উত্তর
ব্যাখ্যা
- ১৫৮৩ সালে জীবন বীমা শুরু হয়।
- তখন স্বল্প মেয়াদী জীবন বীমা পলিসি ইস্যু করা হতো; যাতে কারো মৃত্যু হলে বীমাকৃত টাকা প্রদান করা হতো।
- আর পলিসিকাল পর্যন্ত বেঁচে থাকলে কোন টাকা দেয়া হতো না।
- ক্ষতিপূরণের পরিমাণও পূর্ব নির্ধারিত ছিল না বরং ক্ষতিপূরণের পরিমাণ নির্ভর করত মজুত তহবিলের পরিমাণের উপর।
- ১৬৯৩ সালে প্রথমবারের মত Halley মৃত্যুহার পঞ্জি টেবিল প্রবর্তন করে।
- যার দ্বারা মৃত্যুর ঝুঁকি মূল্যায়ন সম্ভব হয়।
- পরবর্তীতে Dodson প্রমাণ করেন যে, কোন জীবন বীমা পলিসির সমহারে প্রিমিয়াম নির্ধারণ করা সম্ভব।
- ১৭৭৪ সালে বৃটেনের আইন পরিষদে জীবনবীমার আইন পাশ হয়; যেখানে বিশেষ করে বীমাযোগ্য স্বার্থ জীবনবীমার পলিসি গ্রহণের ক্ষেত্রে অপরিহার্য শর্ত আরোপিত হয়।
⇒ জীবন বিমার বিষয়বস্তু হলো মানুষের জীবন।
- অন্যান্য বীমা হলো ক্ষতি পূরণের বিমা।
- জীবন বিমা ক্ষতি পূরণের বিমা নয়, কারণ মানুষের জীবন অর্থের মানদণ্ডে বিচার করা যায় না।
- তাই জীবন বীমার ক্ষেত্রে আর্থিক নিরাপত্তা প্রদান করা হয়ে থাকে।
⇒ চুক্তির মেয়াদ শেষ হলে বা চুক্তির মেয়াদে বিমাকারী মারা গেলে বিমাকারী বা তা পোষ্য অর্থ প্রাপ্তির অধিকারী হয়।
- জীবনবিমা দাবী আদায় পদ্ধতিকে প্রধানতঃ দু'ভাগে ভাগ করা যায়।
⇒ জীবনবিমা চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার পর বিমা দাবী আদায় পদ্ধতি:
- বিমাকৃত ব্যক্তি যে মেয়াদের জন্য বিমা করে সে সময় শেষ হওয়ার পর বিমা দাবী পরিপক্ক হয় ও বিমার দাবী পরিশোধের জন্য বিমাকারীর কাছে দাবী উপস্থাপন করা হয়।
- বিমা কোম্পানি বিম গ্রহীতার দাবির পর বিমার মোট টাকা বিমাগ্রহীতা বা তার মনোনীত ব্যক্তিকে প্রদান করে।
⇒ জীবনবিমা চুক্তির মেয়াদের মধ্যে বিমা গ্রহীতার মৃত্যু হলে বিমাদাবী আদায় পদ্ধতি:
- বিমাগ্রহীতার বিমার সময়কালে মৃত্যু হলে উল্লিখিত বিমা গ্রহীতার মনোনীত ব্যক্তি বা বিমাগ্রহীতার উত্তরাধিকারী বিমাদাবী আদায়ের সম্ভাব্য ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।
উৎস: i) ব্যাংকিং এন্ড ইন্স্যুরেন্স পৃষ্ঠা, বিবিএস প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) ফিন্যান্স, ব্যাংকিং ও বিমা দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।