উত্তর
ব্যাখ্যা
টায়ার ও সিডন ফিনিশিয়ার দুটো বিখ্যাত বন্দর। ফিনিশীয়রা ২২টি ব্যাঞ্জনবর্ণ সম্বলিত বর্ণমালা উদ্ভাবন করে যা থেকে আধুনিক বর্ণমালার উদ্ভব হয়।
(সূত্রঃ মাধ্যমিক ইতিহাস : উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)
PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন
PrepBank · পাতা ১৬ / ১২৪ · ১,৫০১–১,৬০০ / ১২,৪২১
বিজয় সেন:
- বাংলাদেশে বিজয় সেনের সময়ই সেনবংশের শাসন সুপ্রতিষ্ঠিত হয়।
- হেমন্ত সেনের পুত্র বিজয় সেন ১০৯৮ সাল থেকে ১১৬০ সাল পর্যন্ত বাংলায় রাজত্ব করেন।
- বিজয় সেন সম্ভবত পালরাজা রামপালের রাজত্বকালে রাঢ় অঞ্চলে প্রথমে সামন্তরাজা ছিলেন।
- পরবর্তীকালে পাল শক্তি দুর্বল হয়ে পড়লে তিনি ১০৯৭ খ্রিষ্টাব্দের আশেপাশে প্রায় সমগ্র বাংলা জয় করে সেনদের ক্ষুদ্র রাজ্যটিকে একটি বড় রাজ্যে পরিণত করেন।
- এভাবে বিজয় সেন তাঁর সুদীর্ঘ ৬২ বছরের রাজত্বকালে বহু যুদ্ধে জয়লাভ করে প্রায় সমগ্র বাংলাদেশে একক রাজ্য প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হন।
- তিনি বেশ কিছু উপাধি গ্রহণ করেছিলেন। যেমন- 'পরম মাহেশ্বর, পরম ভট্টারক, মহারাজাধিরাজ, অরিরাজ নিশঙ্ক শঙ্কর' ইত্যাদি।
উৎস: i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) ইতিহাস, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
- ১৯৭১ সালের ১ আগস্ট বাংলাদেশের শরণার্থীদের সাহায্য করার উদ্দেশ্যে জর্জ হ্যারিসনের তত্ত্বাবধানে নিউইয়র্ক সিটির ম্যাডিসন স্কয়ার গার্ডেনে অনুষ্ঠিত হয়েছিল 'দ্যা কনসার্ট ফর বাংলাদেশ'।
- জর্জ হ্যারিসনকে অনুষ্ঠানটি করার জন্য উদ্বুদ্ধ করেন বিখ্যাত সেতার বাদক পণ্ডিত রবি শঙ্কর।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট।
• সংবিধান সংস্কার কমিশন:
- ৭ অক্টোবর ২০২৪ তারিখে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে ৯ সদস্যের সংবিধান সংস্কার কমিশন (Constitution Reform Commission) গঠন করে।
• কমিশনের উদ্দেশ্য ছিল -
1️. সংবিধানের প্রয়োজনীয় ধারা ও অনুচ্ছেদসমূহ পুনর্মূল্যায়ন করা।
2️. গণতন্ত্র ও প্রশাসনিক ভারসাম্য পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা।
3️. নির্বাচন কমিশন ও বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা।
• কমিশনের সদস্যবৃন্দ:
- চেয়ারম্যান: প্রফেসর আলী রিয়াজ।
- অন্যান্য ৮ জন সদস্য:
- ড. সুমাইয়া খায়ের,
- ব্যারিস্টার ইমরান সিদ্দিক,
- অধ্যাপক মুহাম্মদ একরামুল হক,
- ড. শরীফ ভুইয়া,
- ড. এম. মঈন আলম ফিরোজি,
- ড. ফিরোজ আহমেদ,
- ড. মোস্তাইন বিল্লাহ,
- মাহফুজ আলম।
উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও প্রথম আলো পত্রিকা।
জাতীয় শিশু নীতি ২০১১:
