উত্তর
ব্যাখ্যা
- প্রথম ম্যাচে মুখোমুখি হয় বেক্সিমকো ঢাকা এবং মিনিস্টার গ্রুপ রাজশাহী।
- ১৮ ডিসেম্বর ফাইনালে চট্টগ্রামকে ৫ রানে হারিয়ে শিরোপা জিতে জেমকন খুলনা।
উৎস: দৈনিক সমকাল। [লিঙ্ক]
PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন
PrepBank · পাতা ২২ / ৭৬ · ২,১০১–২,২০০ / ৭,৭৫২
গ্লোবাল লিভেবিলিটি ইনডেক্স- ২০২৫:
- ইকোনোমিস্ট ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (ইআইইউ) প্রতি বছর বিশ্বের বসবাসযোগ্য শহরের তালিকা প্রকাশ করে।
- তালিকায় পাঁচটি প্রধান মানদণ্ডে বিশ্বের ১৭৩টি শহরের মূল্যায়ন করা হয়।
- মানদণ্ডগুলো হলো–স্থিতিশীলতা, স্বাস্থ্যসেবা, সংস্কৃতি ও পরিবেশ, শিক্ষা এবং অবকাঠামো।
- গত ১৬ জুন, ২০২৫ ইআইইউ ২০২৫ সালের তালিকা প্রকাশ করে।
শীর্ষ দেশ:
• কোপেনহেগেন, ডেনমার্ক।
• ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া।
• জুরিখ, সুইজারল্যান্ড।
• মেলবোর্ন, অস্ট্রেলিয়া।
• জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।
⇒ বাংলাদেশের অবস্থান ১৭১ তম।
তথ্যসূত্র - বিবিসি পত্রিকা রিপোর্ট।
Global Peace Index-2025:
- প্রকাশক: অস্ট্রেলিয়ার সিডনিভিত্তিক সংস্থা Institute for Economics & Peace.
- প্রকাশের সময়কাল: জুন, ২০২৫।
- প্রধান তিনটি বিষয় হলো- সামাজিক সুরক্ষা ও নিরাপত্তা, চলমান অভ্যন্তরীণ-আন্তর্জাতিক সংঘাত ও সামরিকীকরণ।
- ইনডেক্স অনুযায়ী, বিশ্বের সবচেয়ে শান্তিপূর্ণ দেশ আইসল্যান্ড, সর্বনিম্ন অবস্থানে আছে রাশিয়া এবং বাংলাদেশের অবস্থান ১২৩তম।
• Global Peace Index-2025 অনুযায়ী শীর্ষ দেশ:
১. আইসল্যান্ড,
২. আয়ারল্যান্ড,
৩. নিউজিল্যান্ড,
৪. অস্ট্রিয়া,
৫. সুইজারল্যান্ড।
• শান্তি সূচকে সর্বনিম্ন দেশ:
১৬৩. রাশিয়া,
১৬২. ইউক্রেন,
১৬১. সুদান,
১৬০. কঙ্গো প্রজাতন্ত্র,
১৫৯. ইয়েমেন।
উৎস: Global Peace Index 2025.
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- সাক্ষরতার হারে শীর্ষ জেলা পিরোজপুর (৮৫.৫৩%)।
- বিভাগভিত্তিক সাক্ষরতার হার সবচেয়ে বেশি ঢাকা বিভাগে (৭৮.২৪%)।
- বিভাগভিত্তিক সাক্ষরতার হার সবচেয়ে কম ময়মনসিংহ বিভাগে (৬৭.২৩%)।
- সাক্ষরতার হারে শীর্ষ জেলা পিরোজপুর (৮৫.৫৩%)।
- সাক্ষরতার হারে সর্বনিম্ন জেলা জামালপুর (৬১.৭০%)।
উল্লেখ্য,
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.১২%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১১১৯ জন।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) ৭৪.৮০%।
- পুরুষের সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) - ৭৬.৭১%।
- মহিলার সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) - ৭২.৯৪%।
উৎস: পরিসংখ্যান ব্যুরোর ওয়েবসাইট।
ইন্টারপোল (Interpol):
- Interpol-এর পূর্ণরূপ: International Criminal Police Organization.
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ৭ সেপ্টেম্বর, ১৯২৩।
- প্রতিষ্ঠার স্থান: ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া।
- প্রতিষ্ঠাতা: জোহানেস স্কোবার (Dr Johannes Schober) [অস্ট্রিয়ার পুলিশ প্রধান]।
- সদর দপ্তর: লিঁও, ফ্রান্স।
- ইন্টারপোলের ভাষা: ইংরেজি, ফরাসি, স্প্যানিশ ও আরবি।
- সদস্য সংখ্যা: ১৯৬টি (সর্বশেষ সদস্য: পালাউ)।
- বর্তমান মহাসচিব: ভালডেসি উরকুইজা (Valdecy Urquiza) [ব্রাজিল]।
- ইন্টারপোলের মূল লক্ষ্য হলো বিভিন্ন দেশের পুলিশ বাহিনীকে একত্রে কাজ করার সুযোগ করে দিয়ে বৈশ্বিক নিরাপত্তা হুমকি মোকাবেলা করা।
⇒ পূর্ব নাম: International Criminal Police Commission. বর্তমান নাম International Criminal Police Organization গ্রহণ করে ১৯৫৬ সালে।
- রেড নোটিস: আন্তর্জাতিক গ্রেফতারি অনুরোধ।
উৎস: Interpol ওয়েবসাইট।
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি):
- বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) বাংলাদেশের ক্রিকেটের সর্বোচ্চ ক্রীড়া নিয়ন্ত্রক সংস্থা।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৭২ সালে।
- প্রধান সদর দপ্তর: ঢাকা, বাংলাদেশ।
- বর্তমান সভাপতি: আমিনুল ইসলাম বুলবুল।
- বাংলাদেশ সর্ব প্রথম আইসিসির সহযোগী সদস্য হয় ১৯৭৭ সালে।
- ২০০০ সালের ২৬ জুন পূর্ণাঙ্গ সদস্য পদ পায়।
- এর প্রধান কার্যালয় ঢাকার মিরপুরে। [ব্যাখ্যা আপডেট, জানুয়ারি - ২০২৬]
উৎস: বিসিবি ওয়েবসাইট।
ফুটবল বিশ্বকাপ ২০২৬:
- ২০২৬ সালে বিশ্বকাপ ফুটবলের ২৩ তম আসর অনুষ্ঠিত হবে।
- সময়কাল: ১১ জুন, ২০২৬ থেকে ১৯ জুলাই, ২০২৬।
- অংশগ্রহণকারী দেশ: ৪৮টি।
- অনুষ্ঠিত হবে ১০৪টি ম্যাচ।
- তিন দেশের ১৬টি ভেন্যুতে এই ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে।
- আয়োজক দেশ: ৩টি।
• মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র,
• কানাডা এবং
• মেক্সিকো।
উল্লেখ্য,
- ফিফা-২০২৬ বিশ্বকাপের বলের নাম ট্রায়োন্ডা।
- ট্রায়োন্ডা নামটি এসেছে দুটি শব্দ থেকে—ট্রাই ও ওন্ডা।
- ট্রাই মানে তিন আর ওন্ডা মানে ঢেউ।
- বলে লাল, সবুজ ও নীল—এই তিন রঙের ঢেউ দিয়ে আয়োজক দেশগুলোকে বোঝানো হয়েছে।
উৎস: ফিফা ওয়েবসাইট।
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]
গ্লোবাল লিভেবিলিটি ইনডেক্স- ২০২৫:
- ইকোনোমিস্ট ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (ইআইইউ) প্রতি বছর বিশ্বের বসবাসযোগ্য শহরের তালিকা প্রকাশ করে।
- তালিকায় পাঁচটি প্রধান মানদণ্ডে বিশ্বের ১৭৩টি শহরের মূল্যায়ন করা হয়।
- মানদণ্ডগুলো হলো–স্থিতিশীলতা, স্বাস্থ্যসেবা, সংস্কৃতি ও পরিবেশ, শিক্ষা এবং অবকাঠামো।
- গত ১৬ জুন, ২০২৫ ইআইইউ ২০২৫ সালের তালিকা প্রকাশ করে।
শীর্ষ দেশ:
• কোপেনহেগেন, ডেনমার্ক।
• ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া।
• জুরিখ, সুইজারল্যান্ড।
• মেলবোর্ন, অস্ট্রেলিয়া।
• জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।
⇒ বাংলাদেশের অবস্থান ১৭১ তম।
তথ্যসূত্র - পত্রিকা রিপোর্ট।
- স্বাধীন বাংলাদেশে মোট ৬টি আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
- ২০২২ সালে ৬ষ্ঠ আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়।
আদমশুমারি:
- স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭৪ সালে।
- তখন বাংলাদেশের জনসংখ্যা ছিল প্রায় ৭.৬৪ কোটি।
- প্রতি ১০ বছর পর পর আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়।
- এই পর্যন্ত বাংলাদেশে মোট ৬ টি আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
- যথা- ১৯৭৪, ১৯৮১, ১৯৯১, ২০০১, ২০১১ এবং সর্বশেষ ২০২২ সালে আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়েছে
- ২০২২ সালের ১৫-২১ জুন ৬ষ্ঠ আদমশুমারি হয়।
- যা 'জনশুমারি ও গৃহগণনা' নামে পরিচালিত হয়।
- জনশুমারি পরিচালনা করে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS)।
উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮০তম অধিবেশন:
- সেপ্টেম্বর, ২০২৫-এ যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮০তম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
- জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮০তম অধিবেশনের সভাপতিত্ব করেছে আনালেনা বায়েরবোক (Annalena Baerbock)।
- তিনি জার্মানির প্রাক্তন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
- তিনি ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫ জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮০তম অধিবেশনের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন।
⇒ জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ:
- সাধারণ পরিষদ জাতিসংঘের প্রধান অঙ্গ সংস্থা।
- জাতিসংঘের সব সদস্য এ পরিষদের সদস্য।
- বর্তমানে এর সদস্য সংখ্যা ১৯৩টি।
- বাৎসরিকভাবে এ পরিষদের অধিবেশন বসে যা সাধারণ অধিবেশন নামে পরিচিত।
- জাতিসংঘ সনদের চতুর্থ অধ্যায় (৯ - ২২ নং অনুচ্ছেদ) এ জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ সম্পর্কে আলোকপাত করা হয়েছে।
উৎস: UN General Assembly ওয়েবসাইট।
একুশে পদক:
- ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম একুশে পদকের জন্য মনোনীত ব্যক্তিদের নাম ঘোষণা করেন।
- ২০২৬ সালে একুশে পদকের জন্য মনোনীত হয়েছেন ৯ জন ব্যক্তি এবং ১টি প্রতিষ্ঠান।
- বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ দেশের ৯ জন ব্যক্তি এবং ১টি প্রতিষ্ঠানকে একুশে পদক ২০২৬ প্রদানের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে সরকার।
- স্বীকৃতি প্রদানের ক্ষেত্রে একুশে পদকের জন্য মনোনীত ব্যক্তিরা হলেন:
- অভিনয়ে ফরিদা আক্তার ববিতা,
- চারুকলায় প্রফেসর ড. মো. আব্দুস সাত্তার,
- স্থাপত্যে মেরিনা তাবাসসুম,
- সংগীতে আইয়ুব বাচ্চু (মরণোত্তর),
- নৃত্যে অর্থী আহমেদ,
- পালাগানে ইসলাম উদ্দিন পালাকার,
- সাংবাদিকতায় শফিক রেহমান,
- শিক্ষায় প্রফেসর ড. মাহবুবুল আলম মজুমদার এবং,
- ভাস্কর্যে তেজস হালদার জস।
- এছাড়া সংগীতে ওয়ারফেজকে এ পুরস্কার দেওয়া হচ্ছে।
উৎস: প্রথম আলো নিউজ।লিঙ্ক
Nobel Peace Prize in 2024:
- ২০২৪ সালের শান্তিতে নোবেল বিজয়ী হন জাপানি সংস্থা নিহন হিদানকিও (Nihon Hidankyo)।
- অবদান: হিবাকুশা নামেও পরিচিত জাপানি সংস্থা হিদানকিওকে পারমাণবিক অস্ত্রমুক্ত বিশ্ব গড়ার প্রচেষ্টা এবং পারমাণবিক অস্ত্র যে আর কখনো ব্যবহার করা উচিত নয়, তা প্রত্যক্ষদর্শীদের সাক্ষ্যের মাধ্যমে বিশ্বের সামনে তুলে ধরার জন্য নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য,
- গাজায় ইসরায়েলি বাহিনীর চলমান আগ্রাসন নিয়ে নির্ভীক সাংবাদিকতা করায় ২০২৪ সালের শান্তিতে নোবেল পুরস্কারের জন্য মনোনয়ন পেয়েছিলেন ৪ জন ফিলিস্তিনি সাংবাদিক।
- ফিলিস্তিনি এই চার সাংবাদিক হলেন আলোকচিত্রী মোতাজ আজাইজা, টিভি সাংবাদিক হিন্দ খৌদারি, সাংবাদিক ও অধিকারকর্মী বিশাস ওউদা এবং বর্ষীয়ান সাংবাদিক ওয়ায়েল আল–দাহদৌহ।
- ৭ অক্টোবর, ২০২৩ থেকে গাজায় ইসরায়েল হত্যা ও ধ্বংসযজ্ঞ চলছে।
- নিহত হয়েছেন ৪০ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি।
- গাজায় চলমান হত্যাযজ্ঞের খবর বিশ্ববাসীর কাছে তুলে ধরেছেন এই চার সাংবাদিক।
⇒ ২০২৪ সালের নোবেল বিজয়ী:
• সাহিত্য: হান কাং।
• চিকিৎসাবিজ্ঞান: ভিক্টর অ্যামব্রোস, গ্যারি রাভকান।
• পদার্থবিজ্ঞান: জন জে. হপফিল্ড, জিওফ্রে ই. হিন্টন।
• রসায়ন: ডেভিড বেকার, ডেমিস হ্যাসাবিস, জন এম. জাম্পার।
• অর্থনীতি: ড্যারন অ্যাসেমোগলু, সাইমন জনসন, জেমস এ. রবিনসন।
উৎস: Nobel Prize ওয়েবসাইট।
হেনলি পাসপোর্ট ইনডেক্স - ২০২৬:
- শক্তিশালী পাসপোর্ট সূচকে (Global Passport Ranking) ৫ ধাপ এগিয়েছে বাংলাদেশ।
- আন্তর্জাতিক পরামর্শক প্রতিষ্ঠান হেনলি অ্যান্ড পার্টনারসের (Henley & Partners) সর্বশেষ ২০২৬ সালের জানুয়ারি সংস্করণের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বাংলাদেশের অবস্থান এখন ৯৫তম।
- এর আগে ২০২৫ সালের অক্টোবর সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ১০০তম।
- প্রতিবেদন অনুযায়ী, বর্তমানে একজন বাংলাদেশি নাগরিক অগ্রিম ভিসা ছাড়াই (No Prior Visa) বিশ্বের ৩৭টি দেশ ও অঞ্চলে ভ্রমণ করতে পারেন।
এই তালিকার মধ্যে রয়েছে সরাসরি ভিসামুক্ত প্রবেশ (Visa-Free), অন-অ্যারাইভাল ভিসা (Visa on Arrival) এবং ইলেকট্রনিক ট্রাভেল অথরাইজেশন (ETA)।
উৎস: Global Passport Ranking ২০২৬।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট:
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান ও ৪৭তম প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
- তিনি ২০২৪ সালের নির্বাচনে জয়লাভ করে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন এবং ২০২৫ সালের জানুয়ারি মাস থেকে দায়িত্ব পালন করেন।
⇒ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান ও ৫০তম ভাইস প্রেসিডেন্ট জেমস ডেভিড ভ্যান্স (JD Vance)।
এছাড়াও,
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নবনিযুক্ত পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নবনিযুক্ত প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নবনিযুক্ত অর্থমন্ত্রী স্কট ব্যাসেন্ট।
উৎস: United States Mission to the United Nations (.gov).
• এডি সায়েন্টিফিক ইনডেক্স, ২০২৬:
- গবেষণা ও অ্যাকাডেমিক উৎকর্ষের স্বীকৃতিস্বরূপ এডি সায়েন্টিফিক ইনডেক্স র্যাঙ্কিং ২০২৬-এ মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং শাখায় মালয়েশিয়ায় প্রথম, এশিয়ায় দ্বিতীয় এবং বিশ্বে সপ্তম অবস্থান অর্জন করেছেন বাংলাদেশি বিজ্ঞানী অধ্যাপক ড. সাইদুর রহমান।
- সম্প্রতি প্রকাশিত এডি সায়েন্টিফিক ইনডেক্স ২০২৬ অনুযায়ী, ইঞ্জিনিয়ারিং ও টেকনোলজি/মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে তালিকাভুক্ত বিশ্বের ৩৩ হাজার ৩৭১ জন বিজ্ঞানীর মধ্যে এই মর্যাদাপূর্ণ অবস্থানে উঠে আসেন অধ্যাপক ড. সাইদুর রহমান।
- ২০২৫ সালেও একই র্যাঙ্কিংয়ে তিনি বিশ্বে সপ্তম ছিলেন।
- স্কলারজিপিএস ২০২৫ অনুযায়ী টেকসই জ্বালানি ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি গবেষণায় তিনি বিশ্বসেরা বিজ্ঞানী হিসেবে প্রথম স্থান অর্জন করেন।
- ২০২৫ সালের ওবাদা পুরস্কারে ‘বিশিষ্ট বিজ্ঞানী’ ক্যাটাগরিতে তিনি সম্মানিত হন।
- বিজ্ঞান, প্রকৌশল ও প্রযুক্তি ক্ষেত্রে এই আন্তর্জাতিক পুরস্কারে ২০২৫ সালে বিশ্বব্যাপী মাত্র আটজন বিজ্ঞানী নির্বাচিত হন, যাদের একজন ড. সাইদুর রহমান।
তথ্যসূত্র: ইত্তেফাক। (Link)
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.১২%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১১১৯ জন।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) - ৭৪.৮০%।
- পুরুষের সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) - ৭৬.৭১%।
- নারী সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) - ৭২.৯৪%।
- বিভাগভিত্তিক সাক্ষরতার হার সবচেয়ে বেশি ঢাকা বিভাগে (৭৮.২৪%)।
- বিভাগভিত্তিক সাক্ষরতার হার সবচেয়ে কম ময়মনসিংহ বিভাগে (৬৭.২৩%)।
- সাক্ষরতার হারে শীর্ষ জেলা পিরোজপুর (৮৫.৫৩%)।
- সাক্ষরতার হারে সর্বনিম্ন জেলা জামালপুর (৬১.৭০%)।
তথ্যসূত্র - পরিসংখ্যান ব্যুরোর ওয়েবসাইট।
• কেমব্রিজ ডিকশনারির ২০২৫ সালের বর্ষসেরা শব্দ:
⇒ কেমব্রিজ ডিকশনারি ২০২৫ সালের জন্য সেরা শব্দ নির্বাচিত হয়েছে 'প্যারাসোশ্যাল' (Parasocial)।
⇒ 'প্যারাসোশ্যাল' (Parasocial)। শব্দটি এমন একতরফা সম্পর্ককে বোঝায়; যেখানে কোনো বিখ্যাত ব্যক্তি, কাল্পনিক চরিত্র বা এমনকি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (AI) সঙ্গে মানসিক সংযোগ অনুভব করে; অথচ সেই ব্যক্তি বা সত্তা তাকে চেনে না।
⇒ উদাহরণ হিসেবে পপ তারকা টেলর সুইফট এবং আমেরিকান ফুটবলার ট্র্যাভিস কেলসের বাগদানের সময় ভক্তদের আগ্রহের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।”
⇒ শব্দটির সংজ্ঞায় বলা হয়েছে, একজন মানুষের সঙ্গে কোনো বিখ্যাত ব্যক্তি, পরিচিত নন এমন সেলিব্রিটি, বা একটি AI-এর মধ্যে গড়ে ওঠা একতরফা আবেগিক সম্পর্ক।
উৎস: বিবিসি ও কেমব্রিজ ডিকশনারি।
QUAD নিরাপত্তা সংলাপের সদস্য দেশ নয় - চীন।
কোয়াড:
- QUAD-এর পূর্ণরূপ: Quadrilateral Security Dialogue.
- 'কোয়াড' (QUAD) হলো যুক্তরাষ্ট্র, ভারত, জাপান ও অস্ট্রেলিয়া- এই চার দেশের একটি অনানুষ্ঠানিক কৌশলগত নিরাপত্তা জোট।
- ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে অবাধ ও মুক্ত নৌ চলাচল, সামুদ্রিক নিরাপত্তা এবং চীনের ক্রমবর্ধমান প্রভাব মোকাবিলায় এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ ফোরাম হিসেবে কাজ করে।
- QUAD গঠিত হয়: ২০০৭ সালে।
⇒ কোয়াড এর মূল উদ্দেশ্য:
- ভারত-প্রশান্ত মহাসাগর অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখা, কৌশলগত, সামরিক এবং অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা, বৃহত্তর আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার মাধ্যমে একে অপরের প্রতি নির্ভরশীলতা বৃদ্ধি করা।
- এছাড়াও, চীনকে প্রতিহত করা এবং এই অঞ্চলে একটি নিয়মতান্ত্রিক আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা।
- মালাবার (Malabar) নৌ মহড়ার মাধ্যমে দেশগুলো নিজেদের মধ্যে সামরিক সক্ষমতা ও পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি করে।
উল্লেখ্য,
- ২০২৫ সালে কোয়াডের ৫ম সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় ভারতে।
উৎস: Department of the Prime Minister and Cabinet.
- নবম মস্কো নিরাপত্তা সম্মেলন ২০২১ সালের ২২-২৪ জুন রাশিয়ার মস্কো শহরে অনুষ্ঠিত হয়।
- এতে বাংলাদেশসহ ছয়টি মহাদেশের ৫০টির অধিক দেশের প্রতিনিধিরা অংশ নেয়। এই সম্মেলনে বৈশ্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি ও কৌশল নিয়ে আলোচনা হয়।
- মিয়ানমারের সামরিক জান্তা প্রধান জেনালের মিন অং হ্লাইং এই অংশ সম্মেলনে অংশ নিতে রাশিয়া সফরে যান।
(তথ্যসূত্র: মস্কো নিরাপত্তা সম্মেলন ওয়েবসাইট)
দ্বিতীয় শীর্ষ রপ্তানি খাত:
- তৈরি পোশাকের পর দ্বিতীয় শীর্ষ রপ্তানি খাত চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য।
- রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য রপ্তানি হয়েছে ৩৪ কোটি মার্কিন ডলার।
উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের চামড়াজাত পণ্যের বড় বাজার যুক্তরাষ্ট্র।
- বিদায়ী ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ৩৪ কোটি ডলারের চামড়াজাত পণ্য রপ্তানি হয়েছে। এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে ৯ কোটি ডলারের চামড়াজাত পণ্য রপ্তানি হয়েছে। তার বাইরে ভারতে ৭ কোটি ১৯ লাখ, জাপানে ৫ কোটি ৬৩ লাখ ও বেলজিয়ামে ২ কোটি ৮২ লাখ ডলারের চামড়াজাত পণ্য রপ্তানি হয়।
- চামড়া ও চামড়াজাত পণ্যের বাজার বিস্তারের জন্য ২০১৭ সালে ট্যানারি শিল্পের স্থানান্তর করা হয় সাভারের হেমায়েতপুরে।
উৎস: প্রথম আলো।
সুতা আমদানি:
- বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি সুতা আমদানী করে ভারত থেকে।
- জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) তথ্যানুযায়ী, স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি বন্ধ হওয়ার আগের তিন মাসের চেয়ে পরের তিন মাসে ভারত থেকে সুতা আমদানি কমেছে ২ লাখ ৩০ হাজার কেজি।
- বিধিনিষেধ আরোপের পর মে ও জুন মাসে এসেছে গড়ে ৪ কোটি কেজি।
- জুলাই মাসে আবার সুতা আমদানি ৫ কোটি কেজি ছাড়িয়ে গেছে।
উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ তৈরি পোশাক প্রস্তুত ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) মতে মূলত চারটি কারণে বাংলাদেশে সুতা আমদানি বেড়েছে।
- প্রথমত, গত বছর সরকার দেশি সুতার নগদ প্রণোদনা চার শতাংশ থেকে কমিয়ে এক দশমিক পাঁচ শতাংশ করেছে।
- ২০২৬ সালের মধ্যে স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা (এলডিসি) থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণের প্রস্তুতির একটি অংশ ছিল এটি।
উৎস: ডেইলি স্টার বাংলা। এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ড।[লিঙ্ক]
বৈশ্বিক গণতান্ত্রিক সূচক ২০২৪:
- বৈশ্বিক গণতান্ত্রিক সূচকে শীর্ষদেশ হলো-নরওয়ে।
-সর্বনিম্ন- আফগানিস্তান।
-বাংলাদেশের অবস্থান-১০০তম।
-ইকোনমিস্ট ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের (ইআইইউ) গণতন্ত্র সূচকে সবচেয়ে বেশি অবনমন হয়েছে বাংলাদেশের।
-২০২৩ সালের তুলনায় ২০২৪ সালে গণতন্ত্র সূচকে বাংলাদেশ ২৫ ধাপ পিছিয়েছে।
-১৬৫টি দেশ ও ২টি অঞ্চলের মধ্যে এবার বাংলাদেশের অবস্থান ১০০তম।
-২০২৩ সালের ইআইইউর গণতন্ত্র সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ৭৫তম।
-পাঁচটি বিষয়ের ওপর ভিত্তি করে সূচকটি তৈরি করা হয়েছে।
-এসব বিষয় হচ্ছে নির্বাচনপ্রক্রিয়া ও বহুত্ববাদ, সরকারের কার্যকারিতা, রাজনৈতিক অংশগ্রহণ, রাজনৈতিক সংস্কৃতি এবং নাগরিক স্বাধীনতা।
উৎস: ইকোনমিস্ট ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (ইআইইউ), এবং প্রথম আলো (২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৫)
বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ:
- বর্তমানে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ চীন।
- সম্প্রতি, চীনের বাণিজ্য উদ্বৃত্ত বা 'ট্রেড সারপ্লাস' প্রথমবারের মতো ১ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে।
- সহজ কথায়, দেশটি যে পরিমাণ পণ্য আমদানি করে, তার চেয়ে ১ ট্রিলিয়ন ডলার বেশি মূল্যের পণ্য রপ্তানি করে।
- ২০২৫ সালের প্রথম ১১ মাসে চীনের রপ্তানি বেড়ে ৩.৪ ট্রিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে।
- অন্যদিকে, আমদানি কিছুটা কমে হয়েছে ২.৩ ট্রিলিয়ন ডলার।
- চীনের পণ্যের উদ্বৃত্ত গত বছরের একই সময়ের চেয়ে ২১.৭ শতাংশ বেড়েছে।
অন্যদিকে,
- বিশ্বের শীর্ষ অর্থনীতির দেশ যুক্তরাষ্ট্র।
তথ্যসূত্র- দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড। [link]
• ইউনেস্কো:
- ইউনেস্কোর ৪৩-তম সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছে বাংলাদেশ।
- ইউনেস্কোতে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত খন্দকার এম তালহা ইউনেস্কোর ৪৩-তম সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন।
- প্যারিস-ভিত্তিক জাতিসংঘ সংস্থার নির্বাহী পর্ষদ মঙ্গলবার পরিষদের ২২২তম অধিবেশনে অনুষ্ঠিত ভোটে রাষ্ট্রদূত তালহাকে নির্বাচিত করেছে।
- সাধারণ পরিষদের সভাপতি পদে বাংলাদেশ, জাপান, ভারত ও দক্ষিণ কোরিয়া প্রজাতন্ত্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে।
উল্লেখ্য,
- রাষ্ট্রদূত তালহা প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে ইউনেস্কোতে দেশের ৫৩ বছরের সদস্যপদের ইতিহাসে শীর্ষ এই পদের জন্য নির্বাচিত হয়েছেন।
- তিনি অক্টোবরের শেষের দিকে উজবেকিস্তানের সমরকন্দে অনুষ্ঠেয় সাধারণ পরিষদের আসন্ন ৪৩তম সভায় রোমানিয়ার রাষ্ট্রদূত সিমোনা মিরেলা মিকুলেস্কুর স্থলাভিষিক্ত হবেন এবং আগামী দুই বছর মেয়াদে এই শীর্ষ পদ অলংকৃত করবেন।
উৎস: পত্রিকার রিপোর্ট।[লিঙ্ক]
- জাপানের নাগরিকরা এশিয়ার মধ্যে সবচেয়ে বেশি, মোট ৩১টি নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন। পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন, চিকিৎসা, সাহিত্য ও শান্তিতে তারা পুরস্কার অর্জন করেছেন। ২০২৪ সালে শান্তিতে নোবেল পেয়েছে তাদের পরমাণু বিরোধী সংগঠন ‘নিহন হিদানকায়ো’।
নোবেল পুরস্কার ২০২৪:
• সাহিত্য:
- ২০২৪ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন হান কাং।
- অবদান: নিজের সাহিত্যকর্মে ‘ইতিহাসের ট্রমা ও মানবজীবনের ভঙ্গুরতা’কে তীব্র কবিতাময় গদ্যের মাধ্যমে উন্মোচিত করার স্বীকৃতিস্বরূপ তাকে এই সম্মাননা দেওয়া হয়েছে।
• শান্তি:
- ২০২৪ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করে জাপানি সংস্থা নিহন হিদানকিও।
- অবদান: হিবাকুশা নামেও পরিচিত জাপানি সংস্থা হিদানকিওকে পারমাণবিক অস্ত্রমুক্ত বিশ্ব গড়ার প্রচেষ্টা এবং পারমাণবিক অস্ত্র যে আর কখনো ব্যবহার করা উচিত নয়, তা প্রত্যক্ষদর্শীদের সাক্ষ্যের মাধ্যমে বিশ্বের সামনে তুলে ধরার জন্য নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।
• চিকিৎসাবিজ্ঞান:
- ২০২৪ সালে চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন ভিক্টর অ্যামব্রোস, গ্যারি রাভকান।
- অবদান: ‘মাইক্রোআরএনএ আবিষ্কার এবং পোস্ট-ট্রান্সক্রিপশনাল জিন নিয়ন্ত্রণে এর ভূমিকার জন্য’ তাদের এ পুরস্কার দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
• পদার্থবিজ্ঞান:
- ২০২৪ সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন জন জে. হপফিল্ড, জিওফ্রে ই. হিন্টন।
- অবদান: ‘কৃত্রিম নিউরাল নেটওয়ার্কের সাথে মেশিন লার্নিং সক্ষম করে তোলোর বুনিয়াদি আবিষ্কার ও উদ্ভাবনের জন্য’ তাদেরকে এ পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।
• রসায়ন:
- ২০২৪ সালে রসায়নে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন ডেভিড বেকার, ডেমিস হ্যাসাবিস, জন এম. জাম্পার।
- অবদান: মার্কিন বিজ্ঞানী ডেভিড বেকারকে কম্পিউটেশনাল প্রোটিন ডিজাইনের জন্য’ এবং ব্রিটিশ বিজ্ঞানী ডেমিস হ্যাসাবিস ও জন এম. জাম্পারকে ‘প্রোটিন গঠন পূর্বাভাসের জন্য’ যৌথভাবে এ পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।
• অর্থনীতি:
- ২০২৪ সালে অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন ড্যারন অ্যাসেমোগলু, সাইমন জনসন, জেমস এ. রবিনসন।
- অবদান: গণতান্ত্রিক এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রতিষ্ঠানগুলো কিভাবে দেশের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধিতে অবদান রাখে তা নিয়ে কার্যকরী গবেষণা করার জন্য।
সূত্র - Nobel Prize ওয়েবসাইট ও প্রথম আলো।
'ওয়ান হানড্রেড পোর্টস ২০২৫' তালিকা:
- ২০২৪ সালে বিশ্বের বিভিন্ন বন্দরের কনটেইনার পরিবহনের সংখ্যা হিসাব করে 'ওয়ান হানড্রেড পোর্টস ২০২৫' তালিকা প্রকাশ করেছে লন্ডনভিত্তিক শিপিং-বিষয়ক বিশ্বের সবচেয়ে পুরোনো সংবাদমাধ্যম লয়েডস লিস্ট।
- বৈশ্বিক তালিকায় চট্টগ্রাম বন্দরের নতুন অবস্থান এখন ৬৮তম।
- ২০২৪ সালে এই বন্দর ৩২ লাখ ৭৫ হাজার একক কনটেইনার পরিবহন করেছে।
লয়েডস লিস্টের ক্রমতালিকা অনুযায়ী, গত বছর চট্টগ্রাম বন্দরের অবস্থান ছিল ৬৭তম।
উল্লেখ্য,
- তালিকায় শীর্ষে রয়েছে চীনের সাংহাই বন্দর।
- ২০২৪ সালে বন্দরটি দিয়ে ৫ কোটি ১৫ লাখ একক কনটেইনার পরিবহন হয়েছে।
- তালিকায় সবার শেষে, অর্থাৎ ১০০তম স্থানে রয়েছে চিলির সান অন্তোনিও বন্দর।
উৎস: প্রথম আলো পত্রিকা নিউজ।লিঙ্ক]
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫:
- মাথাপিছু জিডিপি: ২,৬৭১ মার্কিন ডলার।
- মোট রপ্তানি আয়: ৪৮.৩০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- মোট আমদানি ব্যয়: ৬৪,৩৪৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার: ৩.৯৭%।
এছাড়াও,
বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা: ১৭২.২৮ মিলিয়ন।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১,১৭১ জন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির স্বাভাবিক হার: ১.১২%।
- পুরুষ: মহিলা = ৯৬.৩: ১০০।
- গড় আয়ু/প্রত্যাশিত আয়ুষ্কাল: ৭২.৩ বছর (পুরুষ: ৭০.৮; নারী: ৭৩.৮)।
- স্থূল জন্মহার (প্রতি ১০০০): ১৯.৪ জন।
- স্থূল মৃত্যুহার (প্রতি ১০০০): ৬.১ জন।
উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫।
• ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন, ২০২৬:
- ১২ই ফেব্রুয়ারি,২০২৬ তারিখে অনুষ্ঠিত হবে বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন।
- ১১ ডিসেম্বর, ২০২৫ (বৃহস্পতিবার) নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার বা সিইসি এ এম এম নাসির উদ্দিন।
- একই দিনে জুলাই সনদ বাস্তবায়নে গণভোট আয়োজনেরও ঘোষণা দিয়েছেন সিইসি।
- দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো একই দিনে জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।
- জাতীয় নির্বাচনের ব্যালট হবে সাদা, আর গণভোটের ব্যালট হবে গোলাপি।
প্রসঙ্গত,
- নির্বাচনের দিনেই গণভোট অনুষ্ঠিত হওয়ায়, ভোটগ্রহণের সময় একঘণ্টা বাড়িয়ে সকাল সাড়ে সাতটা থেকে বিকেল সাড়ে চারটা করা হয়েছে।
- তফসিল ঘোষণা থেকে ভোট গ্রহণের দিনের মধ্যে ৪০ থেকে ৪৫ দিনের পার্থক্য থাকে।
- এবার সেই সময় বাড়িয়ে করা হয়েছে দুই মাস।
তথ্যসূত্র: বিবিসি।
'বাংলাদেশ জনসংখ্যা নীতি ২০২৫:
- ২৪ জুলাই ২০২৫ সালে 'বাংলাদেশ জনসংখ্যা নীতি ২০২৫' প্রকাশ করেছে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়।
- রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবসের এক অনুষ্ঠানে এই নতুন জনসংখ্যা নীতি প্রকাশ করা হয়।
- প্রতিবছর ১১ জুলাই জনসংখ্যা দিবস পালন কর হলেও অনিবার্য কারণে মন্ত্রণালয় গতকাল এই দিবস পালন করেছে।
- এর আগে জনসংখ্যা নীতি ছিল ২০১২ সালের।
- এই নীতির প্রক্ষেপণ অনুযায়ী, বাংলাদেশের জনসংখ্যা ২০৬১ সালের পর আর বাড়বে না।
- তখন দেশের জনসংখ্যা হবে ২১ কোটি।
- ২০৬২ সাল থেকে জনসংখ্যা বৃদ্ধি ঋণাত্মক হবে এবং মোট জনসংখ্যা কমতে থাকবে।
- ২০০৫ সাল থেকে বাংলাদেশ জনসংখ্যার লভ্যাংশের যে সুযোগ পেয়ে আসছে তা অব্যাহত থাকবে ২০৬১ সাল পর্যন্ত।
- তখন সমাজে প্রবীণ মানুষের হার অনেক বেশি থাকবে।
- মানবাধিকার, ন্যায্যতা ও সামাজিক অন্তর্ভুক্তি, জেন্ডার সমতা, বৈষম্যহীনতা, স্বেচ্ছা সম্মতি ও অবহিত পছন্দ, তথ্য প্রাপ্তি, গোপনীয়তা, সেবার মান ও অংশীদারত্ব–অংশগ্রহণকে ২০২৫ সালের জনসংখ্যা নীতির মূল ভিত্তি হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে।
উৎস: বাংলাদেশ জনসংখ্যা নীতি ২০২৫ ও প্রথম আলো।
WTO:
- WTO-এর পূর্ণরূপ: World Trade Organization.
- এটি বিশ্বের সবচেয়ে বড় বাণিজ্যিক জোট।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১ জানুয়ারি, ১৯৯৫।
- বর্তমান সদস্য দেশ: ১৬৬টি।
- সদরদপ্তর: জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।
- মহাপরিচালক: এনগোজি ওকোনজো ইওয়েলা।
- প্রতিষ্ঠাকালীন নাম: General Agreement on Tariffs and Trade (GATT).
⇒ WTO-এর সর্বশেষ ১৬৫তম দেশ কমোরোস এবং ১৬৬তম দেশ পূর্ব তিমুর।
উৎস: World Trade Organization ওয়েবসাইট।
- ভুটান APTA চুক্তিতে স্বাক্ষর করেনি।
APTA:
- এর পূর্ণরূপ: Asia-Pacific Trade Agreement.
- পূর্বের নাম: Bangkok Agreement.
- প্রতিষ্ঠা: ১৯৭৫ সালে।
- উদ্যোক্তা: UN-ESCAP (United Nations Economic and Social Commission for Asia and the Pacific).
- পরিচালিত হয়: জাতিসংঘের ESCAP (Economic and Social Commission for Asia and the Pacific) এর তত্ত্বাবধানে।
- উদ্দেশ্য: শুল্ক হ্রাস, বাণিজ্য সম্প্রসারণ, অর্থনৈতিক সহযোগিতা, টেকসই উন্নয়ন
- বর্তমান নাম (APTA): ২০০৫ সাল থেকে চালু।
- বর্তমান স্বাক্ষরিত রাষ্ট্র: বাংলাদেশ, চীন, ভারত, দক্ষিণ কোরিয়া, লাওস, শ্রীলংকা।
• মূল উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য:
- অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর মধ্যে বাণিজ্য সম্প্রসারণ ও অর্থনৈতিক একীকরণ,
- পারস্পরিক লাভজনক বাণিজ্য উদারীকরণ ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে অঞ্চলভিত্তিক উন্নয়ন,
- উন্নয়নশীল দেশসমূহের মধ্যে প্রাচীনতম পছন্দনীয় বাণিজ্য চুক্তি।
- শ্রীলঙ্কা Bangkok Agreement ও APTA–এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্যদের মধ্যে অন্যতম।
উৎস: UN-ESCAP ওয়েবসাইট।
• ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- এটি অনুষ্ঠিত হয় ১৫-২১ জুন ২০২২ সালে।
- এটি দেশের প্রথম ডিজিটাল শুমারি।
- জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর তথ্য সংগ্রহে যে পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে CAPI.
- মোট জনসংখ্যা: ১৬ কোটি ৯৮ লাখ ২৮ হাজার ৯১১ জন।
- জনশুমারি অনুষ্ঠিত হয় ১০ বছর পর পর।
- গণনাকৃত জনসংখ্যা ১৬,৫১,৫৮,৬১৬ জন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ১.১২%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব প্রতি বর্গকিলোমিটারে ১,১১৯ জন।
- পুরুষ ও নারীর অনুপাত ৯৮ ও ১০০।
- দেশে সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) ৭৪.৮০%।
- ২০২২ সালে খানার গড় আকার - ৩.৯৮।
উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS)।
• কমনওয়েলথ:
- কমনওয়েলথ গঠনের ধারণা নেওয়া হয় ১৯২৬ সালে।
- আধুনিক কমনওয়েলথ ১৯৪৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- সদর দপ্তর: লন্ডন।
- কমনওয়েলথে দাপ্তরিক ভাষা ইংরেজী।
- কমনওয়েলথ দেশগুলির মধ্যে জনসংখ্যা সবচেয়ে বেশী ভারতের। [আগস্ট, ২০২৫]
- কমনওয়েলথ দেশগুলির মধ্যে আয়তনের ভিত্তিতে বিশ্বের বৃহত্তম দেশ কানাডা।
- ব্রিটিশ উপনিবেশে না থেকে কমনওয়েলথ সদস্য দেশসমূহ যথা- মোজাম্বিক, রুয়ান্ডা, গ্যাবন ও টোগো।
- পাকিস্তান ১৯৭২ সালে ত্যাগ করে আবার ১৯৮৯ সালে যোগ দেয়।
- দক্ষিণ আফ্রিকা ১৯৬১ সালে ত্যাগ করে ১৯৯৪ সালে যোগ দেয়।
উল্লেখ্য,
- বর্তমানে কমনওয়েলথের সদস্য -৫৬টি।[আগস্ট, ২০২৫]
- কমনওয়েলথ এর ৫৫ তম দেশ: গ্যাবন।
- কমনওয়েলথ এর ৫৬ তম দেশ: টোগো।
- বাংলাদেশ ১৯৭২ সালে কমনওয়েলথের সদস্য হয়।
- বাংলাদেশ কমনওয়েলথের ৩২তম সদস্য।
উল্লেখ্য,
- ২০২২ সালে, আফ্রিকার দুটি দেশ গ্যাবন ও টোগো Commonwealth-এ নতুন সদস্য হিসেবে যোগ দেয়।
- এই দেশ দুটির সদস্যপদ দেওয়া হয় রুয়ান্ডা সম্মেলনে, ২০২২ সালে।
মূল্য সংযোজন কর:
- মূল্য সংযোজন কর (মূসক) হচ্ছে কোন পণ্য বা সেবার ক্ষেত্রে তার উৎপাদন ও বণ্টনের প্রতিটি পর্যায় শেষে সংযোজিত মূল্যের ওপর শতকরা হারের কর।
- মূল্য সংযোজন কর বা Value Added Tax (VAT) হলো এক প্রকার পরোক্ষ কর।
- বাংলাদেশে ১৯৯১ সালের ১ জুলাই থেকে ভ্যাট বা মূসক চালু হয়।
- ২০১২ সালে এটি সংশোধন করে মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন-২০১২ পাশ হয় যা ১ জুলাই, ২০১৯ থেকে কার্যকর হয়।
⇒ সকল পন্য ও সেবার উপর ১৫% মূল্য সংযোজন কর আরোপ হয়।
- আমদানি ও সরবরাহের ক্ষেত্রে মূল্য সংযোজন কর ১৫%।
- পন্য বা সেবার সর্বশেষ ভোক্তা মূল্য সংযোজন কর দাতা।
- রপ্তানির ক্ষেত্রে মূল্য সংযোজন কর ০%।
⇒ বাংলাদেশ সরকার সর্বোচ্চ রাজস্ব আয় করে মূল্য সংযোজন কর থেকে।
- অন্যান্য যেকোনো উৎসের তুলনায় সকল অর্থবছরেই মূল্য সংযোজন কর (মুসক) থেকেই সবচেয়ে বেশি রাজস্ব আহরিত হয়।
- দ্বিতীয় প্রধান উৎস হলো আয়কর (আয়, মুনাফা, ও মূলধনের উপর কর)।
উৎস: i) জাতীয় রাজস্ব বোর্ড।
ii) The Daily Star. [link]
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪:
- বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা: ১৭১ মিলিয়ন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির স্বাভাবিক হার: ১.৩৩%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১,১৭১/বর্গ কি.মি.
- গড় আয়ু: ৭২.৩ বছর।
- মাথাপিছু জাতীয় আয়: ২,৭৮৪ মার্কিন ডলার।
- মোট রপ্তানি আয়: ৩৮.৪৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- মোট আমদানি ব্যয়: ৪৪.১১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- মূল্যস্ফীতি: ৯.৭৪%।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর +): ৭৭.৯%।
- দারিদ্র্যের হার: ১৮.৭%।
- চরম দারিদ্র্যের হার: ৫.৬%।
তথ্যসূত্র - অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
→ সার্বিকভাবে জিডিপি ১৯টি খাত নিয়ে গঠিত।
- এ ১৯টি খাতের মধ্যে ৬টি খাত আবার উপখাতে বিভক্ত। এই ১৯টি খাত ৩টি বৃহৎ খাতের অন্তর্ভুক্ত।
→ বাংলাদেশের জিডিপি'কে উৎপাদনের ভিত্তিতে ৩টি বৃহৎ খাতে বিভক্ত করা হয়েছে।
যথা- কৃষিখাত, শিল্পখাত ও সেবাখাত।
২০২৪-২৫ অর্থবছরের জিডিপি'র চূড়ান্ত হিসাব:
- চূড়ান্ত হিসাব অনুযায়ী ২০২৪-২৫ অর্থবছরে জিডিপি'র প্রবৃদ্ধির হার দাঁড়িয়েছে ৩.৪৯%। সাময়িক হিসাবে যা ছিলো ৩.৯৭%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে কৃষিখাতের প্রবৃদ্ধির হার= ২ দশমিক ৪২ শতাংশ।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে শিল্পখাতে প্রবৃদ্ধির হার= ৩ দশমিক ৭১ শতাংশ।
-অর্থনীতি/জিডিপিতে সেবাখাতে প্রবৃদ্ধির হার= ৪ দশমিক ৩৫ শতাংশ।
উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫।
APEC-এর সর্বশেষ ও ৩৬তম শীর্ষ সম্মেলন ২০২৫:
- এশীয়-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অর্থনৈতিক সহযোগিতা (APEC)-এর সর্বশেষ ও ৩৬তম শীর্ষ সম্মেলন ২০২৫ সালের ৩১ অক্টোবর - ১ নভেম্বর দক্ষিণ কোরিয়ার গিয়াংজু (Gyeongju) শহরে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
- এই সম্মেলনে 'একটি টেকসই আগামীকাল গড়ে তোলা' (Building a Sustainable Tomorrow) মূল থিমের অধীনে ২১টি সদস্য অর্থনীতির নেতারা বাণিজ্যিক ও ভূ-রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ নিয়ে আলোচনা করেন।
উল্লেখ্য,
- APEC গঠিত হয় ১৯৮৯ সালে।
- সদর দপ্তর: সিঙ্গাপুর সিটি, সিঙ্গাপুর।
- প্রতিষ্ঠাতা দেশ: ১২টি।
- বর্তমান সদস্য দেশ: ২১টি।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: অস্ট্রেলিয়ার ক্যানবেরায়।
এছাড়াও,
- ২০২৬ সালে APEC-এর শীর্ষ সম্মেলন চীনে অনুষ্ঠিত হবে।
উৎস: APEC ওয়েবসাইট।
ইন্দোনেশিয়া:
- দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ ইন্দোনেশিয়া।
- দেশটি অস্ট্রেলিয়ার উত্তরে এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মূল ভূখ- থেকে প্রশান্ত মহাসাগর ও ভারত মহাসাগরের মধ্যে অবস্থিত।
- বিশ্বের বৃহত্তম মুসলিম জনসংখ্যার দেশ ইন্দোনেশিয়া।
- স্থল সীমান্ত রয়েছে মালয়েশিয়া, বোর্নিও, পাপুয়া নিউগিনি ও পূর্ব তিমুর এবং সরু প্রণালী দ্বারা আলাদা হয়েছে সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া ও ফিলিপাইনের সঙ্গে।
- রাজধানী: জাকার্তা।
- মুদ্রা: ইন্দোনেশীয় রুপিয়া।
- ইন্দোনেশিয়ার প্রধান দ্বীপ হলো: সুমাত্রা, জাভা, বোর্নিও, সুলাওয়েসি, পাপুয়া নিউ গিনি।
- বর্তমান প্রেসিডেন্ট: প্রাবোও সুবিয়ান্তো।
উল্লেখ্য,
- ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রপ্রধান একইসঙ্গে নির্বাহী প্রধান।
- প্রাবোও সুবিয়ান্তো ২০২৪ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জয় লাভ করে প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন।
উৎস: i) Britannica.
ii) BBC.