বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

কম্পিউটার অপারেটিং সিস্টেম

মোট প্রশ্ন৫৫৮এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

কম্পিউটার অপারেটিং সিস্টেম

PrepBank · পাতা / · ১০০ / ৫৫৮

.
ফিচার ফোন ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম কোনটি?
  1. ক) KaiOS
  2. খ) Tizen
  3. গ) Android
  4. ঘ) MacOS
ব্যাখ্যা
KaiOS হচ্ছে ফিচারফোন ভিত্তিক এডভান্সড অপারেটিং সিস্টেম। এই সিস্টেম সম্বলিত ফিচারফোনে ফোরজি সেবা পাওয়া যায়। এর লক্ষ হচ্ছে যারা স্মার্টফোন ক্রয় করার সামর্থ্য রাখেন না তারা যেন ইন্টারনেট ভিত্তিক অধিকাংশ সুবিধা এ ফোনেই ভগ করতে পারেন।
Source: KaiOStech
.
কোনটি কম্পিউটার অপারেটিং সিস্টেম নয়?
  1. Microsoft Windows
  2. MacOS
  3. Blackberry OS
  4. Ubuntu
ব্যাখ্যা
• অপারেটিং সিস্টেম:
- অপারেটিং সিস্টেম হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মধ্যে সেতুবন্ধ রচনা করে।
- কম্পিউটার বুটিং করা থেকে শুরু করে কম্পিউটার বন্ধ করা পর্যন্ত সকল কাজই অপারেটিং সিস্টেমের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রিত হয়।

• উল্লেখযোগ্য কয়েকটি কম্পিউটার অপারেটিং সিস্টেম:
- Microsoft Windows,
- Linux,
- Ubuntu,
- UNIX,
- SUN SOLARIS,
- MacOS.

• উল্লেখযোগ্য কয়েকটি মোবাইল অপারেটিং সিস্টেম:
- iOS,
- Symbian,
- Windows Phone OS,
- Android,
- Blackberry OS.

উৎস: ব্রিটানিকা।
.
অপারেটিং সিস্টেমের কেন্দ্রীয় অংশ যা সরাসরি হার্ডওয়্যারের সঙ্গে ইন্টারফেস করে তাকে বলা হয়:
  1. কার্নেল
  2. ড্রাইভার
  3. ইউজার ইন্টারফেস
  4. ফার্মওয়্যার
ব্যাখ্যা
• অপারেটিং সিস্টেমের কেন্দ্রীয় অংশ যা সরাসরি হার্ডওয়্যারের সঙ্গে যোগাযোগ করে তাকে কার্নেল (Kernel) বলা হয়। কার্নেল হল এমন একটি প্রোগ্রাম যা হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যারের মধ্যে মধ্যস্থতা করে। এটি মেমোরি ম্যানেজমেন্ট, প্রসেস ম্যানেজমেন্ট, ডিভাইস কন্ট্রোল এবং ফাইল সিস্টেম নিয়ন্ত্রণের কাজ করে। কার্নেল ছাড়া অপারেটিং সিস্টেম ঠিকমতো কাজ করতে পারে না কারণ এটি হার্ডওয়্যারের সম্পদগুলোকে কার্যকরভাবে পরিচালনা করে এবং বিভিন্ন সফটওয়্যার প্রোগ্রামকে হার্ডওয়্যারের সুবিধা ব্যবহার করার সুযোগ দেয়। তাই কার্নেল অপারেটিং সিস্টেমের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

• অপারেটিং সিস্টেম:
- অপারেটিং সিস্টেম হল এমন একটি সফটওয়্যার যা হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যারের মধ্যে সেতুবন্ধ রচনা করে।
- কম্পিউটার বুটিং থেকে শুরু করে, কম্পিউটার বন্ধ হওয়া পর্যন্ত সকল কাজ অপারেটিং সিস্টেমের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রিত হয়।

• কার্নেল (Kernel):
- অপারেটিং সিস্টেমের মূল অংশের নাম হল 'কার্নেল' (Kernel)।
- কার্নেল হল অপারেটিং সিস্টেমের মৌলিক এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ যা হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যার এর মধ্যে যোগদান করে অপারেটিং সিস্টেমকে চালু এবং পরিচালনা করে।

• কার্নেলের কাজ:
১. সিপিইউ এর শিডিউলিং এর দায়িত্ব পালন করে।
২. মেমোরি ম্যানেজমেন্ট, ডিভাইস ম্যানেজমেন্ট এর কাজ করে।
৩. ইনপুট/আউটপুট ডিভাইসের সাথে কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশের সংযোগ স্থাপন করে।

উৎস: Techtarget website.
.
Symbian মোবাইল অপারেটিং সিস্টেমটি কোন প্রতিষ্ঠান বাজারজাত করে?
  1. স্যামসাং
  2. মাইক্রোসফট
  3. নকিয়া
  4. অ্যাপল
ব্যাখ্যা
স্মার্টফোনে যে সকল অপারেটিং সিস্টেমে পরিচালিত হয় তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল:
- গুগলের অ্যান্ড্রয়েড,
- অ্যাপলের আইওএস (iOS),
- রিমের ব্ল্যাকবেরি,
- মাইক্রোসফট উইন্ডোজ,
- নকিয়ার সিম্বিয়ান (Symbian) ও
- স্যামসাংয়ের বাডা
.
নিচের কোনটি অপারেটিং সিস্টেম নয়?
  1. ক) MS-DOS
  2. খ) CP/M
  3. গ) ADA
  4. ঘ) XENIX
ব্যাখ্যা
- কম্পিউটার প্রোগ্রামের একটি ল্যাংগুয়েজ এর নাম C,
- এছাড়া আরও কয়েকটি কম্পিউটার ল্যাংগুয়েজ হলোঃ FORTAN, BASIC, ADA, C++.

অন্যদিকে, MS-DOS, CP/M, XENIX ইত্যাদি হচ্ছে অপারেটিং সিস্টেম।
.
ইউনিক্সের কোন সংস্করণটি সর্বপ্রথম বেল ল্যাবসের বাইরে পাবলিক ভার্সন হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছিল?
  1. UNIX-3
  2. UNIX-4
  3. UNIX-6
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
• UNIX-6:
- UNIX-6 (বা Unix Sixth Edition) হল ইউনিক্স অপারেটিং সিস্টেমের একটি সংস্করণ, যা 1975 সালে AT&T Bell Labs-এ উন্নত করা হয়েছিল।
- এটি ইউনিক্সের প্রথম গুরুত্বপূর্ণ সংস্করণগুলির মধ্যে একটি, যা সিস্টেমের ব্যবহার এবং সক্ষমতা বৃদ্ধি করার জন্য অনেক নতুন বৈশিষ্ট্য অন্তর্ভুক্ত করেছিল।
- UNIX-6 ছিল ইউনিক্সের জন্য একটি অগ্রগামী সংস্করণ, যা পরবর্তীতে ইউনিক্সের আধুনিক রূপের বিকাশের পথ প্রশস্ত করেছিল।

• ইউনিক্স (Unix):
- ১৯৬৯ সালে কিন থমসন AT&T-এর বেল ল্যাবরেটরি হতে মিনি কম্পিউটার PDP-7 এর জন্য সহজ, সরল এবং তুলনামূলকভাবে ছোট আকারের ইউনিক্স নামে একটি অপারেটিং সিস্টেম তৈরি করেন।
- আইনগত বাধার কারণে ১৯৭৬ সালের পূর্ব পর্যন্ত Unix কেবলমাত্র AT&T-ই ব্যবহার করতো।
- ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগিতায় ১৯৭৬ সালে ইউনিক্স-এর প্রথম পাবলিক ভার্সন UNIX-6 বের হয়।
- ১৯৭৮ সালে বের হয় Unix-7।
- একসাথে একাধিক অপারেটর কাজ করতে পারে তাই ইউনিক্স-কে মাল্টি ইউজার অপারেটিং সিস্টেম বলা হয়।
- মইেনফ্রেম কম্পিউটার থেকে শুরু করে মাইক্রোকম্পিউটারে ইউনিক্স ব্যবহার করা যায়।
- ১৯৮০ সালে মাইক্রোসফট কর্পোরেশন মাইক্রোকম্পিউটারে ব্যবহার উপযোগী ইউনিক্সের একটি নতুন ভার্সন Xenix বের করেন।
- ইউনিক্সের এই নতুন ভার্সন IBM-PC/AT তে ব্যবহারের জন্য Xenix নামে বাজারজাত হয়।

উৎস: কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
১৯৭০ সালে কোন প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজের মাধ্যমে UNIX অপারেটিং সিস্টেম তৈরি করা হয়?
  1. C
  2. C++
  3. Python
  4. Java
ব্যাখ্যা
♦ ইউনিক্স (UNIX):
- মাল্টি টাস্কিং, টাইম শেয়ারিং ও মাল্টি ইউজার অ্যাপ্লিকেশনের জন্য ইউনিক্স একটি শক্তিশালী ও কার্যকরী অপারেটিং সিস্টেম।
- ১৯৭০ সালের শুরুর দিকে যুক্তরাষ্ট্রের কেন থমসম (Ken Thompson) ও ডেনিস রিসি (Dennis Ritchie) বেল ল্যাবরেটরিতে হাই লেভেল ল্যাংগুয়েজ সি (C) ভাষার মাধ্যমে তৈরি করেন।
- ইউনিক্স একটি শক্তিশালী ও নমনীয় পরিচালনা পদ্ধতির অপারেটিং সিস্টেম, যা নোটবুক কম্পিউটার থেকে শুরু করে সুপার কম্পিউটার পর্যন্ত ব্যবহার করা যায়।
- ইউনিক্সের একটি প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো বহু ব্যবহারকারী একই সাথে অনেক কি-বোর্ড ও মাউস ব্যবহার করতে পারেন, যা শুধুমাত্র একটি সিপিইউয়ে সংযুক্ত।
- ইউনিক্সের আরেকটি অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো একটি সিপিইউ মাল্টি প্রসেসর সিস্টেমকে সাপোর্ট দিতে পারে। তবে ইউনিক্স মূলত সার্ভার অপারেটিং সিস্টেম হিসেবে বেশি ব্যবহৃত হয়।
- ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগিতায় ১৯৭৬ সালে ইউনিক্সের প্রথম পাবলিক ভার্সন Unix-6 উদ্ভাবিত হয়।
- ১৯৮০ সালে মাইক্রোসফট কর্পোরেশন মাইক্রোকম্পিউটারে ব্যবহার উপযোগী ইউনিক্সের একটি নতুন ভার্সন Xenix বের করে, যা IBM-PC/AT তে ব্যবহারের জন্য।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
যে অপারেটিং সিস্টেমে একটির পর আরেকটি প্রোগ্রাম পর্যায়ক্রমে পরিচালনা করে তাকে___।
  1. ক) ব্যাচ প্রসেসিং অপারেটিং সিস্টেম।
  2. খ) ইন্টার-একটিভ মোড।
  3. গ) মাল্টিপ্রসেসিং অপারেটিং সিস্টেম।
  4. ঘ) মাল্টি প্রোগ্রামিং অপারেটিং সিস্টেম।
ব্যাখ্যা

যে অপারেটিং সিস্টেমে একটির পর আরেকটি প্রোগ্রাম পর্যায়ক্রমে পরিচালনা করে তাকে ব্যাচ প্রসেসিং অপারেটিং সিস্টেম বলে।

- ব্যাচ প্রসেসিং (বা ব্যাচ মােড) অপারেটিং সিস্টেমে একটি নির্দিষ্ট সময়ে একটি প্রােগ্রাম অথবা কিছু সময়ব্যাপী সংগৃহীত ডেটা প্রসেস করার পর অন্য আরেকটি প্রোগ্রাম বা ডেটা একসঙ্গে প্রসেস করা হয়।
- কম্পিউটারকে সচল রেখে বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার ব্যবহার করতে যে সফটওয়্যার প্রয়োজন হয় তাকে অপারেটিং সিস্টেম (Operating System) বলে। - একটি কম্পিউটার অন হওয়ার সাথে সাথেই অপারেটিং সিস্টেমের কাজ শুরু হয়।

সূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)

.
DOS এবং Windows অপারেটিং সিস্টেমের মূল পার্থক্য কী?
  1. ক) উইন্ডোজ আকারে অনেক বড়
  2. খ) উইন্ডোজ দ্রুত কাজ করে
  3. গ) উইন্ডোজ সিঙ্গেল টাস্কিং অপারেটিং সিস্টেম
  4. ঘ) উইন্ডোজ Graphical User Interface ব্যবহার করে
ব্যাখ্যা
Graphical User Interface Operating System (GUI) হলো চিত্রভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম। এই অপারেটিং সিস্টেমে মাউস, কি-বোর্ড ব্যবহার করে কমান্ড প্রয়োগ করা হয়। যেমনঃ Windows 95/98/XP/Vista/7/8/10, MacOS ইত্যাদি। Character User Interface Operating System (CUI) হলো বর্ণ বা কমান্ডভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম। এখানে কি-বোর্ডের সাহায্যে বিভিন্ন বর্ণ টাইপ করে এবং কি-বোর্ডের বিভিন্ন কি ব্যবহার করে নির্দেশ প্রদান করা হয়। যেমনঃ MS-DOS, PC-DOS and UNIX ইত্যাদি।
Source: Britannica, magora-systems and elprocus
১০.
কম্পিউটার তৈরি করার সময় উহার মেমোরিতে যে প্রোগ্রামসমূহ স্থায়ীভাবে সংরক্ষন করে দেওয়া হয় তাকে বলে ____।
  1. ক) RAM
  2. খ) Firmware
  3. গ) ROM
  4. ঘ) সবগুলোই
ব্যাখ্যা
কম্পিউটার তৈরি করার সময় উহার মেমোরিতে যে প্রোগ্রামসমূহ স্থায়ীভাবে সংরক্ষন করে দেওয়া হয় তাকে ফার্মওয়্যার বলে। এ সকল প্রোগ্রামের কোন পরিবর্তন করা যায় না। কম্পিউটারের স্থায়ীভাবে রাখা দরকার সেইসব নির্দেশের তালিকা এবং ডাটাগুলোকে কম্পিউটার প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান কম্পিউটার তৈরির কম্পিউটারের সেমিকন্ডাক্টর রমে স্থায়ীভাবে সংরক্ষিত রাখার ব্যবস্থা করেন। এই অত্যাবশ্যকীয় ডেটাগুলো এবং কার্যনির্দেশের তালিকাগুলো কম্পিউটার চালু করা মাত্রই কার্যকরী হয়। অবশ্য অনেক কম্পিউটার বিজ্ঞানী ফার্মওয়্যার বলতে শুধু অত্যাবশ্যকীয় ডাটাগুলো এবং কার্যনির্দেশের তালিকাগুলো বোঝাতে চান না। তাঁদের মতে, 'ডাটা ও কার্যনির্দেশাবলী এবং হার্ডওয়্যারের মিলিত নামকে ফার্মওয়্যার বলে। উদাহরণস্বরূপ- ROM BIOS এর মধ্যে যে ডাটা এবং নির্দেশগুলো থাকে তা ফার্মওয়্যার।
১১.
কোনটি ওপেন সাের্স অপারেটিং সিস্টেম?
  1. ক) ক্যালডেরা
  2. খ) ফেডােরা
  3. গ) রেডহ্যাট লিনাক্স
  4. ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা
যে অপারেটিং সিস্টেমের সোর্স কোড সবার জন্য উন্মুক্ত থাকে ওপেন সাের্স অপারেটিং সিস্টেম বলে।

লিনাক্স (LINUX) একটি ওপেন সাের্স অপারেটিং সিস্টেম।
- এ অপারেটিং সিস্টেমের বিভিন্ন সংস্করণ হল - রেডহ্যাট লিনাক্স, ডেবিয়ান, ক্যালডেরা, ফেডােরা, উবুন্টু প্রভৃতি।
[উৎসঃ কম্পিউটার অ্যাপ্লিকেশন, ৯ম-১০ম শ্রেণি (ভােকেশনাল, ২০২১ সংস্করণ)]
১২.
নিচের কোন টেক জায়ান্টের প্রথম প্রোগ্রাম - MS DOS?
  1. Microsoft
  2. Apple
  3. Samsung
  4. Mozilla
ব্যাখ্যা
• MS DOS:
- MS DOS এর পূর্ণরূপ Microsoft Disk Operating System.
- মাইক্রোসফটের প্রথম প্রোগ্রাম হচ্ছে MS DOS.
- এটি 1980 এর দশক জুড়ে ব্যক্তিগত কম্পিউটারের (পিসি) জন্য জনপ্রিয় অপারেটিং সিস্টেম ছিল।

• মাইক্রোসফট:
- কম্পিউটার সফটওয়্যার জগতে সবচেয়ে নামকরা প্রতিষ্ঠান হচ্ছে মাইক্রোসফট।
- মাইক্রোসফটের সদরদপ্তর অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে।
- মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাতা Bill Gates এবং Paul Allen.
- মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাকাল ১৯৭৫।
- মাইক্রোসফটের বর্তমান CEO সত্য নাদেলা। (জুন, ২০২৪ এর তথ্য অনুযায়ী)
- মাইক্রোসফটের ক্লাউড ফ্লাটফর্ম Azure.
- মাইক্রোসফট সার্চ ইঞ্জিনের নাম Bing.

উৎস: ব্রিটানিকা।
১৩.
"Windows 11" কী ধরনের সফটওয়্যার?
  1. প্রোগ্রামিং সফটওয়্যার
  2. ইউটিলিটি সফটওয়্যার
  3. অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার
  4. সিস্টেম সফটওয়্যার
ব্যাখ্যা
• "Windows 11" হলো একটি সিস্টেম সফটওয়্যার, যা মাইক্রোসফট কর্তৃক ডেভেলপ করা হয়েছে। এটি কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মধ্যে যোগাযোগ স্থাপন করে এবং ব্যবহারকারীদের জন্য একটি ব্যবহারযোগ্য পরিবেশ প্রদান করে। Windows 11 অপারেটিং সিস্টেম হিসেবে কাজ করে, যা কম্পিউটারের মূল ফাংশন নিয়ন্ত্রণ করে যেমন ফাইল ম্যানেজমেন্ট, ডিভাইস কন্ট্রোল এবং সফটওয়্যার চালনা। এটি ব্যবহারকারীর ইন্টারফেস হিসেবে কাজ করে এবং অন্যান্য সফটওয়্যার ও অ্যাপ্লিকেশনগুলি সুষ্ঠুভাবে চালাতে সহায়তা করে। তাই, Windows 11 সিস্টেম সফটওয়্যার- এর অন্তর্ভুক্ত।

• অপারেটিং সিস্টেম:
- কম্পিউটারকে সঠিকভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য প্রয়োজন অপারেটিং সিস্টেম, যা সিস্টেম সফটওয়্যার নামে পরিচিত।
- কম্পিউটারকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য যে প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রাম সমষ্টি ব্যবহার করা হয় তাকে অপরেটিং সিস্টেম বলা হয়।
- কম্পিউটার বুটিং করা থেকে শুরু করে কম্পিউটার বন্ধ করা পর্যন্ত সকল কাজই অপারেটিং সিস্টেমের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রিত হয়।
- অপারেটিং সিস্টেম হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মধ্যে সেতুবন্ধ রচনা করে।
- কম্পিউটারের অভ্যন্তরীণ কাজগুলো পরিচালনার দায়িত্ব পালন করে।
- হার্ডওয়্যার দিয়ে যাবতীয় কাজ করানোর দায়িত্ব ব্যবহারকারীর পরিবর্তে অপারেটিং সিস্টেম পালন করে।
- কম্পিউটারে সব ধরনের সফটওয়্যার থাকলেও অপারেটিং সিস্টেম ব্যতীত এটি কোনো কাজ করে না।
- কম্পিউটারে সম্পাদিত তথ্যাবলি সংরক্ষণ, ফাইল সিস্টেম নিয়ন্ত্রণ, বিভিন্ন ধরনের ত্রুটি নির্ণয়, সিস্টেম বন্টন, ইনপুট ও আউটপুট অপারেশন, প্রোগাম পরিচালনা সর্বোপরি কম্পিউটারের যাবতীয় কার্যাবলি সম্পাদনে অপারেটিং সিস্টেম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪.
গ্রাফিক্যাল অপারেটিং সিস্টেম কোনটি?
  1. PC DOS
  2. CP/M
  3. Windows 7
  4. MS-DOS
ব্যাখ্যা
Windows 7 হচ্ছে গ্রাফিক্যাল অপারেটিং সিস্টেম।

• চিত্র-ভিত্তিক (Graphical User Interface-GUI) অপারেটিং সিস্টেম
- চিত্র-ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমে ডিস্ক ফরমেটিং থেকে শুরু করে ফাইল ব্যবস্থাপনা এবং অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম ব্যবহারের সকল পর্যায়ের কাজই করতে হয় বিভিন্ন প্রকার আইকন (Icon) এবং পুল ডাউন মেন্যু কমান্ড ব্যবহার করে।
- আইকন এবং পুল ডাউন মেন্যু কমান্ড নির্বাচন, ব্যবহার এবং কার্যকর করা হয় মাউসের সাহায্যে।
- চিত্র ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমে কম্পিউটার চালু করার পর পর্দার উপরে বা ডেস্কটপে বিভিন্ন প্রোগ্রামের আইকন বা প্রতিকী চিত্র থাকে।
- প্রয়োজনীয় প্রোগ্রামের আইকনের উপর মাউস পয়েন্টার দিয়ে ডাবল-ক্লিক করলেই প্রোগ্রামটি চালু হয়ে যায়।
- চিত্র ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমে কোনো কমান্ড মুখস্থ করে রাখার প্রয়োজন হয় না।

• চিত্রভিত্তিক বা গ্রাফিক্যাল অপারেটিং সিস্টেম:
- Windows 95/98/Xp/2000/7,
- Mac OS, ইত্যাদি।

• MS-DOS, PC DOS, CP/M, হচ্ছে বর্ণ বা টেক্সটভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম।

উৎস: ১। বিবিএ প্রোগ্রাম, মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা।
২। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল, ভোকেশনাল।
১৫.
কোনটি চিত্রভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম?
  1. Unix
  2. CP/M
  3. Mac OS
  4. MS-DOS
ব্যাখ্যা
Mac OS হচ্ছে চিত্রভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম।

অপারেটিং সিস্টেম: 

কম্পিউটারকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য যে প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রাম সমষ্টি ব্যবহার করা হয় তাকে অপরেটিং সিস্টেম বলা হয়।

অপারেটিং সিস্টেমের প্রকারভেদ-
অপারেটিং সিস্টেমকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়। যথা-
১। বর্ণভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম (Text Based Operating System),
২। চিত্রভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম (Graphics Based Operating Sysatem)।

- বর্ণ বা টেক্সটভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম
Linux,Unix,MS-DOS, PC DOS, CP/M, ইত্যাদি।

- চিত্রভিত্তিক বা গ্রাফিক্যাল অপারেটিং সিস্টেম
Windows 95/98/Xp/2000/7, Mac OS, ইত্যাদি।

উৎস: বিবিএ প্রোগ্রাম, মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা।
১৬.
উইন্ডোজ (Windows) কোন প্রতিষ্ঠানের তৈরি করা অপারেটিং সিস্টেম?
  1. অ্যাপল
  2. গুগল
  3. আইবিএম (IBM)
  4. মাইক্রোসফট কর্পোরেশন
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর : ঘ) মাইক্রোসফট কর্পোরেশন

• Windows:

- উইন্ডোজ হচ্ছে আমেরিকার বিখ্যাত মাইক্রোসফট কর্পোরেশনের তৈরি একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় অপারেটিং সিস্টেম
- Windows হলো একটি মাল্টি টাস্কিং অপারেটিং সিস্টেম এবং Windows একটি closed source অপারেটিং সিস্টেম।
- উইন্ডোজের জনপ্রিয়তার প্রধান কারণ হলো গ্র্যাফিক্যাল ইউজার ইন্টারফেস।
- এটি আইবিএম বা আইবিএম কম্পাটিবল কম্পিউটারে ব্যবহৃত হয়।
- সাধারণ ব্যবহারকারীন সহজেই এ ধরনের অপারেটিং সিস্টেম অপারেট করতে পারে।
- ১৯৮৫ সালে সর্বপ্রথম উইন্ডোজ তৈরি হয়। 
- ১৯৯০ সালে ভার্সন ৩.০ এবং ১৯৯২ সালে ৩.১ ও ৩.১১ ভার্সনের প্রচলন হয়।
- ১৯৯৪ সালে WIN 95/97 Operating System স্বতন্ত্র Operating System হিসেবে চালু হয়।
- Windows 95 চালনার জন্য ডসের প্রয়োজন হয় না।
- তবে ১৯৯৫ সালে মাইক্রোসফটের উইন্ডোজ ৯৫ সবচেয়ে বেশি আলোড়ন সৃষ্টি করে। এরপর চালু হয় উইন্ডোজ ৯৮।
- বর্তমানে উইন্ডোজ এক্সপি (XP), ভিস্তা, Windows 7, Windows 10, Windows 11 বিপুলভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

• মাইক্রোসফট কর্পোরেশন (Microsoft Corporation):
- মাইক্রোসফট কর্পোরেশন একটি আমেরিকান বহুজাতিক প্রযুক্তি কোম্পানি, যা ১৯৭৫ সালে বিল গেটস এবং পল অ্যালেন কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত।
- ওয়াশিংটনের রেডমন্ডে সদর দপ্তর অবস্থিত।
- এটি উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম, মাইক্রোসফট ৩৬৫ (অফিস) স্যুট, এবং Azure ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের জন্য বিশ্বব্যাপী পরিচিত । 

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. Geeksforgeeks.
৩. Britannica [Link]

১৭.
নিচের কোন ডিস্কটি প্রাথমিকভাবে কম্পিউটার বুট আপ করতে এবং সিস্টেম সফটওয়্যার লোড করতে ব্যবহৃত হয়?
  1. Storage Disk
  2. Media Disk
  3. Data Disk
  4. Startup Disk
ব্যাখ্যা
• কম্পিউটারের যে ডিস্কে সিস্টেম সফট্ওয়্যার থাকে সেই ডিস্ককে স্টার্টআপ ডিস্ক বলে।

• সিস্টেম সফট্ওয়্যারের কাজ:
- কম্পিউটারের সূইচ অন করার পর অপারেটিং সিস্টেম দেখে নেয় কম্পিউটারের র‍্যামে কি পরিমাণ জায়গা আছে।
- এরপর স্টার্টআপ ডিস্ক (Startup Disc) খুঁজে বের করে এবং ডিস্ক থেকে সিস্টেম ফাইলের প্রয়োজনীয় অংশ RAM-এ নিয়ে আসে।
- কী-বোর্ড, ডেস্ক এক্সেসরিজ ইত্যাদির প্রয়োজনীয় নির্দেশমালা অপারেটিং সিস্টেমের আওতায় চলে আসে।
- অপারেটিং সিস্টেম কম্পিউটারের যাবতীয় কাজ পরিচালনার জন্য আবারও স্টার্টআপ ডিস্ক থেকে প্রিন্টার ও অন্যান্য যন্ত্রাদির সাথে তথ্য বিনিময়ের জন্য রিসোর্সগুলো নিয়ে আসে।
- সমস্ত প্রস্তুতি শেষ হলে অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহারকারীর নির্দেশের অপেক্ষাতে থাকে।
- কম্পিউটারের যে ডিস্কে সিস্টেম সফট্ওয়্যার থাকে সেই ডিস্ককেই স্টার্টআপ ডিস্ক বলে।
- বর্তমানে কম্পিউটারের হার্ডডিস্কে অপারেটিং সিস্টেম বা সিস্টেম সফট্ওয়্যার থাকে।
- হার্ডডিস্কই কম্পিউটারের স্টার্টআপ ডিস্ক হিসাবে কাজ করে।
- অপারেটিং সিস্টেম বা সিস্টেম সফট্ওয়্যার কম্পিউটারের হার্ডডিস্ক ও এ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামের মাঝখানে অবস্থান করে এবং এ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামের কাজগুলো করার ব্যাপারে সমন্বয়কারীর ভূমিকা পালন করে।

অপশনগুলো হলো:
- ক) Storage Disk: একটি স্টোরেজ ডিস্ক সাধারণত ডেটা, ফাইল, প্রোগ্রাম এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি কম্পিউটার বুট করতে বা সিস্টেম সফটওয়্যার লোড করতে ব্যবহৃত হয় না।

- খ) Media Disk: একটি মিডিয়া ডিস্ক এমন একটি ডিস্ক যা মিডিয়া ফাইল যেমন অডিও, ভিডিও, বা ছবি ধারণ করে। এটি সিস্টেম বুট করতে বা সিস্টেম সফটওয়্যার লোড করতে ব্যবহৃত হয় না।

- গ) Data Disk: একটি ডেটা ডিস্ক হলো এমন একটি ডিস্ক যা ডেটা (ডকুমেন্ট, ছবি, সফটওয়্যার ইত্যাদি) সংরক্ষণ করে। এটি সাধারণত কম্পিউটার বুট করার জন্য ব্যবহৃত হয় না, বরং এটি ডেটা সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হয়।

- ঘ) Startup Disk: একটি স্টার্টআপ ডিস্ক হলো এমন একটি ডিস্ক যা অপারেটিং সিস্টেম (OS) এবং অন্যান্য সিস্টেম ফাইল ধারণ করে যা কম্পিউটার বুট করার জন্য প্রয়োজনীয়। এটি সঠিক উত্তর কারণ স্টার্টআপ ডিস্ক কম্পিউটারটি চালু করতে এবং অপারেটিং সিস্টেম লোড করতে ব্যবহৃত হয়।

উৎস: কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৮.
নিচের কোনটি রিয়েল-টাইম অপারেটিং সিস্টেম?
  1. Windows 10
  2. QNX
  3. Ubuntu
  4. macOS
ব্যাখ্যা

QNX একটি Real-Time Operating System (RTOS), যা বিশেষভাবে embedded systems এবং mission-critical applications (যেমন: গাড়ির কন্ট্রোল সিস্টেম, মেডিকেল ডিভাইস, টেলিকম সিস্টেম) এর জন্য তৈরি।

রিয়েলটাইম অপারেটিং সিস্টেম (Realtime Operating System):
- রিয়েল টাইম সিস্টেমে কম্পিউটারকে ভালভাবে সংজ্ঞায়িত ও সুর্নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে প্রসেসিং-এর কাজ সমাধান করে ফলাফল দিতে হয় যাতে ব্যবহারকারীর কোনো ক্ষতি না হয়।
- এটি সাধারণত এমন পরিবেশে ব্যবহৃত হয় যেখানে সময়সীমা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, যেমন এমবেডেড সিস্টেম, রোবোটিক্স, অটোমোটিভ সিস্টেম এবং ইন্ডাস্ট্রিয়াল কন্ট্রোল সিস্টেম।
- এই পদ্ধতিটিও একপ্রকার অনলাইন প্রসেসিং।
- তবে অনলাইন প্রসেসিং-এর ক্ষেত্রে ফলাফল বা আউটপুট দিতে সামান্য দেরি হলেও ব্যবহারকারীর তেমন অসুবিধা হয় না।
- কিন্তু রিয়েল টাইমের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে অবশ্যই ফলাফল দিতে হবে নতুবা ব্যবহারকারীর বিরাট ক্ষতি হয়।
- উদাহরণ: টিকেট বুকিং সিস্টেম, প্লেন পরিচালনার অপারেটিং সিস্টেম।

আরো কিছু রিয়েলটাইম অপারেটিং সিস্টেম:
- FreeRTOS,
- QNX,
- ThreadX, ইত্যাদি।

সূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি (ভোকেশনাল)। 

১৯.
The extension of a PowerPoint is -
  1. .docx
  2. .pptx
  3. .xlsx
  4. .txt
ব্যাখ্যা

মাইক্রোসফট পাওয়ারপয়েন্ট প্রেজেন্টেশনে .ppt এবং .pptx ফাইল এক্সটেনশন ব্যবহার করা হয়।

Microsoft PowerPoint:
- পাওয়ারপয়েন্ট হলো একটি প্রেজেন্টেশন সফটওয়্যার।
- এটি প্রথম তৈরি করেন রবার্ট গ্যাসকিনস ও ডেনিস অস্টিন (ফোরথট ইনক.-এর জন্য)।
- ১৯৮৭ সালে মাইক্রোসফট প্রায় ১৪ মিলিয়ন ডলার দিয়ে সফটওয়্যারটির স্বত্ব কিনে নেয়।
- প্রথমে এটি তৈরি করা হয়েছিল ব্যবসায়িক উপস্থাপনা সহজ করার জন্য।
- প্রেজেন্টেশন তৈরি হয় একাধিক স্লাইড দিয়ে, যেখানে লেখা, ছবি ও অন্যান্য অবজেক্ট যোগ করা যায়।
- ভার্সন ১.০ (প্রথম সংস্করণ) দিয়ে টেক্সট ও গ্রাফিক্সসহ পেজ তৈরি করা যেত, যা সাদা-কালো হ্যান্ডআউট ও ট্রান্সপারেন্সি আকারে ব্যবহৃত হত।
- ১৯৯২ সালের ভার্সন ৩.০-তে প্রথমবার চালু হয় ভার্চুয়াল স্লাইডশো সিস্টেম।
- শুরুতে শুধু ব্যবসায়িক কাজে ব্যবহৃত হলেও পরে এটি বিদ্যালয়, সংগঠন, শিক্ষামূলক কাজে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হতে থাকে।

সূত্র: ব্রিটানিকা। 

২০.
কোনটি মাইক্রোসফটের প্রথম প্রোগ্রাম?
  1. Windows 7
  2. MS DOS
  3. Windows 98
  4. Windows XP
ব্যাখ্যা
• MS DOS:
- MS DOS এর পূর্ণরূপ Microsoft Disk Operating System.
- মাইক্রোসফটের প্রথম প্রোগ্রাম হচ্ছে MS DOS.
- এটি 1980 এর দশক জুড়ে ব্যক্তিগত কম্পিউটারের (পিসি) জন্য জনপ্রিয় অপারেটিং সিস্টেম ছিল।

• মাইক্রোসফট:
- কম্পিউটার সফটওয়্যার জগতে সবচেয়ে নামকরা প্রতিষ্ঠান হচ্ছে মাইক্রোসফট।
- মাইক্রোসফটের সদরদপ্তর অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে।
- মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাতা Bill Gates এবং Paul Allen.
- মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাকাল ১৯৭৫।
- মাইক্রোসফটের বর্তমান CEO সত্য নাদেলা। (তথ্য - সেপ্টেম্বর, ২০২৪ পর্যন্ত)
- মাইক্রোসফটের ক্লাউড ফ্লাটফর্ম Azure.
- মাইক্রোসফট সার্চ ইঞ্জিনের নাম Bing.

উৎস: ব্রিটানিকা।
২১.
মাস্টার কন্ট্রোল প্রোগ্রাম বলা হয়ে থাকে কোনটিকে?
  1. ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম
  2. ক্লাউড কম্পিউটিং
  3. অপারেটিং সিস্টেম
  4. ইউটিলিটি প্রোগ্রাম
ব্যাখ্যা
• "অপারেটিং সিস্টেম" কে মাস্টার কন্ট্রোল প্রোগ্রাম বলা হয়ে থাকে।

• অপারেটিং সিস্টেম:
- যে সফটওয়্যার কম্পিউটার প্রোগ্রামের এক্সিকিউশন নিয়ন্ত্রণ করে এবং শিডিউলিং, ডিবাগিং, ইনপুট/আউটপুট নিয়ন্ত্রণ, অ্যাকাউন্টিং, কম্পাইলেশন, তথ্যাবলি সংরক্ষণ, কার্যক্রম, তথ্য ব্যবস্থাপনা এবং আনুষঙ্গিক কাজসমূহ করে থাকে তাকে অপারেটিং সিস্টেম বলে।
- অপারেটিং সিস্টেম মূলত একটি পরিপূর্ণ সফটওয়্যার।
- একে অনেক সময় মাস্টার কন্ট্রোল প্রোগ্রামও বলা হয়।

• ইন্টারফেস ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমকে দুইভাগে ভাগ করা হয়। যথা:
১. বর্ণভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম (Text Based Operating System):
- এ ধরনের অপারেটিং সিস্টেম হলো কমান্ড লাইন ইউজার ইন্টারফেস।
- ডিস্ক ফরমেটিং থেকে শুরু করে ফাইল ব্যবস্থাপনা এবং অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামের সব কাজ কি-বোর্ডের মাধ্যমে কমান্ডের সাহায্যে করতে হয়।
- MS DOS, PC DOS, CP/M ইত্যাদি এ ধরনের অপারেটিং সিস্টেমের উদাহরণ।

২. চিত্রভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম (Graphics Based Operating System):
- গ্রাফিক্সের বা চিত্রের মাধ্যমে কমান্ড প্রয়োগ করে কম্পিউটার পরিচালনা করা গেলে তাকে চিত্রভিত্তিক বা গ্র্যাফিক্যাল অপারেটিং সিস্টেম বলে।
- এ ধরনের অপারেটিং সিস্টেমে ডিস্ক ফরমেটিং থেকে শুরু করে ফাইল ব্যবস্থাপনা এবং অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামের সব কাজ করতে হয় বিভিন্ন প্রকার আইকন এবং পুলডাউন মেন্যু ব্যবহার করে।
- প্রয়োজনীয় প্রোগ্রামের আইকনের ওপর মাউস দিয়ে ডবল ক্লিক করলে প্রোগ্রামটি চালু হয়।
- Windows 95/98/Xp / 2000 / 7, Mac OS ইত্যাদি চিত্রভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমের উদাহরণ।

উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২২.
নিচের কোনটি প্রকৃত মাল্টি-ইউজার সার্ভারভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম?
  1. Unix
  2. PC-DOS
  3. CP/M
  4. Mac OS
ব্যাখ্যা
অপারেটিং সিস্টেম: 
- অপারেটিং সিস্টেম হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মধ্যে সেতুবন্ধ রচনা করে। 
- কম্পিউটার বুটিং করা থেকে শুরু করে কম্পিউটার বন্ধ করা পর্যন্ত সকল কাজই অপারেটিং সিস্টেমের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রিত হয়। 

সিঙ্গেল ইউজার অপারেটিং সিস্টেম: 
- একই সময়ে অপারেটিং সিস্টেমে ব্যবহারকারী সংখ্যা একজন হয়ে থাকলে তাকে সিঙ্গেল ইউজার অপারেটিং সিস্টেম বলে। 
- একে অনেক সময় সিঙ্গেল টাস্কিং অপারেটিং সিস্টেমও বলা হয়। 
যেমন- CP/M, Android, Symbian OS, Palm OS, MS-DOS, PC-DOS, Windows 95/98 ইত্যাদি। 

মাল্টি ইউজার অপারেটিং সিস্টেম: 
- আবার একাধিক ব্যবহারকারী একই সময়ে যখন কোনো কম্পিউটার সিস্টেম ব্যবহার করতে পারে সেই কম্পিউটারে ব্যবহৃত অপারেটিং সিস্টেমকে মাল্টি ইউজার অপারেটিং সিস্টেম বলে। 
যেমন- Windows NT Server, Windows 2003/2008 Server, Unix, Linux ইত্যাদি। 
- XENIX হলো UNIX অপারেটিং সিস্টেমের একটি সংস্করণ। 

বর্ণ বা টেক্সটভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম: 
- এ ধরনের অপারেটিং সিস্টেম হলো কমান্ড লাইন ইউজার ইন্টারফেস। 
- ডিস্ক ফর্মেটিং থেকে শুরু করে ফাইল ব্যবস্থাপনা এবং অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামের সব কাজ কি-বোর্ডের মাধ্যমে কমান্ডের সাহায্যে করতে হয়। 
যেমন- Linux, Unix, MS-DOS, PC DOS, CP/M ইত্যাদি এ ধরনের অপারেটিং সিস্টেমের উদাহরণ। 

চিত্রভিত্তিক বা গ্রাফিক্যাল অপারেটিং সিস্টেম: 
- গ্রাফিক্সের বা চিত্রের মাধ্যমে কমান্ড প্রয়োগ করে কম্পিউটার পরিচালনা করা গেলে তাকে চিত্রভিত্তিক বা গ্রাফিক্যাল অপারেটিং সিস্টেম বলে। 
যেমন- Windows 95/98/Xp/2000/7, Mac OS ইত্যাদি চিত্রভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমের উদাহরণ। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৩.
অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম কত সালে চালু হয়?
  1. ২০০৬ সালে
  2. ২০০৭ সালে
  3. ২০০৮ সালে
  4. ২০০৯ সালে
ব্যাখ্যা
অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম:
- অ্যান্ড্রয়েড একটি ওপেন সোর্স অপারেটিং সিস্টেম যা ২০০৮ সালে চালু হয়।
- এটি গুগল কর্তৃক নির্মিত একটি অপারেটিং সিস্টেম।
- এটি লিনাক্স ভিত্তিক একটি অপারেটিং সিস্টেম।
- অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ্লিকেশনগুলো সাধারনত জাভা প্রোগ্রামিং ভাষায় লিখা হয়।
- অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমের ফাইল এক্সটেনশন হলো .apk
- APK এর পূর্ণরূপ Android Application Package.
- Android গুগলের একটি মাল্টি ইউজার অপারেটিং সিস্টেম।
- Android OS ব্যবহৃত প্রথম ফোন T-Mobile G1 (HTC Dream নামে বেশি পরিচিত)।

উৎস:
১. গুগলের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
২. ব্রিটানিকা।
২৪.
অপারেটিং সিস্টেমের কোন উপাদান ব্যবহারকারী এবং সিস্টেমের মধ্যে যোগাযোগ স্থাপনের সুবিধা প্রদান করে?
  1. কার্নেল
  2. ড্রাইভার
  3. শেল
  4. অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার
ব্যাখ্যা

◉ শেল (Shell) হল অপারেটিং সিস্টেমের সেই অংশ যা ব্যবহারকারী (User) এবং কম্পিউটার হার্ডওয়্যার/কার্নেল-এর মধ্যে ইন্টারফেস বা মাধ্যম হিসেবে কাজ করে। এটি ব্যবহারকারীর কমান্ড গ্রহণ করে তা কার্নেলকে প্রসেস করার জন্য পাঠায় এবং ফলাফল ফিরিয়ে দেয়।

অপারেটিং সিস্টেম:
- কম্পিউটারকে সঠিকভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য প্রয়োজন অপারেটিং সিস্টেম, যা সিস্টেম সফটওয়্যার নামে পরিচিত।
- কম্পিউটারকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য যে প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রাম সমষ্টি ব্যবহার করা হয় তাকে অপরেটিং সিস্টেম বলা হয়।
- কম্পিউটার বুটিং করা থেকে শুরু করে কম্পিউটার বন্ধ করা পর্যন্ত সকল কাজই অপারেটিং সিস্টেমের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রিত হয়।
- অপারেটিং সিস্টেম হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মধ্যে সেতুবন্ধ রচনা করে।
- কম্পিউটারের অভ্যন্তরীণ কাজগুলো পরিচালনার দায়িত্ব পালন করে।
- হার্ডওয়্যার দিয়ে যাবতীয় কাজ করানোর দায়িত্ব ব্যবহারকারীর পরিবর্তে অপারেটিং সিস্টেম পালন করে।
- কম্পিউটারে সব ধরনের সফটওয়্যার থাকলেও অপারেটিং সিস্টেম ব্যতীত এটি কোনো কাজ করে না।
- কম্পিউটারে সম্পাদিত তথ্যাবলি সংরক্ষণ, ফাইল সিস্টেম নিয়ন্ত্রণ, বিভিন্ন ধরনের ত্রুটি নির্ণয়, সিস্টেম বন্টন, ইনপুট ও আউটপুট অপারেশন, প্রোগাম পরিচালনা সর্বোপরি কম্পিউটারের যাবতীয় কার্যাবলি সম্পাদনে অপারেটিং সিস্টেম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৫.
কোনটি বর্ণভিত্তিক OS নয়?
  1. CP/M
  2. MS-DOS
  3. Windows 98
  4. PC DOS
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - গ) Windows 98

