বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বৈশ্বিক ইতিহাস, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা, ভূ-রাজনীতি

মোট প্রশ্ন৯,৩৩৪এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বৈশ্বিক ইতিহাস, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা, ভূ-রাজনীতি

PrepBank · পাতা / ৯৩ · ১০০ / ৯,৩৩৪

.
বোর্নিও দ্বীপে কোন দেশ অবস্থিত?
  1. ইন্দোনেশিয়া
  2. মালয়েশিয়া
  3. ব্রুনাই
  4. সবগুলো
ব্যাখ্যা
- বোর্নিও দ্বীপে ইন্দোনেশিয়া ও মালয়েশিয়ার প্রদেশে এবং ব্রুনাই এর অবস্থান আছে।  

বোর্নিও দ্বীপ:
- প্রশান্ত মহাসাগরের দক্ষিণ-পশ্চিম অংশে বোর্নিও দ্বীপের অবস্থান।
- আয়তনে গ্রীনল্যান্ড এবং নিউ গিনির পরই এটি বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম দ্বীপ।
- দ্বীপের ইন্দোনেশিয়ার অংশ কালিমান্তান নামে পরিচিত।
- মালয়েশিয়ার দুটি প্রদেশ সারাওয়াক এবং সাবাহ অবস্থিত এই দ্বীপে। 
- তাদের মধ্যে ইসলামি সালতানাত অব ব্রুনাই অবস্থিত।

উৎস: Britannica.
.
বিশ্বের সবচেয়ে ঘনবসতিপূর্ণ মরুভূমি কোনটি?
  1. সাহারা
  2. গোবি
  3. কারাকুম
  4. থর মরুভূমি
ব্যাখ্যা
থর মরুভূমি:
- গ্রেট ইন্ডিয়ান ডেজার্ট বা থর মরুভূমি হল ভারতীয় উপমহাদেশের উত্তর-পশ্চিম অংশের একটি বিশাল মরুভূমি।
- এটি ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে একটি প্রাকৃতিক সীমানা তৈরি করে যেখানে মরুভূমির ৮৫% অংশ ভারতের মধ্যে এবং বাকিটা পাকিস্তানে অবস্থিত।
- থর মরুভূমি হল বিশ্বের সবচেয়ে ঘনবসতিপূর্ণ মরুভূমি এবং এর জনসংখ্যার ঘনত্ব প্রতি বর্গ কিলোমিটারে ৮৩ জন।

উৎস: World Atlas.
.
'The Idea of Justice' গ্রন্থটি কার রচিত?
  1. ডেভিড হিউম
  2. মারথা নুসবাউম
  3. অমর্ত্য সেন
  4. কমলা হ্যারিস
ব্যাখ্যা

অমর্ত্য সেন:
- অমর্ত্য সেন একজন ভারতীয় বাঙালী অর্থনীতিবিদ ও দার্শনিক।
- ১৯৯৮ সালে তিনি অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেছিলেন।
- দারিদ্র এবং দুর্ভিক্ষ নিয়ে গবেষণার জন্য ১৯৯৮ সালে অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পান অমর্ত্য সেন।

⇒ ১৯৫১ সালে আইএসসি পরীক্ষায় প্রথম হয়ে তিনি ভর্তি হন কলকাতার প্রেসিডেন্সি কলেজে এবং তারপর অর্থনীতি নিয়ে উচ্চতর শিক্ষা গ্রহণ করেন ইংল্যাণ্ডে কেম্ব্রিজের ট্রিনিটি কলেজে।
- এছাড়াও তিনি ১৯৯৮ থেকে ২০০৪ সাল পর্যন্ত ক্যামব্রিজের ট্রিনিটি কলেজের মাস্টার হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
- তিনিই প্রথম ভারতীয় শিক্ষাবিদ যিনি একটি অক্সব্রিজ কলেজের প্রধান হন।
- এছাড়াও তিনি প্রস্তাবিত নালন্দা আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসাবেও কাজ করেছেন।
 
উল্লেখ্য,
- অমর্ত্য সেনের লেখা গ্রন্থাবলি ৩০টিরও বেশি ভাষায় অনূদিত হয়েছে।
- The Idea Of Justice-গ্রন্থটির রচয়িতা অমর্ত্য সেন। বইটি মূলত জন রলসের 'A Theory of Justice' (1971)-এর মৌলিক ধারণাগুলির একটি সমালোচনা এবং সংশোধন।
 
উৎস: Britannica.

.
ইতালীর সীমানা সংলগ্ন দেশ নয় কোনটি?
  1. ফ্রান্স
  2. হাঙ্গেরী
  3. সুইজারল্যান্ড
  4. অস্ট্রিয়া
ব্যাখ্যা
ইতালি: 
- দাপ্তরিক নাম: Italian Republic (ইতালীয়: Repubblica Italiana).
- রাজধানী: রোম (Rome)
- ভাষা: ইতালীয় (Italian)
- ধর্ম: প্রধানত খ্রিষ্টান (বিশেষ করে রোমান ক্যাথলিক)
- মুদ্রা: ইউরো।
- ইউরোপ মহাদেশের দক্ষিণাংশে অবস্থিত একটি উন্নত দেশ

• ভৌগোলিক অবস্থান:
- ইউরোপের দক্ষিণে অবস্থিত একটি দীর্ঘ উপদ্বীপ ও দ্বীপসমূহের সমন্বয়ে গঠিত। 
- সীমানা সংলগ্ন দেশ: ফ্রান্স, সুইজারল্যান্ড, অস্ট্রিয়া ও স্লোভেনিয়া। 
- ভ্যাটিকান সিটি (বিশ্বের ক্ষুদ্রতম দেশ, রোম শহরের মধ্যে অবস্থিত)
- বিশেষ আকৃতি: মানচিত্রে ইতালির ভূখণ্ড বুট (জুতা)-এর মতো দেখতে। 
- সরকার ব্যবস্থা: সংসদীয় প্রজাতন্ত্র (Parliamentary Republic)।
- সংবিধান: ১৯৪৮ সালে গৃহীত। 

উৎস: World Atlas ও Britannica. 
.
যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান নৌঘাঁটি ক্যালিফোর্নিয়া থেকে পার্ল হারবারে স্থানান্তর করা হয় কত সালে?
  1. ১৯৩৭ সালে
  2. ১৯৩৮ সালে
  3. ১৯৩৯ সালে
  4. ১৯৪০ সালে
ব্যাখ্যা
পার্ল হারবার আক্রমণ:
- পার্ল হারবার দ্বীপপুঞ্জ উত্তর প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত।
- এটি ছিল যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় নৌঘাঁটি।
- ১৯০৮ সালে ঘাঁটিটি বানানো হয়।
- ১৯৪০ সালে যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান নৌঘাঁটি ক্যালিফোর্নিয়া থেকে হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জের পার্ল হারবারে স্থানান্তর করা হয়।
- কৌশলগত দিক দিয়ে এই ঘাঁটি ছিল যুক্তরাষ্ট্রের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সামরিক এলাকা।
- যুক্তরাষ্ট্রের মূল ভূখণ্ড থেকে প্রায় দুই হাজার মাইল এবং জাপান থেকে প্রায় চার হাজার মাইলে দূরে অবস্থিত ছিল এই নৌঘাঁটি।
- ১৯৪১ সালের ৭ ডিসেম্বর প্রশান্ত মহাসাগরের হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জের পার্ল হারবারে অবস্থিত মার্কিন নৌঘাঁটিতে আক্রমণ করে জাপানের সামরিক বাহিনী।

তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা।
.
নিচের কোনটি 'Petrostate' ভুক্ত দেশ?
  1. ইকুয়েডর
  2. লিবিয়া
  3. মেক্সিকো
  4. বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা

পেট্রোস্টেট:
- যে সব রাষ্ট্রের আয়ের প্রধান উৎস তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাস তাদেরকে পেট্রোস্টেট বলা হয়।
- সরকারী আয় তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাস রপ্তানির উপর নির্ভরশীল হয়ে থাকে।
- পেট্রোস্টেটগুলিকে অর্থনীতিবিদরা ডাচ রোগ বলে অভিহিত করেছেন।
- পেট্রোস্টেট ভুক্ত দেশগুলো হলো- আলজেরিয়া, ক্যামেরুন, চাদ, ইকুয়েডর, ইন্দোনেশিয়া, ইরান, কাজাখস্তান, লিবিয়া, মেক্সিকো, নাইজেরিয়া, ওমান, কাতার, রাশিয়া, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং ভেনিজুয়েলা।

উৎস: Council Foreign Relations Website. [Link]

.
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ ‘প্রতিনিধি সভা' বা 'হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভ' এর মেয়াদ কত বছর?
  1. ২ বছর
  2. ৩ বছর
  3. ৪ বছর
  4. ৫ বছর
ব্যাখ্যা
কংগ্রেস:
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় সরকারের আইন সভার নাম কংগ্রেস।
- আইন প্রণয়ন করাই এর প্রধান কাজ।
- কংগ্রেস একটি দ্বি-কক্ষ বিশিষ্ট আইন সভা।
- কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ ‘প্রতিনিধি সভা' (The House of Representative) এবং উচ্চকক্ষ 'সিনেট' (The Senate) নামে পরিচিত।

⇒ নিম্নকক্ষ:
- কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ ‘প্রতিনিধি সভা' বা 'হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভ' নামে পরিচিত।
• আসন সংখ্যা - ৪৩৫টি।
• মেয়াদ - ২ বছর।
• 'হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভ' সদস্য নির্বাচিত হওয়ার জন্য, একজন ব্যক্তির বয়স কমপক্ষে ২৫ বছর হতে হবে।

⇒ উচ্চকক্ষ:
- কংগ্রেসের উচ্চকক্ষ 'সিনেট' নামে পরিচিত।
• আসন সংখ্যা - ১০০টি।
• মেয়াদ - ৬ বছর।
• 'সিনেট' সদস্য নির্বাচিত হওয়ার জন্য, একজন ব্যক্তির বয়স কমপক্ষে ৩০ বছর হতে হবে।

তথ্যসূত্র - যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি ওয়েবসাইট।
.
মুষ্ঠিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলী বর্তমানে এ রোগে কাতর-
  1. হৃদরোগ
  2. পারকিনসন্স
  3. ম্যালেরিয়া
  4. এইডস
ব্যাখ্যা
এটি তৎকালীন সাম্প্রতিক প্রশ্ন যা পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।

মুহাম্মদ আলী:

- ১৯৪২-এর ১৭ই জানুয়ারি আমেরিকায় কেনটাকি অঙ্গরাজ্যের লুইভিলে জন্মগ্রহণ করেন মুহাম্মদ আলী।
- তখন তাঁর নাম ছিল ক্যাসিয়াস মার্সেলাস ক্লে।
- ১২ বছর বয়সে তিনি মুষ্টিযুদ্ধ শুরু করেন এবং রোমে ১৯৬০ সালের অলিম্পিকে লাইট হেভিওয়েটে স্বর্ণপদক জয় করেন।
- ১৯৬০ সালের অক্টোবর মাসে ১৮ বছর বয়সে তিনি মুষ্টিযুদ্ধকে পেশা হিসাবে নেন।
- ১৯৬৩ সালের জুনে প্রথম পেশাদার সফরে তিনি আসের লন্ডনে।
- তার আগেই তিনি ১৮টি মুষ্টিযুদ্ধে সরাসরি লড়াইয়ে জিতেছেন।
- লন্ডনে আসার আগে তিনি বলেছিলেন ইংল্যান্ডের বিখ্যাত মুষ্টিযোদ্ধা হেনরি কুপারকে তিনি পঞ্চম রাউন্ডেই হারাবেন।

⇒ ২২ বছর বয়সে বিশ্ব হেভিওয়েট চ্যাম্পিয়ানের শিরোপা জেতেন ক্লে।

⇒ সনি লিস্টনকে প্রথমবার হারানোর পর তাঁর ইসলাম ধর্মগ্রহণের ঘোষণা দেন তিনি এবং তিনি নতুন নাম নেন মুহাম্মদ আলী।

⇒ ১৯৮৪ সালে দুরারোগ্য পারকিনসন্স রোগে আক্রান্ত হন বিশ্বখ্যাত এই মুষ্টিযোদ্ধা।

উল্লেখ্য,
- ২০১৬ সালের ৩ জুন, শ্বাসনালীর সংক্রমণে মুহাম্মদ আলী মৃত্যুবরণ করেন।

উৎস: BBC.
.
মাইকেল অ্যাঞ্জেলো কোন দেশের চিত্রকর ছিলেন?
  1. নরওয়ে
  2. সুইডেন
  3. ইতালি
  4. অস্ট্রিয়া
ব্যাখ্যা

​- মাইকেল অ্যাঞ্জেলো ইতালিয় শিল্পী।

• মাইকেল অ্যাঞ্জেলো:
- মাইকেল এঞ্জেলো (Michelangelo) ছিলেন রেনেসাঁস যুগের একজন ইতালিয় ভাস্কর, চিত্রকর, স্থপতি এবং কবি।
- জন্ম ১৪৭৫ সালের ৬ই মার্চ ইতালিতে।
- মাইকেল অ্যাঞ্জেলোর শ্রেষ্ঠ মূর্তি মা মেরীর কোলে যীশুর মূর্তি।
- ম্যাডোনা অব দ্য স্টেপস মাইকেল অ্যাঞ্জেলোর প্রথম উল্লেখযোগ্য কীর্তি।
- মাইকেল অ্যাঞ্জেলোর উল্লেখযোগ্য ভাস্কর্যগুলো হলো ম্যাডোনা এন্ড চাইল্ড, নাইট, মোজেস, পিয়েটা, স্লেইভ ইত্যাদি।
- মাইকেল অ্যাঞ্জেলোর আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ হলো পোপ দ্বিতীয় জুলিয়াসের সমাধি সৌধের ভাস্কর্য।
- ১৫৬৪ সালের ১৮ ই ফেব্রুয়ারি এই বিশ্ববিখ্যাত মহান শিল্পী পরলোকগমন করেন।

উৎস: Britannica.

১০.
রিও+২০ সম্মেলনে কোনটির আত্মপ্রকাশ ঘটে?
  1. ক) এমডিজি
  2. খ) এসডিজি
  3. গ) ব্লু ইকোনমি
  4. ঘ) ক্লাইমেট ইমার্জেন্সি
ব্যাখ্যা
২০১২ সালে ব্রাজিলের রিও ডি জেনিরিও শহরে ১৯৯২ সালের ধরীত্রী সম্মেলনের ২০ পূর্তি উপলক্ষে রিও+২০ সম্মলেন অনুষ্ঠিত হয়। এই সম্মেলনে এমডিজি'র মেয়াদান্তে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা গ্রহণের বিষয় আলোচনা হয়। এতে করে ২০১৬-২০৩০ মেয়াদে ১৭ টি লক্ষ্য সম্বলিত টেকসই উন্নয়ন লক্ষমাত্রা গৃহিত হয়। (সূত্রঃ ইউএনডিপি ওয়েবসাইট)
১১.
Which of the following sea is also called the Salt Sea?
  1. ক) Bay of Bangal
  2. খ) Parsian Gulf
  3. গ) Caspian Sea
  4. ঘ) Dead Sea
  5. ঙ) None
ব্যাখ্যা
- নামে সমুদ্র হলেও ডেড সি বা মৃত সাগর আসলে একটি হ্রদ।
- পানিতে মানুষ ডুবে গেলেও ডেড সি বা মৃত সাগরের পানিতে লবণের পরিমাণ অনেক বেশি তাই মৃত সাগরের পানিতে কেউ ডুবে না।
- তাই একে Salt Sea ও বলা হয়ে থাকে। 
- এতে কোন মাছ উৎপাদন হয় না।
- ডেড সির পশ্চিমে পশ্চিম তীর এবং ইসরায়েল, পূর্বে জর্ডান অবস্থিত।

উৎস: Britannica.
১২.
সুশি কোন দেশের জনপ্রিয় খাবার?
  1. উত্তর কোরিয়া
  2. তাইওয়ান
  3. জাপান
  4. দক্ষিন কোরিয়া
ব্যাখ্যা
সুশি:
- সুশি হচ্ছে এক প্রকার জাপানি খাবার।
- এটি ভিনেগার দেওয়া ভাত, সামুদ্রিক মাছ, সবজি ও নানারকমের ফল দিয়ে তৈরি করা হয়।
- এটি জাপানে ব্যাপকভাবে জনপ্রিয়।
- সুশি সাধারণত সাদা ভাত দিয়ে তৈরি হয়।
- এতে একধরনের সামুদ্রিক মাছ দেওয়া হয় যা সাধারনত কাঁচা অবস্থায় থাকে; কিন্তু কখনও কখনও সুশিতে ভাজা মাছও দেওয়া হয়ে থাকে।
- সুশি পরিবেশন করা হয় সাধারনত আদা, মুলা, সয়া সস ইত্যাদি দিয়ে।

উৎস: Britannica.
১৩.
রুশ বিপ্লবের নেতৃত্বে কে ছিলেন?
  1. মুসোলিনি
  2. ভ্লাদিমির লেনিন
  3. নিকলো ম্যাকিয়াভেলি
  4. কালমার্কস
ব্যাখ্যা
• রুশ বিপ্লবের :
- ১৯১৭ সালের রুশ বিপ্লব এর মাধ্যমে সাম্রাজ্যবাদী সরকারকে উৎখাত করে বলশেভিকদের ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত করে।
- রুশ বিপ্লবের নেতৃত্বে ছিলেন ভ্লাদিমির ইলিচ-উলিয়ানোভা লেনিন বা ভি আই লেনিন।
- বিপ্লবের ফলে রাশিয়ায় শ্রমিক শ্রেণির বিপ্লবী সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল
-  পশ্চিম ইউরোপের পুঁজিবাদী সমাজ, সংস্কৃতি, অর্থনীতি এবং রাষ্ট্র ব্যবস্থার উপর চরম আঘাত করে এই বলশেভিক বিপ্লব বা রুশ বিপ্লব। 

• ইউরোপীয় পুনর্জাগরণের অন্যতম পুরোধা ব্যক্তি ছিলেন- নিকোলো মেকিয়াভেলি।
- কার্ল মার্কস ছিলেন একজন বিপ্লবী, সমাজবিজ্ঞানী, ইতিহাসবিদ এবং অর্থনীতিবিদ। 

উৎস: ব্রিটানিকা ।
১৪.
বিখ্যাত অপেরা হাউজ কোথায় অবস্থিত?
  1. মেলবোর্ন
  2. সিডনি
  3. টোকিও
  4. সিউল
ব্যাখ্যা
অপেরা হাউজ:
- অপেরা হাউজ সিডনি তে অবস্থিত। 
- ১৯৫৯ সালে এটির নির্মাণ কাজ শুরু হয়।
- প্রশান্ত মহাসাগরের পাড়ে প্রায় সাড়ে চার একর জায়গার ওপর নৌকার পাল আকৃতি স্থাপনাটি নির্মাণ করা হয়।
- স্থাপনাটির দৈর্ঘ্য ৬০০ ফুট ও প্রস্থ ৩৯৪ ফুট।
- সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে স্থাপনাটির সর্বোচ্চ স্থানটির উচ্চতা ২১৩ ফুট, যা প্রায় ২২ তলা ভবনের সমান উঁচু।
- অপেরা হাউজটি মহাসাগরের এক প্রান্তে তৈরী করা হয়েছে যা দেখতে অনেকটা উপত্যকার মতো।
- এতে প্রায় সাড়ে পাঁচ হাজার মানুষের আসন রয়েছে।
- ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় এটিকে ২০০৭ সালে অন্তর্ভুক্ত করে।

উৎস: ব্রিটানিকা।
১৫.
রাশিয়ার সীমান্তবর্তী দেশ নয় কোনটি?
  1. আজারবাইজান
  2. রোমানিয়া
  3. মঙ্গোলিয়া
  4. ফিনল্যান্ড
ব্যাখ্যা
রাশিয়ার সীমান্তবর্তী দেশ:
- রাশিয়ার সীমান্তবর্তী দেশগুলির মধ্যে রোমানিয়া অন্তর্ভুক্ত নয়।
- রোমানিয়া ইউক্রেনের দক্ষিণে অবস্থিত, এবং এটি রাশিয়ার সাথে সরাসরি সীমান্ত ভাগ করে না। 
- রাশিয়ার সীমান্তবর্তী দেশ ১৪টি।
-
রাশিয়া নিম্নলিখিত দেশগুলির সাথে সীমান্ত ভাগ করে:
- নরওয়ে, ফিনল্যান্ড, এস্তোনিয়া, লাটভিয়া, লিথুয়ানিয়া, পোল্যান্ড, বেলারুশ, ইউক্রেন, জর্জিয়া, আজারবাইজান, কাজাখস্তান, চীন, মঙ্গোলিয়া এবং উত্তর কোরিয়া।

উৎস: Worl atlas.
১৬.
বর্তমান ইসরায়েলের অধিবাসীরা কোন সভ্যতার বংশধর?
  1. হিব্রু সভ্যতা
  2. চৈনিক সভ্যতা
  3. ফিনিশীয় সভ্যতা
  4. পারস্য সভ্যতা
ব্যাখ্যা
হিব্রু সভ্যতা:
- হিব্রু সভ্যতা হলো বর্তমানের ফিলিস্তিন ও ইসরাইল অঞ্চলকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠা একটি প্রাচীন সভ্যতা।
- হিব্রু সভ্যতা জেরুজালেম নগরকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠে।
- হিব্রু মূলত ভাষার নাম, অর্থ যাযাবর বা নিম্ন শ্রেণি।
- জাতিগতভাবে হিব্রু সভ্যতার লোকজন একটি মিশ্র জাতি।
- প্রধান ধর্মীয় নেতা: হযরত মূসা (আ)।
- বাইবেলের ভাষা হিব্রু।
- পৃথিবীর প্রাচীন ভাষা হিব্রু ভাষা। 
- হিব্রু জাতি বর্তমানে ইজরাইলে বসবাস করে।
- হিব্রু সভ্যতার অবদান ধর্ম প্রচার।
 
অন্যদিকে -
- চৈনিক সভ্যতা গড়ে উঠেছিল হোয়াংহোও ইয়াংসিকিয়াং নদীর অববাহিকায় দক্ষিন চীনে। 
- ফিনিশীয় সভ্যতা গড়ে উঠেছিল দক্ষিণ সিরিয়া, উত্তর ইসরায়েল ও লেবাননে।
- পারস্য সভ্যতা গড়ে উঠেছিল পারস্যে। 
 
উৎস: Britannica.
১৭.
বাগরাম বিমানঘাঁটি কোন দেশে অবস্থিত?
  1. আফগানিস্তান 
  2. মায়ানমার 
  3. সিরিয়া 
  4. ইসরায়েল
ব্যাখ্যা

বাগরাম বিমানঘাঁটি:
- বাগরাম বিমানঘাঁটি আফগানিস্তানে অবস্থিত।

⇒ বাগরাম বিমানঘাঁটির অবস্থান আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুল থেকে প্রায় ৪০ কিলোমিটার উত্তরে। আফগানিস্তানের পারওয়ান প্রদেশে বাগরাম বিমানঘাঁটি অবস্থিত।
- গত শতকের পঞ্চাশের দশকে বাগরাম ঘাঁটি প্রথম নির্মাণ করে তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন। আশির দশকে আফগান যুদ্ধের সময় আফগানিস্তানে সোভিয়েত সেনাদের প্রধান ঘাঁটি ছিল বাগরাম।
- ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রে ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলা হয়। এই হামলার পর সন্ত্রাসবিরোধী যুদ্ধে নামে যুক্তরাষ্ট্র। এই যুদ্ধের অংশ হিসেবে তারা আফগানিস্তানে সামরিক অভিযান শুরু করে। মার্কিন অভিযানে তালেবানের পতনের পর বাগরাম চলে যায় যুক্তরাষ্ট্রের দখলে। মার্কিন বাহিনী ঘাঁটিটি নতুন করে গড়ে তোলে। বাগরামকে এক সুবিশাল সামরিক কমপ্লেক্সে রূপ দেয় যুক্তরাষ্ট্র।
- ২০২১ সালে আফগানিস্তান থেকে সেনা প্রত্যাহার করে যুক্তরাষ্ট্র। এ সময় তালেবান যুক্তরাষ্ট্র-সমর্থিত কাবুল সরকারকে উৎখাত করে এবং মার্কিন ঘাঁটিগুলো দখলে নেয়। 
- সম্প্রতি (অক্টোবর, ২০২৫) আফগানিস্তানের বাগরাম বিমানঘাঁটি পুনর্দখলের ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

উৎস: U.S. AIR FORCES CENTRAL (.mil).

১৮.
বাকু কোন দেশের রাজধানী?
  1. বেলারুশ
  2. উজবেকিস্তান
  3. আজারবাইজান
  4. আলবেনিয়া
ব্যাখ্যা
আজারবাইজান দেশটির মোট আয়তন ৮৬,৬০০ বর্গ কিলোমিটার। দেশটির রাজধানী হলো বাকু৷
বাকু পৃথিবীর সবচেয়ে নিচু রাজধানী, এটি সমুদ্রপৃষ্ঠের ২৮ মিটার নিচে অবস্থান করছে।
উৎসঃ ওয়ার্ল্ড এটলাস এবং বিবিসি
১৯.
ভলভো কোন দেশের গাড়ি?
  1. ক) ইতালি
  2. খ) সুইডেন
  3. গ) জার্মানি
  4. ঘ) জাপান
ব্যাখ্যা

সুইডেনের বিশ্বখ্যাত গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ভলভো।
ভলভোর শ্লোগান - Always caring about people.
ইতালির অন্যতম গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান - ফেরারি, ল্যাম্বরগিনি।
জাপানের বিশ্বখ্যাত গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে আছে - টয়োটা, হোন্ডা, নিসান, মিতসুবিশি।

২০.
ইংল্যান্ড প্রথম কোন দেশের তাদের প্রথম উপনিবেশ স্থাপন করে?
  1. ক) যুক্তরাষ্ট্র
  2. খ) ভারত
  3. গ) দক্ষিণ আফ্রিকা
  4. ঘ) ক্যারিবীয় দ্বীপপুঞ্জে
ব্যাখ্যা
স্টুয়ার্ট রাজাদের আমলে উপনিবেশ স্থাপন এবং তৎসংগে বৈদেশিক বাণিজ্যের সম্প্রসারণ শুরু হয়। প্রথম জেমসের শাসন আমলে ইংল্যান্ডের প্রথম উপনিবেশ স্থাপিত হয় বর্তমান মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জেমস টাউনে বা ভার্জিনিয়ায়। পরবর্তীকালে উত্তর আমেরিকায় উপনিবেশ স্থাপনের প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকে এবং ১৭৩৩ সালের মধ্যে ১৩ টি উপনিবেশ গড়ে উঠে।
ইংল্যান্ড ত্যাগ করে যারা উত্তর আমেরিকায় বসতি স্থাপন করে তাদের অধিকাংশই ছিল পিউরিটান। একই সংগে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বার্বোডাস, বার্মুডা এবং জ্যামাইকা দ্বীপে ইংল্যান্ডের উপনিবেশ গড়ে উঠে। অপর দিকে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির উদ্যোগে ভারত উপমহাদেশের বিভিন্ন এলাকায় বাণিজ্যকেন্দ্র স্থাপিত হয় এবং কোলকাতা, মাদ্রাজ ও বোম্বেতে কোম্পানির অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়। উপনিবেশ ও বাণিজ্যকেন্দ্র গড়ে তোলার কাজটি স্বভাবতই খুবসহজ ছিল না, কেননা অন্যান্য ইউরোপীয় দেশও একই লক্ষ্য স্থির করেছিল।
উৎসঃ একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণীর ইতিহাস ২য় পত্র বই (উন্মুক্ত)।
২১.
আকসুম সভ্যতা আবিষ্কৃত হয় কোথায়?
  1. ক) কিউবা
  2. খ) জিবুতি
  3. গ) ইথিওপিয়া
  4. ঘ) মেক্সিকো
ব্যাখ্যা
৮২৫ থেকে ৮০ খ্রিস্টপূর্ব পর্যন্ত পূর্ব আফ্রিকায় ছিল আকসুম সভ্যতা।
- পূর্ব আফ্রিকার ইথিওপিয়ায় ২০১৯ সালে আবিষ্কৃত হয় আকসুম সভ্যতার সমসাময়িক একটি শহর।
- আকসুম সভ্যতার প্রধান শহরের নাম ছিল আকসুম। শহরটি টিকেছিল প্রায় ১৪০০ বছর।
- গবেষকরা এই প্রাচীন সভ্যতাকে বেটা সামাতি নামে ডাকেন।
- স্থানীয় ভাষায় এর অর্থ ‘দর্শকদের বাড়ি’।
উৎসঃ এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা এবং লাইভএমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার।
২২.
ফেব্রুয়ারি বিপ্লবের ফলে কাকে ক্ষমতা থেকে উৎখাত করা হয়েছিল?
  1. লিওন ট্রটস্কি
  2. দ্বিতীয় নিকোলাস
  3. জোসেফ স্টালিন
  4. দ্বিতীয় আলেকজান্ডার
ব্যাখ্যা

রুশ বিপ্লব:
- ১৯১৭ সালে রাশিয়ায় মূলত দুটি বিপ্লব সংঘটিত হয়।
- এই দুটি বিপ্লব হলো ফেব্রুয়ারি বিপ্লব ও বলশেভিক বিপ্লব।
- এই দুটি বিপ্লবকে একত্রে ১৯১৭ সালের রুশ বিপ্লব' বলা হয়।

ফেব্রুয়ারি বিপ্লব:
- রুশ বিপ্লবের প্রথম পর্যায়কে ফেব্রুয়ারি বিপ্লব বলে।
- ফেব্রুয়ারি বিপ্লবের ফলে দ্বিতীয় নিকোলাসকে ক্ষমতা থেকে উচ্ছেদ ও বন্দি করা হয়।
- ১৯১৭ সালের ফেব্রুয়ারিতে পেট্রোগ্রাদে (সেন্ট পিটার্সবার্গে) খাদ্য ঘাটতি নিয়ে দাঙ্গা শুরু হয়।
- সেনাবাহিনী বিদ্রোহীদের সাথে যোগ দিলে নিকোলাস ত্যাগ করতে বাধ্য হন।
- রাশিয়ার রাজতন্ত্রের পতন হয় ফেব্রুয়ারি বিপ্লবের কারণে।

বলশেভিক বিপ্লব/অক্টোবর বিপ্লব:
- রুশ বিপ্লবের দ্বিতীয় পর্যায়কে বলশেভিক বা অক্টোবর বিপ্লব বলে।
- বলশেভিক বিপ্লবের ফলে রাশিয়ায় লেনিনের নেতৃত্বে বিশ্বের প্রথম সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- বলশেভিক বিপ্লবের নেতা ছিলেন ভ্লাদিমির লেনিন ও লিওন ট্রটস্কি।

তথ্যসূত্র - History.com & Britannica.com

২৩.
আলেপ্পো শহরটি কোন দেশে অবস্থিত?
  1. ইরাক
  2. ইরান
  3. সিরিয়া
  4. তুরস্ক
ব্যাখ্যা
আলেপ্পো শহর:
- ভূমধ্যসাগর এবং মেসোপটেমিয়ার মাঝে অবস্থিত আলেপ্পো।
- বর্তমানে এটি সিরিয়ার বৃহত্তম এবং সবচেয়ে জনবহুল শহর।
- আলেপ্পোর প্রাচীন নাম হালাব।
- পলিও-ব্যাবিলনিয় সময়ের শহর এটি।
- আলেপ্পো বা হালাবে শাসন করত ইন্দো-ইউরোপিয়ান গোষ্ঠী হিটাইটরা।
- এরপর এখানে রাজত্ব চালায় আসেরিয়ান, গ্রিক এবং পারসিকরা।
- আরও পরে এখানে শাসন করেছে রোমান, বাইজানটাইন, আরবরা।
- ক্রুসেডের পর এই জায়গা চলে যায় মঙ্গল এবং ওত্তোমানদের দখলে।

⇒ সিরিয়া:
- ভূমধ্যসাগরের আরব উপদ্বীপের উত্তরে পশ্চিম এশিয়ায় সিরিয়া অবস্থিত।
- ১৯৪৬ সালে ফ্রান্স থেকে স্বাধীনতা লাভ করে।
- এর রাজধানী: দামেস্ক।
- বিখ্যাত শহর: আলেপ্পো, ইদলিব ও পালমিরা।
- মুদ্রা: পাউন্ড।

উৎস: i) Britannica.
ii) WorldAtlas.
২৪.
ইউরোপিয়ান ইউনিয়নভুক্ত কোন দেশটির মুদ্রা ইউরো নয়?
  1. লুক্সেমবার্গ
  2. সাইপ্রাস
  3. এস্তোনিয়া
  4. ডেনমার্ক
ব্যাখ্যা
বর্তমানে ইউরোপিয়ান ইউনিয়নভুক্ত ১৯টি দেশে ইউরো মুদ্রা চালু আছে।
দেশগুলো হলো:
- বেলজিয়াম
- ফ্রান্স
- জার্মানি
- নেদারল্যান্ডস
- লুক্সেমবার্গ
- ইতালি
- আয়ারল্যান্ড
- গ্রিস
- পর্তুগাল
- স্পেন
- অস্ট্রিয়া
- ফিনল্যান্ড
- সাইপ্রাস
- এস্তোনিয়া
- লাটভিয়া
- লিথুয়ানিয়া
- মাল্টা
- স্লোভাকিয়া
- স্লোভেনিয়া।

সুইডেন, রোমানিয়া, হাঙ্গেরি, পোল্যান্ড, চেকিয়া (চেক প্রজাতন্ত্র), বুলগেরিয়া ও ক্রোয়েশিয়া কর্তৃক ইউরো মুদ্রা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

ডেনমার্কের জনগণ গণভোটে ইউরো মুদ্রা গ্রহণ না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
ইইউ বর্হিভূত কসোভো, মন্টিনিগ্রো, মোনাকো, সানমারিনো, ভ্যাটিকান সিটি প্রভৃতি দেশে ইউরো ‍মুদ্রা ব্যবহৃত হয়।

ইউরো ‍মুদ্রা ১৯৯৯ সালের ১ জানুয়ারি পরিক্ষামূলকভাবে তিন বছরের জন্যে ইলেকট্রনিক মুদ্রা হিসেবে চালু হয়। ২০০২ সালের ১ জানুয়ারি ইইউভুক্ত ১২টি দেশে ইউরো ব্যাংকনোট ‍ও কয়েন চালু হয়।
১৯৯২ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি নেদারল্যান্ডসের ম্যাসট্রিক্ট শহরে স্বাক্ষরিত ম্যাসট্রিক্ট বা ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন চুক্তির ফলশ্রুতিতে ইউরো মুদ্রা চালু হয়।

(তথ্যসূত্র: ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন ওয়েবসাইট)
২৫.
জম্মু ও কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা বাতিল হয় _____, ২০১৯ তারিখ।
  1. ক) ২ আগস্ট
  2. খ) ৩ আগস্ট
  3. গ) ৪ আগস্ট
  4. ঘ) ৫ আগস্ট
ব্যাখ্যা

- ভারতীয় সংবিধানের ৩৭০ ধারা জম্মু ও কাশ্মীরকে বিশেষ মর্যাদা দিয়েছিল।
- ০৫ আগস্ট, ২০১৯ তারিখে ভারতনিয়ন্ত্রিত জম্মু ও কাশ্মীরের বিশেষ সাংবিধানিক মর্যাদা তুলে নিয়েছে দেশটির কেন্দ্রীয় সরকার।
- কেন্দ্রীয় সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ রাজ্যসভায় এ-সংক্রান্ত ঘোষণা দেন।
- জম্মু ও কাশ্মীরকে পুনর্গঠিত করে দুটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল করা হয়েছে।
- তার একটি জম্মু-কাশ্মীর, অন্যটি লাদাখ।

সোর্সঃ প্রথম আলো।

২৬.
অটোমান বা উসমানীয় সাম্রাজ্যের গোড়াপত্তন হয় কত সালে?
  1. ক) ১৩৪৩ সালে
  2. খ) ১২৯৯ সালে
  3. গ) ১১৯৭ সালে
  4. ঘ) ১৩৮২ সালে
ব্যাখ্যা
- ১২৯৯ খ্রিস্টাব্দের দিকে আনাতোলিয়ায় (বর্তমান তুরস্ক) ওসমান গাজী বা প্রথম ওসমান অটোমান বা উসমানীয় সাম্রাজ্যের গোড়া পত্তন করেন।
- ওসমান গাজীর নাম থেকেই উসমানীয় বা অটোমান নামে উদ্ভব ঘটেছে। তিনি ছিলেন দিরিলিস আর্তুগ্রুল এর ছেলে।
- ১৪৫৩ সালে অটোমান সুলতান দ্বিতীয় মেহমুদ বাইজানটাইনদের পরাজিত করে কনস্টান্টিনোপল বা ইস্তানবুল অধিকার করেন এবং একে অটোমান সাম্রাজ্যের রাজধানী করেন।
- সুলতান প্রথম সুলেমানের শাসনামলে (১৫২০-১৫৬৬ খ্রি.) অটোমান সাম্রাজ্য তার সর্বোচ্চ শিখরে আরোহণ করে। সে সময় বর্তমান গ্রিস, রোমানিয়া, হাঙ্গেরি, মেসিডোনিয়া, বুলগেরিয়া, তুরস্ক, সিরিয়া, লেবানন, ফিলিস্তিন, মিশর, জর্ডান ও আরবের অংশবিশেষ অটৈামান সাম্রাজ্যভুক্ত ছিলো।
- সতের শতক থেকে অটোমান সাম্রাজ্যের পতনের সূত্রপাত ঘটে। প্রথম বিশ্বযুদ্ধে অটোমানরা কেন্দ্রীয় শক্তির পক্ষ অবলম্বন করে। ফলে প্রথম বিশ্বযুদ্ধে পরাজয়ের পর ১৯২২ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে অটোমান সাম্রাজ্যের পতন ঘটে।
- শেষ অটোমান সুলতান ছিলেন ষষ্ঠ মুহাম্মদ ওয়াহিদউদ্দিন।
- আধুনিক তুরস্কের জনক মোস্তফা কামাল আতাতুর্ক অটোমান খেলাফত বিলুপ্ত করে ১৯২৩ সালের ২৯ অক্টোবর তুরস্ককে প্রজাতন্ত্র হিসেবে ঘোষণা করেন।

(তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা এবং হিস্টোরি ওয়েবসাইট)
২৭.
ইসলাম ও সুফিমতের প্রভাবে ভারতবর্ষে ঘটেছিল -
  1. বর্ণবাদের পুনরুত্থান
  2. রাষ্ট্রবিপ্লব 
  3. চিন্তাবিপ্লব
  4. অভিবাসন বিপ্লব 
ব্যাখ্যা
ইসলাম ও সুফিমত:
- ইসলাম ও বিশেষ করে সুফিমতের আগমনে ফলে ভারতবর্ষে চিন্তার এক জগত খুলে যায়। পারস্পরিক সাংস্কৃতিক মেলাবন্ধনে পুরনো ধ্যান ধারণা ফেলে সূচনা হয় নতুন চিন্তা ধারার। পরবর্তীতে বহু মুক্তবুদ্ধি ও আধুনিক চিন্তা-চেতনার মনীষীকে এই চর্চা অব্যহত রাখতে এবং সমাজ সংস্কারেও এর প্রভাব দেখা যায়।

- ইরাণ থেকে আগত সুফী ধর্মাবলম্বীরা ভারতবর্ষের মাটিতে পা দেবার পর বাংলা দেশে এসে পৌছেছিল। ইবন বতুতার বর্ণনায় পাই যে বাংলাদেশে বহু সুফী বাস করতেন।

- সুফী ধর্ম হচ্ছে প্রেমবাদ যে প্রেম আল্লাহর প্রতি প্রেম। সাধ্য আল্লাহ বটে কিন্তু এর মানবিকতাই প্রেম সাধনার প্রথম পাঠ।

- আহমদ শরীফের মতে “তুর্কী আফগান বিজয়ের সঙ্গে সঙ্গে এবং তার আগেও ইরাণী সুফী তত্ত্বের প্রভাবে ভারতে ভক্তিবাদের উদ্ভব হয়।"

- এ বিষয়ে সুকুমার সেন লিখেছেন যে “রাজ সভাশ্রিত উচ্চতর সমাজে হিন্দু মুসলমানের মধ্যে সাংস্কৃতিক আপোস কিছু হয়েছিল। ইহার পিছনে দরবেশ ফকিরদেরও প্রভাব ছিল এবং এই সুত্রে গৌড়ীয় বৈষ্ণব ধর্মে সুফি প্রভাবেব কিছু ছাপ পড়িয়াছিল বলিয়া মনে হয়।”

- চিন্তার বিপ্লবের কথা বললে রাজা রামমোহন রায়ের প্রসঙ্গ আনতে হয়।

- "রামমোহন একদিকে যেমন ইসলামের প্রখর যুক্তিবাদের দ্বারা প্রভাবান্বিত হয়েছিলেন, অন্যদিকে তেমনি আবার সুফী ভক্ত-সম্প্রদায়ের দার্শনিক মতবাদকে বিশেষ শ্রদ্ধা করতেন। শুধু পাটনায় অধ্যয়ন কালেই নয়, পরবর্তী জীবনেও তিনি হাফিজ, মৌলানা রুমি প্রভৃতি ভক্ত-কবিগণের কাব্য পাঠ করতে ভালবাসতেন। তাহার মত বিচিত্র প্রতিভাধর ব্যক্তির পক্ষেই একাধারে ইসলামের নির্মোহ যুক্তিবাদ ও সুফী ধর্মের আবেগঘন ভক্তিবাদ- এই বিসম ভাবধারাকে মেলানো সম্ভব হয়েছিল।"

⇒ বাকী ৩টার উত্তর হবার কোন সুযোগ নেই। সুতরাং সঠিক উত্তর চিন্তাবিপ্লব।

উৎস: অসিতকুমার বন্দ্যোপাধ্যায়ের, ঊনবিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধ ও বাংলা সাহিত্য ও অনিরুদ্ধ রায়ের ইতিহাস অনুসন্ধান।
২৮.
'এক দেশ দুই নীতি' কোন দেশে চালু আছে?
  1. কানাডায়
  2. ভারতে
  3. চীনে
  4. যুক্তরাষ্ট্রে
ব্যাখ্যা
‘একদেশ, দুই নীতি’:

- ১৯৯৭ সালের ১ জুলাই যুক্তরাজ্যের কাছ থেকে হংকংয়ের নিয়ন্ত্রণ পায় চীন।
- হংকং শাসনের ক্ষেত্রে যে ‘এক দেশ, দুই ব্যবস্থা’ নীতি অনুসরণ করা হয়ে থাকে, তা বজায় থাকবে।
- হংকং ও চীনের 'এক দেশ দুই নীতি' চালু করে ১৯৯৭ সালে যা থাকবে ২০৪৭ সাল পর্যন্ত।
- যুক্তরাজ্যের সঙ্গে চুক্তি অনুযায়ী হংকংয়ে ‘এক দেশ, দুই ব্যবস্থা নীতি’ বাস্তবায়ন করা হয়েছিল। 
- ব্রিটেন হংকংকে ১৫৬ বছর পর চীনের কাছে হস্তান্তর করে - ১৯৯৭ সালে।

উৎস: চীনের সরকারি ওয়েবসাইট।
২৯.
ওয়েস্ট ব্যাংক হলো -
  1. একটি ব্যাংকের নাম
  2. একটি নদীর নাম
  3. একটি স্থানের নাম
  4. একটি আর্থিক প্রতিষ্ঠানের নাম
ব্যাখ্যা
ওয়েস্ট ব্যাংক:
- ওয়েস্ট ব্যাংক বা পশ্চিম তীর ফিলিস্তিনি অধ্যুষিত এলাকা।
- পশ্চিম তীর নিয়ন্ত্রণ করে ফিলিস্তিনি জাতীয় কর্তৃপক্ষ।
- এটি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ফিলিস্তিনি সরকার।
- ধর্মনিরপেক্ষ ফিলিস্তিনি দল ফাতাহ এই ফিলিস্তিনি জাতীয় কর্তৃপক্ষের মূল শক্তি বা দল।
- এটি মধ্যপ্রাচ্যের জর্ডানের নদীর পশ্চিম তীরে অবস্থিত।

উৎস: Britannica.
৩০.
‘Horns of Africa’ হিসেবে পরিচিত দেশটি কোনটি?
  1. কেনিয়া
  2. ক্যামেরুন
  3. ইথিওপিয়া
  4. মোজাম্বিক
ব্যাখ্যা

• ইথিওপিয়া:
- আফ্রিকার দেশ ইথিওপিয়া।
- এর উত্তর ও উত্তর-পূর্বে ইরিত্রিয়া, পূর্বে জিবুতি ও সোমালিয়া, পশ্চিমে সুদান ও দক্ষিণে কেনিয়া।
- দেশটি পূর্বে আবিসিনিয়া নামে পরিচিত ছিল।
- দেশটির রাজধানী ও বৃহত্তম শহর: আদ্দিস আবাবা।
- সরকার পদ্ধতি: ফেডারেল পার্লামেন্টারি রিপাবলিক।
- আইনসভা: উচ্চ কক্ষ: হাউজ অব ফেডারেশন।
- নিম্নকক্ষ: হাউজ অব পিপলস রিপ্রেজেন্টেটিভস।
- মুদ্রা: বির।
- ভাষা: আমহারি।

উল্লেখ্য,
• 'Horns of Africa' আফ্রিকার শিং (ইংরেজি: Horn of Africa) আফ্রিকার পূর্বতম অঞ্চল।
- এটি ইরিত্রিয়া, ইথিওপিয়া, জিবুতি এবং সোমালিয়া নিয়ে গঠিত।


তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা ও ওয়ার্ল্ড এটলাস।

৩১.
'আবু মুসা’ দ্বীপ এর অবস্থান কোথায়?
  1. আরব সাগরে
  2. বঙ্গোপসাগরে
  3. পারস্য উপসাগরে
  4. ভূমধ্যসাগরে
ব্যাখ্যা
'আবু মুসা' দ্বীপ:

• অবস্থান: হরমুজ প্রণালীর প্রবেশপথের কাছে পূর্ব পারস্য উপসাগরে।
• এই দ্বীপ নিয়ে বিরোধ রয়েছে ইরান ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের সাথে।
• প্রশাসন: ইরান - হরমোজগান প্রদেশের অংশ হিসাবে নিয়ন্ত্রণ করে।
• সংযুক্ত আরব আমিরাত - শারজাহ আমিরাতের একটি অঞ্চল হিসাবেও দাবি করে।
• তাৎপর্য: সমুদ্রের গভীরতার কারণে তেলের ট্যাঙ্কার ও বড় জাহাজগুলোকে আবু মুসা দ্বীপ দিয়ে যেতে হয় ।
• এটি ইরানের সিরি দ্বীপ থেকে ৩১ মাইল পূর্বে, বান্দার-ই লেঙ্গেহ ইরানের মূল ভূখণ্ডের বন্দর থেকে প্রায় ৪২ মাইল দক্ষিণে এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের শারজাহ থেকে ৪০ মাইল পূর্বে অবস্থিত।
• এই দ্বীপে বেশ কয়েকটি মিঠা পানির কূপ রয়েছে

উৎস: ব্রিটানিকা ও Live Mcq লেকচার।
৩২.
পূর্ব ও পশ্চিম জার্মানি কত সালে একীভূত হয়?
  1. ১৯৮৯ সালে
  2. ১৯৯০ সালে
  3. ১৯৯১ সালে
  4. ১৯৯২ সালে
ব্যাখ্যা
পূর্ব ও পশ্চিম জার্মানি একীভূত:
- ১৯৯০ সালের ৩ অক্টোবর পূর্ব জার্মানি এবং পশ্চিম জার্মানি তাদের মতপার্থক্যের অবসান ঘটিয়ে ফেডারেল রিপাবলিক অব জার্মানি হিসেবে বিশ্বের মানচিত্রে আবির্ভূত হয়।

উল্লেখ্য,
- বার্লিন দেয়াল পূর্ব ও পশ্চিম জার্মানিকে পৃথক করেছিল।
- ১৯৮৯ সালের ৯ নভেম্বর বার্লিন দেয়ালের পতন ঘটে।
- ১৯৯০ সালের জুলাইয়েই পূর্ব জার্মানি অর্থনৈতিক লেনদেনের জন্য পশ্চিম জার্মানির মুদ্রা গ্রহণ করে।
- ১৯৯০ সালের ৩১ আগস্ট একত্রীকরণ চুক্তি সই হয়। 
- ৩ অক্টোবর, ১৯৯০ বার্লিন দেয়াল পতনের একবছরের মাথায় আনুষ্ঠানিকভাবে একীভূত হয় পূর্ব ও পশ্চিম জার্মানি।

উৎস: Britannica.
৩৩.
জার্মানের আক্রমণ থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য ফ্রান্স কর্তৃক জার্মান-ফ্রান্স সীমান্তে নির্মিত সুরক্ষিত সীমারেখার নাম কি?
  1. ডুরান্ড লাইন
  2. সনোরা লাইন
  3. ম্যাজিনো লাইন
  4. ওডারনিস লাইন
ব্যাখ্যা
ম্যাজিনো লাইন:
- জার্মান আক্রমণ হতে রক্ষা পাওয়ার জন্য ফ্রান্স কর্তৃক জার্মান-ফ্রান্স সীমান্তে নির্মিত সুরক্ষিত সীমারেখা ম্যাজিনো লাইন।
- ইউরোপের দুই প্রতিবেশী দেশ ফ্রান্স ও জার্মানির মধ্যে অবস্থিত সীমান্ত বরাবর নির্মিত দুর্ভেদ্য লাইন ম্যাজিনো লাইন।
- ফ্রান্স ১৯৩০ এর দশকে এটি নির্মাণ করে।
- জার্মান আক্রমণ থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য নির্মিত হয়।
- ১৯৩৮ সালে নির্মাণ কাজ শেষ হয়।

অন্যদিকে,
⇒ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সীমারেখা:
- ওডারনিস লাইন: জার্মানি ও পোল্যান্ড।
- সনোরা লাইন: যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকো।
- ডুরান্ড লাইন: পাকিস্তান ও আফগানিস্তান।

উৎস: Britannica.
৩৪.
Formosa Strait - চীন ও তাইওয়ানকে পৃথক করেছে। “ফরমোজা” - শব্দের অর্থ কি?
  1. ক) Twisted
  2. খ) Beautiful
  3. গ) Deep
  4. ঘ) Flower
  5. ঙ) Blue
ব্যাখ্যা
Taiwan Strait, also called Formosa Strait, Chinese (Wade-Giles romanization) T’ai-wan Hai-hsia or (Pinyin) Taiwan Haixia, arm of the Pacific Ocean, 100 miles (160 km) wide at its narrowest point, lying between the coast of China’s Fukien province and the island of Taiwan (Formosa).
The strait was named Formosa (“Beautiful”) by Portuguese navigators in the late 16th century; although it is still known in the West by its European name, the Chinese and now most Westerners use the name Taiwan Strait.
Source: britannica.com
৩৫.
'তাফতান আগ্নেয়গিরি' কোন দেশে অবস্থিত?
  1. ইরান
  2. আফগানিস্তান
  3. রাশিয়া
  4. ইন্দোনেশিয়া
ব্যাখ্যা

তাফতান আগ্নেয়গিরি:
- তাফতান আগ্নেয়গিরি দক্ষিণ-পূর্ব ইরানে অবস্থিত ১২ হাজার ৯২৭ ফুট উচ্চতার একটি স্ট্র্যাটোভলকানো।
- এই আগ্নেয়গিরিকে প্রায় ৭ লাখ ১০ হাজার বছর ধরে বিলুপ্ত বলে মনে করা হচ্ছিল।
- গত ৭ অক্টোবর জিওফিজিক্যাল রিসার্চ লেটারস জার্নালে প্রকাশিত নতুন গবেষণায় দেখা গেছে, ২০২৩ সালের জুলাই থেকে ২০২৪ সালের মে - মাসের মধ্যে ১০ মাসে তাফতান আগ্নেয়গিরির চূড়ার কাছাকাছি ভূমির একটি অংশ ৩.৫ ইঞ্চি (৯ সেন্টিমিটার) বৃদ্ধি পেয়েছে।
- এই উত্থান এখনো কমেনি, যা আগ্নেয়গিরির পৃষ্ঠের নিচে গ্যাসের চাপ তৈরির ইঙ্গিত দেয়।

সূত্র- ইত্তেফাক।

৩৬.
পূর্ব ইউরোপ ও মধ্য এশিয়া জুড়ে বিস্তৃত তৃণভূমি কী নামে পরিচিত?
  1. সাভানা
  2. ল্যানোস
  3. প্রেইরি
  4. স্তেপ
ব্যাখ্যা
- ইউরোপের পূর্বাঞ্চল ও এশিয়ার মধ্যভাগ জুড়ে বিস্তৃত তৃণভূমি স্তেপ নামে পরিচিত। একে ইউরেশিয়ান স্তেপ বা গ্রেট স্তেপ নামেও ডাকা হয়।
- রোমানিয়া, হাঙ্গেরি, ইউক্রেন, মোলদাভিয়া, রাশিয়া, কাজাখস্তান, মঙ্গোলিয়া, চীনের জিনজিয়াং প্রভৃতি অঞ্চলজুড়ে স্তেপ তৃণভূমি দেখা যায়।
- সাধারণত স্বল্প বৃষ্টিপাত সম্পন্ন অঞ্চলে তৃণভূমি গড়ে উঠে।
অন্যদিকে,
- প্রেইরি : উত্তর আমেরিকা তৃণভূমি
- ল্যানোস : দক্ষিণ আমেরিকার তৃণভূমি।
- সাভানা : আফ্রিকান তৃণভূমি।
(তথ্যসূত্রঃ ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক ও ব্রিটানিকা)
৩৭.
সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ন থেকে পৃথক হওয়া মুসলিম প্রজাতন্ত্র নয় কোনটি?
  1. ক) আজারবাইজান
  2. খ) উজবেকিস্তান
  3. গ) তুর্কিমেনিস্তান
  4. ঘ) আফগানিস্তান
ব্যাখ্যা
১৯৯১ সালের ২৫ ডিসেম্বর সােভিয়েত ইউনিয়নের সর্বশেষ প্রেসিডেন্ট মিখাইল গর্বাচেভের পদত্যাগের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে সােভিয়েত ইউনিয়নের পতন ঘটে। সােভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙে ১৫টি স্বাধীন রাষ্ট্রের জন্ম হয়। এগুলো হলাে;
রাশিয়া
ইউক্রেন
বেলারুশ
মলদোভা
এস্তোনিয়া
লাটভিয়া
লিথুয়ানিয়া
জর্জিয়া
আর্মেনিয়া
আজারবাইজান
উজবেকিস্তান
কিরগিজস্তান
তাজাকিস্তান এবং
তুর্কমেনিস্তান।
আফগানিস্তান সােভিয়েত ইউনিয়নের অন্তর্ভুক্ত দেশ ছিল না।
উৎসঃ এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।
৩৮.
'ওয়াটার লু' যুদ্ধক্ষেত্র কোন দেশে অবস্থিত?
  1. ইংল্যান্ড
  2. জার্মানি
  3.  ফ্রান্স
  4. বেলজিয়াম
ব্যাখ্যা

• 'ওয়াটার লু' যুদ্ধ:
- বিখ্যাত 'ওয়াটার লু' যুদ্ধ সংঘটিত হয় ১৫ জুন, ১৮১৫ সালে।
- ওয়াটার লু যুদ্ধের যুদ্ধক্ষেত্র ছিল বেলজিয়াম।
- এই যুদ্ধে পরাজিত হন ফরাসি বীর নেপোলিয়ন বোনাপার্ট।
- ওয়াটার লুর যুদ্ধে বিজয়ী সেনাপতির নাম আর্থার ওয়েলেসলি (ডিউক অব ওয়েলিংটন)।
- পরাজয়ের ফলে তাঁকে সেন্ট হেলেনা দ্বীপে নির্বাসনে দেওয়া হয়েছিল।
- তিনি ১৮২১ সালে মৃত্যুবরণ করেন।

তথ্যসূত্র: এনসাইক্লোপিডিয়া অব ব্রিটানিকা।

৩৯.
২০২৩ সালে সাহিত্যে নোবেলজয়ী জন ফসে কোন দেশের নাগরিক?
  1. সুইডেন
  2. নরওয়ে
  3. ডেনমার্ক
  4. আয়ারল্যান্ড
ব্যাখ্যা
২০২৩ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার:
- ২০২৩ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পেলেন নরওয়ের লেখক জন ফসে।
- সুইডেনের রয়াল সুইডিশ একাডেমি সাহিত্যে নরওয়েজীয় লেখক জন ফসের নোবেল জয়ের ঘোষণা দিয়েছে।
- ১৯৫৯ সালে জন্মগ্রহণকারী জন ফসে।
- তিনি সমসাময়িক বিশ্বের সবচেয়ে মেধাবী ১০০ ব্যক্তির একজন বলে চিহ্নিত।
- নরওয়ের এই কথাসাহিত্যিক নাট্যকার হিসেবে সমধিক পরিচিত।
- তার লেখা নাটক ও সাহিত্যের প্রশংসা করে সুইডিশ একাডেমি বলেছে, তিনি তার লেখায় তুলে এনেছেন অনুচ্চারিত থেকে যাওয়া বহু কথা।
- বিশ্বজুড়ে তার লেখা নানা ভাষায় অনূদিত হয়েছে। 
 
২০২৩ সালের নোবেল বিজয়ী:
- সাহিত্য: জন ফসে।
- শান্তি: নার্গিস মোহাম্মদী।
- চিকিৎসাবিজ্ঞান: ক্যাটালিন কারিকো এবং ড্রু উইসম্যান।
- পদার্থবিজ্ঞান: পিয়েরে অ্যাগোস্টনি, ফিরেন্স ক্রাসজ এবং অ্যান লরিয়েল।
- রসায়ন: মুঙ্গি জি বাউইন্ডি, লুইস ই ব্রাস এবং আলেক্সি ই.ইকিমভ।
- অর্থনীতি: ক্লদিয়া গোল্ডিন।
 
উৎস: Nobel Prize ওয়েবসাইট।
৪০.
'ম্যাগনাকার্টা' কত সালে স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ১২১২ সালে
  2. ১২১৫ সালে
  3. ১২১৮ সালে
  4. ১২২৩ সালে
ব্যাখ্যা
ম্যাগনাকার্টা:
- ম্যাগনা কার্টা হলো রাজার ক্ষমতা খর্ব করার একটি ঐতিহাসিক দলিল।
- ম্যাগনাকার্টাকে ব্রিটেনের শাসনতন্ত্রের বাইবেল বলা হয়।
- ১২১৫ সালের ১৫ই জুন টেমস নদীর তীরে রানিমেড নামক স্থানে তৎকালীন ইংল্যান্ডের রাজা জন ম্যাগনাকার্টায় স্বাক্ষর করেন।
- এতে ঘোষণা করা হয় কেউ আইনের উর্ধ্বে নয়।
- এর মাধ্যমে আইনের শাসনের ধারণার যাত্রা শুরু হয়।
- এটিকে ব্রিটেনের প্রথম শাসনতন্ত্রও বলা হয়।

উল্লেখ্য,
- এটি প্রাথমিকভাবে সফল হয়নি।
- নথিটি ১২১৬, ১২১৭ এবং ১২২৫ সালে পুনরায় পরিবর্তন সহ জারি করা হয়েছিল।
- অবশেষে এটি আইন ব্যবস্থার ভিত্তি হিসাবে কাজ করে।
- পরবর্তী প্রজন্ম ম্যাগনা কার্টাকে নিপীড়ন থেকে স্বাধীনতার প্রতীক হিসাবে উদযাপন করে।

উৎস: History Channel.
৪১.
নেলসন ম্যান্ডেলা কোন আন্দোলনে নেতৃত্ব দানের জন্য অবিস্মরণীয়?
  1. স্বাধীনতা আন্দোলন
  2. গণতন্ত্র আন্দোলন
  3. বর্ণবাদবিরোধী আন্দোলন
  4. অর্থনৈতিক সংস্কার আন্দোলন
ব্যাখ্যা
নেলসন ম্যান্ডেলা:
- নেলসন ম্যান্ডেলা ছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকার বর্ণবাদবিরোধী অবিসংবাদিত নেতা এবং প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ রাষ্ট্রপতি (১৯৯৪-৯৯)।
- তিনি ১৯৪৪ সালে আফ্রিকান ন্যাশনাল কংগ্রেসে (এএনসি) যোগদান করেন।
- ১৯৯৪ সালের ২৭ এপ্রিলের সাধারণ নির্বাচনে এএনসি দুর্দান্তভাবে বিজয়ী হয়।
- ১৯৯৪ সালের ১০ মে দক্ষিণ আফ্রিকার প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেন ম্যান্ডেলা।

উল্লেখ্য,
- ১৯১৮ সালের ১৮ জুলাই দক্ষিণ আফ্রিকার কেপটাউনের কুনু গ্রামে নেলসন ম্যান্ডেলার জন্ম।
- দেশবাসী তাঁকে ভালোবেসে ‘মাদিবা’ নামে ডাকে। এর অর্থ ‘জাতির জনক’।
- দক্ষিণ আফ্রিকার বর্ণবাদের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন লড়াই ও সংগ্রাম করেছেন তিনি।
- নাশকতার অভিযোগে মামলায় ১৯৬৪ সালের ১ জুন ম্যান্ডেলাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
- নিপীড়িত মানুষের পক্ষ নেওয়ায় রোবেন দ্বীপে কারাগারে থেকেছেন টানা ২৭ বছর।
- অবশেষে ১৯৯০ সালের ২ ফেব্রুয়ারি প্রেসিডেন্ট এফ ডব্লিউ ডি ক্লার্ক দক্ষিণ আফ্রিকার পার্লামেন্টে দাঁড়িয়ে বর্ণবাদী শাসন অবসানের কথা ঘোষণা করেন।
- এরপর ১১ ফেব্রুয়ারি নিঃশর্ত মুক্তি দেওয়া হয় ম্যান্ডেলাকে।
- ১৯৯৩ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার পান এবং ১৯৯৪ সালে প্রকাশিত হয় ম্যান্ডেলার আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ ‘লং ওয়াক টু ফ্রিডম’।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা, পত্রিকা রিপোর্ট।
৪২.
বিশ্বের সবচেয়ে ঘনবসতিপূর্ণ দেশ কোনটি?
  1. ক) মোনাকো
  2. খ) ইন্দোনেশিয়া
  3. গ) সিঙ্গাপুর
  4. ঘ) বাহরাইন
ব্যাখ্যা
প্রথম - মোনাকো (১৯,১৯৬ জন প্রতি বর্গ কি.মি.)।
▪ দ্বিতীয় - সিঙ্গাপুর (৭,৯৫৩ জন প্রতি বর্গ কি.মি.)।
▪ তৃতীয় - বাহরাইন (২,০১৭ জন প্রতি বর্গ কি.মি.)। 
⤇ ব্রাজিল এবং নাইজেরিয়া যথাক্রমে দক্ষিণ আমেরিকা এবং আফ্রিকার সর্বাধিক জনবহুল দেশ।
⤇ উল্লেখ্য, আয়তনে বিশ্বের বৃহত্তম মুসলিম দেশ - কাজাখস্তান ও জনসংখ্যায় - ইন্দোনেশিয়া।
⤇ জনসংখ্যায় বাংলাদশ বিশ্বের অষ্টম ও মুসলিম বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম দেশ।

তথ্যসূত্র:- ওয়ার্ল্ড এটলাস।
৪৩.
ডেনমার্কের আইনসভার নাম কী?
  1. ফোকেটিং
  2. রিক্সড্যাগ
  3. আলথিং
  4. সাবোর
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন দেশের আইনসভার নাম:
- পার্লামেন্ট: যুক্তরাজ্যের আইনসভা।
- ডেল আয়ারম্যান বা ওয়ারেখটাস: আয়ারল্যান্ডের আইনসভা।
- চেম্বার অব ডেপুটিজ: গ্রিসের আইনসভা।
- পিথু ইটার্ড: মায়ানমারের আইনসভা।
- মজলিশ: ইরানের আইনসভা।
- ফোকেটিং: ডেনমার্কের আইনসভা।
- রিক্সড্যাগ: সুইডেনের আইনসভা।
- আলথিং: আইসল্যান্ডের আইনসভা।
- এডুসকুন্ডা: ফিনল্যান্ডের আইনসভা।
- সাবোর: ক্রোয়েশিয়ার আইনসভা।

তথ্যসূত্র - WorldAtlas & Central Intelligence Agency (gov).
৪৪.
ক্যাসাব্লাঙ্কা সমুদ্র বন্দরটি কোন দেশে অবস্থিত?
  1. ক) জর্জন
  2. খ) মিশর
  3. গ) মরক্কো
  4. ঘ) সুদান
  5. ঙ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
মরক্কোর সবচেয়ে দর্শনীয় এক শহর ক্যাসাব্লাঙ্কা। এটি মরক্কোর প্রধান সমুদ্র বন্দর। এতে বিশ্বের সবচেয়ে বড় মসজিদ অবস্থিত। উৎসঃ ব্রিটানিকা।
৪৫.
'সুইস গার্ড' নিম্নের কার নিরাপত্তা নিশ্চিত করে?
  1. সুইস প্রেসিডেন্ট
  2. জাতিসংঘ মহাসচিব
  3. সেক্রেটারি জেনারেল
  4. পোপ
ব্যাখ্যা

• পোপ:
- পোপ হলেন রোমান ক্যাথলিক গির্জার সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা এবং প্রাতিষ্ঠানিক প্রধান।
- তাকে খ্রিস্টান ধর্মের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
- পোপের আসন ভ্যাটিকান সিটিতে অবস্থিত এবং তিনি সাধারণত বিশ্বজুড়ে ক্যাথলিকদের ধর্মীয় ও নৈতিক নেতৃত্ব প্রদান করেন।
- পোপের দেহরক্ষী বাহিনীকে বলা হয় - সুইস গার্ড।
- বর্তমানে (২০২৫ সাল পর্যন্ত), পোপ হলেন পোপ ফ্রান্সিস।

উৎস: ব্রিটানিকা। 

৪৬.
নিচের কোন শহরটি দুই মহাদেশ জুড়ে অবস্থিত?
  1. ইস্তাম্বুল
  2. সিউল
  3. অকল্যান্ড
  4. সোফিয়া
ব্যাখ্যা

- তুরস্কের ইস্তাম্বুল একমাত্র শহর যার ভৌগোলিক অবস্থান দুই মহাদেশে। 
-  এশিয়া ও ইউরোপকে একত্রে বলা হয় ইউরেশিয়া, যার বিভাজন রেখা হলো বসফোরাস, আর এই বরফোরাস প্রণালীর অবস্থান প্রাচীন ইস্তাম্বুল শহরে। শহরটি বিশ্বের অন্যতম সুন্দর একটি শহর। 

   
- ইস্তাম্বুল ইউনেস্কোর তালিকায় ইউরোপের রাজধানী শহরের মর্যাদা পেয়েছিল ২০১০ সালে। 
- এটাই  পরিকল্পিত শহরটি দেখতে স্বপ্নের জগতের মতো। 

- একসময় এই ইস্তাম্বুল শহরই ছিল তুরস্কের রাজধানী।
- তবে, প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর শহরটি অবরুদ্ধ করে রাখা হয়েছিল বলে রাজধানী স্থানান্তরিত করা হয়।
- একসময় ইস্তাম্বুলই ছিল পৃথিবী শাসনকারী বাইজানটাইন ও পরবর্তীতে অটোম্যান সাম্রাজ্যের রাজধানী। 

- একবার নেপোলিয়ন বোনাপার্ত বলেছিলেন, “পুরো পৃথিবীকে যদি একটি রাজ্য ভাবা হয়, ইস্তাম্বুল হবে তার রাজধানী।”

অন্যদিকে,
• দক্ষিণ কোরিয়ার রাজধানী- সিউল এটি পূর্ব এশিয়ার অবস্থিত।

• অকল্যান্ড, নিউজিল্যান্ডের উত্তর দ্বীপের শহর।

• সোফিয়া:
- তুরস্কের ইস্তাম্বুল নগরে অবস্থিত হায়া সোফিয়া বিশ্বের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ঐতিহাসিক স্থাপত্য নির্দশন।
- ৫৩৭ খ্রিস্টাব্দে বাইজাইন্টাইন সম্রাট জাস্টিনিয়ান তৎকালীন সময়ের সবচেয়ে বড় গির্জা হিসেবে হায়া সোফিয়া নির্মাণ করেন।
- পরবর্তীতে ১৪৫৩ সালে অটোমান বা উসমানীয় সাম্রাজ্যের সুলতান তৃতীয় মেহমুদ বা ফাতিহ মুহাম্মদ ইস্তাম্বুল অধিকার করেন এবং হায়া সোফিয়াকে মসজিদে রূপান্তর করেন।
- ১৯৩৫ সালে তুরস্কের কামাল আতাতুর্ক হায়া সোফিয়াকে মিউজিয়ামে রূপান্তর করেন।
- সম্প্রতি তুরস্কের আদালত হায়া সোফিয়াকে মিউজিয়ামে রূপান্তর অবৈধ ঘোষণা করে রায় দিলে তুরস্ক সরকার হায়া সোফিয়াকে পুনরায় মসজিদে রূপান্তর করে যা পশ্চিমা বিশ্বে নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে।

উৎস: ব্রিটানিকা, প্রথম আলো, হিস্টোরি ডটকম।

৪৭.
নিচের কোনটিকে 'ইউরোপের রণক্ষেত্র' বলা হয়?
  1. ক) নেদারল্যান্ড
  2. খ) বেলজিয়াম
  3. গ) ফিনল্যান্ড
  4. ঘ) সুইজারল্যান্ড
ব্যাখ্যা

- For such a small country, Belgium has been a major European battleground over the centuries.
- The Belgian landscape has been a major European battleground for centuries, notably in modern times during the Battle of Waterloo (1815) and the 20th century’s two world wars.

Source: Britannica and BBC

৪৮.
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কতটি অঙ্গরাজ্য নিয়ে গঠিত?
  1. ৪৮টি
  2. ৫০টি
  3. ৫১টি
  4. ৫২টি
ব্যাখ্যা

• মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র:
- স্বাধীনতা লাভ করে - ৪ জুলাই, ১৭৭৬ সালে যুক্তরাজ্য থেকে।
- যুক্তরাষ্ট্রে জাতীয় দিবস - ৪ জুলাই।
- অঙ্গরাজ্য - ৫০টি।
- সর্বশেষ অঙ্গরাজ্য - হাওয়াই।
- পতাকায় তারকা সংখ্যা - ৫০টি।
- আইনসভা - কংগ্রেস (দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট)।
- কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভ এবং উচ্চকক্ষ সিনেট পরিষদ।
- যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান প্রেসিডেন্ট- ডোনাল্ড ট্রাম্প (৪৭ তম)। [নভেম্বর, ২০২৫]

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।

৪৯.
লেক হুরন কোন মহাদেশে অবস্থিত?
  1. অস্ট্রেলিয়া
  2. উত্তর আমেরিকা
  3. দক্ষিণ আমেরিকা
  4. ইউরোপ
ব্যাখ্যা
লেক হুরন: 
- লেক হুরন উত্তর আমেরিকার দ্বিতীয় বৃহত্তম হ্রদ।
- এটি পশ্চিমে মিশিগান (যুক্তরাষ্ট্র) এবং উত্তর ও পূর্বে অন্টারিও (কানাডা) দ্বারা ঘেরা।
- এর দৈর্ঘ্য ২০৬ মাইল এবং প্রস্থ ১৮৩ মাইল।
- এর পৃষ্ঠের এলাকা ২৩,০০০ বর্গমাইল।
- সর্বোচ্চ গভীরতা ৭৫০ ফুট।
- লেক হুরন প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও পরিবহন পথের জন্য বিখ্যাত।

উৎস: Britannica.
৫০.
'সিডার বিপ্লব' কোন দেশে সংঘটিত হয়েছিল?
  1. কিউবা
  2. লেবানন
  3. ইউক্রেন
  4. সিরিয়া
ব্যাখ্যা
সিডার বিপ্লব (Cedar Revolution):
- সিডার বিপ্লব লেবাননে সংঘটিত হয়েছিল। 
- এটি ছিল একটি অহিংস গণ-আন্দোলন যা ২০০৫ সালে লেবাননে ঘটেছিল।
- লেবাননের জাতীয় প্রতীক সিডার গাছের নামানুসারে এই আন্দোলনের নামকরণ করা হয়।

⇒ ২০০৫ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি লেবাননের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী রফিক হারিরি একটি গাড়ি বোমা হামলায় নিহত হন।
- রাফিক হারিরি হত্যাকাণ্ডের পর ব্যাপক জনবিক্ষোভ শুরু হয়।
- এই আন্দোলনের মূল দাবি ছিল সিরিয়ার সামরিক উপস্থিতি এবং প্রভাব থেকে লেবাননের মুক্তি।
- এর ফলে সিরিয়া ২০০৫ সালে লেবানন থেকে তাদের সৈন্য প্রত্যাহার করে।
- একে "স্বাধীনতার অভ্যুত্থান" বা "ইন্তিফাদাত আল-ইস্তিকলাল" ও বলা হয়। 

উৎস: U.S. Department of State (.gov) ওয়েবসাইট।
৫১.
পৃথিবীর সর্বাপেক্ষা খর্বাকার জাতি ‘পিগমি‘ কোন দেশের অধিবাসী?
  1. ক) কঙ্গো
  2. খ) নামিবিয়া
  3. গ) উথিওপিয়া
  4. ঘ) হাইতি
ব্যাখ্যা
পিগমি উপজাতি:
- পৃথিবীর সবচেয়ে খর্বকায় উপজাতি - পিগমি।
- এদের অবস্থান - মধ্য আফ্রিকার কঙ্গো, রুয়ান্ড, বুরুন্ডি।

এছাড়াও - 
- চীনের জিনজিয়াং প্রদেশে বসবাসকারী প্রধান মুসলিম সম্প্রদায়ের নাম - উইঘুর।
- দক্ষিণ আফ্রিকার প্রধান অধিবাসীদের বলা হয় -  জুলু।
- নিউজিল্যান্ডের আদিবাসীদের বলা হয় - মাউরি।
- যুক্তরাষ্ট্রের আদিবাসীদের বলা হয় - রেড ইন্ডিয়ান।

তথ্যসূত: ব্রিটানিকা।
৫২.
"From Two Economies to Two Nations: My Journey To Bangladesh" শীর্ষক গ্রন্থটির লেখক কে?
  1. ক) আনিসুল হক
  2. খ) রওনক জাহান
  3. গ) রেহমান সােবহান
  4. ঘ) আকবর আলী খান
ব্যাখ্যা
- ড. রেহমান সোবহান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি) প্রতিষ্ঠা করেন। 
- এখন পর্যন্ত এই নাগরিক থিংক ট্যাংকের গুরুত্ব অমোচনীয়।
- ১৯৭৮ সালে তিনি বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানে (বিআইডিএস) যোগ দেন। 
- তিনি এর মহাপরিচালকের দায়িত্বও পালন করেন।
- ১৯৬১ সালে আইয়ুব খানের সামরিক শাসনের শুরুতে যার একাডেমিক আলোচনা “এক দেশ দুই অর্থনীতি” তত্ত্ব ব্যাপক সাড়া ফেলে এ জনপদে। 
- ১৯৬১ থেকে ১৯৭১ এই ১০ বছরে লেখা অধ্যাপক রেহমান সোবহানের নিবন্ধ, কলাম ও সম্পাদকীয় ইত্যাদি নিয়ে গ্রন্থিত বই “ফ্রম টু ইকোনমিস টু টু নেশনস: মাই জার্নি টু বাংলাদেশ”। 
- Untranquil Recollections: The Years of Fulfilment বইটিও  তার রচিত। বইটি ২০১৫ সালে প্রকাশিত হয়।
 
উৎস: সিপিডি ওয়েবসাইট, পত্রিকা রিপোর্ট
৫৩.
কোন বিপ্লবের মাধ্যমে আরব বসন্তের সূচনা হয়?
  1. মুনসুন বিপ্লব
  2. টিউলিপ বিপ্লব
  3. অরেঞ্জ বিপ্লব
  4. জেসমিন বিপ্লব
ব্যাখ্যা
আরব বসন্ত:
- আরব বসন্ত বলতে আরবের বিভিন্ন দেশের গণজাগরণকে বুঝায়।
- ২০১০ সালের শেষের দিকে শুরু হওয়া আরব রাষ্ট্রগুলোর জনগণের বিভিন্ন দাবিতে বিক্ষোভ ও আন্দোলন সংগঠিত হয় বলে এটি আরব বসন্ত বা আর রবিউল আরাবি নামে বিশ্বব্যাপী পরিচিত হয়ে ওটে।
- জেসমিন বিপ্লবের মাধ্যমে আরব বসন্তের সূচনা হয়।

⇒ জেসমিন বিপ্লব:
- জেসমিন বিপ্লব সংঘটিত হয় তিউনিসিয়ায় ২০১১ সালে।
- তিউনিসিয়া উত্তর আফ্রিকা মহাদেশের একটি দেশ।
- ২০১০ এবং ২০১১ সালে মধ্যপ্রাচ্য এবং উত্তর আফ্রিকায় গণতন্ত্রপন্থী বিক্ষোভ এবং বিদ্রোহের ঢেউ শুরু হয়েছিল।
- এই বিক্ষোভ পরে মিশর, লিবিয়া, সিরিয়া, ইয়েমেনসহ বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে যায়।
- ২০১১ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি ক্ষমতা থেকে বিদায় নেন মিশরের প্রেসিডেন্ট হোসনি মুবারক। পরে লিবিয়ায় মুয়াম্মর আল-গাদ্দাফি জমানার অবসান হয়। জর্ডানের বাদশাহ আবদুল্লাহ নতুন প্রধানমন্ত্রীর নাম ঘোষণা করেন। নভেম্বরে ইয়েমেনের রাষ্ট্রপতি আলী আবদুল্লাহ সালেহ মনসুর আল হাদির কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করেন। লিবিয়ার ৪২ বছরের শাসক গাদ্দাফির পতন ঘটেছে। এ ছাড়া আলজেরিয়া, বাহরাইন, ইরান, মরক্কোয় বড় ধরনের বিদ্রোহ হয়। তবে লেবানন, মৌরিতানিয়া, সৌদি আরব, সুদান এবং পশ্চিম সাহারায় বড় ধরনের না হলেও বিক্ষোভ দেখা যায়।

উৎস: i) Britannica.
ii) Al Jazeera.
৫৪.
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় মার্কিন নৌবাহিনীর ঘাঁটিতে পার্ল হারবারে আক্রমণ চালিয়েছিল কোন দেশ?
  1. জাপান
  2. জার্মানি
  3. রাশিয়া
  4. ইতালি
ব্যাখ্যা

• পার্ল হারবার আক্রমণ:
- উত্তর প্রশান্ত মহাসাগরের হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জ পার্ল হারবার ছিল যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় নৌঘাঁটি।
- ঘাঁটিটি বানানো হয় ১৯০৮ সালে।
- ১৯৪০ সালে যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান নৌঘাঁটি ক্যালিফোর্নিয়া থেকে হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জের পার্ল হারবারে স্থানান্তর করা হয়।
- কৌশলগত দিক দিয়ে এই ঘাঁটি ছিল যুক্তরাষ্ট্রের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সামরিক এলাকা।

- যুক্তরাষ্ট্রের মূল ভূখণ্ড থেকে প্রায় দুই হাজার মাইল এবং জাপান থেকে প্রায় চার হাজার মাইলে দূরে অবস্থিত ছিল এই নৌঘাঁটি।
- ১৯৪১ সালের ৭ ডিসেম্বর পার্ল হারবারে অবস্থিত মার্কিন নৌঘাঁটিতে আক্রমণ করে বসে জাপানের সামরিক বাহিনী।
- জাপানের এই আক্রমণের সঙ্গে সঙ্গে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সব হিসাব নিকাশ পাল্টে যায়।
- জাপানের এই অতর্কিত ও ধ্বংসাত্মক হামলার পরিপ্রেক্ষিতে বিশ্বযুদ্ধে উদাসীন থাকা যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধে অংশ নেয় সক্রিয়ভাবে।

উল্লেখ্য,
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের আগে জাপান ছিল আগ্রাসি একটা দেশ।
- চীনের সঙ্গে পরপর দুটি যুদ্ধজয়ের পর রাশিয়ার সঙ্গে যুদ্ধজয়ে জাপান আরও বেশি আগ্রাসি হয়ে ওঠে।
- এরপর প্রথম বিশ্বযুদ্ধে জয়লাভ করায় জাপান আরও সাম্রাজ্যবাদী হয়ে ওঠে।
- ১৯৩১ সালে চীনের মাঞ্চুরিয়া আক্রমণের মধ্য দিয়ে জাপান তাদের আধিপত্য বিস্তার শুরু করে।

তথ্যসূত্র: i) Britannica.
ii) প্রথম আলো।

৫৫.
১৯৯১ সালের উপসাগরীয় যুদ্ধ কোন নামে পরিচিত?
  1. অপারেশন ডেজার্ট স্টর্ম
  2. অপারেশন ডেসার্ট শিল্ড
  3. অপারেশন রেড ড্রাগন
  4. অপারেশন ইনভেশন
ব্যাখ্যা

• অপারেশন ডেজার্ট স্টর্ম:
- '১৯৯১ সালের উপসাগরীয় যুদ্ধ' অপারেশন ডেজার্ট স্টর্ম নামে পরিচিত।

উল্লেখ্য,
- 'অপারেশন ডেজার্ট স্টর্ম' এই যুদ্ধ সংঘটিত হয় ইরাক এবং ৩৪টি দেশের জাতিসংঘ অনুমোদিত যৌথ বাহিনীর মধ্যে।
- ১৯৯০ সালের আগস্ট মাসে ইরাকের কুয়েত আগ্রাসন এবং কুয়েতি ভূ-খন্ড দখলের প্রেক্ষিতে ইরাক বাহিনীর হাত থেকে কুয়েতকে মুক্ত করাই ছিল সে যুদ্ধের উদ্দেশ্য।
- ১৯৯০ সালের ২ আগস্ট ইরাক কর্তৃক কুয়েত আক্রান্ত হলে ১৯৯১ সালের ১৭ জানুয়ারি মার্কিন নেতৃত্বাধীন বহুজাতিক বাহিনী ইরাকের উপর বিমান হামলা শুরু করে।
- ইরাকের বিরুদ্ধে এই যুদ্ধই ‘অপারেশন ডেজার্ট স্টর্ম’ নামে পরিচিত।
- বহুজাতিক বাহিনীর আক্রমণের মুখে ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরাকি বাহিনী পরাজয় বরণ করে।
- এই যুদ্ধ প্রথম উপসাগরীয় যুদ্ধ নামে পরিচিত।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।

৫৬.
‘লয়াজিরগা’ কোন দেশের আইন সভা?
  1. কেনিয়া
  2. নেপাল
  3. আফগানিস্তান
  4. মঙ্গোলিয়া
ব্যাখ্যা
আফগানিস্তান:
- আফগানিস্তান দক্ষিণ এশিয়ার একটি রাষ্ট্র।
- রাষ্ট্রীয় নাম: ইসলামিক আমিরাত অব আফগানিস্তান (Islamic Emirate of Afghanistan)।
- আফগানিস্তান শব্দটির অর্থ 'আফগান বা পশতুন জাতির দেশ'।
- আফগানিস্তানে বসবাসরত সবচেয়ে বড় জনগোষ্ঠী হল পশতু জাতি।
- রাজধানী: কাবুল।
- ভাষা: পশতু, দারি।
- মুদ্রা: আফগানি।
- আফগানিস্তানের আইনসভা: লয়াজিরগা।

অপরদিকে, 
- নেপালের আইনসভার নাম Federal Parliament. 
- ফোকেটিং: ডেনমার্কের আইনসভা।
- রিক্সড্যাগ: সুইডেনের আইনসভা।
- আলথিং: আইসল্যান্ডের আইনসভা।
- এডুসকুন্ডা: ফিনল্যান্ডের আইনসভা।
- নেসেট ইসরাইল আইনসভা।

উৎস: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।
৫৭.
যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দপ্তর (Department of Defense) এর সদর দপ্তরের নাম কী?
  1. পেন্টাগন
  2. হোয়াইট হাউস
  3. ক্যাপিটল হিল
  4. লিংকন মেমোরিয়াল
ব্যাখ্যা
পেন্টাগন (The Pentagon):
- অবস্থান: আর্লিংটন, ভার্জিনিয়া, যুক্তরাষ্ট্র।
- উদ্বোধন: ১৫ জানুয়ারি, ১৯৪৩।
- নকশা: জর্জ বার্গস্ট্রোম।
- যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দপ্তর (Department of Defense) এর সদর দপ্তর।
- পেন্টাগন যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক শক্তির প্রতীক এবং বিশ্ব রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- বিশ্বের বৃহত্তম অফিস ভবন।
- ভবনটি পাঁচটি বাহু (Pentagon shape) নিয়ে তৈরি।
- প্রায় ৬ লাখ বর্গমিটার এলাকা জুড়ে বিস্তৃত।

হোয়াইট হাউস:
- হোয়াইট হাউস যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের সরকারি বাসভবন এবং কার্যালয়।
- এটি ওয়াশিংটন, ডি.সি.-তে অবস্থিত।

ক্যাপিটল হিল:
- ক্যাপিটল হিল হলো যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসের সদর দপ্তর।
- এখানে সিনেট এবং হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভসের বৈঠক হয়।
- এটি ওয়াশিংটন, ডি.সি.-তে অবস্থিত।

লিংকন মেমোরিয়াল:
- লিংকন মেমোরিয়াল যুক্তরাষ্ট্রের ১৬তম প্রেসিডেন্ট আব্রাহাম লিংকনের স্মরণে নির্মিত একটি স্মৃতিসৌধ।
- এটি ওয়াশিংটন, ডি.সি.-তে ন্যাশনাল মলে অবস্থিত।

উৎস: i) U.S. Department of Defense
ii) Britannica
৫৮.
প্রথম বিশ্বযুদ্ধ সমাপ্তকারী চূড়ান্ত চুক্তি কোনটি?
  1. বেলফাস্ট চুক্তি
  2. লুজান চুক্তি
  3. সেভার্স চুক্তি
  4. ভিয়েনা চুক্তি
ব্যাখ্যা
প্রথম বিশ্বযুদ্ধে মিত্রশক্তির সাথে অটোমান সাম্রাজ্য তথা বর্তমান তুরস্কের প্রথমে সেভার্স চুক্তি (১০ আগস্ট ১৯২০) সম্পাদিত হয়। কিন্তু তৎকালীন নব্য প্রতিষ্ঠিত তুর্কি জাতীয়তাবাদী সরকার সেভার্স চুক্তি প্রত্যাখ্যান করে।
১৯২৩ সালের ২৪ জুলাই সেভার্স চুক্তির স্থলে লুজান চুক্তি সম্পাদিত হয়। সুইজারল্যান্ডের লুজান শহরে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
লুজান চুক্তির ফলে-
- বর্তমান তুরস্কের সীমানা নির্ধারিত হয়।
- অটোমান সাম্রাজ্যের নিয়ন্ত্রণাধীন আরব প্রদেশ, আর্মেনিয়া, সাইপ্রাস, ঈজিয়ান সাগরের দ্বীপসমূহের উপর থেকে তুরস্ক তার অধিকার তুলে নেয়।
- এছাড়া আরাে কতিপয় বিধি নিষেধ আরােপিত হয়।

আন্তর্জাতিক নিয়মানুসারে ২০২৩ সালে লুজান চুক্তির মেয়াদ অবসান হবে।

উৎসঃ এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা এবং history.com
৫৯.
স্বাধীনতা, সাম্য ও ভ্রাতৃত্ব শ্লোগানে কোন দেশে বিপ্লব সংগঠিত হয়েছিল?
  1. ইতালিতে
  2. ফ্রান্সে
  3. জার্মানিতে
  4. জাপানে
ব্যাখ্যা
ফরাসি বিপ্লব:
- স্বাধীনতা, সাম্য ও ভ্রাতৃত্ব (Liberty, Equality and Fraternity)-এর শ্লোগানে ১৭৮৯ সালে মহান বিপ্লব সংগঠিত হয়েছিল ফ্রান্সে।

- রাজতান্ত্রিক শোষণের বিরুদ্ধে জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত এবং সশস্ত্র এ বিপ্লবের প্রধান উদ্দেশ্য ছিল লুই সম্রাটের শাসন ও শোষণের পরিসমাপ্তি।
- ফ্রান্সের বর্তমান সংবিধানটিকে বলা হয় পঞ্চম প্রজাতান্ত্রিক সংবিধান (The Fifth Republic)।
- অর্থাৎ ফ্রান্সের এ 'পঞ্চম প্রজাতন্ত্র'-এর আগে আরও চারটি প্রজাতন্ত্র বা সাধারণতন্ত্র কায়েম হয়েছিল।
- ফরাসী বিপ্লব সংঘটিত হয় ১৭৮৯ সালে।
- রাজশক্তির অপশাসন হটিয়ে মহান ফরাসী বিপ্লব যে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া শুরু করে তারই পথ ধরে ১৭৯২ সালে ফ্রান্সে নতুন একটি সংবিধান প্রণয়ন করা হয় এবং প্রথম প্রজাতন্ত্রের যাত্রা শুরু হয়।
- এরপর ১৯৪৮-এ ২য় প্রজাতন্ত্র, ১৮৭০-এ তৃতীয় প্রজাতন্ত্র, ১৯৪৬-এ চতুর্থ প্রজাতন্ত্র এবং ১৯৫৮ সালে পঞ্চম প্রজাতন্ত্রের সূত্রপাত হয়।

উৎস: রাষ্ট্রবিজ্ঞান-৪, বিএ ও বিবিএস প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬০.
নিচের কোনটি যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধ বিমান নয়?
  1. ক) এফ-১৬
  2. খ) মিগ-২৯
  3. গ) স্টেলথ
  4. ঘ) সি-১৩০
ব্যাখ্যা

এফ-১৬ (জঙ্গি বিমান), স্টেলথ (রাডারের নজরে এড়াতে সক্ষম) এবং সি—১৩০ (সামরিক পরিবহন বিমান) হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধবিমান।
অন্যদিকে,
মিগ-২৯, মিগ-২১ ইয়াক-১৩০ হচ্ছে রাশিয়ার তৈরি যুদ্ধ বিমান।

৬১.
ভারতীয় উপমহাদেশে কে প্রথম ইন্ডিয়ান সিভিল সার্ভিস (ICS)-এ উত্তীর্ণ হন?
  1. সতেন্দ্রনাথ ঠাকুর
  2. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
  3. বিনয় সেন
  4. দীনবন্ধু মিত্র
ব্যাখ্যা
ইন্ডিয়ান সিভিল সার্ভিস: 
- গঠিত: আনুষ্ঠানিকভাবে ১৮৫৮ সালে।
- নিয়ন্ত্রণ: ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি → পরে ব্রিটিশ সরকার।
- পূর্ব নাম: Covenanted Civil Services (CCS).
- নতুন রূপ: ১৯৪৭ সালের পর ICS বিলুপ্ত হয়ে IAS (Indian Administrative Service) তে রূপান্তরিত হয়।
 - নিয়োগ প্রক্রিয়া: প্রাথমিকভাবে ব্রিটেনেই পরীক্ষা হতো এবং ভারতীয়দের অংশগ্রহণ সীমিত ছিল। 
- ১৮৬৩ সালে প্রথম ভারতীয় হিসেবে সত্যেন্দ্রনাথ ঠাকুর ICS-এ উত্তীর্ণ হন। 
- ১৯২২ সালে থেকে পরীক্ষা ভারতেও শুরু হয় (আলাহাবাদে)। 

উৎস: ব্রিটানিকা।
৬২.
পানামা খাল কোন কোন মহাসাগরকে যুক্ত করেছে?
  1. ক) আটলান্টিক মহাসাগর ও ভূমধ্যসাগর
  2. খ) আটলান্টিক মহাসাগর ও প্রশান্ত মহাসাগর
  3. গ) প্রশান্ত মহাসাগর ও উত্তর মহাসাগর
  4. ঘ) ভারত মহাসাগর ও প্রশান্ত মহাসাগর
ব্যাখ্যা
আটালান্টিক মহাসাগর ও প্রশান্ত মহাসাগরকে যুক্ত করেছে পানামা খাল।
- পানামা খালটির নির্মাণ ১৯০৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রের তত্ত্বাবধানে শুরু হয়েছিল এবং ১৯১৪ সালে শেষ হয়েছিল।
- ১৯৭৯ সাল পর্যন্ত পানামা খালটি আমেরিকার নিয়ন্ত্রণে ছিল।
- ১৯৭৯ সালের পর থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও পানামা প্রজাতন্ত্রের যৌথ সংস্থা খালটির নিয়ন্ত্রণ করে।
- ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৯৯ সালে যুক্তরাষ্ট্র পানামার কাছে খালটি পুরোপুরি হস্তান্তর করে।

সূত্র: ব্রিটানিকা এনসাইক্লপিডিয়া।
৬৩.
কোন মহান দার্শনিক ‘লাইসিয়াম’ নামে একটি শিক্ষা কেন্দ্র স্থাপন করেছিলেন?
  1. ক) সক্রেটিস
  2. খ) প্লেটো
  3. গ) এরিস্টটল
  4. ঘ) ভলতেয়ার
ব্যাখ্যা
এরিস্টটল (খ্রিস্টপূর্ব ৩৮৪- খ্রিস্টপূর্ব ৩২২):

 ‘লাইসিয়াম’ নামে একটি শিক্ষা কেন্দ্র স্থাপন করেছিলেন - এরিস্টটল।
- বিশ্ববিখ্যাত দার্শনিক এরিস্টটল গ্রীসের অন্তর্গত চালকিডিসের স্ট্যাগিরা নগরে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি ১৮ বৎসর বয়সে এথেন্সে আসেন এবং প্লেটোর একাডেমিতে ভর্তি হন।
- তিনি দীর্ঘকাল গুরু প্লেটোর সাহচর্যে জ্ঞানচর্চা করেন এবং দর্শন শাস্ত্রে প্রভূত জ্ঞান লাভ করেন।
- খ্রিস্টপূর্ব ৩৪৩ থেকে ৩৪০ অব্দ পর্যন্ত তিনি মহাবীর আলেকজেন্ডারের শিক্ষকতা করেন।

এরিস্টটলের প্রতিষ্ঠান:
খ্রিস্টপূর্ব ৩৩৪ অব্দে তিনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান 'লাইসিয়াম' (Lyceum) গড়ে তুলেন।
রাষ্ট্রবিজ্ঞানের জনক এরিস্টটলের নীতিশাস্ত্রের উপর লেখা বিখ্যাত গ্রন্থ
Nicomachean Ethics 
এছাড়া তাঁর রচিত অন্যান্য গ্রন্থসমূহ হল-Eudemian Ethics, Politics, Poetics, On the Soul, Metaphysics, 

বিখ্যাত উক্তি
এরিস্টটলের বিখ্যাত উক্তিগুলো হচ্ছে-
- “মানুষ সামাজিক ও রাজনৈতিক জীব”।
- “ইতিহাস হচ্ছে অভিজাত শ্রেণীর সমাধিক্ষেত্র”।
- “আইন হলো পক্ষপাতহীন যুক্তি”।
- “রাষ্ট্র হলো পরিবারের সম্প্রসারিত ফল”।
- “মানুষ প্রকৃতিগতভাবেই রাজনীতির কবি”।
- “বল, শক্তি এবং লোভ-লালসার মানুষের মধ্যে জন্মগতভাবে অসমভাবে বন্টিত”।
- খ্রিস্টপূর্ব ৩২২ অব্দে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

তথ্যসূত্র: লাইভ এমসিকিউ লেকচার।
৬৪.
'অজন্তা' ও 'ইলোরা গুহা' কোথায় অবস্থিত?
  1. দিল্লি, ভারত
  2. রাজস্থান, ভারত
  3. অযোধ্যা, ভারত
  4. মহারাষ্ট্র, ভারত
ব্যাখ্যা
'অজন্তা' ও 'ইলোরা' গুহা:
- প্রায় দুই হাজার বছরেরও বেশি আগে নির্মিত অজন্তা ও ইলোরা গুহাসমূহ কেবল অনন্য প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন নয়, এগুলি ভারতের প্রাচীন সমৃদ্ধির একমাত্র সংরক্ষিত নিদর্শন।
- অজন্তা ও ইলোরা গুহায় আঁকা ছবিগুলো এখনো পর্যন্ত টিকে থাকা প্রাচীন ভারতীয় শিল্পকলার সবচেয়ে শৈল্পিক নমুনা হিসেবে বিবেচিত হয়।
- অজন্তা এবং ইলোরা মূলত দুটি আলাদা প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপনা।
- এরমধ্যে অজন্তা গুহাসমূহ ভারতের মহারাষ্ট্র রাজ্যের আওরঙ্গবাদ জেলার অজন্তা গ্রামের পাশেই পাহাড়ের গায়ে অবস্থিত। 
- মহারাষ্ট্রের আওরঙ্গবাদ শহর থেকে ৩০ কিমি উত্তরে অবস্থিত ইলোরা গুহাসমূহ ভক্তক, ত্রৈকুটক, কালাচুরি, চালুক্য, রাষ্ট্রকূট ও যাদব রাজবংশের সময়ে তৈরি করা হয়।
- চরনন্দ্রী পাহাড় কেটে ইলোরা গুহা মন্দিরগুলো তৈরি করা হয়েছিল।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৬৫.
নিচের কোন দেশটি D-8 জোটের সদস্য নয়?
  1. ক) মালয়েশিয়া
  2. খ) ইন্দোনেশিয়া
  3. গ) আলজেরিয়া
  4. ঘ) নাইজেরিয়া
ব্যাখ্যা
- D-8 (Developing Eight) হলো মুসলিম বিশ্বের ৮টি উন্নয়নশীল দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে পারস্পরিক সহযোগিতার উদ্দেশ্যে গঠিত একটি জোট।
- ১৯৯৭ সালের ১৫ জুন D-8 গঠিত হয়।
- এটির সদরদপ্তর তুরস্কের ইস্তান্বুল শহরে অবস্থিত।

D-8 এর সদস্য দেশগুলো হলো:
- তুরস্ক
- পাকিস্তান
- বাংলাদেশ
- ইরান
- মিশর
- নাইজেরিয়া
- মালয়েশিয়া
- ইন্দোনেশিয়া।

- D-8 জোটের বর্তমান চেয়ারম্যান বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
- সর্বশেষ দশম D-8 সম্মেলন ২০২১ সালের ৮ এপ্রিল ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয়।

(তথ্যসূত্র: Developing Eight ওয়েবসাইট)
৬৬.
'আল-ফাশির' শহরটি কোন দেশে অবস্থিত?
  1. সুদান
  2. দক্ষিণ সুদান
  3. লেবানন
  4. লিবিয়া
ব্যাখ্যা

• আল-ফাশির: 
- আল-ফাশির হলো সুদানের পশ্চিমাঞ্চলের একটি শহর, যা নিয়ালা শহর থেকে প্রায় ১২০ মাইল (১৯৫ কিলোমিটার) উত্তর-পূর্বে অবস্থিত।
- সুদানের পশ্চিমে অবস্থিত আল-ফাশির একসময় গুরুত্বপূর্ণ কাফেলা-বাণিজ্যের কেন্দ্র ছিল।
- নিয়ালা থেকে প্রায় দুইশ কিলোমিটার দূরের এই শহরটি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে বেশ উঁচুতে অবস্থিত এবং আশপাশের অঞ্চলে উৎপাদিত শস্য ও ফলের প্রধান বাজার হিসেবেই এর পরিচিতি।
- অষ্টাদশ শতকের শেষ দিকে দারফুরের ফুর সালতানাতের শাসক সুলতান আবদুর রহমান আল-রাশেদ এখানেই তাঁর রাজধানী স্থাপন করেন।
- সুলতানের প্রাসাদকে কেন্দ্র করেই ধীরে ধীরে আজকের আল-ফাশির শহর গড়ে ওঠে।

উল্লেখ্য,
- তিন বছরে গড়িয়েছে উত্তর আফ্রিকার দেশ সুদানের গৃহযুদ্ধ।
- ২০২৩ সালের এপ্রিল থেকে শুরু হওয়া সামরিক বাহিনী (SAF) ও আধাসামরিক Rapid Support Forces (RSF)-এর মধ্যে সংঘর্ষ দেশটিকে ধ্বংসস্তূপে পরিণত করেছে।
- সংঘাতের মূল কারণ হচ্ছে ক্ষমতার কুণ্ডলি।
- সুদানের পশ্চিম দারফুরের আল–ফাশির শহর দখলের পর থেকে ভয়াবহ হত্যাযজ্ঞ চালাচ্ছে আধাসামরিক বাহিনী আরএসএফ।
- প্রকাশ্যে রাস্তায় মানুষকে গুলি করে হত্যা, ট্রাকচাপা দিয়ে পিষে ফেলার মতো নৃশংসতা চলছে।
- এরপর শত শত মরদেহ গুম করে, পুড়িয়ে বা গণকবরে চাপা দিয়ে নৃশংসতার প্রমাণ মুছে ফেলার চেষ্টাও চলছে।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা ও রয়টার্স।

৬৭.
কার্ল মার্কস কোন মতবাদের প্রবক্তা?
  1. সাম্যবাদ নীতি
  2. ব্যক্তি স্বাতন্ত্র্যবাদ
  3. উপযোগবাদ
  4. দ্বন্দ্বমূলক বস্তুবাদ
ব্যাখ্যা
কার্ল মার্কস:
- কার্ল মার্কস ছিলেন একজন বিপ্লবী, সমাজবিজ্ঞানী, ইতিহাসবিদ এবং অর্থনীতিবিদ।
- তিনি ১৮১৮ সালের ৫ মে জার্মানির রাইন প্রদেশের ট্রায়ারে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি সমাজতন্ত্র ও আধুনিক কমিউনিজমের জনক।
- তিনি লন্ডনে ১৮৮৩ সালের ১৪ মার্চ মৃত্যুবরণ করেন।

তার উল্লেখযোগ্য বই -
- The Communist Manifesto যা ১৮৪৮ সালে প্রকাশিত হয়।
- তিনি আন্দোলনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বই Das Kapital-এর লেখকও ছিলেন।
- মার্কস ও এঙ্গেলস-এর লেখাগুলো মার্কসবাদ নামে পরিচিত।
- কার্ল মার্ক্স এবং ফ্রেডরিখ এঙ্গেলস-এর বিখ্যাত একটি বই 'The German Ideology'।

⇒ দ্বন্দ্বমূলক বস্তুবাদ:
- কার্ল মার্কস হলেন দ্বন্দ্বমূলক বস্তুবাদের জনক।
- কার্ল মার্কস মনে করেন বস্তু সত্য।
- মার্কসবাদের মৌলিক উপাদানগুলির মধ্যে সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হল দ্বন্দ্বমূলক বস্তুবাদ।
- দুটি পরস্পরবিরােধী শক্তির সংঘাতজনিত প্রক্রিয়াকে দ্বন্দ্ববাদ (Dialectics) বলা হয়।
- হেগেল প্রথম দ্বান্দ্বিক প্রক্রিয়ার কথা উল্লেখ করেন।
- হেগেলের দ্বন্দ্ববাদ কার্ল মার্কস স্বীকার করে নিলেও সমাজ পরিবর্তনের ক্ষেত্রে মার্কস হেগেল কে অনুসরণ করেননি।
- তিনি নিজেই তার 'দাস ক্যাপিটাল' ( Das Kapital) গ্রন্থে লিখেছেন যে, "My dialectics is opposite to Hegel's"!

উৎস: Britannica.
৬৮.
কোন দেশটি পারস্য উপসাগরের উপকূলে অবস্থিত নয়?
  1. ইরাক
  2. ইয়েমেন
  3. বাহরাইন
  4. সৌদি আরব
ব্যাখ্যা
ইয়েমেন পারস্য উপসাগরের উপকূলে অবস্থিত নয়।

পারস্য উপসাগরের উপকূলবর্তী দেশ:
- পারস্য উপসাগরের উপকূলবর্তী দেশগুলি হলো: বাহরাইন, ইরান, ইরাক, কুয়েত, ওমান, কাতার, সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত।
- পারস্য উপসাগরের উত্তর, উত্তর-পূর্ব এবং পূর্বে ইরান; দক্ষিণ-পূর্ব এবং দক্ষিণে ওমানের কিছু অংশ এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত; দক্ষিণ-পশ্চিম এবং পশ্চিমে কাতার, বাহরাইন এবং সৌদি আরব; এবং উত্তর-পশ্চিমে কুয়েত এবং ইরাক অবস্থিত।

উল্লেখ্য,
- Gulf Cooperation Council হলো পারস্য উপসাগর তীরবর্তী আরব উপদ্বীপের দেশগুলোর একটি রাজনৈতিক ও অর্থনেতিক জোট।

উৎস: Britannica.
৬৯.
পপি উৎপাদনকারী কোন দেশ গোল্ডেন ট্রায়াঙ্গেল এর অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. কম্বোডিয়া
  2. লাওস
  3. থাইল্যান্ড
  4. মিয়ানমার
ব্যাখ্যা

⇒ পপি উৎপাদনকারী কম্বোডিয়া গোল্ডেন ট্রায়াঙ্গেলের অন্তর্ভুক্ত নয়।

গোল্ডেন ট্রায়াঙ্গল:
- গোল্ডেন ট্রায়াঙ্গল হলো দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার তিনটি দেশ।
- মায়ানমার, থাইল্যান্ড ও লাওসের সীমান্তে অবস্থিত পপি উৎপাদনকারী ও চোরাচালানকারী অঞ্চল।
- এদের অবস্থানগত আকৃতি ত্রিভুজের মত।

তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা।

৭০.
'Nuclear Weapons and Foreign Policy' গ্রন্থটির রচয়িতা কে?
  1. নেলসন ম্যান্ডেলা
  2. ভ্লাদিমির পুতিন
  3. হেনরি কিসিঞ্জার
  4. এপিজে আবদুল কালাম
ব্যাখ্যা

Nuclear Weapons and Foreign Policy গ্রন্থটির রচয়িতা হেনরি কিসিঞ্জার।

হেনরি কিসিঞ্জার:
- ১৯২৩ সালে জার্মানিতে জন্ম নেন হেনরি কিসিঞ্জার।
- ১৯৬৮ সালে রিচার্ড নিক্সন প্রেসিডেন্ট হিসেবে নির্বাচিত হবার পর মি. কিসিঞ্জারকে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা পদে নিয়োগ দেন।
- সোভিয়েত ইউনিয়নের ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের নীতি এবং চিলির অগাস্টো পিনোশেসহ বিশ্বজুড়ে বহু কর্তৃত্বপরায়ণ শাসক গোষ্ঠীকে সমর্থন ও কম্বোডিয়ায় বোমাতে ৫০ হাজার মানুষের মৃত্যু এইসব কিছুতে মি. কিসিঞ্জারের সম্পর্ক ছিল।
- ১৯৭৩ সালে তার কূটনীতির কারণেই আরব-ইসরায়েল যুদ্ধে একটি অস্ত্রবিরতি হয়েছিল।
- স্বায়ু যুদ্ধের সময়কার 'রিয়াল পলিটিকে'র মূর্ত প্রতীক ছিলেন।

অন্যদিকে,
- Long Walk to Freedom গ্রন্থটির রচয়িতা নেলসন ম্যান্ডেলা
- Wings of Fire গ্রন্থটির রচয়িতা এপিজে আবদুল কালাম।

উৎস: ব্রিটানিকা ও বিবিসি বাংলা পত্রিকা রিপোর্ট।

৭১.
'সেক্রেটারি অব স্টেট' বলা হয় কোন দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে? 
  1. ফ্রান্সের 
  2. কানাডার
  3. জার্মানির
  4. যুক্তরাষ্ট্রের
ব্যাখ্যা

যুক্তরাষ্ট্রের সেক্রেটারি অব স্টেট:
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে 'সেক্রেটারি অব স্টেট' বলা হয়।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান 'সেক্রেটারি অব স্টেট' মার্কো রুবিও। [মার্চ, ২০২৬]

উল্লেখ্য,
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান ও ৪৭তম প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
- তিনি ২০২৪ সালের নির্বাচনে জয়লাভ করে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন এবং ২০২৫ সালের জানুয়ারি মাস থেকে দায়িত্ব পালন করেন।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান ও ৫০তম ভাইস প্রেসিডেন্ট জেমস ডেভিড ভ্যান্স (JD Vance)।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নবনিযুক্ত প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ।
- বাংলাদেশে নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন।

উৎস: United States Mission to the United Nations (.gov).

৭২.
সায়গন কোন শহরের পূর্বনাম?
  1. হ্যানয়
  2. জাকার্তা
  3. নমপেন
  4. হোচিমিন ‍সিটি
ব্যাখ্যা
- সায়গন : হোচিমিন সিটি শহরের পূর্বনাম
- বাটাভিয়া : জার্কাতার পূর্বনাম
- হ্যানয় : ভিয়েতনামের রাজধানী
- নমপেন : কম্বোডিয়ার রাজধানী।
(তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা)
৭৩.
কোন মহাদেশে সর্বাধিক সংখ্যক স্বাধীন দেশ রয়েছে?
  1. এশিয়া মহাদেশ
  2. ইউরোপ মহাদেশ
  3. উত্তর আমেরিকা
  4. আফ্রিকা মহাদেশ
ব্যাখ্যা

 আফ্রিকা মহাদেশ:
- আয়তনে পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম মহাদেশ হল আফ্রিকা মহাদেশ।
- আফ্রিকা মহাদেশের প্রায় মধ্যভাগ দিয়ে বিষুবরেখা বা নিরক্ষরেখা অতিক্রম করেছে।
- এর আয়তন ১১,৭২৪,০০০ বর্গ মাইল (৩০,৩৬৫,০০০ বর্গ কিমি)।
- এ মহাদেশের উত্তরে ভূ-মধ্যসাগর, দক্ষিণে দক্ষিণ মহাসাগর, পূর্বে ভারত মহাসাগর ও লোহিত সাগর এবং পশ্চিমে আটলান্টিক মহাসাগর অবস্থিত।
- আফ্রিকা মহাদেশের মধ্যে সবচেয়ে বেশি দেশ রয়েছে।
- এই মহাদেশে মোট ৫৪টি দেশ অবস্থিত।
- আয়তনে আফ্রিকার সবচেয়ে বড় দেশ আলজেরিয়া।
- আয়তনে আফ্রিকার সবচেয়ে ছোট দেশ সিচেলিস।

বিভিন্ন মহাদেশে দেশের সংখ্যা:
• আফ্রিকা - ৫৪টি।
• এশিয়া - ৪৮টি।
• ইউরোপ - ৪৪টি।
• উত্তর আমেরিকা - ২৩টি।
• অস্ট্রেলিয়া/ওশেনিয়া - ১৪টি।
• দক্ষিণ আমেরিকা - ১২টি।

উৎস: worldatlas.com

৭৪.
মাউরি কোন দেশের আদিবাসী জনগোষ্ঠী?
  1. ভারত
  2. নিউজিল্যান্ড 
  3. ফিজি
  4. পাপুয়া নিউগিনি
ব্যাখ্যা

মাউরি:
- মাউরি নিউজিল্যান্ডের আদিবাসী জনগোষ্ঠী।
- তাদের উৎপত্তি পূর্ব পলিনেশিয়া অঞ্চলে, প্রায় ৮০০ খ্রিস্টাব্দের দিকে।
- ধারণা করা হয়, ১৪শ শতকে “মহান নৌবহর” হাওয়াইকি নামের একটি পৌরাণিক ভূমি থেকে এসে পৌঁছায়।
- মাওরি সমাজ মূলত আত্মীয়তার বন্ধনের উপর গঠিত।
- তাদের উপজাতিকে বলা হয় ইউই (iwi), যারা একই পূর্বপুরুষের বংশধর।
- তারা প্রধান বা নেতাদের (আরিকি – ariki) প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করে।
- গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক একক হলো হাপু (hapū) — উপগোত্র বা উপ-উপজাতি।
- আরেকটি একক হলো ওয়ানাউ (whānau) — বর্ধিত পরিবার।
- মাওরি ভাষা তে রেও মাওরি (te reo Māori) নিউজিল্যান্ডের সরকারি ভাষাগুলোর একটি।
- ১৯৮৭ সাল থেকে ভাষাটির সরকারি স্বীকৃতি রয়েছে।

উৎস: Britannica.

