বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশের জাতীয় বিষয়াবলি

মোট প্রশ্ন১২,৪২১এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশের জাতীয় বিষয়াবলি

PrepBank · পাতা ৪২ / ১২৪ · ৪,১০১৪,২০০ / ১২,৪২১

৪,১০১.
কোনটি ভাষা আন্দোলন ভিত্তিক চলচ্চিত্র?
  1. দুঃসম‌য়ের বন্ধু
  2. গে‌রিলা
  3. জীবন থে‌কে নেয়া
  4. পা‌য়ের আওয়াজ পাওয়া যায়
সঠিক উত্তর:
জীবন থে‌কে নেয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জীবন থে‌কে নেয়া
ব্যাখ্যা
ভাষা আন্দোলন ভিত্তিক চলচ্চিত্র:
- জীবন থে‌কে নেয়া।
- Let there be light. 
- নির্মাতা: জহির রায়হান।

উপন্যাস: 
- আরেক ফাল্গুন: জহির রায়হান।
- আর্তনাদ: শওকত ওসমান।
- নিরন্তর ঘন্টাধ্ব‌নি :সেলিনা হো‌সেন।

গল্প ও ছোটগল্প :
- একুশের গল্প: জহির রায়হান।
- মৌন নয়: শওকত ওসমান।
- পণ্ডশ্রম: আবু ইসহাক।

উল্লেখ্য, 
- গে‌রিলা :না‌সির উদ্দীন ইউসুফ, মু‌ক্তিযুদ্ধ‌ভি‌ত্তিক চলচ্চিত্র।
- পা‌য়ের আওয়াজ পাওয়া যায়: সৈয়দ শামসুল হক,মু‌ক্তিযুদ্ধ‌ভি‌ত্তিক নাটক।
- দুঃসম‌য়ের বন্ধু : শাহ‌রিয়ার ক‌বির, প্রামান্য চিত্র, মু‌ক্তিযুদ্ধ‌ভি‌ত্তিক।

উৎস: দৈনিক প্রথম আলো।
৪,১০২.
বঙ্গবন্ধু জাতীয় পরিষদের অধিবেশনে যোগদানের জন্য কতটি দাবি উপস্থাপন করেন?
  1. ক) ৩টি
  2. খ) ৪টি
  3. গ) ৫টি
  4. ঘ) ৬টি
সঠিক উত্তর:
খ) ৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৪টি
ব্যাখ্যা
- ১৯৭০ সালের নির্বাচনে সামরিক সরকার নির্বাচিত প্রতিনিধিদের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর না করায় পাকিস্তানের রাজনৈতিক অঙ্গনে এক অস্থিরতা সৃষ্টি হয়।
- সারা দেশে নানারকম উদ্বেগ, উত্তেজনার মধ্যে বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণ ছিল জাতির জন্য সুস্পষ্ট দিক নির্দেশনা।
- ১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ আহূত জাতীয় পরিষদের অধিবেশনে যোগদানের জন্য বঙ্গবন্ধু চারটি দাবি তাঁর ভাষণে উপস্থাপন করেন। এগুলো হলো- 
১। চলমান সামরিক আইন প্রত্যাহার
২। সৈন্যদের ব্যারাকে ফিরিয়ে নেয়া
৩। গণহত্যার তদন্ত করা এবং 
৪। নির্বাচিত প্রতিনিধিদের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করা। 
এর বাইরে আরও কিছু দাবি বঙ্গবন্ধু করেন। তিনি বাংলাদেশের সকল অফিস-আদালত ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করেন।
- এ সমাবেশে স্বাধীনতা ঘোষণা করলে ব্যাপক হত্যাযজ্ঞ চালানো হবে বলে বঙ্গবন্ধু কৌশলে স্বাধীনতার ঘোষণা করেন। 
- তাঁর এ ভাষণ স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে ‘বজ্রকণ্ঠ’ নামে প্রচারিত হয়, যা বাঙালিকে স্বাধীনতা সংগ্রামে অনুপ্রাণিত করে।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
৪,১০৩.
'কর্নওয়ালিস কোড' চালু হয় কবে?
  1. ১৭৯৩ সালে
  2. ১৮০৫ সালে
  3. ১৭৯০ সালে
  4. ১৮৩৩ সালে
সঠিক উত্তর:
১৭৯৩ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭৯৩ সালে
ব্যাখ্যা
• কর্নওয়ালিস কোড
- কর্নওয়ালিস কোড  ১৭৯৩ সালে ভারতের ব্রিটিশ গভর্নর জেনারেল লর্ড কর্নওয়ালিস ৪৮টি রেগুলেশন বা আইন জারি করেন।
- উক্ত রেগুলেশন সাধারণভাবে কর্নওয়ালিস কোড নামে পরিচিত।
- কর্নওয়ালিস কোডের কয়েকটি উৎস হলো ১৭৭২ হতে ১৭৯০ সাল পর্যন্ত জারিকৃত রেগুলেশন ও আদেশ, হিন্দু ও মুসলিম আইন, প্রথা-প্রতিষ্ঠান, চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত সংক্রান্ত বিধিমালা এবং ব্রিটিশ আইন।
- কর্নওয়ালিস কোডের লক্ষ্য ছিল ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক রাষ্ট্রের উপযোগী একটি প্রাতিষ্ঠানিক আইনবিধান ও প্রশাসনিক ব্যবস্থার প্রবর্তন।
- ১৭৯৩ সালের ১ মে কর্নওয়ালিস তাঁর কোড ঘোষণা করেন। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৪,১০৪.
বাংলাদেশের প্রথম শিক্ষা কমিশনের নাম কী?
  1. মজিদ শিক্ষা কমিশন
  2. শামসুল হক শিক্ষা কমিশন
  3. কবির চৌধুরী শিক্ষা কমিশন
  4. কুদরত-ই-খুদা শিক্ষা কমিশন
সঠিক উত্তর:
কুদরত-ই-খুদা শিক্ষা কমিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুদরত-ই-খুদা শিক্ষা কমিশন
ব্যাখ্যা

• কুদরত-ই-খুদা শিক্ষা কমিশন:
- বাংলাদেশের প্রথম শিক্ষা কমিশনের নাম কুদরত-ই-খুদা শিক্ষা কমিশন।
- বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও বিজ্ঞানী ড. কুদরাত-ই-খুদাকে চেয়ারম্যান করে ১৯৭২ সালের ২৬ জুলাই গঠিত হয় বাংলাদেশের প্রথম শিক্ষা কমিশন ‘জাতীয় শিক্ষা কমিশন'।
- ১৯৭২ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর কমিশনের কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- চেয়ারম্যানের নামানুসারে এই কমিশন কুদরত-ই-খুদা কমিশন নামেও পরিচিতি পায়।
- কমিশন প্রশ্নমালার আকারে শিক্ষিত এলিট শ্রেণীর লোকদের নিকট থেকে মতামত গ্রহণ করে, এবং ঐসব মতামত সতর্কতার সঙ্গে যাচাই বাছাই করে প্রণীত রিপোর্টে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার পুনর্বিন্যাসের সুপারিশ করে।
- কমিশন ১৯৭৪ সালের ৩০ মে সরকারের নিকট রিপোর্ট পেশ করে।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া। 

৪,১০৫.
During the Liberation War, Comilla was under which sector?
  1. 1
  2. 2
  3. 3
  4. 4
সঠিক উত্তর:
2
উত্তর
সঠিক উত্তর:
2
ব্যাখ্যা
সেক্টর ও সাব সেক্টরসমূহ:

- মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়।
- ১১টি সেক্টরের অধিনে ৬টি সাবসেক্টর গঠন করা হয়।
- চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রাম জেলা এবং নোয়াখালি জেলার মুহুরী নদীর পূর্বাংশের সমগ্র এলাকা নিয়ে ১নং সেক্টর গঠিত। এ সেক্টরের হেডকোয়ার্টার ছিল হরিনাতে। সেক্টর প্রধান ছিলেন প্রথমে মেজর জিয়াউর রহমান এবং পরে মেজর রফিকুল ইসলাম। 
- ঢাকা, কুমিল্লা, ফরিদপুর এবং নোয়াখালি জেলার অংশ নিয়ে ২নং সেক্টর গঠিত ছিল। আগরতলার ২০ মাইল দক্ষিণে মেলাঘরে ছিল এ সেক্টরের সদরদপ্তর। সেক্টর কমান্ডার ছিলেন প্রথমে মেজর খালেদ মোশাররফ এবং পরে মেজর এ.টি.এম হায়দার।
- উত্তরে চূড়ামনকাঠি (শ্রীমঙ্গলের নিকট) থেকে সিলেট এবং দক্ষিণে ব্রাহ্মণবাড়ীয়ার সিঙ্গারবিল পর্যন্ত এলাকা নিয়ে ৩নং সেক্টর গঠিত হয়।
- উত্তরে সিলেট জেলার হবিগঞ্জ মহকুমা থেকে দক্ষিণে কানাইঘাট থানা পর্যন্ত ১০০ মাইল বিস্তৃত সীমান্ত এলাকা নিয়ে ৪নং সেক্টর গঠিত।
- সিলেট জেলার দুর্গাপুর থেকে ডাউকি (তামাবিল) এবং জেলার পূর্বসীমা পর্যন্ত বিস্তৃত এলাকা নিয়ে ৫নং সেক্টর গঠিত।
- ৬ নং সেক্টর  সমগ্র রংপুর জেলা এবং দিনাজপুর জেলার ঠাকুরগাঁও মহকুমা নিয়ে গঠিত।
- ৭ নং সেক্টর  রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া এবং দিনাজপুর জেলার দক্ষিণাংশ নিয়ে গঠিত হয়।
- ১০ নং সেক্টর  নৌ-কমান্ডো বাহিনী নিয়ে এই সেক্টর গঠিত হয়।
- ১১ নং সেক্টর  টাঙ্গাইল জেলা এবং কিশোরগঞ্জ মহকুমা ব্যতীত সমগ্র ময়মনসিংহ জেলা নিয়ে গঠিত।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
৪,১০৬.
মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের খেতাব “বীরবিক্রম” কতজনকে দেয়া হয়?
  1. ক) ৬৮ জন
  2. খ) ৮ জন
  3. গ) ১৭৫ জন
  4. ঘ) ১৬৯ জন
সঠিক উত্তর:
গ) ১৭৫ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৭৫ জন
ব্যাখ্যা
১৫ ডিসেম্বর, ১৯৭৩ সালে মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে ৭ জন বীরশ্রেষ্ঠ, ৬৮ জন বীর উত্তম, ১৭৫ জন বীর বিক্রম এবং ৪২৬ জন কে বীর প্রতীক খেতাবে ভূষিত করা হয়েছিল। উৎসঃ বাংলাপিডিয়া।
৪,১০৭.
কার পৃষ্ঠোপাষকতায় 'নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়' জ্ঞান-বিজ্ঞানের প্রাণকেন্দ্র হয়ে উঠে?
  1. ক) দেবপাল
  2. খ) ধর্মপাল
  3. গ) বিগ্রহ পাল
  4. ঘ) নারায়ণপাল
সঠিক উত্তর:
খ) ধর্মপাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ধর্মপাল
ব্যাখ্যা

ভারতের বিহারে অবস্থিত নালন্দা মহাবিহার প্রাচীন ভারতের একটি বিখ্যাত বৌদ্ধ শিক্ষাকেন্দ্র। এটিকে পৃথিবীর প্রাচীনতম বিশ্ববিদ্যালয় বিবেচনা করা হয়।
বাঙালি বৌদ্ধ পণ্ডিত শীলভদ্র ৬৩৫ সালে নালন্দা মহাবিহারের অধ্যক্ষ নিযুক্ত হন।
বিখ্যাত চীনা পরিব্রাজক হিউয়েন সাঙ শীলভদ্রের নিকট শিক্ষা লাভ করেন।
বাংলার পাল রাজগণ নালন্দার প্রতি তাদের পৃষ্ঠপোষকতা অব্যাহত রাখেন। এটি পরিচালনার ক্ষেত্রে ধর্মপাল বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করেন।
উল্লেখ্য, ভিক্ষুদের বসবাসের জন্য আরেক পাল রাজা 'দেবপাল' বৌদ্ধ মঠ নির্মাণের অনুমতি দিয়েছিলেন।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া

৪,১০৮.
বাংলাদেশে সড়ক দুর্ঘটনার কারন- 
  1. মাত্রাতিরিক্ত গতিতে গাড়ি চালানো
  2. রাস্তায় ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় ওভারটেক করা 
  3. অদক্ষ ও প্রশিক্ষণবিহীন চালক 
  4. বর্ণিত সবগুলো 
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো 
ব্যাখ্যা

- বর্ণিত সবগুলো 

সড়ক দুর্ঘটনার কারণ: 

- বাংলাদেশের শহরে গাড়ির সংখ্যা যে হারে বেড়েছে সে হারে দক্ষ চালক তৈরি হয়নি।
- অদক্ষ ও প্রশিক্ষণবিহীন চালককে দিয়ে গাড়ি চালানোর কারণে অধিকাংশ দুর্ঘটনা ঘটে থাকে।
- গাড়ি চালানোর জন্য যে সকল আইন ও নিয়মনীতি রয়েছে তাও অধিকাংশ গাড়ি চালকরা জানেন না।
- এ কারণে তারা কখনো কখনো মাত্রাতিরিক্ত গতিতে গাড়ি চালিয়ে থাকেন।
- বাংলাদেশে অনেকেই কম বেতনে সনদবিহীন চালক নিয়োগ দিয়ে থাকেন।
- এসব চালক অধিকাংশই তরুণ যারা রাস্তায় ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় অন্য গাড়িকে ওভারটেক করে এবং বেপরোয়াভাবে গাড়ি চালিয়ে থাকে। এ কারণেও প্রতিদিন সড়ক দুর্ঘটনা বাড়ছে।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।

৪,১০৯.
বাংলায় 'হুসেন শাহি বংশ' নামে এক নতুন বংশের শাসনপর্ব শুরু করেন-
  1. নাসিরউদ্দিন মাহমুদ শাহ 
  2. রুকন উদ্দিন বরবক শাহ 
  3. আলাউদ্দিন হুসেন শাহ
  4. শামসুদ্দিন আহমদ শাহ 
সঠিক উত্তর:
আলাউদ্দিন হুসেন শাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আলাউদ্দিন হুসেন শাহ
ব্যাখ্যা

• হুসেন শাহিবংশ:
- হাবসি শাসন উচ্ছেদ করে বাংলার সিংহাসনে বসেন সৈয়দ হুসেন।
- সুলতান হয়ে তিনি 'আলাউদ্দিন হুসেন শাহ' উপাধি গ্রহণ করেন।
- এভাবেই বাংলায় 'হুসেন শাহি বংশ' নামে এক নতুন বংশের শাসনপর্ব শুরু হয়।
- বাংলার স্বাধীন সুলতানদের মধ্যে হুসেন শাহি আমল (১৪৯৩-১৫৩৮ খ্রিষ্টাব্দ) ছিল নানা কারণেতাৎপর্যপূর্ণ।
- সুলতান আলাউদ্দিন হুসেন শাহ ছিলেন হুসেন শাহি যুগের প্রধান সুলতান।
- পিতা সৈয়দ আশরাফ-আলহুসাইনি ও ভাই ইউসুফের সাথে তিনি তুর্কিস্তানের তিরমিজ শহর থেকে বাংলায় আসেন এবং রাঢ়ের চাঁদপাড়া গ্রামে প্রথমে বসবাস শুরু করেন।
 - হুসেন শাহ পরে রাজধানী গৌড়ে যান এবং মুজাফফর শাহের অধীনে চাকরি লাভ করেন। পরে তিনি উজির হন।
- এভাবেই তিনি বাংলার ক্ষমতায় আসেন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা-৯ম-১০ম, শ্রেণি। 

৪,১১০.
ভাষা আন্দোলনভিত্তিক সংগঠন 'তমদ্দুন মজলিশ' প্রকাশিত পুস্তিকার নাম কী ছিল?
  1. রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই
  2. বাংলার রাষ্ট্রভাষা: বাংলা না উর্দু
  3. পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা: বাংলা না উর্দু
  4. পূর্ব পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা: বাংলা না উর্দু
সঠিক উত্তর:
পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা: বাংলা না উর্দু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা: বাংলা না উর্দু
ব্যাখ্যা

তমদ্দুন মজলিশ:
→ তমদ্দুন মজলিশ ছিল ভাষা আন্দোলনের প্রথম সংগঠন।
→ তমদ্দুন মজলিশ ইসলামী আদর্শাশ্রয়ী একটি সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সংগঠন।
→ ১৯৪৭ সালের ২ সেপ্টেম্বর তমদ্দুন মজলিশ প্রতিষ্ঠিত হয়।
→ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আবুল কাশেমের উদ্যোগে তমদ্দুন মজলিশ প্রতিষ্ঠিত হয়।
→ এই সংগঠন ১৯৪৭ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবি জানিয়ে একটি পুস্তিকা প্রকাশ করে।
→ বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবি জানিয়ে তমদ্দুন মজলিশের প্রকাশিত পুস্তিকাটির নাম ছিল 'পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু'।
→ তমদ্দুন মজলিশ ছাত্র-শিক্ষক মহলে বাংলা ভাষা সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করে।
→ ১৯৪৭ সালের মধ্যেই বহু প্রখ্যাত এবং অখ্যাত লেখক বাংলা রাষ্ট্রভাষার প্রতি তাদের দ্ব্যর্থহীন সমর্থন জানিয়েছিলেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাপিডিয়া।

৪,১১১.
বঙ্গভঙ্গের সময় এন্ড্রু ফ্রেজার কোন প্রদেশের গভর্নর ছিলেন?
  1. পূর্ববঙ্গ
  2. পশ্চিমবঙ্গ
  3. আসাম
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
পশ্চিমবঙ্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পশ্চিমবঙ্গ
ব্যাখ্যা
এন্ড্রু ফ্রেজার:
- এন্ড্রু ফ্রেজার ১৯০৩ সাল থেকে ১৯০৮ সাল পর্যন্ত বাংলার লেফটেন্যান্ট গভর্নর।
- বলা হয় যে, প্রশাসনিক দক্ষতা বাড়ানোর উদ্দেশ্যে বাংলাকে দুটি প্রদেশে বিভক্তকরণের ধারণার প্রবক্তা ছিলেন মূলত ফ্রেজারই।
- ফ্রেজার বাংলার লেফটেন্যান্ট গভর্নর হওয়ার পূর্বে মধ্য প্রদেশের প্রধান কমিশনার (১৮৯৯) এবং পুলিশ কমিশনের প্রেসিডেন্ট (১৯০২) ছিলেন।
- বঙ্গভঙ্গের সময় পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশের গভর্নর ছিলেন তিনি। 
- বঙ্গভঙ্গের পরেও তিনি পশ্চিম বাংলার (উড়িষ্যা এবং বিহার) লেফটেন্যান্ট গভর্নর ছিলেন।
- বঙ্গভঙ্গ পরিকল্পনায় জড়িত থাকার কারণে ফ্রেজারকে বঙ্গভঙ্গ বিরোধীরা প্রতিপক্ষ মনে করত। উ
- পনিবেশিক রাষ্ট্রের প্রতি তাঁর অবদানের জন্য তাঁকে সি.এস.আই উপাধিতে ভূষিত করা হয়।
- তিনি একজন সুদক্ষ লেখক ছিলেন।
- তাঁর উল্লেখযোগ্য দুটি গ্রন্থ হলো Among Indian Rajahs and Ryots (1909) এবং India Under Curzon and After ((1911)। 

উল্লেখ্য,
-  বঙ্গভঙ্গ সাধিত হওয়ার পর (১৯০৫) সৃষ্ট দুটি নতুন প্রদেশ, যথা বেঙ্গল (এর মধ্যে বিহার ও উড়িষ্যা অন্তর্ভুক্ত ছিল) এবং পূর্ববাংলা ও আসাম প্রদেশের জন্য দুজন লেফটেন্যান্ট গভর্নর নিয়োগ করা হয়।
- ১৯১১ সালের ডিসেম্বর মাসে বঙ্গভঙ্গ রদ করা হলে বাংলা পুনরায় একত্রে সংযুক্ত হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৪,১১২.
মেজর খালেদ মোশাররফ মুক্তিযুদ্ধে কয় নং সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার ছিলেন?
  1. ক) ২ নং সেক্টর
  2. খ) ৮ নং সেক্টর
  3. গ) ৭ নং সেক্টর
  4. ঘ) ৫ নং সেক্টর
সঠিক উত্তর:
ক) ২ নং সেক্টর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ২ নং সেক্টর
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধ:
- মুক্তিযুদ্ধের সময় সমগ্র বাংলাদেশকে মোট ১১ টি সেক্টরে ও ৬৪ টি সা-সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল।
- মেজর খালেদ মোশাররফ ও মেজর এটিএম হায়দার ছিলেন ২ নং সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার।

অন্যদিকে--
- মুক্তিযুুদ্ধের ৮ নং সেক্টরে সেক্টর কামান্ডার ছিলেন - মেজর আবু ওসমান ও এম এ মঞ্জর।
- মেজর নাজমুল হক ও মেজর কাজী নূরুজ্জামান ছিলেন ৭ নং সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার।
- মেজর মীর শওকত আলী  ছিলেন ৫ নং সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার।

 তথ্যসূত্র:  ইতিহাস প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,১১৩.
সিরিল জন র‌্যাডক্লিফ কোন কমিশনের চেয়ারম্যান ছিলেন?
  1. ক) নর্থ ইন্ডিয়া বাউন্ডারি কমিশন
  2. খ) বেঙ্গল বাউন্ডারি কমিশন
  3. গ) পাঞ্জাব বাউন্ডারি কমিশন
  4. ঘ) খ ও গ
সঠিক উত্তর:
ঘ) খ ও গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) খ ও গ
ব্যাখ্যা
- ব্রিটিশ সরকার ১৯৪৭ সালে ভারত শাসন আইনের অধীনে সিরিল জন র‌্যাডক্লিফকে ভারতে দুটি সীমানা নির্ধারণকারী কমিশনের চেয়ারম্যান নিযুক্ত করে।
- কমিশন দুটি হলো ‘বেঙ্গল বাউন্ডারি কমিশন’ এবং ‘পাঞ্জাব বাউন্ডারি কমিশন’।

