বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশের জাতীয় বিষয়াবলি

মোট প্রশ্ন১২,৪২১এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশের জাতীয় বিষয়াবলি

PrepBank · পাতা ১৬ / ১২৪ · ১,৫০১১,৬০০ / ১২,৪২১

১,৫০১.
সভ্যতার ইতিহাসে কারা শ্রেষ্ঠতম নাবিক ও জাহাজ নির্মাতা হিসেবে পরিচিত?
  1. ক) ক্যালডীয়রা
  2. খ) গ্রিকরা
  3. গ) ফিনিশিয়রা
  4. ঘ) মিশরীয়রা
সঠিক উত্তর:
গ) ফিনিশিয়রা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ফিনিশিয়রা
ব্যাখ্যা
খ্রিস্টপূর্ব ৩ হাজার বছর পূর্বে ভূমধ্যসাগর তীরবর্তী লেবানন, ইসরাইল ও ফিলিস্তিনে ফিনিশীয় সভ্যতা গড়ে উঠে। সাগর তীরবর্তী হওয়ায় ফিনিশীয়রা নাবিক ও জাহাজ নির্মাতা হিসেবে খুবই প্রসিদ্ধ ছিলো। তাদের মূল পেশাও ছিলো নৌবাণিজ্য।
টায়ার ও সিডন ফিনিশিয়ার দুটো বিখ্যাত বন্দর। ফিনিশীয়রা ২২টি ব্যাঞ্জনবর্ণ সম্বলিত বর্ণমালা উদ্ভাবন করে যা থেকে আধুনিক বর্ণমালার উদ্ভব হয়।
(সূত্রঃ মাধ্যমিক ইতিহাস : উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)
১,৫০২.
বিজয় সেন প্রথমে কোন পাল রাজার অধীনে সামন্তরাজা ছিলেন?
  1. ধর্মপাল 
  2. রামপাল
  3. দেবপাল
  4. মহীপাল
সঠিক উত্তর:
রামপাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রামপাল
ব্যাখ্যা

বিজয় সেন:
- বাংলাদেশে বিজয় সেনের সময়ই সেনবংশের শাসন সুপ্রতিষ্ঠিত হয়।
- হেমন্ত সেনের পুত্র বিজয় সেন ১০৯৮ সাল থেকে ১১৬০ সাল পর্যন্ত বাংলায় রাজত্ব করেন।
- বিজয় সেন সম্ভবত পালরাজা রামপালের রাজত্বকালে রাঢ় অঞ্চলে প্রথমে সামন্তরাজা ছিলেন।
- পরবর্তীকালে পাল শক্তি দুর্বল হয়ে পড়লে তিনি ১০৯৭ খ্রিষ্টাব্দের আশেপাশে প্রায় সমগ্র বাংলা জয় করে সেনদের ক্ষুদ্র রাজ্যটিকে একটি বড় রাজ্যে পরিণত করেন।
- এভাবে বিজয় সেন তাঁর সুদীর্ঘ ৬২ বছরের রাজত্বকালে বহু যুদ্ধে জয়লাভ করে প্রায় সমগ্র বাংলাদেশে একক রাজ্য প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হন।
- তিনি বেশ কিছু উপাধি গ্রহণ করেছিলেন। যেমন- 'পরম মাহেশ্বর, পরম ভট্টারক, মহারাজাধিরাজ, অরিরাজ নিশঙ্ক শঙ্কর' ইত্যাদি।

উৎস: i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) ইতিহাস, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৫০৩.
বাংলায় প্রথম স্বাধীন মুসলিম সালতানাতের প্রতিষ্ঠাতা কে?
  1. ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ
  2. আলাউদ্দিন হোসেন শাহ
  3. গিয়াসউদ্দিন আজম শাহ
  4. শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ
সঠিক উত্তর:
ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ
ব্যাখ্যা
স্বাধীন সুলতানি আমল:
- ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ বাংলায় প্রথম স্বাধীন মুসলিম সালতানাতের প্রতিষ্ঠাতা।
- ১৩৩৮ খ্রিষ্টাব্দে সোনারগাঁওয়ের শাসনকর্তা বাহরাম খানের মৃত্যু হয়।
- বাহরাম খানের বর্মরক্ষক ছিলেন 'ফখরা' নামের একজন রাজকর্মচারী।
- প্রভুর মৃত্যুর পর তিনি স্বাধীনতা ঘোষণা করেন এবং 'ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ' নাম নিয়ে সোনারগাঁওয়ের সিংহাসনে বসেন।
- এভাবেই সূচনা হয় বাংলার স্বাধীন সুলতানি যুগের।

উল্লেখ্য,
- একজন স্বাধীন সুলতান হিসেবে ফখরুদ্দিন নিজ নামে মুদ্রা প্রচলন করেছিলেন।
- তাঁর মুদ্রায় খোদিত তারিখ দেখে ধারণা করা যায়, তিনি ১৩৩৮ থেকে ১৩৪৯ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত সোনারগাঁওয়ে রাজত্ব করেন।
- ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ সর্বপ্রথম চট্টগ্রাম জয় করেন। তিনি চাঁদপুর থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত একটি রাজপথ তৈরি করিয়েছিলেন বলে জানা যায়।
- ১৩৪৯ খ্রিষ্টাব্দে সোনারগাঁও টাকশাল থেকে ইখতিয়ার উদ্দিন গাজি শাহ নামাঙ্কিত মুদ্রা প্রচলন করা হয়।
- গাজি শাহের নামাঙ্কিত মুদ্রায় ১৩৫২ খিষ্টাব্দ পর্যন্ত তারিখ পাওয়া যায়।
- ফখরুদ্দিন পুত্র গাজি শাহ পিতার মৃত্যুর পর সোনারগাঁওয়ের স্বাধীন সুলতান হিসেবে সিংহাসনে বসেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
১,৫০৪.
জাতীয় স্মৃতিসৌধে কয়টি ফলক আছে
  1. ক) ৪ টি
  2. খ) ৫ টি
  3. গ) ৭ টি
  4. ঘ) ৮ টি
সঠিক উত্তর:
গ) ৭ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৭ টি
ব্যাখ্যা
• জাতীয় স্মৃতিসৌধ:
- বাংলাদেশের জাতীয় স্মৃতিসৌধ সাভারে অবস্থিত।
- এই জাতীয় স্মৃতিসৌধের ফলক সাতটি
- স্বাধীনতা আন্দোলনের সাতটি ঐতিহাসিক পর্যায়ের জন্য স্মৃতিসৌধে ফলক সংখ্যা ৭টি রাখা হয়েছে। 

এর পর্যায় গুলো হলো:
- ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন;
- ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন;
- ১৯৫৬ সালের শাসনতন্ত্র আন্দোলন;
- ১৯৬২ সালের শিক্ষা আন্দোলন;
- ১৯৬৬ সালের ছয় দফা আন্দোলন;
- ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থান এবং
- ১৯৭১ সালের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধ।

জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট।
১,৫০৫.
খাদ্য অধিদপ্তর কোন মন্ত্রণালয়ের অধীন?
  1. কৃষি
  2. অর্থ
  3. খাদ্য ও দুর্যোগ
  4. স্থানীয় সরকার
সঠিক উত্তর:
খাদ্য ও দুর্যোগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খাদ্য ও দুর্যোগ
ব্যাখ্যা
খাদ্য অধিদপ্তর:
- খাদ্য অধিদপ্তর খাদ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনস্ত একমাত্র সংস্থা।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরিস্থিতিতে অবিভক্ত বাংলায় উদ্ভূত ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ মোকাবেলায় বর্তমানের খাদ্য অধিদপ্তর ঐ সময়ে  সিভিল সাপ্লাই বিভাগ নামে প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- ১৯৮৪ সালে প্রশাসনিক সংস্কার কার্যক্রমের ফলে ৬টি পরিদপ্তর একীভূত হয়ে পুনর্গঠিত খাদ্য অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- মহাপরিচালক খাদ্য অধিদপ্তরের প্রধান নির্বাহী হিসেবে সার্বিক দায়িত্ব পালন করেন।

উৎস: খাদ্য অধিদপ্তর ওয়েবসাইট। 
১,৫০৬.
জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) গঠিত হয় কত সালে?
  1. ক) ১৯৭২ সালে
  2. খ) ১৯৭৪ সালে
  3. গ) ১৯৮২ সালে
  4. ঘ) ১৯৮৪ সালে
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৮২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৮২ সালে
ব্যাখ্যা
• জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদ নির্বাহী কমিটি (একনেক) ১৯৮২ সালে মন্ত্রী পরিষদ বিভাগের সিদ্ধান্তে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির গঠন কাঠামো ও কার্যাবলি নিরূপণ করা হয়। ওই  প্রস্তাবের ফলে এ সম্পর্কিত পূর্ববর্তী সকল আদেশ বাতিল হয়ে যায়। ১৯৮২ সালে অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রীকে আহবায়ক করে এ কমিটি গঠিত হয়।

• সর্বশেষ ব্যবস্থায় প্রধানমন্ত্রী একনেকের সভাপতি এবং অর্থমন্ত্রী বিকল্প সভাপতি। সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী, শিক্ষামন্ত্রী, খাদ্যমন্ত্রী, পানিসম্পদ মন্ত্রী, শিল্পমন্ত্রী, বাণিজ্যমন্ত্রী, ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী, কৃষিমন্ত্রী এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী। 

• মন্ত্রিপরিষদ সচিব, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখ্য সচিব, বৈদেশিক সম্পদ বিভাগের সচিব, পরিকল্পনা সচিব, বাস্তবায়ন মনিটরিং ও মূল্যায়ন বিভাগের সচিব, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, পরিকল্পনা কমিশনের সংশ্লিষ্ট সদস্যবর্গ ও সচিবগণকে একনেকের কাজে সহায়তা করতে হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১,৫০৭.
বগুড়া, দিনাজপুর, রাজশাহী অঞ্চল নিয়ে গঠিত জনপদ-
  1. ক) সমতট
  2. খ) পুন্ড্র
  3. গ) বঙ্গ
  4. ঘ) হরিকেল
সঠিক উত্তর:
খ) পুন্ড্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) পুন্ড্র
ব্যাখ্যা
প্রাচীন সভ্যতার নিদর্শনের দিক থেকে পুন্ড্রুই সবচেয়ে সমৃদ্ধ জনপদ। বাংলাদেশে প্রাপ্ত জনপদ গুলোর মধ্যে এটি প্রাচীনতমও। বগুড়া, দিনাজপুর, রাজশাহী প্রভৃতি অঞ্চল নিয়ে এই জনপদটি গঠিত হয়েছিলো। এর রাজধানী ছিলো-পুন্ড্রনগর।
সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণীর বোর্ড বই ও বাংলাপিডিয়া
১,৫০৮.
বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণে মূলত কয় দফা দাবি তোলা হয়?
  1. ৪ দফা
  2. ৫ দফা
  3. ৬ দফা
  4. ৭ দফা
সঠিক উত্তর:
৪ দফা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ দফা
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণ:
- বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চ ১৯৭১-এ প্রদত্ত ১৮ মিনিটের ভাষণটি তাঁর স্বভাবসুলভ তাৎক্ষণিক বক্তব্য ছিল, পূর্বে তৈরি করা বক্তৃতা নয়।
- এটিকে অনেকেই রাজনীতির কবিতা বলে থাকেন।
- তাঁর এই ভাষণকে তুলনা করা হয় আব্রাহাম লিংকন, উইনস্টন চার্চিল, মার্টিন লুথার কিং ও পেরিক্লিসের মহতী যুগান্তকারী ভাষণগুলোর সাথে।
- এর মহত্ত্ব ও বিরাটত্বের কারণে ২০১৭ সনের অক্টোবরে জাতিসংঘের এডুকেশন, কালচার ও সাইন্টিফিক অর্গানাইজেশন, ইউনেস্কো বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের অসাধারণ ভাষণটিকে পৃথিবীর অন্যতম ‘ওয়ার্ল্ড ডকুমেন্টারি হেরিটেজ’ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে স্বাধীনতাকামী বাঙালি জাতিকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে।
- ভাষণে মূলত ৪ দফা দাবি তোলা হয়।
• মার্শাল ল প্রত্যাহার,
• সেনাদের ব্যারাকে ফিরিয়ে নেওয়া,
• রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ডগুলোর বিচার বিভাগীয় তদন্ত এবং
• জনপ্রতিনিধিদের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
১,৫০৯.
স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র পাঠ করেন কে?
  1. আব্দুল্লাহ আবু সায়িদ
  2. এম. ইউসুফ আলী
  3. শাহজাহান সিরাজ
  4. আবদুল মান্নান
সঠিক উত্তর:
এম. ইউসুফ আলী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এম. ইউসুফ আলী
ব্যাখ্যা
- ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলায় (বর্তমান মুজিবনগর) অস্থায়ী প্রবাসী সরকার বা মুজিবনগর সরকার শপথ গ্রহণ করে।
- এই অনুষ্ঠানে অধ্যাপক এম. ইউসুফ আলী স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র পাঠ করেন।

- এর আগে ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল অস্থায়ী প্রবাসী সরকার বা মুজিবনগর সরকার গঠিত হয় এবং একইদিন প্রবাসী সরকারের পক্ষ থেকে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র জারি করা হয়।

(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া)
১,৫১০.
দেশের প্রথম পূর্ণাঙ্গ বেসরকারি মহাকাশ গবেষণাকেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) শ্রীপুর, গাজীপুর
  2. খ) শিবপুর, নরসিংদী
  3. গ) কাপাসিয়া, গাজীপুর
  4. ঘ) চাষাড়া, নারায়ণগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
ক) শ্রীপুর, গাজীপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) শ্রীপুর, গাজীপুর
ব্যাখ্যা
• দেশের প্রথম বেসরকারি পূর্ণাঙ্গ মহাকাশ পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র গড়ে উঠেছে গাজীপুরের শ্রীপুরে
• পুরো জায়গাটি প্রায় ৮০ বিঘা।
• ডমরেটরি, অ্যাস্ট্রো অবজারভেটরি, অ্যাস্ট্রো উঠানসহ এটি হয়ে উঠেছে অনন্য এক স্থাপনা।
• ব্যক্তি উদ্যোগে এটি প্রতিষ্ঠা করেছেন জ্যোতির্বিজ্ঞান চর্চার অন্যতম পথিকৃৎ বীর মুক্তিযোদ্ধা শাহজাহান মৃধা বেনু।  

তথ্যসূত্র:- সমকাল এবং Live MCQ সাম্প্রতিক সমাচার, সেপ্টেম্বর ২০২২।
১,৫১১.
ইউনেস্কো ২১শে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেয় -
  1. ক) ১৬ নভেম্বর, ১৯৯৯
  2. খ) ১৭ নভেম্বর, ১৯৯৯
  3. গ) ১৮ নভেম্বর, ১৯৯৯
  4. ঘ) ১৯ নভেম্বর, ১৯৯৯
সঠিক উত্তর:
খ) ১৭ নভেম্বর, ১৯৯৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৭ নভেম্বর, ১৯৯৯
ব্যাখ্যা
ভাষা আন্দোলন
- ১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারি ছিল ঔপনিবেশিক শাসন-শোষণের বিরুদ্ধে বাঙালির প্রথম আন্দোলন।
- মাতৃভাষা বাংলার মর্যাদা রাখতে শহীদ হন রফিক, জব্বার, সালাম, বরকত ও সফিউররা। 
- ইউনেস্কো ২১শে ফেব্রুয়ারিকে ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে।
- ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস' বিশ্বজুড়ে বিশাল জাতীয় গৌরব ও সম্মানের।
-  ২০০০ সাল থেকে UNESCO এর সদস্য রাষ্ট্রগুলো এ দিবসটিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালন করে।
- ২০১০ সালের ৩ নভেম্বর জাতিসংঘের ৬৫তম সাধারণ অধিবেশনে ৪র্থ কমিটিতে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালনের প্রস্তাবটি উত্থাপন করে এবং প্রস্তাবটি সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়। 
- আর এভাবেই বাংলা ভাষার বিশ্বায়ন প্রক্রিয়া চলমান।

উৎস: i) আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট, portal.gov.bd.
          ii) যুগান্তর, ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮।
১,৫১২.
গৌড় রাজ্যের প্রাচীন নাম কী?
  1. বঙ্গ
  2. লক্ষণাবতী
  3. সমতট
  4. তাম্রলিপ্ত
সঠিক উত্তর:
লক্ষণাবতী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লক্ষণাবতী
ব্যাখ্যা
গৌড়:
- 'গৌড়' নামটি সুপরিচিত হলেও প্রাচীনকালে ঠিক কোথায় গৌড় জনপদটি গড়ে উঠেছিল তা জানা যায়নি।
- তবে ষষ্ঠ শতকে পূর্ব বাংলার উত্তর অংশে গৌড় রাজ্য বলে একটি স্বাধীন রাজ্যের কথা জানা যায়।
- সপ্তম শতকে শশাঙ্ককে গৌড়রাজ বলা হতো।
- এ সময় গৌড়ের রাজধানী ছিল কর্ণসুবর্ণ।
- বর্তমান মুর্শিদাবাদ জেলায় ছিল এর অবস্থান।
- বাংলায় মুসলমানদের বিজয়ের কিছু আগে মালদহ জেলার লক্ষণাবতীকেও গৌড় বলা হতো।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
১,৫১৩.
বাংলাদেশের জাতীয় ফুল-
  1. পদ্ম
  2. শাপলা
  3. গোলাপ
  4. চামেলী
সঠিক উত্তর:
শাপলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শাপলা
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের জাতীয়:
- বাংলাদেশের জাতীয় বৃক্ষ: আম গাছ।
- জাতীয় পাখি: দোয়েল,
- জাতীয় ফল: কাঁঠাল,
- জাতীয় ফুল: শাপলা,
- জাতীয় মাছ: ইলিশ,
- জাতীয় পশু: রয়েল বেঙ্গল টাইগার,
- জাতীয় খেলা: কাবাডি,
- জাতীয় সঙ্গীত: আমার সোনার বাংলা,
- জাতীয় জাদুঘর: ঢাকা জাদুঘর,
- জাতীয় শিশুপার্ক: ঢাকা শিশু পার্ক,
- জাতীয় মসজিদ: বায়তুল মোকাররম মসজিদ,
- জাতীয় প্রতীক: উভয় পাশে ধানের শীষ বেষ্টিত পানিতে ভাসমান একটি শাপলা ফুল,
- জাতীয় মনোগ্রাম: লাল বৃত্তের মাঝে হলুদ রঙের বাংলাদেশের মানচিত্র, বৃত্তের উপরে লেখা ‘গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ’ এবং নিচে লেখা ‘সরকার’। বৃত্তের দু’পাশে দুটি করে চারটি তারকা।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১,৫১৪.
কনসার্ট ফর বাংলাদেশ-১৯৭১ এর প্রধান শিল্পী কে?
  1. ক) রুনা লায়লা
  2. খ) বাপ্পি লাহিরি
  3. গ) মার্ক এন্থনি
  4. ঘ) জর্জ হ্যারিসন
সঠিক উত্তর:
ঘ) জর্জ হ্যারিসন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) জর্জ হ্যারিসন
ব্যাখ্যা

- ১৯৭১ সালের ১ আগস্ট বাংলাদেশের শরণার্থীদের সাহায্য করার উদ্দেশ্যে জর্জ হ্যারিসনের তত্ত্বাবধানে নিউইয়র্ক সিটির ম্যাডিসন স্কয়ার গার্ডেনে অনুষ্ঠিত হয়েছিল 'দ্যা কনসার্ট ফর বাংলাদেশ'।
- জর্জ হ্যারিসনকে অনুষ্ঠানটি করার জন্য উদ্বুদ্ধ করেন বিখ্যাত সেতার বাদক পণ্ডিত রবি শঙ্কর।

উৎসঃ বাংলাপিডিয়া ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট।

১,৫১৫.
আলমগীর কবির পরিচালিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রামাণ্যচিত্র কোনটি?
  1. ইনোসেন্ট মিলিয়নস
  2. স্টপ জেনোসাইড
  3. লিবারেশন ফাইটার্স
  4. ডেডলাইন বাংলাদেশ
সঠিক উত্তর:
লিবারেশন ফাইটার্স
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লিবারেশন ফাইটার্স
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রামাণ্যচিত্র:
- লিবারেশন ফাইটার্স : আলমগীর কবির
- স্টপ জেনোসাইড এবং এ স্টেট ইজ বর্ন : জহির রায়হান
- ইনোসেন্ট মিলিয়নস : বাবুল চৌধুরী
- ডেডলাইন বাংলাদেশ : গীতা মেহতা
(তথ্যসূত্র: প্রথম আলো ও ভোরের কাগজ)
১,৫১৬.
অন্তর্বর্তীকালীন সরকার কত সদস্যের সংবিধান সংস্কার কমিশন গঠন করে?
  1. ৭ সদস্য 
  2. ১১ সদস্য
  3. ৫ সদস্য
  4. ৯ সদস্য
সঠিক উত্তর:
৯ সদস্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯ সদস্য
ব্যাখ্যা

সংবিধান সংস্কার কমিশন:
- ৭ অক্টোবর ২০২৪ তারিখে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে ৯ সদস্যের সংবিধান সংস্কার কমিশন (Constitution Reform Commission) গঠন করে।

• কমিশনের উদ্দেশ্য ছিল -
1️. সংবিধানের প্রয়োজনীয় ধারা ও অনুচ্ছেদসমূহ পুনর্মূল্যায়ন করা।
2️. গণতন্ত্র ও প্রশাসনিক ভারসাম্য পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা।
3️. নির্বাচন কমিশন ও বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা।

