বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশের কৃষিজ সম্পদ

মোট প্রশ্ন১,৬৮১এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশের কৃষিজ সম্পদ

PrepBank · পাতা ১০ / ১৭ · ৯০১১,০০০ / ১,৬৮১

৯০১.
সরকারিভাবে কোন খাদ্যশস্য সবচেয়ে বেশি সংগ্রহ করা হয়?
  1. ক) গম
  2. খ) ধান
  3. গ) আলু
  4. ঘ) ভুট্টা
সঠিক উত্তর:
খ) ধান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ধান
ব্যাখ্যা
২০২০-২১ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে
অভ্যন্তরীণ খাদ্যশস্য সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা ধার্য করা হয়েছে - ১৪.০৪ লক্ষ মেট্রিক টন
এর মধ্যে 
- চাল ১৩.০৪ লক্ষ মেট্রিক টন এবং
- গম ১.০০ লক্ষ মেট্রিক টন
উল্লেখ্য, খাদ্যশস্যের মধ্যে সরকারিভাবে সবচেয়ে বেশি সংগ্রহ করা হয় - ধান/চাল।

[উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২১]
৯০২.
'মঙ্গার ধান' হিসেবে পরিচিত ধানের জাত কোনটি?
  1. ব্রি ধান-৭৯
  2. ব্রি ধান-৫১
  3. ব্রি ধান-৩৩
  4. ব্রি ধান-৫২
সঠিক উত্তর:
ব্রি ধান-৩৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্রি ধান-৩৩
ব্যাখ্যা
মঙ্গার ধান:
- 'মঙ্গার ধান' হিসেবে পরিচিত ধানের জাত ব্রি ধান-৩৩। ব্রি ধান-৩৩ আমন মৌসুমের ধান।
- ১৯৯৭ সালে এ জাতের উদ্ভাবন হয়।
- হেক্টরপ্রতি ফলন প্রায় ৪.৫ টন।
- জীবনকাল ১১৮ দিন।
- মঙ্গা এলাকায় এ ধান বেশ জনপ্রিয় বলে একে মঙ্গার ধান বলা হয়।

উল্লেখ্য,
- খরা সহিষ্ণু ধানের জাতসমূহ: ব্রি ধান-৫৫, ব্রি ধান-৫৬, ব্রি ধান-৫৭, ব্রি ধান-৬৬।

অন্যদিকে,
⇒ জলমগ্নতা সহিষ্ণু ধানের জাতসমূহ: ব্রি ধান-৫১, ব্রি ধান-৫২, ব্রি ধান-৭৯ প্রভৃতি।

উৎস: i) কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর।
ii) বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট।
৯০৩.
বাংলাদেশ ডাল গবেষণা কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?
  1. বগুড়া
  2. পাবনা
  3. গাজীপুর
  4. গাইবান্ধা
সঠিক উত্তর:
পাবনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাবনা
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশে ডাল গবেষণা:
-
বাংলাদেশের ডাল গবেষণা কেন্দ্র ঈশ্বরদী, পাবনায় অবস্থিত।
- এটি বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধীনে পরিচালিত একটি গবেষণা প্রতিষ্ঠান।
- ডাল গবেষণা কেন্দ্রের ১ (এক) টি আঞ্চলিক কেন্দ্র মাদারীপুর।
- এবং একটি উপকেন্দ্র (গাজীপুর) রয়েছে।
- বর্তমানে ডাল গবেষণা কেন্দ্রে  হতে প্রায় ৯ টি ডাল জাতীয় ফসলের এ পর্যন্ত মোট ৪৩ টি জাত।
- এবং বিভিন্ন ধরণের টেকশই প্রযুক্তি উদ্ভাবিত হয়েছে।
- আঞ্চলিক কৃষি গবেষণা কেন্দ্র  হতে বেগুন, পটল ও বাতাবিলেবুসহ অন্যান্য ফসলের প্রায় ৭ (সাত) টি জাত ।
- এবং বিভিন্ন ধরণের টেকশই প্রযুক্তি উদ্ভাবিত হয়েছে।

• বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধীন গবেষনা কেন্দ্র সমূহ:
- মসলা গবেষণা কেন্দ্র শিবগঞ্জ, বগুড়া।
-  উদ্যানতত্ত্ব গবেষণা কেন্দ্র - জয়দেবপুর, গাজীপুর।
- তৈল বীজ গবেষণা কেন্দ্র - জয়দেবপুর, গাজীপুর।
-  উদ্ভিদ কৌলি সম্পদ কেন্দ্র জয়দেবপুর, গাজীপুর।
- ডাল গবেষণা কেন্দ্র - ঈশ্বরদী, পাবনা।

উৎস: BFRI ওয়েবসাইট।
৯০৪.
বাংলাদেশে জুম চাষ কোথায় হয়?
  1. বান্দরবান
  2. ময়মনসিংহ
  3. রাজশাহী
  4. দিনাজপুর
সঠিক উত্তর:
বান্দরবান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বান্দরবান
ব্যাখ্যা
জুম চাষ:
পাহাড়ি এলাকায় প্রচলিত এক ধরনের কৃষিপদ্ধতি। জুম চাষ বিশেষ শব্দে "ঝুম চাষ" নামেও পরিচিত। জুম চাষ এক ধরনের স্থানান্তরিত কৃষিপদ্ধতি।

- এটি মূলত জঙ্গল কেটে পুড়িয়ে চাষ করা হয়, আবার সেই স্থানে জমির উর্বরতা কমে গেলে পূর্বের স্থান হতে কৃষি জমি স্থানান্তরিত করে অন্যত্র আবার কৃষি জমি গড়ে ওঠে। পাহাড়ের গায়ে ঢালু এলাকায় এই চাষ করা হয়। এই পদ্ধতির চাষে বছরের বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ফসল উৎপাদন করা সম্ভব হয়।

- জুম চাষ ভারতে পোড়ু, বীরা, পোনম, প্রভৃতি নামেও পরিচিত।
- রাঙ্গামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি এই তিন জেলায় জুম চাষের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি।
- পাহাড়ীদের সমাজে জুম চাষ বেশ জনপ্রিয়।
- পাহাড়ী জুমিয়ান নারীরা অতি যত্নের সহিত জুম চাষে ব্যস্ত থাকে সব সময়।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৯০৫.
আদা কোন মাসে লাগানো হয়?
  1. জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারি
  2. মার্চ-মে
  3. জুন-জুলাই
  4. ডিসেম্বর-জানুয়ারি
সঠিক উত্তর:
মার্চ-মে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মার্চ-মে
ব্যাখ্যা
আদা চাষ:
- আদা একটি প্রয়োজনীয় মসলা ফসল যা খাবারকে সুস্বাদু করে।
-- আদা বাড়ির পাশে পতিত জমি, পাহাড়ে চাষাবাদ করা যায়।
- বিভিন্ন ফসলের সাথে আন্তঃফসল হিসেবে চাষ করা যায়। 
- কৃষকরা সাধারণত স্থানীয় জাত চাষ করে থাকে।

⇒ জলবায়ু ও মাটি:
- আদার কন্দসহ গাছ আদার বৃদ্ধির জন্য উষ্ণ ও আর্দ্র আবহাওয়া উপযোগী।
- আদার জন্য সুনিষ্কাশিত বেলে দোআঁশ মাটিতে ভালো ফলন হয়।
- তবে এটেল দোআঁশ মাটিতেও চাষ করা যায়।

⇒ জমি তৈরি ও সার প্রয়োগ:
- আদার জন্য মার্চ-এপ্রিল মাসে জমি গভীরভাবে ৫-৬ টি চাষ দিতে হবে।
- জমি তৈরি সময় গোবর সার, টিএসপি, অর্ধেক এমপি সার প্রয়োগ করতে হবে।
- বাকি অর্ধেক এমপি সার দুই কিস্তিতে প্রয়োগ করতে হবে।

⇒ রোপন পদ্ধতি:
- আদার ১-২ কুঁড়ি বিশিষ্ট কন্দ মার্চ থেকে মে মাসে রোপন করতে হবে।
- সাধারণত ১৫-২০ গ্রাম ওজনের কন্দ প্রতি গর্তে ১টি করে ৪০-৫০ সে.মি. সারি থেকে সারি, গাছ থেকে গাছে ২৫ সে.মি. দূরত্বে ৫ সে.মি. গভীরে রোপন করতে হবে।
- আদা রোপনের পর গাছ ও শিকড় বৃদ্ধি প্রাপ্ত হলে মাতৃ আদা তুলে নিলে গাছের কোন ক্ষতি হয় না বরং আর্থিক লাভবান হওয়া যায়।
- এই পদ্ধতিকে পিলাই তোলা বলে।

⇒ ফসল সংগ্রহ:
- আদা লাগানোর ৭-১০ মাস পর পাতা ও গাছ হলুদ হয়ে শুকিয়ে গেলে ফসল তোলার উপযোগী হয়।
- সাধারণত: ডিসেম্বর থেকে জানুয়ারি মাসে আদা তোলা হয়। 

উৎস: কৃষি শিক্ষা ১মপত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯০৬.
নিচের কোনটি খরা সহিষ্ণু ধানের জাত?
  1. ব্রি ধান ৪৬
  2. ব্রি ধান ৫১
  3. ব্রি ধান ৬২
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
কোনটিই নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট উদ্ভাবিত জাত:
⇒ জিংক সমৃদ্ধ ধানের জাত:
- ব্রি ধান ৬২, ব্রি ধান ৬৪, ব্রি ধান ৭২, ব্রি ধান ৭৪, ব্রি ধান ৮৪।

⇒ খরা সহিষ্ণু ধানের জাত:
- ব্রি ধান ৪৩, ব্রি ধান ৫৫, ব্রি ধান ৫৬, ব্রি ধান ৫৭, ব্রি ধান ৬৬, ব্রি ধান ৭১ ও ব্রি ধান ৮৩।

⇒ এন্টি অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ ধানের জাত:
- বিআর ৫।

⇒ লো জিআই বা নিম্ন গ্লাইসেমিক ইনডেক্স গুণ সম্পন্ন ধানের জাত:
- বিআর ১৬, ব্রি ধান ৪৬, ব্রি ধান ৬৯।

⇒ জলমগ্নতা সহিষ্ণু ধানের জাত:
- ব্রি ধান ৫১, ব্রি ধান ৫২, ব্রি ধান ৭৯।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।
৯০৭.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী, তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কোনটি?
  1. নাটোর
  2. যশোর
  3. পাবনা
  4. ঝিনাইদহ
সঠিক উত্তর:
ঝিনাইদহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঝিনাইদহ
ব্যাখ্যা

কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী:
শীর্ষ জেলা:
- ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ময়মনসিংহ।
- গম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঠাকুরগাঁও।
- ভূট্টা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা দিনাজপুর।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঝিনাইদহ।
- চা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা মৌলভীবাজার।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কুষ্টিয়া।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ফরিদপুর।
- আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা রংপুর।

তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।

৯০৮.
আদর্শ মাটিতে কত ভাগ জৈব পদার্থ থাকে?
  1. ক) ৪%
  2. খ) ৫%
  3. গ) ৭%
  4. ঘ) ৮%
সঠিক উত্তর:
খ) ৫%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৫%
ব্যাখ্যা

পৃথিবীর বিশাল প্রাকৃতিক শোধনাগার হচ্ছে মাটি। সাধারণত আদর্শ মাটিতে ৫% জৈব পদার্থ থাকে।
মাটির গঠন, বর্ণ, পানি ধারণক্ষমতা ইত্যাদি বৈশিষ্ট্যের উপর ভিত্তি করে মাটিকে প্রধানত চার ভাগে ভাগ করা যায়;
যথা-
(ক) বালু মাটি,
(খ) পলি মাটি,
(গ) কাদামাটি এবং
(ঘ) দো-আঁশ মাটি।

৯০৯.
'অগ্নিশ্বর' কোন ফলের উন্নত জাত? 
  1. কমলা
  2. কলা
  3. আম 
  4. আনারস 
সঠিক উত্তর:
কলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কলা
ব্যাখ্যা
উচ্চ ফলনশীল কলার জাত:
- সিঙ্গাপুরী, কাবুলী, মেহের সাগর, অমৃত সাগর, সবরি, অনুপম, মালভোগ, মর্তমান, চাঁপা, অগ্নিশ্বর, কবরী।

উচ্চ ফলনশীল আমের জাত:
- মহানন্দা, ল্যাংড়া, ফজলি, হাড়িভাঙ্গা, আম্রপালি, গোপালভোগ, সূর্যপুরী, হিমসাগর, মোহনভোগ প্রভৃতি।

উন্নত জাতের আনারস:
- জায়ান্ট কিউ, হানি কুইন, ঘোড়াশাল, জলঢুপি।

উন্নত জাতের কমলা:
- রামরঙ্গন, বারি কমলা-১, বারি কমলা-২, বারি কমলা-৩, খাসি, ম্যান্ডারিন।

উৎস: জাতীয় কৃষি বাতায়ন।
৯১০.
বাংলাদেশের প্রধান অর্থকরী কৃষিপণ্য কোনটি?
  1. ইক্ষু
  2. চা
  3. পাট
  4. তামাক
সঠিক উত্তর:
পাট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাট
ব্যাখ্যা

অর্থকরী ফসল:
- যেসব কৃষিপণ্য বিদেশে রপ্তানি করে বৈদেশিক মুদ্রা উপার্জন করা হয়, সেগুলোকে অর্থকরী ফসল বলে।
- বাংলাদেশের প্রধান অর্থকরী কৃষিপণ্য হচ্ছে পাট, চা ও তামাক।
- বাংলাদেশের প্রধান অর্থকরী ফসলসমূহ: পাট, চা, আখ বা ইক্ষু, তামাক, তুলা, রাবার প্রভৃতি।

⇒ পাট:
- পাট বাংলাদেশের প্রধান অর্থকরী কৃষিপণ্য।
- পাট ও পাটজাত দ্রব্য রপ্তানির মাধ্যমে বাংলাদেশ প্রতিবছর বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন কটামা
- কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ - ২০২৪ অনুসারে, মোট পাট উৎপাদন হয় ৯৫,৮১,৫৮০ বেল এবং সবচেয়ে বেশি পাট উৎপন্ন হয় ফরিদপুুর জেলায়।

উৎস: i) কৃষি তথ্য সার্ভিস।
ii) পাট অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।

৯১১.
ব্ল্যাক বেঙ্গল নিম্নের কোন প্রাণীর উন্নত জাত?
  1. গরু
  2. ছাগল
  3. ভেড়া
  4. মহিষ
সঠিক উত্তর:
ছাগল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ছাগল
ব্যাখ্যা
ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল:
- ব্ল্যাক বেঙ্গল একটি উন্নত জাতের ছাগল।
- এর আকার ছোট।
- পূর্ণবয়স্ক ছাগলের উচ্চতা ৫০ সেন্টিমিটার।
- দেহের বর্ণ মূলত কালো; তবে ধুসর, বাদামি বা সাদাও হয়।
- এদের কানের আকার ১১-১৪ সেন্টিমিটার এবং সামনের দিকে সুচালো।
- মব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল পরিষ্কার, শুষ্ক এবং উঁচু জায়গায় থাকতে পছন্দ করে।
- বাংলাদেশের কুষ্টিয়া, মেহেরপুর, চুয়াডাঙ্গা এবং ঝিনাইদহ জেলায় ব্ল্যাক বেঙ্গল জাতের ছাগলের উৎপাদন সবচেয়ে বেশি হয়।

উল্লেখ্য,
- ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগলকে অন্যতম সেরা জাতের ছাগল বলা হয়।
- ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল মাংস এবং চামড়ার জন্য বিখ্যাত।
- বিশ্ববাজারে এই প্রজাতির ছাগলের চামড়া কুষ্টিয়া গ্রেড নামে পরিচিত।
- ২০০৭ সালে এফএও বিশ্বের ১০০টি জাতের ছাগলের ওপরে গবেষণা চালিয়ে 'ব্ল্যাক বেঙ্গল'কে বিশ্বের অন্যতম সেরা জাত হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।
- ২০১৮ সালে ব্ল্যাক বেঙ্গল গোটের জেনোম সিকোয়েন্সিং বা পূর্ণাঙ্গ জীবন রহস্য উন্মোচন করেছে বাংলাদেশের বিজ্ঞানীদের একটি দল।
- সম্প্রতি ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল জিআই স্বীকৃতি লাভ করে।

উৎস: i) বিবিসি বাংলা।
ii) কালের কন্ঠ।
৯১২.
ভুট্টা চাষের জন্য কোন ধরনের মাটি উপযুক্ত?
  1. বেলে দোআঁশ মাটি 
  2. দোআঁশ মাটি 
  3. লবণাক্ত মাটি
  4. ক ও খ
সঠিক উত্তর:
ক ও খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক ও খ
ব্যাখ্যা

ভুট্টা:
- ভুট্টা (বৈজ্ঞানিক নাম: Zea mays) একপ্রকারের খাদ্য শস্য।
- ধান ও গমের তুলনায় ভুট্টার পুষ্টিমান বেশী।
- এতে প্রায় ১১% আমিষ জাতীয় উপাদান রয়েছে। 
- বেলে দোআঁশ ও দোআঁশ  মাটি ভুট্টা চাষের জন্য উপযোগী। 
- কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুসারে, ভুট্টা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: দিনাজপুর।

উৎস: i) কৃষি তথ্য সার্ভিস।
ii) কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।

৯১৩.
লো জিআই বা নিম্ন গ্লাইসেমিক ইনডেক্স গুণ সম্পন্ন ধানের জাত কোনটি?
  1. ব্রি ধান ৪৬
  2. ব্রি ধান ৫৫
  3. ব্রি ধান ৫৭
  4. ব্রি ধান ৬৬
সঠিক উত্তর:
ব্রি ধান ৪৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্রি ধান ৪৬
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট উদ্ভাবিত জাত:
- জিংক সমৃদ্ধ ধানের জাত হলো: ব্রি ধান ৬২ , ব্রি ধান ৬৪, ব্রি ধান ৭২, ব্রি ধান ৭৪, ব্রি ধান ৮৪।
- খরা সহিষ্ণু ধানের জাত সমূহ হলো: ব্রি ধান ৪৩, ব্রি ধান ৫৫, ব্রি ধান ৫৬, ব্রি ধান ৫৭, ব্রি ধান ৬৬, ব্রি ধান ৭১ ও ব্রি ধান ৮৩।
- এন্টি অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ ধানের জাত: বিআর ৫।
- লো জিআই বা নিম্ন গ্লাইসেমিক ইনডেক্স গুণ সম্পন্ন ধানের জাত: বিআর ১৬, ব্রি ধান ৪৬, ব্রি ধান ৬৯।
- জলমগ্নতা সহিষ্ণু ধানের জাত: ব্রি ধান ৫১, ব্রি ধান ৫২, ব্রি ধান ৭৯।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।
৯১৪.
নাইট্রোজেন সম্পৃক্ত জৈব সার কোনটি?
  1. ক) হাড়ের গুড়া
  2. খ) সরিষার খৈল
  3. গ) মাছের কাঁটা
  4. ঘ) গৃহস্থালির ছাই
সঠিক উত্তর:
খ) সরিষার খৈল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সরিষার খৈল
ব্যাখ্যা

নাইট্রোজেন সম্পৃক্ত জৈব সার হল - সরিষার খৈল। 
- নাইট্রোজেন উদ্ভিদের বৃদ্ধি ও মাটির উর্বরতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। 
- এটি গাছকে সবুজ ও সতেজ করে। 
- দেশে বহুল ব্যবহৃত নাইট্রোজেন সার হল ইউরিয়া । 

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক কৃষি শিক্ষা বোর্ড বই।

৯১৫.
"উত্তরা" কোন ফসলের জাত?
  1. ধান
  2. গম
  3. বেগুন
  4. আলু
সঠিক উত্তর:
বেগুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেগুন
ব্যাখ্যা

• বেগুনের জাতসমূহ:
- বারি বেগুন-১ (উত্তরা)
- বারি বেগুন-২ (তারাপুরি)
- বারি বেগুন-৩ (শুকতারা)
- বারি বেগুন-৪ (কাজলা)
- বারি বেগুন-৫ (নয়নতারা)

তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন। LINK

৯১৬.
খরিপ শস্য মূলত কোন ধরনের ফসল?
  1. গ্রীষ্মকালীন ফসল
  2. শীতকালীন ফসল
  3. শরৎকালীন ফসল
  4. বসন্তকালীন ফসল
সঠিক উত্তর:
গ্রীষ্মকালীন ফসল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রীষ্মকালীন ফসল
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের ফসল উৎপাদন:

- বাংলাদেশের ফসল উৎপাদনের জন্য জলবায়ুর ভিত্তিতে সারা বছরকে প্রধানত দুটি মৌসুমে ভাগ করা যায়। যথা:- রবি বা শীতকালীন মৌসুম এবং খরিপ বা গ্রীষ্মকালীন মৌসুম।
- রবি মৌসুম সাধারণত কার্তিক থেকে ফাল্গুন মাস পর্যন্ত সময়কালকে রবি মৌসুম বলে।
- রবি শস্য মূলত শীতকালীন শস্য বা ফসল হিসেবে পরিচিত।
- খরিপ শস্য মূলত গ্রীষ্মকালীন শস্য বা ফসল হিসেবে পরিচিত।
- খরিপ মৌসুমকে দুইভাগে ভাগ করা হয়।
- খরিপ-১: চৈত্র মাস থেকে জ্যৈষ্ঠ মাস পর্যন্ত সময়কে খরিপ-১ মৌসুম বা গ্রীষ্মকাল বলা হয়।
- খরিপ-২: আষাঢ় মাস থেকে ভাদ্র মাস পর্যন্ত সময়কে খরিপ-২ মৌসুম বা বর্ষাকাল বলা হয়।

উৎস: কৃষিশিক্ষা, ৭ম শ্রেণি।

৯১৭.
বর্তমানে বাংলাদেশের কোন জেলায় বেশি তুলা জন্মে? (আগস্ট, ২০২৪)
  1. লালমনিরহাট
  2. কুষ্টিয়া
  3. রংপুর
  4. ঝিনাইদহ
সঠিক উত্তর:
ঝিনাইদহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঝিনাইদহ
ব্যাখ্যা
তুলা চাষ:
- ১৯৭৩-৭৪ সনে বাংলাদেশে সমভূমির তুলাচাষ শুরু হওয়ার পর থেকে তুলা চাষ এলাকা ও উৎপাদন ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পায়।
- বর্তমানে সমতল এলাকার ৩৪টি জেলায় সমভূমির জাতের তুলার আবাদ হচ্ছে এবং অতি সম্প্রতি ৩টি পার্বত্য জেলাতেও পাহাড়ি জাতের পাশাপাশি সমভূমির জাতের তুলার চাষাবাদ হচ্ছে।
- পাহাড়ি তুলা এপ্রিল-মে মাসে এবং সমভূমির তুলা জুলাই-আগস্ট মাসে বপন করা হয়।
- পাহাড়ি তুলা ডিসেম্বর-জানুয়ারি মাসে এবং সমভূমির তুলা জানুয়ারি-মার্চ মাসে উত্তোলন করা হয়।
- বর্তমানে তুলা উন্নয়ন বোর্ড তুলা গবেষণা, এর সম্প্রসারণ, বীজ উৎপাদন ও বিতরণ, প্রশিক্ষণ, বাজারজাতকরণ ও জিনিং এবং ঋণ বিতরণ প্রভৃতি কার্যক্রম বাস্তবায়ন করে আসছে।

⇒ তুলার চাষকৃত জাতগুলো:
- সমতল এলাকায় বর্তমানে, সিবি-৫, সিবি-৯ সিবি-১০ ও সিবি-১১ প্রভৃতি উচ্চফলনশীল জাতের তুলা এবং হাইব্রিড জাতের মধ্যে হীরা ও রূপালী-১ ও ডিএম-১ জাতের তুলা চাষ হচ্ছে।
- এ ছাড়া পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে পাহাড়ি তুলা-১ ও পাহাড়ি তুলা-২ নামে উচ্চফলনশীল জাতের তুলা চাষ হয়।

⇒ কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ - ২০২৩ অনুসারে উৎপাদনে শীর্ষ জেলা:
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: ঝিনাইদহ

উৎস: i) কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩।
ii) কৃষি তথ্য সার্ভিস।
৯১৮.
দেশের কোন বিভাগে আবাদী জমির পরিমাণ সর্বাধিক?
  1. ক) চট্টগ্রাম বিভাগ
  2. খ) ময়মনসিংহ বিভাগ
  3. গ) রংপুর বিভাগ
  4. ঘ) রাজশাহী বিভাগ
সঠিক উত্তর:
ঘ) রাজশাহী বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) রাজশাহী বিভাগ
ব্যাখ্যা
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২১ অনুযায়ী দেশে মোট আবাদী জমি : ২ কোটি ৮১ হাজার একর।

বিভাগ অনুযায়ী সর্বাধিক আবাদী জমি:

- রাজশাহী বিভাগ : ৩২.৬০ লক্ষ একর
- রংপুর বিভাগ : ৩০.৪৯ লক্ষ একর
- ঢাকা বিভাগ : ২৯.৭৪ লক্ষ একর
- চট্টগ্রাম বিভাগ : ২৬.৮৬ লক্ষ একর
- খুলনা বিভাগ : ২৬.৩৮ লক্ষ একর
- বরিশাল বিভাগ : ১৮.৪৮ লক্ষ একর
- ময়মনসিংহ বিভাগ : ১৮.১৬ লক্ষ একর
- সিলেট বিভাগ : ১৮.১ লক্ষ একর।

(তথ্যসূত্র: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২১ : পৃষ্ঠা-৪২৭/৪২৮)
৯১৯.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী, আউশ ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা -
  1. দিনাজপুর
  2. কুমিল্লা
  3. ময়মনসিংহ
  4. চট্টগ্রাম
সঠিক উত্তর:
কুমিল্লা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুমিল্লা
ব্যাখ্যা

ধান উৎপাদন:
- বাংলাদেশের প্রায় ৮০-৮৫ ভাগ জমিতে ধান চাষ করা হয়।
- কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ - ২০২৪ অনুসারে ময়মনসিংহ জেলায় সবচেয়ে বেশি ধান উৎপন্ন হয়।
- বিভাগ অনুসারে রংপুর বিভাগে সবচেয়ে বেশি ধান উৎপন্ন হয়।
- আউশ ধান উৎপাদনে শীর্ষে কুমিল্লা জেলা।
- আমন ধান উৎপাদনে শীর্ষে দিনাজপুর জেলা।
- বোরো ধান উৎপাদনে শীর্ষে ময়মনসিংহ জেলা।

তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।

৯২০.
বাংলাদেশে কত প্রকার পাট চাষ হয়?
  1. ২ প্রকার
  2. ৩ প্রকার
  3. ৪ প্রকার
  4. ৫ প্রকার
সঠিক উত্তর:
২ প্রকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ প্রকার
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে পাটচাষ
- পাট বাংলাদেশের প্রধান অর্থকরী ফসল।
- নদী অববাহিকায় পলিযুক্ত দোআঁশ মাটিতে পাট ভালো হয়।
- পাটচাষের জন্য ২০° থেকে ৩৫° সেলসিয়াস তাপমাত্রা ও ১৫০ থেকে ২৫০ সেমি গড় বৃষ্টিপাত প্রয়োজনীয়।
- বাংলাদেশে দুই ধরণের পাট দেখা যায়। যথা - ১. দেশী পাট ও ২. তোষা পাট।

উল্লেখ্য, 
- বাংলাদেশের কৃষিজ পণ্যকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়।
১. খাদ্যশস্য  - চাল, ডাল, গম, তেলবীজ, সবজি, ফলমূল প্রভৃতি।
২. অর্থকরী ফসল - পাট, চা, ইক্ষু, তামাক, ফুল প্রভৃতি।
- ধান বা চাল বাংলাদেশের প্রধান খাদ্যশস্য।

তথ্যসূত্র - ১.বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় ( নবম দশম শ্রেণি)।
৯২১.
বীটজবা ও চাম্পা কোন জাতীয় ফলের নাম?
  1. ক) পেঁপে
  2. খ) কলা
  3. গ) আম
  4. ঘ) জামরুল
সঠিক উত্তর:
খ) কলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) কলা
ব্যাখ্যা
• কলার উন্নত জাতের মধ্যে রয়েছে:
- অগ্নিশ্বর
- অমৃতসাগর
- মোহনবাঁশী
- কানাইবাঁশী
- বীটজবা 
- চাম্পা
- মেহেরসাগর
- কবরি ইত্যাদি।

সূত্রঃ কৃষিশিক্ষা বোর্ডবই এবং কৃষি তথ্য সার্ভিস
৯২২.
কৃষিতে ‘ডায়মন্ড’ কোন ফসলের উন্নত জাত? 
  1. মরিচ
  2. আলু
  3. টমেটো
  4. তরমুজ
সঠিক উত্তর:
আলু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আলু
ব্যাখ্যা

ফসলের উন্নত জাতের নাম:
- তরমুজের উন্নত জাত: পদ্মা, বারি তরমুজ-১, বারি তরমুজ-২, মধুমালা।
- আলু: হীরা, আইলসা, ডায়মন্ড, কার্ডিনাল, চমক, মরিনী, সুন্দরী, কুফরি।
- আমের জাত: মহানন্দা, মোহনভোগ, ল্যাংড়া, গোপালভোগ, হাড়িভাঙ্গা,, ক্ষীরসাপাতি।
- মরিচের জাত: যমুনা।
- টমেটো: বাহার, মানিক, রতন, অপূর্ব, মিন্টো, ঝুমকা, সিঁদুর, ও শ্রাবণী।


উৎস: বাংলাদেশ কৃষি তথ্য সহায়তা কেন্দ্র।

৯২৩.
বর্তমানে দেশে মহিষের সংখ্যা-
  1. ক) ১৪.০৪ লক্ষ
  2. খ) ৭.৮ লক্ষ
  3. গ) ১২.৩৪ লক্ষ
  4. ঘ) ১৫.০১ লক্ষ
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৫.০১ লক্ষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৫.০১ লক্ষ
ব্যাখ্যা

দেশে মহিষের সংখ্যা ১৫.০১ লক্ষ।
- মোষ বা মহিষ, (ইংরেজি: Water buffalo), গরুর নিকট আত্মীয় কালো চেহারার রোমন্থক প্রাণী। 
- এই বিশাল বোভিডির উৎপত্তি মূলত দক্ষিণ এশিয়া, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া ও চীন এই অঞ্চলে। 
- বর্তমানে এটি ইউরোপ, অস্ট্রেলিয়া, দক্ষিণ আমেরিকা ও আফ্রিকার কিছু দেশেও পাওয়া যায়।

সূত্র: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২১

৯২৪.
উচ্চ ফলনশীল আলুর জাত কোনটি?
  1. প্রতিভা
  2. গৌরব
  3. চমক
  4. প্রভাতী
সঠিক উত্তর:
চমক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চমক
ব্যাখ্যা

উচ্চ ফলনশীল কলার জাত:
- সিঙ্গাপুরী, কাবুলী, মেহের সাগর, অমৃত সাগর, সবরি, অনুপম, মালভোগ, মর্তমান, চাঁপা, অগ্নিশ্বর, কবরী।

উচ্চ ফলনশীল আলুর জাত:
- হীরা, আইলসা, ডায়মন্ড, কার্ডিনাল, চমক, মরিনী, সুন্দরী, কুফরী, মুলটা ইত্যাদি।

উচ্চ ফলনশীল গমের জাত:
- কাঞ্চন, আকবর, অঘ্রাণী, প্রতিভা, সৌরভ, গৌরব।

উচ্চ ফলনশীল পেঁয়াজের জাত:
- সুখ সাগর, ঝিটকা, কৈলাসনগর, তাহেরপুরী, ভাতি।

উচ্চ ফলনশীল বাঁধাকপির জাত:
- গ্রীন এক্সপ্রেস, ড্রামহেড, গোল্ডেন ক্রস, প্রভাতী, অগ্রদূত।

উচ্চ ফলনশীল ধানের জাত:
- বিপ্লব, হিরা, মালা, ইরাটম, ময়না, চান্দিনা, হরিধান, নারিফা, সুফলা, প্রগতি ইত্যাদি।

উচ্চ ফলনশীল আমের জাত:
- মহানন্দা, ল্যাংড়া, ফজলি, হাড়িভাঙ্গা, আম্রপালি, গোপালভোগ, সূর্যপুরী, হিমসাগর, মোহনভোগ প্রভৃতি।

উচ্চ ফলনশীল ভুট্টার জাত:
- বর্ণালি, শুভ্রা, খই, মোহর।

তথসূত্র - কৃষি তথ্য সার্ভিস।

৯২৫.
বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট কর্তৃক উদ্ভাবিত মোট ধানের জাত কয়টি?(অক্টোবর, ২০২৫)
  1. ১২১টি
  2. ১২৬টি
  3. ১২৭টি
  4. ১২৯টি
সঠিক উত্তর:
১২১টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২১টি
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট আটটি উচ্চফলনশীল বা হাইব্রিড জাতসহ মোট ১২১টি ধানের জাত উদ্ভাবন করেছে। 

- নতুন উদ্ভাবিত তিনটি জাত হল; লবণাক্ততা সহনশীল ব্রি-১১২, উচ্চফলনশীল বোরো ব্রি-১১৩ ও ব্লাস্ট রোগ প্রতিরোধী ব্রি-১১৪।
- গতকাল বুধবার জাতীয় বীজ বোর্ডের (এনএসবি) ১১৪তম সভায় নতুন এ তিনটি জাত অনুমোদন করা হয়।

• BRRI:
- বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (BRRI)।
- এর পূর্ণরুপ- Bangladesh Rice Research Institute
- অবস্থান- জয়দেবপুর, গাজীপুর।
- বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীনে একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, যা ১৯৭০ সালের ১ অক্টোবর পূর্ব পাকিস্তান ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট হিসেবে কাজ শুরু করে।

- স্বাধীনতার পর নতুন নামকরণ করা হয় বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট
- এটি বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট অ্যাক্ট, ১৯৭৩ অনুযায়ী প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বর্তমানে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের উদ্ভাবিত বেশ কিছু আধুনিক জাতের ধান অন্যান্য দেশে যেমন ভারত, নেপাল, ভুটান, মায়ানমার, ভিয়েতনাম ও পশ্চিম আফ্রিকার কয়েকটি দেশে ব্যাপকভাবে চাষ করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট।

৯২৬.
সার্ক কৃষি তথ্য কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) কলম্বো
  2. খ) ঢাকা
  3. গ) নয়াদিল্লি
  4. ঘ) থিম্পু
সঠিক উত্তর:
খ) ঢাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ঢাকা
ব্যাখ্যা

- দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা (SAARC- South Asian Association for Regional Cooperation) ১৯৮৫ সালের ৮ ডিসেম্বর প্রতিষ্ঠিত হয়।
- সার্কের সদর দপ্তর নেপালের কাঠমুন্ডুতে অবস্থিত।
- সার্কের বর্তমান সদস্য দেশ ৮ টি।
- সদস্য দেশগুলো হলো বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, নেপাল, ভুটান, মালদ্বীপ, ও আফগানিস্তান (সর্বশেষ সদস্য)।
- সার্কের বর্তমান মহাসচিব ইসালা রুয়ান ওরাকুন।
- সার্ক কৃষি তথ্য কেন্দ্র ও সার্ক আবহাওয়া কেন্দ্র ঢাকায় অবস্থিত।
- সার্ক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র গুজরাট।
- সার্ক বিশ্ববিদ্যালয় নয়াদিল্লিতে অবস্থিত।
- সার্ক জ্বালানি ও পরিবেশ কেন্দ্র পাকিস্তানের ইসলামাবাদে।
- সার্ক যক্ষা ও এইডস কেন্দ্র কাঠমুন্ডু।
- সার্ক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র কলম্বোতে অবস্থিত।
উৎসঃ সার্কের ওয়েবসাইট।

৯২৭.
বন বিভাগের অধীনে মোট কতটি জেলায় সংরক্ষিত বনভূমি রয়েছে?
  1. ক) ২১টি
  2. খ) ২৭টি
  3. গ) ২৯টি
  4. ঘ) ৩২টি
সঠিক উত্তর:
গ) ২৯টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২৯টি
ব্যাখ্যা
বন বিভাগের অধীনে বর্তমানে দেশে মোট ২৫.৭৫ লক্ষ হেক্টর বনভূমি রয়েছে।
এর মধ্যে ২৯টি জেলায় সংরক্ষিত বনভূমি বিদ্যমান যার মোট আয়তন ১৩.৩৯৯ লক্ষ হেক্টর।

(তথ্যসূত্র: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২১)
৯২৮.
গমের উন্নত জাত কোনটি?
  1. নয়নতারা
  2. সিন্দুরী
  3. বাহার
  4. বলাকা
সঠিক উত্তর:
বলাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বলাকা
ব্যাখ্যা
গম:
- গমের উন্নত জাত: বলাকা, দোয়েল, সোনালিকা, আকবর, আনন্দ, কাঞ্চন, শতাব্দী। 

এছাড়াও - 
- বেগুনের উন্নত জাত: শুকতারা, তারাপুরী, ইওরা ,ইসলামপুর্‌, খটখটিয়া, শিংনাথ, ঝুমকো, মুক্তকেশী, কাজলা, নয়নতারা, বিজয়, চমক এফ১।
- টমেটোর উন্নত জাত: বাহার, মানিক, রতন, মিন্টো, ঝুমকা। 
- আলুর উন্নত জাত: ডায়মন্ড, কার্ডিনাল, সিন্দুরী। 

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস।
৯২৯.
বীজ প্রত্যয়ন এজেন্সী কবে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৭৪ সালে
  2. ১৯৭৫ সালে
  3. ১৯৭৬ সালে
  4. ১৯৭৮ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭৪ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৪ সালে
ব্যাখ্যা

বীজ প্রত্যয়ন এজেন্সী (Seed Certification Agency):
- বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার (১৯৭৩-৭৮) আওতায় বিশ্ব ব্যাংকের আর্থিক সহায়তায় বীজের মান নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা হিসেবে “বীজ অনুমোদন সংস্থা” নামে ২২ জানুয়ারী ১৯৭৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- পরবর্তীতে সংস্থাপন মন্ত্রণালয়ের বাংলাভাষা বাস্তবায়ন কোষ কর্তৃক ২২ নভেম্বর ১৯৮৬ তারিখে এর নামকরণ “বীজ প্রত্যয়ন এজেন্সী” করা হয়।
- সরকারী ও বেসরকারী পর্যায়ে উৎপাদিত ও বাজারজাতকৃত নোটিফাইড ফসল যথাঃ ধান, গম, পাট, আলু ও আখ ফসলের বীজ প্রত্যয়ন ও মান নিয়ন্ত্রণে এ সংস্থাটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
- সরকারী পর্যায়ে উৎপাদিত অনুমোদিত জাতের গুণগত মান যাচাই এবং বীজের মান উৎকর্ষতা নিরূপণ করতঃ বীজ প্রত্যয়ন ট্যাগ বা সার্টিফিকেট প্রদানের দায়িত্ব প্রতিষ্ঠাকাল থেকেই বীজ প্রত্যয়ন এজেন্সীর উপর অর্পিত হয়।
- দেশে বীজ ফসলের জাত পরীক্ষাপূর্বক ছাড়করণ/নিবন্ধন থেকে শুরু করে মাঠ পরিদর্শন ও প্রত্যয়ন, পরীক্ষাগারে ও কন্ট্রোল ফার্মে বীজের মান পরীক্ষণ, প্রত্যয়ন ট্যাগ ইস্যুকরণ, মার্কেট মনিটরিং এবংমোবাইল কোর্ট পরিচালনার মাধ্যমে বীজ আইন ও বিধিমালা লংঘনকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থাগ্রহণ পর্যন্ত সংস্থাটির কার্যক্রম সম্প্রসারিত হয়েছে।
- কেন্দ্রীয় বীজ পরীক্ষাগার বীজ প্রত্যয়ন এজেন্সীর প্রধান কার্যালয়, গাজীপুরে অবস্থিত।
- কেন্দ্রীয় বীজ পরীক্ষাগারে পাঁচটি শাখার মাধ্যমে বীজ পরীক্ষার কার্যক্রম পরিচালিত হয় ।
- আঞ্চলিক বীজ পরীক্ষাগার: ৭টি (ঢাকা, চট্রগ্রাম, রাজশাহী, বরিশাল, সিলেট, খুলনা ও রংপুর)।
- এ সংস্থার সকল কারিগরি কর্মকান্ড জাতীয় বীজ নীতি-১৯৯৩, বীজ আইন- ২০১৮, বীজ বিধিমালা- ২০২০ এবং জাতীয় বীজ বোর্ডের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পরিচালিত হচ্ছে।

উল্লেখ্য,
- বীজ প্রত্যয়ন এজেন্সী সরকারিভাবে উৎপাদিত ও নিয়ন্ত্রিত ফসল যেমন- ধান, গম, পাট ও আলু বীজের প্রত্যয়নপূর্বক মান নিয়ন্ত্রণে বিশেষ ভূমিকা পালন করে আসছে।

উৎস: বীজ প্রত্যয়ন এজেন্সী ওয়েবসাইট।

৯৩০.
বাংলাদেশ সুগারক্রপ গবেষণা ইনস্টিটিউট কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. গাজীপুর
  2. মানিকগঞ্জ
  3. ফরিদপুর
  4. পাবনা
সঠিক উত্তর:
পাবনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাবনা
ব্যাখ্যা

সুগারক্রপ গবেষণা ইনস্টিটিউট:
- বাংলাদেশ সুগারক্রপ গবেষণা ইনস্টিটিউট পাবনা জেলার ঈশ্বরদীতে অবস্থিত।
- পাকিস্তান আমলে ১৯৫১ সালে প্রথম ইক্ষু গবেষণা কেন্দ্র হিসেবে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- দেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭৩ সালে এ কেন্দ্রটিকে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন তৎকালীন বাংলাদেশ চিনিকল সংস্থার নিকট হস্তান্তর করা হয়।
- এ সংস্থাটি ১৯৭৪ সালে ‘‘ ইক্ষু গবেষণা ইন্সটিটিউট’’ নামে একটি প্রকল্প প্রণয়ন করে।
- মূলত এ ইন্সটিটিউট হতে দু’ধরনের কাজ সম্পাদিত হয়,
(ক) ইক্ষুর উন্নত জাত ও উন্নত উৎপাদন কলা কৌশল উদ্ভাবন।
(খ) উদ্ভাবিত উন্নত জাত ও উন্নত উৎপাদন কলা-কৌশলসমূহ ইু চাষীদের মধ্যে বিস্তার ঘটানো।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ইক্ষু গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।

৯৩১.
সবচেয়ে বেশি কাঁঠাল উৎপাদন হয় কোন জেলায়?
  1. ক) গাজীপুর
  2. খ) রাজশাহী
  3. গ) দিনাজপুর 
  4. ঘ) কুমিল্লা
সঠিক উত্তর:
ক) গাজীপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) গাজীপুর
ব্যাখ্যা
• বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি কাঁঠাল উৎপাদন হয় ঢাকা  (২,80,15২ মে.টন)।
• জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি কাঁঠাল উৎপাদন হয় গাজীপুর (৯৫,৭৯৬ মেট্রিক টন)।

• বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি গম উৎপাদন হয় রাজশাহী (৪,১৭,৫৬২ মে.টন)।
• জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি গম উৎপাদন ঠাকুরগাও  (১,৮৩,৬১৭ মে.টন)।

• বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি ভুট্টা  উৎপাদন রংপুর  (২১,৬৯,৩০৮ মে.টন)।
• জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন হয় দিনাজপুর (৫,৮৪,৯৮০ মে.টন)।

• বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি আখ উৎপাদন হয় রাজশাহী (১৬,১০,২৩৭ মে.টন)।
• জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি আখ উৎপাদন হয় নাটোর (৯,৬৮,০০৭.৯২ মে.টন)।

• বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি লিচু উৎপাদন হয় রংপুর (২৩,৬০০.৮২ মে.টন)।
• জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি লিচু উৎপাদন হয় দিনাজপুর (১০,৬০৪ মে.টন)।

তথ্যসূত্র:- কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ – ২০২১
৯৩২.
বাংলাদেশে বোনা আমন ধান কাটা হয়-
  1. ক) অগ্রহায়ণ মাসে
  2. খ) মাঘ- ফাল্গুন মাসে
  3. গ) চৈত্র-বৈশাখ মাসে
  4. ঘ) শ্রাবণ-ভাদ্র মাসে
সঠিক উত্তর:
ক) অগ্রহায়ণ মাসে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) অগ্রহায়ণ মাসে
ব্যাখ্যা
আমন ধান মূলত দুই প্রকার; রোপা আমন ও বোনা আমন।
রোপা আমন অন্য জমিতে চারা প্রস্তুত করে, সেই চারা ক্ষেতে রোপণ করে ধান উৎপন্ন হয় বলে এর এরূপ নাম। রোপা আমন আষাঢ় মাসে বীজতলায় বীজ বোনা হয়, শ্রাবণ-ভাদ্র মাসে মূল জমিতে রোপণ করা হয় এবং কার্তিক-অগ্রহায়ণ-পৌষ (এলাকাভেদে) মাসে ধান কাটা হয়।
বোনা আমন ছিটিয়ে বোনা হয়। চৈত্র-বৈশাখ মাসে মাঠে বোনা আমনের বীজ বপন করা হয় এবং অগ্রহায়ণ মাসে পাকা ধান কাটা হয়। একে আছড়া আমন, বাওয়া আমন বা গভীর পানির আমনও বলা হয়।
[সূত্রঃ কৃষি তথ্য সার্ভিস (এআইএস)]
৯৩৩.
বাংলাদেশের কোন অঞ্চলে জুম চাষ প্রচলিত আছে?
  1. ক) খুলনা অঞ্চল
  2. খ) রাজশাহী অঞ্চল
  3. গ) কুমিল্লা অঞ্চলে
  4. ঘ) পার্বত্য চট্টগ্রাম
সঠিক উত্তর:
ঘ) পার্বত্য চট্টগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) পার্বত্য চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা
জুষ চাষ হলো স্থানান্তর চাষাবাদ যা সাধারণত পাহাড়ী এলাকায় করা হয়। এ পদ্ধতিতে ঢালু পাহাড়ে জঙ্গল পরিষ্কার করে চাষাবাদ করা হয়। বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রামের রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি জেলায় বসবাসকারী ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীরা এখনো কিছু কিছু এলাকায় জুষ চাষ করে। এছাড়া সিলেট অঞ্চলে খাসিয়া এবং ময়মনসিংহে গারোদের মধ্যেও জুম চাষ প্রচলিত ছিলো। (সূত্রঃ ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ভাষা ও সংস্কৃতি : সপ্তম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া)
৯৩৪.
বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক গৃহীত ই-কৃষি সেবা কোনটি?
  1. ক) Bangladesh Rice Knowledge Bank
  2. খ) Online Fertilizer Recommendation Software
  3. গ) কৃষকের ডিজিটাল ঠিকানা
  4. ঘ) সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ সরকার দেশব্যাপী কৃষকদের ই-কৃষি সেবা প্রদানের উদ্দেশ্যে নিম্নোক্ত ব্যবস্থা গ্রহন করেছে -
- কৃষকের জানালা
- কৃষকের ডিজিটাল ঠিকানা
- কৃষি বাতায়ন
- বন্ধু ফোন
- Online Fertilizer Recommendation Software
- Bangladesh Rice Knowledge Bank ইত্যাদি
উৎসঃ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০১৯।

৯৩৫.
বাংলাদেশের দ্বিতীয় পণ্য হিসেবে নিচের কোনটি ‘Geographical Indication (জিআই)’ সনদ লাভ করে?
  1. ক) কাঁকড়া
  2. খ) হিমসাগর আম
  3. গ) ইলিশ
  4. ঘ) চিংড়ি
সঠিক উত্তর:
গ) ইলিশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ইলিশ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের প্রথম পণ্য হিসেবে ২০১৬ সালের ১৭ নভেম্বর জামদানি শাড়ি ‘Geographical Indication (GI)’ বা ভৌগোলিক নির্দেশক সনদ লাভ করে। ২০১৭ সালে দ্বিতীয় পণ্য হিসেবে ইলিশ মাছ এবং ২০১৯ সালে তৃতীয় পণ্য হিসেবে চাঁপাইনবাবগঞ্জের ক্ষীরসাপাত আম বা হিমসাগর আম জিআই সনদ লাভ করে। বাংলাদেশে জাতিসংঘের বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পদ সংস্থা এর প্রতিনিধি হিসেবে প্যাটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্ক অধিদপ্তর জিআই সনদ প্রদান করে থাকে।
[সূত্রঃ প্যাটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্ক অধিদপ্তর, জাতীয় তথ্য বাতায়ন এবং দৈনিক কালেরকণ্ঠ]
৯৩৬.
বাংলাদেশের বৃহত্তম বনভূমি কোনটি?
  1. পার্বত্য চট্টগ্রাম বনাঞ্চল
  2. সিলেট বনাঞ্চল
  3. মধুপুর ও ভাওয়াল বনাঞ্চল
  4. সুন্দরবন বনাঞ্চল
সঠিক উত্তর:
পার্বত্য চট্টগ্রাম বনাঞ্চল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পার্বত্য চট্টগ্রাম বনাঞ্চল
ব্যাখ্যা
পার্বত্য চট্টগ্রাম বনাঞ্চল:
- বাংলাদেশের বৃহত্তম বনভূমি হলো পার্বত্য চট্টগ্রাম বনাঞ্চল।
- দেশের মোট বনভূমির ৪০ শতাংশ রয়েছে পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন জেলা বান্দরবান, খাগড়াছড়ি ও রাঙামাটিতে।
- সারা দেশে যে পরিমাণে বৃক্ষ বেড়েছে, তার ৭৮ শতাংশ চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রামে।
- বৃক্ষের বেশির ভাগই প্রাকৃতিক বন কেটে ও কৃষিজমিতে রোপণ করা ফলবাগান ও কাঠবাগান।
- দেশের মোট বনভূমি ও জীববৈচিত্র্যের বড় অংশ রয়েছে পার্বত্য চট্টগ্রামে।
- হাতি, চিতাসহ দেশের অনেক গুরুত্বপূর্ণ ও বিলুপ্তপ্রায় প্রাণী সেখানে এখনো বাস করে।

উল্লেখ্য,
- বৃহত্তম একক বনভূমি সুন্দরবন।

তথ্যসুত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও দৈনিক প্রথম আলো, ২২ মার্চ ২০২২।
৯৩৭.
বাংলাদেশের কোথায় জুম চাষ হয়?
  1. ময়মনসিংহ
  2. খাগড়াছড়ি
  3. টাঙ্গাইল
  4. রাজশাহী
সঠিক উত্তর:
খাগড়াছড়ি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খাগড়াছড়ি
ব্যাখ্যা
জুম চাষ:
- পাহাড়ি এলাকায় প্রচলিত এক ধরনের কৃষিপদ্ধতি।
- জুম চাষ বিশেষ শব্দে "ঝুম চাষ" নামেও পরিচিত।
- জুম চাষ এক ধরনের স্থানান্তরিত কৃষিপদ্ধতি।
- এটি মূলত জঙ্গল কেটে পুড়িয়ে চাষ করা হয়, আবার সেই স্থানে জমির উর্বরতা কমে গেলে পূর্বের স্থান হতে কৃষি জমি স্থানান্তরিত করে অন্যত্র আবার কৃষি জমি গড়ে ওঠে।
- পাহাড়ের গায়ে ঢালু এলাকায় এই চাষ করা হয়।
- এই পদ্ধতির চাষে বছরের বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ফসল উৎপাদন করা সম্ভব হয়।
- জুম চাষ ভারতে পোড়ু, বীরা, পোনম, প্রভৃতি নামেও পরিচিত।
- রাঙ্গামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি এই তিন জেলায় জুম চাষের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি।
- পাহাড়ীদের সমাজে জুম চাষ বেশ জনপ্রিয়।
- পাহাড়ী জুমিয়ান নারীরা অতি যত্নের সহিত জুম চাষে ব্যস্ত থাকে সব সময়।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৯৩৮.
’বাংলাদেশ সুগারক্রপ গবেষণা ইনস্টিটিউট’ কোথায় অবস্থিত?
  1. পাবনা
  2. দিনাজপুর
  3. বগুড়া
  4. রংপুর
সঠিক উত্তর:
পাবনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাবনা
ব্যাখ্যা

সুগারক্রপ গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএসআরআই):
- বাংলাদেশ সুগারক্রপ গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএসআরআই) দেশের একটি অগ্রজ গবেষণা প্রতিষ্ঠান।
- এটি ঈশ্বরদী 
- এখানে গবেষণা হয় ইক্ষু, তাল, খেজুর, গোলপাতা ও সুগারবীট ফসলের উপর।
- এছাড়া চিনি, গুড় ও চিবিয়ে খাওয়াসহ ইক্ষুর বহুমুখী ব্যবহারের উপরও গবেষণা করা হয়।
- বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিম ও দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চলের স্বল্প বৃষ্টিপাত এলাকায় ইক্ষুই একমাত্র নির্ভরযোগ্য অর্থকরী ফসল।
- ইক্ষুর উপর ভিত্তি করেই দেশে চিনি ও গুড় তৈরির শিল্প গড়ে উঠেছে।

উৎস: বিএসআরআই ওয়েবসাইট।

৯৩৯.
বাংলাদেশে চায়ের চাষাবাদ প্রথম শুরু হয় কোন জেলায়?
  1. সিলেটে
  2. হবিগঞ্জে
  3. চট্টগ্রামে
  4. পঞ্চগড়ে
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রামে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রামে
ব্যাখ্যা
চা ও চা বাগান:
- বাংলাদেশে চায়ের চাষাবাদ প্রথম শুরু হয় চট্টগ্রামে।
- বাণিজ্যিকভাবে বাংলাদেশে প্রথম চা চাষ শুরু হয় ১৮৫৪ সালে।
- বাংলাদেশে চায়ের চাষাবাদ প্রথম শুরু হয় ১৮৪০ সালে।
- সিলেটের মালনিছড়ায় প্রথম বাণিজ্যিক চা বাগান প্রতিষ্ঠা করা হয়।
- বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি চা বাগান মৌলভীবাজার জেলায়।

তথ্যসূত্র- বিবিসি বাংলা, ২১ মে ২০১২, দৈনিক সমকাল, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০১৮ ও বাংলাদেশ চা বোর্ড ওয়েবসাইট।
৯৪০.
বাংলাদেশে প্রথম চায়ের চাষাবাদ শুরু হয় কোন জেলায়?
  1. চট্টগ্রাম
  2. গাজীপুর
  3. পঞ্চগড়
  4. সিলেট
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা
চা ও চা বাগান:
- বাংলাদেশে চায়ের চাষাবাদ প্রথম শুরু হয় চট্টগ্রামে।
- বাণিজ্যিকভাবে বাংলাদেশে প্রথম চা চাষ শুরু হয় ১৮৫৪ সালে।
- বাংলাদেশে চায়ের চাষাবাদ প্রথম শুরু হয় ১৮৪০ সালে।
- সিলেটের মালনিছড়ায় প্রথম বাণিজ্যিক চা বাগান প্রতিষ্ঠা করা হয়।
- বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি চা বাগান মৌলভীবাজার জেলায়।

তথ্যসূত্র- বিবিসি বাংলা, ২১ মে ২০১২, দৈনিক সমকাল, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০১৮ ও বাংলাদেশ চা বোর্ড ওয়েবসাইট।
৯৪১.
জেলা অনুযায়ী সবচেয়ে বেশি বনভূমি রয়েছে কোন জেলায়?
  1. ক) বাগেরহাট
  2. খ) খুলনা
  3. গ) রাঙামাটি
  4. ঘ) বান্দরবান
সঠিক উত্তর:
গ) রাঙামাটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) রাঙামাটি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে মোট বনভূমির পরিমাণ প্রায় ২৫.৮ লক্ষ হেক্টর।
জেলা অনুযায়ী সর্বাধিক বনভূমি:
- প্রথম : রাঙামাটি (৫.৫১ লক্ষ হেক্টর)
- দ্বিতীয় : বান্দরবান (৩.১৯ লক্ষ হেক্টর)
- তৃতীয় : বাগেরহাট (২.২৬ লক্ষ হেক্টর)।

(তথ্যসূত্র: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২১)
৯৪২.
বাংলাদেশের জিডিপিতে ইলিশের অবদান কত?
  1. ১%
  2. ১.৮%
  3. ২.২%
  4. ২.৮%
সঠিক উত্তর:
১%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১%
ব্যাখ্যা
ইলিশ:
- জাতীয় মাছ ইলিশ আমাদের ঐতিহ্যের ধারক ও বাহক।
- বর্তমানে ইলিশ উৎপাদনকারী ১১টি দেশের মধ্যে বিশ্বে প্রথম বাংলাদেশ।
- দেশের মোট মৎস্য উৎপাদনে ইলিশ মাছের অবদান প্রায় ১১%।
- বাংলাদেশের জিডিপিতে ইলিশের অবদান ১%।
- দেশে ইলিশের অভয়াশ্রম ৬টি।

উৎস: ।) ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা প্রকল্প।
ii) মৎস্য অধিদপ্তর, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়।
৯৪৩.
'গ্রীন এক্সপ্রেস' কোন ফসলের উন্নত জাত?
  1. ক) তুলা
  2. খ) তামাক
  3. গ) টমেটো
  4. ঘ) বাঁধাকপি
সঠিক উত্তর:
ঘ) বাঁধাকপি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) বাঁধাকপি
ব্যাখ্যা
- উন্নত জাতের বাঁধাকপি নাম গ্রীন এক্সপ্রেস।
- আগাম জাতের বাঁধাকপি  লাগাতে চাইলে লাগাতে হবে কে ক্রস এবং এক্সপ্রেস ক্রস জাত দুটি।
- মধ্যম সময়ের উপযোগী জাত হল কে ওয়াই ক্রস, এটলাস ৭০, টোকিও প্রাইড, গ্রীন এক্সপ্রেস, প্রভাতী ইত্যাদি। 
- আর দেরীতে লাগাতে চাইলে লাগাতে হবে এটলাস ৭০, লিও ৮০, সেভয়, রুবি বল, ড্রাম হেড ইত্যাদি।
- এ দেশের আবহাওয়ায় বীজ উৎপাদন করতে চইলে করতে হবে বারি বাঁধাকপি ২ (অগ্রদূত), ইপসা বাঁধাকপি ১।
- সমপ্রতিক আমদানীকৃত হাইব্রিড জাতসমূহের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল সামার ওয়ারিয়র এফ ১, লরেন্স এফ ১, গ্রীন ৬২১ এফ ১, সামার ষ্টার এফ ১, গ্রীন কর্নেট এফ ১, অটাম কুইন এফ ১, সুপার ট্রপিক এফ ১, সামার বয় এফ ১, গ্রীন বল ৪০ এফ ১, সুপ্রিম কুইন এফ ১ ইত্যাদি। 

উৎস: জাতীয় কৃষি তথ্য সার্ভিস।
৯৪৪.
বাংলাদেশে প্রথম অর্গানিক চায়ের চাষ শুরু হয় কোথায়?
  1. মৌলভীবাজার
  2. চট্টগ্রাম
  3. হবিগঞ্জ
  4. পঞ্চগড়
সঠিক উত্তর:
পঞ্চগড়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পঞ্চগড়
ব্যাখ্যা
- অর্গানিক চা হলো সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক উপায়ে উৎপাদিত চা। অর্থাৎ অর্গানিক চা চাষে রাসায়নিক সার বা কীটনাশক ব্যবহৃত হয় না।
- বাংলাদেশে ২০০০ সালের দিকে পঞ্চগড় জেলার তেতুঁলিয়ায় সর্বপ্রথম অর্গানিক চায়ের চাষ শুরু হয়। বেসরকারি প্রতিষ্ঠান কাজী এন্ড কাজী টি এস্টেটের মাধ্যমে তেতুঁলিয়ায় প্রথম অর্গানিক চায়ের চাষ শুরু হয়।
- বর্তমানে পঞ্চগড়, ঠাকুরগাঁও, দিনাজপুর প্রভৃতি জেলায় ক্ষুদ্র ও বৃহৎ পরিসরে অর্গানিক চায়ের চাষ হচ্ছে।
(তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন, চা গবেষণা ইনস্টিটিউট এবং প্রথম আলো)
৯৪৫.
কৃষি বিজ্ঞানী প্রফেসর নরম্যান বোরলগ কত সালে বাংলাদেশ সফর করেন?
  1. ১৯৯৪ সালে
  2. ১৯৯৭ সালে
  3. ১৯৯৯ সালে
  4. ২০০৩ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৯৯ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯৯ সালে
ব্যাখ্যা
₻ নরম্যান বোরলগ
- নরম্যান বোরলগ ১৯৯৯ সালে বাংলাদেশ সফর করেন। 
- এবং বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় তাকে সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রি প্রদান করে।
- বোরলগ খাদ্য সুরক্ষা এবং টেকসই কৃষি অর্জন এবং প্রচারের জন্য তাঁর স্বপ্নের জন্য তাঁর জীবন উৎসর্গ করেছিলেন।

সূত্র: দ্য ডেইলি স্টার।
৯৪৬.
নিম্নের কোনটি উন্নত জাতের বেগুন?
  1. নয়নতারা
  2. হীরা
  3. কার্ডিনাল
  4. কাঞ্চন
সঠিক উত্তর:
নয়নতারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নয়নতারা
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন ফসলের উন্নত জাত:
- বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইন্সটিটিউট কর্তৃক উদ্ভাবিত উন্নত জাতের বেগুন: শুকতারা, নয়নতারা, তারাপুরী, ইসলামপুরী, কাজলা, বিজয়, মুক্তকেশী, ঝুমকো।

অন্যদিকে,
• উন্নত জাতের গম: সোনালিকা, বলাকা, দোয়েল, অগ্রণী, আনন্দ, কাঞ্চন, শতাব্দী ও আকবর।
• উন্নত জাতের ধান: ইরাটম, ব্রি হাইব্রিড - ১, চান্দিনা, হীরা, মালা, বিপ্লব, দুলাভোগ, মোহিনী, সুফলা, আশা, প্রগতি।
• উন্নত জাতের মরিচ: যমুনা।
• উন্নত জাতের আলু: হিরা, আইলসা, পেট্রোনিস, মুল্টা, ডায়ামন্ট, কার্ডিনাল, মন্ডিয়াল, কুফরী সিন্দুরী, চমক, ধীরা, গ্রানোলা, ক্লিওপেট্রা ও চিনেলা।

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস।
৯৪৭.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩ অনুযায়ী কৃষিখাতের প্রবৃদ্ধির হার কত?
  1. ক) ১.৫৯%
  2. খ) ২.২৩%
  3. গ) ২.৬১%
  4. ঘ) ৩.৫৫%
সঠিক উত্তর:
গ) ২.৬১%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২.৬১%
ব্যাখ্যা
২০২২-২৩ অর্থবছরে বৃহৎ ৩টি খাত:

- জিডিপির সর্ববৃহৎ খাত - সেবাখাত (১৩টি খাত নিয়ে গঠিত)।
- সবচেয়ে ছোট খাত - কৃষিখাত।
- কর্মসংস্থানের দিক থেকে বৃহৎখাত - কৃষিখাত (৪৫.৩৩ শ্রমশক্তি নিয়োজিত)।
- সবচেয়ে ছোট খাত শিল্পখাত (১৭.০২% শ্রমশক্তি - নিয়োজিত)।
- জিডিপির সবচেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল খাত - শিল্পখাত।
- এর প্রবৃদ্ধির হার - ৮.১৮%।
- কৃষিখাতের প্রবৃদ্ধির হার সবচেয়ে কম।
- এর প্রবৃদ্ধির হার - ২.৬১%।

তথ্যসূত্র - অর্থনৈতিক সমীক্ষা, ২০২৩।
৯৪৮.
বাংলাদেশের কৃষির কয়টি উপখাত রয়েছে?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
সঠিক উত্তর:
৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪টি
ব্যাখ্যা

কৃষির উপখাত:
- বাংলাদেশের কৃষির ৪টি উপখাত রয়েছে। যথা:
• শস্য ও শাকসবজি,
• প্রাণি সম্পদ,
• বনজ সম্পদ,
• মৎস সম্পদ।

⇒ শস্য ও শাক-সবজি (Crops and vegetables):
- এটি বাংলাদেশের কৃষির সর্ববৃহৎ উপখাত।
- এ খাতে বিভিন্ন ধরনের খাদ্য শস্য যেমন ধান, গম, ভুট্টা, ডাল, তৈলবীজ, বাদাম, পিয়াজ, রসুন, আদা, হলুদ এবং বিভিন্ন ধরনের শাক-সবজি যেমন লাল শাক, পালং শাক, পটল, ঢেরস, করলা, লাউ, বেগুন, শসা, টমেটো, কপি ইত্যাদি উৎপাদিত হয়।
- তাছাড়া এ উপখাতে বিভিন্ন ধরনেরর অর্থকারী ফসল যেমন পাট, চা, আখ, তামাক, রেশম, তুলা, রবার ইত্যাদি উৎপাদিত হয়।

⇒ প্রাণিসম্পদ (Livestock):
- গৃহে পালিত নানাজাতীয় পশু-পাখি নিয়েই বাংলাদেশের প্রাণিসম্পদ উপখাত গঠিত।
- গরু, মহিষ, ছাগল, ভেড়া, ঘোড়া, হাঁস-মুরগি, কবুতর প্রভৃতি এদেশের প্রাণিসম্পদের অন্তর্ভূক্ত।
- প্রাণি সম্পদ থেকে প্রাপ্ত মাংস, দুধ, ডিম, ইত্যাদি মানব দেহের অত্যাবশ্যকীয় প্রাণিজ আমিষের চাহিদা পূরণ করে।
- তাছাড়া চাষাবাদ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, চামড়া ও চমড়া জাতীয় দ্রব্যদি উৎপাদন ও রপ্তানিতে এ উপখাতের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ।

⇒ বনজ সম্পদ (Forest Resources):
- এটি আমাদের কৃষির একটি গুরুত্বপূর্ণ উপখাত।
- বাংলাদেশের মোট ভূখন্ডের শতকরা প্রায় ১৭ ভাগ জুড়ে বন রয়েছে।
- বনে সুন্দরি, গড়ান, গেওয়া, কেওড়া, শাল, গর্জন, গামাড়ি, গোলপাতা প্রভৃতি গাছ জন্মে।
- এগুলো থেকে দেশের কাঠের চাহিদার সিংহভাগ পূরণ হয় এবং কয়েকটি শিল্পের কাঁচামালের যোগান আসে।
- জ্বালানি কাঠ, বাঁশ, বেত, মোম, মধু, বিভিন্ন ধরনের ফলমূল, ইত্যাদি এ উপখাত থেকে পাওয়া যায়।

⇒ মৎস্য সম্পদ (Fisheries):
- বাংলাদেশের অর্থনীতিতে মৎস্য সম্পদের বিপুল সম্ভাবনা থাকায় বাংলাদেশ সরকার একে একটি পৃথক খাত হিসেবে গণ্য করেছে।
- তবে সার্বিক বিবেচনায় এ খাতও কৃষিখাতের অন্তর্ভূক্ত।
- বাংলাদেশের অসংখ্য নদী-নালা, খাল-বিল, পুকুরে বিভিন্ন প্রজাতির মাছ পাওয়া যায়।
- এছাড়াও দেশের সামুদ্রিক মৎস্য ক্ষেত্রগুলো থেকে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ মাছ আহরিত হয়।

উৎস: অর্থনীতি ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯৪৯.
নিচের কোন জেলায় সরকারি সংরক্ষিত বনভূমি নেই?
  1. ক) শেরপুর
  2. খ) রাজশাহী
  3. গ) নোয়াখালী
  4. ঘ) হবিগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
খ) রাজশাহী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) রাজশাহী
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের মোট ৩৫টি জেলায় সরকারি মোট বনভূমি রয়েছে যার পরিমাণ ২৫,৭৫১.৯৬ বর্গ কিলোমিটার (শতকরা ১৭.৪৫ ভাগ)।
- এর মধ্যে সরকারি সংরক্ষিত বনভূমির পরিমাণ ১৩,৩৯৯ বর্গকিলোমিটার (শতকরা ১২.৭৪ ভাগ)।
- শেরপুর, নোয়াখালী ও হবিগঞ্জসহ দেশের মোট ২৯টি জেলায় সংরক্ষিত বনভূমি রয়েছে।
- রাজশাহী জেলায় সরকারি কিংবা সংরক্ষিত বনভূমি নেই।
(তথ্যসূত্র: বিবিএস পকেটবুক-২০২০)
৯৫০.
আলু চাষের জন্য কোন মাটি সবচেয়ে উপযোগী?
  1. এঁটেল
  2. বেলে
  3. বেলে দো-আঁশ
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
বেলে দো-আঁশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেলে দো-আঁশ
ব্যাখ্যা
আলু:
- আলু বিশ্বের অন্যতম প্রধান ফসল।
- উৎপাদনের দিক থেকে ধান, গম ও ভুট্টার পরেই চতুর্থ স্থানে আছে আলু।
- আলু একটি স্টার্চ প্রধান খাদ্য এবং ভাতের বিকল্প হিসেবে খাওয়া যেতে পারে।
- আলু চাষের জন্য বেলে দো-আঁশ মাটি সবচেয়ে উপযোগী।

উল্লেখ্য,
- বর্তমানে আলু চাষের মোট জমির শতকরা ৬৫ ভাগ জমিতে উন্নত জাতের আলু এবং ৩৫ ভাগ জমিতে দেশি জাতের আলুর চাষ হয়ে থাকে।
- ১৯৬০ সাল থেকে এ পর্যন্ত যেসব উন্নত জাতের আলুর চাষ হচ্ছে তার মধ্যে হিরা, আইলসা, পেট্রোনিস, মুল্টা, ডায়ামন্ড, কার্ডিনাল, মন্ডিয়াল, কুফরী সিন্দুরী, চমক, ধীরা, গ্রানোলা, ক্লিওপেট্রা ও চিনেলা জাতটি সবচেয়ে বেশি চাষ হয়েছে।
- এগুলো সবই উচ্চফলনশীল জাত।

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস।
৯৫১.
বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউট কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) ঈশ্বরদী, পাবনা
  2. খ) নশিপুর, দিনাজপুর
  3. গ) শিবগঞ্জ, বগুড়া
  4. ঘ) সাভার, ঢাকা
সঠিক উত্তর:
খ) নশিপুর, দিনাজপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) নশিপুর, দিনাজপুর
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউট দিনাজপুর জেলার নশিপুরে অবস্থিত। এটি ২০১৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর পূর্বে এটি বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধীনে একটি গবেষণা কেন্দ্র হিসেবে পরিচালিত হয়।
- বর্তমানে এটির অধীনে ৫টি আঞ্চলিক কেন্দ্র ও ২টি বীজ উৎপাদন কেন্দ্র রয়েছে।
(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট)
৯৫২.
বাংলাদেশে ‘হোয়াইট গোল্ড’ নামে পরিচিত কোনটি?
  1. ক) ইলিশ
  2. খ) চিংড়ি
  3. গ) কাঁকড়া
  4. ঘ) তেলাপিয়া
সঠিক উত্তর:
খ) চিংড়ি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) চিংড়ি
ব্যাখ্যা
রপ্তানির মাধ্যমে অধিক পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করায় বাংলাদেশে চিংড়িকে হোয়াইট গোল্ড নামে অভিহিত করা হয়। দেশের দক্ষিণাঞ্চলের খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরা জেলায় সবচেয়ে বেশি চিংড়ি চায় হয়। এ অঞ্চলটিকে বাংলাদেশের কুয়েতসিটি বলা হয়।
(সূত্র: কৃষি পরিসংখ্যান গ্রন্থ-২০১৯)
৯৫৩.
জিংক সমৃদ্ধ ধানের জাত -
  1. ব্রি ধান ৬২
  2. ব্রি ধান ৬৬
  3. ব্রি ধান ৬৯
  4. ব্রি ধান ৭১
সঠিক উত্তর:
ব্রি ধান ৬২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্রি ধান ৬২
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট উদ্ভাবিত জাত:

- জিংক সমৃদ্ধ ধানের জাত হলো: ব্রি ধান ৬২ , ব্রি ধান ৬৪, ব্রি ধান ৭২, ব্রি ধান ৭৪, ব্রি ধান ৮৪।
- খরা সহিষ্ণু ধানের জাত সমূহ হলো: ব্রি ধান ৪৩, ব্রি ধান ৫৫, ব্রি ধান ৫৬, ব্রি ধান ৫৭, ব্রি ধান ৬৬, ব্রি ধান ৭১ ও ব্রি ধান ৮৩।
- এন্টি অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ ধানের জাত: বিআর ৫।
- লো জিআই বা নিম্ন গ্লাইসেমিক ইনডেক্স গুণ সম্পন্ন ধানের জাত: বিআর ১৬, ব্রি ধান ৪৬, ব্রি ধান ৬৯।
- জলমগ্নতা সহিষ্ণু ধানের জাত: ব্রি ধান ৫১, ব্রি ধান ৫২, ব্রি ধান ৭৯।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।
৯৫৪.
বাংলাদেশে জুম চাষ কোথায় হয়?
  1. রাঙামাটি
  2. খাগড়াছড়ি
  3. বান্দরবান
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
জুম চাষ:
- জুম বাংলাদেশের পাহাড়ি অঞ্চলের এক ধরনের চাষাবাদ পদ্ধতি।
- পাহাড়ের ঢালু এলাকায় জঙ্গল কেটে বা পুড়িয়ে পাহাড়িরা সাধারণত চাষাবাদ করে থাকে।
- বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রামের রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি জেলায় ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীদের মাঝে জুম চাষ পদ্ধতি প্রচলিত রয়েছে।      

উৎস: ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ভাষা ও সংস্কৃতি, সপ্তম শ্রেণি এবং বাংলাপিডিয়া।
৯৫৫.
শালবনের আয়তন কত হেক্টর?
  1. ক) ১.৫ লক্ষ হেক্টর
  2. খ) ১.২ লক্ষ হেক্টর
  3. গ) ১.৪ লক্ষ হেক্টর
  4. ঘ) ২.৪ লক্ষ হেক্টর
সঠিক উত্তর:
খ) ১.২ লক্ষ হেক্টর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১.২ লক্ষ হেক্টর
ব্যাখ্যা
টাঙ্গাইলের মধুপুর, গাজীপুরের ভাওয়াল গড়, শেরপুর, ময়মনসিংহ ও বরেন্দ্রভূমি এলাকা জুড়ে শালবন বিস্তৃত। এই বনের মোট আয়তন ১.২ লক্ষ হেক্টর।
শালবন একটি পত্রপতনশীল বৃক্ষের বনভূমি। যার কারণে শীতকালে এই বনের গাছের পাতা ঝড়ে যায়।
শালবনের প্রধান বৃক্ষ হলো শাল বা গজারী।
(সূত্রঃ বন অধিদপ্তর ওয়েবসাইট)
৯৫৬.
ইরাটম এক প্রকার -
  1. ধানের জাত 
  2. গমের জাত 
  3. ভুট্টার জাত 
  4. সরিষার জাত 
সঠিক উত্তর:
ধানের জাত 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধানের জাত 
ব্যাখ্যা

ইরাটম:
- ইরাটম এক প্রকার ধানের জাত।
- এছাড়াও, উচ্চ ফলনশীল ধানের জাত: বিপ্লব, হিরা, মালা, ইরাটম, ময়না, চান্দিনা, হরিধান, নারিফা, সুফলা, প্রগতি ইত্যাদি।

উলেখ্য,
• উন্নত জাতের গম: সোনালিকা, বলাকা, দোয়েল, অগ্রণী, আনন্দ, কাঞ্চন, শতাব্দী ও আকবর।
• উন্নত জাতের তামাক: সুমাত্রা ও ম্যানিলা।
• উন্নত জাতের ভুট্টা: বর্ণালী, শুভ্রা, মোহর ও উত্তরণ।
• উন্নত জাতের আম: মহানন্দা, ল্যাংড়া, গোপালভোগ, হাড়িভাঙ্গা, ক্ষীরসাপাতি ও মােহনভােগ।
• উন্নত জাতের টমেটো: বাহার, মানিক, রতন, অপূর্ব, মিন্টো, ঝুমকা, সিঁদুর, শ্রাবণী।
• উন্নত জাতের মরিচ: যমুনা।
• উন্নত জাতের বেগুন: শুকতারা, নয়নতারা, তারাপুরী, ইসলামপুরী, কাজলা, বিজয়, মুক্তকেশী, ঝুমকো।
• উন্নত জাতের আলু: হিরা, আইলসা, পেট্রোনিস, মুল্টা, ডায়ামন্ট, কার্ডিনাল, মন্ডিয়াল, কুফরী সিন্দুরী, চমক, ধীরা, গ্রানোলা, ক্লিওপেট্রা ও চিনেলা।
• উন্নত জাতের তুলা: সিবি-১০, রূপালী, ডেলফোজ।
• উন্নত জাতের আনারস: জায়ান্ট কিউ, হানি কুইন, ঘোড়াশাল, জলঢুপি।

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস।

৯৫৭.
সর্বশেষ দেশে কততম কৃষিশুমারি অনুষ্ঠিত হয়েছিলো?
  1. ক) ৩য়
  2. খ) ৪র্থ
  3. গ) ৫ম
  4. ঘ) ৬ষ্ঠ
সঠিক উত্তর:
গ) ৫ম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৫ম
ব্যাখ্যা
- স্বাধীন বাংলাদেশে সর্বশেষ ৫ম কৃষিশুমারি অনুষ্ঠিত হয় ২০১৯ সালের ৯-২০ জুন।
- ২৭ অক্টোবর ২০১৯ এর প্রাথমিক রিপোর্ট প্রকাশ করা হয়।

- প্রথম কৃষিশুমারি অনুষ্ঠিত হয় : ১৯৭৭ সালে
- দ্বিতীয় কৃষিশুমারি অনুষ্ঠিত হয় : ১৯৮৩-৮৪ সালে
- তৃতীয় কৃষিশুমারি অনুষ্ঠিত হয় : ১৯৯৬ সালে
- চতুর্থ কৃষিশুমারি অনুষ্ঠিত হয় : ২০০৮ সালে।

- বাংলাদেশ ভূখন্ডে (তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান) ১৯৬০ সালে সর্বপ্রথম কৃষি শুমারি অনুষ্ঠিত হয়।

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস)।
৯৫৮.
বাংলাদেশে দুই ফসলি জমির মোট পরিমাণ -
  1. ক) ৫২.১৬ লক্ষ একর
  2. খ) ১০১.৯৪ লক্ষ একর
  3. গ) ৪৬.১৩ লক্ষ একর
  4. ঘ) ৫৬ হাজার একর
সঠিক উত্তর:
খ) ১০১.৯৪ লক্ষ একর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১০১.৯৪ লক্ষ একর
ব্যাখ্যা
• মোট আবাদযোগ্য জমি (Gross Cropped Area) - ৩ কোটি ৯৬ লক্ষ ৭৮ হাজার একর।
• মোট আবাদী জমি (Net Cropped Area) - ২ কোটি ৮১ হাজার একর।
- এক ফসলি জমি - ৫২.১৬ লক্ষ একর
- দুই ফসলি জমি - ১০১.৯৪ লক্ষ একর
- তিন ফসলি জমি - ৪৬.১৩ লক্ষ একর
- চার ফসলি জমি – ৫৬ হাজার একর

• আবাদযোগ্য নয় এমন জমির পরিমাণ (Not available for cultivation) - ৮২ লক্ষ ৮৪ হাজার একর।
• বনাঞ্চল (Forest Area) - ৬৩ লক্ষ ৬৩ হাজার ৩০৯ একর।


সূত্র: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ – ২০২১
৯৫৯.
বাংলাদেশে প্রধান বীজ উৎপাদনকারী সরকারি প্রতিষ্ঠানের কার্যালয় কোথায়?
  1. ঈশ্বরদী
  2. মতিঝিল
  3. শ্রীপুর
  4. কাপাসিয়া
সঠিক উত্তর:
মতিঝিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মতিঝিল
ব্যাখ্যা
 • বাংলাদেশের প্রধান সরকারি বীজ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান হলো BADC (Bangladesh Agricultural Development Corporation)। 
- ১৯৬১ সালে প্রতিষ্ঠিত পূর্ব পাকিস্তান কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন দেশ স্বাধীনের পর BADC নামধারণ করে।
- এটির প্রধান কার্যালয় ঢাকার মতিঝিলে অবস্থিত।

• বিএডিসি’র উপর অর্পিত মৌলিক কাজগুলো হচ্ছে: সারা বাংলাদেশে কৃষি উপকরণ উৎপাদন, সংগ্রহ (ক্রয়), পরিবহন, সংরক্ষণ এবং বিতরণ ব্যবস্থাপনা টেকসই করা এবং অত্যাবশ্যকীয় কৃষি উপকরণ যেমন: বীজ, সার সরবরাহ এবং ভূপরিস্থ ও ভূগর্ভস্থ পানি ব্যবহারের মাধ্যমে কৃষকের জন্য সেচের সুযোগ সৃষ্টি করা।

• বিএডিসি’র মিশন -  উচ্চ ফলনশীল বিভিন্ন ফসলের বীজ উৎপাদন, সংরক্ষণ ও সরবরাহ বৃদ্ধি করা, সেচ প্রযুক্তি উন্নয়ন, ভূ-পরিস্থ পানির সর্বোত্তম ব্যবহার, জলাবদ্ধতা দূরীকরণের মাধ্যমে সেচ দক্ষতা ও সেচকৃত এলাকা বৃদ্ধি এবং কৃষক পর্যায়ে মানসম্পন্ন সার সারবরাহ করা।

• বিএডিসি একমাত্র সরকারি প্রতিষ্ঠান যার কাজ হচ্ছে গবেষণা প্রতিষ্ঠান থেকে উদ্ভাবিত ফসলের নতুন জাতের বীজ পরিবর্ধন করা। প্রতিষ্ঠানটি ইতোমধ্যে মানসম্পন্ন বীজ সরবরাহের মাধ্যমে প্রযুক্তিগতভাবে উৎকর্ষতা অর্জন করেছে।
১৯৬১ সালে মাত্র ১৩.৮ মে.টন বীজ দিয়ে বিএডিসির বীজ কার্যক্রম শুরু হয়। আধুনিক জাতের মানসম্পন্ন বীজ সরবরাহ কার্যক্রমের মাধ্যমে কৃষকের নিকট প্রতিষ্ঠানটি যেমন গ্রহণযোগ্যতা পেয়েছে তেমনিভাবে দেশে সুসংগঠিত বীজ ব্যবস্থার উন্নয়নে যথেষ্ঠ অবদান রেখেছে। বিএডিসি ২০১৫-১৬ সালে বীজ উৎপাদন খামার এবং কঃগ্রোঃজোনের মাধ্যমে বিভিন্ন ফসলের ১,৪১,০২২ মে.টন বীজ উৎপাদন ও সরবরাহ করেছে।

সূত্র: BADC ওয়েবসাইট।  
৯৬০.
ইলিশ আহরণে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান কততম?
  1. ক) প্রথম
  2. খ) দ্বিতীয়
  3. গ) তৃতীয়
  4. ঘ) পঞ্চম
সঠিক উত্তর:
ক) প্রথম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) প্রথম
ব্যাখ্যা
ইলিশ মাছ আহরণে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান প্রথম। বিশ্বের মোট ইলিশ উৎপাদনের প্রায় ৮৬ ভাগ বাংলাদেশে উৎপাদিত হয়। ২০১৯-২০ অর্থবছরে দেশে ইলিশ উৎপাদনের পরিমাণ ছিলো প্রায় ৫.৫০ লক্ষ মেট্রিক টন।

ওয়ার্ল্ড ফিশ প্রকাশিত রিপোর্ট অনুসারে বিশ্বের শীর্ষ ইলিশ উৎপাদনকারী দেশসমূহ:
- প্রথম : বাংলাদেশ (৮৬ শতাংশ)
- দ্বিতীয় : ভারত (১০.৫ শতাংশ)
- তৃতীয় : মিয়ানমার (৩ শতাংশ)।

(তথ্যসূত্র: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২১ এবং প্রথম আলো রিপোর্ট)
৯৬১.
আমাদের দেশে বনায়নের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ-
  1. ক) গাছপালা পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট করে
  2. খ) গাছপালা অক্সিজেন ত্যাগ করে পরিবেশকে নির্মল রাখে ও জীব জগতকে বাঁচায়
  3. গ) দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে কোনো অবদান নেই
  4. ঘ) ঝড় ও বন্যার আশঙ্কা বাড়িয়ে দেয়
সঠিক উত্তর:
খ) গাছপালা অক্সিজেন ত্যাগ করে পরিবেশকে নির্মল রাখে ও জীব জগতকে বাঁচায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) গাছপালা অক্সিজেন ত্যাগ করে পরিবেশকে নির্মল রাখে ও জীব জগতকে বাঁচায়
ব্যাখ্যা
পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় কোন দেশের মোট আয়তনের ন্যূনতম ২৫ ভাগ বনভূমি থাকতে হয়। তবে বাংলাদেশে বনভূমির পরিমাণ মোট আয়তনের শতকরা ১৭ ভাগ।
আমাদের দেশের জন্য বনায়ন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কেননা -
- গাছপালা অক্সিজেন ত্যাগ করে পরিবেশকে নির্মল রাখে ও জীব জগতকে বাঁচায়।
- গাছপালা বিভিন্ন ছোট জীবজন্তু ও পাখির আশ্রয়স্থল হিসাবে কাজ করে এবং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করে।
- গাছপালা বিভিন্ন দুর্যোগ থেকে জীবজগৎকে রক্ষা করে।
৯৬২.
বাংলাদেশে রোপা আমন ধান কাটা হয়-
  1. ক) এপ্রিল – মে
  2. খ) ডিসেম্বর – জানুয়ারির শুরু
  3. গ) মধ্য জুলাই – আগস্টের শুরু
  4. ঘ) মধ্য মার্চ – মধ্য এপ্রিল
সঠিক উত্তর:
খ) ডিসেম্বর – জানুয়ারির শুরু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ডিসেম্বর – জানুয়ারির শুরু
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে রোপা আমন ধান কাটা হয়-ডিসেম্বর – জানুয়ারির শুরু (রোপনের সময়-জুনের শেষ – সেপ্টেম্বরের শুরু)।

অন্যদিকে--
আউশ ধান রোপনের সময়-মধ্য মার্চ – মধ্য এপ্রিল এবং উত্তোলনের সময় মধ্য জুলাই – আগস্টের শুরু।
বোরো ধান রোপনের সময়- মধ্য নভেম্বর – মধ্য জানুয়ারি এবং উত্তোলনের সময়- এপ্রিল – মে।

তথ্যসূত্র: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ– ২০২১ (বিবিএস)
৯৬৩.
'খরিপ' মৌসুমের সময়কাল কোনটি?
  1. চৈত্র - ভাদ্র 
  2. মাঘ- ভাদ্র
  3. শ্রাবণ - অগ্রাহয়ণ
  4. আশ্বিন - ফাল্গুন
সঠিক উত্তর:
চৈত্র - ভাদ্র 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চৈত্র - ভাদ্র 
ব্যাখ্যা

কৃষিক্ষেত্রে মৌসুম:
- ফসল উৎপাদনের জন্য সারাবছরকে দুইটি মৌসুমে ভাগ করা যায়। যথা:
i) রবি মৌসুম:
- শীতকালীন শস্যকে বলে রবি শস্য।
- আশ্বিন থেকে ফাল্গুন হচ্ছে রবি মৌসুম।
- মধ্য অক্টোবর থেকে মধ্য মার্চ পর্যন্ত, মতান্তরে মধ্য নভেম্বর থেকে মধ্য এপ্রিল পর্যন্ত সময়কালকে রবি মৌসুম বলে।
- গ্রীষ্মকালে অর্থাৎ ফেব্রুয়ারি এবং মার্চ মাসে ফসল তোলা হয়।
- বোরো ধান, গম, মসুর ডাল, যব, সরিষা, পেঁয়াজ, মটরশুঁটি ইত্যাদি ফসলকে এ মৌসুমের প্রধান শস্য হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এ ছাড়া ফুলকপি, বাঁধাকপি, মুলা, গাজর, লাউ, শিম, টমেটো, আলু ইত্যাদিও এ মৌসুমে চাষ করা হয়।

ii) খরিপ মৌসুম:
- চৈত্র থেকে ভাদ্র মাস পর্যন্ত সময়কে খরিপ মৌসুম বলে। খরিপ মৌসুমে বিশেষ করে আষাঢ় থেকে ভাদ্র মাসের মধ্যে প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়। খরিপ মৌসুমে তাপমাত্রা ও বায়ুর আর্দ্রতা বেশি পরিলক্ষিত হয়। খরিপ মৌসুমকে আবার দুই ভাগে ভাগ করা হয়। যথা: খরিপ-১ বা গ্রীষ্মকাল এবং খরিপ- ২ বা বর্ষাকাল।

⇒ খরিপ-১ মৌসুম:
- চৈত্র মাস থেকে আষাঢ় মাস (মধ্য মার্চ হতে মধ্য জুলাই) পর্যন্ত সময়কে খরিপ-১ বলা হয়। এইসময়কে গ্রীষ্মকালও বলা হয়।
- এ মৌসুমে উৎপন্ন ফসলগুলোকে খরিপ-১ শস্য বলে। যেমন- আউশ ধান, পাট, কাউন, ভুট্টা, তিল, মিষ্টি কুমড়া, কচু ও ঝিঙ্গা ইত্যাদি।

⇒ খরিপ-২ মৌসুম:
- শ্রাবণ মাস থেকে আশ্বিন মাস (মধ্য জুলাই হতে মধ্য অক্টোবর) পর্যন্ত সময়কে খরিপ-২ বলে। এই সময় বর্ষাকাল।
- এ মৌসুমে উৎপন্ন ফসলগুলোকে খরিপ-২ শস্য বলে। যেমন- আমন ধান, ভুট্টা, মাষকলাই, বর্ষাকালীন সবজি ইত্যাদি ।

এছাড়াও,
- কিছু ফসল ও শাক-সবজি আছে যেগুলো উভয় মৌসুমেই বা সারা বছর চাষাবাদ করা হয়ে থাকে। এদেরকে বারোমাসী ফসল বলে। যেমন- কলা, পেঁপে ইত্যাদি।

উৎস:
i) কৃষি শিক্ষা, নবম- দশম শ্রেণি।
ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৯৬৪.
কৃষিভিত্তিক রপ্তানি বহুমুখীকরণে বাংলাদেশের জন্য কোন পণ্যটি সবচেয়ে কার্যকর হতে পারে? 
  1. পাটজাত দ্রব্য
  2. চামড়াজাত পণ্য
  3. প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্য
  4. চা রপ্তানি 
সঠিক উত্তর:
প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্য
ব্যাখ্যা

• রপ্তানি বহুমুখীকরণে প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্য: 
- প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্য বলতে মূলত কাঁচা কৃষিজাত পণ্যকে (যেমন: ফল, সবজি, মশলা, মাছ, মাংস ইত্যাদি) প্রক্রিয়াকরণের মাধ্যমে দীর্ঘস্থায়ী, মূল্যবৃদ্ধিকর এবং রপ্তানিযোগ্য পণ্যে রূপান্তরিত করা বোঝায়।
- বাংলাদেশ গত কয়েক বছরে কৃষি খাতে অসাধারণ অগ্রগতি করেছে।
- দেশের উর্বর ভূমি, অনুকূল জলবায়ু এবং সরকারের যথাযথ নীতি সহায়তার কারণে কৃষি-ব্যবসায় বিশাল সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।
- আন্তর্জাতিক বাজারে উচ্চমানের কৃষিপণ্যের চাহিদা বাড়ার সাথে সাথে বাংলাদেশের কৃষি রপ্তানি আয় বাড়ানোর বিরাট সম্ভাবনা রয়েছে।
- ৪ ট্রিলিয়ন ডলারেরও বেশি মূল্যের গ্লোবাল কৃষি-প্রক্রিয়াকরণ বাজারের একটি অংশও খুলে দিলেও আমাদের রপ্তানিকে বৈচিত্র্যময় করবে এবং হাজার হাজার গ্রামীণ কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে।
- কৃষি-প্রক্রিয়াকরণ ইতিমধ্যে বাংলাদেশের রপ্তানি আয়ে প্রায় ১.২ বিলিয়ন ডলার অবদান রাখছে।
- স্বল্পোন্নত দেশ থেকে মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হওয়ার প্রস্তুতির মধ্যে বাংলাদেশের অর্থনীতিকে বৈচিত্র্যময় করা এবং নতুন প্রবৃদ্ধির উৎস খুঁজে বের করার প্রচেষ্টায় প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্য গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখার সম্ভাবনা রাখে।
- এটি বিদেশি মুদ্রা আয়, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং কৃষকদের আয় বৃদ্ধিতে সহায়তা করতে পারে।

উল্লেখ্য,
- বর্তমানে বাংলাদেশে প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্যের স্থানীয় বাজারের আকার প্রায় ৪.৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। বিশেষজ্ঞদের ধারণা, ২০৩০ সালের মধ্যে এটি ৬ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছাবে।
- বাংলাদেশ বর্তমানে বিশ্বের ১৪৫টি দেশে ১৭২ ধরনের কৃষি ও প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্য রপ্তানি করে। 
- এর মধ্যে ১০৬টি দেশে প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্য রপ্তানি হয়। 
- এ খাতের প্রধান পাঁচ রপ্তানি পণ্যের বাজার হলো: 
১. সংযুক্ত আরব আমিরাত (UAE)
২. সৌদি আরব
৩. ভারত
৪. যুক্তরাজ্য
৫. যুক্তরাষ্ট্র

অন্যদিকে,
- বাংলাদেশ পাটজাত দ্রব্য ও চামড়াজাত পণ্য  বিশ্ববাজারে গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান ধরে রেখেছে। 
- চা উৎপাদনে শক্তিশালী অবস্থানে থাকলেও রপ্তানিতে অবস্থান অনেক নিচে, কারণ অধিকাংশ উৎপাদন দেশীয় বাজারে খরচ হয়।

তথ্যসূত্র: 
i) The Financial Express. (Link)
ii) The Business Standard. (Link)
iii) Bangladesh Investment Development Authority. (Link) 
iv) প্রথম আলো। (Link)

৯৬৫.
স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম কৃষিশুমারি অনুষ্ঠিত হয় কত সালে?
  1. ১৯৭৩ সালে
  2. ১৯৭৪ সালে
  3. ১৯৬০ সালে
  4. ১৯৭৭ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭৭ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৭ সালে
ব্যাখ্যা

কৃষিশুমারি: 
- স্বাধীনতার পূর্বে কৃষিশুমারি অনুষ্ঠিত হয় ১৯৬০ সালে।
- স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম কৃষিশুমারি অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭৭ সালে।
- দেশে ১৯৬০ সাল থেকে এ পর্যন্ত ছয়বার কৃষি শুমারি পরিচালনা করা হয়েছে। যেমন: ১৯৬০, ১৯৭৭, ১৯৮৩-১৯৮৪, ১৯৯৬,২০০৮, ২০১৯ সালে।
- স্বাধীন বাংলাদেশে কৃষিশুমারি অনুষ্ঠিত হয় - ৫ বার।
- সর্বশেষ কৃষিশুমারি অনুষ্ঠিত হয়- ৯ জুন থেকে ২০ জুন, ২০১৯ সাল।

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।

৯৬৬.
রবিশস্যের চাষ হয় কখন?
  1. ক) ফাল্গুন থেকে আষাঢ়
  2. খ) আশ্বিন থেকে ফাল্গুন
  3. গ) আষাঢ় থেকে ভাদ্র
  4. ঘ) বৈশাখ থেকে শ্রাবণ
সঠিক উত্তর:
খ) আশ্বিন থেকে ফাল্গুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) আশ্বিন থেকে ফাল্গুন
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে প্রধানত দুটো মৌসুমে ফসল উৎপাদিত হয়। একটি হলো খরিপ বা গ্রীষ্মকালীন এবং অপরটি হলো রবি বা শীতকালীন। আশ্বিন থেকে ফাল্গুন বা অক্টোবর থেকে মার্চ সময়ে উৎপন্ন ফসলকে রবিশস্য ধরা হয়।
বোরো ধান, গম, মসুর ডাল, যব, সরিষা, পেঁয়াজ, মটরশুঁটি ইত্যাদি রবি মৌসুমের প্রধান ফসল। এছাড়া এই সময়ে ফুলকপি, বাঁধাকপি, মুলা, লাউ, টমেটো, গাজর, আলু প্রভৃতির চাষাবাদও হয়ে থাকে।
(সূত্রঃ কৃষি শিক্ষা বোর্ডবই)
৯৬৭.
শৈত্য সহিষ্ণু ধানের উদাহরন কোনটি?
  1. ক) ব্রি ধান ৩৬
  2. খ) ব্রি ধান ৫৬
  3. গ) ব্রি ধান ৫৭
  4. ঘ) ব্রি ধান ৪০
সঠিক উত্তর:
ক) ব্রি ধান ৩৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ব্রি ধান ৩৬
ব্যাখ্যা
শৈত্য সহিষ্ণু ফসল
• বাংলাদেশে নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি মাস পর্যন্ত শীতকাল। শীতকালে দেশের চরম সর্বনিম্ন তাপমাত্রা জানুয়ারি বা
ফেব্রুয়ারি মাসে হয়ে থাকে। 
• শীতকালে সর্বোচ্চ তাপমাত্রার গড় ২৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস থেকে ২৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রার গড় ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস থেকে ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস হয়ে থাকে। 
• আমাদের দেশে শৈত্য বেশি পড়লে এবং শৈত্যতা দীর্ঘস্থায়ী হলে শীতকালীন ফসল, যেমন - গোলআলু ও গমের ফলন ভালো হয়। 
• তবে রোপা আমন ও বোরো ধানের পরাগায়ণ ও দানা গঠনের সময় শৈত্য বেশি পড়লে অর্থাৎ তাপমাত্রা কমে গেলে চিটা হয়ে ফলন কমে যায়।
• বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট দেশের ঠাণ্ডাপ্রবণ এলাকার জন্য ব্রি ধান ৩৬ জাতটি বের করে। 
• বীজ বপনের সময় যে সব এলাকায় তাপমাত্রা ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে নেমে যায় সেসব এলাকার জন্য এ জাতটি খুবই উপযোগী। 
• ব্রি ধান ৫৫ জাতটি মাঝারি শৈত্য সহ্য করতে পারে বলে দেশের শৈত্য-প্রবণ এলাকায় চাষ করা যায়।  

অন্যদিকে, 
• ব্রি ধান ৫৬ ও ব্রি ধান ৫৭ দুইটি খরা সহিষ্ণু ধানের জাত। এর মধ্যে ব্রি ধান ৫৭ প্রজনন পর্যায়ে সর্বোচ্চ ৮-১৪ দিন বৃষ্টি না হলেও ফলনের তেমন কোনো ক্ষতি হয় না। 
• বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট ইতোমধ্যে বেশ কিছু লবণাক্ততা সহিষ্ণু জাতের ধান বের করেছে। যেমন - ব্রি ধান ৪০, ব্রি ধান ৪১, ব্রি ধান-৪৭, ব্রি ধান ৫৩, ও ব্রি ধান ৫৪।

তথ্যসূত্র:- কৃষি শিক্ষা, এস এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৯৬৮.
কৃষি উন্নয়নে সরকারি ক্ষুদ্রঋণ প্রকল্পের নাম কী?
  1. পিআরএসপি
  2. এসএফডিএফ
  3. পিকেএসএফ
  4. পিডিবিএফ
সঠিক উত্তর:
এসএফডিএফ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এসএফডিএফ
ব্যাখ্যা
ক্ষুদ্র কৃষক উন্নয়ন ফাউন্ডেশন:
- কৃষি উন্নয়নে সরকারি ক্ষুদ্রঋণ প্রকল্পেন নাম এসএফডিএফ বা Small Farmers Development Foundation বা ক্ষুদ্র কৃষক উন্নয়ন ফাউন্ডেশন।

⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে ১৯৭৫-১৯৭৬ অর্থবছরে কুমিল্লা, বগুড়া ও ময়মনসিংহ জেলার ৩টি সদর থানায় পরীক্ষামূলকভাবে 'ক্ষুদ্র কৃষক ও ভূমিহীন শ্রমিক উন্নয়ন প্রকল্প' কার্যক্রম শুরু করা হয়।
- ১৯৮৮ হতে পটুয়াখালী ও বরগুনা জেলার ১১টি উপজেলায় প্রকল্পটির কার্যক্রম সম্প্রসারণ করা হয়।
- জুন ১৯৯১ সালে প্রকল্পের প্রথম পর্যায়ের বাস্তবায়ন সমাপ্ত হয়।
- ১৯৯১-৯৬ মেয়াদে প্রকল্পের দ্বিতীয় পর্যায় বাস্তবায়ন হয়।
- দায়দেনাসহ (with assets and liabilities) ১৯৯৪ প্রকল্পটিকে মেয়াদ সমাপনান্তে বিদ্যমান সম্পদ ও সালের কোম্পানী আইনের ২৮ ধারার বিধানমতে যৌথ মূলধন কোম্পানী ও ফার্ম সমূহের পরিদপ্তর হতে নিবন্ধন গ্রহণের মাধ্যমে “ক্ষুদ্র কৃষক উন্নয়ন ফাউন্ডেশন (Small Farmers Development Foundation)” নামে একটি লিমিটেড কোম্পানীতে রূপান্তর করা হয় ৷

অন্যদিকে,
- পিডিবিএফ হলো পল্লী দারিদ্র্য বিমোচন ফাউন্ডেশন।
- পিকেএসএফ হলো পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন। 
- পিআরএসপি হলো দারিদ্র্য বিমোচন কৌশলপত্র। 

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৯৬৯.
একজন কৃষি খামারির একই কৃষিপণ্য উৎপাদনকারী অবিচ্ছিন্ন জমিকে বলা হয় -
  1. জীবন নির্বাহী খামার
  2. কৃষি বিপণন
  3. কৃষিজোত
  4. বাণিজ্যিক খামার
সঠিক উত্তর:
কৃষিজোত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কৃষিজোত
ব্যাখ্যা
কৃষি সম্পর্কিত সংজ্ঞা -

কৃষি:
- ভূমির সাথে সম্পর্কিত উৎপাদনব্যবস্থাকে কৃষি বলে।

কৃষি খামার:
- কৃষক যে জমিতে কৃষিকাজ পরিচালনা করে তাকে কৃষি খামার বলে।

কৃষিজোত:
- একজন কৃষি খামারির একই কৃষিপণ্য উৎপাদনকারী অবিচ্ছিন্ন জমিকে কৃষিজোত বলে।

জীবন নির্বাহী খামার:
- যে খামারের উৎপাদন থেকে কৃষক তার পরিবার পরিজন নিয়ে কোনো রকমে খেয়ে-পরে জীবন নির্বাহ করতে পারে তাকে জীবন নির্বাহী খামার বলে।

বাণিজ্যিক খামার:
- মুনাফা অর্জনের উদ্দেশ্যে যে খামার পরিচালিত হয় তাকে বাণিজ্যিক খামার বলে।

কৃষিঋণ:
- কৃষির আনুষঙ্গিক উপকরণ ক্রয় এবং অন্যান্য উৎপাদন ব্যয় নির্বাহের জন্য কৃষকরা যে ঋণ গ্রহণ করেন তাকে কৃষিঋণ বলে।

শস্য বহুমুখীকরণ:
- একই জমি বা কৃষিজোতে বিভিন্ন মৌসুমে একফসলের পরিবর্তে ভিন্ন ভিন্ন ফসল উৎপাদন করার প্রক্রিয়াকে শস্য বহুমুখীকরণ বলে।

আদর্শ খামার:
- যে খামারে উৎপাদনের বিভিন্ন উপাদানের সুষ্ঠু প্রয়োগের ফলে একরপ্রতি সর্বাধিক ফসল উৎপাদনের জন্য চাষাবাদ করা হয় তাকে আদর্শ খামার বলে।

কৃষি বিপণন:
- কৃষি ফসল উৎপাদন থেকে শুরু করে ভোক্তা পর্যন্ত পৌঁছানোর সব কার্যক্রমকে কৃষি বিপণন বলে।

কৃষি প্রযুক্তি:
- বিজ্ঞানসম্মত জ্ঞান ও যন্ত্রপাতি প্রয়োগ করে তুলনামূলকভাবে অল্প সময়ে স্বল্প খরচে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি করাকে কৃষি প্রযুক্তি বলে।

উৎস: অর্থনীতি ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী।
৯৭০.
”মহিষ প্রজনন ও উন্নয়ন খামার” কোথায় অবস্থিত?
  1. বাগেরহাট
  2. কক্সবাজার
  3. চাঁদপুর
  4. গাজীপুর
সঠিক উত্তর:
বাগেরহাট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাগেরহাট
ব্যাখ্যা

”মহিষ প্রজনন ও উন্নয়ন খামার” বাগেরহাটে অবস্থিত।

• এছাড়া ও অন্যান্য প্রাণীর নাম প্রজনন কেন্দ্র সমূহ।
• হরিণ- চকোরিয়া, কক্সবাজার।
• বন্যপ্রাণী- ডুলাহাজরা, কক্সবাজার।
• গরু- সাভার, ঢাকা।
• ছাগল- টিলাগড়, সিলেট।
• মহিষ- ফকিরহাট, বাগেরহাট।
• কুমির- করমজল, সুন্দরবন।

উৎস: সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইট।

৯৭১.
খুলনা হার্ডবোর্ড মিলের প্রধান কাঁচামাল-
  1. আখের ছোবড়া
  2. বাঁশ
  3. সুন্দরী কাঠ
  4. নলখাগড়া
সঠিক উত্তর:
সুন্দরী কাঠ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুন্দরী কাঠ
ব্যাখ্যা
খুলনা হার্ডবোর্ড মিলস লি. দেশের একমাত্র সরকারি হার্ডবোর্ড কারখানা। খুলনা হার্ডবোর্ড মিলস লি. এর স্থাপনা তৎকালীন পূর্ব-পাকিস্তান শিল্প উন্নয়ন সংস্থা (ইপিআইডিসি’র) সময়ে ১৯৬৫ সালে। কারখানাটি কানাডীয় সরকারি সাহায্য সংস্থার সহায়তায় স্থাপিত হয়। কারখানার প্রধান কাঁচামাল সুন্দরবনে উৎপাদিত কাঁচা সুন্দরী জ্বালানী কাঠ।
[সূত্রঃ বাংলাদেশ ক্যামিকেল ইন্ড্রাস্টিজ কর্পোরেশন (BCIC)]
৯৭২.
'ইরাটম' উচ্চ ফলনশীল কোন ফসলের জাত?
  1. আলু
  2. পেঁয়াজ
  3. গম
  4. ধান
সঠিক উত্তর:
ধান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধান
ব্যাখ্যা

ইরাটম: 
- ইরাটম একটি উচ্চ ফলনশীল একটি ধানের জাত ।
- এটি বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট কতৃক উদ্ভাবিত। 
- বােরাে ও আউশ উভয় মৌসুমে এটি চাষ করা যায়।
- আরও কিছু উচ্চ ফলনশীল ধানের জাত- বিপ্লব, হিরা, মালা, ইরাটম, ময়না, চান্দিনা, হরিধান, নারিফা, সুফলা, প্রগতি ইত্যাদি।

উল্লেখ্য,
- উচ্চ ফলনশীল আলুর কিছু জাত - হীরা, আইলসা, ডায়মন্ড, কার্ডিনাল, চমক, মরিনী, সুন্দরী, কুফরী, মুলটা ইত্যাদি।
- উচ্চ ফলনশীল পেঁয়াজের কিছু জাত- সুখ সাগর, ঝিটকা, কৈলাসনগর, তাহেরপুরী, ভাতি।
- আকবর, কাঞ্চন, শতাব্দী, সৌরভ ও গৌরব উচ্চ ফলনশীল গমের জাত।

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস, বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট, জাতীয় কৃষি বাতায়ন।

৯৭৩.
'আগড়' গাছ প্রধানত কোথায় জন্মে?
  1. মধুপুর বন
  2. গাজীপুর শাল বন
  3. সিলেট বনাঞ্চল
  4. সুন্দরবন
সঠিক উত্তর:
সিলেট বনাঞ্চল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিলেট বনাঞ্চল
ব্যাখ্যা
'আগড়' গাছ:
- আগর মূলত একটি গাছের নাম।
- আগর শব্দের আভিধানিক অর্থ হলো উৎকৃষ্ট বা সুগন্ধি বিশিষ্ট কাঠ।
- দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার রেইন ফরেস্টই আগর গাছের আদিস্থান হিসেবে ইতিহাসে স্থান করে নিয়েছে।
- আগর গাছ থেকে বিশেষ কালো রঙের কাঠ পাওয়া যায়, যা আগর কাঠ নামে পরিচিত।
- স্থানীয় ভাষায় যা ‘মাল’ বলে অভিহিত করা হয়।
- স্থানীয়ভাবে যারা আগর কাঠ শনাক্ত করেন তাদের ‘দৌড়াল’ বলা হয়।
- বাংলাদেশে মূলত Aquilaria agallucha Ges Aquilaria malaccenesis এবং Aquilaria malaccenesis প্রজাতির আগর গাছ চাষ হয়।
- আগর কাঠকে ঈশ্বরের কাঠ বলা হয়।
- আগর আতরের পাশাপাশি আগর কাঠের গুঁড়া বা পাউডার ধূপের মতো প্রজ্জ্বলনের মাধ্যমে সুগন্ধি হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
- জাতি বর্ণ নির্বিশেষে হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান এবং মুসলিম ধর্মালম্বী সবাই আগর আতর ও আগর কাঠের গুঁড়া ব্যবহার করে।
- আতর বাংলাদেশে তরল সোনা হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে।
- বাংলাদেশে বর্তমানে সিলেট তথা মৌলভীবাজার, চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রামে আগর চাষ করার উপযোগী জায়গা রয়েছে। 
- বড়লেখা উপজেলায় ছোট বড় প্রায় ৩০০টি আগর আতর ফ্যাক্টরি রয়েছে। 

উল্লেখ্য,
- অত্যন্ত শক্তিমান এ সম্পদ মধ্যপ্রাচ্যসহ দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশে এর ব্যাপক চাহিদা রয়েছে।
- তাছাড়া জাপান, ইউরোপ এবং অন্যান্য দেশেও প্রসাধনী হিসেবে ব্যবহার করা হয়।

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস (এআইএস) ওয়েবসাইট।
৯৭৪.
'রূপালী ও ডেলফোজ' কী?
  1. ক) উন্নত জাতের ধান
  2. খ) উন্নত জাতের তরমুজ
  3. গ) উন্নত জাতের তামাক
  4. ঘ) উন্নত জাতের তুলা
সঠিক উত্তর:
ঘ) উন্নত জাতের তুলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) উন্নত জাতের তুলা
ব্যাখ্যা
- 'রূপালী ও ডেলফোজ' উন্নত জাতের তুলা শস্যের নাম।
- এছাড়াও সিবি১০ একটি উন্নত তুলার জাত।
- বাংলাদেশের যশোর জেলা তুলা চাষের জন্য উপযোগী।

অন্যদিকে, 
- উন্নত জাতের ধানের জাত- হীরা, মালা, ব্রিশাইল, ইরাট্ম, আশা, প্রগতি, মুক্তা, ব্রি হাইব্রিড, সোনার বাংলা, সুপার রাইস প্রভৃতি।
- উন্নত জাতের তরমুজ - পদ্মা।
- উন্নত জাতের তামাক- সুমাত্রা ও ম্যানিলা।


উৎস: জাতীয় কৃষি তথ্য সার্ভিস।
৯৭৫.
উচ্চ ফলনশীল আমের জাত কোনটি?
  1. মোহনভোগ
  2. শুভ্রা
  3. মালা
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
মোহনভোগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোহনভোগ
ব্যাখ্যা
উচ্চ ফলনশীল বাঁধাকপির জাত:
- গ্রীন এক্সপ্রেস, ড্রামহেড, গোল্ডেন ক্রস, প্রভাতী, অগ্রদূত।

উচ্চ ফলনশীল ধানের জাত:
- বিপ্লব, হিরা, মালা, ইরাটম, ময়না, চান্দিনা, হরিধান, নারিফা, সুফলা, প্রগতি ইত্যাদি।

উচ্চ ফলনশীল আমের জাত:
- মহানন্দা, ল্যাংড়া, ফজলি, হাড়িভাঙ্গা, আম্রপালি, গোপালভোগ, সূর্যপুরী, হিমসাগর, মোহনভোগ প্রভৃতি।

উচ্চ ফলনশীল ভুট্টার জাত:
- বর্ণালি, শুভ্রা, খই, মোহর।

তথ্যসূত্র - জাতীয় কৃষি বাতায়ন।
৯৭৬.
বর্তমানে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ বনাঞ্চলসম্পন্ন জেলা কোনটি? (এপ্রিল, ২০২৫)
  1. বান্দরবান
  2. বাগেরহাট
  3. খুলনা
  4. রাঙ্গামাটি
সঠিক উত্তর:
রাঙ্গামাটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাঙ্গামাটি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের বনাঞ্চল:
- দেশে মোট বনাঞ্চলের পরিমাণ - ৬৩,৬৩,৩০৯.৩৩ একর বা বা ২৫,৭৫,১৯৬.০১ হেক্টর।

সর্বাধিক বনাঞ্চলসম্পন্ন জেলা:
১) রাঙ্গামাটি - ১৩,৭৮,৫৫৫.১৩ একর।
২) বান্দরবান - ৭,৯৭,৫১৬.৪৯ একর।
৩) বাগেরহাট - ৫,৬৬,৫১২.৯৫ একর।
৪) খাগড়াছড়ি - ৫,৫৪,১১৬.২১ একর।
৫) খুলনা - ৫,৪৬,০৮১.৬১ একর।

তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩।
৯৭৭.
দেশের একমাত্র সরকারি কুমির প্রজনন কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) ভালুকা, ময়মনসিংহ
  2. খ) চকোরিয়া, কক্সবাজার
  3. গ) করমজল, খুলনা
  4. ঘ) সীতাকুণ্ড, চট্টগ্রাম
সঠিক উত্তর:
গ) করমজল, খুলনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) করমজল, খুলনা
ব্যাখ্যা
খুলনা জেলার করমজলে সরকারিভাবে পরিচালিত দেশের একমাত্র কুমির প্রজনন কেন্দ্র অবস্থিত।
এটি একটি লোনা পানির কুমির প্রজনন কেন্দ্র। বন বিভাগের অধীনে ২০০৫ সালে এখানে কুমির প্রজনন কার্যক্রম শুরু হয়।
তবে বাণিজ্যিকভাবে প্রথম কুমির খামার গড়ে উঠে ময়মনসিংহে।

(তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন এবং বিডিনিউজ)
৯৭৮.
‘দোয়েল’ কোন ফসলের জাত?
  1. ভুট্টা
  2. গম
  3. ধান
  4. সরিষা
সঠিক উত্তর:
গম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গম
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশে চাষকৃত গমের জাতসমূহ:
- দোয়েল
- বলাকা
- কাঞ্চন
- আকবর
- সোনালিকা
- সৌরভ
- গৌরব
- অঘ্রাণী প্রভৃতি।

উৎস: কৃষি শিক্ষা বোর্ড বই এবং কৃষি তথ্য সার্ভিস।

৯৭৯.
নিচের কোনটি গমের উন্নত জাত?
  1. ক) বিনা
  2. খ) হীরা
  3. গ) প্রগতি
  4. ঘ) আনন্দ
সঠিক উত্তর:
ঘ) আনন্দ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) আনন্দ
ব্যাখ্যা

- আনন্দ হল গমের উন্নত জাত ।
- এছাড়াও গমের উন্নত জাতের মধ্যে রয়েছে - আকবর, কাঞ্চন, দোয়েল, বরকত, বলাকা, সোনালিকা, ইনিয়া-66, শতাব্দী ইত্যাদি ।

উৎস: বাংলাদেশ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর।

৯৮০.
বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠিত হয় কবে?
  1. ১৯৫১
  2. ১৯৬১
  3. ১৯৭০
  4. ২০১৭
সঠিক উত্তর:
২০১৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১৭
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউট দিনাজপুর জেলার নশিপুরে অবস্থিত।
- এটি ২০১৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। এর পূর্বে এটি বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধীনে একটি গবেষণা কেন্দ্র হিসেবে পরিচালিত হয়।
- বর্তমানে এর অধীনে ৫টি আঞ্চলিক কেন্দ্র ও ২টি বীজ উৎপাদন কেন্দ্র রয়েছে।
- গবেষণায় অবদানের জন্যে বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউট ২০২২ সালে স্বাধীনতা পদক লাভ করে।
- বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট ১৯৬১ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
- BRRI (Bangladesh Rice Research Institute) গাজীপুর জেলার জয়দেবপুরে অবস্থিত। এটি ১৯৭০ সালের ১ অক্টোবর প্রতিষ্ঠিত হয়।

তথ্যসূত্র -বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।

৯৮১.
‘বর্ণালী’ এবং ‘শুভ্র’ কোন ফসলের নাম?
  1. উন্নত জাতের গম
  2. উন্নত জাতের আম
  3. উন্নত জাতের মরিচ
  4. উন্নত জাতের ভুট্টা
সঠিক উত্তর:
উন্নত জাতের ভুট্টা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উন্নত জাতের ভুট্টা
ব্যাখ্যা
• উচ্চ ফলনশীল ভুট্টার জাত:
- বর্ণালী, শুভ্রা, খই, মোহর।

• উচ্চ ফলনশীল পেঁয়াজের জাত:
- সুখ সাগর, ঝিটকা, কৈলাসনগর, তাহেরপুরী, ভাতি।

• উচ্চ ফলনশীল বাঁধাকপির জাত:
- গ্রীন এক্সপ্রেস, ড্রামহেড, গোল্ডেন ক্রস, প্রভাতী, অগ্রদূত।

• উচ্চ ফলনশীল ধানের জাত:

- বিপ্লব, হিরা, মালা, ইরাটম, ময়না, চান্দিনা, হরিধান, নারিফা, সুফলা, প্রগতি ইত্যাদি।

• উচ্চ ফলনশীল আমের জাত:
- মহানন্দা, ল্যাংড়া, ফজলি, হাড়িভাঙ্গা, আম্রপালি, গোপালভোগ, সূর্যপুরী, হিমসাগর, মোহনভোগ প্রভৃতি।
 
উৎস: জাতীয় কৃষি তথ্য সার্ভিস ও কৃষি তথ্য বাতায়ন।
৯৮২.
‘জোপাটিকা’ কোন ফসলের উন্নত জাত?
  1. আলু
  2. ভুট্টা
  3. গম
  4. তামাক
সঠিক উত্তর:
গম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গম
ব্যাখ্যা

• আমরে উন্নত জাত - ল্যাংড়া, গোপালভাগ, মহানন্দা, মোহনভাগ, হিমসাগর, হাড়িভাঙ্গা, রূপালি।
• গমের উন্নত জাত- আনন্দ, আকবর, দোয়েল, বরকত, বলাকা, সোনালিকা, জোপাটিকা, ইনিয়া-৬৬।
• আলুর উন্নত জাত - ডায়মন্ড, সিন্দুরী, কুফরী, চমক, কার্ডিনাল।
• ভুট্টার উন্নত জাত- বর্ণালি, শুভ্র, খইভুট্টা, মোহর উত্তরণ।
• তামাকের উন্নত জাত - সুমাত্রা, ম্যানিলা।

উৎস: কৃষিমন্ত্রনালয়।

৯৮৩.
‘অগ্রদূত‘ কোন ফসলের উন্নত জাত?
  1. ক) গম
  2. খ) বেগুন
  3. গ) সরিষা
  4. ঘ) বাঁধা কপি
সঠিক উত্তর:
ঘ) বাঁধা কপি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) বাঁধা কপি
ব্যাখ্যা
• বাঁধা কপি:
- রবি মৌসুমের একটি প্রধান সবজি।
- দেশের প্রায় সব অঞ্চলেই বাঁধাকপির চাষ হয়। বাঁধাকপি একটি অত্যন্ত পুষ্টিকর সবজি।
- এদেশে উৎপাদিত বাঁধাকপির প্রায় সব জাতই বিদেশী ও হাইব্রিড।
- সব জাতের বীজ এদেশে উৎপাদন করা যায়না। তবে এদেশে বীজ উৎপাদন করা যায় বারি উদ্ভাবিত এমন জাতও আছে।
• উন্নত জাত:
 - কে কে ক্রস, এক্সপ্রেস ক্রস, কে ওয়াই ক্রস, এটলাস ৭০, টোকিও প্রাইড, গ্রীন এক্সপ্রেস, প্রভাতী, এটলাস ৭০, লিও ৮০, সেভয়, রুবি বল, ড্রাম হেড ইত্যাদি।
অগ্রদূত, লরেন্স এফ ১, গ্রীন ৬২১ এফ ১, সামার ষ্টার এফ ১, গ্রীন কর্নেট এফ ১, অটাম কুইন এফ ১, সুপার ট্রপিক এফ ১, সামার বয় এফ ১, গ্রীন বল ৪০ এফ ১, সুপ্রিম কুইন এফ ১ ইত্যাদি।
- বাঁধাকপি একটি অন্যতম পুষ্টিকর পাতা জাতীয় সবজি। এত প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ‘এ‘ রয়েছে। ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য এটি বেশ উপকারী।


তথ্যসূত্র: কৃষি তথ্য সার্ভিস।
৯৮৪.
নিচের কোনটি সরকারি খাদ্য বিতরণ ব্যবস্থা?
  1. গ্রামীণ খাদ্য ব্যাংক
  2. ওপেন মার্কেট সেল
  3. খাদ্য ভাউচার
  4. ন্যায্যমূল্যের দোকান
সঠিক উত্তর:
ওপেন মার্কেট সেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওপেন মার্কেট সেল
ব্যাখ্যা
খোলা বাজারে খাদ্যশস্য বিক্রয় (ওএমএস) নীতিমালা-২০২৪: 
- Rules of Business, 1996 এর Rule 4(ix) (a) এ প্রদত্ত ক্ষমতাবলে ২০২৪ সালে খোলা বাজারে খাদ্যশস্য বিক্রয় (ওপেন মার্কেট সেল  বা ওএমএস) নীতিমালা জারি করা হয়েছে। 
- সরকারি খাদ্য বিতরণ ব্যবস্থার মধ্যে আছে: ওপেন মার্কেট সেল  বা ওএমএস এবং পাবলিক ওয়ার্কস প্রোগ্রাম। 
- পাবলিক ফুড ডিস্ট্রিবিউশন সিস্টেম (PFDS) বিভিন্ন খাদ্য-ভিত্তিক নিরাপত্তা জালে খাদ্যশস্য সরবরাহ করে, যা তার মোট PFDS খাদ্যশস্য বিতরণের প্রায় তিন-চতুর্থাংশের জন্য দায়ী।
- খাদ্য ভিত্তিক পাবলিক ওয়ার্কস প্রোগ্রাম (FFW এবং TR) এবং OMS ছাড়াও, তিনটি বৃহত্তম খাদ্য ভিত্তিক প্রোগ্রামগুলির মধ্যে রয়েছে VGF, GR এবং ভালনারেবল গ্রুপ ডেভেলপমেন্ট (VGD) প্রোগ্রাম।
- সরকার খাদ্যশস্যের বাজার মূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রবণতা রোধ করে নিম্ন আয়ের জনগোষ্ঠীকে মূল্য সহায়তা (Price Support) দেয়া এবং বাজার দর স্থিতিশীল রাখার লক্ষ্যে Public Food Distribution System বা সরকারি খাদ্য বিতরণ ব্যবস্থা (PFDS) এর আওতায় খোলা বাজারে খাদ্যশস্য বিক্রয়ের নীতিমালা জারি করেছে। 
- এই নীতিমালা "খোলা বাজারে খাদ্যশস্য বিক্রয় (ওএমএস) নীতিমালা, ২০২৪" নামে অভিহিত হবে।
- বাংলাদেশের যে কোনো নাগরিক বিশেষত: নিম্ন আয়ের জনগোষ্ঠী ওএমএস এর উপকারভোগী হিসেবে বিবেচিত হবেন।

উৎস: খাদ্য মন্ত্রণালয়।
সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি ওয়েবসাইট।
৯৮৫.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩ এর তথ্য অনুযায়ী মোট মৎস্য উৎপাদনের মধ্যে চিংড়ির পরিমাণ কত শতাংশ?
  1. ৪.৭৬%
  2. ৫.৫২%
  3. ৬.৪১%
  4. ৭.৩৯%
সঠিক উত্তর:
৫.৫২%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫.৫২%
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

মৎস্য উৎপাদন:

• মোট মৎস্য উৎপাদন: ৪৯,১৪,৭১৫ মে.টন।
• ইলিশ: ১১.৬৩%।
• চিংড়ি: ৫.৫২%।
• মেজরকার্প: ২২.০৬%।
• এক্সটিককার্প: ১১.০৯%।
• অন্যান্যকার্প: ২.৯৪%।
• তেলাপিয়া: ৮.৫৭%।

মিঠা পানির মাছ উৎপাদন:
• মিঠা পানিতে উৎপাদনের পরিমাণ: ৪২,৩৫,৩৩০ মে.টন।

তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩।
৯৮৬.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩ অনুসারে কোন বিভাগে সবচেয়ে বেশি ভুট্টা উৎপাদিত হয়?
  1. সিলেট
  2. খুলনা
  3. রাজশাহী
  4. রংপুর
সঠিক উত্তর:
রংপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রংপুর
ব্যাখ্যা
শীর্ষ বিভাগ:
- ধান উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ রংপুর।
- গম উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ রাজশাহী।
- ভুট্টা উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ রংপুর।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ ঢাকা।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ খুলনা।
- চা উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ সিলেট।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ খুলনা।
- আলু উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ রংপুর।

তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩।
৯৮৭.
’অগ্রদূত’ কোন ফসলের জাত?
  1. বেগুন
  2. আলু
  3. বাধাঁকপি
  4. পেয়াজ
সঠিক উত্তর:
বাধাঁকপি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাধাঁকপি
ব্যাখ্যা
• উচ্চ ফলনশীল বাঁধাকপির জাতঃ
- গ্রীন এক্সপ্রেস,
- ড্রামহেড,
- গোল্ডেন ক্রস,
- প্রভাতী,
- অগ্রদূত, 
এটলাস ৭০,
টোকিও প্রাইড,
লিও ৮০ ইত্যাদি।

তথ্যসূত্র:- কৃষি তথ্য সার্ভিস (AIS) ওয়েবসাইট।
৯৮৮.
'রূপালী' ও ‘ডেলফোজ' কী?
  1. উন্নত জাতের তুলা
  2. উন্নত জাতের গম
  3. উন্নত জাতের টমেটো
  4. উন্নত জাতের আলু
সঠিক উত্তর:
উন্নত জাতের তুলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উন্নত জাতের তুলা
ব্যাখ্যা
উন্নত জাতের ফসল:
- 'রূপালী' ও ‘ডেলফোজ' হলো উন্নত জাতের তুলা।
- উন্নত জাতের তুলা: সিবি-১০, রূপালী, ডেলফোজ।

অন্যদিকে,
• উন্নত জাতের গম: সোনালিকা, বলাকা, দোয়েল, অগ্রণী, আনন্দ, কাঞ্চন, শতাব্দী ও আকবর।
• উন্নত জাতের ধান: ইরাটম, ব্রি হাইব্রিড - ১, চান্দিনা, হীরা, মালা, বিপ্লব, দুলাভোগ, মোহিনী, সুফলা, আশা, প্রগতি।
• উন্নত জাতের তামাক: সুমাত্রা ও ম্যানিলা।
• উন্নত জাতের ভুট্টা: বর্ণালী, শুভ্রা ও উত্তরণ।
• উন্নত জাতের আম: মহানন্দা, ল্যাংড়া, গোপালভোগ, হাড়িভাঙ্গা, ক্ষীরসাপাতি ও মােহনভােগ।
• উন্নত জাতের টমেটো: বাহার, মানিক, রতন, অপূর্ব, মিন্টো, ঝুমকা, সিঁদুর, শ্রাবণী।
• উন্নত জাতের মরিচ: যমুনা।
• উন্নত জাতের বেগুন: শুকতারা, নয়নতারা, তারাপুরী, ইসলামপুরী, কাজলা, বিজয়, মুক্তকেশী, ঝুমকো।
• উন্নত জাতের আলু: হিরা, আইলসা, পেট্রোনিস, মুল্টা, ডায়ামন্ট, কার্ডিনাল, মন্ডিয়াল, কুফরী সিন্দুরী, চমক, ধীরা, গ্রানোলা, ক্লিওপেট্রা ও চিনেলা।
• উন্নত জাতের আনারস: জায়ান্ট কিউ, হানি কুইন, ঘোড়াশাল, জলঢুপি।

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস।
৯৮৯.
একটি কাঁচা পাটের গাইটের ওজন-
  1. ৩.৫ মণ
  2. ৪ মণ
  3. ৪.৫ মণ
  4. ৫ মণ
সঠিক উত্তর:
৪.৫ মণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪.৫ মণ
ব্যাখ্যা
কাঁচা পাটের গাইট:
- পাট বাংলাদেশের প্রধান অর্থকরী ফসল।
- বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার প্রায় এক চতুর্থাংশ প্রত্যক্ষ পরোক্ষভাবে পাট এবং পাট শিল্পের সাথে জড়িত।
- জাতীয় রপ্তানি আয়ে পাট খাতের অবস্থান দ্বিতীয়।
- পাটজাত পণ্যকে ২০২৩ সালের ‘প্রোডাক্ট অব দ্য ইয়ার’ বা বর্ষপণ্য এবং পাটকে কৃষিপণ্য হিসেবে গণ্য করার ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
- পাট উৎপাদনের পর থেকে পচনের আগ পর্যন্ত একে কাঁচা পাট নামে অভিহিত করা হয়।
- পাট অধিদপ্তরের তথ্যানুযায়ী, বছরে দেশে ৮৫ থেকে ৯০ লাখ বেল কাঁচাপাট উৎপাদিত হয়।
- একটি কাঁচা পাটের গাঁইটের ওজন ৪.৫ মণ।

উল্লেখ্য,
- পাটের ওজন হিসেব করা হয় বেল দিয়ে।
- বেল অর্থ গাঁট বাধা।
- গাঁট থেকেই গাঁইট এসেছে বলা যায়।
- ১ বেল = ১৮২.২৫ কেজি।
- ১ মণ = ৩৭.৩২ কেজি
- ১৮২.২৫ কেজি= প্রায় ৪.৫ মণ।

উৎস: i) কৃষি তথ্য সার্ভিস। 
         ii) বাংলা একাডেমি অভিধান।
৯৯০.
সামুদ্রিক মাছ ও প্রযুক্তি গবেষণা কেন্দ্র - কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) বাগেরহাট
  2. খ) ময়মনসিংহ
  3. গ) খুলনা
  4. ঘ) চাঁদপুর
  5. ঙ) কক্সবাজার
সঠিক উত্তর:
ঙ) কক্সবাজার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঙ) কক্সবাজার
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ মৎস ও প্রাণি সম্পদ মন্ত্রনালয়ের অধীন ৫ টি গবেষণা কেন্দ্র ও ৫ টি উপকেন্দ্র রয়েছে। ৫টি গবেষনা কেন্দ্র - ময়মনসিংহে অবস্থিত স্বাদু পানি কেন্দ্র, চাঁদপুরে অবস্থিত নদী কেন্দ্র, খুলনার পাইকগাছায় অবস্থিত লোনা পানি কেন্দ্র, কক্সবাজারে অবস্থিত সামুদ্রিক মাছ ও প্রযুক্তি কেন্দ্র ও বাগেরহাটে অবস্থিত চিংড়ি গবেষণা কেন্দ্র। উৎসঃ বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট এর ওয়েবসাইট।
৯৯১.
সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার অধীনে সর্বোচ্চ শুষ্ক মৌসুমে জলজ অভয়াশ্রম (অ্যাকোয়াটিক স্যাংচুয়ারি) হিসেবে অন্তত কত শতাংশ জলাভূমি সংরক্ষণ করার লক্ষ্যমাত্রা স্থির করা হয়েছে?
  1. ক) ১০%
  2. খ) ১৫%
  3. গ) ১৭%
  4. ঘ) ২৫%
সঠিক উত্তর:
খ) ১৫%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৫%
ব্যাখ্যা
সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার অধীনে সর্বোচ্চ শুষ্ক মৌসুমে জলজ অভয়াশ্রম (অ্যাকোয়াটিক স্যাংচুয়ারি) হিসেবে অন্তত ১৫ শতাংশ জলাভূমি সংরক্ষণ করার লক্ষ্যমাত্রা স্থির করা হয়েছে।
[সূত্রঃ সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা, পরিকল্পনার অভীষ্ট ও লক্ষ্যমাত্রা]
৯৯২.
ইরাটম-২৪ কীসের জাত?
  1. ধান
  2. আলু
  3. আম
  4. পেঁয়াজ
সঠিক উত্তর:
ধান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধান
ব্যাখ্যা
ইরাটম-২৪:
- বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (BINA) কর্তৃক উদ্ভাবিত। 
- উচ্চ ফলনশীল ধানের জাত।
- এটি আগাম পাকে।
- এটি একটি মধ্যম স্বল্প জীবনকাল সম্পন্ন জাত।
- জীবনকাল বোরো মৌসুমে ১৪০-১৫০ দিন ও আউশ মৌসুমে ১২৫-১৩০ দিন।
- জাতটি পাতা পোড়া রোগ প্রতিরোধী।
- চাল  মাঝারী সরু ও লম্বা।
- চালে এ্যামাইলোজের পরিমাণ ২৬-২৮% ও আমিষের পরিমাণ ৮.২১-৮.৩৮%।

উৎস: বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট।
৯৯৩.
সুন্দরবনকে কত সালে World Heritage হিসেবে ঘোষণা করা হয়?
  1. ক) ১৯৯৬ সালে
  2. খ) ১৯৯৭ সালে
  3. গ) ১৯৯৮ সালে
  4. ঘ) ১৯৯৯ সালে
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৯৭ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৯৭ সালে
ব্যাখ্যা
সুন্দরবন
- সুন্দরবন পৃথিবীর বৃহত্তম প্রাকৃতিক ম্যানগ্রোভ বা স্রোতজ বনভূমি। 
- সুন্দরবনের মোট আয়তন প্রায় ১০০০০ বর্গ কিলোমিটার। 
- বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরা জেলায় অবস্থিত সুন্দরবনের আয়তন প্রায় ৬০১৭ বর্গ কিলোমিটার যা সুন্দরবনের মোট আয়তনের প্রায় ৬২ ভাগ।
- ৬ ডিসেম্বর, ১৯৯৭ সালে জাতিসংঘের সংস্থা ইউনেস্কো পৃথিবীর বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবনকে ৭৯৮তম World Heritage হিসেবে ঘোষণা করে।
- সুন্দরবনের প্রধান বৃক্ষ হলো - সুন্দরী।
- সুন্দরী গাছের নাম থেকেই এই বনের নাম হয়েছে সুন্দরবন।
- সুন্দরবনের অন্যান্য গাছের মধ্যে গরান, গেওয়া, কেওড়া, ধুন্দল, গোলপাতা ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি ও বনবিভাগ ওয়েবসাইট।
৯৯৪.
'ফিশারিজ ট্রেনিং ইনস্টিটিউট' কোথায় অবস্থিত?
  1. ময়মনসিংহ
  2. চাদঁপুর
  3. খুলনায়
  4. ঢাকায়
সঠিক উত্তর:
চাদঁপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চাদঁপুর
ব্যাখ্যা
• ফিশারিজ ট্রেনিং ইনস্টিটিউট:
- ফিশারিজ ট্রেনিং ইনস্টিটিউট (মৎস্য প্রশিক্ষণ ইনষ্টিটিউট) চাঁদপুর জেলার বাবুরহাটে অবস্থিত।
- এই ট্রেনিং ইনস্টিটিউটে মৎস্য সেক্টরের বিভিন্ন কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং মৎস্য চাষীদের বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।

এছাড়াও - 
- নদী গবেষণা ইনস্টিটিউট ফরিদপুর শহরের উপকণ্ঠে অবস্থিত।
- সামুদ্রিক মৎস্য ও প্রযুক্তি কেন্দ্র অবস্থিত কক্সবাজারে।
- 'বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট' ময়মনসিংহের বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস সংলগ্নে অবস্থিত।

তথ্যসূত্র:- বাংলাপিডিয়া ও সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।
৯৯৫.
Bangladesh Rice Research Institute কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ক) ১৯৬৫ সালে
  2. খ) ১৯৬৯ সালে
  3. গ) ১৯৭০ সালে
  4. ঘ) ১৯৭২ সালে
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৭০ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৭০ সালে
ব্যাখ্যা
Bangladesh Rice Research Institute (BRRI) গাজীপুর জেলার জয়দেবপুরে অবস্থিত।
উচ্চ ফলনশীল ধানের জাত এবং চাষাবাদের কলাকৌশল উদ্ভাবনের লক্ষ্যে ১৯৭০ সালের ১ অক্টোবর BRRI প্রতিষ্ঠিত হয়।
BRRI বর্তমান পর্যন্ত ধানের মোট ১০৮টি আধুনিক জাত উদ্ভাবন করেছে।

(তথ্যসূত্র: BRRI ওয়েবসাইট)
৯৯৬.
হাওরাঞ্চলে কোন ধানের চাষ হয়?
  1. ক) রোপা আমন
  2. খ) আউশ
  3. গ) বোরো
  4. ঘ) বোনা আমন
সঠিক উত্তর:
গ) বোরো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বোরো
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সাতটি জেলা জুড়ে বিস্তৃত হাওরাঞ্চলে বছরে একবার কেবল বোরো ধানের চাষ হয়ে থাকে। দেশের মোট বোরো ধান উৎপাদনের প্রায় ২০ ভাগ হয় হাওরাঞ্চলে। গত বছর হাওরাঞ্চলে প্রায় ৪.৪৬ লক্ষ হেক্টর জমিতে বোরো ধানের চাষ হয়।
(সূত্র: কৃষি মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট)
৯৯৭.
একটি কাঁচা পাটের গাইটের ওজন কত?
  1. ২.৫ মণ
  2. ৩.০ মণ
  3. ৪.০ মণ
  4. ৪.৫ মণ
সঠিক উত্তর:
৪.৫ মণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪.৫ মণ
ব্যাখ্যা
কাঁচা পাটের গাইট:
- পাট বাংলাদেশের প্রধান অর্থকরী ফসল।
- বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার প্রায় এক চতুর্থাংশ প্রত্যক্ষ পরোক্ষভাবে পাট এবং পাট শিল্পের সাথে জড়িত।
- জাতীয় রপ্তানি আয়ে পাট খাতের অবস্থান দ্বিতীয়।
- পাটজাত পণ্যকে ২০২৩ সালের ‘প্রোডাক্ট অব দ্য ইয়ার’ বা বর্ষপণ্য এবং পাটকে কৃষিপণ্য হিসেবে গণ্য করার ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
- পাট উৎপাদনের পর থেকে পচনের আগ পর্যন্ত একে কাঁচা পাট নামে অভিহিত করা হয়।
- পাট অধিদপ্তরের তথ্যানুযায়ী, বছরে দেশে ৮৫ থেকে ৯০ লাখ বেল কাঁচাপাট উৎপাদিত হয়।
- একটি কাঁচা পাটের গাঁইটের ওজন ৪.৫ মণ।

উল্লেখ্য,
- পাটের ওজন হিসেব করা হয় বেল দিয়ে।
- বেল অর্থ গাঁট বাধা।
- গাঁট থেকেই গাঁইট এসেছে বলা যায়।
- ১ বেল = ১৮২.২৫ কেজি।
- ১ মণ = ৩৭.৩২ কেজি
- ১৮২.২৫ কেজি= প্রায় ৪.৫ মণ।

উৎস: i) কৃষি তথ্য সার্ভিস।
         ii) বাংলা একাডেমী অভিধান।
৯৯৮.
বাংলাদেশের কৃষির প্রধান উপখাত কয়টি?
  1. ৩টি
  2. ৪টি
  3. ৫টি
  4. ৬টি
সঠিক উত্তর:
৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪টি
ব্যাখ্যা
কৃষির উপখাত:
- বাংলাদেশের কৃষির ৪টি উপখাত রয়েছে।
- যথা:
• শস্য ও শাকসবজি,
• প্রাণি সম্পদ,
• বনজ সম্পদ,
• মৎস সম্পদ।

⇒ এই উপখাত গুলোর আরো ভাগ রয়েছে।
- যেমন- মৎস্য সম্পদের অভ্যন্তরীণ ও সামুদ্রিক উৎস রয়েছে।

উৎস: অর্থনীতি ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী।
৯৯৯.
বাংলাদেশের কোন অঞ্চলে জুম চাষ প্রচলিত?
  1. সমতল ভূমি
  2. পাহাড়ি অঞ্চল
  3. নদী বিধৌত অঞ্চল
  4. উপকূলীয় অঞ্চল
সঠিক উত্তর:
পাহাড়ি অঞ্চল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাহাড়ি অঞ্চল
ব্যাখ্যা
জুম চাষ:
- জুম চাষ (Jhum) বাংলাদেশের পাহাড়ি অঞ্চলে সর্বাধিক প্রচলিত চাষাবাদ পদ্ধতি।
- এর প্রকৃত অর্থ হলো স্থান পরিবর্তনের মাধ্যমে চাষাবাদ করা।
- মূলত পাহাড়ের জঙ্গল পরিষ্কার করে চাষাবাদ করাই হলো জুম।
- বাংলাদেশের তিন পার্বত্য জেলায় (রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান) জুম চাষ হয়।
- এক্ষেত্রে সাধারণত পাহাড়ের গায়ে কিছু স্থানে চাষ করার পর কয়েক বছর সেই স্থানের উর্বরতা বৃদ্ধির জন্য রেখে দিয়ে আবার পাহাড়ের অন্য স্থানে গিয়ে চাষ করা হয়।
- জুম চাষিদের 'জুমিয়া' বলা হয়।
- সাধারণভাবে জন্মানো প্রধান ফসলের মধ্যে রয়েছে ধান, ভুট্টা, কাউন, তিল, শসা, মিষ্টিকুমড়া, তরমুজ, বরবটি, তুলা, কলা, আদা, হলুদ প্রভৃতি। 

তথ্যসূত্র:
i) বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) ৬ এপ্রিল, ২০২৩, কালের কন্ঠ।
১,০০০.
দেশের কতটি জেলায় বন বিভাগের নিয়ন্ত্রণাধীন বনভূমি রয়েছে?
  1. ২৮টি
  2. ২৯টি
  3. ৩৪টি
  4. ৩৫টি
সঠিক উত্তর:
৩৫টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৫টি
ব্যাখ্যা
- বর্তমানে দেশের ৩৫টি জেলায় বন বিভাগের নিয়ন্ত্রণাধীন বনভূমি রয়েছে।
- বন বিভাগ নিয়ন্ত্রণাধীন বনভূমির পরিমাণ ১,৮৮০,৪৯৩.৭৩ হেক্টর।
- এটি দেশের মোট বনভূমির ৭৩ শতাংশ।
- দেশের মোট বনভূমির পরিমাণ ২,৫৭৫,১৯৬.০১ হেক্টর।
(তথ্যসূত্র: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ : ২০২০)