বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

The Penal Code, 1860

মোট প্রশ্ন২,৪৪৭এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

The Penal Code, 1860

PrepBank · পাতা ১৭ / ২৫ · ১,৬০১১,৭০০ / ২,৪৪৭

১,৬০১.
'ক' অসৎ উদ্দেশ্যে জনৈক মহিলার সম্মতি ছাড়া ও মহিলা বিরক্ত হবেন জেনেও তার ঘোমটা খুলে ফেলেন। 'ক' কোন অপরাধ করেছেন?
  1. Assault
  2. Causing hurt
  3. Use of criminal force
  4. Assault with intent to outrage modesty
সঠিক উত্তর:
Use of criminal force
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Use of criminal force
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৫০ ধারার: অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ:-
-কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তির উপর সম্মতি ব্যতীত বল প্রয়োগ করে এবং কোন অপরাধ অনুষ্ঠানের উদ্দেশ্যে অথবা অনুরূপ শক্তি প্রয়োগ কর্তৃক, যে ব্যক্তির উপর বল প্রয়োগ করা হল, তার জখম বা ভয় বা বিরক্তি উৎপাদনের উদ্দেশ্যে অথবা তার শক্তি প্রয়োগের ফলে, যার উপর শক্তি প্রয়োগ করা হল, তার জখম, ভয় বা বিরক্তি উৎপাদিত হতে পারে জানা সত্ত্বেও যদি সে অনুরূপ বল প্রয়োগ করে, তবে সে ব্যক্তি অন্য ব্যক্তির উপর অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করেছে বলে পরিগণিত হয়।
উদাহরণ:
(চ) ক উদ্দেশ্যমূলকভাবে জনৈক মহিলার ঘোমটা খুলে ফেলে। এখানে, ক উদ্দেশ্যমূলকভাবে মহিলাটির উপর বল প্রয়োগ করেছে। ক যদি মহিলাটির সম্মতি ব্যতীত তা করে থাকে এবং তার উদ্দেশ্য যদি হয়- অথবা যদি তার জানা থাকে যে- মহিলাটি আহত, ভীতিগ্রস্ত বা বিরক্ত হবে, তবে সে মহিলাটির উপর অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করেছে।

(ছ) ক চ-এর সম্মতি ব্যতীত চ-এর উপর একটি কুকুরকে ঝাঁপিয়ে পড়তে লেলিয়ে দেয়। এখানে ক-এর উদ্দেশ্য যদি হয় চ-কে আহত, ভীতিগ্রস্ত বা বিরক্ত করা, তবে ক চ-এর উপর অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ করেছে।
------------------------
⇒ The Penal Code, 1860: Section-350. Criminal force:
-Whoever intentionally uses force to any person, without that person's consent, in order to the committing of any offence, or intending by the use of such force to cause, or knowing it to be likely that by the use of such force he will cause injury, fear or annoyance to the person to whom the force is used, is said to use criminal force to that other.
Illustrations:
(a) Z is sitting in a moored boat on a river. A unfastens the moorings, and thus intentionally causes the boat to drift down the stream. Here A intentionally causes motion to Z, and he does this by disposing substances in such a manner that the motion is produced without any other action on any person's part. A has therefore intentionally used force to Z; and if he has done so without Z's consent, in order to the committing of any offence, or intending or knowing it to be likely that this use of force will cause injury, fear or annoyance to Z, A has used criminal force to Z.

(b) Z is riding in a chariot. A lashes Z's horses, and thereby causes them to quicken their pace. Here A has caused change of motion to Z by inducing the animals to change their motion. A has therefore used force to Z; and if A has done this without Z's consent, intending or knowing it to be likely that he may thereby injure, frighten or annoy Z, A has used criminal force to Z.

(c) Z is riding in a palanquin. A, intending to rob Z, seizes the pole and stops the palanquin. Here A has caused cessation of motion to Z, and he has done this by his own bodily power. A has therefore used force to Z; and as A has acted thus intentionally, without Z's consent, in order to the commission of an offence. A has used criminal force to Z.
(d) A intentionally pushes against Z in the street. Here A has by his own bodily power moved his own person so as to bring it into contact with Z. He has therefore intentionally used force to Z; and if he has done so without Z's consent, intending or knowing it to be likely that he may thereby injure, frighten or annoy Z, he has used criminal force to Z.