- ১৯৪৭ সালের ৩ জুন র‌্যাডক্লিফ কমিশনের চেয়ারম্যান নিযুক্ত হন এবং ৮ জুলাই ভারত আসেন।
- তিনি ভারত বিভাগ, নতুন দুটি রাষ্ট্র ভারত ও পাকিস্তানের মানচিত্র এবং আন্তর্জাতিক সীমা নির্দেশ করে তাঁর রিপোর্ট পেশ করেন। - তাঁর পরিকল্পনা ভারতের ইতিহাসে র‌্যাডক্লিফ রোয়েদাদ হিসেবে পরিচিত।

উৎস: বাংলাপিডিয়া। 
৪,১১৪.
মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে প্রথম স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র নির্মাণ করেন কে?
  1. তানভীর মোকাম্মেল
  2. আলমগীর কবির
  3. জহির রায়হান
  4. মোরশেদুল ইসলাম
সঠিক উত্তর:
মোরশেদুল ইসলাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোরশেদুল ইসলাম
ব্যাখ্যা

স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র
- মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে প্রথম স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র নির্মাণ করেন মোরশেদুল ইসলাম।

- মোরশেদুল ইসলামের চলচ্চিত্র পরিচালনায় হাতেখড়ি হয়েছিল ১৯৮৪ সালে।
- মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপট নিয়ে তৈরি 'আগামী' নামের স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র।
- যুদ্ধ পরবর্তী সময়ের গল্প তুলে ধরা হয়েছে ২৫ মিনিটের এই স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রে।
- ১৯৮৪ সালের ফেব্রুয়ারি মাসের শুরুতে চট্টগ্রামে সিনেমাটি প্রথম প্রিমিয়ার শো অনুষ্ঠিত হয়।
- সিনেমাটি প্রথমবার বাণিজ্যিকভাবে প্রদর্শিত হয় ফেব্রুয়ারি মাসের ১৬ তারিখে ঢাকার ব্রিটিশ কাউন্সিলে।

অন্যদিকে,
- তানভীর মোকাম্মেল নির্মাণ করেন স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘হুলিয়া’ (১৯৯৫)।

উৎস: প্রথম আলো ও বাংলাপিডিয়া।

৪,১১৫.
১৯৫৬ সালের কোয়ালিশন সরকারের মন্ত্রিসভায় শিল্প, বাণিজ্য, শ্রম, দুর্নীতি দমন ও ভিলেজ এইড মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন কে?
  1. বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
  2. হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী 
  3. খাজা নাজিমুদ্দিন
  4. চৌধুরী মোহাম্মদ আলী
সঠিক উত্তর:
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
ব্যাখ্যা
১৯৫৬ সালের কোয়ালিশন সরকার:

• আওয়ামী লীগ প্রধান হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী ৫ দফা কর্মসূচীর ভিত্তিতে একটি কোয়ালিশন গঠন করেন। 
• এর ফলে ১৯৫৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর চৌধুরী মোহাম্মদ আলী পদত্যাগ করেন।
• হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী ১৯৫৬ সালের ১২ সেপ্টেম্বর পাকিস্তানের ৬ষ্ঠ প্রধানমন্ত্রী হন।
• ১৯৫৬ সালে কোয়ালিশন সরকারের মন্ত্রিসভায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান শিল্প, বাণিজ্য, শ্রম, দুর্নীতি দমন ও ভিলেজ এইড মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন।
• ইস্কান্দার মীর্জার গোপন ষড়যন্ত্রে রিপাবলিকান দলীয় কিছুসংখ্যক সদস্য সোহরাওয়ার্দী মন্ত্রিসভার উপর থেকে সমর্থন প্রত্যাহার করে নিলে মন্ত্রিসভা নাজুক অবস্থার সম্মুখীন হয়।
• ১৯৫৭ সালের ১৮ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রী পদ ত্যাগ করতে বাধ্য হন।

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক পৌরনীতি ও সুশাসন, প্রফেসর মোজাম্মেল হক।
৪,১১৬.
জাতীয় পতাকার লাল বৃত্তের ব্যাসার্ধ হবে পতাকার মোট দৈর্ঘ্যের -
  1. অর্ধেক
  2. এক-তৃতীয়াংশ
  3. এক-চতুর্থাংশ
  4. এক-পঞ্চমাংশ
সঠিক উত্তর:
এক-পঞ্চমাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এক-পঞ্চমাংশ
ব্যাখ্যা
জাতীয় পতাকা:
- বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার চূড়ান্ত নকশা করেন কামরুল হাসান।
- পতাকা বিধি (১৯৭২) অনুসারে জাতীয় পতাকার রং গাঢ় সবুজ এবং ১০:৬ অনুপাতে আয়তাকার, তাতে থাকবে সবুজ অংশের মাঝখানে একটি লাল বৃত্ত।
- লাল বৃত্তের ব্যাসার্ধ হবে পতাকার মোট দৈর্ঘ্যের এক-পঞ্চমাংশ।
- প্রথম অবস্থায় পতাকার কেন্দ্রস্থলে বাংলাদেশের মানচিত্র খচিত ছিল।
- ২রা মার্চ বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা দিবস।
- ১৯৭১ সালের ২ মার্চ ছাত্রদের পক্ষে পতাকাটি উত্তোলন করেছিলেন তৎকালীন ডাকসুর ভিপি আ স ম আব্দুর রব।।
- শিবনারায়ণ দাস বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় পতাকার অন্যতম এবং মূল নকশাকার।

তথ্যসূত্র - দৈনিক প্রথম আলো, ২ মার্চ ২০২২ ও দৈনিক কালের কন্ঠ, ২ মার্চ ২০২৩।
৪,১১৭.
আইয়ুব খান কার নিকট ক্ষমতা হস্তান্তর করে?
  1. ইয়াহিয়া খান
  2. জুলফিকার আলী ভুট্টো
  3. লিয়াকত আলী খান
  4. মাওলানা ভাসানী
সঠিক উত্তর:
ইয়াহিয়া খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইয়াহিয়া খান
ব্যাখ্যা
আইয়ুব খান:
- আইয়ুব খান সামরিক শাসন যাত্রার ২১ দিনের মাথায় ১৯৫৮ সালের ২৭ অক্টোবর ইস্কান্দর মির্জাকে পদচ্যুত করে নিজে প্রেসিডেন্ট পদ দখল করেন।
- ১৯৬৯ সালে গণ–অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে আইয়ুব খান জেনারেল ইয়াহিয়া খানের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করে।

⇒ ক্ষমতাদখলের পর আইয়ুব খান কঠোর হস্তে দুর্নীতি দমন ও দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রন করেন। ১৯৫৯ সালে 'পোডো' (PODO) এবং 'এবডো' (EBDO) নামক দুটি আদেশ জারি করে রাজনৈতিক দলের কার্যকলাপ ও নির্বাচনে রাজনীতিবিদদের অংশগ্রহণ নিষিদ্ধ করেন।
- জেনারেল আইয়ুব ১৯৫৯ সালে ‘মৌলিক গণতন্ত্র’ নামে নতুন একটা রাজনৈতিক ব্যবস্থা চালু করেন। মৌলিক গণতন্ত্রব্যবস্থায় শাসনকাঠামোকে পাঁচটি স্তরে বিন্যস্ত করা হয়েছিল। ইউনিয়ন পরিষদ বা পৌরসভা ছিল সর্বনিম্ন স্তর এবং এর সদস্যদের বলা হতো ‘মৌলিক গণতন্ত্রী’। ১৯৬৫ সালে পরোক্ষ নির্বাচনব্যবস্থায় প্রেসিডেন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। আগে নির্বাচিত ৮০ হাজার মৌলিক গণতন্ত্রী এ নির্বাচনে নির্বাচকমণ্ডলী হিসেবে কাজ করেন। এ নির্বাচনে বিরোধীদলীয় জোটের প্রার্থী ফাতেমা জিন্নাহকে পরাজিত করে আইয়ুব খান প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন।

⇒ আইয়ুব খানের আবিষ্কৃত মৌলিক গণতন্ত্রব্যবস্থা দৃঢ় ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত হওয়ার সুযোগ পায়নি এবং আইয়ুব খানের স্বপ্নও সফল হয়নি। ১৯৬৯ সালে গণ–অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে আইয়ুব খানের পতন হয় এবং তাঁর পতনের মধ্য দিয়ে মৌলিক গণতন্ত্রব্যবস্থার অবসান ঘটে।
- ২৪ মার্চ ১৯৬৯ ফিল্ড মার্শাল আইয়ুব সেনাপ্রধান জেনারেল ইয়াহিয়া খানের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করতে বাধ্য হন।

উৎস: i) ইতিহাস ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) প্রথম আলো।
৪,১১৮.
তেভাগা আন্দোলনের নেত্রী ছিলেন -
  1. তারামন বিবি
  2. মহাশ্বেতা দেবী
  3. ইলা মিত্র
  4. ইন্দু বালা
সঠিক উত্তর:
ইলা মিত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইলা মিত্র
ব্যাখ্যা
তেভাগা আন্দোলন:
- তেভাগা আন্দোলনের নেত্রী ছিলেন ইলা মিত্র।
- তেভাগা আন্দোলন বাংলায় সংঘটিত বর্গাচাষীদের একটি কৃষক আন্দোলন।
- ১৯৪০ থেকে ১৯৫০ সালে এই আন্দোলন সংঘটিত হয়।
- তেভাগা আন্দোলন যখন স্তিমিত হওয়ার পথে তখন নাচোলের রাণী ইলা মিত্র এই আন্দোলন পুনরুজ্জীবিত করেন।
- এই আন্দোলনের আরেকজন নেতা হলেন হাজী দানেশ।
- তেভাগা আন্দোলনের দাবী ছিলো বর্গাচাষীরা তাদের উৎপন্ন ফসলের এক ভাগ দিবে মালিকপক্ষকে এবং দুই ভাগ পাবে তারা।
- রংপুর, দিনাজপুর, যশোর, চব্বিশ পরগণা প্রভৃতি জেলায় তেভাগা আন্দোলন সংঘটিত হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৪,১১৯.
শশাঙ্কের রাজধানী 'কর্ণসুবর্ণ' বর্তমানে কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. মালদহ জেলায়
  2. বর্ধমান জেলায়
  3. রাজশাহী জেলায়
  4. মুর্শিদাবাদ জেলায়
সঠিক উত্তর:
মুর্শিদাবাদ জেলায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুর্শিদাবাদ জেলায়
ব্যাখ্যা

- শশাঙ্কের রাজধানী 'কর্ণসুবর্ণ' বর্তমানে মুর্শিদাবাদ জেলায় অবস্থিত।

গৌড়:

- গৌড় রাজ্য বলে একটি স্বাধীন রাজ্যের কথা জানা যায়, যার অবস্থান ষষ্ঠ শতকে পূর্ব বাংলার উত্তর অংশে ছিল।
- সপ্তম শতকে শশাঙ্ককে গৌড় রাজ বলা হতো।
- এ সময় গৌড়ের রাজধানী ছিল কর্ণসুবর্ণ।
- বর্তমান মুর্শিদাবাদ জেলায় এর অবস্থান।
- বাংলায় মুসলিম বিজয়ের কিছু আগে মালদহ জেলার লক্ষণাবতীকেও গৌড় বলা হতো।
- মুসলিম যুগেও এ অঞ্চল গৌড় নামে পরিচিত ছিল।

উৎস: পৌরনীতি , এইচএসসি, উন্মুক্ত ‍বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,১২০.
২৬ মার্চকে জাতীয় দিবস হিসেবে ঘোষণা দেওয়া হয় কবে?
  1. ১৯৭৬ সালে
  2. ১৯৭৭ সালে
  3. ১৯৭৮ সালে
  4. ১৯৮০ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৮০ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৮০ সালে
ব্যাখ্যা
স্বাধীনতা দিবস:
- ২৬ শে মার্চ বাংলাদেশের জাতীয় ও স্বাধীনতা দিবস।
- ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে পাকিস্তানি সৈন্যদের নির্বিচার গণহত্যা ও ধ্বংসযজ্ঞ শুরু হওয়ার পর ২৬ মার্চ বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করা হয়।
- তখন থেকেই এ দিনটি স্বাধীনতা দিবস হিসেবে পালিত হয়ে আসছে।
- কিন্তু ১৯৮০ সালের ৩ অক্টোবর রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সরকার দিনটিকে জাতীয় দিবস হিসেবেও উদযাপনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।

উল্লেখ্য,
- ২০২৪ সালে ২৬ মার্চ-এ ৫৪তম স্বাধীনতা দিবস বা ৫৩তম স্বাধীনতা বার্ষিকী পালিত হয়েছে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৪,১২১.
 'দানসাগর' ও 'অদ্ভুতসাগর' গ্রন্থ দুটি কে রচনা করেন?
  1. বিজয় সেন
  2. লক্ষ্মণ সেন
  3. বল্লাল সেন
  4. হেমন্ত সেন
সঠিক উত্তর:
বল্লাল সেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বল্লাল সেন
ব্যাখ্যা

◉ দানসাগর ও অদ্ভুতসাগর গ্রন্থ দুটি রচনা করেন রাজা বল্লাল সেন। তিনি সেন রাজবংশের একজন গুরুত্বপূর্ণ শাসক ছিলেন।     

বল্লাল সেন:
- বিজয় সেনের মৃত্যুর পর আনুমানিক ১১৬০ সালে তার পুত্র বল্লাল সেন সিংহাসনে আরোহণ করেন।
- তিনি রাজ্য জয়ের চেয়ে দেশের ভেতরে উন্নয়ন, নতুন প্রথা চালু ও সংস্কারের কাজে অধিকতর মনোযোগী ছিলেন।
- তবে তিনি গোবিন্দপালকে পরাজিত করে মগধের পূর্বাঞ্চল অধিকার করেন।
- কথিত আছে যে, বল্লাল সেন তাঁর পিতার রাজত্বকালে মিথিলা জয় করেন।
- বল্লাল সেন বিদ্যান ও বিদ্যোৎসাহী রাজা ছিলেন।
- তিনি ব্রতসাগর, আচারসাগর, প্রতিষ্ঠাসাগর, দানসাগর ও অদ্ভুতসাগর নামে পাঁচটি গ্রন্থ রচনা করেন ।
- কৌলিন্য প্রথার প্রবর্তক হিসেবে বল্লাল সেন ইতিহাসে বিশেষভাবে পরিচিত।
- বল্লাল সেন তাঁর পিতার ন্যায় শৈব ছিলেন ।
- ধর্মপ্রচারে তাঁর বিশেষ আগ্রহ ছিল।
- তিনি তাঁর পিতার অন্যান্য উপাধির সাথে ‘অরিরাজ নিঃশঙ্কর' উপাধি গ্রহণ করেন।
- তিনি আনুমানিক ১৮ বছর রাজত্ব করার পর বৃদ্ধ বয়সে পুত্র লক্ষণ সেনের হাতে রাজ্যভার অপর্ণ করে সস্ত্রীক ত্রিবেণীর কাছে গঙ্গাতীরে বাণপ্রস্থ অবলম্বন করে শেষ জীবন অতিবাহিত করেন।

সূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা (৯ম-১০ম শ্রেণি), বাংলাদেশ উন্মক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,১২২.
নিচের কোন শাসক 'গ্রহণ-পরিমোক্ষ নীতি' চালু করেন?
  1. সমুদ্রগুপ্ত
  2. অশোক
  3. কনিষ্ক
  4. চন্দ্রগুপ্ত প্রথম
সঠিক উত্তর:
সমুদ্রগুপ্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সমুদ্রগুপ্ত
ব্যাখ্যা
⇒ সমুদ্রগুপ্ত 'গ্রহণ-পরিমোক্ষ নীতি' চালু করেন।

• গ্রহণ-পরিমোক্ষ নীতি:
- গ্রহণ-পরিমোক্ষ নীতির অর্থ হলো- প্রথমে গ্রহণ অর্থাৎ শত্রুকে শক্তির জোরে বন্দি করা এবং তাঁর বশ্যতা আদায়ের পর মোক্ষ দান বা মুক্তি দেয়া। পরাজিত রাজা রাজ্য ফিরে পেতেন কিন্তু সার্বভৌমত্ব পেতেন না।

সমুদ্রগুপ্ত:
- সমুদ্রগুপ্ত সম্ভাব্য ৩৩৫ খ্রিস্টাব্দে সিংহাসনে আরোহণ করেন এবং ৩৮০ খ্রিস্টাব্দের পূর্বে তাঁর মৃত্যু হয়।
- প্রাচীন ভারতের ইতিহাসে রাজ্য বিজেতারূপে যে সকল সম্রাট খ্যাতি লাভ করেছেন, সমুদ্রগুপ্ত তাঁদের মধ্যে প্রথম সারিতে স্থান পেয়েছেন।
- উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত গাঙ্গেয় উপত্যকার স্থানীয় একটি রাজ্যকে তিনি সর্বভারতীয় এক সাম্রাজ্যে পরিণত করেন।
- প্রাচীন ভারতের তৃতীয় সাম্রাজ্যবাদী পুরুষ হিসাবে সমুদ্রগুপ্ত বিখ্যাত।
- সমুদ্রগুপ্তের রাজ্যজয় সম্পর্কে হরিষেণ রচিত এলাহাবাদ প্রশস্তিতে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়।
- এলাহাবাদ প্রশস্তিলিপি সমুদ্রগুপ্তের ইতিহাসের প্রধান উৎস।
- আর্যাবর্তের সকল রাজাকে পরাজিত করে তিনি 'সর্বরাজোচ্ছেত্তা' উপাধি গ্রহণ করেন।
- সমুদ্রগুপ্তের সাম্রাজ্য ছিল প্রভুত্ব ও স্বায়ত্ত্বশাসনের এক অপূর্ব সমন্বয়।
- দিগ্বিজয় সম্পন্ন করে তিনি 'অশ্বমেধযজ্ঞ' অনুষ্ঠান করেন এবং এই যজ্ঞের স্মৃতিরক্ষায় স্বর্ণমুদ্রা প্রচলন করেন।
- তিনি ছিলেন প্রচন্ড সাম্রাজ্যবাদী।
- ড. স্মিথ সম্ভবত এ কারণেই সমুদ্রগুপ্তকে 'ভারতীয় নেপোলিয়ন' আখ্যা দিয়েছেন।
- ভারতের জাতীয়তাবাদী ঐতিহাসিকগণ মনে করেন, আসমুদ্রহিমাচল বিস্তৃত ভারতভূমিকে এক শাসনে আবদ্ধ করাই ছিল সমুদ্রগুপ্তের লক্ষ।
- কুষাণ সাম্রাজ্যের পতনের পর ভারতের রাজনীতিতে যে শক্তিশূন্যতা দেখা দেয় গুপ্ত সাম্রাজ্য তা দূর করে।
- সমুদ্রগুপ্ত ছিলেন সাধুব্যক্তিদের আশাস্বরূপ, আর অসাধুদের জন্য প্রলয়। হরিষেণ সমুদ্রগুপ্তকে মানুষের আকৃতিতে দেবতা তুল্য 'অচিন্ত্যপুরুষ' বলে আখ্যায়িত করেছেন।

তথ্যসূত্র - ইতিহাস, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,১২৩.
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ‘প্রাচ্যের নতুন তারকা' উপাধিটি দিয়েছে -
  1. ক) খালিজ টাইমস
  2. খ) ইন্ডিয়ান টাইমস
  3. গ) বিবিসি নিউজ
  4. ঘ) নিউইয়র্ক টাইমস
সঠিক উত্তর:
ক) খালিজ টাইমস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) খালিজ টাইমস
ব্যাখ্যা
- সংযুক্ত আরব আমিরাতের (UAE) সর্বাধিক প্রচারিত দৈনিক পত্রিকা খালিজ টাইমসে  রোহিঙ্গা সংকটের প্রতি মানবিক আবেদনের জন্য বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে 'প্রাচ্যের নতুন তারকা' হিসেবে অভিহিত করেছে।

অন্যদিকে,
• লেডি অব ঢাকা- যুক্তরাষ্ট ভিত্তিক  প্রভাবশালী বিজনেস ম্যাগাজিন ‘ফোর্বস’।
• মাদার অব হিউম্যানিটি- ব্রিটিশ মিডিয়া।
• কারিশম্যাটিক লিডার- মিশরের রাষ্টদূত মাহামুদ ইজ্জত।
• বিশ্ব মানবতার বিবেক- কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট জুয়ান ম্যানুয়েল সন্তোস
• বিরল মানবতাবাদী নেতা- তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান

উৎস: প্রথম আলো।
৪,১২৪.
১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ-এর স্বাধীনতা ঘোষণা বঙ্গবন্ধু কিসের মাধ্যমে জারি করেন?
  1. রেডিওর মাধ্যমে
  2. টেলিগ্রামের মাধ্যমে
  3. ওয়্যারলেসের মাধ্যমে
  4. টেলিভিশনের মাধ্যমে
সঠিক উত্তর:
ওয়্যারলেসের মাধ্যমে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওয়্যারলেসের মাধ্যমে
ব্যাখ্যা
১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ-এর স্বাধীনতা ঘোষণা বঙ্গবন্ধু ওয়্যারলেসের মাধ্যমে জারি করেন।

বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা:
• ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের কালরাত্রিতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী যখন পৈশাচিক হত্যাকাণ্ড শুরু করে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তখনই স্বাধীনতার ঘোষণা প্রদানের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন।
• ২৫ মার্চ রাত দেড়টার পর (অর্থাৎ ২৬ মার্চ) পাকিস্তানি সৈন্যদের হাতে বন্দী হবার পূর্বেই বঙ্গবন্ধু টি.এন্ড.টি ও ই.পি.আর (বর্তমান বি.জি.বি)-এর ওয়্যারলেসের মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ স্থানসমূহে স্বাধীনতার ঘোষণা পৌঁছে দেন।

⇒ স্বাধীনতা দিবস:
- ২৬ শে মার্চ বাংলাদেশের জাতীয় ও স্বাধীনতা দিবস।
- ১৯৮০ সালের ৩ অক্টোবর ২৬ শে মার্চকে জাতীয় দিবস হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়।
- ১৯৮১ সাল থেকে ২৬ শে মার্চ বাংলাদেশের জাতীয় দিবস হিসেবে পালিত হয়ে আসছে।

• স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র:
- ১০ এপ্রিল, ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র জারি করার মাধ্যমে বাংলাদেশকে গণপ্রজাতন্ত্রী হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
- ১৭ এপ্রিল ১৯৭১ সালে মুজিবনগর সরকার শপথ নেওয়ার মাধ্যমে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মপ্রকাশ করে।
- স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র লিপিবদ্ধ করেন ব্যারিস্টার আমিরুল ইসলাম।
- ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন।
- ১৭ এপ্রিল অধ্যাপক ইউসুফ আলী আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীনতার ঘোষণা পত্র পাঠ করেন।
- ৬ষ্ঠ তফসিলে ২৬ মার্চের স্বাধীনতার ঘোষনাপত্র সংযুক্ত করা হয় ।

উৎস: i) হাসান হাফিজর রহমান (সম্পাদিত), বাংলাদেেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ দলিলপত্র।
         ii) বাংলাপিডিয়া.
৪,১২৫.
কত সালে বঙ্গীয় আইন সভার সদস্য সংখ্যা ২১ জন করা হয়?
  1. ১৮৯০ সালে
  2. ১৮৯১ সালে
  3. ১৮৯২ সালে
  4. ১৮৯৩ সালে
সঠিক উত্তর:
১৮৯২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮৯২ সালে
ব্যাখ্যা
বঙ্গীয় আইন সভা:
- সিপাহী বিদ্রোহ সংঘটিত হওয়ার পর ব্রিটিশ পার্লামেন্টে ১৮৫৮ সালের ২ আগস্ট ভারত শাসন আইন নামক একটি আইন পাস করা হয়।
- এই আইনে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসনের অবসান ঘটানো হয়।
- ভারতের রাষ্ট্র ক্ষমতা ব্রিটিশ রাজ্যের উপর ন্যস্ত করা হয়।
- ব্রিটিশ পার্লামেন্ট ও সরকারের নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।
- ভারতবর্ষে ১৭৭২ সালের রেগুলেটিং অ্যাক্ট-এর আওতায় চার সদস্য বিশিষ্ট গভর্নর জেনারেল অ্যান্ড কাউন্সিলকে ক্ষুদ্র পরিসরের আইনসভা বলা যেতে পারে।
- ব্রিটিশ পার্লামেন্টে ১৮৬১ সালে ভারত সরকারকে বাংলায় প্রতিনিধিত্বমূলক আইনসভা স্থাপন করার নির্দেশ দেওয়া হয়।
- এর ফলে ১৮৬১ সালের ১আগস্ট ভারতীয় কাউন্সিল আইন ঘোষিত হয়।
- বঙ্গীয় আইনসভা প্রতিষ্ঠার ঘোষণাও দেওয়া হয়।
- ১৮৬২ সালের ১ ফেব্রুয়ারি বঙ্গীয় আইনসভার কার্যক্রম শুরু হয়।
- এই আইনসভায় লেফটেনেন্ট গভর্নর পদাধিকার বলে সভাপতি, ১২ জন মনোনীত সদস্য, যার মধ্যে চারজন মাত্র বাঙালি ছিলেন, বাকি ৮ জনের ৪ জন সরকারি সদস্য, ৪ জন বেসরকারি সদস্য ছিলেন।
- ১৮৯২ সালে ১৩ জনের স্থলে এই সভার সদস্য ২১ জন করা হলো।
- তবে এই প্রতিনিধিদের নির্বাচিত করার বিধান ছিল না।
- কিন্তু তারপরও বাংলার প্রতিনিধিত্বমূলক আইনসভাই বাংলাকে গণতান্ত্রিক আইনসভার পথে এগিয়ে নিয়ে যায়।

উৎস: বাংলাদেশ স্টাডিজ, বিবিএস প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,১২৬.
প্রাচীন পুণ্ড্র নগরীর ধ্বংসাবশেষ হচ্ছে -
  1. পাহাড়পুর
  2. মহাস্থানগড়
  3. ময়নামতি
  4. উয়ারী-বটেশ্বর
সঠিক উত্তর:
মহাস্থানগড়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মহাস্থানগড়
ব্যাখ্যা
পুণ্ড্র:
- পুণ্ড্র শব্দের অর্থ আখ বা ইক্ষু।
- প্রাচীন বাংলার জনপদগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো পুণ্ড্র।
- খুব সম্ভবত পুণ্ড্র বলে একটি জনগোষ্ঠী এ জনপদ গড়ে তুলেছিল।
- বর্তমান বগুড়া, রংপুর, রাজশাহী ও দিনাজপুর এলাকা নিয়ে এ পুণ্ড্র জনপদটির সৃষ্টি হয়েছিল।
- রাজধানীর নাম ছিল পুণ্ড্রনগর।
- পরবর্তীকালে এর নাম হয় মহাস্থানগড়।
- মহাস্থানগড় প্রাচীন পুণ্ড্র নগরীর ধ্বংসাবশেষ বলে পণ্ডিতেরা মনে করেন।
- প্রাচীন সভ্যতার নিদর্শনের দিক দিয়ে পুণ্ড্রই ছিল প্রাচীন বাংলার সবচেয়ে সমৃদ্ধ নগরসভ্যতা।
- পাথরের চাকতিতে খোদাই করা লিপি এখানে পাওয়া যায়।
- লিপিটির নাম মহাস্থান ব্রাহ্মীলিপি।
- ধারণা করা হয়, বাংলাদেশে প্রাপ্ত এটিই প্রাচীনতম শিলালিপি।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৪,১২৭.
'মুজিব: একটি জাতির রূপকার' চলচ্চিত্রটির চিত্রনাট্য রচনা করেছেন কে?
  1. শামা জাইদি
  2. নীতিশ রায়
  3. দয়াল নিহালানি
  4. শ্যাম বেনেগাল
সঠিক উত্তর:
শামা জাইদি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শামা জাইদি
ব্যাখ্যা
মুজিব: একটি জাতির রূপকার (MUJIB: THE MAKING OF A NATION):
- জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জীবনী নিয়ে নির্মিত চলচ্চিত্র 'মুজিব: একটি জাতির রূপকার'।
- চলচ্চিত্রটি মুক্তি পায় ১৩ অক্টোবর ২০২৩ সালে।
- ১৯ মে ২০২২ সালে ফ্রান্সে ৭৫তম কান চলচ্চিত্র উৎসবে সিনেমাটির প্রাথমিক ট্রেলার মুক্তি পায়।
- বাংলাদেশ ও ভারতের যৌথ প্রযোজনায় সিনেমাটি পরিচালনা করেছেন ভারতের খ্যাতিমান নির্মাতা শ্যাম বেনেগাল।
- এর নির্মাণ ব্যয় ৮৩ কোটি টাকা। বাংলাদেশ মোট অর্থের ৫০ কোটি ও ভারত ৩৩ কোটি টাকা দিয়েছে।
- এর চিত্রনাট্য রচনা করেছেন শামা জাইদি ও অতুল তিওয়ারি।
- এটি বাংলা, হিন্দি ও ইংরেজি তিনটি ভাষায় করা হয়েছে।
- চলচ্চিত্রটিতে বঙ্গবন্ধুর চরিত্রে অভিনয় করেছেন আরিফিন শুভ।

অন্যদিকে-
- 'অসমাপ্ত আত্মজীবনী' অবলম্বনে নির্মিত চলচ্চিত্র 'চিরঞ্জীব মুজিব'।
- দেশের প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য অ্যানিমেশন চলচ্চিত্র 'মুজিব আমার পিতা'।
- বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পরবর্তী ঘটনা নিয়ে নির্মিত চলচ্চিত্র '৫৭০'।
- ৭ই মার্চের ভাষণে অনুপ্রাণিত সোহেল রানা বয়াতি নির্মিত চলচ্চিত্র 'তর্জনী'।
- ১৯৭১ এর ৭ মার্চে রেসকোর্স ময়দানে বঙ্গবন্ধুর দেওয়া সেই দৃপ্ত ভাষণ নিয়ে গুণী নির্মাতা ফাখরুল আরেফীন নির্মাণ করেছেন তথ্যচিত্র 'দ্য স্পিচ'।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও প্রথম আলো প্রতিবেদন।
৪,১২৮.
সিপাহী বিদ্রোহের সূচনাকারী কে ছিলেন?
  1. লক্ষ্মীবাঈ
  2. চাঙ্কি পান্ডে
  3. কুনওয়ার সিং
  4. মঙ্গল পাণ্ডে
সঠিক উত্তর:
মঙ্গল পাণ্ডে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মঙ্গল পাণ্ডে
ব্যাখ্যা
সিপাহি বিদ্রোহ:
- সিপাহি বিদ্রোহকে ভারতের প্রথম স্বাধীনতা সংগ্রাম বলা হয়।
- ১৮৫৭ সালের ২৯শে মার্চ পশ্চিমবঙ্গের ব্যারাকপুরে মঙ্গলপাণ্ডে নামে এক সিপাহী কর্তৃক গুলি বর্ষণের মাধ্যমে এই বিদ্রোহের সূত্রপাত ঘটে।
- দ্রুত এই বিদ্রোহ ছড়িয়ে পড়ে মিরাট, কানপুর, পাঞ্জাব, উত্তর প্রদেশ, মধ্য প্রদেশ, বিহার, বাংলাসহ ভারতের প্রায় সর্বত্র। বাংলাদেশের ঢাকা, চট্টগ্রাম, যশোর, সিলেট, কুমিল্লা, পাবনা, রংপুর, দিনাজপুর, রাজশাহী এই বিদ্রোহে শামিল হয় ।
- পরবর্তীতে তা ভারতবর্ষের উত্তর ও পূর্বাঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এই বিদ্রোহ ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয়।
- তবে এ বিদ্রোহের ফলে ভারতে কোম্পানির শাসনের অবসান ঘটে।
- ভারতের শাসনভার ব্রিটিশ সরকার সরাসরি তার হাতে নিয়ে নেয়।

তথ্যসূত্র- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,১২৯.
মুজিবনগর দিবস কত তারিখে?
  1. ক) ১০ এপ্রিল
  2. খ) ১৫ এপ্রিল
  3. গ) ১৭ এপ্রিল
  4. ঘ) ২০ এপ্রিল
সঠিক উত্তর:
গ) ১৭ এপ্রিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৭ এপ্রিল
ব্যাখ্যা
মুজিবনগর দিবস:
- মুজিবনগর সরকার মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার জন্য গঠিত বাংলাদেশের প্রথম সরকার।
- ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ স্বাধীনতা ঘোষণার পর ১০ এপ্রিল এ সরকার গঠিত হয়।
- ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলা গ্রামে মুজিবনগর সরকার শপথ গ্রহণ করে।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামে বৈদ্যনাথতলা গ্রামের নামকরণ হয় মুজিবনগর।
- মুজিবনগর সরকারের কর্মকান্ড বাংলাদেশ ভূখন্ডের বাইরে থেকে পরিচালিত হয়েছিল বলে এ সরকার প্রবাসী মুজিবনগর সরকার হিসেবেও খ্যাত।
- ১৭ এপ্রিল ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
         ii)প্রথম আলো, ১৭ এপ্রিল ২০২২।
৪,১৩০.
‘কারাগারের রোজনামচা' গ্রন্থটির নামকরণ করেন কে?
  1. শেখ হাসিনা
  2. শেখ রেহানা
  3. শেখ ফজলুল হক মনি
  4. শেখ সায়মা ওয়াজেদ পুতুল
সঠিক উত্তর:
শেখ রেহানা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শেখ রেহানা
ব্যাখ্যা
• কারাগারের রােজনামচা:
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রচিত দিনলিপি গ্রন্থ হলো কারাগারের রোজনামচা।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রচিত দ্বিতীয় আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ হলো কারাগারের রোজনামচা।
- এটি ১৭ মার্চ, ২০১৭ সালে বঙ্গবন্ধুর ৯৭তম জন্মবার্ষিকীতে বাংলা একাডেমি প্রকাশ করে।
- এই গ্রন্থটি মূলত একটি ডায়রি যা বঙ্গবন্ধু ১৯৬৬-১৯৬৮ সময়ে কারাগারে বন্দিবস্থায় লিখেছিলেন।
- এর ভূমিকা লিখেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
- নামকরণ করেন শেখ রেহানা।
- প্রচ্ছদ ও নকশা করেন তারিক সুজাত।
- তবে প্রচ্ছদে ব্যবহৃত বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতি অঙ্কন করেন শিল্পী রাসেল কান্তি দাশ।

উৎস: কারাগারের রোচনামচা ও মুক্তিযুদ্ধ ই-আর্কাইভ।
৪,১৩১.
নিচের কোনটি লর্ড ডালহৌসীর অবদান?
  1. দ্বৈত শাসন ব্যবস্থা
  2. স্বত্ববিলোপ নীতি
  3. সুপ্রিম কোর্ট স্থাপন ব্যবস্থা
  4. ইন্ডিয়ান পেনাল কোড
সঠিক উত্তর:
স্বত্ববিলোপ নীতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বত্ববিলোপ নীতি
ব্যাখ্যা
লর্ড ডালহৌসী:
- ১৮৪৮ খ্রিস্টাব্দে লর্ড হার্ডিঞ্জের পর মাত্র ৩৬ বৎসর বয়সে লর্ড ডালহৌসী এ উপমহাদেশে আসেন।
- ইংল্যান্ড কর্তৃপক্ষ এ পর্যন্ত যত সাম্রাজ্যবাদী শাসক এ উপমহাদেশে প্রেরণ করেছেন তার মধ্যে লর্ড ডালহৌসী ছিলেন ঘোর সাম্রাজ্যবাদী।

তার অবদান সমূহ
- স্বত্ববিলোপ নীতি ছিল একটি সাম্রাজ্যবাদী নীতি। লর্ড ডালহৌসি এই সাম্রাজ্যবাদী নীতিটি প্রবর্তন করেন।
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের প্রচেষ্টায় ১৮৫৬ সালের ২৬ জুলাই লর্ড ডালহৌসি বিধবা বিবাহ আইন পাস করেন।
- ১৮৫০ সালে গ্রেট ইন্ডিয়ান পেনিনসুলার রেলওয়ে নামক কোম্পানি মুম্বাই থেকে থানা পর্যন্ত ৩৩ কিমি দীর্ঘ রেললাইন স্থাপন করতে থাকে। লাইনটি উদ্বোধন করা হয় ১৬ এপ্রিল ১৮৫৩ সালে। এটিই ছিল ব্রিটিশ ভারতে রেলওয়ের প্রথম যাত্রা। ইস্ট ইন্ডিয়া রেলওয়ে কোম্পানি কর্তৃক নির্মিত হাওড়া থেকে হুগলি পর্যন্ত ৩৮ কিমি রেললাইনের উদ্বোধন হয় ১৮৫৪ সালে এবং এর মাধ্যমে চালু হয় বাংলার প্রথম রেললাইন। তাঁরই সময়ে কলকাতা হতে পেশোয়ার পর্যন্ত গ্র্যান্ড ট্রাঙ্ক রোড পুনরায় চালু হয়। 
- কলকাতা হতে আগ্রা পর্যন্ত প্রথম টেলিগ্রাফ ব্যবস্থা ও পেনী পোস্টকার্ড ব্যবস্থা চালু করেন।
- তিনি বনভূমি সংরক্ষণ নীতি প্রবর্তন করেন।

অন্যদিকে,
• বেন্টিঙ্ক লর্ড মেকলের সহায়তায় আইন কমিশন গঠন করে ‘ইন্ডিয়ান পেনাল কোড’ তৈরি করেন ।
• ওয়ারেন হেস্টিংস ১৭৭৪ সালে কলকাতায় সুপ্রিম কোর্ট স্থাপন করা হয়। বাংলাদেশ তথা ভারতীয় উপমহাদেশের ভূখণ্ডে এটিই প্রথম সুপ্রিম কোর্ট।


উৎস: ইতিহাস ১ম পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,১৩২.
বাংলাদেশের জ্বালানি তৈল শোধনাগারটি অবস্থিত-
  1. ক) ঢাকায়
  2. খ) চট্টগ্রাম
  3. গ) খুলনায়
  4. ঘ) সিলেটে
সঠিক উত্তর:
খ) চট্টগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা
ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড বাংলাদেশের একমাত্র জ্বালানি তেল পরিশোধন স্থাপনা, বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি)-এর অঙ্গ প্রতিষ্ঠান এবং একটি পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি। কোম্পানি আইন ১৯১৩ (সংশোধিত, ১৯৯৪) অনুযায়ী এ প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম পরিচালিত হয়। একদল পাকিস্তানি শিল্প-উদ্যোক্তা ১৯৬৩ সালে এ প্রকল্পটির উদ্যোগ নেয় এবং চট্টগ্রাম শহরের প্রান্তে কর্ণফুলি নদীর তীরে ১৫ কোটি ১৭ লক্ষ টাকা প্রারম্ভিক ব্যয়ের মাধ্যমে এ পরিশোধনাগারটি প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯৬৮ সাল থেকে পরিশোধন কেন্দ্রটিতে উৎপাদন কার্যক্রম শুরু হয়। ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড তাদের নিজস্ব পরিশোধন ইউনিটের মাধ্যমে অপরিশোধিত তেল শোধিত করে থাকে।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া
৪,১৩৩.
ভাষা শহীদ রফিকউদ্দিন আহমদ কোথায় জন্মগ্রহণ করেন?
  1. নারায়ণগঞ্জ
  2. গাজীপুর
  3. বরিশাল
  4. মানিকগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
মানিকগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মানিকগঞ্জ
ব্যাখ্যা

• প্রথম ভাষা শহীদ:
- একুশের প্রথম শহীদ রফিকউদ্দিন আহমদ। 
- তিনি ছিলেন মানিকগঞ্জ দেবেন্দ্রনাথ কলেজের বাণিজ্য বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র।
- তাঁর বাবার নাম আবদুল লতিফ এবং মায়ের নাম রাফিজা খানম। 
- রফিক উদ্দিনের জন্ম ১৯২৬ সালে, মানিকগঞ্জের সিঙ্গাইর উপজেলায়। 
- ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি তিনি শহীদ হন। 
- ঘটনার সময় পুলিশের লাঠিচার্জ ও কাঁদানে গ্যাসের কারণে ছাত্ররা ঢাকা মেডিকেল কলেজের ব্যারাকে আশ্রয় নেন। 
- ওই সময় পুলিশের গুলিতে তাঁর মাথার খুলি উড়ে যায়।
- মাটিতে লুটিয়ে পড়ে তখনই মারা যান তিনি।
- ম্যাজিস্ট্রেট ওবায়দুল্লাহর উপস্থিতিতে তাঁর জানাজার নামাজ পড়ান আজিমপুর মসজিদের ইমাম হাফেজ আবদুল গফুর।
- আত্মীয়স্বজনকে না জানিয়ে গোপনে আজিমপুর কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হয়। 
- ভাষা শহীদ রফিক ২০০০ সালে মরণোত্তর একুশে পদক পান।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং প্রথম আলো

৪,১৩৪.
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস প্রথম বছর কতটি দেশ পালন করে?
  1. ১৮২টি
  2. ১৮৪টি
  3. ১৮৬টি
  4. ১৮৮টি
সঠিক উত্তর:
১৮৮টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮৮টি
ব্যাখ্যা
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস:

- ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর ইউনেস্কো বাংলাদেশের বাঙালি জনগোষ্ঠীর ভাষার জন্য আত্মত্যাগকে ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ হিসেবে ঘোষনা করে।
- প্রতিবছর ২১ শে ফেব্রুয়ারি ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ হিসেবে পালন করার সিদ্ধান্ত নেয়।
- ২০০০ সালের ২১ শে ফেব্রুয়ারি এ বিশেষ দিবসটিকে বিশ্বের ১৮৮টি দেশে প্রথমবারের মতো ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ হিসেবে পালন করে।
- ইউনেস্কোর পর জাতিসংঘও ২১ শে ফেব্রুয়ারিকে ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।
- ৫ ডিসেম্বর ২০০৮ জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে এ স্বীকৃতি দেয়া হয়।

