উত্তর
ব্যাখ্যা
Source: World Atlas
PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন
PrepBank · পাতা ১৭ / ৯৩ · ১,৬০১–১,৭০০ / ৯,৩৩৪
• সুমেরীয় সভ্যতা:
- সুমেরীয়দের আবিষ্কৃত লিখন পদ্ধতির নাম “কিউনিফর্ম” (Cuneiform)।
- কিউনিফর্ম লিপি বাম থেকে ডানদিকে লেখাঁ হত এবং এর বর্ণের সংখ্যা ছিলো — ৩২টি।
- তারা বিশ্বের প্রথম মহাকাব্য হিসাবে বিবেচিত — “গিলগামেশের মহাকাব্য” (Epic of Gilgamesh) রচনা করেছিলেন।
তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা ও হিস্টরি.কম এবং বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, অষ্টম শ্রেণি।
জৈনধর্ম:
- জৈনধর্ম হলো ভারতীয় উপমহাদেশের একটি প্রাচীন ধর্ম। এই ধর্ম বিশ্বের প্রাচীনতম ধর্মমতগুলোর অন্যতম।
- জৈনদের প্রধান ধর্মগ্রন্থের নাম দ্বাদশ অঙ্গ। জৈনদের দুটি প্রধান সমপ্রদায়ের নাম শ্বেতাম্বর ও দিগম্বর।
⇒ জৈন শব্দটি এসেছে সংস্কৃত জিন শব্দ থেকে। সংস্কৃতিতে জিন অর্থ জয়ী। যে মানুষ আসক্তি, আকাঙ্ক্ষা, ক্রোধ, অহংকার, লোভ ইত্যাদি জয়ের মাধ্যমে পবিত্র অনন্ত জ্ঞান লাভ করেছে, তাকে জিন বলা হয়। জিনদের আচরিত ও প্রচারিত পথের অনুগামীদের বলে জৈন।
- এরা তাদের প্রধান ধর্মগুরুকে বলতেন তীর্থঙ্কর।
- জৈনরা তাদের ইতিহাসে চব্বিশজন তীর্থঙ্করের কথা উল্লেখ করেছেন।
- এঁদের শিক্ষাই জৈনধর্মের মূল ভিত্তি।
- জৈনদের প্রথম তীর্থঙ্করের নাম ঋষভনাথ এবং সর্বশেষ তীর্থঙ্করের নাম মহাবীর।
⇒ খ্রিস্টপূর্ব ৬ষ্ঠ শতাব্দীতে জৈনধর্মের সর্বাধিক প্রভাবশালী প্রচারক ছিলেন মহাবীর। তিনি জৈনধর্মের ২৪তম তীর্থঙ্কর। মহাবীরকে অনেক সময় ভুলবশত জৈনধর্মের প্রবর্তক মনে করা হয়। প্রকৃতপক্ষে জৈনধর্ম তাঁর আগে থেকে প্রচলিত ছিল এবং তিনি গোড়া থেকেই এই ধর্মের অনুগামী ছিলেন।
- মহাবীরের পূর্বসূরি ২৩তম তীর্থঙ্কর ছিলেন পার্শ্বনাথ।
- ২২তম তীর্থঙ্কর নেমিনাথ ছিলেন পার্শ্বনাথের পূর্বসূরি।
উৎস: i) Britannica.
ii) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, ষষ্ঠ শ্রেণি।
স্টিফেন হকিং:
- স্টিফেন হকিং ছিলেন একজন বিখ্যাত ব্রিটিশ তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানী।
- তিনি মূলত ব্ল্যাক হোল বা কৃষ্ণগহ্বর সম্পর্কিত গবেষণার জন্য পরিচিত।
- তার গবেষণায় তিনি আপেক্ষিক তত্ত্ব (relativity theory) এবং কোয়ান্টাম মেকানিক্স (quantum mechanics) – এই দুই জটিল তত্ত্বকে একত্রে প্রয়োগ করেন।
তার রচনাসমূহ:
- The Large Scale Structure of Space-Time (1973; coauthored with G.F.R. Ellis),
- Superspace and Supergravity (1981),
- The Very Early Universe (1983),
- A Brief History of Time: From the Big Bang to Black Holes (1988),
- The Universe in a Nutshell (2001),
- A Briefer History of Time (2005), and
- The Grand Design (2010; coauthored with Leonard Mlodinow).
উৎস: Britannica.
পিকিং মানব (Peking Man):
- পিকিং মানব হলো 'হোমো ইরেক্টাস' (Homo erectus) প্রজাতির একটি আদিম মানুষের গোষ্ঠী।
- ১৯২০-এর দশকে চীনের বেইজিংয়ের (তৎকালীন পিকিং) নিকটবর্তী ঝৌকৌদিয়ান (Zhoukoudian) গুহায় এদের জীবাশ্ম বা কঙ্কাল আবিষ্কৃত হয়।
- ধারণা করা হয়, এরা আজ থেকে প্রায় ৭,৫০,০০০ থেকে ২,৩০,০০০ বছর আগে বসবাস করত।
• আবিষ্কারের ইতিহাস:
- ১৯২১ সালে সুইডিশ ভূতাত্ত্বিক জোহান গুনার অ্যান্ডারসন প্রথম এই স্থানটি শনাক্ত করেন।
- পরবর্তীতে ১৯২৭ সালে কানাডীয় নৃতাত্ত্বিক ডেভিডসন ব্ল্যাক একটি দাঁত খুঁজে পান এবং একে একটি নতুন প্রজাতি হিসেবে ঘোষণা করেন।
- ১৯২৯ সালে চীনা প্রত্নতাত্ত্বিক পেই ওয়েনঝং (Pei Wenzhong) প্রথম একটি পূর্ণাঙ্গ খুলি (Skullcap) আবিষ্কার করেন।
• আগুনের ব্যবহার: পিকিং মানবের অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো আগুনের ব্যবহার।
- গুহায় পোড়া হাড় এবং ছাইয়ের স্তর দেখে প্রমাণিত হয়েছে যে, তারা আগুন নিয়ন্ত্রণ করতে এবং তা ব্যবহার করে খাবার রান্না করতে শিখিয়েছিল। এটি মানব বিবর্তনের ইতিহাসে একটি বিশাল মাইলফলক।
• হাতিয়ার তৈরি:
- মূলত শিকার করা এবং পশুর চামড়া ছাড়ানোর জন্য তারা কুঠার ও চাঁছনি ব্যবহার করত।
• রহস্যময় অন্তর্ধান (Missing Fossils):
- ১৯৪১ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় যখন জাপান চীন আক্রমণ করে, তখন নিরাপত্তার খাতিরে পিকিং মানবের আদি কঙ্কালগুলো যুক্তরাষ্ট্রে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
- কিন্তু যাত্রাপথে সেগুলো রহস্যজনকভাবে হারিয়ে যায় এবং আজ অবধি সেগুলোর কোনো হদিস পাওয়া যায়নি।
- বর্তমানে কেবল কঙ্কালগুলোর ছাঁচ (Casts) টিকে আছে।
উৎস: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট এবং ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক।
অমর্ত্য সেন:
- পরিচয় (Identity): বিশ্বখ্যাত ভারতীয় বাঙালি অর্থনীতিবিদ ও দার্শনিক।
- বিশেষ পরিচিতি: মানব উন্নয়ন তত্ত্ব (Human Development Approach)-এর অন্যতম প্রবর্তক।
- গবেষণার ক্ষেত্র: দারিদ্র্য, দারিদ্র্য, জনকল্যাণ অর্থনীতি, সামাজিক ন্যায়বিচার ও গণতন্ত্র।
- নোবেল পুরস্কার: ১৯৯৮ সালে অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার লাভ।
- নোবেল প্রাপ্তির কারণ: দারিদ্র্য ও দারিদ্র্যের অন্তর্নিহিত কারণ বিশ্লেষণ এবং জনকল্যাণমূলক অর্থনীতিতে মৌলিক অবদান।
- বিশ্বব্যাপী অবদান: মানব উন্নয়ন সূচক (HDI) ধারণা বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা।
- প্রধান গ্রন্থ: The Idea of Justice; Poverty and Famines: An Essay on Entitlements and Deprivation; Collective Choice and Social Welfare; On Economic Inequality; The Country of First Boys.
- বিশেষ তথ্য: দারিদ্র্য কেবল খাদ্য ঘাটতির নয়, বরং সামাজিক ও রাজনৈতিক বঞ্চনার ফল এই ধারণা প্রতিষ্ঠা করেছেন।
- গুরুত্ব: উন্নয়ন অর্থনীতিতে মানবকেন্দ্রিক ধারা রূপান্তরের পথপ্রদর্শক।
উৎস: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।
ডুরান্ড লাইন:
- ডুরান্ড লাইন আফগানিস্তান এবং পাকিস্তানের সীমান্তে অবস্থিত একটি সীমান্তরেখা যা দুইটি দেশের সীমারেখা নির্দেশ করে।
- এ রেখাটি পাকিস্তান ও আফগানিস্তান সীমান্তে প্রায় ২,৬৭০ কিলোমিটার জুড়ে অবস্থিত একটি আন্তর্জাতিক স্থল সীমান্ত।
- এর পশ্চিম প্রান্তটি ইরানের সীমান্ত পর্যন্ত এবং পূর্ব প্রান্তটি চীনের সীমান্ত পর্যন্ত চলে গেছে।
উল্লেখ্য,
- তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতীয় সিভিল সার্ভিসের একজন ব্রিটিশ কূটনৈতিক মার্টিমার ডুরান্ড ও আফগান রাজা আমীর আবদুর রহমান খান তাদের নিজ নিজ দেশের সীমা নির্ধারণের জন্য ১৮৯৩ সালে ব্রিটিশ ভারত ও আফগানিস্তানের আমিরাতের মধ্যে আন্তর্জাতিক সীমানা হিসেবে ডুরান্ড লাইন প্রতিষ্ঠা করেন।
- তখন থেকে আফগানিস্তান ও ব্রিটিশ ভারতের সীমানা ডুরাল্ড লাইন থেকে নির্ধারিত হয়।
উৎস: i) Britannica.
ii) WorldAtlas.
