উত্তর
ব্যাখ্যা
- ম্যাকনামারা লাইন - উত্তর ও দক্ষিণ ভিয়েতনাম।
- ম্যানারহেইম লাইন - ফিনল্যান্ড ও রাশিয়া।
- ম্যাকমোহন লাইন - ভারত ও চীন।
- ডুরান্ড লাইন - পাকিস্তান ও আফগানিস্তান।
- সনোরা লাইন - যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকো।
উৎস: ব্রিটানিকা।
PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন
PrepBank · পাতা ৫৪ / ৯৩ · ৫,৩০১–৫,৪০০ / ৯,৩৩৪
- 'গ্লোবাল ভিলেজ' ধারণাটি প্রথম উপস্থাপন করেন কানাডিয়ান গণযোগাযোগ বিশেষজ্ঞ মার্শাল ম্যাকলুহান।
গ্লোবাল ভিলেজ বা বিশ্বগ্রাম:
- গ্লোবাল ভিলেজ বা বিশ্বগ্রাম হচ্ছে এমন একটি পরিবেশ যেখানে পৃথিবীর সকল মানুষই একটি একক সমাজে বসবাস করে এবং ইলেকট্রনিক মিডিয়া ও তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহারের মাধ্যমে একে অপরকে সেবা প্রদান করে থাকে।
- কানাডার টরেন্টো বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক ও বিখ্যাত দার্শনিক 'মার্শাল ম্যাকলুহান' সর্বপ্রথম গ্লোবাল ভিলেজ বা বিশ্বগ্রাম শব্দটি ব্যবহার করেন।
- মার্শাল ম্যাকলুহান 'দি মিডিয়াম ইজ দি মেসেজ' (the medium is the message) এবং 'গ্লোবাল ভিলেজ' (Global village) এর প্রবক্তা বা উদ্ভাবক হিসাবে পরিচিতি পেয়েছেন।
- তিনি ১৯৬২ সালে তার প্রকাশিত গ্রন্থ 'The Gutenberg: The Making of Typographic Man' এবং ১৯৬৪ সালে তার প্রকাশিত গ্রন্থ 'Understanding Media' এ গ্লোবাল ভিলেজ বা বিশ্বগ্রাম এর ধারণা দেন।
- তাঁর সময়ে ইলেকট্রনিক কমিউনিকেশন প্রযুক্তির ব্যাপক বিস্তার লাভ করেছিল।
- তাঁর মতে, ইলেকট্রনিক কমিউনিকেশন প্রযুক্তির ব্যাপক বিস্তারের ফলে সময় ও দূরত্ব সংকুচিত হয়ে পৃথিবী একটি গ্রামে পরিণত হয়েছে।
- তিনি এ প্রযুক্তির বিস্তৃতিকে 'ইলেকট্রনিক নার্ভাস সিস্টেম' (Electronic Nervous System) নামে আখ্যায়িত করেছেন।
- পৃথিবী এ সিস্টেমের সাহায্যে সংযুক্ত হয়ে বিশ্বগ্রাম (Global village) এ রূপান্তরিত হয়েছে।
সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান)।
ভেনিজুয়েলা:
- ভেনিজুয়েলা (venezuela) দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশের উত্তর উপকূলে ক্যারিবীয় সাগরের তীরে অবস্থিত ফেডারেল প্রজাতন্ত্র শাসিত একটি রাষ্ট্র।
- উত্তর প্রান্তে রয়েছে আন্দিস পর্বতমালার সুউচ্চ পর্বতাঞ্চল।
- ভেনিজুয়েলা মোট ২১টি রাজ্য নিয়ে গঠিত।
- সরকারি ভাষা: স্প্যানিশ।
- মুদ্রা: ভেনেজুয়েলান বলিভার।
- রাজধানী: কারাকাস।
- বর্তমান রাষ্ট্রপতি: ভেনেজুয়েলার ভাইস প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজ।
উল্লেখ্য,
- প্রেসিডেন্ট নিকোলা মাদুরো যুক্তরাষ্ট্রের হাতে আটক হওয়ায় ভেনেজুয়েলার ভাইস প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজ এখন থেকে অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব পালন করবেন বলে রায় দিয়েছেন দেশটির সুপ্রিম কোর্ট।
উৎস: i) Britannica.
ii) BBC.
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ১৮৬৭ সালে রাশিয়ার কাছ থেকে আলাস্কা ক্রয় করে।
আলাস্কা অঙ্গরাজ্য:
- আলাস্কা (Alaska) হচ্ছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি অঙ্গরাজ্য।
- এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থিত।
- এটি রাশিয়ার সবচেয়ে কাছের আমেরিকান অঙ্গরাজ্য।
- এটি ১৯৫৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ৪৯তম রাজ্য হিসেবে যোগ হয়।
- আলাস্কা মূলত একটি বৃহৎ এবং প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে সমৃদ্ধ অঞ্চল, যার বেশিরভাগ অংশ পাহাড়, বন, হিমবাহ এবং ব্যাপক বনভূমিতে ভরা।
এছাড়াও,
- প্রায় দেড়শ বছর আগে এ জায়গাটি ছিল রাশিয়ার।
- ১৮৬৭ সালে যুক্তরাষ্ট্র রাশিয়ার নিকট থেকে আলাস্কা অঙ্গরাজ্যটি ক্রয় করেছিল।
- মাত্র ৭২ লাখ ডলারে আমেরিকার কাছে আলাস্কা বিক্রি করে দেয় রাশিয়া।
- ১৮৬৭ সালের ৩০ মার্চ, আলাস্কা বিক্রির চুক্তি করেছিল রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্র।
- প্রায় এক শতাব্দী পর এসে ১৯৫৯ সালের ৩ জানুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের ৪৯তম অঙ্গরাজ্যের মর্যাদা পায় আলাস্কা।
উৎস: i) BBC.
ii) Britannica.
গ্রিক সভ্যতা:
- প্রাচীন গ্রিক সভ্যতা, মাইসেনিয়ান সভ্যতার পরের সময়কাল।
- প্রাচীন গ্রিস তার উচ্চতায় এশিয়া মাইনর, দক্ষিণ ইতালি, সিসিলি এবং গ্রীক দ্বীপপুঞ্জের বসতি নিয়ে গঠিত।
- এটি শহর-রাজ্যে বিভক্ত ছিল-এথেন্স এবং স্পার্টা।
- গ্রিক সংস্কৃতি হেলেনীয় সংস্কৃতি নামে বেশি পরিচিত।
- সাহিত্যের ক্ষেত্রে প্রাচীন গ্রিসের সৃষ্টি আজও মানব সমাজের মূল্যবান সম্পদ।
- হোমারের মহাকাব্য 'ইলিয়ড' এবং ‘ওডিসি' মহাকাব্যের অপূর্ব নিদর্শন।
- গ্রিকরা প্রথম বিজ্ঞান চর্চা শুরু করে খ্রিস্টপূর্ব ৬০০ অব্দে।
- তারাই প্রথম প্রমাণ করেন যে, পৃথিবী একটি গ্রহ এবং তা নিজ কক্ষপথে আবর্তিত হয়।
- গ্রিক জ্যোতির্বিদরা সূর্য ও চন্দ্ৰ গ্রহণের কারণ নির্ণয় করতে সক্ষম হন।
তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা ও বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
বনাঞ্চল ও তৃণভূমি:
- নিরক্ষীয় বনাঞ্চল (Rainforest) -70 ইঞ্চি এর বেশি বার্ষিক বৃষ্টিপাত হয়।
- গরম এবং বাষ্পযুক্ত জলবায়ু থাকে।
- নিরক্ষীয় বনাঞ্চলকে পৃথিবীর ফুসফুস বলা হয়।
- পৃথিবীর বৃহত্তম নিরক্ষীয় বনাঞ্চল – আমাজন।
- দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশের ৯ টি দেশজুড়ে এর অবস্থান।
- ব্রাজিল – ৬০%, পেরু ১৩% অংশ জুড়ে আমাজন বনাঞ্চল।
অন্যদিকে,
- বোরিয়াল ফরেস্ট, যা তাইগা নামেও পরিচিত, পৃথিবীর বৃহত্তম স্থলজ বায়োম (land biome).
উৎস: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।
• বলশেভিক বিপ্লব/অক্টোবর বিপ্লব:
- রুশ বিপ্লবের দ্বিতীয় পর্যায়কে বলশেভিক বা অক্টোবর বিপ্লব বলে।
- বলশেভিক বিপ্লবের নেতা ছিলেন - ভ্লাদিমির লেনিন ও লিওন ট্রটস্কি।
- বলশেভিক বিপ্লবের ফলে - রাশিয়ায় লেনিনের নেতৃত্বে বিশ্বের প্রথম সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
উল্লেখ্য,
- রুশ বিপ্লবের প্রথম পর্যায়কে ফেব্রুয়ারি বিপ্লব বলা হয়।
- ফেব্রুয়ারি বিপ্লবের ফলে - রাজতন্ত্রের অবসান ঘটে এবং জার দ্বিতীয় নিকোলাসকে ক্ষমতা থেকে উচ্ছেদ ও বন্দি করা হয়।
- ফেব্রুয়ারি বিপ্লবের নেতৃত্ব ছিলেন - আলেক্সান্দ্রো এফ. ক্যারেনস্কি (Aleksandr F. Kerensky)।
তথ্যসূত্র: হিস্টোরি ও ব্রিটানিকা.কম।
• লেবানন:
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর লেবানন ফরাসি ম্যান্ডেটের অধীনে গিয়েছিল।
- ২২ নভেম্বর ১৯৪৩‑এ ফ্রান্সের কাছ থেকে লেবাননের স্বাধীনতার ঘোষণা করা হয়।
- ব্রিটিশরা কিছু সময়ে কূটনৈতিকভাবে লেবাননের স্বাধীনতা প্রক্রিয়ায় ভূমিকা নিয়েছিল, কিন্তু মূল শাসনকারী ছিল ফ্রান্স।
- রাজধানী - বৈরুত।
- মুদ্রা - পাউন্ড।
- লেবানন ও ইসরাইলের মধ্যকার সীমানারেখা - Blue Line।
উৎস: ব্রিটানিকা।
ইন্ডিয়ান সিভিল সার্ভিস:
- গঠিত হয়: আনুষ্ঠানিকভাবে ১৮৫৮ সালে।
- নিয়ন্ত্রণ: ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি পরে ব্রিটিশ সরকার।
- পূর্ব নাম: Covenanted Civil Services (CCS).
- নতুন রূপ: ১৯৪৭ সালের পরICS বিলুপ্ত হয়ে IAS (Indian Administrative Service) তে রূপান্তরিত হয়।
- নিয়োগ প্রক্রিয়া: প্রাথমিকভাবে ব্রিটেনেই পরীক্ষা হতো এবং ভারতীয়দের অংশগ্রহণ সীমিত ছিল।
- ১৮৬৩ সালে প্রথম ভারতীয় হিসেবে সত্যেন্দ্রনাথ ঠাকুর ICS-এ উত্তীর্ণ হন।
- ১৯২২ সালে থেকে পরীক্ষা ভারতেও শুরু হয় (আলাহাবাদে)।
উৎস: ব্রিটানিকা।
• নিপাহ ভাইরাস:
- নিপাহ ভাইরাস প্রথম শনাক্ত হয় ১৯৯৮ সালে মালয়েশিয়ায়, যেখানে শূকর খামারিদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে এবং শতাধিক মানুষের মৃত্যু হয়।
যে গ্রামে ভাইরাসটি প্রথম শনাক্ত হয়েছিল, সেখান থেকেই এর নামকরণ করা হয়।
- এরপর থেকে ভারত, বাংলাদেশ, ফিলিপাইনস, সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়াসহ এশিয়ার বিভিন্ন দেশে প্রায় প্রতিবছরই নিপাহ ভাইরাসের উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে।
- বাংলাদেশে নিপাহ ভাইরাস প্রায় নিয়মিতভাবেই শনাক্ত হয়।
উৎস: বাংলাদেশ প্রতিদিন।
৫০০ দিনের প্ল্যান:
- ৫০০ দিনের প্ল্যান (500 Days Plan) হলো সোভিয়েত ইউনিয়নে কমিউনিস্ট অর্থনীতিকে বাজার অর্থনীতিতে রূপান্তরের জন্য প্রস্তাবিত একটি অর্থনৈতিক সংস্কার প্রকল্প।
উল্লেখ্য,
- ১৯৯০ সালে মিখাইল গর্বাচেভের পেরেস্ত্রোইকা এবং গ্লাসনস্ত নীতির অংশ হিসেবে অর্থনৈতিক সংকট মোকাবিলায় এই প্ল্যান প্রস্তাব করা হয়।
- এটি গ্রিগরি ইয়াভলিনস্কি এবং অন্যান্য অর্থনীতিবিদদের নেতৃত্বে তৈরি '500-Day Program' নামে পরিচিত।
- এর লক্ষ্য ছিল ৫০০ দিনের (প্রায় ১.৫ বছর) মধ্যে কেন্দ্রীয়ভাবে নিয়ন্ত্রিত কমিউনিস্ট অর্থনীতিকে বাজারভিত্তিক অর্থনীতিতে রূপান্তর করা যেমন: বেসরকারিকরণ, মূল্য নিয়ন্ত্রণ তুলে নেওয়া, ব্যাংকিং সংস্কার ইত্যাদি।
- এটি সম্পূর্ণ বাস্তবায়িত হয়নি। রাজনৈতিক অস্থিরতা, ১৯৯১-এর অভ্যুত্থান চেষ্টা এবং সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের কারণে এটি ব্যর্থ হয়।
উৎস: Britannica.
ইনকা সভ্যতা:
- এটি দক্ষিণ আমেরিকার একটি প্রাচীন সভ্যতা।
- ইনকা সভ্যতা পেরুকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছিল।
- প্রশান্ত মহাসাগরীয় উপকূল এবং আন্দিজ পর্বতমালা বরাবর উত্তর ইকুয়েডর থেকে মধ্য চিলি পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল।
- ইনকা সভ্যতার ধ্বংসাবশেষ দেখা যায় পেরুর মাচু পিচুতে।
- স্থপতি: মানকো কাপেন।
- ভাষা: কেচুয়া
তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা।
বদরের যুদ্ধ:
- সংঘটনকাল: ৬২৪ খ্রিস্টাব্দ (২য় হিজরি)।
- যুদ্ধের পক্ষ: মুসলমান এবং মক্কার কুরাইশগণ।
- ইসলামের ইতিহাসে প্রথম সশস্ত্র যুদ্ধ।
- মুসলমানদের সৈন্য সংখ্যা ছিল ৩১৩ জন, আর কুরাইশদের ছিল প্রায় ১০০০ জন।
- সংখ্যায় কম হওয়া সত্ত্বেও মুসলমানরা বিজয় লাভ করে।
- এই যুদ্ধ জয়ের মাধ্যমে ইসলাম একটি শক্তিশালী রাজনৈতিক ও সামরিক শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়।
উল্লেখ্য,
- উহুদের যুদ্ধ সংঘটিত হয় ৬২৫ খ্রিস্টাব্দে (৩য় হিজরী)।
- খন্দকের যুদ্ধ ৬২৭ খিস্টাব্দে (৫ম হিজরী) সংঘটিত হয়।
- খায়বারের যুদ্ধ ৬২৯ খিস্টাব্দে (৭ম হিজরী) সংঘটিত হয়।
উৎস: ব্রিটানিকা।
- Apartheid হচ্ছে বর্ণ বৈষম্য আইন।
Apartheid:
- Apartheid ছিল একটি বর্ণবৈষম্যমূলক নীতি যা ১৯৪৮ থেকে ১৯৯৪ সাল পর্যন্ত দক্ষিণ আফ্রিকায় কার্যকর ছিল।
- এই নীতি অনুযায়ী, দক্ষিণ আফ্রিকার শ্বেতাঙ্গ সরকার আইন করে কৃষ্ণাঙ্গ, শ্বেতাঙ্গ, দক্ষিণ এশীয়, বর্ণসংকর ইত্যাদি জাতিগত শ্রেণিতে মানুষকে বিভক্ত করেছিল।
- এবং অ-শ্বেতাঙ্গদের থেকে সকল রাজনৈতিক ও সামাজিক অধিকার কেড়ে নিয়েছিল।
- কিন্তু ১৯৪৮ সালে ড্যানিয়েল এফ. ম্যালানের নেতৃত্বাধীন ন্যাশনাল পার্টি ক্ষমতায় এসে এই নীতিকে আরও বিস্তৃত করে "অ্যাপার্থাইড" নাম দেয়।
- ১৯৬০-এর দশক থেকে এটিকে "সেপারেট ডেভেলপমেন্ট" (বিচ্ছিন্ন উন্নয়ন) বলে অভিহিত করা হয়।
- এর ভিত্তি ছিল ১৯১৩ এবং ১৯৩৬ সালের ল্যান্ড অ্যাক্ট, যা সাদাদের জন্য অসমানুপাতিকভাবে জমি বরাদ্দ করেছিল।
উৎস: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধে মিত্রশক্তি ছিল সার্বিয়া, রাশিয়া, ব্রিটেন, ফ্রান্স, জাপান, ইতালি এবং যুক্তরাষ্ট্র।
- এ সময় যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন হেনরি আসকুইথ ও ডেভিড লয়েড জর্জ।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট উড্রো উইলসন।
স্ক্যান্ডেনেভিয়ান উপদ্বীপে অবস্থিত দেশসমূহকে একত্রে স্ক্যান্ডেনেভিয়ান রাষ্ট্র বলা হয়।
স্ক্যান্ডেনেভিয়ান রাষ্ট্র মূলত ৩টি।
যথা-
নরওয়ে, সুইডেন ও ডেনমার্ক।
আবার,
নর্ডিক অঞ্চলভূক্ত দেশ ৫টি।
যথা -
আইসল্যান্ড, ডেনমার্ক, নরওয়ে, সুইডেন এবং ফিনল্যান্ড।
সূত্রঃ worldatlas.com ও ব্রিটানিকা.কম
অনেকেই ভৌগোলিক বৈশিষ্ঠ্য প্রায় একই রকম হওয়ায় আইসল্যান্ড ও ফিনল্যান্ড - সহ পুরো নর্ডিক অঞ্চলটিকে স্ক্যান্ডেনেভিয়ান অঞ্চল বলে থাকেন। সেক্ষেত্রে এই অঞ্চলের রাষ্ট্র সংখ্যা হয় - ৫টি।
মালদ্বীপ:
- এশিয়ার ক্ষুদ্রতম দেশ হল মালদ্বীপ।
- এটি ভারত মহাসাগরের মধ্যে অবস্থিত।
- এর আয়তন প্রায় ১১৬ বর্গ মাইল।
- মালদ্বীপ দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক জোট সার্কের সদস্য।
- রাজধানী: মালে।
- ভাষা: দিভেহী ও ইংরেজি।
- পার্লামেন্ট: পিপলস মজলিস।
- মুদ্রা: মালদ্বীপীয় রুপাইয়া।
- মালদ্বীপের আইনসভা এককক্ষবিশিষ্ট।
⇒ ১৯৬৫ সালের ২৬ জুলাই মালদ্বীপ ব্রিটিশদের কাছ থেকে পূর্ণ স্বাধীনতা লাভ করে এবং ১৯৬৮ সালে ‘সালাতানাতে মালদ্বীপ’ থেকে ‘রিপাবলিক মালদ্বীপে’ পরিণত হয়।
উৎস: i) World Atlas.
ii) Britannica.
মধ্য এশিয়ার গ্রেট গেম (Great Game):
- মধ্য এশিয়ার 'গ্রেট গেম' হলো ১৯শ শতাব্দীর একটি বিখ্যাত ভূ-রাজনৈতিক প্রতিযোগিতা।
- এটি ছিল ব্রিটিশ সাম্রাজ্য এবং রুশ সাম্রাজ্যের মধ্যে মধ্য এশিয়ায় আধিপত্য ও প্রভাব বিস্তারের জন্য একটি দীর্ঘস্থায়ী রাজনৈতিক, কূটনৈতিক এবং কৌশলগত প্রতিদ্বন্দ্বিতা।
- রাশিয়া যখন এশিয়ার দিকে প্রসারিত হচ্ছিল, তখন ব্রিটিশরা ভারত রক্ষায় আফগানিস্তান ও পার্শ্ববর্তী অঞ্চলগুলোতে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা চালায়। রাশিয়া চেয়েছিল মধ্য এশিয়ায় প্রভাব বাড়াতে, আর ব্রিটেন চেয়েছিল রাশিয়াকে ভারতের সীমান্ত থেকে দূরে রাখতে।
- এর মূল কেন্দ্রবিন্দু ছিল আফগানিস্তান, পারস্য (ইরান), তিব্বত এবং মধ্য এশিয়ার বুখারা ও খিভা অঞ্চল।
- ১৯০৭ সালের অ্যাংলো-রাশিয়ান কনভেনশন এর মাধ্যমে ইরান ও আফগানিস্তানে প্রভাবের ক্ষেত্র নির্ধারণের মাধ্যমে এই গেমের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটে।
উল্লেখ্য,
- মধ্য এশিয়ার ‘গ্রেট গেম’ ভূ-রাজনৈতিক দ্বন্দ্বে আফগানিস্তান প্রধান ‘বাফার স্টেট’ বা মধ্যবর্তী নিরপেক্ষ রাষ্ট্র হিসেবে কাজ করেছিল।
- ব্রিটিশ ভারত এবং রুশ সাম্রাজ্যের মধ্যে সরাসরি যুদ্ধ বা সংঘাত এড়াতে আফগানিস্তানকে একটি নিরপেক্ষ বাফার বা বাফার স্টেট হিসেবে ব্যবহার করা হতো।
উৎস: Britannica.
• দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশ: - স্বাধীন দেশ (সংখ্যা): ১২টি।
- সর্বশেষ স্বাধীন দেশ: সুরিনাম (১৯৭৫)।
মহাদেশভিত্তিক স্বাধীন দেশের তথ্য:
• এশিয়া মহাদেশ:
- স্বাধীন দেশ (সংখ্যা): ৪৮টি,
- সর্বশেষ স্বাধীন দেশ: পূর্ব তিমুর (২০০২)।
- দ্রষ্টব্য: ফিলিস্তিন ও তাইওয়ানকে অনেকে দেশ হিসেবে গণ্য করলেও জাতিসংঘে তারা পূর্ণ সদস্য নয়।
আফ্রিকা মহাদেশ:
- স্বাধীন দেশ (সংখ্যা): ৫৪টি।
- সর্বশেষ স্বাধীন দেশ: দক্ষিণ সুদান (২০১১)।
উত্তর আমেরিকা মহাদেশ:
- স্বাধীন দেশ (সংখ্যা): ২৩টি।
- সর্বশেষ স্বাধীন দেশ: সেন্ট কিটস ও নেভিস (১৯৮৩)
ইউরোপ মহাদেশ:
- স্বাধীন দেশ (সংখ্যা): ৪৮টি।
- সর্বশেষ স্বাধীন দেশ: কসোভো (২০০৮)
ওশেনিয়া মহাদেশ:
- স্বাধীন দেশ (সংখ্যা): ১৪টি।
- সর্বশেষ স্বাধীন দেশ: পালাউ (১ অক্টোবর, ১৯৯৪)।
অ্যান্টার্কটিকা মহাদেশ:
- স্বাধীন দেশ (সংখ্যা): ০টি
উৎস: ওয়ার্ল্ড এটলাস।
প্রথম বিশ্বযুদ্ধ:
- অস্ট্রিয়ার যুবরাজ আর্কডিউক ফার্ডিন্যাস্ড বসনিয়র রাজধানী সারায়েভোতে আততায়ীর হাতে নিহত হবার ঘটনার মধ্য দিয়ে প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়।
- যুদ্ধ শুরু হয়: ২৮ জুলাই, ১৯১৪ সালে।
- শেষ হয়: ১১ নভেম্বর, ১৯১৮ সালে।
• যুদ্ধে কেন্দ্রীয় শক্তিজোট:
- জার্মান, অস্ট্রিয়া, তুরস্ক, হাঙ্গেরী, বুলগেরিয়া।
• মিত্রশক্তি জোট:
- রাশিয়া, ফ্রান্স, সার্বিয়া, বেলজিয়াম, জাপান, ব্রিটেন, যুক্তরাষ্ট্র।
- যুদ্ধের ফলাফল: মিত্র শক্তির বিজয়।
- দ্বিতীয় ভার্সাই চুক্তির মাধ্যমে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের অবসান হয়।
- চার বছরের যুদ্ধে প্রায় ১ কোটি ৬০ লক্ষ মানুষের প্রাণহানী ঘটে।
উৎস: i) Britannica.
ii) History.com
ক্যালডীয় সভ্যতা (Chaldean Civilization):
- ক্যালডীয়রা ছিল একটি সেমিটিক জাতি যারা আসিরীয় সাম্রাজ্যের পতনের পর ব্যবিলনে একটি শক্তিশালী সাম্রাজ্য গড়ে তোলে।
- একে 'নব্য ব্যাবিলনীয় সাম্রাজ্য'ও বলা হয়।
- কালক্রম: খ্রিস্টপূর্ব ৬২৬ থেকে ৫৩৯ অব্দ পর্যন্ত এই সভ্যতার স্থায়ীত্ব ছিল।
- প্রধান সম্রাট: নবোপোলাসার (প্রতিষ্ঠাতা) এবং তাঁর পুত্র সম্রাট নেবুচাদনেজার (শ্রেষ্ঠ শাসক)।
- কেন্দ্রবিন্দু: এই সভ্যতার প্রাণকেন্দ্র ছিল পুনরায় সংস্কার করা জাঁকজমকপূর্ণ 'ব্যাবিলন' শহর।
• স্থাপত্যে :নেবুচাদনেজারের আমলে ব্যবিলন শহরটি বিশ্বের সবচেয়ে সুরক্ষিত ও সুন্দর শহরে পরিণত হয়। তিনি শহরের চারদিকে বিশাল প্রাচীর এবং নীল রঙের চকচকে ইটের তৈরি 'ইশতার গেট' নির্মাণ করেন।
• জ্যোতির্বিদ্যার উন্নতি: ক্যালডীয়রা আকাশের গ্রহ-নক্ষত্র পর্যবেক্ষণে অত্যন্ত উন্নত ছিল।
- তারা সাত দিনে এক সপ্তাহ এবং ১২ মাসে এক বছরের হিসাব নিখুঁতভাবে করতে পারত।
- তারাই প্রথম সপ্তাহের সাত দিনের নামকরণ গ্রহ-নক্ষত্রের নামে করেছিল।
- ধর্ম: তারা বহু ঈশ্বরবাদী ছিল। তাদের প্রধান দেবতা ছিলেন 'মারদুক' (Marduk)। প্রতিটি বড় স্থাপত্য বা মন্দির তাঁর উদ্দেশ্যে উৎসর্গ করা হতো।
• পতন: খ্রিস্টপূর্ব ৫৩৯ অব্দে পারস্যের সম্রাট সাইরাস দ্য গ্রেট ব্যবিলন দখল করেন।
- এর ফলে মেসোপটেমিয়ার ওপর ব্যবিলনীয় ও ক্যালডীয়দের রাজনৈতিক কর্তৃত্ব চিরতরে শেষ হয়।
উৎস: ব্রিটানিকা। এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
• বলকান (Balkan) দেশসমূহ: আলবেনিয়া, বুলগেরিয়া, বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা, ক্রোয়েশিয়া, গ্রিস, কসোভো, মন্টিনিগ্রো, উত্তর মেসিডোনিয়া, রোমানিয়া, সার্বিয়া, স্লোভেনিয়া।
• নর্ডিক অঞ্চলভূক্ত দেশ ৫টি। যথা: আইসল্যান্ড, ডেনমার্ক, নরওয়ে, সুইডেন এবং ফিনল্যান্ড।
• স্ক্যান্ডেনেভিয়ান রাষ্ট্র মূলত ৩টি। যথা: নরওয়ে, সুইডেন ও ডেনমার্ক।
• আইবেরীয় (Iberian) দেশসমূহ: স্পেন, পর্তুগাল, এন্ডোরা, জিব্রাল্টার।
উৎস: i) Britannica.
ii) Worldatlas.
ফিনিশীয় সভ্যতা:
- ভূমধ্যসাগর এবং লেবানন পর্বতের মাঝে ১২৫ কিলোমিটার দৈর্ঘ্য এবং ১৫ কিলোমিটার প্রস্থ সম্বলিত একখণ্ড সরু উপকূল অঞ্চলে ফিনিশীয় নামের ক্ষুদ্র রাষ্ট্রটি গড়ে উঠেছিল।
- ফিনিশীয় একটি সম্প্রদায়ের নাম। তাদের সামনে ছিল সাগর আর পিছনে ছিল পাহাড়।
- কৃষিকাজ করার মতো কোন উর্বর ভূমি না থাকায় তাদের আয়ের একমাত্র উৎস ছিল বাণিজ্য।
- আনুমানিক খ্রিস্টপূর্ব ৩০০০ অব্দে তাদের উত্থান হয়েছিল।
- নানা ঘটনা প্রবাহের পর ৩৩২ খ্রিস্টপূর্বাব্দে গ্রিক বীর আলেকজান্ডার টায়ার নগরী দখল করে একে সম্পূর্ণ ধ্বংস করে দেন। আর তখনই ফিনিশীয় সভ্যতার পতন ঘটে।
⇒ প্রাচীন সভ্যতার ইতিহাসে ফিনিশীয়দের পরিচয় শ্রেষ্ঠতম নাবিক ও জাহাজ নির্মাতা হিসেবে। তাদের মূল অবদানসমূহ জড়িয়ে আছে নৌ-বাণিজ্যকে কেন্দ্র করে। তাদের ছিল অনেকগুলো সমুদ্র বন্দর। তাদের বিখ্যাত দুটি বন্দর হলো টায়ার ও সিডন।
- ফিনিশীয় বণিকগণ জাহাজ নিয়ে ব্যবসার জন্য ভূমধ্যসাগর ও কৃষ্ণসাগড় পাড়ি দিত।
- প্রাচীন সভ্যতার ইতিহাসে শ্রেষ্ঠতম নাবিক ও জাহাজ নির্মাতা হিসেবে ফিনিশীয়দের খ্যাতি ছিল প্রচুর।
- মূলত ফিনিশীয়রাই প্রথম পৃথিবীর ইতিহাসে সমৃদ্ধ বাণিজ্যিক সভ্যতা গড়ে তোলে।
⇒ ফিনিশীয়দের উন্নতির মূলে ছিল নৌ-বাণিজ্য। ফিনিশীয়গণ বিভিন্ন দেশের সাথে বাণিজ্যিক সম্পর্ক গড়ে তুলেছিল। তারা স্পেন থেকে সোনা, রুপা ও টিন এনে তা বিভিন্ন দেশে বিক্রি করত।
- ফিনিশীয়রা বাণিজ্যের পাশাপাশি কারিগরি ক্ষেত্রেও দক্ষতা অর্জন করেছিল।
- গ্রিক কবি হোমারের লেখায় ফিনিশীয়দের তৈরি পোশাক ও সোনার অলংকারের কথা রয়েছে।
- হিব্রুদের গ্রন্থে রয়েছে ফিনিশীয়দের সোনা, রুপা, লোহা ও কাঠের দ্রব্যের কথা।
- এ্যাসিরীয়দের রাজপ্রাসাদের আসবাবপত্র তৈরি করে দিয়েছিল ফিনিশীয় কারিগররা।
- তারা জেরুজালেমে তৈরি করেছিল মন্দির।
উৎস: ইতিহাস, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
• পৃথিবীতে সর্বাধিক পিরামিড থাকার পাঁচটি দেশ: ২০২৫
- সুদান – ২৫৫টি
- মিশর – ১১৮টি
- যুক্তরাষ্ট্র – ৩৫টি
- মেক্সিকো – ২০টি
- বেলিজ – ১০টি
তথ্যসূত্র: বিশ্ব জনসংখ্যা রিপোর্ট। Link
• বাইজান্টাইন সাম্রাজ্য:
- খ্রিস্টপূর্ব ৭৫৩ সালে ইতালির টাইবার নদীর তীরে রোম নগরী স্থাপিত হয়।
- এই নগরীর গোড়াপত্তন করেন রোমাস ও রমুলাস নামে দুই ভাই।
- এই বিশাল সাম্রাজ্য শাসনের জন্য রোমান সম্রাট কনস্টানটাইন সাম্রাজ্যের পূর্বাঞ্চলে কৃষ্ণসাগর তীরবর্তী বাইজান্টিয়াম নামক স্থানে দ্বিতীয় রাজধানী প্রতিষ্ঠা করেন।
- ৩৩০ সালে প্রতিষ্ঠিত এই দ্বিতীয় রাজধানীর নামকরণ করা হয় কনস্টান্টিনোপল।
- পূর্ব রাজধানীকে কেন্দ্র করে রোমান সাম্রাজ্যের পূর্বাঞ্চল তথা পূর্ব ইউরোপ, পূর্ব-ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চল, কৃষ্ণসাগরীয় অঞ্চল, এশিয়া মাইনরসহ পশ্চিম এশিয়া অঞ্চল শাসিত হতো।
• বাইজান্টাইন সাম্রাজ্যের পতন:
- পশ্চিম এশিয়া অঞ্চলে ইসলামী সভ্যতার উত্থান ও বিকাশের পটভূমিতে বাইজান্টাইন সাম্রাজ্যের সীমা ষষ্ঠ শতাব্দী থেকে ক্রমাগত সংকুচিত হয়ে পড়তে থাকে।
- আব্বাসীয় শাসনামল পর্যন্ত ইসলামী সাম্রাজ্য পশ্চিম ইউরোপের স্পেন, সমগ্র উত্তর আফ্রিকা, মধ্য এশিয়া এবং দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চল পর্যন্ত বিস্তৃত হয়।
- ১২৫৮ সালে মোঙ্গল নেতা হালাকু খানের হাতে বাগদাদের পতন ঘটার পর ইসলামী সভ্যতার নেতৃত্ব গ্রহণ করে ওসমানীয় তুর্কিরা।
- চতুর্দশ শতাব্দী থেকে ওসমানীয় তুর্কিদের শক্তি ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পায়।
- ১৪৫৩ সালে ওসমানীয় তুর্কি খলিফা দ্বিতীয় মোহাম্মদের হাতে বাইজান্টাইন সাম্রাজ্যের রাজধানী কনস্টান্টিনোপলের পতন ঘটে।
- পরবর্তী পর্যায়ে তুর্কি শক্তি সমগ্র গ্রিস অঞ্চলসহ পূর্ব ইউরোপের বিস্তীর্ণ অঞ্চলে তাদের সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা করে।
তথ্যসূত্র: আধুনিক ইউরোপের ইতিহাস, এস এস এইচ এল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
সুয়েজ খাল:
- মিশরের অর্থনীতিতে সুয়েজ খালের গুরুত্ব অপরিসীম।
- ১৮৬৯ সালে একজন ফরাসি ব্যক্তিত্ব ফার্দিন্যান্ড ডি লেসসেপস এর নির্দেশনায় সুয়েজ খাল নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হয়।
- ১৯৫৬ সালে মিশর এটি জাতীয়করণ করে।
- ভূ-মধ্যসাগর এবং লোহিত সাগরকে সংযুক্ত করেছে সুয়েজ খাল।
- এই জলপথের একপ্রান্তে রয়েছে পোর্ট সৈয়দ বন্দর এবং অপরপ্রান্তে সুয়েজ বন্দর।
- এটি বিশ্বের সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত জাহাজ চলাচলের পথগুলির মধ্যে একটি।
উৎস: ভূগোল দ্বিতীয় পত্র (এইচএসসি প্রোগ্রাম), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও ব্রিটানিকা।
প্যারাসেল দ্বীপপুঞ্জ:
- বিরোধপূর্ণ ‘প্যারাসেল’ দ্বীপপুঞ্জ দক্ষিণ চীন সাগরে অবস্থিত।
- প্যারাসেল দ্বীপপুঞ্জ নিয়ে চীন এবং ভিয়েতনাম এর মধ্যে দ্বন্দ্ব বিদ্যমান।
- এছাড়া, তাইওয়ানও প্যারাসেল দ্বীপপুঞ্জের উপর নিজের অধিকার দাবি করে থাকে।
- প্যারাসেল দ্বীপপুঞ্জ প্রায় মানব বসতিহীন। এখানে তেল এবং গ্যাসের সম্ভাব্য ভাণ্ডার রয়েছে।
উল্লেখ্য,
- দক্ষিণ চীন সাগরে সীমানা নিয়ে বিভিন্ন দেশ বিরোধে লিপ্ত ছিল বহু শত বছর ধরে।
- বিশেষ করে সম্প্রতি চীন যে ধরণের ব্যাপক দাবি শুরু করেছে, যার মধ্যে বিভিন্ন দ্বীপপুঞ্জ এবং সংলগ্ন জলসীমাও রয়েছে, তা ভিয়েতনাম, ফিলিপিন্স, তাইওয়ান, মালয়েশিয়া এবং ব্রুনেইকে ক্ষুব্ধ করেছে।
- এসব দেশও এখন দক্ষিণ চীন সাগরে সীমানা নিয়ে পাল্টা দাবি করছে।
- অন্যান্য দেশও সাগরের মাঝখানে প্যারাসেল এবং স্প্র্যাটলি দ্বীপপুঞ্জ এবং সাগরের বিভিন্ন অঞ্চলের ওপর তাদের অধিকার দাবি করছে।
উৎস: i) Britannica.
ii) BBC.
ফরাসি বিপ্লব:
- ফরাসি বিপ্লবের স্লোগান ছিল স্বাধীনতা, সাম্য ও ভ্রাতৃত্ব।
- এই বিপ্লব হয়েছিল ১৭৮৯ সালের ১৪ জুলাই।
- ফরাসি বিপ্লবের মাধ্যমে বাস্তিল দুর্গের পতন ঘটে।
- নেপোলিয়ন বোনাপার্ট ফরাসি বিপ্লবের অগ্রনায়ক ছিলেন।
- ভলতেয়ার চেয়েছিলেন এমন একটি সমাজব্যবস্থা যেখানে প্রত্যেক মানুষ তার সাধ্যমতো ভালো কাজ করবে।
- পূর্বতন সমাজে তিনটি গোষ্ঠী ছিল। এগুলো হলো যাজক শ্রেণি, অভিজাত শ্রেণি এবং জনসাধারণ। অভিজাত প্রভাবিত পূর্বতন সমাজের প্রতি শহরের জনতা ও বিপ্লবী বুর্জোয়া শ্রেণি অসন্তুষ্ট ছিল।
- ফরাসি বিপ্লবের সময় শিরশ্ছেদের মাধ্যমে মৃত্যুদন্ড কার্যকর করার পদ্ধতি জনপ্রিয় হয়ে ওঠে।
তথ্যসূত্র - Britannica.com
• ইউক্রেন:
- ইউক্রেন পূর্ব ইউরোপের একটি রাষ্ট্র।
- দেশটির আয়তন ৬০৩,৫৪৯ বর্গ কিমি।
- ভাষা: ইউক্রেনীয় (অফিসিয়াল), রাশিয়ান, রোমানিয়ান, পোলিশ, হাঙ্গেরিয়ান, বেলারুশিয়ান, বুলগেরিয়ান।
- ধর্ম: খ্রিস্টধর্ম (বেশিরভাগই পূর্ব অর্থোডক্স; এছাড়াও অন্যান্য খ্রিস্টান, রোমান ক্যাথলিক, প্রোটেস্ট্যান্ট), ইসলাম।
- ইউক্রেনের পশ্চিমে পোল্যান্ড, স্লোভাকিয়া ও হাঙ্গেরি, দক্ষিণ-পশ্চিমে রোমানিয়া ও মলদোভা, দক্ষিণে কৃষ্ণ সাগর ও আজভ সাগর, পূর্বে ও উত্তর-পূর্বে রাশিয়া এবং উত্তরে বেলারুস।
- ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভ।
- ইউরোপের শস্য ভাণ্ডার খ্যাত ইউক্রেনের উর্বর ভূমিতে গম, সানফ্লাওয়ার এবং অন্যান্য দানাদার জাতীয় শস্য প্রচুর পরিমাণে উৎপন্ন হয়।
- এজন্য ইউক্রেনকে ইউরোপের রুটির ঝুড়ি বলা হয়।
তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।
মার্টিন লুথার (Martin Luther):
- মার্টিন লুথারের সংস্কার আন্দোলনের ফলে প্রোটেস্ট্যান্ট খ্রিস্টধর্ম নামে একটি নতুন ধর্মীয় শাখার উদ্ভব ঘটে।
- এই আন্দোলন ১৬শ শতকে জার্মান ধর্মযাজক মার্টিন লুথারের হাত ধরে শুরু হয়েছিল এবং এর ফলে পশ্চিমা খ্রিস্টধর্মের মধ্যে রোমান ক্যাথলিক ও প্রোটেস্ট্যান্টদের মধ্যে বিভাজন দেখা দেয়।
উল্লেখ্য,
- মার্টিন লুথার (Martin Luther) ছিলেন ১৬শ শতাব্দীর একজন জার্মান ধর্ম যাজক। তিনি রিফরমেশন আন্দোলনের সূচনা করেছিলেন। তিনি ক্যাথলিক চার্চের কিছু প্রথা ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে আন্দোলন শুরু করেন।
- মার্টিন লুথার প্রধানত রোমান ক্যাথলিক চার্চ এবং তৎকালীন পোপতন্ত্রের (বিশেষ করে পোপ লিও দশম) বিরুদ্ধে রিফরমেশন আন্দোলন শুরু করেন। তিনি চার্চের ইন্ডালজেন্স, ধর্মীয় কর্তৃত্বের অপব্যবহার এবং ধর্মতাত্ত্বিক বিষয়ে বাইবেলের পরিবর্তে পোপের আধিপত্যের বিরোধিতা করেন। ১৫১৭ সালে মার্টিন লুথার তার ৯৫টি থিসিস (Ninety-Five Theses) প্রকাশ করেন যেখানে তিনি ক্যাথলিক চার্চের দুর্নীতি ও ভ্রান্তির সমালোচনা করেন।
- এই আন্দোলন প্রোটেস্ট্যান্ট ধর্মের উদ্ভব ঘটায় যা ক্যাথলিক চার্চ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে খ্রিস্টধর্মের একটি নতুন শাখা গঠন করে।
উৎস: i) Britannica.
ii) আধুনিক ইউরোপের ইতিহাস, এস এস এইচ এল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।