তথ্যসূত্র - দৈনিক ইনকিলাব, ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭।
৪,১৩৫.
কোন শাসককে পাল বংশের শেষ মুকুট বলা হয়?
  1. রামপাল
  2. মদনপাল
  3. ধর্মপাল
  4. গোপাল
সঠিক উত্তর:
রামপাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রামপাল
ব্যাখ্যা
রামপাল:
- রামপাল রাজা হয়েই বরেন্দ্র পুনরুদ্ধারের চেষ্টা করেন।
- এই সময় কৈবর্তদের নেতা ছিলেন ভীম। প্রথম চেষ্টায় রামপাল ব্যর্থ হন।
- বরেন্দ্র অঞ্চলের উপর রামপালের কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠিত হয়।
- তাঁর রাজত্বের শেষের দিকে তিনি কামরূপ এবং উড়িষ্যার উপরও প্রভাব বিস্তার করতে সক্ষম হন।
- রামপালকে পাল বংশের শেষ মুকুট বলা হয়।
- কবি সন্ধ্যাকর নন্দী ‘রামচরিত’ নামে রামপালের জীবনী লিখেন।
- রামপালের মৃত্যুর পর পাল সাম্রাজ্যের গৌরব দ্রুত বিলুপ্তির পথে এগিয়ে যায়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,১৩৬.
মহীপাল কোন খ্রিস্টাব্দে ক্ষমতায় আরোহণ করেন?
  1. ৯৮৯ খ্রিস্টাব্দে
  2. ৯৯১ খ্রিস্টাব্দে
  3. ৯৯৩ খ্রিস্টাব্দে
  4. ৯৯৫ খ্রিস্টাব্দে
সঠিক উত্তর:
৯৯৫ খ্রিস্টাব্দে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯৯৫ খ্রিস্টাব্দে
ব্যাখ্যা
মহীপাল:
- বিগ্রহপালের পর তাঁর পুত্র মহীপাল ৯৯৫ খ্রিস্টাব্দে ক্ষমতায় আরোহণ করেন।
- তিনি কম্বোজ এবং চন্দ্রবংশের হাত থেকে 'অনাধিকৃত বিলুপ্ত' পিতৃরাজ্য যেমন বিহার, উত্তর বাংলা পুনরুদ্ধার করেন।
- তিনি রাজ্য সম্প্রসারণ ও জনহিতকর কাজ এবং বৌদ্ধ তীর্থস্থানে কীর্তি স্থাপনসহ নানা কাজের জন্য বিখ্যাত হয়ে আছেন। তাঁর নামে 'মহীপাল গীত' প্রচলিত ছিল।
- মহীপালের মৃত্যুর পর পাল রাজ্যে আবার অশান্তি সৃষ্টি হয়।
- ফলে শুধু বাংলা নয় বিহারেও পাল রাজশক্তি দুর্বল হয়ে পড়ে। দেশের ভেতরেও ক্ষমতা নিয়ে দ্বন্দ্ব-সংঘাত বেড়ে যায়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,১৩৭.
পাকিস্তানি বাহিনীর আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকারের পক্ষে কে উপস্থিত ছিলেন?
  1. এম এ জি ওসমানী
  2. তাজউদ্দীন আহমেদ
  3. কাদের সিদ্দিকী
  4. এ কে খন্দকার
সঠিক উত্তর:
এ কে খন্দকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এ কে খন্দকার
ব্যাখ্যা
পাকিস্তানি বাহিনীর আত্মসমর্পণ:
- বাংলাদেশ ও ভারতের সম্মিলিত যৌথ বাহিনীর দুর্বার আক্রমণে পর্যুদস্ত পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী অবশেষে আত্মসমর্পণে সম্মত হয়। 
- ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) পাকিস্তান বাহিনীর ইস্টার্ন কমান্ডের প্রধান লেফট্যানেন্ট জেনারেল আমীর আবদুল্লাহ খান নিয়াজী ৯৩ হাজার সৈন্যসহ যৌথ বাহিনীর নিকট আত্মসমর্পণ করেন। 
- পাকিস্তানের পক্ষে নিয়াজী এবং যৌথ বাহিনীর পক্ষে আত্মসমর্পণ দলিলে স্বাক্ষর করেন ভারতীয় সেনাবাহিনীর ইস্টার্ন কমান্ডের প্রধান লেফট্যানেন্ট জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরা। 
- এতে অস্থায়ী গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে মুক্তিবাহিনীর সেকেন্ড ইন কমান্ড গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ কে খন্দকার উপস্থিত ছিলেন। 
- পাকিস্তানি বাহিনীর আত্মসমর্পণের মধ্য দিয়ে মুক্তিযুদ্ধের চূড়ান্ত বিজয় সম্পন্ন হয়। 
এছাড়া,
- এম এ জি ওসমানী মুক্তিবাহিনীর প্রধান ছিলেন।
- তাজউদ্দীন আহমেদ অস্থায়ী সরকারের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন।
- বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী মুক্তিযুদ্ধকালীন কাদেরিয়া বাহিনীর প্রধান ছিলেন।

উৎস: ইতিহাস প্রথমপত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,১৩৮.
‘ইন্ডিকা’ গ্রন্থের রচয়িতা কে ছিলেন?
  1. কৌটিল্য
  2. ফাহিয়েন
  3. হিউয়েন সাঙ
  4. মেগাস্থিনিস
সঠিক উত্তর:
মেগাস্থিনিস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেগাস্থিনিস
ব্যাখ্যা
- মেগাস্থিনিস গ্রিক ভাষায় রচিত ইন্ডিকা গ্রন্থে মৌর্য সাম্রাজ্য বিশেষ করে চন্দ্রগুপ্ত মৌর্যের শাসনব্যবস্থা বর্ণনা করেন।

মেগাস্থিনিস:
 - ‘মেগাস্থিনিস’ ছিলেন সেলুকাসের প্রেরিত দূত। 
- সিরিয়ার গ্রিক রাজা ছিলেন সেলুকাস। 
- ‘ইন্ডিকা’ গ্রন্থের রচয়িতা মেগাস্থিনিস। 
- এই গ্রন্থে চন্দ্রগুপ্তের ব্যক্তিগত জীবন ও শাসন ব্যবস্থার বিস্তৃত বর্ণনা আছে।
- তিনি গ্রীক বিশ্বের কাছে পরিচিত ভারতের সবচেয়ে সম্পূর্ণ বিবরণ দিয়েছেন। 

সূত্র: ইতিহাস ১ম পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় & ব্রিটানিকা।
৪,১৩৯.
বাংলাদেশে আনুষ্ঠানিকভাবে জমিদারি প্রথার বিলোপ ঘটে -
  1. ১৯৪৮ সালে
  2. ১৯৫১ সালে
  3. ১৯৫০ সালে
  4. ১৯৪৫ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৫১ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৫১ সালে
ব্যাখ্যা
পূর্ববঙ্গ জমিদারি অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০
- এই আইনের আওতায় সরকার দেশের একমাত্র জমিদারে পরিণত হয় এবং সরকার পর্যায়ক্রমে জমিতে সকল খাজনা-আদায়ি স্বার্থ অধিগ্রহণ করে।
- ১৯৫১ ইং সনের ১৬ মে, এই আইন পাস এর মাধ্যমে এদেশ থেকে জমিদারি প্রথার বিলোপ ঘটে।
- এই আইনে ১৫২টি ধারা রয়েছে।
- এগুলি পাঁচটি অংশ ও উনিশটি অধ্যায়ে বিভক্ত। 

- আইনটি পাশের আগে এদেশের কৃষিসংক্রান্ত আইন বলতে প্রধানত ছিল ১৭৯৩ সালের বঙ্গীয় চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত প্রবিধান ও বঙ্গীয় প্রজাস্বত্ব আইন, ১৮৮৫।
- লর্ড কর্নওয়ালিস বাংলায় ১৭৯৩ সালের চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত আইন করেন যার ফলে জমিদাররা শাসক শ্রেণীরূপে প্রভাব বিস্তার করতে থাকে।

তথ্য - ভূমি মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
৪,১৪০.
‘শিখা অনির্বাণ’ ও ‘শিখা চিরন্তন’ অবস্থিত যথাক্রমে -
  1. ক) ঢাকা সেনানিবাস ও চট্টগ্রাম সেনানিবাস
  2. খ) সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ও ঢাকা সেনানিবাস
  3. গ) ঢাকা সেনানিবাস ও সাভার স্মৃতিসৌধ
  4. ঘ) ঢাকা সেনানিবাস ও সোহরাওয়ার্দী উদ্যান
সঠিক উত্তর:
ঘ) ঢাকা সেনানিবাস ও সোহরাওয়ার্দী উদ্যান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ঢাকা সেনানিবাস ও সোহরাওয়ার্দী উদ্যান
ব্যাখ্যা

মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিসৌধ ও ভাস্কর্যের অবস্থান
শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতি সৌধ - ঢাকার মিরপুর;
শিখা অনির্বাণ - ঢাকা সেনানিবাস।
শিখা চিরন্তন - সোহরাওয়ার্দী উদ্যান;
জাগ্রত চৌরাঙ্গী - জয়দেবপুর।
শাবাশ বাংলাদেশ - রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়;
বিজয়-৭১ - ময়মনসিংহ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়।
রক্তসোপান - রাজেন্দ্র সেনানিবাস, গাজীপুর;
স্বোপার্জিত স্বাধীনতা - ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টি.এস.সি.

৪,১৪১.
অপারেশন সার্চ লাইটের মূল দায়িত্বে ছিল কে?
  1. জেনারেল টিক্কা খান
  2. জেনারেল খাদিম হোসেন রাজা
  3. জেনারেল রাও ফরমান আলী
  4. জেনারেল এএকে নিয়াজী
সঠিক উত্তর:
জেনারেল টিক্কা খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেনারেল টিক্কা খান
ব্যাখ্যা
অপারেশন সার্চলাইটের পরিকল্পনা:
- ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ মধ্যরাতে বর্বর পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী পূর্ব পাকিস্তানে যে গণহত্যামূলক অভিযান চালিয়েছিল তার সাংকেতিক নাম ছিল ‘অপারেশন সার্চ লাইট’।
- পাকিস্তান বাহিনীর ১৪ ডিভিশনের জিওসি মেজর জেনারেল খাদিম হোসেন রাজা এবং ৫৭ ডিভিশনের জিওসি মেজর জেনারেল রাও ফরমান আলী খান ১৯৭১ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি অপারেশন সার্চলাইট নামে একটি সামরিক অভিযানের বিষয়ে সিদ্ধান্তে পৌঁছেন।
- ১৭ মার্চ চীফ অব স্টাফ জেনারেল আবদুল হামিদ খানের নির্দেশে জেনারেল রাজা পরদিন ঢাকা সেনানিবাসে জিওসি অফিসে অপারেশন সার্চলাইট পরিকল্পনা চূড়ান্ত করেন।
- এই অপারেশন সার্চ লাইট অনুযায়ী ঢাকা শহরের গণহত্যার মূল দায়িত্বে ছিল: জেনারেল রাও ফরমান আলী।
- ঢাকার বাহিরে এ অপারেশনের দায়িত্বে ছিল: জেনারেল খাদিম হোসেন রাজা।
- অপারেশন সার্চ লাইটের মূল দায়িত্বে ছিল: জেনারেল টিক্কা খান।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি এবং বিবিসি।
৪,১৪২.
ভারতীয় উপমহাদেশে প্রথম আদমশুমারি হয় কত সালে?
  1. ১৮৬২
  2. ১৮৬৭
  3. ১৮৭২
  4. ১৮৭৬
সঠিক উত্তর:
১৮৭২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮৭২
ব্যাখ্যা
আদমশুমারি:
- ভারতীয় উপমহাদেশে প্রথম আদমশুমারি হয় ব্রিটিশ আমলে ১৮৭২ সালে। 
- পরের আদমশুমারি হয় ১৮৮১ সালে। এরপর থেকে এই উপমহাদেশে প্রতি ১০ বছর পরপর আদমশুমারি হয়েছে।
- বাংলাদেশে প্রথম আদমশুমারি ও গৃহগণনা হয় ১৯৭৪ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে।
- পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, সেই সময় বাংলাদেশের জনসংখ্যা ছিল ৭ কোটি ৬৩ লাখ। 
- -প্রতি ১০ বছর পরপর ১৯৮১, ১৯৯১, ২০০১ ও ২০১১ সালে আদমশুমারি ও গৃহগণনা হয়েছে।
- কিন্তু করোনাভাইরাসের সংক্রমণের কারণে ২০২১ সালে না হয়ে এক বছর পিছিয়ে যায়।
- ২০২২ সালে এটিকে জনশুমারি নাম দেয়া হয়।
- ২০২২ সালের জনশুমারি ও গৃহগণনা অনুযায়ী বাংলাদেশের বর্তমান জনসংখ্যা ১৬ কোটি ৫১ লাখ ৫৮ হাজার ৫১৬ জন। 
- ২০১১ সালে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ ও ভারত নিজেদের সীমান্ত এলাকায় আদমশুমারি করে।

উৎস: বিবিসি নিউজ বাংলা। [লিঙ্ক]
৪,১৪৩.
‘দ্য কনসার্ট ফর বাংলাদেশ’ অনুষ্ঠিত হয়েছিল -
  1. ১ আগস্ট, ১৯৭১
  2. ১১ আগস্ট, ১৯৭১
  3. ১ সেপ্টেম্বর, ১৯৭১
  4. ১১ সেপ্টেম্বর, ১৯৭১
সঠিক উত্তর:
১ আগস্ট, ১৯৭১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ আগস্ট, ১৯৭১
ব্যাখ্যা
কন্সার্ট ফর বাংলাদেশ:
- মহান মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানের পরাজয়ের মুখে যুদ্ধ বিরতি ঘটিয়ে আমাদের মুক্তিযুদ্ধকে বাধাগ্রস্ত করতে জাতিসংঘে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালায় যুক্তরাষ্ট্র।
- তবে যুক্তরাষ্ট্রের আইনসভা কংগ্রেসের অনেক সদস্য, বিভিন্ন সংবাদপত্র, শিল্পী, সাহিত্যিক, বুদ্ধিজীবী, রাজনীতিবিদসহ যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় সর্বস্তরের জনগণ বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে ভূমিকা পালন করে।
- নিউইয়র্কে যুক্তরাষ্ট্রের শিল্পী জর্জ হ্যারিসন 'কন্সার্ট ফর বাংলাদেশ' আয়োজন করে তা থেকে প্রাপ্ত অর্থ মুজিবনগর সরকারের কাছে তুলে দেন।
- ভারতের খ্যাতিমান শিল্পী রবি শঙ্কর মুক্তিযুদ্ধে মানুষকে উজ্জীবিত করেন।
- তিনি বাংলাদেশ কনসার্টের আয়োজকদের মধ্যে অন্যতম।
- মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে নিউইয়র্কের ম্যাডিসন স্কয়ার গার্ডেনে ১৯৭১ সালের ১ আগস্ট অনুষ্ঠিত হয়েছিল ‘দ্য কনসার্ট ফর বাংলাদেশ’।

উৎস: i) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, অষ্টম শ্রেণি।
         ii) ১৪ ডিসেম্বর, ২০২১, প্রথম আলো।
৪,১৪৪.
৭ই মার্চের ভাষণে কোন দাবিটি ছিলো না?
  1. ক) চলমান সামরিক আইন প্রত্যাহার
  2. খ) গণহত্যার তদন্ত করা
  3. গ) নির্বাচিত প্রতিনিধিদের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর
  4. ঘ) প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন
সঠিক উত্তর:
ঘ) প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন
ব্যাখ্যা
নির্বাচিত প্রতিনিধিদের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তরের টালবাহানার পরিপ্রেক্ষিতে ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চ বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আওয়ামী লীগ আয়োজিত সমাবেশে বঙ্গবন্ধু এক ঐতিহাসিক ভাষণ প্রদান করেন।
এ ভাষণে তিনি চারটি দাবি উত্থাপন করেন। এগুলো হলোঃ চলমান সামরিক আইন প্রত্যাহার, সৈন্যদের ব্যারাকে ফিরিয়ে নেওয়া, গণহত্যার তদন্ত করা এবং নির্বাচত প্রতিনিধিদের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করা। ৭ই মার্চের ভাষণকে ২০১৭ সালের ৩০ অক্টোবর ইউনেস্কো মেমোরি অব দ্য ওয়ার্ল্ড এ অন্তর্ভুক্ত করে।
(সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং দৈনিক ইত্তেফাক)
৪,১৪৫.
কোন শতকে বাংলায় কৈবর্ত বিদ্রোহ সংঘটিত হয়?
  1. সপ্তম শতক
  2. দশম শতক
  3. একাদশ শতক
  4. ত্রয়োদশ শতক
সঠিক উত্তর:
একাদশ শতক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একাদশ শতক
ব্যাখ্যা
- বাংলার পাল রাজা দ্বিতীয় মহীপালের শাসনামলে উত্তরাধিকার সংক্রান্ত অন্ত:কলহের সময় এক বিদ্রোহ সংঘটিত হয় যা `কৈবর্ত বিদ্রোহ’ নামে পরিচিত।
- কৈবর্ত হলো বরেন্দ্র অঞ্চলের একটি জেলে সম্প্রদায়। ১০৮০ সালে দিব্য এর নেতৃত্বে কৈবর্তরা বরেন্দ্র অঞ্চলে পালদের পরাজিত করে ক্ষমতা দখল করে।
- তবে কৈবর্ত শাসন ছিলো স্বল্পস্থায়ী। ১০৮২ সালে দ্বিতীয় মহীপালের ভাই রামপাল কৈবর্ত শাসক ভীমকে পরাজিত করে বরেন্দ্র অঞ্চলে পাল শাসন পুনঃপ্রতিষ্ঠিত করেন।
(সূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় : ষষ্ঠ শ্রেণী)
৪,১৪৬.
'আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি, আমি কি ভুলিতে পারি'- গানটির রচয়িতা কে?
  1. ক) মাহবুবুল আলম চৌধুরী
  2. খ) আলতাফ মাহমুদ
  3. গ) আবদুল লতিফ
  4. ঘ) আবদুল গাফ্‌ফার চৌধুরী
সঠিক উত্তর:
ঘ) আবদুল গাফ্‌ফার চৌধুরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) আবদুল গাফ্‌ফার চৌধুরী
ব্যাখ্যা
'আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি, আমি কি ভুলিতে পারি'- গানটির রচয়িতা 'আবদুল গাফ্‌ফার চৌধুরী'।

- গানটি ভাষা আন্দোলনের শহিদের স্মরণে রচিত গান।
- এই গানটি প্রথম হাসান হাফিজুর রহমান সম্পাদিত 'একুশে ফেব্রুয়ারি'(১৯৫৩) গ্রন্থে সংকলিত হয়।
- গানটির প্রথম সুরকার আবদুল লতিফ।
- গানটির বর্তমান সুরকার আলতাফ মাহমুদ।

তথ্যসূত্র: কালের কণ্ঠ।
৪,১৪৭.
ডিজিটাল বাংলাদেশ দিবস কবে?
  1. ক) ১২ এপ্রিল
  2. খ) ১৬ সেপ্টেম্বর
  3. গ) ১ ডিসেম্বর
  4. ঘ) ৯ ডিসেম্বর
  5. ঙ) ১২ ডিসেম্বর
সঠিক উত্তর:
ঙ) ১২ ডিসেম্বর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঙ) ১২ ডিসেম্বর
ব্যাখ্যা
২০০৮ সালের ১২ ডিসেম্বর ডিজিটাল বাংলাদেশের ঘোষণা দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।সেই সূত্র ধরে ২০১৬ সালে ১২ ডিসেম্বরকে ডিজিটাল বাংলাদেশ দিবস ঘোষণা করে সরকার। তখন থেকে ১২ ডিসেম্বর ডিজিটাল বাংলাদেশ দিবস পালিত হযে আসছে।(সুত্র: দৈনিক প্রথম আলো)
৪,১৪৮.
কার সভাপতিত্বে 'সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ' গঠিত হয়?
  1. ক) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান
  2. খ) আবুল কাশেম
  3. গ) মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী
  4. ঘ) অধ্যাপক নুরুল হক ভূঞা
সঠিক উত্তর:
গ) মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী
ব্যাখ্যা
- ৩১শে জানুয়ারি আওয়ামী মুসলিম লীগ সভাপতি মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর সভাপতিত্বে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সর্বদলীয় সভায় ‘সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়।
- এ সভায় একুশে ফেব্রুয়ারি দেশব্যাপী হরতাল, জনসভা ও বিক্ষোভ মিছিল করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। 

- তমুদ্দুন মজলিশ গঠিত হয় আবুল কাশেমের নেতৃত্বে। 
- তমুদ্দুন মজলিশের উদ্যোগে রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয় যার আহ্বায়ক মনোনীত হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক নুরুল হক ভূঞা। 

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
৪,১৪৯.
দ্বৈত শাসনব্যবস্থা বিলুপ্ত করেন কে? 
  1. ওয়ারেন হেস্টিংস 
  2. লর্ড কর্নওয়ালিস
  3. লর্ড মিন্টো
  4. লর্ড রিপন
সঠিক উত্তর:
ওয়ারেন হেস্টিংস 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওয়ারেন হেস্টিংস 
ব্যাখ্যা
• ১৭৭২ খ্রিস্টাব্দে ওয়ারেন হেস্টিংস দ্বৈত শাসন ব্যবস্থা রহিত করেন।

• ওয়ারেন হেস্টিংস:

- বাংলায় ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির প্রথম গভর্নর ওয়ারেন হেস্টিংস।
- ভারতের প্রথম গভর্নর জেনারেলও ছিলেন ওয়ারেন হেস্টিংস।
- তাঁর শাসন কালকে দু'ভাগে ভাগ করা যায়, প্রথমপর্ব: ১৭৭২-১৭৭৪ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত বাংলার গভর্নর হিসেবে আর দ্বিতীয় পর্ব, ১৭৭৪-১৭৮৫ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত গভর্নর জেনালের হিসেবে।
- ওয়ারেন হেস্টিংস ১৭৭২ সালের ১৩ আগস্ট বাংলায় প্রথম রাজস্ব বোর্ড গঠন করেন।
- তিনি প্রচলিত জমিদার পদ্ধতির পরিবর্তে 'পাঁচসালা বন্দোবস্ত' (১৭৭২-১৭৭৭) প্রবর্তন করেন।
- তবে নানা কারণে এ ব্যবস্থা ফলপ্রসূ না হলে তিনি ১৭৭৭ সালে 'একসালা বন্দোবস্ত' করেন।
- ১৭৬৫ সালে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির বাংলার গভর্নর রবার্ট ক্লাইভ দ্বৈতশাসন ব্যবস্থা প্রবর্তন করেন।
- দ্বৈত শাসনের দায়িত্বহীনতার ফলে সারাদেশে শুরু হয় বিশৃঙ্খলা।
- এই পরিস্থিতিতে ১৭৭২ খ্রিস্টাব্দে ওয়ারেন হেস্টিংস দ্বৈত শাসন ব্যবস্থা রহিত করেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও ইতিহাস ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,১৫০.
তারা মসজিদের নির্মাতা কে?
  1. ইসা খান
  2. নবাব সলিমুল্লাহ
  3. মির্জা গোলাম পীর
  4. শাহ সুজা
সঠিক উত্তর:
মির্জা গোলাম পীর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মির্জা গোলাম পীর
ব্যাখ্যা

