উত্তর
ব্যাখ্যা
প্রথম - ময়মনসিংহ
দ্বিতীয় - কুমিল্লা
তৃতীয় - যশোর।
(সূত্র: কৃষি পরিসংখ্যান গ্রন্থ-২০১৯)
PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন
PrepBank · পাতা ২৯ / ৭৬ · ২,৮০১–২,৯০০ / ৭,৭৫২
• আর্থিক প্রতিষ্ঠান:
- আর্থিক প্রতিষ্ঠান আইন, ১৯৯৩ অনুযায়ী 'আর্থিক প্রতিষ্ঠান' বলতে বাংলাদেশ ব্যাংক হতে লাইসেন্স প্রাপ্ত আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে বুঝায়।
- বাংলাদেশ ব্যাংক এর আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও বাজার বিভাগ আর্থিক প্রতিষ্ঠানসমূহের লাইসেন্স প্রদান, নিয়ন্ত্রণ, তদারকি এবং তদসংক্রান্ত প্রবিধান প্রণয়ন সংক্রান্ত কার্যাবলী সম্পাদন করে থাকে এবং প্রয়োজনে আর্থিক প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স বাতিল করতে পারে।
- তফসিলি ব্যাংক ছাড়াও দেশে কার্যরত সকল অ-ব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠানের (Non-Bank Financial Institutions)
নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ ব্যাংক।
- বাংলাদেশ ব্যাংক অনুমোদিত ৩৫ টি অ-ব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠান আছে।
- সাধারণত মার্চেন্ট ব্যাংক, বিনিয়োগ কোম্পানী, মিউচুয়াল এসোসিয়েশন, মিউচুয়াল কোম্পানি, লিজিং কোম্পানি এবং বিল্ডিং সোসাইটিসমূহ আর্থিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে অভিহিত হয়ে থাকে।
তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ব্যাংক ও সোনালী ব্যাংকের ওয়েবসাইট। (Link) (Link2)
• দাবায় বাংলাদেশের সর্বকনিষ্ঠ আন্তর্জাতিক মাস্টার:
- ১৯৮৪ সাল থেকে দাবা অলিম্পিয়াডে অংশ নিচ্ছে বাংলাদেশ দাবা দল।
- বর্তমানে মনন রেজা নীড় দেশের সর্বকনিষ্ঠ আন্তর্জাতিক মাস্টার।
- অক্টোবর, ২০২৪-এ বিশ্ব দাবা সংস্থার চতুর্থ ফিদে জোন কাউন্সিলের সভায় তার আন্তর্জাতিক মাস্টারের খেতাব অনুমোদন হয়।
- তিনি আন্তর্জাতিক মাস্টার হয়েছেন গ্র্যান্ডমাস্টার নিয়াজ মোরশেদের রেকর্ড ভেঙে।
⇒ আন্তর্জাতিক মাস্টার হতে ২৪০০ রেটিং ও তিনটি নর্ম প্রয়োজন।
অন্যদিকে,
- নিয়াজ মোরশেদ আন্তর্জাতিক মাস্টার হয়েছিলেন ১৫ বছর পাঁচ মাস বয়সে।
- ১৪ বছর তিন মাস বয়সে এই কৃতিত্ব অর্জন করলেন মনন।
- তাকে নিয়ে বাংলাদেশে এখন আন্তর্জাতিক মাস্টারের সংখ্যা দাঁড়াল পাঁচ।
- বাকি চারজন জিল্লুর রহমান, আবু সুফিয়ান, মিনহাজ উদ্দিন, ফাহাদ রহমান।
তথ্যসূত্র: প্রথম আলো।
বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২০ অনুযায়ী,
- জিডিপিতে কৃষি খাতের অবদান ১৩.৩৫ শতাংশ।
- কৃষি খাতে প্রবৃদ্ধির হার ৩.১১ শতাংশ।
- কৃষি খাতে নিয়োজিত জনগোষ্ঠী ৪০.৬ শতাংশ।
- জিডিপিতে শিল্প খাতের অবদান ৩৫.৩৬ শতাংশ।
- শিল্প খাতে প্রবৃদ্ধির হার ৬.৪৮ শতাংশ।
- শিল্প খাতে নিয়োজিত জনগোষ্ঠী ২০.৪ শতাংশ।
- জিডিপিতে সেবা খাতের অবদান ৫১.৩০ শতাংশ।
- সেবা খাতে প্রবৃদ্ধির হার ৫.৩২ শতাংশ।
- সেবা খাতে নিয়োজিত জনগোষ্ঠী ৩৯.০ শতাংশ।
- যুক্তরাজ্যের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার।
- ২০২৪ সালে যুক্তরাজ্যে জাতীয় নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয় পাওয়া লেবার পার্টির নেতা কিয়ার স্টারমারকে প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ দিয়েছেন ব্রিটেনের রাষ্ট্রপ্রধান রাজা তৃতীয় চার্লস।
- নির্বাচনে ৪১২টি আসনে জয় পেয়েছে লেবার পার্টি।
- কনজারভেটিভ পার্টি পেয়েছে ১২১টি আসন।
- সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য কোনো দলের প্রয়োজন হয় ৩২৬ আসন।
- এই নির্বাচনের মধ্য দিয়ে যুক্তরাজ্যে টানা ১৪ বছর পর ক্ষমতা থেকে সরে গেল কনজারভেটিভ পার্টি।
উৎস: বিবিসি এবং প্রথম আলো।
জাতীয় বাজেট ২০২৫-২৬:
- বাজেটের ক্রম: ৫৪তম (অন্তবর্তীকালীনসহ ৫৫তম)।
- বাজেটের শিরোনাম: 'বৈষম্যহীন ও টেকসই অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গড়ার প্রত্যয়'।
- বাজেট উত্থাপনকারী: ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ (অর্থ উপদেষ্টা)।
- বাজেট উত্থাপন: ২ জুন, ২০২৫।
- অনুমোদন হয় : ২২ জুন, ২০২৫।
- কার্যকর হয়: ১ জুলাই, ২০২৫।
- জিডিপির আকার: ৬২ লাখ ৪৪ হাজার ৫৭৮ কোটি টাকা।
তথ্যসূত্র - জাতীয় বাজেট ২০২৫-২৬।
জাতীয় বাজেট ২০২৫-২৬:
- জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার: ৫.৫%।
- বাজেটের আকার: ৭ লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকা।
- অনুদান ব্যতিত বাজেট ঘাটতি: ২ লাখ ২৬ হাজার কোটি টাকা।
- অনুদান সহ বাজেট ঘাটতি: ২,২১,০০০ কোটি টাকা।
- সর্বোচ্চ বরাদ্দ প্রাপ্ত খাত (পরিচালন ও উন্নয়ন বাজেট): জনপ্রশাসন।
- উন্নয়ন বাজেটে সর্বোচ্চ বরাদ্দপ্রাপ্ত খাত: পরিবহন ও যোগাযোগ।
- অনুন্নয়ন (পরিচালন) বাজেটে সর্বোচ্চ বরাদ্দ প্রাপ্ত খাত: সুদ।
- মাথাপিছু আয়: ২,৮২০ মার্কিন ডলার।
- বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচী (ADP): ২ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা (জিডিপির ৩.৭%)।
- উন্নয়ন বাজেটে বরাদ্দের পরিমাণ: ২,৪৫,৬০৯ কোটি টাকা।
- অনুমিত মুদ্রাস্ফীতির হার: ৬.৫%।
তথ্যসূত্র - জাতীয় বাজেট ২০২৫-২৬।
মানব উন্নয়ন সূচক (HDI):
- জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (UNDP) ৬ মে ২০২৫ "Human Development Report 2025: A matter of choice: People and possibilities in the age of A I^ prime prime শিরোনামে "মানব উন্নয়ন প্রতিবেদন" প্রকাশ করে।
- মানব উন্নয়ন সূচক হলো বিশ্বের সকল দেশ-সমূহের জীবন মান, শিক্ষা, নিরক্ষরতা প্রভৃতির একটি তুলনামূলক সূচক।
- একে সংক্ষেপে HDI (Human Development Index) বলা হয়।
- মানব উন্নয়ন মাপকাঠি সম্পর্কিত বিভিন্ন পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোকে সাজানো হয়।
- প্রতি বছর UNDP মানব উন্নয়ন সম্পর্কিত প্রতিবেদন প্রকাশ করে থাকে।
- শীর্ষ দেশ- আইসল্যান্ড।
⇒ মানব উন্নয়ন রিপোর্ট ২০২৫ অনুযায়ী বাংলাদেশের অবস্থান ১৩০তম।
উৎস: UNDP ওয়েবসাইট।
বাংলাদেশ জেলের পরিবর্তিত নাম:
- বাংলাদেশ জেলের নাম পরিবর্তন করে 'কারেকশন সার্ভিসেস বাংলাদেশ' করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
- কারাগারকে সংশোধনমূলক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরের লক্ষ্যে এই নাম পরিবর্তনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
- এছাড়া, আইনকানুন যুগোপযোগী করার জন্য 'কারেকশন সার্ভিস অ্যাক্ট-২০২৫'-এর খসড়া চূড়ান্ত করা হয়েছে।
- সেই সাথে, বন্দিদের সেবার মান উন্নত করতে নারায়ণগঞ্জে কেন্দ্রীয় কারা হাসপাতাল নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
তথ্যসূত্র- পত্রিকা প্রতিবেদন। [link]
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ২য় বাংলাদেশি ভাষা হিসেবে বাংলার পাশাপাশি চাকমা ভাষা যুক্ত করা হলো।
ফেসবুকে চাকমা ভাষা যুক্ত করতে দীর্ঘদিন থেকে কাজ করেছেন জ্যোতি চাকমা। (রেফারেন্স- যুগান্তর)
নারী ওয়ানডে বিশ্বকাপ-২০২৫:
- আসর: ১৩ তম।
- সময়: ৩০ সেপ্টেম্বর - ২ নভেম্বর, ২০২৫।
- আয়োজনকারী দেশ: ভারত ও শ্রীলঙ্কা।
- অংশগ্রহণকারী দল: ৮টি (ভারত, অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ড, নিউজিল্যান্ড, দক্ষিণ আফ্রিকা, শ্রীলঙ্কা, বাংলাদেশ, পাকিস্তান)।
উল্লেখ্য,
- ১৯৭৩ সালে ইংল্যান্ডের মাটিতে প্রথম শুরু হয় নারী ওয়ানডে বিশ্বকাপ।
- ২০২২ সালে প্রথমবারের মত বিশ্বকাপে অভিষেক হয় বাংলাদেশের।
উৎস: বাসস।
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪:
- বাংলাদেশের জিডিপিতে উৎপাদন ভিত্তিতে ৩ টি বৃহৎ খাত।
- সার্বিক ভাবে ১৯টি খাত রয়েছে।
- বাংলাদেশের দ্রুত বর্ধনশীল খাত শিল্পখাত।
- জিডিপিতে সর্ববৃহৎ খাত- সেবা খাত।
- ছোট খাত- কৃষি খাত।
- কিন্তু কর্মসংস্থান দিক থেকে বৃহৎ খাত- কৃষি খাত।
উল্লেখ্য,
- জিডিপির সর্ববৃহৎ খাত – সেবাখাত (১৩টি খাত নিয়ে গঠিত) এবং ছোট খাত – কৃষিখাত।
- আবার, কর্মসংস্থানের দিক থেকে বৃহৎখাত – কৃষিখাত (৪৫.০০% শ্রমশক্তি নিয়োজিত) এবং ছোট খাত – শিল্পখাত (১৭.০০% শ্রমশক্তি নিয়োজিত)।
- জিডিপির সবচেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল খাত – শিল্পখাত;
উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.১২%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১১১৯ জন।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) - ৭৪.৮০%।
- পুরুষের সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) - ৭৬.৭১%।
- মহিলার সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) - ৭২.৯৪%।
- বিভাগভিত্তিক সাক্ষরতার হার সবচেয়ে বেশি ঢাকা বিভাগে (৭৮.২৪%)।
- বিভাগভিত্তিক সাক্ষরতার হার সবচেয়ে কম ময়মনসিংহ বিভাগে (৬৭.২৩%)।
- সাক্ষরতার হারে শীর্ষ জেলা পিরোজপুর (৮৫.৫৩%)।
- সাক্ষরতার হারে সর্বনিম্ন জেলা জামালপুর (৬১.৭০%)।
তথ্যসূত্র - পরিসংখ্যান ব্যুরোর ওয়েবসাইট।
WTO:
- WTO-এর পূর্ণরূপ: World Trade Organization.