• কমিশনের সদস্যবৃন্দ:
- চেয়ারম্যান: প্রফেসর আলী রিয়াজ। 

- অন্যান্য ৮ জন সদস্য:
- ড. সুমাইয়া খায়ের,
- ব্যারিস্টার ইমরান সিদ্দিক, 
- অধ্যাপক মুহাম্মদ একরামুল হক, 
- ড. শরীফ ভুইয়া, 
- ড. এম. মঈন আলম ফিরোজি, 
- ড. ফিরোজ আহমেদ, 
- ড. মোস্তাইন বিল্লাহ, 
- মাহফুজ আলম। 

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও প্রথম আলো পত্রিকা। 

১,৫১৭.
জাতীয় শিশু নীতি ২০১১ অনুযায়ী কিশোর কারা?
  1. ১১ বছর থেকে ১৮ বছরের কম বয়সী শিশু
  2. ১২ বছর থেকে ১৮ বছরের কম বয়সী শিশু
  3. ১৩ বছর থেকে ১৮ বছরের কম বয়সী শিশু
  4. ১৪ বছর থেকে ১৮ বছরের কম বয়সী শিশু
সঠিক উত্তর:
১৪ বছর থেকে ১৮ বছরের কম বয়সী শিশু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪ বছর থেকে ১৮ বছরের কম বয়সী শিশু
ব্যাখ্যা

জাতীয় শিশু নীতি ২০১১:
- শিশুদের সার্বিক সুরক্ষা নিশ্চিত করা ও অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে প্রণীত হয় শিশু আইন ১৯৭৪, যা যুগোপযোগীকরণের মাধ্যমে শিশু আইন ২০১১ রূপে প্রণয়ন করার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
- পরিবার এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে শুরু করে প্রাসঙ্গিক সকল ক্ষেত্রে শিশুর অধিকার ও মর্যাদা রক্ষা করা একান্ত আবশ্যক।
- শিশুর সার্বিক উন্নয়ন নিশ্চিত করা ও অধিকার সংরক্ষণের মাধ্যমে একটি সৎ, দেশপ্রেমিক ও কর্মক্ষম ভবিষ্যৎ প্রজন্ম গড়ে তোলার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ সরকার যত্নশীল ও সক্রিয়।

সংজ্ঞা:
• কিশোর কিশোরী:
কিশোর-কিশোরী বলতে ১৪ বছর থেকে ১৮ বছরের কম বয়সী শিশুদেরকে বুঝাবে।

শিশু: শিশু বলতে আঠারো বছরের কম বয়সী বাংলাদেশের সকল ব্যক্তিকে বুঝাবে। দেশের প্রচলিত কোনো আইনে এর ভিন্নতা থাকলে এই নীতির আলোকে প্রয়োজনীয় সংশোধনের মাধ্যমে সামঞ্জস্যবিধানের উদ্যোগ গ্রহণ করা
হবে।

উৎস: জাতীয় শিশু নীতি - ২০১১।

১,৫১৮.
ব্রিটিশ ভারতের প্রথম ভাইসরয় ছিলেন কে?
  1. লর্ড ক্যানিং
  2. লর্ড মাউন্ট ব্যাটেন
  3. লর্ড ক্লাইভ
  4. লর্ড ওয়ারেন হেস্টিংস
সঠিক উত্তর:
লর্ড ক্যানিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লর্ড ক্যানিং
ব্যাখ্যা
ব্রিটিশ ভারতের ভাইসরয় / গভর্নর:
- ব্রিটিশ ভারতের প্রথম গভর্নর: লর্ড ক্লাইভ।
- শেষ গভর্নর: লর্ড ওয়ারেন হেস্টিংস।
- প্রথম গভর্নর জেনারেল ছিল- লর্ড ওয়ারেন হেস্টিংস।
- শেষ গভর্নর জেনারেল: লর্ড ক্যানিং।
- ব্রিটিশ ভারতের প্রথম ভাইসরয়: লর্ড ক্যানিং।
- শেষ ভাইসরয়: লর্ড মাউন্টব্যাটেন। 

এছাড়াও,
- পূর্ব বাংলার ও আসামের প্রথম লেফটেন্যান্ট জেনারেল - স্যার জেনারেল ব্যামফিল্ড ফুলার।
- পূর্ব বাংলার ও আসামের শেষ লেফটেন্যান্ট জেনারেল- স্যার চার্লস স্টুয়ার্ট বেইলি।

উৎস: ¡) ইতিহাস, (প্রথম পত্র) একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
         ¡¡) বাংলাপিডিয়া।
১,৫১৯.
‘মঙ্গল পাণ্ডে' নিচের কোন বিদ্রোহের সাথে জড়িত?
  1. সাঁওতাল বিদ্রোহ
  2. কৃষক বিদ্রোহ
  3. নাচোল বিদ্রোহ
  4. সিপাহি বিদ্রোহ
সঠিক উত্তর:
সিপাহি বিদ্রোহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিপাহি বিদ্রোহ
ব্যাখ্যা
মঙ্গল পাণ্ডে:
- মঙ্গল পাণ্ডে ছিলেন একজন সিপাহি, যার নেতৃত্বে সিপাহি বিদ্রোহ শুরু হয়।
- ১৮৫৭ সালে ইংরেজদের বিরুদ্ধে সিপাহিদের একটি অংশ বিদ্রোহ করে।
- মঙ্গল পাণ্ডের নেতৃত্বে পশ্চিমবঙ্গের উত্তর চব্বিশ পরগণার ব্যারাকপুরে এই বিদ্রোহ শুরু হয়।
- ‘সিপাহি বিদ্রোহ’ নামে খ্যাত এই বিদ্রোহের মূল উদ্দেশ্য ছিল ইংরেজ শাসনকে হটিয়ে দিয়ে পুরো ভারতকে দখলদার মুক্ত করা।

সিপাহী বিদ্রোহ:
- এটি ছিল ব্রিটিশ শাসন অবসানকল্পে ভারতীয়দের প্রথম জাতীয় সংগ্রাম বা ‘স্বাধীনতা লড়াই'।
- ১৮৫৭ সালে এ বিদ্রোহ মিরাট, দিল্লি, বেরলী, ফতেহপুর, কানপুর, বুন্দেল খণ্ড, রোহিলা খণ্ড, এলাহাবাদ, অযোধ্যা, কলকাতা, বিহার, চট্টগ্রাম, ঢাকা, যশোর এবং দিনাজপুর প্রভৃতি অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে।
- বিদ্রোহীরা মোগল সম্রাট ২য় বাহাদুর শাহকে ভারতের বাদশাহ ও বিদ্রোহের নেতা ঘোষণা করে।
- মারাঠা নেতা নানা সাহেব, ঝাঁসির রাণি লক্ষ্মীবাঈ, মৌলভী লিয়াকত আলী, মৌলভী আহম্মদ উল্লাহ প্রমুখ বিদ্রোহে সক্রিয়ভাবে অংশ নেন।
- সিপাহীরা জেলখানা ভেঙ্গে কয়েদিদের মুক্তি, খাজাঞ্চিখানা লুঠ এবং সর্বত্র ব্রিটিশদের আক্রমণ করে।
- এ লড়াই শুধু সিপাহীদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না, ভারতের হিন্দু-মুসলমান নির্বিশেষে ব্যাপক গণমানুষ এর প্রতি সমর্থন ও সহানুভূতি প্রকাশ করে।

উৎস: ইতিহাস, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৫২০.
মুক্তিযুদ্ধের সময় নিম্নের কোন দেশ থেকে 'বাংলাদেশ স্ফুলিঙ্গ' নামক সংবাদপত্র প্রকাশিত হয়েছে?
  1. কানাডা
  2. যুক্তরাজ্য
  3. ভারত
  4. জার্মানি
সঠিক উত্তর:
কানাডা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কানাডা
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধে গণমাধ্যম:
- মুক্তিযুদ্ধের সময় বিভিন্ন দেশে সংবাদপত্রে মুক্তিবাহিনীর তৎপরতা, বাংলাদেশ সরকারের কার্যক্রম ও নির্দেশাবলী, নেত্রবৃন্দের বিবৃতি ও তৎপরতা, প্রবাসী বাঙ্গালীদের আন্দোলনের খবর ইত্যাদি প্রকাশিত হত।
- এদের মধ্যে মুজিবনগর থেকে প্রকাশিত জয় বাংলা, বাংলাদেশ, বঙ্গবাণী, স্বদেশ, রণাঙ্গন, স্বাধীন বাংলা, মুক্তিযুদ্ধ, সোনার বাংলা, বিপ্লবী বাংলাদেশ, জন্মভূমি, বাংলার বাণী, নতুন বাংলা ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।

এছাড়াও,
- মার্কিন যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত হতো বাংলাদেশ নিউজ লেটার, বাংলাদেশ সংবাদ পরিক্রমা।
- আমেরিকা থেকে প্রকাশিত বাংলাদেশ নিউজ লেটার, বাংলাদেশ নিউজ বুলেটিন, শিক্ষা উল্লেখযোগ্য।
- কানাডা থেকে বাংলাদেশ স্ফুলিঙ্গ নামক সংবাদপত্র প্রকাশিত হত।

উৎস: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
১,৫২১.
বীরশ্রেষ্ঠ মোহাম্মদ মোস্তফা কামালকে কোথায় সমাহিত করা হয়?
  1. হবিগঞ্জ
  2. ব্রাহ্মণবাড়িয়া
  3. সিলেট
  4. মৌলভীবাজার
সঠিক উত্তর:
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
ব্যাখ্যা

বীরশ্রেষ্ঠ মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল:
- তাঁর জন্ম ১৯৪৯ সালে বরিশালের দৌলতখান থানার পশ্চিম হাজীপাড়া গ্রামে।
- ১৯৬৮ সালে তিনি পাকিস্তানের চতুর্থ ইস্ট-বেঙ্গল রেজিমেন্টে যোগদান করেন।
- মুক্তিযুদ্ধ শুরুর কয়েকদিন পূর্বে বক্সার হিসাবে সিপাহি মোহাম্মদ মোস্তফা অবৈতনিক ল্যান্স নায়েক হিসাবে পদোন্নতি পান।
- ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি কর্তৃপক্ষ ৪ ইষ্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টকে সিলেট ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মোতায়েন করে।
- বীরশ্রেষ্ঠ সিপাহী মোস্তফা কামাল ২নং সেক্টরের অধীনে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন।
- তিনি মেজর খালেদ মোশারফের নেতৃত্বে আশুগঞ্জ, উজানিস্বর ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন।
- ১৮ এপ্রিল অসীম সাহসের সাথে যুদ্ধ করতে করতে শহীদ হন।
- ব্রাহ্মণবাড়িয়ার দরুইন গ্রামের জনগণ মোস্তফা কামালকে তাঁর শাহাদাতের স্থানের পাশেই সমাহিত করে।
- মুক্তিযুদ্ধে সাহসিকতা ও আত্মত্যাগের স্বীকৃতি স্বরূপ বাংলাদেশ সরকার তাঁকে সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মাননা 'বীরশ্রেষ্ঠ' খেতাবে ভূষিত করে।

তথ্যসূত্র - মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।

১,৫২২.
বাংলাদেশ আইএলও এর কোন কনভেনশন অনুসমর্থন করেছে?
  1. ILO Convention - 128
  2. ILO Convention - 138
  3. ILO Convention - 140
  4. ILO Convention - 148
সঠিক উত্তর:
ILO Convention - 138
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ILO Convention - 138
ব্যাখ্যা
- কাজে যোগদানের ন্যূনতম বয়স সম্পর্কিত আইএলও কনভেনশন ১৩৮ (ILO Convention - 138)।
- সম্প্রতি এই কনভেনশন অনুসমর্থন করেছে বাংলাদেশ।
- এ কনভেনশন অনুসমর্থনের মাধ্যমে সবকয়টি মৌলিক কনভেনশন অনুসমর্থনের মাইলফলক স্পর্শ করলো বাংলাদেশ।
- ১৮৯ দেশের মধ্যে ১৭৩টি দেশ এই চুক্তি সই করেছে।

এখানে তিনটা বিষয় আছে:-
১. ১৫ বছরের কম কোনো শিশুকে কাজে লাগানো যাবে না।
২. আর্থ সামাজিক অবস্থা বিশেষ বিবেচনার পরিপ্রেক্ষিতে কোনো দেশ বয়স এক বছর কমাতে পারবে (১৪ বছর পর্যন্ত)।
৩. ১৪ বছর হোক বা ১৫ বছর হোক শিশুদের কোনো অবস্থাতেই কোনো ঝুঁকিপূর্ণ কাজে নিয়োগ করা যাবে না।

সূত্র:- লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, এপ্রিল ২০২২
১,৫২৩.
১৩০১ থেকে ১৩২২ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত বাংলায় রাজত্ব করেছিলেন -
  1. ক) নাসিরউদ্দিন মাহমুদ শাহ
  2. খ) শামসুদ্দীন ফিরুজ শাহ
  3. গ) আলাউদ্দিন হোসেন শাহ
  4. ঘ) রুকনুদ্দিন কায়কাউস
সঠিক উত্তর:
খ) শামসুদ্দীন ফিরুজ শাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) শামসুদ্দীন ফিরুজ শাহ
ব্যাখ্যা
- শামসুদ্দীন ফিরুজ শাহ ছিলেন লখনৌতির মুসলিম রাজ্যের সুলতান।
- সুলতান শামসুদ্দীন ফিরুজ শাহ ১৩০১ থেকে ১৩২২ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত বাংলায় রাজত্ব করেছিলেন এবং চারদিকেই তাঁর রাজ্য বিস্তার করেছিলেন। 
- শামসুদ্দীন ফিরুজ শাহের রাজত্বকালে সিলেট বিজয় এবং এর সঙ্গে শাহ জালাল (রঃ)-এর সংশ্লিষ্টতার ঐতিহাসিকতা লিপিগত এবং সাহিত্যিক উৎসগুলি দ্বারাও সমর্থিত।
- ফিরুজ শাহের সময়ে সোনারগাঁও অঞ্চল (দক্ষিণ-পূর্ব বাংলা) মুসলিম সাম্রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত হয়। তিনি সোনারগাঁও-এ একটি টাকশাল স্থাপন করেন।
- বাংলার সালতানাত সুলতান শামসুদ্দীন ফিরুজ শাহের আমলে কমপক্ষে পশ্চিমে শোন ও গোগরা নদী হতে পূর্বে সিলেট পর্যন্ত এবং উত্তরে দিনাজপুর-রংপুর হতে দক্ষিণে হুগলি ও সুন্দরবন পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল।
- শামসুদ্দীন ফিরুজ শাহের মৃত্যু হয় ৭২২ হিজরিতে (১৩২২ খ্রি.)। 
 
উৎস: বাংলাপিডিয়া 
১,৫২৪.
'ভাওয়াইয়া' কোন অঞ্চলের গান?
  1. চট্টগ্রাম
  2. কুষ্টিয়া
  3. সিলেট
  4. রংপুর
সঠিক উত্তর:
রংপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রংপুর
ব্যাখ্যা

ভাওয়াইয়া:
- ভাওয়াইয়া উত্তরবঙ্গে প্রচলিত এক প্রকার  লোকগীতি।
- রংপুর ও ভারতের কুচবিহার জেলা এ গানের জন্মস্থান।
- ভাওয়াইয়া গান ভাবসমৃদ্ধ বিধায় ‘ভাব’ থেকে ‘ভাওয়াইয়া’ কথাটির উৎপত্তি বলে অনুমিত হয়।
- এ গানের মূল সুর নর-নারীর প্রণয়। প্রণয়ের বিচ্ছেদ জ্বালাই এতে অধিক রূপায়িত হয়।
- ভাওয়াইয়া গান দুই প্রকার- দীর্ঘ সুরবিশিষ্ট ও চটকা সুরবিশিষ্ট।
- প্রথম শ্রেণীর গানে নর-নারীর, বিশেষত নবযৌবনাদের অনুরাগ, প্রেমপ্রীতি ও ভালোবাসার আবেদন ব্যক্ত হয়।
- এরূপ গানের মধ্যে ‘ওকি গাড়িয়াল ভাই’, ‘যে জন প্রেমের ভাব জানে না’, ‘কোন দ্যাশে যান মইশাল বন্দুরে’, ‘নউতোন পিরিতির বড় জ্বালা’ ইত্যাদি অধিক জনপ্রিয়।
- অপরপক্ষে চটকা এক প্রকার রঙ্গগীতি।
- এ গান চটুল ও দ্রুত তালের।
- গ্রাম্য ‘চট’ (অর্থ তাড়াতাড়ি) শব্দটির স্ত্রীলিঙ্গান্তর করে ‘চটকা’ শব্দের উৎপত্তি হয়েছে।
- এ শ্রেণীর গানে যথেষ্ট হাস্যরসের উপাদান থাকে।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।

১,৫২৫.
কত সালে বক্সারের যুদ্ধ সংঘটিত হয়?
  1. ১৭৫৭ সালে
  2. ১৭৬৪ সালে
  3. ১৭৭২ সালে
  4. ১৮৫৭ সালে
সঠিক উত্তর:
১৭৬৪ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭৬৪ সালে
ব্যাখ্যা

বক্সারের যুদ্ধ:
- বক্সারের যুদ্ধ নবাব মীর কাসিম ও তাঁর মিত্রশক্তির সাথে ইংরেজদের যুদ্ধ।
- পলাশীর যুদ্ধের পর ১৭৬৪ সালে বিহারের বক্সার নামক স্থানে এই যুদ্ধ সংঘটিত হয়।
- মেজর হেক্টর মুনরোর নেতৃত্বে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির বাহিনী এবং মীর কাসিম, মুঘল সম্রাট দ্বিতীয় শাহ আলম এবং অযোধ্যার নবাব সুজাউদ্দৌলা-এর সম্মিলিত সেনাবাহিনীর মধ্যে লড়াই হয়েছিল।

উল্লেখ্য,
- ১৭৬৪ সালের ২২ অক্টোবর বিহারের বক্সার নামক স্থানে সংঘটিত এ যুদ্ধে ইংরেজরা জয়লাভ করে।
- এই যুদ্ধের ফলে বাদশাহ দ্বিতীয় শাহ আলম পুনরায় ইংরেজ শিবিরে আশ্রয় নেন।
- সুজাউদ্দৌলা রোহিলাখন্ডে পালিয়ে যান এবং অযোধ্যা ইংরেজ বাহিনীর পদানত হয়।
- মীর কাসিম নিরুদ্দেশ হন এবং এরপর তাঁর সম্পর্কে আর কিছু জানা যায় নি।
- বক্সার ছিল একটি চূড়ান্ত যুদ্ধ।
- এ যুদ্ধের পর বাংলা ইংরেজ কোম্পানির শাসনের অধীনে আবদ্ধ হয়।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
          ii) Britannica.

১,৫২৬.
মুক্তিযুদ্ধকালে বাংলাদেশকে কয়টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল?
  1. এগার
  2. দশ
  3. আট
  4. পনের
সঠিক উত্তর:
এগার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এগার
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর ও সাব-সেক্টর সমূহ:

- মুক্তিযুদ্ধকালে বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল।
- ১১টি সেক্টরের অধীনে ৬৪টি সাব-সেক্টরে ভাগ করা হয়।
- ঢাকা ও কুমিল্লা অঞ্চল নিয়ে ২নং সেক্টর গঠন করা হয়।
- চট্টগ্রাম অঞ্চল নিয়ে ১নং সেক্টর গঠন করা হয়।
- নৌ সেক্টর ছিলো ১০ নং সেক্টরের অধিনে ।
- ১০ নং সেক্টরের নিয়মিত কোনো সেক্টর কমান্ডার ছিলো না।
- ২ নং সেক্টর প্রথমে মেজর খালেদ মোশাররফ এবং পরে মেজর এ.টি.এম হায়দারের অধীনে ছিল।
- ১ নং সেক্টরে সেক্টর প্রধান ছিলেন প্রথমে মেজর জিয়াউর রহমান এবং পরে মেজর রফিকুল ইসলাম।

তথ্যসূত্র- বাংলাপিডিয়া।
১,৫২৭.
বীরশ্রেষ্ঠ সিপাহী মোস্তফা কামাল কত নং সেক্টরের অধীনে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন?
  1. ১নং সেক্টর
  2. ২নং সেক্টর
  3. ৩নং সেক্টর
  4. ৪নং সেক্টর
সঠিক উত্তর:
২নং সেক্টর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২নং সেক্টর
ব্যাখ্যা
বীরশ্রেষ্ঠ ও সেক্টর:
- ল্যান্স নায়েক মুন্সি আব্দুর রউফ : ১নং সেক্টর।
- সিপাহী মোস্তফা কামাল : ২নং সেক্টর।
- সিপাহী হামিদুর রহমান : ৪নং সেক্টর।
- ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর : ৭নং সেক্টর।
- ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখ : ৮নং সেক্টর।
- ইঞ্জিনরুম আর্টিফিসার রুহুল আমীন : ১০নং সেক্টর।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া এবং মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
১,৫২৮.
কোন সুলতানের উপাধি ছিল 'শাহ-ই-বাঙ্গালাহ'?
  1. আলাউদ্দিন হুসেন শাহ
  2. গিয়াসউদ্দিন আযম শাহ
  3. ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ
  4. শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ
সঠিক উত্তর:
শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ
ব্যাখ্যা

• শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ: 
- ইলিয়াস শাহের রাজত্বকাল বাংলার রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি উজ্জ্বল অধ্যায়।
- একজন সামান্য শাসক থেকে একত্রিত বৃহৎ বাংলা প্রতিষ্ঠিত করে এখানে সুষ্ঠু প্রশাসন ব্যবস্থা প্রবর্তন করে জনকল্যাণমূলক শাসন প্রতিষ্ঠিত করায় ইলিয়াস শাহ বাংলার ইতিহাসে উচ্চ স্থান অধিকার করে আছেন।
- দুইবাংলার সমগ্র সীমানাকে একত্রিত করে বাঙ্গালাহ নামটি তাঁর সময়েই প্রচলিত হয় এবং শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহকে শাহ-ই-বাঙ্গালাহ বলা হয়
- তাঁর রাজত্বকালে বাঙালিরা সর্বপ্রথম একটি জাতি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।
- এ সময় বাংলার লোকেরা বাঙালি হিসেবে পরিচিত হয়।
- এ কারণে ঐতিহাসিকগণ তাঁকে 'বাঙালি জাতীয়তাবাদের জনক' বলে উল্লেখ করেছেন।
- বাংলার ইতিহাসের এ মহানায়ক সুদীর্ঘ ১৬ বছর রাজত্ব করার পর ১৩৫৮ খ্রিস্টাব্দে মৃত্যুবরণ করেন।

উৎস: ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৫২৯.
ডাক বিভাগের EPP সার্ভিস এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Electronic Parcel Post
  2. Excess Payment Parcel
  3. Express Parcel Payment
  4. Express Parcel Post
সঠিক উত্তর:
Express Parcel Post
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Express Parcel Post
ব্যাখ্যা
EPP:
- ডাক বিভাগের EPP সার্ভিস এর পূর্ণরূপ: Express Parcel Post.

