বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশের জাতীয় বিষয়াবলি

মোট প্রশ্ন১২,৪২১এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশের জাতীয় বিষয়াবলি

PrepBank · পাতা ১২০ / ১২৪ · ১১,৯০১১২,০০০ / ১২,৪২১

১১,৯০১.
শশাঙ্ক কত খ্রিস্টাব্দে মারা যান?
  1. ক) ৬১৩ খ্রিস্টাব্দ
  2. খ) ৬২২ খ্রিস্টাব্দ
  3. গ) ৬২৯ খ্রিস্টাব্দ
  4. ঘ) ৬৩৭ খ্রিস্টাব্দ
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৬৩৭ খ্রিস্টাব্দ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৬৩৭ খ্রিস্টাব্দ
ব্যাখ্যা
- খ্রিস্টীয় ষষ্ঠ শতকে উত্তর বাংলা, পশ্চিম বাংলার উত্তরাংশ এবং মগধ গৌড় জনপদ রূপে পরিচিতি লাভ করে।
- গুপ্ত সাম্রাজ্যের পতন পরবর্তী বিশৃঙ্খল অবস্থার সুযোগ গ্রহণ করে শশাঙ্ক ৫৯৪ খ্রিস্টাব্দে গৌড় অঞ্চল অধিকার করে ‘স্বাধীন গৌড় রাজ্য’ স্থাপন করেন।
- তার রাজধানী ছিলো কর্ণসুবর্ণ।
- শশাঙ্ক ৬৩৭ খ্রিস্টাব্দে মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুর পূর্বপর্যন্ত তিনি গৌড় রাজ্যের অধিপতি ছিলেন।
(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
১১,৯০২.
কত সালে বাংলা প্রেসিডেন্সিকে ভেঙ্গে দুটো প্রদেশ করা হয়?
  1. ক) ১৯০১ সালে
  2. খ) ১৯০৫ সালে
  3. গ) ১৯১০ সালে
  4. ঘ) ১৯১১ সালে
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯০৫ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯০৫ সালে
ব্যাখ্যা
১৯০৫ সালের ১৬ অক্টোবর তৎকালীন বড়লাট লর্ড কার্জন বিশাল বাংলা প্রেসিডেন্সিকে ভেঙ্গে দুটো প্রদেশ করেন যা বঙ্গভঙ্গ নামে পরিচিত।

কিন্তু কংগ্রেস ও হিন্দুরা বঙ্গভঙ্গের তীব্র বিরোধিতা করে এবং সহিংস আন্দোলন শুরু করে। ফলে ব্রিটিশ সরকার বঙ্গভঙ্গ রদ করতে বাধ্য হয়। ১৯১১ সালের ডিসেম্বরে লর্ড হার্ডিঞ্জের সময়ে ব্রিটেনের রাজা পঞ্চম জর্জ দিল্লিতে বঙ্গভঙ্গ রদের ঘোষণা দেন।
এতে করে ১৯১২ সালের ১ এপ্রিল পুনরায় দুই বাংলা একত্রিত হয়।

(তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
১১,৯০৩.
মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রামাণ্য চলচ্চিত্র 'স্মৃতি ৭১' এর পরিচালক কে?
  1. জহির রায়হান
  2. তারেক মাসুদ
  3. মোরশেদুল ইসলাম
  4. তানভীর মোকাম্মেল
সঠিক উত্তর:
তানভীর মোকাম্মেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তানভীর মোকাম্মেল
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রামাণ্য চলচ্চিত্র 'স্মৃতি ৭১' এর পরিচালক তানভীর মোকাম্মেল।

• জহির রায়হান পরিচালিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রামাণ্য চলচ্চিত্রঃ
- স্টপ জেনোসাইড,
- এ স্টেট ইজ বর্ন।

• মোরশেদুল ইসলাম পরিচালিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রঃ
- আগামী ও
- সূচনা।

• তারেক মাসুদ ও ক্যাথরিন মাসুদ পরিচালিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রামাণ্যচিত্রঃ
- মুক্তির গান ও
- মুক্তির কথা।

তথ্যসূত্র - সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
১১,৯০৪.
মুক্তিযুদ্ধের সময় 'অপারেশন কিলো ফ্লাইট' পরিচালনা করে -
  1. গেরিলা বাহিনী
  2. নৌবাহিনী
  3. সেনাবাহিনী
  4. বিমান বাহিনী
সঠিক উত্তর:
বিমান বাহিনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিমান বাহিনী
ব্যাখ্যা

অপারেশন কিলো ফ্লাইট:
- অপারেশন কিলো ফ্লাইট নামের সঙ্গে জড়িয়ে আছে মুক্তিবাহিনীর বিমান উইং এবং বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর জন্ম ও গোড়াপত্তনের ইতিহাস।
- ভারতের নাগাল্যান্ডের ডিমাপুরে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ব্যবহৃত পরিত্যক্ত এক বিমানঘাঁটিতে জন্ম হয়েছিল যে ইতিহাসের, সেই ইতিহাস শত্রুর চোখে চোখ রেখে লড়াইয়ের এক অবিস্মরণীয় অধ্যায়।
- অপারেশন কিলো ফ্লাইট মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর অপারেশনগুলোর সমন্বিত সাংকেতিক নাম।
- এই কিলো ফ্লাইটের মাধ্যমে পাকিস্তানি বাহিনীকে ছিন্নবিচ্ছিন্ন করে দিয়েছিলেন দুঃসাহসিক বিমান যোদ্ধারা।
- ফলে ঘুরে দাঁড়ানোর শেষ সম্ভাবনাটিও চিরতরে হারিয়ে ফেলেছিল পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও ডেইলি স্টার, ৯ ডিসেম্বর ২০২২।

১১,৯০৫.
ঐতিহাসিক ’বাঘা মসজিদ’ কার শাসনামলে নির্মিত হয়?
  1. ইলিয়াস শাহ
  2. আলাউদ্দিন হোসেন শাহ
  3. সুলতান নুসরত শাহ 
  4. শের শাহ
সঠিক উত্তর:
সুলতান নুসরত শাহ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুলতান নুসরত শাহ 
ব্যাখ্যা

• বাঘা মসজিদ:
- বাঘা মসজিদ রাজশাহী শহর থেকে প্রায় ৪০ কি.মি. দক্ষিণ-পূর্বে বাঘাতে অবস্থিত। 
- আদিতে এ মসজিদের প্রধান প্রবেশদ্বারের উপরে লাগানো একটি শিলালিপির (বর্তমানে করাচিতে) বর্ণনা অনুযায়ী, সুলতান নুসরত শাহ ১৫২৩ খ্রিস্টাব্দে এটি নির্মাণ করেন।  
- মসজিদটিতে ১০টি গম্বুজ আছে ।
- মসজিদটিতে ৪টি মেহরাব রয়েছে যা অত্যন্ত কারুকার্য খচিত।
- মাঝখানের দরজার ওপর ফার্সি ভাষায় লেখা একটি শিলালিপি রয়েছে। 
- মসজিদটির গাঁথুনি চুন-সুরকি দিয়ে। ভেতরে এবং বাইরের দেয়ালে মেহরাব ও স্তম্ভ রয়েছে। 
- বাঘা মসজিদের দৈর্ঘ্য ২২.৯২ মিটার, প্রস্থ ১২.১৮ মিটার এবং উচ্চতা ২৪ ফুট ৬ ইঞ্চি। 
- মসজিদটিতে সর্বমোট ১০টি গম্বুজ, ৪টি মিনার (যার শীর্ষদেশ গম্বুজাকৃতির) এবং ৫টি প্রবেশদ্বার রয়েছে। 
- এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ যে, মসজিদের ভেতরে উত্তর-পশ্চিম কোণে উঁচু ভিটিতে নির্মিত অতিরিক্ত নামাজ কক্ষটি শুধু সুলতানের  প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত গভর্নরের জন্যই নির্দিষ্ট ছিল বলে মনে হয়।
- এ ধরনের বিশেষ নামায কক্ষ বাংলার কোনো কোনো মসজিদেও লক্ষ্য করা যায়। 
- এতে মনে হয় যে, এ ব্যবস্থা ‘মাকসুরা’র বিকল্প হিসেবে গ্রহণ করা হয়েছিল।
- ইসলামের প্রাথমিক পর্যায়ের মসজিদ স্থাপত্যের এ বৈশিষ্ট্য খলিফার নিরাপত্তার জন্য প্রবর্তন করা হয়েছিল। 
- বাঘা মসজিদের এ বিশেষ বৈশিষ্ট্যটি মসজিদটিকে জামে মসজিদের মর্যাদা প্রদান করেছে। 

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন এবং বাংলাপিডিয়া।

১১,৯০৬.
দেশের সবচেয়ে বড় বায়ুবিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করছে কোন প্রতিষ্ঠান?
  1. ক) সোনার বাংলা ইলেক্ট্রিক সাপ্লাই বিডি
  2. খ) ইয়োলো ইলেক্ট্রিক সাপ্লাই বিডি
  3. গ) ইলেক্ট্রিক সাপ্লাই বিডি
  4. ঘ) ইউএস-ডিকে গ্রিন এনার্জি (বিডি) লিমিটেড
সঠিক উত্তর:
ঘ) ইউএস-ডিকে গ্রিন এনার্জি (বিডি) লিমিটেড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ইউএস-ডিকে গ্রিন এনার্জি (বিডি) লিমিটেড
ব্যাখ্যা
- নবায়নযোগ্য জ্বালানি থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন বৃদ্ধির দিকে দেয়া হচ্ছে বাড়তি মনোযোগ। তারই পরিপ্রেক্ষিতে সৌরবিদ্যুতের পর বায়ু শক্তিকে কাজে লাগানোর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এর অংশ হিসেবে এবার দেশের বৃহৎ বায়ুবিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মিত হচ্ছে কক্সবাজারে।
- ৬০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন এ বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করা হচ্ছে বেসরকারি উদ্যোগে।
- ইউএস-ডিকে গ্রিন এনার্জি (বিডি) লিমিটেড নামে একটি কোম্পানি নির্মাণ করছে এ বিদ্যুৎকেন্দ্র।

কক্সবাজারের ৬০ মেগাওয়াট বায়ুবিদ্যুৎ প্রকল্পে মোট বিনিয়োগ করা হচ্ছে ১১ কোটি ৬৬ লাখ ১০ হাজার মার্কিন ডলার। এ প্রকল্পে ১২০ মিটার উচ্চতায় এনভিশনের ইএন১৫৬ মডেলের ২২টি টারবাইন স্থাপন করা হবে। প্রতিটি টারবাইনের উৎপাদন ক্ষমতা ৩ দশমিক শূন্য মেগাওয়াট এবং রোটরের ব্যাস ১৫৬ মিটার। ২০২২ সালের ডিসেম্বর নাগাদ প্রকল্পটির কমিশনিং করা হবে।

কক্সবাজারের পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন প্রান্তে মোট ২৪৫ মেগাওয়াট বায়ুবিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের কাজ চলমান রয়েছে। এরই মধ্যে নয়টি স্থানের তথ্য সংগ্রহ করে উইন্ড ম্যাপ প্রস্তুত করা হচ্ছে।

তথ্যসূত্র:- লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, মে-জুন ২০২২।
১১,৯০৭.
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্ট সরকারের কোন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন?
  1. ক) কৃষি ও সমবায়
  2. খ) শিল্প ও বাণিজ্য
  3. গ) শিক্ষা ও স্বাস্থ্য
  4. ঘ) বাণিজ্য ও শ্রম
সঠিক উত্তর:
ক) কৃষি ও সমবায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) কৃষি ও সমবায়
ব্যাখ্যা
• ১৯৫৪ সালে প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে ৩রা এপ্রিল এ কে ফজলুল হককে মুখ্যমন্ত্রী করে ৫ সদস্যের যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রীসভা গঠন করা হয়।
- ১৪ মে এ মন্ত্রিসভায় আওয়ামী ‍মুসলিম লীগ যোগদান করলে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি, বন, সমবায় এবং পল্লী উন্নয়ন মন্ত্রী হন
- তবে ৩০শে মে মাত্র ৫৬ দিনের মাথায় এ মন্ত্রিসভা ভেঙে দেওয়া হয়।
- ১৯৫৬ সালে আতাউর রহমান খানের মন্ত্রিসভায় বঙ্গবন্ধু শিল্প, বাণিজ্য ও শ্রমমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন।

উৎস: অসমাপ্ত আত্মজীবনী এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
১১,৯০৮.
কোনো রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে জাতীয় সংগীতের কত চরণ বাজানো হয়?
  1. ৮ চরণ
  2. ৫ চরণ
  3. ১০ চরণ
  4. ৪ চরণ
সঠিক উত্তর:
৪ চরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ চরণ
ব্যাখ্যা

জাতীয় সঙ্গীত:
- রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে প্রথম ৪ চরণ বাজানো হয়।
- বঙ্গভঙ্গের প্রেক্ষাপটে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত 'আমার সোনার বাংলা 'কবিতার প্রথম ১০ চরণকে বাংলাদেশের  জাতীয় সঙ্গীত হিসেবে ঘোষণা করা হয় এবং তা গৃহীত হয় ১৯৭২ সালের ১৩ জানুয়ারি।
- ১৯০৬ সালে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কর্তৃক রচিত 'আমার সোনার বাংলা' শীর্ষক সঙ্গীতটি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত হিসেবে গৃহীত হয়।
- জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশনের বিধান অনুযায়ী কণ্ঠে গাইতে গেলে দশ চরণ আর যন্ত্র সঙ্গীতে বাজাতে গেলে চার চরণ পর্যন্ত বাজাতে হবে।
- বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত "আমার সোনার বাংলা" এর রচয়িতা ও সুরকার রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।

উৎস: বাংলাপিডিয়া, সংবিধান।

১১,৯০৯.
লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান কোন ধরণের বনভূমি?
  1. ক) ক্রান্তীয় চিরহরিৎ জাতীয়
  2. খ) ম্যানগ্রোভ জাতীয়
  3. গ) ভাওয়াল জাতীয়
  4. ঘ) ক্রান্তীয় আর্দ্র পত্রপতনশীল জাতীয়
সঠিক উত্তর:
ক) ক্রান্তীয় চিরহরিৎ জাতীয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ক্রান্তীয় চিরহরিৎ জাতীয়
ব্যাখ্যা
লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান:
- মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলায় অবস্থিত লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান। 
- ১৯২৫ সালে বনায়ন করে সৃষ্ট বনরাজি এখন ঘন প্রাকৃতিক বনের আকার ধারণ করেছে।
- লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান বাংলাদেশে অবশিষ্ট চিরহরিৎ বনের একটি উল্লেখযোগ্য নমুনা।
- এটি একটি সংরক্ষিত বনাঞ্চল।
- এর আয়তন ১২৫০ হেক্টর।
- বাংলাদেশের ৭টি বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য ও ১০টি জাতীয় উদ্যানের মধ্যে এটি অন্যতম।
- বাংলাদেশ সরকার ১৯৯৭ খ্রিস্টাব্দে এই বনকে 'জাতীয় উদ্যান' হিসেবে ঘোষণা করে।
- বিলুপ্তপ্রায় উল্লুকের জন্য এ বন বিখ্যাত।
- নিরক্ষীয় অঞ্চলের চিরহরিৎ বর্ষাবন বা রেইন ফরেষ্টের মতো এখানে প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়।
- সূর্যের আলোর জন্য প্রতিযোগিতা করে এ বনের গাছপালা খুব উঁচু হয়ে থাকে, এবং অনেক ওপরে ডালপালা ছড়িয়ে চাঁদোয়ার মত সৃষ্টি করে।
- এই বন এতই ঘন যে মাটিতে সূর্যের আলো পড়েনা বললেই চলে।

উৎস: moulvibazar.gov.bd.
১১,৯১০.
পর্তুগীজরা ভারতীয় উপমহাদেশের কোন বন্দরে প্রথম আসে?
  1. ক) কালিকট
  2. খ) দিঘা
  3. গ) কান্ডালা
  4. ঘ) এন্নোর
সঠিক উত্তর:
ক) কালিকট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) কালিকট
ব্যাখ্যা
- পর্তুগীজরা ভারতীয় উপমহাদেশের কালিকট বন্দরে প্রথম আসে।

বাংলায় ইউরোপীয়দের আগমন:
- পর্তুগীজদের মধ্যে যে দুঃসাহসী নাবিক প্রথম সমুদ্রপথে ভারতের পশ্চিম-উপকূলের কালিকট বন্দরে এসে উপস্থিত হন, তিনি ভাস্কো-ডা-গামা। ১৪৯৮ খ্রিস্টাব্দের ২৭ মে।
- তার এ উপমহাদেশে আগমন ব্যবসায়-বাণিজ্য এবং যোগাযোগ ক্ষেত্রে এক নতুন যুগের সূচনা করে।
- স্বল্প সময়ের মধ্যে পর্তুগীজরা কালিকট, চৌল, বোম্বাই, সালসেটি, বেসিন, কোচিন, গোয়া, দমন, দিউ প্রভৃতি অঞ্চলে কুঠি স্থাপন এবং ১৫৩৮ খ্রিস্টাব্দে চট্টগ্রাম ও সাতগাঁওয়ে শুল্কঘাটি নির্মাণের অনুমতি লাভ করে।
- পর্তুগীজরা প্রথম আগত ইউরোপীয়ান বাণিজ্যিক দল।
- হল্যান্ডের অধিবাসীদের ওলন্দাজ বা ডাচ বলা হয়।
- তারা ‘ডাচ ইস্টইন্ডিয়া কোম্পানি' গঠন করে বাণিজ্যের উদ্দেশে ১৬০২ খ্রিস্টাব্দে উপমহাদেশে আসে।
- ১৭৫৯ খ্রিস্টাব্দে ওলন্দাজরা বিদরার যুদ্ধে ইংরেজদের কাছে শোচনীয়ভাবে পরাজিত হয়। ফলে ১৮০৫ খ্রিস্টাব্দে শেষ পর্যন্ত সকল বাণিজ্যকেন্দ্র গুটিয়ে তারা এদেশ ত্যাগে বাধ্য হয়।
- ওলন্দাজদের মতোই দিনেমার বা ডেনমার্কের অধিবাসী একদল বণিক বাণিজ্য করার জন্য ‘ডেনিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি গঠন করে।
- এদেশে লাভজনক ব্যবসা করতে ব্যর্থ হয়ে ১৮৪৫ খ্রিস্টাব্দে বাণিজ্যিক সফলতা ছাড়াই দিনেমাররা এদেশ ত্যাগ করে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা,এসএসসি প্রোগ্রাম,বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৯১১.
নিচের কোন এলাকাটি নাব্য বঙ্গের অন্তর্ভুক্ত ছিল না?
  1. ঢাকা
  2. ফরিদপুর
  3. বরিশাল
  4. সিলেট
সঠিক উত্তর:
সিলেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিলেট
ব্যাখ্যা
⇒ সিলেট নাব্য বঙ্গের অন্তর্ভুক্ত ছিল না।

বঙ্গ:
- বঙ্গ একটি প্রাচীন জনপদ।
- ঐতরেয় আরণ্যক গ্রন্থে একটি উপজাতির নাম হিসেবে বঙ্গের প্রথম উল্লেখ পাওয়া যায়।
- ভাগীরথী ও পদ্মার স্রোত মধ্যবর্তী এলাকায় যে ত্রিভুজাকৃতি ব-দ্বীপ সৃষ্টি হয়েছে তাকেই বঙ্গদের অঞ্চল বলা হয়।
- প্রাচীন শিলালিপিতে বঙ্গের দুটি অঞ্চলের নাম পাওয়া যায়।
- একটি বিক্রমপুর বঙ্গ অন্যটি নাব্য বঙ্গ।
- ঢাকা-ফরিদপুর-বরিশাল এলাকা নাব্য বঙ্গের অন্তর্ভুক্ত ছিল।
- বাংলায় মুসলমান শাসনামলের প্রাথমিক পর্যায়ে 'বঙ্গ' বলে বাংলার দক্ষিণ ও দক্ষিণপূর্ব অংশকেই বুঝানো হতো।
- মধ্যযুগের বিখ্যাত মুঘল ঐতিহাসিক আবুল ফজল রচিত আইন-ই-আকবরী গ্রন্থে পাওয়া যায় যে, বঙ্গদেশের উত্তরকালীন নাম বঙ্গাল ।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৯১২.
কার উদ্যোগে বেঙ্গল প্যাক্ট সম্পাদিত হয়?
  1. জওহরলাল নেহরু
  2. সুভাষচন্দ্র বসু
  3. দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশ
  4. শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জী
সঠিক উত্তর:
দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশ
ব্যাখ্যা

⇒ দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশ এর উদ্যোগে বেঙ্গল প্যাক্ট সম্পাদিত হয়।

​বেঙ্গল প্যাক্ট:
- অসহযোগ ও খিলাফত আন্দোলন কার্যত ব্যর্থ হলে ভারতবর্ষে হিন্দু-মুসলমান সম্পর্কে মারাত্মক অবনতি ঘটে।
- আন্দোলনে ব্যর্থতার জন্য হিন্দু-মুসলমান নেতৃবৃন্দ পরস্পরকে দোষারোপ করে বক্তৃতা-বিবৃতি প্রদান করেন।
- এ বিষয়টি দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাসকে বিচলিত করে তোলে। তিনি বিশ্বাস করতেন, ভারতের আত্মনিয়ন্ত্রণ অধিকার প্রতিষ্ঠার
জন্য হিন্দু মুসলমান সম্প্রদায়ের মধ্যে ঐক্যের কোনো বিকল্প নেই।
- এ ঐক্য প্রতিষ্ঠায় তিনি বাংলা প্রদেশে সংখ্যাগরিষ্ঠ অথচ পশ্চাৎপদ বাঙালি মুসলমানদেরকে তাদের যৌক্তিক সুযোগ-সুবিধা দানের পক্ষপাতী ছিলেন।
- এ বিষয়ে তিনি শের-ই-বাংলা এ.কে. ফজলুল হক এবং হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর সাথে আলোচনা করেন।
- একই সঙ্গে তিনি মৌলভী আব্দুল করিম, মওলানা আকরাম খান, মৌলভী মজিবর রহমান প্রমুখ নেতাদের সঙ্গেও রাজনৈতিক সমস্যা এবং দাবি-দাওয়া নিয়ে
বৈঠক করেন।
- কংগ্রেস থেকে বের হয়ে এসে ১৯২২ সালে তিনি গঠন করেন 'স্বরাজ পার্টি'।
- স্বরাজ দলের সভাপতি হিসেবে দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাস মুসলমান নেতাদের সঙ্গে ১৯২৩ সালে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেন।
- এ চুক্তির লক্ষ্য ছিলো, বাংলায় সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলমানদের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন এবং হিন্দু-মুসলমান সম্প্রীতি জোরদারকরণ।
- ইতিহাসে এই চুক্তিই 'বেঙ্গল প্যাক্ট' নামে পরিচিত।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ স্টাডিজ, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাপিডিয়া।

১১,৯১৩.
বাংলাদেশের ক্ষুদ্রতম বিভাগ কোনটি?
  1. রাজশাহী বিভাগ
  2. সিলেট বিভাগ
  3. খুলনা বিভাগ
  4. ময়মনসিংহ বিভাগ
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ বিভাগ
ব্যাখ্যা
ময়মনসিংহ বিভাগ:
- বাংলাদেশের অষ্টম প্রশাসনিক বিভাগ হলো ময়মনসিংহ।
- জামালপুর, শেরপুর, ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনা জেলা নিয়ে ময়মনসিংহ বিভাগ গঠিত।
- ঢাকা বিভাগকে ভেঙ্গে দেশের অষ্টম বিভাগ ময়মনসিংহ বিভাগ সৃষ্টি করে।
- এই বিভাগের আয়তন ১০,৫৮৪ বর্গকিলোমিটার।
- এটি বাংলাদেশের ক্ষুদ্রতম বিভাগ

অন্যদিকে -
- ঢাকা বিভাগের আয়তন ৩১,০৫১.৩৯ বর্গকিমি।
- চট্টগ্রাম বিভাগের আয়তন ৩৩,৯০৪ বর্গ কি.মি (বাংলাদেশের বৃহত্তম বিভাগ)।
- সিলেট বিভাগের আয়তন ১২,৫৫৮ বর্গ কিলোমিটার।
- রাজশাহী বিভাগের আয়তন ১৮,১৫৪ বর্গ কিলোমিটার।
- রংপুর বিভাগের আয়তন ১৬৩৪.৩৭ বর্গকিলোমিটার।
- খুলনা বিভাগের আয়তন ২২,২৮৫ বর্গ কিলোমিটার।
- বরিশাল বিভাগের আয়তন ১৩২২৫.২০ বর্গ কিমি।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১১,৯১৪.
বখতিয়ার খিলজি বাংলা জয় করেন কোন সালে?
  1. ১২১২
  2. ১২০০
  3. ১২০৪
  4. ১২১১
সঠিক উত্তর:
১২০৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২০৪
ব্যাখ্যা
• ত্রয়োদশ শতকে — ১২০৪ সালে তুর্কি সেনাপতি ইখতিয়ার উদ্দিন বখতিয়ার খলজি কর্তৃক নদীয়া জয়ের মাধ্যমে বাংলায় মুসলিম শাসনের সূত্রপাত হয়।
----------------------
ইখতিয়ার উদ্দিন বখতিয়ার খিলজী:

- বখতিয়ার খিলজী ছিলেন বাংলার দিল্লি সুলতানাতের একজন মুসলিম সুলতান।
- তিনি ছিলেন একজন তুর্কি সেনাপতি।
- তিনি আফগানিস্তানের গরমশির এলাকার অধিবাসী ছিলেন।
- তিনি তুর্কীদের খিলজী সম্প্রদায়ভুক্ত ছিলেন। 
- তিনি ৬০১ হিজরিতে (১২০৫ খ্রি.) বিনা বাধায় গৌড় জয় করেন এবং লখনৌতি নাম দিয়ে সেখানে তাঁর রাজধানী স্থাপন করেন।
- উল্লেখ্য, পূর্বে গৌড়ের নাম ছিল লক্ষণাবতী।
- ত্রয়োদশ শতকে তার নদীয়া জয়ের মাধ্যমে বাংলায় মুসলিম শাসনের সূত্রপাত হয়। 
- তিনি ১২০৪ সালে বাংলার সেন বংশের রাজা লক্ষ্মণ সেনকে বিনা বাঁধায় পরাজিত করে নদীয়া জয় করেন।
- তিনি স্বল্প সময়ের জন্য নদীয়ায় অবস্থান করেন এবং পরে গৌড়ের দিকে যাত্রা করেন।
- ১২০৬ সালে বখতিয়ার খিলজী ইহলোক ত্যাগ করেন।

উৎস:
i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
ii) বাংলাপিডিয়া।
১১,৯১৫.
বৃহত্তর নোয়াখালী ও কুমিল্লা অঞ্চল প্রাচীন বাংলার কোন জনপদের অন্তর্ভুক্ত ছিলো?
  1. হরিকেল
  2. সমতট
  3. বঙ্গ
  4. গৌড় 
সঠিক উত্তর:
সমতট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সমতট
ব্যাখ্যা

প্রাচীন জনপদ: 
- প্রাচীন বাংলায় কোন কেন্দ্রীয় শাসনব্যবস্থা ছিলো না। বাংলা তখন ছোট ছোট কতগুলো অঞ্চলে বিভক্ত ছিলো। এসব অঞ্চল জনপদ নামে পরিচিত। বিভিন্ন উৎস থেকে প্রাচীন বাংলায় মোট ১৬টি জনপদের উল্লেখ পাওয়া যায়।
- এদের মধ্যে বর্তমান বৃহত্তর কুমিল্লা ও নোয়াখালী অঞ্চল প্রাচীন সমতট জনপদের অন্তর্ভুক্ত ছিলো।
- সমতটের রাজধানী ছিলো বড়কামতা।


অপরদিকে,
- বঙ্গ জনপদের অন্তর্ভুক্ত ছিলো বৃহত্তর ফরিদপুর ও ঢাকা অঞ্চল।
- হরিকেল জনপদের অন্তর্গত ছিলো বৃহত্তর সিলেট ও চট্টগ্রাম অঞ্চল
- বৃহত্তর রংপুর, দিনাজপুর ও রাজশাহীর অংশবিশেষ নিয়ে প্রাচীন গৌড় জনপদ গঠিত ছিলো।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া।

১১,৯১৬.
মুজিবনগর সরকারের 'অর্থ ও বাণিজ্যমন্ত্রী' কে ছিলেন?
  1. ক) তাজউদ্দিন আহমদ
  2. খ) এম মনসুর আলী
  3. গ) এ.এইচ.এম কামারুজ্জামান
  4. ঘ) সৈয়দ নজরুল ইসলাম
সঠিক উত্তর:
খ) এম মনসুর আলী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) এম মনসুর আলী
ব্যাখ্যা
• মুজিবনগর সরকার:
- মুক্তিযুদ্ধকালীন গঠিত গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার অর্থাৎ স্বাধীন বাংলাদেশ সরকার মুজিবনগর সরকার নামে পরিচিত।
- মুজিবনগর সরকার গঠিত হয় ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল। 
- মুজিবনগর সরকার শপথ গ্রহণ করে ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল। 
- এ শপথ বাক্য পাঠ করান অধ্যাপক ইউসুফ আলী। 

- মুজিবনগর সরকারের রাষ্ট্রপতি ছিলের - বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- উপরাষ্ট্রপতি ও ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি - সৈয়দ নজরুল ইসলাম।
- প্রধানমন্ত্রী - তাজউদ্দিন আহমেদ।
- অর্থ ও বাণিজ্যমন্ত্রী - এম মনসুর আলী
- স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ, পুনর্বাসন ও কৃষিমন্ত্রী : এএইচএম কামরুজ্জামান।

উৎস: ইতিহাস প্রথম পত্র, এস এস এইচ এল, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৯১৭.
Who was the finance minister at the time of liberation war of Bangladesh in 1971?
  1. ক) A. H. M. Kamaruzzarnan
  2. খ) Captain M. Mansur Ali
  3. গ) Syed Nazrul Islam
  4. ঘ) Dr. Kamal Hossain
সঠিক উত্তর:
খ) Captain M. Mansur Ali
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) Captain M. Mansur Ali
ব্যাখ্যা
• মুজিবনগর সরকারের কাঠামো ছিল নিম্নরূপ: 
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান- রাষ্ট্রপতি।
- সৈয়দ নজরুল ইসলাম- উপরাষ্ট্রপতি (রাষ্ট্রপতি পাকিস্তানে অন্তরীণ থাকার কারণে রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা, দায়িত্ব ও কর্তব্য পালনের দায়িত্বপ্রাপ্ত)। 
- তাজউদ্দীন আহমদ- প্রধানমন্ত্রীএবং প্রতিরক্ষা, তথ্য, সম্প্রচার ও যোগাযোগ, অর্থনৈতিক বিষয়াবলি, পরিকল্পনা বিভাগ, শিক্ষা, স্থানীয় সরকার, স্বাস্থ্য, শ্রম, সমাজকল্যাণ, সংস্থাপন এবং অন্যান্য যেসব বিষয় কারও ওপর ন্যস্ত হয়নি তার দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী। 
- খন্দকার মোশতাক আহমদ- মন্ত্রী, পররাষ্ট্র, আইন ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়। 
- এম মনসুর আলী- মন্ত্রী, অর্থ, শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।
- এ এইচ এম কামরুজ্জামান- মন্ত্রী, স্বরাষ্ট্র, সরবরাহ, ত্রাণ ও পুনর্বাসন এবং কৃষি মন্ত্রণালয়।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া। 
১১,৯১৮.
উপমহাদেশে প্রথম স্বত্ববিলোপ নীতি প্রবর্তন করেন কে?
  1. লর্ড ক্লাইভ
  2. লর্ড ডালহৌসী
  3. লর্ড কর্ণওয়ালিস
  4. ওয়ারেন হেস্টিংস
সঠিক উত্তর:
লর্ড ডালহৌসী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লর্ড ডালহৌসী
ব্যাখ্যা

লর্ড ডালহৌসী: 
- স্বত্ববিলোপ নীতি প্রথম প্রবর্তন করেন লর্ড ডালহৌসী।
- তিনি ১৮৪৮ থেকে ১৮৫৬ সাল পর্যন্ত ভারতের গভর্নর জেনারেল হিসেবে শাসন করেন।
- ডালহৌসী এই নীতি প্রবর্তন করেন যাতে তিনি নির্দিষ্ট রাজা বা শাসকরা যদি উত্তরাধিকারী রেখে মারা যান, তবে তাদের রাজ্য ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের অধীনে চলে আসবে।
- তিনি দত্তক পুত্র গ্রহণের অধিকারকে অবৈধ ঘোষণা করেন। এর মাধ্যমে তিনি সাতারা, সম্বলপুর, উদয়পুর, ঝাঁসি এবং নাগপুরের মতো বিভিন্ন রাজ্যকে দখল করেন।
- স্বত্ববিলোপ নীতির প্রয়োগে তিনি রাজ্যগুলোর রাজনৈতিক কাঠামোতে পরিবর্তন আনেন, ফলে বহু রাজ্য ব্রিটিশ শাসনের অধীনে চলে আসে।
- এই নীতি তার শাসনকালে ভারতের রাজনৈতিক মানচিত্রে বড় ধরনের পরিবর্তন ঘটিয়েছিল।

উল্লেখ্য, 
- লর্ড ডালহৌসী রেলপথ, টেলিগ্রাফ এবং ডাক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করে যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত করেন।
- তার আমলে সড়ক ও সেতু নির্মাণের জন্য সরকারি পূর্ত বিভাগ প্রতিষ্ঠিত হয় এবং সেচ প্রকল্পের উন্নয়নও ঘটে।
- তিনি বাংলার জন্য একজন লেফটেন্যান্ট গভর্নর নিয়োগ করেন এবং কলকাতার সচিবালয় পুনর্গঠন করেন।
- ডালহৌসি ভারতের সিভিল সার্ভিসে ভারতীয়দের জন্য সুযোগ উন্মুক্ত করেন এবং হিন্দু বিধবাদের পুনর্বিবাহকে বৈধ ঘোষণা করেন।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া। 

১১,৯১৯.
ঢাকা গেইট এর নির্মাতা কে?
  1. শায়েস্তা খাঁ
  2. নবাব আবদুল গণি
  3. লর্ড কার্জন
  4. মীর জুমলা
সঠিক উত্তর:
মীর জুমলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মীর জুমলা
ব্যাখ্যা
ঢাকা গেইট:
- ঢাকা গেইট ঐতিহাসিক মোগল স্থাপত্য নিদর্শন।
- এটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দোয়েল চত্বর এলাকার ঐতিহাসিক স্থাপনা
- এটি মীর জুমলা গেইট, ময়মনসিংহ গেইট বা রমনা গেইট নামেও পরিচিত ছিল।
- 'ঢাকা গেইট' এর নির্মাতা হলেন 'মীর জুমলা'।

উল্লেখ্য,
- মুঘল সম্রাট আওরঙ্গজেবের সময়ে বাংলার গভর্নর হয়ে আসেন মীর জুমলা।
- মীর জুমলা ১৬৬০ থেকে ১৬৬৩ সালের মধ্যে ঢাকা গেইট নির্মাণ করেছিলেন।
- সীমানা চিহ্নিত করতে এবং স্থলপথে শত্রুদের আক্রমণ থেকে রক্ষা করতে এটি নির্মাণ করা হয়।
- সম্প্রতি ঢাকা গেট সংস্কার শেষে নতুন করে উদ্বোধন হয় ঐতিহাসিক ঢাকা গেইট।

উৎস: বিবিসি বাংলা।
১১,৯২০.
১৯৭০ সালের নির্বাচনে জাতীয় পরিষদে পূর্ব পাকিস্তানের জন্য নারী আসনসহ মোট বরাদ্দকৃত আসন ছিল কতটি?
  1. ৩০০টি
  2. ২৮৮টি
  3. ১৬৯টি
  4. ১৬৭টি
সঠিক উত্তর:
১৬৯টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬৯টি
ব্যাখ্যা

১৯৭০ সালের নির্বাচন:
- ১৯৭০ সালের নির্বাচনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ছিলেন বিচারপতি আব্দুস সাত্তার। 
- ১৯৭০ সালের ১ জানুয়ারি সকল রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের উপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হয়।
- নির্বাচনে জাতীয় পরিষদে পূর্ব পাকিস্তানের জন্য ৭ টি নারী আসনসহ মোট বরাদ্দকৃত আসন ছিল ১৬৯ টি। 
- জাতীয় পরিষদের নির্বাচনে দুটি রাজনৈতিক দল প্রধান হয়ে দেখা দেয়। 
- নির্বাচনে পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী লীগ নিরংকুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে। 
- পূর্ব পাকিস্তানের জন্য নির্ধারিত ১৬৯টি আসনের মধ্যে ১৬৭টি আসন আওয়ামী লীগ লাভ করে। 
- বাকি ২টি আসনের ১টি পায় পিডিপি (পাকিস্তান ডেমোক্রাটিক পার্টির) নূরুল আমিন। 
- নূরুল আমিন ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের সময় পূর্ববাংলার মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন।
- অপরটি পার্বত্য চট্টগ্রামের চাকমা রাজা ত্রিদিব রায় (স্বতন্ত্র সদস্য হিসেবে)।
- ১০ দিন পর অনুষ্ঠিত পূর্ব পাকিস্তান প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ৩০০টি আসনের মধ্যে ২৮৮টি আসন লাভ করে।
- অপরপক্ষে জাতীয় পরিষদের নির্বাচনে পাকিস্তান পিপলস পার্টি (পিপিপি) পশ্চিম পাকিস্তানে ১৪৪টি আসনের মধ্যে ৮৮টি আসন লাভ করে।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা (এসএসসি প্রোগ্রাম), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

১১,৯২১.
ভাষা আন্দোলনের প্রথম সাহিত্য সংকলন কোনটি?
  1. আসছে ফাল্গুনে আমরা দ্বিগুন হবো
  2. একুশে ফেব্রুয়ারি
  3. একুশের গল্প
  4. বাংলা ভাষা
সঠিক উত্তর:
একুশে ফেব্রুয়ারি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একুশে ফেব্রুয়ারি
ব্যাখ্যা
ভাষা আন্দোলন ভিত্তিক প্রথম উপন্যাস:

- ভাষা আন্দোলন নিয়ে বাংলা সাহিত্যের প্রথম উপন্যাস জহির রায়হানের 'আরেক ফাল্গুন'।
- এটি ১৯৫৫ সালের ভাষা দিবস ২১ ফেব্রুয়ারি পালনের অভিজ্ঞতায় লেখা।
- পুলিশ ভাষা দিবস পালনকারী অনেককে গ্রেপ্তার করলে একজন বলে - ‘আসছে ফাল্গুনে আমরা দ্বিগুন হবো'।
- চরিত্র: মুনিম, আসাদ, রসুল, সালমা ইত্যাদি। এই উপন্যাসে বাঙালির জাতীয় ঐতিহাসিক ঘটনাকে রূপায়িত করা হয়েছে।
- রাষ্ট্রভাষা আন্দোলনের প্রথম সাহিত্য সংকলন 'একুশে ফেব্রুয়ারি' সম্পাদনা করেন হাসান হাফিজুর রহমান।
- 'কবর' মুনীর চৌধুরী রচিত ভাষা আন্দোলনের উপর রচিত প্রথম বাংলা নাটক ।
- 'একুশের গল্প' জহির রায়হান এর ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত গল্প।

তথ্যসূত্র - বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১১,৯২২.
নবাব সিরাজউদ্দৌলা কত সালে বাংলা-বিহার-উড়িষ্যার নবাব হন?
  1. ক) ১৭৫৪ সালে
  2. খ) ১৭৫৫ সালে
  3. গ) ১৭৫৬ সালে
  4. ঘ) ১৭৫৭ সালে
সঠিক উত্তর:
গ) ১৭৫৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৭৫৬ সালে
ব্যাখ্যা

- নবাব আলীবর্দী খানের মৃত্যুর পর তাঁর দৌহিত্র সিরাজউদ্দৌলা ১৭৫৬ সালের ১০ এপ্রিল বাংলা বিহার উড়িষ্যার নবাবী মসনদে আরোহন করেন।
- প্রচলিত প্রথা অনুযায়ী ইউরোপীয় বণিকরা সিংহাসন আরোহণ উপলক্ষে উপহার উপঢৌকন প্রধানসহ তাঁকে অভিনন্দন জ্ঞাপন করলেও ইংরেজরা তা করেনি।
উৎসঃ পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।

১১,৯২৩.
শেখ মুজিবুর রহমান 'বঙ্গবন্ধু' উপাধিতে ভূষিত হন কত তারিখে?
  1. ক) ৭ জুন, ১৯৬৯
  2. খ) ২৩ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৯
  3. গ) ২৭ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৯
  4. ঘ) ৩ মার্চ, ১৯৭০
সঠিক উত্তর:
খ) ২৩ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ২৩ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৯
ব্যাখ্যা
- ১৯৬৯ সালের ২৩শে ফেব্রুয়ারি ঐতিহাসিক রেসকোর্স ময়দানে ছাত্রসমাজের পক্ষ থেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে প্রদত্ত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তোফায়েল আহমদ তাকে ‘বঙ্গবন্ধু’ উপাধিতে ভূষিত করেন।
- ১৯৭১ সালের ৩রা মার্চ পল্টন ময়দানে স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ আয়োজিত জনসভায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে ‘জাতির জনক’ অভিধায় ভূষিত করা হয়।

(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া)
১১,৯২৪.
‘মিলন হবে কত দিনে, আমার মনের মানুষের সনে’ -গানটির রচয়িতা কে?
  1. ক) শাহ আবদুল করিম
  2. খ) আবদুর রহমান বয়াতি
  3. গ) বাউল শফি মণ্ডল
  4. ঘ) লালন শাহ
সঠিক উত্তর:
ঘ) লালন শাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) লালন শাহ
ব্যাখ্যা
- ‘মিলন হবে কত দিনে, আমার মনের মানুষের সনে’ -গানটির রচয়িতা বাউল সম্রাট খ্যাত লালন শাহ

লালন শাহের অন্যান্য গানের মধ্যে রয়েছে:
- ‘বাড়ির কাছে আরশী নগর’
- ‘আমার ঘরখানায় কে বিরাজ করে’
- ‘কেউ মালা, কেউ তসবি গলায়, তাইতো জাত ভিন্ন বলায়’
- ‘খাঁচার ভিতর অচিন পাখি কেমনে আসে যায়’
- ‘তিন পাগলের মেলা’
- ‘সময় গেলে সাধন হবে না’।

তথ্যসূত্র:- বাংলাপিডিয়া।
১১,৯২৫.
বেগুনের উন্নতজাত নয় নিচের কোনটি?
  1. ক) ইওরা
  2. খ) তারাপুরী
  3. গ) উত্তরণ
  4. ঘ) শুকতারা
সঠিক উত্তর:
গ) উত্তরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) উত্তরণ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের উন্নতমানের ফসলের জাত:
ধান - ইরাটম, ব্রিশাইল, সোনার বাংলা-১, ময়না, হরিধান, চান্দিনাম, নারিকা-১,মালাইরি।
গম - অগ্রণী-সোনালিকা, বলাকা, দোয়েল, আকবর, আনন্দ, কাঞ্চন, বরকত।
ভুট্টা - উত্তরণ, বর্ণালী, শুভ্র;
তুলা - রূপালী ও ডেলফোজ।
টমেটো - মিন্টু, বাহার, মানিক, রতন, ঝুমকা, সিঁদুর, শ্রাবণী।
তামাক - সুমাত্রা ও ম্যানিলা;
বেগুন - ইওরা, শুকতারা, তারাপুরী।
কলা - অগ্নিশ্বর, কানাইবাঁশী, মোহনবাঁশী, বীট জবা, অমৃতসাগর, সিংগাপুরী।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও বাংলাদেশ কৃষি তথ্য সার্ভিস (AIS) ওয়েবসাইট।
১১,৯২৬.
'তমদ্দুন মজলিস' কী ধরনের প্রতিষ্ঠান?
  1. ক) ধর্মীয়
  2. খ) সাংস্কৃতিক
  3. গ) রাজনৈতিক
  4. ঘ) সামাজিক
সঠিক উত্তর:
খ) সাংস্কৃতিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সাংস্কৃতিক
ব্যাখ্যা
ভাষা আন্দোলন
- ১৯৪৭ সালের ১৭ই মে চৌধুরী খলীকুজ্জামান এবং জুলাই মাসে আলিগড় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. জিয়াউদ্দিন আহমদ উর্দুকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা করার প্রস্তাব দেন।
- তাদের প্রস্তাবের বিরুদ্ধে পূর্ব বাংলার ভাষাবিজ্ঞানী ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ এবং ড. মুহাম্মদ এনামুল হকসহ বেশ ক'জন বুদ্ধিজীবী প্রবন্ধ লিখে প্রতিবাদ জানান।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আবুল কাশেমের নেতৃত্বে ২রা সেপ্টেম্বর ১৯৪৭ তমদ্দুন মজলিস নামক একটি সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠে
- ৬–৭ই সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত উক্ত সংগঠনের যুবকর্মী সম্মেলনে ‘বাংলাকে শিক্ষা ও আইন আদালতের বাহন' করার প্রস্তাব গ্রহণ করা হয়।
- ১৯৪৭ সালের ডিসেম্বর মাসে করাচিতে অনুষ্ঠিত এক শিক্ষা সম্মেলনে উর্দুকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হলে পূর্ব বাংলায় তীব্র প্রতিবাদ শুরু হয়।
- ডিসেম্বর মাসেই ‘রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ' গঠিত হয়।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
১১,৯২৭.
বঙ্গবন্ধুর আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ/গ্রন্থসমূহ-
  1. “আমার কিছু কথা”
  2. “আমার দেখা নয়া চীন”
  3. A এবং B উভয়ই
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
“আমার দেখা নয়া চীন”
উত্তর
সঠিক উত্তর:
“আমার দেখা নয়া চীন”
ব্যাখ্যা
“আমার দেখা নয়াচীন” জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর চীন ভ্রমণের উপর লেখা গ্রন্থ।

- এই গ্রন্থটি তার প্রকাশিত তৃতীয় গ্রন্থ।
- ০২ ফেব্রুয়ারী ২০২০ বাংলা একাডেমি এটি প্রকাশ করে।
- ১৯৫২ সালের সেপ্টেম্বর-অক্টোবর মাসে বিশ্ব শান্তি সম্মেলনে যোগ দিতে নয়া চীন যান বঙ্গবন্ধু।
- তার এ সফরের অভিজ্ঞতাই এ গ্রন্থে বর্ণনা করা হয়েছে।

এছাড়াও
“আমার কিছু কথা” লেখক -  বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, বইটির ক্যাটাগরিঃ ভাষণ, বক্তৃতা ও উপদেশ সংকলন।
-বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থের নাম - - অসমাপ্ত আত্মজীবনী।
- অসমাপ্ত আত্মজীবনী শেখ মুজিবুর রহমানের আত্মজীবনী সংকলন। ২০১২ সালের জুনে এ বইটি প্রকাশিত হয়। 
- এ পর্যন্ত ক্রমান্বয়ে ইংরেজি, উর্দু, জাপানি, চিনা, আরবি, ফরাসি, হিন্দি, তুর্কি, নেপালি, স্পেনীয়, অসমীয়া ও রুশ ভাষায় বইটির অনুবাদ প্রকাশিত হয়েছে।
- অসমাপ্ত আত্মজীবনী  এ পর্যন্ত ১৮টি ভাষায় অনূদিত হয়েছে।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রচিত দ্বিতীয় আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ হলো কারাগারের রোজনামচা।
- এটি ২০১৭ সালে বঙ্গবন্ধুর ৯৭তম জন্মবার্ষিকীতে বাংলা একাডেমি প্রকাশ করে।
- এই গ্রন্থটি মূলত একটি ডায়েরি যা বঙ্গবন্ধু ১৯৬৬-১৯৬৮ সময়ে কারাগারে বন্দি অবস্থায় লিখেছিলেন।
- এর ভূমিকা লিখেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
- নামকরণ করেন শেখ রেহেনা।
- প্রচ্ছদ ও নকশা করেন তারিক সুজাত।
- তবে প্রচ্ছদে ব্যবহৃত বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতি অঙ্কন করেন শিল্পী রাসেল কান্তি দাশ। 

উৎস: কারাগারের রোচনামচা ও অসমাপ্ত আত্মজীবনী এবং আমার দেখা নয়াচীন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
১১,৯২৮.
‘আমার দেখা নয়াচীন' কে লিখেছেন?
  1. ক) মওলানা ভাসানী
  2. খ) আবুল ফজল
  3. গ) শহীদুল্লা কায়সার
  4. ঘ) শেখ মুজিবুর রহমান
সঠিক উত্তর:
ঘ) শেখ মুজিবুর রহমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) শেখ মুজিবুর রহমান
ব্যাখ্যা
আমার দেখা নয়াচীন 
- আমার দেখা নয়াচীন বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি শেখ মুজিবুর রহমানের ১৯৫২ সালের রাজনৈতিক জীবনের প্রথমদিকে গণচীন ভ্রমণের অভিজ্ঞতার আলোকে লেখা একটি ডায়েরির পুস্তকি রূপ।
- ১৯৫২ সালের ২-১২ই অক্টোবরে গণচীনের পিকিংয়ে এশীয় ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় দেশগুলোর প্রতিনিধিদের নিয়ে একটি শান্তি সম্মেলনের আয়োজন করা হয় যেখানে ভারত ও পাকিস্তানের ডেলিগেটরাও অংশ নেন।
- এটি বঙ্গবন্ধুর প্রথম চীন সফর।
- এই সফরে চীনের অবিসংবাদিত নেতা মাও সে তুং এর সঙ্গে বঙ্গবন্ধুর দেখা হয়। 
- ১৯৫৭ সালে শিল্প, বাণিজ্য, শ্রম, দুর্নীতি দমন ও ভিলেজ-এইড দপ্তরের মন্ত্রী থাকাকালীন পাকিস্তান সংসদীয় দলের নেতা হিসেবে তিনি দ্বিতীয় বার চীন ভ্রমণ করেন।
-  আমার দেখা নয়াচীনে তিনি তৎকালীন পাকিস্তান ও চীনের রাজনৈতিক-আর্থসামাজিক অবস্থার তুলনা, কমিউনিস্ট রাষ্ট্রে গণতন্ত্রের চর্চা প্রভৃতি বিষয়াদি প্রাঞ্জলভাবে আলোচনা করেন।
- এটি শেখ মুজিবর রহমান রচিত তৃতীয় গ্রন্থ।
- শেখ মুজিবের জন্মশতবার্ষিকীকে কেন্দ্র করে বাংলা একাডেমি ২০২০ সালে বইটি প্রকাশ করে।

উৎস: প্রথম আলো, ০৯ মার্চ, ২০২০।
১১,৯২৯.
ভাষা আন্দোলনের প্রথম শহিদ কে?
  1. আবুল বরকত
  2. আবদুস সালাম
  3. রফিক উদ্দিন আহমেদ
  4. শফিউর রহমান
সঠিক উত্তর:
রফিক উদ্দিন আহমেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রফিক উদ্দিন আহমেদ
ব্যাখ্যা
ভাষা আন্দোলনের শহিদ:
- ভাষা আন্দোলনে প্রথম শহিদ রফিক উদ্দিন আহমেদ।
- রফিক ছিলেন বাদামতলী কমার্শিয়াল প্রেসের মালিকের ছেলে।
- নিহত শহীদ বরকত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র।
- বহু আহতকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয় এবং তাঁদের মধ্যে সেক্রেটারিয়েটের পিয়ন আবদুস সালাম মারা যায়।
- অহিউল্লাহ্ নামে আট/নয় বছরের এক কিশোরও সেদিন নিহত হয়।
- পরদিন ২২ ফেব্রুয়ারি পুলিশের গুলিতে মারা যান রিকশাচালক সালাম এবং হাইকোর্টের কর্মচারী শফিউর রহমান।
- ২০০০ সালে তাদের রাষ্ট্রীয় একুশে পদকে ভূষিত করা হয়েছে। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১১,৯৩০.
বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ ভবনের স্থপতি 'লুই কান' কোন দেশের নাগরিক ছিলেন?
  1. ক) ফ্রান্স
  2. খ) কানাডা
  3. গ) যুক্তরাজ্য
  4. ঘ) যুক্তরাষ্ট্র
সঠিক উত্তর:
ঘ) যুক্তরাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ ভবন বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম আইনসভা কমপ্লেক্স। এটির স্থপতি এস্তোনীয় বংশোদ্ভূত যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক লুই আই কান।
- জাতীয় সংসদ ভবন ২১৫ একর জমির উপর অবস্থিত।
- এটির নির্মাণ কাজ শুরু হয় ১৯৬১ সালে এবং উদ্বোধন করা হয় ১৯৮২ সালের ২৮ জানুয়ারি।
- এই ভবনে প্রথম সংসদ অধিবেশন বসে ১৯৮২ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি।

(তথ্যসূত্র: জাতীয় সংসদ সচিবালয়)
১১,৯৩১.
স্বাধীনতা যুদ্ধে অবদানের জন্য বর্তমানে কতজন মুক্তিযোদ্ধার খেতাব বহাল রয়েছে?
  1. ৬৭০ জন
  2. ৬৭২ জন
  3. ৬৭৪ জন
  4. ৬৭৬ জন
সঠিক উত্তর:
৬৭২ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬৭২ জন
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধের খেতাব:
- মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদান ও বীরত্বের জন্যে ১৯৭৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর বঙ্গবন্ধু সরকার মোট ৬৭৬ জনকে চারটি বীরত্বসূচক খেতাব বা উপাধি প্রদান করে। এগুলো হলো:
- সর্বোচ্চ খেতাব বীরশ্রেষ্ঠ : ৭জন।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ খেতাব বীরউত্তম : ৬৮ জন।
- তৃতীয় সর্বোচ্চ খেতাব বীরবিক্রম : ১৭৫ জন।
- চতুর্থ সর্বোচ্চ খেতাব বীরপ্রতীক : ৪২৬জন।

- গত ৬ জুন ২০২১ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় বঙ্গবন্ধু হত্যার চার আসামীর মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্যে প্রদত্ত খেতাব বাতিল করে।
- স্বাধীনতা যুদ্ধে অবদানের জন্য বর্তমানে ৬৭২ জনের খেতাব বহাল রয়েছে। এর মধ্য:
- বীরশ্রেষ্ঠ : ৭জন।
- বীর উত্তম: ৬৭ জন।
- বীরবিক্রম: ১৭৪ জন।
- বীরপ্রতীক : ৪২৪ জন।

তথ্যসূত্র - মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও বাংলাপিডিয়া।
১১,৯৩২.
উপজেলা পদ্ধতি চালু হয়-
  1. ক) ১৯৮২ সালে
  2. খ) ১৯৮৩ সালে
  3. গ) ১৯৮৫ সালে
  4. ঘ) ১৯৮০ সালে
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯৮২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯৮২ সালে
ব্যাখ্যা
সরকার বিকেন্দ্রীকরণ নীতির ফলশ্রুতিতে ১৯৮২ সালে স্থানীয় সরকার ( থানা পরিষদ এবং থানা প্রশাসন পুনর্গঠন ) অধ্যাদেশ জারির মাধ্যমে উপজেলা ব্যবস্থা প্রবর্তিত হয়। উল্লেখ্য, ১৯৮২ সালে স্থানীয় সরকার ( থানা পরিষদ এবং থানা প্রশাসন পুনর্গঠন ) অধ্যাদেশ জারি হওয়ার পর ১৯৯১ সাল পর্যন্ত তা বলবৎ থাকে। উক্ত অধ্যাদেশের আওতায় দু’টি নির্বাচনও সম্পন্ন হয়। কিন্তু ১৯৯১ সনে The Local Government ( Upazila Parishad and Upazila Administration Reorganization (Repeal) Ordinance, ১৯৯১ এর মাধ্যমে পূর্বের অধ্যাদেশটি বাতিল করা হয়। ফলে সম্পূর্ণ উপজেলা পদ্ধতি অকার্যকর হয়ে পড়ে।
উৎসঃ সরকারি ওয়েবসাইট
১১,৯৩৩.
মুজিবনগর কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. ক) যশোর
  2. খ) মেহেরপুর
  3. গ) কুষ্টিয়া
  4. ঘ) খুলনা
সঠিক উত্তর:
খ) মেহেরপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) মেহেরপুর
ব্যাখ্যা
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনাকারী বাংলাদেশ সরকার মুজিবনগর সরকার নামে পরিচিতি।
- ১০ এপ্রিল ঘোষিত মুজিবনগর সরকার ১৭ এপ্রিল কুষ্টিয়ার মেহেরপুর মহকুমার ভবেরপাড়া গ্রামের বৈদ্যনাথতলায় শপথ গ্রহণ করে।
- বৈদ্যনাথতলার পরিবর্তিত নাম মুজিবনগর বর্তমান মেহেরপুর জেলায় অবস্থিত।
- ১০ এপ্রিল ঘোষিত স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রের মাধ্যমে মুজিবনগর প্রশাসনের সকল কর্মকান্ডের বৈধকরণ করা হয়।
- যুদ্ধকালীন বাংলাদেশের মৌলিক আইনের ভিত্তি ছিল এই স্বাধীনতার সনদ।
- ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর দেশের সংবিধান কার্যকর না হওয়া পর্যন্ত এটিই ছিল দেশের সংবিধান।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১১,৯৩৪.
বাংলাদেশের বাইরে প্রথম শহীদ মিনার নির্মিত হয় কোথায়?
  1. ক) যুক্তরাষ্ট্রে
  2. খ) কানাডা
  3. গ) জাপান
  4. ঘ) যুক্তরাজ্য
সঠিক উত্তর:
ঘ) যুক্তরাজ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) যুক্তরাজ্য
ব্যাখ্যা
- স্বাধীনতার পর থেকেই প্রবাসীদের উদ্যোগে বিদেশের মাটিতে শহীদ মিনার নির্মাণ শুরু হয়। 
- ১৯৯৯ সালে ইউনেস্কো কর্তৃক একুশে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা হিসেবে স্বীকৃতি পেলে শহীদ মিনার আন্তর্জাতিক মাতৃভাষার প্রতীকস্বরূপ হয়ে ওঠে। 
- বহির্বিশ্বে ১৯৯৭ সালে প্রথম যুক্তরাজ্যের এডিনবার্গের ওল্ডহ্যামে এবং ১৯৯৯ সালে লন্ডনের টাওয়ার হ্যামলেটে শহীদ মিনার নির্মিত হয়। 
- তাছাড়া গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক ২০০৫ সালে জাপানের টোকিওতে শহীদ মিনার নির্মিত হয়। 
- জাপান বাংলাদেশ সোসাইটির যৌথ উদ্যোগে প্রতিবছর বৈশাখি মেলা অনুষ্ঠিত হওয়ার সূত্র ধরে বাংলাদেশ সরকার এই শহীদ মিনারটি নির্মাণ করে।
 
উৎস : বাংলাপিডিয়া 
১১,৯৩৫.
বাংলায় ব্রিটিশ বিরোধী প্রথম সশস্ত্র আন্দোলন কোনটি?
  1. ফকির সন্ন্যাসী বিদ্রোহ
  2. সিপাহী বিদ্রোহ
  3. নীল বিদ্রোহ
  4. ফরায়েজি আন্দোলন
সঠিক উত্তর:
ফকির সন্ন্যাসী বিদ্রোহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফকির সন্ন্যাসী বিদ্রোহ
ব্যাখ্যা

ফকির-সন্ন্যাসী বিদ্রোহ:
- বাংলার ফকির-সন্ন্যাসী বিদ্রোহ ছিল ব্রিটিশ বিরোধী প্রথম বিদ্রোহ।
- ইংরেজ সরকার তীর্থস্থান দর্শনের উপর করারোপ করে, ভিক্ষা ও মুষ্টি সংগ্রহকে বেআইনি ঘোষণা করে। তাছাড়া তাদেরকে ডাকাত-দস্যু বলে আখ্যায়িত করতে থাকে। ফলে ক্ষুব্ধ হয়ে ফকির সন্ন্যাসীরা ইংরেজদের বিরুদ্ধে দীর্ঘ আন্দোলনে অবতীর্ণ হয়।
- বিদ্রোহী ফকির দলের নেতার নাম ছিল মজনু শাহ। আর সন্ন্যাসীদের নেতার নাম ছিল ভবানী পাঠক।
- তাদের আক্রমণের মূল লক্ষ্য ছিল সরকারি কুঠি, জমিদারদের কাছারি ও নায়েব-গোমস্তার বাড়ি।
- ১৭৬০ খ্রিস্টাব্দে পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলায় সন্ন্যাসীরা ইংরেজদের বিরুদ্ধে প্রথম বিদ্রোহ শুরু করে।
- ১৭৭১ খ্রিস্টাব্দে মজনু শাহ সারা উত্তর বাংলায় ইংরেজ বিরোধী তৎপরতা শুরু করেন।
- ১৭৭৭ থেকে ১৮০০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত রংপুর, রাজশাহী, দিনাজপুর, বগুড়া, ঢাকা, ময়মনসিংহ, মুর্শিদাবাদ, বীরভূম, মালদহসহ বিভিন্ন অঞ্চলে ফকির-সন্ন্যাসী বিদ্রোহ ছড়িয়ে পড়ে। এই সব অঞ্চলে ইংরেজদের সঙ্গে বিদ্রোহী ফকির-সন্ন্যাসীদের বহু সংঘর্ষ সংঘটিত হয়।
- এ সব সংঘর্ষে বিদ্রোহীরা অনেক ব্রিটিশ সেনা কর্মকর্তাকে হত্যা করে এবং কোম্পানির বহু কুঠি লুঠ করে।
- ফকির মজনু শাহ ১৭৮৭ খ্রিস্টাব্দে মৃত্যবরণ করলে বিদ্রোহের নেতৃত্ব গ্রহণ করেন মুসা শাহ, সোবানশাহ, চেরাগ আলী শাহ, করিম শাহ, মাদার বক্স প্রমুখ ফকির।
- এই নেতারা কয়েক বছর ইংরেজ প্রশাসনকে ব্যতিব্যস্ত করে রাখে।
- ১৮০০ খ্রিস্টাব্দে তারা চূড়ান্তভাবে পরাজিত হয়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্ব সভ্যতা, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১,৯৩৬.
বাংলাদেশের কোনো জীবিত ব্যক্তিকে মুক্তিযুদ্ধে দেওয়া সর্বোচ্চ বীরত্বসূচক পদক কোনটি?
  1. বীর প্রতীক
  2. বীর বিক্রম
  3. বীর শ্রেষ্ঠ
  4. বীর উত্তম
সঠিক উত্তর:
বীর উত্তম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বীর উত্তম
ব্যাখ্যা
বীরত্বসূচক খেতাবপ্রাপ্ত সর্বমোট মুক্তিযুদ্ধা ৬৭৬ জন।
৪ টি বিভাগে খেতাব দেওয়া হয়। যেমন- বীর শ্রেষ্ঠ, বীর উত্তম, বীর বিক্রম ও বীর প্রতীক।
বাংলাদেশের কোনো জীবিত ব্যক্তিকে মুক্তিযুদ্ধে দেওয়া সর্বোচ্চ বীরত্বসূচক পদক বীর উত্তম।
উৎসঃ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট ও বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্ব সভ্যতা।
১১,৯৩৭.
মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতায় প্রথম কোন সংগঠনের জন্ম হয়?
  1. তমদ্দুন মজলিশ 
  2. শান্তি কমিটি
  3. কাদেরিয়া বাহিনী 
  4. মুক্তিবাহিনী 
সঠিক উত্তর:
শান্তি কমিটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শান্তি কমিটি
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধকালীন বাংলাদেশে পাকিস্তানের পক্ষের সহযোগী বাহিনী: 
- ১৯৭১ সালের জুন মাসে লে. জেনারেল টিক্কা খান 'পূর্ব পাকিস্তান রাজাকার অর্ডিন্যান্স' জারি করেন।
- শুরুতে আনসার, মুজাহিদদের নিয়ে এই বাহিনী গঠিত হয়। পরে পাকিস্তানপন্থি অনেকে এই বাহিনীতে যোগ দেয়।
- এই বাহিনী গঠনে জেনারেল নিয়াজির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল।
- রাজাকারদের প্রশিক্ষণের মেয়াদ ছিল এক সপ্তাহ। রাজাকারদের ট্রেনিং দিত পাকিস্তান সেনাবাহিনী।
- দখলদার বাহিনীর দোসর হিসেবে তারা মুক্তিযোদ্ধাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছে।
- রাজাকার বাহিনী ছাড়াও আলবদর এবং আলশামস নামে আরও দুটি বাহিনী ছিল।
- এরাও বিভিন্নভাবে হানাদার বাহিনীকে সহায়তা করে।
- মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতায় প্রথম যে সংগঠনের জন্ম হয় তা হলো 'শান্তি কমিটি'।
- রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশে শান্তি কমিটি গঠন করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
১১,৯৩৮.
১৯৫৮ সালে পাকিস্তানে মার্শাল ল জারি করে কে ক্ষমতায় বসেন?
  1. ক) আইয়ুব খান
  2. খ) জেনারেল ইয়াহিয়া খান
  3. গ) ইস্কান্দার মির্জা
  4. ঘ) জেনারেল টিক্কা খান
সঠিক উত্তর:
ক) আইয়ুব খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) আইয়ুব খান
ব্যাখ্যা
মার্শাল ল
- সামরিক পর্যায়ের যে আইনের মাধ্যমে সর্বোচ্চ পর্যায়ের সামরিক কর্তার শাসন পরিচালিত হয় তাকে মার্শাল ল (Martial Law) বলে।
- এখানে শাসনকর্তা হন সামরিক বাহিনীর প্রধান স্বয়ং।
- মূলত সংবিধান স্থগিত করে সামরিক আইন বলবৎ হয়।
- ১৯৫৪ সালের সাধারণ নির্বাচনে যুক্তফ্রন্ট জয়লাভ করে।
- এ কে ফজলুল হক পূর্ববাংলার মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন।
- প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী তাঁকে মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে সরিয়ে কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষাসচিব মেজর জেনারেল ইস্কান্দার মির্জাকে ১৯৫৪ সালে পূর্ব বাংলার বেসামরিক প্রশাসনের দায়িত্বভার অর্পণ করেন।
- ইস্কান্দার মির্জাকে সরিয়ে সামরিক বাহিনীর প্রধান আইয়ুব খান ১৯৫৮ সালে রাষ্ট্রক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হন।
- আইয়ুব খান নিজেকে ভূষিত করেন ফিল্ড মার্শাল উপাধিতে। 
- তিনি ১৯৫৮ সালে মার্শাল ল জারি করেন।
- তিনি রাজধানী করাচি থেকে প্রথমে স্থানাস্তর করেন রাওয়ালপিন্ডিতে, পরে ইসলামাবাদে।

উৎস: i) প্রথম আলো, Oct 27, 2022।
        ii) কালের কন্ঠ, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২০।
১১,৯৩৯.
কোন মোঘল সম্রাট পর্তুগিজদের এদেশ থেকে বিতাড়িত করেন?
  1. শাহজাহান
  2. আওরঙ্গজেব
  3. সম্রাট বাবর
  4. সিরাজউদ্দৌলা
সঠিক উত্তর:
শাহজাহান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শাহজাহান
ব্যাখ্যা
ইউরোপীয় বনিক:
- পর্তুগিজরা কেবল ব্যবসা-বাণিজ্যই করত না।
- তারা এদেশের জমিদার ও প্রতাপশালী বার ভূঁইয়াদের সেনাবাহিনীতে চাকরী করত।
- সম্রাট বা নবাবের আইন অমান্য করে বিনা শুল্কে স্বাধীনভাবে ব্যবসা চালাত।
- এতে তাঁরা মোগল সম্রাটের বিরাগভাজন হন।
- তাঁরা জোর করে এদেশেরই অসহায় বালক-বালিকাদের খ্রিস্টান বানাত।
- এদেশের মানুষকে ধরে নিয়ে দাসদাসীরূপে বিক্রি করতো বিদেশের বাজারে।
- পর্তুগিজ সৈন্যরা জোর করে এদেশের মেয়ে বিয়ে করত।
- অপরাধের মাত্রা বেড়ে গেলে সম্রাট শাহজাহান পর্তুগিজদের এদেশ থেকে বিতাড়িত করেন।
- সম্রাটের নির্দেশে কাসিম খান তাদের হুগলী কুঠি থেকে বিতাড়িত করেন।
- বাংলার সুবেদার শায়েস্তা খান তাদের চট্টগ্রাম ও সন্দ্বীপ ঘাঁটি দখল করে উচ্ছেদ করেন।

উল্লেখ্য,
- পর্তুগিজ নাবিক ভাস্কো-দ্য-গামার উপমহাদেশে আসার পরপরই পর্তুগিজরা এ দেশে আসতে শুরু করে।
- ১৪৮৭ খ্রিস্টাব্দে বার্থলমিউ দিয়াজ,
- আলভারেঞ্জ ক্যাব্রাল ও ১৫০৯ খ্রিস্টাব্দে আলবুকার্ক গোয়াতে আগমন করেন।
- আলবুকার্ক উপমহাদেশে পর্তুগিজ-শক্তির প্রকৃত প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন।

উৎস: ইতিহাস ১ম পত্র, এইচ এসসি, ‍উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৯৪০.
ভাষা শহিদ আবদুস সালাম মারা যান-
  1. ক) ২১ ফেব্রুয়ারি
  2. খ) ৭ এপ্রিল
  3. গ) ২২ ফেব্রুয়ারি
  4. ঘ) ২৩ মার্চ
সঠিক উত্তর:
খ) ৭ এপ্রিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৭ এপ্রিল
ব্যাখ্যা
- ভাষা শহিদ আবদুস সালাম জন্মগ্রহণ করেন ফেনী জেলাতে।
- তিনি ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি আহত হন।
- তিনি মারা যান ৭ এপ্রিল।

উৎসঃ পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
১১,৯৪১.
পাঁচসালা বন্দোবস্ত চালু করেন কে?
  1. ডালহৌসি
  2. ওয়ারেন হেস্টিংস
  3. উইলিয়াম বেন্টিঙ্ক
  4. রর্বাট ক্লাইভ
সঠিক উত্তর:
ওয়ারেন হেস্টিংস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওয়ারেন হেস্টিংস
ব্যাখ্যা

পাঁচসালা বন্দোবস্ত:
- ১৭৭২ খ্রিস্টাব্দে গভর্নর জেনারেল ওয়ারেন হেস্টিংস পাঁচসালা বন্দোবস্ত প্রবর্তন করেন।
- পাঁচসালা বন্দোবস্তের মূল লক্ষ্য ছিল রাজস্ব আদায় করা।
- জমি বন্দোবস্তের নির্দিষ্ট সময়সীমা থাকায় জমিদাররা অর্থ আদায়ের জন্য কৃষকদের প্রতি চরম নির্যাতন মূলক ব্যবস্থা নিতো।
- অথচ কৃষকের বা জমির উন্নয়নের প্রতি তাদের কোনো লক্ষ ছিল না।
- এ অবস্থায় হেস্টিংস জমিদারদের সঙ্গে এক সালা বন্দোবস্ত চালু করেন।
- ১৭৮৯ খ্রিস্টাব্দে কর্নওয়ালিস দশসালা বন্দোবস্ত চালু করেন। 

তথ্যসূত্র- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১,৯৪২.
আলাউদ্দীন হোসেন শাহ বাংলায় কোন শাসনের অবসান ঘটিয়েছিলেন?
  1. হাবশি শাসন
  2. ইলিয়াস শাহী শাসন
  3. তুঘলক শাসন
  4. মুঘল শাসন
সঠিক উত্তর:
হাবশি শাসন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাবশি শাসন
ব্যাখ্যা

আলাউদ্দীন হোসেন শাহ:
- বাংলাদেশের ইতিহাসে আলাউদ্দীন হোসেন শাহ এক উজ্জল অধ্যায়ের সূচনা করেন।
- তিনি সামান্য অবস্থা থেকে নিজ যোগ্যতায় বাংলাদেশে হাবশি শাসনের অবসান ঘটিয়ে হোসেন শাহী বংশ প্রতিষ্ঠা করেন।
- তিনি আরবদেশীয় ও সৈয়দ বংশের লোক ছিলেন।
- ১৪৯৩ সালে হোসেন শাহ 'আলাউদ্দীন হোসেন শাহ' উপাধি গ্রহণ করে সিংহাসনে আরোহণ করেন।
- একারণে আধুনিক ঐতিহাসিকগণ আলাউদ্দীন হোসেন শাহকে মধ্যযুগের 'গোপাল' হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।
- সুলতান আলাউদ্দীন হোসেন শাহ প্রজাদের কল্যাণের জন্য জনহিতকর প্রতিষ্ঠান নির্মাণ করতেন।
- হিন্দু লেখকগণ আলাউদ্দীন হোসেন শাহের সুশাসনে মুগ্ধ হয়ে তাঁকে ‘নৃপতি তিলক', 'জগৎভূষণ', 'কৃষ্ণাবতার' প্রভৃতি উপাধিতে ভূষিত করেন।
- আলাউদ্দীন হোসেন শাহ একজন নিষ্ঠাবান মুসলমান ছিলেন।
- তিনি বহু মসজিদ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও খানকাহ নির্মাণ করেন।
- হোসেন শাহ বাংলা সাহিত্যেরও পৃষ্ঠপোষকতা করে বাংলা ভাষাকে রাজদরবারে স্থান দেন।
- তাঁর পৃষ্ঠপোষকতায় বহু আরবি, ফার্সি ও সংস্কৃত গ্রন্থ বাংলা ভাষায় অনুবাদ করা হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১,৯৪৩.
বাংলাদেশের প্রথম পূর্ণমেয়াদকালীন সংসদ কোনটি?
  1. ক) দ্বিতীয় সংসদ
  2. খ) ষষ্ঠ সংসদ
  3. গ) সপ্তম সংসদ
  4. ঘ) তৃতীয় সংসদ
সঠিক উত্তর:
গ) সপ্তম সংসদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সপ্তম সংসদ
ব্যাখ্যা
- প্রথম ও ষষ্ঠ জাতীয় সংসদে কোন বিরোধীদলীয় নেতা ছিলো না।
- জাতীয় সংসদের প্রথম বিরোধীদলীয় নেতা আওয়ামী লীগের আসাদুজ্জামান খান (দ্বিতীয় সংসদ)।
- সবচেয়ে স্বল্পকালীন সংসদ ষষ্ঠ সংসদ (১২ দিন)।
- প্রথম পূর্ণমেয়াদকালীন সংসদ সপ্তম সংসদ।

(সূত্র: জাতীয় সংসদ সচিবালয়)
১১,৯৪৪.
দেশের প্রথম ‘জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভ’ কোথায় অবস্থিত? 
  1. ঢাকা 
  2. নারায়নগঞ্জ
  3. গাজীপুর
  4. রাজশাহী
সঠিক উত্তর:
নারায়নগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নারায়নগঞ্জ
ব্যাখ্যা

দেশের প্রথম জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভ:
- দেশের প্রথম 'জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভ' নারায়ণগঞ্জে অবস্থিত।
- নারায়ণগঞ্জে ২১ জন শহীদের নামে নির্মিত হয়েছে দেশের প্রথম 'জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভ'।
- ১৪ জুলাই, ২০২৫ তারিখে নারায়ণগঞ্জের হাজীগঞ্জ এলাকায় স্মৃতিস্তম্ভটি উদ্বোধন করেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের ৫ উপদেষ্টা। তারা হলেন আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল, শিল্প উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান, শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. চৌধুরী রফিকুল আবরার, রেলপথ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্ট ড. মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান এবং পরিবেশ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান।
- বৈষম্যের বিরুদ্ধে টানা ৩৬ দিনের আন্দোলনে, অর্থাৎ ৩৬ জুলাই পর্যন্ত নারায়ণগঞ্জে শহীদ হন ৫৬ জন, আহত হন ৩৭০ জন।
- নিহতদের মধ্যে ২১ জন ছিলেন নারায়ণগঞ্জের স্থানীয় বাসিন্দা।
- শহীদদের স্মরণে সরকারি উদ্যোগে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সহায়তায় নির্মিত হয়েছে এই স্মৃতিস্তম্ভ।

উৎস: i) বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা।[লিঙ্ক]
 ii) প্রেস নারায়নগঞ্জ।[লিঙ্ক]

১১,৯৪৫.
ভাষা আন্দোলনের সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি ছিলেন-
  1. ক) বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী
  2. খ) ফয়েজ আহমেদ
  3. গ) মোয়াজ্জেম হোসেন
  4. ঘ) মাহমুদ হাসান
সঠিক উত্তর:
গ) মোয়াজ্জেম হোসেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) মোয়াজ্জেম হোসেন
ব্যাখ্যা
- বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন চলাকালীন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর ছিলেন ড. সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন।
- তাঁর মেয়াদকাল ছিল ২২ অক্টোবর, ১৯৪৮ থেকে ০৮ নভেম্বর, ১৯৫৩ সাল পর্যন্ত। 
- বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ চলাকালীন সময়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ছিলেন বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী। 

উৎস: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট।
১১,৯৪৬.
মুক্তিবাহিনীর নৌ-কমান্ডোদের পরিচালিত অভিযান কোনটি?
  1. অপারেশন সী এঞ্জেল
  2. অপারেশন জ্যাকপট
  3. অপারেশন সার্চ লাইট
  4. অপারেশন ক্লোজডোর
সঠিক উত্তর:
অপারেশন জ্যাকপট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপারেশন জ্যাকপট
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের ‍মুক্তিযুদ্ধের সময় ১৯৭১ সালের ১৫ আগস্ট মুক্তিবাহিনীর নৌ-কমান্ডোদের পরিচালিত অভিযান ‘অপারেশন জ্যাকপট’ নামে পরিচিত।
- এইদিন নৌ-কমান্ডোরা একযোগে চট্টগ্রাম, মংলা, চাঁদপুর ও নারায়ণগঞ্জ বন্দরে পাকবাহিনীর উপর হামলা চালায়। এতে পাকবাহিনীর ২৬টি নৌযান ধ্বংস হয়।
- মোট ১৪৮ জন নৌ-কমান্ডোরা চারটি গ্রুপে বিভক্ত হয়ে এই অপারেশনে অংশ নেয়।
অন্যদিকে,
- অপারেশন সার্চলাইট হলো ১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ রাতে পাকিস্তানি বাহিনী ঢাকায় পরিচালিত হত্যাযজ্ঞ।
- ১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ রাতে পাকবাহিনী কর্তৃক বঙ্গবন্ধুকে গ্রেফতার অভিযান হলো অপারেশন বিগবার্ড।
- ১৯৭২ সালে দেশ স্বাধীনের পর অবৈধ অস্ত্র জমা নেওয়ার অভিযান হলো অপারেশন ক্লোজডোর।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাপিডিয়া)
১১,৯৪৭.
কোন শাসকের পৃষ্ঠপোষকতায় নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয় বৌদ্ধ ধর্ম ও সংস্কৃতির প্রাণকেন্দ্র রূপে প্রতিষ্ঠা লাভ করে?
  1. মহীপাল
  2. রামপাল
  3. দেবপাল
  4. গোপাল
সঠিক উত্তর:
দেবপাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দেবপাল
ব্যাখ্যা
⇒ দেবপালের পৃষ্ঠপোষকতায় নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয় বৌদ্ধ ধর্ম ও সংস্কৃতির প্রাণকেন্দ্ররূপে প্রতিষ্ঠা লাভ করে।

দেবপাল:

- দেবপাল পালবংশের অন্যতম রাজা ছিলেন।
- তিনি আনুমানিক ৮২১ খ্রিস্টাব্দে বাংলার সিংহাসনে আরোহণ করেন।
- তিনি শুধু পিতা ধর্মপালের সাম্রাজ্য রক্ষাই করেননি, বরং সীমানা বৃদ্ধিও করেন।
- দেবপাল গুর্জের রাজাকে পরাজিত করেন, উড়িষ্যাও জয় করেন।
- দেবপাল সুমাত্রা, জাভা ও বোর্ণিও রাজ্যের রাজাদের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করেন।
- দেবপাল বৌদ্ধ ধর্মের একজন প্রধান পৃষ্ঠপোষক ছিলেন।
- তিনি মগধের বৌদ্ধ মঠগুলোর সংস্কার সাধন করেন।
- তিনি নালন্দায়ও কয়েকটি মঠ এবং বুদ্ধগয়ায় একটি বড় মন্দির নির্মাণ করেন।
- এ বিশ্ববিদ্যালয়কে কেন্দ্র করে তাঁর শাসনামলে উত্তর ভারতে লুপ্তপ্রায় বৌদ্ধ ধর্ম পুনরায় সঞ্জীবিত হয়ে উঠে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৯৪৮.
’বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন’ কত তারিখে শুরু হয়?
  1. ১২ জুন, ২০২৪
  2. ১ জুলাই, ২০২৪
  3. ৫ জুলাই, ২০২৪
  4. ৫ আগষ্ট, ২০২৪
সঠিক উত্তর:
১ জুলাই, ২০২৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ জুলাই, ২০২৪
ব্যাখ্যা
বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন :
-সরকারি চাকরির সকল প্রকার কোটা বাতিল করে  সরকার প্রজ্ঞাপন জারি করে ৪ অক্টোবর ২০১৮ সালে। ৩০% মুক্তিযুদ্ধ কোটা ফিরে পেতে হাইর্কোটে রিট  করা হলে , হাইকোর্ট কোটা বাতিল প্রজ্ঞাপন স্থগিত করে দেন।  তারই প্রেক্ষিতে ছাত্ররা  বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ব্যানারে আন্দোলনের ডাক দেন। যা পরর্বতীতে জুলাই গণঅভ্যুত্থান  রূপে পরিচিতি পায়। 
- ১ জুলাই, ২০২৪ তিন দিনের কর্মসূচির মাধ্যমে আন্দোলন শুরু হয়। 
- ৬ জুলাই বাংলা ব্লকড কর্মসূচির ডাক দেন এবং ৭-১২ জুলাই তা পালন করেন।
- কিমপ্লিট শাটডাউনের ডাক দেন ১৭ জুলাই, পালিত হয় ১৮-২২ জুলাই।
- মার্চ টু ঢাকা কর্মসূচির ঘোষণা দেওয়া হয়- ৪ আগস্ট পালিত হয়- ৫ আগস্ট।

উৎস: প্রথম আলো
১১,৯৪৯.
'ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ, ১৯৭৫' কে জারি করেছিলেন?
  1. তাজউদ্দিন আহমেদ
  2. খন্দকার মোশতাক আহমদ
  3. জেনারেল এরশাদ
  4. জেনারেল জিয়াউর রহমান
সঠিক উত্তর:
খন্দকার মোশতাক আহমদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খন্দকার মোশতাক আহমদ
ব্যাখ্যা
'ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ, ১৯৭৫':
- খন্দকার মোশতাক আহমদ ১৯৭৫ সালের ২০শে আগস্ট 'ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ, ১৯৭৫' জারি করেন।
- এই আদেশ অনুযায়ী শেখ মুজিবুর রহমান ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের হত্যাকারীদের বিচার করা যাবে না।
- 'ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ, ১৯৭৫' নামে ১৯৭৫ সালের ২৬শে সেপ্টেম্বর 'বাংলাদেশ গেজেট'- এ প্রকাশিত হয়।
- ইনডেমনিটি অধ্যাদেশে বলা হয়, '১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট সরকার পরিবর্তনের জন্য যেসব পরিকল্পনা বা কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছে এবং যারা এর সাথে জড়িত, তাদের বিরুদ্ধে শাস্তি বিধানের জন্য কোনোরূপ আইনের আশ্রয় নেওয়া যাবে না।'

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
১১,৯৫০.
ইউনেস্কো ২১ শে ফেব্রুয়ারিকে ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ হিসেবে ঘোষনা করে কত সালে?
  1. ১৯৯৬ সালে
  2. ১৯৯৭ সালে
  3. ১৯৯৮ সালে
  4. ১৯৯৯ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৯৯ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯৯ সালে
ব্যাখ্যা

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস:
- ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর ইউনেস্কো বাংলাদেশের বাঙালি জনগোষ্ঠীর ভাষার জন্য আত্মত্যাগকে ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ হিসেবে ঘোষনা করে।
- প্রতিবছর ২১ শে ফেব্রুয়ারি ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ হিসেবে পালন করার সিদ্ধান্ত নেয়।
- ২০০০ সালের ২১ শে ফেব্রুয়ারি এ বিশেষ দিবসটিকে বিশ্বের ১৮৮টি দেশে প্রথমবারের মতো ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ হিসেবে পালন করে।
- ইউনেস্কোর পর জাতিসংঘও ২১ শে ফেব্রুয়ারিকে ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।
- ৫ ডিসেম্বর ২০০৮ জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে এ স্বীকৃতি দেয়া হয়।

তথ্যসূত্র - প্রথম আলো পত্রিকার রিপোর্ট।

১১,৯৫১.
প্রথমবারের মতো বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন কে?
  1. তোফায়েল আহমেদ
  2. সিরাজ শিকাদার
  3. ভিপি আ.স.ম আবদুর রব
  4. আব্দুল আউয়াল খান
সঠিক উত্তর:
ভিপি আ.স.ম আবদুর রব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভিপি আ.স.ম আবদুর রব
ব্যাখ্যা
• জাতীয় পতাকা প্রথম উত্তোলন:
-  ১৯৭১ সালের ২ মার্চ, ছাত্র সংগঠনগুলো 'স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ' গঠন করে।
- একই দিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলাভবনের বটতলায় একটি ছাত্রসভায় ডাকসু ভিপি আ.স.ম আবদুর রব প্রথমবারের মতো বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন।
- এই ঘটনাটি স্মরণীয় হয়ে থাকে, তাই ২ মার্চ 'জাতীয় পতাকা দিবস' হিসেবে পালন করা হয়।

• জাতীয় পতাকা:
- জাতীয় পতাকা  অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশও জাতীয় পতাকার আকৃতি, গড়ন, রং ও পতাকা উত্তোলনের ধরনের কিছু অনুমোদিত নিয়মকানুন অনুসরণ করে।
- পতাকা বিধি (১৯৭২) অনুসারে জাতীয় পতাকার রং হবে গাঢ় সবুজ এবং ১০:৬ অনুপাতে আয়তাকার।
- তাতে থাকবে সবুজ অংশের মাঝখানে একটি লাল বৃত্ত।
- লাল বৃত্তের ব্যাসার্ধ হবে পতাকার মোট দৈর্ঘ্যের এক-পঞ্চমাংশ।
- বৃত্তের কেন্দ্রবিন্দুর অবস্থান হবে পতাকার দৈর্ঘের ৯/২০ অংশ থেকে টানা লম্বের এবং প্রস্থের মাঝখান দিয়ে টানা আনুভূমিক রেখার ছেদবিন্দুতে। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১১,৯৫২.
জমিদারি প্রথা রদে প্রধান ভূমিকা পালন করেন?
  1. শহীদ সোহরাওয়ার্দী
  2. খাজা নাজিমুদ্দিন
  3. স্যার সলিমুল্লাহ
  4. শেরে বাংলা একে ফজলুল হক
সঠিক উত্তর:
শেরে বাংলা একে ফজলুল হক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শেরে বাংলা একে ফজলুল হক
ব্যাখ্যা

জমিদারি প্রথা (১৯৫০) রদে প্রধান ভূমিকা পালন করেন শেরে বাংলা একে ফজলুল হক।
- শেরে বাংলা একে ফজলুল হক ১৮৭৩ সালে বরিশাল জেলার রাজাপুর থানার সাতুরিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি ১৯৩৫ সালে কলকাতার মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- অবিভক্ত বাংলার প্রথম মুখ্যমন্ত্রী (১৯৩৭-৪৩) ছিলেন শেরে বাংলা একে ফজলুল হক।
- পূর্ব বাংলার মুখ্যমন্ত্রী এবং পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন ।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় সপ্তম শ্রেণী

১১,৯৫৩.
১৯৫৬ সালে কোয়ালিশন সরকারের মন্ত্রিসভায় বঙ্গবন্ধু কোন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন?
  1. ক) আইন, বিচার ও সংসদ
  2. খ) কৃষি, বন, সমবায় ও পল্লী
  3. গ) শিল্প, বাণিজ্য, শ্রম, দুর্নীতি দমন ও ভিলেজ এইড
  4. ঘ) কৃষি ও পল্লী উন্নয়ন
সঠিক উত্তর:
গ) শিল্প, বাণিজ্য, শ্রম, দুর্নীতি দমন ও ভিলেজ এইড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) শিল্প, বাণিজ্য, শ্রম, দুর্নীতি দমন ও ভিলেজ এইড
ব্যাখ্যা
- আওয়ামী লীগ প্রধান হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর সাথে রিপাবলিকান নেতা উত্তর - পশ্চিম সীমান্ত প্রদেশের ডা. খাঁন সাহেবের ৫ দফা কর্মসূচীর ভিত্তিতে একটি কোয়ালিশন গঠিত হয় ।
- এর ফলে ১৯৫৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর তৎকালীন পাকিস্তানের প্রধানমুন্ত্রী চৌধুরী মোহাম্মদ আলী পদত্যাগ করেন ।

- হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী ১৯৫৬ সালের ১২ সেপ্টেম্বর পাকিস্তানের ৬ষ্ঠ প্রধানমন্ত্রী হন । 
- তার নেতৃত্বাধীন কোয়ালিশন সরকারের মন্ত্রিসভায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান শিল্প, বাণিজ্য, শ্রম, দুর্নীতি দমন ও ভিলেজ এইড মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন।

- ইস্কান্দার মীর্জার গােপন ষড়যন্ত্রে রিপাবলিকান দলীয় কিছুসংখ্যক সদস্য সােহরাওয়ার্দী মন্ত্রিসভার উপর থেকে সমর্থন প্রত্যাহার করে নিলে মন্ত্রিসভা নাজুক অবস্থার সম্মুখীন হয়।
- ১৯৫৭ সালের ১৮ অক্টোবর সোহরাওয়ার্দী প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করতে বাধ্য হন।

তথসুত্র:- উচ্চ মাধ্যমিক পৌরনীতি ও সুশাসন , প্রফেসর মোজাম্মেল হক।
১১,৯৫৪.
কোনটি ‘বাঙালির মুক্তির সনদ’ নামে পরিচিত?
  1. ক) ছয়দফা
  2. খ) এগারো দফা
  3. গ) একুশ দফা
  4. ঘ) উনিশ দফা
সঠিক উত্তর:
ক) ছয়দফা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ছয়দফা
ব্যাখ্যা
১৯৬৬ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক রচিত ছয়দফা দাবী কে ‘বাঙালির মুক্তির সনদ’ বা ‘ম্যাগনাকার্টা’ বলা হয়।
১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারী পাকিস্তানের লাহোরে অনুষ্ঠিত বিরোধীদলসমূহের সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু প্রথম ছয়দফা দাবী উত্থাপন করেন। একই বছরের ১৮-১৯ মার্চ আওয়ামীলীগের ওয়ার্কিং কমিটির সভায় ছয়দফা গৃহিত হয় এবং ২৩শে মার্চ বঙ্গবন্ধু সংবাদ সম্মেলনে আনুষ্ঠানিকভাবে ছয়দফা উত্থাপন করেন। ৭ জুন ছয়দফা দিবস পালিত হয়।
(সূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া)
১১,৯৫৫.
গুপ্ত সাম্রাজ্য ভারতে কখন প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল?
  1. ২৭০ খ্রিস্টাব্দে
  2. ৩২০ খ্রিস্টাব্দে
  3. ৩৩৫ খ্রিস্টাব্দে
  4. ৩৭৫ খ্রিস্টাব্দে
সঠিক উত্তর:
৩২০ খ্রিস্টাব্দে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩২০ খ্রিস্টাব্দে
ব্যাখ্যা

- ভারতে সাম্রাজ্যবাদী গুপ্তদের শাসন প্রতিষ্ঠিত হয় ৩২০ খ্রিষ্টাব্দে। 
- গুপ্ত সম্রাট প্রথম চন্দ্রগুপ্তের রাজত্বকালেই বাংলার উত্তরাংশের কিছু অংশ গুপ্ত সাম্রাজ্যের অধিকারে আসে।
- সমুদ্রগুপ্তের রাজত্বকালে সমগ্র বাংলা অধিকৃত হলেও সমতট একটি করদ রাজ্য ছিল।
- সমুদ্রগুপ্তের রাজত্বকাল থেকে ছয় শতকের মাঝামাঝি পর্যন্ত বাংলার উত্তরাংশ গুপ্ত সাম্রাজ্যের অধীনস্থ একটি 'প্রদেশ' বা 'ভুক্তি' হিসেবেপরিগণিত হতো।
- মৌর্যদের মতো গুপ্তদের রাজধানী ছিল মহাস্থানগড়ের পুঞ্জনগর।

উৎস:  বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা-৯ম-১০ম, শ্রেণি।

১১,৯৫৬.
কোন আফগান সুলতানের পরাজয়ের পর বাংলায় মুগল শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ক) দাউদ খান
  2. খ) শের খান
  3. গ) খিজির খান
  4. ঘ) ইসলাম শাহ
সঠিক উত্তর:
ক) দাউদ খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) দাউদ খান
ব্যাখ্যা
মুঘল সাম্রাজ্য:

- আফগান সুলতান  দাউদ খান এর পরাজয়ের পর বাংলায় মুগল শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৫৭৬ খ্রিস্টাব্দের ১২ জুলাই রাজমহলের যুদ্ধে খান জাহানের কাছে আফগান সুলতান দাউদ খান পরাজিত হয়।
- ১৬১২ খ্রিস্টাব্দে জাহাঙ্গীর এর সুবাহদার ইসলাম খান চিশতি সমগ্র বাংলা মুগলদের কর্তৃত্বাধীনে আনেন।
- দাউদ খানের পরাজয়ের সঙ্গেই বাংলায় সুলতানি শাসনের অবসান ঘটে
- গল আগ্রাসন প্রতিহত করার ক্ষেত্রে বারো ভূঁইয়া নামে পরিচিত ভূঁইয়ারা ছিলেন সর্বাধিক খ্যাত।
- রাজা, ভূঁইয়া ও জমিদার, যারা মুগলদের বিরুদ্ধে কঠিন প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিলেন, তারা সংখ্যায় ছিলেন অনেক, প্রায় ৩৬ জন

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
১১,৯৫৭.
বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সী আবদুর রউফ-এর পদবি কি ছিল?
  1. ক) ক্যাপ্টেন
  2. খ) লেফটেন্যান্ট
  3. গ) ল্যান্স নায়েক
  4. ঘ) সিপাহী
সঠিক উত্তর:
গ) ল্যান্স নায়েক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ল্যান্স নায়েক
ব্যাখ্যা
বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সি আবদুর রউফ:

- বীরশ্রেষ্ঠ ল্যান্স নায়েক মুন্সি আবদুর রউফ (১ মে ১৯৪৯ - ৮ এপ্রিল ১৯৭১) জন্ম গ্রহন করেন ফরিদপুর জেলার মধুখালী থানার সালামতপুর গ্রামে। 
- বীরশ্রেষ্ঠদের মধ্যে সবার আগে শহীদ হন ল্যান্স নায়েক মুন্সি আব্দুর রউফ।
- তিনি ১৯৭১ সালের ৮ এপ্রিল ১ নং সেক্টরে রাঙামাটি জেলার নানিয়ারচরের চিংড়ি খাল এলাকায় পাকবাহিনীর সাথে সম্মুখ যুদ্ধে শহীদ হন।
- বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সি আবদুর রউফের সমাধি স্থল রাঙামাটি শহরের রিজার্ভ বাজারে কেন্দ্রিয় শহীদ মিনারের পাশে।

তথ্যসূত্র - মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
১১,৯৫৮.
ফারাও রা নিজেদের কোন দেবতার বংশধর মনে করতো?
  1. ক) চন্দ্রের দেবতা
  2. খ) সূর্যের দেবতা
  3. গ) শক্তির দেবতা
  4. ঘ) ক্ষমতার দেবতা
সঠিক উত্তর:
খ) সূর্যের দেবতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সূর্যের দেবতা
ব্যাখ্যা
প্রাক-রাজবংশীয় যুগে মিশর কতকগুলাে ছােট নগর রাষ্ট্রে বিভক্ত ছিল।
- এগুলােকে ‘নােম' বলা হতাে।
- মিশরের প্রথম রাজা বা ফারাও (মেনেস বা নারমার) সমগ্র মিশরকে খ্রিষ্টপূর্ব ৩২০০ অব্দে ঐক্যবদ্ধ করে একটি রাজ্য গড়ে তােলেন, যার রাজধানী ছিল দক্ষিণ মিশরের মেফিসে।
- তখন থেকে মিশরে ঐক্যবদ্ধ রাজ্য ও রাজবংশের উদ্ভব ।
- মিশরীয় ‘পের-ও’ শব্দ থেকে ফারাও শব্দের জন্ম।
- ফারাওরা ছিল অত্যন্ত ক্ষমতাশালী।
- তারা নিজেদের সূর্য দেবতার বংশধর মনে করত।
- ফারাও পদটি ছিল বংশানুক্রমিক।
- অর্থাৎ ফারাওয়ের ছেলে হতাে উত্তরাধিকার সূত্রে ফারাও।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
১১,৯৫৯.
চৌসার যুদ্ধে কে পরাজিত হয়েছিলেন?
  1. হুমায়ুন
  2. শেরশাহ
  3. আকবর
  4. বাবুর
সঠিক উত্তর:
হুমায়ুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হুমায়ুন
ব্যাখ্যা
চৌসার যুদ্ধ (১৫৩৯):
- সম্রাট হুমায়ুন গৌড় পরিত্যাগ করার পূর্বে জাহাঙ্গীর কুলী বেগকে বাংলার শাসনভার অর্পণ করেন।
- হুমায়ুন তাঁর বিশাল সৈন্যবাহিনী নিয়ে আগ্রা অভিমুখে যাত্রা করলেন। কিন্তু দুভার্গ্যক্রমে পথিমধ্যে বক্সারের নিকটবর্তী চৌসা নামক স্থানে
শেরখান ও তাঁর আফগান অনুচরেরা সম্রাট হুমায়ুনের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেন।
- ১৫৩৯ খ্রিস্টাব্দের ২৬ জুন চৌসায় উভয়পক্ষের মধ্যে এক তীব্র যুদ্ধ সংঘটিত হয়।
- এই যুদ্ধ ভারতীয় উপমহাদেশের ইতিহাসে চৌসার যুদ্ধ নামে পরিচিত।
- এই যুদ্ধে হুমায়ুন শোচনীয় ভাবে পরাজিত হয়।

তথ্যসূত্র:
ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ২য় পত্র।
১১,৯৬০.
বাংলায় '৭৬ -এর মন্বন্তর 'এর সময়কাল-
  1. ক) ১৭৭০
  2. খ) ১৭৫২
  3. গ) ১৭৬৫
  4. ঘ) ১৭৫৭
সঠিক উত্তর:
ক) ১৭৭০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১৭৭০
ব্যাখ্যা
১৭৭০ খ্রিষ্টাব্দে বাংলায় ইতিহাসের ভয়াবহতম দুর্ভিক্ষ দেখা দেয়। বাংলা ১১৭৬ সনে সংঘটিত হওয়ায় এই দুর্ভিক্ষ ছিয়াত্তরের মন্বন্তর নামে পরিচিত। এতে তৎকালীন বাংলার মোট জনসংখ্যার প্রায় এক-তৃতীয়াংশ মারা যায়। দ্বৈতশাসন ব্যবস্থা এবং পরপর তিনবছর অনাবৃষ্টিজনিত খরার কারণে ফসল উৎপাদন কম হওয়ায় এই দুর্ভিক্ষ দেখা দেয়। তখন বাংলার গভর্নর ছিলেন কার্টিয়ার। অন্যদিকে ১৯৪৩ খ্রিস্টাব্দে (বাংলা ১৩৫০ সন) সংঘটিত দুর্ভিক্ষ পঞ্চাশের মন্বন্তর নামে পরিচিত।
উৎসঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
১১,৯৬১.
আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র কবে জারি করা হয়?
  1. ক) ১০ এপ্রিল, ১৯৭১
  2. খ) ১৭ এপ্রিল, ১৯৭১
  3. গ) ৭ মার্চ, ১৯৭১
  4. ঘ) ২৫ মার্চ, ১৯৭১
সঠিক উত্তর:
ক) ১০ এপ্রিল, ১৯৭১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১০ এপ্রিল, ১৯৭১
ব্যাখ্যা
স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র:
১০ এপ্রিল, ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র জারি করার মাধ্যমে বাংলাদেশকে গণপ্রজাতন্ত্রী হিসেবে ঘোষণা করা হয় এবং ১৭ এপ্রিল ১৯৭১ সালে মুজিবনগর সরকার শপথ নেওয়ার মাধ্যমে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মপ্রকাশ করে।
বাংলাদেশের অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে একই দিনে আইনের ধারাবাহিকতা বলবৎকরণ আদেশ নামে একটি আদেশ জারি করেন। স্বাধীনতা ঘোষণাপত্রের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পর্যন্ত বাংলাদেশে যে সকল আইন চালু ছিল, তা রক্ষার্থে এটা করা হয়।
অর্থাৎ ২৬ মার্চ থেকে এটি বলবৎ হয়।

- স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র লিপিবদ্ধ করেন ব্যারিস্টার আমিরুল ইসলাম।
- ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন।
- ১০ এপ্রিল ১৯৭১ স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র আনুষ্ঠানিকভাবে জারি করা হয় এবং
- ১৭ এপ্রিল অধ্যাপক ইউসুফ আলী আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীনতার ঘোষণা পত্র পাঠ করেন।

- ৬ষ্ঠ তফসিলে ২৬ মার্চের স্বাধীনতার ঘোষনাপত্র সংযুক্ত করা হয় ।

সূত্র:- বাংলাপিডিয়া।
১১,৯৬২.
ইংরেজদের সাথে 'আলী নগরের সন্ধি' করেন-
  1. নবাব সিরাজউদ্দৌলা
  2. মীর জাফর
  3. মীর কাসেম
  4. দ্বিতীয় বাহদুর শাহ
সঠিক উত্তর:
নবাব সিরাজউদ্দৌলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নবাব সিরাজউদ্দৌলা
ব্যাখ্যা
• আলীনগরের সন্ধি :
- কলকাতা অধিকার করার পর নবাব সিরাজউদ্দৌলা সেনাপতি মানিক চাঁদকে কলকাতা রক্ষার দায়িত্বে রেখে রাজধানী মুর্শিদাবাদ ফিরে যান।
- অন্ধকূপ-হত্যা কাহিনী এবং নবাব কর্তৃক কলকাতা দখলের সংবাদ মাদ্রাজে পৌঁছলে ইংরেজ সেনাপতি ওয়াটসন ও রবার্ট ক্লাইভ কলকাতা দখলের জন্যে অভিযান শুরু করে।
- মানিক চাঁদের নামমাত্র প্রতিরোধ ভেঙ্গে কলকাতা পুনরায় দখল করে নেন।
- নবাব চারদিকে ষড়যন্ত্রের বেড়াজাল লক্ষ করে ইংরেজদের সাথে এক অপমানজনক সন্ধি করতে বাধ্য হন।
- এ সন্ধিই বিখ্যাত 'আলী নগরের সন্ধি' নামে খ্যাত।
- এ সন্ধির শর্তানুসারে নবাব দিল্লির সম্রাট কর্তৃক ইংরেজদের প্রদত্ত সকল বাণিজ্যিক সুযোগ সুবিধা, যুদ্ধের ক্ষয়-ক্ষতি প্রদান, টাকশাল নির্মাণ এবং দুর্গ সংস্কার করার অনুমতি প্রদান করেন।

উৎস:ইতিহাস ১ম পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৯৬৩.
মুজিবনগর সরকারের সদস্য ছিলেন -
  1. ক) ৪ জন
  2. খ) ৫ জন
  3. গ) ৬ জন
  4. ঘ) ৭ জন
সঠিক উত্তর:
গ) ৬ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৬ জন
ব্যাখ্যা
- মুজিবনগর সরকারের সদস্য ছিলেন ৬ জন।

• মুজিবনগর সরকার:

- রাষ্ট্রপতি : বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
- উপরাষ্ট্রপতি ও ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি : সৈয়দ নজরুল ইসলাম
- প্রধানমন্ত্রী : তাজউদ্দিন আহমেদ
- অর্থ ও বাণিজ্যমন্ত্রী : এম মনসুর আলী
- স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ, পুনর্বাসন ও কৃষিমন্ত্রী : এএইচএম কামরুজ্জামান
- পররাষ্ট্র ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী : খন্দকার মোশতাক আহমেদ।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণি এবং স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র।
১১,৯৬৪.
বাষট্টির শিক্ষা আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটে -
  1. জগন্নাথ কলেজে
  2. ঢাকা কলেজে
  3. সিটি কলেজে
  4. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে
সঠিক উত্তর:
ঢাকা কলেজে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঢাকা কলেজে
ব্যাখ্যা
বাষট্টির শিক্ষা আন্দোলন:
- আইয়ুব খান শিক্ষা সংস্কারের উদ্দেশ্যে ১৯৫৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর একটি শিক্ষা কমিশন গঠন করেছিলেন।
- তদানীন্তন শিক্ষা সচিব এস.এম. শরীফকে সভাপতি করে গঠিত ১১ জন সদস্যবিশিষ্ট এই কমিশন 'শরিফ কমিশন' নামে অভিহিত।
- কমিশন ১৯৫৯ সালের ২৬ আগস্ট তার সুপারিশ পেশ করে। কমিশনের উল্লেখযোগ্য সুপারিশ ছিল নিম্নরূপ:
• তিন বছরের বি.এ কোর্স পদ্ধতি চালু করা (এর আগে ছিল দু'বছরের বি.এ পাস কোর্স)।
• স্কুল-কলেজের সংখ্যা সীমিত রাখা।
• শিক্ষা ব্যয়ের শতকরা ৮০ ভাগ অভিভাবককে বহন করতে হবে।
• ৬ষ্ঠ শ্রেণি হতে ডিগ্রি স্তর পর্যন্ত ইংরেজিকে বাধ্যতামূলক করা হবে।
- কমিশনের এই রিপোর্টের বিরুদ্ধে ছাত্রসমাজ বিক্ষুব্ধ হয়।
- ঢাকা কলেজে সর্বপ্রথম আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটে।
- ঐ কলেজের ছাত্ররা 'ডিগ্রি স্টুডেন্টস ফোরাম' নামক একটি সংগঠন প্রতিষ্ঠা করে।
- এই সংগঠনের নামে ঢাকা শহরের অন্যান্য কলেজের ছাত্ররা আন্দোলন পরিচালনা করে।
- পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা আন্দোলনে যোগ দেয়।
- তখন সংগঠনের নাম পরিবর্তন করে করা হয় 'ইস্ট পাকিস্তান স্টুডেন্টস ফোরাম'।
- এক পর্যায়ে আন্দোলনের নেতৃত্ব ছাত্রলীগ ও ছাত্র ইউনিয়নের যৌথ নেতৃত্বের হাতে চলে যায়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৯৬৫.
গ্লোবাল ডেমোক্র্যাসি র‍্যাংকিং ২০১৮ সালের সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান কততম?
  1. ক) ৮০
  2. খ) ৮৮
  3. গ) ৮৫
  4. ঘ) ১০৯
সঠিক উত্তর:
খ) ৮৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৮৮
ব্যাখ্যা
- গ্লোবাল ডেমোক্রেসি র‍্যাংকিং ২০১৮ সালের সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান ৮৮ তম। 

তথ্যসূত্র: দৈনিক পত্রিকা
১১,৯৬৬.
বাংলাদেশের বৃহত্তর ঢাকা জেলা প্রাচীনকালে কোন জনপদের অন্তর্ভুক্ত ছিল?
  1. সমতট
  2. পুণ্ড্রু
  3. বঙ্গ
  4. হরিকেল
সঠিক উত্তর:
বঙ্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বঙ্গ
ব্যাখ্যা
• বঙ্গ জনপদ:
- প্রাচীন বাংলা কতগুলো অঞ্চল বা জনপদে বিভক্ত ছিলো।
- এর মধ্যে ‘বঙ্গ' জনপদ ছিলো অন্যতম।
- বঙ্গ জনপদ অন্তর্ভুক্ত ছিলো বৃহত্তর ফরিদপুর, বাখেরগঞ্জ ও পটুয়াখালীর নিচু জলাভূমি, ঢাকা, বরিশাল, ময়মনসিংহের কিছু অংশ।
- এই অঞ্চলে বসবাসকারী ‘বঙ্গ’ জনগোষ্ঠী থেকে ‘বঙ্গ’ নামের উৎপত্তি ঘটেছে বলে ধারণা করা হয়।

প্রাচীন জনপদগুলোর অবস্থান:
- গৌড় জনপদ: বর্তমান চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে শুরু করে পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ, বীরভূম ও বহরমপুর এলাকায় এটি বিস্তৃত ছিলো।
- বঙ্গ জনপদ: বঙ্গ জনপদ অন্তর্ভুক্ত ছিলো বৃহত্তর ফরিদপুর, বাখেরগঞ্জ ও পটুয়াখালীর নিচু জলাভূমি, ঢাকা, বরিশাল, ময়মনসিংহের কিছু অংশ।
- পুণ্ড্র জনপদ: বগুড়া, রংপুর, দিনাজপুর, রাজশাহী প্রভৃতি অঞ্চল নিয়ে এই জনপদটি গঠিত হয়েছিলো।
- বরেন্দ্র জনপদ: বর্তমান রাজশাহী, রংপুর ও দিনাজপুর অঞ্চল জুড়ে বিরাজমান ছিলো।
- হরিকেল জনপদ: সিলেট ও চট্টগ্রামের অংশবিশেষ ছিলো।
- চন্দ্রদ্বীপ জনপদ: বর্তমান বরিশাল অঞ্চলে চন্দ্রদ্বীপ নামক একটি জনপদের সৃষ্টি হয়েছিল। এ জনপদটি বালেশ্বর ও মেঘনার মধ্যবর্তী স্থানে অবস্থিত।
- সমতট জনপদ: বর্তমান বৃহত্তর নোয়াখালী ও কুমিল্লা অঞ্চল জুড়ে বিস্তৃত ছিলো।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
১১,৯৬৭.
'আইনগত কাঠামো আদেশ' জারি করেন কে?
  1. ক) আইয়ুব খান
  2. খ) নুরুল আমিন
  3. গ) ইস্কান্দার মির্জা
  4. ঘ) ইয়াহিয়া খান
সঠিক উত্তর:
ঘ) ইয়াহিয়া খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ইয়াহিয়া খান
ব্যাখ্যা
জেনারেল ইয়াহিয়ার আইনগত কাঠামো আদেশ
জেনারেল ইয়াহিয়া খান ক্ষমতা গ্রহণের পর ১৯৭০ সালের ৩০ মার্চ সাধারণ নির্বাচনের ভিত্তি হিসেবে পাকিস্তানের সংবিধান প্রণয়ন, গ্রহণ এবং মূলনীতি ও নির্বাচনের পদ্ধতি সম্বলিত এক আইনগত কাঠামো আদেশ জারি করেন। তাঁর আইনগত কাঠামো আদেশ ছিল নিম্নরূপ-
(১) সাধারণ নির্বাচনের পদ্ধতিগত নীতিমালা-
(ক) সার্বজনীন প্রাপ্তবয়স্ক ভোটাধিকার নীতি গ্রহীত হবে।
(খ) ‘এক ব্যক্তি, এক ভোট’ এ নীতি অনুসৃত হবে।
(গ) পাকিস্তানে জাতীয় পরিষদে প্রত্যেক প্রদেশ জনসংখ্যার ভিত্তিতে প্রতিনিধিত্ব প্রদান করবে। 

২) জাতীয় পরিষদ গঠন সম্পর্কে নিয়মাবলি-
(ক) ৩১৩ জন সদস্য নিয়ে জাতীয় পরিষদ গঠিত হবে
(খ) জাতীয় পরিষদের ৩১৩টি আসনের মধ্যে ৩০০টি সাধারণ আসন এবং বাকি ১৩টি আসন মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে। সাধারণ আসন জনগণের ভোটে নির্বাচিত হবে।

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, বাংলাপিডিয়া এবং অসমাপ্ত আত্মজীবনী।
১১,৯৬৮.
কোনটি বাংলাদেশ সরকারের জাতীয় ওয়েব পোর্টাল?
  1. www.bangladesh.com
  2. www.bangladesh.gov.bd
  3. www.bangladesh.gov.net
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
www.bangladesh.gov.bd
উত্তর
সঠিক উত্তর:
www.bangladesh.gov.bd
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের জাতীয় ওয়েব পোর্টাল:
- বাংলাদেশের জাতীয় ওয়েব পোর্টাল www.bangladesh.gov.bd।
- এখানে .gov-এর পরে যুক্ত হওয়া .bd হচ্ছে কান্ট্রি কোড।
- ওয়েব পোর্টালটি ‘বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন’ নামেও পরিচিত।
- বিভিন্ন সেবা ও তথ্যের পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, অধিদপ্তরের ঠিকানাও এ পোর্টালে রাখা হয়েছে।
- অর্থাৎ কেউ যদি সরকারি কোনো সাইটের ঠিকানা না জানে, সমস্যা নেই।

⇒ এই পোর্টালের ঠিকানা জানা থাকলেই এখান থেকে সরকারি বিভিন্ন সাইটে যাওয়া যাবে। বিভিন্ন জেলা-উপজেলার জন্য চালু করা সাইটের লিংকও আছে এখানে।
- সর্বসাধারণের জন্য সরকারি নির্দেশনা, বিজ্ঞপ্তির পাশাপাশি বিভিন্ন সেবার জন্য অনলাইনে আবেদন কিংবা নিবন্ধন করা যাবে এ পোর্টাল থেকে। এ ছাড়া পাসপোর্ট, ভিসা ও ইমিগ্রেশন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, আয়কর, অর্থ ও বাণিজ্য, নিয়োগ, ট্রেন ও বিমানের টিকিট বুকিং, পোস্টাল ও কুরিয়ার, রেডিও-টিভির খবর, ইউটিলিটি বিল, মৎস্য ও প্রাণী, ট্রেজারি চালানসংক্রান্ত সেবার লিংক পাওয়া যাবে পোর্টালটিতে।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) কালের কন্ঠ।
১১,৯৬৯.
রাজা মানসিংহ কোন মুঘল সম্রাটের শেষ সুবাদার ছিলেন?
  1. সম্রাট শাহজাহান
  2. সম্রাট আকবর
  3. সম্রাট আওরঙ্গজেব
  4. সম্রাট হুমায়ুন
সঠিক উত্তর:
সম্রাট আকবর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্রাট আকবর
ব্যাখ্যা
রাজা মানসিংহ:
- বাংলায় আকবরের শেষ সুবাদার ছিলেন রাজা মানসিংহ।
- তিনি ছিলেন রাজপুত এবং একজন দক্ষ সেনাপতি।
- মানসিংহ তাঁর ছেলে দুর্জন সিংহকে বিশাল বাহিনী নিয়ে ভাটি আক্রমণ করতে পাঠান।
- ব্রহ্মপুত্র তীরে এগারসিন্ধুতে ঈসা খান দুর্জন সিংহকে পরাজিত ও নিহত করেন।
- ঈসা খানের সাথে মানসিংহের একক যুদ্ধ হয়।
- ঈসা খান মানসিংহকে একক যুদ্ধে আহ্বান করেন এবং ঘোষণা করেন যে, যুদ্ধে জয়ী যিনি হবেন তিনিই বাংলার কর্তৃত্ব লাভ করবেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৯৭০.
মুঘল সম্রাটদের মধ্যে কে প্রথম আত্মজীবনী লিখেছিলেন?
  1. সম্রাট হুমায়ুন
  2. সম্রাট শাহজাহান
  3. সম্রাট বাবর
  4. সম্রাট আকবর
সঠিক উত্তর:
সম্রাট বাবর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্রাট বাবর
ব্যাখ্যা

মুঘল সম্রাটদের মধ্যে প্রথম আত্মজীবনী লিখেছিলেন সম্রাট বাবর। তার রচিত আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ 'তযুক-ই-বাবরী'। 

সম্রাট বাবর:
- জহির উদ্দিন মুহম্মদ বাবর ছিলেন ভারতবর্ষে মুঘল সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা।
- বাবরের পিতা উমর শেখ মির্জা ছিলেন দুধর্ষ সমর নেতা তৈমুরের বংশধর এবং মাতা কুতলুঘ নিগার খানম ছিলেন মোঙ্গল নেতা চেঙ্গিস খানের অধস্তন বংশধর ইউনুস খানের কন্যা।
- মাত্র ১১ বছর বয়সে বাবর পিতৃ সিংহাসনে উপবেশন করেন।
- বাবর অল্পদিনের মধ্যেই সমগ্র আফগানিস্তানে নিজ কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করে 'পাদশাহ' (বাদশাহ) উপাধি গ্রহণ করে ১৫২৬ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত কাবুলের শাসনক্ষমতায় অধিষ্ঠিত ছিলেন।
- ১৫১২ খ্রিস্টাব্দে উজবেকদের সাথে সংঘটিত এক যুদ্ধে বাবর পরাজিত হয়ে সমরকন্দ থেকে বিতাড়িত হন। অতঃপর মধ্য এশিয়ায় রাজ্য স্থাপন অসম্ভব মনে করে বাবর ভারতবর্ষের দিকে মনোনিবেশ করেন।

⇒  ১৫২৬ খ্রিস্টাব্দে পানিপথের প্রথম যুদ্ধে ইব্রাহীম লোদীকে, ১৫২৭ খ্রিস্টাব্দে খানুয়ার যুদ্ধে মেবারের রাজপুত নেতা রানা সংগ্রাম সিংহকে, ১৫২৮ খ্রিস্টাব্দে চান্দেরী অভিযানের সময় মেদেনী রাওকে এবং সর্বশেষ ১৫২৯ খ্রিস্টাব্দে গোগরার যুদ্ধে সম্মিলিত আফগান শক্তিকে পরাস্ত করার মধ্যে বাবরের উন্নত সামরিক কৌশল, রণনিপুণতা এবং একজন সফল সমর নায়কের কৃতিত্ব ফুটে উঠে। 

⇒ জহির উদ্দিন মুহম্মদ বাবর ১৫৩০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত মুঘল সাম্রাজ্য শাসন করেন। তাঁর সময় মুঘল সাম্রাজ্য পশ্চিমে কাবুল থেকে পূর্বে বিহার এবং উত্তরে হিমালয় থেকে দক্ষিণে চান্দেরি পর্যন্ত বিস্তার লাভ করে। মাত্র চার বছরের সংক্ষিপ্ত রাজত্বকালে বাবর বিশাল সাম্রাজ্যে সুষ্ঠু শাসন ব্যবস্থা অব্যাহত রাখেন।
- তবে বাবর খলিফার ক্ষমতাকে অস্বীকার করে স্বয়ং 'বাদশাহ' উপাধি গ্রহণ করেন।
- বাবর সমগ্র সাম্রাজ্যব্যাপী ১৫ মাইল অন্তর অন্তর ডাকচৌকির ব্যবস্থা করেন।
- তিনি তুর্কি ও ফার্সি ভাষায় অসংখ্য কবিতা রচনা করেন। তাঁর রচিত তুর্কি কবিতার সংকলন 'দিওয়ান' নামে পরিচিত। জহির উদ্দিন মুহম্মদ বাবরের সাহিত্যানুরাগের শ্রেষ্ঠ নির্দশন তুর্কি ভাষায় রচিত আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ 'তযুক-ই-বাবরী'। 'তুযুক-ই-বাবরী' মুঘল ইতিহাসের এক অমূল্য দলিল।

উৎস: ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১,৯৭১.
যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনী প্রতীক কী ছিল?
  1. লাঙল
  2. নৌকা
  3. হারিকেন
  4. লাঠিম
সঠিক উত্তর:
নৌকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নৌকা
ব্যাখ্যা
যুক্তফ্রন্ট:
- ১৯৫৩ সালের ১৪ নভেম্বর ময়মনসিংহে অনুষ্ঠিত আওয়ামী মুসলিম লীগের কাউন্সিলে ‘যুক্তফ্রন্ট' গঠনের সিদ্ধান্ত হয়।
- চারটি বিরোধী রাজনৈতিক দল নিয়ে যুক্তফ্রন্ট গঠিত হয়।
- যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনী প্রতীক ছিল নৌকা। 
- ২১ ফেব্রুয়ারিকে স্মরণীয় করে রাখার জন্য যুক্তফ্রন্টের ইশতেহার করা হয় ২১ দফা। 
- ২১ দফা কর্মসূচির মুখ্য রচয়িতা ছিলেন আবুল মনসুর আহমদ। 
- যুক্তফ্রন্ট তাদের ঐতিহাসিক ২১ দফা দাবিতে গণমানুষের অধিকারের কথা তুলে ধরে।
- ১৯৫৪ সালের ৮ মার্চের নির্বাচন ছিল পূর্ব বাংলায় প্রথম অবাধ ও সর্বজনীন ভোটাধিকারের মাধ্যমে সাধারণ নির্বাচন। 
- ২ এপ্রিল নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশিত হয়। 
- নির্বাচনে মুসলিম লীগ শোচনীয়ভাবে পরাজিত হয়, বিশাল ব্যবধানে জয়লাভ করে যুক্তফ্রন্ট।

যুক্তফ্রন্টের মন্ত্রিসভা:
- যুক্তফ্রন্ট ১৯৫৪ সালের নির্বাচনে জয়লাভ করে ৪ সদস্য বিশিষ্ট মন্ত্রীসভা গঠন করে।
• মুখ্যমন্ত্রী, অর্থ, রাজস্ব ও স্বরাষ্ট্র বিভাগ: শেরেবাংলা এ কে ফজলুল।
• বিচার, স্বাস্থ্য ও স্থানীয় সরকার: আবু হোসেন সরকার।
• শিক্ষা: সৈয়দ আজিজুল হক।
• কৃষি, সমবায় ও পল্লী উন্নয়ন বিভাগ: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৯৭২.
ছিটমহল বিনিময় কার্যকর শুরু হয় কোন তারিখে?
  1. ক) ২৮ জুলাই ২০১৫
  2. খ) ২৯ জুলাই ২০১৫
  3. গ) ৩০ জুলাই ২০১৫
  4. ঘ) ৩১ জুলাই ২০১৫
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৩১ জুলাই ২০১৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৩১ জুলাই ২০১৫
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে স্থল সীমান্ত চুক্তি অনুযায়ী ২০১৫ সালের ৩১ জুলাই দুই দেশের মধ্যে ছিটমহল বিনিময় হয়। ফলে বাংলাদেশের মোট ভূখণ্ডে ১০০৪১.২৫ একর ভূমি যোগ হয়। ১৯৭৪ সালের ১৬ মে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে স্থল সীমান্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এটি ঐতিহাসিক মুজিব-ইন্দিরা চুক্তি নামে পরিচিত।
সূত্র- ভূগোল ও পরিবেশ ৯ম-১০ম শ্রেণি
১১,৯৭৩.
চীনের মহাপ্রাচীরের নির্মাতা কে?
  1. ক) গুয়াংউ
  2. খ) লী সিং
  3. গ) লিউ বাং
  4. ঘ) শি হুয়াং তি
সঠিক উত্তর:
ঘ) শি হুয়াং তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) শি হুয়াং তি
ব্যাখ্যা
চীনের প্রাচীর:
- চিনের মহা প্রাচীর নির্মিত হয় চৌ-রাজ বংশের আমলে।
- রাজা শি হুয়াং তি এই প্রাচীর তৈরি করেন।
- হুনদের আক্রমণ থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য যে প্রাচীর নির্মিত হয়েছিল এখন তা বিশ্বের আশ্চর্য বস্তুর একটি।
- দেড় হাজার মাইল দীর্ঘ এই প্রাচীরের উচ্চতা গড়ে ২৪ ফুট।
- এই প্রাচীরের উপর দিয়ে ৬ জন অশ্বারােহী পাশাপাশি চলতে পারতাে।

উৎস: মাধ্যমিক বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং History.com।
১১,৯৭৪.
৬ দফা কর্মসূচী কে ঘোষণা করে?
  1. ক) মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী
  2. খ) হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
  3. গ) শেখ মুজিবুর রহমান
  4. ঘ) ফজলুল হক
সঠিক উত্তর:
গ) শেখ মুজিবুর রহমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) শেখ মুজিবুর রহমান
ব্যাখ্যা
ছয় দফা:
- ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে একটি সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তানের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও প্রতিরক্ষার দাবি সংবলিত একটি কর্মসূচি ঘোষণা করেন।
- ইতিহাসে এটিই ৬ দফা কর্মসূচি নামে পরিচিত।
- পরবর্তীতে ২৩ মার্চ, ১৯৬৬ সালে লাহোরের এক সংবাদ সম্মেলনে শেখ মুজিবুর রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে ৬ দফা দাবি ঘোষণা করেন।
- ৬ দফা দাবিকে বাঙালি জাতির ‘মুক্তির সনদ' বা ‘ম্যাগনেকার্টা' হিসাবে পরিচিত। 
- ছয় দফা দাবি ঐতিহাসিক ‘লাহোর প্রস্তাব' এর ভিত্তিতে রচিত।
- দফা গুলো হলো:
প্রথম দফা- প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন।
দ্বিতীয় দফা- কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা,
তৃতীয় দফা- মুদ্রা বা অর্থ-সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
চতুর্থ দফা- রাজস্ব, কর বা শুল্ক সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
পঞ্চম দফা- বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা এবং
ষষ্ঠ দফা- আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা।

উৎস: ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ।
১১,৯৭৫.
১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে বন্দি হওয়ার পূর্বেই বঙ্গবন্ধু কার নিকট স্বাধীনতার ঘোষণা বাণী প্রেরণ করেন?
  1. আ স ম আব্দুর রব
  2. জিয়াউর রহমান
  3. এম. এ. হান্নান
  4. খালেদ মোশাররফ
সঠিক উত্তর:
এম. এ. হান্নান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এম. এ. হান্নান
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা:

- বঙ্গবন্ধু বন্দি হওয়ার পূর্বেই চট্টগ্রামস্থ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জনাব এম. এ. হান্নানের নিকট স্বাধীনতার ঘোষণা বাণী প্রেরণ করেন।
- বাণীটি স্বাধীনতার দলিলপত্র তৃতীয় খণ্ডে লিপিবদ্ধ করা হয়েছে (পৃ.১)। বাণীটি নিম্নরূপ:
• 'আজ থেকে বাংলাদেশ স্বাধীন। এই আমার শেষ কথা। যে যেখানেই থাকুন না কেন সকলের প্রতি আমার আবেদন রইল, যার কাছে যা আছে তাই নিয়ে দখলদার বাহিনীর মোকাবিলা করুন এবং বাংলার মাটি থেকে পাক দখলদার বাহিনীকে সমূলে উৎখাত করে চূড়ান্ত বিজয় না-হওয়া পর্যন্ত লড়ে যান'।
- এম.এ. হান্নান বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ঘোষণা ২৬ মার্চ দুপুরে চট্টগ্রাম বেতার কেন্দ্র থেকে প্রচার করেন।
- ২৭ মার্চ কালুরঘাটে স্থাপিত স্বাধীন বাংলা বিপ্লবী বেতার কেন্দ্র (পরে স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র) থেকে মেজর জিয়াউর রহমান বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পক্ষে স্বাধীনতার ঘোষণা পাঠ করেন।
- এই ঘোষণাটিও স্বাধীনতার দলিলপত্রে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৯৭৬.
যুক্তফ্রন্ট সরকার কত দিন ক্ষমতায় ছিল?
  1. ৩৬ দিন
  2. ৪৬ দিন
  3. ৫৬ দিন
  4. ৬৬ দিন
সঠিক উত্তর:
৫৬ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৬ দিন
ব্যাখ্যা

যুক্তফ্রন্ট সরকার:
- ১৯৫৩ সালের ১৪ই নভেম্বর যুক্তফ্রন্ট গঠনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।
- ১৯৫৪ সালের মার্চ মাসে প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- পূর্ববাংলার প্রাদেশিক পরিষদের ২৩৭টি মুসসিম আসনের মধ্যে যুক্তফ্রন্ট ২২৩টি আর মুসলিম লীগ মাত্র ১টি আসন লাভ করে। 
- ১৯৫৪ সালের ৩রা এপ্রিল যুক্তফ্রন্টভুক্ত কৃষক শ্রমিক পার্টির নেতা এ.কে. ফজলুল হক মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন।
- যুক্তফ্রন্ট সরকার মাত্র ৫৬ দিন ক্ষমতায় ছিল।
- পাটকল ও কর্ণফুলি কাগজের কলে বাঙালি-অবাঙালি দাঙ্গাকে অজুহাত হিসেবে দাঁড় করিয়ে পাকিস্তানের গভর্নর জেনারেল গোলাম মোহাম্মদ ১৯৫৪ সালের ৩০ মে যুক্তফ্রন্ট সরকারকে বরখাস্ত করে।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।

১১,৯৭৭.
মুক্তিযুদ্ধে কোন রেজিমেন্ট 'জেড ফোর্স' এর অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. ১ম রেজিমেন্ট
  2. ৩য় রেজিমেন্ট
  3. ৮ম রেজিমেন্ট
  4. ৯ম রেজিমেন্ট
সঠিক উত্তর:
৯ম রেজিমেন্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯ম রেজিমেন্ট
ব্যাখ্যা
• মুক্তিবাহিনী:
- মুক্তিবাহিনীর সদস্যরা নিয়মিত ও অনিয়মিত দুটি ভাগে বিভক্ত ছিল।
- অনিয়মিত বাহিনী গণবাহিনী নামে পরিচিত ছিল।
- নিয়মিত বাহিনীর অন্তর্ভুক্ত ছিল ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট ও পূর্ব পাকিস্তান রাইফেলসের সৈন্যরা।
• ব্রিগেড ফোর্স: 
- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের রণাঙ্গনকে ১১টি সেক্টর ও তার অধীন অনেক সাব-সেক্টর ছাড়াও তিনটি ব্রিগেড ফোর্সে বিভক্ত করা হয়।

জেড ফোর্স:
- 'জেড ফোর্স' নামে পরিচিত নিয়মিত বাহিনীর প্রথম ব্রিগেডটি জুলাই মাসে গঠিত হয়।
- এই ব্রিগেডের কমান্ডার মেজর জিয়াউর রহমানের নামের ইংরেজি আদ্যক্ষর 'জেড' অনুসারে ব্রিগেডটির নামকরণ করা হয়।
- ব্রিগেডটি ১ম, ৩য় ও ৮ম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট নিয়ে গঠিত হয়।

• 'এস' ফোর্স:
এ ব্রিগেডের অধিনায়ক ছিলেন সফিউল্লাহ।
'এস ফোর্স' নামে পরিচিত দ্বিতীয় নিয়মিত ব্রিগেডটি ২য় ও ১১তম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের সৈনিকদের নিয়ে অক্টোবরে গঠিত হয়।

• 'কে' ফোর্স:
খালেদ মোশাররফের অধিনায়কত্বে 'কে ফোর্স' গঠিত হয় ৪র্থ, ৯ম ও ১০ম ইস্ট বেঙ্গলের সদস্যদের নিয়ে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১১,৯৭৮.
১৯৭০ সালের জাতীয় পরিষদ নির্বাচনে নারীদের জন্য সংরক্ষিত আসন সংখ্যা কত ছিল?
  1. ১৩টি
  2. ১৫টি
  3. ১৭টি
  4. ১৯টি
সঠিক উত্তর:
১৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩টি
ব্যাখ্যা
১৯৭০ সালের জাতীয় পরিষদ নির্বাচনে আসন বন্টন:
- আইনগত কাঠামো আদেশ অনুযায়ী জাতীয় পরিষদের আসন সংখ্যা ৩১৩টি নির্ধারণ করা হয়।
- সাধারণ আসন সংখ্যা ৩০০টি এবং নারীদের জন্য সংরক্ষিত আসন সংখ্যা ১৩টি।
- পূর্ব পাকিস্তানে মোট আসন সংখ্যা ১৬৯টি।
• সাধারণ আসন সংখ্যা ১৬২টি।
• নারীদের জন্য সংরক্ষিত আসন সংখ্যা ৭টি।
- পশ্চিম পাকিস্তানে মোট আসন সংখ্যা ১৪৪টি।
• সাধারণ আসন সংখ্যা ১৩৮টি।
• নারীদের জন্য সংরক্ষিত আসন সংখ্যা ৬টি।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৯৭৯.
পৃথিবীতে প্রাণের সূচনা হয় আনুমানিক-
  1. ক) ১০০ কোটি বছর আগে
  2. খ) ১০ লক্ষ বছর আগে
  3. গ) ১০ কোটি বছর আগে
  4. ঘ) ১ কোটি বছর আগে
সঠিক উত্তর:
ক) ১০০ কোটি বছর আগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১০০ কোটি বছর আগে
ব্যাখ্যা
জীবনের সূচনা ও বিকাশ : আজ থেকে প্রায় ৪.৬ বিলিয়ন বছর আগে পৃথিবীর সৃষ্টি হয় এবং প্রায় ৩.৬ বিলিয়ন বছর আগে পৃথিবীতে প্রথম প্রাণের সূচনা হয় বলে ধারণা করা হয়। পৃথিবীর বায়ুমন্ডলে তখন কোন অক্সিজেন ছিল না, তাই জীবন সৃষ্টির প্রাথমিক পর্যায়ে জীবগুলো ছিল অণুজীব, আদিকোষী এবং ব্যাকটেরিয়া জাতীয় যারা অক্সিজেন ছাড়াই বাঁচতে পারতো।
রেফারেন্সঃ জীববিজ্ঞান বই, এসএসসি লেভেল, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
বেস্ট এন্সার হিসেবে ক) ১০০ কোটি বছর আগে নেয়া হল।
১১,৯৮০.
নিচের কোনটি প্রাচীন বাংলার জনপদ নয়?
  1. ক) বঙ্গ
  2. খ) হরপ্পা
  3. গ) পুণ্ড্র
  4. ঘ) রাঢ়
সঠিক উত্তর:
খ) হরপ্পা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) হরপ্পা
ব্যাখ্যা
- প্রাচীন যুগে বাংলা কোন একক বা অখণ্ড রাষ্ট্র ছিলো না। সমগ্র বাংলা তখন কতগুলো ছোট ছোট অংশে বিভক্ত ছিলো। এসব ছোট ছোট অংশ ‘জনপদ’ নামে পরিচিত।
- প্রাচীন শিলালিপি ও সাহিত্যগ্রন্থে প্রাচীন বাংলায় প্রায় ষোলটি জনপদের উল্লেখ পাওয়া যায়।
প্রাচীন বাংলার জনপদ সমূহ:
- পুণ্ড্র
- বঙ্গ
- বরেন্দ্র
- সমতট
- হরিকেল
- রাঢ়
- চন্দ্রদ্বীপ
- তাম্রলিপ্ত
- গঙ্গারিডাই
- গৌড় প্রভৃতি।
- হরপ্পা প্রাচীন বাংলার জনপদ নয়। এটি সিন্ধু সভ্যতার একটি বিখ্যাত নগর।
(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
১১,৯৮১.
অপারেশন জ্যাপকট কবে পরিচালিত হয়?
  1. ক) ১০ জুন
  2. খ) ১৭ জুলাই
  3. গ) ১৫ অক্টোবর
  4. ঘ) ১৫ আগস্ট
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৫ আগস্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৫ আগস্ট
ব্যাখ্যা

- ১৯৭১ সালের ১৫ আগস্ট মুক্তিবাহিনীর নৌ-কমান্ডোরা পরিচালিত প্রথম অভিযান অপারেশন জ্যাকপট নামে পরিচিত।
- এদিন নৌ-কমান্ডোরা একযোগে চট্টগ্রাম, মংলা, চাঁদপুর ও নারায়ণগঞ্জ বন্দরে পাকবাহিনীর উপর হামলা চালায়। এতে পাকবাহিনীর ২৬টি নৌযান ধ্বংস হয়।
- মোট ১৪৮ জন নৌ-কমান্ডোরা চারটি গ্রুপে ভাগ হয়ে এ অপারেশনে অংশ নেয়।

(সূত্রঃ বাংলাপিডিয়া)

১১,৯৮২.
ফারাক্কা বাঁধ বাংলাদেশের সীমান্ত থেকে কত দূরে অবস্থিত?
  1. ২৪.৭ কিলোমিটার
  2. ২১.০ কিলোমিটার
  3. ১৯.৩ কিলোমিটার
  4. ১৬.৫ কিলোমিটার
সঠিক উত্তর:
১৬.৫ কিলোমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬.৫ কিলোমিটার
ব্যাখ্যা
• ফারাক্কা বাঁধ:
- ফারাক্কা বাঁধ গঙ্গা নদীর উপর অবস্থিত একটি বাঁধ।
- ভারতের হুগলী নদীতে পানি সরবরাহ এবং কলকাতা বন্দরটি সচল করার জন্য ১৯৭৪ সালে এই ফারাক্কা বাঁধ নির্মাণ করা হয়।
- যার অবস্থান বাংলাদেশ থেকে মাত্র ১৬.৫ কিলোমিটার উজানে ভারতের ভূখণ্ডে গঙ্গা নদীর ওপরে।
- ১৯৬১ সালে এই বাঁধ নির্মাণের কাজ শুরু হয়।
- শেষ হয় ১৯৭৫ সালে।
- সেই বছর ২১ এপ্রিল থেকে বাঁধ চালু হয়।
- বাঁধটিতে মোট ১০৯টি গেট রয়েছে।
- ফারাক্কা বাঁধের কারণে বাংলাদেশে পানির প্রবাহ কমতে থাকার প্রেক্ষাপটে ১৯৯৬ সালে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ৩০ বছর মেয়াদী গঙ্গা চুক্তি হয়।

উৎস: ১ অক্টোবর ২০১৯, বিবিসি বাংলা নিউজ।
১১,৯৮৩.
বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর বর্তমান প্রধান কে?
  1. এয়ার চীফ মার্শাল মাসিহুজ্জামান সেরনিয়াবাত
  2. এয়ার মার্শাল শফিউদ্দিন আহমেদ
  3. এয়ার মার্শাল শেখ আব্দুল হান্নান
  4. এয়ার মার্শাল মুহাম্মদ এনামুল বারী
সঠিক উত্তর:
এয়ার মার্শাল শেখ আব্দুল হান্নান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এয়ার মার্শাল শেখ আব্দুল হান্নান
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর বর্তমান ও ১৬তম প্রধান হলেন এয়ার মার্শাল শেখ আব্দুল হান্নান। তিনি গত ১২ জুন বিমানবাহিনী প্রধান হিসেবে দায়িত্বগ্রহণ করেন।
- জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ দেশের ১৭তম সেনাপ্রধান হিসেবে গত ২৪ জুন দায়িত্বগ্রহণ করেন।
(তথ্যসূত্র: বিমান ও সেনা বাহিনী ওয়েবসাইট)
১১,৯৮৪.
মুক্তিযুদ্ধে ময়মনসিংহ অঞ্চলের গেরিলা বাহিনীর নাম কী ছিল?
  1. কুদ্দুস বাহিনী
  2. মুজিব বাহিনী
  3. আফসার বাহিনী
  4. আকবর বাহিনী
সঠিক উত্তর:
আফসার বাহিনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আফসার বাহিনী
ব্যাখ্যা

অন্যান্য বাহিনী:
- নিয়মিত এবং অনিয়মিত বাহিনী ছাড়াও যুদ্ধের সময় আরো কিছু বাহিনী বিভিন্ন অঞ্চলে গঠিত হয়। তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো-

• বেঙ্গল লিবারেশন ফোর্স বা বি. এল. এফ এটিকে বলা হয় রাজনৈতিক সশস্ত্র বাহিনী। কেননা ছাত্র নেতা শেখ ফজলুল হক মণি, সিরাজুল ইসলাম খান প্রমুখের নেতৃত্বে ছাত্রলীগের নেতা, কর্মী এবং আরো কিছু শিক্ষিত যুবকদের নিয়ে এই বাহিনী গঠিত হয়েছিল। এরা পরবর্তীতে ‘মুজিব বাহিনী’ নামেও সমধিক পরিচিতি লাভ করে।

• টাঙ্গাইলের কাদেরিয়া বাহিনী- এটির প্রধান ছিলেন কাদের সিদ্দিকী। পরে যাকে ‘বঙ্গবীর’ উপাধিতে ভূষিত করা হয়। এই বাহিনী গেরিলা আক্রমণ পরিচালনা করত।

• ময়মনসিংহের ভালুকার আফসার বাহিনী- এই বাহিনীটিও গেরিলা আক্রমণ চালিয়ে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীকে বৃহত্তর ময়মনসিংহ এলাকায় পর্যদুস্ত করে রেখেছিল।

এছাড়াও,
- সিরাজগঞ্জে রফিক মির্জা বাহিনী।
- ফরিদপুরের হেমায়েত বাহিনী।
- ঝিনাইদহের আকবর বাহিনী।
- বরিশালের কুদ্দুস বাহিনী উল্লেখযোগ্য।

উৎস: ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও প্রথম আলো।

১১,৯৮৫.
মুক্তিযুদ্ধকালীন সরকারের সচিবালয় কোথায় অবস্থিত ছিল?
  1. বৈদ্যনাথতলা
  2. মেহেরপুর
  3. থিয়েটার রোড, কলকাতা
  4. ঢাকা
সঠিক উত্তর:
থিয়েটার রোড, কলকাতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
থিয়েটার রোড, কলকাতা
ব্যাখ্যা
মুজিবনগর অস্থায়ী সরকার: 
- ২৫ মার্চ রাতে পাকিস্তানি বাহিনীর আক্রমণ ও গণহত্যা শুরু হলে পূর্ব পাকিস্তান হতে নির্বাচিত জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদের অধিকাংশ সদস্য প্রতিবেশি দেশ ভারতে আশ্রয় নেন। 
- তারা একত্রিত হয়ে মুক্তিযুদ্ধ সঠিকভাবে পরিচালনার জন্য ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল স্বাধীন বাংলাদেশের একটি অস্থায়ী সরকার গঠন করেন। 
- ১৭ এপ্রিল অস্থায়ী সরকারের সদস্যগণ মেহেরপুর বৈদ্যনাথ তলায় শপথ গ্রহণ করেন।
- সরকারের প্রধান ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। 
- তাঁর নাম অনুসারে বৈদ্যনাথ তলার নামকরণ করা হয় মুজিবনগর এবং দেশে-বিদেশে সরকার পরিচিত হয় মুজিবনগর সরকার নামে।
- আওয়ামী লীগের চীপ হুইপ অধ্যাপক ইউসুফ আলী অস্থায়ী সরকারের সদস্যদের শপথ পাঠ করান। 
- শপথ অনুষ্ঠানে অধ্যাপক ইউসুফ আলী স্বাধীনতার ঘোষণা পত্র পাঠ করেন। 
- এ সরকার গঠনের মাত্র দুই ঘন্টা পর পাকিস্তানি বাহিনীর বিমান মুজিবনগরে বোমাবর্ষণ করে এবং মেহেরপুর দখল করে নেয়।
- ফলে মুজিবনগর সরকারের সচিবালয় কলকাতার ৮নং থিয়েটার রোডে স্থানান্তরিত হয়।

উৎস: ইতিহাস প্রথমপত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৯৮৬.
মুক্তিবাহিনী কবে গঠিত হয়েছিল?
  1. ১৯৭১ সালের ১১ এপ্রিল
  2. ১৯৭১ সালের ১১ জুন
  3. ১৯৭১ সালের ১১ জুলাই
  4. ১৯৭১ সালের ১১ নভেম্বর
সঠিক উত্তর:
১৯৭১ সালের ১১ জুলাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭১ সালের ১১ জুলাই
ব্যাখ্যা
মুক্তিবাহিনী:
- মুক্তিবাহিনী বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে সংগঠিত সশস্ত্রবাহিনী।
- মুজিবনগর সরকার পরিকল্পিত উপায়ে মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনা করার জন্য সামরিক ও বেসামরিক সকল জনগণকে নিয়ে ১৯৭১ সালের ১১ জুলাই মুক্তিবাহিনী গঠন করে।

• মুক্তিবাহিনীর সদস্যরা দুটি ভাগে বিভক্ত ছিল-
১/ নিয়মিত বাহিনী ও
২/ অনিয়মিত বাহিনী।

নিয়মিত বাহিনী:
- নিয়মিত বাহিনীর অন্তর্ভুক্ত ছিল ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট ও পূর্ব পাকিস্তান রাইফেলসের সৈন্যরা।
- এই বাহিনীর সদস্যরা সশস্ত্রবাহিনীর প্রথাগত যুদ্ধে নিয়োজিত ছিলেন।

অনিয়মিত বাহিনী:
- অনিয়মিত বাহিনী গণবাহিনী নামে পরিচিত ছিল। ছাত্র, কৃষক, শ্রমিক ও রাজনৈতিক কর্মীদের প্রাথমিক প্রশিক্ষণের পর বিভিন্ন সেক্টরে গণবাহিনীতে নিয়োগ করা হতো।
- গণবাহিনীর সদস্যদের বাংলাদেশের অভ্যন্তরে শত্রুর বিরুদ্ধে গেরিলা যুদ্ধ পরিচালনার জন্য পাঠানো হয়।

এছাড়া, কতিপয় স্বতন্ত্র বাহিনীও  বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে যুদ্ধে অংশগ্রহণ করে এবং অনেক এলাকা মুক্ত করে। এগুলির মধ্যে ছিল মুজিব বাহিনী, কাদেরিয়া বাহিনী, আফসার ব্যাটালিয়ন এবং হেমায়েত বাহিনী।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া।
১১,৯৮৭.
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ কয়টি সেক্টরে বিভক্ত ছিল?
  1. ১০
  2. ১১
  3. ১২
সঠিক উত্তর:
১১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধ:
- মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিলো।

সেক্টরগুলো:
- ফেনী নদী থেকে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, রাঙামাটি এবং ফেনী: ১নং সেক্টর,
- ঢাকা, কুমিল্লা, আখাউড়া–ভৈরব, নোয়াখালী ও ফরিদপুরের কিছু অংশ: ২ নং সেক্টর,
- হবিগঞ্জ, আখাউড়া–ভৈরব রেললাইন থেকে পূর্ব দিকে কুমিল্লা জেলার অংশবিশেষ এবং কিশোরগঞ্জ এবং ঢাকার কিছু অংশ: ৩ নং সেক্টর,
- সিলেট জেলার অংশবিশেষ: ৪ নং সেক্টর,
- বৃহত্তর ময়মনসিংহের সীমান্তবর্তী অঞ্চল এবং সিলেট জেলার অংশ বিশেষ: ৫ নং সেক্টর,
- দিনাজপুরের ঠাকুরগাঁও মহাকুমা এবং ব্রহ্মপুত্র নদের তীরবর্তী অঞ্চল ব্যতীত সমগ্র রংপুর: ৬ নং সেক্টর,
- রাজশাহী, পাবনা, ব্রহ্মপুত্র নদীর তীরবর্তী এলাকা ব্যতীত সমগ্র বগুড়া, দিনাজপুরের দক্ষিণ অঞ্চল এবং রংপুরের কিছু অংশ: ৭ নং সেক্টর,
- কুষ্টিয়া, যশোর, দৌলতপুর সাতক্ষীরা সড়ক পর্যন্ত খুলনা জেলা ও ফরিদপুরের কিছু অংশ: ৮ নং সেক্টর,
- পটুয়াখালী, বরিশাল ও খুলনার কিছু অংশ: ৯ নং সেক্টর,
- সমুদ্র উপকূলীয় অঞ্চল, নৌ কমান্ডো ও আভ্যন্তরীন নৌ-পরিবহন: ১০ নং সেক্টর,
- ময়মনসিংহ ও টাঙ্গাইল: ১১ নং সেক্টর।

উৎস: ২৬ মার্চ ২০২৩, বিবিসি বাংলা।
১১,৯৮৮.
চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য মৃত্যুবরণ করেন কোথায়? 
  1. তক্ষশীলায়
  2. শ্রাবণবেলগোলায়
  3. ভগবান গোলায়
  4. পাটলী পুত্রে
সঠিক উত্তর:
শ্রাবণবেলগোলায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শ্রাবণবেলগোলায়
ব্যাখ্যা
• চন্দ্ৰগুপ্ত মৌর্য: 
- ভারতবর্ষের প্রথম সাম্রাজ্যের নাম মৌর্য সাম্রাজ্য।
- মৌর্য সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা পুরুষ হচ্ছেন চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য।
- তার রাজত্বকাল খ্রিস্টপূর্ব ৩২২-২৯৮ অব্দ পর্যন্ত।
- তার সময় থেকেই সর্বভারতীয় চিন্তা-চেতনার প্রসার ঘটে, মৌর্য শাসন ব্যবস্থার সূচনা হয়, বৌদ্ধ ধর্মের প্রচার-প্রসার বাড়তে থাকে।
- তার রাজধানী ছিল পাটালিপুত্র।
- সম্রাট চন্দ্রগুপ্ত মৌর্যের প্রধানমন্ত্রী ছিল কৌটিল্য।
- চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য সম্ভবত ২৪ বছর রাজত্ব করেন।
- জৈন সূত্র থেকে জানা যায় যে, পরপর কয়েক বছর অনাবৃষ্টির দরুন দুর্ভিক্ষ হলে চন্দ্রগুপ্ত সিংহাসন ত্যাগ করেন এবং
- তিনি মহীশূরের শ্রাবণবেলগোলা নামক স্থানে অনশন করে জৈনরীতিতে মৃত্যুবরণ করেন।

সূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি এবং ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৯৮৯.
স্বাধীনতা যুদ্ধে অবদানের জন্য বর্তমানে কত জন মুক্তিযোদ্ধার খেতাব বহাল রয়েছে?
  1. ৬৭২ জন
  2. ৬৭৪ জনে
  3. ৬৭৬ জনে
  4. ৬৭৮ জনে
সঠিক উত্তর:
৬৭২ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬৭২ জন
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধের খেতাব:
- মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদান ও বীরত্বের জন্যে ১৯৭৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর বঙ্গবন্ধু সরকার মোট ৬৭৬ জনকে চারটি বীরত্বসূচক খেতাব বা উপাধি প্রদান করে। এগুলো হলো:
- সর্বোচ্চ খেতাব বীরশ্রেষ্ঠ : ৭জন।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ খেতাব বীরউত্তম : ৬৮ জন।
- তৃতীয় সর্বোচ্চ খেতাব বীরবিক্রম : ১৭৫ জন।
- চতুর্থ সর্বোচ্চ খেতাব বীরপ্রতীক : ৪২৬জন।

- গত ৬ জুন ২০২১ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় বঙ্গবন্ধু হত্যার চার আসামীর মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্যে প্রদত্ত খেতাব বাতিল করে।
- স্বাধীনতা যুদ্ধে অবদানের জন্য বর্তমানে ৬৭২ জনের খেতাব বহাল রয়েছে। এর মধ্য:
- বীরশ্রেষ্ঠ : ৭জন।
- বীর উত্তম: ৬৭ জন।
- বীরবিক্রম: ১৭৪ জন।
- বীরপ্রতীক : ৪২৪ জন।

তথ্যসূত্র - মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও বাংলাপিডিয়া।
১১,৯৯০.
১৯৪৭ সালে পাকিস্তানের রাষ্ট্র ভাষা হিসেবে উর্দু ভাষাকে সমর্থন করেন কে?
  1. ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ
  2. আবুল কাশেম
  3. জিয়াউদ্দিন আহমদ
  4. লিয়াকত আলী খান
সঠিক উত্তর:
জিয়াউদ্দিন আহমদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জিয়াউদ্দিন আহমদ
ব্যাখ্যা

কেবল উর্দুই হবে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা:
- পাকিস্তান রাষ্ট্র সৃষ্টির পূর্বেই পাকিস্তানের রাষ্ট্র ভাষা নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়।
- ১৯৪৭ সালের ১৭মে মুসলিম লীগের প্রভাবশালী নেতা চৌধুরী খালিকুজ্জামান এবং একই বছর জুলাই মাসে আলীগড় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. জিয়াউদ্দিন আহমদ পাকিস্তানের রাষ্ট্র ভাষা হিসেবে উর্দুকে গ্রহণের পক্ষে মত দেন।

⇒  ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহসহ বেশ কয়েকজন বাঙালি লেখক, বুদ্ধিজীবী এর প্রতিবাদ করেন এবং বাংলার পক্ষে বক্তব্য দেন। পূর্ব বাংলায় ছাত্র ও শিক্ষিত সমাজ রাষ্ট্রভাষা বাংলার পক্ষে পত্র-পত্রিকায় মতামত প্রকাশ করতে শুরু করেন।
- বুদ্ধিজীবীদের পাশাপাশি এসময়ে পূর্ব বাংলায় গঠিত বিভিন্ন সংগঠনও এই বিষয়ে গুলুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
- পাকিস্তান রাষ্ট্র সৃষ্টি হওয়ার পর পরই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আবুল কাশেমের নেতৃত্বে তমদ্দুন মজলিশ গঠিত হয়। এটিই ছিল ভাষা আন্দোলনের প্রথম সংগঠন। এই সংগঠনের উদ্যোগে ১৯৪৭ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর ভাষা আন্দোলনের প্রথম পুস্তিকা 'পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু' প্রকাশিত হয়। এই পুস্তিকাটিতে রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবির পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করা হয়। ভাষা আন্দোলনের সাথে জড়িত ছিল বাঙালির সংস্কৃতি, রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিক স্বার্থের প্রশ্ন যা এই আন্দোলনের পটভূমি হিসেবে কাজ করেছে।

উৎস: ইতিহাস ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১,৯৯১.
'সংগ্রাম' ও 'প্রত্যাশা' কী?
  1. ধানের প্রজাতি
  2. পাখির প্রজাতি
  3. বাংলাদেশ নৌবাহিনীর দুটি যুদ্ধ জাহাজ
  4. বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর দুটি যুদ্ধ বিমান
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ নৌবাহিনীর দুটি যুদ্ধ জাহাজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ নৌবাহিনীর দুটি যুদ্ধ জাহাজ
ব্যাখ্যা
- চীনে নবনির্মিত নৌবাহিনীর দুটি যুদ্ধজাহাজ ‘সংগ্রাম’ ও ‘প্রত্যাশা’
- নৌবাহিনীর জন্য নবনির্মিত জাহাজ বানৌজা সংগ্রাম ও বানৌজা প্রত্যাশা’র প্রতিটির দৈর্ঘ্য ৯০ মিটার এবং প্রস্থ ১১ মিটার। জাহাজ দুটি ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ২৫ নটিক্যাল মাইল বেগে চলতে সক্ষম।
- নৌবাহিনীর জন্য গণচীনে নির্মিত দুটি করভেট নির্মাণের লক্ষ্যে চীনের শিপ বিল্ডিং অ্যান্ড অফশোর ইন্টারন্যাশনাল কোম্পানি লিমিটেডের সঙ্গে ২০১৫ সালের ২৯ সেপ্টেম্বরে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। 
- ২০১৬ সালের ৯ আগস্ট জাহাজ দুটির স্টিল কাটিং এর মাধ্যমে নির্মাণকাজ শুরু হয় এবং ২০১৯ সালের ২৮ মার্চ সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ নৌবাহিনীর নিকট হস্তান্তর করে। 
 
উৎস: প্রথম আলো। 
১১,৯৯২.
বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের পদবি কী ছিল?
  1. সিপাহী
  2. ল্যান্সনায়েক
  3. লেফটেন্যান্ট
  4. ক্যাপ্টেন
সঠিক উত্তর:
সিপাহী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিপাহী
ব্যাখ্যা
• বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের পদবি - 'সিপাহী'। 
--------------------
• বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে বিশেষ অবদানের জন্য ৭ জনকে সর্বোচ্চ সামরিক পদবী 'বীরশ্রেষ্ঠ' প্রদান করা হয়।

• ৭ জন বীরশ্রেষ্ঠ হলেন: 
- বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ফ্লাইট লেঃ মতিউর রহমান, 
- বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহী মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল, 
- বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর, 
- বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহী হামিদুর রহমান, 
- বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখ, 
- বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ মোহাম্মদ রুহুল আমিন,
- বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ল্যান্স নায়েক মুন্সি আব্দুর রউফ। 

তথ্যসূত্র: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও বাংলাপিডিয়া।
১১,৯৯৩.
২০২১-২২ অর্থবছরে সরকারি অনুদানপ্রাপ্ত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র কোনটি?
  1. ক) আবছায়া
  2. খ) জয় বাংলার ধ্বনি
  3. গ) ময়নামতি
  4. ঘ) গিরিকন্যা
সঠিক উত্তর:
খ) জয় বাংলার ধ্বনি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) জয় বাংলার ধ্বনি
ব্যাখ্যা
- ২০২২ সালে সরকারি অনুদানপ্রাপ্ত চলচ্চিত্রে সংখ্যা- ১৯টি।
- ২০২১-২২ অর্থবছরে সরকারি অনুদানপ্রাপ্ত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক দুইটি চলচ্চিত্র- 'জয় বাংলার ধ্বনি' ও 'একাত্তর করতলে ছিন্নমাথা'
- 'জয় বাংলার ধ্বনি' চলচ্চিত্রের পরিচালক মোহাম্মদ খোরশেদুল আলম খন্দকার।
- ‘একাত্তর-করতলে ছিন্নমাথা' চলচ্চিত্রের পরিচালক রফিকুল আনোয়ার (রাসেল)। 

উৎস: লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, জুলাই ২০২২। 
১১,৯৯৪.
ঐতিহাসিক ২১-দফা দাবীর প্রথম দাবীটি কি ছিল?
  1. ক) বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা
  2. খ) প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন
  3. গ) পূর্ববাংলার অর্থনৈতিক বৈষম্য দূরীকরণ
  4. ঘ) বিনা ক্ষতিপূরণে জমিদারী উচ্ছেদ
সঠিক উত্তর:
ক) বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা
ব্যাখ্যা
১৯৫৪ সালের নির্বাচনে যুক্তফ্রন্টের ইশতেহার ছিল ২১ দফা।
- ২১ দফা কর্মসূচির মুখ্য রচয়িতা ছিলেন আবুল মনসুর আহমদ।
- যুক্তফ্রন্ট তাদের ঐতিহাসিক ২১ দফা দাবিতে গণমানুষের অধিকারের কথা তুলে ধরে।
- এর প্রথম দফা ছিল বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা।
- যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনী প্রতীক ছিল নৌকা।

উৎসঃ ‘বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা’, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)।
১১,৯৯৫.
মুক্তিবাহিনীর বিমান উইংয়ের প্রথম গঠিত ইউনিটের নাম কী?
  1. কিলো ফ্লাইট
  2. আলফা ফ্লাইট
  3. ফ্যালকন উইং
  4. ডেল্টা ফ্লাইট
সঠিক উত্তর:
কিলো ফ্লাইট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কিলো ফ্লাইট
ব্যাখ্যা

• মুক্তিবাহিনীর বিমান উইং:
- নাগাল্যান্ডের ডিমারপুরে একটি বিমানঘাঁটি করা হয় এবং ২৮ সেপ্টেম্বর বিমানবাহিনী গঠনের ঘোষণা দেওয়া হয়।
 - এই বিমানবাহিনীর যাত্রা শুরু হয়েছিল তিনটি বিমান নিয়ে।
- ‘কিলো ফ্লাইট’ ছিল মুক্তিবাহিনীর বিমান উইংয়ের প্রথম ইউনিট। 
- মুক্তিবাহিনীর ডেপুটি চিফ অব স্টাফ এ কে খন্দকারের নাম অনুসারে এটি গঠন করা করা হয়। 
- ‘কে’ দিয়ে যেহেতু খন্দকার হয়, তাই এর নাম দেওয়া হলো ‘কিলো ফ্লাইট’। ‘কে’ ফর কিলো। আর ‘ফ্লাইট’ হচ্ছে বিমানের ভাষায় স্কোয়াড্রন থেকে ছোট একটা ইউনিট। 

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো। 

১১,৯৯৬.
হিউয়েন-সাং সম্পর্কে নিচের কোনটি সত্য নয়?
  1. তাঁর সময় উত্তর ভারতে হর্ষবর্ধন শাসন করছিলেন
  2. তাঁর সময় বাংলায় শশাঙ্ক শাসন করছিলেন
  3. তাঁর সময় উত্তর ভারতে শশাঙ্ক শাসন করছিলেন
  4. তাঁর সময় আসামে ভাস্করবর্মণ শাসন করছিলেন
সঠিক উত্তর:
তাঁর সময় উত্তর ভারতে শশাঙ্ক শাসন করছিলেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তাঁর সময় উত্তর ভারতে শশাঙ্ক শাসন করছিলেন
ব্যাখ্যা
হিউয়েন-সাং:
- ফা-হিয়েনের পরবর্তী তীর্থ-ভ্রমণকারী ছিলেন হিউয়েন-সাং।
- তাঁর বিবরণী থেকে সাত শতকের দ্বিতীয়ার্ধের বাংলা সম্পর্কে কিছুটা তথ্য জানা যায়।
- সে সময় উত্তর ভারতে হর্ষবর্ধন, বাংলায় শশাঙ্ক এবং আসামে ভাস্করবর্মণ শাসন করছিলেন
- হিউয়েন-সাং ৬৩৮ খ্রিস্টাব্দের দিকে বাংলায় আসেন।
- তাঁর বিবরণী শশাঙ্কএর ইতিহাস, বিশেষ করে হর্ষবর্ধনের সঙ্গে তাঁর বৈরিতা এবং শশাঙ্কের ধর্মনীতি সম্পর্কে জানার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ উৎস।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১১,৯৯৭.
কোন শাসকের আমলে চাঁদপুর থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত সুদীর্ঘ রাস্তা নির্মিত হয়?
  1. ক) ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ
  2. খ) শামসুদ্দিন ফিরোজ শাহ
  3. গ) সিকান্দার শাহ
  4. ঘ) গিয়াসউদ্দিন আযম শাহ
সঠিক উত্তর:
ক) ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ
ব্যাখ্যা
বাংলায় স্বাধীন সুলতানি আমল শুরু হয় ফখরুদ্দিন মুবারক শাহের আমল থেকে। বাংলার প্রথম স্বাধীন সুলতান ছিলেন তিনি। তাঁর ১১ বছরের শাসনামলের উল্লেখযোগ্য দিক হলো চট্টগ্রাম জয় করে ঐ অঞ্চলে মুসলিম শাসন বিস্তার। তিনি চাঁদপুর থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত সুদীর্ঘ রাস্তা নির্মাণ করেন। তাঁর সময়ে মরক্কোর বিখ্যাত পর্যটক ইবনে বতুতার আগমন ঘটে। সূত্র- বোর্ড বইঃ নবম-দশম শ্রেণি।
১১,৯৯৮.
এলাহাবাদ চুক্তি কার মধ্যে স্বাক্ষরিত হয়?
  1. রবার্ট ক্লাইভ ও নবাব সিরাজউদ্দৌলা
  2. লর্ড ডালহৌসি ও বাহাদুর শাহ জাফর
  3. রবার্ট ক্লাইভ ও দ্বিতীয় শাহ আলম
  4. রবার্ট ক্লাইভ ও মীর কাসিম
সঠিক উত্তর:
রবার্ট ক্লাইভ ও দ্বিতীয় শাহ আলম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রবার্ট ক্লাইভ ও দ্বিতীয় শাহ আলম
ব্যাখ্যা
এলাহাবাদ চুক্তি ও বাংলার ক্ষমতা দখল:
- এলাহাবাদ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ১৭৬৫ সালে।
- রবার্ট ক্লাইভ ও মুঘল সম্রাট দ্বিতীয় শাহ আলম-এর মধ্যে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- এই চুক্তির ফলে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার দিউয়ানি লাভ করেছিল।
- সম্রাট শাহ আলমকে কোম্পানি প্রতি বছর ২৬ লক্ষ টাকা দান করার প্রতিশ্রুতি দেয়।
- এই চুক্তির ফলে  রাজস্ব আদায় ও দেশ রক্ষার ভার ছিল কোম্পানির উপর, অন্যদিকে নিজামত তথা বিচার ও প্রশাসন বিভাগের দায়িত্ব বর্তায় নবাবের উপর।
- এর ফলে বাংলা তথা ভারতবর্ষে ইংরেজ উপনিবেশের পথ উন্মুক্ত হয়ে যায়।

⇒ কোম্পানির সরাসরি দিউয়ানির দায়িত্ব গ্রহণের জন্য যে অর্থ ও লোকবল প্রয়োজন তা যেমন ছিলনা, তেমনি এদেশীয় ভাষা ও আইন কানুন সম্পর্কে কোম্পানির কর্মচারীদের জ্ঞানও ছিল না।
- তাই রাজস্ব আদায়ের দায়িত্ব সরাসরি গ্রহণ তাদের জন্য সম্ভব ছিল না।
- এ সকল দিক চিন্তা করেই তারা দ্বৈত শাসন নীতি প্রবর্তন করা হয়েছিল।

উৎস: i) ইতিহাস ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৯৯৯.
কয়টি বিভাগ নিয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় গঠিত?
  1. ক) ২টি
  2. খ) ৩টি
  3. গ) ৪ টি
  4. ঘ) ৫টি
সঠিক উত্তর:
ক) ২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ২টি
ব্যাখ্যা
• ১৯৭১ সালে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় প্রতিষ্ঠিত হয় । 
• এর ২ টি বিভাগ রয়েছে - ১। জননিরাপত্তা বিভাগ এবং ২। সুরক্ষা বিভাগ 
• স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীন সংস্থা সমূহের মধ্যে রয়েছে: বাংলাদেশ পুলিশ, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ, র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন, বাংলাদেশ কোস্টগার্ড, বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী ইত্যাদি।
• তবে যুদ্ধকালিন সময়ে বিজিবি সেনাবাহিনীর অধীনস্থ হয়।

তথ্যসূত্র:- স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
১২,০০০.
নিচের কোন বীরশ্রেষ্ঠ চার নং সেক্টরের অধীনে মুক্তিযুদ্ধ করেন?
  1. সিপাহী মোস্তফা কামাল
  2. সিপাহী হামিদুর রহমান
  3. ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর
  4. ল্যান্স নায়েক মুন্সি আব্দুর রউফ
সঠিক উত্তর:
সিপাহী হামিদুর রহমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিপাহী হামিদুর রহমান
ব্যাখ্যা
বীরশ্রেষ্ঠ ও তাদের সেক্টরসমূহ:
⇒ ল্যান্স নায়েক মুন্সি আব্দুর রউফ।
→ সেক্টর: ১নং সেক্টর।
⇒ সিপাহী মোস্তফা কামাল।
→ সেক্টর: ২নং সেক্টর।
⇒ সিপাহী হামিদুর রহমান।
→ সেক্টর: ৪নং সেক্টর।
⇒ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর।
→ সেক্টর: ৭নং সেক্টর।
⇒ ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখ।
→ সেক্টর: ৮নং সেক্টর।
⇒ ইঞ্জিনরুম আর্টিফিসার রুহুল আমীন।
→ সেক্টর: ১০নং সেক্টর।
⇒ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান।
→ সেক্টর: কোনো নির্দিষ্ট সেক্টরের অধীনে ছিলেন না।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া এবং মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।