ব্যাখ্যা
- প্রতিটি মাইটোকন্ড্রিয়া দ্বিস্তরবিশিষ্ট ঝিল্লী দ্বারা আবৃত থাকে। ঝিল্লীটি প্রোটিন ও লিপিড দিয়ে তৈরি ।
- এটি কোষের সাইটোপ্লাজমে অবস্থিত একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গাণু যেখানে শ্বসন প্রক্রিয়ার ক্রেবস চক্র, ইলেকট্রন ট্রান্সপোর্ট সিস্টেম এবং অক্সিডেটিভ ফসফোরাইলেশন ঘটে এবং শক্তি উৎপন্ন হয়।
- বেন্ডা ১৮৯৮ খ্রিস্টাব্দে মাইটোকন্ড্রিয়া নামকরণ করেন।
- একটি কোষে মাইটোকন্ড্রিয়ার সংখ্যা গড়ে প্রায় ৩০০-৪০০টি। তবে যকৃত কোষে ১০০০ বা তার অধিক মাইটোকন্ড্রিয়া থাকে ।
- ঝিল্লীর বাইরের আবরণটি মসৃণ কিন্তু ভেতরের আবরণটি স্থানে স্থানে ভাঁজ হয়ে ভেতরের দিকে ঝুলে থাকে, এ ভাঁজগুলোকে ক্রিস্টি বলা হয়।
- ক্রিস্টিতে শ্বসনের অক্সিডেটিভ ফসফোরাইলেশন পর্যায়টি সম্পন্ন হয়।
- ক্রিস্টির উপরের চারদিকে ছোট ছোট সবৃন্তক বৃত্তাকার বস্তু দেখা যায়, এগুলোকে অক্সিসোম বলা হয়।
- অক্সিসোমে এনজাইমগুলো সাজানো থাকে । প্রতিটি অক্সিসোম এর তিনটি অংশ থাকে। যথা- বৃন্ত, ভিত্তি, এবং মস্তক।
- মাইটোকন্ড্রিয়ার শুষ্ক ওজনের প্রায় ৬৫% প্রোটিন, ২৯% গি]সারাইড, ৪% কোলেস্টেরল থাকে। বাকি ১০% হলো ফ্যাটি অ্যাসিড, ক্যারোটিনয়েড, ভিটামিন ‘E’ এবং কিছু অজৈব পদার্থ।
- মাইটোকন্ড্রিয়ার ভেতরের অর্ধতরল দানাদার পদার্থকে ম্যাট্রিক্স বলা হয়। এতে ডিএনএ থাকে।
- শ্বসনের জন্য প্রয়োজনীয় সকল এনজাইম মাইটোকন্ড্রিয়ার ভেতরে থাকে, ফলে এগুলো শক্তি উৎপাদনে সাহায্য করে।
- মাইটোকন্ড্রিয়াকে শক্তি উৎপাদনের উৎস বা ‘Power house' বলা হয়।
উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।