- এটি বিশ্বের সবচেয়ে বড় বাণিজ্যিক জোট।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১ জানুয়ারি, ১৯৯৫।
- বর্তমান সদস্য: ১৬৬টি দেশ।
- সদরদপ্তর: জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।
- মহাপরিচালক: এনগোজি ওকোনজো ইওয়েলা।
⇒ WTO-এর সর্বোচ্চ সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী শাখা হলো Ministerial conferences।
- মন্ত্রী পরিষদের অধিবেশন (Ministerial conference) সকল সদস্য নিয়ে গঠিত।
- এটি বিশ্ব-বাণিজ্য সংস্থার কার্যকরী বিভাগ।
- সাধারণ পরিষদ (General Council)-মন্ত্রী পরিষদের অধিবেশনের অন্তর্বর্তী সময়ে এটি কার্য পরিচালনা করে।
- WTO-এর "Ministerial Conference" প্রতি দুই বছর পর পর অনুষ্ঠিত হয়।
- সর্বশেষ বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা (WTO) এর ১৩ তম মন্ত্রী পর্যায়ের সম্মেলন (মিনিস্ট্রিয়াল সম্মেলন) অনুষ্ঠিত হয় ২০২৪ সালের সংযুক্ত আরব আমিরাতের আবুধাবিতে।
উল্লেখ্য,
- বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (WTO) ১৪তম মন্ত্রী পর্যায়ের সম্মেলন (MC14) ২০২৬ সালের ২৬ থেকে ২৯ মার্চ ইয়াউন্দে, ক্যামেরুন-এ অনুষ্ঠিত হবে।
উৎস: World Trade Organization ওয়েবসাইট।
এশিয়া মহাদেশ:
- বিশ্বের বৃহত্তম মহাদেশ।
- সর্বোচ্চ শৃঙ্গ: মাউন্ট এভারেস্ট (৮,৮৪৮.৮৬ মিটার)। এটি নেপাল ও চীনের সীমান্তে অবস্থিত।
- সর্বনিম্ন বিন্দু: মৃত সাগর (Dead Sea)। এটি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৪৩০ মিটার নিচে।
- বৃহত্তম দেশ: এশিয়ার নিজস্ব সীমানায় চীন বৃহত্তম।
- ক্ষুদ্রতম দেশ: মালদ্বীপ (আয়তন ও জনসংখ্যা উভয় দিক থেকে)।
- বৃহত্তম হ্রদ: কাস্পিয়ান সাগর (এটি লোনা পানির হ্রদ)।
- গভীরতম হ্রদ: বৈকাল হ্রদ (রাশিয়া), এটি পৃথিবীর বৃহত্তম মিষ্টি পানির আধার।
- দীর্ঘতম নদী: ইয়াংসি নদী (চীন), দৈর্ঘ্য প্রায় ৬,৩০০ কিমি।
- সর্বাধিক জনবহুল দেশ: ভারত (বর্তমানে চীনকে অতিক্রম করেছে)।
- জনবহুল শহর: টোকিও, জাপান (বিশ্বের বৃহত্তম মেট্রোপলিটন এলাকা)।
- শীতলতম স্থান: উত্তর এশিয়ার সাইবেরিয়া অঞ্চলের ওময়াকন (Oymyakon) পৃথিবীর সবচেয়ে শীতলতম জনবসতি।
এছাড়াও,
- গ্রেট ওয়াল অফ চায়না (চীন): মানুষের তৈরি বিশ্বের দীর্ঘতম প্রতিরক্ষা প্রাচীর।
- তাজমহল (ভারত): মোঘল স্থাপত্যের অন্যতম নিদর্শন এবং বিশ্বের অন্যতম বিস্ময়।
- পেত্রা (জর্ডান): প্রাচীন পাথরে খোদাই করা শহর।
- আঙ্কোর ওয়াট (কম্বোডিয়া): বিশ্বের বৃহত্তম ধর্মীয় মন্দির এলাকা।
উৎস: ওয়ার্ল্ড এটলাস।
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫:
- অর্থনীতি/জিডিপিতে কৃষিখাতের অবদান = ১০.৯৪%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে শিল্পখাতের অবদান = ৩৭.৪৪%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে সেবাখাতের অবদান = ৫১.৬২%।
অন্যদিকে,
- অর্থনীতি/জিডিপিতে কৃষিখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ - ৪৪.৬৭%।
-অর্থনীতি/জিডিপিতে শিল্পখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ ১৭.৩৭%। -
- অর্থনীতি/জিডিপিতে সেবাখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ - ৩৭.৯৬%।
উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫।
শেনজেন অঞ্চল (Schengen Area):
- শেনজেন একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি যা ইউরোপীয় দেশগুলোর মধ্যে ব্যক্তিদের অবাধ চলাচলের অনুমতি প্রদান করে।
- শেনজেন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ১৯৮৫ সালে লুক্সেমবার্গের শেনজেন শহরে।
- ১৯৯৫ সালের ২৬ মার্চ চুক্তিটি কার্যকর হলে ভিসামুক্ত ইউরোপের যাত্রা শুরু হয়।
- বর্তমানে শেনজেনভুক্ত দেশ: ২৯টি।
- ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৫টি দেশ এবং ইইউর বাইরের চার দেশ সুইজারল্যান্ড, নরওয়ে, আইসল্যান্ড এবং লিচেনস্টাইন শেনজেন অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত।
- সর্বশেষ শেনজেন অঞ্চলে যুক্ত হয়েছে রোমানিয়া ও বুলগেরিয়া। [১ জানুয়ারি, ২০২৫ থেকে]
উৎস: European Union ওয়েবসাইট। [Link]
⇒ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের বর্তমান (ডিএই) মহাপরিচালক এস এম সোহরাব উদ্দিন।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর:
- ১৯৮২ সালে ফসল প্রযুক্তি সম্প্রসারণে নিয়োজিত ছয়টি সংস্থা যথা ডিএ(ইএন্ডএম), ডিএ(জেপি), উদ্ভিদ সংরক্ষণ পরিদপ্তর, হর্টিকালচার বোর্ড, তামাক উন্নয়ন বোর্ড এবং সার্ডি একত্রিভূত করে বর্তমান কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সৃষ্টি করা হয়।
- কৃষি বিভাগ ১৯৭৭ সাল থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত প্রবর্তিত প্রশিক্ষণ ও পরিদর্শণ (টিএন্ডভি) পদ্ধতির মাধ্যমে এবং ১৯৯০ সালের পর হতে অদ্যাবধি দলীয় সম্প্রসারণ পদ্ধতির মাধ্যমে দেশের কৃষি ও কৃষককে অত্যন্ত সফলতা ও সুনামের সাথে সেবা প্রদান করেছে।
- পরিকল্পিত এবং অংশিদারীত্বমূলক সম্প্রসারণ সেবা প্রদানের জন্য ১৯৯৬ সালে নতুন কৃষি সম্প্রসারণ নীতি (এনএইপি) বাস্তবায়নের কাজ শুরু হয়। বর্তমানে ৮টি উইং এর সমন্বয়ে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর বিভাগীয় কার্যক্রম পরিচালনা করছে।
তথ্যসূত্র - কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ও কালের কণ্ঠ পত্রিকার রিপোর্ট।
গাজা শান্তি সম্মেলন:
- 'গাজা শান্তি সম্মেলন' অনুষ্ঠিত হয়েছে মিশরে।
- শান্তি সম্মেলনটি অনুষ্ঠিত হয় মিসরের উপকূলীয় শহর শারম আল-শেখে।
⇒ ১৩ অক্টোবর, ২০২৫ তারিখে মিশরে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নেতার উপস্থিতিতে হামাস-ইসরাইল শান্তি পরিকল্পনা চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
- এই নথিতে ট্রাম্প ছাড়াও মিসরীয় প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসি, তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান এবং কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল-থানিসহ অন্যান্য বিশ্বনেতারা স্বাক্ষর করেছেন।
- সম্মেলনে প্রায় ৩৫ জন বিশ্বনেতা অংশ নেন।
- গাজায় দুই বছরেরও বেশি সময় ধরে চলা ইসরাইল-হামাস যুদ্ধের অবসান ঘটানোর লক্ষ্যে এ চুক্তি সই হয়।
উল্লেখ্য,
- এর আগে ১০ অক্টোবর, ২০২৫ তারিখে ইসরায়েল ও হামাস ট্রাম্পের ২০ দফা যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে স্বাক্ষর করে।
- এরই মধ্যে হামাস ২০ জন জীবিত জিম্মি ও কয়েকজন জিম্মির মরদেহ ইসরায়েলের কাছে হস্তান্তর করেছে। ইসরায়েলও প্রায় দু হাজার ফিলিস্তিনি বন্দীকে মুক্তি দিয়েছে।
উৎস: Al Jazeera.
- জিডিপিতে সেবা খাতের অবদান সবচেয়ে বেশি।
- সেবা খাতের অবদান ৫১.৬২%
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫:
- শিল্প খাতের অবদান ৩৭.৪৪%।
- সেবা খাতের অবদান ৫১.৬২%
- কৃষি খাতের অবদান ১০.৯৪%।
- কৃষি খাতে প্রবৃদ্ধির হার ১.৭৯%।
- কৃষি খাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ: ৪৪.৬৭%।
উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫।
• কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৪ অনুসারে,
• সর্বাধিক বনাঞ্চল সম্পন্ন জেলা (৫টি)
- রাঙ্গামাটি = ১৩,৭৮,৫৬৪.১৩ একর।
- বান্দরবান = ৭,৯৭,৫৪১.৪৯ একর।
- বাগেরহাট = ৫,৬৬,৫১২.৯৫ একর।
- খাগড়াছড়ি = ৫৫৪,১১৬.২১ একর।
- খুলনা = ৫,৬৪,০৮১.৬১ একর।
উৎস: বিবিএস (কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৪)।
Global Peace Index-2025:
- প্রকাশক: অস্ট্রেলিয়ার সিডনিভিত্তিক সংস্থা Institute for Economics & Peace.
- প্রকাশের সময়কাল: জুন, ২০২৫।
- প্রধান তিনটি বিষয় হলো- সামাজিক সুরক্ষা ও নিরাপত্তা, চলমান অভ্যন্তরীণ-আন্তর্জাতিক সংঘাত ও সামরিকীকরণ।
- ইনডেক্স অনুযায়ী, বিশ্বের সবচেয়ে শান্তিপূর্ণ দেশ আইসল্যান্ড, সর্বনিম্ন অবস্থানে আছে রাশিয়া এবং বাংলাদেশের অবস্থান ১২৩তম।
⇒ Global Peace Index-2025 অনুযায়ী শীর্ষ দেশ:
১. আইসল্যান্ড,
২. আয়ারল্যান্ড,
৩. নিউজিল্যান্ড,
৪. অস্ট্রিয়া,
৫. সুইজারল্যান্ড।
⇒ শান্তি সূচকে সর্বনিম্ন দেশ:
১৬৩. রাশিয়া,
১৬২. ইউক্রেন,
১৬১. সুদান,
১৬০. কঙ্গো প্রজাতন্ত্র,
১৫৯. ইয়েমেন।
উৎস: Global Peace Index 2025.
- জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি (নিকার) এর বর্তমান সভাপতি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
- ৫ মার্চ, ২০২৬ তারিখে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানসভাপতি করে প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি (নিকার) গঠন করেছে সরকার।
- নতুন মন্ত্রণালয়, বিভাগ, অধিদপ্তর এবং পরিদপ্তর স্থাপন, পুনর্গঠন এবং নাম পরিবর্তনের প্রস্তাব বিবেচনা করে নিকার।
- এ ছাড়া নতুন বিভাগ, জেলা, উপজেলা, সিটি করপোরেশন, পৌরসভা, থানা গঠন বা স্থাপনের প্রস্তাব বিবেচনা এবং বিভাগ, জেলা, উপজেলা, সিটি করপোরেশন, পৌরসভা, থানার সীমানা পুনর্নির্ধারণ সংক্রান্ত প্রস্তাব বিবেচনা করে নিকার।
- নিকারের সদস্য হিসেবে রয়েছেন— স্থানীয় সরকার, অর্থ, স্বরাষ্ট্র, শিল্প ও আইনমন্ত্রী।
- এছাড়া জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী এবং মন্ত্রিপরিষদ সচিব ও প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিবকেও কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
উৎস: বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা।[লিঙ্ক]
বুকার পুরস্কার ২০২৫:
- হাঙ্গেরীয়-ব্রিটিশ লেখক ডেভিড সা-লাই তাঁর উপন্যাস ‘ফ্লেশ’–এর জন্য লন্ডনে এক অনুষ্ঠানে মর্যাদাপূর্ণ বুকার পুরস্কার জিতেছেন।
- এই উপন্যাসটিতে একজন হাঙ্গেরীয় অভিবাসীর অর্থ উপার্জন এবং হারানোর বেদনাদায়ক গল্প তুলে ধরা হয়েছে।
- সামান্থা হার্ভে ২০২৪ সালে মহাকাশ স্টেশন নিয়ে গল্প ‘অরবিটাল’–এর জন্য পুরস্কার পান।
উল্লেখ্য,
- বুকার পুরস্কার যুক্তরাজ্যের সর্বোচ্চ সাহিত্যে পুরস্কারের নাম ।
- পুরস্কারটি প্রবর্তিত হয়- ১৯৬৯ সালে।
- প্রবর্তক- যুক্তরাজ্যের বুকার ম্যাক কোলেন কোম্পানি।
উৎস: বুকার পুরস্কার ওয়েবসাইট।
কর্মসংস্থানের দিক থেকে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় খাত কৃষি।
খাত ভিত্তিক জিডিপি:
⇒ জিডিপিতে বিভিন্ন খাতের অবদান -
- শিল্প: ৩৭.৪৪%।
- সেবা: ৫১.৬২%।
- কৃষি: ১০.৯৪%।
⇒ খাত ভিত্তিক জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার (স্থির মূল্যে):
- সেবা: ৪.৫১%,
- শিল্প: ৪.৩৪%,
- কৃষি: ১.৭৯%।
⇒ বিভিন্ন খাতে মোট শ্রমশক্তির হার:
- কৃষি: ৪৪.৬৭%,
- সেবা: ৩৭.৯৬%।
- শিল্প: ১৭.৩৭%,
এছাড়াও,
- বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা: ১৭২.২৮ মিলিয়ন।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১,১৭১ জন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির স্বাভাবিক হার: ১.১২%।
- মাথাপিছু জাতীয় আয়: ২,৮২০ মার্কিন ডলার।
- মাথাপিছু জিডিপি: ২,৬৭১ মার্কিন ডলার।
- মোট রপ্তানি আয়: ৪৩,৯৫৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- মোট আমদানি ব্যয়: ৬৪,৩৪৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫।
গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা:
- আরবি শব্দ সুমুদ অর্থ অবিচল বা দৃঢ়তা। আর স্প্যানিশ ফ্লোটিলা শব্দের অর্থ ছোট ছোট জাহাজের বহর।
- গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা মূলত একটি আন্তর্জাতিক নৌবহর, যার লক্ষ্য ইসরায়েলি অবরোধ ভেঙে ফিলিস্তিনের গাজাবাসীর কাছে ত্রাণ সহায়তা পৌঁছে দেওয়া।
- গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলার প্রথম বহর ৩১ আগস্ট, ২০২৫ স্পেনের বার্সেলোনা থেকে যাত্রা শুরু করে।
- এরপর ১৩ থেকে ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ তিউনিসিয়া ও ইতালির সিসিলি দ্বীপ থেকে আরও নৌযান এ বহরে যুক্ত হয়।
- শুরুতে এই নৌবহরে ৫০ টির বেশি জাহাজ ও অন্তত ৪৪টি দেশের প্রতিনিধিত্বকারী শত শত আন্তর্জাতিক স্বেচ্ছাসেবক, কর্মী ও আইনপ্রণেতা ছিলেন।
- ফ্লোটিলায় অংশ নেয়া ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন সুইডেনের তরুণ পরিবেশ আন্দোলনকর্মী গ্রেটা থুনবার্গ, দক্ষিণ আফ্রিকার বর্ণবাদবিরোধী আন্দোলনের নেতা নেলসন ম্যান্ডেলার নাতি ম্যান্ডলা ম্যান্ডেলা অন্যতম।
- প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে ফ্লোটিলার অভিযাত্রী হিসেবে যোগ দিয়েছেন- ড. শহিদুল আলম।
উল্লেখ্য,
- গাজা থেকে ১৩০ কিলোমিটার দূরে ভূমধ্যসাগরে থাকা অবস্থায় প্রথম ইসরায়েলি বাহিনী দ্বারা বাধাপ্রাপ্ত হয়।
- নৌযানগুলোয় থাকা প্রায় ৪৭০ মানবাধিকারকর্মীকে আটক করে।
- পরে বিভিন্ন সময়ে মানবাধিকারকর্মীদেরকে ফেরত পাঠিয়েছে ইসরায়েল।
তথ্যসূত্র- পত্রিকা প্রতিবেদন। [link]
'গ্লোবাল রিপোর্ট অন ফুড ক্রাইসিস ২০২৫'- প্রতিবেদনে বাংলাদেশের অবস্থান- চতুর্থ।
- জাতিসংঘের পাঁচটি সংস্থা মিলে বৈশ্বিক খাদ্যসংকট নিয়ে 'গ্লোবাল রিপোর্ট অন ফুড ক্রাইসিস ২০২৫'-প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।
- প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিশ্বের ৫৩টি খাদ্যসংকটপীড়িত দেশ ও অঞ্চলের প্রায় ২৯ কোটি ৫০ লাখ মানুষ চরম খাদ্যনিরাপত্তাহীনতার মুখোমুখি।
- এর মধ্যে তীব্র খাদ্য অনিরাপত্তার শিকার মানুষের সংখ্যা অনুযায়ী শীর্ষ পাঁচটি দেশ হচ্ছে-
- নাইজেরিয়া, সুদান, কঙ্গো প্রজাতন্ত্র, বাংলাদেশ ও ইথিওপিয়া।
- তবে জনসংখ্যার অনুপাতে খাদ্যসংকটে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত দেশগুলোর তালিকায় রয়েছে ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকা, দক্ষিণ সুদান, সুদান, ইয়েমেন ও হাইতি।
উল্লেখ্য,
- প্রতিবেদন অনুযায়ী, খাদ্যনিরাপত্তাহীনতা বলতে বোঝানো হয়েছে ব্যক্তি বা পরিবারের পর্যায়ে অর্থ বা অন্যান্য সম্পদের অভাবে খাদ্যপ্রাপ্তির সীমিত সুযোগ।
উৎস: প্রথম আলো।[লিঙ্ক]
বুকার পুরস্কার, ২০২৫:
- বুকার পুরস্কার একটি সাহিত্য পুরস্কার।
- এই পুরস্কারের প্রচলন হয় ১৯৬৯ সালে।
- ২০২৫ সালে হাঙ্গেরীয়-ব্রিটিশ লেখক ডেভিড সা–লাই তাঁর উপন্যাস ‘ফ্লেশ’–এর জন্য বুকার পুরস্কার জিতেছেন।
- ১৫৩টি উপন্যাসের মধ্য থেকে নির্বাচিত হয়েছে সা-লাইয়ের উপন্যাসটি।
- উপন্যাসে একজন নির্যাতিত হাঙ্গেরিপ্রবাসীর জীবনের গল্প বলা হয়েছে; যিনি অর্থ উপার্জন করেন এবং তা হারিয়েও ফেলেন।
- সা–লাইয়ের বইটি লেখা হয়েছে সহজ ও সংক্ষিপ্ত ভাষায়।
উৎস: বুকার পুরস্কার ওয়েবসাইট।
বৈদেশিক ঋণের পরিমাণ:
- বিশ্বব্যাংকের ইন্টারন্যাশনাল ডেট রিপোর্ট ২০২৫ অনুসারে, গত ৫ বছরে বাংলাদেশের বৈদেশিক ঋণের পরিমাণ বেড়েছে ৪২ শতাংশ।
- পাঁচ বছরে আগে অর্থাৎ ২০২০ সালে এর পরিমাণ ছিল ৭ হাজার ৩৫৫ কোটি ডলার।
- ২০২৪ সাল শেষে বাংলাদেশের বৈদেশিক ঋণ ১০ হাজার ৪৪৮ কোটি ডলারে দাঁড়িয়েছে।
- এই হিসাব সরকারি ও বেসরকারি- দুই ধরনের ঋণের ওপর ভিত্তি করে তৈরি করেছে বিশ্বব্যাংক।
- এছাড়া, বৈদেশিক ঋণের সুদ ও আসল পরিশোধের পরিমাণ গত পাঁচ বছরে দ্বিগুণ হয়েছে।
উল্লেখ্য,
- বিশ্বব্যাংকের ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট অ্যাসোসিয়েশন (আইডিএ) থেকে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি ঋণ পায়।
- মোট ঋণের প্রায় ২৬ শতাংশই বিশ্বব্যাংকের কাছ থেকে পেয়েছে বাংলাদেশ।
- এরপর আছে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) ও জাপান।
তথ্যসূত্র: প্রথম আলো নিউজ। [link]
• বর্তমানে দেশে নিবন্ধিত চা বাগান:
- ১৯৭০ খ্রিষ্টাব্দে বাংলাদেশে চা বাগানের সংখ্যা ছিল ১৫০টি।
- চা বোর্ডের তথ্যানুযায়ী, বর্তমানে দেশে নিবন্ধিত চা বাগানের সংখ্যা ১৭১টি।
- বর্তমানে দেশে ৩টি চা নিলাম কেন্দ্র রয়েছে (চট্টগ্রাম, শ্রীমঙ্গল, পঞ্চগড়)।
⇒ দেশে সবচেয়ে বেশি চা বাগান রয়েছে মৌলভীবাজার জেলায়। মৌলভীবাজার জেলায় ৯০টি চা বাগান রয়েছে।
- দেশের দ্বিতীয় সর্বাধিক চা বাগান রয়েছে হবিগঞ্জ জেলায়। হবিগঞ্জ জেলায় ২৫ টি চা বাগান রয়েছে।
- সিলেট জেলায় ১৯ টি চা বাগান রয়েছে।
- চট্টগ্রাম জেলায় ২২ টি চা বাগান রয়েছে।
উৎস: বাংলাদেশ চা বোর্ড ওয়েবসাইট।
- ইউনেস্কো বাংলাদেশের ৩টি স্থান ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট ঘোষণা করে।
- বাগেরহাটের ঐতিহাসিক মসজিদ ষাট গম্বুজ মসজিদ (সাংস্কৃতিক, ১৯৮৫)।
- পাহাড়পুরের বৌদ্ধ বিহারের ধ্বংসাবশেষ (সাংস্কৃতিক, ১৯৮৫),
- এবং সুন্দরবন (প্রাকৃতিক, ১৯৯৭)।
- এই সাইটগুলি উল্লেখযোগ্য সাংস্কৃতিক অর্জন এবং অনন্য প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের প্রতিনিধিত্ব করে।
• UNESCO:
- জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি বিষয়ক সংস্থা (UNESCO).
- UNESCO- এর পূর্ণরূপ United Nations Educational Scientific and Cultural Organization.
- এর প্রধান কাজ হলো বিশ্ব ঐতিহ্য সংরক্ষণ করা।
- ইউনেস্কোর সংবিধান গৃহীত হয় ১৯৪৫ সালে।
- কার্যক্রম শুরু করে ১৯৪৬ সালে।
- প্রতিষ্ঠার স্থান লন্ডন, যুক্তরাজ্য।
- সদর দপ্তর প্যারিস, ফ্রান্স।
- বাংলাদেশ ইউনেস্কোর সদস্যপদ লাভ করে ১৯৭২ সালে।
উৎস: UNESCO অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
খাতভিত্তিক কর্মসংস্থান:
• বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সেক্টরগুলোর মধ্যে -
• কৃষি খাতের অবদান ১১.০২ শতাংশ।
- কৃষি খাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ: ৪৫.০০%। (সেপ্টেম্বর-২০২৫)
• শিল্প খাতের অবদান ৩৭.৯৫ শতাংশ।
- শিল্পখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ: ১৭.০০%।
• সেবা খাতের অবদান ৫১.০৪ শতাংশ।
সেবাখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ: ৩৮.০০%।
• কর্মসংস্থানের দিক থেকে বৃহৎখাত কৃষিখাত এবং ছোট খাত শিল্পখাত।
উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
• উৎপাদনে শীর্ষ জেলা:
- কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী,
- বাংলাদেশে পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা হিসেবে ফরিদপুরকে চিহ্নিত করা হয়েছে।
- কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী, এই জেলায় প্রতি বছর পাটের আবাদ লক্ষ্যমাত্রা ক্রমবর্ধমান।
- এইজন্য ফরিদপুরকে “সোনালি আঁশে ভরপুর” নামে অভিহিত করা হয়।
-------------------
উল্লেখ্য,
- কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী,
• ধান - ময়মনসিংহ।
• আলু - রংপুর।
• গম - ঠাকুরগাঁও।
• চা - মৌলভীবাজার।
• তামাক - কুষ্টিয়া।
• পাট - ফরিদপুর।
• ভুট্টা - দিনাজপুর।
• তুলা - ঝিনাইদহ।
উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।
• কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৪ অনুসারে,
- ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ময়মনসিংহ।
- গম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঠাকুরগাঁও।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঝিনাইদহ।
- চা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা মৌলভীবাজার।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কুষ্টিয়া।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ফরিদপুর।
- আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা রংপুর।
উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৪।
♦ দেশ ভিত্তিক রপ্তানি:
- একক দেশ হিসেবে রপ্তানি বাণিজ্যের সবচেয়ে বড় অংশীদার দেশ - যুক্তরাষ্ট্র।
- যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাক।
- যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি হার ১৮.০০%।
- একক দেশ হিসেবে রপ্তানি বাণিজ্যের দ্বিতীয় অবস্থানে আছে জার্মানি।
- জার্মানিতে রপ্তানি হার ১০.৯৬%।
- একক দেশ হিসেবে রপ্তানি বাণিজ্যের তৃতীয় অবস্থানে আছে যুক্তরাজ্য।
- যুক্তরাজ্যে রপ্তানি হার ৯.৫৭%
♦ রপ্তানি আয়:
- ২০২৪-২৫ অর্থবছরে শীর্ষ রপ্তানি খাত নীটওয়্যার।
- এর মধ্যে নীটওয়্যার: ৪৩.৮১% বা ২১,১৬২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ তৈরি পোশাক: ৩৭.৬৫%।
- তৃতীয় সর্বোচ্চ রপ্তানি আয়: পাট ও পাটজাত পণ্য থেকে (১.৫৮%)।
- পাটজাত পণ্য থেকে আয় আসে ৭৬১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
♦ উল্লেখ্য,
- প্রাথমিক পণ্য হিসেবে সবচেয়ে বেশি রপ্তানি হয়েছে: 'কৃষিজাত পণ্য' (১.৭৯%)।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রপ্তানি হয়েছে: হিমায়িত খাদ্য' (০.৯২%)।
- তৃতীয় সর্বোচ্চ রপ্তানি হয়েছে: কাচাপাট (০.৩১%)।
● এশিয়া:
- এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে জাপানে।
- জাপানে রপ্তানি হার ২.৯২%।
উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫।
করমুক্ত আয় সীমা:
- বর্তমানে সাধারণ ব্যক্তির করমুক্ত আয় সীমা: ৩৫০০০০ টাকা।
- নারী ও ৬৫ বছর বা তদূর্ধ্ব ব্যক্তির করমুক্ত আয় সীমা: ৪,০০,০০০ টাকা।
- প্রতিবন্ধী ব্যক্তির করমুক্ত আয় সীমা: ৪৭৫০০০ টাকা।
- গেজেটভুক্ত যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের করমুক্ত আয় সীমা: ৫০০০০০ টাকা।
- তৃতীয় লিঙ্গের ব্যক্তির করমুক্ত আয় সীমা: ৪৭৫০০০ টাকা।
উল্লেখ্য:
২০২৬-২৭ অর্থবছর ও ২০২৭-২৮ অর্থবছর নারী ও ৬৫ বছর বা তদূর্ধ্ব ব্যক্তির করমুক্ত আয় সীমা হবে ৪,২৫,০০০ টাকা।
উৎস: ২০২৫-২৬ অর্থবছর বাজেট।
- জাপানের নাগরিকরা এশিয়ার মধ্যে সবচেয়ে বেশি, মোট ৩১টি নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন। পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন, চিকিৎসা, সাহিত্য ও শান্তিতে তারা পুরস্কার অর্জন করেছেন। ২০২৪ সালে শান্তিতে নোবেল পেয়েছে তাদের পরমাণু বিরোধী সংগঠন ‘নিহন হিদানকায়ো’।
নোবেল পুরস্কার ২০২৪:
সাহিত্য:
- ২০২৪ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন হান কাং।
- অবদান: নিজের সাহিত্যকর্মে ‘ইতিহাসের ট্রমা ও মানবজীবনের ভঙ্গুরতা’কে তীব্র কবিতাময় গদ্যের মাধ্যমে উন্মোচিত করার স্বীকৃতিস্বরূপ তাকে এই সম্মাননা দেওয়া হয়েছে।
শান্তি:
- ২০২৪ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করে জাপানি সংস্থা নিহন হিদানকিও।
- অবদান: হিবাকুশা নামেও পরিচিত জাপানি সংস্থা হিদানকিওকে পারমাণবিক অস্ত্রমুক্ত বিশ্ব গড়ার প্রচেষ্টা এবং পারমাণবিক অস্ত্র যে আর কখনো ব্যবহার করা উচিত নয়, তা প্রত্যক্ষদর্শীদের সাক্ষ্যের মাধ্যমে বিশ্বের সামনে তুলে ধরার জন্য নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।
চিকিৎসাবিজ্ঞান:
- ২০২৪ সালে চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন ভিক্টর অ্যামব্রোস, গ্যারি রাভকান।
- অবদান: ‘মাইক্রোআরএনএ আবিষ্কার এবং পোস্ট-ট্রান্সক্রিপশনাল জিন নিয়ন্ত্রণে এর ভূমিকার জন্য’ তাদের এ পুরস্কার দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
রসায়ন:
- ২০২৪ সালে রসায়নে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন ডেভিড বেকার, ডেমিস হ্যাসাবিস, জন এম. জাম্পার।
- অবদান: মার্কিন বিজ্ঞানী ডেভিড বেকারকে কম্পিউটেশনাল প্রোটিন ডিজাইনের জন্য’ এবং ব্রিটিশ বিজ্ঞানী ডেমিস হ্যাসাবিস ও জন এম. জাম্পারকে ‘প্রোটিন গঠন পূর্বাভাসের জন্য’ যৌথভাবে এ পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।
পদার্থবিজ্ঞান:
- ২০২৪ সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন জন জে. হপফিল্ড, জিওফ্রে ই. হিন্টন।
- অবদান: ‘কৃত্রিম নিউরাল নেটওয়ার্কের সাথে মেশিন লার্নিং সক্ষম করে তোলোর বুনিয়াদি আবিষ্কার ও উদ্ভাবনের জন্য’ তাদেরকে এ পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।
অর্থনীতি:
- ২০২৪ সালে অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন ড্যারন অ্যাসেমোগলু, সাইমন জনসন, জেমস এ. রবিনসন।
- অবদান: গণতান্ত্রিক এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রতিষ্ঠানগুলো কিভাবে দেশের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধিতে অবদান রাখে তা নিয়ে কার্যকরী গবেষণা করার জন্য।
সূত্র - Nobel Prize ওয়েবসাইট ও প্রথম আলো।
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]
Federal Bureau of Investigation:
- FBI এর পূর্ণরূপ Federal Bureau of Investigation.
- FBI মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থা।
- প্রতিষ্ঠাকাল: ২৬ জুলাই, ১৯০৮ সাল।
- সদর দপ্তর: ওয়াশিংটন পেনসিলভানিয়া এভিনিউ, যুক্তরাষ্ট্র।
- বর্তমান পরিচালক: ক্যাশ প্যাটেল। (সেপ্টেম্বর, ২০২৫)
- এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আইন মন্ত্রণালয়ের অধীন।
- FBI মূলত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে সংঘটিত অপরাধের অনুসন্ধান এবং দেশি-বিদেশি যেকোন নিরাপত্তা হুমকি মোকাবেলা ও সুরক্ষা প্রদানে নিয়োজিত।
তথ্যসূত্র - FBI অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
• টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ- ২০২৬:
- ২০২৬ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ৮ মার্চের মধ্যে অনুষ্ঠিত হতে পারে টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ।
- ভারত ও শ্রীলঙ্কায় যৌথভাবে অনুষ্ঠিত হবে এই বিশ্বকাপ।
- টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ নেবে ২০টি দল।
- এরই মধ্যে ১৫টি দল নিশ্চিত।
- বাকি ৫টি দল আসবে বাছাইপর্ব থেকে- আফ্রিকা থেকে ২টি এবং এশিয়া ও পূর্ব এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগর থেকে ৩টি।
- ২০টি দলকে চারটি গ্রুপে ভাগ করা হবে, প্রতিটি গ্রুপে থাকবে পাঁচটি করে দল।
- প্রতিটি গ্রুপ থেকে শীর্ষ দুটি করে দল সুপার এইট পর্বে যাবে।
- সেখানে আবারও আটটি দলকে চারটি করে দুটি গ্রুপে ভাগ করা হবে।
- সুপার এইটে প্রতিটি গ্রুপ থেকে শীর্ষ দুটি করে দল সেমিফাইনালে উঠবে।
উৎস: প্রথম আলো।
বেগম রোকেয়া পদক ২০২৫:
- ২০২৫ সালে ৪ জন নারীকে ‘বেগম রোকেয়া পদক ২০২৫’ প্রদান করা হয়।
⇒ নারী শিক্ষা ও অধিকার আন্দোলনের অগ্রদূত বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের ১৪৫তম জন্মবার্ষিকী ও ৯৩তম মৃত্যুবার্ষিকীতে নারীশিক্ষা, নারী অধিকার, মানবাধিকার ও নারী জাগরণে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে এবার চার নারীকে রোকেয়া পদক ২০২৫ দেওয়া হচ্ছে।
- মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় আয়োজিত বেগম রোকেয়া দিবসের অনুষ্ঠানে এই পদক তুলে দেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।
⇒ ‘বেগম রোকেয়া পদক ২০২৫’ প্রাপ্ত চার নারী হচ্ছেন:
- নারীশিক্ষা শ্রেণিতে (গবেষণা) রুভানা রাকিব,
- নারী অধিকার শ্রেণিতে (শ্রম অধিকার) কল্পনা আক্তার,
- মানবাধিকার শ্রেণিতে নাবিলা ইদ্রিস,
- নারী জাগরণ শ্রেণিতে (ক্রীড়া) ঋতুপর্ণা চাকমা।
উৎস: প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ওয়েবসাইট।
• মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন:
- মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন হলো একটি বার্ষিক আন্তর্জাতিক সম্মেলন যা মূলত নিরাপত্তা এবং প্রতিরক্ষা সম্পর্কিত বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে আয়োজন করা হয়।
- ১৯৬৩ সালে সর্বপ্রথম মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
- সাধারণত প্রতিবছর ফেব্রুয়ারি মাসে জার্মানির মিউনিখ শহরে অনুষ্ঠিত হয়।
- ৬২তম 'মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন- ২০২৫' সালের ১৩ - ১৫ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে।
- এই সম্মেলনে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্র/সরকার প্রধান, আন্তর্জাতিক ও বেসরকারি সংগঠনের প্রতিনিধি, বিভিন্ন পেশাজীবী, একাডেমিশিয়ান, বিশেষজ্ঞ প্রমুখ অংশগ্রহণ করেন।
- সম্মেলনে বৈশ্বিক নিরাপত্তাগত পলিসি, চ্যালেঞ্জ ও সহযোগিতা বিষয়ে আলোচনা হয়।
উৎস: মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন ওয়েবসাইট।
খানা আয় ও ব্যয় জরিপ চূড়ান্ত প্রতিবেদন-২০২২:
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) Household Income and Expenditure Survey (HIES) 2022 শিরোনামে ২৭ ডিসেম্বর, ২০২৩ খানা আয় ও ব্যয় জরিপ চূড়ান্ত প্রতিবেদন-২০২২ প্রকাশ করে।
- জনপ্রতি দৈনিক ক্যালোরি গ্রহণের পরিমাণ - ২,৩৯৩ কিলোক্যালোরি।
- খানাপ্রতি মাসিক গড় আয় - ৩২,৪২২ টাকা (শহুরে ৪৫,৭৫৭ টাকা, গ্রামীণ ২৬,১৬৩ টাকা)।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর এবং তদূর্ধ্ব) - ৭৪% (পুরুষ ৭৫.৮%, নারী ৭২.৬%)।
- দেশে উচ্চ দারিদ্র্যের হার - ১৮.৭%।
- শহরে উচ্চ দারিদ্র্যের হার - ১৪.৭%।
- গ্রামে উচ্চ দারিদ্র্যের হার - ২০.৫%।
এছাড়াও,
- দেশে নিম্ন দারিদ্র্যের হার - ৫.৬%।
- শহরে নিম্ন দারিদ্র্যের হার - ৩.৮%।
- গ্রামে নিম্ন দারিদ্র্যের হার - ৬.৫%।
তথ্যসূত্র - খানা আয় ও ব্যয় জরিপ চূড়ান্ত প্রতিবেদন-২০২২।