বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশের কৃষিজ সম্পদ

মোট প্রশ্ন১,৬৮১এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশের কৃষিজ সম্পদ

PrepBank · পাতা / ১৭ · ১০০ / ১,৬৮১

.
ব্রিশাইল কী?
  1. উচ্চ ফলনশীল ধান
  2. উচ্চ ফলনশীল পাট
  3. উচ্চ ফলনশীল গম
  4. উচ্চ ফলনশীল তরমুজ
ব্যাখ্যা
ব্রিশাইল:
- ব্রিশাইল হচ্ছে - উচ্চ ফলনশীল ধান।
- মৌসুম - আমন।
- এর উচ্চতা - ১২৫ সেমি.।
- জীবনকার - ১৪৫ দিন।
- জাতের বৈশিষ্ট্যসমূহ - চাল মাঝারি মোটা ও সাদা।

এছাড়াও আরো কিছু উচ্চ ফলনশীল ধানের নাম হচ্ছে -
- চান্দিনা, মালা, বিপ্লব, আশা, সুফলা, প্রগতি, মুক্তা, ময়না, গাজী, মোহিনী প্রভৃতি।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট।
.
গোল আলু আমাদের দেশে প্রথম কোন দেশ থেকে আনা হয়?
  1. ক) আমেরিকা থেকে
  2. খ) নেদারল্যান্ডস থেকে
  3. গ) পোল্যান্ড থেকে
  4. ঘ) ইউক্রেন থেকে
ব্যাখ্যা
- ব্রিটিশ গভর্নর ওয়ারেন হেস্টিংস-এর মাধ্যমে উপমাহাদেশে হল্যান্ড বা নেদারল্যান্ডস থেকে আলু চাষের বিস্তার হয়।
- গত কয়েক দশকে কয়েক ডজন উচ্চফলনশীল আলুর জাত বাংলাদেশে আনা হয় এবং সাধারণ চাষাবাদের জন্য অবমুক্ত করার পূর্বে স্থানীয় পরিবেশে পরীক্ষামূলকভাবে যাচাই করা হয়।
- অতঃপর বেশকটি জাত চাষাবাদের জন্য অবমুক্ত করা হয়।
- জাতগুলির ফলনশীলতার সুষ্ঠু মূল্যায়ন এবং অন্যান্য বৈশিষ্ট্য বিবেচনা করে বর্তমানে প্রায় ৩৬টি উফশী জাত চাষাবাদের জন্য দেশে অবমুক্ত করা হয়েছে।
- অবশ্য, বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (BADC) কৃষকদের মধ্যে বিতরণের জন্য প্রতি বছর প্রায় ২০০ মে টন আলুবীজ আমদানি করে।
- উফশী জাতের বীজআলু উৎপাদনের জন্য বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (BARI) পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জে একটি খামার প্রতিষ্ঠা করেছে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া
.
ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য 'কাটারিভোগ' ধানের জন্য প্রসিদ্ধ জেলা কোনটি?
  1. নওগাঁ
  2. দিনাজপুর
  3. বগুড়া
  4. রাজশাহী
ব্যাখ্যা
কাটারিভোগ ধান:
- কাটারিভোগ বাংলাদেশের একটি সুগন্ধি চাল।
- ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) পণ্য হিসেবে স্বীকৃত 'কাটারিভোগ' ধানের জন্য প্রসিদ্ধ জেলা হলো দিনাজপুর।
- দিনাজপুর জেলার উর্বর মাটি ও অনুকূল জলবায়ুর কারণে এখানকার কাটারিভোগ চালের বিশেষ সুগন্ধ ও স্বাদ রয়েছে।
- কৃষকেরা মূলত আমন মৌসুমে এই ধান চাষ করে থাকে।
- কাটারিভোগ চালের খ্যাতির জন্য দিনাজপুর জেলা সারাদেশে বিশেষভাবে পরিচিত।

এছাড়াও,
- 'হরিধান' মূলত বাংলাদেশের ঝিনাইদহ জেলায় আবাদ হয়।
- 'কালিজিরা' ধান মূলত বাংলাদেশের চট্টগ্রামের মিরসরাই আবাদ হয়।
- 'বালাম' ধান মূলত বাংলাদেশের বরিশাল ও পটুয়াখালী অঞ্চলে আবাদ হয়।
- 'চিনিগুড়া' ধান মূলত বাংলাদেশের কুমিল্লা জেলায় আবাদ হয়।
- 'বিরই' ধান মূলত বাংলাদেশের ময়মনসিংহ অঞ্চলে আবাদ হয়।

সূত্র- কৃষি তথ্য সার্ভিস এবং দিনাজপুর জেলা ওয়েবসাইট, পত্রিকা রিপোর্ট।
.
বাংলাদেশে সর্বপ্রথম অর্গানিক চায়ের চাষ শুরু করে-
  1. শিলোয়া টি ফ্যাক্টরী
  2. ইস্পাহানি গ্রুপ
  3.  মেঘনা গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ
  4. কাজী এন্ড কাজী টি
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশে ২০০০ সালের দিকে পঞ্চগড় জেলার তেতুঁলিয়ায় সর্বপ্রথম অর্গানিক চায়ের চাষ শুরু হয়।
- বেসরকারি প্রতিষ্ঠান কাজী এন্ড কাজী টি এস্টেটের মাধ্যমে তেতুঁলিয়ায় প্রথম অর্গানিক চায়ের চাষ শুরু হয়।
- বর্তমানে পঞ্চগড়, ঠাকুরগাঁও, দিনাজপুর প্রভৃতি জেলায় ক্ষুদ্র ও বৃহৎ পরিসরে অর্গানিক চায়ের চাষ হচ্ছে।

উল্লেখ্য,
- অর্গানিক চা হলো সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক উপায়ে উৎপাদিত চা।
- অর্থাৎ অর্গানিক চা চাষে রাসায়নিক সার বা কীটনাশক ব্যবহৃত হয় না।


উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন, চা গবেষণা ইনস্টিটিউট এবং প্রথম আলো।
.
FAO পরিসংখ্যান বর্ষপঞ্জি ২০২৩ অনুযায়ী, চাল উৎপাদনে বাংলাদেশের অবস্থান -
  1. প্রথম
  2. দ্বিতীয়
  3. তৃতীয়
  4. চতুর্থ
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও) বিশ্ব খাদ্য ও কৃষিবিষয়ক বার্ষিক পরিসংখ্যান পুস্তিকা-২০২৩ প্রকাশ করে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী - 
→ বিশ্বের খাদ্য আমদানিকারক দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান - তৃতীয়।
→ চাল উৎপাদনে বাংলাদেশের অবস্থান - তৃতীয়।
→ বিশ্বে খাদ্য আমদানিতে শীর্ষ দেশ - চীন।
→ খাদ্য আমদানিতে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে - ফিলিপাইন।
→ খাদ্য রপ্তানিতে শীর্ষ দেশ হচ্ছে - যুক্তরাষ্ট্র।
→ চাল রপ্তানিতে শীর্ষ দেশ – ভারত।

তথ্যসূত্র: জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও) ওয়েবসাইট।
.
তুলার একটি উন্নত জাত হলো-
  1. ক) ডায়মন্ড
  2. খ) রূপালি
  3. গ) সোনালি
  4. ঘ) ইরাটম
ব্যাখ্যা
- রূপালি হলো তুলার একটি জাত।

• তুলার অন্যান্য জাতসমূহের মধ্যে রয়েছে:
- রূপালি-১
- সিভি-১২
- সিভি-১৩
- ডিএম-১
- পাহাড়ি তুলা-১,২ প্রভৃতি।

অন্যদিকে,
- ডায়মন্ড - আলুর জাত
- সোনালি - সরিষার জাত
- ইরাটম - উন্নত জাতের ধান।

তথ্যসূত্র: কৃষি তথ্য সার্ভিস ওয়েবসাইট
.
শৈত্য বেশী হলে ফলন বৃদ্ধি পায় কোন ফসলের?
  1. ক) ধান
  2. খ) পাট
  3. গ) গোল আলু
  4. ঘ) আখ
ব্যাখ্যা
শৈত্য সহিষ্ণু ফসল
• বাংলাদেশে নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি মাস পর্যন্ত শীতকাল। শীতকালে দেশের চরম সর্বনিম্ন তাপমাত্রা জানুয়ারি বা
ফেব্রুয়ারি মাসে হয়ে থাকে।
• শীতকালে সর্বোচ্চ তাপমাত্রার গড় ২৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস থেকে ২৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রার গড় ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস থেকে ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস হয়ে থাকে।
• আমাদের দেশে শৈত্য বেশি পড়লে এবং শৈত্যতা দীর্ঘস্থায়ী হলে শীতকালীন ফসল, যেমন - গোলআলু ও গমের ফলন ভালো হয়।

তথ্যসূত্র:- কৃষি শিক্ষা, এস এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
'ম্যানিলা' কোন ফসলের উন্নত জাত?
  1. গম
  2. তামাক
  3. ভুট্টা
  4. ধান
ব্যাখ্যা

বিভিন্ন ফসলের উন্নত জাত:
• ইরাটম, ব্রি হাইব্রিড - ১ চান্দিনা, মালা, বিপ্লব, দুলাভোগ, মোহিনী, সুফলা: উন্নত জাতের ধান।
• সোনালিকা ও আকবর: উন্নত জাতের গম।
• সুমাত্রা ও ম্যানিলা: উন্নত জাতের তামাক।
• বর্ণালী, শুভ্রা ও উত্তরণ উন্নত জাতের ভুট্টা।
• মহানন্দা, ল্যাংড়া ও মােহনভােগ উন্নত জাতের আম।
• বাহার: উন্নত জাতের টমেটো।
• যমুনা: উন্নত জাতের মরিচ।
• শুকতারা, নয়নতারা, তারাপুরী, ইসলামপুরী, কাজলা, বিজয়, মুক্তকেশী, ঝুমকো: উন্নত জাতের বেগুন।
• হিরা, আইলসা, পেট্রোনিস, মুল্টা, ডায়ামন্ট, কার্ডিনাল, মন্ডিয়াল, কুফরী সিন্দুরী, চমক, ধীরা, গ্রানোলা, ক্লিওপেট্রা ও চিনেলা: উন্নত জাতের আলু।

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস।

.
পাখি ছাড়া 'দোয়েল' কীসের নাম?
  1. উন্নত জাতের গম
  2. উন্নত জাতের আলু
  3. উন্নত জাতের টমেটো
  4. উন্নত জাতের বেগুন
ব্যাখ্যা
গম:
- গমের উন্নত জাত: বলাকা, দোয়েল, সোনালিকা, আকবর, আনন্দ, কাঞ্চন, শতাব্দী।

এছাড়াও -
- বেগুনের উন্নত জাত: শুকতারা, তারাপুরী, ইওরা ,ইসলামপুর্‌, খটখটিয়া, শিংনাথ, ঝুমকো, মুক্তকেশী, কাজলা, নয়নতারা, বিজয়, চমক এফ১।
- টমেটোর উন্নত জাত: বাহার, মানিক, রতন, মিন্টো, ঝুমকা।
- আলুর উন্নত জাত: ডায়মন্ড, কার্ডিনাল, সিন্দুরী।

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস।
১০.
'কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ- ২০২২' অনুযায়ী, লিচু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কোনটি?
  1. টাঙ্গাইল
  2. দিনাজপুর
  3. রাজশাহী
  4. গাজীপুর
ব্যাখ্যা
• 'কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ- ২০২২:
- মোট আবাদযোগ্য জমি: ৩,৯৪,৯৩,০০০ একর।
- আবাদযোগ্য নয় এমন জমির পরিমাণ: ৮৩,১২,০০০ একর।
- বনাঞ্চল: ৬৩,৬৩,০০০ একর (প্রায়)।
- মোট জমির পরিমাণ (আবাদী, অনাবাদী, বনাঞ্চল ও অন্যান্য): ৩,৬৪,৬৫,০০০ একর।

- উৎপাদনে শীর্ষ জেলা:
• আম: রাজশাহী জেলা।
• লিচু: দিনাজপুর জেলা।
• আনারস: টাঙ্গাইল জেলা।
• কাঠাল: গাজীপুর জেলা।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ- ২০২২।
১১.
সরকার কর্তৃক ঘোষিত দেশের প্রথম মৎস্য অভয়াশ্রম কোনটি?
  1. হালদা নদী
  2. হাইল হাওর
  3. মেঘনা নদী
  4. চলন বিল
ব্যাখ্যা

 মৎস্য অভয়াশ্রম:
- সরকার ঘােষিত দেশের প্রথম মৎস্য অভয়াশ্রম হাইল হাওর।
- জলাশয় সংশ্লিষ্ট মৎস্যজীবী-জেলেসহ সংশ্লিষ্ট সুফলভোগীদের অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং জলাশয়ের জৈবিক ব্যবস্থাপনা নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে সরকার এরই মধ্যে সরকারি জলমহাল ব্যবস্থাপনা নীতি ২০০৯ প্রণয়ন করেছে।
- এ নীতির আওতায় অভ্যন্তরীণ জলসম্পদের স্থায়িত্বশীল উন্নয়নের জন্য জলাশয় সংশ্লিষ্ট সুফলভোগী/জেলেদের সমন্বয়ে সমাজভিত্তিক সংগঠন গড়ে তোলার কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।
- বিপন্ন প্রায় মৎস্য প্রজাতির সংরক্ষণ, প্রজনন ও বংশবৃদ্ধির জন্য অভয়াশ্রম স্থাপন একটি অন্যতম কারিগরি কৌশল।
- বিগত পাঁচ বছরে বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন নদ-নদী ও অভ্যন্তরীণ মুক্ত জলাশয়ে ৫৩৪টি অভয়াশ্রম প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।
- পাঁচ বছরে স্থাপিত ৫৩৪টি অভয়াশ্রমসহ বর্তমানে দেশব্যাপী প্রায় ৫৫০টি অভয়াশ্রম স্থানীয় সুফলভোগী কর্তৃক সফলতার সঙ্গে পরিচালিত হচ্ছে।
- এসব অভয়াশ্রম স্থাপনের ফলে বিপন্ন প্রায় মৎস্য প্রজাতি যথা-চিতল, ফলি, বামোস, কালিবাউস, আইড়, টেংরা, মেনি, রানী, সরপুঁটি, মধু পাবদা, রিটা, কাজলী, চাকা, গজার, তারা বাইম ইত্যাদি মাছের প্রাপ্যতা বহুলাংশে বৃদ্ধি পেয়েছে।

⇒ হাইল হাওর:
- মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল ও হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলা জুড়ে বিস্তৃত ‘হাইল হাওর’।
- এই বিশাল জলাধারে রয়েছে ১৪টি বিল এবং পানি নিষ্কাশনের ১৩টি নালা।
- মোট আয়তন ১০ হাজার হেক্টর।
- প্রচুর লতা ও গুল্মজাতীয় উদ্ভিদ থাকায় স্থানীয়দের কাছে এটি লতাপাতার হাওর নামেও পরিচিত।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১২.
পণ্যে পাটজাত মোড়কের বাধ্যতামূলক ব্যবহার আইন, ২০১০ অনুসারে, কত ধরনের পণ্যে পাটের বস্তা ব্যবহার বাধ্যতামূলক রয়েছে?
  1. ১৩
  2. ১৭
  3. ১৯
  4. ২১
ব্যাখ্যা
পাটজাত পণ্য ব্যবহারে বাধ্যবাধকতা:
- পণ্যে পাটজাত মোড়কের বাধ্যতামূলক ব্যবহার আইন, ২০১০ অনুসারে, ১৯ ধরনের পণ্যে পাটের বস্তা ব্যবহার বাধ্যতামূলক রয়েছে।

উল্লেখ্য,
- পাট চাষি ও পাটকল মালিকদের স্বার্থ রক্ষা ও পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর প্লাস্টিক ব্যাগের ব্যবহার সীমিত করার জন্য আইনটি প্রণয়ন করা হয়।

উল্লেখ্য,
- ‘পণ্যে পাটজাত মোড়কের বাধ্যতামূলক ব্যবহার আইন, ২০১০’ অনুযায়ী ৬টি পণ্য অর্থাৎ ধান, চাল, গম, ভূট্টা, সার ও চিনি পাটজাত মোড়কের বাধ্যতামূলক ব্যবহারের জন্য নির্ধারিত হয়েছে।
- পরবর্তীতে ২০১৭ সালের ২১ জানুয়ারি আরো মরিচ, হলুদ, পেঁয়াজ, আদা, রসুন, ডাল, ধনিয়া, আলু, আটা, ময়দা, তুষ-খুদ-কুড়াসহ মোট ১৭ (সতের)টি পাটজাত মোড়কের বাধ্যতামূলক ব্যবহারের জন্য নির্ধারিত করা হয়েছে।
- ২০১৮ সালের ৬ আগস্ট পোল্ট্রি ও ফিস ফিড মোড়কীকরণে পাটের বস্তা ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা হয়।
- পণ্যে পাটজাত মোড়কের বাধ্যতামূলক ব্যবহার আইন, ২০১০ এর ধারা-১৪ অনুযায়ী পাটের মোড়ক ব্যবহার না করলে অনূর্ধ্ব এক বছর কারাদণ্ড বা অনধিক ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে।
- এ অপরাধ পুনঃসংগঠিত হলে সর্বোচ্চ দণ্ডের দ্বিগুণ দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) পণ্যে পাটজাত মোড়কের বাধ্যতামূলক ব্যবহার আইন, ২০১০।
১৩.
বাংলাদেশের ভূমিকে কয়টি এগ্রো-ইকোলজিক্যাল জোনে ভাগ করা হয়েছে?
  1. ২২টি
  2. ২৫টি
  3. ২৮টি
  4. ৩০টি
ব্যাখ্যা

কৃষি পরিবেশগত অঞ্চল (এগ্রো-ইকোলজিক্যাল জোন):
- বাংলাদেশ একটি কৃষি দেশ এবং বাংলাদেশের প্রায় ৮০% লোক সরাসরি বা পরোক্ষভাবে কৃষি নিয়ে জড়িত।
- বাংলাদেশ একটি ছোট দেশ কিন্তু এটি বিভিন্ন এলাকায় বিভিন্ন ধরনের জমি রয়েছে। 
- বাংলাদেশের ভূমিকে ৩০টি এগ্রো-ইকোলজিক্যাল জোনে ভাগ করা হয়েছে।
- এই ৩০টি এইজেডকে ৮৮টি উপ-অঞ্চলে ভাগ করা হয়েছে এবং এই উপ-অঞ্চলকে আবার ৫৩৫টি কৃষি পরিবেশগত এককে ভাগ করা হয়েছে।

⇒ বাংলাদেশে ৩০ টি কৃষি-পরিবেশগত অঞ্চল (সংখার ক্রমানুসারে)-
১. পুরাতন হিমালয় পাদভুমি
২. সক্রিয় তিস্তা প্লাবনভুমি
৩. তিস্তা সর্পিল প্লাবনভুমি
৪. করতোয়া-বাঙ্গালী প্লাবনবুমি
৫. নিম্ন-আত্রাই বেসিন
৬. নিম্ন- পূনর্ভবা প্লাবনভুমি
৭. সক্রিয় ব্রহ্মপুত্র ও যমুনা প্লাবনভুমি
৮. নতুন ব্রহ্মপুত্র ও যমুনা প্লাবনভুমি
৯. পুরাতন ব্রহ্মপুত্র প্লাবনভুমি
১০. সক্রিয় গঙ্গা প্লাবনভুমি
১১. উচ্চ গঙ্গা প্লাবনভুমি
১২. নিম্ন গঙ্গা প্লাবনভুমি
১৩. গঙ্গা জোয়ার প্লাবনভুমি
১৪. গোপালগঞ্জ-খুলনা জলাভুমি
১৫. আত্রাই বিল/আরিয়াল বিল
১৬. মধ্য মেঘনা প্লাবনভুমি
১৭. নিম্ন মেঘনা প্লাবনভুমি
১৮. নতুন মেঘনা- মোহনা প্লাবনভুমি
১৯. পুনাতন মেঘনা প্লাবনভুমি
২০. পূর্ব সুরমা-কুশিয়ারা প্লাবনভুমি
২১. সিলেট বেসিন
২২. উত্তর-পূর্ব পাদভুমি
২৩. চট্টগ্রাম উপকূল সমভুমি
২৪. সেন্টমার্টিন কোরাল দ্বীপ
২৫. সমতল বরেন্দ্র অঞ্চল
২৬. উচ্চ বরেন্দ্র অঞ্চল
২৭. উত্তর-পূর্ব বরেন্দ্র অঞ্চল
২৮. মধুপুর অঞ্চল
২৯. উত্তর-পূর্ব পাহাড়ি অঞ্চল
৩০. আখাউড়া সোপান।

উৎস: কৃষক সেবা।

১৪.
জুটন আবিষ্কার করেন কে?
  1. ক) মাকসুদুল আলম
  2. খ) আবুল হুসসাম
  3. গ) ফেরদৌসী কাদরি
  4. ঘ) মোহাম্মদ সিদ্দিকুল্লা
ব্যাখ্যা

জুটন আবিষ্কার করেন মোহাম্মদ সিদ্দিকুল্লা। 
- জুটন হল পাট ও সুতা মিশ্রিত কাপড়। এখানে পাট ও সুতার অনুপাত ৭০ : ৩০।

- মাকসুদুল আলম ২০১০ সালে দেশী পাটের জীবন রহস্য উন্মোচন করে হইচই ফেলে দিয়েছিলেন তিনি। তিনি বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউটের জুট জেনোম সিকোয়েন্সিং প্রকল্পের প্রধান বিজ্ঞানী ছিলেন।
- আর্সেনিক থেকে রক্ষা পেতে আবুল হুসসাম সনো ফিল্টারের আবিষ্কার করেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া

১৫.
বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা প্রতিষ্ঠান কোথায় অবস্থিত?
  1. সাভার
  2. আড়াইহাজার
  3. ঈশ্বরদী
  4. জয়দেবপুর
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা প্রতিষ্ঠান (BARRI):
- ১৯৭৬ সালে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠান হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।
- দেশকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ করার চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় এ প্রতিষ্ঠানটি সর্বতোভাবে নিয়োজিত রয়েছে।
- প্রধান কার্যালয় - গাজীপুর জেলার জয়দেবপুর।
- মহাপরিচালক প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী পরিচালক।

• বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট আইন ২০১৫ অনুযায়ী বিএআরআই এর ম্যান্ডেট নিম্নরূপ:
- ধান, পাট, চা, তুলা ও চিনি জাতীয় ফসল ব্যতীত অন্যান্য সকল ফসলের (দানাদার
ফসল, কন্দাল ফসল, তৈলবীজ ফসল, ডাল ফসল, ফুল, ফল, সবজি ফসল, মসলা ফসল ইত্যাদি) গবেষণা ও উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনা করা।

ইনস্টিটিউটের কার্যাবলী:
- গবেষণার বিষয়াবলির বিস্তৃত রূপরেখা প্রণয়ন ও অনুমোদন;
- ইনস্টিটিউটের 'ম্যান্ডেটে' উল্লিখিত ফসলসমূহের নতুন জাত উদ্ভাবন এবং বৈজ্ঞানিক ব্যবস্থাপনা, মানসম্পন্ন উৎপাদন প্রযুক্তির মাধ্যমে সার্বিক ব্যবস্থাপনা পদ্ধতির স্থিতিশীল ও উৎপাদনশীল - কৃষি গবেষণার উদ্যোগ গ্রহণ করা:
- কৃষি কাজ দক্ষতার সহিত সম্পন্ন করিবার জন্য কৃষকগণকে প্রয়োজনীয় প্রযুক্তি ও তথ্যাবলি সরবরাহ করা;
- কৃষিক্ষেত্রে বিভিন্ন সমস্যার উপর গবেষণা পরিচালনার জন্য দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে গবেষণা কেন্দ্র, উপকেন্দ্র, প্রকল্প এলাকা ও খামার স্থাপন করা;
- ফসলের নতুন জাত ও ইহাদের পরিচর্যার উপর পরীক্ষণ ও প্রদর্শনী পরিচালনা করা।

উৎস: বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা প্রতিষ্ঠান ওয়েবসাইট।
১৬.
সামুদ্রিক মৎস আহরণের পরিমাণ -
  1. ক) ১০.৫০ লক্ষ মে. টন
  2. খ) ৬.৭৫ লক্ষ মে. টন
  3. গ) ৫.৫০ লক্ষ মে. টন
  4. ঘ) ৮.৯৫ লক্ষ মে. টন
ব্যাখ্যা

মৎস অধিদপ্তরের হিসাব অনুসারে, দেশে গত অর্থ বছরে মোট ৪৫.৫২ লক্ষ মেট্রিক টন মৎস আহরণ করা হয়েছে।
তার মধ্যে -
- অভ্যন্তরীণ মুক্ত জলাশয় থেকে আহরিত মাছের পরিমাণ - ১২.৫৯ লক্ষ মে. টন
- অভ্যন্তরীণ উৎসে চাষকৃত মাছের পরিমাণ - ২৬.১৮ লক্ষ মে. টন
- সামুদ্রিক উৎস থেকে আহরিত মাছের পরিমাণ - ৬.৭৫ লক্ষ মে. টন।

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২১

১৭.
গবেষণা ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ একুশে পদক ২০২০ অর্জন করে -
  1. ক) বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট
  2. খ) বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইন্সটিটিউট
  3. গ) বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইন্সটিটিউট
  4. ঘ) বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন
ব্যাখ্যা
কোন ব্যাখ্যা যোগ করা হয়নি।
১৮.
মাছ উৎপাদনে বাংলাদেশের অবস্থান কত?
  1. ক) তৃতীয়
  2. খ) চতুর্থ
  3. গ) পঞ্চম
  4. ঘ) সপ্তম
ব্যাখ্যা

মোট দেশজ উৎপাদন তথা জিডিপি'তে কৃষি খাতের অবদান ১৩ দশমিক ৬ শতাংশ।
- মাছ উৎপাদনে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান - চতুর্থ
- ধান উৎপাদনে বাংলাদেশ এখন বিশ্বে চতুর্থ।
উৎসঃ কৃষি মন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রকাশিত কৃষির সালতামামি ২০১৯

১৯.
কৃষিতে 'দোয়েল' কোন ফসলের উন্নত জাত?
  1. ধান
  2. গম
  3. তামাক
  4. ভুট্টা
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইন্সটিটিউট কর্তৃক উদ্ভাবিত উন্নত জাতের ফসল:
• উন্নত জাতের গম: সোনালিকা, বলাকা, দোয়েল, অগ্রণী, আনন্দ, কাঞ্চন, শতাব্দী ও আকবর।

অন্যদিকে,
• উন্নত জাতের ধান: ইরাটম, ব্রি হাইব্রিড - ১, চান্দিনা, হীরা, মালা, বিপ্লব, দুলাভোগ, মোহিনী, সুফলা, আশা, প্রগতি।
• উন্নত জাতের তামাক: সুমাত্রা ও ম্যানিলা।
• উন্নত জাতের ভুট্টা: বর্ণালী, শুভ্রা ও উত্তরণ।

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস।
২০.
দেশের প্রথম সরকারি ইপিজেড "চট্টগ্রাম ইপিজেড" কত সালে স্থাপিত হয়?
  1. ক) ১৯৮০
  2. খ) ১৯৮১
  3. গ) ১৯৮৩
  4. ঘ) ১৯৮৪
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের মোট সরকারি ইপিজেড ৮টি।
- বাংলাদেশের প্রথম ইপিজেড চট্টগ্রাম ইপিজেড।
- এটি ১৯৮৩ সালে যাত্রা শুরু করে।

- বাংলাদেশের দ্বিতীয় ইপিজেড ঢাকা ইপিজেড।
- এটি ঢাকার সাভারে অবস্থিত।

- বাংলাদেশের একমাত্র কৃষিভিত্তিক ইপিজেড উত্তরা ইপিজেড।
- এটি নীলফামারীতে অবস্থিত।
- ২০০১ সালে ২১৩.৬৬ একর জমিতে যাত্রা শুরু করে।

- মংলা ইপিজেড বাগেরহাট জেলায় অবস্থিত।
- আদমজী ইপিজেড নারায়ণগঞ্জে অবস্থিত।
- কর্ণফুলী ইপিজেডের অবস্থান চট্টগ্রামের পতেঙ্গা।

উৎস: বেপজা ওয়েবসাইট।
২১.
কোনটি উদ্যান ফসলের উদাহরণ নয়?
  1. লাউ
  2. ধান
  3. সিম
  4. টমেটো
ব্যাখ্যা
মাঠ ফসল:
- মাঠ ফসল সাধারণত সমষ্টিগতভাবে চাষ করা হয়।
- মাঠ ফসলে সাধারণত বেড়া নির্মাণের প্রয়োজন হয় না।
- মাঠ ফসল সাধারণত এক সাথে পরিপক্ক হয় বিধায় এক সাথেই সংগ্রহ করা হয়।
- মাঠ ফসল সাধারণত শুকিয়ে ব্যবহার করা হয়।

উদাহরণস্বরূপ:
- ধান,
- গম,
- ভূট্টা,
- তুলা ইত্যাদি

অন্যদিকে,
উদ্যান ফসল:
- সাধারণত প্রতিটি গাছকে এককভাবে যত্ন নেয়া হয়, যেমন- আম, জাম, কলা ইত্যাদি।
- উদ্যান ফসলে বেড়া নির্মাণের প্রয়োজন হয়। 
- উদ্যান ফসল পর্যায়ক্রমে পরিপক্ক হয় বিধায় ধাপে ধাপে সংগ্রহ করা হয়, যেমন- টমেটো, বেগুন ইত্যাদি।
- উদ্যান ফসল সাধারণত তাজা অবস্থায় ব্যবহার করা হয়, যেমন-বিভিন্ন ধরনের সবজি ও ফল।

উদাহরণস্বরূপ:
- লাউ, 
- সিম, 
- ফুলকপি, 
- টমেটো,
- আলু ইত্যাদি।

উৎস: কৃষি শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২২.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩ অনুযায়ী, মৎস্য উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ কোনটি?
  1. ময়মনসিংহ
  2. চট্টগ্রাম
  3. খুলনা
  4. রাজশাহী
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

মৎস্য উৎপাদন:

- মোট মৎস্য উৎপাদনের পরিমাণ: ৪৯,১৪,৭১৫ মে.টন।
- ইলিশ - ১১.৬৩%।
- চিংড়ি - ৫.৫২%।
- মেজরকার্প (রুই, কাতলা, মৃগেল) - ২২.০৬%।
- এক্সটিককার্প (সিলভারকার্প, গ্রাসকার্প, ইত্যাদি) - ১১.০৯%।
- অন্যান্যকার্প (কালিবাউস, বাটা, ঘনিয়া) - ২.৯৪%।
- তেলাপিয়া - ৮.৫৭%।

মিঠা পানির মাছ উৎপাদন:
- মিঠা পানিতে উৎপাদনের পরিমাণ: ৪২,৩৫,৩৩০ মে.টন।

শীর্ষ জেলা:
১. ময়মনসিংহ - ৩,৩৮,৯৫৯ মেট্রিক টন।
২. কুমিল্লা - ৩,০৯,৮৮৭ মেট্রিক টন।
৩. যশোর - ২,৪১,২২৩ মেট্রিক টন।

শীর্ষ বিভাগ:
১. চট্টগ্রাম - ৮,৫৩,০০৩ মেট্রিক টন।
২. খুলনা - ৭,৮৫,৮৫৩ মেট্রিক টন।
৩. রাজশাহী - ৫,৫১,৭৫৪ মেট্রিক টন।

তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩।
২৩.
বাংলাদেশের প্রধান ধান চাষ কোনটি ?
  1. আউশ
  2. আমন
  3. বোরো
  4. ইরি
ব্যাখ্যা
ধান চাষ:
- ধান বাংলাদেশের প্রধান খাদ্য শস্য।
- বাংলাদেশে ধানের হেক্টরপ্রতি গড় ফলন ৪.২ টন।
- আবহাওয়া ও জলবায়ুর ওপর ভিত্তি করে দেশের ধান উৎপাদনের তিনটি মৌসুম লক্ষ্য করা যায়।
- যথা: আউশ, আমন ও বোরো।
উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের প্রধান ধান চাষ হলো বোরো ধানের চাষ।
- বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট কর্তৃক বোরো ধানের প্রায় ২৭টি জাত উদ্ভাবন করা হয়েছে।
- উৎপাদনের পরিমাণ বিচারে বোরো শীর্ষে এবং তারপরই রয়েছে আমন ও আউশ।
- কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২২ অনুসারে বাংলাদেশে ১,১৮,৯৫,৯৬২ একর জমিতে মোট ২০১.৮৬ লক্ষ মেট্রিক টন বোরো ধান উৎপন্ন হয়।
অন্যদিকে
- আউশ ধান ২৮.৬৪ লক্ষ একর জমিতে মোট উৎপন্ন হয় ৩০.০০ লক্ষ মেট্রিক টন।
- আমন ধান ১৪১.৩২ লক্ষ একর জমিতে মোট উৎপন্ন হয় ১৪৯.৫৮ লক্ষ মেট্রিক টন।

