ব্যাখ্যা
• ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের অবিসংবাদিত নেতা মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধী।
• মহাত্মা গান্ধী নামে তিনি পরিচিত।
• দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালে ১৯৪২ সালে মহাত্মা গান্ধী ভারত ছাড় আন্দোলনের ডাক দেন।
• ক্রিপস মিশনের ব্যর্থতা, সম্ভাব্য জাপানি আক্রমণের আশঙ্কা, ভারতকে ব্রিটিশ ডোমিনিয়নের মর্যাদা প্রদানের দাবী ইত্যাদি ইস্যুতে কংগ্রেস ১৯৪২ সালের আগস্টে ভারত ছাড় আন্দোলনের ডাক দেন।
• ভারতীয় স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে শ্বেতাঙ্গ-বিরোধী মনোভাবের বহিঃপ্রকাশ স্বরূপ প্রথম স্বতঃস্ফূর্ত ব্যাপক আন্দোলন ভারত ছাড় আন্দোলন।
• মহাত্মা গান্ধী হরিজন পত্রিকায় ব্রিটিশ সরকারের বিরুদ্ধে ভারত ছাড় পরিকল্পনা গ্রহণ করেন।
• গান্ধীর মনোভাব লক্ষ্য করে কংগ্রেসের কার্যকরী কমিটি ১৯৪২ সালের ১৪ জুলাই গান্ধীর ভারত ছাড় নীতি অনুমোদন করে।
• কংগ্রেসের কার্যকরী কমিটি সিদ্ধন্ত গ্রহন করে যে অবিলম্বে ব্রিটিশ সরকারকে ভারত ছাড়তে হবে নতুবা দেশব্যাপী তারা আইন অমান্য আন্দোলন শুরু করবে।
• ১৯৪২ সালের ৮ আগস্ট নিখিল ভারত কংগ্রেস কমিটির (বোম্বাইর) অধিবেশনে বিখ্যাত ভারত ছাড় আন্দোলনের প্রস্তাব পাস হয় এবং পরপরই যতদূর সম্ভব ব্যাপকভাবে অহিংস পথে গান্ধীর নেতৃত্বে আন্দোলনের ডাক দেওয়া হয়।
- ভারত ছাড় আন্দোলনের প্রধান তিনটি পর্ব দেখা যায়। প্রথম পর্বে এ আন্দোলন প্রধানত শহর অঞ্চলে সীমাবদ্ধ ছিল। এ পর্বের আন্দোলন ছিল খুবই ব্যাপক এবং সহিংস। কিন্তু দ্রুততার সাথেই এ আন্দোলনকে দমন করা হয়।
- আন্দোলনের দ্বিতীয় পর্ব শুরু হয় আগস্টের মধ্যভাগ থেকে। এ পর্যায়ে ছাত্ররা বিভিন্ন কেন্দ্র থেকে ছড়িয়ে পড়ে।
- সেপ্টেম্বর মাসের শেষদিকে আন্দোলনের তৃতীয় পর্ব শুরু হয়। এ পর্বের বৈশিষ্ট্য হলো শিক্ষিত যুবক সম্প্রদায় ও কৃষক দলের সন্ত্রাসী কার্যকলাপ, অন্তর্ঘাতমূলক তৎপরতা এবং গেরিলা যুদ্ধ।
তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া।