তারা মসজিদ:
- তারা মসজিদ পুরানো ঢাকার আরমানিটোলায় আবুল খয়রাত সড়কে অবস্থিত।
- সাদা মার্বেলের গম্বুজের ওপর নীলরঙা তারায় খচিত এ মসজিদ নির্মিত হয় আঠারো শতকের প্রথম দিকে।
- মির্জা গোলাম পীর (মির্জা আহমদ জান) ঢাকার বিখ্যাত ‘তারা মসজিদ’ তৈরি করেন।
- ১৯২৬ সালে, ঢাকার তৎকালীন স্থানীয় ব্যবসায়ী, আলী জান বেপারী মসজিদটির সংস্কার করেন। সে সময় জাপানের রঙিন চিনি-টিকরি পদার্থ ব্যবহৃত হয় মসজিদটির মোজাইক কারুকাজে।
- মসজিদের বতর্মান দৈর্ঘ্য ৭০ ফুট (২১.৩৪ মিটার), প্রস্থ ২৬ ফুট (৭.৯৮ মিটার)।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন।

৪,১৫১.
১৯৭০ সালের জাতীয় পরিষদ নির্বাচনে পূর্ব পাকিস্তানের জন্য বরাদ্দকৃত সাধারণ আসন ছিল কয়টি?
  1. ১৬০ টি
  2. ১৬২ টি
  3. ১৬৭ টি
  4. ১৬৯ টি
সঠিক উত্তর:
১৬২ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬২ টি
ব্যাখ্যা
১৯৭০ সালের জাতীয় পরিষদ নির্বাচন:
- ১৯৭০ সালের ১ জানুয়ারি সকল রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের উপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হয়।
- জাতীয় পরিষদ নির্বাচনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার: বিচারপতি আব্দুস সাত্তার।
- নির্বাচনে জাতীয় পরিষদে পূর্ব পাকিস্তানের জন্য বরাদ্দকৃত ১৬২ টি সাধারণ আসনে একমাত্র আওয়ামী লীগ ছাড়া আর কোন দলই সবকয়টি আসনে প্রার্থী দাঁড় করাতে পারেনি।

⇒ উক্ত ১৬২টি আসনে অন্যান্য উল্লেখযোগ্য দলের প্রার্থী -
• মুসলিমলীগ - ৯৩।
• মুসলিম লীগ - ৬৫।
• মুসলিম লীগ - ৫০।
• জামায়াতে ইসলামী - ৬৯।
• জমিয়াতুল উলামা ও নেজামে ইসলামী - ৪৫।
• পিডিপি - ৮১।
• ন্যাপ - ৩৬।
• স্বতন্ত্র - ১০৯।
• অন্যান্য ছোট দলসহ সর্বমোট প্রার্থী সংখ্যা ছিল - ৭৬৯ জন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,১৫২.
মুজিবনগর সরকারের ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রী ছিলেন-
  1. সৈয়দ নজরুল ইসলাম
  2. এম. মনসুর আলী
  3. এ.এইচ.এম. কামরুজ্জামান
  4. তাজউদ্দীন আহমদ
সঠিক উত্তর:
এ.এইচ.এম. কামরুজ্জামান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এ.এইচ.এম. কামরুজ্জামান
ব্যাখ্যা

• ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল আনুষ্ঠানিকভাবে মুজিবনগর সরকারের মন্ত্রিসভা শপথ গ্রহণ করে।
• এই সরকারের কাঠামো ছিল নিম্নরূপঃ
- রাষ্ট্রপতিঃ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান;
- উপরাষ্ট্রপতিঃ সৈয়দ নজরুল ইসলাম;
- প্রধানমন্ত্রীঃ তাজউদ্দীন আহমদ;
- অর্থ, বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রীঃ এম মনসুর আলী;
- স্বরাষ্ট্র, কৃষি, ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রীঃ এ.এইচ.এম. কামরুজ্জামান;
- পররাষ্ট্র ও আইনমন্ত্রীঃ খন্দকার মোশতাক আহমেদ;
- প্রধান সেনাপতিঃ কর্নেল অবসরপ্রাপ্ত এম. এ. জি ওসমানী;
- চিফ অব স্টাফঃ কর্নেল (অব.) আব্দুর রব;
- ডেপুটি চিফ অব স্টাফ ও বিমান বাহিনীর প্রধানঃ গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ. কে. খন্দকার।

উৎসঃ পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।

৪,১৫৩.
What is the first incident of Bengali national liberation struggle?
  1. Education Movement
  2. Language Movement
  3. Six point Movement
  4. Lahore Proposal
সঠিক উত্তর:
Language Movement
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Language Movement
ব্যাখ্যা
সংগ্রাম:
- বাঙালির জাতীয় মুক্তি সংগ্রামের প্রথম ঘটনা ভাষা আন্দোলন।
- এই আন্দোলনের মধ্য দিয়েই বাঙালি জাতীয়তাবোধের উন্মেষ ঘটে।
- ভাষার আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটে ১৯৪৭ সালে এবং চূড়ান্ত রূপ লাভ করে ১৯৫২ সালে।

অন্যদিকে,
- শিক্ষা আন্দোলন সংঘটিত হয় ১৯৬২ সালে।
- ছয়দফা আন্দোলন আন্দোলন সংঘটিত হয় ১৯৬৬-৬৮ সালে।
- মহান মুক্তিযুদ্ধ সংঘটিত হয় ১৯৭১ সালে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
৪,১৫৪.
যুক্তফ্রন্টের পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রিসভা কত সদস্য বিশিষ্ট ছিল?
  1. ৪ জন
  2. ১১ জন
  3. ১৪ জন
  4. ১৭ জন
সঠিক উত্তর:
১৪ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪ জন
ব্যাখ্যা

যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রিসভা:
- ১৯৫৪ সালের ৩ এপ্রিল যুক্তফ্রন্ট ৪ সদস্য বিশিষ্ট মন্ত্রিসভা গঠন করে। মুখ্যমন্ত্রী হন শের-ই-বাংলা এ কে ফজলুল হক। অন্যান্য মন্ত্রী-
১. অর্থ, রাজস্ব ও স্বরাষ্ট্র- এ কে ফজলুল হক।
২. বিচার, স্বাস্থ্য ও স্থানীয় সরকার- আবু হোসেন সরকার।
৩. বেসামরিক সরবরাহ ও যোগাযোগ মন্ত্রী- আশরাফ উদ্দিন আহমদ চৌধুরী।
৪. শিক্ষা, বাণিজ্য, শ্রম ও শিল্প - সৈয়দ আজিজুল হক।
- পরবর্তীতে ১৫ মে,১৯৫৪ সালে ১৪ জন সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রীসভা গঠিত হয়।
- রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং ফজলুল হক মন্ত্রীসভা বাংলাকে স্বাধীন করবে এমন অজুহাতে ১৯৫৪ সালের ৩০ মে পাকিস্তানের গভর্নর জেনারেল গোলাম মোহাম্মদ যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রী পরিষদ বাতিল করেন।
- ফজলুল হক মন্ত্রীসভা দ্বায়িত্বে ছিল মাত্র ৫৬ দিন যার মধ্যে পূর্নাঙ্গ মন্ত্রীসভা দ্বায়িত্বে ছিল মাত্র ১৫ দিন।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও পৌরনীতি ও সুশাসন (২য় পত্র), প্রফেসর মো: মোজাম্মেল হক।

৪,১৫৫.
কত সালে একুশে ফেব্রুয়ারিকে 'আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস' হিসেবে পালন শুরু হয়?
  1. ১৯৯৭ সালে
  2. ১৯৯৯ সালে
  3. ২০০০ সালে
  4. ২০০১ সালে
সঠিক উত্তর:
২০০০ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০০ সালে
ব্যাখ্যা
ইউনেস্কো ও বাংলা ভাষা:
- ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে স্বতঃস্ফূর্তভাবে মিছিল নিয়ে রাজপথে নেমে আসেন।
- সেই উত্তাল মিছিলে পুলিশ নির্বিচার গুলি চালালে সালাম, বরকত, রফিক, শফিক, জব্বারসহ নাম না–জানা অনেকে শহীদ হন।

⇒ মাতৃভাষার জন্য জীবন উৎসর্গ করা বাংলা মায়ের সাহসী সন্তানদের অনন্য আত্মত্যাগের এই দিনকে জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতিবিষয়ক সংস্থা ইউনেস্কো ১৯৯৯ সালে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের স্বীকৃতি দেয়।
- ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর প্যারিসে অনুষ্ঠিত ইউনেস্কোর ৩০তম সাধারণ সম্মেলনে ২১ ফেব্রুয়ারিকে 'আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস' হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
- ২০০০ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি থেকে সারা বিশ্বে এ দিবস পালন শুরু হয়।
- তারপর থেকে সারা বিশ্বেই নিজ নিজ মাতৃভাষা নিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচির ভেতর দিয়ে দিনটি পালিত হচ্ছে।

• বাংলা ভাষাকে বিশ্বের মাঝে যথাযথভাবে তুলে ধরার জন্য ২০০৩ সালে বাংলাদেশ সরকার ইউনেস্কোকে 'একুশে পদক' প্রদান করেন।

উৎস: i) সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
ii) বাংলাপিডিয়া।
৪,১৫৬.
ভারত-বাংলাদেশ যৌথ বাহিনী গঠিত হয় কবে?
  1. ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১
  2. ৩ ডিসেম্বর ১৯৭১
  3. ২১ নভেম্বর ১৯৭১
  4. ৬ ডিসেম্বর ১৯৭১
সঠিক উত্তর:
২১ নভেম্বর ১৯৭১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২১ নভেম্বর ১৯৭১
ব্যাখ্যা
যৌথ কমান্ড গঠন:
- মুক্তিবাহিনী ও ভারতীয় বাহিনী মিলে 'যৌথ কমান্ড' গঠন করে।
- সময়: ১৯৭১ সালের ২১ নভেম্বর।
- লেফটেন্যান্ট জেনারেন জগজিৎ সিং অরোরার নেতৃত্বে এই বাহিনী গঠিত হয়।
- ৩ ডিসেম্বর পাকিস্তান ভারতে আক্রমণ করলে ভারত সরাসরি মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণের সিদ্ধান্ত নেয়।
- ৬ থেকে ১৬ ডিসেম্বর ভারতীয় বাহিনী মুক্তিবাহিনীর সাথে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করে।
- ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর এই যৌথ কমান্ড এর নিকট পাক-বাহিনী আত্মসমর্পণ করে।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি। বাংলাপিডিয়া।
৪,১৫৭.
'আসামীর হাজতবাস কারাদণ্ড ভোগের সময় থেকে বাদ দেওয়ার' সাম্প্রতিক নির্দেশটি দিয়েছেন-
  1. আপিল বিভাগ
  2. স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
  3. হাইকোর্ট বিভাগ
  4. অ্যাটর্নি জেনারেল
সঠিক উত্তর:
আপিল বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপিল বিভাগ
ব্যাখ্যা
- আসামির হাজতবাস কারাদণ্ড ভোগের সময় থেকে বাদ দিতে নির্দেশ দিয়েছেন আপিল বিভাগ।
- স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। 
- সোমবার প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন পাঁচ বিচারপতির আপিল বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

তথ্যসূত্র - যুগান্তর, ০১ নভেম্বর, ২০২১।
৪,১৫৮.
'জয় বাংলা বাংলার জয়' গানটির সুরকার কে?
  1. গাজী মাজহারুল আনোয়ার
  2. গোবিন্দ হালদার
  3. আনোয়ার পারভেজ
  4. নজরুল ইসলাম বাবু
সঠিক উত্তর:
আনোয়ার পারভেজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আনোয়ার পারভেজ
ব্যাখ্যা
জয় বাংলা বাংলার জয়:
- 'জয় বাংলা বাংলার জয়' গানটিকেই বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের রণসংগীত হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
- এই গানের সুরকার আনোয়ার পারভেজ।
- গানটি লিখেছেন গাজী মাজহারুল আনোয়ার।

উল্লেখ্য,
- এক সাক্ষাৎকারে গানটির গীতিকার গাজী মাজহারুল আনোয়ার বলেন, 'আমার কথার আনোয়ার পারভেজ যে সুরের অলংকার পরিয়ে দিয়েছিলেন, তা মানুষের হৃদয়ে ঠাঁই করে নিয়েছে।
- 'জয় বাংলা বাংলার জয়' গানটি মুক্তিযুদ্ধের পুরো নয়টা মাস মানুষকে অনুপ্রাণিত করেছে।

উৎস: ১৬ ডিসেম্বর ২০২০, প্রথম আলো। 
৪,১৫৯.
আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার প্রধান আসামী কে ছিলেন?
  1. ক) তাজউদ্দিন আহমেদ
  2. খ) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
  3. গ) সৈয়দ নজরুল ইসলাম
  4. ঘ) সার্জেন্ট জহুরুল
সঠিক উত্তর:
খ) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
ব্যাখ্যা

- ১৯৬৮ সালের ৩ জানুয়ারি পাকিস্তান সরকার আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দাযের করে। ১৮ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধুকে এই মামলায় অভিযুক্ত করা হয়।
- এই মামলায় প্রধান আসামী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ মোট আসামি ছিলো ৩৫ জন।
- ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে ১৯ জুন কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে এই মামলার বিচারকার্য শুরু হয়। এই মামলার অন্যতম আসামী সার্জেন্ট জহুরুল হককে ১৫ ফেব্রুযারি ১৯৬৯ ঢাকা সেনানিবাসে বন্দি অবস্থায় গুলি করে হত্যা করা হয়।
- এতে আন্দোলন আরো তীব্র আকার ধারণ করে। যার কারণে আইয়ুব খান সরকার ১৯৬৯ সালের ২২শে ফেব্রয়ারি আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার করে বঙ্গবন্ধু সহ সকল রাজবন্দিদের মুক্তিদানে বাধ্য হয়।

(সূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া)

৪,১৬০.
পলাশীর যুদ্ধে কোন ফরাসি সেনাপতি সিরাজউদ্দৌলার পক্ষে যুদ্ধ করেন?
  1. কাউন্ট শ্যালী
  2. সিনফ্রে
  3. মার্কুইস সি
  4. দুপ্লেই
সঠিক উত্তর:
সিনফ্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিনফ্রে
ব্যাখ্যা

পলাশীর যুদ্ধ:
- ১৭৫৭ খ্রিস্টাব্দে ২৩ জুন ভাগীরথী নদীর তীরে পলাশীর আমবাগানে নবাব সিরাজউদ্দৌলার সঙ্গে ইংরেজ সেনাপতি রবার্ট ক্লাইভের যুদ্ধ হয়।
- এই যুদ্ধে নবাবের পক্ষে ছিলেন দেশপ্রেমিক মীরমদন, মোহন লাল এবং ফরাসি সেনাপতি সিনফ্রে।
- জেতার সবধরণের সুযোগ সুবিধা এবং এদের প্রাণপাত লড়াইয়ের পরও নবাব পরাজিত হন তার সেনাপতি মীরজাফরের বিশ্বাসঘাতকতার কারণে।
- সিরাজউদ্দৌলার পরাজয় ও মৃত্যু বাংলায় প্রত্যক্ষ ঔপনিবেশিক শাসনের পথ সুগম করে।
- যুদ্ধের ফলে মীরজাফরকে বাংলার সিংহাসনে বসালেও প্রকৃত ক্ষমতা ছিল রবার্ট ক্লাইভের হাতে।
- পলাশী যুদ্ধের ফলে ইংরেজ বা বাংলায় একচেটিয়া ব্যবসা-বাণিজ্যের সুযোগ পায়।

তথ্যসূত্র- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,১৬১.
বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় মোবাইল ব্রাউজার -
  1. দুরন্ত
  2. মোজাইক
  3. তর্জনী
  4. দোয়েল
সঠিক উত্তর:
তর্জনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তর্জনী
ব্যাখ্যা
তর্জনী:
- বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় মোবাইল ব্রাউজার ‘তর্জনী’।
- বাংলায় সহজে ইন্টারনেট ব্যবহারের সুযোগ দিতে জাতীয় মোবাইল ব্রাউজার (ওয়েবসাইট দেখার অ্যাপ) ‘তর্জনী’ চালু করেছে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিভাগ।
- আইসিটি বিভাগের আওতাধীন বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের (বিসিসি) ‘বাংলাদেশ সরকারের জন্য নিরাপদ ই-মেইল ও ডিজিটাল লিটারেসি সেন্টার স্থাপন’ প্রকল্পের আওতায় তর্জনী ব্রাউজারটি তৈরি করা হয়েছে। 
- ২০২৩ সালের ৭ মার্চে চালু হয়।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দরাজ কণ্ঠের সাতই মার্চের ভাষণই বাঙালি জাতিকে মুক্তিযুদ্ধে উদ্বুদ্ধ করেছিল।
- সেদিন তার তর্জনী আঙ্গুল এর শক্তি দেখেছিলো পাক হানাদার বাহিনী আর উজ্জীবিত করেছিল বাঙালি জাতিকে। 
- সেখান থেকে অনুপ্রাণিত হয়েই এই বাংলা ব্রাউজারের নামকরণ করা হয়েছে ‘তর্জনী’। 
- ৩০ লক্ষ শহীদ এর বিনিময়ে অর্জন করতে হয়েছে লাল সবুজ এর স্বাধীন দেশ এর পতাকা; তাই এই ব্রাউজারটি করা হয়েছে লাল সবুজের মিশ্রণে ।

অন্যদিকে -
- প্রথম ব্যবহৃত ওয়েব ব্রাউজার হচ্ছে 'মোজাইক'।
- ২০২১ সালের ২৮ ফেব্রয়ারী ভাষার মাসে যাত্রা শুরু করল দেশের প্রথম বাংলা ভাষাভিত্তিক ব্রাউজার ‘দুরন্ত’।

উৎস: ৭ মার্চ, ২০২৩, প্রথম আলো।
৪,১৬২.
কোন সংগঠনটি আগে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন
  2. বাংলাদেশ ছাত্রলীগ
  3. বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ
  4. আওয়ামী যুবলীগ
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ ছাত্রলীগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ ছাত্রলীগ
ব্যাখ্যা

- ৪ জানুয়ারি, ১৯৪৮ সালে পূর্ব বাংলা মুসলিম ছাত্রলীগ প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ঢাকার কে.এম. দাস লেনের রোজগার্ডেনে এক কর্মী সম্মেলনে পূর্ব বাংলার বাঙালি প্রগতিশীল নেতা ও কর্মী ঢাকায় মিলিত হয়ে ১৯৪৯ সালের ২৩ জুন 'আওয়ামী মুসলিম লীগ' গঠন করেন।
- আওয়ামী যুবলীগ গঠিত হয় ১৯৭২ সালে।
- আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ গঠিত হয় ১৯৯৪ সালে।
- বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন গঠিত হয় ১৯৫২ সালে।


উৎসঃ সংশ্লিষ্ট সংগঠনের ওয়েবসাইট।

৪,১৬৩.
কোন মৌর্য সম্রাটের সময়ে উত্তর বাংলায় মৌর্য শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. সম্রাট চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য
  2. সম্রাট বিন্দুসার
  3. সম্রাট অশোক
  4. সম্রাট দশরথ
সঠিক উত্তর:
সম্রাট অশোক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্রাট অশোক
ব্যাখ্যা
মৌর্য সাম্রাজ্য:
- আলেকজান্ডারের ভারত ত্যাগের মাত্র দুই বছর পর ৩২১ খ্রিষ্টপূর্বাব্দে মৌর্য সম্রাট চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য ভারতের এক বিশাল অঞ্চলের ওপর মৌর্য বংশের প্রভুত্ব স্থাপন করেন।
- উত্তর বাংলায় মৌর্য শাসন প্রতিষ্ঠিত হয় সম্রাট অশোকের রাজত্বকালে (২৬৯-২৩২ খ্রিষ্টপূর্ব)।
- অঞ্চলটি মৌর্যদের একটি প্রদেশে পরিণত হয়েছিল।
- প্রাচীন পুণ্ড্রনগর ছিল এ প্রদেশের রাজধানী।
- উত্তর বঙ্গ ছাড়াও মৌর্য শাসন কর্ণসুবর্ণ (মুর্শিদাবাদ), তাম্রলিপ্ত, (হুগলী) ও সমতট (দক্ষিণ-পূর্ব বাংলা) অঞ্চলে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৪,১৬৪.
'মহাস্থানগড়' কোন নদীর তীরে অবস্থিত?
  1. তিস্তা
  2. কপোতাক্ষ
  3. মহানন্দা
  4. করতোয়া
সঠিক উত্তর:
করতোয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
করতোয়া
ব্যাখ্যা

