বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশের জাতীয় বিষয়াবলি

মোট প্রশ্ন১২,৪২১এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশের জাতীয় বিষয়াবলি

PrepBank · পাতা ১১৬ / ১২৪ · ১১,৫০১১১,৬০০ / ১২,৪২১

১১,৫০১.
দ্বৈতশাসন ব্যবস্থা বাতিল করেন কে?
  1. ক) রবার্ট ক্লাইভ
  2. খ) ওয়ারেন হেস্টিংস
  3. গ) জেমস ফ্রান্সিস
  4. ঘ) লর্ড কর্ণওয়ালিস
সঠিক উত্তর:
খ) ওয়ারেন হেস্টিংস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ওয়ারেন হেস্টিংস
ব্যাখ্যা
১৭৬৫ সালে এলাহাবাদ চুক্তির মাধ্যমে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি মোগল সম্রাট শাহ আলমের নিকট থেকে বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার দেওয়ানি বা রাজস্ব আদায়ের ক্ষমতা লাভ করে।
অন্যদিকে নবাবকে দেওয়া হয় শাসন ও বিচারকার্য পরিচালনার দায়িত্ব। এজন্যে নবাবকে বার্ষিক ৫৩ লক্ষ টাকা প্রদান করা হতো। ইতিহাসে এটিই দ্বৈতশাসন নামে পরিচিত।
রবার্ট ক্লাইভ এই শাসন ব্যবস্থা প্রবর্তন করেন। এই ব্যবস্থায় কোম্পানি লাভ করে দায়িত্বহীন ক্ষমতা আর নবাবের উপর বর্তায় ক্ষমতাহীন দায়িত্ব।
এই শাসনের ফলে বাংলায় ১৭৭০ সালে ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ দেখা দেয়। এতে করে ওয়ারেন হেস্টিংস ১৭৭২ সালে দ্বৈতশাসন ব্যবস্থা বাতিল করেন।
(সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
১১,৫০২.
কার সম্পাদনায় বাংলা ভাষার প্রথম সাময়িকপত্র প্রকাশিত হয়?
  1. জন ক্লার্ক মার্শম্যান
  2. কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার
  3. গুরুচরণ রায় শর্মা
  4. জেমস অগাস্টাস হিকি
সঠিক উত্তর:
জন ক্লার্ক মার্শম্যান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জন ক্লার্ক মার্শম্যান
ব্যাখ্যা
- বাংলা ভাষার প্রথম সাময়িকপত্র হলো দিগদর্শন।
- শ্রীরামপুরের ব্যাপ্টিস্ট মিশনারিদের উদ্যোগে ১৮১৮ সালের এপ্রিল মাসে জন ক্লার্ক মার্শম্যানের সম্পাদনায় দিগদর্শন সাময়িকপত্র প্রকাশিত হয়।
- দিগদর্শনের মোট ২৬টি সংখ্যা প্রকাশিত হয়। ১৮২১ সালের পরে এটি বন্ধ হয়ে যায়।
- দিগ্দর্শন প্রকাশিত হওয়ার একমাস পর (২৩ মে, ১৮১৮) জন ক্লার্ক মার্শম্যানের সম্পাদনায় প্রকাশিত হয় সমাচার দর্পণ সাময়িকী।
(তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া)
১১,৫০৩.
'ভবদহ বিল' কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. মুন্সীগঞ্জ
  2. মৌলভীবাজার
  3. যশোর
  4. পাবনা
সঠিক উত্তর:
যশোর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যশোর
ব্যাখ্যা
ভবদহ বিল - যশোর জেলার অভয়নগর উপজেলায় অবস্থিত।
বাইক্কা বিল, হাইল বিল - অবস্থিত মৌলভীবাজার জেলায়।
আড়িয়াল বিল - মুন্সীগঞ্জ জেলায় অবস্থিত। 
উৎস: সংশ্লিষ্ট জেলার ওয়েবসাইট।
১১,৫০৪.
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য কোন কমিশনের সুপারিশ প্রথমে গৃহীত হয়েছিল?
  1. হান্টার কমিশন
  2. উড কমিশন
  3. নাথান কমিশন
  4. হর্নেল কমিশন
সঠিক উত্তর:
নাথান কমিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাথান কমিশন
ব্যাখ্যা
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য নাথান কমিশনের সুপারিশ প্রথমে গৃহীত হয়েছিল।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়:

- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের প্রাচীনতম, সর্ববৃহৎ এবং উপমহাদেশের অন্যতম প্রাচীন ঐতিহ্যবাহী উচ্চশিক্ষা ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান।
- ১৯২০ সালে ভারতীয় বিধানসভায় গৃহীত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আইনবলে ১৯২১ সালের ১ জুলাই আবাসিক বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম শুরু হয়।
- ঢাকার রমনা এলাকার প্রায় ৬০০ একর জমি নিয়ে এ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা হয়।

উল্লেখ্য,
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার ইতিহাসের সঙ্গে যুক্ত আছে ১৯০৫ সালের ‘বঙ্গভঙ্গ’।
- ১৯১১ সালে বাংলা ভাগের সিদ্ধান্ত বাতিল করা হয়, তারপরে এই অঞ্চলের মুসলিম জনগোষ্ঠীর ক্ষোভ প্রশমিত করার উদ্দেশ্যে ১৯১২ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব করা হয়েছিল।
- ১৯১২ সালের ২ ফেব্রুয়ারি তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতের ভাইসরয় লর্ড হার্ডিঞ্জ ঢাকায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার প্রতিশ্রুতি দেন। 
- ১৯১২ সালের ২৭ মে লন্ডনের ব্যারিস্টার রবার্ট নাথানকে প্রধান করে ১৩ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়।
- নাথান কমিটি নামে পরিচিত এই কমিটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য একটি প্রকল্প প্রণয়ন করে।
- ১৯১৯ সালের সেপ্টেম্বর মাসে ইমপেরিয়াল লেজিসলেটিভ কাউন্সিলে ঢাকার নবাব পরিবারের সদস্য খান বাহাদুর আহসানউল্লাহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের পক্ষে জোরালো অবস্থান নেন।
- শেষ পর্যন্ত ১৯২০ সালের ১৩ই মার্চ ভারতীয় আইন সভায় 'দ্য ঢাকা ইউনিভার্সিটি অ্যাক্ট ১৯২০' অনুমোদিত হয়। গভর্নর জেনারেল সেই আইনে স্বাক্ষর করেন ২৩শে মার্চ।
- স্যাডলার কমিশনের অন্যতম সদস্য, লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাডেমিক রেজিস্ট্রার স্যার ফিলিপ জোসেফ হার্টগ ১৯২০ সালের পহেলা ডিসেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসাবে নিয়োগ পান।
- পরের বছর, ১৯২১ সালের পহেলা জুলাই আনুষ্ঠানিকভাবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় যাত্রা শুরু করে।

⇒ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বর্তমানে ১৩টি অনুষদ, ৮৩টি বিভাগ, ১৩টি ইনস্টিটিউট, ৫৬টি গবেষণা ব্যুরো ও কেন্দ্র, ২০টি আবাসিক হল ও ৩টি ছাত্রাবাস, এবং ৭টি স্নাতক পর্যায়ের অধিভুক্ত সরকারি কলেজসহ মোট ১০৫টি অধিভুক্ত কলেজ রয়েছে।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ গ্রন্থাগার।

উৎস: i) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ওয়েবসাইট।
ii) বাংলাপিডিয়া।
১১,৫০৫.
'সাগরকন্যা' বলা হয় কোন জেলাকে?
  1. ভোলা 
  2. বরিশাল 
  3. পটুয়াখালী 
  4. কক্সবাজার
সঠিক উত্তর:
পটুয়াখালী 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পটুয়াখালী 
ব্যাখ্যা

সাগরকন্যা:
- পটুয়াখালী জেলাকে বলা হয় সাগরকন্যা।
- বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণে কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত এ জেলারই ঐতিহ্য বহনকারী বেলাভূমি।
- অপরূপ সৌন্দর্যের লীলাভূমি সাগর কন্যা কুয়াকাটা।
- একই স্থানে দাঁড়িয়ে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত অবলোকন করার মনোমুগ্ধকর পর্যটন স্পট।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১১,৫০৬.
বাংলাদেশের আইনসভার ইংরেজি নাম কী?
  1. House of the Nation
  2. House of the Parliament
  3. Parliament House
  4. Parliament Bhaban
সঠিক উত্তর:
House of the Nation
উত্তর
সঠিক উত্তর:
House of the Nation
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের আইনসভার নাম জাতীয় সংসদ (House of the Nation)।
- এটি এক কক্ষবিশিষ্ট।
- জাতীয় সংসদের সদস্য সংখ্যা ৩৫০।
- ৩০০টি আসনে সরাসরি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। অন্য ৫০টি আসন নারীদের জন্য সংরক্ষিত থাকে।
- নারী সংসদ সদস্যগণ ৩০০ জন সংসদ সদস্য দ্বারা নির্বাচিত হয়ে থাকেন।

- সংবিধান অনুযায়ী জাতীয় সংসদ রাজধানীতে অবস্থিত।
- সরকারি বিজ্ঞপত্তি দ্বারা রাষ্ট্রপতি সংসদ অধিবেশন আহবান করেন।
- অধিবেশন পরিচালনার জন্য স্পীকার ও ডেপুটি স্পীকার নির্বাচন করা হয়।
- স্পীকারের অনুপস্থিতিতে ডেপুটি স্পীকার দায়িত্ব পালন করেন। 

তথ্যসূত্র:- জাতীয় সংসদ সচিবালয়।
১১,৫০৭.
ঢাকার "ধোলাই খাল" খনন করেন কে?
  1. ইসলাম খান
  2. শাহজাহান
  3. মীর জুমলা
  4. শায়েস্তা খান
সঠিক উত্তর:
ইসলাম খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইসলাম খান
ব্যাখ্যা
মুগল সুবাদার ইসলাম খান: 
- ঢাকার "ধোলাই খাল" খনন করেন ঢাকার প্রথম মুগল সুবাদার ইসলাম খান।
- ১৬০৮-১৬১০ খ্রিস্টাব্দে তিনি এই খালটি খনন করেন।
- খালটি শহরের সুরক্ষা এবং অভ্যন্তরীণ নৌ যোগাযোগের সুবিধা প্রদান করতে খনন করা হয়েছিল।
- এটি এক সময় ঢাকার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিল এবং বিভিন্ন ঐতিহাসিক স্থাপনা, যেমন লালবাগ দুর্গ, আহসান মঞ্জিল, বড় কাটরা ইত্যাদির নিকটবর্তী ছিল।  

উল্লেখ্য, 
- মুগল সুবাদার ইসলাম খান ঢাকার নামকরণ করেন জাহাঙ্গীর নগর।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া।
১১,৫০৮.
ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের সাথে কোন নামটি জড়িত?
  1. হামিদুর রহমান
  2. ডাঃ মিলন
  3. আসাদুজ্জামান
  4. সফিকুর
সঠিক উত্তর:
আসাদুজ্জামান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আসাদুজ্জামান
ব্যাখ্যা
৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান:
- আইয়ুব বিরোধী ছাত্র আন্দোলন ১৯৬৮ সালের অক্টোবর মাসে শুরু হলেও তা ১৯৬৯-এর জানুয়ারিতে তুঙ্গে ওঠে এবং মধ্য জানুয়ারিতে গণআন্দোলনের রূপ নেয়। 
- ছাত্রসংগ্রাম পরিষদ দেশের সকল মৌলিক গণতন্ত্রীকে পদত্যাগের আহ্বান জানালে অনেকেই সে আহ্বানে সাড়া দেন। 
- ছাত্র-শিক্ষকবৃন্দ ছাত্রসংগ্রাম পরিষদের আন্দোলনের সংগে একাত্মতা ঘোষণা করেন।
- আইয়ুব পুলিশ, ইপিআর ও সেনাবাহিনী দিয়ে ঐ আন্দোলন স্তব্ধ করার চেষ্টা করেন। 
- ১৯৬৯ সালের ২০ জানুয়ারি ছাত্র ইউনিয়ন মেনন গ্রুপের নেতা আসাদুজ্জামান পুলিশের গুলিতে শহীদ হলে আন্দোলন সরকারের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়।
- আন্দোলন চরম আকার ধারণ করে যখন প্রক্টরের দায়িত্ব পালন করার সময় ১৮ ফেব্রুয়ারিতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. শামসুজ্জোহা পুলিশের গুলি ও বেয়নেট চার্জের ফলে মৃত্যুবরণ করেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৫০৯.
বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের নকশাকার কে?
  1. ক) তানভীর কবির
  2. খ) শামিম শিকদার
  3. গ) মুঈনুল হোসেন
  4. ঘ) হামিদুর রহমান
সঠিক উত্তর:
ঘ) হামিদুর রহমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) হামিদুর রহমান
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের নকশাকার/স্থপতি হলেন হামিদুর রহমান
• ১৯৫৬ সালের একুশে ফেব্রুয়ারিতে ঢাকা মেডিকেল কলেজের পাশে হামিদুর রহমানের নকশায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়।
• ১৯৬৩ সালের একুশে ফেব্রুয়ারিতে শহীদ আবুল বরকতের মা হাসিনা বেগম এই শহীদ মিনার উদ্বোধন করেন।

তথ্যসূত্র:- বাংলাপিডিয়া।

১১,৫১০.
বাংলায় প্রথম স্বাধীন মুসলিম সালতানাতের প্রতিষ্ঠাতা -
  1. ফখরুদ্দীন মুবারক শাহ
  2. শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ
  3. গিয়াসউদ্দিন আজম শাহ
  4. আলাউদ্দিন হোসেন শাহ
সঠিক উত্তর:
ফখরুদ্দীন মুবারক শাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফখরুদ্দীন মুবারক শাহ
ব্যাখ্যা

ফখরুদ্দীন মুবারক শাহ:
- তিনি বাংলায় প্রথম স্বাধীন মুসলিম সালতানাতের প্রতিষ্ঠাতা।
- ফখরুদ্দীন ছিলেন জাতিতে তুর্কি।
- ১৩৩৭ খ্রিস্টাব্দে বাহরাম খানের মৃত্যুর পর ফখরুদ্দীন সোনারগাঁয়ে শাসন ক্ষমতা করায়ত্ত করেন।
- স্বীয় অবস্থান সুদৃঢ় করে ১৩৩৮ খ্রিস্টাব্দে নিজেকে স্বাধীন সুলতান ঘোষণা করেন।
- তাঁর রাজধানী ছিল ঐতিহাসিক নগর সোনারগাঁয়ে।
- ফখরুদ্দীন মুবারক শাহের রাজত্বকালে ১৩৪৬ সালে মরক্কোর পর্যটক ইবনে বতুতা বাংলায় সফর করেন।
- তিনি বাংলায় তার ভ্রমণের এক মূল্যবান বিবরণ লিপিবদ্ধ করে যান।
- এ বিবরণে বাংলার প্রাকৃতিক দৃশ্য, অধিবাসীদের জীবনের বিভিন্ন দিক এবং দেশের সমৃদ্ধির প্রাণবন্ত বর্ণনা পাওয়া যায়।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।

১১,৫১১.
বিএসপিএ সংগঠনের বিচারে গত ৬০ বছরের ইতিহাসে দেশের সেরা ক্রীড়াবিদ নির্বাচিত হন -
  1. ক) কাজী সালাউদ্দীন
  2. খ) সাকিব আল হাসান
  3. গ) মাশরাফি বিন মর্তুজা
  4. ঘ) গাজী আশরাফ হোসেন লিপু
সঠিক উত্তর:
খ) সাকিব আল হাসান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সাকিব আল হাসান
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ স্পোর্টস প্রেস অ্যাসোসিয়েশন (বিএসপিএ) সংঘটনের বিচারে গত ৬০ বছরের ইতিহাসে দেশের সেরা ক্রীড়াবিদ নির্বাচিত হন সাকিব আল হাসান। 

উৎস: লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, ফেব্রুয়ারি ২০২৩।
১১,৫১২.
পাকিস্তানি বাহিনীর আত্মসমর্পণের সময় যৌথবাহিনীর পক্ষে প্রতিনিধিত্ব করেন কে?
  1. ক) লে. জেনারেল নিয়াজী
  2. খ) লে. জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরা
  3. গ) লে. জেনারেল কেশব সিং
  4. ঘ) লে. জেনারেল রাজেন্দ্র সিং
সঠিক উত্তর:
খ) লে. জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) লে. জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরা
ব্যাখ্যা
পাকিস্তানি বাহিনীর আত্মসমর্পণ:

- ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর পাকিস্তানি বাহিনী ৯৩ হাজার সৈন্যসহ ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে ভারত-বাংলাদেশ যৌথ কমান্ডের নিকট আত্মসমর্পণ করে।
- পাকিস্তান বাহিনীর পক্ষে লেফটেন্যান্ট জেনারেল আমির আব্দুল্লাহ খান নিয়াজী আত্মসমর্পণ দলিলে স্বাক্ষর করেন।
- আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে যৌথবাহিনীর পক্ষে লে. জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরা।
- বাংলাদেশের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করেন মুক্তিবাহিনীর উপ প্রধান গ্রুপ ক্যাপ্টেন আবদুল করিম খন্দকার (এ.কে খন্দকার)।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
১১,৫১৩.
মধ্যযুগে সোনারগাঁও কাদের রাজধানী ছিল?
  1. পাল রাজাদের
  2. মুঘল সম্রাটদের
  3. চন্দ্র রাজাদের
  4. মুসলিম সুলতানদের
সঠিক উত্তর:
মুসলিম সুলতানদের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুসলিম সুলতানদের
ব্যাখ্যা
সোনারগাঁও:
- সোনারগাঁও বাংলার প্রাচীন রাজধানী।
- বর্তমান ঢাকা থেকে ২৭ কিমি দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত সোনারগাঁও বর্তমান নারায়ণগঞ্জ জেলার একটি উপজেলা।
- প্রাচীন সুবর্ণগ্রাম থেকে সোনারগাঁও নামের উদ্ভব বলে কারো কারো ধারণা রয়েছে।
- বারো ভূঁইয়া প্রধান ঈশা খাঁ'র স্ত্রী সোনাবিবি'র নামানুসারে সোনারগাঁও নামকরণ করা হয়।
- বাংলার রাজধানী হিসেবে সোনারগাঁওয়ের পত্তন করেন ঈশা খাঁ।
- আনুমানিক ১২৮১ খ্রিস্টাব্দে এ অঞ্চলে মুসলিম আধিপত্যের সূচনা হয়।
- মধ্যযুগে এটি মুসলিম সুলতানদের রাজধানী ছিল।
- ১৬১০ খ্রিস্টাব্দে দিল্লির সম্রাট আওরঙ্গজেবের আমলে ঢাকা সুবে বাংলার রাজধানী হিসেবে ঘোষিত হবার পূর্ব পর্যন্ত সোনারগাঁও ছিল পূর্ববঙ্গের রাজধানী।

তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১১,৫১৪.
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চ এর ঐতিহাসিক ভাষণের মূল বিষয় ছিল-
  1. ৪টি
  2. ৫টি
  3. ১টি
  4. ৩টি
সঠিক উত্তর:
৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪টি
ব্যাখ্যা
৭ মার্চ এর ঐতিহাসিক ভাষণ: 
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চ এর ঐতিহাসিক ভাষণে সকল বাঙ্গালিকে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণের আহ্বান জানান।
- এই ভাষণের জন্যই ১৯৭১ সালের ৫ এপ্রিল জনপ্রিয় ম্যাগাজিন দ্য নিউজ উইক বঙ্গবন্ধুকে 'পোয়েট অব পলিটিক্স' বা রাজনীতির কবি হিসাবে অভিহিত করে।

- এই ভাষণের ৪ টি মূল বিষয় ছিল।

যথা-
১. সামরিক আইন প্রত্যাহার করতে হবে।
২. সেনাদের ব্যারাকে ফিরিয়ে নেওয়া।
৩. পুলিশ ও সেনাবাহিনী কর্তৃক নিরীহ ও নিরস্ত্র লোকদের হত্যার সুষ্ঠু তদন্ত করতে হবে।
৪. নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করতে হবে।

উল্লেখ্য,
- ২০১৭ সালের ৩০ অক্টোবর ইউনেস্কো এই ভাষণকে ঐতিহাসিক দলিল হিসাবে স্বীকৃতি দিয়ে মেমরি অব দ্য ওয়ার্ল্ড ইন্টারন্যাশনাল রেজিস্ট্রারে তালিকাভুক্ত করা হয়।
- ২০২১ সাল থেকে ৭ মার্চ 'ঐতিহাসিক দিবস' হিসাবে পালিত হচ্ছে।

অন্যদিকে, ১৯৬৬ সালে বঙ্গবন্ধু কর্তৃক ঘোষিত ছয় দফা দাবির প্রথমটি ছিল 'প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন'।

