• জীববিজ্ঞানের মাইক্রোবায়োলজি শাখায় অণুজীব বা মাইক্রোঅর্গানিজমের বৈশিষ্ট্য, গঠন, বৃদ্ধি, প্রজনন এবং পরিবেশে তাদের ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করা হয়। মাইক্রোবায়োলজির অন্তর্ভুক্ত অণুজীবের মধ্যে ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস, ছত্রাক, প্রোটোজোয়া এবং অ্যালগ রয়েছে। এই শাখা মানুষের স্বাস্থ্য, রোগ এবং প্রতিরোধ ব্যবস্থার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। উদ্ভিদ ও প্রাণীর দেহে অণুজীবের প্রভাব, রোগ সৃষ্টি এবং জীববিজ্ঞানের গবেষণায় তাদের ব্যবহার-যেমন অ্যান্টিবায়োটিক উৎপাদন বা বায়োপ্রসেস-সবই মাইক্রোবায়োলজির আলোচ্য বিষয়। অন্যদিকে ফাইকোলজি শাখা শৈবাল নিয়ে, এন্ডোক্রাইনোলজি হরমোন নিয়ে এবং এন্টোমোলজি পোকামাকড় নিয়ে কাজ করে। তাই অণুজীব সম্পর্কিত আলোচনা মাইক্রোবায়োলজিতে হয়।
- উত্তর: ক) মাইক্রোবায়োলজি।
• মাইক্রোবায়োলজি:
- ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া, আণুবীক্ষণিক ছত্রাক এবং অন্যান্য অণুজীব সম্পর্কিত বিজ্ঞান হলো মাইক্রোবায়োলজি।
• অন্যান্য অপশন আলোচনা:
• এন্ডোক্রাইনোলজি:
- জীবদেহে হরমোনের কার্যকারিতা বিষয়ক আলোচনা করা হয় এন্ডোক্রাইনোলজি শাখায়।
• এন্টোমোলজি:
কীটপতঙ্গের জীবন, উপকারিতা, অপকারিতা, ক্ষয়ক্ষতি, দমন ইত্যাদি সম্পর্কিত বিজ্ঞান হলো এন্টোমোলজি।
• ফাইকোলজি (Phycology) হলো শৈবাল সম্পর্কিত বিজ্ঞান।
উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।