বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

The Penal Code, 1860

মোট প্রশ্ন২,৪৪৭এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

The Penal Code, 1860

PrepBank · পাতা ১৯ / ২৫ · ১,৮০১১,৯০০ / ২,৪৪৭

১,৮০১.
দণ্ডবিধির ধারা ৪২৫ অনুযায়ী নিম্নলিখিত কোনটি Mischief এর উদাহরণ হতে পারে?
  1. সম্পত্তি অজ্ঞাতভাবে ধ্বংস করা
  2. সম্পত্তি ব্যবহার অযোগ্য করে তোলা
  3. সম্পত্তির অবস্থা পরিবর্তন করে তার মূল্য কমানো
  4. উপরোক্ত সবই
সঠিক উত্তর:
উপরোক্ত সবই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরোক্ত সবই
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৪২৫ অনুসারে, Mischief বা ক্ষতি তখনই সংঘটিত হয় যখন কোনো ব্যক্তি অন্যায় ক্ষতি বা অনিষ্ট সাধনের উদ্দেশ্যে নিম্নলিখিত যেকোনো কাজ করে:
- কোনো সম্পত্তির ধ্বংসসাধন (যেমন– অজ্ঞাতসারে বা উদ্দেশ্যমূলকভাবে সম্পত্তি নষ্ট করা)।
- সম্পত্তির এমন কোনো পরিবর্তন করা যার ফলে তার মূল্য বা উপযোগিতা নষ্ট হয় বা হ্রাস পায় (যেমন– সম্পত্তি ব্যবহারের অযোগ্য করে তোলা)।
- সম্পত্তির অবস্থার এমন পরিবর্তন করা যা ক্ষতিসাধক (যেমন– সম্পত্তির অবস্থা পরিবর্তন করে তার মূল্য কমানো)।
সুতরাং, ক, খ ও গ – তিনটি বিকল্পই Mischief-এর সংজ্ঞার অন্তর্ভুক্ত।

⇒ দণ্ডবিধির ৪২৫ ধারার বিধান ক্ষতি বা অনিষ্ট:- কোন ব্যক্তি যদি জনসাধারণের বা কোন ব্যক্তির অন্যায় ক্ষতি বা অনিষ্ট করার উদ্দেশ্যে, অথবা সে জনসাধারণের বা কোন ব্যক্তির অন্যায় ক্ষতি বা অনিষ্ট করতে পারে বলে জানা সত্ত্বেও কোন সম্পত্তি ধ্বংস বা বিনষ্ট করে, অথবা কোন সম্পত্তিতে বা উহার অবস্থানে এমন কোন পরিবর্তন সাধন করে, যার ফলে উহার মূল্য বা আবশ্যকতা বিনষ্ট হয় বা হ্রাস প্রাপ্ত হয়, বা উহা ক্ষতিগ্রস্ত হয়, তবে উক্ত ব্যক্তি 'ক্ষতি' সাধন করেছে বলে গণ্য হবে।
ব্যাখ্যা-১: ক্ষতি অনুষ্ঠিত হওয়ার জন্য অপরাধীর ক্ষতিগ্রস্ত কিংবা বিনষ্ট সম্পত্তির মালিকের ক্ষতি বা লোকসান করার ইচ্ছা থাকা প্রয়োজন নয়। কোন সম্পত্তির ক্ষতিসাধন করে কোন ব্যক্তির অন্যায় ক্ষতি বা ব্যক্তিসানের উদ্দেশ্য থাকলে অথবা সম্পত্তির অনুরূপ ক্ষতিসাধন কর্তৃক কোন ব্যক্তির অন্যায় ক্ষতি বা ব্যক্তিসানের আশঙ্কা রয়েছে জানা সত্ত্বেও সম্পত্তিটির ক্ষতিসাধন করলে অপরাধটি সংঘটিত হবে, যে সম্পত্তিটির অনুরূপ ক্ষতিসাধন করা হল, সে সম্পত্তিটি অনুরূপে অন্যায়ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির সম্পত্তি হোক আর নাই হোক।
ব্যাখ্যা-২: যে ব্যক্তি কাজ সংঘটন করল সে ব্যক্তির নিজের বা মিলিতভাবে সে ব্যক্তির ও অন্যান্য ব্যক্তির সম্পত্তি ক্ষতিগ্রস্ত করে অনুষ্ঠিত কাজ কর্তৃক ক্ষতি সাধিত হতে পারে।
------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 425. Mischief:
Whoever, with intent to cause, or knowing that he is likely to cause, wrongful loss or damage to the public or to any person, causes the destruction of any property, or any such change in any property or in the situation thereof as destroys or diminishes its value or utility, or affects it injuriously, commits "mischief".
Explanation-1: It is not essential to the offence of mischief that the offender should intend to cause loss or damage to the owner of the property injured or destroyed. It is sufficient if he intends to cause, or knows that he is likely to cause, wrongful loss or damage to any person by injuring any property, whether it belongs to that person or not.
Explanation-2: Mischief may be committed by an act affecting property belonging to the person who commits the act, or to that person and others jointly.

১,৮০২.
দণ্ডবিধির ধারা ৩৩৩ অনুযায়ী, কর্তব্যরত একজন সরকারি কর্মচারীকে তার কর্তব্য পালন থেকে বিরত রাখার উদ্দেশ্যে ইচ্ছাকৃতভাবে মারাত্মক আঘাত করলে সর্বোচ্চ শাস্তি কত?
  1. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  2. ১০ বছরের কারাদণ্ড
  3. ৭ বছরের কারাদণ্ড
  4. ৩ বছরের কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
১০ বছরের কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩৩৩ অনুসারে, সরকারি কর্মচারীকে দায়িত্ব পালনের সময় বা তাকে বিরত করার উদ্দেশ্যে গুরুতর আঘাত (যেমন চোখের স্থায়ী দৃষ্টিশক্তি নষ্ট) করলে শাস্তি ১০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং জরিমানা। 

⇒ দণ্ডবিধির ৩৩৩ ধারা: সরকারি কর্মচারীকে স্বেচ্ছাকৃতভাবে গুরুতর আঘাত:
যদি কোনো ব্যক্তি কোনো সরকারি কর্মচারীকে তার দায়িত্ব পালনকালে স্বেচ্ছাকৃতভাবে গুরুতর আঘাত দেয়, অথবা তাকে তার দায়িত্ব পালন থেকে বিরত রাখার উদ্দেশ্যে গুরুতর আঘাত করে, অথবা সরকারি কর্মচারীর দায়িত্ব পালনকালে কিছু করার পরিণামে গুরুতর আঘাত করে, তবে সেই ব্যক্তি সর্বোচ্চ ১০ বছর মেয়াদের কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবে।
------------
⇒ The Penal Code, 1860, Section 333- Voluntarily causing grievous hurt to deter public servant from his duty:
Whoever voluntarily causes grievous hurt to any person being a public servant in the discharge of his duty as such public servant, or with intent to prevent or deter that person or any other public servant from discharging his duty as such public servant, or in consequence of anything done or attempted to be done by that person in the lawful discharge of his duty as such public servant, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine.

১,৮০৩.
দণ্ডবিধির ৮৩ ধারায় অপরাধ নির্ধারণের প্রধান শর্ত কোনটি?
  1. শিশুর লিঙ্গ
  2. শিশুর স্কুলশিক্ষা
  3. শিশুর বুদ্ধির পরিপক্কতা
  4. শিশুর পারিবারিক অবস্থা
সঠিক উত্তর:
শিশুর বুদ্ধির পরিপক্কতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শিশুর বুদ্ধির পরিপক্কতা
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৮৩-এ বলা হয়েছে যে, ৯ বছরের বেশি কিন্তু ১২ বছরের কম বয়সী কোনো শিশুর কাজ অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে না, যদি প্রমাণিত হয় যে কাজ করার সময় শিশুটি "তাহার কার্যের প্রকৃতি ও ফলাফল বিচার করার পক্ষে পর্যাপ্ত বুদ্ধির পরিপক্বতা লাভ করে নাই"।
- অর্থাৎ, এই ধারার মূল ভিত্তি হলো বুদ্ধির পরিপক্বতার উপস্থিতি বা অনুপস্থিতি — শিশুটি তার কাজের আইনগত ও ব্যবহারিক পরিণতি বুঝতে পেরেছে কিনা।

⇒ দণ্ডবিধির ৮৩ ধারার বিধান নয় বৎসরের অধিক কিন্তু বার বৎসরের কম বয়সের অপরিণত বুদ্ধিসম্পন্ন শিশু দ্বারা সম্পাদিত কাজ:- নয় বৎসর অপেক্ষা বেশি কিন্তু বার বৎসর অপেক্ষা কম বয়সের এমন কোন শিশুর কোন কাজ অপরাধ বলে গণ্য হবে না, যে শিশু সংশ্লিষ্ট কাজটি করার সময় উহার প্রকৃতি ও ফলাফল বিচার করার পক্ষে পর্যাপ্ত বুদ্ধির পরিপক্কতা লাভ করে নাই।
--------
⇒ The Penal Code,1860, Section 83. Act of a child above nine and under twelve of immature understanding:
 Nothing is an offence which is done by a child above nine years of age and under twelve, who has not attained sufficient maturity of understanding to judge of the nature and consequences of his conduct on that occasion.

১,৮০৪.
মানহানির ব্যতিক্রম হিসেবে গণ্য হবে না কোনটি?
  1. আদালতে সিদ্ধান্তকৃত মামলার সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের আচরণ সম্পর্কে অভিমত দেয়া
  2. জনগণের কল্যাণে কারও প্রতি সত্য দোষারোপ করা
  3. সুনাম নষ্ট হতে পারে বলে বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও নিন্দাবাদ প্রকাশ করা
  4. সরকারি বিষয়-সংশ্লিষ্ট প্রশ্নে কোনো ব্যক্তির আচরণ নিয়ে মতপ্রকাশ করা
সঠিক উত্তর:
সুনাম নষ্ট হতে পারে বলে বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও নিন্দাবাদ প্রকাশ করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুনাম নষ্ট হতে পারে বলে বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও নিন্দাবাদ প্রকাশ করা
ব্যাখ্যা
• মানহানির সংজ্ঞা-
১৮৬০ সালের দণ্ডবিধির ৪৯৯ ধারামতে, কোনো ব্যক্তি যদি অন্য কোনো ব্যক্তির খ্যাতি বা সুনাম নষ্ট করার উদ্দেশ্যে কথিত বা পঠিত হওয়ার জন্য কথা বা চিহ্ন বা দৃশ্যমান কল্পমূর্তির সাহায্যে সেই ব্যক্তি-সম্পর্কিত কোনো নিন্দাবাদ প্রণয়ন বা প্রকাশ করেন, তবে সেটি মানহানি হয়েছে বলে পরিগণিত হবে। উদ্দিষ্ট ব্যক্তির খ্যাতি বা সুনাম নষ্ট হবে জেনে বা সুনাম নষ্ট হতে পারে বলে বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও, যদিও কেউ নিন্দাবাদ প্রণয়ন ও প্রকাশ করেন তাহলেও সেটি মানহানি বলে গণ্য হবে।

মানহানির শাস্তি-
দণ্ডবিধির ৫০০ ধারায় বলা হয়েছে, ‘যদি কোনো ব্যক্তি অন্য কোনো ব্যক্তির মানহানি করে, তবে ওই ব্যক্তি দুই বছর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদে বিনা শ্রম কারাদণ্ড অথবা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবে।’ 

তাছাড়া ‘সাইবার নিরাপত্তা আইন-২০২৩’-এর ২৯ ধারায় বলা হয়েছে, যদি কোনো ব্যক্তি ওয়েবসাইট বা অন্য কোনো ইলেকট্রনিক বিন্যাসে ১৮৬০ সালের দণ্ডবিধির ৪৯৯ ধারায় বর্ণিত মানহানিকর তথ্য প্রকাশ বা প্রচার করেন, তাহলে ওই ব্যক্তির এমন কর্মকাণ্ড হবে একটি অপরাধ। এর জন্য তিনি অনধিক ২৫ লাখ টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবেন। এ আইনে মানহানির মামলায় কারাদণ্ডের বিধান রাখা হয়নি।

• দণ্ডবিধির ৪৯৯ ধারায় কোন কাজগুলো মানহানি হবে সে সম্পর্কে স্পষ্ট করে বলা হয়েছে। পাশাপাশি এই ধারায় ১০টি ব্যতিক্রমের কথাও বলা হয়েছে। অর্থাৎ এই ব্যতিক্রমগুলো আইন অনুযায়ী মানহানি বলে গণ্য হবে না:

১. জনগণের কল্যাণে কারও প্রতি সত্য দোষারোপ করলে;
২. সরকারি কর্মচারীর সরকারি আচরণ সম্পর্কে সৎ বিশ্বাসে অভিমত প্রকাশ করলে;
৩. সরকারি বিষয়-সংশ্লিষ্ট প্রশ্নে কোনো ব্যক্তির আচরণ নিয়ে মতপ্রকাশ করলে;
৪. আদালতের কার্যবিবরণী প্রতিবেদন প্রকাশ করা মানহানির অন্তর্ভুক্ত হবে না;
৫. যেকোনো জনসমস্যা সম্পর্কে ও কোনো ব্যক্তির আচরণ সম্পর্কে সৎ বিশ্বাসে অভিমত প্রকাশ করা;

৬. আদালতে সিদ্ধান্তকৃত মামলার দোষ, গুণ বা সাক্ষীদের সম্পর্কে বা অন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের আচরণ সম্পর্কে অভিমত দেওয়া;
৭. গণ-অনুষ্ঠানের অনুষ্ঠানাদি সম্পর্কে কোনো মতামত দেওয়া;
৮. কর্তৃত্বসম্পন্ন ব্যক্তির কাছে সৎ বিশ্বাসে কারও সম্পর্কে অভিযোগ করা হলে সেটিও মানহানি হবে না। যেমন: পুলিশের কাছে কারও ব্যাপারে সৎ বিশ্বাসে অভিযোগ দেওয়া; 
৯. কোনো ব্যক্তি কর্তৃক তার বা অন্য কারও স্বার্থ রক্ষার্থে দোষারোপ করা;
১০. জনকল্যাণের স্বার্থে সতর্ক করার উদ্দেশ্যে কারও সম্পর্কে কিছু বলা হলে।
১,৮০৫.
দণ্ডবিধির কত ধারায় কোন ব্যক্তির মুক্তির জন্য রিট জারি করার পরেও উক্ত ব্যক্তিকে অবৈধভাবে আটক রাখার শাস্তির বিধান আছে?
  1. ৩৪০
  2. ৩৪২
  3. ৩৪৫
  4. ৩৪৬
সঠিক উত্তর:
৩৪৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৪৫
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৪৫ ধারার বিধান যে ব্যক্তির মুক্তিকল্পে রিট জারি করা হইয়াছে তাহার অবৈধ অবরোধ:
কোন ব্যক্তি যদি কাউকে অবৈধভাবে বন্দি রাখে, তাতে এইরূপ একটি উদ্দেশ্য সূচিত হয় যে, বন্দি ব্যক্তিকে আটক করে রাখার ব্যাপারটি বন্দি ব্যক্তির সাথে স্বার্থসংশ্লিষ্ট কোন ব্যক্তির বা কোন সরকারি কর্মচারীর গোচরীভূত হবে না, অথবা যে স্থানে অনুরূপ বন্দি করে রাখা হয়েছে সে স্থানটি উপযুক্তরূপ কোন ব্যক্তি বা সরকারি কর্মচারী দ্বারা জ্ঞাত বা আবিষ্কৃত হবে না, তবে উক্ত ব্যক্তি অনুরূপ অবৈধভাবে বন্দি করে রাখার জন্য অপর যে দণ্ডে দণ্ডিত হবে, তদতিরিক্ত আরও দুই বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে।
-------------------------------
⇒ The Penal Code,1860. Section-345: Wrongful confinement of person for whose liberation writ has been issued:
-Whoever keeps any person in wrongful confinement, knowing that a writ for the liberation of that person has been duly issued, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years in addition to any term of imprisonment to which he may be liable under any other section of this Chapter.
১,৮০৬.
দণ্ডবিধির কত ধারায় কোন নারীর শালীনতার অমর্যাদার অভিপ্রায়ে কোন মন্তব্য, অঙ্গভঙ্গি বা কোন কার্যকে অপরাধ বলে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে?
  1. ৫০৬ ধারায়
  2. ৫০৭ ধারায়
  3. ৫০৯ ধারায়
  4. ৫১০ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৫০৯ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫০৯ ধারায়
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৫০৯ ধারা- কোন নারীর শালীনতার অমর্যাদার অভিপ্রায়ে কোন মন্তব্য, অঙ্গভঙ্গি বা কোন কার্য:
কোন ব্যক্তি যদি কোন নারীর শ্লীলতাহানির উদ্দেশ্যে সে নারী যাতে শুনতে পায় এমন কোন কথা বলে বা শব্দ করে অথবা সে নারী যাতে দেখতে পায় এমন ভাবে কোন অঙ্গভঙ্গি করে বা কোন বস্তু প্রদর্শন করে অথবা অনুরূপ নারীর গোপনীয়তা অনধিকার লঙ্ঘন করে, তবে সে ব্যক্তি এক বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থদণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

Section 509- Word, gesture or act intended to insult the modesty of a woman:
Whoever, intending to insult the modesty of any woman, utters any word, makes any sound or gesture, or exhibits any object, intending that such word or sound shall be heard, or that such gesture or object shall be seen, by such woman, or intrudes upon the privacy of such woman, shall be punished with simple imprisonment for a term which may extend to one year, or with fine, or with both.
১,৮০৭.
দণ্ডবিধি অনুসারে কোনটি অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের উপাদান?
  1. যিনি কোন সম্পদের অধিপত্যের ভার পাইয়াছেন,
  2. অধিপত্যের ভার পাইয়া যিনি অসাধুভাবে আত্মসাৎ করেন,
  3. সম্পদের অধিপত্যের ভার পাইয়া যিনি নিজের ব্যবহারে লাগান, 
  4. 'ক', 'খ' ও 'গ'
সঠিক উত্তর:
'ক', 'খ' ও 'গ'
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'ক', 'খ' ও 'গ'
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪০৫ ধারার বিধান অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ:- কোন ব্যক্তি যদি কোনভাবে কোন সম্পত্তির বা সম্পত্তি পরিচালনের দায়িত্বপ্রাপ্ত হয়ে, অসাধুভাবে সে সম্পত্তি আত্মসাৎ করে বা নিজের ব্যবহারে প্রয়োগ করে, অথবা অনুরূপ দায়িত্ব যেভাবে নির্বাহিত হত বলে বিহিত আইনে নির্দেশ করা হয়েছে, তা খেলাফ করে সে দায়িত্ব নির্বাহ সম্পর্কে সে প্রকাশ্য বা অনুরূপ যে আইনগত চুক্তি করেছে তা খেলাফ করে সে সম্পত্তি অসাধুভাবে ব্যবহার করে, বা বিলি ব্যবস্থা করে অথবা ইচ্ছাপূর্বক অপর কোন ব্যক্তিকে তা করতে দেয়, তবে উক্ত ব্যক্তি 'অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের' অপরাধ করেছে।
-----------------------------
⇒Section 405: Criminal breach of trust:
-Whoever, being in any manner entrusted with property, or with any dominion over property, dishonestly misappropriates or converts to his own use that property, or dishonestly uses or disposes of that property in violation of any direction of law prescribing the mode in which such trust is to be discharged, or of any legal contract, express or implied, which he has made touching the discharge of such trust, or wilfully suffers any other person so to do, commits "criminal breach of trust".
১,৮০৮.
কোন ব্যক্তিকে তাহার ইচ্ছানুসারে নির্দিষ্ট কোন পথ গমনের ক্ষেত্রে বাধা দিলে কী অপরাধ হবে?
  1. Wrongful restraint
  2. Wrongful confinement
  3. Criminal force
  4. Kidnapping
সঠিক উত্তর:
Wrongful restraint
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Wrongful restraint
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৩৯ ধারার বিধান অবৈধ বাধা (Wrongful restraint):- যে ব্যক্তি কোন ব্যক্তিকে ইচ্ছাপূর্বক এমনভাবে বাধাদান করে যার ফলে উক্ত ব্যক্তির যেদিকে যাবার অধিকার রয়েছে, এমন কোন দিকে উক্ত ব্যক্তির যাবার পথ রুদ্ধ হয়, তবে সে ব্যক্তি উক্ত ব্যক্তিকে অবৈধভাবে বাধাদান করেছে বলে পরিগণিত হয়।

ব্যতিক্রম :- যদি কোন লোক স্থলে বা জলে কোন বেসরকারি পথে বাধা দেওয়ার আইনসম্মত অধিকার তার রয়েছে বলে সরল মনে বিশ্বাসবশতঃ উক্ত পথে বিঘ্ন সৃষ্টি করে, তবে তার কাজ এই ধারার অর্থের আওতায় অপরাধ হবে না।

⇒ উদাহরণঃ
যে পথ অতিক্রম করার অধিকার চ-এর রয়েছে, সে পথে ক বিঘ্ন সৃষ্টি করে। ক সরল মনে বিশ্বাস করে না যে, পথটি রোধ করার অধিকার তার রয়েছে। ক-এর পথ রোধের ফলে চ পথ অতিক্রম করতে অসমর্থ হয়। ক অবৈধভাবে চ-কে বাধাদান করেছে।
--------
Wrongful restraint:
Section 339. Whoever voluntarily obstructs any person so as to prevent that person from proceeding in any direction in which that person has a right to proceed, is said wrongfully to restrain that person. 
 
Exception. The obstruction of a private way over land or water which a person in good faith believes himself to have a lawful right to obstruct, is not an offence within the meaning of this section. 
 
Illustration 
A obstructs a path along which Z has a right to pass, A not believing in good faith that he has a right to stop the path. Z is thereby prevented from passing. A wrongfully restrains Z.
১,৮০৯.
‘ক’ এর প্ররোচনায় ‘খ’ খুন করার উদ্দেশ্যে ‘গ’ কে ছুরিকাঘাত করে। ‘গ’ চিকিৎসান্তে সুস্থ হয়ে উঠে। ‘ক’ নিম্নের কোন অপরাধ করেছে?
  1. গুরুতর আঘাতের প্ররোচনা
  2. নরহত্যার প্ররোচনা
  3. খুন করার প্ররোচনা
  4. ‘গ’ সুস্থ হওয়ার কোন অপরাধ হয়নি
সঠিক উত্তর:
খুন করার প্ররোচনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খুন করার প্ররোচনা
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ধারা ১১৫ মতে কোন ব্যক্তি যদি মৃত্যুদণ্ডে অথবা যাবজীবন কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধ সংঘটনে সহায়তা করে কিন্তু সহায়তা করার ফলে উক্ত অপরাধটি অনুষ্ঠিত না হয় এবং অনুরূপ সহায়তার দণ্ডদানের জন্য এই বিধিতে কোন স্পষ্ট বিধান না থেকে থাকে, তবে উক্ত ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তাকে অর্থদণ্ডে ও দণ্ডিত করা হবে।
১,৮১০.
দণ্ডবিধির কত ধারায় ধর্ষণের শাস্তির বিধান আছে?
  1. ৩৭৫
  2. ৩৭৬
  3. ৩৭৭
  4. ৪০০
সঠিক উত্তর:
৩৭৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৭৬
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৭৬ ধারার বিধান ধর্ষণের সাজা:- 
-কোন ব্যক্তি যদি ধর্ষণের অপরাধ করে, তবে সে ব্যক্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে, অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে, যদি না ধর্ষিত স্ত্রীলোকটি তার নিজ স্ত্রী হয় ও বারো বৎসরের কম বয়স্কা না হয়; যদি তদ্রূপ হয়, তবে সে ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
--------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 376. Punishment for rape:-
-Whoever commits rape shall be punished with imprisonment for life or with imprisonment of either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine, unless the woman raped is his own wife and is not under twelve years of age, in which case he shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.
১,৮১১.
দণ্ডবিধির ২০৯ ধারা অনুযায়ী, যে ব্যক্তি আদালতে মিথ্যা দাবী করে, তাকে কী দণ্ড প্রদান করা হবে?
  1. শুধুমাত্র জরিমানা
  2. ১ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং জরিমানা
  3. ২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং জরিমানা
  4. ৩ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং জরিমানা
সঠিক উত্তর:
২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং জরিমানা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং জরিমানা
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ২০৯ ধারা অনুযায়ী, আদালতে মিথ্যা দাবী করার জন্য যে ব্যক্তি অপরাধ করবে, তাকে ২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং জরিমানা বা উভয় দণ্ড দেওয়া হতে পারে।
- এই ধারা অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি আদালতে মিথ্যা দাবী করে এবং এটি জানে যে তার দাবী মিথ্যা, অথবা কোনো ব্যক্তিকে ক্ষতিগ্রস্ত বা বিরক্ত করার উদ্দেশ্যে মিথ্যা দাবী করে, তাহলে তাকে এই দণ্ডের আওতায় আনা হবে।

অতএব, সঠিক উত্তর হবে: গ) ২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং জরিমানা।
-----------
⇒The Penal Code, 1860-Section-209. Dishonestly making false claim in Court:
- Whoever fraudulently or dishonestly, or with intent to injure or annoy any person, makes in a Court of Justice any claim which he knows to be false, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, and shall also be liable to fine.
১,৮১২.
মানহানির [defamation] শাস্তি কি?
  1. যে কোন বর্ণনার ২ বছর পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়
  2. যে কোন বর্ণনার ৬ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়
  3. যে কোন বর্ণনার ২ বছর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়
  4. যে কোন বর্ণনার ৩ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়
সঠিক উত্তর:
যে কোন বর্ণনার ২ বছর পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যে কোন বর্ণনার ২ বছর পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধি ৪৯৯ ধারা অনুযায়ী যখন কোন ব্যক্তি সম্পর্কিত কোন কুৎসা রটনা করা হয় যা উক্ত ব্যক্তির সুনাম নষ্ট করে (harm reputation) তাকে মানহানি বা Defamation বলে। অর্থাৎ কুৎসাজনক কথা বা চিহ্ন দ্বারা বা দৃশ্যমান কল্পমূর্তি প্রকাশের মাধ্যমে মানহানি করা হয়।

⇒ দণ্ডবিধির ৫০০ ধারার অধীন মানহানির [defamation] শাস্তি হল যে কোন বর্ণনার ২ বছর পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড।

⇒  পেনাল কোড-এর ৪৯৯ ধারায় মানহানি বা defamation এর সংজ্ঞা দেয়া হয়েছে এবং সেখানে মোট ১০ টি ব্যতিক্রম সাপেক্ষে এই অপরাধ সংঘটনের কথা বলা আছে।
⇒  ৪৯৯ ধারায় ১০টি  ব্যতিক্রম নিচে দেয়া হল-

১) জনস্বার্থে বা জনগণের কল্যাণের জন্য কারো প্রতি সত্য-দোষারোপ করা হলে তা মানহানি হবে না।
২) জনগণের প্রতি সরকারি কর্মচারীর আচরণ সম্পর্কে সৎ বিশ্বাসে কোন অভিমত প্রকাশ করা হলে তা মানহানি নয়।
৩) কোন জনসমস্যা/গণসমস্যা সম্পর্কে কোন ব্যক্তির আচরণ সম্পর্কে সৎ বিশ্বাসে অভিমত প্রকাশ করা হলে তা মানহানি নয়।
৪) কোন আদালতের কার্য বিবরণীর রিপোর্ট প্রকাশ করা হলে তা মানহানি নয়।
৫) আদালত কর্তৃক সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে এমন কোন ফৌজদারি বা দেওয়ানি মোকদ্দমার দোষ, গুণ বা সাক্ষী বা সাক্ষ্যের সম্পর্কে সৎ বিশ্বাসে কোন অভিমত প্রকাশ করা হলে তা মানহানি নয়।
৬) কোন বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়ার ভার জনগণের উপর ন্যস্ত করা হলে তখন এ বিষয়ে সৎ বিশ্বাসে অভিমত প্রকাশ করা হলে তা মানহানি নয়। যেমন- কোন ব্যক্তি কোন বই প্রকাশ করলে বা প্রকাশ্য স্থানে বক্তৃতা দিলে তখন তা বিচার করার জন্য জনগণের কাছে উপস্থাপন করা হয়েছে বলে গণ্য করা হবে।
৭) অন্যের উপর আইনসম্মতভাবে ক্ষমতা রয়েছে এমন ব্যক্তি সরল বিশ্বাসে কোন নিন্দা করলে তা মানহানি হবে না।
৮) ক্ষমতাসম্পন্ন কোন ব্যক্তির নিকট সৎ বিশ্বাসে অভিমত দেয়া হলে তা মানহানি বলে গণ্য হবে না। যেমন- পুলিশের কাছে কারো ব্যাপারে অভিযোগ করা ।
৯) কোন ব্যক্তি নিজের বা অন্যের স্বার্থ রক্ষা করতে গিয়ে বা জনস্বার্থে সৎ বিশ্বাসে কোন দোষারোপ করলে তা মানহানি নয়।
১০) জনকল্যাণে সৎ বিশ্বাসে কোন ব্যক্তিকে সতর্ক করে কিছু বলা হলে তা মানহানি হবে না ।

⇒  দণ্ডবিধির ৪৯৯ ধারায় মানহানির ১০ টি ব্যতিক্রম (Exception) রয়েছে অর্থাৎ এই ১০ টি ক্ষেত্রে কোন মানহানিকর উক্তি বা তথ্য প্রকাশ করা হলেও মানহানির অপরাধ হবেনা।

⇒  শাস্তি: ধারা ৫০০ অনুযায়ী, মানহানি অপরাধের শাস্তি- ২ বছর পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়।
১,৮১৩.
রহিম ও করিম আনন্দ উপভোগের উদ্দেশ্যে পরস্পরের সঙ্গে তরবারি খেলা খেলতে সম্মতি হয়। তরবারি খেলার সময় রহিম খেলার স্বাভাবিক নিয়ম মেনে এবং অনিচ্ছাকৃতভাবে করিমকে আহত করে। এখানে রহিম নিচের কোন ধরনের অপরাধ করেছে?
  1. আঘাত
  2. গুরুতর আঘাত
  3. গুরুতর আগের চেষ্টা
  4. কোন অপরাধ করেনি
সঠিক উত্তর:
কোন অপরাধ করেনি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোন অপরাধ করেনি
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৮৭ ধারা মতে মৃত্যু বা গুরুতর জখম ঘটানোর অভিপ্রায় ব্যতীত কোন কাজ মৃত্যু বা গুরুতর জখম ঘটাতে পারে বলে জানা সত্ত্বেও ১৮ বছরের বেশি বয়স্ক ব্যক্তির ক্ষতির ঝুঁকি গ্রহণের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ সম্মতি দিয়ে কাজটি করা হলে তা অপরাধ নয়।
১,৮১৪.
A রাস্তায় একটি দামী মোবাইল সেট পেল। A জানতো না যে কে ঐ মোবাইল সেটের মালিক মোবাইল সেটের প্রকৃত মালিককে খুঁজে বের করার চেষ্টা না করেই A উক্ত মোবাইল সেট বিক্রি করে দিলো।
  1. চুরি
  2. অপরাধমূলক সম্পত্তি আত্মসাৎকরণ
  3. দস্যুতা
  4. ছিনতাই
সঠিক উত্তর:
অপরাধমূলক সম্পত্তি আত্মসাৎকরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপরাধমূলক সম্পত্তি আত্মসাৎকরণ
ব্যাখ্যা
- দণ্ডবিধির ৪০৩ ধারার অধীনে অপরাধমূলক সম্পত্তি আত্মসাৎ করেছে বলে গণ্য হবে।
- কেননা মোবাইল সেটটি পাওয়ার পর A এর দায়িত্ব ছিল প্রকৃত মালিককে খুঁজে বের করার চেষ্টা করা। কিন্তু মোবাইল সেটের প্রকৃত মালিককে খুঁজে বের করার চেষ্টা না করেই A উক্ত মোবাইল সেট বিক্রি করে দেওয়ায় অপরাধমূলক সম্পত্তি আত্মসাৎ এর অপরাধ করেছে।
১,৮১৫.
কর্তব্যরত পুলিশ সদস্য যদি স্বীকারোক্তি আদায়ের উদ্দেশ্যে নির্যাতন করে এবং তাতে সাধারণ আঘাত হয়, তবে তা দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর কোন ধারা অনুসারে অপরাধ?
  1. ধারা ৩৩০
  2. ধারা ৩২৯
  3. ধারা ৩২৭
  4. ধারা ৩২৫ 
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৩০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৩০
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০–এর ধারা ৩৩০–এ বলা হয়েছে যে, যদি কোনো ব্যক্তি (যেমন কর্তব্যরত পুলিশ সদস্য) স্বীকারোক্তি আদায় বা সম্পত্তি প্রত্যর্পণ করানোর উদ্দেশ্যে কাউকে নির্যাতন করে এবং তাতে সাধারণ আঘাত হয়, তবে এটি একটি অপরাধ। এই অপরাধের শাস্তি হলো সর্বোচ্চ ৭ বছরের কারাদণ্ড (সশ্রম বা বিনাশ্রম), এবং এর পাশাপাশি অর্থদণ্ডও হতে পারে।
- তাই সঠিক উত্তর হলো: ক) ধারা ৩৩০।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৩০ ধারার বিধান: ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে স্বীকারোক্তি আদায় বা সম্পত্তি প্রত্যর্পণ করতে বাধ্য করার জন্যে স্বেচ্ছাকৃতভাবে আঘাত প্রদান করা:
-যে ব্যক্তি, কোন ব্যক্তির বা সে ব্যক্তির সাথে স্বার্থ সংশ্লিষ্ট অন্য কারো নিকট থেকে যে স্বীকারোক্তির বা তথ্যদানের ফলে কোন অপরাধ বা অসদাচরণ সম্পর্কে সন্ধান পাওয়া যেতে পারে, সে স্বীকারোক্তি বা তথ্য আদায় করার উদ্দেশ্যে, অথবা সে ব্যক্তিকে বা সে ব্যক্তির সাথে স্বার্থ সংশ্লিষ্ট অন্য কারো নিকট থেকে যে স্বীকারোক্তির বা তথ্যদানের ফলে কোন অপরাধ বা অসদাচরণের সন্ধান পাওয়া যেতে পারে, সে স্বীকারোক্তি বা তথ্য আদায় করার উদ্দেশ্যে, অথবা সে ব্যক্তিকে বা সে ব্যক্তির সাথে স্বার্থসংশ্লিষ্ট অন্য কাউকে কোন সম্পত্তি বা জামানত প্রত্যর্পণ করতে বা প্রত্যর্পণের ব্যবস্থা করে দিতে বাধ্য করার উদ্দেশ্যে, অথবা কোন দাবী পূরণে বাধ্য করার উদ্দেশ্যে অথবা যে তথ্য দানের ফলে কোন সম্পত্তি বা মূল্যবান জামানত পুনরুদ্ধার হতে পারে সে তথ্যদানে বাধ্য করার উদ্দেশ্যে উক্ত ব্যক্তিকে স্বেচ্ছাকৃতভাবে আঘাত করে, তবে উক্ত আঘাতকারী সাত বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

উদাহরণ:
(অ) ক জনৈক পুলিশ কর্মকর্তা। সে চ-কে কোন অপরাধ স্বীকার করতে বাধ্য করার জন্য পীড়ন করে। ক এই ধারায় বর্ণিত অপরাধে অপরাধী সাব্যস্ত হবে। 

(আ) ক জনৈক পুলিশ কর্মকর্তা। কোন জায়গায় অপহৃত দ্রব্য লুকিয়ে রাখা হয়েছে সে তথ্যদানে বাধ্য করার জন্য সে চ-কে পীড়ন করে। ক এই ধারায় বর্ণিত অপরাধে অপরাধী সাব্যস্ত হবে।
-----------------------
⇒ The Penal Code,1860: Section 330- Voluntarily causing hurt to extort confession, or to compel restoration of property:
Whoever voluntarily causes hurt, for the purpose of extorting from the sufferer or any person interested in the sufferer, any confession or any information which may lead to the detection of an offence or misconduct, or for the purpose of constraining the sufferer or any person interested in the sufferer to restore or to cause the restoration of any property or valuable security or to satisfy any claim or demand, or to give information which may lead to the restoration of any property or valuable security, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine. 
 
Illustrations:
(a) A, a police-officer, tortures Z in order to induce Z to confess that he committed a crime. A is guilty of an offence under this section. 
(a) A, a police-officer, tortures B to induce him to point out where certain stolen property is deposited. A is guilty of an offence under this section. 
(b) A, a revenue officer, tortures Z in order to compel him to pay certain arrears of revenue due from Z. A is guilty of an offence under this section. 
(c) A, a zamindar, tortures a raiyat in order to compel him to pay his rent. A is guilty of an offence under this section.

১,৮১৬.
'ক' নিজেকে 'খ' বলে পরিচয় দিয়ে প্রতারণা করে; 'খ' জনৈক মৃত ব্যক্তি। দণ্ডবিধি অনুসারে 'ক' এর অপরাধ-
  1. Cheating
  2. Cheating by death man
  3. Cheating by personation
  4. Cheating with knowledge
সঠিক উত্তর:
Cheating by personation
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Cheating by personation
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪১৬ ধারার বিধান অপরের রূপ ধারণপূর্বক প্রতারণা:
- কোন ব্যক্তি যদি নিজেকে অন্য কোন ব্যক্তি বলে প্রতারণা করে অথবা জ্ঞাতসারে কোন ব্যক্তিকে অন্য ব্যক্তি বলে চালিয়ে প্রতারণা করে অথবা নিজেকে বা অন্য কোন ব্যক্তিকে সে নিজে বা সে ব্যক্তি অন্য যে ব্যক্তি নয় সে ব্যক্তি বলে চালিয়ে প্রতারণা করে, তবে উক্ত ব্যক্তি অপরের রূপ ধারণ করে প্রতারণা করেছে বলে গণ্য হয়।
ব্যাখ্যা:- যে ব্যক্তির রূপ ধারণ করা হয়েছে সে ব্যক্তি প্রকৃত ব্যক্তি হোক আর কাল্পনিক ব্যক্তি হোক না কেন অপরাধটি অনুষ্ঠিত হবে।
উদাহরণ:
(ক) ক একই নামে একজন বিত্তশালী ব্যাংকার বলে নিজেকে পরিচয় দান করে। ক অপরের রূপ ধারণ করে প্রতারণা করেছে।
(খ) ক নিজেকে খ বলে পরিচয় দিয়ে প্রতারণা করে; খ জনৈক মৃত ব্যক্তি। ক অপরের রূপ ধারণ করে প্রতারণা করেছে।
--------------
Section-416. Cheating by personation:

A person is said to "cheat by personation" if he cheats by pretending to be some other person, or by knowingly substituting one person for another, or representing that he or any other person is a person other than he or such other person really is.
Explanation.-The offence is committed whether the individual personated is a real or imaginary person.

Illustrations
(a) A cheats by pretending to be a certain rich banker of the same name. A cheats by personation.
(b) A cheats by pretending to be B, a person who is deceased. A cheats by personation.
১,৮১৭.
অজ্ঞাত পরিচয় দ্বারা অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শনের সর্বোচ্চ কারাদণ্ড কত?
  1. ৬ মাস
  2. ১ বছর
  3. ২ বছর
  4. ৩ বছর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
ব্যাখ্যা

দণ্ডবিধির ধারা ৫০৭- অজ্ঞাত পরিচয় দ্বারা অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন:
যে ব্যক্তি অজ্ঞাত পরিচয় দ্বারা অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন করে, বা যে ব্যক্তি হুমকি প্রদানের জন্য যার নাম বা অবস্থান গোপন রাখার ব্যবস্থা গ্রহণ করে, তাকে দুই বছরের পর্যন্ত যেকোন ধরনের কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হবে। এছাড়া, এই অপরাধের জন্য পূর্ববর্তী ধারায় প্রদত্ত শাস্তিও তাকে প্রদান করা হবে।

Criminal intimidation by an anonymous communication:
Whoever commits the offence of criminal intimidation by an anonymous communication, or having taken precaution to conceal the name or abode of the person from whom the threat comes, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, in addition to the punishment provided for the offence by the last preceding section.

১,৮১৮.
অভ্যাসগতভাবে চোরাই মালের ব্যবসা করার সর্বোচ্চ শাস্তি_______।
  1. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  2. দশ বৎসর সশ্রম কারাদণ্ড
  3. শুধু অর্থদণ্ড
  4. তিন বৎসর সশ্রম কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
♦The Penal Code এর ৪১৩ ধারার বিধান অভ্যাসগতভাবে চোরাই সম্পত্তির বেচাকেনা করা :- কোন ব্যক্তি যদি যে সম্পত্তি চোরাই বলে সে জানে বা তার বিশ্বাস করার কারণ রয়েছে, অভ্যাসগতভাবে বরাবর সে সম্পত্তির বেচাকেনা করে, তবে উক্ত ব্যক্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডনীয় হবে।
♦ অর্থাৎ অভ্যাসগতভাবে চোরাইমাল বেচাকেনার শাস্তি (Habitually dealing in stolen property)- যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা অনধিক ১০ বৎসর কারাদন্ড এবং অর্থদন্ড। সর্বোচ্চ শাস্তি_যাবজ্জীবন কারাদণ্ড।
১,৮১৯.
আত্মহত্যার চেষ্টা করলে দণ্ডবিধির ৩০৯ ধারা অনুযায়ী সর্বোচ্চ কত বছরের কারাদণ্ড হতে পারে?
  1. এক বছর
  2. দুই বছর
  3. তিন বছর
  4. সাত বছর
সঠিক উত্তর:
এক বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এক বছর
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ৩০৯ অনুসারে, আত্মহত্যা করার চেষ্টা (Attempt to commit suicide) শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
শাস্তি: ১ বছর পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড, জরিমানা বা উভয়।

⇒ দণ্ডবিধির ৩০৯ ধারা- আত্মহত্যা করার চেষ্টা:
কোন ব্যক্তি যদি আত্মহত্যা করার চেষ্টা করে এবং অনুরূপ অপরাধ সংঘটনের উদ্দেশ্যে কোন কার্য করে, তবে উক্ত ব্যক্তি এক বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থদণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

⇒The Penal Code, 1860-Section Section 309- Attempt to commit suicide:
Whoever attempts to commit suicide and does any act towards the commission of such offence, shall be punished with simple imprisonment for a term which may extend to one year, or with fine, or with both.

১,৮২০.
The Penal Code, 1860 এর কত ধারায় বিচারিক কার্যধারায় নিযুক্ত কোনো সরকারি কর্মচারিকে ইচ্ছাকৃত অবজ্ঞা বা বাধাগ্রস্থ করার শাস্তির বিষয়ে বলা হয়েছে?
  1. ২২৮
  2. ২২৭
  3. ২২৫
  4. ২২৪
সঠিক উত্তর:
২২৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২২৮
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ২২৮ ধারার বিধান হল বিচার বিষয়ক কার্যক্রমের কোন পর্যায়ে বিচারকের আসন গ্রহণকারী কোন সরকারী কর্মচারীকে ইচ্ছাকৃতভাবে অপমান করা বা তাহার কার্যে বাধা দেওয়ার শাস্তিঃ কোন সরকারী কর্মচারী কোন বিচার বিভাগীয় কার্যক্রমের যেকোন পর্যায়ে নিয়ত থাকাকালে কোন ব্যক্তি যদি ইচ্ছাকৃতভাবে তাকে অপমান করে বা তার কাজে বাধা প্রদান করে, তবে সে ব্যক্তি ছয় মাস পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা এক হাজার টাকা পর্যন্ত যেকোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
১,৮২১.
শিশুর মৃত্যু ঘটানো নরহত্যা বলে বিবেচিত হবে না?
  1. জীবন্ত শিশু যার বয়স ৭ দিনের কম।
  2. মাতৃগর্ভস্থ শিশুর।
  3. জীবিত শিশু যার কোন অংশ প্রসূত হয়ে থাকে কিন্তু কান্না করেনাই।
  4. উপরের সবগুলো।
সঠিক উত্তর:
মাতৃগর্ভস্থ শিশুর।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাতৃগর্ভস্থ শিশুর।
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ২৯৯ ধারার বিধান শাস্তিযোগ্য নরহত্যা (Culpable homicide):- কোন ব্যক্তি যদি মৃত্যু ঘটাবার উদ্দেশ্য নিয়ে কৃত কোন কাজ কর্তৃক মৃত্যু ঘটায়, অথবা যে দৈহিক জখম মৃত্যু ঘটাতে পারে, তেমন দৈহিক জখম ঘটাবার উদেশ্য নিয়ে কৃত কোন কাজের সংঘটন কর্তৃক মৃত্যু ঘটায়, অথবা যে কাজ মৃত্যু ঘটাতে পারে বলে সে জানে, সে কাজ সম্পাদন কর্তৃক মৃত্যু ঘটায়, তবে সেই ব্যক্তি শাস্তিযোগ্য নরহত্যার দোষে দোষী হবে।

⇒ ব্যাখ্যা (Explanation) ১:- যে ব্যক্তি অসুস্থতা, রোগ বা দৈহিক অপারগতায় ভুগতেছে, তার দৈহিক জখম করে মৃত্যু ত্বরান্বিত করলে তার মৃত্যু ঘটাবার অপরাধ হয়েছে বলে বিবেচনা করা হবে।

⇒ ব্যাখ্যা (Explanation) ২:- যখন দৈহিক আঘাত বা জখমের কারণে মৃত্যু ঘটে, তখন যে ব্যক্তি অনুরূপ দৈহিক আঘাত বা জখম ঘটায়, সে ব্যক্তি মৃত্যু ঘটিয়েছে বলে বিবেচনা করা হবে, যদিও যথোচিত প্রতিকারের ও সুনিপুণ চিকিৎসার ফলে সে মৃত্যু রোধ করা যেত।

⇒ ব্যাখ্যা (Explanation) ৩:- মাতৃগর্ভে কোন শিশুর মৃত্যু ঘটানো নরহত্যা নয়। কিন্তু যদি কোন শিশুর (দেহের) কোন অংশ নিষ্ক্রান্ত করার পর জীবিত শিশুটির মৃত্যু ঘটানো হয়, তবে তা শাস্তিযোগ্য নরহত্যা বলে পরিগণিত হবে, যদিও শিশুটি শ্বাসপ্রশ্বাস গ্রহণ না করে থাকে অথবা সম্পূর্ণরূপে ভুমিষ্ঠ না হয়ে থাকে।

⇒ দণ্ডবিধির ২৯৯ ধারার ব্যাখ্যা-৩ মতে মাতৃগর্ভস্থ কোন শিশুর মৃত্যু ঘটানো খুন বা নিন্দনীয় নরহত্যা কোনটাই হবে না। তবে মাতৃগর্ভস্থ শিশুটি সম্পূর্ণরূপে জন্মগ্রহণ না করেও শিশুটির দেহের কোন অংশ নিষ্ক্রান্ত করার পর জীবিত শিশুটির মৃত্যু ঘটানো হলে তা নিন্দনীয় নরহত্যা বলে বিবেচিত হবে।
১,৮২২.
দণ্ডবিধির ৫৪ ধারায় সরকার নিম্নলিখিত কোন অপরাধটি যেকোন দণ্ডে হ্রাস করতে পারে-
  1. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  2. কারাবাস
  3. মৃত্যুদণ্ড
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুদণ্ড
ব্যাখ্যা
♦ দন্ডবিধির ৫৪ ধারার বিধান মৃত্যুদণ্ড হ্রাসকরণ:- মৃত্যুদণ্ড দান করা যেতে পারে এইরূপ প্রত্যেক ক্ষেত্রে সরকার অপরাধকারীর সম্মতি ব্যতিরেকে উক্ত দণ্ডকে এই বিধি ও আইন বলে ব্যবস্থিত অন্য যেকোন স্বল্প দণ্ডে রূপান্তরিত করতে পারবেন। 

----------------------------
Commutation of sentence of death
Section  54. In every case in which sentence of death shall have been passed, the Government may, without the consent of the offender, commute the punishment for any other punishment provided by this Code.
১,৮২৩.
A রাতে বাসায় আসার পথে Z পিস্তল দেখিয়ে A এর টাকার ব্যাগ দাবী করে। ফলে A ব্যাগটি Z কে দিতে বাধ্য হয়। Z কোন ধরনের অপরাধ করেছে?
  1. চুরি
  2. দস্যুতা
  3. প্রতারণা
  4. ডাকাতি
সঠিক উত্তর:
দস্যুতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দস্যুতা
ব্যাখ্যা
- দণ্ডবিধির ৩৯০ ধারা মতে, চুরি করার উদ্দেশ্যে বা বলপূর্বক গ্রহণের সময় কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটালে, আঘাত দান করলে বা আটক করে রাখলে অথবা মৃত্যু, আঘাত বা অবৈধ বাধার তাৎক্ষণিক ভয় (instant fear) দেখানো হলে তখন তা দস্যুতা বা Robbery বলে গণ্য হবে।
- দস্যুতাকে হিংস্রতম চুরি বা হিংস্রতম বলপ্রয়োগ গ্রহণ বলা হয়।
- কেননা প্রত্যেক দস্যুতার অপরাধের মধ্যে চুরি বা বলপূর্বক গ্রহণ থাকতে হবে।
- দস্যুতাকে সহজ কথায় রাহাজানি বলে আখ্যায়িত করা হয়।
১,৮২৪.
বড় ক্ষতি ঠেকাতে ছোট ক্ষতির ঝুঁকি নিয়ে সৎ উদ্দেশ্যে কাজ করলে অপরাধ নয়। এটি দণ্ডবিধির কোন ধারা দ্বারা স্বীকৃত?
  1. ধারা ৭৯
  2. ধারা ৮১
  3. ধারা ৮৫
  4. ধারা ৮৭
সঠিক উত্তর:
ধারা ৮১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৮১
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ৮১ অপরাধমূলক উদ্দেশ্য ছাড়া ও সদিচ্ছায় যদি কেউ বৃহত্তর ক্ষতি এড়াতে কোনো কাজ করে, তবে সেই কাজ ক্ষতির সম্ভাবনা থাকলেও অপরাধ নয়।

⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০ ধারা ৮১: ক্ষতি ঘটার সম্ভাবনা থাকলেও অপর ক্ষতি প্রতিরোধে ও অপরাধমূলক উদ্দেশ্য ব্যতীত কাজ করলে তা অপরাধ নয়:

যদি কোনো কাজ এমন জেনে-বুঝেই করা হয় যে, তাতে ক্ষতি ঘটার সম্ভাবনা রয়েছে, তবুও সেই কাজটি কারো প্রতি ক্ষতি সাধনের অপরাধমূলক উদ্দেশ্য ব্যতীত এবং সদাশয়ভাবে (good faith) করা হয়, কোনো ব্যক্তি বা সম্পত্তির প্রতি অন্য একটি ক্ষতি প্রতিরোধ বা পরিহারের উদ্দেশ্যে, তাহলে তা মাত্ৰ এই কারণে অপরাধ বলে গণ্য হবে না যে, সেটি ক্ষতির সম্ভাবনা রাখে।
ব্যাখ্যা: এই ধরনের ক্ষেত্রে, যেই ক্ষতি প্রতিরোধ বা পরিহার করা হচ্ছিল, সেটি কতটা প্রকৃত ও তাৎক্ষণিক ছিল, এবং সেই কারণে ক্ষতি ঘটার সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও কাজটি করা যুক্তিযুক্ত ও গ্রহণযোগ্য ছিল কি না, তা বাস্তব প্রশ্ন (question of fact) হিসেবে বিবেচিত হবে।
------
⇒ The Penal Code, 1860, Section 81: Act likely to cause harm, but done without criminal intent and to prevent other harm:
Nothing is an offence merely by reason of its being done with the knowledge that it is likely to cause harm, if it be done without any criminal intention to cause harm, and in good faith for the purpose of preventing or avoiding other harm to person or property.
Explanation:-It is a question of fact in such a case whether the harm to be prevented or avoided was of such a nature and so imminent as to justify or excuse the risk of doing the act with the knowledge that it was likely to cause harm.

১,৮২৫.
নিচের কোনটি দস্যুতার উপাদান নয়?
  1. এক বা একাধিক ব্যক্তি তবে ৫ জনের কম যৌথভাবে অপরাধটি সংঘটিত করে
  2. আঘাতের ভয় বা মৃত্যুভয় দেখিয়ে বা অবৈধ আটকের ভয় দেখায়
  3. সম্মতি ব্যতিত গোপনে কারো অস্থাবর সম্পদ অপসারণ করে
  4. অসাধুভাবে সম্পত্তিটি প্রদানে বাধ্য করে
সঠিক উত্তর:
সম্মতি ব্যতিত গোপনে কারো অস্থাবর সম্পদ অপসারণ করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্মতি ব্যতিত গোপনে কারো অস্থাবর সম্পদ অপসারণ করে
ব্যাখ্যা
• ৩৯০ ধারা মতে দস্যুতার মধ্যে যেসব উপাদান বিদ্যমান-
(i) এক বা একাধিক ব্যক্তি তবে ৫ জনের কম যৌথভাবে অপরাধটি সংঘটিত করেছিল;
(ii) আঘাতের ভয় বা মৃত্যুভয় দেখিয়ে বা অবৈধ আটকের ভয় দেখিয়েছিল;
(iii) অসাধুভাবে সম্পত্তিটি প্রদানে বাধ্য করেছিল; এবং
(iv) প্রত্যেক দস্যুতার অপরাধের মধ্যে চুরি বা বলপূর্বক গ্রহণ থাকতে হবে।
১,৮২৬.
আঘাতের (Hurt) সংজ্ঞা সম্পর্কিত দণ্ডবিধির ধারা কত?
  1. ৩১৮ ধারা
  2. ৩১৯ ধারা
  3. ৩২৩ ধারা
  4. ৩২৪ ধারা
সঠিক উত্তর:
৩১৯ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩১৯ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩১৯ ধারার বিধান: আঘাত:- কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তির দৈহিক যন্ত্রণা, ব্যাধি বা অপরাগতা ঘটায়, তবে উক্ত ব্যক্তি আঘাত করেছে বলে পরিগণিত হবে।
--------
⇒ Section 319. Hurt:- Whoever causes bodily pain, disease or infirmity to any person is said to cause hurt.
১,৮২৭.
The Penal Code, 1860 এর বিধান অনুসারে কোন পরিস্থিতিতে একটি কাজ 'সদবিশ্বাসে' করা হয়েছে বলে গণ্য হবে না?
  1. যথাযথ সতর্কতা অবলম্বন করা হলে
  2. ভালো উদ্দেশ্য থাকলে
  3. যথাযথ সতর্কতা ও মনোযোগ ব্যতিরেকে
  4. পর্যাপ্ত মনোযোগ দেওয়া হলে
সঠিক উত্তর:
যথাযথ সতর্কতা ও মনোযোগ ব্যতিরেকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যথাযথ সতর্কতা ও মনোযোগ ব্যতিরেকে
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৫২ ধারায় সদবিশ্বাসের সংজ্ঞা রয়েছে-
যথাযথ সতর্কতা ও মনোযোগ ব্যতিরেকে সম্পাদিত বা বিশ্বাসকৃত কোন কিছুই 'সদবিশ্বাসে' করা হয়েছে বা বিশ্বাস করা হয়েছে বলে গণ্য হবে না।

Section 52- “Good faith”:
Nothing is said to be done or believed in "good faith" which is done or believed without due care and attention.
১,৮২৮.
'ক' এক ফৌজদারি মামলায় দণ্ডবিধির অধীন ১০ বছরের কারাদণ্ড এবং ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হয়। এক্ষেত্রে কত সময়ের মধ্যে উক্ত অর্থদণ্ড আদায় করা যাবে?
  1. ৩ বছরের মধ্যে
  2. ৬ বছরের মধ্যে
  3. ৭ বছরের মধ্যে
  4. ১০ বছরের মধ্যে
সঠিক উত্তর:
১০ বছরের মধ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ বছরের মধ্যে
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৭০ ধারায় অর্থদণ্ড আদায়ের সময়সীমা সম্পর্কে ৩টি বিধানের উল্লেখ আছে।

(i) দণ্ডাদেশ প্রদানের পরবর্তী ৬ বছরের মধ্যে যেকোনো সময়;
(ii) ৬ বছরের অধিক কারাদণ্ড হলে- কারাদণ্ডের মেয়াদ শেষ/উত্তীর্ণ হওয়ার আগে;
(iii) অর্থদণ্ড অনাদায়ে আসামির মৃত্যু হলে- আসামির সম্পত্তি থেকে আদায় করা হবে। অর্থাৎ আসামির মৃত্যু হলেও অর্থদণ্ড/জরিমানা মওকুফ হবে না।

প্রশ্নে উল্লিখিত ক্ষেত্রে 'ক' ১০ বছর কারাদণ্ডে দণ্ডিত হয়, এক্ষেত্রে কারাদণ্ডের মেয়াদ শেষ/উত্তীর্ণ হওয়ার আগে অর্থাৎ ১০ বছরের মধ্যে আদায় করা যাবে।

দণ্ডবিধির ৭০ ধারার বিধান- অর্থদণ্ড ছয় বৎসরের মধ্যে বা কারাদণ্ড চলতে থাকাকালে আদায়যোগ্য:
মৃত্যুর ফলে সম্পত্তি দায়মুক্ত হবে না:- অর্থদণ্ড বা উহার কোন অপরিশোধিত অংশ দণ্ডাদেশ দানের পরবর্তী ছয় বৎসরের মধ্যে যে কোন সময়ে আদায় করা যাবে, এবং উক্ত দণ্ডাদেশবলে অপরাধী যদি ছয় বৎসর হতেও দীর্ঘতর মেয়াদের জন্য কারাদণ্ডে দণ্ডিত হয়, তবে অর্থদণ্ড বা উহার কোন অপরিশোধিত অংশ উক্ত কারাদণ্ডের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে যে কোন সময়ে আদায় করা হবে; অপরাধীর মৃত্যুর পর তার যে সম্পত্তি তার দায় পরিশোধ আইনতঃ দায়গ্রস্ত হতে পারে, অপরাধীর মৃত্যুর ফলে অনুরূপ সম্পত্তি দায়মুক্ত হবে না।

Section 70. Fine leviable within six years, or during imprisonment Death not to discharge property from liability:
The fine, or any part thereof which remains unpaid, may be levied at any time within six years after the passing of the sentence, and if, under the sentence, the offender be liable to imprisonment for a longer period than six years, then at any time previous to the expiration of that period; and the death of the offender does not discharge from the liability of any property which would, after his death, be legally liable for his debts.
১,৮২৯.
'Affray' এর বিধান আছে দণ্ডবিধির কত ধারায়?
  1. দণ্ডবিধির ১৪৯ ধারায়
  2. দণ্ডবিধির ১৫৯ ধারায়
  3. দণ্ডবিধির ১৬০ ধারায়
  4. দণ্ডবিধির ১৪১ ধারায়
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধির ১৫৯ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধির ১৫৯ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৫৯ ধারার বিধান মারামারি:

যদি দুই বা ততোধিক ব্যক্তি কোন প্রকাশ্য স্থানে মারামরি করে শান্তিভঙ্গ করে, তবে তারা "মারামারি” করেছে বলে পরিগণিত হয়।

⇒  দণ্ডবিধির ১৬০ ধারার বিধান  মারামারির শাস্তি:
কোন ব্যক্তি যদি মারামারির অপরাধ সংঘটন করে, তবে সে ব্যক্তি এক মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা একশত টাকা পর্যন্ত যে কোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
___________________________________________
⇒ Section 159.  Affray
When two or more persons, by fighting in a public place, disturb the public peace, they are said to "commit an affray".

⇒  Punishment for committing affray
Section 160. Whoever commits an affray, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to one month, or with fine which may extend to one hundred taka, or with both.
১,৮৩০.
কোন ধারায় অপরাধমূলক নরহত্যার সংজ্ঞা রয়েছে?
  1. ১৯৯ ধারা
  2. ২৯২ ধারা
  3. ২৯৯ ধারা
  4. ৩০০ ধারা
সঠিক উত্তর:
২৯৯ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৯৯ ধারা
ব্যাখ্যা
• কোন ব্যক্তিকে প্রত্যক্ষভাবে হত্যা না করে এমন কাজ করা যা তার মৃত্যু ঘটায় তাই হলো নিন্দনীয় নরহত্যা।
• দণ্ডবিধির ২৯৯ ধারা মতে ৩ ক্ষেত্রে কোন কাজ নিন্দনীয় নরহত্যা বলে গণ্য হবে।
(i)  মৃত্যু ঘটানের উদ্দেশ্যে
(ii)  দৈহিক জখমের উদ্দেশ্যে
(iii) মৃত্যু ঘটাতে পারে এরকম জ্ঞান নিয়ে কোন কাজ করার ফলে কোন ব্যক্তির মৃত্যু হলে।
১,৮৩১.
কখন অবৈধ বাধা হইবে?
  1. কোন ব্যক্তিকে তাহার ইচ্ছানুসারে নির্দিষ্ট কোন পথ গমনের ক্ষেত্রে বাধা দিলে 
  2. কোন ব্যক্তিকে নির্দিষ্ট সীমাবদ্ধ এলাকার বাহিরে গমনের ক্ষেত্রে বাধা দিলে
  3. যথার্থ কারণ ছাড়া বন্দী করিয়া রাখিলে
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
কোন ব্যক্তিকে তাহার ইচ্ছানুসারে নির্দিষ্ট কোন পথ গমনের ক্ষেত্রে বাধা দিলে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোন ব্যক্তিকে তাহার ইচ্ছানুসারে নির্দিষ্ট কোন পথ গমনের ক্ষেত্রে বাধা দিলে 
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৩৯ ধারার বিধান অবৈধ বাধা (Wrongful restraint):- যে ব্যক্তি কোন ব্যক্তিকে ইচ্ছাপূর্বক এমনভাবে বাধাদান করে যার ফলে উক্ত ব্যক্তির যেদিকে যাবার অধিকার রয়েছে, এমন কোন দিকে উক্ত ব্যক্তির যাবার পথ রুদ্ধ হয়, তবে সে ব্যক্তি উক্ত ব্যক্তিকে অবৈধভাবে বাধাদান করেছে বলে পরিগণিত হয়।

ব্যতিক্রম :- যদি কোন লোক স্থলে বা জলে কোন বেসরকারি পথে বাধা দেওয়ার আইনসম্মত অধিকার তার রয়েছে বলে সরল মনে বিশ্বাসবশতঃ উক্ত পথে বিঘ্ন সৃষ্টি করে, তবে তার কাজ এই ধারার অর্থের আওতায় অপরাধ হবে না।

⇒ উদাহরণ
যে পথ অতিক্রম করার অধিকার চ-এর রয়েছে, সে পথে ক বিঘ্ন সৃষ্টি করে। ক সরল মনে বিশ্বাস করে না যে, পথটি রোধ করার অধিকার তার রয়েছে। ক-এর পথ রোধের ফলে চ পথ অতিক্রম করতে অসমর্থ হয়। ক অবৈধভাবে চ-কে বাধাদান করেছে।
--------
⇒ Wrongful restraint:
Section 339. Whoever voluntarily obstructs any person so as to prevent that person from proceeding in any direction in which that person has a right to proceed, is said wrongfully to restrain that person. 
 
⇒ Exception. The obstruction of a private way over land or water which a person in good faith believes himself to have a lawful right to obstruct, is not an offence within the meaning of this section. 
 
⇒ Illustration 
A obstructs a path along which Z has a right to pass, A not believing in good faith that he has a right to stop the path. Z is thereby prevented from passing. A wrongfully restrains Z.
১,৮৩২.
দণ্ডবিধির ১৭১চ ধারার অধীনে নির্বাচনে মিথ্যা পরিচয়দান বা অবৈধ প্রভাব বিস্তারের সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ৬ মাসের কারাদণ্ড
  2. ১ বছরের কারাদণ্ড
  3. ৩ বছরের কারাদণ্ড
  4. ৫ বছরের কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
১ বছরের কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৭১চ (Section 171F) ধারার অধীনে, যদি কোনো ব্যক্তি নির্বাচনে মিথ্যা পরিচয়দান বা অবৈধ প্রভাব বিস্তার করে, তাহলে তার সর্বোচ্চ ১ বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড, অথবা অর্থদণ্ড, অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হওয়ার বিধান রয়েছে।

- দণ্ডবিধির ১৭১চ ধারার বিধান নির্বাচনে অবৈধ প্রভাব বিস্তার বা মিথ্যা পরিচয়দানের সাজা :- কোন ব্যক্তি যদি কোন নির্বাচনে অবৈধ প্রভাব বিস্তার বা মিথ্যা পরিচয়দানের অপরাধ করে, তবে সে ব্যক্তি এক বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
-----------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 171F. Punishment for undue influence or personation at an election:- Whoever commits the offence of undue influence of personation at an election shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to one year, or with fine, or with both.
১,৮৩৩.
দণ্ডবিধির ৮৪ ধারার বিধান কী?
  1. Consent of insane person
  2. Act causing slight harm
  3. Act of a person of unsound mind
  4. Act of a child under nine years of age
সঠিক উত্তর:
Act of a person of unsound mind
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Act of a person of unsound mind
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৮৪ ধারায় মতে অপরাধ করার সময় অপরাধী ব্যাক্তি অপ্রকৃতিস্থ বা পাগল থাকলে সে কাজ অপরাধ বলে গণ্য হবে না। তবে অপরাধ করার সময় উক্ত পাগল ব্যক্তির মানসিক অবস্থা এমন থাকতে হবে যে সে তার কাজের প্রকৃতি ও পরিণতি উপলব্ধি করতে পারে না।

⇒ দণ্ডবিধির ৮৪ ধারার বিধান: অপ্রকৃতিস্থ ব্যক্তির কার্য:
-এমন কোন ব্যক্তির কোন কার্যই অপরাধ নয়, যে ব্যক্তি সংশ্লিষ্ট কাজটি করার সময় তার মনে অসুস্থতা (Unsoundness) বশত কাজটি যে অন্যায় অথবা আইনবিরুদ্ধ, তা বুঝতে অসমর্থ ছিল।
--------------------------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 84: Act of a person of unsound mind:
-Nothing is an offence which is done by a person who, at the time of doing it, by reason of unsoundness of mind, is incapable of knowing the nature of the act, or that he is doing what is either wrong or contrary to law.
১,৮৩৪.
দণ্ডবিধির কত ধারায় খুনের শাস্তি উল্লেখ আছে?
  1. ২৯৯ ধারায়
  2. ৩০০ ধারায়
  3. ৩০২ ধারায়
  4. ৩০৪ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৩০২ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০২ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩০২ ধারা- খুনের সাজা: কোন ব্যক্তি যদি খুনের অপরাধ করে তবে উক্ত ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে, যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবে।
----------------- 
⇒ The Penal Code Section 302- Punishment for murder:
Whoever commits murder shall be punished with death, or imprisonment for life, and shall also be liable to fine. 
১,৮৩৫.
'A', 'B'-কে 'Z'-কে হত্যা করতে প্ররোচিত করে। কিন্তু অপরাধটি সংঘটিত হয়নি। এক্ষেত্রে 'A'-
  1. কোনো শাস্তি পাবে না
  2. মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত হতে পারে
  3. সর্বোচ্চ ১০ বছর কারাদণ্ডে দণ্ডিত হতে পারে
  4. সর্বোচ্চ ৭ বছর কারাদণ্ডে দণ্ডিত হতে পারে
সঠিক উত্তর:
সর্বোচ্চ ৭ বছর কারাদণ্ডে দণ্ডিত হতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সর্বোচ্চ ৭ বছর কারাদণ্ডে দণ্ডিত হতে পারে
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ১১৫ ধারা- মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধে সহায়তাকরণ, অপরাধ অনুষ্ঠিত না হইলে:
কোন ব্যক্তি যদি মৃত্যুদণ্ডে অথবা যাবজীবন কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধ সংঘটনে সহায়তা করে কিন্তু সহায়তা করার ফলে উক্ত অপরাধটি অনুষ্ঠিত না হয় এবং অনুরূপ সহায়তার দণ্ডদানের জন্য এই বিধিতে কোন স্পষ্ট বিধান না থেকে থাকে, তবে উক্ত ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তাকে অর্থদণ্ডে ও দণ্ডিত করা যাবে।

সহায়তার ফলে অপরাধ অনুষ্ঠিত হলে:
এবং যদি এমন কোন কাজ সম্পাদিত হয় যাতে সহায়তার জন্য সহায়তাকারী দায়ী হয় এবং যাতে কোন ব্যক্তি আঘাতপ্রাপ্ত হয়, তবে যোগসাজশকারী সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং এই কারাদণ্ডের মেয়াদ চৌদ্দ বৎসর পর্যন্ত হতে পারবে, এবং সহায়তাকারীকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে।

A, B-কে Z-কে হত্যা করতে প্ররোচিত করে। অপরাধটি সংঘটিত হয়নি। যদি B, Z-কে হত্যা করত, তাহলে তার মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হত। সুতরাং, A সর্বোচ্চ সাত বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং জরিমানার যোগ্য; এবং, যদি প্ররোচনার ফলে Z-এর কোনো ক্ষতি হতো, তাহলে A সর্বোচ্চ চৌদ্দ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং জরিমানার যোগ্য হতো।

Section 115- Abetment of offence punishable with death or imprisonment for life- if offence be not committed; if act causing harm be done in consequence:
Whoever abets the commission of an offence punishable with death or imprisonment for life, shall, if that offence be not committed in consequence of the abetment, and no express provision is made by this Code for the punishment of such abetment, be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine;
and if any act for which the abettor is liable in consequence of the abetment, and which causes hurt to any person, is done, the abettor shall be liable to imprisonment of either description for a term which may extend to fourteen years, and shall also be liable to fine.

Illustration-
A instigates B to murder Z. The offence is not committed. If B had murdered Z, he would have been subject to the punishment of death or 3[imprisonment] for life. Therefore A is liable to imprisonment for a term which may extend to seven years and also to a fine; and, if any hurt be done to Z in consequence of the abetment, he will be liable to imprisonment for a term which may extend to fourteen years, and to fine.
১,৮৩৬.
ক একজন সাক্ষী হিসেবে ম্যাজিস্ট্রেট খ এর সামনে উপস্থিত হয়। খ বলেন যে, তিনি ক এর সাক্ষ্যের এক শব্দও বিশ্বাস করেন না এবং ক মিথ্যা শপথ করেছে। এসব কথায় ক আকস্মিক ক্রোধে উদ্দীপ্ত হয়ে খ কে হত্যা করে। ক এর অপরাধ-
  1. হত্যা
  2. খুন
  3. নিন্দনীয় নরহত্যা
  4. নরহত্যা
সঠিক উত্তর:
খুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খুন
ব্যাখ্যা
♦The Penal Code, 1860 এর ৩০০ ধারার ব্যতিক্রম ১ অনুযায়ী আকস্মিক উত্তেজনায় কোন ব্যক্তিকে হত্যা করলে সেটা নিন্দনীয় নরহত্যা না হয়ে খুন হবে যদি উক্ত উত্তেজনার দ্বারা যে হত্যাটি করা হয়েছে তা আইনানুগ সরকারি কর্মচারীর আইনগত ক্ষমতা প্রয়োগের ক্ষেত্রে প্রয়োগ করা হয়। যেহেতু এখানে খ (ম্যাজিস্ট্রেট) কে হত্যা করা হয়েছে , তাই এটা খুন বলে গণ্য হবে।
১,৮৩৭.
দণ্ডবিধির ধারা ২৭৫-এর অধীন ভেজালযুক্ত ঔষধের বিক্রয় বা প্রদর্শনের শাস্তির সর্বোচ্চ কত?
  1. ৩ মাস কারাদণ্ড
  2. ৬ মাস কারাদণ্ড
  3. ২ মাস কারাদণ্ড
  4. ১ বছর কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
৬ মাস কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ মাস কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒দণ্ডবিধির ধারা ২৭৫ অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি জেনেশুনে ভেজালযুক্ত ঔষধ: বিক্রি করে, বিক্রির জন্য প্রদর্শন করে, ডিসপেনসারি থেকে অশোধিত/ভেজালমুক্ত বলে ইস্যু করে, অজ্ঞাতসারে কোনো ব্যক্তিকে ব্যবহার করতে দেয়, তাহলে তার শাস্তি হবে: সর্বোচ্চ ৬ মাসের কারাদণ্ড (সাধারণ বা কঠোর) অথবা  ১,০০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা অথবা উভয় শাস্তি। 

⇒দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ২৭৫ অনুযায়ী যদি কেউ জানে যে কোনো ঔষধ বা চিকিৎসা সামগ্রী ভেজালযুক্ত, এবং তারপরও তা: বিক্রি করে, বিক্রির জন্য অফার করে বা প্রদর্শন করে, কোনো ডিসপেনসারি থেকে চিকিৎসার উদ্দেশ্যে সরবরাহ করে, বা এমন কাউকে ব্যবহারের জন্য দেয় যে ভেজালের বিষয়টি জানে না তাহলে তার সর্বোচ্চ শাস্তি: ৬ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড (সশ্রম বা বিনাশ্রম), বা ১,০০০ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড, বা উভয় দণ্ড।

⇒The Penal Code, 1860 – Section 275. Sale of adulterated drugs:
Whoever, knowing any drug or medical preparation to have been adulterated in such a manner as to lessen its efficacy, to change its operation, or to render it noxious, sells the same, or offers or exposes it for sale, or issues it from any dispensary for medicinal purposes as unadulterated, or causes it to be used for medicinal purposes by any person not knowing of the adulteration, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to six months, or with fine which may extend to one thousand taka, or with both.

১,৮৩৮.
যদি কেউ তার আইনানুগ গ্রেফতারে ইচ্ছাকৃতভাবে বাধা দেয়, তাহলে তাকে কোন ধরনের কারাদণ্ড দেয়া যেতে পারে?
  1. শুধুমাত্র বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  2. শুধুমাত্র সশ্রম কারাদণ্ড
  3. সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  4. কোনো শাস্তি হবে না
সঠিক উত্তর:
সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
ধারা ২২৪- কোন লােক দ্বারা তার আইনানুগ গ্রেফতারে বাধা দান বা প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি:
যে লােক, যে অপরাধ সংঘটনের জন্য অভিযুক্ত করা হয়েছে বা দণ্ডিত হয়েছে, সে অপরাধ সংঘটনের জন্য তার নিজের আইনানুগ গ্রেফতারে ইচ্ছাকৃতভাবে কোন বাধা দেয় বা অবৈধভাবে বিঘ্নের উদ্রেক করে, বা এরূপ অপরাধ সংঘটনের জন্য সে যে হাজতে আইনগতভাবে আটক হয়, সে হাজত হতে পলায়ন করে বা পলায়ন করার চেষ্টা করে, সে লােক যে কোন বর্ণনার সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে যার মেয়াদ দুই বৎসর পর্যন্ত হতে পারে বা জরিমানা দণ্ডে বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবে।

Section 224- Resistance or obstruction by a person to his lawful apprehension:
Whoever intentionally offers any resistance or illegal obstruction to the lawful apprehension of himself for any offence with which he is charged or of which he has been convicted, or escapes or attempts to escape from any custody in which he is lawfully detained for any such offence, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both. 
 
Explanation.-The punishment in this section is in addition to the punishment for which the person to be apprehended or detained in custody was liable for the offence with which he was charged, or of which he was convicted.
১,৮৩৯.
‘ক’ ‘খ’-এর কুকুরকে খাবারের প্রলোভন দেখিয়ে অসাধুভাবে নিয়ে যায়, ‘খ’-এর সম্মতি ছাড়া। দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর বিধান অনুসারে 'ক' এর এই অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি কী হবে?
  1. ৩ বছরের কারাদণ্ড
  2. ৬ মাসের কারাদণ্ড
  3. ২ বছরের কারাদণ্ড
  4. ১ বছরের কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
৩ বছরের কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৩৭৮ অনুসারে, কোনো ব্যক্তির সম্মতি ছাড়া অসাধুভাবে তার অধিকারে থাকা চলমান সম্পত্তি নিয়ে যাওয়া চুরি হিসেবে গণ্য। ধারা ৩৭৮-এর ব্যাখ্যা ৪ অনুসারে, পশুকে প্রলোভন দিয়ে নিয়ে যাওয়া চুরি। এখানে, ‘ক’ ‘খ’-এর কুকুরকে খাবারের প্রলোভন দেখিয়ে অসাধুভাবে নিয়েছে, যা চুরি। ধারা ৩৭৯ অনুসারে, চুরির শাস্তি হলো ৩ বছর পর্যন্ত যেকোনো প্রকারের কারাদণ্ড, জরিমানা, বা উভয়ই। সুতরাং, সর্বোচ্চ শাস্তি ৩ বছরের কারাদণ্ড।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৭৮ ধারার বিধান চুরি:- কোন ব্যক্তি যদি কারো দখল হতে তার সম্মতি ব্যতীত কোন অস্থাবর সম্পত্তি অসাধুভাবে গ্রহণ করার উদ্দেশ্য নিয়ে উক্ত সম্পত্তি অনুরূপভাবে গ্রহণের জন্য স্থানান্তর করে, তবে উক্ত ব্যক্তি চুরি করেছে বলে গণ্য হবে।

ব্যাখ্যা ১:- কোন বস্তু যতক্ষণ পর্যন্ত অস্থাবর সম্পত্তি না হওয়া বিধায় মাটির সাথে যুক্ত থাকে, ততক্ষণ পর্যন্ত উহা চুরি করার বস্তু বলে গণ্য হবে না, কিন্তু যে মুহূর্তে উহাকে মাটি হতে বিচ্ছিন্ন করা হয় সে মহূর্তেই উহা চুরি করার বস্তু হওয়ার যোগ্য গণ্য হবে।
ব্যাখ্যা ২:- যে কাজ কর্তৃক (মাটি হতে) বিচ্ছিন্নতা সাধন করা হয়, সে কাজ দ্বারাই স্থানান্তর করা হলে তা চুরি হতে পারে।
ব্যাখ্যা ৩:- কোন ব্যক্তি কোন বস্তুর গতির প্রতিবন্ধক অপসারণ করলে বা উহাকে অপর কোন বন্ধু হতে বিচ্ছিন্ন করলে এবং বাস্তবিকভাবে উহা স্থানান্তর করলে উক্ত বস্তু স্থানান্তর করে বলে পরিগণিত হবে।
ব্যাখ্যা ৪:- কোন ব্যক্তি যে কোন উপায়ে কোন পশুকে হাঁটায়, সে লোক সে পশুকে এবং অনুরূপভাবে সৃষ্ট গতির ফলে উক্ত পশু দ্বারা স্থানান্তরিত প্রত্যেক বস্তুকে স্থানান্তর করে বলে গণ্য হবে।
ব্যাখ্যা ৫:- সংজ্ঞায় উল্লেখিত সম্মতি প্রকাশ্য অথবা পরোক্ষ হতে পারে: এবং উক্ত সম্মতি দখলকারী ব্যক্তি বা উক্ত উদ্দেশ্য প্রকাশ্য বা পরোক্ষ ক্ষমতাসম্পন্ন ব্যক্তির দ্বারা প্রদত্ত হতে পারে।

------------
⇒ The Penal Code, 1860-Section-378. Theft:
-Whoever, intending to take dishonestly any moveable property out of the possession of any person without that person's consent, moves that property in order to such taking, is said to commit theft.
Explanation 1.-A thing so long as it is attached to the earth, not being moveable property, is not the subject of theft; but it becomes capable of being the subject of theft as soon as it is severed from the earth.
Explanation 2.-A moving effected by the same act which effects the severance may be a theft.
Explanation 3.-A person is said to cause a thing to move by removing an obstacle which prevented it from moving or by separating it from any other thing, as well as by actually moving it.
Explanation 4.-A person, who by any means causes an animal to move, is said to move that animal, and to move everything which, in consequence of the motion so caused, is moved by that animal.
Explanation 5.-The consent mentioned in the definition may be express or implied, and may be given either by the person in possession, or by any person having for that purpose authority either express or implied.

১,৮৪০.
Under Section 306 of The Penal Code, 1860, who can be held liable for punishment?
  1. The person who commits suicide
  2. The witnesses of the suicide
  3. The person who abets the commission of suicide
  4. The person who survives a suicide attempt.
সঠিক উত্তর:
The person who abets the commission of suicide
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The person who abets the commission of suicide
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩০৬ ধারার বিধান- আত্মহত্যায় সহায়তা বা প্ররোচনা দান:
কোন ব্যক্তি যদি আত্মহত্যা করে, তবে যে ব্যক্তি আত্মহত্যায় সহায়তা বা প্ররোচনা দান করবে, উক্ত ব্যক্তি দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

Section 306- Abetment of suicide:
If any person commits suicide, whoever abets the commission of such suicide, shall be punished with imprisonment either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine.
১,৮৪১.
দণ্ডবিধির ৪০৯ ধারার বিধান হিসেবে কোনটি সঠিক?
  1. Criminal breach of trust by carrier, etc.
  2. Criminal breach of trust by clerk or servant
  3. Criminal breach of trust by public servant, or by banker etc
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
Criminal breach of trust by public servant, or by banker etc
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Criminal breach of trust by public servant, or by banker etc
ব্যাখ্যা
Section 409- Criminal breach of trust by public servant, or by banker, merchant or agent:
Whoever, being in any manner entrusted with property, or with any dominion over property in his capacity of a public servant or in the way of his business as a banker, merchant, factor, broker, attorney or agent, commits criminal breach of trust in respect of that property, shall be punished with imprisonment for life, or with imprisonment of either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine.

দণ্ডবিধির ৪০৯ ধারা অনুযায়ী,
‘যে ব্যক্তি তার সরকারি কর্মচারীজনিত ক্ষমতার বা একজন ব্যাংকার, বণিক, আড়তদার, দালাল, অ্যাটর্নি বা প্রতিভূ হিসাবে তাহার ব্যবসায় ব্যাপদেশে যে কোনও প্রকারে কোনও সম্পত্তি বা কোনও সম্পত্তির ওপর আধিপত্যের ভারপ্রাপ্ত হইয়া সম্পত্তি সম্পর্কে অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ করেন, সেই ব্যক্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে বা ১০ বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ডে দণ্ডিত হইবে এবং তদুপরি অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হইবে।’
১,৮৪২.
‘জ’ একজন বিচারক হয়ে তার ভাই ‘ভ’ কে ‘ক’ এর ব্যাংকে চাকরি দেওয়ার শর্তে ‘ভ’ এর অনুকূলে রায় ঘোষণা করে। ‘জ’-এর অপরাধ কোন ধারায় শাস্তিযোগ্য?
  1. ১৬১ ধারায়
  2. ১৬২ ধারায়
  3. ১৬৩ ধারায়
  4. ১৬৪ ধারায়
সঠিক উত্তর:
১৬১ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬১ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦পেনাল কোড-এর ১৬১ ধারায় পাবলিক সার্ভেন্ট ঘুষ বা আনুকূল্য গ্রহণ করলে তার শাস্তির বর্ণনা দেওয়া আছে যা ৩ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড।
♦পেনাল কোড এর ধারা ১৬১ মতে সরকারী কর্মচারী হইয়া বা হওয়ার আশা করিয়া কোন সরকারী কার্যের জন্য ঘুষ গ্রহণঃ কোন ব্যক্তি যদি সরকারী কর্মচারী হিসেবে অথবা সরকারী কর্মচারী হবে বলে আশা করে কোন সরকারী কাজ করার অথবা করা হতে বিরত থাকার উদ্দেশ্যে বা পুরস্কার হিসাবে, অথবা সরকারী দায়িত্ব সম্পাদনকালে কোন ব্যক্তিকে অনুগ্রহ প্রদর্শন বা নিগ্রহ প্রদর্শন করার জন্য বা করা হতে বিরত থাকার জন্য, অথবা বাংলাদেশের সরকার বা আইনসভা দ্বারা অথবা কোন সরকারী কর্মচারী দ্বারা কোন ব্যক্তির উপকার বা অপকার করার জন্য বা তা করার চেষ্টায় নিজের অথবা অপর কোন ব্যক্তির জন্য কারো নিকট থেকে আইনসম্মত পারিশ্রমিক ছাড়াই অপর যে কোনরূপ পারিতোষিক গ্রহণ করে বা লাভ বা গ্রহণ করতে সম্মত হয় বা লাভ করতে চেষ্টা করে, তবে উক্ত ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
১,৮৪৩.
'X' একটি সার্টিফিকেট ইস্যু করার জন্য স্বাক্ষর করে যা আইনের দিক থেকে সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য। সে জানত সার্টিফিকেটে থাকা তথ্য মিথ্যা। দণ্ডবিধির কত ধারা অনুযায়ী, 'X'-এর শাস্তি হবে?
  1. ধারা ১৯৫
  2. ধারা ১৯৬
  3. ধারা ১৯৭
  4. ধারা ১৯৮
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৯৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৯৭
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ১৯৭ অনুসারে, যদি কোনো ব্যক্তি আইনত প্রয়োজনীয় কোনো সার্টিফিকেট ইস্যু করে বা স্বাক্ষর করে, অথবা এমন কোনো বিষয়ে সার্টিফিকেট দেয় বা স্বাক্ষর করে যা আইনত সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য, এবং সেই সার্টিফিকেটটি কোনো গুরুত্বপূর্ণ (material) বিষয়ে মিথ্যা বলে জানে বা বিশ্বাস করে, তবে তাকে মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়ার (ধারা ১৯৩) অনুরূপ শাস্তি প্রদান করা হবে।
প্রশ্নে উল্লিখিত 'X'-এর কাজটি (মিথ্যা সার্টিফিকেট স্বাক্ষর করা) সরাসরি ধারা ১৯৭-এর অধীনে পড়ে।

অন্যান্য অপশনগুলোর ব্যাখ্যা:
ক) ধারা ১৯৫: এটি প্রযোজ্য যখন কেউ মিথ্যা সাক্ষ্য দেয় বা তৈরি করে যাতে কোনো ব্যক্তি কারাদণ্ড (৭ বছর বা তার বেশি) বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হয়। এখানে সার্টিফিকেট ইস্যু করার বিষয় নেই।
খ) ধারা ১৯৬: এটি প্রযোজ্য যখন কেউ জেনেশুনে মিথ্যা সাক্ষ্য বা দলিল ব্যবহার করে (ইস্যু বা স্বাক্ষর নয়)।
ঘ) ধারা ১৯৮: এটি প্রযোজ্য যখন কেউ জেনেশুনে মিথ্যা সার্টিফিকেট ব্যবহার করে (ইস্যু বা স্বাক্ষর নয়)।
সুতরাং, 'X' এর কাজটি ধারা ১৯৭-এর সাথে মেলে।

⇒ দণ্ডবিধির ১৯৭ ধারার বিধান মিথ্যা সার্টিফিকেট ইস্যু করা কিংবা উহাতে স্বাক্ষর করা:- কোন ব্যক্তি যদি আইনের নির্দেশানুসারে কোন সার্টিফিকেট ইস্যু করে কিংবা উহাতে স্বাক্ষর করে কিংবা যে বিষয়ে আইনানুসারে কোন সার্টিফিকেট সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য, সে বিষয়ে অনুরূপ সার্টিফিকেট দান বা স্বাক্ষর করে এবং সার্টিফিকেটটি কোন বাস্তব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের দিক হতে মিথ্যা বলে জানা সত্ত্বেও বা অনুরূপভাবে মিথ্যা বলে বিশ্বাস করা সত্ত্বেও অনুরূপভাবে উহা দান বা স্বাক্ষর করে থাকে, তবে সে ব্যক্তি স্বয়ং মিথ্যা সাক্ষ্যদান করলে যেভাবে দণ্ডিত হত, এক্ষেত্রেও সে সেভাবে দণ্ডিত হবে।
-----------
⇒ The Penal Code, 1860-Section 197: Issuing or signing false certificate:
-Whoever issues or signs any certificate required by law to be given or signed, or relating to any fact of which such certificate is by law admissible in evidence, knowing or believing that such certificate is false in any material point, shall be punished in the same manner as if he gave false evidence.

১,৮৪৪.
জাল মুদ্রা আমদানি বা রপ্তানির শাস্তি কত বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে?
  1. পাঁচ বছর
  2. সাত বছর
  3. দুই বছর
  4. তিন বছর
সঠিক উত্তর:
তিন বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিন বছর
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ২৩৭ ধারার বিধান: জাল মুদ্রা আমদানি কিংবা রপ্তানি:- মুদ্রা জাল বলে জানা সত্ত্বেও, অথবা উহা জাল বলে তার বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও কোন ব্যক্তি যদি বাংলাদেশের মধ্যে উহা আমদানি করে অথবা তথা হতে উহা রপ্তানি করে, তবে সে ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

-----------------------
♦ Section 237. Import or export of counterfeit coin:- Whoever imports into Bangladesh, or exports there from, any counterfeit coin, knowingly or having reason to believe that the same is counterfeit, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, and shall be liable to fine.
১,৮৪৫.
দণ্ডবিধিতে 'Affray' এর ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ কত টাকা অর্থদণ্ডের বিধান আছে?
  1. ১০০ টাকা
  2. ৫০০ টাকা
  3. ১০০০ টাকা
  4. ২০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
১০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০০ টাকা
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৫৯ ধারার বিধান মারামারি:
- যদি দুই বা ততোধিক ব্যক্তি কোন প্রকাশ্য স্থানে মারামরি করে শান্তিভঙ্গ করে, তবে তারা "মারামারি” করেছে বলে পরিগণিত হয়।
⇒ দণ্ডবিধির ১৬০ ধারার বিধান মারামারির শাস্তি:
- কোন ব্যক্তি যদি মারামারির অপরাধ সংঘটন করে, তবে সে ব্যক্তি এক মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা একশত টাকা পর্যন্ত যে কোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
__________________________________
⇒ The Penal Code,1860: Section-159: Affray:
- When two or more persons, by fighting in a public place, disturb the public peace, they are said to "commit an affray".
⇒ Section-160: Punishment for committing affray:
-Whoever commits an affray, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to one month, or with fine which may extend to one hundred taka, or with both.
১,৮৪৬.
একজন শৈল্য চিকিৎসক সরল বিশ্বাসে একজন রােগীকে বলেন "আপনি আর বাঁচবেন না, এতে উক্ত রোগী মানসিক আঘাত পেয়ে মারা যায়। এক্ষেত্রে শৈল্য চিকিৎসক নিচের কোন ধারার অপরাধ করেছেন?
  1. খুন
  2. নরহত্যা
  3. হত্যার প্রচেষ্টা
  4. কোন অপরাধ করেন নাই
সঠিক উত্তর:
কোন অপরাধ করেন নাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোন অপরাধ করেন নাই
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৯৩ ধারা- বিধান সদবিশ্বাসে কৃত যোগাযোগ:
 কোন ব্যক্তির মঙ্গলার্থে আন্তরিক সদিচ্ছাক্রমে কৃত যোগাযোগ বা খবর প্রদান, উক্ত খবর প্রদানের ফলে উক্ত ব্যক্তির কোন প্রকার ক্ষতি হওয়ার দরুণ অপরাধ হবে না।

উদাহরণ
ক একজন সার্জন। তিনি আন্তরিক সদিচ্ছা থেকে জনৈক রোগীকে তার এই মত জানান যে, সে বাঁচবে না। ইহাতে মর্মান্তিক আঘাত প্রাপ্তির ফলে রোগীটির মৃত্যু হয়। ক এর কাজটি অপরাধ বলে পরিগণিত হবে না, যদিও তিনি জানতেন যে, তার এইরূপ মত দেওয়ার ফলে রোগীটির মৃত্যু ঘটতে পারে।

Section 93- Communication made in good faith:
No communication made in good faith is an offence by reason of any harm to the person to whom it is made, if it is made for the benefit of that person. 

Illustration 
A, a surgeon, in good faith, communicates to a patient his opinion that he cannot live. The patient dies in consequence of the shock. A has committed no offence, though he knew it to be likely that the communication might cause the patient's death.
১,৮৪৭.
The Penal Code extends to:
  1. The whole of Bangladesh except Rangmati, khagrachari, Bandarban.
  2. The whole of Bangladesh except Chittagong Tract.
  3. The whole of Bangladesh.
  4. None of the above.
সঠিক উত্তর:
The whole of Bangladesh.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The whole of Bangladesh.
ব্যাখ্যা
♦ প্রস্তাবনা:- যেহেতু বাংলাদেশের জন্য একটি সাধারণ দণ্ডবিধি প্রণয়ন করা আবশ্যক সেহেতু নিম্নোক্ত আইন প্রণয়ন করা হল:

♦ দণ্ডবিধির ধারা ১ এর বিধান শিরোনাম ও আইনের কার্যকারিতার সীমা:- এই আইন 'দণ্ডবিধি' নামে অভিহিত হবে এবং ইহা বাংলাদেশের সর্বত্র কার্যকর হবে।

-----------------------
♦ Preamble: WHEREAS it is expedient to provide a general Penal Code for Bangladesh; It is enacted as follows:-
Section 1. Title and extent of operation of the Code:- This Act shall be called the Penal Code and shall take effect throughout Bangladesh.

♦ So The Penal Code extends to The whole of Bangladesh.
১,৮৪৮.
তিন বা তার অধিক দিনের জন্য অবৈধভাবে কাউকে অবরোধ করলে সর্বোচ্চ কারাদণ্ড দেওয়া যেতে পারে-
  1. ৬ মাস
  2. ১ বছর
  3. ১ বছর ৬ মাস
  4. ২ বছর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৩৪৩ ধারা- তিন বা ততোধিক দিনের জন্য অবৈধ অবরোধ:
কোন ব্যক্তি যদি কাউকে তিন বা ততোধিক দিনের জন্য অবৈধভাবে অবরোধ করে রাখে, তবে উক্ত ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থদণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

Section 343: Wrongful confinement for three or more days:
Whoever wrongfully confines any person for three days or more, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.
১,৮৪৯.
দণ্ডবিধির ১৪১ ধারা অনুসারে বেআইনি সমাবেশ গঠনের জন্য ন্যূনতম কতজন ব্যক্তির প্রয়োজন?
  1. ৩ জন
  2. ৪ জন
  3. ৫ জন
  4. ৬ জন
সঠিক উত্তর:
৫ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ জন
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ১৪১ ধারা স্পষ্টভাবে নির্দেশ করে যে পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তির সমাবেশ বেআইনি সমাবেশ গঠনের ন্যূনতম শর্ত। তাই ৫ জনের কম হলে তা এই ধারার অধীনে বেআইনি সমাবেশ হিসেবে গণ্য হবে না।

⇒ দণ্ডবিধির ১৪১ ধারার বিধান বেআইনি সমাবেশ:- পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তির সমাবেশকে 'বেআইনি সমাবেশ' সেক্ষেত্রেই বলা হয়, যেক্ষেত্রে উক্ত সমাবেশের ব্যক্তিদের সাধারণ লক্ষ্য হয়-
প্রথম:- বাংলাদেশের সরকার বা আইনসভাকে অথবা কোন সরকারি কর্মচারীকে অনুরূপ কর্মচারীর আইনসম্মত ক্ষমতা প্রয়োগের সময় অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ অথবা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগের হুমকি কর্তৃক ভীতি প্রদর্শন করা; কিংবা
দ্বিতীয়:- কোন আইনের অথবা কোন আইনগত ব্যবস্থার কার্যকরকরণে বাধা সৃষ্টি করা; কিংবা
তৃতীয়:- কোন ব্যক্তির দুষ্কর্ম বা অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ অথবা অন্যবিধ অপরাধ অনুষ্ঠিত করা; কিংবা
চতুর্থ:- কোন ব্যক্তির প্রতি অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ করে বা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগের হুমকি প্রদর্শন করে কোন সম্পত্তির দখল গ্রহণ করা, অথবা কোন ব্যক্তিকে পথের অধিকার ভোগ হতে বঞ্চিত করা অথবা জল ব্যবহারের অধিকার হতে বঞ্চিত করা অথবা তাকে তার দখলে অবস্থিত অপর কোন অশরীরী অধিকার থেকে বঞ্চিত করা অথবা কোন অধিকার বা কল্পিত অধিকার প্রতিষ্ঠা করা; কিংবা
পঞ্চম:- অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করে বা অপরাধমূলক বল প্রয়োগের হুমকি প্রদর্শন করে কোন ব্যক্তিকে সে আইনত বাধ্য নয় এমন একটি কার্য সম্পাদনে বাধ্য করা অথবা যে কার্যটি করতে সে আইনত বাধ্য বা অধিকারী তা সম্পাদন হতে বিরত করা।
ব্যাখ্যা:- যে সমাবেশ, সমাবিষ্ট হওয়া কালে বেআইনি ছিল না তা পরে বেআইনি সমাবেশ হতে পারে।
-----------
⇒ The Penal Code, 1860-Section-141. Unlawful assembly:
An assembly of five or more persons is designated an "unlawful assembly," if the common object of the persons composing that assembly is:
First.-To overawe by criminal force, or show of criminal force, Government or Legislature, or any public servant in the exercise of the lawful power of such public servant; or
Second.-To resist the execution of any law, or of any legal process; or
Third.- To commit any mischief or criminal trespass, or other offence; or
Fourth.-By means of criminal force, or show of criminal force, to any person to take or obtain possession of any property, or to deprive any person of the enjoyment of a right of way, or of the use of water or other incorporeal right of which he is in possession or enjoyment, or to enforce any right or supposed right; or
Fifth.-By means of criminal force, or show of criminal force, to compel any person to do what he is not legally bound to do, or to omit to do what he is legally entitled to do.
Explanation.-An assembly which was not unlawful when it assembled, may subsequently become an unlawful assembly.

১,৮৫০.
দেহের আত্মরক্ষার অধিকার কতক্ষন পর্যন্ত বজায় থাকে?
  1. যতক্ষণ আঘাতের আশঙ্কা থাকে
  2. পুলিশ আসা পর্যন্ত
  3. আঘাত বা আক্রমণ শেষ হওয়ার পরেও
  4. অপরাধীকে শনাক্ত করা পর্যন্ত
সঠিক উত্তর:
যতক্ষণ আঘাতের আশঙ্কা থাকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যতক্ষণ আঘাতের আশঙ্কা থাকে
ব্যাখ্যা
ধারা-১০২: দেহ বা শরীর সম্পর্কিত আত্মরক্ষার অধিকারের স্থায়িত্ব-
শরীরের ব্যক্তিগত প্রতিরক্ষার অধিকার তখনই শুরু হয়, যখন শরীরে আঘাতের আশঙ্কা যুক্তিসঙ্গতভাবে সৃষ্টি হয় এবং কোনো অপরাধের চেষ্টা বা হুমকি থেকে আসে, যদিও সেই অপরাধটি সম্পূর্ণভাবে সংঘটিত না-ও হতে পারে; এবং এই অধিকার তখন পর্যন্ত বজায় থাকে, যতক্ষণ পর্যন্ত সেই আঘাতের আশঙ্কা অব্যাহত থাকে

Section 102- Commencement and continuance of the right of private defence of the body:
The right of private defence of the body commences as soon as a reasonable apprehension of danger to the body arises from an attempt or threat to commit the offence though the offence may not have been committed; and it continues as long as such, apprehension of danger to the body continues.
১,৮৫১.
‘Y’, ‘Z’ কে খুন করেছে জ্ঞাত থেকে 'X', 'Y' কে শাস্তি থেকে বাঁচানোর উদ্দেশ্যে মৃত দেহটি গোপন করার জন্য 'Y' কে সাহায্য করে। 'X' এর শাস্তি হতে পারে ___________।
  1. ১০ বছরের সশ্রম কারাদন্ড
  2. অনধিক ৭ বছরের সশ্রম কারাদন্ড
  3. ২ বছরের বিনাশ্রম কারাদন্ড
  4. যেকোনো বর্ণনার অনধিক ৫ বছরের কারাদন্ড
সঠিক উত্তর:
অনধিক ৭ বছরের সশ্রম কারাদন্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনধিক ৭ বছরের সশ্রম কারাদন্ড
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ধারা ২০১ অনুযায়ী- যেহেতু সংঘটিত অপরাধটি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধ এবং Y কে শাস্তি থেকে বাঁচানোর জন্য X মৃত দেহটি গোপন করতে Y কে সহায়তা করেছে, তাই X, ২০১ ধারায় সাক্ষ্য অদৃশ্য করে ফেলার জন্য ৭ বছর পর্যন্ত যেকোন বর্ণনার কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবে।

♦ অর্থাৎ X যে কোন বর্ণনার সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড যার মেয়াদ সাত বৎসর পর্যন্ত হতে পারে এবং  অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবে।
১,৮৫২.
যাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়েছে, যদি সে পুনরায় খুনের উদ্যোগ নেয় এবং তার ফলে কেউ আহত হয়, তার শাস্তি কী হতে পারে?
  1. অর্থদণ্ড
  2. মৃত্যুদণ্ড
  3. অতিরিক্ত ২০ বছরের কারাদণ্ড
  4. অতিরিক্ত ১৫ বছরের কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুদণ্ড
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৩০৭ ধারা- খুনের উদ্যোগ:
কোন ব্যক্তি যদি এমন উদ্দেশ্য নিয়ে বা এমন আশঙ্কা জানা সত্ত্বেও এমন অবস্থায় এমন কোন কার্য করে, যার ফলে মৃত্যু ঘটলে সে খুনের দায়ে অপরাধী সাব্যস্ত হবে, তবে উক্ত ব্যক্তি দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবে, এবং যদি অনুরূপ কাজের কর্তৃক কোন ব্যক্তিকে আঘাত করা হয়, তবে অপরাধী যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা ইতোপূর্বে যে সাজার উলেখ করা হয়েছে, সেই দণ্ডে দণ্ডিত হবে।

⇒ যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত ব্যক্তির উদ্যোগ:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত কোন ব্যক্তি যদি এই ধারায় উল্লেখিত অপরাধ করে এবং তার ফলে কেউ আহত হয়, তবে উক্ত ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করা যেতে পারে।
১,৮৫৩.
দণ্ডবিধির কত ধারায় বেপরোয়াভাবে নৌযান চালানোর শাস্তি উল্লেখ আছে?
  1. ২৭৫ ধারায়
  2. ২৭৬ ধারায়
  3. ২৮০ ধারায়
  4. ২৮১ ধারায়
সঠিক উত্তর:
২৮০ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৮০ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ২৮০ ধারায় বেপরোয়া নৌযান চালানোর শাস্তির বিধান রয়েছে।

- দণ্ডবিধির ২৮০ ধারা বেপরোয়াভাবে নৌযান চালনা:- কোন ব্যক্তি যদি এমন বেপরোয়াভাবে বা অবেহলার সাথে কোন নৌযান চালনা করে, যার কারণে কোন মানুষের জীবন বিপদাপন্ন হয় অথবা অপর কোন ব্যক্তির আঘাত লাগার বা জখম হওয়ার আশঙ্কা দেখা দেয়, তবে সে ব্যক্তি ছয় মাস পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা এক হাজার টাকা পর্যন্ত যেকোন পরিমাণের অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

- Section 280. Rash navigation of vessel:- Whoever navigates any vessel in a manner so rash or negligent as to endanger human life, or to be likely to cause hurt or injury to any other person, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to six months, or with fine which may extend to one thousand taka, or with both.
১,৮৫৪.
'Y' এর কর্মচারী 'X' জনসাধারণের চলাচলের রাস্তায় একটি আংটি কুড়িয়ে পেয়ে নিয়ে যায়। 'X' এর অপরাধ-
  1. চুরি
  2. অসাধুভাবে সম্পত্তি অপসারণ
  3. চাকর বা কেরানী কর্তৃক চুরি
  4. অপরাধমূলক তসরূপ
সঠিক উত্তর:
অপরাধমূলক তসরূপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপরাধমূলক তসরূপ
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪০৩ ধারার অধীনে অপরাধমূলক সম্পত্তি আত্মসাৎ বা অপরাধমূলক তসরূপ করেছে বলে গণ্য হবে। 

⇒ দণ্ডবিধির ৪০৩ ধারার বিধান অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎকরণ: কোন ব্যক্তি যদি অসাধুভাবে কোন অস্থাবর সম্পত্তি আত্মসাৎ করে অথবা তা তার নিজের ব্যবহারে প্রয়োগ করে, তবে উক্ত ব্যক্তি ১ বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থদণ্ড, অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবে।

⇒ ব্যাখ্যা ১:- কিছু সময়ের জন্য একটি অসাধু আত্মসাত্ত এই ধারা অনুযায়ী আত্মসাৎ বলে গণ্য হবে।

⇒ ব্যাখ্যা ২:- কোন ব্যক্তি যদি কোন সম্পত্তি কারো দখলে নেই দেখতে পেয়ে সম্পত্তিটি তার মালিকের স্বপক্ষে সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে অথবা মালিককে প্রত্যর্পণের উদ্দেশ্যে নিয়ে যায়, তবে সে অসাধুভাবে তা নিয়ে গিয়েছে বা আত্মসাৎ করেছে বলে গণ্য হবে না এবং কোন অপরাধে অপরাধী হবে না;
কিন্তু সে উপরে বর্ণিত অপরাধে অপরাধী হবে যদি সে সম্পত্তিটির মালিককে জানা সত্ত্বেও বা মালিককে খুঁজে বাহির করার উপায় থাকা সত্ত্বেও তা নিজের কাজে ব্যবহার করে, অথবা যদি সে মালিককে খুঁজে বাহির করার ও তাকে বিজ্ঞাপিত করার জন্য যুক্তিসঙ্গত মাধ্যম অবলম্বনের উদ্দেশ্যে যথোপযুক্ত সময় পর্যন্ত সম্পত্তিটি সংরক্ষণ না করে তা তার নিজের কাজে ব্যবহার করে। অনুরূপ ক্ষেত্রে যুক্তিসঙ্গত মাধ্যম কি এবং যথোপযুক্ত সময় কত দীর্ঘ হবে তা একটি ঘটনাগত প্রশ্ন। সম্পত্তিটি প্রাপকের পক্ষে তার যথার্থ মালিককে তা জানার বা কোন বিশেষ ব্যক্তি যে তার মালিক তা জানার আবশ্যকতা নেই; যদি সে সম্পত্তিটি আত্মসাৎ করার সময় সেটা যে তার নয় তা বিশ্বাস করে বা সরল মনে বিশ্বাস করে যে, প্রকৃত মালিককে খুঁজে বের করা সম্ভব নয়, তবে তাই যথেষ্ট হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৪০৩ মতে- এখানে 'X’ আংটি ঘটনাক্রমে পেয়েছে। 'X'সেটার মালিককে আবিষ্কার না করে সে অসাধুভাবে আংটিটি নিজ ব্যবহারে পরিণত করেছে। তাই 'X' অসাধুভাবে আংটিটি আত্মসাৎ করেছে বলে গণ্য হবে।
‘X’ 'অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের জন্য দোষী হতো যদি সে আংটি অন্যকোন ব্যক্তির নিকট হতে বিশ্বাসভরে গ্রহণ করতো এবং উক্ত ব্যক্তির সম্মতি ছাড়া বিক্রি করে দিতো।
১,৮৫৫.
নির্বাচনে মিথ্যা পরিচয় দানের বিধান রয়েছে-
  1. ১৭১ক
  2. ১৭১খ
  3. ১৭১গ
  4. ১৭১ঘ
সঠিক উত্তর:
১৭১ঘ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭১ঘ
ব্যাখ্যা
♦দণ্ডবিধির ১৭১(ঘ) ধারায় নির্বাচনে মিথ্যা পরিচয় দানের বিধান রয়েছে। নির্বাচনে মিথ্যা পরিচয় প্রদান বলে গণ্য হবে-
(i) যদি কোন লোক কোন নির্বাচনে অপর কোন জীবিত বা মৃত লোকের নামে ভোটের কাগজের জন্য প্রার্থনা করে;
(ii) অন্য কোন জীবিত বা মৃত লোকের নামে ভোটদান করে;
(iii) কোন কল্পিত নামে ভোটের কাগজ প্রার্থনা বা ভোটদান করে; অথবা
(iv) কোন নির্বাচনে একবার ভোটদানের পর পুনরায় একই নির্বাচনে নিজের নামে ভোটের কাগজ চায়, সেক্ষেত্রে সেই লোক নির্বাচনে মিথ্যা পরিচয়দানের অপরাধে অপরাধী হবে।
১,৮৫৬.
'Misconduct in public by a drunken person' দণ্ডবিধির কত ধারার বিধান?
  1. ৫০১
  2. ৫১০
  3. ৫১১
  4. ৪৯৭
সঠিক উত্তর:
৫১০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫১০
ব্যাখ্যা
⇒ Section of Penal Code- 510. Misconduct in public by a drunken person:
- Whoever, in a state of intoxication appears in any public place, or in any place which it is a trespass in him to enter, and there conducts himself in such a manner as to cause annoyance to any person, shall be punished with simple imprisonment for a term which may extend to twenty-four hours, or with fine which may extend to ten taka, or with both.
----------------
⇒ দণ্ডবিধির ৫১০ ধারা অনুযায়ী, নেশাগ্রস্ত ব্যক্তি দ্বারা প্রকাশ্যে অসদাচরণ:
কোন ব্যক্তি যদি নেশাগ্রস্ত অবস্থায় কোন প্রকাশ্য স্থানে গমন করে, বা যে স্থানে প্রবেশ করা তার পক্ষে অনধিকার প্রবেশ, সে স্থানে প্রবেশ করে এবং সে স্থানে এমন আচরণ করে, যার ফলে কারো বিরক্তি ঘটে, তবে সে ব্যক্তি চব্বিশ ঘণ্টা পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে অথবা দশ টাকা পর্যন্ত যেকোনো পরিমাণ অর্থ দণ্ডে দণ্ডিত হবে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
১,৮৫৭.
দণ্ডবিধির কত ধারার একমাত্র শাস্তি মৃত্যুদণ্ড?
  1. দণ্ডবিধি ৩০২ ধারার
  2. দণ্ডবিধি ৩০৩ ধারার
  3. দণ্ডবিধি ৩০৭ ধারার
  4. দণ্ডবিধি ৩৭৬ ধারার
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধি ৩০৩ ধারার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধি ৩০৩ ধারার
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধি ৩০৩ ধারার বিধান যাবজ্জীবন কারাবাসে দণ্ডিত ব্যক্তি কর্তৃক অনুষ্ঠিত খুনের শাস্তি: কোন ব্যক্তি যদি যাবজীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত অবস্থায় খুন করে, তবে সে ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩০৩ ধারা অনুযায়ী, যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত কোন ব্যক্তি খুন করলে তার শাস্তি একমাত্র মৃত্যুদণ্ড। 
------------
⇒ Section 303. Punishment for murder by life-convict: Whoever, being under sentence of 95[imprisonment] for life, commits murder, shall be punished with death.
১,৮৫৮.
বেআইনি শ্রমে বাধ্য করা বা জবরদস্তিমূলক শ্রমের শাস্তি-
  1. অনধিক ১ বছরের কারাদণ্ড
  2. ৩ বছরের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
  3. অনধিক ১ বছরের কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভদণ্ড
  4. ক ও গ উভয়ই
সঠিক উত্তর:
ক ও গ উভয়ই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক ও গ উভয়ই
ব্যাখ্যা
• ৩৭৪ ধারা মতে বেআইনি শ্রমে বাধ্য করা বা জবরদস্তিমূলক শ্রমের ২ ধরনের শাস্তির বিধান রয়েছে।
(i) কোন ব্যক্তির ইচ্ছার বিরুদ্ধে শ্রমদান করতে বাধ্য করার শাস্তি- অনধিক ১ বছরের কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভদণ্ড।
(ii) কোন যুদ্ধবন্ধী বা অন্য কোন আশ্রিত লোককে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীতে কাজ করতে বাধ্য করার শাস্তি- অনধিক ১ বছরের কারাদণ্ড।
১,৮৫৯.
Z কে খুন করার জন্য C কে প্ররোচিত করার উদ্দেশ্য A,B কে প্ররোচিত করে। সেই অনুসারে Z কে খুন করার জন্য B,C কে প্ররোচিত করে এবং B এর প্ররোচনার ফলে C উক্ত অপরাধ অনুষ্ঠান করে। এখানে A,B এবং C এর শাস্তি কি?
  1. তারা সবাই সমানভাবে দায়ী হবে
  2. B ও C খুনের জন্য দায়ী হবে
  3. শুধুমাত্র A দায়ী হবে
  4. B ও C, A-এর অর্ধেক শাস্তি পাবে
সঠিক উত্তর:
তারা সবাই সমানভাবে দায়ী হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তারা সবাই সমানভাবে দায়ী হবে
ব্যাখ্যা
♦অপরাধে সহায়তা অপরাধরূপে গণ্য। সুতরাং অনুরূপ দুষ্কর্মের সহায়তা অপরাধ বলে গণ্য হবে। সুতরাং সবাই সমানভাবে দায়ী হবে।
১,৮৬০.
দণ্ডবিধির কত ধারায় 'অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ' সম্পর্কিত বিধান আছে?
  1. ৪১৫ ধারা
  2. ৪৪১ ধারা
  3. ৪২০ ধারা
  4. ৪২৫ ধারা
সঠিক উত্তর:
৪৪১ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৪১ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪৪১ ধারার বিধান অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ:- কোন ব্যক্তি যদি অপর কোন ব্যক্তির দখলভুক্ত সম্পত্তির মধ্যে বা উপরে প্রবেশ করে এবং কোন অপরাধ অনুষ্ঠানের বা অনুরূপ সম্পত্তি দখলকারী ব্যক্তিকে ভীতি প্রদর্শনের, অপমান করার বা বিরক্ত করার উদ্দেশ্যে অনুরূপ প্রবেশ করে, অথবা, আইনানুগভাবে অনুরূপ সম্পত্তির মধ্যে বা উপরে প্রবেশের পর বেআইনীভাবে সেখানে অবস্থান করে এবং অনুরূপ ব্যক্তিকে ভীতি প্রদর্শনের, অপমান করার বা বিরক্ত করার উদ্দেশ্যে অথবা কোন অপরাধ অনুষ্ঠানের উদ্দেশ্যে অনুরূপ বে-আইনীভাবে সেখানে অবস্থান করে, তবে উক্ত ব্যক্তি 'অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ' করেছে বলে পরিগণিত হবে।
------------------------------ 
⇒ The Penal Code, 1860- Section-441: Criminal trespass:- Whoever enters into or upon property in the possession of another with intent to commit an offence or to intimidate, insult or annoy any person in possession of such property. or, having lawfully entered into or upon such property, unlawfully remains there with intent thereby to intimidate insult or annoy any such person, or with intent to commit an offence, is said to commit "criminal trespass".
১,৮৬১.
কোনো ব্যক্তি কোনো যুদ্ধবন্দীকে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে কাজ করতে বাধ্য করলে, উক্ত ব্যক্তি-
  1. কোনো শাস্তি পাবে না
  2. অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবে
  3. কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে
  4. অর্থদণ্ড এবং কারাদণ্ড দুটোই পাবে
সঠিক উত্তর:
কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৩৭৪ ধারা- বেআইনী শ্রমে বাধ্য করা:

(১) কোনো ব্যক্তি যদি কাউকে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে শ্রম দান করতে বাধ্য করে, তবে সেই ব্যক্তি এক বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থদণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

(২) কোনো ব্যক্তি যদি কোনো যুদ্ধবন্দী বা অপর কোন আশ্রিত ব্যক্তিকে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে কার্য করতে বাধ্য করে, তবে সে ব্যক্তি এক বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে।

ব্যাখ্যা: এই “যুদ্ধবন্দী" এবং "আশ্রিত ব্যক্তি" অভিব্যক্তিসমূহ যথাক্রমে ১৯৪৯ সনের ১২ই আগষ্ট তারিখের যুদ্ধবন্দীর ব্যবস্থাপনা সম্পর্কিত জেনেভা সম্মেলনের-৪ দফা এবং ১৯৪৯ সনের ১২ই আগষ্ট তারিখের যুদ্ধকালে বেসামরিক ব্যক্তিবর্গের নিরাপত্তা সম্পর্কিত জেনেভা সম্মেলনের ৪ দফা মোতাবেক তৎসমূহের প্রতি আরোপিত অর্থের অনুরূপ অর্থ দ্যোতক হবে।

Section 374- Unlawful compulsory labour:

(1) Whoever unlawfully compels any person to labour against the will of that person, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to one year, or with fine, or with both.

(2) Whoever compels a prisoner of war or a protected person to serve in the armed forces of Bangladesh shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to one year.

Explanation- In this section the expressions "prisoner of war" and "protected person" shall have the same meaning as have been assigned to them respectively by Article 4 of the Geneva Convention Relative to the Treatment of Prisoners of War of August 12, 1949, and Article 4 of the Geneva Convention Relative to the Protection of Civilian Persons in Time of War of August 12, 1949.
১,৮৬২.
দণ্ডবিধি ১৮৬০ সালের কত নং আইন?
  1. ৫ নং
  2. ২৫ নং
  3. ৪৫ নং
  4. ৬০ নং
সঠিক উত্তর:
৪৫ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৫ নং
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধি ১৮৬০ সালের ৪৫ নং আইন হিসেবে প্রণীত হয়।

• ১৮৩৩ সালে ভারতের শাসনভার ইংরেজ কোম্পানী হাত হতে ব্রিটিশ রাজ গ্রহণ করার পর ভারতবর্ষের জন্য একটি আইন কমিশন গঠন করেন। ভারতীয় উপমহাদেশে সর্বপ্রথম আইন কমিশন গঠন করা হয় ১৮৩৪ সালে। প্রথম আইন কমিশনের চেয়ারম্যান ছিলেন থমাস ব্যাবিংটন ম্যাকুলে (Lord Macaulay).
প্রথম আইন কমিশনের কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন যা নিম্নরুপ:-
i) সভাপতি- লর্ড ম্যাকুলে।
ii) সদস্য- মি. ম্যাকলয়েড।
iii) সদস্য- মি. এন্ডারসন।
iv) সদস্য- মি. মিলেট।

এ কমিশন দণ্ডবিধির খসড়া প্রণয়ন করে ১৮৩৭ সালের ১৪ই অক্টোবর ভারতের তৎকালীন গভর্নর জেনারেল লর্ড আ্যাকল্যান্ডের নিকট পেশ করেন। যা কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি স্যার বার্নেস পিকক এবং অন্যান্য বিচারপতিগণ (যারা ফোর্ট উইলিয়ম লেজিসলেটিভ কাউন্সিলের সদস্য ছিলেন)। সতর্কতার সাথে পরীক্ষা করে ১৮৫৬ সালে দণ্ডবিধির খসড়া লেজিসলেটিভ কাউন্সিলে উপস্থাপিত হয়। ১৮৬০ সালে লেজিসলেটিভ কাউন্সিল আরও পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে চূড়ান্ত খসড়া তৈরী করেন। অতঃপর ভারতে বিদ্যমান বিভিন্ন আইনের সাথে সামঞ্জস্য রেখে কিছু সংশোধনী করে ১৮৬২ সালের ৬ই অক্টোবর দণ্ডবিধি পাশ হয়। যার নামকরণ করা হয় ১৮৬০ সালের ৪৫ নং আইন, দণ্ডবিধি। এটি একটি মৌলিক আইন হিসেবে পরিচিত, যেখানে অপরাধ ও শাস্তির বিধান রয়েছে। 
১,৮৬৩.
‘B’ মিথ্যাভাবে নিজেকে একজন বিখ্যাত ব্যাংকার হিসেবে পরিচয় দিয়ে ‘Z’-কে প্রতারিত করেছে।দণ্ডবিধির ধারা ৪১৯ অনুসারে সর্বোচ্চ শাস্তি কত?
  1. ১ বছরের কারাদণ্ড
  2. ২ বছরের কারাদণ্ড
  3. ৩ বছরের কারাদণ্ড
  4. ৫ বছরের কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
৩ বছরের কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৪১৬ অনুসারে, ভিন্ন ব্যক্তির পরিচয়ে প্রতারণা (Cheating by Personation) বলতে এমন প্রতারণাকে বোঝায় যেখানে কেউ অন্য কোনো ব্যক্তি হিসেবে নিজেকে প্রচার করে, বা জেনেশুনে একজন ব্যক্তিকে অন্যের জন্য প্রতিস্থাপন করে, অথবা নিজেকে বা অন্য কাউকে এমন ব্যক্তি হিসেবে উপস্থাপন করে যিনি তিনি বা সেই ব্যক্তি প্রকৃতপক্ষে নন। এখানে, ‘B’ মিথ্যাভাবে নিজেকে একজন বিখ্যাত ব্যাংকার হিসেবে পরিচয় দিয়ে ‘Z’-কে প্রতারিত করেছে, যা ধারা ৪১৬-এর অধীনে ভিন্ন ব্যক্তির পরিচয়ে প্রতারণা।

- ধারা ৪১৯ অনুসারে, ভিন্ন ব্যক্তির পরিচয়ে প্রতারণার শাস্তি হলো ৩ বছর পর্যন্ত যেকোনো প্রকারের কারাদণ্ড, অথবা জরিমানা, অথবা উভয়ই। প্রশ্নে শুধুমাত্র প্রতারণার কথা উল্লেখ আছে, কিন্তু সম্পত্তি হস্তান্তরের কোনো নির্দিষ্ট তথ্য দেওয়া হয়নি। তাই ধারা ৪১৯ প্রযোজ্য।

⇒ অর্থাৎ ‘B’-এর কাজ ধারা ৪১৬-এর অধীনে ভিন্ন ব্যক্তির পরিচয়ে প্রতারণা হিসেবে গণ্য, এবং ধারা ৪১৯ অনুসারে এর সর্বোচ্চ শাস্তি হলো ৩ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, অথবা জরিমানা, অথবা উভয়ই। সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো গ) ৩ বছরের কারাদণ্ড।

⇒ দণ্ডবিধির ৪১৯ ধারার বিধান অপরের রূপ ধারণ করে প্রতারণা করার শাস্তি:- কোন ব্যক্তি যদি অপরের রূপ ধারণ করে প্রতারণা করে, তবে উক্ত লোক তিন বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
-----------
⇒ The Penal Code, 1860-Section-419. Punishment for cheating by personation:
-Whoever cheats by personation shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, or with fine, or with both.

১,৮৬৪.
দণ্ডবিধির ১০৭ ধারা অনুসারে, প্ররোচনা বা অপরাধে সহায়তা কতভাবে হতে পারে?
  1. ২ ভাবে
  2. ৩ ভাবে
  3. ৪ ভাবে
  4. ৫ ভাবে
সঠিক উত্তর:
৩ ভাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ ভাবে
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১০৭ ধারা অনুসারে, প্ররোচনা বা অপরাধে সহায়তা তিনটি প্রধান উপায়ে হতে পারে:
১) Instigation (প্ররোচনা): কাউকে কোনো অপরাধ করতে উদ্দীপিত করা বা প্ররোচিত করা।
২) Engagement in Conspiracy (ষড়যন্ত্রে অংশগ্রহণ): কাউকে বা অন্য কাউকে অপরাধ করার জন্য ষড়যন্ত্রে অংশগ্রহণ করা।
৩) Aiding (সহায়তা): অপরাধ সংঘটন করতে ইচ্ছাকৃতভাবে সাহায্য করা, যা সরাসরি বা পরোক্ষভাবে হতে পারে।
- এই তিনটি উপায়ে একজন ব্যক্তি অপরাধে সহায়তা বা প্ররোচনা দিতে পারে এবং এসব ক্ষেত্রে সেই ব্যক্তিরও অপরাধের জন্য দায়িত্ব জড়িত থাকে।

⇒ যে সমস্ত কাজ করলে অপরাধ হয় সেই সমস্ত কাজ করার জন্য প্রত্যক্ষভাবে বা পরোক্ষভাবে কোন ইন্ধন জোগান কিংবা সমর্থন করাকে আইনের ভাষায় প্ররোচনা বা Abetment বলা হয়।
-দণ্ডবিধির ১০৭ ধারা অনুযায়ী ৩ ভাবে প্ররোচনা বা অপরাধে সহায়তা অপরাধ হতে পারে।
(i) কাউকে প্ররোচিত করে (instigation)
(ii) ষড়যন্ত্রে অংশগ্রহণ করে (engagement)
(iii) কার্য বা কার্যবিরতি দ্বারা ইচ্ছাকৃতভাবে সাহায্য করে (aiding)
-------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 107: Abetment of a thing: A person abets the doing of a thing, who
Firstly.- Instigates any person to do that thing; or
Secondly.- Engages with one or more other person or persons in any conspiracy for the doing of that thing, if an act or illegal omission takes place in pursuance of that conspiracy, and in order to the doing of that thing; or
Thirdly.- Intentionally aids, by any act or illegal omission, the doing of that thing.

Explanation-1: A person who, by wilful misrepresentation, or by wilful concealment of a material fact which he is bound to disclose, voluntarily causes or procures, or attempts to cause or procure, a thing to be done, is said to instigate the doing of that thing.
১,৮৬৫.
যদি ধর্ষিত নারী ১২ বছরের কম বয়স্কা হয় এবং ধর্ষণকারীর স্ত্রী হয়, তাহলে ধর্ষণকারী__________দণ্ডিত হবে?
  1. ২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে
  2. অর্থদণ্ডসহ যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে
  3. ১০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে
  4. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা ১০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
সঠিক উত্তর:
২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে
ব্যাখ্যা
♦The Penal Code, 1860 এর ৩৭৫ ধারা অনুযায়ী কোন পুরুষ কর্তৃক তার স্ত্রীর সাথে যৌন সহবাস ধর্ষণ বলে গণ্য হবে না যদি স্ত্রীর বয়স ১৩ বছরের নিচে না হয়। ৩৭৬ ধারায় বলা হয়েছে ধর্ষিত নারী নিজের স্ত্রী হলে এবং তার বয়স ১২ বছরের নিচে হয় ধর্ষকের শাস্তি হবে ২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ড।
১,৮৬৬.
A উচ্চ বেতনের চাকরি দিয়ে বিদেশ পাঠানোর কথা বলে B-কে ৫ লক্ষ টাকা দিতে প্রলব্ধ করে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত A, B কে বিদেশ পাঠায় না এবং টাকা নেয়ার কথা অস্বীকার করে। A কি ধরনের অপরাধ করেছে?
  1. প্রতারণার অপরাধ
  2. সম্পত্তি আত্মসাৎ
  3. অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ
  4. ক্ষতি সাধন
সঠিক উত্তর:
প্রতারণার অপরাধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রতারণার অপরাধ
ব্যাখ্যা
♦এখানে A, দণ্ডবিধির ৪২০ ধারার অধীনে প্রতারণার অপরাধ করেছে বলে গণ্য হবে। ৪২০ ধারায় বলা হয়েছে, যদি কোন ব্যক্তি, প্রতারণা করে এবং তা দ্বারা প্রতারিত ব্যক্তিকে অন্য কোন ব্যক্তির নিকট কোন সম্পত্তি সমর্পণ করতে অথবা কোন মূল্যবান জামানত কিংবা মূল্যবান জামানতে রূপান্তরিত হওয়ার যোগ্য কোন স্বাক্ষরিত বা সীলমোহরকৃত বস্তু প্রস্তুত, পরিবর্তন অথবা সমুদয় অংশ বা অংশবিশেষ বিনাশ করার জন্য অসাধুভাবে প্ররোচিত করে, তাহলে সে ব্যক্তি যে কোন বর্ণনার কারাদন্ডে যার মেয়াদ ৭ বৎসর পর্যন্ত হতে পারে এবং অর্থদন্ডে দণ্ডনীয় হবে।
১,৮৬৭.
শিক্ষক রেজাল্টসিটে অভিবাবকের স্বাক্ষর নিয়ে জমা দিতে বললে, ইমরান তার বাবার স্বাক্ষর নিজে করে স্কলে রেজাল্টসিট জমা দেয়। ইমরান এর কাজটি দণ্ডবিধি অনুযায়ী-
  1. নকল
  2. প্রতারণা
  3. জালিয়াতি
  4. চুরি
সঠিক উত্তর:
জালিয়াতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জালিয়াতি
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধি ৪৬৪ ধারা অনুযায়ী যে সব কাজ জালিয়াতি বলে গণ্য হবে তা হলো-

(i) কোন ব্যক্তি নিজে যদি এই উদ্দেশ্যে স্বাক্ষর করে যে, তার স্বাক্ষর বা নামটি একই নামের অন্য কোন ব্যক্তির বলে চালিয়ে দেবেন;

(ii) যখন কোন ব্যক্তি অন্য কারো স্বাক্ষর জালিয়াতি করে স্বাক্ষর করে;

(iii) যদি কোন ব্যক্তি কোন বিলে পৃষ্ঠাঙ্কন করে এই উদ্দেশ্যে যে, তা অন্য কেউ করেছে বলে চালিয়ে দেবেন:

(iv) যদি কোন ব্যক্তি অন্য কোন ব্যক্তির সাথে ষড়যন্ত্র করে তার নামে কোন সম্পত্তি নামমাত্র মূল্যে ইজারা নেয় কিন্তু তার উদ্দেশ্য ছিল মূলত তৃতীয় কোন ব্যক্তিকে তার অধিকার থেকে বঞ্চিত করা; অথবা

(v) যদি কোন ব্যক্তি নিজেকে দেউলিয়া ঘোষণা করার উদ্দেশ্যে অন্য কোন ব্যক্তির কাছে সম্পদ গচ্ছিত রাখে এবং সে উদ্দেশ্য কোন প্রমিসরি নোট তৈরি করে।

অর্থাৎ ইমরান তার বাবার স্বাক্ষর নিজে করে স্কলে রেজাল্টসিট জমা দেয় কাজটি জালিয়াতি।
১,৮৬৮.
মনুষ্য হরণ বা অপহরণ (Kidnapping) কত প্রকার?
  1. ২ প্রকার
  2. ৩ প্রকার
  3. ৪ প্রকার
  4. ৫ প্রকার
সঠিক উত্তর:
২ প্রকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ প্রকার
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৫৯ ধারার বিধান  মনুষ্যহরণ:- মনুষ্যহরণ দুই প্রকারের:- বাংলাদেশ হতে মনুষ্যহরণ এবং আইনসম্মত অভিভাবকত্ব হতে মনুষ্যহরণ।

Section 359. Kidnapping:-Kidnapping is of two kinds; kidnapping from Bangladesh, and kidnapping from lawful guardianship.

⇒ দণ্ডবিধির ৩৬০ ধারার বিধান  বাংলাদেশ হতে মনুষ্য হরণ:- কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তিকে তার সম্মতি ছাড়াই অথবা তার স্বপক্ষে সম্মতি দানের ক্ষমতাসম্পন্ন অপর কারো সম্মতি ছাড়াই বাংলাদেশের সীমানার বাইরে পাঠিয়ে দেয় বা নিয়ে যায়, তবে উক্ত ব্যক্তি তাকে বাংলাদেশ হতে অপহরণ করেছে বলে পরিগণিত হয়।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৬১ ধারার বিধান আইনসম্মত অভিভাবকত্ব হতে মনুষ্যহরণ:- কোন ব্যক্তি যদি চৌদ্দ বৎসরের কম বয়সী কোন নাবালককে অথবা ষোল বৎসরের কম বয়সী কোন নাবালিকাকে অথবা বিকৃত মস্তিষ্ক কোন ব্যক্তিকে তার অভিভাবকের সম্মতি ছাড়াই অভিভাবকের রক্ষণাবেক্ষণ হতে নিয়ে যায়, তবে সে ব্যক্তি উক্ত অপ্রাপ্তবয়স্ক বালক বা বালিকাকে অথবা অনুরূপ বিকৃতমস্তিষ্ক ব্যক্তিকে আইনসম্মত অভিভাবকত্ব হতে অপহরণ করেছে বলে পরিগণিত হয়।

ব্যাখ্যা:- এই ধারায় "আইনসম্মত অভিভাবক" বলতে অনুরূপ অপ্রাপ্ত বয়স্ক বা অপর ব্যক্তির রক্ষণাবেক্ষণের জন্য আইনতঃ ভারপ্রাপ্ত যেকোন ব্যক্তিকেও বুঝাবে।

ব্যতিক্রম:- যে ব্যক্তি সরল বিশ্বাসে নিজেকে কোন অবৈধ সন্তানের পিতা বলে বিশ্বাস করে অথবা যে ব্যক্তি নিজেকে অনুরূপ শিশুর আইনসম্মত রক্ষণাবেক্ষণের ক্ষমতাপ্রাপ্ত বলে সরলমনে বিশ্বাস করে, সে ব্যক্তি কোন অবৈধ বা বেআইনী উদ্দেশ্যে অনুরূপ কাজ না করলে তার ক্ষেত্রে এই ধারা প্রয়োগযোগ্য হবে না।
-------------------
⇒ Section 360. Kidnapping from Bangladesh:-Whoever conveys any person beyond the limits of Bangladesh without the consent of that person, or of some person legally authorized to consent on behalf of that person, is said to kidnap that person from Bangladesh.

⇒ Section 361. Kidnapping from lawful guardianship: Whoever takes or entices any minor under fourteen years of age if a male, or under sixteen years of age if a female, or any person of unsound mind, out of the keeping of the lawful guardian of such minor or person of unsound mind, without the consent of such guardian, is said to kidnap such minor or person from lawful guardianship. 
Explanation.-The words "lawful guardian" in this section include any person lawfully entrusted with the care or custody of such minor or other person. 
Exception.-This section does not extend to the act of any person who in good faith believes himself to be the father of an illegitimate child, or who in good faith believes himself to be entitled to the lawful custody of such child, unless such act is committed for an immoral or unlawful purpose.
১,৮৬৯.
The Penal Code, 1860 এর কত ধারায় একমাত্র শাস্তি মৃত্যুদণ্ড রয়েছে?
  1. ৩০২ ধারার
  2. ৩০৩ ধারার
  3. ৩০৭ ধারার
  4. ৪৩৯ ধারার
সঠিক উত্তর:
৩০৩ ধারার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০৩ ধারার
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধি ৩০৩ ধারার বিধান যাবজ্জীবন কারাবাসে দণ্ডিত ব্যক্তি কর্তৃক অনুষ্ঠিত খুনের শাস্তি: কোন ব্যক্তি যদি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত অবস্থায় খুন করে, তবে সে ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত হবে।
⇒ দণ্ডবিধির ৩০৩ ধারা অনুযায়ী, যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত কোন ব্যক্তি খুন করলে তার শাস্তি একমাত্র মৃত্যুদণ্ড।
------------
⇒ Section 303. Punishment for murder by life-convict: Whoever, being under sentence of imprisonment for life, commits murder, shall be punished with death.
১,৮৭০.
আদালতের নথিপত্র বা সরকারি রেজিস্ট্রার জাল করার সর্বোচ্চ শাস্তি হলো-
  1. ৩ বছরের কারাদণ্ড
  2. ৫ বছরের কারাদণ্ড
  3. ৭ বছরের কারাদণ্ড
  4. অর্থদণ্ড
সঠিক উত্তর:
৭ বছরের কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধি ৪৬৬ ধারা মতে  আদালতের নথিপত্র বা সরকারি রেজিস্ট্রার জাল করার শাস্তি হলো অনধিক ৭ বছর কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড ।
• দণ্ডবিধির ৪৬৬ ধারায় সরকারি রেজিস্ট্রার বা public register বলতে কোন জন্ম রেজিস্ট্রার, খ্রিষ্টানদের ধর্মীয় অনুষ্ঠান (baptism), বিবাহ কিংবা সমাধিকরণের (burial) রেজিস্ট্রার অথবা কোন সরকারি কর্মচারী কর্তৃক রক্ষিত রেজিস্ট্রার বোঝাবে।
১,৮৭১.
দণ্ডবিধি অনুসারে সাধারণ জালিয়াতির সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ২ বছর কারাদণ্ড 
  2. ৩ বছর কারাদণ্ড
  3. ৫ বছর কারাদণ্ড
  4. ৬ বছর কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
২ বছর কারাদণ্ড 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছর কারাদণ্ড 
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর : ২ বছর কারাদণ্ড।

⇒ দণ্ডবিধির ৪৬৩ ধারায় জালিয়াতি কে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। দণ্ডবিধির ৪৬৩ ধারা অনুযায়ী ,কোন ব্যক্তি জালিয়াতি
(Forgery) করেছে বলে গণ্য হবে যদি সে নিম্নলিখিত উদ্দেশ্যে কোন দলিল বা দলিলের অংশ প্রস্তুত করে;

১. কোনো ব্যক্তি বা জনসাধারণের ক্ষতি সাধন করতে [with intent to cause damage or injury]; বা
২. কোনো দাবি বা অধিকার সমর্থন করতে [to support any claim or title]; বা
৩. কোনো ব্যক্তিকে কোন সম্পত্তি পরিত্যাগ করতে [to cause any person to part with property]; বা
৪. কোনো লোককে প্রকাশ্য বা অপ্রকাশ্য চুক্তি সম্পাদনে বাধ্য করতে [to enter into any express or implied contract]; বা
৫. প্রতারণা করার অভিপ্রায়ে বা প্রতারণা সংঘটিত হতে পারে [with intend to commit fraud or fraud may be committed]।

ধারা ৪৬৫- জালিয়াতির শাস্তি:
যে কোনো ব্যক্তি জালিয়াতি (Forgery) সংঘটিত করে, তাকে নিম্নলিখিত শাস্তি দেওয়া যেতে পারে:
-কারাদণ্ড (Imprisonment) – আইন অনুযায়ী যে কোনো রূপের কারাদণ্ড (rigorous বা simple) হতে পারে, এবং কারাদণ্ডের মেয়াদ সর্বোচ্চ দুই বছর পর্যন্ত হতে পারে; বা
- অর্থদণ্ড (Fine); বা
- উভয়ই (Both) – কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড উভয়ই প্রযোজ্য হতে পারে।

১,৮৭২.
যদি কেউ কাল্পনিক ব্যক্তির রূপ ধারণ করে অন্যদের প্রতারণা করে, তবে তা দণ্ডবিধির ধারা _______ অনুযায়ী অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে।
  1. ৪১৪
  2. ৪১৬
  3. ৪২০
  4. ৪২১
সঠিক উত্তর:
৪১৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪১৬
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪১৬ ধারা- অপরের রূপ ধারণপূর্বক প্রতারণা:
কোন ব্যক্তি যদি নিজেকে অন্য কোন ব্যক্তি বলে প্রতারণা করে অথবা জ্ঞাতসারে কোন ব্যক্তিকে অন্য ব্যক্তি বলে চালিয়ে প্রতারণা করে অথবা নিজেকে বা অন্য কোন ব্যক্তিকে সে নিজে বা সে ব্যক্তি অন্য যে ব্যক্তি নয় সে ব্যক্তি বলে চালিয়ে প্রতারণা করে, তবে উক্ত ব্যক্তি অপরের রূপ ধারণ করে প্রতারণা করেছে বলে গণ্য হয়।

ব্যাখ্যা: যে ব্যক্তির রূপ ধারণ করা হয়েছে সে ব্যক্তি প্রকৃত ব্যক্তি হোক আর কাল্পনিক ব্যক্তি হোক না কেন অপরাধটি অনুষ্ঠিত হবে।

উদাহরণ:
(ক) ক একই নামে একজন বিত্তশালী ব্যাংকার বলে নিজেকে পরিচয় দান করে। ক অপরের রূপ ধারণ করে প্রতারণা করেছে।
(খ) ক নিজেকে খ বলে পরিচয় দিয়ে প্রতারণা করে; খ জনৈক মৃত ব্যক্তি। ক অপরের রূপ ধারণ করে প্রতারণা করেছে।
১,৮৭৩.
যখন কোন ব্যক্তি বাংলাদেশে নিবন্ধিত কোন জাহাজ বা বিমানে (তা যেখানেই থাকুক না কেন) কোন অপরাধ সংঘটন করে তার বিচার হতে পারে-
  1. হাইকোর্ট বিভাগে
  2. তাকে বাংলাদেশে যেখানে পাওয়া যাবে সেখানের এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে
  3. দায়রা জজ আদালতে
  4. জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের মাধ্যমে
সঠিক উত্তর:
তাকে বাংলাদেশে যেখানে পাওয়া যাবে সেখানের এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তাকে বাংলাদেশে যেখানে পাওয়া যাবে সেখানের এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৮৮ অনুসারে যখন কোন ব্যক্তি বাংলাদেশে নিবন্ধিত কোন জাহাজ বা বিমানে (তা যেখানে থাকুক না কেন) কোন অপরাধ সংঘটন করে, তখন বাংলাদেশের যে স্থানেই তাকে পাওয়া যাবে সেই স্থানে অপরাধ সংগঠন করেছে হিসাবে ধরে নিয়ে সেই মোতাবেক তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। 
১,৮৭৪.
A, Z-এর পকেট কাটার সময় কয়েকজন সঙ্গীকে আশেপাশে দাঁড় করায়, যেন Z টের পেলে তারা তাকে ধরে রাখতে বা বাধা দিতে পারে।  A কত ধারা অনুযায়ী অপরাধ করেছে?
  1. ধারা ৩৮১
  2. ধারা ৩৮২
  3. ধারা ৩৮৩
  4. ধারা ৩৮৪
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৮২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৮২
ব্যাখ্যা

দণ্ডবিধি, ১৮৬০ (Penal Code, 1860)-এর ধারা ৩৮২– চুরি করার পূর্বে মৃত্যু, আঘাত বা আটকানোর প্রস্তুতি গ্রহণ করে চুরি করা:
যে ব্যক্তি চুরি করে, এবং চুরি করার আগে এমন প্রস্তুতি গ্রহণ করে যার মাধ্যমে- কারো মৃত্যু, আঘাত (hurt), আটক (restraint), অথবা
এই বিষয়গুলির ভয় প্রদর্শন করা যায়- এই উদ্দেশ্যে যে চুরি করা সহজ হবে, বা চুরি শেষে পালাতে সুবিধা হবে, বা চুরি করা সম্পত্তি ধরে রাখা যাবে- তাহলে সে ধারা ৩৮২ অনুযায়ী অপরাধ করেছে।

এই অপরাধের শাস্তি হলো-
১০ বছর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ড (rigorous imprisonment) এবং অর্থদণ্ড (fine)।

Illustrations (উদাহরণ):
(a) A, Z-এর সম্পত্তি চুরি করে। চুরির সময় A-এর পোশাকের নিচে একটি লোডেড পিস্তল ছিল, যা সে প্রস্তুত রেখেছিল যেন Z বাধা দিলে তাকে ভয় দেখাতে বা আঘাত করতে পারে। A ধারা ৩৮২ অনুযায়ী অপরাধ করেছে।

(b) A, Z-এর পকেট কাটার সময় কয়েকজন সঙ্গীকে আশেপাশে দাঁড় করায় যেন Z টের পেলে তারা তাকে ধরে রাখতে বা বাধা দিতে পারে।  A ধারা ৩৮২ অনুযায়ী অপরাধ করেছে।

১,৮৭৫.
সাধারণ ব্যতিক্রমের আওতায় পড়লে কোনো ব্যক্তির কৃত অপরাধ –এর ক্ষেত্রে নিম্নের কোনটি সঠিক?
  1. দোষী সাব্যস্ত হলেও শাস্তি হবে না
  2. সে নিরপরাধের মতো খালাস পাবে
  3. খালাস পাবে না, তবে সর্বনিম্ন শাস্তি প্রদান করা হবে
  4. ক+গ সঠিক।
সঠিক উত্তর:
সে নিরপরাধের মতো খালাস পাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সে নিরপরাধের মতো খালাস পাবে
ব্যাখ্যা
♦যে কাজগুলোকে স্বাভাবিকভাবে অপরাধ বলে গণ্য করা হলেও বিশেষ ক্ষেত্রে অপরাধ বলে গণ্য করা হয়না তাকেই সাধারণ ব্যতিক্রম বা General Exception বলে। দন্ডবিধির ৭৬ থেকে ১০৬ ধারায় কিছু সাধারণ ব্যতিক্রমের উল্লেখ রয়েছে। দন্ডবিধির ৭৬ থেকে ১০৬ ধারার আওতাধীন কার্য বা কার্যবিরতিগুলো (acts or omission) স্বাভাবিকভাবে অপরাধ মনে হলেও সেগুলো ফৌজদারি দায় (criminal liability) থেকে মুক্ত; অর্থাৎ ৭৬ থেকে ১০৬ ধারার আওতাধীন কার্যগুলো অপরাধ মনে হলেও অপরাধী কোন শাস্তি পায়না।
♦পেনাল কোডের ৭৬-১০৬ ধারার মধ্যে যে সকল সাধারণ ব্যতিক্রম বর্ণনা করা হয়েছে সেগুলোর কোনো একটির সুযোগ যদি কোনো অভিযুক্ত পায় তাহলে উক্ত ব্যক্তিকে যে কাজের জন্য অভিযুক্ত করা হয়েছে তা আর অপরাধ হিসেবেই গণ্য হবে না। অভিযুক্ত ব্যক্তি এই ক্ষেত্রে নিরপরাধ হিসেবে খালাস পাবে। দোষী সাব্যস্ত করার সুযোগও নাই।
১,৮৭৬.
'কোন ব্যক্তির নিজের নাম, স্বাক্ষরও জালিয়াতির সামিল হতে পারে'- দণ্ডবিধির কত ধারায় এই বিধান আছে?
  1. ৪৬০ ধারা
  2. ৪৬২ ধারা
  3. ৪৬৩ ধারা
  4. ৪৬৪ ধারা
সঠিক উত্তর:
৪৬৪ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৬৪ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪৬৪ ধারা- মিথ্যা দলিল তৈরি করা (Making a false document):
 নিম্নোক্ত ক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি মিথ্যা দলিল তৈয়ার করেছে বলে পরিগণিত হয়-

প্রথমত:- যদি কোন ব্যক্তি, যে ব্যক্তি দ্বারা যার প্রদত্ত ক্ষমতা বলে কোন দলিল কিংবা উহার অংশবিশেষ প্রণীত, স্বাক্ষরিত, সীলমোহরযুক্ত বা সম্পাদিত হয় নাই বা যে সময়ে উক্ত দলিল বা উহার অংশবিশেষ প্রণীত, স্বাক্ষরিত, সীলমোহরযুক্ত বা সম্পাদিত হয় নাই বলে সে জানে, অথবা সে দলিলটি বা উহার অংশবিশেষ সে ব্যক্তি দ্বারা বা তৎপ্রদত্ত ক্ষমতা বলে কিংবা সে সময়ে প্রণীত স্বাক্ষরিত, সীলমোহরযুক্ত কিংবা সম্পাদিত হয়েছে বলে বিশ্বাস জন্মাইবার উদ্দেশ্যে অসাধুভাবে বা প্রতারণামূলকভাবে এইরূপ দলিল বা অংশবিশেষ প্রণয়ন, স্বাক্ষর, সীলমোহরযুক্ত বা সম্পাদন করে অথবা দলিলটি সম্পাদিত হয়েছে বলে বুঝাবার জন্য কোন চিহ্ন বা প্রতীক স্থাপন করে; অথবা

দ্বিতীয়ত:- কোন দলিল তৎকর্তৃক বা অন্য কোন ব্যক্তি দ্বারা সম্পাদিত হওয়ার পরে কোনরূপ আইনসম্মত ছাড়াই অসাধুভাবে অথবা প্রতারণামূলক ভাবে, বাতিলকরণের মাধ্যমে বা অপর কোন উপায়ে দলিলের কোন গুরুত্বপূর্ণ অংশে পরিবর্তন করে; দলিলটি যদি অপরাধী দ্বারা সম্পাদিত না হয়ে অপর কোন ব্যক্তি দ্বারা সম্পাদিত হয়ে থাকে, তবে এইরূপ পরিবর্তনের সময়ে সে ব্যক্তি জীবিত থাকুক অথবা পরলোকগত হোক তাতে অপরাধের কোনরূপ তারতম্য হবে না; অথবা

তৃতীয়ত:- কোন ব্যক্তি যদি অসাধুভাবে বা প্রতারণামূলকভাবে এমন কোন ব্যক্তিকে দিয়ে কোন দলিল স্বক্ষরিত, সীলমোহরযুক্ত সম্পাদিত কিংবা পরিবর্তিত করায় যে ব্যক্তি মানসিক অপ্রকৃতিস্থতা কিংবা প্রমত্ততার কারণে অথবা তাকে যেভাবে প্রতারণা করা হয়েছে তার ফলে উক্ত দলিলটির বিষয়বস্তু বা পরিবর্তনের প্রকৃতি সম্পর্কে অবহিত নয় বলে সে জানে।

ব্যাখ্যা ১: কোন ব্যক্তির নিজের নাম, স্বাক্ষরও জালিয়াতির সামিল হতে পারে।


ব্যাখ্যা ২: কোন প্রকৃত ব্যক্তি দ্বারা সম্পাদিত হয়েছে বলে বিশ্বাস জন্মাবার অভিপ্রায়ে কাল্পনিক কোন ব্যক্তির নামে দলিল সম্পাদন অথবা কোন মৃত ব্যক্তি জীবদ্দশায় সম্পাদিত করেছিল বলে বিশ্বাস জন্মাবার অভিপ্রায়ে সে মৃত ব্যক্তির নামে দলিল সম্পাদন জালিয়াতি বলে গণ্য হবে।

উদাহরণ-
(ক) ক চ-কে দিয়ে খ-এর প্রতিপক্ষে ১০,০০০ টাকার জন্য একটি লেটার অব ক্রেডিট লিখে নিয়ে পরে ক খ-কে ঠকাবার উদ্দেশ্যে, ১০,০০০-টাকার সাথে একটি শূন্য যোগ করে উহাকে ১,০০,০০০ টাকা করে নেয়, এই অভিপ্রায়ে যে, খ বিশ্বাস করবে যে, চ ঐরূপ লিখেছে। ক জালিয়াতি করেছে।
১,৮৭৭.
The Penal Code, 1860 এর কোন ধারানুযায়ীসাধারণ উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে সংঘটিত অপরাধের জন্য বেআইনী সমাবেশের প্রত্যেক সদস্য দায়ী হবে?
  1. ১৫২
  2. ১৪২
  3. ১৪৯
  4. ৩৪
সঠিক উত্তর:
১৪৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪৯
ব্যাখ্যা
⇒  দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ১৪৯ অনুযায়ী, যদি কোনো বেআইনি সমাবেশে সাধারণ উদ্দেশ্য পূরণের জন্য অপরাধ সংঘটিত হয়, অথবা এমন কোনো অপরাধ সংঘটিত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে যা সমাবেশের সদস্যরা জানে, তবে সেই সমাবেশে যোগদানকারী প্রত্যেক সদস্য ওই অপরাধে দায়ী হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ১৪৯ ধারা- সাধারণ উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে অনুষ্ঠিত অপরাধের জন্য বেআইনি সমাবেশে যোগদানকারী প্রত্যেক ব্যক্তিই অপরাধী সাব্যস্ত হবে:
যদি কোন বেআইনি সমাবেশে যোগদানকারী ব্যক্তি দ্বারা উক্ত বেআইনি সমাবেশে সাধারণ উদ্দেশ্য পূরণকল্পে কোন অপরাধ অনুষ্ঠিত হয়, অথবা উক্ত সাধারণ উদ্দেশ্য পূরণকল্পে যে অপরাধটি অনুষ্ঠিত হতে পারে বলে উক্ত বেআইনি সমাবেশের ব্যক্তিগণ জানত তা অনুষ্ঠিত হয়, তবে উক্ত অপরাধটি অনুষ্ঠিত হওয়ার সময়ে উক্ত বেআইনি সমাবেশে যোগদানকারী প্রত্যেক ব্যক্তি উক্ত অপরাধে অপরাধী হবে।
------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 149- Every member of unlawful assembly guilty of offence committed in prosecution of common object:
If an offence is committed by any member of an unlawful assembly in prosecution of the common object of that assembly, or such as the members of that assembly knew to be likely to be committed in prosecution of that object, every person who, at the time of the committing of that offence, is a member of the same assembly, is guilty of that offence.
১,৮৭৮.
দণ্ডবিধি অনুযায়ী নিচের কোনটি ‘জনশৃঙ্খলা বিরোধী অপরাধ’?
  1. দাঙ্গা
  2. মারামারি
  3. বেআইনি সমাবেশ
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধি অনুযায়ী,
দাঙ্গা (Riot), বেআইনি সমাবেশ (Unlawful Assembly) এবং মারামারি (Affray) - সবকটিই জনশৃঙ্খলা বা সমাজে শান্তি-শৃঙ্খলা নষ্ট করে, তাই এগুলো ‘জনশৃঙ্খলা বিরোধী অপরাধ’ হিসেবে গণ্য হয়।

১. বেআইনি সমাবেশ (Unlawful Assembly) – 
যখন পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি কোনো অবৈধ উদ্দেশ্যে একত্রিত হয়, অথবা বৈধ উদ্দেশ্যে একত্র হলেও সে সমাবেশ পরে অবৈধ রূপ নেয়, তখন তা বেআইনি সমাবেশ হিসেবে গণ্য হয়।

উদ্দেশ্যগুলো হতে পারে:
- সরকার বা আইন-বিরোধী কাজ করা;
- জনসাধারণকে ভীতি প্রদর্শন;
- কোন ব্যক্তি বা সম্পত্তির বিরুদ্ধে বলপ্রয়োগ।

২. দাঙ্গা (Riot) –
যখন বেআইনি সমাবেশে অংশগ্রহণকারী ব্যক্তিরা বলপ্রয়োগ বা সহিংসতা করে, তখন তা দাঙ্গা হিসেবে গণ্য হয়। উদাহরণ: কোনো রাজনৈতিক মিছিলের সময় লোকজন ভাঙচুর বা লাঠিচার্জ শুরু করলে তা “দাঙ্গা” হতে পারে।

৩. মারামারি (Affray) –
যখন দুই বা ততোধিক ব্যক্তি জনসমক্ষে ঝগড়া করে ও জনশৃঙ্খলা নষ্ট করে, তখন তাকে মারামারি (Affray) বলা হয়।
১,৮৭৯.
কমপক্ষে কত জন ব্যক্তির অংশগ্রহণে দন্ডবিধি অনুযায়ী ডাকাতি সংঘটিত হয়?
  1. ৩ জন
  2. ৪ জন
  3. ৫ জন
  4. ৭ জন
সঠিক উত্তর:
৫ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ জন
ব্যাখ্যা
♦ প্রত্যেক ডাকাতির ক্ষেত্রে দস্যুতা ( চুরি অথবা বলপূর্বক গ্রহণ) থাকে। কিন্তু দস্যুতা এবং ডাকাতির মধ্যে মূল পার্থক্য হলো সংখ্যাগত। দণ্ডবিধির ৩৯১ ধারা অনুযায়ী ডাকাতির ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন সদস্য ৫ জন থাকতে হবে।
♦ ডাকাতির সর্বনিম্ন সদস্য ৫ জন। দস্যুতার সদস্য যদি ৫ বা ততোধিক হয় তখন দস্যুতা ডাকাতিতে পরিণত হয়।
১,৮৮০.
‘E’ ‘Z’-এর সম্পত্তি অসাধুভাবে নিয়ে যায়, এই উদ্দেশ্যে যে ‘Z’ তা ফেরত পাওয়ার জন্য পুরস্কার দেবে। দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর বিধান অনুসারে এই অপরাধের নাম কী?
  1. চুরি
  2. প্রতারণা
  3. অপহরণ
  4. অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ
সঠিক উত্তর:
চুরি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চুরি
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৩৭৮ অনুসারে, কোনো ব্যক্তির সম্মতি ছাড়া অসাধুভাবে তার অধিকারে থাকা চলমান সম্পত্তি নিয়ে যাওয়া চুরি হিসেবে গণ্য। ধারা ৩৭৮-এর উদাহরণ (l) অনুসারে, যদি কেউ কোনো সম্পত্তি অসাধুভাবে নিয়ে যায় এই উদ্দেশ্যে যে মালিক তা ফেরত পাওয়ার জন্য পুরস্কার দেবে, তবে তা চুরি। এখানে, ‘E’ ‘Z’-এর সম্পত্তি অসাধুভাবে নিয়েছে পুরস্কারের উদ্দেশ্যে, যা ধারা ৩৭৮-এর অধীনে চুরি।

অন্যান্য অপশন:
খ) প্রতারণা: প্রতারণা (ধারা ৪১৫) হলো কাউকে প্রতারিত করে সম্পত্তি হস্তান্তর করানো। এখানে ‘E’ প্রতারণা না করে সরাসরি সম্পত্তি নিয়েছে।
গ) অপহরণ: অপহরণ (ধারা ৩৫৯-৩৬২) ব্যক্তির সাথে সম্পর্কিত, সম্পত্তির সাথে নয়।
ঘ) অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ: অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ (ধারা ৪০৫) ঘটে যখন সম্পত্তি বৈধভাবে অর্পিত হয় এবং তা অসাধুভাবে ব্যবহার করা হয়। এখানে ‘E’ সম্পত্তি বৈধভাবে পায়নি।
সুতরাং, ‘E’-এর কাজ ধারা ৩৭৮ অনুসারে চুরি।

Illustration:
(l) A takes an article belonging to Z out of Z's possession without Z's consent, with the intention of keeping it until he obtains money from Z as a reward for its restoration. Here A takes dishonestly; A has therefore committed theft.
----------
⇒ দণ্ডবিধির ৩৭৮ ধারার বিধান চুরি:- কোন ব্যক্তি যদি কারো দখল হতে তার সম্মতি ব্যতীত কোন অস্থাবর সম্পত্তি অসাধুভাবে গ্রহণ করার উদ্দেশ্য নিয়ে উক্ত সম্পত্তি অনুরূপভাবে গ্রহণের জন্য স্থানান্তর করে, তবে উক্ত ব্যক্তি চুরি করেছে বলে গণ্য হবে।
ব্যাখ্যা ১:- কোন বস্তু যতক্ষণ পর্যন্ত অস্থাবর সম্পত্তি না হওয়া বিধায় মাটির সাথে যুক্ত থাকে, ততক্ষণ পর্যন্ত উহা চুরি করার বস্তু বলে গণ্য হবে না, কিন্তু যে মুহূর্তে উহাকে মাটি হতে বিচ্ছিন্ন করা হয় সে মহূর্তেই উহা চুরি করার বস্তু হওয়ার যোগ্য গণ্য হবে।
ব্যাখ্যা ২:- যে কাজ কর্তৃক (মাটি হতে) বিচ্ছিন্নতা সাধন করা হয়, সে কাজ দ্বারাই স্থানান্তর করা হলে তা চুরি হতে পারে।
ব্যাখ্যা ৩:- কোন ব্যক্তি কোন বস্তুর গতির প্রতিবন্ধক অপসারণ করলে বা উহাকে অপর কোন বন্ধু হতে বিচ্ছিন্ন করলে এবং বাস্তবিকভাবে উহা স্থানান্তর করলে উক্ত বস্তু স্থানান্তর করে বলে পরিগণিত হবে।
ব্যাখ্যা ৪:- কোন ব্যক্তি যে কোন উপায়ে কোন পশুকে হাঁটায়, সে লোক সে পশুকে এবং অনুরূপভাবে সৃষ্ট গতির ফলে উক্ত পশু দ্বারা স্থানান্তরিত প্রত্যেক বস্তুকে স্থানান্তর করে বলে গণ্য হবে।
ব্যাখ্যা ৫:- সংজ্ঞায় উল্লেখিত সম্মতি প্রকাশ্য অথবা পরোক্ষ হতে পারে: এবং উক্ত সম্মতি দখলকারী ব্যক্তি বা উক্ত উদ্দেশ্য প্রকাশ্য বা পরোক্ষ ক্ষমতাসম্পন্ন ব্যক্তির দ্বারা প্রদত্ত হতে পারে।
------------
⇒ The Penal Code, 1860-Section-378. Theft:
-Whoever, intending to take dishonestly any moveable property out of the possession of any person without that person's consent, moves that property in order to such taking, is said to commit theft.
Explanation 1.-A thing so long as it is attached to the earth, not being moveable property, is not the subject of theft; but it becomes capable of being the subject of theft as soon as it is severed from the earth.
Explanation 2.-A moving effected by the same act which effects the severance may be a theft.
Explanation 3.-A person is said to cause a thing to move by removing an obstacle which prevented it from moving or by separating it from any other thing, as well as by actually moving it.
Explanation 4.-A person, who by any means causes an animal to move, is said to move that animal, and to move everything which, in consequence of the motion so caused, is moved by that animal.
Explanation 5.-The consent mentioned in the definition may be express or implied, and may be given either by the person in possession, or by any person having for that purpose authority either express or implied.

১,৮৮১.
ঠগ (Thug) এর সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. মৃত্যুদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  2. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  3. ১৪ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  4. ৭ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৩১০ ধারায় ঠগের সংজ্ঞা (Thug) রয়েছে-
খুন অথবা খুন সহকারে দস্যুতা সংঘটন অথবা শিশু অপহরণ করার উদ্দেশ্যে অপরাধী মন নিয়ে মেলামেশা করাকে ঠগ (Thug) বলে। অর্থাৎ, অভ্যাসগতভাবে কাউকে খুন বা শিশু অপহরন করে দস্যুতার উদ্দেশ্যে মেলামেশা করাকে ঠগ বলা হয়। 

⇒ দণ্ডবিধির ৩১১ ধারার বিধান- ঠগের শাস্তি:
কোন ব্যক্তি যদি ঠগ হয়, তবে সে ব্যক্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

Section 310: Thug:
Whoever, at any time after the passing of this Act, shall have been habitually associated with any other or others for the purpose of committing robbery or child-stealing by means of or accompanied with murder, is a thug.

Section 311: Punishment:
Whoever is a thug, shall be punished with imprisonment for life, and shall also be liable to fine.
১,৮৮২.
'X', 'Y' এর চলার পথে গর্ত করে মৃত্যুর ফাঁদ পেতে রাখায় 'Y' ঐ ফাঁদে পড়ে আহত হয়ে মারা যায়। 'X' এর অপরাধ-
  1. খুন
  2. দণ্ডনীয় নরহত্যা
  3. খুনের উদ্যোগ
  4. দণ্ডনীয় নরহত্যা সংঘটনের উদ্যোগ
সঠিক উত্তর:
দণ্ডনীয় নরহত্যা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দণ্ডনীয় নরহত্যা
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ২৯৯ ধারা (উদাহরণ 'ক') অনুযায়ী 'X' দণ্ডনীয় নরহত্যার অপরাধ করেছে।

⇒ দণ্ডবিধির ২৯৯ ধারার বিধান শাস্তিযোগ্য নরহত্যা (Culpable homicide):- কোন ব্যক্তি যদি মৃত্যু ঘটাবার উদ্দেশ্য নিয়ে কৃত কোন কাজ কর্তৃক মৃত্যু ঘটায়, অথবা যে দৈহিক জখম মৃত্যু ঘটাতে পারে, তেমন দৈহিক জখম ঘটাবার উদেশ্য নিয়ে কৃত কোন কাজের সংঘটন কর্তৃক মৃত্যু ঘটায়, অথবা যে কাজ মৃত্যু ঘটাতে পারে বলে সে জানে, সে কাজ সম্পাদন কর্তৃক মৃত্যু ঘটায়, তবে সেই ব্যক্তি শাস্তিযোগ্য নরহত্যার দোষে দোষী হবে।

উদাহরণসমূহ:
(ক) 'ক' একটি কূপের মুখে আড়াআড়িভাবে বাঁশের কঞ্চি পেতে তার উপর ঘাস পাতা বিছিয়ে দেয়- এই উদ্দেশ্যে যে, তাতে মৃত্যু ঘটতে পারে অথবা তাতে যে মৃত্যু ঘটতে পারে তা জানা সত্ত্বেও তা করে। 'চ' শক্ত মাটি মনে করে উহার উপর দিয়ে চলতে গিয়ে কূপের ভিতর পড়ে যায় এবং নিহত হয়। 'ক' শাস্তিযোগ্য নরহত্যার অপরাধ করেছে।

(খ) একটি ঝোপের একপাশে 'ক' ও 'খ' রয়েছে এবং অন্য পাশে 'চ' রয়েছে 'ক' জানে যে, 'চ' অন্য পাশে রয়েছে, কিন্তু 'খ' তা জানে না। ঝোপের দিকে গুলিবর্ষণ করলে যাতে 'চ'-এর মৃত্যু হয় সে। উদ্দেশ্যে অথবা অনুরূপ গুলিবর্ষণ করলে 'চ'-এর মৃত্যু হতে পারে বলে জানা সত্ত্বেও 'ক' ঝোপের দিকে গুলিবর্ষণ করার জন্য 'খ'-কে অনুরোধ করে। 'খ' অনুরোধ রক্ষা করে গুলিবর্ষণ করে এবং তার গুলিবর্ষণের ফলে 'চ' এর মৃত্যু হয়। এইক্ষেত্রে 'খ' কোন দোষে দোষী না হতে পারে, কিন্তু 'ক' শাস্তি যোগ্য নরহত্যার অপরাধ করেছে।

(গ) 'ক' একটি মুরগি হত্যা করে উহা চুরি করার উদ্দেশ্যে উহার প্রতি গুলিবর্ষণ করে, কিন্তু গুলিবর্ষণের ফলে ঝোপের অন্য পাশে 'খ'-এর মৃত্যু হয়। 'ক' জানত না যে, 'খ' সেখানে ছিল। এই ক্ষেত্রে 'ক' যদিও একটি বেআইনী কাজই করতেছিল, তথাপি সে শাস্তিযোগ্য নরহত্যার দোষে দোষী নয়, কেননা সে 'খ'-কে হত্যা করতে চায় নাই, অথবা যে কার্য মৃত্যু ঘটাতে পারে বলে সে জানে, জ্ঞাতসারে সে কার্য করে সে মৃত্যু ঘটায় নাই।

⇒ ব্যাখ্যা (Explanation) ১:- যে ব্যক্তি অসুস্থতা, রোগ বা দৈহিক অপারগতায় ভুগতেছে, তার দৈহিক জখম করে মৃত্যু ত্বরান্বিত করলে তার মৃত্যু ঘটাবার অপরাধ হয়েছে বলে বিবেচনা করা হবে।

⇒ ব্যাখ্যা (Explanation) ২:- যখন দৈহিক আঘাত বা জখমের কারণে মৃত্যু ঘটে, তখন যে ব্যক্তি অনুরূপ দৈহিক আঘাত বা জখম ঘটায়, সে ব্যক্তি মৃত্যু ঘটিয়েছে বলে বিবেচনা করা হবে, যদিও যথোচিত প্রতিকারের ও সুনিপুণ চিকিৎসার ফলে সে মৃত্যু রোধ করা যেত।

⇒ ব্যাখ্যা (Explanation) ৩:- মাতৃগর্ভে কোন শিশুর মৃত্যু ঘটানো নরহত্যা নয়। কিন্তু যদি কোন শিশুর (দেহের) কোন অংশ নিষ্ক্রান্ত করার পর জীবিত শিশুটির মৃত্যু ঘটানো হয়, তবে তা শাস্তিযোগ্য নরহত্যা বলে পরিগণিত হবে, যদিও শিশুটি শ্বাসপ্রশ্বাস গ্রহণ না করে থাকে অথবা সম্পূর্ণরূপে ভুমিষ্ঠ না হয়ে থাকে।

---------------
⇒ Section 299. Culpable homicide:
-Whoever causes death by doing an act with the intention of causing death, or with the intention of causing such bodily injury as is likely to cause death, or with the knowledge that he is likely by such act to cause death, commits the offence of culpable homicide. 

Illustrations: 

(a) A lays sticks and turf over a pit, with the intention of thereby causing death, or with the knowledge that death is likely to be thereby caused. Z, believing the ground to be firm, treads on it, falls in and is killed. A has committed the offence of culpable homicide. 
 
(b) A knows Z to be behind a bush. B does not know it. A, intending to cause, or knowing it to be likely to cause Z's death induces B to fire at the bush. B fires and kills Z. Here B may be guilty of no offence; but A has committed the offence of culpable homicide. 
 
(c) A, by shooting at a fowl with intent to kill and steal it, kills B, who is behind a bush; A not knowing that he was there. Here, although A was doing an unlawful act, he was not guilty of culpable homicide, as he did not intend to kill B or cause death by doing an act that he knew was likely to cause death.

Explanation 1. A person who causes bodily injury to another who is labouring under a disorder, disease or bodily infirmity, and thereby accelerates the death of that other, shall be deemed to have caused his death. 

Explanation 2. Where death is caused by bodily injury, the person who causes such bodily injury shall be deemed to have caused the death, although by resorting to proper remedies and skilful treatment the death might have been prevented.

Explanation 3. The causing of the death of a child in the mother's womb is not homicide. But it may amount to culpable homicide to cause the death of a living child, if any part of that child has been brought forth, though the child may not have breathed or been completely born.
১,৮৮৩.
মারামারির জন্য দণ্ডবিধির কোন ধারা অনুযায়ী শাস্তি প্রদান করা হয়?
  1. ১৬২ ধারা
  2. ১৬১ ধারা
  3. ১৬০ ধারা
  4. ১৫৯ ধারা
সঠিক উত্তর:
১৬০ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬০ ধারা
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ১৫৯ ধারা মারামারির (Affray) সংজ্ঞা দেয়, অর্থাৎ কখন মারামারি সংঘটিত হয়। এবং দণ্ডবিধির ১৬০ ধারা মারামারির জন্য শাস্তির বিধান নির্ধারণ করে।
তাই মারামারির জন্য শাস্তি প্রদান করা হয় ধারা ১৬০ অনুযায়ী।

⇒ দণ্ডবিধির ১৫৯ ধারার বিধান মারামারি:
যদি দুই বা ততোধিক ব্যক্তি কোন প্রকাশ্য স্থানে মারামরি করে শান্তিভঙ্গ করে, তবে তারা "মারামারি” করেছে বলে পরিগণিত হয়।

⇒ দণ্ডবিধির ১৬০ ধারার বিধান মারামারির শাস্তি:

কোন ব্যক্তি যদি মারামারির অপরাধ সংঘটন করে, তবে সে ব্যক্তি এক মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা একশত টাকা পর্যন্ত যে কোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
--------------
⇒ The Penal Code, 1860-Section-159: Affray:
When two or more persons, by fighting in a public place, disturb the public peace, they are said to "commit an affray".

⇒The Penal Code, 1860-Section-160: Punishment for committing affray:

Whoever commits an affray, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to one month, or with fine which may extend to one hundred taka, or with both.

১,৮৮৪.
মানহানির অপরাধ কয়টি ব্যতিক্রম সাপেক্ষে সংঘটিত হতে পারে?
  1. ৮টি
  2. ৯টি
  3. ১০ টি
  4. ১১ টি
সঠিক উত্তর:
১০ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ টি
ব্যাখ্যা
♦ পেনাল কোড-এর ৪৯৯ ধারায় মানহানি বা defamation এর সংজ্ঞা দেয়া হয়েছে এবং সেখানে মোট ১০ টি ব্যতিক্রম সাপেক্ষে এই অপরাধ সংঘটনের কথা বলা আছে।
♦ ৪৯৯ ধারায় ১০টি  ব্যতিক্রম নিচে দেয়া হল-

১) জনস্বার্থে বা জনগণের কল্যাণের জন্য কারো প্রতি সত্য-দোষারোপ করা হলে তা মানহানি হবে না।

২) জনগণের প্রতি সরকারি কর্মচারীর আচরণ সম্পর্কে সৎ বিশ্বাসে কোন অভিমত প্রকাশ করা হলে তা মানহানি নয়।

৩) কোন জনসমস্যা/গণসমস্যা সম্পর্কে কোন ব্যক্তির আচরণ সম্পর্কে সৎ বিশ্বাসে অভিমত প্রকাশ করা হলে তা মানহানি নয়।

৪) কোন আদালতের কার্য বিবরণীর রিপোর্ট প্রকাশ করা হলে তা মানহানি নয়।

৫) আদালত কর্তৃক সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে এমন কোন ফৌজদারি বা দেওয়ানি মোকদ্দমার দোষ, গুণ বা সাক্ষী বা সাক্ষ্যের সম্পর্কে সৎ বিশ্বাসে কোন অভিমত প্রকাশ করা হলে তা মানহানি নয়।

৬) কোন বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়ার ভার জনগণের উপর ন্যস্ত করা হলে তখন এ বিষয়ে সৎ বিশ্বাসে অভিমত প্রকাশ করা হলে তা মানহানি নয়। যেমন- কোন ব্যক্তি কোন বই প্রকাশ করলে বা প্রকাশ্য স্থানে বক্তৃতা দিলে তখন তা বিচার করার জন্য জনগণের কাছে উপস্থাপন করা হয়েছে বলে গণ্য করা হবে।

৭) অন্যের উপর আইনসম্মতভাবে ক্ষমতা রয়েছে এমন ব্যক্তি সরল বিশ্বাসে কোন নিন্দা করলে তা মানহানি হবে না।

৮) ক্ষমতাসম্পন্ন কোন ব্যক্তির নিকট সৎ বিশ্বাসে অভিমত দেয়া হলে তা মানহানি বলে গণ্য হবে না। যেমন- পুলিশের কাছে কারো ব্যাপারে অভিযোগ করা ।

৯) কোন ব্যক্তি নিজের বা অন্যের স্বার্থ রক্ষা করতে গিয়ে বা জনস্বার্থে সৎ বিশ্বাসে কোন দোষারোপ করলে তা মানহানি নয়।

১০) জনকল্যাণে সৎ বিশ্বাসে কোন ব্যক্তিকে সতর্ক করে কিছু বলা হলে তা মানহানি হবে না ।

♦ শান্তি: ধারা ৫০০ অনুযায়ী, মানহানি অপরাধের শাস্তি- ২ বছর পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়।
১,৮৮৫.
'Y' এর যে রাস্তায় চলাচলের অধিকার আছে সে পথে 'X' বিঘ্ন সৃষ্টি করে। এতে 'Y' এর চলাচল বাধাগ্রস্থ হয়। দণ্ডবিধি অনুসারে 'X' এর কৃত অপরাধ হল?
  1. অন্যায় অর্পণ
  2. অন্যায় আটক
  3. অন্যায় নিয়ন্ত্রণ
  4. অন্যায়ভাবে বাধা
সঠিক উত্তর:
অন্যায়ভাবে বাধা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অন্যায়ভাবে বাধা
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৩৯ ধারার বিধান অবৈধ বাধা (Wrongful restraint):- যে ব্যক্তি কোন ব্যক্তিকে ইচ্ছাপূর্বক এমনভাবে বাধাদান করে যার ফলে উক্ত ব্যক্তির যেদিকে যাবার অধিকার রয়েছে, এমন কোন দিকে উক্ত ব্যক্তির যাবার পথ রুদ্ধ হয়, তবে সে ব্যক্তি উক্ত ব্যক্তিকে অবৈধভাবে বাধাদান করেছে বলে পরিগণিত হয়।

ব্যতিক্রম:- যদি কোন লোক স্থলে বা জলে কোন বেসরকারি পথে বাধা দেওয়ার আইনসম্মত অধিকার তার রয়েছে বলে সরল মনে বিশ্বাসবশতঃ উক্ত পথে বিঘ্ন সৃষ্টি করে, তবে তার কাজ এই ধারার অর্থের আওতায় অপরাধ হবে না।

 উদাহরণ:
যে পথ অতিক্রম করার অধিকার চ-এর রয়েছে, সে পথে ক বিঘ্ন সৃষ্টি করে। ক সরল মনে বিশ্বাস করে না যে, পথটি রোধ করার অধিকার তার রয়েছে। ক-এর পথ রোধের ফলে চ পথ অতিক্রম করতে অসমর্থ হয়। ক অবৈধভাবে চ-কে বাধাদান করেছে।
--------
⇒Section 339.Wrongful restraint:
Whoever voluntarily obstructs any person so as to prevent that person from proceeding in any direction in which that person has a right to proceed, is said wrongfully to restrain that person. 
Exception: The obstruction of a private way over land or water which a person in good faith believes himself to have a lawful right to obstruct, is not an offence within the meaning of this section.

Illustration:
A obstructs a path along which Z has a right to pass, A not believing in good faith that he has a right to stop the path. Z is thereby prevented from passing. A wrongfully restrains Z.
১,৮৮৬.
দণ্ডবিধির কোন ধারা অনুযায়ী চুরির উদ্দেশ্যে আগেই আঘাত বা মৃত্যু ঘটানোর প্রস্তুতি নেয়া হলে অপরাধ গণ্য হয়?
  1. ৩৭৮ ধারা
  2. ৩৮০ ধারা
  3. ৩৮২ ধারা
  4. ৩৮৪ ধারা
সঠিক উত্তর:
৩৮২ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৮২ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩৮২ বিশেষভাবে এমন চুরির কথা বলে যেখানে অপরাধী আগেই মৃত্যু ঘটানো, আঘাত করা বা আটকে রাখার প্রস্তুতি নেয়। এটি সাধারণ চুরির চেয়ে বেশি গুরুতর এবং দস্যুতার কাছাকাছি অপরাধ।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৮২ ধারার বিধান চুরির উদ্দেশ্যে মৃত্যু ঘটানো, আঘাত করা বা আটকানোর প্রস্তুতি গ্রহণান্তে চুরি:-
কোন ব্যক্তি যদি চুরি করার পূর্বে চুরি করার জন্য, অথবা চুরি করে পলায়নের জন্য অথবা অনুরূপ চুরি কর্তৃক লব্ধ সম্পত্তি রক্ষণের জন্য মৃত্যু ঘটানোর, অথবা আঘাত করার, অথবা আটকানোর অথবা মৃত্যুর ভয় সৃষ্টি করার, অথবা আঘাত করার, ভয় সৃষ্টি করার অথবা আটকানোর প্রস্তুতি গ্রহণান্তে চুরি করে, তবে উক্ত ব্যক্তি দশ বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থদেণ্ডও দণ্ডিত হবে।

⇒ উদাহরণসমূহ:
(ক) ক, গ এর দখলভুক্ত সম্পত্তি চুরি করে। চুরি করার সময় সে পোশাকের নিচে একটি গুলি ভর্তি পিস্তল লুকিয়ে রাখে। গ বাধা দিলে তাকে আঘাত করার উদ্দেশ্যে ক গুলি ভর্তি পিস্তলটি রাখে। 'ক' এই ধারায় বর্ণিত অপরাধ করেছেন বলে পরিগণিত হবে।
(খ) ক গ-এর পকেট মারে। পকেট মারার পূর্বে সে তার কয়েকটি সঙ্গীকে আশেপাশে মোতায়েন করে। গ যদি টের পায় যে, তার পকেট মারা হচ্ছে এবং টের পেয়ে যদি সে তা রোধ করতে চায় অথবা যদি সেককে আটক করার চেষ্টা করে, তবে তাকে রাখার উদ্দেশ্যে ক তার সঙ্গীদের মোতায়েন করে। ক এই ধারায় বর্ণিত অপরাধ করেছে বলে পরিগণিত হবে।
---------
⇒ The Penal Code, 1860, Section 382. Theft after preparation made for causing death, hurt or restraint, in order to the committing of the theft:
Whoever commits theft, having made preparation for causing death, or hurt, or restraint, or fear of death, or of hurt, or of restraint, to any person, in order to the committing of such theft, or in order to the effecting of his escape after the committing of such theft, or in order to the retaining of property taken by such theft, shall be punished with rigorous imprisonment for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine.

⇒ Illustrations:
(a) A commits theft on property in Z's possession; and, while committing this theft, he has a loaded pistol under his garment having provided this pistol for the purpose of hunting Z in case Z should resist. A has committed the offence defined in this section.
(b) A picks Z's pocket, having posted several of his companions near him, in order that they may restrain Z, if Z should perceive what is passing and should resist, or should attempt to apprehend A. A has committed the offence defined in this section.
১,৮৮৭.
The term “Fraudulently" is explained in The Penal Code under Section-
  1. 24
  2. 25
  3. 26
  4. 28
সঠিক উত্তর:
25
উত্তর
সঠিক উত্তর:
25
ব্যাখ্যা
⇒ Section 24 “Dishonestly”  Whoever does anything with the intention of causing wrongful gain to one person or wrongful loss to another person, is said to do that thing "dishonestly".

⇒ Section 25 “Fraudulently" A person is said to do a thing fraudulently if he does that thing with intent to defraud but not otherwise.

⇒ Section 26 “Reason to believe” A person is said to have "reason to believe" a thing if he has sufficient cause to believe that thing but not otherwise.

⇒ Section 28. “Counterfeit”  A person is said to "counterfeit" who causes one thing to resemble another thing, intending by means of that resemblance to practice deception, or knowing it to be likely that deception will thereby be practiced. 
Explanation 1.-It is not essential to counterfeiting that the imitation should be exact. 
Explanation 2.-When a person causes one thing to resemble another thing, and resemblance is such that a person might be deceived thereby, it shall be presumed, until the contrary is proved, that the person so causing the one thing to resemble the other thing intended by means of that resemblance to practice deception or knew it to be likely that deception would thereby be practiced.
১,৮৮৮.
What is the provision of section 197 of the Penal Code-1860?
  1. Fabricating false evidence
  2. Using evidence known to be false
  3. Issuing or signing false certificate
  4. Using as true a certificate known to be false
সঠিক উত্তর:
Issuing or signing false certificate
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Issuing or signing false certificate
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৯৭ ধারার বিধান মিথ্যা সার্টিফিকেট ইস্যু করা কিংবা উহাতে স্বাক্ষর করা:
-কোন ব্যক্তি যদি আইনের নির্দেশানুসারে কোন সার্টিফিকেট ইস্যু করে কিংবা উহাতে স্বাক্ষর করে কিংবা যে বিষয়ে আইনানুসারে কোন সার্টিফিকেট সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য, সে বিষয়ে অনুরূপ সার্টিফিকেট দান বা স্বাক্ষর করে এবং সার্টিফিকেটটি কোন বাস্তব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের দিক হতে মিথ্যা বলে জানা সত্ত্বেও বা অনুরূপভাবে মিথ্যা বলে বিশ্বাস করা সত্ত্বেও অনুরূপভাবে উহা দান বা স্বাক্ষর করে থাকে, তবে সে ব্যক্তি স্বয়ং মিথ্যা সাক্ষ্যদান করলে যেভাবে দণ্ডিত হত, এক্ষেত্রেও সে সেভাবে দণ্ডিত হবে।
----------------------------------
⇒ The Penal Code, 1860, Section 197: Issuing or signing false certificate:
-Whoever issues or signs any certificate required by law to be given or signed, or relating to any fact of which such certificate is by law admissible in evidence, knowing or believing that such certificate is false in any material point, shall be punished in the same manner as if he gave false evidence.
১,৮৮৯.
''বাংলাদেশে সরকারের চাকুরীরত বিদেশী নাগরিক 'গ' খুলনায় একটি হত্যাকাণ্ড সংঘটিত করে। বাংলাদেশের যে স্থানে তাকে পাওয়া যাবে, সে স্থানেই তাকে বিচার করে সাজা প্রদান করা যাবে''- এই বিধানটি দণ্ডবিধির কত ধারা দ্বারা অনুমোদিত?
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৪ ধারার বিধান রাষ্ট্রের সীমানার বাহিরে সংঘটিত অপরাধ সমূহের ক্ষেত্রে প্রতিবিধির আওতা সম্প্রসারণ:
নিম্নোক্ত ব্যক্তিগণ দ্বারা সংঘটিত কোন অপরাধের ক্ষেত্রেও এই বিধির বিধানগুলো প্রয়োগযোগ্য হবে;
(১) বাংলাদেশের বাইরে অবস্থিত কোন জায়গায় বাংলাদেশের নাগরিক,
(৪) বাংলাদেশে রেজিষ্ট্রকৃত যে কোন জাহাজ বা বিমান পোতে আরোহী যে কোন ব্যক্তি উক্ত জাহাজ কিংবা বিমান পোতে যেখানেই থাকুক না কেন।
ব্যাখ্যা: এই ধারা মতে যে কার্য বাংলাদেশের মধ্যে সংঘটিত হলে এই বিধি অনুযায়ী দণ্ডনীয় হত তা বাংলাদেশের বাইরে সংঘটিত হলে তার অপরাধ কথাটির আওতাভুক্ত হবে।

উদাহরণসমূহ:
(ক) ক বাংলাদেশের একজন নাগরিক। সে জাপানে খুনের অপরাধ সংঘটন করে । বাংলাদেশের যে কোন স্থানে, যেখানে তার সন্ধান পাওয়া যাবে, খুনের দায়ে তাকে বিচার ও শাস্তি প্রদান করা যাবে।
(খ) খ একজন ইউরোপীয় বৃটিশ প্রজা। সে রংপুরে একটি খুনের অপরাধ সংঘটন করে। বাংলাদেশের যে কোন স্থানে, যেখানে তার সন্ধান পাওয়া যাবে, খুনের দায়ে তার বিচার ও শাস্তি প্রদান করা যাবে।
(গ) বাংলাদেশে সরকারের চাকুরীরত বিদেশী নাগরিক গ খুলনায় একটি হত্যাকাণ্ড সংঘটিত করে। বাংলাদেশের যে স্থানে তাকে পাওয়া যাবে, সে স্থানেই তাকে বিচার করে সাজা প্রদান করা যাবে।
অর্থাৎ উল্লিখিত বিধানটি দণ্ডবিধির ৪ ধারা দ্বারা অনুমোদিত।
(ঘ) খুলনায় বসবাসকারী ব্রিটিশ নাগরিক ঘ ঙ-কে চট্টগ্রামে একটি হত্যাকাণ্ড অনুষ্ঠিত করার জন্য প্ররোচিত করে। ঘ হত্যাকাণ্ডে প্ররোচনা দানের অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হবে।

এছাড়াও, 
দণ্ডবিধির ২ ধারার বিধান বাংলাদেশের মধ্যে সংঘটিত অপরাধ এর সাজা:- বাংলাদেশের মধ্যে এই বিধির আওতায় প্রণীত বিধানের পরিপন্থি কোন কার্য করলে অথবা বিধানের নির্দেশ অনুযায়ী কোন কার্য না করলে প্রত্যেক ব্যক্তি এই বিধির আওতায় সাজার জন্য দায়ী হবেন এবং অপর কোনভাবে নয়।