তথ্য - পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মো. মোজাম্মেল হক। বাংলাপিডিয়া।
১১,৫১৫.
ছয় দফা দিবস পালিত হয় কবে?
  1. ৪ জুন
  2. ৫ জুন
  3. ৬ জুন
  4. ৭ জুন
সঠিক উত্তর:
৭ জুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ জুন
ব্যাখ্যা
ছয় দফা:
- ৭ জুন ছয় দফা দিবস।
- ছয় দফা দাবি ঐতিহাসিক 'লাহোর প্রস্তাব' এর ভিত্তিতে রচিত।
- ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে একটি সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কর্মসূচি ঘোষণা করেন।
- ইতিহাসে এটিই ৬ দফা কর্মসূচি নামে পরিচিত।
- ২৩ মার্চ, ১৯৬৬ সালে লাহোরের এক সংবাদ সম্মেলনে শেখ মুজিবুর রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে ৬ দফা দাবি ঘোষণা করেন।
- ৬ দফা বাঙালি জাতির ‘মুক্তির সনদ' বা 'ম্যাগনেকার্টা' হিসাবে পরিচিত।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক এবং বাংলাপিডিয়া।
১১,৫১৬.
অপারেশন সার্চ লাইটের নীলনকশা প্রস্তুত করেন কে?
  1. মোনায়েম খান
  2. টিক্কা খান
  3. আমির আব্দুল্লাহ নিয়াজী
  4. খাদিম রাজা
সঠিক উত্তর:
টিক্কা খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টিক্কা খান
ব্যাখ্যা
- ১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ কালরাতে পাকিস্তানী সামরিক বাহিনী নিরীহ নিরস্ত্র বাঙালিদের উপর 'অপারেশন সার্চ লাইট' পরিচালনা করে। এতে ঢাকা শহরের বিভিন্ন স্থানে গণহত্যা চালানো হয়।
- ১৮ মার্চ জেনারেল টিক্কা খান এবং মেজর জেনারেল রাও ফরমান আলী অপারেশন সার্চ লাইটের নীলনকশা প্রস্তুত করেন। সব প্রস্তুতি শেষে ২৫ মার্চ এই অপারেশন চালানো হয়।
- মেজর জেনারেল রাও ফরমান আলী ঢাকা শহরে অপারেশন সার্চ লাইটের মূল দায়িত্বে ছিলেন।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
১১,৫১৭.
বাংলাদেশের প্রথম শিক্ষা কমিশন কোনটি?
  1. শরীফ শিক্ষা কমিশন
  2. কুদরত-ই-খুদা শিক্ষা কমিশন
  3. আকরাম খান কমিশন
  4. মজিদ খান শিক্ষা কমিশন
সঠিক উত্তর:
কুদরত-ই-খুদা শিক্ষা কমিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুদরত-ই-খুদা শিক্ষা কমিশন
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের প্রথম শিক্ষা কমিশন:
- বাংলাদেশের প্রথম শিক্ষা কমিশনের নাম - কুদরত-ই-খুদা শিক্ষা কমিশন।
- জাতীয় শিক্ষা কমিশন (১৯৭২) বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও বিজ্ঞানী ড. কুদরাত-ই-খুদাকে চেয়ারম্যান করে ১৯৭২ সালের ২৬ জুলাই গঠিত হয় বাংলাদেশের প্রথম শিক্ষা কমিশন ‘জাতীয় শিক্ষা কমিশন'।
- ১৯৭২ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর কমিশনের কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- চেয়ারম্যানের নামানুসারে এই কমিশন কুদরত-ই-খুদা কমিশন নামেও পরিচিতি পায়।
- কমিশন প্রশ্নমালার আকারে শিক্ষিত এলিট শ্রেণীর লোকদের নিকট থেকে মতামত গ্রহণ করে, এবং ঐসব মতামত সতর্কতার সঙ্গে যাচাই বাছাই করে প্রণীত রিপোর্টে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার পুনর্বিন্যাসের সুপারিশ করে।
- কমিশন ১৯৭৪ সালের ৩০ মে সরকারের নিকট রিপোর্ট পেশ করে।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
১১,৫১৮.
ছয়দফা কর্মসূচির কোন দফায় 'আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা' সম্পর্কে বলা হয়েছে?
  1. ৩য় দফা
  2. ৪র্থ দফা
  3. ৫ম দফা
  4. ৬ষ্ঠ দফা
সঠিক উত্তর:
৬ষ্ঠ দফা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ষ্ঠ দফা
ব্যাখ্যা
ছয়দফা কর্মসূচির দাবিসমূহ:
- ১৯৬৬ সালে ঘোষিত ছয় দফা কর্মসূচীর মূল বক্তব্য ছিল পূর্ব পাকিস্তানের স্বায়ত্তশাসন।
- ছয় দফা দাবি ঐতিহাসিক ‘লাহোর প্রস্তাব' এর ভিত্তিতে রচিত।

• প্রথম দফা: প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন
- লাহোর প্রস্তাবের ভিত্তিতে সংবিধান রচনা করে পাকিস্তানের জন্য একটি যুক্তরাষ্ট্রীয় শাসনতন্ত্র প্রণয়ন করতে হবে। এটি হবে সংসদীয় পদ্ধতির যুক্তরাষ্ট্র ব্যবস্থা। প্রাপ্ত বয়স্কদের সরাসরি ভোটে সকল নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে এবং আইনসভাগুলো হবে সার্বভৌম।

• দ্বিতীয় দফা: কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা
- শুধু দেশরক্ষা এবং পররাষ্ট্র বিষয় থাকবে কেন্দ্রীয় সরকারের হাতে। অবশিষ্ট সকল বিষয়ের ক্ষমতা থাকবে প্রাদেশিক সরকারের হাতে।

• তৃতীয় দফা: মুদ্রা বা অর্থ-সম্বন্ধীয় ক্ষমতা
- দেশের দুই অংশে সহজেই বিনিময়যোগ্য অথচ পৃথক দুটো মুদ্রা থাকবে।
- অথবা ফেডারেল ব্যাংকের অধীনে দুই দেশের দুটি রিজার্ভ ব্যাংক ব্যবস্থাসহ একই ধরনের মুদ্রা চালু থাকবে।

• চতুর্থ দফা: রাজস্ব, কর বা শুল্ক সম্বন্ধীয় ক্ষমতা
- আঞ্চলিক সরকারে হাতে থাকবে সকল প্রকার কর ধার্য করার ও আদায়ের ক্ষমতা। আদায়কৃত রাজস্বের একটি অংশ কেন্দ্রীয় সরকারকে দেয়া হবে ।

• পঞ্চম দফা: বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা
- দুই অঞ্চলের বৈদেশিক মুদ্রার আলাদা আলাদা হিসাব থাকবে। প্রয়োজনে দুই অঞ্চল থেকে সমানভাবে অথবা সংবিধানে নির্ধারিত হারে কেন্দ্র বৈদেশিক মুদ্রা পাবে।

• ষষ্ঠ দফা: আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা
- অঙ্গরাজ্যগুলো আঞ্চলিক সেনাবাহিনী অর্থাৎ মিলিশিয়া ও প্যারা মিলিশিয়া বাহিনী গঠন ও পরিচালনা করতে পারবে।

উৎস: i) ইতিহাস ১ম পত্র, HSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) পৌরনীতি, নবম-দশম শ্রেণি।
১১,৫১৯.
মুজিবর্ষ উপলক্ষ্যে কোন দেশে ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্ট্রিট’ নামে একটি সড়কের নামকরণ করা হয়েছে?
  1. ক) ইতালি
  2. খ) ভারত
  3. গ) কুয়েত
  4. ঘ) মরিশাস
সঠিক উত্তর:
ঘ) মরিশাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) মরিশাস
ব্যাখ্যা
জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ ‍মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিক উপলক্ষ্যে আফ্রিকার দ্বীপরাষ্ট্র মরিশাসে গত ১৭ ডিসেম্বর ২০২০ ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্ট্রিট’ নামে একটি সড়কের নামকরণ করা হয়েছে।
(সূত্র: লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার)
১১,৫২০.
'তিতাস পারের মানুষটি' প্রামাণ্যচিত্রটি কে নির্মাণ করেন?
  1. তানভীর মোকাম্মেল
  2. জহির রায়হান
  3. আলমগীর কবির
  4. তারেক মাসুদ
সঠিক উত্তর:
তানভীর মোকাম্মেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তানভীর মোকাম্মেল
ব্যাখ্যা
তিতাস পারের মানুষটি: শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত:
- চলচ্চিত্রকার তানভীর মোকাম্মেল ভাষাসৈনিক শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্তের জীবন ও কর্মের ওপর ‘তিতাস পারের মানুষটি : শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত’ শিরোনামে ৭০ মিনিট দৈর্ঘ্যরে একটি প্রামাণ্যচিত্র নির্মাণ করেছেন।
- প্রামাণ্যচিত্রটি প্রযোজনা করেছেন শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্তের পরিবারের বর্তমান প্রজন্মের সদস্য-সদস্যরা।
- পাকিস্তান গণপরিষদে সর্বপ্রথম বাংলা ভাষার দাবি উত্থাপন করা সংসদ সদস্য শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্তের ওপর নির্মিত এ প্রামাণ্যচিত্র।

উৎস: ৫ নভেম্বর, ২০২৩, বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা।
১১,৫২১.
কোন ঐতিহাসিক ঘটনার জন্য ১৭৯৩ সালটি বিখ্যাত?
  1. ক) পলাশীর যুদ্ধ
  2. খ) সিপাহী বিদ্রোহ
  3. গ) চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত প্রবর্তন
  4. ঘ) চাকমা বিদ্রোহ
সঠিক উত্তর:
গ) চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত প্রবর্তন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত প্রবর্তন
ব্যাখ্যা
• চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত:
- ১৭৯৩ সালের ২২মার্চ লর্ড কর্নওয়ালিস চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত প্রবর্তন করেন।
- ঐদিন নির্দিষ্ট পরিমাণ রাজস্ব পরিশোধের বিনিময়ে বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার জমিদারদের নিজ নিজ জমির উপর চিরস্থায়ী মালিকানা প্রদান করে যে বন্দোবস্ত করা হয় তা-ই চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত নামে পরিচিত।

- চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের কারণে কৃষক জমির উপর তাদের অধিকার হারায়। বিপরীতে জমির উপর জমিদারদের স্থায়ী মালিকানা প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৫০ সালে পূর্ববঙ্গ জমিদারি অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ত্ব আইনের ফলশ্রুতিতে জমিদারি প্রথা ও চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত ব্যবস্থার উচ্ছেদ ঘটে।
- ভারতের সিভিল সার্ভিসের জনক - লর্ড কর্নওয়ালিস

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
১১,৫২২.
ভারতবর্ষে প্রথম নারী হিসেবে ”নবাব” উপাধি লাভ করেন কে?
  1. বদোরেন্নেছা চৌধুরানী
  2. সুলতানা রাজিয়া
  3. ফয়জুন্নেছা চৌধুরানী
  4. ফজিলতুন্নেছা চৌধুরানী
সঠিক উত্তর:
ফয়জুন্নেছা চৌধুরানী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফয়জুন্নেছা চৌধুরানী
ব্যাখ্যা
• নবাব ফয়জুন্নেছা চৌধুরানী ভারতবর্ষের প্রথম নারী যিনি ’নবাব’ উপাধি লাভ করেন।

• নবাব ফয়জুন্নেছা চৌধুরানী:
- নবাব ফয়জুন্নেছা চৌধুরানী ছিলেন নারীশিক্ষার একজন প্রবর্তক, সমাজসেবক ও লেখক।
- তিনি কুমিল্লার হোমনাবাদ পরগনার (বর্তমান লাকসাম) পশ্চিমগাঁও-এ ১৮৩৪ সালে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পিতার নাম আহমদ আলী চৌধুরী ছিলেন হোমনাবাদ-পশ্চিমগাঁও-এর জমিদার।
- পারিবারিক পরিবেশে গৃহশিক্ষকের তত্ত্বাবধানে তিনি শিক্ষা লাভ করেন।
- ফয়জুন্নেছা বাংলা ভাষা ছাড়াও আরবি, ফারসি ও উর্দু ভাষায় বিশেষ জ্ঞান অর্জন করেন।
- পিতার মৃত্যুর পর তিনি পশ্চিমগাঁও-এর জমিদারি লাভ করেন।
- মা আরাফান্নেছার মৃত্যুর পর মাতুল সম্পত্তির উত্তরাধিকারী হয়ে তিনি বিশাল জমিদারির অধিকারী হন।
- তিনি সফলভাবে এই জমিদারি পরিচালনা করে বিশেষ খ্যাতি লাভ করে।
- তিনি নারীশিক্ষা প্রসারের লক্ষ্যে ১৯৭৩ সালে কুমিল্লায় একটি বালিকা বিদ্যালয় স্থাপন করেন।
- কালক্রমে এটি একটি কলেজে রূপান্তরিত হয় এবং এর নামকরণ করা হয় নবাব 'ফয়জুন্নেছা কলেজ'। 
- ফয়জুন্নেছার সৃজনশীল প্রতিভার দিকটি নিহিত আছে তাঁর সাহিত্যকর্মে।
- তিনি আত্মজীবনীমূলক উপন্যাস রূপজালাল ছাড়াও তত্ত্ব ও জাতীয় সংগীত, সংগীত সার ও সংগীত লহরী নামক গ্রন্থ রচনা করেন। 
- নারীশিক্ষার প্রসার ও জনহিতৈষী কার্যক্রমের স্বীকৃতি হিসেবে মহারানী ভিক্টোরিয়া ১৮৮৯ সালে ফয়জুন্নেছাকে 'নবাব' উপাধিতে ভূষিত করেন।
- তিনিই ভারতবর্ষের প্রথম নারী যিনি এই সম্মানজনক উপাধি লাভ করেন।
- ১৯০৩ সালে নিজ গ্রামে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
- ২০০৪ সালে বাংলাদেশ সরকার ফয়জুন্নেছা চৌধুরানীকে 'একুশে পদক' (মরণোত্তর) প্রদান করে সম্মান জানায়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, ৯ম-১০ শ্রেণি।
১১,৫২৩.
লালবাগ দুর্গে সমাহিত শায়েস্তা খানের কন্যার আসল নাম কী ছিল?
  1. সোবিয়াত
  2. পরীবিবি
  3. ইরান দুখ্‌ত
  4. ইবায়ারা
সঠিক উত্তর:
ইরান দুখ্‌ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইরান দুখ্‌ত
ব্যাখ্যা

• লালবাগ কেল্লা:
লালবাগ কেল্লার নাম ছিল কেল্লা আওরঙ্গবাদ বা আওরঙ্গবাদ দুর্গ। এই কেল্লার নকশা করেন শাহ আজম। মোঘল সম্রাট আওরঙ্গজেব-এর ৩য় পুত্র আজম শাহ ১৬৭৮ খ্রিস্টাব্দে ঢাকার সুবেদারের বাসস্থান হিসেবে এ দুর্গের নির্মাণ কাজ শুরু করেন। নবাব শায়েস্তা খাঁ ১৬৮০ সালে ঢাকায় এসে পুনরায় দুর্গের নির্মাণকাজ শুরু করেন।

- শায়েস্তা খানের কন্যা পরী বিবির মৃত্যুর পর শায়েস্তা খান ১৬৮৪ খ্রিস্টাব্দে এর নির্মাণ বন্ধ করে দেন।
- পরী বিবিকে দরবার হল এবং মসজিদের ঠিক মাঝখানে সমাহিত করা হয়।

উল্লেখ্য,
- পরী বিবির আসল নাম ইরান দুখত রেহমত বানু। 

- ১৮৪৪ সালে ঢাকা কমিটি নামে একটি আধা-সরকারি প্রতিষ্ঠান দুর্গের উন্নয়ন কাজ শুরু করে। এ সময় দুর্গটি লালবাগ দুর্গ নামে পরিচিতি লাভ করে। ১৯১০ সালে লালবাগ দুর্গের প্রাচীর সংরক্ষিত স্থাপত্য হিসেবে প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের অধীনে আনা হয়। এটি মোগল আমল এর একটি চমৎকার নিদর্শন। 

উৎস:
i) বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) ৯ ডিসেম্বর ২০১৬, প্রথম আলো।
iii) বাংলাপিডিয়া।

১১,৫২৪.
লর্ড কার্জন নিম্নের কোনটির সাথে জড়িত?
  1. ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল নির্মাণ
  2. ইম্পেরিয়াল লাইব্রেরি প্রতিষ্ঠা
  3. সীমান্ত নীতি চালু
  4. বর্ণিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
লর্ড কার্জন:
- লর্ড কার্জন ভারতের গভর্নর জেনারেল ও ভাইসরয়।
- তাঁর পুরো নাম জর্জ নাথানিয়েল কার্জন।
- লর্ড কার্জন পরপর দু'বার ভারত সাম্রাজ্যের অধিকর্তা ছিলেন।

⇒ সীমান্ত নীতি:
- কার্জনের গৃহীত প্রথম পদক্ষেপ ছিল চিত্রল, খাইবার ও খুর্রম উপত্যকা থেকে সৈন্য প্রত্যাহার।
- কারণ, এগুলি সরাসরি ব্রিটিশ শাসিত ছিল না।
- প্রয়োজনে ব্রিটিশ সাহায্য নিয়ে উক্ত অঞ্চলের উপজাতীয়রা নিজেদেরকে রক্ষা করবে- এটিই ছিল লর্ড কার্জনের নীতি।
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধের শেষ পর্যন্ত এ নীতির গুণেই সীমান্ত অঞ্চল শান্ত ছিল।
- এ নীতির সম্পূরক হিসেবেই উত্তর-পশ্চিম সীমান্ত প্রদেশ সৃষ্টি করা হয়।

⇒ ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল:
- কলকাতার বিখ্যাত গড়ের মাঠের দক্ষিণ প্রান্তে অবস্থিত স্মৃতিভবন।
- ১৯০১ সালে ৯৪ বছর বয়সে মহারানী ভিক্টোরিয়া মারা যাওয়ার পর তাঁর স্মৃতির উদ্দেশ্যে সাদা মার্বেল পাথরের এই ভবনটি নির্মিত হয়।
- লর্ড কার্জন এই স্মৃতিসৌধটি নির্মাণের পরিকল্পনা করেন।

⇒ ইম্পেরিয়াল লাইব্রেরি:
- ব্রিটিশ মিউজিয়াম আর অক্সফোর্ডের বোদলেইয়ান লাইব্রেরির আদলে স্থাপন করেন ‘ইম্পেরিয়াল লাইব্রেরি’।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১১,৫২৫.
বর্তমানে চালু থাকা কমিউনিটি ক্লিনিক সংখ্যা-
  1. ১৩৮৮১টি
  2. ১৩৭৫১টি
  3. ১৪৭৮১টি
  4. ১৫৬৩১টি
সঠিক উত্তর:
১৩৮৮১টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩৮৮১টি
ব্যাখ্যা

- বর্তমানে দেশে চালু কমিউনিটি ক্লিনিকের সংখ্যা ১৩,৮৮১টি।
- সারাদেশে সরকারের কমিউনিটি ক্লিনিক স্থাপনের পরিকল্পনা ১৪,৮৯০টি।
- এর মধ্যে স্থাপিত হয়েছে ১৪,৩৮৪টি।
(তথ্যসূত্র: বাজেট বক্তৃতা : ২০২১-২০২২ অর্থবছর : পৃষ্ঠা-৪৯)

১১,৫২৬.
পাকিস্তানি বাহিনীর আত্নসমর্পণ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকারের পক্ষে কে উপস্থিত ছিলেন?
  1. আতাউল গণি ওসমানি
  2. তাজউদ্দীন আহমেদ
  3. এ কে খন্দকার
  4. কাদের সিদ্দিকী
সঠিক উত্তর:
এ কে খন্দকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এ কে খন্দকার
ব্যাখ্যা
স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়:
- মুক্তিযুদ্ধের শুরু থেকেই ভারত বিভিন্নভাবে বাংলাদেশকে সাহায্য সহযোগিতা করে।
- ১৯৭১ সালের ২১ নভেম্বর মুক্তিবাহিনী ও ভারতীয় বাহিনী মিলে 'যৌথ কমান্ড' গঠন করে।
- ৬-১৬ ডিসেম্বর মুক্তিবাহিনীর সাথে ভারতের সেনা, নৌ, বিমানবাহিনীও পাকিস্তান হানাদার বাহিনীর সাথে যুদ্ধ করে।
- যৌথ বাহিনীর দুর্বার আক্রমণে পর্যুদস্ত পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী অবশেষে আত্মসমর্পণে সম্মত হয়।
- ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) পাকিস্তান বাহিনীর ইস্টার্ন কমান্ডের প্রধান লে. জেনারেল আমীর আবদুল্লাহ খান নিয়াজী ৯৩ হাজার সৈন্যসহ যৌথ বাহিনীর নিকট আত্মসমর্পণ করেন।
- পাকিস্তানের পক্ষে নিয়াজী এবং যৌথ বাহিনীর পক্ষে আত্মসমর্পণ দলিলে স্বাক্ষর করেন ভারতীয় সেনাবাহিনীর ইস্টার্ন কমান্ডের প্রধান লে. জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরা।
- এতে অস্থায়ী গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ কে খন্দকার উপস্থিত ছিলেন।
- পাকিস্তান বাহিনীর আত্মসমর্পণের মধ্য দিয়ে মুক্তিযুদ্ধের চূড়ান্ত বিজয় সম্পন্ন হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৫২৭.
বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র আনুষ্ঠানিকভাবে গৃহীত হয় কবে?
  1. ৭ মার্চ, ১৯৭১
  2. ২৬ মার্চ, ১৯৭১
  3. ১০ এপ্রিল, ১৯৭১
  4. ১৭ এপ্রিল, ১৯৭১
সঠিক উত্তর:
১০ এপ্রিল, ১৯৭১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ এপ্রিল, ১৯৭১
ব্যাখ্যা
স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র:
- মুজিবনগর সরকারের জারিকৃত স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র হলো বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও মুক্তি সংগ্রামের একটি ঐতিহাসিক দলিল। 
- ১৯৭১ সালের ১০ই এপ্রিল মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র আনুষ্ঠানিকভাবে গৃহীত হয়।
- এটি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দলিল হিসেবে বিবেচিত হয়।
- মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে এ ঘোষণাপত্র প্রবাসী মুজিবনগর সরকার পরিচালনার অন্তর্বর্তীকালীন সংবিধান হিসেবে কার্যকর হয়।
- এ ঘোষণা স্বাধীন বাংলাদেশের নতুন সংবিধান প্রণীত হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত, দেশের সংবিধান হিসেবে কার্যকর ছিল।

