বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বৈশ্বিক ইতিহাস, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা, ভূ-রাজনীতি

মোট প্রশ্ন৯,৩৩৪এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বৈশ্বিক ইতিহাস, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা, ভূ-রাজনীতি

PrepBank · পাতা ২৭ / ৯৩ · ২,৬০১২,৭০০ / ৯,৩৩৪

২,৬০১.
ভেলভেট ডিভোর্স-এর মাধ্যমে কোন দু'টি দেশের জন্ম হয়?
  1. রাশিয়া ও ইউক্রেন
  2. সার্বিয়া ও ক্রোয়েশিয়া
  3. চেক প্রজাতন্ত্র ও স্লোভাকিয়া
  4. পূর্ব জার্মানি ও পশ্চিম জার্মানি
সঠিক উত্তর:
চেক প্রজাতন্ত্র ও স্লোভাকিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চেক প্রজাতন্ত্র ও স্লোভাকিয়া
ব্যাখ্যা

• ভেলভেট ডিভোর্স:
- ভেলভেট ডিভোর্স-এর ফলে চেক প্রজাতন্ত্র ও স্লোভাকিয়ার জন্ম হয়।

• 'ভেলভেট ডিভোর্স' বলতে ১৯৯৩ সালের ১ জানুয়ারি তৎকালীন চেকোস্লোভাকিয়ার শান্তিপূর্ণ বিভক্তিকে বোঝায়।
- ১৯৯২ সালের নভেম্বরে ফেডারেল আইনসভা চেকোস্লোভাকিয়াকে বিভক্ত করার পক্ষে ভোট দেয়।
- পৃথক সংবিধান প্রণয়নের পর ১৯৯৩ সালের ১ জানুয়ারি আনুষ্ঠানিকভাবে দুটি স্বাধীন দেশের জন্ম হয়। এগুলো হলো: চেক প্রজাতন্ত্র ও স্লোভাকিয়া।
- এটি ইতিহাসে ভেলভেট নামে পরিচিত কারণ বিচ্ছেদটি সম্পূর্ণ রক্তপাতহীন ও শান্তিপূর্ণ ছিল। এখানে কোনো যুদ্ধ বা সহিংসতা হয়নি।

উল্লেখ্য,
ভেলভেট বিপ্লব:
- 'ভেলভেট বিপ্লব' হলো চেকোস্লোভাকিয়ায় সংঘটিত একটি অহিংস ও শান্তিপূর্ণ গণআন্দোলন। 
- ১৯৮৯ সালের ১৭ নভেম্বর – ২৯ ডিসেম্বর এই বিপ্লব সংঘটিত হয়েছিল।
- এর মাধ্যমে দেশটিতে ৪১ বছরের কমিউনিস্ট শাসনের পতন ঘটে এবং সংসদীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়। 

উৎস: Britannica.

২,৬০২.
মাতৃভাষার দিক থেকে বিশ্বের সবচেয়ে বেশি লোকের ভাষা কোনটি?
  1. ক) ইংরেজি
  2. খ) ফ্রাঞ্চ
  3. গ) চাইনিজ
  4. ঘ) পর্তুগিজ
সঠিক উত্তর:
গ) চাইনিজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) চাইনিজ
ব্যাখ্যা
বহুল ব্যবহৃত ভাষা:
- সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত ভাষা: ইংরেজি। 
- মাতৃভাষার দিক থেকে বিশ্বের শীর্ষ ভাষা: মান্দারিন (চাইনিজ)।

উল্লেখ্য,
- মাতৃভাষীর সংখ্যা অনুসারে ভাষাসমূহের তালিকা:
১। চাইনিজ,
২। স্পেনিশ,
৩। ইংরেজি।

 উৎস: Ethnologue ওয়েবসাইট।
২,৬০৩.
অ্যাজটেক সভ্যতার মূল কেন্দ্র কোথায় গড়ে উঠেছিল?
  1. পেরুর উপকূলে
  2. মেক্সিকোর মধ্যাঞ্চলে
  3.  চিলির উপকূলীয় অঞ্চল
  4. বলিবিয়ায় 
সঠিক উত্তর:
মেক্সিকোর মধ্যাঞ্চলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেক্সিকোর মধ্যাঞ্চলে
ব্যাখ্যা

অ্যাজটেক সভ্যতা (Aztec Civilization):
- বর্তমান মেক্সিকোর মধ্যাঞ্চলে গড়ে ওঠা এই সভ্যতাটি ছিল প্রাচীন আমেরিকার অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও শক্তিশালী সভ্যতা।
- আনুমানিক ১৩০০ থেকে ১৫২১ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে এই সভ্যতা উন্নতির চরম শিখরে পৌঁছায়।
- তাদের প্রধান শহর বা রাজধানীর নাম ছিল 'টেনোচটিটলান' (Tenochtitlan),
- যা একটি হ্রদের মাঝখানে কৃত্রিম দ্বীপে গড়ে উঠেছিল (বর্তমান মেক্সিকো সিটি)।

• অর্থনীতি ও বাণিজ্য:
- অ্যাজটেকরা বাণিজ্যে অত্যন্ত উন্নত ছিল। 
- তারা মুদ্রার বদলে অনেক সময় কোকো বিন (Cacao beans) ব্যবহার করত।

• স্থাপত্য ও প্রকৌশল (Engineering Marvels):
- অ্যাজটেকরা জলাভূমির ওপর বড় বড় পিরামিড, মন্দির এবং প্রাসাদ তৈরি করেছিল।
- 'চিনাম্পা' (Chinampa) বা ভাসমান বাগান ছিল তাদের এক অসামান্য উদ্ভাবন।
- হ্রদের ওপর কৃত্রিম জমি তৈরি করে তারা সারা বছর কৃষিকাজ করত।

• ধর্ম ও বলিদান প্রথা:
- অ্যাজটেকরা বহু ঈশ্বরে বিশ্বাসী ছিল। তাদের প্রধান দেবতাদের মধ্যে ছিলেন 'হুইজিলোপোচটলি' (সূর্য ও যুদ্ধের দেবতা) এবং 'কুয়েটজালকোটল' (জ্ঞানের দেবতা)।

উৎস: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট এবং হিস্টোরি ডট কম।

২,৬০৪.
জনসংখ্যার ভিত্তিতে বৃহত্তর মুসলিম রাষ্ট্র কোনটি?
  1. পাকিস্তান
  2. সৌদি আরব
  3. মিশর
  4. ইন্দোনেশিয়া
সঠিক উত্তর:
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইন্দোনেশিয়া
ব্যাখ্যা
ইন্দোনেশিয়া:
- ভারত ও প্রশান্ত মহাসাগরের মূল ভূখণ্ডের দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার উপকূলে অবস্থিত দেশ ইন্দোনেশিয়া।
- দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সবচেয়ে সমৃদ্ধ অর্থনীতির দেশ এটি।
- বিশ্বের বৃহত্তম মুসলিম জনসংখ্যার দেশ ইন্দোনেশিয়া।
- এক সময়ের ডাচ উপনিবেশ থাকা দেশটি আন্দোলনের মাধ্যমে ১৯৪৯ সালে স্বাধীন হয়।
- রাজধানী: নুসানতারা (নতুন)।
- মুদ্রা: ইন্দোনেশীয় রুপিয়া।
- ইন্দোনেশিয়ার প্রধান দ্বীপ হলো: সুমাত্রা, জাভা, বোর্নিও, পাপুয়া নিউ গিনি।
- ইন্দোনেশিয়ার বর্তমান রাষ্ট্রপতি হলেন জোকো উইদোদো।

উৎস: i) Britannica.
ii) BBC.
২,৬০৫.
'ম্যাকাও' কোন ইউরোপীয় দেশের উপনিবেশ ছিল?
  1. পর্তুগাল
  2. ব্রিটেন
  3. ফ্রান্স
  4. স্পেন
সঠিক উত্তর:
পর্তুগাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পর্তুগাল
ব্যাখ্যা
• ম্যাকাও:
- ম্যাকাও হলো দক্ষিণ চীন সাগরের তীরে অবস্থিত চীনের একটি বিশেষ প্রশাসনিক অঞ্চল।
- এটি একটি পর্তুগীজ উপনিবেশ ছিল।
- ১৯৯৯ সালের ২০ ডিসেম্বর পর্তুগাল চীনের নিকট ম্যাকাও হস্তান্তর করে।
- ম্যাকাও ছিলো এশিয়ায় ইউরোপের সর্বশেষ উপনিবেশ।
- ম্যাকাও এর মুদ্রার নাম ম্যাকানিজ পটাকা।

উৎস: Britannica.
২,৬০৬.
'Glimpses of World History' গ্রন্থের রচয়িতা -
  1. মহাত্মা গান্ধী
  2. লর্ড মাউন্টব্যাটেন
  3. জওহরলাল নেহেরু
  4. ইন্দিরা গান্ধী
সঠিক উত্তর:
জওহরলাল নেহেরু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জওহরলাল নেহেরু
ব্যাখ্যা
Glimpses of World History:
- Glimpses of World History বইটি জওহরলাল নেহেরুর লেখা।
- এটি প্রকাশিত হয় ১৯৩৪ সালে।
- এটি মূলত ১৯৬টি চিঠির সমাহার।
- চিঠিগুলো নেহেরু তার মেয়ে ইন্দিরা গান্ধীকে ১৯৩০-১৯৩৩ সময়ে বিশ্ব ইতিহাস সম্পর্কে লিখেছিলেন।

উৎস: i) Amazon.in.
        ii) Indian Culture.
২,৬০৭.
লেবানন ও ইসরায়েলের মধ্যকার সীমানা কোনটি?
  1. লাইন অব ডিমারকেশন
  2. সনোরা লাইন
  3. ওডার-নেইস লাইন
  4. ব্লু লাইন
সঠিক উত্তর:
ব্লু লাইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্লু লাইন
ব্যাখ্যা

বিভিন্ন দেশের সীমানা:
⇒ পার্পল লাইন: ইসরাইল ও সিরিয়ার মধ্যে সীমানা।
⇒ সনেরা লাইন: মেক্সিকো ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার সীমানা।
⇒ ওডার-নেইস লাইন: জার্মানি ও পোল্যান্ডের মধ্যকার সীমানা।
⇒ ব্লু লাইন: লেবানন ও ইসরায়েলের মধ্যকার সীমানা।
⇒ লাইন অব ডিমারকেশন: পর্তুগাল ও স্পেনের মধ্যে সীমানা।
⇒ ডুরান্ড লাইন: পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যে সীমানা।
⇒ রেডক্লিফ লাইন: ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সীমারেখা।
⇒ লাইন অব একচুয়াল কন্ট্রোল / ম্যাকমোহন লাইন: চীন ও ভারতের মধ্যে সীমানা।
⇒ লাইন অব কন্ট্রোল: ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সীমানা।

তথ্যসূত্র - Britannica.com

২,৬০৮.
'সুবর্ণ মধ্যক' ধারণাটির প্রবর্তক-
  1. ক) জেরেমি বেন্থাম
  2. খ) এরিস্টটল
  3. গ) ইমানুয়েল কান্ট
  4. ঘ) রবার্টসন
সঠিক উত্তর:
খ) এরিস্টটল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) এরিস্টটল
ব্যাখ্যা
- গোল্ডেন মিন (সুবর্ণ মধ্যক) ধারণাটির প্রবর্তক এরিস্টটল।
- তিনি সুবর্ণ মধ্যক ধারণাটি ব্যবহার করেন দুটি চরমপন্থার বা মতবাদের মধ্যবর্তী অবস্থান বুঝাতে।
- অর্থাৎ সুবর্ণ মধ্যক হলো দুটি চরমপন্থার মধ্যবর্তী অবস্থা। যেমন- একদিকে সম্পদের প্রাচুর্য এবং অন্য দিকে খুবই অভাব, এ দুটি অবস্থার মাঝামাঝি অবস্থাই হলো সুবর্ণ মধ্যক।
- এটি নীতিবিদ্যার সাথে জড়িত।
২,৬০৯.
তিয়েন আনমেন স্কয়ার কোন দেশে অবস্থিত?
  1. তুরস্ক
  2. মিশর
  3. জাপান
  4. চীন
সঠিক উত্তর:
চীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চীন
ব্যাখ্যা
তিয়েন আনমেন স্কয়ার
-তিয়েন আনমেন স্কয়ার চীনের রাজধানী বেইজিং শহরে অবস্থিত। 
-১৯৮৯ সালের ৪ জুন তিয়েন আনমেন স্কয়ারে মুক্তবাজার অর্থনীতি ও গণতন্ত্রের দাবীতে  দাবিতে জড়ো হওয়া বিক্ষোভে শত শত ছাত্র-শ্রমিককে গুলি করে হত্যা করে চীনের ক্ষমতাসীন কমিউনিস্ট সরকার।
-সেই বছর এপ্রিল থেকে সরকারের দুর্নীতি বন্ধ ও গণতন্ত্রের দাবিতে শিক্ষার্থীরা ঐতিহাসিক তিয়েনআনমেন স্কয়ারে অনশন শুরু করে।
-পরে তার সঙ্গে যোগ দেন শ্রমিকেরা। 
-ওই ঘটনা নিয়ে এরপর কোনোরকম আলোচনা নিষিদ্ধ করে চীন। 

উল্লেখ্য,
- চীন আয়তনে বিশ্বের ৪র্থ বৃহত্তম দেশ এবং জনসংখ্যায় ২য় বৃহত্তম।
- চীনের মুদ্রা - ইউয়ান।
- আধুনিক চীনের জনক - সান ইয়াত সেন।

তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা। 
২,৬১০.
চীনা প্রজাতন্ত্রের প্রথম প্রেসিডেন্ট ছিলেন কে?
  1. ক) মাও সেতুং
  2. খ) সান ইয়েৎ সেন
  3. গ) চিয়াং কাই শেক
  4. ঘ) হো চিন মিন
সঠিক উত্তর:
খ) সান ইয়েৎ সেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সান ইয়েৎ সেন
ব্যাখ্যা
১৯১১ সালে চীনে সংঘটিত রাজতন্ত্র বিরোধী বিপ্লবের ফলে ১৯১২ সালে রাজতন্ত্র উচ্ছেদ হয় ও এশিয়ার প্রথম প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়। চীন প্রজাতন্ত্রের প্রথম প্রেসিডেন্ট ছিলেন সান ইয়েৎ সেন (Sun Yat-sen)।
১৯৪৯ সালে মাও সেতুং চীনে সমাজতন্ত্র চালু করেন যা আজও বিরাজমান।
চিয়াং কাই শেক তাইওয়ানে আশ্রয় গ্রহণকারী গণতন্ত্রপন্থি নেতা ছিলেন। হো চিন মিন ভিয়েতনামের অবিসংবাদিত নেতা।
(সূত্রঃ এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা)
২,৬১১.
প্রধান আসমানী কিতাব কয়টি?
  1. ৪টি
  2. ১৪টি
  3. ৩৪টি
  4. ১০৪টি
সঠিক উত্তর:
৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪টি
ব্যাখ্যা
প্রধান আসমানী কিতাব ৪টি।

আসমানী কিতাব:
- আসমানী কিতাব হচ্ছে ঐ কিতাব যা যুগে যুগে মানবতার হিদায়াতের জন্য আল্লাহ তাঁর বাছাইকৃত নবী- রাসূলগণের ওপর নাযিল করেছেন।
- আসমানী কিতাবই হচ্ছে একমাত্র নির্ভরযোগ্য গ্রন্থ, যা বিভ্রান্ত মানবতাকে সত্য, সুন্দর ও সৎ পথের সন্ধান দিয়ে থাকে।
- আসমানী কিতাবের সর্বমোট সংখ্যা ১০৪ খানা।

অন্যদিকে-
- প্রধান আসমানী কিতাব ৪টি।
- মদীনা সনদে মোট শর্ত ছিল ৪৭টি।
- ‘বিসমিল্লাহির রাহমানীর রাহিম’ এতে বর্ণ আছে ১৯ টি।

উৎস: আসমানী কিতাব ও মালাইকা, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৬১২.
ওয়াটার লু’র যুদ্ধে পরাজয়ের পর নেপোলিয়নকে কোন দ্বীপে নির্বাসন দেওয়া হয়?
  1. সিসিলি
  2. কর্সিকা
  3. সেন্ট এলবা
  4. সেন্ট হেলেনা
সঠিক উত্তর:
সেন্ট হেলেনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সেন্ট হেলেনা
ব্যাখ্যা
ওয়াটার লু’র যুদ্ধ:
– ঊনবিংশ শতাব্দীর প্রথম ভাগে নেপোলিয়ন ফ্রান্সের সম্রাট হন।
– ১৮১৪ সালে প্রুশিয়া, অস্ট্রিয়াসহ বেশ কিছু দেশের সেনাবাহিনী ফ্রান্স আক্রমণ করে এবং নেপোলিয়নকে ক্ষমতাচ্যুত করে সেন্ট এলবা দ্বীপে নির্বাসন দেয় (প্রথম নির্বাসন) ।
– তবে তিনি আবার ফ্রান্সের ক্ষমতায় আসেন।
– ১৮১৫ সালের ১৮ জুন ওয়াটার লু’র যুদ্ধ সংঘটিত হয় বেলজিয়ামের ওয়াটারলু নামক স্থানে।
– নেপোলিয়ন প্রায় ৭২ হাজার সৈন্য নিয়ে ডিউক অব ওয়েলিংটন আর্থার ওয়েলেসলির নেতৃত্বে ৬৮ হাজার সৈন্যবিশিষ্ট ব্রিটিশ সেনাবাহিনীর মুখোমুখি হন।
– ফরাসি সম্রাট নেপোলিয়ন বোনাপার্টের বাহিনী ও সম্মিলিত ব্রিটিশ-প্রুশিয়ান বাহিনীর মধ্যে সংঘটিত হয়।
– যুদ্ধে ডিউক অব ওয়েলিংটনের কাছে নেপোলিয়নের পরাজয় হয় এবং নেপোলিয়ন শাসনের অবসান ঘটে।
– এরপর তাকে সেন্ট হেলেনা দ্বীপে নির্বাসন দেওয়া হয় (দ্বিতীয় নির্বাসন) ।

উৎস: i) কালের কণ্ঠ।
ii) Britannica.
২,৬১৩.
Great Depression কত সালে শুরু হয়েছিল?
  1. ১৯২৯ সালে
  2. ১৯৩১ সালে
  3. ১৯৩৩ সালে
  4. ১৯৩৯ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯২৯ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯২৯ সালে
ব্যাখ্যা
Great Depression:
- গ্রেট ডিপ্রেশন বা বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক মন্দা।
- শুরু হয়েছিল ১৯২৯ সালে।
- প্রায় ১৯৩৯ সাল পর্যন্ত স্থায়ী হয়েছিল।
- ১৯২৯ সালের আগস্টে যুক্তরাষ্ট্রের শেয়ারবাজারে নেমেছিল ভয়াবহ ধ্বস।
- আমেরিকা ছাড়িয়ে পার্শ্ববর্তী অঞ্চল ও ইউরোপেও ছড়িয়ে পড়েছিল এর প্রভাব।
- এই মন্দায় যুক্তরাষ্ট্রের ব্যাংকগুলো দেউলিয়া হয়ে যায় এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করা মেক্সিকান শরণার্থীদের একাংশ নির্যাতনের শিকার হয়ে দেশে ফিরতে বাধ্য হন।
- প্রায় এক দশক ধরে চলা অর্থনৈতিক মহামন্দায় সোভিয়েত ইউনিয়ন ছাড়া সারা বিশ্ব সম্মুখীন হয়েছিল অর্থনৈতিক ক্ষতির।

উৎস: Britannica. 
২,৬১৪.
কোন দুটি রাষ্ট্রের মধ্যে 'তাসখন্দ চুক্তি' স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ক) আফগানিস্তান ও পাকিস্তান
  2. খ) পাকিস্তান ও ভারত
  3. গ) ভারত ও আফগানিস্তান
  4. ঘ) চীন ও ভারত
সঠিক উত্তর:
খ) পাকিস্তান ও ভারত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) পাকিস্তান ও ভারত
ব্যাখ্যা
- ১৯৬৬ সালের ১০ জানুয়ারি ঐতিহাসিক তাসখন্দ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- এর মধ্য দিয়ে কাশ্মীরকে কেন্দ্র করে চিরবৈরী ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যকার ১৯৬৫ সালের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের আপাত অবসান ঘটে।
- সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের অন্তর্গত উজবেকিস্তানের তাসখন্দে এই চুক্তি সম্পন্ন হয় বিধায় ইতিহাসে এটি তাসখন্দ চুক্তি নামেই বহুল পরিচিত।
- তৎকালীন সোভিয়েত প্রধানমন্ত্রী এ্যালেক্সি কোসিজিনের মধ্যস্থতায় ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী লালবাহাদুর শাস্ত্রী ও পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আইয়ূব খান দুই দেশের পক্ষে  চুক্তিটিতে স্বাক্ষর করেন।

সূত্র: ব্রিটানিকা।
২,৬১৫.
বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী কে ছিলেন?
  1. হেনরি কিসিঞ্জার
  2. জিনা রাইমোন্ডো
  3. ডেব হাল্যান্ড
  4. উইলিয়াম পিয়ার্স রজার্স
সঠিক উত্তর:
উইলিয়াম পিয়ার্স রজার্স
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উইলিয়াম পিয়ার্স রজার্স
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ছিলেন - উইলিয়াম পিয়ার্স রজার্স।
- হেনরি কিসিঞ্জার ছিলেন - ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের প্রধান।

হেনরি কিসিঞ্জার:

- ১৯২৩ সালে জার্মানিতে জন্ম নেন হেনরি কিসিঞ্জার।
- ১৯৩৮ সালে বাবা-মায়ের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমান তিনি।
- ১৯৪৩ সালে তিনি দেশটির নাগরিকত্ব লাভ করেন।
- ১৯৬৮ সালে রিচার্ড নিক্সন প্রেসিডেন্ট হিসেবে নির্বাচিত হবার পর মি. কিসিঞ্জারকে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা পদে নিয়োগ দেন।
- সোভিয়েত ইউনিয়নের ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের নীতি, চিলির অগাস্টো পিনোশেসহ বিশ্বজুড়ে বহু কর্তৃত্বপরায়ণ শাসক গোষ্ঠীকে সমর্থন, কম্বোডিয়ায় বোমা ফেলা- যাতে ৫০ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়, এমনকি চিলিতে গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত প্রেসিডেন্টকে উৎখাত- এমন বহু ঘটনায় বারবার নাম জড়িয়েছে মি. কিসিঞ্জারের।
- ১৯৭৩ সালে তার কূটনীতির কারণেই আরব-ইসরায়েল যুদ্ধে একটি অস্ত্রবিরতি হয়েছিল।
- স্বায়ু যুদ্ধের সময়কার 'রিয়াল পলিটিকে'র মূর্ত প্রতীক বলেও তাঁকে মনে করেন অনেকেই।
- ৩০শে নভেম্বর, ২০২৩ তারিখে যুক্তরাষ্ট্রের কানেক্টিকাটে নিজ বাড়িতে ১০০ বছর বয়সে মারা গেছেন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক এই পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

উৎস: i) ৫ ডিসেম্বর ২০২৩, বিবিসি বাংলা।
         ii) Britannica.
২,৬১৬.
বর্তমানে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ইরানের পরিচালিত অভিযানের নাম কী? [জুন, ২০২৫]
  1. অপারেশন আয়রন ডোম- ৩
  2. অপারেশন ট্রু প্রমিজ- ২
  3. অপারেশন ট্রু প্রমিজ- ৩
  4. অপারেশন আয়রন ডোম- ১
সঠিক উত্তর:
অপারেশন ট্রু প্রমিজ- ৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপারেশন ট্রু প্রমিজ- ৩
ব্যাখ্যা
অপারেশন ট্রু প্রমিজ- ৩ (Operation True Promise III):
- ১৩ জুন, ২০২৫ ভোররাতে ২০০ যুদ্ধবিমান দিয়ে ইরানের প্রায় ১০০ স্থানে হামলা করেছে ইসরায়েল।
- এতে ইরানের সেনাপ্রধান, রেভ্যলুশনারি গার্ডের প্রধানসহ ছয়জন পরমাণু বিজ্ঞানী ও অর্ধশতাধিকের বেশি বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন।
- ইসরায়েলের চালানো হামলা অপারেশন রাইজিং লায়ন এর বিপরীতে ইরান পাল্টা অপারেশন ‘ট্রু প্রমিজ থ্রি’ শুরু করে।
- ১৩ জুন, ২০২৫ রাতে শতাধিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে ইরান, যা সরাসরি আঘাত হানে তেল আবিব ও আশেপাশের গুরুত্বপূর্ণ ঘাঁটি ও স্থাপনায়।
- এতে বহু স্থাপনার পাশাপাশি ইসরায়েলের বহু বেসামরিক নাগরিক হতাহত হয়েছেন।
- এ অপারেশনের মূল লক্ষ্য হলো- ইসরায়েলের বিমানঘাঁটি, রাডার ব্যবস্থা, এবং ভূগর্ভস্থ সামরিক ঘাঁটি ধ্বংস করা।
- বিভিন্ন সামরিক সূত্র জানিয়েছিল, এই অপারেশন তিন ধাপে বাস্তবায়ন হবে-
১. প্রথম ধাপে বিমানঘাঁটি ও রাডার ব্যবস্থার ধ্বংস,
২. দ্বিতীয় ধাপে হিজবুল্লাহ ও হুতি বিদ্রোহীদের মাধ্যমে সীমান্তে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা,
৩. তৃতীয় ও চূড়ান্ত ধাপে ভূগর্ভস্থ ঘাঁটি থেকে হাইপারসনিক মিসাইল হামলা।

তথ্যসূত্র: পত্রিকা রিপোর্ট।
২,৬১৭.
কিউবা বিপ্লবের মহানায়ক কে ছিলেন?
  1. লিওন ট্রটস্কি
  2. ভ্লাদিমির লেনিন
  3. ফিদেল কাস্ত্রো
  4. হো চি মিন
সঠিক উত্তর:
ফিদেল কাস্ত্রো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফিদেল কাস্ত্রো
ব্যাখ্যা
কিউবা বিপ্লব:
- কিউবার বিপ্লবী মহানায়ক ফিদেল কাস্ত্রো।
- কিউবার তৎকালীন প্রেসিডেন্ট বাতিস্তা ও কিউবার ওপর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়ে বিপ্লবের ময়দানে সক্রিয় হন কাস্ত্রো।
- তার প্রথম পদক্ষেপ ছিল মেক্সিকো থেকে কিউবায় আক্রমণ চালানো।
- ১৯৫৬ সালের ২৫ নভেম্বর তিনি ও তার বিপ্লবী সহযোগীরা কিউবার উদ্দেশে যাত্রা শুরু করেন।
- পৌঁছানোর সঙ্গে সঙ্গেই বাতিস্তার সেনাবাহিনীর আক্রমণে নাস্তানাবুদ হন।
- শুরুর দিকেই তাকে কারাবন্দী করে বাতিস্তা সরকার।
- কিউবার মানুষের মুক্তির জন্য গেরিলা যুদ্ধে নামেন কাস্ত্রো।
- এরই মধ্যে চে গুয়েভারার সঙ্গে ফিদেল কাস্ত্রোর গেরিলা যুদ্ধে পরিকল্পনা আরও বিস্তৃতি পায়।
- ফিদেল কাস্ত্রো তাকে গ্রেনেড তৈরির কারখানা, রুটি বানানোর জন্য চুল্লি প্রস্তুত এবং নিরক্ষর সঙ্গীদের লেখাপড়ার জন্য স্কুল তৈরির দায়িত্ব দেন।
- বিখ্যাত টাইম ম্যাগাজিন তিন বছর পর চে গুয়েভারাকে ‘কাস্ত্রোর মস্তিষ্ক’ বলে আখ্যায়িত করেছিল।
- সংগঠিত হয়ে কাস্ত্রোর বিপ্লবী বাহিনী গেরিলা যুদ্ধে আরও সক্রিয় হয়ে ওঠে।
- আচমকা হামলায় বাতিস্তা সরকার পর্যুদস্ত হয়ে পড়ে।
- সিয়েরা পর্বতমালা, শহর পেরিয়ে তারা হাভানায় ঢুকে পড়লে বাতিস্তা সরকার পালিয়ে যায়।
- জয়ী হন কাস্ত্রো, জয় হয় বিপ্লবের।
- বিপ্লবের নেতা, ফিদেল কাস্ত্রো, ১৯৫৯ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত কিউবা শাসন করেছিলেন।

⇒ কিউবান বিপ্লব ফুলগেনসিও বাতিস্তার পতন ঘটায়।

উল্লেখ্য,
- কিউবা উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকার মধ্যস্থলে অবস্থিত।
- কিউবা ৪০০ বছর ধরে স্পেনের একটি উপনিবেশ ছিল।
- কিউবা আশপাশের অনেকগুলো ছোট দ্বীপের সঙ্গে মিলে কিউবা প্রজাতন্ত্র গঠন করেছে।
- হাভানা কিউবার রাজধানী।
- ক্যারিবীয় অঞ্চলের সবচেয়ে ধনী রাষ্ট্র কিউবা।

উৎস: Britannica.
২,৬১৮.
প্রটেস্ট্যান্ট ধর্ম মতের প্রবক্তা -
  1. কনস্টানটাইন
  2. অগাস্টিন সিজার
  3. পোপ ফ্রান্সিস
  4. মার্টিন লুথার
সঠিক উত্তর:
মার্টিন লুথার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মার্টিন লুথার
ব্যাখ্যা
খ্রিস্টান ধর্ম:
- খ্রিস্টান ধর্মালম্বীদের দুটি ধারায় বিভক্ত।
- যথা:
• ক্যাথলিক:
- পোপের অনুসারীরা সাধারণত ক্যাথলিক নামে পরিচিত।

• প্রটেস্ট্যান্ট ধর্ম:
- প্রোটেস্ট্যান্ট আন্দোলন প্রথম শুরু হয় জার্মানিতে।
- প্রটেস্ট্যান্ট ধর্ম মতের প্রবক্তা মার্টিন লুথার।
- ১৫২৭ সালে মার্টিন লুথার প্রনিত গ্রন্থ 'দ্য নাইন্টি ফাইভ থিসিস' গ্রন্থে তিনি রোমন যাজকীয় নীতি, তাদের প্রচলিত খ্রীস্ট বিশ্বাস নিয়ে অনেক ভিন্ন মতামত প্রকাশ করেন।
- ষোড়শ শতকে তার অনুসারীরা জার্মান স্ক্যান্ডিনেভিয়ার প্রতিষ্ঠা করে লুথিয়ান চার্চ।
- হাঙ্গেরী, স্কটল্যান্ড, ফ্রান্স, সুইজারল্যান্ড প্রভৃতি দেশেও একই আদলে চার্চের সংস্কার করা হয়।

উৎস: Britannica.
২,৬১৯.
দক্ষিণ চীন সাগরে ‘ডিপ সি স্পেস স্টেশন' নির্মাণ করছে কোন দেশ? [মে, ২০২৫]
  1. চীন
  2. তাইওয়ান
  3. ভিয়েতনাম
  4. ফিলিপাইন
সঠিক উত্তর:
চীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চীন
ব্যাখ্যা
‘ডিপ সি স্পেস স্টেশন':
- চীন আধিপত্য প্রতিষ্ঠার লড়াইয়ের দক্ষিণ চীন সাগরের তলে নির্মাণ করতে যাচ্ছে ‘ডিপ সি স্পেস স্টেশন’ অর্থাৎ, বৈজ্ঞানিক গবেষণা কেন্দ্র।
- দক্ষিণ চীন সাগর ঘিরে ‘ভূরাজনৈতিক বিরোধ’ মোকাবিলা করা এই প্রকল্পের প্রধান উদ্দেশ্য। 
- তবে গবেষকরা জানাচ্ছেন, গবেষণার প্রাথমিক লক্ষ্য হবে ঠান্ডা জলস্রোত কীভাবে বাস্তুতন্ত্রে ভূমিকা রাখছে, তা পর্যবেক্ষণ করা।
- ভূপৃষ্ঠ থেকে ৬ হাজার ৬৫০ ফুট নিচে হবে এই গবেষণা কেন্দ্রের অবস্থান।
- ২০৩০ সালের মধ্যে এটি নির্মাণ সম্পন্ন হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এছাড়া,
- সামুদ্রিক স্পেস স্টেশনটি ঘিরে একটি ‘স্মার্ট টেক প্ল্যাটফর্ম’ গড়ে তোলার পরিকল্পনাও রয়েছে।
- এর মাধ্যমে সামুদ্রিক প্রতিবেশ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিগত প্রকল্পগুলো যৌথভাবে বাস্তবায়ন করা হবে।

তথ্যসূত্র: নিউজ রিপোর্ট। [LINK]
২,৬২০.
গডউইন অস্টিন (K2) কোন পর্বতমালায় অবস্থিত?
  1. হিমালয়
  2. কারাকোরাম
  3. হিন্দুকুশ
  4. পামীর
সঠিক উত্তর:
কারাকোরাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কারাকোরাম
ব্যাখ্যা
গডউইন অস্টিন (K2): 
- K2 বিশ্বের দ্বিতীয় উচ্চতম পর্বতশৃঙ্গ (উচ্চতা: ২৮,২৫১ ফুট বা ৮,৬১১ মিটার), যা মাউন্ট এভারেস্ট-এর পরেই স্থান পায়।
- কারাকোরাম পর্বতমালার সর্বোচ্চ পর্বত গডউইন অস্টিন (K2)। 
- গডউইন অস্টিন "K2" পর্বতের এক নাম, যা পৃথিবীর দ্বিতীয় উচ্চতম পর্বতশৃঙ্গ।
- এটি কারাকোরাম পর্বতমালায় অবস্থিত এবং পাকিস্তান ও চীনের সীমান্তে পড়ে।
- "গডউইন অস্টিন" নামটি ব্রিটিশ ভূতাত্ত্বিক এবং জরিপকারী কর্নেল এইচ.এইচ. গডউইন-অস্টিনের নামানুসারে রাখা হয়েছে, যিনি এই অঞ্চলে জরিপ কাজ পরিচালনা করেছিলেন।
- K2 নামটি এসেছে গ্রেট ট্রিগনোমেট্রিক সার্ভে (Great Trigonometrical Survey)-এর সময় দেওয়া এক সিরিজ কোড থেকে — ‘K’ মানে Karakoram, এবং এটি ছিল দ্বিতীয় শৃঙ্গ যা ওই অঞ্চলে চিহ্নিত হয়েছিল
- K2 প্রায় ৮,৬১১ মিটার (২৮,২৫১ ফুট) উঁচু এবং এটি পর্বতারোহীদের জন্য অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং পর্বত হিসেবে পরিচিত।
- এর চূড়ায় ওঠার পথটি অত্যন্ত কঠিন এবং বিপজ্জনক, যা পর্বতারোহীদের মধ্যে "সাভেজ মাউন্টেন" বা "নিষ্ঠুর পর্বত" নামে পরিচিত।
- K2-এর চূড়ায় পৌঁছানোর প্রচেষ্টা প্রায়ই প্রাকৃতিক বিপর্যয় এবং খারাপ আবহাওয়ার কারণে ব্যর্থ হয়।

উৎস: Britannica.
২,৬২১.
গ্রিক পুরাণে 'জিউসের স্ত্রী' কে ছিলেন?
  1. এরিসা
  2. আফ্রোডাইট
  3. হেরা
  4. এথেনা
সঠিক উত্তর:
হেরা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হেরা
ব্যাখ্যা
• গ্রিক সভ্যতা: 
- গ্রিকদের ১২ টি দেবদেবী ছিলো।
- জিউস ছিলো দেবতাদের রাজা।
- ভালোবাসা ও সৌন্দর্যের দেবী - আফ্রোডাইট। 
- গ্রিকদের বিশ্বাস ছিলো দেবদেবীরা বাস করতেন অলিম্পাস পর্বতের চূড়ায়।
- হেরা -  জিউসের স্ত্রী।
- এরিস - যুদ্ধদেবতা।
- এথেনা - জিউসের কন্যা।
 
সূত্র: ব্রিটানিকা।
২,৬২২.
নিচের কোন দুইটি দেশকে লোহিত সাগর পৃথক করেছে?
  1. ক) ইরাক ও ইরান
  2. খ) জর্ডান ও মিশর
  3. গ) মিশর ও সৌদি আরব
  4. ঘ) সৌদি আরব ও ইরান
সঠিক উত্তর:
গ) মিশর ও সৌদি আরব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) মিশর ও সৌদি আরব
ব্যাখ্যা
লোহিত সাগর:

- মিশর ও সৌদি আরবকে পৃথক করেছে লোহিত সাগর।
- লোহিত সাগর হল বিশ্বের উত্তরতম গ্রীষ্মমন্ডলীয় সমুদ্র এবং এটি সবচেয়ে বেশি ভ্রমণকারী জলপথগুলির মধ্যে একটি।
- এর দৈর্ঘ্য প্রায় ২,২৫০ কিমি।
- লোহিত সাগরের সমুদ্রের গভীরতম বিন্দু ৩,০৪০ মিটার।
- সমুদ্রের আনুমানিক গড় গভীরতা ৪৯০ মিটার।
- এটি এডেন উপসাগর এবং বাব এল মান্দেবের সংকীর্ণ প্রণালী দিয়ে দক্ষিণে আরব সাগর এবং ভারত মহাসাগরের সাথে সংযুক্ত।
- লোহিত সাগরের উত্তরের অংশটি সিনাই উপদ্বীপ দ্বারা আকাবা উপসাগর এবং সুয়েজ উপসাগরে বিভক্ত।
- এটি বিখ্যাত সুয়েজ খালের মাধ্যমে ভূমধ্যসাগরের সাথে সংযুক্ত।

তথ্যসূত্র - Worldatlas.com
২,৬২৩.
কাফকো কোন দেশের আর্থিক সহায়তায় গড়ে উঠেছে?
  1. ক) ফ্রান্স
  2. খ) চীন
  3. গ) জাপান
  4. ঘ) কানাডা
সঠিক উত্তর:
গ) জাপান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) জাপান
ব্যাখ্যা

চট্টগ্রামে অবস্থিত কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড বা কাফকো হলো বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ যৌথ প্রকল্প।
বাংলাদেশের সরকারি ও বেসরকারি সেক্টর, জাপান, ডেনমার্ক ও নেদারল্যান্ডের যৌথ সহায়তায় ১৯৯৪ সালে কাফকো উৎপাদন শুরু করে।
এটি একটি রপ্তানিমুখী সার কারখানা। এটিতে অ্যামোনিয়া সার ও দানাদার ইউরিয়া সার উৎপাদিত হয়।
(সূত্রঃ কাফকো ওয়েবসাইট)

২,৬২৪.
দক্ষিণ আফ্রিকার নির্বাহী/প্রশাসনিক রাজধানী কোনটি?
  1. কেপ টাউন
  2. ব্লোয়েমফন্টেইন
  3. প্রিটোরিয়া
  4.  জোহানেসবার্গ
সঠিক উত্তর:
প্রিটোরিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রিটোরিয়া
ব্যাখ্যা

দক্ষিণ আফ্রিকা:
- দক্ষিণ আফ্রিকা আফ্রিকা মহাদেশের সর্বদক্ষিণে অবস্থিত রাষ্ট্র।
- দক্ষিণ আফ্রিকার রাষ্ট্রীয়/প্রশাসনিক নাম Republic of South Africa.
- দেশটির দক্ষিণে ভারত মহাসাগর ও দক্ষিণ আটলান্টিক মহাসাগর অবস্থিত।

- দক্ষিণ আফ্রিকার রাজধানী ৩টি।
যথা:
- নির্বাহী বা প্রশাসনিক রাজধানী: প্রিটোরিয়া।
- সংসদীয় রাজধানী: কেপ টাউন।
- বিচার বিভাগীয় রাজধানী: ব্লোয়েমফন্টেইন।

- দেশটির আইনসভার নাম পার্লামেন্ট।
- দেশটির আইনসভা ২ কক্ষ বিশিষ্ট।
- যথা: উচ্চকক্ষ National Council, নিম্নকক্ষ National Assembly.
- মুদ্রার নাম: র‍্যান্ড।

উৎস: World atlas. ও Britannica.

২,৬২৫.
নিম্নের কোনটি পৃথিবীর সবচেয়ে পুরাতন কীর্তিস্তম্ভ?
  1. মিশরের পিরামিড
  2. তাজমহল
  3. কুতুব মিনার
  4. আইফেল টাওয়ার
সঠিক উত্তর:
মিশরের পিরামিড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মিশরের পিরামিড
ব্যাখ্যা
মিশরের পিরামিড:
- পৃথিবীর সবচেয়ে পুরাতন কীর্তিস্তম্ভ হিসেবে সাধারণভাবে মিশরের গ্রেট পিরামিডকে উল্লেখ করা হয়।
- এটি প্রাচীন বিশ্বের সাতটি আশ্চর্যের মধ্যে একমাত্র যা এখনও অক্ষত রয়েছে।

⇒ পিরামিড মূলত সমাধিক্ষেত্র।
- প্রাচীন মিশরের শাসনকর্তা ফারাওদের মৃত্যুর পর তাদের সমাহিত করা হতো এই বিশাল সমাধিক্ষেত্রে।
- খ্রিস্টপূর্ব ২৭৮০ অব্দের দিকে ধাপে ধাপে উঠে যাওয়া আকৃতির পিরামিড নির্মাণের জন্য একটির ওপর আরেকটি– এভাবে ছয়টি ধাপে প্রথম পিরামিড নির্মাণ করা হয়েছিল।
- জোসের নামের একজন ফারাওয়ের জন্য নির্মাণ করা এই পিরামিডের কোনাগুলো মসৃণ না হলেও এটাকেই প্রথম সত্যিকারের পিরামিড হিসেবে ধরা হয়।

উল্লেখ্য,
- যদি আমরা আরও প্রাচীন স্থাপনার কথা বিবেচনা করি, তাহলে তুরস্কের গ্যোবেকলি তেপে (Göbekli Tepe) নামক স্থানটি উল্লেখযোগ্য। এটি প্রায় ১১,০০০ বছর আগে নির্মিত হয়েছিল এবং এটি বিশ্বের প্রাচীনতম ধর্মীয় স্থাপনা হিসেবে বিবেচিত। তবে এটি একটি ধর্মীয় স্থান, পিরামিডের মতো কীর্তিস্তম্ভ নয়।

অন্যদিকে,
- ভারতের আগ্রায় অবস্থিত তাজমহল সত্যিকারের ভালোবাসার প্রতীক। সপ্তদশ শতকে মুঘল সম্রাট শাহজাহান তার প্রয়াত স্ত্রী মুমতাজ মহলের স্মৃতির উদ্দেশে গড়ে তোলেন রাজকীয় এই সমাধিস্তম্ভ।
- কুতুব মিনার ভারতের নতুন দিলিতে অবস্থিত একটি স্তম্ভ বা মিনার, যা বিশ্বের সর্বোচ্চ ইটনির্মিত মিনার। দিল্লির সালতানাতের প্রথম শাসক কুতুবুদ্দিন আইবেকের আদেশে ১১৯৩ খ্রিষ্টাব্দে কুতুব মিনারের নির্মাণকাজ শুরু হয়। 
- আইফেল টাওয়ার ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে অবস্থিত একটি ঐতিহাসিক স্থাপনা। ১৮৮৭ সালে ফ্রান্স সরকার যখন ফরাসী বিপ্লবের স্মৃতি শর্তবাষিকী পালনের তোড়জোড় করছিলেন তখন সেই ঘটনাটিকে স্মরণীয় এক নিদর্শনে ধরে রাখার জন্যই এই প্রতীক মিনারটি তৈরীর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছিলেন তারা।

উৎস: Worldatlas.
২,৬২৬.
আব্রাহাম লিংকন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কততম প্রেসিডেন্ট ছিলেন?
  1. ১২ তম
  2. ১৫ তম
  3. ১৬ তম
  4. ১৭ তম
সঠিক উত্তর:
১৬ তম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬ তম
ব্যাখ্যা

আব্রাহাম লিংকন:
- আব্রাহাম লিংকন ছিলেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ১৬তম প্রেসিডেন্ট।
- ১৮৬২ সালের ২২ সেপ্টেম্বর আব্রাহাম লিংকন দাস প্রথা বিলুপ্তির ঘোষণা দেন।
- সংবিধানের ১৩তম সংশোধনী কার্যকরের মাধ্যমে ১৮৬৫ সালের ১৮ ডিসেম্বর সাংবিধানিকভাবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে দাস প্রথা নিষিদ্ধ হয়। 
- আব্রাহাম লিংকনের সময় আমেরিকায় গৃহযুদ্ধ চলছিলো।
- আব্রাহাম লিংকন গেটিসবার্গ ভাষনের জন্যে বিখ্যাত।
- আব্রাহাম লিংকন আমেরিকার গৃহযুদ্ধের সময় পেনসিলভানিয়ার গেটিসবার্গে এই ভাষণ দেন।
- তার একটি বিখ্যাত উক্তি হলো "Democracy is a government of the people, by the people and for the people"

উৎস: হিস্টোরি ডটকম এবং নিউইয়র্ক টাইমস

২,৬২৭.
ইবেরিয়া কোন দেশের বিমান সংস্থা?
  1. ক) জার্মানি
  2. খ) রাশিয়া
  3. গ) ইন্দোনেশিয়া
  4. ঘ) স্পেন
সঠিক উত্তর:
ঘ) স্পেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) স্পেন
ব্যাখ্যা
ইবেরিয়া হলো স্পেনের জাতীয় বিমান সংস্থা।
অন্যদিকে,
জার্মানির বিমান সংস্থা : লুফথানসা
ইন্দোনেশিয়ার বিমান সংস্থা : গারুদা
রাশিয়ার বিমান সংস্থা : এ্যারোফ্লট।

(তথ্যসূত্র: সংস্থাগুলোর ওয়েবসাইট)
২,৬২৮.
'Cape of Good Hope' কোন মহাদেশে অবস্থিত?
  1. আফ্রিকা
  2. ওশেনিয়া
  3. দক্ষিণ আমেরিকা
  4. উত্তর আমেরিকা
সঠিক উত্তর:
আফ্রিকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আফ্রিকা
ব্যাখ্যা
উত্তমাশা অন্তরীপ:
- উত্তমাশা অন্তরীপ বা Cape of Good Hope.
- এটি আফ্রিকা মহাদেশে অবস্থিত।
- এটি দক্ষিণ আফ্রিকার আটলান্টিক উপকূলে অবস্থিত কেপ পেনিনসুয়ালার একটি অন্তরীপ।

উল্লেখ্য,
- ভূপৃষ্ঠের কোন অংশ ক্রমশ সরু হয়ে সাগরে প্রবেশ করলে সেই সংকীর্ণ অংশকে অন্তরীপ বলা হয়।
- উত্তমাশা অন্তরীপ নামকরণ করেন পর্তুগিজ অভিযাত্রী বার্থোলোমিউ ডিয়াজ।
- তিনি ১৪৮৮ সালে প্রথম কেপ এলাকায় পৌঁছেন এবং অন্তরীপটির নাম দেন 'কেপ অব স্টর্মস'।
- পরবর্তী সময় পর্তুগালের দ্বিতীয় জন নামটি পরিবর্তন করে কেপ অব গুড হোপ বা উত্তমাশা অন্তরীপ নামকরণ করেন।

তথ্যসূত্র: ব্রিটেনিকা ওয়েবসাইট।
২,৬২৯.
আর্যদের প্রধান ধর্মগ্রন্থের নাম কী?
  1. মহাভারত
  2. শ্রীকৃষ্ণকীর্তন 
  3. বেদ
  4. রামায়ণ
সঠিক উত্তর:
বেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেদ
ব্যাখ্যা

• আর্য জাতি ও তাদের ইতিহাস:
- সিন্ধু সভ্যতার পতনের পর একটি জাতি ভারতে প্রবেশ করতে থাকে। 
- ইতিহাসে এরা আর্য নামে পরিচিত। 
- আর্যদের প্রধান ধর্মগ্রন্থের নাম — বেদ।
- বেদের ধর্ম খুব নিষ্ঠার সাথে পালন করতো আর্যরা। 
- বেদের অনুসারী এই আর্যরা ভারতে গড়ে তোলে এক সভ্যতা। 
- ইতিহাসে তা আর্য সভ্যতা বা বৈদিক সভ্যতা নামে পরিচিত। 
- বেদ শুধু ধর্ম গ্রন্থই ছিল না। এতে সাহিত্যের গুণও ছিল। 
- এভাবে আর্য সভ্যতা ভারতবর্ষে এক উন্নত সাহিত্যের জন্ম দেয় যা বৈদিক সাহিত্য নামে পরিচিত। আর্য সভ্যতা সামাজিক, অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও ধর্মীয় জীবনে একটি নতুন ধারণার জন্ম দিয়েছিল। 
- এই সভ্যতাই ধাতু যুগের সাথে পরিচয় করিয়ে দেয় ভারতকে।
- বেদের এর অপরনাম শ্রুতি। এর কারণ, লিপিবদ্ধ হওয়ার আগে দীর্ঘকাল বেদ ছিল মানুষের স্মৃতিতে বিধৃত। 
 
উৎস: ইতিহাস প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

২,৬৩০.
সম্প্রতি ভয়াবহ দাবানলের সম্মুখীন দেশ-
  1. ক) ব্রাজিল
  2. খ) অস্ট্রেলিয়া
  3. গ) চিলি
  4. ঘ) বাহারাইন
সঠিক উত্তর:
খ) অস্ট্রেলিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) অস্ট্রেলিয়া
ব্যাখ্যা
সম্প্রতি ভয়াবহ দাবানলের সম্মুখীন হয়েছে অস্ট্রেলিয়া।
সেই সাথে ইউরোপের দেশ ইতালি, গ্রিস এবং ফ্রান্সেও দাবানল সংঘটিত হয়েছে।
২,৬৩১.
মাঙ্কিপক্স মানুষের শরীরে প্রথম কত সালে সনাক্ত হয়?
  1. ক) ১৯৫৮ সালে
  2. খ) ১৯৬৮ সালে
  3. গ) ১৯৭০ সালে
  4. ঘ) ১৯৭৩ সালে
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৭০ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৭০ সালে
ব্যাখ্যা
- মাঙ্কিপক্স রোগটি মাঙ্কিপক্স নামক ভাইরাস দ্বারা হয়ে থাকে।
- ১৯৫৮ সালে প্রথম ড্যানিশ ল্যাবরেটোরিতে বানরের মধ্যে এ ভাইরাসটি আবিষ্কৃত হয়।
- মানুষের মধ্যে এ ভাইরাসের সংক্রমণ প্রথম শনাক্ত হয় ড্যামোক্র্যাটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোতে ১৯৭০ সালে।
- এর দুটি ধরনের মধ্যে একটি হলো পশ্চিম আফ্রিকান অপরটি মধ্য আফ্রিকান। এ ক্ষেত্রে, পশ্চিম আফ্রিকান (৩.৬%) ধরনের তুলনায় মধ্য আফ্রিকান (১০.৬%) ধরনে আক্রান্ত ব্যক্তির মৃত্যু ঝুঁকি তুলনামূলকভাবে বেশি।
- মাঙ্কি পক্সের লক্ষণগুলো অনেকটা স্মলপক্স বা গুটিবসন্তের মতো। তবে স্বস্তির বিষয় হলো, এটি স্মলপক্স থেকে কম সংক্রামক এবং কম গুরুতর। ২ থেকে ৪ সপ্তাহের মধ্যেই রোগী আরোগ্য লাভ করে। এ ছাড়া মৃত্যুহারও কম।
- মাঙ্কি পক্সের কোনো নির্দিষ্ট চিকিৎসা নেই। স্মলপক্স বা গুটিবসন্তের টিকা এ রোগ প্রতিরোধে প্রায় ৮৫% কার্যকর।

সূত্র: Live MCQ সাম্প্রতিক সমাচার, মে ও জুন ২০২২
২,৬৩২.
জিরোসাম গেম (Zero-Sum Game) আন্তর্জাতিক সম্পর্কে কোন তত্ত্বের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট?
  1. বাস্তববাদ
  2. মার্ক্সবাদ
  3. গঠনবাদ
  4. উদারতাবাদ
সঠিক উত্তর:
বাস্তববাদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাস্তববাদ
ব্যাখ্যা
জিরোসাম গেম:
- জিরো সাম গেম (Zero Sum Game) হচ্ছে বিখ্যাত ‘গেম থিওরি’র একটা অংশ।
- এটা দিয়ে বোঝায় যেকোনো ক্ষেত্রে দুই বা ততোধিক পক্ষ কোনো নির্দিষ্ট জিনিস পেতে চাইলে, এক পক্ষ যে পরিমাণ সম্পদ অর্জন করবে, অন্য পক্ষ ঠিক সে পরিমাণ সম্পদ হারাবে।
- এতে নিট ফলাফল শূন্য হবে।

⇒ জিরো সাম গেমের বৈশিষ্ট্য:
১। এ ক্ষেত্রে চাহিদার তুলনায় যোগান সব সময়ই কম থাকবে।
২। সম্পদের পরিমাণ একই থাকবে। কোনো কিছুর সংযোজন বা বিয়োজন ঘটবে না।
৩। সব পক্ষের জন্যই সম্পদের নেট পরিবর্তন হবে শূন্য।

উল্লেখ্য, 
⇒ বাস্তববাদ (Realism):
- বাস্তববাদ অনুযায়ী মানুষ স্বভাবতই বিশৃঙ্খল।
- মানুষ যেহেতু বিশৃঙ্খল, তাই মানুষের দ্বারা সৃষ্ট যেকোন কিছুই বিশৃঙ্খল অর্থ্যাৎ, রাষ্ট্রও বিশৃঙ্খল।
- রাষ্ট্রসমূহ তাদের অস্তিত্ব ও স্বার্থরক্ষার জন্য সবসময় কোন না কোন ভাবে দ্বন্দ্বে লিপ্ত থাকে।
- বাস্তববাদের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রের যেকোন মূল্যে আন্তর্জাতিক ব্যবস্থায় টিকে থাকা, অর্থ্যাৎ জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষা ও সামরিক শক্তি বৃদ্ধির মাধ্যমে ক্ষমতার চর্চাকে সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ কাজ হিসাবে বিবেচনা করা হয়।
- বর্তমান বিশ্ব ব্যবস্থায় বাস্তববাদের ব্যাপক চর্চা হচ্ছে।
- বিশ্বজুড়ে আমেরিকার আগ্রাসন বাস্তববাদ কেন্দ্রিক রাজনীতির সবচেয়ে বড় উদাহরণ।
- -অর্থাৎ, বাস্তববাদ (Realism) আন্তর্জাতিক সম্পর্ককে জিরো-সাম গেম হিসাবে বর্ণনা করে যেখানে এক পক্ষ জিতবে এবং অন্যপক্ষ অবশ্যই হারবে।

অন্যদিকে,
⇒ উদারতাবাদ (Liberalism):
- উদারতাবাদ হচ্ছে মানুষের প্রগতি ও মুক্তির পথে সৃষ্ট বাঁধাবিপত্তি দূর করার দাবি সম্বলিত আন্দোলন।
- এটি হচ্ছে মানুষের মধ্যে নিহিত তার বিপুল শক্তি ও সম্ভাবনার সার্থক বিকাশ সাধন করে তাকে তার নিজ সত্ত্বায় প্রতিষ্ঠিত করার প্রয়াস।
- উদারতাবাদ মানুষের রাজনৈতিক জীবনেই সীমিত নয় বরং অর্থনৈতিক, সামাজিক ও ধর্মীয় জীবনকে অন্তর্ভুক্ত করে মানবতার সার্বিক কল্যাণ ও মুক্তির লক্ষ্যেই পরিচালিত।

উৎস: Investopedia.
২,৬৩৩.
পাকিস্তানের শাসকেরা আরবি হরফে বাংলা লেখার সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে কত সালে?
  1. ক) ১৯৪৭
  2. খ) ১৯৪৮
  3. গ) ১৯৪৯
  4. ঘ) ১৯৫০
  5. ঙ) ১৯৫১
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯৪৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯৪৭
ব্যাখ্যা
১৯৪৭ খ্রিস্টাব্দে পাকিস্তান রাষ্ট্র জন্মের পর মুসলিম লীগের রক্ষণশীল অংশ পূর্ববাংলার ক্ষমতায় বসে ‘রেনেসাঁ সোসাইটি’ ও ‘সাহিত্য সংসদ’ গঠন করে সাহিত্য সংস্কৃতির ক্ষেত্রে এক বিশেষ ধরনের নীতি গ্রহণ করে। প্রথমেই তারা বাংলা ভাষার মধ্যে একটি ইসলামী রূপ ফুটিয়ে তোলার জন্য প্রচুর আরবি-ফার্সি শব্দ ব্যবহারে উৎসাহ দিতে থাকেন। আরবি হরফে বাংলা লেখার ইচ্ছাও তখন ঘোষণা করা হয়। ১৯৪৭ খ্রিস্টাব্দ থেকেই কেন্দ্রীয় সরকার বাংলা ভাষায় আরবি হরফ চালুর চেষ্টা করে।
উৎসঃ একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণির ইতিহাস -২য় পত্র বই (উন্মুক্ত)।
২,৬৩৪.
'স্টারটিং' কোন দেশের আইনসভা?
  1. সুইডেন
  2. আইসল্যান্ড
  3. নরওয়ে
  4. ইসরায়েল
সঠিক উত্তর:
নরওয়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নরওয়ে
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন দেশের আইনসভা:

• 'স্টারটিং' নরওয়ের আইনসভা।
• অবস্থান: অসলো।
• এটি এককক্ষ বিশিষ্ট আইনসভা। 

অপরদিকে,
• মজলিশ: ইরানের আইনসভা।
• লয়াজিরগা: আফগানিস্তানের আইনসভা।
• মজলিস-ই-শূরা: পাকিস্তানের আইনসভা।
• পিপলস মজলিস: মালদ্বীপের আইনসভা।
• কংগ্রেস: যুক্তরাষ্ট্রের আইনসভা।
• নেসেট: ইসরায়েলের আইনসভা।
• ডায়েট: জাপানের আইনসভা।
• ফেডারেল অ্যাসেম্বলি (স্টেট ডুমা): রাশিয়ার আইনসভা।
• পার্লামেন্ট: শ্রীলংকা ও জার্মানির আইনসভা।
• ফোকেটিং: ডেনমার্কের আইনসভা।
• রিক্সড্যাগ: সুইডেনের আইনসভা।
• আলথিং: আইসল্যান্ডের আইনসভা।
• এডুসকুন্ডা: ফিনল্যান্ডের আইনসভা।

উৎস: i) WorldAtlas.
ii) Central Intelligence Agency.
২,৬৩৫.
নিচের কোনটি শরীয়াহ (ইসলামী আইন) এর উৎস নয়?
  1. সুন্নাহ
  2. ফতোয়া
  3. কিয়াস
  4. কুরআন
সঠিক উত্তর:
ফতোয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফতোয়া
ব্যাখ্যা

- শরীয়াহ (ইসলামী আইন) এর উৎস নয় - ফতোয়া।
- ফতোয়া হলো একজন বিচারিক পণ্ডিত কর্তৃক জারি করা একটি সিদ্ধান্ত।

⇒ ইসলামি আইনবিদদের মতে, শরিয়তের প্রধান উৎস চারটি, যার ওপর উম্মাহর অধিকাংশ আলেম একমত। এগুলো হলো, কোরআন, সুন্নাহ, ইজমা (ঐকমত্য) ও কিয়াস (যৌক্তিক তুলনা)।

- এর বাইরে আরও সাতটি উৎস রয়েছে যেগুলোর গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে ফকিহদের মধ্যে মতভিন্নতা আছে।
- সেগুলো হলো, ইস্তিহসান, মাসলাহা মুরসালাহ, ইস্তিসহাব, উরফ (প্রথা), সাহাবিদের মত, পূর্ববর্তী শরিয়ত এবং সাদ্দে যারায়ি (মন্দের পথ রোধ)।

উৎস: প্রথম আলো এবং ব্রিটানিকা।

২,৬৩৬.
'সেকেন্ড রিপাবলিক' ধারণাটি নিম্নের কোন দেশের সাথে সম্পর্কিত?
  1. যুক্তরাজ্য
  2. ডেনমার্ক
  3. ফ্রান্স
  4. জার্মানি
সঠিক উত্তর:
ফ্রান্স
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফ্রান্স
ব্যাখ্যা
সেকেন্ড রিপাবলিক:
- সার্বিকভাবে এমন ধারণায় কোনো দেশে পূর্ববর্তী শাসনব্যবস্থার বদল ঘটিয়ে নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্ত বা শাসনকাঠামো গ্রহণ করাকে বোঝায়।
- বিপ্লব, অভ্যুত্থানসহ নানাভাবেই আসতে পারে এমন পরিবর্তন।
- ‘সেকেন্ড রিপাবলিক’ ধারণাটি ফ্রান্সের ইতিহাসের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত। 

⇒ ফ্রান্স একসময় রাজতন্ত্রের অধীন ছিল। ১৭৮৯ থেকে ১৭৯৯ সাল পর্যন্ত ফরাসি বিপ্লব চলে। এর মধ্য দিয়ে রাজতন্ত্রের পতন ঘটে। তবে বিপ্লব চলার মধ্যেই ১৭৯২ সালে ফ্রান্সে প্রথম রিপাবলিক ঘোষণা করা হয়।
- ফ্রান্সে ১৮০৪ সাল পর্যন্ত প্রথম রিপাবলিক টিকে ছিল। এরপর আবার রাজতন্ত্র শুরু হয়। এ পর্ব চলে ১৮৪৮ সাল পর্যন্ত। ওই বছর ফ্রান্সে দ্বিতীয় রিপাবলিক ঘোষণা করা হয়। এটি টিকে ছিল ১৮৫২ সাল পর্যন্ত। সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য হলেও ‘সেকেন্ড রিপাবলিক’ ফ্রান্সের ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত হয়।
- দফায় দফায় শাসনব্যবস্থা বদলে ফ্রান্সে এখন চলছে পঞ্চম রিপাবলিক।

 উল্লেখ্য,
- পোল্যান্ড, কোস্টারিকাসহ আরও কয়েকটি দেশের ইতিহাসের সঙ্গেও মিশে আছে এটি। 

উৎস: i) Britannica.
ii) প্রথম আলো।
২,৬৩৭.
পারমানবিক বোমার আবিষ্কারক কে?
  1. আইনস্টাইন
  2. ওপেন হেইমার
  3. বিসমার্ক
  4. ক্লেমেন শো
সঠিক উত্তর:
ওপেন হেইমার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওপেন হেইমার
ব্যাখ্যা
• পারমানবিক বোমা:
- পারমানবিক বোমা ওপেন হেইমার আবিষ্কার করেন।
- তিনি মার্কিন তাত্ত্বিক পদার্থবিদ।
- তিনি হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক হন, কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণা করেন এবং গটিংজেন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডক্টরেট অর্জন করেন।
- ম্যানহাটন প্রকল্প মার্কিন সরকারের গবেষণা প্রকল্প যা প্রথম পারমাণবিক বোমা তৈরি করেছিল।
- ম্যানহাটন প্রকল্পের বিজ্ঞানীরা দক্ষিণ নিউ মেক্সিকোতে আলামোগোর্ডোর কাছে একটি পরীক্ষায় প্রথম পারমাণবিক বোমার বিস্ফোরণ ঘটান।

উৎস: ব্রিটানিকা। 
২,৬৩৮.
মুসলিম বিশ্বের প্রথম নারী প্রেসিডেন্ট কে?
  1. শ্রীমাভো বন্দরনায়েক
  2. বেনজির ভুট্টো
  3. মেঘবর্তী সুকর্নপুত্রী
  4. ইসাবেলা পেরন
সঠিক উত্তর:
মেঘবর্তী সুকর্নপুত্রী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেঘবর্তী সুকর্নপুত্রী
ব্যাখ্যা
মুসলিম বিশ্বের প্রথম নারী প্রেসিডেন্ট- মেঘবর্তী সুকর্নপুত্রী।

• মেঘবর্তী সুকর্নপুত্রী।

- মেঘবতী সুকর্ণপুত্রী ইন্দোনেশিয়ার একজন প্রখ্যাত রাজনীতিবিদ এবং দেশের প্রথম মহিলা রাষ্ট্রপতি।
- তিনি ২৩ জুলাই ২০০১ থেকে ২০ অক্টোবর ২০০৪ পর্যন্ত রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- মেঘবতী ইন্দোনেশিয়ার স্বাধীনতার ঘোষক সুকর্ণের কন্যা।
- তার পিতামহ সুকর্ণ ছিলেন ইন্দোনেশিয়ার প্রথম রাষ্ট্রপতি।
- মেঘবতীর মেয়ে পুয়ান মহারানি নক্ষত্র কুশ্যিলা ইন্দোনেশিয়ার প্রথম নারী স্পিকার হিসেবে নির্বাচিত হন।

এছাড়াও,
- বেনজির ভুট্টো  ছিলেন পাকিস্তানের প্রখ্যাত রাজনীতিবিদ এবং প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী।
- তিনি পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী জুলফিকার আলী ভুট্টোর কন্যা।  
- ইসাবেলা পেরোন ছিলেন আর্জেন্টিনার প্রথম মহিলা রাষ্ট্রপতি এবং
- লাতিন আমেরিকায় প্রথম মহিলা রাষ্ট্রপ্রধান। 

উৎস: Britannica.
২,৬৩৯.
বিশ্ববিখ্যাত 'মোনালিসা' চিত্রটির চিত্রকর কোন দেশের চিত্রশিল্পী ছিলেন?
  1. পর্তুগাল
  2. ফ্রান্স
  3. ইতালি
  4. স্পেন
সঠিক উত্তর:
ইতালি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইতালি
ব্যাখ্যা
Mona Lisa:
- বিশ্ববিখ্যাত 'মোনালিসা' চিত্রটির চিত্রকর লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চি।
- তিনি একজন ইতালীয় চিত্রশিল্পী।
 
উল্লেখ্য, 
- ধারণা করা হয় ১৫০৩ থেকে ১৫০৬ সালের মধ্যে তিনি এ ছবিটি এঁকেছিলেন।
- শিল্পকর্মটি ফ্রান্সের ল্যুভর জাদুঘরে সংরক্ষিত আছে।
- ল্যুভর জাদুঘরের তথ্যমতে প্রায় ৮০% পর্যটক শুধু মোনালিসার চিত্র টি দেখার জন্য আসে।
- ছবিটি আঁকতে তার প্রায় চারবছর সময় লাগে।
- মোনালিসার এই ছবিটির মূল্য নির্ধারণ করা হয় প্রায় ৮৩০ মিলিয়ন ডলার।
- অনেক শিল্প গবেষক পোর্ট্রেটের এই বিখ্যাত নারীকে ফ্লোরেন্টাইনের বণিক ফ্রান্সিসকো দ্য গিওকন্ডোর (Gioconda) স্ত্রী লিসা গেরাদিনি বলে সনাক্ত করেছেন।
- আবার অনেকে প্রায় লোমহীন মুখটায় অনেকে দাড়ি লাগিয়ে স্বয়ং লিওনার্দোকেই আবিষ্কার করে ফেলেন, অর্থাৎ তারা দাবি করেন, মোনা লিসা চরিত্রটি লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চির নারীসত্ত্বা (এক্ষেত্রে ড্যান ব্রাউন এর দ্য ভিঞ্চি কোড বইটিতেও কিছুটা বলা হয়েছে)।
 
অন্যদিকে -
- লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চি কে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ এবং সবচেয়ে প্রভাবশালী শিল্পীদের একজন বলে বিবেচনা করা হয়।
- লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চি একজন ইতালীয় রেনেসাঁ পলিমাথ, চিত্রশিল্পী, ভাস্কর, স্থপতি, সংগীতশিল্পী, বিজ্ঞানী, গণিতবিদ, প্রকৌশলী, উদ্ভাবক, অ্যান্টোনিস্ট, ভূতত্ত্ববিদ, ম্যাগাজিনর, উদ্ভিদবিদ এবং লেখক।
- তিনি সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ মানবতার একজন। লিওনার্দো ফ্লোরেন্স কাছাকাছি Tuscany, ছোট শহরে ভ্যানি মধ্যে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর বিখ্যাত চিত্রকলার মধ্যে রয়েছে দ্য লাস্ট সাপার, ভিট্রুভিয়ান ম্যান, লেডি উইথ অ্যান আরমিন, ভার্জিন অফ দ্যা রক্স, সেন্ট জন ব্যাপটিস্ট, The Adoration of the Magi (1481), The Virgin and Child with St Anne (1510), Portrait of Ginevra de' Benci (1474-1476)।
 
উৎস: Britannica.
২,৬৪০.
প্রাচীন কার্থেজ শহরের অবস্থান বর্তমান কোন দেশে?
  1. ক) স্পেন
  2. খ) তিউনেশিয়া
  3. গ) মরক্কো
  4. ঘ) ইতালি
সঠিক উত্তর:
খ) তিউনেশিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) তিউনেশিয়া
ব্যাখ্যা
- প্রাচীন কার্থেজ নগরীর অবস্থান ছিলো বর্তমান তিউনেশিয়ার রাজধানী তিউনিশ শহরের নিকটে।
- খ্রিস্টপূর্ব নবম শতকে ফিনিশীয়রা এই শহরটি তৈরি করেছিলো। পরবর্তীতে কার্থেজ ভূমধ্যসাগরের একটি শক্তিশালী নগররাষ্ট্র হিসেবে আবির্ভূত হয়।
- কার্থেজের মাধ্যমে ফিনিশীয়রা ভূমধ্যসাগরে নৌ চলাচলের উপর কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করেছিলো।
- খ্রিস্টপূর্ব তৃতীয় ও দ্বিতীয় শতকে রোম ও কার্থেজের মধ্যে তিনটি যুদ্ধ সংঘটিত হয় যা পিউনিক যুদ্ধ নামে পরিচিত।
- খ্রিস্টপূর্ব ১৪৯-১৪৬ অব্দে তৃতীয় পিউনিক যুদ্ধে কার্থেজ রোমের নিকট পরাজিত হওয়ার মাধ্যমে প্রবল পরাক্রমশালী কার্থেজ নগর রাষ্ট্রের পতন ঘটে।
(তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা এবং হিস্টোরি ওয়েবসাইট)
২,৬৪১.
আসিয়ান জোটের সদরদপ্তর কোথায় অবস্থিত ?
  1. ক) ব্যাংকক
  2. খ) জাকার্তা
  3. গ) ম্যানিলা
  4. ঘ) সিঙ্গাপুর সিটি
সঠিক উত্তর:
খ) জাকার্তা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) জাকার্তা
ব্যাখ্যা
- ASEAN (Associaion of South East Asian Nations) দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর একটি আঞ্চলিক জোট।
- এর সদরদপ্তর ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী জাকার্তায় অবস্থিত।
- এটি ১৯৬৭ সালের ৮ আগস্ট গঠিত হয়।
বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১০টি। এগুলো হলো:
- ইন্দোনেশিয়া
- মালয়েশিয়া
- ফিলিপাইন
- থাইল্যান্ড
- সিঙ্গাপুর
- কম্বোডিয়া
- লাওস
- ভিয়েতনাম
- ব্রুনেই ও
- মিয়ানমার।
(তথ্যসূত্র: আসিয়ান ওয়েবসাইট)
২,৬৪২.
জুলু উপজাতি বাস করে-
  1. ক) দক্ষিণ আমেরিকায়
  2. খ) কানাডায়
  3. গ) দক্ষিণ আফ্রিকায়
  4. ঘ) যুক্তরাষ্ট্রে
সঠিক উত্তর:
গ) দক্ষিণ আফ্রিকায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) দক্ষিণ আফ্রিকায়
ব্যাখ্যা

- জুলু উপজাতি প্রধানত বাস করে দক্ষিণ আফ্রিকায়।
- এঁরা প্রায় ১ কোটি ১০ লক্ষ লোকের একটি জনগোষ্ঠী।
- তাদের মূল বসতি হল দক্ষিণ আফ্রিকার কোয়া-জুলু নাটাল প্রদেশে।
- তারা জুলু ভাষায় কথা বলে যা বান্টু ভাষা পরিবার থেকে উৎপত্তি লাভ করেছে।
- ঊনবিংশ শতাব্দীতে দক্ষিণ আফ্রিকার ইতিহাসে জুলুদের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল।
- এই জাতির ইতিহাস বেশ সমৃদ্ধ।
- অনেক চড়াই উৎড়াই পেড়িয়ে বর্তমান এই গোষ্ঠী গঠিত হয়েছে।
- জুলু কান্টোমভেলা প্রথম এই জাতির পত্তন করেন।
- জুলু জাতির জনক হিসেবে অভিহিত করা হয় জুলু কান্টোমভেলাকে যিনি ১৭০৯ সালে জুলু জাতির গোড়াপত্তন করেন।
- তখন এই প্রদেশটিতে অনেক ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র উনগুনি জ্ঞাতিগোষ্ঠীর বসতি ছিল যাদের অপর নাম হল ইমজি।

২,৬৪৩.
কোন দেশের নাগরিকদের সাংবিধানিক অধিকারকে "Bill of Rights" বলা হয়?
  1. যুক্তরাজ্য
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. ফ্রান্স
  4. ভারত
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি ঘটনা:
- ১৭৮৩ সালে Treaty of Paris এর মাধ্যমে ব্রিটিশরা আমেরিকার স্বাধীনতা স্বীকার করে নেয় ও সৈন্য প্রত্যাহার করে।
- ১৭৮৭ সালে যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান প্রণীত হয় এবং ১৭৮৮ সালে তা অনুমোদিত হয়; নিউইয়র্ককে প্রথম অস্থায়ী রাজধানী ঘোষণা করা হয়।
- ১৭৮৯ সালে জর্জ ওয়াশিংটনকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম প্রেসিডেন্ট হিসাবে নির্বাচিত করা হয়।
- ফিলাডেলফিয়াতে অবস্থিত Independence Hall - এ আমেরিকার স্বাধীনতা ঘোষণাপত্র ও সংবিধান স্বাক্ষরিত হয়।
- ১৭৯০ সালে আমেরিকার সংবিধান ১০টি সংশোধনীর মাধ্যমে “Bill of Rights” অনুমোদন করে।

উৎস: হিস্টোরি.কম ও ওয়ার্ল্ড এটলাস।
২,৬৪৪.
'ক্রেমলিন' কোথায় অবস্থিত?
  1. রাশিয়া
  2. যুক্তরাজ্য
  3. পর্তুগাল
  4. জার্মানি
সঠিক উত্তর:
রাশিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাশিয়া
ব্যাখ্যা
• রাশিয়ার প্রেসিডেন্টের সরকারি বাসভবন 'ক্রেমলিন'।

• রাশিয়া: 
- অবস্থান: পূর্ব ইউরোপ ও উত্তর এশিয়া।
- সীমান্তবর্তী দেশ: ১৪ টি।
- রাজধানী: মস্কো।
- মুদ্রা: রুবল।
- আইনসভা:
- নিম্নকক্ষ: স্টেট ডুমা।
- উচ্চকক্ষ: ফেডারেল পরিষদ।
- রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয় ৬বছর পর পর।
- বর্তমান প্রেসিডেন্ট: ভ্লাদিমির পুতিন।

উৎস: ব্রিটানিকা
২,৬৪৫.
’The last Supper’ দেয়ালচিত্রের চিত্রকর কে? 
  1. মাইকেল এঞ্জেলো
  2. লিওনার্দো দা ভিঞ্চি
  3. ভিনসেন্ট ভ্যান গগ
  4. পাবলো পিকাসো
সঠিক উত্তর:
লিওনার্দো দা ভিঞ্চি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লিওনার্দো দা ভিঞ্চি
ব্যাখ্যা

The last Supper:
- লিওনার্দো দা ভিঞ্চির 'The last Supper' বিখ্যাত দেয়াল চিত্র।

- এটি ইটালির মিলানে "সান্তা মারিয়া দেলে গ্রাজি” গির্জায় সংরক্ষিত আছে।
- দেয়াল চিত্রটি তৈরি করতে ৩ বছর লেগেছিল।

লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চি: 

- ইতালিয় চিত্র শিল্পী।
- তিনি সর্বপ্রথম এরিয়াল পরিপ্রেক্ষিতের  ব্যবহার করেন। 
- বিখ্যাত চিত্রকর্ম: মোনালিসা।
- ইটালিয় নাম-La Gioconda. 
- পপলার প্যানেলের উপর তেলরঙে আঁকা।
- ফ্রান্সের লুভ্যর মিউজিয়ামে সংরক্ষিত রয়েছে।
- ভার্জিন অব দ্য রকস।

উৎস: ব্রিটানিকা। 

২,৬৪৬.
USA-এর ক্ষমতাসীন দলের নাম-
  1. Conservative Party
  2. Labour Party
  3. Democratic Party
  4. Republic Party
সঠিক উত্তর:
Republic Party
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Republic Party
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

কংগ্রেস:
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় সরকারের আইন সভার নাম কংগ্রেস।
- আইন প্রণয়ন করাই এর প্রধান কাজ।
- কংগ্রেস একটি দ্বি-কক্ষ বিশিষ্ট আইন সভা।
- কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ ‘প্রতিনিধি সভা' (The House of Representative) এবং উচ্চকক্ষ 'সিনেট' (The Senate) নামে পরিচিত।

⇒ নিম্নকক্ষ:
- কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ ‘প্রতিনিধি সভা' বা 'হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভ' নামে পরিচিত।
• আসন সংখ্যা - ৪৩৫টি।
• মেয়াদ - ২বছর।
• 'হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভ' সদস্য নির্বাচিত হওয়ার জন্য, একজন ব্যক্তির বয়স কমপক্ষে ২৫ বছর হতে হবে।

⇒ উচ্চকক্ষ:
- কংগ্রেসের উচ্চকক্ষ 'সিনেট' নামে পরিচিত।
• আসন সংখ্যা - ১০০টি।
• মেয়াদ - ৬ বছর।
• 'সিনেট' সদস্য নির্বাচিত হওয়ার জন্য, একজন ব্যক্তির বয়স কমপক্ষে ৩০ বছর হতে হবে।

'ইলেক্টোরাল কলেজ’ পদ্ধতি:
- ‘কলেজ’ শব্দটির অর্থ এখানে সেই ব্যক্তিদের বোঝানো হয়, যারা একটি অঙ্গরাজ্যের ভোট দেওয়ার অধিকারী। ইলেকটোরাল কলেজ হচ্ছে কর্মকর্তাদের একটি প্যানেল, যাদের ইলেকটরস বলা হয়। প্রতি চার বছর পর পর এটি গঠন করা হয়। তারাই যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট এবং ভাইস প্রেসিডেন্টকে বাছাই করেন। ইলেকটোরাল কলেজ পদ্ধতি অনুযায়ী যেসব রাজ্যে জনসংখ্যা বেশি, সেসব রাজ্যে ইলেকটোরাল ভোটও বেশি। এই প্রথা শুধু প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের জন্যই ব্যবহৃত হয়। যুক্তরাষ্ট্রের অন্য সব নির্বাচনে জয়-পরাজয় নির্ধারিত হয় সরাসরি মানুষের ভোটেই।

উল্লেখ্য,
- সংখ্যা গরিষ্ঠ ইলেক্টোরাল কলেজ ভোট পেয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ৪৭তম প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছেন রিপাবলিকান পার্টির প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প।
- USA-এর ক্ষমতাসীন দলের নাম রিপাবলিকান পার্টি। (নভেম্বর, ২০২৪)

তথ্যসূত্র - যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি ওয়েবসাইট।
২,৬৪৭.
জহির রায়হান বাংলাদেশের একজন বিখ্যাত-
  1. ক) অভিনেতা
  2. খ) গায়ক
  3. গ) চলচ্চিত্রকার
  4. ঘ) চিত্রকর
সঠিক উত্তর:
গ) চলচ্চিত্রকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) চলচ্চিত্রকার
ব্যাখ্যা
জহির রায়হান একজন প্রখ্যাত বাংলাদেশি চলচ্চিত্র পরিচালক, ঔপন্যাসিক, এবং গল্পকার। বাংলা সাহিত্যের গল্প শাখায় অবদানের জন্য তিনি ১৯৭২ সালে বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার লাভ করেন। চলচ্চিত্রে অবদানের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে ১৯৭৭ সালে মরণোত্তর বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা একুশে পদক এবং সাহিত্যে অবদানের জন্য ১৯৯২ সালে মরণোত্তর বাংলাদেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা স্বাধীনতা পুরস্কারে ভূষিত করে।
সূত্রঃ বাংলাপিডিয়া।
২,৬৪৮.
'বলশেভিক বিপ্লব'-এর নেতা কে ছিলেন?
  1. ভ্লাদিমির লেনিন
  2. কার্ল মার্ক্স
  3. আলেক্সান্দ্রো এফ. ক্যারেনস্কি
  4. জোসেফ স্টালিন
সঠিক উত্তর:
ভ্লাদিমির লেনিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভ্লাদিমির লেনিন
ব্যাখ্যা
রুশ বিপ্লব:
- ১৯১৭ সালে রাশিয়ায় মূলত দুটি বিপ্লব সংঘটিত হয়।
- এই দুটি বিপ্লব হলো ফেব্রুয়ারি বিপ্লব ও বলশেভিক বিপ্লব। এই দুটি বিপ্লবকে একত্রে '১৯১৭ সালের রুশ বিপ্লব' বলা হয়।

⇒ ফেব্রুয়ারি বিপ্লব:
- রুশ বিপ্লবের প্রথম পর্যায়কে ফেব্রুয়ারি বিপ্লব বলা হয়। ফেব্রুয়ারি বিপ্লবের ফলে রাজতন্ত্রের অবসান ঘটে এবং জার দ্বিতীয় নিকোলাসকে ক্ষমতা থেকে উচ্ছেদ ও বন্দি করা হয়। ফেব্রুয়ারি বিপ্লবের নেতৃত্ব ছিলেন আলেক্সান্দ্রো এফ. ক্যারেনস্কি (Aleksandr F. Kerensky)।

⇒ বলশেভিক বিপ্লব/অক্টোবর বিপ্লব:
- রুশ বিপ্লবের দ্বিতীয় পর্যায়কে বলশেভিক বা অক্টোবর বিপ্লব বলে। বলশেভিক বিপ্লবের ফলে রাশিয়ায় লেনিনের নেতৃত্বে বিশ্বের প্রথম সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- বলশেভিক বিপ্লবের নেতা ছিলেন ভ্লাদিমির লেনিন।

উৎস: i) ইতিহাস ২য় পত্র, একাদশ -দ্বাদশ শ্রেণি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) Britannica.
২,৬৪৯.
ইউরো-২০২০ ফুটবল প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয় কোন দেশ?
  1. ইংল্যান্ড
  2. নেদারল্যান্ড
  3. ইতালি
  4. পর্তুগাল
সঠিক উত্তর:
ইতালি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইতালি
ব্যাখ্যা
ইউরো-২০২০:
- সময় : ১১ জুন-১১ জুলাই
- অংশগ্রহণকারী দল : ২৪টি
- ভেন্যু : ১১টি দেশের ১১টি শহর
- চ্যাম্পিয়ন : ইতালি
- রানার্স আপ : ইংল্যান্ড
- সর্বোচ্চ গোলদাতা : ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো (পর্তুগাল)
- প্লেয়ার অব দ্য টুর্নামেন্ট : জিয়ানলুই দোনারুম্মা (ইতালি)।
(তথ্যসূত্র: উয়েফা ওয়েবসাইট)
২,৬৫০.
সিয়াচেন হিমবাহ কোন দুইটি দেশের মধ্যে অবস্থিত?
  1. ক) ভারত ও চীন
  2. খ) ভারত ও পাকিস্তান
  3. গ) চীন ও পাকিস্থান
  4. ঘ) চীন ও নেপাল
  5. ঙ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
খ) ভারত ও পাকিস্তান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ভারত ও পাকিস্তান
ব্যাখ্যা
সিয়াচেন হিমবাহ, বিশ্বের দীর্ঘতম পর্বত হিমবাহগুলির মধ্যে একটি, যা ভারত ও পাকিস্তান সীমান্তে অবস্থিত। এটি পৃথিবীর সবচেয়ে উঁচু যুদ্ধক্ষেত্র। সূত্রঃ ব্রিটানিকা।
২,৬৫১.
চীনের মহাপ্রাচীরের দৈর্ঘ্য কত?
  1. ৬৫০০ কিলোমিটার
  2. ৭৮১০ কিলোমিটার
  3. ৮৮৫০ কিলোমিটার
  4. ৯০১০ কিলোমিটার
সঠিক উত্তর:
৮৮৫০ কিলোমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮৮৫০ কিলোমিটার
ব্যাখ্যা
চীনের মহাপ্রাচীর:
- চীনের মহাপ্রাচীর (The Great Wall of China) হচ্ছে পৃথিবীর প্রাচীন সপ্তাশ্চর্যগুলোর মধ্যে একটি।
- এটি পাথর ও ইট দিয়ে তৈরি দীর্ঘ নিরাপত্তাবেষ্টনী।
- খ্রিস্টপূর্ব সপ্তম শতক থেকে খ্রিস্টীয় ষোড়শ শতক পর্যন্ত সময়ে চীনের উত্তর সীমান্ত রক্ষা করার জন্য এই প্রাচীর তৈরি করা হয়।
- এই প্রাচীরের দৈর্ঘ্য প্রায় ৮৮৫০ কিলোমিটার।
- উচ্চতা ৫ - ৮ মিটার।
- প্রাচীরটি চওড়ায় প্রায় ৯.৭৫ মিটার।
- প্রশস্ত প্রাচীরের ওপর চলাচলের জন্য রাস্তা করা আছে।
- বর্তমান প্রাচীরটি মিং রাজবংশের শাসনামলে নির্মিত হয়।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
২,৬৫২.
হাম্বানটোটা গভীর সমুদ্রবন্দরটি শ্রীলংকা সরকার চীনের নিকট ৯৯ বছরের জন্য লিজ দেয় -
  1. ক) ২০১৬ সালে
  2. খ) ২০১৭ সালে
  3. গ) ২০১৮ সালে
  4. ঘ) ২০১৯ সালে
সঠিক উত্তর:
খ) ২০১৭ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ২০১৭ সালে
ব্যাখ্যা
• শ্রীলংকার দক্ষিণ কলম্বোতে অবস্থিত কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হাম্বানটোটা গভীর সমুদ্রবন্দরটি ৯ ডিসেম্বর, ২০১৭ সালের ডিসেম্বরে চীনের নিকট ৯৯ বছরের জন্য লিজ দেয় শ্রীলংকা সরকার।
- এটি মাগামপুরা মাহিন্দা রাজাপাকসে পোর্ট নামেও পরিচিত।
- কলম্বো বন্দরের পরে এ বন্দরটি শ্রীলঙ্কার দ্বিতীয় বৃহত্তম সমুদ্রবন্দর।

সূত্র: বিবিসি বাংলা। 
২,৬৫৩.
'গুয়ারিয়া' জলপ্রপাত কোন দেশে অবস্থিত?
  1. ক) ভেনিজুয়েলা
  2. খ) কানাডা
  3. গ) সুইজারল্যান্ড
  4. ঘ) ব্রাজিল
সঠিক উত্তর:
ঘ) ব্রাজিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ব্রাজিল
ব্যাখ্যা

- 'গুয়ারিয়া' জলপ্রপাত ব্রাজিলে অবস্থিত।
- এঞ্জেল জলপ্রপাত ভেনিজুয়েলায় অবস্থিত।
- স্টবাক জলপ্রপাত সুইজারল্যান্ডে অবস্থিত।
- নায়াগ্রা জলপ্রপাত যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডায় অবস্থিত।

উৎসঃ এনসাইক্লোপিডিয়া অব ব্রিটানিকা।

২,৬৫৪.
যুক্তরাষ্ট্রের ৫০তম অঙ্গরাজ্য কোনটি?
  1. আলাস্কা
  2. হাওয়াই
  3. ওয়াশিংটন
  4. উইসকনসিন
সঠিক উত্তর:
হাওয়াই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাওয়াই
ব্যাখ্যা
যুক্তরাষ্ট্র:
- যুক্তরাষ্ট্রে মোট পঞ্চাশটি রাজ্য রয়েছে ।
- যুক্তরাষ্ট্র ইউনিয়নে যোগদানকারী শেষ দুটি রাজ্য ছিল আলাস্কা (৪৯তম) এবং হাওয়াই (৫০তম)।
- এই দুইটি রাজ্যই ১৯৫৯ সালে যুক্তরাষ্ট্র ইউনিয়নে যোগদান করে।
- আলাস্কা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বৃহত্তম রাজ্য।
- স্বাধীনতা লাভ করে - ৪ জুলাই, ১৭৭৬ সালে যুক্তরাজ্য থেকে।
- যুক্তরাষ্ট্রে জাতীয় দিবস - ৪ জুলাই।
- জনসংখ্যায় বৃহত্তম অঙ্গরাজ্য - ক্যালিফোর্নিয়া।
- প্রথম প্রেসিডেন্ট - জর্জ ওয়াশিংটন।
- যুক্তরাষ্ট্রে ক্রীতদাস প্রথা বিলোপকারী প্রেসিডেন্টের নাম - আব্রাহাম লিংকন।
- যুক্তরাষ্ট্র থেকে ক্রীতদাস প্রথা বিলোপ হয় - ১৮৬৩ সালে।
২,৬৫৫.
প্রাচীন গ্রিসের গণতান্ত্রিক নগররাষ্ট্র হিসেবে পরিচিত ছিল-
  1. স্পার্টা
  2. এথেন্স
  3. লিবাদিয়া
  4. ইরেট্রিয়া
সঠিক উত্তর:
এথেন্স
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এথেন্স
ব্যাখ্যা

গণতান্ত্রিক নগররাষ্ট্র এথেন্স: 
- প্রাচীন গ্রিসে প্রথম গণতন্ত্রের সূচনা হয় এথেন্সে। তবে প্রথম দিকে এথেন্সে ছিল রাজতন্ত্র।
- খ্রিষ্টপূর্ব সপ্তম শতকে রাজতন্ত্রের পরিবর্তে এক ধরনের অভিজাততন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়।
-  ক্ষমতা চলে আসে অভিজাতদের হাতে। দেশ শাসনের নামে তারা শুধু নিজের স্বার্থই দেখত।
- ফলে সাধারণ মানুষের মনে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। যদিও তাদের পক্ষে ক্ষমতা দখল করা সম্ভব হয়নি। 
- কিন্তু তাদের নামেকিছু লোক ক্ষমতা হাতেনিয়ে নেয়। তাদের বলা হতো 'টাইরান্ট'। 
- জনগণের মধ্যে অসন্তোষ এবং বঞ্চিত কৃষকদের মধ্যে বিদ্রোহের আশঙ্কা দেখা দেয়।
- ফলে সপ্তম খ্রিষ্টপূর্বাব্দের মাঝামাঝি সময়ে রাষ্ট্রব্যবস্থায় এক পরিবর্তন আসে।
- আগে অভিজাত পরিবারের সন্তান অভিজাত বলে গণ্য হতো।
- এখন অর্থের মানদণ্ডে অভিজাত হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হলো।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম ও দশম শ্রেণি।

২,৬৫৬.
নিম্নের কোন নিদর্শনটি সিন্ধু সভ্যতায় পাওয়া গেছে?
  1. বৃহৎ স্নানাগার
  2. বিরাট শস্যাগার
  3. বৃহৎ হল
  4. বর্ণিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা

সিন্ধু সভ্যতা:
- সিন্ধু নদের অববাহিকা অঞ্চলে গড়ে উঠেছিল বলে এই সভ্যতার নাম সিন্ধু সভ্যতা।
- সিন্ধু সভ্যতার সংস্কৃতিকে অনেক সময়ে হরপ্পা সংস্কৃতি বা হরপ্পা সভ্যতা বলা হয়ে থাকে। পাকিস্তানের সিন্ধু প্রদেশের মহেঞ্জোদারোতে এবং পাঞ্জাবের হরপ্পায় এই সভ্যতা আবিষ্কৃত হয়। মহেঞ্জোদারো ও হরপ্পা উভয় অঞ্চল একই সভ্যতার অন্তর্গত।
- সিন্ধু সভ্যতার সিল ও মাটির পাত্রের সাথে মেসোপটেমীয় দ্রব্যের মিল দেখে এ সভ্যতার আনুমানিক সময়কাল নির্ণয় করা হয়েছে।
- ধারণা করা হয় যে, দ্রাবিড় জাতি-এ সভ্যতা গড়ে তুলেছিল।

⇒ স্থাপত্য ও ভাস্কর্য:
- সিন্ধু সভ্যতার অধিবাসিরা গুরুত্বপূর্ণ এবং চমৎকার স্থাপত্য শৈলীর নিদর্শন রেখে গেছে।
- সেখানে দুই কক্ষ থেকে পঁচিশ কক্ষের বাড়ির সন্ধানও পাওয়া গেছে। আবার কোথাও দুই তিন তলার ঘরের অস্তিত্ব আবিস্কৃত হয়েছে।
- তাদের ঘরবাড়িগুলো দেখলে সহজে বুঝা যায়- নগরবাসীরা বিলাসী ছিল। মহেঞ্জোদারোর স্থাপত্যের চমৎকার উদাহরণ হলো 'বৃহৎ হল।' ৮০ ফুট জায়গা জুড়ে তৈরি হয়েছিল এ ঘরটি। ঘরে ছিল সারি বাঁধা বেঞ্চ আর সামনে মঞ্চ। এটি একটি সভাগৃহ ছিল বলে ধারণা করা হয়। হরপ্পাতে ১৬৯×১৩৫ ফুটের একটা প্রকাণ্ড গুদামঘর পাওয়া গেছে।
- তাছাড়া বিরাট এক প্রাসাদের সন্ধান পাওয়া গেছে।
- হরপ্পাতে বিরাট আকারের শস্যাগারও পাওয়া গেছে।
- মহেঞ্জোদারোতে একটি 'বৃহৎ স্নানাগার'-এর নিদর্শন পাওয়া গেছে, যার মাঝখানে বিশাল চৌবাচ্চাটি ছিল সাঁতার কাটার উপযোগী।
- হরপ্পা মহেঞ্জোদারোতে প্রাপ্ত উল্লেখযোগ্য শিল্পকর্ম হলো বিভিন্ন ধরনের প্রায় ২৫০০ সিল। ধর্মীয় ও ব্যবসায় বাণিজ্যের প্রয়োজনে এগুলো ব্যবহৃত হতো। তবে সিলগুলোর লেখা এখনও পড়ে তথ্য সংগ্রহ সম্ভব হয়নি। এ থেকে ধারণা করা যায় যে, সিন্ধু সভ্যতার অধিবাসিরা লেখা পড়া জানতো।

উৎস: i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) ইতিহাস, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
iii) ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৬৫৭.
কারবালা (বর্তমানে) কোন দেশে অবস্থিত?
  1. ক) জর্দান
  2. খ) সিরিয়া
  3. গ) বাহরাইন
  4. ঘ) ইরাক
সঠিক উত্তর:
ঘ) ইরাক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ইরাক
ব্যাখ্যা
কারবালা
- কারবালা ইরাকের অন্তর্গত একটি শহর।
- এটি বাগদাদের ৬২ মাইল দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত।
- শহরটি কারবালা প্রদেশের রাজধানী। 
- কারবালা মূলত ঐতিহাসিক কারবালার যুদ্ধের কারণে বেশি পরিচিত।
- মহানবীর দৌহিত্র ও আলীর পুত্র হোসাইন ইবনে আলী এই শহরে শাহাদাতবরণ করেন।
- মক্কা, মদিনা ও জেরুজালেমের পর শিয়া মুসলমানেরা কারবালাকে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় স্থান হিসেবে বিবেচনা করে থাকে।
- ‘কারবালা’ ফোরাত নদীর তীরে অবস্থিত একটি প্রান্তর, যেখানে বাষট্টি হিজরি সনের মহরম মাসের ১০ তারিখ শুক্রবার হজরত হোসাইন (রা.) অত্যন্ত করুণভাবে শাহাদাতবরণ করেছিলেন।
- কারবালার এ হৃদয়বিদারক ঘটনা মহিমাময় মহরম মাসের ঐতিহাসিক মহান আশুরার দিনে সংঘটিত হওয়ায় এতে ভিন্ন মাত্রা যোগ হয়েছে।
- ফোরাত নদী থেকে পানি সংগ্রহ করতে গেলে ফুলের মতো নিষ্পাপ দুগ্ধপোষ্য শিশু আলী আসগর এক ফোঁটা পানির জন্য সীমার বাহিনীর তিরের আঘাতে শহীদ হয়।
- সেদিন ফোরাতকূলে ‘পানি! পানি!’ বলে অবর্ণনীয় মাতম উঠেছিল।
- সত্য ও ন্যায়ের ওপর প্রতিষ্ঠিত কারবালার প্রান্তরে প্রতারিত নির্মম নির্যাতন ও নিপীড়নের শিকার হোসাইনি কাফেলা চিরস্মরণীয় ও বরণীয়।

উৎস: i) প্রথম আলো, ২০ আগস্ট, ২০২১।
        ii) Britannica.
২,৬৫৮.
ইউরোপীয় ইউনিয়নের মুদ্রার নাম কী?
  1. ডলার
  2. ইউরো
  3. পাউন্ড
  4. দিনার
সঠিক উত্তর:
ইউরো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইউরো
ব্যাখ্যা
ইউরো (€):
- ইউরো ইউরোপীয় একীকরণের সবচেয়ে দৃশ্যমান প্রমাণ, যা প্রতিদিন ৩৪১ মিলিয়নেরও বেশি মানুষ ব্যবহার করে।
- এটি বিশ্বের দ্বিতীয় সর্বাধিক ব্যবহৃত মুদ্রা।

ইউরোর সুবিধা:
- বিদেশ ভ্রমণ ও অনলাইন কেনাকাটায় মুদ্রা বিনিময়ের ঝামেলা দূর করে।
- EU দেশগুলোর মধ্যে বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা সহজ করে।

ইউরোজোন (Eurozone):
- ২০টি ইউরোপীয় ইউনিয়ন (EU) সদস্য দেশে ইউরো সরকারী মুদ্রা হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- এই দেশগুলো সম্মিলিতভাবে ইউরোজোন গঠন করে।
- ইউরো ইউরোপীয় অর্থনৈতিক সংহতি ও একক বাজার নীতিকে শক্তিশালী করেছে।

উৎস: EU ওয়েবসাইট।
২,৬৫৯.
প্রথম কারা বর্ণমালা উদ্ভাবন করে?
  1. ক) ফিনিশীয়রা
  2. খ) রোমানরা
  3. গ) মিশরীয়রা
  4. ঘ) গ্রীকরা
সঠিক উত্তর:
গ) মিশরীয়রা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) মিশরীয়রা
ব্যাখ্যা
মিশরীয় সভ্যতার অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য ছিল লিপি বা অক্ষর আবিষ্কার। নগর সভ্যতা বিকাশের সঙ্গে সঙ্গে মিশরীয় লিখন পদ্ধতির উদ্ভব ঘটে।
পাঁচ হাজার বছর পূর্বে তারা সর্বপ্রথম ২৪টি ব্যঞ্জনবর্ণের বর্ণমালা আবিষ্কার করতে সক্ষম হয়।
প্রথম দিকে ছবি এঁকে তারা মনের ভাব প্রকাশ করত। এই লিখন পদ্ধতির নাম ছিল চিত্রলিপি।
এই চিত্রলিপিকে বা হয় ‘হায়ারােগ্লিফিক' বা পবিত্র অক্ষর।

আবার,
ফিনিশীয় সভ্যতার সবচেয়ে বড় অবদান - বর্ণমালার উদ্ভাবন ও লিখন পদ্ধতির আবিষ্কার। তারা মিশর ও ব্যাবিলনের বর্ণমালা থেকে ২২টি ব্যঞ্জনবর্ণের সমন্বয়ে সহজ লিখন পদ্ধতি আবিষ্কার করে।
গ্রীক ইতিহাসবিদ হেরেডোটাস ফিনিশীয়াকে বর্ণমালার জন্মস্থান (birthplace of the alphabet) বলে অভিহিত করেছেন।

পরবর্তীতে, গ্রীকরা ফিনিশীয়দের ব্যঞ্জনবর্ণের সাথে স্বরবর্ণ যুক্ত করে বর্ণমালাকে পূর্ণতা প্রদান করেন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, ব্রিটানিকা ও হিস্টরি ডট কম।
২,৬৬০.
ইনকা সভ্যতা কোন দেশকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছিল?
  1. পেরু
  2. চিলি
  3. ব্রাজিল
  4. আর্জেন্টিনা
সঠিক উত্তর:
পেরু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পেরু
ব্যাখ্যা

ইনকা সভ্যতা:
- এটি দক্ষিণ আমেরিকার একটি প্রাচীন সভ্যতা।
- ইনকা সভ্যতা পেরুকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছিল।
- প্রশান্ত মহাসাগরীয় উপকূল এবং আন্দিজ পর্বতমালা বরাবর উত্তর ইকুয়েডর থেকে মধ্য চিলি পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল।
- ইনকা সভ্যতার ধ্বংসাবশেষ দেখা যায় পেরুর মাচু পিচুতে।
- স্থপতি: মানকো কাপেন।
- ভাষা: কেচুয়া

তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা।

২,৬৬১.
নিচের কোনটি বাল্টিক রাষ্ট্র নয়?
  1. এস্তোনিয়া
  2. লুক্সেমবার্গ
  3. লাতভিয়া
  4. লিথুয়ানিয়া
সঠিক উত্তর:
লুক্সেমবার্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লুক্সেমবার্গ
ব্যাখ্যা
⇒ লুক্সেমবার্গ বাল্টিক রাষ্ট্র নয়।

বাল্টিক রাষ্ট্র:
- উত্তর-পূর্ব ইউরোপের বাল্টিক সাগরের পূর্বতীরে অবস্থিত রাষ্ট্রসমূহ বাল্টিক রাষ্ট্র হিসেবে পরিচিত।
- এই অঞ্চলে তিনটি দেশ রয়েছে;
• এস্তোনিয়া,
• লাতভিয়া এবং
• লিথুয়ানিয়া।
- বাল্টিক রাষ্ট্রসমূহ বর্তমানে ন্যাটো এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের অংশ।

তথ্যসূত্র - Britannica.com & WorldAtlas.com
২,৬৬২.
"বৃহৎ মিলনায়তন" - কোন সভ্যতার স্থাপত্য নিদর্শন?
  1. ক) রোমান সভ্যতা
  2. খ) সিন্ধু সভ্যতা
  3. গ) গ্রীক সভ্যতা
  4. ঘ) মায়া সভ্যতা
সঠিক উত্তর:
খ) সিন্ধু সভ্যতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সিন্ধু সভ্যতা
ব্যাখ্যা
ভাস্কর্য শিল্পে সিন্ধু সভ্যতার অধিবাসীদের দক্ষতা ছিল।
- পাথরে খােদিত ভাস্কর্যের সংখ্যা কম হলেও সেগুলাের শৈল্পিক কারিগরি দক্ষতা ছিল উল্লেখ করার মতাে।
- এ যুগে মােট ১৩টি ভাস্কর্য মূর্তি পাওয়া গেছে।
- চুনাপাথরের তৈরি একটি মূর্তির মাথা পাওয়া গেছে। মহেঞ্জোদারােতে পাওয়া গেছে নৃত্যরত একটি নারী মূর্তি।
- এছাড়া মাটির তৈরি ছােট ছােট মানুষ আর পশু মূর্তিও পাওয়া গেছে।
- হরপ্পা মহেঞ্জোদারােতে প্রাপ্ত উল্লেখযােগ্য শিল্পকর্ম হলাে বিভিন্ন ধরনের প্রায় ২৫০০ সিল। ধর্মীয় ও ব্যবসায় বাণিজ্যের প্রয়ােজনে এগুলাে ব্যবহৃত হতাে। তবে সিলগুলাের লেখা এখনও পড়ে তথ্য সংগ্রহ সম্ভব হয়নি।
- এ থেকে ধারণা করা যায় যে, সিন্ধু সভ্যতার অধিবাসীরা লেখা পড়া জানতাে।

এছাড়াও,
- সিন্ধুসভ্যতা যুগের অধিবাসীরা গুরুত্বপূর্ণ এবং চমৎকার স্থাপত্যশৈলীর নিদর্শন রেখে গেছে।
- সেখানে দুই কক্ষ থেকে পঁচিশ কক্ষের বাড়ির সন্ধান পাওয়া গেছে। আবার কোথাও দুই-তিন তলা ঘরের অস্তিত্ব আবিষ্কার হয়েছে।
- বৃহৎ মিলনায়তন, বৃহৎ শস্যাগার, বৃহৎ স্নানাগার - ইত্যাদি সিন্ধু সভ্যতার স্থাপত্যশৈলীর নিদর্শন।

উৎস: মাধ্যমিক বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৬৬৩.
কোন দেশের বর্ণবাদের বিরুদ্ধে সংগ্রামে আর্চবিশপ ডেসমন্ড টুটু পরিচিত নেতা ছিলেন?
  1. ঘানা
  2. নাইজেরিয়া
  3. দক্ষিণ আফ্রিকা
  4. মোজাম্বিক
সঠিক উত্তর:
দক্ষিণ আফ্রিকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দক্ষিণ আফ্রিকা
ব্যাখ্যা
আর্চবিশপ ডেসমন্ড টুটু:
- আর্চবিশপ ডেসমন্ড টুটু দক্ষিণ আফ্রিকার বর্ণবাদবিরোধী আন্দোলনের একজন নেতা ছিলেন।
- তিনি দেশের সাবেক প্রেসিডেন্ট নেলসন ম্যান্ডেলার সমসাময়িক ছিলেন।
- ১৯৪৮ থেকে ১৯৯১ সাল পর্যন্ত দক্ষিণ আফ্রিকায় চলা বর্ণবাদবিরোধী আন্দোলনে সক্রিয় ছিলেন।

উল্লেখ্য, 
- ডেসমন্ড টুটু ১৯৬০ সালে ধর্মযাজক হিসেবে স্বীকৃতি পান।
- ১৯৭৬ থেকে ১৯৭৮ সাল পর্যন্ত তিনি দক্ষিণ আফ্রিকার প্রতিবেশী দেশ লেসোথোর যাজক (বিশপ) হিসেবে কর্মরত ছিলেন। এরপর জোহানেসবার্গে ফিরে আসেন।
- ১৯৮৫ সালে তিনি দক্ষিণ আফ্রিকার প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ আর্চবিশপ পদ লাভ করেন।
- বর্ণবাদবিরোধী আন্দোলনে বিশেষ অবদানের জন্য ১৯৮৪ সালে তিনি শান্তির নোবেল পুরস্কারও লাভ করেন।

এছাড়াও, 
- ১৯৯৪ সালে নেলসন ম্যান্ডেলা যখন দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট হন, তখন দেশের শ্বেতাঙ্গ ও কৃষ্ণাঙ্গদের মধ্যে সুসম্পর্ক জোরদার করার জন্য যে ট্রুথ অ্যান্ড রিকনসিলিয়েশন কমিশন গঠন করা হয়, তার প্রধান ছিলেন ডেসমন্ড টুটু।

সূত্র: Britannica ও বিবিসি বাংলা।
২,৬৬৪.
সম্প্রতি অভিশংসিত ইউন সুক-ইওল কোন দেশের প্রেসিডেন্ট ছিলেন? [জানুয়ারি, ২০২৫]
  1. উত্তর কোরিয়া
  2. জাপান
  3. চীন
  4. দক্ষিণ কোরিয়া
সঠিক উত্তর:
দক্ষিণ কোরিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দক্ষিণ কোরিয়া
ব্যাখ্যা
দক্ষিণ কোরিয়ার অভিশংসিত প্রেসিডেন্ট: 
- দক্ষিণ কোরিয়ার অভিশংসিত প্রেসিডেন্ট ইউন সুক-ইওল সামরিক আইন জারি করার মধ্য দিয়ে বিদ্রোহ করেছেন, এমন অভিযোগ এনেছেন রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলিরা।
- ২০২৪ সালের ৩ ডিসেম্বর দক্ষিণ কোরিয়ায় সামরিক আইন জারি করেছিলেন ইউন।
- কিন্তু তীব্র প্রতিবাদ-প্রতিরোধের মুখে মাত্র ছয় ঘণ্টার মাথায় তিনি তা প্রত্যাহারে বাধ্য হন।
- স্বল্পস্থায়ী এই সামরিক আইন জারির জেরে ১৪ ডিসেম্বর (২০২৪ সাল) ইউনকে দেশটির পার্লামেন্টে অভিশংসন করা হয়।
- প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব থেকে তাঁকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।
- তিনি গ্রেপ্তার হওয়ার পর থেকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হেফাজতে রয়েছেন।
- দক্ষিণ কোরিয়ায় এই প্রথম কোনো দায়িত্বে থাকা প্রেসিডেন্টকে গ্রেফতার করা হলো।

উৎস: প্রথম আলো (২৬ জানুয়ারি ২০২৫)
বিবিসি বাংলা (১৫ জানুয়ারি ২০২৫)
২,৬৬৫.
নেপোলিয়ন বোনাপার্ট কোন যুদ্ধে ব্রিটিশ নৌবাহিনীর কাছে পরাজিত হন?
  1. ওয়াটারলু যুদ্ধ
  2. ট্রাফালগার যুদ্ধ
  3. ফরাসি যুদ্ধ
  4. আলেক্সান্দার যুদ্ধ
সঠিক উত্তর:
ট্রাফালগার যুদ্ধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ট্রাফালগার যুদ্ধ
ব্যাখ্যা
নেপোলিয়ন বোনাপার্ট ট্রাফালগার যুদ্ধে ব্রিটিশ নৌবাহিনীর কাছে পরাজিত হন।

নেপোলিয়ন বোনাপার্ট:

- নেপোলিয়ন বোনাপার্ট ছিলেন ফ্রান্সের এক মহান সম্রাট এবং দিগ্বিজয়ী বীর।
- তিনি ১৭৬৯ সালের ১৫ আগস্ট ইতালির কর্সিকা দ্বীপের অন্তর্গত আজাকসিও নামক শহরে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি ১৮০৪ থেকে ১৮১৫ সাল পর্যন্ত ফ্রান্সের প্রথম সম্রাট ছিলেন।
- তিনি ১৮১৫ সালে ফ্রান্সের সম্রাট ছিলেন।
- ১৮১২ সালের রাশিয়ান অভিযানের মাধ্যমে নেপোলিয়ন তার সাম্রাজ্যকে আরও বিস্তৃত করেন, ৫,০০,০০০ এরও বেশি সৈন্যকে হারিয়ে। ১৮১৩ সালে লাইপজিগে পরাজিত হয়ে, তিনি ১৮১৪ সালে সিংহাসন ত্যাগ করেন এবং এলবাতে নির্বাসিত হন।
- ১৮১৫ সালের ১৮ জুন ওয়াটারলু যুদ্ধে ফরাসিদের পরাজয়ের পর তিনি অবশেষে ব্রিটিশদের কাছে আত্মসমর্পণ করেন।
- এরপর তাকে ইউরোপ থেকে ৫০০০ মাইল দূরে সেন্ট হেলেনা দ্বীপে নির্বাসিত করা হয়েছিল, যেখানে তিনি ১৮২১ সালের ৫ মে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত বসবাস করেছিলেন।

⇒ ১৮০৪ সালে নেপোলিয়ন প্রণয়ন করেন একটি দেওয়ানি আইনবিধি, যা “Napoleonic Code” নামে পরিচিত। এতে ব্যক্তি স্বাধীনতা, সম্পত্তির অধিকার, আইনের সামনে সকলের সমতা নিশ্চিত করা হয়। এই কোড বিশ্বব্যাপী বহু দেশের আইন ব্যবস্থায় প্রভাব ফেলেছে।

• ট্রাফালগার যুদ্ধ:
- ট্রাফালগার যুদ্ধ ছিলো ইতিহাসের অন্যতম রক্তক্ষয়ী নৌযুদ্ধ।
- ১৮০৫ সালের ২১ অক্টোবর স্পেনের কেপ ট্রাফালগারের পশ্চিমে ক্যাডিজ এবং জিব্রাল্টার প্রণালীর মধ্যে এই যুদ্ধ সংঘটিত হয়।
- ফ্রান্স ও স্পেনের মিলিত নৌশক্তির সাথে লড়াই করে অ্যাডমিরাল লর্ড নেলসনের নেতৃত্বে ব্রিটেন এই যুদ্ধে জয় লাভ করে এবং নেপোলিয়ন বোনাপার্ট পরাজিন হন। 

উৎস: Britannica.
২,৬৬৬.
'আজকের দিনটি কঠিন, কাল হবে অন্ধকার; তারপর সূর্যকে উঠতেই হবে'- উক্তিটি কার?
  1. আব্রাহাম লিঙ্কন
  2. স্টিভ জবস
  3. স্কট
  4. স্যামুয়েল জনসন
  5. জ্যাক মা
সঠিক উত্তর:
জ্যাক মা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জ্যাক মা
ব্যাখ্যা
জ্যাক মা:
- চীনের ই-কমার্স সাম্রাজ্য আলিবাবার প্রতিষ্ঠাতা জ্যাক মা।

⇒ তিনি চীনের পূর্বাংশে হাংঝৌ শহরে ১৯৬৪ সালের ১০ সেপ্টেম্বর জন্মগ্রহণ করেছিলেন।
- তিনি চীনের শীর্ষ ধনীদের একজন।

- আলিবাবা একটি চাইনিজ মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানি।
- এটি খুচরা বিক্রেতাদের জন্য বড় প্লাটফর্ম।
- এই কোম্পানী ক্রেতা-বিক্রেতা, ক্রেতা-ক্রেতা, ব্যবসায়ি- ব্যবসায়িদের ওয়েব পোর্টাল এর মাধ্যমে সেবা প্রদান করে থাকে।
- আলিবাবার প্রতিষ্ঠাতা জ্যাক মা।
- এটি ১৯৯৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটি বিশ্বের শীর্ষ ১০টি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের মধ্যে একটি।

উল্লেখ্য,
- জ্যাক মা-এর বিখ্যাত উক্তি -আজকের দিনটি কঠিন, কাল হবে অন্ধকার; তারপর সূর্যকে উঠতেই হবে।

অন্যদিকে,
- “অনুকরণ করে কোনো মানুষ কখনোই বড় হতে পারে না”- স্যামুয়েল জনসন।
- ”ভাগ্য বলে কিছুই নেই, প্রত্যেকের চেষ্টা ও যত্নের উপর তা গড়ে উঠে” - স্কট।
- ”যথাস্থানে পা রেখেছ কিনা তা আগে নিশ্চিত হও, এরপর দৃঢ়ভাবে দাঁড়াও” - আব্রাহাম লিঙ্কন।
- ”কখনো কখনো জীবন আপনার মাথায় ইট দিয়ে আঘাত করবে। তখন বিশ্বাস হারাবেন না” - স্টিভ জবস।

উৎস: i) Britannica.
ii) Anand Damani।
২,৬৬৭.
চীনের কোন ইস্যুকে কেন্দ্র করে সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র হংকংয়ের বিশেষ বাণিজ্য সুবিধা বাতিল করে?
  1. ক) করোনা বিষয়ক তথ্য গোপন
  2. খ) নতুন নিরাপত্তা আইন কার্যকর করা
  3. গ) দক্ষিণ চীন সাগরে চীনের আগ্রাসী তৎপরতা
  4. ঘ) উইঘুর মুসলমানদের নির্যাতন
সঠিক উত্তর:
খ) নতুন নিরাপত্তা আইন কার্যকর করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) নতুন নিরাপত্তা আইন কার্যকর করা
ব্যাখ্যা
গত ১৪ জুলাই ২০২০ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র চীনের অধীন হংকংকে প্রদত্ত অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য সুবিধা বাতিল করে।
হংকংয়ে চীনের নতুন জাতীয় নিরাপত্তা আইন কার্যকরের পাল্টা ব্যবস্থা হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র এ পদক্ষেপ গ্রহণ করে।
এছাড়া জিনজিয়াংয়ের উইঘুর মুসলমানদের নির্যাতন, দক্ষিণ চীন সাগরে চীনের আগ্রাসী তৎপরতা এবং চীনা সরকারের করোনা বিষয়ক তথ্য গোপন করার মতো বিষয়গুলোও যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে বর্তমান তিক্ত সম্পর্কের অন্যতম কারণ।
(সূত্র: আল জাজিরা রিপোর্ট!)
২,৬৬৮.
ওডার-নীস লাইন কোন দুইটি দেশের সীমানা নির্দেশ করে?
  1. জার্মানি এবং ফ্রান্স
  2. জার্মানি এবং পোল্যান্ড
  3. পর্তুগাল ও স্পেন
  4. ফ্রান্স ও বেলজিয়াম
সঠিক উত্তর:
জার্মানি এবং পোল্যান্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জার্মানি এবং পোল্যান্ড
ব্যাখ্যা
ওডার-নীস লাইন:
- ওডার-নীস লাইন হলো জার্মানি এবং পোল্যান্ডের মধ্যে একটি আন্তর্জাতিক সীমানা।
- পটসডাম সম্মেলনে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর এটি টানা হয়েছিল।

উল্লেখ্য,
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের আগে ওডার নদী জার্মানির সীমানার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হত।
- ১৯৪৫ সালে জার্মানির পরাজয়ের পর ওডার ও নীস নদী ধরে জার্মানি ও পোল্যান্ডের একটি সাময়িক সীমান্ত নির্ধারণ করা হয়।
- পশ্চিম জার্মানি সরকার সীমান্তটি স্বীকৃতি দিতে ১৯৭০ সাল পর্যন্ত দেরি করে।
- ১৯৯০ সালে পশ্চিম ও পূর্ব জার্মানি একত্র হলে ১৯৪৫ সালের সীমান্তটি কার্যকর করা হয়।

⇒ ওডার নদী:
- ওডার নদী উত্তর মধ্য ইউরোপের একটি নদী।
- এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবহন পথ।
- এটি চেক প্রজাতন্ত্রের ওলোমুকের কাছে উৎপত্তি লাভ করে উত্তর-পূর্বে প্রবাহিত হয়ে পোল্যান্ডে প্রবেশ করেছে।
- দেশটির দ্বিতীয় দীর্ঘতম নদী হিসেবে রাসিবর্জ, ওপোলে, রোকলভ এবং কোস্ত্রজিনের পাশ দিয়ে প্রবাহিত হয়ে সজেসিনের কাছে বাল্টিক সাগরে পতিত হয়েছে।
- নদীটি ৯১২ কিলোমিটার দীর্ঘ এবং রাসিবর্জ পর্যন্ত নাব্য।
- ওডার নদী খালের মাধ্যমে পূর্ব জার্মানির ষ্প্রে, হাভেল এবং লাবে নদীর সাথে সংযুক্ত।

উৎস: Britannica.
২,৬৬৯.
“হার্ডিঞ্জ ব্রিজ” - কোন দুটি জেলাকে সংযুক্ত করে?
  1. ক) সিরাজগঞ্জ - পাবনা
  2. খ) পাবনা - বগুড়া
  3. গ) সিরাজগঞ্জ - কুষ্টিয়া
  4. ঘ) কুষ্টিয়া - পাবনা
  5. ঙ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ঘ) কুষ্টিয়া - পাবনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) কুষ্টিয়া - পাবনা
ব্যাখ্যা
হার্ডিঞ্জ ব্রিজ বাংলাদেশের কুষ্টিয়া জেলার ভেড়ামারা উপজেলা থেকে পাবনা জেলার ঈশ্বরদী উপজেলার পাকশী রেলওয়ে স্টেশন সংলগ্ন একটি রেলসেতু। এটি বাংলাদেশের সবচেয়ে দীর্ঘ রেলসেতু হিসেবে পরিচিত। পাবনা জেলার পাকশি রেলস্টেশনের দক্ষিণে পদ্মা নদীর উপর এই সেতুটি অবস্থিত। এই সেতুর নির্মাণকাল ১৯০৯-১৯১৫।
২,৬৭০.
কোনটি দক্ষিণ এশিয়ার রাজনৈতিক ক্ষেত্রে সবচেয়ে কম সংশ্লিষ্ট বিষয়? 
  1. ধর্ম
  2. জাতি
  3. সংস্কৃতি
  4. ভাষা
সঠিক উত্তর:
সংস্কৃতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংস্কৃতি
ব্যাখ্যা
দক্ষিণ এশিয়া:
- দক্ষিণ এশিয়া বা দক্ষিণাঞ্চলীয় এশিয়া বলতে এশিয়া মহাদেশের দক্ষিণে অবস্থিত ভারতীয় উপমহাদেশ ও তার সন্নিকটস্থ অঞ্চলকে বোঝায়।
- দক্ষিণ এশিয়া নিচের রাষ্ট্রগুলো নিয়ে গঠিত: নেপাল, পাকিস্তান, বাংলাদেশ, ভারত, ভুটান, মালদ্বীপ, শ্রীলঙ্কা।

উল্লেখ্য,
- সংস্কৃতি দক্ষিণ এশিয়ার রাজনৈতিক ক্ষেত্রে সবচেয়ে কম সংশ্লিষ্ট বিষয়।
- সংস্কৃতি হলো সেই জটিল সামগ্রিকতা যাতে অন্তর্গত আছে জ্ঞান, বিশ্বাস, নৈতিকতা, শিল্প, আইন, আচার এবং সমাজের একজন সদস্য হিসেবে মানুষের দ্বারা অর্জিত অন্য যেকোনো সম্ভাব্য সামর্থ্য বা অভ্যাস।
- দক্ষিণ এশিয়ার প্রায় সবদেশে জাতিগত দাঙ্গা বিক্ষুদ্ধ অবস্থায় রয়েছে।
- ভাষাগত ও ধর্মগত বিরোধও রয়েছে।
- বাংলাদেশে ‘৫২’ সালে ভাষা আন্দোলন হয়েছে।
⇒ কেবল সাংস্কৃতিক বিরোধ ততটা উল্লেখ্য নয় এবং কখনো সাংস্কৃতিক বিপ্লবও ঘটেনি।

উৎস: i) Britannica.,
ii) প্রথমআলো।
২,৬৭১.
বিশ্বের বৃহত্তম উপদ্বীপ হলো -
  1. আলাস্কা উপদ্বীপ
  2. ইন্দোচীন
  3. আরব উপদ্বীপ
  4. সাইবেরীয় উপদ্বীপ
সঠিক উত্তর:
আরব উপদ্বীপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আরব উপদ্বীপ
ব্যাখ্যা
আরব উপদ্বীপ:
- বিশ্বের বৃহত্তম উপদ্বীপ হলো আরব উপদ্বীপ।
- এর আয়তন ১,২৫০,০০৬ বর্গ মাইল।
- এটি এশিয়া মহাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিম অংশে এবং আফ্রিকা মহাদেশের উত্তর-পূর্ব অংশে অবস্থিত একটি বিস্তীর্ণ আরব অঞ্চল।
- এর পূর্বদিকে আরব উপসাগর, পশ্চিমে লোহিত সাগর, উত্তর-পশ্চিমে এডেন উপসাগর, ওমান উপসাগর এবং দক্ষিণ-পূর্ব দিকে ভারত মহাসাগর অবস্থিত।
- আরব উপদ্বীদের উত্তর অংশটি খ্রিস্টপূর্ব ৫২৫-৪০০ পর্যন্ত পারস্য সাম্রাজ্যের অংশ ছিল।
- দক্ষিণ অংশটি প্রাচীন ইয়েমেন, সাবা ও শিমার রাজত্বের অধীন ছিল।

⇒ বিশ্বের বৃহত্তম উপদ্বীপ:
1. আরব উপদ্বীপ,
2. ডেকান (ভারতীয়) উপদ্বীপ,
3. ইন্দোচীন,
4. আফ্রিকার হর্ন,
5. আলাস্কা উপদ্বীপ।

উৎস: World Atlas.
২,৬৭২.
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আইনসভার উচ্চকক্ষ কোনটি?
  1. সিনেট
  2. অ্যাসেম্বলি
  3. হাউস অব লর্ডস
  4. হাউস অব কাউন্সিলর
সঠিক উত্তর:
সিনেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিনেট
ব্যাখ্যা
কংগ্রেস:
-মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় সরকারের আইনসভা হলো কংগ্রেস (Congress)।
- এটি দেশের আইন প্রণয়নের সর্বোচ্চ প্রতিষ্ঠান এবং একটি দ্বি-কক্ষবিশিষ্ট আইনসভা।

কংগ্রেসের দুটি কক্ষ:
১. নিম্নকক্ষ – প্রতিনিধি সভা (The House of Representatives)।
২. উচ্চকক্ষ – সিনেট (The Senate)।

প্রতিনিধি সভা (The House of Representatives):
- এটি কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ।
- আসন সংখ্যা: ৪৩৫।
- মেয়াদ: ২ বছর।

সিনেট (The Senate):
- এটি কংগ্রেসের উচ্চকক্ষ।
- আসন সংখ্যা: ১০০।

তথ্যসূত্র - যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি ওয়েবসাইট।
২,৬৭৩.
লিখিত আইন 'হেবিয়াস কোর্পাস' কোন সভ্যতার পরিচয় বহন করে?
  1. রোমান সভ্যতা
  2. গ্রিক সভ্যতা
  3. মায়া সভ্যতা
  4. মিসরীয় সভ্যতা
সঠিক উত্তর:
রোমান সভ্যতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রোমান সভ্যতা
ব্যাখ্যা
রোমানদের শ্রেষ্ঠ কৃতিত্ব প্রকাশ পায় তাদের আইন প্রণয়নের ক্ষেত্রে।
রোমান আইন লিখিত এবং অলিখিত দু‘ই ছিল।
অভিজাতদের (প্যাট্রেশিয়ান) সাথে সাধারণ নাগরিকের (প্লেবিয়ান) সংঘাতের ফলে সাধারণ মানুষের কল্যাণে আইন প্রণীত হতে থাকে।
১২টি ব্রোঞ্জ পাতে এ আইন লিখিত হয়। হেবিয়াস কোর্পাস নামে এ আইন পরিচিত ছিল।
বেসামরিক আইন, জনগণের আইন এবং আইনের নতুন বিন্যাস-এ তিনটি শাখায় রোমান আইন বিকাশ লাভ করে।
বেসামরিক আইন পালনে নাগরিকেরা বাধ্য ছিল। রোমান আ্ইনে নিরপেক্ষতা বজায় রাখা হত।
এ আইন ছিল উদার ও মানবিক। এ আইনে বিধবা ও এতিমদের অধিকার সংরক্ষিত ছিল। 

উৎস: সিভিক এডুকেশন-১, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৬৭৪.
মায়া সভ্যতার সবচেয়ে প্রাচীন নিদর্শন পাওয়া যায় কোথায়?
  1. ক) মেক্সিকোতে
  2. খ) হন্ডুরাসে
  3. গ) বেলিজে
  4. ঘ) গুয়েতেমালাতে
সঠিক উত্তর:
গ) বেলিজে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বেলিজে
ব্যাখ্যা
মায়া সভ্যতা:

- মায়া সভ্যতার সবচেয়ে প্রাচীন নিদর্শন পাওয়া যায় মধ্য আমেরিকার বর্তমান বেলিজে।

- তৎকালীন পৃথিবীর সবচেয়ে আধুনিক ও উন্নত সভ্যতা ছিল এ মায়া সভ্যতা। মায়া সভ্যতায় বসবাসকারীদের মায়ানও বলা হতো।
- ২৬০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দে মায়া সভ্যতার সবচেয়ে প্রাচীন নিদর্শন পাওয়া যায়। 
- বর্তমান মধ্য আমেরিকার মেক্সিকো, গুয়েতেমালা, হন্ডুরাস, এল সালভেদরের ১০০০ কিলোমিটার জুড়ে ছিল মায়া সভ্যতা।
- প্রি - ক্লাসিক্যাল পিরিয়ডে, যা ২৫০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত স্থায়ী ছিল, মায়া সভ্যতার ধীরে ধীরে প্রসারণ ঘটতে থাকে।
- ২০০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দে তারা কৃষি কাজ এবং বসতি স্থাপন শুরু করে।
-  ১৮০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দে প্রশান্ত মহাসাগরের উপকূলে সেকোনুস্ক অঞ্চলে তারা বসতি স্থাপন করে।
- ২৫০-৯০০ খ্রিস্টাব্দ ছিল মায়া সভ্যতার স্বর্ণযুগ।

তথ্যসূত্র - সময় নিউজ,৯ মে ২০২১।
২,৬৭৫.
বুসান কোন দেশের বন্দর?
  1. চীন
  2. দক্ষিণ কোরিয়া
  3. উত্তর কোরিয়া
  4. জাপান
সঠিক উত্তর:
দক্ষিণ কোরিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দক্ষিণ কোরিয়া
ব্যাখ্যা
বুসান:
দক্ষিণ কোরিয়ার গুরুত্বপূর্ণ মহানগর ও বন্দর।
- বুসান দক্ষিণ কোরিয়ার দক্ষিণ-পূর্ব প্রান্তে কোরিয়ান উপদ্বীপে অবস্থিত।
- গোরিয়ো রাজবংশের (৯৩৫–১৩৯২) সময় বুসানকে পুসানপো বলা হতো।
- নামের অর্থ:পু (pu): কেটলি, সান (san): পাহাড়, পো (p’o): উপসাগর বা বন্দর।
- এই নামকরণটি শহরের পাদদেশে অবস্থিত পাহাড়ের আকৃতি নির্দেশ করে।
- বুসান দক্ষিণ কোরিয়ার সবচেয়ে বড় বন্দর এবং দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর।
- এটি একটি মহানগর শহর হিসেবে কেন্দ্রীয় সরকারের সরাসরি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং এর প্রশাসনিক মর্যাদা একটি প্রদেশের সমান।
- বুসান তার অর্থনৈতিক ও ভৌগোলিক গুরুত্বের জন্য দক্ষিণ কোরিয়ার অন্যতম প্রধান কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত।

উৎস: britannica.
২,৬৭৬.
নিচের কোনটি পূর্ব ইউরোপের দেশ?
  1. ফিনল্যান্ড
  2. ডেনমার্ক
  3. সুইডেন
  4. নরওয়ে
  5. মলদোভা
সঠিক উত্তর:
মলদোভা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মলদোভা
ব্যাখ্যা
⇒ পূর্ব ইউরোপের দেশসমূহ:
• বেলারুশ
• বুলগেরিয়া
• চেক প্রজাতন্ত্র
• হাঙ্গেরি
• পোল্যান্ড
• মলদোভা
• রোমানিয়া
• রাশিয়া
• স্লোভাকিয়া
• ইউক্রেন

⇒ উত্তর ইউরোপের দেশসমূহ:
• নরওয়ে
• সুইডেন
• ডেনমার্ক
• ফিনল্যান্ড
• আইসল্যান্ড
• যুক্তরাজ্য
• আয়ারল্যান্ড
• লিথুয়ানিয়া
• লাটভিয়া
• এস্তোনিয়া

তথ্যসূত্র - Worldatlas.com
২,৬৭৭.
জার্মানিতে হিটলারের শাসনকাল কি নামে পরিচিত?
  1. ক) First Reich
  2. খ) Second Reich
  3. গ) Third Reich
  4. ঘ) Fourth Reich
সঠিক উত্তর:
গ) Third Reich
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) Third Reich
ব্যাখ্যা
Third Reich, official Nazi designation for the regime in Germany from January 1933 to May 1945, as the presumed successor of the medieval and early modern Holy Roman Empire of 800 to 1806 (the First Reich) and the German Empire of 1871 to 1918 (the Second Reich).
Source: britannica.com
২,৬৭৮.
ইনকা সভ্যতার স্থপতি কে?
  1. তিসি ভিরাকাসো
  2. মামা রুয়া
  3. হেদেই আন্তো
  4. মানকো কাপেন
সঠিক উত্তর:
মানকো কাপেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মানকো কাপেন
ব্যাখ্যা
ইনকা সভ্যতা:
- এটি দক্ষিণ আমেরিকার একটি প্রাচীন সভ্যতা।
- ইনকা সভ্যতা পেরুকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছিল।
- প্রশান্ত মহাসাগরীয় উপকূল এবং আন্দিজ পর্বতমালা বরাবর উত্তর ইকুয়েডর থেকে মধ্য চিলি পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল।
- ইনকা সভ্যতার ধ্বংসাবশেষ দেখা যায় পেরুর মাচু পিচুতে।
- স্থপতি: মানকো কাপেন।
- ভাষা: কেচুয়া

তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা।
২,৬৭৯.
ভিয়েতনাম ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার দ্বন্দ্ব নিরসনে কোন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল?
  1. প্যারিস শান্তি চুক্তি
  2. ওয়েস্টফালিয়া চুক্তি
  3. ডেটন চুক্তি
  4. জেনেভা চুক্তি
সঠিক উত্তর:
প্যারিস শান্তি চুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্যারিস শান্তি চুক্তি
ব্যাখ্যা
• প্যারিস শান্তি চুক্তি:
- ১৯৭৩ সালের ২৭ জানুয়ারি ভিয়েতনাম যুদ্ধ বন্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ভিয়েতনামের বিভিন্ন পক্ষের মধ্যে প্যারিস শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিলো।
- এই চুক্তির ফলে রক্তক্ষয়ী ভিয়েতনাম ‍যুদ্ধের অবসান হয়।

অন্যদিকে,
- জেনেভা চুক্তির (১৯৫৪ সালের ২০ জুলাই) মাধ্যমে ভিয়েতনাম দুভাগে বিভক্ত হয়।
- ১৬৪৮ সালে ইউরোপীয় শক্তিসমূহের মধ্যে শান্তি স্থাপনে ওয়েস্টফালিয়া চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

উৎস: বিটানিকা ও হিস্টোরি ওয়েবসাইট।
২,৬৮০.
ফকল্যান্ড যুদ্ধের পক্ষসমূহ-
  1. ক) ফ্রান্স ও আর্মেনিয়া
  2. খ) আর্জেন্টিনা ও তুরস্ক
  3. গ) যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্স
  4. ঘ) যুক্তরাজ্য ও আর্জেন্টিনা
সঠিক উত্তর:
ঘ) যুক্তরাজ্য ও আর্জেন্টিনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) যুক্তরাজ্য ও আর্জেন্টিনা
ব্যাখ্যা
ফকল্যান্ড যুদ্ধ:
- যুদ্ধ সংঘটিত হয়- ২ এপ্রিল, ১৯৮২ সালে।
- শেষ হয়- ১৪ জুন, ১৯৮২ সালে।
- পক্ষসমুহ: যুক্তরাজ্য ও আজের্ন্টিনা।
- যুদ্ধ সংঘটরেন স্থান- পকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ, দক্ষিণ জর্জিয়া দ্বীপ ও দক্ষিণ স্যান্ডইচ  দ্বীপ।
- যুদ্ধের ফলাফল- যুক্তরাজ্য বিজয়ী ও ফকল্যান্ড সহ কয়েকটি দ্বীপাঞ্চলে যুক্তরাজ্যের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ২ এপ্রিল, ১৯৮২ সালে আর্জেন্টিনার  তৎকালাীন সামরিক সরকার দক্ষিণ আটলান্টিক মহাসাগরে অবস্থিত ব্রিটিশ নিয়ন্ত্রিত ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ, দক্ষিণ জর্জিয়া ও দক্ষিণ স্যান্ডইচ দ্বীপে আক্রমণ করে দখল করে নেয়।
- ব্রিটিশ তৎকালাীন প্রধানমন্ত্রী আজেন্টিনার উপর সর্বাত্মক যুদ্ধ ঘোষণা করেন।
- সকল নৌযুদ্ধে হেরে আর্জেন্টিনা ১৪ জুন, ১৯৮২ সালে আত্মসর্মপনে সম্মত হয় । এর ফলে ঐসকল দ্বীপে আবার ব্রিটিশ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠিত হয়। যুদ্ধে পরাজয়ের ফলে ১৯৮৩ সালে আজের্ন্টিনায় সামরিক সরকার ক্ষমতা হারায়।

তথ্যসূত্র: Britannica & History.com
২,৬৮১.
কোনো সমস্যা সমাধানে সুশীল সমাজের উদ্যোগকে কী ধরনের কূটনীতি বলা হয়?
  1. পাবলিক কূটনীতি
  2. ট্র্যাক টু কূটনীতি
  3. ট্র্যাক ওয়ান কূটনীতি
  4. মাল্টি ট্র্যাক কূটনীতি
সঠিক উত্তর:
ট্র্যাক টু কূটনীতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ট্র্যাক টু কূটনীতি
ব্যাখ্যা
ট্র্যাক টু কূটনীতি:

• কূটনীতি শব্দটি ফরাসি ভাষার।
• ট্র্যাক টু কূটনীতি বলতে বোঝায় একদেশের সুশীল সমাজ বা মিডিয়া তথা কোনো সমস্যা সমাধানে প্রভাব ফেলে তাকে। 
• ট্র্যাক টু কূটনীতির ধারণাটি ১৯৭০ দশকে উদ্ভূত হয়েছিল। 
• ১৯৮১ সালে ফরেন পলিসির সহ-লেখক উইলিয়াম ডি. ডেভিডসন এবং জোসেফ ভি. মন্টভিল সর্ব প্রথম এই শব্দটি ব্যবহার করেন।
• ট্র্যাক II কূটনীতিকে ব্যাকচ্যানেল কূটনীতি ও বলা হয়ে থাকে।
• বিশ্বের যে কোন বিবাদ মীমাংসায় সুশীল সমাজের উদ্যোগকে ট্র্যাক টু কূটনীতি বলা হয়।
• যেমন - রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে বাংলাদেশ সরকারের ট্রাক টু ডিপ্লোমেসি গ্রহন।
• কোন সরকারের পক্ষে বা সরকারের জন্য অন্যদেশের নীতি নির্ধারনের উপর দাতা গোষ্ঠির প্রভাবকে ট্র্যাক থ্রী কূটনীতি বলে।
• পাবলিক কূটনীতি: বিদেশী জনসাধারণের সাথে সরাসরি যোগাযোগের লক্ষ্যে বিভিন্ন সরকার স্পন্সরকৃত প্রচেষ্টা।
• একইসাথে বিভিন্নমুখী কূটনৈতিক উদ্যোগকে বিভিন্ন ট্র্যাকে একই সঙ্গে চালিয়ে যাওয়া হয়, তাকে মাল্টি ট্র্যাক কূটনীতি বলে

উৎস: ব্রিটিনিকা, mecouncil.org & ডেইলি স্টার পত্রিকা রিপোর্ট।
২,৬৮২.
'পার্লামেন্টের জননী' বলা হয় -
  1. ক) ফ্রান্সের সংসদকে
  2. খ) নাইরোবির সংসদকে
  3. গ) যুক্তরাজ্যের সংসদকে
  4. ঘ) নিউজিল্যান্ডের সংসদকে
সঠিক উত্তর:
গ) যুক্তরাজ্যের সংসদকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) যুক্তরাজ্যের সংসদকে
ব্যাখ্যা
যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টকে “পার্লামেন্টের জননী” (Mother of Parliaments) বলা হয় ।

• পার্লামেন্ট:

- যুক্তরাজ্য বা গ্রেট ব্রিটেনের আইন সভার নাম পার্লামেন্ট।
- এটি গ্রেট ব্রিটেনের আইন প্রণয়ন সম্পর্কিত কার্যক্রমের সর্বোচচ সংস্থা। 
- রাজা বা রানী এবং পার্লামেন্টের দু'টি কক্ষ - হাউস অব লর্ডস (House of Lords)এবং হাউস অব কমন্স (House of Commons) কে নিয়ে এই পার্লামেন্ট গঠিত হয়েছে। 
- এ পার্লামেন্ট সুদীর্ঘকাল ধরে প্রথা পদ্ধতির মাধ্যমে নিরবিচ্ছিন্নভাবে বিকাশ লাভ করেছে। 
- আধুনিক বিশ্বের অনেক স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্রের আইন সভা ব্রিটিশ পার্লামেন্টের অনুকরণে গড়ে উঠেছে।

এছাড়াও,
- রাশিয়ার পার্লামেন্ট - ফেডারেল এসেম্বলি।
- জাপানের পার্লামেন্ট - ডায়েট। 
- ডেনমার্কের পার্লামেন্ট - ফোকেটিং।
- যুক্তরাষ্ট্রের পার্লামেন্ট - কংগ্রেস।
 
উৎস: রাষ্ট্রবিজ্ঞান : বৈদেশিক রাজনৈতিক ব্যবস্থা, এসএসএইচএল প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং ব্রিটানিকা। 
২,৬৮৩.
মারাকাইবো হ্রদ কোথায় অবস্থিত?
  1. বলিভিয়া
  2. চিলি
  3. ব্রাজিল
  4. ভেনিজুয়েলা
সঠিক উত্তর:
ভেনিজুয়েলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভেনিজুয়েলা
ব্যাখ্যা

ভেনিজুয়েলা:
- ভেনিজুয়েলা দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশের অবস্থিত।
- ভেনিজুয়েলার উত্তরে ক্যারিবিয়ান সাগর এবং আটলান্টিক মহাসাগর, পূর্বে গায়ানা, দক্ষিণে ব্রাজিল এবং দক্ষিণ-পশ্চিম ও পশ্চিমে কলম্বিয়া দ্বারা বেষ্টিত।
- রাষ্ট্রীয় নাম: বলিভারিয়ান রিপাবলিক অফ ভেনিজুয়েলা।
- রাজধানী: কারাকাস।
- মারাকাইবো হ্রদ ভেনিজুয়েলাতে অবস্থিত।
- ভেনিজুয়েলার অ্যাঞ্জেল জলপ্রপাত বিশ্বের সর্বোচ্চ জলপ্রপাত।

উল্লেখ্য, 
- টিটিকাকা হ্রদ পেরু এবং বলিভিয়ার মধ্যে অবস্থিত।
- এটি দক্ষিণ আমেরিকার বৃহত্তম মিঠা পানির হ্রদ।

উৎস: Britannica.

২,৬৮৪.
‘At Night All Blood Is Black’ উপন্যাসটির লেখক কে?
  1. কার্ল মার্কস
  2. জে কে রাউলিং
  3. ডেভিড দিওপ
  4. জর্জি গোসপোদিনভ
সঠিক উত্তর:
ডেভিড দিওপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডেভিড দিওপ
ব্যাখ্যা
At Night All Blood Is Black:
- ‘At Night All Blood Is Black’ উপন্যাসটির লেখক ডেভিড দিওপ।

উল্লেখ্য,
- ডেভিড ডিওপ একজন ফরাসি লেখক।
- তিনি তার দ্বিতীয় উপন্যাস 'At Night All Blood Is Black'-এর জন্য বুকার পুরস্কার পেয়েছিলেন।
- তিনিই প্রথম ফরাসি লেখক যিনি এই পুরস্কার পেলেন।
- তার প্রপিতামহের প্রথম বিশ্বযুদ্ধের অভিজ্ঞতাই হলো এই উপন্যাসের ভিত্তি।

অন্যদিকে,
- Time Shelter উপন্যাসের লেখক জর্জি গোসপোদিনভ।
- ‘হ্যারি পটার’ সিরিজের লেখক হলেন জে কে রাউলিং।
- কার্ল মার্কস-এর উল্লেখযোগ্য বই: The Communist Manifesto, Das Kapital.

উৎস: জুন ২০, ২০২১, The Guardian.
২,৬৮৫.
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের D-Day অভিযানে কোন তিনটি দেশ প্রধান ভূমিকা পালন করেছিল?
  1. যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন, ফ্রান্স
  2. জার্মানি, ইতালি, জাপান
  3. যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন, কানাডা
  4. যুক্তরাষ্ট্র, সোভিয়েত ইউনিয়ন, চীন
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন, কানাডা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন, কানাডা
ব্যাখ্যা
→ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের D-Day অভিযানে  যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন, কানাডা এই তিনটি দেশ প্রধান ভূমিকা পালন করেছিল।

D-Day:
- D-Day ছিল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিন, যা ৬ জুন ১৯৪৪ সালে ঘটেছিল।
- এই দিনে মিত্রবাহিনী (যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন, কানাডা) ফ্রান্সের নরম্যান্ডি সৈকতে জার্মান বাহিনীর বিরুদ্ধে আক্রমণ চালায়।
- অপারেশন ওভারলর্ড নামে পরিচিত এই অভিযানে প্রায় ১,৩৫,০০০ সৈন্য অংশ নেয়।
- মিত্রবাহিনী এমন একটি জায়গা খুঁজছিল, যেখানে সমুদ্রপথ ছোট, বিমান সহায়তা সম্ভব, এবং একটি গুরুত্বপূর্ণ বন্দর থাকবে। তাই তারা নরম্যান্ডি নির্বাচন করে।
- জার্মানি "অ্যাটলান্টিক ওয়াল" নামে এক বিশাল প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলেছিল, যাতে বাঙ্কার, কামান ও পর্যবেক্ষণ পোস্ট ছিল।
- এই যুদ্ধের ফলে মিত্রবাহিনী ইউরোপে প্রবেশ করতে সক্ষম হয়, যা জার্মানির পরাজয়ের শুরু ঘটায়।

তথ্যসূত্র: worldhistory.org ওয়েবসাইট। [লিঙ্ক]
২,৬৮৬.
এশিয়ার দীর্ঘতম নদী কোনটি?
  1. ইয়াংসিকিয়াং নদী
  2. আমুর নদী
  3. হোয়াংহো নদী
  4. মেকং নদী
সঠিক উত্তর:
ইয়াংসিকিয়াং নদী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইয়াংসিকিয়াং নদী
ব্যাখ্যা
ইয়াংসিকিয়াং:
- এশিয়া ও চীনের দীর্ঘতম নদী ইয়াংসিকিয়াং।
- এটি পৃথিবীর ৩য় দীর্ঘতম নদী।
- নদীটির দৈর্ঘ্য ৩,৯১৫ মাইল (৬,৩০০ কিমি)।
- এর অববাহিকা, পশ্চিম থেকে পূর্ব পর্যন্ত প্রায় ২,০০০ মাইল (৩,২০০ কিমি) এবং উত্তর থেকে দক্ষিণে ৬০০ মাইল (১,০০০ কিমি) এরও বেশি সময় পর্যন্ত বিস্তৃত।
- তিব্বতের মালভূমি এর উৎপত্তিস্থল এবং পতিত হয়েছে পূর্ব চীন সাগরে।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
২,৬৮৭.
'অগ্নি-৫' ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের সফল পরীক্ষা চালায়-
  1. ক) রাশিয়া
  2. খ) চীন
  3. গ) ভারত
  4. ঘ) ফ্রান্স
সঠিক উত্তর:
গ) ভারত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ভারত
ব্যাখ্যা

- ২৭ অক্টোবর ২০২১ তারিখে চীনের সাথে দ্বন্দের মাঝেই ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র অগ্নি-৫ এর সফল পরীক্ষা চালায় ভারত।
- যা ৫০০০ কিলোমিটারের বেশি দূরত্বের লক্ষ্যবস্তুতেও আঘাত হানতে সক্ষম।

২,৬৮৮.
LUFTHANSA কি?
  1. ক) সুইজারল্যান্ডের বিমান সংস্থা
  2. খ) লিবিয়ার বিমান সংস্থা
  3. গ) স্পেনের বিমান সংস্থা
  4. ঘ) জার্মানির বিমান সংস্থা
সঠিক উত্তর:
ঘ) জার্মানির বিমান সংস্থা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) জার্মানির বিমান সংস্থা
ব্যাখ্যা
লুফথানসা জার্মান ভিত্তিক বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ বিমান সংস্থা।

Source: World Atlas
২,৬৮৯.
আঠারো শতকের দ্বিতীয়ার্ধে ইংল্যান্ডের সমাজের আর্থ-সামাজিক পরিবর্তনকে ‘ইন্ডাস্ট্রিয়াল রেভ্যুলেশন’ হিসেবে অভিহিত করেন কে?
  1. ক) আর্নল্ড টয়েনবি
  2. খ) গ্রান্ট পাউলি
  3. গ) জেরেমি বেন্থাম
  4. ঘ) বান্ট্রান্ড রাসেল
সঠিক উত্তর:
ক) আর্নল্ড টয়েনবি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) আর্নল্ড টয়েনবি
ব্যাখ্যা
- আঠারো শতকের মধ্যভাগে ইংল্যান্ডে শিল্প বিপ্লবের সূচনা ঘটে। এরপর তা সমগ্র ইউরোপে ছড়িয়ে পড়ে।
- শিপ্ল বিপ্লবের ফলে গ্রামীণ কৃষিভিত্তিক সমাজ শহুরে কলকারখানা নির্ভর সমাজে পরিবর্তিত হতে থাকে। এই পরিবর্তন মানবজীবনের অন্যান্য ক্ষেত্রেও প্রভাব ফেলে।
- আঠারো শতকের দ্বিতীয়ার্ধের ইংল্যান্ডের সমাজের এরূপ পরিবর্তনকে আর্নল্ড টয়েনবি ‘ইন্ডাস্ট্রিয়াল রেভ্যুলেশন’ হিসেবে অভিহিত করেন।
(তথ্যসূত্রঃ ব্রিটানিকা)
২,৬৯০.
'ট্রুথ সোশ্যাল' কোন দেশের তৈরি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম?
  1. চীন
  2. মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র 
  3. রাশিয়া
  4. উত্তর কোরিয়া
সঠিক উত্তর:
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র 
ব্যাখ্যা

- ফেসবুক-টুইটারের মতো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম 'ট্রুথ সোশ্যাল' ।
- যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ফেসবুক-টুইটার-ইউটিউবের বিকল্প হিসেবে ট্রুথ সোশ্যাল চালু করেন।
- ডোনাল্ড ট্রাম্পের মালিকানাধীন ট্রাম্প মিডিয়া অ্যান্ড টেকনোলজি গ্রুপ (টিএমটিজি) ও একটি বিশেষ অধিগ্রহণ সংস্থা ডিজিটিল ওয়ার্ল্ড অ্যাকুইজিশন করপোরেশন (ডিডব্লিউএসি) একীভূত হয়ে প্রতিষ্ঠানটি গঠন হয়।
- এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এর একটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম।

উৎস: চ্যানেল টুয়েন্টি ফোর।

২,৬৯১.
'দ্য পেলোপনেসিয়ান ওয়ার' - বইটি কে লিখেছেন?
  1. হেরোডোটাস
  2. ইউরিপিদিস
  3. এসকাইলাস
  4. থুকিডাইডিস
সঠিক উত্তর:
থুকিডাইডিস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
থুকিডাইডিস
ব্যাখ্যা
প্রাচীন গ্রিসের সাহিত্য:
- সাহিত্যের ক্ষেত্রে প্রাচীন গ্রিসের সৃষ্টি আজও মানব সমাজের মূল্যবান সম্পদ।
- হোমারের মহাকাব্য 'ইলিয়ড' এবং 'ওডিসি' মহাকাব্যের অপূর্ব নিদর্শন।
- বিয়োগান্তক নাটক রচনায় গ্রিকরা বিশেষ পারদর্শী ছিল।
- 'এসকাইলাস'কে এই ধরনের নাটকের জনক বলা হয়।
- তার রচিত বিখ্যাত দুটি নাটকের নাম 'প্রমিথিউস বাউন্ড' ও 'আগামেমন'।
- গ্রিসের শ্রেষ্ঠ নাট্যকার ছিলেন সোফোক্লিস। তিনি একশটিরও বেশি নাটক রচনা করেন।
- তার বিখ্যাত নাটকের মধ্যে রাজা 'অয়দিপাউস', 'আন্তিগোনে' ও 'ইলেকট্রা' অন্যতম।
- আর এক বিখ্যাত নাট্যকারের নাম ইউরিপিদিস।
- এরিস্টোফেনেসের মিলনান্তক ও ব্যঙ্গ রচনায় বিশেষ খ্যাতি ছিল।
- ইতিহাস রচনা শুরু করে গ্রিকরা।
- হেরোডোটাস প্রথম ইতিহাস রচনা শুরু করেন বলে তাঁকে ইতিহাসের জনক বলা হয়।
- তাঁর রচিত ইতিহাস সংক্রান্ত প্রথম বইটি ছিল গ্রিস ও পারস্যের মধ্যকার যুদ্ধ নিয়ে।
- থুকিডাইডিস ছিলেন বিজ্ঞানসম্মত ইতিহাসের জনক।
- তাঁর বইটির শিরোনাম ছিল 'দ্য পেলোপনেসিয়ান ওয়ার'।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৬৯২.
ভাস্কো দা গামা কত সালে ইউরোপ থেকে ভারতে আসার জলপথ আবিষ্কার করেন?
  1. ক) ১৪৯২ সালে
  2. খ) ১৪৯৬ সালে
  3. গ) ১৪৯৮ সালে
  4. ঘ) ১৪৯০ সালে
সঠিক উত্তর:
গ) ১৪৯৮ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৪৯৮ সালে
ব্যাখ্যা
পর্তুগালের রাজা প্রথম ম্যানুয়েলের পৃষ্ঠপোষকতায় পর্তুগিজ নাবিক ভাস্কো দা গামা ১৪৯৭ সালে ভারতের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করেন। ১৪৯৮ সালের মে মাসে উত্তমাশা অন্তরীপ হয়ে তিনি ভারতের কালিকট বন্দরে পৌছান। এরপর থেকে ভারতীয় উপমহাদেশে ইউরোপীয়দের আগমন শুরু হয়।
(সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
২,৬৯৩.
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে হাওয়াই দ্বীপের মার্কিন নৌঘাঁটি পার্ল হারবার আক্রমণ করে-
  1. ক) ইতালি
  2. খ) রাশিয়া
  3. গ) জাপান
  4. ঘ) জার্মানি
সঠিক উত্তর:
গ) জাপান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) জাপান
ব্যাখ্যা
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে অংশগ্রহণকারী জাপান, জার্মানি ও ইতালিকে একত্রে অক্ষশক্তি বলা হয়।
জাপান ৭ ডিসেম্বর, ১৯৪১ সালে পার্ল হারবারে অবস্থিত মার্কিন নৌঘাঁটি আক্রমণ করে।
এজন্য ১৯৪১ সালের ৮ ডিসেম্বর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে অংশগ্রহণ করে।
উৎসঃ এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।
২,৬৯৪.
ইন্দোনেশিয়ার বর্তমান প্রেসিডেন্ট কে? [সেপ্টেম্বর, ২০২৫]
  1. প্রাবোও সুবিয়ান্তো
  2. জোকো উইদাদো
  3. জেনারেল বিরান্তো
  4. জেনারেল হাবিবি
সঠিক উত্তর:
প্রাবোও সুবিয়ান্তো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রাবোও সুবিয়ান্তো
ব্যাখ্যা

ইন্দোনেশিয়া:
- দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ ইন্দোনেশিয়া।
- দেশটি অস্ট্রেলিয়ার উত্তরে এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মূল ভূখ- থেকে প্রশান্ত মহাসাগর ও ভারত মহাসাগরের মধ্যে অবস্থিত।
- বিশ্বের বৃহত্তম মুসলিম জনসংখ্যার দেশ ইন্দোনেশিয়া।
- স্থল সীমান্ত রয়েছে মালয়েশিয়া, বোর্নিও, পাপুয়া নিউগিনি ও পূর্ব তিমুর এবং সরু প্রণালী দ্বারা আলাদা হয়েছে সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া ও ফিলিপাইনের সঙ্গে।
- রাজধানী: জাকার্তা।
- মুদ্রা: ইন্দোনেশীয় রুপিয়া।
- ইন্দোনেশিয়ার প্রধান দ্বীপ হলো: সুমাত্রা, জাভা, বোর্নিও, সুলাওয়েসি, পাপুয়া নিউ গিনি।
- বর্তমান প্রেসিডেন্ট: প্রাবোও সুবিয়ান্তো।

উল্লেখ্য,
- ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রপ্রধান একইসঙ্গে নির্বাহী প্রধান।
- প্রাবোও সুবিয়ান্তো  ২০২৪ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জয় লাভ করে প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন। 

উৎস: i) Britannica.
ii) BBC.

২,৬৯৫.
সুয়েজ খাল সংযুক্ত করেছে-
  1. ক) ভারত মহাসাগর ও প্রশান্ত মহাসাগরকে
  2. খ) ভূ-মধ্য সাগর ও মর্মর সাগরকে
  3. গ) লোহিত সাগর ও ভূ-মধ্য সাগরকে
  4. ঘ) কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
গ) লোহিত সাগর ও ভূ-মধ্য সাগরকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) লোহিত সাগর ও ভূ-মধ্য সাগরকে
ব্যাখ্যা
- ১৮৬৯ সালে সুয়েজ খাল খনন করা হয়।
- এটি ভূমধ্যসাগরের সাথে লোহিত সাগরকে যুক্ত করেছে।
- অন্যদিকে এই খাল মিশরের মূল ভূখন্ড থেকে সিনাই উপদ্বীপকে বিচ্ছিন্ন করেছে অর্থাৎ সুয়েজ খাল মিশর থেকে মিশরকেই পৃথক করেছে।
- মিশর ১৯৫৬ সালে সুয়েজ খাল জাতীয়করণ করে।
- এটির দৈর্ঘ্য ১৯৩ কিলোমিটার।

তথ্যসূত্র:এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।
২,৬৯৬.
পৃথিবীর প্রাচীনতম মানচিত্র পাওয়া যায় -
  1. ক) চীনের প্রাচীরের কাছে
  2. খ) দক্ষিণ আফ্রিকার ভিক্টোরিয়া প্রদেশে
  3. গ) ব্যাবিলনের উত্তরে গাথুর শহরের ধ্বংসাবশেষে
  4. ঘ) ইরানের সিরাজ শহরের ধ্বংসাবশেষে
সঠিক উত্তর:
গ) ব্যাবিলনের উত্তরে গাথুর শহরের ধ্বংসাবশেষে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ব্যাবিলনের উত্তরে গাথুর শহরের ধ্বংসাবশেষে
ব্যাখ্যা
- ইতিহাস খুঁজে জানা যায়, পৃথিবীর সবচেয়ে পুরনো মানচিত্রটি ব্যাবিলনের। এর নাম ইন্ডিগো মুন্ডি।
- এটি পাওয়া যায় আনুমানিক খ্রিস্টপূর্ব ৬০০ সালে বা যিশু খ্রিস্টের জন্মেরও প্রায় ৬০০ বছর আগে।
- মজার ব্যাপার হল, মানচিত্রটি হাতে আঁকা হয়নি। এটি ছিল একটি পোড়ামাটির ফলক। তবে সবচেয়ে প্রাচীন মানচিত্র হলেও সেটি ছিল শুধুই ব্যাবিলনের মানচিত্র।

- প্রথম পৃথিবীর মানচিত্র আঁকার চেষ্টা করেন অ্যানাঙ্গিম্যান্ডার।
- তার এ মানচিত্রটিকে আরেকটু উন্নত করেন হেক্টিয়াস অব মিলেটাস।
- তিনি এশিয়ার শেষ প্রান্ত ভারতের অবস্থানও দেখিয়েছিলেন। এমনকি মিসরের অবস্থানও ছিল তার মানচিত্রে।

উৎস : যুগান্তর পত্রিকা রিপোর্ট 
২,৬৯৭.
সুয়েজ খাল খনন করে কোন দেশ?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. ফ্রান্স
  3. মিশর
  4. ইরান
সঠিক উত্তর:
মিশর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মিশর
ব্যাখ্যা
সুয়েজ খাল:
- সুয়েজ খাল একটি কৃত্তিম সামুদ্রিক খাল।
- এটি মিশরের সিনাই উপদ্বীপের পশ্চিমে অবস্থিত।
- এটি ভূমধ্যসাগরকে লোহিত সাগরের সাথে যুক্ত করেছে।
- নির্মাণ শুরু হয়েছে: ২৫ এপ্রিল, ১৮৫৯।
- নির্মাণ শেষ হয়: ১৭ নভেম্বর, ১৮৬৯।
- খালটি মিশরের সুয়েজ ক্যানেল অথোরিটির মালিকানাধীন।
- শুরুতে এর দৈর্ঘ্য ছিল ১৬৪ কিলোমিটার এবং গভীরতা ছিল ৮ মিটার, সম্প্রসারণের পর ২০১০ সালের হিসাব মতে এর দৈর্ঘ্য ১৯০.৩ কিলোমিটার, গভীরতা ২৪ মিটার।
- বিশ্ববাণিজ্যের ১২ শতাংশ পরিবহন হয় এই পথ দিয়ে।

⇒ সুয়েজ খাল খনন করা হয়েছিল মিশর দ্বারা।
- এই খালের নির্মাণ কাজের নেতৃত্ব দেন ফরাসি প্রকৌশলী ফারদিনান্দ ডি লেসেপস।
- ১৮৫৯ সালে খালটি খনন শুরু হয় এবং ১৮৬৯ সালে এটি আনুষ্ঠানিকভাবে খুলে দেওয়া হয়।
- সুয়েজ খাল খননের মূল উদ্দেশ্য ছিল, আফ্রিকা মহাদেশকে অতিক্রম না করে, ইউরোপ ও এশিয়ার মধ্যে সরাসরি জলপথ সংযোগ স্থাপন করা, যা বাণিজ্য ও শিপিং কার্যক্রমকে দ্রুততর এবং সুবিধাজনক করে তোলে।
- এছাড়া, ১৯৫৬ সালে সুয়েজ সংকট (Suez Crisis) ঘটেছিল, যখন মিশরের রাষ্ট্রপতি গামাল আবদেল নাসের খালটি জাতীয়করণ করেন, যা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বিরোধ সৃষ্টি করেছিল।

উৎস: i) Suez Canal Authority.
ii) US Naval Institute.
২,৬৯৮.
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথম যে নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করেন-
  1. সাত মুসলিম দেশের নাগরিকদের আমেরিকা প্রবেশ সামরিক বন্ধ
  2. ওবামা কেয়ার বাতিল
  3. NAFT চুক্তি বাতিল
  4. মেক্সিকো সীমান্তে দেয়াল নির্মাণ
সঠিক উত্তর:
ওবামা কেয়ার বাতিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওবামা কেয়ার বাতিল
ব্যাখ্যা
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথম ওবামা কেয়ার বাতিলের  নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করেন।

- নির্বাহী আদেশ হলো কেন্দ্রীয় সরকার বরাবর প্রেসিডেন্টের স্বাক্ষরযুক্ত লিখিত আদেশ, যা বাস্তবায়নে কংগ্রেসের অনুমোদন লাগে না।
- গুরুত্বপূর্ণ কোনো নীতির পরিবর্তন থেকে শুরু করে সাধারণ বিষয়েও নির্বাহী আদেশ জারি করতে পারেন মার্কিন প্রেসিডেন্টরা।
- যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানের ২ নম্বর অনুচ্ছেদে প্রেসিডেন্টকে নির্বাহী আদেশ জারি করার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। বলা হয়েছে, ‘যুক্তরাষ্ট্রের যেকোনো প্রেসিডেন্টের হাতে নির্বাহী ক্ষমতা ন্যস্ত থাকবে।’ 
- ৪৪তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার শাসনামলে প্রণীত সবচেয়ে আলোচিত একটি প্রকল্প যা ওবামা কেয়ার নামে পরিচিত।
- দেশটির ৪৫তম প্রেসিডেন্ট হিসেবে স্থলাভিষিক্ত হন ট্রাম্প।
- প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেবার পর ডোনাল্ড ট্রাম্প হোয়াইট হাউসে ২০ জানুয়ারি ২০১৭ ওবামা কেয়ার বাতিলের আদেশে স্বাক্ষর করেন।

তথ্যসূত্র- প্রথম আলো রিপোর্ট।
২,৬৯৯.
নিচের কোনটি ইউরোপের মুসলিম অধ্যুষিত দেশ?
  1. মালটা
  2. হাঙ্গেরি
  3. আলবেনিয়া
  4. ইস্তোনিয়া
সঠিক উত্তর:
আলবেনিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আলবেনিয়া
ব্যাখ্যা
আলবেনিয়া:
- আলবেনিয়া হলো ইউরোপের একটি ছোট দেশ।
- এটি ভূমধ্যসাগরের অন্তর্গত অ্যাড্রিয়াটিক সাগর এবং আয়োনীয় সাগরের মধ্যে অবস্থিত।
- এর রাজধানী তিরানা।
- আলবেনিয়া একটি প্রধানত মুসলিম দেশ।
- দেশটির ৫৬.৭% জনসংখ্যা মুসলিম ধর্মাবলম্বী।
- এটি ইউরোপের একমাত্র মুসলিম অধ্যুষিত দেশ।

উৎস: Britannica.
২,৭০০.
বেরিং প্রণালী কোন দুটি দেশকে পৃথক করেছে?
  1. চীন ও জাপান
  2. কানাডা ও রাশিয়া
  3. রাশিয়া ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
  4. জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়া
সঠিক উত্তর:
রাশিয়া ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাশিয়া ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা

বেরিং প্রণালী:
-বেরিং প্রণালী হল প্রশান্ত মহাসাগরের সবচেয়ে উত্তরের অংশ।
- এই প্রণালী এশিয়া মহাদেশ ও উত্তর আমেরিকা মহাদেশ পৃথক করেছে।
- দেশ হিসেবে রাশিয়া ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে পৃথক করেছে এই প্রণালী।
- বেরিং প্রণালী এবং সাগর উভয়েরই নামকরণ করা হয়েছিল ভিটাস বেরিংয়ের সম্মানে।
- বেরিং প্রণালী তুলনামূলকভাবে অগভীর। 
- এর গড় গভীরতা ৫০ মিটার। এটি গভীরতম বিন্দুতে মাত্র ৯০ মিটার গভীর।
- প্রণালীতে ডায়োমেড দ্বীপপুঞ্জ এবং সেন্ট লরেন্স দ্বীপপুঞ্জসহ অসংখ্য দ্বীপ রয়েছে।

তথ্যসূত্র - Worldatlas.com