• অভিধানে শব্দগুলো অক্ষরিক ক্রমানুসারে সাজানো হয়। অর্থাৎ, প্রথমে শব্দটির প্রথম অক্ষর দিয়ে শ্রেণিবদ্ধ করা হয় এবং তারপর পরবর্তী অক্ষরগুলো আসে।
• বাংলা অভিধানের বর্ণগুলোকে নিম্নোক্ত ক্রমে সাজাতে পারি:
অ, আ, ই, ঈ, উ, ঊ, ঋ, এ, ঐ, ও, ঔ,
ং, ঃ, ঁ,
ক, খ, গ, ঘ, ঙ,
চ, ছ, জ, ঝ, ঞ,
ট, ঠ, ড, ড়, ঢ, ঢ়, ণ,
ত, ৎ, থ, দ, ধ, ন,
প, ফ, ব, ভ, ম,
য, য়, র, ল,
শ, ষ, স, হ।
• সব শব্দের প্রথম অক্ষর চা (চ + আ-কার), তাই প্রথম দুই অক্ষর একই। এখন তৃতীয় অক্ষর দেখতে হবে। শব্দগুলো ভেঙ্গে দেখি:
চাঁদ- চ + া + ঁ + দ
চাঁপা- চ + া + ঁ + প + া
চাকা- চ + া + ক + া
চাকরি- চ + া + ক + র + ি
• বাংলা অভিধানের বর্ণক্রমে চন্দ্রবিন্দু (ঁ) এর অবস্থান ঔ এর পরে এবং ক এর আগে। অর্থাৎ ক্রম হলো: ও, ঔ, ং, ঃ, ঁ, ক, খ, গ ...
• তাই তৃতীয় অক্ষর হিসেবে: চন্দ্রবিন্দু ' ঁ ' এর চেয়ে আগে আসে। ফলে চাঁদ এবং চাঁপা দুটোই চাকা ও চাকরি এর আগে আসবে।
এখন (চাঁদ ও চাঁপা) শব্দের বিশ্লেষণ:
- দুটোতেই তৃতীয় অক্ষর ঁ একই।
- চতুর্থ অক্ষর: দ / প।
- বর্ণক্রমে দ (দ-বর্গ) প (প-বর্গ) এর আগে আসে (ক্রম: ... ত, থ, দ, ধ, ন ... প, ফ ...)।
• সুতরাং শব্দের শুদ্ধ ক্রম হবে: চাঁদ → চাঁপা → চাকা → চাকরি।
• অভিধানে সবচেয়ে আগে 'চাঁদ' শব্দটি বসবে।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।