উৎস:
i) কৃষি তথ্য সার্ভিস (এআইএস)।
ii) কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২২।
২৪.
পাটের তৈরি সোনালি ব্যাগের আবিষ্কারক কে?
  1. জামাল নজরুল ইসলাম
  2. আবেদ চৌধুরী
  3. মাকসুদুল আলম
  4. মোবারক আহমদ খান
ব্যাখ্যা
সোনালি ব্যাগ:
- প্লাস্টিকের কোন উপকরণ ছাড়াই পাট দিয়ে তৈরি হচ্ছে পরিবেশবান্ধব পলিথিন ব্যাগ।
- এটি বাজারে প্রচলিত পলি ব্যাগের মতোই, তবে পচনশীল।
- পাট থেকে পলিথিন ব্যাগ উদ্ভাবন করে সবাইকে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন প্রখ্যাত বিজ্ঞানী পরমাণু শক্তি কমিশনের সাবেক মহাপরিচালক ও বাংলাদেশ জুট মিল করপোরেশনের বৈজ্ঞানিক উপদেষ্টা ড. মোবারক আহমদ খান।
- তিনি এই ব্যাগের নাম দিয়েছেন ‘সোনালি ব্যাগ’।

উল্লেখ্য,
- ২০ বছর ধরে মোবারক আহমদ খান পাটের বাণিজ্যিক ব্যবহার নিয়ে গবেষণা করছেন।
- ২০০৯ সালে এই বিজ্ঞানী পাটের সঙ্গে পলিমারের মিশ্রণ ঘটিয়ে মজবুত, তাপ বিকিরণরোধী ও সাশ্রয়ী ঢেউটিন ‘জুটিন’ বানান।
- এই পদ্ধতি উদ্ভাবনের জন্য বাংলাদেশ বিজ্ঞান একাডেমি তাঁকে ২০১৫ সালে স্বর্ণপদক দেয়।
- বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ক্ষেত্রে অবদানের জন্য ২০২৪ সালে ‘স্বাধীনতা পুরস্কার’ পান ড. মোবারক আহমদ খান।

অন্যদিকে -
- পাটের জিনোম সিকোয়েন্স বা পাটের জীবনরহস্য উন্মোচন করেন বিজ্ঞানী মাকসুদুল আলম।
- পঞ্চব্রীহি ধান উৎপাদনের পদ্ধতি আবিষ্কার করেন বিজ্ঞানী ডক্টর আবেদ চৌধুরী।

উৎস: ৭ এপ্রিল, ২০১৮, প্রথম আলো। 
২৫.
নিচের কোনটি বাংলাদেশের অর্থকরী ফসল নয়?
  1. তুলা
  2. আখ
  3. পাট
  4. ভুট্টা
ব্যাখ্যা
 ভুট্টা: 
- ভুট্টা দানাদার ফসল।
- ধান ও গমের তুলনায় ভুট্টার পুষ্টিমান বেশী।
- এতে প্রায় ১১% আমিষ জাতীয় উপাদান রয়েছে।
- আমিষে প্রয়োজনীয় এ্যামিনো এসিড, ট্রিপটোফ্যান ও লাইসিন অধিক পরিমানে আছে।
• অর্থকরী ফসল:  তুলা, পান, পাট, আখ, চা।

উল্লেখ্য,
- আঁশ ফসলের জন্য চার ধরনের পাট রয়েছে।
- দেশী পাট, তোষা পাট, কেনাফ ও মেস্তা পাট।

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস সেন্টার।
২৬.
কত সালে সর্বপ্রথম 'জাতীয় কৃষি নীতি' প্রণয়ন করা হয়েছিল?
  1. ১৯৯৭ সালে
  2. ১৯৯৮ সালে
  3. ১৯৯৯ সালে
  4. ২০০০ সালে
ব্যাখ্যা

প্রথম 'জাতীয় কৃষি নীতি':
- বাংলাদেশে সর্বপ্রথম 'জাতীয় কৃষি নীতি' প্রণয়ন করা হয়েছিল ১৯৯৯ সালে। 

⇒ কৃষি খাত বাংলাদেশের অর্থনীতির মূল চালিকা শক্তি।
- খাদ্য ও পুষ্টি সরবরাহ, শিল্পের কাঁচামাল যোগান, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ইত্যাদি ভূমিকায় কৃষি খাতের গুরুত্ব অপরিসীম।
- আর কৃষি নির্ভর বাংলাদেশের অগ্রগতি অনেকটা নির্ভরশীল এ দেশের কৃষক সমাজের সাফল্যের উপর। 
- কৃষক সমাজের অধিকার প্রতিষ্ঠা ও কৃষি উন্নয়ন নিশ্চিত করতে যুগোপযোগী একটি কৃষি নীতি অপরিহার্য।
- সরকার কৃষক ও কৃষির সার্বিক কল্যাণে দীর্ঘ-মেয়াদি পরিকল্পনার অংশ হিসেবে 'জাতীয় কৃষি নীতি ১৯৯৯' প্রণয়ন করেছিল। 
- ফলে কৃষিতে সাফল্য দৃশ্যমান হতে শুরু হয় এবং দেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছায়।

⇒ পরবর্তীকালে সরকারের লক্ষ্য ও উন্নয়ন কৌশল অনুসরণে 'জাতীয় কৃষি নীতি ১৯৯৯' পরিমার্জন ও সংশোধনপূর্বক 'জাতীয় কৃষি নীতি ২০১৩' প্রণয়ন করা হয় এবং এর আলোকে গৃহীত পদক্ষেপ বাস্তবায়নের ফলে বাংলাদেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ দেশ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।
- কৃষি নীতির মূল লক্ষ্য হলো কৃষিতে উদ্ভূত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় অধিক উৎপাদনশীল ও ঘাত সহিষ্ণু জাত ও প্রযুক্তি উদ্ভাবন এবং এগুলো প্রসারের মাধ্যমে টেকসই খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণসহ কৃষি বাণিজ্যিকীকরণ। এ লক্ষ্যে ৭ম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা, টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট, রূপকল্প ২০৪১ ইত্যাদি অনুসরণে সরকারের লক্ষ্য ও উন্নয়ন কৌশল এবং 'জাতীয় কৃষি নীতি ২০১৩' পর্যালোচনাপর্বক 'জাতীয় কষি নীতি ২০১৮' প্রণয়ন করা হয়েছে।

উৎস: i) বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।
ii) কৃষি মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।

২৭.
দেশের একমাত্র কৃষি ভিত্তিক উত্তরা ইপিজেডটি কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়? 
  1. ২০০০ সালে
  2. ২০০১ সালে
  3. ২০০২ সালে
  4. ২০০৫ সালে
ব্যাখ্যা

 উত্তরা ইপিজেড: 
- একমাত্র কৃষি ভিত্তিক ইপিজেড হলো- উত্তরা ইপিজেড।
- উত্তরা ইপিজেড নীলফামারী জেলার সদর উপজেলার সংগলশী ইউনিয়নে অবস্থিত।
- ২০০১ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় উত্তরা ইপিজেড। 
- নীলফামারীতে অবস্থিত উত্তর বাংলাদেশের প্রথম রপ্তানিমুখী শিল্প কেন্দ্র।
- জোন এলাকা- ২১৩.৬৬ একর।
- শিল্প প্লট- ১৯০টি।
- বিনিয়োগকারী দেশসমূহ- চীন, যুক্তরাজ্য, হংকং এবং বাংলাদেশ। 

উল্লেখ্য, 
- বাংলাদেশের প্রথম ইপিজেড হলো চট্টগ্রাম ইপিজেড।
- দেশের প্রথম ও একমাত্র বেসরকারি ইপিজেড হচ্ছে চট্রগ্রামের আনোয়ারায় অবস্থিত কোরিয়ান ইপিজেড।

উৎস: বেপজা ওয়েবসাইট।

২৮.
"রুপালি" ও "ডোলফোজ" কী?
  1. উন্নত জাতের গম
  2. উন্নত জাতের ভূট্টা
  3. উন্নত জাতের তুলা
  4. উন্নত জাতের আলু
ব্যাখ্যা
- রুপালি ও ডোলফোজ উন্নত জাতের তুলা।

- বাংলাদেশের যশোর তুলা চাষের জন্য উপযুক্ত।

অন্যদিকে,
• উন্নত জাতের ভূট্টা:
- বর্ণালি, শুভ্র, খই ভূট্টা, মোহর প্রভৃতি।

• উন্নত জাতের গম:
- ইনিয়া,সোনালিকা , বলাকা ,দোয়েল ,আনন্দ  ,কাঞ্চণ , বরকত , আকবর ,অগ্রণী , প্রতিভা  ,সৌরভ ।

• উন্নত জাতের আলু:
- হিরা, আইলসা, পেট্রোনিস, মুল্টা, ডায়ামন্ট, কার্ডিনাল, মন্ডিয়াল, কুফরী সিন্দুরী, চমক।

উৎস: বাংলাদেশ কৃষি তথ্য সার্ভিস।
২৯.
দেশে সরিষা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কোনটি? [ফেব্রুয়ারি, ২০২৬]
  1. রাজশাহী
  2. নওগাঁ 
  3. সিরাজগঞ্জ
  4. টাঙ্গাইল
ব্যাখ্যা

সরিষা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা:
- দেশে সরিষা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা সিরাজগঞ্জ। 

• সিরাজগঞ্জ জেলার পাশ দিয়ে বয়ে গেছে বাংলাদেশের বৃহত্তম বিল চলনবিল। এ বিলের পানিমিশ্রিত পলিমাটিই জেলাটিকে সারা দেশ থেকে আলাদা করেছে। মাটির এ উর্বরতা সিরাজগঞ্জকে সরিষা আবাদের সবচেয়ে উপযোগী স্থানে পরিণত করেছে বলে মনে করছেন কৃষিবিদেরা।
- সিরাজগঞ্জ জেলায় ৯০ হাজার ৫৫০ হেক্টর জমিতে শর্ষের চাষ হয়েছে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে। তাতে জেলার কৃষি কর্মকর্তারা আশা করছেন, চলতি অর্থবছরে ১ লাখ ৪৬ হাজার টন শর্ষে উৎপাদন হবে এই জেলায়।
- কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্যমতে, গত ২০২৪–২৫ অর্থবছরে এ জেলায় ১ লাখ ২৮ হাজার টন শর্ষে উৎপাদিত হয়েছিল। গত অর্থবছরে সারা দেশে মোট শর্ষে উৎপাদনের পরিমাণ ছিল ১৫ লাখ টন।

উল্লেখ্য,
- সরিষা উৎপাদনে ২য় শীর্ষ জেলা টাঙ্গাইল। এই জেলায় ২০২৪–২৫ অর্থবছরে শর্ষের উৎপাদন ছিল ১ লাখ ১৮ হাজার টন। 
- তৃতীয় স্থান: রাজশাহী। এই জেলার উৎপাদন ছিল প্রায় ৯৭ হাজার টন।
-  চতুর্থ স্থান: মানিকগঞ্জ। উৎপাদন ৯২ হাজার টন।
- চতুর্থ স্থান: নওগাঁ। নওগাঁর উৎপাদন ছিল ৮৮ হাজার টন।

উৎস: প্রথম আলো।

৩০.
অগ্নিশ্বর', 'কানাইবাঁসি', 'মোহনবাঁশী' ও 'বীটজবা' কি জাতীয় ফলের নাম?
  1. ক) পেয়ারা
  2. খ) কলা
  3. গ) পেঁপে
  4. ঘ) জামরুল
ব্যাখ্যা
কলার উন্নত জাতের মধ্যে রয়েছে:
- অগ্নিশ্বর
- অমৃতসাগর
- মোহনবাঁশী
- কানাইবাঁশী
- বীটজবা
- চাম্পা
- মেহেরসাগর
- কবরি ইত্যাদি।

(সূত্রঃ কৃষিশিক্ষা বোর্ডবই এবং কৃষি তথ্য সার্ভিস)
৩১.
কোন বিজ্ঞানী পাটের জীবনরহস্য উন্মোচন করেন?
  1. ক) আব্দুল খালেক
  2. খ) মাকসুদুল আলম
  3. গ) মোবারক আহমেদ খান
  4. ঘ) মোহাম্মদ সিদ্দিকুল্লাহ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের প্রথিতযশা বিজ্ঞানী ড. মাকসুদুল আলম ২০১০ সালে পাটের জীবন রহস্য উদ্ভাবন করেন। এছাড়াও তিনি পেঁপে, রাবার ও এক ধরনের ছত্রাকের জীবন রহস্য উদঘাটন করেন।
অন্যদিকে আব্দুল খালেক স্বর্না সার, মোবারক আহমেদ খান পাট থেকে পলিথিন তৈরির পদ্ধতি এবং মোহাম্মদ সিদ্দিকুল্লাহ পাট থেকে জুটন নামের কাপড় তৈরির পদ্ধতি উদ্ভাবন করেন।
(সূত্রঃ বিবিসি বাংলা)
৩২.
নিচের কোনটি শীতকালীন ফসল?
  1. ক) বোরো ধান
  2. খ) পাট
  3. গ) ভুট্টা
  4. ঘ) আমন ধান
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে ফসল উৎপাদনের প্রধান মৌসুম ২টি।
এগুলো হলো:
- খরিপ বা গ্রীষ্মকালীন মৌসুম
- রবি বা শীতকালীন মৌসুম।

কার্তিক থেকে ফাল্গুন সময় রবি মৌসুম বা শীতকালীন মৌসুম হিসেবে পরিচিত। এসময়ে উৎপন্ন ফসলের মধ্যে বোরো ধান এবং গম প্রধান।
এছাড়া অন্যান্য ফসলের মধ্যে রয়েছে:
- মসুর ডাল
- যব
- সরিষা
- পেঁয়াজ
- মটরশুঁটি ইত্যাদি।

অন্যদিকে,

- পাট ও আমন ধান গ্রীষ্মকালীন ফসল।
- ভুট্টা মৌসুম নিরপেক্ষ ফসল।

(তথ্যসূত্র: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২১ এবং কৃষিশিক্ষা বোর্ডবই)
৩৩.
সবচেয়ে বেশি রাবার বাগান আছে কোন অঞ্চলে?
  1. ক) চট্টগ্রাম
  2. খ) সিলেট
  3. গ) টাঙ্গাইল-শেরপুর
  4. ঘ) খুলনা
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি রাবার বাগান আছে চট্টগ্রাম জোনে।
- এই অঞ্চলে রাবার বাগানের সংখ্যা ৮ টি। 

- সিলেট জোন (৪টি বাগান
- টাংগাইল-শেরপুর জোন (৫টি বাগান)
উল্লেখ্য রাবার বাগানকে ৩ টি জোনে ভাগ করা হয়েছে ।

উৎস: বাংলাদেশ বনশিল্প উন্নয়ন কর্পোরেশন।

৩৪.
কোন জেলায় শালবন রয়েছে?
  1. ক) টাঙ্গাইল
  2. খ) চট্টগ্রাম
  3. গ) খুলনা
  4. ঘ) কক্সবাজার
ব্যাখ্যা
শালবন মূলত টাঙ্গাইল, গাজীপুর, ময়মনসিংহ ও শেরপুর জেলায় অবস্থিত। এছাড়া উত্তরাঞ্চলের দিনাজপুর, রংপুর, নওগা, পঞ্চগড় ও ঠাকুরগাঁও জেলায় সামান্য পরিমাণে শালবন রয়েছে। শালবনের মোট আয়তন প্রায় ১ লক্ষ ২০ হাজার হেক্টর। যা বনবিভাগ নিয়ন্ত্রিত মোট বনভূমির প্রায় ৭.৫ শতাংশ। এ বনের প্রধান বৃক্ষ শাল বা গজারী। অন্যান্য গাছের মধ্যে বহেরা, হরিতকী, কড়ই, শিমুল, অর্জুন ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য। (সূত্রঃ বন অধিদপ্তর ওয়েবসাইট)
৩৫.
‘মোহর’ ও ‘শুভ্রা’ বাংলাদেশের কৃষিতে কিসের উচ্চফলনশীল জাত?
  1. ক) ধান
  2. খ) পাট
  3. গ) গম
  4. ঘ) ভুট্টা
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের কৃষিতে ‘মোহর’ ও ‘শুভ্রা’ উচ্চফলনশীল ভুট্টার জাত। 
এছাড়া অন্যান্য উচ্চফলনশীল ভুট্টার জাত = খৈ ভুট্টা, বর্ণালী, বারি সুইটকর্ন, বারি ভুট্টা, বারি হাইব্রিড ভুট্টা ইত্যাদি। 

উৎস: বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।
৩৬.
প্রত্যায়িত বীজ কোন রংয়ের ট্যাগ দেখে চিহ্নিত করা হয়?
  1. সাদা রং
  2. সবুজ রং
  3. নীল রং
  4. লাল রং
ব্যাখ্যা
⇒ বীজের ট্যাগ ট্যাগ ৪ ধরনের

ক. প্রজনন বীজ বা মৌল বীজ - সবুজ।
খ. ভিত্তি বীজ - সাদা।
গ. প্রত্যায়িত বীজ - নীল।
ঘ. মান ঘোষিত বীজ - হলুদ।

তথ্যসূত্র - জাতীয় কৃষি বাতায়ন।
৩৭.
উচ্চ ফলনশীল ধানের জাত নয় কোনটি?
  1. ইরাটম
  2. মালা
  3. হিরা
  4. বিপ্লব
  5. প্রভাতী
ব্যাখ্যা
উচ্চ ফলনশীল বাঁধাকপির জাত:
- গ্রীন এক্সপ্রেস, ড্রামহেড, গোল্ডেন ক্রস, প্রভাতী, অগ্রদূত।

