বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

রোবটিক্স ও সাইবার অপরাধ

মোট প্রশ্ন৪৭৯এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

রোবটিক্স ও সাইবার অপরাধ

PrepBank · পাতা / · ১০১২০০ / ৪৭৯

১০১.
একটা ইমেইল এড্রেসে লক্ষ লক্ষ মেইল প্রেরণের মাধ্যমে মেমোরি দখল করাকে কী বলে?
  1. ফিশিং
  2. স্প্যামিং
  3. হ্যাকিং
  4. ভিশিং
ব্যাখ্যা
যখন কোন প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তি কোন নির্দিষ্ট একটা ইমেইল এড্রেসে শত শত এমনকি লক্ষ লক্ষ মেইল প্রেরণের মাধ্যমে মেমোরি দখল করে তখন একে বলে স্প্যামিং।
অনাকাঙ্খিত বাক্য মেসেজসমূহে ব্যাপকভাবে প্রেরণে ইলেকট্রনিক মেসেজিং সিস্টেমসমূহের ব্যবহার হলো স্প্যাম তথা স্প্যামিং।
ই-মেইল অ্যাকাউন্টে প্রায়ই কিছু কিছু অনাকাঙ্খিত ও অপ্রয়োজনীয় মেইল পাওয়া যায় যা আমাদের বিরক্তি ঘটায় এ সমস্ত মেইলকে স্প্যাম মেইল বলে।

উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী), প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান
১০২.
রোবট কীভাবে ও কোথায় চলবে, তা নির্ধারণে কোন সিস্টেম সাহায্য করে?
  1. সাউন্ড সিস্টেম
  2. ভিশন সিস্টেম
  3. ন্যাভিগেশন সিস্টেম
  4. কুলিং সিস্টেম
ব্যাখ্যা
• রোবট কীভাবে ও কোথায় চলবে, তা নির্ধারণে ন্যাভিগেশন সিস্টেম (গ) সাহায্য করে। এই সিস্টেমটি রোবটের চলাচলের পথ নির্ধারণ করে এবং তাকে নির্দিষ্ট গন্তব্যে পৌঁছাতে সাহায্য করে। ন্যাভিগেশন সিস্টেমের মাধ্যমে রোবট তার আশপাশের পরিবেশ বিশ্লেষণ করে, প্রতিবন্ধকতা শনাক্ত করে এবং সঠিক পথ নির্বাচন করে। এতে সেন্সর, ম্যাপিং প্রযুক্তি, জিপিএস ও অ্যালগোরিদম ব্যবহৃত হয়, যা রোবটকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ও নির্ভুলভাবে গন্তব্যে পৌঁছাতে সক্ষম করে। এটি রোবটের চলাচলের মৌলিক উপাদান এবং স্বয়ংক্রিয়তা অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

• রোবটিক্স:
- প্রযুক্তির যে শাখায় রোবটের নকশা বা ডিজাইন, গঠন, পরিচালন প্রক্রিয়া, কাজ ও প্রয়োগক্ষেত্র সম্পর্কে আলোচনা করা হয়, সেই শাখাকে রোবটিক্স বলা হয়।
- জোসেফ ফ্রেডরিক এঙ্গেলবার্গারকে রোবোটিক্সের জনক বলা হয়।
- রোবটের মুভমেন্টের জন্য রোবোটিক্সে অ্যাকচুয়েটর ব্যবহার করা হয়।
- রোবটিক্স শব্দটি এসেছে 'রোবট' শব্দ হতে, যা প্রবর্তিত হয় চেক লেখক ও নাট্যকার কারেল কাপেক এর একটি নাটক থেকে, যা ১৯২০ সালে প্রকাশিত হয়।
- Robot শব্দটি এসেছে স্লাভিক শব্দ Robota থেকে, যার অর্থ হলো 'শ্রমিক'।
- প্রথম রোবট তৈরি করেন আমেরিকান উদ্ভাবক জর্জ চার্লস ডেভল।
- ১৯৫০ সালে তার তৈরি প্রথম ইন্ডাস্ট্রিয়াল রোবটের নাম ছিল ইউনিমেট।
- ইউনিমেট রোবট তৈরির প্রজেক্টের উদ্যোক্তা ছিলেন আমেরিকান জোসেফ ফ্রেডরিক এঙ্গেলবার্গার।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
১০৩.
হ্যাকার গ্রুপ নয় কোনটি?
  1. Cozy Bear
  2. Morpho
  3. Code Red
  4. Fancy Bear
ব্যাখ্যা
• Code Red হলো একটি কম্পিউটার ভাইরাস।

- Cozy Bear এবং Fancy Bear একটি রুশ হ্যাকার গ্রুপ।
- Cozy Bear এর বিরুদ্ধে করোনাকালীন যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা এবং যুক্তরাজ্যের ভ্যাক্সিন গবেষণা তথ্যাদি চুরির অভিযোগ রয়েছে।
- Fancy Bear হচ্ছে Cozy Bear এর সহযোগী গ্রুপ।
- Fancy Bear বা APT28 কে GRU, Russia's military intelligence agency অংশ হিসেবে মনে করা হয়।
- মার্কিন নির্বাচনী প্রচারণার সময় ডেমোক্রেটিক ন্যাশনাল কমিটির (ডিএনসি) ওপর সাইবার হামলার সঙ্গে এই গ্রুপের যোগসূত্র রয়েছে।
- Parent organization: either FSB or SVR

• Infamous hacker groups to look for [1981 to 2024]:
1. Chaos Computer Club,
2. Legion of Doom,
3. Lazarus Group,
4. Tailored Access Operations,
5. Dragonfly,
6. LulzSec,
7. Morpho,
8. REvil,
9. Lizard Squad,
10. Conti,
11. LockBit,
12. DarkSide,
13. Hafnium,
14. Lapsus$,
15. Cozy Bear,
16. Fancy Bear ইত্যাদি।

উৎস:
১. [Norton]
২. বিবিসি রিপোর্ট।
৩. The Washington post news report.
২. standard.co.uk
১০৪.
Cyberstalking কী?
  1. গুগল টক-এর একটি সেবা
  2. সাইবার সিকিউরিটি
  3. ডেটাবেজ সিস্টেম
  4. সাইবার অপরাধ
ব্যাখ্যা
• সাইবার ক্রাইম:
- ইন্টারনেট ব্যবহার করে যে অপরাধসমূহ সংঘটিত হয় তাকে সাইবার অপরাধ বা সাইবার ক্রাইম বলে।
- ইংল্যান্ড বিশ্বে প্রথম সাইবার আইন প্রণেতা হিসেবে তৈরি করে ''কম্পিউটার মিসইউজ অ্যাক্ট ১৯৯০''।
- ইংল্যান্ডে জাতীয় ই-অপরাধ ইউনিট গঠন করা হয় ২০০৮ সালে।
- বাংলাদেশে ২০০৬ সালে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন তৈরি করা হয় এবং পরবর্তীতে তা সংশোধন করা হয়।
- ভারতে তথ্যপ্রযুক্তি আইন তৈরি করা হয় ২০০০ সালে।
 
- উল্লেখযোগ্য কিছু সাইবার অপরাধ হলো:
• হ্যাকিং
• স্প্যামিং
• সাইবার থেফ্ট
• সাইবার বুলি
• স্ফুফিং
• ফিশিং
• ভিশিং
• স্নিকিং
• প্লেজিয়ারিজম
• Cyberstalking
• DDoS Attacks প্রভৃতি।
 
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১০৫.
What cyber attack involves falsifying communication or identity to deceive a trusted target?
  1. Encryption
  2. Phishing
  3. Latency
  4. Spoofing
ব্যাখ্যা

• যে সাইবার আক্রমণে টার্গেটকে প্রতারিত করার জন্য পরিচয়কে মিথ্যা বা ছদ্মবেশিত করা হয়, তাকে স্পুফিং (Spoofing) বলে।

• সাইবার ক্রাইম:

ইন্টারনেট ব্যবহার করে যে অপরাধসমূহ সংঘটিত হয় তাকে সাইবার অপরাধ বা সাইবার ক্রাইম বলে।
- ইংল্যান্ড বিশ্বে প্রথম সাইবার আইন প্রণেতা হিসেবে তৈরি করে "কম্পিউটার মিসইউজ অ্যাক্ট ১৯৯০"।
- ইংল্যান্ডে জাতীয় ই-অপরাধ ইউনিট গঠন করা হয় ২০০৮ সালে।

• বিভিন্ন ধরনের সাইবার ক্রাইম:
•  স্পুফিং (Spoofing):
- নেটওয়ার্ক সিকিউরিটির ক্ষেত্রে স্ফুফিং আক্রমণ হলো এমন একটি অবস্থা যেখানে কোন ব্যক্তি বা কোন একটি প্রোগ্রাম মিথ্যা বা ভুল তথ্য উপস্থাপনের মাধ্যমে নেটওয়ার্ককে বিভ্রান্ত করে এবং এর সিকিউরিটি সিস্টেমে অনুপ্রবেশ করে অনৈতিকভাবে সুবিধা আদায় করে।

• ফিশিং (Phishing):
- ই-মেইল বা টেক্সট ম্যাসেজ পাঠানোর মাধ্যমে লগ ইন বা অ্যাক্সেস ডেটা চুরি করার প্রক্রিয়াটিকে ফিশিং বলে।
- ই-কমার্স বা ই-ব্যাংকিং সাইটগুলোতে অ্যাক্সেস বা ডেটা চুরি ফিশারদের প্রধান লক্ষ্য থাকে।

•  স্প্যামিং (Spamming):
- যখন কোন প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তি কোন নির্দিষ্ট একটি ই-মেইল অ্যাড্রেসে অসংখ্য মেইল প্রেরণের মাধ্যমে মেমোরি দখল করে, এই পদ্ধতিকে স্প্যামিং বলে।

• স্নিকিং (Sneaking):
- গোপনে ব্যবহারকারীর চোখ এড়িয়ে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক সিস্টেমে প্রবেশ করে তাঁর গুরুতবপূর্ণ তথ্যাদি নিজের আওতায় নিয়ে আসাকে স্নিকিং বলে।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১০৬.
নেটওয়ার্কের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ধোঁকা দিয়ে অনৈতিকভাবে সুবিধা নেওয়ার জন্য কোন প্রোগ্রাম মিথ্যা তথ্য ব্যবহার করে, তাকে কী বলা হয়?
  1. Spoofing
  2. Pamming
  3. Sneaking
  4. Phishing
ব্যাখ্যা

• নেটওয়ার্কের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ধোঁকা দিয়ে অনৈতিকভাবে সুবিধা নেওয়ার জন্য যে প্রোগ্রাম মিথ্যা বা ভুয়া তথ্য ব্যবহার করে, তাকে Spoofing বলা হয়। Spoofing-এ আক্রমণকারী নিজেকে বৈধ ব্যবহারকারী বা সিস্টেম হিসেবে পরিচয় দেয়, যেমন ভুয়া IP ঠিকানা, ইমেইল ঠিকানা বা MAC ঠিকানা ব্যবহার করে। এর ফলে নিরাপত্তা ব্যবস্থা প্রকৃত উৎসকে চিনতে পারে না এবং আক্রমণকারী সহজেই ডেটা চুরি, সিস্টেমে প্রবেশ বা যোগাযোগ বাধাগ্রস্ত করতে পারে। এই ধরনের আক্রমণ নেটওয়ার্কের বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট করে এবং বিভিন্ন ধরনের সাইবার অপরাধ ঘটাতে সহায়তা করে। তাই প্রদত্ত বিকল্পগুলোর মধ্যে সঠিক উত্তর হলো Spoofing (ক)।

স্ফুফিং (Spoofing): 
- নেটওয়ার্ক সিকিউরিটির ক্ষেত্রে স্ফুফিং আক্রমণ হলো এমন একটি অবস্থা যেখানে কোন ব্যক্তি বা কোন একটি প্রোগ্রাম মিথ্যা বা ভুল তথ্য উপস্থাপনের মাধ্যমে নেটওয়ার্ককে বিভ্রান্ত করে এবং এর সিকিউরিটি সিস্টেমে অনুপ্রবেশ করে অনৈতিকভাবে সুবিধা আদায় করে। 

ফিশিং (Phishing): 
- ই-মেইল বা টেক্সট ম্যাসেজ পাঠানোর মাধ্যমে লগ ইন বা অ্যাক্সেস ডেটা চুরি করার প্রক্রিয়াটিকে ফিশিং বলে।
- ই-কমার্স বা ই-ব্যাংকিং সাইটগুলোতে অ্যাক্সেস বা ডেটা চুরি ফিশারদের প্রধান লক্ষ্য থাকে।
 
স্প্যামিং (Spamming):
- যখন কোন প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তি কোন নির্দিষ্ট একটি ই-মেইল অ্যাড্রেসে অসংখ্য মেইল প্রেরণের মাধ্যমে মেমোরি দখল করে, এই পদ্ধতিকে স্প্যামিং বলে। 
 স্নিকিং (Sneaking): 
- গোপনে ব্যবহারকারীর চোখ এড়িয়ে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক সিস্টেমে প্রবেশ করে তাঁর গুরুতবপূর্ণ তথ্যাদি নিজের আওতায় নিয়ে আসাকে স্নিকিং বলে। 
 
উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১০৭.
DoS আক্রমণের প্রধান উদ্দেশ্য কী?
  1. বেশি পরিমাণে রিকোয়েস্ট পাঠিয়ে  সিস্টেম ক্র্যাশ করা
  2. সংবেদনশীল তথ্য চুরি করা
  3. ম্যালওয়্যার ইনস্টল করা
  4. নেটওয়ার্ক ট্রাফিক পর্যবেক্ষণ করা
ব্যাখ্যা
• DoS (Denial of Service) আক্রমণের প্রধান উদ্দেশ্য হলো কোনো সিস্টেম বা সার্ভারকে অতিরিক্ত পরিমাণে রিকোয়েস্ট পাঠিয়ে তার স্বাভাবিক কাজ করতে বাধা দেয়া। এর ফলে সিস্টেম ক্র্যাশ হয়ে যায় বা ধীরগতি ঘটায়, যা ব্যবহারকারীদের জন্য পরিষেবা গ্রহণ অসম্ভব করে তোলে। অর্থাৎ, DoS আক্রমণ মূলত সার্ভার বা নেটওয়ার্ককে অকার্যকর করে দিয়ে পরিষেবা বন্ধ করার লক্ষ্য রাখে। এই আক্রমণ সংবেদনশীল তথ্য চুরি করা, ম্যালওয়্যার ইনস্টল করা বা নেটওয়ার্ক ট্রাফিক পর্যবেক্ষণের জন্য নয়, বরং সিস্টেমের ক্ষমতা অতিরিক্ত ব্যবহার করে সেটিকে ক্ষতিগ্রস্ত করা হয়। তাই সঠিক উত্তর হলো (ক) বেশি পরিমাণে রিকোয়েস্ট পাঠিয়ে সিস্টেম ক্র্যাশ করা।

• সাইবার অপরাধ:
- বিভিন্ন ধরনের সাইবার অপরাধ হয়ে থাকে। নিচে অতি সংক্ষিপ্তভাবে অপরাধসমূহের তালিকা দেওয়া হলো:
- কম্পিউটার সিস্টেম অথবা নেটওয়ার্কে অযাচিত প্রবেশ করা।
- ইলেকট্রনিক ফর্মে থাকা তথ্য চুরি করা।
- প্লেজিয়ারিজম- অন্যের লেখা চুরি করে নিজের নামে চালিয়ে দেওয়া বা প্রকাশ করা।
- স্নিকিং- গোপনে ব্যবহারকারীর চোখ এড়িয়ে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক সিস্টেমে প্রবেশ করে নিজের আওতায় আনা।
- স্পুফিং- ভুল তথ্য দিয়ে নেটওয়ার্ককে বিভ্রান্ত করা।
- ই-মেইল বম্বিং (বিশাল ই-মেইল পাঠানোর মাধ্যমে সিস্টেম ক্র্যাশ করা)।
- Data diddling (কম্পিউটার প্রসেসিং এর পূর্বে কোন ডেটাকে কম্পিউটার থেকে সরিয়ে ফেলা এবং প্রসেসিং সম্পন্ন হবার পর পুনরায় সে ডেটাকে কম্পিউটারে স্থাপন করা।)
- Salami Attack (অবৈধ আর্থিক বিনিময় কিংবা আর্থিক ক্ষতি সাধন।)
- Denial of Service Attack (বেশি পরিমাণে রিকোয়েস্ট পাঠায়ে সিস্টেম ক্র্যাশ করা)।
- ভাইরাস/ওয়ার্ম আক্রমণ।
- স্প্যামিং (Spamming): অনাকান্তিকত ব অবাঞ্ছিত ই-মেইল কিংবা মেসেজ পাঠানোকে স্প্যামিং বলে।
- এই কাজ যারা করে তাদেরকে স্প্যামার বলা হয়।
- লজিক বম্ব (ইভেন্ট নির্ভর প্রোগ্রামের মাধ্যমে সিস্টেমে এ্যাটাক করা)।
- ট্রোজান এ্যাটাক (পরোক্ষভাবে কারো সিস্টেমে প্রবেশ করে সিস্টেমের কন্ট্রোল গ্রহণ করা।
- ইন্টারনেটের ব্যবহার্য সময় বা ইউনিট চুরি।
- ওয়েব সাইট হ্যাক করে তথ্য পরিবর্তন করা।

উৎস:
১) কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, ভোকেশনাল।
২) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১০৮.
'Robotics' শব্দটির উৎপত্তি হয়েছে কোন শব্দ থেকে?
  1. ক) robo
  2. খ) robot
  3. গ) robota
  4. ঘ) robote
ব্যাখ্যা
রোবট  হল কম্পিউটার প্রোগ্রাম নিয়ন্ত্রিত এমন একটি স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা, যা  মানুষ যেভাবে কাজ করতে বলে ঠিক সেভাবেই কাজ করে এবং এর কাজ দেখে মনে হয় যেন এর বুদ্ধিমত্তা রয়েছে।

প্রযুক্তির যে শাখা  রোবটের ডিজাইন, নির্মাণ এবং এর প্রয়োগ বিধি নিয়ে আলোচনা করে তাকেই রোবটিক্স বলে। অন্যভাবে বলা যায়, রোবটিক্স হল বিজ্ঞানের সেই শাখা, যেখানে  রোবট তৈরি এবং এর ডিজাইন সহ আমরা কিভাবে রোবটকে আমাদের কাজে ব্যবহার করতে পারি তাই  নিয়ে আলোচনা এবং গবেষণা করা হয়।

রোবটিক্স (Robotics) শব্দটির উৎপত্তি হয়েছে স্লাভিক শব্দ 'robota' থেকে যার অর্থ হলো শ্রমিক, দাস বা কর্মী। চেক(Czech) লেখক ক্যারেল ক্যাপেক ১৯২১ সালে Rossumovi Univerzalni Roboti নামে একটি সাইন্স ফিকশন গল্প লিখেন যাতে তিনি শ্রমিক বা কর্মী অর্থে সর্বপ্রথম 'robota' শব্দের পরিচয় করেন।
১০৯.
What is Spoofing in the context of computer security?
  1. Creating fake social media profiles.
  2. Sending unsolicited emails.
  3. Manipulating or falsifying information to deceive.
  4. Encrypting sensitive data.
ব্যাখ্যা
• সাইবার অপরাধ:
→ ইন্টারনেটকে কেন্দ্র করে এবং এর সহযোগিতায় সংঘটিত অপরাধকে সাইবার ক্রাইম বা সাইবার অপরাধ বলে।
→ বিভিন্ন ধরনের সাইবার অপরাধ:
- হ্যাকিং,
- স্প্যামিং,
- সাইবার বুলি,
- স্পুফিং,
- ফিশিং,
- স্নিকিং,
- Cyberstalking,
- DDoS Attacks প্রভৃতি।

প্রতারণা বা স্পুফিং (Spoofing):
- নেটওয়ার্ক সিকিউরিটির ক্ষেত্রে স্পুফিং আক্রমণ হলো এমন একটি অবস্থা যেখানে কোন ব্যক্তি বা কোন একটি প্রোগ্রাম মিথ্যা বা ভুল তথ্য উপস্থাপনের মাধ্যমে নেটওয়ার্ককে বিভ্রান্ত করে এবং এর সিকিউরিটি সিস্টেমে অনুপ্রবেশ করে অনৈতিকভাবে সুবিধা আদায় করে ।
- ইন্টারনেটে বিভিন্ন ভাবে স্পুফিং হয়ে থাকে। যথা- ই-মেইল স্পুফিং, গেটওয়ে স্পুফিং, আইপি স্পুফিং ইত্যাদি।

আরো কিছু সাইবার অপরাধের বর্ণনা:

ভিশিং (Vishing):
- মোবাইল, টেলিফোন, ইন্টারনেট ভিত্তিক বিভিন্ন ফোন বা অডিও করে ফিশিং করাকে ভিশিং (Vishing) বলে।

ফিশিং (Phishing):
- ইলেকট্রনিক যোগাযোগ ব্যবস্থায় বা ইন্টারনেটে কোন নির্ভরযোগ্য বা বিশ্বাসযোগ্য সত্তার ছদ্মবেশ ধারণ করে বিদ্বেষপরায়ণ হয়ে ক্রেডিট বা ডেবিট কার্ডের বিস্তারিত তথ্য, ইউজার নেম ও পাসওয়ার্ডের মত সংবেদনশীল তথ্য চুরির প্রচেষ্টাকে ফিশিং (Phishing) বলে।

স্নিকিং (Sneaking):
- গোপনে বা সন্তর্পণে ব্যবহারকারীর চোখ এড়িয়ে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক সিস্টেমে প্রবেশ করে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ তথ্যাদি নিজের আওতায় নিয়ে আসাকে স্পিকিং (Sneaking) বলে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১১০.
র‍্যানসমওয়্যার আক্রমণের শিকার হলে কম্পিউটারে কী ঘটতে পারে?
  1. ইন্টারনেট গতি বৃদ্ধি পায়
  2. সফটওয়্যার আপডেট বন্ধ হয়ে যায়
  3. কম্পিউটারকে ধীর গতির করে দেয়
  4. কম্পিউটারের ডেটা অ্যাক্সেস করা যায় না
ব্যাখ্যা
• র‍্যানসমওয়্যার আক্রমণের ফলে কম্পিউটারের ডেটা অ্যাক্সেস করা যায় না।

• র‍্যানসমওয়্যার:
- ইহা হচ্ছে এমন এক ধরনের ম্যালওয়্যার যা কম্পিউটারের দখল নেয় যাতে ব্যবহারকারীকে অর্থ পরিশোধ না করা পর্যন্ত ঢুকতে দেয় না।
- র‍্যানসমওয়্যার নামটিই প্রকাশ করে যে, কম্পিউটারের ফাইল আটকে অর্থ নেওয়ার জন্য এটা করা হয়।
- কম্পিউটারে যত ফাইল পায় সব এনক্রিপ্ট করে ফেলে একটি বার্তা দেখানো শুরু করে।
- যদি ওই ফাইল উদ্ধার করে চান তবে অর্থ পরিশোধ করতে হবে।
- সাধারণত একটি এনক্রিপশন কি বা প্রোগ্রাম চাবি ব্যবহার করে ফাইল আটকানো হয়।
- ওই চাবি সম্পর্কে তথ্য কেবল আক্রমণকারীর জানা থাকে।
- যদি অর্থ পরিশোধ করা না হয় তখন তথ্য পুরোপুরি মুছে ফেলার ঘটনা ঘটতে দেখা যায়।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি, ৯ম-১০ম শ্রেণি। [ভােকেশনাল, ২০২১ সংস্করণ]
১১১.
কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের তৈরিকৃত সফটওয়্যার অনুমতি ব্যতিত নকল করাকে কী বলে?
  1. সফটওয়্যার কপি
  2. সফটওয়্যার স্ক্যানিং
  3. সফটওয়্যার পাইরেসি
  4. সফটওয়্যার এনালাইসিস
ব্যাখ্যা
সফটওয়্যার পাইরেসি:
- কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের তৈরিকৃত সফটওয়্যার অনুমতি ব্যতিত নকল করাকে সফটওয়্যার পাইরেসি বলে ।
- পাইরেসি সৃজনশীল কাজের অন্যতম প্রধান অন্তরায়।
- কম্পিউটারের বেলায় যে কোনো কিছুর কপি বা অবিকল প্রতিলিপি করা খুবই সহজ কাজ। এ কারণে কম্পিউটার সফটওয়্যার, কম্পিউটারে করা সৃজনশীল কর্ম যেমন ছবি, এনিমেশন ইত্যাদির বেলায় কপিরাইট সংরক্ষণ করার জন্য বাড়তি ব্যবস্থা নিতে হবে।
- বিশ্বব্যাপী বড় বড় কোম্পানিগুলো তাদের মেধাসত্ত্ব সংরক্ষণ ও পাইরেসি নজরদারির জন্য বিজনেস সফটওয়্যার এলায়েন্স(BSA) নামে একটি সংস্থা তৈরী করেছে৷
- যখনই এরূপ কপিরাইট আইনের আওতায় কোনো কপিরাইট হোল্ডারের অধিকার ক্ষুন্ন হয় তখনই কপিরাইট বিঘ্নিত হয়েছে বলে ধরে নেওয়া যায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই ( এইচ এস সি প্রোগ্রাম), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১২.
রোবট সোফিয়া নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান কোনটি?
  1. iRobot
  2. Boston Dynamics
  3. Yaskawa
  4. Hanson Robotics
ব্যাখ্যা
• রোবট সোফিয়া নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান "Hanson Robotics"।

• রোবটিক্স (Robotics):
- প্রযুক্তির যে শাখায় রোবটের নকশা, গঠন, পরিচালনা ও প্রয়োগের বিষয় আলোচনা করা হয়, তাকে রোবটিক্স বলা হয়।
- রোবট হলো কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত একটি ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল যন্ত্র, যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে মানুষের মতো কাজ করতে সক্ষম।
- 'রোবটিক্স' শব্দটি এসেছে 'রোবট' থেকে, যা প্রথম ব্যবহার করা হয় চেক লেখক কারেল কাপেকের ১৯২০ সালে প্রকাশিত নাটকে।
- রোবট শব্দটি স্লাভিক শব্দ "Robota" থেকে উদ্ভূত, যার অর্থ 'শ্রমিক'।
- অক্সফোর্ড ইংলিশ ডিকশনারি অনুযায়ী, 'রোবটিক্স' শব্দটি প্রথম ব্যবহৃত হয় ১৯৪১ সালে আইজাক অসিমভের সায়েন্স ফিকশন "লায়ার"-এ।

• রোবট সোফিয়া:

- রোবট সোফিয়া তৈরি করেছে হংকং ভিত্তিক প্রতিষ্ঠান হ্যানসন রোবটিকস।
- এর মূল নির্মাতা ডেভিড হ্যানসন (David Hanson)।
- রোবট সোফিয়াকে নকশা করা হয় হলিউডের ব্রিটিশ অভিনয় শিল্পী অড্রে হেপবার্ন এর মত করে।
- রোবট সোফিয়াকে ২০১৫ সালের ১৯ এপ্রিল থেকে সক্রিয় করা হয়।
- ২০১৭ সালের অক্টোবরে সৌদি আরবের নাগরিকত্ব দেয়া হয় এই রোবটকে এবং এটিই প্রথম রোবট যে কোন দেশের নাগরিকত্ব লাভ করে।
- ২০১৭ সালের ডিসেম্বরে বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে বড় প্রযুক্তি উৎসব ডিজিটাল ওয়ার্ল্ডে অংশ নিয়েছে সিঙ্গাপুরের তৈরি ও সৌদি আরবের নাগরিকত্ব পাওয়া এই রোবট সোফিয়া। এটি প্রায় ৫০ ধরনের ভাবভঙ্গি দেখাতে পারে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১১৩.
নিচের কোনটি সাইবার অপরাধ নয়?
  1. স্পুফিং
  2. প্লেজিয়ারিজম
  3. লজিক বম্ব
  4. ফাজি লজিক
ব্যাখ্যা
ফাজি লজিক সাইবার অপরাধ নয়। 

ফাজি লজিক (Fuzzy Logic):

