বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বৈশ্বিক ইতিহাস, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা, ভূ-রাজনীতি

মোট প্রশ্ন৯,৩৩৪এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বৈশ্বিক ইতিহাস, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা, ভূ-রাজনীতি

PrepBank · পাতা / ৯৩ · ১০১২০০ / ৯,৩৩৪

১০১.
কোন দেশ থেকে আরব বসন্তের সূত্রপাত ঘটেছিলা?
  1. মিশর
  2. লিবিয়া
  3. ইয়েমেন
  4. তিউনেশিয়া
ব্যাখ্যা
- আরব বসন্ত হলো আরব মুসলিম দেশগুলোতে সংঘটিত হওয়া সিরিজ বা ধারাবাহিক গণঅভ্যুত্থান।
- ২০১০ সালের ডিসেম্বরে বোয়াজিজি নামে এক ফলবিক্রেতা কর্তৃক নিজ শরীরে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার মাধ্যমে তিউনেশিয়ায় সর্বপ্রথম গণবিক্ষোভ বা আরব বসন্তের সূত্রপাত ঘটে।
- এর ফলে ২০১১ সালের ১৪ জানুয়ারি তিউনেশিয়ার স্বৈরশাসক জাইন এল বেন আলী এর পতন ঘটে।
- পরবর্তীতে এই গণবিক্ষোভ মিসর, ইয়েমেন, লিবিয়া, সিরিয়া, বাহরাইন ও মরক্কোতে ছড়িয়ে পড়ে।
- লিবিয়া, সিরিয়া ও ইয়েমেনে গণআন্দোলন গৃহযুদ্ধে রূপ নিয়েছে।
(তথ্যসূত্রঃ হিস্টোরি ওয়েবসাইট এবং দ্য গার্ডিয়ান)
১০২.
মুকালা সমুদ্র বন্দর কোন দেশে অবস্থিত?
  1. ইয়েমেন 
  2. জর্ডান 
  3. ইসরায়েল
  4. ইন্দোনেশিয়া
ব্যাখ্যা

মুকালা সমুদ্র বন্দর:
- মুকালা সমুদ্র বন্দর ইয়েমেনে অবস্থিত। 
- এটি আরব সাগরের তীরে হাদরামাউত গভর্নরেটের একটি প্রধান বন্দর ও রাজধানী শহর। 

⇒ ইয়েমেন:
- ইয়েমেন প্রজাতন্ত্র পশ্চিম এশিয়ার একটি আরব দেশ।
- দেশটি এককালে আফ্রিকা, মধ্যপ্রাচ্য ও এশিয়ার সংযোগস্থল ছিল।
- আরব উপদ্বীপের দক্ষিণ প্রান্তে দক্ষিণ আরবজুড়ে দেশটির অবস্থান।
- ইয়েমেন আরব উপদ্বীপের দ্বিতীয় বৃহত্তম রাষ্ট্র।
- ইয়েমেনের সীমান্তে রয়েছে উত্তরে সৌদি আরব, পশ্চিমে লোহিত সাগর, দক্ষিণে এডেন উপসাগর ও আরব সাগর এবং পূর্ব-উত্তর পূর্বে ওমান।
- রাজধানী: সানা।
- ভাষা: আরবি।
- মুদ্রা: ইয়েমেনি রিয়াল।

উৎস: i) World Atlas.
ii) Britannica.

১০৩.
'অ্যাডামস পিক' কোন দেশে অবস্থিত?
  1. জর্ডান
  2. ইসরায়েল
  3. শ্রীলঙ্কা
  4. নেপাল
ব্যাখ্যা

অ্যাডামস পিক:
- অ্যাডামস পিক শ্রীলঙ্কার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত।
- এর উচ্চতা ৭,৫৫৯ ফুট (২,৩০৪ মিটার)।
- এটি রত্নাপুরা শহর থেকে প্রায় ১৮ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে অবস্থিত।
- এর শীর্ষে অবস্থিত শ্রী পাদা নামক পদচিহ্ন, যা বহু ধর্মাবলম্বীর কাছে পবিত্র।
- বৌদ্ধরা এটিকে বুদ্ধের, হিন্দুরা শিবের, মুসলমানরা আদমের এবং খ্রিস্টানরা সেন্ট থমাসের পদচিহ্ন মনে করেন।
- প্রতি বছর হাজারো তীর্থযাত্রী বিভিন্ন ধর্ম থেকে এসে এ শিখরে আরোহণ করেন।
- এর চারপাশে ঘন বৃষ্টি অরণ্য রয়েছে, যা ১৯৪০ সালে পিক উইল্ডারনেস স্যাংচুয়ারি হিসেবে সংরক্ষিত হয়।
- এই পর্বত থেকে কেলানি, কালু ও ওয়ালাভে—শ্রীলঙ্কার তিনটি প্রধান নদীর উৎস।
- পর্বতটি মূলত গ্নেইস পাথরে গঠিত এবং এতে রুবি, স্যাফায়ারসহ মূল্যবান রত্ন পাওয়া যায়।
- প্রাচীন রাজারা তীর্থযাত্রীদের সুবিধার্থে রাস্তা, বিশ্রামাগার ও লোহার শিকল নির্মাণ করেছিলেন।
- মার্কো পোলো, ইবনে বতুতা, মা হুয়ানসহ বহু ভ্রমণকারীর ভ্রমণবৃত্তান্তে অ্যাডামস পিকের উল্লেখ আছে।

তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা।

১০৪.
ডাকার:সেনেগাল; ফ্রিটাউন:?
  1. জ্যামাইকা
  2. কোস্টারিকা
  3. সিয়েরা লিওন
  4. গিনি
ব্যাখ্যা
সিয়েরা লিওন:
- সিয়েরা লিওন পশ্চিম আফ্রিকার একটি দেশ।
- এর সাংবিধানিক নাম সিয়েরা লিওন প্রজাতন্ত্র।
- সিয়েরা লিওনের উত্তর সীমান্তে গিনি, দক্ষিণ-পূর্ব সীমান্তে লাইবেরিয়া এবং দক্ষিণ-পশ্চিম উপকূলের দিকে আটলান্টিক মহাসাগর অবস্থিত।
- এই দেশে গ্রীষ্মমণ্ডলীয় জলবায়ু বিদ্যমান।
- রাজধানী: ফ্রিটাউন।
- মুদ্রার নাম লিওন।
- এটি দেশের সর্ববৃহৎ শহর এবং অর্থনীতি ও রাজনীতির কেন্দ্রস্থল।
- সিয়েরা লিওন ১৯৬১ সালে স্বাধীনতা অর্জন করে।
- সিয়েরা লিওন খনিজ সম্পদের ওপর নির্ভরশীল। বিশেষ করে হীরা এ দেশের অর্থনীতির প্রধান ভিত্তি।
- এ ছাড়া রয়েছে অন্যতম পণ্য টাইটানিয়াম ও বক্সাইট।

অন্যদিকে -
- সেনেগালের রাজধানী ডাকার।
- গিনির রাজধানী কোনাক্রি।
- জ্যামাইকার রাজধানী কিংস্টন।
- কোস্টারিকার রাজধানী স্যানজোসে।

উৎস: Britannica.
১০৫.
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আইনসভা কোন শহরে অবস্থিত?
  1. ক) ফ্লোরিডা
  2. খ) নিউ ইয়র্ক
  3. গ) ওয়াশিংটন ডিসি
  4. ঘ) জর্জিয়া
ব্যাখ্যা
যুক্তরাষ্ট্র:

- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আইনসভা ওয়াশিংটন ডিসিতে অবস্থিত।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আইনসভার নাম কংগ্রেস। 
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আইনসভা দ্বি কক্ষবিশিষ্ট।
- মার্কিন কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভ বা প্রতিনিধি পরিষদ এবং
- উচ্চকক্ষ সিনেট পরিষদ।
- প্রতিনিধি পরিষদের আসন সংখ্যা ৪৩৫টি, যার মেয়াদ ২ বছর।
- অন্যদিকে উচ্চকক্ষ সিনেটে আসন সংখ্যা ১০০টি।

তথ্যসূত্র:- যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি ওয়েবসাইট।
১০৬.
'হেলসিঙ্কি' কোন দেশের রাজধানী ও বৃহত্তম শহর?
  1. ডেনমার্ক
  2. ফিনল্যান্ড
  3. নেদারল্যান্ড
  4. সুইডেন
ব্যাখ্যা

ফিনল্যান্ড :
- হাজার হ্রদের দেশ ফিনল্যান্ড।
- ফিনল্যান্ড নর্ডিক অঞ্চলে অবস্থিত একটি দেশ।
- ফিনল্যান্ডের রাজধানী ও বৃহত্তম শহর হেলসিঙ্কি।
- দেশটি ঘন বনাঞ্চলে পূর্ণ এবং পূর্ব ও পশ্চিম ইউরোপের সীমান্ত তৈরি করে আছে।
- ফিনল্যান্ডের পশ্চিম সীমান্তবর্তী দেশ সুইডেন ও পূর্ব সীমান্তবর্তী দেশ রাশিয়া।
- ১৮০৯ সালের পূর্ব পর্যন্ত দীর্ঘদিন ফিনল্যান্ড সুইডেনের উপনিবেশ ছিল।
- এই সময়টাতে সুইডেন ফিনল্যান্ডকে তাদের উপনিবেশ হিসাবে ব্যবহার করতো।
- ফিনল্যান্ডের আইনসভা এডুসকুন্টা।

উল্লেখ্য,
- ডেনমার্ক-এর রাজধানী ও বৃহত্তম শহর হলো কোপেনহেগেন।
- নেদারল্যান্ডের রাজধানী আমস্টারডাম।
- স্টকহোম সুইডেনের রাজধানী এবং বৃহত্তম শহর।

উৎস: ব্রিটানিকা।

১০৭.
স্পেনের রাজধানী শহর কোনটি?
  1. বার্সেলোনা
  2. মাদ্রিদ 
  3. ভ্যালেন্সিয়া
  4. সেভিলা
ব্যাখ্যা

স্পেন:
- দেশটি ইউরোপের বৃহত্তম দেশগুলির মধ্যে একটি।
- দেশটির আয়তন ৫০৫,৯৮৩ বর্গ কিমি।
- রাজধানী: মাদ্রিদ।
- ভাষা: কাস্টিলিয়ান স্প্যানিশ (অফিসিয়াল), কাতালান, গ্যালিসিয়ান, বাস্ক।
- ধর্ম: খ্রিস্টধর্ম (প্রধানত রোমান ক্যাথলিক)।
- মুদ্রা: ইউরো।

অন্যদিকে, 
- বার্সেলোনা, ভ্যালেন্সিয়া, সেভিলা, স্পেনের সাধারণ শহর।

উৎস: Britannica.com

১০৮.
প্রথম বিশ্বযুদ্ধে কেন্দ্রীয় শক্তি ছিল -
  1. জার্মানি, অস্ট্রিয়া-হাঙ্গেরি, অটোমান সাম্রাজ্য
  2. জার্মানি, রাশিয়া, ইতালি
  3. ব্রিটেন, ফ্রান্স, রাশিয়া
  4. মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন, ফ্রান্স
ব্যাখ্যা

• প্রথম বিশ্বযুদ্ধে কেন্দ্রীয় শক্তিগুলো প্রধানত জার্মানি, অস্ট্রিয়া-হাঙ্গেরি এবং অটোমান সাম্রাজ্য (তুরস্ক) নিয়ে গঠিত ছিল। বুলগেরিয়াও পরে তাদের সাথে যোগ দেয়।

প্রথম বিশ্বযুদ্ধ:
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধ (১৯১৪-১৯১৮) ছিল একটি আন্তর্জাতিক সংঘর্ষ।
- এই যুদ্ধে ইউরোপের বেশিরভাগ দেশসহ রাশিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, মধ্যপ্রাচ্য এবং অন্যান্য অঞ্চল জড়িয়ে পড়ে।

যুদ্ধে মুখোমুখি হয়েছিল দুটি পক্ষ— 
১. কেন্দ্রীয় শক্তি: মূলত জার্মানি, অস্ট্রিয়া-হাঙ্গেরি এবং অটোমান সাম্রাজ্য (তুরস্ক)।
২. মিত্রশক্তি: মূলত ফ্রান্স, ব্রিটেন, রাশিয়া, ইতালি, জাপান এবং ১৯১৭ সাল থেকে যুক্তরাষ্ট্র।
- এই যুদ্ধ কেন্দ্রীয় শক্তির পরাজয়ের মাধ্যমে শেষ হয়।

উৎস:  হিস্টোরি ডটকম এবং ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।

১০৯.
পৃথিবীর মানচিত্র প্রথম অঙ্কিত হয় কোন সভ্যতায়? 
  1. গ্রিক
  2. ফিনিশীয়
  3. হিব্রু
  4. রোমান
ব্যাখ্যা

• গ্রিক সভ্যতা: 
- আনুমানিক খ্রিস্টপূর্ব ১৩০০-১২০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দে গ্রিক সভ্যতার সূচনা হয় যার পূর্ণ বিকাশ ঘটে খ্রিস্টপূর্ব ৬ষ্ঠ ও ৫ম শতকে।
- গ্রিকরা ৩৩৮ খ্রিস্টপূর্বাব্দ পর্যন্ত সভ্যতার বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে সক্ষম হয়।
- গ্রিসের পূর্ব নাম ছিল হেলাস। রোমানরা পরবর্তিকালে এর নামকরণ করে গ্রিস।
- গ্রিক সংস্কৃতি হেলেনীয় সংস্কৃতি নামে বেশি পরিচিত। 
- সাহিত্যের ক্ষেত্রে প্রাচীন গ্রিসের সৃষ্টি আজও মানব সমাজের মূল্যবান সম্পদ।
- হোমারের মহাকাব্য 'ইলিয়ড' এবং ‘ওডিসি' মহাকাব্যের অপূর্ব নিদর্শন।
- গ্রিকরা প্রথম বিজ্ঞান চর্চা শুরু করে খ্রিস্টপূর্ব ৬০০ অব্দে।
- পৃথিবীর মানচিত্র প্রথম অংকন করেন গ্রিক বিজ্ঞানিরা।
- তারাই প্রথম প্রমাণ করেন যে, পৃথিবী একটি গ্রহ এবং তা নিজ কক্ষপথে আবর্তিত হয়।
- গ্রিক জ্যোতির্বিদরা সূর্য ও চন্দ্ৰ গ্রহণের কারণ নির্ণয় করতে সক্ষম হন।
- চাঁদের নিজস্ব কোনো আলো নেই, বজ্র ও বিদ্যুৎ জিউসের ক্রোধের কারণে নয় প্রাকৃতিক কারণে ঘটে। এই সত্য তারাই প্রথম আবিষ্কার করেন। 

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১০.
মার্শেই কোন দেশের সমুদ্র বন্দর?
  1. ক) যুক্তরাজ্য
  2. খ) ফ্রান্স
  3. গ) ইতালি
  4. ঘ) জার্মানি
ব্যাখ্যা
'হামবুর্গ' জার্মানি এবং 'মার্শেই' ফ্রান্সের বিখ্যাত সমুদ্রবন্দরের নাম। ইতালির বিখ্যাত সমুদ্রবন্দর - নেপলস, জেনোয়া ও ভেনিস এবং যুক্তরাজ্যের বিখ্যাত সমুদ্র বন্দর- কার্ডিফ, ব্রিস্টল, ম্যানচেস্টার, লিভারপুল, লন্ডন ও গ্লাসগো।
Source: Britannica
১১১.
আন্দিজ পর্বতমালা কোন মহাদেশে অবস্থিত?
  1. ইউরোপ
  2.  আফ্রিকা
  3. উত্তর আমেরিকা
  4. দক্ষিণ আমেরিকা
ব্যাখ্যা

• আন্দিজ পর্বতমালা:
- আন্দিজ পর্বতমালা দক্ষিণ আমেরিকার একটি বিস্ময়কর প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য এবং বিশ্বের দীর্ঘতম পর্বতশ্রেণিগুলোর অন্যতম।
- দৈর্ঘ্য: প্রায় ৫,৫০০ মাইল (৮,৯০০ কিলোমিটার)। 
- অবস্থান: দক্ষিণ আমেরিকার দক্ষিণ প্রান্ত থেকে শুরু করে ক্যারিবীয় উপকূল পর্যন্ত বিস্তৃত। 
- বিশ্বের পশ্চিম গোলার্ধের সর্বোচ্চ শৃঙ্গগুলো এখানেই অবস্থিত। 
- বিভাজন: আন্দিজ পর্বতমালা অল্প বিস্তৃত একটি পশ্চিম উপকূলীয় অঞ্চলকে মূল ভূখণ্ড থেকে পৃথক করেছে। 
- ইনকা সভ্যতাসহ বহু প্রাচীন জনগোষ্ঠীর ইতিহাস ও ঐতিহ্য এই পর্বতশ্রেণিতে গড়ে উঠেছে। 
- আন্দিজ ভূমিকম্পপ্রবণ এবং এতে বহু সক্রিয় আগ্নেয়গিরি রয়েছে। 

উৎস: Britannica.

১১২.
সুমাত্রা দ্বীপ কোন দেশের অংশ?
  1. ক) মালয়েশিয়া
  2. খ) থাইল্যান্ড
  3. গ) ফিলিপাইন
  4. ঘ) ইন্দোনেশিয়া
ব্যাখ্যা

- সুমাত্রা ইন্দোনেশিয়ার পশ্চিমে অবস্থিত একটি দ্বীপ।
- যার আয়তন ১৮৪,৯৫৪ বর্গ মাইল।
- এককভাবে ইন্দোনেশিয়ার দ্বীপ হিসেবে সুমাত্রা বৃহত্তম।

সূত্রঃ worldatlas 

১১৩.
দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থার সদস্য-
  1. ক) কম্বোডিয়া
  2. খ) মিয়ানমার
  3. গ) মালদ্বীপ
  4. ঘ) মালয়েশিয়া
ব্যাখ্যা
দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা (SAARC- South Asian Association for Regional Cooperation) ১৯৮৫ সালের ৮ ডিসেম্বর প্রতিষ্ঠিত হয়।
সার্কের সদর দপ্তর নেপালের কাঠমুন্ডুতে অবস্থিত। সার্কের বর্তমান সদস্য দেশ ৮ টি। সদস্য দেশগুলো হলো- বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, নেপাল, ভুটান, মালদ্বীপ, ও আফগানিস্তান (সর্বশেষ সদস্য)।
উৎসঃ সার্কের ওয়েবসাইট।
১১৪.
ট্রাফালগার যুদ্ধে বিজয়ী সেনাপতি কে?
  1. ক) রবার্ট ক্লাইভ
  2. খ) অ্যাডমিরাল নেলসন
  3. গ) আর্থার ওয়েলেসলি
  4. ঘ) লর্ড লিথলিনগো
ব্যাখ্যা
- ট্রাফালগার যুদ্ধ ছিলো ইতিহাসের অন্যতম রক্তক্ষয়ী নৌযুদ্ধ। ফ্রান্স ও স্পেনের মিলিত নৌশক্তির সাথে লড়াই করে অ্যাডমিরাল লর্ড নেলসনের নেতৃত্বে ব্রিটেন এই যুদ্ধে জয় লাভ করে।
- ১৮০৫ সালের ২১ অক্টোবর স্পেন উপকূলে এই যুদ্ধ সংঘটিত হয়।
- ট্রাফালগার যুদ্ধ জয় এবং নেলসনের প্রতি সম্মান জানাতে লন্ডনে নেলসনের সমাধির পাশে ট্রাফালগার স্কয়ার নির্মাণ করা হয়।
(তথ্যসূত্রঃ হিস্টোরি ডটকম)
১১৫.
জার্মানির প্রথম নারী চ্যান্সেলর কে?
  1. অ্যানেগরেট ক্রাম্প
  2. লিনা হেডরিচ
  3. অ্যাঞ্জেলা মারকেল 
  4. পেট্টা কেলি
ব্যাখ্যা

জার্মানির চ্যান্সেলর:
- জার্মানির প্রজাতন্ত্রীর চ্যান্সেলর হচ্ছে দেশের সরকার প্রধান।
- সাধারণত গণতান্ত্রিক উপায়ে জার্মানির চ্যান্সেলর নির্বাচিত করা হয় দেশটিতে।
- জার্মানির প্রথম নারী চ্যান্সেলর: অ্যাঞ্জেলা মারকেল। তিনি ২০০৫ সালে প্রথমবার চ্যান্সেলর নির্বাচিত হন। তিনি ২০০৫ সাল থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত এই পদে দায়িত্ব পালন করেন। 

অন্যদিকে,
- জার্মানির বর্তমান ও নবম চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মের্ৎস।
- জার্মানির প্রথম চ্যান্সেলর ছিলেন অটো ফন বিস্‌মার্ক।

উল্লেখ্য,
- জার্মানি ইউরোপের অন্যতম প্রধান শিল্পোন্নত দেশ।
- রাজধানী: বার্লিন।
- মুদ্রার নাম: ইউরো।

উৎস: Britannica.