(e) A throws a stone, intending or knowing it to be likely that the stone will be thus brought into contact with Z, or with Z's clothes, or with something carried by Z, or that it will strike water, and dash up the water against Z's clothes or something carried by Z. Here, if the throwing of the stone produce the effect of causing any substance to come into contact with Z, or Z's clothes, A has used force to Z; and if he did so without Z's consent, intending thereby to injure, frighten or annoy Z, he has used criminal force to Z.

(f) A intentionally pulls up a woman's veil. Here A intentionally uses force to her, and if he does so without her consent intending or knowing it to be likely that he may thereby injure, frighten or annoy her, he has used criminal force to her.

(g) Z is bathing, A pours into the bath water which he knows to be boiling. Here A intentionally by his own bodily power causes such motion in the boiling water as brings that water into contact with Z, or with other water so situated that such contact must affect Z's sense of feeling: A has therefore intentionally used force to Z; and if he has done this without Z's consent intending or knowing it to be likely that he may thereby cause injury, fear or annoyance to Z, A has used criminal force.
(h) A incites a dog to spring upon Z, without Z's consent. Here, if A intends to cause injury, fear or annoyance to Z, he uses criminal force to Z.
১,৬০২.
দণ্ডবিধির কত ধারায় 'Threat of injury to public servant' এর শাস্তির বিধান আছে?
  1. দণ্ডবিধির ১৮৬ ধারায়
  2. দণ্ডবিধির ১৮৮ ধারায়
  3. দণ্ডবিধির ১৮৯ ধারায়
  4. দণ্ডবিধির ১৯০ ধারায়
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধির ১৮৯ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধির ১৮৯ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ১৮৯ ধারার বিধান সরকারী কর্মচারীকে ক্ষতিসাধনের হুমকি:- কোন সরকারী কর্মচারী হিসেবে তার সরকারী কর্তব্য সম্পাদনের সাথে সংশ্লিষ্ট কোন কাজ করতে প্রবৃত্ত করার উদ্দেশ্যে অথবা কোন কাজ করা হতে বিরত হওয়ার বা করতে বিলম্ব করার জন্য বাধ্য করার উদ্দেশ্যে, কোন ব্যক্তি যদি উক্ত সরকারী কর্মচারীকে অথবা অন্য যে কোন ব্যক্তির সাথে উক্ত সরকারী কর্মচারীর স্বার্থসংশ্লিষ্ট, সে অন্য ব্যক্তিকে ক্ষতিসাধনের হুমকি প্রদর্শন করে, তবে সে ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

♦ Section 189. Threat of injury to public servant:- Whoever holds out any threat of injury to any public servant, or to any person in whom he believes that public servant to be interested, for the purpose of inducing that public servant to do any act, or to forbear or delay to do any act, connected with the exercise of the public functions of such public servant, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.
১,৬০৩.
শরীরের ব্যক্তিগত প্রতিরক্ষার অধিকারের স্থিতিকাল _______
  1. মেয়াদহীন
  2. যুক্তিযুক্ত আতঙ্ক থাকা পর্যন্ত
  3. অপরাধের পর ২৪ ঘণ্টা পর্যন্ত
  4. আসামী ধরা না পড়া পর্যন্ত
সঠিক উত্তর:
যুক্তিযুক্ত আতঙ্ক থাকা পর্যন্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তিযুক্ত আতঙ্ক থাকা পর্যন্ত
ব্যাখ্যা
♦ দন্ডবিধির ১০২ ধারায় দেহ বা শরীর রক্ষার জন্য আত্মরক্ষার ব্যক্তিগত অধিকার কখন আরম্ভ হবে এবং উক্ত অধিকার কতক্ষন পর্যন্ত বহাল থাকবে তা আলোচনা করা হয়েছে।

দেহের প্রতি আক্রমন বা বিপদের যুক্তিযুক্ত আতংক সৃষ্টি হওয়ার সাথে সাথে (reasonable apprehension of danger) অথবা আক্রমন যদি এমন আশঙ্কা সৃষ্টি করে যে আক্রান্ত ব্যক্তি মনে করেন যে তিনি গুরুতর আঘাত পাবেন, সে সময় থেকেই দেহ সম্পর্কিত আত্মরক্ষার অধিকার শুরু হয় ।