- শিশুদের সার্বিক সুরক্ষা নিশ্চিত করা ও অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে প্রণীত হয় শিশু আইন ১৯৭৪, যা যুগোপযোগীকরণের মাধ্যমে শিশু আইন ২০১১ রূপে প্রণয়ন করার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
- পরিবার এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে শুরু করে প্রাসঙ্গিক সকল ক্ষেত্রে শিশুর অধিকার ও মর্যাদা রক্ষা করা একান্ত আবশ্যক।
- শিশুর সার্বিক উন্নয়ন নিশ্চিত করা ও অধিকার সংরক্ষণের মাধ্যমে একটি সৎ, দেশপ্রেমিক ও কর্মক্ষম ভবিষ্যৎ প্রজন্ম গড়ে তোলার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ সরকার যত্নশীল ও সক্রিয়।
সংজ্ঞা:
• কিশোর কিশোরী: কিশোর-কিশোরী বলতে ১৪ বছর থেকে ১৮ বছরের কম বয়সী শিশুদেরকে বুঝাবে।
• শিশু: শিশু বলতে আঠারো বছরের কম বয়সী বাংলাদেশের সকল ব্যক্তিকে বুঝাবে। দেশের প্রচলিত কোনো আইনে এর ভিন্নতা থাকলে এই নীতির আলোকে প্রয়োজনীয় সংশোধনের মাধ্যমে সামঞ্জস্যবিধানের উদ্যোগ গ্রহণ করা
হবে।
উৎস: জাতীয় শিশু নীতি - ২০১১।
বীরশ্রেষ্ঠ মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল:
- তাঁর জন্ম ১৯৪৯ সালে বরিশালের দৌলতখান থানার পশ্চিম হাজীপাড়া গ্রামে।
- ১৯৬৮ সালে তিনি পাকিস্তানের চতুর্থ ইস্ট-বেঙ্গল রেজিমেন্টে যোগদান করেন।
- মুক্তিযুদ্ধ শুরুর কয়েকদিন পূর্বে বক্সার হিসাবে সিপাহি মোহাম্মদ মোস্তফা অবৈতনিক ল্যান্স নায়েক হিসাবে পদোন্নতি পান।
- ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি কর্তৃপক্ষ ৪ ইষ্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টকে সিলেট ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মোতায়েন করে।
- বীরশ্রেষ্ঠ সিপাহী মোস্তফা কামাল ২নং সেক্টরের অধীনে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন।
- তিনি মেজর খালেদ মোশারফের নেতৃত্বে আশুগঞ্জ, উজানিস্বর ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন।
- ১৮ এপ্রিল অসীম সাহসের সাথে যুদ্ধ করতে করতে শহীদ হন।
- ব্রাহ্মণবাড়িয়ার দরুইন গ্রামের জনগণ মোস্তফা কামালকে তাঁর শাহাদাতের স্থানের পাশেই সমাহিত করে।
- মুক্তিযুদ্ধে সাহসিকতা ও আত্মত্যাগের স্বীকৃতি স্বরূপ বাংলাদেশ সরকার তাঁকে সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মাননা 'বীরশ্রেষ্ঠ' খেতাবে ভূষিত করে।
তথ্যসূত্র - মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
ভাওয়াইয়া:
- ভাওয়াইয়া উত্তরবঙ্গে প্রচলিত এক প্রকার লোকগীতি।
- রংপুর ও ভারতের কুচবিহার জেলা এ গানের জন্মস্থান।
- ভাওয়াইয়া গান ভাবসমৃদ্ধ বিধায় ‘ভাব’ থেকে ‘ভাওয়াইয়া’ কথাটির উৎপত্তি বলে অনুমিত হয়।
- এ গানের মূল সুর নর-নারীর প্রণয়। প্রণয়ের বিচ্ছেদ জ্বালাই এতে অধিক রূপায়িত হয়।
- ভাওয়াইয়া গান দুই প্রকার- দীর্ঘ সুরবিশিষ্ট ও চটকা সুরবিশিষ্ট।
- প্রথম শ্রেণীর গানে নর-নারীর, বিশেষত নবযৌবনাদের অনুরাগ, প্রেমপ্রীতি ও ভালোবাসার আবেদন ব্যক্ত হয়।