উল্লেখ্য,
- স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র লিপিবদ্ধ করেন ব্যারিস্টার আমিরুল ইসলাম।
- ঘোষণাপত্রে ২৬ মার্চ থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতা কার্যকর বলে ঘোষণা করা হয়।
- ১৭ এপ্রিল অধ্যাপক ইউসুফ আলী আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীনতার ঘোষণা পত্র পাঠ করেন।
- বাংলাদেশ সংবিধানের ৭ম তফসিলে স্বাধীনতার ঘোষনাপত্র সংযুক্ত করা হয়।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান।
১১,৫২৮.
দুর্নীতি দমন কমিশনের শুভেচ্ছাদূত কে?
  1. ক) সাকিব আল হাসান
  2. খ) মুশফিকুর রহিম
  3. গ) আমিনুল ইসলাম
  4. ঘ) মাশরাফি বিন মুর্তজা
সঠিক উত্তর:
ক) সাকিব আল হাসান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) সাকিব আল হাসান
ব্যাখ্যা
দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) শুভেচ্ছা দূত হলেন বিশ্ববিখ্যাত ক্রিকেটার সাকিব আল হাসান। সূত্রঃ সমকাল।
১১,৫২৯.
স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় বাংলাদেশ কতগুলো সেক্টরে বিভক্ত ছিল?
  1. ক) ১৯ টি
  2. খ) ৯ টি
  3. গ) ৮ টি
  4. ঘ) ১১ টি
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১১ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১১ টি
ব্যাখ্যা
- যুদ্ধ পরিচালনার সুবিধার্থে মুজিবনগর সরকার ১৯৭১ সালের ১১ এপ্রিল সমগ্র বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করে।
- এসব সেক্টরকে আবার ৬৪টি সাব সেক্টরে ভাগ করা হয়।
- এছাড়া তিনটি বিগ্রেড ফোর্স গঠন করা হয়।
- ১০ নং সেক্টর ছিল একমাত্র নৌ সেক্টর যেখানে কোন নিয়মিত কমান্ডার ছিলো না।
সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী।
১১,৫৩০.
নজরুল পুরস্কার চালু করে -
  1. শিল্পকলা একাডেমি
  2. নজরুল ইনস্টিটিউট
  3. সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়
  4. বাংলা একাডেমি
সঠিক উত্তর:
বাংলা একাডেমি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলা একাডেমি
ব্যাখ্যা
নজরুল পুরস্কার:

- জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৪তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে বাংলা একাডেমিতে নজরুল পুরস্কার ২০২৩ প্রদান ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
- অনুষ্ঠানে নজরুলসংগীত-চর্চা ও প্রসারে সামগ্রিক অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ প্রখ্যাত শিল্পী শাহীন সামাদকে বাংলা একাডেমি প্রবর্তিত নজরুল পুরস্কার ২০২৩-এ ভূষিত করা হয়।
- এই পুরস্কারের অর্থমূল্য দুই লাখ টাকা।
- ২০২২ সালে বাংলা একাডেমি নজরুল পুরস্কার চালু করে।

তথ্যসূত্র - দৈনিক যুগান্তর, ২৪ মে ২০২৩।
১১,৫৩১.
তমুদ্দিন মজলিশ প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক আবুল কাশেম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোন বিভাগের শিক্ষক ছিলেন?
  1. ইতিহাস বিভাগ
  2. রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ
  3. বাংলা বিভাগ
  4. পদার্থবিজ্ঞান বিভাগ
সঠিক উত্তর:
পদার্থবিজ্ঞান বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পদার্থবিজ্ঞান বিভাগ
ব্যাখ্যা

তমুদ্দিন মজলিশ:

→ ইসলামী আদর্শাশ্রয়ী একটি সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সংগঠন।ভাষা আন্দোলনে গুরত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনকারী সংগঠনটি অধ্যাপক আবুল কাশেমের নেতৃত্বে ও দেওযান মুহাম্মদ আজরফ, অধ্যাপক এ.এস.এম নূরুল হক ভূঁইয়া, শাহেদ আলী, আবদুল গফুর, বদরুদ্দীন উমর, হাসান ইকবাল এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কতিপয় সিনিয়র ছাত্র নিয়ে গঠিত হয় ।


-ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আবুল কাশেমের উদ্যোগে ১৯৪৭ সালের ১ সেপ্টেম্বর সংগঠনটি প্রতিষ্ঠিত হয় ।- তমুদ্দিন মজলিশ মূলত সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সংগঠন ।

- তমুদ্দিন মজলিসের লক্ষ ছিল, কুসংস্কার দুর করে যুক্তিবাদের উপর সত্য সুন্দর ও মানবীয় মুল্যবোধ ভিত্তিক শিল্প ও সাহিত্যের মাধ্যমের দেশ ও সমাজ কে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া।

- তমদ্দুন মজলিশের বাংলা মুখপত্র ছিল সাপ্তাহিক সৈনিক।
- তমদ্দুন মজলিশ ১৯৪৭ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর ‘পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু’ শিরোনামে একটি পুস্তিকা প্রকাশ করে।


বি.দ্র.  -অনেক বইতে তমুদ্দিন মজলিশ ১৯৪৭ সালের ২ সেপ্টেম্বর প্রতিষ্ঠিত হয় উল্লেখ আছে, অপশনে ২ রা সেপ্টেম্বর থাকলে তা সঠিক উত্তর বলে গণ্য হবে।
- অনেক সময় অপশনে সাহিত্য ও সংস্কৃতি দুটোই থাকলে সঠিক উত্তর হবে- সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান।
এ বিষয় আরো বিস্তারিত তথ্য লাইভ এসসিকিউ এর তথ্যকল্পদ্রুম বাটনে দেখুন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

১১,৫৩২.
চুকনগর গণহত্যা কবে সংঘটিত হয়েছিল?
  1. ২৫ মার্চ ১৯৭১
  2. ১৪ ডিসেম্বর ১৯৭১
  3. ২০ মে ১৯৭১
  4. ২১ মে ১৯৭১
সঠিক উত্তর:
২০ মে ১৯৭১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০ মে ১৯৭১
ব্যাখ্যা

চুকনগর গণহত্যা (১৯৭১):
- চুকনগর গণহত্যা ছিল বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় গণহত্যা।
- অবস্থান: গ্রাম: চুকনগর, ইউনিয়ন: আটলিয়া, উপজেলা: ডুমুরিয়া, জেলা: খুলনা।
- তারিখ: ২০ মে ১৯৭১।
- মাত্র এক প্লাটুন পাকিস্তানি সেনা প্রায় ৪ ঘণ্টা ধরে ব্রাশফায়ার চালায়।
- এতে অন্তত ১২,০০০ নিরীহ মানুষ নিহত হন। বাস্তবে নিহতের সংখ্যা আরও বেশি ছিল বলে ধারণা করা হয়। ভদ্রা নদীতে লাশ ভাসিয়ে দেওয়ায় প্রকৃত সংখ্যা নির্ধারণ সম্ভব হয়নি।
- সংখ্যার দিক থেকে এটি মুক্তিযুদ্ধের সর্ববৃহৎ গণহত্যা হিসেবে স্বীকৃত।

উল্লেখ্য,
- ঢাকার মধ্যে সবচেয়ে বেশি নৃশংসতা সংঘটিত এলাকা: মিরপুর।
- একক শহর হিসেবে সবচেয়ে বেশি বধ্যভূমি পাওয়া যায়: চট্টগ্রাম।
- নৃশংসতার তালিকায় প্রথম দিকের একটি গণহত্যা: নীলফামারীর গোলাহাট গণহত্যা।

উৎস: দ্য ডেইলি স্টার বাংলা। 

১১,৫৩৩.
বক্সারের যুদ্ধে মীর কাসিমের সাথে কার যুদ্ধ হয়?
  1. লর্ড মাউন্টব্যাটেন
  2. লর্ড ক্যানিং
  3. রবার্ট ক্লাইভ
  4. ওয়ারেন হেস্টিংস
সঠিক উত্তর:
রবার্ট ক্লাইভ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রবার্ট ক্লাইভ
ব্যাখ্যা
বক্সারের যুদ্ধ:
- মীর কাসিম, অযোধ্যার নবাব সুজাউদ্দৌলা এবং মুঘল সম্রাট ২য় শাহ আলমের মিলিত জোটের সাথে ইংরেজ প্রধান রবার্ট ক্লাইভের বক্সার নামক স্থানে এক যুদ্ধ সংঘটিত হয়। 
- এ যুদ্ধ বক্সারের যুদ্ধ নামে পরিচিত।
- বক্সারের যুদ্ধ সংঘটিত হয় বিহারে।
- ১৭৬৪ সালের ২২ অক্টোবর বিহারের বক্সার নামক স্থানে সংঘটিত এ যুদ্ধে ইংরেজরা জয়লাভ করে। 
- বাদশাহ দ্বিতীয় শাহ আলম পুনরায় ইংরেজ শিবিরে আশ্রয় নেন। সুজাউদ্দৌলা রোহিলাখন্ডে পালিয়ে যান এবং অযোধ্যা ইংরেজ বাহিনীর পদানত হয়। মীর কাসিম নিরুদ্দেশ হন এবং এরপর তাঁর সম্পর্কে আর কিছু জানা যায় নি।
- বক্সার ছিল একটি চূড়ান্ত যুদ্ধ।
- এ যুদ্ধের পর বাংলা ইংরেজ কোম্পানির শাসনের অধীনে আবদ্ধ হয়। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১১,৫৩৪.
মুক্তিযুদ্ধকালীন ঢাকা কত নং সেক্টরের অধীনে ছিলো?
  1. ১নং 
  2. ২নং 
  3. ৩নং 
  4. ৪নং 
সঠিক উত্তর:
২নং 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২নং 
ব্যাখ্যা
• ২ নং সেক্টর:
- ২ নং সেক্টর  ঢাকা, কুমিল্লা, ফরিদপুর এবং নোয়াখালি জেলার অংশ নিয়ে গঠিত। 
- এ সেক্টরের বাহিনী গঠিত হয় ৪- ইস্টবেঙ্গল এবং কুমিল্লা ও নোয়াখালির ইপিআর বাহিনী নিয়ে। 
- আগরতলার ২০ মাইল দক্ষিণে মেলাঘরে ছিল এ সেক্টরের সদরদপ্তর। 
- সেক্টর কমান্ডার ছিলেন প্রথমে মেজর খালেদ মোশাররফ এবং পরে মেজর এ.টি.এম হায়দার। 
- এই সেক্টরের অধীনে প্রায় ৩৫ হাজারের মতো গেরিলা যুদ্ধ করেছে।
- নিয়মিত বাহিনীর সংখ্যা ছিল প্রায় ৬ হাজার।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১১,৫৩৫.
রাঢ় জনপদ কয়টি অংশে বিভক্ত ছিল?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২টি
ব্যাখ্যা
• রাঢ় জনপদ: 
- রাঢ় বলতে পশ্চিম বাংলার দক্ষিণাঞ্চলকেই বুঝানো হতো।
- এটি গঙ্গা নদীর দক্ষিণ ও পশ্চিম ভাগে সীমাবদ্ধ ছিল।
- জনপদটি দুটি অংশে বিভক্ত ছিল।
- একটি ছিল দক্ষিণ রাঢ় এবং অন্যটি ছিল উত্তর রাঢ়।
- এই উত্তর ও দক্ষিণ রাঢ়ই ছিল যথাক্রমে বজ্রভূমি ও সূহ্মভূমি।
- রাঢ়ের প্রধান নগর বা রাজধানী ছিল কোটিবর্ষ।

এছাড়াও,
- রাঢ়  প্রাচীন বাংলার একটি স্বতন্ত্র ভূ-রাজনৈতিক এলাকা (জনপদ)।
- দিগ্বিজয়প্রকাশ-এ উল্লিখিত একটি জনশ্রুতিতে দামোদর নদের উত্তরে ও গৌড়ের দক্ষিণে রাঢ়ের অবস্থান নির্দেশ করা হয়েছে।
- তবকত-ই-নাসিরের বর্ণনায়ও গঙ্গার দক্ষিণে রাঢ়ের অবস্থান নির্দেশিত হয়েছে।

উৎস: ¡) ইতিহাস ও সভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
        ¡¡) বাংলাপিডিয়া
১১,৫৩৬.
National Institute of Population Research and Training কোন মন্ত্রণালয়ের অধীন?
  1. ক) স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়
  2. খ) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে
  3. গ) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়
  4. ঘ) শিক্ষা মন্ত্রণালয়
সঠিক উত্তর:
ক) স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা

- NIPORT (নিপোর্ট) বা National Institute of Population Research and Training হলো বাংলাদেশের জনসংখ্যা বিষয়ক জাতীয় গবেষণা প্রতিষ্ঠান।
- এটি ১৯৭৭ সালে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে প্রতিষ্ঠিত হয় যা ঢাকার আজিমপুরে অবস্থিত।
- নিপোর্ট স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীন জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন ও মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারিদের জ্ঞান ও দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করে থাকে।
(তথ্যসূত্রঃ NIPORT ওয়েবসাইট)

১১,৫৩৭.
স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় নির্বাচনে নির্বাচন কমিশনার ছিলেন কে?
  1. বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন
  2. বিচারপতি এটিএম মাসুদ
  3. বিচারপতি একেএম নুরুল ইসলাম
  4. বিচারপতি এম ইদ্রিস
সঠিক উত্তর:
বিচারপতি এম ইদ্রিস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিচারপতি এম ইদ্রিস
ব্যাখ্যা
প্রথম জাতীয় নির্বাচন:
- স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ৭ই মার্চ, ১৯৭৩ সালে।
- নির্বাচন কমিশনার: বিচারপতি এম ইদ্রিস।
- মোট আসন: ৩১৫টি।
- সাধারন আসন: ৩০০টি।
- সংরক্ষিত নারী আসন: ১৫টি।
- অংশগ্রহণকারী দল: ১৪টি।
- এই নির্বাচনে আওয়ামী লীগ জয়লাভ করেন।

তথ্যসূত্র - নির্বাচন কমিশন ওয়েবসাইট, পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাপিডিয়া।
১১,৫৩৮.
মুক্তিযুদ্ধের সময় সমগ্র বাংলাদেশকে কতটি সেক্টরে ভাগ করা হয়?
  1. ক) ১০ টি
  2. খ) ১১ টি
  3. গ) ১৭ টি
  4. ঘ) ১৮ টি
সঠিক উত্তর:
খ) ১১ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১১ টি
ব্যাখ্যা
যুদ্ধ পরিচালনার সুবিধার্থে মুজিবনগর সরকার ১৯৭১ সালের ১১ এপ্রিল সমগ্র বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করে।
এসব সেক্টরকে আবার ৬৪টি সাব সেক্টরে ভাগ করা হয়। এছাড়া তিনটি বিগ্রেড ফোর্স গঠন করা হয়।
১০ নং সেক্টর ছিল একমাত্র নৌ সেক্টর যেখানে কোন নিয়মিত কমান্ডার ছিলো না।
(সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
১১,৫৩৯.
অপরাজেয় বাংলার ভাস্কর কে?
  1. ক) হামিদুজ্জামান খান
  2. খ) সৈয়দ আব্দুল্লাহ খালেদ
  3. গ) রাফিউদ্দীন আহমেদ
  4. ঘ) আরিফুল ইসলাম
সঠিক উত্তর:
খ) সৈয়দ আব্দুল্লাহ খালেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সৈয়দ আব্দুল্লাহ খালেদ
ব্যাখ্যা
অপরাজেয় বাংলা:
- মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক ভাস্কর্য অপরাজেয় বাংলা।
- অপরাজেয় বাংলার স্থপতি সৈয়দ আব্দুল্লাহ খালেদ।
- ভাস্কর্যটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলাভবনের সম্মুখ প্রাঙ্গনে অবস্থিত।
- ১৯৭৯ সালের ১৬ ডিসেম্বর এটি উদ্বোধন করা হয়।
- অপরাজেয় বাংলা শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানে স্থাপিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রথম ভাস্কর্য।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১১,৫৪০.
বাংলাদেশে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের মধ্যে প্রথম নারী উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে-
  1. ক) জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে
  2. খ) চট্রগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে
  3. গ) খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে
  4. ঘ) বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে
সঠিক উত্তর:
ক) জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের প্রথম নারী উপাচার্য হলেন অধ্যাপক ফারজানা ইসলাম।
- তিনি ২০১৪ সালে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে নিযুক্ত হন।  
- তিনি জাহাঙ্গীরনগরবিশ্ববিদ্যালয়ের নৃ-বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ছিলেন।

উৎস : প্রথম আলো
১১,৫৪১.
মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্ট কে প্রতিষ্ঠা করেন?
  1. ক) শেখ হাসিনা
  2. খ) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
  3. গ) তাজউদ্দীন আহমদ
  4. ঘ) শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক
সঠিক উত্তর:
খ) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্ট প্রতিষ্ঠা করেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
Source:bffwt.gov.bd
১১,৫৪২.
মুক্তিযুদ্ধে 'চীফ অব স্টাফ' এর দায়িত্ব পালন করেন কে?
  1. খালেদ মোশাররফ
  2. এম এ রব
  3. এ কে খন্দকার
  4. কে এম সফিউল্লাহ
সঠিক উত্তর:
এম এ রব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এম এ রব
ব্যাখ্যা
• কর্নেল এম এ রব:
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হওয়ার পর লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ আবদুর রব যুদ্ধে যোগ দেন।
- সিলেট অঞ্চলে ৪ নম্বর সেক্টরের কমান্ডার মেজর চিত্তরঞ্জন দাশের নেতৃত্বে দুর্ধর্ষ সব যুদ্ধের অন্যতম পরিকল্পনাকারী ছিলেন এম এ রব।
- মুজিবনগর সরকার তাকে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর চিফ অফ স্টাফ ও সেকেন্ড-ইন-কমান্ড হিসেবে নিয়োগ দেয়।
- মুক্তিযুদ্ধের পরে লেফটেন্যান্ট কর্নেল আবদুর রবকে মেজর জেনারেল পদ দেওয়া হয় এবং বীর উত্তম খেতাবে ভূষিত করা হয়।
- ১৯৭৫ সালের ১৪ নভেম্বর শেষ নি:শ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।

অন্যদিকে,
- কে এম সফিউল্লাহ সিলেট অঞ্চলের অধিনায়ক ছিলেন। 
- মুক্তিযুদ্ধে উপসেনাপতির দায়িত্ব পালন করেন এ কে খন্দকার।
- ২নং সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার ছিলেন খালেদ মোশারফ।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি ও বাংলাপিডিয়া। 
১১,৫৪৩.
বগাকাইন হ্রদ কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. ক) খাগড়াছড়ি
  2. খ) রাঙামাটি
  3. গ) চট্রগ্রাম
  4. ঘ) বান্দরবান
সঠিক উত্তর:
ঘ) বান্দরবান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) বান্দরবান
ব্যাখ্যা
বগাকাইন হ্রদ (Bagakain Lake)  
বান্দরবান পার্বত্য জেলার একমাত্র প্রাকৃতিক হ্রদ, সাধারণভাবে বগা লেক নামে পরিচিত।
• হ্রদটি রুমা থানার পূর্বদিকে শঙ্খ নদীর তীর থেকে ২৯ কিমি অভ্যন্তরে নাইতং মৌজায় পলিতাই পর্বতশ্রেণীর একটি পাহাড়ের চূড়ায় অবস্থিত।
• এর তীরগুলি পরস্পর সমান্তরাল বলে এটিকে মানুষের খনন করা দিঘি বলে মনে হয়।
• এটি তিনদিক থেকে ৪৬ মিটার পর্যন্ত উঁচু বাঁশঝাড়ে আবৃত পর্বতশৃঙ্গ দ্বারা বেষ্টিত। হ্রদটি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৪৫৭ মিটার ও ৬১০ মিটার উচ্চতার মধ্যবর্তী অবস্থানে একটি মালভূমিতে অবস্থিত। এর গভীরতা ৩৮ মিটার।
• হ্রদটি রীতিমত আবদ্ধ, এর আশেপাশে পানির কোন উৎসস্থল নেই এবং এখান থেকে পানি বের হয়ে যাওয়ারও কোন পথ নেই। হ্রদের অবস্থান থেকে ১৫৩ মিটার নিচে বগাছড়া নামে একটি ছোট ঝর্ণার উৎসস্থল আছে।
• এই হ্রদের তলদেশে উষ্ণ প্রস্রবণ আছে এবং সেখান থেকে পানি বের হওয়ার সময় পানির রঙ বদল হয়। 
• হ্রদটি ভুবন স্তরসমষ্টির (Bhuban Formation) নরম শিলা দ্বারা গঠিত।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া।
১১,৫৪৪.
During the Liberation War in 1971, which country provided a 'veto' for Bangladesh in the United Nations?
  1. ক) USA
  2. খ) UK
  3. গ) France
  4. ঘ) Soviet Union
সঠিক উত্তর:
ঘ) Soviet Union
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) Soviet Union
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের পক্ষে ভেটো প্রদান:
- ১৯৭১ সালের ৪ ডিসেম্বর জাতিসংঘে বাংলাদেশের পক্ষে ভেটো প্রদান করেছিল সোভিয়েত ইউনিয়ন। 
- যুক্তরাষ্ট্র জাতিসংঘে পাকিস্তানের পক্ষে মোট তিনবার যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব আনে এবং সোভিয়েত ইউনিয়ন তিন বার ই ভেটো দেয়।
- এছাড়া মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বঙ্গোপসাগরে ৭ম নৌবহর প্রেরণ করে।
- তার পাল্টা ভারত মহাসাগরে অবস্থিত সোভিয়েত ইউনিয়নের ২০তম নৌবহর ৭ম নৌবহরের পিছু নেয়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, ৯ম-১০ম শ্রেণি।
১১,৫৪৫.
'দিওয়ান-ই-আম' কোন মুঘল সম্রাটের সময়ে নির্মিত?
  1. আকবর
  2. বাবর
  3. শাহজাহান
  4. হুমায়ুন
সঠিক উত্তর:
শাহজাহান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শাহজাহান
ব্যাখ্যা

সম্রাট শাহজাহান:
- ১৬২৮ খ্রিস্টাব্দের ৪ ফেব্রুয়ারি 'আবুল মুজাফফর শিহাব উদ্দিন মুহাম্মদ শাহজাহান বাদশাহ গাজী' উপাধি ধারণ করে সিংহাসনে অধিষ্ঠিত হন।
- তাঁর ত্রিশ বছরের রাজত্বকালে মোগল সাম্রাজ্য গৌরবের সর্বোচ্চ শিখরে আরোহণ করেছিল।
- সমরকুশলী হিসেবে সম্রাট শাহজাহান দক্ষতার পরিচয় দেন।
- মোগল আধিপত্য বিস্তারেও তিনি বিশেষ কৃতিত্বের পরিচয় দেন।
- তাঁর আমলে আহমদনগর, বিজাপুর, গোলকুণ্ডায় মোগল আধিপত্য প্রতিষ্ঠিত হয়।
- তিনি পর্তুগিজদের দমন করে হুগলী দখল করেন।
- সম্রাট শাহজাহানের রাজত্বকালে সর্বপ্রথম পশ্চিম এশিয়ার এবং ইউরোপের সাথে ভারতবর্ষের বহির্বাণিজ্যিক সম্পর্ক স্থাপিত হয়।
- সম্রাট শাহজাহান ছিলেন সৌন্দর্য পিপাসু শিল্পমনা মানুষ।
- The Prince of Builder নামে খ্যাত সম্রাট শাহজাহানের আমলে মোগল শিল্প ও স্থাপত্যের চরম উৎকর্ষ সাধিত হয়।
- সম্রাটের স্ত্রী মমতাজ মহলের সমাধির উপর নির্মিত স্মৃতিসৌধ তাজমহল বিশ্বের স্থাপত্য শিল্পের অন্যতম একটি নিদর্শন।
- তাজমহলকে ঐতিহাসিক হ্যাভেল ভারতের 'ভেনাস দ্যা মিলো' নামে আখ্যায়িত করেছেন।
- এছাড়া মতি মসজিদ, দিওয়ান-ই-আম, দিওয়ান-ই-খাস, জামে মসজিদ তাঁর আমলের স্থাপত্য শিল্পের অন্যতম কীর্তি।
- শাহজাহানের ময়ূর সিংহাসন তাঁর শিল্পানুরাগের এক অপূর্ব নিদর্শন।

তথ্যসূত্র - ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১,৫৪৬.
ঐতিহাসিক “ছয় দফা দাবিতে” যে বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত ছিল না-
  1. শাসনতান্ত্রিক কাঠামো
  2. কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা
  3. স্বতন্ত্র মুদ্রা ব্যবস্থা
  4. বিচার ব্যবস্থা
সঠিক উত্তর:
বিচার ব্যবস্থা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিচার ব্যবস্থা
ব্যাখ্যা
• 'বিচার ব্যবস্থা'- ছয় দফা দাবিতে অন্তর্ভুক্ত ছিল না।

• ছয় দফা:
পূর্ব পাকিস্তানের স্বাধিকার প্রশ্নে ১৯৬৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি লাহোরে বিরোধী দলগুলোর এক মহাসম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সম্মেলনে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তানের রাজনৈতিক, অর্থতিক ও প্রতিরক্ষার দাবি সম্মিলিত ৬ দফাভিত্তিক ঘোষণা উত্থাপন বা পেশ করেন। এটাই ইতিহাসে ‘ছয় দফা কর্মসূচি’ নামে পরিচিত।

উল্লেখ্য,
- ২৩ মার্চ, ১৯৬৬ সালে আনুষ্ঠানিক ভাবে ছয় দফা দাবি পেশ করা হয়। 
- ছয় দফা দাবি ঐতিহাসিক ‘লাহোর প্রস্তাব’ এর ভিত্তিতে রচিত।
- ৬ দফা দাবি বাঙালি জাতির ‘মুক্তির সনদ’ বা ‘ম্যাগনেকার্টা’ হিসাবে পরিচিত।

• দফাগুলো হলো:
প্রথম দফা: প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন‌,
দ্বিতীয় দফা: কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা,
তৃতীয় দফা: মুদ্রা বা অর্থ-সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
চতুর্থ দফা: রাজস্ব, কর বা শুল্ক সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
পঞ্চম দফা: বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা এবং
ষষ্ঠ দফা: আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া, ইতিহাস ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, ও মূলধারা ’৭১'।
১১,৫৪৭.
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম মারা যান কত বঙ্গাব্দে?
  1. ২২শে শ্রাবণ ১৩৮২ বঙ্গাব্দ
  2. ১২ ভাদ্র ১৩৮৩ বঙ্গাব্দ
  3. ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৩৮৪ বঙ্গাব্দ
  4. ২৫ মাঘ ১৩৮১ বঙ্গাব্দ
সঠিক উত্তর:
১২ ভাদ্র ১৩৮৩ বঙ্গাব্দ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২ ভাদ্র ১৩৮৩ বঙ্গাব্দ
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম ১৩০৬ বঙ্গাব্দের ১১ জ্যৈষ্ঠ (২৪ মে ১৮৯৯) পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার চুরুলিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- দেশ স্বাধীনের পর ১৯৭২ সালের ২৪ মে কাজী নজরুল ইসলামকে ভারত থেকে সপরিবারে ঢাকায় আনা হয়। তাকে ‘জাতীয় কবি’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
- ১৯৭৪ সালের ৯ মে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বিশেষ সমাবর্তনের মাধ্যমে তাকে ‘ডি. লিট’ উপাধি বা সম্মাননা প্রদান করে।
- ১৯৭৬ সালের জানুয়ারি মাসে কবিকে বাংলাদেশের নাগরিকত্ব এবং ফেব্রুয়ারি মাসে একুশে পদক প্রদান করা হয়।
- ১৯৭৬ সালের ২৯ আগস্ট বাংলা ১২ ভাদ্র ১৩৮৩ বঙ্গাব্দ ঢাকার পিজি হাসপাতালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
তাকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের পাশে সমাহিত করা হয়।
(সূত্রঃ বাংলাপিডিয়া)
১১,৫৪৮.
বর্তমানে বাংলাদেশের বৃহৎ বিদ্যুৎ কেন্দ্র কোনটি?
  1. পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র
  2. বড় পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র
  3. মাতারবাড়ি তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র
  4. রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র
সঠিক উত্তর:
পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র
ব্যাখ্যা
সর্ববৃহৎ বিদ্যুৎকেন্দ্র:

- বিদ্যুৎ উৎপাদনের দিক থেকে পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র বাংলাদেশে সর্ববৃহৎ কেন্দ্র।  
- এই কেন্দ্রের থেকে প্রতিদিন ১৩২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতা রয়েছে।
- পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় উপজেলার ধানখালীতে কয়লাভিত্তিক এ বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করা হয়েছে। বিদ্যুৎ উৎপাদনের দিক থেকে এটি বাংলাদেশে সর্ববৃহৎ কেন্দ্র।
- পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র তৈরি হয়েছে বাংলাদেশ ও চীনের যৌথ উদ্যোগে।
- পরীক্ষামূলক চালানোর পর ২০২০ সালের ১৫ই মে প্রথম কেন্দ্রটি পুরোপুরি উৎপাদনে আসে।
- পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র। এই বিদ্যুৎ উৎপাদনে প্রতিদিন ১২ হাজার টনের বেশি কয়লা পোড়ানো হচ্ছে।

তথ্যসূত্র - বিবিসি বাংলা, ২১ মার্চ ২০২২।
১১,৫৪৯.
মধ্যপ্রাচ্যের ও প্রথম আরব দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় -
  1. ইরান
  2. ইরাক
  3. মিশর
  4. সৌদি আরব
সঠিক উত্তর:
ইরাক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইরাক
ব্যাখ্যা

মধ্যপ্রাচ্যের দেশের বাংলাদেশকে স্বীকৃতি:                            
- মধ্যপ্রাচ্যের ও প্রথম আরব দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় ইরাক।
- ১৯৭২ সালের ৮ জুলাই ইরাক বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।

অন্যদিকে -
- লেবানন বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় ২৮ মার্চ, ১৯৭৩।
- মিশর বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় ১৫ সেপ্টেম্বর ১৯৭৩।
- জর্ডান বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় ১৬ অক্টোবর ১৯৭৩। 
- কুয়েত বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় ৪ নভেম্বর ১৯৭৩।
- ইরান বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় ২২ ফেব্রুয়ারি ১৯৭৪।
- সৌদি আরব বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় ১৬ আগস্ট, ১৯৭৫।

উৎস: i) বঙ্গভবনের শতবর্ষ (বঙ্গভবন)।
ii) বাংলাদেশের তারিখ (বিচারপতি মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান)।

১১,৫৫০.
লালবাগ কেল্লার প্রাচীন নাম কী ছিল?
  1. জাহাঙ্গীর নগর দুর্গ
  2. আওরঙ্গবাদ দুর্গ
  3. আজম দুর্গ
  4. শায়েস্তা দুর্গ
সঠিক উত্তর:
আওরঙ্গবাদ দুর্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আওরঙ্গবাদ দুর্গ
ব্যাখ্যা

লালবাগ কেল্লা:
- লালবাগ কেল্লার নাম ছিল কেল্লা আওরঙ্গবাদ বা আওরঙ্গবাদ দুর্গ।
- এটি মোগল আমল এর একটি চমৎকার নিদর্শন।
- এই কেল্লার নকশা করেন শাহ আজম।
- মোগল সম্রাট আওরঙ্গজেব-এর ৩য় পুত্র আজম শাহ ১৬৭৮ খ্রিস্টাব্দে ঢাকার সুবেদারের বাসস্থান হিসেবে এ দুর্গের নির্মাণ কাজ শুরু করেন।
- নবাব শায়েস্তা খাঁ ১৬৮০ সালে ঢাকায় এসে পুনরায় দুর্গের নির্মাণকাজ শুরু করেন।
- শায়েস্তা খানের কন্যা পরী বিবির মৃত্যুর পর শায়েস্তা খান ১৬৮৪ খ্রিস্টাব্দে এর নির্মাণ বন্ধ করে দেন।
- পরী বিবিকে দরবার হল এবং মসজিদের ঠিক মাঝখানে সমাহিত করা হয়।
- ১৮৪৪ সালে ঢাকা কমিটি নামে একটি আধা-সরকারি প্রতিষ্ঠান দুর্গের উন্নয়ন কাজ শুরু করে।
- এ সময় দুর্গটি লালবাগ দুর্গ নামে পরিচিতি লাভ করে।
- ১৯১০ সালে লালবাগ দুর্গের প্রাচীর সংরক্ষিত স্থাপত্য হিসেবে প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের অধীনে আনা হয়।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১১,৫৫১.
দ্বিতীয় প্রেক্ষিত পরিকল্পনার মেয়াদকাল কোনটি?
  1. ক) ২০১০-২০২১ সাল
  2. খ) ২০১৬-২০২৬ সাল
  3. গ) ২০২০-২০৩০ সাল
  4. ঘ) ২০২১-২০৪১ সাল
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২০২১-২০৪১ সাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২০২১-২০৪১ সাল
ব্যাখ্যা
রূপকল্প ২০৪১ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে পরিকল্পনা কমিশন ২০ বছর মেয়াদী দেশের দ্বিতীয় প্রেক্ষিত পরিকল্পনা প্রণয়ন করেছে। এর মেয়াদকাল জুলাই ২০২১ সাল থেকে জুন ২০৪১ সাল।

- ২০৪১ সালের মধ্যে দেশের মাথাপিছু আয় ১২,৫০০ মার্কিন ডলারে বৃদ্ধি করার মাধ্যমে বাংলাদেশকে একটি উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত করাই এই পরিকল্পনার মূল লক্ষ্য।

- এই সময়ে গড় প্রবৃদ্ধি হার হবে ৯.৯ শতাংশ। ২০৪১ সাল নাগাদ চরম দারিদ্র্য হার ০.৬৮ শতাংশে এবং দারিদ্র্য হার ৩ শতাংশের নিচে নামিয়ে লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

(তথ্যসূত্র: পরিকল্পনা কমিশন ওয়েবসাইট)
১১,৫৫২.
মুজিবনগর সরকারের মন্ত্রিসভায় মোট সদস্য ছিলো কতজন?
  1. ক) ৫ জন
  2. খ) ৬ জন
  3. গ) ৭জন
  4. ঘ) ১২ জন
সঠিক উত্তর:
খ) ৬ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৬ জন
ব্যাখ্যা

- ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল বাংলাদেশের অস্থায়ী প্রবাসী/মুজিবনগর সরকার গঠিত হয়।
- এই সরকার ১৭ এপ্রিল বর্তমান মেহেরপুর জেলার মুজিবনগরে শপথ গ্রহণ করে।
- মুজিবনগর সরকার ছিলো রাষ্ট্রপতিশাসিত সরকার ব্যবস্থা।
- এই সরকারের প্রধান ছিলেন রাষ্ট্রপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তার অনুপস্থিতিতে উপরাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন।
- মুজিবনগর মন্ত্রিসভার মোট সদস্য ছিলো ছয়জন।

মুজিবনগর সরকারের মন্ত্রিসভা:
- রাষ্ট্রপতি : বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
- উপরাষ্ট্রপতি ও ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি : সৈয়দ নজরুল ইসলাম
- প্রধানমন্ত্রী : তাজউদ্দিন আহমেদ
- অর্থ ও বাণিজ্যমন্ত্রী : এম মনসুর আলী
- স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ, পুনর্বাসন ও কৃষিমন্ত্রী : এএইচএম কামরুজ্জামান
- পররাষ্ট্র ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী : খন্দকার মোশতাক আহমেদ।

(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র : তৃতীয় খণ্ড : পৃষ্ঠা-১৩, ১৯)

১১,৫৫৩.
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহিদ আবু সাঈদকে নিয়ে অঙ্কিত শিল্পকর্মের নাম কী? 
  1. মুক্তির তোরণ
  2. উন্নত মম শির
  3. অকুতোভয়
  4. দুরন্ত
সঠিক উত্তর:
উন্নত মম শির
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উন্নত মম শির
ব্যাখ্যা

- জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহিদ আবু সাঈদকে নিয়ে অঙ্কিত শিল্পকর্মের নাম উন্নত মম শির।

জুলাই গণঅভ্যত্থান: 

- শহীদ আবু সাঈদের রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের কৃতী শিক্ষার্থী।
- ১৬ জুলাই ২০২৪ পুলিশের গুলিতে শহীদ হন।
- স্নাতক ফল শহীদ হওয়ার পর প্রকাশিত হয়।
- দুই হাত প্রসারিত করে নির্ভীকভাবে দাঁড়ানো দৃশ্যটি জুলাই-আগস্টের স্বৈরশাসনবিরোধী আন্দোলনের উজ্জ্বলতম প্রতীক।
- আন্দোলনের প্রেক্ষাপটছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে ফ্যাসিবাদবিরোধী রক্তক্ষয়ী আন্দোলন।
- তাকে নিয়ে শিল্পকর্মের নাম‘: উন্নত মম শির ।
- ’শিল্পী শহীদ কবির (দেশের বিশিষ্ট শিল্পী)।

উৎস: প্রথম আলো পত্রিকা।[লিঙ্ক]

১১,৫৫৪.
ইবনে বতুতা কোন শাসকের শাসনামলে বাংলায় আগমন করেন?
  1. ইলিয়াস শাহ
  2. আলাউদ্দিন হোসেন শাহ
  3. গিয়াসউদ্দিন আযম শাহ
  4. ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ
সঠিক উত্তর:
ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ
ব্যাখ্যা
• ইবনে বতুতা (মরক্কো)
- ইবনে বতুতা ১৩২৫ খ্রিস্টাব্দে ২১ বছর বয়সে বিশ্ব সফরে বের হন এবং
- আট বছরের মধ্যে সমগ্র উত্তর আফ্রিকা, আরব, পারস্য, ভূমধ্যসাগরের পূর্ব তীরবর্তী অঞ্চল ও কনস্টান্টিনোপল পরিভ্রমণ করেন।
- তাঁর পুরো নাম শেখ আবু আবদুল্লাহ মুহম্মদ।
- ১৩৩৪ খ্রিস্টাব্দে তিনি দিল্লিতে পৌঁছেন।
- সুলতান মুহাম্মদ বিন তুগলক তাঁকে দিল্লির কাজী নিযুক্ত করেন।
- ইবনে বতুতা ১৩৪৬ খ্রিস্টাব্দে বাংলায় সফর করেন ফখরুদ্দীন মুবারক শাহের আমলে।
- বাংলার যে শহরে ইবনে বতুতা প্রথম পৌঁছেন (৯ জুলাই ১৩৪৬) তার নাম তিনি উল্লেখ করেছেন সাদকাঁও (চাটগাঁও)।
- গ্রন্থ- ইবনে জুযাই , কিতাবুল রেহালা।

সূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্ব সভ্যতা, এস এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাপিডিয়া।
১১,৫৫৫.
মুজিবনগর সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ছিলেন?
  1. ক) এ এইচ এম কামরুজ্জামান
  2. খ) এম মনসুর আলী
  3. গ) খন্দকার মুশতাক আহমেদ
  4. ঘ) তাজউদ্দীন আহমদ
সঠিক উত্তর:
ক) এ এইচ এম কামরুজ্জামান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) এ এইচ এম কামরুজ্জামান
ব্যাখ্যা
১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল অস্থায়ী প্রবাসী সরকার বা মুজিবনগর সরকার গঠিত হয়। ১৭ এপ্রিল এ সরকার শপথ গ্রহণ করে। এ সরকারের রাষ্ট্রপতি নিযুক্ত হন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, উপরাষ্ট্রপতি ও ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম, প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দিন আহমেদ, স্বরাষ্ট্র-ত্রাণ-পুনর্বাসন মন্ত্রী এ এইচ এম কামরুজ্জামান, অর্থ-বাণিজ্য মন্ত্রী এম মনসুর আলী এবং পররাষ্ট্র ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী ছিলেন খন্দকার মুশতাক আহমেদ। (সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
১১,৫৫৬.
ফা-হিয়েন  কার শাসনামলে বাংলায় ভ্রমণ করেন?
  1.  চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য
  2. দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্ত 
  3. গিয়াস উদ্দীন আজম শাহ
  4. হর্ষবর্ধন
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্ত 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্ত 
ব্যাখ্যা

 ফা-হিয়েন:
- ফা-হিয়েন বাংলায় ভ্রমণকারী প্রথম চীনা পরিব্রাজক।
- দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্ত (৩৮০-৪১৩খ্রি.) এর সময় বাংলায় আসেন। অর্থ্যাৎ গুপ্ত যুগে বাংলায় আগমনকারী চীনা পরিব্রাজক হলে ফা-হিয়েন।
- ৩৯৯ খ্রিস্টাব্দে ফা-হিয়েন ভারত অভিমুখে যাত্রা করেন। গোবি, খোটান, পামির মালভ‚মি এং গান্ধার দেশ অতিক্রম করে তিনি ৪০১ খ্রিস্টাব্দে ভারতে প্রবেশ করেন।
- তিনি টানা ১০ বছর ভারতের বিভিন্ন স্থানে ভ্রমণ করেছিলেন।
- ফা-হিয়েনের ভ্রমন বৃত্তান্ত ‘ফো-কুয়ো-কিং’ নামে পরিচিত। এটি ভারতের ইতিহাসের একটি বিশিষ্ট ও প্রামাণ্য দলিল।

