বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

The Penal Code, 1860

মোট প্রশ্ন২,৪৪৭এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

The Penal Code, 1860

PrepBank · পাতা ২২ / ২৫ · ২,১০১২,২০০ / ২,৪৪৭

২,১০১.
দণ্ডবিধিতে বর্ণিত সর্বনিম্ন অর্থদণ্ড কত টাকা?
  1. ১০ টাকা
  2. ৫০ টাকা
  3. ১০০ টাকা
  4. ৫০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
১০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ টাকা
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৫১০ ধারাটিতে দণ্ডবিধির সর্বনিম্ন শাস্তি উল্লেখ আছে।

⇒ দণ্ডবিধির ৫১০ ধারা অনুযায়ী,
কোন ব্যক্তি যদি নেশাগ্রস্ত অবস্থায় কোন প্রকাশ্য স্থানে গমন করে, বা যে স্থানে প্রবেশ করা তার পক্ষে অনধিকার প্রবেশ, সে স্থানে প্রবেশ করে এবং সে স্থানে এমন আচরণ করে, যার ফলে কারো বিরক্তি ঘটে, তবে সে ব্যক্তি চব্বিশ ঘন্টা পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে অথবা দশ টাকা পর্যন্ত যেকোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে দণ্ডিত হবে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

Section 510- Misconduct in public by a drunken person:
Whoever, in a state of intoxication appears in any public place, or in any place which it is a trespass in him to enter, and there conducts himself in such a manner as to cause annoyance to any person, shall be punished with simple imprisonment for a term which may extend to twenty-four hours, or with fine which may extend to ten taka, or with both.
২,১০২.
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হ্রাস করে কোন দণ্ডে পরিবর্তন করা যেতে পারে?
  1. অনূর্ধ্ব ১০ বৎসর মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে
  2. অনূর্ধ্ব ১৫ বৎসর মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে
  3. অনূর্ধ্ব ২০ বৎসর মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে
  4. অনূর্ধ্ব ৩০ বৎসর মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে
সঠিক উত্তর:
অনূর্ধ্ব ২০ বৎসর মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনূর্ধ্ব ২০ বৎসর মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির  ৫৫ ধারার বিধান- যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাজ্ঞা হ্রাস বা পরিবর্তন:
যে সকল মামলার ক্ষেত্রে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাজ্ঞা প্রদান করা হয়, তার প্রত্যেক ক্ষেত্রে সরকার অপরাধীর সম্মতি ব্যতীতই দণ্ডাজ্ঞা হ্রাস করে অনূর্ধ্ব ২০ বৎসর মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে পরিবর্তন করতে পারবেন।

Section 55- Commutation of sentence of imprisonment for life:
In every case in which sentence of imprisonment for life shall have been passed, the Government may, without the consent of the offender, commute the punishment for imprisonment of either description for a term not exceeding twenty years.
২,১০৩.
দণ্ডবিধির কত ধারায় বাংলাদেশ হতে মনুষ্যহরণের বিধান আছে?
  1. ৩৫৯
  2. ৩৬২
  3. ৩৬০
  4. ৩৬১
সঠিক উত্তর:
৩৬০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৬০
ব্যাখ্যা
 দণ্ডবিধির ৩৬০ ধারার বিধান- বাংলাদেশ হইতে মনুষ্যহরণ:
-কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তিকে তার সম্মতি ছাড়াই অথবা তার স্বপক্ষে সম্মতি দানের ক্ষমতাসম্পন্ন অপর কারো সম্মতি ছাড়াই বাংলাদেশের সীমানার বাইরে পাঠিয়ে দেয় বা নিয়ে যায়, তবে উক্ত ব্যক্তি তাকে বাংলাদেশ হতে অপহরণ করেছে বলে পরিগণিত হয়।
-------------------------
Section-360: Kidnapping from Bangladesh, etc.
-Whoever conveys any person beyond the limits of Bangladesh without the consent of that person, or of some person legally authorized to consent on behalf of that person, is said to kidnap that person from Bangladesh.
২,১০৪.
"বেআইনী সমাবেশ" বলতে কমপক্ষে কতজনের সমাবেশ বোঝায়?
  1. ২ জন
  2. ৩ জন
  3. ৫ জন
  4. ৭ জন
সঠিক উত্তর:
৫ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ জন
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ১৪১ ধারার বিধান- বেআইনী সমাবেশ:
পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তির সমাবেশকে 'বেআইনী সমাবেশ' সেক্ষেত্রেই বলা হয়, যেক্ষেত্রে উক্ত সমাবেশের ব্যক্তিদের সাধারণ লক্ষ্য হয়-

প্রথম:
 বাংলাদেশের সরকার বা আইনসভাকে অথবা কোন সরকারী কর্মচারীকে অনুরূপ কর্মচারীর আইনসম্মত ক্ষমতা প্রয়োগের সময় অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ অথবা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগের হুমকি কর্তৃক ভীতি প্রদর্শন করা; কিংবা 

দ্বিতীয়:
 কোন আইনের অথবা কোন আইনগত ব্যবস্থার কার্যকরীকরণে বাধা সৃষ্টি করা; কিংবা

তৃতীয়:
 কোন ব্যক্তির দুষ্কর্ম বা অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ অথবা অন্যবিধ অপরাধ অনুষ্ঠিত করা; কিংবা

চতুর্থ:
 কোন ব্যক্তির প্রতি অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ করে বা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগের হুমকি প্রদর্শন করে কোন সম্পত্তির দখল গ্রহণ করা, অথবা কোন ব্যক্তিকে পথের অধিকার ভোগ হতে বঞ্চিত করা অথবা জল ব্যবহারের অধিকার হতে বঞ্চিত করা অথবা তাকে তার দখলে অবস্থিত অপর কোন অশরীরী অধিকার থেকে বঞ্চিত করা অথবা কোন অধিকার বা কল্পিত অধিকার প্রতিষ্টা করা; কিংবা

পঞ্চম:
 অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করে বা অপরাধমূলক বল প্রয়োগের হুমকি প্রদর্শন করে কোন ব্যক্তিকে সে আইনতঃ বাধ্য নয় এমন একটি কার্য সম্পাদনে বাধ্য করা অথবা যে কার্যটি করতে সে আইনত বাধ্য বা অধিকারী তা সম্পাদন হতে বিরত করা।

ব্যাখ্যা:
যে সমাবেশ, সমাবিষ্ট হওয়াকালে বেআইনী ছিল না তা পরে বেআইনী সমাবেশ হতে পারে।
২,১০৫.
নিম্নলিখিত কোনটি জালিয়াতি করার উদ্দেশ্য হতে পারে না?
  1. প্রতারণা করা
  2. কোন দাবী বা অধিকার সমর্থন করা
  3. কাউকে উপহার দেওয়া
  4. ব্যক্তি বা জনসাধারণের ক্ষতি সাধন করা
সঠিক উত্তর:
কাউকে উপহার দেওয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কাউকে উপহার দেওয়া
ব্যাখ্যা
জালিয়াতি [Forgery]:
দণ্ডবিধির ৪৬৩ ধারায় জালিয়াতি কে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। দণ্ডবিধির ৪৬৩ ধারা অনুযায়ী, কোন ব্যক্তি জালিয়াতি করেছে বলে গণ্য হবে যদি সে নিম্নলিখিত উদ্দেশ্যে কোন মিথ্যা দলিল বা দলিলের অংশ প্রস্তুত করে-
১. কোন ব্যক্তি বা জনসাধারণের ক্ষতি সাধন করতে ; বা
২. কোন দাবি বা অধিকার সমর্থন করতে; বা
৩. কোন ব্যক্তিকে কোন সম্পত্তি পরিত্যাগ করতে: বা
৪. কোন লোককে প্রকাশ্য বা অপ্রকাশ্য চুক্তি সম্পাদনে বাধ্য করতে; বা
৫. প্রতারণা করার অভিপ্রায়ে বা প্রতারণা সংঘটিত হতে পারে।

সুতরাং, জালিয়াতি অপরাধের ক্ষেত্রে প্রথম এবং প্রাথমিক শর্ত হলো মিথ্যা দলিল বা দলিলের অংশ তৈরী করা এবং সেই দলিলের উপর ভিত্তি করে কোন অধিকার দাবী করা বা পরিত্যাগ করা বা চুক্তি সম্পাদনের বাধ্য করা বা প্রতারণা করা। 'কাউকে উপহার দেওয়া'- জালিয়াতি করার উদ্দেশ্য হতে পারে না।
২,১০৬.
‘ক’ আইনানুসারে প্রয়োজনীয় সার্টিফিকেটে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে মিথ্যা তথ্য লিখে স্বাক্ষর করে, যা সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য। ‘ক’ The Penal Code, 1860-এর কোন ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছে?
  1. ১৯৩
  2. ১৯৭
  3. ৪৬৩
  4. ৪৬৫
সঠিক উত্তর:
১৯৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭
ব্যাখ্যা

⇒  প্রদত্ত ঘটনাটি দণ্ডবিধির ধারা ১৯৭-এর একটি স্পষ্ট উদাহরণ। এই ধারা অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি যদি আইনত প্রয়োজনীয় বা সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য কোনো সার্টিফিকেট ইস্যু করে বা তাতে স্বাক্ষর করে, এবং তিনি জানেন বা বিশ্বাস করেন যে সার্টিফিকেটটি কোনো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে মিথ্যা, তবে তিনি এই ধারার অধীনে শাস্তিযোগ্য হবেন।

⇒ দণ্ডবিধির ১৯৭ ধারার বিধান মিথ্যা সার্টিফিকেট ইস্যু করা কিংবা উহাতে স্বাক্ষর করা:- কোন ব্যক্তি যদি আইনের নির্দেশানুসারে কোন সার্টিফিকেট ইস্যু করে কিংবা উহাতে স্বাক্ষর করে কিংবা যে বিষয়ে আইনানুসারে কোন সার্টিফিকেট সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য, সে বিষয়ে অনুরূপ সার্টিফিকেট দান বা স্বাক্ষর করে এবং সার্টিফিকেটটি কোন বাস্তব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের দিক হতে মিথ্যা বলে জানা সত্ত্বেও বা অনুরূপভাবে মিথ্যা বলে বিশ্বাস করা সত্ত্বেও অনুরূপভাবে উহা দান বা স্বাক্ষর করে থাকে, তবে সে ব্যক্তি স্বয়ং মিথ্যা সাক্ষ্যদান করলে যেভাবে দণ্ডিত হত, এক্ষেত্রেও সে সেভাবে দণ্ডিত হবে।
--------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 197: Issuing or signing false certificate:
-Whoever issues or signs any certificate required by law to be given or signed, or relating to any fact of which such certificate is by law admissible in evidence, knowing or believing that such certificate is false in any material point, shall be punished in the same manner as if he gave false evidence.

২,১০৭.
দণ্ডবিধির ২৩১ ধারায় মুদ্রা জালকরণ অপরাধে দণ্ডিত ব্যক্তির জন্য কোন ধরনের শাস্তি নির্ধারিত?
  1. শুধুমাত্র অর্থদণ্ড
  2. শুধুমাত্র সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  3. শুধুমাত্র বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  4. সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
সঠিক উত্তর:
সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ২৩১ ধারা- মুদ্রা জাল করণ: 
কোন ব্যক্তি মুদ্রা জাল করলে অথবা জ্ঞাতসারে মুদ্রা জালকরণ প্রক্রিয়ার অংশ বিশেষ সম্পাদন করলে, সে ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

ব্যাখ্যা: কোন ব্যক্তি প্রতারণা করার অভিপ্রায়ে, অথবা তার কাজের ফলে প্রতারণা সংঘটিত হবে জানা সত্ত্বেও, কোন খাঁটি মুদ্রাকে দেখতে অপর কোন মুদ্রার মতো করলে, সে অপরাধ করেছে বলে পরিগণিত হবে।

Section 231- Counterfeiting coin:
Whoever counterfeits or knowingly performs any part of the process of counterfeiting coin, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine. 
 
Explanation.- A person commits this offence who intending to practice deception, or knowing it to be likely that deception will thereby be practiced, causes a genuine coin to appear like a different coin.
২,১০৮.
দণ্ডবিধির কত ধারায় রাষ্ট্রদ্রোহিতার (sedition) শাস্তির বিধান রয়েছে?
  1. ১২৩ ধারায়
  2. ১২৩ক ধারায়
  3. ১২৪ক ধারায়
  4. ১২৪ ধারায়
সঠিক উত্তর:
১২৪ক ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২৪ক ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ ধারা ১২৪ক এর মাঝে রাষ্ট্রদ্রোহিতার শাস্তি হিসেবে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা স্বল্প মেয়াদের কারাদণ্ড যার সাথে অর্থদণ্ড যুক্ত হতে পারে অথবা অনধিক ৩ বৎসর কারাদণ্ড যার সাথে অর্থদণ্ড যুক্ত হতে পারে অথবা অর্থদণ্ডের বিধান রয়েছে। 

♦  সরকার বা সরকার কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন কর্মকর্তার অভিযোগ ব্যতীত আদালত রাষ্ট্রদ্রোহিতার মামলা আমলে নিবেনা।

♦ শুধুমাত্র দায়রা আদালত, চীফ জুডিশিয়াল বা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রাষ্ট্রদ্রোহিতার মামলার বিচার করে  থাকে।

♦ দণ্ডবিধির ১২৪ক ধারা ছাড়াও সংবিধানের ৭খ অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রদ্রোহিতার বিধান রয়েছে।
২,১০৯.
দাঙ্গা দমনকালে সরকারি কর্মচারীকে আক্রমণ বা বাধাদান করা- দণ্ডবিধির কত ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ?
  1. ১৫০ ধারা
  2. ১৫১ ধারা
  3. ১৫২ ধারা
  4. ১৫৩ ধারা
সঠিক উত্তর:
১৫২ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫২ ধারা
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ১৫২ ধারার বিধান: দাঙ্গা ইত্যাদি দমনকালে সরকারি কর্মচারীকে আক্রমণ বা বাধাদান করা:
কোন সরকারি কর্মচারী অনুরূপ সরকারি কর্মচারী হিসেবে তাঁর কর্তব্য সম্পাদন উদ্দেশ্যে একটি অবৈধ সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করার অথবা দাঙ্গা দমন করার প্রচেষ্টাকালে কোন ব্যক্তি যদি তাকে আক্রমণ করে অথবা আক্রমণ করার হুমকি প্রদর্শন করে, অথবা বাধাদান করে বা বাধাদান করার চেষ্টা করে, অথবা অনুরূপ সরকারি কর্মচারীর প্রতি অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ করে বা করার হুমকি প্রদর্শন করে বা চেষ্টা করে, তবে সে ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডে দণ্ডিত হবে।

২,১১০.
দণ্ডবিধির ২১১ ধারার বিধান অনুযায়ী, যদি মিথ্যা মামলা এমন অপরাধের জন্য করা হয় যার শাস্তি মৃত্যুদণ্ড, আজীবন কারাদণ্ড বা সাত বছর বা তার বেশি কারাদণ্ড, তাহলে দোষী ব্যক্তির সর্বোচ্চ শাস্তি কী হবে?
  1. ২ বছর কারাদণ্ড
  2. ৩ বছর কারাদণ্ড
  3. ৫ বছর কারাদণ্ড
  4. ৭ বছর কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
৭ বছর কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ২১১ ধারার বিধান অনুযায়ী, যদি কেউ মিথ্যা মামলা এমন অপরাধের জন্য দায়ের করেন, যার শাস্তি মৃত্যুদণ্ড, আজীবন কারাদণ্ড, বা সাত বছর বা তার বেশি কারাদণ্ড, তাহলে সেই ব্যক্তি সর্বোচ্চ ৭ বছর কারাদণ্ড এবং জরিমানার জন্য দায়ী হবেন।
অন্য সাধারণ ক্ষেত্রে, যেখানে এই ধরনের গুরুতর শাস্তির বিধান নেই, তখন সর্বোচ্চ ২ বছর কারাদণ্ড বা জরিমানা বা উভয় দণ্ড প্রযোজ্য হয়।

⇒ দণ্ডবিধির ২১১ ধারা বিধান ক্ষতিসাধনের উদ্দেশ্যে অপরাধ বিষয়ক মিথ্যা অভিযোগ উত্থাপন:- কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তিকে ক্ষতিসাধনের জন্য উক্ত অন্য ব্যক্তির বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা রুজু করার বা অপরাধ সংঘটনের অভিযোগ উত্থাপন করার কোন সংগত বা আইনানুগ যুক্তি নাই বলে জানা সত্ত্বেও উক্ত অন্য ব্যক্তির বিরুদ্ধে কোন ফৌজদারি মামলা রুজু করে বা অনুরূপ মামলা রুজু করায়, কিংবা উক্ত অন্য ব্যক্তির কোন অপরাধ করেছে বলে মিথ্যা অভিযোগ উত্থাপন করে, তবে সে ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা উভয় দণ্ডেই দণ্ডিত হবে;

এবং যদি অনুরূপ ফৌজদারি মামলায়, মৃত্যুদণ্ডে, যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে, কিংবা সাত বৎসর বা তদূর্ধ্ব মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় কোন অপরাধ সংঘটনের মিথ্যা অভিযোগ রুজু করা হয়, তবে সে ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং এতদ্‌ব্যতীত তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে।

⇒ The Penal Code, 1860- Section- 211. False charge of offence made with intent to injure:
Whoever, with intent to cause injury to any person, institutes or causes to be instituted any criminal proceeding against that person, or falsely charges any person with having committed an offence, knowing that there is no just or lawful ground for such proceeding or charge against that person, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both; 
 
and if such criminal proceeding be instituted on a false charge of an offence punishable with death, 69[imprisonment] for life, or imprisonment for seven years or upwards, shall be punishable with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine.
২,১১১.
A জেনেশুনে একটি মিথ্যা সার্টিফিকেট স্বাক্ষর ও ইস্যু করে। A কোন ধরনের অপরাধ সংঘটিত করেছে?
  1. প্রতারণা করেছে
  2. জাল দলিল করেছে
  3. জালিয়াতি করেছে
  4. মিথ্যা সাক্ষ্য তৈরি করেছে
সঠিক উত্তর:
জালিয়াতি করেছে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জালিয়াতি করেছে
ব্যাখ্যা
♦এখানে A, দণ্ডবিধির ৪৬৪ ধারার অধীনে মিথ্যা দলিল প্রণয়ন করার মাধ্যমে জালিয়াতির অপরাধ করেছে। কেননা ৪৬৪ ধারার ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে, কোন ব্যক্তির নিজের নাম স্বাক্ষরও জালিয়াতির সামিল হতে পারে।
২,১১২.
দণ্ডবিধিতে দুষ্কর্মের সহায়তার (Abetment) সংজ্ঞা রয়েছে -
  1. ১০৫ ধারায়
  2. ১০৬ ধারায়
  3. ১০৭ ধারায়
  4. ১০৮ ধারায়
সঠিক উত্তর:
১০৭ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০৭ ধারায়
ব্যাখ্যা
→ দণ্ডবিধিতে দুষ্কর্মের সহায়তার (Abetment) সংজ্ঞা রয়েছে -১০৭ ধারায়।
→ দণ্ডবিধির ১০৭ ধারা অনুযায়ী যে সমস্ত কাজ করলে অপরাধ হয় সেই সমস্ত কাজ করার জন্য প্রত্যক্ষভাবে বা পরোক্ষভাবে কোন ইন্ধন যোগান কিংবা সমর্থন করাকে আইনের ভাষায় প্ররোচনা বা Abetment বলা হয়ে।
→ দণ্ডবিধির ১০৭ ধারা অনুযায়ী ৩ ভাবে প্ররোচনা বা অপরাধে সহায়তা অপরাধ হতে পারে।
(i) কাউকে প্ররোচিত করে
(ii) ষড়যন্ত্রে অংশগ্রহণ করে
(iii) কার্য বা কার্যবিরতি দ্বারা ইচ্ছাকৃতভাবে সাহায্য করে

অপরাধে সহায়তা বা প্ররোচনা (Abetment):
অপরাধে সহায়তা বা প্ররোচনা বলতে এমন কাজ বা কার্যক্রম বোঝায় যা অন্যকে অপরাধ করতে উসকানির মাধ্যমে সহায়তা করে। এর মধ্যে রয়েছে:
- অনুপ্রেরণা বা উসকানি (Instigation): অন্য কাউকে অপরাধ করার জন্য উদ্বুদ্ধ বা প্ররোচিত করা।
- ষড়যন্ত্র (Conspiracy): অপরাধ করার জন্য অন্য কারও সাথে গোপনে পরিকল্পনা করা।
- সহায়তা (Assistance): অপরাধ সংঘটনে সরাসরি সাহায্য করা।
→ যখন কোনো ব্যক্তি অন্য কাউকে অপরাধ করতে সাহায্য বা উসকানি দেয়, তখন তাকে অপরাধের সাথে সম্পর্কিত হিসেবে দণ্ডবিধির ১০৮ ধারায় প্ররোচনাকারী হিসেবে গণ্য করা হয়।
→ দণ্ডবিধির ১০৭ ধারায় উল্লেখ করা হয়েছে যে, যেকোনো ব্যক্তি যদি অপরাধ করার জন্য কাউকে প্ররোচিত করে বা অপরাধ সংঘটনের জন্য চক্রান্তে লিপ্ত হয়, তবে তাকে অপরাধে সহায়তা বা প্ররোচনাকারী বলে গণ্য করা হবে।

উদাহরণ: যদি একজন ব্যক্তি অন্য কাউকে চুরি করতে উসকানি দেয় বা চুরির জন্য তাকে সাহায্য করে, তবে সে সেই অপরাধের জন্য দায়ী হবে।
-----------------
- The Penal Code, 1860 Section 107: Abetment of a thing: 
- A person abets the doing of a thing, who-
Firstly.- Instigates any person to do that thing; or
Secondly.- Engages with one or more other person or persons in any conspiracy for the doing of that thing, if an act or illegal omission takes place in pursuance of that conspiracy, and in order to the doing of that thing; or
Thirdly.- Intentionally aids, by any act or illegal omission, the doing of that thing.

Explanation-1.- A person who, by wilful misrepresenta-tion, or by wilful concealment of a material fact which he is bound to disclose, voluntarily causes or procures, or attempts to cause or procure, a thing to be done, is said to instigate the doing of that thing.

Explanation-2.- Whoever, either prior to or at the time of the commission of an act, does anything in order to facilitate the commission of that act, and thereby facilitates the commission thereof, is said to aid the doing of that act.
২,১১৩.
A common nuisance is not excused on the ground that it causes some _____________.
  1. advantage
  2. convenience
  3. disadvantage
  4. convenience or advantage
সঠিক উত্তর:
convenience or advantage
উত্তর
সঠিক উত্তর:
convenience or advantage
ব্যাখ্যা
Section 268: Public nuisance:
A person is guilty of a public nuisance who does any act or is guilty of an illegal omission which causes any common injury, danger or annoyance to the public or to the people in general who dwell or occupy property in the vicinity, or which must necessarily cause injury, obstruction, dangers or annoyance to persons who may have occasion to use any public right. A common nuisance is not excused on the ground that it causes some convenience or advantage.

দণ্ডবিধির ২৬৮ ধারা- জনসাধারণের উপদ্রব:
যদি কোন এমন কোন কার্য করে বা এমন কোন কার্য করা হতে বেআইনীভাবে বিরত থাকে, যার ফলে জনসাধারণের বা সাধারণভাবে নিকটবর্তী সম্পত্তির মালিক বা অধিবাসী ব্যক্তিদের কোন ক্ষতি হয়, বিপদাশঙ্ক হয় বা বিরক্তির সৃষ্টি হয়, অথবা যার ফলে যেসব ব্যক্তি কোন সাধারণ অধিকার ব্যবহার করতে যাবে, তাদের ক্ষতিসাধন, ব্যাঘাত, বিপদাশঙ্ক বা বিরক্তি সৃষ্টি হবে, সে ব্যক্তি জনসাধারণের বিরক্তি উৎপাদক কাজ সম্পাদনের ফলে অপরাধী সাব্যস্ত হবে। কোন মামুলী বিরক্তি উৎপাদক কাজ কিছু সুবিধা বা সৌকর্য বিধান করেছে-এই অজুহাতে সে মামুলী বিরক্তি উৎপাদক কাজটি রেহাই পাবে না।

⇒ ধারা ২৬৮ বলা হয়েছে যে,
যদি কেউ এমন কোনো কাজ করে বা কোনো কাজ করতে বাধা দেয়, যার কারণে জনসাধারণ বা কাছাকাছি এলাকায় বসবাসকারী মানুষের ক্ষতি, বিপদ বা বিরক্তি হয়, তাহলে সেই ব্যক্তি অপরাধী হিসেবে গণ্য হবে। উদাহরণস্বরূপ, যদি কোন ব্যক্তি তার কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে রাস্তার মধ্যে অযথা জটলা সৃষ্টি করে, অথবা উচ্চ শব্দের মাধ্যমে প্রতিবেশীদের বিরক্ত করে, তাহলে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠতে পারে।
যদি কেউ তার কাজের জন্য কিছু সুবিধা বা সুবিধাজনক কারণে বিরক্তি সৃষ্টি করে, তাও তাকে ক্ষমা করবে না। অর্থাৎ, যে কাজই করা হোক না কেন, যদি তা জনসাধারণের জন্য বিরক্তিকর হয়, তবে সেই ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
২,১১৪.
দণ্ডবিধির কোন ধারায় অপরাধমূলক জ্ঞান [criminal knowledge] সম্পর্কে বিধান আছে?
  1. ৩৪ ধারা
  2. ৩৫ ধারা
  3. ৩৭ ধারা
  4. ৩৮ ধারা
সঠিক উত্তর:
৩৫ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৫ ধারা
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ধারা ৩৫ – কোনো কাজ অপরাধ তখনই ধরা হবে, যদি তা অপরাধমূলক জ্ঞান বা অভিপ্রায়সহ করা হয়:
যখন কোনো কাজ শুধুমাত্র অপরাধমূলক জ্ঞান বা অভিপ্রায়সহ করায় তা অপরাধ হয়, এবং সেই কাজ একাধিক ব্যক্তি একত্রে করে, তখন যে প্রত্যেক ব্যক্তি ওই কাজের সাথে অপরাধমূলক জ্ঞান বা অভিপ্রায়সহ যুক্ত হয়, সে ওই কাজের জন্য একইভাবে দায়ী হবে, যেমনটি সে নিজেই একা ঐ জ্ঞান বা অভিপ্রায়সহ কাজটি করত।

সহজ ভাষায়:
যদি একটি কাজ অপরাধ শুধু এই কারণে হয় যে তা অপরাধ করার মানসিকতা বা জ্ঞানে করা হয়েছে, এবং অনেক লোক একসাথে সেই কাজ করে, তবে প্রত্যেকেই সমানভাবে দায়ী হবে — এমনকি যদি তারা নিজের হাতে কাজটি না-ও করে থাকে।

উদাহরণ:
তিনজন ব্যক্তি জানে যে তারা যে কাজটি করছে তা অবৈধ, এবং সবাই একসঙ্গে সেই কাজ সম্পন্ন করে। এ ক্ষেত্রে, তারা প্রত্যেকে সমানভাবে দায়ী হবে, যেন প্রত্যেকেই নিজে অপরাধটি করেছে।
২,১১৫.
দণ্ডবিধির কত ধারা অনুযায়ী ক্ষতি সাধনের জন্য মিথ্যা মামলা বা মিথ্যা অভিযোগ দায়ের অপরাধ বলে গণ্য হবে?
  1. ২০৯
  2. ২১১
  3. ২১২
  4. ২১৪
সঠিক উত্তর:
২১১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২১১
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ২১১ ধারা মতে ক্ষতি সাধনের জন্য মিথ্যা মামলা বা মিথ্যা অভিযোগ দায়েরের শাস্তির বিধান রয়েছে। অহেতুক কোনো ফৌজদারি মামলা দায়ের করা হলে ২১১ ধারা মতে দুই ধরনের শাস্তি হতে পারে।
(i)  ক্ষতি সাধনের জন্য অহেতুক কোন ফৌজদারি মামলা দায়ের করলে অনধিক ২ বছরের কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড 
(ii) যদি উক্তরূপ ফৌজদারি মামলা মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা ৭ বছর বা তদূর্ধ্ব কারাদণ্ডে দণ্ডিত করার জন্য হয় তাহলে দোষী ব্যক্তি অনধিক ৭ বছর কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবে।
⇒ দণ্ডবিধির ২১১ ধারা বিধান: ক্ষতি করিবার উদ্দেশ্যে অপরাধের মিথ্যা অভিযোগ:
- কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তিকে ক্ষতিসাধনের জন্য উক্ত অন্য ব্যক্তির বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা রুজু করার বা অপরাধ সংঘটনের অভিযোগ উত্থাপন করার কোন সংগত বা আইনানুগ যুক্তি নাই বলে জানা সত্ত্বেও উক্ত অন্য ব্যক্তির বিরুদ্ধে কোন ফৌজদারি মামলা রুজু করে বা অনুরূপ মামলা রুজু করায়, কিংবা উক্ত অন্য ব্যক্তির কোন অপরাধ করেছে বলে মিথ্যা অভিযোগ উত্থাপন করে, তবে সে ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা উভয় দণ্ডেই দণ্ডিত হবে;
এবং যদি অনুরূপ ফৌজদারি মামলায়, মৃত্যুদণ্ডে, যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে, কিংবা সাত বৎসর বা তদূর্ধ্ব মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় কোন অপরাধ সংঘটনের মিথ্যা অভিযোগ রুজু করা হয়, তবে সে ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং এতদ্‌ব্যতীত তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে।
--------------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section-211.False charge of offence made with intent to injure:
- Whoever, with intent to cause injury to any person, institutes or causes to be instituted any criminal proceeding against that person, or falsely charges any person with having committed an offence, knowing that there is no just or lawful ground for such proceeding or charge against that person, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both; 
and if such criminal proceeding be instituted on a false charge of an offence punishable with death, 69[imprisonment] for life, or imprisonment for seven years or upwards, shall be punishable with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine.
২,১১৬.
দণ্ডবিধি অনুযায়ী সূর্যাস্ত থেকে সূর্যোদয়ের মধ্যে রাজপথে দস্যুতার জন্য সর্বোচ্চ কারাদণ্ড কত বছর?
  1. ৭ বছর
  2. ১০ বছর
  3. ১২ বছর
  4. ১৪ বছর
সঠিক উত্তর:
১৪ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪ বছর
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৩৯২ অনুসারে, দস্যুতার শাস্তি হলো ১০ বছর পর্যন্ত কঠোর কারাদণ্ড এবং জরিমানা। তবে, যদি দস্যুতা সূর্যাস্ত থেকে সূর্যোদয়ের মধ্যে রাজপথে (highway) সংঘটিত হয়, তবে শাস্তি ১৪ বছর পর্যন্ত কঠোর কারাদণ্ড এবং জরিমানা হতে পারে। সুতরাং, সূর্যাস্ত থেকে সূর্যোদয়ের মধ্যে রাজপথে দস্যুতার জন্য সর্বোচ্চ কারাদণ্ড হলো ১৪ বছর।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৯২ ধারার বিধান- দস্যুতার সাজা:
কোন ব্যক্তি যদি দস্যুতা সংঘটন করে তবে সে ব্যক্তি দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে। এবং যদি সূর্যাস্ত ও সূর্যোদয়ের মধ্যবর্তী সময় রাজপথে দস্যুতা অনুষ্ঠিত হয়, তবে কারাদণ্ডের মেয়াদ চৌদ্দ বৎসর পর্যন্ত হতে পারে।
----------
⇒ The Penal Code, 1860: Section 392. Punishment for robbery:
Whoever commits robbery shall be punished with rigorous imprisonment for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine; and, if the robbery be committed on the highway between sunset and sunrise, the imprisonment may be extended to fourteen years.

২,১১৭.
বেআইনি সমাবেশ গঠন করতে কমপক্ষে কতজন ব্যক্তি উপস্থিত থাকতে হবে?
  1. ৩ জন
  2. ৫ জন
  3. ৭ জন
  4. ১০ জন
সঠিক উত্তর:
৫ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ জন
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ১৪১ ধারায় বেআইনি সমাবেশের বিধান রয়েছে। পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি জনসাধারনের শান্তি শৃঙ্খলা  বিঘ্নকারী কোন সমাবেশ করলে তাকে বেআইনি সমাবেশ বলে।

♦ দণ্ডবিধির ১৪১ ধারার বিধান বেআইনী সমাবেশ:- পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তির সমাবেশকে 'বেআইনী সমাবেশ' সেক্ষেত্রেই বলা হয়, যেক্ষেত্রে উক্ত সমাবেশের ব্যক্তিদের সাধারণ লক্ষ্য হয়-

প্রথম:- বাংলাদেশের সরকার বা আইনসভাকে অথবা কোন সরকারী কর্মচারীকে অনুরূপ কর্মচারীর আইনসম্মত ক্ষমতা প্রয়োগের সময় অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ অথবা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগের হুমকি কর্তৃক ভীতি প্রদর্শন করা; কিংবা 

দ্বিতীয়:- কোন আইনের অথবা কোন আইনগত ব্যবস্থার কার্যকরীকরণে বাধা সৃষ্টি করা; কিংবা

তৃতীয়:- কোন ব্যক্তির দুষ্কর্ম বা অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ অথবা অন্যবিধ অপরাধ অনুষ্ঠিত করা; কিংবা

চতুর্থ:- কোন ব্যক্তির প্রতি অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ করে বা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগের হুমকি প্রদর্শন করে কোন সম্পত্তির দখল গ্রহণ করা, অথবা কোন ব্যক্তিকে পথের অধিকার ভোগ হতে বঞ্চিত করা অথবা জল ব্যবহারের অধিকার হতে বঞ্চিত করা অথবা তাকে তার দখলে অবস্থিত অপর কোন অশরীরী অধিকার থেকে বঞ্চিত করা অথবা কোন অধিকার বা কল্পিত অধিকার প্রতিষ্টা করা; কিংবা

পঞ্চম:- অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করে বা অপরাধমূলক বল প্রয়োগের হুমকি প্রদর্শন করে কোন ব্যক্তিকে সে আইনতঃ বাধ্য নয় এমন একটি কার্য সম্পাদনে বাধ্য করা অথবা যে কার্যটি করতে সে আইনত বাধ্য বা অধিকারী তা সম্পাদন হতে বিরত করা।

ব্যাখ্যা:- যে সমাবেশ, সমাবিষ্ট হওয়াকালে বেআইনী ছিল না তা পরে বেআইনী সমাবেশ হতে পারে।
২,১১৮.
দণ্ডবিধির অনুসারে নিচের কোনটি চোরাই মাল (Stolen Property)?
  1. বলপূর্বক গৃহীত সম্পত্তি
  2. চুরির মাধ্যমে অর্জিত সম্পত্তি
  3. বিশ্বাসভঙ্গ মূলে গৃহীত সম্পত্তি
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪১০ ধারায় চোরাই মালের সংজ্ঞা রয়েছে। দণ্ডবিধির ৪১০ ধারামতে যে সকল মাল বা সম্পত্তি চোরাই মাল বলে গণ্য হবে তা হল-
ক) চুরির মাধ্যমে অর্জিত সম্পত্তি;
খ) বলপূর্বক গৃহীত সম্পত্তি;
গ) দস্যুতা এবং ডাকাতিমূলে হস্তান্তরিত সম্পত্তি; এবং
ঘ) অপরাধমূলকভাবে আত্মসাৎকৃত ও বিশ্বাসভঙ্গের দ্বারা অর্জিত সম্পত্তিকে চোরাই মাল বা Stolen Property বলে।
উক্ত চোরাই মাল যখন আইনানুগভাবে দখলের অধিকারী লোকের দখলে আসে, তখন সেগুলো আর চোরাই সম্পত্তি থাকে না।

⇒ দণ্ডবিধির ৪১০ ধারার বিধান চোরাই সম্পত্তি:- চুরি বা জোরপূর্বক আদায় বা দস্যুতার কর্তৃক যে সম্পত্তি হস্তান্তরিত হয়েছে বা যে সম্পত্তি অপরাধমূলকভাবে আত্মসাৎ হয়েছে বা যে সম্পত্তি সম্পর্কে অপরাধমূলক বিশ্বাস ভঙ্গ হয়েছে সে সম্পত্তিকে "চোরাই সম্পত্তি” বলে। অনুরূপ হস্তান্তর অথবা আত্মসাৎ বা বিশ্বাস ভঙ্গ বাংলাদেশের মধ্যে বা বাহিরে যেখানে সাধিত বা সংঘটিত হোক না কেন, সংশ্লিষ্ট সম্পত্তি 'চোরাই সম্পত্তি' বলে উহা আইনানুগভাবে দখলের অধিকারী ব্যক্তির দখলে আসে, তবে আর উহা চোরাই সম্পত্তি থাকে না।
----------------------
⇒ Section 410: Stolen property:
Property, the possession whereof has been transferred by theft, or by extortion, or by robbery, and property which has been criminally misappropriated or in respect of which criminal breach of trust has been committed, is designated as "stolen property," whether the transfer has been made, or the misappropriation or breach of trust has been committed, within or without Bangladesh. But, if such property subsequently comes into the possession of a person legally entitled to the possession thereof, it then ceases to be stolen property.
২,১১৯.
দণ্ডবিধির ধারা ১৪১ অনুযায়ী, কতজন বা তার বেশি ব্যক্তির সমাবেশকে বেআইনি সমাবেশ হিসেবে বিবেচনা করা হয়?
  1. ৩ বা তার বেশি
  2. ৪ বা তার বেশি
  3. ২ বা তার বেশি
  4. ৫ বা তার বেশি
সঠিক উত্তর:
৫ বা তার বেশি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ বা তার বেশি
ব্যাখ্যা

→ দণ্ডবিধির ১৪১ ধারা অনুযায়ী, পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি যদি একটি নির্দিষ্ট অবৈধ উদ্দেশ্যে একত্রিত হয়, তবে সেটিকে "বেআইনি সমাবেশ" বলা হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ১৪১ অনুযায়ী, পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি একত্রিত হলে এবং তাদের সাধারণ উদ্দেশ্য যদি ঐ সকল উদ্দেশ্য অনুযায়ী হয়, তবে তা "বেআইনি সমাবেশ" হিসেবে চিহ্নিত হয়। এই উদ্দেশ্যগুলির মধ্যে সরকার বা আইনসভাকে অঘোষিতভাবে অধিকারহীন করা, আইনগত প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করা, বা অন্য কোন অপরাধমূলক কাজ সংঘটিত করা ইত্যাদি অন্তর্ভুক্ত থাকে।

⇒ দণ্ডবিধির ১৪১ ধারার বিধান বেআইনি সমাবেশ:- পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তির সমাবেশকে 'বেআইনি সমাবেশ' সেক্ষেত্রেই বলা হয়, যেক্ষেত্রে উক্ত সমাবেশের ব্যক্তিদের সাধারণ লক্ষ্য হয়-
প্রথম:- বাংলাদেশের সরকার বা আইনসভাকে অথবা কোন সরকারি কর্মচারীকে অনুরূপ কর্মচারীর আইনসম্মত ক্ষমতা প্রয়োগের সময় অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ অথবা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগের হুমকি কর্তৃক ভীতি প্রদর্শন করা; কিংবা
দ্বিতীয়:- কোন আইনের অথবা কোন আইনগত ব্যবস্থার কার্যকরকরণে বাধা সৃষ্টি করা; কিংবা
তৃতীয়:- কোন ব্যক্তির দুষ্কর্ম বা অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ অথবা অন্যবিধ অপরাধ অনুষ্ঠিত করা; কিংবা
চতুর্থ:- কোন ব্যক্তির প্রতি অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ করে বা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগের হুমকি প্রদর্শন করে কোন সম্পত্তির দখল গ্রহণ করা, অথবা কোন ব্যক্তিকে পথের অধিকার ভোগ হতে বঞ্চিত করা অথবা জল ব্যবহারের অধিকার হতে বঞ্চিত করা অথবা তাকে তার দখলে অবস্থিত অপর কোন অশরীরী অধিকার থেকে বঞ্চিত করা অথবা কোন অধিকার বা কল্পিত অধিকার প্রতিষ্ঠা করা; কিংবা
পঞ্চম:- অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করে বা অপরাধমূলক বল প্রয়োগের হুমকি প্রদর্শন করে কোন ব্যক্তিকে সে আইনত বাধ্য নয় এমন একটি কার্য সম্পাদনে বাধ্য করা অথবা যে কার্যটি করতে সে আইনত বাধ্য বা অধিকারী তা সম্পাদন হতে বিরত করা।
ব্যাখ্যা:- যে সমাবেশ, সমাবিষ্ট হওয়াকালে বেআইনি ছিল না তা পরে বেআইনি সমাবেশ হতে পারে।
----------------
⇒ The Penal Code, 1860-Section-141. Unlawful assembly:
- An assembly of five or more persons is designated an "unlawful assembly," if the common object of the persons composing that assembly is:
First.-To overawe by criminal force, or show of criminal force, Government or Legislature, or any public servant in the exercise of the lawful power of such public servant; or
Second.-To resist the execution of any law, or of any legal process; or
Third.- To commit any mischief or criminal trespass, or other offence; or
Fourth.-By means of criminal force, or show of criminal force, to any person to take or obtain possession of any property, or to deprive any person of the enjoyment of a right of way, or of the use of water or other incorporeal right of which he is in possession or enjoyment, or to enforce any right or supposed right; or
Fifth.-By means of criminal force, or show of criminal force, to compel any person to do what he is not legally bound to do, or to omit to do what he is legally entitled to do.
Explanation. -An assembly which was not unlawful when it assembled, may subsequently become an unlawful assembly.

২,১২০.
নিম্নের কোনটি পেনাল কোড-এর এখতিয়ারে পরে না?
  1. বাংলাদেশী নাগরিক বিদেশে অপরাধ করলে
  2. বিদেশী নাগরিক বাংলাদেশে অপরাধ করলে
  3. বিদেশী নাগরিক বিদেশে অপরাধ করলে
  4. বাংলাদেশী নাগরিক দেশে অপরাধ করে বিদেশে পালিয়ে গেলে
সঠিক উত্তর:
বিদেশী নাগরিক বিদেশে অপরাধ করলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিদেশী নাগরিক বিদেশে অপরাধ করলে
ব্যাখ্যা
♦পেনাল কোডের ২,৩ ও ৪ ধারা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এখানে পেনাল কোডের অপরাধগুলো কোথায় কার মাধ্যমে সংঘটিত হলে সেটির বিচার বাংলাদেশে করা যাবে তার বর্ণনা উদাহরণ সহ দেওয়া আছে। বাংলাদেশের নাগরিক দেশে-বিদেশে যেখানেই পেনাল কোডের অপরাধ করুক তাঁকে বাংলাদেশে যেখানে পাওয়া যাবে সেখানে বিচার করা যাবে। বিদেশী নাগরিক যদি বাংলাদেশে অবস্থান করে কোনো অপরাধ করলে এবং তা পেনাল কোডে দণ্ডনীয় হলে তার বিচার বাংলাদেশে করা যাবে। কিন্তু বিদেশী কোনো নাগরিক বিদেশে অপরাধ করলে সেটি বাংলাদেশে বিচার্য হবে না।
♦দণ্ডবিধির ২ থেকে ৪ ধারায় দণ্ডবিধির প্রয়োগ নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। যে ক্ষেত্রে দণ্ডবিধি প্রয়াগ হবে-
(i)  বাংলাদেশের সকল নাগরিকের ক্ষেত্রে: দেশে-বিদেশে যেখানেই অপরাধ সংঘটন করুক না কেন।
(ii) বিদেশি নাগরিকের ক্ষেত্রে: যদি সে বাংলাদেশে অথবা বাংলাদেশের নিবন্ধিত কোন জাহাজ বা বিমানে অপরাধ সংঘটন করে।
(iii) বাংলাদেশের নিবন্ধিত কোন জাহাজ বা বিমানে অপরাধ সংগঠন করার ক্ষেত্রে: উক্ত বাংলাদেশি জাহাজ বা বিমান বাংলাদেশ বা বিদেশে যেখানেই অবস্থান করুক না কেন।
২,১২১.
"যাবজ্জীবন কারাবাসে দণ্ডিত ব্যক্তি কর্তৃক খুনের শাস্তি" দণ্ডবিধির কোন ধারায় বর্ণিত আছে?
  1. ৩০০ ধারায়
  2. ৩০১ ধারায়
  3. ৩০৩ ধারায়
  4. ৩০৪ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৩০৩ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০৩ ধারায়
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ৩০৩ ধারায় স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে যে, যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত কোনো ব্যক্তি যদি খুন করে, তাহলে তার শাস্তি মৃত্যুদণ্ড হবে। এটি "Punishment for murder by life-convict" নামে পরিচিত।

⇒ দণ্ডবিধি ৩০৩ ধারার বিধান- যাবজ্জীবন কারাবাসে দণ্ডিত ব্যক্তি কর্তৃক খুনের শাস্তি:
কোন ব্যক্তি যদি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত অবস্থায় খুন করে, তবে সে ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত হবে।

⇒ The Penal Code, 1860, Section 303- Punishment for murder by life-convict:
Whoever, being under sentence of imprisonment for life, commits murder, shall be punished with death.

২,১২২.
দণ্ডবিধির ৪২৫ ধারায় কোনটির সংজ্ঞা দেয়া আছে?
  1. Hurt
  2. Mischief
  3. Criminal Trespass
  4. Wrongful confinement
সঠিক উত্তর:
Mischief
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Mischief
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৪২৫ ধারা অনুযায়ী অন্যের অন্যায় ক্ষতি বা লোকসানের (Wrongful loss or damage) উদ্দেশ্যে কোন সম্পত্তি ধ্বংস বা বিনষ্ট অথবা সম্পত্তির মূল্য/উপযোগিতা হ্রাস বা ক্ষতিগ্রস্ত করাকে অনিষ্ট বা ক্ষতি (mischief) বলে।

কোন ব্যক্তিকে ক্ষতি বা অনিষ্টসাধনের জন্য দায়ী করতে হলে এটা প্রমাণ করার প্রয়োজন নেই যে, যে ব্যক্তি ক্ষতিগ্রস্ত হবে সম্পত্তিটি উক্ত ব্যক্তির দখলে বা মালিকানাধীন ছিল। যেহেতু ক্ষতি সাধনের উদ্দেশ্যে ক ঘোড়াটিকে গুলিবিদ্ধ করেছে তাই ক” ক্ষতি সাধনের জন্য দোষী হবে।

Section-425: Mischief:
Whoever, with intent to cause, or knowing that he is likely to cause, wrongful loss or damage to the public or to any person, causes the destruction of any property, or any such change in any property or in the situation thereof as destroys or diminishes its value or utility, or affects it injuriously, commits "mischief".

Explanation-1: It is not essential to the offence of mischief that the offender should intend to cause loss or damage to the owner of the property injured or destroyed. It is sufficient if he intends to cause, or knows that he is likely to cause, wrongful loss or damage to any person by injuring any property, whether it belongs to that person or not.

Explanation-2: Mischief may be committed by an act affecting property belonging to the person who commits the act, or to that person and others jointly.
২,১২৩.
দণ্ডবিধির ৮৪ ধারায় কাদের কৃত কার্য অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে না?
  1. বিচারক
  2. নাবালক
  3. অপ্রকৃতিস্থ ব্যক্তি
  4. আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী
সঠিক উত্তর:
অপ্রকৃতিস্থ ব্যক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপ্রকৃতিস্থ ব্যক্তি
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৮৪ ধারার বিধান: অপ্রকৃতিস্থ ব্যক্তির কার্য:
এমন কোন ব্যক্তির কোন কার্যই অপরাধ নয়, যে ব্যক্তি সংশ্লিষ্ট কাজটি করার সময় তার মনে অসুস্থতা (Unsoundness) বশত কাজটি যে অন্যায় অথবা আইনবিরুদ্ধ, তা বুঝতে অসমর্থ ছিল।

Section 84: Act of a person of unsound mind:
Nothing is an offence which is done by a person who, at the time of doing it, by reason of unsoundness of mind, is incapable of knowing the nature of the act, or that he is doing what is either wrong or contrary to law.
২,১২৪.
দণ্ডবিধিতে মোট কয়টি অধ্যায় রয়েছে?
  1. ১৮টি
  2. ২০টি
  3. ২৩টি
  4. ২৫টি
সঠিক উত্তর:
২৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৩টি
ব্যাখ্যা
→ The Penal Code, 1860 আইনে মোট অধ্যায় ২৩টি এবং মোট ধারা ৫১১টি (মূল দণ্ডবিধিতে ৪৮৮টি ধারা ছিল)। ভারতীয় উপমহাদেশে সর্বপ্রথম আইন কমিশন গঠন করা হয় ১৮৩৪ সালে। প্রথম আইন কমিশনের চেয়ারম্যান ছিলেন থমাস ব্যাবিংটন ম্যাকুলে (Lord Macaulay)। প্রথম আইন কমিশনের কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন G.W. Anderson, F. Millet, এবং J.M. Macleod। ১৮৩৭ সালে এই কমিশন দণ্ডবিধি প্রণয়নের জন্য খসড়া জমা দেয় এবং ৬ অক্টোবর ১৮৬০ সালে বিলটি পাস হয়, এবং দণ্ডবিধি ১লা জানুয়ারি ১৮৬২ সালে আইনটি কার্যকর হয়। এটি ছিল দণ্ডবিধি ১৮৬০ সালের ৪৫ নং আইন।

গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়গুলো:
- দ্বিতীয় অধ্যায়: সাধারণ ব্যাখ্যা (GENERAL EXPLANATIONS)
- তৃতীয় অধ্যায়: শাস্তি (PUNISHMENTS)
- চতুর্থ অধ্যায়: সাধারণ ব্যতিক্রম (GENERAL EXCEPTIONS)
- পঞ্চম অধ্যায়: অপরাধে সহায়তা বা প্ররোচনা (ABETMENT)
- পঞ্চম-ক অধ্যায়: অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র (CRIMINAL CONSPIRACY)
- ষষ্ঠ অধ্যায়: রাষ্ট্রবিরোধী অপরাধ (OFFENCES AGAINST THE STATE)
- নবম অধ্যায়: সরকারি কর্মচারী সংক্রান্ত অপরাধ (OFFENCES BY OR RELATING TO PUBLIC SERVANTS)
- নবম-ক অধ্যায়: নির্বাচন সংক্রান্ত অপরাধ (OFFENCES RELATING TO ELECTIONS)
- ষোড়শ অধ্যায়: মানবদেহ সংক্রান্ত অপরাধ (OFFENCES AFFECTING THE HUMAN BODY)
- সপ্তদশ অধ্যায়: সম্পত্তির বিরুদ্ধে অপরাধ (OFFENCES AGAINST PROPERTY)
- বিংশ অধ্যায়: বিবাহ সংক্রান্ত অপরাধ (OFFENCES RELATING TO MARRIAGE)
- একবিংশ অধ্যায়: মানহানি (DEFAMATION)
- ত্রয়োবিংশ অধ্যায়: অপরাধ সংগঠনের উদ্যোগ (ATTEMPTS TO COMMIT OFFENCES)
২,১২৫.
ব্যাভিচারের জন্য কাকে অভিযুক্ত করা যায়?
  1. পুরুষ আসামী
  2. মহিলা আসামী
  3. স্বামী
  4. তাদের সকলকে
সঠিক উত্তর:
পুরুষ আসামী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুরুষ আসামী
ব্যাখ্যা
♦পেনাল কোড এর ৪৯৭ ধারার বিধান ব্যভিচারঃ কোন ব্যক্তি যদি অপর কোন ব্যক্তির স্ত্রী অথবা যাকে সে অন্য কোন ব্যক্তির স্ত্রী বলে জানে বা তার অনুরূপ বিশ্বাস করার কারণ আছে এমন কোন ব্যক্তির সাথে উক্ত অন্য ব্যক্তির সম্মতি ও সমর্থন ছাড়া এইরূপ যৌন সঙ্গম করে যা নারী ধর্ষণের সামিল নয়, তবে সে ব্যক্তি ব্যভিচারের অপরাধের জন্য দোষী হবে এবং তাকে সাত বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত করা যাবে। অনুরূপ ক্ষেত্রে স্ত্রী ব্যক্তিটি দুষ্কর্মের সহায়তাকারী হিসেবে দণ্ডিত হবে না। 

♦অর্থাৎ ব্যাভিচারের জন্য শুধু পুরুষ ব্যক্তিটিকে অভিযুক্ত করা যায়।
২,১২৬.
'X', ১২ বছরের একটি শিশুকে তার অভিভাবকের সম্মতি ছাড়া নিয়ে যায়। 'X' এর কৃত অপরাধ কী?
  1. দস্যুতা
  2. মনুষ্য হরণ
  3. অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ
  4. কোনো অপরাধ নয়
সঠিক উত্তর:
মনুষ্য হরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মনুষ্য হরণ
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: খ) মনুষ্য হরণ। 
⇒ দণ্ডবিধির ৩৬১ ধারার অধীনে, যদি কোনো ব্যক্তি চৌদ্দ বছরের কম বয়সী নাবালক বা নাবালিকাকে তার অভিভাবকের সম্মতি ছাড়াই নিয়ে যায়, তাহলে এটি মনুষ্য হরণ (Kidnapping from lawful guardianship) হিসেবে পরিগণিত হয়।
- এখানে 'X' ১২ বছরের একটি শিশুকে তার অভিভাবকের সম্মতি ছাড়াই নিয়ে গেছে, যা সঠিকভাবে মনুষ্য হরণ অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। এই অপরাধের জন্য অপরাধীর অভিপ্রায় অপরিহার্য নয়, এবং এটি আইনসম্মত অভিভাবকত্ব হতে অপহরণের ক্ষেত্রে পড়বে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৬১ ধারার বিধান আইনসম্মত অভিভাবকত্ব হতে মনুষ্যহরণ:- কোন ব্যক্তি যদি চৌদ্দ বৎসরের কম বয়সী কোন নাবালককে অথবা ষোল বৎসরের কম বয়সী কোন নাবালিকাকে অথবা বিকৃত মস্তিষ্ক কোন ব্যক্তিকে তার অভিভাবকের সম্মতি ছাড়াই অভিভাবকের রক্ষণাবেক্ষণ হতে নিয়ে যায়, তবে সে ব্যক্তি উক্ত অপ্রাপ্তবয়স্ক বালক বা বালিকাকে অথবা অনুরূপ বিকৃতমস্তিষ্ক ব্যক্তিকে আইনসম্মত অভিভাবকত্ব হতে অপহরণ করেছে বলে পরিগণিত হয়।
ব্যাখ্যা:- এই ধারায় "আইনসম্মত অভিভাবক" বলতে অনুরূপ অপ্রাপ্ত বয়স্ক বা অপর ব্যক্তির রক্ষণাবেক্ষণের জন্য আইনতঃ ভারপ্রাপ্ত যেকোন ব্যক্তিকেও বুঝাবে।
ব্যতিক্রম:- যে ব্যক্তি সরল বিশ্বাসে নিজেকে কোন অবৈধ সন্তানের পিতা বলে বিশ্বাস করে অথবা যে ব্যক্তি নিজেকে অনুরূপ শিশুর আইনসম্মত রক্ষণাবেক্ষণের ক্ষমতাপ্রাপ্ত বলে সরলমনে বিশ্বাস করে, সে ব্যক্তি কোন অবৈধ বা বেআইনী উদ্দেশ্যে অনুরূপ কাজ না করলে তার ক্ষেত্রে এই ধারা প্রয়োগযোগ্য হবে না।
-------------
⇒ The Penal Code, 1860-  Section 361. Kidnapping from lawful guardianship: Whoever takes or entices any minor under fourteen years of age if a male, or under sixteen years of age if a female, or any person of unsound mind, out of the keeping of the lawful guardian of such minor or person of unsound mind, without the consent of such guardian, is said to kidnap such minor or person from lawful guardianship.
Explanation.-The words "lawful guardian" in this section include any person lawfully entrusted with the care or custody of such minor or other person.
Exception.-This section does not extend to the act of any person who in good faith believes himself to be the father of an illegitimate child, or who in good faith believes himself to be entitled to the lawful custody of such child, unless such act is committed for an immoral or unlawful purpose.
২,১২৭.
কোন ধরনের স্থানে মারামারি করলে তা দণ্ডবিধির ১৫৯ ধারার অধীনে অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে?
  1. প্রকাশ্য স্থানে
  2. নির্জন এলাকায়
  3. কোনো বন্ধ ঘরে
  4. ব্যক্তিগত বাড়ির ভিতরে
সঠিক উত্তর:
প্রকাশ্য স্থানে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রকাশ্য স্থানে
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৫৯ ধারা অনুযায়ী, যদি কেউ প্রকাশ্য স্থানে মারামারি করে, তবে তা একটি অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে।
- এটি প্রকাশ্য স্থানে শান্তি ভঙ্গ এবং জনসাধারণের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করার জন্য অপরাধী হিসেবে গণ্য করা হয়।
ধারা ১৫৯:
"যে ব্যক্তি প্রকাশ্যে মারামারি করে বা অন্যভাবে অশান্তি সৃষ্টি করে, তাকে শাস্তি প্রদান করা হবে।"
- অর্থাৎ, প্রকাশ্য স্থানে মারামারি করা হলে তা দণ্ডবিধির ১৫৯ ধারার অধীনে অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে এবং শাস্তি আরোপ করা যাবে।
২,১২৮.
দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৪৫০ অনুসারে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডযোগ্য অপরাধ সংঘটনের উদ্দেশ্যে গৃহ-অনধিকার প্রবেশের সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ৫ বছরের কারাদণ্ড
  2. ৭ বছরের কারাদণ্ড
  3. ১০ বছরের কারাদণ্ড
  4. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
১০ বছরের কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৪৫০ অনুসারে: "যে ব্যক্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডযোগ্য কোনো অপরাধ (যেমন: ডাকাতি, খুন ছাড়াও অন্যান্য গুরুতর অপরাধ) করার উদ্দেশ্যে গৃহ-অনধিকার প্রবেশ (House-trespass) করে, তাকে  ১০ বছরের কারাদণ্ড দিতে হবে, এবং জরিমানাও করা যেতে পারে।"

⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৪৫০ অনুসারে, যে কেউ যাবজ্জীবন কারাদণ্ডযোগ্য অপরাধ (যেমন হত্যা, ডাকাতি, বা গুরুতর অপরাধ) সংঘটনের উদ্দেশ্যে গৃহে অনধিকার প্রবেশ (House-trespass) করে, তার শাস্তি হলো ১০ বছর পর্যন্ত যেকোনো প্রকারের কারাদণ্ড এবং জরিমানা।
এখানে সর্বোচ্চ শাস্তি হলো ১০ বছরের কারাদণ্ড।
উল্লেখ্য, 
- এটি ধারা ৪৪৯ থেকে আলাদা, যা মৃত্যুদণ্ডযোগ্য অপরাধ (যেমন: খুন) করার উদ্দেশ্যে গৃহভঙ্গের জন্য যাবজ্জীবন বা ১০ বছর কারাদণ্ডের বিধান দেয়।
- ধারা ৪৫০ এ যাবজ্জীবন কারাদণ্ডযোগ্য অপরাধের জন্যশাস্তি ১০ বছর কারাদণ্ড (যাবজ্জীবন নয়)।
--------- 
⇒ The Penal Code,1860-Section: 450. House-trespass in order to commit offence punishable with imprisonment for life:
-Whoever commits house-trespass in order to the committing of any offence punishable with imprisonment for life, shall be punished with imprisonment of either description for a term not exceeding ten years, and shall also be liable to fine.

২,১২৯.
Under Section 358, which of the following is a condition for the application of the law?
  1. The provocation must be planned.
  2. The provocation must be grave and sudden.
  3. The provocation must involve physical harm.
  4. The provocation must be communicated in writing.
সঠিক উত্তর:
The provocation must be grave and sudden.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The provocation must be grave and sudden.
ব্যাখ্যা
Section 358- Assault or criminal force on grave provocation:
Whoever assaults or uses criminal force to any person on grave and sudden provocation given by that person, shall be punished with simple imprisonment for a term which may extend to one month or with fine which may extend to two hundred taka, or with both.

ধারা ৩৫৮- গুরুতর প্ররোচনায় আক্রমণ বা অপরাধমূলক বল প্রয়োগ:
যে কেউ অন্য কোনো ব্যক্তির দ্বারা প্রদত্ত গুরুতর ও হঠাৎ প্ররোচনার কারণে সেই ব্যক্তিকে আক্রমণ করে বা অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করে, তাকে সর্বোচ্চ এক মাস পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা সর্বোচ্চ দুইশত টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড, অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে।
২,১৩০.
'ক' অসৎ উদ্দেশ্যে জনৈক মহিলার সম্মতি ছাড়া ও মহিলা বিরক্ত হবেন জেনেও তার ঘোমটা খুলে ফেলেন। 'ক' কোন অপরাধ করেছেন?
  1. Causing hurt
  2. Assault with intent to outrage modesty
  3. Use of criminal force
  4. Assault
সঠিক উত্তর:
Use of criminal force
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Use of criminal force
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৫০ ধারার: অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ:-
-কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তির উপর সম্মতি ব্যতীত বল প্রয়োগ করে এবং কোন অপরাধ অনুষ্ঠানের উদ্দেশ্যে অথবা অনুরূপ শক্তি প্রয়োগ কর্তৃক, যে ব্যক্তির উপর বল প্রয়োগ করা হল, তার জখম বা ভয় বা বিরক্তি উৎপাদনের উদ্দেশ্যে অথবা তার শক্তি প্রয়োগের ফলে, যার উপর শক্তি প্রয়োগ করা হল, তার জখম, ভয় বা বিরক্তি উৎপাদিত হতে পারে জানা সত্ত্বেও যদি সে অনুরূপ বল প্রয়োগ করে, তবে সে ব্যক্তি অন্য ব্যক্তির উপর অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করেছে বলে পরিগণিত হয়।
উদাহরণ: 
(চ) ক উদ্দেশ্যমূলকভাবে জনৈক মহিলার ঘোমটা খুলে ফেলে। এখানে, ক উদ্দেশ্যমূলকভাবে মহিলাটির উপর বল প্রয়োগ করেছে। ক যদি মহিলাটির সম্মতি ব্যতীত তা করে থাকে এবং তার উদ্দেশ্য যদি হয়- অথবা যদি তার জানা থাকে যে- মহিলাটি আহত, ভীতিগ্রস্ত বা বিরক্ত হবে, তবে সে মহিলাটির উপর অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করেছে।
 
(ছ) ক চ-এর সম্মতি ব্যতীত চ-এর উপর একটি কুকুরকে ঝাঁপিয়ে পড়তে লেলিয়ে দেয়। এখানে ক-এর উদ্দেশ্য যদি হয় চ-কে আহত, ভীতিগ্রস্ত বা বিরক্ত করা, তবে ক চ-এর উপর অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ করেছে।
------------------------
The Penal Code Section-350. Criminal force:

-Whoever intentionally uses force to any person, without that person's consent, in order to the committing of any offence, or intending by the use of such force to cause, or knowing it to be likely that by the use of such force he will cause injury, fear or annoyance to the person to whom the force is used, is said to use criminal force to that other.
Illustrations:
(a) Z is sitting in a moored boat on a river. A unfastens the moorings, and thus intentionally causes the boat to drift down the stream. Here A intentionally causes motion to Z, and he does this by disposing substances in such a manner that the motion is produced without any other action on any person's part. A has therefore intentionally used force to Z; and if he has done so without Z's consent, in order to the committing of any offence, or intending or knowing it to be likely that this use of force will cause injury, fear or annoyance to Z, A has used criminal force to Z.
 
(b) Z is riding in a chariot. A lashes Z's horses, and thereby causes them to quicken their pace. Here A has caused change of motion to Z by inducing the animals to change their motion. A has therefore used force to Z; and if A has done this without Z's consent, intending or knowing it to be likely that he may thereby injure, frighten or annoy Z, A has used criminal force to Z.
 
(c) Z is riding in a palanquin. A, intending to rob Z, seizes the pole and stops the palanquin. Here A has caused cessation of motion to Z, and he has done this by his own bodily power. A has therefore used force to Z; and as A has acted thus intentionally, without Z's consent, in order to the commission of an offence. A has used criminal force to Z.
(d) A intentionally pushes against Z in the street. Here A has by his own bodily power moved his own person so as to bring it into contact with Z. He has therefore intentionally used force to Z; and if he has done so without Z's consent, intending or knowing it to be likely that he may thereby injure, frighten or annoy Z, he has used criminal force to Z.
 
(e) A throws a stone, intending or knowing it to be likely that the stone will be thus brought into contact with Z, or with Z's clothes, or with something carried by Z, or that it will strike water, and dash up the water against Z's clothes or something carried by Z. Here, if the throwing of the stone produce the effect of causing any substance to come into contact with Z, or Z's clothes, A has used force to Z; and if he did so without Z's consent, intending thereby to injure, frighten or annoy Z, he has used criminal force to Z.
 
(f) A intentionally pulls up a woman's veil. Here A intentionally uses force to her, and if he does so without her consent intending or knowing it to be likely that he may thereby injure, frighten or annoy her, he has used criminal force to her.
 
(g) Z is bathing, A pours into the bath water which he knows to be boiling. Here A intentionally by his own bodily power causes such motion in the boiling water as brings that water into contact with Z, or with other water so situated that such contact must affect Z's sense of feeling: A has therefore intentionally used force to Z; and if he has done this without Z's consent intending or knowing it to be likely that he may thereby cause injury, fear or annoyance to Z, A has used criminal force.
(h) A incites a dog to spring upon Z, without Z's consent. Here, if A intends to cause injury, fear or annoyance to Z, he uses criminal force to Z.
২,১৩১.
'অবৈধ আটক বা অবরোধ’ অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে জরিমানা করা যায়_______।
  1. ৫০০ টাকা
  2. ৫০০০ টাকা
  3. ১০০০ টাকা
  4. কোন নির্দিষ্ট পরিমাণ নেই
সঠিক উত্তর:
১০০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
♦The Penal Code, 1860 এর ৩৪২ ধারা মতে 'অবৈধ আটক বা অবরোধ’ অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে ১ বছর পর্যন্ত কারাদন্ড বা অনধিক ১০০০ টাকা জরিমানা বা উভয় দন্ডে দন্ডিত করা যায়।
২,১৩২.
What does Section 55 of The Penal Code, 1860 allow the Government to do regarding a life sentence?
  1. Increase the sentence
  2. Commute the sentence to a fixed term
  3. Release the offender immediately
  4. Change the sentence to community service
সঠিক উত্তর:
Commute the sentence to a fixed term
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Commute the sentence to a fixed term
ব্যাখ্যা
Section 55- Commutation of sentence of imprisonment for life:
In every case in which sentence of imprisonment for life shall have been passed, the Government may, without the consent of the offender, commute the punishment for imprisonment of either description for a term not exceeding twenty years.

ধারা ৫৫- যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হ্রাসকরণ:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করা যেতে পারে এমন প্রতিটি ক্ষেত্রে সরকার অপরাধীর সম্মতি ছাড়াই ঐ শাস্তিকে যে কোন বর্ণনার অনূর্ধ্ব  ২০ বৎসর মেয়াদি সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করতে পারবেন।
২,১৩৩.
বেআইনি সমাবেশ গঠন করতে কমপক্ষে কতজন ব্যক্তি উপস্থিত থাকতে হবে?
  1. ৪জন
  2. ৫জন
  3. ৬জন
  4. ৭জন
সঠিক উত্তর:
৫জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫জন
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ১৪১ ধারায় বেআইনি সমাবেশের বিধান রয়েছে। পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি জনসাধারনের শান্তি শৃঙ্খলা  বিঘ্নকারী কোন সমাবেশ করলে তাকে বেআইনি সমাবেশ বলে।
২,১৩৪.
দণ্ডবিধির ৩৫১ ধারায় কোন অপরাধের সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে?
  1. মারামারি
  2. জালিয়াতি
  3. আক্রমণ
  4. অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ
সঠিক উত্তর:
আক্রমণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আক্রমণ
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৫১ ধারার বিধান- আক্রমণ:
- কোন ব্যক্তি যদি এই উদ্দেশ্য নিয়ে বা এটা জানা সত্ত্বেও এমন কোন অঙ্গভঙ্গি করে বা কোন প্রস্তুতি গ্রহণ করে যে, তাতে হাজির কোন ব্যক্তির ভয় হয় যে, যে ব্যক্তি উক্ত অঙ্গভঙ্গি বা প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে, সে ব্যক্তি উক্ত হাজির ব্যক্তির উপর অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করতে উদ্যত হয়েছে, তবে প্রথমোক্ত ব্যক্তি আক্রমণ করেছে বলে পরিগণিত হয়।

ব্যাখ্যা: কেবলমাত্র মুখের কথা আক্রমণ বলে পরিগণিত হয় না। কিন্তু কোন ব্যক্তির ব্যবহৃত কথাগুলি তার অঙ্গভঙ্গিকে বা প্রস্তুতিকে এমন অর্থপূর্ণ করতে পারে, যার কারণে তার অঙ্গভঙ্গি বা প্রস্তুতি আক্রমণ বলে পরিগণিত হতে পারে।

উদাহরণ:
(ক) 'ক', 'চ'-এর প্রতি মুষ্টি উত্তোলন করে। ইহার ফলে 'চ' যাতে বিশ্বাস করে যে 'ক' তাকে আঘাত করতে উদ্যত হয়েছে, সে জন্যই 'ক' তা করে অথবা ইহার ফলে এইরূপ: হতে পারে জানা সত্ত্বেও তা করে । 'ক' আক্রমণ করেছে।

অন্যান্য অপশন:
দণ্ডবিধির ১৫৯ ধারা -মারামারি।
দণ্ডবিধির ৩৫০ ধারা - অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ।
দণ্ডবিধির ৪৬৩ ধারা -জালিয়াতি।
২,১৩৫.
যদি কেউ বিচার বিভাগীয় কার্যক্রমের সময় ইচ্ছাকৃতভাবে মিথ্যা সাক্ষ্য তৈরি বা প্রদান করে, তবে আদালত তাকে সর্বোচ্চ কত বছরের কারাদণ্ড দিতে পারে?
  1. ৩ বছর
  2. ৫ বছর
  3. ৭ বছর
  4. ১০ বছর
সঠিক উত্তর:
৭ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ বছর
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ১৯৩ ধারার বিধান- মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়ার শাস্তি:
কোন ব্যক্তি যদি কোন বিচার বিভাগীয় কার্যক্রমের যে কোন পর্যায়ে ইচ্ছাপূর্বক মিথ্যা সাক্ষ্যদান ব্যবহার করার জন্য ইচ্ছাপূর্বক মিথ্যা সাক্ষ্য তৈরি করে, তবে সে ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং এতদ্ব্যতীত তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে; এবং
কোন ব্যক্তি যদি অপর কোন ক্ষেত্রে ইচ্ছাপূর্বক মিথ্যা সাক্ষ্য দান করে বা তৈরি করে, তবে সে ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে।

ব্যাখ্যা ১: সামরিক আদালত (Court-martial) সংঘটিত বিচারও একটি বিচার বিভাগীয় কার্যক্রম।
ব্যাখ্যা ২: কোন আদালতের কোন কার্যক্রম শুরু হওয়ার পূর্বে আইনের নির্দেশানুগ প্রারম্ভিক তদন্ত ও বিচারবিভাগীয় কার্যক্রমের একটি পর্যায় যদিও সে তদন্ত কোন আদালতে সংঘটিত নাও হতে পারে।
ব্যাখ্যা ৩: কোন আদালত দ্বারা আইনানুসারে নির্দেশিত এবং কোন আদালতের ক্ষমতানুসারে পরিচালিত কোন তদন্ত বিচারবিভাগীয় কার্যক্রমের একটি পর্যায়; যদিও সে তদন্ত কোন আদালতে সংঘটিত নাও হতে পারে।
২,১৩৬.
দণ্ডবিধির ৩৩৯ ধারায় কোন অপরাধকে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে?
  1. অবৈধ বাধা
  2. অবৈধ আটক
  3. অপরাধমূলক বল
  4. অপরাধমূলক অনুপ্রবেশ
সঠিক উত্তর:
অবৈধ বাধা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অবৈধ বাধা
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৩৩৯ ধারা- অবৈধ বাধা (Wrongful restraint):
যে ব্যক্তি কোন ব্যক্তিকে ইচ্ছাপূর্বক এমনভাবে বাধাদান করে যার ফলে উক্ত ব্যক্তির যেদিকে যাবার অধিকার রয়েছে, এমন কোন দিকে উক্ত ব্যক্তির যাবার পথ রুদ্ধ হয়, তবে সে ব্যক্তি উক্ত ব্যক্তিকে অবৈধভাবে বাধাদান করেছে বলে পরিগণিত হয়।

ব্যতিক্রম: যদি কোন লোক স্থলে বা জলে কোন বেসরকারি পথে বাধা দেওয়ার আইনসম্মত অধিকার তার রয়েছে বলে সরল মনে বিশ্বাসবশতঃ উক্ত পথে বিঘ্ন সৃষ্টি করে, তবে তার কাজ এই ধারার অর্থের আওতায় অপরাধ হবে না।

উদাহরণ:
যে পথ অতিক্রম করার অধিকার চ-এর রয়েছে, সে পথে ক বিঘ্ন সৃষ্টি করে। ক সরল মনে বিশ্বাস করে না যে, পথটি রোধ করার অধিকার তার রয়েছে। ক-এর পথ রোধের ফলে চ পথ অতিক্রম করতে অসমর্থ হয়। ক অবৈধভাবে চ-কে বাধাদান করেছে।

Section 339- Wrongful restraint:
Whoever voluntarily obstructs any person so as to prevent that person from proceeding in any direction in which that person has a right to proceed, is said wrongfully to restrain that person. 
 
Exception: The obstruction of a private way over land or water which a person in good faith believes himself to have a lawful right to obstruct, is not an offence within the meaning of this section.
 
Illustration:
A obstructs a path along which Z has a right to pass, A not believing in good faith that he has a right to stop the path. Z is thereby prevented from passing. A wrongfully restrains Z.
২,১৩৭.
What does "mischief" mean under Section 425 of the Penal Code, 1860?
  1. Accidentally breaking something
  2. Playing harmless pranks
  3. Intentionally damaging property to cause loss
  4. Borrowing property without permission
সঠিক উত্তর:
Intentionally damaging property to cause loss
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Intentionally damaging property to cause loss
ব্যাখ্যা
⇒ Section 425: Mischief:
Whoever, with intent to cause, or knowing that he is likely to cause, wrongful loss or damage to the public or to any person, causes the destruction of any property, or any such change in any property or in the situation thereof as destroys or diminishes its value or utility, or affects it injuriously, commits "mischief".

Explanation 1- It is not essential to the offence of mischief that the offender should intend to cause loss or damage to the owner of the property injured or destroyed. It is sufficient if he intends to cause, or knows that he is likely to cause, wrongful loss or damage to any person by injuring any property, whether it belongs to that person or not.

Explanation 2- Mischief may be committed by an act affecting property belonging to the person who commits the act, or to that person and others jointly.

⇒ দণ্ডবিধির ৪২৫ ধারার বিধান ক্ষতি বা অনিষ্ট:
 কোন ব্যক্তি যদি জনসাধারণের বা কোন ব্যক্তির অন্যায় ক্ষতি বা অনিষ্ট করার উদ্দেশ্যে, অথবা সে জনসাধারণের বা কোন ব্যক্তির অন্যায় ক্ষতি বা অনিষ্ট করতে পারে বলে জানা সত্ত্বেও কোন সম্পত্তি ধ্বংস বা বিনষ্ট করে, অথবা কোন সম্পত্তিতে বা উহার অবস্থানে এমন কোন পরিবর্তন সাধন করে, যার ফলে উহার মূল্য বা আবশ্যকীয়তা বিনষ্ট হয় বা হ্রাস প্রাপ্ত হয়, বা উহা ক্ষতিগ্রস্ত হয়, তবে উক্ত ব্যক্তি 'ক্ষতি' সাধন করেছে বলে গণ্য হবে।

ব্যাখ্যা ১:-
 ক্ষতি অনুষ্ঠিত হওয়ার জন্য অপরাধীর ক্ষতিগ্রস্ত কিংবা বিনষ্ট সম্পত্তির মালিকের ক্ষতি বা লোকসান করার ইচ্ছা থাকা প্রয়োজন নয়। কোন সম্পত্তির ক্ষতিসাধন করে কোন ব্যক্তির অন্যায় ক্ষতি বা ব্যক্তিসানের উদ্দেশ্য থাকলে অথবা সম্পত্তির অনুরূপ ক্ষতিসাধন কর্তৃক কোন ব্যক্তির অন্যায় ক্ষতি বা ব্যক্তিসানের আশঙ্কা রয়েছে জানা সত্ত্বেও সম্পত্তিটির ক্ষতিসাধন করলে অপরাধটি সংঘটিত হবে, যে সম্পত্তিটির অনুরূপ ক্ষতিসাধন করা হল, সে সম্পত্তিটি অনুরূপে অন্যায়ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির সম্পত্তি হোক আর নাই হোক।

ব্যাখ্যা ২:-
 যে ব্যক্তি কাজ সংঘটন করল সে ব্যক্তির নিজের বা মিলিতভাবে সে ব্যক্তির ও অন্যান্য ব্যক্তির সম্পত্তি ক্ষতিগ্রস্ত করে অনুষ্ঠিত কাজ কর্তৃক ক্ষতি সাধিত হতে পারে।
২,১৩৮.
দণ্ডবিধির কত ধারায় বেআইনি সমাবেশের বিধান রয়েছে?
  1. দণ্ডবিধির ১৩৯ ধারায়
  2. দণ্ডবিধির ১২১ ধারায়
  3. দণ্ডবিধির ১৪১ ধারায়
  4. দণ্ডবিধির ১৬১ ধারায়
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধির ১৪১ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধির ১৪১ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৪১ ধারায় বেআইনি সমাবেশের বিধান রয়েছে। পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি জনসাধারনের শান্তি শৃঙ্খলা  বিঘ্নকারী কোন সমাবেশ করলে তাকে বেআইনি সমাবেশ বলে।

⇒ দণ্ডবিধির ১৪১ ধারার বিধান বেআইনী সমাবেশ:- পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তির সমাবেশকে 'বেআইনী সমাবেশ' সেক্ষেত্রেই বলা হয়, যেক্ষেত্রে উক্ত সমাবেশের ব্যক্তিদের সাধারণ লক্ষ্য হয়-

প্রথম:- বাংলাদেশের সরকার বা আইনসভাকে অথবা কোন সরকারী কর্মচারীকে অনুরূপ কর্মচারীর আইনসম্মত ক্ষমতা প্রয়োগের সময় অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ অথবা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগের হুমকি কর্তৃক ভীতি প্রদর্শন করা; কিংবা 

দ্বিতীয়:- কোন আইনের অথবা কোন আইনগত ব্যবস্থার কার্যকরীকরণে বাধা সৃষ্টি করা; কিংবা

তৃতীয়:- কোন ব্যক্তির দুষ্কর্ম বা অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ অথবা অন্যবিধ অপরাধ অনুষ্ঠিত করা; কিংবা

চতুর্থ:- কোন ব্যক্তির প্রতি অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ করে বা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগের হুমকি প্রদর্শন করে কোন সম্পত্তির দখল গ্রহণ করা, অথবা কোন ব্যক্তিকে পথের অধিকার ভোগ হতে বঞ্চিত করা অথবা জল ব্যবহারের অধিকার হতে বঞ্চিত করা অথবা তাকে তার দখলে অবস্থিত অপর কোন অশরীরী অধিকার থেকে বঞ্চিত করা অথবা কোন অধিকার বা কল্পিত অধিকার প্রতিষ্টা করা; কিংবা

পঞ্চম:- অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করে বা অপরাধমূলক বল প্রয়োগের হুমকি প্রদর্শন করে কোন ব্যক্তিকে সে আইনতঃ বাধ্য নয় এমন একটি কার্য সম্পাদনে বাধ্য করা অথবা যে কার্যটি করতে সে আইনত বাধ্য বা অধিকারী তা সম্পাদন হতে বিরত করা।

ব্যাখ্যা:- যে সমাবেশ, সমাবিষ্ট হওয়াকালে বেআইনী ছিল না তা পরে বেআইনী সমাবেশ হতে পারে।
----------
⇒ Section 141. Unlawful assembly:
An assembly of five or more persons is designated an "unlawful assembly," if the common object of the persons composing that assembly is
 
First.-To overawe by criminal force, or show of criminal force, Government or Legislature, or any public servant in the exercise of the lawful power of such public servant; or 
Second.-To resist the execution of any law, or of any legal process; or 
Third. To commit any mischief or criminal trespass, or other offence; or 
Fourth.-By means of criminal force, or show of criminal force, to any person to take or obtain possession of any property, or to deprive any person of the enjoyment of a right of way, or of the use of water or other incorporeal right of which he is in possession or enjoyment, or to enforce any right or supposed right; or 
Fifth.-By means of criminal force, or show of criminal force, to compel any person to do what he is not legally bound to do, or to omit to do what he is legally entitled to do. 
 
Explanation.-An assembly which was not unlawful when it assembled, may subsequently become an unlawful assembly.
২,১৩৯.
কয়টি ক্ষেত্রে আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগ করা যায়-
  1. ২ টি
  2. ৩ টি
  3. ৪ টি
  4. ৫ টি
সঠিক উত্তর:
২ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ টি
ব্যাখ্যা
♦দণ্ডবিধির ৯৭ ধারা মতে ২টি ক্ষেত্রে আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগ করা যায়।
(i) নিজের অথবা অন্য কারোর দেহ বা শরীরের ক্ষেত্রে আত্মরক্ষার অধিকার (ধারা: ১০০-১০২);
(ii)স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তির ক্ষেত্রে আত্মরক্ষার অধিকার (ধারা: ১০৩-১০৫)।
২,১৪০.
দণ্ডবিধির ধারা ৪১৬ অনুসারে 'অপরের রূপ ধারণপূর্বক প্রতারণা' বলতে কী বোঝায়?
  1. সাধারণ মিথ্যা বলা
  2. অন্যের স্বাক্ষর জাল করা
  3. নিজের আসল পরিচয় গোপন করা
  4. অন্য ব্যক্তি বা কাল্পনিক ব্যক্তির পরিচয়ে প্রতারণা করা
সঠিক উত্তর:
অন্য ব্যক্তি বা কাল্পনিক ব্যক্তির পরিচয়ে প্রতারণা করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অন্য ব্যক্তি বা কাল্পনিক ব্যক্তির পরিচয়ে প্রতারণা করা
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৪১৬ অনুযায়ী, অপরের রূপ ধারণপূর্বক প্রতারণা মানে হলো—কোন ব্যক্তি নিজের আসল পরিচয় গোপন করে অন্য কোনো ব্যক্তির পরিচয় ব্যবহার করে বা অন্য কাউকে অন্য কারো পরিচয় দিয়ে প্রতারণা করা। এতে যে ব্যক্তি যার রূপ ধারণ করা হয়েছে, সে প্রকৃত ব্যক্তি হোক বা কাল্পনিক, তার সঙ্গে অপরাধটি সম্পন্ন হয়। অর্থাৎ, অন্য কারো নাম বা পরিচয়ে ভুয়া কথা বলার মাধ্যমে কারো বিশ্বাস ভঙ্গ করে প্রতারণা করা এই ধারার আওতাভুক্ত।
এজন্য সাধারণ মিথ্যা বলা, নিজের পরিচয় গোপন করা বা স্বাক্ষর জাল করা আলাদা অপরাধ হলেও, ধারা ৪১৬ শুধু অন্য কারো রূপ ধারণ করে প্রতারণার জন্য প্রযোজ্য।

⇒ দণ্ডবিধির ৪১৬ ধারার বিধান অপরের রূপ ধারণপূর্বক প্রতারণা:
- কোন ব্যক্তি যদি নিজেকে অন্য কোন ব্যক্তি বলে প্রতারণা করে অথবা জ্ঞাতসারে কোন ব্যক্তিকে অন্য ব্যক্তি বলে চালিয়ে প্রতারণা করে অথবা নিজেকে বা অন্য কোন ব্যক্তিকে সে নিজে বা সে ব্যক্তি অন্য যে ব্যক্তি নয় সে ব্যক্তি বলে চালিয়ে প্রতারণা করে, তবে উক্ত ব্যক্তি অপরের রূপ ধারণ করে প্রতারণা করেছে বলে গণ্য হয়।
ব্যাখ্যা:- যে ব্যক্তির রূপ ধারণ করা হয়েছে সে ব্যক্তি প্রকৃত ব্যক্তি হোক আর কাল্পনিক ব্যক্তি হোক না কেন অপরাধটি অনুষ্ঠিত হবে।

উদাহরণ:
(ক) ক একই নামে একজন বিত্তশালী ব্যাংকার বলে নিজেকে পরিচয় দান করে। ক অপরের রূপ ধারণ করে প্রতারণা করেছে।
(খ) ক নিজেকে খ বলে পরিচয় দিয়ে প্রতারণা করে; খ জনৈক মৃত ব্যক্তি। ক অপরের রূপ ধারণ করে প্রতারণা করেছে।
--------------
⇒ The Penal Code, 1860, Section-416. Cheating by personation:
A person is said to "cheat by personation" if he cheats by pretending to be some other person, or by knowingly substituting one person for another, or representing that he or any other person is a person other than he or such other person really is.
Explanation. -The offence is committed whether the individual personated is a real or imaginary person.

Illustrations:
(a) A cheats by pretending to be a certain rich banker of the same name. A cheats by personation.
(b) A cheats by pretending to be B, a person who is deceased. A cheats by personation.
২,১৪১.
কোন ব্যক্তি যদি কোন সম্পত্তির দায়িত্বপ্রাপ্ত হয়ে উক্ত সম্পত্তি আত্মসাৎ করে, তাহলে তাকে কী অপরাধে দণ্ডিত করা হবে?
  1. চুরি
  2. ক্ষতি
  3. প্রতারণা
  4. অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ
সঠিক উত্তর:
অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৪০৫ ধারার বিধান- অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ:
কোন ব্যক্তি যদি কোনভাবে কোন সম্পত্তির বা সম্পত্তি পরিচালনের দায়িত্বপ্রাপ্ত হয়ে, অসাধুভাবে সে সম্পত্তি আত্মসাৎ করে বা নিজের ব্যবহারে প্রয়োগ করে, অথবা অনুরূপ দায়িত্ব যেভাবে নির্বাহিত হত বলে বিহিত আইনে নির্দেশ করা হয়েছে, তা খেলাফ করে সে দায়িত্ব নির্বাহ সম্পর্কে সে প্রকাশ্য বা অনুরূপ যে আইনগত চুক্তি করেছে তা খেলাফ করে সে সম্পত্তি অসাধুভাবে ব্যবহার করে, বা বিলি ব্যবস্থা করে অথবা ইচ্ছাপূর্বক অপর কোন ব্যক্তিকে তা করতে দেয়, তবে উক্ত ব্যক্তি 'অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের' অপরাধ করেছে।

⇒ কোন ব্যক্তি যদি কোনো সম্পত্তি বা সম্পত্তি পরিচালনার দায়িত্বে নিযুক্ত হয়ে, অসাধুভাবে সে সম্পত্তি আত্মসাৎ করে বা নিজ প্রয়োজনে ব্যবহার করে, অথবা যে নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করা উচিত ছিল, তা ভঙ্গ করে এবং আইন অনুযায়ী নির্ধারিত চুক্তি বা নির্দেশনার বিপরীতে গিয়ে সম্পত্তি ব্যবহারের ক্ষেত্রে অসাধু আচরণ করে, অথবা তা অন্যভাবে বিতরণ করে, কিংবা ইচ্ছাকৃতভাবে অন্য কাউকে তা করার সুযোগ প্রদান করে, তবে সেই ব্যক্তি "অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ" (Criminal Breach of Trust) এর অপরাধ করেছে।
২,১৪২.
দণ্ডবিধির ৩২০ ধারা অনুযায়ী গুরুতর আঘাতের ক্ষেত্রে আহত ব্যক্তি কত দিন পর্যন্ত প্রচণ্ড দৈহিক যন্ত্রণা ভোগ করতে পারে?
  1. ৭ দিন
  2. ১০ দিন
  3. ২০ দিন
  4. ৩০ দিন
সঠিক উত্তর:
২০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০ দিন
ব্যাখ্যা
উত্তর: ২০ দিন।
⇒ দণ্ডবিধির ৩২০ ধারা অনুযায়ী ৮ শ্রেণির আঘাতকে গুরুতর আঘাত বলা হয়েছে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩২০ ধারার বিধান গুরুতর আঘাত:- শুধু নিম্নলিখিত আঘাতসমূহকেই "গুরুতর" বলে পরিগণিত করা যায়:-
প্রথমত, পুরুষত্বহীন করণ।
দ্বিতীয়ত, যেকোনো চোখের জ্যোতি বা দৃষ্টিশক্তি চিরতরে নষ্ট করণ।
তৃতীয়ত, যেকোনো কর্ণের শ্রবণশক্তি স্থায়ীভাবে নষ্ট করণ।
চতুর্থত, যেকোনো অঙ্গ বা গ্রন্থির অনিষ্ট সাধন।
পঞ্চমত, যেকোনো অঙ্গের বা গ্রন্থির শক্তিসমূহ ধ্বংস করণ বা চিরতরে খর্ব করণ।
ষষ্ঠত, মাথা বা মুখমণ্ডল স্থায়ীভাবে বিকৃত করণ।
সপ্তম, কোন অস্থি বা দন্ত ভগ্ন বা স্থানচ্যুত করণ।
অষ্টম, এমন কোন আঘাত যা জীবন সংশয় সৃষ্টি করে বা যাতে আহত ব্যক্তি বিশ দিন পর্যন্ত প্রচণ্ড দৈহিক যন্ত্রণা ভোগ করে বা সাধারণ কাজকর্ম করতে অপারগ হয়।
-----------
⇒ The Penal Code, 1860 Section 320: Grievous hurt:
The following kinds of hurt only are designated as "grievous":-
Firstly.- Emasculation.
Secondly.- Permanent privation of the sight of either eye.
Thirdly.- Permanent privation of the hearing of either ear.
Fourthly.- Privation of any member or joint.
Fifthly.- Destruction or permanent impairing of the powers of any member or joint.
Sixthly.- Permanent disfiguration of the head or face.
Seventhly.- Fracture or dislocation of a bone or tooth.
Eighthly.- Any hurt which endangers life or which causes the sufferer to be during the space of twenty days in severe bodily pain, or unable to follow his ordinary pursuits.
২,১৪৩.
দণ্ডবিধি ১৮৬০ সালের কত নং আইন?
  1. ১ নং আইন
  2. ৫ নং আইন
  3. ৩৫ নং আইন
  4. ৪৫ নং আইন
সঠিক উত্তর:
৪৫ নং আইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৫ নং আইন
ব্যাখ্যা
⇒ ভারতীয় উপমহাদেশে সর্বপ্রথম আইন কমিশন গঠন করা হয় ১৮৩৪ সালে। প্রথম আইন কমিশনের চেয়ারম্যান ছিলেন থমাস ব্যাবিংটন ম্যাকুলে (Lord Macaulay)। প্রথম আইন কমিশনের কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন G.W. Anderson, F. Millet, এবং J.M. Macleod।
- ১৮৩৭ সালে এই কমিশন দণ্ডবিধি প্রণয়নের জন্য খসড়া জমা দেয় এবং ৬ অক্টোবর ১৮৬০ সালে বিলটি পাস হয় এবং দণ্ডবিধি ১লা জানুয়ারী ১৮৬২ সালে আইনটি কার্যকর হয়।
- দণ্ডবিধি ১৮৬০ সালের ৪৫ নং আইন।
- দণ্ডবিধি ১৮৬০ আইনে মোট অধ্যায় ২৩ টি এবং দণ্ডবিধির মোট ধারা ৫১১ টি (মূল দণ্ডবিধিতে ৪৮৮টি ধারা ছিল)।
- এই আইন সামান্য কিছু পরিবর্তন সাপেক্ষে বর্তমানে ভারত, পাকিস্তান ও বাংলাদেশে প্রচলিত আছে।
২,১৪৪.
The Penal Code, 1860 অনুযায়ী সর্বনিম্ন কত জনের অংশগ্রহণে বেআইনী সমাবেশ সংঘটিত হয়?
  1. ১০
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
♦দন্ডবিধির ১৪১ ধারায় বেআইনী সমাবেশের বিধান রয়েছে। পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি জনসাধারণের শান্তি-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী কোন সমাবেশ করলে তাকে বেআইনী সমাবেশ বা Unlawful Assembly বলে।

♦ দন্ডবিধির ১৪১ ধারামতে ৫ বা ততোধিক ব্যক্তি কর্তৃক সৃষ্ট সমাবেশে নিম্নলিখিত ৫টি সাধারণ উদ্দেশ্য বা common object থাকলে তা বেআইনী সমাবেশ বলে গণ্য হবে। যথা-

i) সরকার, সরকারি কর্মচারী বা আইনসভাকে আইনসম্মত ক্ষমতা প্রয়োগকালে বাধা বা বলপ্রয়োগের হুমকি দান।
ii) আইনগত ব্যবস্থা বাস্তবায়নে বাধা ।
iii) অনিষ্ট, অপরাধজনক অনধিকার প্রবেশ বা অপর কোন অপরাধ সংঘটন ।
iv) অপরাধজনক বলপ্রয়োগ পূর্বক সম্পত্তি অর্জন বা কোন ব্যক্তিকে রাস্তা বা পানি ব্যবহার বা দখল থেকে বঞ্চিত।
v) কোন ব্যক্তিকে যা করতে বাধ্য নয় তা করাতে ও যা করতে বাধ্য তা থেকে বিরত রাখতে বাধ্য করা।

♦ বেআইনী সমাবেশ হওয়ার জন্য সর্বনিম্ন ৫ জন ব্যক্তি এবং ১৪১ ধারায় উল্লেখিত ৫ ধরনের সাধারণ উদ্দেশ্যের (common object) যে কোন একটি উদ্দেশ্য অবশ্যই থাকতে হবে।
২,১৪৫.
দণ্ডবিধির ৩৬২ ধারা অনুসারে, অপহরণে কী উপাদান থাকা প্রয়োজন?
  1. জোরপূর্বক বাধ্য করা
  2. প্রতারণামূলক উপায়ে প্রলুব্ধ করা
  3. ক বা খ
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৬২ ধারা- অপহরণ:
যদি কোন ব্যক্তি, অপর কোন ব্যক্তিকে কোন স্থান হতে গমন করার জন্য জোরপূর্বক বাধ্য করে বা কোন প্রতারণামূলক উপায়ে প্রলুব্ধ করে, তবে উক্ত ব্যক্তি অনুরূপ ব্যক্তিকে অপহরণ করে বলে গণ্য হবে।

Section 362- Abduction:
Whoever by force compels, or by any deceitful means induces, any person to go from any place, is said to abduct that person.
২,১৪৬.
দণ্ডবিধির কত ধারায় অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের বিধান আছে?
  1. ৩৭৮
  2. ৪০৩
  3. ৪০৫
  4. ৪১৫
সঠিক উত্তর:
৪০৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪০৫
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪০৫ ধারার বিধান অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ:- কোন ব্যক্তি যদি কোনভাবে কোন সম্পত্তির বা সম্পত্তি পরিচালনের দায়িত্বপ্রাপ্ত হয়ে, অসাধুভাবে সে সম্পত্তি আত্মসাৎ করে বা নিজের ব্যবহারে প্রয়োগ করে, অথবা অনুরূপ দায়িত্ব যেভাবে নির্বাহিত হত বলে বিহিত আইনে নির্দেশ করা হয়েছে, তা খেলাফ করে সে দায়িত্ব নির্বাহ সম্পর্কে সে প্রকাশ্য বা অনুরূপ যে আইনগত চুক্তি করেছে তা খেলাফ করে সে সম্পত্তি অসাধুভাবে ব্যবহার করে, বা বিলি ব্যবস্থা করে অথবা ইচ্ছাপূর্বক অপর কোন ব্যক্তিকে তা করতে দেয়, তবে উক্ত ব্যক্তি 'অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের' অপরাধ করেছে।
-----------------------------
⇒Section 405: Criminal breach of trust:
-Whoever, being in any manner entrusted with property, or with any dominion over property, dishonestly misappropriates or converts to his own use that property, or dishonestly uses or disposes of that property in violation of any direction of law prescribing the mode in which such trust is to be discharged, or of any legal contract, express or implied, which he has made touching the discharge of such trust, or wilfully suffers any other person so to do, commits "criminal breach of trust".
২,১৪৭.
'ক' এর কাছে পর্যাপ্ত খাবার থাকা সত্ত্বেও সে একজন ক্ষুধার্ত ভিক্ষুককে কোনো খাবার না দেওয়ায় ভিক্ষুকটি না খেতে পেয়ে মারা গেল। 'ক' নিম্নের কোন অপরাধটি করেছে?
  1. হত্যাচেষ্টা
  2. অবহেলাজনিত হত্যা
  3. হত্যা
  4. কোন অপরাধ করেনি
সঠিক উত্তর:
কোন অপরাধ করেনি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোন অপরাধ করেনি
ব্যাখ্যা
⇒ কোন ব্যক্তিকে ফৌজদারী অপরাধে অভিযুক্ত করতে প্রধানত ২টি শর্ত অবশ্যই পূরণ করতে হয়।
      (i) দোষযুক্ত মন বা অপরাধী মন [Mens Rea] এবং
      (ii) দোষাবহ কার্য বা অপরাধজনক কার্য [Actus Rea]

⇒ Actus reas and Mens rea:
 ⇒ 'Actus reas' এর আভিধানিক অর্থ 'দোষাবহ কার্য'। এটি অপরাধের একটি অত্যাবশ্যকীয় উপাদান যা কাউকে দোষী সাব্যস্ত করার পূর্বে অবশ্যই প্রমাণ করতে হয়। 'Actus reas' অভিযুক্ত ব্যক্তির মানসিক অবস্থার তুল্য নয়; অধিকাংশ ক্ষেত্রে এটা হবে নিছক একটি কার্য, যেমন- সম্পত্তি আত্মসাৎ করা চুরিরূপ কার্য এবং এর সাথে সুনির্দিষ্ট পরিস্থিতি- যেমন, সম্পত্তিটির মালিক ব্যতীত অন্য কেউ যুক্ত থাকবে।

⇒  “Mens rea' শব্দের অর্থ ‘অপরাধী মন বা দোষযুক্ত মন' (guilty mind).
⇒  অপরাধ সংঘটনের সময়ে আসামীর মনের অবস্থা “Mens rea' নামে পরিচিত। এটা ‘অপরাধীর দুষ্টমন' নামেও পরিচিত। একজন অপরাধী শুধু তার অপরাধজনক কার্যের জন্যই দায়ী হয় না বরং সে তার কার্যের সাথে তার অপরাধী মন বা অপরাধ করার ইচ্ছা বা উদ্দেশ্যের জন্যই বিশেষভাবে দায়ী হয়ে থাকে। এই অপরাধী মন বা অপরাধ করার ইচ্ছাকে বলা হয় mens rea বা guilty mind.

উল্লিখিত ঘটনায় যেহেতু অপরাধের কোন শর্ত পূরণ হয়নি। তাই সঠিক উত্তর হবে কোন অপরাধ করেনি।
২,১৪৮.
আদালত ৮ জন ব্যক্তির বিরুদ্ধে ডাকাতির অভিযোগ গঠন করে। কিন্তু মামলার শুনানী শেষে আদালত ৪ জনকে খালাস প্রদান করে। এই ক্ষেত্রে আদালত বাকী ৪ জনকে-
  1. ডাকাতির জন্য দণ্ডিত করতে পারে
  2. দস্যুতার জন্য দণ্ডিত করতে পারে
  3. ডাকাতি বা দস্যুতা উভয়ের জন্য দণ্ডিত করতে পারে
  4. চুরির জন্য দণ্ডিত করতে পারে
সঠিক উত্তর:
দস্যুতার জন্য দণ্ডিত করতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দস্যুতার জন্য দণ্ডিত করতে পারে
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধিরধারা ৩৯০ মতে- ডাকাতির ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন ৫ জনকে দণ্ডিত করতে হয়। যেহেতু ৪ জন দোষী প্রমাণিত হয়েছে। তাই আদালত তাদেরকে ডাকাতির জন্য দণ্ডিত করতে পারে না কিন্তু দস্যুতার জন্য দণ্ডিত পারে।
২,১৪৯.
সর্বোচ্চ_________ জন ব্যক্তির অংশগ্রহণে The Penal Code, 1860 অনুযায়ী দস্যুতা সংঘটিত হতে পারে।
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
♦দণ্ডবিধির ৩৯০ ধারা অনুযায়ী চুরি করার উদ্দেশ্যে বা বলপূর্বক গ্রহণের সময় কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটালে, আঘাত দান করলে বা আটক করে রাখলে অথবা মৃত্যু, আঘাত বা অবৈধ বাধার তাৎক্ষণিক ভয় (instant fear) দেখানো হলে তখন তা দস্যুতা বা Robbery বলে গণ্য হবে।
♦দস্যুতাকে হিংস্রতম চুরি বা হিংস্রতম বলপ্রয়োগ গ্রহণ বলা হয়। কেননা প্রত্যেক দস্যুতার অপরাধের মধ্যে চুরি বা বলপূর্বক গ্রহণ থাকতে হবে।
♦দস্যুতার মধ্যে নিম্নলিখিত উপাদান বিদ্যমান-
i)এক বা একাধিক ব্যক্তি তবে ৫ জনের কম যৌথভাবে অপরাধটি সংঘটিত করেছিল;
ii) আঘাতের ভয় বা মৃত্যুভয় দেখিয়ে বা অবৈধ আটকের ভয় দেখিয়েছিল;
iii) অসাধুভাবে সম্পত্তিটি প্রদানে বাধ্য করেছিল; এবং
iv) প্রত্যেক দস্যুতার অপরাধের মধ্যে চুরি বা বলপূর্বক গ্রহণ থাকতে হবে।
♦দস্যুতার সর্বনিম্ন সদস্য ১ জন এবং সর্বোচ্চ সদস্য ৪ জন। অন্যদিকে ডাকাতির সর্বনিম্ন সদস্য ৫ জন। দস্যুতার সদস্য যদি ৫ বা ততোধিক হয় তখন দস্যুতা ডাকাতিতে পরিণত হয়।
♦অর্থাৎ দস্যুতার সর্বোচ্চ সদস্য ৪ জন।
২,১৫০.
দণ্ডবিধির ১৪১ ধারার বিধান অনুযায়ী, "বেআইনি সমাবেশ" শব্দের মধ্যে কোন উদ্দেশ্য অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. নাশকতা বা দখল করা
  2. শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ করা
  3. কোনো আইন বাস্তবায়নে প্রতিরোধ করা
  4. সরকারি কর্মকর্তা বা সংসদ সদস্যকে বাধা দেওয়া
সঠিক উত্তর:
শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ করা
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৪১ ধারার অনুযায়ী, "বেআইনি সমাবেশ" এমন একটি সমাবেশ যেখানে পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি একত্রিত হয়ে কিছু অবৈধ উদ্দেশ্য অর্জনের চেষ্টা করে। এর মধ্যে শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ অন্তর্ভুক্ত নয়, কারণ শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ আইনগতভাবে অনুমোদিত। তবে নাশকতা, আইন বাস্তবায়নে প্রতিরোধ, সরকারি কর্মকর্তা বা সংসদ সদস্যকে বাধা দেওয়া এগুলি "বেআইনি সমাবেশ" এর উদ্দেশ্য হতে পারে।

⇒ দণ্ডবিধির ১৪১ ধারার বিধান বেআইনি সমাবেশ:- পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তির সমাবেশকে 'বেআইনি সমাবেশ' সেক্ষেত্রেই বলা হয়, যেক্ষেত্রে উক্ত সমাবেশের ব্যক্তিদের সাধারণ লক্ষ্য হয়-
প্রথম:- বাংলাদেশের সরকার বা আইনসভাকে অথবা কোন সরকারি কর্মচারীকে অনুরূপ কর্মচারীর আইনসম্মত ক্ষমতা প্রয়োগের সময় অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ অথবা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগের হুমকি কর্তৃক ভীতি প্রদর্শন করা; কিংবা
দ্বিতীয়:- কোন আইনের অথবা কোন আইনগত ব্যবস্থার কার্যকরকরণে বাধা সৃষ্টি করা; কিংবা
তৃতীয়:- কোন ব্যক্তির দুষ্কর্ম বা অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ অথবা অন্যবিধ অপরাধ অনুষ্ঠিত করা; কিংবা
চতুর্থ:- কোন ব্যক্তির প্রতি অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ করে বা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগের হুমকি প্রদর্শন করে কোন সম্পত্তির দখল গ্রহণ করা, অথবা কোন ব্যক্তিকে পথের অধিকার ভোগ হতে বঞ্চিত করা অথবা জল ব্যবহারের অধিকার হতে বঞ্চিত করা অথবা তাকে তার দখলে অবস্থিত অপর কোন অশরীরী অধিকার থেকে বঞ্চিত করা অথবা কোন অধিকার বা কল্পিত অধিকার প্রতিষ্ঠা করা; কিংবা
পঞ্চম:- অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করে বা অপরাধমূলক বল প্রয়োগের হুমকি প্রদর্শন করে কোন ব্যক্তিকে সে আইনত বাধ্য নয় এমন একটি কার্য সম্পাদনে বাধ্য করা অথবা যে কার্যটি করতে সে আইনত বাধ্য বা অধিকারী তা সম্পাদন হতে বিরত করা।

ব্যাখ্যা:- যে সমাবেশ, সমাবিষ্ট হওয়াকালে বেআইনি ছিল না তা পরে বেআইনি সমাবেশ হতে পারে।
----------------
⇒ The Penal Code, 1860-Section-141. Unlawful assembly:
An assembly of five or more persons is designated an "unlawful assembly," if the common object of the persons composing that assembly is 
First.-To overawe by criminal force, or show of criminal force, Government or Legislature, or any public servant in the exercise of the lawful power of such public servant; or 
Second.-To resist the execution of any law, or of any legal process; or 
Third.- To commit any mischief or criminal trespass, or other offence; or
Fourth.-By means of criminal force, or show of criminal force, to any person to take or obtain possession of any property, or to deprive any person of the enjoyment of a right of way, or of the use of water or other incorporeal right of which he is in possession or enjoyment, or to enforce any right or supposed right; or 
Fifth.-By means of criminal force, or show of criminal force, to compel any person to do what he is not legally bound to do, or to omit to do what he is legally entitled to do.

Explanation.-An assembly which was not unlawful when it assembled, may subsequently become an unlawful assembly.
২,১৫১.
দণ্ডবিধির ৩০২ ধারার অনুযায়ী খুনের সর্বনিম্ন শাস্তি কোনটি?
  1. ১০ বৎসর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
  2. ৭ বৎসর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
  3. মৃত্যুদণ্ড
  4. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩০২ ধারার বিধান খুনের সাজা :- কোন ব্যক্তি যদি খুনের অপরাধ করে তবে উক্ত ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে, যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবে।
অর্থাৎ দণ্ডবিধির ৩০২ ধারার অনুযায়ী খুনের সর্বনিম্ন শাস্তি-যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড।

-----------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 302. Punishment for murder:-Whoever commits murder shall be punished with death, or imprisonment for life, and shall also be liable to fine. 
২,১৫২.
What is the offence described in Section 170 of the Penal Code, 1860?
  1. Stealing government documents
  2. Pretending to be a public servant
  3. Bribing a government official
  4. Refusing government orders
সঠিক উত্তর:
Pretending to be a public servant
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Pretending to be a public servant
ব্যাখ্যা
Section 170- Personating a public servant:
Whoever pretends to hold any particular office as a public servant, knowing that he does not hold such office or falsely personates any other person holding such office, and in such assumed character does or attempts to do any act under colour of such office, shall be punished with imprisonment of either description, for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.

⇒ দণ্ডবিধির ১৭০ ধারার বিধান- সরকারী কর্মচারী বলে ছদ্মবেশ ধারণ:
কোন ব্যক্তি যদি কোন পদে অধিষ্ঠিত নয় বলে জানা সত্ত্বেও সে পদে অধিষ্ঠিত রয়েছে বলে পরিচয় দেয় অথবা অন্য যে ব্যক্তি যে পদে অধিষ্ঠিত আছে নিজেকে সে পদে অধিষ্ঠিত সে ব্যক্তি বলে ছদ্মবেশ ধারণ করে এবং এইরূপ মিথ্যা ছদ্মবেশ ধারণ করে সে পদের অধিকার বলে কোন কাজ করে বা করতে চেষ্টা করে, তবে সে ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
২,১৫৩.
A dishonest concealment of facts is a deception within the meaning of _________
  1. Section 414
  2. Section 415
  3. Section 416
  4. Section 417
সঠিক উত্তর:
Section 415
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Section 415
ব্যাখ্যা
Section 415- Cheating:
Whoever, by deceiving any person, fraudulently or dishonestly induces the person so deceived to deliver any property to any person, or to consent that any person shall retain any property, or intentionally induces the person so deceived to do or omit to do anything which he would not do or omit if he were not so deceived, and which act or omission causes or is likely to cause damage or harm to that person in body, mind, reputation or property, is said to "cheat". 
 
Explanation. A dishonest concealment of facts is a deception within the meaning of this section.

 দণ্ডবিধির ৪১৫ ধারার বিধান- প্রতারণা:
যদি কেউ কোন ব্যক্তিকে ছলনা করে প্রবঞ্চনামূলকভাবে বা অসাধুভাবে সে ব্যক্তিকে অন্য কাউকে কোন সম্পত্তি প্রদানে প্ররোচিত করে অথবা কোন ব্যক্তির কোন সম্পত্তি রেখে দেওয়াতে সম্পত্তি প্রদানে প্ররোচিত করে অথবা ইচ্ছাকৃতভাবে বা উদ্দেশ্যমূলকভাবে অনুরূপ প্রতারিত ব্যক্তিকে এমন কোন কাজ করতে বা করা হতে বিরত থাকতে প্ররোচিত করে যে কাজ সে ব্যক্তি অনুরূপভাবে প্রতারিত না হলে করত না বা করা হতে বিরত থাকত না এবং যে কাজ করার বা করা হতে বিরত থাকার ফলে তার দেহের, মনের খ্যাতির বা সম্পত্তির দিক হতে ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে, তবে অনুরূপ ছলনাকারী 'প্রতারণা' করেছে বলে গণ্য হয়।
 
ব্যাখ্যা:- অসাধুভাবে তথ্য গোপন করা এই ধারার তাৎপর্যাধীনে ছলনা বলে পরিগণিত হবে।
২,১৫৪.
Abetment under Section 107 of the Penal Code can be constituted-
  1. Instigation
  2. Conspiracy
  3. Intentional Aid
  4. All of the above
সঠিক উত্তর:
All of the above
উত্তর
সঠিক উত্তর:
All of the above
ব্যাখ্যা
⇒ যে সমস্ত কাজ করলে অপরাধ হয় সেই সমস্ত কাজ করার জন্য প্রত্যক্ষভাবে বা পরোক্ষভাবে কোন ইন্ধন যোগান কিংবা সমর্থন করাকে আইনের ভাষায় প্ররোচনা বা Abetment বলা হয়ে।
- দণ্ডবিধির  ১০৭ ধারা অনুযায়ী ৩ ভাবে প্ররোচনা বা অপরাধে সহায়তা অপরাধ হতে পারে।
(i) কাউকে প্ররোচিত করে  (instigation)
(ii) ষড়যন্ত্রে অংশগ্রহণ করে  (engagement  in any conspiracy)
(iii) কার্য বা কার্যবিরতি দ্বারা ইচ্ছাকৃতভাবে সাহায্য করে  (aiding)
----------------
⇒ The Penal Code, 1860, Section 107. Abetment of a thing:
- A person abets the doing of a thing, who
Firstly.-Instigates any person to do that thing; or 
Secondly.-Engages with one or more other person or persons in any conspiracy for the doing of that thing, if an act or illegal omission takes place in pursuance of that conspiracy, and in order to the doing of that thing; or 
Thirdly.-Intentionally aids, by any act or illegal omission, the doing of that thing. 
 
Explanation 1.-A person who, by wilful misrepresenta-tion, or by wilful concealment of a material fact which he is bound to disclose, voluntarily causes or procures, or attempts to cause or procure, a thing to be done, is said to instigate the doing of that thing.

Explanation 2.-Whoever, either prior to or at the time of the commission of an act, does anything in order to facilitate the commission of that act, and thereby facilitates the commission thereof, is said to aid the doing of that act.
২,১৫৫.
The Penal Code, 1860 এর ৩০০ ধারায় উল্লিখিত খুনের সংজ্ঞায় কয়টি ব্যতিক্রম আছে?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
সঠিক উত্তর:
৫টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫টি
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধি এর ৩০০ ধারায় উল্লিখিত খুনের সংজ্ঞায় ৫ টি ব্যতিক্রম আছে। যথা -

১. মারাত্মক বা আকস্মিক প্ররোচনায় সংযম হারাইয়া প্ররোচনাকারীকে বা ভুলক্রমে বা দূর্ঘটনাক্রমে অন্য ব্যক্তির মৃত্যু ঘটায়,
২. অপরাধী সরল মনে আত্মরক্ষার বা সম্পত্তি রক্ষায় কোনোরূপ পরিকল্পনা ব্যতীত মৃত্যু ঘটায়,
৩. অপরাধকারী সরকারি কর্মচারী হিসেবে বা কর্মচারীর সাহায্যকারী হিসেবে দায়িত্ব সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনে আইনানুগ বলিয়া সরল মনে কর্তব্য পালন করতে যেয়ে মৃত্যু ঘটালে,
৪. পরিকল্পনা ব্যতীত আকস্মিক বিবাদের সময় উত্তেজনায় মৃত্যু ঘটলে,
৫. ১৮ বছরের ঊর্ধ্বে স্বীয় সম্মতিতে মৃত্যু ঘটলে।

অর্থাৎ ৩০০ ধারার দ্বিতীয় অংশে ৫টি ব্যতিক্রম উল্লেখ করা হয়েছে যেক্ষেত্রে নিষ্পনীয় নরহত্যা খুন বলে বিবেচিত হবে না অর্থাৎ শুধুমাত্র নিন্দনীয় নরহত্যা বলে বিবেচিত হবে।
২,১৫৬.
নিম্নলিখিত কোনটি ১৭৪ ধারার অধীনে অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে না?
  1. সরকারি কর্মচারীর আদেশ অনুযায়ী নির্ধারিত স্থানে উপস্থিত না হওয়া
  2. অসুস্থতার কারণে নির্ধারিত স্থানে উপস্থিত হতে না পারা
  3. সরকারি কর্মচারীর আদেশ ইচ্ছাকৃতভাবে অমান্য করা
  4. সরকারি কর্মচারীর আদেশে যে স্থানে সে উপস্থিত থাকতে বাধ্য সে স্থান হতে সময়ের আগে চলে যাওয়া
সঠিক উত্তর:
অসুস্থতার কারণে নির্ধারিত স্থানে উপস্থিত হতে না পারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অসুস্থতার কারণে নির্ধারিত স্থানে উপস্থিত হতে না পারা
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ১৭৪ ধারা- সরকারী কর্মচারীর আদেশানুসারে উপস্থিত না হওয়া-

কোন ব্যক্তি সরকারী কর্মচারী হিসেবে আইনতঃ কোন সমন, বিজ্ঞপ্তি, আদেশ বা ঘোষণা জারি করার ক্ষমতাসম্পন্ন অনুরূপ সরকারী কর্মচারীর নিকট থেকে উদ্ভূত অনুরূপ সমন, বিজ্ঞপ্তি, আদেশ বা ঘোষণার আজ্ঞানুযায়ী স্বয়ং বা প্রতিনিধি মারফত কোন নির্দিষ্ট স্থানে এবং সময়ে হাজির হওয়ার জন্য আইনত বাধ্য হওয়া সত্ত্বেও,- ইচ্ছাকৃত সে স্থানে ও সময়ে উপস্থিত না হয় অথবা যে স্থানে সে উপস্থিত থাকতে বাধ্য সে স্থান হতে যখন তার প্রস্থান করা আইনসম্মত হত তার আগেই প্রস্থান করে, তবে সে ব্যক্তি এক মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা পাঁচশত টাকা পর্যন্ত যে কোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে; 
অথবা সমন, নোটিশ, আদেশ বা ঘোষণাটি যদি স্বয়ং বা প্রতিনিধি, মারফত কোন আদালতে উপস্থিত হওয়ার নির্দেশবাহী হয়ে থাকে, তবে সে ব্যক্তি ছয় মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা এক হাজার টাকা পর্যন্ত যে কোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

উদাহরণ:
(ক) ক বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট হতে ইস্যুকৃত একটি নির্দেশ মোতাবেক উক্ত আদালতে উপস্থিত হতে আইনত বাধ্য। কিন্তু সে ইচ্ছাকৃত আদালতে গরহাজির থাকে। ক এই ধারায় বর্ণিত অপরাধ করেছে।

(খ) ক-কে জনৈক জেলা জজ সাক্ষী হিসেবে উপস্থিত হওয়ার নির্দেশ দিয়ে সমন দিয়েছেন। ক এ সমন মোতাবেক সাক্ষী হিসেবে উক্ত জেলা জজের সম্মুখে উপস্থিত হতে আইনত বাধ্য। কিন্তু ক ইচ্ছাকৃত গরহাজির থাকে। ক এই ধারায় বর্ণিত অপরাধ করেছে।

Section 174. Non-attendance in obedience to an order from public servant:
Whoever, being legally bound to attend in person or by an agent at a certain place and time in obedience to a summons, notice, order or proclamation proceeding from any public servant legally competent, as such public servant, to issue the same, intentionally omits to attend at that place or time, or departs from the place where he is bound to attend before the time at which it is lawful for him to depart,shall be punished with simple imprisonment for a term which may extend to one month, or with fine which may extend to five hundred taka or with both; 
or, if the summons, notice, order or proclamation is to attend in person or by agent in a Court of Justice, with simple imprisonment for a term which may extend to six months, or with fine which may extend to one thousand taka, or with both.
২,১৫৭.
নিম্নের কোন কাজটি সাধারণ ব্যতিক্রমের আওতায় পড়বে না?
  1. পুলিশ কর্তৃক বিনা পরোয়ানায় খুনিকে গ্রেপ্তার
  2. আদালতের রায় অনুযায়ী সম্পাদিত কাজ
  3. ১২ বছরের কম বয়স্ক পরিণত বোধসম্পন্ন শিশুর কাজ
  4. সদবিশ্বাসে কৃত কোনো কাজ
সঠিক উত্তর:
১২ বছরের কম বয়স্ক পরিণত বোধসম্পন্ন শিশুর কাজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২ বছরের কম বয়স্ক পরিণত বোধসম্পন্ন শিশুর কাজ
ব্যাখ্যা
♦ যে কাজগুলোকে স্বাভাবিকভাবে অপরাধ বলে গণ্য করা হলেও বিশেষ ক্ষেত্রে অপরাধ বলে গণ্য করা হয়না তাকেই সাধারণ ব্যতিক্রম বা General Exception বলে। দন্ডবিধির ৭৬ থেকে ১০৬ ধারায় কিছু সাধারণ ব্যতিক্রমের উল্লেখ রয়েছে। দন্ডবিধির ৭৬ থেকে ১০৬ ধারার আওতাধীন কার্য বা কার্যবিরতিগুলো (acts or omission) স্বাভাবিকভাবে অপরাধ মনে হলেও সেগুলো ফৌজদারি দায় (criminal liability) থেকে মুক্ত; অর্থাৎ ৭৬ থেকে ১০৬ ধারার আওতাধীন কার্যগুলো অপরাধ মনে হলেও অপরাধী কোন শাস্তি পায়না। 

♦ দণ্ডবিধির ৮৩ ধারা অনুসারে, ৯ বৎসরের বেশি এবং ১২ বৎসরের কম বয়স্ক শিশু যে যথেষ্ট পরিণত বোধসম্পন্ন হয়নি [not attained sufficient maturity] বা অপরিণত বোধসম্পন্ন শিশুর কাজ সাধারণ ব্যতিক্রমের আওতায় পড়বে এবং এমন শিশুর কার্য অপরাধ মর্মে গণ্য হবেনা। কিন্তু প্রশ্নের (গ) অপশনে ১২ বছরের কম বয়স্ক পরিণত বোধসম্পন্ন শিশুর [matured child] কাজ উল্লেখ করা হয়েছে। অর্থাৎ, এমন শিশুর কার্য বলা হয়েছে, যে তার কার্যের প্রকৃতি এবং ফলাফল বুঝতে যথেষ্ট পরিণত বোধসম্পন্ন [matured] এবং এই কারণে তার কার্য সাধারণ ব্যতিক্রমের আওতায় পড়বেনা এবং তার কার্য অপরাধ মর্মে গণ্য হবে। অন্যদিকে, খুন আমলযোগ্য অপরাধ হওয়ায়, পুলিশ বিনা পরোয়ানায় খুনিকে গ্রেপ্তার করতে পারে এবং এটা আইনে অনুমোদিত ক্ষমতা। আদালতের রায় অনুযায়ী সম্পাদিত কাজ ৭৮ ধারা অনুসারে, সদবিশ্বাসে কৃত কোনো কাজ ৯২ ও ৯৩ ধারা অনুসারে সাধারণ ব্যতিক্রমের আওতায় পড়বে।

♦ সাক্ষ্য আইনের ১০৫ ধারামতে দন্ডবিধির সাধারণ ব্যতিক্রমসমূহ সহ যে কোন ব্যতিক্রম প্রমানের দায়িত্ব আসামীর।
২,১৫৮.
Under which section of the Penal Code is kidnapping from Bangladesh defined?
  1. Section 359
  2. Section 360
  3. Section 361
  4. Section 362
সঠিক উত্তর:
Section 360
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Section 360
ব্যাখ্যা

⇒ According to Section 360 of the Penal Code, 1860, whoever conveys any person beyond the limits of Bangladesh without the consent of that person, or of someone legally authorized to consent on their behalf, is said to kidnap that person from Bangladesh.

⇒ দণ্ডবিধির ৩৬০ ধারার বিধান- বাংলাদেশ হইতে মনুষ্যহরণ:
- কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তিকে তার সম্মতি ছাড়াই অথবা তার স্বপক্ষে সম্মতি দানের ক্ষমতাসম্পন্ন অপর কারো সম্মতি ছাড়াই বাংলাদেশের সীমানার বাইরে পাঠিয়ে দেয় বা নিয়ে যায়, তবে উক্ত ব্যক্তি তাকে বাংলাদেশ হতে অপহরণ করেছে বলে পরিগণিত হয়।
-------------
⇒ The Penal Code, 1860, Section-360: Kidnapping from Bangladesh, etc.
- Whoever conveys any person beyond the limits of Bangladesh without the consent of that person, or of some person legally authorized to consent on behalf of that person, is said to kidnap that person from Bangladesh.

২,১৫৯.
দণ্ডবিধির ধারা ৪১৯ অনুযায়ী "cheating by personation" এর সর্বোচ্চ কত বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে?
  1. ১ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৫ বছর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০ এর ধারা ৪১৯ অনুযায়ী: “যে ব্যক্তি অপরের রূপ ধারণ করে প্রতারণা করে (cheating by personation), সে ব্যক্তি সর্বোচ্চ তিন বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড, অথবা অর্থদণ্ড, অথবা উভয় দণ্ড প্রাপ্ত হবে।”
- এই ধারা অনুযায়ী, ব্যক্তি যদি নিজেকে অন্য ব্যক্তি বলে পরিচয় দিয়ে জেনে-বুঝে প্রতারণা করেন, তাহলে তিনি cheating by personation করেছেন বলে ধরা হবে।
- সর্বোচ্চ কারাদণ্ডের মেয়াদ: ৩ বছর।

⇒ দণ্ডবিধির ৪১৯ ধারার বিধান অপরের রূপ ধারণ করে প্রতারণা করার শাস্তি:- কোন ব্যক্তি যদি অপরের রূপ ধারণ করে প্রতারণা করে, তবে উক্ত লোক তিন বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
-----------
⇒ The Penal Code, 1860-Section-419. Punishment for cheating by personation:
-Whoever cheats by personation shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, or with fine, or with both.
২,১৬০.
দণ্ডবিধিতে বলপ্রয়োগ (Force) এর সংজ্ঞা কোন ধারায় দেওয়া আছে?
  1. ৩৪৯ ধারায়
  2. ৩৫০ ধারায়
  3. ৩৫১ ধারায়
  4. ৩৫২ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৩৪৯ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৪৯ ধারায়
ব্যাখ্যা

ধারা ৩৪৯ – বলপ্রয়োগ (Force):
কোন ব্যক্তি অন্য কোনো ব্যক্তির প্রতি গতি সৃষ্টি করে, গতির পরিবর্তন ঘটায়, বা গতি বন্ধ করে — অথবা এমন কোনো পদার্থে এই ধরনের গতি সৃষ্টি করে যা ঐ ব্যক্তির শরীরের সঙ্গে, বা তার পরিধেয় বস্তু বা বহনকৃত জিনিসের সঙ্গে, অথবা এমন কিছুর সঙ্গে সংযোগ ঘটায় যা তার অনুভূতিতে প্রভাব ফেলে — তবে বলা হয় যে, ঐ ব্যক্তি অন্যের প্রতি বল (Force) প্রয়োগ করেছে।

তবে এই বলপ্রয়োগ তখনই গণ্য হবে, যখন গতি সৃষ্টি, পরিবর্তন বা বন্ধ করার কাজটি নিম্নলিখিত তিনটি উপায়ের যেকোনো একটির মাধ্যমে করা হয়-
প্রথমত (Firstly):
নিজের শারীরিক শক্তি দ্বারা- যেমন, নিজ হাতে ঠেলে দেওয়া বা টেনে নেওয়া।

দ্বিতীয়ত (Secondly): 
কোনো বস্তু বা পদার্থকে এমনভাবে স্থাপন বা ব্যবহার করা, যাতে তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে চলাচল করে বা থেমে গিয়ে অন্যের সঙ্গে সংযোগ ঘটায় - যেমন, কেউ পাথর গড়িয়ে দেয় যাতে তা গিয়ে অন্যের গায়ে লাগে।

তৃতীয়ত (Thirdly):
কোনো পশুকে নড়াতে, থামাতে বা তার গতি পরিবর্তন করাতে উদ্বুদ্ধ করা, যাতে তা অন্যের সঙ্গে সংযোগ ঘটায়- যেমন, কারও কুকুরকে অন্যের দিকে কামড়াতে প্ররোচিত করা।

২,১৬১.
দণ্ডবিধির ৩৭২ ধারা অনুযায়ী অপরাধের জন্য সর্বাধিক কত বছরের কারাদণ্ড হতে পারে?
  1. ৩ বছর
  2. ৫ বছর
  3. ৭ বছর
  4. ১০ বছর
সঠিক উত্তর:
১০ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৭২ ধারার বিধান:- বেশ্যাবৃত্তি ইত্যাদির উদ্দেশ্যে অপ্রাপ্ত বয়স্কদের বিক্রয়:
- কোন ব্যক্তি যদি আঠারো বৎসরের নিম্নবয়স্ক কোন ব্যক্তিকে বিক্রয় করে, ভাড়া দেয় বা অপর কোনভাবে বিলিব্যবস্থা করে এই উদ্দেশ্যে যে অথবা এটা জানা সত্ত্বেও যে, অনুরূপ ব্যক্তিকে কোন বিশেষ বয়সে বেশ্যাবৃত্তিতে বা অপর কোন ব্যক্তির সাথে অবৈধ সহবাসে কিংবা কোন বেআইনী ও নীতিবিগর্হিত কাজে ব্যবহৃত বা নিয়োজিত করা হবে, তবে সে ব্যক্তি দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

- ব্যাখ্যা-১:- যদি আঠারো বৎসরের নিম্নবয়স্ক কোন নারীকে কোন বেশ্যার কাছে অথবা এমন কোন ব্যক্তি, যে কোন পতিতালয় রাখে বা পরিচালনা করে, তার কাছে বিক্রয় করা হয় বা ভাড়া দেওয়া হয় বা অপর কোনভাবে বিলিব্যবস্থা করা হয়, তবে যে পর্যন্ত না বিপরীত প্রমাণিত হয় -সে পর্যন্ত যে ব্যক্তি অনুরূপ নারীর বিলিব্যবস্থা করেছে। সে ব্যক্তি যাতে সে নারী পতিতাবৃত্তিতে ব্যবহৃত হয় সে উদ্দেশ্যেই তাকে বিলিব্যবস্থা করেছে বলে ধরে নেয়া হবে।

- ব্যাখ্যা-২:- এই ধারার উদ্দেশ্যাবলীর দিক হতে “অবৈধ সহবাস” বলতে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ নয় এমন ব্যক্তিদের মধ্যে যৌনসঙ্গম বুঝাবে; কিন্তু নিম্নোক্ত ক্ষেত্রে ইহার ব্যতিক্রম হবে যথাঃ এমন কোন মিলন বা বন্ধন যা ঠিক বিবাহ নয় কিন্তু ব্যক্তিগত আইন অথবা তারা যে সম্প্রদায়ভুক্ত বা যে বিভিন্ন সম্প্রদায়ভুক্ত সে সব সম্প্রদায়ের রীতি অনুসারে বিবাতুল্য সম্পর্ক বলে স্বীকৃত।
---------------------
⇒ The Penal Code, 1860, Section - 372. Selling minor for purposes of prostitution, etc:
-Whoever sells, lets to hire, or otherwise disposes of any person under the age of eighteen years with intent that such person shall at any age be employed or used for the purpose of prostitution of illicit intercourse with any person or for any unlawful and immoral purpose, or knowing it to be likely that such person will at any age be employed or used for any such purpose, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine. Selling minor for purposes on prostitution, etc.

- Explanation I.- When a female under the age of eighteen years is sold, let for hire, or otherwise disposed of to a prostitute or to any person who keeps or manages a brothel, the person so disposing of such female shall, until the contrary is proved, be presumed to have disposed of her with the intent that she shall be used for the purpose of prostitution. 
- Explanation II.- For the purposes of this section "illicit intercourse" means sexual intercourse between person not united by marriage or by any union or tie which, though not amounting to a marriage, is recognized by the personal law or custom of the community to which they belong or, where they belong to different communities, of both such communities, as constituting between them a quasi-marital relation.
২,১৬২.
দণ্ডবিধির ৪২৬ ধারার অধীন অনিষ্টসাধন (Mischief) এর শাস্তি হতে পারে-
  1. ৩ মাস পর্যন্ত যেকোন বর্ণনার কারাবাস অর্থদণ্ডসহ বা উভয়
  2. ১ বৎসর পর্যন্ত যেকোন বর্ণনার কারাবাস অর্থদণ্ডসহ বা উভয়
  3. ৬ মাস পর্যন্ত যেকোন বর্ণনার কারাবাস অর্থদণ্ডসহ বা উভয়
  4. ৩ বৎসর পর্যন্ত যেকোন বর্ণনার কারাবাস অর্থদণ্ডসহ বা উভয়
সঠিক উত্তর:
৩ মাস পর্যন্ত যেকোন বর্ণনার কারাবাস অর্থদণ্ডসহ বা উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ মাস পর্যন্ত যেকোন বর্ণনার কারাবাস অর্থদণ্ডসহ বা উভয়
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪২৬ ধারার অধীন অনিষ্টসাধন (Mischief) এর শাস্তি হতে পারে ৩ মাস পর্যন্ত যেকোন বর্ণনার কারাবাস অর্থদণ্ডসহ বা উভয়।

⇒ Punishment for mischief:
Section 426. Whoever commits mischief shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three months, or with fine, or with both.
২,১৬৩.
‘অপরাধীকে আশ্রয় দান দণ্ডনীয়’ অপরাধ সংক্রান্ত বিধান নিম্নের কোন সর্ম্পকের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়?
  1. পিতা-পুত্র
  2. সন্তান-বৈধ অভিভাবক
  3. স্বামী-স্ত্রী
  4. ভাই বোন
সঠিক উত্তর:
স্বামী-স্ত্রী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বামী-স্ত্রী
ব্যাখ্যা
♦ দন্ডবিধির  ২১২ ধারায় অপরাধীকে আশ্রয় দান করার বিষয়ের বিধান রয়েছে।
কোন অপরাধ অনুষ্ঠিত হওয়ার পর কোন ব্যক্তি যদি কাউকে দোষী বলে জ্ঞাত করা থাকা সত্ত্বেও অথবা সে দোষী বলে বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও তাকে আইনের সাজা হতে বাচাবার উদ্দেশ্যে লুকিয়ে রাখে বা আশ্রয়দান করে, সেক্ষেত্রে- দোষী ব্যক্তি যদি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় হয় (if a capital offence):- যদি অপরাধটি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়, তবে সে ব্যক্তি পাঁচ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে।

♦ দোষী ব্যক্তি যদি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড অথবা কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয় (if punishable with imprisonment for life, or with imprisonment):-
যদি অপরাধটি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে কিংবা দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়, তবে সে ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে।

♦যদি অপরাধটি এক বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয় এবং দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় না হয়, তবে সে ব্যক্তি সে অপরাধটির জন্য বিহিত প্রকারের কারাদণ্ডের দীর্ঘতম মেয়াদের এক-চতুর্থাংশ পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে অথবা অর্থ দণ্ডে দণ্ডিত করা যাবে

♠ ব্যতিক্রম (Exception):- দোষী ব্যক্তির স্বামী বা স্ত্রী অনুরূপ আশ্রয়দান করলে বা লুকিয়ে রাখলে তখন এই বিধান প্রয়োগযোগ্য হবে না।
২,১৬৪.
রাষ্ট্রবিরোধী অপরাধ সমূহ দণ্ডবিধির কোন ধারায় আলোচনা করা হয়েছে?
  1. ১২১ থেকে ১৩০ ধারায়
  2. ১০৫ থেকে ১৩০ ধারায়
  3. ১১০ থেকে ১৪০ ধারায়
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
১২১ থেকে ১৩০ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২১ থেকে ১৩০ ধারায়
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ১৮৬০ এর ৬ষ্ঠ অধ্যায়ে ১২১ থেকে ১৩০ ধারায় রাষ্ট্রবিরোধী অপরাধসমূহ নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
২,১৬৫.
ইসলামী ফৌজদারি আইন পরিবর্তনের জন্য ব্রিটিশ প্রশাসন কোন গভর্নর-জেনারেলের সময়ে প্রথম পদক্ষেপ নেয়?
  1. লর্ড ডালহৌসি 
  2. লর্ড কর্নওয়ালিস
  3. ওয়ারেন হেস্টিংস
  4. লর্ড উইলিয়াম বেন্টিঙ্ক
সঠিক উত্তর:
ওয়ারেন হেস্টিংস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওয়ারেন হেস্টিংস
ব্যাখ্যা

⇒ ইসলামী ফৌজদারি আইনের সংস্কারের প্রথম উদ্যোগ ১৭৭২ সালে ওয়ারেন হেস্টিংসের সময়ে গৃহীত হয়েছিল। তিনি বাংলার গভর্নর হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর বিচার বিভাগীয় প্রশাসনে পরিবর্তন আনার জন্য একটি পরিকল্পনা (Warren Hastings Plan) প্রণয়ন করেন। এই পরিকল্পনার মাধ্যমে তিনি ডাকাতি দমনের জন্য ইসলামী ফৌজদারি আইনের বিদ্যমান বিধানে প্রথম পরিবর্তন আনেন। ১৭৭৩ সালে তিনি আরও কিছু সংস্কার প্রস্তাব করেন, যেমন:
- হত্যার ক্ষেত্রে অভিপ্রায়কে (intention) প্রধান মাপকাঠি হিসেবে বিবেচনা করা, অস্ত্রের প্রকৃতির পরিবর্তে।
- নিহতের উত্তরাধিকারীদের হত্যাকারীকে ক্ষমা করার অধিকার বিলোপ।
- জরিমানার পরিমাণ অপরাধের প্রকৃতি ও অপরাধীর সামর্থ্যের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ করা।
যদিও এই প্রস্তাবগুলি তৎকালীন কাউন্সিল কর্তৃক পুরোপুরি গৃহীত হয়নি, কারণ কোম্পানির "অস্পষ্ট মালিকানা" (cloudy title) নিযামতের উপর তাদের আইন পরিবর্তনের ক্ষমতাকে সীমিত করেছিল, তবুও এটি ছিল ইসলামী ফৌজদারি আইন সংস্কারের প্রথম আনুষ্ঠানিক পদক্ষেপ।

অন্যান্য অপশনের বিশ্লেষণ:
ক) লর্ড ডালহৌসি: লর্ড ডালহৌসি ১৮৪৮-১৮৫৬ সাল পর্যন্ত গভর্নর-জেনারেল ছিলেন। তাঁর সময়ে দণ্ডবিধি (১৮৬০) প্রণয়নের প্রক্রিয়া চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছায়, কিন্তু তিনি সংস্কারের প্রথম পদক্ষেপ গ্রহণ করেননি।
খ) লর্ড কর্নওয়ালিস: লর্ড কর্নওয়ালিস ১৭৮৬ সালে গভর্নর-জেনারেল হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন এবং ১৭৯০ সালে ইসলামী ফৌজদারি আইনে পদ্ধতিগত সংস্কার শুরু করেন (Cornwallis Code)। তিনি হত্যার ক্ষেত্রে অভিপ্রায়ের উপর ভিত্তি করে বিচার, কিসাস বা দিয়াতের অধিকার বিলোপ, এবং শারীরিক অঙ্গচ্ছেদের পরিবর্তে কারাদণ্ড প্রবর্তন করেন। কিন্তু এটি হেস্টিংসের পরবর্তী সময়ের ঘটনা, তাই তিনি প্রথম পদক্ষেপের সূচনাকারী নন।
ঘ) লর্ড উইলিয়াম বেন্টিঙ্ক: বেন্টিঙ্ক ১৮২৮-১৮৩৫ সাল পর্যন্ত গভর্নর-জেনারেল ছিলেন এবং সতীদাহ প্রথা বিলোপ (১৮২৯) এর মতো সামাজিক সংস্কারের জন্য পরিচিত। তবে ইসলামী ফৌজদারি আইনের প্রাথমিক সংস্কারে তাঁর ভূমিকা উল্লেখযোগ্য নয়।

অর্থাৎ ওয়ারেন হেস্টিংস ১৭৭২ সালে ডাকাতি দমনের জন্য ইসলামী ফৌজদারি আইনে প্রথম পরিবর্তন আনেন এবং ১৭৭৩ সালে আরও সংস্কার প্রস্তাব করেন, যা তাঁকে এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর করে। পরবর্তী গভর্নর-জেনারেলরা, বিশেষত কর্নওয়ালিস, এই সংস্কারকে আরও এগিয়ে নিয়েছেন, কিন্তু প্রথম পদক্ষেপ হেস্টিংসের আমলেই শুরু হয়।

তথ্যসূত্র: Enactment of Penal Code, 1860: A Historical Analysis by Dr. Masuma Pervin. [লিঙ্ক]

২,১৬৬.
যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধ সংঘটনের উদ্যোগের সাজা হিসেবে নিচের কোন মন্তব্যটি সঠিক?
  1. মূল অপরাধটির সাজার সমান সাজা
  2. মূল অপরাধটির সর্বোচ্চ সাজার এক চতুর্থাংশ কারাদণ্ড
  3. মূল অপরাধটির সর্বোচ্চ সাজার এক তৃতীয়াংশ কারাদণ্ড
  4. মূল অপরাধটির সর্বোচ্চ সাজার অর্ধেক পরিমাণ কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
মূল অপরাধটির সর্বোচ্চ সাজার অর্ধেক পরিমাণ কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মূল অপরাধটির সর্বোচ্চ সাজার অর্ধেক পরিমাণ কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৫১১ ধারা- যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে বা কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধ সংঘটনের উদ্যোগের সাজা:
কোন ব্যক্তি যদি এই বিধিবলে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় কোন অপরাধ সংঘটন করার অথবা অনুরূপ কোন অপরাধ সংঘটন করানোর উদ্যোগ করে এবং অনুরূপ উদ্যোগের মাধ্যমে অপরাধটি সংঘটনের উদ্দেশ্যে কোন কাজ করে, তবে যেক্ষেত্রে অনুরূপ উদ্যোগের সাজার জন্য এই বিধিতে কোন প্রকাশ্য বিধান করা হয় নাই, সেক্ষেত্রে সে ব্যক্তি অপরাধটির জন্য সে ধরনের অপরাধের জন্য বিহিত দণ্ডের দীর্ঘতম মেয়াদের অর্ধেক পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে বা সে অপরাধটির জন্য যে অর্থদণ্ডেও বিধান করা হয়েছে সে অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

উদাহরণ:
(ক) 'ক' একটি বাক্স ভেঙ্গে কিছু গহনাপত্র চুরি করার উদ্যোগ করে। সে বাক্সটি ভেঙ্গে দেখতে পায় যে, উহাতে কোন গহনাপত্র নাই। সে চুরির উদ্দেশ্যে এই কাজটি করেছে; সুতরাং সে এই ধারার আওতায় অপরাধী বলে পরিগণিত হবে।

(খ) 'ক', 'চ'- এর পকেটে হাত দিয়ে চ-এর পকেট মারার উদ্যোগ নেয়। 'চ'- এর পকেটে কিছু ছিল না বলে ক-এর চেষ্টা ব্যর্থ হয়। 'ক' এই ধারার আওতায় অপরাধী বলে পরিগণিত হবে।
২,১৬৭.
দণ্ডবিধির ৩৮ ধারা মতে, একই ঘটনার জন্য বিভিন্ন ব্যক্তি-
  1. একই অপরাধে অভিযুক্ত হবেন
  2. সমান শাস্তি পাবে
  3. ভিন্ন ভিন্ন অপরাধে অভিযুক্ত হতে পারেন
  4. ক এবং খ
সঠিক উত্তর:
ভিন্ন ভিন্ন অপরাধে অভিযুক্ত হতে পারেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভিন্ন ভিন্ন অপরাধে অভিযুক্ত হতে পারেন
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৮ ধারার বিধান- অপরাধমূলক কার্যে জড়িত ব্যক্তিগণ বিভিন্ন অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হন:
 কোন অপরাধমূলক কাজ সংঘটনে কতিপয় ব্যক্তি ব্যাপৃত থাকলে অথবা উহা সংঘটনের সাথে তারা জড়িত থাকলে, উক্ত কাজের জন্য তারা বিভিন্ন অপরাধে অপরাধী সাব্যস্ত হতে পারে।

উদাহরণ-
ক এমন উগ্র প্ররোচনায় ক্ষিপ্ত হয়ে চ-কে আক্রমণ করে যে, তার এই আক্রমণে চ নিহত হলে তা কেবল অপরাধমূলক প্রাণনাশ হবে, যা খুন বলে পরিগণিত হবে না। চ-এর প্রতি খ-এর বিদ্বেষ থাকায় এবং চ-কে হত্যা করার জন্য খ-এর অভিপ্রায় থাকায়, খ বিনা প্ররোচনায় চ-কে হত্যার কার্যে ক কে সহায়তা করে। এই দৃষ্টান্তে ক ও খ উভয়েই চ-কে হত্যার কার্যে ব্যাপৃত থাকলেও, খ খুনের অপরাধে অপরাধী সাব্যস্ত হবে এবং ক শুধু অপরাধমূলক প্রাণনাশের অপরাধে অপরাধী হবে।
২,১৬৮.
পেনাল কোডের তৃতীয় অধ্যায়ের বিধান কী?
  1. শাস্তি
  2. সাধারণ ব্যাখ্যা
  3. সাধারণ ব্যতিক্রম
  4. রাষ্ট্রবিরোধী অপরাধ
সঠিক উত্তর:
শাস্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শাস্তি
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০ আইনে মোট অধ্যায় ২৩ টি এবং দণ্ডবিধির মোট ধারা ৫১১ টি (মূল দণ্ডবিধিতে ৪৮৮টি ধারা ছিল)।
- গুরুত্বপূর্ণ কিছু অধ্যায়ের নাম:
দ্বিতীয় অধ্যায়: সাধারণ ব্যাখ্যা সমূহ,
তৃতীয় অধ্যায়: শাস্তি,
চতুর্থ অধ্যায়: সাধারণ ব্যতিক্রম সমূহ,
পঞ্চম অধ্যায়: অপরাধে সহায়তা বা প্ররোচনা,
পঞ্চম-ক অধ্যায়: অপরাধ মূলক ষড়যন্ত্র,
ষষ্ঠ অধ্যায়: রাষ্ট্রবিরোধী অপরাধ,
নবম অধ্যায়: সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীর সংক্রান্ত অপরাধ,
নবম-ক অধ্যায়: নির্বাচন সংক্রান্ত অপরাধ,
ষোড়শ অধ্যায়: মানবদেহ সংক্রান্ত অপরাধ,
সপ্তদশ অধ্যায়: সম্পত্তির বিরুদ্ধে অপরাধ,
বিংশ অধ্যায়: বিবাহ সংক্রান্ত অপরাধ,
একবিংশ অধ্যায়: মানহানি,
ত্রয়োবিংশ অধ্যায়: অপরাধ সংগঠনের উদ্যোগ।

অর্থাৎ পেনাল কোডের তৃতীয় অধ্যায়ে শাস্তি সম্পর্কিত বিধান রয়েছে।
২,১৬৯.
‘A’ তার পণ্যের প্যাকেজে এমন একটি মার্ক ব্যবহার করে যা ‘Z’-এর ট্রেড মার্কের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ, যাতে বিশ্বাস করা হয় যে পণ্যটি ‘Z’-এর তৈরি। দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর বিধান অনুসারে এই অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ১ বছরের কারাদণ্ড
  2. ২ বছরের কারাদণ্ড
  3. ৩ বছরের কারাদণ্ড
  4. ৫ বছরের কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
১ বছরের কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৪৮০ অনুসারে, কোনো ব্যক্তি যদি এমনভাবে পণ্য বা প্যাকেজে মার্ক ব্যবহার করে, যা যুক্তিসঙ্গতভাবে বিশ্বাস করায় যে পণ্যটি অন্য কারো তৈরি বা ব্যবসায়িক, তবে তা মিথ্যা ট্রেড মার্ক ব্যবহার হিসেবে গণ্য। ধারা ৪৮২ অনুসারে, মিথ্যা ট্রেড মার্ক ব্যবহারের শাস্তি হলো ১ বছর পর্যন্ত যেকোনো প্রকারের কারাদণ্ড, জরিমানা, বা উভয়ই, যদি না অভিযুক্ত প্রমাণ করতে পারে যে তার প্রতারণার উদ্দেশ্য ছিল না। এখানে, ‘A’ ‘Z’-এর ট্রেড মার্কের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ মার্ক ব্যবহার করে বিশ্বাস করিয়েছে যে পণ্যটি ‘Z’-এর তৈরি, যা মিথ্যা ট্রেড মার্ক ব্যবহার।
অর্থাৎ ‘A’-এর কাজ ধারা ৪৮০ এবং ৪৮২-এর অধীনে মিথ্যা ট্রেড মার্ক ব্যবহার হিসেবে গণ্য, এবং সর্বোচ্চ শাস্তি ১ বছরের কারাদণ্ড, জরিমানা, বা উভয়ই। সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো ক) ১ বছরের কারাদণ্ড।

⇒ The Penal Code, 1860-Section- 482.Punishment for using a false trade mark or property mark:
Whoever use any false trade mark or any false property mark shall, unless he proves that he acted without intent to defraud, be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to one year, or with fine, or with both.

২,১৭০.
দণ্ডবিধির ধারা ৩২০ অনুযায়ী নিচের কোনটি "গুরুতর আঘাত" হিসেবে বিবেচিত?
  1. হাড় ভাঙা
  2. হালকা মাথাব্যথা
  3. ক্ষণস্থায়ী চোখের জ্বালা
  4. সাময়িক শ্রবণশক্তি হ্রাস
সঠিক উত্তর:
হাড় ভাঙা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাড় ভাঙা
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩২০ অনুযায়ী, "গুরুতর আঘাত" (Grievous Hurt) এর মধ্যে কিছু নির্দিষ্ট ধরনের আঘাত অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এর মধ্যে হাড় ভাঙা একটি গুরুতর আঘাত হিসেবে বিবেচিত হয়।
তবে, হালকা মাথাব্যথা, ক্ষণস্থায়ী চোখের জ্বালা, এবং সাময়িক শ্রবণশক্তি হ্রাস এসব গুরুতর আঘাত হিসেবে বিবেচিত হয় না, কারণ এগুলি স্থায়ী বা গুরুতর ক্ষতি সৃষ্টি করে না।

⇒ দণ্ডবিধির ৩২০ ধারার বিধান গুরুতর আঘাত:- শুধু নিম্নলিখিত আঘাতসমূহকেই "গুরুতর" বলে পরিগণিত করা যায়:-
প্রথমত, পুরুষত্বহীন করণ।
দ্বিতীয়ত, যেকোন চোখের জ্যোতি বা দৃষ্টিশক্তি চিরতরে নষ্ট করণ।
তৃতীয়ত, যেকোন কর্ণের শ্রবণশক্তি স্থায়ীভাবে নষ্ট করণ।
চতুর্থত, যেকোন অঙ্গ বা গ্রন্থির অনিষ্ট সাধন।
পঞ্চমত, যেকোন অঙ্গের বা গ্রন্থির শক্তিসমূহ ধ্বংস করণ বা চিরতরে খর্ব করণ।
ষষ্ঠত, মাথা বা মুখমণ্ডল স্থায়ীভাবে বিকৃত করণ।
সপ্তম, কোন অস্থি বা দন্ত ভগ্ন বা স্থানচ্যুত করণ।
অষ্টম, এমন কোন আঘাত যা জীবন সংশয় সৃষ্টি করে বা যাতে আহত ব্যক্তি বিশ দিন পর্যন্ত প্রচণ্ড দৈহিক যন্ত্রণা ভোগ করে বা সাধারণ কাজকর্ম করতে অপারগ হয়।
-----------------
⇒The Penal Code, 1860- Section 320- Grievous hurt:
The following kinds of hurt only are designated as "grievous":-
Firstly.-Emasculation.
Secondly.-Permanent privation of the sight of either eye.
Thirdly.-Permanent privation of the hearing of either ear.
Fourthly.-Privation of any member or joint.
Fifthly.-Destruction or permanent impairing of the powers of any member or joint.
Sixthly.-Permanent disfiguration of the head or face.
Seventhly.-Fracture or dislocation of a bone or tooth.
Eighthly.-Any hurt which endangers life or which causes the sufferer to be during the space of twenty days in severe bodily pain, or unable to follow his ordinary pursuits.

২,১৭১.
How many ways are provided in Section 445 of The Penal Code,1860 for the purpose of committing the offence of 'House Breaking'?
  1. 5 ways
  2. 4 ways
  3. 6 ways
  4. 7 ways
সঠিক উত্তর:
6 ways
উত্তর
সঠিক উত্তর:
6 ways
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪৪৫ ধারায় অপথে গৃহে প্রবেশের বিধান রয়েছে। ৪৪৫ ধারা অনুযায়ী নিম্নলিখিত ৬টি উপায়ে কোন গৃহে প্রবেশ করলে বা গৃহ থেকে বের হলে তা অপথে গৃহে প্রবেশ বা 'House breaking' বলে গণ্য হবে। যথা-
 
i) বন্ধ দরজা বা পথ খুলে (Opening any passage fastended for );
ii) তালা খুলে বা ভেঙ্গে (Opening or breaking lock);
iii) নতুন পথ তৈরি করে (Passage made by him);
iv) আক্রমন বা বলপ্রয়োগের ভয় দেখিয়ে (Using criminal force);
v) আটকানো কোন কিছুকে খুলে বা অন্যভাবে মুক্ত করে অস্বাভাবিক পন্থায় ভিতরে প্রবেশ করা বা নির্গমন হওয়া; অথবা
vi) প্রবেশ বা প্রস্থানের জন্য নয় এমন পথ দিয়ে গৃহে প্রবেশ করলে অপথে গৃহ প্রবেশ (house breaking) এর অপরাধ হবে।
 
Section 445: House-breaking:

A person is said to commit “house-breaking" who commits house-trespass if he effects his entrance into the house or any part of it in any of the six ways hereinafter described; or if, being in the house or any part of it for the purpose of committing an offence, or, having committed an offence therein, he quits the house or any part of it in any of such six ways, that is to say:
 
Firstly- If he enters or quits through a passage made by himself, or by any abettor of the house-trespass, in order to the committing of the house-trespass. 

Secondly- If he enters or quits through any passage not intended by any person, other than himself or an abettor of the offence, for human entrance; or through any passage to which he has obtained access by scaling or climbing over any wall or building. 

Thirdly.-If he enters or quits through any passage which he or any abettor of the house-trespass has opened, in order to the committing of the house-trespass by any means by which that passage was not intended by the occupier of the house to be opened. 

Fourthly- If he enters or quits by opening any lock in order to the committing of the house-trespass, or in order to the quitting of the house after a house-trespass. 

Fifthly- If he effects his entrance or departure by using criminal force or committing an assault, or by threatening any person with assault. 

Sixthly- If he enters or quits by any passage which he knows to have been fastened against such entrance or departure, and to have been unfastened by himself or by an abettor of the house-trespass. 

Explanation: Any out-house or building occupied with a house, and between which and such house there is an immediate internal communication, is part of the house within the meaning of this section.
২,১৭২.
A নামক একজন সার্জন জানেন যে, একটি নির্দিষ্ট অস্ত্রোপচার Z-এর মৃত্যু ঘটাতে পারে। তবুও, Z প্রচণ্ড যন্ত্রণায় ভুগছেন এবং Z-এর সুস্থতার জন্য, A সরল বিশ্বাসে, Z-এর সম্মতিতে সেই অস্ত্রোপচারটি করেন। দণ্ডবিধির কোন ধারার অধীনে A অপরাধ থেকে অব্যাহতি পাবে?
  1. ধারা ৮৬
  2. ধারা ৮৭
  3. ধারা ৮৮
  4. ধারা ৮৯
সঠিক উত্তর:
ধারা ৮৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৮৮
ব্যাখ্যা
ধারা ৮৮: মঙ্গলার্থে সরল বিশ্বাসে ও সম্মতিতে মৃত্যু ঘটানো সম্ভাব্য কার্য অপরাধ নয়:
যে কোন কার্য, যার দ্বারা মৃত্যুর উদ্দেশ্য নেই, কিন্তু যার ফলে কারও মৃত্যু ঘটতে পারে বা ঘটার সম্ভাবনা থাকে- যদি সেই কার্যটি কারও মঙ্গলের জন্য, সরল বিশ্বাসে করা হয় এবং যে ব্যক্তির উপর তা করা হয় তিনি স্পষ্ট বা পরোক্ষভাবে সম্মতি দিয়ে থাকেন সেই ক্ষতি বা ঝুঁকি ভোগ করতে- তাহলে তা অপরাধ নয়।

উদাহরণ (Illustration):
A নামক একজন সার্জন জানেন যে একটি নির্দিষ্ট অস্ত্রোপচার Z-এর মৃত্যু ঘটাতে পারে। তবুও, Z প্রচণ্ড যন্ত্রণায় ভুগছেন এবং Z-এর সুস্থতার জন্য, A সরল বিশ্বাসে, Z-এর সম্মতিতে সেই অস্ত্রোপচারটি করেন।
→ এই ক্ষেত্রে, A কোন অপরাধ করেননি।
২,১৭৩.
'ক' অন্যায়ভাবে 'চ' এর ক্ষতি করার উদ্দেশ্যে 'চ' এর একটি মূল্যবান জামানত ইচ্ছাপূর্বক পুড়ে ফেলে। 'ক' কী ধরনের অপরাধ করেছে?
  1. চুরি
  2. অর্থ আত্মসাৎ
  3. ক্ষতি
  4. প্রতারণা
সঠিক উত্তর:
ক্ষতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্ষতি
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধি ৪২৫ ধারা অনুযায়ী অন্যের অন্যায় ক্ষতি বা লোকসানের (Wrongful loss or damage) উদ্দেশ্যে কোন সম্পত্তি ধ্বংস বা বিনষ্ট অথবা সম্পত্তির মূল্য/উপযোগীতা হ্রাস বা ক্ষতিগ্রস্ত করাকে অনিষ্ট বা ক্ষতি (mischief) বলে।
২,১৭৪.
রাকিব একটি সরকারি রাস্তা নির্মাণ প্রকল্পে কাজ করা এক সরকারি কর্মচারীকে ইচ্ছাকৃতভাবে কাজে বাধা দেয়। রাকিবের বিরুদ্ধে কোন ধারা প্রযোজ্য হতে পারে?
  1. ধারা ১৮৬
  2. ধারা ১৮৭
  3. ধারা ১৮৮
  4. ধারা ১৮৯
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৮৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৮৬
ব্যাখ্যা
ধারা ১৮৬- জনসাধারণের কার্য সম্পাদনে সরকারি কর্মচারীকে বাধা প্রদান:
যে কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে কোনো সরকারি কর্মচারীকে তার সরকারি কার্য সম্পাদনে বাধা প্রদান করে, তাকে সর্বোচ্চ তিন মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড, অথবা সর্বোচ্চ পাঁচশত টাকা পর্যন্ত জরিমানা, অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে।

Section 186- Obstructing public servant in discharge of public functions:
Whoever voluntarily obstructs any public servant in the discharge of his public functions, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three months, or with fine which may extend to five hundred taka, or with both.
২,১৭৫.
'চ' আইনসম্মতভাবে 'ক' কে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারের ফলে 'ক' আকস্মিকভাবে উত্তেজিত হয়ে 'চ' কে হত্যা করে। 'ক' এর কৃত কাজটি কোন ধরনের অপরাধ?
  1. খুনের অপরাধ
  2. আত্মরক্ষামূলক নরহত্যা
  3. কোন অপরাধ হয়নি
  4. বেআইনি কাজ
সঠিক উত্তর:
খুনের অপরাধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খুনের অপরাধ
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৩০০ ধারার ১ নং ব্যতিক্রমে বলা হয়েছে, সরকারি কর্মচারীর আইনসম্মত কাজের দ্বারা কোন আকস্মিক উত্তেজনা সৃষ্টি করলে এবং উত্তেজনা বশত উক্ত সরকারি কর্মচারীকে হত্যা করা হলে তা খুন বলে গণ্য হবে।
২,১৭৬.
যদি অপরাধীর উদ্দেশ্য থাকে ‘ক’ ব্যক্তিকে হত্যা করা কিন্তু ভুলবশত ‘খ’ ব্যক্তির মৃত্যু ঘটে, তবে দণ্ডবিধির কোন ধারায় এটি শাস্তিযোগ্য নরহত্যা হিসেবে গণ্য হবে?
  1. ধারা ২৯৯
  2. ধারা ৩০০ 
  3. ধারা ৩০১
  4. ধারা ৩০৪ক
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩০১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩০১
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩০১-এর শিরোনামই হল "যার মৃত্যু ঘটাবার উদ্দেশ্য ছিল তাকে ব্যতীত অপর ব্যক্তির মৃত্যু ঘটাইয়া শাস্তি যোগ্য নরহত্যা সংঘটন"। এই ধারাটি বিশেষভাবে "স্থানান্তরিত দূষিত অভিপ্রায়" (Doctrine of Transferred Malice) এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয়। যখন কোনো ব্যক্তি 'ক' কে হত্যার উদ্দেশ্য বা জ্ঞান নিয়ে কোনো কাজ করে, কিন্তু সেই কাজের ফলে ভুলবশত 'খ' ব্যক্তির মৃত্যু ঘটে, তখন অপরাধটি ধারা ৩০১-এর অধীনে গণ্য হবে। এই ক্ষেত্রে অপরাধী 'খ' এর মৃত্যুর জন্য ঠিক ততটাই দায়ী হবে, যতটা দায়ী হতো যদি সে 'ক' এর মৃত্যু ঘটাত। অর্থাৎ, শাস্তির মাত্রা অপরাধীর মূল উদ্দেশ্য (যে ব্যক্তিকে হত্যা করতে চেয়েছিল) অনুযায়ী নির্ধারিত হবে, যে ব্যক্তির প্রকৃত মৃত্যু হয়েছে তার পরিচয় অনুযায়ী নয়।
- অর্থাৎ ধারা ৩০১ অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি যার মৃত্যু ঘটাতে সে ইচ্ছুক ছিল, তার উদ্দেশ্য ছাড়া অন্য কারো মৃত্যু ঘটে, তবে তার অপরাধও যেমন হত যদি সে উদ্দেশ্যপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে হত্যা করত, ঠিক সেই রকম শাস্তিযোগ্য হবে।
অর্থাৎ, ভুলবশত বা অন্য কারো মৃত্যু ঘটলেও অপরাধের ধরন অপরিবর্তিত থাকে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩০১ ধারার বিধান: যার মৃত্যু ঘটাবার উদ্দেশ্য ছিল তাকে ব্যতীত অপর ব্যক্তির মৃত্যু ঘটাইয়া শাস্তি যোগ্য নরহত্যা সংঘটন:
-কোন ব্যক্তি যদি এমন কোন কার্য করে যা কর্তৃক মৃত্যু সংঘটনের ইচ্ছা বা উদ্দেশ্য তার ছিল অথবা যার দরুণ মৃত্যু সংঘটন হতে পারে বলে তার জানা ছিল এবং এই কার্য কর্তৃক সে এমন কোন ব্যক্তির মৃত্যু সংঘটন করে শাস্তিযোগ্য নরহত্যা করে, যার মৃত্যু সে কামনা করে নাই বা যার মৃত্যু হতে পারে বলে তার জানা ছিল না, তবে অপরাধী যে ব্যক্তির মৃত্যু সংঘটনের ইচ্ছা করেছিল, কিংবা যে ব্যক্তির মৃত্যু ঘটতে পারে বলে জানত সে ব্যক্তির মৃত্যু সংঘটন করলে তার অপরাধটি যেরূপ হত, এই ক্ষেত্রেও সেরূপ হবে।
-----------
⇒ The Penal Code, 1860, Section 301: Culpable homicide by causing death of person other than person whose death was intended:
-If a person, by doing anything which he intends or knows to be likely to cause death, commits culpable homicide by causing the death of any person, whose death he neither intends nor knows himself to be likely to cause, the culpable homicide committed by the offender is of the description of which it would have been if he had caused the death of the person whose death he intended or knew himself to be likely to cause.

২,১৭৭.
ক এমনভাবে খ এর দিকে মুষ্টি পাকায় যাতে খ এর বিশ্বাস করার কারণ জন্মায় যে ক তাকে মারতে উদ্যত হয়েছে। ক কোন অপরাধ করেছে বলে গণ্য হবে?
  1. বল প্রয়োগ
  2. আক্রমণ
  3. অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ
  4. কোন অপরাধ করেনি
সঠিক উত্তর:
আক্রমণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আক্রমণ
ব্যাখ্যা
♦দন্ডবিধির ৩৫১ ধারা মতে যখন কোন অপরাধজনক বল প্রয়োগের সম্ভাবনা তৈরি হয় কিন্তু প্রকৃতপক্ষে অপরাধজনক বল প্রয়োগ করা হয় না তখন তাকে আক্রমণ বলে।
২,১৭৮.
চোরাই মাল জানার পরেও 'ক' একটি টিভি অসাধুভাবে গ্রহণ করে, 'ক' সর্বোচ্চ কত দিনের জন্য দণ্ডিত হবে?
  1. ৬ মাস
  2. ১ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৫ বছর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
ব্যাখ্যা
চোরাই মাল (Stolen Property):
দণ্ডবিধির ৪১০ ধারা অনুযায়ী- যে সম্পত্তির দখল চুরি বা জোরপূর্বক আদায় বা দস্যুতার ফলে হস্তান্তরিত হয়েছে এবং যে সম্পত্তি অপরাধমূলকভাবে আত্মসাৎ করা হয়েছে বা অপরাধমূলকভাবে বিশ্বাসভঙ্গ করা হয়েছে, সে সম্পত্তিকে “চোরাই সম্পত্তি” বলে গণ্য করতে হবে। অর্থাৎ, যে সম্পত্তি নিম্নোক্ত উপায়ে অর্জিত হয়েছে তাকে "চোরাই সম্পত্তি" বলে গণ্য করা হবে:
১. চুরি করে অর্জিত সম্পত্তি;
২. জোরপূর্বক আত্মসাৎ করে অর্জিত সম্পত্তি;
৩. দস্যুতা করে আনীত সম্পত্তি;
৪. অপরাধমূলক উপায়ে অর্জিত সম্পত্তি;
৫. অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ করে অর্জিত সম্পত্তি।

শাস্তি:
দণ্ডবিধির ৪১১ ধারা অনুসারে, যে ব্যক্তি চোরাই মাল গ্রহণ করে, সেই ব্যক্তি ৩ বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবে।
২,১৭৯.
What is the maximum additional punishment for wrongful confinement in secret under Section 346?
  1. Six months of imprisonment
  2. One year of imprisonment
  3. Two years of imprisonment
  4. Three years of imprisonment
সঠিক উত্তর:
Two years of imprisonment
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Two years of imprisonment
ব্যাখ্যা

⇒ The Penal Code, 1860 Section 346. Wrongful confinement in secret:
-Whoever wrongfully confines any person in such manner as to indicate an intention that the confinement of such person may not be known to any person interested in the person so confined, or to any public servant, or that the place of such confinement may not be known to or discovered by any such person or public servant as hereinbefore mentioned, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years in addition to any other punishment to which he may be liable for such wrongful confinement.
-------------------- 
⇒ দণ্ডবিধির ৩৪৬ ধারার বিধান- গোপনে অবৈধ অবরোধ:
- কোন ব্যক্তি যদি কাউকে অবৈধভাবে বন্দি রাখে, তাতে এইরূপ একটি উদ্দেশ্য সূচিত হয় যে, বন্দি ব্যক্তিকে আটক করে রাখার ব্যাপারটি বন্দি ব্যক্তির সাথে স্বার্থসংশ্লিষ্ট কোন ব্যক্তির বা কোন সরকারী কর্মচারীর গোচরীভূত হবে না, অথবা যে স্থানে অনুরূপ বন্দি করে রাখা হয়েছে সে স্থানটি উপযুক্তরূপ কোন ব্যক্তি বা সরকারী কর্মচারী দ্বারা জ্ঞাত বা আবিষ্কৃত হবে না, তবে উক্ত ব্যক্তি অনুরূপ অবৈধভাবে বন্দি করে রাখার জন্য অপর যে দণ্ডে দণ্ডিত হবে, তদতিরিক্ত আরও দুই বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে।

২,১৮০.
দণ্ডবিধির কত ধারার বিধান অনুযায়ী আদালতের আদেশ অনুসারে করা কাজ অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে না?
  1. ৭৫ ধারা
  2. ৭৬ ধারা
  3. ৭৭ ধারা
  4. ৭৮ ধারা
সঠিক উত্তর:
৭৮ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭৮ ধারা
ব্যাখ্যা
→ দণ্ডবিধির ৭৮ ধারার বিধান অনুযায়ী আদালতের আদেশ অনুসরণ করে করা কাজ অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে না।
- দণ্ডবিধির ৭৮ ধারা মতে আদালতের আদেশে কৃত কাজ অপরাধ নয় অর্থাৎ আদালতের রায় বা আদেশ মোতাবেক সম্পাদিত কোন কাজ অপরাধ নয় আদালতের আদেশ বাস্তবায়িত করার জন্য সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারীগণ যে সমস্ত কার্য করবেন তা অপরাধ বলে গণ্য হবে না।

- দণ্ডবিধির ৭৮ ধারার বিধান আদালতের রায় বা আদেশের অনুসরণে সম্পাদিত কাজ:- কোন আদালতের নির্দেশক্রমে অথবা কোন আদালতের রায় বা আদেশ অনুযায়ী উক্ত রায় বা আদেশ বলবৎ থাকাকালে সম্পাদিত কোন কাজ অপরাধ বলে অভিহিত হবে না; আদালতের অনুরূপ রায় বা আদেশ প্রদানের এখতিয়ার না থাকলেও অনুরূপ কাজ অপরাধ বলে অভিহিত হবে না যদি উক্ত কাজটি সম্পন্নকারী ব্যক্তি সরল মনে বিশ্বাস করে থাকে যে, আদালতের অনুরূপ এখতিয়ার রয়েছে।
----------------
→ The Penal Code,1860- Section 78: Act done pursuant to the judgment or order of Court:
- Nothing which is done in pursuance of, or which is warranted by the judgment or order of, a Court of Justice, if done whilst such judgment or order remains in force, is an offence, notwithstanding the Court may have had no jurisdiction to pass such judgment or order, provided the person doing the act in good faith believes that the Court had such jurisdiction.
২,১৮১.
'চ' একজন চিকিৎসক এবং 'ছ' একটি গুরুতর রোগে আক্রান্ত রোগী। 'চ' জানত যে, 'ছ' এর অপারেশন করলে তার মৃত্যু হতে পারে, তবে 'চ' তার মঙ্গলের জন্য এবং সরল বিশ্বাসে অপারেশনটি করে। এর ফলে 'ছ' মারা যায়। এই পরিস্থিতিতে, 'চ' এর দ্বারা কৃত কাজ -
  1. খুন
  2. নরহত্যা
  3. নিন্দনীয় নরহত্যা
  4. কোন অপরাধ নয়
সঠিক উত্তর:
কোন অপরাধ নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোন অপরাধ নয়
ব্যাখ্যা
→ দণ্ডবিধির ৮৮ ধারানুযায়ী মৃত্যু ঘটানোর উদ্দেশ্য ব্যতিত সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির উপকারে সরল বিশ্বাসে সম্মতিক্রমে কোন কাজ করলে তা অপরাধ নয়।
→ দণ্ডবিধির ৮৮ ধারায় বলা হয়েছে যে, যদি একজন ব্যক্তি অন্যকে উপকার করতে গিয়ে তার সম্মতিতে কোনো কার্য সম্পাদন করেন, এবং কাজটি এমনভাবে করা হয় যে এতে মৃত্যুর ঝুঁকি থাকে, তবে এটি অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে না যদি:
- কাজটি করার সময় তার সদিচ্ছা এবং সরল বিশ্বাস ছিল যে এটি ওই ব্যক্তির উপকারে আসবে।
- কাজটি করার উদ্দেশ্য ছিল না কারো মৃত্যু ঘটানো।
- কাজটি সম্পাদনের পর যদি কোনো ক্ষতি হয়, তবে তা এই কারণে যে, সেই ব্যক্তি জানত যে এ ধরনের ক্ষতি হতে পারে, তাও অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে না, যদি এটি আঘাত বা মৃত্যু ঘটানোর উদ্দেশ্যে না করা হয়।

-দণ্ডবিধির ৮৮ ধারার বিধান মৃত্যু ঘটাইবার জন্য অভিপ্রেত নহে এমন কার্য ব্যক্তি বিশেষের উপকারার্থ সদবিশ্বাসে সম্মতি সহকারে সম্পাদন:
যে ব্যক্তির উপাকার হবে বলে আন্তরিক সদিচ্ছা বা সরল বিশ্বাস হতে কোন কাজ উক্ত ব্যক্তি কর্তৃক প্রদত্ত কার্যভূত ক্ষতি স্বীকার বা ক্ষতির ঝুঁকি স্বীকারমূলক সম্মতিক্রমে মৃত্যু ঘটাবার উদ্দেশ্য ছাড়া উক্ত ব্যক্তির উপকারার্থে সম্পন্ন হয়-কার্যটি সম্পাদনের পর তাতে কোনরূপ ক্ষতি সাধিত হওয়ার ফলে অথবা যিনি কাজটি সম্পন্ন করলেন, তিনি উহাতে যে ক্ষতি করার ইচ্ছা করেছিলেন, যে ক্ষতি হওয়ার ফলে অথবা যিনি কাজটি সম্পন্ন করলেন, উহাতে সম্ভবত সে ক্ষতি হতে পারে বলে জানতেন, তা হওয়ার ফলে কাজটি অপরাধ হবে না।
-------------
- Section 88. Act not intended to cause death, done by consent in good faith for person’s benefit:
Nothing, which is not intended to cause death, is an offence by reason of any harm which it may cause, or be intended by the doer to cause, or be known by the doer to be likely to cause, to any person for whose benefit it is done in good faith, and who has given a consent, whether express or implied, to suffer that harm, or to take the risk of that harm.
২,১৮২.
দণ্ডবিধির ধারা ৭৮ অনুসারে, কোন কাজ অপরাধ নয় যদি তা করা হয়—
  1. পুলিশের নির্দেশে
  2. আইনজীবীর পরামর্শ ছাড়া
  3. ব্যক্তিগত শত্রুতার ভিত্তিতে
  4. আদালতের রায় বা আদেশ অনুযায়ী
সঠিক উত্তর:
আদালতের রায় বা আদেশ অনুযায়ী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতের রায় বা আদেশ অনুযায়ী
ব্যাখ্যা
⇒দণ্ডবিধির ধারা ৭৮ অনুযায়ী, কোনো কাজ অপরাধ বলে গণ্য হবে না যদি তা আদালতের রায় বা আদেশ অনুসারে করা হয়, এবং আদেশটি বলবৎ থাকাকালীন সময়ে করা হয়, এমনকি আদালতের সেই আদেশ দেওয়ার এখতিয়ার না থাকলেও, যদি কাজটি করা ব্যক্তি সরল বিশ্বাসে (Good Faith) মনে করে যে আদালতের এখতিয়ার আছে।

⇒দণ্ডবিধির ৭৮ ধারার বিধান- আদালতের রায় বা আদেশের অনুসরণে সম্পাদিত কাজ:
কোন আদালতের নির্দেশক্রমে অথবা কোন আদালতের রায় বা আদেশ অনুযায়ী উক্ত রায় বা আদেশ বলবৎ থাকাকালে সম্পাদিত কোন কাজ অপরাধ বলে অভিহিত হবে না; আদালতের অনুরূপ রায় বা আদেশ প্রদানের এখতিয়ার না থাকলেও অনুরূপ কাজ অপরাধ বলে অভিহিত হবে না যদি উক্ত কাজটি সম্পন্নকারী ব্যক্তি সরল মনে বিশ্বাস করে থাকে যে, আদালতের অনুরূপ এখতিয়ার রয়েছে।

⇒The Penal Code, 1860 Section 78: Act done pursuant to the judgment or order of Court:
Nothing which is done in pursuance of, or which is warranted by the judgment or order of, a Court of Justice, if done whilst such judgment or order remains in force, is an offence, notwithstanding the Court may have had no jurisdiction to pass such judgment or order, provided the person doing the act in good faith believes that the Court had such jurisdiction.
২,১৮৩.
দণ্ডবিধিতে মানহানির কয়টি ব্যতিক্রম (Exception) রয়েছে?
  1. ৪টি
  2. ৬টি
  3. ১০টি
  4. ১২টি
সঠিক উত্তর:
১০টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০টি
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪৯৯ ধারার বিধান মানহানি:- কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তির খ্যাতি বা সুনাম নষ্ট করার উদ্দেশ্যে বা তার খ্যাতি বা সুনাম নষ্ট হবে বলে জানা সত্ত্বেও বা তার বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও কথিত বা পঠিত হওয়ার জন্য অভিপ্রেত কথা বা চিহ্ন কর্তৃক বা দৃশ্যমান কল্পমূর্তির সাহায্যে সে ব্যক্তি সম্পর্কিত কোন নিন্দাবাদ প্রণয়ন বা প্রকাশ করে, তবে নিম্নে নির্দেশিত ব্যতিক্রমসমূহ ছাড়াই অন্যান্য ক্ষেত্রে, সে ব্যক্তি উক্ত অন্য ব্যক্তির মানহানি করে বলে পরিগণিত হয়।

ব্যাখ্যা ১:- যে মৃত ব্যক্তির জীবনকালে তার সম্পর্কে কোন নিন্দা করা হলে তার মানহানি ঘটত, সে মৃত ব্যক্তি সম্পর্কে অনুরূপ কোন নিন্দাবাদ এবং সে মৃত ব্যক্তির পরিবার-পরিজনের বা অন্যান্য কাছে আত্মীয়ের মনকে পীড়িত করার উদ্দেশ্যে অনুরূপ নিন্দাবাদ করা, মানহানি বলে পরিগণিত হবে।
ব্যাখ্যা ২:- কোন কোম্পানি বা সংঘ বা ব্যক্তিসমাবেশ সম্পর্কে সমষ্টিগতভাবে কোন নিন্দাবাদ করা মানহানি বলে পরিগণিত হতে পারে।
ব্যাখ্যা ৩:- বিকল্পরূপে বা বিদ্রূপাত্মকরূপে ব্যক্ত কোন নিন্দাবাদ মানহানির সামিল হতে পারে।
ব্যাখ্যা ৪:- কোন ব্যক্তি সম্পর্কে কোন নিন্দাবাদ প্রত্যক্ষভাবে বা পরোক্ষভাবে অন্যান্য ব্যক্তির দৃষ্টিতে সে ব্যক্তির নৈতিক বা বুদ্ধিগত চরিত্র হেয় না করলে, অথবা তার বর্ণ বা সম্প্রদায় কিংবা তার পেশার দিক হতে সে ব্যক্তির চরিত্রকে হেয় না করলে, অথবা সে ব্যক্তির প্রসিদ্ধি ক্ষুন্ন না করলে, অথবা তার দেহ বীভৎস বা ঘৃণা অবস্থায় বা যে অবস্থা সাধারণভাবে অরুচির বলে গণ্য, সে অবস্থায় রয়েছে বলে বিশ্বাস সৃষ্টি না করলে, সে ব্যক্তি সম্পর্কে উক্ত নিন্দাবাদ তার খ্যাতি বা সুনাম নষ্ট করে নাই বলে পরিগণিত হয়।

⇒ দণ্ডবিধির ৪৯৯ ধারায় মানহানি বা defamation এর সংজ্ঞা দেয়া হয়েছে এবং সেখানে মোট ১০ টি ব্যতিক্রম সাপেক্ষে এই অপরাধ সংঘটনের কথা বলা আছে।
⇒ ৪৯৯ ধারায় ১০টি  ব্যতিক্রম নিচে দেয়া হল-
১) জনস্বার্থে বা জনগণের কল্যাণের জন্য কারো প্রতি সত্য-দোষারোপ করা হলে তা মানহানি হবে না।
২) জনগণের প্রতি সরকারি কর্মচারীর আচরণ সম্পর্কে সৎ বিশ্বাসে কোন অভিমত প্রকাশ করা হলে তা মানহানি নয়।
৩) কোন জনসমস্যা/গণসমস্যা সম্পর্কে কোন ব্যক্তির আচরণ সম্পর্কে সৎ বিশ্বাসে অভিমত প্রকাশ করা হলে তা মানহানি নয়।
৪) কোন আদালতের কার্য বিবরণীর রিপোর্ট প্রকাশ করা হলে তা মানহানি নয়।
৫) আদালত কর্তৃক সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে এমন কোন ফৌজদারি বা দেওয়ানি মোকদ্দমার দোষ, গুণ বা সাক্ষী বা সাক্ষ্যের সম্পর্কে সৎ বিশ্বাসে কোন অভিমত প্রকাশ করা হলে তা মানহানি নয়।
৬) কোন বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়ার ভার জনগণের উপর ন্যস্ত করা হলে তখন এ বিষয়ে সৎ বিশ্বাসে অভিমত প্রকাশ করা হলে তা মানহানি নয়। যেমন- কোন ব্যক্তি কোন বই প্রকাশ করলে বা প্রকাশ্য স্থানে বক্তৃতা দিলে তখন তা বিচার করার জন্য জনগণের কাছে উপস্থাপন করা হয়েছে বলে গণ্য করা হবে।
৭) অন্যের উপর আইনসম্মতভাবে ক্ষমতা রয়েছে এমন ব্যক্তি সরল বিশ্বাসে কোন নিন্দা করলে তা মানহানি হবে না।
৮) ক্ষমতাসম্পন্ন কোন ব্যক্তির নিকট সৎ বিশ্বাসে অভিমত দেয়া হলে তা মানহানি বলে গণ্য হবে না। যেমন- পুলিশের কাছে কারো ব্যাপারে অভিযোগ করা ।
৯) কোন ব্যক্তি নিজের বা অন্যের স্বার্থ রক্ষা করতে গিয়ে বা জনস্বার্থে সৎ বিশ্বাসে কোন দোষারোপ করলে তা মানহানি নয়।
১০) জনকল্যাণে সৎ বিশ্বাসে কোন ব্যক্তিকে সতর্ক করে কিছু বলা হলে তা মানহানি হবে না ।

⇒ দণ্ডবিধির ৪৯৯ ধারায় মানহানির ১০ টি ব্যতিক্রম (Exception) রয়েছে অর্থাৎ এই ১০ টি ক্ষেত্রে কোন মানহানিকর উক্তি বা তথ্য প্রকাশ করা হলেও মানহানির অপরাধ হবেনা।

⇒ শান্তি: ধারা ৫০০ অনুযায়ী, মানহানি অপরাধের শাস্তি- ২ বছর পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়।
২,১৮৪.
দণ্ডবিধি অনুযায়ী মনুষ্য হরণের সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ৫ বছর কারাদণ্ড
  2. ৭ বছর কারাদণ্ড
  3. ১২ বছর কারাদণ্ড
  4. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
৭ বছর কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ৩৬২ ধারার বিধান অপহরণ বা মনুষ্যহরণ:- যদি কোন ব্যক্তি, অপর কোন ব্যক্তিকে কোন স্থান হতে গমন করার জন্য জোরপূর্বক বাধ্য করে বা কোন প্রতারণামূলক উপায়ে প্রলুব্ধ করে, তবে উক্ত ব্যক্তি অনুরূপ ব্যক্তিকে অপহরণ করে বলে গণ্য হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৬৩ ধারার বিধান মনুষ্য হরণের সাজা:- কোন ব্যক্তি যদি কাউকে বাংলাদেশ হতে অথবা আইনসম্মত অভিভাবকত্ব হতে অপহরণ করে নিয়ে যায়, তবে সে ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।
------------
The Penal Code, 1860 Section 362. Abduction: Whoever by force compels, or by any deceitful means induces, any person to go from any place, is said to abduct that person.

⇒ The Penal Code, 1860, Section 363. Punishment for kidnapping:- Whoever kidnaps any person from Bangladesh or from lawful guardianship, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine.
২,১৮৫.
দণ্ডবিধির ৪৪৫ ধারা অনুসারে "অপথে গৃহে প্রবেশ বা House breaking" হওয়ার জন্য কয়টি উপায়ের কথা উল্লেখ করা হয়েছে?
  1. ৪টি উপায়
  2. ৫টি উপায়
  3. ৬টি উপায়
  4. ৮টি উপায়
সঠিক উত্তর:
৬টি উপায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬টি উপায়
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৪৪৫ অনুসারে, "House-breaking" বা "গৃহভঙ্গ" সংঘটিত হয় যখন কেউ house-trespass commits করে নিম্নলিখিত ৬টি নির্দিষ্ট উপায়ের যে কোনো একটিতে প্রবেশ বা প্রস্থান করার মাধ্যমে:
প্রথমত: নিজে বা অপরাধের সহায়ক দ্বারা তৈরি করা passage দিয়ে প্রবেশ বা প্রস্থান করা।
দ্বিতীয়ত: কোনো এমন passage দিয়ে প্রবেশ বা প্রস্থান করা যা মানুষের প্রবেশের জন্য উদ্দেশ্য নয় (যেমন: ছাদ, চিমনি) বা দেয়াল টপকে প্রবেশ করা।
তৃতীয়ত: এমন কোনো passage দিয়ে প্রবেশ বা প্রস্থান করা যা trespasser বা তার সহায়ক দ্বারা খোলা হয়েছে এবং যা গৃহowner দ্বারা খোলার উদ্দেশ্য ছিল না (যেমন: জানালা ভাঙা)।
চতুর্থত: তালা ভেঙে বা খুলে প্রবেশ বা প্রস্থান করা।
পঞ্চমত: criminal force বা assault ব্যবহার করে বা assault-এর threat দিয়ে প্রবেশ বা প্রস্থান করা।
ষষ্ঠত: এমন কোনো passage দিয়ে প্রবেশ বা প্রস্থান করা যা trespasser জানে যে বন্ধ ছিল এবং সে বা তার সহায়ক এটি খুলেছে।
সুতরাং, সঠিক উত্তর গ) ৬টি উপায়।

⇒ দণ্ডবিধির ৪৪৫ ধারায় অপথে গৃহে প্রবেশের বিধান রয়েছে। ৪৪৫ ধারা অনুযায়ী নিম্নলিখিত ৬টি উপায়ে কোন গৃহে প্রবেশ করলে বা গৃহ থেকে বের হলে তা অপথে গৃহে প্রবেশ বা House breaking বলে গণ্য হবে। যথা-
i) বন্ধ দরজা বা পথ খুলে (Opening any passage fastended for );
ii) তালা খুলে বা ভেঙ্গে (Opening or breaking lock);
iii) নতুন পথ তৈরি করে (Passage made by him);
iv) আক্রমন বা বলপ্রয়োগের ভয় দেখিয়ে (Using criminal force);
v) আটকানো কোন কিছুকে খুলে বা অন্যভাবে মুক্ত করে অস্বাভাবিক পন্থায় ভিতরে প্রবেশ করা বা নির্গমন হওয়া; অথবা
vi) প্রবেশ বা প্রস্থানের জন্য নয় এমন পথ দিয়ে গৃহে প্রবেশ করলে অপথে গৃহ প্রবেশ (house breaking) এর অপরাধ হবে।
------
⇒ The Penal Code,1860-Section: 445: House-breaking: A person is said to commit “house-breaking" who commits house-trespass if he effects his entrance into the house or any part of it in any of the six ways hereinafter described; or if, being in the house or any part of it for the purpose of committing an offence, or, having committed an offence therein, he quits the house or any part of it in any of such six ways, that is to say:
Firstly.-If he enters or quits through a passage made by himself, or by any abettor of the house-trespass, in order to the committing of the house-trespass. 
Secondly.-If he enters or quits through any passage not intended by any person, other than himself or an abettor of the offence, for human entrance; or through any passage to which he has obtained access by scaling or climbing over any wall or building. 
Thirdly.-If he enters or quits through any passage which he or any abettor of the house-trespass has opened, in order to the committing of the house-trespass by any means by which that passage was not intended by the occupier of the house to be opened. 
Fourthly.-If he enters or quits by opening any lock in order to the committing of the house-trespass, or in order to the quitting of the house after a house-trespass. 
Fifthly.-If he effects his entrance or departure by using criminal force or committing an assault, or by threatening any person with assault. 
Sixthly.-If he enters or quits by any passage which he knows to have been fastened against such entrance or departure, and to have been unfastened by himself or by an abettor of the house-trespass. 
Explanation- Any out-house or building occupied with a house, and between which and such house there is an immediate internal communication, is part of the house within the meaning of this section.

২,১৮৬.
মিথ্যা সার্টিফিকেট প্রদান বা স্বাক্ষর করলে তার শাস্তি দণ্ডবিধির কত ধারায়?
  1. ১৯৯ ধারায়
  2. ১৯৬ ধারায়
  3. ১৯৭ ধারায়
  4. ১৯৮ ধারায়
সঠিক উত্তর:
১৯৭ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ১৯৭ ধারার বিধান মিথ্যা সার্টিফিকেট ইস্যু করা কিংবা উহাতে স্বাক্ষর করা:- কোন ব্যক্তি যদি আইনের নির্দেশানুসারে কোন সার্টিফিকেট ইস্যু করে কিংবা উহাতে স্বাক্ষর করে কিংবা যে বিষয়ে আইনানুসারে কোন সার্টিফিকেট সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য, সে বিষয়ে অনুরূপ সার্টিফিকেট দান বা স্বাক্ষর করে এবং সার্টিফিকেটটি কোন বাস্তব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের দিক হতে মিথ্যা বলে জানা সত্ত্বেও বা অনুরূপভাবে মিথ্যা বলে বিশ্বাস করা সত্ত্বেও অনুরূপভাবে উহা দান বা স্বাক্ষর করে থাকে, তবে সে ব্যক্তি স্বয়ং মিথ্যা সাক্ষ্যদান করলে যেভাবে দণ্ডিত হত, এক্ষেত্রেও সে সেভাবে দণ্ডিত হবে।
 
----------------------------------
♦ Issuing or signing false certificate:
Section 197. Whoever issues or signs any certificate required by law to be given or signed, or relating to any fact of which such certificate is by law admissible in evidence, knowing or believing that such certificate is false in any material point, shall be punished in the same manner as if he gave false evidence.
২,১৮৭.
দণ্ডবিধির কত ধারায় বলা আছে যে, ৯ বছরের নিচের শিশুর কাজ অপরাধ নয়?
  1. ৮১ ধারা
  2. ৮২ ধারা
  3. ৮৩ ধারা
  4. ৮৪ ধারা
সঠিক উত্তর:
৮২ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮২ ধারা
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০–এর ৮২ ধারাতে বলা হয়েছে যে, ৯ বছরের নিচে কোনো শিশুর দ্বারা সংঘটিত কাজ অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে না।
- আইনটি ধরে নেয় যে এত ছোট বয়সে শিশুর মানসিক পরিপক্কতা অপরাধের প্রকৃতি বা পরিণতি বোঝার মতো নয়।
- তাই তাদের কাজকে অপরাধ হিসেবে বিবেচনা করা যায় না। 
----------
⇒ The Penal Code, 1860- Sections- 82. Act of a child under nine years of age:
 Nothing is an offence which is done by a child under nine years of age.

২,১৮৮.
'ক' একজন সরকারি কর্মচারী এবং 'খ' তার স্ত্রী। 'খ' স্বামীকে প্রভাবিত করে চাকরির সংস্থান করার উদ্দেশ্যে উপহার গ্রহণ করেছেন, যা একটি অপরাধ। 'খ' দণ্ডবিধির কোন ধারায় দণ্ডিত হবেন?
  1. ১৬২
  2. ১৬৩
  3. ১৬৪
  4. ১৬৫
সঠিক উত্তর:
১৬৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬৩
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৬৩ ধারার বিধান সরকারী কর্মচারীর উপর ব্যক্তিগত প্রভাব প্রয়োগের জন্য পারিতোষিক গ্রহণ:- কোন ব্যক্তি যদি সরকারী কর্মচারীর উপর তার ব্যক্তিগত প্রভাব প্রয়োগ করে উক্ত সরকারী কর্মচারীকে দিয়ে কোন সরকারী কাজ করানোর বা করা হতে বিরত রাখার উদ্দেশ্যে বা পুরস্কার হিসাবে, অথবা সরকারী দায়িত্ব পালনকালে কোন ব্যক্তিকে অনুগ্রহ প্রদর্শন বা নিগ্রহ প্রদর্শন করানোর বা করা হতে বিরত রাখার জন্য, অথবা বাংলাদেশের সরকার বা আইনসভা দ্বারা কিংবা কোন সরকারী কর্মচারী দ্বারা কোন উপকার বা অপকার করানোর জন্য বা তা করানোর চেষ্টায় নিজের বা অপর কোন ব্যক্তির জন্য কারো নিকট থেকে কোনরূপ পারিতোষিক গ্রহণ করে, বা লাভ করে, বা গ্রহণ করতে সম্মত হয়, বা লাভ করতে চেষ্টা করে, তবে সে ব্যক্তি এক বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থদণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

- দণ্ডবিধির ১৬৪ ধারার বিধান সরকারী কর্মচারী দ্বারা ১৬২ বা ১৬৩ ধারায় বর্ণিত অপরাধগুলো সংঘটনে সহায়তা করার সাজা:- যে সরকারী কর্মচারীকে জড়িত করে উপরে উল্লেখিত সর্বশেষ দুইটি ধারায় বর্ণিত অপরাধসমূহের কোনটি অনুষ্ঠিত হয়, সে সরকারী কর্মচারী যদি সে অপরাধ সংঘটনে সহায়তা করেন, তবে তিনি তিন বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবেন।

-অর্থাৎ ১৬৩ ধারায় সরকারী কর্মচারীর উপর ব্যক্তিগত প্রভাব প্রয়োগকারী ব্যক্তি এবং ১৬৪ ধারায় সরকারী কর্মচারী দণ্ডিত হবেন।
-------------------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section -63.Taking gratification, for exercise of personal influence with public servant:
-Whoever accepts or obtains, or agrees to accept or attempts to obtain, from any person, for himself or for any other person, any gratification whatever, as a motive or reward for inducing, by the exercise of personal influence, any public servant to do or to forbear to do any official act, or in the exercise of the official functions of such public servant to show favour or disfavour to any person, or to render or attempt to render any service or disservice to any person with the Government or Legislature, or with any public servant, as such, shall be punished with simple imprisonment for a term which may extend to one year, or with fine, or with both.

⇒ The Penal Code, 1860- Section-164: Punishment for abetment by public servant of offences defined in section 162 or 163:
-Whoever, being a public servant, in respect of whom either of the offences defined in the last two preceding sections is committed, abets the offence, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, or with fine, or with both.

Illustration:
A is a public servant. B, A's wife, receives a present as a motive for soliciting A to give an office to a particular person. A abets her doing so. B is punishable with imprisonment for a term not exceeding one year, or with fine, or with both. A is punishable with imprisonment for a term which may extend to three years, or with fine, or with both.
২,১৮৯.
According to Section 350 of The Penal Code, what is necessary for a person to be considered to have used criminal force?
  1. The person must cause physical injury
  2. The person must intend to cause only minor annoyance
  3. The person must use force intentionally without consent
  4. The person must use force with the consent of the other party
সঠিক উত্তর:
The person must use force intentionally without consent
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The person must use force intentionally without consent
ব্যাখ্যা
Answer: (C) The person must use force intentionally without consent.
 
⇒ দণ্ডবিধির ৩৫০ ধারার বিধান অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ:- কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তির উপর সম্মতি ব্যতীত বল প্রয়োগ করে এবং কোন অপরাধ অনুষ্ঠানের উদ্দেশ্যে অথবা অনুরূপ শক্তি প্রয়োগ কর্তৃক, যে ব্যক্তির উপর বল প্রয়োগ করা হল, তার জখম বা ভয় বা বিরক্তি উৎপাদনের উদ্দেশ্যে অথবা তার শক্তি প্রয়োগের ফলে, যার উপর শক্তি প্রয়োগ করা হল, তার জখম, ভয় বা বিরক্তি উৎপাদিত হতে পারে জানা সত্ত্বেও যদি সে অনুরূপ বল প্রয়োগ করে, তবে সে ব্যক্তি অন্য ব্যক্তির উপর অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করেছে বলে পরিগণিত হয়।
উদাহরণ:
(ক) চ নদীতে নোঙ্গর করা একটি নৌকাতে বসে আছে। ক নোঙ্গর তুলে দিল এবং এইভাবে ইচ্ছাপূর্বক নৌকাটিকে নদীতে ভেসে যেতে দিল। এখানে ক ইচ্ছাকৃতভাবে চ-তে গতি সঞ্চার করল, এবং তা করল একটি বস্তুকে এমনভাবে সঞ্চালিত করে, যে বস্তুটি সঞ্চালনের পর কোন ব্যক্তির অন্যকোন কাজ ব্যতীতই উহাতে গতি সঞ্চারিত হয়েছে। সুতরাং ক-ইচ্ছাকৃতভাবে চ-এর উপর বল প্রয়োগ করেছে এবং ক যদি এটা চ-এর সম্মতি ব্যতীত করে থাকে এবং তার উদ্দেশ্য যদি হয় কোন অপরাধ অনুষ্ঠান করা, অথবা সে যদি এইরূপ উদ্দেশ্য নিয়ে বা এইরূপ জানা সত্ত্বেও কার্যটি করে থাকে যে, চ জখম, বিরক্তি বা ভীতিগ্রস্ত হতে পারে, তবে ক চ-এর উপর অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করেছে।
-----------
⇒ The Penal Code, 1860, Section 350: Criminal force:
-Whoever intentionally uses force to any person, without that person's consent, in order to the committing of any offence, or intending by the use of such force to cause, or knowing it to be likely that by the use of such force he will cause injury, fear or annoyance to the person to whom the force is used, is said to use criminal force to that other. 
 
Illustration:
(a) Z is sitting in a moored boat on a river. A unfastens the moorings, and thus intentionally causes the boat to drift down the stream. Here A intentionally causes motion to Z, and he does this by disposing substances in such a manner that the motion is produced without any other action on any person's part. A has therefore intentionally used force to Z; and if he has done so without Z's consent, in order to the committing of any offence, or intending or knowing it to be likely that this use of force will cause injury, fear or annoyance to Z, A has used criminal force to Z. 
 
(b) Z is riding in a chariot. A lashes Z's horses, and thereby causes them to quicken their pace. Here A has caused change of motion to Z by inducing the animals to change their motion. A has therefore used force to Z; and if A has done this without Z's consent, intending or knowing it to be likely that he may thereby injure, frighten or annoy Z, A has used criminal force to Z. 
 
(c) Z is riding in a palanquin. A, intending to rob Z, seizes the pole and stops the palanquin. Here A has caused cessation of motion to Z, and he has done this by his own bodily power. A has therefore used force to Z; and as A has acted thus intentionally, without Z's consent, in order to the commission of an offence. A has used criminal force to Z. 
২,১৯০.
দণ্ডবিধির কত ধারায় নির্জন কারাবাসের বিধান আছে?
  1. ৫৩
  2. ৬৩
  3. ৭৩
  4. ৭৪
সঠিক উত্তর:
৭৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭৩
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৭৩ ধারার বিধান: নির্জন কারাবাস:
-
যদি কোন ব্যক্তিকে এমন কোন অপরাধের জন্য দণ্ডিত করা হয়, যে অপরাধের জন্য আদালত এই আইনবলে তাকে সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করতে পারেন তবে, আদালত তার দণ্ডাজ্ঞার মাধ্যমেই আদেশ করতে পারবেন যে অপরাধীকে তার বিরুদ্ধে প্রদত্ত কারাদণ্ডের মেয়াদের কোন অংশবিশেষের বা কয়েকটি অংশের জন্য-যা সর্বসাকুল্যে তিন মাসের বেশি হতে পারবে না-নির্জন কারাবাসে আবদ্ধ রাখা হবে বিভিন্ন ক্ষেত্রে কতসময়ের জন্য অপরাধীকে নির্জন কারাবাসে আবদ্ধ রাখা হবে তা নিম্নে নির্দেশ করা যাচ্ছে: কারাদণ্ডের মেয়াদ ছয় মাসের অধিক না হলে অনধিক এক মাস পর্যন্ত; কারাদণ্ডের মেয়াদ ছয় মাসের অধিক কিন্তু এক বৎসরের অনধিক হলে অনধিক দুই মাস পর্যন্ত; কারাদণ্ডের মেয়াদ এক বৎসরের অধিক হলে অনধিক তিন মাস পর্যন্ত। 
----------------
⇒ The Penal Code, 1860-Section-73: Solitary confinement:
-Whenever any person is convicted of an offence for which under this Code the Court has power to sentence him to rigorous imprisonment, the Court may, by its sentence, order that the offender shall be kept in solitary confinement for any portion or portions of the imprisonment to which he is sentenced, not exceeding three months in the whole, according to the following scale, that is to say
a time not exceeding one month if the term of imprison-ment shall not exceed six months:
a time not exceeding two months if the term of imprisonment shall exceed six months and shall not exceed one year:
a time not exceeding three months if the term of imprisonment shall exceed one year.
২,১৯১.
বে-আইনি শ্রমে বাধ্য করা- দণ্ডবিধির কত ধারার অপরাধ?
  1. দণ্ডবিধির ৩৭৪ ধারা
  2. দণ্ডবিধির ৩৭২ ধারা
  3. দণ্ডবিধির ৩৭৩ ধারা
  4. দণ্ডবিধির ৩৭৬ ধারা
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধির ৩৭৪ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধির ৩৭৪ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৭৪ ধারার বিধান বেআইনী শ্রমে বাধ্য করা :- (১) কোন ব্যক্তি যদি কাউকে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে শ্রম দান করতে বাধ্য করে, তবে সে ব্যক্তি এক বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

(২) কোন ব্যক্তি যদি কোন যুদ্ধবন্দী বা অপর কোন আশ্রিত ব্যক্তিকে বাংলাদেশ সশ্রম বাহিনীতে কার্য করতে বাধ্য করে, তবে সে ব্যক্তি এক বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে।

ব্যাখ্যা:- এই “যুদ্ধবন্দী" এবং "আশ্রিত ব্যক্তি" অভিব্যক্তিসমূহ যথাক্রমে ১৯৪৯ সনের ১২ই আগষ্ট তারিখের যুদ্ধবন্দীর ব্যবস্থাপনা সম্পর্কিত জেনেভা সম্মেলনের-৪ দফা এবং ১৯৪৯ সনের ১২ই আগষ্ট তারিখের যুদ্ধকালে বেসামরিক ব্যক্তিবর্গের নিরাপত্তা সম্পর্কিত জেনেভা সম্মেলনের ৪ দফা মোতাবেক তৎসমূহের প্রতি আরোপিত অর্থের অনুরূপ অর্থ দ্যোতক হবে।
----------------
Unlawful compulsory labour
Section 374. (1) Whoever unlawfully compels any person to labour against the will of that person, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to one year, or with fine, or with both. 
 
(2) Whoever compels a prisoner of war or a protected person to serve in the armed forces of Bangladesh shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to one year. 
 
Explanation. In this section the expressions "prisoner of war" and "protected person" shall have the same meaning as have been assigned to them respectively by Article 4 of the Geneva Convention Relative to the Treatment of Prisoners of War of August 12, 1949, and Article 4 of the Geneva Convention Relative to the Protection of Civilian Persons in Time of War of August 12, 1949,
২,১৯২.
কত বছরের শিশুকে পরিত্যাগ করলে পিতা বা মাতার ৭ বছরের কারাদন্ডহবে-
  1. ১২ বছরের নিম্ন বয়স্ক শিশু
  2. ৯ বছরের নিম্ন বয়স্ক শিশু
  3. ৩ মাসের নিম্ন বয়স্ক শিশু
  4. ১ মাসের নিম্ন বয়স্ক শিশু
সঠিক উত্তর:
১২ বছরের নিম্ন বয়স্ক শিশু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২ বছরের নিম্ন বয়স্ক শিশু
ব্যাখ্যা
♦ দন্ডবিধির ৩১৭ ধারা অনুযায়ী, পিতা বা মাতা কিংবা শিশুর দায়িত্বেরত কোন ব্যক্তি যদি ১২ বছরের নিম্ন বয়স্ক শিশুকে পরিত্যাগ করে তাহলে তার শাস্তি হতে পারে ৭ বছর পর্যন্ত কারাদন্ড বা অর্থদন্ড বা উভয়দন্ড।
২,১৯৩.
দুষ্কর্মে সহয়তা (Abetment) কয়টি উপায়ে সংঘটিত হতে পারে?
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
→ দণ্ডবিধিতে দুষ্কর্মের সহায়তার (Abetment) সংজ্ঞা রয়েছে -১০৭ ধারায়।
→ দণ্ডবিধির ১০৭ ধারা অনুযায়ী যে সমস্ত কাজ করলে অপরাধ হয় সেই সমস্ত কাজ করার জন্য প্রত্যক্ষভাবে বা পরোক্ষভাবে কোন ইন্ধন যোগান কিংবা সমর্থন করাকে আইনের ভাষায় প্ররোচনা বা Abetment বলা হয়ে।
→ দণ্ডবিধির ১০৭ ধারা অনুযায়ী ৩ ভাবে প্ররোচনা বা অপরাধে সহায়তা অপরাধ হতে পারে।
(i) কাউকে প্ররোচিত করে
(ii) ষড়যন্ত্রে অংশগ্রহণ করে
(iii) কার্য বা কার্যবিরতি দ্বারা ইচ্ছাকৃতভাবে সাহায্য করে

অপরাধে সহায়তা বা প্ররোচনা (Abetment):
অপরাধে সহায়তা বা প্ররোচনা বলতে এমন কাজ বা কার্যক্রম বোঝায় যা অন্যকে অপরাধ করতে উসকানির মাধ্যমে সহায়তা করে। এর মধ্যে রয়েছে:
- অনুপ্রেরণা বা উসকানি (Instigation): অন্য কাউকে অপরাধ করার জন্য উদ্বুদ্ধ বা প্ররোচিত করা।
- ষড়যন্ত্র (Conspiracy): অপরাধ করার জন্য অন্য কারও সাথে গোপনে পরিকল্পনা করা।
- সহায়তা (Assistance): অপরাধ সংঘটনে সরাসরি সাহায্য করা।
→ যখন কোনো ব্যক্তি অন্য কাউকে অপরাধ করতে সাহায্য বা উসকানি দেয়, তখন তাকে অপরাধের সাথে সম্পর্কিত হিসেবে দণ্ডবিধির ১০৮ ধারায় প্ররোচনাকারী হিসেবে গণ্য করা হয়।
→ দণ্ডবিধির ১০৭ ধারায় উল্লেখ করা হয়েছে যে, যেকোনো ব্যক্তি যদি অপরাধ করার জন্য কাউকে প্ররোচিত করে বা অপরাধ সংঘটনের জন্য চক্রান্তে লিপ্ত হয়, তবে তাকে অপরাধে সহায়তা বা প্ররোচনাকারী বলে গণ্য করা হবে।

উদাহরণ: যদি একজন ব্যক্তি অন্য কাউকে চুরি করতে উসকানি দেয় বা চুরির জন্য তাকে সাহায্য করে, তবে সে সেই অপরাধের জন্য দায়ী হবে।
---------
- The Penal Code, 1860 Section 107: Abetment of a thing:
- A person abets the doing of a thing, who-
Firstly.- Instigates any person to do that thing; or
Secondly.- Engages with one or more other person or persons in any conspiracy for the doing of that thing, if an act or illegal omission takes place in pursuance of that conspiracy, and in order to the doing of that thing; or
Thirdly.- Intentionally aids, by any act or illegal omission, the doing of that thing.
Explanation-1.- A person who, by wilful misrepresenta-tion, or by wilful concealment of a material fact which he is bound to disclose, voluntarily causes or procures, or attempts to cause or procure, a thing to be done, is said to instigate the doing of that thing.
Explanation-2.- Whoever, either prior to or at the time of the commission of an act, does anything in order to facilitate the commission of that act, and thereby facilitates the commission thereof, is said to aid the doing of that act.
২,১৯৪.
'ক' এর প্ররোচনায় 'খ' খুন করার উদ্দেশ্যে 'গ' কে ছুরিকাঘাত করে। 'গ' চিকিৎসান্তে সুস্থ হয়ে উঠে। 'ক' নিম্নের কোন অপরাধ করেছে?
  1. গুরুতর আঘাতের প্ররোচনা
  2. নরহত্যার প্ররোচনা
  3. খুন করার প্ররোচনা
  4. 'গ' সুস্থ হওয়ার কোন অপরাধ হয়নি
সঠিক উত্তর:
খুন করার প্ররোচনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খুন করার প্ররোচনা
ব্যাখ্যা
• যে সমস্ত কাজ করলে অপরাধ হয় সেই সমস্ত কাজ করার জন্য প্রত্যক্ষভাবে বা পরোক্ষভাবে কোন ইন্ধন যোগান কিংবা সমর্থন করাকে, আইনের ভাষায় প্ররোচনা বা Abetment বলা হয়ে।

দণ্ডবিধির  ১০৭ ধারা অনুযায়ী ৩ ভাবে প্ররোচনা বা অপরাধে সহায়তা অপরাধ হতে পারে-

(i) কাউকে প্ররোচিত করে (instigation);
(ii) ষড়যন্ত্রে অংশগ্রহণ করে (engagement);
(iii) কার্য বা কার্যবিরতি দ্বারা ইচ্ছাকৃতভাবে সাহায্য করে (aiding)।

দণ্ডবিধির ধারা ১০৮ এর ব্যাখ্যা-২ অনুযায়ী-
প্ররোচিত কাজটি সংঘটিত না হলেও প্ররোচনার অপরাধ হবে। যে অপরাধ সংঘটনের জন্য প্ররোচনা করা হয়েছে সেই অপরাধ সংঘটিত হোক বা না হোক শুধুমাত্র প্ররোচনা প্রমাণিত হলেই প্ররোচনাকারীকে বা দোষ কর্মের সহায়তাকারী উক্ত অপরাধের অপরাধমূলক কাজের প্ররোচনা করার জন্য দায়ী হবে। অর্থাৎ অপরাধ সংঘটিত হোক বা না হোক তাতে কিছু আসে যায় না দোষ কর্মের সহায়তার অপরাধ প্ররোচনার সাথে সাথেই সম্পূর্ণ হয়ে যায়।

Section 108- Abettor:
A person abets an offence, who abets either the commission of an offence, or the commission of an act which would be an offence, if committed by a person capable by law of committing an offence with the same intention or knowledge as that of the abettor. 
 
Explanation 1-
The abetment of the illegal omission of an act may amount to an offence although the abettor may not himself be bound to do that act. 
 
Explanation 2-
To constitute the offence of abetment it is not necessary that the act abetted should be committed, or that the effect requisite to constitute the offence should be caused.
২,১৯৫.
পেনাল কোড এর ৩২৪ ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ আপোষ করতে পারে-
  1. পাবলিক প্রসিকিউটর
  2. আসামী
  3. ম্যাজিস্ট্রেট
  4. ভিকটিম
সঠিক উত্তর:
ভিকটিম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভিকটিম
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারী কার্যবিধির ৩৪৫ ধারা অনুযায়ী পেনাল কোডের ৩২৪ ধারার মারাত্মক অস্ত্র দ্বারা বা বিপজ্জনক উপায়ে ইচ্চাকৃত ভাবে আঘাত করা অপরাধের আপোষ মীমাংসা করতে পারেন যাকে আঘাত করা হয়েছে সে।
♦অর্থাৎ পেনাল কোড এর ৩২৪ ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ আপোষ করতে পারে ভিকটিম বা যাকে আঘাত করা হয়েছে সে।
২,১৯৬.
কয়টি ক্ষেত্রে সম্পত্তি সম্পর্কিত ব্যক্তিগত প্রতিরক্ষার অধিকার মৃত্যু ঘটানোর ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হতে পারে?
  1. ৩টি
  2. ৪টি
  3. ৫টি
  4. ৬টি
সঠিক উত্তর:
৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪টি
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: ৪টি; [ধারা: ১০৩, দণ্ডবিধি]।

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ১০৩: যেক্ষেত্রে সম্পত্তি সম্পর্কিত ব্যক্তিগত আত্নরক্ষার অধিকার মৃত্যু ঘটাইবার ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হয়:
সম্পত্তি রক্ষার ব্যক্তিগত অধিকার ৯৯ ধারায় আরোপিত নিয়ন্ত্রণ সাপেক্ষে স্বেচ্ছাকৃতভাবে অপরাধকারীর মৃত্যু সংঘটন বা তার অপর কোনরূপ ক্ষতিসাধন পর্যন্ত প্রয়োগযোগ্য হবে, যদি যে অপরাধটি করার বা করার চেষ্টার বিরুদ্ধে এই অধিকার প্রয়োগ আবশ্যকীয় হয়ে পড়েছে সে অপরাধটি নিম্নবর্ণিত বিভিন্ন প্রকৃতির মধ্যে যে কোন এক ধরনের হয়, যথা:-
প্রথমত (First): দস্যুতা;
দ্বিতীয়ত (Secondly): রাত্রিবেলা অপথে গৃহে প্রবেশ করা:
তৃতীয়ত (Thirdly): কোন গৃহ, তাবু বা যানবাহনে অগ্নিসংযোগ করে ক্ষতি সাধন, যদি গৃহটি, তাবুটি বা যানবাহনটি মানুষের বাসস্থান হিসেবে অথবা সম্পত্তি রাখার স্থান হিসেবে ব্যবহৃত হয়;
চতুর্থত (Fourthly): চুরি, অনিষ্টকারিতা, অথবা গৃহে অনধিকার প্রবেশ, যদি পরিস্থিতি এমন হয় যে, সংশ্লিষ্ট আত্মরক্ষার ব্যক্তিগত অধিকারটি প্রয়োগ না করলে মৃত্যু বা গুরুতর আঘাত অনিবার্য বলে ন্যায়সঙ্গতভাবেই আশঙ্কার উদ্ভব হয়।
২,১৯৭.
দণ্ডবিধিতে "বছর" বা "মাস" কীভাবে গণনা করা হয়?
  1. বাংলা ক্যালেন্ডার অনুযায়ী
  2. হিজরি ক্যালেন্ডার অনুযায়ী
  3. ব্রিটিশ ক্যালেন্ডার অনুযায়ী
  4. ইসলামিক ক্যালেন্ডার অনুযায়ী
সঠিক উত্তর:
ব্রিটিশ ক্যালেন্ডার অনুযায়ী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্রিটিশ ক্যালেন্ডার অনুযায়ী
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ৪৯ ধারা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করে যে, "year" বা "month" শব্দ ব্যবহৃত হলে তা ইংরেজি ক্যালেন্ডার (অথবা গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার) অনুযায়ী গণনা করা হবে।
- ইংরেজি ক্যালেন্ডারে এক বছর ৩৬৫ দিন (অথবা লিপ বছরের ক্ষেত্রে ৩৬৬ দিন) এবং এক মাস ৩০ বা ৩১ দিন (ফেব্রুয়ারিতে ২৮ বা ২৯ দিন) হিসেবে গণনা করা হয়।

অর্থাৎ, দণ্ডবিধিতে "বছর" বা "মাস" গণনা করা হয় ব্রিটিশ ক্যালেন্ডার (গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার) অনুযায়ী।
- সঠিক উত্তর: গ) ব্রিটিশ ক্যালেন্ডার অনুযায়ী।
----------
⇒ The Penal Code, 1860- Sections- 49.“Year” “Month”:
- Wherever the word "year" or the word "month" is used, it is to be understood that the year or the month is to be reckoned according to the British calendar.

২,১৯৮.
যদি কোন ব্যক্তি ইচ্ছাপূর্বক তাহার বা অন্য কোন ব্যক্তির উপর কোন সরকারী কর্মচারী কর্তৃক সমন, নোটিশ বা আদেশ জারি বন্ধ বা প্রতিরোধ করে, তবে সেই ব্যক্তির সর্বোচ্চ শাস্তি কী হবে?
  1. ১ মাসের কারাদণ্ড
  2. ৩ মাসের কারাদণ্ড
  3. ৬ মাসের কারাদণ্ড
  4. ১ বছরের কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
১ মাসের কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ মাসের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৭৩ ধারার বিধান সমন বা নোটিস জারি করিতে বা লটকাইয়া দিতে বাধা দেওয়া বা লটকানোর পর উহা অপসারণ করা বা কোন হুলিয়া জারি করিতে বাধা দেওয়া:
- কোন ব্যক্তি যদি ইচ্ছাপূর্বক তার বা অপর কোন ব্যক্তির উপর কোন সমন, নোটিশ বা আদেশ জারী করতে ক্ষমতাসম্পন্ন কোন সরকারী কর্মচারী কর্তৃক তার উপর বা অন্য কোন ব্যক্তির উপর অনুরূপ কোন সমন বা নোটিশ বা আদেশ জারি বন্ধ করে বা বাধার সৃষ্টি করে; অথবা ইচ্ছাপূর্বক অনুরূপ সমন, নোটিশ বা আদেশ কোন স্থানে আইনসম্মত ভাবে টানিয়ে বা লাগিয়ে দেওয়া বন্ধ করে বা বাধার সৃষ্টি করে, অথব ইচ্ছাপূর্বক যে স্থানে অনুরূপ সমন, নোটিশ বা আদেশ আইনসম্মতভাবে টানিয়ে বা লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে সে স্থান হতে উহা অপসারিত করে। অথবা ইচ্ছাপূর্বক আইনসম্মতভাবে কোন ঘোষণা প্রচার বা প্রকাশ করার নির্দেশদানের আইনানুগ ক্ষমতাসম্পন্ন কোন সরকারী কর্মচারীর অনুমতানুসারে অনুরূপ কোন ঘোষণার আইনসম্মত প্রচার বা প্রকাশ বন্ধ করে বা বাধার সৃষ্টি করে, তবে সে ব্যক্তি এক মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা পাচশত টাকা পর্যন্ত যে কোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে;
- অথবা সমন, নোটিশ, আদেশ বা ঘোষণাটি যদি স্বয়ং বা প্রতিনিধি মারফত উপস্থিত হওয়ার কিংবা কোন আদালতে কোন দলিল পেশের নির্দেশমূলক হয়ে থাকে, তবে সে ব্যক্তি ছয় মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা এক হাজার টাকা পর্যন্ত যে কোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
------------ 
⇒The Penal Code, 1860-Section 173. Preventing service of summons or other proceeding or preventing publication thereof:
 Whoever in any manner intentionally prevents the serving on himself, or on any other person, of any summons, notice or order proceeding from any public servant legally competent, as such public servant, to issue such summons, notice or order,  
or intentionally prevents the lawful affixing to any place of any such summons, notice or order, 
or intentionally removes any such summons, notice or order, from any place to which it is lawfully affixed, 
or intentionally prevents the lawful making of any proclamation, under the authority of any public servant legally competent, as such public servant, to direct such proclamation to be made, 
shall be punished with simple imprisonment for a term which may extend to one month, or with fine which may extend to five hundred taka, or with both; 
or, if the summons, notice, order or proclamation is to attend in person or by agent, or to produce a document in a Court of Justice, with simple imprisonment for a term which may extend to six months, or with fine which may extend to one thousand taka, or with both.
২,১৯৯.
Which of the following must accompany robbery or child-stealing for a person to be considered a "Thug" under Section 310 of The Penal Code, 1860?
  1. Extortion
  2. Murder
  3. Kidnapping
  4. Physical assault
সঠিক উত্তর:
Murder
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Murder
ব্যাখ্যা
Section 310- Thug:
Whoever, at any time after the passing of this Act, shall have been habitually associated with any other or others for the purpose of committing robbery or child-stealing by means of or accompanied with murder, is a thug.

⇒ দণ্ডবিধির ৩১০ ধারা- ঠগ:
কোন ব্যক্তি যদি এই আইন পাস হওয়ার পরে কোন সময় খুনের মাধ্যমে বা খুন সহ দস্যুতা সাধন বা শিশু অপহরণের জন্য অপর এক বা একাধিক ব্যক্তির সাথে অভ্যাসগতভাবে সংশ্লিষ্ট হয়ে থাকে, তবে সে ব্যক্তি একজন ঠগ।
২,২০০.
দণ্ডবিধির ধারা ৪০৫ অনুসারে, অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের মূল উপাদান কী?
  1. সম্পত্তি ক্রয়-বিক্রয়
  2. সম্পত্তির মালিকানা হস্তান্তর
  3. সম্পত্তির মালিকের সম্মতিতে ব্যবহার
  4. অসৎ উদ্দেশ্যে সম্পত্তি আত্মসাৎ বা ব্যবহার
সঠিক উত্তর:
অসৎ উদ্দেশ্যে সম্পত্তি আত্মসাৎ বা ব্যবহার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অসৎ উদ্দেশ্যে সম্পত্তি আত্মসাৎ বা ব্যবহার
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ৪০৫ অনুসারে, অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ (Criminal Breach of Trust) হলো যখন কোনো ব্যক্তি, যিনি কোনো সম্পত্তি বা সম্পত্তির উপর নিয়ন্ত্রণের দায়িত্বপ্রাপ্ত হয়েছেন, অসৎ উদ্দেশ্যে সেই সম্পত্তি আত্মসাৎ করে, নিজের ব্যবহারে প্রয়োগ করে, বা আইনি নির্দেশ বা চুক্তি লঙ্ঘন করে সেই সম্পত্তি ব্যবহার বা নিষ্পত্তি করে, অথবা ইচ্ছাকৃতভাবে অন্য কাউকে তা করতে দেয়। এই অপরাধের মূল উপাদান হলো:
দায়িত্বপ্রাপ্ত হওয়া (Entrustment): ব্যক্তিকে সম্পত্তি বা তার উপর নিয়ন্ত্রণের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
অসাধুতা (Dishonesty): সম্পত্তি আত্মসাৎ, ব্যবহার বা নিষ্পত্তি অসৎ উদ্দেশ্যে করা হয়।
আইন বা চুক্তি লঙ্ঘন: সম্পত্তির ব্যবহার বা নিষ্পত্তি আইনের নির্দেশ বা প্রকাশ্য/অপ্রকাশ্য চুক্তির বিপরীত হতে হবে।
ইচ্ছাকৃতভাবে অন্যকে অনুমতি দেওয়া: ইচ্ছাকৃতভাবে অন্য কাউকে সম্পত্তি অসাধুভাবে ব্যবহার করতে দেওয়াও এই অপরাধের আওতায় পড়ে।
অর্থাৎ অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের মূল উপাদান হলো অসৎ উদ্দেশ্যে দায়িত্বপ্রাপ্ত সম্পত্তি আত্মসাৎ বা ব্যবহার করা, যা ধারা ৪০৫-এর সংজ্ঞার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

⇒ দণ্ডবিধির ৪০৫ ধারার বিধান অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ:- কোন ব্যক্তি যদি কোনভাবে কোন সম্পত্তির বা সম্পত্তি পরিচালনের দায়িত্বপ্রাপ্ত হয়ে, অসাধুভাবে সে সম্পত্তি আত্মসাৎ করে বা নিজের ব্যবহারে প্রয়োগ করে, অথবা অনুরূপ দায়িত্ব যেভাবে নির্বাহিত হত বলে বিহিত আইনে নির্দেশ করা হয়েছে, তা খেলাফ করে সে দায়িত্ব নির্বাহ সম্পর্কে সে প্রকাশ্য বা অনুরূপ যে আইনগত চুক্তি করেছে তা খেলাফ করে সে সম্পত্তি অসাধুভাবে ব্যবহার করে, বা বিলি ব্যবস্থা করে অথবা ইচ্ছাপূর্বক অপর কোন ব্যক্তিকে তা করতে দেয়, তবে উক্ত ব্যক্তি 'অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের' অপরাধ করেছে।
------------
⇒The Penal Code, 1860,-Section 405. Criminal breach of trust:
 Whoever, being in any manner entrusted with property, or with any dominion over property, dishonestly misappropriates or converts to his own use that property, or dishonestly uses or disposes of that property in violation of any direction of law prescribing the mode in which such trust is to be discharged, or of any legal contract, express or implied, which he has made touching the discharge of such trust, or wilfully suffers any other person so to do, commits "criminal breach of trust".