বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

যুদ্ধ ও বিপ্লবসমূহ

মোট প্রশ্ন১,০৫২এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

যুদ্ধ ও বিপ্লবসমূহ

PrepBank · পাতা / ১১ · ১০০ / ১,০৫২

.
যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান নৌঘাঁটি ক্যালিফোর্নিয়া থেকে পার্ল হারবারে স্থানান্তর করা হয় কত সালে?
  1. ১৯৩৭ সালে
  2. ১৯৩৮ সালে
  3. ১৯৩৯ সালে
  4. ১৯৪০ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৪০ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৪০ সালে
ব্যাখ্যা
পার্ল হারবার আক্রমণ:
- পার্ল হারবার দ্বীপপুঞ্জ উত্তর প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত।
- এটি ছিল যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় নৌঘাঁটি।
- ১৯০৮ সালে ঘাঁটিটি বানানো হয়।
- ১৯৪০ সালে যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান নৌঘাঁটি ক্যালিফোর্নিয়া থেকে হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জের পার্ল হারবারে স্থানান্তর করা হয়।
- কৌশলগত দিক দিয়ে এই ঘাঁটি ছিল যুক্তরাষ্ট্রের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সামরিক এলাকা।
- যুক্তরাষ্ট্রের মূল ভূখণ্ড থেকে প্রায় দুই হাজার মাইল এবং জাপান থেকে প্রায় চার হাজার মাইলে দূরে অবস্থিত ছিল এই নৌঘাঁটি।
- ১৯৪১ সালের ৭ ডিসেম্বর প্রশান্ত মহাসাগরের হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জের পার্ল হারবারে অবস্থিত মার্কিন নৌঘাঁটিতে আক্রমণ করে জাপানের সামরিক বাহিনী।

তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা।
.
রুশ বিপ্লবের নেতৃত্বে কে ছিলেন?
  1. মুসোলিনি
  2. ভ্লাদিমির লেনিন
  3. নিকলো ম্যাকিয়াভেলি
  4. কালমার্কস
সঠিক উত্তর:
ভ্লাদিমির লেনিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভ্লাদিমির লেনিন
ব্যাখ্যা
• রুশ বিপ্লবের :
- ১৯১৭ সালের রুশ বিপ্লব এর মাধ্যমে সাম্রাজ্যবাদী সরকারকে উৎখাত করে বলশেভিকদের ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত করে।
- রুশ বিপ্লবের নেতৃত্বে ছিলেন ভ্লাদিমির ইলিচ-উলিয়ানোভা লেনিন বা ভি আই লেনিন।
- বিপ্লবের ফলে রাশিয়ায় শ্রমিক শ্রেণির বিপ্লবী সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল
-  পশ্চিম ইউরোপের পুঁজিবাদী সমাজ, সংস্কৃতি, অর্থনীতি এবং রাষ্ট্র ব্যবস্থার উপর চরম আঘাত করে এই বলশেভিক বিপ্লব বা রুশ বিপ্লব। 

• ইউরোপীয় পুনর্জাগরণের অন্যতম পুরোধা ব্যক্তি ছিলেন- নিকোলো মেকিয়াভেলি।
- কার্ল মার্কস ছিলেন একজন বিপ্লবী, সমাজবিজ্ঞানী, ইতিহাসবিদ এবং অর্থনীতিবিদ। 

উৎস: ব্রিটানিকা ।
.
ফেব্রুয়ারি বিপ্লবের ফলে কাকে ক্ষমতা থেকে উৎখাত করা হয়েছিল?
  1. লিওন ট্রটস্কি
  2. দ্বিতীয় নিকোলাস
  3. জোসেফ স্টালিন
  4. দ্বিতীয় আলেকজান্ডার
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয় নিকোলাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয় নিকোলাস
ব্যাখ্যা

রুশ বিপ্লব:
- ১৯১৭ সালে রাশিয়ায় মূলত দুটি বিপ্লব সংঘটিত হয়।
- এই দুটি বিপ্লব হলো ফেব্রুয়ারি বিপ্লব ও বলশেভিক বিপ্লব।
- এই দুটি বিপ্লবকে একত্রে ১৯১৭ সালের রুশ বিপ্লব' বলা হয়।

ফেব্রুয়ারি বিপ্লব:
- রুশ বিপ্লবের প্রথম পর্যায়কে ফেব্রুয়ারি বিপ্লব বলে।
- ফেব্রুয়ারি বিপ্লবের ফলে দ্বিতীয় নিকোলাসকে ক্ষমতা থেকে উচ্ছেদ ও বন্দি করা হয়।
- ১৯১৭ সালের ফেব্রুয়ারিতে পেট্রোগ্রাদে (সেন্ট পিটার্সবার্গে) খাদ্য ঘাটতি নিয়ে দাঙ্গা শুরু হয়।
- সেনাবাহিনী বিদ্রোহীদের সাথে যোগ দিলে নিকোলাস ত্যাগ করতে বাধ্য হন।
- রাশিয়ার রাজতন্ত্রের পতন হয় ফেব্রুয়ারি বিপ্লবের কারণে।

বলশেভিক বিপ্লব/অক্টোবর বিপ্লব:
- রুশ বিপ্লবের দ্বিতীয় পর্যায়কে বলশেভিক বা অক্টোবর বিপ্লব বলে।
- বলশেভিক বিপ্লবের ফলে রাশিয়ায় লেনিনের নেতৃত্বে বিশ্বের প্রথম সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- বলশেভিক বিপ্লবের নেতা ছিলেন ভ্লাদিমির লেনিন ও লিওন ট্রটস্কি।

তথ্যসূত্র - History.com & Britannica.com

.
'ওয়াটার লু' যুদ্ধক্ষেত্র কোন দেশে অবস্থিত?
  1. ইংল্যান্ড
  2. জার্মানি
  3.  ফ্রান্স
  4. বেলজিয়াম
সঠিক উত্তর:
বেলজিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেলজিয়াম
ব্যাখ্যা

• 'ওয়াটার লু' যুদ্ধ:
- বিখ্যাত 'ওয়াটার লু' যুদ্ধ সংঘটিত হয় ১৫ জুন, ১৮১৫ সালে।
- ওয়াটার লু যুদ্ধের যুদ্ধক্ষেত্র ছিল বেলজিয়াম।
- এই যুদ্ধে পরাজিত হন ফরাসি বীর নেপোলিয়ন বোনাপার্ট।
- ওয়াটার লুর যুদ্ধে বিজয়ী সেনাপতির নাম আর্থার ওয়েলেসলি (ডিউক অব ওয়েলিংটন)।
- পরাজয়ের ফলে তাঁকে সেন্ট হেলেনা দ্বীপে নির্বাসনে দেওয়া হয়েছিল।
- তিনি ১৮২১ সালে মৃত্যুবরণ করেন।

তথ্যসূত্র: এনসাইক্লোপিডিয়া অব ব্রিটানিকা।

.
'সিডার বিপ্লব' কোন দেশে সংঘটিত হয়েছিল?
  1. কিউবা
  2. লেবানন
  3. ইউক্রেন
  4. সিরিয়া
সঠিক উত্তর:
লেবানন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লেবানন
ব্যাখ্যা
সিডার বিপ্লব (Cedar Revolution):
- সিডার বিপ্লব লেবাননে সংঘটিত হয়েছিল। 
- এটি ছিল একটি অহিংস গণ-আন্দোলন যা ২০০৫ সালে লেবাননে ঘটেছিল।
- লেবাননের জাতীয় প্রতীক সিডার গাছের নামানুসারে এই আন্দোলনের নামকরণ করা হয়।

⇒ ২০০৫ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি লেবাননের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী রফিক হারিরি একটি গাড়ি বোমা হামলায় নিহত হন।
- রাফিক হারিরি হত্যাকাণ্ডের পর ব্যাপক জনবিক্ষোভ শুরু হয়।
- এই আন্দোলনের মূল দাবি ছিল সিরিয়ার সামরিক উপস্থিতি এবং প্রভাব থেকে লেবাননের মুক্তি।
- এর ফলে সিরিয়া ২০০৫ সালে লেবানন থেকে তাদের সৈন্য প্রত্যাহার করে।
- একে "স্বাধীনতার অভ্যুত্থান" বা "ইন্তিফাদাত আল-ইস্তিকলাল" ও বলা হয়। 

উৎস: U.S. Department of State (.gov) ওয়েবসাইট।
.
কোন বিপ্লবের মাধ্যমে আরব বসন্তের সূচনা হয়?
  1. মুনসুন বিপ্লব
  2. টিউলিপ বিপ্লব
  3. অরেঞ্জ বিপ্লব
  4. জেসমিন বিপ্লব
সঠিক উত্তর:
জেসমিন বিপ্লব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেসমিন বিপ্লব
ব্যাখ্যা
আরব বসন্ত:
- আরব বসন্ত বলতে আরবের বিভিন্ন দেশের গণজাগরণকে বুঝায়।
- ২০১০ সালের শেষের দিকে শুরু হওয়া আরব রাষ্ট্রগুলোর জনগণের বিভিন্ন দাবিতে বিক্ষোভ ও আন্দোলন সংগঠিত হয় বলে এটি আরব বসন্ত বা আর রবিউল আরাবি নামে বিশ্বব্যাপী পরিচিত হয়ে ওটে।
- জেসমিন বিপ্লবের মাধ্যমে আরব বসন্তের সূচনা হয়।

⇒ জেসমিন বিপ্লব:
- জেসমিন বিপ্লব সংঘটিত হয় তিউনিসিয়ায় ২০১১ সালে।
- তিউনিসিয়া উত্তর আফ্রিকা মহাদেশের একটি দেশ।
- ২০১০ এবং ২০১১ সালে মধ্যপ্রাচ্য এবং উত্তর আফ্রিকায় গণতন্ত্রপন্থী বিক্ষোভ এবং বিদ্রোহের ঢেউ শুরু হয়েছিল।
- এই বিক্ষোভ পরে মিশর, লিবিয়া, সিরিয়া, ইয়েমেনসহ বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে যায়।
- ২০১১ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি ক্ষমতা থেকে বিদায় নেন মিশরের প্রেসিডেন্ট হোসনি মুবারক। পরে লিবিয়ায় মুয়াম্মর আল-গাদ্দাফি জমানার অবসান হয়। জর্ডানের বাদশাহ আবদুল্লাহ নতুন প্রধানমন্ত্রীর নাম ঘোষণা করেন। নভেম্বরে ইয়েমেনের রাষ্ট্রপতি আলী আবদুল্লাহ সালেহ মনসুর আল হাদির কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করেন। লিবিয়ার ৪২ বছরের শাসক গাদ্দাফির পতন ঘটেছে। এ ছাড়া আলজেরিয়া, বাহরাইন, ইরান, মরক্কোয় বড় ধরনের বিদ্রোহ হয়। তবে লেবানন, মৌরিতানিয়া, সৌদি আরব, সুদান এবং পশ্চিম সাহারায় বড় ধরনের না হলেও বিক্ষোভ দেখা যায়।

উৎস: i) Britannica.
ii) Al Jazeera.
.
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় মার্কিন নৌবাহিনীর ঘাঁটিতে পার্ল হারবারে আক্রমণ চালিয়েছিল কোন দেশ?
  1. জাপান
  2. জার্মানি
  3. রাশিয়া
  4. ইতালি
সঠিক উত্তর:
জাপান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাপান
ব্যাখ্যা

• পার্ল হারবার আক্রমণ:
- উত্তর প্রশান্ত মহাসাগরের হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জ পার্ল হারবার ছিল যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় নৌঘাঁটি।
- ঘাঁটিটি বানানো হয় ১৯০৮ সালে।
- ১৯৪০ সালে যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান নৌঘাঁটি ক্যালিফোর্নিয়া থেকে হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জের পার্ল হারবারে স্থানান্তর করা হয়।
- কৌশলগত দিক দিয়ে এই ঘাঁটি ছিল যুক্তরাষ্ট্রের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সামরিক এলাকা।

- যুক্তরাষ্ট্রের মূল ভূখণ্ড থেকে প্রায় দুই হাজার মাইল এবং জাপান থেকে প্রায় চার হাজার মাইলে দূরে অবস্থিত ছিল এই নৌঘাঁটি।
- ১৯৪১ সালের ৭ ডিসেম্বর পার্ল হারবারে অবস্থিত মার্কিন নৌঘাঁটিতে আক্রমণ করে বসে জাপানের সামরিক বাহিনী।
- জাপানের এই আক্রমণের সঙ্গে সঙ্গে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সব হিসাব নিকাশ পাল্টে যায়।
- জাপানের এই অতর্কিত ও ধ্বংসাত্মক হামলার পরিপ্রেক্ষিতে বিশ্বযুদ্ধে উদাসীন থাকা যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধে অংশ নেয় সক্রিয়ভাবে।

উল্লেখ্য,
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের আগে জাপান ছিল আগ্রাসি একটা দেশ।
- চীনের সঙ্গে পরপর দুটি যুদ্ধজয়ের পর রাশিয়ার সঙ্গে যুদ্ধজয়ে জাপান আরও বেশি আগ্রাসি হয়ে ওঠে।
- এরপর প্রথম বিশ্বযুদ্ধে জয়লাভ করায় জাপান আরও সাম্রাজ্যবাদী হয়ে ওঠে।
- ১৯৩১ সালে চীনের মাঞ্চুরিয়া আক্রমণের মধ্য দিয়ে জাপান তাদের আধিপত্য বিস্তার শুরু করে।

তথ্যসূত্র: i) Britannica.
ii) প্রথম আলো।

.
১৯৯১ সালের উপসাগরীয় যুদ্ধ কোন নামে পরিচিত?
  1. অপারেশন ডেজার্ট স্টর্ম
  2. অপারেশন ডেসার্ট শিল্ড
  3. অপারেশন রেড ড্রাগন
  4. অপারেশন ইনভেশন
সঠিক উত্তর:
অপারেশন ডেজার্ট স্টর্ম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপারেশন ডেজার্ট স্টর্ম
ব্যাখ্যা

• অপারেশন ডেজার্ট স্টর্ম:
- '১৯৯১ সালের উপসাগরীয় যুদ্ধ' অপারেশন ডেজার্ট স্টর্ম নামে পরিচিত।

উল্লেখ্য,
- 'অপারেশন ডেজার্ট স্টর্ম' এই যুদ্ধ সংঘটিত হয় ইরাক এবং ৩৪টি দেশের জাতিসংঘ অনুমোদিত যৌথ বাহিনীর মধ্যে।
- ১৯৯০ সালের আগস্ট মাসে ইরাকের কুয়েত আগ্রাসন এবং কুয়েতি ভূ-খন্ড দখলের প্রেক্ষিতে ইরাক বাহিনীর হাত থেকে কুয়েতকে মুক্ত করাই ছিল সে যুদ্ধের উদ্দেশ্য।
- ১৯৯০ সালের ২ আগস্ট ইরাক কর্তৃক কুয়েত আক্রান্ত হলে ১৯৯১ সালের ১৭ জানুয়ারি মার্কিন নেতৃত্বাধীন বহুজাতিক বাহিনী ইরাকের উপর বিমান হামলা শুরু করে।
- ইরাকের বিরুদ্ধে এই যুদ্ধই ‘অপারেশন ডেজার্ট স্টর্ম’ নামে পরিচিত।
- বহুজাতিক বাহিনীর আক্রমণের মুখে ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরাকি বাহিনী পরাজয় বরণ করে।
- এই যুদ্ধ প্রথম উপসাগরীয় যুদ্ধ নামে পরিচিত।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।

.
প্রথম বিশ্বযুদ্ধ সমাপ্তকারী চূড়ান্ত চুক্তি কোনটি?
  1. বেলফাস্ট চুক্তি
  2. লুজান চুক্তি
  3. সেভার্স চুক্তি
  4. ভিয়েনা চুক্তি
সঠিক উত্তর:
লুজান চুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লুজান চুক্তি
ব্যাখ্যা
প্রথম বিশ্বযুদ্ধে মিত্রশক্তির সাথে অটোমান সাম্রাজ্য তথা বর্তমান তুরস্কের প্রথমে সেভার্স চুক্তি (১০ আগস্ট ১৯২০) সম্পাদিত হয়। কিন্তু তৎকালীন নব্য প্রতিষ্ঠিত তুর্কি জাতীয়তাবাদী সরকার সেভার্স চুক্তি প্রত্যাখ্যান করে।
১৯২৩ সালের ২৪ জুলাই সেভার্স চুক্তির স্থলে লুজান চুক্তি সম্পাদিত হয়। সুইজারল্যান্ডের লুজান শহরে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
লুজান চুক্তির ফলে-
- বর্তমান তুরস্কের সীমানা নির্ধারিত হয়।
- অটোমান সাম্রাজ্যের নিয়ন্ত্রণাধীন আরব প্রদেশ, আর্মেনিয়া, সাইপ্রাস, ঈজিয়ান সাগরের দ্বীপসমূহের উপর থেকে তুরস্ক তার অধিকার তুলে নেয়।
- এছাড়া আরাে কতিপয় বিধি নিষেধ আরােপিত হয়।

আন্তর্জাতিক নিয়মানুসারে ২০২৩ সালে লুজান চুক্তির মেয়াদ অবসান হবে।

উৎসঃ এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা এবং history.com
১০.
স্বাধীনতা, সাম্য ও ভ্রাতৃত্ব শ্লোগানে কোন দেশে বিপ্লব সংগঠিত হয়েছিল?
  1. ইতালিতে
  2. ফ্রান্সে
  3. জার্মানিতে
  4. জাপানে
সঠিক উত্তর:
ফ্রান্সে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফ্রান্সে
ব্যাখ্যা
ফরাসি বিপ্লব:
- স্বাধীনতা, সাম্য ও ভ্রাতৃত্ব (Liberty, Equality and Fraternity)-এর শ্লোগানে ১৭৮৯ সালে মহান বিপ্লব সংগঠিত হয়েছিল ফ্রান্সে।

- রাজতান্ত্রিক শোষণের বিরুদ্ধে জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত এবং সশস্ত্র এ বিপ্লবের প্রধান উদ্দেশ্য ছিল লুই সম্রাটের শাসন ও শোষণের পরিসমাপ্তি।
- ফ্রান্সের বর্তমান সংবিধানটিকে বলা হয় পঞ্চম প্রজাতান্ত্রিক সংবিধান (The Fifth Republic)।
- অর্থাৎ ফ্রান্সের এ 'পঞ্চম প্রজাতন্ত্র'-এর আগে আরও চারটি প্রজাতন্ত্র বা সাধারণতন্ত্র কায়েম হয়েছিল।
- ফরাসী বিপ্লব সংঘটিত হয় ১৭৮৯ সালে।
- রাজশক্তির অপশাসন হটিয়ে মহান ফরাসী বিপ্লব যে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া শুরু করে তারই পথ ধরে ১৭৯২ সালে ফ্রান্সে নতুন একটি সংবিধান প্রণয়ন করা হয় এবং প্রথম প্রজাতন্ত্রের যাত্রা শুরু হয়।
- এরপর ১৯৪৮-এ ২য় প্রজাতন্ত্র, ১৮৭০-এ তৃতীয় প্রজাতন্ত্র, ১৯৪৬-এ চতুর্থ প্রজাতন্ত্র এবং ১৯৫৮ সালে পঞ্চম প্রজাতন্ত্রের সূত্রপাত হয়।

উৎস: রাষ্ট্রবিজ্ঞান-৪, বিএ ও বিবিএস প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১.
সম্প্রতি রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে মধ্যস্থতার জন্য ট্রাম্প ও পুতিন কোথায় বৈঠক করেছে? [আগস্ট, ২০২৫]
  1. দোহা  
  2. আলাস্কা 
  3. শিকাগো 
  4. গ্রিনল্যান্ড 
সঠিক উত্তর:
আলাস্কা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আলাস্কা 
ব্যাখ্যা

• ট্রাম্প - পুতিন বৈঠক:
• তারিখ ও স্থান: ১৫ আগস্ট ২০২৫, Joint Base Elmendorf–Richardson, আংকারিজ, আলাস্কা, যুক্তরাষ্ট্র।
অংশগ্রহণকারী: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।

মূল উদ্দেশ্য: রাশিয়া–ইউক্রেন যুদ্ধের শান্তিপূর্ণ সমাধান নিয়ে আলোচনা করা। 

উৎস: আল জাজিরা।

১২.
নিচের কোন দেশটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে মিত্রশক্তির পক্ষ ছিল না?
  1. নেদারল্যান্ডস
  2. ইতালি
  3. ফ্রান্স
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ইতালি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইতালি
ব্যাখ্যা
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ:
- ১৯৩৯ সালের ১ সেপ্টেম্বর জার্মানি কর্তৃক পোল্যান্ড আক্রমণের মাধ্যমে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে অক্ষশক্তির অন্তর্ভুক্ত ছিল,
• জার্মানি,
• জাপান,
• ইতালি।

- মিত্রশক্তির অন্তর্ভুক্ত ছিল,
• ব্রিটেন,
• ফ্রান্স,
• যুক্তরাষ্ট্র,
• সোভিয়েত ইউনিয়ন,
• চীন,
• পোল্যান্ড,
• নেদারল্যান্ডস প্রভৃতি দেশ।

- ৮ ডিসেম্বর, ১৯৪১ সালে যুক্তরাষ্ট্র দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সরাসরি যোগদান করে।
- ৭ মে ১৯৪৫ জার্মানি মিত্রবাহিনীর নিকট নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ করে।
- ২ সেপ্টেম্বর ১৯৪৫ জাপান কর্তৃক আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মসমর্পণের মাধ্যমে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটে।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ইতিহাসে প্রথমবারের মতো পারমাণবিক অস্ত্রের দুটি ব্যবহার হয়েছিল।
- তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন তথা রাশিয়ার নেতা বা প্রেসিডেন্ট ছিলেন জোসেফ স্ট্যালিন।
- যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন উইনস্টন চার্চিল।
- যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ছিলেন ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেল্ট ও হ্যারি এস. ট্রুম্যান।

তথ্যসূত্র - হিস্টোরি ও ব্রিটানিকা কম।
১৩.
প্রথম বিশ্বযুদ্ধে কোন দেশ কেন্দ্রীয় শক্তির অন্তর্ভুক্ত ছিল?
  1. জাপান
  2. তুরস্ক
  3. ইতালি
  4. যুক্তরাষ্ট্র
সঠিক উত্তর:
তুরস্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তুরস্ক
ব্যাখ্যা
প্রথম বিশ্বযুদ্ধ:
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধ (১৯১৪-১৯১৮) ছিল একটি আন্তর্জাতিক সংঘর্ষ।
- এই যুদ্ধে ইউরোপের বেশিরভাগ দেশসহ রাশিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, মধ্যপ্রাচ্য এবং অন্যান্য অঞ্চল জড়িয়ে পড়ে।
- যুদ্ধে মুখোমুখি হয়েছিল দুটি পক্ষ— 
১. কেন্দ্রীয় শক্তি: মূলত জার্মানি, অস্ট্রিয়া-হাঙ্গেরি এবং তুরস্ক।
২. মিত্রশক্তি: মূলত ফ্রান্স, ব্রিটেন, রাশিয়া, ইতালি, জাপান এবং ১৯১৭ সাল থেকে যুক্তরাষ্ট্র।
- এই যুদ্ধ কেন্দ্রীয় শক্তির পরাজয়ের মাধ্যমে শেষ হয়।