- থাই রাজপরিবারে বেশ কয়েকটি সাদা হাতি থাকার কারণে থাইল্যান্ডকে প্রায়শই সাদা হাতির দেশ বলা হয় ,
- তবে দেশটির সরকারী নাম থাইল্যান্ড রাজ্য।
- এটি একটি একক রাষ্ট্র যার দক্ষিণে মালয়েশিয়া, পূর্বে কম্বোডিয়া এবং লাওস, উত্তর ও উত্তর-পশ্চিমে মিয়ানমার এবং দক্ষিণ-পশ্চিমে আন্দামান সাগর অবস্থিত।
- দেশটির আনুমানিক আয়তন ১৯৮,১১৬.৭ বর্গমাইল (৫১৩,১২০ বর্গকিলোমিটার)।
- এবং প্রায় ৭ কোটি লোকের বাসস্থান, যা এটিকে বিশ্বের ২০তম জনবহুল দেশ করে তুলেছে।
উল্লেখ্য,
- থাইল্যান্ডের প্রাচীন নাম হল "শ্যামদেশ"
উৎস: ব্রিটানিকা , ওয়ার্লড আটলাস।
• ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধ:
- ১৩ জুন ইরানে ইসরায়েলের হামলার মধ্য দিয়ে যুদ্ধ শুরু হয়।
- ২২ জুন যুক্তরাষ্ট্র ইরানের তিনটি পরমাণু কেন্দ্রে হামলার মধ্য দিয়ে এই যুদ্ধে জড়িয়ে যায়।
- ২৩ জুন ইরান কাতারসহ মধ্যপ্রাচ্যের তিনটি দেশের মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে পাল্টা হামলা চালায়।
- মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যুদ্ধ বিরতির কথা জানান ২৪ জুন।
- ইরান-ইসরায়েল '১২ দিনের যুদ্ধে' উভয়ের দেশেরই ব্যাপক অর্থনৈতিক ক্ষতি হয়েছে উভয় দেশের।
উল্লেখ্য,
- ১৩ জুন ২০২৫ ইসরায়েলের বিমান হামলায় নিহত হন ইরানের ছয় শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তা, ৯ পরমাণু বিজ্ঞানীসহ অন্তত ২৯ জন।
- পাল্টা জবাবে ইরান শতাধিক ড্রোন ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ে, যার কিছু তেল আবিবে আঘাত হানে– ৩৫ জন হতাহত হয়েছে।
তথ্যসূত্র: ডয়েচে ভেলে।
• বোস্টন টি পার্টি:
- Boston Tea party সংঘটিত হয়েছিল ১৭৭৩ সালের ১৬ ডিসেম্বর।
- এই পার্টিটি ছিল বোস্টনে সন অব লিবার্টিদের একটি রাজনৈতিক প্রতিবাদ।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে টি পার্টিটি একটি ঐতিহাসিক ঘটনা।
- ১৭৭০ সালের ৫ মার্চ বোস্টন রাজস্ব বিভাগের সামনে আমেরিকানদের সাথে ব্রিটিশ সৈনিকরা কর আদায়ের ইস্যুকে কেন্দ্র করে কয়েক দফা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।
- তখন ব্রিটিশরা উত্তেজিত ব্যবসায়ীদের দিকে গুলি ছুড়লে সেখানে ৫ জন নিহত হয়।
- অংশগ্রহণকারীরা কেউ কেউ আদিবাসী মার্কিনীদের ছদ্মবেশে চা আইনের বিরোধিতায়, ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি কর্তৃক প্রেরিত চায়ের একটি গোটা চালান ধ্বংস করে দেন।
- তারা এরপর জাহাজে উঠে পড়েন এবং চায়ের সিন্দুকগুলো বোস্টন পোতাশ্রয়ে ছুড়ে ফেলেন।
- ব্রিটিশ সরকার এর কঠোরভাবে জবাব দেয় এবং এই ঘটনাটি মার্কিন বিপ্লবের দিকে এগিয়ে যায়।
- এই ঘটনাটি ১৭৭৬ সালে আমেরিকার স্বাধীনতা যুদ্ধকে ত্বরান্বিত করে।
তথ্যসূত্র: History.com.
অ্যাডলফ হিটলার:
- ১৮৮৯ সালের এপ্রিল মাসে অস্ট্রিয়ার ব্রাউনাউ গ্রামে অ্যাডলফ হিটলার জন্মগ্রহণ করেন।
- অ্যাডলফ হিটলার ১৯৩৩ সালে জার্মানির চ্যান্সেলর নির্বাচিত হন।
-১৯৪৫ সালের এপ্রিলে আত্মহত্যার পূর্ব পর্যন্ত তিনি জার্মানির চ্যান্সেলর ছিলেন।
- তার রাজনৈতিক দলের নাম নাৎসী (Nazi) পার্টি।
- হিটলারের গোপন পুলিশ বাহিনী গেস্টাপো নামে পরিচিত।
- যুদ্ধই জীবন, যুদ্ধই সর্বজনীন বলেছেন- হিটলার।
- হিটলার মৃত্যু বরণ করেন- ৩০ এপ্রিল, ১৯৪৫ সালে।
উৎস: Britannica.com.
সুরিনাম:
- দাপ্তরিক নাম: সুরিনাম প্রজাতন্ত্র (Republic of Suriname)।
- রাজধানী: প্যারামারিবো (Paramaribo)।
- আয়তন: ১৬৩,৮২০ বর্গকিমি।
- অফিসিয়াল ভাষা: ডাচ (Dutch)।
- মুদ্রা: সুরিনামি ডলার (SRD)।
- সর্বোচ্চ বিন্দু: জুলিয়ানাটপ (১,২৮৬ মিটার)।
- স্বাধীনতা লাভ: ২৫ নভেম্বর, ১৯৭৫ (নেদারল্যান্ডস থেকে)।
• কয়েকটি দেশের রাজধানী:
- বেলিজ: বেলমোপান,
- গুয়েতেমালা: গুয়েতেমালা সিটি,
- এল সালভেদর: সান সালভেদর,
- নিকারাগুয়া: মানাগুয়া,
- পানামা: পানামা সিটি,
- হন্ডুরাস: তেগুচিগালপা।
উৎস: ব্রিটানিকা ওয়েবসােইট।
স্ক্যান্ডেনেভিয়ান অঞ্চলঃ (৩টি দেশ) - নরওয়ে, সুইডেন ও ডেনমার্ক। উল্লেখ্য, এসকল দেশের যে বিশেষ অঞ্চল রয়েছে, সেগুলোও এই স্ক্যান্ডেনেভিয়ান অঞ্চলের অন্তর্গত।
নর্ডিক অঞ্চলঃ (৫টি দেশ) - ফিনল্যান্ড, ডেনমার্ক, আইসল্যান্ড, সুইডেন ও নরওয়ে।
উৎসঃ এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা ও Live MCQ content (upcoming)
- জাপান এশিয়ার একটি উন্নত দেশ।
- জাপানকে সূর্যোদয়ের দেশ বলা হয়।
- জাপানের আইন সভার নাম ডায়েট।
- জাপানের রাষ্ট্রপ্রধান- সম্রাট।
- জাপানের সরকার প্রধান- প্রধানমন্ত্রী।
- জাপানের বর্তমান সম্রাট নারুহিতো। তিনি জাপানের ১২৬ তম সম্রাট।
উৎসঃ জাপানের সরকারি ওয়েবসাইট।
ফরাসি বিপ্লব:
- ফরাসি বিপ্লব সংঘটিত হয় ফ্রান্সে ১৭৮৯ সালে।
- ১৭৮৯ সালের ১৪ জুলাই ফ্রান্সের প্যারিসে শ্রমিক ও সাধারণ জনগণ খাদ্যের দাবিতে রাজতন্ত্রের অত্যাচারের প্রতীক বাস্তিল দুর্গ আক্রমণ করে।
- বাস্তিল দুর্গেল পতনের মাধ্যমে সমস্ত বন্দিরাও মুক্তি পায় এবং ফরাসি বিপ্লব শুরু হয়।
- এই বিপ্লব ১০ বছর স্থায়ী হয়েছিল। ১৭৯৯ সালে এই বিপ্লব শেষ হয়।
⇒ ফরাসি বিপ্লবের মূল উদ্দেশ্য:
- ফরাসি বিপ্লবের মূলমন্ত্র ছিল 'স্বাধীনতা, সাম্য, ভ্রাতৃত্ব'। এর লক্ষ্য ছিল সামাজিক ও অর্থনৈতিক বৈষম্য দূর করা এবং গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করা।
⇒ ফরাসি বিপ্লবের ফলাফল:
- ফরাসি বিপ্লবের মধ্য দিয়ে ফ্রান্সে রাজতন্ত্রের অবসান ঘটে এবং গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা পায়।
- ধর্মীয় ও ব্যক্তি স্বাধীনতা নিশ্চিত হয় এবং আইনের দৃষ্টিতে সকল নাগরিকের সমান অধিকারের ধারণা প্রাধান্য পায়।
- ফরাসি বিপ্লব আধুনিক ইউরোপের রাজনৈতিক, সামাজিক ও চিন্তার জগতে নতুন দিগন্তের সূচনা করে।
⇒ রাজার মৃত্যুদণ্ড:
- ফরাসি বিপ্লবের সময় ফ্রান্সের রাজা ছিলেন ষোড়শ লুই ও রানী ষোড়শ লুই-এর স্ত্রী মারি অ্যান্তনে।
- বিদ্রোহীদের কাছে শেষ পর্যন্ত বন্দী অবস্থায় উপনীত হন রাজা ষোড়শ লুই।
- আন্দোলনকারীদের কাছে কার্যত বন্দী রাজা ষোড়শ লুইয়ের বিচার শুরু হয়।
- ১৭৯৩ সালের ২১ জানুয়ারি শতসহস্র জনতার সম্মুখে রাজা ষোড়শ লুইসকে গিলোটিনে শিরোশ্ছেদ করা হয়। তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার সময় আয়োজিত ভোটে ৩৬১ জন মৃত্যুদণ্ডের পক্ষে এবং ২৮৮ জন বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছিলেন।
- অন্যদিকে তার স্ত্রীকেও বিচারের মুখোমুখি হতে হয়। বিচারের পর ১৬ অক্টোবর রানীর ক্ষেত্রেও একই শাস্তি কার্যকর করা হয়।
উল্লেখ্য,
- ফরাসি বিপ্লবের শিশু বলা হয় নেপোলিয়ন বোনাপার্টকে।
উৎস: Britannica.
মেসোপটেমীয়:
- মিসরীয় সভ্যতা মেসোপটেমিয়ার অংশ নয়।
- আধুনিক ইরাক রাষ্ট্রের মধ্যদিয়ে প্রবাহিত টাইগ্রিস ও ইউফ্রেটিস (যথাক্রমে দজলা ও ফোরাত) নদীর অববাহিকায় কয়েকটি সভ্যতার বিকাশ ঘটেছিল।
- এই অঞ্চলে গড়ে ওঠা সভ্যতাগুলো একত্রিতভাবে ‘মেসোপটেমীয় সভ্যতা' নামে পরিচিত।
- একে অনেকে ‘Fertile Crescent' বা 'অর্ধচন্দ্রাকৃতি উর্বর ভূমি'ও বলে থাকে।
- ৪০০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দে মিসরীয় সভ্যতার সমসাময়িক মেসোপটেমীয় সভ্যতা অনেকগুলো জাতির অবদানে গড়ে ওঠে।
- এ সকল জাতি গোষ্ঠীর মধ্যে সুমেরীয়, ব্যাবিলনীয়, কাসাইট, অ্যাসিরীয় এবং ক্যালডীয়রা অন্যতম।
- ‘মেসোপটেমিয়া' একটি গ্রিক শব্দ-যার অর্থই হলো দুই নদীর মধ্যবর্তী দেশ। আর দুই নদী বলতে ইউফ্রেটিস ও টাইগ্রিসকেই ইঙ্গিত করা হয়েছে।
- মেসোপটেমীয় সভ্যতার অগ্রদূত ছিলো সুমেরীয় জাতি।
- মেসোপটেমিয়া সভ্যতার অন্তগর্ত- সুমেরীয় সভ্যতা, ব্যাবিলনীয় সভ্যতা, অ্যাসেরীয় সভ্যতা, ক্যালডীয় সভ্যতা।
- ৫০০০ খ্রিস্টপূর্বে সুমেরীয় জাতি মেসোপটেমিয়ার দক্ষিণাংশে এবং পারস্য উপকূল অঞ্চলে বসবাস শুরু করে।
- এরা অ-সেমিটিক জাতিগোষ্ঠি এবং মধ্য এশিয়া থেকে স্থানান্তরিত হয়ে মেসোপটেমিয়া অঞ্চলে বসতি স্থাপন করে।
- লিখন পদ্ধতি, জ্ঞান-বিজ্ঞান চর্চা, আইন কানুন প্রণয়ন, ধর্মীয় অনুশাসন ইত্যাদি সুমেরীয়রাই প্রথম শুরু করে।
উৎস: ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
• ইরানের ইসলামিক বিপ্লব:
- এই বিপ্লবের সূত্রপাত ঘটে ১৯৭৮ সালের জানুয়ারিতে।
- এই বিপ্লব সংঘটিত হয় ১৯৭৯ সালে।
- এই বিপ্লবের মাধ্যমে ইরানের শাহ রাজতন্ত্রের পতন ঘটে।
- বিপ্লবের মাধ্যমে পাশ্চাত্যের প্রভাবমুক্ত হয়ে একটি ইসলামি প্রজাতন্ত্রে আবির্ভূত হয় ইরান।
- এই বিপ্লবের মাধ্যমে ইরানের তৎকালীন শাসক মোহাম্মদ রেজা শাহ পাহলভীর পতন ঘটে।
- ইরানের বিপ্লবের নায়ক ছিলেন আয়াতোল্লাহ রুহুলুল্লাহ খোমেনি।
- ১ এপ্রিল ১৯৭৯ খোমেনী ইরানকে ইসলামী প্রজাতন্ত্র ঘোষণা করেন।
- তিনি দীর্ঘদিন ফ্রান্সে নির্বাসিত ছিলেন।
তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।
রোমান সভ্যতা:
- খ্রিস্টপূর্ব দ্বিতীয় ও প্রথম শতকে রোমানরা গ্রিক সাম্রাজ্য দখল করে।
- রোমানরা ইতালি ও ইতালির পশ্চিম দিকে অবস্থিত ভূমধ্যসাগর তীরবর্তী দেশগুলো জয় করে।
- লাতিনদের একটি ক্ষুদ্র জাতি থেকে সুবিশাল সাম্রাজ্যের বিকাশ হয়, মধ্য ইটালির ল্যাটিয়ামে রোম ছিল তাদের প্রধান শহর।
- রোমান সাহিত্য-সংস্কৃতিতে গ্রিক সভ্যতার প্রভাব পরিলক্ষিত হয়.
- সে যুগে রোমান সাহিত্য চর্চা ছিল ব্যাপক। মলিয়ে পুটাস এবং টেরেন্স ছিলেন বিখ্যাত সাহিত্যিক ও নাট্যকার।
- রোমানরা গণপ্রজাতন্ত্রে বিশ্বাসী ছিলেন। ফলে শাসনকার্যে ধর্মীয় প্রভাব বা পুরোহিততন্ত্র পাকাপোক্ত হয়ে বসতে পারেনি।
- রোমানদের নিকট আকাশের দেবতা জুপিটার হিসেবে খ্যাত।
- গ্রিক দেবতা এথেনার জায়গায় রোমীয় দেবতা মিনার্ভা স্থান দখল করে।
- রোমের প্রেমের দেবতা ছিলেন ভেনাস।
- বাতাস এবং সমুদ্রের দেবতা নেপচুন রোমানদের নিকট খুবই জনপ্রিয় ও শক্তিশালী ছিল।
- প্রাচীন সভ্যতায় রোমানদের অন্যতম কৃতিত্ব হলো রোমান আইন ব্যবস্থা (Roman Law)।
- রোমান দেওয়ানী ও ফৌজদারী আইন (সিভিল ও ক্রিমিনাল'ল) খ্রিস্টপূর্ব পঞ্চম শতাব্দীতেই সংকলিত হয়।
তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা ও ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
আব্রাহাম লিংকন:
- আব্রাহাম লিংকন আমেরিকার ১৬তম প্রেসিডেন্ট ছিলেন।
- ১৮৬১ সাল- ১৮৬৫ সাল পর্যন্ত তিনি আমেরিকার প্রেসিডেন্ট পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন।
- যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় গৃহযুদ্ধ (১৮৬১–১৮৬৫) সংঘটিত হয় তাঁর প্রেসিডেন্সির সময়।
- ১৮৬৩ সালে তিনি Emancipation Proclamation ঘোষণা করেন, যার মাধ্যমে দক্ষিণের বিদ্রোহী রাজ্যগুলোর দাসদের মুক্ত ঘোষণা করা হয়।
উল্লেখ্য,
- গেটিসবার্গের ভাষণ (Gettysburg Address) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট আব্রাহাম লিংকনের একটি বিখ্যাত ভাষণ।
- ১৮৬৩ সালের ১৯ নভেম্বর পেনসিলভানিয়ার গেটিসবার্গে শহীদের স্মরণে সংক্ষিপ্ত ভাষণ দেন লিংকন।
- মাত্র তিন মিনিটে ২৭২ শব্দের বক্তৃতা শেষ করেন লিংকন।
- তিনি তাঁর ভাষণে বলেন, Government of the People , by the People, for the People. অর্থাৎ, ‘গণতন্ত্র হচ্ছে জনগণের সরকার, জনগণের দ্বারা এবং জনগণের জন্য’।
- যা গণতন্ত্রের সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ সংজ্ঞা হিসেবে আজও বিবেচিত।
- তিনি ১৫ এপ্রিল ১৮৬৫ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে মৃত্যুবরণ করেন।
তথ্যসূত্র - Britannica.
ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেল:
- তিনি ১২ মে ১৮২০ সালে ইতালিতে জন্মগ্রহন করেন।
- একজন স্বেচ্ছাসেবক নার্স হিসাবে, তাকে ক্রিমিয়ান যুদ্ধের সময় তুরস্কের সামরিক বাহিনীতে নার্সিংয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল।
- 'ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেল' নামটি ক্রিমিয়ার যুদ্ধের সাথে জড়িত।
- ক্রিমিয়ার যুদ্ধে আহতদের সেবা করে ফ্লোরেন্স নাইটেঙ্গেল 'লেডি উইথ দ্যা ল্যাম্প' খেতাব পান।
- ক্রিমিয়ার যুদ্ধে নার্সিং ইতিহাসের বৈপ্লবিক উন্নয়ন ও পরিবর্তন ঘটেছিল অপ্রতুল চিকিৎসা সেবার আলো হাতে নিয়ে পাশে এসে দাঁড়ান ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেল।
- ফ্লোরেন্স নাইটিংগেল কে লেডি উইথ দ্য ল্যাম্প বলা হয়।
- তাকে আধুনিক নার্সিংয়ের অগ্রদূতও বলা হয়।
- তিনি ১৩ আগস্ট ১৯১০ সালে লন্ডনে মৃত্যুবরণ করেন।
তথ্যসূত্র - Britannica.com
নাইন-ইলেভেন:
- ১১ সেপ্টেম্বরের হামলা যা নাইন/ইলেভেন নামেও পরিচিত।
- ২০০১ সালের ১১ই সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার সকালে যুক্তরাষ্ট্রের উপর আল কায়েদার একইসাথে চারটি সমন্বিত সন্ত্রাসী হামলা।
- ১১ সেপ্টেম্বর, ২০০১ সালে তৎকালীন আল-কায়দা চারটি যাত্রীবাহী বিমান ছিনতাই করে।
- হামলার পরিকল্পনা অনুযায়ী ২টি বিমান দিয়ে আঘাত করে নিউইয়র্কে অবস্থিত ১১০ তলা বিশিষ্ট ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে।
- ১ টি পেন্টাগনে ও ১ টি পেনসিলভেনিয়ায় ।
- ধ্বংসস্তূপটি কে গ্রাউন্ড জিরো বলা হয়।
- ২০০১ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ছিলেন জর্জ ডব্লিউ বুশ।
- এই হামলার পর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বুশ সরকার অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার জন্য Department of Homeland Security বিভাগ প্রতিষ্ঠা করেন।
সূত্র - Britannica.com.
প্রবেশদ্বার:
• ভারতের প্রবেশদ্বার:
- মুম্বাইকে ভারতের প্রবেশদ্বার বলা হয়।
- এটি ব্রিটিশ সাম্রাজ্য শাসনামলে নির্মিত হয়েছিল।
• ইউরোপের প্রবেশদ্বার:
- ভিয়েনা শহরকে 'ইউরোপের প্রবেশদ্বার' হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।
• বাংলাদেশের প্রবেশদ্বার:
- চট্টগ্রামকে বাংলাদেশের প্রবেশদ্বার হিসেবে পরিচিত করা হয়।
• পাকিস্তানের প্রবেশদ্বার:
- করাচিকে পাকিস্তানের প্রবেশদ্বার হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।
• ভূমধ্যসাগরের প্রবেশদ্বার:
- জিব্রাল্টারকে ভূমধ্যসাগরের প্রবেশদ্বার হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।
উৎস: ওয়ার্ল্ড এটলাস ও পত্রিকা রিপোর্ট।
বিভিন্ন দেশের সীমানা:
⇒ পার্পল লাইন: ইসরাইল ও সিরিয়ার মধ্যে সীমানা।
⇒ সনেরা লাইন: মেক্সিকো ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার সীমানা।
⇒ ওডার-নেইস লাইন: জার্মানি ও পোল্যান্ডের মধ্যকার সীমানা।
⇒ ব্লু লাইন: লেবানন ও ইসরায়েলের মধ্যকার সীমানা।
⇒ লাইন অব ডিমারকেশন: পর্তুগাল ও স্পেনের মধ্যে সীমানা।
⇒ ডুরান্ড লাইন: পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যে সীমানা।
⇒ রেডক্লিফ লাইন: ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সীমারেখা।
⇒ লাইন অব একচুয়াল কন্ট্রোল / ম্যাকমোহন লাইন: চীন ও ভারতের মধ্যে সীমানা।
⇒ লাইন অব কন্ট্রোল: ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সীমানা।
তথ্যসূত্র - Britannica.com
- 'ম্যাকাও' পর্তুগালের উপনিবেশ ছিল।
• ম্যাকাও:
- ম্যাকাও হলো দক্ষিণ চীন সাগরের তীরে অবস্থিত চীনের একটি বিশেষ প্রশাসনিক অঞ্চল।
- ১৫৫৭ থেকে ১৯৯৯ সাল পর্যন্ত প্রায় ৪৪২ বছর মাকাও পর্তুগীজ শাসনাধীন ছিল।
- ১৫৫৭ সালের পর ম্যাকাও দ্রুত একটি বাণিজ্য কেন্দ্র হয়ে ওঠে।
- এটি ছিল চীনে সর্বশেষ ইউরোপীয় কলোনি।
- ১৯৯৯ সালের ১৯ ডিসেম্বর মধ্যরাতে মাকাওয়ের সার্বভৌমত্ব ও কর্তৃত্ব চীনের কাছে হস্তান্তর করা হয় এবং ২০ ডিসেম্বর থেকে চীনের পূর্ণ কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠিত হয়।
- "এক দেশ, দুই ব্যবস্থা" (One Country, Two Systems) নীতির অধীনে ম্যাকাওকে স্বায়ত্তশাসন দেওয়া হয় কমপক্ষে ২০৪৯ সাল পর্যন্ত।
- ম্যাকাও ছিলো এশিয়ায় ইউরোপের সর্বশেষ উপনিবেশ।
- বিশ্বের সবচেয়ে ঘনবসতিপূর্ণ অঞ্চল।
- ম্যাকাও এর মুদ্রা ম্যাকানিজ পটাকা।
তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।
- ব্রহ্মপুত্র নদ তিব্বতের হিমালয়ের কৈলাশ শৃঙ্গের নিকট মানস সরোবর হ্রদ থেকে উৎপত্তি হয়ে তিব্বত (চীন) ও ভারত উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে কুড়িগ্রাম জেলার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।
- ভারতে এটি দিহাঙ নামে পরিচিত।
- ব্রহ্মপুত্র নদের মোট দৈর্ঘ্য ২,৮৫০ কিলোমিটার।
- পুরাতন ব্রহ্মপুত্র ভৈরববাজারের নিকট মেঘনা নদীতে পতিত হয়েছে। তবে জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জে এটির প্রধান শাখা যমুনা নামে প্রবাহিত যা রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে পদ্মায় মিলিত হয়েছে।
- ১৭৮৭ সালে ভূমিকম্পের ফলে ব্রহ্মপুত্র নদের গতিপথ পরিবর্তন হয়ে যায়।
উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া
মিসরাতা:
- মিসরাতা লিবিয়ার একটি শহর।
- এটি লিবিয়ার উত্তর-পশ্চিমে রাজধানী ত্রিপোলি থেকে প্রায় ১৮৭ কিলোমিটার পূর্বে অবস্থিত।
- এটি লিবিয়ার বাণিজ্যিক রাজধানী হিসেবেও পরিচিত।
লিবিয়া:
- লিবিয়া উত্তর আফ্রিকায় ভূমধ্যসাগরের দক্ষিণ তীরে অবস্থিত।
- রাজধানী: ত্রিপোলি।
- মুদ্রা: দিনার।
- লিবিয়ার আদিবাসী: বার্বার জাতি।
- প্রধান ভাষা: আরবী, ইতালীয় ও ইংরেজী।
উৎস: Britannica.
চৈনিক সভ্যতা (Chinese Civilization):
- চীনের হোয়াংহো (Yellow River) ও ইয়াংসিকিয়াং (Yangtze River) নদীর অববাহিকায় এই সভ্যতার বিকাশ ঘটে।
- হোয়াংহো নদীতে প্রায়ই ভয়াবহ বন্যা হতো, যা জনপদ ধ্বংস করত। এ কারণে নদীটিকে ‘চীনের দুঃখ’ বলা হয়। তবে এই বন্যার পলিমাটিই জমিকে উর্বর করে সভ্যতাকে টিকিয়ে রাখে।
• সাং রাজবংশের সময় থেকেই চীনে লিখন পদ্ধতির বিকাশ ঘটে।
- উত্তর দিক থেকে আগত যাযাবর জাতিগোষ্ঠীর (যেমন—জিয়ংনু) আক্রমণ প্রতিরোধের জন্য সম্রাট কিন শি হুয়াং চীনের মহাপ্রাচীর নির্মাণের কাজ শুরু করেন।
- এটি বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ স্থাপত্য নিদর্শন।
• চীনারা চিত্রভিত্তিক লিখন পদ্ধতি ব্যবহার করত।
- পরবর্তীকালে তারা গাছের ছাল, পুরনো কাপড় ও শণজাত আঁশ থেকে বিশ্বের প্রথম কাগজ আবিষ্কার করে।
• কনফুসিয়াস ও লাও-ৎসে-র দর্শন চীনা সমাজে গভীর প্রভাব ফেলে।
- কনফুসিয়াসের নৈতিকতা ও কর্তব্যভিত্তিক দর্শন রাষ্ট্রশাসন ও সমাজব্যবস্থার ভিত্তি গড়ে তোলে।
- চীনের রেশম বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয় ছিল। এই রেশম পরিবহনের দীর্ঘ বাণিজ্যপথকে ‘সিল্ক রোড’ বলা হয়,
- যা প্রাচ্য ও পাশ্চাত্যের মধ্যে বাণিজ্যিক ও সাংস্কৃতিক যোগাযোগ স্থাপন করে।
উৎস: ব্রিটানিকা এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
শতবর্ষব্যাপী যুদ্ধ:
- শতবর্ষ যুদ্ধ (Hundred Years' War) একটি দীর্ঘকালীন যা ইংল্যান্ড ও ফ্রান্সের মধ্যে সংঘটিত হয়।
- এই যুদ্ধের স্থায়িত্বকাল ছিল ১৩৩৭ সাল থেকে ১৪৫৩ সাল পর্যন্ত।
- এই যুদ্ধের মূল কারণ ছিল ইংল্যান্ড ও ফ্রান্সের মধ্যে জমির মালিকানা এবং রাজনৈতিক আধিপত্য নিয়ে বিরোধ।
- ইংল্যান্ডের রাজা তৃতীয় এডওয়ার্ড (Edward III) ফ্রান্সের সিংহাসনের জন্য তার অধিকার দাবি করেন।
- ফ্রান্সের রাজা পঞ্চম ফিলিপ (Philip VI) এই দাবি প্রত্যাখ্যান করেন এবং এর ফলে যুদ্ধের সূচনা হয়।
- এই যুদ্ধে ফ্রান্স বিজয় লাভ করে এবং ইংল্যান্ডের অধিকাংশ ভূখণ্ড পুনরুদ্ধার করে।
উৎস: হিস্টোরি. কম
জন স্টুয়ার্ট মিল:
- জন স্টুয়ার্ট মিল একজন ইংরেজ দার্শনিক, অর্থনীতিবিদ এবং উপযোগবাদের প্রবক্তা।
- জন স্টুয়ার্ট মিল (John Stuart Mill) তার বিখ্যাত 'On Liberty'.
- এ গ্রন্থে বলেন, 'মানুষের মৌলিক শক্তির বলিষ্ঠ, অব্যাহত ও বিভিন্নমুখী প্রকাশই স্বাধীনতা।'
• তার রচিত গ্রন্থসমূহ:
- Considerations on Representative Government,
- Examination of Sir William Hamilton's Philosophy,
- On Liberty,
- Principles of Political Economy,
- The Subjection of Women,
- Utilitarianism.
অন্যদিকে,
- প্লেটোর বিখ্যাত বই: The Republic.
• জন লক বিখ্যাত বই:
- An Essay Concerning Human Understanding.
- Two Treatises of Government.
উৎস: ব্রিটানিকা ।
• দূরপ্রাচ্য:
- ভৌগোলিকভাবে রাশিয়ার পূর্বাঞ্চল, পূর্ব এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলে অবস্থিত দেশসমূহ দূরপ্রাচ্য হিসেবে অভিহিত।
- দূরপ্রাচ্যের দেশ ছয়টি। যথা -
- চীন,
- জাপান,
- উত্তর কোরিয়া,
- দক্ষিণ কোরিয়া,
- মঙ্গোলিয়া,
- তাইওয়ান
উৎস: ওয়ার্ল্ড অ্যাটলাস।
• দানিয়ুব নদী (Danube):
- ইউরোপের দ্বিতীয় দীর্ঘতম নদী (ভলগার পর)।
- উৎপত্তি: জার্মানির পশ্চিমাঞ্চল, ব্ল্যাক ফরেস্ট পর্বতমালা।
- দৈর্ঘ্য: প্রায় ১,৭৭০ মাইল (২,৮৫০ কিমি)।
পতিত হয়েছে: কৃষ্ণ সাগরে (Black Sea)।
- অতিক্রান্ত দেশসমূহ : জার্মানি, অস্ট্রিয়া, স্লোভাকিয়া, হাঙ্গেরি, ক্রোয়েশিয়া, সার্বিয়া, বুলগেরিয়া, রোমানিয়া, মলডোভা, ইউক্রেন।
- এটি মধ্য ও দক্ষিণ-পূর্ব ইউরোপে রাজনীতি ও বসতি গঠনে গুরুত্বপূর্ণ।
- এই নদীর তীরভূমি দুর্গ ও প্রাসাদের দ্বারা সীমারেখা হিসেবে ব্যবহৃত।
- এটি আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের গুরুত্বপূর্ণ রুট।
তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।
দক্ষিণ কোরিয়া:
- এটি পূর্ব এশিয়ার একটি রাষ্ট্র।
- রাষ্ট্রীয় নাম- রিপাবলিক অব কোরিয়া বা কোরীয় প্রজাতন্ত্র।
- ১৫ আগস্ট, ১৯৪৫ সালে দক্ষিণ কোরিয়া স্বাধীনতা লাভ করে।
- দক্ষিণ কোরিয়ার রাজধানী- সিউল।
- দক্ষিণ কোরিয়ার মুদ্রার নাম- 'ওন' (won)।
- সরকার পদ্ধতি- সাংবিধানিক প্রজাতন্ত্র।
- দক্ষিণ কোরিয়ার প্রথম প্রেসিডেন্ট- সিগম্যান রী।
- প্রেসিডেন্টের বাসভবনের নাম- ব্লু হাউজ।
অন্যদিকে,
- জাপানের সরকারি মুদ্রা ইয়েন।
- ইউয়ান চীনের সরকারি মুদ্রার নাম।
- আর্জেন্টিনার মুদ্রার নাম হলো পেসো।
উৎস: ব্রিটানিকা।
ফেডারেল রিজার্ভ সিস্টেম:
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংকিং কর্তৃপক্ষ।
- এটি মার্কিন সরকারের জন্য একটি আর্থিক এজেন্ট হিসেবে কাজ করে, বাণিজ্যিক ব্যাংকের রিজার্ভ অ্যাকাউন্টের তত্ত্বাবধায়কমার্কিন মিন্টের সাথে সমন্বয় করে মুদ্রাসহ মুদ্রা সরবরাহের তত্ত্বাবধান করে।
- সিস্টেমটি ফেডারেল রিজার্ভ আইন দ্বারা তৈরি করা হয়েছিল, যা রাষ্ট্রপতি উড্রো উইলসন ২৩ ডিসেম্বর, ১৯১৩ সালে আইনে স্বাক্ষর করেছিলেন।
- বোর্ড অফ গভর্নরসের চেয়ারম্যান মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি দ্বারা চার বছরের মেয়াদে নিযুক্ত হন।
উল্লেখ্য,
- ২০১৪ সালে ফেডারেল রিজার্ভ সিস্টেম-এর প্রথম নারী চেয়ারম্যান হিসেবে নিযুক্ত হন জ্যানেট ইয়েলেন।
- তিনি ২০১৮ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন।
- যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে প্রথম নারী অর্থমন্ত্রী তিনি।
উৎস: Britannica.