অন্যদিকে যতক্ষন পর্যন্ত তদ্রূপ আক্রমনের উদ্যোগ বা আতংক কেটে না যায় ততক্ষন পর্যন্ত আত্মরক্ষার অধিকার বিদ্যমান থাকে।
১,৬০৪.
'ক', 'গ' কে গুরুতর আঘাতের ভয় দেখিয়ে অসাধুভাবে 'গ'-কে একটি কাগজে স্বাক্ষর করতে প্রবৃত্ত করে। 'গ' কাগজটিতে স্বাক্ষর করে ও তা 'ক' এর নিকট অর্পণ করে। 'ক' এর অপরাধ কী?
  1. ডাকাতি
  2. প্রতারণা
  3. দস্যূতা
  4. বলপূর্বক গ্রহণ
সঠিক উত্তর:
বলপূর্বক গ্রহণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বলপূর্বক গ্রহণ
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৮৩ ধারার বিধান বল প্রয়োগে সম্পত্তি আদায়:- কোন ব্যক্তি যদি ইচ্ছাকৃতভাবে কাউকে তার বা অপর কারো জখম হওয়ার ভয়ে অভিভূত করে এবং তদ্বারা অনুরূপ ভয়ে অভিভূত ব্যক্তিকে কোন ব্যক্তির কাছে যেকোন প্রকার দান বা চাঁদা প্রদানের বা কোন সম্পত্তি, মূল্যবান জামানত বা মূল্যবান জামানতে রূপান্তরযোগ্য কোন স্বাক্ষরিত বা সীলমোহরযুক্ত বস্তু অর্পণে অসাধুভাবে বাধ্য করে, তবে সে ব্যক্তি বল প্রয়োগে 'সম্পত্তি আদায়' করার অপরাধ করেছে বলে পরিগণিত হয়।

⇒ উদাহরণসমূহ:
(ক) 'ক', 'গ'-কে এইরূপ ভয় দেখায় যে, 'গ' তাকে টাকা না দিলে 'ক' 'গ'-এর বিরুদ্ধে মানহানির কুৎসা রটনা করবে। এইভাবে সে তাকে টাকা দিতে 'গ'-কে বাধ্য করে। 'ক' বল প্রয়োগে সম্পত্তি আদায়' করেছে বলে পরিগণিত হবে।

⇒ বলপূর্বক গ্রহণ বা বলপূর্বক আদায়ের সংজ্ঞা (Extortion)- কাউকে ক্ষতি করার ভয় দেখিয়ে তার নিকট থেকে স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তি গ্রহণ করাকে বলপূর্বক গ্রহণ বা বলপূর্বক আদায় বা extortion বলে। অন্যভাবে বলা যায়, কোন ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে অপর কোন ব্যক্তিকে মৃত্যুর ভয়, আঘাতের ভয় বা পথরুদ্ধ করার ভয় দেখিয়ে কোন কিছু দিতে বাধ্য করলে তাকে বলপূর্বক গ্রহণ বা বলপূর্বক আদায় বলে।
⇒ বলপূর্বক গ্রহণ বা বলপূর্বক আদায়ের উপাদান-
 স্থাবর ও অস্থাবর উভয় সম্পত্তির ক্ষেত্রে বলপূর্বক গ্রহণ হয়; এবং অপরাধী স্বয়ং উপস্থিত না থেকেও বলপূর্বক আদায় বা গ্রহণের অপরাধ করতে পারে।
যে ব্যক্তিকে ভয় দেখানো হয়েছে সে ব্যক্তি প্রকৃতপক্ষে সম্পত্তি অর্পণ করার সঙ্গেই বলপূর্বক গ্রহণের অপরাধ সংঘটিত হয়। 
বলপূর্বক গ্রহণ বা বলপূর্বক আদায়ের ক্ষেত্রে দূরবর্তী ক্ষতির ভয় থাকলেও তাৎক্ষণিক কোন ক্ষতি হয়না।
----------------------------- 
⇒ The Penal Code, 1860-Section 383.Extortion:
- Whoever intentionally puts any person in fear of any injury to that person, or to any other, and thereby dishonestly induces the person so put in fear to give donation or subscription of any kind or to deliver] to any person any property or valuable security or anything signed or sealed which may be converted into a valuable security, commits "extortion". 
Illustrations:
(a) A threatens to publish a defamatory libel concerning Z unless Z gives him money. He thus induces Z to give him money. A has committed extortion. 
(b) A threatens Z that he will keep Z's child in wrongful confinement unless Z will sign and deliver to A a promissory note binding Z to pay certain money to A. Z signs and delivers the note. A has committed extortion. 
(c) A threatens to send club-men to plough up Z's field unless Z will sign and deliver to B and bond binding Z under a penalty to deliver certain produce to B, and thereby induces Z to sign and deliver the bond. A has committed extortion. 
(d) A, by putting Z in fear of grievous hurt, dishonestly induces Z to sign or affix his seal to a blank paper and deliver it to A. Z signs and delivers the paper to A. Here, as the paper so signed may be converted into a valuable security, A has committed extortion.
১,৬০৫.
What is the maximum term of imprisonment under Section 363 of  for kidnapping a person from Bangladesh?
  1. 3 years
  2. 5 years
  3. 7 years
  4. 10 years
সঠিক উত্তর:
7 years
উত্তর
সঠিক উত্তর:
7 years
ব্যাখ্যা

⇒ The Penal Code, 1860 Section 362. Punishment for kidnapping:
Whoever kidnaps any person from Bangladesh or from lawful guardianship, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine.

⇒ দণ্ডবিধির ৩৬৩ ধারার বিধান মনুষ্য হরণের সাজা:
 কোন ব্যক্তি যদি কাউকে বাংলাদেশ হতে অথবা আইনসম্মত অভিভাবকত্ব হতে অপহরণ করে নিয়ে যায়, তবে সে ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

১,৬০৬.
যদি একজন ব্যক্তি এমন কাজ করেন যার ফলে অপর ব্যক্তি মারা যায়, কিন্তু তার উদ্দেশ্য ছিল অন্য কেউকে মারার, তাহলে তা ______________ হিসেবে গণ্য হবে।
  1. আইনত বৈধ হত্যা
  2. শাস্তিযোগ্য নরহত্যা
  3. অনিচ্ছাকৃত হত্যা
  4. দুর্ঘটনা হিসেবে গণ্য করা হবে
সঠিক উত্তর:
শাস্তিযোগ্য নরহত্যা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শাস্তিযোগ্য নরহত্যা
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৩০১ ধারা- যার মৃত্যু ঘটাবার উদ্দেশ্য ছিল তাকে ব্যতীত অপর ব্যক্তির মৃত্যু ঘটাইয়া শাস্তি যোগ্য নরহত্যা সংঘটন:
কোন ব্যক্তি যদি এমন কোন কার্য করে যা কর্তৃক মৃত্যু সংঘটনের ইচ্ছা বা উদ্দেশ্য তার ছিল অথবা যার দরুণ মৃত্যু সংঘটন হতে পারে বলে তার জানা ছিল এবং এই কার্য কর্তৃক সে এমন কোন ব্যক্তির মৃত্যু সংঘটন করে শাস্তিযোগ্য নরহত্যা করে, যার মৃত্যু সে কামনা করে নাই বা যার মৃত্যু হতে পারে বলে তার জানা ছিল না, তবে অপরাধী যে ব্যক্তির মৃত্যু সংঘটনের ইচ্ছা করেছিল, কিংবা যে ব্যক্তির মৃত্যু ঘটতে পারে বলে জানত সে ব্যক্তির মৃত্যু সংঘটন করলে তার অপরাধটি যেরূপ হত, এই ক্ষেত্রেও সেরূপ হবে।

Section 301- Culpable homicide by causing death of person other than person whose death was intended:
If a person, by doing anything which he intends or knows to be likely to cause death, commits culpable homicide by causing the death of any person, whose death he neither intends nor knows himself to be likely to cause, the culpable homicide committed by the offender is of the description of which it would have been if he had caused the death of the person whose death he intended or knew himself to be likely to cause.
১,৬০৭.
দণ্ডবিধির ২৩৩ ধারা অনুযায়ী, জাল মুদ্রা তৈরির সরঞ্জাম তৈরি বা বিক্রয় করলে সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. শুধু জরিমানা
  2. ৩ বছর কারাদণ্ড
  3. ৭ বছর কারাদণ্ড
  4. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
৩ বছর কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

দণ্ডবিধির ২৩৩ ধারা অনুসারে, যদি কোনো ব্যক্তি: জাল মুদ্রা তৈরির জন্য যন্ত্রপাতি বা ডাই (die) তৈরি বা মেরামত করে, এমন যন্ত্রপাতি ক্রয়-বিক্রয় বা হস্তান্তর করে, জেনে বা বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও যে এসব যন্ত্রপাতি জাল মুদ্রা তৈরিতে ব্যবহৃত হবে, তাহলে তার শাস্তি হবে সর্বোচ্চ ৩ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং জরিমানা।

- দণ্ডবিধির ২৩৩ ধারা অনুযায়ী, যদি কেউ— জাল মুদ্রা তৈরির যন্ত্র (die or instrument) তৈরি বা মেরামত করে, অথবা সে প্রক্রিয়ার কোনো অংশে অংশগ্রহণ করে, অথবা সে যন্ত্র ক্রয়, বিক্রয়, হস্তান্তর করে
এবং তা জাল মুদ্রা তৈরির উদ্দেশ্যে হয় বা এমন ধারণা থাকে যে তা জাল মুদ্রা তৈরিতে ব্যবহৃত হবে,
- তাহলে তাকে সর্বোচ্চ—  ৩ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, অথবা জরিমানা, অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা হতে পারে।
-----
⇒The Penal Code, 1860-Section- 233. Making or selling instrument for counterfeiting coin:
- Whoever makes or mends, or performs any part of the process of making or mending, or buys, sells or disposes of, any die or instrument, for the purpose of being used, or knowing or having reason to believe that it is intended to be used, for the purpose of counterfeiting coin, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, and shall also be liable to fine.

১,৬০৮.
দণ্ডবিধির কত ধারায় Public nuisance এর সংজ্ঞা রয়েছে?
  1. দণ্ডবিধির ২৬৮ ধারায়
  2. দণ্ডবিধির ১৬৮ ধারায়
  3. দণ্ডবিধির ২৬৫ ধারায়
  4. দণ্ডবিধির ২৭০ ধারায়
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধির ২৬৮ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধির ২৬৮ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ২৬৮ ধারায় গণ উৎপাত বা Public nuisance এর সংজ্ঞা রয়েছে। ২৬৮ ধারামতে যদি কোন লোক এমন কোন কাজ করে যার ফলে জনসাধারণের বা নিকটবর্তী সম্পত্তির মালিক বা বসবাসকারী লোকদের কোন ক্ষতি, বিপদের আশঙ্কা বা বিরক্তির সৃষ্টি হয়; তাহলে সেই লোক গণ উৎপাত বা Public nuisance করেছে বলে গণ্য হবে।

⇒  দণ্ডবিধির ২৬৮ ধারার বিধান জনসাধারণের উপদ্রব :- যদি কোন এমন কোন কার্য করে বা এমন কোন কার্য করা হতে বেআইনীভাবে বিরত থাকে, যার ফলে জনসাধারণের বা সাধারণভাবে নিকটবর্তী সম্পত্তির মালিক বা অধিবাসী ব্যক্তিদের কোন ক্ষতি হয়, বিপদাশঙ্ক হয় বা বিরক্তির সৃষ্টি হয়, অথবা যার ফলে যেসব ব্যক্তি কোন সাধারণ অধিকার ব্যবহার করতে যাবে, তাদের ক্ষতিসাধন, ব্যাঘাত, বিপদাশঙ্ক বা বিরক্তি সৃষ্টি হবে, সে ব্যক্তি জনসাধারণের বিরক্তি উৎপাদক কাজ সম্পাদনের ফলে অপরাধী সাব্যস্ত হবে।

- কোন মামুলী বিরক্তি উৎপাদক কাজ কিছু সুবিধা বা সৌকর্য বিধান করেছে-এই অজুহাতে সে মামুলী বিরক্তি উৎপাদক কাজটি রেহাই পাবে না।

---------------------------------------
⇒  Public nuisance:
Section 268. A person is guilty of a public nuisance who does any act or is guilty of an illegal omission which causes any common injury, danger or annoyance to the public or to the people in general who dwell or occupy property in the vicinity, or which must necessarily cause injury, obstruction, dangers or annoyance to persons who may have occasion to use any public right.A common nuisance is not excused on the ground that it causes some convenience or advantage.
১,৬০৯.
What is the maximum punishment under Section 304A for causing death by negligence?
  1. Death penalty
  2. Life imprisonment
  3. Ten years of imprisonment
  4. Five years of imprisonment
সঠিক উত্তর:
Five years of imprisonment
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Five years of imprisonment
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩০৪ক ধারার বিধান অবহেলার ফলে মৃত্যু সংঘটন:
-কোন ব্যক্তি যদি বেপরোয়াভাবে বা অবহেলাজনকভাবে কার্য করে কারো মৃত্যু ঘটায় এবং তা শাস্তিযোগ্য নরহত্যা না হয়, তবে সে ব্যক্তি পাঁচ বৎসর পর্যন্ত মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
----------------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 304A: Causing death by negligence:
-Whoever causes the death of any person by doing any rash or negligent act not amounting to culpable homicide shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to five years, or with fine, or with both.
১,৬১০.
দণ্ডবিধির ৪১০ ধারার বিধান অনুসারে, দস্যুতার ফলে হস্তান্তরিত সম্পত্তিকে ____________ বলে।
  1. চোরাই মাল
  2. ডাকাতির মাল
  3. দস্যুতার মাল
  4. বলপূর্বক গ্রহণের মাল
সঠিক উত্তর:
চোরাই মাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চোরাই মাল
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪১০ ধারার বিধান- চোরাই সম্পত্তি:
চুরি বা জোরপূর্বক আদায় বা দস্যুতার কর্তৃক যে সম্পত্তি হস্তান্তরিত হয়েছে বা যে সম্পত্তি অপরাধমূলকভাবে আত্মসাৎ হয়েছে বা যে সম্পত্তি সম্পর্কে অপরাধমূলক বিশ্বাস ভঙ্গ হয়েছে সে সম্পত্তিকে "চোরাই সম্পত্তি” বলে। অনুরূপ হস্তান্তর অথবা আত্মসাৎ বা বিশ্বাস ভঙ্গ বাংলাদেশের মধ্যে বা বাহিরে যেখানে সাধিত বা সংঘটিত হোক না কেন, সংশ্লিষ্ট সম্পত্তি 'চোরাই সম্পত্তি' বলে উহা আইনানুগভাবে দখলের অধিকারী ব্যক্তির দখলে আসে, তবে আর উহা চোরাই সম্পত্তি থাকে না।