৭৫.
সম্প্রতি রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে মধ্যস্থতার জন্য ট্রাম্প ও পুতিন কোথায় বৈঠক করেছে? [আগস্ট, ২০২৫]
  1. দোহা  
  2. আলাস্কা 
  3. শিকাগো 
  4. গ্রিনল্যান্ড 
ব্যাখ্যা

• ট্রাম্প - পুতিন বৈঠক:
• তারিখ ও স্থান: ১৫ আগস্ট ২০২৫, Joint Base Elmendorf–Richardson, আংকারিজ, আলাস্কা, যুক্তরাষ্ট্র।
অংশগ্রহণকারী: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।

মূল উদ্দেশ্য: রাশিয়া–ইউক্রেন যুদ্ধের শান্তিপূর্ণ সমাধান নিয়ে আলোচনা করা। 

উৎস: আল জাজিরা।

৭৬.
এশিয়ার কোন শহরে সর্বপ্রথম পাতাল রেলপথ চালু হয়?
  1. নয়াদিল্লী, ভারত
  2. বেইজিং, চীন
  3. টোকিও, জাপান
  4. সিউল, দক্ষিণ কোরিয়া
ব্যাখ্যা
এশিয়ার সর্বপ্রথম পাতাল রেলপথ:
- এশিয়ায় চালু হওয়া প্রথম পাতালরেলপথ ‘গিনজা লাইন’।
- জাপানের টোকিওতে এটির অবস্থান।
- ১৯২৭ সালের ৩০ ডিসেম্বর চালু হয় টোকিও মেট্রোর গিনজা লাইন।
- চালুর পরপরই দ্রুত জনপ্রিয়তা পায় এই রেলপথ।

উল্লেখ্য,
- পৃথিবীর প্রথম পাতাল রেল চালু হয় লন্ডনে।

উৎস: ৩০ ডিসেম্বর, ২০২৩, প্রথম আলো।  
৭৭.
আগুনের দ্বীপ কোনটি?
  1. ক) আইসল্যান্ড
  2. খ) আয়ারল্যান্ড
  3. গ) আইল্যান্ড
  4. ঘ) ফিনল্যান্ড
ব্যাখ্যা
Iceland is a land of vivid contrasts of climate, geography, and culture. Sparkling glaciers, such as Vatna Glacier, Europe’s largest, lie across its ruggedly beautiful mountain ranges; abundant hot geysers provide heat for many of the country’s homes and buildings and allow for hothouse agriculture year-round; and the offshore Gulf Stream provides a surprisingly mild climate for what is one of the northernmost inhabited places on the planet. Source: Britannica.
৭৮.
কত সালে আফগানিস্তান থেকে সোভিয়েত সৈন্য প্রত্যাহার করা হয়?
  1. ক) ১৯৮৮ সালে
  2. খ) ১৯৮৯ সালে
  3. গ) ১৯৯০ সালে
  4. ঘ) ১৯৯১ সালে
ব্যাখ্যা
In February 1989, the last Soviet soldier left Afghanistan, where civil war continued until the Taliban’s seizure of power in the late 1990s.
Source: history.com
৭৯.
ট্রুম্যান নীতি ও মার্শাল পরিকল্পনাকে কোন ধরনের কূটনীতি বলা যায়?
  1. ডলার কূটনীতি
  2. ওয়ার কূটনীতি
  3. গানবোট কূটনীতি
  4. ক ও গ
ব্যাখ্যা
ডলার কূটনীতি (Dollar Diplomacy):
- ডলার কূটনীতি হল একটি বৈদেশিক নীতি, যার মাধ্যমে একটি দেশ তার আর্থিক বা অর্থনৈতিক শক্তি ব্যবহার করে অন্য দেশগুলির সঙ্গে রাজনৈতিক, কূটনৈতিক বা কৌশলগত সম্পর্ক স্থাপন বা প্রভাব বিস্তার করতে চায়।
- এই কূটনীতি মূলত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র দ্বারা প্রবর্তিত এবং বিশেষ করে ২০শ শতকের শুরুতে উইলিয়াম হাওয়ার্ড টাফট (William Howard Taft) প্রশাসনের সময় বেশ সক্রিয় ছিল।
- ডলার কূটনীতি অর্থনৈতিক প্রভাবের মাধ্যমে অন্য দেশগুলোর ওপর রাজনৈতিক প্রভাব সৃষ্টি করার চেষ্টা করে।
- ১৯০০ থেকে ১৯১০ সাল পর্যন্ত, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কিউবা, হন্ডুরাস এবং ডোমিনিকান রিপাবলিক এর মতো দেশগুলিতে ডলার কূটনীতি ব্যবহার করেছিল।

উল্লেখ্য,
⇒ ট্রুম্যান নীতি (Truman Doctrine)
- ঘোষণা: ১২ মার্চ, ১৯৪৭; মার্কিন কংগ্রেসে।
- ঘোষণাকারী: তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট হ্যারি এস ট্রুম্যান।
- বিষয়বস্তু: ট্রুম্যান আনুষ্ঠানিকভাবে Cold War শব্দটি ব্যবহার করেন এবং তুরস্ক ও গ্রিসকে ৪০ কোটি ডলার সহায়তার ঘোষণা দেন।
- উল্লেখ্য, ট্রুম্যান নীতির পরই বিশ্বে ডলার কূটনীতি চালু হয়।

⇒ মার্শাল প্ল্যান (Marshall Plan)
- ঘোষণা: ৫ জুন, ১৯৪৭; হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে।
- ঘোষণাকারী: তৎকালীন মার্কিন সেক্রেটারি অব দ্য স্টেট (পররাষ্ট্রমন্ত্রী) জর্জ সি মার্শাল।
- আইনসভায় অনুমোদন: ৩ এপ্রিল, ১৯৪৮।
- বিষয়বস্তু: ইউরোপের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য ১২ বিলিয়ন ডলার সহায়তার ঘোষণা দেন। এর মধ্যে ২৬% পাবে যুক্তরাজ্য।
- উল্লেখ্য, রাশিয়ার প্রাভদা পত্রিকা এই পরিকল্পনাকে ডলার কূটনীতির সাথে তুলনা করেছে।

উৎস: i) Britannica.
ii) BBC.
৮০.
ওয়েস্টমিনিস্টার অ্যাবে কোথায় অবস্থিত?
  1. প্যারিস
  2. লন্ডন
  3. বার্মিংহাম
  4. গ্লাসগো
ব্যাখ্যা

ওয়েস্টমিনিস্টার অ্যাবে:
- ওয়েস্টমিনিস্টার অ্যাবে লন্ডনে অবস্থিত।
- এটি আনুষ্ঠানিকভাবে ওয়েস্টমিনস্টারে কলেজিয়েট চার্চ অফ সেন্ট পিটার নামে পরিচিত। 
- এটি লন্ডনের ওয়েস্টমিনস্টার শহরের একটি অ্যাংলিকান চার্চ।
- এটি রাজ্যাভিষেক এবং জাতীয় তাৎপর্যের অন্যান্য অনুষ্ঠানের স্থান। 
- এটি ১৫৬০ সালে রানী এলিজাবেথ প্রথম দ্বারা ওয়েস্টমিনস্টারের সেন্ট পিটারের কলেজিয়েট চার্চ হিসাবে পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
- এটি ১৯৮৭ সালে ইউনেস্কো ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট হিসাবে মনোনীত করা হয়েছিল।

উৎস: Britannica.

৮১.
Who is the current Prime Minister of Japan?
  1. Noda Yoshihiko
  2. Fumio Kishida
  3. Yoshihide Suga
  4. Shinzo Abe
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

জাপান:

- জাপানের পূর্বনাম নিপ্পন।
- জাপানের সংবিধানকে বিশ্বের ‘শান্তির সংবিধান‘ বলা হয়।
- বর্তমান প্রধানমন্ত্রী: ফুমিও কিশিদা।
- জনসংখ্যায় বিশ্বের সবচেয়ে বড় শহর টোকিও।
- জাপানের আইনসভার নাম ডায়েট।
- জাপানের প্রধান দ্বীপ হচ্ছে হোক্কাইডো, হনসু, শিকোকু, কিউসু ও ওকিনাওয়া।
- জাপানের সবচেয়ে বড় দ্বীপ হনসু।
- জাপানের পতাকার রং সাদা ও লাল।
- পতাকায় সাদা পটভূমির উপর মাঝে লাল চাকতি (উদীয়মান সূর্যের প্রতিনিধিত্বকারী) পতাকার প্রধান বৈশিষ্ট্য।

উল্লেখ্য,
- জাপানের ওকিনাওয়া দ্বীপটির আগের নাম ছিল রুয়ুকুয়ু।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় রক্তক্ষয়ী লড়াইয়ে দ্বীপটির নিয়ন্ত্রণ নেয় যুক্তরাষ্ট্র।
- এর পর থেকে দ্বীপটি যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণেই ছিল।
- অবশেষ ১৯৭২ সালের ১৫ মে দ্বীপটির নিয়ন্ত্রণ ফিরে পায় জাপান।
- এর নতুন নাম হয় ওকিনাওয়া।
- দ্বীপটির আয়তন ৪৬৩ বর্গমাইল।

উৎস: i) Britannica.
         ii) Worldatlas.
৮২.
যুক্তরাজ্যের বর্তমান রাজা/রাণী কে? [মে, ২০২৫]
  1. উইলিয়াম
  2. দ্বিতীয় এলিজাবেথ
  3. তৃতীয় চার্লস
  4. দ্বিতীয় চার্লস
ব্যাখ্যা
তৃতীয় চার্লস:
- তৃতীয় চার্লস ৮ সেপ্টেম্বর ২০২২ সাল থেকে যুক্তরাজ্যের রাজা।
- তিনি রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথ এবং প্রিন্স ফিলিপের জ্যেষ্ঠ পুত্র।
- তিনি ৭৩ বছর বয়সে সিংহাসনে আরোহণ করেন।
- তিনি ব্রিটেনের ৪০তম রাজা।
- সিংহাসনে বসার পর, চার্লস তার বড় ছেলে উইলিয়ামকে প্রিন্স অব ওয়েলস উপাধি প্রদান করেন।
- রাজা যুক্তরাজ্যের রাষ্ট্র-প্রধান।
- তবে তার ক্ষমতা প্রতীকী এবং আনুষ্ঠানিক।
- তিনি রাজনৈতিকভাবে নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করেন।
- প্রতিদিন ব্রিটিশ সরকারের কাজের রিপোর্ট তার কাছে লাল রঙের চামড়ার একটি বাক্সে করে পাঠানো হয়, যার মধ্যে থাকে গুরুত্বপূর্ণ কোনো বৈঠকের আগে সে সম্পর্কে ব্রিফিং, অথবা কাগজপত্র যাতে তার স্বাক্ষর করা প্রয়োজন।
- সাধারণত ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী প্রতি বুধবার বাকিংহাম প্রাসাদে গিয়ে রাজার সঙ্গে দেখা করে তার সরকারের কার্যক্রম সম্পর্কে রাজাকে অবহিত করেন।
- এসব বৈঠক একান্ত ব্যক্তিগত এবং সেখানে যেসব কথাবার্তা হয় সেগুলোর আনুষ্ঠানিক কোনো রেকর্ড রাখা হয় না।
- ব্রিটিশ রাজা কমনওয়েলথেরও প্রধান।
- কমনওয়েলথের ১৫টি দেশে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে চার্লসই রাজা।

উৎস: বিবিসি বাংলা
Britannica.
৮৩.
মেসোপটেমীয় সভ্যতার অন্তর্ভুক্ত নয় কোনটি?
  1. ক) ক্যালেডীয়
  2. খ) কুমেরীয়
  3. গ) ব্যাবিলনীয়
  4. ঘ) সুমেরীয়
ব্যাখ্যা
মেসোপটেমীয় সভ্যতা:

- মেসোপটেমীয় সভ্যতার অন্তর্ভূক্ত নয় কুমেরীয়।

- এ সভ্যতাকে চারটি পর্যায়ে ভাগ করা যায় - সুমেরীয়, ব্যাবিলনীয়, অ্যাশেরীয় ও ক্যালেডীয়
-Mesopotamia মানে হলো দুই নদীর মধ্যবর্তী অঞ্চল।
- পৃথিবীর সবচেয়ে প্রাচীন সভ্যতা ‘মেসোপটেমীয় সভ্যতা’।
- ফোরাত ও দজলা নদীর মাঝখানে গড়ে ওঠা এই সভ্যতার নামকরণ হয়েছে গ্রিক শব্দে।
- ওই সময় উরুক নামে গুরুত্বপূর্ণ একটি শহর ছিল। এ শব্দ থেকেই ইরাকের নাম রাখা হয়।
- বর্তমান ইরাকের বেশির ভাগ অংশ এবং সিরিয়ার কিছু অংশ একসময় মেসোপটেমীয় সভ্যতারই অংশ ছিল।
- খ্রিস্টপূর্ব ১৫০ সালের দিকে এ অঞ্চল পার্সিয়ানদের নিয়ন্ত্রণে ছিল।পরে রোমানদের দখলে যায়।মুসলিম শাসনামলে এ অঞ্চল ইরাক নামে পরিচিতি পায়।

তথ্যসূত্র - দৈনিক কালের কন্ঠ,৯ জুন ২০১৮।
৮৪.
বর্তমানে স্বীকৃত পারমাণবিক শক্তিধর রাষ্ট্র কতটি?
  1. ৭টি
  2. ৮টি
  3. ১০টি
  4. ১১টি
ব্যাখ্যা
এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।

পরমাণু অস্ত্রের মালিক:
-  বিশ্ববাসি ১৯৪৫ সালে যুক্তরাষ্ট্রের মাধ্যমে প্রথম পারমানবিক শক্তিধর দেশের পরিচয় পায়।
- পারমাণবিক যুদ্ধের ভয়ে ১৯৬৮ সালে পারমাণবিক অস্ত্র প্রসার রোধ সংক্রান্ত এনপিটি চুক্তির উদ্যোগ নেওয়া হয়।

• বর্তমানে স্বীকৃত পারমাণবিক শক্তিধর রাষ্ট্র ৮টি -
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র (১৯৪৫)
- রাশিয়া (সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের উত্তরসূরি হিসেবে ; ১৯৪৯)
- যুক্তরাজ্য (১৯৫২)
- ফ্রান্স (১৯৬০)
- চীন (১৯৬৪)
- ভারত (১৯৭৪)
- পাকিস্তান (১৯৯৮)
- উত্তর কোরিয়া (২০০৬)

এছাড়াও
তবে অনেক রাষ্ট্র ধারনা করে যে  ইসরাইল পারমানবিক শক্তিধর রাষ্ট্র  কিন্তু সেটি স্বীকৃত নয়।

উৎস: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট এবং Daily Star বাংলা পত্রিকা রিপোর্ট। [লিঙ্ক]
৮৫.
ওয়াখান করিডোর কোন দুটি দেশকে যুক্ত করেছে?
  1. সিরিয়া - মিশর
  2. লেবানন - সিরিয়া
  3. আফগানিস্তান - চীন
  4. ফিলিস্তিন - লেবানন
ব্যাখ্যা
ওয়াখান করিডোর:
- চীন এবং আফগানিস্তান কে ওয়াখান করিডোর যুক্ত করেছে।
- এটি আফগানিস্তানের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে 'ওয়াখান করিডোর' বা 'প্যানহ্যান্ডেল' নামে পরিচিত।
- করিডোরের দৈর্ঘ্য ৫৭ কিলোমিটার।
- করিডোরটি বাদাখশান প্রদেশ থেকে পূর্ব এশিয়া পর্যন্ত বিস্তৃত।
- ১৯৬৩ সালের নভেম্বরে স্বাক্ষরিত একটি গোপন চুক্তির মাধ্যমে চীন-আফগান সীমানা নির্ধারণ করা হয়েছিল।

সূত্র: BEIJING'S POWER and CHINA'S BORDERS বই।
৮৬.
পানামা খাল আনুষ্ঠানিকভাবে কোন মার্কিন প্রেসিডেন্টের সময় হস্তান্তর করা হয়?
  1. রোনাল্ড রিগ্যান
  2. জেরাল্ড ফোর্ড
  3. জিমি কার্টার
  4. বিল ক্লিনটন
ব্যাখ্যা

পানামা খাল:
- পানামা খাল আনুষ্ঠানিকভাবে পানামার কাছে হস্তান্তর করা হয় মার্কিন প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টারের সময়ে।
- ১৯৭৭ সালে তৎকালীন পানামার জাতীয়তাবাদী নেতা ওমর তোরিজোস এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টার একটি চুক্তি সই করেন, এটা "তোরিজোস-কার্টার চুক্তি" নামে পরিচিত।

​উল্লেখ্য, 
- চুক্তি অনুযায়ী, পানামা খাল ১৯৯৯ সালের ৩১ ডিসেম্বর পানামার নিয়ন্ত্রণে আসে।
- পানামার কাছে হস্তান্তরের আগে খালটি দীর্ঘদিন যুক্তরাষ্ট্রের অধীনে ছিল এবং
- তারা সেখানে "ক্যানাল জোন" নামে একটি বিশেষ অঞ্চল পরিচালনা করত।
- পানামা খালের নিয়ন্ত্রণ ফেরানোর বিষয়টি পানামার জনগণের দীর্ঘদিনের আকাঙ্ক্ষা ছিল, যা এই চুক্তির মাধ্যমে বাস্তবায়িত হয়।
- খালটি বর্তমানে পানামা খাল কর্তৃপক্ষ দ্বারা পরিচালিত হয়।

সূত্র: প্রথম আলো ও ব্রিটানিকা।

৮৭.
In which year did the first human set foot on the moon?
  1. ক) 1957
  2. খ) 1965
  3. গ) 1968
  4. ঘ) 1969
ব্যাখ্যা
নীল আর্মস্ট্রং:
- মানুষ প্রথম চাঁদে পা রাখে ২০ জুলাই, ১৯৬৯ সালে
- যুক্তরাষ্ট্র চন্দ্রবিজয়ী বিশ্বের প্রথম ও এখন পর্যন্ত একমাত্র দেশ।
- এপোলো-১১ নামক চন্দ্রযানে করে নীল আর্মস্ট্রং ও এডউইন অলড্রিন চাঁদে অবতরণ করেন।

উৎস: ব্রিটানিকা.কম
৮৮.
ইনকা সভ্যতা গড়ে উঠেছিল কোন অঞ্চলে?
  1. পশ্চিম ইউরোপ
  2. উত্তর আমেরিকা
  3. দক্ষিণ আমেরিকা
  4. পশ্চিম আফ্রিকা
ব্যাখ্যা

ইনকা সভ্যতা:
- এটি দক্ষিণ আমেরিকার একটি প্রাচীন সভ্যতা।
- ইনকা সভ্যতা পেরুকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছিল।
- প্রশান্ত মহাসাগরীয় উপকূল এবং আন্দিজ পর্বতমালা বরাবর উত্তর ইকুয়েডর থেকে মধ্য চিলি পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল।
- ইনকা সভ্যতার ধ্বংসাবশেষ দেখা যায় পেরুর মাচু পিচুতে।
- স্থপতি: মানকো কাপেন।
- ভাষা: কেচুয়া

তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা।

৮৯.
ম্যাকমোহন লাইন কোন দুটি দেশকে আলাদা করে রেখেছে?
  1. চীন-ভারত
  2. পাকিস্তান-ভারত
  3. আফগানিস্তান-পাকিস্তান
  4. ভারত-বাংলাদেশ
ব্যাখ্যা

• ম্যাকমোহন লাইন: 
- ম্যাকমোহন লাইন হলো তিব্বত ও ভারতের উত্তরপূর্ব অঞ্চলের মাঝখান দিয়ে চলে যাওয়া একটি কূটনৈতিক সীমারেখা। 
- ১৯১৪ সালের সিমলা সম্মেলনে তৎকালীন ব্রিটিশ উপনিবেশের অ্যাডমিনিস্ট্রেটর স্যার হেনরি ম্যাকমোহনের তত্ত্বাবধানে তিব্বত ও ভারতের প্রতিনিধিদের মধ্যে এ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- তার নামানুসারে ম্যাকমোহন লাইনের নামকরণ করা হয়। 
- বর্তমানে এটি ভারত-চীন সীমান্তরেখা নামে বহুল পরিচিত। 
- কারণ, চীন বরাবরই তিব্বতকে নিজেদের অংশ হিসেবে দাবি করে আর মূলত এ নিয়েই দেশটির সঙ্গে তাদের বিরোধের সূত্রপাত। 
- পরবর্তী সময়ে ১৯৫০ সালে চীন তিব্বতকে পুরোপুরি দখল করে নেয় এবং তখন থেকে এখন পর্যন্ত দেশটি এ সীমান্তরেখাকে কখনো স্বীকৃতি দেয়নি।
- এ সংক্রান্ত বিরোধে চীন ও ভারত ১৯৬২ সালে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে।
- চীন ভারতের কিছু এলাকা দখল করে নেয়।
- পরবর্তীতে শান্তি চুক্তির মাধ্যমে তারা দখলকৃত অংশ ফিরিয়ে দেয়।

এছাড়া,
- ভারত-পাকিস্তানকে বিভক্ত করেছে লাইন অফ কন্ট্রোল।
- ভারত-বাংলাদেশকে বিভক্ত করেছে র‍্যাডক্লিফ লাইন।
- পাকিস্তান-আফগানিস্তানকে পৃথক করেছে ডুরাল্ড লাইন।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।

৯০.
বেনিতো মুসোলিনি কোন দেশের স্বৈরশাসক ছিলেন?
  1. ইতালি 
  2. জার্মানি
  3. ফ্রান্স
  4. সোভিয়েত ইউনিয়ন
ব্যাখ্যা

বেনিতো মুসোলিনি:
- বেনিতো মুসোলিনি ইতালির স্বৈরশাসক ছিলেন।
- বেনিতো মুসোলিনি বিশ শতকের ইউরোপে প্রথম ফ্যাসিবাদী একনায়কতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেন।

⇒ বেনিতো মুসোলিনি ছিলেন দ্বিতীয় মহাযুদ্ধ কালে ইতালির সর্বাধিনায়ক।
- একনায়কতন্ত্র ও স্বৈরশাসনকে সাংবিধানিক মর্যাদায় উন্নীত করা মুসোলিনি একজন রাজনৈতিক সাংবাদিকও ছিলেন।
- বেনিতো মুসোলিনির জন্ম ১৮৮৩ সালের ২৯ জুলাই।
- তিনি ছিলেন একজন বিপ্লবী সমাজতান্ত্রিক নেতা।
- ১৯২২ সালে বেনিতো মুসোলিনি নিজেকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ঘোষনা করেন।
- ১৯২২ থেকে ১৯৪৩ পর্যন্ত তিনি ইতালির প্রধানমন্ত্রীর পদে বহাল থাকেন।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে হিটলারের সঙ্গে বন্ধুত্ব করেন তিনি।
- মুসোলিনি ১৯৪০ সালে অক্ষশক্তির পক্ষে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে যোগদান করেন।
- ১৯৪৩ সালে সিসিলিতে ক্ষমতাচ্যুত হলে তাকে বন্দী করা হয়।
- বেনিতো মুসোলিনি ১৯৪৫ সালের ২৮ এপ্রিল মৃত্যুবরণ করেন।

উৎস: i) History.com
ii) BBC.

৯১.
সুমেরীয়রা বিশ্বের প্রথম কোন লিখন পদ্ধতি উদ্ভাবন করেছিল?
  1. হায়ারোগ্লিফ
  2. ল্যাটিন
  3. কিউনিফর্ম 
  4. সেরিফিক
ব্যাখ্যা

সুমেরীয় সভ্যতা (Sumerian Civilization): 
- সুমেরীয় সভ্যতা ছিল মেসোপটেমীয় সভ্যতার প্রথম পর্যায়।
- এবং মানব ইতিহাসের অন্যতম প্রথম সংগঠিত সভ্যতা।
- এটি মেসোপটেমিয়ার দক্ষিণ অংশে আনুমানিক  (বর্তমান দক্ষিণ ইরাক) খ্রিস্টপূর্ব ৪০০০ থেকে ৩০০০ অব্দের মধ্যে বিকশিত হয়েছিল।
-  প্রাচীন সুমের (Sumer) ছিল টাইগ্রিস এবং ইউফ্রেটিস নদীর মোহনার নিকটবর্তী নিম্নভূমি।
- কালক্রম: এর বিকাশ আনুমানিক খ্রিস্টপূর্ব ৪০০০ অব্দে শুরু হয় এবং খ্রিস্টপূর্ব ২০০০ অব্দ পর্যন্ত এর প্রভাব টিকে ছিল। [ব্রিটানিকা]
-  উরুক ছিল বিশ্বের প্রথম বড় শহরগুলোর মধ্যে অন্যতম।

• ঐতিহাসিক অর্জন ও অবদান
- লিখন পদ্ধতি (Cuneiform): সুমেরীয়রা বিশ্বের প্রথম লিখন পদ্ধতি 'কিউনিফর্ম' উদ্ভাবন করে।
- এটি নল খাগড়া দিয়ে ভেজা মাটির ফলকে খোদাই করে লেখা হতো।
- খ্রিস্টপূর্ব ৩৫০০ অব্দের দিকে তারা প্রথম চাকা (পটার’স হুইল বা কুমোরের চাকা) ব্যবহার শুরু করে, পরবর্তীতে এই ধারণা যানবাহনের চাকার বিকাশে ভূমিকা রাখে।
- আইন ও শাসন: তারা লিখিত আইনের প্রাথমিক ধারণা প্রদান করে।
- কৃষি প্রযুক্তি: সুমেরীয়রা অত্যন্ত উন্নত সেচ ব্যবস্থা এবং লাঙলের ব্যবহার শুরু করেছিল, যা মরুপ্রায় ভূমিকে শস্যভাণ্ডারে পরিণত করে।

• সাহিত্য: বিশ্বের প্রাচীনতম মহাকাব্য 'গিলগামেশ' (Epic of Gilgamesh) সুমেরীয় সংস্কৃতি থেকে উদ্ভূত।
- জিগুরাত: তারা তাদের প্রধান দেবতাদের সম্মানে বিশাল উঁচু মন্দির বা 'জিগুরাত' নির্মাণ করত।

উৎস: ব্রিটানিকা এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।

৯২.
নিচের কোন দেশটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে মিত্রশক্তির পক্ষ ছিল না?
  1. নেদারল্যান্ডস
  2. ইতালি
  3. ফ্রান্স
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ:
- ১৯৩৯ সালের ১ সেপ্টেম্বর জার্মানি কর্তৃক পোল্যান্ড আক্রমণের মাধ্যমে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে অক্ষশক্তির অন্তর্ভুক্ত ছিল,
• জার্মানি,
• জাপান,
• ইতালি।

- মিত্রশক্তির অন্তর্ভুক্ত ছিল,
• ব্রিটেন,
• ফ্রান্স,
• যুক্তরাষ্ট্র,
• সোভিয়েত ইউনিয়ন,
• চীন,
• পোল্যান্ড,
• নেদারল্যান্ডস প্রভৃতি দেশ।

- ৮ ডিসেম্বর, ১৯৪১ সালে যুক্তরাষ্ট্র দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সরাসরি যোগদান করে।
- ৭ মে ১৯৪৫ জার্মানি মিত্রবাহিনীর নিকট নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ করে।
- ২ সেপ্টেম্বর ১৯৪৫ জাপান কর্তৃক আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মসমর্পণের মাধ্যমে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটে।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ইতিহাসে প্রথমবারের মতো পারমাণবিক অস্ত্রের দুটি ব্যবহার হয়েছিল।
- তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন তথা রাশিয়ার নেতা বা প্রেসিডেন্ট ছিলেন জোসেফ স্ট্যালিন।
- যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন উইনস্টন চার্চিল।
- যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ছিলেন ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেল্ট ও হ্যারি এস. ট্রুম্যান।

তথ্যসূত্র - হিস্টোরি ও ব্রিটানিকা কম।
৯৩.
নীল নদ কোথায় পতিত হয়?
  1. ভারত মহাসাগর
  2. আটলান্টিক মহাসাগর
  3. লেক ভিক্টোরিয়া
  4. ভূ-মধ্যসাগর
ব্যাখ্যা

নীল নদ:
- নীল নদ আফ্রিকা মহাদেশে অবস্থিত।
- এটি পৃথিবীর দীর্ঘতম নদী।
- নীল নদের দৈর্ঘ্য ৬৬৫০ কি.মি।
- আফ্রিকার লেক ভিক্টোরিয়া নীল নদের উৎস ।
- বিভিন্ন দেশ হয়ে ভূ-মধ্যসাগরে নীল নদ পতিত হয়।
- নীলনদ ১১টি দেশের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।
- নীল নদের অববাহিকা মিশর, সুদান, দক্ষিণ সুদান, ইরিত্রিয়া, ইথিওপিয়া, কেনিয়া, কঙ্গো গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র, বুরুন্ডি, রুয়ান্ডা, উগান্ডা এবং তানজানিয়া জুড়ে বিস্তৃত।
- এই নদ দুটি উপনদী নিয়ে গঠিত: সাদা নীল এবং নীল নীল।

তথ্যসূত্র- Britannica.com & Worldatlas.com

৯৪.
আব্বাসী বংশ প্রতিষ্ঠিত হয় -
  1. ৭৫০ খ্রিঃ
  2. ৭৫৫ খ্রিঃ
  3. ৭৬০ খ্রিঃ
  4. ৭৬৫ খ্রিঃ
ব্যাখ্যা
আব্বাসী বংশ:

- আব্বাসীয় খিলাফতের নামকরণ হয়েছে মহানবী (সাঃ) এর চাচা আল-আব্বাসের নাম হতে।
- তাঁর নামানুসারে এই বংশের নামকরণ হয়েছে আব্বাসীয় বংশ।
- ৭৫০ খ্রিঃ ২য় জাবের যুদ্ধের মাধ্যমে দামেস্ক কেন্দ্রিক উমাইয়া বংশের পতন ঘটে এবং তদস্থলে প্রতিষ্ঠিত হয় আব্বাসীয় বংশ।
- শেষ যুগের খলিফাদের অযোগ্যতা, সুষ্ঠু উত্তরাধিকার নীতির অভাব, তুর্কী সেনাবাহিনীর উত্থান, স্বাধীন ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র আঞ্চলিক রাজবংশের উদ্ভব, বিভিন্ন জাতি, ধর্ম ও সম্প্রদায়ের মধ্যে দ্বন্দ্ব, অর্থনৈতিক সংকট ইত্যাদি নানা কারণে এই বংশের অধ:পতন নেমে আসে।
- অবশেষে মোঙ্গল সেনাপতি হালাগু খান ১২৫৮ সালে বাগদাদ নগরী ধ্বংস সাধন করেন এবং এর ফলে আব্বাসীয় বংশের পতন ঘটে।

তথ্যসূত্র - ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯৫.
'The God of Small Things' বইটি কার লিখা?
  1. ক) অরুন্ধতী রায়
  2. খ) সুচিত্রা ভট্টাচার্য্য
  3. গ) মহাশ্বেতা দেবী
  4. ঘ) অনিতা দেশাই
ব্যাখ্যা
In 1997 Arundhati Roy published her debut novel, The God of Small Things to wide acclaim. The semi-autobiographical work departed from the conventional plots and light prose that had been typical among best-sellers. [Source: Britannica]
৯৬.
সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙ্গে কয়টি রাষ্ট্রের জন্ম হয়?
  1. ১৬টি
  2. ১৪ টি
  3. ১৫ টি
  4. ১২টি
ব্যাখ্যা

সোভিয়েত ইউনিয়ন:
- ১৯১৭ সালে অক্টোবর বিপ্লবের পর ১৯২২ সালে পৃথিবীর প্রথম সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র সোভিয়েত ইউনিয়ন গঠিত হয়।
- ১৯৯১ সালের ২৬ ডিসেম্বর সোভিয়েত ইউনিয়নের বিলুপ্তি ঘটে।
- সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙে ১৫টি রাষ্ট্রের জন্ম হয়।
- সোভিয়েত ইউনিয়নের শেষ নেতা মিখাইল গর্বাচেভ, তাঁর পদত্যাগের মাধ্যমে সোভিয়েত ইউনিয়নের কার্যক্রম সম্পূর্ণরূপে সমাপ্ত হয়।

উল্লেখ্য,
- সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙে যে ১৫টি রাষ্ট্র গঠিত হয়: রাশিয়া, বেলারুশ, এস্তোনিয়া, লাটভিয়া, কিরগিজিস্তান,তাজিকিস্তান, আজারবাইজান, মলদোভা, আর্মেনিয়া, লিথুনিয়া, কাজাকিস্তান, উজবেকিস্তান, জর্জিয়া, ইউক্রেন ও তুর্কমেনিস্তান।

উৎস: Britannica.

৯৭.
প্রথম বিশ্বযুদ্ধে কোন দেশ কেন্দ্রীয় শক্তির অন্তর্ভুক্ত ছিল?
  1. জাপান
  2. তুরস্ক
  3. ইতালি
  4. যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
প্রথম বিশ্বযুদ্ধ:
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধ (১৯১৪-১৯১৮) ছিল একটি আন্তর্জাতিক সংঘর্ষ।
- এই যুদ্ধে ইউরোপের বেশিরভাগ দেশসহ রাশিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, মধ্যপ্রাচ্য এবং অন্যান্য অঞ্চল জড়িয়ে পড়ে।
- যুদ্ধে মুখোমুখি হয়েছিল দুটি পক্ষ— 
১. কেন্দ্রীয় শক্তি: মূলত জার্মানি, অস্ট্রিয়া-হাঙ্গেরি এবং তুরস্ক।
২. মিত্রশক্তি: মূলত ফ্রান্স, ব্রিটেন, রাশিয়া, ইতালি, জাপান এবং ১৯১৭ সাল থেকে যুক্তরাষ্ট্র।
- এই যুদ্ধ কেন্দ্রীয় শক্তির পরাজয়ের মাধ্যমে শেষ হয়।

- প্রথম বিশ্বযুদ্ধ ২০শ শতকের ভূরাজনৈতিক ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণ।
- এই যুদ্ধের ফলে চারটি বিশাল সাম্রাজ্যের পতন ঘটে—
১. জার্মান সাম্রাজ্য
২. রাশিয়ান সাম্রাজ্য
৩. অটোমান সাম্রাজ্য
৪. অস্ট্রো-হাঙ্গেরীয় সাম্রাজ্য

তথ্যসূত্র:- হিস্টোরি ডটকম এবং ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট। [লিঙ্ক]
৯৮.
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট অফিস কী নামে পরিচিত?
  1. ক) মার্লবোরো হাউস
  2. খ) ওভাল অফিস
  3. গ) ওয়াল স্ট্রিট
  4. ঘ) হোয়াইট হাউস
ব্যাখ্যা
যুক্তরাষ্ট্র:

- ওভাল অফিস নামে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট অফিস পরিচিত।
- হোয়াইট হাউস হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের সরকারি বাসভবন ও প্রধান প্রশাসনিক দপ্তরের নাম।
- যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টকে বহনকারী বিমানের নাম এয়ারফোর্স ওয়ান।
- ওয়াল স্ট্রিট হলো নিউইয়র্ক শহরের একটি প্রখ্যাত সড়ক।
- পৃথিবীর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিনিয়োগ বাজার নিউইয়র্ক স্টক এক্সচেঞ্জ এই সড়কে অবস্থিত।

তথ্যসূত্র - যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি ওয়েবসাইট।
৯৯.
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে অক্ষশক্তির অন্তর্ভুক্ত দেশ কোনটি?
  1. ইতালি
  2. যুক্তরাজ্য
  3. ফ্রান্স
  4. সোভিয়েত ইউনিয়ন
ব্যাখ্যা

• দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ:
- এটি ইতিহাসের সবচেয়ে বিধ্বংসী যুদ্ধ হিসেবে পরিচিত।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয় ১৯৩৯ সালের ১ সেপ্টেম্বর, যখন জার্মানি পোল্যান্ড আক্রমণ করে।
- আর শেষ হয় ১৯৪৫ সালের সেপ্টেম্বরে জাপানের আত্মসমর্পণের মাধ্যমে।
- এই আক্রমণের পর ফ্রান্স ও ব্রিটেন জার্মানির বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে।
- জার্মানি সোভিয়েত ইউনিয়নকে নিষ্ক্রিয় রাখতে অনাক্রমণ চুক্তি করে, আর পোল্যান্ডকে ধ্বংস করার চেষ্টা চালায়।
- ২য় বিশ্বযুদ্ধে অক্ষশক্তির মধ্যে ছিল: জার্মানি, জাপান ও ইতালি।
- আর মিত্রশক্তির মধ্যে ছিল: ব্রিটেন, ফ্রান্স, যুক্তরাষ্ট্র, সোভিয়েত ইউনিয়ন, চীন, পোল্যান্ড, নেদারল্যান্ডস, ইত্যাদি। 

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা। 

১০০.
যুক্তরাষ্ট্র কার কাছ থেকে স্বাধীনতা লাভ করে?
  1. ক) ব্রিটেন
  2. খ) ফ্রান্স
  3. গ) অস্ট্রেলিয়া
  4. ঘ) কানাডা
ব্যাখ্যা
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র:
আবিষ্কারক - ইতালিয়ান নাবিক কলম্বাস আমেরিকা আবিষ্কার করেন।
- স্বাধীনতা লাভ করে - ৪ জুলাই, ১৭৭৬ সালে যুক্তরাজ্য থেকে।
- যুক্তরাষ্ট্রে জাতীয় দিবস - ৪ জুলাই।
- অঙ্গরাজ্য - ৫০ টি।

- ইলেক্টোরাল ভোটের সংখ্যা - ৫৩৮ টি।
- প্রতিষ্ঠাকালীন অঙ্গরাজ্য - ১৩ টি।
-  সর্বশেষ অঙ্গরাজ্য -  হাওয়াই।
- পতাকায় তারকা সংখ্যা - ৫০ টি।’
- জনসংখ্যায় বৃহত্তম অঙ্গরাজ্য - ক্যালিফোর্নিয়া।

- আয়তনে বৃহত্তম অঙ্গরাজ্য -  আলাস্কা।
- আইনসভা - কংগ্রেস (দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট)।
- কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভ এবং উচ্চকক্ষ সিনেট পরিষদ।
- প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার জন্যে ন্যূনতম ২৭০টি ইলেক্টোরাল ভোটের প্রয়োজন হয়।
- যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান প্রেসিডেন্ট- জো বাইডেন (৪৬ তম)।
- প্রথম প্রেসিডেন্ট - জর্জ ওয়াশিংটন।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।