ব্যাখ্যা
Source: KaiOStech
PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন
PrepBank · পাতা ১ / ৬ · ১–১০০ / ৫৫৮
যে অপারেটিং সিস্টেমে একটির পর আরেকটি প্রোগ্রাম পর্যায়ক্রমে পরিচালনা করে তাকে ব্যাচ প্রসেসিং অপারেটিং সিস্টেম বলে।
- ব্যাচ প্রসেসিং (বা ব্যাচ মােড) অপারেটিং সিস্টেমে একটি নির্দিষ্ট সময়ে একটি প্রােগ্রাম অথবা কিছু সময়ব্যাপী সংগৃহীত ডেটা প্রসেস করার পর অন্য আরেকটি প্রোগ্রাম বা ডেটা একসঙ্গে প্রসেস করা হয়।
- কম্পিউটারকে সচল রেখে বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার ব্যবহার করতে যে সফটওয়্যার প্রয়োজন হয় তাকে অপারেটিং সিস্টেম (Operating System) বলে। - একটি কম্পিউটার অন হওয়ার সাথে সাথেই অপারেটিং সিস্টেমের কাজ শুরু হয়।
সূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)
সঠিক উত্তর : ঘ) মাইক্রোসফট কর্পোরেশন
• Windows:
- উইন্ডোজ হচ্ছে আমেরিকার বিখ্যাত মাইক্রোসফট কর্পোরেশনের তৈরি একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় অপারেটিং সিস্টেম।
- Windows হলো একটি মাল্টি টাস্কিং অপারেটিং সিস্টেম এবং Windows একটি closed source অপারেটিং সিস্টেম।
- উইন্ডোজের জনপ্রিয়তার প্রধান কারণ হলো গ্র্যাফিক্যাল ইউজার ইন্টারফেস।
- এটি আইবিএম বা আইবিএম কম্পাটিবল কম্পিউটারে ব্যবহৃত হয়।
- সাধারণ ব্যবহারকারীন সহজেই এ ধরনের অপারেটিং সিস্টেম অপারেট করতে পারে।
- ১৯৮৫ সালে সর্বপ্রথম উইন্ডোজ তৈরি হয়।
- ১৯৯০ সালে ভার্সন ৩.০ এবং ১৯৯২ সালে ৩.১ ও ৩.১১ ভার্সনের প্রচলন হয়।
- ১৯৯৪ সালে WIN 95/97 Operating System স্বতন্ত্র Operating System হিসেবে চালু হয়।
- Windows 95 চালনার জন্য ডসের প্রয়োজন হয় না।
- তবে ১৯৯৫ সালে মাইক্রোসফটের উইন্ডোজ ৯৫ সবচেয়ে বেশি আলোড়ন সৃষ্টি করে। এরপর চালু হয় উইন্ডোজ ৯৮।
- বর্তমানে উইন্ডোজ এক্সপি (XP), ভিস্তা, Windows 7, Windows 10, Windows 11 বিপুলভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে।
• মাইক্রোসফট কর্পোরেশন (Microsoft Corporation):
- মাইক্রোসফট কর্পোরেশন একটি আমেরিকান বহুজাতিক প্রযুক্তি কোম্পানি, যা ১৯৭৫ সালে বিল গেটস এবং পল অ্যালেন কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত।
- ওয়াশিংটনের রেডমন্ডে সদর দপ্তর অবস্থিত।
- এটি উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম, মাইক্রোসফট ৩৬৫ (অফিস) স্যুট, এবং Azure ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের জন্য বিশ্বব্যাপী পরিচিত ।
উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. Geeksforgeeks.
৩. Britannica [Link]
◉ QNX একটি Real-Time Operating System (RTOS), যা বিশেষভাবে embedded systems এবং mission-critical applications (যেমন: গাড়ির কন্ট্রোল সিস্টেম, মেডিকেল ডিভাইস, টেলিকম সিস্টেম) এর জন্য তৈরি।
রিয়েলটাইম অপারেটিং সিস্টেম (Realtime Operating System):
- রিয়েল টাইম সিস্টেমে কম্পিউটারকে ভালভাবে সংজ্ঞায়িত ও সুর্নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে প্রসেসিং-এর কাজ সমাধান করে ফলাফল দিতে হয় যাতে ব্যবহারকারীর কোনো ক্ষতি না হয়।
- এটি সাধারণত এমন পরিবেশে ব্যবহৃত হয় যেখানে সময়সীমা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, যেমন এমবেডেড সিস্টেম, রোবোটিক্স, অটোমোটিভ সিস্টেম এবং ইন্ডাস্ট্রিয়াল কন্ট্রোল সিস্টেম।
- এই পদ্ধতিটিও একপ্রকার অনলাইন প্রসেসিং।
- তবে অনলাইন প্রসেসিং-এর ক্ষেত্রে ফলাফল বা আউটপুট দিতে সামান্য দেরি হলেও ব্যবহারকারীর তেমন অসুবিধা হয় না।
- কিন্তু রিয়েল টাইমের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে অবশ্যই ফলাফল দিতে হবে নতুবা ব্যবহারকারীর বিরাট ক্ষতি হয়।
- উদাহরণ: টিকেট বুকিং সিস্টেম, প্লেন পরিচালনার অপারেটিং সিস্টেম।
আরো কিছু রিয়েলটাইম অপারেটিং সিস্টেম:
- FreeRTOS,
- QNX,
- ThreadX, ইত্যাদি।
সূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি (ভোকেশনাল)।
মাইক্রোসফট পাওয়ারপয়েন্ট প্রেজেন্টেশনে .ppt এবং .pptx ফাইল এক্সটেনশন ব্যবহার করা হয়।
Microsoft PowerPoint:
- পাওয়ারপয়েন্ট হলো একটি প্রেজেন্টেশন সফটওয়্যার।
- এটি প্রথম তৈরি করেন রবার্ট গ্যাসকিনস ও ডেনিস অস্টিন (ফোরথট ইনক.-এর জন্য)।
- ১৯৮৭ সালে মাইক্রোসফট প্রায় ১৪ মিলিয়ন ডলার দিয়ে সফটওয়্যারটির স্বত্ব কিনে নেয়।
- প্রথমে এটি তৈরি করা হয়েছিল ব্যবসায়িক উপস্থাপনা সহজ করার জন্য।
- প্রেজেন্টেশন তৈরি হয় একাধিক স্লাইড দিয়ে, যেখানে লেখা, ছবি ও অন্যান্য অবজেক্ট যোগ করা যায়।
- ভার্সন ১.০ (প্রথম সংস্করণ) দিয়ে টেক্সট ও গ্রাফিক্সসহ পেজ তৈরি করা যেত, যা সাদা-কালো হ্যান্ডআউট ও ট্রান্সপারেন্সি আকারে ব্যবহৃত হত।
- ১৯৯২ সালের ভার্সন ৩.০-তে প্রথমবার চালু হয় ভার্চুয়াল স্লাইডশো সিস্টেম।