- এরূপ গানের মধ্যে ‘ওকি গাড়িয়াল ভাই’, ‘যে জন প্রেমের ভাব জানে না’, ‘কোন দ্যাশে যান মইশাল বন্দুরে’, ‘নউতোন পিরিতির বড় জ্বালা’ ইত্যাদি অধিক জনপ্রিয়।
- অপরপক্ষে চটকা এক প্রকার রঙ্গগীতি।
- এ গান চটুল ও দ্রুত তালের।
- গ্রাম্য ‘চট’ (অর্থ তাড়াতাড়ি) শব্দটির স্ত্রীলিঙ্গান্তর করে ‘চটকা’ শব্দের উৎপত্তি হয়েছে।
- এ শ্রেণীর গানে যথেষ্ট হাস্যরসের উপাদান থাকে।
তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
বক্সারের যুদ্ধ:
- বক্সারের যুদ্ধ নবাব মীর কাসিম ও তাঁর মিত্রশক্তির সাথে ইংরেজদের যুদ্ধ।
- পলাশীর যুদ্ধের পর ১৭৬৪ সালে বিহারের বক্সার নামক স্থানে এই যুদ্ধ সংঘটিত হয়।
- মেজর হেক্টর মুনরোর নেতৃত্বে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির বাহিনী এবং মীর কাসিম, মুঘল সম্রাট দ্বিতীয় শাহ আলম এবং অযোধ্যার নবাব সুজাউদ্দৌলা-এর সম্মিলিত সেনাবাহিনীর মধ্যে লড়াই হয়েছিল।
উল্লেখ্য,
- ১৭৬৪ সালের ২২ অক্টোবর বিহারের বক্সার নামক স্থানে সংঘটিত এ যুদ্ধে ইংরেজরা জয়লাভ করে।
- এই যুদ্ধের ফলে বাদশাহ দ্বিতীয় শাহ আলম পুনরায় ইংরেজ শিবিরে আশ্রয় নেন।
- সুজাউদ্দৌলা রোহিলাখন্ডে পালিয়ে যান এবং অযোধ্যা ইংরেজ বাহিনীর পদানত হয়।
- মীর কাসিম নিরুদ্দেশ হন এবং এরপর তাঁর সম্পর্কে আর কিছু জানা যায় নি।
- বক্সার ছিল একটি চূড়ান্ত যুদ্ধ।
- এ যুদ্ধের পর বাংলা ইংরেজ কোম্পানির শাসনের অধীনে আবদ্ধ হয়।
উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) Britannica.
• শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ:
- ইলিয়াস শাহের রাজত্বকাল বাংলার রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি উজ্জ্বল অধ্যায়।
- একজন সামান্য শাসক থেকে একত্রিত বৃহৎ বাংলা প্রতিষ্ঠিত করে এখানে সুষ্ঠু প্রশাসন ব্যবস্থা প্রবর্তন করে জনকল্যাণমূলক শাসন প্রতিষ্ঠিত করায় ইলিয়াস শাহ বাংলার ইতিহাসে উচ্চ স্থান অধিকার করে আছেন।
- দুইবাংলার সমগ্র সীমানাকে একত্রিত করে বাঙ্গালাহ নামটি তাঁর সময়েই প্রচলিত হয় এবং শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহকে শাহ-ই-বাঙ্গালাহ বলা হয়।
- তাঁর রাজত্বকালে বাঙালিরা সর্বপ্রথম একটি জাতি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।
- এ সময় বাংলার লোকেরা বাঙালি হিসেবে পরিচিত হয়।
- এ কারণে ঐতিহাসিকগণ তাঁকে 'বাঙালি জাতীয়তাবাদের জনক' বলে উল্লেখ করেছেন।
- বাংলার ইতিহাসের এ মহানায়ক সুদীর্ঘ ১৬ বছর রাজত্ব করার পর ১৩৫৮ খ্রিস্টাব্দে মৃত্যুবরণ করেন।
উৎস: ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ময়ূর সিংহাসন:
- ১৭শ শতাব্দীতে মুঘল সম্রাট শাহজাহান সোনার তৈরি ময়ূর সিংহাসন নির্মাণ করেন।