- ফাজি লজিক হলো এক ধরনের লজিক, যা সাধারণ সত্য ও মিথ্যা মানগুলোর চেয়েও বেশি কিছু শনাক্ত করতে পারে।
- ফাজি লজিক দিয়ে প্রশ্ন বা সমস্যাকে সত্য ও মিথ্যার মানে উপস্থাপন করা যায়। 
- ফাজি লজিক এমন একটি যুক্তি ব্যবস্থা যেখানে কোন সমস্যার সমাধান 1 অথবা 0 ছাড়াও আরো বিভিন্ন উপায়ে দেয়া যায়।
- বাইনারি ব্যবস্থায় একটি সমস্যার সমাধান 'হ্যাঁ' অথবা 'না'- এই দু'টি উপায়ে দেয়া যায়। 
- কিন্তু ফাজি লজিক-এ একটি সমস্যার সমাধান দুইয়ের অধিক উপায়ে দেওয়া যায়।

অন্যদিকে, 
বাকি অপশন গুলো সাইবার অপরাধের অন্তর্ভুক্ত।

- স্পুফিং - ভুল তথ্য দিয়ে নেটওয়ার্ককে বিভ্রান্ত করা।
- প্লেজিয়ারিজম - অন্যের লেখা চুরি করে নিজের নামে চালিয়ে দেওয়া বা প্রকাশ করা।
- লজিক বম্ব - ইভেন্ট নির্ভর প্রোগ্রামের মাধ্যমে সিস্টেমে এ্যাটাক করা।

উৎস: ১। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, ভোকেশনাল।
২। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৩। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
১১৪.
অনিচ্ছাকৃত ও অনাকাঙ্ক্ষিত বার্তা ইমেইল বা মেসেজে প্রেরণ করার প্রক্রিয়াটিকে কী নামে পরিচিত?
  1. ম্যালওয়্যার
  2. ভাইরাস
  3. ফিশিং
  4. স্প্যামিং
ব্যাখ্যা

• ইমেইল বা মেসেজের মাধ্যমে অপ্রয়োজনীয় ও অনাকাঙ্ক্ষিত বার্তা পাঠানোর বিষয়টিকে স্প্যামিং বলা হয়। এটি সাধারণত বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে বা প্রতারণামূলকভাবে প্রচুর পরিমাণে একই ধরণের বার্তা পাঠানোর একটি পদ্ধতি। 

বিভিন্ন ধরণের সাইবার অপরাধ: 
• ফ্রেকিং (Phreaking): 
- বিভিন্ন টেলিকমিউনিকেশন সিস্টেমকে হ্যাক করে অসৎ উদ্দেশ্যে ব্যবহার করার প্রক্রিয়াকে ফ্রেকিং বলে। 

• হ্যাকিং (Hacking): 
- কোনো কম্পিউটার সিস্টেম, নেটওয়ার্ক, ডেটার উপর অননুমোদিতভাবে অধিকার (Access) লাভ করার উপায়কে হ্যাকিং বলে। 
- যে সব ব্যক্তি/ব্যক্তিবর্গ এ ধরনের কর্মে/ অপকর্মের সাথে জড়িত থাকে তাদের হ্যাকার বলে। 

• ফিশিং (Phishing): 
- ফিশিং করার অর্থ ই-মেইল বা মেসেজের মাধ্যমে ওয়েবসাইট ব্যবহারকারীকে নকল বা ফেইক ওয়েবসাইটে নিয়ে কৌশলে তার বিশ্বস্ততা অর্জন করা এবং গুরুত্বপূর্ণ তথ্য চুরি করে তাদের নানা ধরনের বিপদে ফেলা। 

• ভিশিং (Vishing): 
- মোবাইল, টেলিফোন, ইন্টারনেটভিত্তিক বিভিন্ন ফোন বা অডিও ব্যবহার করে ফিশিং করাকে ভিশিং (Vishing) বা ভয়েস ফিশিং (Voice phishing) বলা হয়। 

• স্প্যামিং (Spamming): 
- অনাকাঙ্ক্ষিত বা অবাঞ্ছিত ই-মেইল কিংবা মেসেজ পাঠানোকে স্প্যামিং বলে। 
- এই কাজ যারা করে তাদেরকে স্প্যামার বলা হয়। 

• স্নিফিং (Sniffing): 
- ট্রান্সমিশন লাইন দিয়ে তথ্য যাওয়ার সময় হাতিয়ে নেওয়ার প্রক্রিয়াকে বলা হয় স্নিফিং। 

• স্পুফিং (Spoofing): 
- নেটওয়ার্ক সিকিউরিটির ক্ষেত্রে স্পুফিং আক্রমন হলো এমন একটি অবস্থা যেখানে কোন ব্যক্তি বা একটি পোগ্রাম মিথ্যা বা ভুল তথ্য উপস্থাপনের মাধ্যমে নেটওয়ার্ককে বিভ্রান্ত করে এবং এর সিকিউরিটি সিস্টেমে অনুপ্রবেশ করে অনৈতিকভাবে সুবিধা আদায় করে। 

• স্নিকিং (Sneaking): 
- গোপনে বা সন্তর্পণে ব্যবহারকারীর চোখ এড়িয়ে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক সিস্টেমে প্রবেশ করে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ তথ্যাদি নিজের আওতায় নিয়ে আসাকে স্পিকিং (Sneaking) বলে। 

• প্লেজিয়ারিজম (Plagiarism): 
- অন্যের লেখা চুরি করে নিজের নামে চালিয়ে দেওয়া বা প্রকাশ করাকেই প্লেজিয়ারিজম বলে। 
- কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কোন সাহিত্য, গবেষণা বা সম্পাদনা কর্ম হুবহু নকল বা আংশিক পরিবর্তন করে নিজের নামে প্রকাশ করারই হল প্লেজিয়ারিজম। 

উৎস: 
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

১১৫.
সফটওয়্যার পাইরেসি হচ্ছে -
  1. ক) এক ধরনের হ্যাকিং
  2. খ) ফিশিং
  3. গ) প্লেজিয়ারিজম
  4. ঘ) সাইবার অপরাধ
ব্যাখ্যা
কম্পিউটার সফটওয়্যার, কম্পিউটারে করা সৃজনশীল কর্ম যেমন—সিনেমা, নাটক, এনিমেশন ইত্যাদির বেলায় কপিরাইট সংরক্ষণ করার জন্য বাড়তি ব্যবস্থা নিতে হয়। যখনই এরূপ কপিরাইট আইনের আওতায় কোনো কপিরাইটহোল্ডারের অধিকার ক্ষুণ্ন হয়, তখনই কপিরাইট বিঘ্নিত হয়েছে বলে ধরে নেওয়া যায়। এই ধরনের ঘটনাকে সাধারণভাবে পাইরেসি বা সফটওয়্যার পাইরেসি নামে অভিহিত করা হয়।
বড় বড় সফটওয়্যার কম্পানি তাদের মেধাস্বত্ব সংরক্ষণ ও বিশ্বব্যাপী পাইরেসি নজরদারি করার জন্য বিজনেস সফটওয়্যার অ্যালায়েন্স (BSA) নামের একটি সংস্থা তৈরি করেছে। বাংলাদেশেও সফটওয়্যার পাইরেসি নিষিদ্ধ।
সফটওয়্যার পাইরেসি এক ধরনের সাইবার অপরাধ।

[সূত্রঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, ৯ম-১০ম শ্রেণী]
১১৬.
Salami Attack-এর মূল উদ্দেশ্য কী?
  1. আর্থিক ক্ষতি সাধন করা
  2. ভাইরাস ছড়ানো
  3. অনেক রিকোয়েস্ট পাঠিয়ে সার্ভার ডাউন করা
  4. ই-মেইল পাঠানো
ব্যাখ্যা
Salami Attack-এর মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে  আর্থিকভাবে ক্ষতি সাধন করা।

সাইবার অপরাধ:
বিভিন্ন ধরনের সাইবার অপরাধ হয়ে থাকে। নিচে অতি সংক্ষিপ্তভাবে অপরাধসমূহের তালিকা দেওয়া হলো:
১. কম্পিউটার সিস্টেম অথবা নেটওয়ার্কে অযাচিত প্রবেশ করা।
২. ইলেকট্রনিক ফর্মে থাকা তথ্য চুরি করা।
৩. ই-মেইল বম্বিং।
৪. বিশাল ই-মেইল পাঠানোর মাধ্যমে সিস্টেম ক্র্যাশ করা।
৫. Data didling (কম্পিউটার প্রসেসিং এর পূর্বে কোন ডেটাকে কম্পিউটার থেকে সরিয়ে ফেলা এবং প্রসেসিং সম্পন্ন হবার পর পুনরায় সে ডেটাকে কম্পিউটারে স্থাপন করা।)
৬. Salami Attack (অবৈধ আর্থিক বিনিময় কিংবা আর্থিক ক্ষতি সাধন।)
৭. Denial of Service Attack (বেশি পরিমাণে রিকোয়েস্ট পাঠায়ে সিস্টেম ক্র্যাশ করা)।
৮. ভাইরাস/ওয়ার্ম আক্রমণ।
৯. লজিক বম্ব (ইভেন্ট নির্ভর প্রোগ্রামের মাধ্যমে সিস্টেমে এ্যাটাক করা)।
১০. ট্রোজান এ্যাটাক (পরোক্ষভাবে কারো সিস্টেমে প্রবেশ করে সিস্টেমের কন্ট্রোল গ্রহণ করা।
১১. ইন্টারনেটের ব্যবহার্য সময় বা ইউনিট চুরি।
১২. ওয়েব সাইট হ্যাক করে তথ্য পরিবর্তন করা।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, ভোকেশনাল।
১১৭.
গ্রে হ্যাট হ্যাকার সাধারণত নিচের কোন দক্ষতাটি সবচেয়ে কম ব্যবহার করে?
  1. পেনেট্রেশন টেস্টিং
  2. সোশ্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং
  3. অর্থ চুরির উদ্দেশ্যে ফিশিং
  4. ভলনারেবিলিটি স্ক্যানিং
ব্যাখ্যা

• গ্রে হ্যাট হ্যাকার সাধারণত নৈতিক এবং অনৈতিক হ্যাকিংয়ের মধ্যে একটি সীমান্তে কাজ করে। তারা পেনেট্রেশন টেস্টিং এবং ভলনারেবিলিটি স্ক্যানিং-এ দক্ষ, কারণ এগুলো মূলত সিস্টেমের দুর্বলতা খুঁজে বের করার জন্য ব্যবহার করা হয়। এছাড়াও, সোশ্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং-এর মাধ্যমে মানুষকে বিভ্রান্ত করে সিস্টেমে প্রবেশের চেষ্টা করা হতে পারে। তবে, অর্থ চুরির উদ্দেশ্যে ফিশিং তাদের প্রায়শই কম ব্যবহার করা হয়, কারণ এটি সম্পূর্ণভাবে বেআইনি এবং গুরুতর অপরাধ হিসেবে গণ্য হয়। তাই গ্রে হ্যাট হ্যাকারদের ক্ষেত্রে সবচেয়ে কম ব্যবহৃত দক্ষতা হলো অর্থ চুরির উদ্দেশ্যে ফিশিং, যা তাদের নৈতিক সীমার বাইরে যায়।

হ্যাকিং: 

- প্রোগ্রাম রচনা ও প্রয়োগের মাধ্যমে কোনো কম্পিউটার সিস্টেম বা নেটওয়ার্কের ক্ষতিসাধন করাকে হ্যাকিং বলা হয়।
- বর্তমানে প্রধানত তিন ধরনের হ্যাকার দেখতে পাওয়া যায়।
যথা:
১. ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকার:
- একজন ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকার যখন কোন একটি সিকিউরিটি সিস্টেমের ত্রুটি খুঁজে বের করে, তখন দ্রুত ঐ ত্রুটিকে নিজের স্বার্থে কাজে লাগায়।
- বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য, আর্থিক তথ্যাদি হাতিয়ে নিয়ে আর্থিক ক্ষতিসাধন করে।

২. গ্রে হ্যাট হ্যাকার:
- এ ধরনের হ্যাকাররা বৈধ এবং অবৈধ দুই ধরনের কাজই করতে পারে।
- একজন গ্রে হ্যাট হ্যাকার যখন একটি সিকিউরিটি সিস্টেমের ত্রুটিগুলো খুঁজে বের করে তখন সে তার মন মতো কাজ করে।
- এরা নেটওয়ার্কের দুর্বলতাকে খুঁজে বের করে তা যথাযথ কর্তৃপক্ষকে অবহিত করে এবং দুর্বল দিকগুলোকে ঠিক করার মাধ্যমে নেটওয়ার্কের সুরক্ষার জন্য কাজ করে অর্থ উপার্জন করে।

৩. হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার:
- একজন হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার একটি সিকিউরিটি সিস্টেমের ত্রুটিগুলো বের করে এবং ঐ সিকিউরিটি সিস্টেমের মালিককে ত্রুটির বিষয়ে দ্রুত অবহতি করে।
- সিকিউরিটি সিস্টেমটি হতে পারে একটি কম্পিউটার, একটি কম্পিউটার নেটওয়ার্ক, একটি ওয়েবসাইট, একটি সফটওয়্যার ইত্যাদি।

উৎস: 
১) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২) kaspersky [লিংক]

১১৮.
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা আর্টফিশিয়াল ইন্টিলেজেন্সের জনক হিসেবে খ্যাত-
  1. ক) নিক বস্ট্রম
  2. খ) মারভিন মিন্সকি
  3. গ) এলান টুরিং
  4. ঘ) স্টিভ জবস
ব্যাখ্যা
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার জনক হলেন ব্রিটিশ বিজ্ঞানী ও গণিতবিদ এলান টুরিং।
১৯৫০ সালে তার আবিষ্কৃত 'টুরিং টেস্ট' কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ধারনার ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করে।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি একাদশ দ্বাদশ শ্রেণি- মোঃ মজিবুর রহমান এবং Britannica
১১৯.
A Trojan attack involves —
  1. Indirectly gaining control over a system
  2. Sending large volumes of unwanted messages
  3. Sending too many requests to crash a system
  4. Altering data before or during processing
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর - ক) Indirectly gaining control over a system.

• সাইবার অপরাধ:
বিভিন্ন ধরনের সাইবার অপরাধ হয়ে থাকে। নিচে অতি সংক্ষিপ্তভাবে অপরাধসমূহের তালিকা দেওয়া হলো:
- কম্পিউটার সিস্টেম অথবা নেটওয়ার্কে অযাচিত প্রবেশ করা।
- ইলেকট্রনিক ফর্মে থাকা তথ্য চুরি করা।
- প্লেজিয়ারিজম: অন্যের লেখা চুরি করে নিজের নামে চালিয়ে দেওয়া বা প্রকাশ করা।
- স্নিকিং: গোপনে ব্যবহারকারীর চোখ এড়িয়ে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক সিস্টেমে প্রবেশ করে নিজের আওতায় আনা।
- স্পুফিং: ভুল তথ্য দিয়ে নেটওয়ার্ককে বিভ্রান্ত করা।
- ই-মেইল বম্বিং (বিশাল ই-মেইল পাঠানোর মাধ্যমে সিস্টেম ক্র্যাশ করা)।
- Data diddling (কম্পিউটার প্রসেসিং এর পূর্বে কোন ডেটাকে কম্পিউটার থেকে সরিয়ে ফেলা এবং প্রসেসিং সম্পন্ন হবার পর পুনরায় সে ডেটাকে কম্পিউটারে স্থাপন করা।)
- Salami Attack (অবৈধ আর্থিক বিনিময় কিংবা আর্থিক ক্ষতি সাধন।)
- Denial of Service Attack (বেশি পরিমাণে রিকোয়েস্ট পাঠায়ে সিস্টেম ক্র্যাশ করা)।
- ভাইরাস/ওয়ার্ম আক্রমণ।
- স্প্যামিং (Spamming): অবাঞ্ছিত ই-মেইল কিংবা মেসেজ পাঠানোকে স্প্যামিং বলে। এই কাজ যারা করে তাদেরকে স্প্যামার বলা হয়।
- লজিক বম্ব (ইভেন্ট নির্ভর প্রোগ্রামের মাধ্যমে সিস্টেমে এ্যাটাক করা)।
- ট্রোজান এ্যাটাক (পরোক্ষভাবে কারো সিস্টেমে প্রবেশ করে সিস্টেমের কন্ট্রোল গ্রহণ করা।
- ইন্টারনেটের ব্যবহার্য সময় বা ইউনিট চুরি।
- ওয়েব সাইট হ্যাক করে তথ্য পরিবর্তন করা।

উৎস: ১। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, ভোকেশনাল।
২। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১২০.
Which type of hacker steals sensitive information for financial gain?
  1. Dark Hat Hacker
  2. Grey Hat Hacker
  3. Black Hat Hacker 
  4. Ethical Hat Hacker
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - গ) Black Hat Hacker 

• হ্যাকিং (Hacking):
- প্রোগ্রাম রচনা ও প্রয়োগের মাধ্যমে কোনো কম্পিউটার সিস্টেম বা নেটওয়ার্কের ক্ষতিসাধন করাকে হ্যাকিং বলা হয়।

• বর্তমানে প্রধানত তিন ধরনের হ্যাকার দেখতে পাওয়া যায়। যথা-
ক. হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার: সাধারণত এরা ডেটা বা সিস্টেমের ক্ষতি করে না, তবে কাজের ক্ষেত্রে ভীষণ দক্ষ হয়।
খ. ব্ল‍্যাক হ্যাট হ্যাকার: বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য, আর্থিক তথ্যাদি হাতিয়ে নিয়ে আর্থিক ক্ষতিসাধন করে।
গ. গ্রে হ্যাট হ্যাকার: এরা নেটওয়ার্কের দুর্বলতাকে খুঁজে বের করে তা যথাযথ কর্তৃপক্ষকে অবহিত করে এবং দুর্বল দিকগুলোর ঠিক করার মাধ্যমে নেটওয়ার্কের সুরক্ষার জন্য কাজ করে অর্থ উপার্জন করে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

১২১.
ASIMO রোবট কোন কোম্পানি তৈরি করেছে?
  1. Sony
  2. Samsung
  3. Boston Dynamics
  4. Honda
ব্যাখ্যা

◉ ASIMO (Advanced Step in Innovative Mobility) হলো একটি হিউম্যানয়েড রোবট, যা জাপানি কোম্পানি Honda দ্বারা তৈরি করা হয়েছে। এটি বিশ্বের সবচেয়ে উন্নত রোবটগুলির মধ্যে একটি এবং মানুষের মতো হাঁটা, দৌড়ানো, সিঁড়ি আরোহণ এবং বিভিন্ন কাজ সম্পাদন করতে সক্ষম। 

রোবটিক্স:
- প্রযুক্তির যে শাখায় রোবটের নকশা বা ডিজাইন, গঠন, পরিচালন প্রক্রিয়া, কাজ ও প্রয়োগক্ষেত্র সম্পর্কে আলোচনা করা হয়, সেই শাখাকে রোবটিক্স বলা হয়।
- জোসেফ ফ্রেডরিক এঙ্গেলবার্গারকে রোবোটিক্সের জনক বলা হয়।
- রোবটের মুভমেন্টের জন্য রোবোটিক্সে অ্যাকচুয়েটর ব্যবহার করা হয়।
- রোবটিক্স শব্দটি এসেছে 'রোবট' শব্দ হতে, যা প্রবর্তিত হয় চেক লেখক ও নাট্যকার কারেল কাপেক এর একটি নাটক থেকে, যা ১৯২০ সালে প্রকাশিত হয়।
- Robot শব্দটি এসেছে স্লাভিক শব্দ Robota থেকে, যার অর্থ হলো 'শ্রমিক'।
- প্রথম রোবট তৈরি করেন আমেরিকান উদ্ভাবক জর্জ চার্লস ডেভল।
- ১৯৫০ সালে তার তৈরি প্রথম ইন্ডাস্ট্রিয়াল রোবটের নাম ছিল ইউনিমেট।
- ইউনিমেট রোবট তৈরির প্রজেক্টের উদ্যোক্তা ছিলেন আমেরিকান জোসেফ ফ্রেডরিক এঙ্গেলবার্গার।

এছাড়াও,
- সনি কর্পোরেশনের কিউরিও এবং আইবো।
- স্যামসাংয়ের রোবোরে (Roboray)।
- হ্যানসন রোবটিক্সের সোফিয়া।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১২২.
কোনো লেখকের লেখা নিয়ে নিজের নাম দিয়ে প্রকাশ করলে তাকে কী বলা হয়?
  1. স্ফুফিং
  2. ফিশিং
  3. স্প্যামিং
  4. প্লেজিয়ারিজম
ব্যাখ্যা

• কোনো লেখকের লেখা নিয়ে নিজের নাম দিয়ে প্রকাশ করা হলে তাকে প্লেজিয়ারিজম (Plagiarism) বলা হয়। এটি একটি অনৈতিক কর্মকাণ্ড, যেখানে কেউ অন্যের কাজ বা লেখাকে নিজের সৃষ্টি হিসেবে উপস্থাপন করে। প্লেজিয়ারিজম শুধুমাত্র লেখা নয়, ছবি, গান, বা অন্য কোনো সৃজনশীল কাজেও হতে পারে। এটি শিক্ষাক্ষেত্রে, গবেষণায় এবং পেশাগত জীবনে গুরুতর সমস্যার সৃষ্টি করে। এমন কাজের কারণে লেখকের মৌলিক অধিকার লঙ্ঘিত হয় এবং কপিরাইট আইনেও শাস্তিযোগ্য। সুতরাং, অন্যের লেখা ব্যবহার করতে হলে অবশ্যই উৎস উল্লেখ করতে হয়, আর নিজের কাজের ক্ষেত্রে সততা বজায় রাখা অপরিহার্য।

- সঠিক উত্তর: ঘ) প্লেজিয়ারিজম।

• সাইবার ক্রাইম:
- ইন্টারনেট ব্যবহার করে যে অপরাধসমূহ সংঘটিত হয় তাকে সাইবার অপরাধ বা সাইবার ক্রাইম বলে।
- ইংল্যান্ড বিশ্বে প্রথম সাইবার আইন প্রণেতা হিসেবে তৈরি করে "কম্পিউটার মিসইউজ অ্যাক্ট ১৯৯০"।
- ইংল্যান্ডে জাতীয় ই-অপরাধ ইউনিট গঠন করা হয় ২০০৮ সালে।
- বাংলাদেশে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিল করে ২০২৩ সালে সাইবার নিরাপত্তা আইন তৈরি করা হয়।
- ভারতে তথ্যপ্রযুক্তি আইন তৈরি করা হয় ২০০০ সালে।
- উল্লেখযোগ্য কিছু সাইবার অপরাধ হলো- হ্যাকিং, স্প্যামিং, স্ফুফিং, ফিশিং (Phishing), ভিশিং, স্নিকিং, প্লেজিয়ারিজম (Plagiarism) প্রভৃতি।

• প্লেজিয়ারিজম (Plagiarism):
- অন্যের লেখা চুরি করে নিজের নামে প্রকাশ করাকে প্লেজিয়ারিজম বলে।
- কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কোনো সাহিত্য, গবেষণা বা সম্পাদনা কর্ম হুবহু নকল বা আংশিক পরিবর্তন করে নিজের নামে প্রকাশ করাই প্লেজিয়ারিজম।
- তথ্য প্রযুক্তির ক্ষেত্রে প্লেজিয়ারিজমের প্রচলন লক্ষ্য করা যায়।
- বিশেষ করে অন্যের ধ্যান-ধারণা, গবেষণা, কৌশল, প্রোগ্রামিং কোড, গ্রাফিক্স, লেখা, ডেটা, ছবি, গান ইত্যাদির উৎস অনেক ক্ষেত্রেই উল্লেখ না করে নিজের নামে চালিয়ে দেয়া হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান)।

১২৩.
নিচের কোনটি Strong Password?
  1. ABCD1234
  2. 1111ABCD
  3. 1@Axy&yz
  4. A1B2C3D4
ব্যাখ্যা
- বেশীর ভাগ মানুষ পাসওয়ার্ড হিসেবে সহজে মনে রাখা যায় এমন বর্ণ ব্যবহার করে।
যেমন- ১২৩৪৫৬ বা ৬৫৪৩২১ বা abcdef ইত্যাদি। ফলে পাসওয়ার্ড সহজে ধরে ফেলা যায়।
- সার্ভার, কম্পিউটার বা কোনো আইসিটি যন্ত্রে রক্ষিত তথ্য ও উপাত্তের নিরাপত্তা বিধানের জন্য পাসওয়ার্ড অবশ্যই মৌলিক বা unique হতে হবে।
কারণ, পাসওয়ার্ড অনন্য বা unique না হলে অনেক সমস্যা হতে পারে।
যেমন:
১. আইসিটি যন্ত্রগুলো ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত হতে পারে।
২. হ্যাকাররা সহজেই তথ্য চুরি করতে পারে।
৩. যন্ত্রপাতির রক্ষিত তথ্য নষ্ট করার সুযোগ তৈরি হয়।

মৌলিক বা unique পাসওয়ার্ড তৈরির ক্ষেত্রে লক্ষ্য রাখতে হবে:
- নিজের বা পরিবারের কারো নাম বা ব্যক্তিগত তথ্য ব্যবহার না করা।
- ১২ থেকে ১৪ টি ক্যারেক্টার বা তার বেশি ব্যবহার করতে হবে।
- 1-8, ৮টি 1 এমন পাসওয়ার্ড দেয়া থেকে বিরত থাকতে হবে। 
- বড় হাতের অক্ষর, ছোট হাতের অক্ষর, নম্বর, সংকেত ব্যবহার করতে হবে।
- পূর্বের পাসওয়ার্ডের সাথে যাতে না মিল থাকে।
- নিজের জন্য মনে রাখা সহজ কিন্তু অপরের জন্য ধারণা করা কঠিন হবে এমন হতে হবে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং Microsoft website.
১২৪.
যুদ্ধক্ষেত্রে যুদ্ধযানে ড্রাইভারের বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করা হয়-
  1. ক) কন্ট্রোলার
  2. খ) রোবট
  3. গ) জাহাজ
  4. ঘ) রকেট
ব্যাখ্যা
যুদ্ধক্ষেত্রে যুদ্ধযানে ড্রাইভারের বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করা হয় রোবট।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১২৫.
ট্যাম্পারিং আক্রমণ কীভাবে ব্যবহারকারীর গোপনীয়তাকে প্রভাবিত করে?
  1. ব্যবহারকারীর বিবরণ পরিবর্তন করে
  2. ওয়েবসাইটের সার্ভার ডাউন করে
  3. ইমেইল পাসওয়ার্ড চুরি করে
  4. কম্পিউটারের ফাইল চুরি করে
ব্যাখ্যা
• Tampering:
- এটি একটি ওয়েব-ভিত্তিক আক্রমণ, যেখানে আক্রমণকারী ব্যবহারকারীর অজান্তে ওয়েবসাইটের ইউআরএল (URL)-এ কিছু প্যারামিটার পরিবর্তন করে।
- পরিবর্তিত ইউআরএলটি ব্যবহারকারীর কাছে বৈধ বলে মনে হয়।
- হ্যাকাররা সিস্টেমে অবৈধভাবে প্রবেশ বা মূল্যবান তথ্য চুরি করার জন্য ট্যাম্পারিং করে থাকে।
- ট্যাম্পারিং এর মাধ্যমে ব্যবহারকারীর বিবরণ পরিবর্তন করেও ব্যবহারকারীর গোপনীয়তাকে প্রভাবিত করা হয়।
- অবৈধভাবে অনুমোদন লাভ করে, আক্রমণকারী ব্যবহারকারীর প্রবেশ করা কিছু প্যারামিটার পরিবর্তন করে নির্দিষ্ট ইউআরএল বা ওয়েব পৃষ্ঠায়।

উৎস: Computer Applications in Business, নেতাজি সুভাষ মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২৬.
ইন্টারনেটকে কেন্দ্র করে যেসকল অপরাধ সংঘটিত হয় তাদেরকে কী বলে?
  1. নেটওয়ার্কিং ক্রাইম
  2. ওয়েব ক্রাইম
  3. ইন্টারনেট ক্রাইম
  4. সাইবার ক্রাইম
ব্যাখ্যা
• সাইবার ক্রাইম (Cyber Crime):
- কম্পিউটার এবং কমিউনিকেশন টেকনোলজির বিকাশের সাথে সাথে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।
আর ইন্টারনেটকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন ধরনের ক্রাইম সংগঠিত হচ্ছে। এসব ক্রাইমকে বলা হয় সাইবার ক্রাইম।
অর্থাৎ, কোনো সিস্টেমে বিনা অনুমতিতে প্রবেশ করে ফাইল, প্রোগ্রাম, হার্ডওয়্যার বা সফটওয়্যার বিনষ্ট করার জন্য কিছু কম্পিউটার ব্যবহারকারী বা কম্পিউটার প্রোগ্রামার ইলেকট্রনিক উপায়ে বা টেলনেট ব্যবহার করে যে আক্রমণ চালায় তাকে বলা হয় সাইবার ক্রাইম বা সাইবার অপরাধ। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১২৭.
কোনো ব্যক্তি কোনো ডিজিটাল বা ইলেকট্রনিক মাধ্যমে আক্রমণাত্মক, মিথ্যা বা ভীতি প্রদর্শক, তথ্য-উপাত্ত প্রেরণ, প্রকাশ করলে তার কত বছর কারাদণ্ড হতে পারে?
  1. অনধিক ১ বছর
  2. অনধিক ২ বছর
  3. অনধিক ৫ বছর
  4. অনধিক ১০ বছর
ব্যাখ্যা

উৎস: [bdlaws]
১২৮.
বিশ্বে প্রথম সাইবার আইন প্রণেতা হিসেবে কোন দেশ 'কম্পিউটার মিসইউজ অ্যাক্ট ১৯৯০' তৈরি করে?
  1. ইংল্যান্ড
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. ফিনল্যান্ড
  4. সুইজাল্যান্ড
ব্যাখ্যা
• সাইবার ক্রাইম:
- ইন্টারনেট ব্যবহার করে যে অপরাধসমূহ সংঘটিত হয় তাকে সাইবার অপরাধ বা সাইবার ক্রাইম বলে।
- ইংল্যান্ড বিশ্বে প্রথম সাইবার আইন প্রণেতা হিসেবে তৈরি করে ''কম্পিউটার মিসইউজ অ্যাক্ট ১৯৯০''।
- ইংল্যান্ডে জাতীয় ই-অপরাধ ইউনিট গঠন করা হয় ২০০৮ সালে।
- বাংলাদেশে ২০০৬ সালে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন তৈরি করা হয় এবং পরবর্তীতে তা সংশোধন করা হয়।
- ভারতে তথ্যপ্রযুক্তি আইন তৈরি করা হয় ২০০০ সালে।

- উল্লেখযোগ্য কিছু সাইবার অপরাধ হলো:
• হ্যাকিং
• স্প্যামিং
• সাইবার থেফ্ট
• সাইবার বুলি
• স্ফুফিং
• ফিশিং
• ভিশিং
• স্নিকিং
• প্লেজিয়ারিজম

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১২৯.
গোপনে ব্যবহারকারীর চোখ এড়িয়ে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক সিস্টেমে প্রবেশ করে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ তথ্যাদি নিজের আওতায় নিয়ে আসাকে কী বলা হয়?
  1. Spamming
  2. Hacking
  3. Sneaking
  4. Spoofing
ব্যাখ্যা
• স্নিকিং (Sneaking):
- গোপনে বা সন্তর্পণে ব্যবহারকারীর চোখ এড়িয়ে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক সিস্টেমে প্রবেশ করে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ তথ্যাদি নিজের আওতায় নিয়ে আসাকে স্নিকিং (Sneaking) বলে।


• অন্যান্য অপশন আলোচনা:
• স্প্যামিং (Spamming):

- অনাকাঙ্ক্ষিত বা অবাঞ্ছিত ই-মেইল কিংবা মেসেজ পাঠানোকে স্প্যামিং বলে।
- অনাকাঙ্ক্ষিত বাল্ক মেসেজসমূহ ব্যাপকভাবে প্রেরণে ইলেকট্রনিক মেসেজিং সিস্টেমসমূহের ব্যবহার হলো স্প্যাম বা স্প্যামিং।
- এই কাজ যারা করে তাদেরকে স্প্যামার বলা হয়।

• হ্যাকিং (Hacking):
- প্রোগ্রাম রচনা ও প্রয়োগের মাধ্যমে কোনো কম্পিউটার সিস্টেম বা নেটওয়ার্কের ক্ষতিসাধন করাকে হ্যাকিং বলা হয়।
- যে সব ব্যক্তি/ব্যক্তিবর্গ এ ধরনের কর্মে/ অপকর্মের সাথে জড়িত থাকে তাদের হ্যাকার বলে।

• স্পুফিং (Spoofing):
- নেটওয়ার্ক সিকিউরিটির ক্ষেত্রে স্পুফিং আক্রমন হলো এমন একটি অবস্থা যেখানে কোন ব্যক্তি বা একটি পোগ্রাম মিথ্যা বা ভুল তথ্য উপস্থাপনের মাধ্যমে নেটওয়ার্ককে বিভ্রান্ত করে এবং এর সিকিউরিটি সিস্টেমে অনুপ্রবেশ করে অনৈতিকভাবে সুবিধা আদায় করে।
- স্পুফড সাইট হলো প্রকৃত সাইটের প্রায় কাছাকাছি একটি মিরর ইমেজ।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
১৩০.
অ্যাকচুয়েটর হলো রোবটের-
  1. অনুভূতি প্রকাশের ব্যবস্থা
  2. পাওয়ার সিস্টেম
  3. হাত পা নাড়ানোর ব্যবস্থা
  4. ব্রেইন
ব্যাখ্যা
• রোবটিক্স:
- প্রযুক্তির যে শাখায় রোবটের নকশা বা ডিজাইন, গঠন, পরিচালন প্রক্রিয়া, কাজ ও প্রয়োগক্ষেত্র সম্পর্কে আলোচনা করা হয়, সেই শাখাকে রোবটিক্স বলা হয়।
- জোসেফ ফ্রেডরিক এঙ্গেলবার্গকে রোবোটিক্সের জনক বলা হয়।
- রোবটের হাত পা অথবা বিশেষভাবে তৈরি কোন অঙ্গ নড়াচড়া করার জন্য কতগুলো বৈদ্যুতিক মটরের সমন্বয়ে তৈরি বিশেষ ব্যবস্থা হলো  অ্যাকচুয়েটর। একে রোবটের হাত বা পেশী বলেও অভিহিত করা হয়।
- রোবটিক্স শব্দটি এসেছে 'রোবট' শব্দ হতে, যা প্রবর্তিত হয় চেক লেখক ও নাট্যকার কারেল কাপেক এর একটি নাটক থেকে, যা ১৯২০ সালে প্রকাশিত হয়।
- Robot শব্দটি এসেছে স্লাভিক শব্দ Robota থেকে, যার অর্থ হলো 'শ্রমিক'।
- প্রথম রোবট তৈরি করেন আমেরিকান উদ্ভাবক জর্জ চার্লস ডেভল।
- ১৯৫০ সালে তার তৈরি প্রথম ইন্ডাস্ট্রিয়াল রোবটের নাম ছিল ইউনিমেট।
- ইউনিমেট রোবট তৈরির প্রজেক্টের উদ্যোক্তা ছিলেন আমেরিকান জোসেফ ফ্রেডরিক এঙ্গেলবার্গ।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২.  তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১৩১.
নিচের কোনটি একটি সাধারণ স্নিফিং টুল?
  1. Photoshop
  2. Wireshark
  3. Microsoft Word
  4. Google Chrome
ব্যাখ্যা
• Wireshark একটি জনপ্রিয় এবং শক্তিশালী নেটওয়ার্ক প্যাকেট অ্যানালাইজার বা স্নিফিং টুল। এটি নেটওয়ার্কের মাধ্যমে যাওয়া ডেটা প্যাকেট ক্যাপচার করে এবং বিশ্লেষণ করতে ব্যবহৃত হয়। Wireshark নেটওয়ার্ক সিকিউরিটি পরীক্ষা, সমস্যা সমাধান এবং নেটওয়ার্ক অ্যানালাইসিসের জন্য ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।

• স্নিফিং (Sniffing):
- স্নিফিং হলো কমিউনিকেশন লাইনের মধ্য দিয়ে তথ্য আদান-প্রদানের সময় তথ্যকে ক্যাপচার বা হাতিয়ে নেওয়ার একটি পদ্ধতি।
- যে ডিভাইস বা সফটওয়‍্যারের মাধ্যমে এ ধরনের কাজ করা হয় তাকে প্যাকেট স্নিফার (Packet Sniffer) বলে।
- স্নিফিং তারযুক্ত বা তারবিহীন যেকোনো ধরনের কমিউনিকেশনে হতে পারে।
- ডেটাকে এনক্রিপশনের মাধ্যমেই এ ধরনের আক্রমণ থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।

• অন্যান্য অপশনসমূহ সম্পর্কে আলোচনা:
- Microsoft Word একটি ওয়ার্ড প্রসেসিং সফটওয়্যার।
- Google Chrome একটি ওয়েব ব্রাউজার।
- Photoshop একটি ইমেজ এডিটিং সফটওয়্যার।

উৎস:
১. ই-কমার্স, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. Computer Applications in Bussiness, নেতাজি সুভাষ মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩. Wireshark ওয়েবসাইট।
১৩২.
সাইবার সিকিউরিটিতে অজান্তে ও অনুমতি ছাড়া সিস্টেমে প্রবেশ করাকে কী বলা হয়?
  1. স্নিকিং
  2. স্পুফিং
  3. স্প্যামিং
  4. প্লেজিয়ারিজম
ব্যাখ্যা

• সাইবার সিকিউরিটিতে অজান্তে ও অনুমতি ছাড়া কারো সিস্টেমে প্রবেশ করাকে “স্নিকিং” বলা হয়। এটি একটি অবৈধ কর্মকাণ্ড যেখানে হ্যাকার বা অননুমোদিত ব্যক্তি কম্পিউটার, নেটওয়ার্ক বা সার্ভারে প্রবেশ করে তথ্য চুরি, ক্ষতি বা নজরদারি করতে পারে। স্নিকিং সাধারণত ব্যবহারকারীর অনুমতি ছাড়া ঘটে, তাই এটি একটি সাইবার অপরাধের অন্তর্ভুক্ত। স্পুফিং হলো পরিচয় ভাঁওতা করা, স্প্যামিং হলো অবাঞ্ছিত বার্তা প্রেরণ, আর প্লেজিয়ারিজম হলো অন্যের কাজ চুরি করা।
- তাই অনুমতি ছাড়া সিস্টেমে অনুপ্রবেশের ক্ষেত্রে সঠিক উত্তর হলো ক) স্নিকিং।

• সাইবার অপরাধ:
- বিভিন্ন ধরনের সাইবার অপরাধ হয়ে থাকে। নিচে অতি সংক্ষিপ্তভাবে অপরাধসমূহের তালিকা দেওয়া হলো:
- কম্পিউটার সিস্টেম অথবা নেটওয়ার্কে অযাচিত প্রবেশ করা।
- ইলেকট্রনিক ফর্মে থাকা তথ্য চুরি করা।

- প্লেজিয়ারিজম- অন্যের লেখা চুরি করে নিজের নামে চালিয়ে দেওয়া বা প্রকাশ করা।
- স্নিকিং- গোপনে ব্যবহারকারীর চোখ এড়িয়ে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক সিস্টেমে প্রবেশ করে নিজের আওতায় আনা।
- স্পুফিং- ভুল তথ্য দিয়ে নেটওয়ার্ককে বিভ্রান্ত করা।
- ই-মেইল বম্বিং - বিশাল ই-মেইল পাঠানোর মাধ্যমে সিস্টেম ক্র্যাশ করা।
- Salami Attack - অবৈধ আর্থিক বিনিময় কিংবা আর্থিক ক্ষতি সাধন।

- Denial of Service Attack - বেশি পরিমাণেরিকোয়েস্ট পাঠিয়ে সিস্টেম ক্র্যাশ করা।- ভাইরাস/ওয়ার্ম আক্রমণ।
- স্প্যামিং (Spamming): অনাকাঙ্ক্ষিত ও অবাঞ্ছিত ই-মেইল কিংবা মেসেজ পাঠানোকে স্প্যামিং বলে। এই কাজ যারা করে তাদেরকে স্প্যামার বলা হয়।
- লজিক বম্ব - ইভেন্ট নির্ভর প্রোগ্রামের মাধ্যমে সিস্টেমে এ্যাটাক করা।
- ট্রোজান এ্যাটাক - পরোক্ষভাবে কারো সিস্টেমে প্রবেশ করে সিস্টেমের কন্ট্রোল গ্রহণ করা।
- ওয়েব সাইট হ্যাক করে তথ্য পরিবর্তন করা।

উৎস:
১। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, ভোকেশনাল।
২। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১৩৩.
'Cozy Bear' কোন দেশের হ্যাকার গ্রুপ?
  1. রাশিয়া
  2. আপেরিকা
  3. জাপান
  4. সুইডেন
ব্যাখ্যা
- Cozy Bear এবং Fancy Bear একটি রুশ হ্যাকার গ্রুপ।
- Cozy Bear এর বিরুদ্ধে করোনাকালীন যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা এবং যুক্তরাজ্যের ভ্যাক্সিন গবেষণা তথ্যাদি চুরির অভিযোগ রয়েছে।
- Fancy Bear হচ্ছে Cozy Bear এর সহযোগী গ্রুপ।
- Fancy Bear বা APT28 কে GRU, Russia's military intelligence agency অংশ হিসেবে মনে করা হয়।
- মার্কিন নির্বাচনী প্রচারণার সময় ডেমোক্রেটিক ন্যাশনাল কমিটির (ডিএনসি) ওপর সাইবার হামলার সঙ্গে এই গ্রুপের যোগসূত্র রয়েছে।
- Parent organization: either FSB or SVR

উৎস:
১. বিবিসি রিপোর্ট।
৩. The Washington post news report.
২. standard.co.uk
১৩৪.
Which cybercrime uses false information to confuse a network?
  1. Spamming
  2. Spoofing
  3. Sneaking
  4. Trojan Attack
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - খ) Spoofing

সাইবার অপরাধ
- বিভিন্ন ধরনের সাইবার অপরাধ থাকে। সংক্ষিপ্ত তালিকা নিচে দেওয়া হলো:
- প্লেজিয়ারিজম: অন্যের লেখা চুরি করে নিজের নামে ব্যবহার বা প্রকাশ করা। 
- স্নিকিং: গোপনে ব্যবহারকারীর নজর এড়িয়ে সিস্টেমে প্রবেশ করা। 
- স্পুফিং: ভুল তথ্য দিয়ে নেটওয়ার্ককে বিভ্রান্ত করা। 
- ই-মেইল বম্বিং: প্রচুর ই-মেইল পাঠিয়ে সিস্টেম ক্র্যাশ করা। 
- ডেটা ডিডলিং: প্রসেসিং এর আগে ডেটা সরিয়ে রাখা এবং পরে পুনরায় বসানো। 
- সালামি অ্যাটাক: অবৈধ আর্থিক লেনদেন বা ক্ষতি করা। 
- ডিনায়াল অফ সার্ভিস (DoS) অ্যাটাক: বেশি রিকোয়েস্ট পাঠিয়ে সিস্টেম ক্র্যাশ করা। 
- ভাইরাস/ওয়ার্ম আক্রমণ। 
- স্প্যামিং: অনাকাঙ্ক্ষিত ই-মেইল বা মেসেজ পাঠানো; এই কাজের জন্য কেউ স্প্যামার নামে পরিচিত। 
- লজিক বম্ব: ইভেন্ট-নির্ভর প্রোগ্রামের মাধ্যমে সিস্টেমে আক্রমণ। 
- ট্রোজান অ্যাটাক: পরোক্ষভাবে সিস্টেমে প্রবেশ করে নিয়ন্ত্রণ নেওয়া। 
- ইন্টারনেট ব্যবহার সময় বা ইউনিট চুরি করা। 
- ওয়েবসাইট হ্যাক করে তথ্য পরিবর্তন করা। 

উৎস:
১. কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, ভোকেশনাল। 
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান। 

১৩৫.
গুরুত্বপূর্ণ ডেটা ভাইরাস দ্বারা নষ্ট হয়ে গেলে পুনরুদ্ধার করার জন্য কী করা উচিত?
  1. ফরম্যাট করে ফেলা
  2. ব্যাকআপ রাখা
  3. অন্য সফটওয়্যারে কপি করা
  4. ডেটা মুছে ফেলা
ব্যাখ্যা
গুরুত্বপূর্ণ ডেটা সর্বদা ব্যাকআপ রাখা উচিত যেন ভাইরাস এ্যাটাকের ফলে ঐ ডেটা চিরকালের মতো হারিয়ে না যায়।

• সাইবার অপরাধ নিবারণে করণীয়:

- নিজের একান্ত গোপন তথ্য অপরের নিকট উপস্থাপনা থেকে বিরত থাকা উচিত।
- অনলাইনে সর্বদা নিজের বা পরিচিতজনের কোনো ফটোগ্রাফি অচেনা কিংবা কোনো চ্যাটের বন্ধুর নিকট পাঠানো উচিত নয়। কেননা ঐ ধরনের ফটোগ্রাফি কোনো খারাপ কাজে ব্যবহার হতে পারে।
- ভাইরাস এ্যাটাক প্রতিরোধ করতে সর্বদা নতুন এবং আপগ্রেড অ্যান্টি-ভাইরাস ব্যবহার করতে হবে।
- গুরুত্বপূর্ণ ডেটা সর্বদা ব্যাকআপ রাখা উচিত যেন ভাইরাস এ্যাটাকের ফলে ঐ ডেটা চিরকালের মতো হারিয়ে না যায়।
- আর্থিকভাবে ঝুঁকিমুক্ত থাকতে কখনোই কোনো অনিরাপদ ওয়েবসাইটে ক্রেডিট কার্ডের নম্বর প্রদান করা উচিত নয়।
- শিশুরা যেন ইন্টারনেট ব্রাউজিং এর সময় কোনো অযাচিত সাইটে এক্সেস না করে সেজন্য তার ব্রাউজিং এর দিকে সর্বদা নজর রাখা উচিত।
- ব্রাউজিং এর সময় অবশ্যই কোনো সিকিউরিটি প্রোগ্রাম করা উচিত যেগুলো ঝুঁকিসমূহকে নিয়ন্ত্রণ করবে এবং ক্ষতিকর ঝুঁকিগুলো ফেরত পাঠাবে।
- ওয়েব সাইটের অধিকারীগণের সর্বদা এর ট্র্যাফিক এবং এতে কোনো অনিয়মিত কিছু ঘটেছে কিনা তা পরীক্ষা করা।
- ফায়ারওয়াল ব্যবহার করা।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, ভোকেশনাল।
১৩৬.
রোবটিক্সের জনক হিসেবে পরিচিত কে?
  1. জোসেফ এঙ্গেলবার্গার
  2. নিকোলা টেসলা
  3. নরবার্ট উইনার
  4. অ্যালান টুরিং
ব্যাখ্যা

• রোবটিক্সের জনক হিসেবে জোসেফ এঙ্গেলবার্গারকে ধরা হয়। তিনি একজন প্রখ্যাত মার্কিন ইঞ্জিনিয়ার ও উদ্ভাবক, যিনি আধুনিক শিল্প রোবটের প্রবর্তক। ১৯৫০-এর দশকে তিনি প্রথম শিল্প রোবট “ইউনিম্যাট” উদ্ভাবন করেন, যা প্রধানত কারখানায় উৎপাদন কাজের জন্য ব্যবহৃত হতো। তার কাজ রোবটিক্সকে শিল্প ও বৈজ্ঞানিক ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ করে তুলেছে। এঙ্গেলবার্গারের উদ্ভাবন এবং গবেষণা রোবট প্রযুক্তির উন্নয়নে মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত। তিনি রোবটিক্সকে এক আধুনিক বিজ্ঞান হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন এবং আজও তার নামকে রোবটিক্সের সঙ্গে অঙ্গাঙ্গীভাবে যুক্ত করা হয়। তাই সঠিক উত্তর হলো ক) জোসেফ এঙ্গেলবার্গার।

• রোবটিক্স:
- প্রযুক্তির যে শাখায় রোবটের নকশা, ডিজাইন, গঠন, পরিচালন প্রক্রিয়া, কাজ ও প্রয়োগক্ষেত্র সম্পর্কে আলোচনা করা হয় সেই শাখাকে রোবটিক্স বলা হয়।
- রোবটিক্স (Robotics) শব্দটির উৎপত্তি হয়েছে স্লাভিক শব্দ robota (রোবটা) থেকে যার ইংরেজি হলো robot (রোবট)।
- রোবট এর আভিধানিক অর্থ হল শ্রমিক, দাস বা কর্মী।
- চেক লেখক ক্যারেল ক্যাপেক ১৯২১ সালে Rossurovi Univerzilni Roboti নামে একটি সাইন্স ফিকশন গল্প লিখেন যাতে তিনি শ্রমিক বা কর্মী অর্থে সর্বপ্রথম 'robota' শব্দের ব্যবহার করেন।
- ১৯৫০ সালে আমেরিকান প্রকৌশলী, গণিতবিদ ও উদ্যোক্তা যোসেফ ফ্রেডরিক এঙ্গেলবার্গার এবং জর্জ চার্লস ডেভল মিলে সর্বপ্রথম ইউনিমেট (Unimate) নামে শিল্পে ব্যবহার উপযোগী রোবট উদ্ভাবন করেন।
- যোসেফ ফ্রেডরিক এঙ্গেলবার্গারকে রোবটিক্সের জনক বলা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১৩৭.
ফিশিং আক্রমণের ফলে কোন ক্ষতি হতে পারে?
  1. কম্পিউটার ধীর হয়ে যাওয়া
  2. ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ হয়ে যাওয়া
  3. ব্যক্তিগত এবং আর্থিক তথ্য চুরি হয়ে যাওয়া
  4. ইমেল পাঠানো বন্ধ হয়ে যাওয়া
ব্যাখ্যা
• ফিশিং:
- ফিশিং করার অর্থ ই-মেইল বা মেসেজের মাধ্যমে ওয়েবসাইট ব্যবহারকারীকে নকল বা ফেইক ওয়েবসাইটে নিয়ে কৌশলে তার বিশ্বস্ততা অর্জন করা এবং তারপর ব্যবহারকারীর অ্যাকসেস কোড, পিন নম্বর, ক্রেডিট কার্ড নম্বর, পাসওয়ার্ড, ব্যাংক একাউন্ট নম্বরের মতাে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য চুরি করে তাদের নানা ধরনের বিপদে ফেলা।

• প্রতিনিয়ত সংঘটিত হওয়া আরও কিছু সাইবার অপরাধ:
• ভিশিং (Vishing):
- মোবাইল, টেলিফোন, ইন্টারনেট ভিত্তিক বিভিন্ন ফোন বা অডিও ব্যবহার করে ফিশিং করাকে ভিশিং (Vishing) বা ভয়েস ফিশিং (Voice phishing) বলা হয়।

• স্পুফিং (Spoofing):
- নেটওয়ার্ক সিকিউরিটির ক্ষেত্রে স্পুফিং আক্রমন হলো এমন একটি অবস্থা যেখানে কোন ব্যক্তি বা একটি পোগ্রাম মিথ্যা বা ভুল তথ্য উপস্থাপনের মাধ্যমে নেটওয়ার্ককে বিভ্রান্ত করে এবং এর সিকিউরিটি সিস্টেমে অনুপ্রবেশ করে অনৈতিকভাবে সুবিধা আদায় করে।

• স্নিকিং (Sneaking):
- গোপনে ব্যবহারকারীর চোখ এড়িয়ে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক সিস্টেমে প্রবেশ করে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ তথ্যাদি নিজের আওতায় নিয়ে আসাকে স্পিকিং (Sneaking) বলে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১৩৮.
পপ আপ মেসেজ-এর মাধ্যমে সিস্টেমে অকেজো সফটওয়‍্যার ডাউনলোড করার পরামর্শ দেওয়াকে কী বলে?
  1. অ্যাডওয়্যার
  2. স্পাইওয়‍্যার
  3. স্কেয়ারওয়‍্যার
  4. র‍্যানসমওয়্যার
ব্যাখ্যা
• স্কেয়ারওয়‍্যার (Scareware):
- স্কেয়ারওয়‍্যার হলো এক ধরনের হুমকি যেখানে পপ আপ মেসেজ-এর মাধ্যমে সিস্টেমে অকেজো সফটওয়‍্যার ডাউনলোড করার পরামর্শ দেওয়া হয়।
- স্কেয়ারওয়্যারের মূল লক্ষ্য ব্যবহারকারী বা ক্ষতিগ্রস্থদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি করা এবং অপ্রাসঙ্গিক সফটওয়্যার ডাউনলোড করার জন্য তাদের উস্কে দেওয়া।
- এখানে পপ-আপ ডায়ালগটিকে একটি সিস্টেম ডায়ালগ মতোই দেখায়, কিন্তু তারা সেই হিসাবে এক নয়।

• অন্যান্য অপশনসমূহ সম্পর্কে আলোচনা:
- বিজ্ঞাপন সম্পর্কিত ম্যালওয়্যার হলো অ্যাডওয়্যার (Adware).
- স্পাইওয়‍্যার হলো একটি সফটওয়‍্যার যা গোপন এজেন্টের মতো কাজ করে। গুপ্তচরবৃত্তির মূল লক্ষ্য হল ইন্টারনেট ব্যবহার এবং ব্যবহারকারীর অজান্তে তথ্য সংগ্রহ করা।
- র‍্যানসমওয়্যার হলো এক ধরনের হুমকি, যার ফলে আক্রমণকারীরা সিস্টেমে ব্যবহারকারীদের ঢুকতে বাধা দেয় এবং তারপরে এই সীমাবদ্ধতা অপসারণের জন্য কিছু পরিমাণ অর্থ দাবি করে। 

উৎস: Computer Applications in Business, নেতাজি সুভাষ মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩৯.
DDoS আক্রমণের মূল উদ্দেশ্য কী?
  1. ডেটা চুরি করা
  2. সিস্টেমে অনধিকার প্রবেশ করা
  3. সার্ভার বা নেটওয়ার্ক অবরুদ্ধ করা
  4. ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহ করা
ব্যাখ্যা

◉ DDoS (Distributed Denial of Service) আক্রমণ হলো এমন একটি সাইবার আক্রমণ যেখানে আক্রমণকারী একটি সার্ভার বা নেটওয়ার্কে প্রচুর পরিমাণে ট্রাফিক পাঠিয়ে তা অকার্যকর করে দেয়।

DDoS Attack:
- DDoS এর পূর্ণরূপ Distributed Denial of Service.
- DDoS Attack হলো এক ধরণের সাইবার অপরাধ।
- DoS হলো এক ধরনের সাইবার আক্রমণ যেখানে হ্যাকার ডিভাইসের স্বাভাবিক কার্যকারিতা বাধাগ্রস্ত করে একটি কম্পিউটার বা অন্য ডিভাইসকে তার উদ্দেশ্য ব্যবহারকারীদের কাছ থেকে দূরে রাখে।
- কোনো কম্পিউটার সিস্টেম বা ইন্টারনেট ওয়েবসাইটে এই আক্রমণ চালানোর মাধ্যমে ঐ সিস্টেম বা সাইটের যথাযথ কার্যক্রমকে ধীর গতির, বা অনেক ক্ষেত্রে পুরোপুরি বন্ধ করে দেয়া হয়।
- DoS দ্বারা একটি নেটওয়ার্ককে আক্রমন করা যায় এবং DDoS দ্বারা একাধিক নেটওয়ার্কেকে আক্রমন করা যায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১৪০.
কোন সাইবার আক্রমণে অতিরিক্ত ট্রাফিক পাঠিয়ে সার্ভার অচল করে দেওয়া হয়?
  1. Evil Twin Attack
  2. Phishing
  3. DDoS Attack
  4. Ransomware
ব্যাখ্যা

• DDoS Attack- এই আক্রমণে অসংখ্য ডিভাইস থেকে একসাথে এত বেশি রিকোয়েস্ট পাঠানো হয় যে সার্ভারটি সেই চাপ সামলাতে না পেরে ডাউন হয়ে যায়। এর মূল লক্ষ্য হলো নির্দিষ্ট কোনো ওয়েবসাইট বা অনলাইন পরিষেবাকে সাধারণ ব্যবহারকারীদের জন্য ব্যবহারের অযোগ্য করে তোলা।

• DDoS Attack:

- DDoS এর পূর্ণরূপ Distributed Denial of Service.
- DDoS Attack হলো এক ধরণের সাইবার অপরাধ।
- DoS হলো এক ধরনের সাইবার আক্রমণ যেখানে হ্যাকার ডিভাইসের স্বাভাবিক কার্যকারিতা বাধাগ্রস্ত করে একটি কম্পিউটার বা অন্য ডিভাইসকে তার উদ্দেশ্য ব্যবহারকারীদের কাছ থেকে দূরে রাখে।
- কোনো কম্পিউটার সিস্টেম বা ইন্টারনেট ওয়েবসাইটে এই আক্রমণ চালানোর মাধ্যমে ঐ সিস্টেম বা সাইটের যথাযথ কার্যক্রমকে ধীর গতির, বা অনেক ক্ষেত্রে পুরোপুরি বন্ধ করে দেয়া হয়।
- DoS দ্বারা একটি নেটওয়ার্ককে আক্রমন করা যায় এবং DDoS দ্বারা একাধিক নেটওয়ার্কেকে আক্রমন করা যায়।

• উল্লেখযোগ্য কিছু সাইবার অপরাধ হলো:
- হ্যাকিং,
- স্প্যামিং,
- সাইবার থেফ্ট,
- সাইবার বুলি,
- স্ফুফিং,
- ফিশিং,
- ভিশিং,
- স্নিকিং,
- প্লেজিয়ারিজম ইত্যাদি।

অন্যান্য অপশন:
- Evil Twin Attack: একটি ভুয়া ওয়াইফাই নেটওয়ার্ক তৈরি করে তথ্য চুরির কৌশল।
- Phishing: এটি ছদ্মবেশ ধারণ করে প্রতারণার মাধ্যমে ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত তথ্য হাতিয়ে নেওয়ার পদ্ধতি।
- Ransomware: এক ধরনের ক্ষতিকারক সফটওয়্যার যা ব্যবহারকারীর ফাইল লক করে মুক্তিপণ দাবি করে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান। ব্রিটানিকা।

১৪১.
ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে লগইন এবং পাসওয়ার্ড দেয়া কী নামে পরিচিত?
  1. ক) Authorization
  2. খ) Configuration
  3. গ) Filtering
  4. ঘ) Authentication
ব্যাখ্যা
লগইন নাম ও পাসওয়ার্ড যাচাইকরণকে Authentication বলা হয়। 

- Authentication is the process of identifying an individual process or entity that is attempting to log in to a secure domain. 
- Every person when he logs into an account, page or any website he needs to give a login name and password.

Source: ibm.com
১৪২.
সনি কর্পোরেশনের তৈরি রোবট কোনটি?
  1. মুরাতা বয়
  2. আসিমো
  3. কিউরিও
  4. সোফিয়া
ব্যাখ্যা
• রোবটিক্স:
- প্রযুক্তির যে শাখায় রোবটের নকশা বা ডিজাইন, গঠন, পরিচালন প্রক্রিয়া, কাজ ও প্রয়োগক্ষেত্র সম্পর্কে আলোচনা করা হয়, সেই শাখাকে রোবটিক্স বলা হয়।
- রোবটিক্স শব্দটি এসেছে 'রোবট' শব্দ হতে, যা প্রবর্তিত হয় চেক লেখক ও নাট্যকার কারেল কাপেক এর একটি নাটক থেকে, যা ১৯২০ সালে প্রকাশিত হয়।
- রোবট হলো কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত যন্ত্র বা যন্ত্রমানব, যা মানুষের অনেক দুঃসাধ্য ও কঠিন কাজ স্বয়ংক্রিয়ভাবে করতে পারে।
- Robot শব্দটি এসেছে স্লাভিক শব্দ Robota থেকে, যার অর্থ হলো 'শ্রমিক'।
- অক্সফোর্ড ইংলিশ ডিকশনারি অনুযায়ী 'রোবটিক্স' শব্দটি সর্বপ্রথম ব্যবহার করা হয় ১৯৪১ সালে প্রকাশিত 'আইজাক অসিমভ' এর সায়েন্স ফিকশন 'লায়ার'-এ।
- প্রথম রোবট তৈরি করেন আমেরিকান উদ্ভাবক জর্জ চার্লস ডেভল।
- ১৯৫০ সালে তার তৈরি প্রথম ইন্ডাস্ট্রিয়াল রোবটের নাম ছিল ইউনিমেট।
- ইউনিমেট রোবট তৈরির প্রজেক্টের উদ্যোক্তা ছিলেন আমেরিকান জোসেফ ফ্রেডরিক এঙ্গেলবার্গ।
- জোসেফ ফ্রেডরিক এঙ্গেলবার্গকে রোবোটিক্সের জনক বলা হয়।

• জাপানের মুরাতা কোম্পানির রোবট 'মুরাতা বয়'।
• হোন্ডা কোম্পানির রোবট 'আসিমো'।
• সনি কর্পোরেশনের রোবট 'কিউরিও'।
• সোফিয়া হচ্ছে হ্যানসন রোবটিক্স এর তৈরি রোবট।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
১৪৩.
ইন্টারনেটের মাধ্যমে কাউকে হুমকি দেয়াকে কী বলে?
  1. Cyberstalking
  2. Spamming
  3. Piracy
  4. Phishing
ব্যাখ্যা
• ইন্টারনেটের মাধ্যমে কাউকে হুমকি দেয়াকে Cyberstalking বলে।

• সাইবার ক্রাইম:
- ইন্টারনেট ব্যবহার করে যে অপরাধসমূহ সংঘটিত হয় তাকে সাইবার অপরাধ বা সাইবার ক্রাইম বলে।
- ইংল্যান্ড বিশ্বে প্রথম সাইবার আইন প্রণেতা হিসেবে তৈরি করে "কম্পিউটার মিসইউজ অ্যাক্ট ১৯৯০"।
- ইংল্যান্ডে জাতীয় ই-অপরাধ ইউনিট গঠন করা হয় ২০০৮ সালে।
- বাংলাদেশে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিল করে ২০২৩ সালে সাইবার নিরাপত্তা আইন তৈরি করা হয়।
- ভারতে তথ্যপ্রযুক্তি আইন তৈরি করা হয় ২০০০ সালে।

• উল্লেখযোগ্য কিছু সাইবার অপরাধ হলো:
- হ্যাকিং
- স্প্যামিং
- সাইবার থেফ্ট
- সাইবার বুলি
- স্ফুফিং
- ফিশিং
- ভিশিং
- স্নিকিং
- প্লেজিয়ারিজম
- Cyberstalking,
- DDoS Attacks প্রভৃতি

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১৪৪.
NVIDIA-এর DLSS প্রযুক্তির পূর্ণরূপ কী?
  1. Deep Learning Super Sampling
  2. Deep Level Simulation Software
  3. Dynamic Lighting and Shadow System
  4. Direct Linear Shader Scaling
ব্যাখ্যা

• NVIDIA-এর DLSS প্রযুক্তির পূর্ণরূপ হলো Deep Learning Super Sampling. এটি একটি উন্নত গ্রাফিক্স রেন্ডারিং প্রযুক্তি, যা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং মেশিন লার্নিং ব্যবহার করে গেম বা ভিজ্যুয়াল কনটেন্টের রেজোলিউশন উন্নত করে। মূলত, DLSS কম রেজোলিউশনে রেন্ডার করা ইমেজকে AI মডেলের মাধ্যমে উচ্চ রেজোলিউশনে রূপান্তরিত করে, ফলে গ্রাফিক্সের গুণগত মান বাড়ে এবং ফ্রেমরেটও উন্নত হয়। এই প্রযুক্তি বিশেষভাবে হাই-এন্ড গেমিং এবং রিয়েল-টাইম 3D রেন্ডারিংয়ে ব্যবহৃত হয়, যেখানে কম হার্ডওয়্যার রিসোর্সে চমৎকার ভিজ্যুয়াল অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করা যায়। তাই DLSS গ্রাফিক্স পারফরম্যান্স এবং ভিজ্যুয়াল কোয়ালিটির মধ্যে সঠিক ভারসাম্য তৈরি করে।

- সঠিক উত্তর: ক) Deep Learning Super Sampling.

এনভিডিয়া (NVIDIA):
- বিশ্বের প্রথম কোম্পানি হিসেবে ৪ ট্রিলিয়ন ডলার তথা ৪ লাখ কোটি ডলারের মাইলফলক ছুঁয়েছে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান এনভিডিয়া।
- মূলত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক প্রযুক্তির চাহিদা বাড়তে থাকায় এই কোম্পানির শেয়ারদরও বেশ বেড়েছে। 
- যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক এই কোম্পানিটি ২০২৩ সালের জুনে প্রথমবার ১ ট্রিলিয়ন ডলারের বাজারমূল্যে পৌঁছায়।
- তারপর থেকে তাদের শেয়ারের দাম দ্রুত বাড়তে থাকে।

উল্লেখ্য,
- NVIDIA ১৯৯৩ সালে জেনসেন হুয়াং (Jensen Huang), ক্রিস মালাকোভস্কি (Chris Malachowsky), এবং কার্টিস প্রিয়েম (Curtis Priem) দ্বারা প্রতিষ্ঠিত।
- এটি বিশ্বব্যাপী কম্পিউটার গ্রাফিক্স, গেমিং, এবং আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের (AI) ক্ষেত্রে একটি অগ্রণী প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচিত।
- NVIDIA-এর সবচেয়ে জনপ্রিয় পণ্য হলো GPU (Graphics Processing Unit), যা মূলত গ্রাফিক্স প্রক্রিয়াকরণে ব্যবহৃত হয়।

তথ্যসূত্র-
- NVIDIA. [link]
- DLSS. [link]

১৪৫.
যে আক্রমণে নির্দিষ্ট কোনো ইভেন্ট সংঘটিত হলে প্রোগ্রাম স্বয়ংক্রিয়ভাবে ক্ষতিকর কার্য সম্পাদন করে, তাকে কী বলা হয়?
  1. লজিক বম্ব
  2. ট্রোজান এ্যাটাক
  3. ডাটা ডিডলিং
  4. সালামি এ্যাটাক
ব্যাখ্যা

• লজিক বম্ব হলো ইভেন্ট নির্ভর ক্ষতিকর প্রোগ্রাম, যা নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ হলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে সিস্টেমে আক্রমণ চালায়।

• সাইবার অপরাধ (Different cyber crimes):
- কোন অপরাধমূলক কাজ যেখানে কম্পিউটারকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হয় কিংবা অপরাধের জন্য কম্পিউটারকে টার্গেট করা হয় অথবা কম্পিউটারের দ্বারা অপরাধ করার পরবর্তীতে তার সাপেক্ষে অন্য কোনো অপরাধ করা হয়, এ সকল অপরাধই সাইবার ক্রাইমের অন্তর্ভুক্ত।

• বিভিন্ন ধরনের সাইবার অপরাধ:
- কম্পিউটার সিস্টেম অথবা নেটওয়ার্কে অযাচিত প্রবেশ করা।
- ইলেকট্রনিক ফর্মে থাকা তথ্য চুরি করা।
- ই-মেইল বম্বিং।
- বিশাল ই-মেইল পাঠানোর মাধ্যমে সিস্টেম ক্র্যাশ করা।
- Data diddling: কম্পিউটার প্রসেসিং এর পূর্বে কোন ডেটাকে কম্পিউটার থেকে সরিয়ে ফেলা এবং প্রসেসিং সম্পন্ন হবার পর পুনরায় সে ডেটাকে কম্পিউটারে স্থাপন করা।
- Salami Attack: অবৈধ আর্থিক বিনিময় কিংবা আর্থিক ক্ষতি সাধন।
- Denial of Service (DoS) Attack: অতিরিক্ত অনুরোধ পাঠিয়ে সিস্টেম অকার্যকর করা।
- ভাইরাস/ওয়ার্ম আক্রমণ।
- লজিক বম্ব: ইভেন্ট নির্ভর প্রোগ্রামের মাধ্যমে সিস্টেমে এ্যাটাক করা।
- ট্রোজান এ্যাটাক: পরোক্ষভাবে কারো সিস্টেমে প্রবেশ করে সিস্টেমের কন্ট্রোল গ্রহণ করা।
- ইন্টারনেটের ব্যবহার্য সময় বা ইউনিট চুরি।
- ওয়েব সাইট হ্যাক করে তথ্য পরিবর্তন করা।

• অন্যান্য অপশন:
- ট্রোজান এ্যাটাক → পরোক্ষভাবে সিস্টেমে প্রবেশ করে নিয়ন্ত্রণ গ্রহণের কৌশল।
- ডাটা ডিডলিং → প্রসেসিংয়ের আগে ও পরে ডেটা পরিবর্তন সংক্রান্ত অপরাধ।
- সালামি এ্যাটাক → ক্ষুদ্র পরিমাণ অর্থ অবৈধভাবে স্থানান্তর করে আর্থিক ক্ষতি সাধন।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।

১৪৬.
অবৈধ কাজ এবং ইনফরমেশন চুরি করে কোন ধরনের হ্যাকার?
  1. ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকার
  2. গ্রে হ্যাট হ্যাকার
  3. হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার
  4. গ্রিন হ্যাট হ্যাকার
ব্যাখ্যা
• অবৈধ কাজ এবং ইনফরমেশন চুরি করে ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকাররা।

• হ্যাকিং:

- প্রোগ্রাম রচনা ও প্রয়োগের মাধ্যমে কোনো কম্পিউটার সিস্টেম বা নেটওয়ার্কের ক্ষতিসাধন করাকে হ্যাকিং বলা হয়।
- বর্তমানে প্রধানত তিন ধরনের হ্যাকার দেখতে পাওয়া যায়। যথা:

১. ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকার:
- একজন Black hat hacker যখন কোন একটি সিকিউরিটি সিস্টেমের ত্রুটি খুঁজে বের করে, তখন দ্রুত ঐ ত্রুটি কে নিজের স্বার্থে কাজে লাগায়।
- বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য, আর্থিক তথ্যাদি হাতিয়ে নিয়ে আর্থিক ক্ষতিসাধন করে।

২. গ্রে হ্যাট হ্যাকার:
- এ ধরনের হ্যাকাররা দুই ধরনের বৈধ এবং অবৈধ দুই ধরনের কাজ করতে পারে।
- একজন গ্রে হ্যাট হ্যাকার যখন একটি সিকিউরিটি সিস্টেমের ত্রুটি গুলো খুঁজে বের করে তখন সে তার মন মত কাজ করে।
- এরা নেটওয়ার্কের দুর্বলতাকে খুঁজে বের করে তা যথাযথ কর্তৃপক্ষকে অবহিত করে এবং দুর্বল দিকগুলোকে ঠিক করার মাধ্যমে নেটওয়ার্কের সুরক্ষার জন্য কাজ করে অর্থ উপার্জন করে।

৩. হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার:
- একজন হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার একটি সিকিউরিটি সিস্টেমের ত্রুটি গুলো বের করে এবং ঐ সিকিউরিটি সিস্টেমের মালিককে ত্রুটির বিষয়ে দ্রুত অবহতি করে।
- সিকিউরিটি সিস্টেমটি হতে পারে একটি কম্পিউটার, একটি কম্পিউটার নেটওয়ার্ক, একটি ওয়েবসাইট, একটি সফটওয়্যার ইত্যাদি।

• গ্রিন হ্যাট হ্যাকার নামে কোনো হ্যাকার গ্রুপের অস্থিত নেই।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
১৪৭.
'সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩' এর ধারা কয়টি?
  1. ৪টি
  2. ১৭ টি
  3. ২১টি
  4. ৬০টি
ব্যাখ্যা
• 'সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩':
- সাইবার নিরাপত্তা নিশ্চিত, ডিজিটাল বা ইলেকট্রনিক মাধ্যমে সংঘটিত অপরাধ শনাক্ত, প্রতিরোধ, দমন ও এই অপরাধের বিচার এবং আনুতোষিক বিষয়ে নতুন বিধান প্রণয়নের উদ্দেশ্যে জাতীয় সংসদে ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ 'সাইবার নিরাপত্তা বিল-২০২৩' পাস হয়।
- পূর্বের ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের ২টি ধারা বাতিল করে নতুন আইনে ৬০টি ধারা করা হয়।

• অজামিনযোগ্য ধারা:
- ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের কার্যক্রম স্থগিত করে নতুন এই আইনে চারটি অজামিনযোগ্য ধারা রাখা হয়েছে।

ধারাগুলো হলো:
ধারা-১৭: গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামোতে বে-আইনি প্রবেশ।
ধারা-১৯: কম্পিউটার, কম্পিউটার সিস্টেম, ইত্যাদির ক্ষতিসাধন ও দণ্ড।
ধারা-২৭: সাইবার সন্ত্রাসীকার্য সংঘটনের অপরাধ ও দণ্ড।
ধারা-৩২: হ্যাকিং সংক্রান্ত অপরাধ ও দণ্ড।

উৎস: বাসস (১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৩)
১৪৮.
নিচের কোনটি সাইবার অপরাধ নয়?
  1. Data diddling
  2. Trojan Horse
  3. Debugging
  4. Denial of Service Attack
ব্যাখ্যা

- Debugging সাইবার অপরাধ নয়। এটি প্রোগ্রামিং এর ভুল ত্রুটি খুঁজে বের করে তা দূর করে থাকে ।

• সাইবার অপরাধ :
বিভিন্ন ধরনের সাইবার অপরাধ হয়ে থাকে। নিচে অতি সংক্ষিপ্তভাবে অপরাধসমূহের তালিকা দেওয়া হলো:
- কম্পিউটার সিস্টেম অথবা নেটওয়ার্কে অযাচিত প্রবেশ করা।
- ইলেকট্রনিক ফর্মে থাকা তথ্য চুরি করা।
- প্লেজিয়ারিজম- অন্যের লেখা চুরি করে নিজের নামে চালিয়ে দেওয়া বা প্রকাশ করা।
- স্মিকিং- গোপনে ব্যবহারকারীর চোখ এড়িয়ে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক সিস্টেমে প্রবেশ করে নিজের আওতায় আনা।
- ই-মেইল বম্বিং (বিশাল ই-মেইল পাঠানোর মাধ্যমে সিস্টেম ক্র্যাশ করা)।
- Data diddling (কম্পিউটার প্রসেসিং এর পূর্বে কোন ডেটাকে কম্পিউটার থেকে সরিয়ে ফেলা এবং প্রসেসিং সম্পন্ন হবার পর পুনরায় সে ডেটাকে কম্পিউটারে স্থাপন করা।
- Salami Attack (অবৈধ আর্থিক বিনিময় কিংবা আর্থিক ক্ষতি সাধন।)
- Denial of Service Attack (বেশি পরিমাণে রিকোয়েস্ট পাঠায়ে সিস্টেম ক্র্যাশ করা)।
- ভাইরাস/ওয়ার্ম আক্রমণ।
- লজিক বম্ব (ইভেন্ট নির্ভর প্রোগ্রামের মাধ্যমে সিস্টেমে এ্যাটাক করা)।
- ট্রোজান এ্যাটাক (পরোক্ষভাবে কারো সিস্টেমে প্রবেশ করে সিস্টেমের কন্ট্রোল গ্রহণ করা।
- ইন্টারনেটের ব্যবহার্য সময় বা ইউনিট চুরি।
- ওয়েব সাইট হ্যাক করে তথ্য পরিবর্তন করা।

উৎস:
- কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, ভোকেশনাল ৷
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১৪৯.
ভাইরাস সফটওয়ার এর নামকরণ করেন কে?
  1. ক) ফ্রেডরিখ ভন
  2. খ) রবার্ট হুক
  3. গ) মার্টিন কুপার
  4. ঘ) ফ্রেড কোহেন
ব্যাখ্যা
কম্পিউটার ভাইরাস
কম্পিউটার ভাইরাস হলো এক ধরনের প্রোগ্রাম যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে এক্সিকিউট বা নির্বাহ হয়, তথ্য ও উপাত্তকে আক্রমণ করে এগুলোর ক্ষতি করে।

ভাইরাস বা VIRUS শব্দের অর্থ হল “Vital Information Resources Under Seize.” যার অর্থ হল গুরুত্বপূর্ণ তথ্যসমূহ দখলে নেয়া বা ক্ষতিসাধন করা।

ভাইরাস কম্পিউটার এর ডাটা ফাইল নষ্ট করে ফেলে বা কম্পিউটার বুট হতে বাঁধা দেয় অথবা হার্ডডিস্ক নষ্ট করে ফেলতে পারে ।

১৯৮০ সালে ভাইরাসের এ নামকরণ করেছেন প্রখ্যাত গবেষক ও অধ্যাপক ফ্রেড কোহেন
ভাইরাস নামক সফ্টওয়্যার কম্পিউটার এর তথ্য ও উপাত্তকে আক্রমণ করে এবং নিজের সংখ্যা বৃদ্ধি করার ক্ষমতা রয়েছে এবং এক পর্যায়ে কম্পিউটারকে অচল করে দিতে পারে ।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই ( এইচ এস সি প্রোগ্রাম), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৫০.
কোন হ্যাকার একটি সিকিউরিটি সিস্টেমের ত্রুটি গুলো বের করে এবং ঐ সিকিউরিটি সিস্টেমের মালিককে ত্রুটির বিষয়ে দ্রুত অবহিত করে?
  1. White hat hacker
  2. Black hat hacker
  3. Grey hat hacker
  4. Red hat hacker
ব্যাখ্যা
• হ্যাকিং (Hacking):
- প্রোগ্রাম রচনা ও প্রয়োগের মাধ্যমে কোনো কম্পিউটার সিস্টেম বা নেটওয়ার্কের ক্ষতিসাধন করাকে হ্যাকিং বলা হয়। 
- বর্তমানে প্রধানত তিন ধরনের হ্যাকার দেখতে পাওয়া যায়।
যথা:
 
• গ্রে হ্যাট হ্যাকার (Grey hat hacker):
- এ ধরনের হ্যাকাররা বৈধ (Legal) ও অবৈধ (Illegal) দুই ধরনের কাজ করতে পারে। 
- একজন Grey hat hacker যখন একটি সিকিউরিটি সিস্টেমের ত্রুটি গুলো খুঁজে বের করে তখন সে তার মন মত কাজ করে। 
- এরা নেটওয়ার্কের দুর্বলতাকে খুঁজে বের করে তা যথাযথ কর্তৃপক্ষকে অবহিত করে এবং দুর্বল দিকগুলোকে ঠিক করার মাধ্যমে নেটওয়ার্কের সুরক্ষার জন্য কাজ করে অর্থ উপার্জন করে।
 
• ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকার (Black hat hacker):
- একজন Black hat hacker যখন কোন একটি সিকিউরিটি সিস্টেমের ত্রুটি খুঁজে বের করে, তখন দ্রুত ঐ ত্রুটি কে নিজের স্বার্থে কাজে লাগায়। 
- বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য, আর্থিক তথ্যাদি হাতিয়ে নিয়ে আর্থিক ক্ষতিসাধন করে।
 
• হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার (White hat hacker):
- একজন white hat hacker একটি সিকিউরিটি সিস্টেমের ত্রুটি গুলো বের করে এবং ঐ সিকিউরিটি সিস্টেমের মালিককে ত্রুটির বিষয়ে দ্রুত অবহিত করে।
- সিকিউরিটি সিস্টেমটি হতে পারে একটি কম্পিউটার, একটি কম্পিউটার নেটওয়ার্ক, একটি ওয়েবসাইট, একটি সফটওয়্যার ইত্যাদি।
 
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
১৫১.
'Copyright' শব্দের বাংলা প্রতিশব্দ কি?
  1. ক) অনুলিপি
  2. খ) গ্রন্থস্বত্ব
  3. গ) আইন
  4. ঘ) প্রতিলিপি
ব্যাখ্যা
- কপিরাইট (Copyright) শব্দের বাংলা প্রতিশব্দ হচ্ছে গ্রন্থস্বত্ব।

• কপিরাইট (Copyright): 
- একজন লেখকের রচিত পুস্তক বা গ্রন্থের বা বইয়ের উপর তার মুদ্রণ, পুন:মুদ্রণ ও প্রকাশের অধিকারকে কপিরাইট বলে।
- কপিরাইট আইন দ্বারা সৃজনশীল কাজের মেধাস্বত্ব সংরক্ষিত হয়।
- কপিরাইট শব্দের বাংলা প্রতিশব্দ গ্রন্থস্বত্ব।
- কপিরাইটের মাধ্যমে সাহিত্য, শিল্পকর্ম ও অন্যান্য শিল্পকলা সৃষ্টিকারীর সৃষ্ট মেধাসম্পদ ব্যবহারের একচ্ছত্র অধিকার প্রদান করা হয়। 
- কপিরাইট আইন দ্বারা একজনের বুদ্ধিবৃত্তিক বা মস্তিস্কজাত সৃষ্টিকে নকল বা পাইরেসি বা অন্যায় অনুসরণ হতে অন্য কাউকে বিরত রাখে।
- গল্প, নাটক, প্রবন্ধ, কবিতা, জাতীয় সাহিত্যকর্ম, চিত্রকর্ম, চলচ্চিত্র, সঙ্গীত, ভাস্কর্য, স্থাপত্যকলা, কপিরাইট দ্বারা সংরক্ষিত হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি।
১৫২.
ট্রোজান অ্যাটাকের চিহ্ন এবং বৈশিষ্ট্য কীভাবে চিনবেন?
  1. গোপনে সিস্টেমের নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ করা
  2. অবৈধ আর্থিক বিনিময় বা ক্ষতি সাধন করা
  3. ভাইরাস দ্বারা ডাটা মুছে ফেলা
  4. সিস্টেম ক্র্যাশ করা
ব্যাখ্যা

• ট্রোজান অ্যাটাকের চিহ্ন ও বৈশিষ্ট্য শনাক্ত করতে কিছু সাধারণ লক্ষণ লক্ষ্য করা যায়। প্রথমত, ট্রোজান গোপনে সিস্টেমের নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ করে, ফলে ব্যবহারকারীর অজান্তেই ফাইল অ্যাক্সেস, সফটওয়্যার ইনস্টল বা তথ্য চুরি হতে পারে। দ্বিতীয়ত, এটি অবৈধ আর্থিক বিনিময় বা আর্থিক ক্ষতি সাধন করতে পারে, যেমন ব্যাংক তথ্য চুরি বা অননুমোদিত লেনদেন। তৃতীয়ত, ট্রোজান ভাইরাস ডাটা মুছে ফেলতে বা ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে, যার ফলে গুরুত্বপূর্ণ ফাইল হারানোর ঝুঁকি থাকে। চতুর্থত, সিস্টেম ধীর হয়ে যাওয়া, হঠাৎ ক্র্যাশ বা অস্বাভাবিক আচরণ ট্রোজান আক্রমণের একটি স্পষ্ট ইঙ্গিত।

• সাইবার অপরাধ:
বিভিন্ন ধরনের সাইবার অপরাধ হয়ে থাকে। নিচে অতি সংক্ষিপ্তভাবে অপরাধসমূহের তালিকা দেওয়া হলো:
- কম্পিউটার সিস্টেম অথবা নেটওয়ার্কে অযাচিত প্রবেশ করা।
- ইলেকট্রনিক ফর্মে থাকা তথ্য চুরি করা।
- প্লেজিয়ারিজম- অন্যের লেখা চুরি করে নিজের নামে চালিয়ে দেওয়া বা প্রকাশ করা।
- স্নিকিং- গোপনে ব্যবহারকারীর চোখ এড়িয়ে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক সিস্টেমে প্রবেশ করে নিজের আওতায় আনা।
- ই-মেইল বম্বিং (বিশাল ই-মেইল পাঠানোর মাধ্যমে সিস্টেম ক্র্যাশ করা)।

- Data diddling (কম্পিউটার প্রসেসিং এর পূর্বে কোন ডেটাকে কম্পিউটার থেকে সরিয়ে ফেলা এবং প্রসেসিং সম্পন্ন হবার পর পুনরায় সে ডেটাকে কম্পিউটারে স্থাপন করা।)
- Salami Attack (অবৈধ আর্থিক বিনিময় কিংবা আর্থিক ক্ষতি সাধন।)
- Denial of Service Attack (বেশি পরিমাণে রিকোয়েস্ট পাঠায়ে সিস্টেম ক্র্যাশ করা)।

- ভাইরাস/ওয়ার্ম আক্রমণ।
- লজিক বম্ব (ইভেন্ট নির্ভর প্রোগ্রামের মাধ্যমে সিস্টেমে এ্যাটাক করা)।
- ট্রোজান এ্যাটাক (পরোক্ষভাবে কারো সিস্টেমে প্রবেশ করে সিস্টেমের কন্ট্রোল গ্রহণ করা।
- ইন্টারনেটের ব্যবহার্য সময় বা ইউনিট চুরি।
- ওয়েব সাইট হ্যাক করে তথ্য পরিবর্তন করা।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, ভোকেশনাল।
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১৫৩.
নিম্নলিখিত কোনটি ইভসড্রপিং আক্রমণের উদাহরণ?
  1. ডাটা এনক্রিপশন
  2. অননুমোদিতভাবে নেটওয়ার্ক ট্র্যাফিক শোনা
  3. পাসওয়ার্ড রিসেট করা
  4. ফায়ারওয়াল ইনস্টল করা
ব্যাখ্যা
• ইভসড্রপিং আক্রমণের উদাহরণ হলো- অননুমোদিতভাবে নেটওয়ার্ক ট্র্যাফিক শোনা।

• ইভসড্রপিং (Eavesdropping):
- এই আক্রমণে আক্রমণকারী ব্যবহারকারীর অনুমতি ছাড়াই, তার অজ্ঞাতে সিস্টেম বা নেটওয়ার্কের কথোপকথন শুনে এবং সেই তথ্যটি প্রতিযোগী সংস্থা বা শত্রু সংস্থার কাছে পৌঁছে দেয়।
- এটি একটি প্যাসিভ আক্রমণ, যেখানে আক্রমণকারী গোপনীয়তা বজায় রেখে পর্যবেক্ষণ করে এবং কম্পিউটার, স্মার্টফোন বা নেটওয়ার্কে যুক্ত অন্যান্য ডিভাইস থেকে তথ্য চুরি করে।
- পরবর্তীতে, এই তথ্য নেটওয়ার্ক সম্পর্কে প্রয়োজনীয় সবকিছু জানিয়ে সক্রিয় আক্রমণও চালানো হতে পারে।
- কার্নিভো এবং নারুসের মতো বিভিন্ন প্রোগ্রাম বা সফটওয়্যার এই উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হয়।
- পাবলিক ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্কগুলি এই ধরনের আক্রমণের জন্য সহজ টার্গেট, কারণ যে কেউ সেই নেটওয়ার্কে সংযুক্ত হতে পারে এবং পাসওয়ার্ড অর্জন করতে পারে।
- ইভসড্রপিং ওয়্যারলেস সেন্সর নেটওয়ার্ক এবং ইন্টারনেট অফ থিংসের জন্য একটি মারাত্মক হুমকি।

উৎস: Computer Applications in Bussiness, নেতাজি সুভাষ মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৫৪.
রোবট যে নির্দিষ্ট কাজের জন্য তৈরি হয়, তার উপর ভিত্তি করে কোনটি নির্ধারিত হয়?
  1. সফটওয়্যার লাইসেন্স
  2. বিদ্যুৎ সরবরাহ
  3. যান্ত্রিক গঠন
  4. নেটওয়ার্ক সংযোগ 
ব্যাখ্যা

• রোবট যে নির্দিষ্ট কাজের জন্য তৈরি হয়, সেই কাজের ধরন অনুযায়ী তার যান্ত্রিক গঠন নির্ধারিত হয়।

• রোবটের গঠন (Structure of Robot):
- রোবটের গঠন সাধারণত তিনটি নির্দিষ্ট বিষয়ের উপর ভিত্তি করে নির্ধারিত হয়।
 
• ১. যান্ত্রিক গঠন (Mechanical Structure):
- একটি রোবট যে নির্দিষ্ট কাজ করার জন্য তৈরি হয়, সেই কাজের ধরন অনুযায়ী তার যান্ত্রিক গঠন নির্ধারিত হয়।
- এতে রোবটের আকৃতি, চলাচলের ধরন ও অংশগুলোর বিন্যাস অন্তর্ভুক্ত থাকে।
 
• ২. নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা (Control System):
- রোবটের বিভিন্ন অংশকে নিয়ন্ত্রণ করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা।
- এটি রোবটকে কীভাবে, কখন এবং কোন কাজ করতে হবে তা নির্দেশনা দেয়।
 
• ৩. প্রোগ্রামিং ব্যবস্থা (Programming System):
- রোবটকে নির্দিষ্ট কাজ করানোর জন্য কম্পিউটার প্রোগ্রামিং ব্যবহার করা হয়।
- প্রোগ্রামের মাধ্যমে রোবটের কাজের ধাপ, সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও প্রতিক্রিয়া নির্ধারিত হয়।
 
• রোবটের ব্যবহার ক্ষেত্রসমূহ:
- শিল্পক্ষেত্র: ভারী, ঝুঁকিপূর্ণ ও পুনরাবৃত্তিমূলক কাজে রোবট ব্যবহৃত হয়।
- চিকিৎসাক্ষেত্র: সার্জারি, ডায়াগনস্টিক ও রোগী সেবায় রোবটের ব্যবহার বাড়ছে।
- শিক্ষাক্ষেত্র: বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও প্রকৌশল শিক্ষায় রোবট ব্যবহার করা হয়।
- গবেষণা ও মহাকাশ অনুসন্ধান: ঝুঁকিপূর্ণ পরিবেশে গবেষণা ও তথ্য সংগ্রহে রোবট ব্যবহৃত হয়।
- দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা: উদ্ধার কার্যক্রমে রোবট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
 
উৎস: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি।

১৫৫.
একটি সিকিউরিটি সিস্টেমের ত্রুটি খুঁজে বের করে নিজের স্বার্থে ব্যবহার করে কোন ধরনের হ্যাকার?
  1. হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার
  2. ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকার
  3. গ্রে হ্যাট হ্যাকার
  4. গ্রিন হ্যাট হ্যাকার
ব্যাখ্যা
• হ্যাকিং (Hacking):
- প্রোগ্রাম রচনা ও প্রয়োগের মাধ্যমে কোনো কম্পিউটার সিস্টেম বা নেটওয়ার্কের ক্ষতিসাধন করাকে হ্যাকিং বলা হয়। 
- বর্তমানে প্রধানত তিন ধরনের হ্যাকার দেখতে পাওয়া যায়।
যথা:

ক. হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার (White hat hacker):
- একজন white hat hacker একটি সিকিউরিটি সিস্টেমের ত্রুটি গুলো বের করে এবং ঐ সিকিউরিটি সিস্টেমের মালিককে ত্রুটির বিষয়ে দ্রুত অবহতি করে।
- সিকিউরিটি সিস্টেমটি হতে পারে একটি কম্পিউটার, একটি কম্পিউটার নেটওয়ার্ক, একটি ওয়েবসাইট, একটি সফটওয়্যার ইত্যাদি।
- সাধারণত এরা ডেটা বা সিস্টেমের ক্ষতি করে না, তবে কাজের ক্ষেত্রে ভীষণ দক্ষ হয়।

খ. ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকার (Black hat hacker):
- একজন Black hat hacker যখন কোন একটি সিকিউরিটি সিস্টেমের ত্রুটি খুঁজে বের করে, তখন দ্রুত ঐ ত্রুটি কে নিজের স্বার্থে কাজে লাগায়। 
- বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য, আর্থিক তথ্যাদি হাতিয়ে নিয়ে আর্থিক ক্ষতিসাধন করে।

গ. গ্রে হ্যাট হ্যাকার (Grey hat hacker):
- একজন Grey hat hacker যখন একটি সিকিউরিটি সিস্টেমের ত্রুটি গুলো খুঁজে বের করে তখন সে তার মন মত কাজ করে। 
- এরা নেটওয়ার্কের দুর্বলতাকে খুঁজে বের করে তা যথাযথ কর্তৃপক্ষকে অবহিত করে এবং দুর্বল দিকগুলোকে ঠিক করার মাধ্যমে নেটওয়ার্কের সুরক্ষার জন্য কাজ করে অর্থ উপার্জন করে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
১৫৬.
রোবট কোথায় এবং কীভাবে চলবে, তা নির্ধারণের জন্য কোন সিস্টেম সাহায্য করে?
  1. কুলিং সিস্টেম
  2. ভিশন সিস্টেম
  3. সাউন্ড সিস্টেম
  4. ন্যাভিগেশন সিস্টেম
ব্যাখ্যা

• রোবট কোথায় এবং কীভাবে চলবে তা নির্ধারণ করতে ন্যাভিগেশন সিস্টেম সাহায্য করে। এই সিস্টেম রোবটকে তার পরিবেশের সাথে সংযুক্ত করে এবং সঠিক দিক, পথ ও গতি নির্ধারণ করতে সক্ষম করে। ন্যাভিগেশন সিস্টেমে সাধারণত সেন্সর, জিপিএস, ম্যাপিং প্রযুক্তি এবং অ্যালগরিদম থাকে, যা রোবটকে অবাঞ্ছিত বাধা এড়াতে এবং লক্ষ্য স্থানে পৌঁছাতে সাহায্য করে। উদাহরণস্বরূপ, স্বয়ংক্রিয় ভ্যাকুয়াম ক্লিনার তার ঘরের মানচিত্র তৈরি করে এবং ন্যাভিগেশন সিস্টেম ব্যবহার করে কার্যকরভাবে চলাচল করে। অন্যদিকে কুলিং সিস্টেম তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে, ভিশন সিস্টেম ছবি বা ভিডিও শনাক্ত করে, এবং সাউন্ড সিস্টেম শব্দ সম্পর্কিত কাজ করে। তাই চলাচলের দিকনির্দেশের জন্য সঠিক উত্তর হলো ঘ) ন্যাভিগেশন সিস্টেম।

• রোবটিক্স:
- প্রযুক্তির যে শাখায় রোবটের নকশা বা ডিজাইন, গঠন, পরিচালন প্রক্রিয়া, কাজ ও প্রয়োগক্ষেত্র সম্পর্কে আলোচনা করা হয়, সেই শাখাকে রোবটিক্স বলা হয়।
- জোসেফ ফ্রেডরিক এঙ্গেলবার্গারকে রোবোটিক্সের জনক বলা হয়।
- রোবটের মুভমেন্টের জন্য রোবোটিক্সে অ্যাকচুয়েটর ব্যবহার করা হয়।
- রোবটিক্স শব্দটি এসেছে 'রোবট' শব্দ হতে, যা প্রবর্তিত হয় চেক লেখক ও নাট্যকার কারেল কাপেক এর একটি নাটক থেকে, যা ১৯২০ সালে প্রকাশিত হয়।
- Robot শব্দটি এসেছে স্লাভিক শব্দ Robota থেকে, যার অর্থ হলো 'শ্রমিক'।
- প্রথম রোবট তৈরি করেন আমেরিকান উদ্ভাবক জর্জ চার্লস ডেভল।
- ১৯৫০ সালে তার তৈরি প্রথম ইন্ডাস্ট্রিয়াল রোবটের নাম ছিল ইউনিমেট।
- ইউনিমেট রোবট তৈরির প্রজেক্টের উদ্যোক্তা ছিলেন আমেরিকান জোসেফ ফ্রেডরিক এঙ্গেলবার্গার।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

১৫৭.
সর্বপ্রথম Robotics শব্দটি ব্যবহার করে কে?
  1. ক) আইজ্যাক নিউটন
  2. খ) আইজ্যাক অসিমভ
  3. গ) গ্যালিলিও
  4. ঘ) অ্যারিস্টোটল
ব্যাখ্যা
• সর্বপ্রথম Robotics শব্দটি ব্যবহার করে আইজ্যাক অসিমভ
- রোবটিক্স শব্দটি এসেছে রোবট শব্দ হতে, যা প্রবর্তিত হয় চেক লেখক ও নাট্যকার কারেল কাপেক (Karel Capek) এর একটি নাটক হতে, যেটি ১৯২০ সালে প্রকাশিত হয়।
- Robot শব্দটি মূলত এসেছে স্লাভিক শব্দ Robota হতে, যার অর্থ হলো শ্রমিক।
- অক্সফোর্ড ইংলিশ ডিকশেনারি অনুযায়ী Robotics শব্দটি সর্বপ্রথম ব্যবহার করা হয় ১৯৪১ সালে প্রকাশিত 'আইজ্যাক অসিমভ' এর সায়েন্স ফিকশন 'লায়ার'-এ।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
১৫৮.
Which of the following passwords follows good security practice?
  1. abcd1234
  2. moni1999
  3. Qw7@L9$A2
  4. 43771285
ব্যাখ্যা

• Qw7@L9$A2 পাসওয়ার্ডটি ভালো সিকিউরিটি প্র্যাকটিস অনুসরণ করে।

• পাসওয়ার্ড নিরাপত্তা (Password Security):
- পাসওয়ার্ড হলো অনলাইন অ্যাকাউন্ট সুরক্ষার প্রধান উপায়।
- শক্তিশালী পাসওয়ার্ড অন্যের দ্বারা অনুমান বা ভাঙা কঠিন হয়।

• শক্তিশালী পাসওয়ার্ডের বৈশিষ্ট্য:
- শক্তিশালী পাসওয়ার্ডে বড় হাতের অক্ষর, ছোট হাতের অক্ষর, সংখ্যা ও বিশেষ চিহ্ন–এর সমন্বয় থাকে।
- পাসওয়ার্ডটি সাধারণ শব্দ, নাম বা জন্মসালের মতো সহজ তথ্যভিত্তিক হওয়া উচিত নয়।
- পাসওয়ার্ড যত বেশি জটিল ও বৈচিত্র্যময় হয়, তত বেশি নিরাপদ হয়।

• Qw7@L9$A2 শক্তিশালী পাসওয়ার্ড:
- এতে বড় হাতের অক্ষর (Q, L, A), ছোট হাতের অক্ষর (w), সংখ্যা (7, 9, 2) এবং বিশেষ চিহ্ন (@, $) রয়েছে।
- এই ধরনের পাসওয়ার্ড সহজে অনুমান করা যায় না।

• সহজ পাসওয়ার্ডের সমস্যা:
- abcd1234 অক্ষর ও সংখ্যার সহজ ক্রম ব্যবহার করে।
- moni1999 নাম ও জন্মসালভিত্তিক হওয়ায় সহজে অনুমানযোগ্য।
- 43771285 শুধু সংখ্যা দিয়ে গঠিত হওয়ায় নিরাপত্তা দুর্বল।

• পাসওয়ার্ড ব্যবহারে ভালো অভ্যাস:
- সব অনলাইন অ্যাকাউন্টে শক্তিশালী ও আলাদা পাসওয়ার্ড ব্যবহার করা উচিত।
- নির্দিষ্ট সময় পরপর পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করা নিরাপদ অভ্যাস।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, অষ্টম শ্রেণি।

১৫৯.
নিচের কোনটি হিউম্যানয়েড রোবট?
  1. Fanuc M-2000
  2. ASIMO
  3. Unimate
  4. iRobot
ব্যাখ্যা

হোন্ডা কোম্পানির তৈরি আসিমো (ASIMO) একটি হিউম্যানয়েড রোবট।

• রোবটিক্স:
- প্রযুক্তির যে শাখায় রোবটের নকশা, ডিজাইন, গঠন, পরিচালন প্রক্রিয়া, কাজ ও প্রয়োগক্ষেত্র সম্পর্কে আলোচনা করা হয় সেই শাখাকে রোবটিক্স বলা হয়।
- রোবটিক্স (Robotics) শব্দটির উৎপত্তি হয়েছে স্লাভিক শব্দ robota (রোবটা) থেকে যার ইংরেজি হলো robot (রোবট)।
- রোবট এর আভিধানিক অর্থ হল শ্রমিক, দাস বা কর্মী।
- চেক লেখক ক্যারেল ক্যাপেক ১৯২১ সালে Rossurovi Univerzilni Roboti নামে একটি সাইন্স ফিকশন গল্প লিখেন যাতে তিনি শ্রমিক বা কর্মী অর্থে সর্বপ্রথম 'robota' শব্দের ব্যবহার করেন।
- ১৯৫০ সালে আমেরিকান প্রকৌশলী, গণিতবিদ ও উদ্যোক্তা যোসেফ ফ্রেডরিক এঙ্গেলবার্গার এবং জর্জ চার্লস ডেভল মিলে সর্বপ্রথম ইউনিমেট (Unimate) নামে শিল্পে ব্যবহার উপযোগী রোবট উদ্ভাবন করেন।
- যোসেফ ফ্রেডরিক এঙ্গেলবার্গারকে রোবটিক্সের জনক বলা হয়।

• হিউম্যানয়েড রোবট:
- হিউম্যানয়েড রোবট হলো এমন রোবট, যার গঠন ও কার্যকারিতা মানুষের মতো, যেমন হাঁটা, কথা বলা, বা বস্তু ধরা।
- হিউম্যানয়েড রোবটের উদাহরণ: মুরাতা কোম্পানির "মুরাতা বয়", সনি কর্পোরেশনের "কিউরিও", হোন্ডা কোম্পানির "আসিমো", স্যামসাংয়ের "রোবেরে" ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

 

১৬০.
নেটওয়ার্কে ভুল তথ্য সরবরাহ করে বিভ্রান্ত করে সিকিউরিটি সিস্টেম ভেঙে অবৈধ সুবিধা নেওয়ার প্রক্রিয়াকে কী বলা হয়?
  1. ফিশিং
  2. স্প্যামিং
  3. স্পুফিং
  4. স্নিকিং
ব্যাখ্যা
• নেটওয়ার্কে ভুল তথ্য সরবরাহ করে সিকিউরিটি সিস্টেম ভেঙে অবৈধ সুবিধা নেওয়ার প্রক্রিয়াকে স্পুফিং (গ) বলা হয়। স্পুফিং হলো এমন একটি ধরনের সাইবার আক্রমণ যেখানে হামলাকারী মিথ্যা বা জাল তথ্য ব্যবহার করে সিস্টেমের বিশ্বাসযোগ্যতা অর্জন করে। এর মাধ্যমে তারা নেটওয়ার্ক বা কম্পিউটার সিস্টেমের সুরক্ষা পদ্ধতি চুরি করতে পারে এবং নিজেকে অনুমোদিত ব্যবহারকারীর মতো প্রদর্শন করে অবৈধ কাজ সম্পাদন করতে পারে। স্পুফিং-এর বিভিন্ন ধরন রয়েছে, যেমন আইপি স্পুফিং, ইমেইল স্পুফিং ইত্যাদি, যা দিয়ে তথ্য চুরি, ডেটা পরিবর্তন বা সিস্টেমে অনুপ্রবেশ ঘটানো হয়। তাই স্পুফিং সাইবার নিরাপত্তায় একটি গুরুতর হুমকি হিসেবে বিবেচিত হয়।

• সাইবার ক্রাইম:
- ইন্টারনেট ব্যবহার করে যে অপরাধসমূহ সংঘটিত হয় তাকে সাইবার অপরাধ বা সাইবার ক্রাইম বলে।
- ইংল্যান্ড বিশ্বে প্রথম সাইবার আইন প্রণেতা হিসেবে তৈরি করে "কম্পিউটার মিসইউজ অ্যাক্ট ১৯৯০"।
- ইংল্যান্ডে জাতীয় ই-অপরাধ ইউনিট গঠন করা হয় ২০০৮ সালে।

• স্পুফিং:
- নেটওয়ার্ক সিকিউরিটির ক্ষেত্রে স্ফুফিং আক্রমণ হলো এমন একটি অবস্থা যেখানে কোন ব্যক্তি বা কোন একটি প্রোগ্রাম মিথ্যা বা ভুল তথ্য উপস্থাপনের মাধ্যমে নেটওয়ার্ককে বিভ্রান্ত করে এবং এর সিকিউরিটি সিস্টেমে অনুপ্রবেশ করে অনৈতিকভাবে সুবিধা আদায় করে।

• ফিশিং:
- ই-মেইল বা টেক্সট ম্যাসেজ পাঠানোর মাধ্যমে লগ ইন বা অ্যাক্সেস ডেটা চুরি করার প্রক্রিয়াটিকে ফিশিং বলে।
- ই-কমার্স বা ই-ব্যাংকিং সাইটগুলোতে অ্যাক্সেস বা ডেটা চুরি ফিশারদের প্রধান লক্ষ্য থাকে।

• স্প্যামিং:
- যখন কোন প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তি কোন নির্দিষ্ট একটি ই-মেইল অ্যাড্রেসে অসংখ্য মেইল প্রেরণের মাধ্যমে মেমোরি দখল করে, এই পদ্ধতিকে স্প্যামিং বলে।

• স্নিকিং:
- গোপনে ব্যবহারকারীর চোখ এড়িয়ে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক সিস্টেমে প্রবেশ করে তাঁর গুরুতবপূর্ণ তথ্যাদি নিজের আওতায় নিয়ে আসাকে স্নিকিং বলে।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১৬১.
দুই কম্পিউটারের মধ্যে যোগাযোগের সময় অন্য কম্পিউটার থেকে হ্যাকারের অনুপ্রবেশকে কী বলে?
  1. ক) ম্যালওয়্যার
  2. খ) র‍্যানসমওয়্যার
  3. গ) ম্যান-ইন-দ্যা-মিডল
  4. ঘ) ফিশিং
ব্যাখ্যা
- Man-in-the-Middle: দুই কম্পিউটারের মাঝের যোগাযোগে অন্য কম্পিউটার থেকে হ্যাকারের অনুপ্রবেশকেই ‘ম্যান-ইন-দ্যা-মিডল অ্যাটাক’ বলা হয়। ম্যান-ইন-দ্যা-মিডল অ্যাটাক করা হয় টার্গেটের গোপনীয়/একান্ত এবং আর্থিক তথ্য ইত্যাদি জানা ও সংগ্রহ করার জন্য।

- ম্যালওয়্যার:
ইহা হলো কম্পিউটারের ক্ষতিকারক সফটওয়্যার। এই সফটওয়্যারের মাধ্যমে ব্যবহারকারীদের অনুমতি ছাড়া পরিকল্পিত কোনো নেটওয়ার্কে আক্রমণ করে তথ্য বা ডেটা হাতিয়ে নেওয়া কিংবা কম্পিউটারের ক্ষতি করতে পারে সাইবার দুর্বৃত্তরা।
 
- র‍্যানসমওয়্যার: ইহা হচ্ছে এমন এক ধরনের ম্যালওয়্যার যা কম্পিউটারের দখল নেয় যাতে ব্যবহারকারীকে অর্থ পরিশোধ না করা পর্যন্ত ঢুকতে দেয় না।
র‍্যানসমওয়্যার নামটিই প্রকাশ করে যে, কম্পিউটারের ফাইল আটকে অর্থ নেওয়ার জন্য এটা করা হয়। 
কম্পিউটারে যত ফাইল পায় সব এনক্রিপ্ট করে ফেলে একটি বার্তা দেখানো শুরু করে। যদি ওই ফাইল উদ্ধার করে চান তবে অর্থ পরিশোধ করতে হবে। সাধারণত একটি এনক্রিপশন কি বা প্রোগ্রাম চাবি ব্যবহার করে ফাইল আটকানো হয়। 
ওই চাবি সম্পর্কে তথ্য কেবল আক্রমণকারীর জানা থাকে। যদি অর্থ পরিশোধ করা না হয় তখন তথ্য পুরোপুরি মুছে ফেলার ঘটনা ঘটতে দেখা যায়।
 
- DoS (Denial of Service): ইহা হলো এক ধরনের সাইবার আক্রমণ যেখানে হ্যাকার ডিভাইসের স্বাভাবিক কার্যকারিতা বাধাগ্রস্ত করে একটি কম্পিউটার বা অন্য ডিভাইসকে তার উদ্দেশ্য ব্যবহারকারীদের কাছ থেকে দূরে রাখে। কোনো কম্পিউটার সিস্টেম বা ইন্টারনেট ওয়েবসাইটে এই আক্রমণ চালানোর মাধ্যমে ঐ সিস্টেম বা সাইটের যথাযথ কার্যক্রমকে ধীর গতির, বা অনেক ক্ষেত্রে পুরোপুরি বন্ধ করে দেয়া হয়।
 
- ফিশিং (Phishing): ফিশিং করার অর্থ ই-মেইল বা মেসেজের মাধ্যমে ওয়েবসাইট ব্যবহারকারীকে নকল বা ফেইক ওয়েবসাইটে নিয়ে কৌশলে তার বিশ্বস্ততা অর্জন করা এবং গুরুত্বপূর্ণ তথ্য চুরি করে তাদের নানা ধরনের বিপদে ফেলা।
 
উৎস: প্রথম আলো, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)।
১৬২.
Roomba নামক রোবটটি নিচের কোন প্রতিষ্ঠানটি তৈরি করে?
  1. ক) FANUC
  2. খ) YASKAWA
  3. গ) iROBOT
  4. ঘ) BOSTON DYNAMICS
ব্যাখ্যা

Roomba নামক রোবটটি iROBOT কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত।

১৯৯০ সালে এমআইটি বিভিন্ন ধরণের হোম রোবট তৈরি করে পুরো দুনিয়ায় জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। এই প্রতিষ্ঠানের তৈরি Roomba নামক রোবটটি বাসার মেঝ বা, ফ্লোর পরিষ্কারের কাজে অত্যন্ত দক্ষ।
অপরদিকে, FANUC, YASKAWA, এবং BOSTON DYNAMICS রোবট উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান।

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান

১৬৩.
হ্যাকারদের মধ্যে যারা আইনভঙ্গ করে, তাদের কী নামে ডাকা হয়?
  1. ক্রেকার
  2. স্পাইওয়্যার
  3. স্প্যামার
  4. রাশার
ব্যাখ্যা

• হ্যাকারদের মধ্যে যারা আইন ভঙ্গ করে এবং অবৈধভাবে কম্পিউটার সিস্টেমে প্রবেশ করে ক্ষতি করে, তাদের ক্রেকার বলা হয়। ক্রেকাররা সাধারণত নিরাপত্তা ব্যবস্থা ভেঙে তথ্য চুরি, সিস্টেম নষ্ট করা, বা অর্থনৈতিক ক্ষতি করার উদ্দেশ্যে কাজ করে। তারা হ্যাকারদের সেই অংশ, যারা প্রযুক্তিগত দক্ষতা ব্যবহার করে বেআইনি কার্যকলাপে জড়িত থাকে। স্পাইওয়্যার হলো ক্ষতিকর সফটওয়্যার, স্প্যামার অবাঞ্ছিত বার্তা পাঠায়, আর রাশার শব্দটি এ ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
- তাই আইন ভঙ্গকারী হ্যাকারদের সঠিক নাম ক্রেকার।

• হ্যাকিং:
- হ্যাকিং হলো অননুমোদিত প্রবেশ এবং অনৈতিক কার্যকলাপ, যা অন্যের কম্পিউটার বা ওয়েবসাইটে ঢুকে তথ্যের ক্ষতি করে।
- অর্থাৎ, অবৈধভাবে বা অনুমতি ছাড়া কোনো কম্পিউটার নেটওয়ার্কে প্রবেশ করে কম্পিউটার ব্যবহার করা, তথ্য নষ্ট করা, তথ্য চুরি করা, তথ্যের বিকৃতি ঘটানো অথবা অন্যের কম্পিউটারকে বিশেষ পদ্ধতিতে সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে নেওয়াকে কম্পিউটার হ্যাকিং বলা হয়।
- যারা এই হ্যাকিং কার্যক্রম পরিচালনা করে, তাদেরকে হ্যাকার (Hacker) বলা হয়।
- হ্যাকারদের সমস্ত কার্যকলাপকে হ্যাকিং বলা হয়।
- হ্যাকিং বৈধ এবং অবৈধ উভয় ধরনের হতে পারে।
- অবৈধভাবে যারা হ্যাকিং করে, তাদেরকে ক্রেকার (Cracker) বলা হয়।
- হ্যাকাররা সাধারণত বিশেষ ধরনের সফ্টওয়্যার ব্যবহার করে নেটওয়ার্কযুক্ত বিভিন্ন কম্পিউটারে আক্রমণ করে।
- এই বিশেষ ধরনের সফটওয়্যারকে স্পাইওয়্যার বলা হয়।

উৎস: ই-কমার্স, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৬৪.
কোন হ্যাকার তথ্য চুরি করে আর আর্থিক ক্ষতিসাধন করে?
  1. ডার্ক হ্যাট হ্যাকার
  2. গ্রে হ্যাট হ্যাকার
  3. ব্ল‍্যাক হ্যাট হ্যাকার
  4. হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার
ব্যাখ্যা

• তথ্য চুরি করে এবং আর্থিক ক্ষতিসাধন করে যে হ্যাকার, সে হলো ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকার। ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকাররা অবৈধভাবে কম্পিউটার সিস্টেমে প্রবেশ করে গোপন তথ্য, ব্যাংক ডাটা, পাসওয়ার্ড ইত্যাদি চুরি করে এবং তা ব্যক্তিগত লাভের জন্য ব্যবহার করে। তারা সাইবার অপরাধের সঙ্গে সরাসরি জড়িত থাকে এবং ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান এমনকি রাষ্ট্রেরও বড় ক্ষতি করে। অন্যদিকে হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার নিরাপত্তা বাড়াতে কাজ করে, গ্রে হ্যাট মাঝামাঝি অবস্থানে থাকে এবং ডার্ক হ্যাট শব্দটি সাধারণত ব্ল্যাক হ্যাটের সঙ্গেই মিলিয়ে ব্যবহার করা হয়।

• হ্যাকিং (Hacking):
- প্রোগ্রাম রচনা ও প্রয়োগের মাধ্যমে কোনো কম্পিউটার সিস্টেম বা নেটওয়ার্কের ক্ষতিসাধন করাকে হ্যাকিং বলা হয়।

• বর্তমানে প্রধানত তিন ধরনের হ্যাকার দেখতে পাওয়া যায়। যথা-
ক. হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার:
- সাধারণত এরা ডেটা বা সিস্টেমের ক্ষতি করে না, তবে কাজের ক্ষেত্রে ভীষণ দক্ষ হয়।

খ. ব্ল‍্যাক হ্যাট হ্যাকার:
- বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য, আর্থিক তথ্যাদি হাতিয়ে নিয়ে আর্থিক ক্ষতিসাধন করে।

গ. গ্রে হ্যাট হ্যাকার:
- এরা নেটওয়ার্কের দুর্বলতাকে খুঁজে বের করে তা যথাযথ কর্তৃপক্ষকে অবহিত করে এবং দুর্বল দিকগুলোর ঠিক করার মাধ্যমে নেটওয়ার্কের সুরক্ষার জন্য কাজ করে অর্থ উপার্জন করে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

১৬৫.
নিচের কোনটি সাইবার ক্রাইমের অংশ নয়?
  1. অ্যাডওয়্যার
  2. স্নিকিং
  3. স্প্যামিং
  4. ফিশিং
ব্যাখ্যা

• সাইবার ক্রাইম বলতে বোঝায় এমন অপরাধ যা কম্পিউটার, ইন্টারনেট বা ডিজিটাল যন্ত্রের মাধ্যমে সংঘটিত হয়। এর মধ্যে তথ্য চুরি, অনলাইন জালিয়াতি, ফিশিং, ম্যালওয়্যার ছড়ানো এবং স্প্যামিং-এর মতো কর্মকাণ্ড অন্তর্ভুক্ত। প্রশ্নে চারটি অপশন দেওয়া হয়েছে: অ্যাডওয়্যার, স্নিকিং, স্প্যামিং এবং ফিশিং। এর মধ্যে অ্যাডওয়্যার হলো একটি সফটওয়্যার যা ব্যবহারকারীর অনুমতি ছাড়াই বিজ্ঞাপন দেখায় বা ট্র্যাকিং তথ্য সংগ্রহ করে। যদিও এটি বিরক্তিকর, এটি সরাসরি অপরাধ হিসেবে গণ্য হয় না এবং সাইবার ক্রাইমের অংশ নয়।
- অন্যদিকে স্নিকিং, স্প্যামিং ও ফিশিং সবই ব্যবহারকারীকে ক্ষতি করার উদ্দেশ্যে করা হয়, তাই সেগুলি সাইবার ক্রাইমের অংশ।

• সাইবার ক্রাইম:
- ইন্টারনেট ব্যবহার করে যে অপরাধসমূহ সংঘটিত হয় তাকে সাইবার অপরাধ বা সাইবার ক্রাইম বলে।
- ইংল্যান্ড বিশ্বে প্রথম সাইবার আইন প্রণেতা হিসেবে তৈরি করে "কম্পিউটার মিসইউজ অ্যাক্ট ১৯৯০"।
- ইংল্যান্ডে জাতীয় ই-অপরাধ ইউনিট গঠন করা হয় ২০০৮ সালে।
- বাংলাদেশে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিল করে ২০২৩ সালে সাইবার নিরাপত্তা আইন তৈরি করা হয়।
- ভারতে তথ্যপ্রযুক্তি আইন তৈরি করা হয় ২০০০ সালে।

• উল্লেখযোগ্য কিছু সাইবার অপরাধ হলো:
- হ্যাকিং,
- স্প্যামিং,
- সাইবার থেফ্ট,
- সাইবার বুলি,
- স্ফুফিং,
- ফিশিং (Phishing),
- ভিশিং,
- স্নিকিং,
- প্লেজিয়ারিজম (Plagiarism),
- Cyberstalking,
- DDoS Attacks প্রভৃতি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১৬৬.
কোনো কম্পিউটার সিস্টেমে চুপিসারে ও অনুমতি ব্যতীত প্রবেশ করাকে সাইবার নিরাপত্তায় কী নামে পরিচিত?
  1. স্প্যামিং
  2. স্পুফিং
  3. প্লেজিয়ারিজম
  4. স্নিকিং
ব্যাখ্যা

• সঠিক উত্তর: ঘ) স্নিকিং। 

সাইবার নিরাপত্তার পরিপ্রেক্ষিতে স্নিকিং (Sneaking) হলো কোনো কম্পিউটার সিস্টেমে চুপিসারে এবং অনুমতি ব্যতীত প্রবেশ করার প্রক্রিয়া। এটি সাধারণত হ্যাকার বা অননুমোদিত ব্যবহারকারীদের দ্বারা করা হয়, যারা সিস্টেমের ডেটা চুরি করতে, ক্ষতি করতে বা নজরদারি চালাতে চায়। স্নিকিং-এর মাধ্যমে ব্যবহারকারী সিস্টেমের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ভেঙে প্রবেশ করে, যা তথ্য গোপনীয়তা এবং সুরক্ষা হুমকির মুখে ফেলে। অন্যদিকে, স্প্যামিং হলো অননুমোদিত বার্তা প্রেরণ, স্পুফিং হলো পরিচয় ভুয়ো করা, এবং প্লেজিয়ারিজম হলো কারো কাজ চুরি করা। সুতরাং অনুমতি ব্যতীত প্রবেশের জন্য সঠিক টার্ম হলো স্নিকিং।

• সাইবার অপরাধ:
- বিভিন্ন ধরনের সাইবার অপরাধ হয়ে থাকে। নিচে অতি সংক্ষিপ্তভাবে অপরাধসমূহের তালিকা দেওয়া হলো:
- কম্পিউটার সিস্টেম অথবা নেটওয়ার্কে অযাচিত প্রবেশ করা।
- ইলেকট্রনিক ফর্মে থাকা তথ্য চুরি করা।

- প্লেজিয়ারিজম- অন্যের লেখা চুরি করে নিজের নামে চালিয়ে দেওয়া বা প্রকাশ করা।
- স্নিকিং- গোপনে ব্যবহারকারীর চোখ এড়িয়ে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক সিস্টেমে প্রবেশ করে নিজের আওতায় আনা।
- স্পুফিং- ভুল তথ্য দিয়ে নেটওয়ার্ককে বিভ্রান্ত করা।
- ই-মেইল বম্বিং - বিশাল ই-মেইল পাঠানোর মাধ্যমে সিস্টেম ক্র্যাশ করা।

- Salami Attack - অবৈধ আর্থিক বিনিময় কিংবা আর্থিক ক্ষতি সাধন।
- Denial of Service Attack - বেশি পরিমাণেরিকোয়েস্ট পাঠিয়ে সিস্টেম ক্র্যাশ করা।- ভাইরাস/ওয়ার্ম আক্রমণ।
- স্প্যামিং (Spamming): অনাকাঙ্ক্ষিত ও অবাঞ্ছিত ই-মেইল কিংবা মেসেজ পাঠানোকে স্প্যামিং বলে। এই কাজ যারা করে তাদেরকে স্প্যামার বলা হয়।
- লজিক বম্ব - ইভেন্ট নির্ভর প্রোগ্রামের মাধ্যমে সিস্টেমে এ্যাটাক করা।
- ট্রোজান এ্যাটাক - পরোক্ষভাবে কারো সিস্টেমে প্রবেশ করে সিস্টেমের কন্ট্রোল গ্রহণ করা।
- ওয়েব সাইট হ্যাক করে তথ্য পরিবর্তন করা।

উৎস:
১। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, ভোকেশনাল।
২। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১৬৭.
ভাইরাসযুক্ত ই-মেইল বা টেক্সট ম্যাসেজ পাঠানোর মাধ্যমে গ্রাহকের ডেটা চুরি করাকে কী বলে?
  1. স্প্যামিং
  2. স্ফুফিং
  3. স্নিকিং
  4. ফিশিং
ব্যাখ্যা
• ফিশিং (Pishing):
- ই-মেইল বা টেক্সট ম্যাসেজ পাঠানোর মাধ্যমে লগ ইন বা অ্যাক্সেস ডেটা চুরি করার প্রক্রিয়াটিকে ফিশিং বলে।
- ই-কমার্স বা ই-ব্যাংকিং সাইটগুলোতে অ্যাক্সেস বা ডেটা চুরি ফিশারদের প্রধান লক্ষ্য থাকে।

• অন্যান্য অপশন সমূহ সম্পর্কে আলোচনা:
- যখন কোন প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তি কোন নির্দিষ্ট একটি ই-মেইল অ্যাড্রেসে অসংখ্য মেইল প্রেরণের মাধ্যমে মেমোরি দখল করে, এই পদ্ধতিকে স্প্যামিং বলে।
- নেটওয়ার্ক সিকিউরিটির ক্ষেত্রে স্ফুফিং আক্রমণ হলো এমন একটি অবস্থা যেখানে কোন ব্যক্তি বা কোন একটি প্রোগ্রাম মিথ্যা বা ভুল তথ্য উপস্থাপনের মাধ্যমে নেটওয়ার্ককে বিভ্রান্ত করে এবং এর সিকিউরিটি সিস্টেমে অনুপ্রবেশ করে অনৈতিকভাবে সুবিধা আদায় করে।
- গোপনে ব্যবহারকারীর চোখ এড়িয়ে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক সিস্টেমে প্রবেশ করে তাঁর গুরুতবপূর্ণ তথ্যাদি নিজের আওতায় নিয়ে আসাকে স্নিকিং বলে।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১৬৮.
সাইবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য নিম্নের কোনটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ?
  1. শক্তিশালী পাসওয়ার্ড ব্যবহার করা
  2. পাবলিক ওয়াই-ফাই ব্যবহার করে ব্যাংকিং করা
  3. সফটওয়্যার আপডেট এড়িয়ে চলা
  4. অজানা লিংকে ক্লিক করা
ব্যাখ্যা

◉ শক্তিশালী পাসওয়ার্ড সাইবার নিরাপত্তার অন্যতম প্রধান উপায়, যা হ্যাকিং বা অননুমোদিত প্রবেশ রোধে সাহায্য করে।
- শক্তিশালী পাসওয়ার্ডে বড় ও ছোট হাতের অক্ষর, সংখ্যা এবং বিশেষ চিহ্নের সমন্বয় থাকা উচিত।
- পাবলিক ওয়াই-ফাই এ ব্যাংকিং, অজানা লিংকে ক্লিক করা, বা আপডেট এড়ানো সাইবার আক্রমণের ঝুঁকি বাড়ায়।

অনলাইন পরিচিতি ও নিরাপত্তা:
- একজন ব্যক্তির অনলাইন পরিচিতি নিম্নোক্ত পরিচয় জ্ঞাপকের যেকোনো একটি বা তাদের সমন্বিত হতে পারে।
(ক) ই-মেইল ঠিকানা এবং
(খ) সামাজিক যোগাযোগের সাইটে তার প্রোফাইলের নাম।
- ই-মেইল কিংবা ফেসবুকে নিজের একাউন্ট যেন অন্যে ব্যবহার করতে না পারে সেজন্য সতর্ক থাকা প্রয়োজন।
- এক্ষেত্রে প্রত্যেক সাইটে ঢোকার ক্ষেত্রে যে পাসওয়ার্ডটি ব্যবহার করা হয়, সেটির গোপনীয়তা রক্ষা করাও জরুরি।

• পাসওয়ার্ডের গোপনীয়তা রক্ষা করার জন্য কয়েকটি টিপস বা কৌশল হলো- 
১। দীর্ঘ পাসওয়ার্ড ব্যবহার: সংক্ষিপ্ত পাসওয়ার্ডের পরিবর্তে দীর্ঘ পাসওয়ার্ড ব্যবহার করা অধিক নিরাপদ। প্রয়োজনে প্রিয় বাক্য বা বাক্যাংশও পাসওয়ার্ড হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে। তবে, সহজ পাসওয়ার্ড যেমন- 123456, abcdef, qwerty, asdfghjkl, password ইত্যাদি ব্যবহার করা উচিত নয়।
২। বিভিন্ন ধরনের অক্ষর ব্যবহার: কেবল ছোট হাতের অক্ষর নয়, বড় হাতের এবং ছোট হাতের অক্ষরের পাশাপাশি সংখ্যা এবং প্রতীকও ব্যবহার করা উচিত। এটি পাসওয়ার্ডের শক্তিমত্তা বাড়ায়।
৩। শক্তিশালী পাসওয়ার্ড তৈরি করা: শক্তিশালী পাসওয়ার্ডের মধ্যে শব্দ, বাক্য, সংখ্যা এবং বিশেষ চিহ্নের সমন্বয় করা উচিত। যেমন: Z26a1$alr18a1@gmail.com।
৪। পাসওয়ার্ডের শক্তিমত্তা যাচাই করা: বেশিরভাগ অনলাইন সাইটে পাসওয়ার্ডের শক্তিমত্তা যাচাই করার একটি সুযোগ থাকে। নিয়মিতভাবে এই সুযোগ ব্যবহার করে পাসওয়ার্ডের শক্তিমত্তা পরীক্ষা করা এবং যদি প্রয়োজন হয়, সেটি আরও শক্তিশালী করে তোলা উচিত।
৫। সামাজিক জায়গায় ব্যবহারের ক্ষেত্রে সাবধানতা অবলম্বন: সাইবার ক্যাফে বা ইউনিয়ন তথ্য ও সেবা কেন্দ্রের মতো পাবলিক কম্পিউটারে অনলাইন ব্যবহারের সময়, ব্যবহার শেষে সংশ্লিষ্ট সাইট থেকে লগ আউট করা অত্যন্ত জরুরি।
৬। পাসওয়ার্ড ম্যানেজার ব্যবহার: অনেক ব্যবহারকারী পাসওয়ার্ড ম্যানেজার ব্যবহার করেন যেমন- LastPass, KeePass ইত্যাদি। এইসব টুলস ব্যবহারের মাধ্যমে আপনি আপনার পাসওয়ার্ডগুলো নিরাপদে রাখতে পারেন।
৭। পাসওয়ার্ড নিয়মিত পরিবর্তন: একটি নিরাপদ অভ্যাস হিসেবে নিয়মিত পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করুন, যেন আপনার অ্যাকাউন্টগুলি সর্বদা সুরক্ষিত থাকে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, অষ্টম শ্রেণি।

১৬৯.
অনাকাঙ্ক্ষিত বা অবাঞ্ছিত ই-মেইল কিংবা মেসেজ পাঠানোর প্রক্রিয়াকে কী বলা হয়?
  1. স্পুফিং
  2. ভিশিং
  3. স্প্যামিং
  4. হ্যাকিং
ব্যাখ্যা

• সাইবার অপরাধ: 
- ইন্টারনেটকে কেন্দ্র করে এবং এর সহযোগীতায় সংঘটিত অপরাধকে সাইবার ক্রাইম বা সাইবার অপরাধ বলে। 
- বিভিন্ন ধরনের সাইবার অপরাধ হচ্ছে- 

• ভিশিং (Vishing): 
- মোবাইল, টেলিফোন, ইন্টারনেটভিত্তিক বিভিন্ন ফোন বা অডিও ব্যবহার করে ফিশিং করাকে ভিশিং (Vishing) বা ভয়েস ফিশিং (Voice phishing) বলা হয়। 

• স্প্যামিং (Spamming): 
- অনাকাঙ্ক্ষিত বা অবাঞ্ছিত ই-মেইল কিংবা মেসেজ পাঠানোকে স্প্যামিং বলে। 
- এই কাজ যারা করে তাদেরকে স্প্যামার বলা হয়। 

• স্পুফিং (Spoofing): 
- নেটওয়ার্ক সিকিউরিটির ক্ষেত্রে স্পুফিং আক্রমন হলো এমন একটি অবস্থা যেখানে কোন ব্যক্তি বা একটি পোগ্রাম মিথ্যা বা ভুল তথ্য উপস্থাপনের মাধ্যমে নেটওয়ার্ককে বিভ্রান্ত করে এবং এর সিকিউরিটি সিস্টেমে অনুপ্রবেশ করে অনৈতিকভাবে সুবিধা আদায় করে। 

• স্নিকিং (Sneaking): 
- গোপনে বা সন্তর্পণে ব্যবহারকারীর চোখ এড়িয়ে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক সিস্টেমে প্রবেশ করে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ তথ্যাদি নিজের আওতায় নিয়ে আসাকে স্পিকিং (Sneaking) বলে। 

• হ্যাকিং (Hacking):
- সাধারণভাবে হ্যাকিং হলো কোনো কম্পিউটার সিস্টেম, নেটওয়ার্ক বা ডিজিটাল ডিভাইসে অননুমোদিতভাবে (Unauthorized access) প্রবেশ করা।
- হ্যাকাররা সিস্টেমের নিরাপত্তা ত্রুটি বা দুর্বলতা (Vulnerabilities) খুঁজে বের করে তা ব্যবহার করে তথ্য চুরি, পরিবর্তন বা সিস্টেমটি অকেজো করে দেয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

১৭০.
কোনটি সাইবার অপরাধের উদাহরণ নয়?
  1. ফিশিং
  2. হ্যাকিং
  3. রিবুটিং
  4. ডিডোস আক্রমণ
ব্যাখ্যা

◉ রিবুটিং (Rebooting) একটি সাধারণ কম্পিউটার অপারেশন যেখানে একটি সিস্টেম বা ডিভাইস পুনরায় চালু করা হয়। এটি কোনো সাইবার অপরাধ নয়, বরং একটি প্রযুক্তিগত প্রক্রিয়া।

সাইবার ক্রাইম:
- ইন্টারনেট ব্যবহার করে যে অপরাধসমূহ সংঘটিত হয় তাকে সাইবার অপরাধ বা সাইবার ক্রাইম বলে।
- ইংল্যান্ড বিশ্বে প্রথম সাইবার আইন প্রণেতা হিসেবে তৈরি করে "কম্পিউটার মিসইউজ অ্যাক্ট ১৯৯০"।
- ইংল্যান্ডে জাতীয় ই-অপরাধ ইউনিট গঠন করা হয় ২০০৮ সালে।
- বাংলাদেশে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিল করে ২০২৩ সালে সাইবার নিরাপত্তা আইন তৈরি করা হয়।
- ভারতে তথ্যপ্রযুক্তি আইন তৈরি করা হয় ২০০০ সালে।

উল্লেখযোগ্য কিছু সাইবার অপরাধ হলো:
- হ্যাকিং,
- স্প্যামিং,
- সাইবার থেফ্ট,
- সাইবার বুলি,
- স্ফুফিং,
- ফিশিং (Phishing),
- ভিশিং,
- স্নিকিং,
- প্লেজিয়ারিজম (Plagiarism),
- Cyberstalking,
- DDoS Attacks প্রভৃতি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১৭১.
নিচের কোনটি হ্যাকার গ্রুপ নয়?
  1. মাস্টার্স অফ ডিসেপশন
  2. সিরিয়ান ইলেক্ট্রনিক আর্মি
  3. লিজার্ড স্কোয়াড
  4. ট্রোজান হর্স
ব্যাখ্যা
বিখ্যাত হ্যাকার গ্রুপ:

১) মাস্টার্স অফ ডিসেপশন
২) লিজার্ড স্কোয়াড
৩) অ্যানোনিমাস
৪) সিরিয়ান ইলেক্ট্রনিক আর্মি
৫) Cozy Bear
৬) Elderwood Group and 20 other Chinese APTS
৭) APT
8) Dragonfly
৯) Tarh Andishan/Ajax
১০) Morpho
১১) Chaos Computer Club

ট্রোজান হর্স  হলো এক ধরনের ম্যালওয়ার।

সূত্র: https://itibritto.com/ten-hackers-group/
১৭২.
কোন ধরনের সাইবার হামলায় ব্যবহারকারীর ফাইল এনক্রিপ্ট করা হয় এবং মুক্তিপণ দাবি করা হয়?
  1. Data diddling
  2. Ransomware
  3. Debugging
  4. Phishing
ব্যাখ্যা

• সঠিক উত্তর হলো খ) Ransomware.

Ransomware হলো এক ধরনের ক্ষতিকর সফটওয়্যার যা ব্যবহারকারীর কম্পিউটার বা ডিভাইসে থাকা গুরুত্বপূর্ণ ফাইলগুলোকে এনক্রিপ্ট করে অপ্রাপ্য করে দেয়। এর পর হামলাকারী একটি মুক্তিপণ (ransom) দাবি করে, সাধারণত ডিজিটাল মুদ্রায়, ফাইলগুলি পুনরায় খুলে দেওয়ার বিনিময়ে। এটি প্রায়শই ইমেইল, সংযুক্তি, সন্দেহজনক লিঙ্ক বা ক্ষতিগ্রস্ত ওয়েবসাইটের মাধ্যমে ছড়ায়। ব্যবহারকারীরা সচেতন না হলে বা যথাযথ ব্যাকআপ না থাকলে তারা সহজে এতে শিকার হতে পারে। Ransomware-এর কারণে ব্যক্তিগত তথ্য, ব্যবসায়িক ডেটা এবং গুরুত্বপূর্ণ নথি হারানোর ঝুঁকি বেড়ে যায়। সতর্কতা ও নিয়মিত ব্যাকআপ Ransomware-এর থেকে রক্ষা পাওয়ার মূল উপায়।

• ম্যালওয়্যার (Malware):
- ম্যালওয়্যার (Malware) একটি ইংরেজি শব্দ যার পূর্ণ শব্দরূপ হলো Malicious Software।
- সাধারণভাবে ম্যালওয়্যার বলতে সেই সমস্ত সফটওয়‍্যারকে বোঝানো হয়, যে সফটওয়্যারগুলো ডিজাইন করা হয় ব্যবহারকারীর অজান্তে কোনো কম্পিউটারে অবৈধ অনুপ্রবেশ করে উক্ত কম্পিউটার সিস্টেমের ক্ষতিসাধনের উদ্দেশ্যে।
- কম্পিউটার ভাইরাস হলো এমন এক ধরনের কম্পিউটার প্রোগ্রাম বা ব্যবহারকারীর অনুমতি বা ধারণা ছাড়াই স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিজে নিজেই কপি হতে পারে এবং এটি কম্পিউটার সিস্টেমে থাকা বিভিন্ন সফটওয়্যার প্রোগ্রামকে আক্রান্ত করে থাকে।
- অপরপক্ষে ম্যালওয়‍্যার আরও অনেক বিস্তৃত একটি টার্ম হিসেবে ব্যবহৃত হয় যার অন্যতম সাধারণ একটি টাইপ হচ্ছে কম্পিউটার ভাইরাস।
- কম্পিউটার ভাইরাস ছাড়াও ম্যালওয়্যারের অন্তর্ভুক্ত সফটওয়্যারগুলোর মধ্যে রয়েছে স্পাইওয়্যার, অ্যাডওয়্যার, ট্রোজান হর্স, ওয়ার্ম প্রভৃতি।
- প্রত্যেকটি ম্যালওয়্যারের এক একটি টাইপ হিসেবে বিবেচিত হয়ে থাকে। এমনকি আর্থিক প্রতারণা বা অবৈধ উপায়ে অর্থ আদায়ে ব্যবহৃত সফটওয়‍্যারগুলোকেও অ্যাডভান্স লেভেলের ম্যালওয়্যার হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়, যেমন: Ransomware.

উল্লেখ্য,
- Phishing:
- এটি এক ধরনের সাইবার অপরাধ যেখানে একজন প্রতারক ই-মেইল বা মেসেজের মাধ্যমে কোনো বিশ্বস্ত প্রতিষ্ঠানের ছদ্মবেশ ধারণ করে ব্যক্তিগত তথ্য, যেমন পাসওয়ার্ড বা ক্রেডিট কার্ডের বিবরণ, হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে।

- Debugging:
- এটি কোনো অপরাধ নয়। এটি কম্পিউটার প্রোগ্রামিংয়ের একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া, যেখানে কোডের মধ্যে থাকা ভুল বা ত্রুটি (bugs) খুঁজে বের করে তা ঠিক করা হয়।

- Data diddling:
- এটি এমন একটি সাইবার অপরাধ যেখানে ডেটা ইনপুট হওয়ার সময় বা প্রক্রিয়াকরণের সময় তাতে অবৈধভাবে পরিবর্তন করা হয়। এটি ফাইল এনক্রিপ্ট করে মুক্তিপণ চাওয়ার মতো নয়।

তথ্যসূত্র:
১। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
২। ব্রিটানিকা।

১৭৩.
বেশি পরিমাণে রিকোয়েস্ট পাঠিয়ে সিস্টেম ক্র্যাশ করাকে কোন ধরনের সাইবার অপরাধ বলে?
  1. ক) Data didling
  2. খ) Denial of Service Attack
  3. গ) Salami Attack
  4. ঘ) Trojan Attack
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন ধরনের সাইবার অপরাধ (Different cyber crimes):
- বিভিন্ন ধরনের সাইবার অপরাধ হয়ে থাকে ।
- নিচে অতি সংক্ষিপ্তভাবে অপরাধসমূহের তালিকা দেওয়া হলো -
১. কম্পিউটার সিস্টেম অথবা নেটওয়ার্কে অযাচিত প্রবেশ করা। 
২. ইলেকট্রনিক ফর্মে থাকা তথ্য চুরি করা। 
৩. ই-মেইল বম্বিং। 
৪. বিশাল ই-মেইল পাঠানোর মাধ্যমে সিস্টেম ক্র্যাশ করা। 
৫. Data didling (কম্পিউটার প্রসেসিং এর পূর্বে কোন ডেটাকে কম্পিউটার থেকে সরিয়ে ফেলা এবং প্রসেসিং সম্পন্ন হবার পর পুনরায় সে ডেটাকে কম্পিউটারে স্থাপন করা।
৬. Salami Attack (অবৈধ আর্থিক বিনিময় কিংবা আর্থিক ক্ষতি সাধন)।
৭. Denial of Service Attack (বেশি পরিমাণে রিকোয়েস্ট পাঠিয়ে সিস্টেম ক্র্যাশ করা)।  
৮. ভাইরাস/ওয়ার্ম আক্রমণ।
৯. লজিক বম্ব (ইভেন্ট নির্ভর প্রোগ্রামের মাধ্যমে সিস্টেমে এ্যাটাক করা)।
১০. ট্রোজান এ্যাটাক (পরোক্ষভাবে কারো সিস্টেমে প্রবেশ করে সিস্টেমের কন্ট্রোল গ্রহণ কর। 
১১. ইন্টারনেটের ব্যবহার্য সময় বা ইউনিট চুরি। 
১২. ওয়েব সাইট হ্যাক করে তথ্য পরিবর্তন করা। 

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
১৭৪.
ব্যবহারকারীর অনুমতি ছাড়াই অন্যদের ব্যক্তিগত কথোপকথন বা যোগাযোগ গোপনে শোনা এবং সেই তথ্য শত্রু সংস্থার কাছে সরবরাহ করার প্রক্রিয়াকে কী বলা হয়?
  1. ডিনায়েল অফ সার্ভিস
  2. ইভসড্রপিং
  3. অ্যাডওয়্যার
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
• ব্যবহারকারীর অনুমতি ছাড়াই অন্যদের ব্যক্তিগত কথোপকথন বা যোগাযোগ গোপনে শোনা এবং সেই তথ্য শত্রু সংস্থার কাছে সরবরাহ করার প্রক্রিয়াকে বলে ইভসড্রপিং।

• ইভসড্রপিং (Eavesdropping):
- এই আক্রমণে আক্রমণকারী ব্যবহারকারীর অনুমতি ছাড়াই, তার অজ্ঞাতে সিস্টেম বা নেটওয়ার্কের কথোপকথন শুনে এবং সেই তথ্যটি প্রতিযোগী সংস্থা বা শত্রু সংস্থার কাছে পৌঁছে দেয়।
- এটি একটি প্যাসিভ আক্রমণ, যেখানে আক্রমণকারী গোপনীয়তা বজায় রেখে পর্যবেক্ষণ করে এবং কম্পিউটার, স্মার্টফোন বা নেটওয়ার্কে যুক্ত অন্যান্য ডিভাইস থেকে তথ্য চুরি করে।
- পরবর্তীতে, এই তথ্য নেটওয়ার্ক সম্পর্কে প্রয়োজনীয় সবকিছু জানিয়ে সক্রিয় আক্রমণও চালানো হতে পারে।
- কার্নিভো এবং নারুসের মতো বিভিন্ন প্রোগ্রাম বা সফটওয়্যার এই উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হয়।
- পাবলিক ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্কগুলি এই ধরনের আক্রমণের জন্য সহজ টার্গেট, কারণ যে কেউ সেই নেটওয়ার্কে সংযুক্ত হতে পারে এবং পাসওয়ার্ড অর্জন করতে পারে।
- ইভসড্রপিং ওয়্যারলেস সেন্সর নেটওয়ার্ক এবং ইন্টারনেট অফ থিংসের জন্য একটি মারাত্মক হুমকি।

উৎস: Computer Applications in Business, নেতাজি সুভাষ মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৭৫.
নিচের কোনটি কম্পিউটার ভাইরাস নয়?
  1. ক) Trojan horse
  2. খ) Malware
  3. গ) I Love You
  4. ঘ) McAfee
ব্যাখ্যা
কম্পিউটারের কিছু ক্ষতিকর প্রোগ্রাম এর তালিকা নিচে দেওয়া হলো:
Malware, Spyware, Ransomware, Worms, Trojan Horse, Adware, Spam, Phising -BB AD 2022, I Love You.

কম্পিউটারের কিছু এন্টি ভাইরাসের তালিকা দেওয়া হলোঃ
Avast, Kaspersky, Avira, Microsoft Windows Defender, Norton 360, Bitdefender Antivirus, Malwarebytes, McAfee Total Protection, ESET NOD32 Antivirus

উৎস: BBA( মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৭৬.
'Rootkits (রুটকিটস)' কী?
  1. ক) সার্চ ইঞ্জিন
  2. খ) ফায়ারওয়াল
  3. গ) ম্যালওয়ার
  4. ঘ) ওয়েব সার্ভার
ব্যাখ্যা
Malware (ম্যালওয়ার) 
• Malware (ম্যালওয়ার) এর পূর্ণ শব্দরূপ হলো Malicious Software.
• কম্পিউটার ভাইরাস ছাড়া ম্যালওয়্যারের অন্তর্ভুক্ত সফটওয়্যারগুলোর মধ্যে রয়েছে -
- অ্যাডওয়্যার (Adware),
- স্পাইওয়্যার (Spyware),
- ট্রোজান হর্স (Trojan Horse),
- ওয়ার্ম (worms),
- Rootkits (রুটকিটস),
- Backdoor (ব্যাকডোর) প্রভৃতি।

• সকল Malware কম্পিউটারের ভাইরাস নয়; কিন্তু সকল ভাইরাস Malware.

উৎস:
১. কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি- ২, ৯ম-১০ম শ্রেণি (ভােকেশনাল, ২০২১ সংস্করণ)।
২. https://learn.microsoft.com
১৭৭.
Blockchain এর প্রথম ব্লকের নাম -
  1. Hashing
  2. Timestamp
  3. Genesis Block
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
ব্লকচেইন: এই সিস্টেমে প্রতিটি ব্লক এক একটি একাউন্ট যার প্রতিটি লেনদেন ব্যবস্থাপনা চেইন আকারে পরিচালিত হয়। প্রত্যেকটি ব্লক হ্যাশিং (Hashing) এর মাধ্যমে উচ্চ মানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে যার ফলে কেউই এখানে হস্তক্ষেপ করতে পারে না।

সহজ ভাষায় বললে, ব্লকচেইন হচ্ছে ব্লকের চেইন।
এটি তথ্য সংরক্ষণ করার একটি নিরাপদ এবং উন্মুক্ত পদ্ধতি। এ পদ্ধতিতে তথ্য বিভিন্ন ব্লকে একটির পর একটি চেইন আকারে সংরক্ষণ করা হয়।

একটি সাধারণ Block এ-
ক) A hash pointer to the previous block
খ) Timestamp এবং
গ) List of transactions এই ৩টি অংশই থাকে।

তবে, একমাত্র জেনেসিস ব্লক ছাড়া সব ব্লকেই ক) A hash pointer to the previous block থাকে। জেনেসিস ব্লক হচ্ছে ব্লকচেইনের প্রথম ব্লক। 
The Genesis Block
The first block in the blockchain is called the genesis block and was created in 2009.
It is the common ancestor of all the blocks in the blockchain, meaning that if you start at any block and follow the chain backward in time, you will eventually arrive at the genesis block.

Source:
Chapter 7. The Blockchain [Link]
Unlocking Digital Cryptocurrencies 1st Edition by Andreas M. Antonopoulos
১৭৮.
কোথায় Cookies জমা থাকে?
  1. ক্যাশ মেমোরি
  2. র‍্যাম
  3. হার্ড ডিস্ক
  4. রেজিস্টার
ব্যাখ্যা
• কুকিজ ক্যাশ মেমোরিতে জমা হয়।

• কুকিজ:
- Internet Information File Cookies ব্রাউজিং তথ্য ব্যবহারকারীর ব্রাউজারের ক্যাশ মেমোরিতে সংরক্ষণ করে।
- Internet Information File Cookies এক ধরনের টেক্সট ফাইল, যা কোনো ওয়েবসাইট ব্যবহারকারীর ব্রাউজার ডাইরেক্টরিতে জমা করে যখন ব্যবহারকারী সেই ওয়েবসাইটটি ব্রাউজ করে।
- এটি ওয়েবসাইটকে ব্যবহারকারীর ডিভাইসে প্রাসঙ্গিক তথ্য সংরক্ষণ করতে সহায়তা করে, ফলে ব্যবহারকারী যখন পুনরায় ওয়েবসাইটটি ভিজিট করেন, তখন তাকে সহজেই শনাক্ত করা যায় এবং ব্রাউজিং অভিজ্ঞতা উন্নত হয়।
- যখন ব্যবহারকারী একটি ওয়েবসাইট পরিদর্শন করেন, ওয়েবসাইটটি কম্পিউটারের হার্ড ডিস্কে ভিজিট সম্পর্কিত কিছু তথ্য সংরক্ষণ করে।
- ইন্টারনেট ব্রাউজারের ক্যাশ মেমোরিতে অনেক অস্থায়ী ফাইল এবং কুকিজ জমতে থাকে, যা কম্পিউটারের কার্যক্ষমতা কমিয়ে দিতে পারে।
- সফ্টওয়্যারের মাধ্যমে এই ক্যাশ মেমোরি এবং কুকিজ সহজেই পরিস্কার করা যায়, যা কম্পিউটারের গতি বাড়াতে সহায়ক।

• অন্যান্য অপশন আলোচনা:
- RAM-এর পুরো অর্থ হচ্ছে Random Access Memory।
- র‍্যামে অত্যন্ত সহজে তথ্য সংরক্ষণ করা যায় এবং প্রয়োজনে তথ্য মুছে ফেলা যায়।
- রেজিস্টার হলো কম্পিউটারের প্রসেসর এর ভিতর অনেক গতিসম্পন্ন বিশেষ ধরনের স্টোরেজ বা মেমোরি।
হার্ড ডিস্ক - কম্পিউটারের সহায়ক মেমরী।

উৎস: 
১. ব্রিটানিকা।
২. কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩. Microsoft website.
১৭৯.
রোবটের অনুভূতি তৈরিতে কোন প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয় ?
  1. ক) অ্যাকচুয়েটর
  2. খ) ম্যানিপুলেশন
  3. গ) সেন্সিং
  4. ঘ) রিপ্রোগ্রামেবল ব্রেইন
ব্যাখ্যা

সেন্সিং: মানুষের মত অনুভুতি তৈরিতে সেন্সিং প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয় । সেন্সরের মাধ্যমে রোবট এর মধ্যে মানুষের মত অনুভূতি তৈরি করা যায় ।

অ্যাকচুয়েটর: অ্যাকচুয়েটর হল রোবটের হাত-পা অথবা বিশেষভাবে তৈরি কোন অঙ্গপ্রত্যঙ্গের নাড়াচাড়া করার জন্য কতকগুলো বৈদ্যুতিক মোটরের সমন্বয়ে তৈরি বিশেষ ব্যবস্থা।

ম্যানিপুলেশন: রোবটের আশেপাশের বস্তুগুলোর অবস্থান পরিবর্তন বা বস্তুটিকে পরিবর্তন করার পদ্ধতিকে বলা হয় ম্যানিপুলেশন।

রিপ্রোগ্রামেবল ব্রেইন: রোবট এর মধ্যে অবস্থিত প্রোগ্রাম কৃত মস্তিষ্ক যা কম্পিউটারের সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করে।
যদি কোন কারনে রোবটের আচরণ পরিবর্তনের প্রয়োজন হয় সেক্ষেত্রে এর ভেতরে থাকা কম্পিউটার টিভি প্রোগ্রাম করা হলেই চলে।

উৎস: মাধ্যমিক কম্পিউটার এবং তথ্যপ্রযুক্তি ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ( প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান)

১৮০.
রোবোটিক্সের জনক কে?
  1. Joseph Engelberger
  2. John McCarthy
  3. Alan Turing
  4. Charles Babbage
ব্যাখ্যা

• Joseph Engelberger: Father of Robotics.
- John McCarthy: Father of Artificial Intelligence.
- Alan Turing: Father of Computer Science.
- Charles Babbage: Father of Modern Computer.

• রোবোটিক্স(Robotics):
- রোবোটিক্স হলো এমন একটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির শাখা, যেখানে রোবটের নকশা, নির্মাণ, প্রোগ্রামিং ও ব্যবহার নিয়ে আলোচনা করা হয়।
- রোবট হলো একটি স্বয়ংক্রিয় বা আধা-স্বয়ংক্রিয় যন্ত্র, যা নির্দিষ্ট নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করতে সক্ষম।
- রোবোটিক্সের মূল উদ্দেশ্য হলো মানুষের কাজকে সহজ, দ্রুত, নির্ভুল ও ঝুঁকিমুক্ত করা।
 
• রোবোটিক্সের জনক(Father of Robotics):
- জোসেফ এঙ্গেলবার্গার(Joseph Engelberger)–কে রোবোটিক্সের জনক বলা হয়।
- তিনি শিল্পক্ষেত্রে প্রথম কার্যকর শিল্প রোবট “Unimate” উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।
- আধুনিক শিল্প রোবোটিক্সের বিকাশে তাঁর অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
 
• রোবোটিক্সের প্রধান উপাদান:
- হার্ডওয়্যার: সেন্সর, মোটর, অ্যাকচুয়েটর, কন্ট্রোল ইউনিট।
- সফটওয়্যার: প্রোগ্রামিং নির্দেশনা ও কন্ট্রোল অ্যালগরিদম।
- সেন্সর: পরিবেশ থেকে তথ্য সংগ্রহ করে।
- অ্যাকচুয়েটর: নির্দেশ অনুযায়ী যান্ত্রিক কাজ সম্পন্ন করে।
 
• রোবোটিক্সের ব্যবহার ক্ষেত্র:
- শিল্প কারখানা ও উৎপাদন ব্যবস্থা।
- চিকিৎসা ও সার্জারি।
- মহাকাশ গবেষণা।
- সামরিক ও প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা।
- কৃষি ও স্বয়ংক্রিয় যন্ত্রপাতি।
 
• রোবোটিক্স ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা:

- আধুনিক রোবোটিক্সে Artificial Intelligence(AI) ব্যবহৃত হয়।
- AI ব্যবহারের ফলে রোবট শেখা, সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও স্বয়ংক্রিয়ভাবে কাজ করতে পারে।
 
উৎস: Britannica.

১৮১.
স্পুফিং কী?
  1. ভাইরাস ছড়ানোর একটি পদ্ধতি
  2. অন্য ব্যক্তি বা ডিভাইসের পরিচয় ধারণ করা
  3. ডাটা এনক্রিপশন পদ্ধতি
  4. নেটওয়ার্ক স্পীড বাড়ানোর একটি টেকনিক
ব্যাখ্যা

◉ স্পুফিং (Spoofing) হলো একটি সাইবার অপরাধ, যেখানে একজন আক্রমণকারী অন্য ব্যক্তি বা ডিভাইসের পরিচয় ধারণ করে (impersonate) এবং নিজেকে বৈধ ব্যবহারকারী বা ডিভাইস হিসেবে উপস্থাপন করে। এর মাধ্যমে আক্রমণকারী অননুমোদিত অ্যাক্সেস পেতে পারে, ডেটা চুরি করতে পারে বা অন্যান্য ক্ষতিকর কার্যক্রম চালাতে পারে।

সাইবার অপরাধ:
- ইন্টারনেটকে কেন্দ্র করে এবং এর সহযোগীতায় সংঘটিত অপরাধকে সাইবার ক্রাইম বা সাইবার অপরাধ বলে।
- বিভিন্ন ধরনের সাইবার অপরাধ হচ্ছে-

স্পুফিং (Spoofing):
- নেটওয়ার্ক সিকিউরিটির ক্ষেত্রে স্পুফিং আক্রমণ হলো এমন একটি অবস্থা যেখানে কোন ব্যক্তি বা কোন একটি প্রোগ্রাম মিথ্যা বা ভুল তথ্য উপস্থাপনের মাধ্যমে নেটওয়ার্ককে বিভ্রান্ত করে এবং এর সিকিউরিটি সিস্টেমে অনুপ্রবেশ করে অনৈতিকভাবে সুবিধা আদায় করে ।
- ইন্টারনেটে বিভিন্ন ভাবে স্পুফিং হয়ে থাকে। যথা: ইমেইল স্পুফিং, গেটওয়ে স্পুফিং, আইপি স্পুফিং ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১৮২.
কাকে "Godfather of AI" বলা হয়?
  1. John Hopfield
  2. Geoffrey Hinton
  3. Alan Turing
  4. John McCarthy
ব্যাখ্যা

• ২০২৪ সালের পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার:


- জন হপফিল্ড (প্রিন্সটন ইউনিভার্সিটি, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র) এবং জিওফ্রি হিন্টন (ইউনিভার্সিটি অফ টরন্টো, কানাডা) ২০২৪ সালের পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
- তাঁদের কৃতিত্ব: কৃত্রিম নিউরাল নেটওয়ার্কের সাহায্যে মেশিন লার্নিং কার্যকরে সহায়ক মৌলিক আবিস্কার ও উদ্ভাবনের জন্য।

- হপফিল্ডের গবেষণা: তিনি অ্যাসোসিয়েটিভ মেমোরি তৈরি করেন, যা ডেটার ধরণ সংরক্ষণ ও পুনর্গঠন করতে পারে। এই মডেলটি পদার্থবিজ্ঞানের চুম্বকত্ব এবং স্পিন সিস্টেমের উপর ভিত্তি করে কাজ করে।​
- হিন্টনের গবেষণা: তিনি বোল্টজমান মেশিন নামে একটি নেটওয়ার্ক তৈরি করেন, যা ডেটার নির্দিষ্ট বৈশিষ্ট্য শনাক্ত করতে পারে। এটির মাধ্যমে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা হয়।​
- Geoffrey Hinton - কে "Godfather of AI" বলা হয়।

- নিউরাল নেটওয়ার্কের প্রভাব: তাঁদের গবেষণা বর্তমানে মেশিন লার্নিং এবং এআই-এর ক্ষেত্রে চিত্র সনাক্তকরণ, ভাষা অনুবাদ এবং অন্যান্য জটিল কাজের জন্য ব্যবহৃত হচ্ছে।​
- পুরস্কার অর্থ: তাঁরা ১১ মিলিয়ন সুইডিশ ক্রোনার পুরস্কার হিসেবে ভাগ করে নেবেন।​

- এই গবেষণার ফলে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বর্তমান উন্নতি এবং ভবিষ্যত সম্ভাবনাগুলি আরও স্পষ্ট হয়েছে।

সূত্র-
১) nobelprize.org/prizes/physics [লিংক]
২) Britannica [লিংক]

১৮৩.
সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩ অনুযায়ী কম্পিউটার নেটওয়ার্কে অপরাধ সংঘটনের উদ্দেশ্যে বে-আইনি প্রবেশ করলে একজন অপরাধীর সর্বোচ্চ কত বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে?
  1. ৩ বছর
  2. ৫ বছর
  3. ১০ বছর
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা


উৎস: [bdlaws]
১৮৪.
একটি ইন্ডাস্ট্রিয়াল রোবটের প্রধান কাজ কী?
  1. গাড়ি চালানো
  2. সঙ্গীত শোনা
  3. খাবার তৈরি
  4. পুনরাবৃত্তিমূলক কাজ করা 
ব্যাখ্যা

• একটি ইন্ডাস্ট্রিয়াল রোবটের প্রধান কাজ হল পুনরাবৃত্তিমূলক কাজ করা। এই রোবটগুলি সাধারণত শিল্প কারখানায় ব্যবহৃত হয় এবং তারা মানুষকে ভারী, ঝুঁকিপূর্ণ বা সময়সাপেক্ষ কাজ থেকে মুক্তি দেয়। যেমন: অ্যাসেম্বলি লাইন, ওয়েল্ডিং, পেইন্টিং বা প্যাকেজিং। এই রোবটগুলির প্রোগ্রাম অনুযায়ী নির্দিষ্ট ধাপ এবং কার্যাবলী বারবার সম্পন্ন হয়, ফলে কাজের গতি বৃদ্ধি পায় এবং ত্রুটি কমে। অন্য দিকে, গাড়ি চালানো, সঙ্গীত শোনা বা খাবার তৈরি করা ইন্ডাস্ট্রিয়াল রোবটের প্রধান কাজ নয়, এগুলো সাধারণত অন্যান্য বিশেষায়িত প্রযুক্তি বা ডিভাইসের জন্য উপযুক্ত।
- তাই সঠিক উত্তর হলো ঘ) পুনরাবৃত্তিমূলক কাজ করা।


• রোবটিক্স:
- প্রযুক্তির যে শাখায় রোবটের নকশা বা ডিজাইন, গঠন, পরিচালন প্রক্রিয়া, কাজ ও প্রয়োগক্ষেত্র সম্পর্কে আলোচনা করা হয়, সেই শাখাকে রোবটিক্স বলা হয়।
- রোবট হলো কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত যন্ত্র বা যন্ত্রমানব, যা মানুষের অনেক দুঃসাধ্য ও কঠিন কাজ স্বয়ংক্রিয়ভাবে করতে পারে।
- Robot শব্দটি এসেছে স্লাভিক শব্দ Robota থেকে, যার অর্থ হলো 'শ্রমিক'।
- প্রথম রোবট তৈরি করেন আমেরিকান উদ্ভাবক জর্জ চার্লস ডেভল।
- ১৯৫০ সালে তার তৈরি প্রথম ইন্ডাস্ট্রিয়াল রোবটের নাম ছিল ইউনিমেট।
- ইউনিমেট রোবট তৈরির প্রজেক্টের উদ্যোক্তা ছিলেন আমেরিকান জোসেফ ফ্রেডরিক এঙ্গেলবার্গ।
- জোসেফ ফ্রেডরিক এঙ্গেলবার্গকে রোবোটিক্সের জনক বলা হয়।

• উল্লেখযোগ্য কয়েকটি রোবট নির্মাতাকারী প্রতিষ্ঠান হলো -
- FANUC (ফানুক),
- Yaskawa (ইয়াসকাওয়া),
- iRobot (আইরোবট),
- Boston Dynamics (বোস্টন ডাইনামিকস) ইত্যাদি।

• মানব-সদৃশ রোবট বা হিউমেনওয়েড (Humanoid) প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান হলো–
- জাপানের মুরাতা কোম্পানির 'মুরাতা বয় (Murata),
- সনি কর্পোরেশনের কিউরিও (QRIO) এবং আইব,
- হোন্ডা কোম্পানির আসিমো (ASIMO),
- স্যামসাংয়ের রোবোরে (Roboray),
- হংকং ভিত্তিক প্রতিষ্ঠান হ্যানসন রোবটিক্সের সোফিয়া।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

১৮৫.
Distributed Denial of Service (DDoS) আক্রমণ কী?
  1. ডাটাবেজ থেকে তথ্য চুরি করা
  2. সিস্টেমের সার্ভিস স্থগিত করা
  3. কম্পিউটারের পাসওয়ার্ড হ্যাক করা
  4. ফিশিং ইমেইল পাঠানো
ব্যাখ্যা

◉ DDoS (Distributed Denial of Service) আক্রমণ হলো একটি সাইবার আক্রমণের ধরন, যেখানে একাধিক কম্পিউটার বা বটনেটের মাধ্যমে একটি সার্ভার, নেটওয়ার্ক, বা ওয়েবসাইটকে অত্যাধিক ট্রাফিকের মাধ্যমে অকার্যকর করা হয়।

DDoS Attack:
- DDoS এর পূর্ণরূপ Distributed Denial of Service.
- DDoS Attack হলো এক ধরণের সাইবার অপরাধ।
- DoS হলো এক ধরনের সাইবার আক্রমণ যেখানে হ্যাকার ডিভাইসের স্বাভাবিক কার্যকারিতা বাধাগ্রস্ত করে একটি কম্পিউটার বা অন্য ডিভাইসকে তার উদ্দেশ্য ব্যবহারকারীদের কাছ থেকে দূরে রাখে।
- কোনো কম্পিউটার সিস্টেম বা ইন্টারনেট ওয়েবসাইটে এই আক্রমণ চালানোর মাধ্যমে ঐ সিস্টেম বা সাইটের যথাযথ কার্যক্রমকে ধীর গতির, বা অনেক ক্ষেত্রে পুরোপুরি বন্ধ করে দেয়া হয়।
- DoS দ্বারা একটি নেটওয়ার্ককে আক্রমন করা যায় এবং DDoS দ্বারা একাধিক নেটওয়ার্কেকে আক্রমন করা যায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১৮৬.
ফায়ারওয়ালের প্রাথমিক কাজ কী?
  1. ক) সমস্ত আগত ট্রাফিক নেটওয়ার্কে ঢুকতে না দেওয়া।
  2. খ) সমস্ত আগত ট্রাফিক নেটওয়ার্কে ঢুকার অনুমতি দেওয়া।
  3. গ) আগত এবং বহির্গত নেটওয়ার্ক ট্রাফিক নিরীক্ষা এবং নিয়ন্ত্রণ করা।
  4. ঘ) সমস্ত নেটওয়ার্ক ট্রাফিক এনক্রিপ্ট করা।
ব্যাখ্যা
ফায়ারওয়াল 
- ফায়ারওয়াল হলো এক বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা যাতে এক নেটওয়ার্ক থেকে আরেক নেটওয়ার্কে ডাটা প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
- ফায়ারওয়াল বাইরের আক্রমণ থেকে এক বা একাধিক কম্পিউটারকে রক্ষা করার জন্য হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মিলিত প্রয়াস।
- কম্পিউটার ফায়ারওয়ালের কাজ- ব্যক্তিগত বা সংবেদনশীল ডেটা রক্ষা করতে ব্যবহৃত হয়।

- ফায়ারওয়ালকে বিশেষ কিছু বৈশিষ্ট্য সম্পন্ন একটি সিস্টেম হিসেবে গণ্য করা হয় যার সাহায্যে ব্যবহারকারীকে সংরক্ষিত কোন নেটওয়ার্কে প্রবেশ করার অনুমতি প্রদান করা কিংবা বাধা প্রদান করা হয়। অর্থাৎ ফায়ারওয়াল আগত এবং বহির্গত নেটওয়ার্ক ট্রাফিক নিরীক্ষা এবং নিয়ন্ত্রণ করে।

সূত্র: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৮৭.
বৈধ হ্যাকাররা সাধারণত কী নামে পরিচিত?
  1. রেড হ্যাট হ্যাকার
  2. ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকার
  3. হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার
  4. গ্রিন হ্যাট হ্যাকার
ব্যাখ্যা
• হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার:
- বৈধ হ্যাকার সাধারণত হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার নামে পরিচিত।
- তারা কম্পিউটারে কোন অসাধু কোন উদ্দেশ্যে কম্পিউটারে প্রবেশ করে না।
- কম্পিউটারের নিরাপত্তার দুর্বলতা খুঁজে বের করে তা সংশোধন করে।
- বর্তমানে অনেক প্রতিষ্ঠান হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার নিয়োগ দিয়ে থাকে, তাদের কম্পিউটার ডাটার নিরাপত্তা বজায় রাখার জন্য।
- তারা কোম্পানির নেটওইয়ার্কে ম্যালওয়ার ছড়িয়ে দিয়ে দুর্বলতা খুঁজে বের করার চেষ্টা করে।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান
২. Kaspersky Antivirus [লিঙ্ক]
১৮৮.
কোনো কম্পিউটারের সফটওয়‍্যারের নিরাপত্তা প্রদানের নিমিত্তে কোনটি তৈরি করা হয়?
  1. রাউটার
  2. ম্যালওয়ার
  3. ফায়ারওয়াল
  4. এক্সেস পয়েন্ট
ব্যাখ্যা
ফায়ারওয়াল: 
- Unauthorized ব্যবহারকারীর হাত থেকে নেটওয়ার্ক রিসোর্সকে রক্ষা কিংবা সাইবার অ্যাটাক প্রতিরোধ করতে ফায়ারওয়াল (Firewall)ব্যবহার করা হয়। 
- অননুমোদিত ফায়ারওয়াল হলো এমন এক ধরনের তথ্য ব্যবস্থাপনার নিরাপত্তা ব্যবস্থা যা কোনো একটি কোম্পানির নিজস্ব নেটওয়ার্ক তথা ইন্ট্রানেট ও ইন্টারনেট নেটওয়ার্কের মধ্যে অবৈধ অ্যাক্সেস নিয়ন্ত্রণ করে। 
- কোনো কম্পিউটারের সফটওয়‍্যারের নিরাপত্তা প্রদানের নিমিত্তে ফায়ারওয়াল তৈরি করা হয়। 
- সাধারণত কোনো ফায়ারওয়ালের সাথে রাউটার (Router) বা ডেডিকেটেড সার্ভার (Dedicated server) থাকে যা সম্পূর্ণ ফায়ারওয়াল হিসেবে কাজ করে। 
- ফায়ারওয়াল কোনো প্রতিষ্ঠানের গেইট কিপার (Gate Keeper) হিসেবে কাজ করে যা যে কোনো ধরনের প্রবেশকে নিরাপদ এবং ডেটার ফিল্টার হিসেবে কাজ করে। 
- ফায়ারওয়াল হ্যাকিং এর ক্ষেত্রে বাধা সৃষ্টি করে কিন্তু সবসময় প্রতিরোধ করতে পারে না। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং ব্রিটানিকা।
১৮৯.
হোয়াইট হ্যাট হ্যাকাররা হ্যাক করে-
  1. অবৈধ কাজ করতে
  2. সিকিউরিটি বৃদ্ধি করতে
  3. ইনফরমেশন চুরি করতে
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
• সাধারণত হ্যাকার তিন ধরনের হয়। যথা-
১. হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার: এই ধরনের হ্যাকার কোন অবৈধ কাজ করে না। এরা সিকিউরিটি বৃদ্ধি করতে হ্যাক করে।
২. ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকার: ই ধরনের হ্যাকাররা অবৈধ কাজ করে এবং ইনফরমেশন চুরি করে সাইবার অপরাধ করে থাকে।
৩. গ্রে হ্যাট হ্যাকার: এই ধরনের হ্যাকাররা অবৈধ ও বৈধ উভয় কাজই করে।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. ব্রিটানিকা।
১৯০.
নিচের কোন কাজে রোবট ব্যবহৃত হয়?
  1. মহাশূন্যের ছবি সংগ্রহ করতে
  2. ক্ষতিকর বিস্ফোরক সনাক্তকরণে
  3. শিল্প কারখানায় উৎপাদন বৃদ্ধি করতে
  4. উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
• রোবটিক্স:
- প্রযুক্তির যে শাখায় রোবটের নকশা বা ডিজাইন, গঠন, পরিচালন প্রক্রিয়া, কাজ ও প্রয়োগক্ষেত্র সম্পর্কে আলোচনা করা হয়, সেই শাখাকে রোবটিক্স বলা হয়।
- জোসেফ ফ্রেডরিক এঙ্গেলবার্গারকে রোবোটিক্সের জনক বলা হয়।
- রোবটের মুভমেন্টের জন্য রোবোটিক্সে অ্যাকচুয়েটর ব্যবহার করা হয়।
- রোবটিক্স শব্দটি এসেছে 'রোবট' শব্দ হতে, যা প্রবর্তিত হয় চেক লেখক ও নাট্যকার কারেল কাপেক এর একটি নাটক থেকে, যা ১৯২০ সালে প্রকাশিত হয়।
- Robot শব্দটি এসেছে স্লাভিক শব্দ Robota থেকে, যার অর্থ হলো 'শ্রমিক'।
- প্রথম রোবট তৈরি করেন আমেরিকান উদ্ভাবক জর্জ চার্লস ডেভল।
- ১৯৫০ সালে তার তৈরি প্রথম ইন্ডাস্ট্রিয়াল রোবটের নাম ছিল ইউনিমেট।
- ইউনিমেট রোবট তৈরির প্রজেক্টের উদ্যোক্তা ছিলেন আমেরিকান জোসেফ ফ্রেডরিক এঙ্গেলবার্গার।

- বর্তমান বিশ্বে বিভিন্ন ক্ষেত্রে রোবটকে ব্যবহার করা হচ্ছে। যেমন-
• শিল্পের বিপজ্জনক ও কঠিন কাজ করা।
• বৃহৎ মেশিনের কষ্টদায়ক যন্ত্রপাতির সংযোজন।
• খনি হতে বিভিন্ন বিষাক্ত পদার্থ উত্তোলন।
• মহাকাশ গবেষণায় রোবট ব্যবহৃত হচ্ছে।
মহাশূন্যের ছবি সংগ্রহ
ক্ষতিকর বিস্ফোরক সনাক্তকরণে
• গৃহস্থালীর কাজে রোবট ব্যবহৃত হচ্ছে।
• গভীর অরণ্য কিংবা বহুদূরত্বে শত্রুর উপস্থিতির প্রমাণে।
শিল্প কারখানায় দ্রুত উৎপাদন কার্য হাসিলে রোবটের ব্যবহার হচ্ছে; ইত্যাদি।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৯১.
কী আবিষ্কারের মধ্য দিয়ে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি ধারনার উদ্ভব হয়?
  1. ক) Sensorama
  2. খ) Enigma machine
  3. গ) Digital convergence
  4. ঘ) ARPANET
ব্যাখ্যা
1962 সালে মর্টন হেইলিগ Sensorama আবিষ্কারের মধ্য দিয়ে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি ধারনার সূত্রপাত করেন। ১৯৮৯ সালে জেরন লেইনার সর্বপ্রথম “virtual reality” শব্দটির প্রচলন করেন।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি - একাদশ দ্বাদশ শ্রেণী - মোঃ মজিবুর রহমান
১৯২.
ইন্টারনেটে অনাকাঙ্ক্ষিত, অপ্রাসঙ্গিক বা বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে পাঠানো বিপুল পরিমাণ ইমেল বা বার্তাকে কী বলা হয়?
  1. Phishing
  2. Hacking
  3. Spamming
  4. Spoofing
ব্যাখ্যা

স্প্যামিং (Spamming) হলো এমন একটি পদ্ধতি যেখানে কোনো ব্যক্তির অনুমতি ছাড়াই তাকে বারবার অপ্রাসঙ্গিক বার্তা বা বিজ্ঞাপন পাঠানো হয়। এটি মূলত ইমেল, এসএমএস বা সোশ্যাল মিডিয়া মেসেজের মাধ্যমে করা হয়। অনেক সময় স্প্যাম বার্তার মাধ্যমে ক্ষতিকারক লিঙ্ক বা ম্যালওয়্যার ছড়িয়ে দেওয়া হয়।

• সাইবার অপরাধ:
বিভিন্ন ধরনের সাইবার অপরাধ হয়ে থাকে। নিচে অতি সংক্ষিপ্তভাবে অপরাধসমূহের তালিকা দেওয়া হলো:
- কম্পিউটার সিস্টেম অথবা নেটওয়ার্কে অযাচিত প্রবেশ করা।
- ইলেকট্রনিক ফর্মে থাকা তথ্য চুরি করা।
- প্লেজিয়ারিজম- অন্যের লেখা চুরি করে নিজের নামে চালিয়ে দেওয়া বা প্রকাশ করা।
- স্নিকিং- গোপনে ব্যবহারকারীর চোখ এড়িয়ে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক সিস্টেমে প্রবেশ করে নিজের আওতায় আনা।
- স্পুফিং- ভুল তথ্য দিয়ে নেটওয়ার্ককে বিভ্রান্ত করা।
- ই-মেইল বম্বিং (বিশাল ই-মেইল পাঠানোর মাধ্যমে সিস্টেম ক্র্যাশ করা)।
- Data diddling (কম্পিউটার প্রসেসিং এর পূর্বে কোন ডেটাকে কম্পিউটার থেকে সরিয়ে ফেলা এবং প্রসেসিং সম্পন্ন হবার পর পুনরায় সে ডেটাকে কম্পিউটারে স্থাপন করা।)
- Salami Attack (অবৈধ আর্থিক বিনিময় কিংবা আর্থিক ক্ষতি সাধন।)
- Denial of Service Attack (বেশি পরিমাণে রিকোয়েস্ট পাঠিয়ে সিস্টেম ক্র্যাশ করা)।
- ভাইরাস/ওয়ার্ম আক্রমণ।
- স্প্যামিং (Spamming): অনাকাঙ্ক্ষিত ও অবাঞ্ছিত ই-মেইল কিংবা মেসেজ পাঠানোকে স্প্যামিং বলে। এই কাজ যারা করে তাদেরকে স্প্যামার বলা হয়।
- লজিক বম্ব (ইভেন্ট নির্ভর প্রোগ্রামের মাধ্যমে সিস্টেমে এ্যাটাক করা)।
- ট্রোজান এ্যাটাক (পরোক্ষভাবে কারো সিস্টেমে প্রবেশ করে সিস্টেমের কন্ট্রোল গ্রহণ করা।
- ইন্টারনেটের ব্যবহার্য সময় বা ইউনিট চুরি।
- ওয়েব সাইট হ্যাক করে তথ্য পরিবর্তন করা।

উৎস: ১। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, ভোকেশনাল।
২। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১৯৩.
মানবাকৃতি রোবট সোফিয়ার নির্মাণে কোন কোম্পানির অবদান রয়েছে?
  1. Google
  2. Tesla
  3. Hanson Robotics
  4. Boston Dynamics
ব্যাখ্যা

⚪ সোফিয়া (Sophia) হল একটি অত্যাধুনিক হিউম্যানয়েড রোবট, যা Hanson Robotics নামক হংকং ভিত্তিক একটি রোবোটিক কোম্পানি তৈরি করেছে। সোফিয়া রোবটটি মানুষের মতো চেহারা এবং আচরণ প্রদর্শন করতে সক্ষম। এটি বিশেষ করে তার সুনির্দিষ্ট মুখাবয়ব এবং মানুষের মতো অনুভূতি প্রকাশ করার ক্ষমতার জন্য পরিচিত।

এখানে কিছু বিস্তারিত তথ্য:

1. সোফিয়া প্রথম ২০১৬ সালে প্রকাশিত হয়। এটি তৈরি করেছিলেন ডেভিড হ্যানসন, যিনি Hanson Robotics-এর প্রতিষ্ঠাতা এবং প্রধান উদ্ভাবক। সোফিয়া একটি উদ্ভাবনী কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) এবং মেশিন লার্নিং সিস্টেমের সঙ্গে কাজ করে, যা তাকে মানুষের মতো কথা বলতে, ভাবনাচিন্তা করতে এবং আবেগ প্রকাশ করতে সাহায্য করে।

2. ফিচার এবং ক্ষমতা:

  • সোফিয়া বিভিন্ন ধরনের অনুভূতি যেমন হাসি, দুঃখ, রাগ ইত্যাদি প্রকাশ করতে পারে।
  • এটি বেশ কিছু ভাষায় কথা বলতে সক্ষম, এবং এটি সাধারণ কথোপকথনে অংশ নিতে পারে।
  • সোফিয়া সঠিকভাবে মুখাবয়ব এবং শারীরিক ভাষা (body language) বিশ্লেষণ করতে পারে, যা তাকে আরও বাস্তবসম্মত করে তোলে।

3. বিশ্ববিদ্যালয় এবং সরকারী অনুষ্ঠানে উপস্থিতি: সোফিয়া অনেক আন্তর্জাতিক সম্মেলন এবং টক শোতে অংশগ্রহণ করেছে, যেখানে এটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং রোবোটিক্স সম্পর্কে আলোচনা করেছে। সোফিয়াকে ২০১৭ সালে সৌদি আরবের নাগরিকত্ব দেওয়া হয়, যা রোবটদের জন্য একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত ছিল।

4. সোফিয়া এবং মানব-রোবট সম্পর্ক: সোফিয়া সমাজে রোবট এবং মানবের সম্পর্ক নিয়ে বেশ কিছু বিতর্ক তৈরি করেছে। এটি তুলে ধরে যে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং রোবটগুলোর জন্য মানবিক মর্যাদা এবং সামাজিক গ্রহণযোগ্যতার কি প্রভাব হতে পারে।

- Hanson Robotics-এর লক্ষ্য হলো রোবটের মাধ্যমে মানবতার উন্নতি সাধন করা এবং সোফিয়ার মতো রোবটের মাধ্যমে ভবিষ্যতের প্রযুক্তির একটি মানবিক রূপ উপস্থাপন করা।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১৯৪.
সাইবার নিরাপত্তা আইনে অজামিনযোগ্য ধারাগুলোর মধ্যে কোনটি হ্যাকিং সম্পর্কিত?
  1. ধারা-১৫
  2. ধারা-১৯
  3. ধারা-২৭
  4. ধারা-৩২
ব্যাখ্যা
• সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩:
- সাইবার নিরাপত্তা নিশ্চিত, ডিজিটাল বা ইলেকট্রনিক মাধ্যমে সংঘটিত অপরাধ শনাক্ত, প্রতিরোধ, দমন ও এই অপরাধের বিচার এবং আনুতোষিক বিষয়ে নতুন বিধান প্রণয়নের উদ্দেশ্যে জাতীয় সংসদে ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ 'সাইবার নিরাপত্তা বিল-২০২৩' পাস হয়।
- পূর্বের ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের ২টি ধারা বাতিল করে নতুন আইনে ৬০টি ধারা করা হয়।

• অজামিনযোগ্য ধারা:
- ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের কার্যক্রম স্থগিত করে নতুন এই আইনে চারটি অজামিনযোগ্য ধারা রাখা হয়েছে।
ধারাগুলো হলো:
ধারা-১৭: গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামোতে বে-আইনি প্রবেশ।
ধারা-১৯: কম্পিউটার, কম্পিউটার সিস্টেম, ইত্যাদির ক্ষতিসাধন ও দণ্ড।
ধারা-২৭: সাইবার সন্ত্রাসীকার্য সংঘটনের অপরাধ ও দণ্ড।
ধারা-৩২: হ্যাকিং সংক্রান্ত অপরাধ ও দণ্ড।

উৎস:
১. আইন মন্ত্রণালয়য়ের ওয়েবসাইট। [লিঙ্ক]
২. বাসস (১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৩)
১৯৫.
2FA কেন গুরুত্বপূর্ণ?
  1. এটি সম্পূর্ণভাবে পাসওয়ার্ডের পরিবর্তে আসে
  2. এটি একটি অতিরিক্ত নিরাপত্তা স্তর যোগ করে
  3. এটি লগইন সময় ধীর করে
  4. এটি কেবল ব্যাঙ্কিং অ্যাপের জন্য কার্যকর
ব্যাখ্যা

• দ্বি-স্তরীয় প্রমাণীকরণ বা 2FA অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কারণ এটি একটি অতিরিক্ত নিরাপত্তা স্তর যোগ করে, যা শুধুমাত্র পাসওয়ার্ডের ওপর নির্ভরশীলতার ঝুঁকি কমায়। ব্যবহারকারীর অ্যাকাউন্টে অননুমোদিত প্রবেশ প্রতিরোধ করতে, লগইন প্রক্রিয়ায় একটি অতিরিক্ত ধাপ যেমন SMS, ইমেল বা অ্যানথেন্টিকেটর অ্যাপের কোড প্রয়োজন হয়। এটি হ্যাকারদের জন্য অ্যাক্সেস পাওয়া কঠিন করে তোলে, যদিও তারা পাসওয়ার্ড জেনে যায়। 2FA কেবল ব্যাঙ্কিং অ্যাপের জন্য নয়, বরং ইমেল, সোশ্যাল মিডিয়া, ক্লাউড সার্ভিস এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ অ্যাকাউন্টের জন্যও কার্যকর। তাই এটি আধুনিক ডিজিটাল নিরাপত্তার একটি অপরিহার্য উপাদান।

সঠিক উত্তর: খ) এটি একটি অতিরিক্ত নিরাপত্তা স্তর যোগ করে।

টু ফ্যাক্টর অথেন্টিফিকেশন (2FA): 
- টু ফ্যাক্টর অথেন্টিফিকেশন-এর অর্থ হচ্ছে যখন ই-মেইল, সোশ্যাল মিডিয়া বা অন্য অনলাইন অ্যাকাউন্টে প্রবেশের জন্য আইডি এবং পাসওয়ার্ড দিয়ে প্রবেশ করা হয় তখন একটি ওটিপি (ওয়ান টাইম পাসওয়ার্ড যা ৬ ডিজিটের হয়ে থাকে) ফোনে বা মেইলে আসে। 
অর্থাৎ, টু ফ্যাক্টর অথেন্টিফিকেশন (2FA) যাচাই করতে সাধারণত ৬ ডিজিটের ওয়ান টাইম পাসওয়ার্ড (OTP) ব্যবহার করা হয়। 
- যখন সেই ওটিপি সঠিকভাবে দেওয়া হয় তখনই কেবল অ্যাকাউন্টে প্রবেশ করা যায়, অন্যথায় নয়। 
- OTP সীমিত সময়ের জন্য পাঠানো হয়, একবার ব্যবহার করার পরে OTP এর মেয়াদ শেষ হয়ে যায় এবং পরবর্তীতে একই OTP আর ব্যবহার করা যায় না। 
- টু ফ্যাক্টর অথেন্টিফিকেশন চালু থাকলে সাইবার অপরাধীর পক্ষে কোনো অ্যাকাউন্ট হ্যাক করা বেশ কঠিন হয়ে যায়। 
- বর্তমান সময়ে সোশ্যাল মিডিয়ার ব্যবহার খুবই স্বাভাবিক একটি বিষয়। বিভিন্ন প্রয়োজনে এবং বিনোদনের জন্য সোশ্যাল মিডিয়ার ব্যাবহার করা হয়। তবে খুবই সতর্ক থাকতে হবে যে, কোন কোন ব্যক্তিগত তথ্য সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করা যায় এবং কোনগুলো করা যায় না। 
- হ্যাকাররা সোশ্যাল মিডিয়ায় আপলোডকৃত বিভিন্ন কনটেন্ট এর সূত্র ধরে সোশ্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং-এর মাধ্যমে কোনো প্রতারণার মাধ্যমে অর্থসম্পদ হাতিয়ে নিতে পারে তাই এ ব্যাপারে সচেতন থাকতে হবে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ  প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি।

১৯৬.
নিম্নলিখিত কোনটি এন্টিভাইরাস প্রোগ্রাম নয়?
  1. Mydoom
  2. Norton
  3. Panda
  4. Avast
ব্যাখ্যা

Mydoom একটি ক্ষতিকর কম্পিউটার ভাইরাস, এটি কোনো এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার নয়। 
- MyDoom হলো একটি কুখ্যাত কম্পিউটার ওয়ার্ম যা ২০০৪ সালে ব্যাপক ক্ষতি সাধন করেছিল।
- এটি ম্যালওয়্যার যা ই-মেইল অ্যাটাচমেন্টের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এবং আক্রান্ত কম্পিউটারের নিরাপত্তা ব্যবস্থা দুর্বল করে দেয়।

এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার:
- ১৯৫০ সালে কম্পিউটার ভাইরাসের উদ্ভব ঘটে।
- প্রখ্যাত গবেষক ফ্রেড কোহেন কম্পিউটার ভাইরাসের নামকরণ করেন।
- কম্পিউটারে ভাইরাসের আক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়।
- এন্টিভাইরাস ব্যবহার করলে কম্পিউটারে ভাইরাস আক্রমণের পূর্বেই তা রোধ করে অথবা ব্যবহারকারীকে সতর্ক করে দেয়।
উল্লেখযোগ্য কয়েকটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার হলো-
- AVG,
- AVAST,
- Norton,
- Panda,
- Avira,
- McAfee,
- Cobra,
- Kaspersky ইত্যাদি।

কম্পিউটার ভাইরাস:
- প্রখ্যাত গবেষক ফ্রেড কোহেন কম্পিউটার ভাইরাসের নামকরণ করেন।
- কয়েকটি উওল্লেখযোগ্য কম্পিউটার ভাইরাসের নাম হলো:
- ভিবিএস/হেল্পার,
- ওয়ার্ম,
- Mydoom,
- ভিবিএস/আকুই,
- ট্রোজান হর্স,
- এক্স ৯৭এম/হপার.আর,
- মাইক্রো ভাইরাস,
- বুট সেক্টর ভাইরাস,
- জেরুজালেম,
- ঢাকা ভাইরাস,
- ভিয়েনা,
- সিআইএইচ ইত্যাদি।
- সাধারণত ইন্টারনেটে বিভিন্ন তথ্য, ফাইল, সফটওয়্যার, ই-মেইল ইত্যাদির মাধ্যমে এক কম্পিউটার হতে অন্য কম্পিউটারের সাথে আদান-প্রদানের ফলে ভাইরাস আক্রমণ হতে পারে।

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।

১৯৭.
Which component is used in robotics to create movement in robots?
  1. Actuator
  2. Sensor
  3. Controller
  4. Processor
ব্যাখ্যা

• রোবটের মুভমেন্ট বা নড়াচড়া সৃষ্টি করার জন্য Robotics-এ Actuator ব্যবহার করা হয়, যেমন রোবটের হাত বা চাকা চালাতে Actuator কাজ করে।

• রোবটিক্স (Robotics):
- Robotics হলো প্রযুক্তির সেই শাখা, যেখানে রোবটের নকশা (design), গঠন (construction), পরিচালন প্রক্রিয়া (operation), কাজ ও প্রয়োগক্ষেত্র (application) সম্পর্কে আলোচনা করা হয়।
 
• রোবটের মুভমেন্টে Actuator-এর ভূমিকা:
- Robotics-এ Actuator এমন একটি উপাদান, যা শক্তিকে গতিতে (motion) রূপান্তর করে।
- রোবটের হাত নড়ানো, চাকা ঘোরানো বা কোনো অংশ চালু–বন্ধ করার কাজে Actuator ব্যবহৃত হয়।
- তাই রোবটের কার্যকর চলাচলের জন্য Actuator অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
 
• রোবটিক্সে ব্যবহারের প্রেক্ষাপট:
- শিল্পকারখানায় দ্রুত ও ঝুঁকিপূর্ণ কাজ সম্পাদনে রোবট ব্যবহৃত হয়।
- এসব কাজে রোবটের সঠিক মুভমেন্ট নিশ্চিত করতে Actuator অপরিহার্য।
 
• অন্যান্য অপশন:
- Sensor → পরিবেশ বা অবস্থা শনাক্ত করতে ব্যবহৃত হয়।
- Controller → রোবটের কাজ নিয়ন্ত্রণ ও নির্দেশনা দেয়।
- Processor → ডেটা প্রক্রিয়াজাতকরণের কাজে ব্যবহৃত হয়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৯৮.
জোসেফ ফ্রেডরিক এঙ্গেলবার্গার নিচের কোনটির জনক?
  1. আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স
  2. রোবটিক্স
  3. ন্যানোটেকনোলোজি
  4. মোবাইল ফোন
ব্যাখ্যা
• রোবটিক্স:
- প্রযুক্তির যে শাখায় রোবটের নকশা বা ডিজাইন, গঠন, পরিচালন প্রক্রিয়া, কাজ ও প্রয়োগক্ষেত্র সম্পর্কে আলোচনা করা হয়, সেই শাখাকে রোবটিক্স বলা হয়।
- রোবট হচ্ছে কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত এক ধরনের ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল যান্ত্রিক ব্যবস্থা, যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে মানুষের অনুরূপ কর্মকাণ্ড করতে পারে।
- রোবটিক্স শব্দটি এসেছে 'রোবট' শব্দ হতে, যা প্রবর্তিত হয় চেক লেখক ও নাট্যকার কারেল কাপেক এর একটি নাটক থেকে, যা ১৯২০ সালে প্রকাশিত হয়।
- রোবট হলো কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত যন্ত্র বা যন্ত্রমানব, যা মানুষের অনেক দুঃসাধ্য ও কঠিন কাজ স্বয়ংক্রিয়ভাবে করতে পারে।
- Robot শব্দটি এসেছে স্লাভিক শব্দ Robota থেকে, যার অর্থ হলো 'শ্রমিক'।
- অক্সফোর্ড ইংলিশ ডিকশনারি অনুযায়ী 'রোবটিক্স' শব্দটি সর্বপ্রথম ব্যবহার করা হয় ১৯৪১ সালে প্রকাশিত 'আইজাক আসিমভ' এর সায়েন্স ফিকশন 'লায়ার'-এ।
- প্রথম রোবট তৈরি করেন আমেরিকান উদ্ভাবক জর্জ চার্লস ডেভল।
- ১৯৫০ সালে তার তৈরি প্রথম ইন্ডাস্ট্রিয়াল রোবটের নাম ছিল ইউনিমেট।
- ইউনিমেট রোবট তৈরির প্রজেক্টের উদ্যোক্তা ছিলেন আমেরিকান জোসেফ ফ্রেডরিক এঙ্গেলবার্গ।
- জোসেফ ফ্রেডরিক এঙ্গেলবার্গারকে রোবোটিক্সের জনক বলা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
১৯৯.
কম্পিউটারে সাইবার অ্যাটাক করে ব্যবহারকারীর কাছে অর্থ দাবি করাকে কী বলে?
  1. ম্যালওয়্যার
  2. র‍্যানসমওয়্যার
  3. ড্যানিয়েল অব সার্ভিস
  4. ম্যান ইন দ্যা মিডেল
ব্যাখ্যা
ম্যালওয়্যার:
- ইহা হলো কম্পিউটারের ক্ষতিকারক সফটওয়্যার।
- এই সফটওয়্যারের মাধ্যমে ব্যবহারকারীদের অনুমতি ছাড়া পরিকল্পিত কোনো নেটওয়ার্কে আক্রমণ করে তথ্য বা ডেটা হাতিয়ে নেওয়া কিংবা কম্পিউটারের ক্ষতি করতে পারে সাইবার দুর্বৃত্তরা।
 
র‍্যানসমওয়্যার:
- ইহা হচ্ছে এমন এক ধরনের ম্যালওয়্যার যা কম্পিউটারের দখল নেয় যাতে ব্যবহারকারীকে অর্থ পরিশোধ না করা পর্যন্ত ঢুকতে দেয় না।
- কম্পিউটারে যত ফাইল পায় সব এনক্রিপ্ট করে ফেলে একটি বার্তা দেখানো শুরু করে।
- যদি ওই ফাইল উদ্ধার করে চান তবে অর্থ পরিশোধ করতে হবে।
 
DoS (Denial of Service):
- ইহা হলো এক ধরনের সাইবার আক্রমণ যেখানে হ্যাকার ডিভাইসের স্বাভাবিক কার্যকারিতা বাধাগ্রস্ত করে একটি কম্পিউটার বা অন্য ডিভাইসকে তার উদ্দেশ্য ব্যবহারকারীদের কাছ থেকে দূরে রাখে।
- কোনো কম্পিউটার সিস্টেম বা ইন্টারনেট ওয়েবসাইটে এই আক্রমণ চালানোর মাধ্যমে ঐ সিস্টেম বা সাইটের যথাযথ কার্যক্রমকে ধীর গতির, বা অনেক ক্ষেত্রে পুরোপুরি বন্ধ করে দেয়া হয়।
 
Man-in-the-Middle:
- দুই কম্পিউটারের মাঝের যোগাযোগে অন্য কম্পিউটার থেকে হ্যাকারের অনুপ্রবেশকেই ‘ম্যান-ইন-দ্যা-মিডল অ্যাটাক’ বলা হয়।
- ম্যান-ইন-দ্যা-মিডল অ্যাটাক করা হয় টার্গেটের গোপনীয়/একান্ত এবং আর্থিক তথ্য ইত্যাদি জানা ও সংগ্রহ করার জন্য।

 
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)।
২০০.
কোন ধরনের ম্যালওয়্যার একটি কম্পিউটার সিস্টেম লক করে ব্যবহারকারীকে তার ডিভাইস ব্যবহার করতে বাধা দেয় এবং মুক্তিপণ দাবি করে?
  1. অ্যাডওয়্যার
  2. র‍্যানসমওয়্যার
  3. স্পাইওয়্যার
  4. ওয়ার্ম
ব্যাখ্যা

র‍্যানসমওয়‍্যার হল এমন এক ধরনের ম্যালওয়্যার যা কম্পিউটার বা ফাইল লক করে দেয় বা এনক্রিপ্ট করে এবং তারপরে মুক্তিপণ (ransom) দাবি করে, যেন ব্যবহারকারী পুনরায় তার ডিভাইস বা ডেটা অ্যাক্সেস করতে পারে।

• ম্যালওয়্যার:
- ম্যালওয়্যার এর পূর্ণ শব্দরূপ হলো Malicious Software.

• কম্পিউটার ভাইরাস ছাড়া ম্যালওয়্যারের অন্তর্ভুক্ত সফটওয়্যারগুলোর মধ্যে রয়েছে-
- অ্যাডওয়‍্যার (Adware),
- স্পাইওয়্যার (Spyware),
- ট্রোজান হর্স (Trojan Horse),
- র‍্যানসমওয়্যার(Ransomware),
- ওয়ার্ম (worms) প্রভৃতি।

র‍্যানসমওয়্যার:
- র‍্যানসমওয়্যার হলো এক ধরনের ম্যালওয়্যার যেটি একটি কম্পিউটার ডিভাইসকে আক্রান্ত করার পর ব্যবহারকারীকে তার মেশিনে প্রবেশ করা থেকে বিরত রাখে এবং ব্যবহারকারীর প্রবেশগম্যতা (Accessibility) সীমাবদ্ধ করে দেয়, গুরুত্বপূর্ণ ফোল্ডার নিজের নিয়ন্ত্রণে নেয় এবং এই সীমাবদ্ধতা দূর করার জন্য ব্যবহারকারীর কাছ থেকে মুক্তিপণ (Ransom) দাবি করে।
- কিছু র‍্যানসমওয়্যার সিস্টেমের হার্ড ড্রাইভে অবস্থিত সকল ফাইল একটি বড় কী (Large Key) দিয়ে এনক্রিপ্ট (Encrypt) করে ফেলে।
- এনক্রিপশন কী এতটাই বড় হয় যে মুক্তিপণ না দিয়ে একে ভেঙে ফেলা প্রযুক্তিগত দিক থেকে প্রায় অসম্ভব।
- এছাড়াও কেউ কেউ সরল একটি প্রোগ্রামের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর সিস্টেম লক করে দেয় এবং ডিসপ্লেতে বার্তার মাধ্যমে ব্যবহারকারীকে মুক্তিপণ দিতে বাধ্য করে।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি- ২, ৯ম-১০ম শ্রেণি (ভোকেশনাল, ২০২১ সংস্করণ)।