উল্লেখ্য,
- ডাক অধিদপ্তর গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের অধীন একটি সেবাধর্মী সরকারি প্রতিষ্ঠান।
- দেশব্যাপী সুবিস্তৃত নেটওয়ার্কের মাধ্যমে এ প্রতিষ্ঠান বহুমুখী মৌলিক ডাক সেবা এবং আর্থিক ও তথ্য প্রযুক্তি ভিত্তিক ডিজিটাল ডাক সেবা প্রদানের জন্য নিবেদিত।
- এই দেশের বিপুল জনগোষ্ঠীর সেবা প্রদানের জন্য ডাক অধিদপ্তরই একমাত্র সরকারি ডাক সেবা প্রদানকারী সংস্থা।
- শ্রেণি-পেশা নির্বিশেষে সমাজের সকল স্তরের জনগণের জন্য দ্রুততার সাথে নির্ভরযোগ্য ও সাশ্রয়ী ডাক সেবা নিশ্চিতকরণে ডাক অধিদপ্তর অঙ্গীকারবদ্ধ।
- বাস্তবানুগ ও উদ্ভাবনী ধ্যান-ধারণার সুষ্ঠু প্রয়োগের মাধ্যমে জনজীবনে ডাক যোগাযোগে স্বাচ্ছন্দ্যের পাশাপাশি ডাক অধিদপ্তর লাভজনক প্রতিষ্ঠানে পরিণত হওয়ার লক্ষ্যে সর্বদা সচেষ্ট।

উৎস: ডাক অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
১,৫৩০.
'ওয়ানগালা' কোন উপজাতির উৎসব?
  1. ক) রাখাইন
  2. খ) সাঁওতাল
  3. গ) চাকমা
  4. ঘ) গারো
সঠিক উত্তর:
ঘ) গারো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) গারো
ব্যাখ্যা
- ওয়ানগালা হলো গারো জনগোষ্ঠীর প্রধান উৎসব। এটি তাদের প্রধান সামাজিক ও কৃষিকেন্দ্রিক উৎসব।
অন্যদিকে,
- সোহরাই হলো সাঁওতালদের প্রধান উসব।
- মুরংদের প্রধান উৎসব চিয়াৎসপয়
- ওরাঁওদের প্রধান উৎসব হলো কারাম উৎসব।

(তথ্যসূত্র: ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ভাষা ও সংস্কৃতি : ষষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণী)
১,৫৩১.
পাকিস্তানের প্রথম প্রেসিডেন্ট কে ছিলেন?
  1. মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ
  2. গোলাম মোহাম্মদ
  3. ইস্কান্দার মীর্জা
  4. আইয়ুব খান
সঠিক উত্তর:
ইস্কান্দার মীর্জা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইস্কান্দার মীর্জা
ব্যাখ্যা
ইস্কান্দার মীর্জা: 
- ইস্কান্দার মীর্জা পাকিস্তানের প্রথম প্রেসিডেন্ট ছিলেন। 

- ১৯৫৫ সালের ৫ আগস্ট অসুস্থতার জন্য গভর্নর জেনারেল গোলাম মোহাম্মদ ছুটিতে গেলে তিনি প্রথমে পাকিস্তানের ভারপ্রাপ্ত গভর্নর জেনারেল এবং পরে গভর্নর জেনারেল নিযুক্ত হন।
- পাকিস্তানের প্রথম সংবিধান (১৯৫৬) মোতাবেক গভর্নর জেনারেলের পদকে প্রেসিডেন্ট পদে রূপান্তর করা হয় এবং ইস্কান্দার মীর্জা জাতীয় পরিষদে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন।
- দেশে রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার কারণে তিনি ১৯৫৮ সালের ৭ অক্টোবর সামরিক আইন জারি করেন। 
- পাকিস্তান সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল আইয়ুব খানকে সামরিক আইন প্রশাসক নিযুক্ত করেন।
- তিন সপ্তাহের মধ্যে আইয়ূব খান এক রক্তপাতহীন সামরিক ক্যুর মাধ্যমে ১৯৫৮ সালের ২৭ অক্টোবর নিজেকে প্রেসিডেন্ট ঘোষণা করেন।
- তিনি ইস্কান্দার মীর্জাকে প্রথমে কোয়েটা এবং পরে লন্ডনে নির্বাসনে পাঠান।
- ১৯৬৯ সালের ১২ নভেম্বর মির্যা লন্ডনে মৃত্যুবরণ করেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১,৫৩২.
Nijhum Island is located in the estuary of which river?
  1. Padma River
  2. Meghna River
  3. Jamuna River
  4. Pasur River
  5. Kirtankhola River
সঠিক উত্তর:
Meghna River
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Meghna River
ব্যাখ্যা
নিঝুম দ্বীপ:
- নিঝুম দ্বীপ বাংলাদেশের একটি ছোট্ট দ্বীপ।
- এটি নোয়াখালী জেলার হাতিয়া উপজেলার অন্তর্গত।
- এর আয়তন ৯১ বর্গ কিলোমিটার।
- নিঝুম দ্বীপ হাতিয়ার মেঘনা নদীর মোহনায় অবস্থিত।
- বঙ্গোপসাগরের কোল ঘেঁষে নিঝুম দ্বীপের অবস্থান।
- দ্বীপের তিন দিকে সাগর অন্যদিকে মেঘনার মোহনা।

উল্লেখ্য,
- প্রায় ১৪ হাজার ৫০ একরের দ্বীপটি ১৯৪০ সালের দিকে জেগে ওঠে।
- ওসমান নামের একজন বাথানিয়া তাঁর মহিষের বাথান নিয়ে প্রথম নিঝুম দ্বীপে বসত গড়েন।
- তখন তাঁর নামেই এই চরের নাম হয় ওসমান চর।
- এই দ্বীপে প্রচুর বালুর ঢিবি বা টিলা ছিল বলে স্থানীয় লোকজন এই দ্বীপকে বাইল্যার ডেইল বা বাউল্লার চরও বলে ডাকত।
- আবার এ চরে প্রচুর ইচা মাছ (চিংড়ির স্থানীয় নাম) পাওয়া যেত বলে একে ইছামতীর চরও বলা হতো।
- বর্তমানে নিঝুম দ্বীপ হিসেবে পরিচিত হলেও স্থানীয় লোকজন এখনো এই দ্বীপকে বাইল্যার ডেইল বা বাউল্লার চর বলেই সম্বোধন করে।
- বাংলাদেশের বন বিভাগ সত্তরের দশকে এই দ্বীপে কার্যক্রম শুরু করে।
- নিঝুম দ্বীপ এখন হরিণের অভয়ারণ্য।
- দ্বীপের বিশেষ আকর্ষণ উভচর প্রজাতির মাছ।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১,৫৩৩.
মুজিবনগর সরকারের ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রী ছিলেন কে?
  1. ক) তাজউদ্দীন আহমদ
  2. খ) খন্দকার মুশতাক আহমেদ
  3. গ) এম মনসুর আলী
  4. ঘ) এ এইচ এম কামরুজ্জামান
সঠিক উত্তর:
ঘ) এ এইচ এম কামরুজ্জামান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) এ এইচ এম কামরুজ্জামান
ব্যাখ্যা
• মুজিবনগর সরকার:
- ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল মুজিবনগর সরকার গঠিত হয়।
- ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল এ সরকার শপথ গ্রহণ করে।

এই সরকারের গঠন:
- রাষ্ট্রপতি - বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- উপ রাষ্ট্রপতি ও ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি - সৈয়দ নজরুল ইসলাম।
- প্রধানমন্ত্রী - তাজউদ্দিন আহমেদ।
- স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রী - এ এইচ এম কামরুজ্জামান।
- অর্থ-বাণিজ্য মন্ত্রী - এম মনসুর আলী।
- পররাষ্ট্র ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী - খন্দকার মুশতাক আহমেদ।

সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা নবম-দশম শ্রেণী।
১,৫৩৪.
মোগল সম্রাটদের মধ্যে কে 'জিজিয়া কর' রহিত করেন?
  1. সম্রাট হুমায়ুন
  2. সম্রাট আকবর
  3. সম্রাট আওরঙ্গজেব
  4. সম্রাট শাহজাহান
সঠিক উত্তর:
সম্রাট আকবর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্রাট আকবর
ব্যাখ্যা
সম্রাট আকবর:
- তৃতীয় মোগল সম্রাট অবুল ফতেহ জালাল উদ্দিন মোহাম্মদ আকবর।
- পিতা হুমায়ুনের মৃত্যুর পর ১৫৫৬ সালে সিংহাসনে বসেন আকবর।
- তখন তাঁর বয়স ছিল ১৩ বছর।
- তাঁর শাসনামলে রাজনৈতিক, সামরিক ও অর্থনৈতিকভাবে মোগল সাম্রাজ্যের ভিত্তি সুদৃঢ় হয়।
- ১৫৮২ সালে আকবর ‘দীন-ই-ইলাহি’ ধর্মের প্রবর্তন করেন।
- মোগল সম্রাট আকবর 'জিজিয়া কর' রহিত করেন।
- তার দরবারে ভারতীয়, ইরানী তুরানী, কাশ্মীরি গায়ক ছিলেন।
- বিখ্যাত ইতিহাসবিদ আবুল ফজলের তথ্য মতে, আকবরের দরবারে ৩৬ জন গায়ক ছিলেন।
- আইন-ই-আকবরী মুঘল সম্রাট আকবরের দরবারের ঐতিহাসিক আবুল ফজল কর্তৃক রচিত আকবরনামা গ্রন্থের তৃতীয় খন্ড।
- সম্রাট আকবরের শাসনামলে 'বাংলার বারো ভুঁইয়ার' অভ্যুত্থান ঘটে।
- ভারতের সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ সঙ্গীতজ্ঞ তানসেন সম্রাট আকবরের দরবারের সবচেয়ে প্রতিভাবান বুদ্ধিজীবী এবং শিল্পী ছিলেন।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া ও  ইতিহাস ১ম পত্র, HSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৫৩৫.
মুঘল সম্রাট শাহজাহান কোন শতাব্দীতে ময়ূর সিংহাসন নির্মাণ করেন?
  1. ১৫শ শতাব্দী
  2. ১৬শ শতাব্দী
  3. ১৭শ শতাব্দী
  4. ১৮শ শতাব্দী
সঠিক উত্তর:
১৭শ শতাব্দী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭শ শতাব্দী
ব্যাখ্যা

ময়ূর সিংহাসন:
- ১৭শ শতাব্দীতে মুঘল সম্রাট শাহজাহান সোনার তৈরি ময়ূর সিংহাসন নির্মাণ করেন।
- সিংহাসনটিতে রূপার সিড়ি দিয়ে আরোহণ করা হতো। সিংহাসনের পেছনে দুটি ময়ূরের ছবি ছিল, যারা তাদের অনিন্দ্যসুন্দর পেখম ছড়িয়ে দাঁড়িয়ে ছিল। আর এই পেখমগুলো খচিত ছিল নানা রকম দুষ্প্রাপ্য আর অতিমূল্যবান রত্নপাথর দিয়ে। এর মাঝে ছিল নীলকান্ত মণি, পান্না, চুনি কিংবা পদ্মরাগ মণি, মুক্তা ও অন্যান্য মূল্যবান পাথর। 

উল্লেখ্য,
- ১৭৩৯ খ্রিস্টাব্দে দিল্লির সম্রাট মোহাম্মদ শাহের শাসনামলে, পারস্য সম্রাট নাদির শাহ ভারতবর্ষ অভিযানকালে লুণ্ঠন করে নিয়ে যায় সিংহাসনটি।
- এর সৌন্দর্য দেখে পাগল হয়ে নাদির শাহ সিংহাসনটি সঙ্গে নিয়ে যান নিজ দেশ পারস্যে অর্থাৎ বর্তমান ইরানে।
- ১৭৪৭ সালে নাদির শাহ আততায়ীর হাতে নিহত হন। এরপরই আসল ময়ূর সিংহাসনটি হারিয়ে যায়।

উৎস: i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
ii) Britannica.

১,৫৩৬.
গুপ্ত সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা কে ছিলেন?
  1. বিজয় গুপ্ত
  2. প্রথম চন্দ্রগুপ্ত
  3. সমুদ্র গুপ্ত
  4. মহিপাল
সঠিক উত্তর:
প্রথম চন্দ্রগুপ্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রথম চন্দ্রগুপ্ত
ব্যাখ্যা
গুপ্ত সাম্রাজ্য:
- ভারতে সাম্রাজ্যবাদী গুপ্তদের শাসন প্রতিষ্ঠিত হয় ৩২০ খ্রিষ্টাব্দে।
- তখন বাংলায় কিছু স্বাধীন রাজ্যের উত্থান ঘটে ।
- প্রথম চন্দ্রগুপ্তকে বলা হয় গুপ্ত বংশের প্রকৃত প্রতিষ্ঠাতা। 
- গুপ্ত সম্রাট প্রথম চন্দ্রগুপ্তের রাজত্বকালেই বাংলার উত্তরাংশের কিছু অংশ গুপ্ত সাম্রাজ্যের অধিকারে আসে।
- সমুদ্রগুপ্তের রাজত্বকালে সমগ্র বাংলা অধিকৃত হলেও সমতট একটি করদ রাজ্য ছিল।
- সমুদ্রগুপ্তের রাজত্বকাল থেকে ছয় শতকের মাঝামাঝি পর্যন্ত বাংলার উত্তরাংশ গুপ্ত সাম্রাজ্যের অধীনস্থ একটি ‘প্রদেশ' বা 'ভুক্তি' হিসেবে পরিগণিত হতো ।
- মৌর্যদের মতো গুপ্তদের রাজধানী ছিল মহাস্থানগড়ের পুণ্ড্রনগর ।
- হুনদের আক্রমণের মধ্য দিয়ে গুপ্ত সাম্রাজ্যের পতন ঘটে।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণী, NCTB।
১,৫৩৭.
‘উর্দু এবং একমাত্র উর্দুই হবে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা’- এ কথাটি প্রথম কে বলেছিলেন?
  1. নূরুল আমিন
  2. খাজা নাজিমুদ্দিন
  3. মুহম্মদ আলী জিন্নাহ
  4. লিয়াকত আলী খান
সঠিক উত্তর:
মুহম্মদ আলী জিন্নাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুহম্মদ আলী জিন্নাহ
ব্যাখ্যা
ভাষা আন্দোলন:
- ১৯৪৭ সালেই করাচিতে জাতীয় শিক্ষা সম্মেলনে উর্দুকে পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা হিসাবে ব্যবহারের সুপারিশসহ প্রচার মাধ্যমে ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কেবল উর্দু ব্যবহারের প্রস্তাব করা হয়।
- ১৯৪৭ সালের ৮ ডিসেম্বর রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ব্যাপক সমাবেশ ও মিছিল হয়।
- ১৯৪৮ সালের ১৯ শে মার্চ পাকিস্তানের গভর্নর জেনারেল মুহম্মদ আলী জিন্নাহ ঢাকায় আসেন।
- তিনি ২১শে মার্চ রেসকোর্স ময়দান (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) এবং ২৪শে মার্চ কার্জন হলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন অনুষ্ঠানে বক্তৃতাকালে ঘোষণা করেন-
"Urdu and only Urdu shall be the state language of Pakistan"
“উর্দু এবং একমাত্র উর্দুই হবে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা”

- উভয় জায়গাতেই তার এই ঘোষণায় উপস্থিত জনতা ও ছাত্ররা 'না না' ধ্বনি দিয়ে তীব্র প্রতিবাদ জানায়।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা; নবম-দশম শ্রেণি।
১,৫৩৮.
শায়েস্তা খানের কন্যা পরী বিবির আসল নাম কী?
  1. মরিয়ম বেগম
  2. ইরান দুখত
  3. রহিমা খানম
  4. জাহানারা পারভীন
সঠিক উত্তর:
ইরান দুখত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইরান দুখত
ব্যাখ্যা
লালবাগ কেল্লা:
- লালবাগ কেল্লার নাম ছিল কেল্লা আওরঙ্গবাদ বা আওরঙ্গবাদ দুর্গ।
- এই কেল্লার নকশা করেন শাহ আজম।
- মোঘল সম্রাট আওরঙ্গজেব-এর ৩য় পুত্র আজম শাহ ১৬৭৮ খ্রিস্টাব্দে ঢাকার সুবেদারের বাসস্থান হিসেবে এ দুর্গের নির্মাণ কাজ শুরু করেন।
- নবাব শায়েস্তা খাঁ ১৬৮০ সালে ঢাকায় এসে পুনরায় দুর্গের নির্মাণকাজ শুরু করেন।
- শায়েস্তা খানের কন্যা পরী বিবির মৃত্যুর পর শায়েস্তা খান ১৬৮৪ খ্রিস্টাব্দে এর নির্মাণ বন্ধ করে দেন।
- পরী বিবিকে দরবার হল এবং মসজিদের ঠিক মাঝখানে সমাহিত করা হয়।
- ১৮৪৪ সালে ঢাকা কমিটি নামে একটি আধা-সরকারি প্রতিষ্ঠান দুর্গের উন্নয়ন কাজ শুরু করে।
- এ সময় দুর্গটি লালবাগ দুর্গ নামে পরিচিতি লাভ করে।
- ১৯১০ সালে লালবাগ দুর্গের প্রাচীর সংরক্ষিত স্থাপত্য হিসেবে প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের অধীনে আনা হয়।
-  এটি মোগল আমল এর একটি চমৎকার নিদর্শন। 

উল্লেখ্য,
- পরী বিবির আসল নাম ইরান দুখত রেহমত বানু। 

 উৎস: i) বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
          ii) ৯ ডিসেম্বর ২০১৬, প্রথম আলো।
১,৫৩৯.
বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণটি স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে কী নামে প্রচারিত হয়?
  1. ক) জয় বাংলা
  2. খ) জয় বঙ্গবন্ধু
  3. গ) বজ্রকণ্ঠ
  4. ঘ) বাংলার দূত
সঠিক উত্তর:
গ) বজ্রকণ্ঠ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বজ্রকণ্ঠ
ব্যাখ্যা
- পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ রেসকোর্স ময়দানের সমাবেশে লক্ষ লক্ষ জনতার ঢল নামে। 
- বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের এই ভাষণটি স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে ‘বজ্রকণ্ঠ’ নামে প্রচারিত হয়। 
- তাঁর বক্তব্যের মধ্যে ৪টি গুরুত্বপূর্ণ শর্ত ছিল।
 ক) চলমান সামরিক আইন প্রত্যাহার, 
 খ)  সৈন্যদের ব্যারাকে ফিরিয়ে নেয়া, 
 গ)  গণহত্যার তদন্ত করা এবং
 ঘ) নির্বাচিত প্রতিনিধিদের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করা।

 উৎস: বাংলাপিডিয়া ও বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৫৪০.
বাংলাদেশের একমাত্র পাহাড়ি দ্বীপ কোনটি?
  1. বান্দরবান
  2. মহেশখালী
  3. চকোরিয়া
  4. কাপ্তাই
সঠিক উত্তর:
মহেশখালী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মহেশখালী
ব্যাখ্যা

মহেশখালী দ্বীপ:
- বাংলাদেশের একমাত্র পাহাড়ি দ্বীপ মহেশখালী দ্বীপ।
- মহেশখালী দ্বীপ কক্সবাজার জেলায় শহর থেকে ১২ কিলোমিটার পশ্চিমে সাগরের মাঝে অবস্থিত।
- মহেশখালী উপজেলায় সোনাদিয়া, মাতারবাড়ি, ধলঘাটা নামে ৩টি দ্বীপ রয়েছে।
- এই দ্বীপে আদিনাথ পাহাড় রয়েছে।
- এছাড়া এখানে আদিনাথ মন্দির রয়েছে।
- মূলত ছোট এক উপজেলা শহর মহেশখালী।
- দ্বীপটির প্রধান আকর্ষণ শুঁটকি মাছ ও মিঠা পানি।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) ভূগোল ও পরিবেশ, নবম- দশম শ্রেণি।

১,৫৪১.
পাকিস্তানের সামরিক বাহিনীতে পাঞ্জাবি ও পাঠান বাদে বাংলাসহ অপরাপর জাতির চাকুরির জন্য শতকরা কতভাগ কোটা নির্ধারণ করা হয়?
  1. ৩%
  2. ৫%
  3. ৭%
  4. ১০%
সঠিক উত্তর:
৫%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫%
ব্যাখ্যা
পাকিস্তানের প্রতিরক্ষাক্ষেত্রে বৈষম্য:
- পূর্ব পাকিস্তানের ওপর পশ্চিম পাকিস্তানি শাসকদের বৈষম্যের প্রকাশ ঘটে সামরিক বাহিনীতে বাঙালিদের প্রতিনিধিত্ব নিয়ে।
- সামরিক বাহিনীতে পশ্চিম পাকিস্তানিদের আধিপত্য ছিল।
- ক্ষমতার শীর্ষে ছিল পশ্চিম পাকিস্তানি সামরিক বাহিনীর সদস্যরা।
- তাদের এই বৈষম্যমূলক নীতি সামরিক বাহিনীতে নিয়োজিত বাঙালি সদস্যদের মধ্যে অসন্তোষের সৃষ্টি করে।

উল্লেখ্য,
- সেনাবাহিনীতে পাঞ্জাবি আধিপত্য নিশ্চিত করতে পাকিস্তানের সামরিক বাহিনীতে প্রাদেশিক কোটা নির্ধারণ করা হয়।
• পাঞ্জাবি - ৬০%।
• পাঠান - ৩৫%।
• পশ্চিম পাকিস্তানের অন্যান্য এলাকা ও পূর্ব পাকিস্তান - ৫%।

তথ্যসূত্র - ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৫৪২.
মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্যে খেতাবপ্রাপ্ত উইলিয়ম এস. ওডারল্যান্ড কোন দেশের নাগরিক?
  1. ক) পোল্যান্ড
  2. খ) অস্ট্রিয়া
  3. গ) ইতালি
  4. ঘ) অস্ট্রেলিয়া
সঠিক উত্তর:
ঘ) অস্ট্রেলিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) অস্ট্রেলিয়া
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্যে ‘বীর প্রতীক’ খেতাবপ্রাপ্ত একমাত্র বিদেশি নাগরিক হলেন ডব্লিউ এ.এস. ওডারল্যান্ড।
তিনি অস্ট্রেলিয়ার নাগরিক। তবে তার জন্ম নেদারল্যান্ডসে।
১৯৭১ সালে ঢাকা বাটা সু কোম্পানিতে কর্মরত ছিলেন। তিনি ২নং সেক্টরে যুদ্ধ করেন।
তিনি ২০০১ সালের ১৮ মে অস্ট্রেলিয়ায় মারা যান।
(সূত্রঃ বাংলাপিডিয়া)
১,৫৪৩.
নীল কমিশন গঠন করা হয় কত সালে?
  1. ক) ১৮৫৯ সালে
  2. খ) ১৮৫৭ সালে
  3. গ) ১৮৬৩ সালে
  4. ঘ) ১৮৬১ সালে
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৮৬১ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৮৬১ সালে
ব্যাখ্যা
নীল বিদ্রোহ
- ইংরেজরা এই উপমহাদেশে এসেছিল ব্যবসায়-বাণিজ্য করতে।
- ১৭৭০ থেকে ১৭৮০ সালের মধ্যে ইংরেজ আমলে বাংলাদেশে নীল চাষ শুরু হয় কারণ এ সময় নীল ব্যবসা ছিল খুবই লাভজনক।
- নীল চাষের জন্য কৃষকদের অগ্রিম অর্থ গ্রহণে ( দাদন ) বাধ্য করা হতো এবং পরে নীল চাষে রাজি না হলে কৃষকের উপরে চরম অত্যাচার চালানো হতো।
- ফরিদপুর, যশোর, ঢাকা, পাবনা, রাজশাহী, নদীয়া ও মুর্শিদাবাদে ব্যাপক নীল চাষ হতো। 
- জিনিসপত্রের মূল্যবৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে নীল চাষের খরচও বৃদ্ধি পায় ফলে চাষীরা নীল চাষের প্রতি অনাগ্রহ প্রকাশ করলে তাদের ওপরে নির্যাতন চালানো হতো।
- নীল চাষীরা ১৮৫৯ সালে নীল চাষের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ গড়ে তোলেন। 
- এ নীল বিদ্রোহের অত্যাচারের কথা দীনবন্ধু মিত্রের লেখা ‘নীলদর্পণ’ নাটকের কাহিনীর মাধ্যমে চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। 

- যশোরের নীল বিদ্রোহের নেতা ছিলেন নবীন মাধব ও বেণী মাধব নামে দুই ভাই।
- হুগলিতে নেতৃত্ব দেন বৈদ্যনাথ ও বিশ্বনাথ সর্দার।
- নদীয়ায় ছিলেন মেঘনা সর্দার এবং নদীয়ার চৌগাছায় বিদ্রোহের নেতৃত্ব দেন বিষ্ণুচরণ বিশ্বাস ও দিগম্বর বিশ্বাস নামে দুই ভাই। 
- চাষীদের এ বিদ্রোহের কারণে ১৮৬১ সালে ব্রিটিশ সরকার ‘ইন্ডিগো কমিশন বা নীল কমিশন’ গঠন করে নীল চাষকে কৃষকদের ‘ইচ্ছাধীন’ বলে ঘোষণা দেয় যার পরিপ্রেক্ষিতে নীল বিদ্রোহের অবসান হয়।
- পরবর্তীতে কৃত্রিম নীল আবিষ্কৃত হওয়ায় ১৮৯২ সালে এদেশে নীল চাষ চিরতরে বন্ধ হয়ে যায়। 

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
১,৫৪৪.
১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের সময় পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী কে ছিলেন?
  1. লিয়াকত আলী খান
  2. মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ
  3. খাজা নাজিমুদ্দিন
  4. চৌধুরী মোহাম্মদ আলী
সঠিক উত্তর:
খাজা নাজিমুদ্দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খাজা নাজিমুদ্দিন
ব্যাখ্যা

◉ ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের সময় পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন খাজা নাজিমউদ্দিন। 

ভাষা আন্দোলন: 
- ভাষা আন্দোলন ছিল বাংলা ভাষার রাষ্ট্রীয় মর্যাদার দাবিতে সংগঠিত এক গণআন্দোলন।
- ১৯৪৭ সালে পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পর রাষ্ট্রভাষা হিসেবে উর্দু ঘোষণার বিরুদ্ধে পূর্ব পাকিস্তানে দাবি ওঠে বাংলা ভাষাকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে গ্রহণ করার।
- ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি ছাত্ররা 'রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই' শ্লোগানে বিক্ষোভ শুরু করলে পুলিশ গুলি চালায়, যার ফলে রফিক, জববার, বরকতসহ অনেকে শহীদ হন।
- আন্দোলন আরও তীব্র হয় এবং ১৯৫৬ সালে পাকিস্তান জাতীয় পরিষদ বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে গ্রহণ করে।
- ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি মাতৃভাষার জন্য বাঙালির আত্মত্যাগকে স্মরণ করে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালন করা হয়। 

উল্লেখ্য, 
- ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের সময় পূর্ব বাংলার মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন নুরুল আমিন।
- ১৯৫২ সালে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন খাজা নাজিমউদ্দিন।
- ১৯৫২ সালে গভর্নর ছিলেন গোলাম মুহাম্মদ।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া। 

১,৫৪৫.
বাংলাদেশের সিভিল সার্ভিস (বিসিএস) পরীক্ষা সর্বপ্রথম কত সালে শুরু হয়েছিল?
  1. ১৯৭৩
  2. ১৯৭৪
  3. ১৯৭৫
  4. ১৯৭৬
সঠিক উত্তর:
১৯৭৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৩
ব্যাখ্যা
❐  স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথমবারের মতো সিভিল সার্ভিস (বিসিএস) পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছিল ১৯৭৩ সালে।

বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস:
- BCS-এর পূর্ণরূপ: বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (Bangladesh Civil Service)।
- বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসে কর্মকর্তা বা ক্যাডার নিয়োগের পরীক্ষাকে বলা হয় বিসিএস পরীক্ষা (BCS Examination)।
 বাংলাদেশ কর্ম কমিশন (Bangladesh Public Service Commission – BPSC) দ্বারা এই পরীক্ষা গৃহীত হয়ে থাকে।

⇒ বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস যা ভারতীয় উপমহাদেশে ব্রিটিশ শাসন আমলের ইম্পেরিয়াল সিভিল সার্ভিস থেকে উদ্ভুত হয়েছে।
- জনগণের ভোটে নির্বাচিত নীতিনির্ধারকদের প্রণীত নীতি মাঠ পর্যায়ে বাস্তবায়নের জন্য বাংলাদেশ কর্ম কমিশন বা বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশন (বিপিএসসি) কতৃক নিয়োগকৃত যে বেসামরিক কর্মকর্তা বা কর্মচারিরা কাজ করেন, তাদেরকেই বিসিএস ক্যাডার (BCS Cadre) বলা হয়।
- বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসে নিয়োগ পরীক্ষা গ্রহণের জন্য প্রণীত বিসিএস (বয়স, যোগ্যতা ও সরাসরি নিয়োগের জন্য পরীক্ষা) বিধিমালা-২০১৪ অনুযায়ী বিসিএস-এর নিম্নোক্ত ২৬টি ক্যাডারে উপযুক্ত প্রার্থী নিয়োগের উদ্দেশ্যে কমিশন কর্তৃক ৩ স্তরবিশিষ্ট পরীক্ষা গ্রহণ করা হয়। বাছাই পরীক্ষা হয় তিন ধাপে। ধাপগুলো হলো- প্রিলিমিনারি, লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষা।

⇒ বাংলাদেশের সিভিল সার্ভিস (বিসিএস) পরীক্ষা সর্বপ্রথম শুরু হয় ১৯৭৩ সালে। স্বাধীনতার পর সেই বছর বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (BPSC) প্রথমবারের মতো বিসিএস-এর মাধ্যমে নিয়োগ কার্যক্রম পরিচালনা করে। তবে তখনকার পরীক্ষা ছিল শুধুমাত্র মৌখিক (viva-voce) ভিত্তিক। এরপর পর্যায়ক্রমে লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার সমন্বয়ে পূর্ণাঙ্গ বিসিএস পরীক্ষা চালু হয়। 
- বাংলাদেশের প্রথম বিসিএস ক্যাডার মুক্তিযোদ্ধা খন্দকার আবুল কালাম।

উল্লেখ্য,
- ১৯৭২ সালের ডিসেম্বর মাসে বাংলাদেশের সংবিধান গৃহীত হয়। সংবিধান অনুযায়ী বাংলাদেশকে এককেন্দ্রিক রাষ্ট্র ঘোষণা করা হয়। তার ফলে কেন্দ্রীয় পর্যায়ের চাকরির প্রয়োজনীয়তা শেষ হয়ে যায়। সংবিধানে সিভিল সার্ভিস শব্দটা ব্যবহার করা হয় নি, তবে সকল শ্রেণীর সিভিল সার্ভেন্টকে প্রজাতন্ত্রের চাকরিতে নিয়োজিত ব্যক্তি বলে উল্লেখ করা হয়েছে। চাকরি সংক্রান্ত প্রাসঙ্গিক অধ্যায় (১৩৬ নং অনুচ্ছেদে) অন্যান্য বিষয়ের মধ্যে দুটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আছে। প্রথম, এই অনুচ্ছেদে সিভিল সার্ভিসের সদস্যদের চাকরির শর্তাবলি নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজনীয় আইন প্রণয়নের ক্ষমতা সংসদকে দেয়া হয়েছে। দ্বিতীয়, এতে সরকারকে সিভিল সার্ভিস পুনর্গঠন করার এবং সিভিল সার্ভিস সদস্যদের অসুবিধা ঘটতে পারে চাকরির এমন শর্তাবলি পরিবর্তন করারও ক্ষমতা দেয়া হয়েছে।

⇒ পাকিস্তান আমল থেকে উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত এই সিভিল সার্ভিসকে পুনর্গঠিত করার কাজেও সরকার হাত দেয়। এই লক্ষ্যে সরকার প্রশাসনিক ও চাকরি পুনর্গঠন কমিটি (এএসআরসি, ১৯৭৩) নামে একটি কমিটি গঠন করে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক এম.এ চৌধুরী ছিলেন এই কমিটির প্রধান। চাকরি পুনর্গঠনে সরকারের ক্ষমতাকে কার্যকারিতা দেয়ার জন্য ১৯৭৫ সালে চাকরি (পুনর্গঠন ও শর্তাবলী) অধ্যাদেশ এবং এতদসংক্রান্ত একটা আইন জারি করা হয়। এই ক্যাডারের রিক্রুটমেন্ট করা হয়েছিল ১৯৭৩ সালে, তবে বিধিবিধান প্রণীত হয়েছিল ১৯৭৬ সালে।

উৎস: i) বাংলাদেশ সরকারী কর্ম কমিশন।
ii) বাংলাপিডিয়া।
iii) প্রথম আলো। [link]
১,৫৪৬.
‘ওরা এগারো জন’ চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেন কে?
  1. আলমগীর কবির
  2. জহির রায়হান
  3. খান আতাউর রহমান
  4. চাষী নজরুল ইসলাম
সঠিক উত্তর:
চাষী নজরুল ইসলাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চাষী নজরুল ইসলাম
ব্যাখ্যা

ওরা এগারো জন:
- প্রথম মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক চলচ্চিত্র 'ওরা এগারো জন'।
- 'ওরা এগারো জন' চলচ্চিত্রটি প্রযোজনা করেন মাসুদ পারভেজ সোহেল রানা।
- বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা ওরা ১১ জন চলচ্চিত্রে মুক্তিযোদ্ধাদের দিয়ে অভিনয় করিয়েছিলেন নির্মাতা-প্রযোজক।
- “ওরা এগারো জন” চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেন চাষী নজরুল ইসলাম।
- একাত্তরে ১১টি সেক্টরে মুক্তিযুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করেছিলেন বাঙালিরা। বিষয়টি মাথায় রেখেই সিনেমার নাম রাখা হয়েছে ওরা ১১ জন।
- পরিচালক হিসেবে চাষী নজরুল ইসলামের প্রথম সিনেমা ছিল এটি।
- ওরা ১১ জন-এর শুটিং হয়েছিল জয়দেবপুরে।
- চিত্রগ্রাহক ছিলেন আবদুস সামাদ।
- ওরা ১১ জন সিনেমা শুরু হয় সাইফুল ইসলামের কণ্ঠে রবীন্দ্রসংগীত 'ও আমার দেশের মাটি' দিয়ে।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও দৈনিক প্রথম আলো, ১৩ আগস্ট ২০২২।

১,৫৪৭.
কোয়াড (Quad) জোটের অন্তর্ভুক্ত দেশ নয়-
  1. ক) যুক্তরাষ্ট্র
  2. খ) ভারত
  3. গ) বাংলাদেশ
  4. ঘ) অস্ট্রেলিয়া
সঠিক উত্তর:
গ) বাংলাদেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বাংলাদেশ
ব্যাখ্যা

চীন বিরােধী সামরিক জোট কোয়াড্রালেটারাল সিকিউিরিটি ডায়ালগ যার সংক্ষিপ্ত রূপ হচ্ছে কোয়াড (Quad)।
- কোয়াডের সূচনা হয়েছিল ২০০৭ সালে।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ছাড়া অস্ট্রেলিয়া, জাপান ও ভারত এর সদস্য৷
উৎসঃ বিবিসি নিউজ এবং এবং লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার মে-জুন, ২০২১।

১,৫৪৮.
বাংলাদেশে বর্তমানে মোট কতটি শিক্ষাবোর্ড রয়েছে?
  1. ৮টি
  2. ৯টি
  3. ১০টি
  4. ১১টি
সঠিক উত্তর:
১১টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১টি
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশে বর্তমানে মোট ১১টি শিক্ষাবোর্ড রয়েছে - 
১। বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড
২। বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড
৩। মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, ঢাকা
৪। মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, চট্টগ্রাম
৫। মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, কুমিল্লা
৬। মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, রাজশাহী 
৭। মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, যশোর 
৮। মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, বরিশাল 
৯। মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, সিলেট 
১০। মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, দিনাজপুর।
১১। মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, ময়মনসিংহ।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১,৫৪৯.
সর্বপ্রথম কোন আইনে বাংলায় নতুন আইন সভার বিধান রাখা হয়?
  1. ক) রেগুলেটিং অ্যাক্ট
  2. খ) ভারতীয় কাউন্সিল আইন
  3. গ) ভারত শাসন আইন
  4. ঘ) পিটের ইন্ডিয়া অ্যাক্ট
সঠিক উত্তর:
খ) ভারতীয় কাউন্সিল আইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ভারতীয় কাউন্সিল আইন
ব্যাখ্যা
- ১৮৫৭ সালে সিপাহী বিদ্রোহের মাধ্যমে একশ বছরের অবসান ঘটে কোম্পানি শাসনের এবং ব্রিটিশ রাজ এ অঞ্চলের শাসনভার স্বহস্তে তুলে নেয়। 
- এ সময় ভারতবর্ষে ব্রিটেনের অনুকরণে আইন সভার উদ্ভব হয় ধাপে ধাপে।
-  বস্তুত ১৮৫৮ সালের পরবর্তী বিভিন্ন ভারত শাসন আইনের মধ্যেমেই এ দেশে শাসনতান্ত্রিক বিকাশ ঘটে। 
- এ ক্ষেত্রে উদ্দেশ্য ছিল ভারতীয়দের শাসনকার্যের সাথে সংশ্লিষ্ট করা। 
- ১৮৬১ সালের ভারতীয় কাউন্সিল আইন ভারতের সাংবিধানিক ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। 
 
================
 
এ আইনের প্রধান বৈশিষ্ট্যসমূহ নিম্নে আলোচনা করা হল :
১. গভর্ণর জেনারেলের নির্বাহী পরিষদ ৫ জন সাধারণ সদস্য নিয়ে গঠিত হয়।
২. আইন সভা গভর্ণর জেনারেলের নির্বাহী পরিষদের ৫ জন সাধারণ সদস্য ছাড়াও ন্যূনতম আরো ৬ জন এবং অনধিক ১২ জন সদস্য নিয়ে গঠিত হয়। অতিরিক্ত সদস্যগণ গভর্ণর জেনারেল কর্তৃক দুই বছরের জন্য মনোনীত হন এবং এই সদস্যদের অর্ধেক বেসরকারি সদস্য।
৩. গভর্ণর জেনারেল নির্বাহী ও আইন উভয় পরিষদের সভাপতি।
৪. আইনসভা কর্তৃক পাসকৃত যে কোন বিলে সম্মতি প্রদান, ভেটো প্রদান বা ব্রিটিশ রাণীর জন্য সংরক্ষিত রাখার অধিকার গভর্ণর জেনারেলকে প্রদান করা হয়।
৫. গভর্ণর জেনারেলের পূর্বানুমতি ছাড়া সরকারি ঋণ, সেনাবাহিনী, বৈদেশিক সম্পর্ক ইত্যাদি বিষযে কোন বিল আইন সভায় উত্থাপন করা যেত না।
৬. আইন সভার সদস্যগণ আইন প্রণয়নের উদ্দেশ্য নির্বাহী পরিষদ কর্তৃক উত্থাপিত কোন বিষযে অংশগ্রহণ ও পরামর্শ দান করতে পারত। তবে কোনরূপ প্রশ্ন করার অধিকার ছিল না।
৭. এ আইন দ্বারা বোম্বে ও মাদ্রাজের প্রাদেশিক আইন সভা পুনর্গঠনও সম্প্রসারণ করা হয়।
৮. এ আইন দ্বারা বাংলা, পাঞ্জাব ও উত্তর-পশ্চিম সীমান্ত প্রদেশের জন্য নতুন আইন সভার বিধান করা হয় ।
 
উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১,৫৫০.
নিচের কোন শাসনকর্তা বাংলায় দুবার সুবাদার হয়েছিলেন?
  1. শায়েস্তা খাঁ
  2. ফিদাই খান
  3. আজম খান
  4. মীর জুমলা
সঠিক উত্তর:
শায়েস্তা খাঁ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শায়েস্তা খাঁ
ব্যাখ্যা
• সুবাহদার: 
- সুবাহদার  মুগল সাম্রাজ্যের যেকোন সুবাহ-র গভর্নর বা ভাইসরয়।
- শাসনকার্য পরিচালনার সুবিধার্থে সমগ্র মুগল সাম্রাজ্য কয়েকটি সুবাহ-য় (প্রদেশ) বিভক্ত ছিল।
- সুবাহ প্রধানকে সুবাহদার, নাজিম, সাহিব-ই-সুবাহ, ফৌজদার-ই-সুবাহ প্রভৃতি নামে আখ্যায়িত করা হতো।
- বাংলা সুবাহ-র গভর্নরকে বলা হতো সুবাহদার।
- এছাড়া কখনওবা তিনি নাজিম নামেও অভিহিত হতেন।
- কখনও কখনও গুরুত্বপূর্ণ প্রদেশসমূহে মুগল শাহজাদাদেরও সুবাহদার নিয়োগ করা হতো।
- শায়েস্তা খাঁ দুইবার সাবাদার নিয়োগ পান।
- প্রথম পর্যায় ১৬৬৩-১৬৭৮।
- ২য় পর্যায় ১৬৮০-১৬৮৮। 

