বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশ ও বৈশ্বিক ভৌগলিক অঞ্চল, সীমানা, পারিবেশিক, আর্থ-সামাজিক ও ভূ-রাজনীতির গুরুত্ব

মোট প্রশ্ন১,৬৩৯এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশ ও বৈশ্বিক ভৌগলিক অঞ্চল, সীমানা, পারিবেশিক, আর্থ-সামাজিক ও ভূ-রাজনীতির গুরুত্ব

PrepBank · পাতা ১৩ / ১৭ · ১,২০১১,৩০০ / ১,৬৩৯

১,২০১.
কর্কটক্রান্তি ও ৯০° পূর্ব দ্রাঘিমা রেখার ছেদ বিন্দুটি বাংলাদেশের কোন জেলায় পড়েছে?
  1. দিনাজপুর
  2. ফরিদপুর
  3. মুন্সিগঞ্জ
  4. রাঙ্গামাটি
সঠিক উত্তর:
ফরিদপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফরিদপুর
ব্যাখ্যা
- কর্কটক্রান্তি রেখাবাংলাদেশের পূর্ব-পশ্চিম বরাবর প্রায় মধ্যভাগ দিয়ে অতিক্রম করেছে।
- কর্কটক্রান্তি রেখা অতিক্রম করেছে এমন জেলাগুলো হচ্ছে চুয়াডাঙা, ঝিনাইদহ, মাগুরা, রাজবাড়ি, ফরিদপুর, ঢাকা, মুন্সীগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ, কুমিল্লা, খাগড়াছড়ি ও রাঙামাটি।
- কর্কটক্রান্তি রেখা এবং ৯০ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমা রেখার ছেদ বিন্দু পড়েছে বাংলাদেশের ফরিদপুর জেলার ভাঙ্গা উপজেলায়।
- চারটি উত্তর দক্ষিণ রেখা এবং তিনটি পূর্ব পশ্চিম রেখা, সব মিলিয়ে ১২ জায়গায় ছেদ করেছে।
- ১২টি বিন্দুর ১০টি বিন্দুই পড়েছে সাগরে-মহাসাগরে, সেখানে কেউ যেতে পারে না।
- এর মধ্যে শুধু দুটি ছেদ বিন্দু পড়েছে স্থলভাগে।
- এর একটি পড়েছে সাহারা মরুভূমিতে, সেখানেও কেউ যেতে পারে না।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি ও বাংলাপিডিয়া।
১,২০২.
ফারাক্কা বাঁধ ভারতের কোন রাজ্যে অবস্থিত?
  1. ত্রিপুরা
  2. আসাম
  3. মিজোরাম
  4. পশ্চিমবঙ্গ 
সঠিক উত্তর:
পশ্চিমবঙ্গ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পশ্চিমবঙ্গ 
ব্যাখ্যা

ফারাক্কা বাঁধ:
- ভারতের পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশের মুর্শিদাবাদ জেলায় গঙ্গা নদীর ওপর ফারাক্কা বাঁধের অবস্থান।
- ফারাক্কা বাঁধ চালু হয় ১৯৭৫ সালে।
- ফারাক্কা বাঁধ গঙ্গা নদীর উপর অবস্থিত একটি বাঁধ।
- ভারতের হুগলী নদীতে পানি সরবরাহ এবং কলকাতা বন্দরটি সচল করার জন্য ১৯৭৪ সালে এই ফারাক্কা বাঁধ নির্মাণ করা হয়।
- এর অবস্থান বাংলাদেশ থেকে ১৮ মাইল উজানে ভারতের ভূখণ্ডে গঙ্গা নদীর ওপরে।
- ভারত ফারাক্কা বাঁধ নির্মাণের প্রথম পরিকল্পনা করে ১৯৫১ সালে।
- ১৯৬১ সালে এই বাঁধ নির্মাণের কাজ শুরু হয়।
- প্রাথমিকভাবে নির্মাণকাজ শেষ হয় ১৯৭০ সালে।
- ২১ এপ্রিল, ১৯৭৫ থেকে এই বাঁধ চালু হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও বিবিসি বাংলা।

১,২০৩.
ভূ-প্রকৃতির ভিত্তিতে প্রধানত বাংলাদেশকে কয়টি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়েছে?  
  1. ৪টি
  2. ৫টি
  3. ৩টি
  4. ২টি
সঠিক উত্তর:
৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩টি
ব্যাখ্যা

ভূ-প্রকৃতি:
- ভূ-প্রকৃতির ভিত্তিতে বাংলাদেশকে প্রধানত ৩টি শ্রেণিতে ভাগ করা যায়।
- টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ,
- প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ,
- সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি,


টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ:
- বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব, উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ এ অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত।
- টারশিয়ারি যুগে হিমালয় পর্বত উত্থিত হওয়ার সময় এসকল পাহাড় সৃষ্টি হয়েছে।
- এগুলো টারশিয়ারি যুগের পাহাড় নামে খ্যাত।
- এ পাহাড়গুলো বেলেপাথর, শেল ও কর্দম দ্বারা গঠিত।
- এ অঞ্চলের পাহাড়গুলোকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে।
- যথা- (ক) দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ ও (খ) উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ।


প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ:
- আনুমানিক ২৫,০০০ বছর পূর্বের সময়কে প্লাইস্টোসিনকাল বলে।
- উত্তর-পশ্চিমাংশের বরেন্দ্রভ, মি, মধ্যভাগের মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় এবং কুমিল্লা জেলার লালমাই পাহাড় বা উচ্চভ, মি এ অঞ্চলের অন্তর্গত।
- প্লাইস্টোসিনকালে এসব সোপান গঠিত হয়েছিল বলে ধারণা করা হয়।


• সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি:
টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ এবং প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ ছাড়া সমগ্র বাংলাদেশ নদীবিধৌত এক বিস্তীর্ণ প্লাবন সমভূমি।
- এর কিছুসংখ্যক পরিত্যক্ত অশ্বখুরাকৃতি নদীখাত।
- স্থানীয়ভাবে এগুলোকে বিল, ঝিল ও হাওড় বলে।
- এদের মধ্যে চলনবিল, মাদারিপুর বিল ও সিলেট অঞ্চলের হাওড়সমূহ।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

১,২০৪.
‘কান্দাহার’ কোন দেশের বিখ্যাত শহর?
  1. ক) ইরান
  2. খ) মিশর
  3. গ) পাকিস্তান
  4. ঘ) আফগানিস্তান
সঠিক উত্তর:
ঘ) আফগানিস্তান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) আফগানিস্তান
ব্যাখ্যা
কান্দাহার দক্ষিণ আফগানিস্তানের একটি শহর এবং কান্দাহার প্রদেশের রাজধানী। আফগানিস্তানের আরও কয়েকটি বিখ্যাত শহরঃ মাযার-ই-শরীফ, কাবুল, হেরাত, গজনী। সূত্র- worldatlas ওয়েবসাইট।
১,২০৫.
নিচের কোন জেলা হিমালয় কন্যা নামে পরিচিত?
  1. রাঙ্গামাটি
  2. বান্দরবান
  3. সিলেট
  4. পঞ্চগড়
সঠিক উত্তর:
পঞ্চগড়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পঞ্চগড়
ব্যাখ্যা

পঞ্চগড়:
- ঢাকা থেকে প্রায় ৪০০ কিলোমিটার দুরে দেশের সর্ব উত্তরের জেলা।
- হাজার বছরের গৌরবগাথা আর প্রাচীন ইতিহাস-ঐতিহ্যের অগণিত স্মৃতিমণ্ডিত জেলা পঞ্চগড়।
- হিমালয়ের পাদদেশে জেলাটির ভৌগলিক অবস্থান হওয়ায় পঞ্চগড়কে বলা হয় হিমালয় কন্যা।
- অবস্থানগত কারণে পঞ্চগড় একটি শীতপ্রবণ জেলা।
- অক্টোবরের মাঝামাঝি থেকে ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি পর্যন্ত এখানে প্রচণ্ড কুয়াশাসহ শীত পড়ে।
- আর নভেম্বর থেকে জানুয়ারি পর্যন্ত এখানকার তাপমাত্রা ৪-১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস থাকে।
- পঞ্চগড়ের দর্শনীয় স্থানগুলোর মধ্যে অন্যতম খালি চোখে কাঞ্চনজঙ্ঘা দর্শন, তেঁতুলিয়া জিরো পয়েন্ট, বারো আউলিয়ার মাজার, শাহী মসজিদ, সমতল ভূমির আরগনিক চায়ের বাগান, কাজী অ্যান্ড কাজী টি এস্টেট, আনন্দ ধারা, ভিতরগড় ও মহারাজের দীঘি, বোদেশ্বরী মহাপীঠ মন্দির, গোলক ধাম মন্দির, বাংলাবান্ধা জিরো (০) পয়েন্ট ও বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর, পাহাড়ি স্বচ্ছ জলের মহানন্দা নদী, পাথর সমৃদ্ধ রকস মিউজিয়াম, তেঁতুলিয়া ডাকবাংলো, চতুর্থ চীন বাংলাদেশ মৈত্রী সেতু, খয়ার বাগানসহ বিস্তৃর্ণ বনাঞ্চল ময়নামতিরচর।
- পঞ্চগড়ের বাংলাবান্ধা থেকে নেপালের দূরত্ব মাত্র ৬১ কিলোমিটার, এভারেস্ট শৃঙ্গ ৭৫ কিলোমিটার, ভুটান ৬৪ কিলোমিটার, চীন ২০০ কিলোমিটার, ভারতের দার্জিলিং ৫৮ কিলোমিটার ও শিলিগুড়ি ৮ কিলোমিটার আর কাঞ্চনজঙ্ঘার দূরত্ব মাত্র ১১ কিলোমিটার।

তথ্যসূত্র - পঞ্চগড় জেলার ওয়েবসাইট।

১,২০৬.
'মং সার্কেল' পার্বত্য চট্টগ্রামের কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. রাঙামাটি
  2. খাগড়াছড়ি
  3. চট্টগ্রাম
  4. বান্দরবান
সঠিক উত্তর:
খাগড়াছড়ি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খাগড়াছড়ি
ব্যাখ্যা
- পার্বত্য চট্টগ্রামে সার্কেল রয়েছে ৩টি। এগুলো হলো-
- চাকমা সার্কেল (রাঙামাটি জেলা),
- মং সার্কেল (খাগড়াছড়ি জেলা) এবং
- বোমাং সার্কেল (বান্দরবান জেলা)
- পার্বত্য চট্টগ্রামের এই ৩ সার্কেল প্রধানরা স্থানীয় পাহাড়ি জনগণের কাছে 'রাজা' হিসেবেই পরিচিত।
- সরকারিভাবে সার্কেল প্রধানদের সার্কেল চীফ বলা হয়।
উৎসঃ পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট।
১,২০৭.
কোন যুগের পাহাড় স্লেট পাথর, বেলে পাথর ও কর্দমের সংমিশ্রণে গঠিত? 
  1. প্লাবন সমভূমি যুগের
  2. টারশিয়ারি যুগের
  3. প্লাইস্টোসিনকালের 
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
টারশিয়ারি যুগের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টারশিয়ারি যুগের
ব্যাখ্যা

- টারশিয়ারি যুগের পাহাড় স্লেট পাথর, বেলে পাথর ও কর্দমের সংমিশ্রণে গঠিত। 

• টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ: 

- ভূতাত্ত্বিকভাবে বাংলাদেশের সবচেয়ে পুরাতন ভূমিরূপ হচ্ছে টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ।
- টারশিয়ারি যুগে হিমালয় পর্বত উত্থিত হওয়ার সময় এসব পাহাড় সৃষ্টি হয়েছে।
- পাহাড়ি এলাকার দীর্ঘকালের প্রাকৃতিক ভূমিক্ষয়ের ফলে পাহাড়ি এলাকার উচ্চতা কমে ক্ষয়িত অংশের দ্বারা সংলগ্ন এলাকা ভরাট হয়ে নতুন মৃত্তিকার সমতল ভূমি সৃষ্টি করছে।

• রাঙ্গামাটি, বান্দরবন, খাগড়াছড়ি, চট্টগ্রাম, সিলেট, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জে টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ অবস্থিত।
- বাংলাদেশের মোট ভূমির প্রায় ১২% এলাকা নিয়ে টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ অবস্থিত।
= এসকল পাহাড়কে ২ ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
• দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড় সমূহ ও
• উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড় সমূহ
- বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের (রাঙ্গামাটি, বান্দরবন, খাগড়াছড়ি, কক্সবাজার, চট্টগ্রাম) পাহাড়গুলোর গড় উচ্চতা ৬১০ মিটার।   আসামের লুসাই ও মিয়ানমারের আরাকান এলাকার পাহাড়ের সাথে এদের মিল দেখা যায়।
- এ সকল পাহাড় বেলে পাথর, স্লেট পাথর ও কর্দমের সংমিশ্রণে গঠিত।
- এদের মধ্যে সর্বোচ্চ শৃঙ্গ তাজিনডং(বিজয়)-র উচ্চতা ১২৩১ মিটার। এটি বান্দরবন জেলায় অবস্থিত।

• উত্তর-পূর্বাঞ্চলে (সিলেট, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ জেলায়) ছোট বড় বিচ্ছিন্ন কতগুলো পাহাড় অবস্থিত।
- এ অঞ্চলের একটি উল্লেখযোগ্য পাহাড় হল সুনামগঞ্জের ছাতক পাহাড়।
- ছাতক (উপজেলা) শহরের উত্তরে প্রায় ৪০ কি.মি. স্থান জুড়ে এই টিলা পাহাড়টি অবস্থিত।
- এছাড়া মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ জেলার দক্ষিণ সীমানায় অবস্থিত পাহাড়গুলো কোনোরূপ গিরিশ্রেণী গঠন করেনি। এদেরকে ত্রিপুরার পাহাড় বলা হয়।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি। এবং জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১,২০৮.
নোয়াখালী ও ফেনী নদীর নিম্নভাগ থেকে কক্সবাজার পযর্ন্ত বিস্তৃত সমভূমি কোন ধরনের সমভূমি?
  1. ব-দ্বীপ সমভূমি
  2. পলল গঠিত সমভূমি
  3. উপকূলীয় সমভূমি
  4. স্রোতজ সমভূমি
সঠিক উত্তর:
উপকূলীয় সমভূমি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপকূলীয় সমভূমি
ব্যাখ্যা
সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি:
- সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি বাংলাদেশকে একটি উর্বর কৃষিপ্রধান দেশে পরিণত করেছে।
- পদ্মা, মেঘনা, যমুনাসহ অসংখ্যা ছোট-বড় নদী সারা দেশে জালের ন্যায় ছড়িয়ে আছে।
- এসব নদী সমতল ভূমির ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় প্রায় প্রতি বছর বন্যার সৃষ্টি হয়।
- এভাবে বন্যার সঙ্গে বাহিত পলিমাটি সঞ্চিত হয়ে দেশের বিস্তীর্ণ প্লাবন সমভূমি সৃষ্টি হয়েছে।

⇒ সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমিকে কয়েকটি ভাগে ভাগ করা যায়:
• পাদদেশীয় সমভূমি: হিমালয় পর্বত হতে বাহিত পলল দ্বারা গঠিত রংপুর ও দিনাজপুরের পাদদেশীয় সমভূমি।
• বন্যাপ্রবণ সমভূমি: ঢাকা, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, জামালপুর, পাবনা, নোয়াখালী, কুমিল্লা ও সিলেট জেলার বন্যাপ্রবণ সমভূমি।
• স্রোতজ সমভূমি: খুলনা, পটুয়াখালী এবং বরগুনা জেলার অংশবিশেষ নিয়ে স্রোতজ সমভূমি। এ অঞ্চলের নদীতে প্লাবন কম হয়, তবে নিয়মিত জোয়ার-ভাটা হয়।
উপকূলীয় সমভূমি: নোয়াখালী ও ফেনী নদীর নিম্নভাগ থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত বিস্তৃত চট্টগ্রামের উপকূলীয় সমভূমি। এখানকার পতেঙ্গা সৈকত, কক্সবাজার সৈকত এবং টেকনাফ সৈকত পর্যটনের জন্য বিশেষ প্রসিদ্ধ।
• ব-দ্বীপ সমভূমি: ফরিদপুর, কুষ্টিয়া, যশোর, খুলনা এবং ঢাকা অঞ্চলের অংশবিশেষ নিয়ে ব-দ্বীপ সমভূমি।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,২০৯.
নিচের কোনটি বাংলাদেশের পূর্ব সীমারেখায় অবস্থিত? 
  1. ভারত ও নেপাল
  2. ভারত ও মিয়ানমার
  3. বঙ্গপোসাগর
  4. ভারত ও ভুটান
সঠিক উত্তর:
ভারত ও মিয়ানমার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভারত ও মিয়ানমার
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের সীমা:
- বাংলাদেশের পূর্ব সীমারেখায় অবস্থিত ভারত ও মিয়ানমার।

- বাংলাদেশের উত্তরে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, মেঘালয় ও আসাম রাজ্য;
- পূর্বে আসাম, ত্রিপুরা, মিজোরাম রাজ্য ও মিয়ানমার;
- দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর এবং পশ্চিমে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য অবস্থিত।
- বাংলাদেশের সর্বমোট সীমারেখা ৪,৭১১ কিলোমিটার।
- এর মধ্যে ভারত-বাংলাদেশের সীমারেখার দৈর্ঘ্য ৩,৭১৫ কিলোমিটার।
- বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমারেখার দৈর্ঘ্য ২৮০ কিলোমিটার

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম ও দশম শ্রেণি।

১,২১০.
বাংলাদেশের কোন বিভাগের সবগুলো জেলা সীমান্তবর্তী?
  1. রংপুর
  2. ময়মনসিংহ
  3. সিলেট
  4. খ ও গ
সঠিক উত্তর:
খ ও গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ ও গ
ব্যাখ্যা
সীমান্তবর্তী জেলা:
- বাংলাদেশে মোট বিভাগ ৮টি তার মধ্যে ২টি বিভাগের সবগুলো জেলা সীমান্তবর্তী।
- বিভাগগুলো হলো - ময়মনসিংহ ও সিলেট।
- ময়মনসিংহ বিভাগের সীমান্ত সংলগ্ন জেলাগুলো হলো- জামালপুর, শেরপুর, ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনা।
- সিলেট বিভাগের সীমান্ত সংলগ্ন জেলাগুলো হলো- সুনামগঞ্জ, সিলেট, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১,২১১.
ভূ-প্রকৃতি অনুসারে বাংলাদেশকে কয় ভাগে ভাগ করা হয়?
  1. ক) ৪ ভাগে
  2. খ) ৫ ভাগে
  3. গ) ২ ভাগে
  4. ঘ) ৩ ভাগে
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৩ ভাগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৩ ভাগে
ব্যাখ্যা
ভূ-প্রকৃতি অনুসারে বাংলাদেশকে ৩টি ভাগে ভাগ করা হয়। যথা - পাহাড়িয়া অঞ্চল, সোপান অঞ্চল এবং সমভূমি অঞ্চল।
বাংলাদেশের পাহাড়গুলো টারশিয়ারি যুগের পাহাড়। বাংলাদেশের পাহাড়ি এলাকার গড় উচ্চতা ২০৫০ ফুট।
অবস্থান অনুসারে বাংলাদেশের টারশিয়ারি পাহাড়কে ২ভাগে ভাগ করা হয়।
বরেন্দ্রভূমি হলো প্লাইস্টোসিনকালের সোপান।
উৎস : বাংলাপিডিয়া
১,২১২.
ভারতীয় কোন রাজ্যের সাথে বাংলাদেশের কোনো সীমান্ত নেই?
  1. ত্রিপুরা
  2. মিজোরাম
  3. আসাম
  4. মণিপুর 
সঠিক উত্তর:
মণিপুর 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মণিপুর 
ব্যাখ্যা

- ভারতের মণিপুর রাজ্যের সাথে বাংলাদেশ কোনো সীমান্ত সংযোগ নেই।

• বাংলাদেশের সাথে ভারতের সেভেন সিস্টার্সভুক্ত চারটি রাজ্যসহ মোট ৫টি রাজ্যের সীমান্ত রয়েছে। এগুলো হলো:
- পশ্চিমবঙ্গ,
- আসাম,
- মেঘালয়,
- ত্রিপুরা এবং
- মিজোরাম৷

- উল্লেখ্য,
- সেভেন সিস্টার্সভুক্ত মণিপুর, অরুণাচল ও নাগাল্যান্ড রাজ্যের সাথে বাংলাদেশের সীমান্ত নেই।

উৎস: ওয়ার্ল্ড অ্যাটলাস।

১,২১৩.
কত তারিখে পৃথিবীতে দিনরাত্রি সমান হয়?
  1. ২১ মার্চ
  2. ২২ ডিসেম্বর
  3. ২৩ সেপ্টেম্বর
  4. ক ও গ
সঠিক উত্তর:
ক ও গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক ও গ
ব্যাখ্যা
• ভৌগোলিক অবস্থান:
- বাংলাদেশের উত্তরে হিমালয়সহ উত্তর-পূর্বে আসাম পাহাড়ী অঞ্চল রয়েছে এবং এর মাঝে বাংলাদেশ নীচু সমতল ভূমি।
- এরূপ অবস্থানের জন্য বাংলাদেশে দুটি রূপে মৌসুমী জলবায়ুর প্রভাব দেখা যায়।
- পৃথিবীর দিনরাত্রি সর্বত্র সমান ২১ মার্চ ও ২৩ সেপ্টেম্বর।

এছাড়াও,
- উত্তর গোলার্ধে সবচেয়ে ছোট দিন ও বড় রাত : ২২ ডিসেম্বর।
- দক্ষিণ গোলার্ধে সবচেয়ে বড় দিন ও ছোট রাত : ২২ ডিসেম্বর।
- উত্তর গোলার্ধে সবচেয়ে বড় দিন ও ছোট রাত : ২১ জুন।
- দক্ষিণ গোলার্ধে সবচেয়ে ছোট দিন ও বড় রাত : ২১ জুন।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণি।
১,২১৪.
ইউরেনাসকে বলা হয়-
  1. ক) গ্রহরাজ
  2. খ) লালগ্রহ
  3. গ) সবুজগ্রহ
  4. ঘ) ক্ষুদ্রগ্রহ
সঠিক উত্তর:
গ) সবুজগ্রহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সবুজগ্রহ
ব্যাখ্যা

- সৌরজগতের গ্রহ ৮টি।
- ইউরেনাসকে সবুজগ্রহ,
- বুধকে ক্ষুদ্রগ্রহ,
- মঙ্গলকে লালগ্রহ,
- বৃহস্পতিকে গ্রহরাজ বলে।

১,২১৫.
'গ্রেট বেরিয়ার রীফ' (Great Barrier Reef) কোথায় অবস্থিত?
  1. দক্ষিণ আফ্রিকা
  2. গ্রীনল্যান্ড
  3. অস্ট্রেলিয়া
  4. ইন্দোনেশিয়া
সঠিক উত্তর:
অস্ট্রেলিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অস্ট্রেলিয়া
ব্যাখ্যা
গ্রেট বেরিয়ার রীফ (Great Barrier Reef):
- পৃথিবীর বৃহত্তম প্রবাল-প্রাচীর 'গ্রেট বেরিয়ার রীফ' (Great Barrier Reef) অস্ট্রেলিয়ার উত্তরপূর্ব উপকূলে অবস্থিত।
- এর দৈর্ঘ্য প্রায় ৩০০০ কি.মি.।
- গ্রেট বেরিয়ার রীফের সর্বাধিক প্রস্থ ৬৫ কি.মি.।
- অস্ট্রেলিয়ার কুইন্সল্যান্ড রাজ্য বরাবর প্রশান্ত মহাসাগরে গ্রেট বেরিয়ার রীফ অবস্থিত।
- এটি পৃথিবীর প্রাকৃতিক সপ্তাশ্চার্যের একটি।

অপরদিকে, 
- আয়তনের দিক থেকে বিশ্বের ক্ষুদ্রতম মহাদেশ হচ্ছে ওশেনিয়া/ অস্ট্রেলিয়া।
- ওশেনিয়া/অস্ট্রেলিয়া মহাদেশ এর সবচেয়ে বড় দেশ অস্ট্রেলিয়া।
- অস্ট্রেলিয়া একটি ল্যাটিন শব্দ– যার অর্থ দক্ষিণাঞ্চল।
- ওশেনিয়া বা অস্ট্রেলিয়া এশিয়া মহাদেশের দক্ষিনে অবস্থিত দক্ষিন গোলার্ধের একটি দেশ।
- অস্ট্রেলিয়ার উষ্ণতম মাস জানুয়ারি এবং শীতলতম মাস জুলাই।
- ওশেনিয়ায় মোট ১৪টি দেশ রয়েছে।
- অস্ট্রেলিয়া ওশেনিয়ার বৃহত্তম এবং জনবহুল দেশ।
- ওশেনিয়া হল একটি বিস্তীর্ণ অঞ্চল যা অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড এবং মেলানেশিয়া, মাইক্রোনেশিয়া এবং পলিনেশিয়ার প্রশান্ত মহাসাগরের উপ-অঞ্চলকে ঘিরে রয়েছে।
- অস্ট্রেলিয়ার সবচেয়ে বড় হ্রদ গ্রেট ভিক্টোরিয়া।

তথ্যসূত্র: গ্রেট বেরিয়ার রীফ অর্গানাইজেশন ওয়েবসাইট এবং ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।
১,২১৬.
শাল কোন বনভূমির প্রধান বৃক্ষ?
  1. সিলেট অঞ্চলের বনভূমি
  2. সুন্দরবন
  3. মধুপুর ও ভাওয়াল গড়
  4. পার্বত্য চট্টগ্রাম বনাঞ্চল
সঠিক উত্তর:
মধুপুর ও ভাওয়াল গড়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মধুপুর ও ভাওয়াল গড়
ব্যাখ্যা
- টাঙ্গাইলের মধুপুর, গাজীপুরের ভাওয়াল গড়, শেরপুর, ময়মনসিংহ ও বরেন্দ্রভূমি এলাকায় বিস্তৃত বনভূমি শালবন নামে পরিচিত।
- এই বনভূমির প্রধান বৃক্ষ হলো শাল বা গজারি। শাল গাছের আধিক্যের কারণে এই বনভূমি শালবন নামে পরিচিত।
- শালবন একটি পত্রপতনশীল বৃক্ষের বনভূমি। যার কারণে শীতকালে এই বনের গাছের পাতা ঝড়ে যায়।
- শালবনের মোট আয়তন প্রায় ১.২ লক্ষ হেক্টর।
(তথ্যসূত্রঃ বন অধিদপ্তর ওয়েবসাইট)
১,২১৭.
নিচের কোন জেলায় মধুপুর বন অবস্থিত?
  1. ক) কুমিল্লা
  2. খ) বগুড়া
  3. গ) ময়মনসিংহ
  4. ঘ) সিলেট 
সঠিক উত্তর:
গ) ময়মনসিংহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা
- মধুপুর ও ভাওয়ালের গড়: উত্তরে পুরাতন ব্রহ্মপুত্র হতে দক্ষিণে বুড়িগঙ্গা নদী পর্যন্ত এ উচ্চভূমি বিস্তৃত। 
- এ অঞ্চলটি টাঙ্গাইল ও ময়মনসিংহ জেলার মধুপুর এবং গাজীপুর জেলার ভাওয়ালের গড় নিয়ে গঠিত। 
- এর আয়তন ৪,১০৩ বর্গকিলোমিটার এবং গড় উচ্চতা প্রায় ৩০ মিটার।
- এটি প্লাইস্টোসিনকালের দ্বিতীয় বৃহত্তম উচ্চভূমি। 
- বনজঙ্গলে পরিপূর্ণ এ উচ্চভূমি গজারী বৃক্ষের কেন্দ্র। এজন্য এটি গজারী বৃক্ষের বনভূমি হিসেবেও পরিচিত। 

  উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম - দশম শ্রেণি।
১,২১৮.
নিম্নের কোনটি বাল্টিক রাষ্ট্র নয়?
  1. লাটভিয়া
  2. অস্ট্রিয়া
  3. লিথুয়ানিয়া
  4. এস্তোনিয়া
সঠিক উত্তর:
অস্ট্রিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অস্ট্রিয়া
ব্যাখ্যা
বাল্টিক রাষ্ট্র:
- বাল্টিক রাষ্ট্র বলতে ইউরোপের উত্তর-পূর্ব অঞ্চল তথা বাল্টিক সাগরের পূর্ব তীরে অবস্থিত রাষ্ট্রসমূহকে বুঝায়।
- এই অঞ্চলে তিনটি দেশ রয়েছে।
- দেশগুলো হলো: এস্তোনিয়া, লাটভিয়া এবং লিথুয়ানিয়া।

এছাড়াও,
- বাল্টিক রাষ্ট্রসমূহে আঞ্চলিক পর্যায়ে সহযোগিতার জন্য কিছু আন্তঃসরকার সংস্থা রয়েছে।

⇒ বাল্টিক সাগর:
- বাল্টিক সাগর ইউরোপের উত্তরাংশে অবস্থিত।
- এর চারদিকে স্ক্যান্ডিনেভীয় উপদ্বীপ, ইউরোপ মহাদেশের মূল ভূখণ্ড এবং ডেনমার্কের দ্বীপসমূহ অবস্থিত।
- পূর্বে এটি উত্তর মহাসাগরের সাথে যুক্ত।
- কৃত্রিম শ্বেত সাগর খালের মাধ্যমে এটি শ্বেত সাগরের সাথে যুক্ত।
- বাল্টিক সাগরের সাথে যেসব দেশের সরাসরি সীমানা রয়েছে: ডেনমার্ক, এস্তোনিয়া, ফিনল্যান্ড, জার্মানি, লাটভিয়া, লিথুয়ানিয়া, পোল্যান্ড, রাশিয়া, সুইডেন।

উৎস: Britannica.
১,২১৯.
প্রবহমান দুটি নদীর মধ্যবর্তী ভূমিকে কী বলে?
  1. মোহনা
  2. দোয়াব
  3. নদীসংগম
  4. নদীর উৎস
সঠিক উত্তর:
দোয়াব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দোয়াব
ব্যাখ্যা
- নদীর উৎস: যেখান থেকে নদীর উৎপত্তি হয় তাকে নদীর উৎস বলে।
- মোহনা: নদী যখন কোনো হ্রদ বা সাগরে এসে পতিত হয়, তখন সেই পতিত স্থানকে মোহনা বলে। নদীর অধিক বিস্তৃত মোহনাকে খাঁড়ি বলে।
- দোয়াব: প্রবহমান দুটি নদীর মধ্যবর্তী ভূমিকে দোয়াব বলে।
- নদীসংগম: দুই বা ততোধিক নদীর মিলনস্থলকে নদীসংগম বলে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
১,২২০.
শালবন কী ধরনের বনভূমি?
  1. পত্রপতনশীল
  2. চিরহরিৎ
  3. সরলবর্গীয়
  4. স্রোতজ
সঠিক উত্তর:
পত্রপতনশীল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পত্রপতনশীল
ব্যাখ্যা
- শালবন একটি পত্রপতনশীল বা পর্ণমোচী বৃক্ষের বনভূমি। অর্থাৎ শীতকালে এই বনভূমির বৃক্ষের পাতা ঝড়ে যায়।
- শাল বা গজারি এই বনের প্রধান বৃক্ষ।
- শালবনের মোট আয়তন প্রায় ১.২ লক্ষ হেক্টর।
- টাঙ্গাইলের মধুপুর, গাজীপুরের ভাওয়াল গড়, শেরপুর, ময়মনসিংহ ও বরেন্দ্রভূমি এলাকা জুড়ে শালবন বিস্তৃত।
(তথ্যসূত্রঃ বন অধিদপ্তর ওয়েবসাইট)
১,২২১.
জাফনা দ্বীপ এর অবস্থান কোন দেশে?
  1. ক) ইউক্রেন
  2. খ) শ্রীলংকা
  3. গ) লেবানন
  4. ঘ) জাপান
সঠিক উত্তর:
খ) শ্রীলংকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) শ্রীলংকা
ব্যাখ্যা
শ্রীলঙ্কার তামিল-অধ্যুষিত উত্তরাঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ শহর জাফনা। তামিল বিচ্ছিন্নতাবাদীদের সঙ্গে সরকারি বাহিনীর ৩৭ বছরব্যাপী লড়াইয়ের সময় উত্তর-পূর্ব শ্রীলঙ্কার জাফনা উপদ্বীপ সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ওই গৃহযুদ্ধে অন্তত এক লাখ মানুষ নিহত হয়। তাদের অধিকাংশই তামিল সম্প্রদায়ের।

সূত্রঃ প্রথম আলো
১,২২২.
সমুদ্র সমতল থেকে দিনাজপুরের উচ্চতা কত?
  1. ২৫ মিটার
  2. ৮ মিটার
  3. ৩৭.৫০ মিটার
  4. ২০ মিটার
সঠিক উত্তর:
৩৭.৫০ মিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৭.৫০ মিটার
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের ভৌগলিক অবস্থান:
- বাংলাদেশের আয়তন: ১,৪৭,৫৭০ বর্গ কি.মি.।
- পৃথিবীর বৃহত্তম ব-দ্বীপ: বাংলাদেশ।
- মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় গাজীপুর, ময়মনসিংহ এবং টাঙ্গাইলে অবস্থিত।
- সমুদ্রতল থেকে দিনাজপুরের উচ্চতা ৩৭.৫০ মিটার।
- সমুদ্রতল থেকে বগুড়ার উচ্চতা ২০ মিটার।
- সমুদ্রতল থেকে ঢাকার উচ্চতা ২৫ মিটার।
- সমুদ্রতল থেকে নারায়নগঞ্জ এবং রাজশাহীর উচ্চতা ৮ মিটার।
- বাংলাদেশের মোট সীমান্ত দৈর্ঘ্য ৫,১৩৮ কিলোমিটার।
- বাংলাদেশের সমুদ্র উপকূলের দৈর্ঘ্য ৭১১ কি.মি.।
- কক্সবাজার সমুদ্র উপকূলের দৈর্ঘ্য ১৫৫ কিলোমিটার।
- বাংলাদেশের রাজনৈতিক সমুদ্রসীমা ১২ নটিক্যাল মাইল।
- বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সমুদ্রসীমা ২০০ নটিক্যাল মাইল।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১,২২৩.
কোন প্রাকৃতিক দুর্যোগের তীব্রতা পরিমাপে 'ফুজিতা স্কেল' ব্যবহৃত হয়?
  1. বন্যা
  2. টর্নেডো
  3. দাবানল
  4. ভূমিকম্প
সঠিক উত্তর:
টর্নেডো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টর্নেডো
ব্যাখ্যা
ফুজিতা স্কেল:
- ফুজিতা স্কেল (Fujita Scale), যা F-স্কেল হিসেবেও পরিচিত, এটি টর্নেডোর তীব্রতা এবং ক্ষতির স্তরের জন্য ব্যবহৃত একটি স্কেল।
- এটি ১৯৭১ সালে জাপানি আবহাওয়াবিদ তাতসুয়া থিওডোর ফুজিতা (Tetsuya Theodore Fujita) দ্বারা তৈরি করা হয়েছিল।
- এই স্কেলটি টর্নেডোর শক্তি এবং তার ফলে সৃষ্ট ক্ষয়ক্ষতি অনুযায়ী শ্রেণিবদ্ধ করে।
- ফুজিটা স্কেল বাতাসের শক্তি এবং ক্ষতির ক্ষয়ক্ষতি স্থাপনের চেষ্টা করে।

⇒ ফুজিটা স্কেলে টর্নেডোগুলিকে F0 থেকে F5 পর্যন্ত শ্রেণিবদ্ধ করা হয়, যেখানে F0 হলো সবচেয়ে দুর্বল এবং F5 হলো সবচেয়ে শক্তিশালী। 

উল্লেখ্য,
• টর্নেডো:
- টর্নেডো এক ধরনের ঝড়, যা বায়ুস্তম্ভের আকারে সৃষ্ট প্রচণ্ড বেগে ঘূর্ণায়মান ঝড় যা মেঘ (সাধারণত কিউমুলোনিম্বাস, ক্ষেত্রবিশেষে কিউমুলাস) এবং পৃথিবীপৃষ্ঠের সাথে সংযুক্ত থাকে।
- টর্নেডোর আকৃতি বিভিন্ন ধরনের হতে পারে, তবে বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই এটি দৃশ্যমান ঘনীভূত ফানেল আকৃতির হয়, যার চিকন অংশটি ভূপৃষ্ঠকে স্পর্শ করে এবং এটি প্রায়শই বর্জ্যের মেঘ দ্বারা ঘিরে থাকে।
- সাধারণত কোন স্থানে নিম্নচাপ বা লঘুচাপ সৃষ্টি হলে ওই স্থানের উষ্ণ বাতাস উপরের দিকে উঠে যায় এবং তখন ওই শূন্য জায়গা পূরণের জন্য চারদিকের শীতল বাতাস দ্রুত বেগে ধাবিত হয়।
- কালবৈশাখীর মতো এভাবেই টর্নেডোর উৎপত্তি হয়। তবে কালবৈশাখীর মতো বজ্রঝড়ের সাথে আবহাওয়ার আরও কিছু উপাদান যোগ হয়ে তৈরি হয় এ টর্নেডো।
- এটি মূলত স্থলভাগে তৈরি হওয়া একটি বায়ুচাপ যা প্রচণ্ড বেগে ঘুরতে থাকে এবং খুব স্বল্প সময়ের জন্য সক্রিয় থাকে।
- টর্নেডোর বায়ুপ্রবাহ হচ্ছে ঘূর্ণন এবং বাতাসের প্রচণ্ড গতিবেগের জন্যই এর ধ্বংসক্ষমতা অনেক বেশি।
- বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই টর্নেডো দেখতে সরু ফানেলের মতো হয়, যার চিকন অংশটি ভূমি স্পর্শ করে। যদিও টর্নেডো বিভিন্ন আকার কিংবা আকৃতির হতে পারে।
- শীতের শেষ থেকে বর্ষার শুরু এই সময়টাতেই টর্নেডো হানা দেয় বেশি। কয়েক সেকেন্ড থেকে শুরু করে এক ঘণ্টা পর্যন্ত। তবে অধিকাংশই স্থায়ী হয় মিনিট দশেক।
- বাংলাদেশ ছাড়াও ভারতের পশ্চিমবঙ্গ এবং যুক্তরাষ্ট্রের একটি অঞ্চলে টর্নেডো বেশি হয়ে থাকে।
- অনেক সময় একটি টর্নেডো থেকে একাধিক টর্নেডো তৈরি হতে পারে যাকে টর্নেডো পরিবার বলা হয়।

উৎস: i) BBC.
ii) Britannica.
১,২২৪.
টিপাইমুখ বাঁধ ভারতের কোন রাজ্যে অবস্থিত?
  1. নাগাল্যান্ড
  2. মিজোরাম
  3. মণিপুর
  4. ত্রিপুরা
সঠিক উত্তর:
মণিপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মণিপুর
ব্যাখ্যা
টিপাইমুখ বাঁধ: 
- বাংলাদেশে রয়েছে ৫৪টি আন্তসীমান্ত নদী,
- যার বেশির ভাগই এসেছে ভারত থেকে।
- বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তের ১০০ কিলোমিটার উজানে ভারতের বরাক নদীর ওপর নির্মিতব্য বাঁধটিই টিপাইমুখ বাঁধ নামে পরিচিত।
- টিপাইমুখ বাঁধ, ভারতের মণিপুর রাজ্যে বরাক নদীর উপর নির্মিত একটি প্রস্তাবিত জলবিদ্যুৎ প্রকল্প।
- এই স্থানটি তুইভাই নদী ও বরাক নদীর সঙ্গমস্থল থেকে ৫০০ মিটার ভাটিতে এবং বাংলাদেশ সীমানা থেকে ২০০ কিলোমিটার উজানে।
- এই বরাক নদীই বাংলাদেশে প্রবেশের আগে দুই ভাগ হয়ে সুরমা ও কুশিয়ারা নামে প্রবেশ করেছে।

উৎস: কালের কণ্ঠ। 
 
১,২২৫.
কোন দেশটি নিরক্ষীয় জলবায়ুর অন্তর্গত দেশ নয়?
  1. ইন্দোনেশিয়া
  2. নেপাল
  3. ব্রুনাই
  4. ফিলিপাইন
সঠিক উত্তর:
নেপাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নেপাল
ব্যাখ্যা
নিরক্ষীয় জলবায়ুর অন্তর্গত দেশ নয় - নেপাল।

• নিরক্ষীয় জলবায়ু:
- নিরক্ষরেখায় অবস্থানকারী দেশসমূহ এবং এই নিরক্ষরেখার কাছাকাছি অবস্থানরত দেশসমূহে নিরক্ষীয় জলবায়ু বিরাজমান বলে একে বলা হয় নিরক্ষীয় জলবায়ু।

• অবস্থান ও দেশসমূহ:
- নিরক্ষরেখার উভয় পাশে ৫° অক্ষাংশের মধ্যে নিরক্ষীয় অঞ্চল অবস্থিত।
- সূর্যের উত্তরায়ন ও দক্ষিণায়নের ফলে এ অঞ্চলে দুইবার মাত্রাতিরিক্ত তাপমাত্রা দেখা যায়।
- কোনো কোনো স্থানে নিরক্ষরেখার উত্তর ও দক্ষিণে ১০° অক্ষাংশের সীমা পর্যন্ত নিরক্ষরেখা বিস্তৃত।

- বিষুবরেখার পার্শ্ববর্তী ৯৬৫ কি. মি. এলাকাজুড়ে এই জলবায়ুর প্রভাব বিস্তৃত।
- আফ্রিকার কঙ্গো নদী অববাহিকা ও গিনি উপকূলীয় এলাকা, মধ্য আমেরিকার পূর্ব উপকূলের পানামা, হন্ডুরাস, কোস্টারিকা, নিকারাগুয়া এবং দক্ষিণ আমেরিকার পূর্ব উপকূল এই জলবায়ু অঞ্চলের অর্ন্তগত।

- এছাড়াও নিরক্ষরেখার কাছাকাছি অবস্থিত দেশগুলো যেমন- মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, ইন্দোনেশিয়া, ব্রুনাই, ফিলিপাইন, আমাজান নদীর অববাহিকা, পেরু, ইকুয়েডর ও কলম্বিয়ার দক্ষিণাঞ্চল জুড়েও এই জলবায়ু প্রভাব বিস্তার করে।

তথ্যসূত্র: ভূগোল প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,২২৬.
বাংলাবান্ধা সীমান্তবর্তী স্থান বাংলাদেশের কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. রংপুর
  2. পঞ্চগড়
  3. লালমনিরহাট
  4. চাপাইনবাবগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
পঞ্চগড়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পঞ্চগড়
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী স্থান:
- বাংলাবান্ধা স্থল বন্দর বাংলাদেশের তেঁতুলিয়া উপজেলার ১নং বাংলাবান্ধা ইউনিয়নে অবস্থিত।
- এটি বাংলাদেশের একমাত্র স্থল বন্দর যার মাধ্যমে চারটি দেশের (বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল, ভূটান)মধ্যে পণ্য আদান-প্রদানের সুবিধা রয়েছে।
- বাংলাদেশের সর্ব-উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ার মহানন্দা নদীর তীরে এ বন্দরটি অবস্থিত।
- বাংলাদেশের সাথে ভারতের সীমান্ত সংলগ্ন প্রায় ১০ একর জায়গার উপর স্থলবন্দরটি অবস্থিত।
- বাংলাদেশের সবচেয়ে উত্তরে অবস্থিত স্থান বাংলাবান্ধা। যা পঞ্চগড় জেলায় অবস্থিত।

এছাড়াও,
সর্ব উত্তর:
- বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের সীমান্তবর্তী স্থান বাংলাবান্ধা।
- বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের উপজেলার তেঁতুলিয়া।
- বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের জেলা পঞ্চগড়।

 সর্ব পূর্ব:
- বাংলাদেশের সর্ব পূর্বের স্থান আখাইনঠং।
- বাংলাদেশের সবচেয়ে পূর্বের উপজেলা থানচি।
- দেশের সর্ব পূর্বের জেলা বান্দরবান।

সর্ব পশ্চিম:
- বাংলাদেশের সর্ব পশ্চিমের স্থান মনাকষা।
- বাংলাদেশের সর্ব পশ্চিমের উপজেলা শিবগঞ্জ।
- বাংলাদেশের সর্ব পশ্চিমের জেলা চাপাইনবাবগঞ্জ।

সর্ব দক্ষিণ:
- বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের স্থান ছেড়াদ্বীপ।
- বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের উপজেলা টেকনাফ।
- বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের জেলা কক্সবাজার।

তথ্যসূত্র:- সংশ্লিষ্ট জেলার সরকারি ওয়েবসাইট ও বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১,২২৭.
'সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড' এর মানে-
  1. একটি খেলার মাঠ
  2. একটি প্লাবন ভূমির নাম
  3. বঙ্গোপসাগরের একটি খাদের নাম
  4. ঢাকা সেনানিবাসের পোলা গ্রাউন্ডের নাম
সঠিক উত্তর:
বঙ্গোপসাগরের একটি খাদের নাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বঙ্গোপসাগরের একটি খাদের নাম
ব্যাখ্যা
• সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড (Swatch of No Ground):
সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড খাদ আকৃতির সামুদ্রিক অববাহিকা বা গিরিখাত, যা বঙ্গোপসাগরের মহীসোপানকে কৌণিকভাবে অতিক্রম করেছে। এটি গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র বদ্বীপের পশ্চিমে অবস্থিত। গঙ্গা খাদ নামেও এটি পরিচিত।

পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানে এ ধরনের আরও কিছু বদ্বীপমুখী খাদ দেখতে পাওয়া যায়, যেমন সিন্ধু নদীর মোহনার অদূরে সিন্ধু খাদ, মিসিসিপি বদ্বীপের পশ্চিম পাশে মিসিসিপি খাদ। 

- সোয়াচ অফ নো গ্রাউন্ডটি বঙ্গোপসাগরের ১৪ কিলোমিটার প্রশস্ত গভীর সমুদ্রের উপত্যকা। এই উপত্যকার গভীরতম রেকর্ড করা অঞ্চলটি প্রায় ১৩৫০ মি।
- সাবমেরিন উপত্যকাটি বেঙ্গল ফ্যান বা বঙ্গ পাখার অংশ, বিশ্বের বৃহত্তম সাবমেরিন পাখা।
- 'বেঙ্গল ফ্যান' ভূমি রূপটি পাওয়া যায় বঙ্গোপসাগরের সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ডে।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া।
১,২২৮.
বাংলাদেশে GIS কৌশলটির প্রথম ব্যবহার শুরু হয় কত সালে?
  1. ১৯৭৯ সালে
  2. ১৯৮৩ সালে
  3. ১৯৮৭ সালে
  4. ১৯৯১ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৯১ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯১ সালে
ব্যাখ্যা
GIS:
- GIS-এর পূর্ণরূপ: Geographic information systems বা ভৌগোলিক তথ্য পদ্ধতি হলো ভৌগোলিক তথ্য সংরক্ষণ এবং বিশ্লেষণ ব্যবস্থা।
- কম্পিউটারের হার্ডওয়‍্যার এবং সফট্ওয়‍্যারের মাধ্যমে ভৌগোলিক তথ্য সংগ্রহ, সংরক্ষণ, পরিবর্তন, বিশ্লেষণ ও প্রদর্শন করাই জিআইএস।
- GIS সফট্ওয়্যার নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ESRI (Environmental System Research Institute).

⇒ ১৯৬৪ সালে কানাডিয়ান 'The Canadian Geographic Information System (CGIS)' এর মাধ্যমে জিআইএস এর ব্যবহার শুরু হয়।
- ১৯৮৬ সালে ESRI বাণিজ্যিকভাবে Arc/Info সফট্ওয়্যার তৈরি শুরু করে।
- বাংলাদেশে ১৯৯১ সালে প্রথম জিআইএস এর ব্যবহার শুরু হয়।

⇒ জিআইএস এর কার্যপ্রণালি (Function of GIS): 
- উপাত্ত সংগ্রহ,
- উপাত্ত আদান-প্রদান,
- উপাত্ত সংস্করণ,
- উপাত্ত বিশ্লেষণ এবং,
- উপাত্ত উপস্থাপন ও ব্যবস্থাপনা।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,২২৯.
দেবতাখুম বান্দরবানের কোন উপজেলায় অবস্থিত?
  1. থানচি
  2. রোয়াংছড়ি
  3. আলীকদম
  4. লামা
সঠিক উত্তর:
রোয়াংছড়ি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রোয়াংছড়ি
ব্যাখ্যা

দেবতাখুম:
- দেবতাখুম বান্দরবান জেলার রোয়াংছড়ি উপজেলায় অবস্থিত।
- বান্দরবানে ছোট বড় অনেক খুম আছে, যেমন থানচির আমিয়াখুম, ভেলাখুম ইত্যাদি।

উল্লেখ্য,
- খুম অর্থ হচ্চে জলাধার। দেবতাখুম মূলত তারাছা খালের একটি অংশ, যার দুই পাশে পাহাড় দিয়ে ঘেরা এবং গভীর পানির পাথুরে জায়গা।
- এই খুমের দুইপাশে রয়েছে বিশাল জঙ্গল।
- উঁচু পাহাড়ের কারণে খুমের ভিতর সরাসরি সূর্যের আলো পৌঁছায় না, তাই খুমের যত ভিতরে যাওয়া যায় ততই শীতল মনে হয়।
- জায়গাটি খুব শান্ত এবং কোলাহলমুক্ত। এর পানিও বেশ স্বচ্ছ।
- বাঁশের ভেলায় চেপে এই খুমের ভিতর যাওয়ার সময় পর্যটকদেরকে এক রোমাঞ্চকর অনুভূতি দেয়।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 
ii) প্রথম আলো।

১,২৩০.
কোন জেলায় বাংলাদেশে অবস্থিত ভারতের ছিটমহল এর সংখ্যা সর্বাধিক ছিল?
  1. ক) কুড়িগ্রাম
  2. খ) লালমনিরহাট
  3. গ) পঞ্চগড়
  4. ঘ) নীলফামারী
সঠিক উত্তর:
খ) লালমনিরহাট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) লালমনিরহাট
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের সীমানার মধ্যে অবস্থিত ভারতের কিংবা ভারতের মধ্যে অবস্থিত বাংলাদেশের ছিটমহল সম্পর্কিত তথ্যাবলি দুষ্প্রাপ্য। প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায় যে, শুধু উত্তর-পশ্চিম সীমান্তেই ১৭৯টি ছিটমহল রয়েছে, যেগুলির অবস্থান অমীমাংসিত এবং যেগুলির বিষয়ে কোনো বিনিময় চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় নি।

- ১৯৯৬ সালের ৯ থেকে ১২ অক্টোবর কলকাতায় অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ-ভারত সীমানা সম্মেলনে ছিটমহল সমস্যা নিয়ে বিস্তৃত আলোচনা হয় এবং ঐবছর ২১ থেকে ২৪ নভেম্বর সরেজমিন পরিদর্শনে ভারতীয় ভূখন্ডে মোট ১১১টি বিনিময়যোগ্য বাংলাদেশি ছিটমহল চিহ্নিত করা হয় যার আয়তন ১৭,১৬০.৬৩ একর।

- পরিদর্শনে বাংলাদেশ ভূখন্ডে ৫১টি বিনিময়যোগ্য ভারতীয় ছিটমহল চিহ্নত করা হয় যার আয়তন প্রায় ৭,১১০.০২ একর। বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে ভারতীয় সীমানায় অবস্থিত বাংলাদেশি ৭৫টি ছিটমহলের মধ্যে ৪১টি লালমনিরহাট জেলায় (২টি হাতিবান্ধা উপজেলায়, ১টি লালমনিরহাট সদরে, ৪টি কালীগঞ্জে, ৩টি আদিতমারীতে, ২৮টি পাটগ্রামে এবং ৩টি ফুলবাড়ীতে), ১৬টি কুড়িগ্রাম জেলায় (সবকটি ভুরুঙ্গামারি উপজেলায়) এবং ১৮টি পঞ্চগড় জেলায় (২টি পঞ্চগড় সদরে, ১২টি বোদায় এবং ৪টি দেবীগঞ্জে)।

উৎস: বাংলাপিডিয়া
১,২৩১.
ভোমরা স্থলবন্দর কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. ক) চাপাইনবাবগঞ্জ
  2. খ) সাতক্ষীরা
  3. গ) কুমিল্লা
  4. ঘ) সিলেট
সঠিক উত্তর:
খ) সাতক্ষীরা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সাতক্ষীরা
ব্যাখ্যা
• ভোমরা স্থলবন্দর:
- ভোমরা স্থলবন্দর সাতক্ষীরা সদর উপজেলাধীন ভোমরা সীমান্তে অবস্থিত।
- ভোমরা স্থলবন্দরের বিপরীতে ভারতীয় অংশে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের চব্বিশ পরগণা জেলার গোজাডাঙ্গা সীমান্ত অবস্থিত।

- এটি বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যকার চেকপয়েন্ট ও গুরুত্বপূর্ণ স্থলবন্দর।
- স্থলপথে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম সহজতর করার লক্ষ্যে এটি যথাক্রমে ১২-০১-২০০২ খ্রিঃ তারিখে স্থলবন্দর ঘোষণা কেএবং ১৯-০৫-২০১৩ খ্রিঃ তারিখে স্থলবন্দরের অপারেশনাল কার্যক্রম শুরু হয়।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ স্থল বন্দর কর্তৃপক্ষ।
১,২৩২.
দেশের কোন বিভাগের সাথে কোনো আন্তর্জাতিক সীমান্ত নেই?
  1. রংপুর
  2. বরিশাল
  3. রাজশাহী
  4. খুলনা
সঠিক উত্তর:
বরিশাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বরিশাল
ব্যাখ্যা
সীমান্ত জেলা:
- বাংলাদেশে বিভাগ রয়েছে ৮টি এবং জেলা ৬৪টি।
- বাংলাদেশের মোট সীমান্তবর্তী জেলা ৩২টি।
- ভারত ও মিয়ানমার উভয় দেশের সাথে বাংলাদেশের ৩২টি জেলার সীমান্ত রয়েছে।
- ভারতের সাথে সীমান্তবর্তী জেলা ৩০টি এবং মিয়ানমারের সাথে সীমান্তবর্তী জেলা ৩টি।
- রাঙামাটি জেলার সাথে ভারত ও মিয়ানমার উভয় দেশের সীমানা রয়েছে।

এছাড়াও,
- ৬টি বিভাগের সাথে আন্তর্জাতিক সীমান্ত থাকলেও ঢাকা ও বরিশাল বিভাগের সাথে কোনো আন্তর্জাতিক সীমান্ত নেই।

উৎস: বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ ওয়েবসাইট।
১,২৩৩.
বাংলাদেশের খরাপ্রবণ অঞ্চল কোনটি?
  1. ক) দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চল
  2. খ) উত্তর-পূর্বাঞ্চল
  3. গ) দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল
  4. ঘ) উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল
সঠিক উত্তর:
ঘ) উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিম অঞ্চলে দীর্ঘকাল ধরে শুষ্ক আবহাওয়া ও অপর্যাপ্ত বৃষ্টিপাত এবং অল্পসংখ্যক নদী থাকার কারণে খরার প্রবণতা বেশি। যেমন দিনাজপুর, বগুড়া, রাজশাহী, রংপুর ইত্যাদি।  

তথ্যসূত্র: সাধারণ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১,২৩৪.
বাংলাদেশের কোন স্থান থেকে মেঘ স্পর্শ করা যায়?
  1. ক) খাগড়াছড়ির পাহাড়সমূহ
  2. খ) নীলগিরি পাহাড়
  3. গ) সীতাকুন্ড পাহাড়
  4. ঘ) মাধবকুন্ড পাহাড়
সঠিক উত্তর:
খ) নীলগিরি পাহাড়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) নীলগিরি পাহাড়
ব্যাখ্যা

- বান্দরবানের নীলগিরি যেখান থেকে মেঘ স্পর্শ করা যায়। 
- বান্দরবান জেলা সদর থেকে প্রায় ৪৭ কিলোইমটার দক্ষিণ পূর্ব দিকে বান্দরবান-থানছি সড়কে পাহাড় চূড়ায় নীলগিরি পর্যটন কেন্দ অবস্থিত।
- সমুদ্র পৃষ্ঠ হতে এর উচ্চতা ২ হাজার ২ শত ফুট।

উৎস: এস.এস.সি. ভূগোল ও পরিবেশ, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়; বান্দরবন জেলা ওয়েবসাইট।
১,২৩৫.
বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সমুদ্রসীমা -
  1. ১২ নটিক্যাল মাইল
  2. ২০০ নটিক্যাল মাইল
  3. ২২০ নটিক্যাল মাইল
  4. ৩৭০.৪০ নটিক্যাল মাইল
সঠিক উত্তর:
২০০ নটিক্যাল মাইল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০ নটিক্যাল মাইল
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের সমুদ্রসীমা:
- বঙ্গোপসাগরের উপকূল রেখার দৈর্ঘ্য ৭১৬ কিলোমিটার।
- বঙ্গোপসাগরে বাংলাদেশের রাজনৈতিক সমুদ্রসীমা ১২ নটিক্যাল মাইল বা ২২.২২ কিলোমিটার।
- বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সমুদ্রসীমা ২০০ নটিক্যাল মাইল বা ৩৭০.৪০ কিলোমিটার।
- ১ নটিক্যাল মাইল = ১.৮৫২ কিলোমিটার।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,২৩৬.
লেবানন ও ইসরাইলের মধ্যে সীমানারেখার নাম কী?
  1. ব্লু লাইন
  2. পার্পল লাইন
  3. লাইন অব একচুয়াল কন্ট্রোল
  4. সিগফ্রিড লাইন
সঠিক উত্তর:
ব্লু লাইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্লু লাইন
ব্যাখ্যা
• "ব্লু লাইন" -লেবানন ও ইসরাইল এর মধ্যে সীমানা নির্ধারণকারী সীমারেখা।

অন্যদিকে -
- ইসরাইল ও সিরিয়ার মধ্যে সীমানা নির্ধারণকারী সীমারেখা-পার্পল লাইন।
- লাইন অব একচুয়াল কন্ট্রোল-চীন ও ভারতের সীমান্তবর্তী রেখা।
- সিগফ্রিড লাইন ফ্রান্স ও জার্মানির মধ্যে নিরুপিত সীমারেখা।

লেবানন: দেশ পরিচিতি- 
ভূগোল: লেবানন এশিয়ার মধ্যপ্রাচ্যের একটি রাষ্ট্র, যা ভূমধ্যসাগরের পাড়ে অবস্থিত।
রাজধানী: বৈরুত।

গুরুত্বপূর্ণ শহর:
লেবাননের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ শহর হলো বৈরুত, বালবেক, এবং ত্রিপোলি।

মুদ্রা:
লেবাননের মুদ্রা হলো পাউন্ড।
ভাষা:
আরবি ভাষা লেবাননের সরকারি ভাষা।

সীমান্ত:
লেবানন ও ইসরাইলের মধ্যে সীমানারেখা 'Blue Line' দ্বারা চিহ্নিত করা হয়েছে।

রাজনৈতিক অবস্থা:
হিজবুল্লাহ লেবাননের শিয়া মুসলিম সম্প্রদায়ের একটি রাজনৈতিক ও সশস্ত্র গোষ্ঠী।
মিডিয়া:
হিজবুল্লাহ পরিচালিত টিভি চ্যানেল হলো 'আল মানার'।

স্বাধীনতা:
লেবানন ১৯৪৩ সালে ফ্রান্সের কাছ থেকে স্বাধীনতা লাভ করে।

উৎস: Britannica.
 
১,২৩৭.
সিলিকন ভ্যালি কোন দেশে অবস্থিত?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. জার্মানি
  3. দক্ষিণ আফ্রিকা
  4. ইতালি
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
সিলিকন ভ্যালি:
- সিলিকন ভ্যালি যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত। 

উল্লেখ্য,
- বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি বা প্রযুক্তিপণ্য তৈরিতে ব্যবহৃত একটি জরুরি উপাদান সিলিকন।
- এই সিলিকন থেকেই সারাবিশ্বের প্রযুক্তির রাজধানী সিলিকন ভ্যালির নামকরণ করা হয়েছে।
- আমেরিকার ক্যালিফোর্নিয়ায় অবস্থিত সিলিকন ভ্যালিতে আছে প্রায় কয়েক হাজার প্রযুক্তি-প্রতিষ্ঠানের কার্যালয়।
- ফেসবুক, গুগল ও অ্যাপলের মতো প্রযুক্তি দানবের সদরদপ্তরও এই সিলিকন ভ্যালিতে।
- বর্তমান প্রযুক্তি বিশ্বের সিংহভাগ নিয়ন্ত্রণ করা হয় সরাসরি সিলিকন ভ্যালি থেকে।

উৎস: Britannica.
১,২৩৮.
প্রবাহমান দুইটি নদীর মধ্যবর্তী ভূমিকে বলা হয়-
  1. ক) দোয়াব
  2. খ) খাঁড়ি
  3. গ) নদী উপত্যকা
  4. ঘ) মোহনা
সঠিক উত্তর:
ক) দোয়াব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) দোয়াব
ব্যাখ্যা

মোহনাঃ নদী যখন কোন হ্রদ বা সাগরে এসে পতিত হয়, তখন সেই পতিত স্থানকে মোহনা বলে।
খাঁড়িঃ নদীর অধিক বিস্তৃত মোহনাকে বলা হয় খাঁড়ি।
দোয়াবঃ প্রবাহমান দুইটি নদীর মধ্যবর্তী ভূমিকে দোয়াব বলে।
নদী উপত্যকাঃ উৎস থেকে মোহনা পর্যন্ত যে খাতের মধ্য দিয়ে নদী প্রবাহিত হয় সে খাতকে উক্ত নদী উপত্যকা বলে।
সূত্র- ভূগোল ও পরিবেশ ৯ম-১০ম শ্রেণি এবং ভূগোল ও পরবিশে এসএসসি পোগ্রাম (উন্মুক্ত)।

১,২৩৯.
কোনটি বাল্টিক রাষ্ট্র নয়?
  1. ডেনমার্ক
  2. লাতভিয়া
  3. এস্তোনিয়া
  4. লিথুয়ানিয়া
সঠিক উত্তর:
ডেনমার্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডেনমার্ক
ব্যাখ্যা
- উল্লিখিত প্রশ্নে 'ডেনমার্ক' বাল্টিক রাষ্ট্র নয়।

⇒ বাল্টিক রাষ্ট্র:
- উত্তর-পূর্ব ইউরোপের বাল্টিক সাগরের পূর্বতীরে অবস্থিত রাষ্ট্রসমূহ বাল্টিক রাষ্ট্র হিসেবে পরিচিত।
- এই অঞ্চলে তিনটি দেশ রয়েছে; এস্তোনিয়া,  লাতভিয়া এবং লিথুয়ানিয়া।
- বাল্টিক দেশগুলো শীতল, আর্দ্র জলবায়ুর অঞ্চল। 
- অঞ্চলটির এক-তৃতীয়াংশের বেশি অরণ্যাঞ্চল, যেখানে বার্চ ও শঙ্কু গাছ প্রধান।
- বন্যপ্রাণীর মধ্যে আছে এল্ক, বন্য শূকর, হরিণ, নেকড়ে ইত্যাদি।
- এস্তোনিয়ানরা ফিনো-উগ্রিক ভাষা বলে, যা ফিনিশ সংস্কৃতি দ্বারা প্রভাবিত।
- লাতভিয়ান এবং লিথুয়ানিয়ানরা বাল্টিক-ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষা বলে।
- বাল্টিক রাষ্ট্র গুলো সোভিয়েত শাসন হতে ১৯৯১ সালের স্বাধীনতা লাভ করে। 
- বাল্টিক রাষ্ট্রসমূহ বর্তমানে ন্যাটো এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের অংশ।

তথ্যসূত্র: ব্রিটেনিকা ওয়েবসাইট। [লিঙ্ক]
১,২৪০.
বাংলাদেশের সবচেয়ে উত্তরের জেলা কোনটি?
  1. বান্দরবান 
  2. লালমনিরহাট
  3. দিনাজপুর
  4. পঞ্চগড়
সঠিক উত্তর:
পঞ্চগড়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পঞ্চগড়
ব্যাখ্যা

সীমান্তবর্তী স্থান, উপজেলা, জেলা:
- বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের সীমান্তবর্তী স্থান বাংলাবান্ধা।
- বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের উপজেলার তেঁতুলিয়া।
- বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের জেলা – পঞ্চগড়।
- বাংলাদেশের সর্ব পূর্বের স্থান আখাইনঠং।
- বাংলাদেশের সবচেয়ে পূর্বের উপজেলা থানচি।
- দেশের সর্ব পূর্বের জেলা বান্দরবান।
- বাংলাদেশের সর্ব পশ্চিমের স্থান মনাকষা।
- বাংলাদেশের সর্ব পশ্চিমের উপজেলা শিবগঞ্জ।
- বাংলাদেশের সর্ব পশ্চিমের জেলা চাঁপাইনবাবগঞ্জ।
- বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের স্থান ছেড়াদ্বীপ।
- বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের উপজেলা টেকনাফ।
- বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের জেলা কক্সবাজার।

​উৎসঃ সংশ্লিষ্ট জেলার সরকারি ওয়েবসাইট।

১,২৪১.
কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতটি পর্যটকদের কাছে কী নামে পরিচিত?
  1. সমুদ্র রানী
  2. সাগর কন্যা
  3. সোনার সৈকত
  4. প্রকৃতির কোল
সঠিক উত্তর:
সাগর কন্যা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাগর কন্যা
ব্যাখ্যা
• কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত:
- কুয়াকাটা বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের একটি সমুদ্র সৈকত ও পর্যটনকেন্দ্র।
- পর্যটকদের কাছে কুয়াকাটা "সাগর কন্যা" হিসেবে পরিচিত।

অবস্থান: 
- পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া উপজেলার লতাচাপলী ইউনিয়নে কুয়াকাটা অবস্থিত।
- ঢাকা থেকে সড়কপথে এর দূরত্ব ৩৮০ কিলোমিটার, বরিশাল থেকে ১০৮ কিলোমিটার।
- পূর্বে গজমতির সংরক্ষিত বনাঞ্চল, পশ্চিমে কুয়াকাটার বনভূমি, উত্তরে কলাপাড়া জনপদ ও দক্ষিণে বিশাল বঙ্গোপসাগর।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন, কুয়াকাটা।
১,২৪২.
সিন্দু সভ্যতা নিচের কোনটির উপর কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছিল?
  1. ক) খনিজ সম্পদ
  2. খ) পানির উৎস
  3. গ) মৃত্তিকা
  4. ঘ) আবহাওয়া
সঠিক উত্তর:
খ) পানির উৎস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) পানির উৎস
ব্যাখ্যা
- ভ‚-পৃষ্ঠের চারভাগের তিনভাগই পানি দ্বারা আবৃত। পানির বিভিন্ন উৎসের মধ্যে রয়েছে সমুদ্রের পানি, বৃষ্টির পানি, পার্বত্য অঞ্চলের বরফগলা পানি, ভূ-পৃষ্ঠের পানি, নদ-নদীর পানি এবং জলাভূমির পানি।
- প্রাণি কিংবা উদ্ভিদ উভয়ের টিকে থাকার জন্য অন্যতম উপাদান পানি।
- পৃথিবীর প্রাচীনতম সভ্যতা যেমন- মিশরীয় সভ্যতা, সিন্দু সভ্যতা পানির উৎসকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছিল যার ধারা আজও বিদ্যমান।

উৎস: এস.এস.সি. ভূগোল ও পরিবেশ, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১,২৪৩.
'দারফুর' কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) মিশর
  2. খ) মরক্কো
  3. গ) সুদান
  4. ঘ) লিবিয়া
সঠিক উত্তর:
গ) সুদান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সুদান
ব্যাখ্যা

- দারফুর সুদানের পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থিত একটি স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল।
- অঞ্চলটি তিনটি স্বায়ত্বশাসিত প্রদেশ নিয়ে গঠিত।
- এই তিনটি প্রদেশ হচ্ছেঃ পশ্চিম দারফুর, দক্ষিণ দারফুর এবং উত্তর দারফুর।

১,২৪৪.
কোন সমুদ্র সৈকতকে বাংলাদেশের ‘সাগরকন্যা’ বলা হয়?
  1. পতেঙ্গা
  2. সেন্টমার্টিন
  3. কক্সবাজার
  4. কুয়াকাটা
সঠিক উত্তর:
কুয়াকাটা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুয়াকাটা
ব্যাখ্যা
সাগরকন্যা:
- পটুয়াখালী জেলাকে বলা হয় সাগরকন্যা।
- বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণে কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত এ জেলারই ঐতিহ্য বহনকারী বেলাভূমি।
- অপরূপ সৌন্দর্যের লীলাভূমি সাগর কন্যা কুয়াকাটা।
- একই স্থানে দাঁড়িয়ে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত অবলোকন করার মনোমুগ্ধকর পর্যটন স্পট।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১,২৪৫.
আচেহ প্রদেশ  কোন দেশে অবস্থিত? 
  1. মালয়েশিয়া 
  2. ফিলিপাইন
  3. ইন্দোনেশিয়া 
  4. নাইজেরিয়া
সঠিক উত্তর:
ইন্দোনেশিয়া 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইন্দোনেশিয়া 
ব্যাখ্যা

- আচেহ প্রদেশ অবস্থিত ইন্দোনেশিয়ায়।

ইন্দোনেশিয়া:
- ইন্দোনেশিয়া পৃথিবীর বৃহত্তম দ্বীপরাষ্ট্র।
- ইন্দোনেশিয়াতে সর্বমোট ১৭,০০০+ দ্বীপ রয়েছে।
- ইন্দোনেশিয়ার প্রধান দ্বীপগুলো হচ্ছে-সুমাত্রা, জাভা, বালি ইত্যাদি।
- বৃহত্তম দ্বীপ সুমাত্রা।
- আচেহ প্রদেশ অবস্থিত ইন্দোনেশিয়ায়।
- জনবহুল দ্বীপ জাভা (রাজধানী জাকার্তা অবস্থিত)।
- দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ ইন্দোনেশিয়া নেদারল্যান্ডসের উপনিবেশ ছিল।
- নেদারল্যান্ডের কাছ থেকে দেশটি আন্দোলনের মাধ্যমে ১৯৪৯ সালে স্বাধীন হয়।
- ইন্দোনেশিয়ার প্রথম রাষ্ট্রপতি (স্বাধীনতার নেতৃত্ব প্রদান) মেঘবতী সুকর্ণপুত্রী।
- মেঘবতী সুকর্ণপুত্রী (২০০১ সালে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত)।
- তিনি মুসলিম বিশ্বের প্রথম নির্বাচিত মহিলা প্রধান।

উৎস: Worldatlas.

১,২৪৬.
কোন দেশকে মুক্তার দেশ বলা হয়?
  1. বাহরাইন
  2. কিউবা
  3. জাপান
  4. থাইল্যান্ড
সঠিক উত্তর:
কিউবা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কিউবা
ব্যাখ্যা
গুরুত্বপূর্ন ভৌগলিক উপনাম (দেশ)
- সূর্যোদয়ের দেশ - জাপান।
- শ্বেতহস্তীর দেশ - থাইল্যান্ড।
- মুক্তার দেশ - কিউবা।
- মুক্তার দ্বীপ- বাহরাইন।
- প্রাচীরের দেশ - চীন।
- ল্যান্ড অফ মার্বেল - ইতালি।
- সমুদ্রের বধূ - গ্রেট ব্রিটেন।
- ম্যাপল পাতার দেশ - কানাডা।
- হাজার হ্রদের দেশ -ফিনল্যান্ড।
- সিল্ক রুটের দেশ - ইরান।
- ইউরোপের ককপিট - বেলজিয়াম।
- সোনালী প্যাগোডার দেশ- মায়ানমার।

তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা।
১,২৪৭.
পার্বত্য চট্টগ্রামের পূর্বে ভারতের কোন রাজ্য অবস্থিত?
  1. ক) ত্রিপুরা
  2. খ) অরুণাচল
  3. গ) মিজোরাম
  4. ঘ) মেঘালয়
সঠিক উত্তর:
গ) মিজোরাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) মিজোরাম
ব্যাখ্যা
- পার্বত্য চট্টগ্রাম (Chittagong Hill Tracts)  দেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে বাংলাদেশের একমাত্র ব্যাপক পাহাড়ি অঞ্চল (২১°২৫´ উত্তর অক্ষাংশ থেকে ২৩°৪৫´ উত্তর অক্ষাংশ ও ৯১°৫৪´ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ থেকে ৯২°৫০´ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ)।
- এর দক্ষিণ-পূর্ব সীমান্তে মায়ানমার, উত্তরে ভারতের ত্রিপুরা রাজ্য, পূর্বে মিজোরাম এবং পশ্চিমে চট্টগ্রাম জেলা অবস্থিত। 
- পার্বত্য চট্টগ্রামের এলাকা প্রায় ২৩,১৮৪ বর্গ কিমি যা বাংলাদেশের মোট এলাকার প্রায় এক দশমাংশ।
 
উৎস: বাংলাপিডিয়া। 
১,২৪৮.
‘হ্নীলা’ সীমান্ত এলাকা বাংলাদেশের কোন জেলার অন্তর্গত?
  1. ক) বান্দরবান
  2. খ) কক্সবাজার
  3. গ) রাঙ্গামাটি
  4. ঘ) পঞ্চগড়
সঠিক উত্তর:
খ) কক্সবাজার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) কক্সবাজার
ব্যাখ্যা
হ্নীলা বাংলাদেশের কক্সবাজার জেলার অন্তর্গত টেকনাফ উপজেলার বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তবর্তী ইউনিয়ন। সূত্র- hnilaup.coxsbazar.gov.bd
১,২৪৯.
নিচের কোন জেলায় মিয়ানমারের সঙ্গে বাংলাদেশের কোন সীমান্ত নেই?    
  1. খাগড়াছড়ি
  2. রাঙ্গামাটি
  3. বান্দরবান
  4. কক্সবাজার
সঠিক উত্তর:
খাগড়াছড়ি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খাগড়াছড়ি
ব্যাখ্যা

- খাগড়াছড়ি জেলার সাথে মিয়ানমারের কোন সীমান্ত নেই। 

• সীমান্তবর্তী জেলা:

- বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলা মোট ৩২টি।  ভারত ও মিয়ানমার উভয় দেশের সীমান্তবর্তী বাংলাদেশের একমাত্র জেলা রাঙ্গামাটি।
- তার মধ্যে - ভারতের সাথে ৩০টি জেলার এবং মিয়ানমারের সাথে ৩টি (কক্সবাজার, রাঙ্গামাটি ও বান্দরবান) জেলার সীমান্ত রয়েছে।
- রাঙ্গামাটি একমাত্র জেলা যার সাথে ভারত ও মিয়ানমার ২টি দেশের সাথেই সীমান্ত রয়েছে।
- অর্থাৎ উল্লেখিত প্রশ্নে 'খাগড়াছড়ি' মিয়ানমারের সাথে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলা নয়। 

⇒ অন্যদিকে,
- বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী ভারতের রাজ্য ৫টি। যথা- আসাম, মিজোরাম, ত্রিপুরা, মেঘালয় ও পশ্চিমবঙ্গ।
- উত্তরে- ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, আসাম ও মেঘালয় প্রদেশ।

» বাংলাদেশের: 
- পূবে - ভারতের আসাম, ত্রিপুরা ও মিজোরাম প্রদেশ এবং মিয়ানমার।
- দক্ষিণে - বঙ্গোপসাগর, আন্দামান নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ (ভারত), মিয়ানমার।
- পশ্চিমে - ভারতের পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশ।

তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন এবং ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণি

১,২৫০.
ঢাকার দ্রাঘিমারেখা ৯০° পূর্ব দ্রাঘিমা হলে, ঢাকার থেকে ৩ ঘণ্টা বেশি কোন স্থানের দ্রাঘিমারেখা কত?
  1. ৪৫° পূর্ব দ্রাঘিমা
  2. ৪৫° পশ্চিম দ্রাঘিমা
  3. ১৩৫° পূর্ব দ্রাঘিমা
  4. ১৩৫° পশ্চিম দ্রাঘিমা
সঠিক উত্তর:
১৩৫° পূর্ব দ্রাঘিমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩৫° পূর্ব দ্রাঘিমা
ব্যাখ্যা
দ্রাঘিমা নির্ণয়:
১। যেহেতু ১° দ্রাঘিমার পার্থক্যের জন্য দুটি স্থানের স্থানীয় সময়ের পার্থক্য হয় ৪ মিনিট। এ কারণে স্থান দুটির সময়ের পার্থক্য যা হয় তাকে ৪ দিয়ে ভাগ করে দ্রাঘিমা নির্ণয় করা যায়।

২। যে কোনো স্থানের সময় গ্রীনিচের সময় অপেক্ষা অধিক হলে বুঝতে হবে স্থানটি গ্রীনিচের পূর্ব দিকে অবস্থিত এবং কম হলে স্থানটি গ্রীনিচের পশ্চিমে অবস্থিত। গ্রীনিচের দ্রাঘিমাকে ০° ধরে সময়ের পার্থক্য অনুযায়ী অন্যান্য স্থানের দ্রাঘিমা নির্ণয় করা যায়। ক্রনোমিটার নামক ঘড়ি গ্রীনিচ সময় অনুসারে চলে। তাই এই ঘড়ি দেখে কোনো স্থানের স্থানীয় সময়ের সাথে গ্রীনিচ সময়ের পার্থক্য নির্ণয় করা যায়।

সমাধান:
আমরা জানি, ৪ মিনিট সময়ের পার্থক্য হলে দ্রাঘিমার পার্থক্য হবে ১° ।
৩ ঘণ্টা (১৮০ মিনিট) সময়ের পার্থক্য হলে দ্রাঘিমার পার্থক্য হবে (১৮০/৪)= ৪৫° ।
অর্থাৎ ঢাকার থেকে ঐ স্থানের দ্রাঘিমার পার্থক্য ৪৫°।

প্রশ্নে উল্লিখিত ঢাকার থেকে ঐ স্থানের স্থানীয় সময় ৩ ঘণ্টা বেশি দেখে আমরা বুঝতে পারি, ঐ স্থানের অবস্থান ঢাকার পূর্বে অবস্থিত। তাই ঢাকার দ্রাঘিমার সাথে ৪৫° দ্রাঘিমা যোগ দিলে ঐ স্থানের দ্রাঘিমারেখা পাওয়া যাবে। 
সুতরাং ঐ স্থানের দ্রাঘিমারেখা (৯০° + ৪৫°)= ১৩৫° পূর্ব দ্রাঘিমা।
উত্তর: ঐ স্থানের দ্রাঘিমারেখা ১৩৫° পূর্ব দ্রাঘিমা।

অন্যভাবে,
যে কোনো স্থানের সময় গ্রীনিচের সময় অপেক্ষা অধিক হলে বুঝতে হবে স্থানটি গ্রীনিচের পূর্ব দিকে অবস্থিত এবং কম হলে স্থানটি গ্রীনিচের পশ্চিমে অবস্থিত। গ্রীনিচের দ্রাঘিমাকে ০° ধরে সময়ের পার্থক্য অনুযায়ী অন্যান্য স্থানের দ্রাঘিমা নির্ণয় করা যায়।
গ্রীনিচের সাথে ঢাকার দ্রাঘিমার পার্থক্য ৯০° এবং সময়ের পার্থক্য ৬ ঘণ্টা বেশি।(GMT+6)

প্রশ্নমতে, ঢাকার স্থানীয় সময় থেকে ঐ স্থানের স্থানীয় সময় ৩ ঘণ্টা বেশি, অর্থাৎ ঐ স্থানের স্থানীয় সময় গ্রীনিচের থেকে ৯ ঘণ্টা বেশি। (GMT+9)
∴ ৩ ঘণ্টা (১৮০ মিনিট) সময়ের পার্থক্য হলে দ্রাঘিমার পার্থক্য হবে (১৮০/৪)= ৪৫°।
অর্থাৎ ঢাকার থেকে ঐ স্থানের দ্রাঘিমার পার্থক্য ৪৫°  বেশি আবার গ্রীনিচের থেকেও ঐ স্থানের দ্রাঘিমার পার্থক্য (৯০° + ৪৫°)= ১৩৫° বেশি। (ঢাকার দ্রাঘিমার সাথে অতিরিক্ত ৪৫° যোগ করে)

এখানে, আমরা ঢাকার দ্রাঘিমা সাথে ৪৫° যোগ করে বা গ্রীনিচের দ্রাঘিমার সাথে ১৩৫° যোগ করে ঐ স্থানের দ্রাঘিমারেখা পাব।
সুতরাং ঐ স্থানের দ্রাঘিমারেখা (৯০° + ৪৫°)= ১৩৫° পূর্ব দ্রাঘিমা। বা (০° + ১৩৫°)=১৩৫° পূর্ব দ্রাঘিমা। (ঢাকার ও ঐ স্থানের সময় গ্রীনিচের সময় অপেক্ষা অধিক তাই বুঝতে হবে স্থানটি গ্রীনিচের পূর্ব দিকে অবস্থিত বা GMT+)

তথ্যসূত্র:- ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,২৫১.
উত্তর আফ্রিকার দেশগুলোর ভৌগোলিক সীমারেখার বৈশিষ্ট্য কি?
  1. ক) জ্যামিতিক সীমারেখা
  2. খ) ঔপনিবেশিক সীমারেখা
  3. গ) উপজাতিভিত্তিক সীমারেখা
  4. ঘ) অচিহ্নিত সীমারেখা
সঠিক উত্তর:
ক) জ্যামিতিক সীমারেখা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) জ্যামিতিক সীমারেখা
ব্যাখ্যা
North Africa refers to a group of countries and territories occupying the northerly region of the African continent.
There is no clear definition of the extent and boundaries of North Africa. It is often defined as the part of Africa stretching from the Atlantic shores in the west to the Red Sea coast and Suez Canal in the east, and including the 6 countries of Morocco, Algeria, Tunisia, Libya, Egypt, and Sudan.
Some sources, however, equate North Africa to the Maghreb region which includes Algeria, Libya, Tunisia, and Morocco. The Arabs considered it the western part of the Arab world. Hence, when referred to in the context of Middle East and North Africa (MENA), it includes only the Maghreb countries.
১,২৫২.
বাংলাদেশর দক্ষিণে অবস্থিত বঙ্গোপসাগরের উপকূল বা তটরেখার রেখার দৈর্ঘ্য?
  1. ১২ নটিক্যাল মাইল
  2. ৭১৬ কিলোমিটার
  3. ২০০ নটিক্যাল মাইল
  4. ৩৫৪ কিলোমিটার
সঠিক উত্তর:
৭১৬ কিলোমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭১৬ কিলোমিটার
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের সীমানা:
- এশিয়া মহাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব দিকে বাংলাদেশ অবস্থিত।
- এদেশ প্রায় ২০°৩৪′ উত্তর থেকে ২৬°৩৮' উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৮°০১′ পূর্ব থেকে ৯২°৪১′ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ পর্যন্ত বিস্তৃত।
- এর মাঝ বরাবর পূর্ব-পশ্চিমে কর্কটক্রান্তি রেখা অতিক্রম করেছে।
- বাংলাদেশের স্থলভাগ ভারত ও মিয়ানমার দ্বারা বেষ্টিত।
- এ দেশের পশ্চিমে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, উত্তরে পশ্চিমবঙ্গের জলপাইগুড়ি ও কুচবিহার জেলা এবং আসাম ও মেঘালয় রাজ্য, পূর্বে আসাম ও ত্রিপুরা রাজ্য এবং মিয়ানমার অবস্থিত।
- বাংলাদেশর দক্ষিণে অবস্থিত বঙ্গোপসাগরের উপকূল বা তটরেখার রেখার দৈর্ঘ্য ৭১৬ কিলোমিটার।
- বঙ্গোপসাগরে বাংলাদেশের রাজনৈতিক সমুদ্রসীমা ১২ নটিক্যাল মাইল বা ২২.২২ কিলোমিটার।

অন্যদিকে,
- অর্থনৈতিক সমুদ্রসীমা ২০০ নটিক্যাল মাইল বা ৩৭০.৪০ কিলোমিটার।

উল্লেখ্য,
১ নটিক্যাল মাইল = ১.৮৫২ কিলোমিটার।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ (এইচএসসি প্রোগ্রাম), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,২৫৩.
বাংলাদেশে কত ধরনের ভূমিরূপ দেখা যায়?
  1. ক) দুই ধরনের
  2. খ) তিন ধরনের
  3. গ) চার ধরনের
  4. ঘ) পাঁচ ধরনের
সঠিক উত্তর:
খ) তিন ধরনের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) তিন ধরনের
ব্যাখ্যা
ভূ-প্রকৃতি অনুসারে বাংলাদেশে তিন ধরনের ভূমিরূপ দেখা যায়।
এগুলো হলোঃ
- টারশিয়ারি যুগের পাহাড়শ্রেণী
- প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ
- প্লাবন সমভূমি।

এদের মধ্যে সবচেয়ে পুরাতন ভূমিরূপ হলো টারশিয়ারি যুগের পাহাড়শ্রেণী। আনুমানিক প্রায় ২০ লক্ষ বছর পূর্বে এগুলো গঠিত হয়।
দেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের চট্টগ্রাম, রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি, বান্দরবান ও কক্সবাজার এবং উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সিলেট, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ, সুনামগঞ্জ, ময়মনসিংহ প্রভৃতি জেলা জুড়ে টারশিয়ারি যুগের পাহাড়শ্রেণী অবস্থিত।
দেশের মোট আয়তনের প্রায় ২০ শতাংশ অঞ্চল টারশিয়ারি যুগে গঠিত।

উত্তরাঞ্চলের বরেন্দ্রভূমি, টাঙ্গাইল-গাজীপুর-ময়মনসিংহ অঞ্চলের মধুপুর ও ভাওয়াল গড় এবং কুমিল্লার লালমাই পাহাড় হলো প্লাইস্টোসিনকালের ভূমিরূপ।

এ ব্যতীত দেশে সমগ্র অঞ্চল সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি। দেশের মোট ভূমির প্রায় ৮০ শতাংশই সাম্প্রতিককালের প্লাবন ভূমিরূপ।

(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় : নবম-দশম শ্রেণী)
১,২৫৪.
করতোয়া নদী কোন জেলা দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে?
  1. দিনাজপুর
  2. পঞ্চগড়
  3. ঠাকুরগাঁও 
  4. নীলফামারী
সঠিক উত্তর:
পঞ্চগড়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পঞ্চগড়
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের প্রধান নদীর প্রবেশ পথ:
- পদ্মা নদী- ভারতের পশ্চিমবঙ্গ ও রাজশাহী–চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে।
- ব্রহ্মপুত্র নদী- তিব্বত ও আসামের ভিতর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে কুড়িগ্রাম জেলার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে।
- মেঘনা নদী - ভারতের বরাক নদী সিলেট সীমান্তে সুরমা ও কুশিয়ারা নামে বিভক্ত হয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে এবং পরে মেঘনা নামে পরিচিত হয়।
- যমুনা নদী- বাংলাদেশে প্রবেশের পর ব্রহ্মপুত্র নদী যমুনা নামে পরিচিত হয় এবং কুড়িগ্রাম–লালমনিরহাট অঞ্চল দিয়ে দক্ষিণ দিকে প্রবাহিত হয়।
- করতোয়া নদী- পঞ্চগড় জেলার ভিটগড়ের নিকট বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।
- মহানন্দা নদী- ভারতের মালদহ জেলা থেকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে এবং পুনরায় ভারতে প্রবেশ করে।
- কর্ণফুলী নদী- রাঙামাটি ও চট্টগ্রাম জেলার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে।
- সাঙ্গু নদী- বান্দরবান ও চট্টগ্রামের ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে।
- নাফ নদী- বাংলাদেশের টেকনাফ ও মিয়ানমারের সীমানা নির্দেশ করে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,২৫৫.
‘মাৎস্যন্যায়’ বাংলার কোন সময়কে নির্দেশ করে?
  1. ক) ৫ম - ৬ষ্ঠ শতক
  2. খ) ৬ষ্ঠ - ৭ম শতক
  3. গ) ৭ম - ৮ম শতক
  4. ঘ) ৮ম - ৯ম শতক
সঠিক উত্তর:
গ) ৭ম - ৮ম শতক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৭ম - ৮ম শতক
ব্যাখ্যা
শশাঙ্কের পর দীর্ঘদিন বাংলায় কোন যোগ্য শাসক ছিল না। ফলে রাজ্যে বিশৃঙ্খলা ও অরাজকতা দেখা দেয়।
সামন্ত রাজারা প্রত্যেকেই বাংলার রাজা হওয়ার কল্পনায় অস্ত্র হাতে ঝাঁপিয়ে পড়তে থাকেন। অরাজকতাপূর্ণ সময় (৭ম - ৮ম) কে পাল তাম্র শাসনে আখ্যায়িত করা হয়েছে ‘মাৎস্যন্যায়’ বলে। পাল বংশের প্রতিষ্ঠাতা 'গোপাল' এর শাসনামলে এই মাৎস্যন্যায় এর অবসান ঘটে ও শৃঙ্খলা ফিরে আসে।
উৎস - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী।
১,২৫৬.
নিচের কোন দেশটি হর্ন অব আফ্রিকার দেশ নয়?
  1. ইরিত্রিয়া
  2. জিবুতি
  3. জাম্বিয়া
  4. সোমালিয়া
সঠিক উত্তর:
জাম্বিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাম্বিয়া
ব্যাখ্যা
Horn of Africa: 
- পূর্ব আফ্রিকা  অঞ্চলের অংশ।
- অন্তর্ভুক্ত দেশসমূহ: 
- ইথিওপিয়া, ইরিত্রিয়া, সোমালিয়া, জিবুতি।
- এই দেশগুলোর সংস্কৃতি ও ইতিহাস বহু বছর ধরে একে অপরের সাথে জড়িত।
- খরা প্রবণ, আধা-আবহাওয়াগত মরুভূমি, পাহাড় ও উপত্যকাসমৃদ্ধ অঞ্চল।
- জাম্বিয়া হর্ণ অব আফ্রিকার দেশ নয়।


উৎস: ওয়ার্ল্ড এটলাস।
১,২৫৭.
হিমালয় পর্বত উত্থিত হওয়ার সময় সৃষ্টি হয়েছে নিচের কোনটি?
  1. প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ
  2. সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি
  3. টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ
ব্যাখ্যা
টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ:
- বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব, উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ এ অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত।
- টারশিয়ারি যুগে হিমালয় পর্বত উত্থিত হওয়ার সময় এ সকল পাহাড় সৃষ্টি হয়েছে।
- এগুলো টারশিয়ারি যুগের পাহাড় নামে খ্যাত।
- পাহাড়গুলো আসামের লুসাই এবং মিয়ানমারের আরাকান পাহাড়ের সমগোত্রীয়।
- এ পাহাড়গুলো বেলেপাথর, শেল ও কর্দম দ্বারা গঠিত।
- এ অঞ্চলের পাহাড়গুলোকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে। যথা- (ক) দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ ও (খ) উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
১,২৫৮.
প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ সম্পর্কে নিচের কোনটি সঠিক নয়?
  1. পাহাড়সমূহ বেলেপাথর, শেল ও কর্দম দ্বারা গঠিত
  2. মাটির রং লাল ও ধূসর
  3. দেশের উত্তর-পশ্চিমাংশে অবস্থিত
  4. কুমিল্লার লালমাই পাহাড় এর উদাহরণ
সঠিক উত্তর:
পাহাড়সমূহ বেলেপাথর, শেল ও কর্দম দ্বারা গঠিত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাহাড়সমূহ বেলেপাথর, শেল ও কর্দম দ্বারা গঠিত
ব্যাখ্যা
টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ বেলেপাথর, শেল ও কর্দম দ্বারা গঠিত।

বাংলাদেশের ভূপ্রকৃতি:

- ভূপ্রকৃতি অনুযায়ী বাংলাদেশকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। এগুলো হলো:
১. টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ,
২. প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ এবং
৩. সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি।

টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ:
- বাংলাদেশের মোট ভূমির ১২ শতাংশ এলাকা নিয়ে টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ গঠিত।
- টারশিয়ারি যুগে হিমালয় পর্বত উত্থিত হওয়ার সময় যে সকল পর্বতের সৃষ্টি হয়েছে সেগুলো টারশিয়ারি যুগের পাহাড় নামে পরিচিত।
- রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, চট্টগ্রাম, সিলেট, মৌলভীবাজার এবং হবিগঞ্জের পাহাড়গুলো টারশিয়ারি যুগের।
- এ পাহাড়গুলোকে আসামের লুসাই এবং মিয়ানমারের আরাকান পাহাড়ের সমগোত্রীয় বলে ধারণা করা হয়।
- এ যুগের পাহাড়সমূহ বেলেপাথর, শেল ও কর্দম দ্বারা গঠিত।

প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ:
- আনুমানিক ২৫,০০০ বছর পূর্বের সময়কে প্লাইস্টোসিনকাল বলে।
- এ অঞ্চলের মাটির রং লাল ও ধূসর।
- দেশের উত্তর-পশ্চিমাংশের বরেন্দ্রভূমি, মধ্যভাগের মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় এবং কুমিল্লা জেলার লালমাই পাহাড় বা উচ্চভূমি এর অন্তর্ভুক্ত।
- প্লাইস্টোসিনকালে এসব উচ্চভূমি গঠিত হয়েছিল বলে ধারণা করা হয়।  

সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি:
- টারশিয়ারি যুগের পাহাড়ি এলাকা এবং প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ ব্যতীত সমগ্র বাংলাদেশ সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমির অন্তর্ভুক্ত।
- সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি অঞ্চলটি পদ্মা, ব্রহ্মপুত্র, যমুনা, মেঘনা প্রভৃতি নদ-নদী ও এদের উপনদী, শাখানদী বাহিত পলিমাটি দ্বারা গঠিত।
- বাংলাদেশের বৃহত্তম এ এলাকার নদীগুলো প্রায়ই গতি পরিবর্তনের কারণে নতুন নতুন পললভূমি গঠিত হতে দেখা যায়।
- এ সমভূমির গড় উচ্চতা প্রায় ৯ মিটার।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,২৫৯.
”মধুপুর ভাওয়ালের গড়” কোন ভূ-অঞ্চলের অন্তর্গত?
  1. স্রোতজ সমভূমি
  2. প্লাবন সমভূমি
  3. টারশিয়ারি পাহাড় অঞ্চল
  4. প্লাইস্টোসিন উচ্চভূমি
সঠিক উত্তর:
প্লাইস্টোসিন উচ্চভূমি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্লাইস্টোসিন উচ্চভূমি
ব্যাখ্যা

• ভূপ্রকৃতির উপর ভিত্তি করে বাংলাদেশের ভূমিকে তিনটি প্রধান ভূ-অঞ্চলে বিভক্ত করা হয়েছে।

- টারশিয়ারি পাহাড় অঞ্চল,
- প্লাইসটোসিন উচ্চভূমি ,
- এবং প্লাবন সমভূমি 

• প্লাইসটোসিন উচ্চভূমি:
- আনুমানিক ২৫০০০ বছর পূর্বের  সময়কে প্লাইস্টানকাল বলে।
• প্লাইসটোসিন উচ্চভূমির অন্তর্গত ভূ-অঞ্চাল হল
- লালমাই পাহাড়ি অঞ্চল,
- বরেন্দ্রভূমি,
- মধুপুর ভাওয়ালের গড়। 

• টারশিয়ারি পাহাড় অঞ্চলের অন্তর্গত ভূ-অঞ্চল:
-  উত্তর ও পূর্বাঞ্চলের পাহাড়ি অঞ্চল,
- দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চালের পাহাড় সমূহ।

• প্লাবন সমভূমি অঞ্চলের অন্তর্গত ভূ-অঞ্চল- 
১. রংপুর দিনাজপুরের পাদদেশীয় সমভূমি ।
২. ঢাকা, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, নোয়াখালি, কুমিল্লা অঞ্চলের অন্তর্গত বন্যা প্লাবন সমভূমি।
৩. ফরিদপুর, কুষ্টিয়া, যশোর, ঢাকা অঞ্চলের অংশ বিশেষ নিয়ে ব-দ্বিপ সমভূমি।
৪. নোয়খালী ও ফেনী নদীর নিম্ন ভাগ থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত বিস্তৃত উপকূলীয় সমভূমি।
৫. খুলনা, পটুয়াখালী অঞ্চল ও বরগুনা জেলার অংশবিশেষ স্রোতজ সমভূমি। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ নবম-দশম শ্রেণি বোর্ড বই।

১,২৬০.
কুষ্টিয়া কোন নদীর তীরে অবস্থিত?
  1. ক) গড়াই
  2. খ) যমুনা
  3. গ) আড়িয়াল খাঁ
  4. ঘ) তিস্তা
সঠিক উত্তর:
ক) গড়াই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) গড়াই
ব্যাখ্যা
- কুষ্টিয়া  গড়াই নদীর তীরে অবস্থিত।
অন্যদিকে,
- মহাস্থানগড় করতোয়া নদীর তীরে অবস্থিত।
- শীতলক্ষ্যা নদীর তীরে নারায়নগঞ্জ এবং নরসিংদী জেলা অবস্থিত।
- আড়িয়াল খাঁ নদের তীরে মাদারীপুর শহর অবস্থিত।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১,২৬১.
বাংলাদেশের কোন সংস্থা ভৌগােলিক নির্দেশক পণ্যের নিবন্ধন করে থাকে?
  1. ক) DPE
  2. খ) DPDT
  3. গ) DAE
  4. ঘ) DGDA
সঠিক উত্তর:
খ) DPDT
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) DPDT
ব্যাখ্যা
মেধাস্বত্ব-বিষয়ক বৈশ্বিক সংস্থা World Intellectual Property Organization (WIPO) সাধারণত ভৌগােলিক নির্দেশক পণ্যের নিবন্ধন দেয়। তবে বাংলাদেশে WIPO’র হয়ে স্থানীয়ভাবে কাজটি করে থাকে শিল্প মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন প্রতিষ্ঠান পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর (DPDT)।
- DPDT এ পর্যন্ত ৯টি বাংলাদেশি পণ্যের GI নিবন্ধন করেছে।
- GI নিবন্ধন প্রাপ্ত পণ্যগুলো হলঃ জামদানি শাড়ি, ইলিশ, খিরসাপাত আম, ঢাকাই মসলিন, রাজশাহী সিল্ক, বিজয়পুরের সাদা মাটি, কাটারীভোগ ধান, কালিজিরা ধান এবং রংপুরের শতরঞ্জি।
- ১৭ নভেম্বর ২০১৬ বাংলাদেশের প্রথম GI পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি পায় জামদানি শাড়ী।
- আরও ২৬ টি পণ্য GI নিবন্ধনের জন্য প্রক্রিয়াধীন।

উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার মে-জুন, ২০২১ এবং দৈনিক পত্রিকা।
১,২৬২.
'সেন্তোসা দ্বীপ' কোন দেশে অবস্থিত?
  1. কিউবা
  2. সিঙ্গাপুর
  3. ইন্দোনেশিয়া
  4. জাপান
সঠিক উত্তর:
সিঙ্গাপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিঙ্গাপুর
ব্যাখ্যা
সেন্তোসা দ্বীপ:
- সেন্তোসা দ্বীপ সিঙ্গাপুরে অবস্থিত।
- এটি সিঙ্গাপুরের দক্ষিণ উপকূলের কাছে অবস্থিত।
- এটি একটি জনপ্রিয় পর্যটন স্থান। 
- সেন্তোসা দ্বীপে বিভিন্ন বিনোদন পার্ক, সমুদ্র সৈকত, জাদুঘর এবং অন্যান্য আকর্ষণীয় স্থান রয়েছে, যা পর্যটকদের জন্য খুবই আকর্ষণীয়।

উৎস: National Geographic.
১,২৬৩.
'ট্রপিক অব ক্যানসার' নামে পরিচিত কোনটি?
  1. আন্তর্জাতিক তারিখরেখা
  2. মূল মধ্যরেখা
  3. কর্কটক্রান্তি রেখা
  4. মকরক্রান্তি রেখা
সঠিক উত্তর:
কর্কটক্রান্তি রেখা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কর্কটক্রান্তি রেখা
ব্যাখ্যা
কর্কটক্রান্তি রেখা:
- বাংলাদেশ ট্রপিক অব ক্যানসার বা কর্কটক্রান্তি রেখার উপর অবস্থিত।
- সাড়ে ২৩° উত্তর অক্ষরেখা কর্কটক্রান্তি রেখা নামে পরিচিত।
- এটি বাংলাদেশের পূর্ব-পশ্চিম বরাবর প্রায় মধ্যভাগ দিয়ে অতিক্রম করেছে।
- কর্কটক্রান্তি রেখা অতিক্রম করেছে এমন জেলাগুলো হচ্ছে - চুয়াডাঙা, ঝিনাইদহ, মাগুরা, রাজবাড়ি, ফরিদপুর, ঢাকা, মুন্সীগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ, কুমিল্লা, খাগড়াছড়ি ও রাঙামাটি।
- এছাড়াও বাংলাদেশের উপর দিয়ে ৯০° পূর্ব দ্রাঘিমারেখা অতিক্রম করেছে।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি ও বাংলাপিডিয়া।
১,২৬৪.
নিচের কোন দেশটি মাইক্রোনেশিয়া অঞ্চলে অবস্থিত?
  1. মার্শাল দ্বীপপুঞ্জ
  2. সলোমান দ্বীপপুঞ্জ
  3. ফিজি
  4. পাপুয়া নিউগিনি
সঠিক উত্তর:
মার্শাল দ্বীপপুঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মার্শাল দ্বীপপুঞ্জ
ব্যাখ্যা
মাইক্রোনেশিয়া হলো ওশেনিয়া মহাদেশের একটি অঞ্চল যা পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত দ্বীপসমূহ নিয়ে গঠিত।
এই অঞ্চলে স্বাধীন রাষ্ট্রের সংখ্যা পাঁচটি। এগুলো হলো:
- নাউরু
- পালাউ
- কিরিবাতি
- মার্শাল দ্বীপপুঞ্জ এবং
- মাইক্রোনেশিয়া।

মেলানেশিয়া অঞ্চলের দেশসমূহ:
- সলোমান দ্বীপপুঞ্জ
- ফিজি
- ভানুয়াতু ও
- পাপুয়া নিউগিনি।

পলিনেশিয়া অঞ্চলের দেশসমূহ:
- টোঙ্গা
- টুভ্যালু ও
- সামোয়া।
(সূত্র: ওয়ার্ল্ড অ্যাটলাস)
১,২৬৫.
নিচের কোনটি বাংলাদেশের উত্তরে অবস্থিত?
  1. মেঘালয়
  2. ত্রিপুরা
  3. বঙ্গোপসাগর
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
মেঘালয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেঘালয়
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান
• বাংলাদেশ ভৌগোলিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে রয়েছে। এশিয়া মহাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব দিকে বাংলাদেশ অবস্থিত।
• এদেশ প্রায় ২০°৩৪' উত্তর থেকে ২৬°৩৮' উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৮°০১' পূর্ব থেকে ৯২°৪১' পূর্ব দ্রাঘিমাংশ পর্যন্ত বিস্তৃত।
• বাংলাদেশের মাঝ বরাবর পূর্ব-পশ্চিমে কর্কটক্রান্তি রেখা অতিক্রম করেছে। ফলে এদেশ ক্রান্তীয় অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত।
• ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীনতাপ্রাপ্ত বাংলাদেশের স্থলভাগ ভারত ও মিয়ানমার দ্বারা বেষ্টিত, পশ্চিমে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, উত্তরে পশ্চিমবঙ্গের জলপাইগুড়ি ও কুচবিহার জেলা এবং আসাম ও মেঘালয়, পূর্বে আসাম ও ত্রিপুরা রাজ্য এবং মিয়ানমার অবস্থিত। আর দক্ষিণে রয়েছে বিস্তৃত বঙ্গোপসাগর।   

তথ্যসূত্র:- ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,২৬৬.
বাংলাদেশের আশপাশে অবস্থিত প্রধান টেকটোনিক প্লেটগুলোর অন্তর্ভুক্ত নয় কোনটি?
  1. ইউরেশীয় প্লেট
  2. বার্মা প্লেট
  3. ভারতীয় প্লেট
  4. প্রশান্ত মহাসাগরীয় প্লেট
সঠিক উত্তর:
প্রশান্ত মহাসাগরীয় প্লেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রশান্ত মহাসাগরীয় প্লেট
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশের আশপাশে অবস্থিত প্রধান টেকটোনিক প্লেটগুলোর অন্তর্ভুক্ত নয় প্রশান্ত মহাসাগরীয় প্লেট।
- বাংলাদেশের অবস্থান ভারতীয় টেকটোনিক প্লেটে।
- এই প্লেটের দুপাশে রয়েছে ইউরেশীয় প্লেট ও বার্মিজ সাব-প্লেট।

• টেকটোনিক প্লেট:

- ভূতাত্ত্বিক মতবাদ অনুসারে ভূত্বক প্রধানত সাতটি বড় ও কয়েকটি ক্ষুদ্র গতিশীল কঠিন প্লেট দ্বারা গঠিত, যেগুলি নিম্নস্থ ভ্রাম্যমান উষ্ণ গুরুমন্ডলীয় পদার্থের ওপর ভাসছে। 
- প্লেটের বিচলন (movement) ও পারস্পরিক ক্রিয়া ভূমিকম্প, অগ্ন্যুৎপাত, পর্বত সৃষ্টি প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য ভূতাত্ত্বিক ঘটনাবলীর নিয়ন্ত্রক বলে ধারণা করা হয়। 

উল্লেখ্য,
- ভৌগোলিক দিক দিয়ে বাংলাদেশের অবস্থান ভূমিকম্প-ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায়। 
- দেশের ভেতরে ও সীমানা ঘিরে বিধ্বংসী ভূমিকম্পের উৎপত্তি হওয়ার মতো একাধিক ফাটলরেখা (টেকটোনিক প্লেট বাউন্ডারি চ্যুতি বা পিবিএফ) রয়েছে। 
- বাংলাদেশের অবস্থান ভারতীয় টেকটোনিক প্লেটে।
- এই প্লেটের দুপাশে রয়েছে ইউরেশীয় প্লেট ও বার্মিজ সাব-প্লেট।
- বাংলাদেশের উত্তর, উত্তর-পূর্ব ও পূর্বে ওই দুটি প্লেটের প্রান্তসীমা।
-এই প্লেটগুলোর প্রান্তবর্তী অধিকাংশ ফাটলরেখাই বাংলাদেশ ভূখণ্ডের ভেতরে কিংবা সংলগ্ন এলাকায়।
- ফলে এসব ফাটলরেখায় বড় কোনো ভূমিকম্পের সৃষ্টি হলে দেশের মধ্যে তার প্রভাব বিধ্বংসী হবে। 

তথ্যসূত্র: i) বাংলাপিডিয়া। 
ii) প্রথম আলো।

১,২৬৭.
বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়শ্রেণী কোন যুগের ভূমিরূপ?
  1. ক) টারশিয়ারি
  2. খ) প্লাইস্টোনসিন
  3. গ) সাম্প্রতিককালের
  4. ঘ) নবোপলীয়
সঠিক উত্তর:
ক) টারশিয়ারি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) টারশিয়ারি
ব্যাখ্যা
ভূ-প্রকৃতি অনুসারে বাংলাদেশে তিন ধরনের ভূমিরূপ দেখা যায়।
এগুলো হলো:

- টারশিয়ারি যুগের পাহাড়শ্রেণী
- প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ
- প্লাবন সমভূমি।

- এদের মধ্যে সবচেয়ে পুরাতন ভূমিরূপ হলো টারশিয়ারি যুগের পাহাড়শ্রেণী।
- আনুমানিক প্রায় ২০ লক্ষ বছর পূর্বে এগুলো গঠিত হয়।
- দেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের চট্টগ্রাম, রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি, বান্দরবান ও কক্সবাজার এবং উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সিলেট, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ, সুনামগঞ্জ, ময়মনসিংহ প্রভৃতি জেলা জুড়ে টারশিয়ারি যুগের পাহাড়শ্রেণী অবস্থিত। দেশের মোট আয়তনের প্রায় ২০ শতাংশ অঞ্চল টারশিয়ারি যুগে গঠিত।

- উত্তরাঞ্চলের বরেন্দ্রভূমি, টাঙ্গাইল-গাজীপুর-ময়মনসিংহ অঞ্চলের মধুপুর ও ভাওয়াল গড় এবং কুমিল্লার লালমাই পাহাড় হলো প্লাইস্টোসিনকালের ভূমিরূপ।

এ ব্যতীত দেশে সমগ্র অঞ্চল সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি। দেশের মোট ভূমির প্রায় ৮০ শতাংশই সাম্প্রতিককালের প্লাবন ভূমিরূপ।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় : নবম-দশম শ্রেণী।
১,২৬৮.
মধুপুর ও ভাওয়াল গড়ের বনভূমির প্রধান বৃক্ষ কোনটি?
  1. চাপালিশ
  2. গরান
  3. গজারি
  4. গর্জন
সঠিক উত্তর:
গজারি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গজারি
ব্যাখ্যা
- টাঙ্গাইলের মধুপুর ও গাজীপুর জেলার ভাওয়াল গড়ের বনভূমি শালবন নামে পরিচিত।
- এই বনের প্রধান বৃক্ষ হলো শাল বা গজারি
- এছাড়া অন্যান্য বৃক্ষের মধ্যে রয়েছে: বহেরা, হরিতকী, কড়ই, শিমুল, অর্জুন ইত্যাদি।
- শালবনের মোট আয়তন প্রায় ১.২ লক্ষ হেক্টর।

(তথ্যসূত্র: বন বিভাগ ওয়েবসাইট)
১,২৬৯.
‘পুয়ের্তোরিকো ট্রেঞ্চ’ এর অবস্থান কোথায়?
  1. আটলান্টিক মহাসাগরে
  2. ভারত মহাসাগরে
  3. প্রশান্ত মহাসাগরে
  4. উত্তর মহাসাগরে
সঠিক উত্তর:
আটলান্টিক মহাসাগরে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আটলান্টিক মহাসাগরে
ব্যাখ্যা
পুয়ের্তো রিকো ট্রেঞ্চ হচ্ছে - আটলান্টিক মহাসাগর এবং ক্যারিবিয়ান সাগরের গভীরতম অংশ।

• আটলান্টিক মহাসাগর:
- পৃথিবীর মোট আয়তনের পাঁচ ভাগের এক ভাগ হচ্ছে আটলান্টিক মহাসাগর।
- এটি পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম মহাসাগর।
- এই মহাসাগরের মোট আয়তন ১০৬.৪৬ মিলিয়ন (১০৬,৪৬০,০০০) বর্গকিলোমিটার।
- এর গড় গভীরতা ১০ হাজার ৯২৫ ফুট।

- এর পশ্চিমে উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশ এবং পূর্বে ইউরোপ ও আফ্রিকা মহাদেশ।
- উত্তর দিকে ‘উত্তর মহাসাগর’ এবং দক্ষিণে ‘দক্ষিণ মহাসাগর’।
- রহস্যঘেরা বারমুডা ট্রায়াঙ্গল (যুক্তরাষ্ট্রের মিয়ামি সৈকত, পুয়ের্তো রিকো দ্বীপ ও বারমুডা দ্বীপের মাঝামাঝি অংশ) এই মহাসাগরেই।
- পুয়ের্তো রিকো ট্রেঞ্চ আটলান্টিক মহাসাগর এবং ক্যারিবিয়ান সাগরকে পৃথক করেছে।

তথ্যসূত্র: কালের কণ্ঠ ও ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক।
১,২৭০.
The Source of river Karnaphuli is?
  1. ক) The sacred region of Sikkim
  2. খ) Lusai Hills of Mizoram
  3. গ) Manas Sarovar in Tibet in the Himalayas
  4. ঘ) Naga-Manipur hill region of Assam state
সঠিক উত্তর:
খ) Lusai Hills of Mizoram
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) Lusai Hills of Mizoram
ব্যাখ্যা
কর্ণফুলি নদী:
- কর্ণফুলী নদীর উৎপত্তি ভারতের মিজোরাম রাজ্যের লুসাই পাহাড় থেকে
- বাংলাদেশের প্রবেশের পর রাঙামাটি ও চট্টগ্রামের উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে কর্ণফুলী নদী বঙ্গোপসাগরের পতিত হয়েছে।
- নদীটির মোট দৈর্ঘ্য প্রায় ৩২০ কিলোমিটার।
- কর্ণফুলী নদীর মোহনায় চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর অবস্থিত।
- হালদা, কাসালং প্রভৃতি কর্ণফুলীর উপনদী।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া এবং জাতীয় তথ্য বাতায়ন
১,২৭১.
বাল্টিক সাগরের তীরবর্তী দেশ নয় কোনটি? 
  1. রোমানিয়া
  2. জার্মানি 
  3. লাটভিয়া 
  4. পোল্যান্ড
সঠিক উত্তর:
রোমানিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রোমানিয়া
ব্যাখ্যা

- বাল্টিক সাগরের তীরবর্তী দেশ নয় রোমানিয়া।
- এস্তোনিয়া, লাটভিয়া, ও লিথুয়ানিয়া-কে একত্রে বাল্টিক রাষ্ট্র বলা হয়।

• বাল্টিক সাগরের তীরবর্তী দেশসমূহের নাম:
- ডেনমার্ক,
- এস্তোনিয়া,
- ফিনল্যান্ড,
- জার্মানি,
- লাটভিয়া,
- লিথুয়ানিয়া,
- পোল্যান্ড,
- রাশিয়া (কালিনিনগ্রাদ ও সেন্ট পিটার্সবার্গ অঞ্চলের মাধ্যমে),
- সুইডেন।

উল্লেখ্য, 
- মোট ৯টি দেশ বাল্টিক সাগরের তীরবর্তী।
- এর মধ্যে এস্তোনিয়া, লাটভিয়া, ও লিথুয়ানিয়া-কে একত্রে বাল্টিক রাষ্ট্র বলা হয়।

উৎস: ওয়ার্ল্ড এটলাস।

১,২৭২.
ইউরোপীয় বণিকদের মধ্যে সর্বশেষ বাংলায় এসেছিলেন-
  1. ক) পর্তুগিজরা
  2. খ) ইংরেজরা
  3. গ) ফরাসিরা
  4. ঘ) ওলন্দাজরা
সঠিক উত্তর:
গ) ফরাসিরা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ফরাসিরা
ব্যাখ্যা
১৪৯৮ সালের ২৭মে দুঃসাহসিক পর্তুগিজ নাবিক ভাস্কো-দা-গামা উত্তমাশা অন্তরীপ অতিক্রম করে তিনটি বাণিজ্য তরী নিয়ে ভারতের পশ্চিম উপকূলে কালিকট বন্দরে আগমন করেন। তারা ১৫১৬ সালে প্রথম বাংলায় আসেন।
এরপর ১৬৩০ সালে ওলন্দাজরা, ১৬৫৮ সালে ইংরেজরা এবং সবশেষে ১৬৭৪ সালে ফরাসিরা বাংলায় আগমন করে।
উৎস - বাংলাপিডিয়া।
১,২৭৩.
নীল নদের অববাহিকায় কোন দেশ অবস্থিত নয়?
  1. ইরিত্রিয়া
  2. দক্ষিণ আফ্রিকা
  3. কেনিয়া
  4. ইথিওপিয়া
সঠিক উত্তর:
দক্ষিণ আফ্রিকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দক্ষিণ আফ্রিকা
ব্যাখ্যা

- দক্ষিণ আফ্রিকা নীল নদের অববাহিকায় কোন দেশ অবস্থিত নয়।

নীল নদ:
পৃথিবীর দীর্ঘতম নদী নীল নদ।
- নীল নদ আফ্রিকা মহাদেশে অবস্থিত।
- নীল নামটি গ্রীক নিলোস থেকে এসেছে, যার অর্থ একটি উপত্যকা বা নদী উপত্যকা।
- আফ্রিকার লেক ভিক্টোরিয়া নীল নদের উৎস।
- নীল নদ ভূমধ্যসাগরে পতিত হয়েছে।

উল্লেখ্য,
- নীল নদের দৈর্ঘ্য ৬৮০০ কি.মি (৪,১৩৫ মাইল)।
- বিভিন্ন দেশ হয়ে ভূ-মধ্যসাগরে নীল নদ পতিত হয়।
- নীলনদ ১১টি দেশের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।
- নীল নদের অববাহিকা মিশর, সুদান, দক্ষিণ সুদান, ইরিত্রিয়া, ইথিওপিয়া, কেনিয়া, কঙ্গো গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র, বুরুন্ডি, রুয়ান্ডা, উগান্ডা এবং তানজানিয়া জুড়ে বিস্তৃত।
এর সবচেয়ে দূরবর্তী উৎস বুরুন্ডির কাগেরা নদী।
- নীল নদ তিনটি প্রধান স্রোত দ্বারা গঠিত।
- নীল নীল এবং আতবারা যা ইথিওপিয়ার উচ্চভূমি থেকে প্রবাহিত হয় এবং সাদা নীল যার প্রধান স্রোত ভিক্টোরিয়া এবং আলবার্ট হ্রদে প্রবাহিত হয়।

উৎস: World atlas.

১,২৭৪.
রামসাগর নামীয় দীঘি কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) সিলেট
  2. খ) চট্টগ্রাম
  3. গ) নীলফামারী
  4. ঘ) দিনাজপুর
সঠিক উত্তর:
ঘ) দিনাজপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) দিনাজপুর
ব্যাখ্যা
রামসাগর দীঘি দিনাজপুরে অবস্থিত। 
- বাংলাদেশের ঐতিহাসিক ও প্রত্নতাত্বিক নিদর্শন সমূহের মধ্যে দিনাজপুরের রামসাগর অন্যতম।
- দিনাজপুরের বিখ্যাত রাজা রামনাথ আলীবর্দীখানের সময়ে ১৭৫০থেকে ১৭৫৫ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে দীঘিটি খনন করেন।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া
১,২৭৫.
The South Pole of the Earth is located in
  1. ক) Norway
  2. খ) Pacific Ocean 
  3. গ) Arctic Ocean 
  4. ঘ) Antarctica
সঠিক উত্তর:
ঘ) Antarctica
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) Antarctica
ব্যাখ্যা
South Pole, southern end of the Earth’s axis, lying in Antarctica.

Source: britannica.com
১,২৭৬.
নিচের কোন দেশটি পলিনেশিয়া অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত?
  1. ফিজি
  2. টোঙ্গা
  3. পাপুয়া নিউগিনি
  4. সলোমন দ্বীপপুঞ্জ
সঠিক উত্তর:
টোঙ্গা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টোঙ্গা
ব্যাখ্যা

পলিনেশিয়া:
- মধ্য ও দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরে বিক্ষিপ্তভাবে ছড়িয়ে থাকা প্রায় ১০০০টিরও বেশি দ্বীপ নিয়ে পলিনেশিয়া অঞ্চল গঠিত।
- এটিকে বৃহত্তর ওশেনিয়া অঞ্চলের একটি উপ-অঞ্চল হিসেবে গণ্য করা হয়।
- পলিনেশিয়ার আদি অধিবাসীদেরকে 'পলিনেশীয়' বলা হয়।
- নিউজিল্যান্ড পলিনেশিয়ার বৃহত্তম দেশ।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অঙ্গরাজ্য হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জটিকেও পলিনেশিয়ার অন্তর্গত করা হয়; এটি পলিনেশিয়া ত্রিভুজের উত্তর শীর্ষবিন্দুটি গঠন করেছে।

• পলিনেশিয়া অঞ্চলের দেশসমূহ:
- নিউজিল্যান্ড, টোঙ্গা, সামোয়া, টুভালু, হাওয়াই (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অঙ্গরাজ্য), ফ্রেঞ্চ পলিনেশিয়া, কুক দ্বীপপুঞ্জ ইত্যাদি। 

অন্যদিকে,
- ফিজি, পাপুয়া নিউগিনি, সলোমন দ্বীপপুঞ্জ মেলানেশিয়া অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত।

উৎস: World Atlas.

১,২৭৭.
Keane Bridge is located in __________.
  1. ক) Bogra
  2. খ) Mymensingh
  3. গ) Khulna
  4. ঘ) Sylhet
সঠিক উত্তর:
ঘ) Sylhet
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) Sylhet
ব্যাখ্যা
ক্বীন ব্রীজ:
- সিলেট শহরের কেন্দ্রস্থলে ক্বীন ব্রীজটি অবস্থিত। এর এক দিকে দক্ষিণ সুরমা ও অপর দিকে বন্দর বাজার।
- এই ব্রীজটি সিলেট শহরের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত সুরমা নদীর উপর অবস্থিত, এবং বাংলাদেশের রাজধানী, ঢাকা শহর থেকে ২৪৬ কিলোমিটার (১৫৩ মা) উত্তরপূর্ব দিকে অবস্থিত।
- সুরমা নদীর উপর অবস্থিত কীন ব্রিজ সিলেটের প্রবেশদ্বার হিসেবেই পরিচিত। এক সময় এ ব্রিজটি সিলেটেরই অন্য পরিচয় হয়ে উঠেছিলো।
- ১৯৩৬ সালে আসামের শিক্ষামন্ত্রী খান বাহাদুর আবদুল হামিদ এবং আসামের এক্সিকিউটিভ কাউন্সিলের সদস্য বাবু প্রমোদ চন্দ্র দত্তের উদ্যোগে ব্রিজটি তেরি হয়। - - ব্রিজটি উদ্বোধন করেন আসামের তৎকালীন গভর্নর মাইকেল কীন।
- তার নামেই ব্রিজের নামকরণ করা হয়। তবে ব্রিজটি সুরমা ব্রিজ নামেও ব্যাপক পরিচিত।
- স্টিলের তৈরী এই ব্রিজটি দৈর্ঘ্যে ৩৯৫ মিটার এবং প্রস্থে ৫.৫০ মিটার।

তথ্যসূত্রঃ www.sylhet.gov.bd
১,২৭৮.
গ্রেট ডিভাইডিং রেঞ্জ পর্বত কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) যুক্তরাষ্ট্র
  2. খ) অস্ট্রেলিয়া
  3. গ) সুইজারল্যান্ড
  4. ঘ) অ্যান্টার্কটিকা
সঠিক উত্তর:
খ) অস্ট্রেলিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) অস্ট্রেলিয়া
ব্যাখ্যা
- গ্রেট ডিভাইডিং রেঞ্জ পর্বত অস্ট্রেলিয়ার পূর্ব উপকূলে অবস্থিত।
- গ্রেট ডিভাইডিং রেঞ্জ কতগুলো মালভূমি ও নিচু পর্বতের সমন্বয়ে গঠিত। এটির দৈর্ঘ্য প্রায় ২,৩০০ মাইল।
- অস্ট্রেলিয়ার সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ কোসিয়াস্কো (২,২২৮ মিটার) এবং অস্ট্রেলিয়ান আল্পস গ্রেট ডিভাইডিং রেঞ্চ পর্বতের অংশ।
(তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা)
১,২৭৯.
বঙ্গবন্ধুর নামে নির্মাণ করা দেশের প্রথম মান মন্দির কোথায় অবস্থিত?
  1. ভাঙ্গা, ফরিদপুর
  2. বোয়ালমার, ফরিদপুর
  3. সালথা, ফরিদপুর
  4. মধুখালী, ফরিদপুর
সঠিক উত্তর:
ভাঙ্গা, ফরিদপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভাঙ্গা, ফরিদপুর
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধু মান মন্দির:
- ৯০ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমা রেখা ও কর্কটক্রান্তি রেখার ছেদবিন্দু পড়েছে বাংলাদেশের ফরিদপুর জেলার ভাঙ্গা উপজেলায়।
- এই স্থানেই বঙ্গবন্ধুর নামে নির্মাণ করা হবে দেশের প্রথম মান মন্দির।
- ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল ‘একটি স্বপ্ন’ প্রবন্ধে মানমন্দির নির্মাণের কথা বলেন। 

সূত্র: দৈনিক যুগান্তর।
১,২৮০.
প্লাইস্টোসিন কালের সোপানসমূহকে কয় ভাগে ভাগ করা যায়?
  1. ২ ভাগে
  2. ৩ ভাগে
  3. ৪ ভাগে
  4. ভাগ করা যায় না
সঠিক উত্তর:
৩ ভাগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ ভাগে
ব্যাখ্যা
প্লাইস্টোসিন কালের সোপানসমূহ বা চত্বরভূমি:
- বাংলাদেশের মোট ভূমির প্রায় ৮% এলাকা নিয়ে এ অঞ্চল গঠিত।
- প্লাইস্টোসিন কালের সোপানসমূহকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়, যথা- বরেন্দ্রভূমি, মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় এবং লালমাই পাহাড়।
- নওগাঁ, রাজশাহী, বগুড়া, জয়পুরহাট, রংপুর ও দিনাজপুর জেলার অংশবিশেষ নিয়ে বরেন্দ্রভূমি গঠিত।
- এর আয়তন ৯,৩২০ বর্গকিলোমিটার। প্লাবন সমভূমি থেকে এর উচ্চতা ৬ থেকে ১২ মিটার। 
- ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল, গাজীপুর ও ঢাকা জেলার অংশবিশেষ নিয়ে মধুপুর ও ভাওয়ালের সোপানভূমি গঠিত।
- এর আয়তন প্রায় ৪,১০৩ বর্গকিলোমিটার। সমভূমি থেকে এর উচ্চতা ৬ থেকে ৩০ মিটার। 
- কুমিল্লা শহর থেকে ৮ কিলোমিটার পশ্চিমে লালমাই থেকে ময়নামতি পর্যন্ত লালমাই পাহাড়টি বিস্তৃত।
- এর আয়তন ৩৪ বর্গকিলোমিটার। এই পাহাড়ের গড় উচ্চতা ২১ মিটার। 

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
১,২৮১.
টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহকে কয়টি ভাগে ভাগ করা যায়?
  1. ২ ভাগে
  2. ৩ ভাগে
  3. ৪ ভাগে
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
২ ভাগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ ভাগে
ব্যাখ্যা

• টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ:
- আজ থেকে প্রায় ২০ লক্ষ বছর পূর্বের সময়কে টারশিয়ারি যুগ বলা হয়।
- এ পাহাড়সমূহ বেলেপাথর, শেল ও কদম দ্বারা গঠিত।
- এ পাহাড়সমূহ আসামের লুসাই এবং মিয়ানমারের আরাকান পাহাড়ের সমগোত্রীয় বলে ধারণা করা হয়।

টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহকে দুইভাগে ভাগ করা হয়েছে। যথা-
i) দক্ষিণ পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ এবং
ii) উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ

i) দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ:
রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি এবং কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম জেলার পূর্বাংশ এ অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত। দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের এ পাহাড়গুলোর গড় উচ্চতা ৬১০ মিটার। তবে পশ্চিম থেকে পূর্বদিকে পাহাড়গুলোর উচ্চতা ক্রমশ বেশি। সাম্প্রতিককালে আবিস্কৃত তাজিন ডং (বিজয়) পর্বতশৃঙ্গটি দেশের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ যার উচ্চতা ১,২৩১ মিটার। এটি আবিস্কৃত হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত সর্বোচ্চ শৃঙ্গ ছিল কিওক্রাডং। এর উচ্চতা ১,২৩০ মিটার। এ অঞ্চলের পাহাড়সমূহ কৃষিকাজের জন্য উপযোগী নয়। তবে স্থানীয় অধিবাসীগণ সীমিত পরিসরে জুম পদ্ধতিতে চাষাবাদ করে থাকেন ।

ii) উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ:
ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনা জেলার উত্তরাংশ, সিলেট জেলার উত্তর ও উত্তর- পূর্বাংশ এবং মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ জেলার দক্ষিণের পাহাড়গুলো এ অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত। এখানকার পাহাড়গুলোর গড় উচ্চতা ২৪৪ মিটারের বেশি নয়। উত্তরের পাহাড়গুলো স্থানীয়ভাবে টিলা নামে পরিচিত। এগুলোর উচ্চতা ৩০ থেকে ৯০ মিটার। এ পার্বত্য অঞ্চলে অধিক বৃষ্টিপাত হওয়ায় পাহাড়ের ঢালে প্রচুর চা উৎপন্ন হয়। 

 উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,২৮২.
সুমেরুবৃত্তরেখার অক্ষাংশ কোনটি?
  1. ৬০° উত্তর
  2. ৬০° দক্ষিণ
  3. ৬৬.৫° উত্তর
  4. ৬৬.৫° দক্ষিণ
সঠিক উত্তর:
৬৬.৫° উত্তর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬৬.৫° উত্তর
ব্যাখ্যা
সুমেরুবৃত্ত (Arctic Circle):
- ২১ শে জুন তারিখে সূর্য ২৩.৫° উত্তর অক্ষাংশে (কর্কটক্রান্তি) লম্বভাবে কিরণ দেয়।
- ঐ দিন উত্তর গোলার্ধে মেরুবিন্দু অর্থাৎ ৯০° উত্তর থেকে ৬৬.৫° উত্তর অক্ষরেখা পর্যন্ত ২৪ ঘন্টা দিন থাকে।
- এ জন্য ৬৬.৫° উত্তর অক্ষরেখাকে উত্তর মেরু অঞ্চলের শেষ সীমানা ধরা হয় এবং এই অক্ষরেখাকে সুমেরুবৃত্ত নামে অভিহিত করা হয়।

অন্যদিকে,
⇒ কুমেরুবৃত্ত (Antarctic Circle):
- ২২ শে ডিসেম্বর তারিখে সূর্য ২৩.৫° দক্ষিণ অক্ষরেখায় (মকরক্রান্তি) লম্বভাবে কিরণ দেয়।
- উক্ত তারিখে দক্ষিণ মেরু বিন্দু অর্থ্যাৎ ৯০° দক্ষিণ থেকে ৬৬.৫° দক্ষিণ অক্ষরেখা পর্যন্ত ২৪ ঘন্টা দিন থাকে।
- ফলে ৬৬.৫° দক্ষিণ অক্ষরেখাকে কুমেরু অঞ্চলের শেষ সীমানা ধরা হয় এবং এই অক্ষরেখাকে কুমেরুবৃত্ত (Antarctic Circle) নামে অভিহিত করা হয়।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,২৮৩.
নিম্নের কোন রাজ্যটি ভারতের সেভেন সিস্টার্স-এর অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. অরুণাচল
  2. পশ্চিমবঙ্গ
  3. মেঘালয়
  4. ত্রিপুরা
সঠিক উত্তর:
পশ্চিমবঙ্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পশ্চিমবঙ্গ
ব্যাখ্যা
সেভেন সিস্টার্স:
- উত্তর-পূর্ব ভারতের সাতটি রাজ্য সেভেন সিস্টার্স নামে পরিচিত।
- রাজ্যগুলাে হচ্ছে: অরুণাচল, আসাম, মণিপুর, মেঘালয়, মিজোরাম, নাগাল্যান্ড, ত্রিপুরা।
- এই সাত রাজ্যের আয়তন ২,৬২,১৭৯ বর্গকিলোমিটার, যা ভারতের মোট এলাকার প্রায় ৭.৯৭ শতাংশ।
- এ অঞ্চলের জনসংখ্যা ভারতের মোট জনসংখ্যার ৩.৭৮ শতাংশ।

উল্লেখ্য,
- ত্রিপুরার সাংবাদিক জ্যোতি প্রসাদ সাইকিয়া সর্বপ্রথম রাজ্যগুলোকে একত্রে ‘সেভেন সিস্টার্স’ নামে উল্লেখ করেন।
- ১৯৭২ সালে এই সাত রাজ্যকে সেভেন সিস্টার্সের মর্যাদা দেওয়া হয়।
- আসামের মাধ্যমে রাজ্যগুলো ভারতের মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে।
- আগে এসব রাজ্য ভারতের অন্তর্ভুক্ত ছিল না।

⇒ ভারতের সেভেন সিস্টার্সের রাজ্যসমূহ ও রাজধানী -
১. আসাম - দিসপুর,
২. মিজোরাম - আইজল,
৩. অরুনাচল - ইটানগর,
৪. মেঘালয় - শীলং,
৫. ত্রিপুরা - আগরতলা,
৬. মণিপুর - ইম্ফল,
৭. নাগাল্যান্ড - কোহিমা।

অন্যদিকে,
- পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যটি ভারতের সেভেন সিস্টার্স-এর অন্তর্ভুক্ত নয়।

উৎস: Ministry of Home Affairs ওয়েবসাইট।
১,২৮৪.
When was the Farakka dam opened?
  1. ক) 1973
  2. খ) 1974
  3. গ) 1975
  4. ঘ) 1976
সঠিক উত্তর:
গ) 1975
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) 1975
ব্যাখ্যা
• ফারাক্কা বাঁধ:
- কলকাতা বন্দরের নাব্যতা ঠিক রাখা এবং ভাগীরথী ও গঙ্গা নদীর পানির প্রবাহ যাতে জাহাজ চলাচলে বাধা সৃষ্টি করতে না পারে, সেই লক্ষ্যে ১৯৬১ সালে ফারাক্কা ব্যারাজ তৈরির সিদ্ধান্ত নেয় ভারত সরকার।
- বাংলাদেশের চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার সীমান্ত থেকে মাত্র ১৬.৫ কিলোমিটার দূরে পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ জেলার ফারাক্কা নামক স্থানে গঙ্গা নদীর উপর এই বাঁধ অবস্থিত।
- বাঁধটিতে মোট ১০৯টি গেট রয়েছে।
- ১৯৬১ সালে গঙ্গা নদীর উপর ফারাক্কা বাঁধ নির্মাণের কাজ শুরু হয়।
- প্রাথমিকভাবে নির্মাণকাজ শেষ হয় - ১৯৭০ সালে।
- তবে ব্যবহার উপযোগী করতে পুরোপুরিভাবে এর নির্মাণকাজ শেষ হয় ১৯৭৪ সালের ডিসেম্বরে।
- পরীক্ষামূলকভাবে চালু করা হয় ১৯৭৫ সালে

দৈনিক প্রথম আলো নিউজ।
১,২৮৫.
এশিয়ার কোন দেশটি স্থল বেষ্টিত?
  1. মায়ানমার
  2. উজবেকিস্তান
  3. ভিয়েতনাম
  4. তাইওয়ান
সঠিক উত্তর:
উজবেকিস্তান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উজবেকিস্তান
ব্যাখ্যা
এশিয়ার স্থল বেষ্টিত দেশসমূহ:
- এশিয়ার মোট ১২ টি দেশ স্থল বেষ্টিত। স্থল বেষ্টিত দেশগুলো হচ্ছে -
- আফগানিস্তান।
- আর্মেনিয়া।
- আজারবাইজান।
- ভূটান।
- কাজাখস্তান।
- কিরগিস্তান।
- লাওস।
- মঙ্গোলিয়া।
- তাজিকিস্তান।
- তুর্কেমিনিস্তান।
- উজবেকিস্তান।

তথ্যসূত্র: ওয়ার্ল্ড এটলাস।
১,২৮৬.
নিম্নের কোন জেলাটি বাংলাদেশের ব-দ্বীপ অঞ্চলের অন্তর্গত?
  1. ফরিদপুর
  2. পটুয়াখালী
  3. খুলনা
  4. উল্লিখিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
ব-দ্বীপ অঞ্চল:
- বাংলাদেশের সমগ্র দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল নিয়ে ব-দ্বীপ গঠিত হয়েছে।
- কুষ্টিয়া, যশোর, রাজশাহী, পাবনা ও ঢাকা জেলার অংশবিশেষ এবং খুলনা, পটুয়াখালী, বরিশাল ও ফরিদপুর এ অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের অধিকাংশ নদীগুলো এ অঞ্চলের উপর অথবা পাশ দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।
- ফলে সর্বদা এ অঞ্চল নদী বিধৌত পলি দ্বারা প্লাবিত।
- নদীর মোহনায় অনেকগুলো দ্বীপের সৃষ্টি হয়েছে।
- তার মধ্যে অন্যতম হল ভোলা, হাতিয়া, সন্দ্বীপ ও তালপট্টি।
- এ অঞ্চলের উপর দিয়ে প্রবাহিত নদীগুলো হল পদ্মা, যমুনা, মেঘনা, গড়াই, আড়িয়াল খাঁ, কপোতাক্ষ, মধুমতি ইত্যাদি।
- ফলে পূর্ব অংশের ভূমি প্রায় প্রতিবছর প্লাবিত থাকে।
- অপরদিকে, খুলনা ও পটুয়ালালি জেলার দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরের তীরে গড়ে উঠেছে বাংলাদেশের প্রধান বনাঞ্চল সুন্দরবন।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,২৮৭.
বাতাসের শহর হিসেবে পরিচিত কোনটি? 
  1. মেলবোর্ন
  2. শিকাগো
  3. রোম
  4. প্যারিস
সঠিক উত্তর:
শিকাগো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শিকাগো
ব্যাখ্যা
- শিকাগো শহরটিকে 'বাতাসের শহর' বলা হয়। 

শিকাগো:

- শিকাগোকে "দ্য উইন্ডি সিটি" বা "বাতাসের শহর" নামে ডাকা হয়। 
- শিকাগো সিটি যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত।
- ১৮৩৭ সালে শিকাগো শহর প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
- মিশিগান হ্রদের তীরে শিকাগো শহর অবস্থিত। 

সূত্র - Worldatlas.com & Britannica.com
১,২৮৮.
কোন দেশটি বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী?
  1. শ্বেতহস্তীর দেশ
  2. সিল্ক রুটের দেশ
  3. সোনালী প্যাগোডার দেশ
  4. বজ্রপাতের দেশ
সঠিক উত্তর:
সোনালী প্যাগোডার দেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সোনালী প্যাগোডার দেশ
ব্যাখ্যা
গুরুত্বপূর্ন ভৌগলিক উপনাম (দেশ)
-নিশীথ সূর্যের দেশ - নরওয়ে।
- সূর্যোদয়ের দেশ - জাপান।
- শ্বেতহস্তীর দেশ - থাইল্যান্ড।
- সিল্ক রুটের দেশ - ইরান।
- সোনালী প্যাগোডার দেশ- মায়ানমার।
- বজ্রপাতের দেশ - ভুটান।
- মুক্তার দেশ - কিউবা।
- মুক্তার দ্বীপ- বাহরাইন।
- প্রাচীরের দেশ - চীন।
- ল্যান্ড অফ মার্বেল - ইতালি।
- সমুদ্রের বধূ - গ্রেট ব্রিটেন।
- ম্যাপল পাতার দেশ - কানাডা।
- হাজার হ্রদের দেশ -ফিনল্যান্ড।
- ইউরোপের ককপিট - বেলজিয়াম।

তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা।
১,২৮৯.
বাংলাদেশের উপর দিয়ে কর্কটক্রান্তি রেখা কোন দিক বরাবর অতিক্রম করেছে?
  1. উত্তর-দক্ষিণ
  2. দক্ষিণ-পশ্চিম
  3. পূর্ব-পশ্চিম
  4. উত্তর-পূর্ব
সঠিক উত্তর:
পূর্ব-পশ্চিম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পূর্ব-পশ্চিম
ব্যাখ্যা

কর্কটক্রান্তি রেখা (Tropic of Cancer):
- সাড়ে ২৩° উত্তর অক্ষরেখা কর্কটক্রান্তি রেখা নামে পরিচিত।
- বাংলাদেশকে মাঝ বরাবর পূর্ব-পশ্চিমে অতিক্রম করেছে।

• কর্কটক্রান্তি রেখা অতিক্রান্ত জেলাসমূহ- 
- চুয়াডাঙা
- ঝিনাইদহ
- মাগুরা
- রাজবাড়ি
- ফরিদপুর
- ঢাকা
- মুন্সীগঞ্জ
- নারায়ণগঞ্জ
- কুমিল্লা
- খাগড়াছড়ি
- রাঙামাটি

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের উপর দিয়ে ৯০° পূর্ব দ্রাঘিমারেখা অতিক্রম করেছে।
- কর্কটক্রান্তি রেখা ও ৯০° পূর্ব দ্রাঘিমারেখার ছেদবিন্দু: ফরিদপুর জেলার ভাঙ্গা উপজেলা।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি ও বাংলাপিডিয়া।

১,২৯০.
তু্ন্দ্রা অঞ্চল হলো-
  1. মরুময় তৃণাচ্ছাদিত অঞ্চল
  2. বৃক্ষহীন মেরু অঞ্চল
  3. সরলবর্গীয় বনভূমি অঞ্চল
  4. ক্রান্তীয় পর্ণমোচী বৃক্ষের বনাঞ্চল
সঠিক উত্তর:
বৃক্ষহীন মেরু অঞ্চল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বৃক্ষহীন মেরু অঞ্চল
ব্যাখ্যা
- তুন্দ্রা অঞ্চল হলো ‍বৃক্ষহীন সমতল মেরু এবং উঁচু পার্বত্য অঞ্চল।
- রাশিয়া, কানাডা, যুক্তরাষ্ট্র স্ক্যান্ডেনেভিয়ান অঞ্চল, অ্যান্টার্কটিকা এবং হিমালয়, আন্দিজ পর্বতমালার উপরের অংশে তুন্দ্রা অঞ্চলের উপস্থিতি রয়েছে।
- এই অঞ্চলের ভূমি বছরের অধিকাংশ সময় বরফে ঢাকা থাকে। বৃষ্টিপাত নেই বললেই চলে। গ্রীষ্মকালে কিছু বন্য ফুলজাতীয় উদ্ভিত জন্মাতে দেখা যায়।
(তথ্যসূত্র: ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক)
১,২৯১.
’দুবলার চর’ কোথায় অবস্থিত? 
  1. রাজশাহী
  2. সেন্টমার্টিন
  3. সুন্দরবন
  4. নোয়াখালী
সঠিক উত্তর:
সুন্দরবন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুন্দরবন
ব্যাখ্যা

’দুবলার চর’:
- দুবলার সুন্দরবনে অবস্থিত।

- সুন্দরবনের চাঁদপাই রেঞ্জের গুরুত্বপূর্ণ জায়গা দুবলার চর।
- কুঙ্গা ও মরা পশুর নদের মাঝে দুবলার চর একটি বিচ্ছিন্ন দ্বীপ।

• বাংলাদেশের চরসমূহ:
- নদীর মাঝে বা মোহনায় পলি সঞ্চিত হয়ে জেগে উঠা ভূখণ্ড চর নামে পরিচিত।
- লক্ষ্মীপুর জেলা: চর গজারিয়া ও চর আলেকজান্ডার।
- ভোলা জেলা: চরফ্যাশন, চর মানিক, চর কুকড়ি মুকড়ি, চর নিউটন, চর নিজাম প্রভৃতি।
- নোয়াখালী জেলা: ভাসান চর, সুবর্ণ চর, চর শ্রীজনী, চর শাহাবানী প্রভৃতি।
- ফেনী জেলা: মুহুরীর চর।
- রাজশাহী জেলা: নির্মল চর।
- সুন্দরবন: দুবলার চর, পাটনি চর।

উৎস- জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১,২৯২.
বাংলাদেশের ভূ-আকৃতিকে কোন গ্রীক বর্ণের মত মনে করা হয়?
  1. ক) আলফা
  2. খ) গামা
  3. গ) বিটা
  4. ঘ) ডেল্টা
সঠিক উত্তর:
ঘ) ডেল্টা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ডেল্টা
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের ভূ-আকৃতিকে গ্রীক বর্ণ ডেল্টা (Δ)এর সাথে তুলনা করা যায়। 
 
ব-দ্বীপ (Delta): নদীর নিম্ন গতিতে স্রোতের বেগ খুব কমে যায় এবং নদীর পানির সঙ্গে মিশ্রিত শিলাচূর্ণ, বালি, কাদা প্রভৃতি তলানিরূপে সঞ্চিত হতে থাকে। নদীর মোহনায় সমুদ্রের লবণ মিশ্রিত পানি এ তলানি পড়তে বিশেষভাবে সাহায্য করে। নদী যদি কোনো কম স্রোত বিশিষ্ট বা স্রোতহীন সমুদ্রে পড়ে, তাহলে ঐ সমস্ত নদীর মুখে জমতে জমতে নদী মুখ প্রায় বন্ধ হয়ে যায় এবং কালক্রমে ঐ চরাভূমি সমুদ্রের পানির ওপর উঁচু হয়ে ওঠে। তখন নদী বিভিন্ন শাখায় ঐ চরাভূমিকে বেষ্টন করে সমুদ্রে পতিত হয়। নদী মোহনাস্থিত ত্রিকোণাকার এ নতুন ভূমিকে ব-দ্বীপ বলে । 
 
যখন নদী কোনো সাগর, হ্রদে বা অন্য কোনো জলাশয়ে শেষ পর্যায়ে এসে মিলিত হয়, তখন নদী পরিবাহিত পলি ঐ অংশে মাত্রাহীন ‘Δ’- এর (ল্যাটিন Δ ডেল্টা) আকারে সঞ্চিত হয়। ব-দ্বীপের আকার বিশেষভাবে নির্ভর করে নদীবাহিত পললের পরিমাণ, গঠন ও যেখানে পলি সঞ্চিত হয় সেই স্থানের প্রাকৃতিক পরিবেশের ওপর।
নদীর প্রধান ধারা অনেকগুলো শাখায় বিভক্ত (Distributaries)। এ সমস্ত শাখা নদীর মাধ্যমে প্রবাহ সমুদ্রে পৌঁছে। শাখা নদীসমূহ দ্রুত স্থান বদল করে ধীরে ধীরে একটি আদর্শ ব-দ্বীপের সৃষ্টি করে।
 
সূত্র: বাংলাপিডিয়া; ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১,২৯৩.
পলিনেশিয়া এর অন্তর্ভুক্ত নয় কোনটি?
  1. ক) সামোয়া
  2. খ) টুভ্যালু
  3. গ) টোঙ্গা
  4. ঘ) ভানুয়াতু
সঠিক উত্তর:
ঘ) ভানুয়াতু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ভানুয়াতু
ব্যাখ্যা

পলিনেশিয়া অঞ্চলের দেশসমূহ:
- টোঙ্গা
- টুভ্যালু
- সামােয়া।

মাইক্রোনেশিয়া অঞ্চলের দেশসমূহ:
- নাউরু
- পালাউ
- কিরিবাতি
- মার্শাল দ্বীপপুঞ্জ
- মাইক্রোনেশিয়া।

মেলানেশিয়া অঞ্চলের দেশসমূহ:
- সলােমান দ্বীপপুঞ্জ
- ফিজি
- ভানুয়াতু
- পাপুয়া নিউগিনি।

(সূত্র: ওয়ার্ল্ড অ্যাটলাস)

১,২৯৪.
বেনাপোল স্থলবন্দরের অবস্থান কোথায়?
  1. সিলেট
  2. দিনাজপুর
  3. যশোর
  4. পঞ্চগড়
সঠিক উত্তর:
যশোর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যশোর
ব্যাখ্যা
বেনাপোল স্থলবন্দর: 
- বেনাপোল স্থলবন্দর যশোর জেলার শার্শা উপজেলার বেনাপোল সীমান্তে অবস্থিত।
- বেনাপোলের বিপরীতে ভারতের দিকের অংশটি পেট্রাপোল নামে পরিচিত।
- মোট ৮৬.৬৮ একর এলাকা জুড়ে বিস্তৃত।
- স্থলবন্দরটি ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে পণ্য আমদানি/রপ্তানির জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বন্দর হিসেবে কাজ করে।।
- বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যকার গুরুত্বপূর্ণ তল্লাশী ঘাঁটি ও আন্তর্জাতিক স্থলবন্দর হিসেবে পরিচিত।
- স্থলপথে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম সহজতর করার লক্ষ্যে ১২-০১-২০০২ খ্রিঃ তারিখে বেনাপোল স্থলবন্দর ঘোষণা করা হয়।
- ০১-০২-২০০২ খ্রিঃ তারিখে স্থলবন্দরের অপারেশনাল কার্যক্রম শুরু করা হয়।
- দেশের স্থল বাণিজ্যের প্রায় ৯০% এ বন্দরের মাধ্যমে হয়ে থাকে।
- বেনাপোল সীমান্ত হতে রাজধানীর দূরত্ব প্রায় ২৪০ কিঃমিঃ এবং কোলকাতার দূরত্ব প্রায় ৮৪ কিঃমিঃ।
- স্থলবন্দরটি ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে পণ্য আমদানি/রপ্তানির জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বন্দর হিসেবে কাজ করে।।

উৎস: বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ। 
১,২৯৫.
বাংলাদেশের বৃহত্তম নদীবন্দর কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা
  2. চট্টগ্রাম
  3. নারায়ণগঞ্জ
  4. ফরিদপুর
সঠিক উত্তর:
নারায়ণগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নারায়ণগঞ্জ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের নদীবন্দর 
- বর্তমানে বাংলাদেশে ৪৮টি নদীবন্দর রয়েছে।
- সর্বশেষ দুটি নদী বন্দর ২৮ এপ্রিল, ২০২৪ সালে একই দিনে পৃথক পৃথক গেজেট আকারে প্রকাশ পায়। এগুলো হলো- 
১. রাজশাহী নদীবন্দর (৪৮ তম), এবং
২.ঘাষিয়াখালী নদীবন্দর (৪৭ তম)। 

- বাংলাদেশের বৃহত্তম নদীবন্দর নারায়ণগঞ্জ জেলায় শীতলক্ষ্যা নদীর তীরে অবস্থিত।

অন্যদিকে,
- শীতলক্ষ্যা নদী উৎপন্ন হয়েছে ব্রহ্মপুত্র নদ থেকে এবং নারায়ণগঞ্জের কলাগাছিয়ার কাছে ধলেশ্বরী নদীতে মিলিত হয়েছে।
- বাংলাদেশের এককালীন বিখ্যাত মসলিন শিল্প শীতলক্ষ্যা নদীর উভয় তীরবর্তী অঞ্চলে গড়ে উঠেছিল।
- বর্তমানে নদীর উভয় তীরে প্রচুর পরিমাণে ভারি শিল্প-কারখানা গড়ে উঠেছে।
- ১১০ কিমি দৈর্ঘ্যের এই শীতলক্ষ্যা তার পানির স্বচ্ছতা এবং শীতলতার জন্য একদা বিখ্যাত ছিল।

তথ্যসূত্র – বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ, বাংলাপিডিয়া
১,২৯৬.
'চিকেন নেক' হিসেবে পরিচিত শিলিগুড়ি করিডোর সংলগ্ন জেলা কোনটি?
  1. নীলফামারী
  2. লালমনিরহাট
  3. পঞ্চগড়
  4. সৈয়দপুর
সঠিক উত্তর:
পঞ্চগড়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পঞ্চগড়
ব্যাখ্যা

চিকেন নেক:
- 'চিকেন নেক' হিসেবে পরিচিত শিলিগুড়ি করিডোর।

⇒ ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলকে বাকি দেশের মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে যুক্ত করে রেখেছে যে সরু অংশটা, সেটাই আসলে ‘শিলিগুড়ি করিডর’ নামে পরিচিত।
- ভারতের মানচিত্রে শিলিগুড়ি শহরের কাছে অবস্থিত এই করিডরটা অনেকটা বাঁকানো মুরগির ঘাড়ের মতো দেখায় বলে এই জায়গাটাকে অনেকে ‘চিকেনস নেক’ বলেও বর্ণনা করেন।
- এই করিডরের সবচেয়ে সরু অংশটা মাত্র ২১ কিলোমিটার চওড়া, যার আশেপাশেই রয়েছে অন্তত চারটি দেশের আন্তর্জাতিক সীমান্ত।
- এর সঙ্গে উত্তরে নেপাল, পূর্বে বাংলাদেশ ও ভুটান এবং উত্তরে চীন সীমান্ত।
'চিকেন নেক' হিসেবে পরিচিত শিলিগুড়ি করিডোর সংলগ্ন বাংলাদেশি জেলা-পঞ্চগড়।

উৎস: i) BBC.
ii) প্রথম আলো।

১,২৯৭.
The total border district of Bangladesh is -
  1. ক) 32
  2. খ) 35
  3. গ) 34
  4. ঘ) 36
সঠিক উত্তর:
ক) 32
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) 32
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের মোট সীমান্তবর্তী জেলা ৩২টি।
- এদের মধ্যে ভারতের সাথে সীমান্তবর্তী জেলা ৩০টি এবং মিয়ানমারের সাথে ৩টি।
- একমাত্র রাঙামাটি জেলার সাথে ভারত ও মিয়ানমার উভয় দেশের স্থলসীমান্ত রয়েছে।

(তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন)
১,২৯৮.
বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের জেলা থেকে হিমালয়ের কোন শৃঙ্খ দেখা যায়?
  1. কাঞ্চনজংঘা
  2. চিম্বুক
  3. এভারেস্ট
  4. কেওক্রাডং
সঠিক উত্তর:
কাঞ্চনজংঘা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কাঞ্চনজংঘা
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সর্ব উত্তর:
- বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের সীমান্তবর্তী স্থান বাংলাবান্ধা। (অক্ষাংশ ২৬°৩৮′ উত্তর অক্ষরেখা)
- বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের উপজেলার তেঁতুলিয়া।
- বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের জেলা পঞ্চগড়।
 
⇒ বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের জেলা পঞ্চগড় থেকে হিমালয়ের কাঞ্চনজংঘা দেখা যায়।
- তেঁতুলিয়ায় ডাক বাংলোতে দাঁড়িয়ে মহানন্দা নদীর পাড় থেকে এবং বাংলাবান্ধা গিয়ে উত্তরের মেঘমুক্ত আকাশে তাকালেই চোখে পড়ে হিমালয়ের নয়নাভিরাম দৃশ্য।

উল্লেখ্য,
- কাঞ্চনজঙ্ঘা পর্বতশৃঙ্গ নেপাল ও ভারতের সিকিম সীমান্তে অবস্থিত। বাংদেশের সর্ব-উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ার বাংলাবান্ধা ইউনিয়ন (স্থলবন্দর) থেকে নেপালের দূরত্ব ৬১ কিলোমিটার, ভুটানের দূরত্ব ৬৪ কিলোমিটার, চীনের দূরত্ব ২শ কিলোমিটার, ভারতের দার্জিলিংয়ের দূরত্ব ৫৮ কিলোমিটার, শিলিগুড়ির দূরত্ব ৮ কিলোমিটার। অন্যদিকে হিমালয়ের এভারেস্ট শৃঙ্গের দূরত্ব ৭৫ কিলোমিটার আর কাঞ্চনজঙ্ঘার দূরত্ব ১১ কিলোমিটার। কিন্তু মেঘ-কুয়াশামুক্ত আকাশের উত্তর-পশ্চিমে তাকালেই দেখা মেলে বরফ আচ্ছাদিত সাদা পাহাড় কাঞ্চনজঙ্ঘা।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১,২৯৯.
ওকিনাওয়া দ্বীপটি কোন দেশে অবস্থিত?
  1. জাপান
  2. ইন্দোনেশিয়া
  3. মালদ্বীপ
  4. ফিলিপাইন
সঠিক উত্তর:
জাপান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাপান
ব্যাখ্যা
জাপান:
- জাপান পূর্ব এশিয়ার একটি দ্বীপরাষ্ট্র।
- পূর্বনাম: নিপ্পন।
- প্রধান দ্বীপ: হোক্কাইডো, হনসু, শিকোকু, কিউসু ও ওকিনাওয়া।
- জাপানের সবচেয়ে বড় দ্বীপ: হনসু।

উল্লেখ্য,
- জাপানের ওকিনাওয়া দ্বীপটির আগের নাম ছিল রুয়ুকুয়ু।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় রক্তক্ষয়ী লড়াইয়ে দ্বীপটির নিয়ন্ত্রণ নেয় যুক্তরাষ্ট্র।
- এর পর থেকে দ্বীপটি যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণেই ছিল।
- অবশেষ ১৯৭২ সালের ১৫ মে দ্বীপটির নিয়ন্ত্রণ ফিরে পায় জাপান।
- এর নতুন নাম হয় ওকিনাওয়া।
- দ্বীপটির আয়তন ৪৬৩ বর্গমাইল।

উল্লেখ্য,
- সূর্যোদয়ের দেশ বলা হয় জাপানকে।

উৎস: Worldatlas.
১,৩০০.
মধুপুর বনকে কী ধরনের বন বলা হয়?
  1. চিরহরিৎ বনভূমি
  2. পত্রঝরা বনভূমি
  3. রেইন ফরেস্ট
  4. ম্যানগ্রোভ বনভূমি
সঠিক উত্তর:
পত্রঝরা বনভূমি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পত্রঝরা বনভূমি
ব্যাখ্যা
মধুপুর বনকে ক্রান্তীয় পাতাঝরা গাছের বনভূমি বলা হয়।

ক্রান্তীয় পাতাঝরা গাছের বনভূমি:

- বাংলাদেশের পাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ যেমন ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল, গাজীপুর জেলার মধুপুর ও ভাওয়ালের বনভূমি, দিনাজপুর ও রংপুর জেলার বরেন্দ্র বনভূমিকে ক্রান্তীয় পাতাঝরা গাছের বনভূমি বলা হয়।
- এই বনভূমির বৈশিষ্ট্য হচ্ছে শীতকালে এই বনভূমির বৃক্ষের পাতা ঝরে যায় এবং গ্রীষ্মকালে আবার নতুন পাতা গজায়।

উল্লেখ্য,
• ক্রান্তীয় চিরহরিৎ এবং পাতাঝরা গাছের বনভূমি:
- পাহাড়ের অধিক বৃষ্টিপ্রবণ অঞ্চলে ক্রান্তীয় চিরহরিৎ এবং কম বৃষ্টিপ্রবণ অঞ্চলে পাতাঝরা গাছের বনভূমি দেখা যায়। বাংলাদেশের খাগড়াছড়ি, রাঙ্গামাটি ও বান্দরবানের প্রায় সব অংশে এবং চট্টগ্রাম ও সিলেট অঞ্চলের কিছু অংশে এ বনভূমি বিস্তৃত।

• স্রোতজ বনভূমি বা সুন্দরবন:
- বাংলাদেশের দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর, উত্তরে খুলনা, সাতক্ষীরা, বাগেরহাট জেলা, পূর্বে হরিণঘাটা নদী, পিরোজপুর ও বরিশাল জেলা এবং পশ্চিমে রাইমঙ্গল, হাড়িয়াভাঙ্গা নদী ও ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের আংশিক প্রান্তসীমা পর্যন্ত এ বনভূমি বিস্তৃত। এটি খুলনা বিভাগের ৬,০০০ বর্গকিলোমিটার এলাকা জুড়ে বিস্তৃত। সমুদ্রের জোয়ার-ভাটা ও লোনা পানি এবং প্রচুর বৃষ্টিপাতের জন্য এ অঞ্চল বৃক্ষ সমৃদ্ধ।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।