উত্তর
ব্যাখ্যা
Source: bpdb.gov.bd
PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন
PrepBank · পাতা ৩৩ / ৩৭ · ৩,২০১–৩,৩০০ / ৩,৬২২
জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস:
- ৫ আগস্ট 'জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস' হিসেবে পালিত হয়।
- বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার ৫ আগস্টকে 'জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস' ও ১৬ই জুলাইকে 'জুলাই শহীদ দিবস' হিসেবে ঘোষণা করেছে।
- ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকার পতনের দিন ৫ আগস্টকে 'জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস' ঘোষণা করেছে অন্তর্বর্তী সরকার।
- গণ-আন্দোলন চলাকালে রংপুরে পুলিশের গুলিতে আবু সাঈদের নিহত হওয়ার দিন ১৬ জুলাইকে 'জুলাই শহীদ দিবস' ঘোষণা করা হয়েছে।
- ২৫ জুন, ২০২৫ তারিখে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ-সংক্রান্ত পরিপত্র জারি করা হয়েছে।
উল্লেখ্য:
- ৫ আগস্ট জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস 'ক' শ্রেণিভুক্ত করা হয়েছে।
- ১৬ই জুলাইকে 'জুলাই শহীদ দিবস' 'খ' শ্রেণিভুক্ত করা হয়েছে।
তথ্যসূত্র - মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ওয়েবসাইট।
বাংলাদেশ চীনের বাজারে শুল্কমুক্ত সুবিধা:
- এলডিসি (স্বল্পোন্নত দেশ) থেকে উত্তরণের পরেও বাংলাদেশ চীনের বাজারে শুল্কমুক্ত সুবিধা ২০২৮ সাল পর্যন্ত পাবে।
- চীনের উপ-প্রধানমন্ত্রী ডিং শুয়েশিয়াং এই প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে এক বৈঠকে।
- ২০২৬ সালের নভেম্বরে বাংলাদেশের এলডিসি গ্রাজুয়েশন কার্যকর হবে।
- স্বাভাবিক নিয়মে এরপর শুল্কমুক্ত সুবিধা উঠে যাওয়ার কথা থাকলেও, চীন এই সুবিধা আরও দুই বছর বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে।
- ২০২২ সাল থেকেই বাংলাদেশ চীনের বাজারে ৯৯ শতাংশ পণ্যে শুল্কমুক্ত সুবিধা পাচ্ছে, যদিও তা পুরোপুরি কাজে লাগাতে পারছে না।
সূত্র: দৈনিক কালের কণ্ঠ ও বিজিনেজ স্ট্যান্ডার্ড।
স্বাধীনতা পদক:
- বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় পুরস্কার স্বাধীনতা পদক।
- ১৯৭৭ সালে বাংলাদেশ সরকার এ পুরস্কার প্রবর্তন করে।
- স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে এ পুরস্কার প্রদান করা হয়।
- এ পুরস্কার প্রবর্তন করেন মেজর মোঃ জিয়াউর রহমান।
• স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৫ প্রাপ্তরা হলেন-
- বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি: অধ্যাপক জামাল নজরুল ইসলাম (মরণোত্তর),
- সাহিত্য: মীর আবদুস শুকুর আল মাহমুদ (মরণোত্তর),
- সংস্কৃতি: নভেরা আহমেদ (মরণোত্তর),
- সমাজসেবা: স্যার ফজলে হাসান আবেদ (মরণোত্তর),
- মুক্তিযুদ্ধ ও সংস্কৃতি: মোহাম্মদ মাহবুবুল হক খান ওরফে আজম খান (মরণোত্তর),
- শিক্ষা ও গবেষণা: বদরুদ্দীন মোহাম্মদ উমর,
- প্রতিবাদী তারুণ্য: আবরার ফাহাদ (মরণোত্তর)।
উৎস: সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
ভূ-প্রকৃতি (Physiography):
- বাংলাদেশ পৃথিবীর অন্যতম বৃহত্তম ব-দ্বীপ।
- এদেশের ভূ-খন্ড উত্তর দিক থেকে দক্ষিণ দিকে ক্রমশ ঢালু হয়ে বিস্তৃত।
- উত্তর-পূর্ব এবং দক্ষিণ-পূর্ব দিকের পাহাড়ি অংশ ব্যতীত সমগ্র দেশ নদীবিধৌত পলল দ্বারা গঠিত সমভূমি।
- এই পললের পুরুত্ব প্রায় ১৮-২২ কিলোমিটার।
- ভূ-প্রকৃতির ভিন্নতার উপর ভিত্তি করে বাংলাদেশের ভূ-প্রকৃতিকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
• টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ।
• প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ।
• সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি।
• টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ:
- টারশিয়ারি যুগে হিমালয় পর্বত উত্থিত হওয়ার সময় যে সকল পর্বতের সৃষ্টি হয়েছে সেগুলো টারশিয়ারি যুগের পাহাড় নামে পরিচিত।
- আজ থেকে প্রায় ২০ লক্ষ বছর পূর্বের সময়কে টারশিয়ারি যুগ বলা হয়।
- রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, চট্টগ্রাম, সিলেট, মৌলভীবাজার এবং হবিগঞ্জের পাহাড়গুলো টারশিয়ারি যুগের।
- এ পাহাড়গুলোকে আসামের লুসাই এবং মিয়ানমারের আরাকান পাহাড়ের সমগোত্রীয় বলে ধারণা করা হয়।
- টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ বেলেপাথর, শেল ও কর্দম দ্বারা গঠিত।
- টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহকে আবার দুইভাগে ভাগ করা যায়। এগুলো হলো-
• দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ।
• উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ।
• প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ:
- আজ থেকে আনুমানিক প্রায় ২৫,০০০ বছর পূর্বের সময়কে প্লাইস্টোসিনকাল বলে।
- এ অঞ্চলের মাটির রং লাল ও ধূসর।
- দেশের উত্তর-পশ্চিমাংশের বরেন্দ্রভূমি, মধ্যভাগের মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় এবং কুমিল্লা জেলার লালমাই পাহাড় বা উচ্চভূমি এর অন্তর্ভুক্ত।
- প্লাইস্টোসিনকালে এসব উচ্চভূমি গঠিত হয়েছিল বলে ধারণা করা হয়।
• সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি:
- টারশিয়ারি যুগের পাহাড় এবং প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ ব্যতীত সমগ্র দেশ সাম্প্রতিককালের পলি দ্বারা গঠিত এক বিস্তীর্ণ সমভূমি।
- এই প্লাবন সমভূমির বয়স ১২,০০০ বছরের কম।
- পদ্মা, মেঘনা, যমুনা প্রভৃতি প্রধান নদীসহ অসংখ্য উপনদী এবং শাখানদী জালের ন্যায় সমগ্র দেশে ছড়িয়ে রয়েছে। ন
- বন্যার সঙ্গে বাহিত পলিমাটি সঞ্চিত হয়ে দেশের বিস্তীর্ণ এলাকায় এই প্লাবন সমভূমি সৃষ্টি হয়েছে।
- এ প্লাবন সমভূমির আয়তন প্রায় ১,২৪,২৬৬ বর্গকিলোমিটার।
- এ অঞ্চলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হলো বিক্ষিপ্তভাবে ছড়িয়ে থাকা অসংখ্য জলাভূমি ও নিম্নভূমি। স্থানীয়ভাবে এগুলোকে বিল, ঝিল ও হাওড় বলে।
- রাজশাহী অঞ্চলের চলনবিল, ঢাকার আড়িয়াল বিল, গোপালগঞ্জের বিল, সুনামগঞ্জ, সিলেট, মৌলভীবাজার, ময়মনসিংহ এবং শেরপুর জেলার হাওড় ও বিল উল্লেখযোগ্য।
- মেঘনা নদীর মোহনায় হাতিয়া, সন্দ্বীপ, শাহবাজপুর এবং ভোলা জেলায় বেশ কিছু দ্বীপ অবস্থিত। এছাড়া দক্ষিণ উপকূলে আরও কিছু ছোট ছোট দ্বীপ রয়েছে।
তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
• 'ছায়া প্রেমী' ফসল:
- 'ছায়া প্রেমী' অর্থনৈতিক ফসল বলতে চা গাছকে বোঝানো হয়।
- চা গাছের জন্য অতিরিক্ত তাপ ও সরাসরি সূর্যালোক থেকে রক্ষা পেতে ছায়াযুক্ত পরিবেশে ভালোভাবে বৃদ্ধি পায়।
- এ কারণে চা গাছকে ছায়া প্রেমী ফসল হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।
• চা চাষ:
→ চা চাষের জন্য উষ্ণ ও আর্দ্র জলবায়ু বিশেষ উপযোগী।
→ সাধারণত যেসব স্থানে ২৬০-২৮° সেলসিয়াস তাপমাত্রা থাকে সেসব স্থান চা চাষের উপযুক্ত।
→ গাছের বৃদ্ধিকালীন সময়ে ২০° সেলসিয়াস এর অধিক তাপমাত্রা প্রয়োজন।
→ চা চাষের জন্য ১৭৫ - ২৫০ সেন্টিমিটার বৃষ্টিপাত এবং বাতাসের আর্দ্রতা ৭০-৯০% আবশ্যক।
→ বাংলাদেশে চা চাষের একটি অবিচ্ছেদ্য উপাদান হলো ছায়া গাছ।
→ চা বাস্তুতন্ত্রের পরিবেশ পরিবর্তন, মাটির উর্বরতা সমৃদ্ধকরণ, তাপমাত্রা এবং বাষ্পীভবন ক্ষমতা হ্রাস, মাটির আর্দ্রতা সংরক্ষণ এবং কিছু পোকামাকড় ও রোগ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করার জন্য ছায়া গাছ অপরিহার্য, যা ইতিবাচকভাবে তাপীয়ভাবে প্রভাবিত করে।
→ ছায়া গাছ চা গাছগুলিকে আংশিক ছায়া প্রদান করে, যা চা পাতার মান উন্নত করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
→ সঠিক ধরণের ছায়া গাছ এবং তাদের সঠিক ব্যবস্থাপনা সফল চা ফসল চাষের পূর্বশর্ত।
→ অতিবৃষ্টি এবং অনাবৃষ্টি বা খরা কোনোটিই চা গাছের জন্য উপযুক্ত নয়।
→ চা গাছের জন্য যেমন প্রচুর পানি প্রয়োজন তেমনি উপযুক্ত নিষ্কাশনের ব্যবস্থাও থাকতে হয়।
তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ চা গবেষণা ইনস্টিটিউট, বাংলাপিডিয়া ও ভূগোল ২য় পত্র, এইচএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
- উত্তরা থেকে মতিঝিল পর্যন্ত নির্মাণাধীন দেশের প্রথম মেট্রোরেলের দৈর্ঘ্য ২০.১ কিলোমিটার। এটি এমআরটি-৬ নামে পরিটিত।
- ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লি. জাপানি সংস্থা জাইকার অর্থায়ন ও কারিগরি সহায়তায় প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে।
- এমআরটি-৬ লাইনে মোট স্টেশন সংখ্যা ১৬টি।
- উত্তরা থেকে মতিঝিল পর্যন্ত যেতে সময় লাগবে ৩৫ মিনিট। প্রতি ঘণ্টায় ৬০ হাজার যাত্রী পরিবহন করা সম্ভব হবে।
(তথ্যসূত্র : ডিএমটিসিএল ওয়েবসাইট)
নূর মোহাম্মদ শেখ ১৯৫৯ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি পূর্ব পাকিস্তান রাইফেলসে (ইপিআর, বর্তমানে ‘বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ’-বিজিবি) যোগদান করেন। দীর্ঘদিন দিনাজপুর সীমান্তে চাকরি করে ১৯৭০ সালের ১০ জুলাই যশোর সেক্টরে বদলি হন। পরে ল্যান্স নায়েক পদে পদোন্নতি পান নূর মোহাম্মদ।
১৯৭১ সালে যশোর অঞ্চল নিয়ে গঠিত ৮ নম্বর সেক্টরে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। যশোরের শার্শা থানার কাশিপুর সীমান্তের বয়রা অঞ্চলে ক্যাপ্টেন নাজমুল হুদার নেতৃত্বে পাকিস্তানি হানাদারদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেন তিনি।
১৯৭১ সালের ৫ সেপ্টেম্বর যশোরের গোয়ালহাটি ও ছুটিপুরে পাকিস্তানি বাহিনীর সঙ্গে সম্মুখযুদ্ধের সময় শাহাদাতবরণ করেন নূর মোহাম্মদ। মুক্তিযুদ্ধে বীরোচিত ভূমিকা ও আত্মত্যাগের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি ‘বীরশ্রেষ্ঠ’ খেতাবে ভূষিত হন।
উৎসঃ প্রথম আলো
বিশ্ব খাদ্য ও কৃষিবিষয়ক বার্ষিক পরিসংখ্যান পুস্তিকা-২০২৪:
- জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (FAO) বিশ্ব খাদ্য ও কৃষিবিষয়ক বার্ষিক পরিসংখ্যান পুস্তিকা-২০২৪ প্রকাশ করে।
• বিশ্বে খাদ্য আমদানিতে শীর্ষ দেশ- চীন।
• খাদ্য রপ্তানিতে শীর্ষ দেশ - যুক্তরাষ্ট্র।
• বিশ্বে চাল/ধান উৎপাদনে বাংলাদেশের অবস্থান - ৩য়।
• বিশ্বে চাল/ধান উৎপাদনে প্রথম অবস্থান - চীন,।
এছাড়াও
• বিশ্বে গম উৎপাদনে শীর্ষ দেশ- চীন।
• বিশ্বে ভুট্টা উৎপাদনে শীর্ষ দেশ- যুক্তরাষ্ট্র।
• বিশ্বে পাম ওয়েল উৎপাদনে শীর্ষ দেশ- ইন্দোনেশিয়া।
• বিশ্বে চিনি উৎপাদনে শীর্ষ দেশ- ব্রাজিল।
• বিশ্বে সূর্যমূখী তেল উৎপাদনে শীর্ষ দেশ- রাশিয়া।
উৎস: FAO.
• দেশে প্রধানত দুই শ্রেণির ব্যাংক রয়েছে।
• তফসিলী ব্যাংক:
- যে ব্যাংক কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তালিকাভুক্ত হয়ে এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্ধারিত নিয়ম-নীতি মেনে ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনা করে, তাকে তালিকাভুক্ত ব্যাংক বলে।
- তফসিলী ব্যাংকের সংখ্যা মোট ৬২ টি।
• অ-তফসিলী ব্যাংক:
- যে সকল ব্যাংক কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তালিকার অন্তর্ভুক্ত নয় তাদেরকে অ-তালিকাভুক্ত ব্যাংক বলে। এরূপ ব্যাংক কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বিধি-নিষেধ মেনে চলে না
- অ- তফসিলী ব্যাংকের সংখ্যা মোট ৫ টি।
এছাড়াও,
- রাষ্ট্র মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংক: ৬টি,
- বিশেষায়িত ব্যাংক: ৩টি,
- বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক: ৪৩টি,
- বিদেশি ব্যাংক: ৯টি।
- শরিয়া ভিত্তিক ইসলামিক ব্যাংক : ১০ টি।
- ডিজিটাল ব্যাংক: ১ টি।
উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক।
Part 1 : The Republic
Article 1. Bangladesh is a unitary, independent, sovereign Republic to be known as the People's Republic of Bangladesh.
Article 7. (1) All powers in the Republic belong to the people, and their exercise on behalf of the people shall be effected only under, and by the authority of, this Constitution.
(2) This Constitution is, as the solemn expression of the will of the people, the supreme law of the Republic, and if any other law is inconsistent with this Constitution that other law shall, to the extent of the inconsistency, be void.
Source: Constitution of Bangladesh
• মানব উন্নয়ন প্রতিবেদন- ২০২৫:
- জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (UNDP) ৬ মে ২০২৫ “Human Development Report 2025: A matter of choice: People and possibilities in the age of AI” শিরোনামে “মানব উন্নয়ন প্রতিবেদন- ২০২৫” এর ৩৩তম সংস্করণ প্রকাশ করে।
- অন্তর্ভুক্ত দেশ ও অঞ্চল: ১৯৫টি।
• প্রতিবেদন অনুযায়ী, শীর্ষ দেশ-
- মানব উন্নয়ন- আইসল্যান্ড;
- গড় আয়ু- মোনাকো;
- মাথাপিছু আয় (ক্রয় ক্ষমতার ভিত্তিতে)- লিচটেনস্টাইন।
উল্লেখ্য,
- প্রতিবেদনে মানব উন্নয়নে বাংলাদেশের অবস্থান ১৩০তম।
উৎস: UNDP ওয়েবসাইট।
• ২০২৬ সালের বর্ষপণ্য :
- পেপার ও প্যাকেজিংকে চলতি বছরের বর্ষপণ্য ঘোষণা করে ৩০তম ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার (ডিআইটিএফ) উদ্বোধন করা হয়েছে।
- 'পেপার ও প্যাকেজিং প্রডাক্টকে ২০২৬ সালের বর্ষপণ্য হিসেবে ঘোষণা করেন বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন।
- বর্ষপণ্য ঘোষণার ফলে পেপার প্যাকেজিং শিল্পে নতুন বিনিয়োগ, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি এবং রফতানি আয় উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে।
উল্লেখ্য,
- ২০২৫ সালের 'বর্ষপণ্য' ছিলো আসবাবপত্র বা ফার্নিচার।
তথ্যসূত্র: বনিক বার্তা ও বাসস। (Link1) (Link2)
বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট - ১ বাংলাদেশের প্রথম ভূস্থির যোগাযোগ ও সম্প্রচার উপগ্রহ।
উৎক্ষেপণ সময়ঃ
১১ মে ২০১৮ যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় বিকাল ৪:১৪ মিনিট
অর্থাৎ ১২ মে ২০১৮ বাংলাদেশ সময় ভোররাত ২:১৪ মিনিট
স্থানঃ
যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার কেপ ক্যানাভেরাল - এ অবস্থিত কেনেডি স্পেস সেন্টারের লঞ্চ প্যাড LC - 39A থেকে Falcon 9 (Block 5) লঞ্চ ভেহিকেল এর মাধ্যমে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট - ১ মহাকাশে নির্দিষ্ট কক্ষপথের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করে।
গুরুত্বপূর্ণ তথ্যঃ
বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট - ১ উৎক্ষেপণের মাধ্যমে ৫৭তম দেশ হিসেবে স্যাটেলাইটের অভিজাত ক্লাবে যুক্ত হলো বাংলাদেশের নাম।
মন্ত্রণালয়/বিভাগঃ ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় (ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ)
বাস্তবায়নকারী সংস্থাঃ বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন
বাস্তবায়নকালঃ ১ জুলাই, ২০১৪ হতে ৩১ ডিসেম্বর, ২০১৮ পর্যন্ত
প্রাক্কলিত প্রকল্প ব্যয়ঃ ২৯৬৭.৯৫ কোটি টাকা
সংশোধিত প্রকল্প ব্যয়ঃ ২৭৬৫.৬৬ কোটি টাকা
নির্মাণ সংস্থাঃ বিশ্বের অন্যতম খ্যাতনামা স্যাটেলাইট নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান Thales Alenia Space France বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটটি নির্মাণ করেছে। উৎক্ষেপণ করা হয় SpaceX এর Falcon 9 উৎক্ষেপণযানের মাধ্যমে।
Thales এর চুক্তিমূল্যঃ ১৯০৮.৭৫ কোটি টাকা
সুত্রঃ বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন
মহেশখালী:
- বাংলাদেশের একমাত্র পাহাড়ি দ্বীপ মহেশখালী।
- দ্বীপ সৃষ্টি: ১৫৫৯ খ্রিস্টাব্দে সংঘটিত প্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসের ফলে মূল ভূখন্ড থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে মহেশখালী দ্বীপ সৃষ্টি হয়।
- এটি কক্সবাজার জেলার অন্তর্গত একটি উপজেলা মহেশখালী।
- আয়তন: ৩৬২.১৮ বর্গ কিমি।
- ১৯৮৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর প্রশাসন মহেশখালী থানাকে উপজেলায় রুপান্তরিত করে।
- এখানে কিছু দর্শনীয় স্থান: আদিনাথ মন্দির, মৈনাক পর্বত, সোনাদিয়া দ্বীপ, রাখাইনদের কেয়াং।
অপরদিকে,
- শাহপরীর দ্বীপ: টেকনাফের সর্ব দক্ষিণে ভূ-ভাগের খুবই নিকটবর্তী একটি দ্বীপ।
- সেন্টমার্টিন: বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরের উত্তর-পূর্বাংশে অবস্থিত একটি প্রবাল দ্বীপ।
- ভোলা: ভোলা বাংলাদেশের বৃহত্তম প্রাচীন গাঙ্গেয় ব-দ্বীপ।
উৎস: জাতীয় তথ্যবাতায়ন।
- 'সীমান্ত গৌরব' ঢাকার পিলখানায় BGB সদর দপ্তরে অবস্থিত।
◉ সীমান্ত গৌরব:
- 'সীমান্ত গৌরব' (Simanto Gourab) রাজধানী ঢাকার পিলখানাস্থ বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (BGB) সদর দপ্তরে অবস্থিত।
- এটি মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদ বিজিবি সদস্যদের স্মরণে নির্মিত হয়েছে।
- প্রতি বছর স্বাধীনতা দিবসে এখানে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করা হয়।
- বিজিবি মহাপরিচালকসহ কর্মকর্তা ও সৈনিকরা এ সময় শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান।
- এখানে গার্ড অব অনার প্রদানসহ অন্যান্য আনুষ্ঠানিকতা পালন করা হয়।
এছাড়াও,
- 'স্বাধীনতা স্তম্ভ' ঢাকার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে অবস্থিত।
- 'সংশপ্তক' জাহাঙ্গীরনগরে নির্মিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক ভাস্কর্য।
- 'জাগ্রত চৌরঙ্গী' জয়দেবপুর চৌরাস্তায় স্থাপিত দেশের প্রথম মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক ভাস্কর্য।
- 'অপরাজেয় বাংলা' ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ভবনের সামনে অবস্থিত।
- ‘সাবাস বাংলাদেশ’ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থিত স্বাধীনতা যুদ্ধের স্মারক ভাস্কর্য।
সূত্র: বাসস, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের ওয়েবসাইট ও দৈনিক ইনকিলাব।
সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক পিএলসি:
- সম্প্রতি ৫টি ব্যাংক একীভূত হয়ে 'সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক পিএলসি' গঠিত হয়।
- এই ৫টি ব্যাংক হলো:
• ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক,
• গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক,
• সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক,
• এক্সিম ব্যাংক,
• ইউনিয়ন ব্যাংক।
- সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক পিএলসি যাত্রা শুরু করে ২ ডিসেম্বর, ২০২৫ সালে।
- ব্যাংকটির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন সাবেক সচিব ড. মোহাম্মদ আইয়ুব মিয়া।
- ‘সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক পিএলসি’র পরিশোধিত মূলধন নির্ধারণ করা হয়েছে ৩৫ হাজার কোটি টাকা।
- এর মধ্যে ২০ হাজার কোটি সরকার দিচ্ছে, আর বাকি ১৫ হাজার কোটি আসবে আমানতকারীদের শেয়ার থেকে।
তথ্যসূত্র - প্রথম আলো ও ইত্তেফাক পত্রিকার রিপোর্ট।
বীমা:
- আশির দশকের মাঝামাঝি সময়ে, বেসরকারি খাতের বীমা কোম্পানিগুলি এই শিল্পে প্রবেশ শুরু করে এবং এটি সম্প্রসারিত হয়।
- বর্তমানে, ৮২টি কোম্পানি বীমা আইনের অধীনে কাজ করছে।
- এর মধ্যে-৩৬টি জীবন বীমা কোম্পানি,
- ৪৬টি সাধারণ বীমা কোম্পানি,
উল্লেখ্য,
• বাংলাদেশের বীমা কোম্পানিগুলি নিম্নলিখিত পরিষেবাগুলি প্রদান করে:
- জীবন বীমা,
- সাধারণ বীমা,
- পুনবীমা,
- ক্ষুদ্র-বীমা,
- তাকাফুল বা ইসলামী বীমা।
উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক বাংলাদেশ বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ।
• পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার:
- পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার- সোমপুর বিহার বা সোমপুর মহাবিহার নামেও পরিচিত।
- সোমপুর মহাবিহারের ধ্বংসাবশেষ বর্তমান বাংলাদেশের বৃহত্তর রাজশাহী অঞ্চলের পাহাড়পুর গ্রামে অবস্থিত।
- প্রায় ৩০০ বছর ধরে এটি বৌদ্ধদের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ধর্মচর্চা ও শিক্ষাকেন্দ্র হিসেবে পরিচিত ছিল।
- বর্তমানে এটি একটি ধ্বংসপ্রাপ্ত প্রাচীন বৌদ্ধ ধর্মকেন্দ্র।
- পালবংশের দ্বিতীয় রাজা শ্রী ধর্মপালদেব অষ্টম শতকের শেষ ভাগে বা নবম শতকের শুরুতে এই মহাবিহার নির্মাণ শুরু করেন।
- ১৮৭৯ সালে প্রত্নতত্ত্ববিদ স্যার আলেকজান্ডার কানিংহাম এই বিশাল স্থাপত্যকীর্তি আবিষ্কার করেন।
- ১৯৮৫ সালে ইউনেস্কো পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহারকে বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।
- আয়তনের দিক থেকে এটি ভারতের নালন্দা মহাবিহার-এর সঙ্গে তুলনীয়।
তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন ও বাংলাপিডিয়া।
মোট দেশজ উৎপাদন:
- একটি নির্দিষ্ট সময়ে সাধারণত এক বছরে একটি দেশের ভৌগোলিক সীমানার মধ্যে মোট যে পরিমাণ চূড়ান্ত দ্রব্য ও সেবা উৎপাদিত হয়, তার বাজার দামের সমষ্টিকে মোট দেশজ উৎপাদন বা GDP বলে।
- মোট দেশজ উৎপাদনে দেশের অভ্যন্তরীণ আয় এবং দেশের অভ্যন্তরে বিদেশিদের আয় অন্তর্ভুক্ত (includes) হয় এবং দেশীয় নাগরিক যারা প্রবাসে, তাদের প্রেরিত অর্থ ধরা হয় না।
- কোনো নির্দিষ্ট সময়ে দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদিত দ্রব্য ও সেবার বাজার মূল্য এবং উক্ত দেশে অবস্থানরত বিদেশিদের উপার্জিত আয় এর সমষ্টি (includes) থেকে বিদেশে অবস্থানকারী দেশীয় নাগরিক কর্তৃক বিদেশ হতে প্রেরিত অর্থ বাদ (excludes) দেয়ার পর অবশিষ্ট আর্থিক মূল্যকে মোট দেশজ উৎপাদন বলে।
- অর্থাৎ GDP = মোট জাতীয় উৎপাদন (GNP)+ উক্ত দেশে অবস্থানকারী বিদেশিদের অর্জিত আয় বিদেশে অবস্থানকারী দেশীয় নাগরিকদের আয়।
তথ্যসূত্র - অর্থনীতি, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই ও বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
• লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান:
- লাউয়াছড়া মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলায় অবস্থিত একটি চিরহরিৎ বা মিশ্র চিরসবুজ ক্রান্তীয় রেইনফরেস্ট।
- এটি একটি সংরক্ষিত বনাঞ্চল।
- এর আয়তন ১২৫০ হেক্টর।
- ১৯২৫ সালে বনায়ন করে সৃষ্ট বনরাজি এখন ঘন প্রাকৃতিক বনের আকার ধারণ করেছে।
- বাংলাদেশ সরকার ১৯৯৭ খ্রিস্টাব্দে এই বনকে 'জাতীয় উদ্যান' হিসেবে ঘোষণা করে।
- বিলুপ্তপ্রায় উল্লুকের জন্য এ বন বিখ্যাত।
- নিরক্ষীয় অঞ্চলের চিরহরিৎ বর্ষাবন বা রেইন ফরেষ্টের মতো এখানে প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়।
- সূর্যের আলোর জন্য প্রতিযোগিতা করে এ বনের গাছপালা খুব উঁচু হয়ে থাকে, এবং অনেক ওপরে ডালপালা ছড়িয়ে চাঁদোয়ার মত সৃষ্টি করে।
- এই বন এতই ঘন যে মাটিতে সূর্যের আলো পড়েনা বললেই চলে।
তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ইউনেস্কোর বিমূর্ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য:
- ঐতিহ্যকে সংরক্ষণ আর সৃষ্টিশীলতাকে লালন করার প্রত্যয়ে ইউনেস্কো ঘোষিত সংস্কৃতি বিষয়ক বিভিন্ন কনভেনশনের আলোকে বিএনসিইউ’র সংস্কৃতি বিষয়ক কর্মকান্ড পরিচালিত হয়।
- বর্তমানে দেশে ৬টি ইউনেস্কোর বিমূর্ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য রয়েছে।
- এগুলো হলো: বাউলগান (২০০৮), জামদানি বুননশিল্প (২০১৩), মঙ্গল শোভাযাত্রা (২০১৬) ও শীতলপাটি বুননশিল্পের (২০১৭), ঢাকা শহরের ‘রিকশা ও রিকশাচিত্র’ (২০২৩) ও টাঙ্গাইল শাড়ি বয়ন শিল্প (২০২৫)।
⇒ টাঙ্গাইল শাড়ি বয়ন শিল্প:
- সর্বশেষ ইউনেস্কোর বিমূর্ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের তালিকায় স্থান পেয়েছে টাঙ্গাইল শাড়ি বয়ন শিল্প।
- ৯ ডিসেম্বর, ২০২৫ তারিখে ভারতের নয়াদিল্লির লালকেল্লায় এক অধিবেশনে ইউনেসকোর রিপ্রেজেন্টেটিভ লিস্ট অব ইনট্যানজিবল কালচারাল হেরিটেজ অব হিউম্যানিটিতে (আইসিএইচ) আনুষ্ঠানিকভাবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।
- দীর্ঘদিন ধরে বাঙালির নন্দনচর্চা, ঐতিহ্য ও সামাজিক বুননে বিশেষ স্থান দখল করে থাকা টাঙ্গাইলের শাড়ি তার সূক্ষ্ম, দীপ্তিময় নকশা ও অপূর্ব কারুকাজের জন্য বিশ্বে পরিচিত।
- বাংলাদেশের ষষ্ঠ আইসিএইচ উপাদান হিসেবে টাঙ্গাইল বয়নশিল্প চূড়ান্তভাবে তালিকাভুক্ত হলো।
উৎস: i) বাংলাদেশ ইউনেস্কো জাতীয় কমিশন।
ii) প্রথম আলো।
বেঙ্গল প্যাক্ট, ১৯২৩:
- ব্রিটিশ বিরোধী অহিংস খিলাফত ও অসহযোগ আন্দোলন সহিংস রূপ ধারণ করলে, মহাত্মা গান্ধী ১৯২২ সালে এ আন্দোলন প্রত্যাহার করেন।
- আন্দোলন তুঙ্গে থাকা অবস্থায় তা বন্ধ ঘোষণা করার পর পক্ষে-বিপক্ষে মতামত ব্যক্ত হতে থাকে।
- অপরদিকে, ১৯১৯ সালের ভারত শাসন আইন অনুযায়ী প্রাদেশিক আইনসভার দ্বিতীয় নির্বাচন ১৯২৩ সালের শেষের দিকে অনুষ্ঠিত হবার কথা।
- গান্ধীর নেতৃত্বাধীন একটি অংশ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করার বিপক্ষে ছিলেন না অপরদিকে দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশের (সি আর দাশ) এর নেতৃত্বাধীন আরেকটি অংশ নির্বাচনের পক্ষে ছিলেন।
- সি আর দাশের প্রস্তাব কংগ্রেস সম্মেলনে গৃহীত হয়নি এমতাবস্থায়, তিনি তাঁর সমর্থকদের নিয়ে ১৯২২ সালের ৩১শে ডিসেম্বর গঠন করেন স্বরাজ পার্টি।
- সি.আর দাশ ছিলেন সাম্প্রদায়িক ঐক্যের পক্ষের মানুষ। নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে তিনি ব্রিটিশদের সহযোগিতা করতে চাননি বরং নিয়মতান্ত্রিকভাবে ব্রিটিশদের বিরোধিতা করতে চেয়েছিলেন। এ পরিপ্রেক্ষিতে তিনি নিজ প্রদেশ বাংলায় মুসলমান নেতৃবৃন্দের সাথে রাজনৈতিক সমঝোতা ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখার জন্যে ১৯২৩ সনে এক চুক্তি সাক্ষর করেন যা বেঙ্গল প্যাক্ট নামে পরিচিত।
⇒ বেঙ্গল প্যাক্টের প্রধান বৈশিষ্ট্যসমূহ নিম্নরূপ:
১. বাংলায় প্রাদেশিক কাউন্সিল নির্বাচনে হিন্দু ও মুসলমান উভয় সম্প্রদায় জনসংখ্যার ভিত্তিতে প্রতিনিধিত্ব করবে।
২. স্থানীয় পরিষদ নির্বাচনে সংশ্লিষ্ট এলাকার সংখ্যাগরিষ্ঠ সম্প্রদায় পাবে শতকরা ৬০ ভাগ আসন এবং সংখ্যালঘু সম্প্রদায় পাবে শতকরা ৪০ ভাগ আসন।
৩. মুসলমান সম্প্রদায়ের পৃথক নির্বাচন ব্যবস্থার স্বীকৃতি।
৪. সরকারি চাকরির ক্ষেত্রে মুসলমান সম্প্রদায়ের জন্য শতকরা ৪৫ ভাগ বরাদ্দ করা হয়। যতদিন পর্যন্ত হিন্দু ও মুসলমান সম্প্রদায়ের চাকরি লাভের একই অনুপাত অর্জিত না হবে, ততদিন পর্যন্ত মুসলমান সম্প্রদায়ের জন্য ৮০ ভাগ চাকরি লাভের বিধান রাখা হয়।
৫. সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখার ক্ষেত্রে হিন্দু ও মুসলমান উভয় সম্প্রদায় এমন কোন কাজ করবে না যা ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানে।
উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, HSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
• ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- দেশে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সংখ্যা – ৫০টি।
- জনসংখ্যায় বৃহত্তম ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী চাকমা (৪,৮৩,৩৬৫ জন)।
- জনসংখ্যায় দ্বিতীয় ও তৃতীয় বৃহত্তম ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী যথাক্রমে মারমা (২,২৪,২৯৯ জন) ও ত্রিপুরা (১,৫৬,৬২০ জন)।
- জনসংখ্যায় সবচেয়ে ছোট ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী বিল (৯৫জন)।
- ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি যে জেলায় -রাঙ্গামাটি (৩,৭২,৮৭৫ জন)।
- ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠীর সংখ্যা সবচেয়ে কম যে জেলায় লালমনিরহাট (১১৮ জন)।
তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS)।
নির্বাণ হলো বৌদ্ধ ধর্ম মতানুসারে সাধনার চরম পরিণতি বা পরম প্রাপ্তি। দীর্ঘ সময় সাধণার পরেই কেবল এমন স্তরে পৌঁছানো যায়। বৌদ্ধমতানুসারে নির্বাণ হলো মোক্ষলাভের শর্ত।
উৎসঃ ত্রিপিটক- মূল গ্রন্থের অনুবাদ থেকে গৃহীত, অনুবাদক: সুদর্শন বড়ুয়া, পৃষ্ঠা ২০০, প্রকাশকাল: ১৯৯৯; এবং নির্বাণ- বৌদ্ধ দর্শন ও ধর্ম - স্বামী বিদ্যারণ্য, পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য পুস্থক পরিষদ, ভারত, পৃষ্ঠা ১৬৩, প্রকাশকাল: মার্চ ১৯৮৪।
প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ:
- আজ থেকে আনুমানিক প্রায় ২৫,০০০ বছর পূর্বের সময়কে প্লাইস্টোসিনকাল বলে।
- এ অঞ্চলের মাটির রং লাল ও ধূসর।
- দেশের উত্তর-পশ্চিমাংশের বরেন্দ্রভূমি, মধ্যভাগের মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় এবং কুমিল্লা জেলার লালমাই পাহাড় বা উচ্চভূমি এর অন্তর্ভুক্ত।
- প্লাইস্টোসিনকালে এসব উচ্চভূমি গঠিত হয়েছিল বলে ধারণা করা হয়।
ক) বরেন্দ্রভূমি:
- বরেন্দ্রভূমি রাজশাহী বিভাগের নওগাঁ, রাজশাহী, বগুড়া, জয়পুরহাট এবং রংপুর বিভাগের গাইবান্ধা, রংপুর ও দিনাজপুর জেলার অংশবিশেষ নিয়ে গঠিত।
- এর আয়তন ৯,৩২০ বর্গকিলোমিটার।
- প্লাবন সমভূমি থেকে এর উচ্চতা ৬ থেকে ১২ মিটার।
- এটি প্লাইস্টোসিন যুগের সর্ববৃহৎ উঁচুভূমি।
- বর্তমানে বরেন্দ্র বহুমুখী সেচ প্রকল্প এবং আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি ব্যবহার করে এ অঞ্চলটিকে কৃষিকাজের জন্য বিশেষ উপযোগী করা হয়েছে।
খ) মধুপুর ও ভাওয়ালের গড়:
- টাঙ্গাইল ও ময়মনসিংহ জেলার মধুপুর এবং গাজীপুর জেলার ভাওয়ালের গড় নিয়ে এলাকাটি গঠিত।
- এটি প্লাইস্টোসিন যুগের দ্বিতীয় বৃহত্তম উঁচুভূমি।
- সমভূমি থেকে এর গড় উচ্চতা প্রায় ৩০ মিটার এবং আয়তন ৪,১০৩ বর্গকিলোমিটার।
- এখানকার মৃত্তিকা কৃষিকাজের জন্য তেমন উপযোগী নয়। এটি দেশের গজারী বৃক্ষের কেন্দ্র হিসাব পরিচিত।
গ) লালমাই পাহাড়:
- কুমিল্লা শহর থেকে ৮ কিলোমিটার পশ্চিমে লালমাই থেকে ময়নামতি পর্যন্ত এ পাহাড়টি বিস্তৃত।
- এর আয়তন প্রায় ৩৪ বর্গকিলোমিটার এবং গড় উচ্চতা ২১ মিটার।
- এ পাহাড়ের মাটি লাল এবং নুড়ি, বালি ইত্যাদি দ্বারা গঠিত।
উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
• দাবায় বাংলাদেশের গ্র্যান্ড মাস্টার:
- বাংলাদেশের প্রথম গ্র্যান্ডমাস্টার নিয়াজ মোরশেদ।
- ১৯৮৭ সালে ২১ বছর বয়সে উপমহাদেশের প্রথম গ্র্যান্ডমাস্টার খেতাব অর্জন করেন নিয়াজ মোরশেদ।
- তিনি ছিলেন দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম ও এশিয়ার পঞ্চম গ্র্যান্ড মাস্টার।
অন্যদিকে,
- বাংলাদেশ থেকে পাঁচজন দাবাড়ু গ্র্যান্ড মাস্টার সম্মাননা অর্জন করেছেন।
- ২০০২ সালে গ্র্যান্ডমাস্টার হয়েছেন জিয়াউর রহমান।
- ২০০৬ সালে রিফাত বিন সাত্তার।
- ২০০৭ সালে আবদুল্লাহ আল রাকিব।
- সর্বশেষ ২০০৮ সালে এনামুল হোসেন রাজীব।
- তবে তারও আগে ১৯৮৫ সালে রানী হামিদ আন্তর্জাতিক মহিলা মাস্টার খেতাব পান।
উৎস: কালের কন্ঠ ও প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট ।
কর্ণফুলী নদী:
- বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের নদীগুলোর মধ্যে অন্যতম কর্ণফুলী নদী।
- কর্ণফুলী নদীর উৎপত্তি ভারতের মিজোরামের রাজ্যের লুসাই পাহাড় থেকে।
- পাহাড়ি এ নদী চট্টগ্রাম ও রাঙামাটি জেলার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে।
- উৎস থেকে মোহনা পর্যন্ত এ নদীর দৈর্ঘ্য প্রায় ২৭৪ কিলোমিটার।
- কর্ণফুলী নদীর প্রধান উপনদী হালদা, কাসালং, বোয়ালখালি, চেঙ্গী, শিলক, রাঙখিয়াং ইত্যাদি।
- রাঙামাটি জেলার কাপ্তাই নামক স্থানে বাঁধ দিয়ে দেশের একমাত্র পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে।
- চট্টগ্রামে দেশের প্রধান সমুদ্র বন্দরটি এই নদীর তীরে অবস্থিত।
অন্যদিকে,
- পদ্মা নদী গঙ্গা নামে মধ্য হিমালয়ের গঙ্গোত্রী হিমবাহ থেকে উৎপন্ন হয়েছে।
- মেঘনা নদী ভারতের আসাম রাজ্যের নাগা-মনিপুর পার্বত্য অঞ্চলে উৎপন্ন।
- ব্রহ্মপুত্র নদ হিমালয় পর্বতের কৈলাস শৃঙ্গের মানস সরোবর থেকে উৎপন্ন হয়েছে।
উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
বাংলাদেশের সমুদ্রসীমা:
- বঙ্গোপসাগরের উপকূল রেখার দৈর্ঘ্য ৭১৬ কিলোমিটার।
- বঙ্গোপসাগরে বাংলাদেশের রাজনৈতিক সমুদ্রসীমা ১২ নটিক্যাল মাইল বা ২২.২২ কিলোমিটার।
- বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সমুদ্রসীমা ২০০ নটিক্যাল মাইল বা ৩৭০.৪০ কিলোমিটার।
- ১ নটিক্যাল মাইল = ১.৮৫২ কিলোমিটার।
তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
• বাংলাদেশ সীমান্তে ভারতের নতুন সামরিক স্থাপনা নির্মান :
- ভারতীয় সেনারা বৃহস্পতিবার ধুবরী সীমান্ত শহরে একটি মিলিটারি স্টেশনের ভিত্তি স্থাপন করেছে।
- আসামের ধুবরীতে 'লাচিত বোরফুকন মিলিটারি স্টেশন' স্থাপন করেছে, যা বাংলাদেশ সীমান্তের সবচেয়ে নিকটবর্তী ।
- মিলিটারি স্টেশনটির নামকরণ করা হয়েছে কিংবদন্তি আহোম কমান্ডার লাচিত বোরফুকনের প্রতি সম্মান হিসেবে, যিনি মোগল বাহিনীর বিরুদ্ধে তার প্রতিরোধের জন্য প্রসিদ্ধ।
- এটি বাংলাদেশের সীমান্তের সবচেয়ে কাছের স্থাপনাগুলোর মধ্যে একটি এবং গুবাহাটি অতিক্রম করে পশ্চিম আসামে প্রথম স্থাপনাটি।
- কৌশলগতভাবে এটি ‘চিকেন নেক’ করিডরের কাছে অবস্থিত – যা ভারতের উত্তর-পূর্ব অঞ্চলকে মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে সংযুক্ত করে এমন একটি সংকীর্ণ পথ।
- সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার এই গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চলে প্রবেশাধিকার বাধাগ্রস্ত করার হুমকি দেওয়ায় ধুবরী স্টেশনের গুরুত্ব আরও বেড়েছে।
- স্টেশনটি তেজপুর ভিত্তিক চতুর্থ কর্পসের অধীনে থাকবে এবং বাংলাদেশ সীমান্ত থেকে প্রায় ৩০ কিমি দূরে অবস্থিত।
- এই মিলিটারি স্টেশনটি গোয়েন্দা প্রতিরোধ কার্যক্রম এবং উন্নত সিগন্যাল মনিটরিংয়ের একটি কৌশলগত কেন্দ্র হিসেবে কাজ করবে, যা ভারতীয় সেনাবাহিনীকে বাংলাদেশের সীমান্তে সতর্ক নজরদারি বজায় রাখতে সক্ষম করবে।
তথ্যসূত্র: দ্য টাইমস অব ইন্ডিয়া।
• টেকটোনিক প্লেট:
- ভূতাত্ত্বিক মতবাদ অনুসারে ভূত্বক প্রধানত সাতটি বড় ও কয়েকটি ক্ষুদ্র গতিশীল কঠিন প্লেট দ্বারা গঠিত, যেগুলি নিম্নস্থ ভ্রাম্যমান উষ্ণ গুরুমন্ডলীয় পদার্থের ওপর ভাসছে।
- প্লেটের বিচলন (movement) ও পারস্পরিক ক্রিয়া ভূমিকম্প, অগ্ন্যুৎপাত, পর্বত সৃষ্টি প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য ভূতাত্ত্বিক ঘটনাবলীর নিয়ন্ত্রক বলে ধারণা করা হয়।
উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের অবস্থান ভারতীয় টেকটোনিক প্লেটে।
- এই প্লেটের দুপাশে রয়েছে ইউরেশীয় প্লেট ও বার্মিজ সাব-প্লেট।
- বাংলাদেশের উত্তর, উত্তর-পূর্ব ও পূর্বে ওই দুটি প্লেটের প্রান্তসীমা।
-এই প্লেটগুলোর প্রান্তবর্তী অধিকাংশ ফাটলরেখাই বাংলাদেশ ভূখণ্ডের ভেতরে কিংবা সংলগ্ন এলাকায়।
- ফলে এসব ফাটলরেখায় বড় কোনো ভূমিকম্পের সৃষ্টি হলে দেশের মধ্যে তার প্রভাব বিধ্বংসী হবে।
তথ্যসূত্র: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) প্রথম আলো।
মাধবকুন্ড জলপ্রপাত:
- মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখা উপজলোয় মাধবকুন্ড জলপ্রপাতটি বাংলাদেশের বৃহত্তম জলপ্রপাত।
- প্রায় ২০০ ফুট উঁচু টিলা হতে পাহাড়ি ঝর্নার পতিত জলরাশি পর্যটকের জন্য নয়নাভিরাম।
- প্রপাতের নিকটেই খাসিয়া নৃ-গোষ্ঠীর বসবাস।
- তাছাড়া এ মাধবকুন্ড জলপ্রপাত সংলগ্ন কুন্ডে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের চৈত্রমাসের মধুকৃষ্ণা ত্রয়োদশী তিথিতে বারুনী স্নান হয় এবং মেলা বসে।
- হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের এটি একটি তীর্থ স্থান।
উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ান।
The cash reserve ratio determines the portion of customer deposits that commercial banks must keep as a reserve with the central bank authority.
Using the reserve ratio, the central bank can, in effect, control the amount of liquid cash that circulates in the economy - - a higher CRR means the banks must hold higher reserves and thus tighten the flow of cash.
The central bank cut cash reserve ratio (CRR) to inject liquid funds into the market to push through the ongoing economic fallout stemming from the coronavirus pandemic.
The regulator of the banking sector reduced banks' CRR by 100 basis points to 4 percent.
Source: thedailystar
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের উদ্দেশ্য:
- কেন্দ্রীয় ব্যাংক সরকারের প্রত্যক্ষ নিয়ন্ত্রণে পরিচালিত দেশের সর্বপ্রধান ব্যাংক।
- দেশের সার্বিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিতের মাধ্যমে জনগণের কল্যাণ সাধনই কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মূল উদ্দেশ্য।
- মূল উদ্দেশ্য অর্জনের জন্য ইহাকে বেশ কিছু সহযোগী উদ্দেশ্য অর্জন করতে হয়। যথা:
১. জনকল্যাণ: মুনাফা অর্জন নয় বরং ইহার মূল / প্রধান উদ্দেশ্য হলো জনকল্যাণ নিশ্চিত করা।
২. মুদ্রা প্রচলন: দেশের অভ্যন্তরে চাহিদার আলোকে লেনদেনের বিনিময় মাধ্যম হিসেবে ধাতব মূদ্রা ও কাগজী নোট প্রচলন করার উদ্দেশ্যেই কেন্দ্রীয় ব্যাংক ব্যবস্থার উদ্ভব।
৩. ঋণ নিয়ন্ত্রণ: বাণিজ্যিক ব্যাংকের বর্ধিত ঋণ নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে অর্থ বাজার স্থিতিশীল রাখা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অপর একটি গুরুত্ব উদ্দেশ্য।
৪. মূল্যস্তরের স্থিতিশীলতা রক্ষা: দেশের অভ্যন্তরীণ অর্থের যোগান ও সুদের হার নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে মূল্যস্তরের স্থিতিশীলতা রক্ষা করা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অন্যতম উদ্দেশ্য।
৫. অর্থ ও মূলধন বাজার গঠন ও পরিচালনা: দেশের অর্থনৈতিক কার্যাবলীকে ত্বরান্বিত ও গতিশীল করার জন্য দেশের মধ্যে একটি শক্তিশালী ও শৃক্সখলাপূর্ণ অর্থ ও মূলধন বাজার গড়ে তোলার উদ্দেশ্যে কেন্দ্রীয় ব্যাংক গঠিত ও পরিচালিত হয়।
এছাড়াও
- ব্যাংক ব্যবস্থা সুষ্ঠু নিয়ন্ত্রণ
- সরকারের ব্যাংক হিসেবে কাজ করা
- ব্যাংকের ব্যাংক হিসেবে দায়িত্ব পালন
- নিকাশ ঘরের দায়িত্ব পালন
- মূলধন গঠন ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন
উৎস: ব্যবসায় নীতি ও প্রয়োগ, ২য় পত্র, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
• ছোট সোনা মসজিদ:
- এটি বাংলার রাজধানী গৌড়-লখনৌতির ফিরোজপুর কোয়াটার্স এর তাহখানা কমপ্লেক্স থেকে অর্ধ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে এবং কোতোয়ালী দরওয়াজা থেকে প্রায় তিন কিলোমিটার দক্ষিণে (চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা) অবস্থিত।
- এটি চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে প্রায় ৩৫ কি.মি. দূরে অবস্থিত।
- প্রধান প্রবেশ পথের উপরিভাগে স্থাপিত একটি শিলালিপি অনুযায়ী জনৈক মজলিস-ই-মাজালিস মজলিস মনসুর ওয়ালী মুহম্মদ বিন আলী কর্তৃক মসজিদটি নির্মিত হয়।
- শিলালিপিতে নির্মানের সঠিক তারিখ সম্বলিত অক্ষরগুলি মুছে গেছে।
- তবে এতে সুলতান আলাউদ্দিন হোসেন শাহ এর নামের উল্লেখ থেকে এটা সুস্পষ্ট যে, মসজিদটি তার রাজত্বকালের (১৪৯৪-১৫১৯) কোন এক সময় নির্মিত।
তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) জনশুমারি পরিচালনা করে।
- এটি দেশের প্রথম ডিজিটাল শুমারি।
- জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর তথ্য সংগ্রহে যে পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে - CAPI.
- CAPI এর পূর্ণরূপ - Computer Assisted Personal Interviewing.
- গণনায় যে পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে- মোডিফাইড ডি-ফ্যাক্টো (Modified De-facto) পদ্ধতি।
- মোট জনসংখ্যা: ১৬ কোটি ৯৮ লাখ ২৮ হাজার ৯১১ জন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.১২%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১১১৯ জন।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) - ৭৪.৮০%।
- পুরুষের সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) - ৭৬.৭১%।
- মহিলার সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) - ৭২.৯৪%।
- বিভাগভিত্তিক সাক্ষরতার হার সবচেয়ে বেশি ঢাকা বিভাগে (৭৮.২৪%)।
- বিভাগভিত্তিক সাক্ষরতার হার সবচেয়ে কম ময়মনসিংহ বিভাগে (৬৭.২৩%)।
- সাক্ষরতার হারে শীর্ষ জেলা পিরোজপুর (৮৫.৫৩%)।
- সাক্ষরতার হারে সর্বনিম্ন জেলা জামালপুর (৬১.৭০%)।
তথ্যসূত্র - পরিসংখ্যান ব্যুরোর ওয়েবসাইট।