উত্তর
ব্যাখ্যা
অন্যদিকে:
- ৩৬ নং অনুচ্ছেদ : চলাফেরার স্বাধীনতা।
- ৩৭ নং অনুচ্ছেদ : সমাবেশের স্বাধীনতা।
- ৩৮ নং অনুচ্ছেদ : সংগঠনের স্বাধীনতা।
সূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।
PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন
PrepBank · পাতা ৩ / ৩৭ · ২০১–৩০০ / ৩,৬২২
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) জনশুমারি পরিচালনা করে।
- ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুষ্ঠিত হয়: ১৫-২১ জুন ২০২২।
- এটি দেশের প্রথম ডিজিটাল শুমারি।
- চুড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ: ৯ এপ্রিল, ২০২৩।
- গণনা পদ্ধতি: Modified Defacto।
- মোট জনসংখ্যা: ১৬,৯৮,২৮,৯১১ জন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.১২%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১,১১৯ জন।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব): ৭৪.৮০%।
- পুরুষ: ৭৬.৭১%।
- নারী: ৭২.৯৪%।
উৎস: জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ চূড়ান্ত রিপোর্ট।
ডিরোজিও ও ইয়াং বেঙ্গল মুভমেন্ট:
- উনিশ শতকের প্রথমার্ধ জুড়ে ছিল রাজা রামমোহন রায়ের আন্দোলনের ধারা। দৃঢ়ভাবে সে ধারাকে বাঁচিয়ে রেখেছিল হিন্দু কলেজের প্রতিভাবান ছাত্রবৃন্দ ইয়াং বেঙ্গল আন্দোলনের মাধ্যমে । যার নেতৃত্বে ছিলেন হিন্দু কলেজের তরুণ অধ্যাপক হেনরি লুইস ডিরোজিও।
- তিনি তাঁর ছাত্র-অনুসারীদের স্বাধীন মতামত ব্যক্ত করার শিক্ষা দেন।
- ডিরোজিও ১৮০৯ খ্রিস্টাব্দে কলকাতা শহরে জন্ম গ্রহণ করেন।
- ডিরোজিও তাঁর স্কুল শিক্ষক ডেভিড ড্রামন্ডের প্রগতিবাদী, সংস্কারমুক্ত, অসাম্প্রদায়িক চেতনা সমৃদ্ধ মানবতাবাদী চিন্তাধারা দ্বারা গভীরভাবে প্রভাবিত ছিলেন।
- বাংলার ‘রেনেসাঁস’ যুগের এই প্রতিভাবান তরুণ মাত্র তেইশ বছর বয়সে ১৮৩১ খ্রিস্টাব্দে মৃত্যুবরণ করেন।
- তাঁর মৃত্যুর পরও তাঁর হাতে গড়া অনুসারী, ছাত্ররা বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদান রাখতে থাকেন। তাঁদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিলেন, রামতনু লাহিড়ী, রাধানাথ সিকদার, প্যারিচাঁদ মিত্র, কৃষ্ণমোহন ব্যনার্জি প্রমুখ।
তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
- 'বালিশিরা ভ্যালি' বাংলাদেশের মৌলভীবাজারে অবস্থিত।
অন্যদিকে,
- সাজেক ভ্যালি - রাঙামাটি,
- হালদা ভ্যালি অবস্থিত — খাগড়াছড়ি।
- সাঙ্গু ভ্যালি - চট্টগ্রাম,
- ভেঙ্গি ভ্যালি - রাঙামাটি,
- নাপিত খালি ভ্যালি - কক্সবাজার।
তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও পত্রিকা।
প্রশ্নটি ২০১৮ সালের অর্থনৈতিক অবস্থাকে বিবেচনায় রেখে করা। সে বছরের অর্থনৈতিক সমীক্ষা অনুযায়ী বাংলাদেশের কৃষিজাত পণ্যে রপ্তানি প্রবৃদ্ধি ছিলো সর্বোচ্চ ৩৯.০৪%
নিচে ২০২০ সালের রপ্তানির চিত্র তুলে ধরা হলো -
সর্বশেষ অর্থবছরে কাঁচাপাট রপ্তানিতে সর্বোচ্চ প্রবৃদ্ধি হয়; যার পরিমাণ ১৫.৯৭ শতাংশ।
⇒ বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর পদের মেয়াদ ৪ বছর।
বাংলাদেশ ব্যাংক:
- ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ ব্যাংক স্থাপিত হয়।
- বাংলাদেশ ব্যাংক বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
- বাংলাদেশ ব্যাংক প্রধানের পদবী গভর্নর।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রথম গভর্ণর ছিলেন- এ. এন. হামিদুল্লাহ।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের বর্তমান গভর্নর আহসান এইচ মনসুর। (অক্টোবর, ২০২৫)
- তিনি বাংলাদেশ ব্যাংকের ১৩তম গভর্নর।
তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ব্যাংকের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
কৌলিন্য প্রথা ও বল্লাল সেন:
- কৌলিন্য প্রথার প্রবর্তক হিসেবে বল্লাল সেন ইতিহাসে বিশেষভাবে পরিচিত।
- সাম্প্রতিক গবেষণায় দেখা যায় যে, কৌলিন্য প্রথার সাথে বল্লাল সেনের সম্পর্কের তেমন কোনো যুক্তিযুক্ত ভিত্তি নেই।
- বাংলাদেশে কৌলিন্য প্রথার বহুল প্রচলন দেখা যায় আঠারো ও উনিশ শতকে।
- বল্লাল সেন তাঁর পিতার ন্যায় শৈব ছিলেন।