- সিংহাসনটিতে রূপার সিড়ি দিয়ে আরোহণ করা হতো। সিংহাসনের পেছনে দুটি ময়ূরের ছবি ছিল, যারা তাদের অনিন্দ্যসুন্দর পেখম ছড়িয়ে দাঁড়িয়ে ছিল। আর এই পেখমগুলো খচিত ছিল নানা রকম দুষ্প্রাপ্য আর অতিমূল্যবান রত্নপাথর দিয়ে। এর মাঝে ছিল নীলকান্ত মণি, পান্না, চুনি কিংবা পদ্মরাগ মণি, মুক্তা ও অন্যান্য মূল্যবান পাথর।
উল্লেখ্য,
- ১৭৩৯ খ্রিস্টাব্দে দিল্লির সম্রাট মোহাম্মদ শাহের শাসনামলে, পারস্য সম্রাট নাদির শাহ ভারতবর্ষ অভিযানকালে লুণ্ঠন করে নিয়ে যায় সিংহাসনটি।
- এর সৌন্দর্য দেখে পাগল হয়ে নাদির শাহ সিংহাসনটি সঙ্গে নিয়ে যান নিজ দেশ পারস্যে অর্থাৎ বর্তমান ইরানে।
- ১৭৪৭ সালে নাদির শাহ আততায়ীর হাতে নিহত হন। এরপরই আসল ময়ূর সিংহাসনটি হারিয়ে যায়।
উৎস: i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
ii) Britannica.
মহেশখালী দ্বীপ:
- বাংলাদেশের একমাত্র পাহাড়ি দ্বীপ মহেশখালী দ্বীপ।
- মহেশখালী দ্বীপ কক্সবাজার জেলায় শহর থেকে ১২ কিলোমিটার পশ্চিমে সাগরের মাঝে অবস্থিত।
- মহেশখালী উপজেলায় সোনাদিয়া, মাতারবাড়ি, ধলঘাটা নামে ৩টি দ্বীপ রয়েছে।
- এই দ্বীপে আদিনাথ পাহাড় রয়েছে।
- এছাড়া এখানে আদিনাথ মন্দির রয়েছে।
- মূলত ছোট এক উপজেলা শহর মহেশখালী।
- দ্বীপটির প্রধান আকর্ষণ শুঁটকি মাছ ও মিঠা পানি।
উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) ভূগোল ও পরিবেশ, নবম- দশম শ্রেণি।
◉ ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের সময় পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন খাজা নাজিমউদ্দিন।
ভাষা আন্দোলন:
- ভাষা আন্দোলন ছিল বাংলা ভাষার রাষ্ট্রীয় মর্যাদার দাবিতে সংগঠিত এক গণআন্দোলন।
- ১৯৪৭ সালে পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পর রাষ্ট্রভাষা হিসেবে উর্দু ঘোষণার বিরুদ্ধে পূর্ব পাকিস্তানে দাবি ওঠে বাংলা ভাষাকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে গ্রহণ করার।
- ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি ছাত্ররা 'রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই' শ্লোগানে বিক্ষোভ শুরু করলে পুলিশ গুলি চালায়, যার ফলে রফিক, জববার, বরকতসহ অনেকে শহীদ হন।
- আন্দোলন আরও তীব্র হয় এবং ১৯৫৬ সালে পাকিস্তান জাতীয় পরিষদ বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে গ্রহণ করে।
- ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি মাতৃভাষার জন্য বাঙালির আত্মত্যাগকে স্মরণ করে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালন করা হয়।
উল্লেখ্য,
- ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের সময় পূর্ব বাংলার মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন নুরুল আমিন।
- ১৯৫২ সালে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন খাজা নাজিমউদ্দিন।
- ১৯৫২ সালে গভর্নর ছিলেন গোলাম মুহাম্মদ।
সূত্র: বাংলাপিডিয়া।
ওরা এগারো জন:
- প্রথম মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক চলচ্চিত্র 'ওরা এগারো জন'।
- 'ওরা এগারো জন' চলচ্চিত্রটি প্রযোজনা করেন মাসুদ পারভেজ সোহেল রানা।
- বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা ওরা ১১ জন চলচ্চিত্রে মুক্তিযোদ্ধাদের দিয়ে অভিনয় করিয়েছিলেন নির্মাতা-প্রযোজক।
- “ওরা এগারো জন” চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেন চাষী নজরুল ইসলাম।
- একাত্তরে ১১টি সেক্টরে মুক্তিযুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করেছিলেন বাঙালিরা। বিষয়টি মাথায় রেখেই সিনেমার নাম রাখা হয়েছে ওরা ১১ জন।
- পরিচালক হিসেবে চাষী নজরুল ইসলামের প্রথম সিনেমা ছিল এটি।
- ওরা ১১ জন-এর শুটিং হয়েছিল জয়দেবপুরে।
- চিত্রগ্রাহক ছিলেন আবদুস সামাদ।
- ওরা ১১ জন সিনেমা শুরু হয় সাইফুল ইসলামের কণ্ঠে রবীন্দ্রসংগীত 'ও আমার দেশের মাটি' দিয়ে।
তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও দৈনিক প্রথম আলো, ১৩ আগস্ট ২০২২।
চীন বিরােধী সামরিক জোট কোয়াড্রালেটারাল সিকিউিরিটি ডায়ালগ যার সংক্ষিপ্ত রূপ হচ্ছে কোয়াড (Quad)।
- কোয়াডের সূচনা হয়েছিল ২০০৭ সালে।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ছাড়া অস্ট্রেলিয়া, জাপান ও ভারত এর সদস্য৷
উৎসঃ বিবিসি নিউজ এবং এবং লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার মে-জুন, ২০২১।
জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি:
- ১৯৭৪ সালে দেশে প্রাথমিক শিক্ষা আইন জারি হয়।
- জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি (নেপ) ময়মনসিংহ জেলায় অবস্থিত।
- এটি ১৯৭৮ সালে 'মৌলিক শিক্ষা একাডেমি' নামে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৮৫ সালে এটির নামকরণ করা হয় 'জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি'।
- এখানে প্রাথমিক শিক্ষা সংশ্লিষ্ট শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়।
- এই প্রতিষ্ঠান প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষার প্রশ্নপত্র প্রণয়ন করে থাকে।
- ১৯৯০ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা আইন প্রণীত হয়।
- এই আইনের অধীনে ১৯৯২ সালের ১ জানুয়ারি দেশের ৬৮টি উপজেলায় এবং ১ জানুয়ারি ১৯৯৩ সারা দেশে বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা আইন চালু হয়।
তথ্যসূত্র - জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি ওয়েবসাইট, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর ও দৈনিক প্রথম আলো, ০১ নভেম্বর ২০১৪।
• বীরশ্রেষ্ঠ ও তাদের কর্মস্থল:
- ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর : সেনাবাহিনী।
- সিপাহী মোস্তফা কামাল : সেনাবাহিনী।
- ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান : বিমান বাহিনী।
- ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখ : সাবেক ই. পি. আর.।
- ল্যান্স নায়েক মুন্সি আব্দুর রউফ : সাবেক ই. পি. আর.।
- সিপাহী হামিদুর রহমান : সেনাবাহিনী।
- ইঞ্জিনরুম আর্টিফিসার মোহাম্মদ রুহুল আমিন : নৌবাহিনী।
উৎস: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
• লক্ষ্ণৌ চুক্তি (১৯১৬ খ্রি.):
- ১৯০৯ খ্রিস্টাব্দের ভারত শাসন আইন বা মর্লে-মিন্টো সংস্কার আইন ভারতবাসীর সব দাবি-দাওয়া পূরণে যথেষ্ট সহায়ক হয় নি। এ আইনে যদিও প্রত্যক্ষ নির্বাচন পদ্ধতি স্বীকার করে নেয়া হয় এবং মুসলমানদের স্বতন্ত্র নির্বাচনের অধিকার প্রদান করা হয় তথাপি এতে মুসলিম সম্প্রদায় পরিপূর্ণভাবে সন্তুষ্ট হতে পারে নি।
- ১৯১১ খ্রিস্টাব্দে বঙ্গভঙ্গ রদের ঘোষণা তাদেরকে বৃটিশ সরকারের প্রতি সন্দিহান করে তোলে।
- তাছাড়া ১৯১৩ খ্রিস্টাব্দের জুলাই মাসে কানপুর মসজিদের ঘটনায় পুলিশের গুলিতে কয়েকজন মুসলমান নিহত হলে মুসলমানদের মধ্যে সরকার বিরোধী মনোভাব তীব হয়ে উঠে।
- ইংরেজদের বিরুদ্ধে ক্রমবর্ধমান ক্ষোভ ও অসন্তোষ ভারতের মুসলমানদের রাজনীতিতে গভীর প্রভাব ফেলে। অভিজাত, রক্ষণশীল ও বৃটিশ অনুগত নেতাদের বদলে ১৯১২ খ্রিস্টাব্দের পর থেকে পাশ্চাত্য শিক্ষায় শিক্ষিত মুসলিম লীগের তরুন সদস্যগণ দলের মধ্যে সক্রিয় হয়ে উঠে।
- ১৯১৩ খ্রিস্টাব্দের মার্চে মুসলিম লীগের লক্ষ্ণৌ অধিবেশনে দলের নতুন গঠনতন্ত্র প্রণীত হয়। এতে বলা হয় যে, জাতীয় ঐক্য গড়ে তোলা, বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং স্বরাজ অর্জনই হচ্ছে লীগের অন্যতম উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য। এর ফলে ভারতের হিন্দু ও মুসলমানদের মধ্যে সম্প্রীতি ও সদ্ভাব সৃষ্টির অনুকূল পরিবেশ তৈরি হয়।
- অতঃপর লীগ ও কংগ্রেস প্রায় একই সময়ে ও স্থানে এদের বার্ষিক অধিবেশন আহবান করে।
- ১৯১৬ খ্রিস্টাব্দের ডিসেম্বর মাসে কংগ্রেস এবং মুসলিম লীগ এদের বার্ষিক সম্মেলন লক্ষ্ণৌ শহরে অনুষ্ঠান করার সিদ্ধান্ত নেয়। এ সময়ে উভয় সম্প্রদায় ভারতের শাসনতান্ত্রিক সংস্কারের নীতির প্রশ্নে একটা সমঝোতায় আসে।
- এটাই ইতিহাসে লক্ষ্ণৌ চুক্তি নামে পরিচিত।
উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং ইতিহাস প্রথম পত্র, বাংলাদেশে উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ভাষা আন্দোলন:
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আবুল কাসেম ১৯৪৭ সালে তমদ্দুন মজলিশ প্রতিষ্ঠা করেন।
- এই সংগঠন ১৯৪৭ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবি জানিয়ে একটি পুস্তিকা প্রকাশ করে।
- বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবি জানিয়ে তমদ্দুন মজলিশের প্রকাশিত পুস্তিকাটির নাম ছিল 'পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু'।
- তমদ্দুন মজলিশ ছাত্র-শিক্ষক মহলে বাংলাভাষা সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করে।
- ১৯৪৭ সালের মধ্যেই বহু প্রখ্যাত এবং অখ্যাত লেখক বাংলা রাষ্ট্রভাষার প্রতি তাদের দ্ব্যর্থহীন সমর্থন জানিয়েছিলেন।
- পাকিস্তানের পাবলিক সার্ভিস কমিশনের বিষয়তালিকা থেকে এবং নৌ ও অন্যান্য বিভাগের নিয়োগ পরীক্ষায় বাংলাকে বাদ দেয়া হয়।
- এমনকি পাকিস্তানের গণপরিষদের সরকারি ভাষা হিসেবে ইংরেজি ও উর্দুকে নির্বাচন করা হয়। ফলে বাঙালিরা বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে।
তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি:
- ব্রিটেনের রানী প্রথম এলিজাবেথের নিকট থেকে প্রাপ্ত সনদের মাধ্যমে ১৬০০ সালে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি গঠিত হয়।
- ১৬১২ সালে সম্রাট জাহাঙ্গীরের অনুমতি নিয়ে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি প্রথম সুরাটে বাণিজ্য কুঠি স্থাপন করে।
- ১৭০০ সালে কলকাতায় ফোর্ট উইলিয়াম দুর্গ স্থাপন করে।
- ১৭৫৭ সালের ২৩শে জুন পলাশী যুদ্ধে জয়লাভের মাধ্যমে বাংলা তথা ভারতবর্ষে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসন শুরু হয়।
- ১৮৫৮ সাল পর্যন্ত ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি ভারত শাসন করে।
- এরপর ভারতের শাসনভার ব্রিটিশ সরকার নিজে নিয়ে নেয়।
উৎস: i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
ii) বাংলাপিডিয়া।
সমুদ্রগুপ্ত:
- সমুদ্রগুপ্ত সম্ভাব্য ৩৩৫ খ্রিস্টাব্দে সিংহাসনে আরোহণ করেন এবং ৩৮০ খ্রিস্টাব্দের পূর্বে তাঁর মৃত্যু হয়।
- প্রাচীন ভারতের ইতিহাসে রাজ্য বিজেতারূপে যে সকল সম্রাট খ্যাতি লাভ করেছেন, সমুদ্রগুপ্ত তাঁদের মধ্যে প্রথম সারিতে স্থান পেয়েছেন।
- উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত গাঙ্গেয় উপত্যকার স্থানীয় একটি রাজ্যকে তিনি সর্বভারতীয় এক সাম্রাজ্যে পরিণত করেন।
- প্রাচীন ভারতের তৃতীয় সাম্রাজ্যবাদী পুরুষ হিসাবে সমুদ্রগুপ্ত বিখ্যাত।
- সমুদ্রগুপ্তের রাজ্যজয় সম্পর্কে হরিষেণ রচিত এলাহাবাদ প্রশস্তিতে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়।
- এলাহাবাদ প্রশস্তিলিপি সমুদ্রগুপ্তের ইতিহাসের প্রধান উৎস।
- আর্যাবর্তের সকল রাজাকে পরাজিত করে তিনি 'সর্বরাজোচ্ছেত্তা' উপাধি গ্রহণ করেন।
- সমুদ্রগুপ্তের সাম্রাজ্য ছিল প্রভুত্ব ও স্বায়ত্ত্বশাসনের এক অপূর্ব সমন্বয়।
- দিগ্বিজয় সম্পন্ন করে তিনি 'অশ্বমেধযজ্ঞ' অনুষ্ঠান করেন এবং এই যজ্ঞের স্মৃতিরক্ষায় স্বর্ণমুদ্রা প্রচলন করেন।
- তিনি ছিলেন প্রচন্ড সাম্রাজ্যবাদী।
- ড. স্মিথ সম্ভবত এ কারণেই সমুদ্রগুপ্তকে 'ভারতীয় নেপোলিয়ন' আখ্যা দিয়েছেন।
- ভারতের জাতীয়তাবাদী ঐতিহাসিকগণ মনে করেন, আসমুদ্রহিমাচল বিস্তৃত ভারতভূমিকে এক শাসনে আবদ্ধ করাই ছিল সমুদ্রগুপ্তের লক্ষ।
- কুষাণ সাম্রাজ্যের পতনের পর ভারতের রাজনীতিতে যে শক্তিশূন্যতা দেখা দেয় গুপ্ত সাম্রাজ্য তা দূর করে।
- সমুদ্রগুপ্ত ছিলেন সাধুব্যক্তিদের আশাস্বরূপ, আর অসাধুদের জন্য প্রলয়। হরিষেণ সমুদ্রগুপ্তকে মানুষের আকৃতিতে দেবতা তুল্য 'অচিন্ত্যপুরুষ' বলে আখ্যায়িত করেছেন।
তথ্যসূত্র - ইতিহাস, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
সমতট:
- পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্ব বাংলার প্রাচীন জনপদের নাম সমতট।
- প্রাচীন বঙ্গরাজ্যের দক্ষিণ-পূর্ব অংশের নতুন নামের আর একটি বিশাল রাজ্য।
- মধ্যবাংলার কিছু অংশ এর অন্তর্ভুক্ত ছিল।
- বর্তমান ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের কিছু অংশ, বাংলাদেশের বৃহত্তর কুমিল্লা ও নোয়াখালী অঞ্চল সমতট নামে পরিচিত ছিল।
- তবে ত্রিপুরাকে সমতটের প্রধান কেন্দ্র বলা হতো।
- রাজা রাজভট্টের (৭ম শতকে) অন্যতম রাজধানী ছিল বড়োকামতা।
উৎস: বাংলাদেশ স্টাডিজ, বিবিএস প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৯৭৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর মোট ৬৭৬ জন মুক্তিযোদ্ধাকে নিম্নোক্ত খেতাব প্রদান করা হয়-
- বীরশ্রেষ্ঠ - ৭ জন,
- বীর উত্তম - ৬৮ জন,
- বীর বিক্রম - ১৭৫ জন,
- বীর প্রতীক - ৪২৬ জন।
তার মধ্যে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে সাহসী ভূমিকা পালনের জন্য যে দুই নারী 'বীরপ্রতীক' খেতাব পেয়েছেন।
- ক্যাপ্টেন ডা. সিতারা বেগম ও
- তারামন বিবি।
উৎসঃ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট
- বাংলায় সুলতানী আমলের সূত্রপাত ১৩৩৮ সালে যা ১৫৩৮ সাল পর্যন্ত স্থায়ী হয়।
- সুলতানি আমলে বাংলায় মুসলিম শাসন বিস্তৃতি লাভ করে।
- শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ হলেন `ইলিয়াস শাহী’ বংশের প্রতিষ্ঠাতা।
- তার রাজত্বকাল ছিল ১৩৪২ সাল থেকে ১৩৫৮ সাল পর্যন্ত। এ সময়ে তিনি সমগ্র বাংলাকে একত্র করে বাঙ্গালাহ নাম দেন এবং এর অধিবাসীদের বাঙ্গালি নাম দেন।
- লখনৌতি, সাতগাঁও এবং এর সাথে সোনারগাঁও অধিকার করে ইলিয়াস শাহ সমগ্র বাংলার একচ্ছত্র অধিপতির মর্যাদা লাভ করেন। ইতিপূর্বে এই বিরল গৌরব আর কোন মুসলমান শাসক অর্জন করতে পারেন নি।
- এ কারণে ঐতিহাসিক শামস-ই-সিরাজ আফীফ তাঁকে ‘শাহ-ই-বাঙ্গালাহ’’ এবং ‘সুলতান-ই-বাঙ্গালাহ’ উপাধিতে ভূষিত করেন।
- শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহকে বাংলার প্রথম প্রকৃত স্বাধীন সুলতান হিসেবে অভিহিত করা হয় ।
- তিনি ১৩৫২ খ্রিস্টাব্দে সোনারগাঁওয়ের শাসনকর্তা ফখরুদ্দিন মুবারক শাহের পুত্র ইখতিয়ার উদ্দিন গাজি শাহকে পরাজিত করে দুই বাংলা একত্র করে বৃহত্তর বা অখণ্ড বাংলা প্রতিষ্ঠা করেন।
- তার সময় থেকেই বাংলায় বসবাসকারী জনগোষ্ঠী ‘বাঙালি’ নামে পরিচিত পায়।
উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণি।