উত্তর
ব্যাখ্যা
উৎসঃ একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণীর ইতিহাস ২য় পত্র বই (উন্মুক্ত)।
PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন
PrepBank · পাতা ৭৯ / ৯৩ · ৭,৮০১–৭,৯০০ / ৯,৩৩৪
• দ্য অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস (AP):
- এটি যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক সংবাদ সংস্থা।
- ১৮৪৬ সালে নিউইয়র্ক সিটির পাঁচটি সংবাদপত্র আলাবামার মাধ্যমে একটি পোনি এক্সপ্রেস রুট স্থাপন করে মেক্সিকো যুদ্ধের খবর দ্রুত উত্তর দিকে পৌঁছানোর উদ্যোগ নেয়।
- তখন যুক্তরাষ্ট্রের ডাকঘরও এত দ্রুত খবর পৌঁছাতে পারতো না।
- এভাবেই দ্য অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস (AP) প্রতিষ্ঠিত হয়।
- AP যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম বেসরকারি সংস্থা যা জাতীয় পর্যায়ে কার্যক্রম চালাতে সক্ষম।
- এটি একটি স্বাধীন সংবাদ সংস্থা, যা যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদপত্র ও সম্প্রচার সংস্থার সমবায় হিসেবে কাজ করে।
- মূল লক্ষ্য: বিশ্বের কাছে সঠিক, তথ্যভিত্তিক এবং পক্ষপাতহীন সংবাদ পৌঁছে দেওয়া।
তথ্যসূত্র: The Associated Press Website
ইস্ট লন্ডন (East London):
- ইস্ট লন্ডন (East London) দক্ষিণ আফ্রিকার একটি নদী বন্দর শহর।
- এটি পূর্ব কেপ প্রদেশের বাফেলো নদীর মুখে অবস্থিত।
- এটি ভারত মহাসাগরের তীরে অবস্থিত দক্ষিণ আফ্রিকার অন্যতম প্রধান বন্দর।
- ইংল্যান্ডের স্যার হ্যারি স্মিথ (Sir Harry Smith) এ নামকরণ করেন।
- এটির প্রকৃত নাম পোর্ট রেক্স।
দক্ষিণ আফ্রিকা:
- দক্ষিণ আফ্রিকার রাজধানী ৩টি। যথা:
- নির্বাহী বা প্রশাসনিক রাজধানী: প্রিটোরিয়া।
- সংসদীয় রাজধানী: কেপ টাউন।
- বিচার বিভাগীয় রাজধানী: ব্লোয়েমফন্টেইন।
- দক্ষিণ আফ্রিকা আফ্রিকা মহাদেশের সর্বদক্ষিণে অবস্থিত রাষ্ট্র।
- দক্ষিণ আফ্রিকার রাষ্ট্রীয়/প্রশাসনিক নাম Republic of South Africa.
- দেশটির দক্ষিণে ভারত মহাসাগর ও দক্ষিণ আটলান্টিক মহাসাগর অবস্থিত।
- দুই মহাসাগর মিলিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকার উপকূলীয় তটরেখার দৈর্ঘ্য প্রায় ১৭৩৯ মাইল।
- দেশটির আইনসভার নাম পার্লামেন্ট।
- দেশটির আইনসভা ২ কক্ষ বিশিষ্ট।
- যথা: উচ্চকক্ষ National Council, নিম্নকক্ষ National Assembly.
- মুদ্রার নাম: র্যান্ড।
উৎস: Worldatlas. ও Britannica.
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালে ১৯৪০ সালের মে পর্যন্ত চেম্বারলেন, মাঝে চার্চিল এবং যুদ্ধের শেষ পর্যন্ত এটলি ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
উৎসঃ এনসাইক্লোপিডিয়া অব ব্রিটানিকা।
অপারেশন ডেজার্ট স্টর্ম:
- '১৯৯১ সালের উপসাগরীয় যুদ্ধ' অপারেশন ডেজার্ট স্টর্ম নামে পরিচিত।
উল্লেখ্য,
- 'অপারেশন ডেজার্ট স্টর্ম' এই যুদ্ধ সংঘটিত হয় ইরাক এবং ৩৪টি দেশের জাতিসংঘ অনুমোদিত যৌথ বাহিনীর মধ্যে।
- ১৯৯০ সালের আগস্ট মাসে ইরাকের কুয়েত আগ্রাসন এবং কুয়েতি ভূ-খন্ড দখলের প্রেক্ষিতে ইরাক বাহিনীর হাত থেকে কুয়েতকে মুক্ত করাই ছিল সে যুদ্ধের উদ্দেশ্য।
- ১৯৯০ সালের ২ আগস্ট ইরাক কর্তৃক কুয়েত আক্রান্ত হলে ১৯৯১ সালের ১৭ জানুয়ারি মার্কিন নেতৃত্বাধীন বহুজাতিক বাহিনী ইরাকের উপর বিমান হামলা শুরু করে।
- ইরাকের বিরুদ্ধে এই যুদ্ধই ‘অপারেশন ডেজার্ট স্টর্ম’ নামে পরিচিত।
- বহুজাতিক বাহিনীর আক্রমণের মুখে ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরাকি বাহিনী পরাজয় বরণ করে।
- এই যুদ্ধ প্রথম উপসাগরীয় যুদ্ধ নামে পরিচিত।
অন্যদিকে,
- আফগানিস্তানের সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান - অপারেশন এনডুরিং ফ্রিডম।
- অপারেশন অডিসি ডন (Operation Odyssey Dawn) লিবিয়ায় মার্কিন তথা আন্তর্জাতিক মিলিটারি অপারেশনস-এর কোড নাম।
- ১৯৪১ সালে ২২ জুন জার্মানীর হিটলার 'অপারেশন বারবারোসা' নামে পরিচিত সোভিয়েত ইউনিয়ন অভিযান শুরু করেছিলেন।
উৎস: Britannica.
হো চি মিন:
- হো চি মিন ভিয়েতনামের কমিউনিস্ট বিপ্লবী নেতা ছিলেন।
⇒ তিনি একজন বিপ্লবী নেতা কমিউনিস্ট।
- তিনি ভিয়েতনামের গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্রের প্রধানমন্ত্রী এবং রাষ্ট্রপতির পদে আসীন ছিলেন।
- ভিয়েতনাম যুদ্ধের সময় তিনি আমৃত্যু ভিয়েত কং–এর নেতৃত্ব দান করেন।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় এ বাহিনী জাপান ও ফরাসী সেনাদলের বিরুদ্ধে লড়াই করে।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জাপানের পরাজয়ের পর হো চি মিন ভিয়েতমানকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে ঘোষণা করেন।
- তিনি নিজে প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
- ১৯৪১ সালের পরবর্তী সময়ে তার নেতৃত্বেই স্বাধীনতা সংগ্রাম বজায় থাকে।
- ১৯৪৫ সালে কমিউনিস্ট শাসিত ভিয়েতনামের গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র সরকার প্রতিষ্ঠা হয়।
উৎস: Britannica.
রেনেসাঁ:
- রেনেসাঁ মানে হলো পুনর্জন্ম বা পুনর্জাগরণ।
- মধ্যযুগে ইউরোপের সংস্কৃতি ও শিল্পচর্চায় প্রাচীন গ্রিক ও রোমান সংস্কৃতির পুনর্জাগরণকে রেনেসাঁ হিসেবে অভিহিত করা হয়।
- ইতালির ফ্লোরেন্স শহরে প্রথম রেনেসাঁর সূত্রপাত ঘটে।
- পরবর্তীতে তা ইতালির অন্যান্য শহর এবং ইউরোপের অপরাপর দেশে বিস্তার লাভ করে।
- ১৪শ থেকে ১৬শ শতককে রেনেসাঁর সময়কাল বিবেচনা করা হয়। তৎকালীন সময়ে ইউরোপীয় বিত্তবান ও ধনিক শ্রেণীর পৃষ্ঠপোষকতার ফলে রেনেসাঁ সংঘটিত হয়।
উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।
ইন্দোনেশিয়া:
- ইন্দোনেশিয়ার দেশটি অস্ট্রেলিয়ার ঠিক উত্তরে এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মূল ভূখণ্ড থেকে প্রশান্ত মহাসাগর ও ভারত মহাসাগরের মধ্যে অবস্থিত।
- বিশ্বের বৃহত্তম মুসলিম জনসংখ্যার দেশ ইন্দোনেশিয়া।
- রাষ্ট্রীয় নাম: রিপাবলিক অব ইন্দোনেশিয়া।
- রাজধানী: জাকার্তা।
- মুদ্রা: ইন্দোনেশীয় রুপিয়া।
- প্রধান ভাষা: বাহাসা ইন্দোনেশিয়া।
- সরকার ব্যবস্থা রাষ্ট্রপতি শাসিত।
- ইন্দোনেশিয়ার প্রধান দ্বীপগুলো হচ্ছে-সুমাত্রা, জাভা, বালি ইত্যাদি।
- আচেহ প্রদেশ অবস্থিত ইন্দোনেশিয়ায়।
- জনবহুল দ্বীপ জাভা (রাজধানী জাকার্তা অবস্থিত)।
- দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ ইন্দোনেশিয়া নেদারল্যান্ডসের উপনিবেশ ছিল।
- নেদারল্যান্ডের কাছ থেকে দেশটি আন্দোলনের মাধ্যমে ১৯৪৯ সালে স্বাধীন হয়।
- ইন্দোনেশিয়ার প্রথম রাষ্ট্রপতি ছিলেন সুকর্ণো।
- প্রথম মহিলা রাষ্ট্রপতি: মেঘবতী সুকর্ণপুত্রী।
উৎস: ব্রিটানিকা এবং হিস্টোরি. কম।
• রোমান স্থাপত্য:
- রোমানদের দ্বারা নির্মিত কলােসিয়াম সবচেয়ে বড় স্থাপত্য।
- ৭২ খ্রিস্টাব্দে রোমান সম্রাট ভেসপেশিয়ানের আমলে এর নির্মাণকাজ শুরু হয়।
- শেষ হয় ৮০ খ্রিস্টাব্দে দশম রোমান সম্রাট টাইটাস ম্যাঙ্মিাসের সময়ে।
- ‘কলােসিয়াম' হলো নাট্যশালা যেখানে পুরাণনির্ভর নাটক প্রদর্শিত হতো।
- স্থানীয়ভাবে এটি অ্যামফিথিয়েট্রাম ফ্ল্যাভিয়াম নামেও পরিচিত।
- রোমানদের সময়ের বিখ্যাত সব গ্ল্যাডিয়েটর এখানে লড়তেন।
- মূল ৬ একর জমির ওপর নির্মিত কলোসিয়ামটি ১৮৯ মিটার দীর্ঘ।
- ১৫৬ মিটার চওড়া এ স্থাপনাটির বাইরের দেয়ালের উচ্চতা ৪৮ মিটারের বেশি।
- সম্রাট হাড্রিয়ানের তৈরি ধর্মমন্দির প্যনথিয়ন রোমের একটি বড় স্থাপত্য নিদর্শন।
- এখানে একসাথে ৫,৬০০ জন দর্শক বসতে পারত।
- ভাস্কর্যের নিদর্শন হিসেবে রোমে পাওয়া গেছে অনেক মূর্তি।
- এগুলো ছিল সম্রাট, কর্মকর্তা ও দেবতাদের মূর্তি।
উৎস: ইতিহাস, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং কালেরকন্ঠ ।
- চীনের জিনজিয়াং প্রদেশে 'উইঘুর' মুসলিম জনগণ বসবাস করে।
• উইঘুর মুসলিম:
- উইঘুর চীনের জিনজিয়াং প্রদেশে বসবাসরত একটি জাতিগোষ্ঠী।
- জিনজিয়াং এর রাজধানী হলো উরুমকি।
- এরা ইসলাম ধর্মাবলম্বী।
- চীন সরকার বিচ্ছিনতাবাদ ও সন্ত্রাসবাদের অভিযোগ তুলে দীর্ঘদিন ধরে উইঘুর মুসলিম সম্প্রদায়ের উপর দমন নির্যাতন চালিয়ে আসছে।
তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা ও বিবিসি ওয়ার্ল্ড।
- ক্যালডীয় সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন নবোপোলাসার।
ক্যালডীয় সভ্যতা (Chaldean Civilization):
- ক্যালডীয়রা ছিল একটি সেমিটিক জাতি যারা আসিরীয় সাম্রাজ্যের পতনের পর ব্যবিলনে একটি শক্তিশালী সাম্রাজ্য গড়ে তোলে।
- একে 'নব্য ব্যাবিলনীয় সাম্রাজ্য'ও বলা হয়।
- কালক্রম: খ্রিস্টপূর্ব ৬২৬ থেকে ৫৩৯ অব্দ পর্যন্ত এই সভ্যতার স্থায়ীত্ব ছিল।
- প্রধান সম্রাট: নবোপোলাসার (প্রতিষ্ঠাতা) এবং তাঁর পুত্র সম্রাট নেবুচাদনেজার (শ্রেষ্ঠ শাসক)।
- কেন্দ্রবিন্দু: এই সভ্যতার প্রাণকেন্দ্র ছিল পুনরায় সংস্কার করা জাঁকজমকপূর্ণ 'ব্যাবিলন' শহর।
• স্থাপত্যে :নেবুচাদনেজারের আমলে ব্যবিলন শহরটি বিশ্বের সবচেয়ে সুরক্ষিত ও সুন্দর শহরে পরিণত হয়। তিনি শহরের চারদিকে বিশাল প্রাচীর এবং নীল রঙের চকচকে ইটের তৈরি 'ইশতার গেট' নির্মাণ করেন।
• জ্যোতির্বিদ্যার উন্নতি: ক্যালডীয়রা আকাশের গ্রহ-নক্ষত্র পর্যবেক্ষণে অত্যন্ত উন্নত ছিল।
- তারা সাত দিনে এক সপ্তাহ এবং ১২ মাসে এক বছরের হিসাব নিখুঁতভাবে করতে পারত।
- তারাই প্রথম সপ্তাহের সাত দিনের নামকরণ গ্রহ-নক্ষত্রের নামে করেছিল।
- ধর্ম: তারা বহু ঈশ্বরবাদী ছিল। তাদের প্রধান দেবতা ছিলেন 'মারদুক' (Marduk)। প্রতিটি বড় স্থাপত্য বা মন্দির তাঁর উদ্দেশ্যে উৎসর্গ করা হতো।
• পতন: খ্রিস্টপূর্ব ৫৩৯ অব্দে পারস্যের সম্রাট সাইরাস দ্য গ্রেট ব্যবিলন দখল করেন।
- এর ফলে মেসোপটেমিয়ার ওপর ব্যবিলনীয় ও ক্যালডীয়দের রাজনৈতিক কর্তৃত্ব চিরতরে শেষ হয়।
উৎস: ব্রিটানিকা। এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
নেপোলিয়ন বোনাপার্ট:
- তিনি ছিলেন একাধারে ফ্রান্সের অবিসংবাদিত সম্রাট ও তুখোড় সেনাপ্রধান।
- ফরাসি বিপ্লবের ক্রান্তিলগ্নে তিনি ফ্রান্সের হাল ধরেছিলেন।
- ফ্রান্সকে ইউরোপের শক্তিধর রাষ্ট্রে পরিণত করতে নেপোলিয়ন সক্ষম হয়েছিলেন।
- ফরাসি বিপ্লবের শিশু বলা হয় নেপোলিয়ন বোনাপার্টকে।
- বিখ্যাত 'ওয়াটার লু' যুদ্ধ সংঘটিত হয় ১৮১৫ সালে।
- এই যুদ্ধে পরাজিত হন ফরাসি বীর নেপোলিয়ন বোনাপার্ট।
- পরাজয়ের ফলে তাঁকে দক্ষিণ আটলান্টিক মহাসাগরের সেন্ট হেলেনা দ্বীপে নির্বাসন দেওয়া হয়।
- যেখানে ১৮২১ সালে আর্সেনিকের বিষক্রিয়ায় নেপোলিয়ন মৃত্যুবরণ করেন।
উৎস: ব্রিটানিকা।
- বিশ্বের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী : শ্রীমাভো বন্দরনায়েক (শ্রীলংকা)
- বিশ্বের প্রথম মহিলা প্রেসিডেন্ট : ইসাবেল পেরন (আর্জেন্টিনা)
- বিশ্বের প্রথম মুসলিম মহিলা প্রধানমন্ত্রী : বেনজীর ভুট্টো (পাকিস্তান)
- বিশ্বের দ্বিতীয় মুসলিম মহিলা প্রধানমন্ত্রী : বেগম খালেদা জিয়া (বাংলাদেশ)
- হেলেন ক্লার্ক : নিউজিল্যান্ডের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী
- গোল্ডা মায়ার : ইসরাইলের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী।
(সূত্র: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা)
গোবি মরুভূমি:
- গোবি মরুভূমি এশিয়ার বৃহত্তম মরুভূমি।
- এবং গোটা বিশ্বের পঞ্চম বৃহত্তম মরুভূমি।
- উত্তর ও উত্তরপূর্ব চীন এবং দক্ষিণ মঙ্গোলিয়ার অংশে অবস্থিত।
- গোবি সাধারণত পাথুরে ও খরাময় মরুভূমি,
- যেখানে বালির চেয়ে পাথর এবং ছোট বড় কঙ্কর বেশি দেখা যায়।
- এটি বেশিরভাগই সমতল থেকে কিছুটা উঁচু বা পার্বত্য এলাকা নিয়ে গঠিত।
•বিখ্যাত কিছু মরুভূমির অবস্থান:
- থর মরুভূমি: ভারত ও পাকিস্তান।
- মোজাবে মরুভূমি: যুক্তরাষ্ট্র,
- সাহারা মরুভূমি: আফ্রিকা,
- গোবি মরুভূমি: চীন ও মঙ্গোলিয়া।
উৎস: ওয়ার্ল্ড এটলাস।
বেগম রোকেয়াকে বাংলার নারী জাগরণের অগ্রদূত বলা হয়।
বিশ শতকের প্রথমার্ধে তিনি নারীশিক্ষা বিশেষত মুসলিম নারীদের মধ্যে শিক্ষার প্রসারে অক্লান্ত পরিশ্রম করেন।
এছাড়া তিনি নিজ উদ্যোগে বিভিন্ন স্থানে বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন এবং সরকারের নিকট নারীদের উন্নয়নে বিভিন্ন দাবী দাওয়া পেশ করেন।
বেগম রোকেয়া ১৮৮০ সালে রংপুর জেলার পায়রাবন্দ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৯৩২ সালে কলকাতায় মারা যান।
তার জন্ম ও মৃত্যু তারিখ ৯ ডিসেম্বর।
সূত্রঃ বাংলাপিডিয়া।
ব্যাবিলনীয় সভ্যতা:
- ব্যাবিলনীয় সভ্যতার জনক ছিলো সেমিটিক জাতি।
- এ ব্যাবিলনীয় সভ্যতা গড়ে তোলে এ্যামোরাইট নামক সেমিটিক জাতি।
- প্রাচীন সভ্যতার ইতিহাসে সেমিটিক জাতির অবদান সর্বাধিক।
- প্রকৃত পক্ষে সুমেরীয় রাজা ডুঙির মৃত্যুর পর পরই সুমেরীয় সভ্যতার পতন ঘটে।
- সুমেরীয় সভ্যতার ধ্বংসস্তুপের ওপর গড়ে ওঠে ব্যাবিলনীয় সাম্রাজ্য বা সভ্যতা।
- অ্যামোরাইটরা আরব মরুভূমির উত্তরাঞ্চল থেকে মেসোপটেমিয়ায় এসে ১৮০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দে ব্যাবিলনে সভ্যতা গড়ে তোলে।
- এই সভ্যতাকে প্রাচীন ব্যাবিলনীয় সভ্যতা বলা হয়।
উৎস: ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
♦ আফ্রিকা মহাদেশ:
- আয়তনে পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম মহাদেশ হল আফ্রিকা মহাদেশ।
- আফ্রিকা মহাদেশের প্রায় মধ্যভাগ দিয়ে বিষুবরেখা বা নিরক্ষরেখা অতিক্রম করেছে।
- এর আয়তন ১১,৭২৪,০০০ বর্গ মাইল (৩০,৩৬৫,০০০ বর্গ কিমি)।
- এ মহাদেশের উত্তরে ভূ-মধ্যসাগর, দক্ষিণে দক্ষিণ মহাসাগর, পূর্বে ভারত মহাসাগর ও লোহিত সাগর এবং পশ্চিমে আটলান্টিক মহাসাগর অবস্থিত।
- আফ্রিকা মহাদেশের মধ্যে সবচেয়ে বেশি দেশ রয়েছে।
- এই মহাদেশে মোট ৫৪টি দেশ অবস্থিত।
- আয়তনে আফ্রিকা মহাদেশের সবচেয়ে বড় দেশ আলজেরিয়া।
- আয়তনে আফ্রিকা মহাদেশের সবচেয়ে ছোট দেশ সিচেলিস।
♦ আফ্রিকা মহাদেশের আয়তনে বৃহত্তম দেশ:
১) আলজেরিয়া - ৯১৯,৫৯০ মাইল (২,৩৮১,৭৪১ বর্গ কি.মি)।
২) কঙ্গো - ৯০৫,৪০৫ মাইল (২,৩৪৫,০০০ বর্গ কি.মি)।
৩) সুদান - ৭১০,৬৮৯ মাইল (১,৮৪০,৬৮৭ বর্গ কি.মি)।
৪) লিবিয়া - ৬৪৭,১৮০ মাইল (১,৬৭৬,১৯৮ বর্গ কি.মি)।
৫) চাদ - ৪৯৫,৭৫৩ মাইল (১,২৮৪,০০০ বর্গ কি.মি)।
তথ্যসূত্র - Britannica.com
- 'Avangard' রাশিয়ার হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা।
- এটি শব্দের চেয়ে ২৭ গুণ বেশি গতিতে লক্ষ্য বস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম।
- S-400 রাশিয়ার অত্যাধুনিক আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ক্ষেপণাস্ত্র।
উৎসঃ বিবিসি নিউজ।
→ গ্রিনল্যান্ড স্ক্যান্ডেনেভিয়ান রাষ্ট্র নয়।
স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশ:
- স্ক্যান্ডিনেভিয়া হলো ইউরোপের উত্তরে অবস্থিত একটি ভৌগোলিক অঞ্চল।
- স্ক্যান্ডেনেভিয়ান রাষ্ট্র মূলত ৩টি।
- যথা- নরওয়ে, সুইডেন ও ডেনমার্ক।
- তবে ফিনল্যান্ড, আইসল্যান্ড এবং ফারো আইল্যান্ডকেও অনেক ক্ষেত্রে স্ক্যান্ডিনেভিয়ান রাষ্ট্র হিসেব গণ্য করা হয়।
• নর্ডিক অঞ্চল বলতে স্ক্যান্ডেনেভিয়ান দেশ + ফিনল্যান্ড + আইসল্যান্ডকে বুঝায়।
অর্থাৎ, স্ক্যান্ডেনেভিয়ান দেশগুলো আসলে নর্ডিক অঞ্চলের মধ্যে পরে।
• নর্ডিক অঞ্চলভূক্ত দেশ ৫টি।
যথা - আইসল্যান্ড, ডেনমার্ক, নরওয়ে, সুইডেন এবং ফিনল্যান্ড।
তথ্যসূত্র - Worldatlas.com ও Britannica.com
নেপোলিয়ন বোনাপার্ট:
- নেপোলিয়ন বোনাপার্ট ছিলেন ফরাসি সম্রাট ও সেনানায়ক।
- তাঁর নেতৃত্বে ইউরোপের সুবিশাল ভূখণ্ডে ফরাসি সাম্রাজ্যের সীমানা ছড়িয়েছিল।
- ইউরোপ জয়ের পর ১৮০৪ সালে নেপোলিয়ন নিজেকে ফ্রান্সের সম্রাট হিসেবে ঘোষণা করেছিলেন।
- তাঁর অধীনে ফ্রান্স ছিল খুবই শক্তিশালী।
- ১৮১২ সালে তিনি রাশিয়া আক্রমণ করেন এবং খুব বাজেভাবে পরাজিত হন।
- পরের বছর অস্ট্রিয়া, প্রুশিয়া, রাশিয়া, ব্রিটেন, পর্তুগাল, সুইডেন, স্পেন ও জার্মান রাজ্যগুলো মিলে একসঙ্গে ফ্রান্স আক্রমণ করে। এতে ফ্রান্স পরাজিত হয়।
- পরে ইতালির এলবা দ্বীপে নেপোলিয়নকে নির্বাসনে দেওয়া হয়।
- ১০ মাস পর পালিয়ে গিয়ে আবার ক্ষমতা দখল করেন, কিন্তু ১৮১৫ সালের ওয়াটারলু যুদ্ধে তিনি পরাজিত হন এবং তাঁকে দক্ষিণ আটলান্টিক মহাসাগরের সেন্ট হেলেনা দ্বীপে নির্বাসন দেওয়া হয়৷
- ১৮২১ সালে ওখানেই মৃত্যু হয় নেপোলিয়নের।
তথ্যসূত্র - Britannica.com
- গত ৩০ আগস্ট ২০২১ আফগানিস্তানের স্থানীয় সময় রাত ১১.৫৯ এ যুক্তরাষ্ট্রের অবশিষ্ট সৈন্যদের নিয়ে সর্বশেষ মার্কিন ফ্লাইট কাবুল বিমানবন্দর ত্যাগ করে।
- এর মাধ্যমে ২০০১ সালের ৭ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া ২০ বছর ব্যাপী রক্তক্ষয়ী আফগান যুদ্ধের সমাপ্তি ঘটে।
- ২০২০ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি দোহায় স্বাক্ষরিত মার্কিন-তালেবান শান্তি চুক্তি অনুযায়ী ২০২১ সালের ১ মে এর মধ্যে সকল মার্কিন সেনাদের আফগানিস্তান ত্যাগ করার কথা ছিলো। জো বাইডেন ১১ সেপ্টেম্বর মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের নতুন সময়সীমা নির্ধারণ করেন। কিন্তু ১৫ আগস্ট ২০২১ তালেবান বাহিনী কাবুল দখলের ফলে পরিস্থিতি ভিন্ন দিকে মোড় নেয়।
তথ্য: আল জাজিরা ও রয়টার্স।
• প্যারিস শান্তি চুক্তি:
- প্যারিস শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়- ২৭ জানুয়ারি, ১৯৭৩ সালে।
- স্বাক্ষরের স্থান-প্যারিস, ফ্রান্স।
- পক্ষসমূহ- ভিয়েতনাম-যুক্তরাষ্ট্র।
- এই চুক্তির ফলে ভিয়েতনাম যুদ্ধের অবসান হয়।
- এই শান্তি চুক্তির কারণে হেনরি কিসিঞ্জার ও লি ডাক থো ১৯৭৩ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার পেয়েছিলেন।
তথ্যসূত্র: Britannica ও History.com, বিশ্বরাজনীতির ১০০ বছর- তারেক শামসুর রেহমান।
মিয়ানমার এর রাজধানীর নাম নেপিতোহ (নেপিদো)।
মিয়ানমার:
- দেশটি বার্মা নামেও পরিচিত।
- রাজধানী: নেপিদো।
- মুদ্রা: কিয়াট।
- প্রধান ভাষা: বার্মিজ।
- বর্তমান প্রেসিডেন্ট: মিন্ট সোয়ে।
- সীমান্তরক্ষী বাহিনী: বর্ডার গার্ড পুলিশ (BGP)।
- মিয়ানমারের জাতীয় সংসদ দ্বি-কক্ষ বিশিষ্ট।
উল্লেখ্য,
- ১৯৪৮ সালে মিয়ানমার স্বাধীনতা লাভ করে।
- ১৯৬২ সালে মিয়ানমারের সামরিক সরকার নে উইন রোহিঙ্গাদের প্রতি অমানবিক নির্যাতন করে এবং একদলীয় সমাজতান্ত্রিক ব্যবস্থার নামে ক্ষমতা দখল করে সামরিক জান্তা সরকার।
- ১৯৭৮ সালে নে উইন সামরিক সরকার রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে 'অপারেশন অড্রাগন কিং' চালায়।
- ১৯৮২ সলে মিয়ানমারের নাগরিকত্ব আইনে ১৩৫টি গোত্রের জনগোষ্ঠীকে নাগরিকত্ব প্রদান করা হয় কিন্তু রোহিঙ্গাদের সেই তালিকার বাইরে রাখা হয়। যার ফলে ১৯৮২ সালের নাগরিকত্ব আইনের কারণে রোহিঙ্গারা ওই দেশের নাগরিকত্ব হারায়।
এছাড়াও,
- প্রশাসনিকভাবে, মিয়ানমার সাতটি রাজ্য, সাতটি অঞ্চল এবং একটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে বিভক্ত (Nay Pyi Taw)। রাজ্যগুলো হল:
১. কাচিন রাজ্য- (রাজধানী: কাচিন)।
২. কায়াহ রাজ্য- (রাজধানী: লোপেইয়া)।
৩. কিন্টা রাজ্য- (রাজধানী: হেপি)।
৪. চিন রাজ্য- (রাজধানী: হাক্কা)।
৫. মোন রাজ্য- (রাজধানী: মারগু)।
৬. রাখাইন রাজ্য- (রাজধানী: সিতওয়ে)।
৭. শান রাজ্য- (রাজধানী: তালিঙ্গি)।
উৎস: Britannica.
ওরিয়েন্ট অর্থ পূর্ব। ওরিয়েন্টাল অঞ্চল বলতে পৃথিবীর পূর্ব অংশের দেশসমূহকে বোঝায়।
ওরিয়েন্টাল অঞ্চলের দেশসমূহ হল জাপান, চীন কোরিয়া, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, হংকং, তাইওয়ান কম্বোডিয়া ইত্যাদি।
মধ্যপ্রাচ্যের দেশ গুলো হল বাহরাইন, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, ওমান, ইয়েমেন, সৌদি আরব তুরস্ক,ইসরাইল অন্যতম।
উৎসঃ Britannica.com
- বার্লিন প্রাচীর ভাঙা: ১৯৮৯ সালে।
জার্মানি:
- দাপ্তরিক নাম: ফেডারেল রিপাবলিক অব জার্মানি।
- স্থানীয় নাম: Bundesrepublik Deutschland
- রাজধানী: বার্লিন (Berlin)
- ভাষা: জার্মান (German) – রাষ্ট্রভাষা
- ধর্ম: খ্রিষ্টান ধর্ম (প্রধানত প্রোটেস্ট্যান্ট ও রোমান ক্যাথলিক), ইসলামও রয়েছে
- মুদ্রা: ইউরো (Euro)
- ভূমিকা: ইউরোপের সবচেয়ে জনবহুল ও অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী দেশগুলোর একটি।
- অবস্থান: মধ্য ইউরোপ।
- সীমানা সংলগ্ন দেশসমূহ (৯টি): ডেনমার্ক, পোল্যান্ড, চেক রিপাবলিক, অস্ট্রিয়া, সুইজারল্যান্ড, ফ্রান্স, লুক্সেমবার্গ, বেলজিয়াম, নেদারল্যান্ডস।
- উত্তর দিকে বাল্টিক সাগর ও উত্তর সাগর।
- দক্ষিণে আল্পস পর্বতমালা এবং বাভারিয়া অঞ্চল্
- প্রধান নদী: রাইন, এলবে, ড্যানিউব।
- আইনসভা: দ্বিকক্ষবিশিষ্ট – বুন্ডেস্ট্যাগ (Bundestag) ও বুন্ডেসরাট (Bundesrat).
- বার্লিন প্রাচীর ভাঙা: ১৯৮৯ সালে।
- একীকরণ: ১৯৯০ সালে পূর্ব ও পশ্চিম জার্মানির পুনর্মিলন।
উৎস: World Atlas ও Britannica.
জওহরলাল নেহরু:
- স্বাধীন ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী ছিলেন পণ্ডিত জওহরলাল নেহরু।
- তিনি ১৯৪৭ সালে ভারতের স্বাধীনতা লাভের পর থেকে ১৯৬৪ সালে তাঁর মৃত্যু পর্যন্ত এই পদে ছিলেন এবং ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন।
- তিনি ছিলেন ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী এবং ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের একজন প্রধান নেতা।
- ১৯৪৭ সালের ১৫ই আগস্ট, ভারত স্বাধীনতা লাভের পর তিনি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন।
⇒ জওহরলাল নেহরুর জন্ম ১৮৮৯ সালের ১৪ নভেম্বর, ব্রিটিশ ভারতের এলাহাবাদে এক কাশ্মীরি ব্রাহ্মণ পরিবারে। কাশ্মীরি পণ্ডিত সম্প্রদায়ের সঙ্গে তাঁর সংযোগের কারণে ‘পণ্ডিত নেহরু’ নামেও পরিচিত ছিলেন। ভারতীয় শিশুরা জওহরলাল নেহরুকে চেনে ‘চাচা নেহরু’ হিসেবে। এ কারণে নেহরুর জন্মদিন ভারতে পালিত হয় শিশু দিবস হিসেবে।
- ১৯৬৪ সালের ২৭ মে তিনি পরলোক গমন করেন।
উল্লেখ্য,
- মহাত্মা গান্ধীর সঙ্গে জওহরলাল নেহরুর প্রথম পরিচয় ১৯১৬ সালে। গান্ধীজির আদর্শ তাঁকে বিশেষভাবে অনুপ্রাণিত করে। ১৯২০ সালে উত্তর প্রদেশের প্রতাপগড় জেলায় কিষাণ মার্চ সংগঠিত করেন তিনিই। ১৯২০-২২-এর অসহযোগ আন্দোলনের দিনগুলিতে তিনি দু’বার কারাবরণ করেন।
- পণ্ডিত নেহরু নিখিল ভারত কংগ্রেস কমিটির সাধারণ সম্পাদক নিযুক্ত হন ১৯২৩-এর সেপ্টেম্বরে।
এছাড়াও,
- পণ্ডিত জওহরলাল নেহেরু বলেছিলেন, একটি দেশ ভালো হয়, যদি সে দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো ভালো হয়।
উৎস: i) Britannica.
ii) PM India.
বিভিন্ন দেশের সংবাদ সংস্থা:
- যুক্তরাষ্ট্র: এসোসিয়েট প্রেস (এপি), ভয়েস অব আমেরিকা (VOA), ক্যাবল নিউজ, নেটওয়ার্ক (CNN)।
এছাড়াও,
- যুক্তরাজ্য: রয়টার্স, ব্রিটিশ ব্রডকাস্টিং কর্পোরেশন (বিবিসি)।
- ফ্রান্স: এজেন্সি ফ্রান্স প্রেস (এএফপি)।
- ভারত: প্রেস ট্রাস্ট অব ইন্ডিয়া (PTI), ইউনাইটেড নিউজ অব ইন্ডিয়া (ইউএনআই)।
- বাংলাদেশ: বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস), মিডিয়া সিন্ডিকেট, ইস্টার্ন নিউজ এজেন্সি (এনা), ইন্টার সার্ভিস পাবলিক রিলেসন (আইএসপিআর), ইউনাইটেড নিউজ অব, বাংলাদেশ (ইউএনবি), আবাস, প্রেস ইনস্টিটিউট অব বাংলাদেশ (পিআইবি)।
- চীন: সিনহুয়া।
- রাশিয়া: ইতার-তাস (ITAR-TASS), রাশিয়া টুডে (Rossiya Segodnya), ইন্টারফ্যাক্স।
- ইন্দোনেশিয়া: আনতারা।
- ইরান: ইসলামিক রিপাবলিক নিউজ এজেন্সি (ইরনা), ইরান নিউজ এজেন্সি (আইএনএ)।
- ইরাক: নিউজ এজেন্সি (ইনা)।
- সিরিয়া: সানা।
উৎস: সংশ্লিষ্ট দেশের ওয়েবসাইট।