উত্তর
ব্যাখ্যা
- কিন্তু যে অংশটি বাতিল করা হয়েছে তার ফলে দেশের সংবিধানে আবারো নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা ফিরে আসার পথ তৈরি হয়েছে এবং সংবিধানের কিছু ক্ষেত্রে সংশোধনীর জন্য গণভোটের বিধান পুনরুজ্জীবিত হয়েছে।
- আদালত পঞ্চদশ সংশোধনীর মোট ছয়টি বিধান বাতিল করেছে।
- ওই সংশোধনীতে ৫৪টি পরিবর্তন আনা হয়েছিলো।
- বাকীগুলো পরবর্তী সংসদের হাতে ছেড়ে দিয়েছে।
- তবে আইনজীবীরা বলছেন হাইকোর্টের রায়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করে করা বিধান বাতিল হলেও সংবিধানে এখনি তত্ত্বাবধায়ক সরকার ফিরছে না।
- বরং তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা যে সংশোধনীর মাধ্যমে সংবিধানে যুক্ত করা হয়, সেই ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিল করে আপিল বিভাগ যে আদেশ দিয়েছিল, তার ওপর একটি রিভিউ পিটিশন আপিল বিভাগে শুনানির অপেক্ষায় আছে।
- ২০১১ সালের ১০ মে আপিল বিভাগের সাত বিচারপতির পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ সংখ্যাগরিষ্ঠ মতামতের ভিত্তিতে ওই রায় দিয়েছিলেন।
- ২০২৪ সালের ১৮ই আগস্ট সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী চ্যালেঞ্জ করে আদালতে রিট করেন বেসরকারি সংস্থা সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদারসহ পাঁচজন।
- উল্লেখ্য, ২০১১ সালের ৩০শে জুন জাতীয় সংসদে পঞ্চদশ সংশোধনী পাশ হয়েছিলো সংসদে।
উৎস: বিবিসি বাংলা (১৭ ডিসেম্বর ২০২৪)