- শুরুতে শুধু ব্যবসায়িক কাজে ব্যবহৃত হলেও পরে এটি বিদ্যালয়, সংগঠন, শিক্ষামূলক কাজে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হতে থাকে।
সূত্র: ব্রিটানিকা।
◉ শেল (Shell) হল অপারেটিং সিস্টেমের সেই অংশ যা ব্যবহারকারী (User) এবং কম্পিউটার হার্ডওয়্যার/কার্নেল-এর মধ্যে ইন্টারফেস বা মাধ্যম হিসেবে কাজ করে। এটি ব্যবহারকারীর কমান্ড গ্রহণ করে তা কার্নেলকে প্রসেস করার জন্য পাঠায় এবং ফলাফল ফিরিয়ে দেয়।
অপারেটিং সিস্টেম:
- কম্পিউটারকে সঠিকভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য প্রয়োজন অপারেটিং সিস্টেম, যা সিস্টেম সফটওয়্যার নামে পরিচিত।
- কম্পিউটারকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য যে প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রাম সমষ্টি ব্যবহার করা হয় তাকে অপরেটিং সিস্টেম বলা হয়।
- কম্পিউটার বুটিং করা থেকে শুরু করে কম্পিউটার বন্ধ করা পর্যন্ত সকল কাজই অপারেটিং সিস্টেমের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রিত হয়।
- অপারেটিং সিস্টেম হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মধ্যে সেতুবন্ধ রচনা করে।
- কম্পিউটারের অভ্যন্তরীণ কাজগুলো পরিচালনার দায়িত্ব পালন করে।
- হার্ডওয়্যার দিয়ে যাবতীয় কাজ করানোর দায়িত্ব ব্যবহারকারীর পরিবর্তে অপারেটিং সিস্টেম পালন করে।
- কম্পিউটারে সব ধরনের সফটওয়্যার থাকলেও অপারেটিং সিস্টেম ব্যতীত এটি কোনো কাজ করে না।
- কম্পিউটারে সম্পাদিত তথ্যাবলি সংরক্ষণ, ফাইল সিস্টেম নিয়ন্ত্রণ, বিভিন্ন ধরনের ত্রুটি নির্ণয়, সিস্টেম বন্টন, ইনপুট ও আউটপুট অপারেশন, প্রোগাম পরিচালনা সর্বোপরি কম্পিউটারের যাবতীয় কার্যাবলি সম্পাদনে অপারেটিং সিস্টেম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
সঠিক উত্তর - গ) Windows 98
অপারেটিং সিস্টেম (Operating System):
- কম্পিউটারকে সঠিকভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য প্রয়োজন অপারেটিং সিস্টেম, যা সিস্টেম সফটওয়্যার নামে পরিচিত।
- কম্পিউটারকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণ করার জন্য যে প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রাম সমষ্টি ব্যবহার করা হয়, তাকে অপারেটিং সিস্টেম বলা হয়।
- এটি কম্পিউটারের ইনপুট ও আউটপুট হার্ডওয়্যার এবং অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার-এর সাথে সেতুবন্ধন রক্ষা করে।
- ব্যবহারকারীর নির্দেশ অনুযায়ী ডেটা গ্রহণ, প্রক্রিয়াকরণ এবং প্রাপ্ত ফলাফল প্রদানে সহায়তা করে।
- এককথায়, অপারেটিং সিস্টেম কম্পিউটার ব্যবহারকারীর সাথে হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের সংযোগ স্থাপন করে বিভিন্ন কাজ সম্পাদন করে।
অপারেটিং সিস্টেমের প্রকারভেদ:
১. বর্ণভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম (Text-Based OS)
- কেবল টেক্সট কমান্ড ব্যবহার করে কাজ সম্পন্ন করে।
- উদাহরণ: MS-DOS, PC DOS, CP/M।
২. চিত্রভিত্তিক বা গ্রাফিক্যাল অপারেটিং সিস্টেম (Graphics-Based OS)
- ছবি ও আইকন ব্যবহার করে সহজ ইন্টারফেসে কাজ সম্পন্ন করে।
- উদাহরণ: Windows 95 / 98 / XP / 2000 / 7, Mac OS।
উৎস: বিবিএ প্রোগ্রাম, মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
• Windows 7 হলো একটি Graphical User Interface (GUI) ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম।
• অপারেটিং সিস্টেম:
- কম্পিউটারকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য যে প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রাম সমষ্টি ব্যবহার করা হয় তাকে অপারেটিং সিস্টেম বলা হয়।
• ইন্টারফেস ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমের প্রকারভেদ-
- অপারেটিং সিস্টেমগুলোতে কাজ করার পরিবেশ এবং ইন্টারফেসের উপর ভিত্তি করে এদেরকে আবার দুইভাগে ভাগ করা যায়।
১। বর্ণ-ভিত্তিক (Text based/Character User Interface-CUI) অপারেটিং সিস্টেম:
- বর্ণ-ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমে কী-বোর্ডের সাহায্যে বিভিন্ন বর্ণ টাইপ করে এবং কী-বোর্ডের বিভিন্ন বোতাম ব্যবহার করে কম্পিউটারকে প্রয়োজনীয় নির্দেশ প্রদান করা হয়।
- ডিস্ক ফরমেটিং থেকে শুরু করে ফাইল ব্যবস্থাপনা এবং অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম ব্যবহারের সকল পর্যায়ের কাজই করতে হয় কী-বোর্ডের সাহায্যে বিভিন্ন বর্ণ টাইপ করে এবং কী-বোর্ডের বিভিন্ন বোতাম ব্যবহার করে।
• বর্ণ বা টেক্সটভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম:
- MS-DOS,
- PC DOS,
- CP/M,
- FreeDOS, ইত্যাদি।
২। চিত্র-ভিত্তিক (Graphical User Interface-GUI) অপারেটিং সিস্টেম:
- চিত্র-ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমে ডিস্ক ফরমেটিং থেকে শুরু করে ফাইল ব্যবস্থাপনা এবং অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম ব্যবহারের সকল পর্যায়ের কাজই করতে হয় বিভিন্ন প্রকার আইকন (Icon) এবং পুল ডাউন মেন্যু কমান্ড ব্যবহার করে।
- আইকন এবং পুল ডাউন মেন্যু কমান্ড নির্বাচন, ব্যবহার এবং কার্যকর করা হয় মাউসের সাহায্যে।
- চিত্র ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমে কম্পিউটার চালু করার পর পর্দার উপরে বা ডেস্কটপে বিভিন্ন প্রোগ্রামের আইকন বা প্রতিকী চিত্র থাকে।
- প্রয়োজনীয় প্রোগ্রামের আইকনের উপর মাউস পয়েন্টার দিয়ে ডাবল-ক্লিক করলেই প্রোগ্রামটি চালু হয়ে যায়।
- চিত্র ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমে কোনো কমান্ড মুখস্থ করে রাখার প্রয়োজন হয় না।
• চিত্রভিত্তিক বা গ্রাফিক্যাল অপারেটিং সিস্টেম:
- Windows 95/98/Xp/2000/7,
- Mac OS, ইত্যাদি।
উৎস: ১। বিবিএ প্রোগ্রাম, মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা।
২। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল, ভোকেশনাল।
৩। ব্রিটানিকা।
◉ Graphical User Interface (GUI) ব্যবহারকারীর জন্য একটি ভিজ্যুয়াল ইন্টারফেস তৈরি করে, যেখানে icons, windows, buttons এর মাধ্যমে কম্পিউটার পরিচালনা করা যায় — কোন প্রোগ্রাম চালু করতে টাইপ করার প্রয়োজন হয় না।
চিত্রভিত্তিক বা গ্রাফিক্যাল অপারেটিং সিস্টেম:
- গ্রাফিক্সের বা চিত্রের মাধ্যমে কমান্ড প্রয়োগ করে কম্পিউটার পরিচালনা করা গেলে তাকে চিত্রভিত্তিক বা গ্র্যাফিক্যাল অপারেটিং সিস্টেম বলে।
- এ ধরনের অপারেটিং সিস্টেমে ডিস্ক ফরমেটিং থেকে শুরু করে ফাইল ব্যবস্থাপনা এবং অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামের সব কাজ করতে হয় বিভিন্ন প্রকার আইকন এবং পুলডাউন মেন্যু ব্যবহার করে।
- প্রয়োজনীয় প্রোগ্রামের আইকনের ওপর মাউস দিয়ে ডবল ক্লিক করলে প্রোগ্রামটি চালু হয়।
- Windows 95/98/Xp/2000/7, Mac OS ইত্যাদি চিত্রভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমের উদাহরণ।
• এই অপারেটিং সিস্টেমের উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্যসমূহ হলো:
১. চিত্রভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমে কম্পিউটার চালু করার পর ডেস্কটপে বিভিন্ন প্রোগ্রামের আইকন বা প্রতীক থাকে।
২. বিভিন্ন প্রকার আইকন এবং পুল ডাউন মেন্যু কমান্ড ব্যবহার করে কম্পিউটারকে প্রয়োজনীয় নির্দেশ প্রদান করা হয়।
৩. কমান্ডের জন্য মেন্যু এবং প্রতিটি মেন্যুর আওতায় অনেক পুল ডাউন মেনু কমান্ড থাকে।
৪. মাউসের সাহায্যে Icon এবং পুল ডাউন মেনু কমান্ড কার্যকরী করা যায়।
৫. নতুন কোনো হার্ডওয়্যার বা সফটওয়্যার সংযোগ করা হলে কম্পিউটার নিজে থেকে বুঝতে পারে কোথায় সংযোগ করা হয়েছে।
৬. নেটওয়ার্কিং, শেয়ারিং ও ইন্টারনেটব্যবস্থা অত্যন্ত কার্যকর।
৭. এ ধরনের সিস্টেমের জন্য ব্যবহারকারীকে কোনো ধরনের কমান্ড মুখস্থ রাখতে হয় না।
৮. মাল্টিমিডিয়া সিস্টেম কার্যকর।
৯. এ ধরনের অপারেটিং সিস্টেমের জন্য কম্পিউটারে বেশি মেমরির প্রয়োজন হয়।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
Android, Windows, iOS সবগুলোই অপারেটিং সিস্টেম |
কিন্তু App অপারেটিং সিস্টেম নয় |
উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি নবম দশম শ্রেণি
ADA - 1980
C++ - 1985
FORTRAN - 1957
PASCAL - 1970
• অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং (OOP) এর চারটি মূল স্তম্ভ বা বৈশিষ্ট্য রয়েছে: এনক্যাপসুলেশন (Encapsulation), ইনহেরিটেন্স (Inheritance), পলিমরফিজম (Polymorphism) এবং অ্যাবস্ট্রাকশন (Abstraction)। এনক্যাপসুলেশন বলতে ডেটা এবং সেই ডেটা নিয়ে কাজ করা মেথডগুলোকে একটি একক ইউনিট বা 'ক্লাস'-এর মধ্যে আবদ্ধ রাখাকে বোঝায়।
• অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং:
- অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং পদ্ধতিতে ডাটা ও ইনস্ট্রকাশনের সমন্বয়ে চলক তৈরি করা হয়। একে বলা হয় অবজেক্ট।
- মেসেজে আদান-প্রদানের মাধ্যমে অবজেক্টগুলো পরস্পরের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে।
- এই প্রোগ্রামিং পদ্ধতিতে প্রোগ্রামের ইনস্ট্রাকশনগুলো ডাটা দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়।
- C++, Java, C#, Python ইত্যাদি হলো অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং এর উদাহরণ।
- মূলত ৬টি প্রাথমিক ধারণার দ্বারা অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিংকে উপস্থাপন করা হয়। যেমন:
১. অবজেক্ট (Object),
২. ক্লাস (Class),
৩. মেসেজ (Message),
৪. পলিমারফিজম (Polymorphism),
৫. ইনহেরিটেন্স (Inheritance) এবং
৬. এনক্যাপসুলেশন (Encapsulation) I
অন্যান্য অপশন:
- টপ-ডাউন অ্যাপ্রোচ: অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং মূলত বটম-আপ পদ্ধতি অনুসরণ করে কাজ করে।
- গ্লোবাল ডেটা শেয়ারিং: অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং-এ নিরুৎসাহিত করা হয় কারণ এটি ডেটা সিকিউরিটি বা এনক্যাপসুলেশন নীতির পরিপন্থী।
- ফাংশনাল ডিকম্পোজিশন: প্রসিডিউরাল প্রোগ্রামিংয়ের বৈশিষ্ট্য যেখানে কাজকে ছোট ছোট ফাংশনে ভাগ করা হয়।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
কম্পিউটার চালু করা বা পুনঃরায় চালু করার প্রক্রিয়াকে Booting বলে।
- যখন কম্পিউটারটি প্রথমবার চালু বা চালু করা হয় তখন সিস্টেমটি রম BIOS চিপ গুলিতে প্রাপ্ত স্টার্টআপ নির্দেশাবলীটি পড়ে।
- এই নির্দেশাবলী কম্পিউটারে পরীক্ষা করার জন্য পাওয়ার-অন সেলফ টেস্ট (POST) নামে কিছু পরীক্ষা করে। এটি সিস্টেমের হার্ডওয়্যারটি সঠিক কিনা তা পরীক্ষা করে।এই প্রক্রিয়াটিকে Booting বলে।
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই (মুজিবুর রহমান)
• অপারেটিং সিস্টেম (OS) হলো এমন একটি মৌলিক সফটওয়্যার যা কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার ও ব্যবহারকারীর মধ্যে সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করে।
- এটি কম্পিউটারের বিভিন্ন উপাদান যেমন প্রসেসর, মেমরি, ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস, ফাইল সিস্টেম ইত্যাদি নিয়ন্ত্রণ ও সমন্বয় করে।
• অপারেটিং সিস্টেমের প্রধান কাজসমূহ:
- হার্ডওয়্যার নিয়ন্ত্রণ: ইনপুট (যেমন কিবোর্ড, মাউস) ও আউটপুট (যেমন মনিটর, প্রিন্টার) ডিভাইসগুলোর মধ্যে সমন্বয় সাধন করে।
- মেমরি ব্যবস্থাপনা: প্রোগ্রামগুলো কতটা র্যাম ব্যবহার করবে তা নির্ধারণ করে।
- প্রসেস ব্যবস্থাপনা: একাধিক কাজ একসাথে চললে কোনটি আগে চলবে তা নির্ধারণ করে।
- ফাইল ব্যবস্থাপনা: ডেটা সংরক্ষণ, পড়া, লেখা ও মুছে ফেলার কাজ নিয়ন্ত্রণ করে।
- User Interface প্রদান: ব্যবহারকারী যাতে কম্পিউটারের সঙ্গে সহজে যোগাযোগ করতে পারে (CLI বা GUI আকারে)।
তথ্যসূত্র: NCTB, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি।
Manjaro একটি লিনাক্সভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম।
- উইন্ডোজভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম- Windows XP, Windows Vista ইত্যাদি।
- অ্যাপল ম্যাকভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম- OS X 10.8, OS X 10.9 ইত্যাদি।
সূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
• আইফোন চালানোর জন্য অ্যাপল কোম্পানি একটি বিশেষ অপারেটিং সিস্টেম তৈরি করেছে, যার নাম iOS। এটি মূলত আইফোন, আইপ্যাড এবং আইপড টাচের জন্য ডিজাইন করা হয়েছে। iOS-এর মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা অ্যাপ ইন্সটল, ইন্টারফেস নেভিগেশন, ডেটা ম্যানেজমেন্ট এবং ডিভাইসের অন্যান্য ফিচার নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। এটি একটি বন্ধ এবং নিরাপদ সিস্টেম হিসেবে পরিচিত, যা অ্যাপল স্টোরের মাধ্যমে অ্যাপ ব্যবহারের নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করে। অন্যান্য অপশন যেমন Windows Mobile, HarmonyOS এবং Android বিভিন্ন কোম্পানির ডিভাইসের জন্য তৈরি, তাই সেগুলি আইফোনে ব্যবহৃত হয় না। সুতরাং আইফোনের জন্য সঠিক উত্তর হলো ক) iOS.
• অপারেটিং সিস্টেম:
- অপারেটিং সিস্টেম হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মধ্যে সেতুবন্ধ রচনা করে।
- কম্পিউটার বুটিং করা থেকে শুরু করে কম্পিউটার বন্ধ করা পর্যন্ত সকল কাজই অপারেটিং সিস্টেমের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রিত হয়।
- বিভিন্ন ধরণের অপারেটিং সিস্টেম:
• সিঙ্গেল ইউজার অপারেটিং সিস্টেম:
- একই সময়ে অপারেটিং সিস্টেমে ব্যবহারকারী সংখ্যা একজন হয়ে থাকলে তাকে সিঙ্গেল ইউজার অপারেটিং সিস্টেম বলে।
- একে অনেক সময় সিঙ্গেল টাস্কিং অপারেটিং সিস্টেমও বলা হয়।
- যেমন- CP/M, Symbian OS, Palm OS, MS-DOS, PC-DOS, Windows 95/98 ইত্যাদি।
• মাল্টি ইউজার অপারেটিং সিস্টেম:
- আবার একাধিক ব্যবহারকারী একই সময়ে যখন কোনো কম্পিউটার সিস্টেম ব্যবহার করতে পারে সেই কম্পিউটারে ব্যবহৃত অপারেটিং সিস্টেমকে মাল্টি ইউজার অপারেটিং সিস্টেম বলে।
- যেমন- Windows NT Server, Android, Windows 2003/2008 Server, Unix, Linux ইত্যাদি।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
• অপারেটিং সিস্টেম এবং ব্যবহারকারীর মধ্যে যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে যে ইন্টারফেস কাজ করে তাকে Shell বলা হয়। Shell ব্যবহারকারীর কাছ থেকে কমান্ড গ্রহণ করে সেগুলোকে অপারেটিং সিস্টেমের জন্য বোঝার যোগ্য আকারে রূপান্তর করে। এটি একটি সফটওয়্যার প্রোগ্রাম যা ব্যবহারকারীকে কমান্ড লাইন বা গ্রাফিকাল ইন্টারফেসের মাধ্যমে অপারেটিং সিস্টেমের সাথে ইন্টারঅ্যাক্ট করার সুযোগ দেয়। ব্যবহারকারী Shell-এর মাধ্যমে ফাইল পরিচালনা, প্রোগ্রাম চালানো এবং অন্যান্য সিস্টেম কার্যক্রম সম্পাদন করতে পারে। সংক্ষেপে, Shell হলো সেই মধ্যস্থ মাধ্যম যা ব্যবহারকারীর নির্দেশকে OS পর্যন্ত পৌঁছে দেয় এবং OS-এর ফলাফল ব্যবহারকারীর কাছে উপস্থাপন করে। সুতরাং সঠিক উত্তর হলো ক) Shell.