• মহাস্থানগড়:
- মহাস্থানগড় এক সময় বাংলার রাজধানী ছিল।
- এর অবস্থান বগুড়া জেলার শিবগঞ্জ উপজেলায়।
- বগুড়া শহর থেকে প্রায় ১০ কি.মি উত্তরে মহাস্থানগড় অবস্থিত।
- মহাস্থানগড় বগুড়ায় জেলার করতোয়া নদীর তীরে অবস্থিত।
- সেন বংশের শেষ রাজা লক্ষ্মণ সেন (১০৮২-১১২৫) যখন গৌড়ের রাজা ছিলেন তখন এই গড় অরক্ষিত ছিল।
- মহাস্থানগড় বাংলাদেশের অন্যতম একটি প্রাচীন পর্যটন কেন্দ্র।
- এটি বাংলাদেশের প্রাচীনতম নগর কেন্দ্র মহাস্থানগড়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

৪,১৬৫.
মৌলিক গণতন্ত্র ব্যবস্থায় স্থানীয় স্বায়ত্তশাসনের কয়টি স্তর ছিল?
  1. ৩টি
  2. ৪টি
  3. ৫টি
  4. ৬টি
সঠিক উত্তর:
৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪টি
ব্যাখ্যা
মৌলিক গণতন্ত্র:
- 'মৌলিক গণতন্ত্র' ব্যবস্থাটি আইয়ুব খানের অভিনব উদ্ভাবন।
- এটি ছিল চারস্তর বিশিষ্ট স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন ব্যবস্থা।
- ১৯৫৯ সালে জারিকৃত মৌলিক গণতন্ত্র আদেশ এর উদ্দেশ্য ছিল জনগণের ইচ্ছেকে সরকারের কাছাকাছি এবং সরকারি কর্মকর্তাদেরকে জনগণের কাছাকাছি এনে গণতান্ত্রিক বিকেন্দ্রীকরণ-এর ব্যবস্থা করা।
- মৌলিক গণতন্ত্র ব্যবস্থায় স্থানীয় স্বায়ত্তশাসনের চারটি স্তর ছিল। যথা-
(১) ইউনিয়ন কাউন্সিল (গ্রাম এলাকায়) এবং টাউন কমিটি (শহর এলাকায়)।
(২) থানা কাউন্সিল (পূর্ব পাকিস্তানে) এবং তহশিল কাউন্সিল (পশ্চিম পাকিস্তানে)।
(৩) জেলা কাউন্সিল।
(৪) বিভাগীয় কাউন্সিল।

উল্লেখ্য যে, 
[শুধুমাত্র সংগ্রামের নোটবুক ও বাংলাপিডিয়া মৌলিক গণতন্ত্রের ৫টি স্তর বলা হয়েছে। কিন্তু  পৌরনীতি ও সুশাসন, ইতিহাস, ও  বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা এবং স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র, প্রথম খন্ডের মধ্যে  মৌলিক গণতন্ত্রের ৪টি স্তরের কথা বলা হয়েছে। তাই অধিক গ্রহনযোগ্য হিসেবে ৪ টি উত্তর নেওয়া হয়েছে।]

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,১৬৬.
"জমি থেকে খাজনা আদায় আল্লাহর আইনের পরিপন্থি’’ উক্তিটি কে বলেছেন? 
  1. দুদু মিয়া
  2. হাজী শরীয়তুল্লাহ
  3. সৈয়দ আমীর আলী
  4. মীর নিসার আলী
সঠিক উত্তর:
দুদু মিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুদু মিয়া
ব্যাখ্যা

দুদু মিয়া:
- হাজী শরীয়তুল্লাহ ১৭৮১ খ্রিস্টাব্দে মাদারীপুর জেলায় জন্মগ্রহণ করেন।
- ফরায়েজী আন্দোলনের প্রধান কেন্দ্র ছিল ফরিদপুর জেলায় এবং তার নেতৃত্বে এটি শুরু হয়।
- হাজী শরীয়তুল্লাহর মৃত্যুর পর ফরায়েজী আন্দোলনের নেতৃত্ব দেন তাঁর পুত্র দুদু মিয়া।
- তিনি ধর্মীয় সংস্কারমূলক এ আন্দোলনকে রাজনৈতিক আন্দোলনে রূপ দেন।
- দুদু মিয়া ঘোষণা করেন, "জমি থেকে খাজনা আদায় আল্লাহর আইনের পরিপন্থি”।

​উৎস : পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রথমপত্র, মো. মোজাম্মেল হক।

৪,১৬৭.
আফ্রিকান কোন দেশটি বাংলাদেশকে প্রথম স্বীকৃতি দেয়?
  1. সেনেগাল
  2. ঘানা
  3. নাইজেরিয়া
  4. উগান্ডা
সঠিক উত্তর:
সেনেগাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সেনেগাল
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের স্বীকৃতি লাভ:
- ১৯৭২ জানুয়ারি মাসেই পূর্ব জার্মানি, বুলগেরিয়া, পোল্যান্ড, মিয়ানমার, নেপাল, সোভিয়েত ইউনিয়ন স্বীকৃতি দেয়।
- ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর ইরাক প্রথম আরব দেশ হিসেবে ০৮ জুলাই ১৯৭২ সালে বাংলাদেশকে একটি স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।
- ১৯৭৪ সালের ২২শে ফেব্রুয়ারি পাকিস্তান বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।
- সেনেগাল (১ ফেব্রুয়ারি), মালয়েশিয়া (২৪ ফেব্রুয়ারি), ইন্দোনেশিয়া (২৪ ফেব্রুয়ারি), গাম্বিয়া (মার্চ), গ্যাবন (৬ এপ্রিল), সিয়েরা লিওন (২১ এপ্রিল), ইরাক (৮ জুলাই), দক্ষিণ ইয়েমেন (৩১ জুলাই), উগান্ডা (৫ আগস্ট), বুরকিনা ফাসো (১৯ আগস্ট) প্রভৃতি মুসলিম দেশ ১৯৭২ সালের মধ্যেই বাংলাদেশকে একটি স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।
- ইরান ও তুরস্ক ২২ ফেব্রুয়ারি ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট, দৈনিক কালের কণ্ঠ, ডিসেম্বর ২১, ২০১৬ ও বিবিসি, মার্চ ২৬, ২০২১।
৪,১৬৮.
ছয় দফা কর্মসূচি ১৯৬৬ সালের কত তারিখে পেশ করা হয়?
  1. ক) ৫ ফ্রেব্রুয়ারি
  2. খ) ৮ ফ্রেব্রুয়ারি
  3. গ) ১২ ফ্রেব্রুয়ারি
  4. ঘ) ২৩ মার্চ
সঠিক উত্তর:
ক) ৫ ফ্রেব্রুয়ারি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৫ ফ্রেব্রুয়ারি
ব্যাখ্যা
• ১৯৬৬ সালের ছয় দফা বাঙালি জাতির জীবনে এক তাৎপর্যপূর্ণ অধ্যায়। ধর্মগত ঐক্যের ভিত্তিতে রাষ্ট্র তৈরি হলেও, পাকিস্তান সৃষ্টির পর থেকে বাঙালিদের প্রতি বিমাতাসুলভ আচরণ করা হয়। অর্থনৈতিক উন্নয়ন, সামরিক-বেসামরিক চাকরি, শিক্ষা ও অন্যান্য ক্ষেত্রে বাঙালীদের প্রতি ক্রমবর্ধমান বৈষম্য দেখানো হয়।
• শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৬৬ সালের ৫ ও ৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে অনুষ্ঠিত বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর সম্মেলনে যোগ দেয়ার জন্য আওয়ামী লীগের শীর্ষস্থানীয় নেতাদের নিয়ে শেখ মুজিবুর রহমান ৪ ফেব্রুয়ারি লাহোর পৌঁছেন।
• পরদিন অর্থাৎ ৫ ফেব্রুয়ারি সাবজেক্ট কমিটির সভায় তিনি পূর্ব পাকিস্তানের জনগণের দাবি হিসেবে ‘ছয়দফা’ প্রস্তাব পেশ করেন এবং তা সম্মেলনের আলোচ্যসূচির অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানান। কিন্তু সম্মেলনের উদ্যোক্তারা এ প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন। 
• পরদিন অর্থাৎ ৬ ফেব্রুয়ারি পশ্চিম পাকিস্তানি পত্রপত্রিকায় ছয়দফার বিবরণ ছাপিয়ে শেখ মুজিবকে বিচ্ছিন্নতাবাদীরূপে চিত্রিত করা হয়। ফলে শেখ মুজিব ৬ ফেব্রুয়ারির সম্মেলন বর্জন করেন।
• আনুষ্ঠানিকভাবে ছয় দফা উত্থাপন করা হয় লাহোর প্রস্তাবের সাথে মিল রেখে ২৩ মার্চ।
• ১৯৬৬ সালের ৭ জুন হরতালে পুলিশের গুলিতে নিহত হন আওয়ামী লীগের মনু মিয়া, মজিবুল্লাহ, শফিক, শামসুল হকসহ ১১ জন।
• বর্তমানে ৭ জুন ছয় দফা দিবস হিসেবে পালিত হয়।  

নোট:- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৬৬ সালের ৬ ফেবু্রয়ারি ঐতিহাসিক মুক্তির বাণী তথা ‘ছয় দফা’ কর্মসূচি পেশ করেন। (পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)। যদি প্রশ্নে ৫ ফ্রেব্রুয়ারি না থাকে তাহলে ৬ ফ্রেব্রুয়ারি উত্তর করতে হবে। 

তথ্যসূত্র:- বাংলাপিডিয়া, পৌরনীতি, এস এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,১৬৯.
মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বসূচক খেতাবপ্রাপ্ত সর্বকনিষ্ঠ মুক্তিযোদ্ধা কে ছিলেন?
  1. কামরুল ইসলাম
  2. আব্দুল কাদের
  3. শহীদুল ইসলাম লালু
  4. মোহাম্মদ আজিজ
  5. নূর মােহাম্মদ শেখ
সঠিক উত্তর:
শহীদুল ইসলাম লালু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শহীদুল ইসলাম লালু
ব্যাখ্যা

শহীদুল ইসলাম লালু:
- মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বসূচক খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে সর্বকনিষ্ঠ ছিলেন শহীদুল ইসলাম লালু।
- তিনি মাত্র ১৩ বছর বয়সে মহান স্বাধনীনতা যুদ্ধে বীরত্বপূর্ন অবদান রেখে বীর প্রতীক খেতাব পেয়ে ছিলেন।
- শহিদুল ইসলাম লালু বীরপ্রতীক খেতাবপ্রাপ্ত।
- তিনি মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে ১১ নম্বর সেক্টরে যুদ্ধ করেন।

উল্লেখ্য,
- মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে মুক্তিবাহিনী ছাড়াও দেশের ভেতরে বিভিন্ন জায়গায় কয়েকটি সশস্ত্র আঞ্চলিক বাহিনী গড়ে ওঠে।
- এর মধ্যে কাদেরিয়া বাহিনী অন্যতম।
- এ বাহিনীর একটি দলের সঙ্গে ছিলেন শহীদুল ইসলাম।
- শহীদুল ইসলামের গ্রামের বাড়ী ছিলো সুখী পলাশপাড়া, গোপালপুর, টাঙ্গাইল।
- শুরুতে তিনি স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে মুক্তিযোদ্ধাদের সাহায্য- সহযোগিতা, অস্ত্র-গোলাবারুদ বহন ও সংবাদ সংগ্রহের কাজ করতেন।
- পরে ভারতের মেঘালয় রাজ্যের তুরায় অস্ত্র চালনার প্রশিক্ষণ নেন।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৪,১৭০.
প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কতটি দল অংশগ্রহন করে?
  1. ১৬টি
  2. ১০টি
  3. ৫টি
  4. ১৪টি
সঠিক উত্তর:
১৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪টি
ব্যাখ্যা
প্রথম নির্বাচন: 
- বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচন ১৯৭৩ সালে।
- নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়ঃ ৭ই মার্চ ১৯৭৩ সালে।
- প্রধান নির্বাচন কমিশনারঃ বিচারপতি এম ইদ্রিস।
- স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের এটিই ছিল সর্বপ্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচন।
- এই নির্বাচনে আওয়ামী লীগ জয় লাভ করে।
- মোট ৩০০টি আসনের মধ্যে আওয়ামী লীগ ২৯৩টি আসন লাভ করে।
- এই নির্বাচনের সূত্রে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলেন।
- তিনি ঢাকা-১২ আসন থেকে বিজয়ী হয়েছিলেন।
- মোট আসন: ৩০০।
- সংরক্ষিত মহিলা আসন: ১৫ টি।
- অংশগ্রহণকারী মোট দল: ১৪ টি।

উৎস: মুক্তিযুদ্ধ আর্কাইভ।
৪,১৭১.
মুক্তিযুদ্ধে বীরপ্রতীক খেতাবপ্রাপ্ত নারীর সংখ্যা কত?
  1. ১ জন
  2. ২ জন
  3. ৩ জন
  4. ৪ জন
সঠিক উত্তর:
২ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ জন
ব্যাখ্যা

মুক্তিযুদ্ধের খেতাব:
- মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদান ও বীরত্বের জন্যে ১৯৭৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর বঙ্গবন্ধু সরকার মোট ৬৭৬ জনকে চারটি বীরত্বসূচক খেতাব বা উপাধি প্রদান করে। এগুলো হলো:
- সর্বোচ্চ খেতাব বীরশ্রেষ্ঠ : ৭জন।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ খেতাব বীরউত্তম : ৬৮ জন।
- তৃতীয় সর্বোচ্চ খেতাব বীরবিক্রম : ১৭৫ জন।
- চতুর্থ সর্বোচ্চ খেতাব বীরপ্রতীক : ৪২৬জন।

মহিলা বীরপ্রতীক:
- বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে অসামান্য অবদানের জন্য ২ জন মহিলাকে বীরপ্রতীক উপাধিতে ভূষিত করা হয়।
- তাঁরা হলেন- ডা. সেতারা বেগম ও তারামন বিবি।
- তারামন বিবি ও ডা. সেতারা বেগম ১৯৭১ সালের স্বাধীনতাযুদ্ধে যথাক্রমে ১১ ও ২ নং সেক্টরে যুদ্ধ করেন।

তথ্যসূত্র - মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও বাংলাপিডিয়া।

৪,১৭২.
দেশের প্রথম মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক জাদুঘর স্থাপিত হয় কোথায়?
  1. সেগুনবাগিচা
  2. রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
  3. রাজারবাগ
  4. চট্টগ্রাম
সঠিক উত্তর:
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের প্রথম মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক জাদুঘর হলো ‘শহীদ স্মৃতি সংগ্রহশালা’। এটি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থিত যা ১৯৭৬ সালে স্থাপিত হয়।
- ১৯৯০ সালে জাদুঘরটি স্থায়ী ভবনে স্থানান্তরিত হয়।
- আগারগাঁওয়ে অবস্থিত মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর ১৯৯৬ সালের ২২শে মার্চ বেসরকারি উদ্যোগে সেগুনবাগিচায় যাত্রা শুরু করে যা ২০১৭ সালের ১৬ এপ্রিল আগারগাঁওয়ে নিজস্ব ভবনে স্থানান্তর করা হয়।
(তথ্যসূত্র: প্রথম আলো এবং মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর ওয়েবসাইট)
৪,১৭৩.
চীনা পরিব্রাজক ফা-হিয়েন কোন বংশের শাসনামলে বাংলায় আগমন করেন?
  1. মৌর্য বংশ
  2. গুপ্ত বংশ
  3. শাহী বংশ
  4. সেন বংশ
সঠিক উত্তর:
গুপ্ত বংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গুপ্ত বংশ
ব্যাখ্যা
ফা-হিয়েন:
- ফা-হিয়েন ভারতে চৈনিক তীর্থ-ভ্রমণকারীদের মধ্যে সর্বপ্রথম যাঁর বিবরণী পাওয়া যায়, তিনি হচ্ছেন ফা-হিয়েন।
- পাঁচ শতকের সূচনায় তিনি ভারত ভ্রমণ করেন।
- এ সময় গুপ্ত বংশীয়রা বাংলার অংশবিশেষসহ ভারত শাসন করছিলেন।
- ফা-হিয়েন ৩৯৯ খ্রিস্টাব্দে চীন থেকে যাত্রা শুরু করেন এবং ১৪ বছর পর আবার চীনে ফিরে যান।
- ভারত ভ্রমণের শেষ পর্যায়ে তিনি সীমান্ত রাজ্য চম্পার মধ্য দিয়ে বাংলায় প্রবেশ করেন।
- তাঁর গন্তব্যস্থল ছিল সে সময়ের বিখ্যাত আন্তর্জাতিক বন্দর তাম্রলিপ্তি (তমলুক, পশ্চিমবঙ্গের বর্তমান মেদিনীপুর জেলার অন্তর্গত)।
- সেখান থেকেই সমুদ্রপথে তিনি অপর বৌদ্ধপ্রধান অঞ্চল শ্রীলঙ্কায় যেতে চেয়েছিলেন।
- শ্রীলঙ্কা যাওয়ার পূর্বে ফা-হিয়েন দীর্ঘ দুবছর তাম্রলিপ্তিতে বৌদ্ধ ধর্মগ্রন্থের অনুলিপি তৈরি ও বৌদ্ধ মূর্তির ছবি আঁকেন।
- তাঁর বিবরণী থেকে জানা যায়, এ সময় তাম্রলিপ্তিতে চবিবশটি বৌদ্ধ মঠ ও অনেক বৌদ্ধ সন্ন্যাসী ছিলেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
৪,১৭৪.
বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দানকারী প্রথম দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশের দেশ কোনটি?
  1. আর্জেন্টিনা
  2. ব্রাাজিল
  3. ভেনিজুয়েলা
  4. কলম্বিয়া
  5. উরুগুয়ে
সঠিক উত্তর:
ভেনিজুয়েলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভেনিজুয়েলা
ব্যাখ্যা
দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশের মধ্যে স্বীকৃতি:
- দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশের মধ্যে ভেনিজুয়েলা প্রথম  স্বীকৃতি প্রদান করে।
- ভেনিজুয়েলা বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে: ২ মে ১৯৭২।
- ব্রাজিল বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে: ১৫ মে, ১৯৭২।
- আর্জেন্টিনা বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে: ২৫ মে ১৯৭২।

বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দানকারী আরব দেশ:
- ইরাক প্রথম আরব দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়: ৮ জুলাই ১৯৭২ সালে।
- লেবানন বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়: ২৮ মার্চ, ১৯৭৩ সালে।
- ইরান বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়: ২২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৪ সালে।

বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দানকারী আরো কিছু উল্লেখযোগ্য রাষ্ট্র:
- বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দানকারী প্রথম মুসলিম দেশ আফ্রিকার - সেনেগাল।
- এশিয়ার মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়া প্রথম বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।
- এশিয়ার বাইরে প্রথম দেশ বা প্রথম ইউরোপীয় দেশ হিসেবে ১৯৭২ সালের ১১ জানুয়ারি স্বীকৃতি দেয় পূর্ব-জার্মানি।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় ৪ এপ্রিল, ১৯৭২ তারিখে।
- প্রথম পশ্চিমা দেশ হিসেবে গ্রেট ব্রিটেন বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় ১৯৭২ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি।
- ফ্রান্স বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে ১৪ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭২।

উৎস: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও প্রথম আলো।
৪,১৭৫.
'পাট্টা ও কবুলিয়ত' প্রথার প্রবর্তক কে?
  1. হুমায়ুন
  2. আকবর
  3. শাহজাহান
  4. শের শাহ
সঠিক উত্তর:
শের শাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শের শাহ
ব্যাখ্যা
• 'পাট্টা ও কবুলিয়ত' প্রথার প্রবর্তক শের শাহ।
- পাট্টা - ভূমি স্বত্বের দলিল; কবুলিয়াত -  চুক্তি দলিল
• শের শাহ:
- শূর শাসনের সূত্রপাত করেন আফগান শাসক শের শাহ।
- বিহারের শাসনকর্তা সুলতান মুহম্মদের মৃত্যুর পর শের শাহ বিহারের শাসন করেন।
- ১৫৩৮ সালে তিনি বাংলার সুলতান গিয়াসউদ্দিন মাহমুদকে পরাজিত করে বাংলা দখল করেন।
- শের শাহ বাংলায় 'ঘোড়ার ডাক' ব্যবস্থার প্রচলন করেন।
- তিনি ‘দাম’ নামক মুদ্রার প্রচলন করেন।
- সড়ক-ই-আজম বা বিখ্যাত গ্রান্ড ট্রাংক রোডের নির্মাতা তিনি।
- পাট্টা ও কাবুলিয়াত প্রথা চালু করেন শের শাহ। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৪,১৭৬.
“সাঁকো দিলাম, স্বাধিকার থেকে স্বাধীনতায় উন্নীত হওয়ার জন্য।” - উক্তিটি কার?
  1. ক) শেখ মুজিবুর রহমান
  2. খ) এ.কে. ফজলুল হক
  3. গ) মাওলানা ভাসানী
  4. ঘ) হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
সঠিক উত্তর:
ক) শেখ মুজিবুর রহমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) শেখ মুজিবুর রহমান
ব্যাখ্যা
ছয় দফা কর্মসূচি প্রসঙ্গে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এই কথা বলেন। তিনি প্রায় বলতেন, ‘ছয় দফার সাঁকো দিলাম স্বাধিকার থেকে স্বাধীনতায় উন্নীত হওয়ার জন্য।’

ছয় দফা কর্মসূচি বাঙালি জাতির ‘মুক্তির সনদ' (Charter of Freedom) বা 'ম্যাগনা কার্টা' (Magna Carta) হিসাবে পরিচিত। 

প্রকৃত অর্থে শেখ মুজিবের নেতৃত্বেই পশ্চিম পাকিস্তানের বিরুদ্ধে শোষণ-বিরোধী আন্দোলন গড়ে ওঠে। এরই এক পর্যায়ে ৫ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৬ লাহোরে বিরোধী দলগুলোর কনভেনশনে বঙ্গবন্ধু ‘ছয় দফা দাবি' উত্থাপন করেন।