অপারেটিং সিস্টেম (Operating System):
- কম্পিউটারকে সঠিকভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য প্রয়োজন অপারেটিং সিস্টেম, যা সিস্টেম সফটওয়্যার নামে পরিচিত।
- কম্পিউটারকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণ করার জন্য যে প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রাম সমষ্টি ব্যবহার করা হয়, তাকে অপারেটিং সিস্টেম বলা হয়।
- এটি কম্পিউটারের ইনপুট ও আউটপুট হার্ডওয়্যার এবং অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার-এর সাথে সেতুবন্ধন রক্ষা করে।
- ব্যবহারকারীর নির্দেশ অনুযায়ী ডেটা গ্রহণ, প্রক্রিয়াকরণ এবং প্রাপ্ত ফলাফল প্রদানে সহায়তা করে।
- এককথায়, অপারেটিং সিস্টেম কম্পিউটার ব্যবহারকারীর সাথে হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের সংযোগ স্থাপন করে বিভিন্ন কাজ সম্পাদন করে।

অপারেটিং সিস্টেমের প্রকারভেদ:
১. বর্ণভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম (Text-Based OS)
- কেবল টেক্সট কমান্ড ব্যবহার করে কাজ সম্পন্ন করে।
- উদাহরণ: MS-DOS, PC DOS, CP/M। 

২. চিত্রভিত্তিক বা গ্রাফিক্যাল অপারেটিং সিস্টেম (Graphics-Based OS)
- ছবি ও আইকন ব্যবহার করে সহজ ইন্টারফেসে কাজ সম্পন্ন করে।
- উদাহরণ: Windows 95 / 98 / XP / 2000 / 7, Mac OS।

উৎস: বিবিএ প্রোগ্রাম, মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৬.
Which of the following operating systems uses a Graphical User Interface (GUI)?
  1. MS-DOS
  2. Windows 7
  3. CP/M
  4. FreeDOS
ব্যাখ্যা

• Windows 7 হলো একটি Graphical User Interface (GUI) ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম।

• অপারেটিং সিস্টেম:
- কম্পিউটারকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য যে প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রাম সমষ্টি ব্যবহার করা হয় তাকে অপারেটিং সিস্টেম বলা হয়।

• ইন্টারফেস ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমের প্রকারভেদ-
- অপারেটিং সিস্টেমগুলোতে কাজ করার পরিবেশ এবং ইন্টারফেসের উপর ভিত্তি করে এদেরকে আবার দুইভাগে ভাগ করা যায়।

১। বর্ণ-ভিত্তিক (Text based/Character User Interface-CUI) অপারেটিং সিস্টেম:
- বর্ণ-ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমে কী-বোর্ডের সাহায্যে বিভিন্ন বর্ণ টাইপ করে এবং কী-বোর্ডের বিভিন্ন বোতাম ব্যবহার করে কম্পিউটারকে প্রয়োজনীয় নির্দেশ প্রদান করা হয়।
- ডিস্ক ফরমেটিং থেকে শুরু করে ফাইল ব্যবস্থাপনা এবং অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম ব্যবহারের সকল পর্যায়ের কাজই করতে হয় কী-বোর্ডের সাহায্যে বিভিন্ন বর্ণ টাইপ করে এবং কী-বোর্ডের বিভিন্ন বোতাম ব্যবহার করে।

• বর্ণ বা টেক্সটভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম:
- MS-DOS,
- PC DOS,
- CP/M,
- FreeDOS, ইত্যাদি।

২। চিত্র-ভিত্তিক (Graphical User Interface-GUI) অপারেটিং সিস্টেম:
- চিত্র-ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমে ডিস্ক ফরমেটিং থেকে শুরু করে ফাইল ব্যবস্থাপনা এবং অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম ব্যবহারের সকল পর্যায়ের কাজই করতে হয় বিভিন্ন প্রকার আইকন (Icon) এবং পুল ডাউন মেন্যু কমান্ড ব্যবহার করে।
- আইকন এবং পুল ডাউন মেন্যু কমান্ড নির্বাচন, ব্যবহার এবং কার্যকর করা হয় মাউসের সাহায্যে।
- চিত্র ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমে কম্পিউটার চালু করার পর পর্দার উপরে বা ডেস্কটপে বিভিন্ন প্রোগ্রামের আইকন বা প্রতিকী চিত্র থাকে।
- প্রয়োজনীয় প্রোগ্রামের আইকনের উপর মাউস পয়েন্টার দিয়ে ডাবল-ক্লিক করলেই প্রোগ্রামটি চালু হয়ে যায়।
- চিত্র ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমে কোনো কমান্ড মুখস্থ করে রাখার প্রয়োজন হয় না।

• চিত্রভিত্তিক বা গ্রাফিক্যাল অপারেটিং সিস্টেম:
- Windows 95/98/Xp/2000/7,
- Mac OS, ইত্যাদি।

উৎস: ১। বিবিএ প্রোগ্রাম, মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা।
২। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল, ভোকেশনাল।
৩। ব্রিটানিকা।

২৭.
১৯৬৯ সালে উদ্ভাবিত কোন অপারেটিং সিস্টেমটির সাথে বিখ্যাত "Bell Labs" সম্পর্কিত?
  1. Windows
  2. macOS
  3. Unix
  4. Linux
ব্যাখ্যা
• UNIX:
- UNIX হচ্ছে মাল্টি ইউজার কম্পিউটার অপারেটিং সিস্টেম।
- ২০ শতকের শেষের দিকে ইউনিক্স অপারেটিং সিস্টেম ইন্টারনেট সার্ভার, ওয়ার্কস্টেশন এবং মেইনফ্রেম কম্পিউটারের জন্য ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়েছিল।
- Unix - একটি Open Source Operating System.

- UNIX অপারেটিং সিস্টেম ১৯৬৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রের বেল ল্যাবরেটরীতে কেন থমসন ও ডেনিস রিচি প্রথম উদ্ভাবন করেন।
- তাঁরা একটি PDP-7 মিনিকম্পিউটারে জন্য UNIX- এর প্রথম সংস্করণ তৈরি করেছিলেন।
- কেন থমসন ও ডেনিস রিচি পরে কম্পিউটার বিজ্ঞানে মৌলিক অবদানের জন্য টুরিং পুরস্কার লাভ করেন।

উৎস: ব্রিটানিকা।
২৮.
RAM কোথায় থাকে?
  1. হার্ডডিস্ক
  2. সিপিউ
  3. মাদারবোর্ড
  4. এক্সপানসন বোর্ড
ব্যাখ্যা
♦ মাদারবোর্ড:
- মাদারবোর্ডই হচ্ছে একটি কম্পিউটারের মূল অংশ, যা সিস্টেম ইউনিটের অভ্যন্তরে সংযুক্ত থাকে।
- সাধারণত কম্পিউটারের সমস্ত যন্ত্রাংশের সংযোগস্থানকে বলা হয় মাদারবোর্ড।
- এটি সিস্টেম বোর্ড বা মেইনবোর্ড হিসেবেও পরিচিত।
- কম্পিউটারের প্রসেসর এবং র‍্যাম মাদারবোর্ডের মধ্যেই থাকে।
- মাদারবোর্ডের মধ্যে কম্পিউটারের বিভিন্ন ডিভাইস যেমন- কি-বোর্ড, মাউস, মনিটর, প্রিন্টার, হার্ড ডিস্কড্রাইভ, ফ্লপি ডিস্কড্রাইভ, পেনড্রাইভ ইত্যাদি লাগানোর ব্যবস্থা থাকে।
- কম্পিউটারে যেকোনো যন্ত্রাংশ স্থাপন করা হোক না কেন প্রতিটি তা প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে মাদারবোর্ডের সাথে সংযোজিত। 
- মাদারবোর্ড হলো কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় সার্কিট বোর্ড।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৯.
কোনটি অপারেটিং সিস্টেমের কাজ নয়? 
  1. ক) মেমোরি ব্যবস্থাপনা 
  2. খ) প্রসেস ব্যবস্থাপনা
  3. গ) ফাইল ব্যবস্থাপনা
  4. ঘ) ডেটাবেজ ব্যবস্থাপনা
ব্যাখ্যা
ডেটাবেজ ব্যবস্থাপনা ছাড়া বাকি তিনটি অপারেটিং সিস্টেমের কাজ। 
৩০.
ফার্মওয়্যার হচ্ছে-
  1. একটি হার্ডওয়্যার
  2. কম্পিউটারে স্থায়ীভাবে সংরক্ষিত নির্দেশনা
  3. একটি ড্রাইভ
  4. একটি অপারেটিং সিস্টেম
ব্যাখ্যা
ফার্মওয়্যার হচ্ছে কম্পিউটারে স্থায়ীভাবে সংরক্ষিত নির্দেশনা।

ফার্মওয়্যার:
- কম্পিউটার তৈরির সময় তাকে পরিচালনা করার জন্য স্থায়ীভাবে রাখা দরকার এমন সব নির্দেশ কম্পিউটার প্রস্তুতকারক কোম্পানি স্থায়ীভাবে কম্পিউটারে সংরক্ষণ করে দেয় যাকে ফার্মওয়‍্যার বলে।
- এটি একটি স্থায়ী সফটওয়্যার।
- ফার্মওয়‍্যার প্রোগ্রামসমূহ ব্যবহার করা যায় তবে মুছে ফেলা যায় না বা কোন রকম পরিবর্তন করা যায় না।
- কম্পিউটারে বিদ্যুৎ সংযাগ দেয়ার পর ফার্মওয়‍্যার প্রোগ্রাম সর্বাগ্রে সক্রিয় হয়ে অন্যান্য সফটওয়্যারকে কার্যপোযোগী করার জন্য প্রধান মেমোরিতে লোড করে।
যেমন: ROM, BIOS একটি ফার্মওয়‍্যার। 

উৎস: বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩১.
নিচের কোনটি গ্রাফিক্স বেজড অপারেটিং সিস্টেম?
  1. CP/M
  2. PC DOS
  3. MS DOS
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
• PC DOS, CP/M এবং  MS DOS হলো টেক্সড বেজড অপারেটিং সিস্টেম।

•  অপারেটিং সিস্টেম:
- কম্পিউটার পরিচালনার ক্ষেত্রে অপারেটিং সিস্টেমকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়। যথা-
১. Text-Based Operating System:
- এ ধরনের অপারেটিং সিস্টেম হলো কমান্ড লাইন ইউজার ইন্টারফেস।
- ডিস্ক ফরমেটিং থেকে শুরু করে ফাইল ব্যবস্থাপনা এবং অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামের সব কাজ কি-বোর্ডের মাধ্যমে কমান্ডের সাহায্যে করতে হয়।
- এ ধরনের অপারেটিং সিস্টেমের উদাহরণ- MS-DOS, PC DOS, CP/M ইত্যাদি।

২. Graphics Based Operating System:
- গ্রাফিক্সের বা চিত্রের মাধ্যমে কমান্ড প্রয়োগ করে কম্পিউটার পরিচালনা করা গেলে তাকে চিত্রভিত্তিক বা গ্র্যাফিক্যাল অপারেটিং সিস্টেম বলে।
- এ ধরনের অপারেটিং সিস্টেমে ডিস্ক ফরমেটিং থেকে শুরু করে ফাইল ব্যবস্থাপনা এবং অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামের সব কাজ করতে হয় বিভিন্ন প্রকার আইকন এবং পুলডাউন মেন্যু ব্যবহার করে।
- চিত্রভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমের উদাহরণ- Windows 95/98/Xp/2000/7, Mac OS ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩২.
কম্পিউটারের সাথে ব্যবহারকারীর সংযোগ স্থাপন সহজ করতে, অপারেটিং সিস্টেম যখন চিত্র, প্রতীক বা ভিজ্যুয়াল উপমা ব্যবহার করে— তখন এই পদ্ধতিকে কী বলা হয়?
  1. কমান্ড-লাইন ইন্টারফেস
  2. গ্রাফিক্যাল ইউজার ইন্টারফেস
  3. ব্লক ইউজার ইন্টারফেস
  4. ন্যাচারাল ল্যাঙ্গুয়েজ ইন্টারফেস
ব্যাখ্যা

◉ Graphical User Interface (GUI) ব্যবহারকারীর জন্য একটি ভিজ্যুয়াল ইন্টারফেস তৈরি করে, যেখানে icons, windows, buttons এর মাধ্যমে কম্পিউটার পরিচালনা করা যায় — কোন প্রোগ্রাম চালু করতে টাইপ করার প্রয়োজন হয় না।

চিত্রভিত্তিক বা গ্রাফিক্যাল অপারেটিং সিস্টেম:
- গ্রাফিক্সের বা চিত্রের মাধ্যমে কমান্ড প্রয়োগ করে কম্পিউটার পরিচালনা করা গেলে তাকে চিত্রভিত্তিক বা গ্র্যাফিক্যাল অপারেটিং সিস্টেম বলে।
- এ ধরনের অপারেটিং সিস্টেমে ডিস্ক ফরমেটিং থেকে শুরু করে ফাইল ব্যবস্থাপনা এবং অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামের সব কাজ করতে হয় বিভিন্ন প্রকার আইকন এবং পুলডাউন মেন্যু ব্যবহার করে।
- প্রয়োজনীয় প্রোগ্রামের আইকনের ওপর মাউস দিয়ে ডবল ক্লিক করলে প্রোগ্রামটি চালু হয়।
- Windows 95/98/Xp/2000/7, Mac OS ইত্যাদি চিত্রভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমের উদাহরণ।

• এই অপারেটিং সিস্টেমের উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্যসমূহ হলো:
১. চিত্রভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমে কম্পিউটার চালু করার পর ডেস্কটপে বিভিন্ন প্রোগ্রামের আইকন বা প্রতীক থাকে।
২. বিভিন্ন প্রকার আইকন এবং পুল ডাউন মেন্যু কমান্ড ব্যবহার করে কম্পিউটারকে প্রয়োজনীয় নির্দেশ প্রদান করা হয়।
৩. কমান্ডের জন্য মেন্যু এবং প্রতিটি মেন্যুর আওতায় অনেক পুল ডাউন মেনু কমান্ড থাকে।
৪. মাউসের সাহায্যে Icon এবং পুল ডাউন মেনু কমান্ড কার্যকরী করা যায়।
৫. নতুন কোনো হার্ডওয়‍্যার বা সফটওয়্যার সংযোগ করা হলে কম্পিউটার নিজে থেকে বুঝতে পারে কোথায় সংযোগ করা হয়েছে।
৬. নেটওয়ার্কিং, শেয়ারিং ও ইন্টারনেটব্যবস্থা অত্যন্ত কার্যকর।
৭. এ ধরনের সিস্টেমের জন্য ব্যবহারকারীকে কোনো ধরনের কমান্ড মুখস্থ রাখতে হয় না।
৮. মাল্টিমিডিয়া সিস্টেম কার্যকর।
৯. এ ধরনের অপারেটিং সিস্টেমের জন্য কম্পিউটারে বেশি মেমরির প্রয়োজন হয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৩.
Take the odd one out-
  1. ক) Android
  2. খ) Windows
  3. গ) iOS
  4. ঘ) App
ব্যাখ্যা

Android, Windows, iOS সবগুলোই অপারেটিং সিস্টেম |
কিন্তু App অপারেটিং সিস্টেম নয় |

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি নবম দশম শ্রেণি

৩৪.
চীনা টেক জায়ান্ট হুয়াওয়ে উদ্ভাবিত অপারেটিং সিস্টেম-
  1. ক) Fuchsia
  2. খ) Harmony
  3. গ) Symbian
  4. ঘ) Andromeda
ব্যাখ্যা
চীনা টেক জায়ান্ট হুয়াওয়ে উদ্ভাবিত অপারেটিং সিস্টেম হলাে হারমনি।
- এটি ২০১৯ সালের ৯ আগস্ট প্রথম অবমুক্ত করা হয়।
- এটি মাইক্রোকার্নেলের উপর ভিত্তি করে নির্মাণ করা হয়।
- ইন্টারনেট অব থিংস বা সকল স্মার্ট ডিভাইসে এই অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার উপযােগী।
[উৎসঃ হুয়াওয়ে ওয়েবসাইট]
৩৫.
মুদ্রিত লেখা সরাসরি ইনপুট নেওয়ার জন্য নিচের কোনটি ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) OMR
  2. খ) Scanner
  3. গ) MICR
  4. ঘ) OCR
ব্যাখ্যা
• ওসিআর (OCR):
- OCR মূলত একটি ইনপুট ডিভাইস হিসেবে ব্যবহৃত হয়। 
- OCR-এর পূর্ণরূপ Optical Character Reader/Recognition.
- সাধারণত OCR বিভিন্ন আকারের দাগ, চিহ্ন এবং সব ধরনের আলফানিউমেরিক ক্যারেক্টার পড়তে পারে। 
- মুদ্রিত লেখা সরাসরি ইনপুট নেয়ার জন্য OCR ব্যবহৃত হয়।
- এটি এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যে শুধুমাত্র ছাপার লেখা না, হাতের লেখা পর্যন্ত পড়তে পারে।

• স্ক্যানার (Scanner):
- স্ক্যানার একটি আধুনিকতম ইনপুট ডিভাইস যার সাহায্যে যেকোনো ধরনের ইমেজ বা ছবি, টেক্সট ইত্যাদি কম্পিউটারে ইনপুট করা যায়।
- এটির সাহায্যে যেকোনো ধরনের লেখা বা ইমেজ কম্পিউটারে ইনপুট করে প্রয়োজন অনুসারে পরিবর্তন, পরিবর্ধন, সংশোধন, বিভিন্ন রঙের ব্যবহার, একাধিক ইমেজের সংযোগ ইত্যাদি কার্যাবলি সম্পাদন করা যায়। তবে এ কার্যাবলি সম্পাদনের জন্য মূলত ব্যবহারিক সফটওয়্যার (অ্যাডোব ফটোশপ) ব্যবহার করা হয়ে থাকে। 

• ওএমআর (OMR):
- OMR হলো বিশেষ এক ধরনের ইনপুট ডিভাইস যার পুরো নাম হচ্ছে Optical Mark Reader.
- এটি এমন এক ধরনের আলোক সংবেদনশীল স্ক্যানার যন্ত্র, যা কলম বা পেনসিল দিয়ে বিশেষ কাগজে দাগাঙ্কিত কোনো পূর্বে নির্ধারিত চিহ্নকে (যেমন- গোলাকার বা বর্গাকার) রিড করে সংশ্লিষ্ট চিহ্ন দ্বারা নির্ধারিত তথ্য কম্পিউটারে প্রেরণ করে। 

• এমআইসিআর (MICR): 
- MICR হলো Magnetic Ink Character Recognition.
- চৌম্বক কালি বা ফেরোসোফেরিক অক্সাইডযুক্ত কালীর সাহায্যে MICR লেখা হয়।
- MICR চেক ব্যাংক লেনদেনের জন্য নিরাপদ এবং সময় সাশ্রয়ী।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৬.
কোনটি অপারেটিং সিস্টেমের ফাইল সিস্টেম নয়?
  1. FAT16
  2. HTTP
  3. NTFS
  4. HPFS
ব্যাখ্যা
HTTP কম্পিউটারের ফাইল সিস্টেম নয়।
- এটি একটি নেটওয়ার্ক প্রোটোকল, যা ওয়েব পেজ ট্রান্সফারের জন্য ব্যবহৃত হয়, কোনো ফাইল সিস্টেম নয়।

• ফাইল ম্যানেজমেন্ট:
- ফাইল ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম হচ্ছে কম্পিউটার ফাইল এবং ফাইলের ডেটাসমূহের সংগঠন এবং সংরক্ষণ পদ্ধতি।
- অপারেটিং সিস্টেম মূলত ফাইল তৈরি, অ্যাকসেস, কপি, ডিলিট ইত্যাদি কাজ করে থাকে।
- অপারেটিং সিস্টেমের একটি অন্যতম কাজ হচ্ছে প্রধান স্মৃতিতে ফাইল ও অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম নিয়ে আসা ও কাজ করানোর ব্যবস্থা করা এবং ফাইল ও নথির ব্যবস্থাপনা করা।
- বর্তমানে কম্পিউটারের অপারেটিং সিস্টেম চার প্রকার ফাইল সিস্টেমের যেকোনো একটি অবলম্বন করতে পারে।
- ফাইল সিস্টেমগুলো হলো,
FAT16,
FAT32,
HPFS,
NTFS.

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৭.
সর্বোত্তম পারফরম্যান্সের জন্য অপারেটিং সিস্টেম সাধারণত কোথায় ইনস্টল করা হয়?
  1. B ড্রাইভে
  2. C ড্রাইভে
  3. D ড্রাইভে
  4. E ড্রাইভে
ব্যাখ্যা
• সর্বোত্তম পারফরম্যান্সের জন্য সাধারণত C ড্রাইভে অপারেটিং সিস্টেম ইনস্টল করা হয়।

• অপারেটিং সিস্টেম:
- কম্পিউটারকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য যে প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রাম সমষ্টি ব্যবহার করা হয় তাকে অপরেটিং সিস্টেম বলা হয়।
- কম্পিউটারের প্রথম দিকের অপারেটিং সিস্টেমগুলো ছিল বর্ণভিত্তিক, যা নিয়ন্ত্রণ করা হতো বিভিন্ন মুখস্থকৃত কমান্ডের সাহায্যে।
- অপারেটিং সিস্টেম সাধারনত C ড্রাইভে থাকে।
- সর্বোত্তম পারফরম্যান্সের জন্য সাধারণত C ড্রাইভে অপারেটিং সিস্টেম ইনস্টল করা হয়।
- C ড্রাইভ হলো কম্পিউটারের মেমোরির এমন একটি অংশ যেখানে কম্পিউটার চালনাকারী সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ইনফরমেশন গুলো অবস্থান করে।
- ফার্মওয়্যার, অপারেটিং সিস্টেম হলো এমন কিছু গুরুত্বপূর্ণ জিনিস যা কম্পিউটার চালনার জন্য অত্যাবশ্যক।
- হার্ডডিস্ক বা SSD পার্টিশনের মাধ্যমে C ড্রাইভ, D ড্রাইভ, E ড্রাইভ সহ বিভিন্ন নামে বিভক্ত করা হয়।
- ১৯৫১ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জেনারেল মটর রিসার্চ ল্যাবরেটরি কর্তৃক IBM কর্পোরেশনের জন্য সর্বপ্রথম অপারেটিং সিস্টেম আবিষ্কৃত হয়।
- ১৯৭১ সালে মাইক্রোকম্পিউটারের জন্য তৈরি প্রথম অপারেটিং সিস্টেম হচ্ছে CP/M।
- কম্পিউটার পরিচালনার ক্ষেত্রে বিভিন্ন ধরনের অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহৃত হয়ে থাকে।

• উল্লেখযোগ্য অপারেটিং সিস্টেমসমূহ হলো:
- MS-DOS
- PC-DOS,
- WINDOWS 95/98/2000/XP/7,
- OS/2,
- UNIX,
- LINUX,
- MAC OS,
- Solaris,
- XENIX,
- WINDOWS NT ইত্যাদি।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৩৮.
কম্পিউটারের প্রথম প্রোগ্রামিং ভাষা কোনটি?
  1. ক) ADA
  2. খ) C++
  3. গ) FORTRAN
  4. ঘ) PASCAL
ব্যাখ্যা

ADA - 1980
C++ - 1985
FORTRAN - 1957
PASCAL - 1970

৩৯.
'Object-Oriented Programming' (OOP)-এর একটি প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো-
  1. টপ-ডাউন অ্যাপ্রোচ
  2. এনক্যাপসুলেশন
  3. গ্লোবাল ডেটা শেয়ারিং
  4. ফাংশনাল ডিকম্পোজিশন
ব্যাখ্যা

• অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং (OOP) এর চারটি মূল স্তম্ভ বা বৈশিষ্ট্য রয়েছে: এনক্যাপসুলেশন (Encapsulation), ইনহেরিটেন্স (Inheritance), পলিমরফিজম (Polymorphism) এবং অ্যাবস্ট্রাকশন (Abstraction)। এনক্যাপসুলেশন বলতে ডেটা এবং সেই ডেটা নিয়ে কাজ করা মেথডগুলোকে একটি একক ইউনিট বা 'ক্লাস'-এর মধ্যে আবদ্ধ রাখাকে বোঝায়।

• অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং:
- অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং পদ্ধতিতে ডাটা ও ইনস্ট্রকাশনের সমন্বয়ে চলক তৈরি করা হয়। একে বলা হয় অবজেক্ট।
- মেসেজে আদান-প্রদানের মাধ্যমে অবজেক্টগুলো পরস্পরের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে।
- এই প্রোগ্রামিং পদ্ধতিতে প্রোগ্রামের ইনস্ট্রাকশনগুলো ডাটা দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়।
- C++, Java, C#, Python ইত্যাদি হলো অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং এর উদাহরণ।
- মূলত ৬টি প্রাথমিক ধারণার দ্বারা অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিংকে উপস্থাপন করা হয়। যেমন:
১. অবজেক্ট (Object),
২. ক্লাস (Class),
৩. মেসেজ (Message),
৪. পলিমারফিজম (Polymorphism),
৫. ইনহেরিটেন্স (Inheritance) এবং
৬. এনক্যাপসুলেশন (Encapsulation) I

অন্যান্য অপশন:
- টপ-ডাউন অ্যাপ্রোচ: অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং মূলত বটম-আপ পদ্ধতি অনুসরণ করে কাজ করে।
- গ্লোবাল ডেটা শেয়ারিং: অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং-এ নিরুৎসাহিত করা হয় কারণ এটি ডেটা সিকিউরিটি বা এনক্যাপসুলেশন নীতির পরিপন্থী।
- ফাংশনাল ডিকম্পোজিশন: প্রসিডিউরাল প্রোগ্রামিংয়ের বৈশিষ্ট্য যেখানে কাজকে ছোট ছোট ফাংশনে ভাগ করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪০.
কম্পিউটার চালু করা বা পুনঃরায় চালু করার প্রক্রিয়াকে কি বলে ?
  1. ক) BIOS
  2. খ) Prompting
  3. গ) Trouble shooting
  4. ঘ) Booting
ব্যাখ্যা

কম্পিউটার চালু করা বা পুনঃরায় চালু করার প্রক্রিয়াকে Booting বলে।
- যখন কম্পিউটারটি প্রথমবার চালু বা চালু করা হয় তখন সিস্টেমটি রম BIOS চিপ গুলিতে প্রাপ্ত স্টার্টআপ নির্দেশাবলীটি পড়ে।
- এই নির্দেশাবলী কম্পিউটারে পরীক্ষা করার জন্য পাওয়ার-অন সেলফ টেস্ট (POST) নামে কিছু পরীক্ষা করে। এটি সিস্টেমের হার্ডওয়্যারটি সঠিক কিনা তা পরীক্ষা করে।এই প্রক্রিয়াটিকে Booting বলে।

সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই (মুজিবুর রহমান)

৪১.
'POST' এর পূর্ণরূপ-
  1. ক) Power-On Start Test
  2. খ) Power-On Self Testing
  3. গ) Preliminary Operating Self Test
  4. ঘ) Power-On Self Test
ব্যাখ্যা
'POST' এর পূর্ণরূপ- Power On Self Test .
৪২.
Oracle Solaris একটি-
  1. ক) ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম
  2. খ) এপ্লিকেশন প্রোগ্রাম
  3. গ) এমবেডেড সিস্টেম
  4. ঘ) অপারেটিং সিস্টেম
ব্যাখ্যা
- Oracle Solaris যা আগে Solaris নামে পরিচিত ছিল, একটি অপারেটিং সিস্টেম যার স্বত্বাধিকারী Sun Microsystem।
- আরো কিছু অপারেটিং সিস্টেমের উদাহরণ- MS DOS, MS Windows, MS Windows NT, Mac OS, OS/2, Be OS, Android, PC DOS, Linux, Unix, XENIX, AIX, Symbian ইত্যাদি।

সূত্র: Britannica  
৪৩.
কম্পিউটার বুটিং হলো-
  1. ডেটাবেজে কোনো তথ্য খুঁজে বের করা
  2. কম্পিউটার স্টার্ট হওয়ার প্রক্রিয়া
  3. প্রোগ্রামিং এর ভুল খুঁজে বের করা
  4. কম্পিউটারের গতি বৃদ্ধি করা
ব্যাখ্যা
কম্পিউটার বুটিং: 
- কম্পিউটার চালুর প্রক্রিয়াকে বুট বা বুটিং বলে। 
- একটি কম্পিউটারকে চালু করা হলে তা সিপিইউ বা সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট প্রথমেই যাচাই করে নেয় যে কী-বোর্ড, মাউস, মনিটর ইত্যাদি যন্ত্রাংশ এর সঙ্গে সঠিকভাবে যুক্ত আছে কিনা। এই যাচাই করার প্রক্রিয়াকে বলে পোস্ট Power on self test (POST)।
- যদি এই যন্ত্রাংশগুলো সঠিক ভাবে যুক্ত থাকে, তা হলে সিপিইউ কম্পিউটারের অপারেটিং সিস্টেমকে হার্ডডিস্ক থেকে স্বয়ংক্রিয় ভাবে র‍্যামের মধ্যে তুলে নেয় এবং
কম্পিউটারকে ব্যবহারকরীর নির্দেশ গ্রহণের জন্য প্রস্তুত করে। এই সামগ্রিক প্রক্রিয়াকে বলা হয় বুটিং (Booting)।
- অর্থাৎ বুটিং একটি স্বয়ক্রয় প্রক্রিয়া, যা সম্পূর্ণ হওয়ার পরেই কম্পিউটারকে ব্যবহার করা হয়।
- কম্পিউটার বুটিং করা থেকে শুরু করে কম্পিউটার বন্ধ করা পর্যন্ত সকল কাজই অপারেটিং সিস্টেমের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রিত হয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৪.
সর্বপ্রথম উইন্ডোজ কত সালে তৈরি হয়?
  1. ১৯৮২ সালে
  2. ১৯৭৫ সালে
  3. ১৯৮৫ সালে
  4. ১৯৯০ সালে
ব্যাখ্যা
Windows: 
- উইন্ডোজ হচ্ছে আমেরিকার বিখ্যাত মাইক্রোসফট কর্পোরেশনের তৈরি একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় অপারেটিং সিস্টেম।
- উইন্ডোজের জনপ্রিয়তার প্রধান কারণ হলো গ্র্যাফিক্যাল ইউজার ইন্টারফেস।
- এটি আইবিএম বা আইবিএম কম্পাটিবল কম্পিউটারে ব্যবহৃত হয়।
- সাধারণ ব্যবহারকারীন সহজেই এ ধরনের অপারেটিং সিস্টেম অপারেট করতে পারে।
- ১৯৮৫ সালে সর্বপ্রথম উইন্ডোজ তৈরি হয়। 
- ১৯৯০ সালে ভার্সন ৩.০ এবং ১৯৯২ সালে ৩.১ ও ৩.১১ ভার্সনের প্রচলন হয়।
- ১৯৯৪ সালে WIN 95/97 Operating System স্বতন্ত্র Operating System হিসেবে চালু হয়।
- Windows 95 চালনার জন্য ডসের প্রয়োজন হয় না।
- তবে ১৯৯৫ সালে মাইক্রোসফটের উইন্ডোজ ৯৫ সবচেয়ে বেশি আলোড়ন সৃষ্টি করে। এরপর চালু হয় উইন্ডোজ ৯৮।
- বর্তমানে উইন্ডোজ এক্সপি (XP), ভিস্তা, Windows 7, Windows 10, Windows 11 বিপুলভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং geeksforgeeks.
৪৫.
অপারেটিং সিস্টেমের কাজ কী?
  1. হার্ডওয়্যার নিয়ন্ত্রণ
  2. গেম খেলা
  3. ভাইরাস ধ্বংস
  4. গ্রাফিক্স তৈরি
ব্যাখ্যা

• অপারেটিং সিস্টেম (OS) হলো এমন একটি মৌলিক সফটওয়্যার যা কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার ও ব্যবহারকারীর মধ্যে সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করে।

- এটি কম্পিউটারের বিভিন্ন উপাদান যেমন প্রসেসর, মেমরি, ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস, ফাইল সিস্টেম ইত্যাদি নিয়ন্ত্রণ ও সমন্বয় করে।

• অপারেটিং সিস্টেমের প্রধান কাজসমূহ:
- হার্ডওয়্যার নিয়ন্ত্রণ: ইনপুট (যেমন কিবোর্ড, মাউস) ও আউটপুট (যেমন মনিটর, প্রিন্টার) ডিভাইসগুলোর মধ্যে সমন্বয় সাধন করে।
- মেমরি ব্যবস্থাপনা: প্রোগ্রামগুলো কতটা র‍্যাম ব্যবহার করবে তা নির্ধারণ করে।
- প্রসেস ব্যবস্থাপনা: একাধিক কাজ একসাথে চললে কোনটি আগে চলবে তা নির্ধারণ করে।
- ফাইল ব্যবস্থাপনা: ডেটা সংরক্ষণ, পড়া, লেখা ও মুছে ফেলার কাজ নিয়ন্ত্রণ করে।
- User Interface প্রদান: ব্যবহারকারী যাতে কম্পিউটারের সঙ্গে সহজে যোগাযোগ করতে পারে (CLI বা GUI আকারে)।

তথ্যসূত্র: NCTB, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি।

৪৬.
লিনাক্সভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম কোনটি?
  1. ক) Manjaro
  2. খ) OS X 10.9
  3. গ) Windows XP
  4. ঘ) Windows 7
ব্যাখ্যা

Manjaro একটি লিনাক্সভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম।

- উইন্ডোজভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম- Windows XP, Windows Vista ইত্যাদি।
- অ্যাপল ম্যাকভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম- OS X 10.8, OS X 10.9 ইত্যাদি।

সূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)। 

৪৭.
MS DOS কী ধরনের অপারেটিং সিস্টেম?
  1. টাচভিত্তিক
  2. গ্রাফিক্যাল
  3. বর্ণভিত্তিক
  4. চিত্রভিত্তিক
ব্যাখ্যা
MS DOS হচ্ছে বর্ণভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম।

MS DOS:
- MS DOS-এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Microsoft Disk Operating System.
- যুক্তরাষ্ট্রের মাইক্রোসফট কর্পোরেশন আইবিএম কম্পিউটারের জন্য ১৯৮১ সালে প্রথম ডস অপারেটিং সিস্টেম উদ্ভাবন করেন।
- ডস আইবিএম এবং আইবিএম উপযুক্ত পার্সোনাল কম্পিউটারের জন্য একটি একক ব্যবহারিক অপারেটিং সিস্টেম।
- ডস একটি বর্ণভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৮.
মাল্টিমিডিয়া কতটি মাধ্যমের সমন্বয়ে গঠিত?
  1. ক) ২
  2. খ) ৩
  3. গ) ৪
  4. ঘ) ৫
ব্যাখ্যা
মাল্টিমিডিয়া হচ্ছে টেক্সট, গ্রাফিক্স, অডিও, ভিডিও ও এনিমেশন এর সমন্বয়ে তৈরি বহুমাত্রিক মিডিয়া যা ইন্টারেক্টিভভাবে ব্যবহারকারীর কাছে মনের ভাব বা তথ্য প্রকাশ করে।সূত্রঃ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের বোর্ড বই।
৪৯.
সিঙ্গেল ইউজার অপারেটিং সিস্টেম কোনটি?
  1. ক) উইন্ডোজ ৯৮
  2. খ) লিনাক্স
  3. গ) ইউনিক্স
  4. ঘ) উইন্ডোজ এনটি সার্ভার
ব্যাখ্যা
সিঙ্গেল অপারেটিং সিস্টেমে একই সময়ে কেবল একজন ব্যবহারকারী সেই ওএস ব্যবহার করতে পারে। উইন্ডোজ ৯৫, ৯৮, পিসি ডস, এমএস ডস, সিম্বিয়ান ওএস, এন্ড্রয়েড ইত্যাদি অপারেটিং সিস্টেম সিঙ্গেল ইউজার অপারেটিং সিস্টেম। অপরদিকে মাল্টি ইউজার অপারেটিং সিস্টেমে একই সময়ে একাধিক ব্যবহারকারী সেই ওএস ব্যবহার করতে পারে। লিনাক্স, ইউনিক্স, উইন্ডোজ এনটি সার্ভার, উইন্ডোজ ২০০৩/২০০৮ ইত্যাদি সহ বর্তমান সময়ে অধিকাংশ ওএসই মাল্টি ইউজার ওএস। (সূত্রঃ এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা এবং মাইক্রোসফট কর্পোরেশন।)
৫০.
আইফোন চালানোর জন্য অ্যাপল যে অপারেটিং সিস্টেম তৈরি করেছে তার নাম কী?
  1. iOS
  2. Windows Mobile
  3. HarmonyOS
  4. Android
ব্যাখ্যা

• আইফোন চালানোর জন্য অ্যাপল কোম্পানি একটি বিশেষ অপারেটিং সিস্টেম তৈরি করেছে, যার নাম iOS। এটি মূলত আইফোন, আইপ্যাড এবং আইপড টাচের জন্য ডিজাইন করা হয়েছে। iOS-এর মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা অ্যাপ ইন্সটল, ইন্টারফেস নেভিগেশন, ডেটা ম্যানেজমেন্ট এবং ডিভাইসের অন্যান্য ফিচার নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। এটি একটি বন্ধ এবং নিরাপদ সিস্টেম হিসেবে পরিচিত, যা অ্যাপল স্টোরের মাধ্যমে অ্যাপ ব্যবহারের নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করে। অন্যান্য অপশন যেমন Windows Mobile, HarmonyOS এবং Android বিভিন্ন কোম্পানির ডিভাইসের জন্য তৈরি, তাই সেগুলি আইফোনে ব্যবহৃত হয় না। সুতরাং আইফোনের জন্য সঠিক উত্তর হলো ক) iOS.

• অপারেটিং সিস্টেম:
- অপারেটিং সিস্টেম হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মধ্যে সেতুবন্ধ রচনা করে।
- কম্পিউটার বুটিং করা থেকে শুরু করে কম্পিউটার বন্ধ করা পর্যন্ত সকল কাজই অপারেটিং সিস্টেমের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রিত হয়।

- বিভিন্ন ধরণের অপারেটিং সিস্টেম:

• সিঙ্গেল ইউজার অপারেটিং সিস্টেম:
- একই সময়ে অপারেটিং সিস্টেমে ব্যবহারকারী সংখ্যা একজন হয়ে থাকলে তাকে সিঙ্গেল ইউজার অপারেটিং সিস্টেম বলে।
- একে অনেক সময় সিঙ্গেল টাস্কিং অপারেটিং সিস্টেমও বলা হয়।
- যেমন- CP/M, Symbian OS, Palm OS, MS-DOS, PC-DOS, Windows 95/98 ইত্যাদি।

• মাল্টি ইউজার অপারেটিং সিস্টেম:
- আবার একাধিক ব্যবহারকারী একই সময়ে যখন কোনো কম্পিউটার সিস্টেম ব্যবহার করতে পারে সেই কম্পিউটারে ব্যবহৃত অপারেটিং সিস্টেমকে মাল্টি ইউজার অপারেটিং সিস্টেম বলে।
- যেমন- Windows NT Server, Android, Windows 2003/2008 Server, Unix, Linux ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫১.
Which of the following keyboard shortcut is used to change the name?
  1. ক) Ctrl + F3
  2. খ) Ctrl + Shift + F3
  3. গ) Shift + F3
  4. ঘ) Alt + F3
ব্যাখ্যা
Shift +F3 shortcut switches the text between uppercase, lowercase, and title case.
The Shift + F3 keyboard shortcut allows you to quickly change the text case of your text without having to use the button built into Microsoft Word.
৫২.
কোনটি অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার?
  1. Solaris
  2. Foxpro
  3. Unix
  4. Windows
ব্যাখ্যা
• "Foxpro" একটি অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার।

• সফটওয়্যার (Software):

- সাধারণত সফটওয়‍্যার বলতে কম্পিউটারের প্রোগ্রামসমূহের সমষ্টিকে বোঝানো হয়। অর্থাৎ সফটওয়‍্যার হলো কতকগুলো প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রামের সমষ্টি, যা হার্ডওয়‍্যারকে কর্মক্ষম করে প্রক্রিয়াকরণের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর কাঙ্ক্ষিত ফলাফল প্রদান করে।
- সফটওয়‍্যারের মাধ্যমে কম্পিউটারের হার্ডওয়‍্যারকে কার্যোপযোগী করা হয়।
- DOS, Windows, MS Office, Adobe Photoshop, Vedio Player, Pagemaker ইত্যাদি হলো সফটওয়‍্যারের উদাহরণ।

• কম্পিউটারের সফটওয়‍্যারকে মূলত দুই ভাগে ভাগ করা হয়। যথা-

১. অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার: 
- ব্যবহারিক কাজের জন্য তৈরি হয়। কাজের প্রকৃতি অনুসারে সাধারণত বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক প্রোগ্রাম তৈরি করা হয়।
- ব্যবহারকারী যে সকল সফটওয়্যার ব্যবহার করে ব্যবহারিক সমস্যা সমাধান বা ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করতে পারে তাকে অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম বা ব্যবহারিক সফটওয়‍্যার বলা হয়।
- এটি একটি কম্পিউটার সফটওয়্যার যেটা ব্যবহারকারীর প্রয়োজন অনুযায়ী এবং নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনা (এক বা একাধিক) করতে ব্যবহারকারীকে সহায়তা করে থাকে।
- অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম সাধারণত ব্যবহারকারীকে টেক্সট, সংখ্যা কিংবা ছবি নিয়ে বিভিন্ন কাজ করার সুযোগ দেয়।
- একাউন্টিং সফটওয়্যার, অফিস সফটওয়্যার, গ্রাফিক্স সফটওয়্যার, বিভিন্ন মিডিয়া প্লেয়ার (ভিডিও এবং অডিও) গুলো হল অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার।
- উদাহরণ: MS Word, MS Excel, Oracle, Foxpro, Adobe Photoshop, Paint ইত্যাদি।

• সিস্টেম সফটওয়্যার:
- সিস্টেম সফটওয়্যার সামগ্রিক সিস্টেমকে পরিচালনা করে।
- সিস্টেম সফটওয়্যার কম্পিউটারে বিভিন্ন ইনপুট আউটপুট ডিভাইসের মধ্যে কাজের সমন্বয় রক্ষা করে ব্যবহারিক প্রোগ্রাম চালনার জন্য কম্পিউটারকে তৈরি রাখে।
- উদাহরণ: Unix, Linux, Windows, Solaris ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৩.
আধুনিক এমবেডেস সিস্টেমে কিসের ব্যবহার পরিলক্ষিত হয়?
  1. ক) চিপস
  2. খ) প্রসেসর
  3. গ) মাইক্রোপ্রসেরস
  4. ঘ) মাইক্রোকন্ট্রোলার
ব্যাখ্যা
সাধারণত এমবেডেড সিস্টেমের কম্পিউটারের দায়িত্ব পালন করে থাকে মাইক্রোকন্ট্রোলার।
৫৪.
মাইক্রোসফট সর্বশেষ কোন অপারেটিং সিস্টেমের সেবাদান কার্যক্রম বন্ধ করে?
  1. ক) উইন্ডোজ ২০০০
  2. খ) উইন্ডোজ ভিসতা
  3. গ) উইন্ডোজ ৭
  4. ঘ) উইন্ডোজ ১০
ব্যাখ্যা
১৪ জানুয়ারী ২০২০ মাইক্রোসফট তার বহুল ব্যবহৃত ও জনপ্রিয় উইন্ডোজ ৭ অপারেটিং সিস্টেমের এক্সটেন্ডেড সেবাদান কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করে। এর আগে ২০০৯ সালে উইন্ডোজ ৭ বাজারে এনেছিল মাইক্রোসফট। মাইক্রোসফটের সর্বেশেষ অপারেটিং সিস্টেম হলো উইন্ডোজ ১০।
(সূত্রঃ মাইক্রোসফট)
৫৫.
অপারেটিং সিস্টেম ও ব্যবহারকারীর মধ্যে যোগাযোগের পথ হিসেবে কাজ করা ইন্টারফেসকে কী বলা হয়?
  1. Shell
  2. Scheduler
  3. API
  4. Command Prompt
ব্যাখ্যা

• অপারেটিং সিস্টেম এবং ব্যবহারকারীর মধ্যে যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে যে ইন্টারফেস কাজ করে তাকে Shell বলা হয়। Shell ব্যবহারকারীর কাছ থেকে কমান্ড গ্রহণ করে সেগুলোকে অপারেটিং সিস্টেমের জন্য বোঝার যোগ্য আকারে রূপান্তর করে। এটি একটি সফটওয়্যার প্রোগ্রাম যা ব্যবহারকারীকে কমান্ড লাইন বা গ্রাফিকাল ইন্টারফেসের মাধ্যমে অপারেটিং সিস্টেমের সাথে ইন্টারঅ্যাক্ট করার সুযোগ দেয়। ব্যবহারকারী Shell-এর মাধ্যমে ফাইল পরিচালনা, প্রোগ্রাম চালানো এবং অন্যান্য সিস্টেম কার্যক্রম সম্পাদন করতে পারে। সংক্ষেপে, Shell হলো সেই মধ্যস্থ মাধ্যম যা ব্যবহারকারীর নির্দেশকে OS পর্যন্ত পৌঁছে দেয় এবং OS-এর ফলাফল ব্যবহারকারীর কাছে উপস্থাপন করে। সুতরাং সঠিক উত্তর হলো ক) Shell.
 
• অপারেটিং সিস্টেম:
- কম্পিউটারকে সঠিকভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য প্রয়োজন অপারেটিং সিস্টেম, যা সিস্টেম সফটওয়্যার নামে পরিচিত।
- কম্পিউটারকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য যে প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রাম সমষ্টি ব্যবহার করা হয় তাকে অপরেটিং সিস্টেম বলা হয়।
- এককথায় অপারেটিং সিস্টেম কম্পিউটার ব্যবহারকারীর সাথে হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের সংযোগ স্থাপন করে বিভিন্ন ধরনের কাজ সম্পাদন করে।
- অপারেটিং সিস্টেমের উদাহরণ: CP/M, Android, Symbian OS, Palm OS, MS-DOS, PC-DOS, Windows 95/98, Windows NT Server, Windows 2003/2008 Server, Unix, Linux ইত্যাদি।

• অপশন আলোচনা:
- Command Prompt:
- Command Prompt হলো উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমের একটি নির্দিষ্ট প্রোগ্রাম যা ব্যবহারকারীর কাছ থেকে টেক্সট-ভিত্তিক কমান্ড গ্রহণ করে। যদিও এটি Shell-এর একটি উদাহরণ, প্রশ্নে নির্দিষ্টভাবে "ইন্টারফেস" সম্পর্কে বলা হয়েছে, এবং Shell একটি জেনেরিক শব্দ যা সব অপারেটিং সিস্টেমে প্রযোজ্য।

- API (Application Programming Interface):
- API হলো এক ধরনের ইন্টারফেস যা সফটওয়্যার প্রোগ্রামগুলি অন্য সফটওয়্যার বা সিস্টেমের সাথে যোগাযোগ করতে ব্যবহার করে। এটি প্রোগ্রামারদের জন্য, ব্যবহারকারীর জন্য সরাসরি নয়।

- Scheduler:
- Scheduler হলো অপারেটিং সিস্টেমের একটি অংশ, যা প্রসেসগুলির মধ্যে CPU-র সময় ভাগ করে। এটি ব্যবহারকারীর সাথে সরাসরি যোগাযোগের জন্য নয়। এটি কাজ করে ব্যাকগ্রাউন্ডে।

- Shell:
- Shell হলো একটি ইন্টারফেস যা ব্যবহারকারীকে অপারেটিং সিস্টেমের সাথে যোগাযোগ করার সুযোগ দেয়। এটি ব্যবহারকারীর কমান্ডগুলো গ্রহণ করে এবং সেগুলো অপারেটিং সিস্টেমে প্রসেস করার জন্য পাঠায়। এটি গ্রাফিকাল (GUI) বা টেক্সট-ভিত্তিক (CLI) হতে পারে।

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।

৫৬.
ওপেন সোর্স অপারেটিং সিস্টেম সফটওয়্যার কোনটি?
  1. iOS
  2. WINDOWS 7
  3. UBUNTU
  4. Mac OS
ব্যাখ্যা
• যে সকল অপারেটিং সিস্টেমের সোর্স কোড সবার জন্য উন্মুক্ত, যা বিনামূল্যে সংগ্রহ করা যায় এবং যে কেউ এই সকল কোড তার খুশিমতো পরিবর্তন, পরিবর্ধন, পরিমার্জন ইত্যাদি করে নিজে ব্যবহার ও অন্যকে ব্যবহারের জন্য বিতরণ করতে পারে তাকে ওপেন সোর্স অপারেটিং সিস্টেম বলা হয়। যেমনঃ
- Linux,
- Haiku,
- Darwin,
- Oberon,
- NetBSD,
- OpenBSD ইত্যাদি।
UBUNTU হলো একটি ওপেন সোর্স অপারেটিং সিস্টেম যা Linux এর একটা ভার্সনের নাম। 
৫৭.
নিচের কোনটি কম্পিউটারের অংশ নয়?
  1. ক) ডাটা
  2. খ) মেমোরি
  3. গ) সফটওয়্যার
  4. ঘ) মোবাইল ফোন
ব্যাখ্যা
কোন ব্যাখ্যা যোগ করা হয়নি।
৫৮.
নিম্নলিখিত কোনটি অপারেটিং সিস্টেম নয়?
  1. ক) Windows
  2. খ) Linux
  3. গ) Python
  4. ঘ) Mac OS
ব্যাখ্যা
উইন্ডোজ (Windows):
- উইন্ডোজ হচ্ছে আমেরিকার বিখ্যাত বিখ্যাত মাইক্রোসফট কর্পোরেশনের তৈরি একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় অপারেটিং সিস্টেম।
- উইন্ডোজের জনপ্রিয়তার প্রধান কারণ হলো গ্র্যাফিক্যাল ইউজার ইন্টারফেস।
- এটি আইবিএম বা আইবিএম কম্পাটিবল কম্পিউটারে ব্যবহৃত হয়। 

লিনাক্স (LINUX):
- লিনাক্স হচ্ছে একটি মাল্টি টাস্কিং ওপেন সোর্স অপারেটিং সিস্টেম যা বিশ্বব্যাপী হাজার হাজার প্রোগ্রামার দ্বারা উন্নতি লাভ করেছে।
- এটি UNIX অপারেটিং সিস্টেমের একটি বিশেষ সংস্করণ।
- ১৯৯০ সালে ফিনল্যান্ডের যুবক লিনাস টারভোল্ডাস লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেম তৈরি করেন। 

ম্যাক ওএস (Mac OS):
- Mac OS এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Macintosh Operating System.
- ১৯৮০ সালে অ্যাপল(Apple) কোম্পানি তাদের অ্যাপল মেকিনটোশ কম্পিউটারসমূহে ব্যবহারের জন্য Mac OS তৈরি করেন। 

• Python হলো High Level Programming Language. 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৯.
পঞ্চাশের শেষার্ধ থেকে ষাটের দশকের মধ্যে উদ্ভাবিত অপারেটিং সিস্টেম কোনটি?
  1. ক) অ্যাটলাস
  2. খ) ইউনিক্স
  3. গ) লিনাক্স
  4. ঘ) ম্যাক ওএস
ব্যাখ্যা
পঞ্চাশের শেষার্ধ থেকে ষাটের দশকের মধ্যে উদ্ভাবিত অ্যাটলাস অপারেটিং সিস্টেম উল্লেখযোগ্য। ইংল্যান্ডের ম্যানচেস্টার বিশ্ববিদ্যালয়ে এ অপারেটিং সিস্টেমের ডিজাইন করা হয়। এটলাস অপারেটিং সিস্টেমের বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য ছিল এর স্মৃতি ব্যবস্থাপনার বৈশিষ্ট্য। উৎস: মাধ্যমিক কম্পিউটার শিক্ষা, নবম-দশম শ্রেণি।
৬০.
অপারেটিং সিস্টেমে মাল্টিপ্রসেসিংয়ে প্রসেসরগুলো যাতে একই প্রোগ্রাম একসাথে প্রসেস না করে, সেই ব্যবস্থাকে কী বলে?
  1. সিঙ্ক্রোনাইজেশন
  2. ডেডলক
  3. মাল্টিটাস্কিং 
  4. ইন্টারপ্রিটেশন
ব্যাখ্যা
মাল্টিপ্রসেসিংয়ে প্রসেসরগুলো যাতে একই প্রোগ্রাম একসাথে প্রসেস না করে, সেই ব্যবস্থাকে সিঙ্ক্রোনাইজেশন বলে।

• মাল্টিপ্রসেসিং অপারেটিং সিস্টেম (Multiprocessing Operating System)
- মাল্টিপ্রসেসিং বলতে দুই বা ততোধিক নির্দেশনা সমান্তরালভাবে দুই বা ততোধিক কেন্দ্রীয় প্রসেসর বা সিপিইউ কর্তৃক পরিচালিত হওয়া বুঝায়।
- এসব সিপিইউ একই সময়ে কোনো প্রোগ্রামের আলাদা নির্দেশ পালন করে কিংবা সম্পূর্ণভাবে আলাদা আলাদা প্রোগ্রামও নির্বাহ করতে পারে।
- মাল্টিপ্রসেসিং পদ্ধতিতে কাজের গতি অত্যন্ত দ্রুত হয়।
- এ পদ্ধতিতে একাধিক প্রসেসর ব্যবহৃত হয় বলে এর উপর বেশি নির্ভরশীল হওয়া যায়, কারণ একটি প্রসেসর খারাপ হয়ে গেলেও কাজ একেবারে বন্ধ হয়ে যায় না।
- মহাকাশযান, বিদ্যুৎ উৎপাদনকেন্দ্র ও বড় কলকারখানা এসব ক্ষেত্রে মাল্টিপ্রসেসিং সিস্টেম ব্যবহার করা হয়।
- যেহেতু এ পদ্ধতিতে একাধিক প্রসেসর থাকে তাই একাধিক প্রসেসর যাতে একসাথে একই প্রোগ্রাম প্রসেস করতে না পারে সে জন্য একটা ব্যবস্থা থাকে যাকে সিনক্রোনাইজেশন (Synchronization) বলে।
- মাল্টিপ্রসেসিং-এ প্রতিটি প্রোগ্রামের সাথে একটি ফ্ল্যাগ বিট (Flag bit) যুক্ত থাকে।
- কোনো প্রোগ্রামের ফ্ল্যাগ বিট শূন্য (০) হলেই কোনো প্রসেসর সেই প্রোগ্রাম প্রসেস করে এবং ফ্ল্যাগ বিট এক (১) করে রাখে।
- সুতরাং যে প্রোগ্রামের ফ্ল‍্যাগ বিট এক (১) ঐ প্রোগ্রাম কোনো প্রোসেসর প্রসেস করবে না।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১ এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
৬১.
লিনাক্স হলো-
  1. বর্ণভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম
  2. চিত্রভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম
  3. ওপেন সোর্স কোডভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম
  4. সবগুলোই
ব্যাখ্যা
• লিনাক্স:
- লিনাক্স হচ্ছে একটি মাল্টি টাস্কিং ওপেন সোর্স অপারেটিং সিস্টেম যা বিশ্বব্যাপী হাজার হাজার প্রোগ্রামার দ্বারা উন্নতি লাভ করেছে।
- এটি UNIX অপারেটিং সিস্টেমের একটি বিশেষ সংস্করণ।
- ১৯৯০ সালে ফিনল্যান্ডের যুবক লিনাস টারভোল্ডাস লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেম তৈরি করেন।
- লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেম বর্ণভিত্তিক ও চিত্রভিত্তিক উভয় পরিবেশের সুবিধা প্রদান করে এবং এটির সিকিউরিটি ও গ্রাফিক্স অত্যন্ত শক্তিশালী।
- লিনাক্স ওপেন সোর্স কোডভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম।
- বিভিন্ন অফিস, বাসা-বাড়ি ও কোম্পানিতে লিনাক্স ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬২.
কম্পিউটারের স্থায়ী স্মৃতিশক্তিকে কি বলে?
  1. RAM
  2. ROM
  3. Hardware
  4. Software
ব্যাখ্যা
ROM: 
- ROM এর পূর্ণরূপ হলো Read Only Memory. 
- এটি মূলত এক ধরনের নন-ভোলাইটল মেমোরি (Non-Volatile Memory)। অর্থাৎ বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করলেও রমে সংরক্ষিত তথ্য মুছে যায় না। 
- কম্পিউটারের মাইক্রোপ্রসেসর ও হার্ডওয়্যারের অভ্যন্তরীণ কার্যাবলি সম্পাদনের প্রোগ্রাম রমে স্থায়ীভাবে সংরক্ষিত থাকে। 
- কম্পিউটারের স্থায়ী স্মৃতিশক্তিকে ROM বলে। 
- সাধারণত রমে নতুন কিছু সংযোজন, সংশোধন বা পরিবর্তন করা যায় না। 
- রমে ম্যানুফেকচাররার কর্তৃক প্রয়োজনীয় তথ্য সংরক্ষণ করা থাকে। 
- সাধারণত রমে সংরক্ষিত তথ্য শুধু পড়া যায়, লেখা যায় না। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬৩.
Which of the following is a graphical operating system?
  1. MS-DOS
  2. CP/M
  3. Windows 7
  4. PC-DOS
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - গ) Windows 7

• অপারেটিং সিস্টেম:
- কম্পিউটারকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য যে প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রাম সমষ্টি ব্যবহার করা হয় তাকে অপারেটিং সিস্টেম বলা হয়।

• ইন্টারফেস ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমের প্রকারভেদ-
- অপারেটিং সিস্টেমগুলোতে কাজ করার পরিবেশ এবং ইন্টারফেসের উপর ভিত্তি করে এদেরকে আবার দুইভাগে ভাগ করা যায়।

১। বর্ণ-ভিত্তিক (Text based/Character User Interface-CUI) অপারেটিং সিস্টেম:
- বর্ণ-ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমে কী-বোর্ডের সাহায্যে বিভিন্ন বর্ণ টাইপ করে এবং কী-বোর্ডের বিভিন্ন বোতাম ব্যবহার করে কম্পিউটারকে প্রয়োজনীয় নির্দেশ প্রদান করা হয়।
- ডিস্ক ফরমেটিং থেকে শুরু করে ফাইল ব্যবস্থাপনা এবং অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম ব্যবহারের সকল পর্যায়ের কাজই করতে হয় কী-বোর্ডের সাহায্যে বিভিন্ন বর্ণ টাইপ করে এবং কী-বোর্ডের বিভিন্ন বোতাম ব্যবহার করে।

• বর্ণ বা টেক্সটভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম:
- MS-DOS,
- PC DOS,
- CP/M, ইত্যাদি।

২। চিত্র-ভিত্তিক (Graphical User Interface-GUI) অপারেটিং সিস্টেম:
- চিত্র-ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমে ডিস্ক ফরমেটিং থেকে শুরু করে ফাইল ব্যবস্থাপনা এবং অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম ব্যবহারের সকল পর্যায়ের কাজই করতে হয় বিভিন্ন প্রকার আইকন (Icon) এবং পুল ডাউন মেন্যু কমান্ড ব্যবহার করে।
- আইকন এবং পুল ডাউন মেন্যু কমান্ড নির্বাচন, ব্যবহার এবং কার্যকর করা হয় মাউসের সাহায্যে।
- চিত্র ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমে কম্পিউটার চালু করার পর পর্দার উপরে বা ডেস্কটপে বিভিন্ন প্রোগ্রামের আইকন বা প্রতিকী চিত্র থাকে।
- প্রয়োজনীয় প্রোগ্রামের আইকনের উপর মাউস পয়েন্টার দিয়ে ডাবল-ক্লিক করলেই প্রোগ্রামটি চালু হয়ে যায়।
- চিত্র ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমে কোনো কমান্ড মুখস্থ করে রাখার প্রয়োজন হয় না।

• চিত্রভিত্তিক বা গ্রাফিক্যাল অপারেটিং সিস্টেম:
- Windows 95/98/Xp/2000/7,
- Mac OS, ইত্যাদি।

উৎস: ১। বিবিএ প্রোগ্রাম, মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা।
২। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল, ভোকেশনাল।

৬৪.
অপারেটিং সিস্টেমের কাজ নয় -
  1. ক) Memory Management
  2. খ) Process Management
  3. গ) Network Management
  4. ঘ) Device Management
ব্যাখ্যা
অপারেটিং সিস্টেম সাধারনত ৫ ধরনের কাজ করে:
- Memory Management: প্রাইমারি মেমোরিকে নিয়ন্ত্রণ করে। কোন কাজে কতটুকু মেমোরি লাগবে, কোন ডাটা মেমোরির কোন জায়গায় আছে তা ম্যানেজ করে। 

- Process Management: কতগুলো কাজ করা হচ্ছে তা নিয়ন্ত্রণ করে। কোন কাজটি করা হচ্ছে, তার জন্য কোন কোন অংশকে কাজে লাগাতে হবে তা নির্ণয় করে। 

- Device Management: কম্পিউটারের সাথে সংযুক্ত ডিভাইসগুলোর কাজকে সমন্ময় করা । কোন আউটপুট কোন ডিভাইসে যাবে তা নির্ধারণ করা।

- File Management: কোন সুনির্দিষ্ট কাজ করার জন্য কোন ফাইলগুলো ব্যবহার করতে হবে তা নির্ধারণ করা।

- Security: কম্পিউটারে সংরক্ষিত ডাটাগুলোকে সিকিউরিটি দেয়া অপারেটিং সিস্টেমের কাজ। যাতে কোনো ডাটা হাড়িয়ে না যায় বা ভাইরাস এর আক্রমনে ডাটার প্রকৃতি পরিবর্তন না হয় এবং ডাটা যাতে ইউজারের অনুমতির বাহিরে অন্যত্র স্থানান্তরিত না হয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা বই, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ।
৬৫.
কোনটি অপারেটিং সিস্টেম নয়?
  1. CP/M
  2. Symbian
  3. kindle
  4. Windows NT Server
ব্যাখ্যা
• kindle- হচ্ছে একটি ই-বুক রিডার।

• অপারেটিং সিস্টেম:
:- অপারেটিং সিস্টেম হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মধ্যে সেতুবন্ধ রচনা করে।
- কম্পিউটার বুটিং করা থেকে শুরু করে কম্পিউটার বন্ধ করা পর্যন্ত সকল কাজই অপারেটিং সিস্টেমের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রিত হয়।

• বিভিন্ন ধরণের অপারেটিং সিস্টেম:
• সিঙ্গেল ইউজার অপারেটিং সিস্টেম:
- একই সময়ে অপারেটিং সিস্টেমে ব্যবহারকারী সংখ্যা একজন হয়ে থাকলে তাকে সিঙ্গেল ইউজার অপারেটিং সিস্টেম বলে।
- একে অনেক সময় সিঙ্গেল টাস্কিং অপারেটিং সিস্টেমও বলা হয়।
- যেমন- CP/M, Android, Symbian OS, Palm OS, MS-DOS, PC-DOS, Windows 95/98 ইত্যাদি।

• মাল্টি ইউজার অপারেটিং সিস্টেম:
- আবার একাধিক ব্যবহারকারী একই সময়ে যখন কোনো কম্পিউটার সিস্টেম ব্যবহার করতে পারে সেই কম্পিউটারে ব্যবহৃত অপারেটিং সিস্টেমকে মাল্টি ইউজার অপারেটিং সিস্টেম বলে।
- যেমন- Windows NT Server, Windows 2003/2008 Server, Unix, Linux ইত্যাদি।

• বর্ণ বা টেক্সটভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম:
- এ ধরনের অপারেটিং সিস্টেম হলো কমান্ড লাইন ইউজার ইন্টারফেস।
- ডিস্ক ফর্মেটিং থেকে শুরু করে ফাইল ব্যবস্থাপনা এবং অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামের সব কাজ কি-বোর্ডের মাধ্যমে কমান্ডের সাহায্যে করতে হয়।
- Linux, Unix, MS-DOS, PC DOS, CP/M ইত্যাদি এ ধরনের অপারেটিং সিস্টেমের উদাহরণ।

• চিত্রভিত্তিক বা গ্রাফিক্যাল অপারেটিং সিস্টেম:
- গ্রাফিক্সের বা চিত্রের মাধ্যমে কমান্ড প্রয়োগ করে কম্পিউটার পরিচালনা করা গেলে তাকে চিত্রভিত্তিক বা গ্রাফিক্যাল অপারেটিং সিস্টেম বলে।
- Windows 95/98/Xp/2000/7, Mac OS ইত্যাদি চিত্রভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমের উদাহরণ।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬৬.
নিচের কোনটি অপারেটিং সিস্টেম নয়। 
  1. ক) মাইক্রোসফট উইন্ডোজ ৯৮ 
  2. খ) উইন্ডোজ ভিসতা
  3. গ) মিন্ট 
  4. ঘ) মাইক্রোসফট অফিস 
ব্যাখ্যা
মাইক্রোসফট অফিস হল মাইক্রোসফটের একটি এপ্লিকেশন সফটওয়ার। 
৬৭.
কোনটি উন্মুক্ত অপারেটিং সিস্টেম নয়?  
  1. ক) Ubuntu
  2. খ) Mint 
  3. গ) Sun Solaris 
  4. ঘ) Windows Vista 
ব্যাখ্যা
Windows Vista উন্মুক্ত অপারেটিং সিস্টেম না। 
৬৮.
অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল অপারেটিং সিস্টেমটি কোন কোম্পানি দ্বারা বাজারজাত করা হয়?
  1. অ্যাপল
  2. গুগল
  3. মাইক্রোসফট
  4. আইবিএম
ব্যাখ্যা
• Android মোবাইল অপারেটিং সিস্টেমটি বাজারজাত করে -গুগল।

- অ্যান্ড্রয়েড হলো সেলুলার টেলিফোন এবং ট্যাবলেট কম্পিউটারের জন্য অপারেটিং সিস্টেম।
- অ্যানড্রয়েড 2003 সালে আমেরিকান প্রযুক্তি কোম্পানি অ্যান্ড্রয়েড ইনকর্পোরেটেডের একটি প্রকল্প হিসেবে ডিজিটাল ক্যামেরার জন্য একটি অপারেটিং সিস্টেম তৈরি করতে শুরু করে।
- 2004 সালে প্রকল্পটি স্মার্টফোনের জন্য একটি অপারেটিং সিস্টেমে পরিণত হয়।
- 2005 সালে আমেরিকান সার্চ ইঞ্জিন কোম্পানি Google Inc. 'Android' মোবাইল অপারেটিং সিস্টেমটি ক্রয় করে।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৬৯.
বিভিন্ন ধরনের কাজ সম্পাদনের জন্য কম্পিউটার ব্যবহারকারীর সাথে হার্ডওয়‍্যার ও সফটওয়্যারের সংযোগ স্থাপন করে কোনটি?
  1. সিপিইউ
  2. অপারেটিং সিস্টেম
  3. মাদারবোর্ড
  4. এএলইউ
ব্যাখ্যা
• অপারেটিং সিস্টেম:
- তেমনি কম্পিউটারকে সঠিকভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য প্রয়োজন অপারেটিং সিস্টেম, যা সিস্টেম সফটওয়্যার নামে পরিচিত।
- কম্পিউটারকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য যে প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রাম সমষ্টি ব্যবহার করা হয় তাকে অপরেটিং সিস্টেম বলা হয়।
- এটি কম্পিউটারের ইনপুট ও আউটপুট হার্ডওয়্যার এবং অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়‍্যারের সাথে সেতুবন্ধ রক্ষা করে ব্যবহারকারীর নির্দেশ অনুযায়ী ডেটা গ্রহণ করে, প্রক্রিয়াকরণ করে এবং প্রক্রিয়াকরণের পর প্রাপ্ত ফলাফল প্রদানে সহায়তা করে।
- এককথায় বলা যায় অপারেটিং সিস্টেম কম্পিউটার ব্যবহারকারীর সাথে হার্ডওয়‍্যার ও সফটওয়্যারের সংযোগ স্থাপন করে বিভিন্ন ধরনের কাজ সম্পাদন করে।
- ANSI-এর মতে, 'যে সফটওয়‍্যার কম্পিউটার প্রোগ্রামের এক্সিকিউশন নিয়ন্ত্রণ করে এবং শিডিউলিং, ডিবাগিং, ইনপুট/আউটপুট নিয়ন্ত্রণ, অ্যাকাউন্টিং, কম্পাইলেশন, তথ্যাবলি সংরক্ষণ, কার্যক্রম, তথ্য ব্যবস্থাপনা এবং আনুষঙ্গিক কাজসমূহ করে থাকে তাকে অপারেটিং সিস্টেম বলে।' 
- অপারেটিং সিস্টেম হচ্ছে এমন এক ধরনের প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রাম সমষ্টি, যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে সব সময় নির্বাহ হয় এবং অন্যান্য প্রোগ্রামের নির্বাহের পরিবেশ তৈরি করে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭০.
যখন কম্পিউটার অপারেটিং সিস্টেম চিত্র বা ভিজ্যুয়াল প্রতীক ব্যবহারের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর সঙ্গে যোগাযোগ সহজ করে, তখন এটি কী বলা হয়?
  1. ন্যাচারাল ল্যাঙ্গুয়েজ ইন্টারফেস
  2. গ্রাফিক্যাল ইউজার ইন্টারফেস
  3. ব্লক ইউজার ইন্টারফেস
  4. কমান্ড-লাইন ইন্টারফেস
ব্যাখ্যা
• যখন কম্পিউটার অপারেটিং সিস্টেম চিত্র বা ভিজ্যুয়াল প্রতীক ব্যবহারের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর সঙ্গে সহজে যোগাযোগ স্থাপন করে, তখন একে গ্রাফিক্যাল ইউজার ইন্টারফেস (GUI) বলা হয়। এটি ব্যবহারকারীদের জন্য কম্পিউটারের সঙ্গে কাজ করাকে সহজ ও বোধগম্য করে তোলে। GUI-তে মাউস বা টাচ ব্যবহার করে আইকন, বোতাম, মেনু ও উইন্ডো ইত্যাদি ব্যবহার করে কমান্ড দেওয়া যায়, যা ব্যবহারকারীদের কমান্ড টাইপ না করেই বিভিন্ন কাজ সম্পন্ন করতে সহায়তা করে।
- GUI প্রযুক্তির মাধ্যমে কম্পিউটার ব্যবহারে দক্ষতা ও গতি বাড়ে এবং এটি ব্যবহারকারী বান্ধব পরিবেশ তৈরি করে। সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো: খ) গ্রাফিক্যাল ইউজার ইন্টারফেস।


• চিত্রভিত্তিক বা গ্রাফিক্যাল অপারেটিং সিস্টেম:
- গ্রাফিক্সের বা চিত্রের মাধ্যমে কমান্ড প্রয়োগ করে কম্পিউটার পরিচালনা করা গেলে তাকে চিত্রভিত্তিক বা গ্র্যাফিক্যাল অপারেটিং সিস্টেম বলে।
- এ ধরনের অপারেটিং সিস্টেমে ডিস্ক ফরমেটিং থেকে শুরু করে ফাইল ব্যবস্থাপনা এবং অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামের সব কাজ করতে হয় বিভিন্ন প্রকার আইকন এবং পুলডাউন মেন্যু ব্যবহার করে।
- প্রয়োজনীয় প্রোগ্রামের আইকনের ওপর মাউস দিয়ে ডবল ক্লিক করলে প্রোগ্রামটি চালু হয়।
- Windows 95/98/Xp/2000/7, Mac OS ইত্যাদি চিত্রভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমের উদাহরণ।

• এই অপারেটিং সিস্টেমের উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্যসমূহ হলো:
১. চিত্রভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমে কম্পিউটার চালু করার পর ডেস্কটপে বিভিন্ন প্রোগ্রামের আইকন বা প্রতীক থাকে।
২. বিভিন্ন প্রকার আইকন এবং পুল ডাউন মেন্যু কমান্ড ব্যবহার করে কম্পিউটারকে প্রয়োজনীয় নির্দেশ প্রদান করা হয়।
৩. কমান্ডের জন্য মেন্যু এবং প্রতিটি মেন্যুর আওতায় অনেক পুল ডাউন মেনু কমান্ড থাকে।
৪. মাউসের সাহায্যে Icon এবং পুল ডাউন মেনু কমান্ড কার্যকরী করা যায়।
৫. নতুন কোনো হার্ডওয়‍্যার বা সফটওয়্যার সংযোগ করা হলে কম্পিউটার নিজে থেকে বুঝতে পারে কোথায় সংযোগ করা হয়েছে।

৬. নেটওয়ার্কিং, শেয়ারিং ও ইন্টারনেটব্যবস্থা অত্যন্ত কার্যকর।
৭. এ ধরনের সিস্টেমের জন্য ব্যবহারকারীকে কোনো ধরনের কমান্ড মুখস্থ রাখতে হয় না।
৮. মাল্টিমিডিয়া সিস্টেম কার্যকর।
৯. এ ধরনের অপারেটিং সিস্টেমের জন্য কম্পিউটারে বেশি মেমরির প্রয়োজন হয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭১.
কোন ধরনের অপারেটিং সিস্টেমে গ্রাফিক্সের মাধ্যমে কমান্ড প্রয়োগ করা হয়?
  1. টেক্সট-ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম
  2. চিত্রভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম
  3. নেটওয়ার্ক অপারেটিং সিস্টেম
  4. এমবেডেড অপারেটিং সিস্টেম
ব্যাখ্যা
• চিত্রভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম:
- গ্রাফিক্সের বা চিত্রের মাধ্যমে কমান্ড প্রয়োগ করে কম্পিউটার পরিচালনা করা গেলে তাকে চিত্রভিত্তিক বা গ্র্যাফিক্যাল অপারেটিং সিস্টেম বলে।
- চিত্রভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমের উদাহরণসমূহ: Windows 95/98/Xp/2000/7, Mac OS ইত্যাদি চিত্রভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমের উদাহরণ।

• চিত্রভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমের উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্যসমূহ:
- চিত্রভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমে কম্পিউটার চালু করার পর ডেস্কটপে বিভিন্ন প্রোগ্রামের আইকন বা প্রতীক থাকে।
- বিভিন্ন প্রকার আইকন এবং পুল ডাউন মেন্যু কমান্ড ব্যবহার করে কম্পিউটারকে প্রয়োজনীয় নির্দেশ প্রদান করা হয়।
- কমান্ডের জন্য মেন্যু এবং প্রতিটি মেন্যুর আওতায় অনেক পুল ডাউন মেনু কমান্ড থাকে।
- মাউসের সাহায্যে Icon এবং পুল ডাউন মেনু কমান্ড কার্যকরী করা যায়।
- নতুন কোনো হার্ডওয়্যার বা সফটওয়্যার সংযোগ করা হলে কম্পিউটার নিজে থেকে বুঝতে পারে কোথায় সংযোগ করা হয়েছে।
- নেটওয়ার্কিং, শেয়ারিং ও ইন্টারনেটব্যবস্থা অত্যন্ত কার্যকর।
- এ ধরনের সিস্টেমের জন্য ব্যবহারকারীকে কোনো ধরনের কমান্ড মুখস্থ রাখতে হয় না।
- মাল্টিমিডিয়া সিস্টেম কার্যকর।
- এ ধরনের অপারেটিং সিস্টেমের জন্য কম্পিউটারে বেশি মেমরির প্রয়োজন হয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭২.
কোনটি হার্ড রিয়েল-টাইম সিস্টেমের উদাহরণ?
  1. গাড়ির এয়ারব্যাগ সিস্টেম
  2. অনলাইন শপিং ওয়েবসাইট
  3. ওয়ার্ড প্রসেসর
  4. ভিডিও স্ট্রিমিং অ্যাপ্লিকেশন
ব্যাখ্যা

• হার্ড রিয়েল-টাইম সিস্টেম হলো এমন একটি কম্পিউটার সিস্টেম যা নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে কাজ সম্পন্ন করতে বাধ্য, এবং সময়সীমা লঙ্ঘন হলে তা গুরুতর ফলাফল সৃষ্টি করতে পারে। উদাহরণ হিসেবে গাড়ির এয়ারব্যাগ সিস্টেমকে ধরা যায়। দুর্ঘটনার সময় এয়ারব্যাগ ঠিক সময়ে না খোলায় যাত্রীর জীবন ঝুঁকিতে পড়তে পারে, তাই এটি কঠোরভাবে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কাজ সম্পন্ন করতে হবে। অন্যদিকে অনলাইন শপিং ওয়েবসাইট, ওয়ার্ড প্রসেসর, এবং ভিডিও স্ট্রিমিং অ্যাপ্লিকেশন সফট রিয়েল-টাইম বা নন-রিয়েল-টাইম সিস্টেম, যেখানে দেরি হলেও বড় ধরনের ক্ষতি হয় না। তাই গাড়ির এয়ারব্যাগ সিস্টেম হার্ড রিয়েল-টাইম সিস্টেমের স্পষ্ট উদাহরণ।

- উত্তর: ক) গাড়ির এয়ারব্যাগ সিস্টেম। 

• রিয়েলটাইম অপারেটিং সিস্টেম (Realtime Operating System):
- রিয়েল টাইম সিস্টেমে কম্পিউটারকে ভালভাবে সংজ্ঞায়িত ও সুর্নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে প্রসেসিং-এর কাজ সমাধান করে ফলাফল দিতে হয় যাতে ব্যবহারকারীর কোনো ক্ষতি না হয়।
- এটি সাধারণত এমন পরিবেশে ব্যবহৃত হয় যেখানে সময়সীমা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, যেমন এমবেডেড সিস্টেম, রোবোটিক্স, অটোমোটিভ সিস্টেম এবং ইন্ডাস্ট্রিয়াল কন্ট্রোল সিস্টেম।
- এই পদ্ধতিটিও একপ্রকার অনলাইন প্রসেসিং।
- তবে অনলাইন প্রসেসিং-এর ক্ষেত্রে ফলাফল বা আউটপুট দিতে সামান্য দেরি হলেও ব্যবহারকারীর তেমন অসুবিধা হয় না।
- কিন্তু রিয়েল টাইমের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে অবশ্যই ফলাফল দিতে হবে নতুবা ব্যবহারকারীর বিরাট ক্ষতি হয়।
- উদাহরণ: টিকেট বুকিং সিস্টেম, প্লেন পরিচালনার অপারেটিং সিস্টেম।

আরো কিছু রিয়েলটাইম অপারেটিং সিস্টেম:
- FreeRTOS,
- QNX,
- ThreadX, ইত্যাদি।

সূত্র:
- কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি (ভোকেশনাল)।
- IEEE. [link]

৭৩.
প্রথম অপারেটিং সিস্টেমের নাম কি?
  1. ক) LINUX
  2. খ) Windows
  3. গ) iOS
  4. ঘ) UNIX
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন অপারেটিং সিস্টেম  এবং তাদের উদ্ভাবন এর সময়কাল:
- UNIX - 1970
- LINUX - 1990
- Windows - 1985
- iOS - 2007
- Symbian - 1977
- Android - 2008
- MacOS - 1990

উৎস: ব্রিটানিকা।
৭৪.
BIOS-এর কাজ কী?
  1. ডেটা সংরক্ষণ
  2. ফাইল কপি করা
  3. হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মধ্যে যোগাযোগ ও নিয়ন্ত্রণ করা
  4. ফাইল তৈরি ও সংরক্ষণ করা
ব্যাখ্যা
BIOS হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মধ্যে যোগাযোগ ও নিয়ন্ত্রণ করে।

• BIOS (Basic Input Output System):
- কম্পিউটার তাঁর সকল কাজ সম্পন্ন করে একটির পর একটি নির্দেশ পালনের মাধ্যমে।
- পাওয়ার বাটনে চাপ দেওয়ার পর প্রথম যে নির্দেশগুলো কম্পিউটার পালন করে সে নির্দেশগুলো সংরক্ষিত থাকে একটি ইলেকট্রনিক চিপ হিসেবে ।
- এই চিপ টির নাম BIOS, এটি মাদারবোর্ড এ থাকে।
- হার্ডওয়‍্যার ও সফটওয়‍্যারের যোগাযোগ ঘটে BIOS এর সাহায্যে।
- BIOS এ থাকা নির্দেশগুলো পালনের মাধ্যমে প্রসেসর কম্পিউটারের সকল যন্ত্রের সথে যোগাযোগ করে এবং এদের নিয়ন্ত্রণ করে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭৫.
DOS is which type of operating system?
  1. GUI operating system
  2. CUI operating system
  3. Multi-user operating system
  4. Distributed operating system 
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - খ) CUI operating system
-
DOS হলো একটি CUI (Character User Interface) ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম। এর মানে হলো, এটি ব্যবহারকারীকে কোনো গ্রাফিকাল আইকন বা উইন্ডো সরবরাহ করে না।
- ব্যবহারকারীকে সিস্টেমের সাথে ইন্টারঅ্যাক্ট করার জন্য কিবোর্ডের মাধ্যমে টেক্সট-ভিত্তিক কমান্ড (যেমন: dir, copy, cd) লিখে কাজ করতে হয়।

DOS (Disk Operating System):
- DOS-এর পূর্ণরূপ হলো Disk Operating System। এটি ১৯৮১ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মাইক্রোসফট কর্পোরেশন IBM কম্পিউটারের জন্য উদ্ভাবন করে।
- DOS হলো IBM এবং তার উপযুক্ত পার্সোনাল কম্পিউটারের জন্য একটি একক ব্যবহারিক অপারেটিং সিস্টেম।
- এটি PC-DOS বা MS-DOS নামেও পরিচিত।
- DOS একটি বর্ণভিত্তিক (Text-based/Character-based) অপারেটিং সিস্টেম।
- এর প্রধান অসুবিধা হলো কমান্ড-লাইন ইউজার ইন্টারফেস। ব্যবহারকারীকে DOS-এর কমান্ড মুখস্থ রাখতে হয় এবং কীবোর্ডের মাধ্যমে কম্পিউটারে কমান্ড বা নির্দেশ দিতে হয়।

উৎস: বিবিএ প্রোগ্রাম, মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭৬.
অপারেটিং সিস্টেম এর কাজ কোনটি?
  1. ক) Network Management
  2. খ) Hardware Management
  3. গ) Process Management
  4. ঘ) Connection Management
ব্যাখ্যা
অপারেটিং সিস্টেম সাধারনত ৫ ধরনের কাজ করে:
- Memory Management: প্রাইমারি মেমোরিকে নিয়ন্ত্রণ করে। কোন কাজে কতটুকু মেমোরি লাগবে, কোন ডাটা মেমোরির কোন জায়গায় আছে তা ম্যানেজ করে।
- Process Management: কতগুলো কাজ করা হচ্ছে তা নিয়ন্ত্রণ করে। কোন কাজটি করা হচ্ছে, তার জন্য কোন কোন অংশকে কাজে লাগাতে হবে তা নির্ণয় করে।
- Device Management: কম্পিউটারের সাথে সংযুক্ত ডিভাইসগুলোর কাজকে সমন্ময় করা। কোন আউটপুট কোন ডিভাইসে যাবে তা নির্ধারণ করা।
- File Management: কোন সুনির্দিষ্ট কাজ করার জন্য কোন ফাইলগুলো ব্যবহার করতে হবে তা নির্ধারণ করা।
- Security: কম্পিউটারে সংরক্ষিত ডাটাগুলোকে সিকিউরিটি দেয়া অপারেটিং সিস্টেমের কাজ। যাতে কোনো ডাটা হাড়িয়ে না যায় বা ভাইরাস এর আক্রমনে ডাটার প্রকৃতি পরিবর্তন না হয় এবং ডাটা যাতে ইউজারের অনুমতির বাহিরে অন্যত্র স্থানান্তরিত না হয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা বই, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭৭.
​Android প্রথম বাজারে আসে কোন সালে? 
  1. ২০০৫ সালে
  2. ২০০৮ সালে
  3. ২০১০ সালে
  4. ২০১২ সালে 
ব্যাখ্যা

Android: 
- Android হলো স্মার্টফোন ও ট্যাবলেট কম্পিউটারের জন্য লিনাক্স ভিত্তিক ওপেন সোর্স অপারেটিং সিস্টেম।
- Open Handset Alliance এই অপারেটিং সিস্টেমের উদ্ভাবন করে এবং পরে গুগল এটি কিনে নেয়।
- এটি ওপেন সোর্স সফটওয়্যার এবং স্মার্টফোনের জগতের সবচেয়ে জনপ্রিয় সফটওয়‍্যার।
- Android বর্তমানে গুগলের একটি মাল্টি ইউজার অপারেটিং সিস্টেম।
- Android package file এর এক্সটেনশন .apk
- Android OS ব্যবহৃত প্রথম ফোন T-Mobile G1 (HTC Dream নামে বেশি পরিচিত)।
- Android অপারেটিং সিস্টেমটি প্রথম বাজারে আসে ২০০৮ সালে। 

উৎস: কম্পিউটার অ্যাপ্লিকেশন, ৯ম-১০ম শ্রেণি, ভোকেশনাল [২০২১ সংস্করণ] এবং সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট। 

৭৮.
'Dot Matrix printer' হলো -
  1. Impact Printer
  2. Laser Printer
  3. Electrostatic Printer
  4. Thermal Printer
ব্যাখ্যা
ডট ম্যাট্রিক্স প্রিন্টার (Dot matrix Printer):
- এটি একটি Impact Printer বা ধাক্কা প্রিন্টার।
- এ ধরনের প্রিন্টারের প্রিন্টিং হেডের পিনের সাহায্যে কয়েকটি কালির ফোঁটা দিয়ে অক্ষর লেখা হয়। তবে প্রিন্টিং হেড ৯২,৪৪৮ পিন বা আরো বেশি পিনবিশিষ্ট হয়ে থাকে।
- পিনের সংখ্যা যত বেশি হয় হয়, মুদ্রণের মানও তত উন্নত হয়।
- প্রিন্টারে কাগজ ও প্রিন্টার হেডের মাঝে এক ধরনের কালিযুক্ত রিবন থাকে। যখন যে বর্ণ ছাপাতে হয় তখন সেই বর্ণের বিন্দুগুলোর অনুরূপ পিনগুলো প্রিন্ট হেড থেকে বেরিয়ে এসে কালি মাখানো রিবনকে কাগজের ওপর চেপে ধরে। ফলে সেই বর্ণের ডটগুলো, অর্থাৎ সেই বর্ণটি ছাপানো হয়ে যায়।
- একটি পুরো লাইন হয়ে গেলে কাগজ একটু সরে গিয়ে পরের লাইনে চলে আসে আর প্রিন্ট হেডও সেই সাথে বাঁ দিকে শেষ প্রান্তে সরে গিয়ে আবার ছাপাতে শুরু করে। তবে কিছু ডট ম্যাট্রিক্স প্রিন্টার উভয়মুখী, অর্থাৎ তারা বাম থেকে ডান এবং ডান থেকে বাম উভয় দিকেই ছাপাতে পারে। এতে ছাপানো অপেক্ষাকৃত দ্রুত হয়।
- ডট ম্যাট্রিক্স প্রিন্টারের সাহায্যে প্রতি সেকেন্ডে 50 থেকে 500টি বর্ণ ছাপানো যায় এবং লেখা ছাড়াও ছবি এবং গ্রাফ ছাপানো যায়।

উল্লেখ্য,
• Non-Impact Printer: যে সকল প্রিন্টারে প্রিন্ট হেড কাগজকে সাধারণত স্পর্শ করে না তাদেরকে নন-ইম্প্যাক্ট প্রিন্টার বলা হয়। এ ধরনের প্রিন্টারের রেজুল্যশন ও গতি বেশি থাকে। আবার প্রিন্ট করার সময় সাধারণত শব্দ হয় না। তবে দাম তুলনামূলকভাবে বেশি থাকে। নন-ইম্প্যাক্ট প্রিন্টার বিভিন্ন প্রকার হয়ে থাকে। যেমন-
১। লেজার প্রিন্টার (Laser Printer),
২। ইংকজেট প্রিন্টার (Ink-Jet Printer),
৩। থার্মাল প্রিন্টার (Thermal Printer),
৪। স্থির বা স্থিতি বৈদ্যুতিক প্রিন্টার (Electrostatic Printer); ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭৯.
কোন প্রজন্মের কম্পিউটারে প্রথম মাইক্রোপ্রসেসর ব্যবহৃত হয়?
  1. ২য় প্রজন্ম
  2. ৩য় প্রজন্ম
  3. ৪র্থ প্রজন্ম
  4. ৫ম প্রজন্ম
ব্যাখ্যা
মাইক্রোপ্রসেসর:
- কম্পিউটারের কার্যব্যবস্থাকে সঠিকভাবে নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা করার জন্য কম্পিউটারের যে অংশটি বা হার্ডওয়্যারটি সর্বাধিক ভূমিকা পালন করে, তাকে মাইক্রোপ্রসেসর বা প্রসেসর হিসেবে অভিহিত করা হয়।
- মাইক্রোপ্রসেসর হলো সিলিকনের তৈরি এক ধরনের ভিএলএসআই (VLSI- Very Large Scale Integration) চিপ।
- একটি একক ভিএলএসআই সিলিকন চিপের মধ্যে এক মিলিয়নেরও অধিক ডায়োড, ট্রানজিস্টর রেজিস্টার, ক্যাপাসিটর ইত্যাদি একীভূত থাকে।
- মাইক্রোপ্রসেসর মাইক্রোকম্পিউটারের কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশ হিসেবে কাজ করে।
- মাইক্রোপ্রসেসরকেই মাইক্রোকম্পিউটারের মস্তিষ্ক বা ব্রেইন বলা হয়।

⇒ মাইক্রোপ্রসেসর প্রধানত তিনটি অংশে বিভক্ত। যথা:
- নিয়ন্ত্রণ অংশ (Control Unit),
- গাণিতিক যুক্তি অংশ (Arithmetic Logic Unit),
- রেজিস্টার সমূহ (Register Set).

⇒ ৪র্থ প্রজন্মের কম্পিউটার (১৯৭১ হতে ২০০০ সাল):
- ১৯৭০ সালের প্রথম দিকে IC (Integrated Circuit)-এর দ্রুত উন্নয়নের ফলে LSI (Large Scale Integration) এবং VLSI (Very Large Scale Integration) চিপের আবির্ভাব ঘটে। একটি একক VLSI সিলিকন চিপের মধ্যে এক মিলিয়নেরও অধিক ডায়োড, ট্রানজিস্টর, রেজিস্টার, ক্যাপাসিটর ইত্যাদি একীভূত থাকে। চতুর্থ প্রজন্মের কম্পিউটারগুলো মাইক্রোপ্রসেসর ব্যবহার করে তৈরি করা হতো। মাইক্রোপ্রসেসর ব্যবহারের ফলে কম্পিউটারের আকার আরো ছোট হয়ে যায়, দাম কমে যায় এবং বিদ্যুৎ খরচ কমে যায়। ফলে কাজ করার ক্ষমতা, কাজের গতি ও নির্ভরশীলতা বহুগুণে বেড়ে যায়। সাথে সাথে মেমরিও উন্নতি ঘটে ব্যাপক ফলে শুরু হয়ে যায় কম্পিউটারের বহুমুখী ব্যবহার এবং তৈরি হতে শুরু হয় পার্সোনাল কম্পিউটার। Windows, DOS অপারেটিং সিস্টেম দুটির ব্যবহার এ প্রজন্ম থেকেই শুরু হয়েছিল। IBM -3033, IBM -4341, TRS -40, Pentium Series, IBM পিসি ইত্যাদি এ প্রজন্মের কম্পিউটার।

উৎস: i) মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) GeeksforGeeks.
৮০.
কম্পিউটার বুটিং থেকে শুরু করে বন্ধ হওয়া পর্যন্ত সব কাজই __________ তত্ত্বাবধানে সম্পন্ন হয়।
  1. সিপিইউ-এর
  2. মাদারবোর্ডের
  3. অপারেটিং সিস্টেমের
  4. হার্ডডিস্কের
ব্যাখ্যা
• অপারেটিং সিস্টেম:
- কম্পিউটারকে সঠিকভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণ করার জন্য অপারেটিং সিস্টেম প্রয়োজন, যা একটি সিস্টেম সফটওয়্যার।
- কম্পিউটারকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিচালনা করার জন্য যে প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রামের সমষ্টি ব্যবহার করা হয়, তাকে অপারেটিং সিস্টেম বলা হয়।
- কম্পিউটার বুটিং থেকে শুরু করে বন্ধ হওয়া পর্যন্ত সব কাজই অপারেটিং সিস্টেমের তত্ত্বাবধানে সম্পন্ন হয়।
- এটি হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যারের মধ্যে সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করে।
- কম্পিউটারের অভ্যন্তরীণ কাজ পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণ করার দায়িত্ব অপারেটিং সিস্টেমের।
- ব্যবহারকারীর পরিবর্তে হার্ডওয়্যার দিয়ে কাজ করানোর দায়িত্বও এটি পালন করে।
- শুধুমাত্র অপারেটিং সিস্টেমের উপস্থিতিতেই কম্পিউটারের অন্যান্য সফটওয়্যার কাজ করতে পারে।
- অপারেটিং সিস্টেম কম্পিউটারের ফাইল সিস্টেম নিয়ন্ত্রণ, তথ্য সংরক্ষণ, ত্রুটি নির্ণয়, ইনপুট ও আউটপুট কার্যক্রম পরিচালনা, সিস্টেম বণ্টন এবং প্রোগ্রাম ব্যবস্থাপনাসহ যাবতীয় কার্যাবলি সম্পন্ন করে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮১.
ভার্চুয়াল মেমোরি (Virtual Memory) বলতে কী বোঝায়?
  1. র‌্যামের একটি নির্দিষ্ট অংশ
  2. অস্থায়ী ফাইল সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত রেজিস্টারের অংশ
  3. অপটিক্যাল ডিস্কে সংরক্ষিত মেমরি 
  4. হার্ড ডিস্ককে RAM হিসেবে ব্যবহার করা
ব্যাখ্যা

◉ ভার্চুয়াল মেমরি (Virtual Memory) হলো হার্ডডিস্ক বা SSD-এর একটি অংশ, যা RAM কম থাকলে সাময়িকভাবে RAM-এর বিকল্প হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

ভার্চুয়াল মেমরি:
- ভার্চুয়াল মেমরি (Virtual Memory) হলো কম্পিউটার সিস্টেমের একটি প্রযুক্তি যা প্রধান মেমরির (RAM) সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে ওঠার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- এটি এমন একটি ব্যবস্থা, যেখানে হার্ড ড্রাইভের একটি অংশকে অস্থায়ীভাবে RAM হিসেবে ব্যবহার করা হয়, যাতে একসাথে আরও বেশি প্রোগ্রাম চালানো যায়।
- অপারেটিং সিস্টেম নিজেই ঠিক করে কোন অংশ RAM-এ থাকবে আর কোন অংশ হার্ড ড্রাইভে যাবে।
- যখন RAM পূর্ণ হয়ে যায়, তখন কম ব্যবহার হওয়া ডেটাগুলো হার্ড ড্রাইভের একটি নির্দিষ্ট অংশে (page file/swap space) পাঠানো হয়।
- প্রয়োজনে আবার সেই ডেটা RAM-এ ফিরিয়ে আনা হয়। এই পুরো প্রক্রিয়াটি ব্যবহারকারীর অজান্তেই ঘটে।

উৎস: ব্রিটানিকা ও বিভিন্ন টেক ওয়েবসাইট। 

৮২.
'Kernel' কী?
  1. অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম
  2. মাদারবোর্ডের মূল অংশ
  3. কম্পিউটার ভাইরাস
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
• কার্নেল (Kernel):
- অপারেটিং সিস্টেমের মূল অংশের নাম হলো কার্নেল।
- কার্নেল হলো অপারেটিং সিস্টেমের মৌলিক এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ যা হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যার এর মধ্যে যোগদান করে অপারেটিং সিস্টেমকে চালু এবং পরিচালনা করে।

• কার্নেলের কাজ:
- সিপিইউ এর শিডিউলিং এর দায়িত্ব পালন করে।
- ইনকামিং প্রক্রিয়ার অবস্থা নির্ধারণ, টাস্ক ব্যবস্থাপনা নিয়ন্ত্রণ করতে ব্যবহৃত হয়।
- মেমরি ম্যানেজমেন্ট, ডিভাইস ম্যানেজমেন্ট এর কাজ করে।
- ইনপুট/আউটপুট ডিভাইসের সাথে কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশের সংযোগ স্থাপন করে।

উৎস:
1. Techtarget website.
2. geeksforgeeks website.
৮৩.
কোনটি রিয়েল-টাইম অপারেটিং সিস্টেমের একটি উদাহরণ?
  1. VxWorks
  2. macOS
  3. Ubuntu
  4. Windows 11
ব্যাখ্যা

◉ VxWorks একটি জনপ্রিয় রিয়েল-টাইম অপারেটিং সিস্টেম যা Wind River Systems দ্বারা তৈরি।

রিয়েলটাইম অপারেটিং সিস্টেম (Realtime Operating System): 
- রিয়েল টাইম সিস্টেমে কম্পিউটারকে ভালভাবে সংজ্ঞায়িত ও সুর্নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে প্রসেসিং-এর কাজ সমাধান করে ফলাফল দিতে হয় যাতে ব্যবহারকারীর কোনো ক্ষতি না হয়।
- এটি সাধারণত এমন পরিবেশে ব্যবহৃত হয় যেখানে সময়সীমা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, যেমন এমবেডেড সিস্টেম, রোবোটিক্স, অটোমোটিভ সিস্টেম এবং ইন্ডাস্ট্রিয়াল কন্ট্রোল সিস্টেম।
- এই পদ্ধতিটিও একপ্রকার অনলাইন প্রসেসিং।
- তবে অনলাইন প্রসেসিং-এর ক্ষেত্রে ফলাফল বা আউটপুট দিতে সামান্য দেরি হলেও ব্যবহারকারীর তেমন অসুবিধা হয় না।
- কিন্তু রিয়েল টাইমের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে অবশ্যই ফলাফল দিতে হবে নতুবা ব্যবহারকারীর বিরাট ক্ষতি হয়।
- উদাহরণ: টিকেট বুকিং সিস্টেম, প্লেন পরিচালনার অপারেটিং সিস্টেম।

আরো কিছু রিয়েলটাইম অপারেটিং সিস্টেম: 
- FreeRTOS, 
- QNX, 
- ThreadX, ইত্যাদি। 

সূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি (ভোকেশনাল) ও সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট। 

৮৪.
কম্পিউটার তার সমস্ত উপাদানের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে কোনটির মাধ্যমে?
  1. মাদারবোর্ড
  2. অপারেটিং সিস্টেম
  3. হার্ড ডিস্ক
  4. সিপিইউ
ব্যাখ্যা
• অপারেটিং সিস্টেম:
- কম্পিউটারকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য যে প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রাম সমষ্টি ব্যবহার করা হয় তাকে অপরেটিং সিস্টেম বলা হয়।
- কম্পিউটারের প্রথম দিকের অপারেটিং সিস্টেমগুলো ছিল বর্ণভিত্তিক, যা নিয়ন্ত্রণ করা হতো বিভিন্ন মুখস্থকৃত কমান্ডের সাহায্যে।
- অ্যাপল কম্পিউটারে প্রথম গ্রাফিক্যাল ইউজার ইন্টারফেস ব্যবহার করা হয়।
- এরপর মাইক্রোসফট কোম্পানি উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমে গ্রাফিক্যাল ইউজার ইন্টারফেস ব্যবহার করে।
- অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহারকারী ও কম্পিউটারের মধ্যে সমন্বয় সাধন করে।
- অপারেটিং সিস্টেমের মাধ্যমে কম্পিউটার তার সমস্ত উপাদানের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে।
- ১৯৫১ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জেনারেল মটর রিসার্চ ল্যাবরেটরি কর্তৃক IBM কর্পোরেশনের জন্য সর্বপ্রথম অপারেটিং সিস্টেম আবিষ্কৃত হয়।
- ১৯৭১ সালে মাইক্রোকম্পিউটারের জন্য তৈরি প্রথম অপারেটিং সিস্টেম হচ্ছে CP/M।
- কম্পিউটার পরিচালনার ক্ষেত্রে বিভিন্ন ধরনের অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহৃত হয়ে থাকে।
- উল্লেখযোগ্য অপারেটিং সিস্টেমসমূহ হলো-
MS-DOS বা PC-DOS, WINDOWS 95/98/2000/XP/7, OS/2, UNIX, LINUX, MAC OS, Solaries, XENIX, WINDOWS NT ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮৫.
CPU তথ্য প্রক্রিয়াকরণের সময় তথ্যকে ক্ষণস্থায়ীভাবে কোথায় জমা রাখে?
  1. ক) মনিটরে
  2. খ) হার্ডডিস্কে
  3. গ) র‍্যামে
  4. ঘ) রেজিস্টারে
ব্যাখ্যা
রেজিস্টার হলো একগুচ্ছ ফ্লিপ-ফ্লপ এবং গেইটের সমন্বয়ে গঠিত সার্কিট যা অস্থায়ী মেমরি হিসেবে কাজ করে। এর প্রত্যেকটি ফ্লিপ-ফ্লপ একটি করে বাইনারি বিট সংরক্ষণ করতে পারে। কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশে প্রোগ্রাম নির্বাহের সময় উপাত্ত অস্থায়ীভাবে জমা রাখার জন্য রেজিস্টার ব্যবহৃত হয়।
৮৬.
কোন ধরণের অপারেটিং সিস্টেম এমবেডেড সিস্টেমে বেশি ব্যবহৃত হয়ে থাকে?
  1. ওয়েব সার্ভার অপারেটিং সিস্টেম
  2. রিয়েল-টাইম অপারেটিং সিস্টেম
  3. মেইনফ্রেম অপারেটিং সিস্টেম
  4. ম্যাকিনটশ অপারেটিং সিস্টেম
ব্যাখ্যা
• এমবেডেড সিস্টেমে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয় রিয়েল-টাইম অপারেটিং সিস্টেম (RTOS)। কারণ এমবেডেড ডিভাইসগুলোতে কাজের সময় খুবই গুরুত্বপূর্ণ এবং নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কাজ সম্পন্ন করতে হয়। RTOS এই ধরনের সিস্টেমের জন্য আদর্শ, কারণ এটি দ্রুত এবং নির্ভরযোগ্য সময়ে কাজের নির্দেশনা পরিচালনা করতে সক্ষম। অন্যদিকে, ওয়েব সার্ভার অপারেটিং সিস্টেম, মেইনফ্রেম অপারেটিং সিস্টেম এবং ম্যাকিনটশ অপারেটিং সিস্টেম সাধারণত বড়, সাধারণ কম্পিউটার বা সার্ভারের জন্য তৈরি, যা এমবেডেড সিস্টেমের জন্য উপযুক্ত নয়। তাই এমবেডেড সিস্টেমে রিয়েল-টাইম অপারেটিং সিস্টেম বেশি ব্যবহৃত হয়।

• রিয়েলটাইম অপারেটিং সিস্টেম (Realtime Operating System):
- রিয়েল টাইম সিস্টেমে কম্পিউটারকে ভালভাবে সংজ্ঞায়িত ও সুর্নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে প্রসেসিং-এর কাজ সমাধান করে ফলাফল দিতে হয় যাতে ব্যবহারকারীর কোনো ক্ষতি না হয়।
- এটি সাধারণত এমন পরিবেশে ব্যবহৃত হয় যেখানে সময়সীমা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, যেমন এমবেডেড সিস্টেম, রোবোটিক্স, অটোমোটিভ সিস্টেম এবং ইন্ডাস্ট্রিয়াল কন্ট্রোল সিস্টেম।
- এই পদ্ধতিটিও একপ্রকার অনলাইন প্রসেসিং।
- তবে অনলাইন প্রসেসিং-এর ক্ষেত্রে ফলাফল বা আউটপুট দিতে সামান্য দেরি হলেও ব্যবহারকারীর তেমন অসুবিধা হয় না।
- কিন্তু রিয়েল টাইমের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে অবশ্যই ফলাফল দিতে হবে নতুবা ব্যবহারকারীর বিরাট ক্ষতি হয়।
- উদাহরণ: টিকেট বুকিং সিস্টেম, প্লেন পরিচালনার অপারেটিং সিস্টেম।

আরো কিছু রিয়েলটাইম অপারেটিং সিস্টেম:
- FreeRTOS,
- QNX,
- ThreadX, ইত্যাদি।

সূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি (ভোকেশনাল)।
৮৭.
নিচের কোনটি অপারেটিং সিস্টেম নয়?
  1. ক) Xenix
  2. খ) Ubuntu
  3. গ) Mac OS
  4. ঘ) Safari
ব্যাখ্যা
অপারেটিং সিস্টেমসমূহ হলাে-
- MS-DOS or PC-DOS,
- Windows 95/98/2000/XP/7,
- OS/2,
- Unix,
- Linux,
- Mac OS,
- Sun Solaris,
- Xenix,
- Windows NT,
- Ubuntu ইত্যাদি।
- Safari হলো ওয়েব ব্রাউজার।
[উৎসঃ মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বিবিএ প্রোগ্রাম) এবং ব্রিটানিকা]
৮৮.
কম্পিউটারকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য যে প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রাম সমষ্টি ব্যবহার করা হয় তাকে কী বলে?
  1. অপারেটিং সিস্টেম
  2. অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম
  3. কম্পাইলার
  4. ইন্টারফেস
ব্যাখ্যা
অপারেটিং সিস্টেম:
কম্পিউটারকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য যে প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রাম সমষ্টি ব্যবহার করা হয় তাকে অপারেটিং সিস্টেম বলা হয়।

- এটি কম্পিউটারের ইনপুট ও আউটপুট হার্ডওয়্যার এবং অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যারের সাথে সেতুবন্ধ রক্ষা করে ব্যবহারকারীর নির্দেশ অনুযায়ী ডেটা গ্রহণ করে, প্রক্রিয়াকরণ করে এবং প্রক্রিয়াকরণের পর প্রাপ্ত ফলাফল প্রদানে সহায়তা করে।

- অপারেটিং সিস্টেম কম্পিউটার ব্যবহারকারীর সাথে হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের সংযোগ স্থাপন করে বিভিন্ন ধরনের কাজ সম্পাদন করে।

কম্পাইলার (Compiler):
কম্পাইলার হল এমন একটি অনুবাদক যা সোর্স প্রোগ্রাম একসাথে সম্পূর্ণরূপে মেশিনের ভাষায় অনুবাদ করে একটি অবজেক্ট প্রোগ্রাম তৈরি করে এবং একটি এক্সিকিউশন ফাইল (.exe) তৈরি করে। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮৯.
নিচের কোনটি ওপেন সোর্স অপারেটিং সিস্টেম নয়?
  1. FreeBSD
  2. Cent OS
  3. Fedora
  4. Kubuntu
  5. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
- সবগুলোই ওপেন সোর্স অপারেটিং সিস্টেম। 
- FreeBSD হল বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মের জন্য একটি ওপেন সোর্স অপারেটিং সিস্টেম। 
- Cent OS এবং ফেডোরা উভয়ই ওপেন সোর্স অপারেটিং সিস্টেম।
- ফেডোরা তৈরি করেছে ফেডোরা প্রজেক্ট এবং স্পন্সর করেছে রেড হ্যাট।
- কুবুন্টু একটি ওপেন সোর্স অপারেটিং সিস্টেম। 
- কুবুন্টু একটি কমিউনিটি ডেভেলপড এবং সমর্থিত প্রকল্প।

উৎস: FreeBSD, RHEL, Fedora, Kubuntu ওয়েবসাইট।
৯০.
নিচের কোন প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজে Unix অপারেটিং সিস্টেমের বেশীর ভাগ অংশ রচিত?
  1. C
  2. C++
  3. Python
  4. Java
ব্যাখ্যা
ইউনিক্স (UNIX):
- মাল্টি টাস্কিং, টাইম শেয়ারিং ও মাল্টি ইউজার অ্যাপ্লিকেশনের জন্য ইউনিক্স একটি শক্তিশালী ও কার্যকরী অপারেটিং সিস্টেম।
- UNIX অপারেটিং সিস্টেমটি ১৯৭০ সালের শুরুর দিকে যুক্তরাষ্ট্রের কেন থমসম (Ken Thompson) ও ডেনিস রিসি (Dennis Ritchie) বেল ল্যাবরেটরিতে হাই লেভেল ল্যাংগুয়েজ সি (C) ভাষার মাধ্যমে তৈরি করেন।
- ইউনিক্সের একটি প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো বহু ব্যবহারকারী একই সাথে অনেক কী-বোর্ড ও মাউস ব্যবহার করতে পারেন, যা শুধুমাত্র একটি সিপিইউয়ে সংযুক্ত।
- ইউনিক্সের আরেকটি অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো একটি সিপিইউ মাল্টি প্রসেসর সিস্টেমকে সাপোর্ট দিতে পারে।
- তবে ইউনিক্স মূলত সার্ভার অপারেটিং সিস্টেম হিসেবে বেশি ব্যবহৃত হয়।

• বর্তমানে UNIX এবং UNIX অপারেটিং সিস্টেমের একটি বিশেষ সংস্করণ LINUX অপারেটিং সিস্টেমে C++, Pyhton ব্যবহৃত হলেও প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ
সি (C) ভাষাতেই UNIX এবং LINUX এর বেশীরভাগ অংশ রচিত। 

লিনাক্স (LINUX):
- লিনাক্স হচ্ছে একটি মাল্টি টাস্কিং ওপেন সোর্স অপারেটিং সিস্টেম যা বিশ্বব্যাপী হাজার হাজার প্রোগ্রামার দ্বারা উন্নতি লাভ করেছে।
- এটি UNIX অপারেটিং সিস্টেমের একটি বিশেষ সংস্করণ।
- লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেম বর্ণভিত্তিক ও চিত্রভিত্তিক উভয় পরিবেশের সুবিধা প্রদান করে এবং এটির সিকিউরিটি ও গ্রাফিক্স অত্যন্ত শক্তিশালী।

কয়েকটি প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজের নাম:
- Python,
- Java,
- JavaScript,
- C++,
- C#,
- Ruby,
- PHP.

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯১.
একটি অপারেটিং সিস্টেম একজন ব্যক্তিকে বিভিন্ন symbols, icon অথবা visual metaphor এর মাধ্যমে কম্পিউটারের সাথে সংযোগ স্থাপনে ভূমিকা পালন করে। নিচের কোনটি এ শ্রেণির কাজকে নির্দেশ করে?
  1. Command-Line Interface
  2. Graphical User Interface
  3. Block User Interface
  4. Tap User Interface
ব্যাখ্যা
◉ গ্রাফিক্যাল অপারেটিং সিস্টেম একজন ব্যক্তিকে বিভিন্ন symbols, icon অথবা visual metaphor এর মাধ্যমে কম্পিউটারের সাথে সংযোগ স্থাপনে ভূমিকা পালন করে।

• চিত্রভিত্তিক বা গ্রাফিক্যাল অপারেটিং সিস্টেম:
- গ্রাফিক্সের বা চিত্রের মাধ্যমে কমান্ড প্রয়োগ করে কম্পিউটার পরিচালনা করা গেলে তাকে চিত্রভিত্তিক বা গ্র্যাফিক্যাল অপারেটিং সিস্টেম বলে।
- এ ধরনের অপারেটিং সিস্টেমে ডিস্ক ফরমেটিং থেকে শুরু করে ফাইল ব্যবস্থাপনা এবং অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামের সব কাজ করতে হয় বিভিন্ন প্রকার আইকন এবং পুলডাউন মেন্যু ব্যবহার করে।
- প্রয়োজনীয় প্রোগ্রামের আইকনের ওপর মাউস দিয়ে ডবল ক্লিক করলে প্রোগ্রামটি চালু হয়।
- Windows 95/98/Xp/2000/7, Mac OS ইত্যাদি চিত্রভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমের উদাহরণ।

• এই অপারেটিং সিস্টেমের উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্যসমূহ হলো:
১. চিত্রভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমে কম্পিউটার চালু করার পর ডেস্কটপে বিভিন্ন প্রোগ্রামের আইকন বা প্রতীক থাকে।
২. বিভিন্ন প্রকার আইকন এবং পুল ডাউন মেন্যু কমান্ড ব্যবহার করে কম্পিউটারকে প্রয়োজনীয় নির্দেশ প্রদান করা হয়।
৩. কমান্ডের জন্য মেন্যু এবং প্রতিটি মেন্যুর আওতায় অনেক পুল ডাউন মেনু কমান্ড থাকে।
৪. মাউসের সাহায্যে Icon এবং পুল ডাউন মেনু কমান্ড কার্যকরী করা যায়।
৫. নতুন কোনো হার্ডওয়‍্যার বা সফটওয়্যার সংযোগ করা হলে কম্পিউটার নিজে থেকে বুঝতে পারে কোথায় সংযোগ করা হয়েছে।
৬. নেটওয়ার্কিং, শেয়ারিং ও ইন্টারনেটব্যবস্থা অত্যন্ত কার্যকর।
৭. এ ধরনের সিস্টেমের জন্য ব্যবহারকারীকে কোনো ধরনের কমান্ড মুখস্থ রাখতে হয় না।
৮. মাল্টিমিডিয়া সিস্টেম কার্যকর।
৯. এ ধরনের অপারেটিং সিস্টেমের জন্য কম্পিউটারে বেশি মেমরির প্রয়োজন হয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯২.
Windows অপারেটিং সিস্টেম প্রথম কত সালে তৈরি হয়?
  1. ক) ১৯৭৭
  2. খ) ১৯৭৫
  3. গ) ১৯৮৮
  4. ঘ) ১৯৮৫
ব্যাখ্যা

উইন্ডোজ হচ্ছে আমেরিকার বিখ্যাত মাইক্রোসফট কর্পোরেশনের তৈরি একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় অপারেটিং সিস্টেম।
উইন্ডোজের জনপ্রিয়তার প্রধান কারণ হলো গ্র্যাফিক্যাল ইউজার ইন্টারফেস। এটি আইবিএম বা আইবিএম কম্পাটিবল কম্পিউটারে ব্যবহৃত হয়। সাধারণ ব্যবহারকারীগণ সহজেই এ ধরনের অপারেটিং সিস্টেম অপারেট করতে পারে। এর মূল কারণ হলো মাউসের মাধ্যমে বিভিন্ন চিত্র বা আইকনে ক্লিক করে যাবতীয় কার্যাদি সম্পাদন করা।
১৯৮৫ সালে সর্বপ্রথম উইন্ডোজ তৈরি হয়। এরপর ১৯৯০ সালে ভার্সন ৩.০ এবং ১৯৯২ সালে ৩.১ ও ৩.১১ ভার্সনের প্রচলন হয়।

৯৩.
নিচের কোনটি মাল্টি ইউজার অপারেটিং সিস্টেমের উদাহরণ?
  1. Linux
  2. CP/M
  3. Windows 98
  4. Palm OS
ব্যাখ্যা

• Linux: Multi User Operating System.
- Windows 98: Single User Operating System.
- CP/M: Single User Operating System.
- Palm OS: Single User Operating System.

• সিঙ্গেল ইউজার অপারেটিং সিস্টেম(Single User Operating System):
- যে অপারেটিং সিস্টেমে একই সময়ে মাত্র একজন ব্যবহারকারী কাজ করতে পারে, তাকে সিঙ্গেল ইউজার অপারেটিং সিস্টেম বলা হয়।
- একে অনেক সময় সিঙ্গেল টাস্কিং অপারেটিং সিস্টেমও বলা হয়।
- এই ধরনের অপারেটিং সিস্টেম সাধারণত ব্যক্তিগত কম্পিউটারে ব্যবহৃত হয়।
- সিঙ্গেল ইউজার অপারেটিং সিস্টেমের উদাহরণ:
- CP/M,
- MS-DOS,
- PC-DOS,
- Windows 95,
- Windows 98,
- Symbian OS,
- Palm OS.

• মাল্টি ইউজার অপারেটিং সিস্টেম(Multi User Operating System):
- যে অপারেটিং সিস্টেমে একই সময়ে একাধিক ব্যবহারকারী একটি কম্পিউটার সিস্টেম ব্যবহার করতে পারে, তাকে মাল্টি ইউজার অপারেটিং সিস্টেম বলা হয়।
- এই ধরনের অপারেটিং সিস্টেম সাধারণত সার্ভার ও বড় কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত হয়।
- মাল্টি ইউজার অপারেটিং সিস্টেমের উদাহরণ:
- Windows NT Server,
- Windows Server 2003,
- Windows Server 2008,
- UNIX,
- Linux,
- Android.

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বিবিএ প্রোগ্রাম)।

৯৪.
কোনটি মোবাইল আপারেটিং সিস্টেম?
  1. ক) Harmony OS
  2. খ) MacOS
  3. গ) Windows
  4. ঘ) UNIX
ব্যাখ্যা
মোবাইল অপারেটিং সিস্টেম:
- iOS,
- Symbian,
- Harmony OS,
- Windows Phone OS,
- Android,
- Blackberry OS.

কম্পিউটার অপারেটিং সিস্টেম:
- Microsoft Windows,
- Linux,
- Ubuntu, Mint, Debian, Red Hat, Cent OS, Fedora, Kali, Linux, Arch Linux,
- UNIX,
- SUN SOLARIS,
- MacOS.

উৎস: ব্রিটানিকা।
৯৫.
আইওএস (iOS) মোবাইল অপারেটিং সিস্টেমটি কোন প্রতিষ্ঠান বাজারজাত করে?
  1. ক) আইবিএম
  2. খ) মাইক্রোসফট
  3. গ) গুগল
  4. ঘ) অ্যাপল
ব্যাখ্যা
অ্যাপল আইওএস:
- অ্যাপল আইওএস হলো একটি মাল্টিপ্ল্যাটফর্ম অপারেটিং সিস্টেম যা অ্যাপল 2007 সালে তৈরি করেছিল।
- এটি অ্যাপল পণ্য আইফোন, আইপড এবং আইপ্যাড দ্বারা ব্যবহৃত হয়।
- সফটওয়্যারটি Mac OS X এর উপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে, যা অ্যাপল 2001 সাল থেকে তার Macintosh কম্পিউটারগুলোতে ব্যবহার করা হয়েছিলো।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৯৬.
Q DOS অপারেটিং সিস্টেমটি তৈরি করেন কে?
  1. ডেনিস রিচি
  2. টিম প্যাটার্সন
  3. অ্যাডা অগাস্টা
  4. ভন নিউম্যান
ব্যাখ্যা
• MS DOS:
- সত্তরের দশকের শেষ দিকে টিম প্যাটার্সন Q DOS নামে একটি অপারেটিং সিস্টেম তৈরি করেন।
- Q DOS থেকেই আধুনিক MS DOS এর উদ্ভব।
- CP/M নামের আরেকটি অপারেটিং সিস্টেম ছিল Q DOS-এর ভিত্তি।
- ১৯৮০ সালে IBM সিদ্ধান্ত নেয় তাদের মাইক্রোকম্পিউটারের জন্য ডস ব্যবহার করবে।
- IBM, মাইক্রোসফট কর্পোরেশনকে এই অপারেটিং সিস্টেম তৈরির দায়িত্ব দেয়।
- মাইক্রোসফট CP/M ভিত্তিক MS DOS তৈরি করে।
- ১৯৮১ সালে MS DOS-এর প্রথম সংস্করণ বাজারে আসে।
- এটি কম মেমোরি সম্পন্ন কম্পিউটারেও কার্যকরভাবে চালানো সম্ভব।
- MS DOS বর্তমানে বহুল ব্যবহৃত অপারেটিং সিস্টেম।

উৎস: কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯৭.
একাধিক ব্যবহারকারীকে একসঙ্গে প্রোগ্রাম চালানোর ক্ষমতা কোন অপারেটিং সিস্টেমে থাকে?
  1. Embedded OS
  2. Real-time OS
  3. Single-user OS
  4. Multi-user OS
ব্যাখ্যা

• একাধিক ব্যবহারকারীকে একসঙ্গে প্রোগ্রাম চালানোর ক্ষমতা Multi-user Operating System-এর মধ্যে পাওয়া যায়। এই ধরনের অপারেটিং সিস্টেমে একাধিক ব্যক্তি একই সময়ে একই কম্পিউটার সিস্টেম ব্যবহার করতে পারে এবং তাদের প্রত্যেকের জন্য আলাদা আলাদা সেশন বা পরিবেশ তৈরি করা হয়। ব্যবহারকারীদের প্রোগ্রামগুলো একসঙ্গে চললেও সিস্টেম সঠিকভাবে প্রসেস ম্যানেজমেন্ট, মেমোরি বণ্টন ও নিরাপত্তা নিয়ন্ত্রণ করে, যাতে একে অপরের কাজের মধ্যে কোনো বিঘ্ন না ঘটে। উদাহরণস্বরূপ UNIX, Linux এবং Windows Server হলো বহুল ব্যবহৃত Multi-user OS, যা নেটওয়ার্ক সার্ভার, ডেটাবেস সিস্টেম বা প্রতিষ্ঠানের একাধিক ব্যবহারকারীর কাজ দক্ষতার সঙ্গে পরিচালনা করতে ব্যবহৃত হয়।

অপারেটিং সিস্টেম: 
- অপারেটিং সিস্টেম হল কম্পিউটারের একটি গুরুত্বপূর্ণ সফটওয়্যার, যা হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মধ্যে সেতুবন্ধ রচনা করে।
- এটি কম্পিউটার বুটিং করা থেকে শুরু করে বন্ধ করা পর্যন্ত সকল কার্যক্রম পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণ করে।
- অপারেটিং সিস্টেম ছাড়া কম্পিউটার কার্যক্ষম নয়, কারণ এটি ব্যবহারকারীর সঙ্গে হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের সংযোগ স্থাপন করে।
অপারেটিং সিস্টেমের প্রধান কার্যাবলি:
- প্রসেস ম্যানেজমেন্ট: এটি CPU-তে চলমান বিভিন্ন প্রসেস নিয়ন্ত্রণ ও নির্ধারণ করে।
- মেমোরি ম্যানেজমেন্ট: এটি কম্পিউটারের RAM এবং অন্যান্য মেমোরির কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করে।
- ফাইল ম্যানেজমেন্ট: ফাইল তৈরি, সংরক্ষণ, মুছে ফেলা এবং অ্যাক্সেস নিয়ন্ত্রণ করে।
- ডিভাইস ম্যানেজমেন্ট: ইনপুট ও আউটপুট ডিভাইসগুলোর কার্যক্রম পরিচালনা করে।
- সিকিউরিটি ও এক্সেস কন্ট্রোল: ব্যবহারকারীদের তথ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করে এবং অনুমোদিত ব্যবহারকারীদের প্রবেশাধিকার প্রদান করে।
অপারেটিং সিস্টেমের প্রকারভেদ:
- অপারেটিং সিস্টেম বিভিন্ন ধরনের হতে পারে, তবে প্রধানত দুইটি ভাগে বিভক্ত করা যায়। যথা:

1. সিঙ্গেল ইউজার অপারেটিং সিস্টেম (Single User Operating System):
- এ ধরনের অপারেটিং সিস্টেমে একই সময়ে কেবলমাত্র একজন ব্যবহারকারী কাজ করতে পারে।
- একে অনেক সময় সিঙ্গেল টাস্কিং অপারেটিং সিস্টেমও বলা হয়। সাধারণত এটি ব্যক্তিগত কম্পিউটারে ব্যবহৃত হয়।
- উদাহরণ: CP/M, Symbian OS, Palm OS, MS-DOS, PC-DOS, Windows 95/98 ইত্যাদি।

2. মাল্টি ইউজার অপারেটিং সিস্টেম (Multi-User Operating System):
- যখন একাধিক ব্যবহারকারী একই সময়ে একটি কম্পিউটার সিস্টেম ব্যবহার করতে পারে, তখন সেই কম্পিউটারে ব্যবহৃত অপারেটিং সিস্টেমকে মাল্টি ইউজার অপারেটিং সিস্টেম বলা হয়।
- এটি সাধারণত সার্ভার ও নেটওয়ার্ক ভিত্তিক পরিবেশে ব্যবহৃত হয়।
- উদাহরণ: Windows NT Server, Android, Windows 2003/2008 Server, Unix, Linux ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা বিবিএ প্রোগাম বাংলাদেশ উনাক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯৮.
কোন অপারেটিং সিস্টেমে নিদিষ্ট সময়ের মধ্যে অবশ্যই ফলাফল দিতে হয় নতুবা ব্যবহারকারীর বিরাট ক্ষতি হয়?
  1. ব্যাচ প্রসেসিং অপারেটিং সিস্টেম
  2. ডেডিকেটেড অপারেটিং সিস্টেম
  3. রিয়েলটাইম অপারেটিং সিস্টেম
  4. টাইম শেয়ারিং অপারেটিং সিস্টেম
ব্যাখ্যা
রিয়েলটাইম অপারেটিং সিস্টেমে কম্পিউটারকে ভালভাবে সংজ্ঞায়িত ও সুর্নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে প্রসেসিং-এর কাজ সমাধান করে ফলাফল দিতে হয় যাতে ব্যবহারকারীর কোনাে ক্ষতি না হয়। এই পদ্ধতিটিও একপ্রকার অনলাইন প্রসেসিং। তবে অনলাইন প্রসেসিং-এর ক্ষেত্রে ফলাফল বা আউটপুট দিতে সামান্য দেরি হলেও ব্যবহারকারীর তেমন অসুবিধা হয় না। কিন্তু রিয়েল টাইমের ক্ষেত্রে নিদিষ্ট সময়ের মধ্যে অবশ্যই ফলাফল দিতে হবে নতুবা ব্যবহারকারীর বিরাট ক্ষতি হয়।
পরিবর্তনশীল পদ্ধতিতে যখন তাৎক্ষণিক নির্দেশনা প্রয়ােজন যেমন- স্যাটেলাইটের কক্ষপথ নির্ধারণ ইত্যাদি ক্ষেত্রে রিয়েলটাইম অপারেটিং সিস্টেম মূল সিস্টেম পরিচালনার সাথে কাজ করে। এই অপারেটিং সিস্টেমে উচ্চ অগ্রাধিকার ভিত্তিতে প্রােগ্রামগুলাে প্রসেস করা হয়। একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য কাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত রিসাের্স ব্যবহার করা যায় না। উদাহরণ- টিকেট বুকিং সিস্টেম, প্লেন পরিচালনার অপারেটিং সিস্টেম।

উৎসঃ কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)
৯৯.
HPFS-এর পূর্ণরূপ কোনটি?
  1. Hadoop Distributed File System
  2. Hexadecimal Pneumeric File System
  3. Hadoop Partitioned File System
  4. High Performance File System
ব্যাখ্যা
• HPFS:
- HPFS-এর পূর্ণ অর্থ High Performance File System.
- HPFS (High-Performance File System) একটি উন্নত ফাইল সিস্টেম যা মূলত IBM OS/2 অপারেটিং সিস্টেমের জন্য তৈরি করা হয়েছিল।
- HPFS ফাইল সিস্টেমটি FAT (File Allocation Table) থেকে অনেক দ্রুত এবং কার্যকরী, এবং এটি বৃহৎ আকারের ফাইল সমর্থন করতে পারে।

- HPFS-এর প্রধান বৈশিষ্ট্য হল এটি একাধিক তথ্য নিরাপত্তা এবং ডেটা এক্সেসের জন্য উন্নত কার্যকারিতা প্রদান করে।
- HPFS ফাইল সিস্টেমটি একে অপরের সাথে তুলনা করলে FAT এবং NTFS থেকে দ্রুত এবং স্থিতিশীল পারফরম্যান্স প্রদানে সক্ষম।
- HPFS ফাইল সিস্টেমে অধিকতর দীর্ঘ ফাইল নাম এবং আরও বেশি মেটা ডেটা সঞ্চয় করার ক্ষমতা রয়েছে।

- এটি ডিরেক্টরি সঠিকভাবে ইনডেক্স করে এবং উচ্চ পারফরম্যান্স অ্যাক্সেস প্রদান করে, যা বিশেষত বৃহৎ তথ্যভান্ডার বা ডেটাবেস ব্যবস্থায় উপকারী।
- HPFS ফাইল সিস্টেমটি একাধিক ড্রাইভ পার্টিশন সাপোর্ট করে, যার ফলে একাধিক ড্রাইভের মধ্যে তথ্য স্থানান্তর সহজ হয়।
- যদিও HPFS এক সময় জনপ্রিয় ছিল, তবে আধুনিক যুগে NTFS এবং exFAT এর তুলনায় এটি কম ব্যবহৃত হয়।

উৎস:
১) মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২) microsoft [লিংক]
১০০.
কোন OS ব্যবহারকারীর জন্য ভিজ্যুয়াল ইন্টারফেস প্রদান করে?
  1. Mac OS
  2. Linux
  3. Unix
  4. PC DOS
ব্যাখ্যা

• ভিজ্যুয়াল ইন্টারফেস বা গ্রাফিকাল ইউজার ইন্টারফেস (GUI) ব্যবহারকারীর সঙ্গে কম্পিউটারের মধ্যে সরাসরি চিত্র এবং আইকনের মাধ্যমে ইন্টারঅ্যাকশন করার সুযোগ দেয়। এই প্রসঙ্গে, Mac OS হলো একটি অপারেটিং সিস্টেম যা ব্যবহারকারীর জন্য সম্পূর্ণ ভিজ্যুয়াল ইন্টারফেস প্রদান করে। Mac OS এর মাধ্যমে ব্যবহারকারী মাউস এবং উইন্ডো ভিত্তিক ইন্টারফেস ব্যবহার করে অ্যাপ্লিকেশন চালাতে, ফাইল ম্যানেজ করতে এবং বিভিন্ন কাজ সম্পন্ন করতে পারে। অন্যদিকে Linux এবং Unix মূলত কমান্ড-লাইন ইন্টারফেসের জন্য পরিচিত, যদিও Linux-এ পরবর্তীতে GUI যোগ করা যায়। PC DOS মূলত টেক্সট-ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম। তাই GUI মূলত Mac OS ব্যবহারকারীদের জন্য স্বাভাবিকভাবে উপলব্ধ।
 
চিত্রভিত্তিক বা গ্রাফিক্যাল অপারেটিং সিস্টেম:
→ গ্রাফিক্সের বা চিত্রের মাধ্যমে কমান্ড প্রয়োগ করে কম্পিউটার পরিচালনা করা গেলে তাকে চিত্রভিত্তিক বা গ্রাফিক্যাল অপারেটিং সিস্টেম বলে।
→ বর্ণভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমের মতো কমান্ড মুখস্থ ̄ করতে হয় না। যেমন:

- Windows Xp,
- Windows 2007, 
- Mac OS, ইত্যাদি।

বর্ণ বা টেক্সটভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম:
→ এ ধরনের অপারেটিং সিস্টেম হলো কমান্ড লাইন ইউজার ইন্টারফেস। 
→ ডিস্ক ফর্মেটিং থেকে শুরু করে ফাইল ব্যবস্থাপনা এবং অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামের সব কাজ কি-বোর্ডের মাধ্যমে কমান্ডের সাহায্যে করতে হয়। 
→ তাই বর্ণভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমে অনেক ̧লো কমান্ড মুখস্থ করতে হয়। যেমন:

- Linux, 
- Unix, 
- MS-DOS, 
- PC DOS, 
- CP/M, ইত্যাদি।

সূত্র: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।