- প্রথম বিশ্বযুদ্ধ ২০শ শতকের ভূরাজনৈতিক ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণ।
- এই যুদ্ধের ফলে চারটি বিশাল সাম্রাজ্যের পতন ঘটে—
১. জার্মান সাম্রাজ্য
২. রাশিয়ান সাম্রাজ্য
৩. অটোমান সাম্রাজ্য
৪. অস্ট্রো-হাঙ্গেরীয় সাম্রাজ্য

তথ্যসূত্র:- হিস্টোরি ডটকম এবং ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট। [লিঙ্ক]
১৪.
কোন দেশ থেকে আরব বসন্তের সূত্রপাত ঘটেছিলা?
  1. মিশর
  2. লিবিয়া
  3. ইয়েমেন
  4. তিউনেশিয়া
সঠিক উত্তর:
তিউনেশিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিউনেশিয়া
ব্যাখ্যা
- আরব বসন্ত হলো আরব মুসলিম দেশগুলোতে সংঘটিত হওয়া সিরিজ বা ধারাবাহিক গণঅভ্যুত্থান।
- ২০১০ সালের ডিসেম্বরে বোয়াজিজি নামে এক ফলবিক্রেতা কর্তৃক নিজ শরীরে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার মাধ্যমে তিউনেশিয়ায় সর্বপ্রথম গণবিক্ষোভ বা আরব বসন্তের সূত্রপাত ঘটে।
- এর ফলে ২০১১ সালের ১৪ জানুয়ারি তিউনেশিয়ার স্বৈরশাসক জাইন এল বেন আলী এর পতন ঘটে।
- পরবর্তীতে এই গণবিক্ষোভ মিসর, ইয়েমেন, লিবিয়া, সিরিয়া, বাহরাইন ও মরক্কোতে ছড়িয়ে পড়ে।
- লিবিয়া, সিরিয়া ও ইয়েমেনে গণআন্দোলন গৃহযুদ্ধে রূপ নিয়েছে।
(তথ্যসূত্রঃ হিস্টোরি ওয়েবসাইট এবং দ্য গার্ডিয়ান)
১৫.
প্রথম বিশ্বযুদ্ধে কেন্দ্রীয় শক্তি ছিল -
  1. জার্মানি, অস্ট্রিয়া-হাঙ্গেরি, অটোমান সাম্রাজ্য
  2. জার্মানি, রাশিয়া, ইতালি
  3. ব্রিটেন, ফ্রান্স, রাশিয়া
  4. মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন, ফ্রান্স
সঠিক উত্তর:
জার্মানি, অস্ট্রিয়া-হাঙ্গেরি, অটোমান সাম্রাজ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জার্মানি, অস্ট্রিয়া-হাঙ্গেরি, অটোমান সাম্রাজ্য
ব্যাখ্যা

• প্রথম বিশ্বযুদ্ধে কেন্দ্রীয় শক্তিগুলো প্রধানত জার্মানি, অস্ট্রিয়া-হাঙ্গেরি এবং অটোমান সাম্রাজ্য (তুরস্ক) নিয়ে গঠিত ছিল। বুলগেরিয়াও পরে তাদের সাথে যোগ দেয়।

প্রথম বিশ্বযুদ্ধ:
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধ (১৯১৪-১৯১৮) ছিল একটি আন্তর্জাতিক সংঘর্ষ।
- এই যুদ্ধে ইউরোপের বেশিরভাগ দেশসহ রাশিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, মধ্যপ্রাচ্য এবং অন্যান্য অঞ্চল জড়িয়ে পড়ে।

যুদ্ধে মুখোমুখি হয়েছিল দুটি পক্ষ— 
১. কেন্দ্রীয় শক্তি: মূলত জার্মানি, অস্ট্রিয়া-হাঙ্গেরি এবং অটোমান সাম্রাজ্য (তুরস্ক)।
২. মিত্রশক্তি: মূলত ফ্রান্স, ব্রিটেন, রাশিয়া, ইতালি, জাপান এবং ১৯১৭ সাল থেকে যুক্তরাষ্ট্র।
- এই যুদ্ধ কেন্দ্রীয় শক্তির পরাজয়ের মাধ্যমে শেষ হয়।

উৎস:  হিস্টোরি ডটকম এবং ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।

১৬.
ট্রাফালগার যুদ্ধে বিজয়ী সেনাপতি কে?
  1. ক) রবার্ট ক্লাইভ
  2. খ) অ্যাডমিরাল নেলসন
  3. গ) আর্থার ওয়েলেসলি
  4. ঘ) লর্ড লিথলিনগো
সঠিক উত্তর:
খ) অ্যাডমিরাল নেলসন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) অ্যাডমিরাল নেলসন
ব্যাখ্যা
- ট্রাফালগার যুদ্ধ ছিলো ইতিহাসের অন্যতম রক্তক্ষয়ী নৌযুদ্ধ। ফ্রান্স ও স্পেনের মিলিত নৌশক্তির সাথে লড়াই করে অ্যাডমিরাল লর্ড নেলসনের নেতৃত্বে ব্রিটেন এই যুদ্ধে জয় লাভ করে।
- ১৮০৫ সালের ২১ অক্টোবর স্পেন উপকূলে এই যুদ্ধ সংঘটিত হয়।
- ট্রাফালগার যুদ্ধ জয় এবং নেলসনের প্রতি সম্মান জানাতে লন্ডনে নেলসনের সমাধির পাশে ট্রাফালগার স্কয়ার নির্মাণ করা হয়।
(তথ্যসূত্রঃ হিস্টোরি ডটকম)
১৭.
২০০৪ সালে ইউক্রেনে অনুষ্ঠিত প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে কারচুপি এবং ব্যাপক দুর্নীতি অভিযোগে কোন আন্দোলন সংঘটিত হয়?
  1. সিভিল বিপ্লব
  2. হোয়াইট বিপ্লব
  3. অরেঞ্জ বিপ্লব
  4. ইয়োলো বিপ্লব
সঠিক উত্তর:
অরেঞ্জ বিপ্লব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অরেঞ্জ বিপ্লব
ব্যাখ্যা
অরেঞ্জ বিপ্লব:
- এই বিপ্লব সংঘটিত হয় ইউক্রেনে।
- অরেঞ্জ বিপ্লব ছিল একটি ধারাবাহিক প্রতিবাদ এবং রাজনৈতিক ঘটনা।
- সংঘটিত হয়: ২০০৪ সালে।
- আন্দোলনের কেন্দ্রবিন্দু: কিয়েভ, ইউক্রেন।
- আন্দোলনের বিষয়বস্তু: ২০০৪ সালে ইউক্রেনে অনুষ্ঠিত প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে কারচুপি এবং ব্যাপক দুর্নীতি।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
১৮.
১ম আরব-ইসরাইল যুদ্ধ সংঘটিত হয় কত সালে?
  1. ১৯৪৮ সালে
  2. ১৯৪৯ সালে
  3. ১৯৫০ সালে
  4. ১৯৫১ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৪৮ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৪৮ সালে
ব্যাখ্যা

আরব-ইসরাইল যুদ্ধ:
- মোট ৪টি আরব-ইসরাইল যুদ্ধ সংঘটিত হয়।

১ম আরব-ইসরাইল যুদ্ধ:
- এই যুদ্ধ সংঘটিত হয় ১৯৪৮ সালে।
- ইসরায়েল এবং আরব রাষ্ট্রসমূহ ও ফিলিস্তিনি আরব বাহিনীর গুলোর সম্মিলিত সামরিক বাহিনী মধ্যে সংঘটিত হয়।
- এটি আরবিতে নাকবা (বিপর্যয়) ও হিব্রুতে মিলখেমেত হাতজমাউত (স্বাধীনতা যুদ্ধ) বলে পরিচিত।

২য় আরব-ইসরাইল যুদ্ধ:
- এই যুদ্ধ সংঘটিত হয় ১৯৫৬ সালে।

৩য় আরব ইসরাইল যুদ্ধ:
- সংঘটিত হয় ১৯৬৭ সালে।
- ১৯৬৭ সালে ইসরাইল পূর্ব জেরুজালেম দখল করেছিল।
- এই যুদ্ধের স্থায়িত্ব ছিল মাত্র ৬ দিন।

৪র্থ আরব ইসরাইল যুদ্ধ:
- সংঘটিত হয় ১৯৭৩ সালে।
- Yom Kippur War নামে পরিচিত ৪র্থ আরব-ইসরাইল যুদ্ধ।
- ইহুদিদের পবিত্র দিন ইয়ম কিপুরের সময় ইসরায়েল-অধিকৃত অঞ্চলে আরব জোটের অতর্কিত হামলার মাধ্যমে এই যুদ্ধ শুরু হয়।
- মিশরীয় ও সিরিয়ান সেনারা যুদ্ধবিরতি রেখা ভেদ করে যথাক্রমে সিনাই উপদ্বীপ ও গোলান মালভূমিতে ঢুকে পড়ে।
- যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়ন উভয়ে তাদের নিজ নিজ মিত্রদের এসময়ে সহায়তা করে।
- ফলে দুইটি পারমাণবিক শক্তিধর দেশের মধ্যে বিবাদ সৃষ্টি হয়।

তথ্যসূত্র - Worldatlas.com

১৯.
‘ফ্রাইডেস ফর ফিউচার’ ‍আন্দোলনের উদ্যোক্তা কে ছিলেন?
  1. মেলিন্ডা গেটস
  2. তাওয়াক্কুল কারমান
  3. গ্রেটা থুনবার্গ
  4. ওয়াঙ্গিরি মাথাই
সঠিক উত্তর:
গ্রেটা থুনবার্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রেটা থুনবার্গ
ব্যাখ্যা
ফ্রাইডেস ফর ফিউচার:
- 'ফ্রাইডেস ফর ফিউচার' আন্দোলন হলো জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ে স্কুল শিক্ষার্থীদের মাধ্যমে সূত্রপাত হওয়া একটি আন্দোলন।
- ২০১৮ সালের আগস্টে সুইডেনে স্কুল শিক্ষার্থী গ্রেটা থুনবার্গের উদ্যোগে এই আন্দোলনের সূত্রপাত হয়।
- এই আন্দোলনের অংশ হিসেবে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবীতে সারা বিশ্বে স্কুল শিক্ষার্থীরা শুক্রবারে স্কুলে না গিয়ে রাজপথে নেমে আসে।

তথ্যসূত্র - ফ্রাইডেস ফর ফিউচার মুভমেন্ট ওয়েবসাইট।
২০.
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন-
  1. উইনস্টন চার্চিল
  2. জোসেফ স্ট্যালিন
  3. ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেল্ট
  4. হ্যারি এস. ট্রুম্যান
সঠিক উত্তর:
উইনস্টন চার্চিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উইনস্টন চার্চিল
ব্যাখ্যা
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ:
- ১৯৩৯ সালের ১ সেপ্টেম্বর জার্মানি কর্তৃক পোল্যান্ড আক্রমণের মাধ্যমে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে অক্ষশক্তির অন্তর্ভুক্ত ছিল:
- জার্মানি, জাপান, ইতালি।
• মিত্রশক্তির অন্তর্ভুক্ত ছিল:
- ব্রিটেন, ফ্রান্স, যুক্তরাষ্ট্র, সোভিয়েত ইউনিয়ন, চীন,পোল্যান্ড, নেদারল্যান্ডস প্রভৃতি দেশ।
- ৮ ডিসেম্বর, ১৯৪১ সালে যুক্তরাষ্ট্র দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সরাসরি যোগদান করে।
- ৭ মে ১৯৪৫ জার্মানি মিত্রবাহিনীর নিকট নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ করে।
- ২ সেপ্টেম্বর ১৯৪৫ জাপান কর্তৃক আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মসমর্পণের মাধ্যমে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটে।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ইতিহাসে প্রথমবারের মতো পারমাণবিক অস্ত্রের দুটি ব্যবহার হয়েছিল।
- যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন উইনস্টন চার্চিল।
- তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন তথা রাশিয়ার নেতা বা প্রেসিডেন্ট ছিলেন জোসেফ স্ট্যালিন।
- যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ছিলেন ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেল্ট ও হ্যারি এস. ট্রুম্যান।

উৎস: History.com.
২১.
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় পার্ল হারবার আক্রমণ করেছিল কোন দেশ?
  1. রাশিয়া
  2. ইতালি
  3. জাপান
  4. জার্মানি
সঠিক উত্তর:
জাপান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাপান
ব্যাখ্যা
পার্ল হারবার আক্রমণ:
- উত্তর প্রশান্ত মহাসাগরের হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জ পার্ল হারবার ছিল যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় নৌঘাঁটি।
- ঘাঁটিটি বানানো হয় ১৯০৮ সালে।
- ১৯৪০ সালে যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান নৌঘাঁটি ক্যালিফোর্নিয়া থেকে হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জের পার্ল হারবারে স্থানান্তর করা হয়।
- কৌশলগত দিক দিয়ে এই ঘাঁটি ছিল যুক্তরাষ্ট্রের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সামরিক এলাকা।

⇒ যুক্তরাষ্ট্রের মূল ভূখণ্ড থেকে প্রায় দুই হাজার মাইল এবং জাপান থেকে প্রায় চার হাজার মাইলে দূরে অবস্থিত ছিল এই নৌঘাঁটি।
- ১৯৪১ সালের ৭ ডিসেম্বর পার্ল হারবারে অবস্থিত মার্কিন নৌঘাঁটিতে আক্রমণ করে বসে জাপানের সামরিক বাহিনী।
- জাপানের এই আক্রমণের সঙ্গে সঙ্গে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সব হিসাব নিকাশ পাল্টে যায়।
- জাপানের এই অতর্কিত ও ধ্বংসাত্মক হামলার পরিপ্রেক্ষিতে বিশ্বযুদ্ধে উদাসীন থাকা যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধে অংশ নেয় সক্রিয়ভাবে।

উল্লেখ্য,
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের আগে জাপান ছিল আগ্রাসি একটা দেশ।
- চীনের সঙ্গে পরপর দুটি যুদ্ধজয়ের পর রাশিয়ার সঙ্গে যুদ্ধজয়ে জাপান আরও বেশি আগ্রাসি হয়ে ওঠে।
- এরপর প্রথম বিশ্বযুদ্ধে জয়লাভ করায় জাপান আরও সাম্রাজ্যবাদী হয়ে ওঠে।
- ১৯৩১ সালে চীনের মাঞ্চুরিয়া আক্রমণের মধ্য দিয়ে জাপান তাদের আধিপত্য বিস্তার শুরু করে।

উৎস: i) Britannica.
ii) প্রথম আলো।
২২.
D-Day কোন যুদ্ধের সাথে সম্পর্কিত?
  1. ১ম বিশ্বযুদ্ধ
  2. মার্কিন গৃহযুদ্ধ
  3. ২য় বিশ্বযুদ্ধ
  4. শতবর্ষব্যাপী যুদ্ধ
সঠিক উত্তর:
২য় বিশ্বযুদ্ধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২য় বিশ্বযুদ্ধ
ব্যাখ্যা

D-Day:
- D-Day দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সাথে সম্পর্কিত।

⇒ নাৎসী বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধে অংশ নিতে ১৯৪৪ সালের ৬ জুন প্রায় ১ লক্ষ ৫৬ হাজার যৌথ বাহিনীর সদস্য ফ্রান্সে অবতরণ করেন।
- ফ্রান্স উদ্ধারের জন্য মিত্রবাহিনী স্থল, নৌ ও বিমান বাহিনীর সমন্বয়ে যে অপারেশন পরিচালনা করে তার কোডনাম ছিলো Operation Overlord।
- দিনশেষে প্রায় সাড়ে চার হাজার সৈন্য মারা যান, যা বিশ্বের সেনা ইতিহাসে সবচেয়ে বড় সামরিক অভিযান।
- ফ্রান্সের নরম্যান্ডির উপকূলে ডি-ডে নামে খ্যাত ওই অভিযানের মধ্যে দিয়ে নাৎসী জার্মানির বিরুদ্ধে মিত্রবাহিনীর বিজয়ের সূচনা হয়।
- ৬ জুন দিনটিকে ডি ডে (D-Day) হিসাবে পালন করা হয়।
- এই লড়াইয়ের এক বছর পর পরাজয় স্বীকার করে জার্মানি।

উল্লেখ্য,
- ডি দিবস (D Day) বা অবতরণ দিবসের দিন ধার্য হয় ১৯৯৪ সালের ১ জুন।
- কিন্তু প্রতিকূল আবহাওয়ার জন্য পিছিয়ে ৬ জুন করা হয়।
- এই সুবিশাল সামরিক অভিযানের নেতা ছিরেন আমেরিকান সেনাপতি আইজেনহাওয়ার।

উৎস: History.com

২৩.
'ইন্টারনেট' কোন শিল্প বিপ্লবের আবিষ্কার?
  1. ১ম শিল্প বিপ্লব
  2. ২য় শিল্প বিপ্লব
  3. ৩য় শিল্প বিপ্লব
  4. ৪র্থ শিল্প বিপ্লব
সঠিক উত্তর:
৩য় শিল্প বিপ্লব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩য় শিল্প বিপ্লব
ব্যাখ্যা
শিল্প বিপ্লব:
- বর্তমান বিশ্ব টিকে আছে শিল্পভিত্তিক অর্থনীতির ওপর।
- বিশ্ব অর্থনীতির সবচেয়ে বেশি অগ্রগতি হয়েছে শিল্পবিপ্লবের ফলে।
- এখন পর্যন্ত বিশ্বজুড়ে মোট তিনটি শিল্পবিপ্লব ঘটেছে।

⇒ ১ম শিল্প বিপ্লব:
- ১৭৮৪ সালে পানি ও বাষ্পীয় ইঞ্জিনের নানামুখী ব্যবহারের কৌশল আবিষ্কারের মাধ্যমে সংঘটিত হয়েছিল প্রথম শিল্পবিপ্লব।
- প্রথম শিল্প বিপ্লব সংঘটন কাল: ১৭৬০ সাল।
- ১৭৬০ সাল থেকে ইউরোপের দেশ ইংল্যান্ডে প্রথম শিল্প বিপ্লব শুরু হয়।
- তাই ইংল্যান্ডকে শিল্প বিপ্লবের জন্মস্থান বলা হয়।

⇒ ২য় শিল্প বিপ্লব:
- দ্বিতীয় শিল্প বিপ্লব সংঘটন কাল: ১৮৭০ সাল।
- দ্বিতীয় শিল্প বিপ্লবের সময় প্রযুক্তিগত উন্নতি সাধিত হয়।
- এই সময়ে প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে পণ্য উৎপাদন ব্যবস্থা উন্নতকরণ, টেলিগ্রাফ, রেলযোগাযোগ ব্যবস্থা, পানিসরবরাহ ইত্যাদির আবিষ্কার হয়।
- এসবের ফলে দ্রুত যোগাযোগ স্থাপন ও জীবনযাপন এর মান বৃদ্ধি পায়।
- বিভিন্ন অস্ত্রশস্ত্র আবিষ্কার হতে থাকে যা সেনাবাহিনীর আধুনিকায়নে সাহায্য করে।

⇒ ৩য় শিল্প বিপ্লব:
- দ্বিতীয় শিল্পবিপ্লবের ঠিক ১০০ বছরের মাথায় ১৯৬৯ সালে আবিষ্কৃত হয় ইন্টারনেট।
- শুরু হয় ইন্টারনেটভিত্তিক তৃতীয় শিল্পবিপ্লব।
- তৃতীয় শিল্পবিপ্লবের সময় তথ্যপ্রযুক্তির সহজ ও দ্রুত বিনিময় শুরু হলে সারা বিশ্বের গতি কয়েকগুণ বেড়ে যায়।
- ম্যানুয়াল জগৎ ছেড়ে যাত্রা শুরু হয় ভার্চুয়াল জগতের।

⇒ ৪র্থ শিল্প বিপ্লব:
- প্রযুক্তিনির্ভর ডিজিটাল বিপ্লবকেই বলা হচ্ছে চতুর্থ শিল্পবিপ্লব।
- যেখানে মানুষের আয়ত্তে আসছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং ইন্টারনেট অব থিংস বা যন্ত্রের ইন্টারনেট, যা সম্পূর্ণ রূপেই মানবসম্পদের বিকল্প হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে।

উৎস: Britannica.
২৪.
ভিয়েতনাম যুদ্ধের অবসান হয় কবে?
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৭ সালে
  3. ১৯৭৫ সালে
  4. ১৯৭০ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭৫ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৫ সালে
ব্যাখ্যা
১ নভেম্বর ১৯৫৫ সালে বিংশ শতাব্দীর অন্যতম রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ ভিয়েতনাম যুদ্ধের শুরু হয়। যা প্রায় ২০ বছর ধরে চলে।
১৯৭৫ সালের ৩০ এপ্রিল সমাজতান্ত্রিক উত্তর ভিয়েতনাম কর্তৃক মার্কিন সমর্থনপুষ্ট দক্ষিণ ভিয়েতনামকে দখলের মাধ্যমে এই যুদ্ধের অবসান হয়।
এর আগে ১৯৭৩ সালে মার্কিন সৈন্য প্রত্যাহারে উত্তর ভিয়েতনাম ও আমেরিকার মধ্যে চুক্তি সাক্ষরিত হয়। এ যুদ্ধে ৫৮,০০০ মার্কিন সৈন্যসহ ২০ লক্ষ মানুষ মারা যায়।
(সূত্রঃ হিস্টোরি ডটকম)
২৫.
প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর কোন সাম্রাজ্যের পতন ঘটে?
  1. ব্রিটিশ সাম্রাজ্য 
  2. অটোমান সাম্রাজ্য 
  3. রোমান সাম্রাজ্য
  4. বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্য
সঠিক উত্তর:
অটোমান সাম্রাজ্য 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অটোমান সাম্রাজ্য 
ব্যাখ্যা

• প্রথম বিশ্বযুদ্ধ: 
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধ ছিল ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ সংঘাতের একটি।
- যুদ্ধ শুরু হয়: ২৮ জুলাই, ১৯১৪।
- শেষ হয়: ১১ নভেম্বর, ১৯১৮।
- কেন্দ্রীয়শক্তি: জার্মানি, অস্ট্রিয়া, হাঙ্গেরি, অটোমান সাম্রাজ্য ও বুলগেরিয়া।
- মিত্রশক্তি: সার্বিয়া, রাশিয়া, ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, ইতালি, জাপান প্রভৃতি দেশ।
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর ১৯১৯ সালে ভার্সাই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধের ফলাফল: কেন্দ্রীয় শক্তির পতন ও মিত্র শক্তির বিজয়। 

উল্লেখ্য,
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধের ফলে ৪টি সাম্রাজ্যের পতন ঘটেছিল। এগুলো হলো: রুশ, জার্মান, অস্ট্রো-হাঙ্গেরীয় ও অটোমান।
- ১৯১৭ সালের রুশ বিপ্লবের ফলে জারতন্ত্রের পতন ঘটে।
- যুদ্ধের শেষে জার্মানি পরাজিত হলে এই সাম্রাজ্যেরও অবসান ঘটে।
- অস্ট্রো-হাঙ্গেরিয়ান সাম্রাজ্য ভেঙে একাধিক ছোট ছোট রাষ্ট্রে পরিণত হয়।
- ১৯২২ সাল নাগাদ অটোমান সাম্রাজ্য সম্পূর্ণরূপে বিলুপ্ত হয়ে যায় যা মধ্যপ্রাচ্যে নতুন রাজনৈতিক বিন্যাসের জন্ম দেয়। 

তথ্যসূত্র: i) History.com
ii) Britannica.

২৬.
প্রথম বিশ্বযুদ্ধে অক্ষশক্তির পক্ষ অবলম্বন করে কোন দেশ?
  1. ক) জার্মানি
  2. খ) রাশিয়া
  3. গ) ব্রিটেন
  4. ঘ) ফ্রান্স
সঠিক উত্তর:
ক) জার্মানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) জার্মানি
ব্যাখ্যা
প্রথম বিশ্বযুদ্ধ (World War - I)
• গত শতাব্দীর প্রথম ভাগে বিশ্বের পরাশক্তিগুলো প্রধানত ইউরোপে এক রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে। ১৯১৪ সাল থেকে ১৯১৮ সাল পর্যন্ত সময়ে সংঘটিত এই যুদ্ধটি প্রথম বিশ্বযুদ্ধ নামে পরিচিত।
• প্রথম বিশ্বযুদ্ধ “মহাযুদ্ধ” বা “The Great War” নামে ইতিহাসে বিখ্যাত। এই যুদ্ধের মাধ্যমে বিশ্ব প্রথম সামরিক শক্তির সর্বগ্রাসী চেহারা প্রত্যক্ষ করে। এর আগে কোন যুদ্ধে এতো প্রাণহানি ঘটে নি।
• চার বছরের যুদ্ধে প্রায় ১ কোটি ৬০ লক্ষ মানুষের প্রাণহানি ঘটে। সবচেয়ে বেশি প্রায় ৩৭ লাখ প্রাণহানি ঘটে রাশিয়ার।
• এছাড়া যুদ্ধের প্রভাবে ইউরোপের বহু দেশ ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয় এবং অর্থনৈতিক দিক থেকে নড়বড়ে অবস্থানে চলে যায়।

একনজরে প্রথম বিশ্বযুদ্ধ
• যুদ্ধ সংঘটনকাল -- ২৮ জুলাই, ১৯১৪ - ১১ নভেম্বর, ১৯১৮ খ্রিস্টাব্দ।
• যুদ্ধ সংঘটন স্থান -- ইউরোপ ও মধ্যপ্রাচ্য।
অক্ষশক্তি -- জার্মানি, অস্ট্রিয়া, হাঙ্গেরি, বুলগেরিয়া, গ্রীস ও তুরস্ক।
মিত্রশক্তি -- রাশিয়া, ব্রিটেন, ফ্রান্স, যুক্তরাষ্ট্র, ইতালি, জাপান, চীন, সার্বিয়া, রোমানিয়া ও বেলজিয়াম প্রভৃতি দেশ।
• ফলাফল -- মিত্রশক্তি বিজয়ী।  

তথ্যসূত্র:- ব্রিটানিকা ও হিস্টরি.কম।
২৭.
সবুজ বিপ­বের সূচনা হয় কোথায়?
  1. ক) ফিলিপাইন
  2. খ) মেক্সিকো
  3. গ) ব্রিটেন
  4. ঘ) নরওয়ে
সঠিক উত্তর:
খ) মেক্সিকো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) মেক্সিকো
ব্যাখ্যা
- তৃতীয় কৃষি বিপ্লব বা সবুজ বিপ­বের সূচনা হয় ১৯৪৪ সালে, মেক্সিকোয়। 
- মূলত উচ্চ ফলনশীল গম জাত উদ্ভাবনের মাধ্যমে এ বিপ­বের যাত্রা শুরু। 
- এর নেতৃত্ব দেন শান্তিতে নোবেল পুরস্কার বিজয়ী কৃষি বিজ্ঞানী ড. নরমোন ই বোরলগ। 
- ১৯৪৩ সালে মেক্সিকো যেখানে তার প্রয়োজনের প্রায় অর্ধেক শস্য বিদেশ থেকে আমদানি করত, সেখানে সবুজ বিপ­বের মাধ্যমে ১৯৫১ সালের মধ্যেই ওই দেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করে এবং ১৯৬৪ সালে মেক্সিকো প্রায় অর্ধ মিলিয়ন টন গম বিদেশে রফতানি করতে সক্ষম হয়।
- এই উত্তরণ সম্ভব হয়েছে ড. বোরলগ কর্তৃক উদ্ধাবিত অধিক উৎপাদন ক্ষমতা সম্পন্ন রোগ প্রতিরোধক আধা-বেটে গম বীজ, ও রাসায়নিক সার ব্যবহারের কার্যক্রম সম্প্রসারণ এবং গবেষণা অবকাঠামো তৈরির মাধ্যমে।
 
উল্লেখ্য,
- প্রথম কৃষি বিপ্লব (First Agricultural Revolution, or the Neolithic Revolution) সূচিত হয় ১০০০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দে। 
- দ্বিতীয় কৃষি বিপ্লব বা ব্রিটিশ কৃষি বা বিপ্লব (Second Agricultural Revolution, or the British Agricultural Revolution) সূচিত হয়  আঠারো শতকে। 
- তৃতীয় কৃষি বিপ্লব বা সবুজ বিপ্লব  (Third Agricultural Revolution, or the Green Revolution) ১৯৪০ এর দশকে সূচিত হয়। 
 
উৎস: বাংলাপিডিয়া, Oregon State University Website, ব্রিটানিকা
২৮.
‘ফ্যাটম্যান’ পারমাণবিক বোমা কত তারিখে নিক্ষিপ্ত করা হয়?
  1. ৩ আগস্ট
  2. ৫ আগস্ট
  3. ৬ আগস্ট
  4. ৯ আগস্ট
সঠিক উত্তর:
৯ আগস্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯ আগস্ট
ব্যাখ্যা
লিটলবয়:
- দ্বিতীয় বিশ্ব যুদ্ধে ব্যবহৃত পারমাণবিক বোমা ‘লিটল বয়’ দিয়ে ১৯৪৫ সালের ৬ আগস্ট জাপানের হিরোশিমা নগরে বিস্ফোরণ ঘটানো হয়েছিল।
ফ্যাটম্যান:
- ১৯৪৫ সালের ৬ আগস্ট সকালে যুক্তরাষ্ট্রের বিমান বাহিনী জাপানের হিরোশিমা শহরের ওপর লিটল বয় নামের নিউক্লীয় বোমা ফেলে এবং এর তিন দিন পর ৯ আগস্ট নাগাসাকি শহরের ওপর ফ্যাট ম্যান নামের আরেকটি নিউক্লীয় বোমার বিস্ফোরণ ঘটানো হয়।
লিটলবয় ও ফ্যাটম্যান:
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ যখন প্রায় শেষের পথে, তখন আগস্টের জাপানের হিরোশিমা এবং নাগাসাকি শহরে পরমাণু বোমা ফেলেছিল যুক্তরাষ্ট্র।
- বিশ্বে প্রথম কোন যুদ্ধে ব্যবহৃত হয়েছিল গণবিধ্বংসী মারণাস্ত্র।
- মারা গিয়েছিল হাজার হাজার মানুষ।
- জাপানের হিরোশিমা শহরে ৬ আগস্ট, ১৯৪৫ সালে বোমা বর্ষণ করে।
- নিক্ষিপ্ত বোমাটির নাম ছিলো লিটলবয়।
- ৯ আগস্ট, ১৯৪৫ সালে নাগাসাকি শহরে পারমাণবিক বোমা বর্ষণ করে।
- নাগাসাকিতে নিক্ষিপ্ত বোমাটির নাম ছিলো ফ্যাটম্যান।
- ৩৩তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট হ্যারি এস ট্রুম্যান এই পারমাণবিক বোমা বর্ষণের নির্দেশ দেন।

উৎস: History.com.
২৯.
ফকল্যান্ড যুদ্ধ শুরু হয় কত সালে?
  1. ১৯৮০ সালে
  2. ১৯৮১ সালে
  3. ১৯৮২ সালে
  4. ১৯৮৫ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৮২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৮২ সালে
ব্যাখ্যা
ফকল্যান্ড যুদ্ধ
- ফকল্যান্ড ছিল দক্ষিণ আটলান্টিক মহাসাগরে ফক্‌ল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জের নিয়ন্ত্রণের উপর আর্জেন্টিনা ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে সংঘটিত অঘোষিত যুদ্ধ।
- ১৯৮২ সালের ২রা এপ্রিল থেকে ১৪ই জুন পর্যন্ত এই যুদ্ধ চলে।
- ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জকে কেন্দ্র করে  যুদ্ধে লিপ্ত হয়েছিলো ব্রিটেন ও আর্জেন্টিনা।
- দক্ষিণ আটলান্টিকের ফকল্যান্ড দখলের এই যুদ্ধে আর্জেন্টিনার ৬৫৫ জন সৈন্য নিহত হয়। নিহত হয় আড়াইশোরও বেশি ব্রিটিশ সেনা।
- তিনজন দ্বীপবাসীও এই যুদ্ধে প্রাণ হারিয়েছিলেন। 

উৎস: ব্রিটানিকা।
৩০.
সম্প্রতি 'গাজা শান্তি সম্মেলন' কোথায় অনুষ্ঠিত হয়?(নভেম্বর, ২০২৫)
  1. মিশরে
  2. কাতারে
  3. সৌদি আরবে
  4. যুক্তরাষ্ট্রে
সঠিক উত্তর:
মিশরে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মিশরে
ব্যাখ্যা

গাজা শান্তি সম্মেলন:
- 'গাজা শান্তি সম্মেলন' অনুষ্ঠিত হয়েছে মিশরে। 
- শান্তি সম্মেলনটি অনুষ্ঠিত হয় মিসরের উপকূলীয় শহর শারম আল-শেখে।
-  ১৩ অক্টোবর, ২০২৫ তারিখে মিশরে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নেতার উপস্থিতিতে হামাস-ইসরাইল শান্তি পরিকল্পনা চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। 
- এই নথিতে ট্রাম্প ছাড়াও মিসরীয় প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসি, তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান এবং কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল-থানিসহ অন্যান্য বিশ্বনেতারা স্বাক্ষর করেছেন।
- সম্মেলনে প্রায় ৩৫ জন বিশ্বনেতা অংশ নেন।
- গাজায় দুই বছরেরও বেশি সময় ধরে চলা ইসরাইল-হামাস যুদ্ধের অবসান ঘটানোর লক্ষ্যে এ চুক্তি সই হয়। 

উল্লেখ্য,
- এর আগে ১০ অক্টোবর, ২০২৫ তারিখে ইসরায়েল ও হামাস ট্রাম্পের ২০ দফা যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে স্বাক্ষর করে।
- এরই মধ্যে হামাস ২০ জন জীবিত জিম্মি ও কয়েকজন জিম্মির মরদেহ ইসরায়েলের কাছে হস্তান্তর করেছে। ইসরায়েলও প্রায় দু হাজার ফিলিস্তিনি বন্দীকে মুক্তি দিয়েছে।

উৎস: Al Jazeera।

৩১.
ফকল্যান্ড যুদ্ধের সময় যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন কে?
  1. উইনস্টন চার্চিল
  2. মার্গারেট থ্যাচার
  3. ডেভিড ক্যামেরন
  4. হ্যারল্ড উইলসন
সঠিক উত্তর:
মার্গারেট থ্যাচার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মার্গারেট থ্যাচার
ব্যাখ্যা
- ফকল্যান্ড যুদ্ধের সময় যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন মার্গারেট থ্যাচার।
- তিনি ১৯৮২ সালে সংঘটিত এই যুদ্ধে যুক্তরাজ্যের পক্ষে কঠোর নেতৃত্ব দেন

ফকল্যান্ড দ্বীপ:
- ফকল্যান্ড দ্বীপ দক্ষিণ আটলান্টিক মহাসাগরে অবস্থিত।
- ফকল্যান্ড দ্বীপ নিয়ে আর্জেন্টিনা ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে ১৯৮২ সালে যুদ্ধ সংঘটিত হয়।
- যুদ্ধের স্থান ছিল ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ।
- যুদ্ধের যুক্তরাজ্য বিজয়ী হয় এবং ফকল্যান্ডসহ কিছু দ্বীপে যুক্তরাজ্যের নিয়ন্ত্রণে চলে যায়।
- ১৪ জুন, ১৯৮২ সালে, আর্জেন্টিনা সমর্পণ করতে বাধ্য হয় এবং ঐসকল দ্বীপে ব্রিটিশ নিয়ন্ত্রণ আবার প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এই যুদ্ধে আর্জেন্টিনা পরাজিত হওয়ায়, ১৯৮৩ সালে আর্জেন্টিনায় সামরিক সরকার ক্ষমতা হারায়।

সূত্র: Britannica.
৩২.
চীনের সাংস্কৃতিক বিপ্লব শুরু করেন কে?
  1. লি কিয়াং
  2. শি জিনপিং
  3. মাও সেতুং
  4. লি কেকিয়াং
সঠিক উত্তর:
মাও সেতুং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাও সেতুং
ব্যাখ্যা
চীনের সাংস্কৃতিক বিপ্লব: 
- চীনা কমিউনিস্ট পার্টির চেয়ারম্যান মাও সেতুং ১৯৬৬-১৯৭৬ সালে তার ক্ষমতার শেষ দশকে এই আন্দোলন শুরু করেন।
- এর উদ্দেশ্য ছিল চীনের বিপ্লবী চেতনা পুনরুজ্জীবিত করা।
- মাও আশঙ্কা করেছিলেন যে চীন সোভিয়েত মডেলের মতো পথে এগোবে।
- সোভিয়েত ইউনিয়নের বিপ্লব বিচ্যুত হয়েছে এমন ধারণা তাকে উদ্বিগ্ন করেছিল।
- নিজেকে ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার ইচ্ছাও মাওয়ের এ উদ্যোগের একটি কারণ।
- সাংস্কৃতিক বিপ্লব এর ফলে চীনের শহরগুলোতে ব্যাপক বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়।
- ঐতিহাসিক পরিবর্তন এবং স্থিতিশীলতা রোধের জন্য এটি একটি বিপ্লবী প্রচেষ্টা হিসেবে বিবেচিত হয়।
- সাংস্কৃতিক বিপ্লব চীনের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়, যা রাজনৈতিক, সামাজিক এবং অর্থনৈতিক অস্থিরতা সৃষ্টি করেছিল।

উৎস: Britannica.
৩৩.
ইরানে কবে ইসলামিক বিপ্লব ঘটে?
  1. ১৯৬৯ সাল
  2. ১৯৭৯ সাল
  3. ১৯৮৯ সাল
  4. ১৯৯৯ সাল
সঠিক উত্তর:
১৯৭৯ সাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৯ সাল
ব্যাখ্যা

• ইরানের ইসলামিক বিপ্লব:
- এই বিপ্লবের সূত্রপাত ঘটে ১৯৭৮ সালের জানুয়ারিতে।
- এই বিপ্লব সংঘটিত হয় ১৯৭৯ সালে।
- এই বিপ্লবের মাধ্যমে ইরানের শাহ রাজতন্ত্রের পতন ঘটে।
- বিপ্লবের মাধ্যমে পাশ্চাত্যের প্রভাবমুক্ত হয়ে একটি ইসলামি প্রজাতন্ত্রে আবির্ভূত হয় ইরান।
- শেষ রাজা ছিলেন শাহ পাহলভী।
- ইরানের বিপ্লবের নায়ক ছিলেন আয়াতোল্লাহ রুহুলুল্লাহ খোমেনি।
- ১ এপ্রিল ১৯৭৯ খোমেনী ইরানকে ইসলামী প্রজাতন্ত্র ঘোষণা করেন।
- তিনি দীর্ঘদিন ফ্রান্সে নির্বাসিত ছিলেন। 

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।

৩৪.
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সমাপ্তি হয় -
  1. ১৯৪৭ সালে
  2. ১৯৪৬ সালে
  3. ১৯৪৫ সালে
  4. ১৯৪৪ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৪৫ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৪৫ সালে
ব্যাখ্যা
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ:
- ১৯৩৯ সালের ১ সেপ্টেম্বর জার্মানি কর্তৃক পোল্যান্ড আক্রমণের মাধ্যমে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে অক্ষশক্তির অন্তর্ভুক্ত ছিলো জার্মানি, জাপান ও ইতালি।
- মিত্রশক্তিতে ছিলো ব্রিটেন, ফ্রান্স, যুক্তরাষ্ট্র, সোভিয়েত ইউনিয়ন, চীন, পোল্যান্ড, নেদারল্যান্ডস প্রভৃতি দেশ।
- ৮ ডিসেম্বর, ১৯৪১ সালে যুক্তরাষ্ট্র দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সরাসরি যোগদান করে।
- ৭ মে, ১৯৪৫ জার্মানি মিত্রবাহিনীর নিকট নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ করে।
- ২ সেপ্টেম্বর, ১৯৪৫ জাপান কর্তৃক আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মসমর্পণের মাধ্যমে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটে।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ইতিহাসে প্রথমবারের মতো পারমাণবিক অস্ত্রের দুটি ব্যবহার হয়েছিল।

উৎস:- হিস্টোরি ডটকম এবং ব্রিটানিকা।
৩৫.
কোন পাল রাজার আমলে কৈবর্ত্য বিদ্রোহ সংঘটিত হয়?
  1. ক) রামপাল
  2. খ) দ্বিতীয় শূরপাল
  3. গ) দ্বিতীয় মহীপাল
  4. ঘ) কুমারপাল
  5. ঙ) তৃতীয় বিগ্রহপাল
সঠিক উত্তর:
গ) দ্বিতীয় মহীপাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) দ্বিতীয় মহীপাল
ব্যাখ্যা
তৃতীয় বিগ্রহপালের মৃত্যুর পর তার পুত্র দ্বিতীয় মহীপাল সিংহাসনে বসেন। তার সময় বরেন্দ্র অঞ্চলে বিদ্রোহ শুরু হয় যা ‘কৈবর্ত্য বিদ্রোহ’ নামে পরিচিত। এর নেতা ছিলেন দিব্য। তিনি দ্বিতীয় মহীপালকে হত্যা করেন এবং বরেন্দ্র দখল করেন। উৎসঃ নবম - দশম শ্রেণি : বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয়।
৩৬.
শিল্প বিপ্লবের সূচনা কোথায় হয়েছিল?
  1. ফ্রান্স
  2. ইতালি
  3. জার্মানি
  4. যুক্তরাজ্য
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাজ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাজ্য
ব্যাখ্যা

• শিল্প বিপ্লব: 
- শিল্প বিপ্লব ছিল একটি প্রযুক্তিগত, সামাজিক ও অর্থনৈতিক রূপান্তরের যুগ।
- যা ১৮শ ও ১৯শ শতাব্দীতে ইউরোপ, বিশেষ করে ব্রিটেনে শুরু হয় এবং পরে সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে।

• প্রথম শিল্প বিপ্লব:
- প্রথম শিল্প বিপ্লব ছিল একটি যুগান্তকারী প্রযুক্তিগত ও অর্থনৈতিক পরিবর্তনের ধারা,
- যা আনুমানিক ১৭৬০ সালে গ্রেট ব্রিটেনে শুরু হয়।
- এবং ১৮৪০ সালের মধ্যে ইউরোপ ও উত্তর আমেরিকায় ছড়িয়ে পড়ে।
- এটি যন্ত্রনির্ভর উৎপাদনের যুগের সূচনা করে।
- সময়কাল: আনুমানিক ১৭৬০ – ১৮৪০।
- প্রধান কেন্দ্র: গ্রেট ব্রিটেন (ইংল্যান্ড),
- পরে ইউরোপ ও আমেরিকা

• মূল চালিকাশক্তি: 
- বাষ্পশক্তির ব্যবহার (Steam Power),
- কয়লা ও লোহা ব্যবহারে দক্ষতা,
- নতুন যন্ত্রের উদ্ভাবন,
- কৃষি উৎপাদনের উন্নয়ন ও উদ্বৃত্ত শ্রম।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৩৭.
হিরোশিমা ও নাগাসাকিতে বোমা ফেলা হয় কোন যুদ্ধের সময়?
  1. প্রথম বিশ্বযুদ্ধ
  2. কোরিয়া যুদ্ধ
  3. ঠাণ্ডা যুদ্ধ
  4. দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ
ব্যাখ্যা
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ: 
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ যখন প্রায় শেষের পথে, তখন আগস্টের জাপানের হিরোশিমা এবং নাগাসাকি শহরে পরমাণু বোমা ফেলেছিল যুক্তরাষ্ট্র।
- বিশ্বে প্রথম কোন যুদ্ধে ব্যবহৃত হয়েছিল গণবিধ্বংসী মারণাস্ত্র।
- জাপানের হিরোশিমা শহরে ৬ আগস্ট, ১৯৪৫ সালে বোমা বর্ষণ করে।
- নিক্ষিপ্ত বোমাটির নাম ছিলো লিটলবয়।
- ৯ আগস্ট, ১৯৪৫ সালে নাগাসাকি শহরে পারমাণবিক বোমা বর্ষণ করে।
- নাগাসাকিতে নিক্ষিপ্ত বোমাটির নাম ছিলো- ফ্যাটম্যান।
- ৩৩তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট- হ্যারি এস ট্রুম্যান এই পারমাণবিক বোমা বর্ষণের নির্দেশ দেন।

উল্লেখ্য,
- জার্মানির পোল্যান্ড আক্রমণ যুদ্ধের সূচনা করে ।
- ১ম বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী পরিস্থিতি, অর্থনৈতিক সংকট ও রাজনৈতিক উত্তেজনায় হিটলারের উত্থান ।
- জাপানী আগ্রাসন ও পার্ল হারবার আক্রমণ আমেরিকাকে যুদ্ধের দিকে ঠেলে দেয়।

উৎস: History.com.
৩৮.
Which of the following terms can be related with the fourth industrial revolution?
  1. ক) Artificial intelligence
  2. খ) Internet of things
  3. গ) robotics
  4. ঘ) a, b and c
  5. ঙ) None
সঠিক উত্তর:
ঘ) a, b and c
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) a, b and c
ব্যাখ্যা
The Fourth Industrial Revolution is a term used by CEOs, policymakers and industry to describe technologies like artificial intelligence, quantum computing, 3D printing, nanotechnology, biotechnology, materials science, energy storage, and quantum computing. and the internet of things.

Source: CNBC, WEF
৩৯.
ডি ডে অভিযান কোন যুদ্ধের সাথে সংশ্লিষ্ট এবং কোথায় সংগঠিত হয়েছিল?
  1. দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে , জাপানের হিরোসিমায়।
  2. দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে , জাপানের নাগাসাকিতে।
  3. দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে , ফ্রান্সের নরম্যান্ডির উপকূলে।
  4. প্রথম বিশ্বযুদ্ধে , ফ্রান্সের নরম্যান্ডির উপকূলে।
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে , ফ্রান্সের নরম্যান্ডির উপকূলে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে , ফ্রান্সের নরম্যান্ডির উপকূলে।
ব্যাখ্যা
ডি ডে
- ডি ডে অভিযান দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সাথে সংশ্লিষ্ট।
- ফ্রান্সের নরম্যান্ডির উপকূলে সংগঠিত হয়েছিল। 
- ১৯৪৪ সালের ৬ই জুন, নাৎসি জার্মানি বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধে অংশ নিতে প্রায় ১ লক্ষ ৫৬ হাজার মিত্রবাহিনীর সেনা ইংলিশ চ্যানেল সংলগ্ন ফ্রান্সের নরম্যান্ডি দ্বিপের উপকূলের পাঁচটি সৈকতে অবতরণ করেন।
-দিনশেষে প্রায় সাড়ে চার হাজার সৈন্য মারা যান, যা বিশ্বের সেনা ইতিহাসে সবচেয়ে বড় এবং গুরুত্বপূর্ণ সামরিক অভিযান। এই দিনটি ডি ডে হিসেবে পরিচিত। 
- ১৯৩৯ সালের ১ সেপ্টেম্বর , দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হবার পরে ১৯৪৪ সালের ৬ই জুন পর্যন্ত রাশিয়া এবং ব্রিটেন ছাড়া প্রায় পুরো ইউরোপই জার্মানির দখলে ছিল। এই দিনই প্রথম জার্মান নেতৃত্বাধীন অক্ষবাহিনী বড় কোন পরাজয়ের সম্মুখীন হয়। 

অন্যদিকে,
- ১৯৪৫ সালের ৬ আগস্ট সকালে যুক্তরাষ্ট্রের বিমান বাহিনী জাপানের হিরোশিমা শহরের ওপর লিটল বয় নামের নিউক্লীয় বোমা ফেলে,
- এবং এর তিন দিন পর ৯ আগস্ট নাগাসাকি শহরের ওপর ফ্যাট ম্যান নামের আরেকটি নিউক্লীয় বোমার বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। 

তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা।
৪০.
'বোস্টন টি পার্টি' কোন বিপ্লবের শুরু হিসেবে বিবেচিত?
  1. অরেঞ্জ বিপ্লব
  2. অক্টোবর বিপ্লব
  3. আমেরিকান বিপ্লব
  4. টিউলিপ বিপ্লব
সঠিক উত্তর:
আমেরিকান বিপ্লব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আমেরিকান বিপ্লব
ব্যাখ্যা

• বোস্টন টি পার্টি:
- 'বোস্টন টি পার্টি' আমেরিকান বিপ্লবের সূচনা করে।
- এটি ছিল ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক প্রতিবাদ এবং এটি আমেরিকান স্বাধীনতা যুদ্ধের দিকে পরিচালিত করে।

- Boston Tea party সংঘটিত হয়েছিল ১৭৭৩ সালের ১৬ ডিসেম্বর।
- এই পার্টিটি ছিল বোস্টনে সন অব লিবার্টিদের একটি রাজনৈতিক প্রতিবাদ।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে টি পার্টিটি একটি ঐতিহাসিক ঘটনা।
- ১৭৭০ সালের ৫ মার্চ বোস্টন রাজস্ব বিভাগের সামনে আমেরিকানদের সাথে ব্রিটিশ সৈনিকরা কর আদায়ের ইস্যুকে কেন্দ্র করে কয়েক দফা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।
- তখন ব্রিটিশরা উত্তেজিত ব্যবসায়ীদের দিকে গুলি ছুড়লে সেখানে ৫ জন নিহত হয়।
- অংশগ্রহণকারীরা কেউ কেউ আদিবাসী মার্কিনীদের ছদ্মবেশে চা আইনের বিরোধিতায়, ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি কর্তৃক প্রেরিত চায়ের একটি গোটা চালান ধ্বংস করে দেন।
- তারা এরপর জাহাজে উঠে পড়েন এবং চায়ের সিন্দুকগুলো বোস্টন পোতাশ্রয়ে ছুড়ে ফেলেন।
- ব্রিটিশ সরকার এর কঠোরভাবে জবাব দেয় এবং এই ঘটনাটি মার্কিন বিপ্লবের দিকে এগিয়ে যায়।
- এই ঘটনাটি ১৭৭৬ সালে আমেরিকার স্বাধীনতা যুদ্ধকে ত্বরান্বিত করে।

তথ্যসূত্র: History.com.

৪১.
The Battle Marathon was a part of which larger conflict?
  1. The Peloponnesian War
  2. The Greco Persian Wars
  3. The Punic Wars
  4. The Trojan War
সঠিক উত্তর:
The Greco Persian Wars
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The Greco Persian Wars
ব্যাখ্যা

Battle of Marathon:
- ম্যারাথনের যুদ্ধ (Battle of Marathon) প্রাচীন গ্রীক ইতিহাসের একটি ঐতিহাসিক যুদ্ধ ৪৯০ খ্রিস্টপূর্বাব্দে (490 B.C) গ্রিসের ম্যারাথন নামক স্থানে এথেন্স এবং পারস্য সাম্রাজ্যের মধ্যে সংঘটিত হয়।

⇒ যিশুখ্রিষ্টের জন্মের ৪৯০ বছর আগে ম্যারাথন নামক স্থানে পারস্য বনাম গ্রিসের এথেন্সের মধ্যে যুদ্ধ হয়েছিল।
- পারস্য ছিল শক্তিশালী এক রাষ্ট্র। পারস্য এথেন্স নগর রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে।
- এথেন্সের নাগরিকদের ধারণা ছিল শক্তিশালী পারস্যের বিরুদ্ধে যুদ্ধে গ্রিস যদি জিততে যদি না পারে তাহলে এথেন্সের ওপর পারসিকদের এক ভয়াবহ অত্যাচার নেমে আসবে।
- পারস্যের সেনারা যখন এথেন্সের দিকে এগিয়ে আসছিল তখন গ্রিসের আরেক রাজ্য স্পার্টার কাছে সাহায্যের আবেদন জানায়। আর এই কাজের দায়িত্ব এসে পড়লো ফিডিপাইডিসের কাঁধে। ফিডিপাইডিস ছিলেন পেশায় একজন হেরাল্ড বা হেমেরোড্রোম।
- যখন পারস্যের সেনারা এথেন্সের দিকে এগিয়ে আসছিল তখন ফিডিপাইডিস সাহায্যের বার্তা নিয়ে স্পার্টার উদ্দেশ্যে দৌড়াতে শুরু করলেন। দুই দিনে সে প্রায় ২৪০ কিলোমিটার পাড়ি দিয়ে স্পার্টায় এই বার্তা পৌঁছে দিয়ে আবার সে একই সমান দূরত্ব পাড়ি দিয়ে দৌড়ে এথেন্সে ফিরে আসেন।
- এসেই আবার ৪০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত ম্যারাথন নামের জায়গার উদ্দেশ্যে দৌড়ানো শুরু করেন। সেখানে পৌঁছে আবার তিনি এথেন্সের দিকে দৌড়াতে থাকেন। 
- এথেন্সে ফিরেই তিনি সমবেত জনতার উদ্দেশ্যে একটা কথাই উচ্চারণ করে মৃত্যুর কোলে ঢোলে পড়েন। তাঁর শেষ উচ্চারিত শব্দটি ছিল ‘নিকোমেন’। যার মানে ‘আমরা জিতেছি’।
- এখান ঠেলেই আধুনিক ম্যারাথন দৌড়ের উৎপত্তি হয়েছে।

উল্লেখ্য,
- এই যুদ্ধে এথেন্সের ছোট একটি বাহিনী বিশাল পারস্য বাহিনীকে পরাজিত করে, যা গ্রিকদের কাছে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিজয় ছিল এবং পারস্যের প্রথম আক্রমণ প্রতিহত করতে সাহায্য করেছিল।

উৎস: Britannica.

৪২.
'শিল্প বিপ্লব' কোন শতকে সংঘটিত হয়েছিল? 
  1. ষোল শতক
  2. সতেরো শতক 
  3. আঠারো শতক
  4. একুশ শতক
সঠিক উত্তর:
আঠারো শতক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আঠারো শতক
ব্যাখ্যা

- শিল্প বিপ্লব সংঘটিত হয় আঠারো শতকে।

• শিল্প বিপ্লব:
- শিল্প বিপ্লব সর্বপ্রথম ইংল্যান্ডে সংঘটিত হয়।
- ইংল্যান্ডে শিল্প বিপ্লব সংঘটিত হওয়ার নানা রকম কারণের মধ্যে একটি বড় কারণ ছিল পুঁজির জোগান।
- শিল্প বিপ্লব সংঘটিত হয় অষ্টাদশ শতকে।

- অষ্টাদশ শতকের মাঝামাঝি সময়ে প্রথমে ইংল্যান্ডে এবং পরে ইউরোপের অন্যান্য দেশে বৈজ্ঞানিক প্রযুক্তি ও যন্ত্রপাতি কাজে লাগিয়ে উৎপাদনব্যবস্থায় যে আমূল পরিবর্তন ঘটানো হয়, তা-ই শিল্প বিপ্লব নামে পরিচিত।

- ১৭৬০ সালে শুরু হওয়া শিল্প বিপ্লবের মাধ্যমে শিল্পায়নের সূত্রপাত।
- ১৭৮৪ সালে বাষ্পীয় ইঞ্জিন তৈরির মাধ্যমে যা ব্যাপক কলেবরে বৃদ্ধি পায়।
- ১৮৭০ সালে বিদ্যুৎ আবিষ্কারের মাধ্যমে মানুষ পেয়েছে আলোকিত বিশ্ব।
- ১৮৮০ থেকে ৮১ সালে শিল্প বিপ্লব কথাটিকে জনপ্রিয় করেছিলেন বিশিষ্ট ব্রিটিশ ঐতিহাসিক আর্নল্ড টয়েনবি তাঁর লেখা
'Lectures on the Industrial Revolution in England' গ্রন্থে ব্যবহারের মাধ্যমে।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।

৪৩.
ফরাসি বিপ্লবের মাধ্যমে কাকে উৎখাত করা হয়?
  1. রাজা চতুর্দশ লুই
  2. রাজা পঞ্চদশ লুই
  3. রাজা ষোড়শ লুই
  4. রাজা চার্লস
সঠিক উত্তর:
রাজা ষোড়শ লুই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাজা ষোড়শ লুই
ব্যাখ্যা
ফরাসি বিপ্লব:
– ১৭৮৯ সালের ১৪ জুলাই বাস্তিল দূর্গ পতনের মাধ্যমে ফরাসি বিপ্লব শুরু হয়।
– এই বিপ্লব দশ বছর স্থায়ি হয়েছিল।
– এই বিপ্লবের মূল মন্ত্র ছিলো স্বাধীনতা, সাম্য ও ভ্রাতৃত্ব।
– এ সময় ফ্রান্সের রাজা ছিলেন ষোড়শ লুই।
– ১৭৯৩ সালের ২১ জানুয়ারি রাজা ষোড়শ লুইকে গিলোটিনে হত্যা করা হয়।
– লেখনীর মাধ্যমে বিখ্যাত দার্শনিক রুশো ও ভলতেয়ার ফরাসি বিপ্লবের অনুপ্রেরণা যুগিয়েছিলেন।

উৎস: i) ইতিহাস-৪, বিএ এবং বিএসএস প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) কালের কণ্ঠ।
৪৪.
কুখ্যাত বাস্তিল কারাদুর্গের পতন ঘটেছিল?
  1. ক) ৫ অক্টোবর, ১৭৮৮ সাল
  2. খ) ১৪ জুলাই, ১৭৮৯ সাল
  3. গ) ২৫আগস্ট, ১৭৮৮ সাল
  4. ঘ) ১০ জুন, ১৭৮৯ সাল
সঠিক উত্তর:
খ) ১৪ জুলাই, ১৭৮৯ সাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৪ জুলাই, ১৭৮৯ সাল
ব্যাখ্যা
ফরাসি বিপ্লব আধুনিক ইউরোপের রাজনৈতিক, সামাজিক ও চিন্তার জগতে নতুন দিগন্তের সূচনা করে।
বাস্তিল কারাদুর্গ আক্রমণ ও এর পতনঃ ১৪ জুলাই, ১৭৮৯ সাল।
বাস্তিল কারাদুর্গ আক্রমণ ও এর পতনের মধ্য দিয়ে সূচিত হয় বিশ্ব ইতিহাসের এক নতুন অধ্যায় যা বিখ্যাত হয়েছে ফরাসি বিপ্লব নামে। দুর্গটি ছিল স্বেচ্ছাচারী রাজতন্ত্রের প্রতীক।
উৎসঃ ইতিহাস ২য় পত্র একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি(উন্মুক্ত)।
৪৫.
কমলা বিপ্লব কোন দেশে সংঘটিত হয়েছিল?
  1. রাশিয়া
  2. ইউক্রেন
  3. জর্জিয়া
  4. লিথুয়ানিয়া
সঠিক উত্তর:
ইউক্রেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইউক্রেন
ব্যাখ্যা

কমলা বিপ্লব (Orange Revolution):
- স্থান: ইউক্রেন।
- সময়কাল: ২০০৪–২০০৫।
- মূল কারণ: ইউক্রেনে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন সংক্রান্ত জালিয়াতি ও অনিয়ম এবং গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা ও স্বচ্ছ নির্বাচন দাবী। 
- বিপ্লবের ধরন: শান্তিপূর্ণ গণআন্দোলন ও প্রমাণভিত্তিক প্রতিবাদ।
- প্রধান রঙ: কমলা (Orange) বিপ্লবী দলের প্রতীক।
- প্রধান নেতা: ভিক্টর ইউসচেঙ্কো (Viktor Yushchenko)।
- ফলাফল: পুনঃনির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ও ইউসচেঙ্কো বিজয়ী হন এবং প্রেসিডেন্ট হন।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৪৬.
পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধ কাদের মধ্যে সংঘটিত হয়েছিল?
  1. মুঘল সাম্রাজ্য ও ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি
  2. আফগান বাহিনী ও মারাঠা বাহিনী
  3. সম্রাট বাবর ও ইব্রাহিম লোদী
  4. মুঘল সাম্রাজ্য ও আফগান বাহিনী
সঠিক উত্তর:
আফগান বাহিনী ও মারাঠা বাহিনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আফগান বাহিনী ও মারাঠা বাহিনী
ব্যাখ্যা

পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধ (Third Battle of Panipat):
- যুদ্ধ সংঘটনকাল ১৪ জানুয়ারি, ১৭৬১ খ্রিস্টাব্দ। 
- আফগান বাহিনী ও মারাঠা বাহিনীর মধ্যকার এই যুদ্ধ সংঘটিত হয়।
- আফগান বাহিনীর নেতৃত্বে আফগান সুলতান আহমদ শাহ দুররানির ও মারাঠা বাহিনীর নেতৃত্বে ছিলেন সাদাশিব রাও। 
- এই যুদ্ধে মারাঠা সৈন্য সংখ্যা ছিলো প্রায় ৮০ হাজার আর দুররানির সৈন্য সংখ্যা ছিলো ৬০-৭০ হাজার।
- মারাঠাদের প্রায় ৪০ হাজার সৈন্য হতাহত হয় এবং প্রায় ৩০ হাজার বন্দী হয়। অন্যদিকে, দুররানির বাহিনীর ৫ হাজারের মতো সৈন্য হতাহত হয়েছিলো।
- ফলাফল: আহমদ শাহ দুররানি বিজয়ী।
- এই যুদ্ধে পরাজয়ের ফলে মারাঠা সাম্রাজ্যে ভাঙ্গন ধরে এবং উত্তর পশ্চিম ভারতে প্রায় ৪০ বছরের মতো বিশৃঙ্খলা বিদ্যমান ছিলো। এই সুযোগে ব্রিটিশরা এসকল অঞ্চলে প্রভাব বৃদ্ধি করে।

উৎস: ইতিহাস (এসএসসি প্রোগ্রাম), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪৭.
ফরাসি বিপ্লবের সূচনাতে কোন দুর্গটি আক্রমণের শিকার হয়েছিলো?
  1. ভার্সাই প্রাসাদ
  2. বাস্তিল দুর্গ
  3. লুভর দূর্গ
  4. ফন্টেনব্লু প্রাসাদ
সঠিক উত্তর:
বাস্তিল দুর্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাস্তিল দুর্গ
ব্যাখ্যা

বাস্তিল দুর্গ:
- ফরাসি বিপ্লবের সূচনাতে বাস্তিল দুর্গ আক্রমণের শিকার হয়েছিলো।

⇒ বাস্তিল দুর্গ ছিল ফরাসি রাজতন্ত্রের অত্যাচারের অন্যতম কেন্দ্র। এই বাস্তিল দুর্গে রাজতন্ত্রের বিরোধী ব্যক্তিদের বন্দি করে রাখা হতো ও অত্যাচার করা হতো। তাই জনগণের কাছে বাস্তিল দুর্গ ছিল ফরাসি রাজতন্ত্র, স্বৈরতন্ত্র এবং অত্যাচারের প্রতীক। ১৭৮৯ খ্রিষ্টাব্দে ফ্রান্সের বিদ্রোহী জনগণ বাস্তিল দুর্গ আক্রমণ করে ধ্বংস করেছিল।
- ১৭৮৯ সালের ১৪ জুলাই ফ্রান্সের প্যারিসে জনগণ বাস্তিল দুর্গ আক্রমণ করে ধ্বংস করেছিল।
- বাস্তিল দুর্গের পতন রাজতন্ত্রের পতনের দিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ ছিল। দুর্গের পতনের মাধ্যমে সমস্ত বন্দিরাও মুক্তি পায়। বাস্তিল দুর্গের পতনের মাধ্যমে ফরাসি বিপ্লব শুরু হয়।

উৎস: Britannica.

৪৮.
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়-
  1. ১ সেপ্টেম্বর, ১৯৩৯ সালে
  2. ৯ সেপ্টেম্বর, ১৯৪১ সালে
  3. ১২ আগস্ট, ১৯৩৯ সালে
  4. ৩১ সেপ্টেম্বর, ১৯৪১ সালে
সঠিক উত্তর:
১ সেপ্টেম্বর, ১৯৩৯ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ সেপ্টেম্বর, ১৯৩৯ সালে
ব্যাখ্যা

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ:
- ১৯৩৯ সালের ১ সেপ্টেম্বর জার্মানি পোল্যান্ড আক্রমণ করে, যার মাধ্যমে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়।
- অক্ষশক্তির প্রধান দেশগুলো ছিলো: জার্মানি, জাপান, ও ইতালি।
- মিত্রশক্তির প্রধান দেশগুলো ছিলো: ব্রিটেন, ফ্রান্স, যুক্তরাষ্ট্র, সোভিয়েত ইউনিয়ন, চীন, পোল্যান্ড, নেদারল্যান্ডস প্রভৃতি।
- ৮ ডিসেম্বর ১৯৪১ সালে যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে যোগ দেয়।
- ৭ মে ১৯৪৫ সালে জার্মানি মিত্রবাহিনীর কাছে নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ করে।
- ২ সেপ্টেম্বর ১৯৪৫ সালে জাপান আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মসমর্পণ করে, যুদ্ধের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটে।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে প্রথমবারের মতো পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার করা হয়।
- এই যুদ্ধ ছিল মানব ইতিহাসের সবচেয়ে মারাত্মক সংঘাত, যার ফলে ৭০ থেকে ৮৫ মিলিয়ন মানুষের মৃত্যু হয়; অধিকাংশই বেসামরিক নাগরিক।

উৎস: হিস্টোরি ডটকম।

৪৯.
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর জার্মানি ও পোল্যান্ডের মধ্যে কোন সীমারেখা নির্ধারিত হয়?
  1. ওডারনিস লাইন
  2. ম্যানারহেইম লাইন
  3. জিগফ্রিড লাইন
  4. ম্যাজিনো লাইন
সঠিক উত্তর:
ওডারনিস লাইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওডারনিস লাইন
ব্যাখ্যা
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর মিত্রশক্তি কর্তৃক জার্মানি ও পোল্যান্ডের মাঝে নিরূপিত সীমারেখা হলো ওডারনিস লাইন।
অন্যদিকে,
- জিগফ্রিড লাইন (জার্মানি নির্মিত) : ফ্রান্স-জার্মানি
- ম্যানারহেইম লাইন (ফিনল্যান্ড নির্মিত) : ফিনল্যান্ড-রাশিয়া
- ম্যাজিনো লাইন (ফ্রান্স নির্মিত) : ফ্রান্স-জার্মানি।
(সূত্রঃ হিস্টোরি এবং ব্রিটানিকা)
৫০.
প্রথম পারমাণবিক বোমা ফেলা হয় জাপানের কোন শহরে?
  1. সিউল
  2. নাগাসাকি
  3. হিরোশিমা
  4. হাবানা
সঠিক উত্তর:
হিরোশিমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হিরোশিমা
ব্যাখ্যা
• পারমাণবিক বোমা নিক্ষেপ:
- ১ম পারমাণবিক হামলা: 
- লক্ষ্য শহর: হিরোশিমা, জাপান।
- তারিখ: ৬ আগস্ট, ১৯৪৫। 
- বোমা নিক্ষেপকারী দেশ: যুক্তরাষ্ট্র।
- বোমার নাম: “Little Boy”
- Enola Gay নামে একটি B-29 বোমারু বিমান।

• দ্বিতীয় পারমাণবিক হামলা
- ৯ আগস্ট, ১৯৪৫।
- নাগাসাকি শহরে, জাপান।
- “Fat Man” নামে দ্বিতীয় বোমা ফেলা হয়। 

• উদ্দেশ্য
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের অবসান ঘটানো এবং জাপানকে আত্মসমর্পণে বাধ্য করা। 

উৎস: ব্রিটানিকা।
৫১.
ওয়াটার লু যুদ্ধের সাথে জড়িত নিচের কোন ব্যক্তি?
  1. হিটলার
  2. স্ট্যালিন
  3. মুসোলীনি
  4. নেপোলিয়ন
সঠিক উত্তর:
নেপোলিয়ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নেপোলিয়ন
ব্যাখ্যা
ওয়াটার লু'র যুদ্ধ:
- ঊনবিংশ শতাব্দীর প্রথম ভাগে নেপোলিয়ন ফ্রান্সের সম্রাট হন।
- ১৮১৪ সালে প্রুশিয়া, অস্ট্রিয়াসহ বেশ কিছু দেশের সেনাবাহিনী ফ্রান্স আক্রমণ করে এবং নেপোলিয়নকে ক্ষমতাচ্যুত করে সেন্ট এলবা দ্বীপে নির্বাসন দেয় (প্রথম নির্বাসন)।
- তবে তিনি আবার ফ্রান্সের ক্ষমতায় আসেন।
- ১৮১৫ সালের ১৮ জুন ওয়াটার লু'র যুদ্ধ সংঘটিত হয় বেলজিয়ামের ওয়াটারলু নামক স্থানে।
- নেপোলিয়ন প্রায় ৭২ হাজার সৈন্য নিয়ে ডিউক অব ওয়েলিংটন আর্থার ওয়েলেসলির নেতৃত্বে ৬৮ হাজার সৈন্যবিশিষ্ট ব্রিটিশ সেনাবাহিনীর মুখোমুখি হন।
- ফরাসি সম্রাট নেপোলিয়ন বোনাপার্টের বাহিনী ও সম্মিলিত ব্রিটিশ-প্রুশিয়ান বাহিনীর মধ্যে সংঘটিত হয়।
- ওয়াটার লু'র যুদ্ধে ডিউক অব ওয়েলিংটনের কাছে নেপোলিয়নের পরাজয় হয় এবং নেপোলিয়ন শাসনের অবসান ঘটে।
- এরপর তাকে সেন্ট হেলেনা দ্বীপে নির্বাসন দেওয়া হয় (দ্বিতীয় নির্বাসন)।

উৎস: Britannica.
৫২.
কোন দেশ থেকে শিল্প বিপ্লবের সূচনা ঘটে?
  1. ইতালি
  2. যুক্তরাজ্য
  3. ফ্রান্স
  4. যুক্তরাষ্ট্র
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাজ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাজ্য
ব্যাখ্যা

• শিল্প বিপ্লব: 
- শিল্প বিপ্লব ছিল একটি প্রযুক্তিগত, সামাজিক ও অর্থনৈতিক রূপান্তরের যুগ।
- যা ১৮শ ও ১৯শ শতাব্দীতে ইউরোপ, বিশেষ করে ব্রিটেনে শুরু হয় এবং পরে সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে।

• প্রথম শিল্প বিপ্লব:
- প্রথম শিল্প বিপ্লব ছিল একটি যুগান্তকারী প্রযুক্তিগত ও অর্থনৈতিক পরিবর্তনের ধারা,
- যা আনুমানিক ১৭৬০ সালে গ্রেট ব্রিটেনে শুরু হয়।
- এবং ১৮৪০ সালের মধ্যে ইউরোপ ও উত্তর আমেরিকায় ছড়িয়ে পড়ে।
- এটি যন্ত্রনির্ভর উৎপাদনের যুগের সূচনা করে।
- সময়কাল: আনুমানিক ১৭৬০ – ১৮৪০।
- প্রধান কেন্দ্র: গ্রেট ব্রিটেন (ইংল্যান্ড),
- পরে ইউরোপ ও আমেরিকা

• মূল চালিকাশক্তি: 
- বাষ্পশক্তির ব্যবহার (Steam Power),
- কয়লা ও লোহা ব্যবহারে দক্ষতা,
- নতুন যন্ত্রের উদ্ভাবন,
- কৃষি উৎপাদনের উন্নয়ন ও উদ্বৃত্ত শ্রম।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।

৫৩.
তরাইনের প্রথম যুদ্ধে কে পরাজিত হন?
  1. মুহম্মদ ঘোরি
  2. বখতিয়ার খলজী
  3. মুহাম্মদ বিন কাসিম
  4. শ্রীমান পৃথ্বীরাজ
সঠিক উত্তর:
মুহম্মদ ঘোরি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুহম্মদ ঘোরি
ব্যাখ্যা
তরাইনের প্রথম যুদ্ধ:
- মুহম্মদ ঘোরি ছিলেন ঘোরি রাজবংশের শাসক।
- তিনি ভারতে মুসলিম সাম্রাজ্যের প্রকৃত প্রতিষ্ঠাতা হিসাবে কৃতিত্ব লাভ করেছিলেন কারণ তিনি ভারতীয় উপমহাদেশের বেশিরভাগ অংশ আক্রমণ করেছিলেন। 
- ১১৮৯ খ্রি. ভাতিন্দা দখল করে মুহম্মদ ঘোরি চৌহান রাজের বিরুদ্ধে অগ্রসর হলে দিল্লি ও আজমীরের রাজা পৃথ্বীরাজ চৌহান একটি শক্তি সংঘ গঠন করেন।
- পৃথ্বীরাজের আহ্বানে অনেক রাজা সাড়া দেন।

অন্যদিকে,
- মুহম্মদ ঘোরী পৃথ্বীরাজের রাজ্য আক্রমণ করেন।
- ১১৯১ খ্রিস্টাব্দে তরাইন প্রান্তরে মিলিত পৃথ্বীরাজের বাহিনীর সাথে মুহম্মদ ঘোরির প্রচন্ড যুদ্ধ হয়।
- যুদ্ধে মুহম্মদ ঘোরির বাহিনী পরাজিত হলে তিনি নিজে আহত হন ও পলায়ন করেন।
- এটি তরাইনের প্রথম যুদ্ধ নামে পরিচিত ছিল।

উৎস: ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ২য় পত্র, HSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৪.
‘We shall fight on the beaches.’- উক্তিটি কার?
  1. ক) ভ্লাদিমির লেনিন
  2. খ) উইনস্টন চার্চিল
  3. গ) আব্রাহাম লিংকন
  4. ঘ) মাও সেতুং
সঠিক উত্তর:
খ) উইনস্টন চার্চিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) উইনস্টন চার্চিল
ব্যাখ্যা
উইনস্টন চার্চিল

- ইংরেজ রাজনীতিবিদ ও লেখক।
- তবে তিনি যুক্তরাজ্যের দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকালীন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে অধিক পরিচিত।
- ১৯৫৩ সালে The History of Second World War গ্রন্থের জন্য তিনি সাহিত্যে নোবেল পুরষ্কার লাভ করেন।

- ১৯৪০ সালের ৪ জুন যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টের হাউস অফ কমন্সে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী উইনস্টন চার্চিল কর্তৃক প্রদত্ত বক্তৃতার দেয়া একটি সাধারণ শিরোনাম ‘We shall fight on the beaches.’

- ফ্রান্সের যুদ্ধের সময়কালে প্রদত্ত তিনটি প্রধান বক্তৃতার মধ্যে এটি ছিল দ্বিতীয়।
- অন্যগুলো হলো:
→ 'Blood, toil, tears and sweat.' (১৩ মে, ১৯৪০)
→ 'This was their finest hour.' (১৮ জুন, ১৯৪০)

- তাঁর লেখা কয়েকটি গ্রন্থ:
→ The Struggle for Survival
→ The River War
→ Great Contemporaries
→ The Story of the Malakand Field Force
→ Memoirs of the Second World War
→ A History of the English-Speaking Peoples


তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।
৫৫.
প্রথম বিশ্বযুদ্ধের ফলে কোন সাম্রাজ্যের পতন ঘটে?
  1. রুশ সাম্রাজ্য
  2. জার্মান সাম্রাজ্য
  3. অটোমান সাম্রাজ্য
  4. বর্ণিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা

প্রথম বিশ্বযুদ্ধ: 
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধ ছিল ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ সংঘাতের একটি।
- যুদ্ধ শুরু হয়: ২৮ জুলাই, ১৯১৪।
- শেষ হয়: ১১ নভেম্বর, ১৯১৮।
- কেন্দ্রীয়শক্তি: জার্মানি, অস্ট্রিয়া, হাঙ্গেরি, অটোমান সাম্রাজ্য ও বুলগেরিয়া।
- মিত্রশক্তি: সার্বিয়া, রাশিয়া, ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, ইতালি, জাপান প্রভৃতি দেশ।
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর ১৯১৯ সালে ভার্সাই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধের ফলাফল: কেন্দ্রীয় শক্তির পতন ও মিত্র শক্তির বিজয়।

উল্লেখ্য,
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধের ফলে ৪টি সাম্রাজ্যের পতন ঘটেছিল। এগুলো হলো: রুশ, জার্মান, অস্ট্রো-হাঙ্গেরীয় ও অটোমান।
- ১৯১৭ সালের রুশ বিপ্লবের ফলে জারতন্ত্রের পতন ঘটে।
- যুদ্ধের শেষে জার্মানি পরাজিত হলে এই সাম্রাজ্যেরও অবসান ঘটে।
- অস্ট্রো-হাঙ্গেরিয়ান সাম্রাজ্য ভেঙে একাধিক ছোট ছোট রাষ্ট্রে পরিণত হয়।
- ১৯২২ সাল নাগাদ অটোমান সাম্রাজ্য সম্পূর্ণরূপে বিলুপ্ত হয়ে যায় যা মধ্যপ্রাচ্যে নতুন রাজনৈতিক বিন্যাসের জন্ম দেয়।

উৎস: i) History.com
ii) Britannica.

৫৬.
বাস্তিল দুর্গের পতন ঘটেছিল -
  1. ১৪ জুলাই ১৭৮৯
  2. ৭ জুন ১৭৮৮
  3. ৫ অক্টোবর ১৭৮৮
  4. ২৬ আগস্ট ১৭৮৮
সঠিক উত্তর:
১৪ জুলাই ১৭৮৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪ জুলাই ১৭৮৯
ব্যাখ্যা
বাস্তিল দুর্গ:
- ফরাসি স্বৈরতন্ত্র এবং অত্যাচারের একমাত্র প্রতীক ছিল এই বাস্তিল দুর্গ।
- এই বাস্তিল দুর্গে রাজতন্ত্রের বিরোধী ব্যক্তিদের বন্দি করে রাখা হতো ও অত্যাচার করা হতো।
- তাই জনগণের কাছে বাস্তিল দুর্গ ছিল ফরাসি রাজতন্ত্রের অত্যাচারের প্রতীক।
- রাজধানী প্যারিসে শ্রমিক ও সাধারণ জনগণ খাদ্যের দাবিতে রাজতন্ত্রের অত্যাচারের প্রতীক বাস্তিল দুর্গ আক্রমণ করে।
- ১৭৮৯ সালের ১৪ জুলাই ফ্রান্সের বিদ্রোহী জনগণ বাস্তিল দুর্গ আক্রমণ করে ধ্বংস করেছিল।
- সমস্ত বন্দিরাও মুক্তি পায়।
বাস্তিল দুর্গের পতনের মাধ্যমে ফরাসী বিপ্লব শুরু হয়।

উল্লেখ্য,
- বাস্তিল দুর্গের পতনের ফলে রাজা ষোড়শ লুই-এর স্বৈরশাসনের অবসান হয়।
- রাজা জাতীয় পরিষদকে স্বীকৃতি দেন এবং এই সময় থেকে রাষ্ট্রের প্রকৃত ক্ষমতা আইনসভার হাতে চলে যায়।
- ফ্রান্সের প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীকরণের সূচনা হয় এবং অভিজাততন্ত্রের পতন আসন্ন হয়ে ওঠে।

উৎস: Britannica.
৫৭.
নিচের কোন দেশসমূহের মাঝে ইয়োপ কিপুর যুদ্ধ সংঘটিত হয়?
  1. আরব-রাশিয়া
  2. চীন-জাপান
  3. যুক্তরাজ্য-সোভিয়েত ইউনিয়ন
  4. আরব-ইসরাইল
সঠিক উত্তর:
আরব-ইসরাইল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আরব-ইসরাইল
ব্যাখ্যা
ইয়োম কিপুর যুদ্ধ:
- মোট ৪টি আরব-ইসরাইল যুদ্ধ সংঘটিত হয়।
- Yom Kippur War নামে পরিচিত ৪র্থ আরব-ইসরাইল যুদ্ধ।
- এই যুদ্ধ সংঘটিত হয় ১৯৭৩ সালে।
- আরব দেশসমূহ পাশ্চাত্যের উপর তেল অবরোধ করে ইয়োম কিপুর যুদ্ধে।
- ইহুদিদের পবিত্র দিন ইয়োম কিপুরের সময় ইসরায়েল-অধিকৃত অঞ্চলে আরব জোটের অতর্কিত হামলার মাধ্যমে এই যুদ্ধ শুরু হয়।
- মিশরীয় ও সিরিয়ান সেনারা যুদ্ধবিরতি রেখা ভেদ করে যথাক্রমে সিনাই উপদ্বীপ ও গোলান মালভূমিতে ঢুকে পড়ে।
- যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়ন উভয়ে তাদের নিজ নিজ মিত্রদের এসময়ে সহায়তা করে।
- ফলে দুইটি পারমাণবিক শক্তিধর দেশের মধ্যে বিবাদ সৃষ্টি হয়।
- এসময় মুসলিমদের পবিত্র রমজান মাস ছিল।
- এই যুদ্ধ অক্টোবর যুদ্ধ ও রমজান যুদ্ধ নামেও পরিচিত।

উৎস: World Atlas Website.
৫৮.
‘অরেঞ্জ বিপ্লব' কোন দেশে সংঘটিত হয়?
  1. যুক্তরাজ্য
  2. কানাডা
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. ইউক্রেন
সঠিক উত্তর:
ইউক্রেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইউক্রেন
ব্যাখ্যা

অরেঞ্জ বিপ্লব:
- ‘অরেঞ্জ বিপ্লব' সংঘটিত হয় ইউক্রেনে।
- অরেঞ্জ বিপ্লব ছিল একটি ধারাবাহিক প্রতিবাদ এবং রাজনৈতিক ঘটনা।
- এটি সংঘটিত হয়েছিল ২০০৪ সালে।
- ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভ ছিল নাগরিক প্রতিরোধ আন্দোলনের কেন্দ্রবিন্দু।
- ২০০৪ সালে ইউক্রেনে অনুষ্ঠিত প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে কারচুপি এবং ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ তুলে এ আন্দোলনের সূত্রপাত।

তথ্যসূত্র - Britannica.com

৫৯.
তালেবান কবে আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুল দখল করে নেয়?
  1. ক) ৩০ জুলাই, ২০২১
  2. খ) ০৫ আগস্ট, ২০২১
  3. গ) ১৫ আগস্ট, ২০২১
  4. ঘ) ২২ আগস্ট, ২০২১
সঠিক উত্তর:
গ) ১৫ আগস্ট, ২০২১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৫ আগস্ট, ২০২১
ব্যাখ্যা
- গত ১৫ আগস্ট, ২০২১ আফগানিস্তানের তালেবান যোদ্ধারা অনেকটা রক্তপাতহীনভাবে দেশটির রাজধানী কাবুল দখল করে নেয়।
- এর আগে দেশটির প্রেসিডেন্ট আশরাফ ঘানি পালিয়ে পার্শ্ববর্তী তাজিকিস্তানে আশ্রয় নেন।
- কাবুল দখলের মাধ্যমে প্রায় ২০ বছর পর তালেবান গোষ্ঠী পুনরায় আফগানিস্তানে ক্ষমতাসীন হয়।
- ২০০১ সালে ইঙ্গ-মার্কিন বাহিনীর আক্রমণের মুখে তালেবান ক্ষমতাচ্যুত হয়েছিলো।
(তথ্যসূত্র: আল জাজিরা রিপোর্ট)
৬০.
ইসরাইল একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি লাভ করে কোন যুদ্ধের মাধ্যমে?
  1. ৪র্থ আরব ইসরাইল যুদ্ধ
  2. ৩য় আরব ইসরাইল যুদ্ধ
  3. ২য় আরব-ইসরাইল যুদ্ধ
  4. ১ম আরব-ইসরাইল যুদ্ধ
সঠিক উত্তর:
১ম আরব-ইসরাইল যুদ্ধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ম আরব-ইসরাইল যুদ্ধ
ব্যাখ্যা
১ম আরব-ইসরাইল যুদ্ধ:
- যুদ্ধ সংঘটিত হয়: ১৯৪৮ সাল।
- ইসরায়েল এবং আরব রাষ্ট্রসমূহ ও ফিলিস্তিনি আরব বাহিনীর গুলোর সম্মিলিত সামরিক বাহিনী মধ্যে সংঘটিত হয়।
- এটি আরবিতে নাকবা ও হিব্রুতে মিলখেমেত হাতজমাউত বলে পরিচিত।
- এই যুদ্ধের মাধ্যমে ইসরাইল একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি লাভ করে।

২য় আরব-ইসরাইল যুদ্ধ:
- এই যুদ্ধ সংঘটিত হয় ১৯৫৬ সালে।

৩য় আরব ইসরাইল যুদ্ধ:
- সংঘটিত হয় ১৯৬৭ সালে।

৪র্থ আরব ইসরাইল যুদ্ধ:
- সংঘটিত হয় ১৯৭৩ সালে।

তথ্যসূত্র - Worldatlas.com
৬১.
কার উদ্যোগে ফ্রাইডেস ফর ফিউচার আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটে?
  1. ভলতেয়ার
  2. লীনা মরগান
  3. গ্রেটা থুনবার্গ
  4. মালালা ইউসুফজাই
সঠিক উত্তর:
গ্রেটা থুনবার্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রেটা থুনবার্গ
ব্যাখ্যা

ফ্রাইডেস ফর ফিউচার:
- 'ফ্রাইডেস ফর ফিউচার' একটি জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক আন্দোলন। 
- এটি স্কুল শিক্ষার্থীদের মাধ্যমে সূত্রপাত হওয়া একটি আন্দোলন।
- ২০১৮ সালের আগস্টে এই আন্দোলন সংঘটিত হয়।
- সুইডেনে স্কুল শিক্ষার্থী গ্রেটা থুনবার্গের উদ্যোগে এই আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটে।
- এই আন্দোলনের অংশ হিসেবে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবীতে সারা বিশ্বে স্কুল শিক্ষার্থীরা শুক্রবারে স্কুলে না গিয়ে রাজপথে নেমে আসে।

তথ্যসূত্র - ফ্রাইডেস ফর ফিউচার মুভমেন্ট ওয়েবসাইট।

৬২.
রাশিয়ার মধ্যস্থতায় কবে আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ক) ২৭ অক্টোবর ২০২০
  2. খ) ৭ নভেম্বর ২০২০
  3. গ) ৯ নভেম্বর ২০২০
  4. ঘ) ২৭ নভেম্বর ২০২০
সঠিক উত্তর:
গ) ৯ নভেম্বর ২০২০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৯ নভেম্বর ২০২০
ব্যাখ্যা
নাগার্নো কারাবাখ অঞ্চলের নিয়ন্ত্রণকে কেন্দ্র করে আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের মধ্যকার ছয় সপ্তাহব্যাপী রক্তক্ষয়ী ‍যুদ্ধ বন্ধে গত ৯ নভেম্বর ২০২০ রাশিয়ার মধ্যস্থতায় পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধ বিরতি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
চুক্তির শর্ত অনুযায়ী উভয় পক্ষ নিজ নিজ অবস্থানে থাকবে এবং আর্মেনিয়া আজারবাইজানের নিকট ১ ডিসেম্বরের মধ্যে অতিরিক্ত তিনটি জেলা হস্তান্তর করে।
এছাড়া নাগার্নো কারাবাখে আগামী পাঁচ বছরের জন্যে রাশিয়ার ১,৯৬০ জন সৈন্য অবস্থান করবে।
গত ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২০ নাগার্নো কারাবাখ অঞ্চলের নিয়ন্ত্রণকে কেন্দ্র করে আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের মধ্যে সংঘর্ষ বাঁধে।
(সূত্র: আনাদুলু এজেন্সি)
৬৩.
'বোস্টন টি পার্টি' কোন বিপ্লবের সূচনা করে?
  1. অরেঞ্জ বিপ্লব
  2. অক্টোবর বিপ্লব
  3. আমেরিকান বিপ্লব
  4. টিউলিপ বিপ্লব
সঠিক উত্তর:
আমেরিকান বিপ্লব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আমেরিকান বিপ্লব
ব্যাখ্যা
বোস্টন টি পার্টি:
- 'বোস্টন টি পার্টি' আমেরিকান বিপ্লবের সূচনা করে।
- এটি ছিল ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক প্রতিবাদ এবং এটি আমেরিকান স্বাধীনতা যুদ্ধের দিকে পরিচালিত করে।

⇒ Boston Tea party সংঘটিত হয়েছিল ১৭৭৩ সালের ১৬ ডিসেম্বর।
- এই পার্টিটি ছিল বোস্টনে সন অব লিবার্টিদের একটি রাজনৈতিক প্রতিবাদ।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে টি পার্টিটি একটি ঐতিহাসিক ঘটনা।
- ১৭৭০ সালের ৫ মার্চ বোস্টন রাজস্ব বিভাগের সামনে আমেরিকানদের সাথে ব্রিটিশ সৈনিকরা কর আদায়ের ইস্যুকে কেন্দ্র করে কয়েক দফা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।
- তখন ব্রিটিশরা উত্তেজিত ব্যবসায়ীদের দিকে গুলি ছুড়লে সেখানে ৫ জন নিহত হয়।
- অংশগ্রহণকারীরা কেউ কেউ আদিবাসী মার্কিনীদের ছদ্মবেশে চা আইনের বিরোধিতায়, ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি কর্তৃক প্রেরিত চায়ের একটি গোটা চালান ধ্বংস করে দেন।
- তারা এরপর জাহাজে উঠে পড়েন এবং চায়ের সিন্দুকগুলো বোস্টন পোতাশ্রয়ে ছুড়ে ফেলেন।
- ব্রিটিশ সরকার এর কঠোরভাবে জবাব দেয় এবং এই ঘটনাটি মার্কিন বিপ্লবের দিকে এগিয়ে যায়।
- এই ঘটনাটি ১৭৭৬ সালে আমেরিকার স্বাধীনতা যুদ্ধকে ত্বরান্বিত করে।

উৎস: History.com.
৬৪.
ইসরায়েল অপারেশন রাইজিং লায়ন চালায় কবে?
  1. ১৩ জুন, ২০২৫
  2. ১৪ জুন, ২০২৫
  3. ১২ জুন, ২০২৫
  4. ১১ জুন, ২০২৫
সঠিক উত্তর:
১৩ জুন, ২০২৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩ জুন, ২০২৫
ব্যাখ্যা
• ইরানে সামরিক অভিযান শুরু করেছে ইসরাইল।
- তেহরানের পারমাণবিক স্থাপনা লক্ষ্য করে ১৩ জুন ২০২৫ চালানো হামলার নাম দেওয়া হয়েছে ‘অপারেশন রাইজিং লায়ন’।
- এর লক্ষ্য ছিল তেহরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচির আঘাত হানা। 

অপরদিকে,
- অপারেশন ‘ট্রু প্রমিজ থ্রি’ শুরু করে ইসরায়েলে বড় ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান।
- গাজা উপত্যকা থেকে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে অভিযানের লড়াইয়ের নাম দেয়া হয়েছে অপারেশন আল-আকসা ফ্লাড। 
- হামাসের বিরুদ্ধে অপারেশন “সোর্ডস অব আয়রন” অপারেশন চালায় ইসরাইল।

উৎস: বিবিসি বাংলা।
৬৫.
ঐতিহাসিক ’ট্রাফালগার যুদ্ধ’ কোন দেশে সংঘটিত হয়েছিল? 
  1. ইংল্যান্ড
  2. ফ্রান্স
  3. স্পেন
  4. পোল্যান্ড
সঠিক উত্তর:
স্পেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্পেন
ব্যাখ্যা

ট্রাফালগার যুদ্ধ:
- ট্রাফালগার যুদ্ধ ছিলো ইতিহাসের অন্যতম রক্তক্ষয়ী নৌযুদ্ধ।
- ট্রাফালগারের যুদ্ধ স্পেনের, কেপ ট্রাফালগারের উপকূলে সংঘটিত হয়েছিল।
- ১৮০৫ সালের ২১ অক্টোবর স্পেন উপকূলে এই যুদ্ধ সংঘটিত হয়,
- ফ্রান্স ও স্পেনের মিলিত নৌশক্তির বিরুদ্ধে এডমিরাল লর্ড নেলসনের নেতৃত্বে ব্রিটেন জয় লাভ করে।
- এই যুদ্ধে ব্রিটেনের বিজয় ও নেলসনের প্রতি সম্মান জানাতে, লন্ডনে নেলসনের সমাধির পাশে ট্রাফালগার স্কয়ার নির্মিত হয়।
- ট্রাফালগার স্কয়ার বর্তমানে ইংল্যান্ডের সেন্ট্রাল লন্ডনে অবস্থিত একটি গুরুত্বপূর্ণ মিলনস্থল।

উৎস: ব্রিটানিকা.কম, হিস্টোরি ওয়েবসাইট।

৬৬.
ফরাসি বিপ্লবের শ্লোগান কী ছিলো?
  1. গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা
  2. মুক্তি, একতা ও সমতা
  3. স্বাধীনতা, সাম্য ও ভ্রাতৃত্ব
  4. গণতন্ত্র, স্বাধীনতা, সমৃদ্ধি
সঠিক উত্তর:
স্বাধীনতা, সাম্য ও ভ্রাতৃত্ব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বাধীনতা, সাম্য ও ভ্রাতৃত্ব
ব্যাখ্যা

ফরাসি বিপ্লব:
- ১৭৮৯ সালের ১৪ জুলাই বাস্তিল দূর্গ আক্রমণের মাধ্যমে ফরাসি বিপ্লবের সূচনা হয়।
- বাস্তিল দূর্গ ছিলো একটি রাজকীয় কারাগার।
- এর পতনের মাধ্যমে ফ্রান্সের শত বছরের পুরনো রাজতন্ত্র ও সামন্তব্যবস্থা ভেঙে জনগণের অধিকার স্বীকৃত হয়।
- ফ্রান্সের তৎকালীন রাজা ষোড়শ লুই ক্ষমতাচ্যুত হন।
- ফরাসি বিপ্লবের শ্লোগান ছিলো ‘স্বাধীনতা, সাম্য ও ভ্রাতৃত্ব’।

উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া ও ব্রিটানিকা

৬৭.
বিখ্যাত 'ওয়াটার লু' যুদ্ধ কতসালে সংঘটিত হয়?
  1. ১৮১৩ সালে
  2. ১৮১৫ সালে
  3. ১৭১৬ সালে
  4. ১৮৫৪ সালে
সঠিক উত্তর:
১৮১৫ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮১৫ সালে
ব্যাখ্যা

ওয়াটারলু যুদ্ধ:
- বিখ্যাত ওয়াটার লু যুদ্ধক্ষেত্র বেলজিয়ামে অবস্থিত।
- বিখ্যাত 'ওয়াটার লু' যুদ্ধ সংঘটিত হয় ১৮১৫ সালে।
- এই যুদ্ধে পরাজিত হন ফরাসি বীর নেপোলিয়ন বোনাপার্ট।
- পরাজয়ের ফলে তাঁকে সেন্ট হেলেনা দ্বীপে নির্বাসনে দেওয়া হয়েছে।
- তিনি ১৮২১ সালে মৃত্যুবরণ করেন।
- ওয়াটার লুর যুদ্ধে বিজয়ী সেনাপতির নাম আর্থার ওয়েলেসলি (ডিউক অব ওয়েলিংটন)।

উৎস: Britannica Website.

৬৮.
তিয়ানানমেন স্কয়ার গণহত্যা কোথায় সংঘটিত হয়েছিল?
  1. চীন
  2. ভিয়েতনাম
  3. উত্তর কোরিয়া
  4. জাপান
সঠিক উত্তর:
চীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চীন
ব্যাখ্যা
তিয়ানানমেন স্কয়ার গণহত্যা:
- তিয়ানানমেন স্কয়ার গণহত্যা চীনের বেইজিংয়ের তিয়ানানমেন স্কোয়ারে ঘটেছিল।
- ১৯৮৯ সালের জুন মাসের প্রথম দিকে এই গণহত্যা সংঘটিত হয়েছিল। 

⇒ তিয়ানআনমেনে স্কয়ার ঘিরে বিক্ষোভ শুরু হয়েছিল ১৯৮৯ সালের ১৫ এপ্রিল।
- সেসময় চীনা ছাত্ররা বেইজিংয়ের ওই স্কয়ারে জড়ো হতে শুরু করে।
- জনপ্রিয় সংস্কারপন্থী চীনা নেতা হু ইয়াওবাং এর মৃত্যুকে ঘিরে গণবিক্ষোভ দানা বাঁধতে থাকে সেসময়।
- ওই বিক্ষোভ দমাতে একপর্যায়ে ৩ ও ৪ জুন পিপলস লিবারেশন আর্মি ট্যাঙ্ক নিয়ে তিয়েনআনমেন স্কয়ারে হামলা চালায়।
- ভয়ানক মানবিক বিপর্যয়ের মধ্যে দিয়ে তারা ওই বিক্ষোভকে ছত্রভঙ্গ করে দেয়। চীনা চীনা কমিউনিস্ট পার্টি সেসময় জানায়, ওই ঘটনায় ৩৬ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রসহ ২০০ জন নিহত হয়েছিলেন, আহত হয়েছিলেন ৩ হাজারের বেশি মানুষ।

উৎস: Britannica.
৬৯.
'কিউবা ক্ষেপনাস্ত্র সংকট' কত সালে সংঘটিত হয়? 
  1. ১৯৫১ সালে 
  2. ১৯৬২ সালে 
  3. ১৯৬৪ সালে 
  4. ১৯৬৮ সালে 
সঠিক উত্তর:
১৯৬২ সালে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৬২ সালে 
ব্যাখ্যা

• কিউবা ক্ষেপণাস্ত্র সংকট:
- কিউবা ক্ষেপণাস্ত্র সংকট (Cuban Missile Crisis) অক্টোবর ১৯৬২ সালে ঘটে।
- এতে সোভিয়েত ইউনিয়ন কিউবায় পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্র স্থাপন শুরু করলে যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে তীব্র মুখোমুখি অবস্থা সৃষ্টি হয়।
- যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ছিলেন জন এফ. কেনেডি এবং সোভিয়েত প্রধানমন্ত্রী ছিলেন নিকিতা ক্রুশ্চেভ।
- ১৬ থেকে ২৮ অক্টোবর ১৩ দিন ধরে চলা এই সংকট শীতল যুদ্ধের সবচেয়ে বিপজ্জনক মুহূর্তগুলোর একটি ছিল, যা বিশ্বকে পারমাণবিক যুদ্ধের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে গিয়েছিল।
- শেষ পর্যন্ত কূটনৈতিক আলোচনার মাধ্যমে সংকটের সমাধান হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৭০.
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকালীন ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন না -
  1. ক) Neville Chamberlain
  2. খ) Winston Churchill
  3. গ) Clement Attlee
  4. ঘ) William Ewart Gladstone
সঠিক উত্তর:
ঘ) William Ewart Gladstone
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) William Ewart Gladstone
ব্যাখ্যা
▪ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালে ১৯৪০ সালের মে পর্যন্ত চেম্বারলেন ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন।
▪ চেম্বারলেনের পর ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন উইনস্টন চার্চিল। ১৯৪৫ সালের জুলাইয়ে Clement Attlee দায়িত্ব গ্রহণ করার আগ পর্যন্ত উইনস্টন চার্চিল প্রধানমন্ত্রী ছিলেন।
▪ Clement Attlee জুলাই ১৯৪৫ সাল থেকে অক্টোবর ১৯৫১ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করে।
▪ William Ewart Gladstone - statesman and four-time prime minister of Great Britain (1868–74, 1880–85, 1886, 1892–94).

উল্লেখ, 
▪ ২ সেপ্টেম্বর ১৯৪৫ জাপান কর্তৃক আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মসমর্পণের মাধ্যমে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটে।

তথ্যসূত্র:- যুক্তরাজ্যের সরকারি ওয়েবসাইট এবং ব্রিটানিকা। 
৭১.
বলশেভিক বিপ্লব-এর পূর্বে রাশিয়ার রাজধানী কোথায় ছিল?
  1. সেন্ট পিটার্সবার্গ
  2. কিয়েভ
  3. পেট্রোগ্রাড
  4. মস্কো
সঠিক উত্তর:
পেট্রোগ্রাড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পেট্রোগ্রাড
ব্যাখ্যা
১৯১৭ সালের রুশ বিপ্লব:
- ১৯১৭ সালে রাশিয়ায় সমাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে মূলত দুটি বিপ্লব সংঘটিত হয়। 
- এই দুটি বিপ্লব হলো ফেব্রুয়ারি বিপ্লববলশেভিক বিপ্লব। 
- এই দুটি বিপ্লবকে একত্রে “১৯১৭ সালের রুশ বিপ্লব” (Russian Revolution of 1917) বলা হয়।
 
• ফেব্রুয়ারি বিপ্লব:
- রুশ বিপ্লবের প্রথম পর্যায়কে ফেব্রুয়ারি বিপ্লব বলা হয়।
- ফেব্রুয়ারি বিপ্লবের ফলে - রাজতন্ত্রের অবসান ঘটে এবং জার দ্বিতীয় নিকোলাসকে ক্ষমতা থেকে উচ্ছেদ ও বন্দি করা হয়।
- ফেব্রুয়ারি বিপ্লবের নেতৃত্ব ছিলেন - আলেক্সান্দ্রো এফ. ক্যারেনস্কি (Aleksandr F. Kerensky)।
 
• বলশেভিক বিপ্লব/অক্টোবর বিপ্লব:
- রুশ বিপ্লবের দ্বিতীয় পর্যায়কে বলশেভিক বা অক্টোবর বিপ্লব বলে।
- বলশেভিক বিপ্লবের ফলে - রাশিয়ায় লেনিনের নেতৃত্বে বিশ্বের প্রথম সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- বলশেভিক বিপ্লবের নেতা ছিলেন - ভ্লাদিমির লেনিন ও লিওন ট্রটস্কি।
-  ভি. আই. লেনিনের নেতৃত্বে ১৯১৭ সালের অক্টোবর মাসে পেট্রোগ্রাডের অস্থায়ী সরকারকে উৎখাত করে রাশিয়ান সোভিয়েত ফেডারেটিভ সোসালিস্টিক রিপাবলিক প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- এ বিপ্লবের স্থায়ীত্বকাল ছিল ১০ দিন। 
- এ বিপ্লবের ফলে দ্বিতীয় নিকোলাসের পতন ঘটে এবং জারতন্ত্রের অবসান হয়।
- এর ফলে ২২ মার্চ, ১৯১৮ সালে রাজধানী পেট্রোগ্রাড থেকে মস্কোয় স্থানান্তর করা হয়।
 
উৎস: হিস্টোরি ও ব্রিটানিকা.কম।
৭২.
আরব বসন্ত কোন দেশ থেকে শুরু হয়?
  1. তিউনিসিয়া
  2. আলবেনিয়া
  3. মিশর
  4. লিবিয়া
সঠিক উত্তর:
তিউনিসিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিউনিসিয়া
ব্যাখ্যা

• আরব বসন্ত:
- আরব বসন্ত হলো আরব মুসলিম দেশগুলোতে সংঘটিত হওয়া সিরিজ বা ধারাবাহিক গণঅভ্যুত্থান।
- এই আন্দোলন শুরু হয় ২০১০ সালের শেষদিকে তিউনিসিয়া থেকে, এবং ২০১১ সালের শুরুতে তা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে মিশর, লিবিয়া, সিরিয়া, ইয়েমেন সহ অনেক আরব দেশে।
- ২০১০ সালের ডিসেম্বরে বোয়াজিজি নামে এক ফলবিক্রেতা কর্তৃক নিজ শরীরে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার মাধ্যমে তিউনেশিয়ায় সর্বপ্রথম গণবিক্ষোভ বা আরব বসন্তের সূত্রপাত ঘটে।
- এর ফলে ২০১১ সালের ১৪ জানুয়ারি তিউনেশিয়ার স্বৈরশাসক জাইন এল বেন আলী এর পতন ঘটে।
- এই ঘটনাই “জ্যাসমিন বিপ্লব” নামে গণআন্দোলনের সূত্রপাত করে।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।  

৭৩.
রুশ বিপ্লবের প্রথম পর্যায়কে বলা হয়-
  1. অক্টোবর বিপ্লব
  2. ফেব্রুয়ারি বিপ্লব
  3. বলশেভিক বিপ্লব
  4. লেনিন বিপ্লব
সঠিক উত্তর:
ফেব্রুয়ারি বিপ্লব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফেব্রুয়ারি বিপ্লব
ব্যাখ্যা
রুশ বিপ্লব:
- ১৯১৭ সালে রাশিয়ায় মূলত দুটি বিপ্লব সংঘটিত হয়।
- এই দুটি বিপ্লব হলো ফেব্রুয়ারি বিপ্লব ও বলশেভিক বিপ্লব।
- রুশ বিপ্লবের প্রথম পর্যায়কে ফেব্রুয়ারি বিপ্লব বলে।
- রুশ বিপ্লবের দ্বিতীয় পর্যায়কে বলশেভিক বা অক্টোবর বিপ্লব বলে।
এই দুটি বিপ্লবকে একত্রে ১৯১৭ সালের রুশ বিপ্লব' বলা হয়।

• ফেব্রুয়ারি বিপ্লব:
- রুশ বিপ্লবের প্রথম পর্যায়কে ফেব্রুয়ারি বিপ্লব বলে।
- ফেব্রুয়ারি বিপ্লবের ফলে দ্বিতীয় নিকোলাসকে ক্ষমতা থেকে উচ্ছেদ ও বন্দি করা হয়।
- ১৯১৭ সালের ফেব্রুয়ারিতে পেট্রোগ্রাদে (সেন্ট পিটার্সবার্গে) খাদ্য ঘাটতি নিয়ে দাঙ্গা শুরু হয়
- সেনাবাহিনী বিদ্রোহীদের সাথে যোগ দিলে নিকোলাস ত্যাগ করতে বাধ্য হন।
- রাশিয়ার রাজতন্ত্রের পতন হয় ফেব্রুয়ারি বিপ্লবের কারণে।

• বলশেভিক বিপ্লব/অক্টোবর বিপ্লব:
- বলশেভিক বিপ্লবের ফলে রাশিয়ায় লেনিনের নেতৃত্বে বিশ্বের প্রথম সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- বলশেভিক বিপ্লবের নেতা ছিলেন ভ্লাদিমির লেনিন ও লিওন ট্রটস্কি।

উৎস:
History.com.
৭৪.
প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পরিসমাপ্তি ঘটে কত সালে?
  1. ১৯১৪ সালে
  2. ১৯১৭ সালে
  3. ১৯১৮ সালে
  4. ১৯২০ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯১৮ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯১৮ সালে
ব্যাখ্যা

প্রথম বিশ্বযুদ্ধ:
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সূচনা হয়েছিল ১৯১৪ সালের ২৮ জুলাই। 
- এর পরিমাপ্তি হয় ১১ নভেম্বর ১৯১৮ সালে।

- ইউরোপের কয়েকটি ক্ষুদ্র ও দুর্বল রাষ্ট্র ব্যতীত প্রায় সকল রাষ্ট্রই এ যুদ্ধে প্রত্যক্ষ কিংবা পরোক্ষভাবে জড়িত ছিল ইউরোপের বাইরেও এর বিস্তার ঘটেছিল। 
- এই ব্যাপকতার জন্য এবং এই যুদ্ধের নাশকতার জন্য একে মহাযুদ্ধ বা বিশ্বযুদ্ধ বলা হয়। 
- ১৯১৪ সালে বসনিয়ার রাজধানী সারায়েভা শহরে অস্ট্রিয়ার যুবরাজ ফ্রান্সিস ফার্ডিনান্ডের হত্যাকান্ডকে বিশ্বযুদ্ধের প্রত্যক্ষ বা আশু কারণ বলে মনে করা হয়। 
- তবে এই যুদ্ধের প্রকৃত কারণ অতীতের ঘটনাবলীতে সন্ধান করতে হবে। 
- জার্মানি-ফ্রান্সের পারস্পরিক সন্দেহ ও ঈর্ষা, অস্ট্রিয়া ও রাশিয়ার তীব্র সংঘর্ষ, বলকান অঞ্চলে রাশিয়ার প্রভাব বৃদ্ধিতে অস্ট্রিয়ার ক্ষোভ, ইউরোপের প্রধান প্রধান - শক্তিবর্গের দুটি বিবাদমান শিবিরে বিভক্ত হয়ে যাওয়া, ইঙ্গ-জার্মান নৌ প্রতিযোগিতার জন্য উত্তেজনা বৃদ্ধি, উগ্র জাতীয়তাবাদ এবং অর্থনৈতিক সাম্রাজ্যবাদ ইত্যাদি বহু কারণের সম্মিলিত ফল হল বিশ্বযুদ্ধ।

উৎস: আধুনিক ইউরোপের ইতিহাস -২, এসএসইএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

৭৫.
কোন দেশে প্রথম শিল্প বিপ্লব শুরু হয়?
  1. ফ্রান্স
  2. চীন
  3. ইংল্যান্ড
  4. যুক্তরাষ্ট্র
সঠিক উত্তর:
ইংল্যান্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইংল্যান্ড
ব্যাখ্যা
শিল্প বিপ্লব (Industrial Revolution):
- আঠারো শতকের শেষার্ধে ও উনিশ শতকের প্রথমার্ধে ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্রে যে দ্রুত শিল্পায়ন ও নগরায়ন সংঘটিত হয়, তাকে শিল্প বিপ্লব বলা হয়।

• প্রথম শিল্প বিপ্লব:
- প্রথম শিল্প বিপ্লব সংঘটন কাল: ১৭৬০-১৮৪০ সাল।
- ১৭৬০ সাল থেকে ইউরোপের দেশ ইংল্যান্ডে প্রথম শিল্প বিপ্লব শুরু হয়।
- তাই ইংল্যান্ডকে শিল্প বিপ্লবের জন্মস্থান বলা হয়।
- ব্রিটিশ অর্থনৈতিক ঐতিহাসিক আর্নল্ড টয়েনবি (Arnold Toynbee) ১৭৬০ সাল থেকে ১৮৪০ সাল পর্যন্ত ইংল্যান্ডের অর্থনৈতিক উন্নয়ন বোঝানোর জন্য ‘শিল্প বিপ্লব' (Industrial Revolution) শব্দটি ব্যবহার করেন।
- ইংল্যান্ডে শুরু হলেও খুব দ্রুতই ইউরোপের অন্যান্য দেশ বেলজিয়াম, ফ্রান্স, জার্মানি, রাশিয়া সহ অন্যান্য দেশে তা ছড়িয়ে পড়ে।
- ইউরোপের পাশাপাশি ১৭৯০ সালে যুক্তরাষ্ট্রে শিল্প বিপ্লবের ছোঁয়া লাগে।
- শিল্প বিপ্লবের ফলে পণ্য উৎপাদন, বাজারজাতকরণ, অর্থনৈতিক ব্যবস্থা খুব দ্রুত পরিবর্তত হতে থাকে।
- এই সময় বিভিন্ন ইঞ্জিন, যন্ত্রপাতি ও তত্ত্ব আবিষ্কার হতে থাকে।
- ফলে বিশ্বের ইতিহাসও খুব দ্রুত পরিবর্তন হতে থাকে।

তথ্যসূত্র: Britannica.
৭৬.
কোন যুদ্ধ চলাকালে বেলফোর ঘোষণা করা হয়?
  1. ১ম বিশ্বযুদ্ধ
  2. ২য় বিশ্বযুদ্ধ
  3. আফিম যুদ্ধ
  4. স্নায়ুযুদ্ধ
সঠিক উত্তর:
১ম বিশ্বযুদ্ধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ম বিশ্বযুদ্ধ
ব্যাখ্যা
বেলফোর ঘোষণা:
- বেলফোর ঘোষণা হলো ব্রিটিশ ইহুদি সম্প্রদায়ের একজন নেতা ব্যারন রথচাইল্ডের কাছে যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র সচিব আর্থার জেমস বেলফোরের লেখা একটি চিঠি।
- বেলফোর ঘোষণার সাথে আজকের ইহুদী রাষ্ট্র ইসরায়েল প্রতিষ্ঠা সরাসরিভাবে জড়িত।

⇒ ১৯১৭ সালের ২ নভেম্বর প্রথম বিশ্বযুদ্ধ চলাকালে তৎকালীন ব্রিটেনের পররাষ্ট্র সচিব এ জে বেলফো ব্রিটিশ জায়নিষ্ঠ ফেডারেশনের সভাপতি লর্ড রথচাইল্ডকে একটি চিঠি দেন।
- তিনি ফিলিস্তিনে একটি আলাদা রাষ্ট্র তৈরির প্রস্তাব দেন।
- ঐ চিঠির উদ্দেশ্য ছিল ইহুদীদের জন্য একটি আবাসভূমি প্রতিষ্ঠা।
- ইতিহাসে এটি বেলফোর ঘোষণা হিসেবে পরিচিত।
- ১৯২২ সালে জাতিপুঞ্জ (League of Nations) বেলফোর ঘোষণা অনুমোদন করে।
- ১৯৪৭ সালে জাতিসংঘ প্যালেস্টাইন অধ্যুষিত আরব এলাকা বিভক্তির মধ্যে দিয়ে ইসরায়েল রাষ্ট্রটি প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত নেয়।
- ১৯৪৮ সালে ফিলিস্তিন ভূখন্ডে ইসরায়েল প্রতিষ্ঠিত হয়।

অন্যদিকে,
- স্নায়ুযুদ্ধ হচ্ছে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ-পরবর্তী সময়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রসমূহ এবং সোভিয়েত ইউনিয়ন ও তার মিত্রসমূহের মধ্যকার টানাপোড়েনের নাম। ১৯৪০-এর দশকের মাঝামাঝি থেকে ১৯৮০-এর দশকের শেষ পর্যন্ত এর বিস্তৃতি ছিল। 
- আফিম যুদ্ধ ১৮৩৯-৪২ সাল পর্যন্ত সংঘটিত হয়েছিল। এটি চীন এবং যুক্তরাজ্যর মধ্যে যুদ্ধ হয়েছিল।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ ১৯৩৯ সাল থেকে ১৯৪৫ সাল পর্যন্ত সংঘটিত হয়েছিল।

উৎস: Britannica.
৭৭.
নিম্নের কোন যুদ্ধ "War to end all wars" নামে পরিচিত?
  1. ক) দ্বিতীয় বিশ্ব যুদ্ধ
  2. খ) শতবর্ষীয় যুদ্ধ
  3. গ) প্রথম বিশ্ব যুদ্ধ
  4. ঘ) ক্রুসেড যুদ্ধ
সঠিক উত্তর:
গ) প্রথম বিশ্ব যুদ্ধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) প্রথম বিশ্ব যুদ্ধ
ব্যাখ্যা
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধ "সমস্ত যুদ্ধের অবসান ঘটানোর যুদ্ধ (War to end all wars)" নামে পরিচিত.
- কারণ এই  যুদ্ধে ব্যাপক হত্যাকান্ড ও ধ্বংসযজ্ঞ হয়েছিল। 
- দুর্ভাগ্যবশত, ১৯১৯ সালের ভার্সাই শান্তি চুক্তি যা আনুষ্ঠানিকভাবে সমাপ্তি যুদ্ধের ঘটালেও জার্মানিকে শাস্তিমূলক শর্তাবলী চাপিয়ে দেয়ার মাধ্যমে ইউরোপকে অস্থিতিশীল করে এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ক্ষেত্র প্রস্তুত করে।
 
উৎস: হিস্টোরি ওয়েবসাইট
৭৮.
প্রথম বিশ্বযুদ্ধে মিত্রশক্তির অন্তর্ভুক্ত নয় নিচের কোন দেশ?
  1. ব্রিটেন
  2. জার্মানি
  3. রাশিয়া
  4. ফ্রান্স
সঠিক উত্তর:
জার্মানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জার্মানি
ব্যাখ্যা

একনজরে প্রথম বিশ্বযুদ্ধ:
- যুদ্ধ সংঘটনকাল: ২৮ জুলাই, ১৯১৪ থেকে ১১ নভেম্বর, ১৯১৮ খ্রিস্টাব্দ।
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধ “মহাযুদ্ধ ” বা "The Great War” নামে ইতিহাসে বিখ্যাত।
- চার বছরের যুদ্ধে প্রায় ১ কোটি ৬০ লক্ষ মানুষের প্রাণহানি ঘটে।

▪ অক্ষশক্তি:-
- জার্মানি,
- অস্ট্রিয়া,
- হাঙ্গেরি,
- বুলগেরিয়া,
- গ্রীস ও
- তুরস্ক।

▪ মিত্রশক্তি:
- রাশিয়া,
- ব্রিটেন,
- ফ্রান্স,
- যুক্তরাষ্ট্র,
- ইতালি,
- জাপান,
- চীন,
- সার্বিয়া,
- রোমানিয়া ও
- বেলজিয়াম প্রভৃতি দেশ।  

▪ ফলাফল: মিত্রশক্তি বিজয়ী।    

উৎস: ব্রিটানিকা।

৭৯.
কোন দুটি পরাশক্তির মধ্যে কিউবার ক্ষেপণাস্ত্র সংকট দেখা গিয়েছিল?
  1. যুক্তরাষ্ট্র ও চীন
  2. সোভিয়েত ইউনিয়ন ও জার্মানি
  3. যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়ন
  4. যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্স
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়ন
ব্যাখ্যা
কিউবার ক্ষেপণাস্ত্র সংকট:
- - দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত রাশিয়ার মধ্যে স্নায়ুযুদ্ধের সময় কিউবা ক্ষেপণাস্ত্র সংকট দেখা দেয়।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরবর্তীকালে ক্যারিবিয়ান সাগরের বুকে কিউবায় ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটি নির্মাণকে কেন্দ্র করে সােভিয়েত রাশিয়া ও মার্কিন যুক্বরাষ্ট্রের মধ্যে এক স্বল্পকালীন অথচ প্রবল দ্বন্দ্ব শুরু হয়।
- ১৯৬২ খ্রিস্টাব্দের প্রথম দিকে কিউবার রাষ্ট্রপতি ফিদেল কাস্ত্রো সােভিয়েত ইউনিয়ন থেকে মাঝারি পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র গােপনে আমদানি করে কিউবাতে প্রতিস্থাপন করেছিলেন।
- অক্টোবর মাসে আমেরিকা তার গুপ্তচর বিমানের তােলা ছবি থেকে জানতে পারে যে, কিউবায় সােভিয়েত ইউনিয়ন একটি ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটি তৈরি করেছে। আমেরিকা কিউবার বিরুদ্ধে নৌ-অবরোধ গড়ে তোলে।
- ফলে সমগ্র ল্যাটিন আমেরিকায় যুদ্ধের পরিমন্ডল তৈরি হয়।
- এই পরিস্থিতি 'কিউবা (ক্ষেপণাস্ত্র) সংকট' নামে পরিচিত।
- এই ঘটনা স্নায়ু যুদ্ধের পরিস্থিতিকে আরও উত্তেজনাপূর্ণ করে তোলে।

উল্লেখ্য,
- ১৯৫৯ সালে কিউবায় ফিদেল কাস্ত্রোর নেতৃত্বে সমাজতান্ত্রিক সরকার ক্ষমতায় আসে।
- ১৯৬২ সালে মার্কিন গোয়েন্দা তথ্য পায় যে, সোভিয়েত ইউনিয়ন কিউবায় গোপনে পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্র স্থাপন করছে যা যুক্তরাষ্ট্রের মূল ভূখণ্ডকে কয়েক মিনিটে আঘাত করতে সক্ষম।
- প্রেসিডেন্ট জন এফ. কেনেডি ১৯৬২ সালের ২২ অক্টোবর কিউবায় নৌ অবরোধের ঘোষণা দেন।
- ফলে সমগ্র ল্যাটিন আমেরিকায় যুদ্ধের পরিমন্ডল তৈরি হয়।
- এই পরিস্থিতি 'কিউবা ক্ষেপণাস্ত্র সংকট' নামে পরিচিত।
- এই ঘটনা শীতল যুদ্ধের পরিস্থিতিকে আরও উত্তেজনাপূর্ণ করে তোলে।
- শেষ পর্যন্ত সোভিয়েত নেতা নিকিতা ক্রুশ্চেভ ক্ষেপণাস্ত্র প্রত্যাহারে রাজি হন, বিনিময়ে যুক্তরাষ্ট্র কিউবায় আক্রমণ না করার প্রতিশ্রুতি দেয়।

উৎস: History.com
৮০.
২০২৫ সালে সংঘটিত ইরান ও ইসরায়েলের যুদ্ধের স্থায়িত্বকাল -
  1. ৮ দিন
  2. ৯ দিন
  3. ১১ দিন
  4. ১২ দিন
সঠিক উত্তর:
১২ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২ দিন
ব্যাখ্যা
ইরান ও ইসরায়েল-এর মধ্যে যুদ্ধ':
- ইরান ও ইসরায়েল এর মধ্যে যুদ্ধ শুরু হয় ১৩ জুন ২০২৫ তারিখে এবং যুদ্ধবিরতি হয় ২৪ জুন, ২০২৫ তারিখে।
- এই যুদ্ধের স্থায়িত্বকাল ছিল ১২ দিন।

⇒ ১৩ জুন ইরানে আকস্মিক ব্যাপক হামলা শুরু করে ইসরায়েল। এরপর পাল্টা প্রতিশোধ নিতে ইরানও ইসরায়েলের ওপর হামলা শুরু করে। এতে দেশ দুইটির মধ্যে যুদ্ধ শুরু হয়।
- এর মাঝে যুক্তরাষ্ট্র গত ২১ জুন ইরানের প্রধান তিনটি পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা চালায়।
- সর্বশেষ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এক ঘোষণায় জানান, ইসরায়েল ও ইরান যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে।
- ২৪ জুন এই যুদ্ধ শেষ হয়।
- মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এটিকে ‘১২ দিনের যুদ্ধ’ বলেছেন।

উৎস: i) CSIS ওয়েবসাইট।
ii) The Economic Times.
৮১.
প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শেষ হয়েছিল কবে?
  1. ২৮ জুলাই, ১৯১৪
  2. ১১ নভেম্বর ১৯১৪
  3. ২৮ জুলাই ১৯১৮
  4. ১১ নভেম্বর, ১৯১৮
সঠিক উত্তর:
১১ নভেম্বর, ১৯১৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১ নভেম্বর, ১৯১৮
ব্যাখ্যা
প্রথম বিশ্বযুদ্ধ: 

• প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময়কাল ১৯১৪-১৯১৮ সাল।
• যুদ্ধ শুরু হয়: ২৮ জুলাই, ১৯১৪ সালে।
• শেষ হয়: ১১ নভেম্বর, ১৯১৮ সালে।
• যুদ্ধের ফলাফল: মিত্র শক্তির বিজয়।
• চার বছরের যুদ্ধে প্রায় ১ কোটি ৬০ লক্ষ মানুষের প্রাণহানি ঘটে।
• অক্ষশক্তিতে ছিল জার্মানি, অস্ট্রিয়া, হাঙ্গেরি, অটোমান সাম্রাজ্য ও বুলগেরিয়া।
• মিত্রশক্তিতে ছিল সার্বিয়া, রাশিয়া, ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, ইতালি, জাপান প্রভৃতি দেশ।

• প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময়কালীন বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্র/সরকার প্রধান:
- জার্মান চ্যান্সেলর: থিওবাল্ড ভন বেথমান হলওয়েগ, জর্জ মিখাইল, জর্জ ভন হার্টলিং, ফ্রেডেরিখ অ্যাবেট
- জার্মান কাইজার: দ্বিতীয় উইলিয়ম
- ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী: জর্জ লয়েড
- মার্কিন প্রেসিডেন্ট: উড্রো উইলসন
- রাশিয়ার জার: দ্বিতীয় নিকোলাস
- জাপানের সম্রাট: যুসোহিতো
- ইতালির প্রধানমন্ত্রী: ভিট্টোরিও অরল্যান্ডো
- অটোমান সুলতান: ষষ্ঠ মেহমুদ।

তথ্যসূত্র: হিস্টোরি ডটকম ও  Live Mcq লেকচার।
৮২.
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন কে?
  1. নেভিল চেম্বারলেইন
  2. ক্লিমেন্ট অ্যাটলি
  3. উইনস্টন চার্চিল
  4. অ্যান্থনি ইডেন
সঠিক উত্তর:
উইনস্টন চার্চিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উইনস্টন চার্চিল
ব্যাখ্যা

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ:
- ১৯৩৯ সালের ১ সেপ্টেম্বর জার্মানি কর্তৃক পোল্যান্ড আক্রমণের মাধ্যমে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে অক্ষশক্তির অন্তর্ভুক্ত ছিল,
• জার্মানি,
• জাপান,
• ইতালি।

- মিত্রশক্তির অন্তর্ভুক্ত ছিল,
• ব্রিটেন,
• ফ্রান্স,
• যুক্তরাষ্ট্র,
• সোভিয়েত ইউনিয়ন,
• চীন,
• পোল্যান্ড,
• নেদারল্যান্ডস প্রভৃতি দেশ।

- ৮ ডিসেম্বর, ১৯৪১ সালে যুক্তরাষ্ট্র দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সরাসরি যোগদান করে।
- ৭ মে ১৯৪৫ জার্মানি মিত্রবাহিনীর নিকট নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ করে।
- ২ সেপ্টেম্বর ১৯৪৫ জাপান কর্তৃক আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মসমর্পণের মাধ্যমে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটে।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ইতিহাসে প্রথমবারের মতো পারমাণবিক অস্ত্রের দুটি ব্যবহার হয়েছিল।
- তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন তথা রাশিয়ার নেতা বা প্রেসিডেন্ট ছিলেন জোসেফ স্ট্যালিন।
- যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন উইনস্টন চার্চিল।
- যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ছিলেন ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেল্ট ও হ্যারি এস. ট্রুম্যান।

তথ্যসূত্র - হিস্টোরি ও ব্রিটানিকা কম।

৮৩.
প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময়কাল কত ছিল?
  1. ২৮ জুলাই, ১৯১৫ থেকে ১১ নভেম্বর, ১৯১৯ সাল
  2. ২৮ জুলাই, ১৯১৪ থেকে ১১ নভেম্বর, ১৯১৮ সাল
  3. ২৮ জুলাই, ১৯১৪ থেকে ১১ নভেম্বর, ১৯২০ সাল
  4. ২৮ জুলাই, ১৯১৪ থেকে ১১ নভেম্বর, ১৯১৯ সাল
সঠিক উত্তর:
২৮ জুলাই, ১৯১৪ থেকে ১১ নভেম্বর, ১৯১৮ সাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৮ জুলাই, ১৯১৪ থেকে ১১ নভেম্বর, ১৯১৮ সাল
ব্যাখ্যা
প্রথম বিশ্বযুদ্ধ (WWI -World War I):
- সময়কাল: ২৮ জুলাই, ১৯১৪ থেকে ১১ নভেম্বর, ১৯১৮ সাল। 
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধ ছিল একটি আন্তর্জাতিক সংঘর্ষ, যেখানে ইউরোপের বেশিরভাগ দেশসহ রাশিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, মধ্যপ্রাচ্য ও অন্যান্য অঞ্চল জড়িয়ে পড়ে।
- যুদ্ধটি সেন্ট্রাল পাওয়ারস (জার্মানি, অস্ট্রিয়া-হাঙ্গেরি, ওসমানীয় সাম্রাজ্য) এবং অ্যালাইড শক্তিগুলোর (ফ্রান্স, ব্রিটেন, রাশিয়া, ইতালি, জাপান, এবং ১৯১৭ সালে যুক্তরাষ্ট্র) মধ্যে সংঘটিত হয়।
- যুদ্ধের পর সেন্ট্রাল পাওয়ারস পরাজিত হয় এবং এটি ইউরোপের চারটি বড় সাম্রাজ্যের পতনের কারণ হয়— জার্মানি, রাশিয়া, অস্ট্রিয়া-হাঙ্গেরি এবং ওসমানীয় সাম্রাজ্য।
- এছাড়া, রাশিয়ায় বলশেভিক বিপ্লব সংঘটিত হয় এবং ইউরোপীয় সমাজব্যবস্থা মারাত্মকভাবে বিপর্যস্ত হয়, যা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের (১৯৩৯-১৯৪৫) পথ সুগম করে।
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধ ছিল অভূতপূর্ব গণহত্যা, ধ্বংসযজ্ঞ ও বিপর্যয়ের এক নজিরবিহীন ঘটনা, যা ২০শ শতকের ভূরাজনৈতিক ইতিহাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মোড় হিসাবে বিবেচিত হয়।

উৎস: Britannica.
৮৪.
ফরাসি বিপ্লবের সূচনাতে কোন দুর্গটি আক্রমণের শিকার হয়েছিল?
  1. কনসিয়ের্জারি দুর্গ
  2. ফোর্ট ডি শার্লট
  3. ভার্সাই দুর্গ
  4. বাস্তিল দুর্গ
সঠিক উত্তর:
বাস্তিল দুর্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাস্তিল দুর্গ
ব্যাখ্যা
ফরাসি বিপ্লবের সূচনাতে বাস্তিল দুর্গ আক্রমণের শিকার হয়েছিল।

বাস্তিল দুর্গ:

- বাস্তিল দুর্গ ছিল ফরাসি রাজতন্ত্রের অত্যাচারের অন্যতম কেন্দ্র।
- এই বাস্তিল দুর্গে রাজতন্ত্রের বিরোধী ব্যক্তিদের বন্দি করে রাখা হতো ও অত্যাচার করা হতো।
- তাই জনগণের কাছে বাস্তিল দুর্গ ছিল ফরাসি রাজতন্ত্র, স্বৈরতন্ত্র এবং অত্যাচারের প্রতীক।
- ১৭৮৯ খ্রিষ্টাব্দে ফ্রান্সের বিদ্রোহী জনগণ বাস্তিল দুর্গ আক্রমণ করে ধ্বংস করেছিল।

উল্লেখ্য,
- ১৭৮৯ সালের ১৪ জুলাই ফ্রান্সের প্যারিসে জনগণ বাস্তিল দুর্গ আক্রমণ করে ধ্বংস করেছিল।
- বাস্তিল দুর্গের পতন রাজতন্ত্রের পতনের দিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ ছিল।
- দুর্গের পতনের মাধ্যমে সমস্ত বন্দিরাও মুক্তি পায়।
- বাস্তিল দুর্গের পতনের মাধ্যমে ফরাসি বিপ্লব শুরু হয়।

অন্যদিকে,
- কনসিয়ের্জারি দুর্গ: এটি একটি কারাগার ও প্রাসাদ ছিল, যেখানে বিপ্লবের সময় রানি মারি অ্যান্তোয়ানেতসহ অনেকে বন্দী ছিলেন।
- ফোর্ট ডি শার্লট: এটি ফ্রান্সের নয়, আমেরিকার একটি দুর্গ, তাই এটি ফরাসি বিপ্লবের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
- ভার্সাই দুর্গ: এটি ফরাসি রাজাদের প্রাসাদ ছিল, যেখানে বিপ্লবের সময় জনতা ১৭৮৯ সালে রাজপরিবারকে প্যারিসে ফিরিয়ে আনে, কিন্তু এটি সূচনার প্রধান ঘটনা ছিল না।

উৎস: Britannica.
৮৫.
রুশ বিপ্লবের দ্বিতীয় পর্যায় কোনটি?
  1. বলশেভিক বিপ্লব
  2. ভেলভেট বিপ্লব
  3. ফেব্রুয়ারি বিপ্লব
  4. ক+গ
সঠিক উত্তর:
বলশেভিক বিপ্লব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বলশেভিক বিপ্লব
ব্যাখ্যা

রুশ বিপ্লব:
- ১৯১৭ সালে রাশিয়ায় মূলত দুটি বিপ্লব সংঘটিত হয়।
- দুটি বিপ্লবকে একত্রে “১৯১৭ সালের রুশ বিপ্লব” (Russian Revolution of 1917) বলা হয়।

• ফেব্রুয়ারি বিপ্লব
- রুশ বিপ্লবের প্রথম পর্যায়কে ফেব্রুয়ারি বিপ্লব বলা হয়।
- ফেব্রুয়ারি বিপ্লবের ফলে - রাজতন্ত্রের অবসান ঘটে এবং জার দ্বিতীয় নিকোলাসকে ক্ষমতা থেকে উচ্ছেদ ও বন্দি করা হয়।
- ফেব্রুয়ারি বিপ্লবের নেতৃত্ব ছিলেন - আলেক্সান্দ্রো এফ. ক্যারেনস্কি (Aleksandr F. Kerensky)।

• বলশেভিক বিপ্লব/অক্টোবর বিপ্লব
- রুশ বিপ্লবের দ্বিতীয় পর্যায়কে বলশেভিক বা অক্টোবর বিপ্লব বলে।
- বলশেভিক বিপ্লবের ফলে - রাশিয়ায় লেনিনের নেতৃত্বে বিশ্বের প্রথম সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- বলশেভিক বিপ্লবের নেতা ছিলেন - ভ্লাদিমির লেনিন ও লিওন ট্রটস্কি।

উৎস: হিস্টোরি ও ব্রিটানিকা.কম

৮৬.
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শুরুতে ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী কে ছিলেন?
  1. উইনস্টন চার্চিল
  2. ক্লিমেন্ট এট্‌লি
  3. নেভিল চেম্বারলিন
  4. লিলি গ্লাডস্টোন
সঠিক উত্তর:
নেভিল চেম্বারলিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নেভিল চেম্বারলিন
ব্যাখ্যা
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী: 
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শুরুতে ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন নেভিল চেম্বারলেন।
- নেভিল চেম্বারলেন ১৯৩৭ থেকে ১৯৪০ সাল পর্যন্ত ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন।
- তিনি ১৯৩৮ সালে মিউনিখ চুক্তি স্বাক্ষর করেছিলেন, যার মাধ্যমে জার্মানির নেতা আডল্ফ হিটলারের সঙ্গে সান্ত্বনামূলক কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করা হয়েছিল।
- মে মাসের দিকে জাতীয় সংসদে নরওয়েজিয় সংকটের কারণে প্রধানমন্ত্রী চেম্বারলেইনের উপর সবাই আস্থা হারিয়ে ফেলে।
- একই কারণে ১৯৪০ সালের ১০ মে রাজা ষষ্ঠ জর্জ চার্চিলকে প্রতিরক্ষামন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দেন।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় তিনি ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন।
- ১৯৫৩ সালে তিনি সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় প্রধানমন্ত্রী হিসাবে তাঁর অবদানের জন্য চিরকাল স্মরণীয়।

উৎস: Britannica.
৮৭.
কোন বিপ্লবের ফলাফল স্বরূপ রাশিয়া বিশ্বের প্রথম সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা লাভ করে?
  1. বলশেভিক বিপ্লব
  2. নভেম্বর বিপ্লব
  3. জানুয়ারি বিপ্লব
  4. জুলাই বিপ্লব
সঠিক উত্তর:
বলশেভিক বিপ্লব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বলশেভিক বিপ্লব
ব্যাখ্যা
⇒ রুশ বিপ্লব:
- ১৯১৭ সালে রাশিয়ায় মূলত দুটি বিপ্লব সংঘটিত হয়।
- এই দুটি বিপ্লব হলো ফেব্রুয়ারি বিপ্লব ও বলশেভিক বিপ্লব।
- এই দুটি বিপ্লবকে একত্রে ১৯১৭ সালের রুশ বিপ্লব' বলা হয়।

⇒ ফেব্রুয়ারি বিপ্লব:
- রুশ বিপ্লবের প্রথম পর্যায়কে ফেব্রুয়ারি বিপ্লব বলে।
- ফেব্রুয়ারি বিপ্লবের ফলে দ্বিতীয় নিকোলাসকে ক্ষমতা থেকে উচ্ছেদ ও বন্দি করা হয়।
- ১৯১৭ সালের ফেব্রুয়ারিতে পেট্রোগ্রাদে (সেন্ট পিটার্সবার্গে) খাদ্য ঘাটতি নিয়ে দাঙ্গা শুরু হয়।
- সেনাবাহিনী বিদ্রোহীদের সাথে যোগ দিলে নিকোলাস ত্যাগ করতে বাধ্য হন।
- রাশিয়ার রাজতন্ত্রের পতন হয় ফেব্রুয়ারি বিপ্লবের কারণে।

⇒ বলশেভিক বিপ্লব/অক্টোবর বিপ্লব:
- রুশ বিপ্লবের দ্বিতীয় পর্যায়কে বলশেভিক বা অক্টোবর বিপ্লব বলে।
- বলশেভিক বিপ্লবের ফলে রাশিয়ায় লেনিনের নেতৃত্বে বিশ্বের প্রথম সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- বলশেভিক বিপ্লবের নেতা ছিলেন ভ্লাদিমির লেনিন ও লিওন ট্রটস্কি।

তথ্যসূত্র - History.com & Britannica.com
৮৮.
ইউরোপের কোন দেশে সর্বপ্রথম রেঁনেসা শুরু হয়?
  1. ফ্রান্স
  2. ইতালি
  3. ইংল্যান্ড
  4. জার্মানি
সঠিক উত্তর:
ইতালি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইতালি
ব্যাখ্যা
রেনেসাঁ:
- মধ্যযুগে ইউরোপে জমি যার শাসন তার প্রথার সৃষ্টি হয়েছিলো।
- অর্থাৎ ভূমিভিত্তিক শাসনব্যবস্থা।
- একে সামন্তবাদ বলা হয়।
- ইউরোপীয় দেশ ইতালিতে সামন্তবাদের প্রথম সূত্রপাত হয়।
- মধ্যযুগে ইউরোপে রাষ্ট্র বলতে ছিল পবিত্র রোমান সাম্রাজ্য।
- রাজতন্ত্র এবং পোপতন্ত্র- এই দুই প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করতো পবিত্র রোমান সাম্রাজ্য।
- পঞ্চদশ শতকে ইউরোপীয় রেনেসাঁসের পটভূমিতে পবিত্র রোমান সাম্রাজ্য ভেঙ্গে পড়তে শুরু করে।
- ইউরোপের পণ্য বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণ করতো দক্ষিণ ইউরোপের তথা ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলের ফ্লোরেন্স, ভেনিস, জেনোয়া প্রভৃতি অঞ্চলের বণিকেরা।
- চতুর্দশ শতাব্দীতে ইউরোপে সামন্তবাদ দুর্বল হয়ে পড়তে শুরু করলে এই সকল বণিকা অনেকটা স্বাধীনভাবে বাণিজ্য পরিচালনা করতে থাকে।
- এর মধ্যে দিয়ে দক্ষিণ ইতালিকে কেন্দ্র করে একটি স্বাধীন বাণিজ্যিক অর্থনীতির জন্ম নিতে।
- এইভাবে রেনেসাঁসের প্রভাবে ইউরোপে সামন্তবাদের স্থলে বাণিজ্যবাদে উদ্ভব ঘটে।

উল্লেখ্য,
- পঞ্চদশ শতকের ইউরোপের সমাজ, সংস্কৃতি, রাজনীতি, অর্থনীতি এবং মানুষের জীবন জিজ্ঞাসায় যে ব্যাপক পরিবর্তনের সূচনা ঘটে, এটাকে সাধারণভাবে ইউরোপের রেনেসাঁস বা নবজাগরণ বলা হয়ে থাকে।
- নবজাগরণ ইতালিতে শুরু হয়েছিল বলে ইউরোপের অনেক ঐতিহাসিক এটিকে ইতালির রেনেসাঁস হিসেবেও অভিহিত করে থাকেন।

উৎস: i) আধুনিক ইউরোপের ইতিহাস, এস এস এইচ এল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) World History Encyclopedia.
৮৯.
'তারকা যুদ্ধ' নামে পরিচিত Strategic Defense Initiative (SDI) ঘোষণা করেন কে?
  1. রিচার্ড নিক্সন
  2. রোনাল্ড রিগ্যান
  3. জিমি কার্টার
  4. ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেল্ট
সঠিক উত্তর:
রোনাল্ড রিগ্যান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রোনাল্ড রিগ্যান
ব্যাখ্যা

তারকা যুদ্ধ:
- Strategic Defense Initiative এর প্রস্তাবক ছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রিগ্যান।
- রোনাল্ড রিগ্যান ১৯৮৩ সালের ২৩ মার্চ ভূমি ও মহাকাশে পরমাণু ক্ষেপণাস্ত্র আক্রমণ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলার পরিকল্পনা হাতে নেন যা SDI (Strategic Defense Initiative) নামে পরিচিত।
- একে সমালোচকরা নক্ষত্র যুদ্ধ (Star War) এর পরিকল্পনা হিসেবেও অভিহিত করেন।
- এই পরিকল্পনার লক্ষ্য ছিল, পরমাণু ক্ষেপণাস্ত্রগুলোকে মহাকাশে বা পৃথিবীতে ধ্বংস করার মাধ্যমে পরমাণু ক্ষেপণাস্ত্র হামলা থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে রক্ষা করা।
- তাই, একে সমালোচকরা 'নক্ষত্র যুদ্ধ' (Star Wars) হিসেবেও অভিহিত করেন।
⇒ তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রিগ্যান ও সোভিয়েত নেতা মিখাইল গর্বাচেভ ১৯৮৬ সালের অক্টোবর মাসে আইসল্যান্ডের রাজধানী রিকজাভিকে (Reykjavík) এক শীর্ষ বৈঠকে বসেছিলেন।
- এটি ইতিহাসে “Reykjavik Summit” নামে পরিচিত।
- এই বৈঠকটি ইতিহাসে “Reykjavik Summit” নামে পরিচিত।
- এই বৈঠকে তারা পরমাণু অস্ত্র সীমিতকরণ এবং যুক্তরাষ্ট্রের “Strategic Defense Initiative (SDI)” বা ‘তারকাযুদ্ধ’ পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করেন।

উলেখ্য, 
- বৈঠকে আনুষ্ঠানিক কোনো চুক্তি সম্পন্ন হয়নি কারণ রোনাল্ড রিগ্যান SDI বা ‘তারকাযুদ্ধ’ প্রকল্প পরিত্যাগ করতে রাজি হননি।
- তবে, এর সরাসরি ফলশ্রুতিতে ১৯৮৭ সালে INF Treaty (Intermediate-Range Nuclear Forces Treaty) স্বাক্ষরিত হয় যা ইউরোপ থেকে মাঝারি পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র সরিয়ে নেওয়ার ঐতিহাসিক পদক্ষেপ।

⇒ ১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নের পতন এবং ঠান্ডাযুদ্ধের সমাপ্তির পর SDI প্রকল্পের প্রয়োজনীয়তা অনেকটাই কমে যায়।
- সোভিয়েত ইউনিয়নের পতন এবং পরবর্তীতে রাশিয়ার সাথে সম্পর্কের উন্নতি এই প্রকল্পটির গুরুত্ব কমিয়ে দেয়, ফলে এটি কার্যকরভাবে স্তিমিত হয়ে যায়।
- তবে, SDI প্রকল্পের ধারণা এবং এর বিভিন্ন প্রযুক্তিগত উদ্যোগগুলো পরবর্তীতে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা প্রযুক্তির বিকাশে কিছুটা প্রভাব ফেলেছিল।

উৎস: Britannica.

৯০.
কোনটির মধ্য দিয়ে বাস্তিল দুর্গের পতন ঘটে?
  1. ত্রিশবছর ব্যাপী যুদ্ধ
  2. নেপোলয়নের যুদ্ধ
  3. ফরাসি বিপ্লব
  4. শতবর্ষ ব্যাপী যুদ্ধ
সঠিক উত্তর:
ফরাসি বিপ্লব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফরাসি বিপ্লব
ব্যাখ্যা
বাস্তিল দুর্গ:
- বাস্তিল দুর্গ ছিল ফরাসি রাজতন্ত্রের অত্যাচারের অন্যতম কেন্দ্র।
- এই বাস্তিল দুর্গে রাজতন্ত্রের বিরোধী ব্যক্তিদের বন্দি করে রাখা হতো ও অত্যাচার করা হতো।
- তাই জনগণের কাছে বাস্তিল দুর্গ ছিল ফরাসি রাজতন্ত্র, স্বৈরতন্ত্র এবং অত্যাচারের প্রতীক।
- ১৭৮৯ খ্রিষ্টাব্দে ফ্রান্সের বিদ্রোহী জনগণ বাস্তিল দুর্গ আক্রমণ করে ধ্বংস করেছিল।

উল্লেখ্য,
- ১৭৮৯ সালের ১৪ জুলাই ফ্রান্সের প্যারিসে জনগণ বাস্তিল দুর্গ আক্রমণ করে ধ্বংস করেছিল।
- বাস্তিল দুর্গের পতন রাজতন্ত্রের পতনের দিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ ছিল।
- দুর্গের পতনের মাধ্যমে সমস্ত বন্দিরাও মুক্তি পায়।
- বাস্তিল দুর্গের পতনের মাধ্যমে ফরাসি বিপ্লব শুরু হয়।

⇒ বাস্তিল দুর্গের পতনের ফলে রাজা ষোড়শ লুই-এর স্বৈরশাসনের অবসান হয়।
- রাজা জাতীয় পরিষদকে স্বীকৃতি দেন এবং এই সময় থেকে রাষ্ট্রের প্রকৃত ক্ষমতা আইনসভার হাতে চলে যায়।
- ফ্রান্সের প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীকরণের সূচনা হয় এবং অভিজাততন্ত্রের পতন আসন্ন হয়ে ওঠে।

উৎস: Britannica.
৯১.
'ছয় দিনের যুদ্ধ' নামে পরিচিত কোনটি?
  1. ১ম আরব-ইসরাইল যুদ্ধ
  2. ২য় আরব-ইসরাইল যুদ্ধ
  3. ৩য় আরব-ইসরাইল যুদ্ধ
  4. ৪র্থ আরব-ইসরাইল যুদ্ধ
সঠিক উত্তর:
৩য় আরব-ইসরাইল যুদ্ধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩য় আরব-ইসরাইল যুদ্ধ
ব্যাখ্যা
৩য় আরব ইসরাইল যুদ্ধ:
- ৩য় আরব ইসরাইল যুদ্ধ সংঘটিত হয় ১৯৬৭ সালে।
- এই যুদ্ধের স্থায়িত্ব ছিল মাত্র ৬ দিন।
- এটি ছয় দিনের যুদ্ধ বা জুন যুদ্ধ নামেও পরিচিত।
- ৫ - ১০ জুন পর্যন্ত মাত্র ছয় দিনের এ যুদ্ধ মধ্যপ্রাচ্যের অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছিল।

⇒ ইসরায়েল মিসরের বিমানবাহিনীর ওপর নিবৃত্তিমূলক হামলা চালালে এই যুদ্ধ শুরু হয়। কারণ, মিসর সিদ্ধান্ত নিয়েছিল, তারা গাজা ও সিনাই উপদ্বীপ থেকে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষী সদস্যদের বিতাড়ন করবে। একই সঙ্গে তারা তিরান প্রণালি দিয়ে ইসরায়েলের জাহাজ চলাচলও বন্ধ করে দিয়েছিল। 
- ছয় দিন যুদ্ধের পর ইসরায়েল সিনাই উপদ্বীপ, গাজা উপত্যকা, গোলান উপত্যকা, পশ্চিম তীর ও পুরো জেরুজালেম দখল করে নেয়। 

উল্লেখ্য,
- মোট ৪টি আরব-ইসরাইল যুদ্ধ সংঘটিত হয়।
• ১ম আরব-ইসরাইল যুদ্ধ: সংঘটিত হয় ১৯৪৮ সালে।
• ২য় আরব-ইসরাইল যুদ্ধ: সংঘটিত হয় ১৯৫৬ সালে।
• ৩য় আরব-ইসরাইল যুদ্ধ: সংঘটিত হয় ১৯৬৭ সালে।
• ৪র্থ আরব-ইসরাইল যুদ্ধ: সংঘটিত হয় ১৯৭৩ সালে।

উৎস: Worldatlas.
৯২.
নিচের কোন দেশটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে সরাসরি অংশগ্রহণ করেনি?
  1. কানাডা
  2. সুইডেন
  3. পোল্যান্ড
  4. চীন
সঠিক উত্তর:
সুইডেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুইডেন
ব্যাখ্যা
১৯৩৯ সালের ১ সেপ্টেম্বর জার্মানি কর্তৃক পোল্যান্ড আক্রমণের মাধ্যমে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সূত্রপাত ঘটে।

জার্মানি, জাপান ও ইতালির মিলিত অক্ষশক্তি এবং ব্রিটেন, ফ্রান্স, যুক্তরাষ্ট্র, সোভিয়েত ইউনিয়ন, চীন, পোল্যান্ড, নেদারল্যান্ড, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া প্রভৃতি দেশের সমন্বয়ে গঠিত মিত্রশক্তির মধ্যে এই যুদ্ধ সংঘটিত হয়।

১৯৪৩ সালের ৮ সেপ্টেম্বর অক্ষশক্তির প্রথম দেশ হিসেবে ইতালি মিত্রশক্তির নিকট আত্মসমর্পণ করে।
১৯৪৫ সালের ৩০ এপ্রিল জার্মান চ্যান্সেলর অ্যাডলফ হিটলার আত্মহত্যা করার পর ৮ মে ১৯৪৫ জার্মানি মিত্রবাহিনীর নিকট নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ করে। এতে করে ইউরোপে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সমাপ্তি ঘটে।

২ সেপ্টেম্বর ১৯৪৫ জাপান কর্তৃক যুক্তরাষ্ট্রের নিকট আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মসমর্পণের মাধ্যমে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটে।

অন্যদিকে,
সুইডেন, স্পেন, পর্তুগাল, সুইজারল্যান্ড, ভ্যাটিকান সিটি, আয়ারল্যান্ড প্রভৃতি দেশ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে অক্ষ বা মিত্র শক্তির পক্ষাবলম্বন না করে নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করে।

(তথ্যসূত্র: হিস্টোরি ডটকম)
৯৩.
‘নুরেমবার্গ ট্রায়াল’ কোন ঘটনার সাথে সম্পর্কিত?
  1. ১ম বিশ্বযুদ্ধ 
  2. ২য় বিশ্বযুদ্ধ 
  3. ভিয়েতনাম যুদ্ধ
  4. উপসাগরীয় যুদ্ধ 
সঠিক উত্তর:
২য় বিশ্বযুদ্ধ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২য় বিশ্বযুদ্ধ 
ব্যাখ্যা

• নুরেমবার্গ ট্রায়াল:
- 'নুরেমবার্গ ট্রায়াল' যুদ্ধাপরাধ-এর সাথে সংশ্লিষ্ট।
- নুরেমবার্গ ট্রায়াল হচ্ছে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ১৯৪৫-৪৬ সালে জার্মানির বাভারিয়া রাজ্যের নুরেমবার্গ শহরে অনুষ্ঠিত বিচার প্রক্রিয়ার নাম।

 ইন্টারন্যাশনাল মিলিটারি ট্রাইব্যুনাল হিটলারের নাৎসি বাহিনীর নেতাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ গঠন করে এবং তাদের বিচার করে।
- তাদের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগগুলো ছিল মূলত চার ধরনের যথা:
১. শান্তির বিরুদ্ধে অপরাধ। যেমন: আন্তর্জাতিক চুক্তি লঙ্ঘন করে ধ্বংসাত্মক যুদ্ধের পরিকল্পনা, যুদ্ধের জোগাড় এবং যুদ্ধ শুরু করা।
২. মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ। যেমন: মানুষকে সমূলে বিনাশ করা, বাসস্থান থেকে বিতাড়ন করা এবং গণহত্যা।
৩. যুদ্ধাপরাধ তথা যুদ্ধের আইনসমূহ লঙ্ঘন।
৪. উপরিউক্ত তিনটি অপরাধ করার সাধারণ পরিকল্পনা বা ষড়যন্ত্র করা।

⇒ আন্তর্জাতিক এই সামরিক ট্রাইবুনালে বিশিষ্ট ২২ জন নাৎসি কর্মকর্তার বিচার শুরু হয়েছিল।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরপরই নুরেমবার্গের আদালতে শীর্ষ নাৎসি কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়।
- যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধের কারণে বিচার হয় তাদের।
- বিচারাধীনদের মধ্যে ছিল সামরিক কর্মকর্তা, রাজনীতিক, অর্থনৈতিক উপদেষ্টা।
- ১৯৪৫ সালের ২০ নভেম্বর শুরু হয় এই বিচার।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা। 

৯৪.
প্রথম বিশ্বযুদ্ধের মাধ্যমে কোন সাম্রাজ্যের পতন ঘটে নি?
  1. অটোমান সাম্রাজ্য
  2. জার্মান সাম্রাজ্য
  3. ব্রিটিশ সাম্রাজ্য
  4. সবগুলোর পতন হয়েছে
সঠিক উত্তর:
ব্রিটিশ সাম্রাজ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্রিটিশ সাম্রাজ্য
ব্যাখ্যা
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধের মাধ্যমে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের পতন ঘটে নি। 
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধ চারটি সাম্রাজ্যকে ধ্বংস করে - জার্মান, অস্ট্রো-হাঙ্গেরীয়, অটোমান এবং রোমানভ - এবং মধ্যপ্রাচ্য ও ভিয়েতনামে উপনিবেশিক বিদ্রোহের সূচনা করে।

প্রথম বিশ্বযুদ্ধের ফলাফল:

চৌদ্দ দফা ঘোষণা – ৮ জানুয়ারি, ১৯১৮ [জার্মান সরকারের যুদ্ধ বিরতি প্রস্তাবের প্রেক্ষিতে] 
১ নং দফা – শান্তিপূর্ণ ও উন্মুক্ত কূটনীতি ।
১৪ নং দফা – জাতিপুঞ্জ প্রতিষ্ঠা। ১৯১৮ সালের ২৮ জুন জাতিপুঞ্জ প্রতিষ্ঠা।
মহামন্দা বা Great Depression ।

কয়েকটি সাম্রাজ্যের পতন: 
১৯১৭ - জার সাম্রাজ্যের পতন।
১৯১৮ - অস্ট্রো হাঙ্গেরি সাম্রাজ্যের পতন ।
১৯১৮ - জার্মান সাম্রাজ্যের পতন। 
১৯২২ - অটোমান সাম্রাজ্যের পতন।

উৎস: Digital History, University of Houston. (Link)
৯৫.
ভারতের প্রথম মুসলমান রাষ্ট্রপতি কে?
  1. এপিজে আব্দুল কালাম
  2. ড. মাহমুদ হোসেন
  3. ড. ফখরুদ্দিন আলী আহমেদ
  4. জাকির হোসেন
সঠিক উত্তর:
জাকির হোসেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাকির হোসেন
ব্যাখ্যা
ভারত:
- দক্ষিণ এশিয়ার বৃহত্তম দেশ ভারত।
- ভারত স্বাধীনতা লাভ করে: ১৫ আগস্ট, ১৯৪৭ সালে।
- সংবিধান কার্যকর হয়: ২৬ জানুয়ারি, ১৯৫০ সালে।
- প্রজাতন্ত্র ঘোষণা দেয়: ২৬ জানুয়ারি, ১৯৫০ সালে।

উল্লেখ্য,
- ভারতের প্রথম রাষ্ট্রপতি: ড. রাজেন্দ্র প্রসাদ।
- ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী: জওহরলার নেহরু।
- ভারতের প্রথম মুসলমান রাষ্ট্রপতি: জাকির হোসেন।
- ভারতের প্রথম নারী রাষ্ট্রপতি: প্রতিভা পাতিল।
- ভারতের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী: নরেন্দ্র মোদী।
- ভারতের বর্তমান রাষ্ট্রপতি: দ্রৌপদী মুর্মু (প্রথম সাওতাল উপজাতি রাষ্ট্রপতি)।

উৎস: Britannica.
৯৬.
চীনের সমাজতান্ত্রিক বিপ্লব সংঘটিত হয়েছিল কখন?
  1. ক) ১৯১১ সালে
  2. খ) ১৯৩৮ সালে
  3. গ) ১৯৪৯ সালে
  4. ঘ) ১৯৫০ সালে
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৪৯ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৪৯ সালে
ব্যাখ্যা
সমাজতান্ত্রিক বিপ্লব (Chinese Communist Revolution)

- সময়কাল: ১ অক্টোবর, ১৯৪৯
- নেতা: কমিউনিস্ট পার্টি অব চায়নার নেতা মাও সে তুং।
- বিপ্লবে পতন হয়: কুওমিন্টাং দলের নেতা চিয়াং কাইশেকের।
- ফলাফল: পুঁজিবাদী শাসন ব্যবস্থার অবসান এবং সমাজতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা চালু।
- গণপ্রজাতন্ত্রী চীনের প্রথম চেয়ারম্যান: মাও সে তুং।


তথ্যসূত্র: হিস্টরি.কম।
৯৭.
প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পূর্বে অস্ট্রিয়ার যুবরাজকে কোন শহরে হত্যা করা হয়েছিল?
  1. সারায়েভো
  2. সালতার
  3. জাগরের
  4. গ্রাজ
সঠিক উত্তর:
সারায়েভো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সারায়েভো
ব্যাখ্যা
প্রথম বিশ্বযুদ্ধ:
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধ (World War I) ১৯১৪ থেকে ১৯১৮ সাল পর্যন্ত সংঘটিত হয়েছিল এবং এটি ছিল ইতিহাসের অন্যতম বৃহৎ ও ধ্বংসাত্মক যুদ্ধ।
- যুদ্ধটি মূলত ইউরোপের বিভিন্ন শক্তির মধ্যে সংঘটিত হলেও এর প্রভাব ছিল পৃথিবীজুড়ে।

⇒ যুদ্ধের পটভূমি:
- যুদ্ধ শুরু হয়: ২৮ জুলাই, ১৯১৪ সালে।
- শেষ হয়: ১১ নভেম্বর, ১৯১৮ সালে।
- যুদ্ধের ফলাফল: মিত্র শক্তির বিজয়।
- অক্ষশক্তি: জার্মানি, অস্ট্রিয়া, হাঙ্গেরি, অটোমান সাম্রাজ্য ও বুলগেরিয়া।
- মিত্রশক্তি: সার্বিয়া, রাশিয়া, ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, ইতালি, জাপান প্রভৃতি দেশ।

উল্লেখ্য,
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পূর্বে অষ্ট্রিয়ার যুবরাজ আর্চডিউক ফ্রাঞ্জ ফার্দিনান্দকে বসনিয়ার সারায়েভো শহরে হত্যা করা হয়েছিল।
- ১৯১৪ সালের ২৮ জুন অস্ট্রো-হাঙ্গেরীয় সাম্রাজ্যের উত্তরাধিকারী আর্চডিউক ফ্রাঞ্জ ফার্দিনান্দের হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সূত্রপাত হয়।
- এই যুদ্ধের কারণ হিসেবে ১৯০৯ খ্রিস্টাব্দে অস্ট্রো-হাঙ্গেরীয় সাম্রাজ্য বসনিয়া-হার্জেগোভিনা দখল করা এবং আর্চডিউক ফ্রাঞ্জ ফার্দিনান্দের হত্যাকাণ্ডকে সবচেয়ে বেশি প্রাধান্য দেওয়া হয়।

উৎস: i) History.com
ii) Britannica.
৯৮.
সাংস্কৃতিক বিপ্লব কোথায় সংঘটিত হয়?
  1. চীন
  2. চিলি
  3. কিউবা
  4. রাশিয়া
সঠিক উত্তর:
চীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চীন
ব্যাখ্যা
চীন:
- জনসংখ্যায় বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম দেশ- চীন।
- গণচীনের প্রতিষ্ঠাতা- মাও সে তুং।
- গ্রেট হল অবস্থিত- বেইজিং, চীনে।
- ‘তিয়েন আনমেন‘ স্কয়ার অবস্থিত- বেইজিং চীন। 
- চীনে কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিসি) প্রতিষ্ঠিত হয় - ১৯৪৯ সালে।
- চীনে সাংস্কৃতিক বিপ্লব হয় - ১৯৬৬-১৯৭৬ পর্যন্ত।
- চীনে সাংস্কৃতিক বিপ্লবের নেতৃত্বদান করেন - মাও সে তুং।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।
৯৯.
রুশ বিপ্লবের নেতৃত্বদানকারী দল-
  1. ক) কমিউনিস্ট পার্টি
  2. খ) নাৎসি বাহিনী
  3. গ) মিনশেভিক পার্টি
  4. ঘ) বলশেভিক পার্টি
সঠিক উত্তর:
ঘ) বলশেভিক পার্টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) বলশেভিক পার্টি
ব্যাখ্যা
রুশ বিপ্লবের নেতৃত্বদানকারী দল বলশেভিক পার্টি। ১৯১৭ সালে অক্টোবর বিপ্লবের মধ্য দিয়ে ভ্লাদিমির ইলিচ লেনিনের নেতৃত্বাধীন বলশেভিক পার্টি ও শ্রমিক সোভিয়েতরা পেট্রোগ্রাদের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে উৎখাত করে রাশিয়ান সোভিয়েত ফেডারেশন সোশালিস্ট রিপাবলিক প্রতিষ্ঠা করেন। ইতিহাসে এটি বলশেভিক বিপ্লব নামেও পরিচিত। সাড়া জাগানো এ বিপ্লবের স্থায়িত্ব ছিল মাত্র ১০দিন।
উৎসঃ এনসাইক্লোপিডিয়া অব ব্রিটানিকা।
১০০.
৪র্থ আরব ইসরাইল যুদ্ধটি ইহুদি সম্প্রদায়ের কোন পবিত্র দিনে শুরু হয়েছিল?
  1. Hanukkah
  2. Yom Kippur
  3. Passover
  4. Purim
সঠিক উত্তর:
Yom Kippur
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Yom Kippur
ব্যাখ্যা

⇒ আরব-ইসরাইল যুদ্ধ:
- মোট ৪টি আরব-ইসরাইল যুদ্ধ সংঘটিত হয়।

⇒ ৪র্থ আরব ইসরাইল যুদ্ধ:
- সংঘটিত হয় ১৯৭৩ সালে।
- Yom Kippur War নামে পরিচিত ৪র্থ আরব-ইসরাইল যুদ্ধ।
- ইহুদিদের পবিত্র দিন ইয়ম কিপুরের সময় ইসরায়েল-অধিকৃত অঞ্চলে আরব জোটের অতর্কিত হামলার মাধ্যমে এই যুদ্ধ শুরু হয়।
- মিশরীয় ও সিরিয়ান সেনারা যুদ্ধবিরতি রেখা ভেদ করে যথাক্রমে সিনাই উপদ্বীপ ও গোলান মালভূমিতে ঢুকে পড়ে।
- যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়ন উভয়ে তাদের নিজ নিজ মিত্রদের এসময়ে সহায়তা করে।
- ফলে দুইটি পারমাণবিক শক্তিধর দেশের মধ্যে বিবাদ সৃষ্টি হয়।

⇒ উল্লেখ্য:
• ১ম আরব-ইসরাইল যুদ্ধ সংঘটিত হয় ১৯৪৮ সালে।
• ২য় আরব-ইসরাইল যুদ্ধ সংঘটিত হয় ১৯৫৬ সালে।
• ৩য় আরব ইসরাইল যুদ্ধ সংঘটিত হয় ১৯৬৭ সালে।

তথ্যসূত্র - Worldatlas.com