ছয় দফা কর্মসূচি সমগ্র বাঙালির চেতনার মূলে অগ্নস্ফুিলিঙ্গ ঘটায়। এই দাবির পক্ষে বাঙালি জাতির সর্বাত্মক রায় ঘোষিত হয় ১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচনে। ১৯৭১ সালে এক সাগর রক্তের বিনিময়ে পৃথিবীর মানচিত্রে অভ্যুদয় ঘটে স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশের।

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি এবং দৈনিক যুগান্তর।
৪,১৭৭.
১৯৭০ সালে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে ছিলেন?
  1. বিচারপতি একেএম নুরুল ইসলাম
  2. বিচারপতি আব্দুস সাত্তার
  3. বিচারপতি এন এম হামিদুল্লাহ
  4. বিচারপতি আবু সায়েম চৌধুরী
সঠিক উত্তর:
বিচারপতি আব্দুস সাত্তার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিচারপতি আব্দুস সাত্তার
ব্যাখ্যা
• সত্তরের নির্বাচন:
- ১৯৭০ সালের ৭ ডিসেম্বর পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- এটি ছিল অবিভক্ত পাকিস্তানের প্রথম এবং শেষ সাধারণ নির্বাচন।
- নির্বাচনে মোট ২৪টি রাজনৈতিক দল অংশগ্রহণ করে।
- নির্বাচনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ছিলেন বিচারপতি আব্দুস সাত্তার।
- ১৯৭০ সালের ১ জানুয়ারি সকল রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের উপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হয়।
- ফলে সেদিন থেকেই নির্বাচনী প্রচারাভিযান শুরু হয়। 
- সমগ্র পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের আসন সংখ্যা ছিল ৩১৩টি, যার মধ্যে পূর্ব পাকিস্তানের আসন সংখ্যা ছিল ১৬৯টি (৭টি সংরক্ষিত মহিলা আসন সহ)।
- এই নির্বাচনে নৌকা প্রতীক নিয়ে আওয়ামী লীগ জাতীয় পরিষদে ১৬৯টি আসনের মধ্যে ১৬৭টি আসন লাভকরে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে।
- এছাড়া, এই নির্বাচনে পূর্ব পাকিস্তান প্রাদেশিক পরিষদে নৌকা প্রতীক নিয়ে আওয়ামী লীগ ৩০০টি আসনের মধ্যে ২৮৮টিতে জয়লাভ করেতসঃ

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৪,১৭৮.
বাংলাদেশে ই-পাসপোর্ট কত ধরনের নিরাপত্তা ফিচার সংযুক্ত করা হয়েছে?
  1. ৪০
  2. ৩৫
  3. ৩৮
  4. ৪১
সঠিক উত্তর:
৩৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৮
ব্যাখ্যা
ই-পাসপোর্ট:

- সাধারণ পাসপোর্ট থেকে ই-পাসপোর্টের পার্থক্য হলো, এতে মোবাইল ফোনের সিমের মতো ছোট ও পাতলা আকারের ইলেকট্রনিক মাইক্রোপ্রসেসর চিপ যুক্ত থাকবে।
- এই চিপ পাসপোর্টের একটি বিশেষ পাতার ভেতরে থাকবে।
- এই পাতা সাধারণ পাতার চেয়ে মোটা হবে।
- চিপে সংরক্ষিত বায়োমেট্রিক তথ্য বিশ্লেষণ করে পাসপোর্ট বহনকারীর পরিচয় শনাক্ত করা যাবে।
- এতে করে একজনের নাম-পরিচয় দিয়ে অন্য নামে পাসপোর্ট কেউ করতে পারবে না।
- এই পাসপোর্ট নকল হওয়ার আশঙ্কাও থাকবে না।
- সাধারণ পাসপোর্টের তুলনায় ই-পাসপোর্টে নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্যও থাকছে বেশি।
- এতে ৩৮ ধরনের নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য থাকবে, যার অনেক বৈশিষ্ট্য থাকবে লুকানো অবস্থায়।
- ই-পাসপোর্ট করার সময় মেশিন রিডেবল পাসপোর্টের (এমআরপি) ডেটাবেইসে পাওয়া তথ্যগুলো ই-পাসপোর্টে স্থানান্তর করা হবে।

তথ্যসূত্র - দৈনিক ইত্তেফাক, ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২০।
৪,১৭৯.
'সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ' কবে গঠন করা হয়?
  1. ১৯৪৭ সাল
  2. ১৯৪৮ সাল
  3. ১৯৫১ সাল
  4. ১৯৫২ সাল
সঠিক উত্তর:
১৯৪৮ সাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৪৮ সাল
ব্যাখ্যা
- ১৯৪৮ সালের ২ মার্চ কামরুদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে ‘সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’ গঠিত হয়।
- সংগ্রাম পরিষদ রাষ্ট্রভাষার ক্ষেত্রে সরকারের ষড়যন্ত্র রোধ করার জন্য ১৯৪৮ সালের ১১ মার্চ থেকে সাধারণ ধর্মঘটের ডাক দেয়। ঐদিন ঢাকায় বহু ছাত্র আহত এবং বঙ্গবন্ধুসহ অনেকে গ্রেফতার হন।
- ১৯৪৮-৫২ সালে ১১ মার্চ ভাষা দিবস হিসেবে পালন করা হতো।

অন্যদিকে,
সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয় -৩১ জানুয়ারি ১৯৫২ সালে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও অসমাপ্ত আত্মজীবনী।
৪,১৮০.
বাংলার আকবর বলা হয় কাকে?
  1. মুহাম্মদ বিন তুঘলক
  2. মুহাম্মদ ঘুরি
  3. কুতুব উদ্দিন আইবেক
  4. আলাউদ্দিন হোসেন শাহ
সঠিক উত্তর:
আলাউদ্দিন হোসেন শাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আলাউদ্দিন হোসেন শাহ
ব্যাখ্যা

আলাউদ্দিন হুসেন শাহ:
- সুলতান আলাউদ্দিন হুসেন শাহ ছিলেন হুসেন শাহি যুগের শ্রেষ্ঠ সুলতান।
- তিনি সৈয়দ হোসেন হাবসি শাসন উচ্ছেদ করে সিংহাসনে বসেন এবং সুলতান হয়ে 'আলাউদ্দিন হোসেন শাহ' উপাধি গ্রহণ করেন।
- তাঁর শাসনামল ছিল ১৪৯৮ থেকে ১৫১৯ সাল পর্যন্ত।
- তিনি 'বাংলার আকবর' হিসেবে পরিচিত ছিলেন।
- তাঁর আমলে শ্রী চৈতেন্যদেব "বৈষ্ণব ধর্ম" প্রচার করেন।
- তিনি বহু মসজিদ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও খানকাহ নির্মাণ করেন।
- ঐতিহাসিকগণ আলাউদ্দীন হোসেন শাহকে মধ্যযুগের 'গোপাল' হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।
- আলাউদ্দিন হোসেন শাহ ছোট সোনা মসজিদ নির্মাণ করেন।
- হিন্দু লেখকগণ আলাউদ্দীন হোসেন শাহের সুশাসনে মুগ্ধ হয়ে তাঁকে 'নৃপতি তিলক', 'জগৎভূষণ', 'কৃষ্ণাবতার' প্রভৃতি উপাধিতে ভূষিত করেন।

উৎস: i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
          ii) বাংলাপিডিয়া।

৪,১৮১.
প্রথম মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক চলচ্চিত্র কোনটি?
  1. গেরিলা
  2. ওরা এগারো জন
  3. আগামী
  4. সংগ্রাম
সঠিক উত্তর:
ওরা এগারো জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওরা এগারো জন
ব্যাখ্যা

ওরা এগারো জন:
- প্রথম মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক চলচ্চিত্র 'ওরা এগারো জন'।
- 'ওরা এগারো জন' চলচ্চিত্রটি প্রযোজনা করেন মাসুদ পারভেজ সোহেল রানা।
- বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা ওরা ১১ জন চলচ্চিত্রে মুক্তিযোদ্ধাদের দিয়ে অভিনয় করিয়েছিলেন নির্মাতা-প্রযোজক।
- “ওরা এগারো জন” চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেন চাষী নজরুল ইসলাম।
- একাত্তরে ১১টি সেক্টরে মুক্তিযুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করেছিলেন বাঙালিরা। বিষয়টি মাথায় রেখেই সিনেমার নাম রাখা হয়েছে ওরা ১১ জন।
- পরিচালক হিসেবে চাষী নজরুল ইসলামের প্রথম সিনেমা ছিল এটি।
- ওরা ১১ জন-এর শুটিং হয়েছিল জয়দেবপুরে।
- চিত্রগ্রাহক ছিলেন আবদুস সামাদ।
- ওরা ১১ জন সিনেমা শুরু হয় সাইফুল ইসলামের কণ্ঠে রবীন্দ্রসংগীত 'ও আমার দেশের মাটি' দিয়ে।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও দৈনিক প্রথম আলো, ১৩ আগস্ট ২০২২।

৪,১৮২.
১৯৫৪ সালে যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনী প্রতীক ছিলো - 
  1. মোমবাতি
  2. নৌকা
  3. দাঁড়িপাল্লা
  4. হাতপাখা
সঠিক উত্তর:
নৌকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নৌকা
ব্যাখ্যা

যুক্তফ্রন্ট:
- ১৯৫৩ সালে যুক্তফ্রন্ট গঠিত হয়েছিল।
- যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনী প্রতীক ছিলো 'নৌকা'।
- ২১ ফেব্রুয়ারিকে স্মরণীয় করে রাখার জন্য যুক্তফ্রন্টের ইশতেহার করা হয় ২১ দফা।
- ২১ দফা কর্মসূচির মুখ্য রচয়িতা ছিলেন আবুল মনসুর আহমদ।
- যুক্তফ্রন্ট তাদের ঐতিহাসিক ২১ দফা দাবিতে গণমানুষের অধিকারের কথা তুলে ধরে।

• এই দফাগুলো সংক্ষেপে বর্ণিত হলো:
১. বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা।
২. বিনা ক্ষতিপূরণে জমিদারি উচ্ছেদ করা এবং ভূমিহীন কৃষকদের মধ্যে উদ্বৃত্ত জমি বিতরণ।
৩. পাটের ব্যবসায় জাতীয়করণ করা।
৪. সমবায় কৃষি ব্যবস্থা প্রবর্তন করা।
৫. পূর্ব পাকিস্তানে লবণ শিল্প প্রতিষ্ঠা করা।
৬. কারিগর মুহাজিরদের কাজের ব্যবস্থা করা।
৭. বন্যা ও দুর্ভিক্ষ রোধের জন্য খাল খনন ও সেচের ব্যবস্থা করা।
৮. শিল্প ও খাদ্যে দেশকে স্বাবলম্বী করা।
৯. অবৈতনিক বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষার প্রবর্তন করা।
১০. শিক্ষা ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন করা।
১১. ঢাকা ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়কে স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে পরিণত করা।
১২. শাসন ব্যয় হ্রাস করা ও মন্ত্রীদের বেতন এক হাজার টাকার বেশি না করা।
১৩. দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতি বন্ধ করার কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা।
১৪. জন নিরাপত্তা আইন ও অর্ডিন্যান্স প্রভৃতি বাতিল করা।
১৫. বিচার ও শাসন বিভাগ পৃথকীকরণ করা।
১৬. মুখ্যমন্ত্রীর বাসভবন 'বর্ধমান হাউস'কে বাংলা ভাষা গবেষণাগারে পরিণত করা।
১৭. বাংলা ভাষা করার দাবিতে নিহত শহীদদের স্মৃতির উদ্দেশ্যে শহীদ মিনার নির্মাণ করা।
১৮. একুশে ফেব্রুয়ারিকে শহীদ দিবস ঘোষণা করে সরকারি ছুটির দিন ঘোষণা।
১৯. লাহোর প্রস্তাবের ভিত্তিতে পূর্ব পাকিস্তানের পূর্ণ স্বায়ত্তশাসন প্রদান।
২০. আইন পরিষদের মেয়াদ কোনোভাবেই বৃদ্ধি না করা।
২১. আইন পরিষদের আসন শূন্য হলে তিন মাসের মধ্যে উপনির্বাচন দিয়ে তা পূরণ করা।

উৎস: ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,১৮৩.
মুক্তিযুদ্ধে মেজর চিত্তরঞ্জন দত্ত কয় নং সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার ছিলেন?
  1. ক) ৫ নং
  2. খ) ৭ নং
  3. গ) ৪ নং
  4. ঘ) ৯ নং
সঠিক উত্তর:
গ) ৪ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৪ নং
ব্যাখ্যা
• মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর:
১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় ‍মুজিবনগর সরকার যুদ্ধ পরিচালনার সুবিধার্থে সমগ্র দেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করে।
- এসব সেক্টরকে আবার কতগুলো সাব সেক্টরে বিভক্ত করা হয়। প্রত্যেক সেক্টরে একজন করে সেক্টর কমান্ডার নিযুক্ত করা হয়।

মুক্তিকালীন ১১টি সেক্টরের কমান্ডারগণ:
১ নং সেক্টর: মেজর জিয়াউর রহমান ও মেজর রফিকুল ইসলাম।
২ নং সেক্টর- মেজর খালেদ মোশাররফ ও মেজর এ.টি.এম হায়দার।
৩ নং সেক্টর:মেজর কে. এম শফিউল্লাহ ও মেজর এ.এন.এম নূরুজ্জামান।
৪ নং সেক্টর: মেজর চিত্তরঞ্জন দত্ত ও ক্যাপ্টেন এ রব।
৫ নং সেক্টর: মেজর মীর শওকত আলী।
৬ নং সেক্টর: উইং কমান্ডার এম খাদেমুল বাশার।
৭ নং সেক্টর: মেজর নাজমুল হক, সুবেদার মেজর এ. রব ও মেজর কাজী নূরুজ্জামান।
৮ নং সেক্টর: মেজর আবু ওসমান চৌধুরী ও মেজর এম.এ মঞ্জুর।
৯ নং সেক্টর: মেজর এম.এ জলিল ও মেজর জয়নাল আবেদীন।
১০ নং সেক্টর: কোন নিয়মিত সেক্টর ছিলো না।
১১ নং সেক্টর: মেজর এম. আবু তাহের ও স্কোয়াড্রন লীডার হামিদুল্লাহ।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া।
৪,১৮৪.
স্বৈরাচার এরশাদ পতন আন্দোলনে নিহত শহীদ কে?
  1. হামিদুর রহমান
  2. নূর হোসেন
  3. মোহাম্মদ শামসুজ্জোহা
  4. রফিক
সঠিক উত্তর:
নূর হোসেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নূর হোসেন
ব্যাখ্যা

শহীদ নূর হোসেন:
- গণআন্দোলনের মুখে স্বৈরাচার এরশাদের পতন হয় ৬ই ডিসেম্বর, ১৯৯০ সালে।
- এই আন্দোলনের কারণে বাংলাদেশে জেনারেল এরশাদের ৯ বছরের স্বৈরাচারী শাসনের অবসান ঘটে।
- এর তিন বছর আগে আরেকটি গণআন্দোলনের মাধ্যমে স্বৈরাচার এরশাদের বিরুদ্ধে আন্দোলন করা হলেও সেটি ব্যর্থ হয়।।
- সেই আন্দোলনের সময় গণতন্ত্রের দাবিতে বুকে-পিঠে শ্লোগান লিখে রাস্তায় নামা এক তরুণ নুর হোসেন পুলিশের গুলিতে নিহত হন।
- নূর হোসেনের বুকে-পিঠে লেখা শ্লোগান 'স্বৈরাচার নিপাত যাক, গণতন্ত্র মুক্তি পাক'।
- ১৯৮৭ সালের ১০ নভেম্বর নূর হোসেন শহীদ হন।

তথ্যসূত্র - প্রথম আলো ও বিবিসি বাংলা।

৪,১৮৫.
মুক্তিযুদ্ধকালীন ঢাকা কোন সেক্টরের অধীনে ছিল?
  1. ক) ১
  2. খ) ২
  3. গ) ৫
  4. ঘ) ৭
সঠিক উত্তর:
খ) ২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ২
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর
- মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশকে-১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিলো।
- নৌ-বাহিনীর অধীনে ছিল-১০ নং সেক্টর (সকল নদী ও বঙ্গোপসাগর)
-১০ নং সেক্টরে কোনো সেক্টর কমান্ডার ছিল না

- চট্টগ্রাম-১নং সেক্টর
- ঢাকা-২ নং সেক্টর
- রাজশাহী-৭ নং সেক্টর
- মুজিব নগর-৮ নং সেক্টর
- সুন্দরবন-৯ নং সেক্টর

সূত্র: ঢাকা বিভাগের ওয়েবসাইট
৪,১৮৬.
'তিতাস একটি নদীর নাম' উপন্যাসটি চলচ্চিত্রে রূপ দেন-
  1. ঋতুপর্ণ ঘোষ
  2. গৌতম ঘোষ
  3. অদ্বৈত মল্লবর্মণ
  4. ঋত্বিক ঘটক
সঠিক উত্তর:
ঋত্বিক ঘটক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঋত্বিক ঘটক
ব্যাখ্যা

- তিতাস একটি নদীর নাম উপন্যাসটির রচয়িতা অদ্বৈত মল্লবর্মণ।
- উপন্যাসটি ৪ খণ্ডে বিভক্ত।
- উপন্যাসটি মৎস্যজীবী মানুষের জীবন কাহিনী বা ধীবর সমাজের নিষ্ঠুর জীবন সংগ্রামের দুঃখ-দুর্দশার সাধারণ কাহিনীকে তুলে ধরা হয়েছে‌।
- ঋত্বিক ঘটকের পরিচালনায় ১৯৭৩ সালে উপন্যাসটিকে চলচ্চিত্রে রূপায়িত করা হয়।
উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ লেকচার।

৪,১৮৭.
ছিয়াত্তরের মন্বন্তরের সময় দিল্লির সম্রাট কে ছিলেন?
  1. আওরঙ্গজেব
  2. দ্বিতীয় শাহ আলম
  3. দ্বিতীয় আলমগীর
  4. দ্বিতীয় বাহাদুর শাহ
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয় শাহ আলম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয় শাহ আলম
ব্যাখ্যা

- ছিয়াত্তরের মন্বন্তরের সময় দিল্লির সম্রাট ছিলেন দ্বিতীয় শাহ আলম।

ছিয়াত্তরের মন্বন্তর: 
- দ্বিতীয় শাহ আলম,(১৭৬১-১৮০৫)  দিল্লির মুগল সম্রাট আজিজুদ্দীন দ্বিতীয় আলমগীরের পুত্র।
- তাঁর পূর্ব নাম আলী গওহর (পরবর্তী সম্রাট দ্বিতীয় শাহ আলম)।
- দিউয়ানী ও দ্বৈত শাসনের পরিণাম ছিল বাংলায় ভয়াবহ দুর্ভিক্ষের ধ্বংসলীলা।
- এ দুর্ভিক্ষ 'ছিয়াত্তরের মন্বন্তর' নামে পরিচিত।
- দ্বৈত শাসনের কুফলে বাংলার জনজীবন যখন চরম বিপর্যয়ের মুখে তখন পরপর দুবছর খরা ও অনাবৃষ্টির ফলে ১১৭৬ বঙ্গাব্দ অর্থাৎ ১৭৭০ খ্রিস্টাব্দে বাংলায় এক প্রচণ্ড দুর্ভিক্ষ ও মহামারী দেখা দেয়।
- এসময় খাদ্যের অভাবে মোট জনসংখ্যার এক-তৃতীয়াংশ মৃত্যুমুখে পতিত হয়।

উল্লেখ্য,
- ১৭৬৫ সালে লর্ড ক্লাইভ দ্বিতীয়বারের মতো গভর্নর জেনারেল হয়ে আসেন।
- দায়িত্ব নিয়েই তিনি বক্সারের যুদ্ধে পরাজিত নবাব সুজাউদ্দৌলা এবং সম্রাট দ্বিতীয় শাহ আলমের সাথে চুক্তি সম্পাদন করেন।
- সুজাউদ্দৌলাহ যুদ্ধের ক্ষতিপূরণ বাবদ ৫০ লক্ষ টাকা এবং কারা ও এলাহাবাদ নামক দুটি জেলা ইংরেজদের হাতে তুলে দেন।
- দ্বিতীয় শাহ্ আলমের সাথে সম্পাদিত চুক্তির নাম 'এলাহাবাদ চুক্তি'।
- ১৭৬৫ সালের ১২ আগস্ট সম্পাদিত এ চুক্তির মাধ্যমে ইংরেজরা কারা ও এলাহাবাদ জেলা দুটি এবং বার্ষিক ২৬ লক্ষ টাকা সম্রাট শাহ আলমকে দেওয়ার অঙ্গীকার করেন।

উৎস: ¡)পৌরনীতি, এসএসসি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
¡¡)বাংলাডপিডিয়া।

৪,১৮৮.
তিস্তা সোলার কেন্দ্রের মোট বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা -
  1. ২০০ মেগাওয়াট
  2. ৪০০ মেগাওয়াট
  3. ৬০০ মেগাওয়াট
  4. ৮০০ মেগাওয়াট
সঠিক উত্তর:
২০০ মেগাওয়াট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০ মেগাওয়াট
ব্যাখ্যা
তিস্তা সোলার বিদ্যুৎকেন্দ্র:
- তিস্তা সোলার বিদ্যুৎকেন্দ্র যা তিস্তা সোলার পাওয়ার প্ল্যান্ট নামে পরিচিত।
- বাংলাদেশের উত্তর অঞ্চলের সবচেয়ে বড় সোলার বিদ্যুৎকেন্দ্র।
- এটি ২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতাসম্পন্ন।
- গাইবান্ধা জেলার, সুন্দরগঞ্জ উপজেলার তারাপুর ইউনিয়নে ১ হাজার একর জমির ওপর তিস্তা সোলার নির্মাণ করা হয়।
- সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পটি নির্মাণ করেন বাংলাদেশের বেক্সিমকো কোম্পানির সহযোগী প্রতিষ্ঠান বেক্সিমকো পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড।
- ২ আগস্ট, ২০২৩ তিস্তা সোলার লিমিটেডের উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
- এ কেন্দ্র থেকে দিনে ২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ যোগ হবে জাতীয় গ্রিডে।

উৎস: ৩ আগস্ট ২০২৩, দ্যা ডেইলি স্টার বাংলা।
৪,১৮৯.
‘ইয়াং বেঙ্গল’ আন্দোলনের নেতৃত্ব দেন কে?
  1. রামমোহন রায়
  2. মাইকেল মধুসূদন দত্ত
  3. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
  4. হেনরি লুই ভিভিয়ান ডিরোজিও
সঠিক উত্তর:
হেনরি লুই ভিভিয়ান ডিরোজিও
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হেনরি লুই ভিভিয়ান ডিরোজিও
ব্যাখ্যা

ইয়াং বেঙ্গল মুভমেন্ট:
- ‘ইয়াং বেঙ্গল’ আন্দোলনের প্রবক্তা ছিলেন হেনরি লুই ভিভিয়ান ডিরোজিও।
- ডিরোজিও ১৮০৯ খ্রিস্টাব্দে কলকাতা শহরে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পিতা ছিলেন পর্তুগিজ এবং মা ছিলেন বাঙালি।
- ডিরোজিও ইংরেজি শিক্ষার স্কুল ডেভিড ড্রামন্ডের ধর্মতলা একাডেমিতে পড়ালেখা শুরু করেন।
- ডেভিড ড্রামন্ডের আদর্শ ডিরোজিওকে শৈশব থেকে মৃত্যু পর্যন্ত গভীরভাবে প্রভাবিত করে।
- বাঙালি যুব সমাজের মধ্যে আলোড়ন সৃষ্টিকারী ‘ইয়াং বেঙ্গল’ আন্দোলনের নেতৃত্ব দেন ডিরোজিও।
- অল্প বয়সেই তিনি ইতিহাস, ইংরেজি, সাহিত্য ও দর্শনশাস্ত্রে গভীর জ্ঞানের অধিকারী হন।
- ডিরোজিওর উল্লেখযোগ্য অনুসারীদের মধ্যে ছিলেন রামতনু লাহিড়ী, রাধানাথ সিকদার, প্যারিচাঁদ মিত্র ও কৃষ্ণমোহন ব্যানার্জি।
- মাইকেল মধুসূদন দত্ত তাঁর সরাসরি ছাত্র না হলেও ডিরোজিওর আদর্শ দ্বারা গভীরভাবে প্রভাবিত হন।
- ডিরোজিওর অনুসারীদের আন্দোলন ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকেও প্রভাবিত করেছিল।
 
উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, ৯ম-১০ শ্রেণি ও লাইভ এমসিকিউ লেকচার।

৪,১৯০.
নিচের কোনটি প্রথম 'Poverty Reduction Strategy Papers' এর মেয়াদকাল?
  1. ক) ২০০১-২০০৪
  2. খ) ২০০৫-২০০৮
  3. গ) ২০০৬-২০১০
  4. ঘ) ২০০৯-২০১১
সঠিক উত্তর:
খ) ২০০৫-২০০৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ২০০৫-২০০৮
ব্যাখ্যা
- 'PRSP' এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Poverty Reduction Strategy Papers (দারিদ্র বিমোচন কৌশলপত্র)।
- আইএমএফের নির্দেশনায় বাংলাদেশ সরকার গৃহিত দারিদ্র্য বিমোচন কৌশলপত্র হচ্ছে PRSP.
- বাংলাদেশ সরকার ২০০৫ থেকে ২০০৮ সালে প্রথম এবং ২০০৯ থেকে ২০১১ সালে দ্বিতীয় দারিদ্র্য বিমোচন কৌশলপত্র গ্রহণ করে।
- এটি প্রণয়ন করে পরিকল্পনা কমিশন।
- উল্লেখ্য ২০০২ সালে বিশ্ব ব্যাংক দরিদ্র দেশগুলোর দারিদ্রসীমার নিচে বসবাসকারী নাগরিকদের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নের লক্ষ্যে PRSP প্রণয়নের উদ্যোগ গ্রহণ করে।

তথ্যসূত্র:- IMF ও পরিকল্পনা কমিশনের ওয়েবসাইট।
৪,১৯১.
Who was the first female martyr of the July Movement?
  1. Meherun Nesa
  2. Nasima Sultana
  3. Naima Sultana
  4. Shahinur Begum
সঠিক উত্তর:
Naima Sultana
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Naima Sultana
ব্যাখ্যা

• জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদ প্রথম নারী:
- জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে এখন পর্যন্ত সরকার মোট ৮৪৪ জন শহীদের নাম গেজেট আকারে প্রকাশ করেছে। 
-এর মধ্যে ৬ থেকে ৬০ বছর বয়সী ১০ জন নারীর নাম রয়েছে। মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের করা পৃথক তালিকাতেও এই ১০ জনের নাম শহীদ হিসেবে উল্লেখ রয়েছে। 
- জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদ প্রথম নারী নাঈমা সুলতানা
- ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই বিকেল পাঁচটার দিকে রাজধানীর উত্তরার বাসার বারান্দায় শুকাতে দেওয়া কাপড় আনতে গিয়ে গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যায় সে। 

তথ্যসূত্র: দৈনিক প্রথম আলো (Link )

৪,১৯২.
কিসের ভিত্তিতে পূর্ব বাংলায় ভাষা আন্দোলন হয়েছিল?
  1. সামাজিক চেতনা
  2. সাম্প্রদায়িকতা
  3. বাঙালি জাতীয়তাবাদ
  4. দ্বি-জাতি তত্ত্ব
সঠিক উত্তর:
বাঙালি জাতীয়তাবাদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাঙালি জাতীয়তাবাদ
ব্যাখ্যা
• ভাষা আন্দোলনের ভিত্তি:
- বাঙালি জাতীয়তাবাদের ভিত্তিতে পূর্ব বাংলায় ভাষা আন্দোলন হয়েছিল।
- বাঙালির মুক্তি সংগ্রামের প্রথম ঘটনা হলো ভাষা আন্দোলন।
- এর ফলশ্রুতিতে পূর্ব বাংলার জনগণের মধ্যে নিজস্ব জাতীয়তাবোধ তথা বাঙালি জাতীয়তাবোধের উন্মেষ ঘটে।
- এই জাতীয়তাবোধের ভিত্তি ছিলো বাংলা ভাষা ও বাঙালি সংস্কৃতি।
- বাঙালি জাতীয়তাবাদের মাধ্যমে পূর্ব বাংলার মানুষের মধ্যে যে জাতীয় ঐক্যের সূচনা হয় তাই পরবর্তীতে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিসংগ্রামের মুখ্য প্রেরণা হিসেবে কাজ করেছিলো।

এছাড়াও,
- ১৯৪৭ সালে পাকিস্তান সৃষ্টির পূর্বেই বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে আলোচনার সূত্রপাত হয়।
- পাকিস্তান সরকার বাংলাভাষাকে উপেক্ষা করার নীতি অবলম্বন করলে ১৯৪৮ সালের ফেব্রুয়ারি-মার্চে ভাষা আন্দোলন শুরু হয়।
- রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে ছাত্র সমাজের উত্থান ঘটে।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,১৯৩.
৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণকে কেন্দ্র করে নির্মিত চলচ্চিত্র কোনটি?
  1. ক) সেই মুজিব
  2. খ) রেডিও
  3. গ) বার্তা
  4. ঘ) ঐতিহাসিক মার্চ
সঠিক উত্তর:
খ) রেডিও
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) রেডিও
ব্যাখ্যা
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণকে কেন্দ্র করে নির্মিত হয়েছে চলচ্চিত্র 'রেডিও'। 
- অনন্য মামুন পরিচালিত এই চলচিত্রটি। 
- চ্যানেল আইয়ে 'রেডিও' চলচ্চিত্রের বিশ্ব প্রিমিয়ার হয়েছে।
- ‘রেডিও' চলচ্চিত্রের গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছেন রিয়াজ।
- ৭ মার্চ, ২০২৩ চ্যানেল আইয়ে প্রথম মুক্তি পায় এই চলচিত্র।

উৎস: প্রথম আলো পত্রিকা ও Live MCQ বিশেষ সাম্প্রতিক সমাচার। 
৪,১৯৪.
কোন মুঘল সম্রাটের শাসনকালকে স্থাপত্য শিল্পের 'স্বর্ণযুগ' বলা হয়?
  1. সম্রাট জাহাঙ্গীর
  2. সম্রাট আকবর
  3. সম্রাট শাহজাহান
  4. সম্রাট আওরঙ্গজেব
সঠিক উত্তর:
সম্রাট শাহজাহান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্রাট শাহজাহান
ব্যাখ্যা

সম্রাট শাহজাহান:
- ১৬২৭ খ্রিস্টাব্দের ২৮ অক্টোবর সম্রাট জাহাঙ্গীর মৃত্যুবরণ করেন।
- তাঁর মৃত্যুর পর শাহজাদা খুররম ও শাহরিয়ারের মধ্যে উত্তরাধিকার নিয়ে দ্বন্দ্ব শুরু হয়।
- শাহজাদা খুররম ১৬২৮ খ্রিস্টাব্দের ৪ ফেব্রুয়ারি 'আবুল মুজাফফর শিহাব উদ্দিন মুহাম্মদ শাহজাহান বাদশাহ গাজী' উপাধি ধারণ করে সিংহাসনে অধিষ্ঠিত হন।
- সমরকুশলী হিসেবে সম্রাট শাহজাহান দক্ষতার পরিচয় দেন।
- সুশাসন, ন্যায়বিচার ও বদান্যতার জন্য শাহজাহানের শাসনকাল উল্লেখযোগ্য।

উল্লেখ্য,
- স্থাপত্য শিল্পের পৃষ্ঠপোষক হিসেবে মোগল সম্রাটদের মধ্যে সম্রাট শাহজাহান ছিলেন অদ্বিতীয়।
- স্থাপত্য শিল্পে উৎকর্ষ সাধনের জন্য তাঁর সময়কালকে স্থাপত্য শিল্পের স্বর্ণযুগ বলা হয়।
- তিনি তাঁর স্ত্রী মমতাজ মহলের সমাধির উপর অবিনশ্বর প্রেমের এক অনিন্দ্য সুন্দর সৌধ তাজমহল নির্মাণ করেন।
- তাঁর আমলে আগ্রার মতি মসজিদ, দিল্লির জামে মসজিদ, দিওয়ান-ই-আম, দিওয়ান-ই-খাস নির্মিত হয়।
- মনি-মুক্তা, হীরা ও মূল্যবান পাথর দিয়ে তৈরি ময়ূর সিংহাসন সম্রাট শাহজাহানের শিল্পানুরাগের অন্যতম কীর্তি।
- তিনি 'শাহজাহানাবাদ' নামে একটি নতুন শহরও নির্মাণ করেন যা বর্তমানে নতুন দিল্লি নামে পরিচিত।

তথ্যসূত্র: ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,১৯৫.
বঙ্গবন্ধুর জীবনী নিয়ে নির্মিত চলচ্চিত্রে বঙ্গবন্ধুর চরিত্রে অভিনয় করছেন কে?
  1. ক) চঞ্চল চৌধুরী
  2. খ) আরেফিন শুভ
  3. গ) আহমেদ রুবেল
  4. ঘ) তারিক আনাম
সঠিক উত্তর:
খ) আরেফিন শুভ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) আরেফিন শুভ
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ ও ভারত সরকার যৌথ প্রযোজনায় জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ ‍মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিক উপলক্ষ্যে তার জীবনী নিয়ে ‘বঙ্গবন্ধু’ নামে চলচ্চিত্র নির্মাণ করছে।
- গত ২১ জানুয়ারি ২০২১ ভারতের মুম্বাইয়ে চলচ্চিত্রটির শুটিং শুরু হয়।
- চলচ্চিত্রটির পরিচালক শ্যাম বেনেগাল।
- চিত্রনাট্য রচয়িতা শ্যামা জাইদি।
অভিনয় শিল্পীবৃন্দ:
- বঙ্গবন্ধু চরিত্রে : আরেফিন শুভ
- বেগম ফজিলাতুন্নেসা মুজিব চরিত্রে : তিশা (বড়বেলা) এবং দিঘি (ছোটবেলা)
- বঙ্গবন্ধুর মায়ের চরিত্রে : দিলারা জামান
- বঙ্গবন্ধুর বাবার চরিত্রে : চঞ্চল চৌধুরী
- শেখ হাসিনা চরিত্রে : নুসরাত ফারিয়া (ছোটবেলা) এবং জান্নাতুল সুমাইয়া (বড়বেলা)
- আইয়ুব খান চরিত্রে : মিশা সওদাগর।
(তথ্যসূত্র: বিবিসি বাংলা এবং ঢাকা ট্রিবিউন)
৪,১৯৬.
বঙ্গবন্ধু, মুক্তিযুদ্ধ ও বাংলাদেশের অভ্যুদয় নিয়ে প্রথম এনসাইক্লোপিডিয়া হলো -
  1. ক) বঙ্গবন্ধুপিডিয়া
  2. খ) মুক্তিপিডিয়া
  3. গ) মুজিবপিডিয়া
  4. ঘ) স্বাধীনপিডিয়া
সঠিক উত্তর:
গ) মুজিবপিডিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) মুজিবপিডিয়া
ব্যাখ্যা
মুজিবপিডিয়া

বঙ্গবন্ধু, মুক্তিযুদ্ধ ও বাংলাদেশের অভ্যুদয় নিয়ে প্রথম এনসাইক্লোপিডিয়া হলো ‘মুজিবপিডিয়া’।

- এটি উপমহাদেশের প্রথম পূর্ণাঙ্গ এনসাইক্লোপিডিয়া বা জ্ঞানকোষ, যাতে অনুসরণ করা হয়েছে আন্তর্জাতিক মানের গবেষণাপদ্ধতি।
- ১/৮ ডিমাই সাইজের দুই খণ্ডের এ বইটিতে রয়েছে ৫৯১টি ভুক্তি ও ৭৫০টি ঐতিহাসিক আলোকচিত্র।
- এর প্রধান সম্পাদক কবি ও গবেষক কামাল চৌধুরী এবং সম্পাদক ফরিদ কবির।

তথ্যসূত্র:- লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, ডিসেম্বর ২০২২।
৪,১৯৭.
কত সালে ২৫শে মার্চকে 'গণহত্যা দিবস' হিসেবে ঘোষণা করা হয়?
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ২০১৬ সালে
  3. ২০১৭ সালে
  4. ১৯৭১ সালে
সঠিক উত্তর:
২০১৭ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১৭ সালে
ব্যাখ্যা
২৫শে মার্চের নৃশংস গণহত্যা:

- ইয়াহিয়া খান ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ সন্ধ্যায় ঢাকা ত্যাগ করেন। 
- যাবার আগে সেনাবাহিনীকে পূর্বপাকিস্তানিদের উপর আক্রমণের নির্দেশ দিয়ে যান। 
- ইয়াহিয়া খানের নির্দেশ মোতাবেক গভর্নর টিক্কা খানের ঘাতক সৈন্যরা ২৫ মার্চ রাতে ঢাকায় গণহত্যার তাণ্ডবলীলা চালায়। 
- এই গণহত্যা চলেছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায়, পুরনো ঢাকায়, কচুক্ষেত, তেজগাঁও, ইন্দিরা রোড, মিরপুর, মোহাম্মদপুর, ঢাকা বিমানবন্দরের অভ্যন্তরে, রায়ের বাজার, ধানমন্ডি, কলাবাগান, কাঁঠালবাগানসহ ঢাকা শহরের বিভিন্ন স্থানে। 
- ২৫ মার্চ রাতে ঢাকায় গণহত্যা শুরু হলে বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন এবং তা ওয়্যারলেসযোগে চট্টগ্রামে পাঠিয়ে দেন। 
- নৃশংস গণহত্যার সংবাদ যাতে বিদেশে ছড়িয়ে না পড়ে, সে জন্য ঢাকার হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে ২৫ জন বিদেশি সাংবাদিককে আটক করা হয়।

উল্লেখ্য -
- ২৫ মার্চ জাতীয় গণহত্যা দিবস।
- ২০১৭ সালের ১১ই মার্চ তারিখে বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে গৃহীত সর্বসম্মত সিদ্ধান্তে বাংলাদেশে প্রতিবছর ২৫শে মার্চ 'গণহত্যা দিবস' ঘোষণা করা হয়।

উৎস: i) ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
         ii) ১১ মার্চ ২০১৭, বিবিসি বাংলা। 
৪,১৯৮.
‘পঞ্চাশের মন্বন্তর’ কত সালে সংঘটিত হয়েছিল?
  1. ক) ইংরেজি ১৯৫০ সালে
  2. খ) বাংলা ১৩৫০ বঙ্গাব্দে
  3. গ) ইংরেজি ১৯৪৩ সালে
  4. ঘ) খ ও গ
সঠিক উত্তর:
ঘ) খ ও গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) খ ও গ
ব্যাখ্যা
১৯৪৩ সালে বাংলায় সংঘটিত দুর্ভিক্ষ ‘পঞ্চাশের মন্বন্তর’ নামে পরিচিত।
• বাংলা ১৩৫০ বঙ্গাব্দে এই দুর্ভিক্ষ সংঘটিত হওয়ায় একে ‘পঞ্চাশের মন্বন্তর’ বলা হয়।
• এই দুর্ভিক্ষে বাংলার প্রায় ৩০ লক্ষ মানুষ মারা যায়।
• এই দুর্ভিক্ষকে কেন্দ্র করে শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করেন।      

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্ব সভ্যতা, ৯ম - ১০ম শ্রেণি, বাংলাদেশ ও ইতিহাস প্রথম পত্র, এইচ এস সি ,উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং বাংলাপিডিয়া। 
৪,১৯৯.
বাংলাদেশকে স্বীকৃতিদানকারী সর্বশেষ দেশ কোনটি?
  1. পাকিস্তান
  2. যুক্তরাজ্য
  3. চীন
  4. যুক্তরাষ্ট্র
সঠিক উত্তর:
চীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চীন
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি:
- বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর আনুষ্ঠানিকভাবে মোট ১৫০টি দেশ স্বীকৃতি দিয়েছে।
- বাংলাদেশকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসাবে সর্বপ্রথম স্বীকৃতি দেয় ভুটান এবং ভারত।
- উভয় দেশই বাংলাদেশকে ৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ সালে স্বীকৃতি দিয়েছিল।
- অপরদিকে সর্বশেষ দেশ হিসেবে চীন বাংলাদেশকে ১৯৭৫ সালের ৩১ আগস্ট স্বীকৃতি দেয়।

⇒ বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দানকারী প্রথম মুসলিম দেশ আফ্রিকার সেনেগাল।
- এশিয়ার মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়া প্রথম বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।
- এশিয়ার বাইরে প্রথম দেশ হিসেবে ১৯৭২ সালের ১১ জানুয়ারি স্বীকৃতি দেয় পূর্ব-জার্মানি।
- প্রথম পশ্চিমা দেশ হিসেবে গ্রেট ব্রিটেন বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় ১৯৭২ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র স্বীকৃতি দেয় ৪ এপ্রিল, ১৯৭২।
- প্রথম আরব দেশ হিসেবে ইরাক ৮ জুলাই, ১৯৭২ তারিখে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।
- দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশের মধ্যে সর্ব প্রথম বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে ভেনিজুয়েলা (২ মে ১৯৭২)।
- ১৯৭৪ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তান বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।

উৎস: i) বাংলাদেশের তারিখ (বিচারপতি মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান)।
ii) বঙ্গভবনের শতবর্ষ (বঙ্গভবন)।
ii) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
৪,২০০.
রাঢ়ের প্রধান নগর বা রাজধানী ছিল কোনটি?
  1. কোটিবর্ষ
  2. কর্ণসুবর্ণ
  3. বড়কামতা
  4. পানাম নগর
সঠিক উত্তর:
কোটিবর্ষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোটিবর্ষ
ব্যাখ্যা

রাঢ়:
- বিভিন্ন ঐতিহাসিক উৎস থেকে বলা যায় যে, রাঢ় বলতে পশ্চিম বাংলার দক্ষিণাঞ্চলকেই বুঝানো হতো।
- এটি গঙ্গা নদীর দক্ষিণ ও পশ্চিম ভাগে সীমাবদ্ধ ছিল।
- তবকত-ই-নাসিরীর বর্ণনায়ও গঙ্গার দক্ষিণে রাঢ়ের অবস্থান নির্দেশিত হয়েছে।
- এই জনপদটি দুটি অংশে বিভক্ত ছিল।
• দক্ষিণ রাঢ়।
• উত্তর রাঢ়।
- এই উত্তর ও দক্ষিণ রাঢ়ই ছিল যথাক্রমে বজ্রভূমি ও সুহ্মভূমি।
- রাঢ়ের প্রধান নগর বা রাজধানী ছিল কোটিবর্ষ।
- রাঢ় বা সূহ্মদেশের অন্তর্গত তাম্রলিপ্তের কথা টলেমির ভূগোলে উল্লিখিত ছিল ।
- অনেক ঐতিহাসিক মেদিনীপুর জেলার পূর্বপ্রান্ত অবস্থিত আধুনিক তমলুককে প্রাচীন তাম্রলিপ্ত বলে চিহ্নিত করেছেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।