ব্যাখ্যা
• অনুনাসিক স্বরধ্বনি:
মৌলিক স্বরধ্বনিগুলো উচ্চারণের সময়ে বায়ু শুধু মুখ দিয়ে বেরিয়ে আসে। এ সময়ে কোমল তালু স্বাভাবিক অবস্থায় থাকে। কিন্তু ধ্বনিগুলো উচ্চারণের সময়ে কোমল তালু খানিকটা নিচে নেমে গেলে কিছুটা বায়ু নাক দিয়েও বের হয়। এর ফলে ধ্বনিগুলো অনুনাসিক হয়ে যায়।
- স্বরধ্বনির এই অনুনাসিকতা বোঝাতে বাংলা স্বরবর্ণের উপরে চন্দ্রবিন্দু (ঁ) ব্যবহৃত হয়ে থাকে।
মৌলিক স্বরধ্বনি: [ই], [এ], [অ্যা], [আ], [অ], [ও], [উ]।
অনুনাসিক স্বরধ্বনি: [ই], [এ], [অ্যাঁ], [], [অ], [ও], [উ]।
অন্যদিকে,
• অর্ধমাত্রা বর্ণ: ৮টি, এর মধ্যে স্বরবর্ণ ১টি (ঋ) এবং ব্যঞ্জনবর্ণ ৭টি (খ, গ, ণ, থ, ধ, প, শ)।
• ঘর্ষণজাত:
দুটি বাগযন্ত্র খুব কাছাকাছি আসে, কিন্তু একসঙ্গে যুক্ত হয় না। ফলে বাতাস বাধা পায় ও সংকীর্ণ পথে বের হওয়ার সময় ঘর্ষণের সৃষ্টি করে বলে এগুলি ঘর্ষণজাত ধ্বনি বা শিস ধ্বনি বলা হয়।
যেমন: শ, ষ, স, হ।
• হ্রস্বস্বর:
যেসব স্বরধ্বনি উচ্চারণে কম সময় লাগে, তাদেরকে হ্রস্বস্বর বলে।
যেমন: অ, ই, উ, ঋ এই (৪টি হ্রস্বস্বর)।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)।