বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

জনমিতিক শুমারি ও জনসংখ্যা সংক্রান্ত

মোট প্রশ্ন৩৭৮এই পাতা৭০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

জনমিতিক শুমারি ও জনসংখ্যা সংক্রান্ত

PrepBank · পাতা / · ৩০১৩৭০ / ৩৭৮

৩০১.
'জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২' কবে অনুষ্ঠিত হয়?
  1. ১৫-২১ জুন, ২০২১
  2. ১৫-২১ জুলাই, ২০২১
  3. ১৫-২১ জুন, ২০২২
  4. ১৫-২১ জুলাই, ২০২২
ব্যাখ্যা
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- জাতীয় পরিসংখ্যান সংস্থা হিসেবে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) কর্তৃক প্রথমবারের মতো ডিজিটাল পদ্ধতিতে ৬ষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর মূল তথ্যসংগ্রহ কার্যক্রম ১৫-২১ জুন, ২০২২ সময়ে সম্পন্ন করা হয়।
- আকস্মিক বন্যাজনিত কারণে সিলেট, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার ও নেত্রকোনা জেলার তথ্যসংগ্রহ কার্যক্রমের সময়সীমা ২৮ জুন ২০২২ পর্যন্ত বর্ধিত করা হয়।
- শুমারিতে জিআইএস (Geographic Information System) বেইজড ডিজিটাল ম্যাপ ব্যবহার করে CAPI (Computer Assisted Personal Interviewing) পদ্ধতিতে ট্যাবলেট এর মাধ্যমে তথ্যসংগ্রহ করা হয়।
- এ শুমারিতে প্রথমবারের মতো একটি ওয়েবভিত্তিক Integrated Census Management System (ICMS) প্রবর্তন করা হয়েছে যা ব্যবহার করে সদর দপ্তরে স্থাপিত Network Operations Centre (NOC) এর ডিজিটাল ডিসপ্লের মাধ্যমে শুমারিকালীন সকল গণনা এলাকা, গ্রাম, ইউনিয়ন, উপজেলা পর্যায়ের গণনা কার্যক্রম তদারকি সম্ভব হয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।
৩০২.
বর্তমানে দেশে কতটি উপজেলা রয়েছে? (মার্চ ২০২৫)
  1. ৪৯৫ টি
  2. ৪৯৪ টি
  3. ৪৯৬ টি
  4. ৪৯৭ টি
ব্যাখ্যা
ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- বিভাগ: ৮টি
- জেলা: ৬৪টি।
- সিটি কর্পোরেশন: ১২ টি।
- উপজেলা: ৪৯৫ টি।
- মেট্রো থানা: ১০৫ টি।
- পৌরসভা: ৩২৭ টি।
- ইউনিয়ন: ৪,৫৯৬ টি।
- মৌজা: ৫৮,৮৪৬ টি।
- গ্রাম: ৯০,০৪৯ টি।
- মহল্লা: ১৫,১৫৩ টি।

উল্লেখ্য,
- মোট জনসংখ্যা: ১৬,৯৮,২৮,৯১১ জন।
- পুরুষ: ৮,৪১,৩৪,০০৩ জন।
- শতকরা:৪৯.৫৪%।
- নারী: ৮,৫৬,৮৬,৭৮৪ জন।
- শতকরা: ৫০.৪৫%।
- হিজরা: ৮,১২৪ জন।
- শতকরা: ০.০০৫%।

উৎস: ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২।
৩০৩.
বাংলাদেশে প্রতি বর্গকিলোমিটারে জনসংখ্যার ঘনত্ব কত? (আগস্ট-২০২৫)
  1. ১,১১৭ জন
  2. ১,১১৯ জন
  3. ১,১০৯ জন
  4. ১,০০৯ জন
ব্যাখ্যা

ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- অনুষ্ঠিত হয় ১৫-২১ জুন ২০২২ সালে।
- এটি দেশের প্রথম ডিজিটাল শুমারি।
- মোট জনসংখ্যা: ১৬ কোটি ৯৮ লাখ ২৮ হাজার ৯১১ জন।
- জনশুমারি অনুষ্ঠিত হয় ১০ বছর পর পর।
- গণনাকৃত জনসংখ্যা ১৬,৫১,৫৮,৬১৬ জন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ১.১২%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব প্রতি বর্গকিলোমিটারে ১,১১৯ জন।

উল্লেখ্য,
বাংলাদেশে প্রথম আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭৪ সালে।

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS)।

৩০৪.
বাংলাদেশের কোন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সমাজে ‘গান্না’ উৎসবের প্রচলন আছে?
  1. রাখাইন
  2. গারো
  3. খাসিয়া
  4. মারমা
ব্যাখ্যা

• ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর নৃত্য:
- ময়মনসিংহের গারোদের মধ্যে সমাজপতিকে তুষ্ট করার উদ্দেশ্যে ‘গান্না’ নামে এক উৎসবের প্রচলন আছে।
- তাতে নোক্মা বা সমাজপতিকে অঙ্গুরীয় পরানো হয়।
- তারপর নোক্মা তাঁর স্ত্রীসহ সকলের সঙ্গে অবস্থান করেন এবং তাঁদের মনোরঞ্জনের জন্য নৃত্য পরিবেশন করা হয়।
- এ নৃত্যে কোনো অভিনয় নেই, এমনকি পদচালনা বা দেহভঙ্গিও নেই।
- এ অঞ্চলে ‘জারিয়ালি’ নামেও একপ্রকার নাচের প্রচলন আছে।
- গারোদের মধ্যে গাছ থেকে ফল পাড়ার কৌশলকে এ নাচে রূপান্তরিত করা হয়েছে।
- এমনকি পায়রা কেমন করে খাবার সংগ্রহ করে, কেমন করে পরস্পরকে খাওয়ায়, কেমন করে প্রেমময় মুহূর্তে পরস্পরকে আদর করে, তাও নৃত্যের মাধ্যমে প্রদর্শিত হয়।
- মারমাদের থালানৃত্য ও মাছধরা নৃত্য বিশেষ উল্লেখযোগ্য।

উৎস: বাংলাপিডিয়া [লিংক]।

৩০৫.
মারমা জনগোষ্ঠীর প্রধান বর্ষবরণ উৎসবের নাম কী?
  1. বিজু
  2. বৈসুখ
  3. সাংগ্রাই 
  4. রাস
ব্যাখ্যা

মারমা ও সাংগ্রাই উৎসব:
- মারমা বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম আদিবাসী জনগোষ্ঠী। 
- এই জনগোষ্ঠীর জনগণের অধিকাংশই বাংলাদেশের তিনটি পার্বত্য জেলা রাঙ্গামাটি, বান্দরবান এবং খাগড়াছড়িতে বসবাস করে।
- তারা মঙ্গোলয়েড বর্ণগোষ্ঠীর অন্তর্গত। তাদের নিজস্ব ভাষা রয়েছে। এই ভাষা ‘ভোট বর্মী’ শাখার বর্মী দলভুক্ত একটি ভাষা।
- মারমা সম্প্রদায়ের মধ্যে তিন স্তরবিশিষ্ট প্রথাগত রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা বিদ্যমান।
- গ্রাম পর্যায়ের প্রশাসনিক প্রধানের পদবী- কারবারি; মৌজা পর্যায়ের প্রধান ⎯ হেডম্যান; সার্কেল প্রধান হলেন ⎯ রাজা।
- মারমা জনগোষ্ঠীর বর্ষবরণ উৎসবের নাম ‘সাংগ্রাই’।
- সাংগ্রাই শব্দটি এসেছে ‘সাক্রাই’ থেকে; এর মানে ‘সংক্রান্তি’।
- সাধারণত বছরের শেষ দুইদিন এবং নতুন বছরের প্রথম দিন এই উৎসব পালিত হয়।
- এ উৎসবের মূল আয়োজন - ‘পানিখেলা’ বা ‘জলোৎসব’। নৌকা বা বড় পাত্রে পানি রেখে একপক্ষ আরেক পক্ষকে পানি ছিটিয়ে দেয়।

এছাড়াও, 
বৈসাবি:
পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর কাছে বর্ষবরণ উৎসবই সবচেয়ে বড় এবং ভিন্ন ভিন্ন নামে পরিচিত। বাংলাদেশের ৩ বড় নৃগোষ্ঠীর বর্ষবরণ উৎসবকে একত্রে বৈসাবি বলা - ত্রিপুরাদের বর্ষবরণ উৎসবের নাম - বৈসুখ/বৈসু/বাইশু,
- মারমাদের বর্ষবরণ উৎসবের নাম - সাংগ্রাই,
- চাকমাদের বর্ষবরণ উৎসবের নাম - বিজু।
- এই ৩ বড় উৎসবকে একত্রে বৈসাবি বলা হয়। সাধারণত বছরের শেষ দুইদিন এবং নতুন বছরের প্রথম দিন বর্ষবরণ উৎসব বৈসাবি পালিত হয় বান্দরবান, রাঙ্গামাটি ও খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলায়।

উল্লেখ্য: 
- রাস হলো মণিপুরিদের প্রধান উৎসব। শরতের পূর্ণিমায় এই রাস হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং অষ্টম শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বোর্ড বই।

৩০৬.
ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা অনুযায়ী, বাংলাদেশের জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার কত শতাংশ?
  1. ১.২২ শতাংশ
  2. ১.৩৭ শতাংশ
  3. ১.২৫ শতাংশ
  4. ১.১২ শতাংশ
ব্যাখ্যা

​• ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- জেলা অনুযায়ী সবচেয়ে কম ঘনত্ব: রাঙ্গামাটি।
- সর্বশেষ ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুষ্ঠিত হয়: ১৫-২১ জুন।
- তথ্য সংগ্রহ পদ্ধতি: CPI.
- গণনা পদ্ধতি: Modified De-facto.
- দেশে মোট জনসংখ্যা: ১৬,৯৮,২৮,৯১১ জন।
- বার্ষিক জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.১২%।
- সাক্ষরতার হার: ৭৪.৮০%।

এছাড়াও,
- সবচেয়ে বেশি মানুষ বাস করে: ঢাকায়।
- সবচেয়ে কম মানুষ বাস করে বরিশাল বিভাগে।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১১১৯জন।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি: ঢাকা বিভাগে।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে কম : বরিশাল বিভাগে।

​উৎস: জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২।

৩০৭.
বাংলাদেশের ষষ্ঠ জাতীয় জনশুমারি ও গৃহ গণনা কোন সময়ে অনুষ্ঠিত হয়?
  1. ১০ জুন থেকে ১৬ জুন, ২০২২
  2. ১৫ জুন থেকে ২১ জুন, ২০২২
  3. ১৫ জুলাই থেকে ২১ জুলাই, ২০২২
  4. ২০ জুলাই থেকে ২৬ জুলাই, ২০২২
ব্যাখ্যা
• ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- জনশুমারি পরিচালনা করে - বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS).
- জনশুমারি অনুষ্ঠিত হয় - ১০ বছর পরপর।
- ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুষ্ঠিত হয় ১৫-২১ জুন ২০২২। তবে বন্যা পরিস্থির কারণে কিছু কিছু এলাকায় ২৭ জুলাই পর্যন্ত বর্ধিত করা হয়।
- প্রাথমিক প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয় - ২৭ জুলাই ২০২২।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো ওয়েবসাইট।
৩০৮.
লোকসংখ্যার দিক থেকে বাংলাদেশ বিশ্বের কততম স্থানে? 
  1. ৫ম
  2. ৭ম
  3. ৮ম
  4. ১০ম
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]
---------------- 
• ২০২৪ সালে জনসংখ্যার দিক থেকে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান — ৮ম। (২০২৪ সাল)


• এক নজরে বাংলাদেশ:
- সাংবিধানিক নাম: গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ।
- আন্তর্জাতিক ডায়ালিং কোড : +৮৮০।
- আন্তর্জাতিক সময় অঞ্চল: বিএসটি (জিএমটি +৬ ঘণ্টা)।
- মোট জনসংখ্যা: ১৬,৯৮,২৮,৯১১ জন।
- এশিয়া মহাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব দিকে বাংলাদেশ অবস্থিত।
- ভৌগোলিক অবস্থান: ২৬° ৩৮' উত্তর অক্ষাংশ থেকে ২০° ৩৪' উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৮° ০১' পূর্ব দ্রাঘিমাংশ থেকে ৯২° ৪১' পূর্ব দ্রাঘিমাংশ।

- আয়তন: ১,৪৮,৪৬০ বর্গ কি.মি.।
- সমুদ্রতট রেখার দৈর্ঘ্য ৭১৬ কিলোমিটার।
- রাজনৈতিক সমুদ্রসীমার দৈর্ঘ্য ১২ নটিক্যাল মাইল।
- অর্থনৈতিক সমুদ্রসীমার দৈর্ঘ্য ২০০ নটিক্যাল মাইল।
- সিটি কর্পোরেশন রয়েছে ১২ টি।
- জেলা রয়েছে ৬৪টি।
- পৌরসভা রয়েছে ৩৩০টি।
- উপজেলা রয়েছে ৪৯৫টি।
- ইউনিয়ন পরিষদ ৪৫৯৬টি।

উল্লেখ্য,
- জনসংখ্যার দিক দিয়ে পৃথিবীর ৮ম বৃহত্তম দেশ।
- বর্তমানে বাংলাদেশ বিশ্বের ৩৫তম বৃহৎ অর্থনীতির দেশ।

উৎস:
i) World Population Review ওয়েবসাইট।
ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
iii) worldometers.info
৩০৯.
দেশে খানার আকার কত? [জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২]
  1. ৩.৮৪
  2. ৩.৯৮
  3. ৪.০২
ব্যাখ্যা

জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) জনশুমারি পরিচালনা করে।
- ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুষ্ঠিত হয়: ১৫-২১ জুন ২০২২।
- চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ: নভেম্বর, ২০২৩। 
- মোট জনসংখ্যা: ১৬,৯৮,২৮,৯১১ জন।    
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.১২%।
- দেশে পুরুষ ও নারীর অনুপাত: ৯৯.০৮ : ১০০.৯০।
- খানার আকার: ৩.৯৮।

উল্লেখ্য,
- সবচেয়ে বেশি মানুষ বাস করে ঢাকা বিভাগে।
- সবচেয়ে কম মানুষ বাস করে বরিশাল বিভাগে।

উৎস: পরিসংখ্যান ব্যুরো ওয়েবসাইট।

৩১০.
বিবিএস-এর সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুসারে, বর্তমানে দেশে মাথাপিছু আয় কত? [এপ্রিল, ২০২৫]
  1. ২,৭৩৮ মার্কিন ডলার
  2. ২,৭৫৬ মার্কিন ডলার
  3. ২,৭২৯ মার্কিন ডলার
  4. ২,৬৬৬ মার্কিন ডলার
ব্যাখ্যা
জিডিপি'র চূড়ান্ত হিসাব:
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) দেশের জনসংখ্যা, কৃষি, শিল্প, জনমিতি, অর্থনীতি, আর্থ-সামাজিক বিষয়াদি, প্রাকৃতিক সম্পদ, পরিবেশ, ইত্যাদি সংক্রান্ত পরিসংখ্যান প্রণয়ন ও প্রকাশ করে থাকে।
- ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ তারিখে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) ২০২৩-২৪ অর্থবছরের জিডিপি'র চূড়ান্ত হিসাবের প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।

⇒ চূড়ান্ত হিসাব অনুসারে,
- বর্তমান মাথাপিছু জিডিপি ২,৬২৫ মার্কিন ডলার (সাময়িক হিসাবে যা ছিলো ২,৬৪৩ মার্কিন ডলার)।
- বর্তমান মাথাপিছু আয় ২,৭৩৮ মার্কিন ডলার (সাময়িক হিসাবে যা ছিলো ২,৭৮৪ মার্কিন ডলার)।

এছাড়াও, 
- চূড়ান্ত হিসাব অনুযায়ী ২০২৩-২৪ অর্থবছরে জিডিপি'র প্রবৃদ্ধির হার দাঁড়িয়েছে ৪.২২% (সাময়িক হিসাবে যা ছিলো ৫.৮২%)।
- কৃষি খাতে প্রবৃদ্ধির হার: ৩.৩০% (সাময়িক হিসাবে যা ছিলো ৩.২১%)।
- শিল্প খাতে প্রবৃদ্ধির হার: ৩.৫১% (সাময়িক হিসাবে যা ছিলো ৬.৬৬%)।
- সেবা খাতে প্রবৃদ্ধির হার: ৫.০৯% (সাময়িক হিসাবে যা ছিলো ৫.৮০%)।

অন্যদিকে,
- অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুসারে, ২০২৩-২৪ অর্থবছরের মাথাপিছু আয় (সাময়িক) ছিল ২৭৮৪ মার্কিন ডলার।

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) ওয়েবসাইট।
৩১১.
স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশে কয়টি জনশুমারি পরিচালিত হয়?
  1. ৪টি
  2. ৫টি
  3. ৬টি
  4. ৮টি
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশে স্বাধীনতা অর্জনের পর ১৯৭৪ সালে প্রথম জনশুমারি ও গৃহগণনা হয়। 
- ১৯৭৭ সালে প্রথম কৃষি শুমারি হয়। 
- ১৯৮৬ সালে প্রথম অর্থনৈতিক শুমারি পরিচালিত হয়।
- স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে ছয়টি জনশুমারি পরিচালিত হয় যার সর্বশেষটি হয় ২০২২ সালে।
- ৬ষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর মূল তথ্যসংগ্রহ কার্যক্রম ১৫-২১ জুন ২০২২ সময়ে সম্পন্ন করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।
৩১২.
খানা আয় ও ব্যয় জরিপ চূড়ান্ত প্রতিবেদন-২০২২ অনুযায়ী, দেশে নিম্ন দারিদ্র্যের হার -
  1. ৩.৮%
  2. ৪.১%
  3. ৫.৬%
  4. ৬.৪%
ব্যাখ্যা

খানা আয় ও ব্যয় জরিপ চূড়ান্ত প্রতিবেদন-২০২২:
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) Household Income and Expenditure Survey (HIES) 2022 শিরোনামে ২৭ ডিসেম্বর, ২০২৩ খানা আয় ও ব্যয় জরিপ চূড়ান্ত প্রতিবেদন-২০২২ প্রকাশ করে।
- জনপ্রতি দৈনিক ক্যালোরি গ্রহণের পরিমাণ - ২,৩৯৩ কিলোক্যালোরি।
- খানাপ্রতি মাসিক গড় আয় - ৩২,৪২২ টাকা (শহুরে ৪৫,৭৫৭ টাকা, গ্রামীণ ২৬,১৬৩ টাকা)।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর এবং তদূর্ধ্ব) - ৭৪% (পুরুষ ৭৫.৮%, নারী ৭২.৬%)।
- দেশে উচ্চ দারিদ্র্যের হার - ১৮.৭%।
- শহরে উচ্চ দারিদ্র্যের হার - ১৪.৭%।
- গ্রামে উচ্চ দারিদ্র্যের হার - ২০.৫%।

এছাড়াও,
- দেশে নিম্ন দারিদ্র্যের হার - ৫.৬%।
- শহরে নিম্ন দারিদ্র্যের হার - ৩.৮%।
- গ্রামে নিম্ন দারিদ্র্যের হার - ৬.৫%।

তথ্যসূত্র - খানা আয় ও ব্যয় জরিপ চূড়ান্ত প্রতিবেদন-২০২২।

৩১৩.
পৃথিবীতে বাংলাভাষী জনসংখ্যা প্রায়-
  1. ১৫ কোটি
  2. ২০ কোটি
  3. ৩০ কোটি
  4. ৪০ কোটি
ব্যাখ্যা

বিশ্বজুড়ে বাংলা:
- ২০২৫ সালের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, পৃথিবীজুড়ে মোট বাংলাভাষীদের সংখ্যা প্রায় ৩০ কোটি।
- এদের মধ্যে প্রায় ২৮.৪ কোটি মানুষ বাংলা ভাষাকে তাদের প্রথম ভাষা হিসেবে ব্যবহার করে এবং আরও ৪.৩ কোটি মানুষ দ্বিতীয় ভাষাভাষী হিসেবে ব্যবহার করে। 
- এই সংখ্যার ভিত্তিতে বাংলা বিশ্বব্যাপী সপ্তম সর্বাধিক প্রচলিত ভাষা। 
- বাংলাদেশ ছাড়াও ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, আসাম, ত্রিপুরা, আন্দামান-নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ, মেঘালয়, বিহার, উড়িষ্যা, অল্প্রব্দপ্রদেশ, ছত্তিশগড়, দিলি্লসহ বিভিন্ন রাজ্যে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে বাংলাভাষী জনগোষ্ঠী।
- দক্ষিণ এশিয়ায় পাকিস্তান ও নেপালেও রয়েছে উল্লেখযোগ্যসংখ্যক বাংলাভাষী।

উল্লেখ্য,
- ২০২৫ সালের হিসেবে বিশ্বে সবথেকে বেশি ব্যবহৃত ১০টি ভাষা: ১. ইংরাজি ২. ম্যান্ডারিন চাইনিজ ৩. হিন্দি ৪. স্প্যানিশ ৫. স্ট্যান্ডার্ড আরবিক ৬. ফ্রেঞ্চ বা ফরাসি ৭. বাংলা ৮. পোর্তুগিজ ৯. রাশিয়ান ১০. ইন্দোনেশিয়ান

উৎস: i) Visual Capitalist. [link]
ii) সমকাল।

৩১৪.
কততম কৃষি শুমারি প্রথম পূর্ণাঙ্গ কৃষি শুমারি হিসেবে স্বীকৃত?
  1. তৃতীয়
  2. চর্তুথ
  3. পঞ্চম
  4. ষষ্ঠ
ব্যাখ্যা
কৃষি শুমারি:
- বাংলাদেশে মোট কৃষিশুমারি হয় ৬টি।
- স্বাধীনতা পরবর্তী বাংলাদেশে ১৯৭৭ সালে প্রথম কৃষি শুমারি অনুষ্ঠিত হয়।
- এরই ধারাবাহিকতায় ১৯৮৩-৮৪, ১৯৯৬ ও ২০০৮ সালে কৃষি শুমারি অনুষ্ঠিত হয়।
- সর্বশেষ কৃষি শুমারি করা হয় ২০১৯ সালে।
- বিশ্ব খাদ্য ও কৃষি সংস্থার গাইডলাইন অনুসারে পরিসংখ্যান ব্যুরো কৃষি শুমারি পরিচালনা করে।
- প্রতি দশ বছর অন্তর কৃষি শুমারি অনুষ্ঠিত হয়।
- পরিসংখ্যান আইন-২০১৩ অনুযায়ী জনশুমারি এবং অর্থনৈতিক শুমারির পাশাপাশি কৃষি (শস্য, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ) শুমারি পরিচালনা করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

উল্লেখ্য,
-  ২০০৮ সালে সমগ্র দেশে শহর ও পল্লি এলাকায় সকল সাধারণ খানায় তথ্য সংগ্রহের মাধ্যমে ৪র্থ কৃষি শুমারি পরিচালনা করা হয়। 
- এটিই দেশের প্রথম পূর্ণাঙ্গ কৃষি শুমারি।

উৎস: i) বিবিএস ওয়েবসাইট।
ii) কৃষি মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
৩১৫.
খানা আয় ও ব্যয় জরিপ চূড়ান্ত প্রতিবেদন-২০২২ অনুযায়ী, দেশে উচ্চ দারিদ্র্যের হার কত?
  1. ১৪.২%
  2. ১৫.৪%
  3. ১৮.৭%
  4. ২০.৩%
ব্যাখ্যা

খানা আয় ও ব্যয় জরিপ চূড়ান্ত প্রতিবেদন-২০২২:
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) Household Income and Expenditure Survey (HIES) 2022 শিরোনামে ২৭ ডিসেম্বর, ২০২৩ খানা আয় ও ব্যয় জরিপ চূড়ান্ত প্রতিবেদন-২০২২ প্রকাশ করে।
- জনপ্রতি দৈনিক ক্যালোরি গ্রহণের পরিমাণ - ২,৩৯৩ কিলোক্যালোরি।
- খানাপ্রতি মাসিক গড় আয় - ৩২,৪২২ টাকা (শহুরে ৪৫,৭৫৭ টাকা, গ্রামীণ ২৬,১৬৩ টাকা)।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর এবং তদূর্ধ্ব) - ৭৪% (পুরুষ ৭৫.৮%, নারী ৭২.৬%)।
- দেশে উচ্চ দারিদ্র্যের হার - ১৮.৭%।
- শহরে উচ্চ দারিদ্র্যের হার - ১৪.৭%।
- গ্রামে উচ্চ দারিদ্র্যের হার - ২০.৫%।

এছাড়াও,
- দেশে নিম্ন দারিদ্র্যের হার - ৫.৬%।
- শহরে নিম্ন দারিদ্র্যের হার - ৩.৮%।
- গ্রামে নিম্ন দারিদ্র্যের হার - ৬.৫%।

তথ্যসূত্র - খানা আয় ও ব্যয় জরিপ চূড়ান্ত প্রতিবেদন-২০২২।

৩১৬.
স্বাধীন বাংলাদেশে দ্বিতীয় আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয় কত সালে?
  1. ১৯৭৪ সালে
  2. ১৯৮২ সালে
  3. ১৯৮১ সালে
  4. ১৯৮৪ সালে
ব্যাখ্যা

আদমশুমারি:
- ১৯৭৪ সালে স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়।
- দ্বিতীয় আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয় ১৯৮১ সালে।
- প্রথম আদমশুমারিতে বাংলাদেশের জনসংখ্যা ছিল প্রায় ৭.৬৪ কোটি।
- এ পর্যন্ত বাংলাদেশে মোট ৬টি আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
- ষষ্ঠ আদমশুমারির নাম  'জনশুমারি ও গৃহগণনা'।
- পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের অধীনে শুমারি অনুষ্ঠিত হয়।

• আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হওয়ার সাল। যথা- 
- ১৯৭৪,
- ১৯৮১,
- ১৯৯১,
- ২০০১,
- ২০১১ ও
- ২০২২ সালে।

উৎস: পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।

৩১৭.
বাংলাদেশে মোট কয়টি আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়েছে? (ডিসেম্বর, ২০২৫)
  1. ৫টি
  2. ৬টি
  3. ৭টি
  4. ৮টি
ব্যাখ্যা

আদমশুমারি:
- পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের অধীনে শুমারি অনুষ্ঠিত হয়।
- স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭৪ সালে।
- প্রথম আদমশুমারিতে বাংলাদেশের জনসংখ্যা ছিল প্রায় ৭.৬৪ কোটি।
- এ পর্যন্ত বাংলাদেশে মোট ৬টি আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
- যথা- ১৯৭৪, ১৯৮১, ১৯৯১, ২০০১, ২০১১ ও ২০২২ সালে।
- ষষ্ঠ আদমশুমারির নাম 'জনশুমারি ও গৃহগণনা'।

তথ্যসূত্র - পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।

৩১৮.
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর চূড়ান্ত রিপোর্ট অনুযায়ী, জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার কত?
  1. ১.১২%
  2. ১.১৭%
  3. ১.২১%
  4. ১.৩২%
ব্যাখ্যা

জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.১২%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১১১৯ জন।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) - ৭৪.৮০%।
- পুরুষের সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) - ৭৬.৭১%।
- মহিলার সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) - ৭২.৯৪%।
- বিভাগভিত্তিক সাক্ষরতার হার সবচেয়ে বেশি ঢাকা বিভাগে (৭৮.২৪%)।
- বিভাগভিত্তিক সাক্ষরতার হার সবচেয়ে কম ময়মনসিংহ বিভাগে (৬৭.২৩%)।
- সাক্ষরতার হারে শীর্ষ জেলা পিরোজপুর (৮৫.৫৩%)।
- সাক্ষরতার হারে সর্বনিম্ন জেলা জামালপুর (৬১.৭০%)।

তথ্যসূত্র - পরিসংখ্যান ব্যুরোর ওয়েবসাইট।

৩১৯.
সর্বশেষ জনশুমারি কত সালে অনুষ্ঠিত হয়? (সেপ্টেম্বর-২০২৫)
  1. ২০২১
  2. ২০১৯
  3. ২০২০
  4. ২০২২
ব্যাখ্যা

• ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- এটি অনুষ্ঠিত হয় ১৫-২১ জুন ২০২২ সালে।
- এটি দেশের প্রথম ডিজিটাল শুমারি।
- জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর তথ্য সংগ্রহে যে পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে CAPI.
- মোট জনসংখ্যা: ১৬ কোটি ৯৮ লাখ ২৮ হাজার ৯১১ জন।
- জনশুমারি অনুষ্ঠিত হয় ১০ বছর পর পর।
- গণনাকৃত জনসংখ্যা ১৬,৫১,৫৮,৬১৬ জন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ১.১২%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব প্রতি বর্গকিলোমিটারে ১,১১৯ জন।
- পুরুষ ও নারীর অনুপাত ৯৮ ও ১০০।
- দেশে সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) ৭৪.৮০%।
- ২০২২ সালে খানার গড় আকার - ৩.৯৮।

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS)।

৩২০.
ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২-এর চূড়ান্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী, সাক্ষরতার হার সবচেয়ে বেশি কোন বিভাগে? 
  1. ঢাকা 
  2. বরিশাল
  3. রাজশাহী
  4. চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা

• জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.১২%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১১১৯ জন।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) ৭৪.৮০%।
- পুরুষের সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) - ৭৬.৭১%।
- মহিলার সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) - ৭২.৯৪%।
- বিভাগভিত্তিক সাক্ষরতার হার সবচেয়ে বেশি ঢাকা বিভাগে (৭৮.২৪%)। -
- বিভাগভিত্তিক সাক্ষরতার হার সবচেয়ে কম ময়মনসিংহ বিভাগে (৬৭.২৩%)।
- সাক্ষরতার হারে শীর্ষ জেলা পিরোজপুর (৮৫.৫৩%)।
- সাক্ষরতার হারে সর্বনিম্ন জেলা জামালপুর (৬১.৭০%)।

উৎস: পরিসংখ্যান ব্যুরোর ওয়েবসাইট।

৩২১.
জনসংখ্যা নীতি ২০২৫ অনুযায়ী, বাংলাদেশে প্রতি বর্গকিলোমিটার এলাকায় কতজন মানুষ বাস করে? [আগস্ট, ২০২৫]
  1. ৯৯৯ জন
  2. ১,০১১ জন
  3. ১,১১৯ জন
  4. ১,২১১ জন
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের জনসংখ্যা নীতি ২০২৫:
- সাধারণভাবে একটি দেশের জনসংখ্যা বিষয়ে জাতীয় পর্যায়ে পরিকল্পনা গ্রহণ করার জন্য যে দিক নির্দেশনা হয় তাকেই বলা হয় দেশটির জনসংখ্যা নীতি। 
​- দেশের আর্থ-সামাজিক অবস্থার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এই নীতি প্রণয়ন করা হয়। 
​- গত ১৪ জুলাই, ২০২৫ ‘বাংলাদেশ জনসংখ্যা নীতি ২০২৫’ প্রকাশ করেছে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়।
​- এতে বলা হয়েছে, দেশে প্রতি বর্গকিলোমিটার এলাকায় ১ হাজার ১১৯ জন মানুষ বাস করে।
​- দেশে মোট প্রজনন হার (টিএফআর) ২ দশমিক ৩ শতাংশ।
​- শিশুমৃত্যুর হার প্রতি হাজার জীবিত জন্মে ৩১, মাতৃমৃত্যুর হার প্রতি লাখে ১৩৫।
​- দেশে ১৫ বছর বা এর বেশি বয়সী জনগোষ্ঠীর ৩ দশমিক ৬৪ শতাংশ বেকার।

​​তথ্যসূত্র- পত্রিকা প্রতিবেদন। [Link]

৩২২.
বাংলাদেশের কোন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি? ( নভেম্বর-২০২৫)
  1. মারমা
  2. গারো
  3. চাকমা
  4. ত্রিপুরা
ব্যাখ্যা

• ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুসারে,
• দেশে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সংখ্যা – ৫০টি।
• জনসংখ্যায় বৃহত্তম ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী চাকমা (৪,৮৩,৩৬৫ জন)।
• জনসংখ্যায় দ্বিতীয় ও তৃতীয় বৃহত্তম ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী যথাক্রমে মারমা (২,২৪,২৯৯ জন) ও ত্রিপুরা (১,৫৬,৬২০ জন)। -
• জনসংখ্যায় সবচেয়ে ছোট ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী বিল (৯৫জন)।
• ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি যে জেলায় রাঙ্গামাটি (৩,৭২,৮৭৫ জন)।
• ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠীর সংখ্যা সবচেয়ে কম যে জেলায় -লালমনিরহাট (১১৮ জন)।

উৎস: বিবিএস।

৩২৩.
জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার সবচেয়ে বেশি কোন জেলায়? (জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২)
  1. ঢাকা
  2. যশোর
  3. বরিশাল
  4. গাজীপুর
ব্যাখ্যা

 ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২
- অনুষ্ঠিত হয় ১৫-২১ জুন ২০২২ সালে।
- এটি দেশের প্রথম ডিজিটাল শুমারি।
- জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর তথ্য সংগ্রহে যে পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে CAPI.
- মোট জনসংখ্যা: ১৬ কোটি ৯৮ লাখ ২৮ হাজার ৯১১ জন।
- জনশুমারি অনুষ্ঠিত হয় ১০ বছর পর পর।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ১.১২%।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার সবচেয়ে বেশি যে জেলায় - গাজীপুর (৩.৮৭%)
- জনসংখ্যার ঘনত্ব প্রতি বর্গকিলোমিটারে ১,১১৯ জন।
- পুরুষ ও নারীর অনুপাত ৯৮ ও ১০০।
- দেশে সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) ৭৪.৮০%।
- ২০২২ সালে খানার গড় আকার - ৩.৯৮।

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS)।

৩২৪.
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এ কোন পদ্ধতিতে তথ্যসংগ্রহ করা হয়?
  1. CAPI
  2. MAPI
  3. TAPI
  4. AAPI
ব্যাখ্যা
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) কর্তৃক প্রথমবারের মতো ডিজিটাল পদ্ধতিতে ৬ষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর মূল তথ্যসংগ্রহ কার্যক্রম ১৫-২১ জুন ২০২২ সময়ে সম্পন্ন করা হয়।
- আকস্মিক বন্যাজনিত কারণে সিলেট, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার ও নেত্রকোনা জেলার তথ্যসংগ্রহ কার্যক্রমের সময়সীমা ২৮ জুন ২০২২ পর্যন্ত বর্ধিত করা হয়।
- শুমারিতে জিআইএস (Geographic Information System) বেইজড ডিজিটাল ম্যাপ ব্যবহার করে CAPI (Computer Assisted Personal Interviewing) পদ্ধতিতে ট্যাবলেট এর মাধ্যমে তথ্যসংগ্রহ করা হয়।
- এ শুমারিতে প্রথমবারের মতো একটি ওয়েবভিত্তিক Integrated Census Management System (ICMS) প্রবর্তন করা হয়েছে যা ব্যবহার করে সদর দপ্তরে স্থাপিত Network Operations Centre (NOC) এর ডিজিটাল ডিসপ্লের মাধ্যমে শুমারিকালীন সকল গণনা এলাকা, গ্রাম, ইউনিয়ন, উপজেলা পর্যায়ের গণনা কার্যক্রম তদারকি সম্ভব হয়েছে।
- ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা এর চূড়ান্ত রিপোর্ট অনুযায়ী, বার্ষিক জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ১.১২% । 

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।
৩২৫.
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুযায়ী, সবচেয়ে কম ঘনবসতিপূর্ণ জেলা কোনটি?
  1. খাগড়াছড়ি
  2. রাঙ্গামাটি
  3. বান্দরবান
  4. পঞ্চগড়
ব্যাখ্যা
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) জনশুমারি পরিচালনা করে।
- মোট জনসংখ্যা: ১৬ কোটি ৯৮ লাখ ২৮ হাজার ৯১১ জন।
- সবচেয়ে ঘনবসতিপূর্ণ জেলা- ঢাকা (১০০৬৭ জন)।
- সবচেয়ে কম ঘনবসতিপূর্ণ জেলা- রাঙ্গামাটি (১০৬ জন)।
- সবচেয়ে বেশি মানুষ বাস করে - ঢাকা বিভাগে (৪৫৬৪৪৫৮৬ জন)।
- সবচেয়ে কম মানুষ বাস করে - বরিশাল বিভাগে (৯৩২৫৮২০ জন)।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি ঢাকা বিভাগে। (২১৫৬ জন)।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে কম বরিশাল বিভাগে। (৬৮৮ জন)।
- সবচেয়ে বেশি জনসংখ্যা বাস করে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনে (৫৯,৯০,৭২৩ জন)।
- সবচেয়ে কম জনসংখ্যা বাস করে বরিশাল সিটি কর্পোরেশনে (৭,০৮,৫৭০ জন)।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনে (প্রতি বর্গ কিলোমিটারে ৩৯,৪০৬ জন)।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে কম রংপুর সিটি কর্পোরেশনে (প্রতি বর্গ কিলোমিটারে ৩,৪৪৫ জন)।
- ভাসমান জনসংখ্যার দিক দিয়ে শীর্ষে রয়েছে - ঢাকা বিভাগ।
- ভাসমান জনসংখ্যার দিক দিয়ে সর্বনিম্ন অবস্থানে আছে - ময়মনসিংহ বিভাগ।

তথ্যসূত্র - পরিসংখ্যান ব্যুরোর ওয়েবসাইট।
৩২৬.
ওয়ার্ল্ড পপুলেশন রিভিউয়ের তথ্য অনুসারে, বিশ্বের সবচেয়ে কম জনসংখ্যার দেশ কোনটি? [অক্টোবর, ২০২৪]
  1. টুভালু
  2. টোকেলাউ
  3. ভ্যাটিকান সিটি
  4. নাউরু
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]
----------------------- 
[স্বাধীন অলাভজনক সংস্থা ‘ওয়ার্ল্ড পপুলেশন রিভিউ’ নিজেদের ওয়েবসাইটে বিশ্বের জনসংখ্যার তথ্য প্রচার-প্রকাশ করে। ওয়ার্ল্ড পপুলেশন রিভিউয়ের ২০২৪ সালের তথ্য অনুসারে, ভ্যাটিকান সিটির জনসংখ্যা সবচেয়ে কম। এই সংখ্যা ৪৯৬।]

ওয়ার্ল্ড পপুলেশন রিভিউয়ের ২০২৪ সালের তথ্য অনুসারে, বিশ্বের সবচেয়ে কম জনসংখ্যার ১০ দেশ-অঞ্চলের তালিকা দেওয়া হলো—

১. ভ্যাটিকান সিটি:
- ভ্যাটিকান সিটির জনসংখ্যা সবচেয়ে কম। এই সংখ্যা ৪৯৬।

২. নিউ:
- দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরের স্বশাসিত দ্বীপরাষ্ট্র নিউ। জনসংখ্যা ১ হাজার ৮১৯ জন।

৩. টোকেলাউ:
- দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরীয় নির্ভরশীল অঞ্চল টোকেলাউ। জনসংখ্যা ২ হাজার ৫০৬ জন।

৪. ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ:
- ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জের জনসংখ্যা ৩ হাজার ৪৭০ জন।
 
৫. মন্টসের্রাট:
- ক্যারিবীয় এলাকায় অবস্থিত মন্টসের্রাটের জনসংখ্যা ৪ হাজার ৩৮৯ জন।

৬. সেন্ট পিয়ের ও মিকেলন:
- সেন্ট পিয়ের ও মিকেলনের জনসংখ্যা ৫ হাজার ৬২৮ জন।

৭. টুভালু:
- টুভালুর জনসংখ্যা ৯ হাজার ৬৪৬ জন।

৮. সেন্ট বার্থেলেমি:
সেন্ট বার্থেলেমির জনসংখ্যা ১১ হাজার ২৫৮ জন।

৯. ওয়ালিস ও ফুটুনা: 
- ওয়ালিস ও ফুটুনার জনসংখ্যা ১১ হাজার ২৭৭ জন।

১০. নাউরু:
- নাউরুর জনসংখ্যা ১১ হাজার ৯৪৭ জন।

উৎস:
- প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট, ওয়ার্ল্ড পপুলেশন রিভিউ।
৩২৭.
তথ্য অধিকার আইন প্রণীত হয় কত সালে?
  1. ২০০৯ সালে
  2. ২০১৮ সালে
  3. ২০২২ সালে
  4. ২০০৮ সালে
ব্যাখ্যা
তথ্য অধিকার আইন:
- সংসদে পাস: ২৯ মার্চ ২০০৯
- কার্যকর: ১ জুলাই ২০০৯ থেকে
- তথ্য কমিশন গঠন: ১ জুলাই ২০০৯

তথ্য অধিকার আইন-২০০৯ উদ্দেশ্য:
-সংবিধানে চিন্তা, বিবেক ও বাক স্বাধীনতা নাগরিকদের অন্যতম মৌলিক অধিকার হিসেবে স্বীকৃত,
- এবং তথ্য প্রাপ্তির অধিকার- চিন্তা, বিবেক ও বাক স্বাধীনতার একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ।
- জনগণের তথ্য অধিকার নিশ্চিত করা হলে সরকারি, স্বায়ত্বশাসিত ও সংবিধিবদ্ধ সংস্থা,
- এবং সরকারি ও বিদেশি অর্থায়নে সৃষ্ট বা পরিচালিত বেসরকারি সংস্থার স্বচ্ছতা ও গ্রহণযোগ্যতা বৃদ্ধি পাবে।
- দুর্নীতি হ্রাস পাবে ও সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হবে।

উৎস: তথ্য ও সমপ্রচার মন্ত্রণালয়।
৩২৮.
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুযায়ী বাংলাদেশে জনসংখ্যা কত (মিলিয়নে)?
  1. ১৬৮.৫৬ মিলিয়ন
  2. ১৬৯.৮২ মিলিয়ন
  3. ১৭০.৮৩ মিলিয়ন
  4. ১৭১.০১ মিলিয়ন
ব্যাখ্যা

জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) জনশুমারি পরিচালনা করে।
- ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুষ্ঠিত হয়: ১৫-২১ জুন ২০২২।
- চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ: নভেম্বর, ২০২৩। 
- মোট জনসংখ্যা: ১৬,৯৮,২৮,৯১১ জন।    
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.১২%। 
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১,১১৯ জন।  

উল্লেখ্য,
- মোট জনসংখ্যার এক-তৃতীয়াংশ (৩১.৬৬%) নাগরিক এখন শহরে বাস করে; দুই-তৃতীয়াংশ (৬৮.৩৪%) গ্রামে বাস করে।

• সবচেয়ে বেশি মানুষ বাস করে ঢাকা বিভাগে।
- সবচেয়ে কম মানুষ বাস করে বরিশাল বিভাগে।

• ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনে জনসংখ্যা সর্বোচ্চ ৫৯,৯০,৭২৩ জন।
- বরিশাল সিটি কর্পোরেশনে জনসংখ্যা সর্বনিম্ন ৪,১৯,৪৮৪ জন।

• ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন সর্বাধিক ঘনবসতিপূর্ণ।
- রংপুর সিটি কর্পোরেশন সর্বনিম্ন ঘনবসতিপূর্ণ।

উৎস: জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ চূড়ান্ত রিপোর্ট।

৩২৯.
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর চূড়ান্ত রিপোর্ট অনুযায়ী, দেশে হিন্দু ধর্মালম্বী জনসংখ্যার হার কত?
  1. ৬.০৪%
  2. ৭.৯৬%
  3. ৮.৪৮%
  4. ৯.১৬%
ব্যাখ্যা

জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- ধর্মভিত্তিক জনসংখ্যা,
• মুসলমান - ৯১.০৮%।
• হিন্দু - ৭.৯৬%।
• বৌদ্ধ - ০.৬১%।
• খ্রিষ্টান - ০.৩০%।
• অন্যান্য - ০.০৬%।

তথ্যসূত্র - পরিসংখ্যান ব্যুরোর ওয়েবসাইট।

৩৩০.
খানা আয় ও ব্যয় জরিপ চূড়ান্ত প্রতিবেদন-২০২২ অনুযায়ী, দেশে উচ্চ দারিদ্র্যের হার কত?
  1. ১৬.৩%
  2. ১৭.২%
  3. ১৮.৭%
  4. ১৯.১%
ব্যাখ্যা

খানা আয় ও ব্যয় জরিপ চূড়ান্ত প্রতিবেদন-২০২২:
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) Household Income and Expenditure Survey (HIES) 2022 শিরোনামে ২৭ ডিসেম্বর, ২০২৩ খানা আয় ও ব্যয় জরিপ চূড়ান্ত প্রতিবেদন-২০২২ প্রকাশ করে।
- জনপ্রতি দৈনিক ক্যালোরি গ্রহণের পরিমাণ: ২,৩৯৩ কিলোক্যালোরি।

→ খানাপ্রতি মাসিক গড় আয়: ৩২,৪২২ টাকা।
• শহর: ৪৫,৭৫৭ টাকা,
• গ্রামীণ ২৬,১৬৩ টাকা।

→ সাক্ষরতার হার (৭ বছর এবং তদূর্ধ্ব): ৭৪%।
• পুরুষ: ৭৫.৮%,
• নারী: ৭২.৬%।

→ দারিদ্র্যের হার:
- দেশে উচ্চ দারিদ্র্যের হার: ১৮.৭%।
- শহরে উচ্চ দারিদ্র্যের হার: ১৪.৭%।
- গ্রামে উচ্চ দারিদ্র্যের হার: ২০.৫%।

এছাড়াও,
- দেশে নিম্ন দারিদ্র্যের হার: ৫.৬%।
- শহরে নিম্ন দারিদ্র্যের হার: ৩.৮%।
- গ্রামে নিম্ন দারিদ্র্যের হার: ৬.৫%।

তথ্যসূত্র - খানা আয় ও ব্যয় জরিপ চূড়ান্ত প্রতিবেদন-২০২২।

৩৩১.
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ চূড়ান্ত রিপোর্ট অনুসারে, শহর অঞ্চলে বাস করে-
  1. ৬৮.৩৪%
  2. ৩১.৬৬%
  3. ৩৭.৬৬%
  4. ৬২.৩৪%
ব্যাখ্যা

 জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) জনশুমারি পরিচালনা করে।
- ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুষ্ঠিত হয়: ১৫-২১ জুন ২০২২।
- চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ: নভেম্বর, ২০২৩।
- মোট জনসংখ্যা: ১৬,৯৮,২৮,৯১১ জন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.১২%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১,১১৯ জন।
- মোট জনসংখ্যার এক-তৃতীয়াংশ (৩১.৬৬%) নাগরিক এখন শহরে বাস করে; দুই-তৃতীয়াংশ (৬৮.৩৪%) গ্রামে বাস করে।

⇒ সবচেয়ে বেশি মানুষ বাস করে ঢাকা বিভাগে।
- সবচেয়ে কম মানুষ বাস করে বরিশাল বিভাগে।
- ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনে জনসংখ্যা সর্বোচ্চ ৫৯,৯০,৭২৩ জন।
- বরিশালে জনসংখ্যা সর্বনিম্ন ৪,১৯,৪৮৪ জন।
- ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন সর্বাধিক ঘনবসতিপূর্ণ।
- রংপুর সিটি কর্পোরেশন সর্বনিম্ন ঘনবসতিপূর্ণ।

উৎস: জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ চূড়ান্ত রিপোর্ট।

৩৩২.
জন্মনীতি অনুযায়ী নাগরিকতা নির্ধারিত হয় কিসের ভিত্তিতে?
  1. জন্মস্থানের ভিত্তিতে
  2. সম্পত্তির ভিত্তিতে
  3. ভাষার ভিত্তিতে
  4. পিতা-মাতার নাগরিকতার ভিত্তিতে
ব্যাখ্যা

নাগরিকতা অর্জনের পদ্ধতি:
- নাগরিকতা অর্জনের দু'টি পদ্ধতি রয়েছে। এগুলো হচ্ছে:
(ক) জন্মসূত্রে নাগরিক- যারা জন্মগতভাবে কোন রাষ্ট্রের নাগরিকতা অর্জন করে তাদেরকে জন্মসূত্রে নাগরিক বলে।
(খ) অনুমোদনসূত্রে নাগরিক- আর যারা কতকগুলো শর্তপূরণ করে শর্ত আরোপকারী রাষ্ট্রের নাগরিকতা অর্জন করে তাদেরকে অনুমোদনসূত্রে নাগরিক বলে।

• জন্মসূত্রে নাগরিকতা অর্জনের পদ্ধতি:
- জন্মসূত্রে নাগরিকতা অর্জনের ক্ষেত্রে দু'টি নীতি মেনে চলা হয়। (ক) জন্মস্থান নীতি ও (খ) জন্মনীতি।
(ক) জন্মস্থান-নীতি:
- জন্মস্থান নীতি অনুযায়ী শিশু যে রাষ্ট্রে ভূমিষ্ট হয় সে রাষ্ট্রের নাগরিকতা অর্জন করে।
- যদি কোন রাষ্ট্রের পতাকাবাহী জাহাজ, বিমান কিংবা দূতাবাসে জন্মগ্রহণ করে তবে সে সেই রাষ্ট্রের নাগরিক বলে বিবেচিত হবে।
যেমন- বাংলাদেশের কোন পিতা-মাতার সন্তান যদি কানাডা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বা তাদের পতাকাবাহী বিমান বা দূতাবাসে জন্মগ্রহণ করে তবে সে সন্তান কানাডা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক হবে।
- অস্ট্রেলিয়া ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এই নীতি অনুসরণ করে।

(খ) জন্মনীতি:
- এই নীতি অনুযায়ী শিশু যেখানেই ভূমিষ্ট হোক না কেন, পিতা-মাতার নাগরিকতাই তার নাগরিকতা নির্ধারণ করবে। যেমন:
- জাপানের কোন পিতা-মাতার সন্তান যদি রাশিয়ায় জন্মগ্রহণ করে তবে সেই সন্তান জাপানের নাগরিক বলে বিবেচিত হবে।
- বাংলাদেশ, ফ্রান্স, জাপান, ইতালী প্রভৃতি রাষ্ট্র জন্মনীতি মেনে চলে।

• অনুমোদনসূত্রে নাগরিকতা অর্জন:
- যদি কোন ব্যক্তি অনুমোদনসূত্রে নাগরিক হতে চায় তবে তাকে নাগরিকতা অর্জনের জন্য নিম্নলিখিত এক বা একাধিক শর্ত পূরণ করতে হয়:
(১) অনুমোদনদানকারী রাষ্ট্রের নাগরিককে বিয়ে করতে হয়,
(২) সেনাবাহিনীতে যোগদান করতে হয়,
(৩) সরকারি চাকরি করতে হয়,
(৪) সম্পত্তি ক্রয় করতে হয়,
(৫) ভাষা জানতে হয়,
(৬) নির্দিষ্ট সময় বসবাস করতে হয়।

উল্লেখ্য,
- অনুমোদনের শর্ত রাষ্ট্রভেদে আলাদা হতে পারে।
- শর্ত পূরণ সাপেক্ষে একজন বিদেশীকে অনুমোদনকারী রাষ্ট্রের নিকট আবেদন করতে হয় এবং আবেদন মঞ্জুর হলেই একজন বিদেশী অনুমোদনদানকারী রাষ্ট্রের অনুমোদনসূত্রে নাগরিকে পরিণত হয়।

উৎস: পৌরনীতি, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৩৩.
৬ষ্ঠ জনশুমারির চূড়ান্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী কোন জেলায় সবচেয়ে বেশি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী বসবাস করে?
  1. খাগড়াছড়ি
  2. রাঙামাটি
  3. বান্দরবান
  4. সিলেট
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী:

- জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুযায়ী, বাংলাদেশে ‘ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর’ সংখ্যা ৫০টি।
- ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর সংখ্যা ১৬,৫০,৪৭৮ জন।
- এর মধ্যে পুরুষ ৪৯.৯৮% ও নারী ৫০.০২%।
- এর মধ্যে ৬০.০৪% চট্টগ্রাম বিভাগে বসবাস।
- এছাড়াও ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর ১৪.৮২% রাজশাহী, ৮.২৮% সিলেট, ৫.৫২% রংপুর ও ৪.৯৯% ঢাকা বিভাগে বসবাস করে।

জেলার দিক দিয়ে -
- দেশে সবচেয়ে বেশি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী বসবাস করে রাঙামাটি জেলায়।
- দ্বিতীয় অবস্থানে আছে পার্বত্য জেলা খাগড়াছড়ি।

উৎস: i) জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২।
         ii) ২৭ জুলাই ২০২২, প্রথম আলো।
৩৩৪.
খাসিয়া গ্রামগুলো কি নামে পরিচিতি?
  1. বারাং
  2. পাড়া
  3. পুঞ্জি
  4. মৌজা
ব্যাখ্যা

খাসিয়া:
- খাসিয়া সমাজে গ্রামের স্থানীয় নাম “পুঞ্জি”।
- এটি শুধু একটি বসতি নয়, বরং একটি সাংস্কৃতিক, সামাজিক ও আত্মপরিচয়ের কেন্দ্র।

উল্লেখ্য, 
- খাসিয়া বাংলাদেশে বসবাসরত একটি মাতৃতান্ত্রিক ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী।
- এরা মঙ্গোলীয় বংশোদ্ভূত।
- বাংলাদেশে তাদের আদি নিবাস বাংলাদেশের উত্তর-পূর্ব সীমান্তবর্তী সুনামগঞ্জ জেলায়।
- বর্তমানে সিলেট, সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর, তাহিরপুর, ছাতক ও সদর থানায় খাসিয়ারা ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে।
- খাসিয়ারা গ্রামকে পুঞ্জি বলে।
- পুঞ্জি প্রধানকে সিয়েম বলা হয়।
- প্রায় প্রতি পুঞ্জিতেই গির্জা আছে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

৩৩৫.
ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২-এর চূড়ান্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী, দেশে সাক্ষরতার হারে শীর্ষ জেলা- 
  1. বরিশাল
  2. মাদারীপুর
  3. নোয়াখালী
  4. পিরোজপুর 
ব্যাখ্যা

• জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১১১৯ জন।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) ৭৪.৮০%।
- পুরুষের সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) - ৭৬.৭১%।
- মহিলার সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) - ৭২.৯৪%।
- বিভাগভিত্তিক সাক্ষরতার হার সবচেয়ে বেশি ঢাকা বিভাগে (৭৮.২৪%)। 
- বিভাগভিত্তিক সাক্ষরতার হার সবচেয়ে কম ময়মনসিংহ বিভাগে (৬৭.২৩%)।
- সাক্ষরতার হারে শীর্ষ জেলা পিরোজপুর (৮৫.৫৩%)।
- সাক্ষরতার হারে সর্বনিম্ন জেলা জামালপুর (৬১.৭০%)।

উৎস: পরিসংখ্যান ব্যুরোর ওয়েবসাইট।

৩৩৬.
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুযায়ী, বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী বসবাস করে -
  1. বান্দরবানে
  2. খাগড়াছড়িতে
  3. রাঙামাটিতে
  4. মৌলভীবাজারে
ব্যাখ্যা
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুযায়ী, বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী বসবাস করে রাঙামাটিতে। 

ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী:

- জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুযায়ী, বাংলাদেশে ‘ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর’ সংখ্যা ৫০টি।
- বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী বসবাস করে রাঙামাটিতে। এ জেলায় এসব জাতিগোষ্ঠীর মানুষের সংখ্যা ৩ লাখ ৭২ হাজার ৮৬৪। 
- জেলার দিক দিয়ে -দ্বিতীয় অবস্থানে আছে পার্বত্য জেলা খাগড়াছড়ি।

⇒ ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর সংখ্যা ১৬,৫০,৪৭৮ জন।
- এর মধ্যে পুরুষ ৪৯.৯৮% ও নারী ৫০.০২%।
- এর মধ্যে ৬০.০৪% চট্টগ্রাম বিভাগে বসবাস।
- এছাড়াও ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর ১৪.৮২% রাজশাহী, ৮.২৮% সিলেট, ৫.৫২% রংপুর ও ৪.৯৯% ঢাকা বিভাগে বসবাস করে।

⇒ পার্বত্য চট্টগ্রামে ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।
- এ অঞ্চলে বসবাস করে ১৩টি ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর মানুষ।
- তাদের মধ্যে চাকমা, ত্রিপুরা, ম্রো, খুমি, লুসাই, মারমা, রাখাইন, চাক, বম, খেয়াং, পাঙ্খোয়া জাতিগোষ্ঠী উল্লেখযোগ্য। 

⇒ সংখ্যার দিক দিয়ে -
- বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী হলো চাকমা।
- দ্বিতীয় অবস্থানে আছে মারমা।
- তৃতীয় অবস্থানে আছে ত্রিপুরা।

উৎস: i) জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২।
ii) প্রথম আলো।
৩৩৭.
NIPORT কোন ধরনের প্রতিষ্ঠান?
  1. আর্থিক সংস্থা 
  2. স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান 
  3. স্থানীয় সরকার সংস্থা
  4. আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান
ব্যাখ্যা

NIPORT:
-  NIPORT এর পূর্ণরূপ- National Institute of Population Research and Training.
- NIPORT (ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব পপুলেশন রিসার্চ অ্যান্ড ট্রেনিং) হলো বাংলাদেশের জাতীয় জনসংখ্যা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট।
- এটি মূলত স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে পরিচালিত একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান।
-
এর মূল কাজ হচ্ছে-
∗ জনসংখ্যা, স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা খাতে গবেষণা পরিচালনা করা,  
∗ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রশিক্ষণ দেওয়া,
∗ নীতি নির্ধারণে সহায়তা করা।

উল্লেখ্য,
- নিপোর্টের আওতায় ১৪টি আঞ্চলিক জনসংখ্যা প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (RPTI) আছে।
- এছাড়া এর আওতায় রয়েছে ২১টি আঞ্চলিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (RTC)।

উৎস: জাতীয় জনসংখ্যা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (নিপোর্ট)। 

৩৩৮.
কৃষিশুমারি-২০১৯ অনুযায়ী, দেশে কত শতাংশ খানার কোনো ধরনের জমি নাই?
  1. ১০.৮৮ শতাংশ
  2. ১১.৩৪ শতাংশ
  3. ১২.৪৪ শতাংশ
  4. ১২.৬২ শতাংশ
ব্যাখ্যা

কৃষিশুমারি-২০১৯:
- বাংলাদেশে সর্বশেষ কৃষি শুমারি অনুষ্ঠিত হয়েছে ২০১৯ সালে।
- এটি ছিল ষষ্ঠ কৃষি শুমারি (শস্য, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ) এবং এটি জাতিসংঘের FAO কর্তৃক পরিচালিত একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।
- সাধারণত প্রতি ১০ বছর অন্তর এই শুমারি অনুষ্ঠিত হয়।
- উদ্দেশ্য: শস্য, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপখাতগুলোর পরিবারভিত্তিক খামার সম্পর্কিত তথ্য সংগ্রহ করা।

• কৃষিশুমারি-২০১৯ অনুযায়ী,
- বাংলাদেশে মোট ৩ কোটি ৫৫ লাখ ৩০ হাজার খানার ১১.৩৪ শতাংশের কোনো ধরনের জমি নেই। 
- দেশে মোট ৩ কোটি ৫৫ লাখ খানার মধ্যে যাদের কোনো ধরনের জমি নেই এই রকম ভূমিহীন ৪০ লাখ ৩০ হাজার খানা। 
- মোট খানার ৮৩.৩৭ শতাংশ রয়েছে গ্রামে আর বাকি ১৬.৬৩ শতাংশ শহরাঞ্চলে।
- কৃষিশুমারির প্রতিবেদন অনুযায়ী, বাংলাদেশে বর্তমানে মোট খানার সংখ্যা ৩ কোটি ৫৫ লাখ ৩০ হাজার। এরমধ্যে শহরের খানার সংখ্যা ৫৯ লাখ এবং গ্রামাঞ্চলে ২ কোটি ৯৬ লাখ।
- শহরের মোট খানার মধ্যে ১৭ লাখ বা মধ্যে ২৮ দশমিক ৭৯ শতাংশ এবং গ্রামের মোট খানার ৭ দশমিক ৮৬ শতাংশ সম্পূর্ণ ভূমিহীন।
- অনুষ্ঠানে বলা হয়, সর্বোচ্চ ১৮ দশমিক ৬৫ শতাংশ ভূমিহীন খানা রয়েছে ঢাকা বিভাগে। এরপরেই রয়েছে সিলেট এবং খুলনা বিভাগে যথাক্রমে শতকরা ১৩ দশমিক ৬৪ শতাংশ এবং ৯ দশমিক ৮২ শতাংশ।

উৎস: i) বিবিএস ওয়েবসাইট।
ii) সমকাল।

৩৩৯.
বর্তমানে বাংলাদেশে পুরুষ ও নারীর অনুপাত কত? (সেপ্টেম্বর-২০২৫)
  1. ১০০:১০৩
  2. ৯৮:১০০
  3. ১০৩:১০০
  4. ১০০:৯৮
ব্যাখ্যা

- ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুষ্ঠিত হয় ১৫-২১ জুন ২০২২ সালে।
- এটি দেশের প্রথম ডিজিটাল শুমারি।
- জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর তথ্য সংগ্রহে যে পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে CAPI.
- মোট জনসংখ্যা: ১৬ কোটি ৯৮ লাখ ২৮ হাজার ৯১১ জন।
- জনশুমারি অনুষ্ঠিত হয় ১০ বছর পর পর।
- গণনাকৃত জনসংখ্যা ১৬,৫১,৫৮,৬১৬ জন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ১.১২%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব প্রতি বর্গকিলোমিটারে ১,১১৯ জন।
- পুরুষ ও নারীর অনুপাত ৯৮ ও ১০০।
- দেশে সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) ৭৪.৮০%।
- ২০২২ সালে খানার গড় আকার - ৩.৯৮।

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS)।

৩৪০.
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর চূড়ান্ত রিপোর্ট অনুযায়ী বাংলাদেশে কোন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি?
  1. চাকমা
  2. মারমা
  3. ত্রিপুরা
  4. গারো
ব্যাখ্যা
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী জনসংখ্যা ১৬,৫০,৪৭৮ জন।
- ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীভুক্ত জনসংখ্যা সবচেয়ে বেশি বাস করে চট্টগ্রাম বিভাগে (এ জনগোষ্ঠীর ৬০.০৪%)।
- উপজাতির সংখ্যা সবচেয়ে কম বরিশাল বিভাগে (০.২৫%)।
- বাংলাদেশে বসবাসকারী ক্ষুদ্র জনগোষ্ঠীর মধ্যে চাকমা ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।
• চাকমা - ৪,৮৩,৩৬৫।
• মারমা - ২,২৪,২৯৯।
• ত্রিপুরা - ১,৫৬,৬২০।
• সাঁওতাল - ১,২৯,০৫৬।
• ওরাওঁ - ৮৫,৮৫৮।
• গারো - ৭৬,৮৫৪।

তথ্যসূত্র - পরিসংখ্যান ব্যুরোর ওয়েবসাইট।
৩৪১.
সম্প্রতি প্রকাশিত জাতীয় বহুমাত্রিক দারিদ্র্য সূচক অনুসারে, কোন জেলায় দারিদ্র্যের হার সবচেয়ে বেশি? [ডিসেম্বর, ২০২৫]
  1. বান্দরবান 
  2. পিরোজপুর 
  3. ভোলা 
  4. লালমনিরহাট 
ব্যাখ্যা

জাতীয় বহুমাত্রিক দারিদ্র্য সূচক:
- ৩১ জুলাই ২০২৫ তারিখে পরিকল্পনা কমিশনে সাধারণ অর্থনীতি বিভাগের (জিইডি) পক্ষ থেকে ‘বাংলাদেশের জাতীয় বহুমাত্রিক দারিদ্র্য সূচক’ শীর্ষক প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়।
- দেশে প্রথমবারের মতো বহুমাত্রিক দারিদ্র্য সূচক (এমপিআই) প্রকাশ করেছে পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগ (জিইডি)। 
- এ সূচকে ব্যক্তির আয়-রোজগারের ভিত্তিতে দারিদ্র্য নিরূপণ করা হয় না, বরং বিভিন্ন সেবার প্রাপ্যতার ভিত্তিতে দারিদ্র্য নির্ধারণ করা হয়।
- মোট ১১টি সূচকের সমন্বয়ে এই দারিদ্র্য হিসাব করা হয়। সেগুলো হলো, বিদ্যুতের প্রাপ্যতা, স্যানিটেশন, পানির প্রাপ্যতা, আবাসনের মান, রান্নার জ্বালানির প্রাপ্যতা, সম্পদের প্রাপ্যতা, ইন্টারনেট সংযোগ, বিদ্যালয়ে শিশুদের উপস্থিতির হার, শিশুদের শিক্ষাকালের ব্যাপ্তি, পুষ্টি এবং প্রজনন স্বাস্থ্যসেবা।
- ২০১৬ সালের খানা আয়-ব্যয় জরিপ (হেইস) এবং ২০১৯ সালের বহু সূচকবিশিষ্ট গুচ্ছ জরিপের (মিকস) ওপর ভিত্তি করে এই প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়েছে। 

⇒ এমপিআই প্রতিবেদনে দেখা গেছে, দেশে ২৪.৫ শতাংশ মানুষ বহুমাত্রিক দারিদ্র্যে রয়েছে, যা সংখ্যায় প্রায় ৩ কোটি ৯৮ লাখ। 
- গ্রামীণ এলাকায় এই হার ২৬.৯৬ শতাংশ, আর শহরে ১৩.৪৮ শতাংশ। 
- সিলেট বিভাগে এই দারিদ্র্যের হার সর্বোচ্চ (৩৭.৭০ শতাংশ) এবং সবচেয়ে কম খুলনা বিভাগে।

⇒ প্রতিবেদনে আরও জানানো হয়, বহুমাত্রিকতার বিচারে সবচেয়ে বেশি দারিদ্র্য হার বান্দরবানে ৬৫.৩৬ শতাংশ। এরপরের অবস্থানে থাকা কক্সবাজারে এ হার ৪৭.৭০ শতাংশ। বহুমাত্রিক দারিদ্র্যে শীর্ষ ১০ জেলার মধ্যে আরও আছে যথাক্রমে সুনামগঞ্জে ৪৭.৩৬, রাঙ্গামাটিতে ৪৫.৮৯, ভোলায় ৪৫.১২, নেত্রকোণায় ৩৮.২১, হবিগঞ্জে ৩৭.৪৮, খাগড়াছড়িতে ৩৬.৯১, কিশোরগঞ্জে ৩৬.১১ এবং কুড়িগ্রামে ৩৯.২৪ শতাংশ।

⇒ এছাড়া সবচেয়ে কম বহুমাত্রিক দারিদ্র্যের শিকার ঝিনাইদহে ৮.৬৬ শতাংশ মানুষ। এরপরের শীর্ষ ১০ জেলাগুলোর মধ্যে যথাক্রমে ঢাকায় ৯.১৯, গাজীপুরে ৯.৬৩, যশোরে ১০.৫৮, মেহেরপুরে ১১.০৮, কুষ্টিয়ায় ১২.২২, চুয়াডাঙ্গায় ১৩.৫১, মানিকগঞ্জে ১৪.০৭, ফেনীতে ১৪ শতাংশ এবং দিনাজপুরে ১৪.৬২ শতাংশ বহুমাত্রিক দারিদ্র্য রয়েছে বলে জানিয়েছে জিইডি।

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) General Economics Division ওয়েবসাইট।

৩৪২.
জনসংখ্যা অনুসারে বিশ্বের বৃহত্তম শহর কোনটি? (জুন-২০২৫)
  1. দিল্লি
  2. সাংহাই
  3. কায়রো
  4. টোকিও
ব্যাখ্যা
• জনসংখ্যা অনুসারে বৃহত্তম শহর- টোকিও।
• জনসংখ্যা অনুসারে দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর- দিল্লি।
• জনসংখ্যা অনুসারে তৃতীয় বৃহত্তম শহর- সাংহাই।
• জনসংখ্যা অনুসারে ঢাকা শহরের অবস্থান- চতুর্থ।

উৎস: world population review.
৩৪৩.
আদমশুমারি পরিচালনা করে কোন প্রতিষ্ঠান?
  1. তথ্য মন্ত্রণালয়
  2. পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়
  3. বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো
  4. অর্থ মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা
• আদমশুমারি:
- আদমশুমারি পরিচালনা করে: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।
- বাংলাদেশের নাগরিকের ভোটার হওয়ার জন্য সর্বনিম্ন বয়স ১৮  বছর।
- নিপোর্ট ঢাকার আজিমপুরে অবস্থিত।
- স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭৪ সালে।
- এ পর্যন্ত আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়: ৬ বার যথা- 
- ১৯৭৪, ১৯৮১, ১৯৯১, ২০০১, ২০১১ এবং ২০২২সালে।
- আদম শুমারি পরিচালনা করে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।
- আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয় ১০ বছর পরপর।

⇒ উল্লেখ্য,
- উপমহাদেশে প্রথম আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়: ১৮৭২সালে।
- প্রথম আদমশুমারি হয় লর্ড মেয়োর সময়।
- সর্বশেষ আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়: ১৫-২১ জুন ২০২২।

উৎস: পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়।
৩৪৪.
২০২২ সালের জনশুমারি ও গৃহগণনা চূড়ান্ত তথ্যে শহরে ইন্টারনেট ব্যবহারকারী কত শতাংশ?
  1. ৪১.৩০%
  2. ৪৫.৭৩%
  3. ৪৯.৮১%
  4. ৫২.৬৮%
ব্যাখ্যা

জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) জনশুমারি পরিচালনা করে।
- ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুষ্ঠিত হয় : ১৫-২১ জুন ২০২২ সালে।
- এটি দেশের প্রথম ডিজিটাল শুমারি।
- জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর তথ্য সংগ্রহে যে পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে -  CAPI.
- CAPI এর পূর্ণরূপ - Computer Assisted Personal Interviewing.
- গণনায় যে পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে-  মোডিফাইড ডি-ফ্যাক্টো (Modified De-facto) পদ্ধতি।
- মোট জনসংখ্যা: ১৬ কোটি ৯৮ লাখ ২৮ হাজার ৯১১ জন।
- ইন্টারনেট ব্যবহারকারী (৫বছর ও তদূর্ধ্ব),
- মোট ব্যবহারকারী - ৩০.৬৯%।
- পুরুষ ব্যবহারকারী - ৩৮.০৪%।
- নারী ব্যবহারকারী - ২৩.৫২%।
- ঢাকা বিভাগে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি - ৪০.৪২%।
- রংপুর বিভাগে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা সবচেয়ে কম - ২৩.৫২%।
• শহর - ৪১.৩০%।
• গ্রাম - ২৫.৭৩%।

তথ্যসূত্র - পরিসংখ্যান ব্যুরোর ওয়েবসাইট।

৩৪৫.
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর চূড়ান্ত রিপোর্ট অনুযায়ী বাংলাদেশে বসবাসকারী হিন্দু ধর্মাবলম্বীর সংখ্যা মোট জনসংখ্যার কত শতাংশ?
  1. ৬.৮৪%
  2. ৭.৯৬%
  3. ৮.৩৭%
  4. ৯.৬৯%
ব্যাখ্যা
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- মোট জনসংখ্যা: ১৬ কোটি ৯৮ লাখ ২৮ হাজার ৯১১ জন।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি ঢাকা বিভাগে। (২১৫৬ জন)।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে কম বরিশাল বিভাগে। (৬৮৮ জন)।
- সবচেয়ে ঘনবসতিপূর্ণ জেলা- ঢাকা (১০০৬৭ জন)।
- সবচেয়ে কম ঘনবসতিপূর্ণ জেলা- রাঙ্গামাটি (১০৬ জন)।

⇒ ধর্মভিত্তিক জনসংখ্যা,
• মুসলমান - ৯১.০৮%।
• হিন্দু - ৭.৯৬%।
• বৌদ্ধ - ০.৬১%।
• খ্রিষ্টান - ০.৩০%।
• অন্যান্য - ০.০৬%।

তথ্যসূত্র - পরিসংখ্যান ব্যুরোর ওয়েবসাইট।
৩৪৬.
কোন জেলায় ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি?
  1. রাঙ্গামাটি
  2. খাগড়াছড়ি
  3. বান্দরবান
  4. রাজশাহী
ব্যাখ্যা
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুযায়ী:
- দেশের ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর জনসংখ্যা ১৬ লাখ ৫০ হাজার ১৫৯।
- ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর নারীর সংখ্যা ৮ লাখ ২৫ হাজার ৪০৮।
- পুরুষের সংখ্যা ৮ লাখ ২৪ হাজার ৭৫১ জন।
- জনশুমারিতে দেশের ৫০টি জাতিসত্তার জনসংখ্যা তুলে ধরা হয়।
- এর মধ্যে চাকমাদের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি
- সংখ্যার দিক দিয়ে দ্বিতীয় এবং তৃতীয় অবস্থানে মারমা ও ত্রিপুরা।
- ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মধ্যে সবচেয়ে কম সংখ্যায় ভিল জনগোষ্ঠীর।এই জনগোষ্ঠীর মাত্র ৯৫ জন রয়েছে বাংলাদেশে।
- এরপর গুর্খা জনগোষ্ঠী সংখ্যা ১০০ জন বাংলাদেশে বসবাস করছে।
- হো জনগোষ্ঠীর মানুষ আছে ২২৩ জন।
- রাঙামাটিতে ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।
- ২য় পার্বত্য জেলা খাগড়াছড়ি।

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।
৩৪৭.
বাংলাদেশে মোট কয়টি জনশুমারি অনুষ্ঠিত হয়েছে? [ডিসেম্বর, ২০২৪]
  1. ৪টি
  2. ৫টি
  3. ৬টি
  4. ৭টি
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

জনশুমারি:
- পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের অধীনে জনশুমারি অনুষ্ঠিত হয়।
- স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম জনশুমারি অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭৪ সালে।
- প্রথম জনশুমারিতে বাংলাদেশের জনসংখ্যা ছিল প্রায় ৭.৬৪ কোটি।
- এ পর্যন্ত বাংলাদেশে মোট ৬টি জনশুমারি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
- সর্বশেষ জনশুমারি হয় ২০২২ সালে যেটা বাংলাদেশ এর ৬ষ্ঠ জনশুমারি।
- ষষ্ঠ জনশুমারির নাম 'জনশুমারি ও গৃহগণনা'।

উল্লেখ্য, 
- ২০১৩ সালে জাতীয় সংসদে পাস হওয়া ‘পরিসংখ্যান আইন- ২০১৩ অনুযায়ী আদমশুমারি ও গৃহগণনা’ র নাম পরিবর্তন করে ‘জনশুমারি ও গৃহগণনা’ করা হয়।
- বাংলাদেশে ‘জনশুমারি ও গৃহগণনা’ অনুষ্ঠিত হয় → ১০ বছর পর।
- বাংলাদেশের ৬টি জনশুমারি যথা: 
১ম → ১৯৭৪ সালে।
২য় → ১৯৮১ সালে।
৩য় → ১৯৯১ সালে।
৪র্থ → ২০০১ সালে।
৫ম → ২০১১ সালে।
৬ষ্ঠ → ২০২২ সালে।

তথ্যসূত্র: পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
৩৪৮.
চাকমা সম্প্রদায়ের গ্রাম গুলো কী নামে পরিচিত?
  1. আদাম
  2. পুঞ্জি
  3. রোয়া
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী -
- চাকমা শাসন ব্যবস্থায় গ্রাম প্রধানকে বলা হয় কারবারি।
- কারবারির কাজ হলো রাজার পক্ষ গ্রামের বিভিন্ন বিরোধের নিষ্পত্তি করা ।
- এদের রাজার সুপারিশে সরকারের পক্ষ থেকে নিয়োগ দেওয়া হয়।
- চাকমাদের গ্রামগুলো আদাম নামে পরিচিত।

অন্যদিকে,
- সাওতালদের গ্রাম: দিশাম।
- মারমাদের গ্রাম: রোয়া।
- খাসিয়াদের গ্রাম: পুঞ্জি।

উৎস: ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ভাষা ও সংস্কৃতি, সপ্তম শ্রেণি।
৩৪৯.
ভারতীয় উপমহাদেশে প্রথম আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয় কবে?
  1. ১৮৭২ সালে
  2. ১৮৭৫ সালে
  3. ১৯১০ সালে
  4. ১৯০৫সালে
ব্যাখ্যা
• আদমশুমারি:
- স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭৪ সালে।
- এ পর্যন্ত আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়: ৬ বার যথা- 
- ১৯৭৪, ১৯৮১, ১৯৯১, ২০০১, ২০১১ এবং ২০২২সালে।
- আদম শুমারি পরিচালনা করে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।
- আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয় ১০ বছর পরপর।
- আদমশুমারি পরিচালনা করে: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।
- উপমহাদেশে প্রথম আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়: ১৮৭২সালে।
- প্রথম আদমশুমারি হয় লর্ড মেয়োর সময়।
- সর্বশেষ আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়: ১৫-২১ জুন ২০২২।

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।
৩৫০.
বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার মধ্যে পল্লি অঞ্চলে কত শতাংশ জনসংখ্যা বসবাস করে?
  1. ৪৮.৩৫%
  2. ৬৮.৩৪%
  3. ৫৮.৬৬%
  4. ৭৮.৩৩%
ব্যাখ্যা

• ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- অনুষ্ঠিত হয় ১৫-২১ জুন ২০২২ সালে।
- এটি দেশের প্রথম ডিজিটাল শুমারি।
- জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর তথ্য সংগ্রহে যে পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে CAPI.
- মোট জনসংখ্যা: ১৬ কোটি ৯৮ লাখ ২৮ হাজার ৯১১ জন।
- জনশুমারি অনুষ্ঠিত হয় ১০ বছর পর পর।
- গণনাকৃত জনসংখ্যা ১৬,৫১,৫৮,৬১৬ জন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ১.১২%।
- জনসংখ্যার মধ্যে পল্লি অঞ্চলে বসবাস করে - ১১,৬০,৬৫,৮০৪ জন (৬৮.৩৪%)।
- জনসংখ্যার মধ্যে শহর অঞ্চলে বসবাস করে- ৫,৩৭,৬৩,১০৭ জন (৩১.৬৬%)
- জনসংখ্যার ঘনত্ব প্রতি বর্গকিলোমিটারে ১,১১৯ জন।
- পুরুষ ও নারীর অনুপাত ৯৮ ও ১০০।
- দেশে সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) ৭৪.৮০%।
- ২০২২ সালে খানার গড় আকার - ৩.৯৮।

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS)।

৩৫১.
বাংলাদেশ স্যাম্পল ভাইটাল স্ট্যাটিসটিকস ২০২৩ চূড়ান্ত প্রতিবেদন অনুসারে, প্রতি হাজারে জনসংখ্যার স্থূল জন্মহার কত?
  1. ১৭.৬
  2. ১৮.৫
  3. ১৯.৪
  4. ২০.১
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

বাংলাদেশ স্যাম্পল ভাইটাল স্ট্যাটিসটিকস ২০২৩ চূড়ান্ত প্রতিবেদন অনুসারে, প্রতি হাজারে জনসংখ্যার স্থূল জন্মহার ১৯.৪।

বাংলাদেশ স্যাম্পল ভাইটাল স্ট্যাটিসটিকস-২০২৩:

- চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ: আগস্ট, ২০২৪।
- সংস্থা: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।

উল্লেখ্য,
- মোট জনসংখ্যা: ১৭১ মিলিয়ন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.৩৩%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব প্রতি বর্গ কি.মি.-এ: ১,১৭১ জন।

⇒ প্রতি হাজার জনসংখ্যায় স্থূল জন্মহার ১৯.৪।
- প্রতি হাজার জনসংখ্যায় স্থূল মৃত্যুহার ৬.১।
- বর্তমানে মাতৃমৃত্যুহার প্রতি ১০০০ জনে ১.৩৬।
- পুরুষদের প্রথম বিবাহের গড় বয়স ২৪.২ বছর এবং নারীদের ১৮.৪ বছর।
- প্রতি হাজার জনসংখ্যায় অভ্যন্তরীণ স্থানান্তরের ক্ষেত্রে পল্লিতে আগমনের হার ২০.৪ এবং শহরে আগমনের হার ৪৩.৪।

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।
৩৫২.
খানা আয় ও ব্যয় জরিপ চূড়ান্ত প্রতিবেদন-২০২২ অনুযায়ী, গ্রামে নিম্ন দারিদ্র্যের হার কত?
  1. ৪.৬%
  2. ৫.৯%
  3. ৬.৫%
  4. ৭.২%
ব্যাখ্যা

খানা আয় ও ব্যয় জরিপ চূড়ান্ত প্রতিবেদন-২০২২:
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) Household Income and Expenditure Survey (HIES) 2022 শিরোনামে ২৭ ডিসেম্বর, ২০২৩ খানা আয় ও ব্যয় জরিপ চূড়ান্ত প্রতিবেদন-২০২২ প্রকাশ করে।
- জনপ্রতি দৈনিক ক্যালোরি গ্রহণের পরিমাণ - ২,৩৯৩ কিলোক্যালোরি।
- খানাপ্রতি মাসিক গড় আয় - ৩২,৪২২ টাকা (শহুরে ৪৫,৭৫৭ টাকা, গ্রামীণ ২৬,১৬৩ টাকা)।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর এবং তদূর্ধ্ব) - ৭৪% (পুরুষ ৭৫.৮%, নারী ৭২.৬%)।
- দেশে উচ্চ দারিদ্র্যের হার - ১৮.৭%।
- শহরে উচ্চ দারিদ্র্যের হার - ১৪.৭%।
- গ্রামে উচ্চ দারিদ্র্যের হার - ২০.৫%।

উল্লেখ্য:
- দেশে নিম্ন দারিদ্র্যের হার - ৫.৬%।
- শহরে নিম্ন দারিদ্র্যের হার - ৩.৮%।
- গ্রামে নিম্ন দারিদ্র্যের হার - ৬.৫%।

তথ্যসূত্র - খানা আয় ও ব্যয় জরিপ চূড়ান্ত প্রতিবেদন-২০২২।

৩৫৩.
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর তথ্য সংগ্রহে কোন পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে?
  1. BBSI
  2. CAPI
  3. MDFA
  4. CPIO
ব্যাখ্যা
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) জনশুমারি পরিচালনা করে।
- ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুষ্ঠিত হয় : ১৫-২১ জুন ২০২২ সালে।
- এটি দেশের প্রথম ডিজিটাল শুমারি।
- জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর তথ্য সংগ্রহে যে পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে -  CAPI.
- CAPI এর পূর্ণরূপ - Computer Assisted Personal Interviewing.
- গণনায় যে পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে-  মোডিফাইড ডি-ফ্যাক্টো (Modified De-facto) পদ্ধতি।

তথ্যসূত্র - পরিসংখ্যান ব্যুরোর ওয়েবসাইট।
৩৫৪.
খানা আয় ও ব্যয় জরিপ ২০২২ অনুসারে, দারিদ্র‍্যের হারে শীর্ষ বিভাগ কোনটি?
  1. বরিশাল বিভাগ
  2. রংপুর বিভাগ
  3. সিলেট বিভাগ
  4. রাজশাহী বিভাগ
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

২০২২ সালের খানা আয় ও ব্যয় জরিপ:
- ২০২২ সালের খানা আয় ও ব্যয় জরিপ অনুযায়ী,
- দারিদ্র্যের হার: ১৮.৭ শতাংশ।
- অতি দারিদ্রের হার: ৫.৬ শতাংশ। 
- দারিদ্র্যের হারে শীর্ষ বিভাগ: বরিশাল।

উল্লেখ্য -
- বরিশাল বিভাগে দারিদ্র‍্যের হার: ২৬.৯%।
- রংপুর বিভাগে দারিদ্র‍্যের হার: ২৪.৮%। 
- ময়মনসিংহ বিভাগে দারিদ্র‍্যের হার: ২৪.২%।
- ঢাকা বিভাগে দারিদ্র‍্যের হার: ১৭.৯%।
- সিলেট বিভাগে দারিদ্র‍্যের হার: ১৭.৪%।
- রাজশাহী বিভাগে দারিদ্র‍্যের হার: ১৬.৭%।
- চট্টগ্রাম বিভাগে দারিদ্র‍্যের হার: ১৫.৮%। 
- খুলনা বিভাগে দারিদ্র‍্যের হার: ১৪.৮%।

উৎস: খানা আয় ও ব্যয় জরিপ ২০২২।

৩৫৫.
কোন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী নিজেদের মান্দি বলে পরিচয় দেন?
  1. চাকমা
  2. গারো
  3. মারমা
  4. খাসিয়া
ব্যাখ্যা

গারো (মান্দি) 

- গারোরা ভারতের মেঘালয় ও বাংলাদেশের বৃহত্তর ময়মনসিংহ অঞ্চলে বসবাসকারী আদিবাসী জনগোষ্ঠী।
- ভারতে আসাম এবং বাংলাদেশে টাঙ্গাইল, শেরপুর, জামালপুর, নেত্রকোনা, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার, ঢাকা ও গাজীপুরেও তাদের বসবাস আছে।
- ভাষাগতভাবে তারা বোডো-মঙ্গোলীয় ভাষাগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত।
- গারোরা নিজেদের ‘মান্দি’ বলে পরিচয় দেন; ‘মান্দি’ শব্দের অর্থ ‘মানুষ’।
- গারো সমাজে মাতৃতান্ত্রিক পরিবার প্রথা প্রচলিত।
- তাদের প্রধান সামাজিক ও ধর্মীয় উৎসব ‘ওয়ানগালা’।
- ওয়ানগালায় মিসি সালজং দেবতার উদ্দেশ্যে নতুন ফসল উৎসর্গ করা হয়।
- ওয়ানগালা না হওয়া পর্যন্ত নতুন ফসল খাওয়া হতো না।
- গারোদের আদি ধর্মের নাম ‘সাংসারেক’ বা ‘সংসারেক’।
- ১৮৬২ সালের পর অধিকাংশ গারো খ্রিষ্টধর্ম গ্রহণ করে; বর্তমানে প্রায় ৯০–৯৮% খ্রিষ্টান।
- প্রায় ২% মুসলিম ও হিন্দু এবং প্রায় ১০% ঐতিহ্যবাহী ধর্ম পালন করে (২০০৮ সালের তথ্যমতে)।
- প্রধান দেবতা তাতারা রাবুগা; অন্যান্য দেবতা মিসি সালজং, সুসাইম, গোয়েরা, কালকেম প্রমুখ।
- সালজং উর্বরতার দেবতা; সুসাইম ধনসম্পদের দেবী।
- গারোদের নিজস্ব বর্ণমালা নিয়ে গবেষণা হয়েছে; নিদর্শন বিরিশিরি কালচারাল একাডেমিতে সংরক্ষিত।
- তারা হাঁস-মুরগি, গরু-ছাগল, শূকর ইত্যাদি খায়; মদ তাদের প্রচলিত পানীয়।
- তাদের প্রিয় খাবার ‘নাখাম কারি’ (পুটি মাছের শুটকি দিয়ে তৈরি)।
- বিভিন্ন অনুষ্ঠানে শূকরের মাংস বিশেষভাবে জনপ্রিয়।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৩৫৬.
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুযায়ী, বাংলাদেশের কোন সিটি কর্পোরেশনে জনসংখ্যা সর্বাধিক?
  1. ঢাকা উত্তর
  2. চট্টগ্রাম
  3. বরিশাল
  4. ঢাকা দক্ষিণ
ব্যাখ্যা

জনশুমারি ও গৃহগণনা:
- বাংলাদেশে জনশুমারি বা আদমশুমারি হলো জনগণের সংখ্যা ও তাদের আর্থ-সামাজিক তথ্য সংগ্রহের একটি নিয়মিত রাষ্ট্রীয় প্রক্রিয়া।
- সাধারণত প্রতি ১০ বছর অন্তর এই শুমারি অনুষ্ঠিত হয়।
- বাংলাদেশে প্রথম জনশুমারি অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭৪ সালে।
- এবং সর্বশেষ ষষ্ঠ জনশুমারি সম্পন্ন হয়েছে ২০২২ সালে।
- জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুযায়ী, বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা ১৬ কোটি ৯৮ লাখ ২৮ হাজার ৯১১ জন।

- জনসংখ্যার ঘনত্ব ও বণ্টন অনুযায়ী (২০২২ সালের হিসাব অনুযায়ী),
• ঢাকা জেলা সবচেয়ে ঘনবসতিপূর্ণ (১০,০৬৭ জন প্রতি বর্গকিমি),
• আর রাঙ্গামাটি জেলা সবচেয়ে কম ঘনবসতিপূর্ণ (১০৬ জন প্রতি বর্গকিমি)।

- জেলা ও বিভাগের দিক থেকে,
• সবচেয়ে বেশি মানুষ ঢাকা বিভাগে (৪৫,৬৪,৪৫,৮৬ জন) বসবাস করে;
• এবং সবচেয়ে কম বরিশাল বিভাগে (৯,৩২৫,৮২০ জন) বসবাস করে।

• ঢাকা বিভাগের জনসংখ্যার ঘনত্ব সর্বাধিক (২,১৫৬ জন প্রতি বর্গকিমি),
• আর বরিশাল বিভাগের জনসংখ্যার ঘনত্ব সর্বনিম্ন (৬৮৮ জন প্রতি বর্গকিমি)।

- শহরভিত্তিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী,
• সবচেয়ে বেশি মানুষ ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনে (৫৯,৯০,৭২৩ জন) বসবাস করে;
• এবং সবচেয়ে কম বরিশাল সিটি কর্পোরেশনে (৭,০৮,৫৭০ জন) বসবাস করে।

- শহরগুলোর ঘনত্বের দিক থেকে,
• ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনে সর্বোচ্চ (৩৯,৪০৬ জন প্রতি বর্গকিমি),
• এবং রংপুর সিটি কর্পোরেশনে সর্বনিম্ন (৩,৪৪৫ জন প্রতি বর্গকিমি)।

উৎস: পরিসংখ্যান ব্যুরো ওয়েবসাইট।

৩৫৭.
বাংলাদেশের ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা অনুষ্ঠিত হয় কবে?
  1. ২০১৯ সালে
  2. ২০২০ সালে
  3. ২০২১ সালে
  4. ২০২২ সালে
ব্যাখ্যা

জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুষ্ঠিত হয় : ১৫-২১ জুন ২০২২ সালে।
- এটি দেশের প্রথম ডিজিটাল শুমারি।
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) জনশুমারি পরিচালনা করে।
- জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর তথ্য সংগ্রহে যে পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে -  CAPI.
- CAPI এর পূর্ণরূপ - Computer Assisted Personal Interviewing.
- গণনায় যে পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে-  মোডিফাইড ডি-ফ্যাক্টো (Modified De-facto) পদ্ধতি।
- মোট জনসংখ্যা: ১৬ কোটি ৯৮ লাখ ২৮ হাজার ৯১১ জন।
- সবচেয়ে বেশি মানুষ বাস করে - ঢাকা বিভাগে (৪৫৬৪৪৫৮৬ জন)।
- সবচেয়ে কম মানুষ বাস করে - বরিশাল বিভাগে (৯৩২৫৮২০ জন)।
- সবচেয়ে ঘনবসতিপূর্ণ জেলা- ঢাকা (১০০৬৭ জন)।
- সবচেয়ে কম ঘনবসতিপূর্ণ জেলা- রাঙ্গামাটি (১০৬ জন)।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি ঢাকা বিভাগে। (২১৫৬ জন)।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে কম বরিশাল বিভাগে। (৬৮৮ জন)।

তথ্যসূত্র - পরিসংখ্যান ব্যুরোর ওয়েবসাইট।

৩৫৮.
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২-অনুসারে, খানার গড় আকার কত?
  1. ২.৫৬
  2. ৪.৯৮
  3. ৩.৫০
  4. ৩.৯৮
ব্যাখ্যা

- ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুষ্ঠিত হয় ১৫-২১ জুন ২০২২ সালে।
- এটি দেশের প্রথম ডিজিটাল শুমারি।
- জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর তথ্য সংগ্রহে যে পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে CAPI.
- মোট জনসংখ্যা: ১৬ কোটি ৯৮ লাখ ২৮ হাজার ৯১১ জন।
- জনশুমারি অনুষ্ঠিত হয় ১০ বছর পর পর।
- গণনাকৃত জনসংখ্যা ১৬,৫১,৫৮,৬১৬ জন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ১.১২%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব প্রতি বর্গকিলোমিটারে ১,১১৯ জন।
- পুরুষ ও নারীর অনুপাত ৯৮ ও ১০০।
- দেশে সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) ৭৪.৮০%।
- ২০২২ সালে খানার গড় আকার - ৩.৯৮।

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS)।

৩৫৯.
স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম আদমশুমারি ও গৃহগণনা অনুষ্ঠিত হয় -
  1. ফেব্রুয়ারি, ১৯৭২
  2. মার্চ, ১৯৭২
  3. ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৪
  4. মার্চ, ১৯৭৪
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে প্রথম আদমশুমারি:
- স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম আদমশুমারি ও গৃহগণনা হয় ১৯৭৪ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে।
- প্রথম আদমশুমারিতে বাংলাদেশের জনসংখ্যা ছিল প্রায় ৭ কোটি ৬৩ লাখ।

⇒ কোনো দেশের বা কোনো নির্দিষ্ট অঞ্চলের মানুষ গণনাকেই মূলত আদমশুমারি বলে।
- একে একটি দেশের জনসংখ্যার সরকারি গণনা হিসেবে গণ্য করা হয়।
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর পরিচালিত বৃহত্তম পরিসংখ্যানিক কর্মকাণ্ড হচ্ছে ‘আদমশুমারি ও গৃহগণনা’।

⇒ জনশুমারি নিয়ে কিছু তথ্য:
- ভারত উপমহাদেশে প্রথম আদমশুমারি হয় ব্রিটিশ আমলে, ১৮৭২ সালে।পরের আদমশুমারি হয় ১৮৮১ সালে। এরপর থেকে এই উপমহাদেশে প্রতি ১০ বছর পরপর আদমশুমারি হয়েছে।
- এ পর্যন্ত বাংলাদেশে মোট ৬টি আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
- সেগুলো হলো: ১৯৭৪, ১৯৮১, ১৯৯১, ২০০১, ২০১১ ও ২০২২ সালে।
- ষষ্ঠ আদমশুমারির নাম 'জনশুমারি ও গৃহগণনা'।
- ২০১৩ সালে জাতীয় সংসদে পাস হওয়া ‘পরিসংখ্যান আইন-২০১৩’ অনুযায়ী ‘আদমশুমারি ও গৃহগণনার নাম পরিবর্তন করে ‘জনশুমারি ও গৃহগণনা’ করা হয়।
- প্রতি ১০ বছর পরপর ১৯৮১, ১৯৯১, ২০০১ ও ২০১১ সালে আদমশুমারি ও গৃহগণনা হয়েছে। কিন্তু করোনাভাইরাসের সংক্রমণের কারণে ২০২১ সালে না হয়ে একবছর পিছিয়ে যায়।
- ২০১১ সালে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ ও ভারত নিজেদের সীমান্ত এলাকায় আদমশুমারি করে।

উৎস: i) বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।
ii) BBC.
৩৬০.
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুযায়ী প্রথমবারের মতো কোন জনগোষ্ঠীকে আলাদাভাবে গণনা করা হয়েছে?
  1. প্রতিবন্ধী ব্যক্তি
  2. প্রবাসী বাংলাদেশী
  3. তৃতীয় লিঙ্গ 
  4. ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী
ব্যাখ্যা

- জনশুমারি ২০২২ -এ প্রথমবারের মতো তৃতীয় লিঙ্গ জনগোষ্ঠীকে  আলাদাভাবে গণনা করা হয়েছে।
- তৃতীয় লিঙ্গ জনসংখ্যা-  ৮,১২৪ জন
- যা মোট জনসংখ্যার ০.০০৫%।

এছাড়াও, 
- দেশে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীভুক্ত মোট জনসংখ্যা ১৬,৫০,৪৭৮ যার মধ্যে পুরুষ ৪৯.৯৮% ও নারী ৫০.০২%।
- ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীভুক্ত জনসংখ্যার মধ্যে সর্বাধিক ৯,৯১,০১৩ জন চট্টগ্রাম বিভাগে বসবাস করে।

• জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:

- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.১২%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১১১৯ জন।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) ৭৪.৮০%।
- পুরুষের সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) - ৭৬.৭১%।
- মহিলার সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) - ৭২.৯৪%।
- বিভাগভিত্তিক সাক্ষরতার হার সবচেয়ে বেশি ঢাকা বিভাগে (৭৮.২৪%)। -
- বিভাগভিত্তিক সাক্ষরতার হার সবচেয়ে কম ময়মনসিংহ বিভাগে (৬৭.২৩%)।
- সাক্ষরতার হারে শীর্ষ জেলা পিরোজপুর (৮৫.৫৩%)।
- সাক্ষরতার হারে সর্বনিম্ন জেলা জামালপুর (৬১.৭০%)।

উৎস: পরিসংখ্যান ব্যুরোর ওয়েবসাইট।

৩৬১.
বাংলাদেশের কোন জেলায় সবচেয়ে বেশি সংখ্যক ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী বাস করে?
  1. বান্দরবান 
  2. রাঙামাটি 
  3. খাগড়াছড়ি 
  4. শেরপুর
ব্যাখ্যা

ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী:
- জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুযায়ী, বাংলাদেশে ‘ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর’ সংখ্যা ৫০টি।
- বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী বসবাস করে রাঙামাটিতে। এ জেলায় এসব জাতিগোষ্ঠীর মানুষের সংখ্যা ৩ লাখ ৭২ হাজার ৮৬৪। 
- জেলার দিক দিয়ে -দ্বিতীয় অবস্থানে আছে পার্বত্য জেলা খাগড়াছড়ি।

⇒ ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর সংখ্যা ১৬,৫০,৪৭৮ জন।
- এর মধ্যে পুরুষ ৪৯.৯৮% ও নারী ৫০.০২%।
- এর মধ্যে ৬০.০৪% চট্টগ্রাম বিভাগে বসবাস।
- এছাড়াও ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর ১৪.৮২% রাজশাহী, ৮.২৮% সিলেট, ৫.৫২% রংপুর ও ৪.৯৯% ঢাকা বিভাগে বসবাস করে।

⇒ পার্বত্য চট্টগ্রামে ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।
- এ অঞ্চলে বসবাস করে ১৩টি ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর মানুষ।
- তাদের মধ্যে চাকমা, ত্রিপুরা, ম্রো, খুমি, লুসাই, মারমা, রাখাইন, চাক, বম, খেয়াং, পাঙ্খোয়া জাতিগোষ্ঠী উল্লেখযোগ্য। 

⇒ সংখ্যার দিক দিয়ে -
- বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী হলো চাকমা।
- দ্বিতীয় অবস্থানে আছে মারমা।
- তৃতীয় অবস্থানে আছে ত্রিপুরা।