উচ্চ ফলনশীল ধানের জাত:
- বিপ্লব, হিরা, মালা, ইরাটম, ময়না, চান্দিনা, হরিধান, নারিফা, সুফলা, প্রগতি ইত্যাদি।

উচ্চ ফলনশীল আমের জাত:
- মহানন্দা, ল্যাংড়া, ফজলি, হাড়িভাঙ্গা, আম্রপালি, গোপালভোগ, সূর্যপুরী, হিমসাগর, মোহনভোগ প্রভৃতি।

উচ্চ ফলনশীল ভুট্টার জাত:
- বর্ণালি, শুভ্রা, খই, মোহর।

তথ্যসূত্র - জাতীয় কৃষি বাতায়ন।
৩৮.
Biofloc Techonology কিসের সাথে জড়িত?
  1. ক) ধান উৎপাদনের আধুনিক প্রযুক্তি
  2. খ) মাছ উৎপাদনের আধুনিক প্রযুক্তি
  3. গ) ডিম উৎপাদনের আধুনিক প্রযুক্তি
  4. ঘ) পেয়াজ উৎপাদনের আধুনিক প্রযুক্তি
ব্যাখ্যা
- মাছের বর্জ্য থেকে খাদ্য তৈরি করে মাছকে খাওয়ানোর আধুনিক পদ্ধতিকে Biofloc Techonology বলে। 
- এই পদ্ধতিতে সনাতন পদ্ধতির থেকে ২৫-৩০ গুন বেশি মাছ উৎপাদন করা সম্ভব।

Source:- The Fish Site.
৩৯.
কৃষিজাত কোন পণ্যটি ‘হোয়াইট গোল্ড’ হিসেবে পরিচিত?
  1. চা
  2. পাট
  3. চিংড়ি
  4. ইলিশ
ব্যাখ্যা
কৃষিজাত পণ্য চিংড়ি ‘হোয়াইট গোল্ড’ হিসেবে পরিচিত।

White gold:

- বঙ্গোপসাগর, মোহনা ও স্বাদুপানিতে পর্যাপ্ত পরিমাণ চিংড়ি থাকায় বাংলাদেশকে চিংড়িসমৃদ্ধ দেশ বলা যায়।
- এদেশে মোট ৫৬টি প্রজাতির চিংড়ি শনাক্ত করা হয়েছে।
- এর মধ্যে ৩৭টি লবণাক্ত পানির, ১২টি কমলবণাক্ত পানির ও ৭টি স্বাদুপানির বাসিন্দা।
- বাংলাদেশ বিদেশে চিংড়ি রপ্তানি করে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে।
- তাই চিংড়িকে ‘সাদা সোনা’ বা ‘হোয়াইট গোল্ড’ বলা হয়।

উল্লেখ্য,
- চিংড়ি বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী রপ্তানি পণ্য।
- দেশের মোট উৎপাদিত চিংড়ির বেশীরভাগই উৎপাদিত হয় দেশের উপকূলীয় অঞ্চলে বিশেষ করে বাগেরহাট, খুলনা ও সাতক্ষীরায়।
- সত্তর দশকের শুরু থেকেই মূলত উপকূলীয় অঞ্চলের চাষীরা সনাতন পদ্ধতিতে চিংড়ি চাষ শুরু করে।
- আশির দশক থেকে দেশে বাণিজ্যিকভাবে বাগদা চিংড়ি উৎপাদন ও রপ্তানি হচ্ছে।
- আশির দশকের শুরুতে আধা-লোনা পানিতে মৎস্য খামার স্থাপন প্রকল্পের উদ্যোগে খুলনা অঞ্চলে পোল্ডারের মধ্যে এবং কক্সবাজার অঞ্চলে লবণের সাথে চিংড়ি চাষ শুরু করা হয়।
- আশির দশকের মাঝামাঝি চিংড়ি চাষ প্রকল্পে মৎস্য অধিদপ্তর হ্যাচারিতে পোনা উৎপাদনে সাফল্য অর্জন করে এবং বেসরকারি পর্যায়ে চিংড়ি হ্যাচারি স্থাপনে সহায়তা প্রদান করে।

এছাড়া,
- পাটকে সোনালী আশ বলা হয়।
- ইলিশ বাংলাদেশের জাতীয় মাছ।

উৎস: i) পেটেন্ট, শিল্প-নকশা ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
ii) মৎস্য অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
৪০.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী, মোট আবাদযোগ্য জমির পরিমাণ কত?
  1. ১,৩৭,০৩,০০০ হেক্টর
  2. ১,৫৯,০৩,০০০ হেক্টর
  3. ১,৭৩,০৩,০০০ হেক্টর
  4. ১,৮৭,০৩,০০০ হেক্টর
ব্যাখ্যা

আবাদী ও অনাবাদী জমি:
- আবাদযোগ্য নয় এমন জমির পরিমাণ ৮৩,৫৮,০০০ একর।
- মোট আবাদযোগ্য জমি ৩,৯২,৯৬,০০০ একর বা ১,৫৯,০৩,০০০ হেক্টর।
- এক ফসলি জমি ৫০,৪৯,০০০ একর বা ২০,৪৪,০০০ হেক্টর।
- দুই ফসলি জমি ১,০১,৪০,০০০ একর বা ৪১,০৫,০০০ হেক্টর।
- তিন ফসলি জমি ৪৫,৯৩,০০০ একর বা ১৮,৫৯,০০০ হেক্টর।
- চার ফসলি জমি ৪৭,০০০ একর বা ১৯,০০০ হেক্টর।

তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।

৪১.
নিম্নের কোন সংস্থা 'বীজ উৎপাদন খামার' পরিচালনা করে থাকে?
  1. ক) বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট
  2. খ) কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর
  3. গ) কৃষি তথ্য সার্ভিস
  4. ঘ) বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (BADC) কৃষি উপকরণ সরবরাহের দায়িত্বে নিয়োজিত সরকারি প্রতিষ্ঠান।
BADC এর কার্যাবলি সমূহ:
- বীজ উৎপাদন, সংরক্ষণ ও সরবরাহ
- সেচ ব্যবস্থার উন্নয়ন
- কৃষক পর্যায়ে মানসম্মত সার সরবরাহ প্রভৃতি।

১৯৬১ সালে প্রতিষ্ঠিত পূর্ব পাকিস্তান কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন দেশ স্বাধীনের পর BADC নামধারণ করে। এটির প্রধান কার্যালয় ঢাকার মতিঝিলে অবস্থিত।
 
সারাদেশব্যাপী বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (BADC)-এর পরিচালিত বীজ উৎপাদন খামারের সংখ্যা -
দানা শস্য বীজ উৎপাদন খামার – ২৪টি
পাট বীজ উৎপাদন খামার - ২টি
আলু বীজ উৎপাদন খামার - ২টি
ডাল ও তৈলবীজ উৎপাদন খামার - ৪টি
সবজি বীজ উৎপাদন খামার ২টি -
চুক্তিবদ্ধ চাষী জোন - ৮৬টি
এছাড়া এ সংস্থা ৯টি উদ্যান উন্নয়ন কেন্দ্র ও ১৪টি এগ্রো-সার্ভিস সেন্টারের মাধ্যমে উৎপাদিত বিভিন্ন ফসলের চারা, কলম, গুটি ইত্যাদি উৎপাদন
ও বিতরণ কার্যক্রম পরিচালনা করছে।
২০২১-২২ অর্থবছরে বিএডিসি কর্তৃক বীজ উৎপাদন ও বিতরণ লক্ষ্যমাত্রা যথাক্রমে - ১,৫৭,৬৭৭ মেট্রিক টন ও ১,২১,৫৯৮ মেট্রিক টন। এর মধ্যে ধানের বীজ উৎপাদন ও বিতরণ লক্ষ্যমাত্রা যথাক্রমে - ৯৭,৪৪৬ মেট্রিক টন ও ৮২,২৯২ মেট্রিক টন।

(তথ্যসূত্র: BADC ওয়েবসাইট)
৪২.
’প্রভাতী’ কোন ফসলের জাত?
  1. বেগুন
  2. আলু
  3. বাধাঁকপি
  4. পেয়াজ
ব্যাখ্যা
• উচ্চ ফলনশীল বাঁধাকপির জাত:
- গ্রীন এক্সপ্রেস,
- ড্রামহেড,
- গোল্ডেন ক্রস,
- প্রভাতী,
- অগ্রদূত, 
- এটলাস ৭০,
- টোকিও প্রাইড,
- লিও ৮০ ইত্যাদি।

তথ্যসূত্র:- কৃষি তথ্য সার্ভিস (AIS) ওয়েবসাইট।
৪৩.
বাংলাদেশের কোন অঞ্চলে ক্রান্তীয় চিরহরিৎ বনভূমির আধিক্য রয়েছে?
  1. ক) দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল
  2. খ) উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল
  3. গ) মধ্যাঞ্চল
  4. ঘ) উত্তর-পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চল
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের বৃষ্টিবহুল উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সিলেট, হবিগঞ্জ ও মৌলভীবাজার এবং দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের চট্টগ্রাম, রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি, বান্দরবান ও কক্সবাজার জেলায় ক্রান্তীয় চিরহরিৎ বনভূমির আধিক্য রয়েছে।
এটি দেশের বৃহত্তম বনাঞ্চল। এ বনের উদ্ভিদের মধ্যে চাপালিশ, তেলসুর প্রভৃতি প্রধান। তবে এ বনাঞ্চলের কম বৃষ্টিবহুল এলাকায় পত্রপতনশীল বৃক্ষের উপস্থিতি দেখা যায়।
(সূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী এবং বনবিভাগ)
৪৪.
ভাওয়াল জাতীয় উদ্যান কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৮০ সালে
  2. ১৯৮১ সালে
  3. ১৯৮২ সালে
  4. ১৯৮৩ সালে
ব্যাখ্যা
ভাওয়াল জাতীয় উদ্যান:

- ভাওয়াল জাতীয় উদ্যান ১৯৮২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটি গাজীপুর জেলার গাজীপুর সদর ও শ্রীপুর উপজেলা নিয়ে বিস্তৃত।
- এর মোট আয়তন ৫০২২ হেক্টর।
- এটি ঢাকা বন্যপ্রাণী ও প্রকৃতি সংরক্ষন বিভাগের অধীনে পরিচালিত হয়।
- এটি একটি ক্রান্তিয়, আদ্র পর্ণমোচী বৃক্ষের বন।

তথ্যসূত্র - বন অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
৪৫.
মিঠা পানির মৎস্য উৎপাদনে দেশের ২য় শীর্ষ জেলা কোনটি?
  1. ময়মনসিংহ
  2. যশোর
  3. চাঁদপুর
  4. কুমিল্লা
ব্যাখ্যা

মৎস্য উৎপাদন:
- মোট মৎস্য উৎপাদনের পরিমাণ: ৫০,১৮,৪৮৩ মে.টন।
- মিঠা পানিতে উৎপাদনের পরিমাণ: ৪৩,৮৯,৮৬০ মে.টন।
- লোনা পানিতে উৎপাদনের পরিমাণ: ৬,২৮,৬২৩ মে.টন।

• মিঠা পানির মাছ উৎপাদনে শীর্ষ জেলা:
১. ময়মনসিংহ - ৩,৪৫,০০১ মেট্রিক টন।
২. কুমিল্লা - ৩,১৫,৪৫৭ মেট্রিক টন।
৩. যশোর - ২,৪৮,০৮৯ মেট্রিক টন।

• শীর্ষ বিভাগ:
১. চট্টগ্রাম - ৮,৮০,৭৯৭ মেট্রিক টন।
২. খুলনা - ৮,২২,৩৬১ মেট্রিক টন।
৩. রাজশাহী - ৫,৭৬,৮৩০ মেট্রিক টন।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।

৪৬.
'স্ল্যাশ-এন্ড-বার্ন' চাষাবাদ হলো -
  1. জমিতে সার দেওয়া হয়
  2. জমিতে পানি দেওয়া হয়
  3. জল-চাষ মৃত্তিকাবিহীন কৃষি
  4. পাহাড়ী চাষাবাদ (জুম)
ব্যাখ্যা
• স্ল্যাশ-এন্ড-বার্ন:
- এটি একটি পাহাড়ী চাষাবাদ (জুম) পদ্ধতি।

- স্ল্যাশ-এন্ড-বার্ন কৃষি এমন একটি চাষ পদ্ধতি, যেখানে বনভূমিকে প্রথমে কেটে ফেলা হয় এবং পরে পুড়িয়ে ফেলে জমিকে চাষের উপযোগী করা হয়।
- এই পদ্ধতি সাধারণত গ্রীষ্মমণ্ডলীয় অঞ্চলে দেখা যায়, যেখানে মূলত ছোট কৃষকরা এটি ব্যবহার করেন।
- দক্ষিণ ও মধ্য আমেরিকায় এটি পশু চরানোর জন্য এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার পাহাড়ি এলাকাগুলোতে শুকনো ধান চাষের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- পুড়ে যাওয়ার ফলে সৃষ্ট ছাই কিছু পরিমাণে সার হিসেবে কাজ করে এবং চাষের জমিকে আগাছামুক্ত রাখতে সহায়তা করে।
- তবে কয়েক বছর চাষের পর মাটির উর্বরতা কমে আসে এবং জমিতে আগাছার বৃদ্ধি ঘটে, ফলে সেই জমি কিছু সময়ের জন্য পরিত্যক্ত রাখা হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা, বাংলাপিডিয়া।
৪৭.
জুটন কী?
  1. পাট ও তুলার সংমিশ্রণে তৈরি বস্ত্র
  2. পাটের ফাইবার থেকে তৈরি বোতল
  3. পাট থেকে তৈরি পলিথিন
  4. পাট থেকে তৈরি ঢেউটিন
ব্যাখ্যা
জুটন:
- জুটন হচ্ছে পাট ও তুলার সংমিশ্রণে তৈরি বস্ত্র।
- এর আবিষ্কারক ড. মোহাম্মদ সিদ্দিকুল্লাহ।
- এখানে পাট ও সুতার অনুপাত ৭০ : ৩০।
- এ প্রক্রিয়ায় তুলার আঁশের তৈরি বস্ত্রের বিকল্প হিসেবে এক ধরনের নতুন বস্ত্র উদ্ভাবনের জন্য পাট ও তুলার আঁশ নির্দিষ্ট অনুপাতে মিশানো হয়।

অন্যদিকে,
⇒ জুটিন:
- পাট থেকে ঢেউটিনের আবিষ্কার করেন ড. মোবারক আহমেদ খান।
- পাট (Jute) দিয়ে তৈরী বলে এ টিনের নাম জুটিন (Jutin).
- তাঁর অন্যান্য আবিষ্কারের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- সোনালি ব্যাগ, হেলমেট ও টাইলস।
- তাঁর তৈরি সোনালি ব্যাগ বর্তমানে বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদন করা হচ্ছে।

উৎস: i) বাংলা পিডিয়া।
ii) কৃষি তথ্য সার্ভিস।
৪৮.
'কালিজিরা' ধান মূলত বাংলাদেশের কোন অঞ্চলে আবাদ হয়?
  1. ক) ময়মনসিংহ
  2. খ) বরিশাল
  3. গ) দিনাজপুর
  4. ঘ) চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা
- 'কালিজিরা' ধান মূলত বাংলাদেশের চট্টগ্রামের মিরসরাই আবাদ হয়।
- 'কাটারিভোগ' ধান মূলত বাংলাদেশের দিনাজপুরে আবাদ হয়।
- 'বিরই' ধান মূলত বাংলাদেশের ময়মনসিংহ অঞ্চলে আবাদ হয়।
- 'বালাম' ধান মূলত বাংলাদেশের বরিশাল ও পটুয়াখালী অঞ্চলে আবাদ হয়।
- 'চিনিগুড়া' ধান মূলত বাংলাদেশের কুমিল্লা জেলায় আবাদ হয়।
- 'হরিধান' মূলত বাংলাদেশের ঝিনাইদহ জেলায় অবাদ হয়।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান।
৪৯.
ইলিশের ৬ষ্ঠ অভয়াশ্রম কোন জেলায়?
  1. ক) বরিশাল
  2. খ) চাঁদপুর
  3. গ) কক্সবাজার
  4. ঘ) খুলনা
ব্যাখ্যা
রুপালি ইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধি তথা দেশের মৎস্য খাত উন্নয়নে দেশে ষষ্ঠ অভয়াশ্রম গড়ে তোলা হয়েছে। বরিশালের হিজলা ও মেহেন্দীগঞ্জ ঘেঁষা মেঘনা নদীর ৮২ কিলোমিটার জায়গা নিয়ে গড়ে তোলা হয়েছে এ অভয়াশ্রম। (রেফারেন্সঃ দৈনিক যুগান্তর)
৫০.
কৃষিক্ষেত্রে রূপালি কোন ফসলের জাত?
  1. ক) তুলা
  2. খ) সরিষা
  3. গ) আম
  4. ঘ) তরমুজ
ব্যাখ্যা
রূপালি হলো তুলার একটি জাত।
তুলার অন্যান্য জাতসমূহের মধ্যে রয়েছে:

- রূপালি-১
- সিভি-১২
- সিভি-১৩
- ডিএম-১
- পাহাড়ি তুলা-১,২ প্রভৃতি।

(তথ্যসূত্র: কৃষি তথ্য সার্ভিস ওয়েবসাইট)
৫১.
বাংলাদেশের কোন ধরনের অঞ্চলে পেঁয়াজ ও গম বেশি উৎপন্ন হয়?  
  1. পাহাড়ি অঞ্চল
  2. উপকূলীয় অঞ্চল
  3. বর্ষা বনাঞ্চল
  4. খরাপ্রবণ অঞ্চল
ব্যাখ্যা

'খরাপ্রবণ অঞ্চল':
- বাংলাদেশে পেঁয়াজ ও গম প্রধানত দেশের উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলের খরাপ্রবণ অঞ্চলে বেশি উৎপন্ন হয়। 
- এই অঞ্চলে শীতকালে তাপমাত্রা কম থাকে এবং আর্দ্রতা তুলনামূলকভাবে কম, যা উভয় ফসলের জন্য উপযোগী।

• গম:
- এটি মূলত নাতিশীতোষ্ণ এবং শুষ্ক আবহাওয়ার ফসল।
- উত্তরে রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নওগাঁ, পাবনা, কুষ্টিয়া, যশোর এবং রংপুর-দিনাজপুর অঞ্চলে শীতকালে তাপমাত্রা ও আর্দ্রতার অনুকূল পরিবেশ গমের চারা বৃদ্ধি এবং দানা গঠনের জন্য সুবিধা দেয়।

• পেঁয়াজ:
- পেঁয়াজও শীত ও শুষ্ক আবহাওয়ায় ভালো জন্মায়। 
- খরিফ-১ গ্রীষ্মকালীন ও রবি মৌসুমে চাষ করা যায়, তবে উত্তরের উঁচু ও মধ্যম উর্বর জমিতে এবং পশ্চিমাঞ্চলের খরাপ্রবণ এলাকায় সবচেয়ে ভালো ফলন হয়।

অন্যদিকে, 
• পাহাড়ি অঞ্চলে আলু, মিষ্টি আলু, গাজর, বিট, বাঁধাকপি, ফুলকপি, মটরশুঁটি, পালং শাক, ভুট্টা, কফি, চা, কাজুবাদাম, ড্রাগন ফল ভালো জন্মায়।
• উপকূলীয় অঞ্চলে বাদাম, সূর্যমুখী, মুগ ডাল, তরমুজ, সুপারি, নারকেলের ভালো ফলন পাওয়া যায়। 
• বর্ষা প্রবণ অঞ্চলে প্রধানত ডাল (যেমন মুগ, মসুর), তুলার মতো 'খরিফ' শস্য ভালো হয়, কারণ এগুলোর জন্য প্রচুর পানির প্রয়োজন হয়। 

উৎস:
১. Britannica.
২. কৃষি তথ্য সার্ভিস;
৩.The Daily Ittefaq. 

৫২.
'বাহার' কিসের উন্নত জাতের নাম?
  1. ক) কলা
  2. খ) বাঁধাকপি
  3. গ) বেগুন
  4. ঘ) টমেটো
ব্যাখ্যা

- উন্নত জাতের টমেটো হল - মিন্টু , বাহার, মানিক, রতন, ঝুমকা, সিঁদুর ইত্যাদি উন্নত জাতের টমেটো।
- অগ্নিশ্বর, কানাইবাশি, মোহনবাঁশি, বীটজবা ইত্যাদি উন্নত জাতের কলার নাম।
- শুকতারা হলো উন্নত জাতের বেগুন।
- গোল্ডেন ক্রস উন্নত জাতের বাঁধাকপি।

তথ্যসূত্র:- ais.gov.bd।

৫৩.
দানা জাতীয় ফসলের মধ্যে বাংলাদেশে কোনটির উৎপাদন সবচেয়ে বেশি হয়? [আগস্ট, ২০২৫]
  1. ধান
  2. গম
  3. ভুট্টা
  4. সরিষা
ব্যাখ্যা
দানা জাতীয় ফসলের উৎপাদন:
⇒ কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুসারে,
• দেশের ২৮৮.২০ লক্ষ একর জমিতে মোট ৪০৬.৯৭ লক্ষ মেট্রিক টন ধান উৎপন্ন হয়। এর মধ্যে আউশ ধান উৎপন্ন হয় ২৯.৭৩ লক্ষ মেট্রিক টন, আমন ধান উৎপন্ন হয় ১৬৬.৫৬ লক্ষ মেট্রিক টন, বোরো ধান উৎপন্ন হয় ২১০.৬৮ লক্ষ মেট্রিক টন। 
• দেশের ৭.৭০ লক্ষ একর জমিতে মোট ১১.৭২ লক্ষ মেট্রিক টন গম উৎপন্ন হয়।
• দেশের ১২.৭২ লক্ষ একর জমিতে মোট ৪৮.৭৬ লক্ষ মেট্রিক টন ভুট্টা উৎপন্ন হয়। 
• দেশের ১১.৪৪ লক্ষ একর জমিতে মোট ৬.৩৮ লক্ষ মেট্রিক টন সরিষা উৎপন্ন হয়। 
  
- অর্থাৎ, দানা জাতীয় ফসলের মধ্যে বাংলাদেশে ধানের উৎপাদন সবচেয়ে বেশি হয়।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।
৫৪.
বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের সম্প্রতি (অক্টোবর, ২০২৩) উদ্ভাবিত কাঁঠালের জাতের নাম -
  1. বারি কাঁঠাল-৫
  2. বারি কাঁঠাল-৬
  3. বারি কাঁঠাল-৭
  4. বারি কাঁঠাল-৮
ব্যাখ্যা
বারি কাঁঠাল-৬:
- কাঁঠালের চারা রোপণের মাত্র দেড় বছরেই পাওয়া যাবে ফল।
- বছরের বারমাসই ধরবে কাঁঠাল।
- থাকবে না আঠাও।
- এমন নতুন কাঁঠালের জাত উদ্ভাবন করেছেন বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বারি) বিজ্ঞানীরা।
- জাতটির নাম দেওয়া হয়েছে বারি কাঁঠাল-৬।
- গাজীপুরে অবস্থিত বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বারি) একদল ফলবিজ্ঞানী কাঁঠালের নতুন জাতটি উদ্ভাবন করেছেন।
- এর আগে তাঁরা কাঁঠালের পাঁচটি জাত উদ্ভাবন করেন।
- সেগুলো হলো বারি কাঁঠাল-১, বারি কাঁঠাল-২, বারি কাঁঠাল-৩, বারি কাঁঠাল-৪ ও বারি কাঁঠাল-৫।
- সম্প্রতি উচ্চফলনশীল বারি কাঁঠাল–৬ জাতটি অবমুক্ত করেছে কৃষি মন্ত্রণালয়ের জাতীয় বীজ বোর্ড।

উৎস: ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৩, প্রথম আলো।
৫৫.
'কাঞ্চন’ ও ’গৌরভ' কোন ফসলের উন্নত জাত?
  1. গম
  2. টমেটো
  3. বেগুন
  4. বাধাঁকপি
ব্যাখ্যা
• গম:
- গমের উন্নত জাত: কাঞ্চন, আকবর, আঘ্রাণী, প্রতিভা, সৌরভ, গৌরভ, বলাকা, দোয়েল ইত্যাদি।
এছাড়াও - 
- বেগুনের উন্নত জাত: শুকতারা, তারাপুরী, ইওরা ,ইসলামপুর্‌, খটখটিয়া, শিংনাথ, ঝুমকো, মুক্তকেশী, কাজলা, নয়নতারা, বিজয়, চমক এফ১।
- টমেটোর উন্নত জাত: বাহার, মানিক, রতন, মিন্টো, ঝুমকা। 
- আলুর উন্নত জাত: ডায়মন্ড, কার্ডিনাল, সিন্দুরী। 

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস ওয়েবসাইট।
৫৬.
দেশের সরকারি কুমির প্রজনন কেন্দ্র কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. ক) ময়মনসিংহ
  2. খ) সাতক্ষীরা
  3. গ) খুলনা
  4. ঘ) কক্সবাজার
ব্যাখ্যা
খুলনা জেলার করমজলে সরকারিভাবে পরিচালিত দেশের একমাত্র কুমির প্রজনন কেন্দ্র অবস্থিত। এটি একটি লোনা পানির কুমির প্রজনন কেন্দ্র।
বন বিভাগের অধীনে ২০০৫ সালে এখানে কুমির প্রজনন কার্যক্রম শুরু হয়।
তবে বাণিজ্যিকভাবে প্রথম কুমির খামার গড়ে উঠে ময়মনসিংহে।

(সূত্র: খুলনা ও ময়মনসিংহ জেলা ওয়েবসাইট এবং বিডিনিউজ)
৫৭.
কোনটি মৎস্য শিল্পে 'সাদা সোনা' নামে পরিচিত?
  1. ইলিশ
  2. সাদাপাথর
  3. চিংড়ি
  4. চিনামাটি
ব্যাখ্যা
হোয়াইট গোল্ড:
- বাংলাদেশ বিদেশে চিংড়ি রপ্তানি করে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে।
- তাই চিংড়িকে ‘সাদা সোনা’ বা ‘হোয়াইট গোল্ড’ বলা হয়।
- বাংলাদেশে বর্তমানে বিশ্বের মোট চিংড়ির একটা উল্লেখযোগ্য অংশ উৎপাদিত হচ্ছে.
- তবে বছরভেদে এর পরিমান ওঠানামা করে।
- চিংড়ি খাত বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম রপ্তানি খাতে পরিণত হয়েছে।

তথ্যসূত্র: ১৬ আগস্ট ২০২৩, প্রথম আলো।
৫৮.
কোন জেলায় সবেচেয়ে বেশি ধান উৎপাদিত হয়?
  1. ক) নওগাঁ
  2. খ) ফরিদপুর
  3. গ) ময়মনসিংহ
  4. ঘ) দিনাজপুর
ব্যাখ্যা
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২১ অনুযায়ী বাংলাদেশে ২০২০-২০২১ অর্থবছরে ধান উৎপাদন হয় ৩৭৬.০৮ লক্ষ মেট্রিক টন।

জেলা অনুযায়ী সবচেয়ে বেশি ধান উৎপন্ন হয় ময়মনসিংহ জেলায়। ২০২০-২০২১ অর্থবছরে ময়মনসিংহ জেলায় আউশ, আমন ও বোরো ধান মিলিয়ে মোট প্রায় ১৮ লক্ষ মেট্রিক টন ধান উৎপাদিত হয়।
এছাড়া নওগাঁ, দিনাজপুর, কুমিল্লা, যশোর, সুনামগঞ্জ, রংপুর প্রভৃতি জেলায় অধিক পরিমাণে ধান উৎপাদন হয়।

(তথ্যসূত্র: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২০)
৫৯.
অগ্রণী ও সফল কোন ফসলের জাত?
  1. ভুট্টা
  2. সরিষা
  3. ধান
  4. গম
ব্যাখ্যা
অগ্রণী ও সফল হলো দুটি উন্নত জাতের সরিষার জাত।
সরিষার অন্যান্য জাতের মধ্যে রয়েছে:
- সোনালী
- কল্যাণীয়া
- টরি-৭
- দৌলত
- বিনা সরিষা ইত্যাদি।

(তথ্যসূত্র: কৃষি তথ্য সার্ভিস ও বিনা ওয়েবসাইট)
৬০.
'কল্যাণসোনা' কোন ফসলের জাত?
  1.  ধান
  2. গম
  3. ভুট্টা
  4. পাট
ব্যাখ্যা

• উন্নত জাতের গম:
- আনন্দ, কাঞ্চন, আকবর, বরকত, অঘ্রাণী, সোনালিকা
- কল্যাণসোনা, প্রতিভা, গৌরব, শতাব্দী, বলাকা, দোয়েল
- সনোরা-৬৪, , ইনিয়া-৬৬, জুপাটিকা-৭৩,  সওগাত, সৌরভ
-  নুরী-৭০, , টেনোরী-৭১, নরটেনো-৬৭, প্যাভন-৭৬ 
- বারিগম-১৭ , বারিগম-১৮ , , বারিগম-১৯ 
- বারিগম-২০ , বারিগম-২১, 

তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন। Link

৬১.
গমের সর্বাধিক চাষ হয় কোন জেলায়?
  1. পাবনা
  2. ঠাকুরগাঁও
  3. দিনাজপুর
  4. রাজশাহী
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশে ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে ৩.৪২ লক্ষ হেক্টর জমিতে মোট ১২.৪৬ লক্ষ মেট্রিক টন গম উৎপাদিত হয়।
গম উৎপাদনে শীর্ষ জেলাসমূহ:
- প্রথম : ঠাকুরগাঁও (১.৮৯ লক্ষ টন)
- দ্বিতীয় : পাবনা (১.০৬ লক্ষ টন)
- তৃতীয় : চাপাইনবাবগঞ্জ (১.০৫ লক্ষ টন)।

(তথ্যসূত্র: কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ওয়েবসাইট)
৬২.
কতদিন বয়সের ধানের চারা রোপণ করা ভালো?
  1. ৬৫-৭৫ দিন
  2. ৫০-৬৫ দিন
  3. ২৫-৪৫ দিন
  4. ১০-২০ দিন
ব্যাখ্যা
ধানের চারা তৈরি:
- ধানের চারা তৈরির জন্য সাধারণত চার ধরনের বীজতলা তৈরি করা হয়:
১। শুকনা বীজতলা;
২। ভিজা বীজতলা;
৩। ভাসমান বীজতলা;
৪। দাপোগ বীজতলা।
- জাত ও মৌসুম ভেদে ২৫-৪৫ দিন বয়সের চারা রোপণ করা ভালো।
- চারা তোলার পূর্বে বীজতলাতে পানি সেচ দিয়ে মাটি ভিজিয়ে নেয়া ভালো।
- এতে চারা তুলতে সুবিধা হয়।
- চারা তোলার পর তা ছোট ছোট আঁটি আকারে বেঁধে নিতে হয়।

⇒ চারা রোপণ পদ্ধতি:
- সমান জমিতে ছিপছিপে পানি থাকা অবস্থায় চারা রোপণ করতে হয়।
- লম্বা রশির সাহায্যে সোজা সারি করে চারা রোপণ করা উত্তম।
- এক্ষেত্রে সারি থেকে সারির দূরত্ব হবে ২০-২৫ সে.মি. এবং সারিতে গুছি থেকে গুছির দূরত্ব হবে ১৫-২০ সে.মি.।
- প্রতিটি গুছিতে ২-৩টি চারা দিতে হয়।
- দেরিতে রোপণ করলে চারার সংখ্যা বেশি ও ঘন করে লাগাতে হয়।

উল্লেখ্য,
- জমি সমান হলে মুক্ত প্লাবন পদ্ধতিতে এবং ঢালু হলে আইলবদ্ধ মুক্ত প্লাবন পদ্ধতিতে পানি সেচ দিতে হয়।
- দেশী জাতের ধানে পানি সেচ অবশ্যই প্রয়োজন।
- চারা রোপণ করার পর ৬-৭ দিন পর্যন্ত ৩-৫ সে.মি. সেচ দিতে হয়।
- এতে আগাছা দমন হয়।
- এরপর কুশি উৎপাদন পর্যায়ে ২-৩ সে.মি. এবং চারার বয়স ৫০-৬০ দিন হলে ৭-১০ সে.মি. পরিমাণ পানি সেচ দেয়া উত্তম।
- থোড় আসার সময় পানি সেচ সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
- দানাপুষ্ট হতে শুরু করলে আর সেচ দেয়ার প্রয়োজন হয় না।

উৎস: কৃষি শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬৩.
অম্ল মাটিতে কি প্রয়োগ করিলে মাটির অম্লত্ব দূর হয়?
  1. দস্তা
  2. চুন
  3. গন্ধক
  4. ইউরিয়া
ব্যাখ্যা
মাটির অম্লত্ব ব্যবস্থাপনা:
- উদ্ভিদ জন্মানোর জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ন মাধ্যম হলো মাটি।
- মাটির অম্লত্ব বা ক্ষারত্ব যা আমরা মাটির pH দ্বারা প্রকাশ করে।
- বাংলাদেশের অধিকাংশ অঞ্চলের মাটিতে প্রাকৃতিকভাবেই অম্লত্ব বা এসিডিটির পরিমাণ বশী।
- যদি মাটির pH কম হয় তবে অম্লত্বেও পরিমাণ বেশী। আবার মাটির pH বেশী হলে অম্লত্বের পরিমাণ কম।
- কোন মাটির pH ৭.০ এর কম হলে সে মাটি অম্লীয়।
- আবার ৭.০ এর বেশী হলে তা ক্ষারীয়। কোন মাটির pH ৭.০ বা ৭.০ এর কাছাকাছি হলে সে মাটি নিরপেক্ষ। 
- অত্যধিক অম্লীয় মাটিতে জন্মানো ফসলের গুণগত মানও কমে যায়। ক্ষেত্র বিশেষে মানব স্বাস্থ্যের জন্য এর ক্ষতিকর প্রভাব পড়তে পারে।
- এক্ষেত্রে মাটিতে চুন প্রয়োগ করে মাটির অম্লত্ব হ্রাস করা প্রয়োজন।
- কিন্তু সব অঞ্চলের মাটির জন্য চুন প্রয়োগের মাত্রা এক নয়। যেমন- এটেল মাটির এক একক অম্লত্ব হ্রাস করার জন্য যে পরিমাণ চুনের প্রয়োজন, দোঁআশ বা বেলে দোঁআশ মাটিতে তার চেয়ে কম চুনের প্রয়োজন।

তথ্যসূত্র - জাতীয় কৃষি বাতায়ন।
৬৪.
পেন্সিল তৈরীতে কোন গাছের কাঠ ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) গরান
  2. খ) নল খাগড়া
  3. গ) ধুন্দল
  4. ঘ) গেওয়া
ব্যাখ্যা
গেওয়া কাঠ থেকে বাক্স ও দিয়াশলাইয়ের কাঠি প্রস্তুত হয়।
ধুন্দল গাছের কাঠ থেকে পেন্সিল প্রস্তুত করা হয়।
গরান গাছের ছাল থেকে রং প্রস্তুত করা হয়।
৬৫.
বাংলাদেশের কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ সংস্থা/দপ্তর নয় কোনটি?
  1. বাংলাদেশ কৃষি গবষেণা ইনস্টিটিউট
  2. বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটউট
  3. বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট
  4. বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশন (বিএসএফআইসি)
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশন (বিএসএফআইসি বাংলাদেশ শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ।
- বাংলাদেশের কৃষি মন্ত্রনালয়ের অধীনস্থ সংস্থা/দপ্তর মোট ১৮টি।
উল্লেখযোগ্য কয়েকটি হলো-
- কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর
- বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন
- বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল
- বাংলাদেশ কৃষি গবষেণা ইনস্টিটিউট
- বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটউট
- বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট
- কৃষি তথ্য সার্ভিস ইত্যাদি।

তথ্যসূত্র-  কৃষি মন্ত্রনালয় এবং শিল্প মন্ত্রণালয়।
৬৬.
বাংলাদেশের কোন জেলায় রেশমের চাষ করা হয়?
  1. ক) পাবনা
  2. খ) দিনাজপুর
  3. গ) রংপুর
  4. ঘ) রাজশাহী
ব্যাখ্যা
রেশম:
- সৌন্দর্য ও গুণে রেশমের তৈরি পোশাক আসলে রাজকীয় পোশাক।
- রেশমকে তন্তুর রাণি বলা হয়। 
- রেশম বা পলু পোকা নামের এক জাতীয় পোকার গুটি বা কোকুন (Cocoon) থেকে রেশম বা সিল্ক তন্তু আহরণ করা হয়ে থাকে। 
- বাংলাদেশের রাজশাহী জেলায় রেশমের চাষ করা হয়
- রেশম রাজকীয় তন্তু কিন্তু পানি ধারণক্ষমতা অত্যধিক হওয়ায় রেশমের তৈরি পোশাক পানি দিয়ে ধোয়া যায় না। 
- এগুলো হচ্ছে পলু পোকার মুখ নিসৃত লালা যা আপন শরীরের চারপাশে এরা বুনতে থাকে।
- রেশম তন্তু ফাইব্রেয়ন নামক প্রোটিন জাতীয় পদার্থ দিয়ে তৈরি। 
- প্রাকৃতিক প্রাণিজ তন্তুর মধ্যে রেশমই সবচেয়ে হালকা, শক্ত ও দীর্ঘ। 
- সিল্কের শক্তিমাত্রা, দৃড়তা, মসৃণতা এবং কোমল অনুভবতা বৈশিষ্ট্য দীর্ঘকাল ধরে সুপরিচিত।

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬৭.
ইউরোপে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ক্রেতা রাষ্ট্র কোনটি?
  1. ক) জার্মানি
  2. খ) ফ্রান্স
  3. গ) ইতালি
  4. ঘ) অস্ট্রিয়া
ব্যাখ্যা
- অঞ্চল হিসাবে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে - ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশসমূহে।
- ইউরোপে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ক্রেতা রাষ্ট্র - জার্মানি।
- ইউরোপের দেশগুলোতে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য - তৈরি পোশাক।
- এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে - জাপানে।

[উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা, ২০২১]
৬৮.
বাংলাদেশ সুগারক্রপ গবেষণা ইনস্টিটিউট কোথায় অবস্থিত?
  1. ঠাকুরগাঁও
  2. পাবনা
  3. যশোর
  4. রাজশাহী
ব্যাখ্যা

সুগারক্রপ গবেষণা ইনস্টিটিউট:
- বাংলাদেশ সুগারক্রপ গবেষণা ইনস্টিটিউট পাবনা জেলার ঈশ্বরদীতে অবস্থিত।
- পাকিস্তান আমলে ১৯৫১ সালে প্রথম ইক্ষু গবেষণা কেন্দ্র হিসেবে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- দেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭৩ সালে এ কেন্দ্রটিকে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন তৎকালীন বাংলাদেশ চিনিকল সংস্থার নিকট হস্তান্তর করা হয়।
- এ সংস্থাটি ১৯৭৪ সালে ‘‘ ইক্ষু গবেষণা ইন্সটিটিউট’’ নামে একটি প্রকল্প প্রণয়ন করে।
- মূলত এ ইন্সটিটিউট হতে দু’ধরনের কাজ সম্পাদিত হয়,
(ক) ইক্ষুর উন্নত জাত ও উন্নত উৎপাদন কলা কৌশল উদ্ভাবন।
(খ) উদ্ভাবিত উন্নত জাত ও উন্নত উৎপাদন কলা-কৌশলসমূহ ইু চাষীদের মধ্যে বিস্তার ঘটানো।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ইক্ষু গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট

৬৯.
বাংলাদেশে অবস্থিত সুন্দরবনের আয়তন কত বর্গ কি.মি.?
  1. ৫,৬৫৫ বর্গ কি.মি.
  2. ৬,০১৭ বর্গ কি.মি.
  3. ৬,৪৬৬ বর্গ কি.মি.
  4. ৬,৫৫০ বর্গ কি.মি.
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরা জেলায় অবস্থিত সুন্দরবনের আয়তন প্রায় ৬,০১৭ বর্গ কিলোমিটার যা সুন্দরবনের মোট আয়তনের প্রায় ৬২ ভাগ।
- ‍সুন্দরবনের বাকি অংশ ভারতে অবস্থিত।
- এটি বিশ্বের বৃহত্তম প্রাকৃতিক ও একক ম্যানগ্রোভ বনভূমি।
(তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী এবং বনবিভাগ ওয়েবসাইট)
৭০.
বাংলাদেশে খরা সহনশীল ধানের জাত কোনটি?
  1. ব্রি ধান ৫৫
  2. ব্রি ধান ৫২
  3. ব্রি ধান ৬৯
  4. ব্রি ধান ৫১
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট উদ্ভাবিত জাত:

⇒ জিংক সমৃদ্ধ ধানের জাত - 
• ব্রি ধান ৬২ , ব্রি ধান ৬৪, ব্রি ধান ৭২, ব্রি ধান  ৭৪, ব্রি ধান ৮৪।

⇒ খরা সহিষ্ণু ধানের জাত -
• ব্রি ধান ৪৩, ব্রি ধান ৫৫, ব্রি ধান ৫৬, ব্রি ধান ৫৭, ব্রি ধান ৬৬, ব্রি ধান ৭১ ও ব্রি ধান ৮৩।

⇒ এন্টি অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ ধানের জাত -
• বিআর ৫।

⇒ লো জিআই বা নিম্ন গ্লাইসেমিক ইনডেক্স গুণ সম্পন্ন ধানের জাত -
- বিআর ১৬, ব্রি ধান ৪৬, ব্রি ধান ৬৯।

⇒ জলমগ্নতা সহিষ্ণু ধানের জাত -
- ব্রি ধান ৫১, ব্রি ধান ৫২, ব্রি ধান ৭৯।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।

৭১.
নিচের কোনটি মাঝারি আকার বিশিষ্ট কলার জাত নয়?
  1. ক) চাঁপা
  2. খ) মর্তমান
  3. গ) অনুপম
  4. ঘ) কাবুলী
ব্যাখ্যা
কাবুলী - মাঝারি আকার বিশিষ্ট কলার জাত নয়।
- এটি খাটো জাতের কলা।
- খাটো জাতের কলা সিঙ্গাপুরী, কাবুলী, মেহের সাগর (জয়েন্ট গর্ভারনার), এগুলো খাটো জাত দলভুক্ত কলা।
- এ সব জাতের গাছ লম্বায় কম হয় এবং কিছুটা ছায়া বা আধা ছায়ায় কলা ফলানো যায়।
- বসতবাড়ির আশ পাশে এ জাতের কলার তুলনামূলক আবাদ  বেশি।
- কেবল মেহের সাগর, রঙিন মেহের সাগর নামক অপর খাটো জাতগুলো বাণিজ্যিকভাবে চাষ করা হয়।
- এ জাতের কলার আকার ও প্রকৃতি অনেকটা সাগর কলার মতো।
- প্রতি কাঁদিতে সাগর কলার চেয়ে  ফলের সংখ্যা ২-৩ গুণ বেশি হয়।
- প্রতি কাঁদিতে ১৭০-২২০টা কলা ধরতে দেখা যায়।

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস ওয়েবসাইট।
৭২.
নিচের কোন হাওরটি একটি রামসার সাইট?
  1. ক) টাঙ্গুয়ার হাওর
  2. খ) হাইল হাওর
  3. গ) ধুপিবিল হাওর
  4. ঘ) শনির হাওর
ব্যাখ্যা
সুনামগঞ্জ জেলায় অবস্থিত টাঙ্গুয়ার হাওর দেশের ২য় রামসার সাইট। এটি সুনামগঞ্জ জেলার ধর্মপাশা ও তাহিরপুর উপজেলায় অবস্থিত। ২০০০ সালে এটিকে রামসার সাইট হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
১৯৯২ সালে সুন্দরবন ১ম রামসার সাইট ঘোষিত হয়। এছাড়া সম্প্রতি হাকালুকি হাওর দেশের তৃতীয় রামসার সাইট হতে যাচ্ছে।
(সূত্রঃ সুনামগঞ্জ জেলা ওয়েবসাইট ও যুগান্তর)
৭৩.
বেগুনের একটি উন্নত জাত -
  1. সোনালিকা
  2. সুমাত্রা
  3. বর্ণালী
  4. মুক্তকেশী
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন ফসলের উন্নত জাত:
• ইরাটম, ব্রি হাইব্রিড - ১ চান্দিনা, মালা , বিপ্লব, দুলাভোগ, মোহিনী, সুফলা: উন্নত জাতের ধান।
• সোনালিকা ও আকবর: উন্নত জাতের গম।
• সুমাত্রা ও ম্যানিলা: উন্নত জাতের তামাক।
• বর্ণালী, শুভ্রা ও উত্তরণ উন্নত জাতের ভুট্টা।
• মহানন্দা, ল্যাংড়া ও মােহনভােগ উন্নত জাতের আম।
• বাহার: উন্নত জাতের টমেটো।
• যমুনা: উন্নত জাতের মরিচ।
• শুকতারা, নয়নতারা, তারাপুরী, ইসলামপুরী, কাজলা, বিজয়, মুক্তকেশী, ঝুমকো: উন্নত জাতের বেগুন।

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস।
৭৪.
নিচের কোন ফসলের একটি জনপ্রিয় জাত হলো ‘শাহী’?
  1. পেয়ারা
  2. পেঁপে
  3. তরমুজ
  4. কাঁঠাল
ব্যাখ্যা

» বিভিন্ন ফসলের জাত:
• পেয়ারার জাত: কাজীপেয়ারা, বারিপেয়ারা-২।
• পেঁপের জাত: শাহী।
• তরমুজের জাত: পদ্মা।
• কাঁঠাল:  রুদ্রাক্ষি, সিঙ্গাপুর, সিলোন, বারোমাসী, গোলাপগন্ধা, চম্পাগন্ধা, পদ্মরাজ, হাজারী প্রভৃতি।
- তন্মধ্যে শুধুমাত্র হাজারী কাঁঠাল বাংলাদেশে আছে, বাকীগুলো আছে ভারতে।

• শাহী পেঁপে
- আঞ্চলিক নাম: শাহী পেঁপে
- শাহী পেঁপে হলো বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট দ্বারা অবমুক্ত একটি উচ্চ ফলনশীল একলিঙ্গী জাত।
- যার জীবনকাল ৪-৫ মাস। 
- গাছের উচ্চতা ১.৬-২.০ মি এবং কান্ডের খুব নিচ থেকে ফল ধরা শুরু হয়।
- ফলগুলো ডিম্বাকৃতির, ওজন ৮০০-১০০০ গ্রাম, প্রতি ফলের বীজের সংখ্যা ৫০০–৫৫০।
- শাসের পুরুত্ব ২ সে.মি., রং গাঢ় কমলা থেকে লাল, এবং ফল মিষ্টি (ব্রিক্সমান ১২%) ও সুস্বাদু।
- উৎপাদন সেচসহ প্রতি হেক্টরে ৪০-৬০ টন, তবে সেচ ছাড়া উৎপাদন নেই।

তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন। (Link1) (Link2) (Link3)

৭৫.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩ অনুসারে, জিডিপিতে সর্বাধিক নিয়োজিত জনশক্তি রয়েছে কোন খাতে?
  1. কৃষিখাতে
  2. শিল্পখাতে
  3. সেবাখাতে
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
• কৃষিখাত: 
- অর্থনীতি/জিডিপিতে কৃষিখাতের অবদান - ১১.২০%,
- যা নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ - ৪৫.৩৩%। 

• শিল্পখাত: 
- অর্থনীতি/জিডিপিতে শিল্পখাতের অবদান - ৩৭.৫৬%,
- যা নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ - ১৭.০২%। 

• সেবাখাত: 
- অর্থনীতি/জিডিপিতে সেবাখাতের অবদান - ৫১.২৪%,
- যা নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ - ৩৭.৬৫%।

সূত্র:- অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩।
৭৬.
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ড্রাগন উৎপাদনের শীর্ষ জেলা কোনটি? [ডিসেম্বর, ২০২৫]
  1. যশোর 
  2. ঝিনাইদহ 
  3. কুষ্টিয়া 
  4. মেহেরপুর
ব্যাখ্যা

ড্রাগন ফল উৎপাদন:
- কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ড্রাগন উৎপাদনের শীর্ষ জেলা ঝিনাইদহ।
- ২০২৪-২৫ অর্থবছরে উৎপাদন হয় ৩২ হাজার ৭৬৮ মেট্রিক টন ড্রাগন। 

• উৎপাদনের ২য় স্থানে রয়েছে যশোর। ২০২৪-২৫  অর্থবছরে উৎপাদন হয় ১২ হাজার ৫৫৩ মেট্রিক টন ড্রাগন। আর তৃতীয় শীর্ষ জেলা রাজশাহীতে উৎপাদন হয় ৪ হাজার ৪৭৭ মেট্রিক টন ড্রাগন।

⇒ ড্রাগন ফল মূলত আমেরিকার প্রসিদ্ধ একটি ফল যা বর্তমানে আমাদের দেশেও ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। বাংলাদেশে সর্বপ্রথম ২০০৭ সালে থাইল্যান্ড, ফ্লোরিডা ও ভিয়েতনাম থেকে এই ফলের বিভিন্ন জাত আনা হয়। ড্রাগন ফলের গাছ এক ধরনের ক্যাকটাস জাতীয় গাছ। এই গাছের কোন পাতা নেই। ড্রাগন ফলের গাছ সাধারনত ১.৫ থেকে ২.৫ মিটার পর্যন্ত লম্বা হয়ে থাকে।

⇒ বর্তমানে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইন্সিটিউট (বারি) কতৃক উদ্ভাবিত ড্রগন ফলের নতুন জাতটি হলো বারি ড্রাগন ফল-১ যা দক্ষিণ -পূর্ব এশিয়াতে জনপ্রিয় ফল। এ ফলের আকার বড়, পাকলে খোসার রং লাল হয়ে যায় ,শাঁস গাঢ় গোলাপী রঙের, লাল ও সাদা এবং রসালো প্রকৃতির । ফলের বীজগুলো ছোট ছোট কালো ও নরম । একটি ফলের ওজন ১৫০ গ্রাম থেকে ৬০০ গ্রাম পর্যন্ত হয়ে থাকে।

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) কৃষি বাতায়ন। 

৭৭.
বাংলাদেশে White gold কোনটি?
  1. ইলিশ
  2. পাট
  3. রূপা
  4. চিংড়ি
ব্যাখ্যা
White gold:
- বঙ্গোপসাগর, মোহনা ও স্বাদুপানিতে পর্যাপ্ত পরিমাণ চিংড়ি থাকায় বাংলাদেশকে চিংড়িসমৃদ্ধ দেশ বলা যায়।
- এদেশে মোট ৫৬টি প্রজাতির চিংড়ি শনাক্ত করা হয়েছে।
- এর মধ্যে ৩৭টি লবণাক্ত পানির, ১২টি কমলবণাক্ত পানির ও ৭টি স্বাদুপানির বাসিন্দা।
- বাংলাদেশ বিদেশে চিংড়ি রপ্তানি করে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে।
- তাই চিংড়িকে ‘সাদা সোনা’ বা ‘হোয়াইট গোল্ড’ বলা হয়।

উল্লেখ্য,
- চিংড়ি বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী রপ্তানি পণ্য।
- দেশের মোট উৎপাদিত চিংড়ির বেশীরভাগই উৎপাদিত হয় দেশের উপকূলীয় অঞ্চলে বিশেষ করে বাগেরহাট, খুলনা ও সাতক্ষীরায়।
- সত্তর দশকের শুরু থেকেই মূলত উপকূলীয় অঞ্চলের চাষীরা সনাতন পদ্ধতিতে চিংড়ি চাষ শুরু করে।
- আশির দশক থেকে দেশে বাণিজ্যিকভাবে বাগদা চিংড়ি উৎপাদন ও রপ্তানি হচ্ছে।
- আশির দশকের শুরুতে আধা-লোনা পানিতে মৎস্য খামার স্থাপন প্রকল্পের উদ্যোগে খুলনা অঞ্চলে পোল্ডারের মধ্যে এবং কক্সবাজার অঞ্চলে লবণের সাথে চিংড়ি চাষ শুরু করা হয়।
- আশির দশকের মাঝামাঝি চিংড়ি চাষ প্রকল্পে মৎস্য অধিদপ্তর হ্যাচারিতে পোনা উৎপাদনে সাফল্য অর্জন করে এবং বেসরকারি পর্যায়ে চিংড়ি হ্যাচারি স্থাপনে সহায়তা প্রদান করে।

এছাড়া,
- পাটকে সোনালী আশ বলা হয়।
- ইলিশ বাংলাদেশের জাতীয় মাছ।

উৎস: i) পেটেন্ট, শিল্প-নকশা ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
ii) মৎস্য অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
৭৮.
বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের প্রধান কার্যালয় কোথায় অবস্থিত?
  1. ধানমন্ডি
  2. সাভার
  3. ভালুকা
  4. জয়দেবপুর
ব্যাখ্যা
BRRI:
- বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট BRRI-এর পূর্ণরূপ: Bangladesh Rice Research Institute.
- এর প্রধান কার্যালয়: জয়দেবপুর, গাজীপুর। 
- বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীনে একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, যা ১৯৭০ সালের ১ অক্টোবর পূর্ব পাকিস্তান ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট হিসেবে কাজ শুরু করে।

উল্লেখ্য,
- স্বাধীনতার পর নতুন নামকরণ করা হয় বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট।
- এটি বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট অ্যাক্ট, ১৯৭৩ অনুযায়ী প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বর্তমানে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের উদ্ভাবিত বেশ কিছু আধুনিক জাতের ধান অন্যান্য দেশে যেমন ভারত, নেপাল, ভুটান, মায়ানমার, ভিয়েতনাম ও পশ্চিম আফ্রিকার কয়েকটি দেশে ব্যাপকভাবে চাষ করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট।
৭৯.
‘তুলসীমালা’ কোন ফলের জাত?
  1. সরিষা
  2. ধান
  3. মরিচ
  4. আম
ব্যাখ্যা
- তুলসীমালা হলো স্থানীয় প্রজাতির একটি সুগন্ধি ধানের জাত। এটি প্রধানত শেরপুর অঞ্চলে চাষাবাদ করা হয়।
- শেরপুরে তুলসীমালা ধান অত্যন্ত জনপ্রিয় হওয়ায় শেরপুরের জেলা ব্র্যান্ডিংয়ের শ্লোগান করা হয় ‘পর্যটনের আনন্দে, তুলসীমালার সুগন্ধে”।
(সূত্র: বিডিনিউজ২৪)
৮০.
কোন পোকা ধানের টুংরো ভাইরাস ছড়ায়?
  1. সবুজ পাতা ফড়িং
  2. বাদামি গাছ ফড়িং
  3. গান্ধী পোকা
  4. পামরি পোকা
ব্যাখ্যা
ধানের ক্ষতিকর পোকামাকড়:
- প্রায় ৩৩টি প্রজাতির পোকাকে ধানের প্রধান ক্ষতিকর পোকা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
- তিন মৌসুমেই প্রায় একই ধরনের পোকা আক্রমন করে যদিও আক্রমনের মাত্রা ভিন্ন।
- আউশ ও আমন মৌসুমে পোকার প্রাদুর্ভাব বেশি হয়। 

উল্লেখ্য,
⇒ সবুজ পাতা ফড়িং (Green leaf hopper):
- ক্ষতির লক্ষণ:
১) পূর্ণবয়স্ক ও বাচ্চা উভয় অবস্থায় এ পোকা ধানের পাতার রস শুষে খায়।
২) গাছের বৃদ্ধি কমে যায় ও গাছ খাটো হয়।
৩) এ পোকা টুংরো ভাইরাস ছড়ায়।

- দমন ব্যবস্থা:
১) আলোক ফাঁদ ব্যবহার করে পোকা সংগ্রহ করে ধ্বংস করা।
২) হাতজাল ব্যবহার করে পোকা সংগ্রহ করে ধ্বংস করা।
৩) প্রতিরোধী জাত যেমন বিআর-১, বিআর-২, বিআর-৫, বিআর-৬, বিআর-১০, বিআর-১২ জাতের ধান চাষ করা।

উৎস: কৃষি শিক্ষা ১মপত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮১.
‘মনিপুরী’ বাংলাদেশের কৃষিতে কোন ফসলের জাত?
  1. আলু
  2. বেগুন
  3. টমেটো
  4. কাকরোল
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন ফসলের উন্নত জাত:
- বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইন্সটিটিউট কর্তৃক উদ্ভাবিত উন্নত জাতের ফসল:
• উন্নত জাতের কাকরোল: আসামি, মনিপুরী।

অন্যদিকে,
• উন্নত জাতের গম: সোনালিকা, বলাকা, দোয়েল, অগ্রণী, আনন্দ, কাঞ্চন, শতাব্দী ও আকবর।
• উন্নত জাতের ধান: ইরাটম, ব্রি হাইব্রিড - ১, চান্দিনা, হীরা, মালা, বিপ্লব, দুলাভোগ, মোহিনী, সুফলা, আশা, প্রগতি।
• উন্নত জাতের ভুট্টা: বর্ণালী, শুভ্রা ও উত্তরণ।
• উন্নত জাতের তামাক: সুমাত্রা ও ম্যানিলা।
• উন্নত জাতের আম: মহানন্দা, ল্যাংড়া, গোপালভোগ, হাড়িভাঙ্গা, ক্ষীরসাপাতি ও মােহনভােগ।
• উন্নত জাতের টমেটো: বাহার, মানিক, রতন, অপূর্ব, মিন্টো, ঝুমকা, সিঁদুর, শ্রাবণী।
• উন্নত জাতের মরিচ: যমুনা।
• উন্নত জাতের বেগুন: শুকতারা, নয়নতারা, তারাপুরী, ইসলামপুরী, কাজলা, বিজয়, মুক্তকেশী, ঝুমকো।
• উন্নত জাতের আলু: হিরা, আইলসা, পেট্রোনিস, মুল্টা, ডায়ামন্ট, কার্ডিনাল, মন্ডিয়াল, কুফরী সিন্দুরী, চমক, ধীরা, গ্রানোলা, ক্লিওপেট্রা ও চিনেলা।
• উন্নত জাতের তুলা: সিবি-১০, রূপালী, ডেলফোজ।

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস।
৮২.
পাট উৎপাদনে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান কত?(অক্টোবর, ২০২৫)
  1. ১ম
  2. ২য়
  3. ৩য়
  4. ৪র্থ
ব্যাখ্যা

পাট ও বাংলাদেশ:
• বাংলাদেশ বিশ্বে দ্বিতীয় বৃহত্তম পাট উৎপাদক এবং অন্যতম রপ্তানিকারক দেশ।

- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, গত অর্থবছরে প্রায় ৯০ লাখ বেল পাট উৎপাদিত হয়েছে।
- রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর তথ্যে দেখা যায়, গত অর্থবছরে পাট ও পাটজাত পণ্যের রপ্তানি আয় দাঁড়িয়েছে ৮২০ মিলিয়ন ডলার- এর মধ্যে কাঁচা পাট রপ্তানি হয়েছে ১৪৮ মিলিয়ন ডলারের, পাটের সুতা থেকে ৪৬১ মিলিয়ন, বস্তা থেকে ১২৫ মিলিয়ন এবং পাটজাত অন্যান্য পণ্য রপ্তানি আয় হয়েছে ৮৩ মিলিয়ন ডলার।

উৎস: দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড।

৮৩.
নিচের কোন দুটি গমের জাত?
  1. ক) মোহর ও শুভ্র
  2. খ) সোনালিকা ও আকবর
  3. গ) গ্রানোলা ও বিনেলা
  4. ঘ) সফল ও অগ্রণী
ব্যাখ্যা
আকবর ও সোনালিকা হলো গমের দুটি জাত।
গমের অন্যান্য জাতসমূহের মধ্যে রয়েছে:
- দোয়েল
- বলাকা
- কাঞ্চন
- সৌরভ
- গৌরব
- অঘ্রাণী প্রভৃতি।

অন্যদিকে,

মোহর ও শুভ্র : ভুট্টার জাত
গ্রানোলা ও বিনেলা : আলুর জাত
সফল ও অগ্রণী : সরিষার জাত।

(তথ্যসূত্র: কৃষিশিক্ষা বোর্ড বই এবং কৃষি তথ্য সার্ভিস)
৮৪.
করোনাভাইরাসের অর্থনৈতিক ধাক্কা কাটিয়ে উঠার জন্য কৃষিতে কত কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করা হয়েছে?
  1. ক) দুই হাজার
  2. খ) তিন হাজার
  3. গ) পাঁচ হাজার
  4. ঘ) নয় হাজার
ব্যাখ্যা
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা করোনাভাইরাসের অর্থনৈতিক ধাক্কা কাটিয়ে উঠতে কৃষিতে প্রণোদনা প্যাকেজের ঘোষণা দিয়েছেন। ৫ হাজার কোটি টাকার এই প্রণোদনা প্যাকেজের আওতায় গ্রাম এলাকার ক্ষুদ্র চাষীরাও সহায়তা পাবে। একই সঙ্গে করোনার কারণে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধিতে আগামী বাজেটে সারের ক্ষেত্রে আরও ৯ হাজার কোটি টাকার ভর্তুকি প্রদানের ঘোষণা দিয়েছেন সরকার প্রধান শেখ হাসিনা। (রেফারেন্সঃ যুগান্তর)
৮৫.
বাংলাদেশ মসলা গবেষণা কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?
  1. ঈশ্বরদী,পাবনা
  2. শিবগঞ্জ, বগুড়া
  3. সাভার, ঢাকা
  4. নশিপুর, দিনাজপুর
ব্যাখ্যা
মসলা গবেষণা কেন্দ্র: 
- বাংলাদেশ মসলা  গবেষণা কেন্দ্র অবস্থিত শিবগঞ্জ , বগুড়া।
- বাংলাদেশ মসলা  কেন্দ্র ১৯৯৫ সালে  প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর ৩টি আঞ্চলিক কেন্দ্র  এবং ৭টি উপকেন্দ্র রয়েছে।
- মসলা গবেষণা কেন্দ্র কর্তৃক ২৭ টি মসলা জাতীয় ফসলের উপর এ পর্যন্ত সর্বমোট ৫৭ টি জাত উদ্ভাবিত হয়েছে, 
- তাছাড়া উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষে উৎপাদন প্রযুক্তি, মৃত্তিকা ও পানি ব্যবস্থাপনা, পোকামাকড় ও রোগ বালাই ব্যবস্থাপনা, পোষ্ট-হারভেষ্ট প্রযুক্তিসহ আরও ৬৬টি উন্নত প্রযুক্তি উদ্ভাবিত হইয়াছে। 

⇒ উল্লেখ্য,
- ১৯৯৫- ৯৬ সালে এ দেশে ১.৩৬ লক্ষ হেক্টর জমিতে মসলা জাতীয় ফসলের উৎপাদন ছিল ৩.০০ লক্ষ মেঃ টন
- কিন্তু বর্তমানে ৪.২৯ লক্ষ হেক্টর জমিতে মসলা জাতীয় ফসল উৎপাদন হচ্ছে ৩৫.৯৩ লক্ষ মেঃ টন।
- তুলনামূলকভাবে মসলা ফসলের মোট উৎপাদন বর্তমানে বৃদ্ধি পেয়েছে প্রায় ১১.৯৮ গুন।

উৎস: মসলা গবেষনা প্রতিষ্ঠান ওয়েবসাইট।
৮৬.
বাংলাদেশ ডাল গবেষণা কেন্দ্রের অবস্থান কোথায়?
  1. ক) ঈশ্বরদী, পাবনা
  2. খ) নশিপুর, দিনাজপুর
  3. গ) শিবগঞ্জ, বগুড়া
  4. ঘ) জয়দেবপুর, গাজীপুর
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধীন গবেষনা কেন্দ্র সমূহঃ
১. কন্দাল ফসল গবেষণা কেন্দ্র - জয়দেবপুর, গাজীপুর
২. উদ্যানতত্ত্ব গবেষণা কেন্দ্র - জয়দেবপুর, গাজীপুর
৩. তৈল বীজ গবেষণা কেন্দ্র - জয়দেবপুর, গাজীপুর
৪. উদ্ভিদ কৌলি সম্পদ কেন্দ্র - জয়দেবপুর, গাজীপুর
৫. ডাল গবেষণা কেন্দ্র - ঈশ্বরদী, পাবনা
৬. মসলা গবেষণা কেন্দ্র - শিবগঞ্জ, বগুড়া

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।
৮৭.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুসারে, মোট আবাদকৃত জমির কত অংশে খাদ্যশস্যের চাষ হয়?
  1. ৭৬.১৭%
  2. ৭৪.২৩%
  3. ৭১.৭১%
  4. ৬৯.৮২%
ব্যাখ্যা

খাদ্যশস্যের চাষ:
- মোট আবাদকৃত জমির ৭৬.১৭% অংশে খাদ্যশস্যের চাষ হয়।

উল্লেখ্য,
- আঁশ জাতীয় ফসল: ৪.৭৫% অংশে।
- তৈলবীজ: ৩.৫১% অংশে। 
- মসলা: ২.৩৫% অংশে। 
- ডাল: ২.২৭% অংশে। 
- শীতকালীন সবজি: ১.৯৭% অংশে। 
- ভেষজ ও নেশা জাতীয় দ্রব্য: ০.৯৯% অংশে। 
- চিনি জাতীয় ফসল: ০.৬২% অংশে। 

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।

৮৮.
পটল কোন মৌসুমে পাওয়া যায়?
  1. ক) রবি মৌসুম
  2. খ) খরিপ মৌসুম
  3. গ) রবি - খরিপ মৌসুম
  4. ঘ) কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা

- চৈত্র থেকে ভাদ্র মাস পর্যন্ত সময়কে খরিপ মৌসুম বলে। পটল একটি খরিপ মৌসুমের ফসল।
- খরিপ মৌসুমের ফসলগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল - পুঁইশাক, মিষ্টি কুমড়া, করলা, পটল, আমলকি, বরবটি ইত্যাদি ।

- আশ্বিন থেকে ফাল্গুন মাস পর্যন্ত সময়কে রবি মৌসুম বলে। রবি মৌসুমের প্রথম দিকে কিছু বৃষ্টিপাত হয় তবে তা খুবই কম হয়ে থাকে। এ সময় তাপমাত্রা, বায়ুর আর্দ্রতা ও বৃষ্টিপাত সবই কম হয়ে থাকে।
- রবি মৌসুমের ফসল গুলি হল - ফুলকপি, বাঁধাকপি, মুলা, গাজর, টমেটো, সিম, আউশ ধান ইত্যাদি ।

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক কৃষি শিক্ষা বোর্ড বই।

৮৯.
‘ময়না’ পাখি ছাড়া কিসের নাম?
  1. ক) উন্নত জাতের গম
  2. খ) উন্নত জাতের ভুট্টা
  3. গ) উন্নত জাতের ধান
  4. ঘ) উন্নত জাতের টমেটো
ব্যাখ্যা
- উন্নত জাতের ধান:- ময়না,হীরা,মালা,ইরাটম,চান্দিনা,ব্রিশাইল,সুফলা,হরিধান।
- উন্নত জাতের গম:- দোয়েল,আনন্দ,আকবর,বরকত,অগ্রণী,বলাকা।
- উন্নত জাতের ভুট্টা:- বর্ণালি , শুভ্র , উত্তরণ।
- উন্নত জাতের টমেটো:- বাহার , মানিক , রতন , মিন্টো , ঝুমকা। 

তথ্যসূত্র- কৃষি তথ্য সার্ভিস।
৯০.
বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউট কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) মতিঝিল
  2. খ) সিলেট
  3. গ) চট্টগ্রাম
  4. ঘ) খুলনা
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউট চট্টগ্রামের নাসিরাবাদে অবস্থিত। এটি বন গবেষণা বিষয়ক দেশের একমাত্র জাতীয় প্রতিষ্ঠান।

এটি ১৯৫৫ সালে ফরেস্ট রিসার্চ ল্যাবরেটরি নামে যাত্রা শুরু করে যা ১৯৬৮ সালে পূর্ণাঙ্গ বন গবেষণা প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরিত হয়।
বাংলাদেশ বনশিল্প উন্নয়ন কর্পোরেশন ঢাকার মতিঝিলে অবস্থিত।

(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট)
৯১.
কৃষি জলবায়ু নিচের কোনটি উৎপাদনের সঙ্গে সম্পৃক্ত?
  1. ফসল উৎপাদন
  2. পশুপাখি উৎপাদন
  3. মৎস্য উৎপাদন
  4. ক, খ ও গ
ব্যাখ্যা
কৃষি জলবায়ু:
- জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে দেশের ঋতুচক্র বদলে যাচ্ছে।
- এর নেতিবাচক প্রভাব দেশের কৃষি উৎপাদনের ওপরে পড়তে শুরু করেছে।
- খরাসহ বিভিন্ন কারণে দেশে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর দিনে দিনে নিম্নমুখী হয়ে সেচ কাজে ব্যাঘাত সৃষ্টি করছে।
- এর ফলে বিভিন্ন কৃষির উৎপাদন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

⇒ ফসল উৎপাদন:
- জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব দেশে ফসল উৎপাদন ব্যাপক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।
- বিভিন্ন ক্ষেত্রে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।
- দেশের উপকূলীয় অঞ্চলে লবণাক্ততা বৃদ্ধি ছাড়া ও জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বাংলাদেশের ঋতু বৈচিত্রের আমূল পরিবর্তন সাধিত হয়েছে।
- ফলে অতিবৃষ্টি, অসময়ে বৃষ্টি, বন্যা, তীব্র খরা, নদীর নাব্যতা সংকট, জলাবদ্ধতা ইত্যাদি সমস্যা দিন দিন প্রকট হচ্ছে।
- এর সবগুলোই কৃষি খাতের ওপর নেতিবাচক প্রভাবফেলছে।

⇒ মৎস্য উৎপাদন:
- আধুনিক পদ্ধতিতে পরিকল্পিতভাবে মৎস্য চাষের ফলে সামুদ্রিকভাবে মৎস্য উৎপাদন মুক্ত ও বদ্ধ জলাশয় বৃদ্ধি পেলেও বিভিন্ন প্রকার প্রাকৃতিক ও মনুষ্য সৃষ্ট প্রতিবন্ধকতার কারণে প্রবৃদ্ধি কাঙ্খিত পর্যায়ে ধরে রাখা সম্ভব হচ্ছে না।
- এসব প্রতিবন্ধকতার মধ্যে রয়েছে বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি, সমুদ্র পৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি, লবণাক্ততা, খরা, বন্যা সাইক্লোন, জলোচ্ছ্বাস ইত্যাদিজনিত জলবায়ু পরিবর্তন। 

⇒ পশুপাখি উৎপাদন:
- বিশ্বের তাপমাত্রা বৃদ্ধি ও মানুষ কর্তৃক পরিবেশ ধ্বংসই জলবায়ু পরিবর্তনের অন্যতম কারণ।
- বিভিন্ন ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগ, যেমন:- জলোচ্ছ্বাস, সামুদ্রিক ঘূর্ণিঝড়, প্রবল বায়ুপ্রবাহ, বন্যা ও খরা প্রভৃতি কারণে পশুপাখির ব্যাপক ক্ষতি হয়। আর জলবায়ুর পরিবর্তনের ফলে এসব প্রাকৃতিক দুর্যোগ প্রতিনিয়তই এদেশে আঘাত হানছে।
- ফলে খামারি বা কৃষকরা অর্থনেতিকভাবে লাভবান হতে পারছে না। 
- মৃত পশুপাখির কারণে পরিবেশেরও দুষণ ঘটে।

উৎস: কৃষি শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯২.
‘হীরা, শুভ্রা’ কোন দুইটি ফসলের উন্নত জাত হিসেবে বাংলাদেশে ব্যবহৃত হয়?
  1. আম ও মরিচ
  2. টমেটো ও আলু
  3. আলু ও ভুট্টা
  4. গম ও তুলা
ব্যাখ্যা

‘হীরা, শুভ্রা’ বাংলাদেশে আলু ও ভুট্টার উন্নত জাত হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

- বাংলাদেশের কৃষিতে কয়েকটি ফসলের উন্নত জাত, যথা:-

• উচ্চ ফলনশীল আলু: হীরা, আইলসা, ডায়মন্ড, কার্ডিনাল, চমক, মরিনী, সুন্দরী, কুফরি।
• আমের উন্নত জাত: মহানন্দা, মোহনভোগ, ল্যাংড়া, গোপালভোগ, হাড়িভাঙ্গা,, ক্ষীরসাপাতি।
• মরিচের জাত: যমুনা।
• টমেটোর উন্নত জাত: বাহার, মানিক, রতন, অপূর্ব, মিন্টো, ঝুমকা, সিঁদুর, ও শ্রাবণী।
• ভুট্টার কয়েকটি উন্নত জাতের : বর্ণালি, শুভ্রা, উত্তরণ।
• গমের কয়েকটি উন্নত জাতের বীজ : বলাকা, দোয়েল, সোনালিকা, আকবর, কাঞ্চন, অগ্রণী, আনন্দ।
• তুলার দুটো উন্নত জাত হলো: রূপালী ও ডেলফোজ

উৎস: বাংলাদেশ কৃষি তথ্য সহায়তা কেন্দ্র।

৯৩.
‘রূপকথা’ কোন ফসলের জাত?
  1. ভুট্টা
  2. গম
  3. ধান
  4. আখ
ব্যাখ্যা

রূপকথা একটি ধানের জাত। এটি বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ব্রি) কর্তৃক উদ্ভাবিত একটি উচ্চ ফলনশীল ধান।

⇒ বিভিন্ন ফসলের উন্নত জাত:
- উন্নত জাতের গম: সোনালিকা, বলাকা, দোয়েল, অগ্রণী, আনন্দ, কাঞ্চন, শতাব্দী ও আকবর।
- উন্নত জাতের ধান: ইরাটম, ব্রি হাইব্রিড - ১, চান্দিনা, হীরা, মালা, বিপ্লব, দুলাভোগ, মোহিনী, সুফলা, আশা, প্রগতি। 
- উন্নত জাতের তামাক: সুমাত্রা ও ম্যানিলা।
- উন্নত জাতের ভুট্টা: বর্ণালী, শুভ্রা ও উত্তরণ।
- উন্নত জাতের আম: মহানন্দা, ল্যাংড়া, গোপালভোগ, হাড়িভাঙ্গা, ক্ষীরসাপাতি ও মােহনভােগ।
- উন্নত জাতের টমেটো: বাহার, মানিক, রতন, অপূর্ব, মিন্টো, ঝুমকা, সিঁদুর, শ্রাবণী।
- উন্নত জাতের মরিচ: যমুনা।
- উন্নত জাতের বেগুন: শুকতারা, নয়নতারা, তারাপুরী, ইসলামপুরী, কাজলা, বিজয়, মুক্তকেশী, ঝুমকো।
- উন্নত জাতের আলু: হিরা, আইলসা, পেট্রোনিস, মুল্টা, ডায়ামন্ট, কার্ডিনাল, মন্ডিয়াল, কুফরী সিন্দুরী, চমক, ধীরা, গ্রানোলা, ক্লিওপেট্রা ও চিনেলা।
- উন্নত জাতের তুলা: সিবি-১০, রূপালী, ডেলফোজ।
- উন্নত জাতের আনারস: জায়ান্ট কিউ, হানি কুইন, ঘোড়াশাল, জলঢুপি।

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস।

৯৪.
উচ্চ ফলনশীল পেঁয়াজের জাত নিচের কোনটি?
  1. মরিনী
  2. কুফরী
  3. তাহেরপুরী
  4. নারিফা
ব্যাখ্যা
উচ্চ ফলনশীল আলুর জাত:
- হীরা, আইলসা, ডায়মন্ড, কার্ডিনাল, চমক, মরিনী, সুন্দরী, কুফরী, মুলটা ইত্যাদি।

উচ্চ ফলনশীল পেঁয়াজের জাত:
- সুখ সাগর, ঝিটকা, কৈলাসনগর, তাহেরপুরী, ভাতি।

উচ্চ ফলনশীল বাঁধাকপির জাত:
- গ্রীন এক্সপ্রেস, ড্রামহেড, গোল্ডেন ক্রস, প্রভাতী, অগ্রদূত।

উচ্চ ফলনশীল ধানের জাত:
- বিপ্লব, হিরা, মালা, ইরাটম, ময়না, চান্দিনা, হরিধান, নারিফা, সুফলা, প্রগতি ইত্যাদি।

তথ্যসূত্র - জাতীয় কৃষি বাতায়ন।
৯৫.
বাংলাদেশের জিডিপিতে ইলিশ মাছের অবদান কত শতাংশ? [সেপ্টেম্বর, ২০২৪]
  1. ০.৫%
  2. ১%
  3. ১.৫%
  4. ২%
ব্যাখ্যা
ইলিশ:
- জাতীয় মাছ ইলিশ আমাদের ঐতিহ্যের ধারক ও বাহক।
- বর্তমানে ইলিশ উৎপাদনকারী ১১টি দেশের মধ্যে বিশ্বে প্রথম বাংলাদেশ।
- বাংলাদেশে উৎপাদিত হয় বিশ্বের মোট ইলিশের ৮৬%।
- দেশের মোট মৎস্য উৎপাদনে ইলিশ মাছের অবদান প্রায় ১১%।
- বাংলাদেশের জিডিপিতে ইলিশের অবদান ১%।
- প্রজনন মৌসুমে ইলিশ আহরণ নিষিদ্ধ থাকে ২২দিন।
- সবচেয়ে বেশি ইলিশ ধরা পড়ে ভোলা জেলায়।
- দেশে ইলিশ অধ্যুষিত জেলা ৩৮টি।
- ইলিশের অভয়াশ্রম ৬টি।

উৎস: i) ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা প্রকল্প।
ii) মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ তথ্য দপ্তর। 
৯৬.
বাংলাদেশের বৃহত্তম 'দত্তনগর কৃষি খামার' অবস্থিত-
  1. ক) সাতক্ষীরা
  2. খ) কুষ্টিয়া
  3. গ) ঝিনাইদহ
  4. ঘ) নড়াইল
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের বৃহত্তম 'দত্তনগর কৃষি খামার' অবস্থিত- ঝিনাইদহ জেলার মহেশপুর উপজেলায়।
- বাংলাদেশের শস্য ভাণ্ডার হিসেবে পরিচিত জেলা বরিশাল।
- বাংলাদেশের একমাত্র কৃষি জাদুঘর অবস্থিত বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ময়মনসিংহ।
- কৃষি কল সেন্টারের নাম্বারঃ ১৬১২৩।
৯৭.
’ডায়মন্ড’ কোন ফসলের একটি জাত?
  1. আলু
  2. গম
  3. ভুট্টা
  4. তামাক
ব্যাখ্যা

গমের উন্নত জাত- আনন্দ, আকবর, দোয়েল, বরকত, বলাকা, সোনালিকা, জোপাটিকা, ইনিয়া-৬৬।
আলুর উন্নত জাত - ডায়মন্ড, সিন্দুরী, কুফরী, চমক, কার্ডিনাল।
ভুট্টার উন্নত জাত- বর্ণালি, শুভ্র, খইভুট্টা, মোহর উত্তরণ।
তামাকের উন্নত জাত - সুমাত্রা, ম্যানিলা ।

উৎস: কৃষিমন্ত্রনালয়।

৯৮.
২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রথমার্ধে কৃষিজাত পণ্য রপ্তানি কত শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে?
  1. ২.১%
  2. ৩.৯১%
  3. ৭.৯%
  4. ৯.৩১%
ব্যাখ্যা
২০২৪–২৫ অর্থবছরের প্রথমার্ধে পণ্য রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধি:
- ২০২৪–২৫ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে (জুলাই–ডিসেম্বর) রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধি হয়েছে প্রায় ১২.৮৪%।

⇒ ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে (জুলাই—ডিসেম্বর) সবজি, ফল, চা, মসলা এবং তামাকের মতো কৃষিজাত পণ্যের রপ্তানি বৃদ্ধি পেয়েছে ৯ দশমিক ৩১ শতাংশ।
- প্রথম ছয় মাসে বাংলাদেশি উদ্যোক্তারা ৫৯ কোটি ৫৫ লাখ ১০ হাজার মার্কিন ডলারের পণ্য রপ্তানি করেছে।
- মূলত ফল, চা, মসলা, তামাক এবং পশুর চর্বি রপ্তানি বেশি হওয়ায় সেখান থেকে আয় বেশি আসছে।

এছাড়াও, 
- রপ্তানিতে সবচেয়ে বড় অবদানকারী পোশাক খাত। ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জুলাই-ডিসেম্বরে রেকর্ড ১৩.২৮ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে হয়েছে ১৯.৮৯ বিলিয়ন ডলার।
- প্লাস্টিক পণ্য রপ্তানিতে অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে প্রবৃদ্ধি হয়েছে প্রায় ৩০ শতাংশ।
- চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য রপ্তানিতে চলতি অর্থবছরের প্রথমার্ধে প্রবৃদ্ধি হয়েছে প্রায় সাড়ে ১০ শতাংশ।
- হিমায়িত মৎস্য রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধি ১৩ শতাংশ ছাড়িয়েছে।

উৎস: i) The Financial Express। [link]
ii) জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) ওয়েবসাইট। [link]
৯৯.
‘কাটারীভোগ’ সুগন্ধি চাল উৎপাদনের জন্য বিখ্যাত জায়গা-
  1. বরিশাল
  2. কুমিল্লা
  3. দিনাজপুর
  4. ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা
বিশেষ জাতের ধান থেকে সুগন্ধি চাল তৈরি হয়। সুগন্ধি ধান/চাল উৎপাদনে দিনাজপুর জেলা অপ্রতিদ্বন্দ্বী। এ জেলার ‘কাটারিভোগ’ সুগন্ধি চাল দেশি-বিদেশি অতিথি আপ্যায়নে সুনাম বজায় রেখেছে।
এছাড়া ব্রিধান-৩৪, কাটারী, জিরা কাটারী (চিনি গুড়া), ফিলিপিন কাটারী, চল্লিশাজিরা, বাদশা ভোগ, কালোজিরা, জটা কাটারী, চিনি কাটারী, বেগুন বিচি ও ব্রিধান-৫০ এই জেলার উল্লেখযোগ্য সুগন্ধি চাল।
[সুত্রঃ কৃষি তথ্য সার্ভিস এবং dinajpur.gov.bd]
১০০.
Where is Bangladesh Rice Research Institute (BRRI) located?
  1. ক) Joydevpur, Gazipur
  2. খ) Ishwardi, Pabna
  3. গ) Shivganj, Bogra
  4. ঘ) Trishal, Mymensingh
ব্যাখ্যা
• BRRI:
- বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (BRRI)।
- এর পূর্ণরুপ- Bangladesh Rice Research Institute
- অবস্থান- জয়দেবপুর, গাজীপুর।
- বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীনে একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, যা ১৯৭০ সালের ১ অক্টোবর পূর্ব পাকিস্তান ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট হিসেবে কাজ শুরু করে।

- স্বাধীনতার পর নতুন নামকরণ করা হয় বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট
- এটি বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট অ্যাক্ট, ১৯৭৩ অনুযায়ী প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বর্তমানে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের উদ্ভাবিত বেশ কিছু আধুনিক জাতের ধান অন্যান্য দেশে যেমন ভারত, নেপাল, ভুটান, মায়ানমার, ভিয়েতনাম ও পশ্চিম আফ্রিকার কয়েকটি দেশে ব্যাপকভাবে চাষ করা হয়।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট।