PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন
বাংলাদেশ ও বৈশ্বিক ভৌগলিক অঞ্চল, সীমানা, পারিবেশিক, আর্থ-সামাজিক ও ভূ-রাজনীতির গুরুত্ব
বাংলাদেশ ও বৈশ্বিক ভৌগলিক অঞ্চল, সীমানা, পারিবেশিক, আর্থ-সামাজিক ও ভূ-রাজনীতির গুরুত্ব
PrepBank · পাতা ৭ / ১৭ · ৬০১–৭০০ / ১,৬৩৯
উত্তর
ব্যাখ্যা
- 'পলল পাখা' জাতীয় ভূমিরূপ গড়ে উঠে পাহাড়ের পাদদেশে।
- পার্বত্য কোনো অঞ্চল থেকে হঠাৎ করে কোনো নদী যখন সমভূমিতে পতিত হয় তখন শিলাচূর্ণ, পলিমাটি প্রভৃতি পাহাড়ের পাদদেশে সমভূমিতে সঞ্চিত হয়ে ত্রিকোণ ও হাতপাখার ন্যায় ভূখণ্ডের সৃষ্টি হয়।
- এ কারণে এরূপ পললভূমিকে পলল কোণ বা পলল পাখা বলে।
উল্লেখ্য,
- যেসব অঞ্চলের মাটি অধিক পানি শোষণ করতে পারে সেখানে শিলাচূর্ণ বেশিদূর যেতে না পেরে পাহাড়ের পাদদেশে পলল কোণ সৃষ্টি করে।
- মাটির পানি শোষণ ক্ষমতা কম হলে সেক্ষেত্রে পলল পাখা ভূমিরূপ গঠিত হয়।
- হিমালয়ের পাদদেশে গঙ্গার বিভিন্ন উপনদীর গতিপথে পলল কোণ ও পলল পাখা জাতীয় ভূমিরূপ দেখা যায়।
উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• ডম্বুর বাঁধ:
- ত্রিপুরার রাজধানী আগরতলা থেকে সড়ক পথে প্রায় ১২০ কিলোমিটার দূরের ডম্বুর হ্রদ।
- “রাইমা আর সরমা' এই দুটি ছোট নদী ত্রিপুরার এই তীর্থমুখ হ্রদে এসে মিশেছে।
- সেখান থেকেই গোমতী নদীর উৎপত্তি।
- এই গোমতী নদীর উপর ডুম্বুর বাঁধ অবস্থিত।
- ডম্বুর বাঁধ বা গোমতী জলবিদ্যুৎ প্রকল্প ১৯৭৪ সালে নির্মাণ করা হয়।
⇒ মূলত ত্রিপুরা রাজ্যকে বন্যা থেকে সুরক্ষা প্রদান এবং ডুম্বুর জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের অধীনে বিদ্যুত সরবরাহ নিশ্চিত করতে ১৯৭০-এর দশকে গোমতি নদীর উপর ডম্বুর বাঁধ নির্মাণ করা হয়।
⇒ ২০২৪ সালের আগস্ট মাসে, দীর্ঘ ৩১ বছর পর ভারী বর্ষণের কারণে ডম্বুর বাঁধের জলাধারের পানির স্তর অত্যন্ত বৃদ্ধি পায়।
- এই অতিরিক্ত পানি নিয়ন্ত্রণ করার জন্য এবং বাঁধের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাধ্য হয়ে কর্তৃপক্ষ ডুম্বুর বাঁধের গেট খুলে দেয়।
- এই পদক্ষেপটি নেওয়া হয়েছিল যাতে বাঁধের উপর অতিরিক্ত চাপ না পড়ে এবং বড় ধরনের বিপর্যয় এড়ানো যায়।
- গোমতী নদী ত্রিপুরা থেকে প্রবাহিত হয়ে বাংলাদেশের কুমিল্লা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, এবং আশেপাশের অঞ্চলে প্রবেশ করে।
- বাঁধের গেট খোলার পর অতিরিক্ত পানি বাংলাদেশের এই অঞ্চলে প্রবাহিত হয়, যা আকস্মিক বন্যার সৃষ্টি করে।
- এর ফলে নিম্নাঞ্চলের গ্রাম, ফসলের মাঠ এবং সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
তথ্যসূত্র: BBC বাংলা ও India Water Portal (Link)
উত্তর
ব্যাখ্যা
- বর্তমানে বাংলাদেশে কার্যকর বিভাগ সংখ্যা ৮টি।
- জেলার সংখ্যা ৬৪টি।
- যার ৬ বিভাগের সাথে আন্তর্জাতিক সীমান্ত থাকলেও, ঢাকা ও বরিশাল বিভাগের সাথে কোনো আন্তর্জাতিক সীমান্ত নেই।
- কিন্তু ভারত ও মিয়ানমার উভয় দেশের সাথে বাংলাদেশের ৩২টি জেলার সীমান্ত রয়েছে।
- ভারতের সাথে ৩০টি এবং মিয়ানমারের সাথে ৩টি।
- রাঙামাটি জেলার সাথে ভারত ও মিয়ানমার উভয় দেশের সীমানা রয়েছে।
উৎস: বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ ওয়েবসাইট।
উত্তর
ব্যাখ্যা
আলুটিলা গুহা:
- খাগড়াছড়ি জেলার মাটিরাঙ্গা উপজেলায় আলুটিলার সবচেয়ে আকষীয় স্থান হচ্ছে পাহাড়ের পাদদেশে রহস্যময় এক গুহা।
- প্রকৃতির অপরূপ সৃষ্টি বিশাল ওই গুহাটি পাহাড়কে একপাশ থেকে অন্য পাশ পযন্ত ভেদ করেছে।
- ঘুটঘুটে অন্ধকার এই গুহার ওপর থেকে ঝিরঝির করে পড়ে পানি।
- গুহার ভিতর ঢুকতে হলে মশাল জ্বালিয়ে যেতে হয়।
- পর্যটন কেন্দ্রেই ৫ থেকে ১০ টাকা দিয়ে পাওয়া যায় মশাল।
- গা ছমছম করা অনুভূতি নিয়ে পাহাড়ি সুরঙ্গ পথ বেয়ে নামতে নামতে মনে হবে আপনি যেন পাতালে চলে যাচ্ছেন।
- পাহাড়ের পাদদেশ থেকে গুহার মুখ পযন্ত যেতে এক সময় দর্শনাথীদের অনেক কষ্ট করতে হতো।
- তবে জেলা পরিষদ সেখানে পাকা সিঁড়ি নির্মাণ করায় এখন পাহাড়ের চূড়া থেকে ২৬৬ টি সিড়ি বেয়ে চলে যাওয়া যায় নিচে।
- আলুটিলা সুরঙ্গের দৈঘ্য প্রায় ২৮২ ফুট।
উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
উত্তর
ব্যাখ্যা
চতুষ্পার্শেতর প্লাবনভূমি থেকে পৃথক এই ভূ-প্রকৃতি পুরাতন পলল গঠিত একটি ভূমিরূপ হিসেবে দীর্ঘ সময় থেকেই স্বীকৃত।
ভূ-প্রাকৃতিক এই একক পূর্বে করতোয়া নদী দ্বারা, পশ্চিমে মহানন্দা নদী দ্বারা এবং দক্ষিণে গঙ্গা নদীর উত্তর পাড় দ্বারা সীমাবদ্ধ।
বরেন্দ্রভূমির পূর্ব প্রান্তে একটি চ্যুতির অবস্থান সুস্পষ্ট এবং চ্যুতিখাদ বরাবর ছোট যমুনা, আত্রাই এবং পুনর্ভবা নদী প্রবাহিত হচ্ছে।
এই ভূ-প্রাকৃতিক এককের পশ্চিমাংশ আনত এবং পশ্চিম প্রান্তের অংশবিশেষ অবশিষ্ট ভূ-ভাগ এবং পার্শ্ববর্তী মহানন্দা প্লাবনভূমি থেকে ১৫ মিটারেরও অধিক উঁচু।
বৃহত্তর দিনাজপুর, রংপুর, পাবনা, রাজশাহী ও বগুড়া জেলা জুড়ে বরেন্দ্রভূমি বিস্তৃত।
উৎস: বাংলা পিডিয়া
উত্তর
ব্যাখ্যা
উত্তর
ব্যাখ্যা
- সর্বমোট সীমারেখা- ৪,৭১১ কি.মি. [BGB'র তথ্য মতে ৫,১৩৮ কি.মি.]
- স্থলসীমা: ভারত-বাংলাদেশ ৩,৭১৫ কি.মি. ও মায়ানমার-বাংলাদেশ ২৮০ কি.মি. [BGB: ৪,১৫৬ কি.মি. ও ২৭১ কি.মি.]
- জলসীমা বা উপকূলীয় সীমানা- ৭১৬ কি.মি. [BGB: ৭১১ কি.মি.]
- বাংলাদেশের সবচেয়ে উত্তরের স্থানের নাম বাংলাবান্ধা (পঞ্চগড়)।
- সবচেয়ে দক্ষিণের স্থান ছেঁড়া দ্বীপ (সেন্টমার্টিন)।
- সবচেয়ে পূর্বের স্থান আখাইনঠং (বান্দরবান) এবং
- সবচেয়ে পশ্চিমের স্থান মনাকশা (চাঁপাইনবাবগঞ্জ)।
উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ: নবম-দশম শ্রেণি ও বাংলাপিডিয়া।
উত্তর
ব্যাখ্যা
ঢাকা এ পর্যন্ত ৫ বার বাংলার রাজধানী হয়।
যথা:
১. ১৬১০ সালে, স্থানান্তরকারী - সুবেদার ইসলাম খান।
২. ১৬৬০ সালে, স্থানান্তরকারী - সুবেদার মীর জুমলা।
৩. ১৯০৫ সালে, স্থানান্তরকারী - লর্ড কার্জন।
৪. ১৯৪৭ সালে, স্থানান্তরকারী - পাকিস্তান সরকার।
৫. ১৯৭১ সালে, স্থানান্তরকারী - বাংলাদেশ সরকার।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• আমাজান বন:
- পৃথিবীর সবচেয়ে বড় গ্রীষ্মমণ্ডলীয় রেইনফরেস্ট, যা প্রায় ৫.৫ মিলিয়ন বর্গকিমি জুড়ে বিস্তৃত।
- এটি দক্ষিণ আমেরিকার ৯টি দেশ জুড়ে বিস্তৃত, যার মধ্যে ব্রাজিলে প্রায় ৬০% অংশ রয়েছে।
- এখানে ৪০,০০০+ উদ্ভিদ, ১,৩০০+ পাখি, ৪০০+ স্তন্যপায়ী, এবং ৩৭৮ প্রজাতির উভচর প্রাণীর আবাস।
- এটিকে "পৃথিবীর ফুসফুস" বলা হয়, কারণ এটি বিশাল পরিমাণে অক্সিজেন উৎপন্ন করে এবং কার্বন ডাই-অক্সাইড শোষণ করে।
- বন উজাড়, কৃষিকাজ, খনি ও অবৈধ লোগিংয়ের কারণে আমাজান বন গুরুতর হুমকির মুখে রয়েছে।
- আমাজান বন বিশ্বের জলবায়ু ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে, বিশেষ করে বৃষ্টিপাত নিয়ন্ত্রণে।
উৎস: worldrainforests.com
উত্তর
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের সবচেয়ে উঁচু এবং বৃহত্তম পাহাড় ময়মনসিংহের গারো পাহাড়।
- গারো পাহাড় বাংলাদেশের উত্তর পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত, পূর্ব-পশ্চিম বরাবর বিস্তৃত একটি পর্বতশ্রেণী।
- গারো পাহাড় মূলত পূর্ব গারো পাহাড়, পশ্চিম গারো পাহাড় এবং দক্ষিণ গারো পাহার এই তিনটি অঞ্চলে বিভক্ত।
- এর ভৌগোলিক অবস্থান ৮৯°৫০´ পূর্ব হতে ৯০°৫০´ পূর্ব অক্ষাংশ এবং ২৮°০৮´ উত্তর হতে ২৬°০১´ উত্তর দ্রাঘিমাংশে এর আয়তন প্রায় ৮১৬৭ বর্গ কিলোমিটার।
- বাংলাদেশের ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা, কিশোরগঞ্জ জেলাসমূহ গারো পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত এবং এই অঞ্চলসমূহ এই পাহাড়ের পাদদেশীয় পালিজ সমৃদ্ধ।
- বাংলাদেশের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ হচ্ছে তাজিংডং।
- এটি বিজয় নামেও পরিচিত।
- স্থানীয় ভাষায় তাজিং অর্থ বড় আর ডং অর্থ পাহাড়। একত্রে বড় পাহাড় বা তাজিংডং।
- তাজিংডং বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় বান্দরবানের রুমা উপজেলার রেমাক্রী পাংশা ইউনিয়নে সাইচল পর্বতসারিতে অবস্থিত।
তাজিংডং এর উচ্চতা:
- ১২৩১ মি. বা ৪০৩৯ ফুট [সূত্র: মাধ্যমিক ভূগোল]।
- ১৩৭২ মি. বা ৪৫০০ ফুট [সূত্র: বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশন]।
- ১০০৩ মিটার [সূত্র: জেলা প্রশাসক কার্যালয়, বান্দরবান]।
- বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ কেওক্রাডং (রুমা, বান্দরবান)।
- বাংলাদেশের সবচেয়ে উচু পাহাড় হচ্ছে গারো পাহাড়।
নিম্নে পাহাড় ও পর্বতের মধ্যকার পার্থক্য নিম্নে দেওয়া হলো -
পাহাড় (Hill)
সমুদ্রতল থেকে ৬০০-১০০০ মিটার উঁচু স্বল্প বিস্তৃত শিলাস্তূপ পাহাড় নামে পরিচিত। পর্বতের তুলনায় পাহাড় নিচু ও কম আয়তনের হয়। যেমন—গারো পাহাড়, রাজা পাহাড় ও চন্দ্রনাথ পাহাড়।
পর্বত (Mountain)
সমুদ্রতল থেকে অন্তত ১০০০ মিটারের বেশি উঁচু সুবিস্তৃত ও খাড়া ঢালবিশিষ্ট শিলাস্তূপ পর্বত নামে পরিচিত। পর্বতের উচ্চতা সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে কয়েক হাজার মিটার হতে পারে। যেমন—কিলিমানজারো ও হিমালয় পর্বতমালা।
তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ নবম দশম শ্রেণি এবং প্রথম আলো আর্কাইভ, কালেরকণ্ঠ , সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের মোট সীমানারেখা - ৪,৭১১ কিলোমিটার
- ভারতের সাথে বাংলাদেশের মোট সীমানা রেখা - ৩৭১৫ কিলোমিটার
- বাংলাদেশে - মিয়ানমারের সীমানা রেখা - ২৮০ কিলোমিটার
- বাংলাদেশের বন অঞ্চলের আয়তন- ২১,৬৫৭ কিলোমিটার
- বাংলাদেশের টেরিটোরিয়াল সমুদ্রসীমা - ১২ নটিক্যাল মাইল।
- বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সমুদ্রসীমা - ২০০ নটিক্যাল মাইল।
- বাংলাদেশের উপকূলীয় সমুদ্রসীমা - ৩৫০ নটিক্যাল মাইল।
- উপকূলীয় সমুদ্রসীমার ভৌগলিক নাম - মহীসোপান
উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ - নবম ও দশম শ্রেণি
উত্তর
ব্যাখ্যা
প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ :
- আনুমানিক প্রায় ২৫,০০০ বছর পূর্বের সময়কে প্লাইস্টোসিনকাল বলে।
- এ অঞ্চলের মাটির রং লাল ও ধূসর।
- বরেন্দ্রভূমি, মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় এবং কুমিল্লা জেলার লালমাই পাহাড় বা উচ্চভূমি এর অন্তর্ভুক্ত।
- প্লাইস্টোসিনকালে এসব উচ্চভূমি গঠিত হয়েছিল বলে ধারণা করা হয়।
• ক) বরেন্দ্রভূমি:
- বরেন্দ্রভূমি রাজশাহী বিভাগের নওগাঁ, রাজশাহী, বগুড়া, জয়পুরহাট এবং রংপুর বিভাগের গাইবান্ধা, রংপুর ও দিনাজপুর জেলার অংশবিশেষ নিয়ে গঠিত।
- এর আয়তন ৯,৩২০ বর্গকিলোমিটার।
- প্লাবন সমভূমি থেকে এর উচ্চতা ৬ থেকে ১২ মিটার।
- এটি প্লাইস্টোসিন যুগের সর্ববৃহৎ উঁচুভূমি।
- বর্তমানে বরেন্দ্র বহুমুখী সেচ প্রকল্প এবং আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি ব্যবহার করে এ অঞ্চলটিকে কৃষিকাজের জন্য বিশেষ উপযোগী করা হয়েছে।
• খ) মধুপুর ও ভাওয়ালের গড়:
- টাঙ্গাইল ও ময়মনসিংহ জেলার মধুপুর এবং গাজীপুর জেলার ভাওয়ালের গড় নিয়ে এলাকাটি গঠিত।
- মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় প্লাইস্টোসিন যুগের দ্বিতীয় বৃহত্তম উঁচুভূমি।
- সমভূমি থেকে এর গড় উচ্চতা প্রায় ৩০ মিটার এবং আয়তন ৪,১০৩ বর্গকিলোমিটার।
- এখানকার মৃত্তিকা কৃষিকাজের জন্য তেমন উপযোগী নয়। এটি দেশের গজারী বৃক্ষের কেন্দ্র হিসাব পরিচিত।
• গ) লালমাই পাহাড়:
- কুমিল্লা শহর থেকে ৮ কিলোমিটার পশ্চিমে লালমাই থেকে ময়নামতি পর্যন্ত এ পাহাড়টি বিস্তৃত।
- এর আয়তন প্রায় ৩৪ বর্গকিলোমিটার এবং গড় উচ্চতা ২১ মিটার।
- এ পাহাড়ের মাটি লাল এবং নুড়ি, বালি ইত্যাদি দ্বারা গঠিত।
উল্লেখ্য,
- 'বারেক টিলা' টারশিয়ারি যুগের পাহাড়।
উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• উপকূলীয় বন:
- অবস্থান: নোয়াখালী, লক্ষীপুর, ভোলা, পটুয়াখালী, বরগুনা, পিরোজপুর, চট্টগ্রাম এবং কক্সবাজার জেলার উপকূলীয় এলাকা।
- পরিমাণ: এ বনের আয়তন ২ লক্ষ হেক্টর যা দেশের আয়তনের ১.৩৬%।
- বাংলাদেশ বন বিভাগ উপকূলীয় চরাঞ্চলে সফল বনায়ন পদ্ধতির উদ্ভাবক।
- বন বিভাগ ষাটের দশক থেকে উপকূলীয় জেগে ওঠা চরে বনায়ন শুরু করেছে।
- উপকূলীয় চর বনায়ন প্রক্রিয়া বনজ সম্পদ সৃষ্টির পাশাপাশি উপকূলবাসীকে প্রাকৃতিক দুর্যোগের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে সুরক্ষা এবং সাগর থেকে ভূমি জেগে ওঠার প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করছে ।
তথ্যসূত্র: বন অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- ভারতের মোট ৫ টি রাজ্যের সাথে বাংলাদেশে সীমান্ত রয়েছে।
রাজ্যগুলো হলো:
- পশ্চিমবঙ্গ,
- ত্রিপুরা,
- মেঘালয়,
- মিজোরাম এবং
- আসাম।
- পশ্চিমে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ,
- উত্তরে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, মেঘালয় ও আসাম,
- পূর্বে ভারতের আসাম, ত্রিপুরা, মিজোরাম এবং মায়ানমার,
- বাংলাদেশের দক্ষিণে রয়েছে বঙ্গোপসাগর।
উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলা- ৩২টি।
- ভারতের সাথে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলা- ৩০টি।
- মিয়ানমারের সাথে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলা- ৩টি।
উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন এবং ওয়ার্ল্ড এটলাস।
উত্তর
ব্যাখ্যা
আফ্রিকা মহাদেশের আয়তন ৩০৩৭০০০০ বর্গ কিলোমিটার।
এশিয়া মহাদেশের আয়তন ৪৪৫৭৯০০০ বর্গ কিলোমিটার।
ইউরোপ মহাদেশের আয়তন ১০১৮০০০০ বর্গ কিলোমিটার।
ওশেনিয়া মহাদেশের আয়তন ৮৫২৫৯৮৯ বর্গ কিলোমিটার।
উৎসঃ অষ্টম শ্রেণীর বোর্ড বই (বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়)
উত্তর
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ পৃথিবীর বৃহত্তম ব-দ্বীপ।
- ভোলা বাংলাদেশের বৃহত্তম প্রাচীন গাঙ্গেয় ব-দ্বীপ।
- জেলা হিসেবে স্বীকৃতি পায় ১৯৮৪ সালে।
- নোয়াখালী জেলার অধিনে sub division হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছিল ১৮৪৫ সালে।
- বর্তমান ভোলা জেলাতে ৭ টি উপজেলা, ৭০ টি ইউনিয়ন রয়েছে।
এছাড়াও,
- বঙ্গোপসাগরে অবস্থিত বাংলাদেশের একমাত্র সামুদ্রিক প্রবাল দ্বীপ সেন্ট মার্টিন।
- এর স্থানীয় নাম নারিকেল জিঞ্জিরা।
[বাংলাদেশের বৃহত্তম ব-দ্বীপ সুন্দরবন। অপশনে সুন্দরবন না থাকায় অধিক গ্রহনযোগ্য হিসেবে ভোলা উত্তর নেওয়া হয়েছে।]
সূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।[লিঙ্ক]
উত্তর
ব্যাখ্যা
- গ্রিনিচ মানমন্দির যুক্তরাজ্যের লন্ডন শহরে অবস্থিত।
- এর উপর দিয়ে মূল মধ্যরেখা বা শূন্য ডিগ্রী দ্রাঘিমারেখা গিয়েছে।
- ১৮৮৪ সালের ১ নভেম্বর জিএমটি আন্তর্জাতিকভাবে প্রমাণ সময় হিসেবে গৃহিত হয় ৷
- তবে ১৯৭২ সালে GMT এর পরিবর্তে আন্তর্জাতিক প্রমাণ সময় হিসেবে UTC (Coordinated Universal Time) গৃহিত হয়।
- গ্রিনিচ মানমন্দির অফিসিয়াল টাইম জোন হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- বাংলাদেশের সাথে যুক্তরাজ্যের গ্রিনিচ মানমন্দিরের সময়ের পার্থক্য +৬ ঘন্টা।
- অর্থাৎ, ৬ ঘন্টা আগে।
- পৃথিবীতে প্রতি ডিগ্রি দ্রাঘিমার জন্যে সময়ের পার্থক্য হয় ৪ মিনিট করে।
- সেজন্যে বাংলাদেশ মূল মধ্যরেখা বা গ্রিনিচ মানমন্দির থেকে ৯০ ডিগ্রি পূর্বদিকে অবস্থিত হওয়ায় বাংলাদেশের সাথে গ্রিনিচের সময়ের পার্থক্য ৯০ x ৪ = ৩৬০ মিনিট বা ৬ ঘন্টা।
- গ্রিনিচের পূর্ব দিকে অবস্থিত স্থানগুলোর সময় গ্রিনিচের থেকে এগিয়ে থাকে।
উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের প্রধান নদ হলো ব্রহ্মপুত্র।
- প্রাচীন কালে এর নাম ছিল লৌহিত্য।
- হিমালয়ের উত্তরে মানস সরোবর থেকে উৎপন্ন হয়ে দেওয়ানগঞ্জের পাশ দিয়ে, শেরপুর ও জামালপুরের ভেতর দিয়ে, মধুপুর গড়ের পাশ দিয়ে ময়মনসিংহ জেলাকে দুভাগে ভাগ করে ঢাকা জেলার সোনারগাঁ পর্যন্ত প্রবাহিত।
- ঢাকা জেলার উত্তরে ব্রহ্মপুত্রের একটি শাখানদী হলো শীতলক্ষা।
- ব্রহ্মপুত্রের পশ্চিমদিক দিয়ে ব্রহ্মপুত্রেরই সমান্তরালে প্রবাহিত হয়ে শীতলক্ষা বর্তমান ঢাকার দক্ষিণে নারায়ণগঞ্জের কাছে এসে ধলেশ্বরীর সঙ্গে মিলিত হয়েছে।
- আজ এর ধারা ক্ষীণ হলেও উনিশ শতকের গোড়াতেও লক্ষ্মা বেগবতী নদী ছিল।
তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
♦ পর্বত:
- ভূ-পৃষ্ঠের অতি উচ্চ, সুবিস্তৃত এবং খাড়া ঢাল বিশিষ্ট শিলাস্তুপকে পর্বত বলে।
- পর্বত সাধারণত ৬০০ মিটারের বেশি উচ্চতা সম্পন্ন হয়।
- তবে পর্বতের উচ্চতা সমুদ্র সমতল থেকে কয়েক হাজার মিটার পর্যন্ত হতে পারে।
- কোনো কোনো পর্বত বিচ্ছিন্নভাবে অবস্থান করে, যেমন- পূর্ব আফ্রিকার কিলিমানজারো।
- পর্বত গঠনের প্রক্রিয়াকে ওরোজেনেসিস (Orogenesis) বলে।
- পৃথিবীর প্রতিটি পর্বত দেখতে বাহ্যিকভাবে স্বতন্ত্র হলেও উৎপত্তিগত ও গঠন প্রকৃতির দিক দিয়ে এদের বিভিন্ন শ্রেণিতে বিভক্ত করা যায়।
- উৎপত্তিগত বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে পর্বতকে ৪ ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
• ভঙ্গিল পর্বত,
• আগ্নেয় পর্বত,
• চ্যুতি-স্তূপ পর্বত,
• উত্থিত ক্ষয়জাত পৰ্বত।
⇒ ভঙ্গিল পর্বত:
- পাললিক শিলাস্তর আনুভূমিক আলোড়ন বা মহাদেশীয় পর্বতের সংকোচনের ফলে কুঞ্চিত হয়ে ঢেউয়ের আকারে যে পর্বত সৃষ্টি হয় তাকে ভঙ্গিল পর্বত বলে।
- চার ধরনের পর্বতের মধ্যে ভঙ্গিল পর্বত সৰ্বাধিক বিস্তৃত।
- অভিসারী প্লেট সীমানায় সংকোচনজনিত চাপে এ ধরনের পর্বত গঠিত হয় বলে এর শিলা কাঠামো ভাঁজ ও চ্যুতিযুক্ত।
- ভঙ্গিল পর্বত সাধারণত পাললিক শিলা দ্বারা গঠিত। যেমন:
• এশিয়ার হিমালয়,
• দক্ষিণ আমেরিকার আন্দিজ,
• উত্তর আমেরিকার রকি এবং
• ইউরোপের আল্পস পর্বতমালা।
তথ্যসূত্র - ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• ‘টেংরাগিরি বনাঞ্চল’ :
- বরগুনার তালতলী উপজেলা থেকে পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সৈকত পর্যন্ত বিস্তৃত এই বন।
- বন বিভাগের খাতায় ‘টেংরাগিরি বনাঞ্চল’ হলেও স্থানীয়ভাবে এটি ‘ফাতরার বন’ নামে পরিচিত।
- ১৯৬৭ সালে এই নামকরণ করা হয়।
- দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম শ্বাসমূলীয় বন টেংরাগিরি বনাঞ্চল।
- তখনকার হিসাব অনুযায়ী, বরগুনার বঙ্গোপসাগরের তীর ঘেঁষে চোখজুড়ানো এই বনের আয়তন ১৩ হাজার ৬৪৪ একর।
- ১৯২৭ সালের জরিপ অনুযায়ী, ১৯৬০ সালের ১২ জুলাই তৎকালীন সরকার এটিকে সংরক্ষিত বনাঞ্চল ঘোষণা করে।
- লবণাক্ত ও মিষ্টি মাটির অপূর্ব মিশ্রণের কারণে এই বনে গেওয়া, জাম, ধুন্দল, কেওড়া, সুন্দরী, বাইন, করমচা, বলই কেওয়া, গরানগাছের - সমারোহ। এখানে বসত গড়েছে হাজারো প্রজাতির প্রাণী।
- অনাবিল প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও বন্য প্রাণীর অভয়ারণ্য হওয়ায় এখানে গড়ে উঠেছে সোনাকাটা ইকোপার্ক পর্যটনকেন্দ্র।
- কিন্তু একের পর এক গাছের মৃত্যু প্রকৃতি ও মানুষের এসব আয়োজনকে ভন্ডুল করতে বসেছে।
উৎস: প্রথম আলো এবং জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• উত্তর গোলার্ধে ধ্রুবতারা (Polaris)-এর উন্নতি কোণ সরাসরি সেই স্থানের অক্ষাংশ নির্দেশ করে।
- অর্থাৎ ধ্রুবতারার যে কোণে দেখা যায়, সেই কোণই হলো ঐ স্থানের অক্ষাংশ।
- তাই যদি ধ্রুবতারার উন্নতি কোণ ৪০° হয়, তবে স্থানের অক্ষাংশও হবে ৪০° উত্তর।
---------------------------------------------------
• অক্ষাংশ নির্ণয়:
- অক্ষাংশ নির্ণয়ের পদ্ধতি একটি ভিন্ন প্রাকৃতিক নীতির উপর ভিত্তি করে।
- অক্ষাংশ নির্ণয় করা হয় সূর্য বা নক্ষত্রের উন্নতি কোণ (উচ্চতা) ব্যবহার করে।
- দুপুরে যখন সূর্য আকাশে সর্বোচ্চ অবস্থানে থাকে, তখন সেক্সট্যান্ট যন্ত্রের সাহায্যে সূর্যের উচ্চতা মাপা হয় এবং সেই মান থেকে ৯০° বিয়োগ করে (প্রয়োজনে বিষুবলম্ব যোগ বা বিয়োগ করে) অক্ষাংশ নির্ণয় করা হয়।
