বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশের কৃষিজ সম্পদ

মোট প্রশ্ন১,৬৮১এই পাতা৬৭প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশের কৃষিজ সম্পদ

PrepBank · পাতা ১৭ / ১৭ · ১,৬০১১,৬৬৭ / ১,৬৮১

১,৬০১.
কোন বনাঞ্চল প্রতিনিয়ত লবণাক্ত পানি দ্বারা প্লাবিত হয়?
  1. ক) পার্বত্য বন
  2. খ) শালবন
  3. গ) মধুপুর বন
  4. ঘ) ম্যানগ্রোভ বন
সঠিক উত্তর:
ঘ) ম্যানগ্রোভ বন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ম্যানগ্রোভ বন
ব্যাখ্যা
- ম্যানগ্রোভ (Mangrove) বলতে সাধারণভাবে জোয়ারভাটায় প্লাবিত বিস্তীর্ণ জলাভূমিকে বোঝায়।
- ম্যানগ্রোভ বন (Mangrove forest), জোয়ারভাটায় বিধৌত লবণাক্ত সমতলভূমি।
- বাংলাদেশের সুন্দরবন - এরকম সমুদ্রের লোনা পানির জোয়ার ভাটায় প্লাবিত ম্যানগ্রোভ বন।
উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১,৬০২.
গবেষণায় একুশে পদক - ২০২০ লাভ করে কোন প্রতিষ্ঠান?
  1. ক) বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট
  2. খ) বাংলাদেশ মসলা গবেষণা ইনস্টিটিউট
  3. গ) বাংলাদেশ মহিষ গবেষণা ইনস্টিটিউট
  4. ঘ) বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউট
সঠিক উত্তর:
ক) বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট গবেষণায় ২০২০ সালে একুশে পদক লাভ করে।

- ময়মনসিংহে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন এলাকায় ইনস্টিটিউটের প্রধান কার্যালয় অবস্থিত।
পরিবেশ এবং মৎস্য সম্পদের প্রকৃতি অনুযায়ী দেশের ৫টি এলাকায় ইনস্টিটিউটের ৫টি গবেষণা কেন্দ্র ও ৫টি উপকেন্দ্র রয়েছে। 
গবেষণা কেন্দ্রগুলো হলো-
- ময়মনসিংহে অবস্থিত স্বাদুপানি কেন্দ্র, 
- চাঁদপুরে অবস্থিত নদী কেন্দ্র, 
- খুলনার পাইকগাছায় অবস্থিত লোনাপানি কেন্দ্র, 
- কক্সবাজারে অবস্থিত সামুদ্রিক মৎস্য ও প্রযুক্তি কেন্দ্র এবং 
- বাগেরহাটে অবস্থিত চিংড়ি গবেষণা কেন্দ্র এবং 

উপকেন্দ্র ৫টি হলো -
- রাঙ্গামাটিতে কাপ্তাই লেক উপকেন্দ্র,
- সান্তাহারে প্লাবনভূমি উপকেন্দ্র,
- যশোরে স্বাদুপানি উপকেন্দ্র,
- পটুয়াখালীর খেপুপাড়ায় অবস্থিত নদী উপকেন্দ্র এবং
- সৈয়দপুরে অবস্থিত স্বাদুপানি উপকেন্দ্র।

সূত্র: বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট

১,৬০৩.
'হাড়িভাংগা' আম এর উৎপত্তি কোথায়?
  1. ক) রাজশাহী
  2. খ) চাঁপাইনবাবগঞ্জ
  3. গ) সাতক্ষীরা
  4. ঘ) রংপুর
সঠিক উত্তর:
ঘ) রংপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) রংপুর
ব্যাখ্যা
'হাড়িভাংগা' আম এর উৎপত্তি - রংপুর জেলায়।

এর গাছের বৈশিষ্ট্য উল্লেখ করার মতো। গাছের ডালপালা ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার চেয়ে পাশে বেশি বিস্তৃত হয়। ফলে ঝড়ো বাতাসে গাছ উপড়ে পড়ে না এবং আমও তুলনামূলকভাবে কম ঝরে।

- 'হিমসাগর' পশ্চিমবঙ্গের বিখ্যাত আম হলেও আঁশহীন, মিষ্টি স্বাদ ও গন্ধের জন্য সারা পৃথিবীতে এ আম বাণিজ্যিকভাবে চাষ হয়ে থাকে।
- জুন মাসের শেষে এ আম বাজারে আসে।
- রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও সাতক্ষীরা জেলায় এ আমের বাণিজ্যিকভাবে চাষ হয়ে থাকে।

- 'আম্রপালি' জাতটি সত্তরের দশকে ‘দশেরি’ ও ’নিলম’ জাতের সংকরায়নে ভারতীয় কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট কর্তৃক উদ্ভাবিত হয়।
- এজাত প্রতি বছরই ফল দিতে সক্ষম বলে সফলতার সাথে বাণিজ্যিকভাবে এর উৎপাদন শুরু হয়েছে।
- বর্তমানে উৎপাদিত আমের ৩০ভাগই আম্রপালি।
- গাছের গঠন ছোট, এর মিষ্টতা ল্যাংড়া বা হিমসাগর হতে বেশি।
- এ ফল পাকলে গাঢ় কমলা-লাল ধারণ করে, ভিটামিন ’এ’ এর পরিমাণ বেশি।

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস ওয়েবসাইট।
১,৬০৪.
রবি মৌসুম এর সময়কাল নিচের কোনটি?
  1. আষাঢ় থেকে ভাদ্র মাস
  2. ভাদ্র থেকে বৈশাখ মাস
  3. আশ্বিন থেকে ফাল্গুন মাস
  4. চৈত্র থেকে ভাদ্র মাস
সঠিক উত্তর:
আশ্বিন থেকে ফাল্গুন মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আশ্বিন থেকে ফাল্গুন মাস
ব্যাখ্যা
ফসলের মৌসুম:
- একটি ফসল বীজ বপন থেকে শুরু করে তার শারীরিক বৃদ্ধি ও ফুল-ফল উৎপাদনের জন্য যে সময় নেয় তাকে ঐ ফসলের মৌসুম বলে।
- অর্থাৎ কোনো ফসলের বীজ বপন থেকে ফসল সংগ্রহ পর্যন্ত সময়কে সে ফসলের মৌসুম বলে।
- বাংলাদেশের জলবায়ুর উপর নির্ভর করে বছরের বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন ধরনের ফসল জন্মে।
- ফসল উৎপাদনের জন্য সারা বছরকে প্রধানত দুটি মৌসুমে ভাগ করা হয়েছে। যথা-
ক. রবি মৌসুম
খ. খরিপ মৌসুম

⇒ রবি মৌসুম:
- আশ্বিন থেকে ফাল্গুন মাস পর্যন্ত সময়কে রবি মৌসুম বলে।
- রবি মৌসুমের প্রথম দিকে কিছু বৃষ্টিপাত হয়, তবে তা খুবই কম হয়ে থাকে।
- এ মৌসুমে তাপমাত্রা, বায়ুর আর্দ্রতা ও বৃষ্টিপাত সবই কম হয়ে থাকে।

⇒ খরিপ মৌসুম:
- চৈত্র থেকে ভাদ্র মাস পর্যন্ত সময়কে খরিপ মৌসুম বলে।
- খরিপ মৌসুমকে আবার দুই ভাগে ভাগ করা হয়; যথা- খরিপ-১ বা গ্রীষ্মকাল এবং খরিপ-২ বা বর্ষাকাল।

তথ্যসূত্র - কৃষিশিক্ষা, সপ্তম শ্রেণি, বোর্ড বই।
১,৬০৫.
বাংলাদেশের প্রধান সরকারি বীজ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান কোনটি?
  1. BARI
  2. BADC
  3. BRRI
  4. BINA
সঠিক উত্তর:
BADC
উত্তর
সঠিক উত্তর:
BADC
ব্যাখ্যা

BADC:
- বাংলাদেশের প্রধান সরকারি বীজ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান হলো বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (BADC)।
- এটি কৃষি উপকরণ সরবরাহের দায়িত্বে নিয়োজিত সরকারি প্রতিষ্ঠান৷
- এর অংশ হিসেবে BADC বিভিন্ন ফসলের উফশী বীজ উৎপাদন, সংরক্ষণ ও সরবরাহ, সেচ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং কৃষক পর্যায়ে মানসম্মত সার সরবরাহ করে থাকে।
- ১৯৬১ সালে প্রতিষ্ঠিত পূর্ব পাকিস্তান কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন দেশ স্বাধীনের পর BADC নামধারণ করে।
- এটির প্রধান কার্যালয় ঢাকার মতিঝিলে অবস্থিত।

তথ্যসূত্র - BADC ওয়েবসাইট।

১,৬০৬.
রবি মৌসুমে সূর্যমুখী বীজ বপনের সময় কোনটি?
  1. মধ্য সেপ্টেম্বর-মধ্য অক্টোবর
  2. মধ্য নভেম্বর-মধ্য ডিসেম্বর
  3. মধ্য জুলাই-মধ্য আগস্ট
  4. মধ্য মে-মধ্য জুন
সঠিক উত্তর:
মধ্য নভেম্বর-মধ্য ডিসেম্বর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মধ্য নভেম্বর-মধ্য ডিসেম্বর
ব্যাখ্যা
সূর্যমুখী চাষ:
- যে সমস্ত মাঠ ফসলের বীজ থেকে ভোজ্য তেল পাওয়া যায় তাদেরকে তেলজাতীয় ফসল (Oil seed crops) বলা হয়।
- সূর্যমুখীর ইংরেজি নাম Sunflower এবং Helianthus annus হলো এর বৈজ্ঞানিক নাম। 

⇒ জলবায়ু:
- সূর্যমুখী আলো নিরপেক্ষ ফসল হওয়ায় সারা বছর এর চাষ করা যায়।
- এ ফসলে তাপমাত্রার প্রভাব অনেকটা কম।

⇒ মাটি বা জমি নির্বাচন:
- সূর্যমুখী সাধারণত সব ধরনের মাটিতেই জন্মানো যায়।
- তবে দোআঁশ ও বেলে দোআঁশ মাটি উত্তম।
- বৃষ্টি বা সেচের পানি জমে থাকে না এমন জমি সূর্যমুখী চাষের জন্য ভালো।

⇒ বপন সময়:
- সব মৌসুমেই সূর্যমুখী চাষ করা যায়।
- রবি মৌসুমে অগ্রহায়ন মাসে (মধ্য নভেম্বর-মধ্য ডিসেম্বর), খরিফ ১ মৌসুমে বৈশাখ মাসে (মধ্য এপ্রিল-মধ্য মে) এবং খরিফ ২ মৌসুমে ভাদ্র মাসে (মধ্য আগস্ট- মধ্য সেপ্টেম্বর) বীজ বপন করা হয়। 

উৎস: কৃষি শিক্ষা ১মপত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৬০৭.
পেঁয়াজ উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কোনটি?
  1. ক) রাজবাড়ী
  2. খ) পাবনা
  3. গ) ফরিদপুর
  4. ঘ) নাটোর
সঠিক উত্তর:
খ) পাবনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) পাবনা
ব্যাখ্যা
২০১৯-২০২০ অর্থবছরে দেশে মোট পেঁয়াজ উৎপাদন : ২৫.৬ লক্ষ মে. টন।
পেঁয়াজ উৎপাদনে শীর্ষ তিন জেলা:
- প্রথম : পাবনা (৬.০১ লক্ষ মে. টন)
- দ্বিতীয় : ফরিদপুর (৪.৯১ লক্ষ মে. টন)
- তৃতীয় : রাজবাড়ী (৩.৩৭ লক্ষ মে. টন)।

