ব্যাখ্যা
- সৌদি আরব
- ওমান
- ইয়েমেন
- কাতার
- ইরান
দিনার যেসব দেশের মুদ্রা:
- ইরাক
- কুয়েত
- জর্ডান
- বাহরাইন
- আলজেরিয়া
- তিউনেশিয়া
দিরহাম যেসব দেশের মুদ্রা:
- সংযুক্ত আরব আমিরাত
- মরক্কো
তথ্যসূত্র - Britannica.com
PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন
PrepBank · পাতা ৮৩ / ৯৩ · ৮,২০১–৮,৩০০ / ৯,৩৩৪
সুমেরীয় সভ্যতার অবস্থান ও সময়কাল:
- মেসোপটেমীয় অঞ্চলে বসতি গড়ে তোলায় প্রথম নেতৃত্ব দেয় সুমেরীয়রা।
- তাদের আদি বাসস্থান ছিল মেসোপটেমিয়ার (বর্তমান ইরাক) উত্তর-পূর্বে অবস্থিত এলামের পাহাড়ি অঞ্চলে।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির ফলে খ্রিস্টপূর্ব ৪০০০ অব্দে এদের একটি শাখা মেসোপটেমিয়ার দক্ষিণে বসতি গড়ে তোলে। তাদের নামানুসারে এ অঞ্চলটির নাম সুমেরীয় অঞ্চল।
⇒ নগররাষ্ট্র:
- কয়েকটি নগরকে কেন্দ্র করে সুমেরীয়রা সভ্যতার বিকাশ ঘটিয়েছিল।
- সুমেরীয়রা কতকগুলি নগরের গোড়াপত্তন করেছিল।
- এগুলোর মধ্যে তাদের রাজধানী ছিল উর।
- রাজধানী উর ছাড়াও সভ্যতার প্রাণ কেন্দ্র ছিল লাগাস, কিস, ইরিদু এবং উরুক অন্যতম।
- সুমেরীয়রা প্রথম মেসোপটেমিয়া অঞ্চলে খাল খনন, জলাশয় ও বাঁধ নির্মাণ করে সেচ ব্যবস্থা গড়ে তোলে এবং নিজেদের উন্নতি ঘটিয়ে নগর সভ্যতার উদ্ভব ঘটায়।
- ৩৫০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দের মধ্যে প্রায় ১৮টি নগর রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হয়। এসব নগর রাষ্ট্রের প্রশাসকরা 'এনসি' নামে পরিচিত ছিলেন।
- বিখ্যাত শাসক সারগন সুমেরের নগর রাষ্ট্রগুলিকে একত্রিত করে সভ্যতার বিকাশ ঘটান।
- সুমেরিয়ায় সারগনের প্রতিষ্ঠিত আক্কাদীয় রাজ্য দুশো বছর স্থায়ী ছিল।
উৎস: i) ইতিহাস, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
আমাজন নদী (Amazon River):
- এর অবস্থান দক্ষিণ আমেরিকা।
- এটি ৯টি দেশের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে- ব্রাজিল, পেরু, কলম্বিয়া, ভেনেজুয়েলা, ইকুয়েডর, বোলিভিয়া, গায়ানা, সুরিনাম ও ফরাসি গায়ানা।
- আমাজন নদী উৎস পেরুর আন্দিজ পর্বতমালা।
- এর দৈর্ঘ্য প্রায় ৭,০৬২ কিলোমিটার (নীল নদীর পর বিশ্বের দ্বিতীয় দীর্ঘতম নদী)।
- এই নদী জাগুয়ার, প্যারাট এবং অগণিত প্রজাতির মাছ, উদ্ভিদ ও বন্যপ্রাণীর আবাসস্থল।
- পৃথিবীর মোট নদীর পানিপ্রবাহের প্রায় ২০% আমাজন নদী নিয়ন্ত্রণ করে।
- এটি বিশ্বের বৃহত্তম জলাধার নদী এবং দক্ষিণ আমেরিকার প্রাণভোমরা হিসেবে পরিচিত।
- আমাজন নদী বন উজাড়, জলদূষণ ও পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হওয়া হেকে রক্ষা করে।
উৎস: ব্রিটানিকা।
- মিশরীয় সভ্যতা মেসোপটেমীয় সভ্যতার পর্যায় নয়।
মেসেপটেমীয় সভ্যতা (Mesopotamian Civilization):
- পৃথিবীর সবচেয়ে প্রাচীন সভ্যতা মেসোপটেমীয় সভ্যতা। -
- আধুনিক তুরস্ক, সিরিয়া, ইরান ও ইরাক অঞ্চলে বিস্তৃত ছিল প্রাচীন এই সভ্যতা। মেসোপটেমিয়া এলাকার বেশির ভাগ বর্তমানে ইরাকে অবস্থিত।
- এটি ছিলো - নদীমাতৃক সভ্যতা। মেসোপটেমীয় সভ্যতা গড়ে উঠে ইউফ্রেটিস ও টাইগ্রিস নদীর তীরে।
- 'মেসোপটেমীয়' কথাটি দ্বারা বুঝায় 'দুই নদীর মধ্যবর্তী অঞ্চল'। অর্থ্যাৎ,
- ইউফ্রেটিস ও টাইগ্রিস নদীর মধ্যবর্তী অঞ্চলেই এই সভ্যতার উত্থান হয়েছিলো।
- গ্রীকরা এই অঞ্চলকে 'মেসোপটেমিয়া' নামকরণ করেন।
- মেসোপটেমীয় সভ্যতার পর্যায় ছিল ৪টি।
যথা:
১. সুমেরীয় সভ্যতা,
২. ব্যাবিলনীয় সভ্যতা,
৩. অ্যাসেরীয় সভ্যতা ও
৪. ক্যালেডীয় সভ্যতা।
উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
• যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচন পদ্ধতি:
- ‘ইলেক্টোরাল কলেজ’ পদ্ধতিতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- এই পদ্ধতিতে ভোটাররা সরাসরি প্রেসিডেন্ট নির্বাচন অংশগ্রহণ করেন না।
- নির্বাচনের ফলাফল ভোটারদের দেওয়া ভোটে সরাসরি নির্ধারিত হয় না। জাতীয় স্তরের নির্বাচনি লড়াইয়ের বদলে জয়-পরাজয় নির্ধারিত হবে একেকটি অঙ্গরাজ্যের নির্বাচনি লড়াইয়ের মাধ্যমে।
- যুক্তরাষ্ট্রের ৫০টি অঙ্গরাজ্যের একটিতে জয়ী হওয়ার অর্থ একজন প্রার্থী সেই অঙ্গরাজ্যের সবকটি ‘ইলেক্টোরাল কলেজ’ ভোট পেয়ে যাবেন।
- ইলেক্টোরাল কলেজের মোট ভোটের সংখ্যা ৫৩৮টি।
- মাইন ও নেব্রাসকা এই দুটো অঙ্গরাজ্য বাদে বাকি সবগুলো রাজ্যের ইলেকটোরাল ভোট যোগ দিলে যে প্রার্থী ২৭০টি বা তারও বেশি ভোট পাবেন তিনিই প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হবেন।
- প্রতিটি অঙ্গরাজ্যের বেশ কয়েকটি করে ইলেক্টোরাল ভোট থাকে, যা ওই অঙ্গরাজ্যের জনসংখ্যার মোটামুটিভাবে সমানুপাতিক হয়।
- ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যে সর্বাধিক ৫৪টি ইলেকটোরাল কলেজ ভোট রয়েছে।
তথ্যসূত্র: যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি ওয়েবসাইট।
United States Bill of Rights:
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানের প্রথম ১০ টি সংশোধনীকে 'Bill of Rights' বা অধিকারের বিল বলে অভিহিত করা হয়।
- ১৭৮৭ সালে প্রণীত সংবিধানের সমালোচনার পরিপ্রেক্ষিতে জেমস ম্যাডিসন প্রস্তাবিত প্রথম ১০টি সংশোধনীই 'Bill of Rights' নামে পরিচিত।
- এই সংশোধনীগুলি ১৭৯১ সালের ১৫ ডিসেম্বর কার্যকর হয় ।
- এটি নাগরিকদের মৌলিক অধিকার ও স্বাধীনতা সুরক্ষার জন্য গৃহীত হয়েছিল এবং আমেরিকার স্বাধীনতা আন্দোলনের পর সংবিধানের গ্রহণযোগ্যতা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
⇒ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতার পর ১৭৮৭ সালে ফিলাডেলফিয়ায় একটি সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
- সেই সম্মেলনে মার্কিন সংবিধান রচিত হয়।
- কিন্তু এই সংবিধানে নাগরিকদের অধিকারগুলোর কোন নির্দিষ্ট উল্লেখ ছিল না।
- মার্কিন রাজনৈতিক নেতা জেমস মেডিসন ১৭৮৯ সালে মার্কিন কংগ্রেসে ১২টি সংশোধনী প্রস্তাব করেন, যা নাগরিকদের মৌলিক অধিকার সংরক্ষণ করতে চেয়েছিল।
- তিনি পরবর্তীতে একে বিল অব রাইটস নামে পরিচিত করেন।
- মাদিসনের প্রস্তাবিত কিছু সংশোধনী সরাসরি অনুমোদিত হয়েছিল, এবং কিছু সংশোধনী পরিবর্তন ও সংযোজন করা হয়।
- সর্বশেষ, ১৭৯১ সালে ১০টি সংশোধনী মার্কিন সংবিধানে সংযুক্ত করা হয় এবং এগুলি বিল অব রাইটস হিসেবে পরিচিত হয়।
উৎস: Britannica.
স্পেনে মুসলিম শাসন:
- মুসলিম শাসনামলে স্পেন আন্দালুসিয়া নামে পরিচিত ছিল।
- এটি আইবেরীয় উপদ্বীপের একটি বিশাল অংশ জুড়ে বিস্তৃত ছিল।
- এই শাসনকাল ৭১১ খ্রিস্টাব্দে শুরু হয়ে ১৪৯২ সালে গ্রানাডার পতনের মাধ্যমে শেষ হয় যা প্রায় ৮০০ বছরের দীর্ঘ সময়।
- মুসলিম স্পেনে একসময় ছিল বিজ্ঞান, সাহিত্য, স্থাপত্য ও ধর্মীয় সহাবস্থানের অনন্য নজির।
- মুসলমান শাসনের অধীনে আন্দালুস একটি সাম্যবাদী সমাজে পরিণত হয়, যেখানে মুসলিম, খ্রিস্টান ও ইহুদিরা একত্রে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানে বসবাস করেছিল।
- এটি ‘Convivencia’ নামে পরিচিত যা এই যুগে ধর্মীয় সহিষ্ণুতা ও সামাজিক সম্প্রীতির ধারণা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
উল্লেখ্য,
- মধ্যযুগে যেসকল স্থানে আরব সভ্যতা গড়ে উঠেছিল এর মধ্যে স্পেন অন্যতম।
- শুরুতে স্পেন দামেস্কের উমাইয়া খিলাফতের অধীনে একটি প্রদেশ হিসেবে পরিণত হয়।
- ৭৫৬ সালে আব্দুর রহমান আদ্-দাখিল এখানে একটি স্বাধীন উমাইয়া আমীরাত প্রতিষ্ঠা করেন।
- ৯২৯ সালে তৃতীয় আব্দুর রহমান এই আমীরাতকে খিলাফতে উন্নীত করেন।
- ১০৩১ সালে উমাইয়া খিলাফতের অবসানের পর স্পেনে আরব, বার্বার ও স্লাভরা ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র রাজবংশের সৃষ্টি করে শাসন করতে থাকে।
- উত্তরের খ্রিস্টানরা ক্রমাগত আক্রমণ করে যখন ক্ষুদ্র রাজ্যগুলি একে একে গ্রাস করছিল।
- সেসময় উত্তর আফ্রিকার মরক্কো হতে মুরাবিতুন (১০৯১-১১৪৬) রাজবংশ স্পেনের রাজক্ষমতা গ্রহণ করে এবং মরক্কো হতেই স্পেন শাসন করতে থাকে।
- এরপর মুরাবিতুনদের হটিয়ে মুয়াহিদুন (১১৪৬-১২৪৮) রাজবংশ মরক্কো হতে স্পেন শাসন করে।
- স্পেনে মুসলিমদের শেষ রাজবংশ ছিল গ্রানাডার নসর বংশ (১২৩২-১৪৯২)।
- ১৪৯২ সালে এই বংশের পতনের মধ্য দিয়ে স্পেনে মুসলিম শাসনের চির অবসান হয়।
উৎস: ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
অগাস্টান যুগ:
- জুলিয়াস সিজারসহ (সিজার রোমান সম্রাটদের উপাধি) অনেক বিখ্যাত শাসক রোমীয় সাম্রাজ্যের শাসক ছিলেন।
- কিন্তু সম্রাট অক্টাভিয়ান অগাস্টাস (খ্রিস্টপূর্ব ৩১-১৪ খ্রিস্টাব্দ) রোমের ইতিহাসে সর্বাপেক্ষা বিখ্যাত শাসক ছিলেন।
- তাঁর শাসনামলে রোমীয় সভ্যতায় স্বর্ণযুগের সূচনা হয়।
- তিনি একজন বিচক্ষণ রাজনীতিক ও দূরদৃষ্টিসম্পন্ন শাসক ছিলেন।
- তাঁর সময়ে রোমীয় ইতিহাস, সাহিত্য-সংস্কৃতি, শিল্পকলা, বিজ্ঞানচর্চা চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছে।
- এই জন্য ইতিহাসে তাঁর সময়কালকে 'অগাস্টান যুগ' (Augustan Age) বলা হয়।
উৎস: ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
পৃথিবীর প্রাচীনতম শহর:
- পৃথিবীর প্রাচীনতম শহর হলো জেরিকো (Jericho)।
- এটি প্রাচীনতম পরিচিত প্রতিরক্ষা প্রাচীরের শহরও বটে।
⇒ জেরিকো বর্তমান ফিলিস্তিনের পশ্চিম তীরে অবস্থিত যা পৃথিবীর প্রাচীনতম শহর হিসেবে বিবেচিত।
- প্রত্নতাত্ত্বিক প্রমাণ অনুযায়ী, এর উৎপত্তি প্রায় ৯০০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দে।
- দামেস্ক এবং আলেপ্পোর মতো শহরগুলোও প্রাচীন, তবে জেরিকোর ইতিহাস তাদের তুলনায় পুরোনো।
অন্যদিকে,
- দামেস্ক বিশ্বের প্রাচীনতম অবিচ্ছিন্নভাবে জনবসতিপূর্ণ শহরগুলির মধ্যে অন্যতম। প্রায় ৩,০০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দে প্রতিষ্ঠিত এবং এটি বিশ্বের প্রাচীনতম অবিচ্ছিন্নভাবে বসবাস করা শহর হিসেবে পরিচিত।
উৎস: i) Britannica.
ii) Times of India.
• নীতি ও উচিত অনুচিত বোধ হলো নৈতিক মূল্যবোধের উৎস।
• নৈতিক মূল্যবোধ হচ্ছে সেসব মনোভাব এবং আচারণ যা মানুষ সবসময় ভালো, কল্যাণকর ও অপরিহার্য বিবেচনা করে মানসিকভাবে তৃপ্তিবোধ করে।
• সত্যকে সত্য বলা, মিথ্যাকে মিথ্যা বলা, অন্যায়কে অন্যায় বলা, অন্যায় কাজ থেকে নিজেকে বিরত রাখা এবং অন্যকে বিরত রাখতে পরামর্শ প্রদান করা, দুঃস্থ মানুষের পাশে দাঁড়ানো, বিপদগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো ও বিপদ থেকে উদ্ধারে তাকে সাহায্য করা, অসহায় ও ঋণগ্রস্ত মানুষকে ঋণ মুক্ত হতে সাহায্য করাকে নৈতিক মূল্যবোধ বলা যেতে পারে।
• শিশুরা তার পরিবারেই সর্বপ্রথম নৈতিক মূল্যবোধ শিক্ষা পায়।
উৎসঃ পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ (World War-II):
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের স্থায়িত্বকাল ছিল ১৯৩৯ - ১৯৪৫ সাল।
⇒ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে পক্ষ ছিলো দুইটি: অক্ষ শক্তি, মিত্র শক্তি।
- অক্ষ শক্তির প্রধানতম দেশ: জার্মানি, ইতালি, জাপান।
- মিত্র শক্তির প্রধানতম দেশ: যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, সোভিয়েত ইউনিয়ন, ফ্রান্স।
⇒ যুদ্ধের ফলাফল: মিত্রবাহিনী জয়লাভ করে।
- জার্মানি মিত্রবাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ করে ১৯৪৫ সালের ৮ মে। এই দিনটিকে V-E (Victory in Europe) Day বলে।
- ১৯৪৫ সালের ২ সেপ্টেম্বর টোকিও বে-তে যুদ্ধজাহাজ ইউএসএস মিসৌরিতে জাপান আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মসমর্পণ করে। এই দিনটিকে বলা হয় V-J (Victory over Japan) Day।
উৎস: i) Britannica.
ii) History.com
• রেনেসাঁ:
- ফরাসি 'রেনেসাঁ' Renaissance) শব্দের অর্থ নবজাগরণ বা পুনর্জন্ম।
- ধর্মভাবনা নিয়ন্ত্রিত ও সামন্ততান্ত্রিক মধ্যযুগীয় দীর্ঘ বদ্ধ দশা থেকে মুক্ত হয়ে নতুনভাবে জীবনের সবকিছুকে জানার জন্য মানব মনের যে আগ্রহ তারই পরিণতি স্বরূপ যে নবজীবনবাদের সূচনা, তাকেই সাধারণভাবে রেনেসাঁ বা নবজাগরণ নামে আখ্যায়িত করা হয়।
- মধ্যযুগে ইউরোপের সংস্কৃতি ও শিল্পচর্চায় প্রাচীন গ্রিক ও রোমান সংস্কৃতির পুনর্জাগরণকে রেনেসাঁ হিসেবে অভিহিত করা হয়।
- ইতালির ফ্লোরেন্স শহরে প্রথম রেনেসাঁর সূত্রপাত ঘটে।
- পরবর্তীতে তা ইতালির অন্যান্য শহর এবং ইউরোপের অপরাপর দেশে বিস্তার লাভ করে।
- ইউরোপে রেনেসাঁ শুরু হয় চতুর্দশ শতাব্দীতে।
- ১৪শ থেকে ১৬শ শতককে রেনেসাঁর সময়কাল বিবেচনা করা হয়।
- তৎকালীন সময়ে ইউরোপীয় বিত্তবান ও ধনিক শ্রেণীর পৃষ্ঠপোষকতার ফলে রেনেসাঁ সংঘটিত হয়
তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।
সেভেন সিস্টার্স:
- সেভেন সিস্টার্সের অরুণাচল রাজ্যটির সাথে বাংলাদেশের সীমান্ত নেই।
- উত্তর-পূর্ব ভারতের সাতটি রাজ্য সেভেন সিস্টার্স নামে পরিচিত।
- রাজ্যগুলো হচ্ছে - আসাম, অরুণাচল, মেঘালয়, ত্রিপুরা, মণিপুর, মিজোরাম ও নাগাল্যান্ড।
- ভারতের সেভেন সিস্টারস খ্যাত রাজ্যগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের সীমান্ত সংলগ্ন নয় মণিপুর, নাগাল্যান্ড এবং অরুণাচল রাজ্য।
- ভারতের মোট ৫টি রাজ্য বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী।
- এগুলো হলো: আসাম, ত্রিপুরা, মিজোরাম, মেঘালয় ও পশ্চিমবঙ্গ।
তথ্যসূত্র - ওয়ার্ল্ড এটলাস।
• গ্রিক-পারস্য যুদ্ধ:
- সাইরাস ছিলেন পারস্যের অ্যাকামেনীয় সম্রাট এবং তার শাসনামলে পারস্য একটি ক্ষতিকর রাষ্ট্র হিসেবে পরিচিত ছিল।
- প্রথমে তিনি গ্রিক অভিযানে অংশ নিয়ে এবং নগর রাষ্ট্র সমূহের ওপর ধ্বংসলীলা চালায়।
• গ্রিক-পারস্য যুদ্ধ (ম্যারাথন):
- খ্রিস্টপূর্ব ৪৯০ অব্দে, ম্যারাথন নামক স্থানে সংঘটিত হওয়া গ্রিক-পারস্য যুদ্ধে সাইরাসের বিপক্ষে গ্রিকরা পারস্য বাহিনীকে পরাজিত ও বিতাড়িত করে।
- এই ঘটনাটি পরবর্তীতে ম্যারাথন দৌড় প্রতিযোগিতার জন্ম দেয়।
- প্রতি ৪ বছর অন্তর অনুষ্ঠিত এ খেলায় বিভিন্ন নগররাষ্ট্রের খেলোয়াড়রা অংশ নেয়।
তথ্যসূত্র: ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
এককক্ষ বিশিষ্ট আইনসভা:
- চীনের আইনসভা: ন্যাশনাল পিপলস কংগ্রেস।
এছাড়াও,
• বাংলাদেশ: জাতীয় সংসদ,
• মালদ্বীপ: মজলিস/ পার্লামেন্ট,
• ইসরাইল: নেসেট/ অ্যাসেম্বলি,
• ইরান: মজলিস/ অ্যাসেম্বলি,
• ইরাক: মজলিস আল-নওয়াব আল-ইরাকি,
• সৌদি আরব: মজলিস-এ-শূরা,
• ফিনল্যান্ড: এসডুস্কুন্টা,
• ডেনমার্ক: ফোকেটিং,
• সুইডেন: রিকসড্যাগ,
• ইউক্রেন: ভারখোরনা রাডা,
দ্বি-কক্ষ বিশিষ্ট আইনসভা:
• যুক্তরাষ্ট্র: পার্লামেন্ট-কংগ্রেস (উচ্চকক্ষ: সিনেট, নিম্ন কক্ষ: হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভস),
• ভারত: পার্লামেন্ট (উচ্চকক্ষ: কাউন্সিল অফ স্টেটস/ রাজ্যসভা, নিম্ন কক্ষ: হাউজ অফ দা পিপল/লোক সভা),
• রাশিয়া: পার্লামেন্ট (উচ্চকক্ষ: ফেডারেশন কাউন্সিল, নিম্ন কক্ষ: স্টেট ডুমা)
• যুক্তরাজ্য: পার্লামেন্ট (উচ্চকক্ষ: হাউস অফ লর্ডস, নিম্ন কক্ষ-হাউস অফ কমন্স),
• পাকিস্তান: মজলিস-এ- শূরা (উচ্চকক্ষ: সিনেট, নিম্ন কক্ষ: ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলি),
• অস্ট্রেলিয়া: ফেডারেল পার্লামেন্ট (উচ্চকক্ষ: সিনেট, নিম্ন কক্ষ: হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভস),
• ভুটান: পার্লামেন্ট (উচ্চকক্ষ: ন্যাশনাল কাউন্সিল, নিম্ন কক্ষ: ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলি),
• মিয়ানমার: ইউনিয়ন অ্যাসেম্বলি (উচ্চকক্ষ: ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলি, নিম্ন কক্ষ: পিপলস অ্যাসেম্বলি),
• জাপান: ডায়েট (উচ্চকক্ষ: হাউস অফ কাউন্সিলর্স, নিম্ন কক্ষ: হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভস)।
উৎস: Britannica.
- কানাডার রাজধানী অটোয়া।
কানাডা:
- ম্যাপল পাতার দেশ নামে পরিচিতি কানাডা।
- দেশটিতে ম্যাপল গাছের আধিক্য এবং কানাডার জনজীবনে এর সংশ্লিষ্টতার জন্যে কানাডাকে ম্যাপল পাতার দেশ বলা হয়।
- কানাডার জাতীয় পতাকায়ও ম্যাপল পাতার ছবি রয়েছে।
- কানাডা উত্তর আমেরিকার একটি দেশ।
- এটি আয়তনে পৃথিবীর ২য় বৃহত্তম দেশ।
- কানাডার রাজধানীর নাম অটোয়া।
সূত্র - কানাডার সরকারি ওয়েবসাইট।
- ১৯৬০ সালে প্রতিষ্ঠিত হওয়া ফার্ক (রেভ্যুলেশনারী আর্মড ফোর্সেস অব কলম্বিয়া) দীর্ঘ ৫২ বছর ধরে চলা লড়াই বন্ধে ২০১৬ সালের ২৪ নভেম্বর কলম্বিয়া সরকারের সাথে ঐতিহাসিক শান্তি চুক্তি সম্পাদন করে।
- এ প্রক্রিয়ায় মধ্যস্থতা করে কিউবা এবং নরওয়ে।
- শান্তি চুক্তি সম্পাদনের জন্যে কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট হুয়ান ম্যানুয়াল সান্তোষ ২০১৬ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।
- ১৯৬৪ সালে কলম্বিয়ান কমিউনিস্ট পার্টির সামরিক শাখা হিসেবে ফার্ক গঠিত হয়।
- ম্যানুয়েল মারুলেন্দা ফার্কের প্রতিষ্ঠাতা।
- কলম্বিয়া দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা ভূমি সমস্যা সহ বৈষম্যের বিরুদ্ধে প্রথম এ লড়াইয়ের সূত্রপাত ঘটে। এক্ষেত্রে কিউবার বিপ্লব ফার্ক গেরিলাদের অনুপ্রেরণা যোগায়।
- এ শান্তি চুক্তিতে ফার্কের পক্ষে টিমোশেনকো বা রদ্রিগো লনোডানো স্বাক্ষর করেন।
উৎসঃ বিবিসি ওয়ার্ল্ড।
কমোডাস প্যাসেজ:
- কমোডাস প্যাসেজ মূলত রোমান সাম্রাজ্যের (Roman Empire) সাথে সম্পর্কিত। এটি ইতালিতে অবস্থিত।
⇒ রোমান সাম্রাজ্যের ঐতিহাসিক সুড়ঙ্গ ‘কমোডাস প্যাসেজ’।
- এখানে বসেই কলোসিয়ামের মঞ্চে গ্ল্যাডিয়েটরদের লড়াই উপভোগ করতেন রোমান সম্রাটরা।
- জনসাধারণের সংস্পর্শ এড়াতেই গোপন এ সুড়ঙ্গ তৈরি করেছিলেন তারা।
- কথিত আছে, রোমান ইতিহাসের কুখ্যাত সম্রাট কমোডাস হত্যাচেষ্টার শিকার হয়েছিলেন এই টানেলেই।
⇒ মূলত, প্রাচীন রোমান সাম্রাজ্যের এক ত্রাসের নাম কমোডাস, যিনি ইতিহাসে কুখ্যাত হয়ে আছেন ক্ষমতা, বিলাসিতা আর নির্মমতার জন্য।
- জনতার চোখ এড়িয়ে এই সুড়ঙ্গ তথা ‘কমোডাস প্যাসেজ’-এ বসেই ঐতিহাসিক কলোসিয়ামে গ্ল্যাডিয়েটরদের বাঁচা-মরার লড়াই উপভোগ করতেন এই রোমান সম্রাট।
⇒ ঐতিহাসিক মতবাদ অনুযায়ী, কলোসিয়ামের মূল নকশার অংশ ছিল না এই প্যাসেজ। খ্রিস্টীয় প্রথম শতকের শেষ ভাগ থেকে দ্বিতীয় শতকের শুরুতে কলোসিয়ামের ভিত্তির নিচ দিয়ে নতুন করে কেটে তৈরি করা হয় গোপন এই সুড়ঙ্গ। যাতে সম্রাটরা এড়াতে পারেন সাধারণ মানুষের সরাসরি সংস্পর্শ।
উৎস: BBC.
ভলতেয়ার:
- ভলতেয়ার ছিলেন ফরাসি ইতিহাসবিদ ও দার্শনিক।
- ফ্রঁসোয়া-মারি আরুয়ে যিনি ছদ্মনাম ভলতেয়ার নামেই বেশি পরিচিত,
- ফরাসি আলোকময় যুগের একজন লেখক, প্রাবন্ধিক,ইতিহাসবিদ ও দার্শনিক।
- তার বাকচাতুর্য ও দার্শনিক ছলাকলা সুবিদিত।
- তিনি নাগরিক স্বাধীনতার স্বপক্ষে, বিশেষত ধর্মের স্বাধীনতা ও ন্যায়বিচারের অধিকারের পক্ষে অবস্থান নেয়ার জন্য বিখ্যাত ছিলেন।
- তিনি ফ্রান্সের কঠোর সেন্সর আইন উপেক্ষা করে সামাজিক সংস্কারের অন্যতম প্রবক্তা হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন।
- খ্রিস্টান গির্জা ও তৎকালীন ফরাসি সামাজিক আচার ছিল তার ব্যঙ্গবিদ্রুপের লক্ষ্য।
উৎস: ব্রিটানিকা।
২০০৭ পর্যন্ত নাম ছিল Tshogdu বা সোগডু।
বর্তমান আইনসভাকে পার্লামেন্ট বলে।
ভুটানের অফিশিয়াল সাইট থেকে -
Bhutan’s democratically elected Parliament is the highest legislative institution in the country.
It consists of His Majesty the Druk Gyalpo, the National Council and the National Assembly.
The Parliament is bicameral and follows Westminster Parliamentary systems.
His Majesty the King is the Head of State.
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ:
- ১৯৩৯ সালের ১ সেপ্টেম্বর জার্মানি কর্তৃক পোল্যান্ড আক্রমণের মাধ্যমে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে অক্ষশক্তির অন্তর্ভুক্ত ছিল,
• জার্মানি,
• জাপান,
• ইতালি।
- মিত্রশক্তির অন্তর্ভুক্ত ছিল,
• ব্রিটেন,
• ফ্রান্স,
• যুক্তরাষ্ট্র,
• সোভিয়েত ইউনিয়ন,
• চীন,
• পোল্যান্ড,
• নেদারল্যান্ডস প্রভৃতি দেশ।
- ৮ ডিসেম্বর, ১৯৪১ সালে যুক্তরাষ্ট্র দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সরাসরি যোগদান করে।
- ৭ মে ১৯৪৫ জার্মানি মিত্রবাহিনীর নিকট নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ করে।
- ২ সেপ্টেম্বর ১৯৪৫ জাপান কর্তৃক আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মসমর্পণের মাধ্যমে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটে।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ইতিহাসে প্রথমবারের মতো পারমাণবিক অস্ত্রের দুটি ব্যবহার হয়েছিল।
- তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন তথা রাশিয়ার নেতা বা প্রেসিডেন্ট ছিলেন জোসেফ স্ট্যালিন।
- যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন উইনস্টন চার্চিল।
- যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ছিলেন ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেল্ট ও হ্যারি এস. ট্রুম্যান।
তথ্যসূত্র - হিস্টোরি ও ব্রিটানিকা কম।
চাগোস দ্বীপপুঞ্জ:
- চাগোস দ্বীপপুঞ্জ ভারত মহাসাগরের মাঝখানে অবস্থিত।
- এটা ভূরাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
- এটি প্রায় ৫৮টি ক্ষুদ্র ও নিচু দ্বীপ নিয়ে গঠিত এবং বর্তমানে মরিশাসের অংশ হিসেবে স্বীকৃত।
- ভৌগোলিকভাবে এটি ভারত মহাসাগরের পশ্চিম অংশে, মালদ্বীপ ও সেশেলসের দক্ষিণে অবস্থিত।
- চাগোস দ্বীপপুঞ্জের অন্তর্গত দিয়েগো গার্সিয়া দ্বীপটি সামরিক কৌশলগত কারণে যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
- এই দ্বীপপুঞ্জ একসময় ফ্রান্স ও পরে যুক্তরাজ্যের উপনিবেশ ছিল।
- ১৯৬৫ সালে যুক্তরাজ্য এটি নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেয় এবং মরিশাস থেকে পৃথক করে।
- আন্তর্জাতিক আদালত ও জাতিসংঘের রায়ের পর যুক্তরাজ্য ২০২৪ সালে এটি মরিশাসকে ফিরিয়ে দিতে সম্মত হয়।
সূত্র: ব্রিটানিকা।
- আয়তনে এশিয়ার এবং দক্ষিণ এশিয়ার ক্ষুদ্রতম রাষ্ট্র মালদ্বীপ। দেশটির আয়তন প্রায় ৩০০ বর্গ কিলোমিটার। .
- জনসংখ্যায় এশিয়ার এবং দক্ষিণ এশিয়ার ক্ষুদ্রতম রাষ্ট্র মালদ্বীপ।
- আয়তন অনুসারে এশিয়ার দ্বিতীয় ক্ষুদ্রতম দেশ সিঙ্গাপুর।
উৎসঃ ওয়ার্ল্ড এটলাস এবং ওয়ার্ল্ড পপুলেশন রিভিউ 2021
- ফিলিস্তিনের গাজা থেকে দুই মাইল উত্তরে কিবুটস এলাকা।
- এখানে ১৯৩০'র দশকে পোল্যান্ড থেকে আসা ইহুদীরা কৃষি খামার গড়ে তুলেছিল।
- ইহুদিদের পাশেই ছিল ফিলিস্তিনী আরবদের বসবাস।
- সেখানে আরবদের কৃষি খামার ছিল। তারা কয়েক শতাব্দী ধরে সেখানে বসবাস করছিল।
- সে সময় মুসলমান এবং ইহুদীদের মধ্যে সম্পর্ক মোটামুটি বন্ধুত্বপূর্ণ ছিল।
- কিন্তু ১৯৩০'র দশকে ফিলিস্তিনীরা বুঝতে পারলো যে তারা ধীরে-ধীরে জমি হারাচ্ছে।
- ইহুদিরা দলে-দলে সেখানে আসে এবং জমি ক্রয় করতে থাকে।ইসরায়েল রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠার সময় প্রায় সাত লাখের মতো ফিলিস্তিনী বাস্তু-চ্যুত হয়েছে।
- তারা ভেবেছিল দ্রুত সমস্যার সমাধান হলে তারা বাড়ি ফিরে আসতে পারবে।কিন্তু ইসরায়েল তাদের আর কখনোই বাড়িতে ফিরতে দেয়নি।
সূত্র: (BBC.com)
হাইফা:
- হাইফা ইসরায়েলের তৃতীয় বৃহত্তম শহর ও প্রধান গভীর সমুদ্রবন্দর।
- ইসরায়েলের উত্তরাঞ্চলীয় শহর হাইফা।
- ইসরায়েলের সবচেয়ে বড় তেল শোধনাগার হাইফা এলাকায় অবস্থিত।
- ইসরায়েলের সামুদ্রিক বাণিজ্যের একটি বড় অংশ এখান থেকে পরিচালিত হয়।
- ইসরায়েলের মোট পণ্য পরিবহনের প্রায় অর্ধেকই এই বন্দর দিয়ে পরিবাহিত হয়।
⇒ বিশ্বের কিছু গুরত্বপূর্ণ সমুদ্রবন্দর:
- আকাবা: জর্ডানের সমুদ্র বন্দর।
- লাতাকিয়া: সিরিয়ার সমুদ্রবন্দর।
- আকিয়াব: মিয়ানমারের সমুদ্রবন্দর।
- আন্টওয়ার্প: বেলজিয়ামের সমুদ্রবন্দর।
- লা গুয়েরা: ভেনেজুয়েলার সমুদ্রবন্দর।
- ইরাকের সমুদ্র বন্দর: বসরা।
উৎস: Britannica.
স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশ:
- স্ক্যান্ডিনেভিয়া হলো ইউরোপের উত্তরে অবস্থিত একটি ভৌগোলিক অঞ্চল।
- স্ক্যান্ডেনেভিয়ান রাষ্ট্র মূলত ৩টি।
- যথা- নরওয়ে, সুইডেন ও ডেনমার্ক।
- তবে ফিনল্যান্ড, আইসল্যান্ড এবং ফারো আইল্যান্ডকেও অনেক ক্ষেত্রে স্ক্যান্ডিনেভিয়ান রাষ্ট্র হিসেব গণ্য করা হয়।
• নর্ডিক অঞ্চল বলতে স্ক্যান্ডেনেভিয়ান দেশ + ফিনল্যান্ড + আইসল্যান্ডকে বুঝায়।
অর্থাৎ, স্ক্যান্ডেনেভিয়ান দেশগুলো আসলে নর্ডিক অঞ্চলের মধ্যে পরে।
• নর্ডিক অঞ্চলভূক্ত দেশ ৫টি।
যথা - আইসল্যান্ড, ডেনমার্ক, নরওয়ে, সুইডেন এবং ফিনল্যান্ড।
তথ্যসূত্র - Worldatlas.com ও Britannica.com
- আঠারো শতকের মাঝামাঝি ব্রিটেনে শুরু হওয়া শিল্পবিপ্লব ছিল আধুনিক শিল্পসমাজের সূচনা।
- এটি মূলত কৃষিভিত্তিক অর্থনীতি থেকে যন্ত্রনির্ভর শিল্প অর্থনীতিতে রূপান্তরের প্রক্রিয়া।
- প্রথমে বস্ত্রশিল্পে যান্ত্রিক অগ্রগতি ঘটে, পরে ধাতু, খনি ও পরিবহন ব্যবস্থায় তা ছড়িয়ে পড়ে।
- জেমস ওয়াটের বাষ্প ইঞ্জিনের উদ্ভাবন, কারখানা ব্যবস্থা, রেলপথ ও বাষ্পচালিত জাহাজ এই বিপ্লবকে ত্বরান্বিত করে।
- উৎপাদনশীলতা ও বাণিজ্য বৃদ্ধি পেলেও গ্রামীণ জীবন থেকে নগরকেন্দ্রিক জীবনে ব্যাপক পরিবর্তন আসে।
- সামাজিক কাঠামো, শ্রমব্যবস্থা ও অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় গভীর প্রভাব ফেলে শিল্পবিপ্লব, যা পরবর্তীতে বিশ্বব্যাপী শিল্পোন্নতির ভিত্তি স্থাপন করে।
উৎস: ব্রিটানিকা।
শক্তিশালী মুদ্রা:
- মার্কিন সাময়িকী ফোর্বস সম্প্রতি বিশ্বের প্রভাবশালী ১০টি মুদ্রার একটি তালিকা করেছে।
- তালিকায় বর্তমানে বিশ্বে সবচেয়ে শক্তিশালী মুদ্রা কুয়েতি দিনার।
- এক কুয়েতি দিনারে ৩ দশমিক ২৬ মার্কিন ডলার পাওয়া যায়।
- বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ৩৯৭ টাকা।
- এক মার্কিন ডলারের মূল্য শূন্য দশমিক ৩১ কুয়েতি দিনার।
- উল্লেখ্য, দ্বিতীয় অবস্থানে বাহরাইনি দিনার এবং তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে ওমানের রিয়াল।
তথ্যসূত্র- Forbes magazine. [Link]
ইকুয়েডর:
- দেশটির নামের অর্থ ‘নিরক্ষীয় অঞ্চল’।
- ইকুয়েডর উত্তর-পশ্চিম দক্ষিণ আমেরিকার দেশ।
- দেশটির আয়তন ৯৯,১১২ বর্গ মাইল (২৫৬,৭০০ বর্গ কিমি)।
- এর রাজধানীর নাম কুইটো।
- বর্তমানে ইকুয়েডর যা আছে তার বেশিরভাগই ইনকা সভ্যতার অন্তর্ভুক্ত।
- ইকুয়েডর নিরক্ষরেখায় অবস্থিত , সিয়েরা ব্যতীত বেশিরভাগ দেশই আর্দ্র গ্রীষ্মমন্ডলীয় জলবায়ু অনুভব করে।
- ওরিয়েন্ট সারা বছর ধরে একটি অস্থির সামুদ্রিক গ্রীষ্মমন্ডলীয় বায়ু দ্বারা প্রভাবিত হয়।
- এটি দক্ষিণ আমেরিকার চির বসন্তের দেশ।
তথ্যসূত্র - Britannica.com
ন্যুরেমবার্গ আদালত (Nuremberg Trials):
- ন্যুরেমবার্গ আদালত ছিল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ-পরবর্তী নাৎসি জার্মানির শীর্ষ যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের জন্য মিত্রশক্তি কর্তৃক গঠিত একটি আন্তর্জাতিক সামরিক ট্রাইব্যুনাল।
• ১৯৪৫-১৯৪৬ সালে জার্মানির নুরেমবার্গ শহরে অনুষ্ঠিত এই বিচার ইতিহাসে প্রথমবারের মতো রাষ্ট্রীয় কর্মকর্তাদের ব্যক্তিগত দায়বদ্ধতার ভিত্তিতে যুদ্ধাপরাধ, মানবতাবিরোধী অপরাধ এবং শান্তির বিরুদ্ধে অপরাধের বিচার করে।
- তাদের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগগুলো ছিল মূলত চার ধরনের। যথা:
১. শান্তির বিরুদ্ধে অপরাধ। যেমন— আন্তর্জাতিক চুক্তি লঙ্ঘন করে ধ্বংসাত্মক যুদ্ধের পরিকল্পনা, যুদ্ধের জোগাড় এবং যুদ্ধ শুরু করা।
২. মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ। যেমন— মানুষকে সমূলে বিনাশ করা, বাসস্থান থেকে বিতাড়ন করা এবং গণহত্যা।
৩. যুদ্ধাপরাধ তথা যুদ্ধের আইনসমূহ লঙ্ঘন।
৪. উপরিউক্ত তিনটি অপরাধ করার সাধারণ পরিকল্পনা বা ষড়যন্ত্র করা।
- প্রধান আসামি: হারম্যান গোরিং, রুডলফ হেস, জোয়াকিম ফন রিবেনট্রপ সহ ২৪ জন শীর্ষ নাৎসি নেতা।
- ১৯৪৫ সালের ২০ নভেম্বর শুরু হয় এই বিচার।
- আদালতের বিচারকদের আনা হয়েছিল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের চার মিত্র শক্তি আমেরিকা, সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ন, ফ্রান্স এবং ব্রিটেন থেকে।
- প্রধান কৌঁসুলি ছিলেন মার্কিন আইনজীবী রবার্ট জ্যাকসন।
- নুরেমবার্গ আদালতে বিচার কার্য চলে প্রায় ২১৮ দিন ধরে। হাজির করা হয় ২৩৬ জন সাক্ষী, উপস্থিত করা হয় প্রায় সাড়ে পাঁচ হাজার নথিপত্র।
- ১৯৪৬ সালের ১ অক্টোবর সামরিক ওই আদালত রায় ঘোষণা করেন।
- প্রধান বিচারে ১২ জন মৃত্যুদণ্ড, ৩ জন যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, ৪ জন দীর্ঘমেয়াদী কারাদণ্ড এবং ৩ জন খালাস পান।
- মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তদের একজন ছিলেন হ্যারমান গ্যোয়েরিং, যিনি মৃত্যদণ্ড কার্যকর হবার আগেই তার সেলে সায়ানাইড ক্যাপসুল খেয়ে আত্মহত্যা করেন।
উৎস: i) History.com
ii) Britannica.
সমুদ্র বন্দরহীন দেশ:
- যেসব দেশের সাথে সমুদ্র সীমা নেই সেসব দেশকে স্থল বেষ্টিত দেশ (Landlocked country) বলে।
এশিয়ার কয়েকটি স্থল বেষ্টিত দেশ হচ্ছে:
- আফগানিস্তান,
- আর্মেনিয়া,
- আজারবাইজান,
- ভুটান,
- তুর্কমেনিস্তান,
- কাজাখস্তান,
- কিরগিজস্তান,
- লাওস,
- মঙ্গোলিয়া,
- নেপাল,
- তাজিকিস্তান এবং
- উজবেকিস্তান।
উৎস: ওয়ার্ল্ড এটলাস।
উত্তর আমেরিকা:
- সবচেয়ে বড় দেশ (আয়তন) – কানাডা
- সবচেয়ে ছোট দেশ (আয়তন) – সেন্ট কিটস ও নেভিস
- সবচেয়ে জনবহুল দেশ – যুক্তরাষ্ট্র
- সবচেয়ে কম জনসংখ্যার দেশ – সেন্ট কিটস ও নেভিস।
এশিয়া:
- সবচেয়ে বড় দেশ (আয়তন) – চীন,
- সবচেয়ে ছোট দেশ (আয়তন) – মালদ্বীপ,
- সবচেয়ে জনবহুল দেশ – ভারত,
- সবচেয়ে কম জনসংখ্যার দেশ – মালদ্বীপ।
আফ্রিকা:
- সবচেয়ে বড় দেশ (আয়তন) – আলজেরিয়া,
- সবচেয়ে ছোট দেশ (আয়তন) – সিশেলস,
- সবচেয়ে জনবহুল দেশ – নাইজেরিয়া,
- সবচেয়ে কম জনসংখ্যার দেশ – সিশেলস,
দক্ষিণ আমেরিকা:
- সবচেয়ে বড় দেশ (আয়তন) – ব্রাজিল,
- সবচেয়ে ছোট দেশ (আয়তন) – সুরিনাম ,
- সবচেয়ে জনবহুল দেশ – ব্রাজিল,
- সবচেয়ে কম জনসংখ্যার দেশ – সুরিনাম।
ইউরোপ:
- সবচেয়ে বড় দেশ (আয়তন) – রাশিয়া,
- সবচেয়ে ছোট দেশ (আয়তন) – ভ্যাটিকান সিটি ,
- সবচেয়ে জনবহুল দেশ – রাশিয়া,
- সবচেয়ে কম জনসংখ্যার দেশ – ভ্যাটিকান সিটি।
ওশেনিয়া:
- সবচেয়ে বড় দেশ (আয়তন) – অস্ট্রেলিয়া,
- সবচেয়ে ছোট দেশ (আয়তন) – টুভালু ,
- সবচেয়ে জনবহুল দেশ – অস্ট্রেলিয়া,
- সবচেয়ে কম জনসংখ্যার দেশ – নাউরু।
উৎস: ওয়ার্ল্ড এটলাস।
’গারুদা’ ইন্দোনেশিয়া হল স্কাইটিমে যোগদানকারী প্রথম ইন্দোনেশিয়ান বিমান সংস্থা।
অন্যদিকে,
- মালয়েশিয়া জাতীয় বিমান সংস্থার নাম- মালয়েশিয়ান এয়ারলাইনস।
- কাতার জাতীয় বিমান সংস্থার নাম- কাতার এয়ারওয়েজ।
- বাহরাইন জাতীয় বিমান সংস্থার নাম- গালফ এয়ার (Gulf Air)।
উৎস: সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইট।
ইউরো:
- ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশসমূহের একক মুদ্রার নাম ইউরো।
- ইউরো মুদ্রা € প্রতীক দ্বারা উপস্থাপিত হয়।
- ইউরো মুদ্রার জনক হলেন রবার্ট মুন্ডেল।
- ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক ১ জানুয়ারি, ১৯৯৯ তারিখে 'ইউরো' মুদ্রা চালু করে।
- ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলোতে 'ইউরো' মুদ্রা অভিন্ন মুদ্রা হিসেবে ২০০২ সালে কার্যকর হয়।
উল্লেখ্য,
⇒ ইউরো মুদ্রা ব্যবহারকারী দেশগুলো হলো: অস্ট্রিয়া, গ্রিস, জার্মানি, ফ্রান্স, স্পেন, পর্তুগাল, নেদারল্যান্ড, বেলজিয়াম, লুক্সেমবার্গ, আয়ারল্যান্ড, মাল্টা, সাইপ্রাস, লিথুনিয়া, লাটভিয়া, এস্তোনিয়া, স্লোভেনিয়া, স্লোভাকিয়া, ইতালি, ফিনল্যান্ড ও ক্রোয়েশিয়া।
অন্যদিকে,
- ডেনমার্কের মুদ্রা ড্যানিশ ক্রোনা।
উৎস: European Union ওয়েবসাইট।
উইনস্টন চার্চিল:
- উইনস্টন চার্চিল একজন রাজনীতিবিদ ও লেখক।
- উইনস্টন চার্চিল ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় তিনি ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন।
- ১৯৫৩ সালে তিনি সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় প্রধানমন্ত্রী হিসাবে তাঁর অবদানের জন্য চিরকাল স্মরণীয়।
উল্লেখ্য,
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় যুক্তরাষ্ট্রের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ফ্রাংকলিন ডি রুজভেল্ট ও ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী উইনস্টন চার্চিল আটলান্টিক সনদে স্বাক্ষর করেন।
- উইনস্টন চার্চিল উগান্ডার সৌন্দর্য, প্রচুর বন্যপ্রাণী এবং বৈচিত্র্যের জন্য উগান্ডাকে 'আফ্রিকার মুক্তা' বলে অভিহিত করেছেন।
উৎস: Britannica.
ট্রুম্যান ডকট্রিন:
- হ্যারি এস. ট্রুম্যান ছিলেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৩৩তম রাষ্ট্রপতি।
- ১২ মার্চ, ১৯৪৭ সালে কংগ্রেসে তিনি ঘোষণা করেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘদিন বিশ্বরাজনীতিতে বিচ্ছিন্নতার নীতি (মনরো নীতি) অনুসরণ করে আসছে। কিন্তু সোভিয়েত সাম্যবাদের প্রসার রোধ করার উদ্দেশ্যে সেই নীতি থেকে তারা সরে আসবে। তিনি আরও বলেন, যেসব জাতি সশস্ত্র সংখ্যালঘুদের কিংবা কোনো বিদেশী রাষ্ট্রের আক্রমণের স্বীকার হবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তাদের আর্থিক ও সামরিক সাহায্য দেবে।
- এভাবে বিচ্ছিন্নতার নীতির পরিবর্তে ট্রুম্যান যে সামরিক সক্রিয়তার নীতি নিলেন তা-ই ইতিহাসে 'ট্রুম্যান নীতি' (ট্রুম্যান ডকট্রিন) নামে পরিচিত।
- ট্রুম্যান ডকট্রিনের মূল লক্ষ্য হলো দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী সময়ে সোভিয়েত ইউনিয়নের ভূ-রাজনৈতিক বিস্তার প্রতিরোধ করা।
⇒ ট্রুম্যানের এই নীতি ঘোষণার পিছনে কয়েকটি কারণ -
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী সময়ে যুদ্ধবিধ্বস্ত ইউরোপের বিভিন্ন দেশে কমিউনিস্টদের শক্তি বৃদ্ধি ঘটে। এই ঘটনা আমেরিকা সহ পশ্চিমি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রগুলিকে উদ্বিগ্ন করে তোলে।
- ইংল্যান্ড আমেরিকাকে সতর্ক করে যে, ব্রিটিশ সৈন্য গ্রিস থেকে ফিরে আসার পর সেখানে কমিউনিস্টদের প্রাধান্য স্থাপিত হলে সমগ্র ভূমধ্যসাগর ও বলকান অঞ্চল মিত্রশক্তির নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাবে। এই সতর্কবার্তায় আমেরিকা সচকিত হয়ে পড়ে।
- বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী সময়ে মার্কিন বাণিজ্যে মন্দা ও অস্ত্রনির্মাণ সংস্থা উৎপাদন হ্রাস ও কর্মী ছাঁটাইয়ের আশঙ্কায় ভুগতে থাকে। এই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের জন্য ট্রুম্যান তাঁর সামরিক সক্রিয়তার নীতি গ্রহণ করেন।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ইউরোপের দেশগুলির আর্থিক অবস্থা শোচনীয় হয়ে পড়ে। এই অবস্থার সুযোগ নিয়ে বিনা সুদে ঋণ দেওয়ার বিনিময়ে আমেরিকা এই সব দেশে শিল্পপণ্যের বাজার দখলের পরিকল্পনা করে।
উৎস: National Archives | (.gov).