উল্লেখ্য, 
- ১৬৭৮-৭৯ খ্রিস্টাব্দে এক বছরের সামান্য বেশি সময়ের বিরতিসহ দীর্ঘ ২৪ বছর তিনি এ পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন।
- বাংলায় সুবাহদার হিসেবে তাঁর কার্যকালের মেয়াদই দীর্ঘতম। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া। [লিঙ্ক]
১,৫৫১.
১৯৫৪ সালে কতটি আসনে প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচন হয়েছিল?
  1. ২৩৭ টি
  2. ২৯৭ টি
  3. ৩০৯ টি
  4. ৩১০ টি
সঠিক উত্তর:
৩০৯ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০৯ টি
ব্যাখ্যা
 ১৯৫৪ সালের প্রাদেশিক নির্বাচন ও ফলাফল:
→ ১৯৫৪ সালের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল প্রধানত স্বায়ত্তশাসনের দাবিতে।
→ ১৯৫৪ সালের ৮ মার্চের নির্বাচন ছিল পূর্ব বাংলায় প্রথম অবাধ ও সর্বজনীন ভোটাধিকারের মাধ্যমে সাধারণ নির্বাচন।
→ ২ এপ্রিল নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশিত হয়।
→ মোট ৩০৯টি আসনের মধ্যে যুক্তফ্রন্ট লাভ করে ২২৩টি আসন।
ক্ষমতাসীন মুসলিম লীগ পায় ৯টি আসন, পাকিস্তান জাতীয় কংগ্রেস ২৪টি, তফসিল ফেডারেশন ২৭টি, খেলাফতে রব্বানী ২টি, খ্রিস্টান ১টি, বৌদ্ধ ১টি, কম্যুনিস্ট পার্টি ৪টি আসন লাভ করে।

তথ্যসূত্র: ইহিতাস (প্রথম পত্র), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৫৫২.
কোন সময়টি ‘মাৎস্যন্যায়’ নামে পরিচিত?
  1. শশাঙ্ক পূর্ববর্তী
  2. গোপাল পূর্ববর্তী
  3. সেন পূর্ববর্তী
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
গোপাল পূর্ববর্তী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গোপাল পূর্ববর্তী
ব্যাখ্যা
• মাৎস্যন্যায়:
- প্রাচীন বাংলার ইতিহাসে পাল রাজবংশ দীর্ঘকাল শাসন করেছে।
- পাল রাজারা বাংলা ও বিহার অঞ্চলে অষ্টম শতকের মাঝামাঝি থেকে প্রায় চারশ বছর শাসন করেছেন।
- নৈরাজ্য ও চরম অরাজকতার হাত থেকে বাংলাকে রক্ষা করে গোপাল নামক এক উচ্চবর্গীয় ব্যক্তি এই রাজবংশের প্রতিষ্ঠা করেন।
- ধর্মপাল, দেবপাল, মহিপাল নামে অনেক পাল রাজারা বাংলা শাসন করেছেন ।

- ‘মাৎস্যন্যায়’ বাংলার শশাঙ্ক পরবর্তী সময়কে নির্দেশ করে।
- মাৎস্যন্যায় ও গোপালের উত্থান শশাঙ্কের পর সপ্তম শতকের মাঝামাঝি থেকে অষ্টম শতক পর্যন্ত বাংলায় বিরাজ করছিল এক অন্ধকার যুগ। বাংলার ইতিহাসে এই সময়টি ‘মাৎস্যন্যায়’ নামে খ্যাত।
- অরাজকতা এবং রাষ্ট্রহীনতার অবসান ঘটিয়ে বাংলায় প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল পাল বংশের শাসন।
- শত বছরের হানাহানির অবসান ঘটে যখন গোপাল রাজা হন।
- তাই বলা যায় ‘মাৎস্যন্যায়’ গোপাল পূর্ববর্তী সময়কে নির্দেশ করে। 

সূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৫৫৩.
বর্তমানে বীর উত্তম খেতাব প্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা কত?
  1. ৬৭ জন
  2. ৬৮ জন
  3. ৬৯ জন
  4. ৭০ জন
সঠিক উত্তর:
৬৭ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬৭ জন
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধের খেতাব:
- মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদান ও বীরত্বের জন্যে ১৯৭৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর বঙ্গবন্ধু সরকার মোট ৬৭৬ জনকে চারটি বীরত্বসূচক খেতাব বা উপাধি প্রদান করে। এগুলো হলো:
- সর্বোচ্চ খেতাব বীরশ্রেষ্ঠ : ৭জন।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ খেতাব বীরউত্তম : ৬৮ জন।
- তৃতীয় সর্বোচ্চ খেতাব বীরবিক্রম : ১৭৫ জন।
- চতুর্থ সর্বোচ্চ খেতাব বীরপ্রতীক : ৪২৬জন।

- গত ৬ জুন ২০২১ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় বঙ্গবন্ধু হত্যার চার আসামীর মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্যে প্রদত্ত খেতাব বাতিল করে।
- স্বাধীনতা যুদ্ধে অবদানের জন্য বর্তমানে ৬৭২ জনের খেতাব বহাল রয়েছে। এর মধ্য:
- বীরশ্রেষ্ঠ : ৭জন।
- বীর উত্তম: ৬৭ জন।
- বীরবিক্রম: ১৭৪ জন।
- বীরপ্রতীক : ৪২৪ জন।

তথ্যসূত্র - মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও বাংলাপিডিয়া।
১,৫৫৪.
মুক্তিযুদ্ধের সময় সমগ্র বাংলাদেশকে কয়টি সাব-সেক্টরে বিভক্ত করা হয়?
  1. ১১টি
  2. ২১টি
  3. ৬০টি
  4. ৬৪টি
সঠিক উত্তর:
৬৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬৪টি
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর এবং সাব সেক্টর:
- ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার সামরিক কৌশল এবং সুবিধার জন্য হিসেবে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের সমগ্র ভৌগোলিক এলাকাকে ১১টি সেক্টর বা রণাঙ্গনে ভাগ করা হয়।
- প্রতি সেক্টরে একজন সেক্টর কমান্ডার নিয়োগ করা হয়।
- যুদ্ধ পরিচালনার সুবিধার জন্য সেক্টরগুলোকে আবার ৬৪ টি সাব সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিলো।
- এই বিভাজনের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের সময় বিভিন্ন অঞ্চলে মুক্তিযোদ্ধাদের কার্যক্রম ও সামরিক অপারেশন সমন্বিতভাবে পরিচালনা করা সহজ হয়েছিল।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি,  বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৫৫৫.
ঢাকায় প্রথম বাংলার রাজধানী স্থাপন করা হয় কোন মুঘল সম্রাটের আমলে?
  1. ক) সম্রাট আকবর
  2. খ) সম্রাট জাহাঙ্গীর
  3. গ) সম্রাট হুমায়ুন
  4. ঘ) সম্রাট বাবর
সঠিক উত্তর:
খ) সম্রাট জাহাঙ্গীর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সম্রাট জাহাঙ্গীর
ব্যাখ্যা
মুঘল সুবাদার ইসলাম খান চিশতি বারোভূঁইয়াদের দমন করার সহজার্থে ১৬১০ সালে বাংলার রাজধানী রাজমহল থেকে ঢাকায় স্থানান্তর করেন। তৎকালীন মুঘল সম্রাট জাহাঙ্গীরের নামানুসারে তিনি ঢাকার নাম রাখেন জাহাঙ্গীরনগর। ইসলাম খান চিশতি ১৬১১ সালে বারোভূঁইয়াদের চূড়ান্তভাবে পরাজিত করে সমগ্র বাংলা মুঘল শাসনের অধীনে আনেন।
উৎসঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী
১,৫৫৬.
পাকিস্তান সরকার ছয় দফাকে কি বলে প্রচার করেছিল?
  1. পাকিস্তানের জাতীয় ঐক্যের বিরোধী
  2. রাষ্ট্রদ্রোহী তৎপরতা
  3. পাকিস্তান ভাঙ্গার দলিল
  4. ক ও খ
সঠিক উত্তর:
ক ও খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক ও খ
ব্যাখ্যা
ছয় দফার প্রতিক্রিয়া

• ঐতিহাসিক ছয় দফার ধারাগুলো ছিল পূর্ব-পাকিস্তানের দীর্ঘ দিনের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতীক এবং শোষণ ও নির্যাতন থেকে মুক্তির মহাসনদ।
• পূর্ব-পাকিস্তানের জনগণ এটির প্রতি স্বতঃস্ফূর্ত সমর্থন জানায়।
• তৎকালীন সরকার ও পশ্চিম পাকিস্তানি নেতৃবৃন্দ ছয় দফার বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে।
• তারা এটিকে 'পাকিস্তানের জাতীয় ঐক্যের বিরোধী' এবং 'রাষ্ট্রদ্রোহী তৎপরতা' বলে প্রচার করতে থাকে।
• তারা ছয় দফাকে নানাভাবে অপব্যাখ্যা করে জনগণের দৃষ্টি অন্যদিকে ঘোরানোর চেষ্টা অব্যাহত রাখে।
• পশ্চিম পাকিস্তানে এটি তেমন একটা আলোড়ন ফেলতে না পারলেও পূর্ব পাকিস্তানে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টিতে সক্ষম হয়।
• একারণে পশ্চিম পাকিস্তানি সরকার দমননীতি আরম্ভ করে।
• পূর্ববঙ্গের তৎকালীন গভর্নর মোনায়েম খানের নির্দেশে শেখ মুজিবর রহমানসহ বহু নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করা হয়।

উৎস: ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ২য় পত্র, বাংলাদেশ ওপেন স্কুল।
১,৫৫৭.
কত সালে সালে ব্রিটিশ পার্লামেন্টে রেগুলেটিং অ্যাক্ট পাস হয়?
  1. ১৭৭১ সালে
  2. ১৭৭৩ সালে
  3. ১৮৬১ সালে
  4. ১৮৬৩ সালে
সঠিক উত্তর:
১৭৭৩ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭৭৩ সালে
ব্যাখ্যা
রেগুলেটিং এ্যাক্ট (১৭৭৩ খ্রি:):
- ভারতে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসন শুরু হওয়ার পর ১৭৭৩ সালে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী লর্ড নর্থের সরকার সর্বপ্রথম বাংলা তথা ভারত শাসন বিষয়ে ব্রিটিশ পার্লামেন্টে রেগুলেটিং অ্যাক্ট পাস করে।
- ১৭৭৩ সালে প্রণীত রেগুলেটিং অ্যাক্ট ভারতীয় উপমহাদেশের সাংবিধানিক বিকাশের ক্ষেত্রে প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত।
- ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসন ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণ করার জন্য ১৭৭৩ সালে ব্রিটিশ পার্লামেন্টে রেগুলেটিং অ্যাক্ট পাস হয়।

উল্লেখ্য,
- ১৭৭৩ সালে রেগুলেটিং অ্যাক্ট পাস হলে বাংলার গভর্নরকে গভর্নর জেনারেল হিসেবে আখ্যা দেওয়া হয়। 

উৎস: i) ইতিহাস, নবম-দশম শ্রেণি।
ii) ইতিহাস ২য় পত্র, HSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৫৫৮.
বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব কে?
  1. মীর জাফর
  2. আলীবর্দী খান
  3. সিরাজউদ্দৌলা
  4. মুর্শিদকুলি খান
সঠিক উত্তর:
সিরাজউদ্দৌলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিরাজউদ্দৌলা
ব্যাখ্যা
• সিরাজউদ্দৌলা:
- সিরাজউদ্দৌলা বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব।
- ১৭৫৭ সালের ২৩ জুন পলাশীর যুদ্ধে সিরাজ পরাজিত ও নিহত হওয়ার পর ইংরেজরা বাংলার নওয়াবদেরকে তাদের হাতের পুতুলে পরিণত করে এবং নিজেরাই বাংলার প্রকৃত শাসকে পরিণত হয়।
- মির্জা মুহম্মদ সিরাজউদ্দৌলা ছিলেন আলীবর্দী খানের দৌহিত্র এবং জৈনুদ্দীন আহমদ খান ও আমিনা বেগমের পুত্র।
- ১৭৩৩ খ্রিস্টাব্দে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর জন্মের পরপরই আলীবর্দী খান বিহারের ডেপুটি গভর্নর হিসেবে নিযুক্ত হন।
- এ কারণে পরিবারে সিরাজ ‘সৌভাগ্য সূচক সন্তান’ হিসেবে বিবেচিত হন। সিরাজের প্রতি তাঁর পিতামহের ছিল বিশেষ স্নেহ ও পক্ষপাত।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া।
১,৫৫৯.
প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার কোন স্থান আক্রমণের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন?
  1. পাহাড়তলী সানশাইন একাডেমি
  2. পাহাড়তলী খ্রিস্টান ক্লাব
  3. পাহাড়তলী মহামুনি বৌদ্ধ বিহার
  4. পাহাড়তলী ইউরোপিয়ান ক্লাব
সঠিক উত্তর:
পাহাড়তলী ইউরোপিয়ান ক্লাব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাহাড়তলী ইউরোপিয়ান ক্লাব
ব্যাখ্যা
প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার:
- ভারতের ব্রিটিশবিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম নারী মুক্তিযোদ্ধা এবং প্রথম শহীদ বিপ্লবী নারী প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার।
- ১৯১১ সালের ৫ মে চট্টগ্রামের বর্তমান পটিয়া উপজেলার ধলঘাট গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- ইডেন কলেজে ছাত্রী থাকাকালে প্রীতিলতা লীলা নাগের নেতৃত্বাধীন দীপালি সংঘের অন্তর্ভুক্ত শ্রীসংঘের সদস্য ছিলেন।
- ১৯৩০ সালে সমগ্র বাংলা ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে বিপ্লবী হয়ে ওঠে।
- প্রথম মহিলা সদস্য হিসেবে প্রীতিলতা যোগ দেন সূর্যসেনের নেতৃত্বাধীন বিপ্লবী দলের সঙ্গে।

উল্লেখ্য,
- ১৯৩২ সালে চট্টগ্রামের পাহাড়তলীতে ইউরোপিয়ান ক্লাব আক্রমণে প্রীতিলতার ছিল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা।
- প্রীতিলতার নেতৃত্বে বিপ্লবীরা ইউরোপিয়ান ক্লাব আক্রমণ করে।
- ওই সময়ে তিনি গুলিবিদ্ধ হলে তাত্ক্ষণিকভাবে পটাসিয়াম সায়ানাইড খেয়ে আত্মাহুতি দেন।
- তাঁর আত্মদান বিপ্লবীদের সশস্ত্র সংগ্রামে আরো উজ্জীবিত করে তোলে।
- পাহাড়তলীর ইউরোপিয়ান ক্লাবটি এখন ‘বীরকন্যা প্রীতিলতা জাদুঘর’ নামে পরিচিত।

উৎস: ৩ নভেম্বর, ২০২১, কালের কন্ঠ।
১,৫৬০.
আসাদ গেট কোন স্মৃতি রক্ষার্থে নির্মিত হয়?
  1. ক) ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন
  2. খ) ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থান
  3. গ) ১৯৬২ সালের শিক্ষা আন্দোলন
  4. ঘ) ১৯৬৬ সালের ছয় দফা
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থান
ব্যাখ্যা
- আসাদ, শহীদ (১৯৪২-১৯৬৯)  উনিশশত ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান এর শহীদ ছাত্রনেতা। 
- আসাদুজ্জামান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের শেষ বর্ষের ছাত্র ছিলেন। 
- তিনি ১৯৬৯ সালের ২০ জানুয়ারি ছাত্র সংগ্রাম কমিটির ১১ দফা আদায়ের মিছিলে পুলিশের গুলিতে নিহত হন।
- তাঁর মৃত্যু ঊনসত্তরের ছাত্র-গণআন্দোলনের গোটা অবয়বকেই পাল্টে দেয় এবং তা আইয়ুব খানের শাসন ও নিপীড়নমূলক ব্যবস্থার বিরুদ্ধে গণঅভ্যুত্থানে পরিণত হয়।
- এভাবে ‘আইয়ুব গেট’ হয়ে যায় ‘আসাদ গেট’, ‘আইয়ুব এভিনিউ’ নামান্তরিত হয়ে হয় ‘আসাদ এভিনিউ’। তখন থেকে আসাদের নাম হয়ে ওঠে নিপীড়নের বিরুদ্ধে সংগ্রামের মূর্ত প্রতীক।
 
উৎস: বাংলাপিডিয়া। 
১,৫৬১.
’ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের’- এর প্রতিষ্ঠাতা কে?
  1. উমেশচন্দ্র ব্যানার্জি
  2. মহাত্মা গান্ধী
  3. সুরেন্দ্রনাথ দত্ত
  4. অ্যালান অক্টোভিয়ান হিউম
সঠিক উত্তর:
অ্যালান অক্টোভিয়ান হিউম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যালান অক্টোভিয়ান হিউম
ব্যাখ্যা
• ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস:
- সর্বভারতীয় প্রথম রাজনৈতিক সংগঠন হলো ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস।
- ১৮৮৫ সালে ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস প্রতিষ্ঠিত হয়।
- কংগ্রেসের প্রতিষ্ঠাতা হলেন ইংরেজ সিভিলিয়ান অ্যালান অক্টোভিয়ান হিউম।
- ব্রিটিশ সরকারের নিকট শান্তিপূর্ণ উপায়ে ভারতীয়দের দাবী-দাওয়া পেশের মাধ্যম হিসেবে কংগ্রেস প্রতিষ্ঠা করা হয়।
- ১৮৮৫ সালের ডিসেম্বরে কংগ্রেসের প্রথম অধিবেশন বসে মুম্বাইয়ে।
- এতে সভাপতিত্ব করেন বাঙালি ব্যারিস্টার উমেশচন্দ্র ব্যানার্জি।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
১,৫৬২.
‘আইয়ুব বিরোধী মোর্চা বা এন. ডি. এফ’ গঠনের উদ্যোগ নেন কে?
  1. ক) এ.কে. ফজলুল হক
  2. খ) শেখ মুজিবুর রহমান
  3. গ) হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
  4. ঘ) আবদুল হামিদ খান ভাসানী
সঠিক উত্তর:
গ) হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
ব্যাখ্যা
আইয়ুব খান ‘কনভেনশন মুসলিম লীগ’ নামে একটি রাজনৈতিক দল গঠন করেন। এসময়ে সোহরাওয়ার্দীর উদ্যোগে আওয়ামী লীগ, নেজামে ইসলাম, ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি, কাউন্সিল মুসলিম লীগ ও নূরুল আমিনের নেতৃত্বাধীন মুসলিম লীগ মিলে আইয়ুব বিরোধী মোর্চা বা ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট বা এন. ডি. এফ গঠিত হয়। এই ফ্রন্টের উদ্দেশ্য ছিল গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও ১৯৫৬ সালের সংবিধানে ফিরে যাওয়া। সূত্র- বোর্ড বইঃ নবম-দশম শ্রেণি।
১,৫৬৩.
বঙ্গভঙ্গের ফলে কোন আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটে?
  1. স্বদেশী আন্দোলন
  2. ভারত ছাড় আন্দোলন
  3. খিলাফত আন্দোলন
  4. সিপাহী বিদ্রোহ
সঠিক উত্তর:
স্বদেশী আন্দোলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বদেশী আন্দোলন
ব্যাখ্যা
স্বদেশী আন্দোলন:

- স্বদেশী আন্দোলন ছিলো একটি ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলন।
- এটি গান্ধী পুর্ব আন্দোলনসমূহের মধ্যে সর্বাপেক্ষা সফল আন্দোলন বিবেচনা করা হয়।
- ১৯০৫ সালে ব্রিটিশ সরকার বাংলা প্রেসিডেন্সিকে ভেঙ্গে দুটো প্রদেশ করে যা 'বঙ্গভঙ্গ' নামে পরিচিত। কিন্তু কংগ্রেস ও হিন্দুরা এ সিদ্ধান্তের তীব্র বিরোধিতা করে।
- বঙ্গভঙ্গের বিরোধিতার অংশ হিসেবে ১৯০৫ সালে স্বদেশী আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটে।
- এই আন্দোলনের প্রধান উদ্দেশ্য ছিল বিলেতি পণ্য বর্জন। পরে বিলেতি শিক্ষা বর্জনও এ কর্মসূচির অন্তর্ভুক্ত হয়।
- এই আন্দোলনের মূল বিষয় ছিলো ইংরেজদের সবকিছু বয়কট ও স্বদেশী পণ্যের ব্যবহার।
- বাংলার সর্বত্র স্বদেশী আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ে। তবে মুসলমানরা বঙ্গভঙ্গের পক্ষে ছিলো, তাই তারা স্বদেশী আন্দোলনে সম্পৃক্ত হয়নি। যার কারণে স্বদেশী আন্দোলনের ফলে বাংলার হিন্দু-মুসলমান সম্পর্কের অবনতি হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
১,৫৬৪.
জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি (নেপ) কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা
  2. গাজীপুর
  3. চট্টগ্রাম
  4. ময়মনসিংহ
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা

জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি:
-  ১৯৭৪ সালে দেশে প্রাথমিক শিক্ষা আইন জারি হয়।
- জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি (নেপ) ময়মনসিংহ জেলায় অবস্থিত।
- এটি ১৯৭৮ সালে 'মৌলিক শিক্ষা একাডেমি' নামে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৮৫ সালে এটির নামকরণ করা হয় 'জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি'।
- এখানে প্রাথমিক শিক্ষা সংশ্লিষ্ট শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়।
- এই প্রতিষ্ঠান প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষার প্রশ্নপত্র প্রণয়ন করে থাকে।
- ১৯৯০ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা আইন প্রণীত হয়।
- এই আইনের অধীনে ১৯৯২ সালের ১ জানুয়ারি দেশের ৬৮টি উপজেলায় এবং ১ জানুয়ারি ১৯৯৩ সারা দেশে বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা আইন চালু হয়।

তথ্যসূত্র - জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি ওয়েবসাইট, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর ও দৈনিক প্রথম আলো, ০১ নভেম্বর ২০১৪।

১,৫৬৫.
ভারতে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির প্রথম গভর্নর জেনারেল ছিলেন?
  1. ক) রবার্ট ক্লাইভ
  2. খ) ওয়ারেন হেস্টিংস
  3. গ) লর্ড কর্নওয়ালিস
  4. ঘ) লর্ড ক্যানিং
সঠিক উত্তর:
খ) ওয়ারেন হেস্টিংস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ওয়ারেন হেস্টিংস
ব্যাখ্যা
১৬০০ সালে ভারতে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি গঠিত হয়। ১৭৫৭ সালে পলাশি যুদ্ধ জয়ের মাধ্যমে ভারতে ব্রিটিশ শাসনের সূচনা হয়। রবার্ট ক্লাইভ ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির প্রথম গভর্নর নিযুক্ত হন। ১৭৭৪ সালে ওয়ারেন হেস্টিংস প্রথম গভর্নর জেনারেল নিযুক্ত হন। লর্ড ক্যানিং সর্বশেষ গভর্নর জেনারেল এবং প্রথম ভাইসরয় (১৮৫৮)। মাউন্টব্যাটেন ভারতের শেষ ভাইসরয়।(সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া)
১,৫৬৬.
ফরায়েজী আন্দোলন ছিলো একটি-
  1. ক) কৃষক আন্দোলন
  2. খ) নীলকর বিরোধী আন্দোলন
  3. গ) ব্রিটিশ বিরোধী সশ্বস্ত্র আন্দোলন
  4. ঘ) ধর্মীয়-সামাজিক সংস্কার আন্দোলন
সঠিক উত্তর:
ঘ) ধর্মীয়-সামাজিক সংস্কার আন্দোলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ধর্মীয়-সামাজিক সংস্কার আন্দোলন
ব্যাখ্যা
ফরায়েজি আন্দোলন ছিলো একটি ধর্মীয়-সামাজিক সংস্কার আন্দোলন। উনিশ শতকের প্রথমার্ধে হাজী শরীয়তউল্লাহ ফরায়েজি আন্দোলনের সূত্রপাত করেন। এই আন্দোলনের কেন্দ্র ছিলো বৃহত্তর ফরিদপুর অঞ্চল।

১৮৪০ সালে শরীয়তউল্লাহর মৃত্যুর পর তার পুত্র মুহাম্মদ মুহসিন উদ্দিন ওরফে দুদু মিয়া এই আন্দোলনের নেতৃত্ব দেন। দুদু মিয়া ফরায়েজি আন্দোলনকে রাজনৈতিক রূপ দেন।
১৮৬২ সালে দুদু মিয়ার মৃত্যুর পর সুযোগ্য নেতৃত্বের অভাবে ফরায়েজি আন্দোলনের সমাপ্তি ঘটে।

(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী ও বাংলাপিডিয়া)
১,৫৬৭.
'গায়ের বধূ' চিত্রকর্মের শিল্পী হলেন-
  1. ক) এস এম সুলতান
  2. খ) শাহাবুদ্দিন আহমেদ
  3. গ) কামরুল হাসান
  4. ঘ) জয়নুল আবদিন
সঠিক উত্তর:
ঘ) জয়নুল আবদিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) জয়নুল আবদিন
ব্যাখ্যা
• বাংলার ১৯৪৩ সালের দুর্ভিক্ষের উপর ম্যাডোনা-৪৩ ছবি এঁকে শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন বিখ্যাত হন।
• তাঁর আঁকা আরো কিছু বিখ্যাত চিত্রকর্ম:
- মনপুরা ৭০, 
- সংগ্রাম, 
- পাইন্যার মা,
- গায়ের বধূ, 
- নবান্ন,
- মইটানা ইত্যাদি।
১,৫৬৮.
‘মিশর নীল নদের দান’ কথাটি কে বলেছেন?
  1. ক) সক্রেটিস
  2. খ) পেরিক্লিস
  3. গ) সোলন
  4. ঘ) হেরোডোটাস
সঠিক উত্তর:
ঘ) হেরোডোটাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) হেরোডোটাস
ব্যাখ্যা
- আফ্রিকার লেক ভিক্টোরিয়া থেকে মিশরের নীল নদের উৎপত্তি। 
- এটি বিভিন্ন দেশ হয়ে মিশরের মধ্য দিয়ে ভূ-মধ্যসাগরে এসে পড়েছে। 
- ইতিহাসের জনক হেরোডোটাস বলেছেন- মিশর হচ্ছে ‘নীল নদের দান’
- এই নদ না থাকলে মিশর মরুভূমিতে পরিণত হতো।  
- মিশরের অর্থনীতি ছিল মূলত কৃষিনির্ভর।
- প্রাক-রাজবংশীয় যুগে মিশর কতগুলো ছোট নগর রাষ্ট্রে বিভক্ত ছিল যা ‘নোম’ নামে পরিচিত।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি। 
১,৫৬৯.
'আমাদের বাঁচার দাবি: ছয় দফা কর্মসূচি' শীর্ষক পুস্তিকা প্রকাশ পায়-
  1. ক) ৬ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৬
  2. খ) ২১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৬
  3. গ) ২ মার্চ, ১৯৬৬
  4. ঘ) ৫ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৬
সঠিক উত্তর:
খ) ২১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ২১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৬
ব্যাখ্যা
পূর্ব পাকিস্তানের মুক্তির সনদ ছয় দফা:

- ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে বিরোধীদলীয় নেতারা একটি সম্মেলন আহ্বান করেন।
- আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতাদের নিয়ে বঙ্গবন্ধু লাহোরে পৌছান।
- বিরোধী দলের সম্মেলন চলাকালে বঙ্গবন্ধু ছয় দফা কর্মসূচি পেশ করলে সম্মেলনের নেতৃবৃন্দ তা প্রত্যাখান করেন৷ বঙ্গবন্ধু সম্মেলন বর্জন করে সাংবাদিক সম্মেলন করে ছয়দফা কর্মসূচি ঘোষণা করে ঢাকায় চলে আসেন।
- ২১ ফেব্রুয়ারি বঙ্গবন্ধুর নামে 'আমাদের বাঁচার দাবি: ছয় দফা কর্মসূচি' শীর্ষক একটি পুস্তিকা প্রকাশ করা হয়।
- ছয় দফাতে ছিল পূর্ব পাকিস্তানের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও প্রতিরক্ষা বিষয়ক দাবী।

উৎস: ইতিহাস প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৫৭০.
মুজিবনগর সরকারের ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রী কে ছিলেন?
  1. ক) তাজউদ্দীন আহমদ
  2. খ) খন্দকার মোশতাক আহমেদ
  3. গ) এ এইচ এম কামরুজ্জামান
  4. ঘ) এম মনসুর আলী
সঠিক উত্তর:
গ) এ এইচ এম কামরুজ্জামান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) এ এইচ এম কামরুজ্জামান
ব্যাখ্যা
১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল অস্থায়ী প্রবাসী সরকার গঠিত হয় যা মুজিবনগর সরকার নামে পরিচিত। এই সরকারের রাষ্ট্রপতি ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
উপ রাষ্ট্রপতি ছিলেন সৈয়দ নজরুল ইসলাম।
প্রধানমন্ত্রী ছিলেন তাজউদ্দিন আহমেদ।
স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ, পুনর্বাসন ও কৃষি মন্ত্রী ছিলেন এ এইচ এম কামরুজ্জামান
অর্থ ও বাণিজ্য মন্ত্রী ছিলেন ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী।
খন্দকার মুশতাক আহমেদ ছিলেন পররাষ্ট্র, আইন ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী।
উৎসঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্ব সভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি
১,৫৭১.
পদ্মা সেতুর দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ কত?
  1. ক) ৬.১৫ কি. মি. ও ১৮.১০ মি
  2. খ) ৭.২৫ কি.মি. ও ১৮.২০ মি
  3. গ) ৭.১৫ কি. মি. ও ২০.১০ মি
  4. ঘ) ৬.০৫ কি. মি. ও ১৮.১০ মি
সঠিক উত্তর:
ক) ৬.১৫ কি. মি. ও ১৮.১০ মি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৬.১৫ কি. মি. ও ১৮.১০ মি
ব্যাখ্যা
এক নজরে পদ্মা সেতু:
• অফিসিয়াল নাম: পদ্মা বহুমুখী সেতু (Padma Multipurpose Bridge)
• সেতুর ধরন: দ্বিতল (ওপরে সড়ক এবং নিচে রেলপথ)
• প্রত্যক্ষভাবে জড়িত স্থান/জেলা/উপজেলা ৩টি- ১. মাওয়া, লৌহজং উপজেলা, মুন্সিগঞ্জ জেলা, ২. শিবচর উপজেলা, মাদারীপুর জেলা ও ৩. জাজিরা উপজেলা, শরীয়তপুর জেলা।
• সংযোগস্থল: মুন্সিগঞ্জ জেলার লৌহজং উপজেলার মাওয়া ও শরীয়তপুর জেলার জাজিরা উপজেলা।
• ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন: ৪ জুলাই ২০০১।
• নির্মাণকাজ উদ্বোধন: ১২ ডিসেম্বর ২০১৫।
• দৈর্ঘ্য: ৬.১৫ কি.মি. (২০,১৭৭.১৭ ফুট)।
• প্রস্থ: ১৮.১০ মি. (৫৯.৩৮ ফুট)
• সংযোগ সড়কসহ সেতুর মোট দৈর্ঘ্য: ৯.৩০ কি.মি.
• লেন: ৪টি 
• সেতুর আয়ুষ্কাল: ১০০ বছর 
• ভূমিকম্পের সহনীয় মাত্রা: রিখটার স্কেল ৯ 
• স্প্যান: ৪১টি
• পিলার বা পিয়ার: ৪২টি
• পাইল: ২৯৪টি 
• নির্মাণের উপাদান: কংক্রিট ও স্টিল 
• ডিজাইন: AECOM (যুক্তরাষ্ট্র)
• সমীক্ষা পরামর্শক প্রতিষ্ঠান: JICA
• নির্মাণকারী: চায়না মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি লিমিটেড (চীন)
• নদী শাসক প্রতিষ্ঠান: সিনোহাইড্রো কর্পোরেশন (চীন)
• নির্মাণ পরামর্শক প্রতিষ্ঠান: কোরিয়ান এক্সপ্রেসওয়ে কর্পোরেশন (দক্ষিণ কোরিয়া) 
• প্রথম স্প্যান বসানো হয়: ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৭ (৩৭ ও ৩৮ নম্বর পিলারে) 
• ৪১তম বা শেষ স্প্যান বসানো হয়: ১০ ডিসেম্বর ২০২০ (১২ ও ১৩ নম্বর পিলারে)

সূত্র: Live MCQ বিশেষ সাম্প্রতিক সমাচার: এপ্রিল, ২০২১ – এপ্রিল, ২০২২
১,৫৭২.
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় নৌবাহিনীর পরিচালিত প্রথম অভিযান কোনটি?
  1. অপারেশন কিলো ফ্লাইট
  2. অপারেশন বিগ বার্ড
  3. অপারেশন জ্যাকপট
  4. অপারেশন থান্ডার বোল্ট
সঠিক উত্তর:
অপারেশন জ্যাকপট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপারেশন জ্যাকপট
ব্যাখ্যা
অপারেশন জ্যাকপট:
- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় নৌবাহিনীর পরিচালিত প্রথম অভিযান ছিল 'অপারেশন জ্যাকপট'।
- 'অপারেশন জ্যাকপট' পরিচালিত হয় ১৫ই আগস্ট মতান্তরে ১৬ই আগস্ট ১৯৭১ সালে। [অপশনে ১৫ আগস্ট থাকলে ১৫ আগস্ট দাগাতে হবে। অপশনে ১৫ আগস্ট না থাকলে সেই ক্ষেত্রে ১৬ আগস্ট দাগাতে হবে।]
- দেশের দুইটি সমুদ্রবন্দর—চট্টগ্রাম ও মোংলা এবং দুইটি নদী বন্দর - চাঁদপুর ও নারায়ণগঞ্জে একযোগে একই নামে পরিচালিত অপারেশনগুলো চালানো হয়েছিল।
- অপারেশন জ্যাকপট ছিল একটি আত্মঘাতী অভিযান।
- এই অপারেশনে পাকিস্তান ও আরও কয়েকটি দেশ থেকে আসা অস্ত্র, খাদ্য ও তেলবাহী ২৬টি জাহাজ ডুবিয়ে দেয়া হয়েছিল।
- চট্টগ্রামে বন্দরে অপারেশন চালানোর জন্য বাছাই করা হয়েছিল ৬০ জনের একটি দল।
- ১৯৭১ সালের অগাস্টের ১৫ তারিখ রাতে অপারেশন জ্যাকপট পরিচালনার সময় নির্ধারণ করা হয়েছিল। তবে এর পরিকল্পনা ও প্রশিক্ষণ শুরু হয়েছিল সেই বছরের মে মাসে।
- সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রফিকুল ইসলাম ছিলেন মুক্তিযুদ্ধে এক নম্বর সেক্টরের কমান্ডার।
- অপারেশন জ্যাকপটে চট্টগ্রাম বন্দরের অভিযান তার তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হয়।
- সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর রফিকুল ইসলাম মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বীর উত্তম খেতাব লাভ করেছিলেন।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও বিবিসি বাংলা, ১৬ই আগস্ট ২০২১।
১,৫৭৩.
'সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম কমিটি' গঠিত হয়—
  1. ক) ১৯৪৮ সালে
  2. খ) ১৯৫০ সালে
  3. গ) ১৯৫২ সালে
  4. ঘ) ১৯৫৪ সালে
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৫২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৫২ সালে
ব্যাখ্যা
ভাষা আন্দোলন:
- বাঙ্গালির জীবনে ভাষা আন্দোলন এক নতুন চেতনার উন্মেষ ঘটায়। ১৯৪৭ সাল থেকে ১৯৫২ সাল পর্যন্ত ভাষা আন্দোলনের সময়কাল। 
- বিভিন্ন ঘটনা প্রবাহের পরিপ্রেক্ষিতে ভাষা আন্দোলনকে আরো জোরদার করার জন্য ১৯৫২ সালের ৩১ জানুয়ারি "সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম কমিটি" গঠিত হয়।
- কমিটির আহ্বায়ক ছিলেন - কাজী গোলাম মাহবুব।

উৎস: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব by ড. মযহারুল ইসলাম
প্রকাশকাল: ১৯৭৪; পৃষ্ঠা নং: ১২৮।

=============
সবার জ্ঞাতার্থে জানিয়ে রাখি,
সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম কমিটি - বোর্ড বই, সংগ্রামের নোট বুক ও স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র (১ম খন্ড) ইত্যাদিতে "সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ" নামে বর্ণনা করা হয়েছে।

=============
• ‘সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’:

- ৩১ জানুয়ারি, ১৯৫২ সালে আওয়ামী মুসলিম লীগ সভাপতি মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর সভাপতিত্বে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সর্বদলীয় সভায় ‘সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’ গঠিত হয়। 
- কাজী গোলাম মাহবুবকে আহ্বায়ক করে ২৮ সদস্য বিশিষ্ট সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়।

- ২০ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় আবুল হাশিমের সভাপতিত্বে আওয়ামী মুসলিম লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদের বৈঠক বসে।
- এই বৈঠকে আবদুল মতিন, অলি আহাদ, গোলাম মাহবুব প্রমুখ নেতা ১৪৪ ধারা অমান্য করার সিদ্ধান্ত গ্রহণের পক্ষে জোরালো মত দেন।
- অবশেষে সভায় ১৪৪ ধারা ভঙ্গের সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়। ২১ ফেব্রুয়ারি সকাল ১১টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আমতলায় (বর্তমানে ঢাকা মেডিকেল কলেজের চত্বর) ছাত্রদের সভা জনসমুদ্রে পরিণত হয়।
------------------
অন্যদিকে,
- রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে প্রথম 'রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ' গঠিত হয়– ১ অক্টোবর, ১৯৪৭। এর আহ্বায়ক ছিলেন নুরুল হক ভূঁইয়া।
- দ্বিতীয় বারের মতো রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয় - ২ মার্চ, ১৯৪৮ সালে যার আহ্বায়ক ছিলেন শামছুল আলম।

উৎস: সংগ্রামের নোটবুক, স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র (১ম খন্ড), ইতিহাস প্রথম পত্র, HSC Programme, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৫৭৪.
বীরশ্রেষ্ঠদের মধ্যে বিমান বাহিনীর সদস্য ছিলেন কে?
  1. বীরশ্রেষ্ঠ মোস্তফা কামাল
  2. বীরশ্রেষ্ঠ মোহাম্মদ রুহুল আমিন
  3. বীরশ্রেষ্ঠ মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর
  4. বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান
সঠিক উত্তর:
বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান
ব্যাখ্যা

• বীরশ্রেষ্ঠ ও তাদের কর্মস্থল:
- ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর : সেনাবাহিনী।
- সিপাহী মোস্তফা কামাল : সেনাবাহিনী।
- ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান : বিমান বাহিনী।
- ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখ : সাবেক ই. পি. আর.।
- ল্যান্স নায়েক মুন্সি আব্দুর রউফ : সাবেক ই. পি. আর.।
- সিপাহী হামিদুর রহমান : সেনাবাহিনী।
- ইঞ্জিনরুম আর্টিফিসার মোহাম্মদ রুহুল আমিন : নৌবাহিনী।

উৎস: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।

১,৫৭৫.
দ্বিতীয় বাহাদুর শাহকে কোথায় নির্বাসনে দেওয়া হয়?
  1. নবদ্বীপ
  2. আন্দামান দ্বীপ
  3. কার্লিউ দ্বীপ
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
কোনটি নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
বাহাদুর শাহ:
- দ্বিতীয় বাহাদুর শাহ জাফর ছিলেন সর্বশেষ মুঘল সম্রাট।
- ১৮৩৭ সালে তিনি দিল্লির সিংহাসনে আরোহন করেন।
- ১৮৫৭ সালে শেষ মোগল সম্রাট দ্বিতীয় বাহাদুর শাহ জাফর ইংরেজ কর্তৃক নির্বাসিত হলে মোগল শাসনের চূড়ান্ত পরিসমাপ্তি হয়।
- তাই ১৭০৭ থেকে ১৮৫৭ সময় কালকে (প্রায় দেড়শ বছর) মোগল বংশের পতনের যুগ বলা হয়।
- ইংরেজ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানী ১৮৫৭ সালে সিপাহী বিদ্রোহের নেতৃত্ব দেয়ার কারণে মোগল সম্রাট দ্বিতীয় বাহাদুর শাহ জাফরকে রেঙ্গুনে (বার্মা) নির্বাসিত করেন। (এখানে উত্তর কোনটি নয়)
- বাহাদুর শাহের নির্বাসনের মধ্য দিয়ে ভারতে মোগল শাসনের চূড়ান্ত অবসান ঘটে।

উৎস: ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৫৭৬.
লক্ষ্ণৌ চুক্তি কত সালে স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ১৯১৫ সাল
  2. ১৯১৬ সাল
  3. ১৯১৩ সাল
  4. ১৯১৮ সাল
সঠিক উত্তর:
১৯১৬ সাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯১৬ সাল
ব্যাখ্যা

• লক্ষ্ণৌ চুক্তি (১৯১৬ খ্রি.):

- ১৯০৯ খ্রিস্টাব্দের ভারত শাসন আইন বা মর্লে-মিন্টো সংস্কার আইন ভারতবাসীর সব দাবি-দাওয়া পূরণে যথেষ্ট সহায়ক হয় নি। এ আইনে যদিও প্রত্যক্ষ নির্বাচন পদ্ধতি স্বীকার করে নেয়া হয় এবং মুসলমানদের স্বতন্ত্র নির্বাচনের অধিকার প্রদান করা হয় তথাপি এতে মুসলিম সম্প্রদায় পরিপূর্ণভাবে সন্তুষ্ট হতে পারে নি।

-  ১৯১১ খ্রিস্টাব্দে বঙ্গভঙ্গ রদের ঘোষণা তাদেরকে বৃটিশ সরকারের প্রতি সন্দিহান করে তোলে। 

- তাছাড়া ১৯১৩ খ্রিস্টাব্দের জুলাই মাসে কানপুর মসজিদের ঘটনায় পুলিশের গুলিতে কয়েকজন মুসলমান নিহত হলে মুসলমানদের মধ্যে সরকার বিরোধী মনোভাব তীব হয়ে উঠে।

- ইংরেজদের বিরুদ্ধে ক্রমবর্ধমান ক্ষোভ ও অসন্তোষ ভারতের মুসলমানদের রাজনীতিতে গভীর প্রভাব ফেলে। অভিজাত, রক্ষণশীল ও বৃটিশ অনুগত নেতাদের বদলে ১৯১২ খ্রিস্টাব্দের পর থেকে পাশ্চাত্য শিক্ষায় শিক্ষিত মুসলিম লীগের তরুন সদস্যগণ দলের মধ্যে সক্রিয় হয়ে উঠে। 

- ১৯১৩ খ্রিস্টাব্দের মার্চে মুসলিম লীগের লক্ষ্ণৌ অধিবেশনে দলের নতুন গঠনতন্ত্র প্রণীত হয়। এতে বলা হয় যে, জাতীয় ঐক্য গড়ে তোলা, বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং স্বরাজ অর্জনই হচ্ছে লীগের অন্যতম উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য। এর ফলে ভারতের হিন্দু ও মুসলমানদের মধ্যে সম্প্রীতি ও সদ্ভাব সৃষ্টির অনুকূল পরিবেশ তৈরি হয়।

- অতঃপর লীগ ও কংগ্রেস প্রায় একই সময়ে ও স্থানে এদের বার্ষিক অধিবেশন আহবান করে। 

- ১৯১৬ খ্রিস্টাব্দের ডিসেম্বর মাসে কংগ্রেস এবং মুসলিম লীগ এদের বার্ষিক সম্মেলন লক্ষ্ণৌ শহরে অনুষ্ঠান করার সিদ্ধান্ত নেয়। এ সময়ে উভয় সম্প্রদায় ভারতের শাসনতান্ত্রিক সংস্কারের নীতির প্রশ্নে একটা সমঝোতায় আসে।

- এটাই ইতিহাসে লক্ষ্ণৌ চুক্তি নামে পরিচিত। 

উৎস:  বাংলাপিডিয়া এবং ইতিহাস প্রথম পত্র, বাংলাদেশে উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৫৭৭.
সম্প্রতি IEEFA বাংলাদেশে প্রাথমিকভাবে প্রচলিত যে জীবাশ্ম জ্বালানি বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা প্রকাশ করেছে তার সম্ভাব্য রেঞ্জ কী?
  1. 1700-3400 MW
  2. 2000-5000 MW
  3. 3400-4000 MW
  4. 3600-3200 MW
সঠিক উত্তর:
1700-3400 MW
উত্তর
সঠিক উত্তর:
1700-3400 MW
ব্যাখ্যা
• IEEFA:
 - IEEFA-এর পূর্ণরুপ - Energy Economics and Financial Analysis (IEEFA).
- ইনস্টিটিউট ফর এনার্জি ইকোনমিক্স অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল অ্যানালাইসিস (আইইইএফএ) দেখছে বাংলাদেশ তাৎক্ষণিকভাবে নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস থেকে ১,৭০০ মেগাওয়াট-৩,৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে পারে যার খরচ ৫.২৫ টাকা থেকে ৭.৬ টাকা।
প্রচলিত জীবাশ্ম জ্বালানি থেকে প্রতি ইউনিট বর্তমান খরচ ৮.৮৪ টাকা।
আইইইএফএ বিশ্লেষণ করে দেখিয়েছে নবায়নযোগ্য উৎস থেকে ৪০% বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্য অর্জনের জন্য ২০৪১ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশের বার্ষিক ১.৭১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার প্রয়োজন।

তথ্যসূত্র: ঢাকা ট্রিবিউন (৫ এপ্রিল, ২০২৩)।
১,৫৭৮.
আয়তনে বাংলাদেশের ক্ষুদ্রতম বিভাগ কোনটি?
  1. ক) বরিশাল
  2. খ) সিলেট
  3. গ) রংপুর
  4. ঘ) ময়মনসিংহ
সঠিক উত্তর:
ঘ) ময়মনসিংহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে মোট ৮টি বিভাগ রয়েছে।

আয়তনে:
- সবচেয়ে বড় : চট্টগ্রাম বিভাগ (৩৩,৯০৪ বর্গ কিমি)
- সবচেয়ে ছোট : ময়মনসিংহ বিভাগ (১০,৫৫২ বর্গ কিমি)।

জনসংখ্যায়:
- সবচেয়ে বড় : ঢাকা বিভাগ
- সবচেয়ে ছোট : বরিশাল বিভাগ

সবচেয়ে বেশি জেলা রয়েছে ঢাকা বিভাগে ১৩টি এবং সবচেয়ে কম ৪টি করে জেলা রয়েছে সিলেট ও ময়মনসিংহ বিভাগে।

(তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন ওয়েবসাইট)
১,৫৭৯.
ভাষা আন্দোলনের প্রথম পুস্তিকাটির নাম কী?
  1. রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই
  2. পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু
  3. আমাদের ভাষা আমাদের দাবি
  4. উর্দু বনাম বাংলা
সঠিক উত্তর:
পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু
ব্যাখ্যা

ভাষা আন্দোলন:
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আবুল কাসেম ১৯৪৭ সালে তমদ্দুন মজলিশ প্রতিষ্ঠা করেন।
- এই সংগঠন ১৯৪৭ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবি জানিয়ে একটি পুস্তিকা প্রকাশ করে।
- বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবি জানিয়ে তমদ্দুন মজলিশের প্রকাশিত পুস্তিকাটির নাম ছিল 'পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু'।
- তমদ্দুন মজলিশ ছাত্র-শিক্ষক মহলে বাংলাভাষা সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করে।
- ১৯৪৭ সালের মধ্যেই বহু প্রখ্যাত এবং অখ্যাত লেখক বাংলা রাষ্ট্রভাষার প্রতি তাদের দ্ব্যর্থহীন সমর্থন জানিয়েছিলেন।
- পাকিস্তানের পাবলিক সার্ভিস কমিশনের বিষয়তালিকা থেকে এবং নৌ ও অন্যান্য বিভাগের নিয়োগ পরীক্ষায় বাংলাকে বাদ দেয়া হয়।
- এমনকি পাকিস্তানের গণপরিষদের সরকারি ভাষা হিসেবে ইংরেজি ও উর্দুকে নির্বাচন করা হয়। ফলে বাঙালিরা বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৫৮০.
কোন সম্রাটের অনুমতিতে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি সুরাটে বাণিজ্য কুঠি স্থাপন করে?
  1. আকবর
  2. জাহাঙ্গীর
  3. শাহজাহান
  4. আওরঙ্গজেব
সঠিক উত্তর:
জাহাঙ্গীর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাহাঙ্গীর
ব্যাখ্যা

ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি:
- ব্রিটেনের রানী প্রথম এলিজাবেথের নিকট থেকে প্রাপ্ত সনদের মাধ্যমে ১৬০০ সালে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি গঠিত হয়।
- ১৬১২ সালে সম্রাট জাহাঙ্গীরের অনুমতি নিয়ে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি প্রথম সুরাটে বাণিজ্য কুঠি স্থাপন করে।
- ১৭০০ সালে কলকাতায় ফোর্ট উইলিয়াম দুর্গ স্থাপন করে।
- ১৭৫৭ সালের ২৩শে জুন পলাশী যুদ্ধে জয়লাভের মাধ্যমে বাংলা তথা ভারতবর্ষে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসন শুরু হয়।
- ১৮৫৮ সাল পর্যন্ত ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি ভারত শাসন করে।
- এরপর ভারতের শাসনভার ব্রিটিশ সরকার নিজে নিয়ে নেয়।

উৎস: i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
         ii) বাংলাপিডিয়া।

১,৫৮১.
মুক্তিযুদ্ধের সময় ভারতের রাষ্ট্রপতি কে ছিলেন?
  1. রাজেন্দ্র প্রসাদ
  2. ভেঙ্কট গিরি
  3. ফখরুদ্দিন আলি আহমেদ
  4. সর্বপল্লী রাধাকৃষ্ণণ
সঠিক উত্তর:
ভেঙ্কট গিরি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভেঙ্কট গিরি
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধ:
- বঙ্গবন্ধু বাঙালির মুক্তিসংগ্রামের মহান নেতা। 
- মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানে বন্দি থাকলেও তার নামেই ন’মাস মুক্তিযুদ্ধ চলে।
- মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনাকারী মুজিবনগর সরকারও বঙ্গবন্ধুকে প্রধান করেই গঠন (১৭ এপ্রিল, ১৯৭১) করা হয়েছিল।
- পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্ত হয়ে ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু ঢাকার মাটিতে পা রাখেন।
- এর আগে ৮ জানুয়ারি, ১৯৭২ খবর আসে বঙ্গবন্ধু পাকিস্তান থেকে মুক্তি পেয়ে খুব ভোরে লন্ডন যান।
- ৯ জানুয়ারি টেলিফোনে ইন্দিরা গান্ধী বঙ্গবন্ধুকে অভিনন্দন জানান এবং অনুরোধ করেন ঢাকার পথে যেন তিনি দিল্লিতে যাত্রাবিরতি করেন। 
- রাষ্ট্রপতি শ্রী ভরাহগিরি ভেঙ্কট গিরি তখন বঙ্গবন্ধুকে আলিঙ্গন করছিলেন এবং প্রধানমন্ত্রী শ্রীমতি ইন্দিরা গান্ধী তাকে স্বাগত জানাচ্ছিলেন।
- তখন ২১ বার তোপধ্বনির মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুকে অভিনন্দন জানানো হচ্ছিল।
- নয়াদিল্লির পালাম বিমানবন্দরে বঙ্গবন্ধুকে স্বাগত জানিয়ে প্রদত্ত ভাষণে প্রেসিডেন্ট ভিভি গিরি বলেন, ‘মহোদয়, এই ঐতিহাসিক সন্ধিক্ষণে দেশের প্রধান হিসেবে আপনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন এ অঞ্চলে স্থায়ী ও অটুট শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রত্যাশা ও সম্ভাবনা জোরদার ও সুনিশ্চিত করবে।’
- ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি বিকালে বঙ্গবন্ধু লন্ডন দিল্লি হয়ে প্রাণের শহর ঢাকায় ফিরে আসেন বেলা ১টা ৪১ মিনিটে। 

উল্লেখ্য,
- মুক্তিযুদ্ধের সময় ভারতের রাষ্ট্রপতি ছিলেন ভেঙ্কট গিরি।

উৎস: ১০ জানুয়ারি ২০২১, যুগান্তর।
১,৫৮২.
ড. স্মিথ কোন শাসককে 'ভারতীয় নেপোলিয়ন' আখ্যা দিয়েছিলেন?
  1. অশোক
  2. সমুদ্রগুপ্ত
  3. শ্রীগুপ্ত
  4. দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্ত
সঠিক উত্তর:
সমুদ্রগুপ্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সমুদ্রগুপ্ত
ব্যাখ্যা

সমুদ্রগুপ্ত:
- সমুদ্রগুপ্ত সম্ভাব্য ৩৩৫ খ্রিস্টাব্দে সিংহাসনে আরোহণ করেন এবং ৩৮০ খ্রিস্টাব্দের পূর্বে তাঁর মৃত্যু হয়।
- প্রাচীন ভারতের ইতিহাসে রাজ্য বিজেতারূপে যে সকল সম্রাট খ্যাতি লাভ করেছেন, সমুদ্রগুপ্ত তাঁদের মধ্যে প্রথম সারিতে স্থান পেয়েছেন।
- উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত গাঙ্গেয় উপত্যকার স্থানীয় একটি রাজ্যকে তিনি সর্বভারতীয় এক সাম্রাজ্যে পরিণত করেন।
- প্রাচীন ভারতের তৃতীয় সাম্রাজ্যবাদী পুরুষ হিসাবে সমুদ্রগুপ্ত বিখ্যাত।
- সমুদ্রগুপ্তের রাজ্যজয় সম্পর্কে হরিষেণ রচিত এলাহাবাদ প্রশস্তিতে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়।
- এলাহাবাদ প্রশস্তিলিপি সমুদ্রগুপ্তের ইতিহাসের প্রধান উৎস।
- আর্যাবর্তের সকল রাজাকে পরাজিত করে তিনি 'সর্বরাজোচ্ছেত্তা' উপাধি গ্রহণ করেন।
- সমুদ্রগুপ্তের সাম্রাজ্য ছিল প্রভুত্ব ও স্বায়ত্ত্বশাসনের এক অপূর্ব সমন্বয়।
- দিগ্বিজয় সম্পন্ন করে তিনি 'অশ্বমেধযজ্ঞ' অনুষ্ঠান করেন এবং এই যজ্ঞের স্মৃতিরক্ষায় স্বর্ণমুদ্রা প্রচলন করেন।
- তিনি ছিলেন প্রচন্ড সাম্রাজ্যবাদী।
- ড. স্মিথ সম্ভবত এ কারণেই সমুদ্রগুপ্তকে 'ভারতীয় নেপোলিয়ন' আখ্যা দিয়েছেন।
- ভারতের জাতীয়তাবাদী ঐতিহাসিকগণ মনে করেন, আসমুদ্রহিমাচল বিস্তৃত ভারতভূমিকে এক শাসনে আবদ্ধ করাই ছিল সমুদ্রগুপ্তের লক্ষ।
- কুষাণ সাম্রাজ্যের পতনের পর ভারতের রাজনীতিতে যে শক্তিশূন্যতা দেখা দেয় গুপ্ত সাম্রাজ্য তা দূর করে।
- সমুদ্রগুপ্ত ছিলেন সাধুব্যক্তিদের আশাস্বরূপ, আর অসাধুদের জন্য প্রলয়। হরিষেণ সমুদ্রগুপ্তকে মানুষের আকৃতিতে দেবতা তুল্য 'অচিন্ত্যপুরুষ' বলে আখ্যায়িত করেছেন।

তথ্যসূত্র - ইতিহাস, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৫৮৩.
পলাশীর যুদ্ধে ইংরেজ বাহিনীর নেতৃত্ব ছিলেন কে?
  1. লর্ড কার্নওয়ালিস
  2. মীর জাফর
  3. রবার্ট ক্লাইভ
  4. লর্ড ডালহৌসি
সঠিক উত্তর:
রবার্ট ক্লাইভ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রবার্ট ক্লাইভ
ব্যাখ্যা
পলাশীর যুদ্ধ: 
- সিরাজউদ্দৌলা সিংহাসনে আরোহণ করার পর থেকে তাঁকে লড়াই করতে হয়েছে নানা কারণে মনঃক্ষুন্ন ঘরের শত্রু শওকত জং,
- ঘষেটি বেগম দরবারের শত্রু আমাত্য ও বেনিয়া সম্প্রদায় এবং বহিঃশত্রু ইংরেজদের সঙ্গে।
- নবাবের অভ্যন্তরীণ শত্রুদের কাজে লাগিয়ে ইংরেজরা নবাবকে উৎখাতের এক নীল নকশা তৈরি করে।
- পলাশীর যুদ্ধে ইংরেজ বাহিনীর  নেতৃত্ব দেন- রবার্ট ক্লাইভ।
- ১৭৫৭ সালের ২৩ জুন রবার্ট ক্লাইভের নেতৃত্বাধীন ইংরেজ বাহিনীর সঙ্গে নবাবের বাহিনীর এক যুদ্ধ সংঘঠিত হয়।
- কারণ যুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে প্রধান সেনাপতি মীর জাফরের নেতৃত্বাধীন অধিকাংশ সৈন্য নিষ্ক্রিয় ভূমিকা পালন করে,
- যার ফলে নবাবের পরাজয় ঘটে।
- বন্দী অবস্থায় নির্মমভাবে হত্যা করা হয় বাংলার শেষ স্বাধীন নবাবকে।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচএসসি প্রোগ্রাম , উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৫৮৪.
সমতট জনপদের অন্তর্ভুক্ত ছিল নিচের কোন জেলা?
  1. কুমিল্লা
  2. চট্টগ্রাম
  3. দিনাজপুর
  4. বরিশাল
সঠিক উত্তর:
কুমিল্লা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুমিল্লা
ব্যাখ্যা

 সমতট:
- পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্ব বাংলার প্রাচীন জনপদের নাম সমতট।
- প্রাচীন বঙ্গরাজ্যের দক্ষিণ-পূর্ব অংশের নতুন নামের আর একটি বিশাল রাজ্য।
- মধ্যবাংলার কিছু অংশ এর অন্তর্ভুক্ত ছিল।
- বর্তমান ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের কিছু অংশ, বাংলাদেশের বৃহত্তর কুমিল্লা ও নোয়াখালী অঞ্চল সমতট নামে পরিচিত ছিল।
- তবে ত্রিপুরাকে সমতটের প্রধান কেন্দ্র বলা হতো।
- রাজা রাজভট্টের (৭ম শতকে) অন্যতম রাজধানী ছিল বড়োকামতা।

উৎস: বাংলাদেশ স্টাডিজ, বিবিএস প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৫৮৫.
ঐতিহাসিক ছয়-দফাকে কিসের সাথে তুলনা করা হয়?
  1. ক) মুখ্য আইন
  2. খ) বিল অব রাইটস
  3. গ) ম্যাগনাকার্টা
  4. ঘ) পিটিশন অব রাইটস
সঠিক উত্তর:
গ) ম্যাগনাকার্টা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ম্যাগনাকার্টা
ব্যাখ্যা
ছয় দফা
- ঐতিহাসিক ৬-দফাকে  তুলনা করা হয় 'ম্যাগনাকার্টা'র সাথে।
- ১৯৬৬ সালের ৫ - ৬ ফেব্রুয়ারী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান লাহোরে বিরোধী দলের একটি সম্মেলনে ছয় দফা দাবী পেশ করেন।
- আর এটি ২৩ মার্চ ১৯৬৬ অনানুষ্ঠানিক ঘোষিত হয়।
- ঐতিহাসিক ছয় দফার খসড়া প্রণেতা - রুহুল কুদ্দুস। 

৬ দফার দাবিসমূহ-
- শাসনতান্ত্রিক কাঠামো ও রাষ্ট্রের প্রকৃতি
- কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা
- মুদ্রা ও অর্থ-সম্বন্ধীয় ক্ষমতা (স্বতন্ত্র  মুদ্রা)।
- রাজস্ব, কর, বা শুল্ক সম্বন্ধীয় ক্ষমতা
- বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা
- আঞ্চলিক বাহিনী গঠনের ক্ষমতা

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও মূলধারা ’৭১
১,৫৮৬.
বাংলায় বাঁরো ভূইয়াদের স্থায়ী ভাবে দমন করেন কে?
  1. ঈশা খাঁ
  2. জাহাঙ্গীর
  3. ইসলাম খান
  4. আকবর
সঠিক উত্তর:
ইসলাম খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইসলাম খান
ব্যাখ্যা
- ইসলাম খান চিশতী ছিলেন ফতেহপুর সিক্রির শয়খ সলীম চিশতীর পৌত্র।
- তিনি সম্রাট জাহাঙ্গীরের সমবয়সী এবং ঘনিষ্ঠ বন্ধু ছিলেন।
- ইসলাম খান চিশতীর মূল কৃতিত্ব হচ্ছে তিনি সমগ্র বাংলাদেশে এবং প্রতিবেশী কামরূপ এবং কাছাড়ে মোগল অধিকার প্রতিষ্ঠা করেন।
- তিনি বার ভূঁইয়াদের দমন করেন এবং সকল ভূঁইয়া বা জমিদারকে পরাজিত করলে বাংলা মোগল সাম্রাজ্যের একটি সুবা বা প্রদেশে পরিণত হয়। 
- ইসলাম খান ১৬১০ সালে ঢাকায় বাংলার রাজধানী স্থাপন করেন এবং এর নামকরণ করেন জাহাঙ্গীরনগর।

সূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম - দশম শ্রেণী (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)
১,৫৮৭.
স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি কে ছিলেন?
  1. ক) তাজউদ্দীন আহমেদ
  2. খ) আবু সাঈদ চৌধুরী
  3. গ) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
  4. ঘ) সৈয়দ নজরুল ইসলাম
সঠিক উত্তর:
গ) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
ব্যাখ্যা
• স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি:
- ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সরকার গঠিত হয় যা অস্থায়ী প্রবাসী সরকার বা মুজিবনগর সরকার নামে পরিচিত।
- ১৭ এপ্রিল এই সরকার শপথ গ্রহণ করে।
- মুজিবনগর সরকার ছিলো রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার।
- এই সরকারের প্রধান ছিলেন রাষ্ট্রপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- তার অনুপস্থিতিতে উপ-রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন।

• মুজিবনগর সরকারের গঠন:
- রাষ্ট্রপতি : বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- উপ ও ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি : সৈয়দ নজরুল ইসলাম।
- প্রধানমন্ত্রী : তাজউদ্দিন আহমদ।
- অর্থ ও বাণিজ্য মন্ত্রী : ক্যাপ্টেন (অব.) এম মনসুর আলী।
- স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রী : এএইচএম কামরুজ্জামান
- পররাষ্ট্র ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী : খন্দকার মুশতাক আহমদ।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণী।
১,৫৮৮.
যুক্তফ্রন্ট সরকারের মুখ্যমন্ত্রী হন কে?
  1. হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
  2. এ কে ফজলুল হক
  3. হাজী মোহাম্মদ দানেশ
  4. শেখ মুজিবুর রহমান
সঠিক উত্তর:
এ কে ফজলুল হক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এ কে ফজলুল হক
ব্যাখ্যা
যুক্তফ্রন্ট:
- ৪ ডিসেম্বর ১৯৫৩ আওয়ামী মুসলিম লীগ ও শেরে বাংলার কৃষক-শ্রমিক পার্টির সমন্বয়ে যুক্তফ্রন্ট গঠিত হয়। পরবর্তীতে মাওলানা আতাহার আলীর নেজামে ইসলাম ও হাজী মোহাম্মদ দানেশের গণতন্ত্রী দল যুক্তফ্রন্টে যোগ দেয়।
- যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনী প্রতীক ছিলো নৌকা।
- যুক্তফ্রন্টর পক্ষ থেকে ২১ দফা নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করে।
- ২১ দফা ইশতেহার প্রণয়নে আবুল মনসুর আহমেদ মুখ্য ভূমিকা পালন করেন।
- এই নির্বাচনে মোট আসন ছিলো ৩০৯টি।
- নির্বাচনে যুক্তফ্রন্ট ২২৩টি আসন লাভ করে।
- শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রিসভার মুখ্যমন্ত্রী নির্বাচিত হন।

উৎস: স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র : প্রথম খণ্ড এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
১,৫৮৯.
মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য তারামন বিবিকে যে উপাধি দেওয়া হয়-
  1. ক) বীর উত্তম
  2. খ) বীরাঙ্গনা
  3. গ) বীরবিক্রম
  4. ঘ) বীর প্রতীক
সঠিক উত্তর:
ঘ) বীর প্রতীক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) বীর প্রতীক
ব্যাখ্যা

১৯৭৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর মোট ৬৭৬ জন মুক্তিযোদ্ধাকে নিম্নোক্ত খেতাব প্রদান করা হয়-
- বীরশ্রেষ্ঠ - ৭ জন,
- বীর উত্তম - ৬৮ জন,
- বীর বিক্রম - ১৭৫ জন,
- বীর প্রতীক - ৪২৬ জন।

তার মধ্যে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে সাহসী ভূমিকা পালনের জন্য যে দুই নারী 'বীরপ্রতীক' খেতাব পেয়েছেন।
- ক্যাপ্টেন ডা. সিতারা বেগম
- তারামন বিবি।

উৎসঃ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট

১,৫৯০.
'ইন্ডিগো কমিশন' গঠন করা হয় কত সালে?
  1. ১৮৬২ সালে
  2. ১৮৬১ সালে
  3. ১৯৫৮ সালে
  4. ১৯৬৩ সালে
সঠিক উত্তর:
১৮৬১ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮৬১ সালে
ব্যাখ্যা
 নীল বিদ্রোহ:
- ১৮৫৯ খ্রিস্টাব্দে ইংরেজ নীলকরদের সীমাহীন অত্যাচার শোষণ বঞ্চনার বিরুদ্ধে নীল চাষিরা যে শক্তিশালী প্রতিরোধ গড়ে তোলে তাই ইতিহাসে নীল বিদ্রোহ নামে খ্যাত।
- এর নেতৃত্ব দিয়েছিল স্থানীয় পর্যায়ের সাধারণ কৃষকরা।
- বিভিন্ন স্থানে ভিন্ন ভিন্ন নেতা স্থানীয়ভাবে প্রতিরোধ সংগ্রাম পরিচালিত করে। এ আন্দোলনে যশোর অঞ্চলের কৃষকদের নেতৃত্ব দেন নবীন মাধব ও বেণী মাধব নামে দুই ভাই। হুগলিতে নেতৃত্ব দেন বৈদ্যনাথ ও বিশ্বনাথ সর্দার এবং নদীয়ায় মেঘনা সর্দার।
- এই নেতৃত্ব এতটাই শক্তিশালী এবং সুসংহত ছিল যে শেষ পর্যন্ত ইংরেজরা নতি স্বীকার করতে বাধ্য হয়।
- ১৮৬১ খ্রিস্টাব্দে সরকার 'ইন্ডিগো কমিশন' বা 'নীল কমিশন' গঠন করে।
- এই কমিশনের সুপারিশের ভিত্তিতে নীলচাষ করা, না করা কৃষকদের ইচ্ছার উপর ছেড়ে দেয়া হয় এবং ‘ইন্ডিগো কন্ট্রাক্টস অ্যাক্ট' বাতিল করা হয়।
- নীল চাষীদের উপর অত্যাচারের কাহিনী নিয়ে রচিত গ্রন্থের নাম নীলদর্পণ (রচয়িতা: দীনবন্ধু মিত্র)।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্ব সভ্যতা, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৫৯১.
'বড়কামতা' কোন জনপদের রাজধানী ছিলো?
  1. সমতট
  2. রাঢ়
  3. গৌঢ়
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
সমতট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সমতট
ব্যাখ্যা
সমতট রাজ্যের রাজধানী ‘বরকামতা’র উৎপত্তির ইতিহাস: 
- বর্তমান ‘বরকামতা’ গ্রামটি একসময় প্রাচীন সমতট অঞ্চলের অংশ ছিল।
- সাবেক বৃহত্তর কুমিল্লা, নোয়াখালী, চট্রগ্রাম জেলার বিশাল অংশ নিয়ে সমতট রাজ্যের অবস্থান ছিল এবং প্রায় ৫শত মাইল বিস্তৃত ছিল বলে জানা যায়।
- খ্রীষ্টিয় নবম শতাব্দীতে এ অঞ্চলটি হরিকেল অঞ্চলের রাজাদের অধীনে চলে আসে। 
- অষ্টম শতাব্দীতে লালমাই ময়নামতি দেব বংশ এবং দশম থেকে একাদশ শতকের মাঝামাঝি পর্যন্ত চন্দ্র বংশের শাসনাধীনে ছিল (ময়নামতির সাবেক নাম ছিল রোহিতগিরি)।
- ১৭৬৫ সালে এ অঞ্চলটি ইংরেজ ‘ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানী’র অধীনে আসার পর ১৭৯০সালে জেলাটি ত্রিপুরা জেলা হিসেবে প্রতিষ্ঠা হয়।
- রাজা কমলাঙ্ক’র শাসনামলে তার নামানুসারে এ জেলার নাম হয়েছিল ‘কমলাঙ্ক’, কালক্রমে ‘কমলাঙ্ক’ থেকে ‘কার্মান্ত,’ ‘কার্মান্ত’ থেকে ‘কর্র্মূল্যা’, ‘কর্মূল্যা’ থেকে ‘কুমিল্যা’ এবং সর্বশেষ ১৯৬০সালে এর নাম পরিবর্তন করে ‘কুমিল্লা’ রাখা হয়।  

উৎস: বরকামতা ইউনিয়নের ওয়েবসাইট (লিংক)।
১,৫৯২.
‘স্বাধীনতার ইশতেহার' ঘোষণা করে -
  1. ছাত্র ইউনিয়ন
  2. আওয়ামী লীগ
  3. ছাত্রলীগ
  4. ছাত্রসংগ্রাম পরিষদ
সঠিক উত্তর:
ছাত্রসংগ্রাম পরিষদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ছাত্রসংগ্রাম পরিষদ
ব্যাখ্যা
স্বাধীনতার ইশতেহার:

- ১৯৭১ সালের ১ মার্চ ইয়াহিয়া খানের জাতীয় পরিষদের অধিবেশন স্থগিত করার অপ্রত্যাশিত ঘোষণায় সমগ্র পূর্ব-পাকিস্তান বিক্ষোভে ফেটে পড়ে।
- স্বাধিকার আন্দোলন পরিণত হয় স্বাধীনতা আন্দোলনে।
- ২ মার্চ হরতাল চলাকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কলাভবনে 'স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের' ছাত্র সমাবেশে স্বাধীন বাংলার মানচিত্র খচিত বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করা হয়।
- ১৯৭১ সালের ৩ মার্চ পল্টন ময়দানে ছাত্রলীগ আয়োজিত বিক্ষোভ গণসমাবেশে স্বাধীন বাংলাদেশের ছাত্রসংগ্রাম পরিষদ ‘স্বাধীনতার ইশতেহার' ঘোষণা করেন।
- এ ইশতেহারে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে স্বাধীন ও সার্বভৌম 'বাংলাদেশের সর্বাধিনায়ক’ ঘোষণা করা হয় ।
- তিনি এদিন এ সমাবেশে তাঁর ভাষণে স্বৈরাচারী সরকারের বিরুদ্ধে 'অসহযোগ আন্দোলনের’ ডাক দেন।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
১,৫৯৩.
১৯৭০ সালে নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নির্বাচনী প্রতীক ছিল -
  1. হারিকেন
  2. নৌকা
  3. হাতপাখা
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
নৌকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নৌকা
ব্যাখ্যা
নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী রাজনৈতিক দল:

• ১৯৭০ সালের নির্বাচনে রাজনৈতিক দলগুলো পৃথক পৃথকভাবে প্রার্থী মনোনীত করে।
মোট ৭৮১ জন প্রার্থী নির্বাচনে অংশ নেন। 
• জাতীয় পরিষদে আওয়ামী লীগের প্রার্থী ছিল ১৬২ জন 
• ১৯৭০ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নির্বাচনী প্রতীক ছিল 'নৌকা'। 
• নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী অন্যান্য উল্লেখযোগ্য রাজনৈতিক দলের মধ্যে ছিল যথাক্রমে: 
- নিখিল পাকিস্তান কেন্দ্রীয় জমিয়াতুল উলেমা ও নেজামে ইসলাম (৪৫),
- ইসলামী গণতন্ত্রী দল (৫), 
- জামায়াতে ইসলামী পাকিস্তান (৬৯), 
- পাকিস্তান ডেমোক্রেটিক পার্টি (৮১), 
- পাকিস্তান মুসলিম লীগ (কনভেনশন- ৯৩), 
- পাকিস্তান মুসলিম লীগ (কাউন্সিল- ৫০), 
- পাকিস্তান মুসলিম লীগ (কাইয়ুম- ৬৫) প্রভৃতি।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
১,৫৯৪.
মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তী সময়ে কার নেতৃত্বে প্রথম শিক্ষা কমিশন গঠিত হয়?
  1. এস এম শরীফ
  2. কুদরাত-ই-খুদা
  3. মওলানা আকরম খাঁ
  4. আতাউর রহমান খান
সঠিক উত্তর:
কুদরাত-ই-খুদা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুদরাত-ই-খুদা
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তী সময়ে শিক্ষার উন্নয়ন:
- সম্পদের সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তী সময়ে মানবসম্পদের উন্নয়নে শিক্ষার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
- দায়িত্ব গ্রহণের মাত্র ছয় মাসের মধ্যে স্বাধীন দেশের উপযোগী শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তোলার কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়।
- এই লক্ষ্যে বিশিষ্ট বিজ্ঞানী ড. মুহাম্মদ কুদরাত-ই-খুদার নেতৃত্বে ১৯৭২ সালের ২৬ জুলাই শিক্ষা কমিশন গঠন করা হয়।

এছাড়াও,
- শিক্ষা ক্ষেত্রে জরুরি ভিত্তিতে ৯০০ কলেজ ভবন ও ৪০০ হাইস্কুল পুননির্মাণ করা হয়।
- প্রথমবারের মতো সকল প্রাথমিক বিদ্যালয়কে সরকারিকরণ করা হয়।
- মুক্তিযুদ্ধের সময় শিক্ষকদের পাওনা ৯ মাসের বকেয়া বেতন পরিশোধ করা হয়।
- সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়সমূহে স্বায়ত্তশাসন প্রদানের জন্য জাতীয় সংসদে ১৯৭৩ সালের বিশ্ববিদ্যালয় আইন পাস করেন।

অন্যদিকে,
- মওলানা আকরম খাঁ শিক্ষা কমিশন (১৯৪৯) প্রচলিত শিক্ষা ব্যবস্থার পুনর্মূল্যায়ন এবং শিক্ষা ব্যবস্থার সংস্কার ও পুনর্বিন্যাসের ক্ষেত্রে সুপারিশ পেশ করার জন্য ১৯৪৯ সালে পাকিস্তানে প্রথম শিক্ষা কমিশন গঠিত হয়।
- আতাউর রহমান খান শিক্ষা কমিশন (১৯৫৭) পূর্ব পাকিস্তান সরকার প্রদেশে শিক্ষার সার্বিক সংস্কার সুপারিশের জন্য ১৯৫৭ সালের জানুয়ারি মাসে আতাউর রহমান খানকে চেয়ারম্যান করে একটি শিক্ষা কমিশন নিয়োগ করে।
- জাতীয় শিক্ষা বিষয়ক কমিশন (১৯৫৮)  পশ্চিম পাকিস্তানের শিক্ষাসচিব এস এম শরীফকে চেয়ারম্যান এবং দশজন শিক্ষাবিদকে সদস্য করে পাকিস্তান সরকার ১৯৫৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর এই কমিশন গঠন করে। 

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
১,৫৯৫.
কোন শাসকের আমলে বাংলাভাষী অঞ্চল ‘বাঙ্গালা' নামে পরিচিত হয়ে ওঠে?
  1. শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ
  2. আলাউদ্দীন হুসেন শাহ
  3. শশাঙ্ক
  4. গিয়াসউদ্দীন আজম শাহ
সঠিক উত্তর:
শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ
ব্যাখ্যা

- বাংলায় সুলতানী আমলের সূত্রপাত ১৩৩৮ সালে যা ১৫৩৮ সাল পর্যন্ত স্থায়ী হয়।
- সুলতানি আমলে বাংলায় মুসলিম শাসন বিস্তৃতি লাভ করে।
- শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ হলেন `ইলিয়াস শাহী’ বংশের প্রতিষ্ঠাতা।
- তার রাজত্বকাল ছিল ১৩৪২ সাল থেকে ১৩৫৮ সাল পর্যন্ত। এ সময়ে তিনি সমগ্র বাংলাকে একত্র করে বাঙ্গালাহ নাম দেন এবং এর অধিবাসীদের বাঙ্গালি নাম দেন

- লখনৌতি, সাতগাঁও এবং এর সাথে সোনারগাঁও অধিকার করে ইলিয়াস শাহ সমগ্র বাংলার একচ্ছত্র অধিপতির মর্যাদা লাভ করেন। ইতিপূর্বে এই বিরল গৌরব আর কোন মুসলমান শাসক অর্জন করতে পারেন নি।
- এ কারণে ঐতিহাসিক শামস-ই-সিরাজ আফীফ তাঁকে ‘শাহ-ই-বাঙ্গালাহ’’ এবং ‘সুলতান-ই-বাঙ্গালাহ’ উপাধিতে ভূষিত করেন।
- শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহকে বাংলার প্রথম প্রকৃত স্বাধীন সুলতান হিসেবে অভিহিত করা হয় ।
- তিনি ১৩৫২ খ্রিস্টাব্দে সোনারগাঁওয়ের শাসনকর্তা ফখরুদ্দিন মুবারক শাহের পুত্র ইখতিয়ার উদ্দিন গাজি শাহকে পরাজিত করে দুই বাংলা একত্র করে বৃহত্তর বা অখণ্ড বাংলা প্রতিষ্ঠা করেন।
- তার সময় থেকেই বাংলায় বসবাসকারী জনগোষ্ঠী ‘বাঙালি’ নামে পরিচিত পায়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণি।

১,৫৯৬.
সুলতান মাহমুদ কত বার ভারতবর্ষ আক্রমণ করেন?
  1. ১৩ বার
  2. ১৬ বার
  3. ১৭ বার
  4. ১৯ বার 
সঠিক উত্তর:
১৭ বার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭ বার
ব্যাখ্যা
সুলতান মাহমুদ: 

• জন্ম: ৯৭১ সাল।
• মৃত্যু: ৩০ এপ্রিল ১০৩০ সাল। 
• জন্মস্থান: আফগানিস্তান।
• মাহমুদ ২৭ বছর বয়সে ৯৯৮ সালে সিংহাসনে আরোহণ করেন। 
• সুলতান মাহমুদ ভারতবর্ষ আক্রমণ করেন ১৭ বার।
• ১০০১ সালে, মাহমুদ ১৫ হাজার ঘোড়া সৈন্যের নেতৃত্বে ভারতে যাত্রা করেন। 
• সুলতান মাহমুদ ছিলেন গজনীর অধিপতি।
• সুলতাল মাহমুদ ভারত আক্রমণ করেন ১০০০ সালে।
• সুলতান মাহমুদের সভাকবি কে ছিলেন মহা কবি ফেরদৌসি।
• আল বিরুনী নামকরা দার্শনিক ও জ্যোতির্বিদ হিসাবে কর্মরত ছিলেন সুলতান মাহমুদের দরবারে।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা এবং Live Mcq লেকচার। 
১,৫৯৭.
উপজেলা পরিষদের জনগণের সরাসরি ভোটে নির্বাচিত পদ কতটি?
  1. দুইটি
  2. তিনটি
  3. চারটি
  4. পাঁচটি
সঠিক উত্তর:
তিনটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিনটি
ব্যাখ্যা
- উপজেলা পরিষদ বাংলাদেশের স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে অন্যতম। ১৯৮২ সালে দেশে প্রথম উপজেলা পরিষদ ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয় এবং ১৯৮৫ সালে প্রথম উপজেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে উপজেলা পরিষদের নির্বাচিত পদ তিনটি।
এগুলো হলো:
- চেয়ারম্যান
- ভাইস চেয়ারম্যান
- মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান।
- সংশ্লিষ্ট উপজেলার অন্তর্গত ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানবৃন্দ, অন্তর্গত পৌরসভার মেয়র এবং অন্তর্গত স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর সংরক্ষিত মহিলা আসনের নির্দিষ্ট সংখ্যক প্রতিনিধিদের নিয়ে উপজেলা পরিষদ গঠিত হয়।
- উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এই পরিষদের সচিবের দায়িত্ব পালন করেন।
(তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও নাগরিকতা : নবম-দশম শ্রেণী)
১,৫৯৮.
বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার মাপের অনুপাত কত?
  1. ৫:২
  2. ৩:১
  3. ৫:৩
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
৫:৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫:৩
ব্যাখ্যা
জাতীয় পতাকা:
- ২ মার্চ, ১৯৭১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলায় ছাত্র জনতার সমাবেশে তৎকালীন ঢাকসুর ভিপি আ.স.ম আব্দুর রব স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা প্রথম উত্তোলন করেছিল।
- সংবিধানের ৪ নং অনুচ্ছেদের জাতীয় পতাকার কথা বলা হয়েছে।
- ২রা মার্চ বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা দিবস।
- মানচিত্র খচিত পতাকার নকশাকার: শিব নারায়ণ দাস (৬ জুন ১৯৭০)।
- ২৩ মার্চ ১৯৭১, বঙ্গবন্ধুর বাসভবনে শেখ মুজিবুর রহমান প্রথম স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা আনুষ্ঠানিক উত্তোলন করেন এবং একই দিনে সারা বাংলাদেশে।
- বাংলাদেশের বাহিরে প্রথম উত্তোলন: কলকাতাস্থ পাকিস্তানের ডেপুটি হাইকমিশনারে।
- জাতীয় পতাকার দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের অনুপাত: ১০:৬ (৫:৩)।

উৎস: স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের ইতিহাস।
১,৫৯৯.
পদ্মা সেতু নিচের কোন দুইটি জেলাকে যুক্ত করবে?
  1. ক) শরিয়তপুর ও ফরিদপুর
  2. খ) নৱসিংদী ও মুন্সিগঞ্জ
  3. গ) খুলনা ও সাতক্ষীরা
  4. ঘ) মাদারীপুর ও মুন্সিগঞ্জ
  5. ঙ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ঘ) মাদারীপুর ও মুন্সিগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) মাদারীপুর ও মুন্সিগঞ্জ
ব্যাখ্যা
পদ্মা সেতু বাংলাদেশের পদ্মা নদীর উপর নির্মাণাধীন একটি বহুমুখী সড়ক ও রেল সেতু। এর মাধ্যমে লৌহজং, মুন্সিগঞ্জের সাথে শরিয়তপুর ও মাদারীপুর যুক্ত হবে, ফলে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম অংশের সাথে উত্তর-পূর্ব অংশের সংযোগ ঘটবে।
উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ আর্কাইভ।
১,৬০০.
বাংলার সর্বশেষ সুলতান কে?
  1. ক) গিয়াসউদ্দিন মাহমুদ শাহ
  2. খ) ইলিয়াস শাহ
  3. গ) শামসুদ্দিন মুজাফফর শাহ
  4. ঘ) আলাউদ্দিন ফিরোজ শাহ
সঠিক উত্তর:
ক) গিয়াসউদ্দিন মাহমুদ শাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) গিয়াসউদ্দিন মাহমুদ শাহ
ব্যাখ্যা
বাংলার সর্বশেষ সুলতান:

- বাংলার সর্বশেষ সুলতান গিয়াসউদ্দিন মাহমুদ শাহ।
- ১৩৩৮ সালে ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ সোনারগাঁওয়ের ক্ষমতা দখলের মাধ্যমে বাংলায় স্বাধীন সুলতানি যুগের সূচনা করেন।
- যা প্রায় দুইশ বছর স্থায়ী ছিলো।
- ১৫৩৮ সালে হুসেন শাহী বংশের শেষ শাসক সুলতান গিয়াসউদ্দিন মাহমুদ শাহকে (১৫৩৩-১৫৩৮ খ্রি.) পরাজিত করে শের শাহ শূর বাংলায় আফগানি শাসনের সূচনা করেন।
- শের শাহ কর্তৃক আফগান শাসন প্রতিষ্ঠার ফলে বাংলার দুইশ বছরের স্বাধীন সুলতানি যুগের অবসান হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।