ব্যাখ্যা
- রোবেন দ্বীপ দক্ষিণ আফ্রিকার বর্ণবাদী শাসনামলে একটি কারাগার হিসেবে ব্যবহৃত হতো। পরবর্তীতে ১৯৯৯ সালে এটিকে জাতীয় জাদুঘরে রূপান্তর করা হয়।
- ইউনেস্কো এটিকে একটি বিশ্ব ঐতিহ্য হিসেবে ঘোষণা করেছে।
PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন
PrepBank · পাতা ৬৯ / ৯৩ · ৬,৮০১–৬,৯০০ / ৯,৩৩৪
• Saudi Arabian Oil Company/Saudi Aramco:
- সৌদি আরামকো বিশ্বের বৃহত্তম তেল উৎপাদক কোম্পানি।
- প্রধান কার্যালয়: ধাহরান, সৌদি আরব।
- বাজার মূলধন: প্রায় ১.৭ ট্রিলিয়ন ডলার।
- ২০২৪ সাল পর্যন্ত যেকোনো শিল্পের মধ্যে সর্বাধিক মুনাফাকারী কোম্পানি হিসেবে পরিচিত।
- ১৯৩৩ সালে সৌদি আরব তেল খননের অনুমতি দেয়ার পর এটি শুরু হয়, তখন Chevron কোম্পানি এতে কাজ করছিল।
- ১৯৮০ সালে সৌদি সরকার পুরো কোম্পানিটির মালিকানা নেয়।
২০১৯ সালে কোম্পানিটির আইপিও একটি ঐতিহাসিক ঘটনা হিসেবে বিবেচিত হয়, যেখানে ২৯.৪ বিলিয়ন ডলার সংগ্রহ করা হয়, যা ইতিহাসের সর্ববৃহৎ প্রাথমিক গণপ্রস্তাব (IPO)।
তথ্যসূত্র:
i) ব্রিটানিকা।
ii) সৌদি আরামকো কোম্পানি।
iii) এনার্জি, তেল ও গ্যাস ম্যাগাজিন।
দাহিয়া ডকট্রিন:
- ‘দাহিয়া ডকট্রিন’ ইসরায়েলের একটি যুদ্ধকৌশল, যার মূল লক্ষ্য হচ্ছে ইচ্ছাকৃত ও সম্পূর্ণ ধ্বংস।
- এই নীতিতে বৈধতা ছাড়াই সম্পূর্ণ বেসামরিক অঞ্চল ধ্বংস করা হয়।
- দাহিয়া শব্দটি এসেছে লেবাননের রাজধানী বৈরুতের দক্ষিণ উপকণ্ঠের দাহিয়া এলাকার নাম থেকে।
- এই যুদ্ধনীতি ইসরায়েলি সেনাপ্রধান গাদি আইজেনকোট ২০০৬ সালে ইসরায়েল এবং হিজবুল্লাহর মধ্যে সংঘটিত যুদ্ধে প্রবর্তন করেন।
- ওই যুদ্ধে হিজবুল্লাহর ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত বৈরুতের দাহিয়া জেলাকে সম্পূর্ণ ধ্বংস করে দেওয়া হয়।
- পরবর্তীতে গাজায় এ নীতি প্রয়োগ করে ইসরায়েল।
- বর্তমানে ইরানে ‘দাহিয়া ধাঁচের’ সামরিক অভিযান চালাচ্ছে ইসরায়েল।
- ইসরায়েলি সামরিক কর্মকর্তারা এই অভিযানকে মূলত যুদ্ধের একটি কৌশল হিসেবে বর্ণনা করেন।
- এর মাধ্যমে রাজনৈতিক লক্ষ্য অর্জনের জন্য বেসামরিক অবকাঠামো ও জনপদকে ইচ্ছাকৃতভাবে টার্গেট করা হয়।
- বহু মানবাধিকার সংস্থা ও আন্তর্জাতিক আইন বিশেষজ্ঞ এই কৌশলকে গণবিধ্বংসী কৌশল হিসেবে অভিহিত করেছেন।
তথ্যসূত্র- পত্রিকা রিপোর্ট।
সিন্ধুসভ্যতার পতন:
- সভ্যতার ইতিহাসের নিয়মই হচ্ছে কোন একটি সভ্যতার উত্থান ঘটতে পারে, তারপরে এর বিকাশ, অবশেষে এর পরিণতি হয় পতন।
- সিন্ধু সভ্যতা পতনের জন্য বেশ কিছু কারণ দায়ী ছিল।
⇒ প্রাকৃতিক দুর্যোগ:
- প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে সিন্ধু সভ্যতা ধ্বংস হয়ে যায়। দুই ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগের কথা বলা হয়ে থাকে। এগুলো হচ্ছে, বন্যা এবং ভূমিকম্প। বলা হয়ে থাকে ক্রমাগত বন্যা এই নগরকে ধ্বংস করেছে। বন্যা প্রতিরোধের কোন প্রকার ব্যবস্থা সিন্ধু সভ্যতার অধিবাসীরা গ্রহণ করতে পারেনি।
⇒ বৈদেশিক আক্রমণ:
- পার্শ্ববর্তী বা বিদেশী আক্রমণকারীদের আক্রমণে ধ্বংস হয়েছে সিন্ধু সভ্যতা। এই আক্রমণকারী হিসেবে অনেকেই আর্যদের কথা বলেছেন। যাযাবর আর্যরা ভারতে প্রবেশ করে ধ্বংসযজ্ঞ চালায়। পূর্বোক্ত তারা উন্নত নগর সভ্যতা সিন্ধু সভ্যতাকে ধ্বংস করে।
⇒ আভ্যন্তরীণ সঙ্কট:
- অভ্যন্তরীণ সঙ্কটের কারণে এই সভ্যতা ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়। মনে করা হয় কৃষি উৎপাদন হ্রাস পেয়েছিল। বাণিজ্যও ভেঙ্গে পড়েছিল। এভাবে, অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে দুর্বল হয়ে পড়ে সিন্ধুসভ্যতা। সামরিক দিক থেকেও খুব সবল ছিল না সিন্ধুবাসীরা।
উল্লেখ্য,
- এ সমস্ত সঙ্কটের কারণে ধীরে ধীরে হারিয়ে যেতে থাকে এই সভ্যতা।
- এসব কারণের মধ্যে প্রত্নতাত্ত্বিকগণ মোটামুটি নিশ্চিত হয়েছেন ২৭৫০ খ্রিস্টপূর্বাব্দে প্রলয়ঙ্করী বন্যা হয়েছিল।
- হরপ্পা ও মহেঞ্জোদারো প্লাবিত হয় এই বন্যায়। হরপ্পা ও মহেঞ্জোদারো শহর এভাবে ধ্বংস হয়ে যায়।
- বলা হয়ে থাকে, ক্রমাগত বন্যায় শহর দু'টি ধীরে ধীরে মাটির নীচে চাপা পড়েছে।
উৎস: এইচ এস সি প্রোগ্রাম, ইতিহাস ১ম পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
- ২১ এপ্রিল সিভিল সার্ভিস দিবস (Civil Service Day) হিসেবে পালিত হয়।
ভারত:
- ভারত দক্ষিণ এশিয়ার বৃহত্তম।
- এর রাজধানী: নয়া দিল্লি।
- মুদ্রা: রুপি।
- প্রেসিডেন্ট: দ্রৌপদী মুর্মু।
- প্রধানমন্ত্রী: নরেন্দ্র মোদি।
- প্রধান নদী: গঙ্গা, যমুনা, সিন্ধু, ব্রহ্মপুত্র।
- ১৯৪৭ সালে ভারতবর্ষ দুই ভাগে ভাগ হয়ে হিন্দু সংখ্যাগরিষ্ঠ ভারত ও মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ পাকিস্তান নামক দুটি স্বাধীন রাষ্ট্রের জন্ম হয়।
- ১৯৫০ সালের ২৬ জানুয়ারি ভারতীয় সংবিধান কার্যকর হয়।
- তাই প্রতি বছর ২৬ জানুয়ারি ভারতে প্রজাতন্ত্র দিবস পালন করা হয়।
- ২১ এপ্রিল সিভিল সার্ভিস দিবস (Civil Service Day) হিসেবে পালিত হয়।
উৎস: Britannica.
• ভৌগলিক উপনাম:-
- সুইডেনের রাজধানী স্টকহোম শহরটি অসংখ্য দ্বীপ ও খালের ওপর গড়ে উঠেছে এবং বহু সেতুর মাধ্যমে সংযুক্ত।
- এ কারণে এর জলময় সৌন্দর্য ইতালির ভেনিসের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ হওয়ায় স্টকহোমকে “উত্তরের ভেনিস (Venice of the North)” বলা হয়।
--------------------
কিছু ভৌগলিক উপনাম:
শ্বেতহস্তীর দেশ — থাইল্যান্ড,
পবিত্র ভূমি — জেরুজালেম,
ম্যাপল পাতার দেশ - কানাডা,
হাজার হ্রদের দেশ বলা হয়- ফিনল্যান্ড,
পবিত্র দেশ — ফিলিস্তিন,
বজ্রপাতের দেশ — ভুটান,
পিরামিডের দেশ / নীল নদের দেশ — মিশর,
সূর্যোদয়ের দেশ — জাপান,
ভূমিকম্পের দেশ — জাপান,
প্রাচ্যের ম্যানচেস্টার — ওসাকা,
পবিত্র পাহাড় — ফুজি পর্বত,
চীনের নীলনদ — ইয়াংসিকিয়াং,
লবঙ্গ দ্বীপ — জাঞ্জিবার,
নিষিদ্ধ দেশ — তিব্বত,
নিষিদ্ধ শহর — লাসা,
পৃথিবীর ছাদ — পামির মালভূমি / তিব্বত মালভূমি,
দ্বীপের মহাদেশ — অস্ট্রেলিয়া,
আগুনের দ্বীপ — আইসল্যান্ড,
মুক্তার দেশ — কিউবা,
মুক্তার দ্বীপ — বাহরাইন,
পৃথিবীর চিনির আধার — কিউবা।
------------------------
অন্যদিকে,
- Copenhagen : ডেনমার্কের রাজধানী।
- Oslo : নরওয়ের রাজধানী।
- Helsinki : ফিনল্যান্ডের রাজধানী।
উৎস: Britannica.
বেরিং প্রণালী:
- 'বেরিং প্রণালী' এশিয়া ও উত্তর আমেরিকাকে পৃথক করেছে।
- বেরিং প্রণালি যুক্তরাষ্ট্রের আলাস্কা ও রাশিয়াকে আলাদা করেছে।
- প্রণালিটি আর্কটিক মহাসাগরকে বেরিং সাগরের সাথে সংযুক্ত করেছে।
- প্রণালিটির গড় গভীরতা ৯৮ থেকে ১৬৪ ফুট (৩০ থেকে ৫০ মিটার) এবং এর প্রশস্ততা প্রায় ৫৩ মাইল (৮৫ কিমি)।
উল্লেখ্য,
- একসময় আলাস্কা রাশিয়ার মালিকানায় ছিল। যুক্তরাষ্ট্র ১৮৬৭ সালে রাশিয়ার কাছ থেকে আলাস্কা কিনে নেয়।
অন্যদিকে -
- জিব্রাল্টার প্রণালী আফ্রিকা থেকে ইউরোপকে পৃথক করেছ এবং ভূমধ্যসাগর ও আটলান্টিক মহাসাগরকে সাগরকে সংযুক্ত করেছে।
- পক প্রণালী ভারত মহাসাগরের বঙ্গোপসাগর ও পক উপসাগরকে যুক্ত করেছে।
- পারস্য উপসাগর থেকে ওমান উপসাগর ও ভারত মহাসাগরে জাহাজ প্রবেশের একমাত্র সমুদ্রপথ হলো হরমুজ প্রণালী। এর এক পাশে অবস্থিত আরব দেশগুলো, যাদের মধ্যে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র রাষ্ট্রসমূহ, এবং অন্য পাশে রয়েছে ইরান।
উৎস: i) Britannica.
ii) BBC.
জ্যামাইকা প্রথমে একটি স্পেনের উপনিবেশ ছিল। তখন এর নাম ছিল সান্তিয়াগো।
জ্যামাইকা ক্যারিবিয়ান সাগরে অবস্থিত একটি ছোট দেশ।
একনজরে জ্যামাইকা:
রাষ্ট্রীয়/প্রশাসনিক নাম – Jamaica
রাজধানী – কিংস্টন (Kingston)
রাষ্ট্রীয় ভাষা – ইংরেজি
রাষ্ট্রধর্ম - নাই (ধর্ম নিরপেক্ষ)
মুদ্রার নাম - জ্যামাইকান ডলার (Jamaican Dollar)
শাসন/সরকার ব্যবস্থা – সাংবিধানিক রাজতন্ত্র (ব্রিটিশ রাজা/রানী রাষ্ট্রীয় প্রধান)
সংসদের নাম - পার্লামেন্ট (২ কক্ষ বিশিষ্ট);
- উচ্চকক্ষ – সিনেট (আসন – ২১টি) ও
- নিম্নকক্ষ - House of Representatives (আসন – ৬৩টি)
উৎসঃ Britannica.com ও Live MCQ content (Upcoming)
• অঙ্গরাজ্য: বর্তমানে ভারতে ২৮টি অঙ্গরাজ্য রয়েছে ।
- কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল: ভারতে ৮টি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল রয়েছে।
- এগুলো হলো: আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ, চণ্ডীগড়, দাদরা ও নগর হাভেলি এবং দমন ও দিউ, দিল্লি, জম্মু ও কাশ্মীর, লাদাখ, লাক্ষাদ্বীপ, পুদুচেরি।
ভারত:
- ভারত আয়তনে দক্ষিণ এশিয়ার বৃহত্তম রাষ্ট্র।
- বিশ্বের বৃহত্তম গণতান্ত্রিক দেশ।
- পূর্ণ নাম: রিপাবলিক অফ ইন্ডিয়া বা ভারত প্রজাতন্ত্র।
- রাজধানী: নয়াদিল্লি (New Delhi)।
- জাতীয় দিবস: * ১৫ আগস্ট (স্বাধীনতা দিবস)।
- ২৬ জানুয়ারি (প্রজাতন্ত্র দিবস)।
- আইনসভা (Parliament): এটি দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট।
- লোকসভা: নিম্নকক্ষ (জনগণের সরাসরি ভোটে নির্বাচিত)।
- রাজ্যসভা: উচ্চকক্ষ।
- পাকিস্তান, চীন, নেপাল, ভুটান, বাংলাদেশ এবং মায়ানমারের সাথে এর স্থল সীমানা রয়েছে।
- মুদ্রা: ভারতীয় রুপি (₹ INR)।
- ভাষা: হিন্দি ও ইংরেজি দাপ্তরিক কাজে ব্যবহৃত হয়।
• অঙ্গরাজ্য: বর্তমানে ভারতে ২৮টি অঙ্গরাজ্য রয়েছে ।
- কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল: ভারতে ৮টি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল রয়েছে।
উল্লেখ্য,
- ২০৭০ সালের মধ্যে "নেট জিরো" লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের পথে নবায়নযোগ্য জ্বালানি এবং গ্রিন হাইড্রোজেন মিশনে ভারত বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে।
উৎস: Official Portal of the Government of India. এবং Encyclopedia Britannica.লিঙ্ক
• কার্ল মার্ক্স:
- কার্ল মার্ক্স ছিলেন একজন জার্মান বিপ্লবী চিন্তাবিদ, ইতিহাসবিদ, সমাজবিজ্ঞানী ও অর্থনীতিবিদ।
- তিনি মার্কসবাদ (Marxism) নামক রাজনৈতিক ও সামাজিক চিন্তার প্রবক্তা।
- জন্ম: ৫ মে, ১৮১৮ – ট্রিয়ার, প্রুশিয়া (বর্তমান জার্মানি)।
- মৃত্যু: ১৪ মার্চ, ১৮৮৩ – লন্ডন, ইংল্যান্ড।
- কমিউনিস্ট ম্যানিফেস্টো (Manifesto of the Communist Party) – ১৮৪৮ সালে ফ্রিডরিখ এঙ্গেলসের (Friedrich Engels) সঙ্গে যৌথভাবে প্রকাশ করেন।
- দাস কাপিটাল (Das Kapital) – শ্রম, মূলধন ও পুঁজিবাদ নিয়ে বিশ্লেষণধর্মী বই।
উৎস: Britannica.
• ফিনিশীয় সভ্যতা (Phoenician Civilization):
- বর্তমান লেবানন এবং সিরিয়ার কিছু অংশ নিয়ে ভূমধ্যসাগরের পূর্ব উপকূলে এই প্রাচীন সভ্যতাটি গড়ে উঠেছিল।
- ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে তারা স্থলপথের চেয়ে জলপথে বাণিজ্যে বেশি আগ্রহী ছিল।
- গ্রীকরা এদের নাম দিয়েছিল 'ফিনিশীয়' বা 'পার্পল পিপল' (Purple People), কারণ তারা এক ধরণের বিশেষ সামুদ্রিক শামুক থেকে রাজকীয় বেগুনি রং তৈরি করত এবং এর ব্যবসা করত।
• বর্ণমালা আবিষ্কার (Invention of Alphabet):
- ফিনিশীয়দের সবচেয়ে বড় অবদান হলো বর্ণমালার উদ্ভাবন।
- তারা ২২টি ব্যঞ্জনবর্ণের একটি সেট তৈরি করে, যা ছিল আধুনিক বর্ণমালার পূর্বপুরুষ।
- পরবর্তীতে গ্রীকরা এই বর্ণমালার সাথে স্বরবর্ণ (Vowels) যুক্ত করে এবং রোমানদের হাত ধরে তা বর্তমান ইংরেজি বর্ণমালায় রূপ নেয়।
• প্রধান নগর রাষ্ট্রসমূহ:
- ফিনিশীয়রা কোনো একক বিশাল সাম্রাজ্য গড়ে তোলেনি, বরং তারা ছোট ছোট স্বাধীন 'নগর রাষ্ট্র' বা 'সিটি স্টেটস'-এ বিভক্ত ছিল।
- তারা ছিল প্রাচীন বিশ্বের শ্রেষ্ঠ নাবিক ও জাহাজ নির্মাতা।
- তারা ধ্রুবতারা দেখে দিক নির্ণয় করতে জানত, যাকে গ্রীকরা 'ফিনিশীয় তারা' বলত।
• কার্থেজ (Carthage):
- ফিনিশীয়রা ভূমধ্যসাগরের নানা স্থানে উপনিবেশ স্থাপন করেছিল। এর মধ্যে উত্তর আফ্রিকায় (বর্তমান তিউনিসিয়া) অবস্থিত 'কার্থেজ' ছিল সবচেয়ে বিখ্যাত, যা পরবর্তীতে রোমান সাম্রাজ্যের প্রবল প্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে ওঠে।
উৎস: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট এবং বিশ্ব ইতিহাস এনসাইক্লোপিডিয়া।
নুরেমবার্গ ট্রায়াল:
- 'নুরেমবার্গ ট্রায়াল' যুদ্ধাপরাধ-এর সাথে সংশ্লিষ্ট।
- নুরেমবার্গ ট্রায়াল হচ্ছে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ১৯৪৫-৪৬ সালে জার্মানির বাভারিয়া রাজ্যের নুরেমবার্গ শহরে অনুষ্ঠিত বিচার প্রক্রিয়ার নাম।
⇒ ইন্টারন্যাশনাল মিলিটারি ট্রাইব্যুনাল হিটলারের নাৎসি বাহিনীর নেতাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ গঠন করে এবং তাদের বিচার করে।
- তাদের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগগুলো ছিল মূলত চার ধরনের যথা:
১. শান্তির বিরুদ্ধে অপরাধ। যেমন: আন্তর্জাতিক চুক্তি লঙ্ঘন করে ধ্বংসাত্মক যুদ্ধের পরিকল্পনা, যুদ্ধের জোগাড় এবং যুদ্ধ শুরু করা।
২. মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ। যেমন: মানুষকে সমূলে বিনাশ করা, বাসস্থান থেকে বিতাড়ন করা এবং গণহত্যা।
৩. যুদ্ধাপরাধ তথা যুদ্ধের আইনসমূহ লঙ্ঘন।
৪. উপরিউক্ত তিনটি অপরাধ করার সাধারণ পরিকল্পনা বা ষড়যন্ত্র করা।
⇒ আন্তর্জাতিক এই সামরিক ট্রাইবুনালে বিশিষ্ট ২২ জন নাৎসি কর্মকর্তার বিচার শুরু হয়েছিল।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরপরই নুরেমবার্গের আদালতে শীর্ষ নাৎসি কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়।
- যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধের কারণে বিচার হয় তাদের।
- বিচারাধীনদের মধ্যে ছিল সামরিক কর্মকর্তা, রাজনীতিক, অর্থনৈতিক উপদেষ্টা।
- ১৯৪৫ সালের ২০ নভেম্বর শুরু হয় এই বিচার।
উৎস: Britannica.
• সরকার ও জনগণের মধ্যে আয়নার মতো কাজ করে মিডিয়া।
• গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ হচ্ছে মিডিয়া তথা স্বাধীন সংবাদমাধ্যম।
• গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে সরকারের সকল কার্যক্রম প্রচার করে থাকে মিডিয়া।
মালদ্বীপ:
- ভারতীয় উপমহাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমের দেশ মালদ্বীপ।
- এটি ১২ শতাধিক ছোট দ্বীপ নিয়ে গঠিত।
- মালদ্বীপ দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক জোট সার্কের সদস্য।
- রাজধানী: মালে।
- ভাষা: দিভেহী ও ইংরেজি।
- পার্লামেন্ট: পিপলস মজলিস।
- মুদ্রা: মালদ্বীপীয় রুপাইয়া।
অন্যদিকে,
- ফ্রান্সের মুদ্রার নাম ইউরো।
- যুক্তরাজ্যের মুদ্রার নাম পাউন্ড।
- যুক্তরাষ্ট্রের মুদ্রার নাম ডলার।
- জাপানের মুদ্রার নাম ইয়েন।
- উত্তর কোরিয়ার মুদ্রার নাম উন।
- ভিয়েতনামের মুদ্রার নাম ডং।
- থাইল্যান্ডের মুদ্রার নাম বাথ।
- ফিলিপাইনের মুদ্রার নাম পেসো।
- মিয়ানমারের মুদ্রার নাম কিয়াট।
- ভুটানের মুদ্রার নাম গুলট্রাম।
- চীনের মুদ্রার নাম ইউয়ান।
- ভিয়েতনামের মুদ্রার নাম ডং।
- নেপালের মুদ্রার নাম রুপি।
উৎস: Britannica.com.
চীনের সিভিল সার্ভিস:
- চীনের সিভিল সার্ভিস একটি প্রশাসনিক ব্যবস্থা যা ঐতিহ্যগতভাবে চীনের সরকারের বেসামরিক কাজ সম্পাদনার জন্য মেধাভিত্তিক প্রতিযোগীতার মাধ্যমে বিয়োগপ্রাপ্ত হন।
- যোগ্যতার ভিত্তিতে সিভিল সার্ভিসের প্রাচীনতম উদাহরণগুলির মধ্যে একটি হলো চীনের ইম্পেরিয়াল আমলাতন্ত্র।
- চীনে সিভিল সার্ভিসের চাকরিকে ‘Iron Rice Bowl’ বলা হয়।
- চাকরির নিরাপত্তা ও উচ্চ বেতনের জন্য এই নামকরণ করা হয়েছে।
- চীনের সিভিল সার্ভিস পরীক্ষা মান্দারিন ভাষায় হয় ‘Guako’।
উল্লেখ্য,
- খ্রিষ্টপূর্ব ২০৬ অব্দে চীনের হান রাজবংশের রাজা গাওজু (Gaozu) এর শাসনামলে মেধাভিত্তিক সিভিল সার্ভিসের উন্মেষ ঘটে। তিনি প্রথম পরীক্ষার মাধ্যমে রাজকর্মচারী নিয়োগের ব্যবস্থা চালু করেন। এই সময়ে ইম্পেরিয়াল পরীক্ষা ব্যবস্থা (Keju বা Civil Service Examination) চালু হয়, যা মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে সরকারি কর্মকর্তা নিয়োগের জন্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার উপর নির্ভরশীল ছিল। এই ব্যবস্থা পরবর্তীতে সুই (৫৮১-৬১৮) এবং তাং রাজবংশের (৬১৮-৯০৭) সময়ে আরও উন্নত হয়।
- পরবর্তীতে অন্যান্য রাজবংশের শাসনের সময় তা বিভিন্ন সংশোধন ও পরিমার্জনের মাধ্যমে পরিবর্তিত হতে থাকে ও অধিক সুসংগঠিত হয়।
- সং সাম্রাজ্য (Song Dynasty – 960–1279) প্রথম যোগ্যতা (jinshi degree) ও পরীক্ষা পদ্ধতির প্রচলন ঘটায়।
- মিং সাম্রাজ্যের (Ming dynasty – 1368–1644) সময় সিভিল সার্ভিস সিস্টেম চূড়ান্ত রূপে পৌঁছায় এবং পরবর্তীতে কিং সাম্রাজ্যও এই পদ্ধতিই অনুসরণ করে। এই সময় সিভিল সার্ভিসের কর্মকর্তাগণ নিজের এলাকায় নিয়োগ না পাওয়া, এক স্থানে তিনবছরের বেশি দায়িত্ব পালন না করা ইত্যাদি নিয়ম অন্তর্ভূক্ত হয়। তাছাড়া, উচ্চপদের জন্য যোগ্যতার ক্ষেত্রে বেশ কিছু জিনিস অন্তর্ভূক্ত এবং শৃঙ্খলাভঙ্গের জন্য শাস্তির বিধান করা হয়।
- আধুনিকীকরণের প্রচেষ্টার মাঝে ১৯০৫ সালে কিং রাজবংশ কর্তৃক শেষ পর্যন্ত পরীক্ষা ব্যবস্থা বাতিল করে দেওয়া হয় এবং পূর্বে বিদ্যমান সিভিল সার্ভিস সিস্টেমটি 1911/12 সালে রাজবংশের সাথে উৎখাত করে দেওয়া হয়েছিল।
- চীনে ১৯৪৯ সালে গণপ্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠার পর মূলত বর্তমান রাষ্ট্রীয় সিভিল সার্ভিসের প্রচলন ঘটে। সাধারণত কমিউনিস্ট পার্টির সাথে সংশ্লিষ্টরাই এই সার্ভিসে যোগদান করে।
উৎস: i) Britannica.
ii) BBC.
• জাপানের হিরোশিমা ও নাগাসাকিতে পারমাণবিক বোমা ফেলার নির্দেশ দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট হেনরি ট্রুম্যান।
• যুক্তরাষ্ট্রের বিমান বাহিনী জাপানের হিরোশিমা শহরের ওপর লিটল বয় নামের নিউক্লীয় বোমা ফেলে ১৯৪৫ সালের ৬ আগস্ট সকালে।
• এর তিন দিন পর ৯ আগস্ট, ১৯৪৫ সালে নাগাসাকি শহরের ওপর ফ্যাটম্যান নামের আরেকটি নিউক্লীয় বোমার বিস্ফোরণ ঘটায়।
উৎসঃ এনসাইক্লোপিডিয়া অব ব্রিটানিকা।
জর্ডানের মুদ্রার দিনার,
গ্যাবন ও জিবুতির মুদ্রার নাম ফ্রাংক,
কলম্বিয়ার মুদ্রার নাম পেসো
উৎসঃ Britannica.com
মেসোপটেমিয়া সভ্যতার অবদান:
- মেসোপটেমিয়ায় গড়ে ওঠা সবচেয়ে প্রাচীন সভ্যতা সুমেরীয় সভ্যতা। জলঘড়ি ও চন্দ্র পঞ্জিকা আবিষ্কারে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে সুমেরীয়রা। তবে সুমেরীয় সভ্যতার সবচেয়ে বড় অবদান চাকা আবিষ্কার।
- বৃত্তকে ৩৬০° কোণে ভাগ করে অ্যাশেরীয়রা। সভ্যতায় অ্যাশেরীয়দের অবদান সমরবাদী, যুদ্ধবিদ্যা, অস্ত্র ও হাতিয়ার তৈরি।
- পৃথিবীর প্রথম লিখিত আইনের প্রচলন হয় ব্যাবিলনে। সর্বপ্রথম পঞ্জিকার প্রচলন করে ব্যাবিলনীয় সভ্যতায়। সভ্যতায় ব্যাবিলনিয়দের অবদান ছিল আইন প্রণয়নে। ব্যাবিলনীয়দের আইন হাম্মুরাবির আইন নামে পরিচিত ছিল।
- ৭ দিনে সপ্তাহ গণনা শুরু করে ক্যালেডীয়রা। প্রতিদিনকে ১২ জোড়া ঘন্টায় ভাগ করার পদ্ধতি বের করে ক্যালেডীয়রা। ক্যালেডীয় সভ্যতা গড়ে তুলেছিলেন রাজা নেবুচাঁদনেজার।
⇒ মেসোপটেমিয়া সভ্যতা (Mesopotamian Civilization):
- পৃথিবীর সবচেয়ে প্রাচীন সভ্যতার নাম মেসোপটেমিয়া সভ্যতা।খ্রিস্টপূর্ব ৪,০০০ অব্দে মিশরে যখন নগর সভ্যতা গড়ে উঠেছিল। সেই সময় আরো কিছু নগর সভ্যতা গড়ে ওঠে।
- ‘মেসোপটেমিয়া' একটি গ্রিক শব্দ যার অর্থ দুই নদীর মধ্যবর্তী ভূমি ৷ টাইগ্রিস ও ইউফ্রেটিস নদীর মধ্যবর্তী উপত্যকাটির নাম মেসোপটেমিয়া।
- বর্তমান ইরাক রাষ্ট্রের সীমানার মধ্যেই প্রাচীন মেসোপটেমীয়ার বেশিরভাগ অঞ্চল অবস্থিত। এছাড়াও সিরিয়া, তুরস্ক, ইরান ও কুয়েতে এই সভ্যতার কিছু অংশ রয়েছে।
⇒ মেসোপটেমীয় সভ্যতার পর্যায় ছিল ৪টি। যথা:
১. সুমেরীয় সভ্যতা,
২. ব্যাবিলনীয় সভ্যতা,
৩. অ্যাশেরীয় সভ্যতা ও
৪. ক্যালেডীয় সভ্যতা।
উৎস: i) History.com
ii) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
রাশিয়া-ইউক্রেন দ্বন্দ্বের প্রধান কারণ:
- ইউক্রেন কর্তৃক মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট ন্যাটো’তে যোগদানের সম্ভাবনা।
- ইউরোপীয় ইউনিয়নের সাথে মুক্ত বাণিজ্য এলাকার অর্থনৈতিক উৎপাদনের জন্য ইউক্রেনের আবেদন।
- রাশিয়া কর্তৃক ইউক্রেনের নিকট স্বল্প মূল্যে প্রাকৃতিক গ্যাস রপ্তানি স্থগিতকরণ এবং ‘নর্ড স্ট্রিম ২' পাইপলাইন নির্মাণ।
- ১৪ জানুয়ারি, ২০২১ সালে ইউক্রেনের অন্তত ৭০টি সরকারি ওয়েবসাইটে রাশিয়া হামলা চালায় বলে দাবি করে ইউক্রেন ও পশ্চিমা বিশ্ব।
- ১৮ ডিসেম্বর, ২০২১ সালে রাশিয়া-মার্কিন নিরাপত্তা চুক্তি এবং মস্কো ও ন্যাটোর মধ্যে একটি নিরাপত্তা চুক্তির খসড়া প্রকাশ করা হয়। এতে ইউক্রেনকে ন্যাটো সামরিক জোটে ঢুকতে না দেয়ার দাবি জানায় রাশিয়া, তবে যুক্তরাষ্ট্র তা নাকচ করে দেয়।
- ২৮ ডিসেম্বর, ২০২১ সালে ভ্লাদিমির পুতিন ও জো বাইডেনের মধ্যে এক ফোনালাপ অনুষ্ঠিত হয়। এতে উভয় নেতাই ইউক্রেন নিয়ে আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন।
- ২১ জানুয়ারি, ২০২২ সালে সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় কূটনৈতিক পর্যায়ের বৈঠকে ইউক্রেন ইস্যুতে চলমান উত্তেজনা হ্রাসের ব্যাপারে সম্মত হয় যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়া।
- এমন সময়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়, যখন ইউক্রেন সীমান্ত সংলগ্ন রুশ ভূখণ্ডে সামরিক শক্তি বাড়িয়ে ইউক্রেনে হামলার আশঙ্কা জোরদার করছে রাশিয়া। এই ইস্যুতে রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্কে সম্প্রতি অস্থিরতা তৈরি হয়।
- পূর্ব ইউক্রেনের বিচ্ছিন্নতাকামী দুই অঞ্চল 'লুহানস্ক' ও 'দোনেৎস্ক’ কে স্বাধীন দেশ হিসেবে ঘোষণা দেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।
- চলমান রাশিয়া-ইউক্রেন সংকটের সূচনা হয় অক্টোবর ২০২১ সালে।
- 'লুহানস্ক' ও 'দোনেৎস্ক' ইউক্রেনের বিচ্ছিন্নতাকামী অঞ্চল।
- ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২২ রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন রাশিয়ার সীমান্ত সংলগ্ন ইউক্রেনের বিচ্ছিন্নতাকামী দুইটি অঞ্চল ‘দোনেৎস্ক’ ও ‘লুহানস্ক’ কে স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে ডিক্রিতে স্বাক্ষর করেন।
- ২০১৪ সাল থেকেই এই অঞ্চলের রুশপন্থি বিদ্রোহীরা ইউক্রেনের কাছ থেকে স্বাধীনতা চাইছে।
উৎস: সাম্প্রতিক পত্রিকা রিপোর্ট (জাতীয় ও আন্তর্জাতিক)।
- রোমান সভ্যতায় আইনের ভিত্তি ছিলো The Twelve Tables.
রোমান সভ্যতা:
- গ্রিক সভ্যতার অবসানের আগেই ইতালিতে টাইবার নদীর তীরে একটি বিশাল সম্রাজ্য ও সভ্যতা গড়ে ওঠে।
- রোমকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা এই সভ্যতা রোমান সভ্যতা নামে পরিচিত।
- প্রথম দিকে রোম একজন রাজার শাসনাধীন ছিল।
- রাজা স্বৈরাচারী হয়ে উঠলে তাকে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে ৫১০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দ রোমে একটি প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়।
- রোমান সভ্যতা প্রায় ছয়শ' বছর স্থায়ী হয়েছিল।
- রোমের অর্থনীতি ছিলো দাসদের উপর নির্ভরশীল।
• সভ্যতায় রোমের অবদান:
- রোম শিল্প, সাহিত্য, দর্শন, স্থাপত্য সর্বক্ষেত্রে গ্রিকদের দ্বারা প্রভাবিত ছিল।
- তারা এসব বিষয়ে গ্রিকদের অনুসরণ ও অনুকরণ করেছে।
- তবে সামরিক সংগঠন, শাসন পরিচালনা, আইন প্রণয়ন ও প্রকৌশল বিদ্যায় তারা গ্রিক ও অন্যান্য জাতির ওপর শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করতে সক্ষম হয়েছিল।
- রোমানদের সবচেয়ে বড় অবদান আইনের ক্ষেত্রে।
- রোমান আইনের ভিত্তি ছিলো The Twelve Tables.
উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি এবং ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।
আরব বসন্ত (Arab Spring):
- মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকার কয়েকটি দেশে রাজতন্ত্র ও একনায়কতন্ত্র উচ্ছেদ করে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার যে আন্দোলন ২০১০ সালে শুরু হয়, সেগুলোকে একত্রে আরব বসন্ত বলে ।
- আরব বসন্তের শুরু হয়েছিল আফ্রিকার দেশ তিউনিশিয়ায়। এই কারনে তিউনিশিয়াকে আরব বসন্তের সূতিকাগার বলা হয়।
- পশ্চিমা সংবাদ মাধ্যম ২০১১ সালে প্রথম মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকায় স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে এবং গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য সংঘটিত গণআন্দোলনকে “আরব বসন্ত” ( Arab Spring ) আখ্যা দেয়।
- ২০১৩ সালের দিকে এসে আরব বসন্তের আন্দোলন স্তিমিত হয়ে যায়।
- আরব বসন্তের প্রভাবে তিউনিশিয়া, মিশর, লিবিয়া, ইয়েমেন, বাহরাইন, মরক্কো, সিরিয়া প্রভৃতি দেশে - ক্ষমতা বদল বা কিছু কিছু ক্ষেত্রে ক্ষমতা হ্রাস ইত্যাদি পরিবর্তন ঘটেছে।
- এখনো এই তথাকথিত আরব বসন্তের জেরে সিরিয়া, ইয়েমেন, লিবিয়া প্রভৃতি দেশে চরম রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা বিরাজমান।
তথ্যসূত্র - Britannica.com
• মার্গারেট থ্যাচার:
- তিনি ১৩ অক্টোবর ১৯২৫ সালে ইংল্যান্ডে জন্মগ্রহন করেন।
- তিনি অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একটি ডিগ্রী অর্জন করেন।
- তিনি অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি কনজারভেটিভ অ্যাসোসিয়েশনের প্রথম মহিলা প্রেসিডেন্টদের একজন ছিলেন।
- ১৯৭৯ সালে তিনি ব্রিটেনের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন।
- তিনি 'লৌহ মানবী' নামে পরিচিত।
- তিনি ৮ এপ্রিল ২০১৩ সালে লন্ডনে মৃত্যুবরণ করেন।
তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।