১১৬.
ইন্দোনেশিয়ার বর্তমান [অক্টোবর, ২০২৪] রাজধানী -
  1. নুসানতারা
  2. বালি
  3. আচেহ
  4. বোর্নিও
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

ইন্দোনেশিয়া:

- ভারত ও প্রশান্ত মহাসাগরের মূল ভূখণ্ডের দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার উপকূলে অবস্থিত দেশ ইন্দোনেশিয়া।
- দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সবচেয়ে সমৃদ্ধ অর্থনীতির দেশ এটি।
- বিশ্বের বৃহত্তম মুসলিম জনসংখ্যার দেশ ইন্দোনেশিয়া।
- এক সময়ের ডাচ উপনিবেশ থাকা দেশটি আন্দোলনের মাধ্যমে ১৯৪৯ সালে স্বাধীন হয়।
- রাজধানী: নুসানতারা (নতুন)।
- মুদ্রা: ইন্দোনেশীয় রুপিয়া।
- ইন্দোনেশিয়ার প্রধান দ্বীপ হলো: সুমাত্রা, জাভা, বোর্নিও, পাপুয়া নিউ গিনি।
- ইন্দোনেশিয়ার বর্তমান রাষ্ট্রপতি হলেন জোকো উইদোদো।

উল্লেখ্য,
⇒ ২০২২ সালের শুরুর দিকে বোর্নিও দ্বীপের পূর্ব প্রান্তের নুসানতারা শহরকে নতুন রাজধানী হিসেবে বেছে নেয় ইন্দোনেশিয়া।
- এটি দেশটির ইস্ট কালিমানতান প্রদেশে অবস্থিত।
- ইন্দোনেশিয়ার সমগ্র দ্বীপপুঞ্জের নৃ-তাত্ত্বিক জাতিগোষ্ঠীকে বোঝাতে নুসানতারা নামকরণ করা হয়।
- প্রেসিডেন্ট জোকো উইদোদো এ নামটি প্রস্তাব করেন।
- জনাকীর্ণ, দূষিত এবং ধীরে ধীরে সাগরে তলিয়ে যাওয়া রাজধানী জাকার্তাবাসীকে মুক্তি দিতেই ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা জানিয়েছিলেন উইদোদো।

উৎস: i) Britannica.
ii) BBC.
১১৭.
গুরুত্বপূর্ণ প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান 'তক্ষশীলা' কোন দেশে অবস্থিত?
  1. নেপাল
  2. ভারত
  3. পাকিস্তান
  4. শ্রীলংকা
ব্যাখ্যা
তক্ষশীলা:
- তক্ষশীলা পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের রাওয়ালপিন্ডি জেলায় অবস্থিত শহর এবং একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান।
- প্রাচীন তক্ষশীলা নগরী ছিল হিন্দু ও বৌদ্ধ ধর্মের একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র এবং বর্তমান সময়েও উক্ত ধর্মদুটির ঐতিহ্যে এ স্থানটির একটি ঐতিহাসিক ও ধর্মীয় গুরুত্ব রয়েছে।
- ১৯৮০ সালে বেশকিছু এলাকাসহ তক্ষশীলাকে ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
- গার্ডিয়ান পত্রিকা ২০০৬ সালে এটিকে পাকিস্তানের শীর্ষ পর্যটন স্থান হিসেবে নির্বাচিত করে।
- কথিত আছে, কৌটিল্য তাঁর অর্থশাস্ত্র এই নগরেই রচনা করেছিলেন।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
১১৮.
২০০৪ সালে ইউক্রেনে অনুষ্ঠিত প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে কারচুপি এবং ব্যাপক দুর্নীতি অভিযোগে কোন আন্দোলন সংঘটিত হয়?
  1. সিভিল বিপ্লব
  2. হোয়াইট বিপ্লব
  3. অরেঞ্জ বিপ্লব
  4. ইয়োলো বিপ্লব
ব্যাখ্যা
অরেঞ্জ বিপ্লব:
- এই বিপ্লব সংঘটিত হয় ইউক্রেনে।
- অরেঞ্জ বিপ্লব ছিল একটি ধারাবাহিক প্রতিবাদ এবং রাজনৈতিক ঘটনা।
- সংঘটিত হয়: ২০০৪ সালে।
- আন্দোলনের কেন্দ্রবিন্দু: কিয়েভ, ইউক্রেন।
- আন্দোলনের বিষয়বস্তু: ২০০৪ সালে ইউক্রেনে অনুষ্ঠিত প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে কারচুপি এবং ব্যাপক দুর্নীতি।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
১১৯.
"সুশাসন হচ্ছে এমন একটি প্রক্রিয়া যেখানে উন্নয়নের লক্ষ্যে একটি দেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক সম্পদ ব্যবস্থাপনার জন্য ক্ষমতা প্রয়োগ করা হয়।" সংজ্ঞাটি প্রদান করে-
  1. ক) আইএমএফ
  2. খ) বিশ্বব্যাংক
  3. গ) ইউএনডিপি
  4. ঘ) ম্যাককরনী
ব্যাখ্যা

• বিশ্বব্যাংকের মতে, ''সুশাসন হচ্ছে এমন একটি প্রক্রিয়া যেখানে উন্নয়নের লক্ষ্যে একটি দেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক সম্পদ ব্যবস্থাপনার জন্য ক্ষমতা প্রয়োগ করা হয়।''
• ম্যাককনীর মতে, ''সুশাসন বলতে রাষ্ট্রের সাথে সুশীল সমাজের, সরকারের সাথে শাসিত জনগণের, শাসকের সাথে শাসিতের সম্পর্ককে বোঝায়।''
উৎসঃ বিশ্বব্যাংকের ওয়েবসাইট।

১২০.
নিম্নের কোন দেশের সমুদ্রবন্দর নেই?
  1. আফগানিস্তান
  2. লেবানন
  3. মিশর
  4. আলজেরিয়া
ব্যাখ্যা
আফগানিস্তান:
- আফগানিস্তান দক্ষিণ এশিয়ার একটি স্থলবেষ্টিত রাষ্ট্র।
- রাজধানী: কাবুল।
- ভাষা: পশতু, দারি।
- মুদ্রা: আফগানি।
- আফগানিস্তানের আইনসভা: লয়াজিরগা।
- সমুদ্রবন্দর: নেই।

অন্যদিকে,
লেবানন:
- লেবানন ভূমধ্যসাগরের পাড়ে অবস্থিত পশ্চিম এশিয়ার একটি দেশ। 
- রাজধানী: বৈরুত।
- রাষ্ট্রপতি: জোসেফ আউন।
- প্রধানমন্ত্রী: নওয়াফ সালাম।
- সরকারি ভাষা: আরবি।
- মুদ্রা: লেবানিজ পাউন্ড।
- সমুদ্রবন্দর: বৈরুত বন্দর।

মিশর:
- 'মিশর' আফ্রিকা মহাদেশে অবস্থিত।
- মিশর আফ্রিকা মহাদেশের উত্তর - পূর্ব কোণে ও এশিয়া মহাদেশের দক্ষিণ - পশ্চিম কোণে অবস্থিত একটি আন্তঃমহাদেশীয় ভূমধ্যসাগরীয় রাষ্ট্র।
- রাজধানী: কায়রো।
- মুদ্রা: মিশরীয় পাউন্ড।
- সমুদ্রবন্দর: আলেকজান্দ্রিয়া বন্দর, পোর্ট সৈয়দ।

আলজেরিয়া:
- আলজেরিয়া আফ্রিকা মহাদেশের উত্তর-পশ্চিম অংশে ভূমধ্যসাগরের তীরের একটি স্বাধীন দেশ।
- এটি আফ্রিকার বৃহত্তম দেশ।
- রাজধানী: আলজিয়ার্স।
- ভাষা: আরবি (অফিসিয়াল), তামাজিট (জাতীয়), ফরাসি।
- মুদ্রা: আলজেরিয়ান দিনার।
- সমুদ্রবন্দর: আলজিয়ার্স।

উৎস: Britannica.
১২১.
কত খ্রিস্টাব্দে মদিনা সনদ প্রণীত হয়?
  1. ৬০২ খ্রিস্টাব্দে
  2. ৬১২ খ্রিস্টাব্দে
  3. ৬১৪ খ্রিস্টাব্দে
  4. ৬২২ খ্রিস্টাব্দে
ব্যাখ্যা
মদিনা সনদ:
- মদিনা সনদ পৃথিবীর ইতিহাসে প্রথম লিখিত সংবিধান বা সনদ।
- মহানবী (সা.) প্রিয় জন্মভূমি মক্কা ছেড়ে মদিনায় হিজরত করার পর সেখানে একটি ইসলামী প্রজাতন্ত্র স্থাপন করার পরিকল্পনা করেন।
- মহানবী (সা.) মদিনার সংহতির চিন্তা করে সেখানকার অধিবাসীদের নিয়ে তথা পৌত্তলিক, ইহুদি, খ্রিস্টান এবং মুসলিমদের মধ্যে এক লিখিত সনদ বা চুক্তি স্বাক্ষর করেন।
- এ সনদের মাধ্যমে তিনি রাষ্ট্র পরিচালনার ঘোষণা দেন।
- এ সনদকেই ‘মদিনা সনদ' বলা হয়।
- ৬২২ খ্রিস্টাব্দে এ সনদ প্রণীত হয়।
- এর ধারা ছিল ৪৭টি।

অন্যদিকে -
- মহানবী (স) জন্মগ্রহণ করেন ৫৭০ খ্রিস্টাব্দে।
- মক্কা বিজয়, মু’তারের যুদ্ধ ও হুনায়ুনের যুদ্ধ সংঘটিত হয় ৬৩০ খ্রিস্টাব্দে।
- জেরুজালেম বিজয় হয় ৬৩৮ খ্রিস্টাব্দে।

উৎস: i) Britannica.
ii) ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ১ম পত্র, HSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২২.
চীনের মুদ্রার নাম কী?
  1. ইয়েন
  2. উন
  3. ডং
  4. ইউয়ান
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন দেশের মুদ্রার নাম:
- স্পেনের মুদ্রার নাম ইউরো।
- ফ্রান্সের মুদ্রার নাম ইউরো।
- যুক্তরাজ্যের মুদ্রার নাম পাউন্ড।
- যুক্তরাষ্ট্রের মুদ্রার নাম ডলার।
- জাপানের মুদ্রার নাম ইয়েন।
- উত্তর কোরিয়ার মুদ্রার নাম উন।
- ভিয়েতনামের মুদ্রার নাম ডং।
- থাইল্যান্ডের মুদ্রার নাম বাথ।
- ফিলিপাইনের মুদ্রার নাম পেসো।
- মিয়ানমারের মুদ্রার নাম কিয়াট।
- ভুটানের মুদ্রার নাম গুলট্রাম।
- চীনের মুদ্রার নাম ইউয়ান।
- নেপালের মুদ্রার নাম রুপি।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
১২৩.
'ফুয়েরার' নিম্নের কোন বিখ্যাত ব্যক্তির উপাধি?
  1. এডলফ হিটলার
  2. মার্টিন লুথার কিং
  3. আর্থার বেলফোর
  4. কামাল আতাতুর্ক
ব্যাখ্যা
এডলফ হিটলার:
- এডলফ হিটলার ছিলেন নাৎসি পার্টির প্রধান নেতা।
- তিনি অস্ট্রীয় বংশোদ্ভূত জার্মান রাজনীতিবিদ।
- তিনি ন্যাশনাল সোশ্যালিস্ট জার্মান ওয়ার্কার্স পার্টির নেতৃত্ব দিয়েছিলেন।
- অ্যাডলফ হিটলার ১৯৩৩ সালে জার্মানির চ্যান্সেলর নির্বাচিত হন।
- ১৯৪৫ সালের এপ্রিলে আত্মহত্যার পূর্ব পর্যন্ত তিনি জার্মানির চ্যান্সেলর ছিলেন।
- হিটলারের গোপন পুলিশ বাহিনী গেস্টাপো নামে পরিচিত।
- হিটলারের আত্মজীবনীর নাম Mein Kamph.
-  হিটলারের উপাধি: ফুয়েরার বা নেতা/পথ প্রদর্শক।
- হিটলার আত্মহত্যা করেন- ৩০ এপ্রিল, ১৯৪৫ সালে।

⇒ যুদ্ধই জীবন, যুদ্ধই সর্বজনীন বলেছেন- হিটলার।
- 'War is eternal, war is universal. There is no beginning and there is no peace. War is life. Any struggle is war. War is the origin of all things.'-Adolf Hitler, 1932

অন্যদিকে,
- কামাল আতাতুর্ককে গ্রে উলফ বলা হয়। 

উৎস: Britannica.
১২৪.
মেসোপটেমীয় সভ্যতার প্রথম পর্যায় ছিল কোনটি? 
  1. ব্যাবিলনীয় সভ্যতা
  2. অ্যাসিরীয় সভ্যতা
  3. সুমেরীয় সভ্যতা
  4. ক্যালডীয় সভ্যতা
ব্যাখ্যা

সুমেরীয় সভ্যতা (Sumerian Civilization): 
- সুমেরীয় সভ্যতা ছিল মেসোপটেমীয় সভ্যতার প্রথম পর্যায়।

- এবং মানব ইতিহাসের অন্যতম প্রথম সংগঠিত সভ্যতা।
- এটি মেসোপটেমিয়ার দক্ষিণ অংশে আনুমানিক  (বর্তমান দক্ষিণ ইরাক) খ্রিস্টপূর্ব ৪০০০ থেকে ৩০০০ অব্দের মধ্যে বিকশিত হয়েছিল।

• ভৌগোলিক অবস্থান: প্রাচীন সুমের (Sumer) ছিল টাইগ্রিস এবং ইউফ্রেটিস নদীর মোহনার নিকটবর্তী নিম্নভূমি।
- কালক্রম: এর বিকাশ আনুমানিক খ্রিস্টপূর্ব ৪০০০ অব্দে শুরু হয় এবং খ্রিস্টপূর্ব ২০০০ অব্দ পর্যন্ত এর প্রভাব টিকে ছিল। [ব্রিটানিকা]

• প্রধান শহরসমূহ: উরুক ছিল বিশ্বের প্রথম বড় শহরগুলোর মধ্যে অন্যতম।

• ঐতিহাসিক অর্জন ও অবদান
- লিখন পদ্ধতি (Cuneiform): সুমেরীয়রা বিশ্বের প্রথম লিখন পদ্ধতি 'কিউনিফর্ম' উদ্ভাবন করে।
- এটি নল খাগড়া দিয়ে ভেজা মাটির ফলকে খোদাই করে লেখা হতো।

• চাকার উদ্ভাবন: খ্রিস্টপূর্ব ৩৫০০ অব্দের দিকে তারা প্রথম চাকা (পটার’স হুইল বা কুমোরের চাকা) ব্যবহার শুরু করে, পরবর্তীতে এই ধারণা যানবাহনের চাকার বিকাশে ভূমিকা রাখে।

• আইন ও শাসন: তারা লিখিত আইনের প্রাথমিক ধারণা প্রদান করে।

• কৃষি প্রযুক্তি: সুমেরীয়রা অত্যন্ত উন্নত সেচ ব্যবস্থা এবং লাঙলের ব্যবহার শুরু করেছিল, যা মরুপ্রায় ভূমিকে শস্যভাণ্ডারে পরিণত করে।

• সাহিত্য: বিশ্বের প্রাচীনতম মহাকাব্য 'গিলগামেশ' (Epic of Gilgamesh) সুমেরীয় সংস্কৃতি থেকে উদ্ভূত।

• গণিত: তারা ৬০-ভিত্তিক গণনা পদ্ধতি (Sexagesimal system) প্রবর্তন করে, যেখান থেকে আজকের ৬০ সেকেন্ডে এক মিনিট ও ৬০ মিনিটে এক ঘণ্টার ধারণা এসেছে।

• ধর্ম ও সংস্কৃতি :
- জিগুরাত: তারা তাদের প্রধান দেবতাদের সম্মানে বিশাল উঁচু মন্দির বা 'জিগুরাত' নির্মাণ করত।

উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।

১২৫.
বাংলাদেশের প্রথম স্যাটেলাইটের নির্মাতা প্রতিষ্ঠান কোন দেশের?
  1. ক) রাশিয়া
  2. খ) ফ্রান্স
  3. গ) জার্মানি
  4. ঘ) যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের প্রথম নিজস্ব স্যাটেলাইট হলো বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১। ২০১৮ সালের ১১ মে যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার কেপ ক্যানভেরাল থেকে মার্কিন কোম্পানি স্পেসএক্স এর ফ্যালকন-৯ রকেটে করে এটি উৎক্ষেপণ করা হয়। এটির নির্মাতা ফ্রান্সের থ্যালেস এলিনিয়া। এটির কক্ষপথ হলো ১১৯ দশমিক ১ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমারেখা।
বাংলাদেশ বিশ্বের ৫৭তম দেশ হিসেবে নিজস্ব স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ করে।
উৎসঃ বিবিসি বাংলা
১২৬.
১ম আরব-ইসরাইল যুদ্ধ সংঘটিত হয় কত সালে?
  1. ১৯৪৮ সালে
  2. ১৯৪৯ সালে
  3. ১৯৫০ সালে
  4. ১৯৫১ সালে
ব্যাখ্যা

আরব-ইসরাইল যুদ্ধ:
- মোট ৪টি আরব-ইসরাইল যুদ্ধ সংঘটিত হয়।

১ম আরব-ইসরাইল যুদ্ধ:
- এই যুদ্ধ সংঘটিত হয় ১৯৪৮ সালে।
- ইসরায়েল এবং আরব রাষ্ট্রসমূহ ও ফিলিস্তিনি আরব বাহিনীর গুলোর সম্মিলিত সামরিক বাহিনী মধ্যে সংঘটিত হয়।
- এটি আরবিতে নাকবা (বিপর্যয়) ও হিব্রুতে মিলখেমেত হাতজমাউত (স্বাধীনতা যুদ্ধ) বলে পরিচিত।

