৃষক, শ্রমিক ও রাজনৈতিক কর্মীদের প্রাথমিক প্রশিক্ষণের পর বিভিন্ন সেক্টরে গণবাহিনীতে নিয়োগ করা হতো।গণবাহিনীর সদস্যদের বাংলাদেশের অভ্যন্তরে শত্রুর বিরুদ্ধে গেরিলা যুদ্ধ পরিচালনার জন্য পাঠানো হয়।
- নিয়মিত বাহিনীর অন্তর্ভুক্ত ছিল ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট ও পূর্ব পাকিস্তান রাইফেলসের সৈন্যরা।
- এই বাহিনীর সদস্যরা সশস্ত্রবাহিনীর প্রথাগত যুদ্ধে নিয়োজিত ছিলেন।
- ১৪ এপ্রিল কর্নেল এম. এ. জি. ওসমানীকে মুক্তিবাহিনীর প্রধান সেনাপতি নিযুক্ত করা হয়।
- বাংলাদেশ বাহিনীর হেড কোয়ার্টার স্থাপিত হয় কোলকাতার ৮ নম্বর থিয়েটার রোডে।

⇒ মে ও জুন মাসে মুক্তিবাহিনীকে তিনটি ব্রিগেড ফোর্সে ভাগ করা হয়েছিল।
- ব্রিগেড ফোর্সগুলোর নাম হলো:
(ক) 'কে' ফোর্স (অধিনায়ক: মেজর খালেদ মোশাররফ),
(খ) 'এস' ফোর্স (অধিনায়ক: মেজর কে. এম সফিউল্লাহ),
(গ) 'জেড' ফোর্স (অধিনায়ক: মেজর জিয়াউর রহমান)।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।

৭,৮৮৫.
স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের সংগ্রামী মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য বিশেষ অনুষ্ঠান ছিলো -
  1. অগ্নিশর্মা
  2. চরমপত্র
  3. বিশেষ কথিকা
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

- স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের সংগ্রামী মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য বিশেষ অনুষ্ঠান ছিলো ‘অগ্নিশর্মা, ‘চরমপত্র’, ‘বিশেষ কথিকা’,। 

স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র: 

- স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হিসেবে কাজ করেছে।
- এর উল্লেখযোগ্য অনুষ্ঠানগুলোর মধ্যে ছিল ‘অগ্নিশর্মা’, এটা মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য বিশেষ অনুষ্ঠান ছিল,
- ‘চরমপত্র’, এটা বিশেষ ব্যঙ্গ রচনা এবং প্রতিবাদী বক্তব্য প্রদান করত, এবং
- ‘জাগরণী’, এটা দেশাত্মবোধক গান পরিবেশন করত।

এছাড়াও 
- ‘বজ্রকণ্ঠ’ অনুষ্ঠানও প্রচারিত হতো।
- এই সব অনুষ্ঠান মুক্তিযোদ্ধাদের উৎসাহ ও সাহস যুগিয়েছে এবং বাঙালি জাতিকে একত্রিত করার কাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া ও দৈনিক জনকণ্ঠ। 