ফৌজদারী কার্যবিধির ১৮৮ ধারার বিধান বাংলাদেশের বাহিরে সংঘটিত অপরাধের দায়: যখন বাংলাদেশের কোন নাগরিক বাংলাদেশের সীমার বাহিরে কোন স্থানে কোন অপরাধ করে; অথবা যখন কোন ব্যক্তি বাংলাদেশে নিবন্ধিকৃত কোন জাহাজ বা উড়োজাহাজে, তাহা যেখানেই অবস্থান করুক না কেন, কোন অপরাধ করে;
তখন বাংলাদেশের যে স্থানেই তাকে খুঁজে পাওয়া যাবে সে স্থানে অপরাধ সংঘটন করেছে মর্মে ধরে নিয়ে সে অনুসারে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া যাবে।
১,৮৯০.
Z এর সম্মতি ছাড়া তার দখল থেকে অসাধুভাবে নিয়ে যাবার উদ্দেশ্যে Z এর জমিতে A একটি গাছ কাটে। এক্ষেত্রে A সংঘটন করে-
  1. চুরি
  2. দস্যুতা
  3. স্যুতার প্রচেষ্টা
  4. চুরির প্রচেষ্টা
সঠিক উত্তর:
চুরি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চুরি
ব্যাখ্যা
♦দণ্ডবিধির ৩৭৮ ধারার বিধান চুরিঃ কোন ব্যক্তি যদি কারো দখল হতে তার সম্মতি ব্যতীত কোন অস্থাবর সম্পত্তি অসাধুভাবে গ্ৰহণ করার উদ্দেশ্য নিয়ে উক্ত সম্পত্তি অনুরূপভাবে গ্রহণের জন্য স্থানান্তর করে, তবে উক্ত ব্যক্তি চুরি করেছে বলে গণ্য হবে।

♦ব্যাখ্যা (Explanation) ১:- কোন বস্তু যতক্ষণ পর্যন্ত অস্থাবর সম্পত্তি না হওয়া বিধায় মাটির সাথে যুক্ত থাকে, ততক্ষণ পর্যন্ত উহা চুরি করার বস্তু বলে গণ্য হবে না, কিন্তু যে মুহুর্তে উহাকে মাটি হতে বিচ্ছিন্ন করা হয় সে মহুর্তেই উহা চুরি করার বস্তু হওয়ার যোগ্য গণ্য হবে।

♦ব্যাখ্যা (Explanation) ২:- যে কাজ কর্তৃক (মাটি হতে) বিচ্ছিন্নতা সাধন করা হয়, সে কাজ দ্বারাই স্থানান্তর করা হলে তা চুরি হতে পারে।

♦ব্যাখ্যা (Explanation) ৩:- কোন ব্যক্তি কোন বস্তুর গতির প্রতিবন্ধক অপসারণ করলে বা উহাকে অপর কোন বস্তু হতে বিচ্ছিন্ন করলে এবং বাস্তবিকভাবে উহা স্থানান্তর করলে উক্ত বস্তু স্থানান্তর করে বলে পরিগণিত হবে।

♦ব্যাখ্যা (Explanation) ৪:- কোন ব্যক্তি যে কোন উপায়ে কোন পশুকে হাটায়, সে লোক সে পশুকে এবং অনুরূপভাবে সৃষ্ট গতির ফলে উক্ত পশু দ্বারা স্থানান্তরিত প্রত্যেক বস্তুকে স্থানান্তর করে বলে গণ্য হবে।

♦ব্যাখ্যা (Explanation) ৫:- সংজ্ঞায় উল্লেখিত সম্মতি প্রকাশ্য অথবা পরোক্ষ হতে পারে এবং উক্ত সম্মতি দখলকারী ব্যক্তি বা উক্ত উদ্দেশ্য প্রকাশ্য বা পরোক্ষ ক্ষমতাসম্পন্ন ব্যক্তির দ্বারা প্রদত্ত হতে পারে।
১,৮৯১.
জাল দলিলকে খাঁটি হিসেবে ব্যবহার করার সর্বোচ্চ শাস্তি-
  1. ২ বছর কারাদণ্ড
  2. ১ বছর কারাদণ্ড
  3. ৫ বছর কারাদণ্ড
  4. ৭ বছর কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
২ বছর কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধি ৪৭১ ধারা মতে  জাল দলিলকে খাটি হিসাবে ব্যবহার করার শাস্তি হলো জালিয়াতির শান্তির অনুরূপ অর্থাৎ জাল দলিলকে খাটি হিসাবে ব্যবহার করার শাস্তি অনধিক ২ বছর কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড।
১,৮৯২.
দণ্ডবিধির ১৯১ ধারার আওতায় কোন ধরনের বক্তব্য বা বিবৃতি মিথ্যা সাক্ষ্য হিসেবে গণ্য হয়?
  1. কেবল মৌখিক বক্তব্য
  2. কেবল লিখিত বিবৃতি
  3. মৌখিক বা লিখিত যেকোনো ধরনের
  4. কেবল ভুক্তভোগী হিসাবে আদালতে প্রদত্ত বিবৃতি
সঠিক উত্তর:
মৌখিক বা লিখিত যেকোনো ধরনের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৌখিক বা লিখিত যেকোনো ধরনের
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৯১ ধারার বিধান- মিথ্যা সাক্ষ্যদান:
কোন ব্যক্তি যদি কোন শপথক্রমে বা আইনে কোন প্রকাশ্য বিধান অনুযায়ী সত্য বলতে আইনত: বাধ্য হওয়া সত্ত্বেও, অথবা কোন বিষয়ে একটি ঘোষণা প্রদান করতে আইনানুসারে বাধ্য হওয়া সত্ত্বেও, এমন কোন উক্তি করে বা বিবৃতি দান করে যা মিথ্যা, এবং যা হয় সে মিথ্যা বলে জানে, না হয় সে মিথ্যা বলে বিশ্বাস করে অথবা যা সে সত্য বলে বিশ্বাস করে না, তবে উক্ত ব্যক্তি মিথ্যা সাক্ষ্য দান করে বলে পরিগণিত হয়।

ব্যাখ্যা ১:- কোন উক্তি বা বিবৃতি মৌখিকভাবে অথবা অপর যেভাবেই করা হোক না কেন, এই ধারার অর্থানুসারে তা উক্তি বা বিবৃতি বলে বিবেচিত।
ব্যাখ্যা ২:- সত্যতা নিরূপণকারী ব্যক্তির বিশ্বাস বিষয়ক মিথ্যা উক্তি এই ধারার অর্থে অন্ত র্ভুক্ত। কোন ব্যক্তি যা বিশ্বাস করে না, তা সে বিশ্বাস করে বলে এবং যা সে জানে বলে উক্তি করলে সে ব্যক্তি মিথ্যা সাক্ষ্য দানের জন্য অপরাধী হবে।
১,৮৯৩.
A জানে Z একটি ঝোপের আড়ালে রয়েছে। B তা জানে না। A,Z এর মৃত্যু ঘটানোর উদ্দেশ্যে অথবা এই ঘটনায় Z এর মৃত্যু ঘটার আশঙ্কা রয়েছে জেনে B কে উক্ত ঝোপের প্রতি গুলি ছুঁড়ার জন্য A প্ররোচিত করে। B গুলি ছুঁড়ে ও Z কে হত্যা করে। এই ক্ষেত্রে A এবং B এর অপরাধ কি?
  1. A কোন অপরাধ করেনি কিন্তু B খুন করেছে
  2. A নিন্দনীয় নরহত্যা করেছে এবং B কোন অপরাধ করেনি
  3. B নিন্দনীয় নরহত্যা করেছে এবং A কোন অপরাধ করেনি
  4. উপরের কোনটি না
সঠিক উত্তর:
A নিন্দনীয় নরহত্যা করেছে এবং B কোন অপরাধ করেনি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
A নিন্দনীয় নরহত্যা করেছে এবং B কোন অপরাধ করেনি
ব্যাখ্যা
♦যেহেতু Z কে হত্যা করার কোন উদ্দেশ্যে B এর ছিল না এবং B জানতো না যে ঝোপের আড়ালে Z ছিল, সুতরাং সে গুলি করেছে কোন প্রকার জ্ঞান [Knowledge] ছাড়া। তাই B কোন অপরাধ করেনি। কিন্তু Z কে হত্যা করতে A,B কে প্ররোচনা করেছে এবং তাই A নিন্দনীয় নরহত্যায় প্ররোচনার জন্য দায়ী হবে। কিন্তু A এর অপরাধটি খুন হবে কিনা তা ৩০০ ধারার আলোকে নির্ধারণ করতে হবে।
১,৮৯৪.
Penal Code প্রণয়নের উদ্দেশ্যে গঠিত ১৮৩৭ সালের প্রথম ভারতীয় আইন কমিশনের সভাপতি ও কমিশনার কে বা কারা ছিলেন?
  1. সভাপতি হেস্টিংস, কমিশনার লর্ড ম্যাকুলে এবং ম্যাকলয়েড এন্ডারসন
  2. সভাপতি লর্ড ম্যাকুলে এবং কমিশনার হেস্টিংস এবং ম্যাকলয়েড এন্ডারসন
  3. সভাপতি এন্ডারসন এবং কমিশনার লর্ড ম্যাকুলে
  4. সভাপতি লর্ড ম্যাকুলে এবং কমিশনার ম্যাকলয়েড এন্ডারসন ও মিলেট
সঠিক উত্তর:
সভাপতি লর্ড ম্যাকুলে এবং কমিশনার ম্যাকলয়েড এন্ডারসন ও মিলেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সভাপতি লর্ড ম্যাকুলে এবং কমিশনার ম্যাকলয়েড এন্ডারসন ও মিলেট
ব্যাখ্যা
• ১৮৩৩ সালে ভারতের শাসনভার ইংরেজ কোম্পানী হাত হতে ব্রিটিশ রাজ গ্রহণ করার পর ভারতবর্ষের জন্য একটি আইন কমিশন গঠন করেন। ভারতীয় উপমহাদেশে সর্বপ্রথম আইন কমিশন গঠন করা হয় ১৮৩৪ সালে। প্রথম আইন কমিশনের চেয়ারম্যান ছিলেন থমাস ব্যাবিংটন ম্যাকুলে (Lord Macaulay).
প্রথম আইন কমিশনের কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন যা নিম্নরুপ:-

i) সভাপতি- লর্ড ম্যাকুলে।
ii) সদস্য- মি. ম্যাকলয়েড।
iii) সদস্য- মি. এন্ডারসন।
iv) সদস্য- মি. মিলেট।

এ কমিশন দণ্ডবিধির খসড়া প্রণয়ন করে ১৮৩৭ সালের ১৪ই অক্টোবর ভারতের তৎকালীন গভর্নর জেনারেল লর্ড আ্যাকল্যান্ডের নিকট পেশ করেন। যা কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি স্যার বার্নেস পিকক এবং অন্যান্য বিচারপতিগণ (যারা ফোর্ট উইলিয়ম লেজিসলেটিভ কাউন্সিলের সদস্য ছিলেন)। সতর্কতার সাথে পরীক্ষা করে ১৮৫৬ সালে দণ্ডবিধির খসড়া লেজিসলেটিভ কাউন্সিলে উপস্থাপিত হয়। ১৮৬০ সালে লেজিসলেটিভ কাউন্সিল আরও পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে চূড়ান্ত খসড়া তৈরী করেন। অতঃপর ভারতে বিদ্যমান বিভিন্ন আইনের সাথে সামঞ্জস্য রেখে কিছু সংশোধনী করে ১৮৬২ সালের ৬ই অক্টোবর দণ্ডবিধি পাশ হয়। যার নামকরণ করা হয় ১৮৬০ সালের ৪৫ নং আইন, দণ্ডবিধি।
১,৮৯৫.
কোন অবস্থায় দণ্ডবিধির ধারা ১২০ অনুযায়ী সর্বোচ্চ এক-চতুর্থাংশ মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া যেতে পারে?
  1. যদি অপরাধ সংঘটিত হয়
  2. যদি অপরাধ তদন্তাধীন থাকে
  3. যদি অপরাধ সংঘটিত না হয়
  4. যদি অপরাধ পরিকল্পনার পর্যায়ে থাকে
সঠিক উত্তর:
যদি অপরাধ সংঘটিত হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যদি অপরাধ সংঘটিত হয়
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: ক) যদি অপরাধ সংঘটিত হয়।
⇒ দণ্ডবিধির ধারা ১২০ অনুযায়ী, যদি কেউ এমন একটি কারাবিধেয় অপরাধ সংঘটনের পরিকল্পনা গোপন করে এবং সেই অপরাধটি বাস্তবে সংঘটিত হয়, তাহলে সে ব্যক্তি মূল অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তির এক-চতুর্থাংশ মেয়াদে কারাদণ্ডে দণ্ডিত হতে পারে।
- অপরাধ সংঘটিত না হলে, সেই ব্যক্তি সর্বোচ্চ এক-অষ্টমাংশ সময় পর্যন্ত কারাদণ্ডে বা জরিমানায় দণ্ডিত হতে পারেন।
⇒ তাই, শুধুমাত্র অপরাধ সংঘটিত হলেই এক-চতুর্থাংশ পর্যন্ত শাস্তির বিধান প্রযোজ্য হয়।

⇒ দণ্ডবিধির ১২০ ধারা অনুসারে, যদি কোনো ব্যক্তি কারাবিধেয় অপরাধ সংঘটনের ডিজাইন (পরিকল্পনা) গোপন করে এবং সেই অপরাধটি সংঘটিত না হয়, তবে সেই ব্যক্তির শাস্তি হবে সর্বোচ্চ কারাদণ্ডের এক-অষ্টমাংশ পর্যন্ত।
- যে ব্যক্তি অপরাধ সংঘটনের পরিকল্পনা গোপন করে বা মিথ্যা তথ্য দেয়, সে যদি অপরাধ সংঘটিত হয়, তবে তাকে শাস্তির এক চতুর্থাংশ সময় বা জরিমানা, অথবা উভয়ই দেওয়া হবে।
- যদি অপরাধ সংঘটিত না হয়, তবে তাকে এক অষ্টমাংশ সময় বা জরিমানা, অথবা উভয়ই দেওয়া হবে।

⇒ The Penal Code, 1860- Section-120. Concealing design to commit offence punishable with imprisonment
Whoever, intending to facilitate or knowing it to be likely that he will thereby facilitate the commission of an offence punishable with imprisonment, 
voluntarily conceals, by any act or illegal omission, the existence of a design to commit such offence, or makes any representation which he knows to be false respecting such design,
if offence be committed; if offence be not committed
shall, if the offence be committed, be punished with imprisonment of the description provided for the offence, for a term which may extend to one-fourth, and, if the offence be not committed, to one-eighth, of the longest term of such imprisonment, or with such fine as is provided for the offence, or with both.
১,৮৯৬.
কোন ক্ষেত্রে "অবৈধ বাধা" (Wrongful Restraint) সংঘটিত হয়?
  1. কাউকে চুক্তি লঙ্ঘনের জন্য বাধ্য করা
  2. কারোর আইনানুগ চলাচলের পথে বাধা সৃষ্টি করা
  3. কাউকে সম্পত্তি থেকে উচ্ছেদ করা
  4. অন্য ব্যক্তির সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা
সঠিক উত্তর:
কারোর আইনানুগ চলাচলের পথে বাধা সৃষ্টি করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কারোর আইনানুগ চলাচলের পথে বাধা সৃষ্টি করা
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৩৯ ধারার বিধান- অবৈধ বাধা (Wrongful restraint):
যে ব্যক্তি কোন ব্যক্তিকে ইচ্ছাপূর্বক এমনভাবে বাধাদান করে যার ফলে উক্ত ব্যক্তির যেদিকে যাবার অধিকার রয়েছে, এমন কোন দিকে উক্ত ব্যক্তির যাবার পথ রুদ্ধ হয়, তবে সে ব্যক্তি উক্ত ব্যক্তিকে অবৈধভাবে বাধাদান করেছে বলে পরিগণিত হয়।

ব্যতিক্রম:
যদি কোন লোক স্থলে বা জলে কোন বেসরকারি পথে বাধা দেওয়ার আইনসম্মত অধিকার তার রয়েছে বলে সরল মনে বিশ্বাসবশতঃ উক্ত পথে বিঘ্ন সৃষ্টি করে, তবে তার কাজ এই ধারার অর্থের আওতায় অপরাধ হবে না।

⇒ উদাহরণ:
যে পথ অতিক্রম করার অধিকার চ-এর রয়েছে, সে পথে ক বিঘ্ন সৃষ্টি করে। ক সরল মনে বিশ্বাস করে না যে, পথটি রোধ করার অধিকার তার রয়েছে। ক-এর পথ রোধের ফলে চ পথ অতিক্রম করতে অসমর্থ হয়। ক অবৈধভাবে চ-কে বাধাদান করেছে।
১,৮৯৭.
'ক' একজন যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি। কারাগারে থাকাকালীন সে একজন নিরাপত্তারক্ষীকে হত্যা করার চেষ্টা করে এবং তাকে গুরুতর আহত করে। এই অবস্থায় 'ক' এর বিরুদ্ধে কোন অপরাধ প্রযোজ্য হবে??
  1. দণ্ডবিধির ৩০২ ধারা
  2. দণ্ডবিধির ৩০৩ ধারা
  3. দণ্ডবিধির ৩০৪ ধারা
  4. দণ্ডবিধির ৩০৭ ধারা
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধির ৩০৭ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধির ৩০৭ ধারা
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৩০৭ ধারা- খুনের উদ্যোগ:
কোনো ব্যক্তি যদি এমন উদ্দেশ্য নিয়ে বা এমন আশঙ্কা জানা সত্ত্বেও এমন অবস্থায় এমন কোনো কার্য করে, যার ফলে মৃত্যু ঘটলে, সে খুনের দায়ে অপরাধী সাব্যস্ত হবে, তবে উক্ত ব্যক্তি দশ বছর পর্যন্ত যে কোনো মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবে। এবং যদি অনুরূপ কাজের দ্বারা কোনো ব্যক্তিকে আঘাত করা হয়, তবে অপরাধী যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা পূর্বোক্ত যে দণ্ডের উল্লেখ করা হয়েছে, সেই দণ্ডে দণ্ডিত হবে।

⇒ যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত ব্যক্তির উদ্যোগ:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত কোন ব্যক্তি যদি এই ধারায় উল্লেখিত অপরাধ করে এবং তার ফলে কেউ আহত হয়, তবে উক্ত ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করা যেতে পারে।
১,৮৯৮.
দণ্ডবিধির কোন ধারা অনুযায়ী সম্পদ আদায় বা অবৈধ কাজ করানোর জন্য ইচ্ছাকৃত গুরুতর আঘাত দেওয়ার শাস্তি নির্ধারিত হয়েছে?
  1. ধারা ৩২৫
  2. ধারা ৩২৭
  3. ধারা ৩২৯
  4. ধারা ৩৩১
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩২৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩২৯
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০ এর ধারা ৩২৯ অনুযায়ী, যে ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে গুরুতর আঘাত করে এবং এর উদ্দেশ্য হয় ভুক্তভোগী বা সংশ্লিষ্ট কারো কাছ থেকে সম্পত্তি বা মূল্যবান দলিল আদায় করা, অথবা কাউকে অবৈধ কোনো কাজ করতে বাধ্য করা, সে ব্যক্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, বা সর্বোচ্চ ১০ বছর পর্যন্ত যেকোনো ধরনের কারাদণ্ড, এবং জরিমানায় দণ্ডিত হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩২৯ অনুযায়ী: “যে ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে গুরুতর আঘাত করে, উদ্দেশ্য যদি হয় (১) ভুক্তভোগী অথবা ভুক্তভোগীর সঙ্গে সম্পৃক্ত কোনো ব্যক্তির কাছ থেকে (২) সম্পদ বা মূল্যবান দলিল আদায় করা,(৩) অথবা তাকে অবৈধ কোনো কাজ করতে বাধ্য করা, তাহলে সেই ব্যক্তিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, অথবা সর্বোচ্চ ১০ বছর মেয়াদি যে-কোনো ধরণের কারাদণ্ড, এবং জরিমানায় দণ্ডিত করা যেতে পারে।”
এই ধারায় গুরুতর শারীরিক আঘাত (grievous hurt) ও চাঁদাবাজির উদ্দেশ্য একসাথে সংঘটিত হলে আইন কঠোর শাস্তির বিধান দিয়েছে।

⇒ The Penal Code, 1860- Section 329. Voluntarily causing grievous hurt to extort property, or to constrain to an illegal act
- Whoever voluntarily causes grievous hurt for the purpose of extorting from the sufferer or from any person interested in the sufferer any property or valuable security, or of constraining the sufferer or any person interested in such sufferer to do anything that is illegal or which may facilitate the commission of an offence, shall be punished with imprisonment for life, or imprisonment of either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine.
১,৮৯৯.
ক একটি মানি ব্যাগ কুড়িয়ে পেলো এবং জানতে পারলো যে মানিব্যাগটি খ-এর। কিন্তু পরবর্তীতে ক মানিব্যাগটি খ কে ফেরত না দিয়ে তা নিজে ব্যবহার করলো। ক-এর অপরাধ-
  1. Cheating
  2. Criminal Breach of Trus
  3. Mischief
  4. Dishonest Misappriation of Property
সঠিক উত্তর:
Dishonest Misappriation of Property
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Dishonest Misappriation of Property
ব্যাখ্যা
♦ পেনাল কোডের ৪০৩ ধারার বিধান অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎকরণ: কোন ব্যক্তি যদি অসাধুভাবে কোন অস্থাবর সম্পত্তি আত্মসাৎ করে অথবা তা তার নিজের ব্যবহারে প্রয়োগ করে, তবে উক্ত ব্যক্তি ১ বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থদণ্ড, অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবে।
ব্যাখ্যা ১:- কিছু সময়ের জন্য একটি অসাধু আত্মসাত্ত এই ধারা অনুযায়ী আত্মসাৎ বলে গণ্য হবে।
ব্যাখ্যা ২:- কোন ব্যক্তি যদি কোন সম্পত্তি কারো দখলে নেই দেখতে পেয়ে সম্পত্তিটি তার মালিকের স্বপক্ষে সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে অথবা মালিককে প্রত্যর্পণের উদ্দেশ্যে নিয়ে যায়, তবে সে অসাধুভাবে তা নিয়ে গিয়েছে বা আত্মসাৎ করেছে বলে গণ্য হবে না এবং কোন অপরাধে অপরাধী হবে না; কিন্তু সে উপরে বর্ণিত অপরাধে অপরাধী হবে যদি সে সম্পত্তিটির মালিককে জানা সত্ত্বেও বা মালিককে খুঁজে বাহির করার উপায় থাকা সত্ত্বেও তা নিজের কাজে ব্যবহার করে, অথবা যদি সে মালিককে খুঁজে বাহির করার ও তাকে বিজ্ঞাপিত করার জন্য যুক্তিসঙ্গত মাধ্যম অবলম্বনের উদ্দেশ্যে যথোপযুক্ত সময় পর্যন্ত সম্পত্তিটি সংরক্ষণ না করে তা তার নিজের কাজে ব্যবহার করে। অনুরূপ ক্ষেত্রে যুক্তিসঙ্গত মাধ্যম কি এবং যথোপযুক্ত সময় কত দীর্ঘ হবে তা একটি ঘটনাগত প্রশ্ন। সম্পত্তিটি প্রাপকের পক্ষে তার যথার্থ মালিককে তা জানার বা কোন বিশেষ ব্যক্তি যে তার মালিক তা জানার আবশ্যকতা নেই; যদি সে সম্পত্তিটি আত্মসাৎ করার সময় সেটা যে তার নয় তা বিশ্বাস করে বা সরল মনে বিশ্বাস করে যে, প্রকৃত মালিককে খুঁজে বের করা সম্ভব নয়, তবে তাই যথেষ্ট হবে।
♦ পেনাল কোডের৪০৩ ধারার (৫) নং উদাহরণ দ্রষ্টব্য। মানিব্যাগটি বিনষ্ট না করায় এখানে mischief হয়নি। ক এর সাথে খ এর যোগাযোগ হয়নি তাই প্রতারণার সুযোগ নেই। criminal breach of trust হতে হলে সেখানে entrustment of property বা dominion of property থাকা আবশ্যক। এই কারণে অপশন ঘ সঠিক।
১,৯০০.
দণ্ডবিধির ৩৯১ ধারা অনুসারে, ডাকাতিতে সহায়তাকারী ব্যক্তিদের সংখ্যা যোগ করলে মোট সংখ্যা কত হতে হবে?
  1. দুই বা ততোধিক
  2. চার বা ততোধিক
  3. পাঁচ বা ততোধিক
  4. দশ বা ততোধিক
সঠিক উত্তর:
পাঁচ বা ততোধিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাঁচ বা ততোধিক
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ৩৯১ ধারায় ডাকাতি (Dacoity) বলতে বোঝায় যখন পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি মিলিতভাবে দস্যুতা (robbery) সংঘটন করে বা চেষ্টা করে, অথবা দস্যুতা সংঘটনকারী, চেষ্টাকারী এবং সহায়তাকারী ব্যক্তিদের মোট সংখ্যা পাঁচ বা ততোধিক হয়। অর্থাৎ, সহায়তাকারীদের সংখ্যা যোগ করলে মোট পাঁচ বা তার বেশি হতে হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৯১ ধারার বিধান ডাকাতি:- যদি পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি মিলিতভাবে দস্যুতা সংঘটন করে বা দস্যুতা সংঘটনের চেষ্টা করে, অথবা যদি কোন ক্ষেত্রে মিলিতভাবে দস্যুতা সংঘটনের চেষ্টা করে, অথবা যদি কোন ক্ষেত্রে মিলিতভাবে দস্যুতা সংঘটন প্রচেষ্টারত ব্যক্তির ও অনুরূপ কার্যে বা প্রচেষ্টায় সহায়তাকারী ব্যক্তির মোট সংখ্যা পাঁচ বা ততোধিক হয়, তবে অনুরূপ কাজ সংঘটনকারী বা প্রচেষ্টাকারী বা সহায়তাকারী প্রত্যেক ব্যক্তি ডাকাতি করছে বলে পরিগণিত হবে।
----------------
⇒ The Penal Code, 1860, Section-391: Dacoity: When five or more persons conjointly commit or attempt to commit a robbery, or where the whole number of persons conjointly committing or attempting to commit a robbery, and persons present and aiding such commission or attempt, amount to five or more, every person so committing, attempting or aiding, is said to commit "dacoity".