- আবার উত্তর গোলার্ধে ধ্রুবতারার উন্নতি কোণ সরাসরি সেই স্থানের অক্ষাংশ নির্দেশ করে।
- যেমন, কোনো স্থানে যদি ধ্রুবতারা ২৩° কোণে দেখা যায়, তবে ঐ স্থানের অক্ষাংশ ২৩° উত্তর।
- নিরক্ষরেখায় ধ্রুবতারা ০° এবং উত্তর মেরুতে ৯০° কোণে দেখা যায়।
উৎস: মানচিত্র পঠন ও ব্যবহার, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের বনজ সম্পদ:
- বনভূমি থেকে যে সকল সম্পদ পাওয়া যায় তাকে বনজ সম্পদ বলে।
- যে কোনো দেশের প্রাকৃতিক ভারসাম্য এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য মোট ভূমির ২৫ ভাগ বনভূমি থাকা প্রয়োজন।
- মাটির গুণাগুণ ও জলবায়ুর তারতম্যের কারণে বাংলাদেশের বনভূমিকে তিনটি শ্রেণিতে ভাগ করা যায়।
- যথা :
১. ক্রান্তীয় পাতাঝরা গাছের বনভূমি।
২. ক্রান্তীয় চিরহরিৎ এবং পাতাঝরা গাছের বনভূমি।
৩. স্রোতজ বনভূমি বা সুন্দরবন।
উৎস: i) বন অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
ii) ভূগোল ও পরিবেশ, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- ভূপ্রকৃতি অনুযায়ী বাংলাদেশকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। এগুলো হলো:
• টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ,
• প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ এবং
• সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি।
• সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি:
- দেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পার্বত্য ভূমি এবং উত্তর পূর্বাঞ্চলের কিছু পাহাড়ি এলাকা ব্যতীত সমগ্র দেশ সাম্প্রতিককালের নদী বিধৌত পলি দ্বারা গঠিত।
- সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি অঞ্চলটি পদ্মা, ব্রহ্মপুত্র, যমুনা, মেঘনা প্রভৃতি নদ-নদী ও এদের উপনদী, শাখানদী বাহিত পলিমাটি দ্বারা গঠিত।
- বাংলাদেশের বৃহত্তম এ এলাকার নদীগুলো প্রায়ই গতি পরিবর্তনের কারণে নতুন নতুন পললভূমি গঠিত হতে দেখা যায়।
- এ সমভূমির গড় উচ্চতা প্রায় ৯ মিটার।
⇒ দেশের সমগ্র সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি অঞ্চলটি একই ধরনের নয় বলে একে আবার নিম্নলিখিত কয়েকটি অঞ্চলে ভাগ করে আলোচনা করা যায়। যথা:
ক) কুমিল্লার বা ত্রিপুরার সমভূমি,
খ) পাদদেশীয় পলল সমভূমি,
গ) সিলেট অববাহিকা,
ঘ) গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র-মেঘনার প্লাবন সমভূমি,
ঙ) ব-দ্বীপ।
⇒ গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র-মেঘনার প্লাবন সমভূমি:
- বৃহত্তর ঢাকা, কুমিল্লা, ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল, পাবনা ও রাজশাহী অঞ্চলের অংশ বিশেষ নিয়ে এ প্লাবন সমভূমি গঠিত।
- এই অঞ্চলেও বেশ কিছু বিল ও হাওড় আছে।
- বাংলাদেশের বৃহত্তম বিল 'চলনবিল' এই এলাকাতে অবস্থিত।
- এ অঞ্চলের অধিকাংশ স্থানই বর্ষার সময় পানিতে প্লাবিত হয়।
উৎস: ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
গ্র্যান্ড ক্যানিয়ন:
- বিখ্যাত গিরিখাত গ্রান্ড ক্যানিয়ন উত্তর আমেরিকা মহাদেশে অবস্থিত।
- গ্রান্ড ক্যানিয়ন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের উত্তর-পশ্চিম অ্যারিজোনার কলোরাডো উচ্চ মালভূমি অঞ্চলে অবস্থিত।
- এই গিরিখাতের মধ্য দিয়ে কলোরাডো নদী বয়ে গেছে।
- এটি এর চমৎকার আকার এবং রঙের জন্য বিখ্যাত।
- গ্র্যান্ড ক্যানিয়ন মূলত অনুভূমিক স্তরযুক্ত শিলা এবং লাভা প্রবাহ নিয়ে গঠিত।
- গ্র্যান্ড ক্যানিয়নে অনেক উপনদীর পাশের গিরিখাত এবং পার্শ্ববর্তী মালভূমিও রয়েছে।
উল্লেখ্য,
⇒ কলোরাডো মালভূমি:
- কলোরাডো মালভূমি উত্তর আমেরিকাঞ্চলে অবস্থিত।
- এটি বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের চারটি রাজ্য কলোরাডো, নিউ মেক্সিকো, ইউটা এবং অ্যারিজোনাতে বিস্তৃত।
- এই মালভূমিটি অত্যন্ত ঐতিহাসিক এবং ভূগোলিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এখানে বহু জাতীয় উদ্যান, যেমন গ্র্যান্ড ক্যানিয়ন, আর্চস, ক্যাটেড্রাল ভ্যালি এবং মেসা ভার্ডে অবস্থিত।
- এটি পাদদেশীয় মালভূমি।
- কলোরাডো মালভূমিতে সর্বাপেক্ষা দীর্ঘ ও গভীর গিরিখাতটির নাম গ্র্যান্ড ক্যানিয়ন।
উৎস: Britannica.
উত্তর
ব্যাখ্যা
• সোনাদিয়া দ্বীপ:
- কক্সবাজার শহর থেকে প্রায় ৭ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে সোনাদিয়া দ্বীপটি অবস্থিত।
- আয়তন: প্রায় ৯ বর্গকিলোমিটার
- মহেশখালীর দক্ষিণ-পশ্চিমে বঙ্গোপসাগরের কুল ঘেঁষে সোনাদিয়ার অবস্থান।
- সোনাদিয়া দ্বীপটি মহেশখালীর কুতুবজোম ইউনিয়নে অবস্থিত।
- ভূতত্ত্ববিদ ও ভূগোলবিদদের মতে, বাঁকখালী নদীর স্রোতধারা ও মহেশখালী প্রণালীর সঙ্গে সাগরের ঢেউয়ের সংঘর্ষে এই দুই এলাকার ঠিক মাঝে বালি জমে জমে জন্ম নিয়েছে সোনাদিয়া দ্বীপ।
- ঘটিভাঙ্গা নামে একটি খাল মহেশখালী দ্বীপের সাথে একসময় সোনাদিয়াকে বিচ্ছিন্ন রাখলেও খালের ওপর সেতু নির্মিত হওয়ায় যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজ হয়েছে।
তথ্যসূত্র: কক্সবাজার জেলা ওয়েবসাইট ও ডেইলি স্টার। (Link)
উত্তর
ব্যাখ্যা
ভৌগলিক উপনাম:
- সোনালী প্যাগোডার দেশ: মিয়ানমার।
- লিলি ফুলের দেশ: কানাডা।
- ক্যাঙ্গারুর দেশ: অস্ট্রেলিয়া।
- সিল্ক রুটের দেশ: ইরান।
- মার্বেলের দেশ: ইতালি।
- পঞ্চম ড্রাগনের দেশ: তাইওয়ান।
- তামার দেশ: জাম্বিয়া।
- পিরামিডের দেশ: মিশর।
- প্রাচীরের দেশ: চীন।
- ভূমিকম্পের দেশ: জাপান।
উৎস: Britannica.com.
উত্তর
ব্যাখ্যা
- ভঙ্গিল পর্বতের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো ভাঁজ।
- এশিয়ার হিমালয়, ইউরোপের আল্পস, উত্তর আমেরিকার রকি, দক্ষিণ আমেরিকার আন্দিজ পর্বতমালা প্রভৃতি ভঙ্গিল পর্বতের উদাহরণ।
(তথ্যসূত্রঃ ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী)
উত্তর
ব্যাখ্যা
এগুলো হলো:
- টারশিয়ারি যুগের পাহাড়শ্রেণী
- প্লাইস্টোসিনকালের চত্বরভূমি
- সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি।
তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণি।
উত্তর
ব্যাখ্যা
বঙ্গ- বৃহত্তর ঢাকা, ময়মনসিংহ, কুমিল্লা, ফরিদপুর, বরিশাল, পটুয়াখালী।
সমতট- বৃহত্তর কুমিল্লা ও নোয়াখালী।
গৌড়- মালদহ, মুর্শিদাবাদ, বীরভূম, বর্ধমান ও চাপাইনবাবগঞ্জ।
রাঢ়- পশ্চিম বাংলার দক্ষিণাংশ।
হরিকেল- সিলেট, চট্টগ্রাম।
উত্তর
ব্যাখ্যা
১৯৫৬ থেকে ১৯৬১ সালে কাপ্তাই খালে বাঁধ নির্মাণের মাধ্যমে তৈরি জলাধারের পানি প্রবাহের মাধ্যমে এই কেন্দ্রে বিদ্যুৎ উৎপাদিত হয়। এই কেন্দ্রের বর্তমান উৎপাদন ক্ষমতা ২৩০ মেগাওয়াট।
(সূত্রঃ বাংলাপিডিয়া)
উত্তর
ব্যাখ্যা
- শাখালিন দ্বীপপুঞ্জটি বর্তমানে রাশিয়ার দখলে রয়েছে এবং এতে রাশিয়ার নৌঘাঁটি রয়েছে।
- এটি প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত।
- রাশিয়া ও জাপানের মধ্যে বিরোধপূর্ণ আরেকটি দ্বীপ হচ্ছে কুড়িল দ্বীপপুঞ্জ।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় রাশিয়া কুড়িল দ্বীপপুঞ্জ দখল করে নেয়।
উৎস: ওয়ার্ল্ড এটলাস।
উত্তর
ব্যাখ্যা
ভূ-প্রকৃতির ভিত্তিতে ভূমিরূপের শ্রেণীবিভাগ:
ভূ-প্রকৃতির ভিত্তিতে বাংলাদেশকে প্রধানত তিনটি শ্রেণীতে ভাগ করা যায় -
১) টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ,
২) প্লাইস্টোসিন কালের সোপানসমূহ ও
৩) সাম্প্রতিক কালের প্লাবন সমভূমি
টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ:
- বাংলাদেশের মোট ভূমির প্রায় ১২% এলাকা নিয়ে টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ গঠিত।
- আজ থেকে প্রায় ২ মিলিয়ন বছরেরও আগে এ সকল পাহাড় সৃষ্টি হয়েছে।
- এ অঞ্চলের পাহাড়গুলোকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে।
- যথা – দক্ষিণ পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ এবং উত্তর ও উত্তর–পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ।
দক্ষিণ পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ:
- রাঙ্গামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম জেলার পূর্বাংশ এ অঞ্চলের অন্তর্গত।
- এ অঞ্চলের পাহাড়গুলোর গড় উচ্চতা ৬১০ মিটার।
- বর্তমানে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ শৃঙ্গের নাম তাজিওডং (বিজয়), উচ্চতা ১২৩১ মিটার।
- এটি বান্দরবান জেলায় অবস্থিত।
- বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ শৃঙ্গ কিওক্রাডং (১২৩০ মিটার) ।
উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• স্ক্যান্ডিনেভিয়ান অঞ্চল:
- এই অঞ্চলের দেশগুলোর ভাষা, সংস্কৃতি এবং ইতিহাসের মধ্যে অনেক মিল রয়েছে।
- স্ক্যান্ডিনেভিয়া হচ্ছে ইউরোপের উত্তরাঞ্চলের একটি অঞ্চল।
- এই অঞ্চলে প্রধানত তিনটি দেশ অন্তর্ভুক্ত:
- ডেনমার্ক,
- নরওয়ে,
- সুইডেন।
• নর্ডিক দেশসমূহ:
- স্ক্যান্ডিনেভিয়ার তিনটি দেশ (ডেনমার্ক, সুইডেন, নরওয়ে)+ ফিনল্যান্ড, আইসল্যান্ড।
উৎস: ওয়ার্ল্ড এটলাস। [লিঙ্ক]
উত্তর
ব্যাখ্যা
ভারতের সেভেন সিস্টার্স অঞ্চল:
- ভারতের সেভেন সিস্টার্স বলতে উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সাতটি রাজ্যকে বোঝানো হয়।
- রাজ্যগুলো হলো: আসাম, মেঘালয়, অরুণাচল, মনিপুর, নাগাল্যান্ড, ত্রিপুরা এবং মিজোরাম।
- এই সাত রাজ্যের আয়তন ২,৬২,১৭৯ বর্গকিলোমিটার, যা ভারতের মোট এলাকার প্রায় ৭.৯৭ শতাংশ।
- ভারতের মূল ভূখণ্ডের সাথে এদের সংযোগকারী সরু করিডোরটি আসামের গুয়াহাটিতে অবস্থিত যা চিকেন'স নেক নামে পরিচিত।
⇒ সেভেন সিস্টার্স অন্তর্ভুক্ত ৪টি রাজ্যের সাথে বাংলাদেশের সীমানা সংযোগ রয়েছে।
- এগুলো হলো: আসাম, মেঘালয়, মিজোরাম, ত্রিপুরা।
উল্লেখ্য,
• ভারতের সেভেন সিস্টার্সের রাজ্যসমূহ ও রাজধানী:
- অরুণাচল প্রদেশ: ইটানগর,
- আসাম: দিসপুর,
- মেঘালয়: শিলং,
- মণিপুর: ইম্ফল,
- মিজোরাম: আইজল,
- নাগাল্যান্ড: কোহিমা,
- ত্রিপুরা: আগরতলা।
উৎস: i) Britannica.
ii) Ministry of Home Affairs ওয়েবসাইট।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- কুয়াকাটা বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের একটি সমুদ্র সৈকত ও পর্যটনকেন্দ্র।
- পর্যটকদের কাছে কুয়াকাটা 'সাগর কন্যা' হিসেবে পরিচিত।
- পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া উপজেলার লতাচাপলী ইউনিয়নে কুয়াকাটা অবস্থিত।
- ঢাকা থেকে সড়কপথে এর দূরত্ব ৩৮০ কিলোমিটার, বরিশাল থেকে ১০৮ কিলোমিটার।
- 'কুয়া' শব্দটি এসেছে 'কুপ' থেকে।
- ধারণা করা হয় ১৮ শতকে মুঘল শাসকদের দ্বারা বার্মা থেকে বিতারিত হয়ে আরকানীরা এই অঞ্চলে এসে বসবাস শুরু করে।
- তখন এখানে সুপেয় জলের অভাব পূরণ করতে তারা প্রচুর কুয়ো বা কুপ খনন করেছিলনে, সেই থেকেই এই অঞ্চলের নাম হয়ে যায় কুয়াকাটা।
- ১৮ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের সৈকত বিশিষ্ট কুয়াকাটা বাংলাদেশের অন্যতম নৈসর্গিক সমুদ্র সৈকত।
- বাংলাদেশের এটাই একমাত্র সৈকত যেখান থেকে সূর্যোদয় এবং সূর্যাস্ত দুটোই ভাল দেখা যায়।
উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ ভৌগোলিকভাবে এশিয়া মহাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব দিকে বাংলাদেশ অবস্থিত।
- এদেশ প্রায় ২০°৩৪' উত্তর থেকে ২৬°৩৮' উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৮°০১' পূর্ব থেকে ৯২°৪১′ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ পর্যন্ত বিস্তৃত।
- বাংলাদেশের মাঝ বরাবর পূর্ব-পশ্চিমে কর্কটক্রান্তি রেখা অতিক্রম করেছে। ফলে এদেশ ক্রান্তীয় অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত।
- বাংলাদেশের সর্বমোট সীমারেখা ৪,৭১১ কিলোমিটার।
- এর মধ্যে ভারত-বাংলাদেশের সীমারেখার দৈর্ঘ্য ৩,৭১৫ কিলোমিটার।
- রাজনৈতিক সমুদ্রসীমার দৈর্ঘ্য ১২ নটিক্যাল মাইল।
- অর্থনৈতিক সমুদ্রসীমার দৈর্ঘ্য ২০০ নটিক্যাল মাইল।
- বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমারেখার দৈর্ঘ্য ২৮০ কিলোমিটার এবং
- দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরের তটরেখার দৈর্ঘ্য ৭১৬ কিলোমিটার।
- বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমে হাড়িয়াভাঙ্গা নদী এবং দক্ষিণ- পূর্বে নাফ নদী ভারত ও মিয়ানমারের সীমানায় অবস্থিত।
তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- এটি মৌলভীবাজার ও সিলেট জেলায় অবস্থিত।
- হাকালুকি হাওরের আয়তন ১৮১.১৫ বর্গ কিমি।
- হাওরটি ৫টি উপজেলা ও ১১টি ইউনিয়ন নিয়ে বিস্তৃত।
- হাকালুকি হাওরের বিশাল জলরাশির মূল প্রবাহ হলো জুরী এবং পানাই নদী।
- হাকালুকি হাওরে প্রায় ২৩৮টি বিল রয়েছে। প্রায় সারাবছরই বিলগুলিতে পানি থাকে।
- উল্লেখযোগ্য বিলসমূহ হলো: চাতলা বিল, চৌকিয়া বিল, ডুলা বিল, পিংলার কোণা বিল, ফুটি বিল, তুরাল বিল, তেকুনি বিল, পাওল বিল, জুয়ালা বিল, কাইয়ারকোণা বিল, বালিজুড়ি বিল, কুকুরডুবি বিল, কাটুয়া বিল, বিরাই বিল, রাহিয়া বিল, চিনাউরা বিল, দুধাল বিল, মায়াজুরি বিল, বারজালা বিল, পারজালা বিল, মুছনা বিল, লাম্বা বিল, দিয়া বিল, ইত্যাদি।
উৎস: বাংলাপিডিয়া
উত্তর
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের এলাকা সেন্টমার্টিন।
বাংলাদেশ:
- বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার উত্তর পূর্ব অংশে অবস্থিত।
- বাংলাদেশের পশ্চিমে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, পূর্বে ভারতের ত্রিপুরা, মিজোরাম রাজ্য এবং মায়ানমারের পাহাড়ী এলাকা এবং দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর।
- সাংবিধানিক নাম: গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ,
- সমুদ্রতট রেখার দৈর্ঘ্য ৭১৬ কিলোমিটার।
- রাজনৈতিক সমুদ্রসীমার দৈর্ঘ্য ১২ নটিক্যাল মাইল।
- অর্থনৈতিক সমুদ্রসীমার দৈর্ঘ্য ২০০ নটিক্যাল মাইল।
- বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের স্থান ছেড়াদ্বীপ (সেন্টমার্টিন)।
- বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের উপজেলা টেকনাফ।
- বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের জেলা কক্সবাজার।
⇒ সেন্টমার্টিন দ্বীপ:
- সেন্ট মার্টিন দ্বীপ বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরের উত্তর-পূর্বাংশে অবস্থিত।
- এটি একটি প্রবালদ্বীপ।
- এটি কক্সবাজার জেলার টেকনাফ হতে প্রায় ৯ কিলোমিটার দক্ষিণে এবং মায়ানমারের উপকূল হতে ৮ কিলোমিটার পশ্চিমে নাফ নদীর মোহনায় অবস্থিত।
- জনসংখ্যায় বাংলাদেশের সবচেয়ে ছোট ইউনিয়ন কক্সবাজার জেলার সেন্টমার্টিন।
- প্রচুর নারিকেল পাওয়া যায় বলে স্থানীয়ভাবে একে নারিকেল জিঞ্জিরাও বলা হয়ে থাকে।
উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- গ্রিনিচ মানমন্দির যুক্তরাজ্যের লন্ডন শহরে অবস্থিত।
- এর উপর দিয়ে মূল মধ্যরেখা বা শূন্য ডিগ্রী দ্রাঘিমারেখা গিয়েছে।
- ১৮৮৪ সালের ১ নভেম্বর জিএমটি আন্তর্জাতিকভাবে প্রমাণ সময় হিসেবে গৃহিত হয় ৷
- তবে ১৯৭২ সালে GMT এর পরিবর্তে আন্তর্জাতিক প্রমাণ সময় হিসেবে UTC (Coordinated Universal Time) গৃহিত হয়।
- গ্রিনিচ মানমন্দির অফিসিয়াল টাইম জোন হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- বাংলাদেশের সাথে যুক্তরাজ্যের গ্রিনিচ মানমন্দিরের সময়ের পার্থক্য +৬ ঘণ্টা। অর্থাৎ, ৬ ঘণ্টা আগে।
- পৃথিবীতে প্রতি ডিগ্রি দ্রাঘিমার জন্যে সময়ের পার্থক্য হয় ৪ মিনিট করে।
- সেজন্যে বাংলাদেশ মূল মধ্যরেখা বা গ্রিনিচ মানমন্দির থেকে ৯০ ডিগ্রি পূর্বদিকে অবস্থিত হওয়ায় বাংলাদেশের সাথে গ্রিনিচের সময়ের পার্থক্য ৯০ x ৪ = ৩৬০ মিনিট বা ৬ ঘণ্টা।
- গ্রিনিচের পূর্ব দিকে অবস্থিত স্থানগুলোর সময় গ্রিনিচের থেকে এগিয়ে থাকে।
উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
উত্তর
ব্যাখ্যা
বঙ্গোপসাগর বাংলাদেশে দক্ষিণে অবস্থিত।
বঙ্গোপসাগর:
- বঙ্গোপসাগর হলো বিশ্বের বৃহত্তম উপসাগর।
- বঙ্গোপসাগর ভারত মহাসাগরের অংশ।
- পৃথিবীর সর্ববৃহৎ এ উপসাগরটি পশ্চিমে ভারত ও শ্রীলংকার পূর্ব উপকূল, উত্তরে গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র-মেঘনা নদীপ্রণালী সৃষ্ট বদ্বীপ এবং পূর্বে মায়ানমার উপদ্বীপ থেকে আন্দামান-নিকোবর শৈলশিরা পর্যন্ত বিস্তৃত ভূভাগ দ্বারা বঙ্গোপসাগর তিনদিকে আবদ্ধ।
- বঙ্গোপসাগরের আয়তন ২৬,০০,০০০ বর্গকিলোমিটার।
- এর গড় গভীরতা প্রায় ২,৬০০ মিটার এবং সর্বোচ্চ গভীরতা ৫,২৫৮ মিটার।
- বঙ্গোপসাগরের সবচেয়ে উত্তর প্রান্তে বাংলাদেশ অবস্থিত।
- বঙ্গোপসাগরের একটি গিরিখাত সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড।
উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার উত্তর পূর্ব অংশে অবস্থিত।
- বাংলাদেশের পশ্চিমে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, পূর্বে ভারতের ত্রিপুরা, মিজোরাম রাজ্য এবং মায়ানমারের পাহাড়ী এলাকা এবং দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর।
উৎস: বাংলাপিডিয়া।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- দেশ ভাগের পূর্বে পূর্ব বাংলা অংশে ১৫ টি জেলা ছিল। ১৯৪৭ সালে দেশভাগের সময় নদীয়া জেলা থেকে বৃহত্তর কুষ্টিয়াকে পাকিস্তানের অন্তর্ভুক্ত করা হয়। ফলে জেলার সংখ্যা হয় ১৬ টি।
- পরবর্তীতে গণভোটের মাধ্যমে বৃহত্তর সিলেট পাকিস্তানে যোগদান করলে জেলা হয় ১৭ টি।
- পাকিস্তান শাসনাধীন সময়ে ১৯৬৯ সালে ঢাকা জেলা থেকে টাঙ্গাইল ও বরিশাল জেলা থেকে পটুয়াখালী জেলার সৃষ্টি হয়। ফলে স্বাধীনতার পূর্বে বৃহত্তর জেলার সংখ্যা দাঁড়ায় ১৯টি
- বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার সময় বৃহত্তর জেলা ছিলো - ১৯টি।
- পরবর্তীতে বিভিন্ন সময়ে বিশেষত: ১৯৮৪ সালে প্রশাসনিক সংস্কার ও সরকারি সেবা জনগণের জন্য সহজলভ্য করার জন্য বাংলাদেশকে ৬৪ জেলায় ভাগ করা হয়।
এই প্রশ্নের ক্ষেত্রে যেহেতু বাংলাদেশ বলা আছে - তাই বাংলাদেশ স্বাধীনের সময় হিসাব ধরে, সঠিক উত্তর হিসাবে ১৯টি ধরা হচ্ছে।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- পৃথিবীর সর্বাপেক্ষা সরু দেশ চিলি।
----------------------------
• চিলি (Chile):
- চিলি দক্ষিণ আমেরিকার পশ্চিম উপকূলে অবস্থিত একটি অত্যন্ত সরু ও দীর্ঘ দেশ।
- চিলি অ্যান্টার্কটিকার মাত্র প্রায় ৪০০ মাইল উত্তরে অবস্থান করছে।
- এই দেশের গড় প্রস্থ প্রায় ১১০ মাইল;
- যেখানে সর্বোচ্চ প্রস্থ ২১৭ মাইল (অ্যান্টোফাগাস্টা অঞ্চলে) এবং সর্বনিম্ন প্রস্থ মাত্র ৯.৬ মাইল (পুয়ের্তো নাটালেসের কাছে)।
- এর দৈর্ঘ্য প্রায় ৪,৩০০ কিলোমিটার।
- এটি পশ্চিমে প্রশান্ত মহাসাগর এবং পূর্বে আন্দিজ পর্বতমালা দ্বারা সীমাবদ্ধ।
- এই ভৌগোলিক অবস্থানের কারণেই একে বলা হয় পৃথিবীর সবচেয়ে সরু দেশ।
- এর রাজধানী: সান্তিয়াগো (Santiago).
- চিলির মুদ্রা পেসো।
- চিলি তার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি এবং প্রাচীন সভ্যতার জন্য পরিচিত।
- দেশটির সংস্কৃতি মূলত ভারতীয়, স্প্যানীয় ও আমেরিকান সাংস্কৃতিক উপাদানের সংমিশ্রণে গঠিত।
- চিলির অর্থনীতি প্রধানত খনিজ উত্তোলন, কৃষি এবং শিল্পখাতের ওপর নির্ভরশীল।
- চিলির বিশেষত্ব হচ্ছে: এটি “দীর্ঘ-সরু দেশ” হিসেবে পরিচিত।
------------------------------
অপরদিকে,
• পেরু (Peru):
- পেরু চিলির উত্তরে অবস্থিত একটি দক্ষিণ আমেরিকান দেশ।
- এটি অ্যান্ডিজ পর্বতমালা ও অ্যামাজন বনাঞ্চল উভয়কেই অন্তর্ভুক্ত করে।
- পেরু তুলনামূলকভাবে চওড়া ও পাহাড়ি দেশ।
• আর্জেন্টিনা (Argentina):
- আর্জেন্টিনা দক্ষিণ আমেরিকার দ্বিতীয় বৃহত্তম দেশ।
- এটি উত্তরে বলিভিয়া ও দক্ষিণে চিলির সাথে সীমান্ত ভাগ করেছে।
- দেশটি প্রশস্ত সমভূমি ও পাম্পাস অঞ্চল নিয়ে গঠিত।
• উরুগুয়ে (Uruguay):
- উরুগুয়ে একটি ছোট দেশ হলেও আকারে প্রায় চতুর্ভুজাকার।
- অবস্থান: দক্ষিণ আমেরিকার পূর্ব উপকূলে, ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনার মাঝে।
উৎস: Britannica.
উত্তর
ব্যাখ্যা
- নিরক্ষরেখা নামক একটি কাল্পনিক রেখা উত্তর ও দক্ষিণ গোলার্ধকে বিভক্ত করে।
- বিষুবরেখাকে 0° অক্ষাংশও বলা হয়।
- এটি পৃথিবীর মাঝখানে পূর্ব এবং পশ্চিমে চলে।
- নিরক্ষরেখার উত্তরে অবস্থিত স্থানগুলি উত্তর গোলার্ধের অংশ।
- নিরক্ষরেখার দক্ষিণে স্থানগুলি দক্ষিণ গোলার্ধে অবস্থিত।
⇒ উত্তর গোলার্ধের মধ্যে রয়েছে উত্তর আমেরিকা, মধ্য আমেরিকা, ইউরোপ এবং এশিয়ার মূল ভূখণ্ড।
- আফ্রিকার প্রায় অর্ধেক এবং দক্ষিণ আমেরিকার একটি ছোট অংশও উত্তর গোলার্ধে রয়েছে।
উল্লেখ্য,
- আফ্রিকাই একমাত্র মহাদেশ যেখানে পৃথিবীর চারটি গোলার্ধের প্রতিটিতে অংশ রয়েছে।
⇔ দক্ষিণ গোলার্ধ:
- দক্ষিণ গোলার্ধ হল পৃথিবীর দক্ষিণ অংশ।
- ২২ ডিসেম্বর দক্ষিণ গোলার্ধে দীর্ঘতম দিন ও ক্ষুদ্রতম রাত বিরাজ করে।
- ২১ জুন দক্ষিণ গোলার্ধে ক্ষুদ্রতম দিন ও দীর্ঘতম রাত।
- দক্ষিণ গোলার্ধে উষ্ণতম মাস জানুয়ারি এবং শীতলতম মাস জুলাই।
- দক্ষিণ আমেরিকার বেশিরভাগ অংশ এবং সমস্ত অস্ট্রেলিয়া এবং অ্যান্টার্কটিকা দক্ষিণ গোলার্ধে অবস্থিত।
অন্যদিকে,
- উত্তর গোলার্ধে উষ্ণতম মাস জুলাই।
- উত্তর গোলার্ধে শীতলতম মাস জানুয়ারি।
উৎস: i) Britannica.
ii) World atlas.
উত্তর
ব্যাখ্যা
- টারশিয়ারি যুগে হিমালয় পর্বত উত্থিত হওয়ার সময় যে সকল পর্বতের সৃষ্টি হয়েছে সেগুলো টারশিয়ারি যুগের পাহাড় নামে পরিচিত।
- আজ থেকে প্রায় ২০ লক্ষ বছর পূর্বের সময়কে টারশিয়ারি যুগ বলা হয়।
- রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, চট্টগ্রাম, সিলেট, মৌলভীবাজার এবং হবিগঞ্জের পাহাড়গুলো টারশিয়ারি যুগের।
- এ পাহাড়গুলোকে আসামের লুসাই এবং মিয়ানমারের আরাকান পাহাড়ের সমগোত্রীয় বলে ধারণা করা হয়।
- টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ বেলেপাথর, শেল ও কর্দম দ্বারা গঠিত।
- টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহকে আবার দুইভাগে ভাগ করা যায়। এগুলো হলো-
• দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ।
• উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ।
⇒ প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ:
- আজ থেকে আনুমানিক প্রায় ২৫,০০০ বছর পূর্বের সময়কে প্লাইস্টোসিনকাল বলে।
- এ অঞ্চলের মাটির রং লাল ও ধূসর।
- দেশের উত্তর-পশ্চিমাংশের বরেন্দ্রভূমি, মধ্যভাগের মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় এবং কুমিল্লা জেলার লালমাই পাহাড় বা উচ্চভূমি এর অন্তর্ভুক্ত।
- প্লাইস্টোসিনকালে এসব উচ্চভূমি গঠিত হয়েছিল বলে ধারণা করা হয়।
⇒ সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি:
- টারশিয়ারি যুগের পাহাড় এবং প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ ব্যতীত সমগ্র দেশ সাম্প্রতিককালের পলি দ্বারা গঠিত এক বিস্তীর্ণ সমভূমি।
- এই প্লাবন সমভূমির বয়স ১২,০০০ বছরের কম।
- পদ্মা, মেঘনা, যমুনা প্রভৃতি প্রধান নদীসহ অসংখ্য উপনদী এবং শাখানদী জালের ন্যায় সমগ্র দেশে ছড়িয়ে রয়েছে। ন
- বন্যার সঙ্গে বাহিত পলিমাটি সঞ্চিত হয়ে দেশের বিস্তীর্ণ এলাকায় এই প্লাবন সমভূমি সৃষ্টি হয়েছে।
- এ প্লাবন সমভূমির আয়তন প্রায় ১,২৪,২৬৬ বর্গকিলোমিটার।
- এ অঞ্চলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হলো বিক্ষিপ্তভাবে ছড়িয়ে থাকা অসংখ্য জলাভূমি ও নিম্নভূমি। স্থানীয়ভাবে এগুলোকে বিল, ঝিল ও হাওড় বলে।
- রাজশাহী অঞ্চলের চলনবিল, ঢাকার আড়িয়াল বিল, গোপালগঞ্জের বিল, সুনামগঞ্জ, সিলেট, মৌলভীবাজার, ময়মনসিংহ এবং শেরপুর জেলার হাওড় ও বিল উল্লেখযোগ্য।
- মেঘনা নদীর মোহনায় হাতিয়া, সন্দ্বীপ, শাহবাজপুর এবং ভোলা জেলায় বেশ কিছু দ্বীপ অবস্থিত। এছাড়া দক্ষিণ উপকূলে আরও কিছু ছোট ছোট দ্বীপ রয়েছে।
তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- ভারতের ভূখন্ডের ভিতর বাংলাদেশের ৫১টি ছিটমহল ভারতের সাথে যুক্ত হয়।
• ছিটমহল বিনিময়:
- বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে স্থল সীমান্ত চুক্তি অনুযায়ী ২০১৫ সালের ৩১ জুলাই দুই দেশের মধ্যে ছিটমহল বিনিময় হয়।
- ফলে বাংলাদেশের মোট ভূখণ্ডে ১০০৪১.২৫ একর ভূমি যোগ হয়।
- বাংলাদেশের সীমানার মধ্যে ভারতের ১১১টি ছিটমহল ছিলো।
- ভারতের ভূখন্ডের ভিতর বাংলাদেশের ৫১টি ছিটমহল ছিলো।
- বাংলাদেশের সীমানার মধ্যে ভারতের ১১১টি ছিটমহল বাংলাদেশের সাথে এবং
- ভারতের ভূখন্ডের ভিতর বাংলাদেশের ৫১টি ছিটমহল ভারতের সাথে যুক্ত হয়।
- দুদেশের যৌথ জরিপ অনুযায়ী ১৬২টি ছিটমহলে সাড়ে ৫৫ হাজারের মত মানুষ ছিল।
- দু দেশের সরকারের হিসেব অনুযায়ী ভারতের মধ্যে বাংলাদেশের ৫১টি এবং বাংলাদেশের ভেতরে ভারতের ১১১টি ছিটমহল ছিল।
- এর মধ্যে জরিপে বাংলাদেশের মধ্যে থাকা ছিটমহলে সাড়ে ৪১ হাজার এবং ভারতের মধ্যে থাকা ছিটমহলে ১৪ হাজার মানুষের বসবাসের তথ্য ছিল।
- ১৯৭৪ সালের বাংলাদেশ-ভারত স্থল সীমান্ত চুক্তি এবং ২০১১ সালের প্রটোকল অনুযায়ী ১৯৪৭ সালের ভারত ভাগের ৬৮ বছর পর দুটি দেশের মধ্যেকার সীমান্ত সমস্যার নিষ্পত্তি হয়েছে ২০১৫ সালে।
- বাংলাদেশে ও ভারতের মধ্যে ছিটমহল বিনিময় হয়েছে ৩১ জুলাই, ২০১৫ তারিখে।
- এর ফলে বাংলাদেশের ভেতরকার ভারতের ছিটমহলগুলো বাংলাদেশের ভূমি হিসেবে এবং ভারতের ভিতরকার বাংলাদেশের ছিটমহলগুলো ভারতের অংশ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।
উৎস: বিবিসি বাংলা, বাংলাপিডিয়া।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• আড়িয়াল বিল:
- আড়িয়াল বিল বাংলাদেশের তৃতীয় বৃহত্তম জলাভূমি,
- এটির আয়তন ১৩৬ বর্গকিলোমিটার।
- এটি মুন্সিগঞ্জ জেলার শ্রীনগর উপজেলায় অবস্থিত।
- এই বিলটিতে অনেক ছোট ছোট পুকুর এবং খাল রয়েছে।
- বর্ষাকালে গাছপালা আরও প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে এবং স্থলসীমানা বিশিষ্ট বিশাল এলাকাটি অদ্ভুত দেখায়।
- শীতকালে বিলটি কমে গেলেও, এটি এখনও নৌযান চলাচলের উপযোগী থাকে।
- বিলটিতে প্রচুর মাছ থাকে এবং শুষ্ক মৌসুমে শুষ্ক অঞ্চলে কৃষকের ভুট্টা এবং শাকসবজি পাওয়া যায়।
উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলা মোট ৩২টি।
- ভারতের সাথে ৩০টি জেলার এবং মায়ানমারের সাথে ৩টি।
- মিয়ানমারের সাথে ৩টি (কক্সবাজার, রাঙ্গামাটি ও বান্দরবান) জেলার সীমান্ত রয়েছে।
- রাঙ্গামাটি একমাত্র জেলা যার সাথে ভারত ও মিয়ানমার ২টি দেশের সাথেই সীমান্ত রয়েছে।
- মায়ানমারের রাখাইন প্রদেশের বাংলাদেশ ঘেঁষা শহর মংডু।
- নাফ নদের মাধ্যমে মংডু ও বাংলাদেশের টেকনাফ শহর আলাদা হয়ে আছে।
উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।[ লিঙ্ক]
উত্তর
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের ৬ টি বিভাগের সাথে আন্তর্জাতিক সীমান্ত থাকলেও ঢাকা ও বরিশাল বিভাগের সাথে কোনো আন্তর্জাতিক সীমান্ত নেই।
- ভারত ও মিয়ানমার উভয় দেশের সাথে বাংলাদেশের ৩২টি জেলার সীমান্ত রয়েছে।
- ভারতের সাথে ৩০টি এবং মিয়ানমারের সাথে ৩টি।
- একটি জেলার সাথে উভয় দেশের সীমানা রয়েছে সেটি হচ্ছে বাংলাদেশের আয়তনে সবচেয়ে বড় জেলা রাঙামাটি।
উৎস: বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ এর ওয়েবসাইট।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- সংগ্রামপুঞ্জি ঝর্ণা সিলেটের জাফলং-এ অবস্থিত।
- এটি জাফলং জিরো পয়েন্ট থেকে ১ কিমি পশ্চিমে, খাসিয়া-জৈন্তা পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত।
- এর স্থানীয় নাম মায়াবী ঝর্ণা।
- এই অবিরাম ধারার মোট তিনটি ধাপ রয়েছে, যার মধ্যে তৃতীয় ধাপে এমন একটি সুড়ঙ্গ রয়েছে যার অন্য প্রান্ত এখন পর্যন্ত জানা সম্ভব হয়নি।
উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) প্রথম আলো।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• ভারতের রাজ্যসমূহ:
- পশ্চিমবঙ্গ (রাজধানী- কলকাতা)
- আসাম (রাজধানী- দিসপুর),
- মেঘালয় (রাজধানী- শিলং),
- ত্রিপুরা (রাজধানী- আগরতলা),
- মিজোরাম (রাজধানী- আইজল)।
• মায়ানমারের রাজ্যসমূহ:
- চিন (রাজধানী- হাখা)।
- রাখাইন (রাজধানী- সিত্তে)।
উৎস: ওয়ার্ল্ড এটলাস।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের মোট সীমান্তবর্তী জেলা ৩২টি।
- এদের মধ্যে ভারতের সাথে সীমান্তবর্তী জেলা ৩০টি এবং মিয়ানমারের সাথে ৩টি।
- রাঙামাটি, বান্দরবান ও কক্সবাজার জেলার সাথে মিয়ানমারের স্থলসীমান্ত রয়েছে।
- রাঙামাটি জেলার সাথে ভারত ও মিয়ানমার উভয় দেশের স্থলসীমান্ত রয়েছে।
(তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন)
উত্তর
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান:
- বাংলাদেশ ভৌগোলিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে রয়েছে।
- এশিয়া মহাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব দিকে বাংলাদেশ অবস্থিত।
- এদেশ প্রায় ২০°৩৪' উত্তর থেকে ২৬°৩৮' উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৮°০১' পূর্ব থেকে ৯২°৪১′ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ পর্যন্ত বিস্তৃত।
- বাংলাদেশের মাঝ বরাবর পূর্ব-পশ্চিমে কর্কটক্রান্তি রেখা অতিক্রম করেছে।
- ফলে এদেশ ক্রান্তীয় অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত।
এছাড়াও,
- কর্কটক্রান্তি রেখা বাংলাদেশসহ ১৭টি দেশের ওপর দিয়ে গিয়েছে।
উৎস: i) ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
ii) প্রথম আলো।
উত্তর
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান:
- বাংলাদেশ এশিয়া মহাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব দিকের দক্ষিণ অংশে অবস্থিত।
- বাংলাদেশ ২০০৩৪' উত্তর অক্ষরেখা থেকে ২৬°৩৮' উত্তর অক্ষরেখা এবং ৮৮০০১' পূর্ব দ্রাঘিমারেখা থেকে ৯২০৪১' পূর্ব দ্রাঘিমারেখা পর্যন্ত বিস্তৃত।
- বাংলাদেশের প্রায় মাঝ বরাবর পূর্ব-পশ্চিমে কর্কটক্রান্তি রেখা (২৩০৫) অতিক্রম করেছে।
- যা এদেশকে ক্রান্তীয় অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত করেছে।
- বাংলাদেশের তিনদিকের স্থলভাগ ভারত এবং মিয়ানমার দ্বারা বেষ্টিত এবং দক্ষিণে অবস্থিত বিস্তৃত বঙ্গোপসাগর।
উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ: নবম-দশম শ্রেণী ও বাংলাপিডিয়া।
উত্তর
ব্যাখ্যা
পাল রাজাদের এক সামন্ত দিব্যর নেতৃত্বে কৈবর্তরা রাজ্যের বরেন্দ্রীয় অংশ দখল করে নেয়।
রাজা দ্বিতীয় মহীপাল কৈবর্তবাহিনীকে আক্রমন করতে দিয়ে নিজে নিহত হন।
উৎস - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী ও বাংলাপিডিয়া।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- এর মধ্যে ভারতের সাথে হবিগঞ্জ ও রাঙামাটিসহ ৩০টি জেলার এবং মিয়ানমারের সাথে রাঙামাটি, বান্দরবান ও কক্সবাজার জেলার সীমান্ত বিদ্যমান।
- রাঙামাটি জেলার সাথে ভারত ও মিয়ানমার উভয় দেশের সীমান্ত রয়েছে।
অন্যদিকে, কিশোরগঞ্জ সীমান্তবর্তী জেলা নয়।
(সূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন)
উত্তর
ব্যাখ্যা
- ভূপ্রকৃতি অনুযায়ী বাংলাদেশকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়।
- এগুলো হলো:
• টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ,
• প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ এবং
• সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি।
প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ:
- আনুমানিক ২৫,০০০ বছর পূর্বের সময়কে প্লাইস্টোসিনকাল বলে।
- এ অঞ্চলের মাটির রং লাল ও ধূসর।
- দেশের উত্তর-পশ্চিমাংশের বরেন্দ্রভূমি, মধ্যভাগের মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় এবং কুমিল্লা জেলার লালমাই পাহাড় বা উচ্চভূমি এর অন্তর্ভুক্ত।
- প্লাইস্টোসিনকালে এসব উচ্চভূমি গঠিত হয়েছিল বলে ধারণা করা হয়।
বরেন্দ্রভূমি:
- বরেন্দ্রভূমি রাজশাহী বিভাগের নওগাঁ, রাজশাহী, বগুড়া, জয়পুরহাট এবং রংপুর বিভাগের গাইবান্ধা, রংপুর ও দিনাজপুর জেলার অংশবিশেষ নিয়ে গঠিত।
- এর আয়তন ৯,৩২০ বর্গকিলোমিটার।
- প্লাবন সমভূমি থেকে এর উচ্চতা ৬ থেকে ১২ মিটার।
- এটি প্লাইস্টোসিন যুগের সর্ববৃহৎ উঁচুভূমি।
মধুপুর ও ভাওয়ালের গড়:
- টাঙ্গাইল ও ময়মনসিংহ জেলার মধুপুর এবং গাজীপুর জেলার ভাওয়ালের গড় নিয়ে এলাকাটি গঠিত।
- এটি প্লাইস্টোসিন যুগের দ্বিতীয় বৃহত্তম উঁচুভূমি।
- সমভূমি থেকে এর গড় উচ্চতা প্রায় ৩০ মিটার।
- এর আয়তন ৪,১০৩ বর্গকিলোমিটার।
- এটি দেশের গজারী বৃক্ষের কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত।
লালমাই পাহাড়:
- কুমিল্লা শহর থেকে ৮ কিলোমিটার পশ্চিমে লালমাই থেকে ময়নামতি পর্যন্ত এ পাহাড়টি বিস্তৃত।
- এর আয়তন প্রায় ৩৪ বর্গকিলোমিটার।
- গড় উচ্চতা ২১ মিটার।
উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
অন্যদিকে,
- বৈকাল পৃথিবীর গভীরতম (১,৬২০ মিটার) এবং প্রাচীনতম হ্রদ।
- কাস্পিয়ান সাগর : পৃথিবীর বৃহত্তম হ্রদ
- টিটিকাকা (বলিভিয়া) : পৃথিবীর উচ্চতম হ্রদ
- সুপিরিয়র (যুক্তরাষ্ট্র) : বৃহত্তম স্বাদু পানির হ্রদ।
(তথ্যসূত্রঃ ওয়ার্ল্ড এটলাস ও ব্রিটানিকা)
উত্তর
ব্যাখ্যা
- উদ্যানের শহর - শিকাগো।
- বিগ এ্যাপল - নিউওইয়র্ক।
- গোলাপী শহর -জয়পুর, রাজস্থান।
- চির বসন্তের নগরী - কিটো, ইকুয়েডর।
- সাত পাহাড়ের শহর - রোম।
- চির শান্তির শহর - রোম।
- নীরব শহর - রোম।
- নিষিদ্ধ শহর - লাসা, তিব্বত।
- মসজিদের শহর - ঢাকা ও ইস্তাম্বুল।
- মন্দিরের শহর - বেনারস।
- স্বর্ণ নগরী - জোহান্সবার্গ।
- সম্মেলনের শহর - জেনেভা।
- গ্রানাইটের শহর - এভারডিন।
তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- স্থান : আখাইনঠং
- উপজেলা : থানচি
- জেলা : বান্দরবান
সর্বপশ্চিমের:
- স্থান : মনাকষা
- উপজেলা : শিবগঞ্জ
- জেলা : চাপাইনবাবগঞ্জ
সর্বদক্ষিণের:
- স্থান : ছেঁড়া দ্বীপ
- উপজেলা : টেকনাফ
- জেলা : কক্সবাজার
সর্বউত্তরের:
- স্থান : বাংলাবান্দা
- উপজেলা : তেঁতুলিয়া
- জেলা : পঞ্চগড়।
(সূত্রঃ জাতীয় তথ্য বাতায়ন)
উত্তর
ব্যাখ্যা
মেক্সিকো ও যুক্তরাষ্ট্র বিভক্তকারী সীমারেখা - সনোরা লাইন।
এছাড়াও কিছু গুরুত্বপূর্ণ সীমারেখা:
- ওডারনিস লাইন – জার্মানি ও পোল্যান্ড।
- ডুরান্ড লাইন : পাকিস্তান ও আফগানিস্তান।
- হিন্ডেনবার্গ লাইন – জার্মানি ও ফ্রান্স (ওয়েস্টার্ন ফ্রন্ট)
- ডুরান্ড লাইন - পাকিস্তান ও আফগানিস্তান।
সূত্র: ব্রিটানিকা।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- ম্যাগিনট লাইন: জার্মানি ও ফ্রান্স,
- ম্যানারহেম রেখা: রাশিয়া ও ফিনল্যান্ড,
- লাইন অব ডিমারকেশন: পর্তুগাল ও স্পেন,
- সিগফ্রেড লাইন: জার্মানি ও ফ্রান্স,
- হিনডেন বার্গ লাইন: জার্মানি ও পোল্যান্ড।
- ম্যাকমোহন লাইন: ভারত ও চীন,
- র্যাডক্লিফ লাইন: ভারত ও পাকিস্তান,
- ডুরান্ড লাইন: পাকিস্তান ও আফগানিস্তান,
- তিন বিঘা করিডোর: ভারত ও বাংলাদেশ,
- লাইন অব কন্ট্রোল (LOC ): ভারত ও পাকিস্তান,
- লাইন অব অ্যাকচুয়াল কন্ট্রোল (LAC ): ভারত ও চীন,
- ১০ ডিগ্রী চ্যানেল: আন্দামান ও নিকোবর,
- ১৬তম প্যারালাল: নামিবিয়া ও অ্যাঙ্গোলা,
- ১৭তম প্যারালাল: উত্তর ভিয়েতনাম ও দক্ষিণ ভিয়েতনাম,
- ২৪তম প্যারালাল: ভারত ও পাকিস্তান,
- ২৮তম প্যারালাল: ভারত ও পাকিস্তান,
- ৩৭তম প্যারালাল: ভারত ও মায়ানমার,
- ৩৮তম প্যারালাল: উত্তর কোরিয়া ও দক্ষিণ কোরিয়া,
- ৪৯তম প্যারালাল: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা,
- ৮⁰ চ্যানেল: ভারত (মিনিকয় দ্বীপ) ও মালদ্বীপ,
- ইংলিশ চ্যানেল: ইংল্যান্ড ও ফ্রান্স,
- ওডার-নাইসে লাইন: পূর্বতন পূর্ব জার্মানি ও পোল্যান্ড,
- গ্রেট চ্যানেল: ভারত (আন্দামান, নিকোবর) ও সুমাত্রা,
- ডানকান প্যাসেজ: গ্রেট আন্দামান ও লিটন আন্দামান,
তথ্যসূত্র: i) Britannica.
ii) WorldAtlas.
উত্তর
ব্যাখ্যা
▪ এটি মধ্য এশিয়ার তাজিকিস্তান, কিরগিজস্তান, চীন ও আফগানিস্তানে অবস্থিত।
▪ পামীর মালভূমির উচ্চতা প্রায় ৭,৬৪৯ মিটার।
▪ পামীর মালভূমিকে ‘পৃথিবীর ছাদ’ বলা হয়।
অন্যদিকে
▪ সিরিয়া ও ইসরাইল সীমান্তে অবস্থিত গোলান মালভূমি।
▪ এশিয়ার তিব্বত মালভূমি একটি পর্বতমধ্যবর্তী মালভূমি। এটি উত্তরে কুনলুন পর্বতমালা এবং দক্ষিণে হিমালয় পর্বতমালা দ্বারা বেষ্টিত।
তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- ওশেনিয়া হল একটি বিস্তীর্ণ অঞ্চল যা অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড এবং মেলানেশিয়া, মাইক্রোনেশিয়া এবং পলিনেশিয়ার প্রশান্ত মহাসাগরের উপ-অঞ্চলকে ঘিরে রয়েছে।
- ওশেনিয়ায় মোট ১৪টি দেশ রয়েছে।
- অস্ট্রেলিয়া ওশেনিয়ার বৃহত্তম এবং জনবহুল দেশ।
• ওশেনিয়ার দেশসমূহ:
- অস্ট্রেলিয়া, পাপুয়া নিউ গিনি, নিউজিল্যান্ড, ফিজি, সলোমান দ্বীপপুঞ্জ, মাইক্রোনেশিয়া, ভানুয়াতু, সামোয়া, কিরিবাতি, টোঙ্গা, মার্শাল দ্বীপপুঞ্জ, পালাউ, টুভ্যালু, নাউরু।
তথসূত্র: ওয়ার্ল্ড এটলাস।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- হেনরী পর্বত গম্বুজাকৃতির পর্বত।
• ল্যাকোলিথ পর্বত (Lacolith Mountain):
- পৃথিবীর অভ্যন্তরের ম্যাগমা বা গলিত শিলারউপাদানসমূহের সাথে বিবিধ গ্যাস মিশ্রিত অবস্থায় থাকে।
- এ গ্যাস অনেক সময় ঊর্ধ্বপ্রবাহী হয়ে ভূপৃষ্ঠের দিকে আসতে চেষ্টা করে।
- এ গ্যাসের সাথে প্রচুর পরিমাণে ম্যাগমাও থাকে।
- কিন্তু প্রায়ই তা ওপরে আসার পথে বাধাপ্রাপ্ত হয়ে ভূত্বকের নিচেই সঞ্চিত হতে থাকে।
- আস্তে আস্তে চাপ পড়ার ফলে ভূত্বকের শিলা ভেঙে পর্বতের ন্যায় উঁচু হয়ে উঠে এবং তার নিচের ম্যাগমা ক্রমেই কঠিন আকার ধারণ করে।
- এটি দেখতে গম্বুজের মত। এ পর্বতকে ল্যাকোলিথ বা গম্বুজ পর্বত বলে।
- অনেক ক্ষেত্রে ভূআলোড়নও এ জাতীয় পর্বত গঠনে প্রভাব বিস্তার করে।
উদাহরণ : আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের ডাকোটা প্রদেশের ব্ল্যাক হিলস (Black Hills) এবং উতাহ প্রদেশের হেনরী পর্বত ল্যাকোলিথ পর্বতের উদাহরণ।
• ল্যাকোলিথ পর্বতের বৈশিষ্ট্য:
i) ল্যাকোলিথ পর্বত গম্বুজাকৃতির।
(ii) এ ধরনের পর্বতের উচ্চতা কম এবং ঢাল সামান্য খাড়া থাকে।
(iii) এ পর্বত অল্প অঞ্চলব্যাপী অবস্থান করে।
(iv) ল্যাকোলিথ পর্বতে কোনো শৃঙ্গ থাকে না।
অন্যদিকে
জাপানের ফুজিয়ামা, হাওয়াই দ্বীপের মওনালোয়া, ইতালির ভিসুভিয়াস, আফ্রিকার কিলিমানজারো ইত্যাদি আগ্নেয় পর্বতের উদাহরণ।
• আগ্নেয় পর্বত (Volcanic Mountain):
- ভূ-অভ্যন্তরস্থ ক্রিয়াকলাপের জন্য ম্যাগমা লাভা হিসাবে উদগিরিত হয়ে চারদিকে সঞ্চিত হয়।
- পরবর্তীতে জমে ঠান্ডা হয়ে যে শিলাস্তূপের সৃষ্টি করে তাকে আগ্নেয় পর্বত বলে।
- লাভার প্রকৃতির ওপর আগ্নেয় পর্বতের বিস্তৃতি ও আকৃতি নির্ভর করে।
- আগ্নেয় পর্বতের উৎপত্তি কোনো কোনো ক্ষেত্রে ভূ-আলোড়নের জন্য ভূ-ত্বকের দুর্বল অংশের ফাটলের মধ্য দিয়ে ভূ-গর্ভস্থ উত্তপ্ত লাভা, নানা প্রকার গ্যাস ও বাষ্প, ছাই, ধাতু ইত্যাদি প্রবল বেগে বেরিয়ে আসে।
- এই উত্তপ্ত লাভা ফাটলের চতুর্দিকে সঞ্চিত হতে হতে উঁচু পর্বতের সৃষ্টি করে।
তথ্যসূত্র: ভূগোল প্রথম পত্র, মোয়াজ্জেম হোসেন চৌধুরী।
উত্তর
ব্যাখ্যা
হয়েছে। ভারতের জলপাইগুড়ি জেলার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে পঞ্চগড় জেলার তেঁতুলিয়া উপজেলার সীমান্ত এলাকা
দিয়ে প্রবাহিত হয়ে পুনরায় ভারতে প্রবেশ করে। অত:পর ভারতের পূর্ণিয়া ও মালদহ জেলার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে
চাপাইনবাবগঞ্জের নিকট বাংলাদেশে পুনরায় প্রবেশ করে গোদাগাড়ির কাছে পদ্মার মিলিত হয়েছে। নাগর, ট্যাংগন ও
পুণর্ভবা এর উপনদী।
কর্ণফুলী: কর্ণফুলী নদী আসামের লুসাই পাহাড় থেকে উৎপন্ন হয়েছে। এরপর রাঙামাটি ও চট্টগ্রাম জেলার
উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে। এটি চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের প্রধান নদী। এ নদীর দৈর্ঘ্য
২৭৪ কিলোমিটার। কর্ণফুলির প্রধান উপনদী কাসালং, হালদা ও বোয়ালখালি। রাঙামাটি জেলার কাপ্তাই নামক স্থানে কর্ণফুলী
নদীতে আড়াআড়ি বাঁধ দিয়ে দেশের একমাত্র পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। এ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের উৎপাদন ক্ষমতা ২৩০
মেগাওয়াট। দেশের প্রধান সমুদ্র বন্দরটি বাণিজ্যিক নগরী চট্টগ্রামে কর্ণফুলী নদীর তীরে অবস্থিত।
সাঙ্গু: সাঙ্গু নদী বাংলাদেশ ও মিয়ানমার সীমান্তে অবস্থিত আরাকান পাহাড়ে উৎপন্ন হয়েছে। অত:পর
বান্দরবান ও চট্টগ্রামের ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে।
ফেনী: ফেনী নদী ভারতের ত্রিপুরার পার্বত্য অঞ্চলে উৎপত্তি হয়েছে। ফেনী জেলার পূর্ব সীমানা দিয়ে প্রবেশ করে
স›দ্বীপ প্রণালির উত্তরে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে। এ নদীটি বাংলাদেশের প্রশাসনিক জেলা ফেনীর নামে পরিচিত এবং
ফেনী জেলাতেই অবস্থিত।
উৎস: এস.এস.সি. ভূগোল ও পরিবেশ, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
উত্তর
ব্যাখ্যা
• শীলাদেবীর ঘাট:
- শীলাদেবীর ঘাট জনশ্রুতিতে বর্ণিত শীলাদেবীর ঘাট বগুড়া জেলার মহাস্থানগড় থেকে ২০০ মিটার পূর্ব দিকে করতোয়া নদীতে অবস্থিত।
- স্থানটির অবস্থান মহাস্থানগড়স্থ বৈরাগীর ভিটার বিপরীত দিকে।
- স্থানীয় কাহিনী-কিংবদন্তী অনুযায়ী শীলাদেবী ছিলেন মহাস্থানগড়ের শেষ হিন্দু রাজা পরশুরামের কন্যা বা ভগ্নি।
- মুসলিম সাধক শাহ সুলতান বলখী (রঃ) মাহীসওয়ার কর্তৃক রাজা পরশুরাম পরাজিত হলে শীলাদেবী করতোয়ার এই স্থানে জলে ডুবে আত্মাহুতি দেন।
- এই স্থানটি তাই শীলাদেবীর ঘাট নামে পরিচিত।
তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের শীতলতম জেলা সিলেট।
- বাংলাদেশের উষ্ণতম স্থান- লালপুর, নাটোর।
- বাংলাদেশের উষ্ণতম মাস- এপ্রিল।
- বাংলাদেশের শীতলতম মাস- জানুয়ারি।
- বাংলাদেশের উষ্ণতম জেলা- রাজশাহী।
- বাংলাদেশের শীতলতম স্থান- শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।
তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• সাজেক:
- সাজেক উপত্যকা বাংলাদেশের রাঙ্গামাটি জেলার বাঘাইছড়ি উপজেলার অন্তর্গত সাজেক ইউনিয়নে অবস্থিত।
- সাজেক উপত্যকা একটি বিখ্যাত পর্যটন আকর্ষণ।
- সাজেক ভ্যালিকে বলা হয় রাঙামাটির ছাদ।
- সাজেক ভ্যালি রাঙামাটি জেলার সর্বউত্তরের মিজোরাম সীমান্তে অবস্থিত। সাজেকের উত্তরে ভারতের ত্রিপুরা, দক্ষিণে রাঙামাটির লংগদু, পূর্বে ভারতের মিজোরাম, পশ্চিমে খাগড়াছড়ির দীঘিনালা অবস্থিত।
- সাজেক হচ্ছে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ইউনিয়ন।
- এর আয়তন ৭০২ বর্গমাইল।
- সাজেকের বিজিবি ক্যাম্প বাংলাদেশের সর্বোচ্চ উঁচুতে অবস্থিত বিজিবি ক্যাম্প।
- সাজেক রুইলুইপাড়া এবং কংলাক পাড়া এই দুটি পাড়ার সমন্বয়ে গঠিত।
- সাজেকে মূলত লুসাই, পাংখোয়া এবং ত্রিপুরা আদিবাসী বসবাস করে।
তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• ক্রান্তীয় পাতাঝরা গাছের বনভূমি:
- বাংলাদেশের প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহে এ বনভূমি রয়েছে।
• এ বনভূমিকে দুই অংশে ভাগ করা হয়েছে-
(ক)ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল ও গাজীপুর জেলার মধুপুর ও ভাওয়ালের বনভূমি;
(খ)দিনাজপুর ও রংপুর জেলায় বরেন্দ্র বনভূমি অবস্থিত।
- শীতকালে এ বনভূমির বৃক্ষের পাতা ঝরে যায়।
- গ্রীষ্মকালে আবার নতুন পাতা গজায়।
• ক্রান্তীয় চিরহরিৎ এবং পাতাঝরা গাছের বনভূমি:
বাংলাদেশের খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি ও বান্দরবানের প্রায় সব অংশে এবং চট্টগ্রাম ও সিলেট অঞ্চলের কিছু অংশে এ বনভূমি বিস্তৃত। পাহাড়ের অধিক বৃষ্টিপ্রবণ অঞ্চলে ক্রান্তীয় চিরহরিৎ এবং কম বৃষ্টিপ্রবণ অঞ্চলে পাতাঝরা গাছের বনভূমি দেখা যায়।
উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম ও দশম শ্রেণি।
উত্তর
ব্যাখ্যা
সাকা হাফং:
- সাকা হাফং বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব পার্বত্য জেলা বান্দরবানের থানচি উপজেলার রেমাক্রি ইউনিয়নে অবস্থিত একটি পাহাড়।
- স্থানীয়ভাবে এই শৃঙ্গকে 'মদক তং' নামেও ডাকা হয়।
- এর অবস্থান ভারত-মিয়ানমার সীমান্তবর্তী দুর্গম এলাকায়।
উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের পার্বত্য অঞ্চলে অবস্থিত বেশ কয়েকটি উল্লেখযোগ্য পর্বতশৃঙ্গ রয়েছে, যেগুলোর অবস্থান মূলত বান্দরবান, রাঙামাটি ও খাগড়াছড়ি জেলার দুর্গম এলাকায়।
- এদের মধ্যে তাজিংডং অন্যতম, এটা বান্দরবানের রুমা উপজেলায় অবস্থিত এবং সরকারিভাবে একে দেশের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ বলা হয়ে থাকে।
উৎস: প্রথম আলো।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড খাদ আকৃতির সামুদ্রিক অববাহিকা বা গিরিখাত, যা বঙ্গোপসাগরের মহীসোপানকে কৌণিকভাবে অতিক্রম করেছে।
- এটি গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র ব-দ্বীপের পশ্চিমে অবস্থিত।
- গঙ্গা খাদ নামেও এটি পরিচিত।
- সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ডের প্রস্থ ৫ থেকে ৭ কিলোমিটার, তলদেশ তুলনামূলকভাবে সমতল এবং পার্শ্ব দেয়াল প্রায় ১২ ডিগ্রি হেলানো।
- মহীসোপানের কিনারায় খাদের গভীরতা প্রায় ১,২০০ মিটার।
- বেঙ্গল ফ্যান ভূমিরূপটি পাওয়া যায় বঙ্গোপসাগরের সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ডে।
- বঙ্গীয় ডিপ সি ফ্যানের ওপর গবেষণায় দেখা গেছে যে, সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড অবক্ষেপপূর্ণ ঘোলাটে স্রোত এনে বেঙ্গল ফ্যানে ফেলছে।
- বঙ্গীয় ডিপ সি ফ্যানের অধিকাংশ পলল গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র সঙ্গমস্থলে উদ্ভূত।
- সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ডটি বঙ্গোপসাগরের ১৪ কিলোমিটার প্রশস্ত গভীর সমুদ্রের উপত্যকা।
- এই উপত্যকার গভীরতম রেকর্ড করা অঞ্চলটি প্রায় ১৩৫০ মিটার।
- সাবমেরিন উপত্যকাটি বেঙ্গল ফ্যান বা বঙ্গ পাখার অংশ, বিশ্বের বৃহত্তম সাবমেরিন পাখা।
তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- এটি দেশের গজারী বৃক্ষের কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত।
- এটি প্লাইস্টোসিন যুগের দ্বিতীয় বৃহত্তম উঁচুভূমি।
- সমভূমি থেকে এর গড় উচ্চতা প্রায় ৩০ মিটার এবং আয়তন ৪,১০৩ বর্গকিলোমিটার।
- মধুপুর গড় (Madhupur Tract) বনের প্রধান বৃক্ষ ছিল শাল (Shorea robusta), যার ফলে এই বনের নামকরণ হয় শালবন।
- ব্রহ্মপুত্র-যমুনা নদী ধলেশ্বরী, বুড়িগঙ্গা, বংশী, বানার এবং শীতলক্ষ্যা নদী দ্বারা মধুপুর গড় নিষ্কাশিত হয়ে থাকে।
- সবগুলি নদীই দক্ষিণপূর্বমুখী প্রবাহিত হয়ে সুবৃহৎ মেঘনা নদীতে পতিত হয়েছে.
উৎস:- বাংলাপিডিয়া, ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• ওশেনিয়া মহাদেশ:
- ওশেনিয়া হল একটি বিস্তীর্ণ অঞ্চল যা অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড এবং মেলানেশিয়া, মাইক্রোনেশিয়া এবং পলিনেশিয়ার প্রশান্ত মহাসাগরের উপ-অঞ্চলকে ঘিরে রয়েছে।
- ওশেনিয়ায় মোট ১৪টি দেশ রয়েছে।
- অস্ট্রেলিয়া ওশেনিয়ার বৃহত্তম এবং জনবহুল দেশ।
• ওশেনিয়ার দেশসমূহ:
- অস্ট্রেলিয়া, পাপুয়া নিউ গিনি, নিউজিল্যান্ড, ফিজি, সলোমান দ্বীপপুঞ্জ, মাইক্রোনেশিয়া, ভানুয়াতু, সামোয়া, কিরিবাতি, টোঙ্গা, মার্শাল দ্বীপপুঞ্জ, পালাউ, টুভ্যালু, নাউরু।
সূত্র: ওয়ার্ল্ড এটলাস।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমারেখার দৈর্ঘ্য ২৮০ কিলোমিটার।
- এবং দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরের তটরেখার দৈর্ঘ্য ৭১৬ কিলোমিটার ।
- বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমে হাড়িয়াভাঙ্গা নদী।
- এবং দক্ষিণ-পূর্বে নাফ নদী ভারত ও মিয়ানমারের সীমানায় অবস্থিত।
- বাংলাদেশের উত্তরে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, মেঘালয় ও আসাম রাজ্য;
- পূর্বে আসাম, ত্রিপুরা, মিজোরাম রাজ্য ও মিয়ানমার;
- দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর এবং পশ্চিমে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য অবস্থিত।
- বাংলাদেশের সর্বমোট সীমারেখা ৪,৭১১ কিলোমিটার।
- এর মধ্যে ভারত-বাংলাদেশের সীমারেখার দৈর্ঘ্য ৩,৭১৫ কিলোমিটার।
উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের সীমা:
• বাংলাদেশের উত্তরে→ ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, মেঘালয় ও আসাম রাজ্য;
• পূর্বে→ আসাম, ত্রিপুরা, মিজোরাম রাজ্য ও মিয়ানমার;
• দক্ষিণে→ বঙ্গোপসাগর এবং পশ্চিমে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য অবস্থিত।
- বাংলাদেশের সর্বমোট সীমারেখা ৪,৭১১ কিলোমিটার।
- এর মধ্যে ভারত-বাংলাদেশের সীমারেখার দৈর্ঘ্য ৩,৭১৫ কিলোমিটার।
- বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমারেখার দৈর্ঘ্য ২৮০ কিলোমিটার
উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম ও দশম শ্রেণি।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- মধ্য ও দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরে বিক্ষিপ্তভাবে ছড়িয়ে থাকা প্রায় ১০০০টিরও বেশি দ্বীপ নিয়ে পলিনেশিয়া অঞ্চল গঠিত।
- এটিকে বৃহত্তর ওশেনিয়া অঞ্চলের একটি উপ-অঞ্চল হিসেবে গণ্য করা হয়।
- পলিনেশিয়ার আদি অধিবাসীদেরকে 'পলিনেশীয়' বলা হয়।
- নিউজিল্যান্ড পলিনেশিয়ার বৃহত্তম দেশ।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অঙ্গরাজ্য হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জটিকেও পলিনেশিয়ার অন্তর্গত করা হয়; এটি পলিনেশিয়া ত্রিভুজের উত্তর শীর্ষবিন্দুটি গঠন করেছে।
⇒ পলিনেশিয়া অঞ্চলের দেশসমূহ হচ্ছে: টোঙ্গা, টুভ্যালু, সামোয়া।
এছাড়াও,
⇒ প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপপুঞ্জ:
- প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপপুঞ্জকে ভৌগোলিকভাবে তিনটি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়ে থাকে।
- যথা: মাইক্রোনেশিয়া; মেলানেশিয়া; পলিনেশিয়া।
• মাইক্রোনেশিয়া অঞ্চলের দেশসমূহ:
- নাউরু; পালাউ; কিরিবাতি; মার্শাল দ্বীপপুঞ্জ এবং মাইক্রোনেশিয়া।
• মেলানেশিয়া অঞ্চলের দেশসমূহ:
- সলোমান দ্বীপপুঞ্জ; ফিজি; ভানুয়াতু; ও পাপুয়া নিউগিনি।
• পলিনেশিয়া অঞ্চলের দেশসমূহ:
- টোঙ্গা; টুভ্যালু ও সামোয়া।
উৎস: World Atlas.
উত্তর
ব্যাখ্যা
উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২১
উত্তর
ব্যাখ্যা
উত্তর
ব্যাখ্যা
•দুর্যোগ প্রতিরোধ:
- দুর্যোগের আগেই সকল প্রস্তুতি নেওয়া, এমনকি দুর্যোগ ঘটনা হওয়ার পরেও প্রতিষ্ঠিত পদক্ষেপ নেওয়া।
• দুর্যোগ প্রশমন:
- দুর্যোগ ঘটনা হলে তা সহ্য করতে এবং আবার পূর্বাভাস দেওয়ার জন্য দক্ষতা দেখানো এবং ব্যক্তিগত বা সামাজিক সহানুভূতি প্রদান করতে এই উপাদানটি গুরুত্বপূর্ণ।
• দুর্যোগের পূর্বপ্রস্তুতি:
- দুর্যোগ সম্পর্কিত সম্ভাব্য ঘটনা বা প্রতিবন্ধী পরিস্থিতিতে মোকাবেলা করতে এই উপাদানটি গুরুত্বপূর্ণ।
• দুর্যোগ সংগঠনের পরপরই এর ব্যবস্থাপনার অন্যান্য উপাদানের মধ্যে রয়েছে:
- সাড়াদান:
- দুর্যোগে ক্ষতি হলে তা সহ্য করতে এবং আবার পূর্বাভাস দেওয়ার জন্য ব্যক্তিগত বা সামাজিক সহানুভূতি প্রদান করতে এই উপাদানটি গুরুত্বপূর্ণ।
- পুনরুদ্ধার:
- দুর্যোগে সহায়ক হওয়া, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলি পুনর্মূল্যায়ন করা এবং মানবিক সহায় প্রদান করতে এই উপাদানটি গুরুত্বপূর্ণ।
- উন্নয়ন:
- দুর্যোগ সংকটের পরে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলির উন্নতি ও উন্নয়নে এই উপাদানটির গুরুত্ব অত্যন্ত বৃদ্ধি পায়।
উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- উত্তর গোলার্ধে ২৩.৫° উত্তর অক্ষরেখাকে কর্কটক্রান্তি রেখা নামে অভিহিত করা হয়।
- এটি বাংলাদেশের ১১টি জেলার উপর দিয়ে অতিক্রম করেছে।
- চুয়াডাঙ্গা, ঝিনাইদহ, মাগুরা, রাজবাড়ি, ফরিদপুর, ঢাকা, মুন্সিগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ, কুমিল্লা, খাগড়াছড়ি ও রাঙামাটি অতিক্রম করেছে।
- বাংলাদেশ ভৌগোলিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে রয়েছে।
- এশিয়া মহাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব দিকে বাংলাদেশ অবস্থিত।
- এদেশ প্রায় ২০°৩৪′ উত্তর থেকে ২৬°৩৮' উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৮°০১′ পূর্ব থেকে ৯২°৪১′ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ পর্যন্ত বিস্তৃত।
- বাংলাদেশের মাঝ বরাবর পূর্ব-পশ্চিমে কর্কটক্রান্তি রেখা অতিক্রম করেছে।
উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম, শ্রেণি।
উত্তর
ব্যাখ্যা
যথা-
- টারশিয়ারী যুগের পাহাড়সমূহ,
- প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ এবং
- সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি।
• টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ:
- টারশিয়ারি যুগে হিমালয় পর্বত উত্থিত হওয়ার সময় যে সকল পর্বতের সৃষ্টি হয়েছে সেগুলো টারশিয়ারি যুগের পাহাড় নামে পরিচিত।
- আজ থেকে প্রায় ২০ লক্ষ বছর পূর্বের সময়কে টারশিয়ারি যুগ বলা হয়।
- রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, চট্টগ্রাম, সিলেট, মৌলভীবাজার এবং হবিগঞ্জের পাহাড়গুলো টারশিয়ারি যুগের। এ পাহাড়গুলোকে আসামের লুসাই এবং
মিয়ানমারের আরাকান পাহাড়ের সমগোত্রীয় বলে ধারণা করা হয়।
- টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ বেলেপাথর, শেল ও কর্দম দ্বারা গঠিত।
• অবস্থান অনুসারে বাংলাদেশের টারশিয়ারী পাহাড়কে — দুই ভাগে ভাগ করা হয়।
যথা -
- দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়,
- উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়।
• বাংলাদেশের মোট ভূমির,
- ১২% টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ,
- ৮% প্লাইস্টোসিনকালের সোপান সমূহ এবং
- ৮০% সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি।
উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
উত্তর
ব্যাখ্যা
উত্তর
ব্যাখ্যা
- ভূপ্রকৃতি অনুযায়ী বাংলাদেশকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়।
- এগুলো হলো: টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ, প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ এবং সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি।
প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ:
- আনুমানিক ২৫,০০০ বছর পূর্বের সময়কে প্লাইস্টোসিনকাল বলে।
- এ অঞ্চলের মাটির রং লাল ও ধূসর।
- দেশের উত্তর-পশ্চিমাংশের বরেন্দ্রভূমি, মধ্যভাগের মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় এবং কুমিল্লা জেলার লালমাই পাহাড় বা উচ্চভূমি এর অন্তর্ভুক্ত।
বরেন্দ্রভূমি:
- বরেন্দ্রভূমি রাজশাহী বিভাগের নওগাঁ, রাজশাহী, বগুড়া, জয়পুরহাট এবং রংপুর বিভাগের গাইবান্ধা, রংপুর ও দিনাজপুর জেলার অংশবিশেষ নিয়ে গঠিত।
- এর আয়তন ৯,৩২০ বর্গকিলোমিটার।
- প্লাবন সমভূমি থেকে এর উচ্চতা ৬ থেকে ১২ মিটার।
- এটি প্লাইস্টোসিন যুগের সর্ববৃহৎ উঁচুভূমি।
উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- ক্রোয়েশিয়া,
- সার্বিয়া,
- উত্তর মেসিডোনিয়া,
- মন্টিনিগ্রো,
- বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা,
- স্লোভেনিয়া,
- কসোভো,
- বুলগেরিয়া,
- আলবেনিয়া প্রভৃতি।(ব্রিটানিকার তথ্য মতে)
ওয়ার্ল্ড এটলাস এর মতে গ্রিস ও বলকান রাষ্ট্র।
অন্যদিকে,
বাল্টিক সাগর ইউরোপের উত্তর উপকূলে অবস্থিত। বাল্টিক সাগরের তীরে অবস্থিত রাষ্ট্রসমূহ বাল্টিক রাষ্ট্র নামে পরিচিত
- লিথুয়ানিয়া,
- লাটভিয়া ও
- এস্তোনিয়া বাল্টিক রাষ্ট্রনামে পরিচিত।
উৎস: ব্রিটানিকা, ওয়ার্ল্ড অ্যাটলাস।
উত্তর
ব্যাখ্যা
এদের মধ্যে বম উপজাতি পার্বত্য চট্টগ্রামে, হাজংরা বৃহত্তর ময়মনসিংহ এবং ওরাওঁ উপজাতি উত্তরবঙ্গে বসবাস করে।
টোডা উপজাতি বাংলাদেশে বাস করে না। এরা ভারতের আদিবাসী সম্প্রদায়। ভারতের নীলগিরি পর্বতে এদের বসবাস। এদের সমাজে বহুস্বামী প্রথা প্রচলিত রয়েছে।
(সূত্রঃ বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় : অষ্টম শ্রেণী এবং এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা)
উত্তর
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের সর্বশেষ নদীবন্দর বালাগঞ্জ, সিলেট।
- ৩৪ তম নদীবন্দর মীরসরাই রাসমতি নদীবন্দর।
- ৩৩ তম নদীবন্দর মেঘাইঘাট নাটুয়াপাড়া, সিরাজগঞ্জ।
- বাংলাদেশের বৃহত্তম নদী বন্দর নারায়ণগঞ্জ।
উৎস: বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষের ওয়েবসাইট।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ–মিয়ানমার সীমান্তের দক্ষিণাংশ নাফ নদী বরাবর প্রসারিত হয়ে বঙ্গোপসাগরে মিলিত হয়েছে।
-----------------------------
• বাংলাদেশ–মিয়ানমার সীমান্ত:
- বাংলাদেশ ও মিয়ানমার-এর মধ্যকার সীমানা রেখাকেই বাংলাদেশ–মিয়ানমার সীমান্ত বলা হয়।
- এই সীমান্তটি বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাংশে এবং মিয়ানমারের পশ্চিমাংশে অবস্থিত।
- ভারতের সঙ্গে দীর্ঘ সীমান্তের পর মিয়ানমারের সঙ্গে বাংলাদেশের এই সীমান্তটি দ্বিতীয় বৃহত্তম আন্তর্জাতিক স্থলসীমান্ত।
- বাংলাদেশের সঙ্গে মিয়ানমারের স্থলসীমান্তের দৈর্ঘ্য প্রায় ২৭১ কিলোমিটার।
- এটি ভারত–বাংলাদেশ–মিয়ানমার ত্রিসীমানা বিন্দু থেকে শুরু হয়ে দক্ষিণ দিকে বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত।
- সীমান্তের সর্বশেষ অংশ নাফ নদী বরাবর প্রসারিত হয়েছে।
- এই সীমান্ত বাংলাদেশের রাঙ্গামাটি, বান্দরবান ও কক্সবাজার জেলাকে মিয়ানমারের রাখাইন ও চিন প্রদেশ থেকে পৃথক করেছে।
- রাঙ্গামাটি একমাত্র জেলা, যার সঙ্গে ভারত ও মিয়ানমার—উভয় দেশের সীমান্ত রয়েছে।
উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- প্রশান্ত মহাসাগরের দক্ষিণ ভাগ এবং অস্ট্রেলিয়া মহাদেশের উত্তর-পূর্ব ভাগে অবস্থিত দ্বীপসমূহের সমষ্টি মেলোনেশিয়া নামে পরিচিত।
• মেলানেশিয়া অঞ্চলের চারটি স্বাধীন রাষ্ট্র যথা:
- পাপুয়া নিউগিনি,
- সলোমান দ্বীপপুঞ্জ,
- ভানুয়াতু ও
- ফিজি।
এই চারটি স্বাধীন রাষ্ট্র নিয়ে মেলানেশিয়া অবস্থিত।
• অন্যদিকে,
পলিনেশিয়া অঞ্চলের দেশসমূহ হচ্ছে-
- টোঙ্গা
- টুভ্যালু ও
- সামোয়া।
সূত্র: ব্রিটানিকা।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- নাউরু
- পালাউ
- কিরিবাতি
- মার্শাল দ্বীপপুঞ্জ
- মারিয়ানা।
• মেলানেশিয়া অঞ্চলের দেশসমূহ:
- সলোমান দ্বীপপুঞ্জ
- ফিজি
- ভানুয়াতু
- পাপুয়া নিউগিনি।
• পলিনেশিয়া অঞ্চলের দেশসমূহ:
- টোঙ্গা
- টুভ্যালু
- সামোয়াত
উৎস: ওয়ার্ল্ড অ্যাটলাস।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- শিকাগো সিটি যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত।
- ১৮৩৭ সালে শিকাগোকে আনুষ্ঠানিকভাবে একটি শহর করা হয়েছিল।
- মিশিগান হ্রদের তীরে এর অবস্থান।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের তৃতীয় বৃহত্তম শহর।
- শিকাগো শহরটিকে 'বাতাসের শহর' বলা হয়।
তথ্যসূত্র - Worldatlas.com & Britannica.com
উত্তর
ব্যাখ্যা
• ওশেনিয়া মহাদেশ:
- অঞ্চলভিত্তিক ওশেনিয়ার দেশসমূহ:
- অস্ট্রেলিয়া ১. অস্ট্রেলিয়া।
- নিউজিল্যান্ড- ১. নিউজিল্যান্ড।
- মাইক্রোনেশিয়া ১. মাইক্রোনেশিয়া, ২. কিরিবাতি ৩. নাউরু, ৪. মার্শাল দ্বীপপুঞ্জ, ৫. পালাউ।
- বৃহত্তম দ্বীপ গুয়াম মাইক্রোনেশিয়া অঞ্চলে অবস্থিত, যার পরিমাপ ৫৬১ বর্গ কিমি।
• পলিনেশিয়া অঞ্চলের দেশসমূহ:
- টোঙ্গা
- টুভ্যালু ও
- সামোয়া।
উৎস: ওয়ার্ল্ড এটলাস।
উত্তর
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন প্রকার পাললিক শিলাসমূহ হলো:
- কয়লা
- চুনাপাথর
- বেলেপাথর
- কেওলিন
- শেল
- কাঁদাপাথর প্রভৃতি।
অন্যদিকে,
- ব্যাসল্ট : বহিঃস্থ আগ্নেয় শিলা
- ডাইক : অন্তঃজ আগ্নেয় শিলা
- গ্রাফাইট : রূপান্তরিত শিলা।
(তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী)
উত্তর
ব্যাখ্যা
- ভূপ্রকৃতি অনুযায়ী বাংলাদেশকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। এগুলো হলো:
• টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ,
• প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ এবং
• সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি।
⇒ দেশের সমগ্র সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি অঞ্চলটি একই ধরনের নয় বলে একে আবার নিম্নলিখিত কয়েকটি অঞ্চলে ভাগ করে আলোচনা করা যায়। যথা:
ক) কুমিল্লার বা ত্রিপুরার সমভূমি
খ) পাদদেশীয় পলল সমভূমি
গ) সিলেট অববাহিকা
ঘ) গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র-মেঘনার প্লাবন সমভূমি
ঙ) ব-দ্বীপ।
⇔ ব-দ্বীপ:
- বাংলাদেশের দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমাংশের সমভূমিকে ব-দ্বীপ বলা হয়।
- এ ব-দ্বীপ অঞ্চলটি বৃহত্তর কুষ্টিয়া, যশোর, ফরিদপুর, বরিশাল, পটুয়াখালীর সমস্ত অংশ এবং রাজশাহী, পাবনা, ঢাকা অঞ্চলের কিছু অংশ নিয়ে গঠিত।
উৎস: ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
১. সলোমন দ্বীপপুঞ্জ - ০.৯৯ USD
২. ভানুয়াতু - ০.৬০ USD
৩. ভার্জিন দ্বীপপুঞ্জ - ০.৫২ USD
৪. কুক আইল্যান্ডস্ - ০.৫০ USD
৫. টোঙ্গা - ০.৪৭ USD
উৎস: ওয়ার্ল্ড এটলাস ওয়েবসাইট
উত্তর
ব্যাখ্যা
- আজ থেকে আনুমানিক প্রায় ২৫,০০০ বছর পূর্বের সময়কে প্লাইস্টোসিনকাল বলে।
- এ অঞ্চলের মাটির রং লাল ও ধূসর।
- দেশের উত্তর-পশ্চিমাংশের বরেন্দ্রভূমি, মধ্যভাগের মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় এবং কুমিল্লা জেলার লালমাই পাহাড় বা উচ্চভূমি এর অন্তর্ভুক্ত।
- প্লাইস্টোসিনকালে এসব উচ্চভূমি গঠিত হয়েছিল বলে ধারণা করা হয়।
তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- অঞ্চল: উত্তর আমেরিকার মূল ভূখণ্ডের দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত।
- সীমানা: দক্ষিণে: দক্ষিণ আমেরিকা।
- পশ্চিমে: মধ্য আমেরিকা
- উত্তরে: মেক্সিকো উপসাগর ও উত্তর আমেরিকা
→ সার্বভৌম দেশ: মোট ১৩টি।
• হাইতি,
• জামাইকা,
• সেন্ট কিটস ও নেভিস,
• সেন্ট লুসিয়া,
• সেন্ট ভিনসেন্ট ও গ্রেনাডাইনস,
• ত্রিনিদাদ ও টোবাগো,
• অ্যান্টিগুয়া ও বারবুডা
• বাহামাস
• বার্বাডোস।
• কিউবা
• ডমিনিকা
• ডোমিনিকান প্রজাতন্ত্র
• গ্রানাডা।
উৎস: ওয়ার্ল্ড এটলাস।
উত্তর
ব্যাখ্যা
ল্যাটিন আমেরিকা:
- ল্যাটিন আমেরিকা সাধারণত মেক্সিকো, মধ্য আমেরিকা এবং ক্যারিবিয়ান দ্বীপপুঞ্জ ছাড়াও দক্ষিণ আমেরিকার সমগ্র মহাদেশ নিয়ে গঠিত।
- এখানকার জনগণ লাতিন ভাষা থেকে উদ্ভূত রোমান্স ভাষাসমূহে কথা বলে।
- রোমান্স ভাষা বলতে মূলত স্পেনীয় এবং পর্তুগিজ ভাষাকে বোঝায়।
উল্লেখ্য,
- ল্যাটিন আমেরিকার দেশগুলি:
• উত্তর ও মধ্য আমেরিকা: বেলিজ, কোস্টারিকা, এল সালভাদর, গুয়াতেমালা, হন্ডুরাস, মেক্সিকো, নিকারাগুয়া, পানামা।
• দক্ষিণ আমেরিকা: আর্জেন্টিনা, বলিভিয়া, ব্রাজিল, চিলি, কলম্বিয়া, ইকুয়েডর, ফ্রেঞ্চ গায়ানা, গায়ানা, প্যারাগুয়ে, পেরু, সুরিনাম, উরুগুয়ে, ভেনিজুয়েলা।
• ক্যারিবিয়ান দেশ: কিউবা, ডোমিনিকান প্রজাতন্ত্র, হাইতি।
উৎস: Britannica.
উত্তর
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের পাহাড় সমূহের গড় উচ্চতা- ২০৫০ ফুট।
- আলু টিলা পাহাড়- খাগড়াছড়িতে অবস্থিত।
- লালমাই পাহাড়- কুমিল্লায় অবস্থিত।
- ইউরেনিয়াম পাওয়া গেছে- কুলাউড়া পাহাড়ে।
- কুলাউড়া পাহাড় অবস্থিত- মৌলভীবাজার জেলায়।
- চিম্বুক পাহাড়ের পাদদেশে বাস করে- মারমা উপজাতি।
- ‘কালা পাহাড়’ বা ‘পাহাড়ের রাণী’ বলা হয়- চিম্বুক পাহাড়কে (৩য় উচ্চতম)।
- হিন্দুদের তীর্থ স্থানের জন্য বিখ্যাত- চন্দ্রনাথের পাহাড়।
- বাংলাদেশের সর্বোচ্চ পর্বত শৃঙ্গের নাম- তাজিংডং বা বিজয় বা মদক মুয়াল।
- বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পর্বত শৃঙ্গ- কেওক্রাডং।
- কাপ্তাই লেক থেকে প্লাবিত রাঙ্গামাটির উপত্যকা হল- ভেঙ্গি ভ্যালী।
- সাঙ্গু ভ্যালী অবস্থিত- চট্টগ্রামে।
- হালদা ভ্যালী অবস্থিত- খাগড়াছড়িতে।
উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- পৃথিবী থেকে এটির দূরত্ব ৪.২ কোটি আলোকবর্ষ।
- যেসব জ্যোতিষ্কের নিজস্ব আলো রয়েছে তাদের নক্ষত্র বলা হয়। সূর্য এরূপ একটি নক্ষত্র।
(সূত্রঃ ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী)