বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশের কৃষিজ সম্পদ

মোট প্রশ্ন১,৬৮১এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশের কৃষিজ সম্পদ

PrepBank · পাতা / ১৭ · ৩০১৪০০ / ১,৬৮১

৩০১.
গ্রীষ্মকালীন শস্যকে বলা হয়-
  1. রবি শস্য
  2. খরিপ শস্য
  3. রিং শস্য
  4. রিলে শস্য
ব্যাখ্যা

ফসল উৎপাদনের জন্য সারা বছরকে ২টি মৌসুমে ভাগ করা যায়।
যথা- রবি মৌসুম ও খরিপ মৌসুম।
- শীতকালীন শস্যকে বলে রবি শস্য।
- গ্রীষ্মকালীন শস্যকে বলে খরিপ শস্য।

৩০২.
কোন প্রকার মাটির পানি ধারণ ক্ষমতা সবচেয়ে বেশি?
  1. ক) বেলে মাটি
  2. খ) এঁটেল মাটি
  3. গ) দোআঁশ মাটি
  4. ঘ) কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা

এঁটেল মাটির বৈশিষ্ট্য-
১. এঁটেল মাটি সাধারণত লালচে রঙের হয় ।
২. এ মাটির কণা সবচেয়ে ছোট।
৩. এ মাটির পানি ধারণ ক্ষমতা সবচেয়ে বেশি।

৩০৩.
বাংলাদেশের কৃষিতে “উত্তরণ” কিসের জাত?
  1. ধান
  2. গম
  3. ভুট্টা
  4. ফুলকপি
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (BARI) - কর্তৃক উদ্ভাবিত ভুট্টার জাত -
খৈ ভুট্টা, মোহর, বর্ণালী, শুভ্রা, বারি হাইব্রিড ভুট্টা ইত্যাদি।
- ব্র্যাক কর্তৃক উদ্ভাবিত জাত
উত্তরণ, বিপ্লব, শক্তি, প্যাসিফিক ইত্যাদি।
এছাড়াও রয়েছে -
সুপার সাইন, কোহিনুর, ডন, প্রফিট, শাহী ইত্যাদি ভুট্টার জাত।

তথ্যসূত্র:- কৃষি বাতায়ন।

৩০৪.
কোনো দেশের কমপক্ষে শতকরা কত ভাগ বনাঞ্চল থাকা দরকার?
  1. ১৫ ভাগ
  2. ২৫ ভাগ
  3. ৩০ ভাগ
  4. ৩৫ ভাগ
ব্যাখ্যা
বনজ সম্পদ:
- বনভূমি ও বনজ সম্পদ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রাকৃতিক সম্পদ।
- প্রাকৃতিক ও পরিবেশগত অবস্থা ভালো রাখার জন্য যেকোনো দেশের কমপক্ষে শতকরা ২৫ ভাগ বনাঞ্চল থাকা দরকার।
- কিন্তু বাংলাদেশের মোট বনভূমি মোট ভূখণ্ডের প্রায় শতকরা ১৭.৬২ ভাগ যা অন্যান্য দেশের তুলনায় কম।
- যেমন, আমেরিকায় শতকরা ৩৩.৮৪ ভাগ, জাপানে শতকরা ৬৭ ভাগ, বার্মায় শতকরা ৬৩ ভাগ এবং ভারতে শতকরা ২৩.৭০ ভাগ বনাঞ্চল রয়েছে।

উৎস: অর্থনীতি, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৩০৫.
'কার্ডিনাল' কোন ফসলের জাত?
  1. গম
  2. ভুট্টা
  3. আলু
  4. টমেটো
ব্যাখ্যা

- কার্ডিনাল বাংলাদেশে বহুল প্রচলিত একটি আলুর জাত।

আলুর অন্যান্য জাতসমূহ হলো:
- ললিতা, 
- কার্ডিনাল
- আইলসা, 
- চমক, 
- ধীরা, 
- গ্রানোলা, 
- বিনেলা, 
- আরিন্দা, 
- রাজা, 
- বারাকা ইত্যাদি।

অন্যদিকে: 
- উচ্চ ফলনশীল গমের জাত: কাঞ্চন, আকবর, অঘ্রাণী, প্রতিভা, সৌরভ, গৌরব।
- ভুট্টার উন্নত জাত: বর্ণালি ও শুভ্রা, উত্তরণ।
- টমেটো উন্নত জাত: বাহার, মানিক, রতন, মিন্টো, ঝুমকা, শ্রাবণী। 

সূত্র: কৃষি তথ্য সার্ভিস। 

৩০৬.
Where is Bangabandhu-Pierre Trudeau Agricultural Technology Center located?
  1. Mymensingh
  2. Sherpur
  3. Gazipur
  4. Faridpur
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধু-পিয়েরে ট্রুডো কৃষি প্রযুক্তি কেন্দ্র:
- বঙ্গবন্ধু-পিয়েরে ট্রুডো কৃষি প্রযুক্তি কেন্দ্র গাজীপুরে অবস্থিত।
- ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ তারিখে গাজীপুরে অবস্থিত বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট এর ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বঙ্গবন্ধু-পিয়েরে ট্রুডো কৃষি প্রযুক্তি কেন্দ্র উদ্বোধন করেন।

উৎস: বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার।
৩০৭.
নিচের কোন প্রতিষ্ঠানটি কৃষিক্ষেত্রে সার সরবরাহ করে থাকে?
  1. ক) বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট
  2. খ) বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন
  3. গ) কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর
  4. ঘ) বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (BADC) কৃষিক্ষেত্রে কৃষি উপকরণ সরবরাহের দায়িত্বে নিয়োজিত সরকারি প্রতিষ্ঠান৷
BADC বিভিন্ন ফসলের উফশী বীজ উৎপাদন, সংরক্ষণ ও সরবরাহ, সেচ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং কৃষক পর্যায়ে মানসম্মত সার সরবরাহ করে থাকে।
১৯৬১ সালে প্রতিষ্ঠিত পূর্ব পাকিস্তান কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন দেশ স্বাধীনের পর BADC নামধারণ করে। এটির প্রধান কার্যালয় ঢাকার মতিঝিলে অবস্থিত।

(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২২ এবং BADC ওয়েবসাইট)
৩০৮.
নিচের কোনটি শীতকালীন ফসল?
  1. পাট
  2. ভুট্টা
  3. আমন ধান
  4. গম
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে ফসল উৎপাদনের প্রধান মৌসুম ২টি।
এগুলো হলো:
- খরিপ বা গ্রীষ্মকালীন মৌসুম
- রবি বা শীতকালীন মৌসুম।

- কার্তিক থেকে ফাল্গুন হচ্ছে রবি মৌসুম বা শীতকালীন মৌসুম হিসেবে পরিচিত।

শীতকালীন ফসলসমূহ হলো:
- গম
- বোরো ধান
- মসুর ডাল
- যব
সরিষা
- পেঁয়াজ
- মটরশুঁটি ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
পাট ও আমন ধান গ্রীষ্মকালীন ফসল। ভুট্টা মৌসুম নিরপেক্ষ ফসল।

(তথ্যসূত্র: কৃষি তথ্য সার্ভিস এবং কৃষি শিক্ষা বোর্ডবই)
৩০৯.
নিচের কোনটি অর্থকরী ফসল?
  1. ক) আলু
  2. খ) তৈলবীজ
  3. গ) তামাক
  4. ঘ) গম
ব্যাখ্যা
যেসব ফসল সরাসরি বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে চাষ করা হয় তাদের অর্থকরী ফসল বলা হয়।
বাংলাদেশের অর্থকরী ফসলসমূহ:
- পাট
- চা
- আখ বা ইক্ষু
- তামাক
- তুলা
- রাবার
- ফুল প্রভৃতি।

অন্যদিকে,

আলু, তৈলবীজ ও গম হলো খাদ্যশস্য।

(তথ্যসূত্র: ‍ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী)
৩১০.
সামগ্রিকভাবে মৎস্য উৎপাদনে দেশের শীর্ষ জেলা-
  1. ক) বরিশাল
  2. খ) চাঁদপুর
  3. গ) সিলেট
  4. ঘ) ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা

- সামগ্রিকভাবে মৎস্য উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ময়মনসিংহ।
- এরপরই রয়েছে যশোর এবং কুমিল্লা।
- বাংলাদেশ মৎস্য উৎপাদন তরুণদের কাছে ক্রমেই জনপ্রিয় হয়ে উঠছে।
- বায়োফ্লক পদ্ধতিতে মৎস্য উৎপাদন বাড়ছে।

উৎস: কৃষি বর্ষপঞ্জি ২০২০ ও বিবিসি বাংলা রিপোর্ট।

৩১১.
নিচের কোনটি অর্থকরী ফসল?
  1. ক) গম
  2. খ) ভুট্টা
  3. গ) ইক্ষু
  4. ঘ) আলু
ব্যাখ্যা
যেসব ফসল সরাসরি বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে চাষ করা হয় তাদের অর্থকরী ফসল বলে।
বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে অর্থকরী ফসলগুলো হলোঃ পাট, চা, ইক্ষু, তুলা, রাবার, তামাক, ফুল ইত্যাদি।
অন্যদিকে, ধান, গম, ভুট্টা, তেলবীজ, আলু, সবজী, ফলমূল ইত্যাদি হলো খাদ্যশস্য।
(সূত্রঃ ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী)
৩১২.
কোনটি মরিচের উন্নত জাত?
  1. রুপালী
  2. টিপু সুলতান
  3. আকবর
  4. চাঁদপুরী
ব্যাখ্যা
• মরিচ:
- জাত পরিচিতি: মরিচের মধ্যে বগুড়া, চাঁদপুরী, ফরিদপুরী, কামরাংগা, আকালী ও কালো মরিচ উল্লেখযোগ্য।
এছাড়াও 
- আকবর হচ্ছে -গমের উন্নত জাত।
- রুপালী হচ্ছে - তুলার উন্নত জাত।
- টিপু সুলতান হচ্ছে- টমেটোর উন্নত জাত।

তথ্যসূত্র: কৃষি তথ্য সার্ভিস।
৩১৩.
গৌড়মতি কী?
  1. ক) উন্নত জাতের ইক্ষু
  2. খ) পাট
  3. গ) উন্নত জাতের চা
  4. ঘ) বারোমাসি আম
ব্যাখ্যা

গৌড়মতি হলো বারোমাসি আম। 
- আশ্বিনা ও ল্যাংড়া—এ দুই জাতের আমের মুকুলের প্রাকৃতিক পরাগায়নের মাধ্যমে নতুন জাতের উৎপত্তি হয়েছে বলে তাঁদের ধারণা।
- তাঁরা আমটির নাম দিয়েছেন 'গৌড়মতি'।
- চাপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার সীমান্তবর্তী শিয়ালমারা এলাকার এক আমবাগানের একটি গাছে এই জাতের আম পাওয়া গেছে। 
- গাছটির আনুমানিক বয়স ১৬ বছর হবে।

উৎস: প্রথম আলো রিপোর্ট।

৩১৪.
উচ্চ ফলনশীল গমের জাত কোনটি?
  1. ঝিটকা
  2. প্রতিভা
  3. প্রভাতী
  4. প্রগতি
ব্যাখ্যা

উচ্চ ফলনশীল কলার জাত:
- সিঙ্গাপুরী, কাবুলী, মেহের সাগর, অমৃত সাগর, সবরি, অনুপম, মালভোগ, মর্তমান, চাঁপা, অগ্নিশ্বর, কবরী।

উচ্চ ফলনশীল আলুর জাত:
- হীরা, আইলসা, ডায়মন্ড, কার্ডিনাল, চমক, মরিনী, সুন্দরী, কুফরী, মুলটা ইত্যাদি।

উচ্চ ফলনশীল গমের জাত:
- কাঞ্চন, আকবর, অঘ্রাণী, প্রতিভা, সৌরভ, গৌরব।

উচ্চ ফলনশীল পেঁয়াজের জাত:
- সুখ সাগর, ঝিটকা, কৈলাসনগর, তাহেরপুরী, ভাতি।

উচ্চ ফলনশীল বাঁধাকপির জাত:
- গ্রীন এক্সপ্রেস, ড্রামহেড, গোল্ডেন ক্রস, প্রভাতী, অগ্রদূত।

উচ্চ ফলনশীল ধানের জাত:
- বিপ্লব, হিরা, মালা, ইরাটম, ময়না, চান্দিনা, হরিধান, নারিফা, সুফলা, প্রগতি ইত্যাদি।

উচ্চ ফলনশীল আমের জাত:
- মহানন্দা, ল্যাংড়া, ফজলি, হাড়িভাঙ্গা, আম্রপালি, গোপালভোগ, সূর্যপুরী, হিমসাগর, মোহনভোগ প্রভৃতি।

উচ্চ ফলনশীল ভুট্টার জাত:
- বর্ণালি, শুভ্রা, খই, মোহর।

তথসূত্র - কৃষি তথ্য সার্ভিস।

৩১৫.
বাংলাদেশের কোথায় জুম চাষ পদ্ধতির প্রচলন নেই?
  1. ক) রাঙ্গামাটি
  2. খ) খাগড়াছড়ি
  3. গ) ময়মনসিংহ
  4. ঘ) বান্দরবান
ব্যাখ্যা
- জুম বাংলাদেশের পাহাড়ি অঞ্চলের এক ধরনের চাষাবাদ পদ্ধতি।
- পাহাড়ের ঢালু এলাকায় জঙ্গল কেটে বা পুড়িয়ে পাহাড়িরা সাধারণত চাষাবাদ করে থাকে।
- বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রামের রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি জেলায় ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীদের মাঝে জুম চাষ পদ্ধতি প্রচলিত রয়েছে।      

তথ্যসূত্র- ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ভাষা ও সংস্কৃতি : সপ্তম শ্রেণি এবং বাংলাপিডিয়া। 
৩১৬.
বিশ্বে আহরিত মোট ইলিশের কত শতাংশ বাংলাদেশে উৎপাদিত হয়? [ডিসেম্বর, ২০২৫]
  1. প্রায় ৬৬ শতাংশ
  2. প্রায় ৭২ শতাংশ
  3. প্রায় ৮০ শতাংশ
  4. প্রায় ৯২ শতাংশ
ব্যাখ্যা

ইলিশ:
- জাতীয় মাছ ইলিশ আমাদের ঐতিহ্যের ধারক ও বাহক।
- বর্তমানে ইলিশ উৎপাদনকারী ১১টি দেশের মধ্যে বিশ্বে প্রথম বাংলাদেশ।
- বিশ্বের মোট উৎপাদনের প্রায় ৮০ শতাংশ ইলিশই হয় বাংলাদেশে।
- দেশের মোট মৎস্য উৎপাদনে ইলিশ মাছের অবদান প্রায় ১১%।
- বাংলাদেশের জিডিপিতে ইলিশের অবদান ১%।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশে ইলিশের চারটি প্রজনন ক্ষেত্র রয়েছে।
- দেশে ইলিশ অধ্যুষিত জেলা ৩৮টি।
- ইলিশের অভয়াশ্রম ৬টি।
- প্রজনন মৌসুমে ইলিশ আহরণ নিষিদ্ধ থাকে ২২ দিন।

উৎস: ।) মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ তথ্য দপ্তর।
ii) প্রথম আলো।

৩১৭.
বাংলাদেশ বনশিল্প উন্নয়ন করপোরেশনের অধীনে দেশে মোট কয়টি রাবারবাগান আছে? [জুন, ২০২৫]
  1. ১২টি
  2. ১৬টি
  3. ১৮টি
  4. ২২টি
ব্যাখ্যা
রাবার:
- রাবার একটি অত্যন্ত মূল্যবান অর্থকরী বনজ সম্পদ যার বিভিন্ন ধরণের ব্যবহার রয়েছে।
- রাবার গাছের কষ (ল্যাটেক্স) থেকে রাবার উৎপন্ন হয়।
- বিংশ শতাব্দীর শুরুর দিকে বৃটিশদের মাধ্যমে বাংলাদেশে প্রথম রাবার চাষ শুরু হয়।
- ১৯৫২ সালে তৎকালীন বনবিভাগ মালয়েশিয়া ও শ্রীলংকা হতে রাবার বীজ ও কয়েক হাজার রাবার চারা নিয়ে পরীক্ষামূলকভাবে চট্টগ্রাম ও টাঙাইলের মধুপুর এলাকায় কিছু গাছ রোপণ করে।
- ১৯৫৯ সালে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (FAO) বাংলাদেশে রাবার চাষের সম্ভাব্যতা যাচাই করে এবং এদেশের জলবায়ু ও মাটি রাবার চাষের জন্য অত্যন্ত উপযোগী তাই বাণিজ্যিকভাবে রাবার চাষ করার সুপারিশ করে।
- ১৯৬১ সালে সরকারী পৃষ্ঠপোষকতায় বাণিজ্যিকভাবে চট্টগ্রাম ও সিলেটের পার্বত্য এলাকায় রাবার চাষ শুরু করা হয়।

উল্লেখ্য,
- বিএফআইডিসির মালিকানাধীন রাবার বাগান রয়েছে ১৮টি।
- এর মধ্যে চট্টগ্রাম জোন (৯টি বাগান), সিলেট জোন (৪টি বাগান), টাংগাইল-শেরপুর জোন (৫টি বাগান)।

⇒ বিএফআইডিসি ১৯৮০-৮১ সাল হতে উচ্চ ফলনশীল রাবার চারা রোপণ শুরু করে এবং ১৯৯৭ সালের মধ্যে চট্টগ্রাম, সিলেট ও মধুপুরের ১৩,২০৭ হেক্টর জমিতে ১৬টি রাবার বাগান সৃজন করে।
- তার মধ্যে ৮% চারা মালয়েশিয়া হতে আনীত প্রিম ৬০০ এবং পিবি ২৩৫ ক্লোন হতে লাগানো হয়।
- প্রতিটি ক্লোন হতে উৎপন্ন চারা হতে বছরে তিন কেজি করে রাবার উৎপন্ন হয়।

উৎস: i) বাংলাদেশ রাবার বোর্ড ওয়েবসাইট।
ii) বাংলাদেশ বনশিল্প উন্নয়ন কর্পোরেশন ওয়েবসাইট।
৩১৮.
কোন প্রকার মাটি পাট চাষের জন্য সর্বপেক্ষা উপযোগী?
  1. এঁটেল
  2. দো-আঁশ
  3. বেলে
  4. কংকর
ব্যাখ্যা

• পাট চাষের জন্য সর্বপেক্ষা উপযোগী মাটি হলো দো-আঁশ মাটি। 

• পাট চাষ:
- উর্বর দো-আঁশ মাটি পাট চাষের জন্য সবচেয়ে উপযোগী।
- দো-আঁশ মাটিতে বালি, পলি এবং কাদার সুষম মিশ্রণ থাকে, যা ভালো নিষ্কাশন (drainage), পর্যাপ্ত আর্দ্রতা ধরে রাখা এবং উর্বরতা প্রদান করে। এতে পাট গাছের শিকড় ভালোভাবে বৃদ্ধি পায়, পানি জমে না (waterlogging এড়ানো যায়), এবং ফলন সর্বোচ্চ হয়।
- তবে বেলে ও এঁটেল মাটি ছাড়া সব জমিতেই পাট চাষ করা যায়।
- তবে যে জমিতে বর্ষার শেষের দিকে পলি পড়ে সে জমি পাট চাষের জন্য উত্তম।
- তোষা পাট উঁচু জমিতে এবং দেশী পাট উঁচু ও নিচু দু'ধরনের জমিতেই চাষ করা যায়।

তথ্যসূত্র - কৃষি শিক্ষা, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩১৯.
ইক্ষু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কোনটি?
  1. জামালপুর
  2. ফরিদপুর
  3. নাটোর
  4. দিনাজপুর
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে ইক্ষু উৎপাদনে
প্রথম - নাটোর
দ্বিতীয় - জামালপুর
তৃতীয় - কুষ্টিয়া
চতুর্থ – গাইবান্ধা।
(সূত্র: কৃষি পরিসংখ্যান গ্রন্থ-২০১৯)
৩২০.
Thrust sector বলা হয়-
  1. ক) গলদা চিংড়িকে
  2. খ) বাগদা চিংড়িকে
  3. গ) হিমায়িত খাদ্যকে
  4. ঘ) ছাগল পালন কে
ব্যাখ্যা

Thrust sector বলা হয় হিমায়িত খাদ্যকে । 
- খাদ্য তৈরির পর খাওয়ার আগ পর্যন্ত এবং খাদ্যের কাঁচামাল রান্না করা পর্যন্ত সময় যদি আপনি সংরক্ষণ করে রাখতে চান তাহলে হিমায়িত বা ফ্রিজিং পদ্ধতি অবলম্বন করতে পারেন।
- এই পদ্ধতিতে সংরক্ষিত খাদ্যকে ফ্রোজেন ফুড বলা হয়। হিমায়িত প্রক্রিয়া খাদ্যের ভেতরগত আদ্রতাকে বরফে পরিবর্তন করার মাধ্যমে এর পচন হওয়া রোধ করে বা বিলম্বিত করে। যার ফলে অনেক প্রজাতির ব্যাক্টেরিয়ার বংশ বৃদ্ধি থেমে যায়। 

ফুড ইন্ডাস্ট্রিগুলোয় সাধারণত: দুই ভাবে ফ্রোজেন ফুড তৈরি করা হয় -
- মেকানিকাল ফ্রিজিং
- Cryogenic freezing

- এদের মধ্যে ক্রায়োজেনিক ফ্রিজিং প্রক্রিয়া দ্রুততার সাথে সম্পন্ন হয়। তবে, পারিবারিক পর্যায়ে সাধারণ রেফ্রিজারেটর ব্যবহার করে ফ্রিজিং প্রক্রিয়ায় খাদ্য সংরক্ষণ করা হয়।

৩২১.
ডুলাহাজরা সাফারি পার্ক কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. কক্সবাজার
  2. গাজীপুর
  3. চট্টগ্রাম
  4. সিলেট
ব্যাখ্যা
ডুলাহাজরা সাফারি পার্ক:

- দেশের প্রথম সাফারি পার্ক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারি উদ্যান, কক্সবাজার।
- এটি ১৯৯৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটি ডুলাহাজরা সাফারি পার্ক নামেও পরিচিত।
- কক্সবাজার জেলার চকরিয়া উপজেলায় ডুলাহাজরা রিজার্ভ ফরেষ্টে মনোরম প্রাকৃতিক দৃশ্য সম্বলিত বনাঞ্চলে সাফারী পার্কটি অবস্থিত।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৩২২.
ব্ল্যাক বেঙ্গল হলো একটি উন্নত জাতের -
  1. গরু
  2. ছাগল
  3. মহিষ
  4. ভেড়া
ব্যাখ্যা
ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল:
- ব্ল্যাক বেঙ্গল একটি উন্নত জাতের ছাগল।
- বিশ্ববাজারে এই প্রজাতির ছাগলের চামড়া কুষ্টিয়া গ্রেড নামে পরিচিত।

⇒ এর আকার ছোট।
- পূর্ণবয়স্ক ছাগলের উচ্চতা ৫০ সেন্টিমিটার।
- দেহের বর্ণ মূলত কালো; তবে ধুসর, বাদামি বা সাদাও হয়।
- এদের কানের আকার ১১-১৪ সেন্টিমিটার এবং সামনের দিকে সুচালো।
- ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল পরিষ্কার, শুষ্ক এবং উঁচু জায়গায় থাকতে পছন্দ করে।
- বাংলাদেশের কুষ্টিয়া, মেহেরপুর, চুয়াডাঙ্গা এবং ঝিনাইদহ জেলায় ব্ল্যাক বেঙ্গল জাতের ছাগলের উৎপাদন সবচেয়ে বেশি হয়।
- ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল মাংস এবং চামড়ার জন্য বিখ্যাত।।
- ২০১৮ সালে ব্ল্যাক বেঙ্গল গোটের জেনোম সিকোয়েন্সিং বা পূর্ণাঙ্গ জীবন রহস্য উন্মোচন করেছে বাংলাদেশের বিজ্ঞানীদের একটি দল।
- ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল জিআই স্বীকৃতি লাভ করে।

উৎস: i) বিবিসি বাংলা।
ii) কালের কন্ঠ।
৩২৩.
শীতকালে কোন বনভূমির পাতা ঝড়ে যায়?
  1. ক) সিলেট অঞ্চলের বনভূমি
  2. খ) সুন্দরবন
  3. গ) মধুপুর ও ভাওয়াল গড়
  4. ঘ) পার্বত্য চট্টগ্রাম বনাঞ্চল
ব্যাখ্যা
- টাঙ্গাইলের মধুপুর, গাজীপুরের ভাওয়াল গড়, শেরপুর, ময়মনসিংহ ও বরেন্দ্রভূমি এলাকায় বিস্তৃত শালবন একটি পত্রপতনশীল বৃক্ষের বনভূমি। যার কারণে শীতকালে এই বনের গাছের পাতা ঝড়ে যায়।
- শালবনের মোট আয়তন প্রায় ১.২ লক্ষ হেক্টর।
- এই বনের প্রধান বৃক্ষ হলো শাল বা গজারী।
(তথ্যসূত্রঃ বন অধিদপ্তর ওয়েবসাইট)
৩২৪.
Bangladesh Rice Research Institute কোথায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা
  2. ময়মনসিংহ
  3. গাজীপুর
  4. সিলেট
ব্যাখ্যা
- Bangladesh Rice Research Institute (BRRI) গাজীপুর জেলার জয়দেবপুরে অবস্থিত।
- এটি ১৯৭০ সালের ১ অক্টোবর প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটি উচ্চ ফলনশীল ধানের জাত এবং চাষাবাদের কলাকৌশল উদ্ভাবনের লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- BRRI বর্তমান পর্যন্ত ধানের মোট ১০৬টি আধুনিক জাত উদ্ভাবন করেছে।
(তথ্যসূত্রঃ Bangladesh Rice Research Institute ওয়েবসাইট)
৩২৫.
স্বাধীন বাংলাদেশে ‘প্রথম কৃষিশুমারি’ অনুষ্ঠিত হয়-
  1. ক) ১৯৭৩ সালে
  2. খ) ১৯৭৭ সালে
  3. গ) ১৯৮৩ সালে
  4. ঘ) ১৯৮৭ সালে
ব্যাখ্যা
স্বাধীন বাংলাদেশে ১৯৭৭ সালে প্রথম, ১৯৮৩-৮৪ সালে দ্বিতীয়, ১৯৯৬ সালে তৃতীয়, ২০০৮ সালে চতুর্থ এবং ২০১৯ সালের ৯-২০ জুন সর্বশেষ পঞ্চম কৃষিশুমারি অনুষ্ঠিত হয়৷ পাকিস্তান আমলে ১৯৬০ সালে প্রথম নমুনা আকারে কৃষিশুমারি অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
[সূত্রঃ বিবিএস ওয়েবসাইট এবং দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিদিন পত্রিকা]
৩২৬.
বাংলাদেশের কোন অঞ্চলের জেলাগুলো গম চাষের জন্য বিশেষ উপযোগী?
  1. দক্ষিণাঞ্চল
  2. উত্তরাঞ্চল
  3. মধ্যাঞ্চল
  4. পাহাড়ি অঞ্চল
ব্যাখ্যা

গম (Wheat):
- বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের জেলাগুলো গম চাষের জন্য বিশেষ উপযোগী।
- এছাড়া দিনাজপুর, রংপুর, পাবনা, রাজশাহী, কুষ্টিয়া, যশোর, বগুড়া প্রভৃতি অঞ্চলে গম চাষ ভালো হয়।
- গম উৎপাদনে বাংলাদেশ স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করতে পারেনি তাই প্রতিবছর গম আমদানি করতে হয়।

গম চাষের নিয়ামক:
তাপমাত্রা: গম চাষের জন্য সাধারণত ১৬° থেকে ২২° সেলসিয়াস তাপমাত্রা প্রয়োজন।
বৃষ্টিপাত : গম চাষে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ কম হলেও চলে। সাধারণত গম চাষের জন্য প্রয়োজন ৫০-৭৫ সেন্টিমিটার বৃষ্টিপাত। এ কারণে বাংলাদেশে বৃষ্টিহীন শীত মৌসুমে পানি সেচের মাধ্যমেও গম চাষ করা হয়।
মৃত্তিকা: বাংলাদেশের উর্বর দোআঁশ মাটি গম চাষের জন্য বিশেষ সহায়ক।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩২৭.
বাংলাদেশের প্রধান সরকারি বীজ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান কোনটি?
  1. বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট
  2. বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন
  3. বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট
  4. কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর
ব্যাখ্যা

BADC:
- বাংলাদেশের প্রধান সরকারি বীজ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান হলো বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (BADC)।
- এটি কৃষি উপকরণ সরবরাহের দায়িত্বে নিয়োজিত সরকারি প্রতিষ্ঠান৷
- এর অংশ হিসেবে BADC বিভিন্ন ফসলের উফশী বীজ উৎপাদন, সংরক্ষণ ও সরবরাহ, সেচ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং কৃষক পর্যায়ে মানসম্মত সার সরবরাহ করে থাকে।
- ১৯৬১ সালে প্রতিষ্ঠিত পূর্ব পাকিস্তান কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন দেশ স্বাধীনের পর BADC নামধারণ করে।
- এটির প্রধান কার্যালয় ঢাকার মতিঝিলে অবস্থিত।

তথ্যসূত্র - BADC ওয়েবসাইট।

৩২৮.
রূপালী-১ কোন ফসলের জাত?
  1. ভুট্টা
  2. তুলা
  3. তামাক
  4. তরমুজ
ব্যাখ্যা
তুলার চাষ: 
- বাংলাদেশে দুই ধরনের তুলা চাষ করা হয়।
- সমতল এলাকার ৭টি জোনে সমভূমির তুলা বা আপল্যান্ড কটন এবং পার্বত্য এলাকার ২টি জোনে পাহাড়ি তুলার চাষ করা হয়।
- পাহাড়ি তুলা এপ্রিল-মে মাসে এবং সমভূমির তুলা জুলাই-আগস্ট মাসে বপন করা হয়।
- পাহাড়ি তুলা ডিসেম্বর-জানুয়ারি মাসে এবং সমভূমির তুলা জানুয়ারি-মার্চ মাসে উত্তোলন করা হয়।
- তুলার চাষকৃত জাতগুলো: সমতল এলাকায় বর্তমানে, সিবি-৫, সিবি-৯ সিবি-১০ ও সিবি-১১ প্রভৃতি উচ্চফলনশীল জাতের তুলা এবং হাইব্রিড জাতের মধ্যে হীরা হাইব্রিড, রূপালী-১ ও ডিএম-১ জাতের তুলা চাষ হচ্ছে।
- এ ছাড়া পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে পাহাড়ি তুলা-১ ও পাহাড়ি তুলা-২ নামে উচ্চফলনশীল জাতের তুলা চাষ হয়।

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস (এআইএস)।
৩২৯.
দেশে ইলিশের অভয়াশ্রম কতটি?
  1. ৪টি
  2. ৬টি
  3. ৫টি
  4. ৭টি
ব্যাখ্যা

ইলিশ:
- জাতীয় মাছ ইলিশ আমাদের ঐতিহ্যের ধারক ও বাহক।
⇒ বর্তমানে ইলিশ উৎপাদনকারী ১১টি দেশের মধ্যে বিশ্বে প্রথম বাংলাদেশ।
- বাংলাদেশে উৎপাদিত হয় বিশ্বের মোট ইলিশের ৮৬%।
- দেশের মোট মৎস্য উৎপাদনে ইলিশ মাছের অবদান প্রায় ১২%। 
- বাংলাদেশের জিডিপিতে ইলিশের অবদান ১%।

⇒ প্রজনন মৌসুমে ইলিশ আহরণ নিষিদ্ধ থাকে ২২দিন।
- সবচেয়ে বেশি ইলিশ ধরা পড়ে ভোলা জেলায়।
- বাংলাদেশে ইলিশের চারটি প্রজনন ক্ষেত্র রয়েছে।
- দেশে ইলিশ অধ্যুষিত জেলা ৩৮টি।
- ইলিশের অভয়াশ্রম ৬টি।

উৎস: i) ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা প্রকল্প।
ii) তথ্য অধিদফতর (পিআইডি)

৩৩০.
নিচের কোনটি সরিষার জাত?
  1. ক) সুফলা
  2. খ) চান্দিনা
  3. গ) সিভিএল-১
  4. ঘ) কল্যাণীয়া
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশে সরিষা শীতকালীন ফসল।
- সরিষা চাষের জন্য বেলে দোআঁশ অথবা পলি দোআঁশ মাটি উপযোগী।
- সরিষার কয়েকটি জাতের নাম হলোঃ
- টরি-৭
- কল্যাণীয়া
- সোনালী সরিষা
- সম্পদ
- রাই সরিষা
- বারি সরিষা-৮
- বারি সরিষা-১৪
- বারি সরিষা-১৫
- বারি সরিষা-১৬

[উৎসঃ কৃষিশিক্ষা, নবম-দশম শ্রেণি]
৩৩১.
নিম্নের কোন প্রতিষ্ঠানটির প্রধান কার্যালয় বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থিত?
  1. BSRI
  2. BARI
  3. BINA
  4. BADC
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (BINA):
- বাংলাদেশে নার্সভুক্ত (NARS) প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ‍ইনস্টিটিউট (বিনা) একটি অন্যতম ও একক প্রতিষ্ঠান।
- এর প্রধান কাজ হলো পরমাণু শক্তির শান্তিপূ্ণ ব্যবহারের মাধ্যমে কৃষি খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে তাৎপর্য্পূণ অবদান রাখা। 
- বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিনা) বাংলাদেশের পারমাণবিক কৌশল কাজে লাগিয়ে কৃষিখাতে অবদান রাখার একমাত্র প্রতিষ্ঠান।
- বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট ময়মনসিংহে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) অবস্থিত।

⇒ মুখ্য নির্বাহী হিসেবে মহাপরিচালক বিনা’র সার্বিক ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব পালন করেন।
- প্রধান কার্যালয়ের মোট ১১ টি বিভাগের সমন্বয়ে বিনা’র গবেষণা কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
- বিনা'র মোট ১৩টি উপকেন্দ্র রয়েছে।
- দশটি বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিনা'র গবেষণা কাজ পরিচালিত হয়।

অন্যদিকে,
-  বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (BADC)-এর প্রধান কার্যালয় ঢাকার মতিঝিলে অবস্থিত।
- বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (BARI)-এর প্রধান কার্যাবলী গাজীপুর জেলার জয়দেবপুরে অবস্থিত।
- BSRI (Bangladesh Sugarcrop Research Institute) পাবনা জেলার ঈশ্বরদীতে অবস্থিত।

উৎস: BINA ওয়েবসাইট।

৩৩২.
কীসের মাধ্যমে কুলকে মিষ্টি জাতে রূপান্তরিত করা যায়?
  1. বীজের মাধ্যমে
  2. কুড়ি সংযোজন
  3. কাটিং
  4. লেয়ার গ্রাফটিং
ব্যাখ্যা
কুল চাষ:
- কুলকে ইংরেজিতে Ber বা Jujube বলে।
- বর্তমানে কুল চাষ ব্যাপকভাবে জনপ্রিয়তা লাভ করেছে।
- বাংলাদেশে বর্তমানে বিভিন্ন ধরনের উৎকৃষ্ট জাত উদ্ভাবনের ফলে বাণিজ্যিকভাবে কুলের চাষ বেড়েছে।
- কুলে যথেষ্ট পরিমাণে ভিটামিন এ, ভিটামিন সি ও খণিজ লবণ আছে।

⇒ কুলের ফুল পেটের গ্যাস ও রুচি বর্ধকের ঔষধ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- কুল ও পাতা উভয়েই ক্ষত রোগের জন্য উপকারী।
- কুল কাচা ও পাকা উভয় অবস্থায় খাওয়া হয়।
- বাংলাদেশে বিশেষ করে বরিশাল, খুলনা, রাজশাহী, কুমিল্লা, সাতক্ষীরা, ময়মনসিংহে উৎকৃষ্ট জাতের চাষ হয়ে থাকে। 

⇒ জলবায়ু ও মাটি:
- কুল জন্য শুষ্ক ও উষ্ণ আবহাওয়া প্রয়োজন।
- কুল আর্দ্র আবহাওয়ায় চাষ অনুপোযোগী।
- উঁচু বা মাঝারি জমি, দোআশ মাটিতে কুলের চাষ ভালো হয়, তবে সব মাটিতেই চাষ করা যায়।

⇒ বংশবিস্তার:
- কুল বীজ ও কলম উভয় মাধ্যমে বংশ বিস্তার করা যায়।
- কুঁড়ি সংযোজন করে যেকোন কুল গাছকে মিষ্টি জাতে বা উন্নত জাতে রূপান্তরিত করা যায়।
- সেজন্য কুড়ি সংযোজনই সবচেয়ে উপযোগী পদ্ধতি।
- বীজের মাধ্যমে চারা গাছে মাতৃগুণ থাকে না এবং ফল আসতে সময় বেশি লাগে।
- সাধারণত কুলে রিং বা টি বাডিং করা হয়।

উৎস: কৃষি শিক্ষা ১মপত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৩৩.
বাংলাদেশে "তৈল বীজ গবেষণা কেন্দ্র" কোথায় অবস্থিত?
  1. গাজীপুর
  2. ঢাকা
  3. ময়মনসিংহ
  4. কুড়িগ্রাম
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধীন গবেষনা কেন্দ্র সমূহ:
i. কন্দাল ফসল গবেষণা কেন্দ্র - জয়দেবপুর, গাজীপুর।
ii. উদ্যানতত্ত্ব গবেষণা কেন্দ্র - জয়দেবপুর, গাজীপুর।
iii. তৈল বীজ গবেষণা কেন্দ্র - জয়দেবপুর, গাজীপুর।
iv. উদ্ভিদ কৌলি সম্পদ কেন্দ্র - জয়দেবপুর, গাজীপুর।
v. ডাল গবেষণা কেন্দ্র - ঈশ্বরদী, পাবনা।

উৎস: বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।
৩৩৪.
বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত-
  1. হালদা নদী
  2. চলনবিল
  3. টাঙ্গুয়ার হাওর
  4. হাইল হাওর
ব্যাখ্যা
হালদা নদী:
- বাংলাদেশের সর্ববৃহৎঐতিহ্যবাহী প্রাকৃতিক মৎস প্রজনন কেন্দ্র।
- হালদা বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের একটি নদী।
- পার্বত্য চট্টগ্রামের বদনাতলী পাহাড় হতে উৎপন্ন হয়ে এটি ফটিকছড়ির মধ্য দিয়ে চট্টগ্রাম জেলায় প্রবেশ করেছে।
- প্রতিবছর হালদা নদীতে একটি বিশেষ মূহুর্তে ও বিশেষ পরিবেশে রুই, কাতলা, মৃগেল, কালিবাউস ও কার্প জাতীয় মাতৃমাছ প্রচুর পরিমাণ ডিম ছাড়ে।
- ডিম ছাড়ার বিশেষ সময়কে তিথি বলা হয়ে থাকে।
- স্থানীয় জেলেরা ডিম ছাড়ার তিথির পূর্বেই নদীতে অবস্থান নেন এবং ডিম সংগ্রহ করেন।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 
৩৩৫.
কৃষি কাজের জন্যে সর্বোত্তম মাটি কোনটি?
  1. ক) দোআঁশ মাটি
  2. খ) বেলে মাটি
  3. গ) এঁটেল মাটি
  4. ঘ) লাল মাটি
ব্যাখ্যা
কৃষি কাজের জন্যে সবচেয়ে উপযোগী মাটি হলো দোআঁশ মাটি। ৫০ ভাগ বালিকণা ও ৫০ ভাগ পলি ও কর্দমকণা সমৃদ্ধ দোআঁশ মাটি কৃষি কাজের জন্যে সবচেয়ে উপযোগী। বাংলাদেশের অধিকাংশ মাটিই দোআঁশ মাটি। যার কারণে বাংলাদেশের ভূমি সর্বত্রই উর্বর।
(সূত্রঃ কৃষি শিক্ষা : ষষ্ঠ শ্রেণী)
৩৩৬.
মোহর ও শুভ্রা কোন ফসলের জাত?
  1. ক) সরিষা
  2. খ) ভুট্টা
  3. গ) গম
  4. ঘ) আলু
ব্যাখ্যা
- মোহর ও শুভ্রা হলো ভুট্টার দুটো জাত।
- ভুট্টার অন্যান্য জাতের মধ্যে রয়েছে:
- বর্ণালি
- উত্তরণ
- খই ভুট্টা
- বারি ভুট্টা ইত্যাদি।
(তথ্যসূত্রঃ কৃষি তথ্য সার্ভিস)
৩৩৭.
কোনটি কন্দাল জাতীয় ফসল?
  1. ক) তাল
  2. খ) আনারস
  3. গ) আলু
  4. ঘ) ভুট্টা
ব্যাখ্যা
কন্দাল ফসল হলো সে সব ফসল যাদের মূল বা কাণ্ড স্ফিত হয়ে অঙ্গে পরিণত হয়। আলু, মেটে আলু, মিষ্টি আলু, কচু প্রভৃতি কন্দাল ফসল।

(তথ্যসূত্র: কৃষি তথ্য সার্ভিস ওয়েবসাইট)
৩৩৮.
বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট অবস্থিত-
  1. ঢাকা
  2. দিনাজপুরে
  3. ময়মনসিংহে
  4. জয়দেবপুরে
ব্যাখ্যা
BRRI:
- বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (BRRI)
- এর পূর্ণরুপ- Bangladesh Rice Research Institute
- অবস্থান- জয়দেবপুর, গাজীপুর।
- বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীনে একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান।
- যা ১৯৭০ সালের ১ অক্টোবর পূর্ব পাকিস্তান ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট হিসেবে কাজ শুরু করে।
- স্বাধীনতার পর নতুন নামকরণ করা হয় বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট
- এটি বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট অ্যাক্ট, ১৯৭৩ অনুযায়ী প্রতিষ্ঠিত হয়।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের ওয়েবসাইট। 
৩৩৯.
'স্নো হোয়াইট' কোন ফসলের উন্নত জাত?
  1. আলু
  2. ভুট্টা
  3. ফুলকপি
  4. বাঁধাকপি
ব্যাখ্যা

• ফুলকপি ফসলের উন্নত জাত এর নাম: স্নো হোয়াইট।
- অবমূক্তকারী প্রতিষ্ঠান: লাল তীর সীড কোম্পানী 
- জীবনকালঃ: ৪০-৪৫ দিন দিন।

এ জাতের এর বৈশিষ্ট:
১। উচ্চফলনশীল, তাপ ও আদ্রতা সহনশীল আগাম জাত।
২। খেতে মোলায়েম ও সুস্বাদু।
৩। উজ্জল সাদা রঙের ও টাইট।

এছাড়া ও 
• উচ্চ ফলনশীল আলুর জাত: হীরা, আইলসা, ডায়মন্ড, কার্ডিনাল, চমক, মরিনী, সুন্দরী, কুফরী, মুলটা ইত্যাদি।
• উচ্চ ফলনশীল ভুট্টার জাত: বর্ণালি, শুভ্রা, খই, মোহর।
• উচ্চ ফলনশীল গমের জাত: বলাকা, কাঞ্চন, দোয়েল, আকবর, সোনালিকা, সৌরভ, গৌরব, অঘ্রাণী প্রভৃতি।

তথ্যসূত্র: কৃষি তথ্য বাতায়ন।

৩৪০.
রিবন রেটিং কী? 
  1. পাট চাষের পদ্ধতি
  2. সার প্রয়োগ পদ্ধতি
  3. পাট পচানোর পদ্ধতি
  4. মাছ চাষ পদ্ধতি
ব্যাখ্যা

- রিবন রেটিং হলো পাটের আঁশ ছাড়ানোর একটি আধুনিক পদ্ধতি, যা পাট পচানো হয়।
- যেখানে কাঁচা পাট গাছ থেকে ফিতার মতো ছাল আলাদা করে অল্প পানিতে পচানো হয়। 
- রিবন রেটিং পদ্ধিতির সুবিধা হলো : অল্প পানিতে অধিক পাট পচানো যায়;
- পাট পচানের জন্য পরিমিত পানির অভাব হলে এ পদ্ধতি সহজে ব্যবহার করা যায় ও পচানোর জন্য কম পানি লাগে;
- পচানোর জন্য জায়গা ও সময় কম লাগে; পাট পচানের জন্য পরিবহন খরচ কম লাগে;
- এ পচন পদ্ধতি স্বাস্থ্যকর ও পরিবেশেবান্ধব; কাটিংসমুক্ত উন্নতমানের আঁশ পাওয়া যায়;
- ভালো আঁশে বেশি মূল্য পাওয়া যায় ও পাটখড়িগুলো শক্ত থাকে,
- জ্বালানি হিসেবে বিভিন্ন কাজের ব্যবহারে সুবিধাজনক ও টেকসই হয়।   

উৎস:  কৃষি তথ্য সার্ভিস।

৩৪১.
বাংলাদেশ অংশের সুন্দরবনের আয়তন প্রায় কত বর্গকিলোমিটার?
  1. ৪,১৪৩ বর্গকিমি
  2. ৬,০১৭ বর্গকিমি
  3. ১০,০০০ বর্গকিমি
  4. ৮,০০০ বর্গকিমি
ব্যাখ্যা

সুন্দরবন:
- সুন্দরবন  বাংলাদেশের দক্ষিণ অংশে গঙ্গা ও ব্রহ্মপুত্রের বদ্বীপ এলাকায় অবস্থিত পৃথিবীর বৃহত্তম জোয়ারধৌত গরান বনভূমি (mangrove forest)।
- কর্কটক্রান্তির সামান্য দক্ষিণে ভারত ও বাংলাদেশের উপকূল ধরে বিস্তৃত ২১°৩০´-২২°৩০´ উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৯°০০´-৮৯°৫৫´ পূর্ব দ্রাঘিমার মধ্যবর্তী স্থানে এ বনের অবস্থান।
- বাংলাদেশ অংশের সুন্দরবনের মোট আয়তন প্রায় ৬,০১৭ বর্গ কিলোমিটার যা সুন্দরবনের মোট আয়তনের প্রায় ৬২ ভাগ।
- নানা ধরনের গাছপালার চমৎকার সমারোহ ও বিন্যাস এবং বন্যপ্রাণীর অনন্য সমাবেশ এ বনভূমিকে চিহ্নিত করেছে এক অপরূপ প্রাকৃতিক নিদর্শন হিসেবে।
- অর্থনৈতিক কর্মকান্ডের একটি উলে­খযোগ্য কেন্দ্র হিসেবেও এটি বিবেচিত; এখান থেকে সংগৃহীত হয় নানা কাজে ব্যবহার উপযোগী বনবৃক্ষ, আহরিত হয় প্রচুর পরিমাণ মধু, মোম ও মাছ।
- সাতক্ষীরা, খুলনা এবং বাগেরহাট জেলার অংশবিশেষ জুড়ে বাংলাদেশের সুন্দরবন বিস্তৃত।
- পরস্পর সংযুক্ত প্রায় ৪০০ নদী-নালা, খালসহ প্রায় ২০০টি ছোট বড় দ্বীপ ছড়িয়ে আছে সুন্দরবনে।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।

৩৪২.
বাংলাদেশের মোট আয়তনের কতভাগ বনভূমি রয়েছে?
  1. ক) ২৫ ভাগ
  2. খ) ১৯ ভাগ
  3. গ) ১৭ ভাগ
  4. ঘ) ২৩ ভাগ
ব্যাখ্যা
• পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় কোন দেশের মোট আয়তনের ন্যূনতম ২৫ ভাগ বনভূমি থাকতে হয়।
• বাংলাদেশে বনভূমির পরিমাণ মোট আয়তনের শতকরা ১৭ ভাগ

সূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী।
৩৪৩.
কোনটি উন্নত জাতের আমের নাম?
  1. ক) মোহনবাঁশি
  2. খ) বীটজবা
  3. গ) গৌড়মতি
  4. ঘ) অগ্নিশ্বর
ব্যাখ্যা
• কয়েকটি উন্নত জাতের আমের নামঃ
- গোপালভোগ,
- মহানন্দা,
- মোহনভোগ,
- হাড়িয়াভাঙ্গা,
- ল্যাংড়া,
- গৌড়মতি,
- ক্ষীরষাপাতি ইত্যাদি।
• উন্নত জাতের কলার নামঃ
- অগ্নিশ্বর,
- কানাইবাশি,
- মোহনবাঁশি
- বীটজবা ইত্যাদি‌।
৩৪৪.
What is the name of high-yielding and low-GI enriched rice?
  1. ক) BRRI dhan 105
  2. খ) BRRI dhan 97
  3. গ) BRRI dhan 90
  4. ঘ) BRRI dhan 65
ব্যাখ্যা
ধানের বিভিন্ন জাত:

- ব্রি ধান ১০৫ উচ্চ ফলনশীল ও কম জিআই সমৃদ্ধ ধান
- বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের উদ্ভাবিত ধানের জাতের সংখ্যা ১১৩ টি
- ১০৫টি ইনব্রিড ও ৮টি হাইব্রিড।
- ৫১টি জাত বোরো মওসুমের জন্য।২৭ টি জাত বোনা এবং রোপা আউশ মওসুম উপযোগী।৪৬ টি জাত রোপা আমন মওসুম উপযোগী।১২টি জাত বোরো ও আউশ উভয়মওসুম উপযোগী। ১টি জাত বোরো, আউশ এবং রোপা আমন মওসুম উপযোগী।১টি জাত বোনা আমন মওসুম উপযোগী।
- বিআর২১, বিআর২৪, ব্রি ধান২৭ এবং ব্রি ধান৬৫ বৃষ্টিবহুল এলাকায় বোনা আউশ হিসেবে চাষের উপযোগী।
- ব্রি ধান৪২, ব্রি ধান৪৩ এবং ব্রি ধান৮৩ খরা-প্রবণ এলাকায় বোনা আউশ হিসেবে চাষের উপযোগী।
- ব্রি ধান৮২ NERICA-10 থেকে বিশুদ্ধ সারি নির্বাচন পদ্ধতিতে উদ্ভাবিত রোপা আউশ মওসুমের স্বল্প জীবনকালীন ধানের জাত
- বৃষ্টি নির্ভর নিম্নভূমি অঞ্চলের জন্য বিআর১০, ব্রি ধান৩০ এবং ব্রি ধান৩১ উদ্ভাবন করা হয়েছে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।
৩৪৫.
”তুলা উন্নয়ন বোর্ড” কোন মন্ত্রণালয়ের অধীনে?
  1. শিল্প মন্ত্রণালয়
  2. বাণিজ্য মন্ত্রণালয়
  3. কৃষি মন্ত্রণালয়
  4. অর্থ মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা

- তুলা এবং বস্ত্র উৎপাদনে বাংলাদেশের গৌরবময় ঐতিহ্য আছে। 
 - এ দেশে তুলা উৎপাদনের প্রচেষ্টা খুব সীমিত ছিল।
- স্বাধীনতার আগে স্থানীয় বস্ত্র কলের জন্য কাঁচামালের যোগান দেয়া হতো পশ্চিম পাকিস্তান থেকে। 
- ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর পাকিস্তান কাঁচামাল সরবরাহ বন্ধ করে করে দিলে স্থানীয়ভাবে তুলার উৎপাদনের গুরুত্ব অনুভূত হয়েছিল।
- এসময় আমাদের বস্ত্র শিল্পগুলো কাঁচামালের অভাবে মারাত্মক সমস্যার সম্মুখীন হয়েছিল।
- এই অবস্থায় ১৯৭২ সালে দেশে তুলার চাষ সম্প্রসারণ করার জন্য কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীনে তুলা উন্নয়ন বোর্ড গঠিত হয় । 
- তুলা উন্নয়ন বোর্ড ১৯৭৪-৭৫ সালে মাঠ পর্যায়ে আমেরিকান আপল্যান্ড তুলা দিয়ে পরীক্ষামূলক তুলার চাষ শুরু করে।
- ১৯৭৬-৭৭ সালে আমেরিকা হতে নতুন তুলার জাত প্রবর্তনের মাধ্যমে দেশে ব্যপক পরিমানে তুলা চাষ শুরু হয়।
- ১৯৯১ সালে তুলা গবেষনার দায়িত্ব বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা প্রতিষ্ঠান হতে তুলা উন্নয়ন বোর্ডের নিকট স্থানান্তর করা হয়। 
- বর্তমানে তুলা গবেষণা ও সম্প্রসারণ কাজ তুলা উন্নয়ন বোর্ড সম্পাদন করছে।

উৎস: তুলা উন্নয়ন বোর্ড।

৩৪৬.
'শিংনাথ' কোন ফসলের উন্নত জাত?
  1. ক) বেগুন
  2. খ) টমেটো
  3. গ) গম
  4. ঘ) আলু
ব্যাখ্যা
বেগুনের উন্নত জাত:-
• শুকতারা, তারাপুরী,ইওরা ,ইসলামপুর্‌, খটখটিয়া, লাফফা, শিংনাথ, ঝুমকো, মুক্তকেশী, কাজলা, নয়নতারা, বিজয়, চমক এফ১।
• শিংনাথ- একটি বারমাসী জাত। গাছ বেশ উঁচু, পাশেও অধিক, শাখা প্রশাখার সংখ্যা প্রচুর। পাতা সরু ধরনের। এর ফল সরু, লম্বায় প্রায় ৩০ সেমি. ও বেগুনী রংয়ের।

• টমেটোর উন্নত জাত:- বাহার, মানিক, রতন, মিন্টো, ঝুমকা , শ্রাবণী
• গমের উন্নত জাত:- বলাকা, দোয়েল , সোনালিকা, আকবর , আনন্দ, কাঞ্চন, শতাব্দী   
• আলুর উন্নত জাত:- ডায়মন্ড , কার্ডিনাল, সিন্দুরী।

তথ্যসূত্র:- কৃষি তথ্য সার্ভিস ওয়েবসাইট।
৩৪৭.
জোয়ার ভাটার লোনা ও ভেজা মাটিতে কোন উদ্ভিদ জন্মায়?
  1. গর্জন
  2. তেলসুর
  3. চাপালিশ
  4. গরান
  5. লোহাকাঠ
ব্যাখ্যা
স্রোতজ (ম্যানগ্রোভ) বা গরান বনভূমি:
- বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাংশ খুলনা এবং দক্ষিণ পূর্বাংশে নোয়াখাসী ও চট্টগ্রাম জেলার উপকূলে জোয়ার ভাটার লোনা ও ভেজা মাটিতে যেসব উদ্ভিজ্জ জন্মায় তাদের স্রোতজ বা গরান বনভূমি বলা হয়।
- প্রধানত সুন্দরবনে এসব উদ্ভিদ বেশি জন্ম নেয়।
- স্যাঁতসেঁতে লোনা পানিতে সুন্দরী, গেওয়া, পশুর, ধুন্দল, কেওড়া, বাইন, গরান, গোলপাতা ইত্যাদি বৃক্ষ এ বনভূমির অন্তর্গত।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৩৪৮.
DAE stand for-
  1. ক) Develop Annual Employment
  2. খ) Department of Agricultural Extension
  3. গ) Department of Agriculture and Engineering
  4. ঘ) Development of Agriculture Extension
ব্যাখ্যা

 DAE stand for Department of Agricultural Extension (কৃষি কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর)।

- ১৯৮২ সালে ফসল প্রযুক্তি সম্প্রসারণে নিয়োজিত ছয়টি সংস্থা যথা ডিএ (ইএন্ডএম), ডিএ (জেপি), উদ্ভিদ সংরক্ষণ পরিদপ্তর, হর্টিকালচার বোর্ড, তামাক উন্নয়ন বোর্ড এবং সার্ডি একত্রিভূত করে বর্তমান কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সৃষ্টি করা হয়।

- বর্তমানে ৮টি উইং এর সমন্বয়ে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর বিভাগীয় কার্যক্রম পরিচালনা করছে। ‘‘কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের দায়িত্ব হলো সকল শ্রেণীর চাষীদেরকে তাদের চাহিদা ভিত্তিক ফলপ্রসূ ও কার্যকর সম্প্রসারণ সেবা প্রদান করা যাতে তারা তাদের সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহার করে স্থায়ী কৃষি ও আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে অবদান রাখতে পারে।’’

সূত্র: বাংলাদেশ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর (dae.gov.bd)

৩৪৯.
বন অধিদপ্তরের ঘোষণা অনুযায়ী, কোনটি রক্ষিত এলাকা নয়?
  1. ভাউয়াল জাতীয় উদ্যান
  2. হিমছড়ি জাতীয় উদ্যান
  3. সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড মেরিন প্রোটেক্টেড এরিয়া
  4. উপরের কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
রক্ষিত এলাকা:
- দেশে বর্তমানে রক্ষিত এলাকার সংখ্যা (Terrestrial & Marine) ৫৩টি এবং পরিমাণ ৮,১৭,৯৭১.৬১৩ হেক্টর।
- এর মধ্যে Terrestrial রক্ষিত এলাকার পরিমাণ ৪,৬৯,৮৭১.৬১৩ হেক্টর যা দেশের মোট আয়তনের ৩.১৮ শতাংশ।

⇒ বন অধিদপ্তরের রক্ষিত এলাকার তালিকা:
- ভাউয়াল জাতীয় উদ্যান, মধুপুর জাতীয় উদ্যান, রামসাগর জাতীয় উদ্যান, হিমছড়ি জাতীয় উদ্যান, লাওয়াছড়া জাতীয় উদ্যান, কাপ্তাই জাতীয় উদ্যান, নিঝুমদ্বীপ জাতীয় উদ্যান, মেধাকচ্ছপিয়া জাতীয় উদ্যান, সাতছড়ি জাতীয় উদ্যান, খাদিমনগর জাতীয় উদ্যান, বারৈয়াঢালা জাতীয় উদ্যান, কাদিগর জাতীয় উদ্যান, কুয়াকাটা জাতীয় উদ্যান, নবাবগঞ্জ জাতীয় উদ্যান, সিংড়া জাতীয় উদ্যান, আলতাদিঘী জাতীয় উদ্যান, বিরগঞ্জ জাতীয় উদ্যান, রেমা কালেঙ্গা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য, চর কুকরি-মুকরি বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য, পাবলাখালী বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য, চুনতি বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য, ফাসিয়াখালী বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য, দুধপুকুরিয়া-ধোপাছড়ি বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য, হাজারীখিল বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য, সাঙ্গু বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য, টেংরাগিরি বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য, সোনারচর বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য, ঢাংমারী বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য, চাঁদপাই বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য, দুধমুখি বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য, টেকনাফ বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য, নগরবাড়ী-মোহনগঞ্জ ডলফিন অভয়ারণ্য, শিলন্দা-নাগডেমরা ডলফিন অভয়ারণ্য, নাজিরগঞ্জ ডলফিন অভয়ারণ্য, সুন্দরবন (পূর্ব)  বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য, সুন্দরবন (পশ্চিম) বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য, সুন্দরবন (দক্ষিণ) বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য, সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড মেরিন প্রোটেক্টেড এরিয়া, চরমুগুরিয়া ইকোপার্ক, রাতারগুল বিশেষ জীববৈচিত্র সংরক্ষণ এলাকা, আলতাদীঘি জলাশয় বিশেষ জীববৈচিত্র সংরক্ষণ এলাকা, জাতীয় উদ্ভিদ উদ্যান, মিরপুর,
টিলাগড় ইকোপার্ক ও বন্যপ্রাণী প্রজনন কেন্দ্র, মাধবকুন্ড ইকোপার্ক, শেখ জামাল ইনানী জাতীয় উদ্যান, পানখালী বন্যপ্রাণী (ডলফিন) অভয়ারণ্য, শিবসা বন্যপ্রাণী (ডলফিন) অভয়ারণ্য, ভদ্রা বন্যপ্রাণী (ডলফিন) অভয়ারণ্য, পদ্মা সেতু বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য, ধর্মপুর জাতীয় উদ্যান, সেন্টমার্টিন মেরিন প্রোটেক্টেড এরিয়া, বাইশারী ব্যাংডেপা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য, মধুটিলা ইকোপার্ক।

উৎস: বন অধিদপ্তর ওয়েবসাইট। 
৩৫০.
রবি শস্য বলতে কী বুঝায়?
  1. শীতকালীন শস্য
  2. গ্রীষ্মকালীন শস্য
  3. বসন্তকালীন শস্য
  4. বর্ষাকালীন শস্য
ব্যাখ্যা
- রবি মৌসুম সাধারণত আশ্বিন থেকে ফাল্গুন মাস পর্যন্ত সময়কালকে রবি মৌসুম বলে।
- রবি শস্য মূলত শীতকালীন শস্য বা ফসল হিসেবে পরিচিত।
- খরিপ শস্য মূলত গ্রীষ্মকালীন শস্য বা ফসল হিসেবে পরিচিত।
- খরিপ মৌসুমকে দুইভাগে ভাগ করা হয়।
- খরিপ-১: চৈত্র মাস থেকে জ্যৈষ্ঠ মাস পর্যন্ত সময়কে খরিপ-১ মৌসুম বা গ্রীষ্মকাল বলা হয়।
- খরিপ-২: আষাঢ় মাস থেকে ভাদ্র মাস পর্যন্ত সময়কে খরিপ-২ মৌসুম বা বর্ষাকাল বলা হয়।

তথ্যসূত্র - কৃষিশিক্ষা, ৭ম শ্রেণি।
৩৫১.
হলদে জাতের তরমুজ হিসেবে বিখ্যাত-
  1. ক) সুলতানা
  2. খ) মোহিনী
  3. গ) মধুবালা
  4. ঘ) বিশাল
ব্যাখ্যা
• 'মধুবালা' নামটি হলদে জাতের তরমুজ হিসেবে বিখ্যাত।
• আরও কিছু উচ্চ ফলনশীল তরমুজের জাত হলো:
- অশোক,
- সুলতানা,
- মোহিনী,
- বিশাল ইত্যাদি।
৩৫২.
‘বলাকা’ কোন ফসলের একটি প্রকার?
  1. ধান
  2. গম
  3. পাট
  4. টমেটো
ব্যাখ্যা
• 'বলাকা' হচ্ছে- উন্নত জাতের গমশস্য। 

• বাংলাদেশে চাষকৃত গমের জাতসমূহ:
- বলাকা, 
- দোয়েল,
- কাঞ্চন,
- আকবর,
- সোনালিকা,
- সৌরভ,
- গৌরব,
- অঘ্রাণী প্রভৃতি।
------------------------- 
• বাংলাদেশের উন্নতমানের ফসলের জাত:
ধান - ইরাটম, ব্রিশাইল, সোনার বাংলা-১, ময়না, হরিধান, চান্দিনাম, নারিকা-১,মালাইরি।
গম - অগ্রণী, সোনালিকা, বলাকা, দোয়েল, আকবর, আনন্দ, কাঞ্চন, বরকত।
ভুট্টা - উত্তরণ, বর্ণালী, শুভ্র।
তুলা - রূপালী ও ডেলফোজ।
টমেটো - মিন্টু, বাহার, মানিক, রতন, ঝুমকা, সিঁদুর, শ্রাবণী।
তামাক - সুমাত্রা ও ম্যানিলা;
বেগুন - ইওরা, শুকতারা, তারাপুরী।
কলা - অগ্নিশ্বর, কানাইবাঁশী, মোহনবাঁশী, বীট জবা, অমৃতসাগর, সিংগাপুরী।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও বাংলাদেশ কৃষি তথ্য সার্ভিস (AIS) ওয়েবসাইট।
৩৫৩.
দেশের প্রথম ধান জাদুঘর অবস্থিত -
  1. ক) ফরিদপুর
  2. খ) ঢাকা
  3. গ) গাজীপুর
  4. ঘ) চাদঁপুর
ব্যাখ্যা
• ধান জাদুঘর:
- দেশের প্রথম ধান জাদুঘর অবস্থিত - বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (BRRI), গাজীপুর
- ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার খাদ্যনিরাপত্তায় উৎপাদন বাড়াতে উদ্ভাবন হয়েছে ধানের উচ্চফলনশীল নতুন নতুন জাত। তাই হারিয়ে যেতে বসা ঐতিহ্যগুলোকে ধরে রাখতে গাজীপুরে অবস্থিত বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটে (ব্রি) স্থাপন করা হয়েছে দেশের প্রথম রাইস মিউজিয়াম বা ধান জাদুঘর।
- এখন পর্যন্ত উদ্ভাবিত ১০৮টি ধানের জাত তাকে তাকে সাজিয়ে রাখা হয়েছে
- ব্রি উদ্ভাবিত নতুন জাতের প্রদর্শনীর পাশাপাশি এ জাদুঘরের মাধ্যমে আধুনিক ধান বিষয়ক কৃষিপ্রযুক্তি দেশি-বিদেশি পরিদর্শকদের জন্য - তুলে ধরার ব্যবস্থা করা হয়েছে। ধানের জাত ও প্রযুক্তিগুলোর নমুনা ও রেপ্লিকা স্থাপন করা হয়েছে।
- কৃষি গবেষণা ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় সব কটি জাত এই জাদুঘরে রাখা হয়েছে।
- জাদুঘর প্রকল্পের পরিচালক আবদুল মোমিন।

তথ্যসূত্র: দৈনিক প্রথম আলো নিউজ।
৩৫৪.
প্রথম চা নিলাম কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করা হয়-
  1. ক) আগ্রাবাদ
  2. খ) শ্রীমঙ্গল
  3. গ) মালনীছড়া
  4. ঘ) পঞ্চগড়
ব্যাখ্যা

সমুদ্রপথে আন্তর্জাতিক বাজারে চা রপ্তানির সুবিধার্থে ১৬ জুলাই ১৯৪৯ বন্দরনগরী চট্টগ্রামের আগ্রাবাদে দেশের প্রথম আন্তর্জাতিক চা নিলাম কেন্দ্র স্থাপন করা হয়। 
- ৮ ডিসেম্বর ২০১৭ চায়ের রাজধানী মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলায় উদ্বোধন করা হয় দেশের দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক চা নিলাম কেন্দ্র।
- ১৪ মে ২০১৮ শ্রীমঙ্গল চা নিলাম কেন্দ্রের প্রথম নিলাম অনুষ্ঠিত হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া

৩৫৫.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী, মিঠা পানির মাছ উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ -
  1. চট্টগ্রাম
  2. খুলনা
  3. রাজশাহী
  4. ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা

মিঠা পানির মাছ উৎপাদন:
- মিঠা পানিতে উৎপাদনের পরিমাণ: ৪৩,৮৯,৮৬০ মে.টন।

শীর্ষ জেলা:
১. ময়মনসিংহ - ৩,৪৫,০০১ মেট্রিক টন।
২. কুমিল্লা - ৩,১৫,৪৫৭ মেট্রিক টন।
৩. যশোর - ২,৪৮,০৮৯ মেট্রিক টন।

শীর্ষ বিভাগ:
১. চট্টগ্রাম - ৮,৮০,৭৯৭ মেট্রিক টন।
২. খুলনা - ৮,২২,৩৬১ মেট্রিক টন।
৩. রাজশাহী - ৫,৭৬,৮৩০ মেট্রিক টন।

তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।

৩৫৬.
আমদানীকৃত বীজের রোগবালাই ও গুণগত মান পরীক্ষার জন্য সরকারের গৃহীত প্রকল্প কোনটি?
  1. ক) Post Harvest Management
  2. খ) Agriculture Information and Communication Centre (AICC)
  3. গ) Post-Entry Quarantine Centre
  4. ঘ) Crop Zoning
ব্যাখ্যা
আমদানীকৃত বীজের রোগবালাই ও গুণগত মান পরীক্ষার জন্য সরকার Post-Entry Quarantine Centre প্রকল্প গ্রহন করেছে।
উৎসঃ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০১৯।
৩৫৭.
বাংলাদেশের কোন অঞ্চলে 'ইলামতি' জাতের আমের সন্ধান পাওয়া গিয়েছে?
  1. ক) রাজশাহী
  2. খ) নাটোর
  3. গ) চাঁপাইনবাবগঞ্জ
  4. ঘ) দিনাজপুর
ব্যাখ্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর ও নাচোলে 'ইলামতি' জাতের আমের সন্ধান পাওয়া গিয়েছে।
আমটি নাবি জাতের অর্থাৎ মৌসুমের শেষ দিকের।
নাবি জাতের আমগুলোর মধ্যে এটি সম্ভাবনাময় বলে মনে করছেন চাঁপাইনবাবগঞ্জের কল্যাণপুর হর্টিকালচার সেন্টারের কৃষিবিদেরা।
এখানকার কৃষিবিদেরা ২০১৩ সালে খুঁজে পেয়েছিলেন আরেকটি নাবি জাতের আম ‘গৌড়মতি’।
উৎস: প্রথম আলো। 
৩৫৮.
লবণাক্ত সহিষ্ণু ধান কোনটি?
  1. ক) বি আর ৭৩
  2. খ) বি আর ৩৩
  3. গ) বি আর ৩৫  
  4. ঘ) বিনা ১৪
ব্যাখ্যা
• উদ্ভিদ প্রজনন বিভাগ অজৈব ঘাত সহনশীল যেমন লবণাক্ততা, বন্যা, খরা, শৈত্যপ্রবাহ ইত্যাদি সহনশীল ধানের জাত উদ্ভাবনে যথেষ্ট ভূমিকা পালন করেছে।

• তিনটি বন্যা সহনশীল ধানের জাত যথা-- ব্রি ধান -৫১, ব্রি ধান -৫২ এবং ব্রি ধান -৭৯।
• ৪টি খরা সহনশীল আমন ধানের জাত যথা ব্রি ধান - ৫৬, ব্রি ধান - ৫৭, ব্রি ধান -৬৬, ব্রি ধান -৭১।
• দুটি জিংক সমৃদ্ধ জাত ব্রি ধান- ৬২ এবং ব্রি ধান- ৭২।
• তাছাড়া, লবণাক্ততা সহনশীল ব্রি ধান -৪০, ব্রি ধান -৪১, ব্রি ধান -৫৩, ব্রি ধান -৫৪ এবং ব্রি ধান -৭৩।

সূত্র: বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট।
৩৫৯.
নিম্নের কোনটি অর্থকরী ফসল নয়?
  1. ধান
  2. চা
  3. পাট
  4. তামাক
ব্যাখ্যা
ধান অর্থকরী ফসল নয়। 

অর্থকরী ফসল:

- যেসব কৃষিপণ্য বিদেশে রপ্তানি করে বৈদেশিক মুদ্রা উপার্জন করা হয়, সেগুলোকে অর্থকরী ফসল বলে।
- বাংলাদেশের প্রধান অর্থকরী কৃষিপণ্য হচ্ছে পাট, চা ও তামাক।
- বাংলাদেশের প্রধান অর্থকরী ফসলসমূহ: পাট, চা, আখ বা ইক্ষু, তামাক, তুলা, রাবার, ফুল প্রভৃতি।

⇒ পাট:
- পাট বাংলাদেশের প্রধান অর্থকরী ফসল।
- বাংলাদেশে বছরে প্রায় ১৬ লক্ষ মে. টন পাট উৎপাদিত হয় যা বিশ্বে দ্বিতীয়।
- তবে পাট রপ্তানিতে বাংলাদেশ বিশ্বে প্রথম।
- পাট ও পাটজাত দ্রব্য রপ্তানির মাধ্যমে বাংলাদেশ প্রতিবছর বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে।
- এ দেশের বিপুলসংখ্যক মানুষ পাট চাষ ও ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত।
- ফলে বাংলাদেশের মানুষের অর্থনৈতিক জীবনের বড় অংশ পাটের ওপর নির্ভরশীল।

⇒ চা:
- চা বাংলাদেশের ২য় অর্থকরী ফসল।
- বাংলাদেশের অর্থনীতিতে চা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- বাংলাদেশের সিলেট ও চট্টগ্রামে চা বেশি উত্পন্ন হয়।
- তবে বর্তমানে দিনাজপুর ও পঞ্চগড় জেলায়ও চা চাষ হচ্ছে।
- বাংলাদেশের চায়ের বিশেষ সুনাম থাকায় বিদেশে এর চাহিদা রয়েছে।
- চা রপ্তানি করে বাংলাদেশ অনেক বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে।

⇒ তামাক (Tobacco):
- বাংলাদেশে কিছু তামাক উৎপন্ন হয়।
- বাংলাদেশের প্রায় সকল অঞ্চলেই কিছুনা কিছু তামাকের চাষ হয়।
- এদের মধ্যে রংপুর, দিনাজপুর, রাজশাহী, পাবনা, কুষ্টিয়া প্রভৃতি অঞ্চল তামাক চাষের জন্য প্রসিদ্ধ। 

অন্যদিকে,
• ধান:
- ধান অর্থকরী ফসল নয়।
- বাংলাদেশের খাদ্য শস্যের মধ্যে ধানই প্রধান। অতি প্রাচীনকাল হতে বাংলাদেশে ধানের চাষ হচ্ছে। বাংলাদেশে কৃষিজ ফসল ও খাদ্যশস্য হিসেবে ধানের ব্যবহার ও অর্থনৈতিক গুরুত্ব খুবই বেশী। দেশের ৯৯% লোকের প্রধান খাদ্য ভাত হওয়ায় মোট আবাদী জমির শতকরা প্রায় ৭০% জমিতে ধানের চাষ হয় এবং ধান উৎপাদনে বাংলাদেশ বিশ্বে ৩য়।

উৎস: i) বাংলাদেশের অর্থনীতি ও সম্পদসমূহ, বিএ/বিএসএস প্রোগ্রাম, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস।
৩৬০.
বাংলাদেশের কোন জেলা শস্য ভাণ্ডার হিসেবে পরিচিত?
  1. ক) দিনাজপুর
  2. খ) বরিশাল
  3. গ) ফরিদপুর
  4. ঘ) রংপুর
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের শস্য ভাণ্ডার:
- বরিশাল জেলাকে বাংলার শস্যভান্ডার বলা হয়।
- কীর্তনখোলা নদীর তীরে অবস্থিত এ শহরের পুরাতন নাম চন্দ্রদ্বীপ। 
- বাংলাদেশের শস্য ভাণ্ডার, প্রাচীন চন্দ্রদ্বীপ ও প্রাচ্যের ভেনিস সহ বিভিন্ন নামে পরিচিত এই বরিশাল নগরীতে রয়েছে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক নদী ও খাল।
- এই অঞ্চলের অর্থনীতি ও যোগাযোগ অনেকাংশেই নির্ভরশীল ছিল এইসব নদী ও খালের উপর।
- ধান- নদী -খাল এই তিনে বরিশাল' খ্যাত বরিশাল বিভাগের ঐতিহাসিক গুরুত্ব অপরিসীম।
- এ রাজ্য প্রতিষ্ঠার পূর্বে এ অঞ্চল ‘বাকলা' নামে পরিচিত ছিল।
- ‘বাকলা' অর্থ শস্য ব্যবসায়ী যা আরবী শব্দ থেকে আগত। 
- বাংলার শস্য ভান্ডার বরিশাল একদা ‘এগ্রিকালচারাল ম্যানচেস্টার' হিসেবে পরিচিত ছিল।
- প্রাচীনকাল থেকে পলি গঠিত উর্বর এ অঞ্চল ছিল কৃষির জন্য উৎকৃষ্ট এবং বসবাসের জন্য উত্তম।
- কৃষিই ছিল এ দেশের অর্থনীতির মূল উৎস।
- পর্যটক রালফ ফিস ১৫৮০ সালে বাকলাকে অত্যন্ত সম্পদশালী আখ্যায়িত করে এখানকার প্রচুর চাল, কার্পাস, রেশমবস্ত্র ও সুবৃহৎ ঘরের কথা উল্লেখ করেছেন। 

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৩৬১.
রেশম পোকা যে পাতা খেয়ে বেঁচে থাকে-
  1. রাবার
  2. তুত
  3. কাঞ্চন
  4. কাউন
ব্যাখ্যা

রেশম পোকা তুত পাতা খেয়ে বেঁচে থাকে। 
- রেশম পোকার চাষ হয় রাজশাহীতে।
- সুতা উৎপাদনের এই পোকা ব্যবহৃত হয়।
- রাজশাহীকে সিল্ক সিটি বলা হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া

৩৬২.
বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (BINA) এর প্রধান কার্যালয়ের অবস্থান কোথায়? 
  1. কক্সবাজার
  2. চাঁদপুর
  3. ময়মনসিংহ
  4. যশোর
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ‍ইনস্টিটিউট (বিনা):
- বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ‍ইনস্টিটিউট (বিনা) একটি অন্যতম ও একক প্রতিষ্ঠান যার প্রধান কাজ হলো পরমাণু শক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহারের মাধ্যমে কৃষি খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে তাৎপর্যপূর্ণ অবদান রাখা।
- ময়মনসিংহে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি) ক্যাম্পাসে বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিনা) প্রধান কার্যালয়ের অবস্থান।
- প্রধান কার্যালয়ের  মোট ১১ টি বিভাগের সমন্বয়ে বিনা’র গবেষণা কার্যক্রম পরিচালিত হয়। 
- বিনা’র মোট ১৩ (তেরো)টি  উপকেন্দ্র রয়েছে। 
- দশটি বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিনা’র গবেষণা কাজ পরিচালিত হয়। 

উৎস: BINA এর ওয়েবসাইট।

৩৬৩.
বাংলাদেশের জিডিপিকে উৎপাদনের ভিত্তিতে কয়টি বৃহৎ খাতে বিভক্ত করা হয়েছে?
  1. ক) ২ টি
  2. খ) ৩ টি
  3. গ) ৪ টি
  4. ঘ) ৫ টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের জিডিপিকে উৎপাদনের ভিত্তিতে তিনটি বৃহৎ খাতে বিভক্ত করা হয়েছে
-যথা:
- সেবা খাত
- কৃষিখাত ও
- শিল্পখাত।

উল্লেখ্য, সার্বিকভাবে জিডিপি ১৯ টি খাত নিয়ে গঠিত।
- এ ১৯ টি খাতের ৬ টি খাত আবার উপখাত নিয়ে বিভক্ত।
- বাংলাদেশে বর্তমানে জিডিপিতে কৃষি খাতের অবদান-১১.৫০%
- সেবা খাত-৫১.৪৪% 
- শিল্প খাত- ৩৭.০৭%

তথ্যসূত্র: অথনৈতিক সমীক্ষা-২০২২
৩৬৪.
পাখি ছাড়া 'বলাকা' কাঞ্চন কী নামে পরিচিত?
  1. ক) উন্নত জাতের ধানশস্য
  2. খ) উন্নত জাতের ভুট্টাশস্য
  3. গ) উন্নত জাতের ইক্ষুশস্য
  4. ঘ) উন্নত জাতের গমশস্য
ব্যাখ্যা
গমের উন্নত জাত:- সোনালিকা, বলাকা, দোয়েল, আনন্দ, কাঞ্চন, আকবর, বরকত, অগ্রণী ইত্যাদি।
- কয়েকটি উন্নত জাতের ভুট্টাশস্য হল বর্ণালী, শুভ্রা, উত্তরণ।
- কয়েকটি  উন্নত জাতের ইক্ষুশস্য হল ঈশ্বরদী, লটারি, জাবাসি, মিশ্রিমালা, গেণ্ডারিয়া ইত্যাদি।
- কয়েকটি উন্নত জাতের ধানশস্য হল ময়না, মালা, আশা, প্রগতি, মুক্তা, প্রভৃতি। 

 সুত্র: কৃষি বাতায়ন।
৩৬৫.
কর্মসংস্থানের দিক থেকে জিডিপির বৃহৎখাত -
  1. ক) কৃষিখাত
  2. খ) শিল্পখাত
  3. গ) সেবাখাত
  4. ঘ) কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
• কর্মসংস্থানের দিক থেকে
বৃহৎখাত - কৃষিখাত (৪০.৬% শ্রমশক্তি নিয়োজিত)।
ছোট খাত – শিল্পখাত (২০.৪% শ্রমশক্তি নিয়োজিত)। 

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
• কৃষিখাতের প্রবৃদ্ধির হার সবচেয়ে কম; প্রবৃদ্ধির হার - ২.২০%।
• অর্থনীতি/জিডিপির সবচেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল খাত - শিল্পখাত; প্রবৃদ্ধির হার - ১০.৪৪%।

• জিডিপির
সর্ববৃহৎ খাত – সেবাখাত (১৩টি খাত নিয়ে গঠিত)।
ছোট খাত - কৃষিখাত।

অন্যদিকে,
সার্বিকভাবে অর্থনীতি/জিডিপিতে কৃষি ও সেবা খাতের অবদান – ক্রমহ্রাসমান এবং শিল্পখাতের অবদান - ক্রমবর্ধমান। যদিও সাময়িক হিসাবে ২০২০-২১ অর্থবছরে সেবা খাতের প্রবৃদ্ধির হার পূর্ববর্তী অর্থবছরের ০.৫৮ শতাংশ হতে বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে ৬.৩১ শতাংশে।

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২২। 
৩৬৬.
বাংলাদেশে মোট দেশজ উৎপাদনে কৃষিখাতের অবদান -
  1. ক্রমহ্রাসমান
  2. অনিয়মিতভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে
  3. নিয়মিতভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে
  4. অপরিবর্তিত
ব্যাখ্যা
মোট দেশজ উৎপাদনে কৃষি খাতের অবদান:
- কৃষিখাতের অবদান ১১.০২ শতাংশ।
- কৃষিখাতে প্রবৃদ্ধির হার ৩.২১ শতাংশ।
- কৃষিখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ: ৪৫.০০%।

⇒ স্থিরমূল্যে মোট দেশজ উৎপাদনে কৃষিখাতের অবদান:
- ২০১৬-২০১৭ অর্থবছরে: ১৩.৬২ শতাংশ,
- ২০১৭-২০১৮ অর্থবছরে: ১৩.১৪ শতাংশ,
- ২০১৮-২০১৯ অর্থবছরে: ১২.৫৬ শতাংশ,
- ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে: ১২.৫২ শতাংশ,
- ২০২০-২০২১ অর্থবছরে: ১২.০৭ শতাংশ,
- ২০২১-২০২২ অর্থবছরে: ১১.৫০ শতাংশ।
- ২০২২-২০২৩ অর্থবছরে: ১১.২০ শতাংশ।
- ২০২৩-২০২৪ অর্থবছরে: ১১.০২ শতাংশ।

⇒ সার্বিকভাবে অর্থনীতিতে কৃষি খাতের অবদান: ক্রমহ্রাসমান।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
৩৬৭.
মানিক, রতন কোন ফসলের জাত?
  1. বেগুন
  2. সরিষা
  3. বাঁধাকপি
  4. টমেটো
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের উন্নতমানের ফসলের জাত:
• ধান- ইরাটম, ব্রিশাইল, সোনার বাংলা-১, ময়না, হরিধান, চান্দিনাম, নারিকা-১, মালাইরি।
• গম - অগ্রণী-সোনালিকা, বলাকা, দোয়েল, আকবর, আনন্দ, কাঞ্চন, বরকত।
• ভুট্টা- উত্তরণ, বর্ণালী, শুভ্রা;
• তুলা- রূপালী ও ডেলফোজ।
• টমেটো- মিন্টু, বাহার, মানিক, রতন, ঝুমকা, সিঁদুর, শ্রাবণী।
• তামাক - সুমাত্রা ও ম্যানিলা;
• বেগুন- ইওরা, শুকতারা, তারাপুরী।
• কলা - অগ্নিশ্বর, কানাইবাঁশী, মোহনবাঁশী, বীট জবা, অমৃতসাগর, সিংগাপুরী।
• বাধাঁকফি - গোল্ডেন ক্রস, কে ওয়াই ক্রস, গ্রীন এক্সপ্রেস, ড্রাম হেড
• সরিষা - সফল, অগ্রণী

উৎস: বাংলাদেশ কৃষি তথ্য সার্ভিস ওয়েবসাইট।

৩৬৮.
'পঞ্চব্রীহি' ধান আবিষ্কার করেন কে?
  1. ডক্টর খালেদ আহমেদ
  2. ডক্টর আবেদ চৌধুরী
  3. ডক্টর আলী আশরাফ
  4. ডক্টর নাঈমুর রহমান
ব্যাখ্যা
পঞ্চব্রীহি:
- ফলন শেষ হওয়ার পর একটি ধানগাছ পুরোপুরি না কেটে ওই একই গাছে বিভিন্ন মৌসুমে আরও চারবার একই ধান উৎপাদনের পদ্ধতি আবিষ্কার করেছেন বাংলাদেশি বিজ্ঞানী ডক্টর আবেদ চৌধুরী।
- বিভিন্ন মৌসুমে এক গাছ হতে পাঁচ প্রকারের ধান চাষের পদ্ধতিটি হচ্ছে পঞ্চব্রীহি।
- পঞ্চব্রীহির এক ধান গাছে পাঁচবার ফলন হয়।
- ২০২৩ সালের ১২ অক্টোবর লন্ডন-বাংলা প্রেসক্লাব আয়োজিত ‘খাদ্যনিরাপত্তা ও মানবস্বাস্থ্য’ শীর্ষক এক বিশেষ বক্তৃতা অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের এ আবিষ্কারের কথা জানান তিনি।
- পঞ্চব্রীহি ধান চাষে প্রথমবার ১১০ দিন পর ফলন আসে।
- পরের ফলন আসে ৪৫ দিন অন্তর।
- একবার বোরো, দুবার আউশ ও দুবার আমন ধানের ফলন পাওয়া যাবে।
- পঞ্চব্রীহি ধান প্রথমবার হেক্টরপ্রতি উৎপাদন হয় চার টন।
- ধানের চারা প্রতি ৪ সেন্টিমিটার দূরত্বে রোপণ করতে হয়।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও দৈনিক প্রথম আলো, ১৬ অক্টোবর ২০২৩।
৩৬৯.
বাংলাদেশি বিজ্ঞানী মাকসুদুল আলম পাটের জিনোম সিকোয়েন্স আবিষ্কার করেন কত সালে?
  1. ২০০৮ সালে
  2. ২০০৯ সালে
  3. ২০১০ সালে
  4. ২০১১ সালে
ব্যাখ্যা
পাটের জীবন রহস্য:

- ২০১০ সালে পাটের জিনোম সিকোয়েন্স আবিষ্কার করে বাংলাদেশি বিজ্ঞানী মাকসুদুল আলমের নেতৃত্বে একটি গবেষণাদল।
- প্রথমে তোষা পাটের জিনোম সিকোয়েন্স আবিষ্কৃত হয়।
- ২০১৩ সালে মাকসুদুল আলম দ্বিতীয় ধাপে দেশি পাটের জিনোম সিকোয়েন্স আবিষ্কার করেন।
- যার মাধ্যমে প্রাণী বা উদ্ভিদের জেনেটিক (জন্মগত) বৈশিষ্ট্যের বিন্যাস বা নকশা জানা যায়।
- ২০১২ সালে পাটের জন্য ক্ষতিকর ম্যাক্রোফমিনা ফাসিওলিনা নামের এক ধরনের ছত্রাকের জিনোম সিকোয়েন্স জীবনরহস্য উন্মোচন করা।
- যুক্তরাষ্ট্রের হাওয়াই ইউনিভার্সিটির অণুজীববিজ্ঞানের অধ্যাপক ছিলেন মাকসুদুল আলম।
- ২০০৮ সালে এই গবেষণার সূত্রপাত হয়। স্বপ্নযাত্রা নামে এই উদ্যোগের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন ১১ জন গবেষক ও ২০ জন তথ্য-প্রযুক্তিবিদ।

তথ্যসূত্র - কালের কণ্ঠ, ১৯ জানুয়ারি ২০১১।
৩৭০.
কৃষিতে ‘মানিক’ কিসের উন্নত জাতের নাম?
  1. উন্নত জাতের কলা
  2. উন্নত জাতের বেগুন
  3. উন্নত জাতের ফুলকপি
  4. উন্নত জাতের টমেটো
ব্যাখ্যা

- উন্নত জাতের টমেটো হল - মিন্টু , বাহার, মানিক, রতন, ঝুমকা, সিঁদুর ইত্যাদি উন্নত জাতের টমেটো।
- অগ্নিশ্বর, কানাইবাশি, মোহনবাঁশি, বীটজবা ইত্যাদি উন্নত জাতের কলার নাম।
- শুকতারা হলো উন্নত জাতের বেগুন।
- গোল্ডেন ক্রস উন্নত জাতের বাঁধাকপি।

তথ্যসূত্র - ais.gov.bd।

৩৭১.
'বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ড' কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. রাজশাহী
  2. নাটোর
  3. চাঁপাইনবাবগঞ্জ 
  4. ময়মনসিংহ 
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ড:
- বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ড বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি সংবিধিবদ্ধ সংস্থা।
- প্রতিষ্ঠা: ১৯৭৭ সালের ২৮ ডিসেম্বর বাংলাদেশ রেশম বোর্ড গঠিত হয়।
- এর প্রধান কার্যালয় রাজশাহীতে অবস্থিত।
- আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টি, দারিদ্র বিমোচন ও আর্থ সামাজিক অবস্থার উন্নয়ন ঘটানোই ছিল এ সংস্থার অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য। 

উল্লেখ্য,
- ১৯৪৭ সালের পর পূর্ব পাকিস্থানে রেশম কার্যক্রম শিল্প ও বাণিজ্য বিভাগের অধীনে ন্যাস্ত ছিল। ১৯৬১-৬২ সাল থেকে ১৯৭১ সালের পূর্ব পর্যন্ত রেশম কার্যক্রম ইপসিক এর নিয়ন্ত্রণে ছিল। ১৯৯৭ সালে কোম্পানি আইনে বাংলাদেশ সিল্ক ফাউন্ডেশন গঠন করা হয়। ২০০৩ সালে বাংলাদেশ রেশম গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইন্সটিটিউটকে রেশম বোর্ডের আওতামুক্ত করে স্বতন্ত্র প্রতিষ্ঠান হিসাবে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সরাসরি নিয়ন্ত্রণে ন্যাস্ত করা হয়। পরবর্তীতে রেশম শিল্পের সমন্বিত উন্নয়নের লক্ষ্যে ২০১৩ সালে বাংলাদেশ রেশম বোর্ড, বাংলাদেশ রেশম গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইন্সটিটিউট এবং বাংলাদেশ সিল্ক ফাউন্ডেশন ৩টি পৃথক সংস্থা একীভূত করে বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ড গঠন করা হয়। পুনর্গঠিত রেশম উন্নয়ন বোর্ডের ১৪ সদস্য বিশিষ্ট পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেছেন বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী। রেশম উন্নয়ন বোর্ডের প্রধান নির্বাহীর দায়িত্ব পালন করছেন সংস্থার মহাপরিচালক।

উৎস: বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ড ওয়েবসাইট।

৩৭২.
উপকূলীয় বনের বৃক্ষ কোনটি?
  1. গেওয়া
  2. গরান
  3. কেওড়া
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

উপকূলীয় বন:
- সমুদ্র উপকূলে প্রাকৃতিকভাবে গড়ে উঠা বনকে উপকূলীয় বন বলা হয়।
- এ ছাড়া পরিকল্পিত উপায়ে সমুদ্র উপকূলে সামাজিক বন গড়ে তোলা হলেও তাকে উপকূলীয় বন বলে।
- কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, ভোলা, খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরায় উপকূলীয় বন অবস্থিত।
- খুলনা, বাগেরহাট, সাতক্ষীরা ও পটুয়াখালীর উপকূলীয় বন সুন্দরবন নামে পরিচিত।
- প্রতিনিয়ত সমুদ্রের জোয়ারের পানিতে প্লাবিত হয় বলে একে ম্যানগ্রোভ বনও বলা হয়।
- সুন্দরবন পৃথিবীর সর্ববৃহৎ ম্যানগ্রোভ বন।
- এ বনের মোট আয়তন ৬ হাজার বর্গ কিলোমিটার।
- এ বন পৃথিবীর বৃহত্তম উপকূলীয় প্রাকৃতিক বন।
- এ বনের প্রধান বৃক্ষ সুন্দরি। এ ছাড়া পশুর, গেওয়া, গরান, কেওড়া, গোলপাতা প্রভৃতি এ বনের উল্লেখযোগ্য বৃক্ষ।
- এ বনের প্রধান আকর্ষণ রয়েল বেঙ্গল টাইগার। চিত্রা হরিণ, চিতাবাঘ, বন্য শূকর, বানর, কুমির, ঘড়িয়াল, অজগর এবং নানা প্রজাতির পাখি, কীটপতঙ্গ এ বনে বাস করে।
- এ বনের বৃক্ষ থেকে প্রাপ্ত কাঠ গৃহনির্মাণ, নিউজপ্রিন্ট তৈরি ও জ্বালানি হিসাবে ব্যবহৃত হয়।

তথ্যসূত্র - কৃষি শিক্ষা, ৭ম শ্রেণি বোর্ড বই।

৩৭৩.
'মোহনবাঁশী ও বীটজবা' কোন ফসলের উন্নত জাত?
  1. ক) তরমুজ
  2. খ) মরিচ
  3. গ) গম
  4. ঘ) কলা
ব্যাখ্যা
- 'মোহনবাঁশী ও বীটজবা' দুটি কলার উন্নত জাত।
- এছাড়াও, অগ্নিশ্বর, কানাইবাশী প্রভৃতি কলার উন্নত জাত।
- অন্যদিকে, তরমুজের উন্নত জাত- পদ্মা।
- মরিচের উন্নত জাত -যমুনা।
- গমের উন্নত জাত -বলাকা ও দোয়েল , শতাব্দী, অগ্রণী, সোনালিকা, আনন্দ, আকবর, কাঞ্চন, বর্ণালী, শুভ্রা, উত্তরণ প্রভৃতি।

উৎস: জাতীয় কৃষি তথ্য সার্ভিস।
৩৭৪.
বর্তমানে দেশে কয়টি চা নিলাম কেন্দ্র রয়েছে? [জানুয়ারি, ২০২৫]
  1. ১টি
  2. ২টি
  3. ৩টি
  4. ৪টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ চা বোর্ড: 
- বর্তমানে চা বাগানের সংখ্যা ১৬৮টি।
- দেশে ৩টি চা নিলাম কেন্দ্র (চট্টগ্রাম, শ্রীমঙ্গল ও পঞ্চগড় নিলাম কেন্দ্র) রয়েছে।
- ০২.০৯.২০২৩ খ্রি. তারিখে পঞ্চগড়ে দেশের তৃতীয় চা নিলাম কেন্দ্র উদ্বোধন করা হয়।
- ১৮৪ বছরের ইতিহাসে চা উৎপাদনের সর্বোচ্চ রেকর্ড হয়েছে।
- চা উৎপাদনের অতীতের সকল রেকর্ড অতিক্রম করে ২০২৩ সালে দেশের ১৬৮টি চা বাগান এবং ক্ষুদ্রায়তন চা বাগান থেকে রেকর্ড পরিমাণ মোট ১০২.৯২ মিলিয়ন কেজি চা উৎপাদিত হয়েছে।
- শুধুমাত্র উত্তরাঞ্চলে সমতলের চা বাগান ও ক্ষুদ্রায়তন বাগান থেকেও ২০২৩ সালে রেকর্ড পরিমাণ ১৭.৯৩ মিলিয়ন কেজি চা জাতীয় উৎপাদনে যুক্ত হয়েছে।
- দেশের চা শিল্পের ইতিহাসে এটি একটি মাইলফলক।

- বাংলাদেশ চা গবেষণা ইনস্টিটিউট উচ্চ ফলনশীল ২৩টি ক্লোন এবং একটি বাই- ক্লোনেল বীজ উদ্ভাবন করেছে।

উৎস: বাংলাদেশ চা বোর্ড।
৩৭৫.
দেশের প্রক্রিয়াজাত মাংস রপ্তানির পরিমাণ কত-
  1. ক) ৬৬.৮৩ মেট্রিক টন
  2. খ) ৫৮ মেট্রিক টন
  3. গ) ৬১ মেট্রিক টন
  4. ঘ) ৫৫ মেট্রিক টন
ব্যাখ্যা

২০২১ সালে ৬১ মেট্রিক টন মাংস রপ্তানি করা হয়েছে; ২০২০ সালে যা ছিল ৬৬.৮৩ মেট্রিক টন।
- মাংস ছাড়া ও চামড়া, হাঁসের পালক, মিষ্টি জাতীয় পণ্য ইত্যাদি রপ্তানি করা হয়ে থাকে। 

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২১

৩৭৬.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩ অনুসারে নিচের কোন জেলায় বনাঞ্চলের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি?
  1. বান্দরবান
  2. বাগেরহাট
  3. রাঙ্গামাটি
  4. গাজীপুর
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের বনাঞ্চল:
- দেশে মোট বনাঞ্চলের পরিমাণ: ৬৩,৬৩,৩০৯.৩৩ একর বা বা ২৫,৭৫,১৯৬.০১ হেক্টর।

সর্বাধিক বনাঞ্চলসম্পন্ন জেলা:
• রাঙ্গামাটি: ১৩,৭৮,৫৫৫.১৩ একর।
• বান্দরবান: ৭,৯৭,৫১৬.৪৯ একর।
• বাগেরহাট: ৫,৬৬,৫১২.৯৫ একর।
• খাগড়াছড়ি: ৫,৫৪,১১৬.২১ একর।
• খুলনা: ৫,৪৬,০৮১.৬১ একর।

তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩।
৩৭৭.
পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কোনটি?
  1. ক) ঠাকুরগাও
  2. খ) ফরিদপুর
  3. গ) দিনাজপুর
  4. ঘ) ঝিনাইদহ
ব্যাখ্যা
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ– ২০২১ অনুযায়ী,
- বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি গম উৎপাদন হয়-রাজশাহী বিভাগে (দ্বিতীয় – রংপুর)
- জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি পাট উৎপাদন- ঠাকুরগাও জেলায়।

- ভুট্টা উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ-রংপুর বিভাগ (দ্বিতীয় – খুলনা)।
- জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন- দিনাজপুর জেলা

-পাট উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ- ঢাকা (দ্বিতীয় – খুলনা)।
- জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন- ফরিদপুরে

- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ-খুলনা।
- জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন-ঝিনাইদহ।

তথ্যসূত্র: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ– ২০২১ (বিবিএস)
৩৭৮.
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের এর কোন উইংটি মাঠ পর্যায় তত্ত্ববধান করে থাকে?
  1. ক্রপস উইং
  2. প্রশাসনিক উইং
  3. সরেজমিন উইং
  4. প্রশিক্ষণ উইং
ব্যাখ্যা
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সরেজমিন উইং:
- ডিএই’র কর্মকান্ডের মুল কেন্দ্রবিন্দুই হলো সরেজমিন উইং।
- ডিএই’তে কর্মরত প্রায় ২৫ হাজার কর্মকর্তা/কর্মচারীর মধ্যে প্রায় ২১ হাজার কর্মকর্তা/কর্মচারী এ উইংয়ে কর্মরত।
- একজন পরিচালক উইং এর দায়িত্বে আছেন।
⇒ মাঠ পর্যায়ে বার্ষিক কৃষি সম্প্রসারণ কর্মপরিকলনা প্রণয়ন, বাস্তবায়ন, মনিটরিং ও মূল্যায়ন করা এ উইং-এর মূল কাজ।
- এছাড়াও কৃষি পুনর্বাসন কর্মসূচী প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন, উপকরণের চাহিদা নিরূপন, বরাদ্দ ও মনিটরিং এবং মাঠের কার্যক্রম তদারকী করা।
⇒ সম্প্রসারণ সেবা প্রদানকারী অন্যান্য সংস্থার সাথে সমন্বয় সাধন, বার্ষিক রাজস্ব বাজেট প্রণয়ন এবং গবেষণা প্রতিষ্ঠান থেকে প্রাপ্ত তথ্য সমূহ সম্প্রসারণ বার্তা হিসেবে রূপান্তর করে মাঠ পর্যায়ে সম্প্রসারণ করা।
- এ ছাড়া ১৪টি অঞ্চল (ঢাকা, ময়মনসিংহ, বরিশাল, ফরিদপুর, খুলনা, কুষ্টিয়া, রাজশাহী, বগুড়া, রংপুর, দিনাজপুর, চট্টগ্রাম, রাঙ্গামাটি, কুমিল্লা ও সিলেট), ৬৪টি জেলা, ৪৮৫টি উপজেলা ও ১২৬৪০টি ব্লকের সম্প্রসারণ কার্যক্রমের তদারকি এ উইং এর মাধ্যমে করা হয়।
অন্যদিকে,
- প্রশাসন ও অর্থ উইং-এর প্রধান কাজ হচ্ছে অধিদপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রশাসনিক ও আর্থিক ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা, বরাদ্দকৃত অর্থের ব্যয় সংক্রান্ত হিসাব ও নিরীক্ষা নিশ্চিত করা ও নথিপত্র সংরক্ষণ।

উৎস: কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
৩৭৯.
বাংলাদেশে কোন কৃষিপণ্যটি সর্বাধিক আমদানি নির্ভর?
  1. ক) আলু
  2. খ) ধান
  3. গ) গম
  4. ঘ) ভুট্টা
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে খাদ্যশস্যের মধ্যে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয় গম। ২০১৯ সালে বাংলাদেশ বিশ্ববাজার থেকে মোট ৬৭ লক্ষ মেট্রিক টন গম আমদানি করে।
২০১৮-২০১৯ সালে দেশে গমের উৎপাদন ছিলো ১০ লক্ষ মেট্রিক টন। যার কারণে গমের চাহিদার সিংহভাগই আমদানি করে মেটাতে হয়। গম ব্যতীত ভুট্টা, সয়াবিন, পেঁয়াজ প্রভৃতির আমদানিও উল্লেখযোগ্য।
(সূত্র: FAO এবং কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০১৯)
৩৮০.
প্রথম রাবার বাগান গড়ে উঠে কোথায়?
  1. খুলশী
  2. রামু
  3. মালিনীছড়া
  4. সীতাকুণ্ড
ব্যাখ্যা
- ১৯৬০ সালে বনবিভাগের উদ্যোগে কক্সবাজার জেলার রামুতে ৩০ একর এবং চট্টগ্রাম জেলার রাউজানে ১০ একর জমিতে প্রথম রাবার বাগান গড়ে তোলা হয়। এর মাধ্যমেই বাংলাদেশে পরিকল্পিতভাবে রাবার চাষ শুরু হয়।

- বর্তমানে চট্টগ্রাম, সিলেট ও টাঙ্গাইল-শেরপুর অঞ্চলে মোট ১৮টি রাবার বাগান রয়েছে।

(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ বনশিল্প উন্নয়ন কর্পোরেশন ওয়েবসাইট)
৩৮১.
বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) ঢাকা
  2. খ) গাজীপুর
  3. গ) ময়মনসিংহ
  4. ঘ) সিলেট
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল দেশের কৃষি গবেষণা বিষয়ক সর্বোচ্চ প্রতিষ্ঠান। এটি ঢাকা শহরের ফার্মগেটে অবস্থিত যা ১৯৭৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
(সূত্রঃ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল ওয়েবসাইট)
৩৮২.
কোন নদী থেকে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে মাছের রেনুপোনা সংগ্রহ করা হয়?
  1. ক) তিস্তা
  2. খ) করতোয়া
  3. গ) তিতাস
  4. ঘ) হালদা
ব্যাখ্যা
হালদা নদী থেকে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে মাছের রেনুপোনা সংগ্রহ করা হয়ে থাকে। 

- হালদা নদী হলো দক্ষিণ এশিয়ার বৃহত্তম প্রাকৃতিক মৎস প্রজনন ক্ষেত্র।
- প্রতিবছর এপ্রিল থেকে জুনের মধ্যে হালদা নদীতে রুই, কাতলা, মৃগেল, কালিবাউসের মতো কার্প জাতীয় মাতৃমাছ প্রচুর পরিমাণ ডিম ছাড়ে।
- মাছেরা মেঘলা দিনে দুপুর এবং বিকালে ডিম ছেড়ে থাকে। ডিম ছাড়ার বিশেষ সময়কে তিথি বলা হয়ে থাকে।
- ডিম ছাড়ার তিথির পূর্বেই স্থানীয় জেলে এবং ডিম সংগ্রহকারীরা নদীতে অবস্থান নেন এবং ডিম সংগ্রহ করেন।
- সংগৃহীত ডিমগুলি ফোটানোর জন্য নদীর তীরে কৃত্রিম ছোট মাটির কুয়ায় নেয়া হয় এবং কার্প পোনা উৎপাদন করা হয়।

উৎস : জাতীয় তথ্য বাতায়ন 
৩৮৩.
ফরিদপুর জেলায় নিচের কোন গবেষণা কেন্দ্রটি অবস্থিত?
  1. ক) নদী গবেষণা ইনষ্টিটিউট
  2. খ) বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট
  3. গ) ফিশারিজ ট্রেনিং ইনস্টিটিউট
  4. ঘ) সামুদ্রিক মৎস্য ও প্রযুক্তি কেন্দ্র
ব্যাখ্যা
নদী গবেষণা ইনষ্টিটিউট
• নদী গবেষণা ইনষ্টিটিউট একটি জাতীয় প্রতিষ্ঠান যা গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের পানিসম্পদ মন্ত্রনালয়ের অধীন একটি সংবিধিবদ্ধ জাতীয় সংস্থা।
• ১৯৮৯ সালে ফরিদপুর শহরের উপকন্ঠে ৮৬ একর জমির উপর এক মনোরম পরিবেশে নদী গবেষণা ইনষ্টিটিউট প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
• মহাপরিচালক এই প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী এবং পরিচালনা বোর্ড কর্তৃক অনুমোদিত নীতিমালার বাস্তবায়নে দ্বায়বদ্ধ।

অন্যদিকে,
 • 'বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট' ময়মনসিংহের বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস সংলগ্নে অবস্থিত।
 • সামুদ্রিক মৎস্য ও প্রযুক্তি কেন্দ্র অবস্থিত কক্সবাজারে।
 • ফিশারিজ ট্রেনিং ইনস্টিটিউট (মৎস্য প্রশিক্ষণ ইনষ্টিটিউট) চাঁদপুর জেলার বাবুরহাটে অবস্থিত। 

তথ্যসূত্র: সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।
৩৮৪.
বাংলাদেশের একমাত্র তেল শোধনাগার অবস্থিত-
  1. ক) চট্টগ্রামে
  2. খ) নারায়ণগঞ্জে
  3. গ) খুলনায়
  4. ঘ) ঢাকায়
ব্যাখ্যা
- ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড বাংলাদেশের একমাত্র তেল শোধনাগার। এটি চট্টগ্রামে অবস্থিত।
- এটি ১৯৬৮ সালের ৭ মে বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদন শুরু করে। 
- এর বার্ষিক পরিশোধন ক্ষমতা ১৫ লক্ষ টন।
- বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন এটির শতভাগ শেয়ারের মালিক।

উৎস: বিপিসি ও ইআরএল ওয়েবসাইট।
৩৮৫.
বিপ্লব কোন ফসলের জাত?
  1. আলু
  2. গম
  3. ধান
  4. কলা
ব্যাখ্যা
ধানের জাত:
- বিপ্লব, হিরা, মালা, ইরাটম, ময়না, চান্দিনা, হরিধান, নারিফা, সুফলা, প্রগতি ইত্যাদি।

বিপ্লব:
- বিআর৩ একটি উচ্চ ফলনশীল ধানের জাত, যা বোরো, আউশ এবং আমন তিন মৌসুমের জন্য অনুমোদিত।
- বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট ১৯৭৩ সালে জাতটি উদ্ভাবন করেছে।
- বিআর৩-এর জনপ্রিয় নাম বিপ্লব।

জাতের বৈশিষ্ট্য: 
- ধান গাছের উচ্চতা ৯৫ সেন্টিমিটার। 
- এর চাল মাঝারি মোটা ও পেটে সাদা দাগ আছে। 
- গাছ হেলে পড়ে না। 
- ভাত ঝরঝরে।
- এ জাতের জীবনকাল ১৭০ দিন।
- ফলন হেক্টর প্রতি ৬.৫ টন।

আলুর জাত:

- হীরা, আইলসা, ডায়মন্ড, কার্ডিনাল, চমক, মরিনী, সুন্দরী, কুফরী, মুলটা ইত্যাদি।

গমের জাত:
- কাঞ্চন, আকবর, অঘ্রাণী, প্রতিভা, সৌরভ, গৌরব।

কলার জাত:
- সিঙ্গাপুরী, কাবুলী, মেহের সাগর, অমৃত সাগর, সবরি, অনুপম, মালভোগ, অগ্নিশ্বর, কবরী।

উৎস: জাতীয় কৃষি বাতায়ন।
কৃষি তথ্য সার্ভিস।
৩৮৬.
গম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কোনটি?
  1. ক) ঠাকুরগাও
  2. খ) দিনাজপুর
  3. গ) ফরিদপুর
  4. ঘ) ঝিনাইদহ
ব্যাখ্যা
• গম উৎপাদন:
- বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি গম উৎপাদন হয়-রাজশাহী বিভাগে (দ্বিতীয় – রংপুর)
- জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি গম উৎপাদন- ঠাকুরগাও জেলায়
- দ্বিতীয়- চাপাইনবাবগঞ্জ।

অন্যদিকে---
-ভুট্টা উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ-রংপুর বিভাগ (দ্বিতীয় – খুলনা)।
জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন- দিনাজপুর জেলা

-পাট উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ- ঢাকা (দ্বিতীয় – খুলনা)।
জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন- ফরিদপুরে।

তুলা উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ-খুলনা।
জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন-ঝিনাইদহ।

তথ্যসূত্র: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ– ২০২১ (বিবিএস)
৩৮৭.
বাংলাদেশে তুলা চাষের জন্য সবচেয়ে কোন জেলা উপযোগী?
  1. ক) রাজশাহী
  2. খ) রংপুর
  3. গ) যশোর
  4. ঘ) ফরিদপুর
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের আবাদকৃত তুলা উৎপাদিত জমির প্রায় তিন চতুর্থাংশই বৃহত্তর যশোর ঝিনাইদহ, চুয়াডাঙ্গা ও কুষ্টিয়া জেলার অন্তর্গত।

উৎস: সরকারী ওয়েবসাইট।
৩৮৮.
বাংলাদেশ নদী গবেষণা ইনস্টিটিউট কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. ক) ময়মনসিংহ
  2. খ) চাঁদপুর
  3. গ) ফরিদপুর
  4. ঘ) সিরাজগঞ্জ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ নদী গবেষণা ইনস্টিটিউট ফরিদপুর জেলায় অবস্থিত।
শুরুতে এটির কার্যক্রম ঢাকাস্থ গ্রীনরোড থেকে পরিচালিত হতো। ১৯৪৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হাইড্রোলিক রিসার্চ ল্যাবরেটরিকে একীভূত করে ১৯৭৮ সালে বাংলাদেশ নদী গবেষণা ইনস্টিটিউট যারা শুরু করে।

(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ নদী গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট)
৩৮৯.
"মহিষ প্রজনন ও উন্নয়ন খামার" কোথায় অবস্থিত? 
  1. ভোলা 
  2. খুলনা 
  3. বাগেরহাট
  4. পটুয়াখালী
ব্যাখ্যা

- "মহিষ প্রজনন ও উন্নয়ন খামার" বাগেরহাটে অবস্থিত।

• এছাড়া ও অন্যান্য প্রাণীর নাম প্রজনন কেন্দ্র সমূহ।
- হরিণ- চকোরিয়া, কক্সবাজার।
- বন্যপ্রাণী- ডুলাহাজরা, কক্সবাজার।
- গরু- সাভার, ঢাকা।
- ছাগল- টিলাগড়, সিলেট।
- মহিষ- ফকিরহাট, বাগেরহাট।
- কুমির- করমজল, সুন্দরবন।

উৎস: সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইট।

৩৯০.
ইলিশ উৎপাদনে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান কত? [এপ্রিল, ২০২৫]
  1. ১ম 
  2. ২য়
  3. ৩য়
  4. ৪র্থ 
ব্যাখ্যা
ইলিশ উৎপাদনে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান:
- ইলিশ উৎপাদনে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান ১ম।
- বিশ্বে ইলিশ উৎপাদনকারী ১১টি দেশের মধ্যে একমাত্র বাংলাদেশেই ইলিশ উৎপাদন বেড়েছে।
- ওয়ার্ল্ডফিশের তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বের মোট ইলিশের ৮৬ শতাংশ বাংলাদেশে উৎপাদিত হচ্ছে।

উল্লেখ্য,
- দেশের মোট মৎস্য উৎপাদনে ইলিশ মাছের অবদান প্রায় ১২ শতাংশ।
- বার্ষিক উৎপাদন প্রায় তিন লাখ ৪৬ হাজার মেট্রিক টন।
- দেশের মোট মৎস্য উৎপাদনে ইলিশ মাছের অবদান প্রায় ১২ শতাংশ। বার্ষিক উৎপাদন প্রায় তিন লাখ ৪৬ হাজার মেট্রিক টন
- বাংলাদেশে ইলিশের চারটি প্রজনন ক্ষেত্র এবং ছয়টি অভয়াশ্রম আছে।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) বিবিসি।
৩৯১.
দেশের তৃতীয় চা নিলাম কেন্দ্রের উদ্বোধন করা হয়েছে কোন জেলায়?
  1. সিলেট
  2. পঞ্চগড়
  3. হবিগঞ্জ
  4. সুনামগঞ্জ
ব্যাখ্যা
চা নিলাম কেন্দ্র:
- চট্টগ্রাম ও সিলেটের পরে ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ সালে পঞ্চগড়ে দেশের তৃতীয় চা নিলাম কেন্দ্রের উদ্বোধন করা হয়েছে।
- এই নিলাম কেন্দ্রের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন তৎকালীন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি।
- এতে চা উৎপাদনকারীদের ব্যয় কমবে।
- চা-চাষিরা পাতার মূল্য না পেলে এই নিলামকেন্দ্র চালু করা মূল্যহীন হবে।
- দেশে মোট উৎপাদিত চায়ের ১৯ শতাংশ চা পঞ্চগড় ও পাশ্ববর্তী জেলাগুলোতে উৎপাদন হচ্ছে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ চা বোর্ড ওয়েবসাইট।
৩৯২.
'হাড়িভাঙ্গা' কীসের জাত?
  1. ক) কলা
  2. খ) আম
  3. গ) পেঁপে
  4. ঘ) লিচু
ব্যাখ্যা
- হাড়িভাঙ্গাহলো আমের একটি জাত।
আমের অন্যান্য জাতের মধ্যে রয়েছে:
- ল্যাংড়া
- ফজলি
- মহানন্দা 
- আম্রপালি
- গোপালভোগ
- লক্ষ্মণভোগ
- সুরমা
- সূর্যপুরী
- হিমসাগর
- মোহনভোগ প্রভৃতি।

(তথ্যসূত্র: কৃষি তথ্য সার্ভিস ওয়েবসাইট)
৩৯৩.
দেশের কোন জেলায় আবাদী জমির পরিমাণ সর্বাধিক?
  1. দিনাজপুর
  2. নওগাঁ
  3. ময়মনসিংহ
  4. সুনামগঞ্জ
ব্যাখ্যা
- কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২০ দেশে মোট আবাদী জমির পরিমাণ ২ কোটি ৮১ হাজার একর।
জেলা অনুযায়ী সর্বাধিক আবাদী জমির পরিমাণ:
- ময়মনসিংহ জেলা : ৭.২৫ লক্ষ একর
- দিনাজপুর জেলা : ৬.৮৪ লক্ষ একর
- নওগাঁ জেলা : ৬.২৯ লক্ষ একর।
(তথ্যসূত্র: কৃষি পরিসংখ্যান গ্রন্থ-২০২০)
৩৯৪.
নিচের কোন জেলায় সরকারি রাবার বাগান রয়েছে?
  1. সিলেট
  2. টাঙ্গাইল
  3. গাজীপুর
  4. খাগড়াছড়ি
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ বনশিল্প উন্নয়ন কর্পোরেশনের অধীনে দেশে বর্তমানে ১৮টি রাবার বাগান রয়েছে।
জেলা অনুসারে রাবার বাগান:
- চট্টগ্রামে : ৭টি
- টাঙ্গাইলে : ৩টি
- হবিগঞ্জে : ২টি
- মৌলভীবাজারে : ২টি
- কক্সবাজারে : ১টি
- শেরপুরে : ১টি
- ময়মনসিংহে : ১টি
- রংপুরে : ১টি।
(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ বনশিল্প উন্নয়ন কর্পোরেশন ও বণিকবার্তা)
৩৯৫.
উত্তরাঞ্চলে 'মঙ্গার ধান' বলে পরিচিত -
  1. ক) ব্রি-৩৩
  2. খ) বি আর-২৮
  3. গ) স্বর্ণা
  4. ঘ) বি আর-২২
ব্যাখ্যা
ব্রি-৩৩ আমন মৌসুমের ধান। ১৯৯৭ সালে এ জাতের উদ্ভাবন হয়। হেক্টরপ্রতি ফলন প্রায় ৪.৫ টন। জীবনকাল ১১৮ দিন। মঙ্গা এলাকায় এ ধান বেশ জনপ্রিয়। (রেফারেন্সঃ বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন)
৩৯৬.
বাংলাদেশের কোথায় জুম চাষ করা হয়?
  1. বান্দরবান
  2. বরিশাল
  3. খুলনা
  4. বাগেরহাট
ব্যাখ্যা
জুম চাষ:
- পাহাড়ের ঢালে বন উজাড় করে ও তা আগুনে পুড়িয়ে জমিকে চাষের উপযোগী করার মাধ্যমে যে চাষাবাদ করা হয় তারই নাম জুম চাষ।
- পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন জেলায় প্রায় ৫,৪৮০ বর্গকিলোমিটার বনভূমির সিংহভাগেই জুম চাষ করা হয়।
- তিন পার্বত্য জেলা হচ্ছে- রাঙ্গামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি।
- তিন পার্বত্য জেলায় ৩৫ হাজারেরও বেশি জুমিয়া পরিবার এই জুম চাষের সঙ্গে জড়িত।
- জুম চাষের জন্য পাহাড়ের গাছপালা পোড়ানো হয়।
- জুম চাষকে চাকমা ভাষায় জুম, মারমা ভাষায় ইয়াঁ, ত্রিপুরা ভাষায় হুগ, ম্রো ভাষায় উঃঅ, খিয়াং ভাষায় লাই, বম ভাষায় লাও বলা হয়।
- ভারী বৃষ্টির পর পাহাড়ের মাটি খুঁড়ে রোপণ করা হয় বিভিন্ন ফসল।
- জুমের ফসলের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো নানাজাতের ধান, কুমড়া, অড়হড়, শিম, শশা, করলা, ঢেঁড়শ, তিল, ভুট্টা, আদা, যব, তুলা, হলুদ, পাহাড়ি আলু, কচু, ইত্যাদি।

উৎস: DW বাংলা। 
৩৯৭.
'বিআর ৫' জাতের ধানের বৈশিষ্ট্য নিচের কোনটি?
  1. জলমগ্নতা সহিষ্ণু
  2. এন্টি অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ
  3. খরা সহিষ্ণু
  4. জিংক সমৃদ্ধ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট উদ্ভাবিত জাত:
- জিংক সমৃদ্ধ ধানের জাত হলো: ব্রি ধান ৬২ , ব্রি ধান ৬৪, ব্রি ধান ৭২, ব্রি ধান ৭৪, ব্রি ধান ৮৪।
- খরা সহিষ্ণু ধানের জাত সমূহ হলো: ব্রি ধান ৪৩, ব্রি ধান ৫৫, ব্রি ধান ৫৬, ব্রি ধান ৫৭, ব্রি ধান ৬৬, ব্রি ধান ৭১ ও ব্রি ধান ৮৩।
- এন্টি অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ ধানের জাত: বিআর ৫।
- লো জিআই বা নিম্ন গ্লাইসেমিক ইনডেক্স গুণ সম্পন্ন ধানের জাত: বিআর ১৬, ব্রি ধান ৪৬, ব্রি ধান ৬৯।
- জলমগ্নতা সহিষ্ণু ধানের জাত: ব্রি ধান ৫১, ব্রি ধান ৫২, ব্রি ধান ৭৯।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।
৩৯৮.
স্বর্ণা সারের উদ্ভাবক কে?
  1. ড. মাকসুদুল আলম
  2. ড. সৈয়দ আব্দুল খালেক
  3. ইসমাইল হোসেন খান
  4. ড. মোবারক আহমেদ খান
ব্যাখ্যা
স্বর্ণা সার:
- স্বর্ণা এক প্রকার জৈব সার।
- ১৯৮৭ সালে ড. সৈয়দ আব্দুল খালেক এই সার আবিষ্কার করেন।
- এর বৈজ্ঞানিক নাম ফাইটা হারমোন ইনডিউসার।

উল্লেখ্য,
- ক্যাসিকাল ও জীববিজ্ঞানের বিভিন্ন ক্ষেত্রে ড. খালেক-এর রয়েছে পনরটি পেটেন্ট করা আবিষ্কার।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রাণরসায়ন-এ পড়ালেখা শেষ করে তিনি লণ্ডন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৭৪ এ পিএইচডি করেন ‘ইমিউনোএনজাইমোলজি’ (Immunoenzymology)-র ওপর।
- এরপর তিনি শিক্ষকতা করেন যুক্তরাজ্যের রয়েল হলওয়ে কলেজে।
- এই বিজ্ঞানীর প্রথম আবিষ্কার ‘ফাইটোহরমোন ইনডিউসার’ (Phytohormone Inducer)।
- ’স্বর্ণা’ নামের বহুল পরিচিত এই ‘জৈবসার’-টি পেটেন্ট করা হয় ১৯৯৩ সালে।

অন্যদিকে,
- পাট থেকে সবুজ চা উদ্ভাবন করেন ইসমাইল হোসেন খান।
- ড. মোবারক আহমেদ খান ২০০৮ সালে পাট থেকে ঢেউটিন তৈরির পদ্ধতি আবিষ্কার করেন। 
- পাটের জিনোম আবিষ্কার করেন ড. মাকসুদুল আলম।

উৎস: মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।
৩৯৯.
'গ্রীন এক্সপ্রেস' কোন ফসলের জাত?
  1. বাঁধাকপি
  2. টমেটো
  3. আলু
  4. ধান
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের কৃষিতে কয়েকটি জাত: 
- উচ্চ ফলনশীল আলুর জাত - হীরা, আইলসা, ডায়মন্ড, কার্ডিনাল, চমক, মরিনী, সুন্দরী, কুফরী, মুলটা ইত্যাদি।
- উচ্চ ফলনশীল বাঁধাকপির জাত - গ্রীন এক্সপ্রেস, ড্রামহেড, গোল্ডেন ক্রস, প্রভাতী, অগ্রদূত।
- উচ্চ ফলনশীল ধানের জাত - বিপ্লব, হিরা, মালা, ইরাটম, ময়না, চান্দিনা, হরিধান, নারিফা, সুফলা, প্রগতি ইত্যাদি।

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস (AIS) ওয়েবসাইট।
৪০০.
সর্বশেষ কৃষশুমারি কত সালে অনুষ্ঠিত হয়?(নভেম্বর, ২০২৪)
  1. ২০২২ সালে
  2. ২০২১ সালে
  3. ২০২০ সালে
  4. ২০১৯ সালে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে বর্তমান পর্যন্ত মোট ৫টি কৃষিশুমারি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
প্রথম কৃষিশুমারি – ১৯৭৭ সালে
দ্বিতীয় কৃষিশুমারি – ১৯৮৩-৮৪ সালে
তৃতীয় কৃষিশুমারি – ১৯৯৬ সালে
চতুর্থ কৃষিশুমারি – ২০০৮ সালে
সর্বশেষ পঞ্চম কৃষিশুমারি - ৯-২০ জুন ২০১৯।

উৎস: বিবিএস ওয়েবসাইট।