• অপারেটিং সিস্টেম:
- কম্পিউটারকে সঠিকভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য প্রয়োজন অপারেটিং সিস্টেম, যা সিস্টেম সফটওয়্যার নামে পরিচিত।
- কম্পিউটারকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য যে প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রাম সমষ্টি ব্যবহার করা হয় তাকে অপরেটিং সিস্টেম বলা হয়।
- এককথায় অপারেটিং সিস্টেম কম্পিউটার ব্যবহারকারীর সাথে হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের সংযোগ স্থাপন করে বিভিন্ন ধরনের কাজ সম্পাদন করে।
- অপারেটিং সিস্টেমের উদাহরণ: CP/M, Android, Symbian OS, Palm OS, MS-DOS, PC-DOS, Windows 95/98, Windows NT Server, Windows 2003/2008 Server, Unix, Linux ইত্যাদি।
• অপশন আলোচনা:
- Command Prompt:
- Command Prompt হলো উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমের একটি নির্দিষ্ট প্রোগ্রাম যা ব্যবহারকারীর কাছ থেকে টেক্সট-ভিত্তিক কমান্ড গ্রহণ করে। যদিও এটি Shell-এর একটি উদাহরণ, প্রশ্নে নির্দিষ্টভাবে "ইন্টারফেস" সম্পর্কে বলা হয়েছে, এবং Shell একটি জেনেরিক শব্দ যা সব অপারেটিং সিস্টেমে প্রযোজ্য।
- API (Application Programming Interface):
- API হলো এক ধরনের ইন্টারফেস যা সফটওয়্যার প্রোগ্রামগুলি অন্য সফটওয়্যার বা সিস্টেমের সাথে যোগাযোগ করতে ব্যবহার করে। এটি প্রোগ্রামারদের জন্য, ব্যবহারকারীর জন্য সরাসরি নয়।
- Scheduler:
- Scheduler হলো অপারেটিং সিস্টেমের একটি অংশ, যা প্রসেসগুলির মধ্যে CPU-র সময় ভাগ করে। এটি ব্যবহারকারীর সাথে সরাসরি যোগাযোগের জন্য নয়। এটি কাজ করে ব্যাকগ্রাউন্ডে।
- Shell:
- Shell হলো একটি ইন্টারফেস যা ব্যবহারকারীকে অপারেটিং সিস্টেমের সাথে যোগাযোগ করার সুযোগ দেয়। এটি ব্যবহারকারীর কমান্ডগুলো গ্রহণ করে এবং সেগুলো অপারেটিং সিস্টেমে প্রসেস করার জন্য পাঠায়। এটি গ্রাফিকাল (GUI) বা টেক্সট-ভিত্তিক (CLI) হতে পারে।
উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।
সঠিক উত্তর - গ) Windows 7
• অপারেটিং সিস্টেম:
- কম্পিউটারকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য যে প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রাম সমষ্টি ব্যবহার করা হয় তাকে অপারেটিং সিস্টেম বলা হয়।
• ইন্টারফেস ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমের প্রকারভেদ-
- অপারেটিং সিস্টেমগুলোতে কাজ করার পরিবেশ এবং ইন্টারফেসের উপর ভিত্তি করে এদেরকে আবার দুইভাগে ভাগ করা যায়।
১। বর্ণ-ভিত্তিক (Text based/Character User Interface-CUI) অপারেটিং সিস্টেম:
- বর্ণ-ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমে কী-বোর্ডের সাহায্যে বিভিন্ন বর্ণ টাইপ করে এবং কী-বোর্ডের বিভিন্ন বোতাম ব্যবহার করে কম্পিউটারকে প্রয়োজনীয় নির্দেশ প্রদান করা হয়।
- ডিস্ক ফরমেটিং থেকে শুরু করে ফাইল ব্যবস্থাপনা এবং অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম ব্যবহারের সকল পর্যায়ের কাজই করতে হয় কী-বোর্ডের সাহায্যে বিভিন্ন বর্ণ টাইপ করে এবং কী-বোর্ডের বিভিন্ন বোতাম ব্যবহার করে।
• বর্ণ বা টেক্সটভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম:
- MS-DOS,
- PC DOS,
- CP/M, ইত্যাদি।
২। চিত্র-ভিত্তিক (Graphical User Interface-GUI) অপারেটিং সিস্টেম:
- চিত্র-ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমে ডিস্ক ফরমেটিং থেকে শুরু করে ফাইল ব্যবস্থাপনা এবং অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম ব্যবহারের সকল পর্যায়ের কাজই করতে হয় বিভিন্ন প্রকার আইকন (Icon) এবং পুল ডাউন মেন্যু কমান্ড ব্যবহার করে।
- আইকন এবং পুল ডাউন মেন্যু কমান্ড নির্বাচন, ব্যবহার এবং কার্যকর করা হয় মাউসের সাহায্যে।
- চিত্র ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমে কম্পিউটার চালু করার পর পর্দার উপরে বা ডেস্কটপে বিভিন্ন প্রোগ্রামের আইকন বা প্রতিকী চিত্র থাকে।
- প্রয়োজনীয় প্রোগ্রামের আইকনের উপর মাউস পয়েন্টার দিয়ে ডাবল-ক্লিক করলেই প্রোগ্রামটি চালু হয়ে যায়।
- চিত্র ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমে কোনো কমান্ড মুখস্থ করে রাখার প্রয়োজন হয় না।
• চিত্রভিত্তিক বা গ্রাফিক্যাল অপারেটিং সিস্টেম:
- Windows 95/98/Xp/2000/7,
- Mac OS, ইত্যাদি।
উৎস: ১। বিবিএ প্রোগ্রাম, মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা।
২। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল, ভোকেশনাল।
• হার্ড রিয়েল-টাইম সিস্টেম হলো এমন একটি কম্পিউটার সিস্টেম যা নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে কাজ সম্পন্ন করতে বাধ্য, এবং সময়সীমা লঙ্ঘন হলে তা গুরুতর ফলাফল সৃষ্টি করতে পারে। উদাহরণ হিসেবে গাড়ির এয়ারব্যাগ সিস্টেমকে ধরা যায়। দুর্ঘটনার সময় এয়ারব্যাগ ঠিক সময়ে না খোলায় যাত্রীর জীবন ঝুঁকিতে পড়তে পারে, তাই এটি কঠোরভাবে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কাজ সম্পন্ন করতে হবে। অন্যদিকে অনলাইন শপিং ওয়েবসাইট, ওয়ার্ড প্রসেসর, এবং ভিডিও স্ট্রিমিং অ্যাপ্লিকেশন সফট রিয়েল-টাইম বা নন-রিয়েল-টাইম সিস্টেম, যেখানে দেরি হলেও বড় ধরনের ক্ষতি হয় না। তাই গাড়ির এয়ারব্যাগ সিস্টেম হার্ড রিয়েল-টাইম সিস্টেমের স্পষ্ট উদাহরণ।
- উত্তর: ক) গাড়ির এয়ারব্যাগ সিস্টেম।
• রিয়েলটাইম অপারেটিং সিস্টেম (Realtime Operating System):
- রিয়েল টাইম সিস্টেমে কম্পিউটারকে ভালভাবে সংজ্ঞায়িত ও সুর্নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে প্রসেসিং-এর কাজ সমাধান করে ফলাফল দিতে হয় যাতে ব্যবহারকারীর কোনো ক্ষতি না হয়।
- এটি সাধারণত এমন পরিবেশে ব্যবহৃত হয় যেখানে সময়সীমা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, যেমন এমবেডেড সিস্টেম, রোবোটিক্স, অটোমোটিভ সিস্টেম এবং ইন্ডাস্ট্রিয়াল কন্ট্রোল সিস্টেম।
- এই পদ্ধতিটিও একপ্রকার অনলাইন প্রসেসিং।
- তবে অনলাইন প্রসেসিং-এর ক্ষেত্রে ফলাফল বা আউটপুট দিতে সামান্য দেরি হলেও ব্যবহারকারীর তেমন অসুবিধা হয় না।
- কিন্তু রিয়েল টাইমের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে অবশ্যই ফলাফল দিতে হবে নতুবা ব্যবহারকারীর বিরাট ক্ষতি হয়।
- উদাহরণ: টিকেট বুকিং সিস্টেম, প্লেন পরিচালনার অপারেটিং সিস্টেম।
আরো কিছু রিয়েলটাইম অপারেটিং সিস্টেম:
- FreeRTOS,
- QNX,
- ThreadX, ইত্যাদি।
সূত্র:
- কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি (ভোকেশনাল)।
- IEEE. [link]
সঠিক উত্তর - খ) CUI operating system
- DOS হলো একটি CUI (Character User Interface) ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম। এর মানে হলো, এটি ব্যবহারকারীকে কোনো গ্রাফিকাল আইকন বা উইন্ডো সরবরাহ করে না।
- ব্যবহারকারীকে সিস্টেমের সাথে ইন্টারঅ্যাক্ট করার জন্য কিবোর্ডের মাধ্যমে টেক্সট-ভিত্তিক কমান্ড (যেমন: dir, copy, cd) লিখে কাজ করতে হয়।
DOS (Disk Operating System):
- DOS-এর পূর্ণরূপ হলো Disk Operating System। এটি ১৯৮১ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মাইক্রোসফট কর্পোরেশন IBM কম্পিউটারের জন্য উদ্ভাবন করে।
- DOS হলো IBM এবং তার উপযুক্ত পার্সোনাল কম্পিউটারের জন্য একটি একক ব্যবহারিক অপারেটিং সিস্টেম।
- এটি PC-DOS বা MS-DOS নামেও পরিচিত।
- DOS একটি বর্ণভিত্তিক (Text-based/Character-based) অপারেটিং সিস্টেম।
- এর প্রধান অসুবিধা হলো কমান্ড-লাইন ইউজার ইন্টারফেস। ব্যবহারকারীকে DOS-এর কমান্ড মুখস্থ রাখতে হয় এবং কীবোর্ডের মাধ্যমে কম্পিউটারে কমান্ড বা নির্দেশ দিতে হয়।
উৎস: বিবিএ প্রোগ্রাম, মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
Android:
- Android হলো স্মার্টফোন ও ট্যাবলেট কম্পিউটারের জন্য লিনাক্স ভিত্তিক ওপেন সোর্স অপারেটিং সিস্টেম।
- Open Handset Alliance এই অপারেটিং সিস্টেমের উদ্ভাবন করে এবং পরে গুগল এটি কিনে নেয়।
- এটি ওপেন সোর্স সফটওয়্যার এবং স্মার্টফোনের জগতের সবচেয়ে জনপ্রিয় সফটওয়্যার।
- Android বর্তমানে গুগলের একটি মাল্টি ইউজার অপারেটিং সিস্টেম।
- Android package file এর এক্সটেনশন .apk
- Android OS ব্যবহৃত প্রথম ফোন T-Mobile G1 (HTC Dream নামে বেশি পরিচিত)।
- Android অপারেটিং সিস্টেমটি প্রথম বাজারে আসে ২০০৮ সালে।
উৎস: কম্পিউটার অ্যাপ্লিকেশন, ৯ম-১০ম শ্রেণি, ভোকেশনাল [২০২১ সংস্করণ] এবং সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।
◉ ভার্চুয়াল মেমরি (Virtual Memory) হলো হার্ডডিস্ক বা SSD-এর একটি অংশ, যা RAM কম থাকলে সাময়িকভাবে RAM-এর বিকল্প হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
ভার্চুয়াল মেমরি:
- ভার্চুয়াল মেমরি (Virtual Memory) হলো কম্পিউটার সিস্টেমের একটি প্রযুক্তি যা প্রধান মেমরির (RAM) সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে ওঠার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- এটি এমন একটি ব্যবস্থা, যেখানে হার্ড ড্রাইভের একটি অংশকে অস্থায়ীভাবে RAM হিসেবে ব্যবহার করা হয়, যাতে একসাথে আরও বেশি প্রোগ্রাম চালানো যায়।
- অপারেটিং সিস্টেম নিজেই ঠিক করে কোন অংশ RAM-এ থাকবে আর কোন অংশ হার্ড ড্রাইভে যাবে।
- যখন RAM পূর্ণ হয়ে যায়, তখন কম ব্যবহার হওয়া ডেটাগুলো হার্ড ড্রাইভের একটি নির্দিষ্ট অংশে (page file/swap space) পাঠানো হয়।
- প্রয়োজনে আবার সেই ডেটা RAM-এ ফিরিয়ে আনা হয়। এই পুরো প্রক্রিয়াটি ব্যবহারকারীর অজান্তেই ঘটে।
উৎস: ব্রিটানিকা ও বিভিন্ন টেক ওয়েবসাইট।
◉ VxWorks একটি জনপ্রিয় রিয়েল-টাইম অপারেটিং সিস্টেম যা Wind River Systems দ্বারা তৈরি।
রিয়েলটাইম অপারেটিং সিস্টেম (Realtime Operating System):
- রিয়েল টাইম সিস্টেমে কম্পিউটারকে ভালভাবে সংজ্ঞায়িত ও সুর্নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে প্রসেসিং-এর কাজ সমাধান করে ফলাফল দিতে হয় যাতে ব্যবহারকারীর কোনো ক্ষতি না হয়।
- এটি সাধারণত এমন পরিবেশে ব্যবহৃত হয় যেখানে সময়সীমা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, যেমন এমবেডেড সিস্টেম, রোবোটিক্স, অটোমোটিভ সিস্টেম এবং ইন্ডাস্ট্রিয়াল কন্ট্রোল সিস্টেম।
- এই পদ্ধতিটিও একপ্রকার অনলাইন প্রসেসিং।
- তবে অনলাইন প্রসেসিং-এর ক্ষেত্রে ফলাফল বা আউটপুট দিতে সামান্য দেরি হলেও ব্যবহারকারীর তেমন অসুবিধা হয় না।
- কিন্তু রিয়েল টাইমের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে অবশ্যই ফলাফল দিতে হবে নতুবা ব্যবহারকারীর বিরাট ক্ষতি হয়।
- উদাহরণ: টিকেট বুকিং সিস্টেম, প্লেন পরিচালনার অপারেটিং সিস্টেম।
আরো কিছু রিয়েলটাইম অপারেটিং সিস্টেম:
- FreeRTOS,
- QNX,
- ThreadX, ইত্যাদি।
সূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি (ভোকেশনাল) ও সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।
উইন্ডোজ হচ্ছে আমেরিকার বিখ্যাত মাইক্রোসফট কর্পোরেশনের তৈরি একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় অপারেটিং সিস্টেম।
উইন্ডোজের জনপ্রিয়তার প্রধান কারণ হলো গ্র্যাফিক্যাল ইউজার ইন্টারফেস। এটি আইবিএম বা আইবিএম কম্পাটিবল কম্পিউটারে ব্যবহৃত হয়। সাধারণ ব্যবহারকারীগণ সহজেই এ ধরনের অপারেটিং সিস্টেম অপারেট করতে পারে। এর মূল কারণ হলো মাউসের মাধ্যমে বিভিন্ন চিত্র বা আইকনে ক্লিক করে যাবতীয় কার্যাদি সম্পাদন করা।
১৯৮৫ সালে সর্বপ্রথম উইন্ডোজ তৈরি হয়। এরপর ১৯৯০ সালে ভার্সন ৩.০ এবং ১৯৯২ সালে ৩.১ ও ৩.১১ ভার্সনের প্রচলন হয়।
• Linux: Multi User Operating System.
- Windows 98: Single User Operating System.
- CP/M: Single User Operating System.
- Palm OS: Single User Operating System.
• সিঙ্গেল ইউজার অপারেটিং সিস্টেম(Single User Operating System):
- যে অপারেটিং সিস্টেমে একই সময়ে মাত্র একজন ব্যবহারকারী কাজ করতে পারে, তাকে সিঙ্গেল ইউজার অপারেটিং সিস্টেম বলা হয়।
- একে অনেক সময় সিঙ্গেল টাস্কিং অপারেটিং সিস্টেমও বলা হয়।
- এই ধরনের অপারেটিং সিস্টেম সাধারণত ব্যক্তিগত কম্পিউটারে ব্যবহৃত হয়।
- সিঙ্গেল ইউজার অপারেটিং সিস্টেমের উদাহরণ:
- CP/M,
- MS-DOS,
- PC-DOS,
- Windows 95,
- Windows 98,
- Symbian OS,
- Palm OS.
• মাল্টি ইউজার অপারেটিং সিস্টেম(Multi User Operating System):
- যে অপারেটিং সিস্টেমে একই সময়ে একাধিক ব্যবহারকারী একটি কম্পিউটার সিস্টেম ব্যবহার করতে পারে, তাকে মাল্টি ইউজার অপারেটিং সিস্টেম বলা হয়।
- এই ধরনের অপারেটিং সিস্টেম সাধারণত সার্ভার ও বড় কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত হয়।
- মাল্টি ইউজার অপারেটিং সিস্টেমের উদাহরণ:
- Windows NT Server,
- Windows Server 2003,
- Windows Server 2008,
- UNIX,
- Linux,
- Android.
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বিবিএ প্রোগ্রাম)।
• একাধিক ব্যবহারকারীকে একসঙ্গে প্রোগ্রাম চালানোর ক্ষমতা Multi-user Operating System-এর মধ্যে পাওয়া যায়। এই ধরনের অপারেটিং সিস্টেমে একাধিক ব্যক্তি একই সময়ে একই কম্পিউটার সিস্টেম ব্যবহার করতে পারে এবং তাদের প্রত্যেকের জন্য আলাদা আলাদা সেশন বা পরিবেশ তৈরি করা হয়। ব্যবহারকারীদের প্রোগ্রামগুলো একসঙ্গে চললেও সিস্টেম সঠিকভাবে প্রসেস ম্যানেজমেন্ট, মেমোরি বণ্টন ও নিরাপত্তা নিয়ন্ত্রণ করে, যাতে একে অপরের কাজের মধ্যে কোনো বিঘ্ন না ঘটে। উদাহরণস্বরূপ UNIX, Linux এবং Windows Server হলো বহুল ব্যবহৃত Multi-user OS, যা নেটওয়ার্ক সার্ভার, ডেটাবেস সিস্টেম বা প্রতিষ্ঠানের একাধিক ব্যবহারকারীর কাজ দক্ষতার সঙ্গে পরিচালনা করতে ব্যবহৃত হয়।
অপারেটিং সিস্টেম:
- অপারেটিং সিস্টেম হল কম্পিউটারের একটি গুরুত্বপূর্ণ সফটওয়্যার, যা হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মধ্যে সেতুবন্ধ রচনা করে।
- এটি কম্পিউটার বুটিং করা থেকে শুরু করে বন্ধ করা পর্যন্ত সকল কার্যক্রম পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণ করে।
- অপারেটিং সিস্টেম ছাড়া কম্পিউটার কার্যক্ষম নয়, কারণ এটি ব্যবহারকারীর সঙ্গে হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের সংযোগ স্থাপন করে।
অপারেটিং সিস্টেমের প্রধান কার্যাবলি:
- প্রসেস ম্যানেজমেন্ট: এটি CPU-তে চলমান বিভিন্ন প্রসেস নিয়ন্ত্রণ ও নির্ধারণ করে।
- মেমোরি ম্যানেজমেন্ট: এটি কম্পিউটারের RAM এবং অন্যান্য মেমোরির কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করে।
- ফাইল ম্যানেজমেন্ট: ফাইল তৈরি, সংরক্ষণ, মুছে ফেলা এবং অ্যাক্সেস নিয়ন্ত্রণ করে।
- ডিভাইস ম্যানেজমেন্ট: ইনপুট ও আউটপুট ডিভাইসগুলোর কার্যক্রম পরিচালনা করে।
- সিকিউরিটি ও এক্সেস কন্ট্রোল: ব্যবহারকারীদের তথ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করে এবং অনুমোদিত ব্যবহারকারীদের প্রবেশাধিকার প্রদান করে।
অপারেটিং সিস্টেমের প্রকারভেদ:
- অপারেটিং সিস্টেম বিভিন্ন ধরনের হতে পারে, তবে প্রধানত দুইটি ভাগে বিভক্ত করা যায়। যথা:
1. সিঙ্গেল ইউজার অপারেটিং সিস্টেম (Single User Operating System):
- এ ধরনের অপারেটিং সিস্টেমে একই সময়ে কেবলমাত্র একজন ব্যবহারকারী কাজ করতে পারে।
- একে অনেক সময় সিঙ্গেল টাস্কিং অপারেটিং সিস্টেমও বলা হয়। সাধারণত এটি ব্যক্তিগত কম্পিউটারে ব্যবহৃত হয়।
- উদাহরণ: CP/M, Symbian OS, Palm OS, MS-DOS, PC-DOS, Windows 95/98 ইত্যাদি।
2. মাল্টি ইউজার অপারেটিং সিস্টেম (Multi-User Operating System):
- যখন একাধিক ব্যবহারকারী একই সময়ে একটি কম্পিউটার সিস্টেম ব্যবহার করতে পারে, তখন সেই কম্পিউটারে ব্যবহৃত অপারেটিং সিস্টেমকে মাল্টি ইউজার অপারেটিং সিস্টেম বলা হয়।
- এটি সাধারণত সার্ভার ও নেটওয়ার্ক ভিত্তিক পরিবেশে ব্যবহৃত হয়।
- উদাহরণ: Windows NT Server, Android, Windows 2003/2008 Server, Unix, Linux ইত্যাদি।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা বিবিএ প্রোগাম বাংলাদেশ উনাক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
• ভিজ্যুয়াল ইন্টারফেস বা গ্রাফিকাল ইউজার ইন্টারফেস (GUI) ব্যবহারকারীর সঙ্গে কম্পিউটারের মধ্যে সরাসরি চিত্র এবং আইকনের মাধ্যমে ইন্টারঅ্যাকশন করার সুযোগ দেয়। এই প্রসঙ্গে, Mac OS হলো একটি অপারেটিং সিস্টেম যা ব্যবহারকারীর জন্য সম্পূর্ণ ভিজ্যুয়াল ইন্টারফেস প্রদান করে। Mac OS এর মাধ্যমে ব্যবহারকারী মাউস এবং উইন্ডো ভিত্তিক ইন্টারফেস ব্যবহার করে অ্যাপ্লিকেশন চালাতে, ফাইল ম্যানেজ করতে এবং বিভিন্ন কাজ সম্পন্ন করতে পারে। অন্যদিকে Linux এবং Unix মূলত কমান্ড-লাইন ইন্টারফেসের জন্য পরিচিত, যদিও Linux-এ পরবর্তীতে GUI যোগ করা যায়। PC DOS মূলত টেক্সট-ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম। তাই GUI মূলত Mac OS ব্যবহারকারীদের জন্য স্বাভাবিকভাবে উপলব্ধ।
চিত্রভিত্তিক বা গ্রাফিক্যাল অপারেটিং সিস্টেম:
→ গ্রাফিক্সের বা চিত্রের মাধ্যমে কমান্ড প্রয়োগ করে কম্পিউটার পরিচালনা করা গেলে তাকে চিত্রভিত্তিক বা গ্রাফিক্যাল অপারেটিং সিস্টেম বলে।
→ বর্ণভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমের মতো কমান্ড মুখস্থ ̄ করতে হয় না। যেমন:
- Windows Xp,
- Windows 2007,
- Mac OS, ইত্যাদি।
বর্ণ বা টেক্সটভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম:
→ এ ধরনের অপারেটিং সিস্টেম হলো কমান্ড লাইন ইউজার ইন্টারফেস।
→ ডিস্ক ফর্মেটিং থেকে শুরু করে ফাইল ব্যবস্থাপনা এবং অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামের সব কাজ কি-বোর্ডের মাধ্যমে কমান্ডের সাহায্যে করতে হয়।
→ তাই বর্ণভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমে অনেক ̧লো কমান্ড মুখস্থ করতে হয়। যেমন:
- Linux,
- Unix,
- MS-DOS,
- PC DOS,
- CP/M, ইত্যাদি।
সূত্র: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।