- ধর্মপ্রচারে তাঁর বিশেষ আগ্রহ ছিল।
- তিনি তাঁর পিতার অন্যান্য উপাধির সাথে 'অরিরাজ নিঃশঙ্কর' উপাধি গ্রহণ করেন।
- তিনি আনুমানিক ১৮ বছর রাজত্ব করার পর বৃদ্ধ বয়সে পুত্র লক্ষণ সেনের হাতে রাজ্যভার অপর্ণ করে সস্ত্রীক ত্রিবেণীর কাছে গঙ্গাতীরে বাণপ্রস্থ অবলম্বন করে শেষ জীবন অতিবাহিত করেন।
তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
• শরিয়াভিত্তিক পাঁচটি বাণিজ্যিক ব্যাংক একীভূতকরণ:
- শরিয়াহভিত্তিক দুর্বল পাঁচ ব্যাংকের বোর্ড ভেঙে দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
- অর্থনৈতিক খাতের দীর্ঘদিনের তারল্য সংকটে থাকা শরিয়াভিত্তিক পাঁচটি বাণিজ্যিক ব্যাংককে একীভূত করে একটি নতুন ব্যাংক গঠনের প্রক্রিয়া চূড়ান্ত করেছে সরকার।
- প্রস্তাবিত ব্যাংকের নাম হবে ‘সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক’।
- এই ব্যাংকগুলোকে একীভূত করে একটি বৃহৎ ইসলামী ব্যাংক গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
- গত ৯ অক্টোবর, ২০২৫ তারিখে সংকটে পড়া পাঁচ বেসরকারি ব্যাংক একীভূত করার প্রস্তাব অনুমোদন করে অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ।
- ব্যাংকগুলো হলো ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক, ইউনিয়ন ব্যাংক, এক্সিম ব্যাংক ও সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক।
- ওই সময় নতুন ব্যাংকের জন্য নাম প্রস্তাব করা হয় দুটি- ‘ইউনাইটেড ইসলামিক ব্যাংক’ ও ‘সম্মিলিত ইসলামিক ব্যাংক’।
উল্লেখ্য,
- ব্যাংকটি পরিচালিত হবে বাণিজ্যিকভাবে ও পেশাদারির ভিত্তিতে।
- সরকারি বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদে মোট সাতজন সদস্য থাকবেন।
- এর মধ্যে অর্থ সচিব পর্ষদের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
- বাকি ছয় পরিচালক প্রত্যেকে একটি করে শেয়ারের মালিক হবেন, আর অর্থ সচিব রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন এই নতুন ব্যাংকের অবশিষ্ট সমস্ত শেয়ারের অধিকারী থাকবেন।
তথ্যসূত্র: ডেইলি স্টার ও বাংলাদেশ প্রতিদিন ও কালের কণ্ঠ। (Link1) (Link2) (Link3)
• কান্তজীউ মন্দির:
- এটি স্থাপত্য শিল্পের উজ্জ্বল নিদর্শন।
- দিনাজপুরের কান্তজীউ মন্দির কাহারোল উপজেলার সুন্দরপুর ইউনিয়নের ঢেপা নদীর তীরে অবস্থিত।
- টেরাকাটা অলঙ্কারের বৈচিত্র্যে এবং ইন্দো-পারস্য স্থাপনা কৌশল অবলম্বনে মন্দিরটি নির্মিত।
- শ্রীকৃষ্ণের যুদ্ধ-বিগ্রহ অধিষ্ঠানের জন্য এই মন্দির নির্মিত হয়।
- মহারাজা প্রাণনাথের (মৃত্যু ১৭২২ খ্রিঃ) প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধান ও পৃষ্ঠপোষকতায় ১৭০৪ খ্রিঃ থেকে মন্দিরটি নির্মাণ শুরু হয়।
- তার নির্দেশ মতে মহারাজার দত্তক পুত্র রাজ রামনাথ রায় ১৭৫২ খ্রিঃ এর নির্মাণ কাজ শেষ করেন।
উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
• ডিজিটাল ব্যাংকিং:
- ডিজিটাল ব্যাংক হবে ইন্টারনেট ও অ্যাপ-নির্ভর সেবা। যা যন্ত্রের মাধ্যমে নিতে হবে।
- এই ব্যাংকের স্থাপনা থেকে কোনো সেবা নেওয়া যাবে না।
- বাংলাদেশ ব্যাংক ২০২৩ সালের ১৪ জুন ডিজিটাল ব্যাংকের নীতিমালা করে।
- নীতিমালা অনুযায়ী, ডিজিটাল ব্যাংকের ন্যূনতম পরিশোধিত মূলধন হবে ৩০০ কোটি টাকা।
- এটির কার্যক্রম পরিচালনার জন্য শুধু প্রধান কার্যালয় থাকবে।
- তবে সেবা প্রদানের জন্য কোনো কার্যালয় থাকবে না।
- অর্থাৎ এই ব্যাংক কোনো ওভার দ্য কাউন্টার (ওটিসি) বা বুথ বসিয়ে সেবা দেবে না।
- ডিজিটাল ব্যাংকের নিজস্ব কোনো শাখা বা উপশাখা, এটিএম, সিডিএম অথবা সিআরএমও থাকবে না। সব সেবাই দেওয়া হবে অ্যাপস, মুঠোফোন বা ডিজিটাল যন্ত্রের মাধ্যমে।
- ডিজিটাল ব্যাংকে দিন-রাত ২৪ ঘণ্টাই সেবা মিলবে।
-গ্রাহকদের লেনদেনের সুবিধার্থে এই ব্যাংক ভার্চ্যুয়াল কার্ড, কিউআর কোড ও অন্য কোনো উন্নত প্রযুক্তিভিত্তিক পণ্য চালু করতে পারবে।
- তবে লেনদেনের জন্য কোনো প্লাস্টিক কার্ড দিতে পারবে না।
- এই ব্যাংকের সেবা নিতে গ্রাহকেরা অন্য ব্যাংকের এটিএম, এজেন্টসহ নানা সেবা ব্যবহার করতে পারবেন।