(তথ্যসূত্র: কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর)
১,৬০৮.
মিন্টু ও বাহার কৃষিক্ষেত্রে কোন ফসলের জাত?
  1. ভুট্টা
  2. টমেটো
  3. বেগুন
  4. গম
সঠিক উত্তর:
টমেটো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টমেটো
ব্যাখ্যা
- মিন্টু ও বাহার হলো বাংলাদেশে চাষকৃত টমেটোর দুটি জাত।
টমেটোর অন্যান্য জাতসমূহ হলো:
- মানিক
- রতন
- চৈতী
- টিপু সুলতান
- বারি টমেটো ইত্যাদি।
(তথ্যসূত্র: কৃষি তথ্য সার্ভিস ওয়েবসাইট)
১,৬০৯.
কৃষি ও কৃষিভিত্তিক সেবা জনগনের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেয়ার জন্য বাংলাদেশ সরকারের গৃহীত ই-কৃষি সেবা নয় কোনটি?
  1. ক) কৃষকের জানালা
  2. খ) কৃষকের ডিজিটাল ঠিকানা
  3. গ) কৃষকের বন্ধু
  4. ঘ) কৃষি বাতায়ন
সঠিক উত্তর:
গ) কৃষকের বন্ধু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) কৃষকের বন্ধু
ব্যাখ্যা
- কৃষি এবং কৃষিভিত্তিক সেবাকে জনগণের দোরগোড়ায় পৌছে দেওয়ার লক্ষ্যে অনলাইনভিত্তিক বিভিন্ন ধরনের ই-কৃষি সেবার উন্নয়ন করা হয়েছে।
- এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য- কৃষকের জানালা, কৃষকের ডিজিটাল ঠিকানা, কৃষি বাতায়ন, বন্ধু ফোন, Online Fertiliser Recommendation Software, Bangladesh Rice Knowledge Bank ইত্যাদি।
- ইউনিয়ন পর্যায়ে সরকার কর্তৃক স্থাপিত কৃষি তথ্য ও যোগাযোগ কেন্দ্র - Agriculture Information and Communication Centre (AICC)।

তথ্যসূত্র- অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২১।
১,৬১০.
নদী ছাড়া 'মহানন্দা' কীসের নাম?
  1. মরিচ
  2. গম
  3. আম
  4. বেগুন
সঠিক উত্তর:
আম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আম
ব্যাখ্যা
নদী ছাড়া 'মহানন্দা' আমের একটি উন্নত জাত।  

বিভিন্ন ফসলের উন্নত জাত:

- বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইন্সটিটিউট কর্তৃক উদ্ভাবিত উন্নত জাতের ফসল:
• উন্নত জাতের আম: মহানন্দা, ল্যাংড়া, গোপালভোগ, হাড়িভাঙ্গা, ক্ষীরসাপাতি ও মােহনভােগ।

অন্যদিকে,
• উন্নত জাতের গম: সোনালিকা, বলাকা, দোয়েল, অগ্রণী, আনন্দ, কাঞ্চন, শতাব্দী ও আকবর।
• উন্নত জাতের ধান: ইরাটম, ব্রি হাইব্রিড - ১, চান্দিনা, হীরা, মালা, বিপ্লব, দুলাভোগ, মোহিনী, সুফলা, আশা, প্রগতি।
• উন্নত জাতের তামাক: সুমাত্রা ও ম্যানিলা।
• উন্নত জাতের ভুট্টা: বর্ণালী, শুভ্রা ও উত্তরণ।
• উন্নত জাতের টমেটো: বাহার, মানিক, রতন, অপূর্ব, মিন্টো, ঝুমকা, সিঁদুর, শ্রাবণী।
• উন্নত জাতের মরিচ: যমুনা।
• উন্নত জাতের বেগুন: শুকতারা, নয়নতারা, তারাপুরী, ইসলামপুরী, কাজলা, বিজয়, মুক্তকেশী, ঝুমকো।
• উন্নত জাতের আলু: হিরা, আইলসা, পেট্রোনিস, মুল্টা, ডায়ামন্ট, কার্ডিনাল, মন্ডিয়াল, কুফরী সিন্দুরী, চমক, ধীরা, গ্রানোলা, ক্লিওপেট্রা ও চিনেলা।
• উন্নত জাতের তুলা: সিবি-১০, রূপালী, ডেলফোজ।

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস।
১,৬১১.
‘ম্যানিলা’ কোন ফসলের উন্নত জাত?
  1. ক) তুলা
  2. খ) তামাক
  3. গ) পেয়ারা
  4. ঘ) তরমুজ
সঠিক উত্তর:
খ) তামাক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) তামাক
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের উন্নতমানের ফসলের জাত:
ধান - ইরাটম, ব্রিশাইল, সোনার বাংলা-১, ময়না, হরিধান, চান্দিনাম, নারিকা-১,মালাইরি।
গম - অগ্রণী-সোনালিকা, বলাকা, দোয়েল, আকবর, আনন্দ, কাঞ্চন, বরকত।
ভুট্টা - উত্তরণ, বর্ণালী, শুভ্র;
তুলা - রূপালী ও ডেলফোজ।
টমেটো - মিন্টু, বাহার, মানিক, রতন, ঝুমকা, সিঁদুর, শ্রাবণী।
তামাক - সুমাত্রা ও ম্যানিলা;
বেগুন - ইওরা, শুকতারা, তারাপুরী।
কলা - অগ্নিশ্বর, কানাইবাঁশী, মোহনবাঁশী, বীট জবা, অমৃতসাগর, সিংগাপুরী।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও বাংলাদেশ কৃষি তথ্য সার্ভিস (AIS) ওয়েবসাইট।
১,৬১২.
স্বাদু পানির মাছ উৎপাদনের প্রবৃদ্ধিতে বিশ্বে বাংলাদেশর অবস্থান কততম?
  1. ক) প্রথম
  2. খ) দ্বিতীয়
  3. গ) তৃতীয়
  4. ঘ) পঞ্চম
সঠিক উত্তর:
খ) দ্বিতীয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) দ্বিতীয়
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা প্রকাশিত রিপোর্ট অনুসারে, ২০১৯ সালে স্বাদু পানির মাছ উৎপাদনের প্রবৃদ্ধিতে বাংলাদেশের অবস্থান বিশ্বে দ্বিতীয়।
স্বাদু পানির মাছ উৎপাদনে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি ৯ শতাংশ।
শীর্ষস্থানে থাকা ইন্দোনেশিয়ার প্রবৃদ্ধি ১২ শতাংশ।
এছাড়া অভ্যন্তরীণ উন্মুক্ত উৎস থেকে মাছ আহরণে বাংলাদেশ বিশ্বে তৃতীয় এবং চাষকৃত মাছ উৎপাদনে পঞ্চম।
(সূত্র: দৈনিক যুগান্তর : ২২ জুলাই ২০২০)
১,৬১৩.
চিংড়ি চাষ আইন কবে প্রণীত হয়?
  1. ১৯৮৩
  2. ১৯৯৭
  3. ১৯৯৫
  4. ১৯৯২
সঠিক উত্তর:
১৯৯২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯২
ব্যাখ্যা

• চিংড়ি চাষ আইন-১৯৯২:

⇒ বাংলাদেশের আভ্যন্তরীণ এবং উপকূলবর্তী এলাকাতে বিভিন্ন প্রজাতির চিংড়ি চাষাবাদের জন্য ১৯৯২ সালে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার চিংড়ি চাষ আইন প্রণয়ন করেন।
- এই আইনের উল্লেখযোগ্য বিষয়সমূহ হচ্ছে-
• চিংড়ি চাষোপযোগী এলাকাতে সরকার চিংড়ি চাষ এবং চাষাবাদ কার্যক্রম বৃদ্ধির লক্ষে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো নির্মাণ করবেন।
• চিংড়ি চাষের জন্য ব্যবহৃত জমির মালিকগণ নির্দিষ্ট সময়ে নিয়মমাফিক বিভিন্ন কর পরিশোধ করবেন।

উৎস: কৃষি শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৬১৪.
চা বোর্ড কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. ক) চট্টগ্রামে
  2. খ) সিলেটে
  3. গ) পঞ্চগড়ে
  4. ঘ) মৌলভীবাজারে
সঠিক উত্তর:
ক) চট্টগ্রামে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) চট্টগ্রামে
ব্যাখ্যা
১৯৭৭ সালে চট্টগ্রামের নাসিরাবাদে বাংলাদেশ চা বোর্ড প্রতিষ্ঠা করা হয়। বাংলাদেশ সরকারের এটি একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান। বাংলাদেশ চা বোর্ডে আওতায় নিবন্ধনকৃত চা বাগানের সংখ্যা ১৬৭টি। চা বোর্ডের নিয়ন্ত্রক বাণিজ্য মন্ত্রনালয়।
উৎসঃ বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয়, নবম-দশম শ্রেণী এবং বাণিজ্য মন্ত্রনালয়ের ওয়েবসাইট।
১,৬১৫.
‘হোয়াইট গোল্ড’ নামে পরিচিত কোনটি?
  1. ক) রাবার
  2. খ) চিংড়ি
  3. গ) তুলা
  4. ঘ) পাট
সঠিক উত্তর:
খ) চিংড়ি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) চিংড়ি
ব্যাখ্যা
চিংড়ি রপ্তানি করে প্রচুর পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের জন্যে বাংলাদেশে চিংড়িকে 'হোয়াইট গোল্ড' বলা হয়।
গত ২০২০-২০২১ অর্থবছরে বাংলাদেশের চিংড়ি রপ্তানির পরিমাণ ছিলো ২৯ কোটি ইউএস ডলার।
চিংড়ি উৎপাদনের আধিক্যের জন্যে খুলনা অঞ্চলকে কুয়েত সিটি বলা হয়।

(তথ্যসূত্র: রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো এবং বনিকবার্তা)
১,৬১৬.
বাংলাদেশে বাণিজ্যিকভাবে প্রথম চা বাগান গড়ে উঠে কবে?
  1. ১৮৩৯ সালে
  2. ১৮৪৪ সালে
  3. ১৮৫৪ সালে
  4. ১৮৫৯ সালে
সঠিক উত্তর:
১৮৫৪ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮৫৪ সালে
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশে বাণিজ্যিকভাবে প্রথম চা বাগান গড়ে উঠে সিলেটের মালিনীছড়ায় ১৮৫৪ সালে।
- বর্তমানে বাংলাদেশ চা বোর্ডের অধীনে মোট ১৬৭টি চা বাগান ও টি এস্টেট রয়েছে।
- সবচেয়ে বেশি চা বাগান রয়েছে মৌলভীবাজার জেলায়।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশ চা বোর্ড)
১,৬১৭.
নিচের কোনটি জিংক সমৃদ্ধ ধানের জাত?
  1. ক) সোনার বাংলা-১
  2. খ) বাংলামতি
  3. গ) ব্রি বঙ্গবন্ধু-১০০
  4. ঘ) ব্রি- 88
সঠিক উত্তর:
গ) ব্রি বঙ্গবন্ধু-১০০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ব্রি বঙ্গবন্ধু-১০০
ব্যাখ্যা
খরা সহিষ্ণু ধানের জাতসমূহ:
- ব্রি ধান-৪৩
- ব্রি ধান-৫৫
- ব্রি ধান-৫৬
- ব্রি ধান-৫৭
- ব্রি ধান-৬৬
- ব্রি ধান-৭১
- ব্রি ধান-৮৩ প্রভৃতি।
লবণাক্ততা সহিষ্ণু ধানের জাতসমূহ:
- ব্রি ধান-৬৭
- ব্রি ধান-৬৯
- বিনা ধান-১০
জলমগ্নতা সহিষ্ণু ধানের জাতসমূহ:
- ব্রি ধান-৫১
- ব্রি ধান-৫২
- ব্রি ধান-৭৯ প্রভৃতি।
জিংক সমৃদ্ধ ধানের জাতসমূহ:
- ব্রি ধান-৬২
- ব্রি ধান-৬৪
- ব্রি ধান-৭২
- ব্রি ধান-৭৪
- ব্রি ধান-৮৪
- ব্রি ধান-১০০ প্রভৃতি।
(তথ্যসূত্র: কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর এবং বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট)
১,৬১৮.
বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউট (BWMRI) এর প্রধান কার্যালয় কোথায় অবস্থিত?
  1. পাবনা
  2. গাজীপুর
  3. দিনাজপুর
  4. ঢাকা
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর
ব্যাখ্যা
BWMRI:
- পূর্ণরূপ Bangladesh Wheat and Maize Research Institute বা বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউট।
- ২০১৭ সালে বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউট (BWMRI) প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটিই বাংলাদেশে গম ও ভুট্টা নিয়ে গবেষণাকারী প্রতিষ্ঠান ।
- এর প্রধান কার্যালয় দিনাজপুরের নশিপুরে অবস্থিত।

উল্লেখ্য:
- এটি বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (BARI) থেকে আলাদা হয়ে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর পূর্বে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (BARI) গম ও ভুট্টা নিয়ে গবেষণা করত।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।
১,৬১৯.
নিচের কোনটি উন্নত জাতের টমেটো?
  1. ক) নয়নতারা
  2. খ) ইরাটম
  3. গ) সোনালিকা
  4. ঘ) বাহার
সঠিক উত্তর:
ঘ) বাহার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) বাহার
ব্যাখ্যা
-  টমেটোর উন্নত জাত:- বাহার, মানিক, রতন, মিন্টো, ঝুমকা , শ্রাবণী,মহুয়া।
এছাড়াও -
- বেগুনের উন্নত জাত:- শুকতারা, তারাপুরী,ইওরা ,ইসলামপুর্‌, খটখটিয়া, লাফফা, শিংনাথ, ঝুমকো, মুক্তকেশী, কাজলা, নয়নতারা, বিজয়, চমক এফ১।
- গমের উন্নত জাত:- বলাকা, দোয়েল , সোনালিকা, আকবর , আনন্দ, কাঞ্চন, শতাব্দী। 
- আলুর উন্নত জাত:- ডায়মন্ড , কার্ডিনাল, সিন্দুরী।

তথ্যসূত্র:- কৃষি তথ্য সার্ভিস ওয়েবসাইট।
১,৬২০.
বেগুনের উন্নতজাত নয় নিচের কোনটি?
  1. ক) ইওরা
  2. খ) তারাপুরী
  3. গ) উত্তরণ
  4. ঘ) শুকতারা
সঠিক উত্তর:
গ) উত্তরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) উত্তরণ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের উন্নতমানের ফসলের জাত:
ধান - ইরাটম, ব্রিশাইল, সোনার বাংলা-১, ময়না, হরিধান, চান্দিনাম, নারিকা-১,মালাইরি।
গম - অগ্রণী-সোনালিকা, বলাকা, দোয়েল, আকবর, আনন্দ, কাঞ্চন, বরকত।
ভুট্টা - উত্তরণ, বর্ণালী, শুভ্র;
তুলা - রূপালী ও ডেলফোজ।
টমেটো - মিন্টু, বাহার, মানিক, রতন, ঝুমকা, সিঁদুর, শ্রাবণী।
তামাক - সুমাত্রা ও ম্যানিলা;
বেগুন - ইওরা, শুকতারা, তারাপুরী।
কলা - অগ্নিশ্বর, কানাইবাঁশী, মোহনবাঁশী, বীট জবা, অমৃতসাগর, সিংগাপুরী।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও বাংলাদেশ কৃষি তথ্য সার্ভিস (AIS) ওয়েবসাইট।
১,৬২১.
উচ্চ ফলনশীল ভুট্টার জাত কোনটি?
  1. মোহর
  2. চমক
  3. কাঞ্চন
  4. প্রগতি
সঠিক উত্তর:
মোহর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোহর
ব্যাখ্যা

উচ্চ ফলনশীল ভুট্টার জাত:
- বর্ণালি, শুভ্রা, খই, মোহর

উচ্চ ফলনশীল কলার জাত:
- সিঙ্গাপুরী, কাবুলী, মেহের সাগর, অমৃত সাগর, সবরি, অনুপম, মালভোগ, মর্তমান, চাঁপা, অগ্নিশ্বর, কবরী।

উচ্চ ফলনশীল আলুর জাত:
- হীরা, আইলসা, ডায়মন্ড, কার্ডিনাল, চমক, মরিনী, সুন্দরী, কুফরী, মুলটা ইত্যাদি।

উচ্চ ফলনশীল গমের জাত:
- কাঞ্চন, আকবর, অঘ্রাণী, প্রতিভা, সৌরভ, গৌরব।

উচ্চ ফলনশীল পেঁয়াজের জাত:
- সুখ সাগর, ঝিটকা, কৈলাসনগর, তাহেরপুরী, ভাতি।

উচ্চ ফলনশীল বাঁধাকপির জাত:
- গ্রীন এক্সপ্রেস, ড্রামহেড, গোল্ডেন ক্রস, প্রভাতী, অগ্রদূত।

উচ্চ ফলনশীল ধানের জাত:
- বিপ্লব, হিরা, মালা, ইরাটম, ময়না, চান্দিনা, হরিধান, নারিফা, সুফলা, প্রগতি ইত্যাদি।

উচ্চ ফলনশীল আমের জাত:
- মহানন্দা, ল্যাংড়া, ফজলি, হাড়িভাঙ্গা, আম্রপালি, গোপালভোগ, সূর্যপুরী, হিমসাগর, মোহনভোগ প্রভৃতি।

তথসূত্র - কৃষি তথ্য সার্ভিস।

১,৬২২.
বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (BADC)-এর পরিচালিত কতটি দানা শস্য বীজ উৎপাদন খামার রয়েছে?
  1. ক) ১১১টি
  2. খ) ২৪টি
  3. গ) ৪টি
  4. ঘ) ৩৪ টি
সঠিক উত্তর:
খ) ২৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ২৪টি
ব্যাখ্যা
সারাদেশব্যাপী বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (BADC)-এর পরিচালিত বীজ উৎপাদন খামারের সংখ্যা -
- দানা শস্য বীজ উৎপাদন খামার – ২৪টি
- পাট বীজ উৎপাদন খামার - ২টি
- আলু বীজ উৎপাদন খামার - ২টি
- ডাল ও তৈলবীজ উৎপাদন খামার - ৪টি
- সবজি বীজ উৎপাদন খামার - ২টি
- চুক্তিবদ্ধ চাষী জোন - ১১১টি

[উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২১]
১,৬২৩.
গৌরমতি কীসের জাত?
  1. পেঁয়াজ
  2. কলা
  3. আম
  4. বেগুন
সঠিক উত্তর:
আম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আম
ব্যাখ্যা
- গৌরমতি হলো আমের একটি জাত।
আমের অন্যান্য জাতসমূহের মধ্যে রয়েছে:
- মহানন্দা
- আম্রপালি
- হিমসাগর বা ক্ষীরসাপাত
- ফজলি
- ল্যাংড়া
- হাড়িভাঙ্গা
- মোহনভোগ
- বান্দিগুড়ি
- গোপালভোগ
- সূর্যপুরী প্রভৃতি।
(তথ্যসূত্র: কৃষি তথ্য সার্ভিস ওয়েবসাইট)
১,৬২৪.
'শুভ্রা" ও "যমুনা' যথাক্রমে কোন ফসলের উন্নত জাত?
  1. ভুট্টা ও টমেটো
  2. টমেটো ও মরিচ
  3. ভুট্টা ও মরিচ
  4. আম ও তামাক
সঠিক উত্তর:
ভুট্টা ও মরিচ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভুট্টা ও মরিচ
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন ফসলের উন্নত জাত:
• ইরাটম, ব্রি হাইব্রিড - ১ চান্দিনা, মালা, বিপ্লব, দুলাভোগ, সুফলা: উন্নত জাতের ধান।
• সোনালিকা ও আকবর: উন্নত জাতের গম।
• সুমাত্রা ও ম্যানিলা: উন্নত জাতের তামাক।
• বর্ণালী, শুভ্রা ও উত্তরণ উন্নত জাতের ভুট্টা।
• মহানন্দা, ল্যাংড়া ও মােহনভােগ উন্নত জাতের আম।
• বাহার: উন্নত জাতের টমেটো।
• যমুনা: উন্নত জাতের মরিচ।

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস।
১,৬২৫.
বাংলাদেশে হরিণ প্রজনন কেন্দ্র অবস্থিত-
  1. ক) বাগেরহাট
  2. খ) সিলেট
  3. গ) কক্সবাজার
  4. ঘ) চট্টগ্রাম
সঠিক উত্তর:
গ) কক্সবাজার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) কক্সবাজার
ব্যাখ্যা
হরিণ প্রজনন কেন্দ্র অবস্থিত ডুলাহাজরা, চকোরিয়া, কক্সবাজার
(ডুলাহাজরা সাফারি পার্ক/বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সাফারি পার্ক)
মূলত ডুলাহাজরা কক্সবাজারের চকোরিয়া উপজেলার অন্তর্গত একটি ইউনিয়ন।
ডুলাহাজরায় অবস্থিত বাংলাদেশের প্রথম সাফারি পার্ক যা ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সাফারি পার্ক’ হিসাবে পরিচিত।
এখানেই হরিণ প্রজনন কেন্দ্র অবস্থিত।
==========
- কুমির প্রজনন কেন্দ্র অবস্থিত - করমজল, সুন্দরবন।
- মহিষ প্রজনন কেন্দ্র অবস্থিত - ফকিরহাট, বাগেরহাট।
- গরুর প্রজনন কেন্দ্র অবস্থিত - সাভার, ঢাকা।
- ছাগল প্রজনন কেন্দ্র অবস্থিত - টিলাগড়, সিলেট।
১,৬২৬.
নদী ছাড়া 'মহানন্দা' কী?
  1. তরমুজ
  2. সরিষা
  3. আম
  4. কলা
সঠিক উত্তর:
আম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আম
ব্যাখ্যা
- মহানন্দা হলো আমের একটি জাত

আমের অন্যান্য জাতের মধ্যে রয়েছে:
- ল্যাংড়া
- ফজলি
- হাড়িভাঙ্গা
- আম্রপালি
- গোপালভোগ
- লক্ষ্মণভোগ
- সুরমা
- সূর্যপুরী
- হিমসাগর
- মোহনভোগ প্রভৃতি।

(তথ্যসূত্র: কৃষি তথ্য সার্ভিস ওয়েবসাইট)।
১,৬২৭.
রবি শস্য নয় নিচের কোনটি?
  1. গম
  2. পেঁয়াজ
  3. মসুর ডাল
  4. ভুট্টা
সঠিক উত্তর:
ভুট্টা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভুট্টা
ব্যাখ্যা

কৃষিক্ষেত্রে মৌসুম:
- ফসল উৎপাদনের জন্য সারাবছরকে দুইটি মৌসুমে ভাগ করা যায়। যথা:

• রবি মৌসুম:
- শীতকালীন শস্যকে বলে রবি শস্য।
- কার্তিক থেকে ফাল্গুন হচ্ছে রবি মৌসুম।
- অক্টোবর ও নভেম্বর মাসে রবি শস্য বপন করা হয়।
- ফেব্রুয়ারি এবং মার্চ মাসে ফসল তোলা হয়।
- বোরো ধান, গম, মসুর ডাল, যব, সরিষা, পেঁয়াজ, মটরশুঁটি ইত্যাদি ফসলকে এ মৌসুমের প্রধান শস্য হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
- এ ছাড়া ফুলকপি, বাঁধাকপি, মুলা, গাজর, লাউ, শিম, টমেটো, আলু ইত্যাদিও এ মৌসুমে চাষ করা হয়।

• খরিপ মৌসুম:
- গ্রীষ্মকালীন শস্যকে বলে খরিপ শস্য।
- চৈত্র থেকে আষাঢ় এবং শ্রাবণ থেকে আশ্বিন হলো খরিপ মৌসুম।
- খরিপ মৌসুমকে আবার দু ভাগে ভাগ করা হয়। যেমন- খরিফ-১ ও খরিফ-২ মৌসুম।
- যেমন- আউশ ধান, পাট, কাউন, ভুট্টা, তিল, মিষ্টি কুমড়া, কচু ও ঝিঙ্গা, আমন ধান, ভুট্টা, মাষকলাই, বর্ষাকালীন সবজি ইত্যাদি ।

উৎস: কৃষি শিক্ষা, নবম- দশম শ্রেণি।

১,৬২৮.
বাংলাদেশের প্রথম আন্তর্জাতিক চা নিলাম কেন্দ্র কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. ক) পঞ্চগড়
  2. খ) সিলেট
  3. গ) মৌলভীবাজার
  4. ঘ) চট্টগ্রাম
সঠিক উত্তর:
ঘ) চট্টগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা
সমুদ্রপথে আন্তর্জাতিক বাজারে চা রপ্তানির সুবিধার্থে ১৬ জুলাই ১৯৪৯ বন্দরনগরী চট্টগ্রামে দেশের প্রথম আন্তর্জাতিক চা নিলাম কেন্দ্র স্থাপন করা হয়। ৮ ডিসেম্বর ২০১৭ চায়ের রাজধানী মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলায় উদ্বোধন করা হয় দেশের দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক চা নিলাম কেন্দ্র।
[সূত্র : বাংলাদেশ চা বোর্ড]
১,৬২৯.
নিচের কোন জেলায় জুম চাষ করা হয় না?
  1. খাগড়াছড়ি
  2. বান্দরবান
  3. রাঙ্গামাটি
  4. কুমিল্লা
সঠিক উত্তর:
কুমিল্লা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুমিল্লা
ব্যাখ্যা
⇒ কুমিল্লা জেলায় জুম চাষ করা হয় না।

জুম চাষ:
- পাহাড়ি এলাকায় প্রচলিত এক ধরনের কৃষিপদ্ধতি।
- জুম চাষ বিশেষ শব্দে "ঝুম চাষ" নামেও পরিচিত।
- জুম চাষ এক ধরনের স্থানান্তরিত কৃষিপদ্ধতি।
- এটি মূলত জঙ্গল কেটে পুড়িয়ে চাষ করা হয়, আবার সেই স্থানে জমির উর্বরতা কমে গেলে পূর্বের স্থান হতে কৃষি জমি স্থানান্তরিত করে অন্যত্র আবার কৃষি জমি গড়ে ওঠে।
- পাহাড়ের গায়ে ঢালু এলাকায় এই চাষ করা হয়।
- এই পদ্ধতির চাষে বছরের বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ফসল উৎপাদন করা সম্ভব হয়।
- জুম চাষ ভারতে পোড়ু, বীরা, পোনম, প্রভৃতি নামেও পরিচিত।
- রাঙ্গামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি এই তিন জেলায় জুম চাষের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি।
- পাহাড়ীদের সমাজে জুম চাষ বেশ জনপ্রিয়।
- পাহাড়ী জুমিয়ান নারীরা অতি যত্নের সহিত জুম চাষে ব্যস্ত থাকে সব সময়।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১,৬৩০.
জাতীয় কৃষি দিবস কবে পালিত হয়?
  1. ১১ নভেম্বর
  2. ১৫ নভেম্বর
  3. ২০ নভেম্বর
  4. ২২ নভেম্বর
সঠিক উত্তর:
১৫ নভেম্বর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫ নভেম্বর
ব্যাখ্যা
জাতীয় কৃ‌ষি দিবস:
- বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় এক সোনালি অধ্যায়ের নাম কৃষি।
- উৎপাদনশীলতা, আয় বৃদ্ধি এবং গ্রামীণ এলাকায় কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে বিশাল জনগোষ্ঠীর সমৃদ্ধির জন্য কৃষির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।
- বাংলাদেশে প্রতি বছর ১৫ নভেম্বর বা ১লা অগ্রহায়ণ 'জাতীয় কৃ‌ষি দিবস ও নবান্ন উৎসব' পালিত হয়।
- কৃষিই সমৃদ্ধি এ শ্লোগানকে ধারণ করে ২০০৮ সালের ১৫ নভেম্বর বা '১লা অগ্রহায়ণ, ১৪১৫' সালে প্রথম জাতীয় কৃষি দিবস পালন করা হয়।
- সেই থেকে প্রতিবছর কৃষি দিবস পালিত হয়ে আসছে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১,৬৩১.
স্বাদু পানির মাছের প্রধান উৎস কোনটি?
  1. ক) নদী
  2. খ) হাওর
  3. গ) পুকুর
  4. ঘ) কাপ্তাই লেক
সঠিক উত্তর:
গ) পুকুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) পুকুর
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে ২০১৮-২০১৯ সময়ে মোট ৪৩.৬৯ লক্ষ মে. টন মাছ উৎপাদিত হয় যার মধ্যে স্বাদুপানির মাছ ৩৭.০৫ লক্ষ মে. টন।
স্বাদু পানির মাছের মধ্যে পুকুরে চাষকৃত মাছের পরিমাণ প্রায় ১৯.৭২ লক্ষ মে. টন।
এছাড়া নদী থেকে ধৃত ৩.৩২ লক্ষ টন।
বন্যা প্লাবিত জলাভূমি থেকে ধৃত ৭.৬৯ লক্ষ টন।
সামুদ্রিক উৎস থেকে আহরণের পরিমাণ ৬.৬৪ লক্ষ মে. টন।
(সূত্র: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান পকেটবুক-২০১৯)
১,৬৩২.
বিশ্বের বৃহত্তম পাটকল বাংলাদেশের কোন জেলায় অবস্থিত? [জানুয়ারি, ২০২৫]
  1. ফরিদপুর
  2. নরসিংদী
  3. গোপালগঞ্জ
  4. নারায়ণগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
গোপালগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গোপালগঞ্জ
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

আকিজ জুট মিল:

- বিশ্বের বৃহত্তম পাটকল আকিজ জুট মিলস।
- এটি গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলায় অবস্থিত।
- ৪৫০ বিঘা জুড়ে বিস্তৃত পাটকলটিতে ছয়টি কারখানা থাকবে।
- আকিজ গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা মরহুম শেখ আকিজ উদ্দিনের উদ্যোগী ছেলেরা প্রতিকূলতাকে উপেক্ষা করে বাংলাদেশের পাট শিল্পে অর্থ ঢেলে যাচ্ছেন।
- আকিজ গ্রুপের চেয়ারম্যান এবং আকিজ জুট মিলের মালিক শেখ নাসির উদ্দিন।

উল্লেখ্য,
⇒ বাংলাদেশের পাট শিল্প:
- বাংলাদেশে বছরে ১১-১২ লাখ টন পাট উৎপাদন হয়।
- যার মধ্যে দুই লাখ টন কাঁচা পাট সরাসরি রপ্তানি করা হয় এবং আরও দুই লাখ টন স্থানীয়ভাবে ব্যবহার করা হয়।
- বাকি সাত লাখ টন ব্যবহার করা হয় বিভিন্ন পণ্য বিশেষ করে বিশ্ববাজারে রপ্তানির জন্য সুতা তৈরিতে।

উৎস: The Business Standard।
১,৬৩৩.
বাংলাদেশের একক বৃহত্তম বনভূমি কোনটি?
  1. ক) শালবন
  2. খ) পার্বত্য চট্টগ্রাম বনাঞ্চল
  3. গ) রাতারগুল
  4. ঘ) সুন্দরবন
সঠিক উত্তর:
ঘ) সুন্দরবন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সুন্দরবন
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের একক বৃহত্তম বনভূমি হলো সুন্দরবন। খুলনা, সাতক্ষীরা ও বাগেরহাট জেলা জুড়ে বিস্তৃত বাংলাদেশ অংশের সুন্দরবনের আয়তন প্রায় ৬,০১৭ বর্গ কি.মি.। এটি পৃথিবীর একক বৃহত্তম প্রাকৃতিক ম্যানগ্রোভ বা স্রোতজ বনভূমি।
তবে বাংলাদেশের বৃহত্তম বনাঞ্চল হলো দেশের উত্তর-পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত পাহাড়ি চিরহরিৎ বনভূমি।
(সূত্র: বন বিভাগ ওয়েবসাইট)
১,৬৩৪.
'BWMRI' কোন দুইটি ফসল নিয়ে গবেষণা করে?
  1. পাট ও গম
  2. চা ও কফি
  3. গম ও ভুট্টা
  4. ধান ও পাট
সঠিক উত্তর:
গম ও ভুট্টা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গম ও ভুট্টা
ব্যাখ্যা

BWMRI:
- পূর্ণরূপ Bangladesh Wheat and Maize Research Institute বা বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউট।
- ২০১৭ সালে বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউট (BWMRI) প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটিই বাংলাদেশে গম ও ভুট্টা নিয়ে গবেষণাকারী প্রতিষ্ঠান ।
- এর প্রধান কার্যালয় দিনাজপুরের নশিপুরে অবস্থিত।

উল্লেখ্য:
- এটি বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (BARI) থেকে আলাদা হয়ে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর পূর্বে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (BARI) গম ও ভুট্টা নিয়ে গবেষণা করত।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।

১,৬৩৫.
কোনটি বেগুনের জাত নয়?
  1. ক) কাজলা
  2. খ) শুকতারা
  3. গ) উত্তরা
  4. ঘ) কাবুলী
সঠিক উত্তর:
ঘ) কাবুলী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) কাবুলী
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট কর্তৃক বেগুনের কিছু জাত উদ্ভাবিত হয়েছে। সেগুলো হলো বারি বেগুন-১ (উত্তরা),
বারি বেগুন-২ (তারাপুরী), বারি বেগুন-৪ (কাজলা), বারি বেগুন-৫ (নয়নতারা), বারি বেগুন-৬, বারি বেগুন-৭, বারি
বেগুন-৮, বারি বেগুন-৯, বারি বেগুন-১০। এছাড়াও খটখটিয়া, ইসলামপুরী, মুক্তকেশী, চিত্রা, পুরাক্রান্তি, শিংনাথ বিভিন্ন জাতের বেগুন রয়েছে।
খাটো জাতের কলাঃ সিঙ্গাপুরী, কাবুলী, মেহের সাগর (জয়েন্ট গর্ভারনার)এগুলো খাটো জাত দলভুক্ত কলা।
মাঝারি আকার বিশিষ্ট জাতঃ অমৃত সাগর, সবরি, অনুপম, মালভোগ, মর্তমান, চাঁপা, অগ্নিশ্বর, কবরী এ দলভুক্ত জাত।
কাঁঠালি, আনাজি ও অন্যান্য তরকারি কলাসহ বীচিকলা, বাংলা কলা, গেঁড়া কলা লম্বা জাত দলভুক্ত। সূত্র- কৃষি তথ্য সার্ভিস (এআইএস)ওয়েবসাইট।

১,৬৩৬.
জাতীয় কৃষি প্রশিক্ষণ একাডেমি (নাটা) এর কার্যক্রম শুরু হয় কত সালে?
  1. ক) ১৯৭৫
  2. খ) ১৯৮৪
  3. গ) ২০১৩
  4. ঘ) ২০১৪
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২০১৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২০১৪
ব্যাখ্যা
জাতীয় কৃষি প্রশিক্ষণ একাডেমি (নাটা)
⇨ জাতীয় কৃষি প্রশিক্ষণ একাডেমি (নাটা) কৃষি মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন শীর্ষস্থানীয় একটি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ।
⇨ কৃষি মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বিভাগ/ দপ্তরের প্রথম শ্রেণীর/সমমান পর্যায়ের কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ দানের মাধ্যমে কৃষিতে মানব সম্পদ উন্নয়নে নাটা অগ্রণী ভূমিকা পালন করে। 
⇨ অবস্থান:- জয়দেবপুর, গাজীপুর, বাংলাদেশ ধান গবেষনা ইনস্টিটিউট  এর পার্শে। 

ইতিহাস:- 
• ১৯৭৫ খ্রিস্টাব্দ জাইকার সহায়তা প্রকল্প হিসাবে কেন্দ্রীয় সম্প্রসারণ সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট (সার্ডি) প্রতিষ্ঠিত হয়।
• ১৯৮৪ খ্রিস্টাব্দ  কেন্দ্রীয় সম্প্রসারণ সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট(সার্ডি) ডিএইর অন্তর্ভুক্ত হয়।
• ২০১৩ খ্রিস্টাব্দের ০৩ এপ্রিল  কেন্দ্রীয় সম্প্রসারণ সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট(সার্ডি) বিলুপ্ত করে কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি সংস্থা  হিসাবে জাতীয় কৃষি প্রশিক্ষণ একাডেমি(নাটা) এর সরকারী আদেশ জারী করা হয়।
২০১৪ এর জুন মাসে মহাপরিচালক নিয়োগের মধ্য দিয়ে এর কার্যক্রম শুরু হয়

তথ্যসূত্র:- জাতীয় কৃষি প্রশিক্ষণ একাডেমির ওয়েবসাইট।
১,৬৩৭.
নিচের কোনটি গমের একটি জাত?
  1. ঝিটকা
  2. ডায়মন্ড
  3. বলাকা
  4. কাবুলী
সঠিক উত্তর:
বলাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বলাকা
ব্যাখ্যা
গমের কিছু জাত:
- দোয়েল, 
- বলাকা, 
- কাঞ্চন, 
- সৌরভ, 
- প্রতিভা, 
- গৌরব, 
- অঘ্রাণী,  
- আকবর প্রভৃতি।

উচ্চ ফলনশীল কলার জাত:
- সিঙ্গাপুরী, কাবুলী, মেহের সাগর, অমৃত সাগর, সবরি, অনুপম, মালভোগ, মর্তমান, চাঁপা, অগ্নিশ্বর, কবরী।

উচ্চ ফলনশীল আলুর জাত:
- হীরা, আইলসা, ডায়মন্ড, কার্ডিনাল, চমক, মরিনী, সুন্দরী, কুফরী, মুলটা ইত্যাদি।

উচ্চ ফলনশীল পেঁয়াজের জাত:
- সুখ সাগর, ঝিটকা, কৈলাসনগর, তাহেরপুরী, ভাতি।

তথ্যসূত্র:
- জাতীয় কৃষি বাতায়ন।
১,৬৩৮.
বাংলাদেশের কৃষিতে ‘সাদা সোনা’ বলা হয় কোনটিকে?
  1. চা
  2. চিংড়ি
  3. ইলিশ
  4. পাট
সঠিক উত্তর:
চিংড়ি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চিংড়ি
ব্যাখ্যা
White gold:
- বঙ্গোপসাগর, মোহনা ও স্বাদুপানিতে পর্যাপ্ত পরিমাণ চিংড়ি থাকায় বাংলাদেশকে চিংড়িসমৃদ্ধ দেশ বলা যায়।
- এদেশে মোট ৫৬টি প্রজাতির চিংড়ি শনাক্ত করা হয়েছে।
- এর মধ্যে ৩৭টি লবণাক্ত পানির, ১২টি কমলবণাক্ত পানির ও ৭টি স্বাদুপানির বাসিন্দা।
- বাংলাদেশ বিদেশে চিংড়ি রপ্তানি করে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে।
- তাই চিংড়িকে ‘সাদা সোনা’ বা ‘হোয়াইট গোল্ড’ বলা হয়।

উল্লেখ্য,
- চিংড়ি বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী রপ্তানি পণ্য।
- দেশের মোট উৎপাদিত চিংড়ির বেশীরভাগই উৎপাদিত হয় দেশের উপকূলীয় অঞ্চলে বিশেষ করে বাগেরহাট, খুলনা ও সাতক্ষীরায়।
- সত্তর দশকের শুরু থেকেই মূলত উপকূলীয় অঞ্চলের চাষীরা সনাতন পদ্ধতিতে চিংড়ি চাষ শুরু করে।
- আশির দশক থেকে দেশে বাণিজ্যিকভাবে বাগদা চিংড়ি উৎপাদন ও রপ্তানি হচ্ছে।
- আশির দশকের শুরুতে আধা-লোনা পানিতে মৎস্য খামার স্থাপন প্রকল্পের উদ্যোগে খুলনা অঞ্চলে পোল্ডারের মধ্যে এবং কক্সবাজার অঞ্চলে লবণের সাথে চিংড়ি চাষ শুরু করা হয়।
- আশির দশকের মাঝামাঝি চিংড়ি চাষ প্রকল্পে মৎস্য অধিদপ্তর হ্যাচারিতে পোনা উৎপাদনে সাফল্য অর্জন করে এবং বেসরকারি পর্যায়ে চিংড়ি হ্যাচারি স্থাপনে সহায়তা প্রদান করে।

এছাড়া,
- পাটকে সোনালী আশ বলা হয়।
- ইলিশ বাংলাদেশের জাতীয় মাছ।

উৎস: i) পেটেন্ট, শিল্প-নকশা ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
ii) মৎস্য অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
১,৬৩৯.
বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় গো- প্রজনন ও দুগ্ধ খামার কোথায় অবস্থিত?
  1. সাভার
  2. সিলেট
  3. চট্টগ্রাম
  4. রাজশাহী
সঠিক উত্তর:
সাভার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাভার
ব্যাখ্যা

কেন্দ্রীয় গো প্রজনন ও দুগ্ধ খামার:
- 'কেন্দ্ৰীয় গো-প্ৰজনন ও দুগ্ধ খামার' বাংলাদেশে সাভার, ঢাকায় অবস্থিত৷
- এটি ১৯৫৯-৬০ সালে ২৬১৩ একর জমিতে প্রতিষ্ঠিত হয়, তবে বর্তমানে এর আয়তন ৭৯২.৮৭ একর।
- ১৯৬৩-৬৪ সালে সিন্ধি, শাহীওয়ালসহ দেশীয় গবাদিপশু নিয়ে কার্যক্রম শুরু হয় এবং
- ১৯৭৩ সালে সরকারের উদ্যোগে অস্ট্রেলিয়া থেকে হোলস্টেইন ফ্রিজিয়ান ও জার্সি জাতের গরু আনা হয়। এটি বিশুদ্ধ ফ্রিজিয়ান, শাহীওয়াল, সংকর জাতের গরু পালন ও সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

তথ্যসূত্র - কেন্দ্রীয় গো প্রজনন ও দুগ্ধ খামার ওয়েবসাইট।

১,৬৪০.
কৃষিক্ষেত্রে রবি মৌসুম ধরা হয় -
  1. চৈত্র - আষাঢ়
  2. শ্রাবণ - আশ্বিন
  3. কার্তিক - ফাল্গুন
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
কার্তিক - ফাল্গুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কার্তিক - ফাল্গুন
ব্যাখ্যা
কৃষিক্ষেত্রে মৌসুম:
- ফসল উৎপাদনের জন্য সারাবছরকে দুইটি মৌসুমে ভাগ করা যায়।
- যথা:
i) রবি মৌসুম:
- শীতকালীন শস্যকে বলে রবি শস্য।
- কার্তিক থেকে ফাল্গুন হচ্ছে রবি মৌসুম।
- অক্টোবর ও নভেম্বর মাসে রবি শস্য বপন করা হয়।
- কম তাপমাত্রায় বপন করা হয়।
- ফেব্রুয়ারি এবং মার্চ মাসে ফসল তোলা হয়।
- বোরো ধান, গম, মসুর ডাল, যব, সরিষা, পেঁয়াজ, মটরশুঁটি ইত্যাদি ফসলকে এ মৌসুমের প্রধান শস্য হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
- এ ছাড়া ফুলকপি, বাঁধাকপি, মুলা, গাজর, লাউ, শিম, টমেটো, আলু ইত্যাদিও এ মৌসুমে চাষ করা হয়।

ii) খরিপ মৌসুম:
- গ্রীষ্মকালীন শস্যকে বলে খরিপ শস্য।
- চৈত্র থেকে আষাঢ় এবং শ্রাবণ থেকে আশ্বিন হলো খরিপ মৌসুম।
- খরিপ মৌসুমকে আবার দু ভাগে ভাগ করা হয়।
- যেমন- খরিফ-১ ও খরিফ-২ মৌসুম।

তথ্যসূত্র - কৃষি শিক্ষা, নবম- দশম শ্রেণি।
১,৬৪১.
তিস্তা ব্যারেজ প্রকল্পের আওতাভুক্ত জেলা নয় নিচের কোনটি?
  1. ক) নীলফামারী
  2. খ) রংপুর
  3. গ) দিনাজপুর
  4. ঘ) লালমনিরহাট
সঠিক উত্তর:
ঘ) লালমনিরহাট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) লালমনিরহাট
ব্যাখ্যা
তিস্তা ব্যারেজ প্রকল্প:
» তিস্তা ব্যারেজ প্রকল্প বাংলাদেশের সর্ববৄহৎ সেচ প্রকল্প  যা উত্তরাঞ্চলের লালমনিরহাট জেলার হাতিবান্ধা উপজেলার দোয়ানী নামক স্থানে তিস্তা নদীর উপর  অবস্থিত।
» তিস্তা ব্যারেজ প্রকল্প (১ম পর্যায়) নীলফামারী জেলার ৫টি উপজেলা ( নীলফামারী সদর, জলঢাকা, সৈয়দপুর, কিশোরগঞ্জ ও ডিমলা), রংপুর জেলার ৪টি উপজেলা (রংপুর সদর, গঙ্গাচড়া,বদরগঞ্জ ও তারাগঞ্জ) এবং দিনাজপুর জেলার ৩টি উপজেলা (চিরিরবন্দর, পার্বতীপুর ও খানসামা) নিয়ে বিস্তৄত।
» মোট প্রকল্প এলাকা ১,৫৪,২৫০ হেক্টর (বাস্তবায়িত ১,২৬,৩১০ হেক্টর) এবং সেচযোগ্য এলাকা ১,১১,৪০৬ হেক্টর।

সূত্র: বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড।
১,৬৪২.
কীসের মাধ্যমে সাধারণত গোলাপের বংশবিস্তার করা হয়ে থাকে?
  1. মূল
  2. কান্ড
  3. পাতা
  4. কলম
সঠিক উত্তর:
কলম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কলম
ব্যাখ্যা
গোলাপ:
- গোলাপ ফুলকে ফুলের রাণী বলা হয়ে থাকে।
- এর কোমলতা, বর্ণ, সুগন্ধ এমন কেউ নেই যাকে আকৃষ্ট করে না।
- সাজ সজ্জায় কাটা ফুল হিসেবে কদর রয়েছে।
- এছাড়া সুগন্ধি প্রস্তুতিতে ব্যবহৃত হয়।
- পৃথিবী জুড়ে গোলাপের অসংখ্য জাত রয়েছে।
- জাতগুলোর কোনোটির গাছ বড়, কোনোটি ঝোপালো, কোনোটি লতানো।
- শাখা কলম, দাবা কলম এবং চোখ কলম এর মাধ্যমে গোলাপের বংশ বিস্তার করা হয়।

⇒ মাটি, জলবায়ু ও জমি নির্বাচন:
- গোলাপের জন্য রৌদ্যজ্জল, সুনিষ্কশিত ও জৈব পদার্থ সমৃদ্ধ দোআঁশ মাটি গোলাপ চাষের জন্য উত্তম।
- মাটির পিএইচ ৬.০-৭.৫ এর মধ্যে হওয়া উচিত।
- পানি জমে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি করতে পারে এ ধরনের স্থান পরিত্যাগ করা উচিত।

⇒ গোলাপের বংশ বিস্তার:
- বীজ, শাখা কলম, দাবা কলম এবং চোখ কলম-এর মাধ্যমে গোলাপের বংশ বিস্তার করা হয়।
- তবে সংকর জাত উদ্ভাবনের জন্য বীজ মাধ্যমে বেছে নেয়া হয়।
- সাধারণত: উন্নত জাতের গোলাপ এর মাধ্যমে চোখ কলম বংশ বিস্তার করানো হয়।
- বাংলাদেশে নভেম্বর থেকে জানুয়ারী মাসের মাঝামাঝি সময় এ চোখ কলম করা হয়।

উৎস: কৃষি শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৬৪৩.
বাংলাদেশ চা বোর্ড কোথায় অবস্থিত?
  1. চট্টগ্রাম
  2. শ্রীমঙ্গল
  3. পঞ্চগড়
  4. সিলেট
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ চা বোর্ড:
- বাংলাদেশ চা বোর্ড একটি সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠান।
- এটি চট্টগ্রামের নাসিরাবাদে অবস্থিত।
- পাকিস্তান টি অ্যাক্ট-১৯৫০ এর অধীনে ১৯৫১ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি তৎকালীন পাকিস্তান টি বোর্ড গঠন করা হয়।
- জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ৪ জুন, ১৯৫৭ - ২৩ অক্টোবর ১৯৫৮ সাল পর্যন্ত তৎকালীন টি বোর্ডের চেয়ারম্যান হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন।

- চা আইন, ২০১৬ অনুযায়ী বাংলাদেশ চা বোর্ড পরিচালিত হচ্ছে। 
- বাংলাদেশ চা বোর্ডের প্রধান কার্যক্রম হচ্ছে চা শিল্পের উন্নয়ন তথা চায়ের উৎপাদন, বিপণন ও রপ্তানী বৃদ্ধির জন্য যাবতীয় ব্যবস্থা গ্রহণ, নতুন চা বাগান প্রতিষ্ঠা ও পরিত্যাক্ত চা বাগান পুনর্বাসন, বাংলাদেশে উৎপাদিত চায়ের উপর উপ-কর আরোপ এবং তার সহায়ক অন্যান্য বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহন ও সামগ্রিকভাবে চা শিল্পের কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করা।

উৎস: বাংলাদেশ চা বোর্ড ওয়েবসাইট।
১,৬৪৪.
বাংলাদেশের কৃষিতে ‘মোহিনী’ কোন ফসলের উন্নত জাত?
  1. ধান
  2. গম
  3. তামাক
  4. ভুট্টা
সঠিক উত্তর:
ধান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধান
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন ফসলের উন্নত জাত:
• ইরাটম, ব্রি হাইব্রিড - ১ চান্দিনা, মালা , বিপ্লব, দুলাভোগ, মোহিনী, সুফলা: উন্নত জাতের ধান।
• সোনালিকা ও আকবর: উন্নত জাতের গম।
• সুমাত্রা ও ম্যানিলা: উন্নত জাতের তামাক।
• বর্ণালী, শুভ্রা ও উত্তরণ উন্নত জাতের ভুট্টা।
• মহানন্দা, ল্যাংড়া ও মােহনভােগ উন্নত জাতের আম।
• বাহার: উন্নত জাতের টমেটো।
• যমুনা: উন্নত জাতের মরিচ।
• শুকতারা, নয়নতারা, তারাপুরী, ইসলামপুরী, কাজলা, বিজয়, মুক্তকেশী, ঝুমকো: উন্নত জাতের বেগুন।

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস।
১,৬৪৫.
কয় ধরনের পণ্যের মোড়কে পাটের ব্যাগ বাধ্যতামূলক করা হয়?
  1. ১৭
  2. ১৯
  3. ২১
  4. ২২
সঠিক উত্তর:
১৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯
ব্যাখ্যা
পাটজাত পণ্য ব্যবহারে বাধ্যবাধকতা:
- পণ্যে পাটজাত মোড়কের বাধ্যতামূলক ব্যবহার আইন, ২০১০ অনুসারে, ১৯ ধরনের পণ্যে পাটের বস্তা ব্যবহার বাধ্যতামূলক রয়েছে।

উল্লেখ্য,
- পাট চাষি ও পাটকল মালিকদের স্বার্থ রক্ষা ও পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর প্লাস্টিক ব্যাগের ব্যবহার সীমিত করার জন্য আইনটি প্রণয়ন করা হয়।

উল্লেখ্য,
- ‘পণ্যে পাটজাত মোড়কের বাধ্যতামূলক ব্যবহার আইন, ২০১০’ অনুযায়ী ৬টি পণ্য অর্থাৎ ধান, চাল, গম, ভূট্টা, সার ও চিনি পাটজাত মোড়কের বাধ্যতামূলক ব্যবহারের জন্য নির্ধারিত হয়েছে।
- পরবর্তীতে ২০১৭ সালের ২১ জানুয়ারি আরো মরিচ, হলুদ, পেঁয়াজ, আদা, রসুন, ডাল, ধনিয়া, আলু, আটা, ময়দা, তুষ-খুদ-কুড়াসহ মোট ১৭ (সতের)টি পাটজাত মোড়কের বাধ্যতামূলক ব্যবহারের জন্য নির্ধারিত করা হয়েছে।
- ২০১৮ সালের ৬ আগস্ট পোল্ট্রি ও ফিস ফিড মোড়কীকরণে পাটের বস্তা ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা হয়।
- পণ্যে পাটজাত মোড়কের বাধ্যতামূলক ব্যবহার আইন, ২০১০ এর ধারা-১৪ অনুযায়ী পাটের মোড়ক ব্যবহার না করলে অনূর্ধ্ব এক বছর কারাদণ্ড বা অনধিক ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে।
- এ অপরাধ পুনঃসংগঠিত হলে সর্বোচ্চ দণ্ডের দ্বিগুণ দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) পণ্যে পাটজাত মোড়কের বাধ্যতামূলক ব্যবহার আইন, ২০১০।
১,৬৪৬.
জাটকা সংরক্ষণ কর্মসূচিতে জাটকা আহরণের নিষিদ্ধ সময়কাল -
  1. ক) সেপ্টেম্বর থেকে এপ্রিল পর্যন্ত
  2. খ) অক্টোবর থেকে মে পর্যন্ত
  3. গ) নভেম্বর থেকে জুন পর্যন্ত
  4. ঘ) ডিসেম্বর থেকে জুলাই পর্যন্ত
সঠিক উত্তর:
গ) নভেম্বর থেকে জুন পর্যন্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) নভেম্বর থেকে জুন পর্যন্ত
ব্যাখ্যা
মা-ইলিশ রক্ষার পর শুরু হয়েছে জাটকা রক্ষার কর্মসূচি। এ জন্য ১ নভেম্বর থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত আট মাস জাটকা সংরক্ষণ মৌসুম করা হয়েছে। এই আট মাসের মধ্যে চার মাস (মার্চ-জুন) দেশের সব নদী ও সাগরে জাল ফেলা, মাছ শিকার, বহন, মজুত সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। (রেফারেন্স- fisheries.gov.bd)
১,৬৪৭.
'বর্ণালি' কোন ফসলের উচ্চ ফলনশীল জাত?
  1. ভুট্টা
  2. পেঁয়াজ
  3. বাঁধাকপি
  4. ধান
সঠিক উত্তর:
ভুট্টা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভুট্টা
ব্যাখ্যা
⇒ উচ্চ ফলনশীল ভুট্টার জাত:
- বর্ণালি, শুভ্রা, খই, মোহর।

⇒ উচ্চ ফলনশীল পেঁয়াজের জাত:
- সুখ সাগর, ঝিটকা, কৈলাসনগর, তাহেরপুরী, ভাতি।

⇒ উচ্চ ফলনশীল বাঁধাকপির জাত:
- গ্রীন এক্সপ্রেস, ড্রামহেড, গোল্ডেন ক্রস, প্রভাতী, অগ্রদূত।

⇒ উচ্চ ফলনশীল ধানের জাত:
- বিপ্লব, হিরা, মালা, ইরাটম, ময়না, চান্দিনা, হরিধান, নারিফা, সুফলা, প্রগতি ইত্যাদি।

⇒ উচ্চ ফলনশীল আমের জাত:
- মহানন্দা, ল্যাংড়া, ফজলি, হাড়িভাঙ্গা, আম্রপালি, গোপালভোগ, সূর্যপুরী, হিমসাগর, মোহনভোগ প্রভৃতি।

তথ্যসূত্র - জাতীয় কৃষি বাতায়ন।
১,৬৪৮.
সুন্দরবনের আয়তন প্রায় কত বর্গ কিলোমিটার?
  1. ক) ৬০১৭
  2. খ) ৪১০০
  3. গ) ৫৫৭৫
  4. ঘ) ৬৯০০
সঠিক উত্তর:
ক) ৬০১৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৬০১৭
ব্যাখ্যা
সুন্দরবনের আয়তন প্রায় ৬,০১,৭০০ হেক্টর বা ৬০১৭ বর্গ কিলোমিটার যা দেশের আয়তনের ৪.১৩% এবং বন অধিদপ্তর নিয়ন্ত্রিত বনভূমির ৩৮.১২%।
সূত্রঃ বন অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট
১,৬৪৯.
‘কিরণ’ ও ‘দিশারি’ কোন ফসলের জাত?
  1. ক) গম
  2. খ) ধান
  3. গ) আলু
  4. ঘ) ভুট্টা
সঠিক উত্তর:
খ) ধান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ধান
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশে তিন জাতের ধান আছে।
১। স্থানীয় জাত : টেপি, গিরবি, দুধসর, বতিশাইল ইত্যাদি।
২। স্থানীয় উন্নত জাত : হবিগঞ্জ, কটকতারা, পাজাম, কালিজিরা, হাসিকলমি, নাইজারশাইল, লতিশাইল, বিনাশাইল ইত্যাদি।
৩। উচ্চ ফলনশীল জাত : মুক্তা, ময়না, শাহজালাল, মঙ্গল, নিজামী ইত্যাদি।
বন্যার শেষে ধান চাষের জন্য বিলম্ব জাত হিসেবে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইন্সটিটিউট ‘কিরণ ও দিশারি’ নামে দুইটি ধানের জাত উদ্ভাবন করে।
সূত্র- বোর্ড বই(কৃষিশিক্ষা): উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং ৮ম শ্রেণি।

১,৬৫০.
নিচের কোনটি ম্যানগ্রোভ উদ্ভিদ?
  1. ক) চাপালিশ
  2. খ) গেওয়া
  3. গ) তেলসুর
  4. ঘ) সেগুন
সঠিক উত্তর:
খ) গেওয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) গেওয়া
ব্যাখ্যা
ম্যানগ্রোভ হলো সমুদ্র উপকূলের লোনা পানিতে জন্মানো উদ্ভিদ। এসব উদ্ভিদের শ্বাসমূল থাকে।
বাংলাদেশের সুন্দরবন বিশ্বের বৃহত্তম প্রাকৃতিক ম্যানগ্রোভ বনভূমি। সুন্দরবনে জন্মানো ম্যানগ্রোভ উদ্ভিদসমূহের মধ্যে রয়েছে:
- সুন্দরী
- গরান
- গেওয়া
- কেওড়া
- গোলপাতা ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
তেলসুর, চাপালিশ ও সেগুন ম্যানগ্রোভ উদ্ভিদ নয়।

(তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী এবং বনবিভাগ)
১,৬৫১.
নিম্নের কোন সালে দেশে কোন কৃষি শুমারি অনুষ্ঠিত হয়নি? 
  1. ১৯৭৬ সালে
  2. ১৯৯৬ সালে
  3. ২০০৮ সালে
  4. ২০১৯ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৬ সালে
ব্যাখ্যা
১৯৭৬ সালে দেশে কোন কৃষি শুমারি অনুষ্ঠিত হয়নি।

কৃষি শুমারি:
- কৃষি শুমারি পরিচালনার মাধ্যমে কৃষি খানার সংখ্যা, খানার আকার, ভূমির ব্যবহার, কৃষির প্রকার, শস্যের ধরণ, চাষ পদ্ধতি, গবাদি পশু ও হাঁস-মুরগীর সংখ্যা, মৎস্য উৎপাদন ও চাষাবাদ সংক্রান্ত তথ্যাদি এবং কৃষি ক্ষেত্রে নিয়োজিত জনবল সম্পর্কে তথ্য পাওয়া যায়।
- এ তথ্য-উপাত্ত কৃষি ক্ষেত্রের উন্নয়ন কৌশল নির্ধারণ এবং অগ্রগতি পর্যবেক্ষণে বেঞ্চমার্ক তথ্য হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
- প্রতি দশ বছর অন্তর কৃষি শুমারি অনুষ্ঠিত হয়।
- পরিসংখ্যান আইন-২০১৩ অনুযায়ী জনশুমারি এবং অর্থনৈতিক শুমারির পাশাপাশি কৃষি (শস্য, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ) শুমারি পরিচালনা করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে।
- বিশ্ব খাদ্য ও কৃষি সংস্থার গাইডলাইন অনুসারে পরিসংখ্যান ব্যুরো কৃষি শুমারি পরিচালনা করে।

উল্লেখ্য,
- এদেশে ১৯৬০ সালে প্রথমবারের মত নমুনা আকারে কৃষি শুমারি অনুষ্ঠিত হয়।
- স্বাধীনতা পরবর্তী বাংলাদেশে ১৯৭৭ সালে প্রথম কৃষি শুমারি অনুষ্ঠিত হয়। এরই ধারাবাহিকতায় ১৯৮৩-৮৪, ১৯৯৬ ও ২০০৮ সালে কৃষি শুমারি অনুষ্ঠিত হয়।
- সর্বশেষ কৃষি শুমারি করা হয় ২০১৯ সালে।

উৎস: i) কৃষি মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট।
ii) BBS ওয়েবসাইট।
১,৬৫২.
ভেনামি কীসের জাত?
  1. ক) আলু
  2. খ) মুরগী
  3. গ) ধান
  4. ঘ) চিংড়ি  
সঠিক উত্তর:
ঘ) চিংড়ি  
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) চিংড়ি  
ব্যাখ্যা
• ভেনামি হলো একপ্রকার চিংড়ির জাত।
• হেক্টর প্রতি ভেনামি চিংড়ির উৎপাদন ১০-৩০ টন যেখানে বাগদা চিংড়ির উৎপাদন হেক্টর প্রতি মাত্র ৩-৬ টন।
• বাংলাদেশ মৎস্য অধিদপ্তর ও বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বিএফআরআই) অধীনে পরীক্ষামূলকভাবে খুলনার পাইকগাছায় ভেনামি চিংড়ি চাষের প্রকল্পটি অনুমোদন করা হয়েছে।

সূত্র: দৈনিক প্রথম আলো।
১,৬৫৩.
বাংলাদেশে মোট আবাদী জমির পরিমাণ কত? [কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪]
  1. প্রায়  ৪৫ লক্ষ হেক্টর
  2. প্রায় ৬২ লক্ষ হেক্টর
  3. প্রায় ৭৮ লক্ষ হেক্টর
  4. প্রায় ৮০ লক্ষ হেক্টর
সঠিক উত্তর:
প্রায় ৮০ লক্ষ হেক্টর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রায় ৮০ লক্ষ হেক্টর
ব্যাখ্যা

এক নজরে কৃষি পরিসংখ্যান:
- মোট আবাদযোগ্য জমি (Gross Cropped Area): ৩,৯২,৯৬,০০০ একর (১,৫৯,০৩,০০০ হেক্টর)।
- মোট আবাদী জমি (Net Cropped Area): ১,৯৮,২৯,০০০ একর (৮০,২৮,০০০ হেক্টর)।
- এক ফসলি জমি: ৫০,৪৯,০০০ একর (২০,৪৪,০০০ হেক্টর)।
- দুই ফসলি জমি: ১,০১,৪০,০০০ একর (৪১,০৫,০০০ হেক্টর)।
- তিন ফসলি জমি: ৪৫,৯৩,০০০ একর (১৮,৫৯,০০০ হেক্টর)।
- চার ফসলি জমি: ৪৭,০০০ একর (১৯,০০০ হেক্টর)।
- আবাদযোগ্য নয় এমন জমির পরিমাণ: ৮৩, ৫৮,০০০ একর।
- বনাবচল: ৬৩,৬৩,০০০ একর।
- মোট জমির পরিমাণ: ৩,৬৪,৬৫,০০০ একর।
- মোট খাদ্যশস্য: ৪,৪৮,২৯,০০০ মেট্রিক টন।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।

১,৬৫৪.
উন্নত জাতের তরমুজের নাম-
  1. ক) পদ্মা
  2. খ) যমুনা
  3. গ) মধুমতি
  4. ঘ) মহানন্দা
সঠিক উত্তর:
ক) পদ্মা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) পদ্মা
ব্যাখ্যা
‘পদ্মা’, ‘মধুবালা’ উন্নত জাতের তরমুজের নাম।
হাইব্রিড ধানের জাত ‘মধুমতি’।
‘মহানন্দা’ উন্নত জাতের আমের নাম।
‘যমুনা’ একটি উন্নত জাতের মরিচের নাম।
[সূত্রঃ কৃষি তথ্য সার্ভিস]
১,৬৫৫.
’বলাকা ও দোয়েল’ কোন ফসলের উন্নত জাত?
  1. ভুট্টা
  2. তামাক
  3. ধান
  4. গম
সঠিক উত্তর:
গম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গম
ব্যাখ্যা

উন্নতজাতের ফসলের জাত:
ধান: হীরা, ব্রিশাইল,ইরাটম, ব্রি হাইব্রিড, সোনার বাংলা, টিয়া, ময়না, ঝলক, বিজলি, মধুমতি ইত্যাদি। 
গম: বলাকা, দোয়েল, শতাব্দী, অগ্রণী, সোনালিকা, আনন্দ, আকবর, কাঞ্চন ইত্যাদি। 
ভুট্টা: বর্ণালী, শুভ্রা, উত্তরণ ইত্যাদি।
তামাক: সুমাত্রা ও ম্যানিলা। 
আলু: গ্রানূলা, মাল্টা, পেট্রোনিজ, ডায়মন্ড, কার্ডিনাল, ফেন্সিনা, ক্যারেজ, লেডিরোজ ইত্যাদি। 
আম: হিমসাগর, ল্যাংরা, গোপালভোগ, খিরশাপতি, ফজলী, বোম্বাই, আম্রপালি, বারিআম-১, বারিআম-৪, থোকাফজলী, মহানন্দা, মোহনভোগ, ল্যাংড়া, গোপালভোগ ইত্যাদি। 

উৎস: বাংলাদেশের জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১,৬৫৬.
বাংলাদেশে বনাঞ্চল (Forest Area) এর পরিমাণ -
  1. ক) ৩ কোটি ৯৬ লক্ষ ৭৮ হাজার একর
  2. খ) ২ কোটি ৮১ হাজার একর
  3. গ) ৬৩ লক্ষ ৬৩ হাজার ৩০৯ একর
  4. ঘ) ৮২ লক্ষ ৮৪ হাজার একর
সঠিক উত্তর:
গ) ৬৩ লক্ষ ৬৩ হাজার ৩০৯ একর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৬৩ লক্ষ ৬৩ হাজার ৩০৯ একর
ব্যাখ্যা
• বনাঞ্চল (Forest Area) - ৬৩ লক্ষ ৬৩ হাজার ৩০৯ একর

অন্যদিকে,
• মোট আবাদযোগ্য জমি (Gross Cropped Area) - ৩ কোটি ৯৬ লক্ষ ৭৮ হাজার একর।
• মোট আবাদী জমি (Net Cropped Area) - ২ কোটি ৮১ হাজার একর।
• আবাদযোগ্য নয় এমন জমির পরিমাণ (Not available for cultivation) - ৮২ লক্ষ ৮৪ হাজার একর।

সূত্র: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ – ২০২১।
১,৬৫৭.
বাংলাদেশের কোথায় জুম চাষ হয়?
  1. উপকূলীয় অঞ্চলে
  2. পার্বত্য অঞ্চলে
  3. সমতল ভূমিতে
  4. মধুপুর বনভূমিতে
সঠিক উত্তর:
পার্বত্য অঞ্চলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পার্বত্য অঞ্চলে
ব্যাখ্যা
• জুম চাষ:
- জুমচাষ (Shifting cultivation) পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাসরত ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র জাতি গোষ্ঠীদের মধ্যে অতি পরিচিত একটি পাহাড়ী মিশ্র কৃষি চাষ পদ্ধতি।
- এমন একটা সময় ছিল যখন এখানকার জনগোষ্ঠীদের মধ্যে এই জুম চাষই ছিল জীবিকা অর্জনের একমাত্র উপায়। ভৌগোলিক অবস্থানগত কারণে এখানকার মানুষ সমতলের মত চাষাবাদ করার পদ্ধতি আয়ত্ব করেছে জুমচাষের অনেক পরে।
- মূলত চট্টগ্রাম পার্বত্য অঞ্চলের উপজাতীয়দের জীবন ও সংস্কৃতি বহুলাংশে জুমচাষের ওপর নির্ভরশীল।
- এছাড়া সিলেটের পাহাড়িয়া অঞ্চলেও কিছু কিছু জুমচাষ হয়।
- রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি, বান্দরবান, জুম চাষ হয়।
- বাংলাদেশের ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীগুলির প্রধান জীবিকা ছিল কৃষি।
- জুম চাষকে স্থানান্তর কৃষি ব্যবস্থাও বলা হয়ে থাকে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও বাংলাপিডিয়া।
১,৬৫৮.
উপকূলীয় বনের বৃক্ষ কোনটি?
  1. গরান
  2. গেওয়া
  3. পশুর
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

উপকূলীয় বন:
- সমুদ্র উপকূলে প্রাকৃতিকভাবে গড়ে উঠা বনকে উপকূলীয় বন বলা হয়।
- এ ছাড়া পরিকল্পিত উপায়ে সমুদ্র উপকূলে সামাজিক বন গড়ে তোলা হলেও তাকে উপকূলীয় বন বলে।
- কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, ভোলা, খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরায় উপকূলীয় বন অবস্থিত।
- খুলনা, বাগেরহাট, সাতক্ষীরা ও পটুয়াখালীর উপকূলীয় বন সুন্দরবন নামে পরিচিত।
- প্রতিনিয়ত সমুদ্রের জোয়ারের পানিতে প্লাবিত হয় বলে একে ম্যানগ্রোভ বনও বলা হয়।
- সুন্দরবন পৃথিবীর সর্ববৃহৎ ম্যানগ্রোভ বন।
- এ বনের মোট আয়তন ৬ হাজার বর্গ কিলোমিটার।
- এ বন পৃথিবীর বৃহত্তম উপকূলীয় প্রাকৃতিক বন।
- এ বনের প্রধান বৃক্ষ সুন্দরি। এ ছাড়া পশুর, গেওয়া, গরান, কেওড়া, গোলপাতা প্রভৃতি এ বনের উল্লেখযোগ্য বৃক্ষ।
- এ বনের প্রধান আকর্ষণ রয়েল বেঙ্গল টাইগার। চিত্রা হরিণ, চিতাবাঘ, বন্য শূকর, বানর, কুমির, ঘড়িয়াল, অজগর এবং নানা প্রজাতির পাখি, কীটপতঙ্গ এ বনে বাস করে।
- এ বনের বৃক্ষ থেকে প্রাপ্ত কাঠ গৃহনির্মাণ, নিউজপ্রিন্ট তৈরি ও জ্বালানি হিসাবে ব্যবহৃত হয়।

তথ্যসূত্র - কৃষি শিক্ষা, ৭ম শ্রেণি বোর্ড বই।

১,৬৫৯.
নদী ছাড়া 'যমুনা' কোনটির উচ্চ ফলনশীল জাত?
  1. আলু
  2. টমেটো
  3. গম
  4. মরিচ
সঠিক উত্তর:
মরিচ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মরিচ
ব্যাখ্যা

- উচ্চ ফলনশীল মরিচের জাতঃ যমুনা, চন্দ্রমুখী, সনিক, চাতক, মেজর ইত্যাদি।
- উচ্চ ফলনশীল আলুর জাতঃ হীরা, ডায়মন্ড, কার্ডিনাল, কুফরি, সুন্দরী, আইলসা, চমক, মরিনী, ওরিগো, মুলটা ইত্যাদি।
- উচ্চ ফলনশীল টমেটোর জাতঃ বাহার, মানিক, রতন, মিন্টু, সিঁদুর, ঝুমকা, শ্রাবণী ইত্যাদি।
- উচ্চ ফলনশীল গমের জাতঃ দোয়েল, আনন্দ, অগ্রণী, আকবর, বরকত, সোনালি, বলাকা, শতাব্দী, কাঞ্চন ইত্যাদি।

১,৬৬০.
ছায়া প্রেমী (shadow loving) অর্থনৈতিক ফসল কোনটি?
  1. আখ
  2. তামাক
  3. ধান
  4. চা
সঠিক উত্তর:
চা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চা
ব্যাখ্যা

⇒ 'ছায়া প্রেমী' অর্থনৈতিক ফসল বলতে চা গাছকে বোঝানো হয়। চা গাছের জন্য অতিরিক্ত তাপ ও সরাসরি সূর্যালোক থেকে রক্ষা পেতে ছায়াযুক্ত পরিবেশে ভালোভাবে বৃদ্ধি পায়। এ কারণে চা গাছকে ছায়া প্রেমী ফসল হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।

♦ চা চাষ:
→ চা চাষের জন্য উষ্ণ ও আর্দ্র জলবায়ু বিশেষ উপযোগী।
→ সাধারণত যেসব স্থানে ২৬০-২৮° সেলসিয়াস তাপমাত্রা থাকে সেসব স্থান চা চাষের উপযুক্ত।
→ গাছের বৃদ্ধিকালীন সময়ে ২০° সেলসিয়াস এর অধিক তাপমাত্রা প্রয়োজন।
→ চা চাষের জন্য ১৭৫ - ২৫০ সেন্টিমিটার বৃষ্টিপাত এবং বাতাসের আর্দ্রতা ৭০-৯০% আবশ্যক।
→ বাংলাদেশে চা চাষের একটি অবিচ্ছেদ্য উপাদান হলো ছায়া গাছ।
→ চা বাস্তুতন্ত্রের পরিবেশ পরিবর্তন, মাটির উর্বরতা সমৃদ্ধকরণ, তাপমাত্রা এবং বাষ্পীভবন ক্ষমতা হ্রাস, মাটির আর্দ্রতা সংরক্ষণ এবং কিছু পোকামাকড় ও রোগ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করার জন্য ছায়া গাছ অপরিহার্য, যা ইতিবাচকভাবে তাপীয়ভাবে প্রভাবিত করে।
→ ছায়া গাছ চা গাছগুলিকে আংশিক ছায়া প্রদান করে, যা চা পাতার মান উন্নত করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
→ সঠিক ধরণের ছায়া গাছ এবং তাদের সঠিক ব্যবস্থাপনা সফল চা ফসল চাষের পূর্বশর্ত।
→ অতিবৃষ্টি এবং অনাবৃষ্টি বা খরা কোনোটিই চা গাছের জন্য উপযুক্ত নয়।
→ চা গাছের জন্য যেমন প্রচুর পানি প্রয়োজন তেমনি উপযুক্ত নিষ্কাশনের ব্যবস্থাও থাকতে হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ চা গবেষণা ইনস্টিটিউট, বাংলাপিডিয়া ও ভূগোল ২য় পত্র, এইচএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৬৬১.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩ অনুযায়ী, আমন ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা -
  1. দিনাজপুর
  2. বরিশাল
  3. রংপুর
  4. ঠাকুরগাঁও
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

ধান উৎপাদন:

- বাংলাদেশের প্রায় ৮০-৮৫ ভাগ জমিতে ধান চাষ করা হয়।
- কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ - ২০২৩ অনুসারে ময়মনসিংহ জেলায় সবচেয়ে বেশি ধান উৎপন্ন হয়।
- বিভাগ অনুসারে রংপুর বিভাগে সবচেয়ে বেশি ধান উৎপন্ন হয়।
- আউশ ধান উৎপাদনে শীর্ষে কুমিল্লা জেলা।
- আমন ধান উৎপাদনে শীর্ষে দিনাজপুর জেলা।
- বোরো ধান উৎপাদনে শীর্ষে ময়মনসিংহ জেলা।

উল্লেখ্য:
- গম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঠাকুরগাঁও।
- ভূট্টা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা দিনাজপুর।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঝিনাইদহ।
- চা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা মৌলভীবাজার।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কুষ্টিয়া।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ফরিদপুর।
- আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা রংপুর।

তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩।
১,৬৬২.
আমন ধান রোপণের উপযুক্ত সময় কোনটি?
  1. মধ্য মে – মধ্য জুন
  2. ডিসেম্বর শেষ – জানুয়ারির শুরু
  3. অক্টোবর শেষ – নভেম্বর শুরু
  4. জুনের শেষ – সেপ্টেম্বরের শুরু
সঠিক উত্তর:
জুনের শেষ – সেপ্টেম্বরের শুরু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জুনের শেষ – সেপ্টেম্বরের শুরু
ব্যাখ্যা

• ফসল রোপন ও উত্তোলনের সময়সূচি:

• রোপনের সময়:
-------------------
আউশ ধান = মধ্য মার্চ - মধ্য এপ্রিল।
আমন ধান =  জুনের শেষ  -সেপ্টেম্বরের শুরু।
বোরো ধান = মধ্য নভেম্বর - মধ্য জানুয়ারি।

• উত্তোলনের সময়:
-----------------------
আউশ ধান = মধ্য জুলাই - আগস্টের শুরু।
আমন ধান = ডিসেম্বর - জানুয়ারির শুরু।
বোরো ধান =  এপ্রিল - মে।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ– ২০২৪ (বিবিএস)।

১,৬৬৩.
নিচের কোনটি ‘বাঁধাকপির’ একটি জাত?
  1. ক) বীটজবা
  2. খ) ড্রামহেড
  3. গ) তারাপুরী
  4. ঘ) উত্তরণ
সঠিক উত্তর:
খ) ড্রামহেড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ড্রামহেড
ব্যাখ্যা
ড্রামহেড, কে কে ক্রস, এক্সপ্রেস ক্রস, কে ওয়াই ক্রস, এটলাস ৭০, টোকিও প্রাইড, গ্রীন এক্সপ্রেস, প্রভাতী, সেভয়, রুবিবল, অগ্রদূত ইত্যাদি হলো বাঁধাকপির কতগুলো জাত।
অন্যদিকে,
তারাপুরী - বেগুন
বীটজবা - কলা
উত্তরণ - ‍ভুট্টা।
(সূত্র: কৃষি তথ্য সার্ভিস ও কৃষিশিক্ষা বোর্ড বই)
১,৬৬৪.
বাংলাদেশে কোন দানাদার ফসল সবচেয়ে বেশি পরিমাণে উৎপাদন হয়?
  1. ধান 
  2. গম 
  3. ভুট্টা 
  4. যব 
সঠিক উত্তর:
ধান 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধান 
ব্যাখ্যা

দানা জাতীয় ফসলের উৎপাদন:
⇒ কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুসারে,
• দেশের ২৮৮.২০ লক্ষ একর জমিতে মোট ৪০৬.৯৭ লক্ষ মেট্রিক টন ধান উৎপন্ন হয়। এর মধ্যে আউশ ধান উৎপন্ন হয় ২৯.৭৩ লক্ষ মেট্রিক টন, আমন ধান উৎপন্ন হয় ১৬৬.৫৬ লক্ষ মেট্রিক টন, বোরো ধান উৎপন্ন হয় ২১০.৬৮ লক্ষ মেট্রিক টন।
• দেশের ৭.৭০ লক্ষ একর জমিতে মোট ১১.৭২ লক্ষ মেট্রিক টন গম উৎপন্ন হয়।
• দেশের ১২.৭২ লক্ষ একর জমিতে মোট ৪৮.৭৬ লক্ষ মেট্রিক টন ভুট্টা উৎপন্ন হয়।
• দেশের ১১.৪৪ লক্ষ একর জমিতে মোট ৬.৩৮ লক্ষ মেট্রিক টন সরিষা উৎপন্ন হয়। 
• দেশের ০.৩৯৮ লক্ষ একর জমিতে মোট ০.১৯৫ লক্ষ মেট্রিক টন যব উৎপন্ন হয়। 

- অর্থাৎ, দানা জাতীয় ফসলের মধ্যে বাংলাদেশে ধানের উৎপাদন সবচেয়ে বেশি হয়।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।

১,৬৬৫.
বাংলাদেশের ‘ডাল গবেষণা কেন্দ্র’ কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) শিবগঞ্জ, বগুড়া
  2. খ) দর্শনা, চুয়াডাঙ্গা
  3. গ) জয়দেবপুর, গাজীপুর
  4. ঘ) ঈশ্বরদী, পাবনা
সঠিক উত্তর:
ঘ) ঈশ্বরদী, পাবনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ঈশ্বরদী, পাবনা
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধীন গবেষনা কেন্দ্র সমূহ:
১. কন্দাল ফসল গবেষণা কেন্দ্র - জয়দেবপুর, গাজীপুর।
২. উদ্যানতত্ত্ব গবেষণা কেন্দ্র - জয়দেবপুর, গাজীপুর।
৩. তৈল বীজ গবেষণা কেন্দ্র - জয়দেবপুর, গাজীপুর।
৪. উদ্ভিদ কৌলি সম্পদ কেন্দ্র - জয়দেবপুর, গাজীপুর।
৫. ডাল গবেষণা কেন্দ্র - ঈশ্বরদী, পাবনা।
৬. মসলা গবেষণা কেন্দ্র - শিবগঞ্জ, বগুড়া।

উৎস: বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।
--------
এছাড়া,
বন গবেষণা কেন্দ্র (Bangladesh Forest Research Institute) - চট্টগ্রামে অবস্থিত।
এটি ১৯৫৫ সালে প্রতিষ্ঠিত।

উৎস: BFRI ওয়েবসাইট।
১,৬৬৬.
'মরিনি' কোন ফসলের একটি উন্নত জাত? 
  1. ভুট্টা
  2. আলু
  3. টমেটো
  4. গম
সঠিক উত্তর:
আলু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আলু
ব্যাখ্যা

• উন্নত জাতের আলু:
- কুফরীসিন্দুরী, মুলটা, প্যাট্রোনিস, কার্ডিনাল, ডায়ামন্ট, মরিনি, ওরিগোহীরা
- চমক, মন্ডিয়াল, আইলসা, ধীরা, গ্রানোলা, ক্লিওপেট্রা, বিনেলা
- আরিন্দা, রাজা
- বারি টি পিএস-১, বারি টি পিএস-২

• উন্নত জাতের ভুট্টা:
- শুভ্রা, বর্ণালী, খৈ-ভুট্টা, মোহর
- বারি হাইব্রিড ভুট্টা-১, বারি হাইব্রিড ভুট্টা-২
- বারি মিষ্টি ভুট্টা-১
- বারি ভুট্টা-৫, বারি ভুট্টা-৬, বারি ভুট্টা-৭

• উন্নত জাতের গম:
- আনন্দ, কাঞ্চন, আকবর, বরকত, অঘ্রাণী, সোনালিকা
- কল্যাণসোনা,, বলাকা, দোয়েল
- সনোরা-৬৪, , ইনিয়া-৬৬, জুপাটিকা-৭৩, 
-  নুরী-৭০, , টেনোরী-৭১, নরটেনো-৬৭, প্যাভন-৭৬ 
- বারিগম-১৭ সওগাত , বারিগম-১৮ প্রতিভা , বারিগম-১৯  সৌরভ
- বারিগম-২০ গৌরব , বারিগম-২১ শতাব্দী, 
তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 

• উন্নত জাতের টমেটো:
- বারি টমেটো-১ (মানিক), বারি টমেটো-২ (রতন), বারি টমেটো-৩
- বারি টমেটো-৪ (গ্রীষ্মকালীন), বারি টমেটো-৫, বারি টমেটো-৬ (চৈতি)
- বারি টমেটো-৭ (অপূর্ব), বারি টমেটো-৮ (শীলা), বারি টমেটো-৯ (লালিমা)
- বারি টমেটো-১০ (অনুপমা), বারি টমেটো-১১ (ঝুমকা), বারি টমেটো-১২ (সিঁদুর), বারি টমেটো-১৩ (শ্রাবণী)

তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 

১,৬৬৭.
নিচের কোনটি 'খরিপ শস্য'-
  1. বারোমাসী ফসল
  2. গ্রীষ্মকালীন ফসল
  3. শীতকালীন ফসল
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
গ্রীষ্মকালীন ফসল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রীষ্মকালীন ফসল
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের ফসল উৎপাদন:

- বাংলাদেশের ফসল উৎপাদনের জন্য জলবায়ুর ভিত্তিতে সারা বছরকে প্রধানত দুটি মৌসুমে ভাগ করা যায়। যথা:- রবি বা শীতকালীন মৌসুম এবং খরিপ বা গ্রীষ্মকালীন মৌসুম।
- রবি মৌসুম সাধারণত কার্তিক থেকে ফাল্গুন মাস পর্যন্ত সময়কালকে রবি মৌসুম বলে।
- রবি শস্য মূলত শীতকালীন শস্য বা ফসল হিসেবে পরিচিত।
- খরিপ শস্য মূলত গ্রীষ্মকালীন শস্য বা ফসল হিসেবে পরিচিত।
- খরিপ মৌসুমকে দুইভাগে ভাগ করা হয়।
- খরিপ-১: চৈত্র মাস থেকে জ্যৈষ্ঠ মাস পর্যন্ত সময়কে খরিপ-১ মৌসুম বা গ্রীষ্মকাল বলা হয়।
- খরিপ-২: আষাঢ় মাস থেকে ভাদ্র মাস পর্যন্ত সময়কে খরিপ-২ মৌসুম বা বর্ষাকাল বলা হয়।

তথ্যসূত্র - কৃষিশিক্ষা, ৭ম শ্রেণি।