বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

The Penal Code, 1860

মোট প্রশ্ন২,৪৪৭এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

The Penal Code, 1860

PrepBank · পাতা / ২৫ · ৩০১৪০০ / ২,৪৪৭

৩০১.
যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধের ক্ষেত্রে, অপরাধীকে আশ্রয়দানে আশ্রয়দাতার সর্বোচ্চ সাজা কত?
  1. ১ বছর কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  2. ২ বছর কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  3. ৩ বছর কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  4. ৫ বছর কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
সঠিক উত্তর:
৩ বছর কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ২১২ ধারার বিধান অপরাধীকে আশ্রয় দেওয়া, অপরাধটি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় হইলে:
কোন অপরাধ অনুষ্ঠিত হওয়ার পর কোন ব্যক্তি যদি কাউকে দোষী বলে জ্ঞাত করা থাকা সত্ত্বেও অথবা সে দোষী বলে বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও তাকে আইনের সাজা হতে বাঁচাবার উদ্দেশ্যে লুকিয়ে রাখে বা আশ্রয়দান করে, সেক্ষেত্রে-

- দোষী ব্যক্তি যদি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়:-
যদি অপরাধটি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়, তবে সে ব্যক্তি পাঁচ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে।

- দোষী ব্যক্তি যদি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড অথবা কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়:-
যদি অপরাধটি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে কিংবা দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়, তবে সে ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে।

যদি অপরাধটি এক বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয় এবং দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় না হয়, তবে সে ব্যক্তি সে অপরাধটির জন্য বিহিত প্রকারের কারাদণ্ডের দীর্ঘতম মেয়াদের এক-চতুর্থাংশ পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে অথবা অর্থ দণ্ডে দণ্ডিত হবে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

অত্র ধারার অপরাধ বলতে বাংলাদেশের মধ্যে যে কাজ অনুষ্ঠিত হলে তা ৩০২, ৩০৪, ৩৮২, ৩৯২, ৩৯৩, ৩৯৪, ৩৯৫, ৩৯৬, ৩৯৭, ৩৯৮, ৩৯৯, ৪০২, ৪৩৫, ৪৩৬, ৪৪৯, ৪৫০, ৪৫৭, ৪৫৮, ৪৫৯ এবং ৪৬০ ধারায় যে কোনটি অনুযায়ী দণ্ডনীয় হত, তা বাংলাদেশের বাইরে যেকোন স্থানে অনুষ্ঠিত হলে তাকেও বুঝাবে এবং অনুরূপ যেকোন কাজ যেন অভিযুক্ত ব্যক্তি বাংলাদেশের অভ্যন্তরেই সংঘটনের জন্য দোষী সাব্যস্ত হয়েছে, এমনভাবেই দণ্ডনীয় বলে পরিগণিত হবে।

ব্যতিক্রম: দোষী ব্যক্তির স্বামী বা স্ত্রী অনুরূপ আশ্রয়দান করলে বা লুকিয়ে রাখলে তখন এই বিধান প্রয়োগযোগ্য হবে না।
৩০২.
দণ্ডবিধির ৩১১ ধারা অনুযায়ী, একজন ঠগের (Thug) জন্য সর্বোচ্চ কী শাস্তি নির্ধারিত আছে?
  1. ৫ বছরের কারাদণ্ড
  2. ৭ বছরের কারাদণ্ড
  3. ১০ বছরের কারাদণ্ড
  4. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩১১ অনুসারে, কোনো ব্যক্তি যদি 'ঠগ' (Thug) হিসেবে সাব্যস্ত হন (অর্থাৎ অভ্যাসগতভাবে খুন বা শিশু অপহরণের মাধ্যমে ডাকাতিতে জড়িত থাকেন), তাহলে তার শাস্তি হলো: যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং অতিরিক্তভাবে অর্থদণ্ড। এই ধারায় সর্বোচ্চ শাস্তি হিসেবে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড-এর বিধান রয়েছে।
অতএব, সঠিক উত্তর: ঘ) যাবজ্জীবন কারাদণ্ড।

⇒ দণ্ডবিধির ৩১১ ধারার বিধান ঠগের শাস্তি:-কোন ব্যক্তি যদি ঠগ হয়, তবে সে ব্যক্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।
------------------
⇒ The Penal Code, 1860: Section 310: Thug: -Whoever, at any time after the passing of this Act, shall have been habitually associated with any other or others for the purpose of committing robbery or child-stealing by means of or accompanied with murder, is a thug.
⇒ The Penal Code, 1860: Section 311:Punishment: - Whoever is a thug, shall be punished with imprisonment for life, and shall also be liable to fine.
৩০৩.
বসতবাড়ি বা অনুরূপ স্থানে চুরি করলে সর্বোচ্চ কত বছরের কারাদণ্ড হতে পারে?
  1. ৩ বছর
  2. ৫ বছর
  3. ৭ বছর
  4. ১০ বছর
সঠিক উত্তর:
৭ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ বছর
ব্যাখ্যা
বসতবাড়ি বা অনুরূপ স্থানে চুরি – ধারা ৩৮০ (The Penal Code, 1860):
যে কেউ কোনো ভবন, তাঁবু বা জাহাজে চুরি করে — যা মানুষের বসবাসের জন্য ব্যবহৃত হয় বা সম্পত্তি সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হয় — সে ব্যক্তি যেকোনো ধরণের (সশ্রম বা বিনাশ্রম) কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবেন, যা সর্বোচ্চ সাত বছর পর্যন্ত হতে পারে এবং তিনি অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হওয়ারও যোগ্য হবেন।
৩০৪.
যে ক্ষেত্রে অপরাধী কারাবাস এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হয়, কিন্তু অর্থদণ্ড পরিশোধ না করার কারণে আদালত অপরাধীকে যে কারাদণ্ড প্রদান করে তা
  1. সশ্রম বা বিনাশ্রম হতে পারে
  2. অপরাধটির জন্য অপরাধীকে যে দণ্ডে দণ্ডিত করা যেতে পারে তার যেকোন বর্ণনার
  3. শুধুমাত্র সশ্রম
  4. ক এবং খ উভয়
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ উভয়
ব্যাখ্যা
♦এখানে যেকোন বর্ণনার বলতে সশ্রম বা বিনাশ্রম উভয়কে বোঝানো হয়েছে। ৬৬ ধারা প্রযোজ্য হবে যেক্ষেত্রে অপরাধী কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হয় এবং অপরাধী অর্থদণ্ডে প্রদানে ব্যর্থ হয়। ৬৭ ধারা অনুযায়ী শুধুমাত্র অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হলে এবং অর্থদণ্ড প্রদানে ব্যর্থ হলে কারাবাস বিনাশ্রম হবে। অর্থাৎ ৬৭ ধারা প্রযোজ্য হবে শুধুমাত্র অর্থদণ্ডের ক্ষেত্রে।
৩০৫.
দণ্ডবিধির ১৫২ ধারা অনুসারে, অবৈধ সমাবেশ ছত্রভঙ্গ বা দাঙ্গা দমনকালে সরকারি কর্মচারীকে বাধা দিলে সর্বোচ্চ শাস্তি কী হতে পারে?
  1. এক বছর কারাদণ্ড
  2. দুই বছর কারাদণ্ড
  3. তিন বছর কারাদণ্ড
  4. পাঁচ বছর কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
তিন বছর কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিন বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৫২ ধারা অনুযায়ী, যদি কেউ সরকারি কর্মচারীকে অবৈধ সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করতে, বা দাঙ্গা দমন করতে গিয়ে আক্রমণ করে, বাধা দেয়, বা হুমকি দেয়, তাহলে তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছর মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড, অথবা অর্থদণ্ড, অথবা উভয়বিধ দণ্ড দেওয়া যেতে পারে।

⇒ দণ্ডবিধির ১৫২ ধারার বিধান: দাঙ্গা ইত্যাদি দমনকালে সরকারি কর্মচারীকে আক্রমণ বা বাধাদান করা:- কোন সরকারি কর্মচারী অনুরূপ সরকারি কর্মচারী হিসেবে তাঁর কর্তব্য সম্পাদন উদ্দেশ্যে একটি অবৈধ সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করার অথবা দাঙ্গা দমন করার প্রচেষ্টাকালে কোন ব্যক্তি যদি তাকে আক্রমণ করে অথবা আক্রমণ করার হুমকি প্রদর্শন করে, অথবা বাধাদান করে বা বাধাদান করার চেষ্টা করে, অথবা অনুরূপ সরকারি কর্মচারীর প্রতি অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ করে বা করার হুমকি প্রদর্শন করে বা চেষ্টা করে, তবে সে ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডে দণ্ডিত হবে।
-----------
⇒ The Penal Code, 1860- Section-152- Assaulting or obstructing public servant when suppressing riot, etc.
- Whoever assaults or threatens to assault, or obstructs or attempts to obstruct, any public servant in the discharge of his duty as such public servant, in endeavouring to disperse an unlawful assembly, or to suppress a riot or affray, or uses, or threatens, or attempts to use criminal force to such public servant, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years or with fine, or with both.
৩০৬.
মারামারির অপরাধে সর্বোচ্চ কত টাকা অর্থদণ্ড হতে পারে?
  1. ১০০ টাকা
  2. ২০০ টাকা
  3. ৫০০ টাকা
  4. ১০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
১০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০০ টাকা
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ১৫৯ ধারার বিধান- মারামারি:
যদি দুই বা ততোধিক ব্যক্তি কোন প্রকাশ্য স্থানে মারামরি করে শান্তিভঙ্গ করে, তবে তারা "মারামারি” করেছে বলে পরিগণিত হয়।

⇒ দণ্ডবিধির ১৬০ ধারার বিধান- মারামারির শাস্তি:
কোন ব্যক্তি যদি মারামারির অপরাধ সংঘটন করে, তবে সে ব্যক্তি এক মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা একশত টাকা পর্যন্ত যে কোন পরিমাণ অর্থদণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

৩০৭.
দণ্ডবিধির ৩০৫ ধারায় কোন বয়সসীমার নিচে ব্যক্তির আত্মহত্যায় সহায়তা বা প্ররোচনা দান করলে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য হয়?
  1. ১২ বছর
  2. ১৬ বছর
  3. ১৮ বছর
  4. ২১ বছর
সঠিক উত্তর:
১৮ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩০৫ ধারার বিধান- শিশুর বা উন্মাদ ব্যক্তির আত্মহত্যায় সহায়তা বা প্ররোচনা দান:
 যদি আঠারো বৎসরের কম বয়স্ক কোন ব্যক্তি, কোন উন্মাদ ব্যক্তি, প্রলাপগ্রস্ত ব্যক্তি, নির্বোধ ব্যক্তি, বা কোন ব্যক্তি নেশাগ্রস্ত অবস্থায় আত্মহত্যা করে, তবে যে ব্যক্তি এই আত্মহত্যায় সহায়তা বা প্ররোচনা দান করে, সে ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা অনধিক দশ বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

Section 305: Abetment of suicide of child or insane person:
If any person under eighteen years of age, any insane person, any delirious person, any idiot, or any person in a state of intoxication commits suicide, whoever abets the commission of such suicide shall be punished with death or imprisonment for life, or imprisonment for a term not exceeding ten years, and shall also be liable to fine.
৩০৮.
‘E’ একটি বই বিক্রি করে, যাতে Z-এর সম্পর্কে মানহানিকর বিষয় রয়েছে, এবং তিনি জানেন যে এটি মানহানিকর। দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর বিধান অনুসারে এই অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ১ বছরের কারাদণ্ড
  2. ২ বছরের কারাদণ্ড
  3. ৩ বছরের কারাদণ্ড
  4. ৫ বছরের কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
২ বছরের কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৫০২ অনুসারে, যে কেউ জেনেশুনে মানহানিকর বিষয় সম্বলিত কোনো মুদ্রিত বা খোদিত উপাদান বিক্রি করে বা বিক্রির জন্য প্রদর্শন করে, সে অপরাধী হিসেবে গণ্য হবে। এই অপরাধের শাস্তি হলো ২ বছর পর্যন্ত সাধারণ কারাদণ্ড, জরিমানা, বা উভয়ই। এখানে, ‘E’ জেনেশুনে Z-এর সম্পর্কে মানহানিকর বিষয় সম্বলিত একটি বই বিক্রি করেছে, যা ধারা ৫০২-এর অধীনে শাস্তিযোগ্য।

অর্থাৎ ‘E’-এর কাজ ধারা ৫০২-এর অধীনে মানহানিকর বিষয় বিক্রি হিসেবে গণ্য, এবং সর্বোচ্চ শাস্তি হলো ২ বছরের সাধারণ কারাদণ্ড, জরিমানা, বা উভয়ই। সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো খ) ২ বছরের কারাদণ্ড।

⇒ দণ্ডবিধির ৫০২ ধারা – মানহানিকর বিষয়সম্বলিত মুদ্রিত বা খোদিত বস্তু বিক্রয়:
যে ব্যক্তি জানে যে কোনো মুদ্রিত বা খোদিত বস্তুতে মানহানিকর বিষয় রয়েছে এবং সে সেই বস্তু বিক্রয় বা বিক্রয়ের জন্য প্রস্তাব করে, তাকে দুই বছরের জন্য বিনাশ্রম কারাদণ্ড, বা অর্থদণ্ড, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে।

⇒ The Penal Code, 1860- Section 502-Sale of printed or engraved substance containing defamatory matter:
- Whoever sells or offers for sale any printed or engraved substance containing defamatory matter, knowing that it contains such matter, shall be punished with simple imprisonment for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.

৩০৯.
‘D’, ‘Z’-এর চাকর হিসেবে কাজ করত, এবং ‘Z’-এর মৃত্যুর পর তার সম্পত্তি (টাকা ও আসবাব) অসাধুভাবে নিজের ব্যবহারের জন্য নিয়ে নেয়। দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর বিধান অনুসারে এই অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ২ বছরের কারাদণ্ড
  2. ৩ বছরের কারাদণ্ড
  3. ৭ বছরের কারাদণ্ড
  4. ১০ বছরের কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
৭ বছরের কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৪০৪ অনুসারে, যে কেউ জেনেশুনে মৃত ব্যক্তির অধিকারে থাকা সম্পত্তি, যা মৃত্যুর সময় তার অধিকারে ছিল এবং পরবর্তীতে কোনো বৈধ অধিকারীর অধিকারে আসেনি, অসাধুভাবে আত্মসাৎ করে বা নিজের ব্যবহারের জন্য রূপান্তর করে, সে অপরাধমূলক সম্পত্তি অপচয়ের জন্য দায়ী। এই অপরাধের শাস্তি সাধারণত ৩ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং জরিমানা। তবে, যদি অপরাধী মৃত ব্যক্তির চাকর বা ক্লার্ক হয়, তবে শাস্তি ৭ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং জরিমানা হতে পারে। এখানে, ‘D’ ‘Z’-এর চাকর ছিল এবং ‘Z’-এর মৃত্যুর পর তার সম্পত্তি অসাধুভাবে নিয়েছে, তাই ধারা ৪০৪-এর অধীনে সর্বোচ্চ শাস্তি ৭ বছরের কারাদণ্ড।
সুতরাং, ‘D’-এর অপরাধের জন্য ধারা ৪০৪ অনুসারে সর্বোচ্চ শাস্তি ৭ বছরের কারাদণ্ড।
-----------
⇒The Penal Code, 1860- Section 404. Dishonestly misappropriation of property possessed by deceased person at the time of his death:
Whoever dishonestly misappropriates or converts to his own use property, knowing that such property was in the possession of a deceased person at the time of that person's decease and has not since been in the possession of any person legally entitled to such possession, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years and shall also be liable to fine; and if the offender at the time of such person's decease was employed by him as a clerk or servant, the imprisonment may extend to seven years. 

Illustration:
Z dies in possession of furniture and money. His servant A, before the money comes into possession of any person entitled to such possession dishonestly misappropriates it. A has committed the offence defined in this section.

৩১০.
'ক' খ-এর পকেট থেকে মানিব্যাগ ছিনতাই করার সময় খ-কে ছুরিকাঘাতের ভয় দেখায়। দণ্ডবিধি অনুসারে ক-এর অপরাধ কী?
  1. চুরি
  2. দস্যুতা
  3. অপহরণ
  4. অপরাধমূলক আত্মসাৎ
সঠিক উত্তর:
দস্যুতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দস্যুতা
ব্যাখ্যা

⇒ প্রদত্ত পরিস্থিতিতে, 'ক' খ-এর পকেট থেকে মানিব্যাগ ছিনতাই (snatching) করার সময় খ-কে ছুরিকাঘাতের ভয় দেখিয়েছে। দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ৩৯০ অনুসারে, এটি দস্যুতা (Robbery) হিসেবে গণ্য হয়, কারণ চুরি (theft) করার সময় অপরাধী ইচ্ছাকৃতভাবে আশু আঘাত বা মৃত্যুর ভয় দেখিয়েছে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৯০ ধারার বিধান দস্যুতা:- প্রত্যেক দস্যুতায় হয় চুরি, না হয় বলপূর্বক সম্পত্তি আদায়ের অপরাধ সংঘটিত হয়।
যেক্ষেত্রে চুরি দস্যুতা বলে পরিগণিত হবে:- চুরি করার উদ্দেশ্যে, অথবা চুরি করতে, কিংবা চুরিতে লব্ধ সম্পত্তি বহন বা বহনের উদ্যোগ কালে, অপরাধকারী তদুদ্দেশ্যে ইচ্ছাপূর্বক কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটায় বা তাকে আঘাতদান করে তাকে অন্যায় ভাবে আটক করে বা করার উদ্যোগ করে, বা তাকে তাৎক্ষণিক মৃত্যু বা তাৎক্ষণিক আঘাত বা তাৎক্ষণিক অবৈধ আটকের ভীতি প্রদর্শন করে বা করার উদ্যোগ করে, তা হলে উক্ত চুরি হচ্ছে 'দস্যুতা'।
বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় যেক্ষেত্রে দস্যুতা বলে পরিগণিত হবে:- বলপূর্বক সম্পত্তি আদায়ের সময় অপরাধী- যে ব্যক্তিকে ভয়ে বিহ্বল করা হয়েছে, সে ব্যক্তির বা অন্য কোন ব্যক্তিকে আশু মৃত্যুর, আশু আঘাতের বা আশু অন্যায় নিয়ন্ত্রণের ভয়ে অভিভূত করে বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় করলে, এবং এইভাবে যে ব্যক্তিকে ভয়ে অভিভূত করা হয়েছে, সে ব্যক্তিকে তখন বলপূর্বক আদায়কৃত বস্তুটি অর্পণে বাধ্য করলে, বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় 'দস্যুতা' বলে পরিগণিত হবে।
ব্যাখ্যা:- অপরাধী অন্য ব্যক্তিকে আশু মৃত্যুর, আঘাতের বা আশু অন্যায় নিয়ন্ত্রণের ভয়ে অভিভূত করার পক্ষে যথেষ্ট নিকটে থাকলে সে হাজির বলে পরিগণিত হবে।
---------
⇒ The Penal Code, 1860 -Section-390- Robbery: In all robbery there is either theft or extortion:
- When theft is robbery:
Theft is "robbery" if, in order to the committing of the theft, or in committing the theft, or in carrying away or attempting to carry away property obtained by the theft, the offender, for that end, voluntarily causes or attempts to cause to any person death or hurt or wrongful restraint, or fear of instant death or of instant hurt, or of instant wrongful restraint.
- When extortion is robbery:
Extortion is “robbery” if the offender, at the time of committing the extortion, is in the presence of the person put in fear, and commits the extortion by putting that person in fear of instant death, instant hurt, or of instant wrongful restraint to that person, or to some other person, and, by so putting in fear, induces the person so put in fear then and there to deliver up the thing extorted.
- Explanation. -The offender is said to be present if he is sufficiently near to put the other person in fear of instant death, of instant hurt, or of instant wrongful restraint.

৩১১.
দণ্ডবিধির কোন ধারায় মারামারির সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে?
  1. ধারা ১৪৩
  2. ধারা ১৪৭
  3. ধারা ১৫৯
  4. ধারা ১৬০
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৫৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৫৯
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ১৫৯-এ বলা হয়েছে: “যখন দুই বা ততোধিক ব্যক্তি প্রকাশ্য স্থানে মারামারি করে ও শান্তিভঙ্গ ঘটায়, তখন বলা হয় যে তারা ‘মারামারি’ করেছে (commit an affray)।”

⇒ দণ্ডবিধির ১৫৯ ধারার বিধান মারামারি:
যদি দুই বা ততোধিক ব্যক্তি কোন প্রকাশ্য স্থানে মারামরি করে শান্তিভঙ্গ করে, তবে তারা "মারামারি” করেছে বলে পরিগণিত হয়।
⇒ দণ্ডবিধির ১৬০ ধারার বিধান মারামারির শাস্তি:
কোন ব্যক্তি যদি মারামারির অপরাধ সংঘটন করে, তবে সে ব্যক্তি এক মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা একশত টাকা পর্যন্ত যে কোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
--------------
⇒ The Penal Code, 1860-Section-159: Affray:
When two or more persons, by fighting in a public place, disturb the public peace, they are said to "commit an affray".
⇒The Penal Code, 1860-Section-160: Punishment for committing affray:
Whoever commits an affray, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to one month, or with fine which may extend to one hundred taka, or with both.
৩১২.
ক একটি বক্স থেকে সোনা চুরির উদ্দেশ্যে বক্সটি ভেঙ্গে দেখলো বক্সটি খালি। ক-এর ক্ষেত্রে নিচের কোনটি সত্য।
  1. ক কোনো অপরাধ করেনি
  2. ক চুরির অপরাধ করেছে
  3. ক চুরির প্রচেষ্টার অপরাধ করেছে
  4. ক চুরির প্রস্তুতির অপরাধ করেছে
সঠিক উত্তর:
ক চুরির প্রচেষ্টার অপরাধ করেছে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক চুরির প্রচেষ্টার অপরাধ করেছে
ব্যাখ্যা
♦ আলোচ্য সমস্যাতে ক চুরির চেষ্টা বা attempt to commit theft করেছে।  পেনাল কোড-এর ৫১১ ধারার (a) নং উদাহরণ দ্রষ্টব্য।
৩১৩.
কোন ব্যক্তিকে _______ দিন পর্যন্ত তীব্র যন্ত্রণা দেয় এমন আঘাতকে গুরুতর আঘাত বলা হয়।
  1. ১০
  2. ১৫
  3. ২০
সঠিক উত্তর:
২০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০
ব্যাখ্যা
-The Penal Code, 1860 এর ৩২০ ধারা অনুযায়ী ৮ শ্রেণির আঘাতকে গুরুতর আঘাত বলা হয়েছে। যথা: 
(i) পুরুষত্বহীনকরণ
(ii) স্থায়ীভাবে চোখের দৃষ্টি রহিতকরণ
(iii) স্থায়ীভাবে কানের শ্রুতিশক্তি রহিতকরণ
(iv) যে কোন অঙ্গ বা গ্রন্থির অনিষ্ট সাধন
(v) যে কোন অঙ্গ বা গ্রন্থির স্থায়ী ক্ষতিকরণ
(vi) মাথা বা মুখমন্ডলের স্থায়ী বিকৃতি
(vii) হাড় বা দাঁত ভাঙ্গা
(viii) কোন ব্যক্তিকে ২০ দিন পর্যন্ত তীব্র যন্ত্রণা দেয় এমন আঘাত
----------
Section 320. Grievous hurt:
 The following kinds of hurt only are designated as "grievous":- 
Firstly.-Emasculation. 
Secondly.-Permanent privation of the sight of either eye. 
Thirdly.-Permanent privation of the hearing of either ear. 
Fourthly.-Privation of any member or joint. 
Fifthly.-Destruction or permanent impairing of the powers of any member or joint. 
Sixthly.-Permanent disfiguration of the head or face. 
Seventhly.-Fracture or dislocation of a bone or tooth. 
Eighthly.-Any hurt which endangers life or which causes the sufferer to be during the space of twenty days in severe bodily pain, or unable to follow his ordinary pursuits.
৩১৪.
‘ক' ' খ ' কে খুন করার জন্য ‘গ’ -কে প্ররোচিত করে । গ কাজটি করতে অস্বীকার করে। এই ক্ষেত্রে নিম্নলিখিত কোন বক্তব্যটি সত্য?
  1. যেহেতু খুন সংঘটিত হয়নি, তাই ক প্ররোচনার এর জন্য দোষী হবে না
  2. ক এবং খ উভয় অপরাধজনক ষড়যন্ত্রের জন্য দায়ী হবে
  3. যদিও গ কাজটি অস্বীকার করেছে, তবুও ক প্ররোচনার জন্য দায়ী হবে
  4. ক এবং গ এর সমান শাস্তি হবে
সঠিক উত্তর:
যদিও গ কাজটি অস্বীকার করেছে, তবুও ক প্ররোচনার জন্য দায়ী হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যদিও গ কাজটি অস্বীকার করেছে, তবুও ক প্ররোচনার জন্য দায়ী হবে
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধি, ১৮৬০ ধারা ১০৮, ব্যাখ্যা ২ অনুযায়ী,  যে অপরাধটি সংঘটনের জন্য প্ররোচনা করা হয়েছে তা না হলেও প্ররোচিত করার জন্য প্ররোচনাকারী [Abettor ] দোষী সাব্যস্ত হবে।
♦ তাই গ কাজটি করতে অস্বীকার করলেও ক খুন করার প্ররোচনার জন্য শাস্তি পাবে। যেহেতু গ কাজটি করেনি, তাই সে দায়ী হবে না।
৩১৫.
দণ্ডবিধি অনুযায়ী দণ্ডের মেয়াদের ভগ্নাংশ হিসাবের ক্ষেত্রে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডকে কত বছর ধরা হয়?
  1. ২০ বছর
  2. ২৫ বছর
  3. ৩০ বছর
  4. ৪০ বছর
সঠিক উত্তর:
৩০ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ যদিও প্রাথমিক অর্থে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বলতে আমৃত্যু কারাদণ্ডকে বোঝায়, কিন্তু দণ্ডবিধির ৫৭ ধারামতে দণ্ডের মেয়াদের ভগ্নাংশ হিসাবের ক্ষেত্রে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডকে ৩০ বছর ধরা হয়।

⇒ দণ্ডবিধির ৫৭ ধারায় বলা হয়েছে যে, দণ্ডের মেয়াদের ভগ্নাংশ হিসাবের ক্ষেত্রে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ৩০ বছর কারাদণ্ডের সমান বলে গণ্য হবে (In calculating fractions of terms of Punishment, imprisonment for life shall be reckoned as equivalent to rigorous imprisonment for thirty years)।
- সুতরাং দণ্ডবিধির ৫৭ ধারামতে শাস্তির ভগ্নাংশ হিসাব করতে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডকে ৩০ বছর ধরতে হবে।

