বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

শব্দের শ্রেণিবিভাগ

মোট প্রশ্ন১,০৫৭এই পাতা৪৯প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

শব্দের শ্রেণিবিভাগ

PrepBank · পাতা ১১ / ১১ · ১,০০১১,০৪৯ / ১,০৫৭

১,০০১.
নিম্নের কোনটি তৎসম শব্দের উদাহরণ?
  1. ক) আকাশ
  2. খ) আলখাল্লা
  3. গ) কৈফিয়ত
  4. ঘ) জানালা
সঠিক উত্তর:
ক) আকাশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) আকাশ
ব্যাখ্যা
প্রাচীন ভারতীয় আর্যভাষা থেকে বিবর্তিত যেসব বাংলা শব্দের লিখিত চেহারা সংস্কৃত ভাষার শব্দের অনুরূপ সেগুলােকে তৎসম শব্দ বলে।
যথা: পৃথিবী, আকাশ, গ্রহ, বৃক্ষ।
- সংস্কৃত ব্যাকরণ অনুসরণ করে গঠিত পারিভাষিক শব্দকেও তৎসম শব্দ বলা হয়। যথা: অধ্যাদেশ, গণপ্রজাতন্ত্রী, মহাপরিচালক, সচিবালয় ইত্যাদি।

আলখাল্লা, কৈফিয়ত= আরবি শব্দ। 
জানালা = পর্তুগিজ শব্দ। 

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি এবং আধুনিক বাংলা অভিধান, বাংলা একাডেমি।
১,০০২.
কোন শ্রেণির বাংলা শব্দের লিখিত চেহারা সংস্কৃতের অনুরূপ?
  1. ক) তৎসম
  2. খ) তদ্ভব
  3. গ) দেশি
  4. ঘ) বিদেশি
সঠিক উত্তর:
ক) তৎসম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) তৎসম
ব্যাখ্যা
• প্রাচীন ভারতীয় আর্যভাষা থেকে বিবর্তিত যেসব বাংলা শব্দের লিখিত চেহারা সংস্কৃত ভাষার শব্দের অনুরূপ সেগুলােকে তৎসম শব্দ বলে।
যথা: পৃথিবী, আকাশ, গ্রহ, বৃক্ষ।

সংস্কৃত ব্যাকরণ অনুসরণ করে গঠিত পারিভাষিক শব্দকেও তৎসম শব্দ বলা হয়।
যথা: অধ্যাদেশ, গণপ্রজাতন্ত্রী, মহাপরিচালক, সচিবালয় ইত্যাদি।

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০২২ সংস্করণ)।
১,০০৩.
কোনটি তৎসম শব্দ?
  1. চাঁদ
  2. জল
  3. টোপর
  4. ডিঙা
সঠিক উত্তর:
জল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জল
ব্যাখ্যা
• তৎসম শব্দ - জল

বাংলা ভাষার শব্দভাণ্ডার:
- উৎস বিবেচনায় বাংলা শব্দভাণ্ডারকে চার শ্রেণিতে বিভক্ত করা যায়। যথা:
১. তৎসম,
২. তদ্ভব,
৩. দেশি ও
৪. বিদেশি।
- এর মধ্যে তৎসম ও তদ্ভব শ্রেণিকে নিজস্ব উৎসের এবং দেশি ও বিদেশি শ্রেণিকে আগন্তুক উৎসের শব্দ হিসেবে গণ্য করা হয়।

তৎসম শব্দ:
- প্রাচীন ভারতীয় আর্যভাষা থেকে বিবর্তিত যেসব বাংলা শব্দের লিখিত চেহারা সংস্কৃত ভাষার শব্দের অনুরূপ সেগুলোকে তৎসম শব্দ বলে।
যথা: পৃথিবী, আকাশ, গ্রহ, বৃক্ষ, চন্দ্র, সূর্য, জল, নক্ষত্র, ভবন, ধর্ম, পাত্র, মনুষ্য ইত্যাদি।
- সংস্কৃত ব্যাকরণ অনুসরণ করে গঠিত পারিভাষিক শব্দকেও তৎসম শব্দ বলা হয়।
যথা: অধ্যাদেশ, গণপ্রজাতন্ত্রী, মহাপরিচালক, সচিবালয় ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
• তদ্ভব শব্দ - চাঁদ।
• দেশি শব্দ - টোপর, ডিঙা।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯, ২০২২ সংস্করণ); ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
১,০০৪.
মৌলিক শব্দ কোনটি? 
  1. কবিতা
  2. কাব্য
  3. কলম
  4. পদ্য
সঠিক উত্তর:
কলম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কলম
ব্যাখ্যা

• মৌলিক শব্দ:
যেসব শব্দকে বিশ্লেষণ করা যায় না বা ভাঙ্গা যায় না, তাদেরকে মৌলিক শব্দ বলে।
যেমন- গোলাপ, নাক, লাল, চাঁদ ইত্যাদি।

আবার, 
মৌলিক শব্দ হলো যে শব্দ অন্য কোনো শব্দ থেকে গঠিত নয় — অর্থাৎ যার কোনো উপসর্গ, প্রত্যয় বা সমাস নেই।
- “কলম” একটি মৌলিক (অব্যুত্পন্ন) শব্দ।

অন্যদিকে,
• কবিতা এসেছে- (কবি + তা) ব্যুৎপন্ন শব্দ। 
• কাব্য এসেছে- (কবি + য) ব্যুৎপন্ন শব্দ। 
• পদ্য এসেছে- (পদ + য) ব্যুৎপন্ন শব্দ। 

অতএব মৌলিক শব্দ হলো- কলম।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ) এবং বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।

১,০০৫.
নিচের কোনটি পর্তুগিজ শব্দ?
  1. ক) পাউরুটি
  2. খ) দারোগা
  3. গ) ওলন্দাজ
  4. ঘ) কার্তুজ
সঠিক উত্তর:
ক) পাউরুটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) পাউরুটি
ব্যাখ্যা

বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
'পাউরুটি'- পর্তুগিজ শব্দ।
'পাউরুটি' বলতে বোঝায়- বিশেষ পদ্ধতিতে তৈরি রুটিবিশেষ। 

অন্য অপশনে,
'দারোগা'- ( ফারসি) অর্থ- থানার ভারপ্রাপ্ত ইন্সপেক্টর বা সাব-ইন্সপেক্টর।  
'ওলন্দাজ'- ফরাসি শব্দ। 
'কার্তুজ'- পর্তুগিজ শব্দ (বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে)।
তবে, মাধ্যমিক বাংলা ব্যাকরণ বই অনুসারে 'কার্তুজ' ফরাসি শব্দ দেয়া আছে।  

উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান, বাংলা ভাষার ব্যাকরণ-নবম দশম শ্রেণী (২০১৯ সংস্করণ)। 

১,০০৬.
আমলাতন্ত্রের ইংরেজি প্রতিশব্দ Bureaucracy’র উদ্ভব হয়েছে কোন ভাষার শব্দ থেকে?
  1. ফরাসি এবং গ্রিক
  2. গ্রিক এবং ল্যাটিন
  3. রোমান এবং গ্রিক
  4. রোমান এবং রুশ
সঠিক উত্তর:
ফরাসি এবং গ্রিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফরাসি এবং গ্রিক
ব্যাখ্যা
আমলাতন্ত্রের ইংরেজি প্রতিশব্দ – Bureaucracy।
ফরাসি ‘ব্যুরো’ (Bureau) এবং গ্রিক ‘ক্রেটিন’ (Kratein) শব্দ থেকে Bureaucracy শব্দের উদ্ভব হয়েছে। ‘ব্যুরো’ শব্দের অর্থ ‘লেখার টেবিল’ (Desk) আর ‘ক্রেটিন’ শব্দের অর্থ ‘শাসন’।
সুতরাং, উৎপত্তিগত অর্থে আমলাতন্ত্রের অর্থ হচ্ছে – “Desk Government” বা “দপ্তর সরকার”। আক্ষরিক অর্থে ‘আমলাতন্ত্র’ বলতে আমলা বা প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের শাসন বোঝায়।
উৎসঃ Live MCQ স্পেশাল PDF (সিভিল সার্ভিস এবং মুজিব বর্ষ)
১,০০৭.
নিম্নের কোনটি ফারসি ভাষার শব্দ?
  1. ক) আদালত
  2. খ) তারিখ
  3. গ) লুঙ্গি
  4. ঘ) বালতি
সঠিক উত্তর:
গ) লুঙ্গি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) লুঙ্গি
ব্যাখ্যা
'লুঙ্গি' ফারসি ভাষা থেকে আগত শব্দ। 