২য় আরব-ইসরাইল যুদ্ধ:
- এই যুদ্ধ সংঘটিত হয় ১৯৫৬ সালে।

৩য় আরব ইসরাইল যুদ্ধ:
- সংঘটিত হয় ১৯৬৭ সালে।
- ১৯৬৭ সালে ইসরাইল পূর্ব জেরুজালেম দখল করেছিল।
- এই যুদ্ধের স্থায়িত্ব ছিল মাত্র ৬ দিন।

৪র্থ আরব ইসরাইল যুদ্ধ:
- সংঘটিত হয় ১৯৭৩ সালে।
- Yom Kippur War নামে পরিচিত ৪র্থ আরব-ইসরাইল যুদ্ধ।
- ইহুদিদের পবিত্র দিন ইয়ম কিপুরের সময় ইসরায়েল-অধিকৃত অঞ্চলে আরব জোটের অতর্কিত হামলার মাধ্যমে এই যুদ্ধ শুরু হয়।
- মিশরীয় ও সিরিয়ান সেনারা যুদ্ধবিরতি রেখা ভেদ করে যথাক্রমে সিনাই উপদ্বীপ ও গোলান মালভূমিতে ঢুকে পড়ে।
- যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়ন উভয়ে তাদের নিজ নিজ মিত্রদের এসময়ে সহায়তা করে।
- ফলে দুইটি পারমাণবিক শক্তিধর দেশের মধ্যে বিবাদ সৃষ্টি হয়।

তথ্যসূত্র - Worldatlas.com

১২৭.
কানাডার কুইবেক অঙ্গরাজ্যের সর্বাধিক জনগোষ্ঠীর ভাষা কোনটি?
  1. ইংরেজি
  2. ফরাসি
  3. স্প্যানিশ
  4. জার্মানি
ব্যাখ্যা
কানাডা:
- কানাডা উত্তর আমেরিকা মহাদেশে অবস্থিত।
- এটি আয়তনে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম দেশ।
- যুক্তরাজ্য থেকে স্বাধীনতা লাভ করে ১৮৬৭ সালে।
- রাজধানী: অটোয়া।
- মুদ্রার নাম: ডলার।
- রাষ্ট্রের প্রধান রাজা তৃতীয় চার্লস ও রাষ্ট্রের সরকার প্রধান প্রধানমন্ত্রী।
- বর্তমান প্রধানমন্ত্রী: জাস্টিন ট্রুডো।
- কানাডাকে ম্যাপল পাতার দেশ বলা হয়।

উল্লেখ্য,
- কানাডার কুইবেক অঙ্গরাজ্যে সর্বাধিক ফরাসিভাষী জনগোষ্ঠী বাস করে।
- কুইবেকে প্রায় ৮০% লোক ফরাসি ভাষা ব্যবহার করে।
- নুনাভাট-এ প্রায় ৫৩% জনগন আদিবাসী ভাষা ব্যবহার করে।
- কানাডার অন্য অঙ্গরাজ্যগুলোতে সর্বাধিক ব্যবহৃত ভাষা ইংরেজি।

উৎস: Britannica.
১২৮.
কোন সভ্যতা কোনো সময় পুরোপুরি ধ্বংস প্রাপ্ত হয়নি?
  1. চীনা সভ্যতা
  2. মিশরীয় সভ্যতা
  3. ব্যবিলনীয় সভ্যতা
  4. সিন্ধু সভ্যতা
ব্যাখ্যা
চীনা সভ্যতার পরিচয় ও অবস্থান:
- চীনের প্রাচীন সভ্যতা একমাত্র সভ্যতা যা কোনো সময় পুরোপুরি ধ্বংস প্রাপ্ত হয়নি। 
- খ্রিস্টপূর্ব ২০০০ অব্দ থেকে আজ পর্যন্ত চিন তার সাংস্কৃতিক ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছে। 
- এককথায় চীনা সভ্যতা পৃথিবীতে বিরাজমান সবচেয়ে পুরাতন সভ্যতা।
- ভৌগোলিক কারণে বৃহত্তর পৃথিবীর সঙ্গে কোনো যোগাযোগ না থাকায় এ অঞ্চলের সভ্যতা- সংস্কৃতি গড়ে উঠেছে নিজস্ব নিয়মে, ভিন্ন বৈশিষ্ট্য নিয়ে।
- চীন পূর্ব এশিয়ার বৃহত্তম রাষ্ট্র।
- দেশটির তিনটি অঞ্চলে প্রাচীন সভ্যতা গড়ে উঠেছিল।
- একটি হোয়াং হো নদীর তীরে, দ্বিতীয়টি ইয়াং জেকিয়াং নদীর তীরে, তৃতীয়টি দক্ষিণ চীনের ভূখণ্ডে। 
- এই সভ্যতা সৃষ্টি হয়েছিল- শাং ও চৌ রাজাদের আমলে।
- দেশটির সীমান্ত জুড়ে বিরূপ প্রাকৃতিক পরিবেশ থাকার কারণে বাইরের পৃথিবীর সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করা সহজ ছিল না।
- চীনের উত্তর দিকে গোবি মরুভূমি, পূর্ব ও দক্ষিণে প্রশান্ত মহাসাগর এবং পশ্চিমে রয়েছে তিব্বতের পার্বত্য অঞ্চল।
- নদীগুলোর প্রভাবে প্রাচীন চীনে কৃষিভিত্তিক সভ্যতা গড়ে উঠেছিল। 
- যে কারণে অভ্যন্তরীণ ব্যবসায়-বাণিজ্য এবং যোগাযোগ ব্যবস্থা চালু রাখা সহজ ছিল।
- ধারণা করা হয়, খ্রিস্টপূর্ব ২০০০ অব্দে চীনের প্রাচীন সভ্যতা গড়ে ওঠেছিল। 

চীনের আদি মানুষ:  
- ১৯২৯ খ্রিস্টাব্দে চিনে প্রাগৈতিহাসিক যুগের মানুষের মাথার খুলি পাওয়া গেছে।
- চীনের রাজধানী পিকিং-এর (বর্তমান বেইজিং) কাছে এই খুলি পাওয়া যায়।
- এরাই চীনের আদিম মানুষ; যাদেরকে 'পিকিং মানুষ' বলা হয়। 
- এ থেকে ধারণা করা হয় যে নবোপলীয় যুগ বা নতুন পাথরের যুগে চীনে মানুষের বসবাস ছিল।

অন্যদিকে, 
মিশরীয় সভ্যতা:
- প্রাচীন মিশরীয় সভ্যতার বিস্তৃতিকাল খ্রিস্টপূর্ব ৫০০০-৫২৫ পর্যন্ত।

সিন্ধু সভ্যতার সময়কাল:
- পণ্ডিতদের মতে, খ্রিস্টপূর্ব ৩৫০০ অব্দ থেকে খ্রিস্টপূর্ব ১৫০০ অব্দ পর্যন্ত এ সভ্যতার উত্থান-পতনের কাল।
- ঐতিহাসিকরা মনে করেন, আর্য জাতির আক্রমণের ফলে খ্রিস্টপূর্ব ১৫০০ অথবা ১৪০০ অব্দে সিন্ধু সভ্যতার অবসান ঘটে। 
- এই সভ্যতার সময়কাল মর্টিমার হুইলারের মতে খ্রিস্টপূর্ব ২৫০০ থেকে খ্রিস্টপর্ব ১৫০০ অব্দ পর্যন্ত।

ব্যবিলনীয় সভ্যতা:
- হাম্মুরাবি ১৭৯২-১৭৫০ খ্রিস্টপূর্ব পর্যন্ত শাসন করেন। তারপর পরই ব্যবিলনীয় সভ্যতার পতন ঘটে।
- নয়া-ব্যবিলনীয় সভ্যতার পতন ঘটে ৫৩৯ খ্রিস্টপূর্বে। 

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
History.com
১২৯.
যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে Electoral College ভোটের সংখ্যা কতটি?
  1. ৫৭০টি
  2. ৫৩৮টি
  3. ৫৪৫টি
  4. ৫৪৮টি
ব্যাখ্যা

• যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে Electoral College ভোটের সংখ্যা ৫৩৮টি।

• ইলেকটোরাল কলেজ:
- ইলেকটোরাল কলেজ হচ্ছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পরোক্ষভাবে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন প্রক্রিয়া, যার মাধ্যমে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচন করা হয়। 
- যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে ইলেকটোরাল কলেজের মোট ভোটসংখ্যা ৫৩৮টি।
- প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হতে একজন প্রার্থীকে ২৭০টি ইলেকটোরাল কলেজের ভোট পেতে হয়।
-প্রতিটি অঙ্গরাজ্যের জন্য নির্দিষ্টসংখ্যক ইলেকটোরাল ভোট রয়েছে।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র:
- আবিষ্কারক: ১৪৯২ সালে ইতালিয়ান নাবিক কলম্বাস।
- স্বাধীনতা লাভ করে: ৪ জুলাই, ১৭৭৬ সালে যুক্তরাজ্য থেকে।
- যুক্তরাষ্ট্রে জাতীয় দিবস: ৪ জুলাই।
- প্রতিষ্ঠাকালীন অঙ্গরাজ্য: ১৩টি।
- বর্তমান অঙ্গরাজ্য: ৫০টি।
- সর্বশেষ অঙ্গরাজ্য: হাওয়াই।
- আইনসভা: কংগ্রেস (দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট)।
- কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভ এবং উচ্চকক্ষ সিনেট পরিষদ।

উৎস: Britannica.

১৩০.
আয়তনে দক্ষিণ আমেরিকার বৃহত্তম দেশ- 
  1. চিলি
  2. আর্জেন্টিনা
  3. ব্রাজিল
  4. উরুগুয়ে
ব্যাখ্যা

ব্রাজিল:
- আয়তনে দক্ষিণ আমেরিকার বৃহত্তম দেশ ব্রাজিল।
- ব্রাজিল পর্তুগালের উপনিবেশ ছিল।
- ১৮৯৫ সালে ব্রাজিলে রাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়।
- দক্ষিণ আমেরিকার একমাত্র দেশ যাদের ভাষা পর্তুগিজ।
- ব্রাজিলের রাজধানী ব্রাসিলিয়া।

উৎস: ব্রিটেনিকা ওয়েবসাইট।

১৩১.
গৌতম বুদ্ধের জন্মস্থান 'লুম্বিনী' কোন দেশে অবস্থিত?
  1. ভারত
  2. পাকিস্তান
  3. নেপাল
  4. তিব্বত
ব্যাখ্যা
গৌতম বুদ্ধের জন্মস্থান 'লুম্বিনী' নেপালে অবস্থিত।

গৌতম বুদ্ধ:
- গৌতম বুদ্ধের ব্যক্তিগত নাম সিদ্ধার্থ।
- তাঁর জন্ম খ্রিস্টপূর্ব ৬ষ্ঠ-৪র্থ শতাব্দীতে নেপালের কপিলাবস্তুর কাছে লুম্বিনীতে।
- তিনি বৌদ্ধ ধর্মের প্রতিষ্ঠাতা।
- বুদ্ধ উপাধিটির অর্থ হল একজন আলোকিত সত্তা, যিনি অজ্ঞতার ঘুম থেকে জেগে উঠেছেন এবং যন্ত্রণা থেকে মুক্তি লাভ করেন।
- বৌদ্ধধর্মের সব রূপই গৌতম বুদ্ধের জীবনের বিভিন্ন ঘটনা উদযাপন করে, যার মধ্যে রয়েছে তাঁর জন্ম, জ্ঞানার্জন এবং নির্বাণে উত্তরণ।
- তাঁর মৃত্যু কুশিনারা, মাল্লা প্রজাতন্ত্র, মগধ রাজ্যে।

অন্যদিকে -
- পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের রাওয়ালপিন্ডি জেলায় বৌদ্ধধর্মের স্মৃতিবিজড়িত স্থান তক্ষশীলা।
- গৌতম বুদ্ধের দিব্যজ্ঞান লাভের স্থান বুদ্ধগয়া।
- সারনাথ একটি উদ্যান যেখানে গৌতম বুদ্ধ সর্বপ্রথম ধর্ম নিয়ে ভেবেছিলেন। এই স্থানটি ভারতের উত্তর প্রদেশের বারানাশী শহর থেকে ১৩ কিলোমিটার উত্তর-পূর্ব দিকে অবস্থিত।

উৎস: Britannica.
১৩২.
'পোর্ট ব্লেয়ার' নিচের কোন অঞ্চলের গুরত্বপূর্ণ শহর?
  1. পাপুয়া নিউগিনি
  2. মরিশাস
  3. সাইপ্রাস
  4. আন্দামান ও নিকোবর
ব্যাখ্যা
'পোর্ট ব্লেয়ার':

• পোর্ট ব্লেয়ার হলো আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জের একটি গুরত্বপূর্ণ শহর। 
• আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ  ভারতের একটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল যা বঙ্গোপসাগরে অবস্থিত। 
• পোর্ট ব্লেয়ার কলকাতা প্রায় ১২৫৫ কিলোমিটার এবং চেন্নাই (মাদ্রাজ) থেকে প্রায় ১১৯১ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত।

অপরদিকে,
• পোর্ট লুইস : মরিশাসের রাজধানী। 
• সিচেলিসের রাজধানী: ভিক্টোরিয়া। 
• সাইপ্রাসের রাজধানী: নিকোশিয়া। 
• পাপুয়া নিউগিনির রাজধানী: পোর্ট মোর্সবি।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।
১৩৩.
সর্বমোট কতজন জৈন ধর্মের প্রচারক?
  1. ক) ২২ জন 
  2. খ) ২৩ জন
  3. গ) ২৪ জন
  4. ঘ) ২৫ জন
ব্যাখ্যা
জৈনধর্ম
- জৈনধর্ম  ভারতের প্রধান ধর্মগুলির অন্যতম।
- বাংলায় জৈনধর্মের উদ্ভব ঘটলেও এই অঞ্চলে এর অনুসারীদের কদাচিৎ দেখতে পাওয়া যায়।
- জৈন ঘটনাপঞ্জি মতে ২৪ জন তীর্থঙ্কর এ ধর্মের মতবাদ প্রচার করেন। 
- এঁদের মধ্যে ২৩তম প্রচারক পার্শ্বনাথ ও ২৪তম মহাবীর ছিলেন ঐতিহাসিক ব্যক্তিত্ব। 
- মহাবীর ছিলেন গৌতম বুদ্ধের সমসাময়িক এবং তিনি খ্রিস্টপূর্ব ৫৪০ থেকে ৪৬৮ অব্দ পর্যন্ত বেঁচেছিলেন।
- পার্শ্বনাথ ও মহাবীরের শিক্ষা থেকেই জৈন ধর্মমতের উৎপত্তি। 
- পার্শ্বনাথের ধর্মোপদেশকে বলা হয় চতুর্যাম। এতে পরিত্রাণের চারটি উপায়ের কথা বলা হয়েছে।
- জৈনরা দুটি সম্প্রদায়ে বিভক্ত হয়ে পড়ে। 
- পার্শ্বনাথের অনুসারীদের বলা হয় শ্বেতাম্বর অর্থাৎ সাদা বস্ত্র পরিধানকারী।
- মহাবীরের অনুসারীদের বলা হয় দিগম্বর অর্থাৎ নগ্ন (আক্ষরিক অর্থে, আকাশই হচ্ছে আচ্ছাদন)।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১৩৪.
‘অ্যারো-থ্রি’ কী?
  1. সামরিক যুদ্ধ কৌশল
  2. পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির নীতি
  3. আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা
  4. পরিবেশ সংরক্ষণ বিষয়ক প্রকল্প
ব্যাখ্যা

‘অ্যারো-থ্রি’:
- ইসরায়েলের দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষাব্যবস্থা ‘অ্যারো-থ্রি’।
- অ্যারো প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা হচ্ছে ভূপৃষ্ঠ থেকে আকাশে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা।
- ইসরায়েলের অ্যারোস্পেস ইন্ডাস্ট্রিজ মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা সংস্থার সহযোগিতায় অ্যারো প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা তৈরি করেছে।
- ১৯৮০-এর দশকের শেষের দিকে ইসরায়েল ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ প্রচেষ্টা হিসেবে এর উন্নয়ন শুরু হয়েছিল।
- ২০০৮ সালে অ্যারো টুয়ের আরও কার্যকর সংস্করণ তৈরির কাজ শুরু করে  ইসরায়েল অ্যারোস্পেস ইন্ডাস্ট্রিজ -আইএআই।
- মাত্র তিনবছর পরই চালানো হয় অ্যারো থ্রির সফল পরীক্ষা।
-‘অ্যারো-থ্রি’ আকাশে ২ হাজার ৩০০ কিলোমিটার দূর পর্যন্ত ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করতে পারে।
- বায়ুমণ্ডলের সর্বোচ্চ স্তরে গিয়ে শত্রুপক্ষের সমরাস্ত্র ধ্বংস করতে পারে এই হাইপারসনিক মিসাইল।

তথ্যসূত্র: নিউজ রিপোর্ট।

১৩৫.
The most expensive city in the world is-
  1. ক) New York
  2. খ) London
  3. গ) Switzerland
  4. ঘ) Tokyo
ব্যাখ্যা
ব্যয়বহুল শহর:

- বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে ব্যয়বহুল শহর যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক ও সিঙ্গাপুর।
- ইসরাইলের রাজধানী তালিকায় তেল আবিবের অবস্থান তৃতীয়।
- চতুর্থ অবস্থানে চীনের আধা স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল হংকং শহর।
- ব্যয়বহুল ১০টি শহরের তালিকায় যুক্তরাষ্ট্রের আরও দুটি শহর—লস অ্যাঞ্জেলেস ও সান ফ্রান্সিসকোও রয়েছে।
- সুইজারল্যান্ডের জুরিখ ষষ্ঠ অবস্থানে ও সপ্তম অবস্থানে জেনেভা।
- ফ্রান্সের প্যারিস নবম অবস্থানে রয়েছে।
- অস্ট্রেলিয়ার সিডনি ও ডেনমার্কের কোপেনহেগেন রয়েছে দশম স্থানে।

তথ্যসূত্র - দৈনিক প্রথম আলো, ২২ ডিসেম্বর ২০২২।
১৩৬.
ইলিয়াড ও ওডিসি কোন সভ্যতার অংশ?
  1. ক) রোমান
  2. খ) গ্রিক
  3. গ) ফিনিশিয়
  4. ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
গ্রিকরা কল্পনাপ্রবণ জাতি ছিল। নিজেদের ঐতিহ্য ও বীরদের দুঃসাহসিক অভিযানগুলো বর্ণনা করতে তারা বেশি পছন্দ করত। হোমারের 'ইলিয়ড' ও 'ওডিসি' এমন ধারারই কাজ। এছাড়া বহু কবি ও নাট্যকার গ্রিক সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করেছিল।

সূত্র: ইতিহাস, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
১৩৭.
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ন্ত্রণে বিশ্বের প্রথম আইনে সম্মত হয়েছে -
  1. ইইউ সদস্য দেশগুলো
  2. জাপান
  3. এইউ সদস্য দেশগুলো
  4. সুইডেন
ব্যাখ্যা
 কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ন্ত্রণে আইন:
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ন্ত্রণে বিশ্বে প্রথম আইন তৈরির বিষয়ে প্রাথমিক চুক্তিতে একমত হয়েছেন ইইউ সদস্য দেশগুলোর প্রতিনিধি এবং আইনপ্রণেতারা।
- বিশ্বে এটিই হবে এমন প্রথম আইন।
- ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ফন ডেয়ার লেয়েন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা আইনের ঘোষণা দিয়ে বলেছেন, "মানুষ ও ব্যবসার নিরাপত্তা এবং মৌলিক অধিকারের জন্য এটিই বিশ্বব্যাপী প্রথম।