৭,৮৮৬.
আগরতলা মামলার অন্যতম আসামি সার্জেন্ট জহুরুল হক কে কত তারিখে গুলি করা হয়?
  1. ১৯৬৯ সালের ১৮ জানুয়ারী
  2. ১৯৬৯ সালের ২০ জানুয়ারী
  3. ১৯৬৯ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি
  4. ১৯৬৯ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি
সঠিক উত্তর:
১৯৬৯ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৬৯ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি
ব্যাখ্যা
- ১৯৬৯ সালে ১৫ ফেব্রুয়ারি আগরতলা মামলার অন্যতম আসামি সার্জেন্ট জহুরুল হক ও সার্জেন্ট মোহাম্মদ ফজলুল হককে গুলি করে হত্যার চেষ্টা করা হয়।
- হাসপাতালে জহুরুল হক মারা গেলে ১৬ ফেব্রুয়ারি ঢাকাবাসী রাস্তায় নেমে আসে।
- আইয়ুব খান পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার জন্য রাওয়ালপিন্ডিতে ১৯ ফেব্রুয়ারি এক গোলটেবিল বৈঠক আহ্বান করেন ও প্যারোলে শেখ মুজিবকে যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণ জানান।
- শেখ মুজিব তা প্রত্যাখান করেন।
- কিন্তু ১৯৬৯-এর গণআন্দোলন জোরদার হয়ে উঠলে ২২ ফেব্রুয়ারি সরকার আগরতলা মামলা প্রত্যাহার করে ও বিনাশর্তে ৩৫ জন অভিযুক্তকেই মুক্তি দেয়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৮৮৭.
আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের প্রধান কৌশলী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন -
  1. ক) টমাস ফেডারিক
  2. খ) টমাস উইলিয়াম
  3. গ) টমাস চার্লস
  4. ঘ) মঞ্জুর কাদের
সঠিক উত্তর:
ঘ) মঞ্জুর কাদের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) মঞ্জুর কাদের
ব্যাখ্যা
• আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা:
- ১৯৬৮ সালের ৩ জানুয়ারি আইয়ুব খান সরকার আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দায়ের করে।
- ১৮ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধুকে এই মামলায় অভিযুক্ত করা হয়।
- প্রথম আসামী - শেখ মুজিবুর রহমান।
- শেষ আসমী ছিলেন - লে. আবদুর রউফ।
- বঙ্গবন্ধুকে প্রধান আসামী করে মোট ৩৫ জনকে এই মামলার আসামী করা হয়।

- মামলার নাম “রাষ্ট্র বনাম শেখ মুজিবুর রহমান এবং অন্যান্য”। তবে এটি “আগরতলা ষড়যন্ত্র” মামলা হিসেবেই বেশি পরিচিত।
- ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে ১৯ জুন কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে এই মামলার বিচারকার্য শুরু হয়।
- এই মামলার আসামী সার্জেন্ট জহুরুল হককে ১৫ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৯ বন্দি অবস্থায় গুলি করে হত্যা করা হয়।
- আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার করে ১৯৬৯ সালের ২২শে ফেব্রুয়ারি।

- ১৯৬৮ সালের ৫ আগস্ট ব্রিটিশ আইনজীবী ও ব্রিটিশ পার্লামেন্ট সদস্য টমাস উইলিয়াম শেখ মুজিবের পক্ষে ট্রাইব্যুনাল গঠন সংক্রান্ত বিধানের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট আবেদন পেশ করেন।
- বিশেষ ট্রাইব্যুনালে মামলা পরিচালনায় তাঁর সহযোগী ছিলেন আবদুস সালাম খান, আতাউর রহমান খান প্রমুখ।
- এই মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের প্রধান কৌশলী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন পাকিস্তানের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী আইনজীবী মঞ্জুর কাদের। 
- ৩ সদস্য বিশিষ্ট ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান ছিলেন বিচারপতি এস এ রহমান। তিনি ছিলেন অবাঙালি। অপর দুজন এম আর খান ও মুকসুমুল হাকিম ছিলেন বাঙালি।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি এবং বাংলাপিডিয়া।
৭,৮৮৮.
আগরতলা মামলায় সরকার পক্ষের সাক্ষীর সংখ্যা কত ছিল?  
  1. ১০ জন 
  2. ১১ জন
  3. ১২ জন
  4. ১৩ জন
সঠিক উত্তর:
১১ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১ জন
ব্যাখ্যা
আগরতলা মামলার বিচারকার্য:

• ২১ এপ্রিল, ১৯৬৮ সালে আগরতলা মামলার বিচারকার্য পরিচালনার জন্য কুর্মিটোলা ক্যান্টনমেন্টে বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়।  
• মামলাটি পাকিস্তান দণ্ডবিধির ১২ ক এবং ১৩১ ধারা অনুসারে ছিল । 
মামলায় সরকার পক্ষে সাক্ষীর সংখ্যা ছিল ১১ জন।
• রাজসাক্ষীসহ মোট ছিল ২২৭ জন। 
• আইনজীবী আবদুস সালাম খানের নেতৃত্বে অভিযুক্তদের আইনজীবীদের নিয়ে একটি আত্মপক্ষ সমর্থকদল গঠন করা হয়। 
• যুক্তরাজ্য প্রবাসী বাঙালিরা শেখ মুজিবুর রহমানের পক্ষে আইনজীবী প্রেরণ করেন।
• প্রখ্যাত আইনজীবী স্যার টমাস উইলিয়াম বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আইনজীবী হিসেবে বিশেষ ট্রাইবুনালে রিট করেন। 
• তিনি ৫ আগস্ট, ১৯৬৮ বঙ্গবন্ধুর পক্ষে বিশেষ ট্রাইবুনালের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট আবেদন দাখিল করেন।
• তিনি ব্রিটেনের বাসিন্দা ছিলেন। 
• তাঁকে সহযোগিতা করেন আবদুস সালাম খান, আতাউর রহমান খান প্রমুখ। 
• পাকিস্তান সরকারের পক্ষে প্রধান আইনজীবী ছিলেন সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী মনজুর কাদের ও অ্যাডভোকেট জেনারেল টি.এইচ.খান। 
• ট্রাইবুনালের প্রধান বিচারপতি ছিলেন এস.এ. রহমান। অপর দুই বিচারপতি ছিলেন এম.আর.খান ও মকসুমুল হাকিম। 

তথ্যসূত্র: তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
৭,৮৮৯.
ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত উর্দু ও ইংরেজির পাশাপাশি বাংলাকেও গণপরিষদের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে ব্যবহারের দাবি উত্থাপন করেন কত সালে?
  1. ১৯৪৭ সালে
  2. ১৯৪৮ সালে
  3. ১৯৪৯ সালে
  4. ১৯৫০ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৪৮ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৪৮ সালে
ব্যাখ্যা
ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত:
- উর্দু ও ইংরেজির পাশাপাশি বাংলাকেও গণপরিষদের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে ব্যবহারের দাবি উত্থাপন করেন।
- ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত ১৮৮৬ সালের ২ নভেম্বর (১২৯৩ বাংলা সালের ১৬ কার্তিক) ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের উত্তরে রামরাইল গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পিতা জগবন্ধু দত্ত ছিলেন মুনসেফ কোর্টের সেরেস্তাদার।
- তিনি ১৯০৪ সালে নবীনগর হাই স্কুল হতে প্রবেশিকা, ১৯০৮ সালে কলকাতা রিপন কলেজ হতে বি.এ এবং ১৯১০ সালে একই কলেজ হতে বি.এল পরীক্ষা পাস করেন।
- ১৯১১ সালে তিনি কুমিল্লা জেলা বারে যোগদান করেন।
- তিনি ১৯০৭ সালে ত্রিপুরা হিতসাধনী সভা'র সেক্রেটারি নির্বাচিত হন।
- ১৯৪৮ সালে গণপরিষদের অধিবেশনে কংগ্রেস দলীয় সদস্য ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত উর্দু ও ইংরেজির পাশাপাশি বাংলাকেও গণপরিষদের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে ব্যবহারের দাবি উত্থাপন করেন।
- ১৬ ফেব্রুয়ারি, ১৯৫৬ সালে পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদে বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়।
- ১৯৫৬ সালের সংবিধানে বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্ৰেণী ও বাংলাপিডিয়া।
৭,৮৯০.
'আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার' আসামীদের মধ্যে কাকে গুলি করে হত্যা করা হয়?
  1. কৃষ্ণ প্রসীদ
  2. জহুরুল হক
  3. আজাদ বসু
  4. আমজাদ হক
সঠিক উত্তর:
জহুরুল হক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জহুরুল হক
ব্যাখ্যা
আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা:
- ১৯৬৮ সালের ৩ জানুয়ারি আইয়ুব খান সরকার আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দায়ের করে।
- বঙ্গবন্ধুকে প্রধান আসামী করে মোট ৩৫ জনকে এই মামলার আসামী করা হয়।
- মামলার নাম 'রাষ্ট্র বনাম শেখ মুজিবুর রহমান এবং অন্যান্য'।
- তবে এটি 'আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা' হিসেবেই বেশি পরিচিত।
- ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে ১৯ জুন কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে এই মামলার বিচারকার্য শুরু হয়।
- 'আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার' আসামীদের মধ্যে প্রথম সার্জেন্ট জহুরুল হককে ১৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯ সালে বন্দি অবস্থায় গুলি করে হত্যা করা হয়।
- গণঅভ্যুত্থানের মুখে আইয়ুব খান সরকার ১৯৬৯ সালের ২২শে ফেব্রুয়ারি আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার করে বঙ্গবন্ধু সহ সকল রাজবন্দিদের মুক্তিদানে বাধ্য হয়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
৭,৮৯১.
শেখ মুজিবুর রহমানকে 'বঙ্গবন্ধু' উপাধি দেয়া হয় কবে?
  1. ২০ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৯ সালে
  2. ২৩ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৯ সালে
  3. ২৫ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৯ সালে
  4. ২৭ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৯ সালে
সঠিক উত্তর:
২৩ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৯ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৩ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৯ সালে
ব্যাখ্যা
'বঙ্গবন্ধু' উপাধি:

- ১৯৬৯ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার করে এবং শেখ মুজিবুর রহমানকে মুক্তি দেয়া হয়। মুক্তি দেয়া হয় রাজবন্দীদেরও।
- শেখ মুজিবুর রহমানের মুক্তি লাভে ঢাকায় আনন্দের জোয়ার বয়ে যায়।
- ২৩ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৯ সালে ঢাকার তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমানে সোহরাওয়ার্দি উদ্যান) শেখ মুজিবুর রহমানকে 'বঙ্গবন্ধু' উপাধি দেয়া হয়।
- পাঁচ লক্ষ লোকের উপস্থিতিতে উক্ত সমাবেশে ছাত্রনেতা তোফায়েল আহমেদের প্রস্তাবনায় শেখ মুজিবুর রহমানকে 'বঙ্গবন্ধু' উপাধিতে ভূষিত করা হয়।
- উক্ত সভাতেই ‘জয় বাংলা' স্লোগানের উদ্ভব ঘটে।
- সভায় ‘বঙ্গবন্ধু’ ছয়দফা ও এগার দফা দাবি অর্জিত না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গিকার ব্যক্ত করেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৮৯২.
তমুদ্দন মজলিস গঠিত হয়-
  1. ক) ১ সেপ্টেম্বর, ১৯৪৭
  2. খ) ২ সেপ্টেম্বর, ১৯৪৭
  3. গ) ১ নভেম্বর, ১৯৪৭
  4. ঘ) ১ অক্টোবর, ১৯৪৭
সঠিক উত্তর:
খ) ২ সেপ্টেম্বর, ১৯৪৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ২ সেপ্টেম্বর, ১৯৪৭
ব্যাখ্যা
তমদ্দুন মজলিশ:
তমদ্দুন মজলিশ  ইসলামী আদর্শাশ্রয়ী একটি সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সংগঠন। দেশে ইসলামী আদর্শ ও ভাবধারা সমুন্নত করার প্রত্যয় নিয়ে ভারত বিভাগের অব্যবহিত পরেই ঢাকায় গড়ে উঠে এই সংগঠনটি।
- ১৯৪৭ সালের ২ সেপ্টেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু ছাত্র ও অধ্যাপকের উদ্যোগে তমদ্দুন মজলিশ প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এই প্রতিষ্ঠানের উদ্দেশ্য ছিলো - বাংলা ভাষার মাধ্যমে সংস্কৃতির সেবা করা। পাকিস্তান সৃষ্টির পর বাংলা ভাষার পক্ষে সংস্থাটির ভূমিকা ছিলো প্রাথমিক ও গুরুত্বপূর্ণ।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আবুল কাশেমের উদ্যোগে এটি প্রতিষ্ঠিত হয় এবং তিনি এই সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।
- তমদ্দুন মজলিশের মুখপত্র ছিলো - সাপ্তাহিক সৈনিক পত্রিকা। এটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯৪৮ সালের ১৪ নভেম্বর (২৮ কার্তিক ১৩৫৫)। শুরুতে সৈনিক পত্রিকার সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি ছিলেন শাহেদ আলী এবং পরে সভাপতি হন আবদুল গফুর।

১৯৪৭ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর "পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু?" শিরোনামে বাংলা ভাষার পক্ষে তমদ্দুন মজলিশ একটি পুস্তিকা প্রকাশ করে।

উৎস: স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র (প্রথম খন্ড), পৃষ্ঠা - ৪৯ ও বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী।
৭,৮৯৩.
বিশ্বের স্থাপত্য শিল্পের অন্যতম নিদর্শন তাজমহল নির্মাণ করেন-
  1. ক) সম্রাট বাবর
  2. খ) সম্রাট শাহজাহন
  3. গ) সম্রাট আকবর
  4. ঘ) সম্রাট আওরঙ্গজেব
সঠিক উত্তর:
খ) সম্রাট শাহজাহন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সম্রাট শাহজাহন
ব্যাখ্যা
সম্রাট শাহজাহানের আমলে মুঘল শিল্প ও স্থাপত্যের চরম উৎকর্ষ সাধিত হয়। তার স্ত্রী অকাল প্রয়াত মমতাজমহলের সমাধীর উপর তাজমহল নির্মাণ বিশ্বের স্থাপত্য শিল্পের অন্যতম একটি নিদর্শন৷ ময়ূর সিংহাসন তার শিল্পানুরাগের এক অপূর্ব নিদর্শন।
উৎসঃ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, ইতিহাস ২য় পত্র- এইচ এস সি প্রোগ্রাম
৭,৮৯৪.
স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের জনপ্রিয় অনুষ্ঠান কোনটি?
  1. চরমপাঠ
  2. সংবাদ পরিক্রমা
  3. বজ্রকন্ঠ
  4. চরমপত্র 
সঠিক উত্তর:
চরমপত্র 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চরমপত্র 
ব্যাখ্যা

স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র:
- মুক্তিযুদ্ধ সময়কালে যুদ্ধরত মুক্তিযোদ্ধাদের এবং অবরুদ্ধ এলাকার জনগণের মনোবল অক্ষুন্ন রাখার ক্ষেত্রে স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র বিভিন্ন অনুষ্ঠানের মধ্যদিয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- এই স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশ সরকারের রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিপরিষদ সদস্যদের নীতি নির্ধারণী ভাষণসহ জনগণের উদ্দেশ্যে বিভিন্ন নির্দেশাবলী প্রচারিত হয়।
- প্রতিদিনের সংবাদসহ যে সমস্ত অনুষ্ঠান জনপ্রিয়তা অর্জন করেছিল তার মধ্যে চরমপত্র ও জল্লাদের দরবার অন্যতম।
- যুদ্ধের ময়দানে অস্ত্রশস্ত্রে পিছিয়ে থাকলেও মনের জোরে অনেক অসম্ভবকে সম্ভব করেছিলেন মুক্তিযোদ্ধারা।
- তাঁদের মনের জোর আরও বাড়িয়ে দিয়েছিল স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের ‘চরমপত্র’ অনুষ্ঠানটি।
- বিদ্রূপ ও শ্লেষাত্মক অনুষ্ঠানটি রচনা ও উপস্থাপন করেছিলেন সাংবাদিক ও লেখক এম আর আখতার মুকুল।

⇒ স্বাধীন বাংলা বেতারের অত্যন্ত জনপ্রিয় দুটি অনুষ্ঠান ছিল ‘চরমপত্র‘ ও ‘জল্লাদের দরবার’।
- জল্লাদের দরবার-এ জেনারেল ইয়াহিয়া খানের অমানবিক চরিত্র ও পাশবিক আচরণকে তুলে ধরা হতো। এই ব্যঙ্গাত্মক সিরিজে তাকে ‘কেল্লা ফতেহ খান’ চরিত্রে চিত্রিত করা হয় এবং এই ভূমিকায় অভিনয় করেন রাজু আহমেদ।
- চরমপত্র সিরিজটি পরিকল্পনা করেন জাতীয় পরিষদ সদস্য আবদুল মান্নান এবং স্থানীয় ঢাকাইয়া উপভাষায় এর স্ক্রিপ্ট তৈরি করেন এম.আর আখতার মুকুল, যিনি নিজেই এর উপস্থাপক ছিলেন। এই ব্যতিক্রমধর্মী অনুষ্ঠানটি জনগণের কাছে বিপুলভাবে সমাদৃত হয়। এতে একইসঙ্গে ছিল তীক্ষ্ণ ব্যঙ্গ ও জাতীয়তা বোধের প্রকাশ যা জনগণের নৈতিক মনোবল দৃঢ়ীকরণে ও স্বাধীনতা সংগ্রামীদের আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধিতে সহায়ক ভূমিকা পালন করেছিল।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) প্রথম আলো

৭,৮৯৫.
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বিল কত সালে আইনে পরিণত হয়?
  1. ০৭ মার্চ ১৯১৭
  2. ১৮ মার্চ ১৯২০
  3. ২১ মার্চ ১৯১৯
  4. ১১ মার্চ ১৯১৮
সঠিক উত্তর:
১৮ মার্চ ১৯২০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮ মার্চ ১৯২০
ব্যাখ্যা

⇒ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বিল আইনে পরিণত হয় ১৮ মার্চ, ১৯২০ সালে।

♦ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়:
→ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের প্রাচীনতম, সর্ববৃহৎ এবং উপমহাদেশের অন্যতম প্রাচীন ঐতিহ্যবাহী উচ্চশিক্ষা ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান।
→ ১৯২১ সালের ১ জুলাই আবাসিক বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম শুরু হয়।
→ ঢাকার রমনা এলাকার প্রায় ৬০০ একর জমি নিয়ে এ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা হয়।
→ এর প্রাথমিক অবকাঠামোর বড় একটি অংশ গড়ে উঠে ঢাকা কলেজের শিক্ষকমণ্ডলী এবং কলেজ ভবনের (বর্তমান কার্জন হল) উপর ভিত্তি করে।
→ ৩টি অনুষদ (কলা, বিজ্ঞান ও আইন), ১২টি বিভাগ, ৬০ জন শিক্ষক, ৮৪৭ জন ছাত্রছাত্রী এবং ৩টি আবাসিক হল নিয়ে এ প্রতিষ্ঠানটি শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করে।

♦ উপাচার্যগণ:
→ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম উপাচার্য ছিলেন স্যার ফিলিপ জোসেফ হার্টগ।
→ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম বাঙ্গালী উপাচার্য ছিলেন স্যার এ.এফ রহমান।
→ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান। (সেপ্টেম্বর, ২০২৫)

তথ্যসূত্র - ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ওয়েবসাইট ও বাংলাপিডিয়া।

৭,৮৯৬.
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসে যুক্ত হওয়া সর্বশেষ দুটি বিমানের নাম হলাে-
  1. ক) আকাশ তৱী ও শ্বেত বলাকা
  2. খ) আকাশ তরী ও হংস বলাকা
  3. গ) আকাশ তরী ও গাংচিল।
  4. ঘ) আকাশ তরী ও শ্বেত কবুতর
সঠিক উত্তর:
ক) আকাশ তৱী ও শ্বেত বলাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) আকাশ তৱী ও শ্বেত বলাকা
ব্যাখ্যা
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সে বর্তমানে মোট উড়োজাহাজের সংখ্যা - ২১টি।
- ৫ মার্চ ২০২১ বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বিমান বহরে সর্বশেষ যুক্ত হয় 'শ্বেত বলাকা'।
- সম্পূর্ণ নতুন ড্যাশ ৮-কিউ ৪০০ শ্বেতবলাকা বাংলাদেশ ও কানাডা সরকারের মধ্যে জি টু জি ভিত্তিতে কেনা।
- ১৪ই মার্চ আকাশতরী ও শ্বেতবলাকা বিমানের বাণিজ্যিক যাত্রার উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
উৎসঃ বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ওয়েবসাইট এবং লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার মার্চ-এপ্রিল, ২০২১।

 
৭,৮৯৭.
কবে ভারতীয় সৈন্য বাংলাদেশ ত্যাগ করে?
  1. ক) ১১ জানুয়ারি, ১৯৭২
  2. খ) ১৭ ডিসেম্বর, ১৯৭২
  3. গ) ১২ মার্চ, ১৯৭২
  4. ঘ) ১০ ফ্রেব্রুয়ারি, ১৯৭২
সঠিক উত্তর:
গ) ১২ মার্চ, ১৯৭২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১২ মার্চ, ১৯৭২
ব্যাখ্যা
ভারতীয় সৈন্য প্রত্যাবর্তন
• বিজয় লাভের স্বল্পতম সময়ের মধ্যে বাংলাদেশ থেকে ভারতীয় সৈন্য প্রত্যাবর্তন আওয়ামী লীগ সরকারের অন্যতম সাফল্য হিসাবে বিবেচিত হয়।
• সাধারণত দেখা যায় যে, কোন দেশের মুক্তি সংগ্রামে সাহায্যকারী বিদেশি সৈন্য স্বাধীনতার পরেও বছরের পর বছর থেকে যায়। এর ফলে নানা সমস্যা দেখা দেয়। আওয়ামী লীগ সরকার এ বিপদ সম্পর্কে অবহিত ছিলেন।
• ভারত সরকারের সাথে সমঝোতার ভিত্তিতে ১২ মার্চ, ১৯৭২ সকল ভারতীয় সৈন্য বাংলাদেশ ত্যাগ করে।

তথ্যসূত্র:- রাষ্ট্রবিজ্ঞান, এস এস এইচ এল, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৮৯৮.
সুন্দরবনের পূর্বে কোন নদী অবস্থিত?
  1. ক) রায়মঙ্গল
  2. খ) বালেশ্বর
  3. গ) মাতামুহুরী
  4. ঘ) রূপসা
সঠিক উত্তর:
খ) বালেশ্বর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বালেশ্বর
ব্যাখ্যা
সুন্দরবন:

- বাংলাদেশ এবং ভারত জুড়ে বিস্তৃত সুন্দরবনের বৃহত্তর অংশটি (৬২%) বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিম দিকে অবস্থিত।
- দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর; পূর্বে বালেশ্বর নদী আর উত্তরে বেশি চাষ ঘনত্বের জমি বরাবর সীমানা।
- উঁচু এলাকায় নদীর প্রধান শাখাগুলো ছাড়া অন্যান্য জলধারাগুলো সর্বত্রই বেড়িবাঁধ ও নিচু জমি দ্বারা বহুলাংশে বাঁধাপ্রাপ্ত।
- এটি সাতক্ষীরা, খুলনা, বাগেরহাট, পটুয়াখালী অঞ্চল জুড়ে রয়েছে বাংলাদেশে।
- বাংলাদেশের দক্ষিণ পশ্চিম অঞ্চলে সুন্দরবন অবস্থিত।

তথ্যসূত্র - খুলনা জেলা অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৭,৮৯৯.
'ঢাকা গেইট' কে নির্মাণ করেন?
  1. মীর জুমলা
  2. শায়েস্তা খাঁ
  3. ইসলাম খাঁ
  4. লর্ড কার্জন
সঠিক উত্তর:
মীর জুমলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মীর জুমলা
ব্যাখ্যা
• ঢাকা গেইট:
- ঢাকা গেইট ঐতিহাসিক মোগল স্থাপত্য নিদর্শন।
- এটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দোয়েল চত্বর এলাকার ঐতিহাসিক স্থাপনা
- এটি মীর জুমলা গেইট, ময়মনসিংহ গেইট বা রমনা গেইট নামেও পরিচিত ছিল।
- 'ঢাকা গেইট' এর নির্মাতা হলেন 'মীর জুমলা'।

উৎস: বিবিসি বাংলা।
৭,৯০০.
লাহোর প্রস্তাবে মুসলমানদের জন্য কী ধরনের রাষ্ট্র গঠনের কথা বলা হয়েছিল?
  1. একক ফেডারেল রাষ্ট্র
  2. প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসনযুক্ত একক রাষ্ট্র
  3. স্বাধীন রাষ্ট্রসমূহ 
  4. ব্রিটিশ শাসনের অধীন রাষ্ট্র
সঠিক উত্তর:
স্বাধীন রাষ্ট্রসমূহ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বাধীন রাষ্ট্রসমূহ 
ব্যাখ্যা

- ১৯৩৭ সালের সাধারণ নির্বাচনে মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ প্রদেশসমূহে  মুসলিম লীগের পরাজয়ের কারণ বিশ্লেষণের জন্য মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ ১৯৪০ সালে লাহোরে নিখিল ভারত মুসলিম লীগের সাধারণ অধিবেশন আহবান করেন।

- মুসলিম লীগের কর্মীদের একটি ক্ষুদ্র দল নিয়ে হোসেন শহীদ সোহ্‌রাওয়ার্দী ১৯৪০ সালের ১৯ মার্চ লাহোরের উদ্দেশ্যে যাত্রা করেন।

- অধিবেশনে যোগদানের জন্য বাংলার মুসলিম লীগ দলের নেতৃত্ব দেন এ.কে ফজলুল হক এবং তাঁরা ২২ মার্চ লাহোরে পৌঁছেন।
- জিন্নাহ তাঁর দুঘণ্টারও অধিক সময়ব্যাপী বক্তৃতায় কংগ্রেস ও জাতীয়তাবাদী মুসলমানদের সমালোচনা করেন এবং দ্বি-জাতি তত্ত্ব ও মুসলমানদের স্বতন্ত্র আবাসভূমি দাবি করার পেছনের যুক্তিসমূহ তুলে ধরেন।
- তাঁর যুক্তিসমূহ সাধারণ মুসলিম জনতার মন জয় করে।
- পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী সিকান্দার হায়াত খান লাহোর প্রস্তাবের প্রারম্ভিক খসড়া তৈরি করেন, যা আলোচনা ও সংশোধনের জন্য নিখিল ভারত মুসলিম লীগের সাবজেক্ট কমিটি সমীপে পেশ করা হয়।
- সাবজেক্ট কমিটি এ প্রস্তাবটিতে আমূল সংশোধন আনয়নের পর ২৩ মার্চ সাধারণ অধিবেশনে ফজলুল হক সেটি উত্থাপন করেন এবং চৌধুরী খালিকুজ্জামান ও অন্যান্য মুসলিম নেতৃবৃন্দ তা সমর্থন করেন।

-
প্রস্তাবটি ছিল নিম্নরূপ:

- ভারতের উত্তর-পশ্চিম ও পূর্ব এলাকাসমূহের মতো যে সকল অঞ্চলে মুসলমানগণ সংখ্যাগরিষ্ঠ, সে সব অঞ্চলে ‘স্বাধীন রাষ্ট্রসমূহ’ (স্টেটস্) গঠন করতে হবে যার মধ্যে গঠনকারী এককগুলি হবে স্বায়ত্তশাসিত ও সার্বভৌম।


উৎস: বাংলাপিডিয়া।