লুঙ্গি (বিশেষ্য) 
- ফারসি শব্দ। 
অর্থ: দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশের ব্যবহার্য নিম্নাঙ্গের পোশাক, তহবন, থামি। 

আদালত, তারিখ = আরবি শব্দ। 
বালতি = পর্তুগিজ শব্দ।

উৎস: আধুনিক বাংলা অভিধান, বাংলা একাডেমি।
১,০০৮.
কোনটি রূঢ়ি শব্দ?
  1. গায়ক
  2. দৌহিত্র
  3. জ্যাঠামি
  4. মধুর
সঠিক উত্তর:
জ্যাঠামি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জ্যাঠামি
ব্যাখ্যা
• রূঢ়ি শব্দ:
- যেসব শব্দ গঠনের উপাদান অর্থাৎ প্রকৃতি-প্রত্যয় অনুসারে অর্থ প্রকাশ না করে অন্য কোনো অর্থ প্রকাশ করে সেসব শব্দকে রূঢ় বা রূঢ়ি শব্দ বলে।
যেমন- 'হস্তী' বলতে এক বিশেষ পশুকে বুঝায়। কিন্তু প্রকৃতি-প্রত্যয় অনুসারে এর অর্থ হচ্ছে হাত আছে যার। অর্থাৎ প্রকৃত অর্থ না বুঝিয়ে অন্য অর্থ বোঝাচ্ছে, তাই এটি রূঢ়ি শব্দ।

তেমনিভাবে,
- জ্যাঠামি - জেঠার ভাব (মূল অর্থ) - চাপল্য (পরিবর্তিত অর্থ)।

আরো কিছু রূঢ়ি শব্দ:
- বাঁশি, তৈল, প্রবীণ, সন্দেশ, বৎস, শুশ্রূষা ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
যৌগিক শব্দ:
যেসব শব্দের ব্যুৎপত্তিগত ও ব্যবহারিক অর্থ অভিন্ন তাদের যৌগিক শব্দ বলে।
যেমন:
গায়কদৌহিত্র, চিকামারা, বাবুয়ানা, মধুর, কর্তব্য ইত্যাদি।

উংস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
১,০০৯.
সুহৃদ মানে 'সুন্দর হৃদয় যার' না বুঝিয়ে 'বন্ধু' অর্থ নির্দেশ করলে এটা কোন ধরনের শব্দ হবে?
  1. যৌগিক
  2. রূঢ়ি
  3. যোগরূঢ়
  4. কোনটিই নয় 
সঠিক উত্তর:
যোগরূঢ়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যোগরূঢ়
ব্যাখ্যা

• যোগরূঢ় শব্দ: 
- সমাস নিষ্পন্ন যে সকল শব্দ সমস্যমান পদসমূহের অনুগামী না হয়ে অন্য কোন বিশিষ্ট অর্থ গ্রহণ করে।
যেমন-
- পঙ্কজ ( যা পঙ্কে বা কাদায় জন্মে); কিন্তু ব্যবহারিক অর্থ- পদ্ম। 
- মহাযাত্রা ( মহাসমারোহে যাত্রা); কিন্তু ব্যবহারিক অর্থ- 'মৃত্যু' 
- রাজপুত ( রাজার পুত); কিন্তু ব্যবহারিক অর্থ জাতি বিশেষ।
- সুহৃদ (সুন্দর হৃদয় যার); কিন্তু ব্যবহারিক অর্থ - বন্ধু, সখা।
- জলধি (জল ধারণ কর এমন); কিন্তু ব্যবহারিক অর্থ 'সমুদ্র' ইত্যাদি।

• সুহৃদ মানে 'সুন্দর হৃদয় যার' না বুঝিয়ে 'বন্ধু' অর্থ নির্দেশ করলে এটা - যোগরূঢ় শব্দ হবে।

উৎস: প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি- ড. হায়াৎ মামুদ ও ড. মোহাম্মদ আমীন।

১,০১০.
তুর্কি ভাষা থেকে আগত বাংলা শব্দ -
  1. ক) লুঙ্গি
  2. খ) চাবি
  3. গ) বেগম
  4. ঘ) চোঙ্গা
সঠিক উত্তর:
গ) বেগম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বেগম
ব্যাখ্যা
অপশনে প্রদত্ত শব্দগুলোর উৎস:
বেগম - তুর্কি
লুঙ্গি - ফারসি [লুঙ্গি শব্দটি মাধ্যমিক ব্যাকরণ বইতে বার্মিজ শব্দ হিসাবে দেওয়া আছে যা ভুল। তবে অপশনে বার্মিজ থাকলে এবং ফারসি না থাকলে বার্মিজ উত্তর হবে]
চোঙ্গা - হিন্দি
চাবি - পর্তুগিজ 
 
[উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান]
১,০১১.
'সন্দেশ' - কোন ধরনের শব্দ?
  1. যৌগিক
  2. মৌলিক
  3. যোগরূঢ়
  4. রূঢ়ি
সঠিক উত্তর:
রূঢ়ি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রূঢ়ি
ব্যাখ্যা

রূঢ়ি শব্দ:
- যে শব্দ প্রত্যয় বা উপসর্গযোগে মূল শব্দের অর্থের অনুগামী না হয়ে অন্য কোনো বিশিষ্ট অর্থ জ্ঞাপন করে, তাকে রূঢ়ি শব্দ বলে।
 যেমন:
- হস্তী - হস্ত + ইন, অর্থ - হস্ত আছে যার; কিন্তু হস্তী বলতে একটি পশুকে বোঝায়।
- গবেষণা (গো+এষণা) অর্থ - গরু খোঁজা।
- প্রবীণ - শব্দটির অর্থ হওয়া উচিত ছিল প্রকৃষ্ট রূপে বীণা বাজাতে পারেন যিনি। কিন্তু শব্দটি 'অভিজ্ঞতাসম্পন্ন • বয়স্ক ব্যক্তি' অর্থে ব্যবহৃত হয়।
- সন্দেশ - শব্দ ও প্রত্যয়গত অর্থে 'সংবাদ'। কিন্তু রূঢ়ি অর্থে 'মিষ্টান্ন বিশেষ'।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।

১,০১২.
'পঙ্কজ' শব্দ দ্বারা-'পঙ্কে জন্মে যা' না বুঝিয়ে শুধুমাত্র 'পদ্মফুল' নির্দেশ করলে 'পঙ্কজ' কোন ধরনের শব্দ হবে?
  1. মিশ্র 
  2. যৌগিক
  3. যোগরূঢ় 
  4. রূঢ়ি
সঠিক উত্তর:
যোগরূঢ় 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যোগরূঢ় 
ব্যাখ্যা

যোগরূঢ় শব্দ:
সমাসনিষ্পন্ন যেসব শব্দ তার ব্যাসবাক্যের কোনো অর্থ প্রকাশ না করে, তৃতীয় কোনো অর্থ প্রকাশ করে, সেসব শব্দকে বলা হয় যোগরূঢ় শব্দ।

যেমন:
- 'অসুখ' ব্যুৎপত্তিগত অর্থ-'সুখের অভাব'। ব্যবহারিক অর্থ-'রোগ'। তাই 'অসুখ' একটি যোগরূঢ় শব্দ। 

- পঙ্কজ: পঙ্কে জন্মে যা। শৈবাল, শালুক, পদ্মফুল প্রভৃতি উদ্ভিদ পঙ্কে জন্মে থাকে। কিন্তু 'পঙ্কজ' শব্দটি একমাত্র 'পদ্মফুল' অর্থেই ব্যবহৃত হয়। তাই 'পঙ্কজ' একটি যোগরূঢ় শব্দ।

- শাখার ন্যায় মৃগ শাখামৃগ সমাসবদ্ধ শব্দটি ক্রান্তীয় ও উপক্রান্তীয় অঞ্চলে বিচরণ করে এবং লম্বা লেজ ও লোমাবৃত দেহবিশিষ্ট মাঝারি আকৃতির স্তন্যপায়ী বৃক্ষচর প্রাণীকে বোঝায়। তবে ব্যবহারীক অর্থে শাখামৃগ শব্দটি শুধু 'বানর'কে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। তাই 'শাখামৃগ' একটি যোগরূঢ় শব্দ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ), ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।

১,০১৩.
মৌলিক শব্দ কোনটি?
  1. ক) আকাশ
  2. খ) শীতল
  3. গ) ঢাকাই
  4. ঘ) কান্না
সঠিক উত্তর:
ক) আকাশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) আকাশ
ব্যাখ্যা
গঠনগত দিক থেকে শব্দকে ২ শ্রেণিতে ভাগ করা যায়।
যথা - মৌলিক শব্দ ও সাধিত শব্দ।

মৌলিক শব্দ: যেসব শব্দকে বিশ্লেষণ করা যায় না বা ভাঙ্গা যায় না, তাদেরকে মৌলিক শব্দ বলে।
যেমন - গোলাপ, নাক, লাল, চাঁদ ইত্যাদি।

আকাশ = মৌলিক শব্দ
শীতল, ঢাকাই = প্রত্যযোগে গঠিত সাধিত শব্দ
কান্না = সন্ধিযোগে গঠিত সাধিত শব্দ

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ব্যাকরণ (২০১৯ ও ২০২১ সংস্করণ)।
১,০১৪.
নিচের কোনটি মৌলিক শব্দ?
  1. নাক
  2. পরিচালক
  3. গরমিল
  4. চলন্ত
সঠিক উত্তর:
নাক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাক
ব্যাখ্যা

• মৌলিক শব্দ: 
- যেসব শব্দ বিশ্লেষণ করা যায় না বা ভেঙ্গে আলাদা করা যায় না, সেগুলোকে মৌলিক শব্দ বলে।
যেমন:
- চাঁদ, গোলাপ, নাক, তিল, হাত, ফুল ইত্যাদি।
​ 
• সাধিত শব্দ:
- যেসব শব্দকে বিশ্লেষণ করলে তার মধ্যে এক বা একাধিক অর্থপূর্ণ অংশ থাকে, সেগুলােকে সাধিত শব্দ বলে।
- উপসর্গ বা প্রত্যয় যােগ করে অথবা সমাস প্রক্রিয়ায় সাধিত শব্দ তৈরি হয়।
যেমন - পরিচালক, গরমিল, বন্ধুত্ব, প্রশাসন, দায়িত্ব, সম্পাদকীয়, সংসদ সদস্য, নীলাকাশ, ডুবুরি, চলন্ত ইত্যাদি।

​উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২৪সংস্করণ)।

১,০১৫.
'গামলা' কী শব্দ?
  1. ক) গ্রিক
  2. খ) মেক্সিকান
  3. গ) স্প্যানিশ
  4. ঘ) পর্তুগিজ
সঠিক উত্তর:
ঘ) পর্তুগিজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) পর্তুগিজ
ব্যাখ্যা

পর্তুগিজ শব্দ :
- আচার, আনারস, আতা, আলকাতরা, আলপিন, আলমারি, ইস্তিরি , ইস্পাত, কামরা, কাকাতুয়া, কামিজ, কেদারা, কেরানি, গামলা, গুদাম, গির্জা, চাবি, জানালা, তামাক, তােয়ালে, পাদ্রি, পাউরুটি, পেঁপে, পেরেক, পেয়ারা, পিস্তল, ফিতে, বালতি, বাসন, বােতাম, সাবান, সায়া ইত্যাদি।
- বাংলা ভাষায় এক শ’ থেকে এক শ’ দশটির মতাে আছে পর্তুগিজ শব্দ।
উৎসঃ ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

১,০১৬.
উৎসগত দিক দিয়ে 'হাজার' শব্দটি কোন প্রকার?
  1. সংস্কৃত
  2. তদ্ভব
  3. দেশী
  4. বিদেশি
সঠিক উত্তর:
বিদেশি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিদেশি
ব্যাখ্যা
হাজার (হাজার্‌) 
- ফারসি শব্দ 
- বিশেষ্য,          অর্থ- ১০০০ সংখ্যা 

- বিশেষণ          অর্থ - ১০০০ সংখ্যক 

উৎস: আধুনিক বাংলা অভিধান, বাংলা একাডেমি।
১,০১৭.
আরবি ভাষার শব্দ কোনটি?
  1. দফতর
  2. দোয়াত
  3. দারোগা
  4. দস্তখত
সঠিক উত্তর:
দোয়াত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দোয়াত
ব্যাখ্যা
• বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
- ’দোয়াত’ আরবি শব্দ।
অর্থ :
দোয়াত /দোআত্/ [আ.] বি. (অধুনালুপ্ত) লেখার কালি রাখার ছোটো আধারবিশেষ, মস্যাধার।

অন্যদিকে,
• ফারসি শব্দ: দফতর,দস্তখত, দারোগা।

উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।
১,০১৮.
মৌলিক শব্দ নয় কোনটি?
  1. গোলাপ
  2. পাখি
  3. গাছ 
  4. চলন
সঠিক উত্তর:
চলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চলন
ব্যাখ্যা

• মৌলিক শব্দ নয়- চলন। 
- 'চলন' একটি সাধিত শব্দ। কারণ চলন শব্দকে বিশ্লেষণ করা যায়।
- প্রকৃতি প্রত্যয়: চল্ + অন।

গঠন অনুসারে শব্দ দুই প্রকার। যথা:
• মৌলিক শব্দ:
যেসব শব্দ বিশ্লেষণ করলে অর্থপূর্ণ কোনো অংশ থাকে না, সেগুলোকে মৌলিক শব্দ বলে।
যেমন:
গাছ, পাখি, ফুল, হাত, ভাত, গোলাপ ইত্যাদি।

• সাধিত শব্দ:
যেসব শব্দকে বিশ্লেষণ করলে তার মধ্যে এক বা একাধিক অর্থপূর্ণ অংশ থাকে, সেগুলোকে সাধিত শব্দ বলে। উপসর্গ বা প্রত্যয় যোগ করে অথবা সমাস প্রক্রিয়ায় সাধিত শব্দ তৈরি হয়।
যেমন:
পরিচালক, গরমিল, সম্পাদকীয়, সংসদ, সদস্য, নীলাকাশ ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ) এবং ভাষা-শিক্ষা, ড হায়াৎ মামুদ।

১,০১৯.
'লাবণ্য' কোন শ্রেণির শব্দ?
  1. যোগিক শব্দ
  2. রূঢ়ি শব্দ
  3. যোগরূঢ় শব্দ
  4. মৌলিক শব্দ
সঠিক উত্তর:
রূঢ়ি শব্দ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রূঢ়ি শব্দ
ব্যাখ্যা
রূঢ়ি শব্দ:
- যেসব শব্দ ব্যুৎপত্তিগত অর্থ না বুঝিয়ে অন্য অর্থ প্রকাশ করে তাকে রূঢ়ি শব্দ বলে।

যেমন:
- ‘কুশল’ ব্যুৎপত্তিগত অর্থ ‘যে কুশ আনে’ প্রচলিত অর্থ মঙ্গল।
- গবেষণা (গো+এষণা) অর্থ গরু খোজা এটি প্রকৃত অর্থকে না বুঝিয়ে অন্য অর্থ বুঝাচ্ছে, তাই এটি রুঢ়ি শব্দ।
- লাবণ্য (লবণ + য) ব্যুৎপত্তিগত অর্থ 'লবণের মত' কিন্তু প্রচলিত অর্থ - সৌন্দর্য।

অনুরূপ কিছু শব্দ - হস্তী, বাঁশি, তৈল, প্রবীণ, সন্দেশ।
 
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ) এবং ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
১,০২০.
'চন্দ্র' শব্দের তদ্ভব রূপ-
  1. ক) চন্দ
  2. খ) চাঁদ
  3. গ) চান্দ
  4. ঘ) চন্দ্রিমা
সঠিক উত্তর:
খ) চাঁদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) চাঁদ
ব্যাখ্যা
বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
চাঁদ = সংস্কৃত ‘চন্দ্র’ থেকে উদ্ভূত তদ্ভব শব্দ। 
 
মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০২২ সংস্করণ) অনুসারে, 
তৎসম শব্দ :
প্রাচীন ভারতীয় আর্যভাষা থেকে বিবর্তিত যেসব বাংলা শব্দের লিখিত চেহারা সংস্কৃত ভাষার শব্দের অনুরূপ সেগুলােকে তৎসম শব্দ বলে।
যথা: পৃথিবী, আকাশ, গ্রহ, বৃক্ষ।
 
তদ্ভব শব্দ:
প্রাচীন ভারতীয় আর্যভাষা থেকে বিবর্তিত যেসব শব্দ বাংলা ভাষায় একেবারেই স্বতন্ত্র, সেগুলােকে তদ্ভব শব্দ বলা হয়।
উদাহরণ: হাত, পা, কান, নাক, জিভ, দাঁত; হাতি, ঘােড়া, সাপ, পাখি, কুমির ইত্যাদি।
১,০২১.
মৌলিক শব্দ কোনটি?
  1. ক) নাক
  2. খ) হাতল
  3. গ) লালচে
  4. ঘ) কাঠগোলাপ
সঠিক উত্তর:
ক) নাক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) নাক
ব্যাখ্যা
গঠনগত দিক থেকে শব্দকে ২ শ্রেণিতে ভাগ করা যায়।
যথা - মৌলিক শব্দ ও সাধিত শব্দ।

মৌলিক শব্দ: যেসব শব্দকে বিশ্লেষণ করা যায় না বা ভাঙ্গা যায় না, তাদেরকে মৌলিক শব্দ বলে।
যেমন - গোলাপ, নাক, লাল, চাঁদ ইত্যাদি।

কিন্তু, 
হাতল, লালচে, কাঠগোলাপ = সাধিত শব্দ। 

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি  (২০১৯ সংস্করণ)।
১,০২২.
‘মশকরা’ কোন ভাষা থেকে আগত বাংলা শব্দ?
  1. আরবি
  2. ফারসি
  3. তুর্কি
  4. পর্তুগীজ
সঠিক উত্তর:
আরবি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আরবি
ব্যাখ্যা

মশকরা (বিশেষ্য):
- অর্থ - পরিহাস, তামাশা।
- উৎস - আরবি ভাষা।
--------------------
আরো কয়েকটি আরবি শব্দ:-
- আদায়, আবির, আসামি, ইজ্জত, ইনসান, ওয়াকিবহাল, জলসা, আদমি, ওজর, জাফরান, তদারক ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।

১,০২৩.
'পানসি' কোন বিদেশি ভাষা থেকে বাংলা ভাষাতে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে?
  1. ক) ইংরেজি
  2. খ) ফরাসি
  3. গ) তুর্কি
  4. ঘ) ফারসি
সঠিক উত্তর:
খ) ফরাসি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ফরাসি
ব্যাখ্যা
• বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
'পানসি' ফরাসি ভাষা থেকে আগত শব্দ। 

• 'পানসি' শব্দের অর্থ:
- এক প্রকার ছই-ঢাকা ছোট নৌকা। 

উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।
১,০২৪.
‘তুরুপ’ শব্দটি কোন ভাষা থেকে আগত?
  1. ক) ফরাসি
  2. খ) ওলন্দাজ
  3. গ) ফারসি
  4. ঘ) পর্তুগিজ
  5. ঙ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
খ) ওলন্দাজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ওলন্দাজ
ব্যাখ্যা
শব্দ হলো অর্থবোধক ধ্বনিসমষ্টি, যা বাক্য গঠ‌নের মূল উপাদান। শব্দ একাধিক বর্ণ ও অক্ষর সমন্বয়ে গঠিত হয়ে থাকে।
গুজরাটি শব্দঃ খদ্দর, হরতাল ৷
ওলন্দাজ শব্দঃ ইস্কাপন, টেক্কা, তুরুপ, রুইতন, হরতন (তাসের নাম) ৷
চীনা শব্দঃ চা, চিনি, লুচি।
ফরাসি শব্দঃ কার্তুজ, কুপন, ডিপো, রেস্তোরাঁ।
উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ আর্কাইভ।
১,০২৫.
কোনটি দেশি ভাষার শব্দ?
  1. ক) কুঁড়ি
  2. খ) নাক
  3. গ) হাতি
  4. ঘ) সাপ
সঠিক উত্তর:
ক) কুঁড়ি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) কুঁড়ি
ব্যাখ্যা
• দেশি শব্দ:
- বাংলাদেশের আদিম অধিবাসীদের (যেমন: তামিল, কোল প্রভৃতি) ভাষার কিছু কিছু শব্দ বাংলায় রক্ষিত হয়েছে। এসব শব্দকে 'দেশি শব্দ' বলে।
- অনেক সময় এসব শব্দের মূল নির্ধারণ করা যায় না; কিন্তু কোন ভাষা থেকে এসেছে তার হদিস মেলে।

• দেশি ভাষার কয়েকটি শব্দ হলো:
- কুলা, গঞ্জ, চোঙ্গা, টোপ, ডাব, ডাগর, ডিঙা, ঢেঁকি, কুঁড়ি, খুকি, পোকা, কানা, কামড় ইত্যাদি।

• তদ্ভব শব্দ:
- প্রাচীন ভারতীয় আর্যভাষা থেকে বিবর্তিত যেসব শব্দ বাংলা ভাষায় একেবারেই স্বতন্ত্র, সেগুলোকে তদ্ভব শব্দ বলা হয়।
- যেমন: হাত, পা, কান, নাক, জিভ, দাঁত, হাতি, ঘোড়া, সাপ, পাখি, কুমির ইত্যাদি।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
১,০২৬.
‘আসবাব’ শব্দটি কোন ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় স্থান করে নিয়েছে?
  1. ক) তুর্কি
  2. খ) বর্মি
  3. গ) ফারসি
  4. ঘ) আরবি
সঠিক উত্তর:
ঘ) আরবি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) আরবি
ব্যাখ্যা
• ‘আসবাব’ শব্দটি আরবি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় স্থান করে নিয়েছেন।

আসবাব (বিশেষ্য) 
অর্থ :
১ গৃহসজ্জার উপরকণ (আসবাবঠাসা হাঁশফাঁশ-করা গুমোট ঘরে-বুদ্ধদেব বসু)।
২ উপকরণ; সরঞ্জাম (আসবাব দেখিয়া দেলে হবে বেকায়ার-সৈয়দ হামজা)।

উৎস: বাংলা একাডেমি, প্রমিত বাংলা ভাষার ব্যাকরণ।
 
১,০২৭.
'রপ্তানি' কোন ভাষা থেকে আগত শব্দ?
  1. ক) আরবি
  2. খ) দেশি
  3. গ) ফারসি
  4. ঘ) তৎসম
সঠিক উত্তর:
গ) ফারসি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ফারসি
ব্যাখ্যা
বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে, 
'রপ্তানি'- 'ফারসি' ভাষা থেকে আগত শব্দ। 

• 'রপ্তানি' শব্দের অর্থ: 
- বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে পণ্যদ্রব্য বিদেশে প্রেরণ। 

উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান। 
১,০২৮.
'দলিল-দস্তাবেজ' কোন ভাষার শব্দ?
  1. ক) হিন্দি-আরবি
  2. খ) আরবি-ফারসি
  3. গ) আরবি-আরবি
  4. ঘ) ফারসি-আরবি
সঠিক উত্তর:
খ) আরবি-ফারসি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) আরবি-ফারসি
ব্যাখ্যা
- উল্লেখিত প্রশ্নে 'দলিল-দস্তাবেজ' একটি জোড়া বা সমাসবদ্ধ শব্দ।
- এই শব্দটি আরবি-ফারসি ভাষা থেকে এসেছে।

• দলিল: 
- দলিল (বিশেষ্য) যা আরবি ভাষার শব্দ।
- এর অর্থ- প্রমাণরূপে ব্যবহার করা যায় এমন কাগজপত্র, স্বত্ব নির্দেশক কাগজপত্র।

• দস্তাবেজ:
- দস্তাবেজ (বিশেষ্য) যা ফারসি ভাষার শব্দ।
- যার অর্থ- বিবিধ, প্রমাণপত্র।

• নিচে কয়েকটি আরবি-ফারসি ভাষার শব্দ দেওয়া হলো:
- ইনাম-বকশিশ।
- জমা-খরচ।
- মুশকিল-আসান।
- লেফাফা-দুরস্ত।
- সদর-অন্দর।
- হায়া-শরম ইত্যাদি।

উৎস: প্রমিত বাংলা ব্যবহারিক ব্যাকরণ, বাংলা একাডেমি।
১,০২৯.
নিচের কোনটি রূঢ়ি শব্দ?  
  1. রাজপুত
  2. চিকন
  3. পঙ্কজ
  4. গায়ক
সঠিক উত্তর:
চিকন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চিকন
ব্যাখ্যা

• রূঢ় বা রূঢ়ি শব্দ:
যে সব শব্দের অর্থ তাদের প্রকৃতি ও প্রত্যয়ের অর্থের অনুগামী না হয়ে ভিন্ন অর্থ প্রকাশ করে, সেসব শব্দকে বলা হয় রূঢ় বা রূঢ়ি শব্দ।।উদাহরণ
- প্রভাত = প্রকৃষ্টভাবে আলোকিত (মূল অর্থ) - সকালবেলা (পরিবর্তিত অর্থ)।
- প্রবীণ = প্রকৃষ্ট বীণাবাদক (মূল অর্থ) - বয়স্ক ব্যক্তি (পরিবর্তিত অর্থ)।
- সন্দেশ = সংবাদ (মূল অর্থ) - মিষ্টান্ন (পরিবর্তিত অর্থ)।
- চিকন = চকচকে (মূল অর্থ) - সরু (পরিবর্তিত অর্থ)। 
- জ্যাঠামি = জেঠার ভাব (মূল অর্থ) - চাপল্য (পরিবর্তিত অর্থ)। 
এরূপ আরও শব্দ হলাে- অতিথি, কুশল, গবাক্ষ, দুহিতা, পাঞ্জাবি, বাঁশি, রাখাল, স্নাতক ইত্যাদি।

অন্যদিকে, 
- পঙ্কজ ও রাজপুত যোগরূঢ় শব্দ। 
- গায়ক একটি যৌগিক শব্দ।

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,০৩০.
নিচের কোনটি খাঁটি বাংলা শব্দ?
  1. ভবন
  2. গঞ্জ
  3. বেগম
  4. ডাব
সঠিক উত্তর:
ডাব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডাব
ব্যাখ্যা
দেশি শব্দ হচ্ছে:
- চুলা,
- কুলা,
- টোপর,
- ডাগর,
- ঢেঁকি ইত্যাদি।

গঞ্জ - ফারসি ভাষার শব্দ 
ভবন - তৎসম ভাষার শব্দ 
বেগম - তুর্কি ভাষার শব্দ 

[উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান, নবম-দশম শ্রেণি, সংস্করণ-২০১৯ ]
১,০৩১.
মৌলিক শব্দ কোনটি?
  1. বাঁশি 
  2. ঘোড়া
  3. তৈল 
  4. হস্তী 
সঠিক উত্তর:
ঘোড়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘোড়া
ব্যাখ্যা

• মৌলিক শব্দ:
যে-সব শব্দ বিশ্লেষণ করা বা ভাঙা যায় না, গোটা শব্দটাই নিজে নিজেই সমপূর্ণ হয়ে আছে বা স্বয়ংসিদ্ধ, তাকে মৌলিক শব্দ বলে। মৌলিক শব্দ ভাঙতে চাইলেও তার ভগ্ন বা বিশ্লিষ্ট অংশের কোনো অর্থ হয় না; সে কারণে অবিভাজ্য ও অর্থযুক্ত শব্দই মৌলিক শব্দ অর্থাৎ স্পষ্ট অর্থ ও অবিভাজ্যতাই মৌলিক শব্দের প্রধান বৈশিষ্ট্য।
যেমন-
মা, পা, ঘোড়া, উট, বউ, গোলাপ, নাক, লাল, শাল, তিন, লতা ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
হস্তী, বাঁশি, তৈল- রূঢ়ি ভাষার শব্দ।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

১,০৩২.
কোন শব্দটির ব্যুৎপত্তিগত অর্থ ও ব্যবহারিক অর্থ একই?
  1. চিকামারা
  2. প্রবীণ
  3. জলধি
  4. পঙ্কজ
সঠিক উত্তর:
চিকামারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চিকামারা
ব্যাখ্যা

যৌগিক শব্দ:
- যেসকল শব্দের ব্যুৎপত্তিগত অর্থ ও ব্যবহারিক অর্থ একই তাকে যৌগিক শব্দ বলে।
যেমন:
- গায়ক, দৌহিত্র, কর্তব্য, বাবুয়ানা, চিকামারা, মধুর, শয়ন, গুণবান।

অন্যদিকে,
রূঢ়ি শব্দ:
- প্রত্যয় বা উপসর্গযোগে মূল শব্দের অর্থের অনুগামী না হয়ে অন্য কোন বিশিষ্ট অর্থ গ্রহণ করলে তাকে রূঢ়ি শব্দ বলে।
যেমন:
- হস্তী, বাঁশি, তৈল, প্রবীণ, সন্দেশ।

যোগরূঢ় শব্দ:
- সমাস নিষ্পন্ন যেসকল শব্দ সম্পূর্ণভাবে সমস্যমান পদসমূহের অনুগামী না হয়ে বিশিষ্ট কোন অর্থ গ্রহণ করে তাকে যোগরূঢ় বলে।
যেমন:
- পঙ্কজ, রাজপুত, মহাযাত্রা, জলধি, আদিত্য।

উৎস:
১) বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি, (২০১৯ সংস্করণ)।
২) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

১,০৩৩.
‘সন্দেশ’ শব্দটির প্রকৃতি-প্রত্যয় অনুসারে অর্থ সংবাদ হলেও প্রচলিত অর্থ মিষ্টি— এটি কোন শ্রেণির শব্দ?
  1. রূঢ়
  2. যৌগিক
  3. দেশি
  4. তদ্ভব
সঠিক উত্তর:
রূঢ়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রূঢ়
ব্যাখ্যা

রূঢ় বা রূঢ়ি শব্দ: 
যে সব শব্দ গঠনের উপাদান অর্থাৎ প্রকৃতি-প্রত্যয় অনুসারে অর্থ না বুঝিয়ে অন্য কোন বিশিষ্ট অর্থ প্রকাশ করে। 
যেমন:
- 'সন্দেশ' শব্দটির প্রকৃতি- প্রত্যয় (সম্‌+দেশ) অনুসারে অর্থ হলো সংবাদ। কিন্তু সন্দেশ বলতে আমরা বুঝি এক ধরনের মিষ্টি।

আবার,
যেমন- গবেষণা (গো+ এষণা)  অর্থ- গরু খোজা; গভীরতম অর্থ- ব্যাপক অধ্যয়ন ও পর্যালোচনা।
এরূপ- বাঁশি, তৈল, প্রবীণ ইত্যাদি৷

উৎস: ভাষা শিক্ষা- ড. হায়াৎ মামুদ।

১,০৩৪.
“ফুঙ্গি” কোন ভাষা থেকে আগত শব্দ?
  1. ক) চীনা
  2. খ) তুর্কি
  3. গ) বর্মী
  4. ঘ) মালয়
সঠিক উত্তর:
গ) বর্মী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বর্মী
ব্যাখ্যা
ফুঙ্গি, লুঙ্গি ইত্যাদি মায়ানমার (বার্মিজ) ভাষা থেকে আগত শব্দ।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম- দশম শ্রেণি।
১,০৩৫.
নিচের কোনটি পর্তুগিজ শব্দ?
  1. চাঁদা
  2. বালতি
  3. ভবন
  4. হরতাল
সঠিক উত্তর:
বালতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বালতি
ব্যাখ্যা
• বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
'বালতি'- পর্তুগিজ শব্দ। 

• বালতি (বিশেষ্য): 
- পর্তুগিজ ভাষার শব্দ। 
অর্থ: সহজে বহন করা যায় এমন হাতলওয়ালা জলপাত্রবিশেষ।
---------------
অন্যদিকে,
চাঁদা - বাংলা শব্দ। 
ভবন - তৎসম শব্দ।
হরতাল - গুজরাটি শব্দ।

উৎস: আধুনিক বাংলা অভিধান, বাংলা একাডেমি।
১,০৩৬.
কোনটি তৎসম শব্দ?
  1. ক) সচিবালয়
  2. খ) কুমির
  3. গ) ঘোড়া
  4. ঘ) টোপর
সঠিক উত্তর:
ক) সচিবালয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) সচিবালয়
ব্যাখ্যা
- 'সচিবালয়' হচ্ছে তৎসম শব্দ।

• উৎস বিবেচনায় শব্দের শ্রেণিবিভাগ:
- উৎস বিবেচনায় বাংলা শব্দভান্ডারকে চার শ্রেণিতে বিভক্ত করা যায়; তৎসম, তদ্ভব, দেশি ও বিদেশি।
- এর মধ্যে তৎসম ও তদ্ভব শ্রেণিকে নিজস্ব উৎসের এবং দেশি ও বিদেশি শ্রেণিকে আগন্তুক উৎসের শব্দ হিসেবে গণ্য করা হয়।

• তৎসম শব্দ :
- প্রাচীন ভারতীয় আর্যভাষা থেকে বিবর্তিত যেসব বাংলা শব্দের লিখিত চেহারা সংস্কৃত ভাষার শব্দের অনুরূপ সেগুলােকে তৎসম শব্দ বলে। যথা: পৃথিবী, আকাশ, গ্রহ, বৃক্ষ।
- সংস্কৃত ব্যাকরণ অনুসরণ করে গঠিত পারিভাষিক শব্দকেও তৎসম শব্দ বলা হয়। যথা: অধ্যাদেশ, গণপ্রজাতন্ত্রী, মহাপরিচালক, সচিবালয় ইত্যাদি।

• তদ্ভব শব্দ:
- প্রাচীন ভারতীয় আর্যভাষা থেকে বিবর্তিত যেসব শব্দ বাংলা ভাষায় একেবারেই স্বতন্ত্র, সেগুলােকে তদ্ভব শব্দ বলা হয়।
- উদাহরণ: হাত, পা, কান, নাক, জিভ, দাঁত; হাতি, ঘােড়া, সাপ, পাখি, কুমির ইত্যাদি।

• দেশি শব্দ:
- বাংলা অঞ্চলের আদিবাসী জনগােষ্ঠীর ভাষা থেকে কিছু শব্দ বাংলা ভাষায় স্থান পেয়েছে, এগুলােকে দেশি শব্দ বলা হয়।
- উদাহরণ: কুড়ি, পেট, চুলা, কুলা, ডাব, টোপর, ঢেঁকি ইত্যাদি।
 
• বিদেশি শব্দ:
- ঐতিহাসিক কারণে বাংলাদেশের সঙ্গে বিভিন্ন দেশের আন্তঃসম্পর্ক তৈরি হওয়ায় সেসব দেশের বহু শব্দ বাংলা ভাষায় স্থান করে নিয়েছে, এই শব্দগুলােকে বিদেশি শব্দ বলে।
- এসব বিদেশি শব্দের মধ্যে রয়েছে আরবি, ফারসি, ইংরেজি, পর্তুগিজ, ফরাসি, ওলন্দাজ, তুর্কি, হিন্দি ইত্যাদি। 

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (সংস্করণ ২০২১)।
১,০৩৭.
নিচের কোনটি ফারসি শব্দ?
  1. পুত্র
  2. হুতুম
  3. জরিপ
  4. কোনোটি নয়
সঠিক উত্তর:
কোনোটি নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোনোটি নয়
ব্যাখ্যা
• 'পুত্র' সংস্কৃত শব্দ।
• 'হুতুম' দেশি শব্দ।
• 'জরিপ' আরবি শব্দ।

কিছু ফারসি শব্দ:

- খোয়াব,
- চশমা,
- চেহারা,
- দরদি,
- দরবার,
- দারোগা,
- দারোয়ান,
- ফসলি,
- রোজ ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
১,০৩৮.
নিচের কোনটি ভাব প্রকাশক অনুকার অব্যয়?
  1. ক) বাপরে বাপ
  2. খ) ঘুটঘুটে অন্ধকার
  3. গ) হায় হায়
  4. ঘ) থু থু
সঠিক উত্তর:
গ) হায় হায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) হায় হায়
ব্যাখ্যা
• যে সকল অব্যয় অব্যক্ত রব, শব্দ বা ধ্বনির অনুকরণে গঠিত হয় সেগুলোকে অনুকার অব্যয় বলে।
যথা:
- বজ্রের ধ্বনি : কড় কড়,
- বৃষ্টির তুমুল শব্দ : ঝম ঝম,
- শুষ্ক পাতার শব্দ : মর মর,
- বাতাসের গতি : শন শন,
- কোকিলের রব: কুহু কুহু,
- বৃষ্টি পড়ার শব্দ : টাপুর টুপুর ইত্যাদি।

এতএব, হায় হায় ভাব প্রকাশে অনুকার অব্যয়ের উদাহরণ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।।
১,০৩৯.
'হস্তী' কোন শ্রেণির শব্দ?
  1. মিশ্র শব্দ
  2. রূঢ় শব্দ
  3. যৌগিক শব্দ
  4. যোগরূঢ় শব্দ
সঠিক উত্তর:
রূঢ় শব্দ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রূঢ় শব্দ
ব্যাখ্যা
• রূঢ় বা রূঢ়ি শব্দ:
যে শব্দ প্রত্যয় বা উপসর্গযোগে মূল শব্দের অর্থের অনুগামী না হয়ে অন্য কোনো বিশিষ্ট অর্থ জ্ঞাপন করে, তাকে রূঢ়ি শব্দ বলে।
যেমন:
- হস্তী: হস্ত + ইন, অর্থ -হস্ত আছে যার; কিন্তু হস্তী বলতে একটি পশুকে বোঝায়।
- গবেষণা (গো+এষণা) অর্থ - গরু খোঁজা। বর্তমান অর্থ ব্যাপক অধ্যয়ন ও পর্যালোচনা।
এ রকম -
- বাঁশি: বাঁশ দিয়ে তৈরি যে কোনো বস্তু নয়, শব্দটি সুরের বিশেষ বাদ্যযন্ত্র, বিশেষ অর্থে প্রযুক্ত হয়।
- তৈল: শুধু তিলজাত স্নেহ পদার্থ নয়, শব্দটি যে কোনো উদ্ভিজ্জ পদার্থজাত স্নেহ পদার্থকে বোঝায়।
যেমন - বাদাম তেল।
- প্রবীণ: শব্দটির অর্থ হওয়া উচিত ছিল প্রকৃষ্ট রূপে বীণা বাজাতে পারেন যিনি। কিন্তু শব্দটি ‘অভিজ্ঞতাসম্পন্ন বয়স্ক ব্যক্তি' অর্থে ব্যবহৃত হয়।
- সন্দেশ: শব্দ ও প্রত্যয়গত অর্থে ‘সংবাদ’। কিন্তু রূঢ়ি অর্থে ‘মিষ্টান্ন বিশেষ’।


অন্যদিকে,
------------------
• যৌগিক শব্দ:
যে সকঅল শব্দের ব্যুৎপত্তি গত অর্থ ও ব্যবহারিক অর্থ একই রকম, সেগুলোকে যৌগিক শব্দ বলে।
- অর্থাৎ, শব্দগঠনের প্রক্রিয়ায় যাদের অর্থ পরিবর্তিত হয় না, তাদেরকে যৌগিক শব্দ বলে।
যেমন:
- গায়ক = গৈ + ণক (অক); অর্থ: গান করে যে।
- কর্তব্য = কৃ + তব্য; অর্থ: যা করা উচিত।
- বাবুয়ানা = বাবু + আনা; অর্থ: বাবুর ভাব।
- মধুর = মধু + র ; অর্থ; মধুর মতো মিষ্টি গুণযুক্ত।
- দৌহিত্র = দুহিতা + ষ্ণ্য; অর্থ: কন্যার পুত্র, নাতি।
- চিকামারা = চিকা + মারা; অর্থ: দেওয়ালের লিখন।

---------------------
• যোগরূঢ় শব্দ:
সমাস নিষ্পন্ন যে সকল শব্দ সম্পূর্ণভাবে সমস্যমান পদসমূহের অনুগামী না হয়ে কোনো বিশিষ্ট অর্থ গ্রহণ করে, তাদের যোগরূঢ় শব্দ বলে।
যেমন:
- পঙ্কজ: পঙ্কে জন্মে যা। শৈবাল, শালুক, পদ্মফুল প্রভৃতি উদ্ভিত পঙ্কে জন্মে থাকে। কিন্তু ‘পঙ্কজ’ শব্দটি একমাত্র ‘পদ্মফুল’ অর্থেই ব্যবহৃত হয়।
- রাজপুত: ‘রাজার পুত্র’ অর্থ পরিত্যাগ করে যোগরূঢ় শব্দ হিসেবে অর্থ হয়েছে ‘জাতিবিশেষ’।
- মহাযাত্রা: ‘মহাসমারোহে যাত্রা’ অর্থ পরিত্যাগ করে যোগরূঢ় শব্দরূপে অর্থ ‘মৃত্যু’।
- জলধি: ‘জল ধারণ করে এমন’ অর্থ পরিত্যাগ করে একমাত্র ‘সমুদ্র’ অর্থেই ব্যবহৃত হয়।

এরূপ- ‘সরোজ’ যোগরূঢ় শব্দ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ); ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
১,০৪০.
কোনটি তৎসম শব্দ?
  1. ক) তওবা
  2. খ) ডিঙ্গা
  3. গ) ধর্ম
  4. ঘ) দৌলত
সঠিক উত্তর:
গ) ধর্ম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ধর্ম
ব্যাখ্যা
'ধর্ম'- তৎসম শব্দ।

বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
'ধর্ম' (বিশেষ্য) শব্দের অর্থ:
- বিভিন্ন সম্প্রদায়ের শাস্ত্রনির্দিষ্ট বিধি-বিধান;
- সৎকর্ম; পুণ্যকর্ম; সদাচার; কর্তব্যকর্ম (ক্ষমা শ্রেষ্ঠ ধর্ম)। 
- স্বভাব; প্রকৃতি; প্রত্যেক জীব বা বস্তুর নিজস্ব গুণ

• কিছু তৎসম শব্দ: 
- চন্দ্র,
- সূর্য,
- নক্ষত্র,
- ভবন,
- ধর্ম,
- পাত্র,
- মনুষ্য ইত্যাদি ।

উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান, বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি। 
১,০৪১.
'উর্দু' কোন ভাষা থেকে আগত শব্দ?
  1. ক) আরবি
  2. খ) হিন্দি
  3. গ) তুর্কি
  4. ঘ) ফারসি
সঠিক উত্তর:
গ) তুর্কি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) তুর্কি
ব্যাখ্যা
উর্দু (বিশেষ্য) 
- তুর্কি ভাষা থেকে আগত শব্দ।
অর্থ: ভারত ও পাকিস্তানে ব্যবহৃত ফারসি ও আরবি ভাষার মিশ্রনজাত ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষাবিশেষ। 

উৎস: আধুনিক বাংলা অভিধান, বাংলা একাডেমি।
১,০৪২.
'লাবণ্য' কোন ধরনের শব্দ?
  1. যৌগিক শব্দ
  2. রূঢ়ি শব্দ
  3. মৌলিক শব্দ
  4. যোগরূঢ় শব্দ
সঠিক উত্তর:
রূঢ়ি শব্দ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রূঢ়ি শব্দ
ব্যাখ্যা
• রূঢ় বা রূঢ়ি শব্দ:
যে শব্দের ব্যুৎপত্তিগত অর্থের সঙ্গে প্রচলিত অর্থের পার্থক্য থাকে তাকে রূঢ় বা রূঢ়ি শব্দ বলে। অর্থাৎ প্রত্যয় বা উপসর্গ যোগকৃত শব্দ যখন মূল শব্দের অর্থের অনুগামী না হয়ে অন্য অর্থ প্রকাশ করে।

যেমন:
• প্রবীণ অর্থ- যে প্রকৃষ্টভাবে বীণা বাজায় (প্র + বীণ)। কিন্তু এখন প্রবীণ অর্থ বৃদ্ধ বা প্রাচীন।
• 'লাবণ্য' অর্থ- লবণের মতো। কিন্তু, প্রচলিত অর্থ - 'সৌন্দর্য'।
• 'হরিণ' অর্থ-  যে হরণ করে। প্রচলিত অর্থ-  'হরিণ' প্রাণী বিশেষ। 
• 'ঝি' অর্থ- নিজ কন্যা। কিন্তু প্রচলিত অর্থ- ঝি (চাকরানি)। 
• 'সন্দেশ' অর্থ- খবরাখবর। কিন্তু প্রচলিত অর্থ- সন্দেশ (মিষ্টিবিশেষ);
• 'পাঞ্জাবি' অর্থ- পাঞ্জাবের অধিবাসী। কিন্তু প্রচলিত অর্থ- পোশাক বিশেষ।

এছাড়াও রূঢ় বা রূঢ়ি শব্দের আর কিছু উদাহরণ হলো:
গবেষণা, মন্দির, ফলাহার, কারচুপি, শুশ্রূষা, বৎস, রাখাল, কদর্য।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাস, ড. সৌমিত্র শেখর।
১,০৪৩.
নিচের কোনটি যোগরূঢ় শব্দের উদাহরণ?
  1. ক) পাঠক
  2. খ) প্রবীণ
  3. গ) সুহৃদ
  4. ঘ) হস্তী
সঠিক উত্তর:
গ) সুহৃদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সুহৃদ
ব্যাখ্যা
• যোগরূঢ় শব্দ:
সমাস নিষ্পন্ন যে সকল শব্দ সম্পূর্ণভাবে সমস্যমান পদসমূহের অনুগামী না হয়ে কোনো বিশিষ্ট অর্থ গ্রহণ করে তাদের যোগরূঢ় শব্দ বলে।
যেমন-
- জলধি: 'জল ধারণ করে এমন' অর্থ পরিত্যাগ করে একমাত্র 'সমুদ্র' অর্থেই ব্যবহৃত হয়।
- মহাযাত্রা: 'মহাসমারোহে যাত্রা' অর্থ পরিত্যাগ করে যোগরূঢ় শব্দরূপে অর্থ 'মৃত্যু'।
- রাজপুত: 'রাজার পুত্র' অর্থ পরিত্যাগ করে যোগরূঢ় শব্দ হিসেবে অর্থ হয়েছে 'জাতি বিশেষ'।
- পঙ্কজ: পঙ্কে জন্মে যা। শৈবাল, শালুক, পদ্মফুল প্রভৃতি উদ্ভিদ পঙ্কে জন্মে থাকে। কিন্তু 'পঙ্কজ' শব্দটি একমাত্র 'পদ্মফুল' অর্থেই ব্যবহৃত হয়।

• এরূপ আরও কিছু শব্দের উদাহরণ হলো- সহৃদ, অসুখ, সরোজ প্রভৃতি।

অন্যদিকে,
• রূঢ়ি শব্দ:
যে শব্দ প্রত্যয় বা উপসর্গযোগে মূল শব্দের অনুগামী না হয়ে অন্য কোনো বিশিষ্ট অর্থ জ্ঞাপন করে তাকে রূঢ়ি শব্দ বলে।
যেমন- গবেষণা, হস্তী, বাঁশি, তৈল, প্রবীণ, সন্দেশ ইত্যাদি। 

• যৌগিক শব্দ:
যেসব শব্দের অর্থ তাদের প্রকৃতি ও প্রত্যয়ের অর্থ অনুযায়ী হয়ে থাকে, তাকে বলা হয় যৌগিক শব্দ। অন্যভাবে বলা যায়, যেসব শব্দের ব্যুৎপত্তিগত অর্থ ও ব্যবহারিক অর্থ এক, সেসব শব্দকে বলা হয় যৌগিক শব্দ। 
যেমন: 
কৃ + তব্য = কর্তব্য, অর্থ- যা করা উচিত।
বাবু + আনা = বাবুয়ানা, অর্থ- যিনি বাবুর ভাব নিয়ে চলেন। 
পিতা + হীন = পিতৃহীন, অর্থ- যার পিতা নেই । 

• এরূপ আরও কিছু শব্দের উদাহরণ হলো- গুণবান, পাঠক, মিতালি, ভাড়াটে, সংবাদদাতা, বিদ্যালয়, পাচক, চরণ, পক্ষী ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।
১,০৪৪.
অর্থগতভাবে বাংলা ভাষার শব্দসমূহের প্রকারভেদের অন্তর্ভুক্ত নয় কোনটি?
  1. মৌলিক শব্দ
  2. যৌগিক শব্দ
  3. রূঢ় বা রূঢ়ি শব্দ
  4. যোগরূঢ় শব্দ
সঠিক উত্তর:
মৌলিক শব্দ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৌলিক শব্দ
ব্যাখ্যা
• অর্থগতভাবে বাংলা ভাষার শব্দসমূহকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়।
যথা:
- যৌগিক শব্দ,
- রূঢ় বা রূঢ়ি শব্দ ও
- যোগরূঢ় শব্দ।

যৌগিক শব্দ:
যেসব শব্দের অর্থ তাদের প্রকৃতি ও প্রত্যয়ের অর্থানুযায়ী নির্ধারিত হয়ে থাকে তাদের যৌগিক শব্দ বলে।
যেমন: পড়্+উয়া = পড়ুয়া; ঢাকা+আই=ঢাকাই, কৃ+তব্য=কর্তব্য।

রূঢ় বা রূঢ়ি শব্দ:
যেসব প্রত্যয় নিষ্পন্ন শব্দ তাদের প্রকৃতি ও প্রত্যয়ের অর্থ না বুঝিয়ে অন্য কোনো বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে, তাদের রূঢ় বা রূঢ়ি শব্দ বলে।
যেমন: ‘সন্দেশ’ শব্দের শব্দ ও প্রত্যয়গত অর্থ ‘সংবাদ’। কিন্তু এর প্রচলিত অর্থ ‘মিষ্টান্ন বিশেষ’। কাজেই ‘সন্দেশ’ রূঢ়ি শব্দ। হস্তী, তৈল, বাঁশি ইত্যাদি রূঢ়ি শব্দের উদাহরণ।

যোগরূঢ় শব্দ:
সমাসবদ্ধ অথবা একাধিক শব্দ বা ধাতুর দ্বারা নিষ্পন্ন শব্দ যখন কোনো আপেক্ষিক অর্থ না বুঝিয়ে অন্য বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে, তখন তাদের যোগরূঢ় শব্দ বলে।
যেমন: ‘পঙ্কজ’ শব্দের আপেক্ষিক অর্থ হলো যা পঙ্কে জন্মে তা, অর্থাৎ শৈবাল, পদ্মফুল, কেঁচো প্রভৃতি।
কিন্তু পঙ্কজ বললে শুধু পদ্মফুলকেই বোঝায়। কাজেই ‘পঙ্কজ’ যোগরূঢ় শব্দ।

অন্যদিকে,
গঠন বিবেচনায় শব্দের শ্রেণিবিভাগ- 
১। মৌলিক এবং
২। সাধিত। 

• মৌলিক শব্দ :
- যেসব শব্দ বিশ্লেষণ করলে অর্থপূর্ণ কোনাে অংশ থাকে না, সেগুলােকে মৌলিক শব্দ বলে।
- যেমন – গাছ, পাখি, ফুল, হাত, গোলাপ ইত্যাদি।

• সাধিত শব্দ :
- যেসব শব্দকে বিশ্লেষণ করলে তার মধ্যে এক বা একাধিক অর্থপূর্ণ অংশ থাকে, সগুলােকে সাধিত শব্দ বলে।
- উপসর্গ বা প্রত্যয় যােগ করে অথবা সমাস প্রক্রিয়ায় সাধিত শব্দ তৈরি হয়। যেমন – পরিচালক, গরমিল, সম্পাদকীয়, সংসদ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
১,০৪৫.
উৎপত্তির বিচারে 'অক্ষরবৃত্ত ছন্দ' হলো -
  1. ক) তৎসম ছন্দ
  2. খ) তদ্ভব ছন্দ
  3. গ) অর্ধতৎসম ছন্দ
  4. ঘ) কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
খ) তদ্ভব ছন্দ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) তদ্ভব ছন্দ
ব্যাখ্যা
অক্ষরবৃত্ত ছন্দঃ
উৎপত্তির বিচারে যে ছন্দটিকে খাঁটি বাংলা অর্থাৎ 'তদ্ভব ছন্দ' নামে আখ্যায়িত করা হয়, তাকেই প্রচলিত ভাষায় বলা হয় অক্ষরবৃত্ত ছন্দ।

মাত্রাবৃত্ত ছন্দঃ
উৎপত্তির বিচারে এ  ছন্দ“তৎসম' বা 'অর্ধতৎসম ছন্দ'; যে ছন্দে প্রাচীন সংস্কৃত ও প্রাকৃত ছন্দের অনেক লক্ষণ অথবা অন্তত কিছুটা লক্ষণও বর্তমান আছে তাকেই বলা হয় 'মাত্রাবৃত্ত ছন্দ'।

উৎসঃ ভাষা শিক্ষা, ড.হায়াৎ মামুদ।
১,০৪৬.
কোনটি রুঢ়ি শব্দ নয়?
  1. ক) প্রভাত
  2. খ) বাবুয়ানা
  3. গ) প্রবীণ
  4. ঘ) বাঁশি
সঠিক উত্তর:
খ) বাবুয়ানা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বাবুয়ানা
ব্যাখ্যা
রূঢ় বা রূঢ়ী শব্দ:
যে সব শব্দের অর্থ তাদের প্রকৃতি ও প্রত্যয়ের অর্থের অনুগামী না হয়ে ভিন্ন অর্থ প্রকাশ করে, সেসব শব্দকে বলা হয় রূঢ় বা রূঢ়ী শব্দ।।উদাহরণ
প্রভাত = প্রকৃষ্টভাবে আলোকিত (মূল অর্থ) - সকালবেলা (পরিবর্তিত অর্থ)।
প্রবীণ =  প্রকৃষ্ট বীণাবাদক (মূল অর্থ) - বয়স্ক ব্যক্তি (পরিবর্তিত অর্থ)।
সন্দেশ = সংবাদ (মূল অর্থ) - মিষ্টান্ন (পরিবর্তিত অর্থ)।
চিকন  = চকচকে (মূল অর্থ) - সরু (পরিবর্তিত অর্থ)
জ্যাঠামি = জেঠার ভাব (মূল অর্থ) - চাপল্য (পরিবর্তিত অর্থ)
এরূপ আরও শব্দ হলাে- অতিথি, কুশল, গবাক্ষ, দুহিতা, পাঞ্জাবি, বাঁশি, রাখাল, স্নাতক ইত্যাদি।

বাবুয়ানা একটি যৌগিক শব্দ। 
বাবুয়ানা = বাবু + আনা = বাবুর ভাব। 

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,০৪৭.
কোনটি সাধিত শব্দ?
  1. তিন
  2. পাঠক
  3. লাল
  4. হাত
সঠিক উত্তর:
পাঠক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাঠক
ব্যাখ্যা
সাধিত শব্দ:
- যেসব শব্দকে বিশ্লেষণ করলে তার মধ্যে এক বা একাধিক অর্থপূর্ণ অংশ থাকে, সেগুলোকে সাধিত শব্দ বলে।
- উপসর্গ বা প্রত্যয় যোগ করলে অথবা সমাস প্রক্রিয়ায় সাধিত শব্দ তৈরি হয়।
যেমন:
- গরমিল, পরিচালক, সম্পাদকীয়, সংসদ, পাঠক, নীলাকাশ ইত্যাদি।

অন্যদিকে:
- হাত, লাল, তিন মৌলিক শব্দ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিত, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
১,০৪৮.
কোনটি মৌলিক শব্দ?
  1. ভাইয়ে
  2. গোলাপী
  3. বউটি
  4. গোলাপ
সঠিক উত্তর:
গোলাপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গোলাপ
ব্যাখ্যা
মৌলিক শব্দ:
- যেসব শব্দ বিশ্লেষণ করা যায় না বা ভেঙে আলাদা করা যায় না, সেগুলোকে মৌলিক শব্দ বলে।
যেমন-
- গোলাপ, নাক, লাল, তিন, ভাই, কলা, মাটি।

অন্যদিকে,
সাধিত শব্দ:
- যেসব শব্দ বিশ্লেষণ করা যায়, এক কথায় তাকেই বলা হয় সাধিত শব্দ।
- অন্যভাবে বলা যায়, মৌলিক শব্দ বা ধাতুর সাথে বিভিন্ন প্রকার প্রত্যয়, বিভক্তি, উপসর্গ যোগ করে যে শব্দ গঠিত হয়, তাকে বলা হয় সাধিত শব্দ ।

যেমন-
- দেশি, মাটির, বোনের, হাতগুলো, বউটি, গোলাপী, ভাইয়ে ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি, (২০১৯ - সংস্করণ) এবং বাংলা ২য় পত্র, নবম-দশম শ্রেণি, বাংলা উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,০৪৯.
শব্দ যখন বাক্যে ব্যবহৃত হয়, তখন তার নাম -
  1. উপসর্গ
  2. প্রত্যয়
  3. পদাণু
  4. পদ
সঠিক উত্তর:
পদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পদ
ব্যাখ্যা
• পদ: 
- শব্দ যখন বাক্যে ব্যবহৃত হয়, তখন তার নাম হয় পদ।

বাক্যের অন্তর্গত এসব শব্দ বা পদকে মোট আটটি শ্রেণিতে ভাগ করা যায়।
যেমন:
১. বিশেষ্য।
২. সর্বনাম।
৩. বিশেষণ।
৪. ক্রিয়া।
৫. ক্রিয়া বিশেষণ।
৬. অনুসর্গ।
৭. যোজক।
৮. আবেগ।
 
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)।