বিষয়টি ব্যাখ্যা করা হল-
কোন অপরাধীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত করার পাশাপাশি দশ হাজার (১০,০০০/-) টাকা জরিমানা করা হলে। যদি অপরাধী জরিমানা দিতে ব্যর্থ হয় তাহলে অর্থদণ্ড অনাদায়ে কারাদণ্ড কত বছর হবে তা নির্দিষ্ট করে বলা যাবে না, কারণ যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের কোন নির্দিষ্ট মেয়াদ নেই কেননা কোন ব্যক্তি কতদিন বাঁচবে তা কেউ বলতে পারে না।
- এ রকম অনিশ্চয়তা দূর করতে অর্থাৎ যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রাপ্ত ব্যক্তির কারাদণ্ডের পাশাপাশি অর্থদণ্ড করা হলে উক্ত ব্যক্তির অর্থদণ্ড অনাদায়ে কারাদণ্ড কীভাবে নির্ধারিত হবে সে বিষয়ে দণ্ডবিধির ৫৭ ধারায় বলা রয়েছে যে, শুধুমাত্র শাস্তির ভগ্নাংশ হিসেব করতে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডকে ৩০ বছর ধরা হবে।
-----------------------
⇒ The Penal Code, 1860, Section-57: Fractions of terms of punishment:
-In calculating fractions of terms of punishment, imprisonment for life shall be reckoned as equivalent to rigorous imprisonment for thirty years.
৩১৬.
নিম্নের কোন ক্ষেত্র 'মানহানির' অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে না?
  1. জনগণের কল্যাণের জন্য কারো প্রতি সত্য-দোষারোপ করা হলে
  2. কোন আদালতের কার্য বিবরণীর রিপোর্ট প্রকাশ করা হলে
  3. অন্যের উপর আইনসম্মতভাবে ক্ষমতা রয়েছে এমন ব্যক্তি সরল বিশ্বাসে কোন নিন্দা করলে
  4. উল্লিখিত সকল ক্ষেত্র
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল ক্ষেত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল ক্ষেত্র
ব্যাখ্যা
মানহানি:
কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তির খ্যাতি বা সুনাম নষ্ট করার উদ্দেশ্যে বা তার খ্যাতি বা সুনাম নষ্ট হবে বলে জানা সত্ত্বেও বা তার বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও কথিত বা পঠিত হওয়ার জন্য অভিপ্রেত কথা বা চিহ্ন কর্তৃক বা দৃশ্যমান কল্পমূর্তির সাহায্যে সে ব্যক্তি সম্পর্কিত কোন নিন্দাবাদ প্রণয়ন বা প্রকাশ করে, তবে নিম্নে নির্দেশিত ব্যতিক্রমসমূহ ছাড়াই অন্যান্য ক্ষেত্রে, সে ব্যক্তি উক্ত অন্য ব্যক্তির মানহানি করে বলে পরিগণিত হয়।

ব্যতিক্রম (Exception):
৪৯৯ ধারায় মানহানির ১০ টি ব্যতিক্রম (Exception) রয়েছে অর্থাৎ এই ১০ টি ক্ষেত্রে কোন মানহানিকর উক্তি বা তথ্য প্রকাশ করা হলেও মানহানির অপরাধ হবে না-

১) জনস্বার্থে বা জনগণের কল্যাণের জন্য কারো প্রতি সত্য-দোষারোপ করা হলে;
২) জনগণের প্রতি সরকারি কর্মচারীর আচরণ সম্পর্কে সৎ বিশ্বাসে কোন অভিমত প্রকাশ করা হলে;
৩) কোন জনসমস্যা/গণসমস্যা সম্পর্কে কোন ব্যক্তির আচরণ সম্পর্কে সৎ বিশ্বাসে অভিমত প্রকাশ করা হলে;
৪) কোন আদালতের কার্য বিবরণীর রিপোর্ট প্রকাশ করা হলে;
৫) আদালত কর্তৃক সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে এমন কোন ফৌজদারি বা দেওয়ানি মোকদ্দমার দোষ, গুণ বা সাক্ষী বা সাক্ষ্যের সম্পর্কে সৎ বিশ্বাসে কোন অভিমত প্রকাশ করা হলে;

৬) কোন বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়ার ভার জনগণের উপর ন্যস্ত করা হলে তখন এ বিষয়ে সৎ বিশ্বাসে অভিমত প্রকাশ করা হলে, যেমন- কোন ব্যক্তি কোন বই প্রকাশ করলে বা প্রকাশ্য স্থানে বক্তৃতা দিলে তখন তা বিচার করার জন্য জনগণের কাছে উপস্থাপন করা হয়েছে বলে গণ্য করা হবে;
৭) অন্যের উপর আইনসম্মতভাবে ক্ষমতা রয়েছে এমন ব্যক্তি সরল বিশ্বাসে কোন নিন্দা করলে;
৮) ক্ষমতাসম্পন্ন কোন ব্যক্তির নিকট সৎ বিশ্বাসে অভিমত দেয়া হলে;
৯) কোন ব্যক্তি নিজের বা অন্যের স্বার্থ রক্ষা করতে গিয়ে বা জনস্বার্থে সৎ বিশ্বাসে কোন দোষারোপ করলে;
১০) জনকল্যাণে সৎ বিশ্বাসে কোন ব্যক্তিকে সতর্ক করে কিছু বলা হলে।
৩১৭.
দণ্ডবিধির ৩৭৯ ধারা অনুসারে, চুরির সর্বোচ্চ কারাদণ্ডের মেয়াদ কত?
  1. ১ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৫ বছর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৭৯ ধারা অনুসারে, চুরি করার জন্য সর্বোচ্চ কারাদণ্ডের মেয়াদ ৩ বছর হতে পারে। এছাড়া, শাস্তি হিসেবে অর্থ দণ্ডও প্রদান করা যেতে পারে বা উভয় দণ্ডও হতে পারে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৭৯ ধারার বিধান চুরি করার সাজা:- কোন ব্যক্তি যদি চুরি করে, তবে সে ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
----------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 379 Punishment for theft: Whoever commits theft shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, or with fine, or with both.
৩১৮.
অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎ এর ক্ষেত্রে অপরাধী প্রাথমিকভাবে সম্পত্তির দখল গ্রহণ করে-
  1. বিশ্বাসভরে
  2. অসাধুভাবে
  3. সরল বিশ্বাসে
  4. প্রতারণামূলকভাবে
সঠিক উত্তর:
সরল বিশ্বাসে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরল বিশ্বাসে
ব্যাখ্যা
⇒ অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাতের সংজ্ঞা (Dishonestly misappropriation of property)- স্বাভাবিকভাবে বা দৈবচক্রে কোন সম্পত্তি দখলে আসার পর, প্রকৃত মালিকের খোঁজ খবর না নিয়েই অথবা প্রকৃত মালিকের সন্ধান পাওয়া গেলে তাকে উক্ত সম্পত্তি ফেরত না দিয়ে নিজে ভোগ করলে তা অসাধুভাবে আত্মসাৎ হবে।
⇒ প্রাথমিকভাবে সম্পত্তি গ্রহণ করলেই তা অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎকরণ হবে না বরং পরবর্তীতে যখনই সম্পত্তিটি অসাধুভাবে নিজ ব্যবহারে পরিণত করা হয়, তখনই তা অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎকরণ বলে গণ্য হবে।
অর্থাৎ, সরল বিশ্বাসে বা সৎ উদ্দেশ্যে প্রাথমিকভাবে সম্পত্তির দখল গ্রহণ করে পরে সম্পত্তি ফেরত না দিয়ে নিজে ভোগ করাই অসাধুভাবে আত্মসাৎ।
⇒ যেমন- 'A' নিজের মনে করে 'X'-এর সম্পত্তি সরল মনে 'X'-এর দখল হতে নিয়ে যায়। এক্ষেত্রে 'A' চুরির জন্য দায়ী হবে হবে না: কিন্তু যদি 'A' নিজের ভুল বোঝার পরেও অসাধুভাবে সম্পত্তিটি তার নিজের ব্যবহারের জন্য আত্মসাৎ করে, সেক্ষেত্রে 'A' অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাতের অপরাধে দায়ী হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ৪০৩ ধারার বিধান অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎ:- কোন ব্যক্তি যদি অসাধুভাবে কোন অস্থাবর সম্পত্তি আত্মসাৎ করে অথবা উহা তার নিজের ব্যবহারে প্রয়োগ করে, তবে উক্ত ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

ব্যাখ্যা ১:- কিছু সময়ের জন্য একটি অসাধু আত্মসাৎও এই ধারা অনুযায়ী আত্মসাৎ বলে পরিগণিত হবে।
ব্যাখ্যা ২:- কোন ব্যক্তি যদি কোন সম্পত্তি কারো দখলে নাই দেখতে পেয়ে সম্পত্তিটি উহার মালিকের স্বপক্ষে সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে অথবা মালিককে প্রত্যর্পণের উদ্দেশ্যে উহা নিয়ে যায়, তবে সে অসাধুভাবে উহা নিয়ে গিয়েছে বা আত্মসাৎ করেছে বলে পরিগণিত হবে না এবং কোন অপরাধে অপরাধী হবে না; কিন্তু সে উপরে বর্ণিত অপরাধে অপরাধী হবে যদি সে সম্পত্তিটির মালিককে জানা সত্ত্বেও বা মালিককে খুঁজে বাহির করার উপায় থাকা সত্ত্বেও উহা নিজের কাজে ব্যবহার করে, অথবা যদি সে মালিককে খুঁজে বাহির করার ও তাকে বিজ্ঞাপিত করার জন্য যুক্তিসঙ্গত মাধ্যম অবলম্বনের উদ্দেশ্যে যথোপযুক্ত সময় পর্যন্ত সম্পত্তিটি সংরক্ষণ না করে উহা তার নিজের কাজে ব্যবহার করে।

অনুরূপ ক্ষেত্রে যুক্তিসঙ্গত মাধ্যম কি এবং যথোপযুক্ত সময় কত দীর্ঘ হবে তা একটি ঘটনাগত প্রশ্ন। সম্পত্তিটি প্রাপকের পক্ষে উহার যথার্থ মালিককে তা জানার বা কোন বিশেষ ব্যক্তি যে উহার মালিক তা জানার আবশ্যক নাই; যদি সে সম্পত্তিটি আত্মসাৎ করার সময় উহা যে তার নয় তা বিশ্বাস করে বা সরল মনে বিশ্বাস করে যে, প্রকৃত মালিককে খুঁজে বাহির করা সম্ভব নয়, তবে তাই যথেষ্ট হবে।
৩১৯.
দণ্ডবিধির ৫৫ক ধারা অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির "prerogative" বা বিশেষ অধিকারের মধ্যে নিচের কোনটি অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. ক্ষমা প্রদান
  2. দণ্ড স্থগিত করা
  3. শাস্তি হ্রাস করা
  4. রায় বাতিল করা
সঠিক উত্তর:
রায় বাতিল করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রায় বাতিল করা
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৫৫ক-এ রাষ্ট্রপতির বিশেষ অধিকার হিসেবে ক্ষমা প্রদান (grant pardons), দণ্ড স্থগিত (reprieves), মুলতুবি (respites) বা শাস্তি হ্রাস/মওকুফ (remissions of punishment)-এর কথা উল্লেখ করা হয়েছে। রায় বাতিল করা রাষ্ট্রপতির এই বিশেষ অধিকারের আওতাভুক্ত নয়। রায় বাতিল বা পরিবর্তন করার ক্ষমতা আদালতের এখতিয়ারভুক্ত (যেমন: আপিল, পুনর্বিবেচনা ইত্যাদি)।
রাষ্ট্রপতি শাস্তি হ্রাস বা ক্ষমা করতে পারেন, কিন্তু আদালতের দেওয়া রায় বা দণ্ডাদেশ আইনগতভাবে বাতিল করতে পারেন না।
- সুতরাং, ঘ) রায় বাতিল করা সঠিক উত্তর, কারণ এটি রাষ্ট্রপতির "prerogative" অধিকারের অংশ নয়।

⇒ দণ্ডবিধির  ৫৫ক ধারার বিধান রাষ্ট্রপতির বিশেষ অধিকার সংরক্ষণ:- ৫৪ ধারা বা ৫৫ ধারার কোন বিধান দ্বারাই রাষ্ট্রপতির ক্ষমা প্রদর্শন, মৃত্যুদণ্ড মওকুফ বা স্থগিত করা বা দণ্ডাজ্ঞা হ্রাসের অধিকার ক্ষুন্ন হবে না। 
--------- 
⇒ The Penal Code,1860- Section 55A. Saving for President prerogative:- Nothing in section fifty- four or section fifty-five shall derogate from the right of the President to grant pardons, reprieves, respites or remissions of punishment.

৩২০.
দণ্ডবিধির ৩০০ ধারার ব্যতিক্রম কয়টি?
  1. ৩ টি
  2. ৪ টি
  3. ৫ টি
  4. ৬ টি
সঠিক উত্তর:
৫ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ টি
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩০০ ধারার ৫টি ব্যতিক্রম রয়েছে, যখন নিন্দনীয় নরহত্যা খুন বলে বিবেচিত হবে না। 

⇒ দণ্ডবিধির ৩০০ ধারার বিধান খুন:- খুনের সবক্ষেত্রে ব্যতিক্রম নির্দেশ করা হয়েছে। সে সকল ক্ষেত্র ব্যতীত অন্যান্য সকল ক্ষেত্রে শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুন হবে, যদি যে কার্যটি কর্তৃক মৃত্যু অনুষ্ঠিত হয়, সে কার্যটি মৃত্যু সংঘটনের জন্যই করা হয়ে থাকে, অথবা

দ্বিতীয়ত, যদি কার্যটি কোন ব্যক্তিকে এমনভাবে দৈহিক আঘাত দেওয়ার উদ্দেশ্যে করা হয়ে থাকে, যে আঘাতের ফলে যে ব্যক্তিকে আঘাত দেওয়া হল, সে ব্যক্তির মৃত্যু হতে পারে বলে অপরাধী জানে, অথবা

তৃতীয়ত, যদি কোন ব্যক্তিকে দৈহিক আঘাত দানের উদ্দেশ্যে কার্যটি করা হয় এবং যদি যে দৈহিক আঘাত দেওয়ার অভিসন্ধি করা হয়েছে, সে আঘাতটি প্রকৃতির স্বাভাবিক গতিতে মৃত্যু ঘটাবার পক্ষে যথেষ্ট হয়, অথবা

চতুর্থত, যদি যে ব্যক্তি কার্যটি অনুষ্ঠান করে সে ব্যক্তি জানে যে, কার্যটি এমন আশু বিপজ্জনক যে, ইহার দরুণ খুব সম্ভব মৃত্যু ঘটবে, অথবা ইহার দরুণ অবশ্যই এমন দৈহিক আঘাত ঘটবে, যার ফলে মৃত্যু ঘটতে পারে এবং মৃত্যু ঘটাবার বা অনুরূপ দৈহিক আঘাত ঘটাবার ঝুঁকি গ্রহণের অপর কোন অজুহাত ব্যতিরেকে অনুরূপ কার্য করে।

⇒ ব্যতিক্রম ১:- যেক্ষেত্রে শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুন পরিগণিত হবে নাঃ- শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি মারাত্মক ও আকস্মিক প্ররোচনার ফলে অপরাধী আত্ম-সংযমশক্তি হারাইয়া ফেলে এবং যে ব্যক্তি প্ররোচনা দান করেছে, সে ব্যক্তির মৃত্যু ঘটায় অথবা ভুলক্রমে বা দুর্ঘটনাক্রমে অপর কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটায়।
উপরোক্ত ব্যতিক্রমটি নিম্নোক্ত শর্তাবলী সাপেক্ষে:-
প্রথমত, প্ররোচনাটি কোন ব্যক্তিকে হত্যা করার বা তার ক্ষতি সাধনের অজুহাতস্বরূপ অপরাধী কর্তৃক স্বয়ং প্রার্থীত বা প্ররোচিত হতে পারবে না।
দ্বিতীয়ত, উক্ত প্ররোচনাটি আইনানুসারে কৃত কোন কার্য দ্বারা বা কোন সরকারী কর্মচারীর সরকারী কর্মচারী হিসেবে যথাযোগ্য ক্ষমতাবলীর আইনসম্মত প্রয়োগসঞ্জাত হতে পারবে না।
তৃতীয়ত, প্ররোচনা আত্মরক্ষার ব্যক্তিগত অধিকারের আইনসম্মত প্রয়োগক্রমে সম্পাদিত কোন কার্য পালন হতে পারবে না।
ব্যাখ্যা:- প্ররোচনাটি এমন মারাত্মক ও আকস্মিক ছিল কিনা, যার ফলে অপরাধটি খুনের শামিল হবে না, তা একটি ঘটনাগত প্রশ্ন।

⇒ ব্যতিক্রম ২:- শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি অপরাধী সরল মনে তার আত্মরক্ষার অথবা সম্পত্তি রক্ষার ব্যক্তিগত অধিকার প্রয়োগক্রমে তাকে আইন প্রদত্ত ক্ষমতার সীমা অতিক্রম করে এবং যার বিরুদ্ধে সে এই অধিকার প্রয়োগ করে, কোনরূপ পূর্ব-পরিকল্পনা ব্যতীত অথবা অনুরূপ অধিকার রক্ষার জন্য যতটুকু ক্ষতিসাধন করা আবশ্যক, তদপেক্ষা বেশি ক্ষতি সাধনের ইচ্ছা ব্যতিরেকে, তার মৃত্যু ঘটায়।

⇒ ব্যতিক্রম ৩:- শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি দোষী একজন সরকারী কর্মচারী হিসেবে অথবা সরকারী কর্মচারীর সহায়তাকারী হিসেবে তাকে প্রদত্ত আইনানুগ ক্ষমতার সীমা অতিক্রম করে এবং এমন একটি কাজ সম্পাদন করে মত্যু ঘটায়, যা সে অনুরূপ সরকারী কর্মচারীর দায়িত্ব সুষ্ঠুভাবে সম্পাদন করার জন্য আবশ্যকীয় ও আইনসম্মত বলে সরল মনে বিশ্বাস করে এবং সে ব্যক্তির মৃত্যু ঘটলে তার প্রতি কোনরূপ দুরভিসন্ধি ছাড়াই কার্যটি করে।

⇒ ব্যতিক্রম ৪ :- শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি অপরাধটি কোন আকস্মিক বিবাদের সময় আকস্মিক উত্তেজনার কারণে কোনরূপ পূর্ব পরিকল্পনা ছাড়াই সংঘটিত হয় এবং অপরাধী কোন অন্যায় সুযোগ গ্রহণ না করে থাকে অথবা নিষ্ঠুরভাবে বা অস্বাভাবিকভাবে কার্য না করে থাকে।
ব্যাখ্যা:- এইরূপ ক্ষেত্রে কোন পক্ষ প্রথম উস্কানি দেয় বা প্রথম আঘাত করে, তা আদৌ গুরুত্বপূর্ণ নয়।

⇒ ব্যতিক্রম ৫:- শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি সে ব্যক্তির মৃত্যু হয়, সে ব্যক্তি আঠারো বৎসরের উর্ধ্ব বয়স্ক হলে স্বেচ্ছায় স্বীয় সম্মতিক্রমে মৃত্যুবরণ করে বা মৃত্যুর ঝুঁকি গ্রহণ করে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩০০ ধারার ২য় অংশ বা ব্যতিক্রম (Exception) অনুযায়ী ৫টি ক্ষেত্রে নিন্দনীয় নরহত্যা খুন বলে গণ্য হবে না।
৩২১.
The Penal Code, 1860 অনুসারে কোন অপরাধে অর্থদণ্ডের সুনির্দিষ্ট পরিমাণ উল্লেখ নাই?
  1. অবৈধ বাধাদান
  2. স্বেচ্ছাকৃত আঘাত দান
  3. মারামারি
  4. দাঙ্গা
সঠিক উত্তর:
দাঙ্গা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দাঙ্গা
ব্যাখ্যা
• ধারা: ৩৪১ - অবৈধ বাধাদানের শাস্তি:
কোন ব্যক্তি যদি কোন ব্যক্তিকে অবৈধভাবে নিয়ন্ত্রণ করে, তবে সে ব্যক্তি একমাস পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা পাচশত টাকা পর্যন্ত যেকোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

• ধারা: ৩২৩ - স্বেচ্ছাকৃতভাবে আঘাত দানের শাস্তি:
যদি কেউ ৩৩৪ ধারায় উল্লেখিত ক্ষেত্র ছাড়াই অপর কোন ক্ষেত্রে ইচ্ছাকৃতভাবে আঘাত দেয়, তবে উক্ত ব্যক্তি এক বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা এক হাজার টাকা পরিমাণ অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

• ধারা: ১৬০- মারামারির শাস্তি:
কোন ব্যক্তি যদি মারামারির অপরাধ সংঘটন করে, তবে সে ব্যক্তি এক মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা একশত টাকা পর্যন্ত যে কোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

ধারা: ১৪৭ - দাঙ্গার শাস্তি:
কোন ব্যক্তি দাঙ্গার অপরাধে অপরাধী সাব্যস্ত হলে, তাকে দুই বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম কিংবা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত করা যাবে।

সুতরাং, The Penal Code, 1860 অনুসারে দাঙ্গার অপরাধে অর্থদণ্ডের সুনির্দিষ্ট পরিমাণ উল্লেখ নাই।
৩২২.
'গ'-কে গুরুতর জখম করার জন্য 'ক', 'খ'-কে প্ররোচিত করে। 'খ' উক্ত প্ররোচনার ফলে 'গ'-কে গুরুতর জখম করে ফলে 'গ' মারা যায়, 'ক' জানতো যে প্ররোচিত গুরুতর জখমের কার্যটি সম্ভাব্য মৃত্যু ঘটাবে। এই ক্ষেত্রে-
  1. ক শুধুমাত্র গুরুতর জখমে প্ররোচনার জন্য দণ্ডিত হবে
  2. ক খুনের জন্য দণ্ডিত হবেনা শুধুমাত্র জখমের জন্য দণ্ডিত হবে
  3. ক গুরুতর জখম এবং খুন উভয়ের জন্য দণ্ডিত হবে
  4. ক খুনে সহায়তার জন্য দণ্ডিত হবে
সঠিক উত্তর:
ক খুনে সহায়তার জন্য দণ্ডিত হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক খুনে সহায়তার জন্য দণ্ডিত হবে
ব্যাখ্যা
♦ যেহেতু ক জানতো যে প্ররোচিত গুরুতর জখমের কার্যটি সম্ভাব্য মৃত্যু ঘটাবে তাই ক খুনে সহায়তার জন্য দণ্ডিত হবে এবং ক খুনের জন্য নির্ধারিত শাস্তি পাবে।

♦ দণ্ডবিধির ১১৩ ধারার বিধান সাহায্যকৃত কার্যের কারণে দুষ্কর্মে সহায়তাকারী কর্তৃক অভিপ্রেত পরিণতি হইতে ভিন্ন পরিণতির ক্ষেত্রে দুষমের্মে সহায়তাকারীর দায়িত্ব:
- একটি কাজের জন্য সহায়তা করার ফলে-এবং সে কাজটি যদি এমন হয় যে, তাতে সহায়তা করলে সহায়তাকারী সহায়তার জন্য দায়ী হবেসহায়তাকার কাজটি সম্পাদনে যে ফল সৃষ্ট হবে বলে প্রত্যাশা বা উদ্দেশ্য করেছিল সৃষ্ট ফল যদি তার সে উদ্দিষ্ট বিশেষ ফল হতে ভিন্ন হয়, তবে সৃষ্ট ফল প্রত্যাশা বা উদেম পর্যন্ত দণ্ডিত হত, এই ক্ষেত্রেও সে সেভাবে ততদূর পর্যন্তই দণ্ডিত হবে। তবে শর্ত থাকে যে, যে কার্যটিতে সহায়তাকারী সহায়তা করেছে তার কর্তৃক যে ফল সৃষ্ট হয়েছে সহায়তাকৃত কাজটি সম্পাদনে সে ফল সৃষ্টি হতে পারে বলে সহায়তাকারীর জানা ছিল।

♦ উদাহরণ:
- চ-কে গুরুতররূপে আঘাত করার জন্য ক খ-কে প্ররোচনা দেয়। তার প্ররোচনায় প্ররোচিত হয়ে খ চ- কে গুরুতর আঘাত করে এবং ফলে চ-এর মৃত্যু ঘটে। এই ক্ষেত্রে খ কে প্ররোচনা দেওয়ার সময় ক-এর যদি জানা থেকে থাকে যে, গুরুতররূপে আঘাত করার জন্য প্ররোচিত কাজটি সম্পাদনের ফলে চ-এর মৃত্যু হতে পারে, তবে ক খুনের অপরাধের জন্য বিহিত দণ্ডে দণ্ডিত হবে।
৩২৩.
১৫ বছর বয়সী রিপন একজন উন্মাদ ব্যক্তি। তার চাচা সজীব তাকে বুঝিয়ে-সুঝিয়ে বিষ খেতে সহায়তা করে। রিপন সেই বিষ খেয়ে আত্মহত্যা করে। সজীব এই কাজের জন্য কোন ধরনের শাস্তি পেতে পারে?
  1. মৃত্যুদণ্ড
  2. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  3. অনধিক ১০ বছর কারাদণ্ড
  4. উপরের যে কোনোটিই হতে পারে
সঠিক উত্তর:
উপরের যে কোনোটিই হতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের যে কোনোটিই হতে পারে
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৩০৫ ধারা- শিশুর বা উন্মাদ ব্যক্তির আত্মহত্যায় সহায়তা বা প্ররোচনা দান:
যদি আঠারো বৎসরের কম বয়স্ক কোন ব্যক্তি, কোন উন্মাদ ব্যক্তি, প্রলাপগ্রস্ত ব্যক্তি, নির্বোধ ব্যক্তি, বা কোন ব্যক্তি নেশাগ্রস্ত অবস্থায় আত্মহত্যা করে, তবে যে ব্যক্তি এই আত্মহত্যায় সহায়তা বা প্ররোচনা দান করে, সে ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা অনধিক দশ বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

Section 305: Abetment of suicide of child or insane person:
If any person under eighteen years of age, any insane person, any delirious person, any idiot, or any person in a state of intoxication commits suicide, whoever abets the commission of such suicide shall be punished with death or imprisonment for life, or imprisonment for a term not exceeding ten years, and shall also be liable to fine.
৩২৪.
দণ্ডবিধির ২৩০ ধারা অনুসারে, নিচের কোনটি মুদ্রা নয়?
  1. বাংলাদেশি টাকা
  2. কড়ি
  3. স্ট্যাম্পযুক্ত ধাতবদ্রব্য
  4. ফারুখাবাদ টাকা
সঠিক উত্তর:
কড়ি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কড়ি
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ২৩০ ধারা অনুসারে, 'মুদ্রা' বলতে সেই ধাতব দ্রব্যকে বোঝায় যা অর্থরূপে ব্যবহৃত হয় এবং কোনো রাষ্ট্র বা সার্বভৌম শক্তি কর্তৃক স্ট্যাম্পযুক্ত ও ইস্যুকৃত হয়।
ক) বাংলাদেশি টাকা: এটি মুদ্রা, কারণ এটি বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক স্ট্যাম্পযুক্ত ও ইস্যুকৃত এবং অর্থরূপে ব্যবহৃত হয়।
খ) কড়ি: এটি মুদ্রা নয়, কারণ এটি ধাতব দ্রব্য নয় এবং কোনো রাষ্ট্র বা সার্বভৌম শক্তি কর্তৃক স্ট্যাম্পযুক্ত ও ইস্যুকৃত হয়নি।
গ) স্ট্যাম্পযুক্ত ধাতবদ্রব্য: এটি মুদ্রা হতে পারে যদি এটি কোনো রাষ্ট্র বা সার্বভৌম শক্তি কর্তৃক স্ট্যাম্পযুক্ত ও ইস্যুকৃত হয় এবং অর্থরূপে ব্যবহৃত হয়।
ঘ) ফারুখাবাদ টাকা: এটি মুদ্রা, কারণ এটি পূর্বে ভারত সরকার কর্তৃক স্ট্যাম্পযুক্ত ও ইস্যুকৃত হয়েছিল এবং অর্থরূপে ব্যবহৃত হতো।

উদাহরণ:
দণ্ডবিধির ২৩০ ধারার উদাহরণ (Illustration) অনুসারে, কড়ি (Cowries) মুদ্রা নয়, কারণ এটি ধাতব দ্রব্য নয় এবং কোনো রাষ্ট্র বা সার্বভৌম শক্তি কর্তৃক স্ট্যাম্পযুক্ত ও ইস্যুকৃত হয়নি।
সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো খ) কড়ি।

⇒ দণ্ডবিধির ২৩০ ধারার বিধান: 'মুদ্রার' সংজ্ঞা:- বর্তমানে অর্থরূপে ব্যবহৃত এবং অনুরূপে ব্যবহৃত হওয়ার জন্য কোন রাষ্ট্রে বা সার্বভৌম শক্তির ক্ষমতাধীনে স্ট্যাম্পযুক্ত ও ইস্যুকৃত ধাতব দ্রব্যকে মুদ্রা বলে।
বাংলাদেশি মুদ্রা (Bangladesh Coin):-
বাংলাদেশি মুদ্রা বলতে বাংলাদেশের সরকারের ক্ষমতাধীন অর্থরুপে ব্যবহারের জন্য স্ট্যাম্পযুক্ত ও ইস্যুকৃত ধাতবদ্রব্য বুঝাবে, এবং অর্থরুপে, ব্যবহার রহিত হওয়া সত্ত্বেও এই অধ্যায়ের উদ্দেশ্যাবলীর দিক হতে অনুরূপভাবে স্ট্যাম্পযুক্ত ও ইস্যুকৃত ধাতব দ্রব্য বাংলাদেশি মুদ্রা বলে পরিচিত হবে।
উদাহরণ:
(ক) কড়িগুলো মুদ্রা নয়।
(খ) স্ট্যাম্পবিহীন তাম্রখণ্ড অর্থরুপে ব্যবহৃত হয়ে থাকলেও মুদ্রা নয়।
(গ) পদকগুলো মুদ্রা নয়, যেহেতু উহা অর্থরুপে ব্যবহারের জন্য নির্মিত হয় নাই।
(ঘ) কোম্পানির টাকা বলে অঙ্কিত মুদ্রা রানীর মুদ্রা বলে পরিগণিত হবে।
(ঙ) "ফারুখাবাদ” টাকা যা পূর্বে ভারত সরকারের ক্ষমতাধীনে অর্থরুপে ব্যবহৃত হত-তবুও বাংলাদেশি মুদ্রা, যদিও এটা আজও অনুরূপভাবে ব্যবহৃত হয় না।
-------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 230: “Coin” defined Bangladesh coin: Coin is metal used for the time being as money, and stamped and issued by the authority of some State or Sovereign Power in order to be so used.
- Bangladesh coin is metal stamped and issued by the authority of the Government in order to be used as money; and metal which has been so stamped and issued shall continue to be Bangladesh coin for the purposes of this Chapter, notwithstanding that it may have ceased to be used as money.

Illustration:
(a) Cowries are not coin.
(b) Lumps of unstamped copper, though used as money, are not coin.
(c) Medals are not coin, inasmuch as they are not intended to be used as money.
(d) The coin denominated as the Company's taka is the Queen's coin.
(e) The "Farukhabad" taka, which was formerly used as money under the authority of the Government of India, is Bangladesh coin although it is no longer so used.
৩২৫.
দণ্ডবিধির কত ধারায় স্ত্রীলোকের সম্মতি ছাড়া গর্ভপাত করানোর শাস্তির বিধান আছে?
  1. ৩০৩ ধারা
  2. ৩১৩ ধারা
  3. ১৩৩ ধারা
  4. ৩১৫ ধারা
সঠিক উত্তর:
৩১৩ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩১৩ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩১৩ ধারার বিধান স্ত্রীলোকের সম্মতি ছাড়া গর্ভপাত করণ:- কোন ব্যক্তি যদি পূর্ববর্তী ধারায় বর্ণিত অপরাধটি সংশ্লিষ্ট স্ত্রীলোকের সম্মতি ছাড়া সম্পাদন করে স্ত্রীলোকটি আসন্ন প্রসবা হোক বা না হোক- তবে সে ব্যক্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।
-----------------------
⇒ Section 313: Causing miscarriage without women's consent:
Whoever commits the offence defined in the last preceding section without the consent of the woman, whether the woman is quick with child or not, shall be punished with imprisonment for life, or with imprisonment of either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine.
৩২৬.
'Fraudulently’- এর সংজ্ঞা দণ্ডবিধির কত ধারায় দেয়া আছে?
  1. ২২ ধারায়
  2. ২৩ ধারায়
  3. ২৪ ধারায়
  4. ২৫ ধারায়
সঠিক উত্তর:
২৫ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫ ধারায়
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধি, ১৮৬০ - ধারা ২৫: "প্রতারণাপূর্বক" (Fraudulently)-
যদি কোন ব্যক্তি কোন কাজ প্রতারণার অভিপ্রায়ে করে, তবে এবং কেবলমাত্র তখনই সেই ব্যক্তি উক্ত কাজটি ‘প্রতারণাপূর্বক’ করেছে বলে গণ্য হবে।
[A person is said to do a thing fraudulently if he does that thing with intent to defraud but not otherwise.]
৩২৭.
'ক' ঘুসি মেরে 'খ' এর দাঁত ফেলে দেয়। 'ক' এর কৃত অপরাধ হল-
  1. সাধারণ জখম
  2. হত্যার চেষ্টা
  3. মারাত্মক জখম
  4. অনিচ্ছাকৃত জখম
সঠিক উত্তর:
মারাত্মক জখম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মারাত্মক জখম
ব্যাখ্যা
⇒ The Penal Code, 1860 এর ৩২০ ধারা অনুযায়ী ৮ শ্রেণির আঘাতকে গুরুতর আঘাত বলা হয়েছে। যথা:
(i) পুরুষত্বহীনকরণ
(ii) স্থায়ীভাবে চোখের দৃষ্টি রহিতকরণ
(iii) স্থায়ীভাবে কানের শ্রুতিশক্তি রহিতকরণ
(iv) যে কোন অঙ্গ বা গ্রন্থির অনিষ্ট সাধন
(v) যে কোন অঙ্গ বা গ্রন্থির স্থায়ী ক্ষতিকরণ
(vi) মাথা বা মুখমন্ডলের স্থায়ী বিকৃতি
(vii) হাড় বা দাঁত ভাঙ্গা
(viii) কোন ব্যক্তিকে ২০ পর্যন্ত তীব্র যন্ত্রণা দেয় এমন আঘাত।

⇒ দণ্ডবিধির ৩২০ ধারার বিধান গুরুতর আঘাত:- শুধু নিম্নলিখিত আঘাতসমূহকেই "গুরুতর" বলে পরিগণিত করা যায়:-
প্রথমত, পুরুষত্বহীন করণ।
দ্বিতীয়ত, যেকোন চোখের জ্যোতি বা দৃষ্টিশক্তি চিরতরে নষ্ট করণ।
তৃতীয়ত, যেকোন কর্ণের শ্রবণশক্তি স্থায়ীভাবে নষ্ট করণ।
চতুর্থত, যেকোন অঙ্গ বা গ্রন্থির অনিষ্ট সাধন।
পঞ্চমত, যেকোন অঙ্গের বা গ্রন্থির শক্তিসমূহ ধ্বংস করণ বা চিরতরে খর্ব করণ।
ষষ্ঠত, মাথা বা মুখমণ্ডল স্থায়ীভাবে বিকৃত করণ।
সপ্তম, কোন অস্থি বা দন্ত ভগ্ন বা স্থানচ্যুত করণ।
অষ্টম, এমন কোন আঘাত যা জীবন সংশয় সৃষ্টি করে বা যাতে আহত ব্যক্তি বিশ দিন পর্যন্ত প্রচণ্ড দৈহিক যন্ত্রণা ভোগ করে বা সাধারণ কাজকর্ম করতে অপারগ হয়।
-----------
⇒ Grievous hurt:
Section 320. The following kinds of hurt only are designated as "grievous":- 
Firstly.-Emasculation. 
Secondly.-Permanent privation of the sight of either eye. 
Thirdly.-Permanent privation of the hearing of either ear. 
Fourthly.-Privation of any member or joint. 
Fifthly.-Destruction or permanent impairing of the powers of any member or joint. 
Sixthly.-Permanent disfiguration of the head or face. 
Seventhly.-Fracture or dislocation of a bone or tooth. 
Eighthly.-Any hurt which endangers life or which causes the sufferer to be during the space of twenty days in severe bodily pain, or unable to follow his ordinary pursuits.
৩২৮.
‘A’ একজন ১২ বছর বয়সী ছেলেকে তার আইনি অভিভাবকের সম্মতি ছাড়া তাদের বাড়ি থেকে নিয়ে যায়। দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৩৬৩ অনুসারে এই অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ১০ বছরের কারাদণ্ড
  2. ৭ বছরের কারাদণ্ড
  3. ৩ বছরের কারাদণ্ড
  4. ১ বছরের কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
৭ বছরের কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৩৬৩ অনুসারে, কোনো ব্যক্তিকে বাংলাদেশ থেকে বা আইনি অভিভাবকের তত্ত্বাবধান থেকে অপহরণ করলে শাস্তি ৭ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং জরিমানা। এখানে, ‘A’ একজন ১২ বছর বয়সী ছেলেকে তার আইনি অভিভাবকের সম্মতি ছাড়া নিয়ে গেছে, যা ধারা ৩৬১-এর অধীনে আইনি অভিভাবকের তত্ত্বাবধান থেকে অপহরণ হিসেবে গণ্য। তাই, ধারা ৩৬৩ অনুসারে সর্বোচ্চ শাস্তি ৭ বছরের কারাদণ্ড এবং জরিমানা।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৬৩ ধারার বিধান মনুষ্য হরণের সাজা:- কোন ব্যক্তি যদি কাউকে বাংলাদেশ হতে অথবা আইনসম্মত অভিভাবকত্ব হতে অপহরণ করে নিয়ে যায়, তবে সে ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।
-------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 363. Punishment for kidnapping:- Whoever kidnaps any person from Bangladesh or from lawful guardianship, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine.

৩২৯.
The Penal Code, 1860 এর কোন ধারায় অসাধুভাবে আদালতে মিথ্যা দাবি উথাপন করার শাস্তির বিধান রয়েছে?
  1. ২০৭
  2. ২০৮
  3. ২০৯
  4. ২১৩
সঠিক উত্তর:
২০৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০৯
ব্যাখ্যা
♦দণ্ডবিধির ২০৯ ধারা অনুসারে, অসাধুভাবে আদালতে মিথ্যা দাবী উত্থাপন করার জন্য কোন ব্যক্তি যেকোন বর্ণনার কারাবাস যা ২ বৎসর পর্যন্ত হতে পারে এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবে।
৩৩০.
দণ্ডবিধির কত ধারায় শাস্তির প্রকারভেদ রয়েছে?
  1. ৫১ ধারায়
  2. ৫৩ ধারায়
  3. ৫৩ক ধারায়
  4. ৭৩ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৫৩ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৩ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধি মূলত দণ্ড সম্পর্কিত আইন, দণ্ডবিধির ৫৩ ধারায় শাস্তির প্রকারভেদ রয়েছে। ৫৩ ধারায় পাঁচ প্রকার শাস্তি উল্লেখ আছে। যথা:
      (i)  মৃত্যুদণ্ড (Death penalty)
      (ii) যাবজ্জীবন কারাদণ্ড (Imprisonment for life)
      (iii) কারাদণ্ড(Imprisonment) দুই প্রকার:
           ক) সশ্রম( Rigorous, that is,  with hard labour) এবং
           খ) বিনাশ্রম (Simple)
      (iv) সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত (forfeiture of property)
      (v) অর্থদণ্ড (fine)
-দণ্ডবিধির ধারা ৫৩ তে বিধান আছে যে, কারাদণ্ড ২ প্রকারের- সশ্রম ও  বিনাশ্রম। 
 - যাবজ্জীবন কারাদণ্ড সর্বদায় সশ্রম কারাদণ্ড হবে।
---------------------------------------------------
⇒ Section 53. Punishments
 The punishments to which offenders are liable under the provisions of this Code are,- 
Firstly,- Death;
Secondly,- Imprisonment for life;
Thirdly,-[Omitted by the Criminal Law (Extinction of Discriminatory Privileges) Act 1949 (Act No. II of 1950]. 
Fourthly,-Imprisonment, which is of two descriptions, namely:- 
(1) Rigorous, that is, with hard labour; 
(2) Simple; 
Fifthly,- Forfeiture of property; 
Sixthly,- Fine.
- Explanation.-In the punishment of imprisonment for life, the imprisonment shall be rigorous.
৩৩১.
বন্ধুত্বের সম্পর্কের ভিত্তিতে A, Z এর লাইব্রেরীতে যায়। উক্ত সময় Z লাইব্রেরীতে ছিলনা। Z এর অনুপস্থিতিতে এবং Z এর কোন বাক্ত সম্মতি ছাড়া শুধুমাত্র পড়ার উদ্দেশ্যে এবং ফেরত প্রদানের অভিপ্রায়ে A একটি বই নিয়ে আসে। A এর অপরাধ হলে-
  1. চুরি
  2. বলপূর্বক গ্রহণ
  3. সম্মতি ছাড়া গ্রহণ
  4. কোন অপরাধ করেনি
সঠিক উত্তর:
কোন অপরাধ করেনি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোন অপরাধ করেনি
ব্যাখ্যা
♦ দন্ডবিধির ৩৭৮ ধারায় চুরির বিধান রয়েছে। ৩৭৮ ধারামতে কোন ব্যক্তির দখল থেকে সম্মতি ব্যতীত কোন অস্থাবর সম্পত্তি (Movable property) অসাধুভাবে গ্রহণের উদ্দেশ্যে স্থানান্তর করলে বা সরানো হলে তা চুরি বলে গণ্য হবে। অন্যভাবে বলা যায়, যদি কোন ব্যক্তি কোন অস্থাবর সম্পত্তি অসাধুভাবে গ্রহণের উদ্দেশ্যে সম্পত্তির দখলে থাকা ব্যক্তির সম্মতি ছাড়া উক্ত সম্পত্তি স্থানান্তর করে তবে তা চুরি বলে গণ্য হবে।

♦ দন্ডবিধির ৩৭৮ ধারার উদাহরণ-(ড): গ-এর সাথে ক-এর হৃদ্যতাপূর্ণ সম্পর্ক। এই সম্পর্কের সুবাদে ক গ-এর অনুপস্থিতিতে গ-এর গ্রন্থাগারে গিয়ে গ-এর প্রকাশ্য অনুমতি ব্যতীত কেবল পড়ার উদ্দেশ্যে এবং পড়ে ফেরত দেওয়ার অভিপ্রায়ে একখানি বই নিয়ে যায়। এখানে ইহা সম্ভব যে, ক মনে করেছে যে, গ-এর এই ব্যবহার করার জন্য তার প্রতি গ-এর অব্যক্ত সম্মতি আছে। যদি ইহাই ক-এর ধারণা হয়ে থাকে, তবে ক চুরি করেছে বলে পরিগণিত হবে না।

♦ অর্থাৎ A এর যদি এমন ধারণা থাকে যে, উক্ত বই ব্যবহারে Z এর পরোক্ষ সম্মতি ছিল, তাহলে A কোন অপরাধ করেনি।
৩৩২.
বেআইনী সমাবেশ সংঘটিত হতে হলে সর্বনিম্ন কতজন সদস্য থাকতে হবে?
  1. ৫ জন সদস্য
  2. ৩ জন সদস্য
  3. ১০ জন সদস্য
  4. এ সংক্রান্ত বিধান নেই
সঠিক উত্তর:
৫ জন সদস্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ জন সদস্য
ব্যাখ্যা
ধারা ১৪১- বেআইনী সমাবেশ অর্থ:

দণ্ডবিধির ১৪১ ধারায় বেআইনী সমাবেশকে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। পাঁচ (৫) বা পাঁচের অধিক ব্যক্তির সমাবেশ বেআইনী সমাবেশ নামে পরিচিত যদি তাদের মধ্যে ১৪১ ধারায় উল্লেখিত কোন সাধারণ উদ্দেশ্য Common Objects| থাকে।

বেআইনী সমাবেশ সংঘটিত হতে হলে নিম্নলিখিত শর্তসমূহ পূরণ করতে হবে:
১. সর্বনিম্ন ৫ বা ৫ এর অধিক সদস্য থাকতে হবে;
২. সমাবেশের উদ্দেশ্য অবশ্যই ১৪১ ধারায় উল্লেখিত সাধারণ উদ্দেশ্যসমূহের common objects) যেকোন একটি হতে হবে।

সাধারণ উদ্দেশ্যসমূহ [Common Objects]
দণ্ডবিধির ১৪১ ধারায় যে সকল উদ্দেশ্য উল্লেখ করা হয়েছে সেগুলো সাধারণ উদ্দেশ্য বলে গণ্য হবে। ১৪১ ধারায় ধরণের সাধারণ উদ্দেশ্য উল্লেখ করা হয়েছে। যদি বেআইনী সমাবেশটি হয়-

১. বলপ্রয়োগ করে সরকার বা সরকারী কর্মকর্তাকে ভীত করতে [To overawe government or legislature or public servant by criminal force];

২. আইন বা আইনী প্রক্রিয়া বলবৎকরণে বাধা দেওয়া [to resist execution of law or legal process];

৩. ক্ষতি, অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ বা অন্যান্য অপরাধ সংঘটন [to commit mischef, trespass or other offences];

৪. সম্পত্তির বলপূর্বক দখল গ্রহণ করতে [to obtain possession of property by criminal force];

৫. অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ করে কোন ব্যক্তি যে কাজ করতে বাধ্য না তা করতে বা যে কাজ করতে অধিকারী তা করা হতে বিরত থাকতে বাধ্য করা [to compel any person to do what he is not legally bound to do, or to omit to do what he is legally entitled to do]
৩৩৩.
ধর্ষণ সংঘটনের উপাদান হলো-
  1. ৩ টি
  2. ৫ টি
  3. ৭ টি
  4. ২ টি
সঠিক উত্তর:
৫ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ টি
ব্যাখ্যা
• দন্ডবিধির ৩৭৫ ধারামতে ৫টি ক্ষেত্রে কোন নারীর সাথে যৌন সহবাস করলে তা ধর্ষণ বলে গণ্য হবে। যথা-
(i) ইচ্ছার বিরুদ্ধে
(ii) সম্মতি ব্যতীত
(iii) মৃত্যু বা আঘাতের ভয় দেখিয়ে সম্মতি আদায় করা হলে
(iv) প্রতারণামূলকভাবে সম্মতিক্রমে (যখন নারীটি পুরুষটিকে নিজের স্বামী বলে বিশ্বাস করে) অথবা
(v) সম্মতিসহ বা ছাড়া ১৪ বছরের কম বয়স্ক নারীর সাথে (নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ অনুযায়ী ১৬ বছর) অর্থাৎ ১৪ বছরের কম বয়স্ক মেয়ের সাথে যৌন সহবাস করলেই তা ধর্ষণ হবে এ ক্ষেত্রে মেয়েটির সম্মতি থাকা না থাকা অপ্রাসঙ্গিক।

• ধারা-৩৭৫, ব্যাখ্যা (Explanation)- ধর্ষণের অপরাধের জন্য প্রয়োজনীয় যৌনসঙ্গমের জন্য যৌনাঙ্গ প্রবেশ করাই যথেষ্ট বলে বিবেচিত হবে।
৩৩৪.
শাস্তিযোগ্য নরহত্যা (Culpable homicide) এর সংজ্ঞা কোথায় দেওয়া হয়েছে?
  1. দণ্ডবিধি ধারা ২৯৯
  2. দণ্ডবিধি ধারা ৩০২
  3. দণ্ডবিধি ধারা ৩০৪
  4. দণ্ডবিধি ধারা ৩০৬
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধি ধারা ২৯৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধি ধারা ২৯৯
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: ক) দণ্ডবিধি ধারা ২৯৯
⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০ এর ধারা ২৯৯-এ "শাস্তিযোগ্য নরহত্যা (Culpable homicide)" এর সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। এই ধারায় বলা হয়েছে, যদি কোনো ব্যক্তি, মৃত্যু ঘটাবার উদ্দেশ্যে, অথবা যে ধরনের দৈহিক আঘাত মৃত্যু ঘটাতে পারে, এই জেনেও সেই আঘাত করে, অথবা এমন কোনো কাজ করে যা সে জানে মৃত্যু ঘটাতে পারে, এবং এর ফলে যদি কারো মৃত্যু ঘটে, তবে সে শাস্তিযোগ্য নরহত্যার (culpable homicide) দায়ে দণ্ডিত হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ২৯৯ ধারার বিধান শাস্তিযোগ্য নরহত্যা (Culpable homicide):- কোন ব্যক্তি যদি মৃত্যু ঘটাবার উদ্দেশ্য নিয়ে কৃত কোন কাজ কর্তৃক মৃত্যু ঘটায়, অথবা যে দৈহিক জখম মৃত্যু ঘটাতে পারে, তেমন দৈহিক জখম ঘটাবার উদেশ্য নিয়ে কৃত কোন কাজের সংঘটন কর্তৃক মৃত্যু ঘটায়, অথবা যে কাজ মৃত্যু ঘটাতে পারে বলে সে জানে, সে কাজ সম্পাদন কর্তৃক মৃত্যু ঘটায়, তবে সেই ব্যক্তি শাস্তিযোগ্য নরহত্যার দোষে দোষী হবে।
- ব্যাখ্যা ১:- যে ব্যক্তি অসুস্থতা, রোগ বা দৈহিক অপারগতায় ভুগতেছে, তার দৈহিক জখম করে মৃত্যু ত্বরান্বিত করলে তার মৃত্যু ঘটাবার অপরাধ হয়েছে বলে বিবেচনা করা হবে।
- ব্যাখ্যা ২:- যখন দৈহিক আঘাত বা জখমের কারণে মৃত্যু ঘটে, তখন যে ব্যক্তি অনুরূপ দৈহিক আঘাত বা জখম ঘটায়, সে ব্যক্তি মৃত্যু ঘটিয়েছে বলে বিবেচনা করা হবে, যদিও যথোচিত প্রতিকারের ও সুনিপুণ চিকিৎসার ফলে সে মৃত্যু রোধ করা যেত।
- ব্যাখ্যা ৩:- মাতৃগর্ভে কোন শিশুর মৃত্যু ঘটানো নরহত্যা নয়। কিন্তু যদি কোন শিশুর (দেহের) কোন অংশ নিষ্ক্রান্ত করার পর জীবিত শিশুটির মৃত্যু ঘটানো হয়, তবে তা শাস্তিযোগ্য নরহত্যা বলে পরিগণিত হবে, যদিও শিশুটি শ্বাসপ্রশ্বাস গ্রহণ না করে থাকে অথবা সম্পূর্ণরূপে ভুমিষ্ঠ না হয়ে থাকে।

⇒ The Penal Code, 1860- Section- 299. Culpable homicide:
Whoever causes death by doing an act with the intention of causing death, or with the intention of causing such bodily injury as is likely to cause death, or with the knowledge that he is likely by such act to cause death, commits the offence of culpable homicide. 
Explanation 1. A person who causes bodily injury to another who is labouring under a disorder, disease or bodily infirmity, and thereby accelerates the death of that other, shall be deemed to have caused his death. 
Explanation 2. Where death is caused by bodily injury, the person who causes such bodily injury shall be deemed to have caused the death, although by resorting to proper remedies and skilful treatment the death might have been prevented. 
Explanation 3. The causing of the death of a child in the mother's womb is not homicide. But it may amount to culpable homicide to cause the death of a living child, if any part of that child has been brought forth, though the child may not have breathed or been completely born.
৩৩৫.
'ক' তার ছেলের মঙ্গলের জন্য একজন সার্জনকে দিয়ে অপারেশন করাতে চায় । সার্জন শিশুটির পিতার নিকট থেকে অনুমতি নিয়ে অপারেশন করে । শিশুটি মারা যায়। সার্জনের অপরাধ কী?
  1. নিন্দনীয় নরহত্যা
  2. ভুলবশত খুন
  3. খুন
  4. কোন অপরাধ হয়নি
সঠিক উত্তর:
কোন অপরাধ হয়নি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোন অপরাধ হয়নি
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধি, ১৮৬০ এর ৮৯ ধারা মতে অভিভাবক দ্বারা বা তার সম্মতিক্রমে শিশু বা অপ্রকৃতিস্থ ব্যক্তির মঙ্গলার্থে সদবিশ্বাসে কৃত কাজ অপরাধ বলে গণ্য হবে না
 
♦ ১২ বছরের কম বয়সী বা অপ্রকৃতিস্থ ব্যক্তির অভিভাবক দ্বারা বা অভিভাবকের অনুমতিক্রমে উল্লেখিত ব্যক্তির মঙ্গলার্থে সরল বিশ্বাসে কোন কাজ করলে তা অপরাধ বলে গণ্য হবে না।

♦সার্জনের অপরাধ না হবার কারণ হলো শিশুটির অভিভাবকের অনুমতি নিয়ে এবং শিশুর মঙ্গলার্থে সরল বিশ্বাসে কার্যটি করেছে।
৩৩৬.
দণ্ডবিধির ৩৭৮ ধারা অনুসারে চুরির জন্য নিচের কোন উপাদানটি আবশ্যক?
  1. অস্থাবর সম্পত্তি
  2. অসাধু অভিপ্রায়
  3. সম্পত্তির মালিকের সম্মতি না নেওয়া
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ৩৭৮ ধারা-এ চুরির সংজ্ঞায় নিম্নলিখিত উপাদানগুলি আবশ্যক বলে উল্লেখ করা হয়েছে:
১. অস্থাবর সম্পত্তি (Moveable Property): শুধুমাত্র স্থাবর সম্পত্তি নয়, অস্থাবর সম্পত্তিই চুরির বিষয় হতে পারে।
২. অসাধু বা Dishonest অভিপ্রায় (Dishonest Intention): সম্পত্তি নেওয়ার সময় অসাধু বা dishonest মনোভাব থাকতে হবে।
৩. সম্পত্তির দখল থেকে নেওয়া (Taking out of Possession): সম্পত্তিটি কারও দখল থেকে নেওয়া হতে হবে।
৪. সম্মতি না নেওয়া (Without Consent): যে ব্যক্তির দখলে সম্পত্তি রয়েছে, তার সম্মতি ছাড়া নেওয়া হতে হবে।
৫. সম্পত্তি স্থানান্তর (Moving the Property): চুরি সম্পন্ন করার জন্য সম্পত্তিটিকে নড়াতে বা স্থানান্তর করতে হবে।
সুতরাং, প্রশ্নে উল্লিখিত অস্থাবর সম্পত্তি, অসাধু অভিপ্রায় এবং সম্পত্তির মালিকের সম্মতি না নেওয়া—এই তিনটি উপাদানই চুরির জন্য আবশ্যক। অতএব, সঠিক উত্তর ঘ) উপরের সবগুলো।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৭৮ ধারায় চুরির বিধান রয়েছে। ৩৭৮ ধারামতে কোন ব্যক্তির দখল থেকে সম্মতি ব্যতীত কোন অস্থাবর সম্পত্তি (Movable property) অসাধুভাবে গ্রহণের উদ্দেশ্যে স্থানান্তর করলে বা সরানো হলে তা চুরি বলে গণ্য হবে। অন্যভাবে বলা যায়, যদি কোন ব্যক্তি কোন অস্থাবর সম্পত্তি অসাধুভাবে গ্রহণের উদ্দেশ্যে সম্পত্তির দখলে থাকা ব্যক্তির সম্মতি ছাড়া উক্ত সম্পত্তি স্থানান্তর করে তবে তা চুরি বলে গণ্য হবে।
⇒ দণ্ডবিধির ৩৭৮ ধারায় চুরিকে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। চুরির অপরাধ অস্থাবর সম্পত্তি যেমন টাকা, স্বর্ণালংকার ইত্যাদির সাথে সম্পর্কিত। যখন কোন ব্যক্তি অন্য ব্যক্তির দখলে থাকা কোন অস্থাবর সম্পত্তি উক্ত ব্যক্তির সম্মতি ছাড়া অসাধু উপায়ে গ্রহণ করার অভিপ্রায়ে বা অনুরূপ গ্রহণের উদ্দেশ্যে উক্ত সম্পত্তি স্থানান্তর করে, সেই ব্যক্তি চুরি করেছে বলে গণ্য হবে। চুরির উপাদান বা শর্তসমূহ:
(i) অন্যকোনো ব্যক্তির দখল হতে অসাধুভাবে সম্পত্তি গ্রহণ করা
(ii) সম্পত্তিটি অবশ্যই অস্থাবর সম্পত্তি হবেl যেমন টাকা, স্বর্ণালংকার ইত্যাদি।
(iii) উক্ত সম্পত্তি অন্য ব্যক্তির দখল থেকে নিতে হবে।
(iv) সম্পত্তিটি উক্ত ব্যক্তির সম্মতি ছাড়া নিবে।
(v) চুরি সম্পন্ন হবে যদি সম্পত্তিটি সামান্য হলেও প্রকৃতপক্ষে স্থানান্তর করা হয়।
------------
⇒ The Penal Code, 1860 Section, 378. Theft:
Whoever, intending to take dishonestly any moveable property out of the possession of any person without that person's consent, moves that property in order to such taking, is said to commit theft. 
Explanation 1.-A thing so long as it is attached to the earth, not being moveable property, is not the subject of theft; but it becomes capable of being the subject of theft as soon as it is severed from the earth. 
Explanation 2.-A moving effected by the same act which effects the severance may be a theft. 
Explanation 3.-A person is said to cause a thing to move by removing an obstacle which prevented it from moving or by separating it from any other thing, as well as by actually moving it. 
Explanation 4.-A person, who by any means causes an animal to move, is said to move that animal, and to move everything which, in consequence of the motion so caused, is moved by that animal. 
Explanation 5.-The consent mentioned in the definition may be express or implied, and may be given either by the person in possession, or by any person having for that purpose authority either express or implied.

৩৩৭.
Which section of the Penal Code, defines the offense of forgery?
  1. 461
  2. 463
  3. 467
  4. 469
সঠিক উত্তর:
463
উত্তর
সঠিক উত্তর:
463
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪৬৩ ধারার বিধান জালিয়াতি:
-
কোন ব্যক্তি যদি জনসাধারণের কিংবা কোন ব্যক্তিবিশেষের ক্ষতিসাধনের জন্য অথবা কোন দাবি বা স্বত্ব প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে অথবা কোন ব্যক্তিকে তার সম্পত্তি ত্যাগে বাধ্য করার উদ্দেশ্যে অথবা কোন প্রকাশ্য বা অনুক্ত চুক্তি সম্পাদনের উদ্দেশ্যে অথবা কোন প্রতারণা করার উদ্দেশ্যে বা যাতে প্রতারণা সংঘটিত হতে পারে এইরূপ অভিপ্রায়ে, কোন মিথ্যা দলিল কিংবা দলিলের অংশবিশেষ প্রণয়ন করে, তবে উক্ত ব্যক্তি জালিয়াতি করেছে বলে পরিগণিত হবে।
------------------------ 
⇒ The Penal Code, 1860- Section 463- Forgery:
- Whoever makes any false document or part of a document, with intent to cause damage or injury, to the public or to any person, or to support any claim or title, or to cause any person to part with property, or to enter into any express or implied contract, or with intent to commit fraud or that fraud may be committed, commits forgery.
৩৩৮.
The Penal Code, 1860 এর 500 ধারানুযায়ী মানহানি (Defamation) এর সর্বোচ্চ শান্তি ________।
  1. ১ বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  2. ১ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
  3. ২ বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  4. ২ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
২ বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধি ৪৯৯ ধারা অনুযায়ী যখন কোন ব্যক্তি সম্পর্কিত কোন কুৎসা রটনা করা হয় যা উক্ত ব্যক্তির সুনাম নষ্ট করে (harm reputation) তাকে মানহানি বা Defamation বলে। অর্থাৎ কুৎসাজনক কথা বা চিহ্ন দ্বারা বা দৃশ্যমান কল্পমূর্তি প্রকাশের মাধ্যমে মানহানি করা হয়।

-দণ্ডবিধির ৫০০ ধারার অধীন মানহানির [defamation] শাস্তি হল ২ বছর পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড।
-------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section- 500: Punishment for defamation:
-Whoever defames another shall be punished with simple imprisonment for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.
৩৩৯.
‘ক’ প্রতিবেশীর ঘরে আগুন দেওয়ার উদ্দেশ্যে ঘরের পাশে কেরোসিন ঢালে এবং দেশলাই জ্বালাতে যায়। ঠিক তখনই লোকজন দেখে ফেলায় আগুন দেওয়া সম্ভব হয় না। শুধুমাত্র উদ্যোগ নেয়ায়-
  1. ‘ক’ অপরাধী হবে না
  2. ‘ক’ ৪২৫ ধারায় অপরাধী হবে
  3. ‘ক’ ৫১০ ধারায় অপরাধী হবে
  4. ‘ক’ ৫১১ ধারায় অপরাধী হবে
সঠিক উত্তর:
‘ক’ ৫১১ ধারায় অপরাধী হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
‘ক’ ৫১১ ধারায় অপরাধী হবে
ব্যাখ্যা

⇒ অগ্নিসংযোগের উদ্যোগ ও প্রস্তুতিমূলক কাজ থাকায় ‘ক’ ৫১১ ধারায় অপরাধী হবে।

দণ্ডবিধির ৫১১ ধারা- যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে বা কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধ সংঘটনের উদ্যোগের সাজা:

কোন ব্যক্তি যদি এই বিধিবলে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় কোন অপরাধ সংঘটন করার অথবা অনুরূপ কোন অপরাধ সংঘটন করানোর উদ্যোগ করে এবং অনুরূপ উদ্যোগের মাধ্যমে অপরাধটি সংঘটনের উদ্দেশ্যে কোন কাজ করে, তবে যেক্ষেত্রে অনুরূপ উদ্যোগের সাজার জন্য এই বিধিতে কোন প্রকাশ্য বিধান করা হয় নাই, সেক্ষেত্রে সে ব্যক্তি অপরাধটির জন্য সে ধরনের অপরাধের জন্য বিহিত দণ্ডের দীর্ঘতম মেয়াদের অর্ধেক পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে বা সে অপরাধটির জন্য যে অর্থদণ্ডেও বিধান করা হয়েছে সে অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

উদাহরণ:
(ক) 'ক' একটি বাক্স ভেঙ্গে কিছু গহনাপত্র চুরি করার উদ্যোগ করে। সে বাক্সটি ভেঙ্গে দেখতে পায় যে, উহাতে কোন গহনাপত্র নাই। সে চুরির উদ্দেশ্যে এই কাজটি করেছে; সুতরাং সে এই ধারার আওতায় অপরাধী বলে পরিগণিত হবে।

(খ) 'ক', 'চ'- এর পকেটে হাত দিয়ে চ-এর পকেট মারার উদ্যোগ নেয়। 'চ'- এর পকেটে কিছু ছিল না বলে ক-এর চেষ্টা ব্যর্থ হয়। 'ক' এই ধারার আওতায় অপরাধী বলে পরিগণিত হবে।

৩৪০.
কোনো ব্যক্তি যদি কাউকে আত্মহত্যার জন্য সরঞ্জাম (যেমন দড়ি, বিষ) দিয়ে সহায়তা করে, তবে তা দণ্ডবিধির কোন ধারায় পড়বে?
  1. ১০৭ ধারা
  2. ৩০৬ ধারা
  3. ৩০২ ধারা
  4. ৫০৯ ধারা
সঠিক উত্তর:
৩০৬ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০৬ ধারা
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৩০৬ ধারা- আত্মহত্যায় সহায়তা বা প্ররোচনা দান:
কোন ব্যক্তি যদি আত্মহত্যা করে, তবে যে ব্যক্তি আত্মহত্যায় সহায়তা বা প্ররোচনা দান করবে, উক্ত ব্যক্তি দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

Section 306- Abetment of suicide:
If any person commits suicide, whoever abets the commission of such suicide, shall be punished with imprisonment either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine.
৩৪১.
একজন বিচারকের সরল বিশ্বাসে সম্পাদিত বিচারিক কাজ অপরাধের অন্তর্ভুক্ত নয় মর্মে পেনাল কোডের কত ধারায় বর্ণিত আছে?
  1. ৭৯
  2. ৭৭
  3. ৭৫
  4. ৭০
সঠিক উত্তর:
৭৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭৭
ব্যাখ্যা
♦পেনাল কোডের ৭৭ ধারার অধীন বিচারকের কার্য ফৌজদারী দায় হতে অব্যাহতি পাবে যদি বিচারক বিচারিক কার্যসম্পাদনকালে এমন কার্যটি করে এবং আইনে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে কার্যটি সম্পাদন করে এবং এমন ক্ষমতা আইন দ্বারা তাকে দেওয়া হয়েছে বলে সরল বিশ্বাসে বিশ্বাস করে।
৩৪২.
'নির্বাচন প্রার্থী' এবং 'নির্বাচনী অধিকার' এর সংজ্ঞা দণ্ডবিধির কত ধারায় দেয়া আছে?
  1. ১৭০ ধারা
  2. ১৭০ক ধারা
  3. ১৭১ ধারা
  4. ১৭১ক ধারা
সঠিক উত্তর:
১৭১ক ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭১ক ধারা
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ১৭১ক ধারার বিধান- 'নির্বাচন প্রার্থী', 'নির্বাচনী অধিকার' এর সংজ্ঞা :
এই অধ্যায়ের উদ্দেশ্যসমূহের পরিপ্রেক্ষিতে-
(ক) 'নির্বাচন প্রার্থী' বলতে কোন নির্বাচনের প্রার্থী হিসেবে মনোনীত ব্যক্তিকে বুঝাবে এবং যে ব্যক্তি কোন নির্বাচনের জল্পনা-কল্পনা চলাকালে উহাতে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে নিজেকে প্রতিভাত করেন সে ব্যক্তিকেও বুঝাবে। তবে সে ব্যক্তিকে পরে অনুরূপ নির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে মনোনীত হতে হবে;

(খ) 'নির্বাচনী অধিকার' বলতে কোন ব্যক্তির কোন নির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে দাঁড়াবার অথবা না দাঁড়াবার অথবা প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হতে নাম প্রত্যাহার করার অথবা ভোট দেওয়ার অথবা ভোটদান হতে বিরত থাকার অধিকার বুঝায়।

৩৪৩.
দণ্ডবিধির ৪১৩ ধারা অনুযায়ী অভ্যাসগতভাবে চোরাই সম্পত্তির বেচাকেনা করার সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  2. ১০ বছরের কারাদণ্ড
  3. ৭ বছরের কারাদণ্ড
  4. ৩ বছরের কারাদণ্ড 
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ৪১৩ অনুসারে, যে ব্যক্তি অভ্যাসগতভাবে (habitually) চোরাই সম্পত্তি জেনে বা বিশ্বাস করার যথেষ্ট কারণ থাকা সত্ত্বেও ক্রয়-বিক্রয় বা লেনদেন করে, তার শাস্তি হলো যাবজ্জীবন কারাদণ্ড অথবা ১০ বছর পর্যন্ত যেকোনো প্রকারের (সশ্রম বা বিনাশ্রম) কারাদণ্ড এবং অতিরিক্ত জরিমানা। সুতরাং সর্বোচ্চ শাস্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড।

⇒ দণ্ডবিধির ৪১৩ ধারার বিধান অভ্যাসগতভাবে চোরাই সম্পত্তির বেচাকেনা করা:- কোন ব্যক্তি যদি যে সম্পত্তি চোরাই বলে সে জানে বা তার বিশ্বাস করার কারণ রয়েছে, অভ্যাসগতভাবে বরাবর সে সম্পত্তির বেচাকেনা করে, তবে উক্ত ব্যক্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডনীয় হবে।
-------
⇒ The Penal Code, 1860, Section 413. Habitually dealing in stolen property:- Whoever habitually receives or deals in property which he knows or has reason to believe to be stolen property, shall be punished with imprisonment for life, or with imprison - ment of either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine.

৩৪৪.
দণ্ডবিধির ২৬৯ ধারা অনুসারে, যদি কেউ অবহেলামূলকভাবে মারাত্মক রোগের সংক্রমণ ছড়াতে পারে এমন কাজ করে, তবে তার সর্বোচ্চ শাস্তি কী হতে পারে?
  1. ৩ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড অথবা অর্থ দণ্ড অথবা উভয় দণ্ড
  2. ৬ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড অর্থ দণ্ড অথবা উভয় দণ্ড
  3. ১ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড অর্থ দণ্ড অথবা উভয় দণ্ড
  4. ২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড অর্থ দণ্ড অথবা উভয় দণ্ড
সঠিক উত্তর:
৬ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড অর্থ দণ্ড অথবা উভয় দণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড অর্থ দণ্ড অথবা উভয় দণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ২৬৯ ধারা অনুযায়ী, যদি কেউ বেআইনিভাবে বা অবহেলামূলকভাবে এমন কোনো কাজ করে যা জীবন বিপন্নকারী মারাত্মক রোগের সংক্রমণ ছড়াতে পারে, তবে তাকে ৬ মাস পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড, অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা যাবে।

⇒ দণ্ডবিধির ২৬৯ ধারার বিধান: জীবন বিপন্নকারী মারাত্মক রোগের সংক্রমণ বিস্তার করতে পারে এবং অবহেলামূলক কার্য :- কোন ব্যক্তি যদি বেআইনিভাবে বা অবহেলামূলকভাবে এমন কোন কার্য করে যা জীবন বিপন্নকারী মারাত্মক কোন রোগের সংক্রমণ ছড়াতে পারে, তা জানা সত্ত্বেও বা বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও তা করে, তবে-সেই ব্যক্তি ছয়মাস পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
------------------
⇒ The Penal Code, 1860-Section 269. Negligent act likely to spread infection of disease dangerous to life:- Whoever unlawfully or negligently does any act which is, and which he knows or has reason to believe to be, likely to spread the infection of any disease dangerous to life, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to six months, or with fine, or with both.
৩৪৫.
দস্যুতার ক্ষেত্রে অনধিক কত জন সদস্য হতে পারে?
  1. ১ জন
  2. ২ জন
  3. ৪ জন
  4. ৫ জন
সঠিক উত্তর:
৪ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ জন
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৯০ ধারার বিধান: দস্যুতার সংজ্ঞা (Robbery)- চুরি করার উদ্দেশ্যে বা বলপূর্বক গ্রহণের সময় কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটালে, আঘাত দান করলে বা আটক করে রাখলে অথবা মৃত্যু, আঘাত বা অবৈধ বাধার তাৎক্ষণিক ভয় (instant fear) দেখানো হলে তখন তাদস্যুতা বা Robbery বলে গণ্য হবে।
⇒ দস্যুতাকে হিংস্রতম চুরি বা হিংস্রতম বলপ্রয়োগ গ্রহণ বলা হয়। কেননা প্রত্যেক দস্যুতার অপরাধের মধ্যে চুরি বা বলপূর্বক গ্রহণ থাকতে হবে। দস্যুতাকে সহজ কথায় রাহাজানি বলে আখ্যায়িত করা হয়।
⇒ বলপূর্বক গ্রহণ কখন দস্যুতা বলে গণ্য হবে (When extortion is robbery)- বলপূর্বক গ্রহণের সময় অপরাধী স্বয়ং ভিকটিমের নিকটে বা আশেপাশে উপস্থিত থেকে তাৎক্ষনিক ভয়ের সৃষ্টি করলে বলপূর্বক গ্রহণ দস্যুতা বলে গণ্য হবে।
⇒ চুরি কখন দস্যুতা বলে গণ্য হবে (When theft is robbery)- চুরি করার উদ্দেশ্যে বা চুরি করার সময় কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটালে, আঘাত দান করলে বা অবৈধ আটক করে রাখলে অথবা মৃত্যু, আঘাত বা অবৈধ বাধার তাৎক্ষণিক ভয় (instant fear) দেখানো হলে তখন চুরি দস্যুতা বলে গণ্য হবে।

⇒ পেনাল কোডের ৩৯০ ধারায় দস্যুতার সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। চুরি করার সময় কোন কাজ করলে সেটি দস্যুতায় রূপ নেবে এবং বলপূর্বক গ্রহণের সময় কী কাজ করলে সেটি দস্যুতায় রূপ নিবে সেটি বর্ণনা করা হয়েছে। চুরি অপরাধ সংঘটনকালে যদি death, hurt, wrongful restraint ইত্যাদি করে বা তা করার চেষ্টা করে বা তা করার তাৎক্ষণিক ভয় দেখায় তবে তা দস্যুতায় রূপ নেবে। কিন্তু extortion –এর ক্ষেত্রে উক্ত অপরাধগুলো সংঘটন করা নয়, বরং তা করার ভয় দেখালেই তা দস্যুতায় রূপান্তরিত হবে।
⇒ পেনাল কোডের ৩৯০ ধারা মতে প্রত্যেক দস্যতায় হয় চুরি, না হয় বলপূর্বক সম্পত্তি আদায়ের অপরাধ সংঘটিত হয়।

⇒ যেক্ষেত্রে চুরি দস্যুতা বলে পরিগণিত হবে (When theft is robbery):-
চুরি করার উদ্দেশ্যে, অথবা চুরি করতে, কিংবা চুরিতে লব্ধ সম্পত্তি বহন বা বহনের উদ্যোগ কালে, অপরাধকারী তদুদ্দেশ্যে ইচ্ছাপূর্বক কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটায় বা তাকে আঘাতদান করে তাকে অন্যায় ভাবে আটক করে বা করার উদ্যোগ করে, বা তাকে তাৎক্ষণিক মৃত্যু বা তাৎক্ষণিক আঘাত বা তাৎক্ষণিক অবৈধ আটকের ভীতি প্রদর্শন করে বা করার উদ্যোগ করে, তা হলে উক্ত চুরি হচ্ছে দস্যুতা।

⇒ বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় যেক্ষেত্রে  দস্যুতা বলে পরিগণিত হবে (When extortion is robbery):-
বলপূর্বক সম্পত্তি আদায়ের সময় অপরাধী-যে ব্যক্তিকে ভয়ে বিহবল করা হয়েছে, সে ব্যক্তির বা অন্য কোন ব্যক্তিকে আশু মৃত্যুর, আশু আঘাতের বা আশু অন্যায় নিয়ন্ত্রণের ভয়ে অভিভূত করে বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় করলে, এবং এইভাবে যে ব্যক্তিকে ভয়ে অভিভূত করা হয়েছে, সে ব্যক্তিকে তখন বলপূর্বক আদায়কৃত বস্তুটি অর্পণে বাধ্য করলে, বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় দস্যুতা বলে পরিগণিত হবে।
⇒ ব্যাখ্যা (Explanation):- অপরাধী অন্য ব্যক্তিকে আশু মৃত্যুর, আঘাতের বা আশু অন্যায় নিয়ন্ত্রণের ভয়ে অভিভূত করার পক্ষে যথেষ্ট নিকটে থাকলে সে হাজির বলে পরিগণিত হবে।

⇒ অর্থাৎ চুরি করার উদ্দেশ্যে বা বলপূর্বক গ্রহণের সময় কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটালে, আঘাত দান করলে বা আটক করে রাখলে অথবা মৃত্যু, আঘাত বা অবৈধ বাধার তাৎক্ষণিক ভয় (instant fear) দেখানো হলে তখন তা দস্যুতা বা Robbery বলে গণ্য হবে।

⇒ দস্যুতার মধ্যে নিম্নলিখিত উপাদান বিদ্যমান-
i)এক বা একাধিক ব্যক্তি তবে ৫ জনের কম যৌথভাবে অপরাধটি সংঘটিত করে;
ii) আঘাতের ভয় বা মৃত্যুভয় দেখিয়ে বা অবৈধ আটকের ভয় দেখায়;
iii) অসাধুভাবে সম্পত্তিটি প্রদানে বাধ্য করে; এবং
iv) প্রত্যেক দস্যুতার অপরাধের মধ্যে চুরি বা বলপূর্বক গ্রহণ থাকে।

⇒ দস্যুতার সর্বনিম্ন সদস্য ১ জন এবং সর্বোচ্চ সদস্য ৪ জন। অন্যদিকে ডাকাতির সর্বনিম্ন সদস্য ৫ জন। দস্যুতার সদস্য যদি ৫ বা ততোধিক হয় তখন দস্যুতা ডাকাতিতে পরিণত হয়।

⇒ অর্থাৎ দস্যুতার ক্ষেত্রে অনধিক ৪ জন সদস্য হতে পারে।
৩৪৬.
নারীর সম্মতি ছাড়া গর্ভপাত করানোর সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. মৃত্যুদণ্ড
  2. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  3. ৭ বৎসর সশ্রম কারাদণ্ড
  4. ৫ বৎসর সশ্রম কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩১৩ ধারার বিধান- স্ত্রীলোকের সম্মতি ছাড়া গর্ভপাত করণ:
কোন ব্যক্তি যদি পূর্ববর্তী ধারায় বর্ণিত অপরাধটি সংশ্লিষ্ট স্ত্রীলোকের সম্মতি ছাড়া সম্পাদন করে স্ত্রীলোকটি আসন্ন প্রসবা হোক বা না হোক- তবে সে ব্যক্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

Section 313⇒ Causing miscarriage without women's consent:
Whoever commits the offence defined in the last preceding section without the consent of the woman, whether the woman is quick with child or not, shall be punished with imprisonment for life, or with imprisonment of either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine.
৩৪৭.
মিথ্যা দলিলের অংশ বিশেষ প্রস্তুত করা কোন অপরাধ?
  1. জালিয়াতি
  2. প্রতারণা
  3. মিথ্যা দলিল বানানোর চেষ্টা
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
জালিয়াতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জালিয়াতি
ব্যাখ্যা
♦দণ্ডবিধি ৪৬৩ ধারামতে যে কোন একটি উদ্দেশ্যে যথা- কারো ক্ষতি, কোন দাবি বা অধিকার সমর্থন, কাউকে কোন সম্পত্তি পরিত্যাগ করতে বাধ্য করা অথবা প্রতারণার অভিপ্রায়ে মিথ্যা দলিল বা ইহার কোন অংশ তৈরি করলে তা জালিয়াতির অপরাধ হবে।
৩৪৮.
A person persuades a 17-year-old to commit suicide and it succeeds. What is the maximum legal punishment?
  1. Death
  2. Life imprisonment
  3. Imprisonment up to 10 years
  4. Imprisonment up to 7 years
সঠিক উত্তর:
Death
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Death
ব্যাখ্যা

উত্তর: ক) Death.

দণ্ডবিধি, ১৮৬০ এর ধারা ৩০৫ অনুযায়ী—
যদি কোনো ১৮ বছরের কম বয়সী, বা উন্মাদ/অজ্ঞ/মদ্যপ/delirious ব্যক্তিকে আত্মহত্যায় প্ররোচিত করা হয়, তবে সেই ব্যক্তি অপরাধী বলে গণ্য হবে।
- এ অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি হলো মৃত্যুদণ্ড।
- বিকল্পভাবে আদালত আজীবন কারাদণ্ড বা সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডও দিতে পারে।

The Penal Code, 1860: Section 305: Abetment of suicide of child or insane person:

If any person under eighteen years of age, any insane person, any delirious person, any idiot, or any person in a state of intoxication commits suicide, whoever abets the commission of such suicide shall be punished with death or imprisonment for life, or imprisonment for a term not exceeding ten years, and shall also be liable to fine.

⇒ দণ্ডবিধির ৩০৫ ধারার বিধান- শিশুর বা উন্মাদ ব্যক্তির আত্মহত্যায় সহায়তা বা প্ররোচনা দান:
 যদি আঠারো বৎসরের কম বয়স্ক কোন ব্যক্তি, কোন  ব্যক্তি, প্রলাপগ্রস্ত ব্যক্তি, নির্বোধ ব্যক্তি, বা কোন ব্যক্তি নেশাগ্রস্ত অবস্থায় আত্মহত্যা করে, তবে যে ব্যক্তি এই আত্মহত্যায় সহায়তা বা প্ররোচনা দান করে, সে ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা অনধিক দশ বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

৩৪৯.
Whoever causes bodily pain, disease or infirmity to any person is said to __________.
  1. Hurt
  2. Assault
  3. Cause hurt
  4. Force
সঠিক উত্তর:
Cause hurt
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Cause hurt
ব্যাখ্যা
⇒ Section 319. Hurt:- Whoever causes bodily pain, disease or infirmity to any person is said to cause hurt.
--------
⇒ দণ্ডবিধির ৩১৯ ধারার বিধান: আঘাত:- কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তির দৈহিক যন্ত্রণা, ব্যাধি বা অপরাগতা ঘটায়, তবে উক্ত ব্যক্তি আঘাত করেছে বলে পরিগণিত হবে।
৩৫০.
"Assisting in concealment of stolen property" এটি দণ্ডবিধির কত ধারার বিধান?
  1. ৪১৪ ধারা
  2. ৪১৫ ধারা
  3. ৪১৬ ধারা
  4. ৪১৭ ধারা
সঠিক উত্তর:
৪১৪ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪১৪ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪১৪ ধারার বিধান চোরাই সম্পত্তি লুকিয়ে রাখার কাজে সহায়তা করা:- কোন ব্যক্তি যদি সে যে সম্পত্তি চোরাই সম্পত্তি বলে জানে বা তার বিশ্বাস করার কারণ রয়েছে সে সম্পত্তি লুকিয়ে রাখতে বা বিলিব্যবস্থা করতে বা নিয়ে সরে পড়তে স্বেচ্ছায় সহায়তা করে, তবে উক্ত ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
-----------
⇒ Section 414. Assisting in concealment of stolen property:- Whoever voluntarily assists in concealing or disposing of or making away with property which he knows or has reason to believe to be stolen property, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, or with fine, or with both.
৩৫১.
দণ্ডবিধির ২৮০ ধারা অনুসারে, বেপরোয়া বা অসাবধানতাপূর্ণভাবে নৌযান চালানোর সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ৩ মাস কারাদণ্ড
  2. ৬ মাস কারাদণ্ড
  3. ১ বছর কারাদণ্ড
  4. ২ বছর কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
৬ মাস কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ মাস কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ২৮০ ধারা অনুযায়ী, বেপরোয়া বা অসাবধানতাপূর্ণভাবে নৌযান চালানো এমন একটি অপরাধ, যা মানব জীবনের ক্ষতি বা অন্য কারও আহত হওয়ার ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। এই ধারা অনুযায়ী, এমন অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ শাস্তি হতে পারে: ৬ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড, জরিমানা (১,০০০ টাকা পর্যন্ত) অথবা উভয়ই হতে পারে।
- এটি অপরাধের মাত্রা ও তার প্রভাবের ওপর নির্ভর করে বিচারকের সিদ্ধান্তে শাস্তি প্রদান করা হয়।

সঠিক উত্তর: খ) ৬ মাস কারাদণ্ড। 

⇒The Penal Code, 1860-Section- 280. Rash navigation of vessel:
Whoever navigates any vessel in a manner so rash or negligent as to endanger human life, or to be likely to cause hurt or injury to any other person, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to six months, or with fine which may extend to one thousand taka, or with both.
৩৫২.
The Penal Code, 1860 এর কোন অধ্যায়ে সাধারণ ব্যতিক্রমসূহ বর্ণিত হয়েছে?
  1. দ্বিতীয়
  2. তৃতীয়
  3. চতুর্থ
  4. পঞ্চম
সঠিক উত্তর:
চতুর্থ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চতুর্থ
ব্যাখ্যা
♦  দণ্ডবিধির ৪র্থ অধ্যায়ে ফৌজদারী দায়ের সাধারণ ব্যতিক্রমসমূহ আলোচনা করা হয়েছে। দণ্ডবিধির ৭৬ থেকে ১০৬ ধারায় কিছু কার্য এবং কার্যবিরতিকে [Acts and omission] ফৌজদারী দায় থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে। এ সকল কার্য বা কার্যবিরতি গুলোকে ফৌজদারী দায়ের সাধারণ ব্যতিক্রম [General Exceptions) বলে।

♦  সাক্ষ্য আইনের ১০৫ ধারা অনুযায়ী কোন ব্যক্তি যদি দাবি করে তার কার্য বা কার্যবিরতি দণ্ডবিধির ৭৬ থেকে ১০৬ ধারায় উল্লেখিত কোন সাধারণ ব্যতিক্রমের মধ্যে পড়ে, তবে তা প্রমাণের ভার উক্ত ব্যক্তির উপর বর্তায়
৩৫৩.
একজন কর্মচারী তার মালিকের দখলে থাকা সম্পত্তি চুরি করলে, তাকে সর্বোচ্চ কী শাস্তি দেওয়া যেতে পারে?
  1. শুধুমাত্র অর্থদণ্ড
  2. পাঁচ বছরের কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  3. সাত বছরের কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  4. দশ বছরের কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
সঠিক উত্তর:
সাত বছরের কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাত বছরের কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৩৮১ ধারা অনুযায়ী,
যদি কোনো ব্যক্তি কেরানী বা কর্মচারী হিসেবে অথবা কেরানী বা কর্মচারীর দায়িত্বে নিযুক্ত হয়ে তার মালিক বা নিয়োগকর্তার দখলে থাকা যেকোনো সম্পত্তি চুরি করে, তবে তাকে সাত বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড দেওয়া হতে পারে।

[Whoever being a clerk or servant, or being employed in the capacity of a clerk or servant, commits theft in respect of any property in the possession of his master or employer, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine.]
৩৫৪.
দণ্ডবিধির ১৪১ ধারা অনুসারে, বেআইনি সমাবেশ (Unlawful Assembly) গঠনের জন্য ন্যূনতম কত সংখ্যক ব্যক্তির সমাবেশ প্রয়োজন?
  1. তিন ব্যক্তি
  2. পাঁচ ব্যক্তি
  3. ছয় ব্যক্তি
  4. দুই ব্যক্তি
সঠিক উত্তর:
পাঁচ ব্যক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাঁচ ব্যক্তি
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ১৪১ ধারায় স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে যে, পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তির সমাবেশ যদি নির্দিষ্ট সাধারণ উদ্দেশ্য (common object) নিয়ে গঠিত হয় (যেমন সরকারকে ভয় দেখানো, আইন বাস্তবায়নে বাধা দেওয়া ইত্যাদি), তাহলে তা "বেআইনি সমাবেশ" (Unlawful Assembly) বলে গণ্য হবে। ন্যূনতম পাঁচজনের সমাবেশ ছাড়া এটি প্রযোজ্য নয়।

⇒ দণ্ডবিধির ১৪১ ধারামতে ৫ বা ততোধিক ব্যক্তি কর্তৃক সৃষ্ট সমাবেশে নিম্নলিখিত ৫টি সাধারণ উদ্দেশ্য বা common object থাকলে তা বেআইনি সমাবেশ বলে গণ্য হবে। সাধারণ উদ্দেশ্যগুলো (common object) নিম্নরূপ যথা-
১) সরকার, সরকারি কর্মচারী বা আইনসভাকে আইনসম্মত ক্ষমতা প্রয়োগকালে বাধা বা বলপ্রয়োগের হুমকি দান;
২) আইনগত ব্যবস্থা বাস্তবায়নে বাধা ।
৩) অনিষ্ট, অপরাধজনক অনধিকার প্রবেশ বা অপর কোন অপরাধ সংঘটন ।
৪) অপরাধজনক বলপ্রয়োগ পূর্বক সম্পত্তি অর্জন বা কোন ব্যক্তিকে রাস্তা বা পানি ব্যবহার বা দখল থেকে বঞ্চিত; অথবা
৫) কোন ব্যক্তিকে যা করতে বাধ্য নয় তা করাতে ও যা করতে বাধ্য তা থেকে বিরত রাখতে বাধ্য করা।

→ সাধারণ উদ্দেশ্য বা common object বলতে তদ্রূপ উদ্দেশ্যকে বোঝায় যা পূরণকল্পে সমাবেশের সকল সদস্য সমবেত হয়েছিল এবং সেই উদ্দেশ্য হাসিল করবে বলে তারা সকলে জানত; অর্থাৎ বেআইনি সমাবেশ করার জন্য যে সকল উদ্দেশ্য থাকে সেই সকল উদ্দেশ্য সমূহ হলো সাধারণ উদ্দেশ্য।
---------------------
⇒ The Penal Code Section-141.Unlawful assembly:
- An assembly of five or more persons is designated an "unlawful assembly," if the common object of the persons composing that assembly is:
First: -To overawe by criminal force, or show of criminal force, Government or Legislature, or any public servant in the exercise of the lawful power of such public servant; or 
Second: To resist the execution of any law, or of any legal process; or 
Third: To commit any mischief or criminal trespass, or other offence ; or 
Fourth.- By means of criminal force, or show of criminal force, to any person to take or obtain possession of any property, or to deprive any person of the enjoyment of a right of way, or of the use of water or other incorporeal right of which he is in possession or enjoyment, or to enforce any right or supposed right; or 
Fifth.-By means of criminal force, or show of criminal force, to compel any person to do what he is not legally bound to do, or to omit to do what he is legally entitled to do. 
Explanation.-An assembly which was not unlawful when it assembled, may subsequently become an unlawful assembly.

৩৫৫.
‘ক’ ‘খ’ এর মুখে ঘুষি মারলে ‘খ' এর একটি দাঁত পড়ে যায়। ‘ক’ এর কৃত অপরাধ হলো?
  1. সাধারণ জখম
  2. মারাত্মক জখম
  3. ইচ্ছাকৃত জখম
  4. হত্যার চেষ্টা
সঠিক উত্তর:
মারাত্মক জখম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মারাত্মক জখম
ব্যাখ্যা
♦ দন্ডবিধির ৩২০ ধারায় ৮ ধরণের গুরুতর জখমের উল্লেখ রয়েছে।

(i) পুরুষত্বহীনকরণ
(ii) স্থায়ীভাবে চোখের দৃষ্টি রহিতকরণ
(iii) স্থায়ীভাবে কানের শ্রুতিশক্তি রহিতকরণ
(iv) যে কোন অঙ্গ বা গ্রন্থির অনিষ্ট সাধন
(v) যে কোন অঙ্গ বা গ্রন্থির স্থায়ী ক্ষতিকরণ
(vi) মাথা বা মুখমন্ডলের স্থায়ী বিকৃতি
(vii) হাড় বা দাঁত ভাঙ্গা
(viii) কোন ব্যক্তিকে ২০ দিন পর্যন্ত তীব্র যন্ত্রণা দেয় এমন আঘাত।

♦ এর মধ্যে সপ্তমটি হলো হাড় বা দাঁত ভাঙা বা বিচ্যুতকরণ।
৩৫৬.
X , Y কে একটি ঘরে যেতে বাধ্য করত, সেখানে তালাবদ্ধ করে রাখে। X কী অপরাধ করেছে?
  1. অবৈধ বাধা
  2. অবৈধ অবরোধ
  3. অপহরণ
  4. বলর্পূবক বাধা
সঠিক উত্তর:
অবৈধ অবরোধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অবৈধ অবরোধ
ব্যাখ্যা
♦দণ্ডবিধির ধারা ৩৪০ অনুযায়ী, যদি কোন ব্যক্তিকে আইনের বিধানের বিরুদ্ধে অথবা কোন আদালতের আদেশ ছাড়াই অবৈধভাবে আটক করা হয়, তাহলে সেটি অবৈধ আটক হিসেবে গণ্য হবে।
♦অবৈধ অবরোধ বা অবৈধ আটক একই বিষয়। যেহেতু ঘরটি চারপাশ বেষ্টিত তাই উক্ত ঘরের বাইরে যেতে Y বাধাগ্রস্থ হয়। সুতরাং X, Y-কে অন্যায়ভাবে/বেআইনীভাবে আটক বা অবরোধ [wrongful confinement] করেছে বলে গণ্য হবে।
৩৫৭.
'A' নিজেকে 'B' বলে পরিচয় দিয়ে প্রতারণা করে; 'B' জনৈক মৃত ব্যক্তি। দণ্ডবিধি অনুসারে 'A' এর অপরাধ-
  1. Cheating
  2. Cheating by personation
  3. Cheating with knowledge
  4. Cheating and dishonestly inducing a person
সঠিক উত্তর:
Cheating by personation
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Cheating by personation
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪১৬ ধারার বিধান অপরের রূপ ধারণপূর্বক প্রতারণা:
- কোন ব্যক্তি যদি নিজেকে অন্য কোন ব্যক্তি বলে প্রতারণা করে অথবা জ্ঞাতসারে কোন ব্যক্তিকে অন্য ব্যক্তি বলে চালিয়ে প্রতারণা করে অথবা নিজেকে বা অন্য কোন ব্যক্তিকে সে নিজে বা সে ব্যক্তি অন্য যে ব্যক্তি নয় সে ব্যক্তি বলে চালিয়ে প্রতারণা করে, তবে উক্ত ব্যক্তি অপরের রূপ ধারণ করে প্রতারণা করেছে বলে গণ্য হয়।
ব্যাখ্যা:- যে ব্যক্তির রূপ ধারণ করা হয়েছে সে ব্যক্তি প্রকৃত ব্যক্তি হোক আর কাল্পনিক ব্যক্তি হোক না কেন অপরাধটি অনুষ্ঠিত হবে।
উদাহরণ:
(ক) ক একই নামে একজন বিত্তশালী ব্যাংকার বলে নিজেকে পরিচয় দান করে। ক অপরের রূপ ধারণ করে প্রতারণা করেছে।
(খ) ক নিজেকে খ বলে পরিচয় দিয়ে প্রতারণা করে; খ জনৈক মৃত ব্যক্তি। ক অপরের রূপ ধারণ করে প্রতারণা করেছে।
--------------
⇒ The Penal Code, 1860, Section-416. Cheating by personation:
A person is said to "cheat by personation" if he cheats by pretending to be some other person, or by knowingly substituting one person for another, or representing that he or any other person is a person other than he or such other person really is.
Explanation.-The offence is committed whether the individual personated is a real or imaginary person.

Illustrations
(a) A cheats by pretending to be a certain rich banker of the same name. A cheats by personation.
(b) A cheats by pretending to be B, a person who is deceased. A cheats by personation.
৩৫৮.
What is the maximum term of imprisonment for intentionally giving false evidence in a judicial proceeding?
  1. 3 years
  2. 5 years
  3. 7 years
  4. 10 years
সঠিক উত্তর:
7 years
উত্তর
সঠিক উত্তর:
7 years
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৯৩ ধারার বিধান মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়ার শাস্তি:
কোন ব্যক্তি যদি কোন বিচার বিভাগীয় কার্যক্রমের যে কোন পর্যায়ে ইচ্ছাপূর্বক মিথ্যা সাক্ষ্যদান ব্যবহার করার জন্য ইচ্ছাপূর্বক মিথ্যা সাক্ষ্য তৈরি করে, তবে সে ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং এতদ্ব্যতীত তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে; এবং
-কোন ব্যক্তি যদি অপর কোন ক্ষেত্রে ইচ্ছাপূর্বক মিথ্যা সাক্ষ্য দান করে বা তৈরি করে, তবে সে ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে।

-ব্যাখ্যা (Explanation) ১:- সামরিক আদালত (Court-martial) সংঘটিত বিচারও একটি বিচার বিভাগীয় কার্যক্রম।
- ব্যাখ্যা (Explanation) ২:- কোন আদালতের কোন কার্যক্রম শুরু হওয়ার পূর্বে আইনের নির্দেশানুগ প্রারম্ভিক তদন্ত ও বিচারবিভাগীয় কার্যক্রমের একটি পর্যায় যদিও সে তদন্ত কোন আদালতে সংঘটিত নাও হতে পারে।
- ব্যাখ্যা (Explanation) ৩:- কোন আদালত দ্বারা আইনানুসারে নির্দেশিত এবং কোন আদালতের ক্ষমতানুসারে পরিচালিত কোন তদন্ত বিচারবিভাগীয় কার্যক্রমের একটি পর্যায় যদিও সে তদন্ত কোন আদালতে সংঘটিত নাও হতে পারে।

-উদাহরণ: 
জমির সীমানা অকুস্থলে নির্ণয়কল্পে কোন আদালত দ্বারা প্রেরিত কর্মচারীর বা অফিসারের সম্মুখে সম্পাদিত তদন্তে ক শপথ গ্রহণান্তর এমন একটি বিবৃতি দান করে, যা সে মিথ্যা বলে জানে। যেহেতু উক্ত তদন্তটি একটি বিচারবিভাগীয় কার্যক্রমেরই একটি পর্যায়, সেহেতু ক মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদান করেছে বলে অভিহিত হবে।
----------------------------
The Penal Code, 1860-Section-193. Punishment for false evidence: Whoever intentionally gives false evidence in any stage of judicial proceeding, or fabricates false evidence for the purpose of being used in any stage of a judicial proceeding, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine;
and whoever intentionally gives or fabricates false evidence in any other case, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, and shall also be liable to fine.

Explanation 1.-A trial before a Court-martial is a judicial proceeding.
Explanation 2.-An investigation directed by law preliminary to a proceeding before a Court of Justice, is a stage of a judicial proceeding, though that investigation may not take place before a Court of Justice.
Explanation 3.-An investigation directed by a Court of Justice according to law, and conducted under the authority of a Court of Justice, is a stage of a judicial proceeding, though that investigation may not take place before a Court of Justice.
৩৫৯.
দণ্ডবিধির ১৯৪ ধারায় সর্বোচ্চ শাস্তি হতে পারে-
  1. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  2. ১৪ বৎসর কারাদণ্ড
  3. ১২ বৎসর কারাদণ্ড
  4. মৃত্যুদণ্ড
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুদণ্ড
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির  ১৯৪ ধারা মতে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করার উদ্দেশ্যে মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদান বা মিথ্যা সাক্ষ্য উদ্ভাবনের ২ ধরনের শাস্তি হতে পারে। যথা-

(i) কোন আসামীকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করার জন্য মিথ্যা সাক্ষ্য দেয়ার পরও অথবা মিথ্যা সাক্ষ্য সৃষ্টি করার পরও উক্ত আসামীর মৃত্যুদন্ড না হলে বা আসামী খালাস পেলে মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদানকারী যাবজ্জীবন কারাদণ্ড অথবা অনধিক ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবে।

(ii) মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদানের ফলে কোন নির্দোষ লোকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হলে মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদানকারী মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা অনধিক ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবে।
-----------------------------------
♦ দণ্ডবিধির ১৯৪ ধারার বিধান মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করানোর উদ্দেশ্যে মিথ্যা সাক্ষ্যদান বা মিথ্যা সাক্ষ্য তৈরি করা :- কোন ব্যক্তি যদি মিথ্যা সাক্ষ্যদান করে বা তৈরি করে এবং তদ্বারা কাউকে বর্তমানে বলবৎ কোন আইনবলে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় কোন অপরাধে দণ্ডিত করানোর উদ্দেশ্যেই তা করে থাকে কিংবা তার এইরূপ মিথ্যা সাক্ষ্য দান বা তৈরি করার ফলে কাউকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধে দণ্ডিত করা হতে পারে জেনেই যদিও তা করে থাকে, তবে সে ব্যক্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে; তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা হবে।

যদি তার ফলে কোন নির্দোষ ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে সাজাপ্রাপ্ত হয় এবং সাজা বলবৎ হয়:- যদি অনুরূপ মিথ্যা সাক্ষ্যের ফলে কোন নির্দোষ ব্যক্তি সাজাপ্রাপ্ত হয় ও সাজা বলবৎ হয়, তবে যে ব্যক্তি অনুরূপ মিথ্যা সাক্ষ্যদান করেছে, সে ব্যক্তি হয় মৃত্যুদণ্ডে, না হয় এই ধরায় ইতোপূর্বে বর্ণিত সাজায় সাজাপ্রাপ্ত হবে।

______________________________________________________
♦  Giving or fabricating false evidence with intent to procure conviction of capital offence; if innocent person be thereby convicted and executed
♦  Section 194. Whoever gives or fabricates false evidence, intending thereby to cause, or knowing it to be likely that he will thereby cause, any person to be convicted of an offence which is capital by any law for the time being in force, shall be punished with imprisonment for life, or with rigorous imprisonment for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine; 
 
♦ and if an innocent person be convicted and executed in consequence of such false evidence, the person who gives such false evidence shall be punished either with death or the punishment herein before described.
৩৬০.
‘E’ একজন মহিলার সাথে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করে, যিনি বিশ্বাস করেন যে ‘E’ তার স্বামী, কিন্তু ‘E’ জানে যে সে তার স্বামী নয়। দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৩৭৬ অনুসারে এই অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ২ বছরের কারাদণ্ড
  2. ৭ বছরের কারাদণ্ড
  3. ১০ বছরের কারাদণ্ড
  4. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৩৭৫ অনুসারে, কোনো পুরুষ যদি জেনে যে সে মহিলার স্বামী নয়, এবং মহিলা তাকে স্বামী মনে করে সম্মতি দেয়, তবে তা ধর্ষণ হিসেবে গণ্য (চতুর্থ শর্ত)। এখানে, ‘E’ জেনে যে সে মহিলার স্বামী নয়, তার সাথে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেছে, যা ধারা ৩৭৫-এর অধীনে ধর্ষণ। ধারা ৩৭৬ অনুসারে, ধর্ষণের শাস্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা ১০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং জরিমানা।
- সুতরাং, ‘E’-এর অপরাধের জন্য ধারা ৩৭৬ অনুসারে সর্বোচ্চ শাস্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৭৫ ধারার বিধান ধর্ষণ (Rape):- কোন পুরুষ অতঃপর উল্লেখিত ব্যতিক্রম ভিন্ন অপর সকল ক্ষেত্রে নিম্নোক্ত পাঁচটি যেকোন অবস্থায় কোন স্ত্রীলোকের সাথে যৌনসঙ্গম করলে সে ধর্ষণ করেছে বলে পরিগণিত হবে।
প্রথমত:- স্ত্রীলোকটির ইচ্ছার বিরুদ্ধে।
দ্বিতীয়ত:- স্ত্রীলোকটির সম্মতি ব্যতিরেকে।
তৃতীয়ত:- স্ত্রীলোকটির সম্মতিক্রমেই, যেক্ষেত্রে মৃত্যু বা জখমের ভয় প্রদর্শন করে স্ত্রীলোকটির সম্মতি আদায় করা হলে।
চতুর্থত:- স্ত্রীলোকটির সম্মতিক্রমেই, যেক্ষেত্রে পুরুষটি জানে যে, সে স্ত্রীলোকটি স্বামী নয়, এবং পুরুষটি ইহার জানে যে, স্ত্রীলোকটি তাকে এমন অপর একজন পুরুষ বলে ভুল করেছে, যে পুরুষটির সাথে সে আইন সম্মতভাবে বিবাহিত হয়েছে বা বিবাহিত বলে বিশ্বাস করে।
পঞ্চমত:- স্ত্রীলোকটি সম্মতিক্রমে অথবা সম্মতি ব্যতিরেকে, যদি স্ত্রীলোকটির বয়স চৌদ্দ বৎসরের কম হয়।
ব্যাখ্যা:- ধর্ষণের অপরাধের জন্য আবশ্যকীয় যৌনসঙ্গমের জন্য যৌনাঙ্গ প্রবিষ্ট করাই যথেষ্ট গণ্য হবে।
ব্যতিক্রম:- কোন পুরুষের কর্তৃক নিজ স্ত্রীর সাথে যৌনসঙ্গম ধর্ষণ বলে পরিগণিত হবে না, যদি স্ত্রী তের বৎসরে নিম্ন বয়স্কা না হয়।
--------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 375.Rape:
 A man is said to commit "rape" who except in the case hereinafter excepted, has sexual intercourse with a woman under circumstances falling under any of the five following descriptions: 
Firstly. Against her will. 
Secondly. Without her consent. 
Thirdly. With her consent, when her consent has been obtained by putting her in fear of death, or of hurt. 
Fourthly. With her consent, when the man knows that he is not her husband, and that her consent is given because she believes that he is another man to whom she is or believes herself to be lawfully married. 
Fifthly. With or without her consent, when she is under fourteen years of age. 
Explanation. Penetration is sufficient to constitute the sexual intercourse necessary to the offence of rape. 
Exception. Sexual intercourse by a man with his own wife, the wife not being under thirteen years of age, is not rape.

৩৬১.
'ক', 'চ'-এর প্রতি মুষ্টি উত্তোলন করে। এটির ফলে 'চ' যাতে বিশ্বাস করে যে 'ক' তাকে আঘাত করতে উদ্যত হয়েছে, সে জন্যই 'ক' তা করে। দণ্ডবিধি অনুসারে 'ক' কোন অপরাধটি করেছে?
  1. Affray
  2. Assault
  3. criminal force
  4. Assault with intent to outrage modesty
সঠিক উত্তর:
Assault
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Assault
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৫১ ধারার বিধান আক্রমণ:
- কোন ব্যক্তি যদি এই উদ্দেশ্য নিয়ে বা এটা জানা সত্ত্বেও এমন কোন অঙ্গভঙ্গি করে বা কোন প্রস্তুতি গ্রহণ করে যে, তাতে হাজির কোন ব্যক্তির ভয় হয় যে, যে ব্যক্তি উক্ত অঙ্গভঙ্গি বা প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে, সে ব্যক্তি উক্ত হাজির ব্যক্তির উপর অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করতে উদ্যত হয়েছে, তবে প্রথমোক্ত ব্যক্তি আক্রমণ করেছে বলে পরিগণিত হয়।

ব্যাখ্যা:- কেবলমাত্র মুখের কথা আক্রমণ বলে পরিগণিত হয় না। কিন্তু কোন ব্যক্তির ব্যবহৃত কথাগুলি তার অঙ্গভঙ্গিকে বা প্রস্তুতিকে এমন অর্থপূর্ণ করতে পারে, যার কারণে তার অঙ্গভঙ্গি বা প্রস্তুতি আক্রমণ বলে পরিগণিত হতে পারে।

উদাহরণ:
'ক', 'চ'-এর প্রতি মুষ্টি উত্তোলন করে। ইহার ফলে 'চ' যাতে বিশ্বাস করে যে 'ক' তাকে আঘাত করতে উদ্যত হয়েছে, সে জন্যই 'ক' তা করে অথবা ইহার ফলে এইরূপ: হতে পারে জানা সত্ত্বেও তা করে । 'ক' আক্রমণ করেছে।

(খ) ক একটি হিংস্র কুকুরের মুখ বন্ধনী খুলতে শুরু করে। চ যাতে বিশ্বাস করে যে, ক কুকুরটিকে দিয়ে তাকে আক্রমণ করার উদ্দেশ্যেই কুকুরটির মুখ বন্ধনী খুলে দিচ্ছে, এই উদ্দেশ্যেই, অথবা চ এইরূপ বিশ্বাস করতে পারে জানা সত্ত্বেও ক এই কাজ করে। ক-চ এর উপর আক্রমণ করেছে।

(গ) ক একটি ছুড়ি ঘুরাতে ঘুরাতে চ-কে বলিল, “তোমাকে পিটুনি দেব।” এখানে যদিও কেবল ক-এর ব্যবহৃত কথাগুলি কোনক্রমেই আক্রমণ বলে পরিগণিত হতে পারে না, এবং যদিও অপর কোন অনুষঙ্গ ব্যতীত কেবল ক-এর অঙ্গভঙ্গি আক্রমণতৃল্য নয়, তবুও অঙ্গভঙ্গি ও তার আনুষঙ্গিক ব্যাখ্যামূলক কথাগুলি মিলিয়ে আক্রমণ বলে পরিগণিত হবে।
৩৬২.
দণ্ডবিধিতে অনুমোদিত নয় এমন শাস্তি-
  1. বেত্রাঘাত
  2. ব্রাস্ট ফায়ারে মৃত্যু
  3. দ্বীপান্তর
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধি ৫৩ ধারায় ৫ টি শাস্তির অনুমোদিত বিধান রয়েছে।
(i) মৃত্যুদণ্ড
(ii) যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
(iii) কারাদণ্ড
(iv) সম্পত্তির বাজেয়াপ্তি
(v) অর্থদণ্ড
• এগুলো ছাড়া বাকি সব অনুমোদিত নয়।
• একমাত্র বিশেষ ক্ষমতা আইন ১৯৭৪ এর ৩৪ক ধারায় নির্ধারিত পদ্ধতি অনুসারে গুলি করিয়া মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের বিধান রয়েছে।
৩৬৩.
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড অথবা কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধে দণ্ডিত করার উদ্দেশ্যে মিথ্যা সাক্ষ্যদান বা মিথ্যা সাক্ষ্য তৈরি করার শাস্তির বিধান আছে কত ধারায়?
  1. দণ্ডবিধির ১৯৩ ধারা
  2. দণ্ডবিধির ১৯৪ ধারা
  3. দণ্ডবিধির ১৯৫ ধারা
  4. দণ্ডবিধির ১৯১ ধারা
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধির ১৯৫ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধির ১৯৫ ধারা
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ১৯৫ ধারার বিধান যাবজ্জীবন কারাদণ্ড অথবা কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধে দণ্ডিত করার উদ্দেশ্যে মিথ্যা সাক্ষ্যদান বা মিথ্যা সাক্ষ্য তৈরি করা:- কোন ব্যক্তি যদি বর্তমানে বলবৎ কোন আইনবলে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় নয়, কিন্তু যাবজ্জীবন কিংবা সাত বৎসর বা তদূর্ধ্ব মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধে অন্য কোন ব্যক্তিকে দণ্ডিত করানোর উদ্দেশ্যে অথবা উক্ত অন্য কোন ব্যক্তি অনুরূপ অপরাধে দণ্ডিত হতে পারে জানা সত্ত্বেও মিথ্যা সাক্ষ্য তৈরি করে, তবে সে ব্যক্তি পূর্বোলিখিত অপরাধে কোন ব্যক্তি অপরাধী সাব্যস্ত হলে তাকে যে দণ্ডে দণ্ডিত করা যেত, সে দণ্ডে দণ্ডিত হবে।

♦ উদাহরণ
মিথ্যা সাক্ষ্য কর্তৃক চ-কে ডাকাতির দায়ে দণ্ডিত করার মানসে ক আদালতে মিথ্যা সাক্ষ্য দান করে। ডাকাতির সাজা হচ্ছে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড অথবা অর্থদণ্ডসহ বা অর্থদণ্ড ছাড়া দশ বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম কারাদণ্ড। সুতরাং ক যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে বা অর্থদণ্ডসহ বা ছাড়া কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে।
----------------------------------

♦ Giving or fabricating false evidence with intent to procure conviction of offence punishable with imprisonment for life or imprisonment:
Section 195. Whoever gives or fabricates false evidence intending thereby to cause, or knowing it to be likely that he will thereby cause, any person to be convicted of an offence which by any law for the time being in force is not capital, but punishable with imprisonment for life, or imprisonment for a term of seven years or upwards, shall be punished as a person convicted of that offence would be liable to be punished.

♦ Illustration 
A gives false evidence before a Court of Justice, intending thereby to cause Z to be convicted of a dacoity. The punishment of dacoity is imprisonment for life, or rigorous imprisonment for a term which may extend to ten years, with or without fine. A, therefore, is liable to such imprisonment for life or imprisonment, with or without fine.
৩৬৪.
ধারা ৬৬ অনুযায়ী, আদালত অর্থদণ্ড না পরিশোধ করার কারণে যে কারাদণ্ড প্রদান করবে তা কিভাবে নির্ধারিত হয়?
  1. আদালতের পছন্দ অনুযায়ী
  2. মামলার দীর্ঘায়িত সময় অনুযায়ী
  3. দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির আচরণ অনুযায়ী
  4. অপরাধের জন্য পূর্বে নির্ধারিত কারাদণ্ডের ধরন অনুযায়ী
সঠিক উত্তর:
অপরাধের জন্য পূর্বে নির্ধারিত কারাদণ্ডের ধরন অনুযায়ী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপরাধের জন্য পূর্বে নির্ধারিত কারাদণ্ডের ধরন অনুযায়ী
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৬৬ ধারার বিধান- অর্থদণ্ড অনাদায়ে প্রদত্ত কারাদণ্ডের ধরন:
অর্থদণ্ড অনাদায়ে প্রদত্ত কারাদণ্ডের ধরন, অপরাধটির জন্য অপরাধীকে যে ধরনের কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা যেত সেরূপ হবে।

Section 66- Description of imprisonment for non-payment of fine:
The imprisonment which the Court imposes in default of payment of a fine may be of any description to which the offender might have been sentenced for the offence.
৩৬৫.
একজন ব্যবসায়ী প্রতারণামূলকভাবে মিথ্যা ওজনের যন্ত্র ব্যবহার করে অতিরিক্ত পরিমাণে পণ্য বিক্রি করছে। তার বিরুদ্ধে কোন ধারার অধীনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে?
  1. ধারা ২৫৪
  2. ধারা ২৬৪
  3. ধারা ২৭৪
  4. ধারা ২৮৪
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৬৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৬৪
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ২৬৪ ধারা- ওজনের জন্য প্রতারণামূলকভাবে মিথ্যা যন্ত্র ব্যবহার করা:
কোন ব্যক্তি যদি প্রতারণামূলকভাবে ওজনের জন্য এমন কোন যন্ত্র ব্যবহার করে, যা মিথ্যা বলে সে জানে, তবে-সেই ব্যক্তি এক বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

Section 264- Fraudulent use of false instrument for weighing:
Whoever fraudulently uses any instrument for weighing which he knows to be false, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to one year, or with fine, or with both.
৩৬৬.
কোন ব্যক্তি যদি ইচ্ছাকৃতভাবে অপরের ক্ষতি সাধনের জন্য মিথ্যা ফৌজদারি অভিযোগ করেন, তবে এটি দণ্ডবিধির কোন ধারার অধীন দণ্ডনীয়?
  1. ধারা ২০১
  2. ধারা ২১০
  3. ধারা ২১১
  4. ধারা ২২১
সঠিক উত্তর:
ধারা ২১১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ২১১
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ২১১ ধারা বিধান- ক্ষতিসাধনের উদ্দেশ্যে অপরাধ বিষয়ক মিথ্যা অভিযোগ উত্থাপন:
কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তিকে ক্ষতিসাধনের জন্য উক্ত অন্য ব্যক্তির বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা রুজু করার বা অপরাধ সংঘটনের অভিযোগ উত্থাপন করার কোন সংগত বা আইনানুগ যুক্তি নাই বলে জানা সত্ত্বেও উক্ত অন্য ব্যক্তির বিরুদ্ধে কোন ফৌজদারি মামলা রুজু করে বা অনুরূপ মামলা রুজু করায়, কিংবা উক্ত অন্য ব্যক্তির কোন অপরাধ করেছে বলে মিথ্যা অভিযোগ উত্থাপন করে, তবে সে ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা উভয় দণ্ডেই দণ্ডিত হবে;

এবং যদি অনুরূপ ফৌজদারি মামলায়, মৃত্যুদণ্ডে, যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে, কিংবা সাত বৎসর বা তদূর্ধ্ব মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় কোন অপরাধ সংঘটনের মিথ্যা অভিযোগ রুজু করা হয়, তবে সে ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং এতদ্‌ব্যতীত তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে।
৩৬৭.
দণ্ডবিধির ২৯৯ ধারায় কয়টি ব্যাখ্যা আছে?
  1. ১ টি
  2. ২ টি
  3. ৩ টি
  4. ৪ টি
সঠিক উত্তর:
৩ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ টি
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ২৯৯ ধারার বিধান শাস্তিযোগ্য নরহত্যা (Culpable homicide):- কোন ব্যক্তি যদি মৃত্যু ঘটাবার উদ্দেশ্য নিয়ে কৃত কোন কাজ কর্তৃক মৃত্যু ঘটায়, অথবা যে দৈহিক জখম মৃত্যু ঘটাতে পারে, তেমন দৈহিক জখম ঘটাবার উদেশ্য নিয়ে কৃত কোন কাজের সংঘটন কর্তৃক মৃত্যু ঘটায়, অথবা যে কাজ মৃত্যু ঘটাতে পারে বলে সে জানে, সে কাজ সম্পাদন কর্তৃক মৃত্যু ঘটায়, তবে সেই ব্যক্তি শাস্তিযোগ্য নরহত্যার দোষে দোষী হবে।

⇒ ব্যাখ্যা (Explanation) ১:- যে ব্যক্তি অসুস্থতা, রোগ বা দৈহিক অপারগতায় ভুগতেছে, তার দৈহিক জখম করে মৃত্যু ত্বরান্বিত করলে তার মৃত্যু ঘটাবার অপরাধ হয়েছে বলে বিবেচনা করা হবে।

⇒ ব্যাখ্যা (Explanation) ২:- যখন দৈহিক আঘাত বা জখমের কারণে মৃত্যু ঘটে, তখন যে ব্যক্তি অনুরূপ দৈহিক আঘাত বা জখম ঘটায়, সে ব্যক্তি মৃত্যু ঘটিয়েছে বলে বিবেচনা করা হবে, যদিও যথোচিত প্রতিকারের ও সুনিপুণ চিকিৎসার ফলে সে মৃত্যু রোধ করা যেত।

⇒ ব্যাখ্যা (Explanation) ৩:- মাতৃগর্ভে কোন শিশুর মৃত্যু ঘটানো নরহত্যা নয়। কিন্তু যদি কোন শিশুর (দেহের) কোন অংশ নিষ্ক্রান্ত করার পর জীবিত শিশুটির মৃত্যু ঘটানো হয়, তবে তা শাস্তিযোগ্য নরহত্যা বলে পরিগণিত হবে, যদিও শিশুটি শ্বাসপ্রশ্বাস গ্রহণ না করে থাকে অথবা সম্পূর্ণরূপে ভুমিষ্ঠ না হয়ে থাকে।

⇒  দণ্ডবিধির ২৯৯ ধারায় ৩ টি ব্যাখ্যা (Explanation) আছে।
৩৬৮.
খুনের উদ্যোগ (প্রচেষ্টা) সম্পর্কিত শাস্তির বিধান দণ্ডবিধির কত ধারায়?
  1. দণ্ডবিধির ৩০০ ধারায়
  2. দণ্ডবিধির ৩০৯ ধারায়
  3. দণ্ডবিধির ৩০৭ ধারায়
  4. দণ্ডবিধির ৩০৮ ধারায়
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধির ৩০৭ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধির ৩০৭ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩০৭ ধারা অনুযায়ী খুনের উদ্যোগ বা চেষ্টা | Attempt to murder। শাস্তিযোগ্য অপরাধ। ৩০৭ ধারা অনুসারে খুনের উদ্যোগের শাস্তি অর্থদণ্ডসহ যেকোনো বর্ণনার ১০ বৎসর কারাদণ্ড। কিন্তু খুনের উদ্যোগের কার্যের ফলে যদি জখম হয়, তাহলে অপরাধী যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে বা অর্থদণ্ডসহ যেকোনো বর্ণনার ১০ বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে।
⇒ অন্যদিকে যাবজ্জীবন কারাদন্ডে দন্ডিত ব্যক্তি খুনের উদ্যোগ গ্রহণ করলে এবং উক্ত কার্যের ফলে কোন ব্যক্তি আহত হলে অপরাধী মৃত্যুদন্ডে দন্ডিত হবে।
⇒ অর্থাৎ, যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত ব্যক্তি আঘাত দিয়ে খুনের চেষ্টা করলে তাকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করা যাবে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩০৭ ধারার বিধান খুনের উদ্যোগ:- কোন ব্যক্তি যদি এমন উদ্দেশ্য নিয়ে বা এমন আশঙ্কা জানা সত্ত্বেও এমন অবস্থায় এমন কোন কার্য করে, যার ফলে মৃত্যু ঘটলে সে খুনের দায়ে অপরাধী সাব্যস্ত হবে, তবে উক্ত ব্যক্তি দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে, এবং যদি অনুরূপ কাজের কর্তৃক কোন ব্যক্তিকে আঘাত করা হয়, তবে অপরাধী যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা ইতোপূর্বে যে সাজার উলেখ করা হয়েছে, সে দণ্ডে দণ্ডিত হবে।

যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত ব্যক্তির উদ্যোগ:- যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত কোন ব্যক্তি যদি এই ধারায় উল্লেখিত অপরাধ করে এবং তার ফলে কেউ আহত হয়, তবে উক্ত ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করা যেতে পারে।
-------------
⇒ Attempt to murder Attempts by life-convicts:
Section 307. Whoever does any act with such intention or knowledge, and under such circumstances that, if he by that act caused death, he would be guilty of murder, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine; and, if hurt is caused to any person by such act, the offender shall be liable either to imprisonment for life, or to such punishment as is hereinbefore mentioned. 
When any person offending under this section is under sentence of imprisonment for life, he may, if hurt is caused, be punished with death.
৩৬৯.
দণ্ডবিধি অনুসারে নিচের কোন শাস্তিটি বৈধ নয়?
  1. মৃত্যুদণ্ড
  2. নির্জন কারাবাস
  3. সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত
  4. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বিনাশ্রম
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বিনাশ্রম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বিনাশ্রম
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধি মূলত দণ্ড সম্পর্কিত আইন, দণ্ডবিধির ৫৩ ধারায় শাস্তির প্রকারভেদ রয়েছে। ৫৩ ধারায় পাঁচ প্রকার শাস্তি উল্লেখ আছে। যথা:
      (i)  মৃত্যুদণ্ড (Death penalty)
      (ii) যাবজ্জীবন কারাদণ্ড (Imprisonment for life)
      (iii) কারাদণ্ড(Imprisonment) দুই প্রকার:
           ক) সশ্রম( Rigorous, that is,  with hard labour) এবং
           খ) বিনাশ্রম (Simple)
      (iv) সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত (forfeiture of property)
      (v) অর্থদণ্ড (fine)
 ব্যাখ্যা: যাবজ্জীবন কারাদণ্ড সর্বদায় সশ্রম কারাদণ্ড হবে।

-দণ্ডবিধির ধারা ৫৩ তে বিধান আছে যে, কারাদণ্ড ২ প্রকারের- সশ্রম ও  বিনাশ্রম। 
 Section-53 Explanation.-In the punishment of imprisonment for life, the imprisonment shall be rigorous.
 অর্থাৎ দণ্ডবিধি অনুসারে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বিনাশ্রম বৈধ শাস্তি নয়।
৩৭০.
'B' একটি বেআইনী সমাবেশে যোগ দেয়, যেখানে সমাবেশের সদস্যরা তাদের সাধারণ উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের জন্য রাস্তায় উগ্রতা প্রদর্শন করে এবং দোকান ভাঙচুর করে। দণ্ডবিধি অনুযায়ী, 'B'-এর সর্বোচ্চ শাস্তি কী হতে পারে?
  1. ৬ মাস কারাদণ্ড
  2. ২ বছর কারাদণ্ড
  3. ৩ বছর কারাদণ্ড
  4. ১ বছর কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
২ বছর কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ 'B' একটি বেআইনী সমাবেশে (unlawful assembly) যোগ দিয়েছে।
- এই সমাবেশের সদস্যরা তাদের সাধারণ উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের জন্য উগ্রতা প্রদর্শন করে এবং দোকান ভাঙচুর করেছে (বলপ্রয়োগ/সহিংসতা)।
- দণ্ডবিধির ধারা ১৪৬ অনুযায়ী, এমন সমাবেশের প্রত্যেক সদস্য দাঙ্গার (rioting) অপরাধে অপরাধী।
- ধারা ১৪৭ অনুযায়ী, দাঙ্গার অপরাধের শাস্তি হলো ২ বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড, অথবা অর্থদণ্ড, অথবা উভয় দণ্ড।
- সুতরাং, 'B'-এর সর্বোচ্চ শাস্তি ২ বছর কারাদণ্ড হতে পারে।

⇒ দণ্ডবিধির ১৪৬ ধারার বিধান দাঙ্গা:- কোন বেআইনী সমাবেশের সাধারণ উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে উক্ত বেআইনী সমাবেশ দ্বারা বা উক্ত বেআইনী সমাবেশে যোগদানকারী কোন ব্যক্তি কর্তৃক বল বা উগ্রতা প্রয়োগ করা হলে, উক্ত বেআইনী সমাবেশে যোগদানকারী প্রত্যেক ব্যক্তি দাঙ্গার অপরাধে অপরাধী সাব্যস্ত হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ১৪৭ ধারার বিধান দাঙ্গা করার সাজা :- কোন ব্যক্তি দাঙ্গার অপরাধে অপরাধী সাব্যস্ত হলে, তাকে দুই বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম কিংবা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত করা যাবে।
-------------------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section-146. Rioting:- Whenever force or violence is used by an unlawful assembly, or by any member thereof, in prosecution of the common object of such assembly, every member of such assembly is guilty of the offence of rioting.
⇒ The Penal Code, 1860- Section-147:- Punishment for rioting:
Whoever is guilty of rioting, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.

৩৭১.
সাধারণ ফৌজদারী মামলায় আইনগত ভুল (Mistake of law) ফৌজদারী দায় হতে অব্যাহতি পাওয়ার কোন অজুহাত হতে পারে না কিন্তু ঘটনাগত ভুল (Mistake of fact) হতে পারে। উক্তিটি-
  1. আংশিক সত্য
  2. মিথ্যা
  3. সত্য
  4. কোনটাই নয়
সঠিক উত্তর:
সত্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সত্য
ব্যাখ্যা
- ৭৬ এবং ৭৯ ধারায় ঘটনাগত অজ্ঞতার ভুল ফৌজদারী দায় হতে অব্যাহতির পাওয়ার অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে কিন্তু আইনের অজ্ঞতা ফৌজদারী দায় হতে অব্যাহতির কোন অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করা যাবে না।
- Ignorance of fact is excusable but ignorance of law is not excusable.
৩৭২.
‘D’ নিয়মিতভাবে চুরি হওয়া সম্পত্তি ক্রয়-বিক্রয় করে, জেনে যে সেগুলো চুরি হয়েছে। দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর বিধান অনুসারে এই অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ৩ বছরের কারাদণ্ড
  2. ৭ বছরের কারাদণ্ড
  3. ১০ বছরের কারাদণ্ড
  4. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৪১৩ অনুসারে, যে কেউ নিয়মিতভাবে চুরি হওয়া সম্পত্তি জেনে বা বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও ক্রয়-বিক্রয় করে, তার শাস্তি হলো যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা ১০ বছর পর্যন্ত যেকোনো প্রকারের কারাদণ্ড এবং জরিমানা। এখানে, ‘D’ নিয়মিতভাবে চুরি হওয়া সম্পত্তি ক্রয়-বিক্রয় করেছে, জেনে যে সেগুলো চুরি হয়েছে, যা ধারা ৪১৩-এর অধীনে অপরাধ। সুতরাং, সর্বোচ্চ শাস্তি হলো যাবজ্জীবন কারাদণ্ড।
সুতরাং, ধারা ৪১৩ অনুসারে ‘D’-এর অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড।

⇒ দণ্ডবিধির ৪১৩ ধারার বিধান অভ্যাসগতভাবে চোরাই সম্পত্তির বেচাকেনা করা:- কোন ব্যক্তি যদি যে সম্পত্তি চোরাই বলে সে জানে বা তার বিশ্বাস করার কারণ রয়েছে, অভ্যাসগতভাবে বরাবর সে সম্পত্তির বেচাকেনা করে, তবে উক্ত ব্যক্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডনীয় হবে।
-------
⇒ The Penal Code, 1860, Section 413. Habitually dealing in stolen property:- Whoever habitually receives or deals in property which he knows or has reason to believe to be stolen property, shall be punished with imprisonment for life, or with imprison - ment of either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine.

৩৭৩.
দণ্ডবিধির কোন ধারা অনুযায়ী “Fraudulently” শব্দটি ব্যাখ্যা করা হয়েছে?
  1. ধারা ২৪
  2. ধারা ২৫
  3. ধারা ২৬
  4. ধারা ২৮
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৫
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধিতে “Fraudulently” (প্রতারণাপূর্বক) শব্দটির ব্যাখ্যা ধারা ২৫-এ দেওয়া আছে। ধারা ২৫-এর সংজ্ঞা অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি "প্রতারণাপূর্বক" কোনো কাজ করবে বলে গণ্য হবে, যখন সে সেই কাজটি প্রতারণার অভিপ্রায় (intent to defraud) সহকারে সম্পাদন করে। শুধুমাত্র ক্ষতি বা মিথ্যা বর্ণনা দেওয়া যথেষ্ট নয়; এর জন্য সুনির্দিষ্টভাবে প্রতারণার উদ্দেশ্য থাকতে হবে।

⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০ - ধারা ২৫: "প্রতারণাপূর্বক" (Fraudulently)-
যদি কোন ব্যক্তি কোন কাজ প্রতারণার অভিপ্রায়ে করে, তবে এবং কেবলমাত্র তখনই সেই ব্যক্তি উক্ত কাজটি ‘প্রতারণাপূর্বক’ করেছে বলে গণ্য হবে।
---------
⇒ The penal Code,1860: Section- 25. “Fraudulently":
A person is said to do a thing fraudulently if he does that thing with intent to defraud but not otherwise.

৩৭৪.
X নিজেকে মৃত Y হিসেবে পরিচয় দিয়ে প্রতারণা করে। X এর কি অপরাধ হলো-
  1. ক্ষতি
  2. প্রতারণা
  3. প্রবঞ্চনা
  4. ছদ্মবেশে প্রবঞ্চনা
সঠিক উত্তর:
ছদ্মবেশে প্রবঞ্চনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ছদ্মবেশে প্রবঞ্চনা
ব্যাখ্যা
♦দণ্ডবিধির ৪১৬ ধারার বিধান অপরের রূপ ধারণপূর্বক প্রতারণাঃ কোন ব্যক্তি যদি নিজেকে অন্য কোন ব্যক্তি বলে প্রতারণা করে অথবা জ্ঞাতসারে কোন ব্যক্তিকে অন্য ব্যক্তি বলে চালিয়ে প্রতারণা করে অথবা নিজেকে বা অন্য কোন ব্যক্তিকে সে নিজে বা সে ব্যক্তি অন্য যে ব্যক্তি নয় সে ব্যক্তি বলে চালিয়ে প্রতারণা করে, তবে উক্ত ব্যক্তি অপরের রূপ ধারণ করে প্রতারণা করেছে বলে গণ্য হয়।

ব্যাখ্যা (Explanation):-
যে ব্যক্তির রূপ ধারণ করা হয়েছে সে ব্যক্তি প্রকৃত ব্যক্তি হোক আর কাল্পনিক ব্যক্তি হোক না কেন অপরাধটি অনুষ্ঠিত হবে।

♦উদাহরণসমূহঃ
(ক) ক একই নামে একজন বিত্তশালী ব্যাংকার বলে নিজেকে পরিচয় দান করে। ক অপরের রূপ ধারণ করে প্রতারণা করেছে।

(খ) ক নিজেকে খ বলে পরিচয় দিয়ে প্রতারণা করে, খ জনৈক মৃত ব্যক্তি। ক অপরের রূপ ধারণ করে প্রতারণা করেছে।

♦অর্থাৎ প্রতারণার উদ্দেশ্যে অন্যের পরিচয়ে নিজেকে উপস্থিত করলে তাকে ছদ্মবেশী প্রতারণা বা Cheating by personation বলে।

♦ ৪১৯ ধারায় cheating by personation এর শাস্তি বর্ণিত আছে যা অনধিক ৩ বৎসর কারাদন্ড বা অর্থদন্ড বা উভয়দন্ড।
৩৭৫.
দণ্ডবিধির ৩৬১ ধারা অনুযায়ী, কোন বয়সী নাবালিকাকে আইনসম্মত অভিভাবকত্ব হতে মনুষ্যহরণের অপরাধের আওতায় আনা হয়?
  1. ১৪ বছরের কম
  2. ১৬ বছরের কম
  3. ১৮ বছরের কম
  4. ২১ বছরের কম
সঠিক উত্তর:
১৬ বছরের কম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬ বছরের কম
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩৬১ অনুসারে, ষোল বৎসরের কম বয়সী কোনো নাবালিকাকে তার অভিভাবকের সম্মতি ছাড়া রক্ষণাবেক্ষণ হতে নিয়ে গেলে তা আইনসম্মত অভিভাবকত্ব হতে মনুষ্যহরণ হিসেবে গণ্য হবে। ছেলেদের ক্ষেত্রে এই বয়সসীমা চৌদ্দ বছর।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৬১ ধারার বিধান আইনসম্মত অভিভাবকত্ব হতে মনুষ্যহরণ:- কোন ব্যক্তি যদি চৌদ্দ বৎসরের কম বয়সী কোন নাবালককে অথবা ষোল বৎসরের কম বয়সী কোন নাবালিকাকে অথবা বিকৃত মস্তিষ্ক কোন ব্যক্তিকে তার অভিভাবকের সম্মতি ছাড়াই অভিভাবকের রক্ষণাবেক্ষণ হতে নিয়ে যায়, তবে সে ব্যক্তি উক্ত অপ্রাপ্তবয়স্ক বালক বা বালিকাকে অথবা অনুরূপ বিকৃতমস্তিষ্ক ব্যক্তিকে আইনসম্মত অভিভাবকত্ব হতে অপহরণ করেছে বলে পরিগণিত হয়।
ব্যাখ্যা:- এই ধারায় "আইনসম্মত অভিভাবক" বলতে অনুরূপ অপ্রাপ্ত বয়স্ক বা অপর ব্যক্তির রক্ষণাবেক্ষণের জন্য আইনতঃ ভারপ্রাপ্ত যেকোন ব্যক্তিকেও বুঝাবে।
ব্যতিক্রম:- যে ব্যক্তি সরল বিশ্বাসে নিজেকে কোন অবৈধ সন্তানের পিতা বলে বিশ্বাস করে অথবা যে ব্যক্তি নিজেকে অনুরূপ শিশুর আইনসম্মত রক্ষণাবেক্ষণের ক্ষমতাপ্রাপ্ত বলে সরলমনে বিশ্বাস করে, সে ব্যক্তি কোন অবৈধ বা বেআইনী উদ্দেশ্যে অনুরূপ কাজ না করলে তার ক্ষেত্রে এই ধারা প্রয়োগযোগ্য হবে না।
-------------
⇒ The Penal Code, 1860-  Section 361. Kidnapping from lawful guardianship: Whoever takes or entices any minor under fourteen years of age if a male, or under sixteen years of age if a female, or any person of unsound mind, out of the keeping of the lawful guardian of such minor or person of unsound mind, without the consent of such guardian, is said to kidnap such minor or person from lawful guardianship.
Explanation.-The words "lawful guardian" in this section include any person lawfully entrusted with the care or custody of such minor or other person.
Exception.-This section does not extend to the act of any person who in good faith believes himself to be the father of an illegitimate child, or who in good faith believes himself to be entitled to the lawful custody of such child, unless such act is committed for an immoral or unlawful purpose.

৩৭৬.
কোনটির মাধ্যমে অর্জিত সম্পত্তি 'চোরাই মাল' হিসেবে গণ্য হবে না?
  1. দস্যুতা
  2. বলপূর্বক গ্রহণ
  3. প্রতারণা
  4. অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ
সঠিক উত্তর:
প্রতারণা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রতারণা
ব্যাখ্যা
চোরাইমাল [Stolen Property]:
৪১০ ধারা অনুযায়ী নিম্নলিখিত ৫টি উপায়ে কোন সম্পত্তির দখল হস্তান্তর বা গ্রহণ করা হলে উক্ত সম্পত্তি চোরাই মাল বলে গণ্য হবে-
১. চুরি,
২. বলপূর্বক গ্রহণ,
৩. দস্যুতা,
৪. অপরাধমূলক আত্মসাৎ,
৫. অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ।

প্রতারণা বা ডাকাতির মাধ্যমে অর্জিত সম্পত্তি চোরাই মাল বলে গণ্য হবে না। যদি চোরাই মাল দখলের অধিকারী ব্যক্তির নিকট চলে আসে, তাহলে উক্ত সম্পত্তি আর চোরাই মাল বলে গণ্য হবে না।

Section 410- Stolen property:
Property, the possession whereof has been transferred by theft, or by extortion, or by robbery, and property which has been criminally misappropriated or in respect of which criminal breach of trust has been committed, is designated as "stolen property," whether the transfer has been made, or the misappropriation or breach of trust has been committed, within or without Bangladesh. But, if such property subsequently comes into the possession of a person legally entitled to the possession thereof, it then ceases to be stolen property.
৩৭৭.
দণ্ডবিধির ১৭১ক ধারা অনুযায়ী, 'নির্বাচনী অধিকার' বলতে কী বোঝায়?
  1. ভোট দেওয়ার অধিকার
  2. প্রার্থী হিসেবে দাঁড়ানো বা না দাঁড়ানোর অধিকার
  3. ভোট দেওয়া বা ভোটদান থেকে বিরত থাকার অধিকার
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ১৭১ক ধারার (খ) উপধারা অনুযায়ী, "নির্বাচনী অধিকার" বলতে বোঝানো হয়েছে—
- প্রার্থী হিসেবে দাঁড়ানোর অধিকার
- প্রার্থী না হওয়ার অধিকার
- প্রার্থী হওয়ার পর মনোনয়ন প্রত্যাহারের অধিকার
- ভোট দেওয়ার অধিকার
- ভোটদান থেকে বিরত থাকার অধিকার
→ অতএব, উল্লিখিত প্রশ্নে 'উপরের সবগুলো ' সঠিক।

⇒ দণ্ডবিধির ১৭১ক ধারার বিধান 'নির্বাচন প্রার্থী' 'নির্বাচনী অধিকার' কথা দুইটির সংজ্ঞা :- এই অধ্যায়ের উদ্দেশ্যসমূহের পরিপ্রেক্ষিতে- (ক) 'নির্বাচন প্রার্থী' বলতে কোন নির্বাচনের প্রার্থী হিসেবে মনোনীত ব্যক্তিকে বুঝাবে এবং যে ব্যক্তি কোন নির্বাচনের জল্পনা-কল্পনা চলাকালে উহাতে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে নিজেকে প্রতিভাত করেন সে ব্যক্তিকেও বুঝাবে। তবে সে ব্যক্তিকে পরে অনুরূপ নির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে মনোনীত হতে হবে;
(খ) নির্বাচনী অধিকার' বলতে কোন ব্যক্তির কোন নির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে দাঁড়াবার অথবা না দাঁড়াবার অথবা প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হতে নাম প্রত্যাহার করার অথবা ভোট দেওয়ার অথবা ভোটদান হতে বিরত থাকার অধিকার বুঝায়।
------------------------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section-171A- “Candidate”, “Electoral right” defined:
- For the purposes of this Chapter -
- (a) "candidate" means a person who has been nominated as a candidate at any election and includes a person who, when an election is in contemplation, holds himself out as a prospective candidate thereat; provided that he is subsequently nominated as a candidate at such election;
- (b) "electoral right" means the right of a person to stand, or not to stand as, or to withdraw from being, a candidate or to vote or refrain from voting at an election.
৩৭৮.
দণ্ডবিধির কোন ধারায় "বেআইনি সমাবেশ" (Unlawful assembly)-এর সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে?
  1. ধারা ১৪০
  2. ধারা ১৪১
  3. ধারা ১৪২
  4. ধারা ১৪৩
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৪১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৪১
ব্যাখ্যা

→ দণ্ডবিধির ১৪১ ধারা অনুযায়ী, পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি যদি একটি নির্দিষ্ট অবৈধ উদ্দেশ্যে একত্রিত হয়, তবে সেটিকে "বেআইনি সমাবেশ"(Unlawful assembly) বলা হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ১৪১ অনুযায়ী, পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি একত্রিত হলে এবং তাদের সাধারণ উদ্দেশ্য যদি ঐ সকল উদ্দেশ্য অনুযায়ী হয়, তবে তা "বেআইনি সমাবেশ" হিসেবে চিহ্নিত হয়। এই উদ্দেশ্যগুলির মধ্যে সরকার বা আইনসভাকে অঘোষিতভাবে অধিকারহীন করা, আইনগত প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করা, বা অন্য কোন অপরাধমূলক কাজ সংঘটিত করা ইত্যাদি অন্তর্ভুক্ত থাকে।

⇒ দণ্ডবিধির ১৪১ ধারার বিধান বেআইনি সমাবেশ:- পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তির সমাবেশকে 'বেআইনি সমাবেশ' সেক্ষেত্রেই বলা হয়, যেক্ষেত্রে উক্ত সমাবেশের ব্যক্তিদের সাধারণ লক্ষ্য হয়-
প্রথম:- বাংলাদেশের সরকার বা আইনসভাকে অথবা কোন সরকারি কর্মচারীকে অনুরূপ কর্মচারীর আইনসম্মত ক্ষমতা প্রয়োগের সময় অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ অথবা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগের হুমকি কর্তৃক ভীতি প্রদর্শন করা; কিংবা
দ্বিতীয়:- কোন আইনের অথবা কোন আইনগত ব্যবস্থার কার্যকরকরণে বাধা সৃষ্টি করা; কিংবা
তৃতীয়:- কোন ব্যক্তির দুষ্কর্ম বা অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ অথবা অন্যবিধ অপরাধ অনুষ্ঠিত করা; কিংবা
চতুর্থ:- কোন ব্যক্তির প্রতি অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ করে বা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগের হুমকি প্রদর্শন করে কোন সম্পত্তির দখল গ্রহণ করা, অথবা কোন ব্যক্তিকে পথের অধিকার ভোগ হতে বঞ্চিত করা অথবা জল ব্যবহারের অধিকার হতে বঞ্চিত করা অথবা তাকে তার দখলে অবস্থিত অপর কোন অশরীরী অধিকার থেকে বঞ্চিত করা অথবা কোন অধিকার বা কল্পিত অধিকার প্রতিষ্ঠা করা; কিংবা
পঞ্চম:- অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করে বা অপরাধমূলক বল প্রয়োগের হুমকি প্রদর্শন করে কোন ব্যক্তিকে সে আইনত বাধ্য নয় এমন একটি কার্য সম্পাদনে বাধ্য করা অথবা যে কার্যটি করতে সে আইনত বাধ্য বা অধিকারী তা সম্পাদন হতে বিরত করা।
ব্যাখ্যা:- যে সমাবেশ, সমাবিষ্ট হওয়াকালে বেআইনি ছিল না তা পরে বেআইনি সমাবেশ হতে পারে।
----------------
⇒ The Penal Code, 1860-Section-141. Unlawful assembly:
- An assembly of five or more persons is designated an "unlawful assembly," if the common object of the persons composing that assembly is:
First.-To overawe by criminal force, or show of criminal force, Government or Legislature, or any public servant in the exercise of the lawful power of such public servant; or
Second.-To resist the execution of any law, or of any legal process; or
Third.- To commit any mischief or criminal trespass, or other offence; or
Fourth.-By means of criminal force, or show of criminal force, to any person to take or obtain possession of any property, or to deprive any person of the enjoyment of a right of way, or of the use of water or other incorporeal right of which he is in possession or enjoyment, or to enforce any right or supposed right; or
Fifth.-By means of criminal force, or show of criminal force, to compel any person to do what he is not legally bound to do, or to omit to do what he is legally entitled to do.
Explanation. -An assembly which was not unlawful when it assembled, may subsequently become an unlawful assembly.

৩৭৯.
জালিয়াতির সাজা দণ্ডবিধির কোন ধারায় দেওয়া আছে?
  1. ৪৬৩ ধারা
  2. ৪৬৫ ধারা
  3. ৪৬৪ ধারা
  4. ৪৬১ ধারা
সঠিক উত্তর:
৪৬৫ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৬৫ ধারা
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধি ৪৬৪ ধারা অনুযায়ী, যে সব কাজ জালিয়াতি বলে গণ্য হবে তা হলো-
(i) কোন ব্যক্তি নিজে যদি এই উদ্দেশ্যে স্বাক্ষর করে যে, তার স্বাক্ষর বা নামটি একই নামের অন্য কোন ব্যক্তির বলে চালিয়ে দেবেন;
(ii) যখন কোন ব্যক্তি অন্য কারো স্বাক্ষর জালিয়াতি করে স্বাক্ষর করে;
(iii) যদি কোন ব্যক্তি কোন বিলে পৃষ্ঠাঙ্কন করে এই উদ্দেশ্যে যে, তা অন্য কেউ করেছে বলে চালিয়ে দেবেন:
(iv) যদি কোন ব্যক্তি অন্য কোন ব্যক্তির সাথে ষড়যন্ত্র করে তার নামে কোন সম্পত্তি নামমাত্র মূল্যে ইজারা নেয় কিন্তু তার উদ্দেশ্য ছিল মূলত তৃতীয় কোন ব্যক্তিকে তার অধিকার থেকে বঞ্চিত করা; অথবা
(v) যদি কোন ব্যক্তি নিজেকে দেউলিয়া ঘোষণা করার উদ্দেশ্যে অন্য কোন ব্যক্তির কাছে সম্পদ গচ্ছিত রাখে এবং সে উদ্দেশ্য কোন প্রমিসরি নোট তৈরি করে।

- কোনো ব্যক্তির নিজের নাম স্বাক্ষরও জালিয়াতির সামিল হতে পারে। নিজের নামে স্বাক্ষর করলেই জালিয়াতি হবে বিষয়টা এমন নয়। বরং নিজের নাম স্বাক্ষর জালিয়াতি হতে পারে যদি স্বাক্ষরটা দ্বারা কোন মিথ্যা দলিল তৈরী করা হয়, কোন অধিকার দাবী করতে, কোন ব্যক্তিকে ক্ষতি করতে বা প্রতারণা করতে ইত্যাদি।

দণ্ডবিধির ৪৬৫ ধারায় জালিয়াতির শাস্তি বর্ণিত আছে, যা সর্বোচ্চ ২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড।
৩৮০.
দণ্ডবিধিতে কত প্রকার শাস্তি উল্লেখ আছে?
  1. ৩ প্রকার
  2. ৪ প্রকার
  3. ৫ প্রকার
  4. ৬ প্রকার
সঠিক উত্তর:
৫ প্রকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ প্রকার
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধিতে ৫ প্রকার শাস্তি উল্লেখ আছে।

- দণ্ডবিধি মূলত দণ্ড সম্পর্কিত আইন, দণ্ডবিধির ৫৩ ধারায় শাস্তির প্রকারভেদ রয়েছে।
- ৫৩ ধারায় পাঁচ প্রকার শাস্তি উল্লেখ আছে।
যথা:
      (i)  মৃত্যুদণ্ড (Death penalty)
      (ii) যাবজ্জীবন কারাদণ্ড (Imprisonment for life)
      (iii) কারাদণ্ড(Imprisonment) দুই প্রকার:
           ক) সশ্রম( Rigorous, that is,  with hard labour) এবং
           খ) বিনাশ্রম (Simple)
      (iv) সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত (forfeiture of property)
      (v) অর্থদণ্ড (fine)

- দণ্ডবিধির ধারা ৫৩ তে বিধান আছে যে, কারাদণ্ড ২ প্রকারের- সশ্রম ও  বিনাশ্রম। 
- যাবজ্জীবন কারাদণ্ড সর্বদায় সশ্রম কারাদণ্ড হবে।
---------------------------------------------------
⇒ Section 53: Punishments:
 The punishments to which offenders are liable under the provisions of this Code are,- 
Firstly,- Death;
Secondly,- Imprisonment for life;
Thirdly,-[Omitted by the Criminal Law (Extinction of Discriminatory Privileges) Act 1949 (Act No. II of 1950]. 
Fourthly,-Imprisonment, which is of two descriptions, namely:- 
(1) Rigorous, that is, with hard labour; 
(2) Simple; 
Fifthly,- Forfeiture of property; 
Sixthly,- Fine. 

-Explanation.-In the punishment of imprisonment for life, the imprisonment shall be rigorous.
৩৮১.
The Penal Code, 1860 অনুযায়ী আত্মহত্যার সহায়তাকরণের অপরাধের সর্বোচ্চ কারাদণ্ড কত বছর?
  1. ৩ বছর
  2. ৫ বছর
  3. ৭ বছর
  4. ১০ বছর
সঠিক উত্তর:
১০ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩০৬ ধারার বিধান আত্মহত্যায় সহায়তা বা প্ররোচনা দান:- কোন ব্যক্তি যদি আত্মহত্যা করে, তবে যে ব্যক্তি আত্মহত্যায় সহায়তা বা প্ররোচনা দান করবে, উক্ত ব্যক্তি দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।
-------------------------------
⇒The Penal Code, 1860: Section 306 Abetment of suicide:- If any person commits suicide, whoever abets the commission of such suicide, shall be punished with imprisonment either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine.
৩৮২.
দণ্ডবিধির ৩৩০ ধারা অনুযায়ী, স্বেচ্ছাকৃতভাবে আঘাত প্রদান করে স্বীকারোক্তি আদায়ের অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ৩ বছরের কারাদণ্ড
  2. ৭ বছরের কারাদণ্ড
  3. ১০ বছরের কারাদণ্ড
  4. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
৭ বছরের কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩৩০ অনুযায়ী, কেউ যদি স্বেচ্ছাকৃতভাবে আঘাত প্রদান করে কাউকে স্বীকারোক্তি দিতে বা সম্পত্তি/জামানত ফেরত দিতে বাধ্য করে, তবে তার শাস্তি হতে পারে, সর্বাধিক ৭ বছরের কারাদণ্ড এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবে।
- অর্থাৎ, এই অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ ৭ বছর কারাদণ্ড হতে পারে এবং অর্থদণ্ডও দেওয়া যেতে পারে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৩০ ধারার বিধান: ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে স্বীকারোক্তি আদায় বা সম্পত্তি প্রত্যর্পণ করতে বাধ্য করার জন্যে স্বেচ্ছাকৃতভাবে আঘাত প্রদান করা:- যে ব্যক্তি, কোন ব্যক্তির বা সে ব্যক্তির সাথে স্বার্থ সংশ্লিষ্ট অন্য কারো নিকট থেকে যে স্বীকারোক্তির বা তথ্যদানের ফলে কোন অপরাধ বা অসদাচরণ সম্পর্কে সন্ধান পাওয়া যেতে পারে, সে স্বীকারোক্তি বা তথ্য আদায় করার উদ্দেশ্যে, অথবা সে ব্যক্তিকে বা সে ব্যক্তির সাথে স্বার্থ সংশ্লিষ্ট অন্য কারো নিকট থেকে যে স্বীকারোক্তির বা তথ্যদানের ফলে কোন অপরাধ বা অসদাচরণের সন্ধান পাওয়া যেতে পারে, সে স্বীকারোক্তি বা তথ্য আদায় করার উদ্দেশ্যে, অথবা সে ব্যক্তিকে বা সে ব্যক্তির সাথে স্বার্থসংশ্লিষ্ট অন্য কাউকে কোন সম্পত্তি বা জামানত প্রত্যর্পণ করতে বা প্রত্যর্পণের ব্যবস্থা করে দিতে বাধ্য করার উদ্দেশ্যে, অথবা কোন দাবী পূরণে বাধ্য করার উদ্দেশ্যে অথবা যে তথ্য দানের ফলে কোন সম্পত্তি বা মূল্যবান জামানত পুনরুদ্ধার হতে পারে সে তথ্যদানে বাধ্য করার উদ্দেশ্যে উক্ত ব্যক্তিকে স্বেচ্ছাকৃতভাবে আঘাত করে, তবে উক্ত আঘাতকারী সাত বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।
উদাহরণ:
(অ) ক জনৈক পুলিশ কর্মকর্তা। সে চ-কে কোন অপরাধ স্বীকার করতে বাধ্য করার জন্য পীড়ন করে। ক এই ধারায় বর্ণিত অপরাধে অপরাধী সাব্যস্ত হবে।
(আ) ক জনৈক পুলিশ কর্মকর্তা। কোন জায়গায় অপহৃত দ্রব্য লুকিয়ে রাখা হয়েছে সে তথ্যদানে বাধ্য করার জন্য সে চ-কে পীড়ন করে। ক এই ধারায় বর্ণিত অপরাধে অপরাধী সাব্যস্ত হবে।
-----------
⇒ The Penal Code,1860, Section 330. Voluntarily causing hurt to extort confession, or to compel restoration of property:
Whoever voluntarily causes hurt, for the purpose of extorting from the sufferer or any person interested in the sufferer, any confession or any information which may lead to the detection of an offence or misconduct, or for the purpose of constraining the sufferer or any person interested in the sufferer to restore or to cause the restoration of any property or valuable security or to satisfy any claim or demand, or to give information which may lead to the restoration of any property or valuable security, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine. 

Illustrations:
(a) A, a police-officer, tortures Z in order to induce Z to confess that he committed a crime. A is guilty of an offence under this section. 
(a) A, a police-officer, tortures B to induce him to point out where certain stolen property is deposited. A is guilty of an offence under this section. 
(b) A, a revenue officer, tortures Z in order to compel him to pay certain arrears of revenue due from Z. A is guilty of an offence under this section. 
(c) A, a zamindar, tortures a raiyat in order to compel him to pay his rent. A is guilty of an offence under this section.

৩৮৩.
যে ভূমিতে বেআইনী সমাবেশ বা দাঙ্গা অনুষ্ঠিত হয়, তাহার মালিক বা দখলকারের দায় সম্পর্কিত দন্ডবিধির ধারা কত?
  1. ১৫১ ধারায়
  2. ১৫২ ধারায়
  3. ১৫৩ ধারায়
  4. ১৫৪ ধারায়
সঠিক উত্তর:
১৫৪ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫৪ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ১৫৪ ধারার বিধান যে ভূমির উপর বেআইনী সমাবেশ সংঘটিত হয় সে ভূমির মালিক বা দখলকার:- কোন বেআইনী সমাবেশ বা দাঙ্গা সংঘটিত হলে যে ভূমি বা জমির উপর অনুরূপ বেআইনী সমাবেশ বা দাঙ্গা অনুষ্টিত হয় উহার মালিক বা দখলকার এবং উহাতে কোন স্বত্বের অধিকারী বা দাবীদার যেকোন ব্যক্তি নিম্নোক্ত অবস্থায় অনধিক এক হাজার টাকা পর্যন্ত অর্থ দণ্ডে দণ্ডিত হবে-

-যদি সে বা তার প্রতিনিধি বা তার ম্যানেজার অনুরূপ অপরাধ অনুষ্ঠিত হয়েছে বা হচ্ছে জানা সত্ত্বেও অথবা অনুরূপ অপরাধ অনুষ্ঠিত হতে পারে বলে বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও তার বা তাদের সাধ্যমত যথাশীঘ্র নিকটতম থানার প্রধান অফিসারকে অবহিত না করে; এবং অপরাধটি অচিরেই অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বলে তার বা তাদের বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও উহা প্রতিরোধ করার জন্য তার বা তাদের আয়ত্তাধীন সকল আইনসম্মত উপায় অবলম্বন না করে; এবং অপরাধটি অনুষ্ঠিত হওয়ার সময় বেআইনী সমাবেশ বা বা দাঙ্গা ছত্রভঙ্গ করার বা দমন করার জন্য তার বা তাদের আয়ত্তাধীন সকল আইনসম্মত উপায় অবলম্বন না করে।
৩৮৪.
দণ্ডবিধির ৩৫৯ ধারা অনুসারে মনুষ্যহরণ বা অপহরণ কত প্রকার?
  1. ১ প্রকার
  2. ২ প্রকার
  3. ৩ প্রকার
  4. ৪ প্রকার 
সঠিক উত্তর:
২ প্রকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ প্রকার
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ৩৫৯ ধারা মতে মনুষ্যহরণ বা অপহরণ ২ প্রকার।
যথা:
(i) বাংলাদেশ থেকে মনুষ্যহরণ;
(ii) আইনগত অভিভাবকের নিকট হতে মনুষ্যহরণ।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৬০ ধারার বিধান বাংলাদেশ হতে মনুষ্য হরণ:- কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তিকে তার সম্মতি ছাড়াই অথবা তার স্বপক্ষে সম্মতি দানের ক্ষমতাসম্পন্ন অপর কারো সম্মতি ছাড়াই বাংলাদেশের সীমানার বাইরে পাঠিয়ে দেয় বা নিয়ে যায়, তবে উক্ত ব্যক্তি তাকে বাংলাদেশ হতে অপহরণ করেছে বলে পরিগণিত হয়।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৬১ ধারার বিধান আইনসম্মত অভিভাবকত্ব হতে মনুষ্যহরণ:- কোন ব্যক্তি যদি চৌদ্দ বৎসরের কম বয়সী কোন নাবালককে অথবা ষোল বৎসরের কম বয়সী কোন নাবালিকাকে অথবা বিকৃত মস্তিষ্ক কোন ব্যক্তিকে তার অভিভাবকের সম্মতি ছাড়াই অভিভাবকের রক্ষণাবেক্ষণ হতে নিয়ে যায়, তবে সে ব্যক্তি উক্ত অপ্রাপ্তবয়স্ক বালক বা বালিকাকে অথবা অনুরূপ বিকৃতমস্তিষ্ক ব্যক্তিকে আইনসম্মত অভিভাবকত্ব হতে অপহরণ করেছে বলে পরিগণিত হয়।

৩৮৫.
দণ্ডবিধির বিধান অনুসারে দস্যুতার সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ৭ বছর কারাদণ্ড
  2. ১০ বছর কারাদণ্ড
  3. ১৪ বছর কারাদণ্ড
  4. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
১৪ বছর কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৯২ ধারামতে দস্যুতার শাস্তি (Punishment for robbery)- অনধিক ১০ বৎসর 'সশ্রম' কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড। তবে দস্যুতার অপরাধ সূর্যাস্ত ও সূর্যোদয়ের মধ্যবর্তী সময় সংঘটিত হলে দস্যুতার শাস্তি ১৪ বৎসর পর্যন্ত 'সশ্রম' কারাদণ্ড হতে পারে।
অর্থাৎ The Penal Code, 1860 অনুসারে দস্যুতার সর্বোচ্চ শাস্তি ১৪ বৎসর 'সশ্রম' কারাদণ্ড।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৯২ ধারার বিধান দস্যুতার সাজা:- কোন ব্যক্তি যদি দস্যুতা সংঘটন করে তবে সে ব্যক্তি দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে। এবং যদি সূর্যাস্ত ও সূর্যোদয়ের মধ্যবর্তী সময় রাজপথে দস্যুতা অনুষ্ঠিত হয়, তবে কারাদণ্ডের মেয়াদ চৌদ্দ বৎসর পর্যন্ত হতে পারে।
--------------
⇒ The Penal Code, 1860, Section 392. Punishment for robbery:- Whoever commits robbery shall be punished with rigorous imprisonment for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine; and, if the robbery be committed on the highway between sunset and sunrise, the imprisonment may be extended to fourteen years.
৩৮৬.
অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশের উদ্দেশ্য কী হতে পারে?
  1. সম্পত্তি দখলকারী ব্যক্তিকে ভীতি প্রদর্শন
  2. সম্পত্তি দখলকারী ব্যক্তিকে অপমান করা
  3. সম্পত্তি দখলকারী ব্যক্তিকে বিরক্ত করা
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৪৪১ ধারা- অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ:
কোন ব্যক্তি যদি অপর কোন ব্যক্তির দখলভুক্ত সম্পত্তির মধ্যে বা উপরে প্রবেশ করে এবং কোন অপরাধ অনুষ্ঠানের বা অনুরূপ সম্পত্তি দখলকারী ব্যক্তিকে ভীতি প্রদর্শনের, অপমান করার বা বিরক্ত করার উদ্দেশ্যে অনুরূপ প্রবেশ করে, অথবা, আইনানুগভাবে অনুরূপ সম্পত্তির মধ্যে বা উপরে প্রবেশের পর বেআইনীভাবে সেখানে অবস্থান করে এবং অনুরূপ ব্যক্তিকে ভীতি প্রদর্শনের, অপমান করার বা বিরক্ত করার উদ্দেশ্যে অথবা কোন অপরাধ অনুষ্ঠানের উদ্দেশ্যে অনুরূপ বে-আইনীভাবে সেখানে অবস্থান করে, তবে উক্ত ব্যক্তি 'অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ' করেছে বলে পরিগণিত হবে।

Section 441: Criminal trespass:
Whoever enters into or upon property in the possession of another with intent to commit an offence or to intimidate, insult or annoy any person in possession of such property. or, having lawfully entered into or upon such property, unlawfully remains there with intent thereby to intimidate insult or annoy any such person, or with intent to commit an offence, is said to commit "criminal trespass".
৩৮৭.
পেনাল কোডে কত ধরণের গুরুতর জখমের কথা উল্লেখ রয়েছে?
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
♦পেনাল কোডের ধারা ৩২০-এ ৮ ধরণের অপরাধের তালিকা দেওয়া হয়েছে যেগুলো মারাত্মক বা grivious hurt হিসেবে গণ্য হবে।
♦পেনাল কোডের ৩২০ ধারায় ৮ ধরণের গুরুতর জখমের উল্লেখ রয়েছে। যথাঃ
(i) পুরুষত্বহীনকরণ
(ii) স্থায়ীভাবে চোখের দৃষ্টি রহিতকরণ
(iii) স্থায়ীভাবে কানের শ্রুতিশক্তি রহিতকরণ
(iv) যে কোন অঙ্গ বা গ্রন্থির অনিষ্ট সাধন
(v) যে কোন অঙ্গ বা গ্রন্থির স্থায়ী ক্ষতিকরণ
(vi) মাথা বা মুখমন্ডলের স্থায়ী বিকৃতি
(vii) হাড় বা দাঁত ভাঙ্গা
(viii) কোন ব্যক্তিকে ২০ দিন পর্যন্ত তীব্র যন্ত্রণা দেয় এমন আঘাত।
৩৮৮.
দণ্ডবিধির ধারা ৩২০ অনুসারে, গুরুতর আঘাতের মধ্যে কোনটি অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. পুরুষত্বহীন করণ
  2. চোখের স্থায়ী অন্ধত্ব
  3. মুখমণ্ডলের স্থায়ী বিকৃতি
  4. যেকোনো অঙ্গের অস্থায়ী চোট
সঠিক উত্তর:
যেকোনো অঙ্গের অস্থায়ী চোট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যেকোনো অঙ্গের অস্থায়ী চোট
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ৩২০ অনুসারে, গুরুতর আঘাতের মধ্যে শুধুমাত্র নির্দিষ্ট ৮টি ধরনের আঘাত অন্তর্ভুক্ত, যেমন পুরুষত্বহীন করণ (প্রথম দৃষ্টান্ত), চোখের স্থায়ী অন্ধত্ব (দ্বিতীয় দৃষ্টান্ত) এবং মুখমণ্ডলের স্থায়ী বিকৃতি (ষষ্ঠ দৃষ্টান্ত)। কিন্তু যেকোনো অঙ্গের অস্থায়ী চোট গুরুতর আঘাতের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত নয়, কারণ এটি স্থায়ী ক্ষতি বা গুরুতর প্রভাব (যেমন ২০ দিনের যন্ত্রণা বা অপারগতা) সৃষ্টি করে না; এটি সাধারণ আঘাতের (ধারা ৩১৯) আওতায় পড়ে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩২০ ধারার বিধান গুরুতর আঘাত:
- শুধু নিম্নলিখিত আঘাতসমূহকেই "গুরুতর" বলে পরিগণিত করা যায়:

প্রথমত, পুরুষত্বহীন করণ।
দ্বিতীয়ত, যেকোন চোখের জ্যোতি বা দৃষ্টিশক্তি চিরতরে নষ্ট করণ।
তৃতীয়ত, যেকোন কর্ণের শ্রবণশক্তি স্থায়ীভাবে নষ্ট করণ।
চতুর্থত, যেকোন অঙ্গ বা গ্রন্থির অনিষ্ট সাধন।
পঞ্চমত, যেকোন অঙ্গের বা গ্রন্থির শক্তিসমূহ ধ্বংসকরণ বা চিরতরে খর্ব করণ।
ষষ্ঠত, মাথা বা মুখমণ্ডল স্থায়ীভাবে বিকৃত করণ।
সপ্তম, কোন অস্থি বা দন্ত ভগ্ন বা স্থানচ্যুত করণ।
অষ্টম, এমন কোন আঘাত যা জীবন সংশয় সৃষ্টি করে বা যাতে আহত ব্যক্তি বিশ দিন পর্যন্ত প্রচণ্ড দৈহিক যন্ত্রণা ভোগ করে বা সাধারণ কাজকর্ম করতে অপারগ হয়।
-----------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 320: Grievous hurt:
The following kinds of hurt only are designated as "grievous":-
Firstly.-Emasculation.
Secondly.-Permanent privation of the sight of either eye.
Thirdly.-Permanent privation of the hearing of either ear.
Fourthly.-Privation of any member or joint.
Fifthly.-Destruction or permanent impairing of the powers of any member or joint.
Sixthly.-Permanent disfiguration of the head or face.
Seventhly.-Fracture or dislocation of a bone or tooth.
Eighthly.-Any hurt which endangers life or which causes the sufferer to be during the space of twenty days in severe bodily pain, or unable to follow his ordinary pursuits.

৩৮৯.
দণ্ডবিধির ১৭১ঙ ধারা অনুযায়ী, আপ্যায়নের (treating) মাধ্যমে ঘুষ দেওয়ার শাস্তি কী?
  1. কেবল জরিমানা
  2. সর্বোচ্চ এক বছরের কারাদণ্ড
  3. সর্বোচ্চ ছয় মাসের কারাদণ্ড
  4. কারাদণ্ড ও জরিমানা উভয়ই
সঠিক উত্তর:
কেবল জরিমানা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কেবল জরিমানা
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ১৭১ঙ (১৭১E) ধারায় ঘুষ (bribery) অপরাধের সাধারণ শাস্তি সর্বোচ্চ এক বছরের কারাদণ্ড বা জরিমানা বা উভয়। কিন্তু এই ধারার প্রভিশ্রুতি (Proviso) অনুসারে, "আপ্যায়ন" (treating) এর মাধ্যমে ঘুষ দেওয়ার ক্ষেত্রে শাস্তি কেবল জরিমানা হবে। আপ্যায়ন বলতে খাবার, পানীয়, বিনোদন বা সরবরাহের মাধ্যমে সন্তুষ্টি প্রদানকে বোঝায়। অন্য অপশনগুলো সাধারণ ঘুষের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, কিন্তু treating-এর জন্য নয়।

⇒ দণ্ডবিধির ১৭১ঙ ধারা: ঘুষের শাস্তি:
যে কেউ ঘুষের অপরাধ করবে, তাকে সর্বোচ্চ এক বছর পর্যন্ত যে কোনো ধরনের কারাদণ্ড, অথবা অর্থদণ্ড, অথবা উভয় প্রকার দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে:
তবে শর্ত থাকে যে, আপ্যায়নের মাধ্যমে ঘুষ দেওয়া হলে শুধুমাত্র অর্থদণ্ড দ্বারা দণ্ডিত করা হবে।

ব্যাখ্যা- আপ্যায়ন বলতে ঘুষের সেই রূপকে বোঝায় যেখানে অনুগ্রহ বা সুবিধা খাদ্য, পানীয়, বিনোদন, বা আতিথেয়তার আকারে প্রদান করা হয়।
--------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 171E- Punishment of bribery:
Whoever commits the offence of bribery shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to one year, or with fine, or with both:
Provided that bribery by treating shall be punished with fine only. 

Explanation- Treating means that form of bribery where the gratification consists in food, drink, entertainment, or provision.

৩৯০.
কয়টি ক্ষেত্রে শরীরের ব্যক্তিগত প্রতিরক্ষা অধিকার মৃত্যু ঘটানোর ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য?
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
♦  দন্ডবিধির ১০০ ধারামতে দেহ বা শরীরকে প্রতিরক্ষার জন্য ৬টি ক্ষেত্রে আক্রমণকারীর মৃত্যু পর্যন্ত ঘটানো যায়। যথা-
i) এমন আক্রমন যা মৃত্যু ঘটাতে পারে
ii) এমন আক্রমন যা গুরুতর আঘাত তৈরী করতে পারে 
iii) ধর্ষণের ক্ষেত্রে 
iv) অপ্রকৃত কাম লালসার ক্ষেত্রে 
v) মনুষ্যহরণ বা অপহরণের চেষ্টা করলে 
vi) আইনের আশ্রয় নিতে বাধা দিতে অবৈধভাবে আটক করলে
৩৯১.
'ক' একজন মৃত ব্যক্তির দানপত্রের নির্বাহক। দানপত্রে তাকে যেভাবে সম্পত্তি বন্টনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, তা ভঙ্গ করে সে সম্পত্তি আত্মসাৎ করে । 'ক' __________ করেছে।
  1. চুরি
  2. প্রতারণা
  3. অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ
  4. অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎ
সঠিক উত্তর:
অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪০৫ ধারার বিধান- অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ:
কোন ব্যক্তি যদি কোনভাবে কোন সম্পত্তির বা সম্পত্তি পরিচালনের দায়িত্বপ্রাপ্ত হয়ে, অসাধুভাবে সে সম্পত্তি আত্মসাৎ করে বা নিজের ব্যবহারে প্রয়োগ করে, অথবা অনুরূপ দায়িত্ব যেভাবে নির্বাহিত হত বলে বিহিত আইনে নির্দেশ করা হয়েছে, তা খেলাফ করে সে দায়িত্ব নির্বাহ সম্পর্কে সে প্রকাশ্য বা অনুরূপ যে আইনগত চুক্তি করেছে তা খেলাফ করে সে সম্পত্তি অসাধুভাবে ব্যবহার করে, বা বিলি ব্যবস্থা করে অথবা ইচ্ছাপূর্বক অপর কোন ব্যক্তিকে তা করতে দেয়, তবে উক্ত ব্যক্তি ‘অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের’ অপরাধ করেছে।

উদাহরণ:
(ক) ক কোন মৃত ব্যক্তির দানপত্রের নির্বাহক। দানপত্রে তাকে যেভাবে সম্পত্তি বন্টনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে তা ভঙ্গ করে সে সম্পত্তি আত্মসাৎ করে । ক অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ করেছে।

(খ) ক একটি গুদামের রক্ষক। চ বিদেশ যাত্রাকালে তার আসবাবপত্র ক-এর কাছে গচ্ছিত রাখে এই শর্তে যে, গুদামের জন্য একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থপ্রদানের পর গুদাম হতে চ-এর আসবাবপত্র প্রত্যপণ করা হবে। ক অসাধুভাবে এই গচ্ছিত আসবাবপত্র বিক্রয় করে । ক অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ করেছে।

(গ) ঢাকার বাসিন্দা ক চট্টগ্রামের বাসিন্দা চ-এর এজেন্ট। ক ও চ-এর মধ্যে একটি স্পষ্ট বা অব্যক্ত চুক্তি এই মর্মে বিদ্যমান আছে যে, চ-এর প্রেক্ষিতে সকল টাকা ক, চ-এর নির্দেশ মত বিনিয়োগ করবে। চ ক-এর কাছে এক লক্ষ টাকা প্রেরণ করে এই টাকা কোম্পানির কাগজে লগ্নি করার নির্দেশ দেয়। ক অসাধুভাবে নির্দেশটি অমান্য করে টাকাটা নিজের ব্যবসায় খাটায়। ক অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ করেছে।
৩৯২.
According to the Penal Code, the words "______" denote any testamentary document.
  1. a deed
  2. a will
  3. a contract
  4. a document
সঠিক উত্তর:
a will
উত্তর
সঠিক উত্তর:
a will
ব্যাখ্যা
⇒ The Penal Code, 1860- Sections- 31.“A will” The words "a will" denote any testamentary document.

⇒ The Penal Code, 1860-এর ধারা ৩১ অনুযায়ী, "A will" শব্দটি যেকোনো টেস্টামেন্টারি ডকুমেন্ট বা ইচ্ছাপত্র নির্দেশ করে।
- ধারা ৩১ অনুযায়ী, "A will" বলতে যে কোনো টেস্টামেন্টারি ডকুমেন্ট বোঝানো হয়, যা একজন ব্যক্তির মৃত্যুর পর তার সম্পত্তি বা অধিকার সৃষ্টির জন্য তার ইচ্ছাকে প্রকাশ করে।
- এটি এক ধরনের আইনগত দলিল যা মৃত্যুর পর একজন ব্যক্তির সম্পত্তি কিভাবে বিতরণ হবে, তা নির্ধারণ করে।
৩৯৩.
Imprisonment, which is of _________ descriptions.
  1. 2
  2. 3
  3. 5
  4. 6
সঠিক উত্তর:
2
উত্তর
সঠিক উত্তর:
2
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধি মূলত দণ্ড সম্পর্কিত আইন, দণ্ডবিধির ৫৩ ধারায় শাস্তির প্রকারভেদ রয়েছে। ৫৩ ধারায় পাঁচ প্রকার শাস্তি উল্লেখ আছে। যথা:

      (i)  মৃত্যুদণ্ড (Death penalty)

      (ii) যাবজ্জীবন কারাদণ্ড (Imprisonment for life)

      (iii) কারাদণ্ড(Imprisonment) দুই প্রকার:

           ক) সশ্রম( Rigorous, that is,  with hard labour) এবং

           খ) বিনাশ্রম (Simple)

      (iv) সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত (forfeiture of property)

      (v) অর্থদণ্ড (fine)

♦দণ্ডবিধির ধারা ৫৩ তে বিধান আছে যে, কারাদণ্ড ২ প্রকারের- সশ্রম ও  বিনাশ্রম।
     
♦ যাবজ্জীবন কারাদণ্ড সর্বদায় সশ্রম কারাদণ্ড হবে।
৩৯৪.
"ক" একজন ব্যক্তিকে খুনের ষড়যন্ত্র করে এবং খুনের সময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত থাকে, এক্ষেত্রে দণ্ডবিধির ১১৪ ধারা অনুযায়ী 'ক' এর বিচার কী হবে?
  1. শুধুমাত্র ষড়যন্ত্রের জন্য
  2. শুধুমাত্র সহায়তার জন্য
  3. খুনের অপরাধী হিসেবে
  4. কোন অপরাধে নয়
সঠিক উত্তর:
খুনের অপরাধী হিসেবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খুনের অপরাধী হিসেবে
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ধারা ১১৪ অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি এমন কোনো অপরাধে সহায়তা করে (abetment), যাতে সে অপরাধ সংঘটনের সময় উপস্থিত থাকে, তাহলে তাকে আর শুধু সহায়তাকারী হিসেবে নয়, প্রধান অপরাধী হিসেবে গণ্য করা হবে।
- অর্থাৎ, উস্কানিদাতা (Abettor) যদি অপরাধ সংঘটনের সময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত থাকে, তাহলে আইন তাকে সহায়তাকারী না ভেবে মুল অপরাধী হিসেবে দেখবে এবং তদনুসারে শাস্তি প্রদান করবে।

⇒The Penal Code, 1860- Section- 114: Abettor present when offence is committed:
Whenever any person, who if absent would be liable to be punished as an abettor, is present when the act or offence for which he would be punishable in consequence of the abetment is committed, he shall be deemed to have committed such act or offence.

→ যেহেতু "ক" খুনের ষড়যন্ত্র করেছে এবং খুনের সময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিল, তাই দণ্ডবিধির ১১৪ ধারা অনুযায়ী তাকে খুনের অপরাধী হিসেবে গণ্য করা হবে।
সঠিক উত্তর: গ) খুনের অপরাধী হিসেবে।
৩৯৫.
কারাদণ্ড ৬ মাসের বেশি তবে একবছরের কম হলে নির্জন কারাবাস সর্বোচ্চ কত দিনের হবে?
  1. ১৪ দিন
  2. ১ মাস
  3. ২ মাস
  4. ৩ মাস
সঠিক উত্তর:
২ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ মাস
ব্যাখ্যা
→ দণ্ডবিধির ৭৩ ধারার বিধান, নির্জন কারাবাস:
- যদি কোন ব্যক্তিকে এমন কোন অপরাধের জন্য দণ্ডিত করা হয়, যে অপরাধের জন্য আদালত এই আইনবলে তাকে সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করতে পারেন তবে, আদালত তার দণ্ডাজ্ঞার মাধ্যমেই আদেশ করতে পারবেন যে অপরাধীকে তার বিরুদ্ধে প্রদত্ত কারাদণ্ডের মেয়াদের কোন অংশবিশেষের বা কয়েকটি অংশের জন্য-যা সর্বসাকুল্যে তিন মাসের বেশি হতে পারবে না-নির্জন কারাবাসে আবদ্ধ রাখা হবে বিভিন্ন ক্ষেত্রে কতসময়ের জন্য অপরাধীকে নির্জন কারাবাসে আবদ্ধ রাখা হবে তা নিম্নে নির্দেশ করা যাচ্ছে:
কারাদণ্ডের মেয়াদ ছয় মাসের অধিক না হলে অনধিক এক মাস পর্যন্ত;
কারাদণ্ডের মেয়াদ ছয় মাসের অধিক কিন্তু এক বৎসরের অনধিক হলে অনধিক দুই মাস পর্যন্ত;
কারাদণ্ডের মেয়াদ এক বৎসরের অধিক হলে অনধিক তিন মাস পর্যন্ত।
-----------------
→ The Penal Code,1860- Section 73. Solitary confinement:
-Whenever any person is convicted of an offence for which under this Code the Court has power to sentence him to rigorous imprisonment, the Court may, by its sentence, order that the offender shall be kept in solitary confinement for any portion or portions of the imprisonment to which he is sentenced, not exceeding three months in the whole, according to the following scale, that is to say
a time not exceeding one month if the term of imprison-ment shall not exceed six months: 
a time not exceeding two months if the term of imprisonment shall exceed six months and shall not exceed one year: 
a time not exceeding three months if the term of imprisonment shall exceed one year.
৩৯৬.
৭ বছর বা তদূর্ধ্ব দণ্ডযোগ্য অপরাধ সম্পর্কিত মিথ্যা অভিযোগ রুজু করা হলে, দণ্ডবিধির ২১১ ধারার বিধান অনুযায়ী সর্বোচ্চ শাস্তি-
  1. ২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড + অর্থদণ্ড
  2. ৩ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড + অর্থদণ্ড
  3. ৭ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড + অর্থদণ্ড
  4. ১০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড + অর্থদণ্ড
সঠিক উত্তর:
৭ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড + অর্থদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড + অর্থদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ২১১ ধারা বিধান- ক্ষতিসাধনের উদ্দেশ্যে অপরাধ বিষয়ক মিথ্যা অভিযোগ উত্থাপন:
কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তিকে ক্ষতিসাধনের জন্য উক্ত অন্য ব্যক্তির বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা রুজু করার বা অপরাধ সংঘটনের অভিযোগ উত্থাপন করার কোন সংগত বা আইনানুগ যুক্তি নাই বলে জানা সত্ত্বেও উক্ত অন্য ব্যক্তির বিরুদ্ধে কোন ফৌজদারি মামলা রুজু করে বা অনুরূপ মামলা রুজু করায়, কিংবা উক্ত অন্য ব্যক্তির কোন অপরাধ করেছে বলে মিথ্যা অভিযোগ উত্থাপন করে, তবে সে ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থদণ্ডে অথবা উভয় দণ্ডেই দণ্ডিত হবে;

এবং যদি অনুরূপ ফৌজদারি মামলায়, মৃত্যুদণ্ডে, যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে, কিংবা সাত বৎসর বা তদূর্ধ্ব মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় কোন অপরাধ সংঘটনের মিথ্যা অভিযোগ রুজু করা হয়, তবে সে ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং এতদ্‌ব্যতীত তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে।

৩৯৭.
দণ্ডবিধির কোন ধারায় আক্রমণ (Assault)-এর সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে?
  1. ধারা-৩৬১
  2. ধারা-৩৫১
  3. ধারা-৩৫০
  4. ধারা-৩৪৯
সঠিক উত্তর:
ধারা-৩৫১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা-৩৫১
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩৫১-এ আক্রমণ (Assault)-এর সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। এই ধারা অনুযায়ী কোনো ব্যক্তি যদি অঙ্গভঙ্গি বা প্রস্তুতি নেয়, যার ফলে উপস্থিত কোনো ব্যক্তি ভয় পায় যে তাকে অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করা হতে পারে, তবে তা আক্রমণ বলে গণ্য হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৫১ ধারার বিধান আক্রমণ:
- কোন ব্যক্তি যদি এই উদ্দেশ্য নিয়ে বা এটা জানা সত্ত্বেও এমন কোন অঙ্গভঙ্গি করে বা কোন প্রস্তুতি গ্রহণ করে যে, তাতে হাজির কোন ব্যক্তির ভয় হয় যে, যে ব্যক্তি উক্ত অঙ্গভঙ্গি বা প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে, সে ব্যক্তি উক্ত হাজির ব্যক্তির উপর অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করতে উদ্যত হয়েছে, তবে প্রথমোক্ত ব্যক্তি আক্রমণ করেছে বলে পরিগণিত হয়।
ব্যাখ্যা:- কেবলমাত্র মুখের কথা আক্রমণ বলে পরিগণিত হয় না। কিন্তু কোন ব্যক্তির ব্যবহৃত কথাগুলি তার অঙ্গভঙ্গিকে বা প্রস্তুতিকে এমন অর্থপূর্ণ করতে পারে, যার কারণে তার অঙ্গভঙ্গি বা প্রস্তুতি আক্রমণ বলে পরিগণিত হতে পারে।
--------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 351. Assault:
- Whoever makes any gesture, or any preparation intending or knowing it to be likely that such gesture or preparation will cause any person present to apprehend that he who makes that gesture or preparation is about to use criminal force to that person, is said to commit an assault.
Explanation.- Mere words do not amount to an assault. But the words which a person uses may give to his gestures or preparation such a meaning as may make those gestures or preparations amount to an assault.
৩৯৮.
The Penal Code-এর ৫২ ধারা অনুযায়ী "Good faith" অর্থ কী?
  1. অন্যের কথায় বিশ্বাস করে কোনো কাজ করা
  2. যথাযথ যত্ন ও মনোযোগ ছাড়া কোনো কাজ করা
  3. যথাযথ যত্ন ও মনোযোগ সহকারে কোনো কাজ করা
  4. দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া জন্য কোনো কাজ করা
সঠিক উত্তর:
যথাযথ যত্ন ও মনোযোগ সহকারে কোনো কাজ করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যথাযথ যত্ন ও মনোযোগ সহকারে কোনো কাজ করা
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ৫২ অনুসারে, "good faith"-এ কোনো কাজ বা বিশ্বাস করা হয় যথাযথ যত্ন এবং মনোযোগ (due care and attention) সহকারে। যদি এই যত্ন এবং মনোযোগের অভাব থাকে, তাহলে তা good faith হিসেবে গণ্য হবে না।

⇒ দণ্ডবিধির ৫২ ধারায় সদবিশ্বাসের সংজ্ঞা রয়েছে।
- যথাযথ সতর্কতা ও মনোযোগ ব্যতিরেকে সম্পাদিত বা বিশ্বাসকৃত কোন কিছুই 'সদবিশ্বাসে' করা হয়েছে বা বিশ্বাস করা হয়েছে বলে গণ্য হবে না।
- এছাড়া তামাদি আইনের ২(৭) ধারায় সদ্ধিশ্বাস বা Good faith এর বিধান রয়েছে।
---------
⇒ The Penal Code,1860- Section 52:
- “Good faith”: Nothing is said to be done or believed in "good faith" which is done or believed without due care and attention.

৩৯৯.
দণ্ডবিধির ৪৪২ ধারার বিধান কী?
  1. House-breaking
  2. House-trespass
  3. Criminal trespass
  4. Lurking house-trespass
সঠিক উত্তর:
House-trespass
উত্তর
সঠিক উত্তর:
House-trespass
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪৪২ ধারার বিধান  অনধিকার গৃহে প্রবেশ:- কোন ব্যক্তি যদি মানুষের আবাসস্থল হিসাবে ব্যবহৃত কোন গৃহে, তাঁবুতে বা জলযানে অথবা উপাসনালয় হিসাবে ব্যবহৃত কোন গৃহে অথবা সম্পত্তি হেফাজতের স্থান হিসাবে ব্যবহৃত কোন গৃহে প্রবেশ করে বা সেখানে অবস্থান করে অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ সংঘটন করে, তবে উক্ত ব্যক্তি 'অনধিকার গৃহে প্রবেশ' অপরাধটি করেছে বলে গণ্য হয়।
ব্যাখ্যা:- অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশকারীর দেহের কোন অংশের প্রবেশই গৃহে অনধিকার প্রবেশ অপরাধ প্রতিদানের পক্ষে যথেষ্ট।
⇒ অনধিকার গৃহ-প্রবেশ (House-trespass)- কোন ব্যক্তির গৃহে অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ করলে তা অনধিকার গৃহপ্রবেশ বলে গণ্য হবে।
⇒ ৪৪২ ধারায় গৃহ বলতে দালান (building), তাঁবু (tent), জাহাজ (vessel) বা নৌকাকে বোঝায় যা মানুষের বসবাস, সম্পত্তি সংরক্ষণ অথবা উপাসনার (place for custody of property or for worship) জন্য ব্যবহৃত হতে হবে।
⇒ অনধিকার প্রবেশকারীর দেহের কোন অংশের প্রবেশই গৃহে অনধিকার প্রবেশ অপরাধ সংঘটনের জন্য যথেষ্ট।
-------------
⇒ The Penal Code, 1860: Section 442. House-trespass:- Whoever commits criminal trespass by entering into or remaining in any building, tent or vessel used as a human dwelling or any building used as a place for worship, or as a place for the custody of property, is said to commit "house-trespass".
Explanation:-The introduction of any part of the criminal trespasser's body is entering sufficient to constitute house-trespass.
৪০০.
দণ্ডবিধিতে “Judge” শব্দের অর্থ কোন ধারা অনুযায়ী ব্যাখ্যা করা হয়েছে?
  1. ধারা ১৮
  2. ধারা ১৯
  3. ধারা ২০
  4. ধারা ২১
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৯
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধিতে “Judge” শব্দের অর্থ ধারা ১৯ অনুযায়ী ব্যাখ্যা করা হয়েছে। ধারা ১৯-এ "Judge" শব্দটিকে একটি বিস্তৃত অর্থে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে, যা শুধুমাত্র দাপ্তরিকভাবে নিযুক্ত বিচারকই নন, বরং আইন দ্বারা যেকোনো ধরনের চূড়ান্ত বা কার্যত চূড়ান্ত রায় দেওয়ার ক্ষমতাপ্রাপ্ত যেকোনো ব্যক্তিকেও অন্তর্ভুক্ত করে। 

⇒ দণ্ডবিধির ১৯ ধারার বিধান- জজ:
বিচারক অর্থ শুধু সরকারিভাবে বিচারক বলে আখ্যাত বা নিযুক্ত প্রত্যেক ব্যক্তিকেই বোঝায় না, বরং যেকোন আইনগত কার্যব্যবস্থা, কোন দেওয়ানি বা ফৌজদারি যা হোক, চূড়ান্ত রায়দান বা আপিল না করা না হলে চূড়ান্ত গণ্য হবে এইরূপ বায়দান বা অন্য কোন কর্তৃপক্ষ কর্তৃক সমর্থিত হলে চূড়ান্ত গণ্য হবে এমন কোন রায়দান করতে ক্ষমতাপ্রাপ্ত প্রদত্ত প্রত্যেক ব্যক্তি, অথবা অনুরূপ রায়দান করার জন্য আইনবলে ক্ষমতাপ্রাপ্ত যে কোন ব্যক্তি সংস্থাভুক্ত ব্যক্তিকেও বুঝাবে।
উদাহরণ:
(ক) ১৮৫৯ সালের ১০নং আইন মোতাবেক কোন মোকদ্দমায় বিচার-ক্ষমতা প্রয়োগে একজন কালেক্টরই বিচারক।
(খ) যে অভিযোগের বিচারে ম্যাজিস্ট্রেটের অর্থ বা কারাদণ্ডদানের ক্ষমতা রয়েছে-তার দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাক বা না যাক- সে অভিযোগে বিচার ক্ষমতা প্রয়োগকারী ম্যাজিস্ট্রেট একজন বিচারক।
(ঘ) যে অভিযোগে ম্যাজিস্ট্রেট কেবলমাত্র কোন আদালতে বিচারের জন্য সোপর্দ করার ক্ষমতাপ্রাপ্ত, সে অভিযোগের ব্যাপারে এখতিয়ার প্রয়োগকারী ম্যাজিস্ট্রেট একজন বিচারক নয়।
----------
⇒ The penal Code,1860: Section-19. “Judge”:
The word “Judge” denotes not only every person who is officially designed as a Judge, but also every person,- 
-who is empowered by law to give, in any legal proceeding, civil or criminal, a definitive judgment, or a judgment which, if not appealed against, would be definitive, or a judgment -which, if confirmed by some other authority, would be definitive, or 
-who is one of a body of persons, which body of persons is empowered by law to give such a judgment. 
Illustration:
(a) A Collector exercising jurisdiction in a suit under Act X of 1859, is a Judge. 
(b) A Magistrate exercising jurisdiction in respect of a charge on which he has power to sentence to fine or imprisonment with or without appeal, is a Judge. 
(d) A Magistrate exercising jurisdiction in respect of a charge on which he has power only to commit for trial to another Court, is not a Judge.