বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

Optional Laws-1

মোট প্রশ্ন৩৫১এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

Optional Laws-1

PrepBank · পাতা / · ১০০ / ৩৫১

.
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ৩৭ ধারায় কাদের বিরুদ্ধে শাস্তির বিধান রয়েছে?
  1. মাদকদ্রব্য সেবনকারী
  2. মাদকদ্রব্য আমদানিকারী
  3. বেআইনি অথবা হয়রানিমূলক তল্লাশিকারী
  4. মাদকদ্রব্য উৎপাদনে ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি বা উপকরণ দখলকারী
ব্যাখ্যা
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮–এর ধারা ৩৭- মাদকদ্রব্য উৎপাদনে ব্যবহারযোগ্য যন্ত্রপাতি, ইত্যাদি রাখিবার দণ্ড:
লাইসেন্সপ্রাপ্ত নহেন এইরূপ কোনো ব্যক্তির নিকট অথবা তাহার দখলকৃত কোনো স্থানে যদি মাদকদ্রব্য উৎপাদনে ব্যবহারযোগ্য কোনো যন্ত্রপাতি, ওয়াশ অথবা অন্যান্য উপকরণ পাওয়া যায়, তাহা হইলে তিনি অন্যূন ২ (দুই) বৎসর অনূর্ধ্ব ১০ (দশ) বৎসর কারাদণ্ডে এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবে।
.
শিশু আইনের কত ধারায় সুবিধাবঞ্চিত শিশুর বর্ণনা উল্লেখ রয়েছে?
  1. ৮৭ ধারায়
  2. ৮৯ ধারায়
  3. ৮৬ ধারায়
  4. ৮৫ ধারায়
ব্যাখ্যা
ধারা ৮৯- সুবিধাবঞ্চিত শিশু:

(১) এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, নিম্নবর্ণিত শিশুগণ সুবিধাবঞ্চিত শিশু হিসাবে গণ্য হইবে, যথা:- 
 
(ক) যে শিশুর মাতা-পিতার যেকোন একজন বা উভয় মৃত্যুবরণ করিয়াছে; 
(খ) আইনানুগ বা বৈধ অভিভাবকহীন শিশু; 
(গ) নির্দিষ্ট কোন গৃহ বা আবাসস্থলহীন এবং জীবনধারণের জন্য দৃশ্যমান অবলম্বনহীন কোন শিশু; 
(ঘ) ভিক্ষাবৃত্তি বা শিশুর মঙ্গলের পরিপন্থী কোন কার্যে লিপ্ত শিশু; 
(ঙ) কারাভোগরত মাতা-পিতার ওপর নির্ভরশীল বা কারাভোগরত মাতার সহিত কারাগারে অবস্থানরত শিশু; 
(চ) যৌন নির্যাতন বা হয়রানির শিকার শিশু; 
(ছ) যৌনবৃত্তি বা সমাজবিরোধী বা রাষ্ট্রবিরোধী কার্যে নিয়োজিত কোন ব্যক্তি বা অপরাধীর বাসস্থান বা কর্মস্থলে অবস্থানকারী বা গমনাগমনকারী শিশু; 
(জ) যে কোন ধরনের প্রতিবন্ধী শিশু; 
(ঝ) মাদক বা অন্য কোন কারণে অস্বাভাবিক আচরণগত সমস্যাযুক্ত শিশু; 
(ঞ) অসৎ সঙ্গে পতিত বা নৈতিক অবক্ষয়ের সম্মুখীন হইতে পারে অথবা অপরাধ জগতে প্রবেশের ঝুঁকির সম্মুখীন শিশু; 
(ট) বস্তিতে বসবাসকারী শিশু; 
(ঠ) রাস্তা-ঘাটে বসবাসকারী গৃহহীন শিশু; 
(ড) হিজড়া শিশু; 
(ঢ) বেদে ও হরিজন শিশু; 
(ণ) এইচআইভি-এইড্‌স এ আক্রান্ত (infected) বা ক্ষতিগ্রস্ত (affected) শিশু; অথবা 
(ত) শিশু-আদালত বা বোর্ড কর্তৃক বিবেচিত কোন শিশু, যাহার বিশেষ সুরক্ষা, যত্ন-পরিচর্যা ও উন্নয়ন নিশ্চিত করা প্রয়োজন। 
 
(২) সরকার সুবিধাবঞ্চিত শিশুর বিশেষ সুরক্ষা, যত্ন-পরিচর্যা ও উন্নয়ন নিশ্চিত করিবার লক্ষ্যে, বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে, প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করিতে পারিবে।
.
আইনগত সহায়তা প্রদান প্রবিধানমালা, ২০১৫-এর প্রবিধান ৬ অনুযায়ী সুপ্রীম কোর্টের আপীল বিভাগে দেওয়ানি বা ফৌজদারি আপীলের জন্য আইনজীবীর সর্বোচ্চ ফি কত?
  1. ২,০০০ টাকা
  2. ৩,০০০ টাকা
  3. ৭,০০০ টাকা
  4. ১০,০০০ টাকা
ব্যাখ্যা

⇒ আইনগত সহায়তা প্রদান প্রবিধানমালা, ২০১৫-এর প্রবিধান ৬ অনুযায়ী, সুপ্রীম কোর্টের আপীল বিভাগে দেওয়ানি বা ফৌজদারি আপীলের জন্য আইনজীবীর সর্বোচ্চ ফি নির্ধারিত হয়েছে ৭,০০০ টাকা। এছাড়াও, এই ধরনের মামলার জন্য আনুষঙ্গিক খরচ হিসেবে সর্বোচ্চ ৩,০০০ টাকা নির্ধারিত রয়েছে।
সুতরাং, সঠিক উত্তর ৭,০০০ টাকা।

.
Which section of The Special Powers Act, 1974 provides for the confirmation of death sentences by the High Court Division?
  1. Section 28
  2. Section 29
  3. Section 30(1)
  4. Section 30(2)
ব্যাখ্যা

The Special Powers Act, 1974 - Section 30: Appeals and confirmation of death sentences:
(1) An appeal from any order, judgment or sentence of a Special Tribunal may be preferred to the High Court Division within thirty days from the date of delivery or passing thereof.

(2) Where a Special Tribunal passes a sentence of death, the proceedings shall be submitted forthwith to the High Court Division and the sentence shall not be executed unless it is confirmed by that Division.

বিশেষ ক্ষমতা আইন,১৯৭৪- ধারা ৩০- আপিল এবং মৃত্যুদণ্ডের অনুমোদন:
(১) বিশেষ ট্রাইব্যুনালের কোনো আদেশ, রায় বা দণ্ডের বিরুদ্ধে উক্ত আদেশ, রায় বা দন্ড আরোপ বা প্রদানের ত্রিশ দিনের মধ্যে হাইকোর্ট বিভাগে আপিল দায়ের করা যাইবে।

(২) যেক্ষেত্রে বিশেষ ট্রাইব্যুনাল কোনো মৃত্যুদণ্ড প্রদান করে, সেইক্ষেত্রে অনতিবিলম্বে উহার কার্যধারা হাইকোর্ট বিভাগে প্রেরণ করিতে হইবে এবং হাইকোর্ট বিভাগ কর্তৃক মৃত্যুদণ্ড অনুমোদিত না হওয়া পর্যন্ত উহা কার্যকর করা যাইবে না।

.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ অনুযায়ী ভিক্ষাবৃত্তি ইত্যাদির উদ্দেশ্যে শিশুর অঙ্গহানি করার শাস্তি কী?
  1. মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
  2. যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড
  3. ১০ বৎসর সশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
  4. ৭ বৎসর সশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ১২ ধারার বিধান ভিক্ষাবৃত্তি, ইত্যাদির উদ্দেশ্যে শিশুকে অঙ্গহানি করার শাস্তি:
যদি কোন ব্যক্তি ভিক্ষাবৃত্তি বা অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ বিক্রির উদ্দেশ্যে কোন শিশুর হাত, পা, চক্ষু বা অন্য কোন অংগ বিনষ্ট করেন বা অন্য কোনভাবে বিকলাংগ বা বিকৃত করেন, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন। 
.
আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ এর ধারা ২(ক) অনুসারে, আইনগত সহায়তা প্রদান করা হয় কোন ক্ষেত্রে?
  1. শুধুমাত্র দায়েরকৃত মামলায়
  2. শুধুমাত্র বিচারাধীন মামলায়
  3. শুধুমাত্র দায়েরযোগ্য মামলায়
  4. দায়েরযোগ্য, দায়েরকৃত বা বিচারাধীন সকল মামলায়
ব্যাখ্যা

আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ এর ২(ক) ধারার বিধান:
“আইনগত সহায়তা” অর্থ আর্থিকভাবে অসচ্ছল, সহায় সম্বলহীন এবং নানাবিধ আর্থ-সামাজিক কারণে বিচার প্রাপ্তিতে অসমর্থ বিচারপ্রার্থীকে-
(অ) কোন আদালতে দায়েরযোগ্য, দায়েরকৃত বা বিচারাধীন মামলায় আইনগত পরামর্শ ও সহায়তা প্রদান;
(আ) Code of Civil Procedure, 1908 (Act No. V of 1908) এবং প্রচলিত অন্যান্য আইনের বিধান অনুসারে মধ্যস্থতা বা সালিশের মাধ্যমে কোন মামলা নিষ্পত্তির উদ্দেশ্যে নিযুক্ত মধ্যস্থতাকারী বা সালিশকারীকে সম্মানী প্রদান;
(ই) মামলার প্রাসঙ্গিক খরচ প্রদানসহ অন্য যে কোন সহায়তা প্রদান; এবং
(ঈ) উপ-ধারা (অ) হইতে (ই) এর উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, প্রবিধান দ্বারা নির্ধারিত হারে আইনজীবীকে সম্মানী প্রদান;

.
শিশু আইন অনুসারে শিশুর বয়স নির্ধারণের প্রাসঙ্গিক তারিখ কোনটা হবে?
  1. আদালতে উপস্থিত হওয়ার তারিখ
  2. অপরাধ সংঘটনের তারিখ
  3. গ্রেপ্তার করার তারিখ
  4. বিচারকার্য শুরু হওয়ার তারিখ
ব্যাখ্যা
ধারা ২০- শিশুর বয়স নির্ধারণে প্রাসঙ্গিক তারিখ:

আপাততঃ বলবৎ অন্য কোন আইন, আদালতের রায় বা আদেশে ভিন্নরূপ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইনের উদ্দেশ্যপূরণকল্পে, অপরাধ সংঘটনের তারিখই হইবে শিশুর বয়স নির্ধারণের জন্য প্রাসঙ্গিক তারিখ।
.
বিশেষ ক্ষমতা আইনের অধীন আটককৃতদের গ্রেফতারের কারণ পর্যালোচনার জন্য সরকার ৯ ধারার অধীন কয় সদস্যবিশিষ্ট উপদেষ্টা পর্ষদ গঠন করবেন?
  1. ৫ সদস্যবিশিষ্ট
  2. ৩ সদস্যবিশিষ্ট
  3. ৭ সদস্যবিশিষ্ট
  4. ৬ সদস্যবিশিষ্ট
ব্যাখ্যা
উপদেষ্টা পর্ষদঃ

বিশেষ ক্ষমতা আইনের অধীন আটককৃতদের গ্রেফতারের কারণ পর্যালোচনার জন্য সরকার ৯ ধারার অধীন তিন সদস্যবিশিষ্ট একটি উপদেষ্টা পর্ষদ গঠন করবেন।

সদস্যগণ:
⇒ ২জন সুপ্রিম কোর্টের বিচারক ছিলেন/আছেন/হওয়ার যোগ্য এমন হতে হবে, এবং এই দুজনের মধ্যে একজন চেয়ারম্যান হবেন।
⇒ বাকী ১জন প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত সিনিয়র কর্মকর্তা থেকে হবে।
 
১০ ধারার অধীন সরকার কাউকে আটকের ১২০দিনের মধ্যে গ্রেফতারের কারণ সম্বলিত একটি রিপোর্ট উপদেষ্টা পর্ষদের নিকট প্রেরণ করবে এবং ১১ ধারার অধীন উপদেষ্টা পর্ষদ আটকের সর্বোচ্চ ১৭০ দিনের মধ্যে সরকারকে প্রতিবেদন পাঠাবে।
 
⇒ আটকটি বাতিল না হলে, প্রতি ৬ মাসে তা একবার করে পর্ষদ কর্তৃক রিভিউ করতে হবে (ধারা ১২)।

⇒ তবে, সরকার চাইলে যেকোন সময় গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে মুক্তি দিতে পারবে (ধারা ১৩)।
.
বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪ এ কয় ধরনের কার্যকে "ক্ষতিকর কার্য (prejudicial act)" হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে?
  1. ৫ ধরনের
  2. ৬ ধরনের
  3. ৭ ধরনের
  4. ৮ ধরনের
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: ঘ) ৮ ধরনের।

বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪ এর ধারা ২(চ):

"ক্ষতিকর কার্য (prejudicial act)"  অর্থ নিম্নবর্ণিত অভিপ্রায় বা সম্ভাবনা রহিয়াছে এইরূপ কোনো কার্য করা, যথা:-
১. রাষ্ট্রীয় সার্বভৌমত্ব বা প্রতিরক্ষা ক্ষতিগ্রস্ত করা;
২. বাংলাদেশ এবং বিদেশি রাষ্ট্রের মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক নষ্ট বা বিঘ্নিত করা;
৩. দেশের সুরক্ষা, জননিরাপত্তা বা সাধারণ শৃঙ্খলা হ্রাস বা ভঙ্গ করা;
৪. বিভিন্ন সম্প্রদায়, শ্রেণি বা অংশ, বা জনগণের মধ্যে বৈরিতা বা বিদ্বেষ ছড়িয়ে দেওয়া;
৫. আইনের রক্ষণাবেক্ষণ বা আইনশৃঙ্খলা ব্যাহত করা, বা তা উসকে দেওয়া;
৬. জনগণের জন্য প্রয়োজনীয় সরবরাহ ও সেবায় বাধা সৃষ্টি করা;
৭. জনগণের মাঝে ভয় বা আতঙ্ক সৃষ্টি করা;
৮. রাষ্ট্রীয় অর্থনৈতিক ও আর্থিক স্বার্থ ক্ষুন্ন বা ক্ষতিগ্রস্ত করা।

Section 2(f): “prejudicial act” means any act which is intended or likely- 
(i) to prejudice the sovereignty or defence of Bangladesh; 
(ii) to prejudice the maintenance of friendly relations of Bangladesh with foreign states; 
(iii) to prejudice the security of Bangladesh or to endanger public safety or the maintenance of public order; 
(iv) to create or excite feelings of enmity or hatred between different communities, classes or sections of people; 
(v) to interfere with or encourage or incite interference with the administration of law or the maintenance of law and order; 
(vi) to prejudice the maintenance of supplies and services essential to the community; 
(vii) to cause fear or alarm to the public or to any section of the public; 
(viii) to prejudice the economic or financial interests of the State;
১০.
কোন ব্যক্তি অ্যালকোহল পান কিংবা নেশাগ্রস্ত অবস্থায় গাড়ি চালালে কী দণ্ডে পতিত হবেন?
  1. অনুর্ধ্ব ৩ বৎসর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
  2. অনুর্ধ্ব ৭ বৎসর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
  3. অনুর্ধ্ব ২ বৎসর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
  4. অনুর্ধ্ব ১ বৎসর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: ঘ) অনুর্ধ্ব ১ বৎসর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ধার ৩৬(৫):
কোনো ব্যক্তি অ্যালকোহল পান কিংবা যে-কোনো ধরনের নেশাগ্রস্ত অবস্থায় জনসাধারণের শান্তি বিনষ্ট অথবা বিরক্তিকর কোনো আচরণ করিলে কিংবা নেশাগ্রস্ত অবস্থায় গাড়ি চালনা করিলে তিনি অনূর্ধ্ব ১ (এক) বৎসর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হইবে।

⇒ এই ধারা অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে সর্বোচ্চ এক বছরের কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করা যেতে পারে।

১১.
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এ প্রদত্ত লাইসেন্স বা পারমিটের মেয়াদ কতদিন পর্যন্ত বলবৎ থাকে?
  1. ৬ মাস
  2. উল্লেখিত নির্ধারিত সময়
  3. অর্থবছর সমাপ্ত হওয়া পর্যন্ত
  4. খ বা গ
ব্যাখ্যা
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ধারা ১৩: লাইসেন্স, ইত্যাদি:
(১) লাইসেন্স, পারমিট ও পাস বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে, ফরমে, শর্তে এবং ফিস প্রদান সাপেক্ষে মহাপরিচালক অথবা তাহার নিকট হইতে এতদুদ্দেশ্যে ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোনো অফিসার কর্তৃক প্রদান করা যাইবে। 

(২) লাইসেন্স, পারমিট অথবা পাসের মেয়াদ উহাতে উল্লিখিত শর্তে নির্ধারিত সময় পর্যন্ত অথবা উহার প্রদানের তারিখ হইতে সংশ্লিষ্ট অর্থ বৎসর সমাপ্ত হওয়া পর্যন্ত বলবৎ থাকিবে: 
তবে শর্ত থাকে, কোনো লাইসেন্স অথবা পারমিট একাদিক্রমে ৩ (তিন) বৎসর নবায়ন না করা হইলে উহা পুনরায় নবায়নের যোগ্য হইবে না।
১২.
আইনগত সহায়তা প্রদান (আইনী পরামর্শ ও বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি) বিধিমালা, ২০১৫ অনুযায়ী-
কোনো মিমাংসা সভা মূলতবী করা হলে, অনধিক _______ দিনের মধ্যে পরবর্তী দিন ধার্য করতে হবে।
  1. ১০
ব্যাখ্যা
⇒ আইনগত সহায়তা প্রদান (আইনী পরামর্শ ও বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি) বিধিমালা, ২০১৫ এর ১০ বিধির বিধান: মিমাংসা সভা মূলতবী:-
মিমাংসা সভার কোন দিনের কার্যক্রম সমাপ্ত না হইলে বা উক্ত দিনে পক্ষগণ আপোষ-মিমাংসায় উপনীত হইতে ব্যর্থ হইলে, লিগ্যাল এইড অফিসার, উপযুক্ত মনে করিলে, উক্ত দিনের মিমাংসা সভা মূলতবী করিয়া উভয় পক্ষের উপস্থিতির জন্য সুবিধাজনক অপর একটি দিন ধার্য করিবেন, যাহা কোনক্রমেই ৭ (সাত) দিনের অধিক হইবে না।

অর্থাৎ,
কোনো মিমাংসা সভা মূলতবী করা হলে অনধিক ৭দিনের মধ্যে পরবর্তী দিন ধার্য করতে হবে।
১৩.
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর প্রথম তফশিল অনুসারে শিশা (Shisha) কোন শ্রেণির মাদকদ্রব্য?
  1. 'ক' শ্রেণি
  2. 'খ' শ্রেণি
  3. 'গ' শ্রেণি
  4. তফশিলে নেই
ব্যাখ্যা

⇒ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর প্রথম তফশিল-এর ‘খ’ শ্রেণির মাদকদ্রব্য-এর ক্রমিক ৪-এর শেষে স্পষ্টভাবে শিশা (Shisha) উল্লেখ আছে। তফশিলের ব্যাখ্যা অংশে বলা হয়েছে: “শিশা (Shisha)' অর্থ বিভিন্ন ধরনের ভেষজের নির্যাস সহযোগে ০.২%-এর ঊর্ধ্বে নিকোটিন এবং এসেন্স ক্যারামেল মিশ্রিত ফ্রুট স্লাইস সহযোগে তৈরি যে-কোনো পদার্থ।”

অতএব, আইনের তফশিলভুক্ত সংজ্ঞা ও তালিকা অনুযায়ী শিশা = ‘খ’ শ্রেণির মাদকদ্রব্য।

১৪.
বিশেষ ক্ষমতা আইন ১৯৭৪ এর ধারা ৫ অনুযায়ী, কোন ব্যক্তির আটক স্থান কে নির্ধারণ করবে?
  1. সরকার
  2. স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল
  3. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  4. উপদেষ্টা বোর্ড
ব্যাখ্যা
বিশেষ ক্ষমতা আইন ১৯৭৪ এর ধারা ৫: আটক স্থান ও আটক অবস্থার শর্তাবলী নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা:
যে কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে আটকাদেশ জারি করা হইয়াছে, সেই ব্যক্তি বাধ্য থাকিবেন-
(ক) এমন স্থানে আটক থাকিতে এবং এমন শর্তাবলীর অধীন থাকিতে, যার মধ্যে শৃঙ্খলা ও শৃঙ্খলা ভঙ্গের জন্য শাস্তির শর্তও অন্তর্ভুক্ত, যাহা সরকার সাধারণ বা বিশেষ আদেশ দ্বারা নির্ধারণ করিতে পারেন; এবং

(খ) সরকার কর্তৃক আদেশ প্রদানের মাধ্যমে এক স্থান হইতে অন্য স্থানে স্থানান্তরিত হইবার জন্য।
১৫.
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ অনুযায়ী গাঁজা গাছ চাষের ক্ষেত্রে কতটি গাছের জন্য সর্বোচ্চ শাস্তি অনূর্ধ্ব ১০ বছর কারাদণ্ড?
  1. ৫০টির বেশি
  2. ১০০টির বেশি
  3. ৫০০টির বেশি
  4. ১০০০টির বেশি
ব্যাখ্যা

⇒ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ধারা ৩৬(১) এবং সংশ্লিষ্ট সারণির ক্রমিক নং ১৮ অনুসারে, গাঁজা গাছ চাষের ক্ষেত্রে শাস্তি গাছের সংখ্যার ভিত্তিতে নির্ধারিত হয়:
→ ৫০টির বেশি কিন্তু ৫০০টির কম গাছ: অন্যূন ৫ বছর, অনূর্ধ্ব ৭ বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
→ ৫০০টির বেশি গাছ: অন্যূন ৭ বছর, অনূর্ধ্ব ১০ বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
সারণিতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে:
"(গ) গাছের সংখ্যা ৫০০টির ঊর্ধ্বে হইলে অন্যূন ৭ বৎসর অনূর্ধ্ব ১০ বৎসর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড।"
সুতরাং, ৫০০টির বেশি গাঁজা গাছ চাষের জন্য সর্বোচ্চ শাস্তি অনূর্ধ্ব ১০ বছর কারাদণ্ড।
--------- 
⇒ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ধারা ৩৬(১) এবং সংশ্লিষ্ট সারণির ক্রমিক নং ১৮ অনুসারে, প্রথম তপশিলের ‘খ’ শ্রেণির ১ নং ক্রমিকভুক্ত  গাঁজা অথবা ভাং গাছ সম্পর্কে ধারা ৯ এর উপ-ধারা (১) এর দফা (ক) এর লঙ্ঘন।
(ক) গাছের সংখ্যা অনূর্ধ্ব ৫০টি হইলে অন্যূন ১ বৎসর অনূর্ধ্ব  ৫ বৎসর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড;
(খ) গাছের সংখ্যা ৫০টির ঊর্ধ্বে এবং অনূর্ধ্ব ৫০০টি হইলে অন্যূন ৫ বৎসর, অনূর্ধ্ব ৭ বৎসর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড;
(গ) গাছের সংখ্যা ৫০০টির ঊর্ধ্বে হইলে অন্যূন ৭ বৎসর অনূর্ধ্ব ১০ বৎসর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড।

১৬.
মহানগর এলাকায় সান্ধ্য আইন (Curfew) জারি করতে পারে কে?
  1. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  2. পুলিশ কমিশনার
  3. দায়রা জজ আদালত
  4. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
The Special Powers Act, 1974: ধারা ২৪- সান্ধ্য আইন:
(১) কোনো জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা মহানগরী এলাকায় পুলিশ কমিশনার, সরকারের নিয়ন্ত্রণ সাপেক্ষে, নির্দেশ প্রদান করিতে পারেন যে, আদেশে উল্লিখিত অব্যাহতি সাপেক্ষে, আদেশে উল্লেখিত এলাকা বা এলাকাসমূহে উপস্থিত কোনো ব্যক্তি, আদেশে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নির্দিষ্ট কর্তৃপক্ষ বা ব্যক্তি কর্তৃক প্রদত্ত লিখিত অনুমতি ব্যতীত, ঘরের বাহির হইবে না।

(২) যদি কোনো ব্যক্তি এই ধারার অধীন প্রদত্ত কোনো আদেশ লঙ্ঘন করেন, তাহা হইলে তিনি অনধিক এক বৎসরের কারাদন্ডে, বা অর্থদন্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।

ধারা ২৪ অনুযায়ী-
⇒ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা মহানগরীতে পুলিশ কমিশনার (সরকার নিয়ন্ত্রণে) সান্ধ্য আইন জারি করতে পারেন,
⇒ লঙ্ঘন করলে–সর্বোচ্চ ১ বছরের জেল এবং/অথবা অর্থদণ্ড হতে পারে।
১৭.
'পারমিট ব্যতীত কোনো ব্যক্তি অ্যালকোহল পান করিতে পারিবেন না'- মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর কত ধারায় এই বিধান উল্লেখ আছে?
  1. ৯ ধারায়
  2. ১০ ধারায়
  3. ১১ ধারায়
  4. ১২ ধারায়
ব্যাখ্যা
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ধারা ১১: অ্যালকোহল পান, ইত্যাদি সম্পর্কে বিধি-নিষেধ:
(১) পারমিট ব্যতীত কোনো ব্যক্তি অ্যালকোহল পান করিতে পারিবেন না এবং চিকিৎসার প্রয়োজনে সিভিল সার্জন অথবা সরকারি মেডিক্যাল কলেজের অন্যূন কোনো সহযোগী অধ্যাপকের লিখিত ব্যবস্থাপত্র ব্যতীত কোনো মুসলমানকে অ্যালকোহল পান করিবার জন্য পারমিট প্রদান করা যাইবে না। 

(২) মুচি, মেথর, ডোম, চা শ্রমিক ও ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী কর্তৃক তাড়ি ও পচুঁই পান করিবার ক্ষেত্রে এবং রাঙ্গামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলাসমূহ এবং অন্যান্য অঞ্চলের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী কর্তৃক ঐতিহ্যগতভাবে প্রচলিত অথবা প্রস্তুতকৃত মদ পান করিবার ক্ষেত্রে উপ-ধারা (১) এর কোনো কিছুই প্রযোজ্য হইবে না। 

(৩) উপ-ধারা (১) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন- 
(ক) লাইসেন্সপ্রাপ্ত বার-এ বসিয়া বিদেশি ও পারমিটধারী দেশিয় নাগরিকগণ অ্যালকোহল পান করিতে পারিবেন; এবং 
(খ) কূটনৈতিক পাসপোর্টধারী বিদেশি নাগরিকরা শুল্ক কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রদত্ত পাস বইধারী অথবা প্রচলিত ব্যাগেজ রুলসের দ্বারা স্বীকৃত ব্যক্তির ক্ষেত্রে, অ্যালকোহল আমদানি, রপ্তানি, ক্রয়, বহন, সংরক্ষণ অথবা পানের ব্যাপারে কোনো কিছুই প্রযোজ্য হইবে না। 

(৪) অ্যালকোহল সংক্রান্ত সকল শুল্কমুক্ত কার্যক্রম (Duty Free Operations) এই আইনের অধীন প্রদত্ত লাইসেন্সবলে সম্পাদিত হইবে।
১৮.
'ক' তার ৭ বছরের শিশুর দ্বারা আগ্নেয়াস্ত্র বহন করান। উক্ত অপরাধের জন্য তিনি অনধিক কত বছর কারাদণ্ডে দণ্ডিত হতে পারেন? 
  1. ৭ বছর
  2. ৫ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ২ বছর
ব্যাখ্যা
 শিশু আইন, ২০১৩, ধারা ৭৯: শিশুর দ্বারা আগ্নেয়াস্ত্র বা অবৈধ ও নিষিদ্ধ বস্ত্ত বহন এবং সন্ত্রাসী কার্য সংঘটনের দণ্ড:
(১) যদি কোন ব্যক্তি কোন শিশুর দ্বারা আগ্নেয়াস্ত্র বা অবৈধ ও নিষিদ্ধ বস্তু বহন করান বা পরিবহন করান, তাহা হইলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি এই আইনের অধীন অপরাধ করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে এবং উক্ত অপরাধের জন্য তিনি অনধিক ৩ (তিন) বৎসর কারাদণ্ড অথবা অনধিক ১ (এক) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন। 
 
(২) কোন ব্যক্তি শিশুর প্রকৃত দায়িত্বসম্পন্ন বা তত্ত্বাবধানকারী ইউক, বা না হউক, কোন শিশুকে সন্ত্রাস বিরোধী আইন, ২০০৯ (২০০৯ সনের ১৬ নং আইন) এর ধারা ৬ এ উল্লিখিত কোন সন্ত্রাসী কার্যে নিয়োজিত করিলে বা ব্যবহার করিলে তিনি স্বয়ং উক্ত সন্ত্রাসী কার্য সংঘটনের অপরাধ করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে এবং তজ্জন্য তিনি উক্ত ধারায় উল্লিখিত দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।
১৯.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে সাক্ষীর নিরাপত্তা ও ভাতা সংক্রান্ত বিধান কোন ধারা দ্বারা প্রযোজ্য?
  1. ধারা ৩২
  2. ধারা ৩২ক 
  3. ধারা ৩২খ
  4. ধারা ৩১ক
ব্যাখ্যা

⇒ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ধারা ৩২খ (নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫ দ্বারা যুক্ত) সাক্ষীর নিরাপত্তা ও ভাতা সংক্রান্ত বিধান প্রযোজ্য। এই ধারার বিবরণ নিম্নরূপ:
নিরাপত্তা: ট্রাইব্যুনাল বা ম্যাজিস্ট্রেট, আবেদনের ভিত্তিতে বা নিজ বিবেচনায়, তদন্ত বা বিচারাধীন মামলার অভিযোগকারী, শিকার বা সাক্ষীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য আদেশ দিতে পারেন।
এই নিরাপত্তা প্রদানের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা যেতে পারে, যাতে সাক্ষী বা শিকারের জানমাল সুরক্ষিত থাকে।
সাক্ষীর ভাতা: ট্রাইব্যুনাল মামলার সাক্ষীদের যাতায়াত এবং সময়ের ক্ষতিপূরণ হিসেবে যুক্তিসঙ্গত অর্থ প্রদানের আদেশ দিতে পারেন।
সরকার প্রত্যেক ট্রাইব্যুনালের জন্য এই উদ্দেশ্যে পৃথক অর্থ বরাদ্দ করবে, যাতে সাক্ষীরা তাদের উপস্থিতির জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ পান।

অন্যান্য অপশনের বিশ্লেষণ:
ধারা ৩২: এই ধারাটি অভিযুক্ত বা শিকারের মেডিক্যাল পরীক্ষা সংক্রান্ত বিধান নিয়ে আলোচনা করে। এতে সাক্ষীর নিরাপত্তা বা ভাতা সম্পর্কিত কোনো বিধান নেই।
ধারা ৩২ক: এই ধারাটি ডিএনএ পরীক্ষা সংক্রান্ত বিধানের সাথে সম্পর্কিত। এটি সাক্ষীর নিরাপত্তা বা ভাতার বিষয়ে কোনো বিধান ধারণ করে না।
ধারা ৩১ক: এই ধারাটি ট্রাইব্যুনাল, পাবলিক প্রসিকিউটর এবং পুলিশের জবাবদিহিতা এবং বিচারে বিলম্বের প্রতিবেদন সংক্রান্ত বিধান নিয়ে আলোচনা করে। এতে সাক্ষীর নিরাপত্তা বা ভাতার কোনো উল্লেখ নেই।

অর্থাৎ ধারা ৩২খ স্পষ্টভাবে সাক্ষীর নিরাপত্তা এবং ভাতা প্রদানের বিষয়ে বিধান রাখে, যা এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর।

২০.
বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪ অনুযায়ী নিম্নের কোনটির কার্যকারিতা ক্ষতিগ্রস্ত করার উদ্দেশ্যে করা কাজ অন্তর্ঘাতমূলক কার্য (Sabotage) হিসেবে গণ্য হবে?
  1. পাট মিল
  2. সরকারি ভবন
  3. টেলিফোন লাইন
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪ এর ধারা ১৫ অনুযায়ী: অন্তর্ঘাতমূলক কার্য (Sabotage):
(১) কোনো ব্যক্তি যদি নিম্নলিখিত কোনো সম্পদ বা সেবার কার্যকারিতা ক্ষতিগ্রস্ত করার উদ্দেশ্যে কোনো কাজ করে, তবে তা অন্তর্ঘাত হিসেবে গণ্য হবে:
(ক) সরকার বা কোনো স্থানীয় কর্তৃপক্ষ বা জাতীয়কৃত বাণিজ্যিক বা শিল্প প্রতিষ্ঠান দ্বারা ব্যবহৃত বা ব্যবহারের উদ্দেশ্যে কোনো ভবন, যানবাহন, যন্ত্রপাতি, যন্ত্রাংশ বা অন্যান্য সম্পদ;
(খ) কোনো রেলপথ, আকাশ রোপওয়ে, সড়ক, খাল, সেতু, কালভার্ট, কজওয়ে, বন্দর, ডকইয়ার্ড, বাতিঘর, বিমানবন্দর, টেলিগ্রাফ বা টেলিফোন লাইন বা পোস্ট, বা টেলিভিশন বা বেতার স্থাপন;
(গ) কোনো রেলপথের রোলিং স্টক বা কোনো জাহাজ বা বিমান;
(ঘ) কোনো ভবন বা অন্যান্য সম্পদ যা কোনো মৌলিক পণ্য উৎপাদন, বিতরণ বা সরবরাহের সাথে সম্পর্কিত, কোনো স্যুয়েজ কাজ, খনি বা কারখানা;
(ঙ) এই আইনের অধীনে বা অন্য কোনো আইনের অধীনে নিষিদ্ধ বা সুরক্ষিত কোনো স্থান বা এলাকা;
(চ) কোনো পাট, পাটজাত পণ্য, পাট গোডাউন, পাট মিল বা পাট বেলিং প্রেস।

(২) উপ-ধারা (১) এর বিধানাবলি কোনো ব্যক্তি কর্তৃক এইরূপ কোনো কার্য করা হইতে বিচ্যুতির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে, উক্ত ব্যক্তি কর্তৃক যে কার্য করা সরকারের বা সরকারি কর্তৃপক্ষের বা কোনো ব্যক্তির প্রতি তাহার কর্তব্যের অন্তর্ভুক্ত।

(৩) কোনো ব্যক্তি যদি এই ধারার কোনো বিধান লঙ্ঘন করেন, তাহা হইলে তিনি মৃত্যুদণ্ডে, বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে, বা অনধিক চৌদ্দ বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে, এবং অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হইবেন।
২১.
শিশু আইন, ২০১৩ অনুযায়ী ______ বৎসরের কম বয়স্ক শিশুকে কোনো অবস্থাতেই গ্রেপ্তার করা যাবে না।
  1. ১১
  2. ১৮
ব্যাখ্যা
⇒ শিশু আইন, ২০১৩ এর ৪৪ ধারার বিধান: গ্রেফতার, ইত্যাদি:
(১) এই ধারায় যাহা কিছুই থাকুক না কেন, ৯ (নয়) বৎসরের নিম্নের কোন শিশুকে কোন অবস্থাতেই গ্রেফতার করা বা, ক্ষেত্রমত, আটক রাখা যাইবে না।
(২) অন্য কোন আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, কোন শিশুকে নিবর্তনমূলক আটকাদেশ সংক্রান্ত কোন আইনের অধীন গ্রেফতার বা আটক করা যাইবে না।
(৩) শিশুকে গ্রেফতার করিবার পর গ্রেফতারকারী পুলিশ কর্মকর্তা গ্রেফতারের কারণ, স্থান, অভিযোগের বিষয়বস্ত্ত, ইত্যাদি সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে শিশুবিষয়ক পুলিশ কর্মকর্তাকে অবহিত করিবেন এবং প্রাথমিকভাবে তাহার বয়স নির্ধারণ করিয়া নথিতে লিপিবদ্ধ করিবেন:
তবে শর্ত থাকে যে, গ্রেফতার করিবার পর কোন শিশুকে হাতকড়া বা কোমরে দড়ি বা রশি লাগানো যাইবে না।

(৪) উপ-ধারা (৩) এর অধীন বয়স নির্ধারণের ক্ষেত্রে পুলিশ কর্মকর্তা জন্ম নিবন্ধন সনদ অথবা, উক্ত সনদের অবর্তমানে স্কুল সার্টিফিকেট বা স্কুলে ভর্তির সময় প্রদত্ত তারিখসহ প্রাসঙ্গিক দলিলাদি উদ্‌ঘাটনপূর্বক যাচাই-বাছাই করিয়া তাহার বয়স লিপিবদ্ধ করিবেন:
তবে শর্ত থাকে যে, যেক্ষেত্রে পুলিশ কর্মকর্তার নিকট প্রতীয়মান হয় যে, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি একজন শিশু কিন্তু সম্ভাব্য সকল চেষ্টা করিয়াও দালিলিক প্রমাণ দ্বারা তাহা নিশ্চিত হওয়া যায় না, সেইক্ষেত্রে উক্ত ব্যক্তিকে এই আইনের বিধান অনুযায়ী শিশু হিসাবে গণ্য করিতে হইবে।
 
(৫) সংশ্লিষ্ট থানায় শিশুর জন্য উপযোগী কোন নিরাপদ স্থান না থাকিলে গ্রেফতারের পর হইতে আদালতে হাজির না করা সময় পর্যন্ত শিশুকে নিরাপদ স্থানে আটক রাখিবার ব্যবস্থা গ্রহণ করিতে হইবে:
তবে শর্ত থাকে যে, নিরাপদ স্থানে আটক রাখিবার ক্ষেত্রে শিশুকে প্রাপ্তবয়স্ক বা ইতোমধ্যেই দোষী সাব্যস্ত হইয়াছেন এইরূপ কোন শিশু বা অপরাধী এবং আইনের সংস্পর্শে আসা কোন শিশুর সহিত একত্রে রাখা যাইবে না।
২২.
'ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক প্রদত্ত আদেশ, রায় বা আরোপিত দণ্ড দ্বারা সংক্ষুব্ধ পক্ষ, উক্ত আদেশ, রায় বা দণ্ডাদেশ প্রদানের তারিখ হইতে ষাট দিনের মধ্যে, হাইকোর্ট বিভাগে আপীল করিতে পারিবেন'- নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের কত ধারায় এই বিধান উল্লেখ আছে?
  1. ৩০ ধারায়
  2. ২৮ ধারায়
  3. ২৭ ধারায়
  4. ৩১ ধারায়
ব্যাখ্যা
• ধারা ২৮- আপীল
ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক প্রদত্ত আদেশ, রায় বা আরোপিত দণ্ড দ্বারা সংক্ষুব্ধ পক্ষ, উক্ত আদেশ, রায় বা দণ্ডাদেশ প্রদানের তারিখ হইতে ষাট দিনের মধ্যে, হাইকোর্ট বিভাগে আপীল করিতে পারিবেন।

Section 28: Appeal
The party aggrieved by the order, judgment or punishment imposed by the Tribunal, can appeal to the High Court Division within the period of sixty days against such order, judgment or punishment.
২৩.
যৌতুকের জন্য নারীকে মারাত্মক জখম করলে সর্বোচ্চ শাস্তি কী হতে পারে?
  1. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  2. ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
  3. ৭ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
  4. ৫ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
 • নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০, ধারা ১১- যৌতুকের জন্য মৃত্যু ঘটানো, ইত্যাদির শাস্তি-
যদি কোন নারীর স্বামী অথবা স্বামীর পিতা, মাতা, অভিভাবক, আত্মীয় বা স্বামীর পক্ষে অন্য কোন ব্যক্তি যৌতুকের জন্য উক্ত নারীর মৃত্যু ঘটান বা মৃত্যু ঘটানোর চেষ্টা করেন কিংবা উক্ত নারীকে মারাত্মক জখম (grievous hurt) করেন বা সাধারণ জখম (simple hurt) করেন, তাহা হইলে উক্ত স্বামী, স্বামীর পিতা, মাতা, অভিভাবক, আত্মীয় বা ব্যক্তি-

(ক) মৃত্যু ঘটানোর জন্য মৃত্যুদণ্ডে বা মৃত্যু ঘটানোর চেষ্টার জন্য যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং উভয় ক্ষেত্রে উক্ত দণ্ডের অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন;

(খ) মারাত্মক জখম (grievous hurt) করার জন্য যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা অনধিক বার বৎসর কিন্তু অন্যূন পাঁচ বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং উক্ত দণ্ডের অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন;

(গ) সাধারণ জখম (simple hurt) করার জন্য অনধিক তিন বৎসর কিন্তু অন্যূন এক বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং উক্ত দণ্ডের অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।
২৪.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ এর ১১(ক) ধারায় বর্ণিত যৌতুকের জন্য নারীর মৃত্যু ঘটানোর সর্বনিম্ন শাস্তি-
  1. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  2. ৩০ বছর কারাদণ্ড
  3. ২০ বছর কারাদণ্ড
  4. মৃত্যুদণ্ড
ব্যাখ্যা
ধারা ১১- যৌতুকের জন্য মৃত্যু ঘটানো, ইত্যাদির শাস্তি

যদি কোন নারীর স্বামী অথবা স্বামীর পিতা, মাতা, অভিভাবক, আত্মীয় বা স্বামীর পক্ষে অন্য কোন ব্যক্তি যৌতুকের জন্য উক্ত নারীর মৃত্যু ঘটান বা মৃত্যু ঘটানোর চেষ্টা করেন কিংবা উক্ত নারীকে মারাত্মক জখম (grievous hurt) করেন বা সাধারণ জখম (simple hurt) করেন] তাহা হইলে উক্ত স্বামী, স্বামীর পিতা, মাতা, অভিভাবক, আত্মীয় বা ব্যক্তি-

(ক) মৃত্যু ঘটানোর জন্য মৃত্যুদণ্ডে বা মৃত্যু ঘটানোর চেষ্টার জন্য যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং উভয় ক্ষেত্রে উক্ত দণ্ডের অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন;

(খ) মারাত্মক জখম (grievous hurt) করার জন্য যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অনধিক বার বৎসর কিন্তু অন্যূন পাঁচ বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং উক্ত দণ্ডের অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন;

(গ) সাধারণ জখম (simple hurt) করার জন্য অনধিক তিন বৎসর কিন্তু অন্যূন এক বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং উক্ত দণ্ডের অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।
২৫.
আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ অনুযায়ী "আইনগত সহায়তা" এর সংজ্ঞা অনুসারে নিচের কোনটি অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. মধ্যস্থতাকারীকে সম্মানি প্রদান
  2. মামলার আনুষঙ্গিক খরচ প্রদান
  3. মামলায় আইনি পরামর্শ ও সহায়তা প্রদান
  4. আবেদনকারীকে বিনামূল্যে বাসস্থান প্রদান
ব্যাখ্যা

⇒ আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ এর ধারা ২ অনুসারে "আইনগত সহায়তা" এর সংজ্ঞায় নিম্নলিখিত বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত:
- মামলায় আইনি পরামর্শ ও সহায়তা প্রদান
- মধ্যস্থতাকারীকে সম্মানি প্রদান
- মামলার আনুষঙ্গিক খরচ প্রদান
- আইনি তথ্য ও পরামর্শসেবা প্রদান
- মামলাপূর্ব ও মামলা-পরবর্তী মধ্যস্থতার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তি
তবে আবেদনকারীকে বিনামূল্যে বাসস্থান প্রদান এই সংজ্ঞার অন্তর্ভুক্ত নয়। আইনগত সহায়তা বলতে শুধুমাত্র আইনি সেবা ও সংশ্লিষ্ট খরচ বহনকে বোঝায়, আবেদনকারীর ব্যক্তিগত বাসস্থানের ব্যবস্থা করাকে নয়।
---------- 
⇒ আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ এর ধারা ২(ক) “আইনগত সহায়তা” অর্থ-
(অ) আর্থিকভাবে অসচ্ছল, সহায়-সম্বলহীন এবং নানাবিধ আর্থ-সামাজিক কারণে বিচারপ্রাপ্তিতে অসমর্থ বিচারপ্রার্থীকে-
(১) কোন আদালতে দায়েরযোগ্য, দায়েরকৃত বা বিচারাধীন মামলায় আইনি পরামর্শ ও সহায়তা প্রদান;
(২) Code of Civil Procedure, 1908 (Act No. V of 1908) এবং প্রচলিত অন্যান্য আইনের বিধান অনুসারে মধ্যস্থতার মাধ্যমে কোন বিরোধ বা মামলা নিষ্পত্তির উদ্দেশ্যে নিযুক্ত মধ্যস্থতাকারী বা এই আইনের অধীন নিযুক্ত স্পেশাল মেডিয়েটরকে সম্মানি প্রদান;
(৩) মামলার আনুষঙ্গিক খরচ প্রদানসহ অন্য যে কোন সহায়তা প্রদান;
(আ) যে কোন আবেদনকারীকে আইনি তথ্য ও পরামর্শসেবা প্রদান;
(ই) মামলাপূর্ব যেকোন বিরোধ মধ্যস্থতার মাধ্যমে নিষ্পত্তি;
(ঈ) যেকোন আদালত বা ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক প্রেরিত মামলা মধ্যস্থতার মাধ্যমে নিষ্পত্তি;

২৬.
আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ এর কত ধারায় সরকার লিগ্যাল এইড অফিসার নিয়োগ করতে পারে?
  1. ধারা ২১
  2. ধারা ২২ক
  3. ধারা ২৩
  4. ধারা ২১ক
ব্যাখ্যা
ধারা ২১ক- লিগ্যাল এইড অফিসার নিয়োগ, দায়িত্ব, ইত্যাদি:

(১) সরকার, বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে, প্রয়োজনীয় সংখ্যক লিগ্যাল এইড অফিসার নিয়োগ এবং তাহাদের দায়িত্ব ও কর্তব্য নির্ধারণ করিতে পারিবে। 
 
(২) লিগ্যাল এইড অফিসার আইনগত সহায়তা প্রার্থীকে আইনে পরামর্শ প্রদান করিতে পারিবে এবং প্রচলিত আইনের অধীন কোন আদালত বা ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক উহার স্থানীয় অধিক্ষেত্রের আওতাধীন এলাকায় কর্মরত লিগ্যাল এইড অফিসারের নিকট বিকল্প পদ্ধতিতে বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য কোন বিষয় প্রেরণ করা হইলে উহা নিষ্পত্তির ক্ষমতা সংশ্লিষ্ট লিগ্যাল এইড অফিসারের থাকিবে।
২৭.
শিশু-আদালতের আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে কী ধরণের আবেদন করা যায়?
  1. শুধু রিট
  2. শুধু আপিল
  3. শুধু রিভিশন
  4. আপিল ও রিভিশন উভয়
ব্যাখ্যা
শিশু আইন, ২০১৩ এর ধারা ৪১: "আপিল ও পুনর্বিবেচনা":
(১) ফৌজদারী কার্যবিধিতে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইনের অধীন শিশু-আদালত কর্তৃক প্রদত্ত আদেশ বা রায়ের বিরুদ্ধে উক্ত আদেশ বা রায়] প্রদানের তারিখ হইতে অনধিক ৬০ (ষাট) দিনের মধ্যে হাইকোর্ট বিভাগে আপিল করা যাইবে। 

(২) শিশু-আদালতের কোনো আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে পুনর্বিবেচনা (Revision) করা যাইবে।

(৩) এই ধারার অধীন আপিল বা, ক্ষেত্রমত, পুনর্বিবেচনার আবেদন দাখিল করা হইলে উক্ত আবেদনটি দায়েরের তারিখ হইতে অনধিক ৬০ (ষাট) দিনের মধ্যে উহা নিষ্পত্তি করিতে হইবে।
২৮.
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন,২০১৮ এর অধীন কোনো অফিসার কর্তৃক বেআইনি তল্লাশির দণ্ড কী?
  1. অনূর্ধ্ব ১ বৎসর কারাদণ্ড
  2. অনূর্ধ্ব ৩ বৎসর কারাদণ্ড
  3. অনূর্ধ্ব ৬ মাস কারাদণ্ড
  4. অনূর্ধ্ব ৫ বৎসর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
ধারা ৩৯- বেআইনি অথবা হয়রানিমূলক তল্লাশি, ইত্যাদির দণ্ড

যদি তল্লাশি, আটক অথবা গ্রেফতার করিবার ক্ষমতাসম্পন্ন কোনো অফিসার- 
(ক) সন্দেহ করিবার যুক্তিসংগত কোনো কারণ ব্যতিরেকে তল্লাশির নামে কোনো স্থানে প্রবেশ করেন ও তল্লাশি চালান, 
(খ) হয়রানিমূলকভাবে বাজেয়াপ্তযোগ্য কোনো বস্তু তল্লাশি করিবার নামে কোনো ব্যক্তির কোনো সম্পদ আটক করেন, এবং 
(গ) কোনো ব্যক্তিকে হয়রানিমূলক তল্লাশি করেন অথবা গ্রেফতার করেন, তাহা হইলে তিনি অনূর্ধ্ব ১ (এক) বৎসর কারাদণ্ডে অথবা অর্থদণ্ডে অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবে।
২৯.
শিশু আদালত শিশুর _______ ব্যতীত কোন মামলার বিচার কার্য পরিচালনা করবে না। 
  1. বৈধ অভিভাবক
  2. আইনানুগ অভিভাবক
  3. মাতা-পিতা
  4. আইনগত প্রতিনিধি
ব্যাখ্যা
ধারা ৫৫- আইনগত প্রতিনিধিত্ব, ইত্যাদি

(১) আইনের সহিত সংঘাতে জড়িত শিশু এবং আইনের সংস্পর্শে আসা শিশুর পক্ষে আইনগত প্রতিনিধিত্ব ব্যতীত কোন আদালত কোন মামলার বিচার কার্য পরিচালনা করিবে না। 
 
(২) শিশু তাহার আইনগত প্রতিনিধিকে নিজের ভাষায় এবং, ক্ষেত্রমত, ব্যাখ্যাকারীর সাহায্যে প্রয়োজনীয় মতামত প্রদান করিবার অধিকার সংরক্ষণ করিবে। 
 
(৩) শিশুর মাতা-পিতা এবং তাহাদের উভয়ের অবর্তমানে তত্ত্বাবধানকারী অভিভাবক বা কর্তৃপক্ষ অথবা আইনানুগ বা বৈধ অভিভাবক বা, ক্ষেত্রমত, বর্ধিত পরিবারের সদস্য কর্তৃক কোন আইনজীবী নিয়োগ করা না হইলে অথবা মাতা-পিতা অথবা তাহাদের অবর্তমানে তত্ত্বাবধানকারী অভিভাবক বা কর্তৃপক্ষ অথবা আইনানুগ বা বৈধ অভিভাবক বা বর্ধিত পরিবারের সদস্য না থাকিলে অথবা আইনজীবী নিয়োগের আর্থিক সামর্থ্য না থাকিলে, শিশু-আদালত জেলা আইনগত সহায়তা প্রদান কমিটি বা, ক্ষেত্রমত, সুপ্রিম কোর্ট’ এর তালিকাভুক্ত বা প্যানেলভুক্ত আইনজীবীগণের মধ্য হইতে একজন উপযুক্ত আইনজীবীকে মামলার কার্যক্রম পরিচালনার জন্য দায়িত্ব প্রদান করিবার লক্ষ্যে আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ এবং উহার অধীন প্রণীত বিধিমালা, প্রবিধানমালা ও নীতিমালা অনুসারে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করিবে।
৩০.
সুপ্রিম কোর্ট লিগাল এইড কমিটির চেয়ারম্যান কে হবেন?
  1. অ্যাটর্নি জেনারেল
  2. হাইকোর্ট বিভাগের একজন বিচারপতি
  3. আপিল বিভাগের একজন বিচারপতি
  4. বার কাউন্সিলের চেয়ারম্যান
ব্যাখ্যা
আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০- ধারা  ৮ক- সুপ্রীম কোর্ট কমিটি:

(১) বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টে সুপ্রীম কোর্ট কমিটি নামে একটি কমিটি থাকিবে এবং উহা নিম্নবর্ণিত সদস্য সমন্বয়ে গঠিত হইবে, যথা: — 
 
(ক) প্রধান বিচারপতি কর্তৃক মনোনীত হাইকোর্ট বিভাগের একজন বিচারপতি, যিনি ইহার চেয়ারম্যানও হইবেন; 
(খ) সুপ্রীম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সম্পাদক এবং উক্ত সমিতি কর্তৃক মনোনীত সমিতির অন্য একজন সদস্য; 
(গ) প্রধান বিচারপতি কর্তৃক মনোনীত সুপ্রীম কোর্টে আইন পেশায় নিয়োজিত মানবাধিকার ও সমাজকল্যাণ কার্যক্রম পরিচালনাকারী দুইজন আইনজীবী, যাহাদের মধ্যে একজন মহিলা থাকিবেন; 
(ঘ) বোর্ড কর্তৃক মনোনীত জাতীয়ভাবে প্রতিষ্ঠিত আইন ও মানবাধিকার ইস্যুতে কার্যক্রম পরিচালনাকারী বেসরকারি সংস্থার দুইজন প্রতিনিধি; 
(ঙ) বাংলাদেশের অ্যাটর্নি-জেনারেল কর্তৃক মনোনীত একজন অন্যূন ডেপুটি অ্যাটর্নি-জেনারেল; 
(চ) বোর্ডের চেয়ারম্যান কর্তৃক মনোনীত সংস্থার অন্যূন উপ-পরিচালক পদমর্যাদার একজন কর্মকর্তা;
(ছ) অ্যাটর্নি-জেনারেল এর সহিত পরামর্শক্রমে কমিটির চেয়ারম্যান কর্তৃক মনোনীত একজন সহকারী অ্যাটর্নি-জেনারেল, যিনি ইহার সাচিবিক দায়িত্বও পালন করবেন। 
 
(২) উপ-ধারা (১) এর দফা (গ) এবং (ঘ) এর অধীন মনোনীত সদস্যগণ তাহাদের মনোনয়নের তারিখ হইতে দুই বৎসর মেয়াদে স্বীয় পদে বহাল থাকিবেন।
৩১.
একজন যুগ্ম দায়রা জজ সমন্বয়ে গঠিত স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক প্রদত্ত চার বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের বিরুদ্ধে আপীল করা যাবে-
  1. দায়রা আদালতে
  2. সিনিয়র স্পেশাল ট্রাইব্যুনালে
  3. হাইকোর্ট বিভাগে
  4. বিভাগীয় স্পেশাল জজ আদালতে
ব্যাখ্যা
⇒ বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪ এর ২৬(২) ধারা অনুসারে প্রত্যেক দায়রা জজ, অতিরিক্ত দায়রা জজ এবং যুগ্ম দায়রা জজ তার নিজস্ব দায়রা বিভাগের মধ্যে এই আইন অনুসারে বিচারযোগ্য অপরাধসমূহের বিচারের জন্য বিশেষ ট্রাইব্যুনাল বলে গণ্য হবে।
⇒ বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪ এর ৩০ ধারা অনুসারে বিশেষ ট্রাইব্যুনাল যে দণ্ডই প্রদান করুক না কেন আপীল করতে হবে হাইকোর্ট বিভাগে ৩০ দিনের মধ্যে।
--------------
⇒ Section 26. Offences under this Act and certain other offences to be tried by Special Tribunals:
(1) Notwithstanding anything contained in the Code or in any other law for the time being in force, the offences specified in the Schedule to this Act shall be triable exclusively by a Special Tribunal constituted under sub-section (2). 

(2) Every Sessions Judge, Additional Sessions Judge and Assistant Sessions Judge shall, for the areas within his sessions division, be a Special Tribunal for the trial of offences triable under this Act 21: 

Provided that the Government may, for the purpose of trial of offences mentioned in paragraphs 3 and 4 of the Schedule to this Act, constitute one or more additional Special Tribunals for such areas as may be specified by the Government and an additional Special Tribunal so constituted shall consist of one member, to be appointed by the Government, who shall be a person who is a Metropolitan Magistrate or a Magistrate of the first class.

(3) A Special Tribunal consisting of the Sessions Judge may transfer, at any stage of the trial, any case from one Special Tribunal to another Special Tribunal within his sessions division.

⇒ Section 30. Appeals and confirmation of death sentences:

(1) An appeal from any order, judgment or sentence of a Special Tribunal may be preferred to the High Court Division within thirty days from the date of delivery or passing thereof. 
(2) Where a Special Tribunal passes a sentence of death, the proceedings shall be submitted forthwith to the High Court Division and the sentence shall not be executed unless it is confirmed by that Division.
৩২.
শিশু আইনে বিকল্প পন্থা গ্রহণের জন্য বিষয়টি কখন প্রবেশন কর্মকর্তার নিকট প্রেরণ করা যায়?
  1. শিশুকে গ্রেফতারের আগে
  2. সাক্ষ্য গ্রহণের পূর্বে
  3. সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে
  4. বিচার কার্যক্রমের যেকোন পর্যায়ে
ব্যাখ্যা
• ধারা ৪৮- বিকল্প পন্থা (diversion)
 
(১) এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে আইনের সহিত সংঘাতে জড়িত শিশুকে গ্রেফতার বা আটকের পর হইতে বিচার কার্যক্রমের যেকোন পর্যায়ে আনুষ্ঠানিক বিচার কার্যক্রমের পরিবর্তে, শিশুর পারিবারিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক, আর্থিক, নৃতাত্ত্বিক, মনস্তাত্ত্বিক ও শিক্ষাগত পটভূমি বিবেচনাপূর্বক, বিরোধীয় বিষয় মীমাংসাসহ তাহার সর্বোত্তম স্বার্থ নিশ্চিতকল্পে বিকল্প পন্থা (diversion) গ্রহণ করা যাইবে। 
 
(২) ফৌজদারি কার্যবিধি বা আপাততঃ বলবৎ অন্য কোন আইনে ভিন্নতর যাহা কিছুই থাকুক না কেন, শিশুর গ্রেফতারের পর হইতে বিচার কার্যক্রমের যেকোন পর্যায়ে, শিশুবিষয়ক পুলিশ কর্মকর্তা বা, ক্ষেত্রমত, শিশু-আদালত আনুষ্ঠানিক বিচার প্রক্রিয়ার পরিবর্তে বিকল্প উপায়ে বিরোধ নিষ্পত্তির নিমিত্ত বিকল্প পন্থা গ্রহণের জন্য বিষয়টি প্রবেশন কর্মকর্তার নিকট প্রেরণ করিতে পারিবে। 
 
(৩) উপ-ধারা (২) এর অধীন বিকল্প পন্থা গ্রহণ করা হইলে সংশ্লিষ্ট শিশু, তাহার মাতা-পিতা এবং তাহাদের উভয়ের অবর্তমানে তত্ত্বাবধানকারী অভিভাবক বা কর্তৃপক্ষ অথবা আইনানুগ বা বৈধ অভিভাবক বা, ক্ষেত্রমত, বর্ধিত পরিবারের সদস্য বিকল্প পন্থার শর্ত প্রতিপালন করিতেছে কি না প্রবেশন কর্মকর্তা তাহা লক্ষ্য রাখিবেন এবং বিষয়টি, সময় সময়, শিশুবিষয়ক পুলিশ কর্মকর্তা বা, ক্ষেত্রমত, শিশু-আদালতকে অবহিত করিবেন। 
 
(৪) শিশু, তাহার মাতা-পিতা এবং তাহাদের উভয়ের অবর্তমানে তত্ত্বাবধানকারী অভিভাবক বা কর্তৃপক্ষ অথবা আইনানুগ বা বৈধ অভিভাবক বা, ক্ষেত্রমত, বর্ধিত পরিবারের সদস্য বিকল্প পন্থার কোন শর্ত ভঙ্গ করিলে প্রবেশন কর্মকর্তা বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে লিখিত আকারে শিশুবিষয়ক পুলিশ কর্মকর্তা বা, ক্ষেত্রমত, শিশু-আদালতকে অবহিত করিবেন। 
 
(৫) বিকল্প পন্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া ও পদ্ধতি বিধি দ্বারা নির্ধারিত হইবে। 
 
(৬) এই ধারার উদ্দেশ্য পূরণকল্পে অধিদপ্তর বিকল্প পন্থা বাস্তবায়নের জন্য যথাযথ যুগোপযোগী ও বাস্তবায়নযোগ্য কার্যক্রম গ্রহণ করিতে পারিবে।
৩৩.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর অধীনে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করা হলে, ফৌজদারী কার্যবিধির কত ধারার বিধান অনুযায়ী হাইকোর্ট বিভাগে প্রেরণ করতে হবে?
  1. ধারা ২৭৪
  2. ধারা ৩৭৪
  3. ধারা ১৭৪
  4. ধারা ৪৭৪
ব্যাখ্যা
ধারা ২৯: মৃত্যুদণ্ড অনুমোদন-
 
এই আইনের অধীনে কোন ট্রাইব্যুনাল, মৃত্যুদণ্ড প্রদান করিলে সংশ্লিষ্ট মামলার নথিপত্র অবিলম্বে ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৩৭৪ এর বিধান অনুযায়ী হাইকোর্ট বিভাগে প্রেরণ করিতে হইবে এবং উক্ত বিভাগের অনুমোদন ব্যতীত মৃতুদণ্ড কার্যকর করা যাইবে না।
 
Section 29: Confirmation of death penalty-
 
When any Tribunal under this Act passes the sentence of death, the proceeding shall immediately be sent to the High Court Division according to the provision of section 374 of the Code of Criminal Procedure and the sentence shall not be executed unless it is confirmed by the High Court Division.
৩৪.
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এ লাইসেন্স বা পারমিট একাদিক্রমে কত বছর নবায়ন না করলে পুনরায় নবায়নের যোগ্য হবে না?
  1. ২ বছর
  2. ৩ বছর
  3. ৪ বছর
  4. ৫ বছর
ব্যাখ্যা

⇒ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ধারা ১৩(২)-এর শর্তাংশে স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে: "কোনো লাইসেন্স অথবা পারমিট একাদিক্রমে ৩ (তিন) বৎসর নবায়ন না করা হইলে উহা পুনরায় নবায়নের যোগ্য হইবে না।"
অর্থাৎ, যদি কোনো লাইসেন্স বা পারমিট ধারাবাহিকভাবে তিন বছর নবায়ন না করা হয়, তবে তা আর নবায়নের যোগ্য থাকবে না। এরপর নতুন করে আবেদন করতে হতে পারে।

⇒ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ১৩ ধারার বিধান লাইসেন্স, ইত্যাদি: 
(১) লাইসেন্স, পারমিট ও পাস বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে, ফরমে, শর্তে এবং ফিস প্রদান সাপেক্ষে মহাপরিচালক অথবা তাহার নিকট হইতে এতদুদ্দেশ্যে ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোনো অফিসার কর্তৃক প্রদান করা যাইবে।
(২) লাইসেন্স, পারমিট অথবা পাসের মেয়াদ উহাতে উল্লিখিত শর্তে নির্ধারিত সময় পর্যন্ত অথবা উহার প্রদানের তারিখ হইতে সংশ্লিষ্ট অর্থ বৎসর সমাপ্ত হওয়া পর্যন্ত বলবৎ থাকিবে: 
তবে শর্ত থাকে, কোনো লাইসেন্স অথবা পারমিট একাদিক্রমে ৩ (তিন) বৎসর নবায়ন না করা হইলে উহা পুনরায় নবায়নের যোগ্য হইবে না।

৩৫.
আইনগত সহায়তা প্রদান আইনের ৮গ ধারা অনুযায়ী সুপ্রীম কোর্ট কমিটির সভার কার্যপদ্ধতি কী দ্বারা নির্ধারণ করা হয়?
  1. রাষ্ট্রপতির আদেশে দ্বারা
  2. মন্ত্রণালয়ের আদেশে দ্বারা
  3. সুপ্রীম কোর্ট কমিটি দ্বারা
  4. সরকারি প্রজ্ঞাপন দ্বারা
ব্যাখ্যা

⇒ আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ এর ৮গ ধারার (১) উপ-ধারা অনুসারে, সুপ্রীম কোর্ট কমিটি উহার সভার কার্যপদ্ধতি নিজেই নির্ধারণ করিতে পারিবে। এর অর্থ হলো, কমিটি নিজের বিবেচনায় সভা পরিচালনার নিয়ম-কানুন প্রণয়ন করতে পারে, এবং এই ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতির আদেশ, মন্ত্রণালয়ের আদেশ বা সরকারি প্রজ্ঞাপনের কোনো ভূমিকা নেই। তাই সঠিক উত্তর হলো গ) সুপ্রীম কোর্ট কমিটি দ্বারা।

⇒ আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ এর ৮গ ধারার বিধান সুপ্রীম কোর্ট কমিটির সভা:
(১) এই ধারার অন্যান্য বিধানাবলী সাপেক্ষে, সুপ্রীম কোর্ট কমিটি উহার সভার কার্যপদ্ধতি নির্ধারণ করিতে পারিবে।
(২) সুপ্রীম কোর্ট কমিটির সভা উহার চেয়ারম্যান কর্তৃক নির্ধারিত স্থান ও সময়ে অনুষ্ঠিত হইবে:
 তবে শর্ত থাকে যে, প্রতি দুইমাস অন্তর অন্তর কমপক্ষে একটি সভা অনুষ্ঠিত হইবে।
(৩) সুপ্রীম কোর্ট কমিটির চেয়ারম্যান উক্ত কমিটির সকল সভায় সভাপতিত্ব করিবেন।
(৪) সুপ্রীম কোর্ট কমিটির সভার কোরামের জন্য উহার মোট সদস্য সংখ্যার এক-তৃতীয়াংশ সদস্যের উপস্থিতির প্রয়োজন হইবে, তবে মূলতবী সভার ক্ষেত্রে কোন কোরামের প্রয়োজন হইবে না।
(৫) শুধুমাত্র কোন সদস্য পদের শূন্যতা বা কমিটি গঠনে ক্রটি থাকার কারণে কমিটির কোন কার্য বা কার্যধারা অবৈধ হইবে না এবং তৎসম্পর্কে কোন প্রশ্ন উত্থাপন করা যাইবে না।

৩৬.
শিশু আইন, ২০১৩ অনুযায়ী শিশুকে ভিক্ষাবৃত্তিতে নিয়োগের সর্বোচ্চ কারাদণ্ড কত?
  1. ১ বছর
  2. ৩ বছর
  3. ৫ বছর
  4. ৭ বছর
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: গ) ৫ বছর।

শিশু আইন ২০১৩ এর ধারা ৭১: শিশুকে ভিক্ষাবৃত্তিতে নিয়োগের দণ্ড:

কোন ব্যক্তি যদি কোন শিশুকে ভিক্ষার উদ্দেশ্যে নিয়োগ করেন বা কোন শিশুর দ্বারা ভিক্ষা করান অথবা শিশুর হেফাজত, তত্ত্বাবধান বা দেখাশুনার দায়িত্বে নিয়োজিত কোন ব্যক্তি যদি কোন শিশুকে ভিক্ষার উদ্দেশ্যে নিয়োগদানে প্রশ্রয়দান করেন বা উৎসাহ প্রদান করেন বা ভিক্ষার উদ্দেশ্যে প্রদান করেন, তাহা হইলে তিনি এই আইনের অধীন অপরাধ করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে এবং উক্ত অপরাধের জন্য তিনি-
⇒ অনধিক ৫ (পাঁচ) বৎসর কারাদণ্ড; অথবা
⇒ অনধিক (এক) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড; অথবা
⇒ উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।

৩৭.
ধর্ষণের ফলশ্রুতিতে জন্ম লাভকারী শিশু কার পরিচয়ে পরিচিত হওয়ার অধিকারী হবে?
  1. পিতার
  2. মাতার
  3. শিশুর ইচ্ছানুযায়ী ব্যক্তির
  4. ক বা খ
ব্যাখ্যা
ধারা ১৩: ধর্ষণের ফলশ্রুতিতে জন্মলাভকারী শিশু সংক্রান্ত বিধান:

(১) অন্য কোন আইনে ভিন্নতর যাহা কিছুই থাকুক না কেন, ধর্ষণের কারণে কোন সন্তান জন্মলাভ করিলে-
(ক) উক্ত সন্তানকে তাহার মাতা কিংবা তাহার মাতৃকুলীয় আত্মীয় স্বজনের তত্ত্বাবধানে রাখা যাইবে;
(খ) উক্ত সন্তান তাহার পিতা বা মাতা, কিংবা উভয়ের পরিচয়ে পরিচিত হইবার অধিকারী হইবে;
(গ) উক্ত সন্তানের ভরণপোষণের ব্যয় রাষ্ট্র বহণ করিবে;
(ঘ) উক্ত সন্তানের ভরণপোষণের ব্যয় তাহার বয়স একুশ বৎসর পূর্তি না হওয়া পর্যন্ত প্রদেয় হইবে, তবে একুশ বত্সরের অধিক বয়স্ক কন্যা সন্তানের ক্ষেত্রে তাহার বিবাহ না হওয়া পর্যন্ত এবং পঙ্গু সন্তানের ক্ষেত্রে তিনি স্বীয় ভরণপোষণের যোগ্যতা অর্জন না করা পর্যন্ত প্রদেয় হইবে।

(২) সরকার বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত সন্তানের ভরণপোষণ বাবদ প্রদেয় অর্থের পরিমাণ নির্ধারণ করিবে।

(৩) এই ধারার অধীন কোন সন্তানকে ভরণপোষণের জন্য প্রদেয় অর্থ সরকার ধর্ষকের নিকট হইতে আদায় করিতে পারিবে এবং ধর্ষকের বিদ্যমান সম্পদ হইতে উক্ত অর্থ আদায় করা সম্ভব না হইলে, ভবিষ্যতে তিনি যে সম্পদের মালিক বা অধিকারী হইবেন সেই সম্পদ হইতে উহা আদায়যোগ্য হইবে।
৩৮.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক মৃত্যুদণ্ডাদেশ প্রদান করা হলে তা কখন কার্যকর হবে?
  1. তৎক্ষণাত কার্যকর হবে
  2. দায়রা আদালতের অনুমোদন সাপেক্ষে
  3. হাইকোর্ট বিভাগের অনুমোদন সাপেক্ষে
  4. খ এবং গ
ব্যাখ্যা
• ধারা ২৯: মৃত্যুদণ্ড অনুমোদন

এই আইনের অধীনে কোন ট্রাইব্যুনাল, মৃত্যুদণ্ড প্রদান করিলে সংশ্লিষ্ট মামলার নথিপত্র অবিলম্বে ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৩৭৪ এর বিধান অনুযায়ী হাইকোর্ট বিভাগে প্রেরণ করিতে হইবে এবং উক্ত বিভাগের অনুমোদন ব্যতীত মৃতুদণ্ড কার্যকর করা যাইবে না।

Section 29: Confirmation of death penalty

When any Tribunal under this Act passes the sentence of death, the proceeding shall immediately be sent to the High Court Division according to the provision of section 374 of the Code of Criminal Procedure and the sentence shall not be executed unless it is confirmed by the High Court Division.
৩৯.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক আরোপিত অর্থদণ্ড আদায়ের ক্ষেত্রে কোন বিধান সঠিক নয়?
  1. ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির জন্য ক্ষতিপূরণ হিসাবে গণ্য করা যাবে
  2. শুধুমাত্র বিদ্যমান সম্পদ হতে আদায় করা যাবে
  3. সম্পদের উপর অন্যান্য দাবী অপেক্ষা উক্ত অর্থদণ্ড এর দাবী প্রাধান্য পাবে
  4. সবগুলো সঠিক
ব্যাখ্যা
ধারা ১৫- ভবিষ্যত সম্পত্তি হইতে অর্থদণ্ড আদায়:

এই আইনের ধারা ৪ হইতে ১৪ পর্যন্ত ধারাসমূহে উল্লিখিত অপরাধের জন্য ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক আরোপিত অর্থদণ্ডকে, প্রয়োজনবোধে, ট্রাইব্যুনাল অপরাধের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির জন্য ক্ষতিপূরণ হিসাবে গণ্য করিতে পারিবে এবং অর্থদণ্ড বা ক্ষতিপূরণের অর্থ দণ্ডিত ব্যক্তির নিকট হইতে বা তাহার বিদ্যমান সম্পদ হইতে আদায় করা সম্ভব না হইলে, ভবিষ্যতে তিনি যে সম্পদের মালিক বা অধিকারী হইবেন সেই সম্পদ হইতে আদায়যোগ্য হইবে এবং এইরূপ ক্ষেত্রে উক্ত সম্পদের উপর অন্যান্য দাবী অপেক্ষা উক্ত অর্থদণ্ড বা ক্ষতিপূরণের দাবী প্রাধান্য পাইবে।
৪০.
'আইনের সংস্পর্শে আসা শিশু' বলতে বোঝায়-
  1. বিদ্যমান কোন আইনের অধীন অপরাধে অভিযুক্ত
  2. বিদ্যমান কোন আইনের অধীনে কোন অপরাধের শিকার
  3. শিশু আইনের অধীনে কোন অপরাধে অভিযুক্ত
  4. উল্লিখিত সকল শিশু
ব্যাখ্যা
• শিশু আইন, ২০১৩

ধারা ২(৪)-
‘আইনের সংস্পর্শে আসা শিশু (Children in Contact with the Law)’ অর্থ এমন কোন শিশু, যে বিদ্যমান কোন আইনের অধীনে কোন অপরাধের শিকার বা সাক্ষী;
৪১.
আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ এর ধারা ১৫ক অনুসারে, স্পেশাল মেডিয়েটরদের তালিকা প্রস্তুত করবে-
  1. সরকার
  2. জেলা আদালত
  3. জাতীয় আইনগত সহায়তা প্রদান সংস্থা
  4. চীফ লিগ্যাল এড অফিসার
ব্যাখ্যা

আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ এর ধারা ১৫ক: স্পেশাল মেডিয়েটরগণের (Special Mediators) তালিকা:
(১) এই আইনের অধীনে স্পেশাল মেডিয়েটর হিসাবে কার্যক্রম পরিচালনার জন্য সংস্থা, সরকারের পূর্বানুমোদনক্রমে, অবসরপ্রাপ্ত জেলা জজ এবং মধ্যস্থতা বিষয়ে অভিজ্ঞ ও বিশেষ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত আইনজীবীগণের মধ্য হইতে স্পেশাল মেডিয়েটরগণের একটি তালিকা প্রস্তুত করিবে।

⇒ “সংস্থা” অর্থ এই আইনের অধীন প্রতিষ্ঠিত জাতীয় আইনগত সহায়তা প্রদান সংস্থা;

(২) সংস্থা, সরকারের পূর্বানুমোদনক্রমে, উক্ত তালিকা হইতে প্রত্যেক লিগ্যাল এইড অফিসে মধ্যস্থতা কার্যক্রমের চাহিদা ও প্রয়োজনীয়তা বিবেচনায় প্রয়োজনীয় সংখ্যক স্পেশাল মেডিয়েটর নিয়োগ প্রদান করিবে।

(৩) উপ-ধারা (২) এর অধীন নিযুক্ত স্পেশাল মেডিয়েটরগণ বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে দায়িত্ব পালন করিবে।

(৪) উপ-ধারা (২) এর অধীন নিযুক্ত স্পেশাল মেডিয়েটরকে প্রবিধান দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে সম্মানি বা ফি প্রদান করা হইবে।

৪২.
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর কত ধারায় ‘মাদকাসক্ত’ এর সংজ্ঞা দেয়া হয়েছে?
  1. ২(১৫) ধারায়
  2. ২(৩১) ধারায়
  3. ২(২৭) ধারায়
  4. ২(৩৪) ধারায়
ব্যাখ্যা
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮

ধারা ২(৩১)-
‘মাদকাসক্ত’ অর্থ শারীরিক অথবা মানসিকভাবে মাদকদ্রব্যের উপর নির্ভরশীল কোনো ব্যক্তি অথবা অভ্যাসবশে মাদকদ্রব্য ব্যবহারকারী অথবা সেবনকারী কোনো ব্যক্তি।
৪৩.
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ধারা ৪৮ অনুযায়ী কোন ধরনের মাদকদ্রব্য অপরাধের বিচার সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে নিষ্পন্ন হবে?
  1. যেখানে শুধু অর্থদণ্ড প্রযোজ্য
  2. যেখানে শাস্তি ২ বছরের বেশি নয়
  3. যেখানে শাস্তি ৩ বছরের বেশি নয়
  4. যেখানে শাস্তি ৫ বছরের বেশি নয়
ব্যাখ্যা

⇒ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ধারা ৪৮ অনুসারে: "বিচারের বিশেষ পদ্ধতি:-  এই আইনের অধীন মাদকদ্রব্য অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা ৫ (পাঁচ) বৎসরের অধিক কারাদণ্ড না হইলে, সংশ্লিষ্ট মামলার বিচার সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে নিষ্পন্ন হইবে এবং এইরূপ ক্ষেত্রে ফৌজদারি কার্যবিধির অধ্যায় ২২ এর বিধানাবলি, যতদূর সম্ভব, অনুসরণ করিতে হইবে।"
অর্থাৎ, যে সকল মাদকদ্রব্য অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ শাস্তি ৫ বছরের বেশি কারাদণ্ড নয় (মৃত্যুদণ্ড, যাবজ্জীবন বা ৫ বছরের বেশি কারাদণ্ড না হলে), সেসব মামলার বিচার সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে নিষ্পন্ন হবে।
- মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ধারা ৪৮ অনুযায়ী, মাদকদ্রব্য অপরাধের বিচার সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে নিষ্পন্ন হবে যদি অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড, যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, বা ৫ (পাঁচ) বছরের অধিক কারাদণ্ড না হয়। এই ক্ষেত্রে ফৌজদারি কার্যবিধির অধ্যায় ২২-এর বিধানাবলি, যতদূর সম্ভব, অনুসরণ করতে হবে। অর্থাৎ, যেসব অপরাধের শাস্তি ৫ বছর বা তার কম হয়, সেগুলোর বিচার সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে করা হবে।

৪৪.
আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০-এর ধারা ৬ অনুযায়ী জাতীয় পরিচালনা বোর্ডের সদস্য-সচিব কে হবেন?
  1. নির্বাহী পরিচালক
  2. অ্যাটর্নি জেনারেল
  3. রেজিস্ট্রার জেনারেল
  4. আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী
ব্যাখ্যা

⇒ আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ এর ধারা ৬(১)(দ) অনুসারে, জাতীয় পরিচালনা বোর্ডের সদস্য-সচিব হলেন নির্বাহী পরিচালক, জাতীয় আইনগত সহায়তা প্রদান সংস্থা। 
- "(দ) নির্বাহী পরিচালক, জাতীয় আইনগত সহায়তা প্রদান সংস্থা, যিনি ইহার সদস্য-সচিবও হইবেন।"

⇒ আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ এর ধারা ৬-জাতীয় পরিচালনা বোর্ড:
(১) জাতীয় পরিচালনা বোর্ড নিম্নবর্ণিত সদস্য সমন্বয়ে গঠিত হইবে, যথা:-
(ক) আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী/উপদেষ্টা, যিনি বোর্ডের চেয়ারম্যানও হইবেন;
(খ) জাতীয় সংসদের স্পিকার মনোনীত ২ (দুই) জন সংসদ-সদস্য, যাহাদের একজন সরকারদলীয় এবং অপরজন বিরোধীদলীয় হইবেন;
(গ) বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল;
(ঘ) সচিব, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়;
(ঙ) সচিব, আইন ও বিচার বিভাগ;
(চ) সচিব, অর্থ বিভাগ;
(ছ) সচিব, জননিরাপত্তা বিভাগ;
(জ) সচিব, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়;
(ঝ) সচিব, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়;
(ঞ) রেজিস্ট্রার জেনারেল, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট;
(ট) মহা-পুলিশ পরিদর্শক;
(ঠ) মহা-কারা পরিদর্শক;
(ড) ভাইস-চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ বার কাউন্সিল;
(ঢ) সভাপতি, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট আইনজীবী সমিতি;
(ণ) চেয়ারম্যান, জাতীয় মহিলা সংস্থা;
(ত) সরকার কর্তৃক মনোনীত আইন ও অধিকার সম্পর্কিত বেসরকারি সংস্থার ৩ (তিন) জন প্রতিনিধি;
(থ) সরকার কর্তৃক নারী সংস্থা হইতে মনোনীত ৩ (তিন) জন প্রতিনিধি; এবং
(দ) নির্বাহী পরিচালক, জাতীয় আইনগত সহায়তা প্রদান সংস্থা, যিনি ইহার সদস্য-সচিবও হইবেন।
(২) উপ-ধারা (১) এর দফা (ত) ও (থ) এ উল্লিখিত সদস্যগণের প্রত্যেকে স্ব স্ব মনোনয়ন প্রাপ্তির তারিখ হইতে ২ (দুই) বৎসর মেয়াদে স্বীয় পদে বহাল থাকিবেন:
তবে শর্ত থাকে যে, উপযুক্ত কারণ উদ্ভব হইলে সরকার উপ-ধারা (১) এর দফা (ত) ও (থ) এ উল্লিখিত সদস্যগণের যে কাহারো মনোনয়ন মেয়াদপূর্তির পূর্বেই বাতিল করিতে পারিবে:
আরও শর্ত থাকে যে, উপ-ধারা (১) এর দফা (ত) ও (থ) এ উল্লিখিত সদস্যগণ সরকার বরাবর পদত্যাগপত্র প্রেরণপূর্বক স্বীয় পদ হইতে স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করিতে পারিবেন।

৪৫.
একজন প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে গঠিত স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল সর্বোচ্চ কী সাজা দিতে পারে?
  1. মৃত্যুদণ্ড
  2. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  3. সর্বোচ্চ ১০ বছর কারাদণ্ড
  4. সর্বোচ্চ ৭ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: গ) সর্বোচ্চ ৭ বছর কারাদণ্ড।

বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪ এর ধারা ২৮: বিশেষ ট্রাইব্যুনালের ক্ষমতা (Powers of Special Tribunals):

যেকোনো প্রচলিত আইনে ভিন্নরূপ কিছু থাকলেও, এই ধারার অধীন নিম্নরূপ ব্যবস্থা করা হয়েছে:
(ক) যদি কোনো বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠিত হয় সেশন জজ, অতিরিক্ত সেশন জজ, অথবা সহকারী সেশন জজ দ্বারা, তবে
- উক্ত ট্রাইব্যুনাল যে অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে দোষী সাব্যস্ত করে,
- তার জন্য আইনে অনুমোদিত যেকোনো দণ্ড প্রদান করিতে পারিবে।

(খ) যদি কোনো বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠিত হয় মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট দ্বারা, তবে
- উক্ত ট্রাইব্যুনাল যে অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে দোষী সাব্যস্ত করে, তার জন্য
- আইনে অনুমোদিত দণ্ড প্রদান করিতে পারিবে, তবে নিম্নোক্ত দণ্ড প্রদান করিতে পারিবে না:
• মৃত্যুদণ্ড;
• যাবজ্জীবন কারাদণ্ড;
• সাত বছরের বেশি মেয়াদে কারাদণ্ড;
• ১০,০০০ টাকার বেশি অর্থদণ্ড।
৪৬.
কারফিউ আদেশ অমান্য করলে সর্বোচ্চ কত বছরের কারাদণ্ড হতে পারে?
  1. ৬ মাস
  2. ১ বছর
  3. ২ বছর
  4. ৫ বছর
ব্যাখ্যা

বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪ এর ধারা ২৪: কারফিউ (Curfew):
(১) জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা মহানগরীতে পুলিশ কমিশনার, সরকারের নিয়ন্ত্রণে, আদেশের মাধ্যমে নির্দেশ দিতে পারবেন যে—যে কোনো এলাকা বা এলাকায়, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে, কোনো ব্যক্তি বাইরে থাকতে পারবে না, তবে যে ব্যক্তির কাছে নির্দিষ্ট কর্তৃপক্ষ বা ব্যক্তির দ্বারা প্রদত্ত লিখিত পারমিট থাকবে তার ব্যতীত। আদেশে নির্দিষ্ট কিছু ব্যতিক্রম উল্লেখ করা হতে পারে।

(২) এই ধারা অনুযায়ী প্রদত্ত কোনো আদেশ লঙ্ঘন করলে, অপরাধীকে সর্বোচ্চ এক বছরের কারাদণ্ড, অর্থদণ্ড বা উভয়ই দেওয়া যেতে পারে।

৪৭.
আইনগত সহায়তা প্রদান নীতিমালা, ২০১৪ অনুযায়ী, আয়ের সীমা বিবেচনা করা ব্যতীত কোন সকল ব্যক্তি আইনগত সহায়তা পাইবার যোগ্য?
  1. শিশু
  2. ব্যবসায়ী
  3. সরকারি কর্মকর্তা
  4. বৈদেশিক শিক্ষার্থী
ব্যাখ্যা

⇒ আইনগত সহায়তা প্রদান নীতিমালা, ২০১৪-এর অনুচ্ছেদ ২(২) এ আয়ের সীমা বিবেচনা না করে কিছু বিশেষ শ্রেণির ব্যক্তিদের সরাসরি আইনগত সহায়তা পাওয়ার যোগ্য বলে উল্লেখ করা হয়েছে। এদের তালিকায় প্রথমেই রয়েছে "শিশু"।

⇒ আইনগত সহায়তা প্রদান নীতিমালা, ২০১৪-এর অনুচ্ছেদ ২-এর উপ-অনুচ্ছেদ (২)-এ স্পষ্টভাবে বলা আছে যে, আয়ের সীমা বিবেচনা না করেই (অর্থাৎ আর্থিক অবস্থা যাই হোক না কেন) নিম্নোক্ত ব্যক্তিগণ আইনগত সহায়তা পাওয়ার যোগ্য বলে গণ্য হবেন:
- শিশু
- মানব পাচারের শিকার ব্যক্তি
- শারীরিক, মানসিক ও যৌন নির্যাতনের শিকার নারী ও শিশু
- নিরাশ্রয় ব্যক্তি বা ভবঘুরে
- ক্ষুদ্র জাতিসত্তা বা নৃ-গোষ্ঠীভুক্ত ব্যক্তি
- পারিবারিক সহিংসতার শিকার বা ঝুঁকিতে থাকা ব্যক্তি
- বয়স্ক ভাতাভোগী ব্যক্তি
- ভিজিডি কার্ডধারী দুস্থ মাতা
- এসিড দগ্ধ নারী বা শিশু
- অসচ্ছল বিধবা, স্বামী পরিত্যক্তা ও দুস্থ মহিলা
- প্রতিবন্ধী ব্যক্তি
- আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে অধিকার প্রতিষ্ঠায় অক্ষম ব্যক্তি
- বিনা বিচারে আটক ব্যক্তি
- আদালত বা জেল কর্তৃপক্ষ কর্তৃক অসচ্ছল বলে বিবেচিত ব্যক্তি
- সংস্থা কর্তৃক চিহ্নিত অন্যান্য দুর্যোগকবলিত বা অসচ্ছল ব্যক্তি

অপশনগুলোর মধ্যে শুধুমাত্র “শিশু” এই তালিকায় সরাসরি অন্তর্ভুক্ত। অন্য অপশনসমূহ (ব্যবসায়ী, সরকারি কর্মকর্তা, বৈদেশিক শিক্ষার্থী) আয়ের সীমা বিবেচনা ব্যতীত যোগ্যতার তালিকায় নেই; তাদের ক্ষেত্রে সাধারণত আয়ের সীমা (অথবা অন্যান্য শর্ত) যাচাই করা হয়।


৪৮.
বিশেষ ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক প্রদত্ত শাস্তির বিরুদ্ধে কত দিনের মধ্যে আপিল দায়ের করতে হবে?
  1. ৬০ দিনের মধ্যে
  2. ৯০ দিনের মধ্যে
  3. ৩০ দিনের মধ্যে
  4. ১৫ দিনের মধ্যে
ব্যাখ্যা
বিশেষ ক্ষমতা আইন,১৯৭৪

ধারা ৩০- আপিল এবং মৃত্যুদণ্ডের অনুমোদন

বিশেষ ট্রাইব্যুনালের কোন আদেশ, রায় বা দণ্ডাদেশের ক্ষেত্রে কোন আপীল উক্ত আদেশ, রায় বা দণ্ডাদেশ দান বা ঘোষণা প্রকাশের তারিখ হতে ৩০(ত্রিশ) দিনের মধ্যে হাইকোর্ট বিভাগে দায়ের করতে হবে।
বিশেষ ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক প্রদত্ত কোন মৃত্যুদণ্ডাদেশ হাইকোর্ট বিভাগ কর্তৃক অনুমোদিত হতে হবে। 

Section 30: Appeals and confirmation of death sentences

(1) An appeal from any order, judgment or sentence of a Special Tribunal may be preferred to the High Court Division within thirty days from the date of delivery or passing thereof.
(2) Where a Special Tribunal passes a sentence of death, the proceedings shall be submitted forthwith to the High Court Division and the sentence shall not be executed unless it is confirmed by that Division.
৪৯.
আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ এর ধারা ২১গ(১) এর অধীন মধ্যস্থতা চুক্তি কী হিসাবে গণ্য হবে?
  1. আদালতের ডিক্রি
  2. আদালতের নোটিশ
  3. আদালতের অন্তর্বর্তী আদেশ
  4. পক্ষগণের নোটিশ
ব্যাখ্যা

আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ এর ধারা ২১গ: মধ্যস্থতা-চুক্তির কার্যকারিতা:
(১) পক্ষগণের সহি/স্বাক্ষর ও মধ্যস্থতাকারীর স্বাক্ষরক্রমে সম্পাদিত এবং চীফ লিগ্যাল এইড অফিসার কর্তৃক প্রত্যায়িত প্রতিটি মধ্যস্থতা চুক্তি চূড়ান্ত, বলবৎযোগ্য এবং পক্ষগণের উপর বাধ্যকর হইবে।

(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন চুক্তি আদালতের ডিক্রি অথবা ক্ষেত্রমত, চূড়ান্ত আদেশ হিসাবে গণ্য হইবে এবং এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতের মাধ্যমে উক্ত ডিক্রি বা আদেশ জারি করা যাইবে।

৫০.
শিশু আইন, ২০১৩ এর ধারা _________ এর অধীন কোনো মামলা প্রেরিত না হলে, শিশু-আদালত কোনো অপরাধ বিচারার্থে গ্রহণ করবে না।
  1. ১৫
  2. ১৫ক
  3. ১৬
  4. ১৭
ব্যাখ্যা
শিশু আইন, ২০১৩, ধারা ১৬: শিশু-আদালত:
(১) আইনের সহিত সংঘাত জড়িত শিশু কর্তৃক সংঘটিত যে কোনো অপরাধের বিচার করিবার জন্য, প্রত্যেক জেলা সদরে শিশু-আদালত নামে এক বা একাধিক আদালত থাকিবে। 

(২) নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ (২০০০ সনের ৮ নং আইন) এর অধীন গঠিত প্রত্যেক নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল স্বীয় অধিক্ষেত্রে উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত শিশু আদালত হিসাবে গণ্য হইবে : 
তবে শর্ত থাকে যে, কোনো জেলায় উক্তরূপ কোনো ট্রাইব্যুনাল না থাকিলে উক্ত জেলার জেলা ও দায়রা জজ স্বীয় অধিক্ষেত্রে উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত শিশু-আদালত হিসাবে গণ্য হইবে। 

(৩) ধারা ১৫ক এর অধীন কোনো মামলা প্রেরিত না হইলে, শিশু-আদালত শিশু কর্তৃক সংঘটিত কোনো অপরাধ বিচারার্থে গ্রহণ করিবে না
৫১.
The Special Powers Act, 1974 এর ৩ ধারা অনুযায়ী কোনো ব্যক্তিকে আটক রাখার আদেশ প্রদান করতে পারবেন কে?
  1. জেলা জজ বা অতিরিক্ত জেলা জজ
  2. স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
  3. উপদেষ্টা পর্ষদ (Advisory Board)
  4. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা

⇒ The Special Powers Act, 1974 এর ৩ ধারা অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তিকে আটক রাখার আদেশ প্রদান করতে পারবেন - জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট।

The Special Powers Act, 1974 এর ৩ ধারা: কতিপয় ব্যক্তিকে আটক বা বহিস্কারাদেশ প্রদানের ক্ষমতা-
(১) সরকার যদি এই মর্মে সন্তষ্ট হয় যে, কোনো ব্যক্তিকে ক্ষতিকর কার্য করা হইতে নিবৃত্ত করিবার জন্য আদেশ প্রদান করা আবশ্যক, তাহা হইলে - 
(ক)উক্ত ব্যক্তিকে আটক রাখিবার আদেশ প্রদান করিতে পারিবে;
(খ) উক্ত ব্যক্তিকে আদেশে উল্লিখিত পদ্ধতিতে এবং সময়ের পূর্বে ও পরে বাংলাদেশ ত্যাগ করিবার আদেশ প্রদান করিতে পারিবে:
তবে শর্ত থাকে যে, বাংলাদেশের কোনো নাগরিকের ক্ষেত্রে, বহিস্কারাদেশ প্রদান করা যাইবে না।

(২) যদি কোনো জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কোনো ব্যক্তি সম্পর্কে এই মর্মে সন্তুষ্ট হন যে, তাহাকে ধারা ২ এর দফা (চ) এর উপ-দফা (ই), (ঈ), (উ), (উ), (ঋ) বা (এ) এর অর্থানুসারে কোনো ক্ষতিকর কার্য করা হইতে নিবৃত্ত রাখিবার উদ্দেশ্যে আটক রাখা প্রয়োজন, তাহা হইলে তিনি তাহাকে আটকের আদেশ প্রদান করিতে পারিবেন।

(৩) উপ-ধারা (২) অনুসারে কোনো আদেশ প্রদান করা হইলে, আদেশ প্রদানকারী জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট অনুরূপ আদেশ প্রদানের কারণ এবং তাহার মতে উক্ত বিষয়ের সহিত সম্পর্কিত অন্যান্য সকল বিবরণসহ আটকের বিষয়টি অনতিবিলম্বে সরকারকে অবহিত করিবেন, এবং সরকার কর্তৃক ইতোমধ্যে ইহা অনুমোদিত না হইলে, উক্ত আটকাদেশ প্রদানের পর হইতে পরবর্তী ত্রিশ দিনের অধিক কার্যকর থাকিবে না।

(8) উপ-ধারা (১) (খ) এর অধীন প্রদত্ত আদেশ অনুসারে যদি কোনো ব্যক্তি বাংলাদেশ ত্যাগ করিতে ব্যর্থ হন, তাহা হইলে, উপ-ধারা (৫) এর বিধান ক্ষুন্ন না করিয়া, কোনো পুলিশ কর্মকর্তা বা সরকার কর্তৃক এতদুদ্দেশ্যে ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোনো ব্যক্তি তাহাকে অপসারণ করিতে পারিবেন।

(৫) যদি কোনো ব্যক্তি উপ-ধারা (১) (খ) এর অধীন প্রদত্ত আদেশ লঙ্ঘন করেন, তাহা হইলে তিনি অনধিক তিন বৎসরের কারাদণ্ড, বা অর্থদণ্ড, বা উভয় দন্ডে দণ্ডিত হইবেন।

৫২.
বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪ এর ধারা ৩০(১) অনুসারে, বিশেষ ট্রাইব্যুনালের আদেশ, রায় বা দণ্ডের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে আপিল দায়ের করতে হবে কত দিনের মধ্যে?
  1. ২০ দিনের মধ্যে
  2. ৩০ দিনের মধ্যে
  3. ৬০ দিনের মধ্যে
  4. ৯০ দিনের মধ্যে
ব্যাখ্যা

⇒ বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪ এর ধারা ৩০(১) এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে যে, বিশেষ ট্রাইব্যুনালের কোনো আদেশ, রায় বা দণ্ডের বিরুদ্ধে আপিল উক্ত আদেশ, রায় বা দণ্ড আরোপ বা প্রদানের তারিখ থেকে ত্রিশ (৩০) দিনের মধ্যে হাইকোর্ট বিভাগে দায়ের করতে হবে।
⇒ বিশেষ ক্ষমতা আইন,১৯৭৪- ধারা ৩০- আপিল এবং মৃত্যুদণ্ডের অনুমোদন:
(১) বিশেষ ট্রাইব্যুনালের কোনো আদেশ, রায় বা দণ্ডের বিরুদ্ধে উক্ত আদেশ, রায় বা দন্ড আরোপ বা প্রদানের ত্রিশ দিনের মধ্যে হাইকোর্ট বিভাগে আপিল দায়ের করা যাইবে।
(২) যেক্ষেত্রে বিশেষ ট্রাইব্যুনাল কোনো মৃত্যুদণ্ড প্রদান করে, সেইক্ষেত্রে অনতিবিলম্বে উহার কার্যধারা হাইকোর্ট বিভাগে প্রেরণ করিতে হইবে এবং হাইকোর্ট বিভাগ কর্তৃক মৃত্যুদণ্ড অনুমোদিত না হওয়া পর্যন্ত উহা কার্যকর করা যাইবে না।

⇒ The Special Powers Act, 1974 - Section 30: Appeals and confirmation of death sentences:
(1) An appeal from any order, judgment or sentence of a Special Tribunal may be preferred to the High Court Division within thirty days from the date of delivery or passing thereof.
(2) Where a Special Tribunal passes a sentence of death, the proceedings shall be submitted forthwith to the High Court Division and the sentence shall not be executed unless it is confirmed by that Division.

৫৩.
Who has the authority to revoke or modify a detention order under The Special Powers Act, 1974?
  1. The Supreme Court
  2. The Government
  3. The District Magistrate
  4. The Police Officer-in-Charge
ব্যাখ্যা
The Special Powers Act, 1974 - ধারা ১৩: আটকাদেশ বাতিল সংক্রান্ত বিধান-
সরকার যে কোন সময় আটকাদেশ বাতিল বা পরিবর্তন করতে পারে।
[A detention order may, at any time, be revoked or modified by the Government.]
৫৪.
বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪ অনুযায়ী, সরকার কত দিনের মধ্যে আটক আদেশের তারিখ হতে আটকের কারণ উপদেষ্টা বোর্ডের নিকট পেশ করবে?
  1. ৩০ দিন
  2. ৬০ দিন
  3. ৯০ দিন
  4. ১২০ দিন
ব্যাখ্যা
• ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনের ৯ ধারায় সরকার উপদেষ্টা বোর্ড গঠন করতে পারে। উপদেষ্টা বোর্ডের সদস্য সংখ্যা হবে ৩ জন। ২ জন এমন ব্যক্তি হবে যিনি হাইকোর্টের বিচারপতি ছিল বা আছেন বা তিনি বিচারপতি নিযুক্ত হওয়ার যোগ্য এবং অপর ব্যক্তি হবে বাংলাদেশ সরকারের উর্দ্ধতন কর্মকর্তা। যিনি হাইকোর্টের বিচারপতি ছিলেন বা আছেন বা তিনি বিচারপতি নিযুক্ত হওয়ার যোগ্য এমন ব্যক্তিকে সরকার উক্ত বোর্ডের চেয়ারম্যান নিযুক্ত করবেন।

ধারা ১০ অনুযায়ী,
আটকের তারিখ হতে ১২০ দিনের মধ্যে সরকার আটকের কারণ উপদেষ্টা বোর্ডের নিকট পেশ করবে। ক্ষতিকর কার্য হতে বিরত রাখতে ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনের অধীন সরকার কোন ব্যক্তিকে সর্বোচ্চ ১২০ দিন আটক রাখতে পারে। ১২০ দিনের অতিরিক্ত আটক রাখতে হলে উপদেষ্টা বোর্ডের মতামত অনুযায়ী রাখতে হবে। আটকের তারিখ হতে ১৭০ দিনের মধ্যে উপদেষ্টা বোর্ড ইহার রিপোর্ট সরকারের নিকট দাখিল করবে।

Section 10: Reference to Advisory Board-
In every case where a detention order has been made under this Act, the Government shall, within one hundred and twenty days from the date of detention under the order, place before the Advisory Board constituted under section 9 the grounds on which the order has been made and the representation, if any, made by the person affected by the order.
৫৫.
'ম' একজন ১২ বছরের শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টা করে, কিন্তু সে তা সম্পূর্ণ করতে ব্যর্থ হয়। এই অপরাধের জন্য 'ম' এর সর্বনিম্ন কোন দণ্ড হতে পারে?
  1. কেবল অর্থদণ্ড
  2. ৩ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  3. ৫ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  4. ৭ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
ব্যাখ্যা
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ ধারা ৯(৪)- যদি কোন ব্যক্তি কোন নারী বা শিশুকে-
(ক) ধর্ষণ করিয়া মৃত্যু ঘটানোর বা আহত করার চেষ্টা করেন, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তি 16[মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে] দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন;

(খ) ধর্ষণের চেষ্টা করেন, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তি অনধিক দশ বৎসর কিন্তু অন্যূন পাঁচ বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।
৫৬.
শিশুর দ্বারা আগ্নেয়াস্ত্র বা অবৈধ ও নিষিদ্ধ বস্তু বহন করানো বা পরিবহন করানোর অপরাধের জন্য শিশু আইন, ২০১৩ তে শাস্তির বিধান করা হয়েছে-
  1. ৩ বছর কারাদণ্ড এবং ৫০,০০০ টাকা অর্থদণ্ড
  2. ৩ বছর কারাদণ্ড এবং ১,০০,০০০ টাকা অর্থদণ্ড
  3. ৫ বছর কারাদণ্ড এবং ১,০০,০০০ টাকা অর্থদণ্ড
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
ধারা ৭৯- শিশুর দ্বারা আগ্নেয়াস্ত্র বা অবৈধ ও নিষিদ্ধ বস্তু বহন এবং সন্ত্রাসী কার্য সংঘটনের দণ্ড

(১) যদি কোন ব্যক্তি কোন শিশুর দ্বারা আগ্নেয়াস্ত্র বা অবৈধ ও নিষিদ্ধ বস্তু বহন করান বা পরিবহন করান, তাহা হইলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি এই আইনের অধীন অপরাধ করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে এবং উক্ত অপরাধের জন্য তিনি অনধিক ৩ (তিন) বৎসর কারাদণ্ড অথবা অনধিক ১ (এক) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন। 
 
(২) কোন ব্যক্তি শিশুর প্রকৃত দায়িত্বসম্পন্ন বা তত্ত্বাবধানকারী ইউক, বা না হউক, কোন শিশুকে সন্ত্রাস বিরোধী আইন, ২০০৯ (২০০৯ সনের ১৬ নং আইন) এর ধারা ৬ এ উল্লিখিত কোন সন্ত্রাসী কার্যে নিয়োজিত করিলে বা ব্যবহার করিলে তিনি স্বয়ং উক্ত সন্ত্রাসী কার্য সংঘটনের অপরাধ করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে এবং তজ্জন্য তিনি উক্ত ধারায় উল্লিখিত দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।
৫৭.
শিশু আইন, ২০১৩ অনুযায়ী 'শিশু'র বয়স অনূর্ধ্ব _______বৎসর।
  1. ১৬
  2. ১৭
  3. ১৮
  4. ২১
ব্যাখ্যা
• শিশু আইন, ২০১৩ এর ৪ ধারা-

বিদ্যমান অন্য কোন আইনে ভিন্নতর যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইনের উদ্দেশ্যপূরণকল্পে, অনুর্ধ্ব ১৮ (আঠার) বৎসর বয়স পর্যন্ত সকল ব্যক্তি শিশু হিসাবে গণ্য হইবে।
৫৮.
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর কোনো বিধান লঙ্ঘন করলে এবং তার জন্য স্বতন্ত্র কোনো দণ্ড না থাকলে, লঙ্ঘনকারী কোন দণ্ডে দণ্ডিত হবে?
  1. কারাদণ্ডে
  2. অর্থ দণ্ডে
  3. ক বা খ
  4. ক এবং খ
ব্যাখ্যা
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন,২০১৮ এর ধারা ৪২- শাস্তির ব্যবস্থা করা হয় নাই, এইরূপ মাদকদ্রব্য অপরাধের দণ্ড:

(১) কোনো ব্যক্তি যদি এই আইন অথবা বিধির কোনো বিধান লঙ্ঘন করিলে যাহার জন্য উহাতে স্বতন্ত্র কোনো দণ্ডের ব্যবস্থা নাই, তাহা হইলে তিনি উক্ত অপরাধের জন্য অনূর্ধ্ব ১ (এক) বৎসর কারাদণ্ডে এবং অর্থ দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।

(২) মাদকদ্রব্য অপরাধ দমন কার্যে নিয়োজিত কোনো আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যকে তাহার দায়িত্ব পালনকালে কোনো ব্যক্তি কোনোভাবে অসহযোগিতা করিলে অথবা বাধা প্রদান করিলে কিংবা কোনোভাবে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করিলে তাহা মাদকদ্রব্য অপরাধ সংঘটনে সহযোগিতা হিসাবে গণ্য হইবে এবং তজ্জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি অন্যূন ২ (দুই) বৎসর, অনূর্ধ্ব ১০ (দশ) বৎসর কারাদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন এবং অর্থ দণ্ডে দণ্ডিত হইবে।
৫৯.
মাদকদ্রব্য অপরাধের বিচার সর্বোচ্চ কত কার্যদিবসের মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে?
  1. ৬০ কার্যদিবস
  2. ৯০ কার্যদিবস
  3. ১২০ কার্যদিবস
  4. ১৩৫ কার্যদিবস
ব্যাখ্যা
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ধারা ৫১: বিচার সমাপ্তির মেয়াদ:
(১) বিচারের জন্য মামলা প্রাপ্তির তারিখ হইতে ৯০ (নববই) কার্যদিবসের মধ্যে এখতিয়ারসম্পন্ন আদালত কর্তৃক মাদকদ্রব্য অপরাধের বিচার সমাপ্ত করিতে হইবে।]

(২) কোনো অনিবার্য কারণে উক্ত মেয়াদের মধ্যে কোনো বিচার সমাপ্ত করা সম্ভব না হইলে, এখতিয়ারসম্পন্ন আদালত কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া অতিরিক্ত ৩০ (ত্রিশ) কার্য দিবসের মধ্যে বিচার সমাপ্ত করিতে পারিবে এবং তৎসম্পর্কে সুপ্রীম কোর্টকে লিখিতভাবে অবহিত করিবে, যাহার একটি অনুলিপি সরকারের নিকট প্রেরণ করিতে হইবে ৷

(৩) উপ-ধারা (২) এ উল্লিখিত বর্ধিত সময়ের মধ্যেও যদি যুক্তিসঙ্গত কোনো কারণে কোনো বিচার কার্য সমাপ্ত করা সম্ভব না হয়, তাহা হইলে এখতিয়ারসম্পন্ন আদালত] উহার কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া বিচার কার্য সমাপ্তির জন্য সর্বশেষ আরও ১৫ (পনেরো) কার্যদিবস সময় বর্ধিত করিতে পারিবে এবং এইরূপ সময় বর্ধিতকরণ সম্পর্কে সুপ্রিম কোর্টকে লিখিতভাবে অবহিত করিবে, যাহার একটি অনুলিপি সরকারের নিকট প্রেরণ করিতে হইবে।
 
(৪) উপ-ধারা (৩) এর অধীন বর্ধিত সময়ের মধ্যে আবশ্যিকভাবে বিচার কার্য সমাপ্ত করিতে হইবে।

সারাংশ:
মূল বিচারকাল – ৯০ কার্যদিবস।
শর্তসাপেক্ষে প্রথম সময় বর্ধন – +৩০ কার্যদিবস (কারণ লিখিতভাবে ব্যাখ্যা সহ সুপ্রিম কোর্ট ও সরকারের অবহিত করা প্রয়োজন)।
দ্বিতীয় ও চূড়ান্ত সময় বর্ধন – +১৫ কার্যদিবস (এবং একইভাবে অবহিতকরণ বাধ্য)।
এভাবে সর্বোচ্চ ১৩৫ কার্যদিবস–এ মধ্যে বিচার অবশ্যই সম্পন্ন করতে হবে।
৬০.
বিশেষ ক্ষমতা আইনে গঠিত কোন বিশেষ ট্রাইব্যুনালে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সর্বোচ্চ কী শাস্তি দিতে পারে?
  1. ৫ বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা
  2. ৭ বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা
  3. ৫ বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা
  4. ১০ বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা
ব্যাখ্যা
ধারা ২৮: বিশেষ ট্রাইব্যুনালের কর্তৃক দণ্ড প্রদানের ক্ষমতা

কোন দায়রা জজ, অতিরিক্ত দায়রা জজ বা যুগ্ম দায়রা জজ নিয়ে গঠিত কোন বিশেষ ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক দোষী সাবস্ত্য কোন ব্যক্তিকে এইরূপ যে কোন দণ্ডদান করতে পারবে যা উক্ত ব্যক্তির অপরাধের ক্ষেত্রে আইনে অনুমোদন করেছে। অর্থাৎ যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা ১৪ বৎসর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ড দিতে পারবে।
কিন্তু কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের নিয়ে গঠিত কোন বিশেষ ট্রাইব্যুনাল ৭ বৎসরে বেশি কারাদণ্ডে এবং ১০ হাজার টাকার বেশি জরিমানা করতে পারবে না।

Section 28: Powers of Special Tribunals


Notwithstanding anything contained in the Code or in any other law for the time being in force,- 
(a) a Special Tribunal consisting of a Sessions Judge, an Additional Sessions Judge or an Assistant Sessions Judge may pass upon any person convicted by it any sentence authorised by law for the punishment of the offence of which such person is convicted; 

(b) a Special Tribunal consisting of a Metropolitan Magistrate or a Magistrate of the first class may pass upon any person convicted by it any sentence authorised by law for the punishment of the offence of which such person is convicted except death, 26[imprisonment for life] or imprisonment for a term exceeding seven years and fine exceeding ten thousand taka.
৬১.
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ধারা ২৩ অনুযায়ী, পরোয়ানা ব্যতিরেকে তল্লাশির ক্ষমতাপ্রাপ্ত পুলিশ অফিসারের সর্বনিম্ন পদমর্যাদা কী?
  1. কনস্টেবল
  2. এএসআই
  3. এসআই
  4. ইন্সপেক্টর
ব্যাখ্যা

⇒ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ধারা ২৩ অনুযায়ী, পরোয়ানা ব্যতিরেকে তল্লাশির ক্ষমতা পুলিশের উপ-পরিদর্শক অথবা তদূর্ধ্ব কোনো অফিসার পদমর্যাদা থাকা কর্মকর্তাদের প্রদান করা হয়েছে।
- অর্থাৎ পুলিশের ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন পদমর্যাদা হলো উপ-পরিদর্শক (SI)। কনস্টেবল, এএসআই (সহকারী উপ-পরিদর্শক)-এর এই ক্ষমতা নেই।
- সুতরাং সঠিক উত্তর: গ) এসআই।

⇒ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ধারা ২৩- পরোয়ানা ব্যতিরেকে তল্লাশি, ইত্যাদির ক্ষমতা:
(১) মহাপরিচালক অথবা তাহার নিকট হইতে এতদুদ্দেশ্যে সাধারণ অথবা বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোনো অফিসার, অথবা পুলিশের উপ-পরিদর্শক অথবা তদূর্ধ্ব কোনো অফিসার অথবা কাস্টমসের সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা অথবা সমমানসম্পন্ন অথবা তদূর্ধ্ব কোনো অফিসার অথবা বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের ল্যান্স নায়ক অথবা তদূর্ধ্ব কোনো অফিসার অথবা কোস্ট গার্ড বাহিনীর পেটি অফিসার অথবা তদূর্ধ্ব কোনো অফিসারের এইরূপ বিশ্বাস করিবার কোনো কারণ থাকে যে, কোনো মাদকদ্রব্য অপরাধ কোনো স্থানে সংঘটিত হইয়াছে, হইতেছে অথবা হইবার আশংকা রহিয়াছে, তাহা হইলে তিনি অনুরূপ বিশ্বাসের কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া লাইসেন্স প্রিমিজেস ব্যতীত, যে কোনো সময়:-
(ক) উক্ত স্থানে প্রবেশ করিয়া তল্লাশি করিতে পারিবেন এবং প্রবেশে বাধাপ্রাপ্ত হইলে, বাধা অপসারণের জন্য দরজা-জানালা ভাঙ্গাসহ যে-কোনো প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করিতে পারিবেন;
(খ) উক্ত স্থানে তল্লাশিকালে প্রাপ্ত মাদকদ্রব্য অপরাধ সংঘটনে ব্যবহার্য মাদকদ্রব্য অথবা বস্তু এই আইনের অধীন আটক অথবা বাজেয়াপ্তযোগ্য বস্তু এবং কোনো মাদকদ্রব্য অপরাধ প্রমাণে সহায়ক কোনো দলিল, দস্তাবেজ অথবা জিনিসপত্র আটক করিতে পারিবেন;
(গ) উক্ত স্থানে উপস্থিত যে-কোনো ব্যক্তির দেহ তল্লাশি করিতে পারিবে; এবং
(ঘ) উক্ত স্থানে উপস্থিত কোনো ব্যক্তিকে কোনো মাদকদ্রব্য অপরাধ করিয়াছেন অথবা করিতেছেন বলিয়া সন্দেহে গ্রেফতার করিতে পারিবেন।(২) উপ-ধারা (১) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, সূর্যাস্ত হইতে সূর্যোদয় পর্যন্ত সময়ের মধ্যে কোনো স্থানে প্রবেশ করিয়া তল্লাশি পরিচালনা না করিলে মাদকদ্রব্য অপরাধ সম্পর্কীয় কোনো বস্তু নষ্ট অথবা লুপ্ত হইবার অথবা অপরাধী পালাইয়া যাইবার আশংকা রহিয়াছে বলিয়া উক্ত উপ-ধারায় উল্লিখিত কোনো অফিসারের বিশ্বাস করিবার সংগত কারণ থাকিলে অনুরূপ বিশ্বাসের কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া তিনি উক্ত সময়ের মধ্যে উক্ত স্থানে প্রবেশ ও তল্লাশি করিতে পারিবে।

৬২.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ অনুযায়ী, দলবদ্ধভাবে নারী বা শিশু ধর্ষণের ফলে যদি মৃত্যু ঘটে, তবে ঐ দলের প্রত্যেক ব্যক্তির কী শাস্তি হতে পারে?
  1. শুধুমাত্র মৃত্যুদণ্ড
  2. শুধুমাত্র যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড
  3. শুধুমাত্র মৃত্যুদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  4. মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
ব্যাখ্যা
ধারা ৯- ধর্ষণ, ধর্ষণজনিত কারণে মৃত্যু, ইত্যাদির শাস্তি:

(১) যদি কোন পুরুষ কোন নারী বা শিশুকে ধর্ষণ করেন, তাহা হইলে তিনি মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।
ব্যাখ্যা৷- যদি কোন পুরুষ বিবাহ বন্ধন ব্যতীত ষোল বৎসরের অধিক বয়সের কোন নারীর সহিত তাহার সম্মতি ব্যতিরেকে বা ভীতি প্রদর্শন বা প্রতারণামূলকভাবে তাহার সম্মতি আদায় করিয়া, অথবা ষোল বৎসরের কম বয়সের কোন নারীর সহিত তাহার সম্মতিসহ বা সম্মতি ব্যতিরেকে যৌন সঙ্গম করেন, তাহা হইলে তিনি উক্ত নারীকে ধর্ষণ করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবেন।

(২) যদি কোন ব্যক্তি কর্তৃক ধর্ষণ বা উক্ত ধর্ষণ পরবর্তী তাহার অন্যবিধ কার্যকলাপের ফলে ধর্ষণের শিকার নারী বা শিশুর মৃত্যু ঘটে, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অন্যূন এক লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।

(৩) যদি একাধিক ব্যক্তি দলবদ্ধভাবে কোন নারী বা শিশুকে ধর্ষণ করেন এবং ধর্ষণের ফলে উক্ত নারী বা শিশুর মৃত্যু ঘটে বা তিনি আহত হন, তাহা হইলে ঐ দলের প্রত্যেক ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অন্যূন এক লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।
 
(৪) যদি কোন ব্যক্তি কোন নারী বা শিশুকে-
(ক) ধর্ষণ করিয়া মৃত্যু ঘটানোর বা আহত করার চেষ্টা করেন, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন;
(খ) ধর্ষণের চেষ্টা করেন, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তি অনধিক দশ বৎসর কিন্তু অন্যূন পাঁচ বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।

(৫) যদি পুলিশ হেফাজতে থাকাকালীন সময়ে কোন নারী ধর্ষণের শিকার] হন, তাহা হইলে যাহাদের হেফাজতে থাকাকালীন উক্তরূপ ধর্ষণ সংঘটিত হইয়াছে, সেই ব্যক্তি বা ব্যক্তিগণ ধর্ষণের শিকার নারীর হেফাজতের জন্য সরাসরিভাবে দায়িত্বপ্রাপ্ত ছিলেন, তিনি বা তাহারা প্রত্যেকে, ভিন্নরূপ প্রমাণিত না হইলে, হেফাজতের ব্যর্থতার জন্য, অনধিক দশ বৎসর কিন্তু অন্যূন পাঁচ বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অন্যূন দশ হাজার টাকা অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।
৬৩.
শিশু আইন, ২০১৩ এর অধীন 'শিশু'র বয়স অনূর্ধ্ব কত বছর?
  1. ১৬ বছর
  2. ১৫ বছর
  3. ১৮ বছর
  4. ২১ বছর
ব্যাখ্যা
শিশু আইন, ২০১৩ এর ৪ ধারা-
 
বিদ্যমান অন্য কোন আইনে ভিন্নতর যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইনের উদ্দেশ্যপূরণকল্পে, অনুর্ধ্ব ১৮ (আঠার) বৎসর বয়স পর্যন্ত সকল ব্যক্তি শিশু হিসাবে গণ্য হইবে।
৬৪.
'ক' তার ৮ বছরের ছেলেকে একটি রিভলবার দিয়ে বলে তার বন্ধু 'খ' কে দিয়ে আসতে। উক্ত কাজের জন্য 'ক' কোন ধরনের শাস্তি পেতে পারে?
  1. অনধিক ৩ বৎসর কারাদণ্ড অথবা অনধিক ১ লক্ষ টাকা
  2. অনধিক ১ বৎসর কারাদণ্ড অথবা অনধিক ৫০ হাজার টাকা
  3. অনধিক ৫ বৎসর কারাদণ্ড অথবা অনধিক ১ লক্ষ টাকা
  4. অনধিক ৭ বৎসর কারাদণ্ড অথবা অনধিক ১ লক্ষ টাকা
ব্যাখ্যা
ধারা ৭৯- শিশুর দ্বারা আগ্নেয়াস্ত্র বা অবৈধ ও নিষিদ্ধ বস্তু বহন এবং সন্ত্রাসী কার্য সংঘটনের দণ্ড

(১) যদি কোন ব্যক্তি কোন শিশুর দ্বারা আগ্নেয়াস্ত্র বা অবৈধ ও নিষিদ্ধ বস্তু বহন করান বা পরিবহন করান, তাহা হইলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি এই আইনের অধীন অপরাধ করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে এবং উক্ত অপরাধের জন্য তিনি অনধিক ৩ (তিন) বৎসর কারাদণ্ড অথবা অনধিক ১ (এক) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন। 
 
(২) কোন ব্যক্তি শিশুর প্রকৃত দায়িত্বসম্পন্ন বা তত্ত্বাবধানকারী ইউক, বা না হউক, কোন শিশুকে সন্ত্রাস বিরোধী আইন, ২০০৯ (২০০৯ সনের ১৬ নং আইন) এর ধারা ৬ এ উল্লিখিত কোন সন্ত্রাসী কার্যে নিয়োজিত করিলে বা ব্যবহার করিলে তিনি স্বয়ং উক্ত সন্ত্রাসী কার্য সংঘটনের অপরাধ করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে এবং তজ্জন্য তিনি উক্ত ধারায় উল্লিখিত দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।
৬৫.
শিশু আদালত মোট কত দিনের মধ্যে বিচারকার্য সম্পন্ন করবে?
  1. ৩৬০ দিনের মধ্যে
  2. ১২০ দিনের মধ্যে
  3. ৪২০ দিনের মধ্যে
  4. ৯০ দিনের মধ্যে
ব্যাখ্যা
ধারা ৩২- বিচার সমাপ্তির সময়সীমা
 
(১) ফৌজদারী কার্যবিধি বা আপাততঃ বলবৎ অন্য কোন আইনে ভিন্নতর যাহা কিছুই থাকুক না কেন, শিশু-আদালত উক্ত আদালতে শিশুর প্রথম উপস্থিত হইবার তারিখ হইতে ৩৬০ (তিনশত ষাট) দিনের মধ্যে বিচারকার্য সম্পন্ন করিবে। 

(২) কোন যুক্তিসঙ্গত ও বাস্তব কারণে উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত সময়সীমার মধ্যে বিচারকার্য সম্পন্ন করা সম্ভব না হইলে শিশু-আদালত, উক্ত কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া, সংশ্লিষ্ট বিচারকার্য সম্পন্নের সময়সীমা আরও ৬০ (ষাট) দিন বর্ধিত করিতে পারিবে। 

(৩) শিশু-আদালতে বিচার আরম্ভ হইবার পর হইতে, বিচার কার্য সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত যতদূর সম্ভব, একাদিক্রমে উহার কার্যক্রম প্রত্যেক কার্যদিবসে বিনা বিরতিতে চলিতে থাকিবে। 

(৪) উপ-ধারা (১) ও (২) এ বর্ণিত সময়ের মধ্যে বিচার কার্য সম্পন্ন করা না হইলে সংশ্লিষ্ট শিশু, হত্যা, ধর্ষণ, দস্যুতা, ডাকাতি, মাদক ব্যবসা বা অন্য কোন জঘন্য, ঘৃণ্য বা গুরুতর অপরাধের দায়ে দায়েরকৃত মামলা ব্যতীত, শিশু-আদালতের বিবেচনায় তাহার বিরুদ্ধে আনীত লঘু মাত্রার অভিযোগ হইতে অব্যাহতি পাইবে এবং একই অপরাধের জন্য তাহার বিরু্দ্ধে অন্য কোন বিচার প্রক্রিয়া গ্রহণ করা যাইবে না: 
তবে শর্ত থাকে যে, সংশ্লিষ্ট মামলায় কোন প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি অভিযুক্ত থাকিলে তাহার মামলা অব্যাহত থাকিবে।

অর্থাৎ শিশু আদালত মোট ৪২০ দিনের মধ্যে বিচারকার্য সম্পন্ন করবে।
৬৬.
আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ এর অধীনে ঘটিত জাতীয় পরিচালনা বোর্ডের সভা অনুষ্ঠিত হইবে-
  1. প্রতি এক মাসে কমপক্ষে একটি
  2. প্রতি দুই মাসে কমপক্ষে একটি
  3. প্রতি তিন মাসে কমপক্ষে একটি
  4. প্রতি ছয় মাসে কমপক্ষে একটি
ব্যাখ্যা
৮ ধারার বিধান: বোর্ডের সভা
 (১) এই ধারার অন্যান্য বিধানাবলী সাপেতেগ, বোর্ড উহার সভার কার্যপদ্ধতি নির্ধারণ করিতে পারিবে৷ 
(২) বোর্ডের সভা উহার চেয়ারম্যান কর্তৃক নির্ধারিত স্থান ও সময়ে অনুষ্ঠিত হইবে: 
তবে শর্ত থাকে যে, প্রতি তিন মাসে বোর্ডের কমপক্ষে একটি সভা অনুষ্ঠিত হইবে৷

(৩) চেয়ারম্যান বোর্ডের সকল সভায় সভাপতিত্ব করিবেন এবং তাহার অনুপস্থিতিতে তত্কর্তৃক নির্দেশিত কোন সদস্য বা এইরূপ কোন নির্দেশ না থাকিলে সভায় উপস্থিত সদস্যগণের দ্বারা নির্বাচিত অন্য কোন সদস্য সভায় সভাপতিত্ব করিবেন৷ 
(৪) বোর্ডের সভার কোরামের জন্য উহার মোট সদস্য সংখ্যার অন্যুন এক-তৃতীয়াংশ সদস্যের উপস্থিতির প্রয়োজন হইবে, তবে মূলতবী সভার তেগত্রে কোন কোরামের প্রয়োজন হইবে না৷ 
(৫) বোর্ডের প্রত্যেক সদস্যের একটি করিয়া ভোট থাকিবে এবং ভোটের সমতার তেগত্রে সভায় সভাপতিত্বকারী সদস্যের দ্বিতীয় বা নির্ণায়ক ভোট প্রদানের তগমতা থাকিবে৷ 
(৬) শুধুমাত্র কোন সদস্য পদে শূন্যতা বা বোর্ড গঠনে ত্রম্্নটি থাকার কারণে বোর্ডের কোন কার্য বা কার্যধারা অবৈধ হইবে না এবং তত্সম্পর্কে কোন প্রশ্নও উত্থাপন করা যাইবে না৷
৬৭.
প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি ও শিশু একত্রে অপরাধ করলে, শিশু আইন, ২০১৩ এর ধারা ১৫(২) অনুযায়ী-
  1. একসাথে অপরাধ আমলে গ্রহণ করা যাবে
  2.  কেবল শিশুর অপরাধ আমলে নেওয়া যাবে
  3. কেবল প্রাপ্তবয়স্কদের অপরাধ আমলে নেওয়া যাবে
  4. প্রাপ্তবয়স্ক ও শিশুর অপরাধ পৃথকভাবে আমলে নিতে হবে
ব্যাখ্যা

• শিশু আইন, ২০১৩: ধারা ১৫- পুলিশ রিপোর্ট (investigation report) বা অনুসন্ধান প্রতিবেদন (inquiry report) বা তদন্ত প্রতিবেদন (enquiry report) পৃথকভাবে প্রস্তুত ও আমলে গ্রহণ:

(১) ফৌজদারি কার্যবিধি বা আপাতত বলবৎ অন্য কোনো আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, কোনো অপরাধ সংঘটনে প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি ও শিশু জড়িত থাকিলে, পুলিশ রিপোর্ট (জি.আর মামলার ক্ষেত্রে) বা ক্ষেত্রমত, অনুসন্ধান প্রতিবেদন (সি.আর মামলার ক্ষেত্রে) বা তদন্ত প্রতিবেদন প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি ও শিশুর জন্য পৃথকভাবে প্রস্তুত করিয়া দাখিল করিতে হইবে। 

(২) ফৌজদারি কার্যবিধি বা আপাতত বলবৎ অন্য কোনো আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি ও শিশু কর্তৃক একত্রে সংঘটিত কোনো অপরাধ আমলে গ্রহণের ক্ষেত্রে তাহাদের অপরাধ পৃথকভাবে আমলে গ্রহণ করিতে হইবে।

৬৮.
কোনো মাদকদ্রব্য অপরাধের জন্য মাদকদ্রব্য আইনে নির্দিষ্ট কোনো শাস্তির ব্যবস্থা না থাকলে, তাহলে সেই অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ কত বছরের কারাদণ্ড হতে পারে?
  1. ৬ মাস
  2. ১ বছর
  3. ২ বছর
  4. ৩ বছর
ব্যাখ্যা
ধারা ৪২- শাস্তির ব্যবস্থা করা হয় নাই, এইরূপ মাদকদ্রব্য অপরাধের দণ্ড:
(১) কোনো ব্যক্তি যদি এই আইন অথবা বিধির কোনো বিধান লঙ্ঘন করিলে যাহার জন্য উহাতে স্বতন্ত্র কোনো দণ্ডের ব্যবস্থা নাই, তাহা হইলে তিনি উক্ত অপরাধের জন্য অনূর্ধ্ব ১ (এক) বৎসর কারাদণ্ডে এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন। 

(২) মাদকদ্রব্য অপরাধ দমন কার্যে নিয়োজিত কোনো আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যকে তাহার দায়িত্ব পালনকালে কোনো ব্যক্তি কোনোভাবে অসহযোগিতা করিলে অথবা বাধা প্রদান করিলে কিংবা কোনোভাবে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করিলে তাহা মাদকদ্রব্য অপরাধ সংঘটনে সহযোগিতা হিসাবে গণ্য হইবে এবং তজ্জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি অন্যূন ২ (দুই) বৎসর, অনূর্ধ্ব ১০ (দশ) বৎসর কারাদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন এবং অর্থ দণ্ডে দণ্ডিত হইবে।
৬৯.
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ৩১(১) (ক) ধারা অনুযায়ী অপরাধের তদন্তের সময়সীমা কত দিন?
  1. ৬০
  2. ৩০
  3. ১৫
  4. ৪৫
ব্যাখ্যা
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ৩১ ধারার বিধান মাদকদ্রব্য অপরাধ তদন্তের সময়সীমা:
 (১) ফৌজদারি কার্যবিধিতে ভিন্নতর যাহা কিছুই থাকুক না কেন, কোনো মাদকদ্রব্য অপরাধ তদন্ত-
(ক) অভিযুক্ত ব্যক্তি মাদকদ্রব্য অপরাধ সংঘটনের সময়ে হাতেনাতে পুলিশ কর্তৃক ধৃত হইলে অথবা এই আইনের অধীন ক্ষমতাপ্রাপ্ত অন্য কোনো ব্যক্তি কর্তৃক ধৃত হইয়া কোনো এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতের নিকট সোপর্দ হইলে, তাহার ধৃত হইবার তারিখ হইতে পরবর্তী ৩০ (ত্রিশ) কার্য দিবসের মধ্যে সম্পন্ন করিতে হইবে;
(খ) অভিযুক্ত ব্যক্তি মাদকদ্রব্য অপরাধ সংঘটনের সময় হাতেনাতে ধৃত না হইলে মাদকদ্রব্য অপরাধ সংঘটন সংক্রান্ত প্রাথমিক তথ্যপ্রাপ্তি বা, ক্ষেত্রমত, মহাপরিচালক অথবা তাহার নিকট হইতে ক্ষমতাপ্রাপ্ত অফিসার বা এখতিয়ারসম্পন্ন আদালত বা সংশ্লিষ্ট অন্য কোনো কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রদত্ত তদন্তের আদেশ প্রাপ্তির তারিখ হইতে পরবর্তী ৬০ (ষাট) কার্য দিবসের মধ্যে সম্পন্ন করিতে হইবে; এবং
(গ) একই মামলায় গ্রেফতার ও পলাতক ব্যক্তি থাকিলে উক্ত মামলার তদন্ত উপ-ধারা (১) (খ) অনুযায়ী সম্পন্ন হইবে।
৭০.
The Special Powers Act, 1974 এর অধীন উপদেষ্টা বোর্ড কয় জন ব্যক্তির সমন্বয়ে গঠিত হবে?
  1. ৩ জন
  2. ৫ জন
  3. ৭ জন
  4. ৯ জন
ব্যাখ্যা
The Special Powers Act, 1974 এর ধারা ৯: উপদেষ্টা বোর্ড গঠন:
১। সরকার, যখন প্রয়োজন মনে করিবে, তখন এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণের জন্য একটি উপদেষ্টা বোর্ড গঠন করিবে।

২। উপদেষ্টা বোর্ড তিনজন ব্যক্তির সমন্বয়ে গঠিত হইবে, যাহাদের মধ্যে দুইজন হইবেন এমন ব্যক্তি, যাঁহারা হাইকোর্ট বিভাগের বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন, করেছেন অথবা যাঁহারা উক্ত পদে নিয়োগের যোগ্য; এবং অপর একজন হইবেন প্রজাতন্ত্রের সেবায় কর্মরত একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা। এই ব্যক্তিগণকে সরকার কর্তৃক নিয়োগ দেওয়া হইবে।

৩। সরকার বোর্ডের সদস্যদের মধ্যে যিনি হাইকোর্ট বিভাগের বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন, করেছেন অথবা যিনি উক্ত পদে নিয়োগের যোগ্য, তাঁহার মধ্যে একজনকে বোর্ডের চেয়ারম্যান নিযুক্ত করিবে।
৭১.
আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ এর অধীনে গঠিত জাতীয় পরিচালনা বোর্ডের চেয়ারম্যান কে?
  1. প্রধানমন্ত্রী
  2. অ্যাটর্নি-জেনারেল
  3. জাতীয় সংসদের স্পীকার
  4. আইনমন্ত্রী
ব্যাখ্যা
আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ এর ৬ ধারার বিধান জাতীয় পরিচালনা বোর্ড:
 (১) জাতীয় পরিচালনা বোর্ড নিম্নবর্ণিত সদস্য সমন্বয়ে গঠিত হইবে, যথাঃ- 

(ক) আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে নিয়োজিত মন্ত্রী, যিনি ইহার চেয়ারম্যানও হইবেন; 
(খ) জাতীয় সংসদের স্পীকার কর্তৃক মনোনীত দুইজন সংসদ-সদস্য, যাহাদের মধ্যে একজন সরকার দলীয় এবং অন্যজন বিরোধী দলীয় হইবেন;
(গ) বাংলাদেশের অ্যাটর্নি-জেনারেল; 
(ঘ) সচিব, আইন ও বিচার বিভাগ, আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়; 
(ঙ) সচিব, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়; 
(চ) সচিব, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়; 
(ছ) মহা-পুলিশ পরিদর্শক; 
(ছছ) রেজিস্ট্রার, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট;
(জ) মহা-কারা পরিদর্শক; 
(ঝ) ভাইস-চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ বার কাউন্সিল; 
(ঞ) সভাপতি, বাংলাদেশ সুপ্রীমকোর্ট আইনজীবী সমিতি; 
(ট) চেয়ারম্যান, জাতীয় মহিলা সংস্থা; 
(ঠ) প্রত্যেকটি জেলায় কার্যক্রম রহিয়াছে এইরূপ প্রতিষ্ঠিত আইন ও মানবাধিকার সম্পর্কিত বেসরকারী সংস্থা হইতে সরকার কর্তৃক মনোনীত তিনজন প্রতিনিধি; 
(ড) প্রত্যেকটি জেলায় কার্যক্রম রহিয়াছে এইরূপ প্রতিষ্ঠিত নারী সংস্থা হইতে সরকার কর্তৃক মনোনীত তিনজন প্রতিনিধি; 
(ঢ) পরিচালক, যিনি ইহার সদস্য-সচিবও হইবেন।
(২) উপ-ধারা ১(ঠ) এবং (ড) এর অধীন মনোনীত সদস্যগণ তাহাদের মনোনয়নের তারিখ হইতে দুই বছরের মেয়াদে স্বীয় পদে বহাল থাকিবেন:

তবে শর্ত থাকে যে, সরকার উক্ত মেয়াদ শেষ হওয়ার পূর্বেই কোন কারণ না দর্শাইয়া উক্তরূপ কোন সদস্যকে তাহার পদ হইতে অপসারণ করিতে পারিবে: 
আরো শর্ত থাকে যে, উক্তরূপ কোন সদস্য সরকারের উদ্দেশ্যে স্বাতগরযুক্ত পত্রযোগে স্বীয় পদ ত্যাগ করিতে পারিবেন৷

অর্থাৎ আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ এর অধীনে গঠিত জাতীয় পরিচালনা বোর্ডের চেয়ারম্যান আইনমন্ত্রী।
৭২.
বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪ এর কত ধারায় 'Trial in absentia' এর বিধান আছে?
  1. ধারা ২১(৬)
  2. ধারা ২৪(৬)
  3. ধারা ২৬(৬)
  4. ধারা ২৭(৬)
ব্যাখ্যা
• ''Trial in absentia'' অর্থ  অভিযুক্তের অনুপস্থিতিতে বিচার।

বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪ এর ধারা ২৭(৬)- বিশেষ ট্রাইব্যুনালের কার্যপদ্ধতি:
যেক্ষেত্রে কোনো বিশেষ ট্রাইব্যুনালের এই মর্মে বিশ্বাস করিবার কারণ থাকে যে, কোনো আসামী পলায়ন করিয়াছেন বা আত্মগোপন করিয়াছেন যাহাতে তাহাকে গ্রেফতার করা না যায়, বা উহার সম্মুখে বিচারের জন্য হাজির করা না যায় এবং তাহাকে গ্রেফতার করিবার আশু সম্ভাবনা নাই, সেইক্ষেত্রে উহা বহুল প্রচারিত কমপক্ষে ২ (দুই) টি বাংলা দৈনিক সংবাদপত্রে প্রকাশিত আদেশ দ্বারা, আদেশে নির্ধারিত তারিখের মধ্যে উহার সম্মুখে হাজির হইবার জন্য তাহাকে নির্দেশ প্রদান করিবে এবং উক্ত ব্যক্তি উক্ত নির্দেশ প্রতিপালনে ব্যর্থ হইলে, তাহার অনুপস্থিতিতে তাহার বিচার করা যাইবে।
৭৩.
বিশেষ ক্ষমতা আইনের ২৬ ধারার অধীন অপরাধের বিচারের জন্য কে স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল হিসেবে গণ্য হবেন?
  1. জেলা জজ
  2. যুগ্ম দায়রা জজ
  3. হাইকোর্ট বিচারক
  4. তৃতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা

⇒ বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪ এর ২৬ ধারার (২) উপ-ধারা অনুসারে, দায়রা জজ, অতিরিক্ত দায়রা জজ এবং যুগ্ম দায়রা জজ তাদের নিজ দায়রা বিভাগের মধ্যে এই আইনের অধীন অপরাধের বিচারের জন্য স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল হিসেবে গণ্য হবেন। বিকল্পগুলোর মধ্যে "যুগ্ম দায়রা জজ" সঠিক উত্তর, কারণ এটি স্পষ্টভাবে আইনে উল্লেখিত। জেলা জজ বা হাইকোর্ট বিচারক এই ধারায় স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল হিসেবে উল্লেখিত নন, এবং তৃতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট এই বিচারের জন্য এখতিয়ারসম্পন্ন নন। তাই সঠিক উত্তর হলো খ) যুগ্ম দায়রা জজ।

⇒ বিশেষ ক্ষমতা আইনের ২৬ ধারার বিধান:  এই আইন অনুসারে অপরাধসমূহ এবং অন্যান্য কতিপয় অপরাধের বিচার স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক করা হবে:
-এই আইনের তফসিলে নির্দিষ্ট অপরাধসমূহ শুধুমাত্র স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক বিচারযোগ্য হবে।
-এই আইনের অধীন অপরাধসমূহের বিচারের জন্য দায়রা জজ, অতিরিক্ত দায়রা জজ এবং যুগ্ম দায়রা জজ নিজ দায়রা বিভাগের মধ্যে স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল হিসেবে গণ্য হবে। দায়রা জজকে নিয়ে গঠিত স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল বিচারের যেকোন স্তরে তার নিজের দায়রা বিভাগের মধ্যে একটি স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল হতে অপর স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল যেকোন মামলা হস্তান্তর করতে পারবেন।
- সরকার এই আইনের তফসিলের ৩য় এবং ৪র্থ প্যারায় বর্ণিত অপরাধসমূহের বিচারের জন্য একজন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট নিয়ে অতিরিক্ত স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল গঠন করতে পারবে।
--------------
⇒ The Special Powers Act, 1974 Section-26. Offences under this Act and certain other offences to be tried by Special Tribunals:
(1) Notwithstanding anything contained in the Code or in any other law for the time being in force, the offences specified in the Schedule to this Act shall be triable exclusively by a Special Tribunal constituted under sub-section (2).
(2) Every Sessions Judge, Additional Sessions Judge and Assistant Sessions Judge shall, for the areas within his sessions division, be a Special Tribunal for the trial of offences triable under this Act 21:
Provided that the Government may, for the purpose of trial of offences mentioned in paragraphs 3 and 4 of the Schedule to this Act, constitute one or more additional Special Tribunals for such areas as may be specified by the Government and an additional Special Tribunal so constituted shall consist of one member, to be appointed by the Government, who shall be a person who is a Metropolitan Magistrate or a Magistrate of the first class.
 (3) A Special Tribunal consisting of the Sessions Judge may transfer, at any stage of the trial, any case from one Special Tribunal to another Special Tribunal within his sessions division.

৭৪.
যদি শিশুকে জামিনে মুক্তি না দেওয়া হয়, তাহলে শিশুবিষয়ক পুলিশ কর্মকর্তাকে কত ঘণ্টার মধ্যে শিশুকে শিশু-আদালতে হাজির করতে হবে?
  1. ১২ ঘণ্টার মধ্যে
  2. ২৪ ঘণ্টার মধ্যে
  3. ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে
  4. ৭২ ঘণ্টার মধ্যে
ব্যাখ্যা
শিশু আইন, ২০১৩, ধারা ৫২: জামিন, ইত্যাদি:
(১) ফৌজদারি কার্যবিধিসহ বা আপাততঃ বলবৎ অন্য কোন আইন বা এই আইনের অন্য কোন বিধানে ভিন্নরূপ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, কোন শিশুকে গ্রেফতার করিবার পর এই আইনের অধীন মুক্তি প্রদান বা বিকল্প পন্থায় প্রেরণ করা অথবা তাৎক্ষণিকভাবে আদালতে হাজির করা সম্ভবপর না হইলে শিশুবিষয়ক পুলিশ কর্মকর্তা শিশুটিকে, ক্ষেত্রমত, তাহার মাতা-পিতা এবং তাহাদের উভয়ের অবর্তমানে তত্ত্বাবধানকারী অভিভাবক বা কর্তৃপক্ষ অথবা আইনানুগ বা বৈধ অভিভাবক বা, ক্ষেত্রমত, বর্ধিত পরিবারের সদস্য বা প্রবেশন কর্মকর্তার তত্ত্বাবধানে শর্ত ও জামানত সাপেক্ষে, অথবা, শর্ত ও জামানত ব্যতীত জামিনে মুক্তি প্রদান করিতে পারিবেন। 
 
(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন কোন শিশুকে জামিনে মুক্তি প্রদানের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট অপরাধ জামিনযোগ্য বা জামিন অযোগ্য কি না তাহা শিশুবিষয়ক পুলিশ কর্মকর্তা বিবেচনায় লইবেন না। 
 
(৩) উপ-ধারা (২) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, অপরাধের প্রকৃতি গুরুতর বা ঘৃণ্য প্রকৃতির হইলে বা জামিন প্রদান করা হইলে উহা শিশুর সর্বোত্তম স্বার্থের পরিপন্থী হইলে বা জামিন প্রদান করা হইলে সংশ্লিষ্ট শিশু কোন কুখ্যাত অপরাধীর সাহচর্য লাভ করিতে পারে বা নৈতিক বিপদের সম্মুখীন হইতে পারে বা জামিন প্রদান করা হইলে ন্যায় বিচারের উদ্দেশ্য ব্যাহত হইবার আশঙ্কা থাকিলে শিশুবিষয়ক পুলিশ কর্মকর্তা সংশ্লিষ্ট শিশুকে জামিন বা মুক্তি প্রদান করিবেন না। 
 
(৪) গ্রেফতারকৃত শিশুকে উপ-ধারা (৩) এর অধীন জামিনে মুক্তি প্রদান করা না হইলে শিশুবিষয়ক পুলিশ কর্মকর্তা, গ্রেফতারের পর আদালতে উপস্থাপনের জন্য প্রয়োজনীয় ভ্রমণ সময় ব্যতীত, ২৪ (চবিবশ) ঘন্টার মধ্যে সংশ্লিষ্ট শিশুকে নিকটস্থ শিশু-আদালতে হাজির করিবার ব্যবস্থা গ্রহণ করিবেন। 
 
(৫) থানা হইতে জামিনপ্রাপ্ত হয় নাই এমন কোন শিশুকে শিশু-আদালতে উপস্থাপন করা হইলে শিশু-আদালত তাহাকে জামিন প্রদান করিবে বা নিরাপদ স্থানে বা শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে আটক রাখিবার আদেশ প্রদান করিবে। 
৭৫.
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের প্রধান নির্বাহী কে?
  1. চেয়ারম্যান
  2. পরিচালক
  3. কমিশনার
  4. মহাপরিচালক
ব্যাখ্যা
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ধারা ৭: মহাপরিচালক:
(১) অধিদপ্তরের একজন মহাপরিচালক থাকিবে এবং তিনি অধিদপ্তরের প্রধান নির্বাহী হইবেন। 
(২) মহাপরিচালক সরকার কর্তৃক নিযুক্ত হইবে এবং তাহার চাকরির শর্তাদি সরকার কর্তৃক স্থিরীকৃত হইবে।
৭৬.
‘আইনের সহিত সংঘাতে জড়িত শিশু’ বলতে কী বোঝায়?
  1. যে শিশু আইনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করে
  2. যে শিশু অন্য শিশুদের সহিত সংঘাতে লিপ্ত
  3. যে শিশু বিচারাধীন মামলায় সাক্ষী দেয়
  4. যে শিশু অপরাধে অভিযুক্ত অথবা দোষী সাব্যস্ত
ব্যাখ্যা

শিশু আইন, ২০১৩ ধারা ২(৩) ‘আইনের সহিত সংঘাতে জড়িত শিশু (Children in Conflict with the Law)’ অর্থ-
এমন কোন শিশু যে, দণ্ডবিধির ধারা ৮২ ও ৮৩ এ বিধান সাপেক্ষে, বিদ্যমান কোন আইনের অধীন কোন অপরাধের দায়ে অভিযুক্ত অথবা বিচারে দোষী সাব্যস্ত;

৭৭.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের রায় বা আদেশে ক্ষুব্ধ পক্ষ আপীল করতে পারেন-
  1. আপীল বিভাগে
  2. হাইকোর্ট বিভাগে
  3. জেলা জজ আদালতে
  4. বিশেষ আপীল ট্রাইব্যুনালে
ব্যাখ্যা
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ধারা ২৮: আপীল:
ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক প্রদত্ত আদেশ, রায় বা আরোপিত দণ্ড দ্বারা সংক্ষুব্ধ পক্ষ, উক্ত আদেশ, রায় বা দণ্ডাদেশ প্রদানের তারিখ হইতে ত্রিশ দিনের মধ্যে, হাইকোর্ট বিভাগে আপীল করিতে পারিবেন।
৭৮.
শিশু আইন, ২০১৩ এর ৩০ ধারায় শিশু-আদালত কর্তৃক আদেশ প্রদানের ক্ষেত্রে কয়টি বিবেচ্য বিষয়ের কথা উল্লেখ আছে?
  1. ১০
  2. ১১
  3. ১২
ব্যাখ্যা
⇒ শিশু আইন, ২০১৩ এর ৩০ ধারার বিধান: শিশু-আদালত কর্তৃক আদেশ প্রদানের ক্ষেত্রে বিবেচ্য বিষয়:
- এই আইনের অধীন কোন আদেশ প্রদানের ক্ষেত্রে শিশু-আদালত নিম্নবর্ণিত বিষয় বিবেচনা করিবে, যথা :-
(ক) শিশুর বয়স ও লিঙ্গ;
(খ) শিশুর শারীরিক ও মানসিক অবস্থা;
(গ) শিশুর শিক্ষাগত যোগ্যতা বা শিশু কোন শ্রেণিতে অধ্যয়নরত;
(ঘ) শিশুর সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও নৃতাত্ত্বিক অবস্থা;
(ঙ) শিশুর পরিবারের আর্থিক অবস্থা;
(চ) শিশুর ও তাহার পরিবারের জীবন-যাপন পদ্ধতি;
(ছ) অপরাধ সংঘটনের কারণ, দলবদ্ধতা তথ্য, সার্বিক পরিস্থিতি ও পটভূমি;
(জ) শিশুর অভিমত;
(ঝ) সামাজিক অনুসন্ধান প্রতিবেদন; এবং
(ঞ) শিশুর সংশোধন ও সর্বোত্তম স্বার্থ সংরক্ষণের জন্য আনুষঙ্গিক যে সকল বিষয় বিবেচনার্থে গ্রহণ করা আবশ্যক ও প্রয়োজন।

-শিশু আইন, ২০১৩ এর ৩০ ধারায় শিশু-আদালত কর্তৃক আদেশ প্রদানের ক্ষেত্রে এই ১০টি বিবেচ্য বিষয়ের কথা উল্লেখ আছে।
৭৯.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর কত ধারায় সংবাদ মাধ্যমে নির্যাতনের শিকার নারী ও শিশুর পরিচয় প্রকাশের ব্যাপারে বাধা-নিষেধ রয়েছে?
  1. ধারা ১৩
  2. ধারা ১৪
  3. ধারা ১৫
  4. ধারা ১৬
ব্যাখ্যা
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০: ধারা ১৪: সংবাদ মাধ্যমে নির্যাতনের শিকার নারী ও শিশুর পরিচয় প্রকাশের ব্যাপারে বাধা-নিষেধ:
(১) এই আইনে বর্ণিত অপরাধের শিকার হইয়াছেন এইরূপ নারী বা শিশুর ব্যাপারে সংঘটিত অপরাধ বা তত্সম্পর্কিত আইনগত কার্যধারার সংবাদ বা তথ্য বা নাম-ঠিকানা বা ছবি বা অন্যবিধ তথ্য কোন সংবাদ পত্রে বা অন্য কোন সংবাদ মাধ্যমে 36[বা অনলাইনে বা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে] এমনভাবে প্রকাশ বা পরিবেশন করা যাইবে যাহাতে উক্ত নারী বা শিশুর পরিচয় প্রকাশ না পায় ।
 
(২) উপ-ধারা (১) এর বিধান লংঘন করা হইলে উক্ত লংঘনের জন্য দায়ী ব্যক্তি বা ব্যক্তিবর্গের প্রত্যেকে অনধিক দুই বৎসর কারাদণ্ডে বা অনূর্ধ্ব এক লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে বা উভয় দণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন।
৮০.
কোন বিচারপ্রার্থীকে আইনগত সহায়তা প্রদানের জন্য সিদ্ধান্ত গৃহীত হলে, মামলা পরিচালনার জন্য কমিটি তালিকাভুক্ত আইনজীবীগণের মধ্যে থেকে কয় জন আইনজীবীকে মনোনীত করবে?
  1. ৫ জন
  2. ৩ জন
  3. ২ জন
  4. ৪ জন
ব্যাখ্যা
• আইনগত সহায়তা প্রদান প্রবিধানমালা, ২০১৫ এর ৫ ধারা মতে,

কোন বিচারপ্রার্থীকে আইনগত সহায়তা প্রদানের জন্য সিদ্ধান্ত গৃহীত হলে মামলা পরিচালনার জন্য কমিটি তালিকাভুক্ত আইনজীবীগণের মধ্যে থেকে ৩ জন আইনজীবীকে মনোনীত করবে এবং বিচার প্রার্থীর সম্মতি সাপেক্ষে তাদের মধ্য থেকে একজনকে মামলা পরিচালনার জন্য নিয়োগ করা হবে।
৮১.
'চ', তার প্রতিবেশি 'ছ' এর ৮ বছরের বাচ্চাকে চকলেটের লোভ দেখিয়ে নিজের বাসায় আটকে রাখে। পরবর্তীতে 'ছ' এর কাছে পরিচয় গোপন করে ফোনে 'চ' ১০ লক্ষ টাকা মুক্তিপণ চায়। এক্ষেত্রে 'চ' সর্বোচ্চ কী শাস্তি পেতে পারে?
  1. যাবজ্জীবন
  2. মৃত্যুদণ্ড
  3. ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
  4. ১২ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ ধারা ৮: মুক্তিপণ আদায়ের শাস্তি-

যদি কোন ব্যক্তি মুক্তিপণ আদায়ের উদ্দেশ্যে কোন নারী বা শিশুকে আটক করেন, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।
৮২.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ধারা ২৬ক(১) অনুযায়ী, সরকার কোন ট্রাইব্যুনাল গঠন করতে পারবে?
  1. নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল
  2. শিশু ধর্ষণ অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল
  3. নারী ধর্ষণ অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল
  4. শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল
ব্যাখ্যা

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ধারা ২৬ক- শিশু ধর্ষণ অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল:
(১) ধারা ২৬ এর উপ-ধারা (১) এর বিধান সত্ত্বেও সরকার এই আইনের অধীন শিশু ধর্ষণ সংক্রান্ত অপরাধ বিচারের নিমিত্ত প্রত্যেক জেলায় ও মহানগর এলাকায় এক বা একাধিক ট্রাইব্যুনাল গঠন করিতে পারিবে এবং এইরূপ ট্রাইব্যুনাল শিশু ধর্ষণ অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল নামে অভিহিত হইবে।

(২) একজন বিচারক সমন্বয়ে ট্রাইব্যুনাল গঠিত হইবে এবং সরকার জেলা ও দায়রা জজগণের মধ্য হইতে উক্ত ট্রাইব্যুনালের বিচারক নিযুক্ত করিবে।

(৩) সরকার, প্রয়োজনবোধে, কোন জেলা ও দায়রা জজকে তাহার দায়িত্বের অতিরিক্ত হিসাবে ট্রাইব্যুনালের বিচারক নিযুক্ত করিতে পারিবে।

(৪) এই ধারায় জেলা ও দায়রা জজ বলিতে অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজও অন্তর্ভুক্ত।

(৫) শিশু ধর্ষণ অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল এই আইনের অধীন গঠিত নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের কার্যপদ্ধতি প্রয়োজনীয় অভিযোজন সহকারে অনুসরণ করিবে।

(৬) এই ধারার অধীন ট্রাইব্যুনাল গঠিত না হওয়া পর্যন্ত ধারা ২৬ এর অধীন গঠিত ট্রাইব্যুনাল এই ধারায় উল্লিখিত ট্রাইব্যুনালের দায়িত্ব পালন করিতে পারিবে।]

৮৩.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে আসামীর অনুপস্থিতিতে বিচারের ক্ষেত্রে খবরের কাগজে প্রজ্ঞাপিত আদেশে আদালত সর্বোচ্চ কত দিন সময় দিয়ে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে ট্রাইব্যুনালে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিতে পারবে?
  1. ১৫
  2. ৩০
  3. ৬০
  4. ৯০
ব্যাখ্যা
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ২১ ধারার বিধান আসামীর অনুপস্থিতিতে বিচার:
(১) যদি ট্রাইব্যুনালের এই মর্মে বিশ্বাস করার যুক্তিসংগত কারণ থাকে যে,-
(ক) অভিযুক্ত ব্যক্তি তাহার গ্রেফতার বা তাহাকে বিচারের জন্য সোপর্দকরণ এড়াইবার জন্য পলাতক রহিয়াছে বা আত্মগোপন করিয়াছেন; এবং
(খ) তাহার আশু গ্রেফতারের কোন সম্ভাবনা নাই, তাহা হইলে ট্রাইব্যুনাল অন্তত: দুইটি বাংলা দৈনিক খবরের কাগজে প্রজ্ঞাপিত আদেশ দ্বারা, আদেশে উল্লিখিত সময়, যাহা ত্রিশ দিনের বেশী হইবে না, এর মধ্যে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে ট্রাইব্যুনালে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিতে পারিবে এবং উক্ত সময়ের মধ্যে যদি অভিযুক্ত ব্যক্তি ট্রাইব্যুনালে হাজির হইতে ব্যর্থ হন, তাহা হইলে ট্রাইব্যুনাল তাহার অনুপস্থিতিতে বিচার করিতে পারিবে।

(২) যদি কোন অভিযুক্ত ব্যক্তি ট্রাইব্যুনালে হাজির হইবার পর বা তাহাকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করার পর বা তাহাকে ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক জামিনে মুক্তি দেওয়ার পর পলাতক হন, তাহা হইলে তাহার ক্ষেত্রে উপ-ধারা (১) এর বিধান প্রযোজ্য হইবে না, এবং সেইক্ষেত্রে ট্রাইব্যুনাল, কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া, অভিযুক্ত ব্যক্তির অনুপস্থিতিতে তাহার বিচার সম্পন্ন করিতে পারিবে।
৮৪.
Under The Special Powers Act, 1974, how many members constitute the Advisory Board?
  1. Two
  2. Three
  3. Five
  4. Seven
ব্যাখ্যা
The Special Powers Act, 1974: Section 9: Constitution of Advisory Board:
(1) The Government shall, whenever necessary, constitute an Advisory Board for the purposes of this Act. 
 
(2) The Advisory Board shall consist of three persons, of whom two shall be persons who are, or have been, or are qualified to be appointed as, Judges of the High Court and the other shall be a person who is a senior officer in the service of the Republic, and such persons shall be appointed by the Government. 

(3) The Government shall appoint one of the members of the Advisory Board who is, or has been, or is qualified to be appointed as, a Judge of the 4[High Court] to be its Chairman.

উপদেষ্টা পরিষদ গঠন-
(১) এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, সরকার, প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে একটি উপদেষ্টা পরিষদ গঠন করিবে।

(২) তিন জন ব্যক্তির সমন্বয়ে উপদেষ্টা পরিষদ গঠিত হইবে, যাহাদের মধ্যে দুই জন হইবেন এইরূপ ব্যক্তি যাহারা হাইকোর্ট বিভাগের বিচারক ছিলেন, বা আছেন, বা নিযুক্ত হইবার যোগ্য এবং অন্য একজন হইবেন প্রজাতন্ত্রের চাকুরিতে নিযুক্ত একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, এবং উক্ত ব্যক্তিগণ সরকার কর্তৃক নিযুক্ত হইবেন।

(৩) সরকার উপদেষ্টা পরিষদের একজন সদস্যকে উহার চেয়ারম্যান নিযুক্ত করিবে যিনি হাইকোর্ট বিভাগের বিচারক ছিলেন, বা আছেন, বা নিযুক্ত হইবার যোগ্য।
৮৫.
সালমা তার স্বামীর বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে অভিযোগ দায়ের করেন। কিন্তু রায় প্রদানকালে ট্রাইব্যুনালে প্রমাণ হয়, অভিযোগ মিথ্যা ছিল। এক্ষেত্রে ট্রাইব্যুনাল নিম্নের কোন আদেশ দিতে পারবে?
  1. শুধু ক্ষতিপূরণের আদেশ
  2. ক্ষতিপূরণের আদেশ ও সর্বোচ্চ ৬ মাসের কারাদণ্ড
  3. ক্ষতিপূরণের আদেশ ও সর্বোচ্চ ১ বছর কারাদণ্ড
  4. ক্ষতিপূরণের আদেশ ও সর্বোচ্চ ২ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: ঘ) ক্ষতিপূরণের আদেশ ও সর্বোচ্চ ২ বছর কারাদণ্ড।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ধারা ১৭(৩) অনুযায়ী, যদি কোনো অভিযোগ মিথ্যা ও হয়রানিমূলক প্রমাণিত হয়, তাহলে ট্রাইব্যুনাল—
- অভিযোগকারীকে কারণ দর্শানোর সুযোগ প্রদান করবে, এবং
- অভিযুক্ত ব্যক্তির পক্ষে ক্ষতিপূরণের আদেশ দিতে পারবে,
- প্রয়োজন মনে করলে অভিযোগকারীকে অনধিক ২ বছর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করতে পারবে।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ধারা ১৭: মিথ্যা মামলা, অভিযোগ দায়ের ইত্যাদির শাস্তি:
(১) যদি কোন ব্যক্তি অন্য কোন ব্যক্তির মর্যাদাহানি বা ক্ষতিসাধনের অভিপ্রায়ে উক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে এই আইনের অন্য কোন ধারার অধীন মামলা বা অভিযোগ করার জন্য ন্যায্য বা আইনানুগ কারণ নাই জানিয়াও মামলা বা অভিযোগ দায়ের করেন বা করান তাহা হইলে মামলা বা অভিযোগ দায়েরকারী ব্যক্তি এবং যিনি অভিযোগ দায়ের করাইয়াছেন উক্ত ব্যক্তি অনধিক সাত বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন। 

(২) এই আইনের অধীন প্রতিষ্ঠিত ট্রাইব্যুনাল কোন লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে অথবা তাহার স্বীয় ক্ষমতায় উপ-ধারা (১) এ বর্ণিত অপরাধ আমলে লইয়া তাহার বিচার করিতে পারিবে।

(৩) উপ-ধারা (১) ও (২) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইনের অধীন কোন অপরাধের বিচার সম্পন্ন হওয়ার পর রায় প্রদানকালে যদি ট্রাইব্যুনালের নিকট সন্তোষজনকভাবে প্রমাণিত হয় যে, কোন অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ মিথ্যা ও হয়রানিমূলক, তাহা হইলে উক্ত ট্রাইব্যুনাল মামলা বা অভিযোগ দায়েরকারী ব্যক্তিকে কারণ দর্শানোর সুযোগ প্রদানপূর্বক সংশ্লিষ্ট অভিযুক্ত ব্যক্তি বা অভিযুক্ত ব্যক্তিগণ বরাবর যথাযথ ক্ষতিপূরণ প্রদানের আদেশ দিতে পারিবে এবং প্রয়োজন মনে করিলে ক্ষতিপূরণের আদেশ প্রদানের পাশাপাশি উক্ত মামলা বা অভিযোগ দায়েরকারী ব্যক্তিকে অনধিক দুই বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করিবার আদেশ প্রদান করিতে পারিবে।

৮৬.
শিশু আদালত কর্তৃক প্রদত্ত আদেশ বা রায়ের বিরুদ্ধে করা পুনর্বিবেচনা নিষ্পত্তির সময়সীমা কত?
  1. ৯০ দিন
  2. ৬০ দিন
  3. ৩০ দিন
  4. ১২০ দিন
ব্যাখ্যা
• শিশু আইন, ২০১৩ এর ধারা ৪১- আপিল ও পুনর্বিবেচনা:

(১) ফৌজদারী কার্যবিধিতে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইনের অধীন শিশু-আদালত কর্তৃক প্রদত্ত আদেশ বা রায়ের বিরুদ্ধে উক্ত আদেশ বা রায় প্রদানের তারিখ হইতে অনধিক ৬০ (ষাট) দিনের মধ্যে হাইকোর্ট বিভাগে আপিল করা যাইবে। 

(২) শিশু-আদালতের কোনো আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে পুনর্বিবেচনা (Revision) করা যাইবে।

(৩) এই ধারার অধীন আপিল বা, ক্ষেত্রমত, পুনর্বিবেচনার আবেদন দাখিল করা হইলে উক্ত আবেদনটি দায়েরের তারিখ হইতে অনধিক ৬০ (ষাট) দিনের মধ্যে উহা নিষ্পত্তি করিতে হইবে।
৮৭.
লিগ্যাল এইড অফিসার কর্তৃক মিমাংসা সভা অনুষ্ঠানের ক্ষেত্রে জারিকারক নোটিশ গ্রহণের কতদিনের মধ্যে পক্ষগণের ঠিকানায় জারির ব্যবস্থা করবেন?
  1. অনধিক ১৫ দিন
  2. অনধিক ৭ দিন
  3. অনধিক ১০ দিন
  4. অনধিক ২১ দিন
ব্যাখ্যা

⇒ লিগ্যাল এইড অফিসার কর্তৃক মিমাংসা সভা অনুষ্ঠানের ক্ষেত্রে জারিকারক নোটিশ গ্রহণের খ) অনধিক ৭ দিন-এর মধ্যে পক্ষগণের ঠিকানায় জারির ব্যবস্থা করবেন। 
- জাতীয় আইনগত সহায়তা প্রদান সংস্থার বিধিমালা, ২০১৫ অনুযায়ী, লিগ্যাল এইড অফিসার কর্তৃক প্রেরিত নোটিশ জারির জন্য জারিকারক নোটিশ প্রাপ্তির অনধিক সাত দিনের মধ্যে তা পক্ষগণের নিকট জারির ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

⇒ আইনগত সহায়তা প্রদান (আইনী পরামর্শ ও বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি) বিধিমালা, ২০১৫  বিধি- ৬: পক্ষগণের প্রতি নোটিশ।
(১) লিগ্যাল এইড অফিসার, মিমাংসা সভায় হাজির হইবার জন্য, পক্ষগণ বরাবর ফরম-২(ক) মোতাবেক নোটিশ প্রেরণ করিবেন।
(২) পক্ষগণের ঠিকানা নোটিশে উল্লেখপূর্বক লিগ্যাল এইড অফিসের অফিস সহকারী এতদ্‌সংশ্লিষ্ট রেজিস্টারে লিপিবদ্ধ করতঃ উক্ত নোটিশ জারীকারক বরাবর হস্তান্তর করিবেন।
(৩) জারীকারক, নোটিশ গ্রহণের তারিখ হইতে অনধিক ৭ (সাত) দিনের মধ্যে, পক্ষগণের ঠিকানায় নোটিশ জারীর ব্যবস্থা করিবেন।
(৪) উপ-বিধি (২) এ উল্লিখিত জারীকারক নিয়োগ না হওয়া অবধি জেলাজজ আদালত বা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের নেজারত শাখা উহার জারীকারক দ্বারা জারীকার্য সম্পাদনে লিগ্যাল এইড অফিসকে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করিবে:
তবে শর্ত থাকে যে, জেলাজজ আদালত বা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের মাধ্যমে নোটিশ জারীর ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট লিগ্যাল এইড অফিসকে এতদসংক্রান্ত ব্যয়ভার বহন করিতে হইবে।

৮৮.
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ৪৯ ধারা অনুসারে, বিচারকার্য মুলতবির সর্বোচ্চ সময়সীমা কত দিন?
  1. তিন কার্য দিবস
  2. পাঁচ কার্য দিবস
  3. সাত কার্য দিবস
  4. দশ কার্য দিবস
ব্যাখ্যা

⇒ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ৪৯ ধারা অনুসারে, এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে মামলার বিচারকার্য শেষ না হওয়া পর্যন্ত অবিরাম চলবে। তবে, যদি আদালত এই মর্মে সন্তুষ্ট হয় যে ন্যায় বিচারের স্বার্থে বিচারকার্য মুলতবি করা একান্ত প্রয়োজন, তাহলে বিচারকার্য স্বল্পকালীন সময়ের জন্য মুলতবি করা যাবে, যা তিন কার্য দিবসের অধিক হবে না। এই বিধানটি নিশ্চিত করে যে বিচারকার্যে অযথা বিলম্ব না হয় এবং ন্যায় বিচার নিশ্চিত করতে সীমিত সময়ের মধ্যে মুলতবি করা যায়। তাই সঠিক উত্তর হলো ক) তিন কার্য দিবস।

⇒ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ৪৯ ধারার বিধান বিচারকার্য মুলতবি:
- এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে মামলার বিচারকার্য আরম্ভ হইলে উহা শেষ না হওয়া পর্যন্ত অবিরাম চলিবে, তবে উক্ত আদালত যদি এই মর্মে সন্তুষ্ট হয় যে, ন্যায় বিচারের স্বার্থে বিচারকার্য মুলতবি করা একান্ত প্রয়োজন, তাহা হইলে স্বল্পকালীন সময়ের জন্য, যাহা তিন কার্য দিবসের অধিক হইবে না, বিচারকার্য মুলতবি করা যাইবে।

৮৯.
যদি শিশু আদালত যুক্তিসঙ্গত কারণে ৩৬০ দিনের মধ্যে বিচারকার্য সম্পন্ন করতে না পারে, তাহলে উক্ত আদালত সর্বাধিক কত দিনের জন্য বিচারকার্য সম্পন্নের সময়সীমা বর্ধিত করতে পারে?
  1. ১৫ দিন
  2. ৩০ দিন
  3. ৬০ দিন
  4. ৯০ দিন
ব্যাখ্যা

⇒ শিশু আইন, ২০১৩ এর ৩২ ধারার বিধান- বিচার সমাপ্তির সময়সীমা:
(১) ফৌজদারী কার্যবিধি বা আপাততঃ বলবৎ অন্য কোন আইনে ভিন্নতর যাহা কিছুই থাকুক না কেন, শিশু-আদালত উক্ত আদালতে শিশুর প্রথম উপস্থিত হইবার তারিখ হইতে ৩৬০ (তিনশত ষাট) দিনের মধ্যে বিচারকার্য সম্পন্ন করিবে। 

(২) কোন যুক্তিসঙ্গত ও বাস্তব কারণে উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত সময়সীমার মধ্যে বিচারকার্য সম্পন্ন করা সম্ভব না হইলে শিশু-আদালত, উক্ত কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া, সংশ্লিষ্ট বিচারকার্য সম্পন্নের সময়সীমা আরও ৬০ (ষাট) দিন বর্ধিত করিতে পারিবে। 

(৩) শিশু-আদালতে বিচার আরম্ভ হইবার পর হইতে, বিচার কার্য সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত  যতদূর সম্ভব, একাদিক্রমে উহার কার্যক্রম প্রত্যেক কার্যদিবসে বিনা বিরতিতে চলিতে থাকিবে। 

(৪) উপ-ধারা (১) ও (২) এ বর্ণিত সময়ের মধ্যে বিচার কার্য সম্পন্ন করা না হইলে সংশ্লিষ্ট শিশু, হত্যা, ধর্ষণ, দস্যুতা, ডাকাতি, মাদক ব্যবসা বা অন্য কোন জঘন্য, ঘৃণ্য বা গুরুতর অপরাধের দায়ে দায়েরকৃত মামলা ব্যতীত, শিশু-আদালতের বিবেচনায় তাহার বিরুদ্ধে আনীত লঘু মাত্রার অভিযোগ হইতে অব্যাহতি পাইবে এবং একই অপরাধের জন্য তাহার বিরু্দ্ধে অন্য কোন বিচার প্রক্রিয়া গ্রহণ করা যাইবে না: 
তবে শর্ত থাকে যে, সংশ্লিষ্ট মামলায় কোন প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি অভিযুক্ত থাকিলে তাহার মামলা অব্যাহত থাকিবে।

৯০.
'A' নামের একজন যুবক 'B' নামের ১৭ বছরের মেয়েকে “আমি তোকে বিয়ে করবই” বলে প্রলোভন দেখিয়ে শারীরিক সম্পর্ক করে। এখানে 'A' নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর কোন ধারায় অভিযুক্ত হবে?
  1. ৯ ধারায়
  2. ৯ক ধারায়
  3. ৯খ ধারায়
  4. ১০ ধারায়
ব্যাখ্যা

⇒ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ধারা ৯খ অনুযায়ী কেউ যদি বিবাহের প্রলোভন দেখিয়ে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করে এবং ঘটনাস্থলে পারস্পরিক আস্থা বা সম্পর্ক থাকে, এবং যদি নারী ষোল বছরের বেশি বয়সী হয়, তবে অপরাধীকে সর্বোচ্চ ৭ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করা যেতে পারে।

⇒ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ধারা ৯খ: বিয়ের প্রলোভনের মাধ্যমে যৌনকর্ম করিবার দণ্ড:
যদি কোন ব্যক্তি দৈহিক বলপ্রয়োগ ব্যতীত বিবাহের প্রলোভন দেখাইয়া ষোল বৎসরের অধিক বয়সের কোন নারীর সংগে যৌনকর্ম করেন এবং যদি উক্ত ঘটনার সময় উক্ত ব্যক্তির সহিত উক্ত নারীর আস্থাভাজন সম্পর্ক থাকে, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তি অনধিক সাত বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।

৯১.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের কত ধারায় 'Trial in Absentia' এর বিধান আছে?
  1. ১১ ধারায়
  2. ২১ ধারায়
  3. ২৭ ধারায়
  4. ৩১ ধারায়
ব্যাখ্যা
আসামীর অনুপস্থিতিতে বিচার (Trial in absentia): স্বাভাবিকভাবে অভিযুক্ত ব্যক্তি বা আসামীর অনুপস্থিতিতে বিচার করা বেআইনী, অর্থাৎ আসামীর উপস্থিতিতে বিচার করতে হয়। কিন্তু কতিপয় ক্ষেত্রে আসামীর অনুপস্থিতিতে বিচার করা যায়, যাকে Trial in absentia বলে। ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৩৯খ, ৫১২ এবং ৫৪০ক ধারায় আসামীর অনুপস্থিতিতে বিচারের বিধান রয়েছে। এছাড়া নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ২১ ধারায় Trial in absentia-এর বিধান রয়েছে।

ধারা ২১- আসামীর অনুপস্থিতিতে বিচার


(১) যদি ট্রাইব্যুনালের এই মর্মে বিশ্বাস করার যুক্তিসংগত কারণ থাকে যে,-

(ক) অভিযুক্ত ব্যক্তি তাহার গ্রেফতার বা তাহাকে বিচারের জন্য সোপর্দকরণ এড়াইবার জন্য পলাতক রহিয়াছে বা আত্মগোপন করিয়াছেন; এবং

(খ) তাহার আশু গ্রেফতারের কোন সম্ভাবনা নাই, তাহা হইলে ট্রাইব্যুনাল অন্তত: দুইটি বাংলা দৈনিক খবরের কাগজে প্রজ্ঞাপিত আদেশ দ্বারা, আদেশে উল্লিখিত সময়, যাহা ত্রিশ দিনের বেশী হইবে না, এর মধ্যে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে ট্রাইব্যুনালে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিতে পারিবে এবং উক্ত সময়ের মধ্যে যদি অভিযুক্ত ব্যক্তি ট্রাইব্যুনালে হাজির হইতে ব্যর্থ হন, তাহা হইলে ট্রাইব্যুনাল তাহার অনুপস্থিতিতে বিচার করিতে পারিবে।

(২) যদি কোন অভিযুক্ত ব্যক্তি ট্রাইব্যুনালে হাজির হইবার পর বা তাহাকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করার পর বা তাহাকে ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক জামিনে মুক্তি দেওয়ার পর পলাতক হন, তাহা হইলে তাহার ক্ষেত্রে উপ-ধারা (১) এর বিধান প্রযোজ্য হইবে না, এবং সেইক্ষেত্রে ট্রাইব্যুনাল, কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া, অভিযুক্ত ব্যক্তির অনুপস্থিতিতে তাহার বিচার সম্পন্ন করিতে পারিবে।
৯২.
বিশেষ ক্ষমতা আইনে কয় ধরনের কাজকে ক্ষতিকর কাজ হিসাবে উল্লেখ করা হয়েছে?
  1. ৭ ধরনের
  2. ৬ ধরনের
  3. ৯ ধরনের
  4. ৮ ধরনের
ব্যাখ্যা
১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনের ২(চ) ধারায় ৮ ধরনের কার্যকে ক্ষতিকর কার্য হিসাবে উল্লেখ করা হয়েছে। ক্ষতিকর কার্য অর্থ এমন কোন কাজ যা-

১. বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব বা প্রতিরক্ষাকে ক্ষতিগ্রস্থ করতে পারে বা করার উদ্দেশ্যে প্রণোদিত;
২. বিদেশী রাষ্ট্রের সাথে বাংলাদেশের সম্পর্ককে ক্ষতিগ্রস্থ করবে বা করার উদ্দেশ্যে প্রণোদিত;
৩. বাংলাদেশের নিরাপত্তাকে ক্ষতিগ্রস্থ করবে বা জননিরাপত্তা বিপন্ন বা জনশৃঙ্খলার রক্ষণাবেক্ষণ কাজ বিপন্ন বা ক্ষতিগ্রস্থ করবে বা করার উদ্দেশ্যে প্রণোদিত।
৪. বিভিন্ন সম্প্রদায় বা জনগণের বিভিন্ন শ্রেণীর বা অংশের মধ্যে ঘৃণ্য বা শত্রুতার মনোভাব সৃষ্টি করে বা উহার উসকানি দেয় বা দেওয়ার উদ্দেশ্যে প্রণোদিত;
৫. আইন প্রশাসন বা আইন-শৃঙ্খলার রক্ষণাবেক্ষণ কাজে হস্তক্ষেপ করে বা হস্তক্ষেপে উত্তেজিত বা উৎসাহিত করে বা করার উদ্দেশ্যে প্রণোদিত;
৬. জনগণের মধ্যে বা জনগণের কোন অংশের মধ্যে ভীতি বা সন্ত্রাসের সৃষ্টি করে বা করার উদ্দেশ্যে প্রণোদিত;
৭. রাষ্ট্রের অর্থনৈতিক স্বার্থকে ক্ষতিগ্রস্থ করে বা করার উদ্দেশ্যে প্রণোদিত;
৮. ক্ষতিকর রিপোর্ট অর্থ এমন কোন রিপোর্ট, বিবৃতি বা দৃশ্যমান বিবরণ, তা সত্য হোক বা মিথ্যা হোক, যা প্রকাশ একটি ক্ষতিকর কাজ বা ক্ষতিকর কাজ সংঘটনের উসকানি দান করে।

Section 2(f): “prejudicial act” means any act which is intended or likely- 
 
(i) to prejudice the sovereignty or defence of Bangladesh; 
(ii) to prejudice the maintenance of friendly relations of Bangladesh with foreign states; 
(iii) to prejudice the security of Bangladesh or to endanger public safety or the maintenance of public order; 
(iv) to create or excite feelings of enmity or hatred between different communities, classes or sections of people; 
(v) to interfere with or encourage or incite interference with the administration of law or the maintenance of law and order; 
(vi) to prejudice the maintenance of supplies and services essential to the community; 
(vii) to cause fear or alarm to the public or to any section of the public; 
(viii) to prejudice the economic or financial interests of the State;
৯৩.
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর কত ধারায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে বিচারকার্য সম্পাদন করার বিধান আছে?
  1. ৫৪
  2. ৫৫
  3. ৫৬
  4. ৫৭
ব্যাখ্যা
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ৫৭ ধারার বিধান মোবাইল কোর্ট আইনের প্রয়োগ:
- এই আইনে ভিন্নতর যাহা কিছুই থাকুক না কেন, মাদকদ্রব্য অপরাধসমূহ মোবাইল কোর্ট আইন, ২০০৯ (২০০৯ সনের ৫৯ নং আইন) এর অধীন মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করিয়া বিচারকার্য সম্পাদন করা যাইবে।

অর্থাৎ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ৫৭ ধারায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে বিচারকার্য সম্পাদন করার বিধান আছে।
৯৪.
বিশেষ ক্ষমতা আইনে কালোবাজারে মজুত বা লেনদেনের অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তি যদি লাভ ছাড়া অন্য উদ্দেশ্যে মজুত করেন, তবে তিনি _________ কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবেন।
  1. ৩ মাস পর্যন্ত
  2. ৬ মাস পর্যন্ত
  3. ১ বছর পর্যন্ত
  4. ৩ বছর পর্যন্ত
ব্যাখ্যা
বিশেষ ক্ষমতা আইন,১৯৭৪

ধারা ২৫ অনুসারে,
যে ব্যক্তি কালোবাজারে মজুত বা লেনদেনের অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হবেন তাকে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হবে।
অথবা ১৪ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হবে এবং জরিমানাও করা হবে।

তবে, শর্ত হিসেবে এতে বলা হয়েছে, যদি অভিযুক্ত ব্যক্তি প্রমাণ করতে পারেন যে তিনি লাভ ছাড়া অন্য উদ্দেশ্যে মজুত করেছিলেন তবে তিনি তিন মাস পর্যন্ত কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবেন। একই সাথে জরিমানাও করা হবে তাকে।

একই সাথে আদালত কালোবাজারি বা মজুত হয়েছে এমন কিছু সরকারকে বাজেয়াপ্ত করার আদেশও দিতে পারবে।

Section 25: Penalty for hoarding or dealing in black-market

(1) Whoever is found guilty of the offence of hoarding or dealing in the black-market shall be punishable with death, or with 13[imprisonment for life], or with rigorous imprisonment for a term which may extend to fourteen years, and shall also be liable to fine: 
 
Provided that if, in the case of an offence of hoarding, the person accused of such offence proves that he was hoarding for purposes other than gain, whether financial or otherwise, he shall be punishable with imprisonment for a term which may extend to three months, and shall also be liable to fine.

(2) A court convicting an offence of hoarding or dealing in the black-market shall order the forfeiture to Government of anything in respect of which the offence was committed.
৯৫.
বিশেষ ক্ষমতা আইনের ২৫খ(২) ধারায় বর্ণিত অপরাধের সর্বনিম্ন শাস্তি কী?
  1. যাবজ্জীবন
  2. ৭ বছর কারাদণ্ড
  3. ৩ বছর কারাদণ্ড
  4. ১ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
• ধারা ২৫খ (২): চোরাচালানের শাস্তি:
যে কেউ এমন কোনো পণ্য বিক্রয় করে, বিক্রয়ের জন্য প্রস্তাব করে, প্রদর্শন করে বা বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে নিজের অধিকারভুক্ত বা নিয়ন্ত্রণে রাখে, যা বাংলাদেশে আনা কোনো বিদ্যমান আইনের অধীনে নিষিদ্ধ, সেই ব্যক্তি ৭ বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং ১ বৎসরের নিচে নয় এমন দণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবে।
 
Section 25B(2)- Penalty for smuggling:
Whoever sells, or offers or displays for sale, or keeps in his possession or under his control for the purpose of sale, any goods the bringing of which into Bangladesh is prohibited by or under any law for the time being in force shall be punishable with imprisonment for a term which may extend to seven years and shall not be less than one year, and shall also be liable to fine.
৯৬.
বিশেষ ক্ষমতা আইনের ১০ ধারায় আটককৃত ব্যক্তির আটকের কারণ কার নিকট পেশ করার বিধান রয়েছে?
  1. সরকারের
  2. হাইকোর্ট বিভাগের
  3. উপদেষ্টা বোর্ডের
  4. খ ও গ
ব্যাখ্যা
• ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনের ৯ ধারায় সরকার উপদেষ্টা বোর্ড গঠন করতে পারে। উপদেষ্টা বোর্ডের সদস্য সংখ্যা হবে ৩ জন। ২ জন এমন ব্যক্তি হবে যিনি হাইকোর্টের বিচারপতি ছিল বা আছেন বা তিনি বিচারপতি নিযুক্ত হওয়ার যোগ্য এবং অপর ব্যক্তি হবে বাংলাদেশ সরকারের উর্দ্ধতন কর্মকর্তা। যিনি হাইকোর্টের বিচারপতি ছিলেন বা আছেন বা তিনি বিচারপতি নিযুক্ত হওয়ার যোগ্য এমন ব্যক্তিকে সরকার উক্ত বোর্ডের চেয়ারম্যান নিযুক্ত করবেন।
 
ধারা ১০ অনুযায়ী,
আটকের তারিখ হতে ১২০ দিনের মধ্যে সরকার আটকের কারণ উপদেষ্টা বোর্ডের নিকট পেশ করবে। ক্ষতিকর কার্য হতে বিরত রাখতে ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনের অধীন সরকার কোন ব্যক্তিকে সর্বোচ্চ ১২০ দিন আটক রাখতে পারে। ১২০ দিনের অতিরিক্ত আটক রাখতে হলে উপদেষ্টা বোর্ডের মতামত অনুযায়ী রাখতে হবে। আটকের তারিখ হতে ১৭০ দিনের মধ্যে উপদেষ্টা বোর্ড ইহার রিপোর্ট সরকারের নিকট দাখিল করবে।
৯৭.
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ অনুযায়ী মাদকদ্রব্য অপরাধের বিচার সমাপ্তির সাধারণ মেয়াদ কত দিন?
  1. ৩০ কার্যদিবস
  2. ৬০ কার্যদিবস
  3. ৯০ কার্যদিবস
  4. ১২০ কার্যদিবস
ব্যাখ্যা

⇒ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ধারা ৫১(১) অনুযায়ী, মাদকদ্রব্য অপরাধের বিচার সমাপ্তির জন্য সাধারণ মেয়াদ নির্ধারিত হয়েছে ৯০ কার্যদিবস। এর মানে হলো, এখতিয়ারসম্পন্ন আদালত মামলা প্রাপ্তির তারিখ থেকে ৯০ কার্যদিবসের মধ্যে মাদকদ্রব্য অপরাধের বিচার সমাপ্ত করতে বাধ্য। এই সময়সীমা নির্ধারণের উদ্দেশ্য হলো মামলার দ্রুত নিষ্পত্তি নিশ্চিত করা এবং ন্যায়বিচারে বিলম্ব রোধ করা।
ধারা ৫১(২): যদি অনিবার্য কারণে ৯০ কার্যদিবসের মধ্যে বিচার সমাপ্ত করা সম্ভব না হয়, তবে আদালত কারণ লিপিবদ্ধ করে অতিরিক্ত ৩০ কার্যদিবস সময় বাড়াতে পারে। এ ক্ষেত্রে সুপ্রিম কোর্ট এবং সরকারকে অবহিত করতে হবে।
ধারা ৫১(৩): যদি এই বর্ধিত ৩০ কার্যদিবসেও বিচার সমাপ্ত না হয়, তবে আদালত যুক্তিসংগত কারণ লিপিবদ্ধ করে আরও ১৫ কার্যদিবস সময় বাড়াতে পারে এবং এ ক্ষেত্রেও সুপ্রিম কোর্ট ও সরকারকে অবহিত করতে হবে।
ধারা ৫১(৪): উপরোক্ত বর্ধিত সময়ের মধ্যে বিচার আবশ্যিকভাবে সমাপ্ত করতে হবে।

অর্থাৎ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ধারা ৫১(১) অনুযায়ী, মাদকদ্রব্য অপরাধের বিচার সমাপ্তির সাধারণ মেয়াদ হলো ৯০ কার্যদিবস। এই সময়সীমা দ্রুত বিচার নিশ্চিত করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। তাই সঠিক উত্তর হলো গ) ৯০ কার্যদিবস।

৯৮.
শিশু আদালত কর্তৃক প্রদত্ত আদেশ বা রায়ের বিরুদ্ধে প্রতিকার কি?
  1. হাইকোর্ট বিভাগে আপিল
  2. হাইকোর্ট বিভাগে পুনর্বিবেচনা
  3. দায়রা আদালতে আপিল
  4. ক বা খ
ব্যাখ্যা
ধারা ৪১- আপিল ও পুনর্বিবেচনা

(১) ফৌজদারী কার্যবিধিতে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইনের অধীন শিশু-আদালত কর্তৃক প্রদত্ত আদেশ বা রায়ের বিরুদ্ধে উক্ত আদেশ বা রায় প্রদানের তারিখ হইতে অনধিক ৬০ (ষাট) দিনের মধ্যে হাইকোর্ট বিভাগে আপিল করা যাইবে। 

(২) শিশু-আদালতের কোনো আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে পুনর্বিবেচনা (Revision) করা যাইবে।

(৩) এই ধারার অধীন আপিল বা, ক্ষেত্রমত, পুনর্বিবেচনার আবেদন দাখিল করা হইলে উক্ত আবেদনটি দায়েরের তারিখ হইতে অনধিক ৬০ (ষাট) দিনের মধ্যে উহা নিষ্পত্তি করিতে হইবে।
৯৯.
বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪ এর অধীন দণ্ডনীয় কোনো অপরাধ সংঘটনের প্রস্তুতি গ্রহণ করলে, কী শাস্তি পেতে পারে?
  1. কোনো শাস্তি পাবে না
  2. সর্বোচ্চ ৩ মাস কারাদণ্ড
  3. সর্বোচ্চ ৬ মাস কারাদণ্ড
  4. সংশ্লিষ্ট অপরাধের সমপরিমাণ শাস্তি
ব্যাখ্যা
বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪ এর ধারা ২৫ঘ- অপরাধ সংঘটনের চেষ্টা, ইত্যাদির শাস্তি:
যদি কোনো ব্যক্তি এই আইনের অধীন দণ্ডনীয় কোনো অপরাধ সংঘটনের চেষ্টা করেন, বা ষড়যন্ত্র করেন, বা সংঘটনের প্রস্তুতি গ্রহণ করেন বা সহায়তা করেন, তাহা হইলে তিনি সংশ্লিষ্ট অপরাধটির জন্য বর্ণিত দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।
১০০.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ধারা ২৫ক এর অধীনে থানার অফিসার ইনচার্জ কার মেডিক্যাল পরীক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে?
  1. শুধু অভিযোগকারীর
  2. শুধু অপরাধের শিকার ব্যক্তির
  3. অভিযুক্ত ব্যক্তির এবং অভিযোগকারীর
  4. অভিযুক্ত ব্যক্তির এবং অপরাধের শিকার ব্যক্তি উভয়ের
ব্যাখ্যা

 নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ধারা ২৫ক: থানার অফিসার ইনচার্জের দায়িত্ব-
(১) এই আইনের অধীন সংঘটিত কোন অপরাধের প্রাথমিক সাক্ষ্যপ্রমাণসহ কোনো অভিযোগকারী থানায় হাজির হইলে অফিসার ইনচার্জ তাৎক্ষণিকভাবে তাহার অভিযোগটি এজাহারভুক্ত করিবেন এবং ক্ষেত্রমত এই আইনের অন্যান্য বিধানাবলি সাপেক্ষে অপরাধের শিকার ব্যক্তির প্রয়োজনীয় মেডিক্যাল পরীক্ষা ও চিকিৎসার বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করিবেন।

(২) অভিযোগকারী প্রাথমিক সাক্ষ্যপ্রমাণসহ থানায় হাজির হইলে তাহাকে কেবল এই যুক্তিতে ফিরাইয়া দেওয়া যাইবে না যে, তাহার ঘটনাটি অন্য থানার এখতিয়ারাধীন এলাকায় ঘটিয়াছে, বরং যেই থানাতেই অভিযোগ করা হউক না কেন, উক্ত থানার অফিসার ইনচার্জ অবিলম্বে অভিযোগকারীর বক্তব্য লিপিবদ্ধ করিবেন, অপরাধের শিকার ব্যক্তির প্রয়োজনীয় মেডিক্যাল পরীক্ষা ও চিকিৎসার ব্যবস্থা করিবেন এবং অনতিবিলম্বে কেস ডায়েরিসহ অভিযোগটি উপযুক্ত থানায় প্রেরণ করিবেন।