উৎস: ইত্তেফাক পত্রিকা রিপোর্ট।
১৩৮.
রোমান সভ্যতার আইনের ভিত্তি কোনটি?
  1. বার বিধি
  2. প্যাপিরাস
  3. ট্রাইব্যুনাল
  4. ল্যাটিন কোড
ব্যাখ্যা
- ‘বার বিধি’ ছিল রোমানদের প্রথম লিখিত আইন, এটা রোমান আইনের ভিত্তি হিসেবে খ্রিস্টপূর্ব ৪৫০ অব্দে প্রচলিত হয়।

রোমান সভ্যতা:
- রোমান সভ্যতা প্রথমে রোম রাজাদের শাসনাধীন ছিল, কিন্তু খ্রিস্টপূর্ব ৫১০ সালে রাজা স্বৈরাচারী হয়ে উঠলে রোমে একটি প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়। রোমান সভ্যতা প্রায় ছয়শ’ বছর স্থায়ীত্ব লাভ করে। তাদের অর্থনীতি মূলত দাসদের উপর নির্ভরশীল ছিল।

- রোমান সভ্যতার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অবদান ছিল 'বার বিধি' (The Twelve Tables), এটা রোমান আইনের ভিত্তি হিসেবে খ্রিস্টপূর্ব ৪৫০ অব্দে প্রচলিত হয়। এটি রোমান নাগরিকদের জন্য আইনের ভিত্তি স্থাপন করে এবং তাঁদের অধিকার ও দায়িত্ব নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

- রোমের শিল্প, সাহিত্য, দর্শন ও স্থাপত্য গ্রিকদের দ্বারা প্রভাবিত হলেও, সামরিক সংগঠন, শাসন পরিচালনা, আইন প্রণয়ন এবং প্রকৌশলবিদ্যায় রোমানরা গ্রিক ও অন্যান্য জাতির চেয়ে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করেছিল। তাদের আইন প্রণয়ন, বিশেষ করে 'বার বিধি', ছিল রোমান সভ্যতার অন্যতম শ্রেষ্ঠ অবদান।

সূত্র: Britannica ও বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
১৩৯.
‘ফ্রাইডেস ফর ফিউচার’ ‍আন্দোলনের উদ্যোক্তা কে ছিলেন?
  1. মেলিন্ডা গেটস
  2. তাওয়াক্কুল কারমান
  3. গ্রেটা থুনবার্গ
  4. ওয়াঙ্গিরি মাথাই
ব্যাখ্যা
ফ্রাইডেস ফর ফিউচার:
- 'ফ্রাইডেস ফর ফিউচার' আন্দোলন হলো জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ে স্কুল শিক্ষার্থীদের মাধ্যমে সূত্রপাত হওয়া একটি আন্দোলন।
- ২০১৮ সালের আগস্টে সুইডেনে স্কুল শিক্ষার্থী গ্রেটা থুনবার্গের উদ্যোগে এই আন্দোলনের সূত্রপাত হয়।
- এই আন্দোলনের অংশ হিসেবে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবীতে সারা বিশ্বে স্কুল শিক্ষার্থীরা শুক্রবারে স্কুলে না গিয়ে রাজপথে নেমে আসে।

তথ্যসূত্র - ফ্রাইডেস ফর ফিউচার মুভমেন্ট ওয়েবসাইট।
১৪০.
কোন দুটি দেশের সীমান্ত ‘ওডার-নেইসে লাইন’(Oder–Neisse Line) হিসেবে পরিচিত?
  1. জার্মানি ও ফ্রান্স
  2. জার্মানি ও পােল্যান্ড
  3. ভারত ও পাকিস্তান
  4. জার্মানি ও নেদারল্যান্ডস
ব্যাখ্যা
Oder–Neisse Line:
- ওডার-নেইসে লাইন হলো দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর, আঞ্চলিক সীমান্ত পরিবর্তনের মাধ্যমে জার্মানি ও পোল্যান্ডের মধ্যে স্থাপিত একটি সীমান্ত।
- এই সীমান্তে জার্মানির অনেক এলাকা পোল্যান্ডের হাতে চলে যায় এবং এটি জার্মানি (পশ্চিম জার্মানি) এবং সোভিয়েত ব্লকের মধ্যে ১৫ বছর ধরে বিতর্কের বিষয় ছিল।
- ইয়ালটা সম্মেলনে জার্মানি-পোল্যান্ড সীমান্তের ব্যাপারে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো হয়নি।
- ১৯৫০ সালের পূর্ব জার্মানি ওডার-নেইসে লাইনকে স্থায়ী সীমান্ত হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।
- পশ্চিম জার্মানি ১৯৭০ সালে ওডার-নেইসে লাইনকে বৈধ সীমান্ত হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।
- ওডার-নেইসে লাইন (ওডার নদী (Oder River) ও নেইসে নদী (Neisse River) বরাবর) পোল্যান্ডের পশ্চিম সীমান্ত হিসেবে নির্ধারিত হয়।

উল্লেখ্য, 
- ওডার নদী পূর্ব-মধ্য ইউরোপের নদী।
- এটি বাল্টিক সাগরের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য নদীগুলির মধ্যে একটি।
-  এটি পোল্যান্ড এবং জার্মানির মধ্যে সীমানা তৈরি করে।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট। [লিঙ্ক]
১৪১.
Highest waterfall in the world in feet is -
  1. ক) Angel Falls
  2. খ) Niagara Falls
  3. গ) Victoria Falls
  4. ঘ) Tugela Falls
ব্যাখ্যা
Angel Falls
- ভেনেজুয়েলার অ্যাঞ্জেল জলপ্রপাত পৃথিবীর সর্বোচ্চ জলপ্রপাত।
- এর উচ্চতা 979 মিটার (3,212 ফুট)।
- এর সর্বশ্রেষ্ঠ একক ড্রপ পরিমাপ 807 মিটার (2,648 ফুট)।
- এর অন্যান্য র‌্যাপিডস এবং ক্যাসকেডগুলি একত্রিত হয়ে অবশিষ্ট উচ্চতা তৈরি করে।
- ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান বলিভার রাজ্যের গ্রান সাবানা অঞ্চলে কানাইমা ন্যাশনাল পার্কের আউয়ান-টেপুই পর্বতের ধারে জলপ্রপাতটি পড়ে।
- অ্যাঞ্জেল জলপ্রপাত গুয়ানা উচ্চভূমিতে অবস্থিত।
- এটি ভেনেজুয়েলার পাঁচটি টপোগ্রাফিক অঞ্চলের মধ্যে একটি।

অন্যদিকে -
- Tugela Falls পৃথিবীর ২য় সর্বোচ্চ জলপ্রপাত।
- নায়াগ্রা জলপ্রপাত পৃথিবীর সর্ববৃহৎ জলপ্রপাত।
-  ভিক্টোরিয়া ফলস পৃথিবীর সবচেয়ে চওড়া জলপ্রপাত।

উৎস : Tallest waterfall | Guinness World Records.
১৪২.
বিবি কোন নেতার ডাকনাম?
  1. ডোনাল্ড ট্রাম্প
  2. রিসেপ তায়েপ এরদোয়ান
  3. বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু
  4. বেঞ্জামিন ব্রুকলিন
ব্যাখ্যা
বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু:
- ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু।
- তিনি বিবি নামেও পরিচিত।

উল্লেখ্য,
- বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু একজন ইসরায়েলি রাজনীতিবিদ এবং কূটনীতিক।
- তিনি তিনবার ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
- ইসরায়েলের স্বাধীনতার পর তিনিই সবচেয়ে দীর্ঘ মেয়াদী প্রধানমন্ত্রী।

উৎস: Britannica.
১৪৩.
নিম্নের কোন দেশ ভিক্টোরিয়া ফলসের প্রতি ইঙ্গিত করে নতুন স্বর্ণমুদ্রা চালু করে?  
  1. ক) রুয়ান্ডা 
  2. খ) কানাডা
  3. গ) কেনিয়া  
  4. ঘ) জিম্বাবুয়ে
ব্যাখ্যা
♦উল্লেখিত প্রশ্নের সঠিক উত্তর হলো - জিম্বাবুয়ে।

• স্বর্ণমুদ্রা:

- জিম্বাবুয়ে ও জাম্বিয়া সীমান্তে অবস্থিত ভিক্টোরিয়া ফলসের প্রতি ইঙ্গিত করে নতুন এ মুদ্রার নামকরণ করা হয়েছে ‘মোসি-ওয়া- তুনিয়া গোল্ড কয়েন'।
- ২৫ জুলাই ২০২২ থেকে মুদ্রাস্ফীতির দেশ জিম্বাবুয়েতে চালু হয়েছে স্বর্ণমুদ্রা। 
- জুন মাসে জিম্বাবুয়েতে মুদ্রাস্ফীতি দ্বিগুণের বেশি বেড়ে ১৯১ শতাংশে দাঁড়িয়েছিল।
- ক্রমবর্ধমান মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে আনতে স্বর্ণমুদ্রা চালুর এই ঘোষণা দেয় দেশটি।

উৎস:- লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, জুলাই ২০২২।
১৪৪.
হিব্রুদের প্রধান দেবতা ছিলেন -
  1. আশেরা
  2. মোলক
  3. জেহোভা
  4. হোরাস
ব্যাখ্যা

হিব্রু সভ্যতা:
- হিব্রু জাতি প্রাচীন মিসরীয় এবং মেসোপটেমীয় সভ্যতার পর প্রাচীন মানব সভ্যতায় অবদান রেখেছিল।
- হিব্রুরাই ইহুদী ধর্মের অনুসারী এবং ইসরাইলী জাতি হিসেবে সমধিক পরিচিত।
- ঐতিহাসিকদের মতে প্রাচীন ফোরাত নদীর (ইউফ্রেটিস নদী) অপর পাড় থেকে যে সব মানবগোষ্ঠী বিতাড়িত হয়ে প্যালেস্টাইনে বসতি স্থাপন করে তারাই হিব্রু জনগোষ্ঠী।
- হিব্রু শব্দের অর্থ 'বিদেশী' (Alien) থেকে এর প্রমাণ পাওয়া যায়। তাই নৃতাত্ত্বিক অর্থে হিব্রুরা কোনো নির্দিষ্ট জাতি নয়।
- মিসরীয় ও ব্যাবিলনীয় উৎস থেকে আহরিত হয়েছিল হিব্রু সভ্যতার অনেক উপাদানই।
- হিব্রু জাতি খ্রিস্টপূর্ব ১৮০০ অব্দে তাদের আদি পুরুষ ইব্রাহিমের (আঃ) (আব্রাহাম) নেতৃত্বে উত্তর-পশ্চিম মেসোপটেমিয়ায় একত্রে বসবাস শুরু করে। 
- তাওরাত বা ওল্ড টেস্টামেন্ট (Old Testament) হিব্রু ধর্মের (ইহুদী জাতির) প্রধান ধর্মগ্রন্থ।
- হিব্রুদের প্রধান দেবতা ছিলেন জেহোভা।
- জেহোভাকে তারা আকার-বিশিষ্ট একেশ্বর বলে মনে করত।
- এ যুগে ইহুদীরা জরথুস্ত্র ধর্মের প্রভাবে আসে এবং আবার একেশ্বরবাদে আকৃষ্ট হয়।

তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা ও ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৪৫.
কে বলশেভিক বিপ্লবের নেতা ছিলেন?
  1. আলেক্সান্দ্রো এফ. ক্যারেনস্কি
  2. জোসেফ স্ট্যালিন
  3. ভ্লাদিমির লেনিন
  4. মাও সে তুং
ব্যাখ্যা
রুশ বিপ্লব:
- ১৯১৭ সালে রাশিয়ায় মূলত দুটি বিপ্লব সংঘটিত হয়।
- এই দুটি বিপ্লব হলো ফেব্রুয়ারি বিপ্লব ও বলশেভিক বিপ্লব।
- এই দুটি বিপ্লবকে একত্রে "১৯১৭ সালের রুশ বিপ্লব" (Russian Revolution of 1917) বলা হয়।
- এই বিপ্লবের ফলে রাশিয়ায় রাজতন্ত্রের অবসান ঘটে ও সমাজতন্ত্রের সূচনা ঘটে।

• ফেব্রুয়ারি বিপ্লব:
- রুশ বিপ্লবের প্রথম পর্যায়কে ফেব্রুয়ারি বিপ্লব বলা হয়।
- ফেব্রুয়ারি বিপ্লবের ফলে রাজতন্ত্রের অবসান ঘটে এবং জার দ্বিতীয় নিকোলাসকে ক্ষমতা থেকে উচ্ছেদ ও বন্দি করা হয়।
- ফেব্রুয়ারি বিপ্লবের নেতৃত্ব ছিলেন আলেক্সান্দ্রো এফ. ক্যারেনস্কি (Aleksandr F. Kerensky)।

• বলশেভিক বিপ্লব/অক্টোবর বিপ্লব:
- রুশ বিপ্লবের দ্বিতীয় পর্যায়কে বলশেভিক বা অক্টোবর বিপ্লব বলে।
- বলশেভিক বিপ্লবের ফলে রাশিয়ায় লেনিনের নেতৃত্বে বিশ্বের প্রথম সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- বলশেভিক বিপ্লবের নেতা ছিলেন ভ্লাদিমির লেনিন ও লিওন ট্রটস্কি।

উৎস: Britannica
History.com
১৪৬.
ল্যাটিন উপজাতি কোন সভ্যতার অন্তর্ভুক্ত ছিল?
  1. মিশরীয় সভ্যতা
  2. রোমান সভ্যতা
  3. মেসোপটেমীয় সভ্যতা
  4. গ্রিক সভ্যতা
ব্যাখ্যা

রোমান সভ্যতা:
- প্রাচীন রোমান সভ্যতার বিকাশ ঘটেছিল প্রাচীন রোম নগরীকে কেন্দ্র করে। 
- বর্তমান ইতালির পশ্চিমে দক্ষিণ ভূমধ্যাসাগরের উপকুলে রোম নগরী অবস্থিত। 
- রোম নগরী সাতটি পার্বত্য টিলার উপর ছিল। 
- নগরের চারিদিকে ছিল উর্বর সমতল ভূমি। 
- এ সমতল ভূমিতে বাস করত ল্যাটিন উপজাতি। 
- ল্যাটিন রাজা রোমিট্রলাস পত্তন করেন এক নগরী।
- তাঁর নামেই নগরীর নামকরণ করা হয় রোম। 
- রোমবাসীরা কথা বলত ল্যাটিন ভাষায়।

উৎস: বিএ/বিএসএস প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

১৪৭.
'সানসাইন পলিসি'র সাথে সংশ্লিষ্ট দুটি দেশ-
  1. জাপান-চীন
  2. জাপান-দক্ষিণ কোরিয়া
  3. উত্তর কোরিয়া - দক্ষিণ কোরিয়া
  4. চীন-উত্তর কোরিয়া
ব্যাখ্যা

- সানসাইন পলিসি- এর সাথে জড়িত- উত্তর কোরিয়া ও দক্ষিণ কোরিয়া।

• ‘সানশাইন পলিসি’ (Sunshine Policy):

- ‘সানশাইন পলিসি’ ছিল দক্ষিণ কোরিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ পররাষ্ট্রনীতি,
- যা ১৯৯৮ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান ও সহযোগিতা বাড়ানোর লক্ষ্যে গৃহীত হয়েছিল।
- দক্ষিণ কোরিয়া ও উত্তর কোরিয়ার দুই দেশের সাথে জড়িত।
- এই পলিসির আওতায় দুই কোরীয়ার শীর্ষ নেতাদের মধ্যে কয়েকটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় এবং সম্পর্ক স্বাভাবিক করার চেষ্টা চালানো হয়।

• মূল উদ্দেশ্য:
- দুই কোরিয়ার মধ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠা।
- উত্তরের সঙ্গে বাণিজ্য ও মানবিক সহযোগিতা বৃদ্ধি।
- যুদ্ধের ঝুঁকি হ্রাস করে ধীরে ধীরে সম্পর্কের উন্নয়ন।

• প্রবর্তক:
- দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট কিম ডে-জুং (Kim Dae-jung)।
- তিনি এই নীতির জন্য ২০০০ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা। 

১৪৮.
ইউরোপে কবে ত্রিশ বছরব্যাপী যুদ্ধের অবসান ঘটে?
  1. ১৬১৮ সালে
  2. ১৬২৮ সালে
  3. ১৬৩৮ সালে
  4. ১৬৪৮ সালে
ব্যাখ্যা
Thirty years war:
- ইউরোপে ধর্মকেন্দ্রিক যুদ্ধের সর্বশেষ উদাহরণ ছিলো ত্রিশ বছরব্যাপী যুদ্ধ।
- প্রোটেস্টান্ট জার্মানির উপর অস্ট্রিয়ান হ্যাপসবার্গের-এর প্রভাব অক্ষুন্ন রাখা, ডেনমার্কের রাজার উচ্চভিলাষ, বাল্টিক অঞ্চলে সুইডেনের একচ্ছত্র প্রভাব বিস্তার এবং হ্যাপসবার্গকে পরাজিত করে ফ্রান্সকে ইউরোপের শ্রেষ্ঠ শক্তিতে পরিণত করা এসব নিয়েই যুদ্ধ প্রলম্বিত হতে থাকে।
- ধর্মান্ধতা, স্বার্থপরতা, নিজেদের উচ্চাকাংক্ষা এবং প্রাধান্য বিস্তারের প্রতিযোগিতায় ইউরোপের সকল দেশ এই যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে।
- দীর্ঘ ত্রিশবছর ধরে যুদ্ধে সমগ্র জার্মানি ধ্বংসস্তুপে পরিণত হয়।

ওয়েস্টফেলিয়া চুক্তি:
- ত্রিশ বছরব্যাপী অবিরামভাবে যুদ্ধ করার পর বিপর্যস্ত ইউরোপের সকল দেশের প্রতিনিধিরা ১৬৪৮ সালে ওয়েস্টফেলিয়াতে মিলিত হয়ে দুটি ভিন্ন শান্তিচুক্তি পাস করে।
- ১৬৪৮ সালের ২৪শে অক্টোবর ওয়েস্টাফেলিয়া চুক্তি সম্পাদনের মাধ্যমে দীর্ঘ ত্রিশ বছরব্যাপী ধর্মজনিত এই যুদ্ধের অবসান ঘটায়।
- ওয়েস্টফেলিয়া শান্তি চুক্তি ইউরোপের শান্তির স্বপক্ষে প্রথম এবং সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।
- এটি ইউরোপকে একটি আধুনিক রাষ্ট্রব্যবস্থা নিয়ে আসতে সক্ষম হয়।
- এই সন্ধির ভূ-খন্ডগত সীমানা নেপোলিয়নের যুগ পর্যন্ত বহাল থাকে।

উৎস: i) Britannica.
ii) আধুনিক ইউরোপের ইতিহাস, এস এস এইচ এল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১৪৯.
ভারতের অহিংস আন্দোলনের প্রবক্তা -
  1. ক) রামনাথ সিং
  2. খ) এ পি জে আবুল কালাম
  3. গ) মাহাত্মা গান্ধী
  4. ঘ) ইন্দিরা গান্ধী
ব্যাখ্যা
• মাহাত্ম গান্ধী (Mahatma Gandhi):
- অহিংস আন্দোলনের প্রবক্তা ও ভারত রাষ্ট্রের জনক মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধী।
- তিনি ১৮৬৯ সালের ২ অক্টোবর গুজরাটের পোরবন্দ নামক স্থানে জন্ম গ্রহণ করেন।
- মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধী বা মহাত্মা এই উপাধিটি রবীন্দ্রনাথ প্রদান করেন।

- দক্ষিণ আফ্রিকায় নাটাল ইন্ডিয়ান কংগ্রেস নামক দল গঠন করেন।
- দক্ষিণ আফ্রিকায় তিনি ‘Indian Opinion' নামক পত্রিকাটি সম্পাদনা করতেন।
-  দক্ষিণ আফ্রিকায় ভারতীয়দের উপর বর্ণবাদী আচরনের বিরুদ্ধে তিনি সত্যাগ্রহ আন্দোলন শুরু করেন।
- তিনি সেখানে ১৯১০ সালে একটি আশ্রম গড়ে তুলেন যার নাম ছিল - তলস্তয় ফার্ম (Tolstoy Farm)।
- এই আশ্রম থেকেই আন্দোলন পরিচালিত হত এবং সেখানে তিনি একটি পত্রিকা সম্পাদনা করতেন যার নাম “দ্যা ক্রনিকাল”। 

- ভারতে ব্রিটিশদের অত্যাচার ও ১৯১৯ সালে জালিয়ালওয়ালাগের হত্যাকান্ডের প্রেক্ষিতে তিনি ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে ১৯২০ সালে অসহযোগ আন্দোলন শুরু করেন।
- ১৯২১ সালে ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের নির্বাহীর দায়িত্বপ্রাপ্ত হন।
- ১৯৪২ সালে মহাত্মাগান্ধী ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে ‘ভারত ছাড় আন্দোলন' (Quit India Movement) শুরু করেন। 
- ১৯৪৬ সালে তিনি নোয়াখালীর সোনাইমুরী ভ্রমন করেন দাঙ্গা থামানোর লক্ষ্যে এবং সোনাইমুরীতে তার নামে একটি জাদুঘর আছে ।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা
১৫০.
ম্যারাথনের যুদ্ধ কোন দুই পক্ষের মধ্যে সংঘটিত হয়?
  1. স্পার্টা ও এথেন্স
  2. রোম ও পারস্য
  3. এথেন্স ও পারস্য
  4. স্পার্টা ও মিশর
ব্যাখ্যা

ম্যারাথনের যুদ্ধ (Battle of Marathon):
- ম্যারাথনের যুদ্ধ প্রাচীন গ্রীক ইতিহাসের একটি ঐতিহাসিক যুদ্ধ ৪৯০ খ্রিস্টপূর্বাব্দে গ্রিসের ম্যারাথন নামক স্থানে গ্রিসের এথেন্স এবং পারস্য সাম্রাজ্যের মধ্যে সংঘটিত হয়।
- পক্ষ: একদিকে ছিল এথেন্স (মিত্র প্লেটিয়াসহ) এবং অন্যদিকে ছিল পারস্যের বিশাল বাহিনী।
- যুদ্ধে গ্রিকরা জয়লাভ করে।
- এখানে অ্যাথেনীয়রা রাজা প্রথম দারিয়ুসের বিশাল পারস্য বাহিনীকে পরাজিত করে গ্রিসের স্বাধীনতা রক্ষা করেছিল। 

⇒ যুদ্ধের কারণ: পারস্য রাজা প্রথম দারিয়ুস গ্রিক নগর-রাষ্ট্রগুলোর উপর আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিলেন।
- এই যুদ্ধে এথেন্সের ছোট একটি বাহিনী বিশাল পারস্য বাহিনীকে পরাজিত করে, যা গ্রিকদের কাছে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিজয় ছিল 

উল্লেখ্য,
- পারস্যের সেনারা যখন এথেন্সের দিকে এগিয়ে আসছিল তখন গ্রিসের আরেক রাজ্য স্পার্টার কাছে সাহায্যের আবেদন জানায়। আর এই কাজের দায়িত্ব এসে পড়লো ফিডিপাইডিসের কাঁধে। ফিডিপাইডিস ছিলেন পেশায় একজন হেরাল্ড বা হেমেরোড্রোম।
- যখন পারস্যের সেনারা এথেন্সের দিকে এগিয়ে আসছিল তখন ফিডিপাইডিস সাহায্যের বার্তা নিয়ে স্পার্টার উদ্দেশ্যে দৌড়াতে শুরু করলেন। দুই দিনে সে প্রায় ২৪০ কিলোমিটার পাড়ি দিয়ে স্পার্টায় এই বার্তা পৌঁছে দিয়ে আবার সে একই সমান দূরত্ব পাড়ি দিয়ে দৌড়ে এথেন্সে ফিরে আসেন।
- এসেই আবার ৪০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত ম্যারাথন নামের জায়গার উদ্দেশ্যে দৌড়ানো শুরু করেন। সেখানে পৌঁছে আবার তিনি এথেন্সের দিকে দৌড়াতে থাকেন। 
- এথেন্সে ফিরেই তিনি সমবেত জনতার উদ্দেশ্যে একটা কথাই উচ্চারণ করে মৃত্যুর কোলে ঢোলে পড়েন। তাঁর শেষ উচ্চারিত শব্দটি ছিল ‘নিকোমেন’। যার মানে ‘আমরা জিতেছি’।
- এখান থেকেই ম্যারাথন দৌড়ের উৎপত্তি।

উল্লেখ্য,
- এবং পারস্যের প্রথম আক্রমণ প্রতিহত করতে সাহায্য করেছিল।

উৎস: Britannica.

১৫১.
G-7 এর সদস্য দেশ নয় কোনটি?
  1. জার্মানি
  2. জাপান
  3. রাশিয়া
  4. কানাডা
ব্যাখ্যা
G-7 (Group of Seven): 
- G-7 (Group of Seven) হলো বিশ্বের শিল্পোন্নত সাতটি দেশের সরকার/রাষ্ট্র প্রধানদের অর্থনৈতিক ফোরাম যা ১৯৭৫ সালে গঠিত হয়। 
- G-7 এর দেশগুলো হলো- 
• যুক্তরাষ্ট্র, 
• যুক্তরাজ্য, 
• ফ্রান্স, 
• জার্মানি, 
• ইতালি, 
• কানাডা ও 
• জাপান (একমাত্র এশীয় দেশ)। 

- ২০১৪ সালের পূর্বে রাশিয়া এর সদস্য ছিলো, বর্তমানে সদস্য দেশ নয়। তখন এর নাম ছিলো G-8। 

উৎস: g7uk ওয়েবসাইট।
১৫২.
নিচের কোনটি স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশ?
  1. ফিনল্যান্ড
  2. ইংল্যান্ড
  3. পোল্যান্ড
  4. নেদারল্যান্ড
ব্যাখ্যা
• স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশ:
- স্ক্যান্ডিনেভিয়া হলো ইউরোপের উত্তরে অবস্থিত একটি ভৌগোলিক অঞ্চল।
- স্ক্যান্ডেনেভিয়ান রাষ্ট্র মূলত ৩টি।
- যথা-নরওয়ে, সুইডেন ও ডেনমার্ক।
- তবে ফিনল্যান্ড, আইসল্যান্ড এবং ফারো আইল্যান্ডকেও অনেক ক্ষেত্রে স্ক্যান্ডিনেভিয়ান রাষ্ট্র হিসেব গণ্য করা হয়।
 
• নর্ডিক অঞ্চল বলতে স্ক্যান্ডেনেভিয়ান দেশ + ফিনল্যান্ড + আইসল্যান্ডকে বুঝায়।
অর্থাৎ, স্ক্যান্ডেনেভিয়ান দেশগুলো আসলে নর্ডিক অঞ্চলের মধ্যে পরে।

• নর্ডিক অঞ্চলভূক্ত দেশ ৫টি।
যথা - আইসল্যান্ড, ডেনমার্ক, নরওয়ে, সুইডেন এবং ফিনল্যান্ড।

উৎস: Worldatlas.com ও ব্রিটানিকা.কম.
১৫৩.
‘চাঁদের নিজের কোনো আলো নেই’-এর আবিষ্কারক কারা?
  1. মিসরীয়রা
  2. গ্রিকরা
  3. রোমানরা
  4. চৈনিকরা
ব্যাখ্যা

গ্রিক সভ্যতা:
- গ্রিস দেশটি আড্রিয়াটিক সাগর, ভূমধ্যসাগর ও ঈজিয়ান সাগর দ্বারা পরিবেষ্টিত। 
- আনুমাণিক খ্রিস্টপূর্ব ১৩০০-১২০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দে গ্রিক সভ্যতার সূচনা হয় যার পূর্ণ বিকাশ ঘটে খ্রিস্টপূর্ব ৬ষ্ঠ ও ৫ম শতকে।
- গ্রিকরা ৩৩৮ খ্রিস্টপূর্বাব্দ পর্যন্ত সভ্যতার বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে সক্ষম হয়।
- অড্রিয়াটিক সাগর, ভূমধ্যসাগর, এজিয়ান সাগর দ্বারা বেষ্টিত থাকার কারণে গ্রীক সভ্যতাকে 'ওসেনিয়ান' (সাগরীয়) সভ্যতা বলা হয়।
- গ্রীক সভ্যতার দুটি স্তর রয়েছে। প্রথম স্তর হেলেনিক সভ্যতা এবং দ্বিতায় স্তরে হেলেনিস্টিক সভ্যতা।

⇒ গ্রিকরা প্রথম বিজ্ঞান চর্চা শুরু করে খ্রিস্টপূর্ব ৬০০ অব্দে।
- পৃথিবীর মানচিত্র প্রথম অংকন করেন গ্রিক বিজ্ঞানিরা।
- তারাই প্রথম প্রমাণ করেন যে, পৃথিবী একটি গ্রহ এবং তা নিজ কক্ষপথে আবর্তিত হয়।
- গ্রিক জ্যোতির্বিদরা সূর্য ও চন্দ্র গ্রহণের কারণ নির্ণয় করতে সক্ষম হন।
- চাঁদের নিজস্ব কোনো আলো নেই, বজ্র ও বিদ্যুৎ জিউসের ক্রোধের কারণে নয় প্রাকৃতিক কারণে ঘটে। এই সত্য তারাই প্রথম আবিষ্কার করেন।
- জ্যামিতি বিষয়ে পন্ডিত ইউক্লিড পদার্থবিদ্যায়ও পারদর্শী ছিলেন। বিখ্যাত গণিতবিদ পিথাগোরাস, চিকিৎসা বিজ্ঞানী হিপোক্রেটসের যথেষ্ট খ্যাতি ছিল।

উৎস: i) ইতিহাস, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
iii) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৫৪.
Which of the following countries use 'Peso' as currency?
  1. Haiti
  2. Türkiye
  3. Panama
  4. Mexico
  5. Malaysia
ব্যাখ্যা
মেক্সিকো 'পেসো'কে মুদ্রা হিসেবে ব্যবহার করে।

মেক্সিকো:
- মেক্সিকো উত্তর আমেরিকার দেশ এবং ল্যাটিন আমেরিকার তৃতীয় বৃহত্তম দেশ।
- মেক্সিকোর মুদ্রার নাম পেসো।
- মেক্সিকোর রাজধানী: মেক্সিকো সিটি।
- মেক্সিকোর গেরিলা সংগঠনের নাম: পপুলার লিবারেশন আর্মি।
- মেক্সিকোর পোপোক্যাটেপল মধ্য আমেরিকার সর্বোচ্চ আগ্নেয়গিরি।

উল্লেখ্য,
- ফিলিপাইন, আর্জেন্টিনা, কিউবা, ডোমিনিকান প্রজাতন্ত্র, চিলি, কলম্বিয়া, উরুগুয়ের মুদ্রার নাম পেসো।

অন্যদিকে -
- হাইতির মুদ্রার নাম গুর্দে।
- তুরস্কের মুদ্রার নাম লিরা।
- পানামার রাজধানীর নাম বেলবো।
- মালয়েশিয়ার মুদ্রা রিঙ্গিত।

উৎস: Britannica.
১৫৫.
যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি পরিষদের মোট আসন সংখ্যা কতটি?
  1. ক) ১০০
  2. খ) ৪০০
  3. গ) ৪৩৫
  4. ঘ) ৪২৫
ব্যাখ্যা
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আইনসভা দ্বি-কক্ষবিশিষ্ট।
- মার্কিন কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভ বা প্রতিনিধি পরিষদ এবং
- উচ্চকক্ষ সিনেট পরিষদ।
- প্রতিনিধি পরিষদের আসন সংখ্যা ৪৩৫টি
- অন্যদিকে উচ্চকক্ষ সিনেটে আসন সংখ্যা ১০০টি।

উৎস: যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি ওয়েবসাইট। 
১৫৬.
নাসাউ কোন দেশটির রাজধানী?
  1. নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ
  2. মাদাগাস্কার দ্বীপপুঞ্জ
  3. বাহামা দ্বীপপুঞ্জ
  4. ফিজি দ্বীপপুঞ্জ
ব্যাখ্যা
বাহামা দ্বীপপুঞ্জ:
- বাহামা দ্বীপপুঞ্জ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যের দক্ষিণ-পূর্বে, কিউবা ও হিস্পানিওলা দ্বীপের উত্তরে অবস্থিত প্রায় ৭০০টি দ্বীপ নিয়ে গঠিত দ্বীপপুঞ্জ।
- এটি আটলান্টিক মহাসাগরের দ্বীপরাষ্ট্র।
- নাসাউ হচ্ছে বাহামা দ্বীপপুঞ্জের রাজধানী, বৃহত্তম শহর এবং প্রধান বাণিজ্যিক কেন্দ্র।

অন্যদিকে,
- অ্যান্তানানারিভো মাদাগাস্কার দেশের রাজধানী।
- ফিজির রাজধানী নাম সুভা।

গুরুত্বপূর্ণ দ্বীপ:
⇒ প্রশান্ত মহাসাগর:
- পাপুয়া নিউ গিনি, হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জ, নিউজিল্যান্ড, ফিলিপাইন, পালাউ, নাউরু, তাহিতি, ফিজি, সলোমান দ্বীপপুঞ্জ ইত্যাদি।

⇒ আটলান্টিক মহাসাগর:
- যুক্তরাজ্য, বাহামা, বারমুডা, গ্রিনল্যান্ড, আইসল্যান্ড, আয়ারল্যান্ড, জ্যামাইকা, ডোমিনিকান প্রজাতন্ত্র, কিউবা ইত্যাদি।

⇒ ভারত মহাসাগর:
- মাদাগাস্কার, সেইসিলিশ, মরিশাস, দিয়াগো গার্সিয়া, মালদ্বীপ, আন্দামান ও নিকোবর, মালাগাছি ইত্যাদি।

উৎস: World Atlas.
১৫৭.
‘Great Leap Forward’ মূলত কোন দেশের নীতি ছিল?
  1. চীন 
  2. দক্ষিণ কোরিয়া 
  3. ভিয়েতনাম
  4. যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা

‘Great Leap Forward’ মূলত চীনের নীতি ছিল। এর প্রবক্তা ছিলেন মাও সেতুং।

মাও সেতুং:
- চীনা কমিউনিষ্ট আন্দোলনের অন্যতম নেতা মাও সেতুং ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী চীনের প্রধান স্থপতি।
- ১৯৪৯ সালের ১ অক্টোবর, এক বিপ্লবের মাধ্যমে কমিউনিস্ট বিপ্লবী মাও-সেতুং এর নেতৃত্বে গণপ্রজাতন্ত্রী চীন গণচীন প্রতিষ্ঠিত হয়।
- মাও-সেতুং কে গণচীনের জনক বলা হয়।
- চীন বর্তমানে পৃথিবীর দ্বিতীয় প্রধান অর্থনীতির দেশ।

⇒ Great Leap Forward:
- ১৯৫৮ সালে চীনে দ্বিতীয় পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা শুরু করার প্রাক-মুহূর্তে গণচীনের জনক মাও সেতুং একটি নতুন নীতি ঘোষণা করেন।
- এই নীতি 'গ্রেড লিপ ফরোয়ার্ড' নামে পরিচিত।
- এই নীতির মূল লক্ষ্য ছিল চীনকে একটি কৃষিপ্রধান দেশ থেকে দ্রুত শিল্পায়িত ও আধুনিক অর্থনীতির দেশে রূপান্তর করা।
- মাও সেতুং বিশ্বাস করতেন যে দ্রুত শিল্পায়নের মাধ্যমে চীন যুক্তরাজ্য এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মতো শিল্পোন্নত দেশগুলোর সঙ্গে প্রতিযোগিতা করতে পারবে।

উৎস: i) Britannica.
ii) History.com

১৫৮.
ইউক্রেনের মুদ্রার নাম___
  1. ক) রিঙ্গিত
  2. খ) রুবল
  3. গ) পেসো
  4. ঘ) রিভনিয়া
ব্যাখ্যা
- ইউক্রেনের মুদ্রার নাম রিভনিয়া।
ইউক্রেন:
- ইউক্রেন ইউরোপ মহাদেশে অবস্থিত।
- দেশটি রাশিয়ান সমভূমির দক্ষিণ-পশ্চিম অংশে অবস্থিত এবং দক্ষিণে কৃষ্ণ সাগর এবং আজভ সাগর, পূর্ব ও উত্তরে রাশিয়া, উত্তরে বেলারুশ, পশ্চিমে পোল্যান্ড, স্লোভাকিয়া এবং হাঙ্গেরি, এবং দক্ষিণে রোমানিয়া।
- দেশের প্রায় ৯৫% সমতল এবং জমির গড় উচ্চতা মাত্র ৫৭৪ ফুট (১৭৫ মিটার)।
- ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভ।
- ইউক্রেনের আয়তন ৬০৩,৫৫০ বর্গ কিলোমিটার।
- ইউক্রেনের জনসংখ্যা ৪৪,৩৮৫,১৫৫ জন।

তথ্যসূত্র - Worldatlas.
১৫৯.
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন-
  1. উইনস্টন চার্চিল
  2. জোসেফ স্ট্যালিন
  3. ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেল্ট
  4. হ্যারি এস. ট্রুম্যান
ব্যাখ্যা
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ:
- ১৯৩৯ সালের ১ সেপ্টেম্বর জার্মানি কর্তৃক পোল্যান্ড আক্রমণের মাধ্যমে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে অক্ষশক্তির অন্তর্ভুক্ত ছিল:
- জার্মানি, জাপান, ইতালি।
• মিত্রশক্তির অন্তর্ভুক্ত ছিল:
- ব্রিটেন, ফ্রান্স, যুক্তরাষ্ট্র, সোভিয়েত ইউনিয়ন, চীন,পোল্যান্ড, নেদারল্যান্ডস প্রভৃতি দেশ।
- ৮ ডিসেম্বর, ১৯৪১ সালে যুক্তরাষ্ট্র দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সরাসরি যোগদান করে।
- ৭ মে ১৯৪৫ জার্মানি মিত্রবাহিনীর নিকট নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ করে।
- ২ সেপ্টেম্বর ১৯৪৫ জাপান কর্তৃক আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মসমর্পণের মাধ্যমে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটে।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ইতিহাসে প্রথমবারের মতো পারমাণবিক অস্ত্রের দুটি ব্যবহার হয়েছিল।
- যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন উইনস্টন চার্চিল।
- তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন তথা রাশিয়ার নেতা বা প্রেসিডেন্ট ছিলেন জোসেফ স্ট্যালিন।
- যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ছিলেন ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেল্ট ও হ্যারি এস. ট্রুম্যান।

উৎস: History.com.
১৬০.
মুসলিম বিশ্বের নির্বাচিত প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী কে ছিলেন?
  1. বেনজির ভুট্টো
  2. খালেদা জিয়া
  3. তানসু চিলার
  4. শ্রীমাভো বন্দরনায়েকে
ব্যাখ্যা

বেনজির ভুট্টো:
- মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশগুলোর মধ্যে নির্বাচিত প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী বেনজির ভুট্টো।
- ১৯৮৮ সালে অনুষ্ঠিত সাধারণ নির্বাচনে বেনজির ভুট্টোর নেতৃত্বাধীন পিপিপি জয়ী হলে তিনি মাত্র ৩৫ বছর বয়সে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন।
- তিনি ১৯৮৮-৯০ এবং ১৯৯৩-৯৬ সালে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হিসাবে দুটি মেয়াদে দায়িত্ব পালন করেন।

⇒ বেনজির ভুট্টো ছিলেন জুলফিকার আলি ভুট্টোর কন্যা।
- বেনজির ভুট্টোর জন্ম ১৯৫৩ সালের ২১ জুন, করাচিতে।
- জুলফিকার আলি ভুট্টো ১৯৭১ থেকে ১৯৭৭ সাল পর্যন্ত পাকিস্তানের নেতা ছিলেন।
- প্রতিপক্ষের এক নেতাকে খুনের অভিযোগে ১৯৭৯ সালে জুলফিকার আলী ভুট্টোর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হলে বেনজির ভুট্টো মাত্র ২৬ বছর বয়সে পাকিস্তান পিপলস পার্টির (পিপিপি) দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
- ২০০৭ সালের ২৭ ডিসেম্বর এক আত্মঘাতী বোমা হামলায় বেনজির ভুট্টো নিহত হন।

অন্যদিকে -
- বেগম খালেদা জিয়া বাংলাদেশের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী ও মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশগুলোর মাঝে দ্বিতীয় মহিলা সরকারপ্রধান (বেনজীর ভুট্টোর পর)।
- বিশ্বের প্রথম মহিলা প্রেসিডেন্ট ইসাবেলা পেরন।
- মুসলিম বিশ্বের প্রথম নারী প্রেসিডেন্ট মেঘবর্তী সুকর্নপুত্রী।
- বিশ্বের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী শ্রীমাভো বন্দরানায়েক।

উৎস: Britannica. 

১৬১.
সোভিয়েত ইউনিয়নের সর্বশেষ প্রেসিডেন্ট কে ছিলেন?
  1. আলেক্সান্দ্রো এফ. ক্যারেনস্কি
  2. লিওন ট্রটস্কি
  3. মিখাইল গর্বাচেভ
  4. ভ্লাদিমির ইলিচ লেনিন
ব্যাখ্যা
• সোভিয়েত ইউনিয়নের সর্বশেষ প্রেসিডেন্ট ছিলেন মিখাইল গর্বাচেভ। 
- ১৯৮৫ সালে ক্ষমতাসীন হওয়ার পর গ্লাসনস্ত এবং পেরেস্ত্রইকা নামে দুটির সংস্কারমূলক নীতি গ্রহণ করেন।
- গ্লাস্তনস্ত ছিলো রাজনৈতিক সংস্কার কর্মসূচি।
- পেরেস্ত্রইকা ছিলো অর্থনৈতিক সংস্কার কর্মসূচি বিষয়ক নীতি।
- দুই জার্মানির পুনঃএকত্রীকরণের ক্ষেত্রেও তার সক্রিয় ভূমিকা জার্মানিতে ব্যাপক প্রশংসিত।
- ১৯৯১ সালের ২৫ ডিসেম্বর সোভিয়েত ইউনিয়নের আনুষ্ঠানিক বিলুপ্তির দিন তিনি পদত্যাগ করেন।

সূত্র: সময় নিউজ।
১৬২.
আসাদুল্লাহ কার উপাধি ছিল?
  1. হযরত উমর (রা.)
  2. খালিদ বিন ওয়ালিদ
  3. হযরত আলী (রা.)
  4. আমর ইবনে আস
ব্যাখ্যা
হযরত আলীর শোর্য-বীর্য: 
- হযরত আলী (রা.) শৈশব থেকেই ছিলেন অসীম সাহসী।
- তিনি ছিলেন অসি চালাতে সিদ্ধ হস্ত, বীর যোদ্ধা, কৌশলী সমর নায়ক।
- তাঁর নাম শুনলে কুরাইশদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি হত। 
- বদরের যুদ্ধের সময় তিনি কুরাইশ বীর আমর ইবনে আবদুহকে পরাজিত ও নিহত করেন।
- এই যুদ্ধে বীরত্বের স্বীকৃতি স্বরুপ রাসূল (সা.) তাকে 'জুলফিকার তরবারি' উপহার দেন। 
- তাঁর জীবনের উল্লেখযোগ্য কৃতিত্ব ছিল খাইবারে সুরক্ষিত কামুস দুর্গ বিজয়।
- এই দুর্গের ফটক তিনি একাই ভেঙ্গে ফেলেন।
- যা পরবর্তীতে ৭০ জন যুবক মিলেও বহন করতে পারছিল না।
- এই বীরত্বপূর্ণ কাজের পর রাসূল (সা.) তাকে 'আসাদুল্লাহ' বা আল্লাহর সিংহ উপাধি দেন।
- হযরত আলী (রা.) ছিলেন হুদাইবিয়ার সন্ধির লেখক।
- মক্কা বিজয়ের সময় হযরত আলী (রা.) ইসলামী পতাকা বহন করেন।
- রাসূল (সা) এর নির্দেশে হযরত আলী (রা.) ইয়েমেনে ইসলাম প্রচার করেন এবং সেখানে ব্যাপক সফলতা অর্জনের পর তিনি ইয়েমেনের কাজী হিসেবে নিয়োজিত হন।

উৎস: ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ।
১৬৩.
প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপাঞ্চল - হাওয়াই কত সালে যুক্তরাষ্ট্রের শাসনের আওতায় আসে?
  1. ক) ১৮৬৭
  2. খ) ১৮৯৩
  3. গ) ১৮৯৮
  4. ঘ) ১৯০২
ব্যাখ্যা
The 1867 purchase of Alaska from Russia completed the country's mainland expansion. In 1893, the indigenous monarchy of the Pacific Kingdom of Hawaii was overthrown in a coup led by American residents, and the still-growing United States annexed the archipelago in 1898. Victory in the Spanish–American War the same year demonstrated that the United States was a world power and led to the annexation of Puerto Rico, Guam, and the Philippines.
Source: worldatlas.com
১৬৪.
নিচের কোন চুক্তিতে ইরাক ও ইরান অংশগ্রহণ করেছিল?"
  1. ক্যাম্প-ডেভিড চুক্তি
  2. তাসখন্দ চুক্তি
  3. আলজিয়ার্স চুক্তি
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
আলজিয়ার্স চুক্তি
▪ শাত-ইল-আরব ও ইরানের কোহেস্তানকে কেন্দ্র করে ইরান ও ইরাকের মধ্যে বিরোধপূর্ণ অবস্থার অবসানের লক্ষ্যে আলজেরিয়ার মধ্যস্থতায় “আলিজিয়ার্স চুক্তি” স্বাক্ষরিত হয়।  
▪ চুক্তি স্বাক্ষরের তারিখ:- ১৩ জুন, ১৯৭৫ সাল।
▪ চুক্তি অনুমোদন:- ১৯৭৬ সাল (উভয় দেশ কর্তৃক)।
▪ চুক্তির পক্ষ:- ইরান ও ইরাক।
▪ চুক্তি স্বাক্ষরকারী:- ইরানের পক্ষে  - শাহ মোহাম্মদ রেজা পাহলভী এবং ইরাকের পক্ষে - ভাইস প্রেসিডেন্ট সাদ্দাম হোসেন
▪ চুক্তি অকার্যকর:- ১৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৮০ সাল। (ইরাক কর্তৃক ইরান আক্রমনের মধ্য দিয়ে।)
▪ চুক্তির লক্ষ্য:- ইরান ও ইরাকের মধ্যে বিরোধপূর্ণ সীমান্ত পরিস্তিতিতে শান্তিপূর্ণ সহ-অবস্থান, ইরান ও ইরাক কর্তৃক কুর্দিশ বিদ্রোহ দমন ইত্যাদি।

অন্যদিকে, 
• তাসখন্দ ও সিমলা চুক্তির পক্ষ সমূহ ভারত ও পাকিস্তান।
• ক্যাম্প-ডেভিড চুক্তির পক্ষ সমূহ মিশর ও ইসরায়েল। 

সূত্র: হিস্টরি.কম এবং ব্রিটানিকা।
১৬৫.
নিচের কোন দেশটি সাদা হাতির দেশ হিসেবে পরিচিত?
  1. থাইল্যান্ড
  2. দক্ষিণ আফ্রিকা
  3. মেক্সিকো
  4. কেনিয়া
ব্যাখ্যা

• থাইল্যান্ড সাদা হাতির দেশ হিসেবে পরিচিত।

♦ থাইল্যান্ড:
- ‘থাই’ শব্দের একটি অর্থ ‘মুক্ত’।
- 'থাইল্যান্ড' শব্দের অর্থ মুক্ত ভূমি।
- এটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি দেশ।
- আয়তন: ১৯৮,১১৭ বর্গ মাইল।
- রাজধানী: ব্যাংকক।
- জনসংখ্যা প্রধানত থাই, উল্লেখযোগ্য চীনা, খেমার এবং মালয় সংখ্যালঘু।
- ভাষা: থাই (সরকারি)।
- ধর্ম: বৌদ্ধ ধর্ম; এছাড়াও ইসলাম।
- মুদ্রা: বাথ।

♦ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের ভৌগলিক উপনাম:
- নিশীথ সূর্যের দেশ: নরওয়ে।
- সূর্যোদয়ের দেশ: জাপান।
- হাজার হ্রদের দেশ: ফিনল্যান্ড।
- নীল নদের দেশ: মিশর।
- ক্যাঙ্গারুর দেশ: অস্ট্রেলিয়া।
- পিরামিডের দেশ: মিশর।
- ভূমিকম্পের দেশ: জাপান।
- ম্যাপল পাতার দেশ: কানাডা।

তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা ও দৈনিক প্রথম আলো, ২১ মে ২০২৩।

১৬৬.
ভুটান উন্নয়ন পরিমাপের জন্য কোন ধারণাকে রাষ্ট্রীয় দর্শন হিসেবে গ্রহণ করেছে?
  1. Gross Domestic Product 
  2. Gross National Happiness 
  3. Carbon Footprint Index
  4. Human Development Index
ব্যাখ্যা

- ভুটান দক্ষিণ এশিয়ার একমাত্র শাসনতান্ত্রিক রাজতন্ত্র হিসেবে পরিচিত।
- দেশটি উন্নয়ন পরিমাপে প্রচলিত জিডিপির পরিবর্তে মোট জাতীয় সুখ (Gross National Happiness - GNH) ধারণাকে রাষ্ট্রীয় দর্শন হিসেবে গ্রহণ করেছে,
- যা সামাজিক কল্যাণ ও পরিবেশ সংরক্ষণের ওপর গুরুত্ব দেয়। 
- ভুটান বিশ্বে পরিচিত কার্বন-নেগেটিভ রাষ্ট্র হিসেবে এবং পরিবেশ সংরক্ষণে অগ্রণী ভূমিকার জন্য।
- পাশাপাশি এটি ধূমপানমুক্ত রাষ্ট্র হিসেবেও স্বীকৃত।

ভুটান :

- রাষ্ট্রীয় নাম: কিংডম অব ভুটান (Kingdom of Bhutan);
- পরিচিতি: বজ্র ড্রাগনের দেশ (Land of the Thunder Dragon);
- স্বাধীনতা লাভ: ১৯৪৯ সালে (ব্রিটিশ শাসনের অবসান পরবর্তী সময়);
- শাসনব্যবস্থা: সাংবিধানিক রাজতন্ত্র;
- শাসনপদ্ধতি: সংসদীয় গণতন্ত্র;
- রাজধানী: থিম্পু;
- রাষ্ট্রপ্রধান: রাজা (বর্তমান রাজা: জিগমে খেসার নামগিয়েল ওয়াংচুক);
- সরকারপ্রধান: প্রধানমন্ত্রী (বর্তমান: দ্রুকপা টশেরিং তোবগে);
- আইনসভা: গণপরিষদ (পার্লামেন্ট / Druk Gyalpo's Parliament);
- উচ্চকক্ষ: জাতীয় পরিষদ (National Council); নিম্নকক্ষ: জাতীয় সভা (National Assembly);
- প্রকৃতি: হিমালয়ান দেশ (পাহাড়ি ও বনভূমি সমৃদ্ধ);
- রাষ্ট্রীয় ভাষা: দোজংখা (Dzongkha);
- মুদ্রা: ভুটানি গুলট্রাম (Bhutanese Ngultrum,
- ভারতীয় রুপির সাথে সমমূল্য);
- ধর্ম: বজ্রযান বৌদ্ধধর্ম (রাষ্ট্রধর্ম)।

 উৎস: ব্রিটানিকা, বিবিসি নিউজ এবং আল জাজিরা।

১৬৭.
গ্রিস প্রাচীনকালে কী নামে পরিচিত ছিলো?
  1. রোমা
  2. হেলাস
  3. স্পার্টা
  4. আথিন
ব্যাখ্যা
গ্রিসের প্রাচীন নাম: 
- গ্রিসের প্রাচীন নাম "হেলাস" এবং এর লোকেরা "হেলেনিস" নামে পরিচিত ছিল।

- এই নামের ঐতিহাসিক গুরুত্ব রয়েছে কারণ এটি গ্রীক জনগণের পরিচয় এবং সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে প্রতিফলিত করে।

গুরুত্বপূর্ণ দেশের পূর্ব নাম:
- জাপানের পূর্ব নাম নিপ্পন।
- চীনের পূর্ব নাম ক্যাথে।
- জিবুতির পূর্ব নাম ফ্রেঞ্চ সোমালিল্যান্ড।
- ইন্দোনেশিয়ার পূর্ব নাম ডাচ ইস্ট ইন্ডিয়া।
- ইথিওপিয়ার পূর্ব নাম আবিসিনিয়া।

সূত্র: Britannica
১৬৮.
জাভা মানব এর সন্ধান মিলে কোথায়?
  1. ক) বেইজিং
  2. খ) ইন্দোনেশিয়া
  3. গ) জার্মানি
  4. ঘ) চীন
ব্যাখ্যা
প্রাগৈতিহাসিক মানবের ৩ ধরনের জীবাশ্ম পাওয়া যায়:

পিকিং মানব - ১৯২৯ সালে পিকিংইয়ের( আধুনিক বেইজিং) নিকট পাওয়া যায়।
জাভা মানব - ১৮৯১ সালে ইন্দোনেশিয়ার অন্তর্গত পূর্ব জাভার সোলো নদীর তীরে পাওয়া যায়।
হেইডেলবার্গ  মানব - ১৯০৭ সালে জার্মানির হেইডেলবার্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের জনৈক অধ্যাপক আবিষ্কার করেন।

তথ্যসূত্র:  নবম ও দশম শ্রেনীর ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা বই।
১৬৯.
তাজমহল কোন নদীর তীরে অবস্থিত?
  1. যমুনা
  2. গঙ্গা
  3. ব্রহ্মপুত্র
  4. কাভেরী
ব্যাখ্যা
তাজমহল: 
- ভারতের আগ্রায় যমুনা নদীর তীরে অবস্থিত একটি রাজকীয় সমাধিসৌধ। 
- মুঘল সম্রাট শাহজাহান তাঁর স্ত্রী, যিনি মুমতাজ বেগম নামে পরিচিত, তার স্মৃতির উদ্দেশ্যে এই অপূর্ব সৌধটি নির্মাণ করেন। 
- সৌধটি নির্মাণ শুরু হয়েছিল ১৬৩২ খ্রিস্টাব্দে যা সম্পূর্ণ হয়েছিল প্রায় ১৬৫৩ খ্রিস্টাব্দে। 
- তাজমহলকে মুঘল স্থাপত্যশৈলীর একটি আকর্ষণীয় নিদর্শন হিসেবে মনে করা হয়, যার নির্মাণশৈলীতে পারস্য, তুরস্ক, ভারতীয় এবং ইসলামী স্থাপত্যশিল্পের সম্মিলন ঘটানো হয়েছে। 
- এটি ১৯৮৩ সালে ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়েছিল। 
- তখন একে বলা হয়েছিল “the jewel of Muslim art in India and universally admired masterpiece of the world's heritage"।
- বিশ্বের সপ্তম আশ্চর্যের অন্যতম তাজমহল। 

উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।
১৭০.
ধান উৎপাদনে বিশ্বে বর্তমানে শীর্ষস্থানে কোন দেশ রয়েছে?
  1. ক) চীন
  2. খ) বাংলাদেশ
  3. গ) ভারত
  4. ঘ) ইন্দোনেশিয়া
  5. ঙ) কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
- ধান উৎপাদনে বিশ্বে শীর্ষ দেশ হলো চীন। 
- দ্বিতীয় অবস্থানে আছে ভারত। 
- তৃতীয় অবস্থানে আছে ইন্দোনেশিয়া। 
- চতুর্থ অবস্থানে আছে বাংলাদেশ। 
(সূত্রঃ USDA ওয়েবসাইট)
১৭১.
Organization of America States (OAS) গঠিত হয় কত সালে?
  1. ক) ১৯৩৭
  2. খ) ১৯৪২
  3. গ) ১৯৪৭
  4. ঘ) ১৯৪৮
ব্যাখ্যা
- OAS এর পূর্ণরূপ The Organization of American States.
- ইহা উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকার দেশগুলো নিয়ে গঠিত সংস্থা।
- ১৯৪৮ সালে কলম্বিয়ার রাজধানী বোগোটাতে Charter of the OAS স্বাক্ষরিত হয়।
- বর্তমান সদস্য - ৩৫টি দেশ।
 
উৎস: oas.org
১৭২.
নিম্নের কোনটি মধ্যপ্রাচ্যের দেশ নয়?
  1. সাইপ্রাস
  2. বাহরাইন
  3. ইরান
  4. আলবেনিয়া
ব্যাখ্যা
মধ্যপ্রাচ্য:
- মধ্যপ্রাচ্য বলতে সাধারণত পশ্চিম এশিয়া এবং উত্তর আফ্রিকার কিছু অংশ নিয়ে গঠিত একটি ভৌগোলিক ও সাংস্কৃতিক অঞ্চল বোঝায়।
- মধ্যপ্রাচ্য ভূমধ্যসাগর, লোহিত সাগর, পারস্য উপসাগর, এবং কাস্পিয়ান সাগরের মধ্যবর্তী অঞ্চলে অবস্থিত।
- এটি এশিয়া ও আফ্রিকার মধ্যে একটি সেতু হিসেবে কাজ করে।
- মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো তেল ও গ্যাস সম্পদের জন্য বিখ্যাত।
- সৌদি আরব, ইরান, ইরাক, এবং UAE বিশ্বের তেল উৎপাদন ও রপ্তানিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- মধ্যপ্রাচ্য সংঘাত, শান্তি আলোচনা, এবং আন্তর্জাতিক কূটনীতির কেন্দ্রবিন্দু। ইসরায়েল-ফিলিস্তিন সংঘাত, সিরিয়ার গৃহযুদ্ধ, এবং ইয়েমেন সংকট এই অঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

⇒ মধ্যপ্রাচ্যের ১৭টি দেশ:
- বাহরাইন, সাইপ্রাস, মিশর, ইরান, ইরাক, ইসরাইল, জর্ডান, কুয়েত, লেবানন, ওমান, ফিলিস্তিন, কাতার, সৌদি আরব, সিরিয়া, তুরস্ক, সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং ইয়েমেন।

অন্যদিকে,
- আলবেনিয়া মধ্যপ্রাচ্যের দেশ নয়।

উৎস: Worldatlas.
১৭৩.
'মাউন্ট মেরাপি' কোন দেশের সক্রিয় আগ্নেয়গিরি?
  1. জাপান
  2. ইন্দোনেশিয়া
  3. ফিলিপাইন
  4. ইতালি
ব্যাখ্যা
মাউন্ট মেরাপি:
- মাউন্ট মেরাপি ইন্দোনেশিয়ার জাভা দ্বীপের কেন্দ্রের কাছে অবস্থিত আগ্নেয়গিরির পর্বত শৃঙ্গ।
- দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ ইন্দোনেশিয়ায় প্রায় ১৩০টি সক্রিয় আগ্নেয়গিরি আছে।
- এটি ইন্দোনেশিয়ার .১৩০টি সক্রিয় আগ্নেয়গিরির মধ্যে সবচেয়ে সক্রিয়।

উল্লেখ্য,
- সম্প্রতি সুমাত্রা দ্বীপের মাউন্ট মারাপি আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতে নিখোঁজ ৯ পর্বতারোহীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
- এ নিয়ে অগ্ন্যুৎপাতে মৃত মানুষের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২২ জন। 

উৎস: i) ৬ ডিসেম্বর ২০২৩, প্রথম আলো।
         ii) Britannica.
১৭৪.
প্রাচীন মিশরীয় রাজাদের উপাধি কী ছিলো?
  1. ক) কাইজার
  2. খ) ফারাও
  3. গ) সিজার
  4. ঘ) নারমার
ব্যাখ্যা
- প্রাচীন মিশরীয় সম্রাট বা রাজাদের উপাধি ছিলো ফারাও।
- ফারাও শব্দের অর্থ বড়বাড়ি। বিশাল প্রাসাদে বসবাসকারী ফারাওদের মনে করা হতো ঈশ্বরের সন্তান।
- ফারাওরা একইসাথে ছিলেন নরপতি ও পুরোহিত। ফারাও পদটি ছিলো বংশানুক্রমিক।
- মিশরের প্রথম ফারাও ছিলেন নারমার বা মেনেস। তিনি খ্রিস্টপূর্ব ৩২০০ অব্দে মিশরে প্রথম রাজবংশ গড়ে তোলেন। তবে বিষয়টি নিয়ে ঐতিহাসিকদের মধ্যে মতভেদ রয়েছে।
অন্যদিকে,
- রোমান সম্রাটদের উপাধি ছিলো সিজার
- জার্মান সম্রাটগণ কাইজার নামে পরিচিত ছিলো।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং হিস্টোর ডটকম)
১৭৫.
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় পার্ল হারবার আক্রমণ করেছিল কোন দেশ?
  1. রাশিয়া
  2. ইতালি
  3. জাপান
  4. জার্মানি
ব্যাখ্যা
পার্ল হারবার আক্রমণ:
- উত্তর প্রশান্ত মহাসাগরের হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জ পার্ল হারবার ছিল যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় নৌঘাঁটি।
- ঘাঁটিটি বানানো হয় ১৯০৮ সালে।
- ১৯৪০ সালে যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান নৌঘাঁটি ক্যালিফোর্নিয়া থেকে হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জের পার্ল হারবারে স্থানান্তর করা হয়।
- কৌশলগত দিক দিয়ে এই ঘাঁটি ছিল যুক্তরাষ্ট্রের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সামরিক এলাকা।

⇒ যুক্তরাষ্ট্রের মূল ভূখণ্ড থেকে প্রায় দুই হাজার মাইল এবং জাপান থেকে প্রায় চার হাজার মাইলে দূরে অবস্থিত ছিল এই নৌঘাঁটি।
- ১৯৪১ সালের ৭ ডিসেম্বর পার্ল হারবারে অবস্থিত মার্কিন নৌঘাঁটিতে আক্রমণ করে বসে জাপানের সামরিক বাহিনী।
- জাপানের এই আক্রমণের সঙ্গে সঙ্গে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সব হিসাব নিকাশ পাল্টে যায়।
- জাপানের এই অতর্কিত ও ধ্বংসাত্মক হামলার পরিপ্রেক্ষিতে বিশ্বযুদ্ধে উদাসীন থাকা যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধে অংশ নেয় সক্রিয়ভাবে।

উল্লেখ্য,
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের আগে জাপান ছিল আগ্রাসি একটা দেশ।
- চীনের সঙ্গে পরপর দুটি যুদ্ধজয়ের পর রাশিয়ার সঙ্গে যুদ্ধজয়ে জাপান আরও বেশি আগ্রাসি হয়ে ওঠে।
- এরপর প্রথম বিশ্বযুদ্ধে জয়লাভ করায় জাপান আরও সাম্রাজ্যবাদী হয়ে ওঠে।
- ১৯৩১ সালে চীনের মাঞ্চুরিয়া আক্রমণের মধ্য দিয়ে জাপান তাদের আধিপত্য বিস্তার শুরু করে।

উৎস: i) Britannica.
ii) প্রথম আলো।
১৭৬.
'নাথু লা পাস' কোন দুইটি দেশের মধ্যে অবস্থিত একটি গিরিপথ?
  1. আফগানিস্তান ও পাকিস্তান
  2. নেপাল ও ভারত
  3. চীন ও পাকিস্তান
  4. ভারত ও চীন
ব্যাখ্যা
নাথু লা পাস:
- নাথু লা পাস চীন ও ভারতের মধ্যে অবস্থিত একটি গিরিপথ।
- এটি তিব্বত ও সিকিম সীমান্তে অবস্থিত।
- এটি চীনের পুরাতণ সিল্ক রোডের একটি অংশ।
- এটি সমুদ্র পৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১৪,৪৫০ ফুট উপরে অবস্থিত।
- বর্তমানে চীন-ভারতের বাণিজ্যের অন্যতম রুট হিসাবে এই গিরিপথটি ব্যবহৃত হয়।

তথ্যসূত্র - সিকিমের সরকারি ওয়েবসাইট।
১৭৭.
প্রথম ফারাও হিসেবে কাকে গণ্য করা হয়?
  1. রামেসেস
  2. খুফু
  3. মেনেস
  4. তুতেনখাতেন
ব্যাখ্যা
প্রাচীন মিশর:
- প্রাক-রাজবংশীয় যুগে মিশর কতগুলো ছোট ছোট নগর রাষ্ট্রে বিভক্ত ছিল।
- এগুলোকে 'নোম' বলা হতো।
- মিশরের প্রথম রাজা বা ফারাও মেনেস বা নারমার এর অধীনে ঐক্যবদ্ধ মিশরের রাজধানী ছিল দক্ষিণ মিশরের মেম্ফিস।
- মিশরীয় 'পের-ও' শব্দ থেকে ফারাও শব্দের জন্ম।
- ফারাওরা ছিলেন অত্যন্ত ক্ষমতাশালী।
- তারা নিজেদেরকে সূর্য দেবতার বংশধর মনে করতেন।
- ফারাও পদটি ছিল বংশানুক্রমিক।
- অর্থাৎ ফারাওয়ের ছেলে হতো উত্তরাধিকার সূত্রে ফারাও।
- পেশার উপর ভিত্তি করে মিশরের সমাজের মানুষকে কয়েকটি শ্রেণিতে ভাগ করা যায়।
- যেমন: রাজপরিবার, পুরোহিত, অভিজাত, লিপিকার, ব্যবসায়ী, শিল্পী, কৃষক ও ভূমিদাস।
- মিশরের অর্থনীতি মূলত ছিল কৃষি নির্ভর।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৭৮.
'সামন্তবাদ' কোন ইউরোপীয় দেশে প্রথম চালু হয়?
  1. ক) ইতালি
  2. খ) ফ্রান্স
  3. গ) রাশিয়া
  4. ঘ) ইংল্যান্ড
ব্যাখ্যা

বিতর্কিত প্রশ্ন বা টপিক।
- রোমানদের পেট্রোসিয়াম এবং জার্মান্দের কমিটেটাসের সমন্বয়ে সামন্তবাদ গড়ে উঠে।
- আবার অন্যদিকে ফ্রান্সেও ভূস্বামী এবং প্রজার মধ্যে এরকমই এক প্রথা ছিল।
- তবে, শুরুর দিকে দেখলে মূলত রোমান সাম্রাজ্যের পতনের থেকেই সামন্তবাদের সুত্রপাত।
- তাই সঠিক উত্তর ফ্রান্স না ধরে ইতালি ধরা হয়েছে।

আপনাদের মতামত থাকলে বা কোন রেফারেন্স থাকলে আমাদেরকে জানাবেন।

১৭৯.
অস্ট্রেলিয়া মহাদেশের উষ্ণতম মাস-
  1. ক) জুলাই
  2. খ) নভেম্বর
  3. গ) জানুয়ারি
  4. ঘ) মার্চ
ব্যাখ্যা

অস্ট্রেলিয়া মহাদেশ এর সবচেয়ে বড় দেশ অস্ট্রেলিয়া।
অস্ট্রেলিয়া একটি ল্যাটিন শব্দ– যার অর্থ দক্ষিণাঞ্চল।
ওশেনিয়া বা অস্ট্রেলিয়া এশিয়া মহাদেশের দক্ষিনে অবস্থিত দক্ষিন গোলার্ধের একটি দেশ।
অস্ট্রেলিয়ার উষ্ণতম মাস জানুয়ারি এবং শীতলতম মাস জুলাই।
অস্ট্রেলিয়ার সবচেয়ে বড় হ্রদ গ্রেট ভিক্টোরিয়া।
উৎসঃ ব্রিটানিকা।

১৮০.
ব্রিটেনের রাজা নিচের কোন দেশের রাষ্ট্র প্রধান?
  1. ইন্দোনেশিয়া
  2. সাইপ্রাস
  3. জিম্বাবুয়ে
  4. কানাডা
ব্যাখ্যা
ব্রিটেনের রাজা:
- রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের মৃত্যুর সাথে সাথেই সিংহাসনের অধিকারী হয়েছেন চার্লস।
- তিনি পরিচিত রাজা তৃতীয় চার্লস নামে।
- চার্লস ৫৬টি স্বাধীন রাষ্ট্র ও কমনওয়েলথের প্রধান।
- এর মধ্যে যুক্তরাজ্যসহ ১৪টি দেশের রাষ্ট্রপ্রধান হলেন রাজা।
- এসব দেশগুলো হলো অস্ট্রেলিয়া, অ্যান্টিগা ও বারবুডা, বাহামা, বেলিজ, কানাডা, গ্রেনাডা, জ্যামাইকা, পাপুয়া নিউ গিনি, সেন্ট ক্রিস্টোফার অ্যান্ড নেভিস, সেন্ট লুসিয়া, সেন্ট ভিনসেন্ট অ্যান্ড গ্রেনাডাইনস, নিউজিল্যান্ড, সলোমন দ্বীপপুঞ্জ এবং টুভালু।

উৎস: ৯ সেপ্টেম্বর ২০২২, বিবিসি বাংলা।
১৮১.
Where is 'The Port of East London' situated?
  1. ক) England
  2. খ) South Africa
  3. গ) USA
  4. ঘ) Australia
  5. ঙ) None of these
ব্যাখ্যা
- 'East London' দক্ষিণ আফ্রিকার একটি শহর। 
- এটি তার সমুদ্র সৈকতের জন্য পরিচিত । 

উৎস: ব্রিটানিকা 
১৮২.
মঙ্গোলিয়ার রাজধানীর নাম কী?
  1. হেলসিংকি
  2. মাপুতো
  3. জাগরেব
  4. উলানবাটোর
ব্যাখ্যা
মঙ্গোলিয়ার রাজধানীর নাম - উলানবাটোর।
এছাড়াও - 
- মোজাম্বিকের রাজধানীর নাম - মাপুতো।
- ব্রুনাইয়ের রাজধানী - বন্দরসেরি বেগওয়ান।
- ক্রোয়েশিয়ার রাজধানী - জাগরেব।
- মিয়ানমারের রাজধানী নাইপিদো।
- ফিলিপাইনের রাজধানী ম্যানিলা।
- মঙ্গোলিয়ার রাজধানী উলানবাটোর।
- জ্যামাইকার রাজধানী কিংস্টন।
- হাইতির রাজধানী পোর্ট অব প্রিন্স।
- কোস্টারিকার রাজধানী স্যানজোসে।
- ফিনল্যান্ডের রাজধানী হেলসিংকি।
- ইয়েমেনের রাজধানী সানা।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।
১৮৩.
Who first discovered the cell?
  1. James Watt
  2. Theodor Schwann
  3. Robert Hooke
  4. Slayden
  5. Bennett
ব্যাখ্যা
রবার্ট হুক:
- রবার্ট হুক ১৬৩৫ সালের ২৮ জুলাই ইংল্যান্ডের উইট দ্বীপে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি স্থিতিস্থাপকতা সূত্রের জন্য বিখ্যাত।
- জ্যোতির্বিজ্ঞান, পদার্থবিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান-বিজ্ঞানের তিন শাখায়ই তিনি বেশ পারদর্শী ছিলেন।
- ১৬৫৩ সালে অক্সফোর্ডে তিনি একটি রসায়ন গবেষণাগারে আরেক বিখ্যাত বিজ্ঞানী রবার্ট বয়েলের সহযোগী হিসেবে কাজ শুরু করেন। 
- তিনি পেন্ডুলাম ঘড়ির একটি উন্নত মডেল তৈরি করেন ১৬৫৭ সালে।
- তিনি আধুনিক মাইক্রোস্কোপেরও পথপ্রদর্শক।
- রবার্ট হুক ১৬৬৫ সালে বোতলের কর্ক পরীক্ষাকালে মৌচাকের ন্যায় অসংখ্য ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র এবং পরস্পর সংযুক্ত প্রকোষ্ঠ দেখতে পান।
- তিনি প্রকোষ্ঠগুলোর নাম দেন কোষ।

উল্লেখ্য,
- 'স্থিতিস্থাপক সীমার মধ্যে বস্তুর পীড়ন এর বিকৃতির সমানুপাতিক'- উক্ত সূত্রটি আবিষ্কার করেন রবার্ট হুক।

উৎস: i) Britannica.
          ii) National Geographic Society.
১৮৪.
দিয়েগো গার্সিয়া দ্বীপে কোন দেশের সামরিক ঘাটি রয়েছে?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. চীন
  3. ইরান
  4. রাশিয়া
ব্যাখ্যা
দিয়েগো গার্সিয়া:
- দিয়েগো গার্সিয়া দ্বীপ ভারত মহাসাগরের মাঝখানে অবস্থিত চাগোস দ্বীপপুঞ্জের একটি দ্বীপ।
- পর্তুগীজরা এ দ্বীপ আবিষ্কার করে এবং তারাই এ দ্বীপের নামকরণ করে।
- ১৭৯০ সালে ফরাসিরা এখানে প্রথমে বসতি স্থাপন করে।
- ১৮১৪ সালে নেপোলিয়ানিক যুদ্ধের শেষ পর্যায়ে প্যারিস ট্রিটি অনুযায়ী ফ্রান্স এ দ্বীপ ব্রিটিশদের কাছে হস্তান্তর করে।
- দেশটি যুক্তরাজ্যের অধীনে একটি দেশ।
- দিয়েগো গার্সিয়াসহ চাগোস দ্বীপপুঞ্জ এক সময় মরিশাসের অন্তর্ভুক্ত ছিল।

উল্লেখ্য,
- দিয়েগো গার্সিয়া দ্বীপটি ব্রিটেনের নিয়ন্ত্রনে হলেও দ্বীপটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে লিজ দেয়া হয়েছে।
- এর মেয়াদ ২০৩৬ সাল পর্যন্ত।
- এখানে রয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বড় একটি সামরিক ঘাটি।
- চীন ও ভারতের মধ্যে ভারত মহাসহাগর ও বঙ্গোপসাগর কেন্দ্রিক আধিপত্য লড়াইয়ের প্রেক্ষিতে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে এ দ্বীপ।
- ২০১৯ সালের ফ্রেব্রুয়ারি মাসে জাতিসংঘের ইন্টারন্যশনাল কোর্ট অব জাস্টিস রায় দেয় ব্রিটেনকে অবশ্যই দিয়েগো গার্সিয়াসহ চাগোস দ্বীপপুঞ্জ মরিশাসের কাছে হস্তান্তর করতে হবে।
- তবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে লিখিত বিবৃতিতে বলা হয় যুক্তরাষ্ট্র বা ব্রিটেন কারোর তরফ থেকেই সেখানে সামরিক ঘাটি ব্যবহার বন্ধের কোনো পরিকল্পনা নেই।

উৎস: Britannica.
১৮৫.
সিরিয়া কোন দেশ থেকে স্বাধীনতা লাভ করে?
  1. ইংল্যান্ড
  2. ফ্রান্স
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. রাশিয়া
ব্যাখ্যা
সিরিয়া:
- ভূমধ্যসাগরের আরব উপদ্বীপের উত্তরে পশ্চিম এশিয়ায় সিরিয়া অবস্থিত।
- ১৯৪৬ সালে ফ্রান্স থেকে স্বাধীনতা লাভ করে।
- এর রাজধানী: দামেস্ক।
- বিখ্যাত শহর: আলেপ্পা, ইদলিব ও পালমিরা।
- মুদ্রা: পাউন্ড।

উৎস: i) Britannica.
         ii) WorldAtlas.
১৮৬.
নিম্নের দেশগুলোর মধ্যে কোনটিতে এইডস (AIDS) রোগের সংক্রমণ হার সবচেয়ে বেশি?
  1. কেনিয়া
  2. নাইজেরিয়া
  3. ভারত
  4. থাইল্যান্ড
ব্যাখ্যা
- অপশনে উল্লেখিত চারটি দেশের মধ্যে কেনিয়ায় এইডস (AIDS) রোগের সংক্রমণ হার সবচেয়ে বেশি।
- কেনিয়া ৩.৪৬%
- নাইজেরিয়া - ০.৯৩%
- থাইল্যান্ড - ০.৭৮%
- ভারত - ০.১৪%

- এইডস রোগের সংক্রমণ হারে শীর্ষ দশ দেশ,
১) এস্বাতিনি - ১৯.৫৮%
২) লেসোথো ১৮.৭২%
৩) বতসোয়ানা ১৫.৭৫%
৪) দক্ষিণ আফ্রিকা ১৪.৭৫%
৫) নামিবিয়া ৮.৯%
৬) জিম্বাবুয়ে ৮.৭%
৭) মোজাম্বিক ৮.২১%
৮) জাম্বিয়া ৬.৯%
৯) মালাউই ৫.৬৯%
১০) নিরক্ষীয় গিনি ৫.১৮%