উৎস: i) জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২।
ii) প্রথম আলো।

৩৬২.
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর চূড়ান্ত রিপোর্ট অনুযায়ী, দেশে সাক্ষরতার হার কত শতাংশ?
  1. ৭৩.২৬%
  2. ৭৪.৮০%
  3. ৭৫.০৭%
  4. ৭৬.৫৯%
ব্যাখ্যা
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) জনশুমারি পরিচালনা করে।
- ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুষ্ঠিত হয় : ১৫-২১ জুন ২০২২ সালে।
- এটি দেশের প্রথম ডিজিটাল শুমারি।
- জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর তথ্য সংগ্রহে যে পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে - CAPI.
- CAPI এর পূর্ণরূপ - Computer Assisted Personal Interviewing.
- গণনায় যে পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে- মোডিফাইড ডি-ফ্যাক্টো (Modified De-facto) পদ্ধতি।
- মোট জনসংখ্যা: ১৬ কোটি ৯৮ লাখ ২৮ হাজার ৯১১ জন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.১২%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১১১৯ জন।
- সাক্ষরতার হার: ৭৪.৮০%।
- পুরুষের সাক্ষরতার হার: ৭৬.৭১%।
- মহিলার সাক্ষরতার হার: ৭২.৯৪%।
- বিভাগভিত্তিক সাক্ষরতার হার সবচেয়ে বেশি ঢাকা বিভাগে (৭৮.২৪%)।
- বিভাগভিত্তিক সাক্ষরতার হার সবচেয়ে কম ময়মনসিংহ বিভাগে (৬৭.২৩%)।
- সাক্ষরতার হারে শীর্ষ জেলা: পিরোজপুর (৮৫.৫৩%)।
- সাক্ষরতার হারে সর্বনিম্ন জেলা: জামালপুর (৬১.৭০%)।

তথ্যসূত্র - পরিসংখ্যান ব্যুরোর ওয়েবসাইট।
৩৬৩.
কৃষি শুমারিতে কৃষির অন্তর্ভুক্ত বিষয় কোনটি?
  1. শস্য
  2. প্রাণিসম্পদ
  3. মৎস্য
  4. সবগুলো
ব্যাখ্যা
কৃষি শুমারি:
- স্বাধীনতার পর প্রথম কৃষি শুমারি হয় ১৯৭৭ সালে।
- কৃষি শুমারিতে কৃষির অন্তর্ভুক্ত বিষয় ৩টি। যথা:
• শস্য,
• মৎস্য,
• প্রাণিসম্পদ।

উল্লেখ্য,
⇒ কৃষি শুমারি পরিচালনার মাধ্যমে কৃষি খানার সংখ্যা, খানার আকার, ভূমির ব্যবহার, কৃষির প্রকার, শস্যের ধরণ, চাষ পদ্ধতি, গবাদি পশু ও হাঁস-মুরগীর সংখ্যা, মৎস্য উৎপাদন ও চাষাবাদ সংক্রান্ত তথ্যাদি এবং কৃষি ক্ষেত্রে নিয়োজিত জনবল সম্পর্কে তথ্য পাওয়া যায়।
- এ তথ্য-উপাত্ত কৃষি ক্ষেত্রের উন্নয়ন কৌশল নির্ধারণ এবং অগ্রগতি পর্যবেক্ষণে বেঞ্চমার্ক তথ্য হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
- প্রতি দশ বছর অন্তর কৃষি শুমারি অনুষ্ঠিত হয়।
- পরিসংখ্যান আইন-২০১৩ অনুযায়ী জনশুমারি এবং অর্থনৈতিক শুমারির পাশাপাশি কৃষি (শস্য, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ) শুমারি পরিচালনা করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

উৎস: i) বিবিএস ওয়েবসাইট।
ii) কৃষি মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
৩৬৪.
বাংলাদেশের কোন জেলায় জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে কম? [জনশুমারি ও গৃহগণনা চূড়ান্ত রিপোর্ট ২০২২]
  1. রংপুর
  2. রাঙ্গামাটি
  3. পিরোজপুর
  4. জামালপুর
ব্যাখ্যা
জনশুমারি ও গৃহগণনা:
- ২০১৩ সালে প্রণীত পরিসংখ্যান আইন অনুযায়ী, ইতিপূর্বে পরিচিত ‘আদমশুমারি'কে 'জনশুমারি' হিসেবে অভিহিত করা হয়।
- সে অনুসারে 'আদমশুমারি ও গৃহগণনার' পরিবর্তে ২০২২ সালের জুন মাসে '৬ষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা' অনুষ্ঠিত হয়।
- স্বাধীন বাংলাদেশে ১৯৭৪ সালে প্রথম আদমশুমারি পরিচালনা করা হয়।
- ১৯৮১ সালে দ্বিতীয় ও পঞ্চম আদমশুমারি ও গৃহগণনা ২০১১ সালে অনুষ্ঠিত হয়।

⇒ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- মোট জনসংখ্যা: ১৬,৯৮,২৮,৯১১ জন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.১২%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১,১১৯ জন।
- দেশে পুরুষ ও নারীর অনুপাত: ৯৯.০৮ : ১০০.৯০।
- সাক্ষরতার হার: ৭৪.৮০%।
- পুরুষ সাক্ষরতার হার: ৭৬.৭১%।
- নারী সাক্ষরতার হার: ৭২.৯৪%।

উল্লেখ্য,
• জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি:
- বিভাগ: ঢাকা বিভাগ; প্রতি কিলোমিটারে বসবাস - ২১৫৬ জন।
- জেলা: ঢাকা জেলা; প্রতি কিলোমিটারে বসবাস - ১০,০৬৭ জন।

• জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে কম:
- বিভাগ: বরিশাল বিভাগ; প্রতি কিলোমিটারে বসবাস - ৬৮৮ জন।
- জেলা: রাঙ্গামাটি জেলা; প্রতি কিলোমিটারে বসবাস - ১০৬ জন।

উৎস: জনশুমারি ও গৃহগণনা চূড়ান্ত রিপোর্ট ২০২২।
৩৬৫.
দেশের সর্বাধিক গুরুতর জাতীয় সমস্যা হিসেবে সরকার কোনটিকে চিহ্নিত করেছে?
  1. নিরক্ষরতা
  2. বেকারত্ব
  3. জনসংখ্যা বৃদ্ধি
  4. দুর্নীতি
ব্যাখ্যা

• জনসংখ্যা সমস্যা:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের অন্যতম অঙ্গীকার হলো সকল নাগরিকের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন।
- ১৯৭২ সালে প্রণীত বাংলাদেশের সংবিধানের ১৫, ১৬, ১৭ ও ১৮ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সকল নাগরিকের জন্য স্বাস্থ্য, শিক্ষা, খাদ্য, নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব।
- জনসংখ্যা সমস্যাকে এক নম্বর জাতীয় সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত করে ১৯৭৬ সালে একটি জনসংখ্যা নীতি প্রণয়ন করা হয়।

উল্লেখ্য
- বাংলাদেশের সরকার কর্তৃক এক নম্বর জাতীয় সমস্যা হিসেবে জনসংখ্যা বৃদ্ধিকে চিহ্নিত করা হয়েছে।
- ১৯৭৬ সালে তৎকালীন অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি জনসংখ্যা বিস্ফোরণকে জাতীয় সমস্যা হিসেবে ঘোষণা করেন এবং এর সমাধানে ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়। 

তথ্যসূত্র: i) পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর ওয়েবসাইট। (LINK)
ii) পৌরনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৬৬.
'হোয়ো’ কোন ভাষার বর্ণমালার নাম?
  1. পাংখোয়া
  2. কন্দ
  3. খেয়াং
  4. মণিপুরি মৈতৈ
ব্যাখ্যা
'হোয়ো’ ভাষা: 
- বান্দরবানের খেয়াং জনগোষ্ঠীর নিজেদের ভাষার বর্ণমালা তৈরি করা হয়েছে।
- এই বর্ণমালার নাম দেওয়া হয়েছে 'হোয়ো'।
- এই বর্ণমালা দিয়ে কম্পিউটারেও লেখালেখি করা যাবে।
- গত কয়েক বছর ধরে রোমান হরফে এই ভাষা লেখা হচ্ছিল।
- ফ্রেন্ডস অব এন্ডেঞ্জার্ড এথনিক ল্যাংগুয়েজেস (ফিল) নামের একটি সংগঠন এই ভাষাটিকে কম্পিউটারে ব্যবহার উপযোগী করতে কারিগরি সহায়তা করে। 
-  'হোয়ো' বর্ণমালায় স্বরবর্ণ ১১টি আর ব্যঞ্জনবর্ণ ২১টি। 
- খেয়াং ভাষার বর্ণমালার উদ্ভাবকেরা হলেন- ঞো জাই উ খেয়াং, চিং হ্লা উ খেয়াং, ক্য উ প্রু খেয়াং, মং হ্লা প্রু খেয়াং এবং চিং সা থুই খেয়াং।

সূত্র: ডেইলি স্টার।
৩৬৭.
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর চূড়ান্ত রিপোর্ট অনুযায়ী, দেশে মোট সিটি কর্পোরেশন কয়টি?
  1. ১০টি
  2. ১১টি
  3. ১২টি
  4. ১৩টি
ব্যাখ্যা
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- দেশে মোট সিটি কর্পোরেশন আছে - ১২টি।
- দেশে মোট উপজেলা আছে - ৪৯৫টি।
- মেট্রো থানা আছে - ১০৫টি।
- ইউনিয়নের সংখ্যা - ৪৫৯৬টি।
- মোট গ্রামের সংখ্যা - ৯০০৪৯টি।

তথ্যসূত্র - পরিসংখ্যান ব্যুরোর ওয়েবসাইট।
৩৬৮.
জাতীয় জনসংখ্যা নীতি প্রণীত হয় কত সালে?
  1. ২০১০ 
  2. ২০১২
  3. ২০১৪
  4. ২০১৮
ব্যাখ্যা

• জাতীয় জনসংখ্যা নীতি: 
- আর্থ-সামাজিক অবস্থার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে দেশের জনসংখ্যা বিষয়ে জাতীয় পর্যায়ে যে পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়, তাকেই বলা হয় দেশটির জনসংখ্যানীতি।
- এই নীতির লক্ষ্য হলো, জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ করে দেশের মানুষের জীবনমানের উন্নতি এবং আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন নিশ্চিত করা।

• প্রথম জাতীয় জনসংখ্যা নীতির রূপরেখা প্রণীত হয় ১৯৭৬ সালে।
- পরবর্তীতে ২০০৪ সালে একটি জনসংখ্যা নীতি প্রণয়ন এবং আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদন করা হয়।
- ২০০৪ সালের জনসংখ্যা নীতির উদ্দেশ্য ছিল ২০১০ সালের মধ্যে নিট প্রজনন হার-১ অর্জন করা।
- কিন্তু এ লক্ষ্য অর্জিত না হওয়ায় কর্মসূচিতে গতিশীলতা আনার জন্য জনসংখ্যানীতিকে হালনাগাদ করা একান্ত প্রয়োজন হয়ে পড়ে।
- এরই ধারাবাহিকতায় প্রণীত হয় জাতীয় জনসংখ্যানীতি ২০১২।
- এই জনসংখ্যা নীতির উদ্দেশ্যে ছিলো ২০১৫ সালের মধ্যে পরিবার পরিকল্পনা পদ্ধতি ব্যবহারকারীর হার ৭২ শতাংশ উন্নীত করে নিট প্রজনন হার ১ অর্জন করা।
- এর মাধ্যমে ২০৭০ সালের মধ্যে দেশের জনসংখ্যার স্থিতিশীলতা অর্জন করা।

• সর্বশেষ জাতীয় জনসংখ্যা নীতি প্রণীত হয় ২০২৫ সালে।
- ২৪ জুলাই ২০২৫ সালে 'বাংলাদেশ জনসংখ্যা নীতি ২০২৫' প্রকাশ করেছে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়।
- এই নীতির প্রক্ষেপণ অনুযায়ী, বাংলাদেশের জনসংখ্যা ২০৬১ সালের পর আর বাড়বে না।
- তখন দেশের জনসংখ্যা হবে ২১ কোটি।
- ২০৬২ সাল থেকে জনসংখ্যা বৃদ্ধি ঋণাত্মক হবে এবং মোট জনসংখ্যা কমতে থাকবে।
- ২০০৫ সাল থেকে বাংলাদেশ জনসংখ্যার লভ্যাংশের যে সুযোগ পেয়ে আসছে তা অব্যাহত থাকবে ২০৬১ সাল পর্যন্ত।
- তখন সমাজে প্রবীণ মানুষের হার অনেক বেশি থাকবে।


তথ্যসূত্র: পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট ও বনিক বার্তা। (Link) 

৩৬৯.
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ চূড়ান্ত রিপোর্ট অনযায়ী, বার্ষিক জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার কত?
  1. ১.২%
  2. ১.১২%
  3. ২.১২%
  4. ১.৩২%
ব্যাখ্যা
• ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- সর্বশেষ ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুষ্ঠিত হয়: ১৫-২১ জুন।
- তথ্য সংগ্রহ পদ্ধতি: CPI.
- গণনা পদ্ধতি: Modified De-fecto.
- দেশে মোট জনসংখ্যা: ১৬,৯৮,২৮,৯১১ জন।
- বার্ষিক জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.১২%।
- সাক্ষরতার হার: ৭৪.৮০%।
- সবচেয়ে বেশি মানুষ বাস করে: ঢাকায়।
- সবচেয়ে কম মানুষ বাস করে বরিশাল বিভাগে।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১১১৯জন।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি: ঢাকা বিভাগে।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে কম: বরিশাল বিভাগে।
- জেলা অনুযায়ী সবচেয়ে কম: রাঙ্গামাটি।

উৎস: ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২।
৩৭০.
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর চূড়ান্ত রিপোর্ট অনুযায়ী, কোন বিভাগে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সংখ্যা সবচেয়ে কম?
  1. সিলেট
  2. রংপুর
  3. খুলনা
  4. বরিশাল
ব্যাখ্যা

জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী জনসংখ্যা ১৬,৫০,৪৭৮ জন।
- ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীভুক্ত জনসংখ্যা সবচেয়ে বেশি বাস করে চট্টগ্রাম বিভাগে (এ জনগোষ্ঠীর ৬০.০৪%)।
- উপজাতির সংখ্যা সবচেয়ে কম বরিশাল বিভাগে (০.২৫%)।
- বাংলাদেশে বসবাসকারী ক্ষুদ্র জনগোষ্ঠীর মধ্যে চাকমা ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।
• চাকমা - ৪,৮৩,৩৬৫।
• মারমা - ২,২৪,২৯৯।
• ত্রিপুরা - ১,৫৬,৬২০।
• সাঁওতাল - ১,২৯,০৫৬।
• ওরাওঁ - ৮৫,৮৫৮।
• গারো - ৭৬,৮৫৪।

তথ্যসূত্র - পরিসংখ্যান ব্যুরোর ওয়েবসাইট।