- তবে ডিজিটাল ব্যাংক কোনো ঋণপত্র (এলসি) খুলতে এবং বড় ও মাঝারি শিল্পে কোনো ঋণ দিতে পারবে না।
- শুধু ছোট ঋণ দিতে পারবে।
তথ্যসূত্র: প্রথম আলো। (Link)
ঢাকা বাংলাদেশের রাজধানী।
- ১৬১০ সুবাদার ইসলাম খান প্রথম ঢাকাকে সুবাহ বাংলার রাজধানী করেন। তাঁর আগে রাজমহলে রাজধানী ছিলো।
- পরবর্তীতে বঙ্গভঙ্গের সময় ১৯০৫ সালে ঢাকা নবগঠিত "পূর্ববঙ্গ ও আসাম" প্রদেশের রাজধানী হয়।
- ১৯৫৬ সালে পূর্ববঙ্গকে "পূর্ব পাকিস্তান" নামকরণ করা হয় এবং ঢাকাকে এর রাজধানী করা হয়।
- ১৯৭১ সালে ঢাকাকে স্বাধীন বাংলাদেশের রাজধানী করা হয়।
--------------
ঢাকা প্রথম দিকের ইংরেজি নামের বানান ছিলো - Dacca.
- ১৯৮২ সালে Dacca বানান পরিবর্তন করে Dhaka করা হয়।
- ১৯৮৮ সালে অষ্টম সংশোধনীর মাধ্যমে Dhaka বানানের সাংবিধানিক স্বীকৃতি লাভ করে।
উৎস: বাংলাপিডিয়া, ঢাকা জেলা ওয়েবসাইট ও বাংলাদেশের সংবিধান।
The Atrai River flows through the Dinajpur district of Bangladesh.
Its ancient name was Atrei River. It flows through the eastern part of Dinajpur town and enters
West Dinajpur of West Bengal after passing through
Bhusir Bandar and Samjia Ghat.
Source: Banglapedia.
মে, ২০২১ পর্যন্ত বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের পরিমাণ চার হাজার ৫০০ কোটি ডলার (৪৫ বিলিয়ন)।
উল্লেখ্য, ২রা জুন, ২০২১ বৈদেশিক মুদ্রার পরিমাণ ৪৫ দশমিক ৫৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। মঙ্গলবার (১ জুন) অর্থমন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
গত বছরের তুলনায় বৈদেশিক রিজার্ভের প্রবৃদ্ধি ৩৯ দশমিক ৪৯ শতাংশ বেশি। ২০২১ অর্থবছরের জুলাই থেকে মে মাসে রিজার্ভের রেকর্ড গড়েছে বাংলাদেশ।
সূত্রঃ কালের কণ্ঠ
সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ:
- ১৯৫২ সালের ৩১ জানুয়ারি আওয়ামী মুসলিম লীগ সভাপতি মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর সভাপতিত্বে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সর্বদলীয় সভায় ‘সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’ গঠিত হয়।
- কাজী গোলাম মাহবুবকে আহবায়ক করে ৪০ সদস্য বিশিষ্ট সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়।
উল্লেখ্য,
- ১৯৫২ সালের জানুয়ারিতে খাজা নাজিমুদ্দিন পূর্ব বাংলার প্রধান মন্ত্রীর পদ ছেড়ে পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করেন। কেন্দ্রীয় প্রধানমন্ত্রী খাজা নাজিম উদ্দিন ১৯৫২ সালের ২৬ জানুয়ারি ঢাকা সফরে আসেন। ২৭ জানুয়ারি পল্টন ময়দানের জনসভায় তিনিও জিন্নাহর মতো ঘোষণা করেন, 'উর্দুই হবে পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা।' এর প্রতিবাদে ভাষা আন্দোলন নতুন করে শুলুহয়ে যায়। এবার প্রতিবাদে ফেটে পড়ে ছাত্র জনতা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ ৩০ জানুয়ারি সভা ও ছাত্র ধর্মঘট আহ্বান করে। সংগ্রাম পরিষদের আহ্বানে ৪ ফেব্রুয়ারি সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছাত্র ধর্মঘট আহবান করা হয়। ৩১ জানুয়ারি আওয়ামী মুসলিম লীগ সভাপতি মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর সভাপতিত্বে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সর্বদলীয় সভায় 'সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ' গঠিত হয়। কাজী গোলাম মাহবুবকে আহ্বায়ক করে ৪০ সদস্য বিশিষ্ট সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়। এই সভায় ২১ ফেব্রুয়ারি পূর্ববাংলা ব্যবস্থাপক পরিষদের বাজেট অধিবেশনের দিন দেশব্যাপী সাধারণ ধর্মঘটের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
উৎস: i) ইতিহাস ২য়, HSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) প্রথম আলো।
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪:
- বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা: ১৭১ মিলিয়ন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির স্বাভাবিক হার: ১.৩৩%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১,১৭১/বর্গ কি.মি.
- গড় আয়ু: ৭২.৩ বছর।
- মূল্যস্ফীতি: ৯.৭৪%।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর+): ৭৭.৯%।
- দারিদ্র্যের হার: ১৮.৭%।
- চরম দারিদ্র্যের হার: ৫.৬%।
উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর:
- জন্ম: ৭ মার্চ ১৯৪৯, বরিশাল জেলার বাবুগঞ্জ উপজেলার রহিমগঞ্জ গ্রামে।
- সেক্টর: ৭ নং।
- মৃত্যু: ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৭১ (বীরশ্রেষ্ঠদের মধ্যে শেষ শহীদ)।
- সমাধিস্থল: চাঁপাইনবাবগঞ্জের সোনা মসজিদ প্রাঙ্গণ।
অন্যদিকে,
- ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান; মৃত্যু: ২০ আগস্ট, ১৯৭১ এবং সমাধিস্থল: মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থান।
- সিপাহী মোস্তফা কামাল (২ নং সেক্টর); মৃত্যু: ১৮ এপ্রিল, ১৯৭১ এবং সমাধিস্থল: ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ার দরুইন গ্রামে।
- সিপাহী হামিদুর রহমান (৪ নং সেক্টর); মৃত্যু: ২৮ অক্টোবর, ১৯৭১; আর তার সমাধিস্থল: মিরপুর বুদ্ধিজীবী কবরস্থান।
উৎস: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট ও বাংলাপিডিয়া।
• 'ভাওয়াইয়া':
- 'ভাওয়াইয়া' মূলত রংপুর অঞ্চলের গান।
- মূলত গরুর গাড়ি চালকদের মুখে এ গান শোনা যায়।
উল্লেখ্য,
- 'গম্ভীরা' বৃহত্তর রাজশাহী (চাঁপাইনবাবগঞ্জ) অঞ্চলের গান।
- 'জারি গান' মূলত ময়মনসিংহ ও ঢাকা অঞ্চলের গান। এটি মূলত দুই পক্ষের মধ্যে গানের প্রতিযোগিতা।
- 'ভাটিয়ারী' মূলত ময়মনসিংহ অঞ্চলের গান।
- 'লেটো' মূলত ময়মনসিংহ অঞ্চলের গান।
- 'চটকা' রংপুর অঞ্চলের গান।
তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
হাইল হাওর:
- হাইল হাওর মৌলভীবাজার জেলায় অবস্থিত।
- এটি বাংলাদেশের উল্লেখযোগ্য জলাভূমিগুলির মধ্যে একটি।
- এটি অনেক বন্য প্রাণী এবং পরিযায়ী পাখির সবচেয়ে নিরাপদ আবাসস্থল।
- এই অভয়ারণ্যটি মূলত দক্ষিণ, পশ্চিম এবং পূর্ব দিকে পাহাড় এবং উত্তরে মনু ও কুশিয়ারা নদীর সমভূমির মধ্যে অবস্থিত।
- পাহাড়গুলি চা বাগান এবং প্রাকৃতিক বনভূমি দ্বারা আচ্ছাদিত।
- বর্ষাকালে জলাভূমির জল প্রায় ১৪,০০০ হেক্টর (১৪০ বর্গকিলোমিটার) পর্যন্ত বিস্তৃত হয় এবং গ্রীষ্মকালে তা ৩,০০০ হেক্টরে (৩০ বর্গকিলোমিটার) পর্যন্ত সঙ্কুচিত হয়।
- এটি ১৩০টি বিল এবং সরু খালের মধ্যে সীমাবদ্ধ। জলাভূমির আশেপাশের ৬২টি গ্রামে প্রায় ১,৭২,০০০ মানুষ বাস করে।
- এটি শ্রীমঙ্গল থেকে ৩ কিলোমিটার (১.৯ মাইল) উত্তর-পশ্চিমে এবং মৌলভীবাজার থেকে ১৪ কিলোমিটার (৮.৭ মাইল) দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত।
উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় বাতায়ন ও উইকিপিডিয়া।
• সুপ্রিম কোর্ট:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের এখতিয়ার বর্ণিত হয়েছে।
- সংবিধানের ৯৪ (১) অনুচ্ছেদে বর্ণিত হয়েছে যে, আপীল বিভাগ এবং হাইকোর্ট বিভাগ নিয়ে বাংলাদেশের জন্য সুপ্রিম কোর্ট গঠিত হবে।
- সুপ্রিম কোর্টের এই দুই বিভাগের পৃথক এখতিয়ার রয়েছে।
- সংবিধান ও সংবিধানের পাশাপাশি দেশের সাধারণ আইন (সংসদ কর্তৃক পাশকৃত আইন) এই এখতিয়ারের উৎস।
- ১৯৭২ সালের ১৮ ডিসেম্বর বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট প্রতিষ্ঠিত করা হয়।
অন্যদিকে -
- সংবিধানের ৯৫ (১) অনুচ্ছেদে বর্ণিত হয়েছে যে, 'প্রধান বিচারপতি রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিযুক্ত হবেন এবং প্রধান বিচারপতির সাথে পরামর্শ করে রাষ্ট্রপতি অন্যান্য বিচারককে নিয়োগদান করবেন।
তথ্যসূত্র: i) সুপ্রিম কোর্ট ওয়েবসাইট।
ii) বাংলাদেশের সংবিধান।
২১তম জি-২০ সম্মেলন:
- পরবর্তী ২১তম জি-২০ সম্মেলন ২০২৬ সালে অনুষ্ঠিত হবে যুক্তরাষ্ট্রে।
উল্লেখ্য,
- G-20 আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক সহযোগিতার প্রধান ফোরাম।
- বিশ্ব অর্থনৈতিক সংকটের পরিপ্রেক্ষিতে ১৯৯৯ সালে গঠিত হয়েছিল।
- এটি শিল্পোন্নত এবং উন্নয়নশীল দেশগুলির মধ্যে অর্থনৈতিক সহযোগিতা, নীতি সমন্বয় এবং বিশ্ব অর্থনীতির বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম।
- বিশ্বের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ৮৫ শতাংশই এই জোটের দখলে।
- আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ৭৫ শতাংশের সঙ্গে জড়িত জি-২০ দেশগুলো।
⇒ জি-২০’র সদস্য: ২১টি। দেশ ১৯টি এবং জোট ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও আফ্রিকান ইউনিয়ন।
- ১৯টি সদস্য দেশ: যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, রাশিয়া, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, ব্রাজিল, চীন, আর্জেন্টিনা, ফ্রান্স, জার্মানি, ভারত, ইন্দোনেশিয়া, ইতালি, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, মেক্সিকো, সৌদি আরব, দক্ষিণ আফ্রিকা, তুরস্ক।
- স্পেন স্থায়ী অতিথি হিসেবে আমন্ত্রিত হয়।
উৎস: i) Department of Foreign Affairs and Trade ওয়েবসাইট।
ii) G20 ওয়েবসাইট।
• A Fractured Path:
- অধ্যাপক আলী রীয়াজের নতুন বই 'A Fractured Path: Challenges of Democratic Transition in Bangladesh' প্রকাশিত হয়েছে।
- দ্য ইউনিভার্সিটি প্রেস লিমিটেড (ইউপিএল) থেকে বইটি প্রকাশিত হয়েছে।
- বইয়ের বিষয়বস্তু হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, গণঅভ্যুত্থানের পর বাংলাদেশ কোন পথে যাবে; দেশে গণতন্ত্র ও জবাবদিহি প্রতিষ্ঠিত হবে, নাকি দীর্ঘমেয়াদি নৈরাজ্য গ্রাস করবে; পৃথিবীর আরও যেসব রাষ্ট্র নানা সময়ে এমন সংকটের মুখে পড়েছে, তারা কীভাবে উত্তরণ করেছে; কোন কোন রাষ্ট্র উত্তরণে আদৌ সক্ষম হয়নি।
- বইটিতে লেখক আলী রীয়াজ এসব প্রশ্নের উত্তর খোঁজার চেষ্টা করেছেন।
উল্লেখ্য,
- আলী রীয়াজ যুক্তরাষ্ট্রের ইলিনয় স্টেট ইউনিভার্সিটির রাজনৈতিক বিজ্ঞানের অধ্যাপক, আটলান্টিক কাউন্সিলের নন-রেসিডেন্ট সিনিয়র ফেলো এবং আমেরিকান ইনস্টিটিউট অব বাংলাদেশ স্টাডিজের (এআইবিএস) প্রেসিডেন্ট।
- চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের পর সংবিধান সংস্কার কমিশন ও জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের দায়িত্ব পালনের সুবাদে অধ্যাপক আলী রীয়াজ বাংলাদেশের রাজনীতির সংকটময় মুহূর্তে অন্যতম কেন্দ্রীয় ভূমিকায় থেকে বাংলাদেশের বিশেষ বাস্তবতাকেও অত্যন্ত ঘনিষ্ঠভাবে দেখার সুযোগ পেয়েছেন।
- বইটিতে লেখক একদিকে বৈশ্বিক অভিজ্ঞতার সারসংক্ষেপ তুলে ধরেছেন, অন্যদিকে বাংলাদেশের বিশেষ বাস্তবতার উপলব্ধি তুলে ধরেছেন।
তথ্যসূত্র: ডেইলি স্টার। (Link)
• তমদ্দুন মজলিশ:
- পশ্চিম পাকিস্তানে শতকরা ৯৭ ভাগ এবং পূর্ব বাংলায় শতকরা ৮০ ভাগ অধিবাসী ছিল মুসলমান।
- অধিকাংশ অধিবাসীর ধর্ম এক হলেও ভাষা ছিল ভিন্ন।
- তাই পাকিস্তান সৃষ্টির সময় রাষ্ট্রভাষা কী হওয়া উচিত এ বিষয়ে বিতর্ক শুরু হয়।
- ১৯৪৭ সালের জুলাই মাসে আলীগড় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. জিয়াউদ্দিন আহমেদ উর্দুকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা হিসেবে গ্রহণ করার প্রস্তাব করলে পূর্ব বাংলার বুদ্ধিজীবীমহল, ছাত্রসমাজ, সাংবাদিক, সাংস্কৃতিক কর্মী প্রমুখ বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার পাল্টা প্রস্তাব করে।
- তখনই ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহসহ বাংলার বুদ্ধিজীবী, লেখকগণ এর প্রতিবাদ করেন।
- পাকিস্তান রাষ্ট্র সৃষ্টি হওয়ার পর পরই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আবুল কাশেমের নেতৃত্বে তমদ্দুন মজলিশ গঠিত হয়।
- তমদ্দুন মজলিশ ইসলামী আদর্শাশ্রয়ী একটি সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সংগঠন।
- এটিই ছিল ভাষা আন্দোলনের প্রথম সংগঠন।
- এ সংগঠনের উদ্যোগে ১৯৪৭ সালের ১৫ই সেপ্টেম্বর ভাষা আন্দোলনের প্রথম পুস্তিকা 'পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু' প্রকাশিত হয়।
- পুস্তিকাটিতে রাষ্ট্রভাষা বাংলা দাবির পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করা হয়।
তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়; বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি এবং ইতিহাস, HSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়.
অলাতচক্র:
- দেশের প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য Three Dimensional (3D)/ থ্রিডি সিনেমা ‘অলাতচক্র’।
- প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক আহমদ ছফার উপন্যাস অবলম্বনে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিকায় সিনেমাটি নির্মিত হয়েছে।
- এটি পরিচালনা করেছেন হাবিবুর রহমান।
⇒ ‘অলাতচক্র’ ২০১৭-১৮ অর্থবছরে সরকারি অনুদানপ্রাপ্ত সিনেমা।
- মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে নির্মিত এ ছবিতে তায়েবা চরিত্রে অভিনয় করেছেন জয়া আহসান ও দানিয়েল চরিত্রে আহমেদ রুবেল।
উৎস: i) The Daily Star Bangla.
ii) দৈনিক ইত্তেফাক।
• ‘মুক্তি তোরণ’ ও ‘স্বাধীনতা তোরণ’:
- রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নবনির্মিত 'মুক্তি তোরণ' উদ্বোধন করেছেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন।
- ফ্যাসিবাদবিরোধী ‘জুলাই আন্দোলন’ এর স্মৃতিকে ধারণ করে ‘মুক্তি তোরণ’ ও ‘স্বাধীনতা তোরণ’ দুটি নির্মাণ করা হয়েছে।
- আগারগাঁওয়ের বিচারপতি সৈয়দ মাহবুব মোরশেদ সড়কে নির্মিত তোরণটির নাম ‘মুক্তি তোরণ’ ও প্রগতি সরণির বাড্ডা বৌদ্ধ মন্দিরের সামনে নির্মিত তোরণটির নাম রাখা হয়েছে ‘স্বাধীনতা তোরণ’।
তথ্যসূত্র: কালের কণ্ঠ।
কোম্পানির দেওয়ানি লাভ:
- ১৭৬৫ সালে মীর জাফরের মৃত্যুর পর তার পুত্র নাজিম-উদ-দৌলাকে শর্তসাপেক্ষে বাংলার সিংহাসনে বসানো হয়। শর্ত ছিল যে তিনি তার পিতার মতো ইংরেজদের পুরাতন দস্তক অনুযায়ী বিনা শুল্কে অবাধ বাণিজ্য করতে দেবেন এবং দেশীয় বণিকদের অবাধ বাণিজ্যের সুবিধা বাতিল করবেন।
- এই সময় ইংরেজ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি মুঘল সম্রাটের কাছ থেকে বাংলার রাজস্ব, খাজনা ও কর আদায়ের সম্পূর্ণ অধিকার অর্থাৎ দেওয়ানি লাভ করে। ১৭৬৫ সালে দেওয়ানি লাভের পর ইংরেজরা বাংলার প্রকৃত শাসক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।
- ১৭৬৫ সালে লর্ড ক্লাইভ দ্বিতীয়বার ভারতে এসে প্রথমেই পরাজিত অযোধ্যার নবাব ও দিল্লির সম্রাটের দিকে নজর দেন। তিনি অযোধ্যার পরাজিত নবাবের সঙ্গে মৈত্রী স্থাপন করেন। এর বিনিময়ে তিনি কারা ও এলাহাবাদ জেলা দুটি লাভ করেন এবং যুদ্ধের ক্ষতিপূরণ বাবদ পঞ্চাশ লক্ষ টাকা আদায় করেন।
- অপরদিকে তিনি দিল্লির সম্রাট শাহ আলমের সঙ্গে দেওয়ানি সংক্রান্ত একটি চুক্তি করেন। এই চুক্তির মাধ্যমে বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার দেওয়ানি ইংরেজ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানিকে প্রদান করা হয়। এর বিনিময়ে প্রতি বছর ছাব্বিশ লক্ষ টাকা সম্রাটকে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয় এবং এই টাকা নিয়মিত পাঠানোর জামিনদার হয় ইংরেজ কোম্পানি।
- এর ফলে ইংরেজ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি বাংলার প্রকৃত রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষমতা লাভ করে।
উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম ও দশম শ্রেণি।
জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল (National Special Economic Zone):
- দেশের বৃহত্তম অর্থনৈতিক অঞ্চল জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল।
- এটি চট্টগ্রাম জেলার মিরসরাই ও সীতাকুন্ড উপজেলা এবং ফেনী জেলার সোনাগাজী উপজেলার উপকূলীয় এলাকায় অবস্থিত।
⇒ 'জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল' ৩টি ইকোনমিক জোন নিয়ে গঠিত।
- এই শিল্পনগরের আয়তন ৩৩ হাজার ৮০৫ একর।
- এর ৪১ শতাংশ বা ১৪ হাজার একরে শুধু শিল্পকারখানা হবে, বাকি ৫৯ শতাংশ এলাকার মধ্যে আছে খোলা জায়গা, বনায়ন, বন্দর–সুবিধা, আবাসন, স্বাস্থ্য, প্রশিক্ষণ ও বিনোদনকেন্দ্র।
- ২০১৬ সালে মিরসরাই অর্থনৈতিক অঞ্চল নামে এই শিল্পনগরের উদ্বোধন করা হয়।
উল্লেখ্য,
- জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলটি ১২টি পৃথক অঞ্চলে বিভক্ত।
- সেখানে বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চল, পোশাক (বিজিএমইএ) শিল্পপার্ক, ভারতীয় অর্থনৈতিক অঞ্চল, এসবিজি (শিকদার, বসুন্ধরা ও গ্যাসমেন গ্রুপ) অর্থনৈতিক অঞ্চলের মতো আলাদা জোন রয়েছে।
- পুরো অর্থনৈতিক অঞ্চলটি চালু হলে সেখানে ১৫ লাখ লোকের কর্মসংস্থান হবে এবংংসেখান থেকে প্রতিবছর রপ্তানি আয় হবে ১ হাজার ৫০০ কোটি ডলার।
উৎস: i) বেপজা ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো।
• লালদিয়া কনটেইনার টার্মিনাল নির্মানে ৩৩ বছরের চুক্তি:
- চট্টগ্রাম বন্দরের লালদিয়া কনটেইনার টার্মিনাল নির্মাণ এবং ৩০ বছরের জন্য এটি পরিচালনার দায়িত্ব পেয়েছে ডেনমার্কভিত্তিক প্রতিষ্ঠান এপিএম টার্মিনালস।
- এ প্রতিষ্ঠানটি এপি মোলার মার্সক গ্রুপের সহযোগী প্রতিষ্ঠান।
- সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্বের (পিপিপি) আওতায় এ টার্মিনাল নির্মাণের জন্য ৫৫ কোটি ডলার বা প্রায় ৬ হাজার ৭০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করবে কোম্পানিটি।
- মূল কনসেশন চুক্তিটি ৩৩ বছরের। এর মধ্যে নির্মাণে ৩ বছর এবং বাকি ৩০ বছর পরিচালনার।
- শর্ত পূরণ হলে আরও ১৫ বছর মেয়াদ বাড়ানোর সুযোগ আছে।
তথ্যসূত্র: দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড ও প্রথম আলো। (Link1) (Link2)
• ইন্টারপোল (Interpol):
- Interpol-এর পূর্ণরূপ: The International Criminal Police Organization.
- অপরাধীদের সনাক্তকরণ এবং গ্রেপ্তার করতে বিশ্বের দেশগুলো পরস্পরকে সহযোগিতা লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে এ আন্তর্জাতিক সংস্থা।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ৭ সেপ্টেম্বর, ১৯২৩ (ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া)।
- সদর দপ্তর: লিঁও, ফ্রান্স।
- সদস্য সংখ্যা: ১৯৬টি।
- ইন্টারপোলের অফিসিয়াল ভাষা চারটি। যথা- ইংরেজী, ফরাসি, স্প্যানিশ ও আরবী।
- বাংলাদেশ ইন্টারপোলের সদস্যপদ লাভ করে -১৪ অক্টোবর ১৯৭৬।
উৎস: Interpol ওয়েবসাইট।
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী:
শীর্ষ জেলা:
- ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ময়মনসিংহ।
- গম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঠাকুরগাঁও।
- ভূট্টা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা দিনাজপুর।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঝিনাইদহ।
- চা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা মৌলভীবাজার।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কুষ্টিয়া।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ফরিদপুর।
- আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা রংপুর।
শীর্ষ বিভাগ:
- ধান উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ রংপুর।
- গম উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ রাজশাহী।
- ভূট্টা উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ রংপুর।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ ঢাকা।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ খুলনা।
- চা উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ সিলেট।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ খুলনা।
- আলু উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ রংপুর।
তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।
- ড. মুহাম্মদ ইউনূস ২৯তম ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আসবাবপত্রকে ২০২৫ সালের বর্ষপণ্য ঘোষণা করেন ।
২০২৫ সালের বর্ষপণ্য:
- ২০২৫ সালের জন্য ফার্নিচার বা আসবাবপত্রকে বর্ষপণ্য ঘোষণা করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
- দেশীয় পণ্যের প্রচার, প্রসার ও বিপণনের পাশাপাশি এসব পণ্যের ব্যাপারে আন্তর্জাতিক দৃষ্টি আকর্ষণ করতে ১৯৯৫ সাল থেকে ডিআইটিএফ আয়োজন করে আসছে বাংলাদেশ।
- মেলার যৌথ আয়োজক বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি)।
উল্লেখ্য
- ১ জানুয়ারি, ২০২৫ নতুন বছরের প্রথম দিন পূর্বাচলের বাংলাদেশ-চায়না ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টারে (বিসিএফসি) ২৯তম ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আসবাবপত্রকে ২০২৫ সালের বর্ষপণ্য ঘোষণা করেন তিনি।
- ভারত, নেপাল ছাড়াও যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্যসহ ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলোতে বাংলাদেশের ফার্নিচার রফতানি হয়ে থাকে।
- পণ্যের পাশাপাশি সেবা খাতে বিনিয়োগ এবং রপ্তানি বৃদ্ধির লক্ষ্যে এগিয়ে আসার জন্য ব্যবসায়ীদের অনুরোধ জানান প্রধান উপদেষ্টা।
উৎস: প্রথম আলো।
শিল্প বিনিয়োগ এবং রপ্তানি কার্যক্রমের দিক থেকে বাংলাদেশের বৃহত্তম অর্থনৈতিক অঞ্চলটি চট্টগ্রামের মিরসরাই-এ অবস্থিত যা জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল নামে পরিচিত।
জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল (এনএসইজেড):
- দেশের বৃহত্তম অর্থনৈতিক অঞ্চল জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল।
- 'জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল' ৩টি ইকোনমিক জোন নিয়ে গঠিত। এটি চট্টগ্রাম জেলার মিরসরাই ও সীতাকুন্ড উপজেলা এবং ফেনী জেলার সোনাগাজী উপজেলার উপকূলীয় এলাকায় অবস্থিত।
- এই শিল্পনগরের আয়তন ৩৩ হাজার ৮০৫ একর। এর ৪১ শতাংশ বা ১৪ হাজার একরে শুধু শিল্পকারখানা হবে, বাকি ৫৯ শতাংশ এলাকার মধ্যে আছে খোলা জায়গা, বনায়ন, বন্দর–সুবিধা, আবাসন, স্বাস্থ্য, প্রশিক্ষণ ও বিনোদনকেন্দ্র।
উল্লেখ্য,
- জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলটি ১২টি পৃথক অঞ্চলে বিভক্ত।
- সেখানে বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চল, পোশাক (বিজিএমইএ) শিল্পপার্ক, ভারতীয় অর্থনৈতিক অঞ্চল, এসবিজি (শিকদার, বসুন্ধরা ও গ্যাসমেন গ্রুপ) অর্থনৈতিক অঞ্চলের মতো আলাদা জোন রয়েছে।
- পুরো অর্থনৈতিক অঞ্চলটি চালু হলে আগামী ১৫ বছরের মধ্যে সেখানে ১৫ লাখ লোকের কর্মসংস্থান হবে এবংংসেখান থেকে প্রতিবছর রপ্তানি আয় হবে ১ হাজার ৫০০ কোটি ডলার।
উৎস: i) বেপজা ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো।
• বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্যানুসারে রেমিট্যান্স প্রাপ্তি:
- বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, জুলাই থেকে নভেম্বর পর্যন্ত সময়কালে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স প্রাপ্তি হয়েছে সৌদি আরব থেকে, যা ২০৫ কোটি ডলার হিসেবে রেকর্ড করা হয়েছে।
- এরপর যথাক্রমে যুক্তরাজ্য থেকে ১৬৭ কোটি ডলার, সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) থেকে ১৫৮ কোটি ডলার, মালয়েশিয়া থেকে ১৪৩ কোটি ডলার এবং যুক্তরাষ্ট্র থেকে ১০৩ কোটি ডলার রেমিট্যান্স এসেছে।
- সর্বাধিক বাংলাদেশি শ্রমিক সৌদি আরবে কর্মরত আছেন।
• রেমিট্যান্স প্রেরণে শীর্ষ দেশ:
১. সৌদি আরব,
২. সংযুক্ত আরব আমিরাত,
৩. যুক্তরাজ্য,
৪. মালয়েশিয়া,
৫. যুক্তরাষ্ট্র।
তথ্যসূত্র:
i) প্রথম আলো।
ii) বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
ব্লু চিপ শেয়ার: বাজারে এমন অনেক কোম্পানি আছে যাদের আর্থিক অবস্থা ভালো, সুসংহত, ব্যবস্থাপনা ও পরিচালনার মান ভালো।
- এরা অনেক দিন ধরে বাজারে প্রতিষ্ঠিত। তাদের দীর্ঘমেয়াদি ও স্থিতিশীল বৃদ্ধির রেকর্ড আছে। নিরাপদ কোম্পানি এবং নিয়মিত লভ্যাংশ দিয়ে থাকে।
- সব মিলিয়ে বিনিয়োগের জন্য আকর্ষণীয় কোম্পানি। আর এসব কোম্পানিকেই শেয়ারবাজারে ব্লু চিপ কোম্পানি বলে, আর তাদের শেয়ার ব্লু চিপ শেয়ার।
- ভালো কোম্পানি বলে এই শেয়ারের চাহিদাও বেশি থাকে। এসব শেয়ার অনেকটাই ঝুঁকিমুক্ত। তবে একটা কথা বলে রাখা ভালো, শেয়ারবাজার কখনোই পুরোপুরি ঝুঁকিপূর্ণ নয়। শেয়ারবাজার মানেই ঝুঁকি।
সূত্র: প্রথম আলো।