অন্যদিকে,
- মা হুয়ান চীনা পরিব্রাজক । গিয়াস উদ্দীন আজম শাহের সময় বাংলায় আসেন।
- বিখ্যাত চৈনিক পর্যটক হিউয়েন সাং হর্ষবর্ধনের শাসনামলে ভারতবর্ষে আসেন।
- মেগাস্থিনিস (গ্রিস) রাজকীয় দূত হিসেবে ভারতীয় রাজা চন্দ্রগুপ্ত মৌর্যের (স্যান্ড্রাকোটাস) রাজদরবারে দায়িত্ব পালন করেন।

উৎস: ইতিহাস প্রথম পত্র, HSC প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং বাংলাপিডিয়া।

১১,৫৫৭.
কোন চুক্তির আওতায় বাংলাদেশ-ভারত ছিটমহল বিনিময় হয়?
  1. বাংলাদেশ ভারত মৈত্রী চুক্তি
  2. স্থলসীমান্ত চুক্তি ১৯৭৪
  3. গঙ্গার পানিবন্টন চুক্তি
  4. তিস্তা চুক্তি
সঠিক উত্তর:
স্থলসীমান্ত চুক্তি ১৯৭৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্থলসীমান্ত চুক্তি ১৯৭৪
ব্যাখ্যা
স্থলসীমান্ত চুক্তি ১৯৭৪:
- ১৯৭৪ সালের ১৬ মে বাংলাদেশ ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী যথাক্রমে শেখ মুজিবুর রহমান ও ইন্দিরা গান্ধী স্থল সীমান্ত চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।
- এর উদ্দেশ্য ছিল বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে অমীমাংসিত স্থল সীমানা চূড়ান্ত করা।
- এই চুক্তি অনুযায়ী ভারতের ভেতরে থাকা দক্ষিণ বেরুবাড়ি ভারতের দখলে চলে যায় এবং দহগ্রাম ও আঙ্গরপোতা বাংলাদেশের অধিকারে আসে।
- ছিটমহল দুটি বাংলাদেশের মূল ভূখণ্ড থেকে বিচ্ছিন্ন থাকায় পানবাড়ি মৌজার সঙ্গে যুক্ত করার জন্য তিনবিঘা জমি ভারত বাংলাদেশের অনুকূলে স্থায়ী ইজারা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।
- চুক্তি সইয়ের পরপরই বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ এটি অনুমোদন করে।

উল্লেখ্য,
- স্থলসীমান্ত চুক্তি ১৯৭৪ আওতায় ২০১৫ সালে ছিটমহল বিনিময় হয়।
- এটি ইন্দিরা-মুজিব চুক্তি নামে ও পরিচিত।
- ১৯৭৪ সালের বাংলাদেশ-ভারত স্থল সীমান্ত চুক্তি এবং ২০১১ সালের প্রটোকল অনুযায়ী ১৯৪৭ সালের ভারত ভাগের ৬৮ বছর পর দুটি দেশের মধ্যেকার সীমান্ত সমস্যার নিষ্পত্তি হয় ২০১৫ সালে।
- বাংলাদেশে ও ভারতের মধ্যে ছিটমহল বিনিময় হয়েছে ৩১ জুলাই, ২০১৫ তারিখে।

উৎস: i) ৮ জুন ২০১৫, প্রথম আলো।
         ii) ৩১ জুলাই, ২০১৫, বিবিসি বাংলা।
১১,৫৫৮.
ছিয়াত্তরের মন্বন্তর বাংলা কোন সনে হয়েছিল?
  1. ১৭৭০
  2. ১৭৭৬
  3. ১১৭০
  4. ১১৭৬
সঠিক উত্তর:
১১৭৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১৭৬
ব্যাখ্যা
ছিয়াত্তরের মন্বন্তর:
- রবার্ট ক্লাইভ দ্বৈত শাসন ব্যবস্থা প্রণয়ন করলে দেওয়ানি চলে যায় কোম্পানির হাতে।
- প্রশাসনিক ক্ষমতা থাকে নবাবের হাতে।
- যার ফলে বাংলায় এক অভূতপূর্ব প্রশাসনিক জটিলতার সৃষ্টি হয় ।
- এর ফল হিসেবে ১৭৭০ খ্রিস্টাব্দে (১১৭৬ বঙ্গাব্দ) দেখা দেয় ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ, যা ছিয়াত্তরের মন্বন্তর নামে পরিচিত।
- এই দুর্ভিক্ষে বাংলার জনসংখ্যার প্রায় এক-তৃতীয়াংশ মৃত্যুমুখে পতিত হয় ৷

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১১,৫৫৯.
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারি পার্ক কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) কক্সবাজার
  2. খ) নেত্রকোনা
  3. গ) গাজীপুর
  4. ঘ) গোপালগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
গ) গাজীপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) গাজীপুর
ব্যাখ্যা

সাফারি শব্দটির উৎপত্তি আফ্রিকার সোয়াহিলি শব্দ সাফারি থেকে যার অর্থ ভ্রমণ।
সরকারিভাবে দুটি সাফারি পার্ক গড়ে তোলা হয়েছে। প্রথমটি কক্সবাজার জেলার চকোরিয়া উপজেলায় ডুলাহাজরা সাফারি পার্ক এবং দ্বিতীয়টি গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্ক।
ডুলাহাজরা সাফারি পার্কের বর্তমান নাম ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারি পার্ক ও বন্য প্রাণী প্রজনন কেন্দ্র’। ডুলাহাজরা অর্থ - ‘হাজার পালকি’।
গাজীপুরে অবস্থিত সাফারি পার্কের নাম - বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারি পার্ক।

উৎসঃ সংশ্লিষ্ট জেলাগুলোর ওয়েবসাইট।

১১,৫৬০.
বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে সর্বশেষ শত্রুমুক্ত জেলা কোনটি?
  1. ঢাকা
  2. খুলনা
  3. সিলেট
  4. কুমিল্লা
সঠিক উত্তর:
ঢাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঢাকা
ব্যাখ্যা
স্বাধীনতা যুদ্ধে সর্বশেষ শত্রুমুক্ত জেলা:
- স্বাধীনতা যুদ্ধে সর্বশেষ শত্রুমুক্ত জেলা ঢাকা।

উল্লেখ্য,
- ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিকেলে ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে মিত্রবাহিনীর কাছে নিঃশর্ত আত্মসমর্পণের মধ্য দিয়ে চূড়ান্ত পরাজয় হয় পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর।
- কিন্তু আত্মসমর্পণের পরও পাকিস্তানি বাহিনী ও তাদের দোসররা দেশের বিভিন্ন স্থানে বিচ্ছিন্নভাবে যুদ্ধ চালিয়ে গিয়েছিল।
- ঢাকায় আত্মসমর্পণের ১ সপ্তাহ পর্যন্ত যুদ্ধ চলার পর ২৩ ডিসেম্বর হানাদারমুক্ত হয় কুমিল্লার হোমনা।
- কিন্তু ঢাকার মিরপুর তখনো পাকিস্তানি বাহিনী ও বিহারিদের হাতে পুরোপুরি অবরুদ্ধ।
- ১৯৭২ সালের ৩০ জানুয়ারি এক বিশেষ সামরিক অভিযানের পর ৩১ জানুয়ারি ১২ নম্বর সেকশনের ডি ব্লক ঈদগাহ মাঠে আত্মগোপনকারী পাকিস্তানি সেনা, বিহারি, রাজাকার, আলবদরদের অস্ত্রসমর্পণের মধ্য দিয়ে মুক্ত হয় মিরপুর।

অন্যদিকে -
- খুলনা জেলা শত্রুমুক্ত হয় ১৭ ডিসেম্বর ১৯৭১।
- সিলেট জেলা শত্রুমুক্ত হয় ১৫ ডিসেম্বর ১৯৭১।
- কুমিল্লা জেলা শত্রুমুক্ত হয় ৮ ডিসেম্বর ১৯৭১।

উৎস: জানুয়ারি ৩০, ২০২৩, দ্য ডেইলি স্টার বাংলা।
১১,৫৬১.
The documentary film 'Stop Genocide' related to independence war of Bangladesh was directed by-
  1. Khan Ataur Rhaman
  2. Zahir Raihan
  3. Munir Chowdhury
  4. Selim Al-Din
সঠিক উত্তর:
Zahir Raihan
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Zahir Raihan
ব্যাখ্যা
Stop Genocide:
- মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রামাণ্যচিত্র Stop Genocide.
- Stop Genocide নির্মাণ করেন জহির রায়হান।
- মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে ১৯৭১ সালের মে/জুন মাসে এটি প্রথম কলকাতায় প্রদর্শিত হয়।
- মূলত বিভিন্ন সূত্র থেকে পাওয়া স্টক ফুটেজ ও নিউজ রিলের ছবির ওপর নির্ভর করেই তৈরি হয় স্টপ জেনোসাইড। 
- একজন চলচ্চিত্র-নির্মাতা হিসেবে জহির রায়হান দুনিয়ার মানুষকে বাংলাদেশে চলতে থাকা গণহত্যার খবর জানান দেওয়ার এক বড় দায়িত্ব কাঁধে নেন। 
- বিভিন্ন জাতির আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার প্রসঙ্গে লেনিনের একটি বক্তব্য দিয়ে শুরু হয় ছবিটি।
- ২০ মিনিটের এই ছবিতে বাংলাদেশের মানুষ আছে, এর প্রকৃতি আছে, আছে পাকিস্তানিদের অত্যাচার, নির্যাতন, অগ্নিসংযোগের দৃশ্য। 

উল্লেখ্য,
- জহির রায়হান চলচ্চিত্র নির্মাতা, লেখক।
- ১৯৩৫ সালে তিনি ফেনী জেলার মজিপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। 
- ছাত্রজীবনেই তিনি লেখালেখিতে আগ্রহ প্রকাশ করেন।
- তাঁর লিখিত অন্যান্য বইগুলি হচ্ছে শেষ বিকেলের মেয়ে, হাজার বছর ধরে, আরেক ফাল্গুন, বরফ গলা নদী এবং আর কত দিন।
- তাঁর নির্মিত চলচ্চিত্র হলো: কাজল, কাঁচের দেয়াল, বেহুলা, জীবন থেকে নেয়া, আনোয়ারা, সঙ্গম এবং বাহানা। 

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
         ii) ৮ ডিসেম্বর ২০১৬, প্রথম আলো।
১১,৫৬২.
পাল বংশের শেষ 'মুকুটমণি' হিসেবে কাকে অভিহিত করা হয়?
  1. ধর্মপাল
  2. মহীপাল
  3. মদনপাল
  4. রামপাল
সঠিক উত্তর:
রামপাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রামপাল
ব্যাখ্যা

রামপাল: 
- রামপাল রাজা হয়েই বরেন্দ্র পুনরুদ্ধারের চেষ্টা করেন।
- এই সময় কৈবর্তদের নেতা ছিলেন ভীম। প্রথম চেষ্টায় রামপাল ব্যর্থ হন।
- কবি সন্ধ্যাকর নন্দী "রামচরিত" নামে রামপালের জীবনী লিখেন।
- রামপালকে পালবংশের শেষ 'মুকুটমণি' বলা যায়।
- রামপালের পর কুমারপাল, তৃতীয় গোপাল ও মদনপাল একে একে রাজা হন।
- তাঁরা সবাই ছিলেন শাসক হিসেবে অত্যন্ত দুর্বল।
- যুদ্ধ-বিগ্রহে পাল সাম্রাজ্যের অস্তিত্ব প্রায় নিশ্চিহ্ন হয়ে যায়।
- অবশেষে সেনবংশের উত্থানের মধ্য দিয়ে পাল রাজত্বের অবসান ঘটে।

উৎস: পৌরনীতি , এইচএসসি, উন্মুক্ত ‍বিশ্ববিদ্যালয়।

১১,৫৬৩.
মুক্তিযুদ্ধে ৪ নং সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার কে ছিলেন?
  1. ক) মেজর কে এম শফিউল্লাহ
  2. খ) মেজর এ এন এম নুরুজ্জামান
  3. গ) মেজর মীর শওকত আলী
  4. ঘ) মেজর চিত্ত রঞ্জন দত্ত
সঠিক উত্তর:
ঘ) মেজর চিত্ত রঞ্জন দত্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) মেজর চিত্ত রঞ্জন দত্ত
ব্যাখ্যা
• মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর:
১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় ‍মুজিবনগর সরকার যুদ্ধ পরিচালনার সুবিধার্থে সমগ্র দেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করে।
- এসব সেক্টরকে আবার কতগুলো সাব সেক্টরে বিভক্ত করা হয়। প্রত্যেক সেক্টরে একজন করে সেক্টর কমান্ডার নিযুক্ত করা হয়।

মুক্তিকালীন ১১টি সেক্টরের কমান্ডারগণ:
১ নং সেক্টর: মেজর জিয়াউর রহমান ও মেজর রফিকুল ইসলাম।
২ নং সেক্টর- মেজর খালেদ মোশাররফ ও মেজর এ.টি.এম হায়দার।
৩ নং সেক্টর:মেজর কে. এম শফিউল্লাহ ও মেজর এ.এন.এম নূরুজ্জামান।
৪ নং সেক্টর: মেজর চিত্তরঞ্জন দত্ত ও ক্যাপ্টেন এ রব।
৫ নং সেক্টর: মেজর মীর শওকত আলী।
৬ নং সেক্টর: উইং কমান্ডার এম খাদেমুল বাশার।
৭ নং সেক্টর: মেজর নাজমুল হক, সুবেদার মেজর এ. রব ও মেজর কাজী নূরুজ্জামান।
৮ নং সেক্টর: মেজর আবু ওসমান চৌধুরী ও মেজর এম.এ মঞ্জুর।
৯ নং সেক্টর: মেজর এম.এ জলিল ও মেজর জয়নাল আবেদীন।
১০ নং সেক্টর: কোন নিয়মিত সেক্টর ছিলো না।
১১ নং সেক্টর: মেজর এম. আবু তাহের ও স্কোয়াড্রন লীডার হামিদুল্লাহ।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া।
১১,৫৬৪.
পাকিস্তানের আত্মসমর্পণের সময় বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন -
  1. সৈয়দ নজরুল ইসলাম
  2. এ. কে. খন্দকার
  3. তাজউদ্দীন আহমদ
  4. জিয়াউর রহমান
সঠিক উত্তর:
এ. কে. খন্দকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এ. কে. খন্দকার
ব্যাখ্যা

পাকিস্তানের আত্মসমর্পণ:
- ১৯৭১ সালের ৬ থেকে ১৬ ডিসেম্বর যৌথ বাহিনীর দুর্বার আক্রমণে পর্যুদস্ত পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী অবশেষে আত্মসমর্পণে সম্মত হয়।
- ১৬ ডিসেম্বর তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে পাকিস্তান বাহিনীর ইস্টার্ন কমান্ডার প্রধান লে. জেনারেল আমীর আবদুল্লাহ খান নিয়াজী ৯৩ হাজার সৈন্যসহ যৌথ বাহিনীর নিকট আত্মসমর্পণ করেন।
- পাকিস্তানের পক্ষে নিয়াজী এবং যৌথ বাহিনীর পক্ষে আত্মসমর্পণ দলিলে স্বাক্ষর করেন ভারতীয় সেনাবাহিনীর ইস্টার্ন কমান্ডের প্রধান লে. জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরা।
- বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ কে খন্দকার উপস্থিত ছিলেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১,৫৬৫.
রাজা টোডরমল কোন মুঘল সম্রাটের অর্থমন্ত্রী ছিলেন?
  1. আকবর
  2. জাহাঙ্গীর
  3. বাবর
  4. আওরঙ্গজেব
সঠিক উত্তর:
আকবর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আকবর
ব্যাখ্যা

→ রাজা টোডরমল সম্রাট আকবরের অর্থমন্ত্রী ছিলেন।

 সম্রাট আকবরের শাসনকাল:
- সম্রাট আকবর ভারতে মুঘল শাসন বিস্তার ও সুদৃঢ় করার জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছিলেন।
- এসব পদক্ষেপের মধ্যে রয়েছে তার রাজপুত নীতি, ভূমি ব্যবস্থা তথা মনসবদারী প্রথা ইত্যাদি।
- ভারতে মুঘল রাজ্য বিস্তারের বিরুদ্ধে অন্যতম প্রধান শক্তি ছিল রাজপুত জাতি।
- জাতিগতভাবে রাজপুতরা ছিল বীর ও স্বজাত্যবোধে সচেতন যোদ্ধা।
- তিনি রাজা টোডরমল, রাজা বিহারী মল, ভগবান দাস এবং মানসিংহকে প্রশাসনের উচ্চ পদে নিযুক্ত করেন।
- তিনি কবি পণ্ডিত ও চিত্রশিল্পীদের পৃষ্ঠপোষক ছিলেন।
- আকবরের রাজপুত নীতি মুঘল সাম্রাজ্যের ভিত্তি সুদৃঢ় করে।
- সম্রাট আকবরের ভূমি শাসন ব্যবস্থা অনন্য কৃতিত্বের দাবীদার।

তথ্যসূত্র - ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১,৫৬৬.
বাংলার কোন সুবাদার শক্ত হাতে পর্তুগিজদের দমন করেন?
  1. ক) শাহ সুজা
  2. খ) ইসলাম খান চিশতি
  3. গ) ইসলাম খান মাসহাদি
  4. ঘ) কাসিম খান জুয়িনী
সঠিক উত্তর:
ঘ) কাসিম খান জুয়িনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) কাসিম খান জুয়িনী
ব্যাখ্যা
সম্রাট শাহজাহান ক্ষমতা গ্রহণ করার পর ১৬২৮ খ্রিস্টাব্দে কাসিম খান জুয়িনীকে বাংলার সুবাদার হিসেবে নিয়োগ করেন। হুসেন শাহি যুগ থকেই বাংলায় পর্তুগিজরা বাণিজ্য করত। এ সময় পর্তুগিজ বণিকদের প্রতিপত্তি অনেক বেড়ে যায়। ক্রমে তা বাংলার জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়ায়। কাসিম খান জুয়িনী শক্ত হাতে পর্তুগিজদের দমন করেন।
[সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, ৯ম-১০ম শ্রেণি]
১১,৫৬৭.
বীরশ্রেষ্ঠ মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর কোন বাহিনীর সদস্য ছিলেন?
  1. সেনাবাহিনী
  2. ইপিআর
  3. নৌবাহিনী
  4. বিমান বাহিনী
সঠিক উত্তর:
সেনাবাহিনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সেনাবাহিনী
ব্যাখ্যা
বীরশ্রেষ্ঠ মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর:
- 'বীরশ্রেষ্ঠ' মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীরের জন্ম ৭ মার্চ ১৯৪৯, বরিশাল জেলার বাবুগঞ্জ উপজেলার রহিমগঞ্জ গ্রামে।
- তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিসংখ্যান বিভাগে অধ্যয়নরত অবস্থায় ১৯৬৭ সালের ৩রা অক্টোবর ১৫তম শর্ট সার্ভিস কোর্সে পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে যোগ দেন।
- তার পোস্টিং হয় ৭নং সেক্টর-এর মহোদিপুর সাব-সেক্টরে।
- ১২ই ডিসেম্বর মুক্তিবাহিনী তার নেতৃত্বে চাঁপাইনবাবগঞ্জ আক্রমণ করে।
- যুদ্ধে অপরিসীম বীরত্ব প্রদর্শন করে ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৭১ সালে সকালে পাকিস্তানী বাহিনীর স্নাইপার বুলেটের আঘাতে তিনি শহীদ হন।
- পরদিন সহযোদ্ধারা লাশ উদ্ধার করে তার শেষ ইচ্ছা অনুযায়ী সোনামসজিদ চত্বরে সমাহিত করে।
- স্বাধীন বাংলাদেশ সরকার তার অবদানের স্বীকৃতি স্বরুপ তাকে 'বীরশ্রেষ্ঠ' খেতাবে ভূষিত করা হয়।
- তিনি বীরশ্রেষ্ঠদের মধ্যে সর্বশেষ শহীদ।

উল্লেখ্য,
⇔ বীরশ্রেষ্ঠ ও সেক্টর:
⇒ ল্যান্স নায়েক মুন্সি আব্দুর রউফ: ১নং সেক্টর।
- কর্মস্থল: ইপিআর (ইস্ট পাকিস্তান রাইফেলস)।

⇒ সিপাহী মোস্তফা কামাল: ২নং সেক্টর।
- কর্মস্থল: সেনাবাহিনী।

⇒ সিপাহী হামিদুর রহমান: ৪নং সেক্টর।
- কর্মস্থল: সেনাবাহিনী।

⇒ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর: ৭নং সেক্টর।
- কর্মস্থল: সেনাবাহিনী।

⇒ ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখ: ৮নং সেক্টর।
- কর্মস্থল: ই পি আর।

⇒ ইঞ্জিনরুম আর্টিফিসার রুহুল আমিন: ১০নং সেক্টর।
- কর্মস্থল: নৌবাহিনী।

⇒ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান: পশ্চিম পাকিস্তান।
- কর্মস্থল: বিমান বাহিনী।

উৎস: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
১১,৫৬৮.
‘ভুলব না,ভুলব না,একুশে ফেব্রুয়ারি ভুলব না’-গানটির সুর করেছিলেন কে?
  1. গাজীউল হক
  2. নিজাম উল হক
  3. আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
  4. আব্দুল লতিফ
সঠিক উত্তর:
নিজাম উল হক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিজাম উল হক
ব্যাখ্যা

- ১৯৫২ সালে ২১ ফেব্রুয়ারির ভাষা আন্দোলনের ঘটনা নিয়ে প্রথম গান লেখেন ভাষাসংগ্রামী গাজীউল হক।
- ‘ভুলব না, ভুলব না, একুশে ফেব্রুয়ারি ভুলব না’

- গানটিতে সুরারোপ করেছিলেন তাঁরই অনুজ নিজাম উল হক।
- তিনি ‘দূর হাঁটো দূর হাঁটো।/ঐ দুনিয়াওয়ালে, হিন্দুস্তান হামারা হায়’

—জনপ্রিয় এই হিন্দি গানটির সুর অনুসরণ করেছিলেন।
- অমর একুশের সূচনাপর্বের গান হিসেবে এটি ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছিল।

উল্লেখ্য,
- অমর একুশের আন্দোলনের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত একাধিক ভাষাসংগ্রামী তাঁদের একুশের স্মৃতিচারণামূলক রচনায় গাজীউল হকের গানটিকে একুশের প্রথম গান হিসেবে চিহ্নিত করেছেন।

উৎস: প্রথম আলো।

১১,৫৬৯.
কোন দ্বীপকে একসময় ’গোল্ডেন আইল্যান্ড’ বলা হতো?
  1. নিঝুম দ্বীপ
  2. মহেশখালী দ্বীপ
  3. ছেঁড়া দ্বীপ
  4. মনপুরা দ্বীপ
সঠিক উত্তর:
নিঝুম দ্বীপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিঝুম দ্বীপ
ব্যাখ্যা
• নিঝুম দ্বীপ:
- বঙ্গোপসাগরের কোল ঘেঁষে নিঝুম দ্বীপের অবস্থান।
- দ্বীপের তিন দিকে সাগর অন্যদিকে মেঘনার মোহনা।
- নিঝুম দ্বীপ হাতিয়া উপজেলার অন্তর্গত একটি ছোট দ্বীপ।
- এটি বাংলাদেশের নোয়াখালী জেলায় অবস্থিত।
- একসময় এটিকে বলা হতো চর ওসমানী, বালুয়ার চর, গোল্ডেন আইল্যান্ড।

উৎস: নিঝুম দ্বীপ ইউনিয়ন।
১১,৫৭০.
কে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৪১তম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন?
  1. ক) আনোয়ারুল করিম চৌধুরী
  2. খ) এস এ করিম
  3. গ) ইসমাত জাহান
  4. ঘ) হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী
সঠিক উত্তর:
ঘ) হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী
ব্যাখ্যা
১৯৮৬ সালে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৪১তম অধিবেশনে বাংলাদেশের হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী সভাপতিত্ব করেন।
(সূত্রঃ জাতিসংঘ ওয়েবসাইট)
১১,৫৭১.
'বাণিজ্যিক আদালত অধ্যাদেশ, ২০২৬' জারি করা হয় কবে?
  1. ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৫
  2. ১ জানুয়ারি, ২০২৬
  3. ৩ জানুয়ারি, ২০২৬
  4. ৫ জানুয়ারি, ২০২৬
সঠিক উত্তর:
১ জানুয়ারি, ২০২৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ জানুয়ারি, ২০২৬
ব্যাখ্যা

• বাণিজ্যিক আদালত অধ্যাদেশ, ২০২৬:
- দীর্ঘদিনের বিচারিক দীর্ঘসূত্রতা কাটিয়ে দ্রুততম সময়ে বাণিজ্যিক বিরোধ নিষ্পত্তির লক্ষ্যে সরকার ‘বাণিজ্যিক আদালত অধ্যাদেশ, ২০২৬’ জারি করেছে।
- রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন সংবিধানের ৯৩(১) অনুচ্ছেদে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে ১ জানুয়ারি, ২০২৬ গুরুত্বপূর্ণ এই অধ্যাদেশটি জারি করেন।
- ২ জানুয়ারি, ২০২৫ আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ থেকে এই সংক্রান্ত গেজেট প্রকাশিত হয়েছে।
- মামলার চূড়ান্ত শুনানি শুরুর ৯০ দিনের মধ্যে বিচারপ্রক্রিয়া সম্পন্ন করার বাধ্যবাধকতা রেখে প্রণীত এই আইনি কাঠামো দেশের ‘ইজ অব ডুয়িং বিজনেস’ বা সহজ ব্যবসা সূচকে আমূল পরিবর্তন আনবে বলে আশা করা হচ্ছে।

তথ্যসূত্র: Lawyers Club Bangladesh

১১,৫৭২.
তমদ্দুন মজলিস এর প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক আবুল কাশেম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোন বিভাগের শিক্ষক ছিলেন? 
  1.  রসায়ন বিজ্ঞান
  2.  ইতিহাস
  3.  গণিত
  4. পদার্থ বিজ্ঞান
সঠিক উত্তর:
পদার্থ বিজ্ঞান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পদার্থ বিজ্ঞান
ব্যাখ্যা

তমদ্দুন মজলিশ:
- পাকিস্তান রাষ্ট্র সৃষ্টি হওয়ার পর পরই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আবুল কাশেমের নেতৃত্বে তমদ্দুন মজলিশ গঠিত হয়।
- এটিই ছিল ভাষা আন্দোলনের প্রথম সংগঠন।
- এই সংগঠনের উদ্যোগে ১৯৪৭ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর ভাষা আন্দোলনের প্রথম পুস্তিকা ‘পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু’ প্রকাশিত হয়।
- এই পুস্তিকাটিতে রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবির পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করা হয়।
- ভাষা আন্দোলনের সাথে জড়িত ছিল বাঙালির সংস্কৃতি, রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিক স্বার্থের প্রশ্ন যা এই আন্দোলনের পটভূমি হিসেবে কাজ করেছে।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় (এসএসসি প্রোগ্রাম), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১,৫৭৩.
Which emperor's reign is called the golden age of architecture?
  1. ক) Akbar
  2. খ) Jahangir
  3. গ) Shah Jahan
  4. ঘ) Aurangzeb
সঠিক উত্তর:
গ) Shah Jahan
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) Shah Jahan
ব্যাখ্যা
সম্রাট শাহজাহানের শাসনকালকে স্থাপত্য শিল্পের স্বর্ণযুগ বলা হয়।

• শাহজাহান:
- স্থাপত্য শিল্পের পৃষ্ঠপোষক হিসেবে মোগল সম্রাটদের মধ্যে সম্রাট শাহজাহান ছিলেন অদ্বিতীয়।
- স্থাপত্য শিল্পে উৎকর্ষ সাধনের জন্য তাঁর সময়কালকে স্থাপত্য শিল্পের স্বর্ণযুগ বলা হয়।
- তিনি তাঁর স্ত্রী মমতাজ মহলের সমাধির উপর অবিনশ্বর প্রেমের এক অনিন্দ্য সুন্দর সৌধ তাজমহল নির্মাণ করেন।

- তাঁর আমলে আগ্রার মতি মসজিদ, দিল্লির জামে মসজিদ, দিওয়ান-ই-আম, দিওয়ান-ই-খাস নির্মিত হয়।
- ময়ূর সিংহাসন সম্রাট শাহজাহানের শিল্পানুরাগের অন্যতম কীর্তি।
- তিনি ‘শাহজাহানাবাদ’ নামে একটি নতুন শহরও নির্মাণ করেন যা বর্তমানে নতুন দিল্লি নামে পরিচিত। 

তথ্যসূত্র: ইতিহাস প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৫৭৪.
বাংলাদেশের তৃতীয় সমুদ্রবন্দর -
  1. সোনাদিয়া সমুদ্রবন্দর
  2. মাতারবাড়ি সমুদ্রবন্দর
  3. পায়রা সমুদ্রবন্দর
  4. কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর
সঠিক উত্তর:
পায়রা সমুদ্রবন্দর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পায়রা সমুদ্রবন্দর
ব্যাখ্যা
পায়রা সমুদ্র বন্দর:
- বাংলাদেশের তৃতীয় সমুদ্র বন্দর ‘পায়রা বন্দর'।
- ‘পায়রা বন্দর' পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া উপজেলার লালুয়া, বালিয়াতলী, ধূলাসার, ধানখালী ও টিয়াখালী ইউনিয়নের অনত্মর্গত রাবনাবাদ চ্যানেলের পশ্চিম তীরে অবস্থিত।
- শিপিং-বান্ধব বিস্মীর্ণ এলাকা হিসেবে এটি সমুদ্রবন্দর নির্মাণের জন্য প্রাকৃতিকভাবেই উপযুক্ত একটি অঞ্চল।
- ১৩ আগস্ট, ২০১৬ খ্রিষ্টাব্দ, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পায়রা বন্দরের অপারেশনাল কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করেন।
- এ উদ্বোধনের দ্বারা বাংলাদেশের আমদানি- রপ্তানি বাণিজ্য তথা দেশের সার্বিক উন্নয়নে নতুন মাইল ফলক রচিত হবে বলে আশা করা যায়।
- ২০২৩ সালের শেষ নাগাদ এই প্রকল্পের কাজ শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।
- এটি বঙ্গোপসাগরের কাছে রামনাবাদ চ্যানেলে অবস্থিত।

উৎস: পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষ।
১১,৫৭৫.
ঐতিহাসিক যুক্তফ্রন্ট্রের ২১ দফা দাবির প্রথম দাবি কি ছিল?
  1. বিচার ও শাসন বিভাগ পৃথকীকরণ করা
  2. প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন
  3. বাংলাকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা
  4. বিনা ক্ষতিপূরণে জমিদারি উচ্ছেদ করা
সঠিক উত্তর:
বাংলাকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা
ব্যাখ্যা

• যুক্তফ্রন্ট:
- ১৯৫৩ সালে যুক্তফ্রন্ট গঠিত হয়েছিল।
- যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনী প্রতীক ছিলো 'নৌকা'।
- ২১ ফেব্রুয়ারিকে স্মরণীয় করে রাখার জন্য যুক্তফ্রন্টের ইশতেহার করা হয় ২১ দফা।
- ২১ দফা কর্মসূচির মুখ্য রচয়িতা ছিলেন আবুল মনসুর আহমদ।
- যুক্তফ্রন্ট তাদের ঐতিহাসিক ২১ দফা দাবিতে গণমানুষের অধিকারের কথা তুলে ধরে।

⇒ এই দফাগুলো সংক্ষেপে বর্ণিত হলো:
১. বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা।
২. বিনা ক্ষতিপূরণে জমিদারি উচ্ছেদ করা এবং ভূমিহীন কৃষকদের মধ্যে উদ্বৃত্ত জমি বিতরণ।
৩. পাটের ব্যবসায় জাতীয়করণ করা।
৪. সমবায় কৃষি ব্যবস্থা প্রবর্তন করা।
৫. পূর্ব পাকিস্তানে লবণ শিল্প প্রতিষ্ঠা করা।
৬. কারিগর মুহাজিরদের কাজের ব্যবস্থা করা।
৭. বন্যা ও দুর্ভিক্ষ রোধের জন্য খাল খনন ও সেচের ব্যবস্থা করা।
৮. শিল্প ও খাদ্যে দেশকে স্বাবলম্বী করা।
৯. অবৈতনিক বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষার প্রবর্তন করা।
১০. শিক্ষা ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন করা।
১১. ঢাকা ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়কে স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে পরিণত করা।
১২. শাসন ব্যয় হ্রাস করা ও মন্ত্রীদের বেতন এক হাজার টাকার বেশি না করা।
১৩. দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতি বন্ধ করার কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা।
১৪. জন নিরাপত্তা আইন ও অর্ডিন্যান্স প্রভৃতি বাতিল করা।
১৫. বিচার ও শাসন বিভাগ পৃথকীকরণ করা।
১৬. মুখ্যমন্ত্রীর বাসভবন 'বর্ধমান হাউস'কে বাংলা ভাষা গবেষণাগারে পরিণত করা।
১৭. বাংলা ভাষা করার দাবিতে নিহত শহীদদের স্মৃতির উদ্দেশ্যে শহীদ মিনার নির্মাণ করা।
১৮. একুশে ফেব্রুয়ারিকে শহীদ দিবস ঘোষণা করে সরকারি ছুটির দিন ঘোষণা।
১৯. লাহোর প্রস্তাবের ভিত্তিতে পূর্ব পাকিস্তানের পূর্ণ স্বায়ত্তশাসন প্রদান।
২০. আইন পরিষদের মেয়াদ কোনোভাবেই বৃদ্ধি না করা।
২১. আইন পরিষদের আসন শূন্য হলে তিন মাসের মধ্যে উপনির্বাচন দিয়ে তা পূরণ করা।

উৎস: ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১,৫৭৬.
মিশরীয়রা সর্বপ্রথম ব্যঞ্জনবর্ণের কয়টি বর্ণ আবিষ্কার করে?
  1. ক) ১0টি
  2. খ) ২৯টি
  3. গ) ৩০টি
  4. ঘ) ২৪টি
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২৪টি
ব্যাখ্যা
- মিশরীয় সভ্যতার অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য ছিল লিপি বা অক্ষর আবিষ্কার।
- নগর সভ্যতা বিকাশের সঙ্গে সঙ্গে মিশরীয় লিখন পদ্ধতির উদ্ভব ঘটে।
- পাঁচ হাজার বছর পূর্বে তারা সর্বপ্রথম ২৪টি ব্যঞ্জনবর্ণের বর্ণমালা আবিষ্কার করতে সক্ষম হয়।
- প্রথম  দিকে ছবি এঁকে তারা মনের ভাব প্রকাশ করত।
- এই লিখন পদ্ধতির নাম ছিল চিত্রলিপি।
- এই চিত্রলিপিকে বলা হয়‘হায়ারোগিফিক’ বা পবিত্র অক্ষর।
- মিশরীয়রা নলখাগড়া জাতীয় গাছের মন্ড থেকে কাগজ বানাতে শেখে।
- পরে এই কাগজের উপর তারা লিখতে শুরু করে।
- গ্রিকরা এই কাগজের নাম দেয় ‘প্যাপিরাস’।
- যে শব্দ থেকে ইংরেজি ‘পেপার’ শব্দের উৎপত্তি।
- খ্রিস্টপূর্ব ৪২০০ অব্দে তারা পৃথিবীতে প্রথম সৌর পঞ্জিকা আবিষ্কার করে।
- ৩৬৫ দিনে বছর এ হিসাবের আবিষ্কারকও তারা।
- প্রাচীন মিশরের অধিবাসীরা সময় নির্ধারণের জন্য সূর্য ঘড়ি, ছায়াঘড়ি, জলঘড়ি আবিষ্কার করে।

উৎস:- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৫৭৭.
বাংলার কোন প্রাচীন জনপদে কর্ণসুবর্ণ এর অবস্থান ছিল?
  1. সমতট
  2. বঙ্গ
  3. গৌড়
  4. তাম্রলিপ্তি
সঠিক উত্তর:
গৌড়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গৌড়
ব্যাখ্যা
গৌড়:
- ষষ্ঠ শতকে বাংলার উত্তর ও উত্তর-পশ্চিম অংশে গৌড় রাজ্য বলে একটি স্বাধীন রাজ্যের কথা জানা যায়।
- সপ্তম শতকে শশাঙ্ককে গৌড়রাজ বলা হতো।
- এ সময় গৌড়ের রাজধানী ছিল কর্ণসুবর্ণ।
- বর্তমান পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ জেলায় ছিল এর অবস্থান।
- বাংলায় তুর্কি বিজয়ের কিছু আগে মালদহ জেলার লক্ষণাবতীকেও গৌড় বলা হতো।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই। 
১১,৫৭৮.
'আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানাে একুশে ফেব্রুয়ারি, আমি কি ভুলিতে পারি' গানটি কে রচনা করেন?
  1. মুনীর চৌধুরী
  2. জহির রায়হান
  3. আবদুল গাফফার চৌধুরী
  4. কাজী নজরুল ইসলাম
সঠিক উত্তর:
আবদুল গাফফার চৌধুরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আবদুল গাফফার চৌধুরী
ব্যাখ্যা
ভাষা আন্দোলনভিত্তিক গান:
- “আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি, আমি কি ভুলিতে পারি' গানটির রচয়িতা বা গীতিকার হলেন আব্দুল গাফফার চৌধুরী।

- বর্তমান সুরকার হলেন আলতাফ মাহমুদ।
- এটির প্রথম সুরকার ছিলেন আব্দুল লতিফ।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
১১,৫৭৯.
কোন সালে বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে সাংবিধানিক স্বীকৃতি দেওয়া হয়?
  1. ক) ১৯৫২ সালে
  2. খ) ১৯৫৪ সালে
  3. গ) ১৯৫৬ সালে
  4. ঘ) ১৯৫৮ সালে
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৫৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৫৬ সালে
ব্যাখ্যা
১৯৫৪ সালে প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচনে যুক্তফ্রন্ট জয়লাভ করলে ৭ মে অনুষ্ঠিত গণপরিষদের অধিবেশনে বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। বাংলাকে পাকিস্তানের দ্বিতীয় রাষ্ট্রভাষা হিসাবে স্বীকৃতি দিয়ে সংবিধানে পরিবর্তন আনা হয় ১৯৫৬ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি।
১১,৫৮০.
চন্দ্র রাজাদের মূল কেন্দ্র ছিল কোনটি?
  1. মহাস্থানগড়
  2. রোহিতগিরি
  3. সোমপুর বিহার
  4. কর্ণসুবর্ণ
সঠিক উত্তর:
রোহিতগিরি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রোহিতগিরি
ব্যাখ্যা
• চন্দ্র বংশ:
- দক্ষিণ-পূর্ব বাংলার একটি স্বাধীন রাজবংশ ছিল চন্দ্র বংশ দশম শতকের শুরু থেকে এগারো শতকের মধ্যভাগ পর্যন্ত দেড়শ' বছর এ বংশের রাজারা শাসন করেন।
- চন্দ্রবংশের প্রথম নৃপতি পূর্ণচন্দ্র ওতার পুত্র সুবর্ণচন্দ্র রোহিতগিরির ভূস্বামী ছিলেন।
- সুবর্ণচন্দ্রের পুত্র ত্রৈলোক্যচন্দ্রই এ বংশের সার্বভৌম ক্ষমতা প্রতিষ্ঠা করেন।
- তার উপাধি ছিল 'মহারাজাধিরাজ'। ত্রৈলোক্যচন্দ্র হরিকেল, চন্দ্রদ্বীপ (বরিশাল ও পার্শ্ববর্তী এলাকা), বঙ্গ ও সমতট অর্থাৎ সমগ্র পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্ব বাংলায় নিজ বংশের শাসন প্রতিষ্ঠা করেন।
- লালমাইয়ের পাহাড়ি এলাকাছিল চন্দ্র রাজাদের শাসন কেন্দ্র।
- এ পাহাড় প্রাচীনকালে রোহিতগিরি নামে পরিচিত ছিল আনুমানিক ত্রিশ বছরকাল (৯০০-৯৩০ খ্রিষ্টাব্দ)ত্রৈলোক্যচন্দ্র রাজত্ব করেন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম ও দশম শ্রেণি।
১১,৫৮১.
Who conducted 'Operation Jackpot' during the Liberation War?
  1. ক) Guerrilla
  2. খ) Bangladesh Air Force
  3. গ) Bangladesh Navy
  4. ঘ) Bangladesh Army
সঠিক উত্তর:
গ) Bangladesh Navy
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) Bangladesh Navy
ব্যাখ্যা
অপারেশন জ্যাকপট:

- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় নৌবাহিনীর পরিচালিত প্রথম অভিযান ছিল 'অপারেশন জ্যাকপট'।
- 'অপারেশন জ্যাকপট' পরিচালিত হয় ১৫ই আগস্ট ১৯৭১ সালে।
- দেশের দুইটি সমুদ্রবন্দর—চট্টগ্রাম ও মোংলা এবং দুইটি নদী বন্দর - চাঁদপুর ও নারায়ণগঞ্জে একযোগে একই নামে পরিচালিত অপারেশনগুলো চালানো হয়েছিল।
- অপারেশন জ্যাকপট ছিল একটি আত্মঘাতী অভিযান।
- এই অপারেশনে পাকিস্তান ও আরও কয়েকটি দেশ থেকে আসা অস্ত্র, খাদ্য ও তেলবাহী ২৬টি জাহাজ ডুবিয়ে দেয়া হয়েছিল।
- চট্টগ্রামে বন্দরে অপারেশন চালানোর জন্য বাছাই করা হয়েছিল ৬০ জনের একটি দল।

তথ্যসূত্র - বিবিসি বাংলা, ১৬ই আগস্ট ২০২১। 
১১,৫৮২.
কোভিড-১৯ মোকাবেলায় সরকার মোট কতটি প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করেছে?
  1. ১৭টি
  2. ২০টি
  3. ২৩টি
  4. ২৮টি
সঠিক উত্তর:
২৮টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৮টি
ব্যাখ্যা

- কোভিড-১৯ মোকাবেলায় সরকার বর্তমান পর্যন্ত মোট ২৮টি প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করেছে।
- এসব প্যাকেজের মাধ্যমে মোট বরাদ্দের পরিমাণ ১,৩০,৬৪১ কোটি টাকা।
- মোট উপকারভোগীর সংখ্যা ৫,৮১,১৫,২১১ জন।
(তথ্যসূত্র: বাজেট বক্তৃতা : ২০২১-২০২২ এবং প্রথম আলো রিপোর্ট)

১১,৫৮৩.
মুজিবনগর সরকারের পরিকল্পনা কমিশনের চেয়ারম্যান নিযুক্ত হয়েছিলেন কে?
  1. ড. খান সরওয়ার মুর্শেদ
  2. ড. মোশাররফ হোসেন
  3. ড. মুজাফফর আহমদ চৌধুরী
  4. ড. আনিসুজ্জামান
সঠিক উত্তর:
ড. মুজাফফর আহমদ চৌধুরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ড. মুজাফফর আহমদ চৌধুরী
ব্যাখ্যা
পরিকল্পনা কমিশন:
- পরিকল্পনা কমিশন গঠন দেশ শত্রুমুক্ত করার পরপরই যেহেতু পুনর্গঠন একটি কাজ হবে এবং সে কাজে সরকারের পক্ষে কোনরূপ কালক্ষেপণ করা যাবে না।
- স্বল্পমেয়াদি ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা প্রণয়নের লক্ষ্যে মুজিবনগর সরকার পাঁচ সদস্য বিশিষ্ট একটি পরিকল্পনা কমিশন গঠন করে।
- কমিটির চেয়ারম্যান নিযুক্ত হয়েছিলেন ড. মুজাফফর আহমদ চৌধুরী।
- সদস্য ছিলেন,
(১) ড. খান সরওয়ার মুর্শেদ।
(২) ড. মোশাররফ হোসেন।
(৩) ড. এস. আর. বোস।
(৪) ড. আনিসুজ্জামান।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৫৮৪.
মুজিবগর সরকার-এর কয়টি মন্ত্রণালয় ছিল?
  1. ১০
  2. ১২
  3. ১৫
  4. ১৮
সঠিক উত্তর:
১২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২
ব্যাখ্যা
মুজিবনগর সরকার:
- ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল গঠিত হয় মুজিব নগর সরকার।
- ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল মুজিব নগর সরকার শপথ গ্রহন করেন।
- এই সরকার প্রবাসী সরকার নামে পরিচিত ছিল।
- এই সরকারের সদর দপ্তর ছিল কলকাতার ৮নং থিয়েটার রোড।

⇒ সরকারকে নীতি নির্ধারণী পরামর্শ ও সহযোগিতার জন্য ৯ সদস্যের একটি উপদেষ্টা কাউন্সিল গঠন করা হয়।
- বাংলাদেশের এই অস্থায়ী সরকারের ১২টি মন্ত্রণালয়।
- রাষ্ট্রপতি ও মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- শপথ পাঠ করান অধ্যাপক ইউসুফ আলী।
- উপ-রাষ্ট্রপতি এবং অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি ছিলেন সৈয়দ নজরুল ইসলাম।
- প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী ছিলেন তাজউদ্দিন আহমদ।
- পররাষ্ট্র, আইন ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন খন্দকার মোশতাক আহমেদ।
- অর্থ, বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন এম. মনসুর আলী।
- স্বরাষ্ট্র, ত্রান ও পুনর্বাসন মন্ত্রনালয়ের দায়িত্বে ছিলেন এ এইচ এম কামরুজ্জামান।
- মুক্তিযুদ্ধের প্রধান সেনাপতি ছিলেন এম.এ.জি ওসমানী।
- চিফ অব স্টাফ ছিলেন কর্নেল আবদুর রব।

উল্লেখ্য,
- শুধু মন্ত্রণালয় বললে ১২টি কিন্তু বিভাগ ও মন্ত্রণালয় বললে ১৫ টি।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা,  এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৫৮৫.
পাকিস্তানের প্রথম শাসনতন্ত্র কবে বাতিল ঘোষণা করা হয়?
  1. ফেব্রুয়ারি, ১৯৫৮
  2. অক্টোবর, ১৯৫৮
  3. আগস্ট, ১৯৫৮
  4. মার্চ, ১৯৫৮
সঠিক উত্তর:
অক্টোবর, ১৯৫৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অক্টোবর, ১৯৫৮
ব্যাখ্যা
১৯৫৬ এর শাসনতন্ত্র আন্দোলন:
- ১৯৫৬ সালের শাসনতন্ত্র ছিল পাকিস্তানের প্রথম শাসনতন্ত্র।
- এটিকে বিলম্বিত শাসনতন্ত্র বলা চলে।
- সুদীর্ঘ ৯ বছর সাধনার পর শাসনতন্ত্র প্রণেতাগণ এ শাসনতন্ত্রটি দিতে পেরেছিলেন।

উল্লেখ্য,
- ১৯৫৫ সালে পাকিস্তানে দ্বিতীয় গণপরিষদ গঠিত হয়।
- এর অগ্রভাগে ছিল তৎকালীন গভর্নর জেনারেল গোলাম মোহাম্মদ।
- ১৯৫৬ সালের ৯ই জানুয়ারি গণপরিষদে শাসনতন্ত্র বিল উত্থাপিত হয়।
- আলোচনার পর ১৯৫৬ সালের ২৯শে ফেব্রুয়ারি গণপরিষদ পাকিস্তানে ইসলামি প্রজাতন্ত্র ধরনের শাসনতন্ত্র গ্রহণ করে।
- অবশেষে ১৯৫৬ সালের ২রা মার্চ গভর্নর জেনারেল ইস্কান্দার মির্জা শাসনতন্ত্র বিলে সম্মতি দেন।
- ১৯৫৬ সালের ২৩ মার্চে দ্বিতীয় গণপরিষদ কর্তৃক এ শাসনতন্ত্র গৃহীত ও প্রবর্তিত হয়।
- পাকিস্তানের ইতিহাসে এ শাসনতন্ত্রটি ১৯৫৬ সালের শাসনতন্ত্র নামে পরিচিত।

⇒ এ শাসনতন্ত্রের অধীনে পাকিস্তানে যুক্তরাষ্ট্রীয় ব্যবস্থায় প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন ও সংসদীয় ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয়।
- কিন্তু এ শাসনতন্ত্র যথার্থভাবে কাজ করতে পারেনি।
- যার পরিপ্রেক্ষিতে শাসনতন্ত্র রচনার আড়াই বছরের মধ্যে এটি বাতিল ঘোষণা করা হয় এবং সামরিক শাসন জারী করা হয়।
- ১৯৫৮ সালের ৭ অক্টোবর পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট ইস্কান্দার মির্জা আইয়ুব খানের চাপের কারণে পাকিস্তানে সামরিক শাসন জারী করেন এবং পাকিস্তানের প্রথম শাসনতন্ত্র বাতিল ঘোষণা করেন।

- এটি ছিল আসলে সামরিক অভ্যুত্থান। 
- সামরিক বাহিনীর সর্বাধিনায়ক জেনারেল মোহাম্মদ আইয়ুব খান প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক নিযুক্ত হন।

উৎস: i) পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মো: মোজাম্মেল হক।
ii) বাংলাদেশের রাজনৈতিক উন্নয়ন, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৫৮৬.
ভারতবর্ষে মুঘল রাজবংশ প্রতিষ্ঠিত হয় কত খ্রিস্টাব্দে?
  1. ১৫১৯ খ্রিস্টাব্দে
  2. ১৫২৬ খ্রিস্টাব্দে
  3. ১৫৩৫ খ্রিস্টাব্দে
  4. ১৫৪২ খ্রিস্টাব্দে
সঠিক উত্তর:
১৫২৬ খ্রিস্টাব্দে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫২৬ খ্রিস্টাব্দে
ব্যাখ্যা

ভারতবর্ষে মুঘল শাসন (১৫২৬-১৭০৭ খ্রিঃ)
- ১৫২৬ খ্রি. জহিরউদ্দিন মুহম্মদ বাবর কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত মুঘল রাজবংশ।
- মুঘল শব্দটি এসেছে 'মোঙ্গ' বা 'মোঙ্গল' শব্দ হতে।
- এই বংশের প্রতিষ্ঠাতা জহিরুদ্দিন মুহাম্মদ বাবর ছিলেন পিতার দিক থেকে চেঙ্গিস খান এবং মাতার দিক হতে তৈমুর লঙ এর বংশধর।
- মুঘল বংশ প্রাথমিকভাবে তার পূর্ণ নিয়ন্ত্রন ও শক্তি নিয়ে ১৫২৬-১৭০৭ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত ভারতবর্ষে শাসন পরিচালনা করে।
- পরবর্তীতে ১৭৫৭ খ্রিস্টাব্দে পলাশীর যুদ্ধে ইংরেজদের কাছে বাংলার স্বাধীনতা হারালে পরবর্তী ১০০ বছর (১৮৫৭ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত) মুঘল শাসকগণ নামমাত্র শাসক হিসেবে পরিণত হয়।
- গৌরব ও আধিপত্যের যুগে মুঘলরা ছিল পারস্যের সাফাভী ও তুরস্কের ওসমানীয় সাম্রাজ্যের প্রতিদ্বন্দ্বী।
- এই বংশের শ্রেষ্ঠ সম্রাট ছিলেন আকবর।
- সম্রাট জাহাঙ্গীর ও শাহজাহান ছিলেন শিল্পকলা, বৈদেশিক সম্পর্ক ও স্থাপত্য বিদ্যায় নৈপুণ্যের অধিকারী।
- গোঁড়া সুন্নী মতবাদ ও ধর্মীয় অনুশাসনের জন্য আওরঙ্গজেব ইতিহাসে প্রসিদ্ধ।
- ১৮৫৭ খ্রিস্টাব্দে অবসানের আগ পর্যন্ত মুঘল বংশই ছিল ভারতের রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দু এবং শক্তি ও সংহতির উৎস।
- এর অবসানের সাথে সাথে সেই রাজনৈতিক কেন্দ্রীয় শক্তিও বিলীন হয়ে যায়।

উৎস: ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১,৫৮৭.
মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে গঠিত ‘স্বাধীন বাংলা ফুটবল দল’-এর অধিনায়ক কে ছিলেন?
  1. জাকারিয়া পিন্টু
  2. প্রতাপ শংকর হাজরা
  3. খন্দকার এম নুরুন্নবী
  4. কাজী সালাউদ্দীন
সঠিক উত্তর:
জাকারিয়া পিন্টু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাকারিয়া পিন্টু
ব্যাখ্যা
স্বাধীন বাংলা ফুটবল দল:
- ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে বাংলাদেশের একটি ফুটবল দল বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে জনমত অর্জন এবং মুক্তিযোদ্ধাদের সাহায্যার্থে অর্থ সংগ্রহের উদ্দেশ্যে ভারতের বিভিন্ন স্থানে প্রদর্শনী ফুটবল খেলায় অংশ নেয়।
- এই দলটি ‘স্বাধীন বাংলা ফুটবল দল’ নামে পরিচিত ছিল।
- মুক্তিযোদ্ধাদের সাহায্যার্থে অর্থ সংগ্রহের উদ্দেশ্যে ভারতের বিভিন্ন স্থানে প্রদর্শনী ফুটবল খেলায় অংশ নেয়।
- পৃথিবীর ইতিহাসে যুদ্ধকালীন প্রথম ফুটবল দল এটি।

উল্লেখ্য,
- জুন মাসে কলকাতায় শামসুল হক প্রতিষ্ঠা করেন বাংলাদেশ ক্রীড়া সমিতি।
- তার সাহায্যে এগিয়ে এলেন সমিতির প্রথম সেক্রেটারি লুতফর রহমান, কোচ আলী ইমাম ও ইস্ট এন্ড ক্লাবের সাবেক ফুটবলার সাঈদুর রহমান প্যাটেল।
- স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলের অধিনায়ক ছিলেন জাকারিয়া পিন্টু এবং সহ-অধিনায়ক ছিলেন প্রতাপ শংকর হাজরা।
- কোচ ও ম্যানেজার ছিলেন যথাক্রমে ননি বসাক ও তানভীর মাজহারুল তান্না।
- ম্যাচ খেলা থেকে অর্জিত পাঁচ লাখ ভারতীয় রুপি ক্রীড়া সমিতি জমা দিয়েছে মুক্তিযুদ্ধের ফান্ডে।

⇒ মোট ৬টি ম্যাচ খেলেছে স্বাধীন বাংলাদেশ ফুটবল দল। এর মধ্যে জিতেছে ৩টি, ড্র করেছে ১টি আর হেরেছে দুটিতে। দিল্লীতে আর একটি ম্যাচ খেলতে যাবার ঠিক আগে এল অসাধারণ খবরটি- বাংলাদেশ স্বাধীন হয়ে গেছে। সেদিন ছিল ১৬ ডিসেম্বর।

⇒ মুক্তিযুদ্ধকালীন স্বাধীন বাংলা ফুটবল দল ও স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় ফুটবল দলের অধিনায়ক জাকারিয়া পিন্টু ১৮ নভেম্বর, ২০২৪ তারিখে ইন্তেকাল করেন।

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) The Daily Star Bangla.
১১,৫৮৮.
দেশের প্রস্তাবিত গভীর সমুদ্র বন্দর কোথায় হওয়ার কথা?
  1. ক) সন্দ্বীপ
  2. খ) হাতিয়া
  3. গ) মনপুরা
  4. ঘ) সোনাদিয়া
সঠিক উত্তর:
ঘ) সোনাদিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সোনাদিয়া
ব্যাখ্যা
সোনাদিয়ায় দেশের প্রস্তাবিত গভীর সমুদ্র বন্দর হওয়ার কথা
• সোনাদিয়া কক্সবাজার জেলাধীন মহেশখালী উপজেলার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও জীববৈচিত্র্য সমৃদ্ধ একটিদ্বীপ।
• দ্বীপটির আয়তন ৯ বর্গ কিলোমিটার।
• কক্সবাজার জেলা সদর থেকে ৭ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে মহেশখালী উপজেলার কুতুবজোম ইউনিয়নে সোনাদিয়া অবস্থিত।
• প্রায় ১৪ কিলোমিটার দীর্ঘ প্রশস্থ সৈকত, সৈকত ঘেষে সারিবদ্ধভাবে দাড়িয়ে থাকা সূউচ্চ বালিয়াড়ি, জালের  মতো ছোট-বড় অসংখ্য খাল বেষ্টিত ম্যানগ্রোভ বন, বিস্তির্ণ ল্যাগুন্যাল ম্যাডফ্ল্যাট, কেয়া-নিশিন্দার ঝোপ, বিচিত্র প্রজাতির জলচর পাখি সোনাদিয়া দ্বীপের প্রধান বৈশিষ্ট্য।
• সমুদ্র সৈকতের পাশ ঘেষে অবস্থিত সোনাদিয়ার সূ-উচ্চু বালিয়াড়ির তুলনা বাংলাদেশে  নেই। সমুদ্র এবং সৈকত থেকে বালিয়াড়ির দৃশ্য অপূর্ব মনে হয়।
• সোনাদিয়ার সৈকত এবং বালিয়াড়ি বিপন্ন জলপাই বর্ণের সামুদ্রিক কাছিমের ডিম পাড়ার উপযোগী স্থান। এখানে সামুদ্রিক সবুজ কাছিমও ডিম পাড়তে আসে।
• সমুদ্র সৈকতের বেলাভূমিতে পানির কিনারা ঘেষে বিচরন করে লাল কাঁকড়া এবং প্যারাবন এলাকায় শীলা কাঁকড়া পাওয়া যায়।

তথ্যসূত্র: মহেশখালী উপজেলার ওয়েবসাইট।
১১,৫৮৯.
২১শে ফেব্রুয়ারিকে জাতিসংঘ আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেয় কত তারিখ?
  1. ক) ৫ ডিসেম্বর, ২০০৯
  2. খ) ৫ ডিসেম্বর, ২০০৮
  3. গ) ৫ ডিসেম্বর, ২০১৭
  4. ঘ) ৫ ডিসেম্বর, ২০১১
সঠিক উত্তর:
খ) ৫ ডিসেম্বর, ২০০৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৫ ডিসেম্বর, ২০০৮
ব্যাখ্যা
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস
উদ্যোক্তা ছিল – কানাডা প্রবাসী আব্দুস সালাম ও রফিকুল ইসলাম।
সংগঠন টির নাম ছিল-মাদার ল্যাঙ্গুয়েজ লাভারস অব দ্য ওয়ার্ল্ড।
১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর ইউনেস্কোর ৩০তম সম্মেলনে ১৮৮ দেশের সমর্থনে ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করা হয়েছে ২০০০ সাল থেকে জাতিসংঘের সকল সদস্য ভুক্ত দেশ দিনটি উদযাপন করে থাকে।
• ৫ ডিসেম্বর ২০০৮ জাতিসংঘ ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।

SOURCE:
ইউএন ওয়েব সাইট ।
১১,৫৯০.
স্বাধীনতা যুদ্ধকালে বাংলাদেশকে কয়টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল?
  1. ক) ১১ টি
  2. খ) ৮ টি
  3. গ) ৭ টি
  4. ঘ) ১০ টি
সঠিক উত্তর:
ক) ১১ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১১ টি
ব্যাখ্যা
১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল অস্থায়ী প্রবাসী সরকার গঠিত হয়। এ সরকার প্রথমে ১০ এপ্রিল সমগ্র দেশকে ৪ টি সেক্টরে ভাগ করে। ১১ এপ্রিল তা পুনর্গঠন করে ১১টি সেক্টরে বিভক্ত করা হয়। এছাড়া তিনটি বিগ্রেড ফোর্স গঠন এবং ১১ টি সেক্টরকে ৬৪টি সাব সেক্টরে বিভক্ত করা হয়। ১০ নং সেক্টরে কোন নিয়মিত কমান্ডার ছিলো না। এটি ছিলো নৌ সেক্টর।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী
১১,৫৯১.
৬ দফা কর্মসূচি কবে ঘোষিত হয়?
  1. ক) ২৩ মার্চ, ১৯৬৬
  2. খ) ২৬ এপ্রিল, ১৯৬৬
  3. গ) ১৮ মার্চ, ১৯৬৬
  4. ঘ) ৫ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৬
সঠিক উত্তর:
ক) ২৩ মার্চ, ১৯৬৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ২৩ মার্চ, ১৯৬৬
ব্যাখ্যা
ছয়-দফা আন্দোলন, ১৯৬৬

ছয় দফা কর্মসূচি বাঙালি জাতির ‘মুক্তির সনদ' (Charter of Freedom) বা 'ম্যাগনা কার্টা' (Magna Carta) হিসাবে পরিচিত। ৫ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৬ লাহোরে বিরোধী দলগুলোর কনভেনশনে বঙ্গবন্ধু ‘ছয় দফা দাবি' উত্থাপন করেন।

ছয় দফায় বিধৃত দাবিসমূহ নিম্নরূপ –

নিম্নে ছয় দফা কর্মসূচি উল্লেখ করা হল:-
১। শাসনতান্ত্রিক কাঠামো ও রাষ্ট্রীয় প্রকৃতি: ১৯৪০ সালের ঐতিহাসিক লাহোর প্রস্তাবের ভিত্তিতে সংবিধান রচনা হবে। সরকার হবে সংসদীয় পদ্ধতির, সর্বদলীয় ভোটাধিকারের ভিত্তিতে প্রাপ্ত বয়স্ক নাগরিকদের ভোটে কেন্দ্রীয় ও প্রাদেশিক আইনসভা গঠিত হবে।

২। পররাষ্ট্র সংক্রান্ত: বৈদেশিক সম্পর্ক ও প্রতিরক্ষা ছাড়া সকল বিষয় অঙ্গরাষ্ট্র বা প্রদেশের হাতে ন্যস্ত থাকবে। বৈদেশির সম্পর্ক প্রতিরক্ষা বিষয় ন্যস্ত থাকবে কেন্দ্রীয় সরকারের হাতে।

৩। অর্থ ও মুদ্রা: দেশের দুই অঞ্চলের জন্য দুটি পৃথক অথচ সহজে বিনিময়যোগ্য মুদ্রা চালু করার ব্যবস্থা থাকবে। এ রকম
ব্যবস্থা চালু সম্ভব না হলে দুই অঞ্চলের জন্য একই মুদ্রা থাকবে, তবে সংবিধানে এমন ব্যবস্থা রাখতে হবে যাতে এক অঞ্চলের মুদ্রা অন্য অঞ্চলে পাচার না হতে পারে।

৪। শুল্ক সম্বন্ধীয়: সকল প্রকার ট্যাক্স, খাজনা ও কর ধার্য এবং আদায়ের ক্ষমতা প্রাদেশিক বা আঞ্চলিক সরকারের হাতে থাকবে। কেন্দ্রীয় সরকারের ব্যয় নিবার্হের জন্য আদায়কৃত অর্থের একটা অংশ কেন্দ্রীয় সরকার পাবে।

৫। বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা: বৈদেশিক মুদ্রার ওপর প্রদেশ বা অঙ্গরাজ্যগুলোর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ থাকবে। বৈদেশিক বাণিজ্য ও সাহায্য সম্পর্কে প্রদেশ বা অঙ্গরাজ্যগুলোর সরকার আলাদা আলোচনা বা সম্পর্ক করতে পারবে।

৬। আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা: আঞ্চলিক সংহতি ও জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষার কার্যকর ব্যবস্থা হিসেবে প্রদেশ বা অঙ্গরাজ্যগুলো আধা-সামরিক বাহিনী বা মিলিশিয়া বাহিনী গঠন করতে পারবে।

পরবর্তীতে –
- ১৮ মার্চ, ১৯৬৬ আওয়ামী লীগের কাউন্সিল অধিবেশনে ছয় দফা গৃহীত হয়।
- ২৩ মার্চ, ১৯৬৬, লাহোরে বঙ্গবন্ধু আনুষ্ঠানিকভাবে ছয়-দফা কর্মসূচি ঘোষণা করেন।

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
১১,৫৯২.
ভাষা আন্দোলনের প্রথম সংগঠন -
  1. রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ
  2. তমদ্দুন মজলিশ
  3. রাষ্ট্রভাষা বাংলা কমিটি
  4. রাষ্ট্রভাষা বাংলা পরিষদ
সঠিক উত্তর:
তমদ্দুন মজলিশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তমদ্দুন মজলিশ
ব্যাখ্যা
ভাষা আন্দোলন:
- ভাষা আন্দোলন ছিলো বাঙালি সংস্কৃতির স্বাধিকার আন্দোলন।
- ১৯০৬ সালে নিখিল ভারত মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠার সময় উর্দু বনাম বাংলা বিতর্ক প্রথম ওঠে।
- ১৯৩৭ সালে মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ মুসলিম লীগের দাপ্তরিক ভাষা উর্দু করার প্রস্তাব করলে শেরে বাংলা এ. কে. ফজলুল হক এর বিরোধিতা করেন।
- তমদ্দুন মজলিশ ছিলো ভাষা আন্দোলনের প্রথম সংগঠন। 
- ভাষা আন্দোলনের প্রথম পুস্তিকা প্রকাশ করে 'তমদ্দুন মজলিশ।
- বাঙালির মুক্তি সংগ্রামের প্রথম ঘটনা হলো ভাষা আন্দোলন।
- এই আন্দোলনের মধ্য দিয়েই বাঙালি জাতীয়তাবোধের উন্মেষ ঘটে।
- ভাষার আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটে ১৯৪৭ সালে এবং চূড়ান্ত রূপ লাভ করে ১৯৫২ সালে।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
১১,৫৯৩.
মুক্তিযুদ্ধের সময় আমেরিকান কনসাল জেনারেল আর্চার ব্লাডের বিখ্যাত প্রতিবেদনের নাম কী?
  1. Blood Telegram
  2. East Pakistan Cable
  3. Dhaka Dispatch
  4. Archer Telegram
সঠিক উত্তর:
Blood Telegram
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Blood Telegram
ব্যাখ্যা

→ মুক্তিযুদ্ধের সময় আমেরিকান কনসাল জেনারেল আর্চার ব্লাডের বিখ্যাত প্রতিবেদনের নাম 'The Blood Telegram'।

The Blood Telegram:
- বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা নিয়ে আমেরিকান অধ্যাপক গ্যারি জে বাসের রচিত বইটির মূল নাম 'দ্য ব্লাড টেলিগ্রাম: নিক্সন, নিসিঞ্জার অ্যান্ড আ ফরগটেন জেনোসাইড'।
- 'ব্লাড টেলিগ্রাম' হল আর্চার ব্লাডের একটি তারবার্তা।
- ১৯৭১ সালে তিনি পূর্ব পাকিস্তানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কনসাল জেনারেল ছিলেন।
- ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় আর্চার ব্লাড যুক্তরাষ্ট্র সরকারকে তৎকালীন চলমান গণহত্যা বন্ধে ব্যর্থ হওয়ায় একটি টেলিগ্রাম বার্তা পাঠান, যা ইতিহাসে 'ব্লাড টেলিগ্রাম' নামে পরিচিতি পায়।
- 'ব্লাড টেলিগ্রাম' বার্তাটি ২০১৩ সালে প্রকাশিত হয়।
- এ বইটি অন্য যেকোনো বইয়ের চেয়ে আলাদা এবং স্বতন্ত্র।
- প্রথম কোনো পশ্চিমা গবেষক ১৯৭১-এ সংঘঠিত বাংলাদেশের গণহত্যাকে 'প্রমাণিত গণহত্যা' হিসেবে বিশ্বের সামনে দাঁড় করানোর প্রয়াস পেয়েছেন।

তথ্যসূত্র - Amazon.com ও প্রথম আলো পত্রিকার রিপোর্ট।

১১,৫৯৪.
মুক্তিযুদ্ধের সময় নারী যোদ্ধাদের প্রশিক্ষণের স্থান 'গোবরা ক্যাম্প' কোথায় অবস্থিত?
  1. কলকাতা
  2. ঢাকা
  3. মেহেরপুর
  4. হবিগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
কলকাতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কলকাতা
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধে নারী:
- মুক্তিযুদ্ধের সময় কলকাতার পার্ক সার্কাস ও পদ্মপুকুরের মাঝামাঝি গোবরা নামের স্থানে শুধু নারী যোদ্ধাদের প্রশিক্ষণের জন্য একটি ট্রেনিং ক্যাম্প স্থাপন করা হয়েছিল।
- সেটি পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন আওয়ামী লীগ নেত্রী সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী।
- নারী যোদ্ধাদের জন্য অনুরূপ আরো তিনটি ক্যাম্প প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল আসাম, ত্রিপুরা ও মেঘালয়ে।
- গোবরা ক্যাম্পে মেয়েদের দেওয়া হতো তিন রকম ট্রেনিং: ১. সিভিল ডিফেন্স, ২. নার্সিং, ৩. অস্ত্র চালনা ও গেরিলা আক্রমণ।

এছাড়াও,
- ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে পুরুষের পাশাপাশি নারীরাও নানাভাবে মুক্তিযুদ্ধে অবদান রাখেন।
- আগরতলার লেম্বুচোরা ক্যাম্পে মহিলা গেরিলা স্কোয়াড-এর আধুনিক অস্ত্রের উচ্চতর ট্রেনিং হয়।
- রণাঙ্গনের যোদ্ধা তারামন বিবি বীরপ্রতীক খেতাবে ভূষিত হন।
- চিকিৎসার কাজে মহিলা চিকিৎসকগণের গৌরবময় দৃষ্টান্ত ক্যাপ্টেন সিতারা বেগম। তিনিও বীর প্রতীক খেতাব লাভ করেন।

উৎস: i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) ১৬ ডিসেম্বর ২০২১, ইত্তেফাক।
১১,৫৯৫.
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এর পূর্ব নাম কী ছিল?
  1. পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়
  2. সংস্থাপন মন্ত্রণালয়
  3. সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়
  4. প্রশাসন মন্ত্রণালয়
সঠিক উত্তর:
সংস্থাপন মন্ত্রণালয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংস্থাপন মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়:
- সংস্থাপন মন্ত্রণালয় হলো 'জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়' এর পূর্ব নাম।
- ১৯৮২ সালে Martial Law Committee on Reorganizational Set-up সকল সরকারি মন্ত্রণালয়, বিভাগ, দপ্তর/পরিদপ্তরসহ সকল স্বায়ত্তশাসিত সংস্থার পুনর্গঠনের উদ্যোগ গ্রহণ করে।

• রূপকল্প:- দক্ষ ও কার্যকর জনপ্রশাসন।

• অভিলক্ষ্য:- প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধির মাধ্যমে একটি দক্ষ, সেবামুখী, কল্যাণধর্মী ও দায়বদ্ধ জনপ্রশাসন গড়ে তোলা।

উৎস: জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
১১,৫৯৬.
মুক্তিযুদ্ধকালে ৫ নং সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার কে ছিলেন?
  1. মেজর মীর শওকত আলী
  2. মেজর জিয়াউর রহমান
  3. মেজর খালেদ মোশাররফ
  4. মেজর কে এম শফিউল্লাহ
সঠিক উত্তর:
মেজর মীর শওকত আলী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেজর মীর শওকত আলী
ব্যাখ্যা

মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর:
• ১নং সেক্টর: চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রাম জেলা এবং নোয়াখালী জেলার সমগ্র পূর্বাঞ্চল বেলোনিয়া বুলগের মুহুরী নদীর তীরে নিয়ে গঠিত।
- সদরদপ্তর: হরিণা।
- সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর জিয়াউর রহমান, পরে মেজর রফিকুল ইসলামের স্থলাভিষিক্ত হন।

• ২নং সেক্টর: ঢাকা, কুমিল্লা এবং ফরিদপুর জেলা এবং নোয়াখালী জেলার অংশ নিয়ে গঠিত।
- সদরদপ্তর: মেলাঘর।
- সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর খালেদ মোশাররফ, পরে মেজর এটিএম হায়দারের স্থলাভিষিক্ত হন।

• ৩নং সেক্টর: উত্তরে চূড়ামনকাঠি (শ্রীমঙ্গলের নিকট) থেকে সিলেট এবং দক্ষিণে ব্রাহ্মণবাড়ীয়ার সিঙ্গারবিল পর্যন্ত এলাকা নিয়ে গঠিত হয়।
- সদরদপ্তর: হেজামারা।
- সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর কে এম শফিউল্লাহ, পরে মেজর এএনএম নুরুজ্জামানের স্থলাভিষিক্ত হন।

• ৪ নং সেক্টর: উত্তরে সিলেট জেলার হবিগঞ্জ মহকুমা থেকে দক্ষিণে কানাইঘাট থানা পর্যন্ত ১০০ মাইল বিস্তৃত সীমান্ত এলাকা নিয়ে গঠিত।
- সদরদপ্তর: প্রথমে করিমগঞ্জে এবং পরে আসামের মাসিমপুর।
- সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর চিত্তরাজন দত্ত, পরে ক্যাপ্টেন এ রবের স্থলাভিষিক্ত হন।

• ৫নং সেক্টর: সিলেট জেলার দুর্গাপুর থেকে ডাউকি (তামাবিল) এবং জেলার পূর্বসীমা পর্যন্ত বিস্তৃত এলাকা নিয়ে গঠিত।
- সদরদপ্তর: বাঁশতলা।
- সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর মীর শওকত আলী।

• ৬নং সেক্টর: সমগ্র রংপুর জেলা এবং দিনাজপুর জেলার ঠাকুরগাঁও মহকুমা নিয়ে গঠিত। প্রধানত রংপুর ও দিনাজপুরের ইপিআর বাহিনী নিয়ে এই সেক্টর গঠিত হয়।
- সদরদপ্তর: বুড়ি মাড়ি (বাংলাদেশের ভূখণ্ডের অভ্যন্তরে একমাত্র সদর দপ্তর)।
- সেক্টর কমান্ডার ছিলেন উইং কমান্ডার এম খেদেমুল বাশার।

• ৭নং সেক্টর: রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া এবং দিনাজপুর জেলার দক্ষিণাংশ নিয়ে গঠিত হয়।
- সদরদপ্তর: তরঙ্গপুর।
- সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর নজরুল হক, পরে সুবেদার মেজর এ রব এবং মেজর কাজী নুরুজ্জামানের স্থলাভিষিক্ত হন।

• ৮নং সেক্টর: কুষ্টিয়া, যশোর থেকে খুলনা, সাতক্ষীরা,
- সদরদপ্তর: কল্যাণী।
- সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর আবু ওসমান চৌধুরী, পরে মেজর এম এ মঞ্জুর স্থলাভিষিক্ত হন।

• ৯নং সেক্টর: বরিশাল ও পটুয়াখালি জেলা এবং খুলনা ও ফরিদপুর জেলার অংশবিশেষ নিয়ে গঠিত।
- সদরদপ্তর: বশিরহাট।
- সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর এম জলিল, পরে মেজর এম এ মঞ্জুর এবং মেজর জয়নাল আবেদীনের স্থলাভিষিক্ত হন।

• ১০নং সেক্টর: সকল নৌপথ ও সমুদ্র উপকূলীয় অঞ্চল,

• ১১নং সেক্টর: টাঙ্গাইল জেলা এবং কিশোরগঞ্জ মহকুমা ব্যতীত সমগ্র ময়মনসিংহ জেলা নিয়ে গঠিত।
- সদরদপ্তর: মহেন্দ্রগঞ্জ।
- সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর এম আবু তাহের।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

১১,৫৯৭.
১৯৬২ সালে কোন শিক্ষা কমিশনের রিপোর্ট বিরোধী আন্দোলন হয়?
  1. সামসুল হক কমিশন
  2. শরিফ কমিশন
  3. কুদরত-ই-খুদা কমিশন
  4. মনিরুজ্জামান কমিশন
সঠিক উত্তর:
শরিফ কমিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শরিফ কমিশন
ব্যাখ্যা

• শরিফ শিক্ষা কমিশন:
- পাকিস্তানের তৎকালীন শাসক আইয়ুব খান শিক্ষাব্যবস্থার সংস্কারের উদ্দেশ্যে ১৯৫৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর একটি শিক্ষা কমিশন গঠন করেন।
- তদানীন্তন শিক্ষা সচিব এস.এম. শরীফকে সভাপতি করে মোট ১১ সদস্যবিশিষ্ট এ কমিশন গঠিত হয়। পরবর্তীতে এটি ‘শরীফ কমিশন’ নামে পরিচিতি লাভ করে।
- কমিশন ১৯৫৯ সালের ২৬ আগস্ট তাদের সুপারিশ জমা দেয়। সুপারিশগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য:ঃ
- বি.এ পাস কোর্সকে দুই বছর থেকে বাড়িয়ে তিন বছর করার প্রস্তাব।
- স্কুল ও কলেজের সংখ্যা সীমিত রাখার সুপারিশ।
- শিক্ষা ব্যয়ের প্রায় ৮০% অভিভাবকদের বহন করার বিধান।
- ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে ডিগ্রি পর্যায় পর্যন্ত ইংরেজি ভাষাকে বাধ্যতামূলক করার সুপারিশ।
- কমিশনের এই রিপোর্টের বিরুদ্ধে ছাত্রসমাজ বিক্ষুব্ধ হয়।
- ঢাকা কলেজে সর্বপ্রথম আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটে।
- ঐ কলেজের ছাত্ররা 'ডিগ্রি স্টুডেন্টস ফোরাম' নামক একটি সংগঠন প্রতিষ্ঠা করে।
- এই সংগঠনের নামে ঢাকা শহরের অন্যান্য কলেজের ছাত্ররা আন্দোলন পরিচালনা করে। পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা আন্দোলনে যোগ দেয়। তখন সংগঠনের নাম পরিবর্তন করে করা হয় 'ইস্ট পাকিস্তান স্টুডেন্টস ফোরাম'।
- এক পর্যায়ে আন্দোলনের নেতৃত্ব ছাত্রলীগ ও ছাত্র ইউনিয়নের যৌথ নেতৃত্বের হাতে চলে যায়।
- ১৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৬২ হরতাল আহ্বান করা হয়।
- হরতালের দিন ছাত্র জনতা মিলিতভাবে রাস্তায় নেমে পড়ে।
- মিছিলে গুলিবর্ষণ করা হলে বাবুল, বাসকন্টাক্টর গোলাম মোস্তফা ও গৃহভৃত্য ওয়াজিউল্লাহ নিহত হয়। আহত

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

১১,৫৯৮.
শশাঙ্ক কোন শতকে উত্তর বাংলায় স্বাধীন গৌড়রাজ্য গড়ে তোলেন?
  1. ক) সপ্তম শতক
  2. খ) অষ্টম শতক
  3. গ) নবম শতক
  4. ঘ) পঞ্চম শতক
সঠিক উত্তর:
ক) সপ্তম শতক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) সপ্তম শতক
ব্যাখ্যা
- সপ্তম শতকের প্রারম্ভে বাংলার প্রথম স্বাধীন নৃপতি শশাঙ্ক উত্তর বাংলায় একটি শক্তিশালী স্বাধীন রাজ্য গড়ে তোলেন যা ‘গৌড়রাজ্য’ নামে পরিচিত। এই রাজ্যের রাজধানী ছিলো মুর্শিদাবাদ জেলার নিকটবর্তী কর্ণসুবর্ণ।
- উত্তর বাংলা থেকে উড়িষ্যা পর্যন্ত স্বাধীন গৌড়রাজ্যের বিস্তৃতি ছিলো।
- ৫৯৪ খ্রি. থেকে ৬৩৭ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত শশাঙ্ক গৌড়রাজ্য শাসন করেন।
(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
১১,৫৯৯.
বাংলায় নবজাগরণের অগ্রদূত কে?
  1. ক) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
  2. খ) রাজা রামমোহন রায়
  3. গ) মৃত্যৃঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার
  4. ঘ) ডি রোজিও
সঠিক উত্তর:
খ) রাজা রামমোহন রায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) রাজা রামমোহন রায়
ব্যাখ্যা
বাংলার নবজাগরণের অগ্রদূত হলেন রাজা রামমোহন রায়। বাঙালিদের মধ্যে তিনিই প্রথম ধর্মীয় ও সামাজিক সংস্কার, আধুনিক শিক্ষার বিস্তার ও ধ্যান ধারণা প্রচলনের মাধ্যমে বাংলায় রেনেসাঁ'র সূত্রপাত করেন।
তার পথ অনুসরণ করেই পরবর্তীতে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর, মাইকেল মধুসূদন দত্ত, ডিরোজিও প্রমুখ বাংলার রেনেসাঁ'র নেতৃত্ব দেন। রামমোহন রায় ১৮২৮ সালে ব্রাহ্মসমাজ প্রতিষ্ঠা করেন।
(সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
১১,৬০০.
কোন বীরশ্রেষ্ঠের দেহাবশেষ বাংলাদেশে এনে বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমানের কবরের পাশে সমাহিত করা হয়?
  1. ল্যান্স নায়েক মুন্সি আবদুর রউফ
  2. সিপাহী মোস্তফা কামাল
  3. সিপাহী হামিদুর রহমান
  4. ল্যান্স নায়েক নূর মােহাম্মদ শেখ
সঠিক উত্তর:
সিপাহী হামিদুর রহমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিপাহী হামিদুর রহমান
ব্যাখ্যা

মিরপুরে অবস্থিত বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে ২ জন বীরশ্রেষ্ঠকে বর্তমানে সমাহিত করা হয়েছে।
তারা হলেন -
১. বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেনেন্ট মতিউর রহমান
২. বীরশ্রেষ্ঠ সিপাহী হামিদুর রহমান।

বীরশ্রেষ্ট সিপাহী হামিদুর রহমান:
- বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের জন্ম ২রা ফেব্রুয়ারি ১৯৫৩, ঝিনাইদহ জেলা শহরের অদুরে কালিগঞ্জের খদ্দখালিশপুর গ্রামে।
- বীরশ্রেষ্ট সিপাহী হামিদুর রহমান ১৯৭১ সনে আনসার বাহিনীতে অল্প সময়ের জন্য চাকুরী করেন এবং ২ ফেব্রুয়ারী ১৯৭১ খ্রি: তৎকালীন সেনাবাহিনীতে সৈনিক হিসেবে ঐতিহ্যবাহী ১ ইষ্ট বেংগল রেজিমেন্টে যোগদান করেন। সাহসী এ সৈনিক মাতৃভূমির স্বাধীনতা যুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন এবং বিভিন্ন অপারেশনে পাক হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে ব্যাপক সাফল্য অর্জন করেন।
- ১৯৭১ সনের অক্টোবর মাসের শেষ দিকে মৌলভীবাজার জেলাস্থ কমলগঞ্জ উপজেলার চা বাগান বিস্তৃত ধলই সীমান্ত চৌকিতে হানাদার পাকিস্তানী সেনাবাহিনী বাহিনীকে পরাস্থ করার উদ্দেশ্যে সহযোদ্ধাসহ তিনি সশস্ত্র আক্রমন চালান। ধলই সীমান্তে শত্রু সেনা চৌকির সন্মুখ যুদ্ধে অমিত সাহসে চৌকির ৫০ গজের মধ্যে পৌছেঁ যান এবং বীরত্বের সাথে যুদ্ধ করে উক্ত সীমান্ত চৌকি ও সংলগ্ন এলাকা মুক্ত করেন এবং সেখানেই শত্রু সেনার বুলেট বিদ্ধ হয়ে শহীদ হন।

- বীরশ্রেষ্ঠ সিপাহী হামিদুর রহমানকে প্রতিবেশী ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের কমলপুর জেলাধীন আমবাসা গ্রামে সমাধিস্থ করা হয়েছিল।
- সুদীর্ঘ ৩৬ বছর পর তাঁর দেহাবশেষ বাংলাদেশে নিয়ে আসা হয় এবং ১১ ডিসেম্বর ২০০৭ তারিখে ঢাকার মিরপুরস্থ শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে সমাহিত করা হয়।

অন্যদিকে,
- বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান ২০শে আগস্ট ১৯৭১ সালে শহীদ হন। তাকে প্রথমে পাকিস্তানের করাচির মাসরুর বিমান বেসের চতুর্থ শ্রেণীর কবরস্থানে সমাহিত করা হয়।
- শাহাদতের ৩৫ বছর পর ২৪শে জুন ২০০৬ মতিউরের দেহাবশেষ পাকিস্তান থেকে দেশে এনে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে পুনঃসমাহিত করা হয়।

উৎস: মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট, বাংলাপিডিয়া ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।