বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশের জাতীয় বিষয়াবলি

মোট প্রশ্ন১২,৪২১এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশের জাতীয় বিষয়াবলি

PrepBank · পাতা ৪৬ / ১২৪ · ৪,৫০১৪,৬০০ / ১২,৪২১

৪,৫০১.
বাংলাদেশের একমাত্র কিশোর সংশোধন প্রতিষ্ঠানটি কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) যশোর
  2. খ) গাজীপুর
  3. গ) ময়মনসিংহ
  4. ঘ) কোনাবাড়ি
সঠিক উত্তর:
খ) গাজীপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) গাজীপুর
ব্যাখ্যা
কিশোর সংশোধন প্রতিষ্ঠান:

- বাংলাদেশের একমাত্র কিশোর সংশোধন প্রতিষ্ঠানটি গাজীপুরের টঙ্গীতে অবস্থিত।
- বাংলাদেশের অস্ত্র কারখানাও গাজীপুরে অবস্থিত।

তথ্যসূত্র - গাজীপুর জেলার ওয়েবসাইট।
৪,৫০২.
প্রাচীন বাংলার ‘বঙ্গ’ বর্তমান কোন অঞ্চল নিয়ে গঠিত?
  1. কুমিল্লা ও নোয়াখালী
  2. ফরিদপুর ও পটুয়াখালি
  3. সিলেট ও চট্টগ্রাম
  4. রাজশাহী ও দিনাজপুর
সঠিক উত্তর:
ফরিদপুর ও পটুয়াখালি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফরিদপুর ও পটুয়াখালি
ব্যাখ্যা
•  ’বঙ্গ’ একটি অতি প্রাচীন জনপদ।
- বর্তমান বাংলাদেশের পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্ব দিকে বঙ্গ জনপদ নামে একটি অঞ্চল গড়ে উঠেছিল।
- অনুমান করা হয়, এখানে বঙ্গ বলে একটি জাতি বাস করতো।
- তাই এ জনপদটি পরিচিত 'বঙ্গ' নামে।
- প্রাচীন শিলালিপিতে বঙ্গের দুটি অঞ্চলের নাম পাওয়া যায়-একটি বিক্রমপুর ও আরেকটি নাব্য।
- ফরিদপুর, বাখেরগঞ্জ ও পটুয়াখালির নিচু জলাভূমি এ নব্য অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত। 

উৎস : বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম ও দশম শ্রেণি।
৪,৫০৩.
পাকিস্তান সরকার আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দায়ের করে ১৯৬৮ সালের কত তারিখে?
  1. ১ জানুয়ারি
  2. ৩ জানুয়ারি
  3. ৮ জানুয়ারি
  4. ১০ জানুয়ারি
সঠিক উত্তর:
৩ জানুয়ারি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ জানুয়ারি
ব্যাখ্যা
- ১৯৬৮ সালের ৩ জানুয়ারি পাকিস্তান সরকার আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দাযের করে।
- ১৮ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধুকে এই মামলায় অভিযুক্ত করা হয়।
- এই মামলায় প্রধান আসামী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ মোট আসামী ছিলো ৩৫ জন।
- ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে ১৯ জুন কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে এই মামলার বিচারকার্য শুরু হয়।
- এই মামলার অন্যতম আসামী সার্জেন্ট জহুরুল হককে ১৫ ফেব্রুযারি ১৯৬৯ ঢাকা সেনানিবাসে বন্দি অবস্থায় গুলি করে হত্যা করা হয়।
- এতে আন্দোলন আরো তীব্র আকার ধারণ করে।
- যার কারণে আইয়ুব খান সরকার ১৯৬৯ সালের ২২শে ফেব্রয়ারি আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার করে বঙ্গবন্ধু সহ সকল রাজবন্দিদের মুক্তিদানে বাধ্য হয়।

সূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা: নবম-দশম শ্রেণি এবং বাংলাপিডিয়া। 
৪,৫০৪.
বঙ্গবন্ধু কবে পূর্ব পাকিস্তানের নাম ‘বাংলাদেশ’ রাখেন?
  1. ২৩ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯
  2. ২৩ মার্চ ১৯৬৯
  3. ৫ ডিসেম্বর ১৯৬৯
  4. ২ মার্চ ১৯৭১
সঠিক উত্তর:
৫ ডিসেম্বর ১৯৬৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ ডিসেম্বর ১৯৬৯
ব্যাখ্যা
- ১৯৬৯ সালের ৫ ডিসেম্বর হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর মৃত্যুবার্ষিক উপলক্ষে আয়োজিত জনসভায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তান ভূখণ্ডের নামকরণ করেন ‘বাংলাদেশ’।
(সূত্র: অসমাপ্ত আত্মজীবনী)
৪,৫০৫.
হরিকেল জনপদ কোন কোন জেলায় বিস্তৃত ছিল?
  1. কুমিল্লা ও নোয়াখালী
  2. সিলেট ও চট্টগ্রাম
  3. নোয়াখালী ও বরিশাল
  4. ঢাকা ও বগুড়া
সঠিক উত্তর:
সিলেট ও চট্টগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিলেট ও চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা

হরিকেল:
- হরিকেল জনপদের কথা প্রথম জানা যায় প্রথম শতকের চট্টগ্রামে প্রাপ্ত লিপিতে।
- চন্দ্রবংশীয় লিপিতেও হরিকেল রাজ্যের কথা আছে।
- হরিকেল জনপদ আধুনিক সিলেট থেকে পার্বত্য চট্টগ্রাম পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রন্থাগারে সংরক্ষিত দুটি প্রাচীন গ্রন্থের পাণ্ডুলিপিতে হরিকোল (হরিকেল) ও বর্তমান সিলেট বিভাগ অভিন্ন উলিণ্ঢখিত হয়েছে।
- বাংলাদেশের প্রাচীন জনপদগুলোর সংক্ষিপ্ত আলোচনা শেষে এ কথা বলা যায় যে, জনপদগুলোর নির্দিষ্ট সীমারেখা নির্ণয় করা বা যুগে যুগে তাদের সীমার বিস্তার ও সংকোচনের সঠিক তথ্য সংগ্রহ করা দুরূহ কাজ।
- হরিকেল প্রাচীন পূর্ববঙ্গের একটি জনপদ।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,৫০৬.
ঐতিহাসিক ছয় দফার প্রথম দফা ছিলো কোনটি?
  1. ক) প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন‌
  2. খ) মুদ্রা বা অর্থ-সম্বন্ধীয় ক্ষমতা
  3. গ) কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা
  4. ঘ) বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা
সঠিক উত্তর:
ক) প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন‌
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন‌
ব্যাখ্যা
• ছয় দফা আন্দোলনের পটভূমি:
- ‘পাকিস্তান’ রাষ্ট্র সৃষ্টি হয়েছিল লাহোর প্রস্তাবের ভিত্তিতে।
- লাহোর প্রস্তাবে প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসনের কথা বলা হলেও পাকিস্তানে প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন প্রতিষ্ঠিত হয়নি।
- ১৯৪৭ সালে পাকিস্তান সৃষ্টির পর থেকেই পূর্ব বাংলার জনগণের উপর শুরু হয় পশ্চিমা শাসক গোষ্ঠীর শোষণ, বঞ্চনা ও নির্যাতন।
- ফলে সামাজিক, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও প্রশাসনিক বৈষম্য পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তানের মধ্যে প্রকট আকার ধারণ করে।
- পশ্চিমা শাসক গোষ্ঠীর অপশাসনের বিরুদ্ধে পূর্ব বাংলার আন্দোলন তীব্র আকার ধারণ করে।
- ১৯৬৫ সালে পাক-ভারত যুদ্ধ শুরু হলে পূর্ব পাকিস্তান সম্পূর্ণ অরক্ষিত হয়ে পড়ে।
- সামরিক দিক থেকে পূর্ব পাকিস্তানের অসহায় অবস্থা এবং অর্থনৈতিক বৈষম্য থেকে মুক্তির লক্ষে শুরু হয় স্বাধিকারের আন্দোলন।
- শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ এ আন্দোলনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে।

- ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে বিরোধী দলের এক সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
- উক্ত সম্মেলনে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে শেখ মুজিবুর রহমান ঐতিহাসিক ‘ছয় দফা' কর্মসূচি পেশ করেন।
- এরপর তিনি জনমত সৃষ্টি করতে ছয় দফা দেশবাসীর সামনে তুলে ধরেন।
- ছয় দফা কর্মসূচিকে তিনি ‘পূর্ব বাংলার বাঁচার দাবি’ বলে অভিহিত করেন।

• দফা গুলো হলো:
- প্রথম দফা: প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন‌।
- দ্বিতীয় দফা: কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা,
- তৃতীয় দফা: মুদ্রা বা অর্থ-সম্বন্ধীয় ক্ষমতা, 
- চতুর্থ দফা: রাজস্ব, কর বা শুল্ক সম্বন্ধীয় ক্ষমতা, 
- পঞ্চম দফা: বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা এবং 
- ষষ্ঠ দফা: আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা। 

সূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক ও পৌরনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৫০৭.
নিচের কোন জন ভাষা শহীদ নন?
  1. ক) আবুল বরকত
  2. খ) মতিউর রহমান
  3. গ) আব্দুস সালাম
  4. ঘ) আব্দুল জব্বার
সঠিক উত্তর:
খ) মতিউর রহমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) মতিউর রহমান
ব্যাখ্যা
১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি ঢাকা মেডিকেল কলেজের সামনে ছাত্ররা রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবীতে মিছিল বের করলে পুলিশ গুলি চালায়। এতে ঘটনাস্থলেই আবুল বরকত, রফিকউদ্দিন আহমেদ, শফিউর রহমান এবং আব্দুল জব্বার সহ আরো অনেকে শহিদ হন।
অন্যদিকে বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে জীবন উৎসর্গ করেন। এছাড়া ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানে মতিউর নামে নবম শ্রেণীর একছাত্র শহিদ হয়।
(সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
৪,৫০৮.
রাঙামাটি জেলার কাপ্তাই এলাকায় অবস্থিত উপত্যকা বা ভ্যালি কোনটি?
  1. ক) হালদা ভ্যালি
  2. খ) ভেঙ্গি ভ্যালি
  3. গ) সাঙ্গু ভ্যালি
  4. ঘ) বালিশিরা ভ্যালি
সঠিক উত্তর:
খ) ভেঙ্গি ভ্যালি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ভেঙ্গি ভ্যালি
ব্যাখ্যা
- কাপ্তাই থেকে প্লাবিত উপত্যকা বা ভ্যালি 'ভেঙ্গি ভ্যালি' নামে পরিচিত। 
- এই 'ভেঙ্গি ভ্যালি' রাঙামাটি জেলার কাপ্তাইয়ে অবস্থিত। 

অন্যদিকে,
- হালদা ভ্যালি: খাগড়াছড়ি
- সাজেক ভ্যালি: রাঙামাটি
- বালিশিরা ভ্যালি: মৌলভীবাজার।
- সাঙ্গু ভ্যালি: চট্টগ্রাম
- নাপিত খালি ভ্যালি: কক্সবাজার।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও দৈনিক পত্রিকা।
৪,৫০৯.
সরকারের আয়ের প্রধান উৎস কোনটি?
  1. ক) আয়কর
  2. খ) সম্পূরক শুল্ক
  3. গ) আমদানি শুল্ক
  4. ঘ) মূল্য সংযোজন কর
সঠিক উত্তর:
ঘ) মূল্য সংযোজন কর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) মূল্য সংযোজন কর
ব্যাখ্যা
২০২১-২০২২ অর্থবছরের বাজেটের মোট আকার ৬,০৩,৬৮১ কোটি টাকা।
বাজেটের অর্থসংস্থান:
- এনবিআর কর রাজস্ব : ৫৪.৭ শতাংশ
- অভ্যন্তরীণ ঋণ : ১৮.৮ শতাংশ
- বৈদেশিক ঋণ : ১৬.২ শতাংশ
- কর বহির্ভূত রাজস্ব : ৭.১ শতাংশ
- এনবিআর বহির্ভূত কর রাজস্ব : ২.৬ শতাংশ
- বৈদেশিক অনুদান : ০.৬ শতাংশ।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের আয়ের উৎস সমূহ:
- প্রথম : মূ্ল্য সংযোজন কর (৩৮.৭ শতাংশ)
- দ্বিতীয় : আয়কর (৩১.৮ শতাংশ)
- তৃতীয় : সম্পূরক শুল্ক (১৬.৫ শতাংশ)
- চতুর্থ : আমদানি শুল্ক (১১.৫ শতাংশ)
- অন্যান্য : ১.৫ শতাংশ।

(তথ্যসূত্রঃ অর্থবিভাগ ওয়েবসাইট)
৪,৫১০.
শরীফ শিক্ষা কমিশন কত সালে গঠিত হয়?
  1. ১৯৫৮ সালে
  2. ১৯৫৯ সালে
  3. ১৯৬০ সালে
  4. ১৯৬১ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৫৮ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৫৮ সালে
ব্যাখ্যা

শরীফ শিক্ষা কমিশন:
- ঔপনিবেশিক আমলে প্রবর্তিত শিক্ষা ব্যবস্থার সংস্কার ও পূর্ণগঠনের যথাযোগ্য পন্থা সুপারিশ করার জন্য ১৯৫৮ সালে ৩০শে ডিসেম্বর জাতীয় শিক্ষা কমিশন গঠন করা হয়।
- এস.এম শরীফকে এ জাতীয় শিক্ষা কমিশনের চেয়ারম্যান নিযুক্ত করা হয়।
- তাঁর নামানুসারে এ কমিশন শরীফ কমিশন নামেও পরিচিত।
- এ কমিশন ১৯৫৯ সালের ডিসেম্বর মাসে সরকারের নিকট রিপোর্ট পেশ করেন।
- তবে শিক্ষা সম্পর্কে শরীফ কমিশনের প্রতিবেদন ১৯৬২ সালের সবার সামনে প্রকাশিত হলে প্রতিবাদের ঝড় উঠে।
- ভাষা আন্দোলনের বিয়োগান্তক স্মৃতি যখন এদেশবাসীর মনে তখনও উজ্জ্বল-ঠিক তখন 'উর্দুকে জনগণের ভাষায় পরিণত করার প্রস্তাব করে।
- আরবি এবং পরে রোমান বর্ণমালায় বা হরফে লিপিবদ্ধ করার প্রস্তাব বাঙালি জনগণ মেনে নিতে পারেনি।
- ছাত্র-শিক্ষক- বুদ্ধিজীবী-তথা সমগ্র বাঙালি জনগণই শরীফ কমিশনের সুপারিশ ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

৪,৫১১.
কাকে আহবায়ক করে ‘সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’ গঠন করা হয়?
  1. ক) অধ্যাপক নুরুল হক ভূইয়া
  2. খ) আবদুল মতিন
  3. গ) কাজী গোলাম মাহবুব
  4. ঘ) অধ্যাপক আবুল কাশেম
সঠিক উত্তর:
গ) কাজী গোলাম মাহবুব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) কাজী গোলাম মাহবুব
ব্যাখ্যা
- ভাষা আন্দোলনের চূড়ান্ত পর্যায়ে ১৯৫২ সালের ৩১শে জানুয়ারি মাওলানা ভাসানীর সভাপতিত্বে বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক দলের সর্বদলীয় সভায় ‘সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’ গঠন করা হয়।
- এর আহবায়ক মনোনীত হন কাজী গোলাম মাহবুব।
- ২০শে ফেব্রুয়ারি আওয়ামী মুসলিম লীগের কার্যালয়ে এই পরিষদের সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে আবদুল মতিন, অলি আহাদ, গোলাম মাহবুব প্রমুখের জোরালো ভূমিকায় পরদিন ২১শে ফেব্রুয়ারি সরকার ঘোষিত ১৪৪ ধারা ভঙ্গের সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়।
- ১৯৪৭ সালের ১ সেপ্টেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক আবুল কাশেমের উদ্যোগে ভাষা আন্দোলনের প্রথম সংগঠন তমুদ্দিন মজলিশ প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৪৭ সালের ডিসেম্বর মাসে তমুদ্দিন মজলিসের উদ্যোগে গঠিত প্রথম ‘রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’ এর আহবায়ক ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক নুরুল হক ভূঞা।
- ১৯৪৮ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে ‘রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’ পুনর্গঠন করা (দ্বিতীয় ‘রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’) হলে এর আহবায়ক মনোনীত হন শামসুল আলম।
- ১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি আমতলার ছাত্রসভায় সভাপতিত্ব করেন গাজীউল হক।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী, বাংলাপিডিয়া এবং ভাষা আন্দোলনে ঢাকা : আহমদ রফিক)
৪,৫১২.
মৌলিক গণতন্ত্রের কয়টি স্তর ছিল?
  1. ৩টি
  2. ৪টি
  3. ৫টি
  4. ৬টি
সঠিক উত্তর:
৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪টি
ব্যাখ্যা
মৌলিক গণতন্ত্র:
- 'মৌলিক গণতন্ত্র' ব্যবস্থাটি আইয়ুব খানের অভিনব উদ্ভাবন।
- এটি ছিল চারস্তর বিশিষ্ট স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন ব্যবস্থা।
- ১৯৫৯ সালে জারিকৃত মৌলিক গণতন্ত্র আদেশ এর উদ্দেশ্য ছিল জনগণের ইচ্ছেকে সরকারের কাছাকাছি এবং সরকারি কর্মকর্তাদেরকে জনগণের কাছাকাছি এনে গণতান্ত্রিক বিকেন্দ্রীকরণ-এর ব্যবস্থা করা।
- মৌলিক গণতন্ত্র ব্যবস্থায় স্থানীয় স্বায়ত্তশাসনের চারটি স্তর ছিল। যথা-
(১) ইউনিয়ন কাউন্সিল (গ্রাম এলাকায়) এবং টাউন কমিটি (শহর এলাকায়)।
(২) থানা কাউন্সিল (পূর্ব পাকিস্তানে) এবং তহশিল কাউন্সিল (পশ্চিম পাকিস্তানে)।
(৩) জেলা কাউন্সিল।
(৪) বিভাগীয় কাউন্সিল।

উল্লেখ্য যে, 
[শুধুমাত্র সংগ্রামের নোটবুক ও বাংলাপিডিয়া মৌলিক গণতন্ত্রের ৫টি স্তর বলা হয়েছে। কিন্তু  পৌরনীতি ও সুশাসন, ইতিহাস, ও  বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা এবং স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র, প্রথম খন্ডের মধ্যে  মৌলিক গণতন্ত্রের ৪টি স্তরের কথা বলা হয়েছে। তাই অধিক গ্রহনযোগ্য হিসেবে ৪ টি উত্তর নেওয়া হয়েছে।]

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৫১৩.
১৩৩৮ সালে সোনারগাঁও এ স্বাধীন সুলতানি যুগের সূচনা করেন কে?
  1. গিয়াসউদ্দিন আজম শাহ
  2. ফখরুদ্দিন মোবারক শাহ
  3. শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ
  4. আলাউদ্দিন হোসেন শাহ
সঠিক উত্তর:
ফখরুদ্দিন মোবারক শাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফখরুদ্দিন মোবারক শাহ
ব্যাখ্যা

বাংলায় মুসলিম শাসন: 
- ১৩৩৮ সালে সোনারগাঁওয়ে ফখরুদ্দিন মোবারক শাহ স্বাধীন সুলতানি যুগের সূচনা করেন।
- এর আগে বাংলার শাসকরা দিল্লির সুলতানদের দ্বারা নিয়োগপ্রাপ্ত থাকলেও, তিনি সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবে শাসন শুরু করেন।
- তাঁর শাসনামলের পর থেকে ১৫৩৮ সাল পর্যন্ত বাংলা প্রায় দু'শ বছর স্বাধীন সুলতানি শাসনের অধীনে ছিল।
- এই সময় বাংলায় ইলিয়াস শাহী, হাবশি ও হোসেন শাহী বংশের শাসকগণ শাসন করেছেন।
- তাঁরা সুশাসন, শিক্ষা ও সংস্কৃতির প্রসার ঘটান, যা বাংলার ইতিহাসে এক গৌরবময় অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত হয়।
- এজন্য ১৩৩৮ সালকে বাংলার স্বাধীন সুলতানি যুগের সূচনা বছর বলা হয়।

সূত্র: ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

৪,৫১৪.
ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মিত হচ্ছে-
  1. ক) বিমানবন্দর থেকে কুতুবখালী পর্যন্ত
  2. খ) বিমানবন্দর থেকে যাত্রাবাড়ি পর্যন্ত
  3. গ) খিলক্ষেত থেকে কুতুবখালী পর্যন্ত
  4. ঘ) কুড়িল থেকে সায়েদাবাদ পর্যন্ত
সঠিক উত্তর:
ক) বিমানবন্দর থেকে কুতুবখালী পর্যন্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) বিমানবন্দর থেকে কুতুবখালী পর্যন্ত
ব্যাখ্যা

এক নজরে ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে

দৈর্ঘ্য: বিমানবন্দর থেকে কুতুবখালী পর্যন্ত সড়কের দৈর্ঘ্য ১৯ দশমিক ৭৩ কিলোমিটার। ২৭ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের ৩১টি র‌্যাম্পসহ মোট দৈর্ঘ্য ৪৬ দশমিক ৭৩ কিলোমিটার।

ব্যয়: প্রকল্পের মোট ব্যয় ৮ হাজার ৯৪০ কোটি ১৮ লাখ টাকা। এর মধ্যে বাংলাদেশ সরকার দেবে ২ হাজার ৪১৩ কো ৮৪ লাখ টাকা। বাকি টাকা দেবে নির্মাতা প্রতিষ্ঠান।
এটি সরকারের First Track প্রকল্পগুলোর একটি। 

তথ্যসূত্র:- প্রথম আলো এবং যুগান্তর।

৪,৫১৫.
বাংলায় মাৎস্যন্যায়ের সময়কাল প্রায় কত বছর স্থায়ী হয়েছিল?
  1. ২৫ বছর
  2. ৫০ বছর
  3. ১০০ বছর 
  4. ২০০ বছর
সঠিক উত্তর:
১০০ বছর 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০০ বছর 
ব্যাখ্যা

মাৎস্যন্যায়:
- ‘মাৎস্যন্যায়’ বাংলার ৭ম-৮ম শতক সময়কালকে নির্দেশ করে।
- রাজা শশাঙ্কের মৃত্যুর পর থেকে পাল রাজবংশের অভ্যুদয়ের পূর্ব পর্যন্ত সময়কালকে মাৎস্যন্যায় বলা হয়।
- মাৎস্যন্যায়ের সময়টি ছিল মোটামুটিভাবে ৬৫০-৭৫০ সালের মধ্যকার প্রায় ১০০ বছর।

• সে সময় বাংলার রাজনীতিতে চরম বিশৃঙ্খলাপূর্ণ অবস্থা বিরাজ করে।
- প্রায় সমসাময়িক লিপি, খালিমপুর তাম্রশাসন এবং সন্ধ্যাকর নন্দীর রামচরিতম কাব্যে পাল বংশের পূর্ববর্তী সময়ের বাংলার নৈরাজ্যকর অবস্থাকে ‘মাৎস্যন্যায়’ বলে উল্লেখ করা হয়।
- বাংলা অঞ্চলে বিশৃঙ্খলা যখন চরমে, তখন সিংহাসনে বসেন রাজা গোপাল। রাজা গোপালের হাত ধরে প্রতিষ্ঠা লাভ করে পাল বংশ। রাজা গোপাল সিংহাসনে বসার মাধ্যমে অবসান ঘটে মাৎস্যন্যায়ের। 

উল্লেখ্য,
- সংস্কৃত শব্দ মাৎস্যন্যায়ের আক্ষরিক অর্থ ‘মাছের ন্যায়’।
- মাছেদের জগতে যেমন বড় মাছ ছোট ছোট মাছ খেয়ে ফেলে; তেমনি মানবসমাজে দুর্বলরা সবলদের হাতে, ক্ষমতাহীনরা শোষিত হয় ক্ষমতাবানদের হাতে।
- এভাবে অরাজকতা আর বিশৃঙ্খলা গ্রাস করে পুরো সমাজ ও রাষ্ট্রকে।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।

৪,৫১৬.
স্বৈরাচার এরশাদ পতন আন্দোলনে নিহত শহীদ কে?
  1. হামিদুর রহমান
  2. মোহাম্মদ শামসুজ্জোহা
  3. নূর হোসেন
  4. রফিক
সঠিক উত্তর:
নূর হোসেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নূর হোসেন
ব্যাখ্যা

⇒ স্বৈরাচার এরশাদ পতন আন্দোলনে নিহত শহীদ নূর হোসেন।

শহীদ নূর হোসেন:
- গণআন্দোলনের মুখে স্বৈরাচার এরশাদের পতন হয় ৬ই ডিসেম্বর, ১৯৯০ সালে।
- এই আন্দোলনের কারণে বাংলাদেশে জেনারেল এরশাদের ৯ বছরের স্বৈরাচারী শাসনের অবসান ঘটে।
- এর তিন বছর আগে আরেকটি গণআন্দোলনের মাধ্যমে স্বৈরাচার এরশাদের বিরুদ্ধে আন্দোলন করা হলেও সেটি ব্যর্থ হয়।।
- সেই আন্দোলনের সময় গণতন্ত্রের দাবিতে বুকে-পিঠে শ্লোগান লিখে রাস্তায় নামা এক তরুণ নুর হোসেন পুলিশের গুলিতে নিহত হন।
- নূর হোসেনের বুকে-পিঠে লেখা শ্লোগান 'স্বৈরাচার নিপাত যাক, গণতন্ত্র মুক্তি পাক'।
- ১৯৮৭ সালের ১০ নভেম্বর নূর হোসেন শহীদ হন।

তথ্যসূত্র - প্রথম আলো ও বিবিসি বাংলা।

৪,৫১৭.
ঐতিহাসিক জেলহত্যা ঘটনায় বাংলাদেশের কয় জন জাতীয় নেতাকে হত্যা করা হয়?
  1. ২ জন
  2. ৩ জন
  3. ৪ জন
  4. ৫ জন
সঠিক উত্তর:
৪ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ জন
ব্যাখ্যা
জেলহত্যা:
- জেলহত্যা ঘটনাটি বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি কালো অধ্যায় হিসেবে চিহ্নিত হয়।
- ১৯৭৫ সালের ৩রা নভেম্বর রাতে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দী অবস্থায় জাতীয় চার নেতাকে নির্মমভাবে গুলি করে হত্যা করা হয়।
- এই হত্যাকাণ্ড ইতিহাসে 'জেলহত্যা' নামে পরিচিত।

- হত্যাকাণ্ডের শিকার জাতীয় চার নেতা হলেন:
• সৈয়দ নজরুল ইসলাম,
• তাজউদ্দীন আহমদ,
• ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী এবং
• এ এইচ এম কামারুজ্জামান।

উল্লেখ্য,
- তাদের এই হত্যাকাণ্ডের স্মৃতি স্মরণার্থে প্রতি বছর ৩রা নভেম্বর 'জেলহত্যা দিবস' পালিত হয়।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া ও বিবিসি বাংলা।
৪,৫১৮.
জনসংখ্যার দিক থেকে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান কত?
  1. নবম
  2. দশম
  3. অষ্টম
  4. পঞ্চম
সঠিক উত্তর:
অষ্টম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অষ্টম
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ:
- বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার উত্তর পূর্ব অংশে অবস্থিত।
- বাংলাদেশের পশ্চিমে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, পূর্বে ভারতের ত্রিপুরা, মিজোরাম রাজ্য এবং মায়ানমারের পাহাড়ী এলাকা এবং দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর।
- সাংবিধানিক নাম: গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ,
- আন্তর্জাতিক ডায়ালিং কোড: +৮৮০,
- আন্তর্জাতিক সময় অঞ্চল: বিএসটি (জিএমটি +৬ ঘণ্টা),
- জনসংখ্যা: ১৬,৯৮,২৮,৯১১ জন,
- জনসংখ্যার দিক দিয়ে পৃথিবীর ৮ম বৃহত্তম দেশ।

উৎস: i) Worldometer. [link]
         ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৪,৫১৯.
পুন্ড্রনগর কোন শাসনামলের স্মৃতি ধারন করে?
  1. গুপ্ত
  2. পাল
  3. সেন
  4. মুঘল
সঠিক উত্তর:
গুপ্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গুপ্ত
ব্যাখ্যা
পুন্ড্র:
- প্রাচীন বাংলার অন্যতম একটি গুরুত্বপূর্ণ জনপদের নাম পুন্ড্র।
- পুন্ড্রদের রাজ্যের রাজধানীর নাম পুন্ড্রনগর।
- বর্তমান বগুড়া শহরের অদূরে করতোয়া নদীর তীরে পুন্ড্রনগর অবস্থিত।
- পরবর্তীকালে এর নাম মহাস্থানগড় হয়।

⇒ সম্ভবত মৌর্য সম্রাট অশোকের রাজত্বকালে (খ্রি. পু. ২৭৩-২৩২ অব্দ) প্রাচীন পুন্ড্র রাজ্য স্বাধীনসত্তা হারায়।
- এ রাজ্যের বিস্তৃতি বর্তমান বগুড়া, রংপুর ও দিনাজপুর পর্যন্ত ছিল।
- পুন্ড্র রাজ্যের উত্তর অংশের নাম বরেন্দ্র, বরেন্দ্রী অথবা বরেন্দ্রভূমি ছিল।
- রাজশাহী অঞ্চলকে এখনও বরেন্দ্র বলা হয়ে থাকে।
- গুপ্ত যুগে (৪র্থ- ৬ষ্ঠ শতকে) পুন্ড্রনগর ছিল গুপ্তদের প্রাদেশিক রাজধানী।
- পুন্ড্র জনপদে একটি উন্নত নগর সভ্যতা ছিল।
- প্রাচীন সভ্যতার নিদর্শনের দিক দিয়ে পুন্ড্রই ছিল বাংলাদেশের সবচেয়ে সমৃদ্ধ রাজ্য।

উৎস: বাংলাদেশ স্টাডিজ, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৫২০.
কোন দু’টি সংসদ নির্বাচন মাত্র দু’বছরের ব্যবধানে অনুষ্ঠিত হয়েছিল?
  1. ক) ৩য় ও ৪র্থ
  2. খ) ৩য় ও ৫ম
  3. গ) ৩য় ও ৬ষ্ঠ
  4. ঘ) ২য় ও ৩য়
সঠিক উত্তর:
ক) ৩য় ও ৪র্থ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৩য় ও ৪র্থ
ব্যাখ্যা
⇨ ৩য় ও ৪র্থ সংসদ নির্বাচন মাত্র দু'বছরের ব্যবধানে অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
⇨ ৩য় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ১৯৮৬ সালের ৭ মে । 
⇨ ৪র্থ সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ১৯৮৮ সালের ৩ মার্চ। 
⇨ স্বৈরশাসক এরশাদ যেকোন উপায়ে ক্ষমতায় টিকে থাকতে চেয়েছিল। 
⇨ তাই দু বছরেরও কম সময়ের মধ্যে আবার জাতীয় নির্বাচনের আয়োজন করে।
⇨ কিন্তু ১৯৮৮ সালের নির্বাচনে রাজনৈতিক দলগুলোর অংশ গ্রহণ ১৯৮৬ সালের নির্বাচন থেকে কম ছিল।

তথ্যসূত্র:- পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৫২১.
কে বীরশ্রেষ্ঠ নন?
  1. মুন্সী আব্দুর রহমান
  2. নূর মোহাম্মাদ শেখ
  3. মোস্তফা কামাল
  4. হামিদুর রহমান
সঠিক উত্তর:
মুন্সী আব্দুর রহমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুন্সী আব্দুর রহমান
ব্যাখ্যা
৭ জন বীরশ্রেষ্ঠ হলেন -
- বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ফ্লাইট লেঃ মতিউর রহমান।
- বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহী মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল।
- বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর
- বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহী হামিদুর রহমান।
- বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখ।
- বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ মোহাম্মদ রুহুল আমিন।
- বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ল্যান্স নায়েক মুন্সি আব্দুর রউফ।

উৎস: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
৪,৫২২.
এ. কে ফজলুল হক কোন দলের নেতৃত্বে ছিলেন?
  1. আওয়ামী মুসলিম লীগ
  2. কৃষক শ্রমিক পার্টি
  3. নেজামে ইসলাম
  4. গণতন্ত্রী দল
সঠিক উত্তর:
কৃষক শ্রমিক পার্টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কৃষক শ্রমিক পার্টি
ব্যাখ্যা
১৯৫৪ সালের নির্বাচন:
- ১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইনের অধীনে সর্বজনীন ভোটাধিকারের ভিত্তিতে পূর্ব পাকিস্তানে ১৯৫৪ সালের মার্চ মাসে এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- এ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে ক্ষমতাসীন মুসলিম লীগ এবং পাঁচটি দলের সমন্বয়ে গঠিত যুক্তফ্রন্ট।
- যুক্তফ্রন্টের প্রধান শরিক দলগুলো ছিল:
- মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর নেতৃত্বাধীন আওয়ামী মুসলিম লীগ,
- এ. কে ফজলুল হকের নেতৃত্বাধীন কৃষক শ্রমিক পার্টি,
- মওলানা আতাহার আলীর নেতৃত্বাধীন নেজামে ইসলাম,
- হাজী মোহাম্মদ দানেশের নেতৃত্বাধীন গণতন্ত্রী দল এবং
- খিলাফতে রব্বানী পার্টি।

নির্বাচনের ফলাফল:
- এ নির্বাচনে যুক্তফ্রন্ট ৩০৯টি আসনের মধ্যে ২২৮টি আসন লাভ করে।
- এর মধ্যে মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত ৯টি আসনও ছিল।
- ১৯৩৭ সাল থেকে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে ক্ষমতায় আসীন মুসলিম লীগ পায় মাত্র ৭টি আসন।
- যুক্তফ্রন্টের ২২৮টি আসনের মধ্যে আওয়ামী মুসলিম লীগ পায় ১৪৩টি আসন, কৃষক শ্রমিক পার্টি ৪৮, নেজামে ইসলাম ২২, গণতন্ত্রী দল ১৩, এবং খেলাফতে রববানী পার্টি পায় ২টি আসন।
- অমুসলিম আসনে কংগ্রেস পায় ২৫টি, তফসিলী ফেডারেশন ২৭টি এবং সংখ্যালঘুদের যুক্তফ্রন্ট পায় ১৩টি আসন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৪,৫২৩.
মুক্তিযুদ্ধের সময় ঢাকা কোন সেক্টরের অধীনে ছিল
  1. ক) ২ নং
  2. খ) ৭ নং
  3. গ) ৮ নং
  4. ঘ) ৯ নং
সঠিক উত্তর:
ক) ২ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ২ নং
ব্যাখ্যা
• মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর:
- মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশকে-১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিলো।
- নৌ-বাহিনীর অধীনে ছিল-১০ নং সেক্টর (সকল নদী ও বঙ্গোপসাগর)
-১০ নং সেক্টরে কোনো সেক্টর কমান্ডার ছিল না

- চট্টগ্রাম-১নং সেক্টর।
- ঢাকা-২ নং সেক্টর।
- রাজশাহী-৭ নং সেক্টর।
- মুজিব নগর-৮ নং সেক্টর।
- সুন্দরবন-৯ নং সেক্টর।

সূত্র: ঢাকা বিভাগের ওয়েবসাইট।
৪,৫২৪.
‘আয়নাবাজি’ চলচ্চিত্রের পরিচালক কে?
  1. মোস্তাফিজুর রহমান মানিক
  2. তানভীর মোকাম্মেল
  3. চাষী নজরুল ইসলাম
  4. অমিতাভ রেজা চৌধুরী
সঠিক উত্তর:
অমিতাভ রেজা চৌধুরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অমিতাভ রেজা চৌধুরী
ব্যাখ্যা

আয়নাবাজি:
- ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বরের ৩০ তারিখে মুক্তি পেয়েছিল ‘আয়নাবাজি’।
- চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেন অমিতাভ রেজা চৌধুরী।
- এর কাহিনি গাউসুল আলম শাওনের এবং যৌথভাবে চিত্রনাট্য করেছিলেন গাউসুল আলম শাওন এবং অনম বিশ্বাস।
- চলচ্চিত্রটিতে প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেন চঞ্চল চৌধুরী।
- এ কারণে তিনি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে শ্রেষ্ঠ অভিনেতা হওয়ার পাশাপাশি ওই বছর ‘আয়নাবাজি’ বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে আরো সাতটি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করে।
- চঞ্চল ছাড়াও ‘আয়নাবাজি’-তে অন্যান্য চরিত্রে আরও অভিনয় করেন মাসুমা নাবিলা, পার্থ বড়ুয়া, লুৎফুর রহমান জর্জ, বৃন্দাবন দাশ, গাউসুল আলম শাওন, জামিল হোসেন প্রমুখ।

তথ্যসূত্র - চ্যানেল আই অনলাইন, ১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪।

৪,৫২৫.
নিচের কোনটি সিভিল সোসাইটির অংশ নয়?
  1. আইন ও সালিশ কেন্দ্র
  2. সুশাসনের জন্যে নাগরিক
  3. বাংলাদেশ পুলিশ
  4. বিজিএমইএ
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ পুলিশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ পুলিশ
ব্যাখ্যা
- সিভিল সোসাইটি বা সুশীল সমাজ সরকারের অংশ নয়, তবে সরকারের নীতি-নির্ধারণে প্রভাব বিস্তার করে থাকে।
- সমাজের বিভিন্ন পেশাজীবী, বিশিষ্ট নাগরিক, বিভিন্ন বেসরকারি সংগঠন বা এনজিও’র সমন্বয়ে সিভিল সোসাইটি গঠিত।
- আইন ও সালিম কেন্দ্র (আসক), সুশাসনের জন্যে নাগরিক (সুজন), বাংলাদেশ গার্মেন্টস ম্যানুফ্যাকচারার্স এন্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিজিএমইএ) প্রভৃতি সিভিল সোসাইটির অংশ হিসেবে বিবেচিত।
অন্যদিকে,
- বাংলাদেশ পুলিশ সরকারের অংশ, যা সিভিল সোসাইটির অংশ নয়।
(তথ্যসূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক পৌরনীতি ও সুশাসন)
৪,৫২৬.
ঐতিহাসিক পলাশী যুদ্ধে নবাব সিরাজউদ্দৌলার পরাজয়ের ফলে ভারতে-
  1. ক) ইংরেজ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসনের পথ প্রশস্ত হয়
  2. খ) মুঘল সম্রাটদের ক্ষমতা সুসংহত হয়
  3. গ) বৃটিশ ঔপনিবেশিক শাসনের সূচনা হয়
  4. ঘ) বাংলার স্বাধীন নবাবি শাসনের অবসান হয়
সঠিক উত্তর:
ক) ইংরেজ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসনের পথ প্রশস্ত হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ইংরেজ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসনের পথ প্রশস্ত হয়
ব্যাখ্যা
- ১৭৫৭ খ্রিস্টাব্দে ২৩ জুন ভাগীরথী নদীর তীরে পলাশীর আমবাগানে নবাবের সঙ্গে ইংরেজ সেনাপতি রবার্ট ক্লাইভের যুদ্ধ হয়। 
- ১৭৫৭ খ্রিস্টাব্দে সিরাজউদ্দৌলার পরাজয়ের কারণে বাংলায় ইংরেজ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসন প্রতিষ্ঠার পথ প্রশস্তহয়।
- তবে পলাশীর বিজয়ে কোম্পানির সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠা হয়নি।
- সে জন্য তাকে আরো একটি যুদ্ধে লিপ্ত হতে হয়।
- মীর জাফর ইংরেজদের স্বার্থ রক্ষা করতে ব্যর্থ হলে তাকে সরিয়ে মীর কাশিমকে সিংহাসনে শর্তসাপেক্ষে বসানো হয়।
- স্বাধীনচেতা মীর কাশিম ইংরেজদের অনুগত না হয়ে স্বাধীনভাবে দেশ পরিচালনার জন্য একের পর এক পদক্ষেপ গ্রহণ করে।
- যার ফলে শেষ পর্যন্ত ১৭৬৪ খ্রিস্টাব্দে বক্সারের যুদ্ধ সংঘটিত হয়।
- এই যুদ্ধে বাংলার নবাব একা পরাজিত হননি তাঁর সাথে তার মিত্র দিল্লির সম্রাট শাহ আলম অযোধ্যার নবাব সুজাউদ্দৌলাও পরাজিত হন।
- এই তিন শক্তির এক সঙ্গে পরাজয়ের কারণে ইংরেজদের মর্যাদা ও শক্তি বৃদ্ধি পায়।
- একই সঙ্গে রাজনৈতিক ক্ষমতা দখলের পথ সুনিশ্চিত হয়।
- যার পরিণতিতে ইংরেজ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি একশবছর অর্থাৎ ১৮৫৭ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত এই উপমহাদেশ শাসন করতে সক্ষম হয়।

উৎস:- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ব বিদ্যালয়।
৪,৫২৭.
‘উর্দুই এবং একমাত্র উর্দুই হবে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা’ বলে ঘোষণা করেন?
  1. ক) খাজা নাজিমুদ্দিন
  2. খ) লিয়াকত আলী খান
  3. গ) নুরুল আমিন
  4. ঘ) মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ
সঠিক উত্তর:
ঘ) মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ
ব্যাখ্যা
১৯৪৮ সালের ১৯ মার্চ পাকিস্তানের গভর্নর জেনারেল মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ্ ঢাকায় আসেন। ২১ মার্চ রমনার রেসকোর্স ময়দানে এক জনসভায় এবং ২৪ মার্চ কার্জন হলে অনুষ্ঠিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন অনুষ্ঠানে ঘোষণা করেন ‘উর্দুই এবং একমাত্র উর্দুই হবে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা’। উপস্থিত ছাত্ররা ‘না না’ ধ্বনি দিয়ে এর প্রতিবাদ জানায়। সূত্র- বোর্ড বইঃনবম-দশম শ্রেণি।
৪,৫২৮.
স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রে ”চরমপত্র” পাঠ করতেন কে?
  1. মাহবুবুল হক
  2. আবদুল মান্নান
  3. এম. আর. আখতার মুকুল
  4. মাজহারুল ইসলাম  
সঠিক উত্তর:
এম. আর. আখতার মুকুল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এম. আর. আখতার মুকুল
ব্যাখ্যা
• স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র :
- স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ শুরু হওয়ার পরপরই বাংলাদেশের প্রবাসী সরকার কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত বেতার সম্প্রচার কেন্দ্র।
- চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে এর প্রাথমিক যাত্রা শুরু হয়। এই কেন্দ্র থেকেই বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করা হয়েছিল।
- ১৯৭১-এর ৩০ মার্চ পাকিস্তান বিমান বাহিনী কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র লক্ষ্য করে ব্যাপক বোমাবর্ষণ করে। ফলে এটি অচল হয়ে যায়।
- ২৫ মে তারিখ কেন্দ্রটি কলকাতায় স্থানান্তরিত হয় এবং একই দিনে সেখানে এটি তার কার্যক্রম শুরু করে।
- স্বাধীন বাংলা বেতারের অত্যন্ত জনপ্রিয় দুটি অনুষ্ঠান ছিল ‘চরমপত্র‘ ও ‘জল্লাদের দরবার’
- জল্লাদের দরবার-এ জেনারেল ইয়াহিয়া খানের অমানবিক চরিত্র ও পাশবিক আচরণকে তুলে ধরা হতো।
- চরমপত্র সিরিজটি পরিকল্পনা করেন - আবদুল মান্নান ।
- এম.আর আখতার মুকুল, এর উপস্থাপক ছিলেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৪,৫২৯.
কার সময়ে বঙ্গভঙ্গ করা হয়?
  1. ক) লর্ড মিন্টো
  2. খ) লর্ড হার্ডিঞ্জ
  3. গ) লর্ড কার্জন
  4. ঘ) লর্ড মন্টেগু
সঠিক উত্তর:
গ) লর্ড কার্জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) লর্ড কার্জন
ব্যাখ্যা
- ১৯০৫ সালের ১৬ অক্টোবর তৎকালীন বড়লাট লর্ড কার্জন বিশাল বাংলা প্রেসিডেন্সিকে ভেঙ্গে দুটো প্রদেশ করেন যা ‘বঙ্গভঙ্গ’ নামে পরিচিত।
- কিন্তু কংগ্রেস ও বর্ণহিন্দুরা বঙ্গভঙ্গের তীব্র বিরোধিতা করে এবং সহিংস আন্দোলন শুরু করে। ফলে ব্রিটিশ সরকার বঙ্গভঙ্গ রদ করতে বাধ্য হয়।
- ১৯১১ সালের ডিসেম্বরে লর্ড হার্ডিঞ্জের সময়ে ব্রিটেনের রাজা পঞ্চম জর্জ দিল্লিতে বঙ্গভঙ্গ রদের ঘোষণা দেন।
- এতে করে ১৯১২ সালের ১ এপ্রিল পুনরায় দুই বাংলা একত্রিত হয়।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাপিডিয়া এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
৪,৫৩০.
ঢাকার লালবাগ দুর্গ নির্মাণ করেন কে?
  1. মীর জুমলা
  2. শায়েস্তা খান
  3. শাহ সুজা
  4. সুবেদার ইসলাম খান
সঠিক উত্তর:
শায়েস্তা খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শায়েস্তা খান
ব্যাখ্যা

লালবাগ কেল্লা:
- লালবাগ কেল্লার নাম ছিল কেল্লা আওরঙ্গবাদ বা আওরঙ্গবাদ দুর্গ।
- এই কেল্লার নকশা করেন শাহ আজম।
- মোঘল সম্রাট আওরঙ্গজেব-এর ৩য় পুত্র আজম শাহ ১৬৭৮ খ্রিস্টাব্দে ঢাকার সুবেদারের বাসস্থান হিসেবে এ দুর্গের নির্মাণ কাজ শুরু করেন।
- নবাব শায়েস্তা খাঁ ১৬৮০ সালে ঢাকায় এসে পুনরায় দুর্গের নির্মাণকাজ শুরু করেন।
- শায়েস্তা খানের কন্যা পরী বিবির মৃত্যুর পর শায়েস্তা খান ১৬৮৪ খ্রিস্টাব্দে এর নির্মাণ বন্ধ করে দেন।
- পরী বিবিকে দরবার হল এবং মসজিদের ঠিক মাঝখানে সমাহিত করা হয়।
- ১৮৪৪ সালে ঢাকা কমিটি নামে একটি আধা-সরকারি প্রতিষ্ঠান দুর্গের উন্নয়ন কাজ শুরু করে।
- এ সময় দুর্গটি লালবাগ দুর্গ নামে পরিচিতি লাভ করে।
- ১৯১০ সালে লালবাগ দুর্গের প্রাচীর সংরক্ষিত স্থাপত্য হিসেবে প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের অধীনে আনা হয়।
- এটি মোগল আমল এর একটি চমৎকার নিদর্শন।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৪,৫৩১.
১৯৭১ সালে পাকবাহিনীর হত্যাযজ্ঞ বিষয়ে কোন পত্রিকায় ‘ট্যাংকস ক্র্যাশ রিভোল্ড ইন পাকিস্তান’ শিরোনামে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়?
  1. নিউইয়র্ক টাইমস
  2. ডেইলি টেলিগ্রাফ
  3. নিউজ উইকস
  4. হেরাল্ড ট্রিবিউন
সঠিক উত্তর:
ডেইলি টেলিগ্রাফ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডেইলি টেলিগ্রাফ
ব্যাখ্যা
- ১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ ‘অপারেশন সার্চলাইটে’র সময় ব্রিটেনের ‘ডেইলি টেলিগ্রাফ’ পত্রিকার সাংবাদিক সাইমন ড্রিং ঢাকা ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলে গোপনে অবস্থান করে পাকবাহিনীর ধ্বংসযজ্ঞ প্রত্যক্ষ করেন।
- পরবর্তীতে ৩০শে মার্চ ১৯৭১ ডেইলি টেলিগ্রাফ পত্রিকায় তিনি ‘ট্যাংকস ক্র্যাশ রিভোল্ড ইন পাকিস্তান’ শিরোনামে প্রতিবেদন প্রকাশ করে সর্বপ্রথম পাকবাহিনীর হত্যাযজ্ঞের খবর বহির্বিশ্বে প্রচার করেন।
- এই প্রতিবেদনের মাধ্যমে বহির্বিশ্ব প্রথম পূর্ব পাকিস্তানে পাকবাহিনীর হত্যাযজ্ঞ সম্পর্কে জানতে পারে।
- সায়মন ড্রিং গত ১৬ জুলাই ২০২১ রোমানিয়ার একটি হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন।
(তথ্যসূত্রঃ দৈনিক প্রথম আলো)
৪,৫৩২.
শহিদ আবু সাঈদকে নিয়ে অঙ্কিত শিল্পকর্মের নাম -
  1. উন্নত মম শির
  2. অকুতোভয় বীর
  3. নির্ভীক
  4. আলোকদিশারী
সঠিক উত্তর:
উন্নত মম শির
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উন্নত মম শির
ব্যাখ্যা
• শহীদ আবু সাঈদকে নিয়ে অঙ্কিত শিল্পকর্মের নাম ‘উন্নত মম শির’।
- শিল্পকর্মটি অঙ্কন করেছেন শিল্পী শহীদ কবির।

• আবু সাঈদ:
- বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের প্রথম শহীদ রংপুরের আবু সাঈদ।
- ১৬ই জুলাই, ২০২৪ আন্দোলন চলাকালে একজন পুলিশ সদস্যের গুলিতে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
- তাকে কোটা আন্দোলনকারীরা আন্দোলনের প্রথম শহিদ বলে আখ্যায়িত করে।

উৎস: প্রথম আলো।
৪,৫৩৩.
'আমি সব সময় অখন্ড বাংলার পক্ষপাতী' উক্তিটি ছিল-
  1. ফজলুল হকের
  2. খাজা নাজিমুদ্দিনের
  3. খান ভাসানীর
  4. শহীদ সোহরাওয়ার্দীর
সঠিক উত্তর:
শহীদ সোহরাওয়ার্দীর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শহীদ সোহরাওয়ার্দীর
ব্যাখ্যা

- 'আমি সব সময় অখন্ড বাংলার পক্ষপাতী' উক্তিটি ছিল হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর।
- ১৯৪৬ সালে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার পর লর্ড মাউন্টব্যাটেন ভারত বিভাগ এবং এর পাশাপাশি বাংলা ও পাঞ্জাব প্রদেশকে বিভক্ত করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। পণ্ডিত জওহরলাল নেহেরু এবং সরদার বল্লভ ভাই প্যাটেলসহ অনেক কংগ্রেস নেতাও ধর্মের ভিত্তিতে দেশ ভাগের সিদ্ধান্তকে মেনে নিন।
- বাঙালি জাতির এ দুঃসময়ে হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী ও অবিভক্ত বাংলার সে সময়ের মুসলিম লীগের সাধারণ সম্পাদক জনাব আবুল হাশিম ধর্মের ভিত্তিতে বাংলা প্রদেশকে বিভক্তির বিরোধিতা করেন।
উৎসঃ পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।

৪,৫৩৪.
কেরু এন্ড কোং (বিডি) লিমিটেড চিনিকল কোথায় অবস্থিত?
  1. লালপুর, নাটোর
  2. ঈশ্বরদী, পাবনা
  3. দর্শনা, চুয়াডাঙ্গা
  4. সেতাবগঞ্জ, দিনাজপুর
সঠিক উত্তর:
দর্শনা, চুয়াডাঙ্গা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দর্শনা, চুয়াডাঙ্গা
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের রাষ্ট্রায়ত্ত খাতের সবচেয়ে বড় চিনিকল হলো কেরু এন্ড কোং (বিডি) লিমিটেড। এটি চুয়াডাঙ্গা জেলার দর্শনায় অবস্থিত যা ১৯৩৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।

বর্তমানে বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প কর্পোরেশনের অধীনে মোট ১৫টি চিনিকল রয়েছে৷ এদের মধ্যে নাটোরে অবস্থিত নর্থবেঙ্গল চিনিকল দেশের প্রথম চিনিকল।

(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প কর্পোরেশন ওয়েবসাইট)
৪,৫৩৫.
আইয়ুব খান বিরোধী জোট এন.ডি.এফ গঠিত হয় কার উদ্যোগে?
  1. হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
  2. নূর খান
  3. ইয়াহিয়া খান
  4. টিক্কা খান
সঠিক উত্তর:
হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
ব্যাখ্যা
এন. ডি. এফ 
-  এন. ডি. এফ এর পূর্ণরূপ ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট।
- এটি গঠিত হয় হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর উদ্যোগে।
- ১৯৬২ সালে আইয়ুব বিরোধী আন্দোলন শুরু হয়।
- আওয়ামী লীগ, নেজামে ইসলাম, ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি, কাউন্সিল মুসলিম লীগ ও নূরুল আমিনের নেতৃত্বাধীন মুসলিম লীগ মিলে বা এন. ডি. এফ গঠিত হয়।
- এই ফ্রন্ট ১৯৬২ সালে গঠিত হয়।
- এই ফ্রন্টের উদ্দেশ্য ছিল গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও ১৯৫৬ সালের সংবিধানে ফিরে যাওয়া।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৫৩৬.
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় 'অপারেশন জ্যাকপট' পরিচালনা করে -
  1. নৌবাহিনী
  2. বিমান বাহিনী
  3. গেরিলা বাহিনী
  4. যৌথবাহিনী
সঠিক উত্তর:
নৌবাহিনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নৌবাহিনী
ব্যাখ্যা
• অপারেশন জ্যাকপট:
- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় নৌবাহিনী পরিচালিত প্রথম অভিযান ছিল 'অপারেশন জ্যাকপট',
- ১৫ই আগস্ট ১৯৭১ অভিযান পরিচালনা করে।
- এই অভিযানে দেশের দুইটি সমুদ্রবন্দর—চট্টগ্রাম ও মোংলা এবং দুইটি নদী বন্দর—চাঁদপুর ও নারায়ণগঞ্জে একযোগে একই নামে অপারেশন চালানো হয়েছিল।
- অপারেশন জ্যাকপট ছিল একটি আত্মঘাতী অভিযান। 
- অপারেশন জ্যাকপটের চট্টগ্রাম বন্দরের অভিযান সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রফিকুল ইসলামের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হয়,
- তিনি মুক্তিযুদ্ধে এক নম্বর সেক্টরের কমান্ডার ছিলেন।

সূত্র: বিবিসি বাংলা, প্রথম আলো।
৪,৫৩৭.
আদিনা মসজিদ কোন শাসকের সময় নির্মিত হয়?
  1. সুলতান নাসিরউদ্দিন মাহমুদ শাহ
  2. সুলতান আলাউদ্দিন হুসেন শাহ
  3. সুলতান সিকান্দার শাহ
  4. সুলতান গিয়াসউদ্দিন আজম শাহ
সঠিক উত্তর:
সুলতান সিকান্দার শাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুলতান সিকান্দার শাহ
ব্যাখ্যা

⇒ আদিনা মসজিদ সুলতান সিকান্দার শাহ এর সময় নির্মিত হয়।

⇒ সিকান্দর শাহ:

- ইলিয়াস শাহের মৃত্যুর পর তাঁর পুত্র সিকান্দর শাহ ১৩৫৮ খ্রিস্টাব্দে সিংহাসনে আরোহণ করেন।
- তিনি প্রায় ৩৪ বছর রাজত্ব করেন।
- তাঁর এ সুদীর্ঘ রাজত্বকালে বাংলাদেশে মুসলিম শাসন সুদৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- সিকান্দর শাহ সুশাসক ও বিদ্যানুরাগী ছিলেন। 
- সুফি শেখ আলাউল হক ও শেখ শরফউদ্দীন ইয়াহিয়ার সাথে সিকান্দর শাহের সৌহার্দ্য ও পত্রালাপ ছিল।
- তাঁর রাজত্বকালে স্থাপত্যশিল্পের যথেষ্ট উন্নতি হয়।

⇒ আদিনা মসজিদ:
- আদিনা মসজিদ পশ্চিমবঙ্গের মালদহ জেলার হযরত পান্ডুয়া বা ফিরুজাবাদে অবস্থিত।
- এটি ১৩৭৩ খ্রিস্টাব্দে ইলিয়াস শাহের পুত্র সিকান্দর শাহ কর্তৃক নির্মিত হয়।
- এটি তৎকালীন সময়ে বাংলা তথা সমগ্র উপমহাদেশের বৃহত্তম মসজিদ ছিল।
- মসজিদের বাইরের আয়তন প্রায় ১৫৫ মি × ৮৭ মি এবং ভেতরের ১২২ মি × ৪৬ মি।
- বর্তমানে এটি ধ্বংসপ্রাপ্ত অবস্থায় রয়েছে, শুধু পশ্চিম দেয়ালের কিছু অংশ টিকে আছে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাপিডিয়া।

৪,৫৩৮.
বাংলাদেশের ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্রের সংখ্যা কয়টি?
  1. এক
  2. দুই
  3. তিন
  4. চার
সঠিক উত্তর:
চার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চার
ব্যাখ্যা
• ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র:
- বর্তমানে বাংলাদেশে ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র — ৪টি।
যথা:
- রাঙ্গামাটি (বেতবুনিয়া)
- গাজীপুর (তালিবাবাদ)
- মহাখালী ও
- সিলেট

• বেতবুনিয়া ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্রটি ১৯৭৪ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান উদ্বোধন করেন।
• এটি বাংলাদেশের প্রথম ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র।

তথ্যসূত্র: আবহাওয়া অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট, বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৪,৫৩৯.
কোন মন্ত্রণালয়ের অধীনে বাংলাদেশ মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম পরিচালিত হয়?
  1. বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়
  2. প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়
  3. ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়
  4. দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়
সঠিক উত্তর:
প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা

• স্পারসো (SPARRSO):
- SPARRSO এর পূর্ণরূপ: Space Research and Remote Sensing Organisation
- বাংলাদেশ  মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠান (স্পারসো) প্রযুক্তি ভিত্তিক বহুমাত্রিক গবেষণা ও প্রয়োগ বিষয়ে একটি সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠান।
- ১৯৮০ সালে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিভাগের অধীন স্পারসো প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৮৫ সালে প্রতিষ্ঠানটি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন স্থানান্তর করা হয়।
- ১৯৯১ সালে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের ২৯ নম্বর আইন দ্বারা স্পারসোকে সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর করা হয়।
- ১৯৯৫ সালে গেজেট বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে দেশে ও বিদেশে মহাকাশ সংক্রান্ত কার্যক্রমের জন্য স্পারসোকে “ন্যাশনাল ফোকাল পয়েন্ট” নির্ধারণ করা হয়।
- মহাকাশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ব্যবহার করে জলবায়ু পরিবর্তন, কৃষি, বন, সমুদ্রবিজ্ঞান, মহাকাশ ও বায়ুমন্ডল, পানিসম্পদ বিষয়ে গবেষণার দ্বারা নিজস্ব সক্ষমতা উন্নীতকরণের মাধ্যমে অর্থনীতিকে শক্তিশালীকরণ এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগ পরিবীক্ষণ ও পূর্বাভাস প্রদান করাই এর প্রধান উদ্দেশ্য।

তথ্যসূত্র: স্পারসো ওয়েবসাইট। 

৪,৫৪০.
স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা প্রথম উত্তোলিত হয় ১৯৭১ সালের কোন তারিখে?
  1. ক) ১৬ ডিসেম্বর
  2. খ) ২৬ মার্চ
  3. গ) ৭ মার্চ
  4. ঘ) ২ মার্চ
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২ মার্চ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২ মার্চ
ব্যাখ্যা
• প্রথম জতীয় পতাকা উত্তোলন:
- ১৯৭১ সালের ২ মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলাভবনের সামনের পশ্চিম গেটে বাংলাদেশের প্রথম পতাকা উত্তোলিত হয়।
- সেদিন জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেছিলেন ছাত্রনেতা আ স ম আবদুর রব। সেই পতাকার মাঝখানে হলুদ বৃত্ত ছিল। আর বৃত্তের মধ্যে ছিল বাংলাদেশের মানচিত্র।
- সেই থেকে প্রতি বছর ২ মার্চ জাতীয় পতাকা উত্তোলন দিবস পালন করা হয়।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭১ সালের ২৩ মার্চে তার বাসভবনে পতাকা উত্তোলন করেছিলেন।

- ১৯৭২ সালে শিবনারায়ণ দাশের ডিজাইন করা পতাকা থেকে মানচিত্রটি বাদ দেওয়া হয়। 
- পতাকার মাপ, রং ও তার ব্যাখ্যাসহ একটি প্রতিবেদন দিতে বলা হয় পটুয়া কামরুল হাসানকে। 
- কামরুল হাসান আমাদের জাতীয় পতাকার যে রূপ দিয়েছিলেন সেটিই বর্তমানে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা।
- বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা সবুজ আয়তক্ষেত্রের মধ্যে লাল বৃত্ত। সবুজ রং বাংলাদেশের সবুজ প্রকৃতি ও তারুণ্যের প্রতীক, বৃত্তের লাল রং উদীয়মান সূর্য, মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের রক্তের প্রতীক।
-  বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার এই রূপটি ১৯৭২ সালের ১৭ জানুয়ারি সরকারিভাবে গৃহীত হয়।
 
উৎস: বিডিনিউজ।
৪,৫৪১.
ভাষা আন্দোলন নিয়ে বাংলা সাহিত্যের প্রথম উপন্যাস কোনটি?
  1. মাতৃভাষা
  2. আরেক ফাল্গুন
  3. কবর
  4. একুশ
সঠিক উত্তর:
আরেক ফাল্গুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আরেক ফাল্গুন
ব্যাখ্যা

ভাষা আন্দোলন ভিত্তিক প্রথম উপন্যাস:
- ভাষা আন্দোলন নিয়ে বাংলা সাহিত্যের প্রথম উপন্যাস জহির রায়হানের 'আরেক ফাল্গুন'।
- এটি ১৯৫৫ সালের ভাষা দিবস ২১ ফেব্রুয়ারি পালনের অভিজ্ঞতায় লেখা।
- পুলিশ ভাষা দিবস পালনকারী অনেককে গ্রেপ্তার করলে একজন বলে - ‘আসছে ফাল্গুনে আমরা দ্বিগুন হবো'।
- চরিত্র: মুনিম, আসাদ, রসুল, সালমা ইত্যাদি। এই উপন্যাসে বাঙালির জাতীয় ঐতিহাসিক ঘটনাকে রূপায়িত করা হয়েছে।
- 'কবর' মুনীর চৌধুরী রচিত ভাষা আন্দোলনের উপর রচিত প্রথম বাংলা নাটক ।
- 'একুশের গল্প' জহির রায়হান এর ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত গল্প।

​তথ্যসূত্র - বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।

৪,৫৪২.
সর্বপ্রথম ‘পাট্টা’ (ভূমি স্বত্বের দলিল) ও ‘কবুলিয়াত’ (চুক্তি দলিল) প্রথা চালু করেন-
  1. ক) হুসেন শাহ
  2. খ) মুহম্মদ খান
  3. গ) শের শাহ
  4. ঘ) জালাল খাঁ
সঠিক উত্তর:
গ) শের শাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) শের শাহ
ব্যাখ্যা
শূর শাসনের সূচনা করেন আফগান শাসক শের শাহ। তিনি ১৫৩৮ সালে বাংলার সুলতান গিয়াসউদ্দিন মাহমুদকে পরাজিত করে বাংলা দখল করেন।
চৌসা (১৫৩৯ খ্রিস্টাব্দ) ও কণৌজের (১৫৪০ খ্রিস্টাব্দ) যুদ্ধে শের শাহ মুঘল সম্রাট হুমায়ূনকে পরাজিত করে দিল্লীর সিংহাসন দখল করেন।
শের শাহের আমলের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ অবদান হচ্ছে -
- শের শাহ বাংলায় ঘোড়ার ডাক ব্যবস্থার প্রচলন করেন।
- তিনি ‘দাম’ নামক মুদ্রার প্রচলন করেন।
- সড়ক-ই-আজম বা বিখ্যাত গ্রান্ড ট্রাংক রোডের নির্মাতা তিনি।
- পাট্টা ও কবুলিয়াত প্রথা চালু করেন শের শাহ।
[সূত্রঃ বাংলাপিডিয়া]
৪,৫৪৩.
বাংলার শেষ স্বাধীন হিন্দু রাজা কে ছিলেন?
  1. হেমন্ত সেন
  2. সামন্ত সেন
  3. কেশব সেন
  4. লক্ষণ সেন
সঠিক উত্তর:
লক্ষণ সেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লক্ষণ সেন
ব্যাখ্যা
• সেন বংশ:
- সেন বংশের রাজত্ব কাল ছিল ১০৭০- ১২৩০ সাল পর্যন্ত।
- সেন রাজবংশের গোড়াপত্তন করেন সামন্ত সেন।
- বাংলার সেন রাজবংশের প্রতিষ্ঠাতা- হেমন্ত সেন।
- বাংলার সর্বপ্রথম একক শাসনাধীন আসে বিজয় সেনের সময়।
- সেন বংশের শ্রেষ্ঠ রাজা বিজয় সেন।
- সেন বংশের সর্বশেষ রাজা লক্ষণ সেন।
- বাংলার শেষ স্বাধীন হিন্দু রাজা লক্ষণ সেন।
- সেন বংশের সর্বশেষ শাসনকর্তা কেশব সেন।

উল্লেখ্য,
- লক্ষণ সেনের সময় রাজধানী ছিল নদীয়া বা নবদ্বীপ।
- লক্ষণসেনের উপাধি ছিল গৌড়েশ্বর।
- কৌলীন্য প্রথার প্রবর্তক বল্লাল সেন।
- দান সাগর ও অদ্ভুত সাগর নামে দুটি গ্রন্থ লিখেছেন বল্লাল সেন।
- দান সাগর ও অদ্ভুত সাগর নামে দুটি গ্রন্থ লিখেছেন বল্লাল সেন।
- লক্ষণ সেনের রাজসভার কবি ছিলেন জয়দেব, ধোয়ি, হলায়ুধ মিশ্র।

উৎস: ¡) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
         ¡¡) বাংলাপিডিয়া।
৪,৫৪৪.
বর্তমানে বাংলাদেশে 'এ' ক্যাটাগরির জেলা কয়টি?[জানুয়ারি, ২০২৬]
  1. ২৫
  2. ২৭
  3. ৩১
  4. ৩৬
সঠিক উত্তর:
২৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৭
ব্যাখ্যা

সাতক্ষীরা:
- সাতক্ষীরা জেলাকে 'বি' থেকে 'এ' ক্যাটাগরির জেলায় উন্নীত করেছে সরকার।
 - মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
- মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, ৮ বা এর বেশি উপজেলা থাকা জেলাকে 'এ', ৫ থেকে ৭টি উপজেলা থাকা জেলাকে 'বি' এবং ৫টির কম - উপজেলা থাকা জেলাকে 'সি' শ্রেণির উপজেলার মর্যাদা দেওয়া হয়।
 - আর অবস্থানগত কারণে বেশি গুরুত্ববহ জেলাকে 'বিশেষ ক্যাটাগরি'র অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
- মোট এ ক্যাটাগরির জেলা ২৭টি।

এ ক্যাটাগরির জেলাসমূহ:
- কিশোরগঞ্জ, টাঙ্গাইল, ফরিদপুর, কুমিল্লা, রাঙামাটি, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, খাগড়াছড়ি, নোয়াখালী, চাঁদপুর, কক্সবাজার, বগুড়া, নওগাঁ, পাবনা, সিরাজগঞ্জ, দিনাজপুর, কুড়িগ্রাম, রংপুর, বাগেরহাট, যশোর, বরিশাল, পটুয়াখালী, সিলেট, সুনামগঞ্জ, হবিগঞ্জ, মৌলভীবাজার ও নেত্রকোনা,  ও সাতক্ষীরা।

উৎস: প্রথম আলো ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৪,৫৪৫.
বাংলাদেশ ভূখণ্ডে প্রথম চিনিকল স্থাপিত হয় কোথায়?
  1. পাবনা
  2. ফরিদপুর
  3. নাটোর
  4. চুয়াডাঙ্গা
সঠিক উত্তর:
নাটোর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাটোর
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ ভূখণ্ডে স্থাপিত প্রথম চিনিকল হলো নর্থবেঙ্গল সুগার মিলস লিমিটেড। এটি ১৯৩০ সালে নাটোর জেলার লালপুর উপজেলার গোপালপুরে স্থাপিত হয়।
- বর্তমানে বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প কর্পোরেশনের অধীনে মোট ১৫টি চিনিকল রয়েছে৷
- এর মধ্যে রাষ্ট্রায়ত্ত খাতের সর্ববৃহৎ চিনিকল হলো চুয়াডাঙ্গার দর্শনায় অবস্থিত কেরু এন্ড কোং (বিডি) লিমিটেড।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প কর্পোরেশন ওয়েবসাইট)
৪,৫৪৬.
'রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ' এর প্রথম আহ্বায়ক কে?
  1. অলি আহাদ
  2. নুরুল হক ভূঁইয়া
  3. শামসুল আলম
  4. আবদুল মতিন
সঠিক উত্তর:
নুরুল হক ভূঁইয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নুরুল হক ভূঁইয়া
ব্যাখ্যা
• রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ:
- ৩০ জানুয়ারি, ১৯৫২ সালে আওয়ামী মুসলিম লীগ সভাপতি মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর সভাপতিত্বে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সর্বদলীয় সভায় ‘সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’ গঠিত হয়। 
- কাজী গোলাম মাহবুবকে আহ্বায়ক করে ২৮ সদস্য বিশিষ্ট সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়।
- ২০ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় আবুল হাশিমের সভাপতিত্বে আওয়ামী মুসলিম লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদের বৈঠক বসে।
- এই বৈঠকে আবদুল মতিন, অলি আহাদ, গোলাম মাহবুব প্রমুখ নেতা ১৪৪ ধারা অমান্য করার সিদ্ধান্ত গ্রহণের পক্ষে জোরালো মত দেন।
- অবশেষে সভায় ১৪৪ ধারা ভঙ্গের সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়। ২১ ফেব্রুয়ারি সকাল ১১টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আমতলায় (বর্তমানে ঢাকা মেডিকেল কলেজের চত্বর) ছাত্রদের সভা জনসমুদ্রে পরিণত হয়।
- রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে প্রথম 'রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ' গঠিত হয়– ১ অক্টোবর, ১৯৪৭। এর আহ্বায়ক ছিলেন নুরুল হক ভূঁইয়া।
- দ্বিতীয় বারের মতো রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয় - ২ মার্চ, ১৯৪৮ সালে যার আহ্বায়ক ছিলেন শামসুল আলম।

উৎস: সংগ্রামের নোটবুক, স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র (১ম খন্ড), ইতিহাস প্রথম পত্র, HSC Programme, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৫৪৭.
পানিপথের প্রথম যুদ্ধে বাবরের জয়ের অন্যতম কারণ কোনটি?
  1. জাহাজের ব্যবহার
  2. কামানের ব্যবহার
  3. ঘোড়ার গাড়ি ব্যবহার
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
কামানের ব্যবহার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কামানের ব্যবহার
ব্যাখ্যা
⇒ পানিপথের প্রথম যুদ্ধে বাবরের জয়ের অন্যতম কারণ কামানের ব্যবহার।

পানিপথের প্রথম যুদ্ধ:
- পানিপথের প্রথম যুদ্ধ:
- পক্ষ: সম্রাট বাবর বনাম ইব্রাহিম লোদী।
- সময়কাল: ১৫২৬ খ্রিস্টাব্দ।
- অপরদিকে ইব্রাহিম লোদীর সৈন্য সংখ্যা ছিল এক লক্ষ।
- পানিপথ প্রান্তরে বাবর ভিন্ন রকম যুদ্ধ কৌশল গ্রহণ করেছিলেন।
- প্রতিরক্ষা হিসেবে পরিখা খনন করেন।
- ভারতবর্ষে প্রথমবারের মতো কামান ও গোলন্দাজ বাহিনী ব্যবহার করেন।
- শেষ পর্যন্ত যুদ্ধে ইব্রাহিম লোদী পরাজিত ও নিহত হন।

তথ্যসূত্র - ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৫৪৮.
কোন প্রেক্ষাপটে একুশ দফা প্রণীত হয়েছিলো?
  1. ক) ভাষা আন্দোলন
  2. খ) যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন
  3. গ) শিক্ষা আন্দোলন
  4. ঘ) সত্তরের নির্বাচন
সঠিক উত্তর:
খ) যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন
ব্যাখ্যা
- ১৯৫৪ সালের প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচনে যুক্তফ্রন্টের পক্ষ থেকে একুশ দফা নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষণা করা হয়।
- একুশ দফা প্রণয়নে মুখ্য ভূমিকা পালন করেন আবুল মনসুর আহমেদ।
- এর প্রথম দফা বা দাবী ছিলো বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করা।
এছাড়া অন্যান্য দাবীর মধ্যে ছিলো:
- প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন
- বিনা ক্ষতিপূরণে জমিদারী প্রথা বিলুপ্ত করা
- অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা প্রবর্তন প্রভৃতি।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
৪,৫৪৯.
ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির বিরুদ্ধে প্রথম প্রতিরোধ কোনটি?
  1. ক) নীল বিদ্রোহ
  2. খ) সিপাহী বিদ্রোহ
  3. গ) ফকির-সন্ন্যাসী বিদ্রোহ
  4. ঘ) সাঁওতাল বিদ্রোহ
সঠিক উত্তর:
গ) ফকির-সন্ন্যাসী বিদ্রোহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ফকির-সন্ন্যাসী বিদ্রোহ
ব্যাখ্যা
- ফকির-সন্ন্যাসীদের বিদ্রোহ ছিল বাংলায় ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির অর্থনৈতিক, সামাজিক ও ধর্মীয় অত্যাচারের বিরুদ্ধে প্রথম প্রতিরোধ। 
- ১৭৬৩ থেকে ১৮০০ খ্রি.- এই দীর্ঘ সময় ধরে চলে ফকির সন্ন্যাসীদের বিদ্রোহ।
- এই ফকির-সন্ন্যাসীরা ছিলেন বাংলারই অধিবাসী। 
- ফকিরেরা ছিলেন সুফি সম্প্রদায়ের মাদারিয়া শ্রেণীভুক্ত। 
- আর সন্ন্যাসীরা ছিলেন বৈদান্তিক হিন্দু যোগী। 
- এদের মধ্যে অনেকেই ছিলেন যারা মুঘল সাম্রাজ্যের সৈন্যদল থেকে বাদ পড়া সদস্য, আবার অনেকে ছিলেন ভূমিহীন কৃষক। 
- তবে এ বিষয়ে কোন সন্দেহ নেই যে, এই ফকির-সন্ন্যাসীরা ছিলেন এদেশেরই স্থায়ী অধিবাসী। 
- ধর্মীয় দিক থেকে ফকির-সন্ন্যাসীদের মধ্যে পার্থক্য থাকলেও ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসনের বিরুদ্ধে তাদের অভিযোগ ফকির-সন্ন্যাসীদের মধ্যে মিলনের সাধারণ ক্ষেত্র তৈরি করে এবং তারা একই পতাকাতলে সমবেত হন।
 
উৎস: ইতিহাস, এসএসএইচএল, উন্মুক্ত বিশবিদ্যালয়। 
৪,৫৫০.
Bangladesh Development Forum এর সর্বশেষ সম্মেলন কোন শহরে অনুষ্ঠিত হয়?
  1. ক) প্যারিস
  2. খ) ওয়াশিংটন
  3. গ) জেনেভা
  4. ঘ) ঢাকা
সঠিক উত্তর:
ঘ) ঢাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ঢাকা
ব্যাখ্যা
২০২০ সালের ২৯-৩০ জানুয়ারি ঢাকার বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরাম (বিডিএফ) এর সর্বশেষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
Bangladesh Development Forum (BDF) এর সমন্বয় করে থাকে বিশ্বব্যাংক।
BDF হলো বাংলাদেশের উন্নয়ন সহযোগী বা দাতাদের একটি ফোরাম যা ১৯৭৪ সালে গঠিত হয়।
শুরুতে এটির নাম ছিলো ‘বাংলাদেশ এইড গ্রুপ’। ১৯৯৭ সালে এর নামকরণ হয় 'প্যারিস কনসোর্টিয়াম গ্রুপ' এবং ২০০২ সালে এর নামকরণ করা হয় বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরাম।
প্রথমদিকে এর বৈঠক প্যারিসে অনুষ্ঠিত হলেও ২০০৩ সাল থেকে এর বৈঠক নিয়মিতভাবে ঢাকায় অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
(সূত্রঃ ইআরডি ওয়েবসাইট)
৪,৫৫১.
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে মুজিবনগর ছিল-
  1. ক) ১নং সেক্টরের অধীনে
  2. খ) ২নং সেক্টরের অধীনে
  3. গ) ৪নং সেক্টরের অধীনে
  4. ঘ) ৮নং সেক্টরের অধীনে
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৮নং সেক্টরের অধীনে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৮নং সেক্টরের অধীনে
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে ৮নং সেক্টরের অধীনে ছিল- মুজিবনগর। 

• মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশকে-১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিলো।
- তার মধ্যে মুজিবনগর - ৮ নং সেক্টরের অধীনে ছিলো।
- নৌ-বাহিনীর অধীনে ছিল - ১০ নং সেক্টর (সকল নদী ও বঙ্গোপসাগর)।
- ১০ নং সেক্টরে কোনো সেক্টর কমান্ডার ছিল না।
- চট্টগ্রাম - ১নং সেক্টর,
- ঢাকা - ২ নং সেক্টর,
- সিলেট- ৪ নং সেক্টর,
- রাজশাহী - ৭ নং সেক্টর, 
- মুজিবনগর - ৮ নং সেক্টর,

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৫৫২.
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলের সময় একুশের প্রথম লিফলেটটি কে লিখেছিলেন?
  1. আলাউদ্দিন আল আজাদ
  2. হাসান হাফিজুর রহমান
  3. মাহবুব-উল-আলম চৌধুরী
  4. মোশাররফ উদ্দীন আহমদ
সঠিক উত্তর:
আলাউদ্দিন আল আজাদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আলাউদ্দিন আল আজাদ
ব্যাখ্যা

একুশের প্রথম লিফলেট:
- রাষ্ট্রভাষা আন্দোলের ইতিহাসে সবচেয়ে রক্তক্ষয়ী উল্লেখযোগ্য দিন একুশে ফেব্রুয়ারি। ১৯৫২ সালের এই দিনে শহীদ হন নাম জানা না–জানা অনেক মানুষ। এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে রচিত হয় কবিতা, গান, নাটক, উপন্যাস, প্রবন্ধ; নির্মিত হয় শহীদ মিনার, চলচ্চিত্র। 

⇒ ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি অপরাহ্ণের ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় ওই দিন সন্ধ্যায় একটি লিফলেট তৈরি হয়। 
- এ পরিকল্পনার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন আলাউদ্দিন আল আজাদ, মুস্তফা নূরউল ইসলাম, ফজলে লোহানী এবং হাসান হাফিজুর রহমান।
- পাটুয়াটুলির সওগাত অফিসের বিপরীত গলির পাইওনিয়ার প্রেসে লিফলেটটি ছাপা হয়।
- সেখানে লেখা ছিল, ‘বিপ্লবের কোদাল দিয়ে আমরা অত্যাচারী, শাসকগোষ্ঠীর কবর রচনা করব।’
- এটি লিখেছিলেন আলাউদ্দিন আল আজাদ।
- আর ছাপানোর দায়িত্ব পালন করেন হাসান হাফিজুর রহমান।
- রাতেই লিফলেটটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও পলাশী ব্যারাক এলাকায় বিতরণ করা হয়।

উৎস: প্রথম আলো।

৪,৫৫৩.
মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট (SRDI) কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) ঢাকা
  2. খ) গাজীপুর
  3. গ) সিলেট
  4. ঘ) চট্টগ্রাম
সঠিক উত্তর:
ক) ঢাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ঢাকা
ব্যাখ্যা
- মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট (SRDI) হচ্ছে কৃষি মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণাধীন একটি সরকারী প্রতিষ্ঠান।
- প্রতিষ্ঠান-এর প্রধান নির্বাহী হচ্ছেন মহাপরিচালক।
- এর উদ্দেশ্য যথাযথ এবং টেকসই ভূমি ও মৃত্তিকা (বাংলাদেশের প্রধান সম্পদ) ব্যবস্থাপনা ও পরিবেশ বান্ধব কৃষি প্রযুক্তির মাধ্যমে খাদ্যে সয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন এবং সকলের জন্য খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ।
- ১৯৬১ সালে প্রতিষ্ঠিত এই প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন ধাপ পেরিয়ে ১৯৮৩ সালে মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট নামে নতুনভাবে যাত্রা শুরু করে। 
- এর প্রধান কার্যালয়: মৃত্তিকা ভবন, কৃষি খামার সড়ক, ফার্মগেট, ঢাকা

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও srdi.portal.gov.bd।
৪,৫৫৪.
কত তারিখে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষনা করা হয়?
  1. ক) ১৭ এপ্রিল ১৯৭১
  2. খ) ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১
  3. গ) ২৬ মার্চ ১৯৭১
  4. ঘ) ৭ মার্চ ১৯৭১
সঠিক উত্তর:
গ) ২৬ মার্চ ১৯৭১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২৬ মার্চ ১৯৭১
ব্যাখ্যা
১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। ১০ এপ্রিল ১৯৭১ স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র খসড়া প্রণয়ন ও আনুষ্ঠানিকভাবে জারি করা হয় এবং ১৭ এপ্রিল অধ্যাপক ইউসুফ আলী আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীনতার ঘোষণা পত্র পাঠ করেন।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া
৪,৫৫৫.
মুক্তিযুদ্ধের সময় ঢাকা শহর কোন সেক্টরের অধীন ছিল?
  1. ক) ১ নং সেক্টর
  2. খ) ২ নং সেক্টর
  3. গ) ৪ নং সেক্টর
  4. ঘ) ৯ নং সেক্টর
সঠিক উত্তর:
খ) ২ নং সেক্টর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ২ নং সেক্টর
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধ:
- মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিলো।
- নৌ-বাহিনীর অধীনে ছিল-১০ নং সেক্টর (সকল নদী ও -বঙ্গোপসাগর)।
- ১০ নং সেক্টরে কোনো সেক্টর কমান্ডার ছিল না।
- চট্টগ্রাম-১নং সেক্টর,
- ঢাকা-২ নং সেক্টর,
- রাজশাহী-৭ নং সেক্টর,
- মুজিবনগর-৮ নং সেক্টর,
- সুন্দরবন- ৯ নং সেক্টর।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৪,৫৫৬.
মুক্তিযুদ্ধে ৭নং সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার হিসেবে যুদ্ধ করেছেন-
  1. মেজর নাজমুল হক
  2. মেজর মীর শওকত আলী
  3. মেজর চিত্তরঞ্জন দত্ত
  4. মেজর আবু ওসমান চৌধুরী
সঠিক উত্তর:
মেজর নাজমুল হক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেজর নাজমুল হক
ব্যাখ্যা
• সেক্টর ও সেক্টর কমান্ডারগণ:
- ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় মুজিবনগর সরকার যুদ্ধ পরিচালনার সুবিধার্থে সমগ্র দেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করে।
- প্রত্যেক সেক্টরে একজন করে সেক্টর কমান্ডার নিযুক্ত করা হয়।
- মুক্তিকালীন ১১টি সেক্টরের কমান্ডারগণ:

• ১ নং সেক্টর:
- মেজর জিয়াউর রহমান। 
- মেজর রফিকুল ইসলাম। 
• ২ নং সেক্টর:
- মেজর খালেদ মোশাররফ। 
- মেজর এ.টি.এম হায়দার। 
• ৩ নং সেক্টর:
- মেজর কে. এম শফিউল্লাহ। 
- মেজর এ.এন.এম নূরুজ্জামান। 
• ৪ নং সেক্টর:
- মেজর চিত্তরঞ্জন দত্ত। 
- ক্যাপ্টেন এ রব। 
• ৫ নং সেক্টর:
- মেজর মীর শওকত আলী। 
• ৬ নং সেক্টর:
- উইং কমান্ডার এম খাদেমুল বাশার। 
• ৭ নং সেক্টর:
- মেজর নাজমুল হক । 
- সুবেদার মেজর এ. রব। 
• মেজর কাজী নূরুজ্জামান
• ৮ নং সেক্টর:
- মেজর আবু ওসমান চৌধুরী। 
- মেজর এম.এ মঞ্জুর। 
• ৯ নং সেক্টর:
- মেজর এম.এ জলিল
- মেজর এম. এ মঞ্জুজুর ও মেজর জয়নাল আবেদীন
• ১০ নং সেক্টর: কোন নিয়মিত সেক্টর ছিলো না
• ১১ নং সেক্টর:
- মেজর এম. আবু তাহের
- স্কোয়াড্রন লীডার হামিদুল্লাহ।

উৎস: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
৪,৫৫৭.
পলাশীর প্রান্তর কোন নদীর তীরে অবস্থিত?
  1. ক) মেঘনা নদী
  2. খ) ভাগীরথী নদী
  3. গ) যমুনা নদী
  4. ঘ) তিতাস নদী
সঠিক উত্তর:
খ) ভাগীরথী নদী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ভাগীরথী নদী
ব্যাখ্যা
পলাশী যুদ্ধ:

- ১৭৫৭ খ্রিস্টাব্দে ২৩ জুন ভাগীরথী নদীর তীরে পলাশীর আমবাগানে নবাব সিরাজউদ্দৌলার সঙ্গে ইংরেজ সেনাপতি রবার্ট ক্লাইভের যুদ্ধ হয়।
- এই যুদ্ধে নবাবের পক্ষে ছিলেন দেশপ্রেমিক মীরমদন, মোহন লাল এবং ফরাসি সেনাপতি সিনফ্রে।
- জেতার সবধরণের সুযোগ সুবিধা এবং এদের প্রাণপাত লড়াইয়ের পরও নবাব পরাজিত হন তার সেনাপতি মীরজাফরের বিশ্বাসঘাতকতার কারণে।
- সিরাজউদ্দৌলা ২২ বছর বয়সে সিংহাসনে বসেন।
- সিরাজউদ্দৌলার পরাজয় ও মৃত্যু বাংলায় প্রত্যক্ষ ঔপনিবেশিক শাসনের পথ সুগম করে।
- যুদ্ধের ফলে মীরজাফরকে বাংলার সিংহাসনে বসালেও প্রকৃত ক্ষমতা ছিল রবার্ট ক্লাইভের হাতে।
- পলাশী যুদ্ধের ফলে ইংরেজ বা বাংলায় একচেটিয়া ব্যবসা-বাণিজ্যের সুযোগ পায়। অপরদিকে ফরাসিরা এদেশ ছাড়তে বাধ্য হয়।
- পলাশী যুদ্ধের সুদূর প্রসারী পরিণতি ছিল সমগ্র উপমহাদেশে কোম্পানির শাসন প্রতিষ্ঠা। এ ভাবেই এ যুদ্ধে বাংলা তথা ভারতের স্বাধীনতা ভূলুণ্ঠিত হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৫৫৮.
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ই মার্চের ভাষণ সংকলন করেন -
  1. ক) ফেন্টন মাইকস
  2. খ) জ্যাকব এফ ফিল্ড
  3. গ) শেখ ফয়জুল্লাহ
  4. ঘ) হেরিক জনসন
সঠিক উত্তর:
খ) জ্যাকব এফ ফিল্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) জ্যাকব এফ ফিল্ড
ব্যাখ্যা
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ই মার্চের ভাষণ সংকলন করেন - জ্যাকব এফ ফিল্ড।

• ৭ মার্চের ভাষণ:

- পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী কর্তৃক নির্বাচিত প্রতিনিধিদের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তরের টালবাহানার পরিপ্রেক্ষিতে ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চ বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আওয়ামী লীগ আয়োজিত এক সমাবেশে বঙ্গবন্ধু ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণ প্রদান করেন।
- ৭ই মার্চের ভাষণে বঙ্গবন্ধু চারটি দাবি উত্থাপন করেন। এগুলো হলোঃ
- চলমান সামরিক আইন প্রত্যাহার করা। 
- সৈন্যদের ব্যারাকে ফিরিয়ে নেওয়া।
- গণহত্যার তদন্ত করা।
- নির্বাচিত প্রতিনিধিদের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করা।
- ৭ই মার্চের ভাষণকে ২০১৭ সালের ৩০ অক্টোবর ইউনেস্কো মেমোরি অব দ্য ওয়ার্ল্ড ইনটারন্যাশনাল রেজিস্ট্রারে অন্তর্ভুক্ত করে।

এছাড়াও,
- ঐতিহাসিক জ্যাকব এফ ফিল্ডের ভাষণ সংকলন "The Speech the Inspired History" এ বিশ্বের সেরা ৪১টি ভাষণের মধ্য স্থান পেয়েছে ৭ই মার্চের ভাষণ।
- জ্যাকবের বইয়ে ভাষণটির শিরোনাম দেয়া হয়েছে The Struggle : This Time is the Struggle for Independence.
- বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট আব্রাহাম লিংকনের গেটিসবার্গ বক্তৃতার সাথে তুলনা করা হয়।
- "শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের ভাষণ কেবল একটি ভাষণ নয়,এটি একটি অনন্য রণকৌশলের দলিল" উক্তিটি করেছেন - কিউবার অবিসংবাদিত নেতা ফিদেল ক্যাস্ট্রো।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি এবং দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকা রিপোর্ট,  প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট।
৪,৫৫৯.
বঙ্গবন্ধু ‘আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলাকে' কি নামে নামকরণ করেছিলেন?
  1. পশ্চিম-পাকিস্তান ষড়যন্ত্র মামলা
  2. করাচি ষড়যন্ত্র মামলা
  3. লাহোর ষড়যন্ত্র মামলা
  4. ইসলামাবাদ ষড়যন্ত্র মামলা
সঠিক উত্তর:
ইসলামাবাদ ষড়যন্ত্র মামলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইসলামাবাদ ষড়যন্ত্র মামলা
ব্যাখ্যা
আগরতলা মামলা:  
- বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে আগরতলা মামলা একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা।
- ১৯৬৮ সালের ৬ জানুয়ারি পাকিস্তান সরকার এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ঘোষণা করে যে, পাকিস্তানকে বিচ্ছিন্ন করার জন্য একটি ষড়যন্ত্র উদ্ঘাটিত হয়েছে।
- এর সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে দুইজন আওয়ামী লীগ নেতা, সিভিল সার্ভিসের দুইজন বাঙালি কর্মকর্তাসহ ২৮ জনকে গ্রেফতার করা হয়।

♣ ১৮ জানুয়ারি শেখ মুজিবুর রহমানকে গ্রেপ্তারের পর আরেকটি প্রেসবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে শেখ মুজিবুর রহমানকে উক্ত মামলার ১নং আসামী বলে ঘোষণা করা হয়।
- এই মামলার সরকারি নাম ‘রাষ্ট্র বনাম শেখ মুজিবুর রহমান ও অন্যান্য'।
- আসামী মোট ৩৫ জন। 
- লোকমুখে এই মামলা পরিচিতি লাভ করে ‘আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা' হিসেবে।
- বঙ্গবন্ধু এই মামলার নামকরণ করেছিলেন 'ইসলামাবাদ ষড়যন্ত্র মামলা' নামে।   

- ১৯৬৯ সালের গণ অভ্যুত্থানে বাধ্য হয়ে আইয়ুব-মোনায়েম সরকার ২২ ফেব্রুয়ারি আগরতলা মামলা প্রত্যাহার করে। শেখ মুজিবসহ সকল রাজবন্দীকে নিঃশর্ত মুক্তি প্রদান করা হয়। 

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৫৬০.
ল্যান্স নায়েক নূর মােহাম্মদ শেখ কোন সেক্টরের অধীনে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন?
  1. ক) ৬ নম্বর
  2. খ) ৭ নম্বর
  3. গ) ৮ নম্বর
  4. ঘ) ৯ নম্বর
সঠিক উত্তর:
গ) ৮ নম্বর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৮ নম্বর
ব্যাখ্যা
বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখ:
- বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ শেখের জন্ম ২৬শে ফেব্রুয়ারি ১৯৩৬, যশোর জেলার অর্ন্তঃগত নড়াইল মহকুমার মহিষখোলা গ্রামে।
- পিতা আমানত শেখ ছিলেন কৃষক এবং মাতা জেন্নাতুন নেসা ছিলেন গৃহিণী। শৈশবেই বাবা-মা হারিয়ে অনেকটা সংসার বিরাগী জীবন যাপনে অভ্যস্থ হয়ে পড়েন।
- সংসারের প্রতি মন ফিরিয়ে আনতে অবিভাবকরা তাকে ১৯৫২ সালে মাত্র ১৬ বছর বয়সে বিয়ে করান।

- ২৬শে ফেব্রুয়ারি ১৯৫৯, তদানিন্তন ইপিআর-এ সৈনিক হিসেবে যোগদান করেন। তার ই.পি.আর ক্রমিক নম্বর ছিল - ৯৪৫৯।
- ১৯৬৫ সালের পাক-ভারত যুদ্ধে দিনাজপুর সেক্টরে যুদ্ধরত অবস্থায় আহত হন। যুদ্ধ শেষে তিনি 'তকমা-ই-জং' ও 'সিতারা-ই-হারব' মেডেল লাভ করেন।

- মার্চ ১৯৭১এ তিনি ছুটি ভোগরত ছিলেন গ্রামের বাড়িতে। পাকিস্তানী বাহিনীর গণহত্যার খবর পেয়ে অসুস্থ অবস্থায় চুয়াডাঙ্গায় ইপিআর-এর ৪নং উইং এ নিজ কোম্পানির সাথে যোগ দিয়ে বিদ্রোহ করেন পাকিস্তান সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে।
- সেক্টর গঠন হলে তাদের উপর ন্যস্ত হয় ৮নং সেক্টরের দায়িত্ব। তিনি নিয়োগ পান বয়রা সাব-সেক্টরে।
- এই সাব-সেক্টরের অধীনে গোয়ালহাটি, ছুটিপুর ঘাট, ছুটিপুর সেনাক্যাম্প, বরনী আক্রমণে অংশ নেন এবং বীরত্ব প্রদর্শন করেন।
- বরনীতে নিজের জীবনের ঝুকি নিয়ে সাব-সেক্টর কমান্ডার ক্যাপ্টেন নাজমুল হুদার জীবন রক্ষা করেন।
- ৫ই সেপ্টেম্বর ১৯৭১, সুতিপুর প্রতিরক্ষা অবস্থানের সামনে ষ্ট্যান্ডিং পেট্রোলের অধিনায়কের দায়িত্ব পালনের সময় পাকিস্তান সেনাবাহিনীর আক্রমণ নস্যাৎ করে দেন প্রায় একাই।
- আহত অবস্থায় অধীনস্থ সৈনিকদের নিরাপদে পিছনে পাঠিয়ে দেন এবং শত্রুর মোকাবেলা অব্যাহত রাখার সময় শাহাদাত বরণ করেন।
- পরবর্তীতে সহযোদ্ধারা তার মৃতদেহ উদ্ধার করে সীমান্তবর্তী যুদ্ধক্ষেত্র কাশীপুরে সমাহিত করে।
- স্বাধীন বাংলাদেশ সরকার বীরত্বের স্বীকৃতি স্বরুপ তাকে 'বীরশ্রেষ্ঠ' খেতাবে ভূষিত করে।

উৎস: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
৪,৫৬১.
কোন পর্তুগিজ নাবিক প্রথম সমুদ্রপথে ভারত উপমহাদেশে আসেন?
  1. জব চার্নক
  2. ভাস্কো-ডা-গামা
  3. ক্যাপ্টেন হকিন্স
  4. স্যার টমাস রো
সঠিক উত্তর:
ভাস্কো-ডা-গামা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভাস্কো-ডা-গামা
ব্যাখ্যা

পর্তুগিজ
- পর্তুগিজদের মধ্যেকার  দুঃসাহসী নাবিক ভাস্কো-ডা-গামা প্রথম সমুদ্রপথে এদেশে আসেন ।
- তিনি ১৪৯৮ সালের ২৭শে মে ভারতের পশ্চিম-উপকূলের কালিকট বন্দরে এসে উপস্থিত হন।
- উপমহাদেশে তাঁর এ আগমন ব্যবসা-বাণিজ্য এবং যোগাযোগ ক্ষেত্রে এক নতুন যুগের সূচনা করে।
- ১৫৩৮ সালে তারা চট্টগ্রাম ও সাতগাঁওয়ে বাণিজ্যঘাঁটি নির্মাণের অনুমতি লাভ করে। ১৫৭৯ সালে হুগলী নামক স্থানে তারা উপনিবেশ গড়ে তোলে। 
- পর্তুগিজদের বিভিন্ন অপকর্ম ও দস্যুতার কারণে বাংলার সুবাদার শায়েস্তা খান তাদের চট্টগ্রাম ও সন্দীপের ঘাঁটি দখল করে বাংলা থেকে বিতাড়ন করেন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, ৯ম-১০ শ্রেণি।

৪,৫৬২.
কত সালে মুক্তিযোদ্ধাদের সর্বোচ্চ খেতাব "বীরশ্রেষ্ঠ" প্রদান করা হয়?
  1. ক) ১৯৭৫ সালে
  2. খ) ১৯৭৩ সালে
  3. গ) ১৯৭৪ সালে
  4. ঘ) ১৯৭২ সালে
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৭৩ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৭৩ সালে
ব্যাখ্যা
১৫ ডিসেম্বর ১৯৭৩ সালে সরকারি গেজেট নোটিফিকেশনের মাধ্যমে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার মুক্তিযোদ্ধাদের খেতাব প্রদান করেন।
মুক্তিযুদ্ধের খেতাব ৪ পর্বে বিভক্ত। যথা-
১. বীরশ্রেষ্ঠ ৭ জন (মর্যাদা অনুসারে প্রথম বীরত্বসূচক খেতাব),
২. বীর উত্তম ৬৮ জন (মর্যাদা অনুসারে দ্বিতীয় বীরত্বসূচক খেতাব),
৩. বীর বিক্রম ১৭৫ জন (মর্যাদা অনুসারে তৃতীয় বীরত্বসূচক খেতাব) এবং
৪. বীর প্রতীক ৪২৬ জন (মর্যাদা অনুসারে চতুর্থ বীরত্বসূচক খেতাব)।
মুক্তিযুদ্ধে খেতাবপ্রাপ্ত মোট যোদ্ধার সংখ্যা ৬৭৬ জন।

উৎসঃ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৪,৫৬৩.
বীরশ্রেষ্ঠ মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর কত নং সেক্টরের অধীনে যুদ্ধ করেন?
  1. ৬নং
  2. ৭নং
  3. ৮নং
  4. ৯নং
সঠিক উত্তর:
৭নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭নং
ব্যাখ্যা
মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর:

- মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীরের জন্ম ৭ মার্চ ১৯৪৯, বরিশাল জেলার বাবুগঞ্জ উপজেলার রহিমগঞ্জ গ্রামে.
- ১৯৫৩ সালে পাতারচর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তার শিক্ষা জীবনের সূচনা হয়।
- ১৯৬৪ সালে মুলাদি মাহমুদ জান পাইলট হাইস্কুল থেকে বিজ্ঞান বিভাগে এসএসসি এবং ১৯৬৬ সালে বরিশাল ব্রজমোহন কলেজ থেকে এইচএসসি পাশ করেন।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিসংখ্যান বিভাগে অধ্যয়নরত অবস্থায় ১৯৬৭ সালের ৩রা অক্টোবর ১৫তম শর্ট সার্ভিস কোর্সে পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে যোগ দেন।
- ১৯৬৮ সালের ২রা জুন তিনি ইঞ্জিনিয়ারিং কোরে কমিশন লাভ করেন।
- তিনি ৭নং সেক্টর-এর মহোদিপুর সাব-সেক্টরের অধীনে যুদ্ধে অংশ নেন।
- তিনি অসামান্য বীরত্বের সাথে আরগরারহাট, কানসাট, শাহপুর এলাকায় যুদ্ধ পরিচালনা করেন এবং মুক্তাঞ্চল গঠন করেন।
- ১২ই ডিসেম্বর মুক্তিবাহিনী তার নেতৃত্বে চাঁপাইনবাবগঞ্জ আক্রমণ করে।
- যুদ্ধে অপরিসীম বীরত্ব প্রদর্শন করে ১৪ ডিসেম্বর সকালে পাকিস্তানী বাহিনীর স্নাইপার বুলেটের আঘাতে তিনি শহীদ হন।
- পরদিন সহযোদ্ধারা লাশ উদ্ধার করে তার শেষ ইচ্ছা অনুযায়ী চাঁপাইনবাবগঞ্জের সোনামসজিদ চত্বরে সমাহিত করে।

তথ্যসূত্র -  মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
৪,৫৬৪.
ফিরিঙ্গি' কাদের বলা হয়?
  1. ক) ফরাসিদের
  2. খ) মগদের
  3. গ) পর্তুগিজদের
  4. ঘ) দিনেমারদের
সঠিক উত্তর:
গ) পর্তুগিজদের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) পর্তুগিজদের
ব্যাখ্যা
পর্তুগিজদের আগমন:

- 'ফিরিঙ্গি' বলা হয় পর্তুগিজদের।
- ভাস্কো-ডা-গামা একজন পর্তুগিজ নাবিক যে ১৪৯৮ খ্রিস্টাব্দের ২৭ মে প্রথম সমুদ্রপথে ভারতের পশ্চিম-উপকূলের কালিকট বন্দরে এসে উপস্থিত হন।
- স্বল্প সময়ের মধ্যে তারা কালিকট, চৌল, বোম্বাই, সালসেটি, বেসিন, কোচিন, গোয়া, দমন, দিউ প্রভৃতি অঞ্চলে কুঠি স্থাপন এবং ১৫৩৮ খ্রিস্টাব্দে চট্টগ্রাম ও সাতগাঁওয়ে শুল্কঘাটি নির্মাণের অনুমতি লাভ করে।
- পর্তুগিজরা ভারতীয় উপমহাদেশে আগত প্রথম ইউরোপীয়ান বাণিজ্যিক দল।

অন্যদিকে,
- হল্যান্ডের অধিবাসীদের ওলন্দাজ বা ডাচ বলা হয়।
- ডেনমার্কের অধিবাসীদের দিনেমার বলা হয়।

তথ্যসূত্র - এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৫৬৫.
গৌড় জনপদের রাজধানী শহর ছিল কোনটি?
  1. মহাস্থানগড়
  2. কোটিবর্ষ
  3. তাম্রলিপ্তি
  4. কর্ণসুবর্ণ
সঠিক উত্তর:
কর্ণসুবর্ণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কর্ণসুবর্ণ
ব্যাখ্যা

গৌড়:
- বাংলার প্রাচীন জনপদগুলো যে যুগে যুগে সীমানা সম্প্রসারণ করেছে তার বড় উদাহরণ হলো গৌড়।
- এই জনপদের খ্যাতি এতই বৃদ্ধি পেয়েছিল যে, সমগ্র বাংলাকেই সময়ে সময়ে গৌড়দেশ বিবেচনা করা হতো।
- পূর্ব ভারতীয় দেশসমূহের সামগ্রিক নাম হিসেবে এমনকি উত্তর ভারতের আর্যাবর্তের নাম হিসেবেও কখনো কখনো গৌড়ের ব্যবহার দেখা যায়।
- সর্বপ্রথম পাণিনির গ্রন্থে গৌড়ের উল্লেখ পাওয়া যায়।
- সেনবংশীয় রাজারা ‘গৌড়েশ্বর' উপাধি গ্রহণ করে গৌরববোধ করতেন।
- ব্যাপক অর্থে ‘গৌড়' বলতে অনেক সময় বাংলা ভাষাভাষী সমগ্র অঞ্চলকে বুঝাত।
- আদিকালে গৌড় বলতে বর্তমানের মুর্শিদাবাদ জেলা ও মালদা জেলার দক্ষিণাংশকে বুঝাত।
- হিউয়েন সাঙ শশাঙ্ককে কর্ণসুবর্ণ দেশের সম্রাট বলেছেন এবং হর্ষচরিত গ্রন্থে শশাঙ্ককে ‘গৌড়াধিপতি' বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
- গৌড়ের রাজধানী শহর ছিল কর্ণসুবর্ণ।
- মুসলিম যুগে অঞ্চলটি কখনো ‘গৌড়' আবার কখনো লক্ষ্মণাবতী নামে পরিচিত ছিল।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,৫৬৬.
'কোটিবর্ষ' কোন জনপদের রাজধানী ছিল?
  1. রাঢ়
  2. বঙ্গ
  3. সমতট
  4. হরিকেল
সঠিক উত্তর:
রাঢ়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাঢ়
ব্যাখ্যা
রাঢ়:
- বিভিন্ন ঐতিহাসিক উৎস থেকে বলা যায় যে, রাঢ় বলতে পশ্চিম বাংলার দক্ষিণাঞ্চলকেই বুঝানো হতো।
- এটি গঙ্গা নদীর দক্ষিণ ও পশ্চিম ভাগে সীমাবদ্ধ ছিল।
- তবকত-ই-নাসিরীর বর্ণনায়ও গঙ্গার দক্ষিণে রাঢ়ের অবস্থান নির্দেশিত হয়েছে।
- এই জনপদটি দুটি অংশে বিভক্ত ছিল।
• দক্ষিণ রাঢ়।
• উত্তর রাঢ়।
- এই উত্তর ও দক্ষিণ রাঢ়ই ছিল যথাক্রমে বজ্রভূমি ও সূহ্মভূমি।
- রাঢ়ের প্রধান নগর বা রাজধানী ছিল কোটিবর্ষ।
- রাঢ় বা সূহ্মদেশের অন্তর্গত তাম্রলিপ্তের কথা টলেমির ভূগোলে উল্লিখিত ছিল ।
- অনেক ঐতিহাসিক মেদিনীপুর জেলার পূর্বপ্রান্ত অবস্থিত আধুনিক তমলুককে প্রাচীন তাম্রলিপ্ত বলে চিহ্নিত করেছেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৫৬৭.
মুক্তিযুদ্ধকালীন 'কে' ফোর্সের প্রধান কে ছিলেন?
  1. এ কে খন্দকার
  2. খালেদ মোশাররফ
  3. এ টি এম হায়দার
  4. খাদেমুল বাশার
সঠিক উত্তর:
খালেদ মোশাররফ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খালেদ মোশাররফ
ব্যাখ্যা
• কে ফোর্স:
- মেজর খালেদ মোশাররফের নেতৃত্বে ‘কে ফোর্স’ গঠিত হয় ৪ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট, ৯ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট, ১০ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট, ১ ফিল্ড ব্যাটারি আর্টিলারি ও একটি সিগন্যাল কোম্পানী সদস্যদের নিয়ে।
- কে ফোর্সের উল্লেখযোগ্য যুদ্ধ সমূহ ছিল দেউশ মন্দভাগ অভিযান, শালদা নদী অভিযান, পরশুরাম, চিতলিয়া, ফুলগাজী, নিলক্ষ্মীর যুদ্ধ, বিলোনিয়ার যুদ্ধ, চাপিলতার যুদ্ধ, কুমিল্লা শহরের যুদ্ধ, নোয়াখালীর যুদ্ধ, কশবার যুদ্ধ, বারচরগ্রাম যুদ্ধ, মিয়াবাজার যুদ্ধ, গাজীপুর যুদ্ধ, সলিয়াদীঘি যুদ্ধ, ফেনী যুদ্ধ, চট্টগ্রাম বিজয় ও ময়নামতি বিজয়।
- তার হেডকোয়ার্টার ছিল মেলাঘর (আগরতলা)।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৪,৫৬৮.
চাঁপাইনবাবগঞ্জের সোনা মসজিদ প্রাঙ্গণে কোন বীরশ্রেষ্ঠের সমাধিস্থল?
  1. ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান
  2. সিপাহী মোস্তফা কামাল
  3. সিপাহী হামিদুর রহমান
  4. ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর
সঠিক উত্তর:
ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর
ব্যাখ্যা

ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর:
- সেক্টর: ৭ নং।
- মৃত্যু: ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৭১ (বীরশ্রেষ্ঠদের মধ্যে শেষ শহীদ)।
- সমাধিস্থল: চাঁপাইনবাবগঞ্জের সোনা মসজিদ প্রাঙ্গণ।
অন্যদিকে,
- ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান; মৃত্যু: ২০ আগস্ট, ১৯৭১ এবং সমাধিস্থল: মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থান।
- সিপাহী মোস্তফা কামাল (২ নং সেক্টর); মৃত্যু: ১৮ এপ্রিল, ১৯৭১ এবং সমাধিস্থল: ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ার দরুইন গ্রামে।
- সিপাহী হামিদুর রহমান (৪ নং সেক্টর); মৃত্যু: ২৮ অক্টোবর, ১৯৭১; আর তার সমাধিস্থল: মিরপুর বুদ্ধিজীবী কবরস্থান।
- নূর মোহাম্মদ শেখ (৮ নং সেক্টর); মৃত্যু: ৫ সেপ্টেম্বর, ১৯৭১ এবং সমাধিস্থল: যশোরের কাশিপুর নামক স্থানে।

উৎসঃ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট ও বাংলাপিডিয়া।

৪,৫৬৯.
পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর আত্মসমর্পণে বাংলাদেশের পক্ষে কে উপস্থিত ছিলেন?
  1. আতাউল গণি ওসমানি
  2. এ কে খন্দকার
  3. সামসুল আলম
  4. জিয়াউর রহমান
সঠিক উত্তর:
এ কে খন্দকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এ কে খন্দকার
ব্যাখ্যা
স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়:
- মুক্তিযুদ্ধের শুরু থেকেই ভারত বিভিন্নভাবে বাংলাদেশকে সাহায্য সহযোগিতা করে।
- ১৯৭১ সালের ২১ নভেম্বর মুক্তিবাহিনী ও ভারতীয় বাহিনী মিলে 'যৌথ কমান্ড' গঠন করে।
- ৬-১৬ ডিসেম্বর মুক্তিবাহিনীর সাথে ভারতের সেনা, নৌ, বিমানবাহিনীও পাকিস্তান হানাদার বাহিনীর সাথে যুদ্ধ করে।
- যৌথ বাহিনীর দুর্বার আক্রমণে পর্যুদস্ত পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী অবশেষে আত্মসমর্পণে সম্মত হয়।
- ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) পাকিস্তান বাহিনীর ইস্টার্ন কমান্ডের প্রধান লে. জেনারেল আমীর আবদুল্লাহ খান নিয়াজী ৯৩ হাজার সৈন্যসহ যৌথ বাহিনীর নিকট আত্মসমর্পণ করেন।
- পাকিস্তানের পক্ষে নিয়াজী এবং যৌথ বাহিনীর পক্ষে আত্মসমর্পণ দলিলে স্বাক্ষর করেন ভারতীয় সেনাবাহিনীর ইস্টার্ন কমান্ডের প্রধান লে. জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরা।
- এতে অস্থায়ী গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ কে খন্দকার উপস্থিত ছিলেন।
- পাকিস্তান বাহিনীর আত্মসমর্পণের মধ্য দিয়ে মুক্তিযুদ্ধের চূড়ান্ত বিজয় সম্পন্ন হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৫৭০.
India-Bangladesh friendship pipeline কবে উদ্বোধন করা হয়?
  1. ১৮ মার্চ,২০২৩
  2. ২৫ জুন,২০২৩
  3. ৭ অক্টোবর,২০২৩
  4. ২০ নভেম্বর,২০২৩
সঠিক উত্তর:
১৮ মার্চ,২০২৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮ মার্চ,২০২৩
ব্যাখ্যা
India-Bangladesh friendship pipeline ১৮ মার্চ,২০২৩ তারিখে উদ্বোধন করা হয়।

India-Bangladesh friendship pipeline:

- ‘ভারত-বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইন’ দিয়ে ভারত থেকে বাংলাদেশে ডিজেল আসবে।
- ১৮ মার্চ,২০২৩ তারিখে এই ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইন ভার্চ্যুয়ালি উদ্বোধন করা হয়।
- পাইপলাইনটি উদ্বোধন করেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

উল্লেখ্য,
- শিলিগুড়ি টার্মিনাল থেকে দিনাজপুরের পার্বতীপুর পর্যন্ত ১৩০ কিলোমিটার পাইপলাইন তৈরি করা হয়েছে।
- বছরে ১০ লাখ টন ডিজেল সরবরাহ করা যাবে এই পাইপলাইন দিয়ে।
- চুক্তি অনুসারে, সরবরাহ শুরুর পর ১৫ বছর পর্যন্ত এই পাইপলাইন দিয়ে ভারত থেকে ডিজেল নেবে বিপিসি।
- এ পাইপলাইন নির্মাণ প্রকল্পের আওতায় মোট ১৩১.৫৭ কিলোমিটার পাইপলাইন স্থাপন করা হয়েছে।
- তার মধ্যে বাংলাদেশ অংশে ১২৬.৫৭ কিলোমিটার এবং ভারত অংশে ৫ কিলোমিটার পাইপ লাইন স্থাপন করা হয়েছে।

উৎস: ১৮ মার্চ ২০২৩, প্রথম আলো।
৪,৫৭১.
পাকিস্তানের দ্বিতীয় সংবিধান কার শাসনামলে প্রণীত হয়?
  1. মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ
  2. খাজা নাজিমউদ্দিন
  3. ইস্কান্দার মীর্জা
  4. আইয়ুব খান
সঠিক উত্তর:
আইয়ুব খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইয়ুব খান
ব্যাখ্যা
- পাকিস্তানের দ্বিতীয় সংবিধান আইয়ুব খান এর শাসনামলে প্রণীত হয়।

পাকিস্তানের দ্বিতীয় সংবিধান প্রণয়ন:

- ১৯৫৬ সালে প্রণিত সংবিধান ১৯৫৮ সালের সামরিক শাসন জারির সময় বাতিল করা হয়।
- আইয়ুব খান দেশ পরিচালনা করছিলেন সামরিক আইনের মাধ্যমে।
- পাকিস্তানে একটি সংবিধান প্রণয়নের উদ্দেশ্যে আইয়ুব খান একটি ১১ সদস্য বিশিষ্ট সংবিধান প্রণয়ন কমিশন গঠন করেন।
- দেশে তখন সামরিক আইন চালু থাকায় জনগণের বাক- স্বাধীনতা ও মতামত প্রকাশের স্বাধীনতা ছিল না।
- এতদসত্ত্বেও কমিশন প্রশ্নমালা পূরণের মাধ্যমে, পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তানে বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সাক্ষাৎকার গ্রহণের মাধ্যমে মতামত সংগ্রহ করেন।
- পূর্ব পাকিস্তান থেকে সাক্ষাৎকার প্রদানকারীগণ ১৯৫৬ সালের সংবিধান পুনঃপ্রবর্তন এবং সংবিধানে সংসদীয় সরকার পদ্ধতি প্রবর্তনের দাবি করেন।
- কমিশন ১৯৬১ সালের ৬ মে একটি রিপোর্ট প্রেসিডেন্টের নিকট উপস্থাপন করেন।
- কিন্তু রিপোর্টটি প্রেসিডেন্টের মনঃপূত না হওয়ায় তিনি তা গ্রহণ করেননি।
- এরপর প্রেসিডেন্ট একটি নতুন কমিটি গঠন করেন।
- এই কমিটি 'জনগণ কী চায়' তা প্রাধান্য না দিয়ে 'প্রেসিডেন্ট কী চান' এই নীতির ভিত্তিতে সংবিধানের চূড়ান্ত খসড়া প্রণয়ন করেন।
- প্রেসিডেন্ট আইয়ুব খান ১৯৬২ সালের ১ মার্চ তা 'অনুমোদন করেন 
- ১৯৬২ সালের ৮ জুন পাকিস্তানের দ্বিতীয় সংবিধান কার্যকর করা হয়। 

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৫৭২.
কোন শাসকের পৃষ্ঠপোষকতায় নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয় বৌদ্ধ ধর্ম ও সংস্কৃতির প্রাণকেন্দ্ররূপে প্রতিষ্ঠা লাভ করে?
  1. দেবপাল
  2. মহীপাল
  3. গোপাল
  4. রামপাল
সঠিক উত্তর:
দেবপাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দেবপাল
ব্যাখ্যা
দেবপাল:
- দেবপাল পালবংশের অন্যতম রাজা ছিলেন।
- তিনি আনুমানিক ৮২১ খ্রিস্টাব্দে বাংলার সিংহাসনে আরোহণ করেন।
- তিনি শুধু পিতা ধর্মপালের সাম্রাজ্য রক্ষাই করেননি, বরং সীমানা বৃদ্ধিও করেন।
- দেবপাল গুর্জের রাজাকে পরাজিত করেন, উড়িষ্যাও জয় করেন।
- দেবপাল সুমাত্রা, জাভা ও বোর্ণিও রাজ্যের রাজাদের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করেন।
- দেবপাল বৌদ্ধ ধর্মের একজন প্রধান পৃষ্ঠপোষক ছিলেন।
- তিনি মগধের বৌদ্ধ মঠগুলোর সংস্কার সাধন করেন।
- তিনি নালন্দায়ও কয়েকটি মঠ এবং বুদ্ধগয়ায় একটি বড় মন্দির নির্মাণ করেন।
- দেবপালের পৃষ্ঠপোষকতায় নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয় বৌদ্ধ ধর্ম ও সংস্কৃতির প্রাণকেন্দ্ররূপে প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- এ বিশ্ববিদ্যালয়কে কেন্দ্র করে তাঁর শাসনামলে উত্তর ভারতে লুপ্তপ্রায় বৌদ্ধ ধর্ম পুনরায় সঞ্জীবিত হয়ে উঠে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৫৭৩.
লালবাগ কেল্লার নির্মাণ কাজ শুরু করেন কে?
  1. ইসলাম খান
  2. যুবরাজ মোহাম্মদ আযম
  3. শায়েস্তা খান
  4. রুকনদ্দিন নুসরাত শাহ
সঠিক উত্তর:
যুবরাজ মোহাম্মদ আযম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুবরাজ মোহাম্মদ আযম
ব্যাখ্যা
লালবাগের কেল্লা পুরান ঢাকার লালবাগে অবস্থিত।
এটির পূর্বনাম আওরঙ্গবাদ দুর্গ।
সম্রাট আওরঙ্গজেবের তৃতীয় পুত্র শাহজাদা মোহাম্মদ আযম শাহ ১৬৭৮ খ্রিস্টাব্দে নির্মাণ কাজ শুরু করেন।
সুবেদার শায়েস্তা খানের আমলে নির্মাণ কাজ অব্যাহত থাকে।
এখানে শায়েস্তা খানের কন্যা পরিবিবি (প্রকৃত নাম ইরান দুখত) সমাধি রয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয় -৫ম শ্রেণি।
৪,৫৭৪.
কার সময়ে কৈবর্ত বিদ্রোহ সংঘটিত হয়েছিল?
  1. দ্বিতীয় মহীপাল
  2. হেমন্ত সেন
  3. ধর্মপাল
  4. বল্লাল সেন
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয় মহীপাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয় মহীপাল
ব্যাখ্যা
কৈবর্ত বিদ্রোহ:
- কৈবর্ত বিদ্রোহকে বলা হয়ে থাকে বাংলাদেশ এমনকি ভারতবর্ষের প্রথম সফল জনবিদ্রোহ।
- বরেন্দ্র বিদ্রোহ নামেও অভিহিত করা হয় একে।
- এ সময় পাল বংশের রাজা ছিলেন দ্বিতীয় মহীপাল, যাঁর রাজত্বকাল ধারণা করা হয় ১০৭৫ সাল থেকে ১০৮০ সালের মধ্যে। এই বিদ্রোহের নেতা ছিলেন দিব্যক বা দিব্য। তিনি খুব সম্ভব প্রথম দিকে পালদের একজন রাজকর্মচারী কিংবা সামন্ত ছিলেন। কৈবর্তদের একত্রিত করে একটি শক্তিশালী বাহিনী তৈরি করেন তিনি।
- কৈবর্ত বিদ্রোহের প্রত্যক্ষ কারণ হিসেবে তুলে ধরা হয় ধর্মীয় কারণকে। 

⇒ পাল রাজবংশ:

- পাল বংশ আট শতকের মাঝামাঝি সময় থেকে প্রায় চারশত বছর বাংলা ও বিহারে শাসনকারী রাজবংশ।
- পালবংশের রাজারা প্রায় চারশ বছর রাজত্ব করেন।
- পাল রাজারা বৌদ্ধ ধর্মের অনুসারী ছিলেন। 
- শশাঙ্কের মৃত্যুর পর প্রায় একশ বছর বাংলায় অরাজকতা চলে। এই অরাজক অবস্থাকে বলা হয় 'মাৎস্যন্যায়'। গোপাল নামক একজন শক্তিশালী লোক এই অরাজকতার অবসান ঘটান।
- গোপালের পর তাঁর পুত্র ধর্মপাল সিংহাসনে বসেন।
- দেবপালের পর পাল সাম্রাজ্য দুর্বল হয়ে পড়ে। প্রথম মহীপালের রাজত্বকালে পালবংশের গৌরব পুনরায় ফিরে আসে।
- দ্বিতীয় মহীপাল ও রামপালের রাজত্বকালে বরেন্দ্র অঞ্চলে কৈবর্ত বিদ্রোহ সংঘটিত হয়। রামপাল কৈবর্ত বিদ্রোহ দমন করে বরেন্দ্র অঞ্চল পুনরুদ্ধার করেন। তিনি পালবংশের শেষ মুকুটমণি।
- অবশেষে সেনবংশের উত্থানের মধ্য দিয়ে পাল শাসনের অবসান ঘটে।
 
উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) ইতিহাস, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৫৭৫.
নাসিরুদ্দীন মাহমুদ শাহ এর সময়কালীন স্থাপত্যকীর্তি কোনটি?
  1. ক) ষাটগম্বুজ মসজিদ
  2. খ) ঢাকার বখত বিনত মসজিদ
  3. গ) ভাগলপুরে খুরশীদ খানের মসজিদ
  4. ঘ) সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা
নাসিরুদ্দীন মাহমুদ শিল্প ও স্থাপত্যের একজন বড় পৃষ্ঠপোষক ছিলেন।
- শিলালিপি থেকে জানা যায় যে, তাঁর রাজত্বকালে বহু মসজিদ, খানকাহ, সেতু ও সমাধিসৌধ নির্মিত হয়।
- তাঁর রাজত্বকালে নির্মিত মসজিদগুলির মধ্যে বাগেরহাটের খান জাহানের ষাটগম্বুজ মসজিদ, মুর্শিদাবাদ জেলার জঙ্গীপুরে সরফরাজ খানের নির্মিত দুটি মসজিদ (১৪৪৩), গৌড়ের নিকটবর্তী এলাকায় জনৈক হিলালী কর্তৃক নির্মিত মসজিদ (১৪৫৫), ঢাকার বখত বিনত মসজিদ (১৪৫৫) এবং ভাগলপুরে খুরশীদ খানের মসজিদ (১৪৪৬) বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
- বাগেরহাটে খান জাহান আলীর সমাধিসৌধ এবং হজরত পান্ডুয়ায় জনৈক আল্লামার সমাধিসৌধ তাঁর রাজত্বকালে নির্মিত হয়।
- নাসিরুদ্দীন মাহমুদ নিজে গৌড়ে একটি দুর্গ ও প্রাসাদের ভিত্তি স্থাপন করেন। বহু ইমারত দ্বারা তিনি গৌড় শহর সুসজ্জিত করেন।
- স্থাপত্যকীর্তিসমূহের মধ্যে পাঁচটি খিলানবিশিষ্ট পাথরের সেতু, দুর্গের পুরু দেয়াল এবং কোতোয়ালী দরওয়াজার অস্তিত্ব এখনও বিদ্যমান।
- উপরিউক্ত ইমারতসমূহ নাসিরুদ্দীন মাহমুদের রাজত্বকালে শান্তি ও সমৃদ্ধির উজ্জ্বল সাক্ষ্য বহন করছে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৪,৫৭৬.
শহীদ আবু সাঈদকে কোথায় সমাহিত করা হয়েছে?
  1. পীরগঞ্জ, রংপুর
  2. পীরগাছা, রংপুর
  3. আজিমপুর কবরস্থান, ঢাকা
  4. রংপুর সদর, রংপুর
সঠিক উত্তর:
পীরগঞ্জ, রংপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পীরগঞ্জ, রংপুর
ব্যাখ্যা

শহীদ আবু সাঈদ:
- রংপুর জেলার পীরগঞ্জ উপজেলা বাবনপুর গ্রামের মোঃ মকবুল হোসেন এর ঘরে জন্ম নেয় আবু সাঈদ।
- ২৫ বছর বয়সী আবু সাঈদ বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের ১২তম ব্যাচের শিক্ষার্থী ছিলেন।
- তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের কোটা সংস্কার আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক ছিলেন।
- ১৬ জুলাই, ২০২৪ তারিখে তিনি রংপুরে গুলিবিদ্ধ হয়ে শহীদ হয়েছিলেন।

উল্লেখ্য,
- ২০২৪ সালে সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনে ১৬ জুলাই দুপুরে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে পার্ক মোড়ে গুলিবিদ্ধ হন আবু সাঈদ।
- ১৬ জুলাই কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের কর্মসূচি চলাকালে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনের সড়কে পুলিশ আবু সাঈদকে খুব কাছ থেকে গুলি করে।
- আবু সাঈদ এক হাতে লাঠি নিয়ে দুই হাত প্রসারিত করে বুক পেতে দেন। কিছুক্ষণের মধ্যেই তিনি লুটিয়ে পড়েন। বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে নিরস্ত্র আবু সাঈদের পুলিশ কর্তৃক গুলিবিদ্ধ হওয়ার ভিডিও ছড়িয়ে পড়লে সারা দেশে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়।
- এই হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে সোচ্চার হন বহু মানুষ, যাতে আরও গতিশীল হয় কোটা সংস্কার আন্দোলন। ওই আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় ছাত্র-জনতার বিক্ষোভের মুখে গত ৫ আগস্ট প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করে দেশ ছেড়ে পালিয়ে যান হাসিনা।

⇒ ১৬ জুলাই, ২০২৪ তারিখে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন পার্ক মোড়ে পুলিশের গুলিতে নিহত হওয়ার পরদিন ১৭ জুলাই তাকে গ্রামের বাড়িতে দাফন করা হয়। 

উৎস: i) বাংলা সাহিত্য, নবম-দশম শ্রেণি।
ii) The Daily Star Bangla.

৪,৫৭৭.
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর শেখ মুজিবুর রহমান কতদিন জেলে বন্দি ছিলেন?
  1. ৪৬৭৫ দিন
  2. ৩০৫৩ দিন
  3. ৪৬৮৫ দিন
  4. ৪৬৮২ দিন
সঠিক উত্তর:
৪৬৮২ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৬৮২ দিন
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান:
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম ১৯২০ সালের ১৭ মার্চ গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় (বাইগার নদীর তীরে)।
- বঙ্গবন্ধু আনুষ্ঠানিকভাবে রাজনীতিতে অভিষিক্ত হন ১৯৪৪ সালে কুষ্টিয়ায় অনুষ্ঠিত নিখিল বঙ্গ মুসলিম ছাত্রলীগের সম্মেলনে যোগদানের মাধ্যমে।
- ১৯৪৮ সালের ৪ জানুয়ারি ছাত্রলীগ প্রতিষ্ঠা করেন।
- ১৯৪৯ সালের ২৩ জুন আওয়ামী মুসলিম লীগ গঠিত হয়।
- বন্দী থাকা অবস্থায় ১৬ ফেব্রুয়ারিতে রাষ্ট্র ভাষা বাংলার দাবিতে বঙ্গবন্ধু কারাগারে অনশন শুরু করেন। ভাষার দাবিতে বঙ্গবন্ধু ১৩ দিন অনশন করেছিলেন।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব আনুষ্ঠানিকভাবে ২৩ মার্চ, ১৯৬৬ ছয়দফা ঘোষণা করেন।
- আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার আসামী ছিল ৩৫ জন। বঙ্গবন্ধু ১ নং আসামী ছিলেন।
- শেখ মুজিবুর রহমানকে ১৯৬৯ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি রেসকোর্স ময়দানে সংবর্ধনা দেয়া হয়।
- শেখ মুজিবুর রহমানকে 'বঙ্গবন্ধু' উপাধি দেন তৎকালীন ডাকসুর ভিপি তোফায়েল আহমেদ।
- 'বঙ্গবন্ধু' উপাধি দেওয়া হয় রেসকোর্স ময়দানে ।
- বঙ্গবন্ধু পূর্ব বাংলাকে 'বাংলাদেশ' নামকরণ করেন ৫ ডিসেম্বর, ১৯৬৯।
- ১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নেতৃত্ব দেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- বঙ্গবন্ধুকে 'জাতির জনক' উপাধি দেওয়া হয় ৩ মার্চ ১৯৭১ (উপাধি দেন আ স ম আবদুর রব)।
- ১৯৭১ সালে বঙ্গবন্ধু ৭ মার্চের ভাষণ দেন ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে, যা এখন সোহরাওয়ার্দী উদ্যান নামে পরিচিত।
- বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণের মূল বক্তব্য ছিল “এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম"।
- ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চ বঙ্গবন্ধুর ভাষণের ব্যাপ্তি ছিল ১৮ মিনিট ।
- বঙ্গবন্ধুর ধানমন্ডির বাড়িতে প্রথম ২৩ মার্চ, ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করা হয়।
- ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ মধ্যরাত অর্থাৎ ২৬ মার্চে বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন।
- এরপরই পাকিস্তানি সেনাবাহিনী বঙ্গবন্ধুকে গ্রেপ্তার করে।
- বঙ্গবন্ধুকে গ্রেফতার করা হয় অপারেশন বিগবার্ড এর মাধ্যমে।

উল্লেখ্য,
- ৫৫ বছর জীবনে বঙ্গবন্ধু ৪৬৮২ দিন কারাগারে ছিলেন।
- এর মধ্যে স্কুলের ছাত্র থাকা অবস্থায় ব্রিটিশ আমলে ৭ দিন কারাভোগ করেন আর বাকী ৪৬৭৫ দিন পাকিস্তান আমলে।

উৎস: i) শতবর্ষে শত তথ্যে 'বঙ্গবন্ধু'।
ii) ১৬ মার্চ ২০১৯, প্রথম আলো।
৪,৫৭৮.
আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আবুল মনসুর আহমদের প্রণীত ২১ দফা প্রকাশিত হয় -
  1. ক) ১৯৫৩ সালের ৪ ডিসেম্বর
  2. খ) ১৯৫৩ সালের ৫ ডিসেম্বর
  3. গ) ১৯৫৪ সালের ৪ ডিসেম্বর
  4. ঘ) ১৯৫৪ সালের ৫ ডিসেম্বর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৫৩ সালের ৫ ডিসেম্বর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৫৩ সালের ৫ ডিসেম্বর
ব্যাখ্যা
• এ কে ফজলুল হক, হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী ও মাওলানা ভাসানী ১৯৫৩ সালের ৪ ডিসেম্বর যুক্তফ্রন্ট গঠন করেন।
- আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আবুল মনসুর আহমদের প্রণীত ২১ দফায় বিভিন্ন নেতা স্বাক্ষর করেন। ১৯৫৩ সালের ৫ ডিসেম্বর ২১ দফা প্রকাশিত হয়।

• ২১ দফার ভিত্তিতে যুক্তফ্রন্ট ১৯৫৪ সালের সাধারণ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে। যুক্তফ্রন্টের প্রতীক ছিল নৌকা এবং মুসলিম লীগের প্রতীক ছিল হারিকেন। ১৯৫৪ সালের ৭-১২ মার্চ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। মোট আসন ছিল ৩০৯টি। তার মধ্যে ৭২টি হিন্দু ও তফসিলি। ২৩৭টি মুসলমান আসন। ৯টি বাদে সব আসনে যুক্তফ্রন্ট জয়লাভ করে।

• পূর্ব বাংলায় ভোটের বিপ্লব হলো। জাতীয়তাবাদের জয় হলো। ১৯৫৪ সালের ২ এপ্রিল সরকারিভাবে ভোটের ফলাফল প্রকাশিত হয়।

• শেরেবাংলা যুক্তফ্রন্টের নেতা নির্বাচিত হন। মন্ত্রিসভা গঠন নিয়ে যুক্তফ্রন্টে মতবিরোধ দেখা দেয়। ১৯৫৪ সালের ৩ এপ্রিল এ কে ফজলুল হক চার সদস্যবিশিষ্ট মন্ত্রিসভা গঠন করেন। ১৯৫৪ সালের ১৫ মে পূর্ণাঙ্গ যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রিসভা গঠন করা হয়।

সূত্র: প্রথম আলো। 
৪,৫৭৯.
বরেন্দ্র কোন রাজাদের পিতৃভূমি ছিলো?
  1. পাল রাজা
  2. খড়গ রাজা
  3. মৌর্য রাজা
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
পাল রাজা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাল রাজা
ব্যাখ্যা
পাল বংশ:
- শশাঙ্ক পরবর্তী বাংলায় অরাজকতার যুগের অবসান ঘটিয়ে গোপাল বাংলার সিংহাসনে আরোহণ করেন এবং পালবংশের শাসনের সূচনা করেন।
- বরেন্দ্র পাল রাজাদের পিতৃভূমি ছিলো।
- পাল বংশ আট শতকের মাঝামাঝি সময় থেকে প্রায় চারশত বছর বাংলা ও বিহারে শাসনকারী রাজবংশ।
- গোপাল প্রতিষ্ঠিত এ বংশের শাসন চলে নানা ধরনের উত্থান-পতনের মধ্য দিয়ে আঠারো পুরুষ ধরে।
- গোপালের রাজত্বকাল সম্পর্কে সঠিকভাবে জানার উপায় নেই। আর্যমঞ্জুশ্রীমূলকল্পে উল্লেখ আছে যে, তিনি ২৭ বছর রাজত্ব করেন। অনুমান করা হয় গোপাল ৭৫৬ হতে ৭৮১ খিস্টাব্দ পর্যন্ত রাজত্ব করেছিলেন।

সূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৪,৫৮০.
বাংলাদেশে মর্যাদা অনুসারে ৩য় বীরত্বসূচক খেতাব-
  1. ক) বীর প্রতীক
  2. খ) বীর বিক্রম
  3. গ) বীর উত্তম
  4. ঘ) কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
খ) বীর বিক্রম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বীর বিক্রম
ব্যাখ্যা

- ১৫ ডিসেম্বর ১৯৭৩ সালে সরকারি গেজেট নোটিফিকেশনের মাধ্যমে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার মুক্তিযোদ্ধাদের খেতাব প্রদান করেন।
মুক্তিযুদ্ধের খেতাব ৪ পর্বে বিভক্ত। যথা-
- বীরশ্রেষ্ঠ (মর্যাদা অনুসারে প্রথম বীরত্বসূচক খেতাব),
- বীর উত্তম (মর্যাদা অনুসারে দ্বিতীয় বীরত্বসূচক খেতাব),
- বীর বিক্রম (মর্যাদা অনুসারে তৃতীয় বীরত্বসূচক খেতাব) এবং
- বীর প্রতীক (মর্যাদা অনুসারে চতুর্থ বীরত্বসূচক খেতাব)।

তথ্যসূত্র:- মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৪,৫৮১.
ধর্মপাল কোথায় সোমপুর বিহার নির্মাণ করেন?
  1. দিনাজপুর
  2. কুমিল্লা
  3. বগুড়া
  4. নওগাঁ
সঠিক উত্তর:
নওগাঁ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নওগাঁ
ব্যাখ্যা
ধর্মপাল:
- ধর্মপাল হচ্ছেন পাল বংশের শ্রেষ্ঠ রাজা।
- তিনি প্রায় ৪০ বছর রাজত্ব করেন।
- দীর্ঘ শাসনামলে ধর্মপাল পাল রাজ্যকে একটি সাম্রাজ্যে উন্নীত করেন।
- ধর্মপাল বৌদ্ধ ছিলেন এবং তিনি অনেক বিহারের প্রতিষ্ঠাতা।
- তিনি রাজশাহী বিভাগের বর্তমান নওগাঁ জেলার পাহাড়পুরে সোমপুর মহাবিহার প্রতিষ্ঠা করেন।
- বরেন্দ্র অঞ্চলের কেন্দ্রস্থলে প্রতিষ্ঠিত এই বৌদ্ধ ধর্ম শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি সমগ্র ভারতবর্ষের মধ্যে সর্ববৃহৎ বৌদ্ধ বিহার।
- এই জন্যে এটি মহাবিহার নামে পরিচিত।
- ধর্মপাল বৌদ্ধ ধর্মানুরাগী হলেও তিনি অন্য ধর্ম সম্পর্কে উদার মনোভাব পোষণ করতেন।
- তিনি হিন্দু দেবতার জন্য মন্দির নির্মাণ করার জন্য ভূমিদান করতেন।
- ধর্মপালের প্রধানমন্ত্রী গর্গ ছিলেন একজন ব্রাহ্মণ।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৫৮২.
স্বাধীনতার পর কৃষির উন্নয়নের জন্য বঙ্গবন্ধু কত বিঘা পর্যন্ত জমির খাজনা মওকুফ করেন? 
  1. ২০ বিঘা
  2. ১৫ বিঘা
  3. ১০ বিঘা
  4. ২৫ বিঘা
সঠিক উত্তর:
২৫ বিঘা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫ বিঘা
ব্যাখ্যা
স্বাধীনতার পর কৃষির উন্নয়ন: 

• স্বাধীনতার পর বাংলাদেশের শতকরা ৮৫ ভাগ জনগণের জীবিকা ছিল কৃষির ওপর নির্ভরশীল। 
• জাতীয় আয়ের অর্ধেকেরও বেশি আসত কৃষি খাত থেকে। 
• বঙ্গবন্ধু কৃষি ব্যবস্থার উন্নয়নে বিশেষ মনোযোগ দিয়েছিলেন। যেমন-
- ২৫ বিঘা পর্যন্ত জমির খাজনা মওকুফসহ পূর্বের সমস্ত বকেয়া খাজনা মওকুফ করে দেন। 
- একটি পরিবারের সর্বাধিক ১০০ বিঘা পর্যন্ত জমির মালিকানা নির্ধারণ করেন।
- বাইশ লাখের অধিক কৃষক পরিবারকে পুনর্বাসন করা হয়। 

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
৪,৫৮৩.
বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (BIDA) কিসের অধীন?
  1. শিল্প মন্ত্রণালয়
  2. বাণিজ্য মন্ত্রণালয়
  3. প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়
  4. অর্থ মন্ত্রণালয়
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ বা BIDA (Bangladesh Investment Development Authority) ২০১৬ সালে গঠিত হয়।
- এটি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীন একটি প্রতিষ্ঠান।
- এটির কাজ হলো বেসরকারি বিনিয়োগ বিশেষত বৈদেশিক বিনিয়োগ আকৃষ্ট করা এবং বিনিয়োগকারীদের বিভিন্ন সুবিধাদি প্রদান করা।

[উৎস: বেপজা ওয়েবসাইট]
৪,৫৮৪.
১৯৬৯-এর গণঅভ্যুত্থানের ফলাফল কী ছিল?
  1. ৭০ এর নির্বাচন স্থগিত
  2. ছয় দফা বাতিল
  3. আইয়ুব খানের পতন
  4. ৬২ এর শিক্ষানীতি বাতিল
সঠিক উত্তর:
আইয়ুব খানের পতন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইয়ুব খানের পতন
ব্যাখ্যা

৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান:
→ আইয়ুব বিরোধী ছাত্র আন্দোলন ১৯৬৮ সালের অক্টোবর মাসে শুরু হলেও তা ১৯৬৯-এর জানুয়ারিতে তুঙ্গে ওঠে এবং মধ্য জানুয়ারিতে গণআন্দোলনের রূপ নেয়। 
→ ছাত্রসংগ্রাম পরিষদ দেশের সকল মৌলিক গণতন্ত্রীকে পদত্যাগের আহ্বান জানালে অনেকেই সে আহ্বানে সাড়া দেন। 
→ ছাত্র-শিক্ষকবৃন্দ ছাত্রসংগ্রাম পরিষদের আন্দোলনের সংগে একাত্মতা ঘোষণা করেন।
→ আইয়ুব পুলিশ, ইপিআর ও সেনাবাহিনী দিয়ে ঐ আন্দোলন স্তব্ধ করার চেষ্টা করেন। 
→ ১৯৬৯ সালের ২০ জানুয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ও ছাত্র ইউনিয়ন মেনন গ্রুপের নেতা আসাদুজ্জামান পুলিশের গুলিতে শহীদ হলে আন্দোলন সরকারের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়।
→ আন্দোলন চরম আকার ধারণ করে যখন প্রক্টরের দায়িত্ব পালন করার সময় ১৮ ফেব্রুয়ারিতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. শামসুজ্জোহা পুলিশের গুলি ও বেয়নেট চার্জের ফলে মৃত্যুবরণ করেন।
→ এ আন্দোলনে আইয়ুব খানের পতন ঘটে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,৫৮৫.
দিল্লি সালতানাত বিলুপ্ত হয়-
  1. ক) ১৫২৪
  2. খ) ১৫২৭
  3. গ) ১৫২৮
  4. ঘ) ১৫২৬
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৫২৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৫২৬
ব্যাখ্যা

- ইব্রাহিম লোদীর উদ্ধত আচরণ ও কঠোর দমন নীতির ফলে অসন্তুষ্ট আফগান অভিজাত শ্রেণি, পাঞ্জাবের শাসনকর্তা দৌলত খান লোদী এবং ইব্রাহীম লোদীর পিতৃব্য আলম খান এবং রাজপুতনার মেবারের রানা সংগ্রাম সিংহ কাবুলের অধিপতি জহিরুদ্দীন মুহম্মদ বাবরকে ভারত আক্রমণের আহ্বান জানান।
- উচ্চাভিলাষী এবং সাম্রাজ্যবাদী বাবর এই আহবানে সাড়া দিয়ে ভারত আক্রমণ করেন।
- ১৫২৬ খ্রিস্টাব্দে সংঘটিত ঐতিহাসিক পানিপথের প্রথম যুদ্ধে লোদী বংশের সর্বশেষ শাসক ইব্রাহিম লোদীকে পরাজিত করে দিল্লি সালতানাতের পতন ঘোষণা করেন এবং ভারতর্ষে মুঘল শাসনের গোড়াপত্তন করেন।

তথ্যসূত্র: ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি দ্বিতীয় পত্র , একাদশ - দ্বাদশ (উন্মুক্ত)।

৪,৫৮৬.
'আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি, আমি কি ভুলিতে পারি' গানটির প্রথম সুরকার ছিলেন -
  1. আবদুল লতিফ
  2. আবদুল গাফ্‌ফার চৌধুরী
  3. আলতাফ মাহমুদ
  4. আপেল মাহমুদ
সঠিক উত্তর:
আবদুল লতিফ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আবদুল লতিফ
ব্যাখ্যা
আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি:
- 'আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি, আমি কি ভুলিতে পারি' গানটির প্রথম সুরকার ছিলেন আবদুল লতিফ।

উল্লেখ্য,
- এই গানটি প্রথম হাসান হাফিজুর রহমান সম্পাদিত 'একুশে ফেব্রুয়ারি'(১৯৫৩) গ্রন্থে সংকলিত হয়।
- ঢাকা কলেজের নতুন নতুন ছাত্র ইউনিয়নের অভিষেক অনুষ্ঠানে গানটি প্রথম গাওয়া হয়।
- গানটির রচয়িতা 'আবদুল গাফ্‌ফার চৌধুরী'।
- বর্তমান সুরকার আলতাফ মাহমুদ।

⇒ আবদুল লতিফ:
- আবদুল লতিফ একজন সঙ্গীতশিল্পী, গীতিকার ও সুরকার।
- তিনি বরিশালের রায়পাশা গ্রামে ১৯২৫ সালে জন্মগ্রহণ করেন।
- কংগ্রেস সাহিত্য সংঘে তিনি ১৬ বছর বয়স থেকে গান গাইতে শুরু করেন।
- ১৯৪৮ সালের জুলাই মাসে তিনি ঢাকায় আসেন।
- ১৯৪৮ সালেই তিনি রেডিও পাকিস্তানে (বর্তমান ঢাকা বেতার কেন্দ্র) সংগীত প্রযোজকের চাকরি পান।
- ৫ আগস্ট তিনি বেতারে প্রথম গান পরিবেশন করেন।
- সংগীতে অসাধারণ অবদানের জন্য তিনি স্বাধীনতা পুরস্কার ও একুশে পদক লাভকরেন।
- তিনি ২০০৫ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি মারা যান।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
৪,৫৮৭.
বাংলাদেশের কোন নারী মুক্তিযোদ্ধা 'মুক্তিবেটি' নামে পরিচিত?
  1. কাঁকন বিবি
  2. সেতারা বেগম
  3. তারামন বিবি
  4. নীলিমা ইব্রাহীম
সঠিক উত্তর:
কাঁকন বিবি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কাঁকন বিবি
ব্যাখ্যা
- নারী মুক্তিযোদ্ধা কাঁকন বিবি খাসিয়া সম্প্রদায়ের।
- তিনি 'মুক্তিবেটি' নামে পরিচিত।
- তার জন্ম ১৯৪৮ সালে সুনামগঞ্জ জেলার এক খাসিয়া পরিবারে। 
- পরবর্তীতে তিনি ইসলামধর্ম গ্রহণ করে প্রথমে একজন বাঙালি এবং পরে একজন পাকিস্তানিকে বিয়ে করেন।
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে তিনি ৫ নং সেক্টরে মুক্তিবাহিনীর পক্ষে গুপ্তচরবৃত্তি করেন। 
- এক পর্যায়ে তিনি পাকবাহিনীর হাতে ধরা পড়লে তার উপর অমানবিক নির্যাতন চালানো হয়।
- কাঁকন বিবি কে ১৯৯৭ সালে মৌখিক ভাবে বীর প্রতীক খেতাব দেওয়া হলেও তার গেজেট প্রকাশিত হয়নি।
- ২০১৮ সালের ২১শে মার্চ তিনি মারা যান।

সূত্র: ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ভাষা ও সংস্কৃতি : সপ্তম শ্রেণী এবং পত্রিকা রিপোর্ট
৪,৫৮৮.
কোন আফ্রিকান দেশ বাংলাদেশকে একটি স্বাধীন দেশ হিসেবে প্রথম স্বীকৃতি দেয়?
  1. সেনেগাল
  2. উগান্ডা
  3. গ্যাবন
  4. সিয়েরা লিওন
সঠিক উত্তর:
সেনেগাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সেনেগাল
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের স্বীকৃত লাভ:

- ১৯৭২ জানুয়ারি মাসেই পূর্ব জার্মানি, বুলগেরিয়া, পোল্যান্ড, মিয়ানমার, নেপাল, সোভিয়েত ইউনিয়ন স্বীকৃতি দেয়।
- ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর ইরাক প্রথম আরব দেশ হিসেবে ০৮ জুলাই ১৯৭২ সালে বাংলাদেশকে একটি স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।
- সেনেগাল (১ ফেব্রুয়ারি), মালয়েশিয়া (২৪ ফেব্রুয়ারি), ইন্দোনেশিয়া (২৪ ফেব্রুয়ারি), গাম্বিয়া (মার্চ), গ্যাবন (৬ এপ্রিল), সিয়েরা লিওন (২১ এপ্রিল), ইরাক (৮ জুলাই), দক্ষিণ ইয়েমেন (৩১ জুলাই), উগান্ডা (৫ আগস্ট), বুরকিনা ফাসো (১৯ আগস্ট) প্রভৃতি মুসলিম দেশ ১৯৭২ সালের মধ্যেই বাংলাদেশকে একটি স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।
- ইরান ও তুরস্ক ২২ ফেব্রুয়ারি ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।

তথ্যসূত্র - দৈনিক কালের কণ্ঠ, ডিসেম্বর ২১, ২০১৬ ও বিবিসি, মার্চ ২৬, ২০২১।
৪,৫৮৯.
কোন মুঘল সম্রাটের সময়ে বারোভূঁইয়াদের দমন করা হয়?
  1. সম্রাট আকবর
  2. সম্রাট জাহাঙ্গীর
  3. সম্রাট আওরঙ্গজেব
  4. সম্রাট শাহজাহান
সঠিক উত্তর:
সম্রাট জাহাঙ্গীর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্রাট জাহাঙ্গীর
ব্যাখ্যা
আফগান শাসন ও বারোভূঁইয়া (১৫৩৮-১৫৭৬ সাল): 
- ১৫৩৮ সালে আরব এবং পারস্যের অভিজাত মুসলমানদের হাতে প্রতিষ্ঠিত বাংলার স্বাধীন সুলতানি যুগের অবসান হলে বাংলাকে একে একে অন্যান্য বিদেশি শক্তিসমূহ গ্রাস করতে থাকে।
- মুঘল সম্রাট হুমায়ুন অল্প কিছুকাল বাংলার রাজধানীর ওপর অধিকার প্রতিষ্ঠা করেন।
- কিন্তু শেষ পর্যন্ত তাঁকে আফগান নেতা শের শাহের কাছে পরাজয় মানতে হয়।
- বাংলা ও বিহার সরাসরি চলে আসে আফগানদের নিয়ন্ত্রণে।
- আফগানদের দুই শাখা-শূর আফগান ও কররানি আফগানরা বেশ কিছুকাল বাংলা শাসন করেন।
- শেষ পর্যন্ত মুঘল সম্রাট আকবর আফগানদের হাত থেকে বাংলার ক্ষমতা কেড়ে নেন।
- অবশ্য রাজধানী দখল করলেও মুঘলরা বাংলার অভ্যন্তরে অনেক দিন পর্যন্ত প্রকৃত ক্ষমতা প্রতিষ্ঠিত করতে পারেননি।
- এ সময় বাংলায় অনেক বড় বড় স্বাধীন জমিদার ছিলেন।
- 'বারোভূঁইয়া' নামে পরিচিত এ সকল জমিদার মুঘলদের অধিকার মেনে নেননি।
- সম্রাট আকবরের সময় মুঘল সুবাদারগণ 'বারোভূঁইয়া'দের দমন করার চেষ্টা করেও সফল হতে পারেননি।
- 'বারোভূঁইয়া'দের দমন করা হয় সম্রাট জাহাঙ্গীরের সময়ে।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৪,৫৯০.
মুজিবনগর সরকার- এর কতটি মন্ত্রণালয় ছিল?
  1. ক) 10
  2. খ) 12
  3. গ) 15
  4. ঘ) 18
সঠিক উত্তর:
খ) 12
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) 12
ব্যাখ্যা
মুজিবনগর সরকার:
- মুজিবনগর সরকার মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার জন্য গঠিত বাংলাদেশের প্রথম সরকার।
- ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ স্বাধীনতা ঘোষণার পর ১০ এপ্রিল এ সরকার গঠিত হয়।
- ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলা গ্রামে মুজিবনগর সরকার শপথ গ্রহণ করে।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামে বৈদ্যনাথতলা গ্রামের নামকরণ হয় মুজিবনগর।
- মুজিবনগর সরকারের কর্মকান্ড বাংলাদেশ ভূখন্ডের বাইরে থেকে পরিচালিত হয়েছিল বলে এ সরকার প্রবাসী মুজিবনগর সরকার হিসেবেও খ্যাত।
- শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন আবদুল মান্নান এম.এন.এ এবং স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র পাঠ করেন অধ্যাপক ইউসুফ আলী এম.এন.এ।
- নবগঠিত সরকারের অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলামকে এখানে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়।
- মন্ত্রীদের মধ্যে দপ্তর বণ্টন হয় ১৮ এপ্রিল।
- এদিন মুজিবনগর সরকারকে ১২টি মন্ত্রণালয় ও বিভাগে ভাগ করা হয়।
- এছাড়া কয়েকটি বিভাগ মন্ত্রিপরিষদের কর্তৃত্বাধীনে থাকে। 

[শুধু মন্ত্রণালয় বললে ১২ টি কিন্তু   বিভাগ ও মন্ত্রণালয় বললে ১৫ টি।]

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৪,৫৯১.
পলাশীর যুদ্ধ কোন নদীর তীরে হয়েছিল?
  1. ব্রহ্মপুত্র
  2. পদ্মা
  3. ভাগীরথী
  4. গঙ্গা
সঠিক উত্তর:
ভাগীরথী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভাগীরথী
ব্যাখ্যা
পলাশীর যুদ্ধ:
- ১৭৫৭ খ্রিস্টাব্দে ২৩ জুন ভাগীরথী নদীর তীরে পলাশীর আমবাগানে নবাব সিরাজউদ্দৌলার সঙ্গে ইংরেজ সেনাপতি রবার্ট ক্লাইভের যুদ্ধ হয়।
- এই যুদ্ধে নবাবের পক্ষে ছিলেন দেশপ্রেমিক মীরমদন, মোহন লাল এবং ফরাসি সেনাপতি সিনফ্রে।
- জেতার সবধরণের সুযোগ সুবিধা এবং এদের প্রাণপাত লড়াইয়ের পরও নবাব পরাজিত হন তার সেনাপতি মীরজাফরের বিশ্বাসঘাতকতার কারণে।
- সিরাজউদ্দৌলার পরাজয় ও মৃত্যু বাংলায় প্রত্যক্ষ ঔপনিবেশিক শাসনের পথ সুগম করে।
- যুদ্ধের ফলে মীরজাফরকে বাংলার সিংহাসনে বসালেও প্রকৃত ক্ষমতা ছিল রবার্ট ক্লাইভের হাতে।
- পলাশী যুদ্ধের ফলে ইংরেজ বা বাংলায় একচেটিয়া ব্যবসা-বাণিজ্যের সুযোগ পায়।

তথ্যসূত্র- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৫৯২.
বাষট্টির শিক্ষা আন্দোলন হয়েছিল কোন কমিশনের বিরুদ্ধে?
  1. মুরারজি কমিশন
  2. কুদরত-ই-খুদা কমিশন
  3. শরীফ কমিশন
  4. সিদ্দিকী কমিশন
সঠিক উত্তর:
শরীফ কমিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শরীফ কমিশন
ব্যাখ্যা
শিক্ষা আন্দোলন: 
- ১৯৬২ সালে শরিফ কমিশন শিক্ষাসংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করে।
- এ প্রতিবেদনের সুপারিশে ছাত্রদের ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দেয়।
- ফলে শরিফ কমিশনের বিরুদ্ধে আন্দোলন শুরু হয়।
- এ আন্দোলন 'বাষট্টির শিক্ষা আন্দোলন' নামে পরিচিত।
- ১৫ই আগস্ট থেকে ১০ই সেপ্টেম্বর বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।
- ১৭ই সেপ্টেম্বর হরতাল পালনকালে পুলিশের গুলিতে কয়েকজন নিহত এবং কয়েক'শ আহত হয়।
- এ আন্দোলনের ফলে শরিফ কমিশনের সুপারিশ স্থগিত হয়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
৪,৫৯৩.
বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদানকারী প্রথম ইউরোপীয় দেশ কোনটি?
  1. পশ্চিম জার্মানি
  2. পূর্ব জার্মানি
  3. যুক্তরাজ্য
  4. ইতালি
সঠিক উত্তর:
পূর্ব জার্মানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পূর্ব জার্মানি
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে ৬ ডিসেম্বর প্রথম দেশ হিসেবে ভুটান বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে।
- একইদিন দ্বিতীয় দেশ হিসেবে ভারত বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে।
- বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী এবং পররাষ্ট্র সচিবের ভাষ্যমতে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দানকারী প্রথম দেশ ভুটান এবং দ্বিতীয় দেশ ভারত।
- সাবেক পূর্ব জার্মানি ১১ জানুয়ারি ১৯৭২ ইউরোপের প্রথম আর বিশ্বের তৃতীয় দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দিয়েছিল।
- আর সাবেক পশ্চিম জার্মানি বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় প্রায় তিন সপ্তাহ পর ৪ ফেব্রুয়ারি ১৯৭২।

সূত্র: প্রথম আলো ও বাংলাপিডিয়া।
৪,৫৯৪.
বাংলাদেশে এ পর্যন্ত গণভোট হয়েছে কতবার?
  1. ১বার
  2. ২বার
  3. ৩বার
  4. ৪বার
সঠিক উত্তর:
৩বার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩বার
ব্যাখ্যা
গণভোট
- ১৯৯১ সালের গণভোট মূলত রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার থেকে প্রধানমন্ত্রীর শাসিত সরকার ব্যবস্থা প্রণয়ন করার জন্য গণভোট অনুষ্ঠিত হয়।
- এটাই একমাত্র সাংবিধানিক গণভোট।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের প্রস্তাবনার অথবা ৮, ৪৮, ৫৬, ৫৮, ৮০, ৯২ক বা ১৪২ অনুচ্ছেদ সংশোধনের ব্যবস্থা করে কোন বিল উক্ত সংবিধানের ১৪২ (১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সংসদে গৃহীত হওয়ার পর তাতে রাষ্ট্রপতি সম্মতিদান করবেন কি করবেন না এই প্রশ্নটি যাচাইয়ের জন্য গণভোটের বিধান প্রণয়নকল্পে প্রণীত আইন।
- বাংলাদেশে এ পর্যন্ত মোট গণভোট হয়েছে ৩ বার।
- বাংলাদেশের প্রথম গণভোট অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭৭ সালের ৩০ মে জিয়াউর রহমানের নিজ শাসনকে বৈধকরণ। (প্রশাসনিক)
- দ্বিতীয় গণভোট অনুষ্ঠিত হয় ১৯৮৫ সালের ১ মার্চ এরশাদের সমর্থন যাচাই। (প্রশাসনিক)
- তৃতীয় গণভোট ১৫ সেপ্টেম্বর, ১৯৯১ (একমাত্র সাংবিধানিক)।
- বাংলাদেশের গণভোট সংক্রান্ত আইন গণভোট আইন, ১৯৯১। 

উৎস: বাংলাদেশ আইন মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট ও প্রথম আলো আর্কাইভ।
৪,৫৯৫.
'বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করা হবে' যুক্তফ্রন্টের ইশতেহারের কততম দফায় বলা হয়েছিল?
  1. ক) ১ নং
  2. খ) ২ নং
  3. গ) ৩ নং
  4. ঘ) ৪ নং
সঠিক উত্তর:
ক) ১ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১ নং
ব্যাখ্যা
১৯৫৪ সালে যুক্তফ্রন্ট নেতাগণ ২১ ফেব্রুয়ারির ভাষা শহীদদের স্মৃতি অম্লান করে রাখার জন্য শ্রদ্ধাভরে তাদের কর্মসূচীকে ২১ দফায় লিপিবদ্ধ করেন। যুক্তফ্রন্টের ২১ দফা কর্মসূচির প্রথম দফা ছিল- 'বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করা হবে।'
উৎসঃ পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
৪,৫৯৬.
‘রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’ গঠন করে -
  1. ক) তমদ্দুন মজলিশ
  2. খ) গণতান্ত্রিক যুবলীগ
  3. গ) মুসলিম লীগ
  4. ঘ) সাংস্কৃতিক সংসদ 
সঠিক উত্তর:
ক) তমদ্দুন মজলিশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) তমদ্দুন মজলিশ
ব্যাখ্যা
• রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠন:
- ১৯৪৭ সালের ২ সেপ্টেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আবুল কাশেমের নেতৃত্বে ‘তমদ্দুন মজলিস’ নামে একটি সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠে।
- তমদ্দুন মজলিস সভা-সমিতি ও লেখনীর মাধ্যমে বাংলা ভাষার পক্ষে জনমত গড়ে তোলে।
- ১৯৪৭ সালের ডিসেম্বর মাসে নূরুল হক ভূঁইয়াকে আহ্বায়ক করে তমদ্দুন মজলিস ‘রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’ গঠন করে।
- ১৫ সেপ্টেম্বর, ১৯৪৭ সালে ‘পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু’ নামে একটি পুস্তিকাও প্রকাশ করে - গণতান্ত্রিক যুবলীগ।
-  ২৩ ফেব্রুয়ারি, ১৯৪৮ সালে গণপরিষদের অধিবেশনে কংগ্রেস দলীয় সদস্য ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত উর্দু ও ইংরেজির পাশাপাশি বাংলাকেও গণপরিষদের অন্যতম ভাষা হিসেবে ব্যবহারের দাবি উত্থাপন
করেন। 

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৫৯৭.
বাংলার গভর্নর জেনারেল পদ ভারতের গভর্নর জেনারেল পদে পরিণত হয় কত সালে?
  1. ১৭৭৬ সালে
  2. ১৮০১ সালে
  3. ১৮৩৩ সালে
  4. ১৮৫৭ সালে
সঠিক উত্তর:
১৮৩৩ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮৩৩ সালে
ব্যাখ্যা
লর্ড উইলিয়াম বেন্টিঙ্ক (১৭৭৪-১৮৩৯): 
- ১৮২৮ থেকে ১৮৩৩ সাল পর্যন্ত বাংলার গভর্নর জেনারেল এবং ১৮৩৩ থেকে ১৮৩৫ সাল পর্যন্ত ভারতের গভর্নর জেনারেল ছিলেন।
- লর্ড উইলিয়ম ক্যাভেন্ডিস বেন্টিঙ্ক ১৭৭৪ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর জন্মগ্রহণ করেন।
- মাদ্রাজের গভর্নর হিসেবে ১৮০৩ সালে তিনি প্রথম ভারতে আসেন এবং ১৮০৬ সালে ভেল্লোরে সিপাইদের বিদ্রোহের কারণে ১৮০৭ সালে তাঁকে ডেকে পাঠানো হয়।
- প্রায় দুই দশক পর তাঁকে বাংলার গভর্নর জেনারেল নিয়োগ করা হয় এবং তিনি ১৮২৮ সালে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন।
- ১৮৩৩ সালের  সনদ আইন (Charter Act-1833) দ্বারা পরে তাঁর পদবিকে ভারতের গভর্নর জেনারেল হিসেবে পুনরাখ্যায়িত করা হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৪,৫৯৮.
পশ্চিম পাকিস্তান আমাদের কত বছর শাসন করেছে?
  1. ২০ বছর
  2. ২২ বছর
  3. ২৪ বছর
  4. ২৬ বছর
সঠিক উত্তর:
২৪ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৪ বছর
ব্যাখ্যা

পশ্চিম পাকিস্তান:
- ১৯৪৭ সালের ১৪ আগস্ট এক হাজার মাইলের অধিক ব্যবধান এবং বিচ্ছিন্নতাসহ পূর্ব বাংলা ও পশ্চিম পাকিস্তান নিয়ে গঠিত হয়েছিল পাকিস্তান নামক রাষ্ট্র।
- পাকিস্তান রাষ্ট্র সৃষ্টির শুরু থেকেই পূর্ব বাংলা প্রদেশকে পাকিস্তানের একটি উপনিবেশে পরিণত করার প্রচেষ্টা চালায়।
- পশ্চিম পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী অত্যন্ত সুকৌশলে পূর্ববাংলার প্রতি বৈষম্য প্রদর্শন শুরু করে। যার ফলে রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও প্রশাসনিক ক্ষেত্রে সৃষ্টি হয় ব্যাপক বৈষম্যের পাহাড়। পাকিস্তানি অপশাসন ও শোষণের ফলে পূর্ব বাংলার সম্পদ পশ্চিম পাকিস্তানে পাচার হতে থাকে।
- পাকিস্তানের দুই অংশের উন্নয়ন ও বাস্তব পরিস্থিতিতে ভারসাম্যহীনতা তৈরি হয়। পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর অপশাসন ও শোষণের অভিঘাতে পূর্ববাংলা প্রথমে স্বায়ত্তশাসন ও স্বাধিকারের দাবি তোলে।
-  দীর্ঘ ২৪ বছরই সামরিক চক্র ও আমলারা দেশ শাসন করেন।
- অতঃপর ১৯৭০ এর সাধারণ নির্বাচন, ফলাফল বানচাল এবং পরবর্তী অসহযোগ আন্দোলনের পথ ধরে সশস্ত্র সংগ্রামের মাধ্যমে স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত হয়। 

উৎস: পৌরনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,৫৯৯.
বাংলায় মুসলিম শাসনের সূত্রপাত করেন কে?
  1. ক) মুহম্মদ ঘুরি
  2. খ) বখতিয়ার খলজী
  3. গ) ইলিয়াস শাহ
  4. ঘ) মুহম্মদ বিন কাসিম
সঠিক উত্তর:
খ) বখতিয়ার খলজী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বখতিয়ার খলজী
ব্যাখ্যা
ত্রয়োদশ শতকে ১২০৪ সালে তুর্কি সেনাপতি ইখতিয়ার উদ্দিন বখতিয়ার খলজি কর্তৃক নদীয়া জয়ের মাধ্যমে বাংলায় মুসলিম শাসনের সূত্রপাত হয়।
- ১২০৪ সালে বখতিয়ার খলজি বাংলার সেন বংশের রাজা লক্ষ্মণ সেনকে বিনা বাঁধায় পরাজিত করে নদীয়া জয় করেন।
- উত্তর আফগানিস্তানের গরমশির (আধুনিক দস্ত-ই-মার্গ) এলাকার বাসিন্দা ইখতিয়ারউদ্দীন মুহম্মদ বখতিয়ার খলজী তুর্কি জাতির খলজী সম্প্রদায়র্ভুক্ত ছিলেন। 
- বখতিয়ার খলজী স্বল্প সময়ের জন্য নদীয়ায় অবস্থান করেন এবং পরে তিনি গৌড়ের দিকে যাত্রা করেন।
- তিনি ৬০১ হিজরিতে (১২০৫ খ্রি.) বিনা বাধায় গৌড় জয় করেন এবং লখনৌতি নাম দিয়ে সেখানে তাঁর রাজধানী স্থাপন করেন। পূর্বে গৌড়ের নাম ছিল লক্ষণাবতী।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি এবং বাংলাপিডিয়া।
৪,৬০০.
চন্দ্রদ্বীপ : বরিশাল :: সমতট : ?
  1. ক) দিনাজপুর
  2. খ) কুমিল্লা
  3. গ) সিলেট
  4. ঘ) চট্টগ্রাম
সঠিক উত্তর:
খ) কুমিল্লা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) কুমিল্লা
ব্যাখ্যা
চন্দ্রদ্বীপ
• বর্তমান বরিশাল অঞ্চলে চন্দ্রদ্বীপ নামক একটি জনপদের সৃষ্টি হয়েছিল।
• এ জনপদটি বালেশ্বর ও মেঘনার মধ্যবর্তী স্থানে অবস্থিত।
অন্যদিকে,
• সমতট জনপদ বর্তমান বৃহত্তর নোয়াখালী ও কুমিল্লা অঞ্চল জুড়ে বিস্তৃত ছিলো।
• হরিকেল জনপদ আধুনিক সিলেট থেকে পার্বত্য চট্টগ্রাম পর্যন্ত বিস্তৃত ছিলো।
• বরেন্দ্র জনপদ বর্তমান রাজশাহী, রংপুর ও দিনাজপুর অঞ্চল জুড়ে বিরাজমান ছিলো।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি ও বাংলাপিডিয়া।