ব্যাখ্যা
'প্রাথমিক হিসাবে প্রবৃদ্ধি হয়েছিল ৫.৪৩ শতাংশ। তবে চুড়ান্ত হিসাবে তা বেড়েছে ১.৫১ শতাংশীয় পয়েন্ট।'
উৎস: বিবিএস ওয়েবসাইট
PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন
PrepBank · পাতা ৩৫ / ৩৭ · ৩,৪০১–৩,৫০০ / ৩,৬২২
বাংলাদেশের সংবিধান:
- সংবিধানের দ্বিতীয় ভাগে ১৯ নং অনুচ্ছেদে '‘সুযোগের সমতা’' সম্পর্কে বলা হয়েছে।
⇒ ১৯ নং অনুচ্ছেদ:
- ১৯ (১) সকল নাগরিকের জন্য সুযোগের সমতা নিশ্চিত করতে রাষ্ট্র সচেষ্ট হবেন।
- ১৯ (২) মানুষে মানুষে সামাজিক ও অর্থনৈতিক অসাম্য বিলোপ করার জন্য, নাগরিকদের মধ্যে সম্পদের সুষম বন্টন নিশ্চিত করার জন্য এবং প্রজাতন্ত্রের সর্বত্র অর্থনৈতিক উন্নয়নের সমান স্তর অর্জনের উদ্দেশ্যে সুষম সুযোগ-সুবিধাদান নিশ্চিত করার জন্য রাষ্ট্র কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।
- ১৯ (৩) জাতীয় জীবনের সর্বস্তরে মহিলাদের অংশগ্রহণ ও সুযোগের সমতা রাষ্ট্র নিশ্চিত করবেন।
অন্যদিকে,
- অনুচ্ছেদ ১৮ (১) নং: জনগণের পুষ্টির স্তর-উন্নয়ন ও জনস্বাস্থ্যের উন্নতিসাধনকে রাষ্ট্র অন্যতম প্রাথমিক কর্তব্য বলিয়া গণ্য করিবেন এবং বিশেষতঃ আরোগ্যের প্রয়োজন কিংবা আইনের দ্বারা নির্দিষ্ট অন্যবিধ প্রয়োজন ব্যতীত মদ্য ও অন্যান্য মাদক পানীয় এবং স্বাস্থ্যহানিকর ভেষজের ব্যবহার নিষিদ্ধকরণের জন্য রাষ্ট্র কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করিবেন।
- অনুচ্ছেদ ২০ (১) নং: কর্ম হইতেছে কর্মক্ষম প্রত্যেক নাগরিকের পক্ষে অধিকার, কর্তব্য ও সম্মানের বিষয়, এবং “প্রত্যেকের নিকট হইতে যোগ্যতানুসারে ও প্রত্যেককে কর্মানুযায়ী”-এই নীতির ভিত্তিতে প্রত্যেকে স্বীয় কর্মের জন্য পারিশ্রমিক লাভ করিবেন।
উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
• বাংলাবান্ধা বন্দর:
- দেশে যে কয়েকটি আন্তর্জাতিক স্থলবন্দর রয়েছে তার মধ্যে আকারে ছোট তবে গুরুত্বপূর্ণ পঞ্চগড়ের বাংলাবান্ধা।
- মূলত ভারত, নেপাল ও ভুটানের সঙ্গে এ বন্দরের মাধ্যমে যোগসূত্র রয়েছে বাংলাদেশের।
- বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর দেশের একমাত্র চতুর্দেশীয় স্থলবন্দর।
- দুই যুগের বেশি সময় ধরে আন্তঃদেশীয় বাণিজ্যিক কার্যক্রম চলে আসছে দেশের একমাত্র চতুর্দেশীয় এ স্থলবন্দরে।
- ভারতের শিলিগুড়ি করিডোর সংলগ্ন এবং নেপাল ও ভুটানের সীমান্তবর্তী হওয়ায় আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে প্রভাবক হয়ে উঠছে বাংলাবান্ধা।
- ভৌগোলিক অবস্থান বিবেচনায় বাংলাবান্ধা বন্দরটি বহুদেশীয় বাণিজ্যের ক্ষেত্রে সবচেয়ে সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে।
- বন্দরটির সঙ্গে রাজধানী ঢাকার দূরত্ব ৫০৩ কিলোমিটার।
- আর ভুটানের রাজধানী থিম্পুর দূরত্ব ২৮৬ কিলোমিটার ও নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুর দূরত্ব ৪৯৪ কিলোমিটার।
- এছাড়া ভারতের পশ্চিমবঙ্গের অন্যতম বৃহৎ নগরী শিলিগুড়ির দূরত্ব ১৬ কিলোমিটার।
- ভারতের অন্যতম পর্যটন স্পট দার্জিলিং ও সিকিমের দূরত্ব যথাক্রমে ৭৭ ও ১৫৪ কিলোমিটার।
- ফলে তিনটি দেশের সঙ্গে স্বল্প দূরত্বের কারণে এ বন্দরের কার্যক্রম বাড়ছে।
তথ্যসূত্র: বনিক বার্তা ও বাসস। (Link) (Link1)
ডিফ্লেশন (Deflation):
- পণ্য ও সেবার মূল্যস্তরের ক্রমাগত হ্রাসকে অর্থনীতিতে ডিফ্লেশন (Deflation) বলা হয়।
- এটি ইনফ্লেশনের বিপরীত অবস্থা।
- ডিফ্লেশনের সময় ভোক্তারা কম দামে পণ্য কিনতে পারে, কিন্তু এর ফলে উৎপাদকদের লাভ কমে যায় এবং বিনিয়োগ হ্রাস পায়।
- ফলে কর্মসংস্থান কমে, বেকারত্ব বাড়ে এবং অর্থনীতিতে মন্দা দেখা দেয়।
- ডিফ্লেশনকে সাধারণত অর্থনীতির জন্য ক্ষতিকর বলে মনে করা হয়।
ডিফ্লেশনের প্রধান কারণসমূহ:
- মোট চাহিদার হ্রাস।
- মোট উৎপাদনের অতিরিক্তি।
- অর্থের সরবরাহ হ্রাস।
- উচ্চ বেকারত্ব ও মজুরি হ্রাস।
- বৈদেশিক বাণিজ্যে ঘাটতি বা মুদ্রার শক্তিশালী হওয়া।
তথ্যসূত্র - অর্থনীতি ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, ড. মো. আব্দুল আজিজ ও অর্থনীতি বিভাগ, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
থ্রি জিরো তত্ত্ব:
- ড. মুহাম্মদ ইউনূস বাংলাদেশি নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ব্যাংকার ও অর্থনীতিবিদ।
- তিনি ক্ষুদ্রঋণ নামক অর্থনৈতিক ব্যবস্থার জনক হিসেবে সমাদৃত।
- ড. মুহাম্মদ ইউনূস বিশ্বজুড়ে আলোচিত তার তিন শূন্য বা থ্রি জিরো তত্ত্বের জন্য।
- সেগুলো হচ্ছে দারিদ্র্য, বেকারত্ব ও কার্বন নিঃসরণ শূন্যে নামিয়ে আনা।
- তা অর্জনে প্রয়োজন তারুণ্য, প্রযুক্তি, সুশাসন ও সামাজিক ব্যবসা।
- গ্রামীণ ব্যাংক ও ক্ষুদ্রঋণ ধারণার প্রবর্তক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
- আর এই অবদানের জন্য তিনি শান্তিতে নোবেল পান ২০০৬ সালে।
- এই ক্ষুদ্রঋণ ধারণার মূল লক্ষ্যই ক্ষুধামুক্ত বিশ্ব গড়া।
উৎস: Yunus Centre.
BB performs all the core functions of a typical monetary and financial sector regulator, and a number of other noncore functions.
The major functional areas include :
- Formulation and implementation of monetary and credit policies.
- Regulation and supervision of banks and non-bank financial institutions, promotion and development of domestic financial markets.
- Management of the country's international reserves.
- Issuance of currency notes.
- Regulation and supervision of the payment system.
- Acting as banker to the government .
- Money Laundering Prevention.
- Collection and furnishing of credit information.
- Implementation of the Foreign exchange regulation Act.
- Managing a Deposit Insurance Scheme .
Source: Bangladesh Bank Website
- Let There Be Light ছবিটি পরিচালনা করেন জহির রায়হান।
জহির রায়হান পরিচালিত অন্যান্য চলচ্চিত্রের মধ্যে রয়েছে:
- Stop Genocide
- জীবন থেকে নেওয়া
- কখনও আসেনি
- কাজল
- কাঁচের দেয়াল
- বেহুলা
- আনোয়ারা
- সঙ্গম
- বাহানা প্রভৃতি।
(সূত্র: বাংলাপিডিয়া)
হাকালুকি হাওর:
- হাকালুকি হাওর বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ হাওর।
- মৌলভীবাজার জেলা শহর থেকে প্রায় ৬৫ কিলোমিটার উত্তর পশ্চিমে হাকালুকি হাওড় অবস্থিত।
- পূর্বে পাথারিয়া পাহাড়,
- এবং পশ্চিমে ভাটেরা পাহাড়,
- এটি এশিয়ার অন্যতম বৃহত্তম মিঠাপানির জলাভূমি।
- এর আয়তন ১৮,১১৫ হেক্টর, তন্মধ্যে শুধুমাত্র বিলের আয়তন ৪,৪০০ হেক্টর।
- এটি মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখা , কুলাউড়া এবং সিলেট জেলার ফেঞ্চুগঞ্জে, গোলাপগঞ্জ এবং বিয়ানীবাজার জুড়ে বিস্তৃত।
- ভূতাত্ত্বিকভাবে এর অবস্থান, উত্তরে ভারতের মেঘালয় পাহাড় এবং পূর্বে ত্রিপুরা পাহাড়ের পাদদেশ।
- হাকালুকি হাওরকে প্রতিবেশ সংকটাপন্ন এলাকা বিবেচনা করা হয়।
অন্যদিকে,
- টাঙ্গুয়ার হাওর বাংলাদেশের সুনামগঞ্জ জেলায় অবস্থিত একটি হাওর।
- চায়ের দেশ শ্রীমঙ্গল উপজেলায় বাইক্কা বিলের অবস্থান।
- নিকলী হাওর বাংলাদেশের কিশোরগঞ্জ জেলায় অবস্থিত।
উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১৯৪৯ সালের ২৩শে জুন ঢাকার রোজ গার্ডেনে সম্মেলনের মাধ্যমে আওয়ামী মুসলিম লীগ গঠিত হয়।
এর প্রথম কমিটি:
- সভাপতি : মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী
- সাধারণ সম্পাদক : শামসুল হক
- সহ সভাপতি : আতাউর রহমান খান
- সহ সভাপতি : আব্দুস সালাম খান
- যুগ্ম সম্পাদক : বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
- যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক : খন্দকার মুশতাক আহমেদ।
- ১৯৫৩ সালের ৩-৫ জুলাই আওয়ামী মুসলিম লীগের দ্বিতীয় সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। তিনি টানা চারবার সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন।
- ১৯৬৬ সালের মার্চে বঙ্গবন্ধু আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত হন।
- ১৯৫৫ সালের আওয়ামী মুসলিম লীগের তৃতীয় সম্মেলনে দলটির নাম থেকে মুসলিম শব্দটি বাদ দেওয়া হয়।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাপিডিয়া এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ওয়েবসাইট)
সংশপ্তক ভাস্কর্য:
- সংশপ্তক ভাস্কর্য জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থিত।
- ভাস্কর্যটির শিল্পী হামিদুজ্জামান খান।
- শিল্পী ভাস্কর্যটিতে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ব্রোঞ্জের শরীরে প্রতীকী ব্যঞ্জনায় প্রকাশ করার চেষ্টা করেন।
- মুক্তিযুদ্ধের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস, ঐতিহ্য ও চেতনাকে এতে দৃশ্যমান করা হয়েছে।
- মূল ভাস্কর্যটি ব্রোঞ্জ ধাতুতে তৈরি। এ ছাড়া এটি নির্মাণে লাল সিরামিক ইট ব্যবহার করা হয়েছে।
- দেশের জন্য প্রাণ উৎসর্গ করতে মুক্তিযোদ্ধা ও গ্রামবাংলার আপামর জনতার স্বাধীনচেতা, অকুতোভয় মানসিকতার সাহসী প্রতিবিম্ব এ ভাস্কর্য।
এছাড়াও,
- 'স্বাধীনতা স্তম্ভ' ঢাকার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে অবস্থিত।
- 'জাগ্রত চৌরঙ্গী' জয়দেবপুর চৌরাস্তায় স্থাপিত দেশের প্রথম মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক ভাস্কর্য।
- 'অপরাজেয় বাংলা' ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ভবনের সামনে অবস্থিত।
- ‘সাবাস বাংলাদেশ’ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থিত স্বাধীনতা যুদ্ধের স্মারক ভাস্কর্য।
সূত্র: দৈনিক কালের কন্ঠ ও প্রথম আলো।
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫:
- বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা: ১৭২.২৮ মিলিয়ন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির স্বাভাবিক হার: ১.১২%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১,১৭১/বর্গ কি.মি.।
- গড় আয়ু: ৭২.৩ বছর।
- পুরুষের গড় আয়ু: ৭০.৮ বছর।
- নারীর গড় আয়ু: ৭৩.৮ বছর।
- মাথাপিছু জাতীয় আয়: ২,৮২০ মার্কিন ডলার।
- মোট রপ্তানি আয়: ৪৮.৩০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- মোট আমদানি ব্যয়: ৬৮.৩৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- মূল্যস্ফীতি: ৮.৪৮%।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর +): ৭৭.৯%।
- দারিদ্র্যের হার: ১৮.৭%।
- চরম দারিদ্র্যের হার: ৫.৬%।
তথ্যসূত্র - অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫।
মধুমতী সেতু:
- নড়াইলে নির্মিত মধুমতী সেতু, এটা কালনা সেতু নামেও পরিচিত দেশের প্রথম ৬ লেনবিশিষ্ট সেতু।
- সেতুর দৈর্ঘ্য ৬৯০ মিটার ও প্রস্থ ২৭ দশমিক ১০ মিটার।
- উভয় পাশে সংযোগ সড়ক ৪ দশমিক ২৭৩ কিলোমিটার, যার প্রস্থ ৩০ দশমিক ৫০ মিটার।
- সওজের ক্রস বর্ডার রোড নেটওয়ার্ক ইমপ্রুভমেন্ট প্রকল্পের আওতায় জাইকার অর্থায়নে এ সেতু নির্মিত হয়েছে।
- সেতু নির্মাণে মোট ব্যয় হয় ৯৫৯ দশমিক ৮৫ কোটি টাকা।
- এটি নড়াইল, খুলনা, মাগুরা, সাতক্ষীরা, চুয়াডাঙ্গা, যশোর, ঝিনাইদহসহ দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ১০টি জেলার সঙ্গে রাজধানী ঢাকাকে সরাসরি সংযুক্ত করছে এই সেতু।
সূত্র- পত্রিকা প্রতিবেদন।
• দ্বাদশ সংশোধনী:
- রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থা পাল্টিয়ে সংসদীয় সরকার পদ্ধতি পুনরায় প্রবর্তন করা হয় দ্বাদশ সংশোধনীর মাধ্যমে।
- ১৯৯১ সালের ৬ই অগাষ্ট সংসদে সংশোধনীটি পাস হয়।
» দ্বাদশ সংশোধনীর বিষয়বস্তু:
১. রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের সাংবিধানিক প্রধান হন।
২. প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রের প্রধান নির্বাহী বা সরকার প্রধান হন।
৩. প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে মন্ত্রিপরিষদ জাতীয় সংসদের কাছে দায়বদ্ধ হয়।
তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান ও বাংলাপিডিয়া।
NPSB:
- NPSB-এর পূর্ণরূপ: National Payment Switch Bangladesh.
- NPSB হলো বাংলাদেশের একটি জনপ্রিয় ইলেকট্রনিক রিটায়েল লেনদেন প্ল্যাটফর্ম।
- NPSB সিস্টেম বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক দ্বারা পরিচালিত হয়।
- NPSB পদ্ধতির আওতায় বর্তমানে আন্তঃব্যাংক অটোমেটেড টেলার মেশিন (এটিএম), পয়েন্ট অফ সেলস (পিওএস), ইন্টারনেট ব্যাংকিং ফান্ড ট্রান্সফার (আইবিএফটি) লেনদেন প্রক্রিয়া করছে।
এছাড়াও,
- বাংলাদেশ ইলেকট্রনিক ফান্ডস্ ট্রান্সফার নেটওয়ার্ক (BEFTN)।
- বাংলাদেশে ব্যাংকিং ব্যবস্থায় অত্যান্ত চমৎকার একটি ব্যাংকিং সেবা।যার মাধ্যমে একজন গ্রাহক তার নিকটাবর্তী যে কোনো একটি ব্যাংকের শাখা থেকে থেকে অতি অল্প সময়ে ও কম খরচে অন্য আরেকটি ব্যাংকের যে কোনো শাখায় টাকা পাঠাতে পারবেন।
- এটির মাধ্যমে ক্রেডিট ও ডেবিট দুই ধরনেরই লেনদেন করা যায়।
- বাংলাদেশে কার্যরত সব তফশিলি ব্রাংক BEFTN-এর মাধ্যমে সংযুক্ত হয়ে অর্থ লেনদেন সেবা দিচ্ছে।
- এনপিএসবি ও বিইএফটিএন ছাড়াও আরেকটি পেমেন্ট সিস্টেম রয়েছে আরটিজিএস (RTGS) বা রিয়েল টাইম গ্রোস সিস্টেম (Real Time Gross System)।
- এ পেমেন্ট সিস্টেমের মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে গ্রাহকের অ্যাকাউন্ট থেকে অন্য গ্রাহকের অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠানো যায়।
তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
-২০১৮ সালে নেদারল্যান্ডসে অনুষ্ঠিত আইসিসি নারী টি-২০ বিশ্বকাপের বাছাই পর্বের ফাইনালে বাংলাদেশ আয়ারল্যান্ডকে ২৫ রানে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়৷
-উল্লেখ্য, ২০২০ সালে অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্নে অনুষ্ঠিত আইসিসি নারী টি-২০ বিশ্বকাপ ফাইনালে অস্ট্রেলিয়া ভারতকে ৮৫ রানে হারিয়ে পঞ্চমবারের মত চ্যাম্পিয়ন খাতায় নাম লেখায়৷
সোর্সঃ আইসিসি
বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্ণরের চাকুরীর বয়সসীমা ৬৫ থেকে বাড়িয়ে ৬৭ বছর করে 'বাংলাদেশ ব্যাংক (Amendment) বিল, ২০২০' জাতীয় সংসদে পাশ করা হয়।
উৎসঃ সাম্প্রতিক সমাচার, লাইভ এমসিকিউ।
• জিআই স্বীকৃতি পেল নেত্রকোনার বালিশ মিষ্টি:
- নেত্রকোনার ঐতিহ্যবাহী বালিশ মিষ্টি এবার দেশের ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে।
- শত বছরের পুরনো এই মিষ্টির জিআই স্বীকৃতিতে আনন্দিত নেত্রকোনাবাসী।
- সম্প্রতি পেটেন্ট, শিল্প-নকশা ও ট্রেডমার্কস অধিদফতর (ডিপিডিটি) বালিশ মিষ্টিকে দেশের ৫৮তম জিআই পণ্য হিসেবে তালিকাভুক্ত করেছে।
উল্লেখ্য,
- বালিশ মিষ্টির উৎপত্তি নেত্রকোনা শহরের বারহাট্টা রোড এলাকায়।
- প্রায় ১২০ বছর আগে স্থানীয় মিষ্টান্ন প্রস্তুতকারক গয়ানাথ ঘোষ প্রথম এটি তৈরি করেন।
- ছোট বালিশের মতো লম্বাটে ও তুলতুলে আকারের জন্যই নাম রাখা হয় ‘বালিশ মিষ্টি’।
- ১৯৪৭ সালের আগে তৎকালীন কালীগঞ্জ শহরে এটি দিনে দিনে জনপ্রিয়তা পেতে থাকে। স্বাদ, মান ও গুণে অতুলনীয় হওয়ায় মানুষ এখনো উদ্ভাবক গয়নাথ ঘোষের নামেই এই মিষ্টি চেনে।
উৎস: পত্রিকার রিপোর্ট।[লিঙ্ক]
The present Awami League government plans to introduce health insurance to ensure healthcare services for all in the country.
As part of the plan, health insurance has already been introduced in Madhupur, Ghatail, and Kalihati upazilas of Tangail as a pilot program to ensure healthcare services for the poor.
The government has formulated “Healthcare Financing Strategy 2012-2032” to ensure universal healthcare services in Bangladesh.
Source: Daily Newspaper
• দেশে প্রথম বাণিজ্যিকভাবে ৫জি সেবা:
- বাংলাদেশে বাণিজ্যিকভাবে ৫জি সেবার যাত্রা শুরু হলো।
- সোমবার (১ সেপ্টেম্বর) থেকে দেশের দুই শীর্ষ মোবাইল অপারেটর গ্রামীণফোন ও রবি আনুষ্ঠানিকভাবে এ সেবা চালু করেছে।
- এর মাধ্যমে দেশে প্রথমবারের মতো গ্রাহকরা পরবর্তী প্রজন্মের এই নেটওয়ার্ক ব্যবহার করার সুযোগ পেলেন।
- সোমবার দুপুর ২টার দিকে রাজধানীর করপোরেট কার্যালয়ে এক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে রবি আজিয়াটা প্রথম তাদের ৫জি সেবা উদ্বোধন করে।
- উদ্বোধনী দিনে ঢাকার এমবিএ ভবন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা, মগবাজার চৌরাস্তা, ফকিরাপুল-পল্টন, চট্টগ্রামের ওয়াসা মোড়, খুলশী, পাঁচলাইশের কাটালগঞ্জ আবাসিক এলাকা এবং সিলেটের সাগরদিঘির পাড়ে ৫জি চালু করা হয়।
তথ্যসূত্র: বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড। (Link)
• দারিদ্র্য বিমোচন কৌশলপত্র:
- দারিদ্র্য বিমোচন কৌশলপত্র(পিআরএসপি) দারিদ্র্য বিমোচনের লক্ষ্যে বিশ্বে নিম্ন আয়ের দেশগুলির অভ্যন্তরীণভাবে গৃহীত নীতি, পরিকল্পনা ও উন্নয়ন সহযোগিতার জন্য প্রণীত দলিল বা রূপরেখা।
- ২০০৫ সালে বাংলাদেশ পিআরএসপি (আইপিআরএসপি) প্রথম প্রণয়ন করে।
- এর শিরোনাম ছিল ‘অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, দারিদ্র্য বিমোচন ও সামাজিক উন্নয়নের কৌশল’।
- বাংলাদেশ সরকার সর্বশেষ দারিদ্র্য বিমোচন কৌশলপত্র গ্রহণ করে- ২০১৫ সালে
- বাংলাদেশ সরকার এ পর্যন্ত মোট ৪ টি দারিদ্র্য বিমোচন কৌশলপত্র গ্রহণ করে।
উৎস: IMF.
• সর্ব দক্ষিণ:
- বাংলাদেশের সবচেয়ে দক্ষিণের বিভাগ: চট্টগ্রাম।
- বাংলাদেশের সবচেয়ে দক্ষিণের জেলা: কক্সবাজার।
- বাংলাদেশের সবচেয়ে দক্ষিণের উপজেলা: টেকনাফ।
- বাংলাদেশের সবচেয়ে দক্ষিণের স্থান: ছেঁড়াদ্বীপ।
• সর্ব উত্তর:
- বাংলাদেশের সবচেয়ে উত্তরের বিভাগ: রংপুর।
- বাংলাদেশের সবচেয়ে উত্তরের জেলা হিসেবে পরিচিত পঞ্চগড়।
- বাংলাদেশের সবচেয়ে উত্তরের উপজেলা: তেতুলিয়া।
- বাংলাদেশের সবচেয়ে উত্তরের স্থান হলো: বাংলাবান্ধা।
• সর্ব পূর্ব:
- বাংলাদেশের সবচেয়ে পূর্বের বিভাগ: চট্টগ্রাম।
- বাংলাদেশের সবচেয়ে পূর্বের জেলা: বান্দরবান।
- বাংলাদেশের সবচেয়ে পূর্বের উপজেলা: থানচি।
- বাংলাদেশের সবচেয়ে পূর্বের স্থান হলো: আখাইনঠং।
• সর্ব পশ্চিম:
- বাংলাদেশের সবচেয়ে পশ্চিমের বিভাগ: রাজশাহী।
- বাংলাদেশের সবচেয়ে পশ্চিমের জেলা: চাঁপাইনবাবগঞ্জ।
- বাংলাদেশের সবচেয়ে পশ্চিমের উপজেলা: শিবগঞ্জ।
- এবং বাংলাদেশের সবচেয়ে পশ্চিমের স্থান: মনাকষা।
তথ্যসূত্র: সংশ্লিষ্ট জেলার সরকারি ওয়েবসাইট।
- বখতিয়ার খলজি ১২০৪ খ্রিষ্টাব্দে বাংলায় মুসলিম শাসন প্রতিষ্ঠা করেন।
- ১২০৪ থেকে ১৩৩৮ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত সময়কে বাংলায় তুর্কি শাসনের প্রথম পর্যায় ধরা হয়।
- এ সময়ের শাসকরা পুরোপুরি স্বাধীন ছিলেন না।
- কেউ ছিলেন বখতিয়ারের সহবোদ্ধা খলজি মালিক, আবার কেউ তুর্কি বংশের শাসক।
- সবাই দিল্লির সুলতানদের অধীনে বাংলার শাসনকর্তা হিসেবে শাসন করতেন।
- পরবর্তীকালে অনেক শাসক দিল্লির বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করে স্বাধীন হতে চেয়েছিলেন।
- কিন্তু তাঁদের বিদ্রোহ শেষ পর্যন্ত সফল হয়নি; দিল্লির আক্রমণে ব্যর্থ হয়।
- এ যুগ ছিল বিদ্রোহ ও বিশৃঙ্খলায় পূর্ণ।
- ঐতিহাসিক জিয়াউদ্দিন বারানী বাংলার নাম দেন ‘বুলগাকপুর’, অর্থ ‘বিদ্রোহের নগরী’।
- বখতিয়ার খলজির মৃত্যুর পর তাঁর সহযোদ্ধাদের মধ্যে ক্ষমতার দ্বন্দ্ব শুরু হয়।
- তাঁর তিনজন সহযোদ্ধা খলজি মালিক ছিলেন—মুহম্মদ শিরান খলজি, আলি মর্দান খলজি, হুসামউদ্দিন ইওজ খলজি।
- অনেকের ধারণা ছিল আলি মর্দান খলজি বখতিয়ার খলজির হত্যাকারী।
উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম ও দশম শ্রেণি।
চা বাগান:
- বর্তমানে চা বাগানের সংখ্যা ১৭১টি।
- দেশের সর্বশেষ চা-বাগান পঞ্চগড়ে।
- বর্তমানে দেশে ৩টি চা নিলাম কেন্দ্র রয়েছে (চট্টগ্রাম, শ্রীমঙ্গল, পঞ্চগড়)।
- দেশে সবচেয়ে বেশি চা বাগান রয়েছে মৌলভীবাজার জেলায়। মৌলভীবাজার জেলায় ৯০টি চা বাগান রয়েছে।
উল্লেখ্য,
- হবিগঞ্জ জেলায় ২৫ টি চা বাগান রয়েছে।
- সিলেট জেলায় ১৯ টি চা বাগান রয়েছে।
- চট্টগ্রাম জেলায় ২২ টি চা বাগান রয়েছে।
- পঞ্চগড় জেলায় চা-বাগান রয়েছে ১১টি।
উৎস: বাংলাদেশ চা বোর্ড ওয়েবসাইট।
জিআই পণ্য:
- জিআই এর পূর্ণরূপ জিওগ্রাফিক্যাল আইডেন্টিফিকেশন বা ভৌগোলিক নির্দেশক।
- এই স্বীকৃতি দিয়ে থাকে শিল্প মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন প্রতিষ্ঠান পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেড মার্কস অধিদপ্তর (ডিপিডিটি)।
- জিআই হলো এমন একটি স্বীকৃতি, যা কোনো পণ্যের নির্দিষ্ট ভৌগোলিক এলাকার বিশেষ গুণগত মান বা খ্যাতি নির্দেশ করে।
- এটি পণ্যের ভালো দাম পেতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
- ওয়ার্ল্ড ইন্টেলেকচুয়াল প্রপার্টি অর্গানাইজেশনের (ডব্লিউআইপিও) এক বিশ্লেষণ অনুসারে, সাধারণত ক্রেতারা পণ্য কেনার সময় সেগুলোর উৎসকে বেশি গুরুত্ব দেন।
- বাংলাদেশ ১৯৮৫ সালে ডব্লিউআইপিওর সদস্যপদ পায়।
৬১তম জিআই পণ্য:
- বাংলাদেশের ফরিদপুর জেলার পাট ৬১তম জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে।
- ২০২৪ সালের আগস্টে ফরিদপুর জেলার পাট জিআই পণ্য হিসেবে নিবন্ধন করা হয়।
- বাংলাদেশের পাট ও পাটজাত পণ্য খাত দেশের অর্থনীতি, গ্রামীণ জীবিকা এবং পরিবেশবান্ধব উন্নয়নে বহু দশক ধরে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।
- ‘সোনালি আঁশ’ নামে পরিচিত এই ফসল দেশের বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের প্রধান উৎস ছিল।
- গ্রামীণ অর্থনীতির চালিকাশক্তি, শিল্পাঞ্চলের বিকাশ এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের পরিচয়ের অন্যতম বাহক পাট ছিল সব ক্ষেত্রেই কেন্দ্রবিন্দু।
- বিশেষ করে ফরিদপুর অঞ্চলের পাট তার দীর্ঘ, উজ্জ্বল ও শক্তিশালী আঁশের কারণে বিশ্ববাজারে একটি স্বতন্ত্র সুনাম অর্জন করেছিল।
তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট ও সমকাল পত্রিকার রিপোর্ট।
ভাষা আন্দোলন:
- ফিরোজ খান নুন ভাষা আন্দোলনের সময় পূর্ব বাংলার গভর্নর ছিলেন।
- প্রধানমন্ত্রী ছিলেন খাজা নাজিমউদ্দীন।
- পূর্ব বাংলার মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন নুরুল আমিন।
- বাঙালির মুক্তি সংগ্রামের প্রথম ঘটনা হলো ভাষা আন্দোলন।
- ভাষা আন্দোলনের মধ্য দিয়েই বাঙালি জাতীয়তাবোধের উন্মেষ ঘটে।
- এই আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটে ১৯৪৭ সালে এবং চূড়ান্ত রূপ লাভ করে ১৯৫২ সালে।
তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া এবং বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম- দশম শ্রেণি।