তথ্যসূত্র - wisevoter.com
১৮৭.
ট্রুম্যান নীতিতে কোন দুটি দেশ মার্কিন সাহায্য লাভ করে?
  1. ক) বেলজিয়াম ও ইতালি
  2. খ) তুরস্ক ও গ্রীস
  3. গ) তুরস্ক ও ফ্রান্স
  4. ঘ) গ্রিস ও ইতালি
ব্যাখ্যা

ট্রুম্যান নীতি আমেরিকার প্রেসিডেন্ট হ্যারি ট্রুম্যান এর নামে নামকরণ করা হয়।
তিনি ঘোষণা করেন যেহেতু দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং সোভিয়েত ইউনিয়নের ক্ষমতার ভারসাম্য অর্জনের জন্য সংগ্রাম করেছিল তখন গ্রেট ব্রিটেন ঘোষণা করেছিল তারা আর ভূমধ্যসাগরে দেশগুলোকে সাহায্য করার সামর্থ্য রাখে না। এর জন্য পশ্চিমের আশঙ্কা ছিল যে তারা নিচে পড়ে যাওয়ার বিপদে পড়তে পারে এবং সোভিয়েত এর প্রভাব তাদের মধ্যে আসতে পারে।
এই আশঙ্কা থেকে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ট্রুম্যান তুরস্ক ও গ্রীসকে অর্থনৈতিক ও সামরিক সহযোগিতা প্রদান করার প্রস্তাব করে যা ট্রুম্যান নীতি নামে পরিচিত।

উৎসঃ Britannica.com

১৮৮.
'ওয়াল স্ট্রিট' কোন শহরে অবস্থিত?
  1. লন্ডন
  2. নিউইয়র্ক
  3. ওয়াশিংটন, ডি.সি
  4. মেলবোর্ন
ব্যাখ্যা
ওয়াল  স্ট্রিট:
- ওয়াল স্ট্রিট হলো নিউইয়র্ক শহরের একটি প্রখ্যাত সড়ক।
- হোয়াইট হাউস হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের সরকারি বাসভবন ও প্রধান প্রশাসনিক দপ্তরের নাম।
- যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট অফিস ওভাল অফিস নামে পরিচিত।
- যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টকে বহনকারী বিমানের নাম এয়ারফোর্স ওয়ান।
- পৃথিবীর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিনিয়োগ বাজার নিউইয়র্ক স্টক এক্সচেঞ্জ এই সড়কে অবস্থিত।

সূত্র - যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি ওয়েবসাইট ও ব্রিটানিকা।
১৮৯.
সিন্ধু সভ্যতা প্রথম সনাক্ত করা হয় কোথায়?
  1. আগ্রাতে
  2. বিহারে
  3. পাঞ্জাবে
  4. হরিয়ানাতে
ব্যাখ্যা
⇒ সিন্ধু সভ্যতা প্রথম সনাক্ত করা হয় পাঞ্জাবে।

সিন্ধু সভ্যতা:
- সিন্ধু নদের অববাহিকা অঞ্চলে গড়ে উঠেছিল বলে এই সভ্যতার নাম সিন্ধু সভ্যতা।
- সিন্ধু সভ্যতার সংস্কৃতিকে অনেক সময়ে হরপ্পা সংস্কৃতি বা হরপ্পা সভ্যতা বলা হয়ে থাকে।
- বিশ শতকের প্রথম দিকে বাঙালি প্রত্নতত্ত্ববিদ রাখালদাস বন্দ্যোপাধ্যায় পাকিস্তানের সিন্ধু প্রদেশের লারকানা জেলায় মহেঞ্জোদারোতে এবং দয়ারাম সাহানীর চেষ্টায় পাঞ্জাবের পশ্চিম দিকে মন্টোগোমারী জেলার হরপ্পায় এই সভ্যতা আবিষ্কৃত হয়।
- সিন্ধু সভ্যতা উপমহাদেশের প্রাচীনতম সভ্যতা।
- উপমহাদেশের প্রাচীনতম সভ্যতার নাম সিন্ধু সভ্যতা হলেও এর বিস্তৃতি ছিল বিশাল এলাকা জুড়ে।
- মহেঞ্জোদারো ও হরপ্পাতে এই সভ্যতার নিদর্শন সবচেয়ে বেশি আবিষ্কৃত হয়েছে।
- পাকিস্তানের পাঞ্জাব, সিন্ধু প্রদেশ, ভারতের পাঞ্জাব, রাজস্থান, গুজরাটের বিভিন্ন অংশে এই সভ্যতার নিদর্শন পাওয়া গেছে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৯০.
নেলসন ম্যান্ডেলা কোন দ্বীপে কারান্তরীণ ছিলেন?
  1. গ্যালাপোগাস দ্বীপে
  2. কর্সিকা দ্বীপে
  3. সেন্ট হেলেনা দ্বীপে
  4. রোবেন দ্বীপে
ব্যাখ্যা

• নেলসন ম্যান্ডেলা (Nelson Mandela):
- দক্ষিণ আফ্রিকায় কৃষ্ণাঙ্গ অধিকার প্রতিষ্ঠায় অবিসংবাদিত নেতা নেলসন ম্যান্ডেলা।
- নেলসন ম্যান্ডেলা দক্ষিণ আফ্রিকার প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ প্রেসিডেন্ট।
- নেলসন ম্যান্ডেলার জন্ম ১৯১৮ সালের ১৮ জুলাই দক্ষিণ আফ্রিকার মভেজোতে।
- তার ডাকনাম মাদিবা, তাতা, রোলিহ্লাহ্লা, ডালিভুঙ্গা ইত্যাদি।
- ১৯৪২ সালে তিনি রাজনীতিতে যোগ দেন।
- ম্যান্ডেলাকে 'রোবেন দ্বীপ' এর কারাগারে ১৯৬৪ সাল থেকে ১৯৮২ সাল পর্যন্ত অন্তরীণ রাখা হয়।
- এখানে তিনি তাঁর ২৭ বছরের কারাবাসের প্রথম ১৮ বছর কাটান।
- ১৯৮২ সালের মার্চ মাসে ম্যান্ডেলাকে রবেন দ্বীপের কারাগার থেকে পোলসমুর কারাগারে স্থানান্তর করা হয়।
- ১৯৮৮ সালে ম্যান্ডেলাকে ভিক্টর ভার্সটার কারাগারে সরিয়ে নেয়া হয়।
- ভিক্টর ভার্সটার কারাগার থেকে ম্যান্ডেলাকে ১৯৯০ সালের ১১ই ফেব্রুয়ারি মুক্তি দেয়া হয়।
- তিনি কারাগারে থাকার সময় তার কয়েদী নম্বর ছিলো ৪৬৬।
- কারাদন্ডের সাল মিলিয়ে ‘৪৬৬৬৪’ গঠন করা হয় যা মেন্ডেলার এইডস বিরোধী প্রচারণার নাম।
- কারা মুক্তির পর ম্যান্ডেলা আফ্রিকান ন্যাশনাল কংগ্রেসের নেতৃত্ব গ্রহণ করেন।
- ১৯৯০ হতে ১৯৯৪ পর্যন্ত তিনি এই দলের নেতা ছিলেন।
- তিনি ১৯৯৪ থেকে ১৯৯৯ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত দক্ষিণ আফ্রিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন।
- তিনি ২০১৩ সালের ৫ ডিসেম্বর জোহানেসবার্গে মৃত্যুবরণ করেন।

উল্লেখ্য,
- Long Walk to Freedom গ্রন্থটির রচয়িতা নেলসন ম্যান্ডেলা।

তথ্যসূত্র: i) Britannica.
         ii) History.com.

১৯১.
মায়া সভ্যতা প্রধানত কোথায় বিস্তৃত ছিল?
  1. মেসোপটেমিয়া অঞ্চল
  2. উত্তর আফ্রিকা অঞ্চল
  3. গুয়েতেমালা ও মেক্সিকোর পূর্বাঞ্চলে
  4. সিন্ধু ও হরপ্পা অঞ্চলে
ব্যাখ্যা
মায়া সভ্যতা: 
- আমেরিকার তিনটি সভ্যতা হচ্ছে যথাক্রমে মায়া, আজটেক ও ইনকা।
- গুয়েতেমালা ও মেক্সিকোর পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত সমৃদ্ধ জনপদ ছিল মায়া সভ্যতা।
- তাদের ভাষার লিখিত রূপটি ছবি বা চিহ্ন ব্যবহার করায় অনেকটা হায়ারোগ্লিফিক ধাঁচের ছিল।
- প্রায় ৮০০টির বেশি ছবি ব্যবহার করে তারা এই লিপির প্রচলন ঘটিয়েছিল।
- তারা গাছের বাকল দিয়ে তৈরি করা কাগজ থেকে বানাতো কোডেক্স নামের বই।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
১৯২.
ইহুদি ধর্মের ধর্মযাজককে কী বলা হয়?
  1. পোপ
  2. রাবাই
  3. আমির
  4. পুরোহিত
ব্যাখ্যা
- ইহুদি ধর্মের ধর্মযাজককে রাবাই বলা হয়।
- তিনি ধর্মীয় বিষয় নিয়ে শিক্ষাদান করেন এবং ইহুদি সম্প্রদায়ের মধ্যে ধর্মীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।

অন্যদিকে,
- পোপ - পোপ হলেন রোমান ক্যাথলিক গির্জার সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা এবং প্রাতিষ্ঠানিক প্রধান ।
- আমির - ইসলাম ধর্মের নেতাকে আমির বলা হয়।
- পুরোহিত - পুরোহিত হিন্দু ধর্মের ধর্মীয় নেতা বা আচার্য, যিনি পূজা বা ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন।

উৎস: ব্রিটানিকা।
১৯৩.
‘Das Capital’ গ্রন্থের লেখক কে?
  1. এরিস্টটল
  2. জাঁ জ্যাক রুশো
  3. সক্রেটিস
  4. কার্ল মার্কস
ব্যাখ্যা

কার্ল মার্কস:
- কার্ল মার্কস ছিলেন একজন বিপ্লবী, সমাজবিজ্ঞানী, ইতিহাসবিদ এবং অর্থনীতিবিদ।
- তিনি ১৮১৮ সালের ৫ মে জার্মানির রাইন প্রদেশের ট্রায়ারে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি সমাজতন্ত্র ও আধুনিক কমিউনিজমের জনক।
- তিনি লন্ডনে ১৮৮৩ সালের ১৪ মার্চ মৃত্যুবরণ করেন।

• তার উল্লেখযোগ্য বই -
- The Communist Manifesto যা ১৮৪৮ সালে প্রকাশিত হয়।
- তিনি আন্দোলনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বই Das Kapital-এর লেখকও ছিলেন।
- মার্কস ও এঙ্গেলস-এর লেখাগুলো মার্কসবাদ নামে পরিচিত।
- কার্ল মার্ক্স এবং ফ্রেডরিখ এঙ্গেলস-এর বিখ্যাত একটি বই 'The German Ideology'।

উৎস: Britannica.

১৯৪.
চীনের সাংস্কৃতিক বিপ্লবের ডাক দেন কে?
  1. লি চেং
  2. মাও সেতুং
  3. চিয়াং কাইশেক
  4. সান ইয়াৎ সেন
ব্যাখ্যা

• চীনের সাংস্কৃতিক বিপ্লব :
- ১৯৬৬ সালে কমিউনিস্ট নেতা মাও সেতুং- এর আহ্বানে চীনের সাংস্কৃতিক বিপ্লব শুরু হয়।
- এটি ১৯৭৬ সালে সমাপ্ত হয়।
- এই বিপ্লব প্রায় ১০ বছর স্থায়ী হয়।
- সমগ্র চীনকে কমিউনিস্ট শাসনের আওতায় আনা, অর্থনৈতিক পুনর্গঠন, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য পুনরুদ্ধার ও কমিউনিস্ট বিরোধী ভাবধারা প্রতিহত করার জন্য এই
বিপ্লব শুরু হয়।
- চীনের সাংস্কৃতিক বিপ্লবের ফলে সমগ্র চীন ঐক্যবদ্ধ হয় এবং কমিউনিস্ট পার্টির অবস্থান দৃঢ় হয়।
- ১৯৪৯ সালে মাও সেতুং এর নেতৃত্বে চীনে সমাজতান্ত্রিক বিপ্লব সংঘটিত হয় এবং গণপ্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৪৯ সালের ১লা অক্টোবর, এক রক্তক্ষয়ী বিপ্লবের মাধ্যমে China) বা গণচীন প্রতিষ্ঠিত হয়।
- মাও সেতুং কে গণচীনের জনক বলা হয়।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।

১৯৫.
নিচের কোন দেশটি GCC (Gulf Cooperation Council) এর সদস্য নয়?
  1. ইয়েমেন
  2. কুয়েত
  3. কাতার
  4. বাহরাইন
ব্যাখ্যা
GCC:
- GCC এর পূর্ণরুপ- Gulf Cooperation Council.
- GCC হলো পারস্য উপসাগর তীরবর্তী আরব উপদ্বীপের দেশগুলোর একটি রাজনৈতিক ও অর্থনেতিক জোট।
- এটি ১৯৮১ সালের ২৫ মে মাসে গঠিত হয়।
- এর সদরদপ্তর সৌদি আরবের রিয়াদে অবস্থিত।

• এর সদস্য ৬টি যথা:
→ সৌদি আরব,
→ সংযুক্ত আরব আমিরাত,
→ কাতার,
→ কুয়েত,
→ বাহরাইন এবং,
→ ওমান।

উৎস: GCC ওয়েবসাইট।
১৯৬.
D-Day কোন যুদ্ধের সাথে সম্পর্কিত?
  1. ১ম বিশ্বযুদ্ধ
  2. মার্কিন গৃহযুদ্ধ
  3. ২য় বিশ্বযুদ্ধ
  4. শতবর্ষব্যাপী যুদ্ধ
ব্যাখ্যা

D-Day:
- D-Day দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সাথে সম্পর্কিত।

⇒ নাৎসী বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধে অংশ নিতে ১৯৪৪ সালের ৬ জুন প্রায় ১ লক্ষ ৫৬ হাজার যৌথ বাহিনীর সদস্য ফ্রান্সে অবতরণ করেন।
- ফ্রান্স উদ্ধারের জন্য মিত্রবাহিনী স্থল, নৌ ও বিমান বাহিনীর সমন্বয়ে যে অপারেশন পরিচালনা করে তার কোডনাম ছিলো Operation Overlord।
- দিনশেষে প্রায় সাড়ে চার হাজার সৈন্য মারা যান, যা বিশ্বের সেনা ইতিহাসে সবচেয়ে বড় সামরিক অভিযান।
- ফ্রান্সের নরম্যান্ডির উপকূলে ডি-ডে নামে খ্যাত ওই অভিযানের মধ্যে দিয়ে নাৎসী জার্মানির বিরুদ্ধে মিত্রবাহিনীর বিজয়ের সূচনা হয়।
- ৬ জুন দিনটিকে ডি ডে (D-Day) হিসাবে পালন করা হয়।
- এই লড়াইয়ের এক বছর পর পরাজয় স্বীকার করে জার্মানি।

উল্লেখ্য,
- ডি দিবস (D Day) বা অবতরণ দিবসের দিন ধার্য হয় ১৯৯৪ সালের ১ জুন।
- কিন্তু প্রতিকূল আবহাওয়ার জন্য পিছিয়ে ৬ জুন করা হয়।
- এই সুবিশাল সামরিক অভিযানের নেতা ছিরেন আমেরিকান সেনাপতি আইজেনহাওয়ার।

উৎস: History.com

১৯৭.
জর্জটাউন কোন দেশের রাজধানী?
  1. ক) গায়ানা
  2. খ) বার্বাডোজ
  3. গ) জর্জিয়া
  4. ঘ) গ্যাবন
ব্যাখ্যা
জর্জটাউন : গায়ানার রাজধানী।
অন্যদিকে,
- বার্বাডোজের রাজধানী : ব্রিজটাউন
- জর্জিয়ার রাজধানী : তিবলিসি
- গ্যাবনের রাজধানী : লিব্রোভিল।

(তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট)
১৯৮.
চীনের জিনজিয়াং প্রদেশে বসবাসরত মুসলিম উপজাতির নাম?
  1. রোহিঙ্গা
  2. উইঘুর
  3. ফিলিস্তিনি
  4. পশতুন
ব্যাখ্যা

'উইঘুর' হলো- চীনের একটি সম্প্রদায়ের নাম। 

উল্লেখ্য, 
- চীনের উত্তরপশ্চিমাঞ্চলীয় একটি প্রদেশের নাম “জিনজিয়াং”।
- জিনজিয়াং এর রাজধানী হলো উরুমকি।
- উইঘুর এবং হানা সম্প্রদায়ের বসবাস হলো জিনজিয়াং প্রদেশে। 
-----------------------
চীন: 
- চীন পূর্ব এশিয়ার একটি বৃহত্তম দেশ।
- এর আয়তন প্রায় ৩৬৯৬,০৯৭ বর্গ মাইল (৯,৫৭২,৯০০ বর্গ কিমি)।
- দেশটির রাজধানী বেইজিং। দেশের মুদ্রা হলো ইউয়ান। 

সূত্র: Amnesty International, Human Rights Watch, ব্রিটানিকা, কাউন্সিল অন ফরেন রিলেশন ওয়েবসাইট। 

১৯৯.
‘ইসলামিক কনসালটেটিভ অ্যাসেম্বলি’ কোন দেশের পার্লামেন্টের নাম?
  1. কাতার
  2. ইরাক
  3. কুয়েত
  4. ইরান
ব্যাখ্যা

ইরান:
- ইরান দক্ষিণ-পশ্চিম এশিয়ায় পারস্য উপসাগরের তীরে অবস্থিত একটি মুসলিম রাষ্ট্র।
- ইরান বিশ্বের সবচেয়ে পর্বতময় দেশগুলির একটি।
- সৌদি আরবের পর ইরান মধ্যপ্রাচ্যের দ্বিতীয় বৃহত্তম দেশ।
- ১৯৭৯ সালে ইরানী বিপ্লব গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে রাজতন্ত্রের পতন ঘটায় এবং ইরানে একটি ইসলামী প্রজাতন্ত্র স্থাপন করে।

উল্লেখ্য, 
- ‘ইসলামিক কনসালটেটিভ অ্যাসেম্বলি’ ইরানের পার্লামেন্টের নাম।

সূত্র: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।

২০০.
‘An Inquiry into the Nature and Causes of the Wealth of Nations’– বইটি কার লেখা?
  1. অ্যাডাম স্মিথ
  2. ডেভিড রিকার্ডো
  3. পল স্যামুয়েলসন
  4. আলফ্রেড মার্শাল
ব্যাখ্যা
The Wealth of Nations:
- অ্যাডাম স্মিথ এর লেখা বই ‘An Inquiry into the Nature and Causes of the Wealth of Nations’.
- যা সাধারণত The Wealth of Nations নামে পরিচিত।
- এটি ১৭৭৬ সালে প্রকাশিত হয়।
- The Wealth of Nations বইটি আধুনিক অর্থনীতির ভিত্তি স্থাপন করে।
- স্মিথ এই বইতে বাজারের কার্যকারিতা, বাণিজ্য, শ্রমের বিভাজন, মুক্ত অর্থনীতি এবং সরকারের ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করেন।
- তিনি Invisible Hand (দৃশ্যমান হাত) তত্ত্ব উপস্থাপন করেন, যেখানে তিনি বলেন যে, ব্যক্তির স্বার্থ চরিতার্থ করার মাধ্যমে সমাজের মঙ্গল সাধিত হয়।

তথ্যসূত্র - অর্থনীতি, একাদশ দ্বাদশ শ্রেণী।