⇒ দণ্ডবিধির ৪১০ ধারামতে, যে সকল মাল বা সম্পত্তি চোরাই মাল বলে গণ্য হবে তা হল-
ক) চুরির মাধ্যমে অর্জিত সম্পত্তি;
খ) বলপূর্বক গৃহীত সম্পত্তি;
গ) দস্যুতা এবং ডাকাতিমূলে হস্তান্তরিত সম্পত্তি; এবং
ঘ) অপরাধমূলকভাবে আত্মসাৎকৃত ও বিশ্বাসভঙ্গের দ্বারা অর্জিত সম্পত্তিকে চোরাই মাল বা Stolen Property বলে।
১,৬১১.
সরকারি কর্মচারীর দায়িত্বপালনে বাধা দেওয়ার উদ্দেশ্যে আক্রমণ বা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ করলে দণ্ডবিধির ধারা ৩৫৩ অনুসারে সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ১ বছরের কারাদণ্ড
  2. ২ বছরের কারাদণ্ড
  3. ৩ বছরের কারাদণ্ড
  4. ৬ মাসের কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
৩ বছরের কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩৫৩ অনুসারে, সরকারি কর্মচারীকে দায়িত্ব পালনের সময় বা তাকে বাধা দেওয়ার উদ্দেশ্যে আক্রমণ বা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ করলে শাস্তি ৩ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, জরিমানা, বা উভয়ই।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৫৩ ধারার বিধান:
কোনো ব্যক্তি যদি এমন অন্য কোনো ব্যক্তিকে আক্রমণ করে বা তার ওপর বল প্রয়োগ করে, যে ব্যক্তি সরকারি কর্মকর্তা বা কর্মচারী হিসেবে কর্তব্য সম্পাদনরত অথবা অনুরূপ কর্মচারীকে তার সরকারি কর্মচারী হিসেবে করণীয় কর্তব্য সম্পাদনে বাধা দানের উদ্দেশ্যে তার ওপর অনুরূপ আক্রমণ বা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ করে তিন বছর বা যেকোনো মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থদণ্ডে, এমনকি উভয়বিধ দণ্ডে দণ্ডিত হবে।
----------- 
⇒ The Penal Code, 1860- Section 353- Assault or criminal force to deter public servant from discharge of his duty:
Whoever assaults or uses criminal force to any person being a public servant in the execution of his duty as such public servant, or with intent to prevent or deter that person from discharging his duty as such public servant, or in consequence of anything done or attempted to be done by such person in the lawful discharge of his duty as such public servant, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, or with fine, or with both.

১,৬১২.
দণ্ডবিধির ২০১ ধারার অধীনে, ১০ বছরের কম মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধের ক্ষেত্রে সাক্ষ্য নষ্ট করলে অপরাধীর জন্য শাস্তির পরিমাণ হবে:
  1. মূল কারাদণ্ডের এক তৃতীয়াংশ
  2. মূল কারাদণ্ডের এক চতুর্থাংশ
  3. মূল কারাদণ্ডের দুই চতুর্থাংশ
  4. কোন শাস্তি হবে না
সঠিক উত্তর:
মূল কারাদণ্ডের এক চতুর্থাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মূল কারাদণ্ডের এক চতুর্থাংশ
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ২০১ ধারা মতে, অপরাধীকে বাঁচানোর জন্য অপরাধের সাক্ষ্য নষ্ট করার শাস্তি হতে পারে-
(i)  মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধের ক্ষেত্রে- অনধিক ৭ বছর কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড।
(ii)  যাবজ্জীবন বা অন্যূন ১০ বছর কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধের ক্ষেত্রে- অনধিক ৩ বছর কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড।
(iii) ১০ বছরের কম মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধের ক্ষেত্রে- মূল কারাদণ্ডের এক চতুর্থাংশ কারাদণ্ড বা  অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড
১,৬১৩.
What is the primary legal consequence of committing murder as per Section 302?
  1. Mandatory counseling
  2. Death or life imprisonment and fine
  3. Imprisonment for a maximum of 10 years
  4. Financial restitution to the victim's family
সঠিক উত্তর:
Death or life imprisonment and fine
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Death or life imprisonment and fine
ব্যাখ্যা
Section 302- Punishment for murder:
Whoever commits murder shall be punished with death, or imprisonment for life, and shall also be liable to fine.

দণ্ডবিধির ৩০২ ধারা- খুনের সাজা:
কোন ব্যক্তি যদি খুনের অপরাধ করে তবে উক্ত ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে, যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবে।
১,৬১৪.
দণ্ডবিধির ৩৭২ ধারা অনুসারে বেশ্যাবৃত্তি, প্রভৃতির উদ্দেশ্যে কোন বয়সের নিচের ব্যক্তির বিক্রয় বা বিলিব্যবস্থা অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে?
  1. ১৪ বছর
  2. ১৬ বছর
  3. ১৮ বছর
  4. ২১ বছর
সঠিক উত্তর:
১৮ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৭২ ধারা অনুযায়ী, আঠারো (১৮) বছরের কম বয়সী কোনও ব্যক্তিকে যদি কেউ বিক্রি করে, ভাড়া দেয় বা অন্য কোনোভাবে বিলিব্যবস্থা করে, এবং এর উদ্দেশ্য হয় বা জানা সত্ত্বেও এ বিষয়ে সম্মত হয় যে সেই ব্যক্তি বেশ্যাবৃত্তি, অবৈধ সহবাস বা অন্য কোনো বেআইনী ও নীতিবিগর্হিত কাজে ব্যবহৃত হবে, তাহলে সেটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৭২ ধারার বিধান বেশ্যাবৃত্তি, প্রভৃতির উদ্দেশ্যে অপ্রাপ্তবয়স্কদের বিক্রয়:- কোন ব্যক্তি যদি আঠারো বৎসরের নিম্নবয়স্ক কোন ব্যক্তিকে বিক্রয় করে, ভাড়া দেয় বা অপর কোনভাবে বিলিব্যবস্থা করে এই উদ্দেশ্যে যে অথবা এটা জানা সত্ত্বেও যে, অনুরূপ ব্যক্তিকে কোন বিশেষ বয়সে বেশ্যাবৃত্তিতে বা অপর কোন ব্যক্তির সাথে অবৈধ সহবাসে কিংবা কোন বেআইনী ও নীতিবিগর্হিত কাজে ব্যবহৃত বা নিয়োজিত করা হবে, তবে সে ব্যক্তি দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।
ব্যাখ্যা ১:- যদি আঠারো বৎসরের নিম্নবয়স্ক কোন নারীকে কোন বেশ্যার কাছে অথবা এমন কোন ব্যক্তি, যে কোন পতিতালয় রাখে বা পরিচালনা করে, তার কাছে বিক্রয় করা হয় বা ভাড়া দেওয়া হয় বা অপর কোনভাবে বিলিব্যবস্থা করা হয়, তবে যে পর্যন্ত না বিপরীত প্রমাণিত হয় সে পর্যন্ত যে ব্যক্তি অনুরূপ নারীর বিলিব্যবস্থা করেছে। সে ব্যক্তি যাতে সে নারী পতিতাবৃত্তিতে ব্যবহৃত হয় সে উদ্দেশ্যেই তাকে বিলিব্যবস্থা করেছে বলে ধরে নেয়া হবে।
ব্যাখ্যা ২:- এই ধারার উদ্দেশ্যাবলীর দিক হতে "অবৈধ সহবাস” বলতে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ নয় এমন ব্যক্তিদের মধ্যে যৌনসঙ্গম বুঝাবে; কিন্তু নিম্নোক্ত ক্ষেত্রে ইহার ব্যতিক্রম হবে যথা: এমন কোন মিলন বা বন্ধন যা ঠিক বিবাহ নয় কিন্তু ব্যক্তিগত আইন অথবা তারা যে সম্প্রদায়ভুক্ত বা যে বিভিন্ন সম্প্রদায়ভুক্ত সে সব সম্প্রদায়ের রীতি অনুসারে বিবাতূল্য সম্পর্ক বলে স্বীকৃত।
--------------
⇒ The Penal Code, 1860: Section 372.  Selling minor for purposes of prostitution, etc.
- Whoever sells, lets to hire, or otherwise disposes of any person under the age of eighteen years with intent that such person shall at any age be employed or used for the purpose of prostitution of illicit intercourse with any person or for any unlawful and immoral purpose, or knowing it to be likely that such person will at any age be employed or used for any such purpose, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine. Selling minor for purposes on prostitution, etc. 
Explanation I.- When a female under the age of eighteen years is sold, let for hire, or otherwise disposed of to a prostitute or to any person who keeps or manages a brothel, the person so disposing of such female shall, until the contrary is proved, be presumed to have disposed of her with the intent that she shall be used for the purpose of prostitution. 
Explanation II.- For the purposes of this section "illicit intercourse" means sexual intercourse between person not united by marriage or by any union or tie which, though not amounting to a marriage, is recognized by the personal law or custom of the community to which they belong or, where they belong  to different communities, of both such communities, as constituting between them a quasi-marital relation.
১,৬১৫.
দণ্ডবিধির কত ধারা অনুযায়ী, বেআইনীভাবে কাউকে শ্রমে বাধ্য করা অপরাধ?
  1. ৩৭২ ধারা
  2. ৩৭৩ ধারা
  3. ৩৭৪ ধারা
  4. ৩৭৬ ধারা
সঠিক উত্তর:
৩৭৪ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৭৪ ধারা
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৩৭৪ ধারা- বেআইনী শ্রমে বাধ্য করা:
(১) কোনো ব্যক্তি যদি কাউকে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে শ্রম দান করতে বাধ্য করে, তবে সেই ব্যক্তি এক বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থদণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

(২) কোনো ব্যক্তি যদি কোন যুদ্ধবন্দী বা অপর কোন আশ্রিত ব্যক্তিকে বাংলাদেশ সশ্রম বাহিনীতে কার্য করতে বাধ্য করে, তবে সে ব্যক্তি এক বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে।

ব্যাখ্যা: এই “যুদ্ধবন্দী" এবং "আশ্রিত ব্যক্তি" অভিব্যক্তিসমূহ যথাক্রমে ১৯৪৯ সনের ১২ই আগষ্ট তারিখের যুদ্ধবন্দীর ব্যবস্থাপনা সম্পর্কিত জেনেভা সম্মেলনের-৪ দফা এবং ১৯৪৯ সনের ১২ই আগষ্ট তারিখের যুদ্ধকালে বেসামরিক ব্যক্তিবর্গের নিরাপত্তা সম্পর্কিত জেনেভা সম্মেলনের ৪ দফা মোতাবেক তৎসমূহের প্রতি আরোপিত অর্থের অনুরূপ অর্থ দ্যোতক হবে।
১,৬১৬.
The Penal Code, 1860 এর ধারায় সরকারি কর্মচারী কর্তৃক যথাযতভাবে জারিকৃত আদেশ অমান্যকরণের শাস্তির বিষয়ে উল্লেখ আছে?
  1. ১৮৮
  2. ১৯১
  3. ২০০
  4. ২১৩
সঠিক উত্তর:
১৮৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮৮
ব্যাখ্যা
♦দণ্ডবিধির ১৮৮ ধারায় সরকারি কর্মচারী দ্বারা বিধিসঙ্গতভাবে জারিকৃত আদেশ অমান্য করার শাস্তি- ১৮৮ ধারায় ২ ধরণের শাস্তি রয়েছে।
♦i) উক্ত আদেশ অমান্যের ফলে কোন ব্যক্তির বিঘ্ন সৃষ্টি, বিরক্তি বা ক্ষতি সাধিত হলে বা সম্ভাবনা দেখা দিলে শাস্তি- অনধিক এক মাস বিনাশ্রম কারাদন্ড বা অনধিক দুইশত টাকা অর্থদন্ড বা উভয়দন্ড ।
♦ii) উক্ত আদেশ অমান্যের ফলে মানবদেহ, স্বাস্থ্য বা নিরাপত্তার প্রতি বিপদ সংঘটিত হলে কিংবা দাঙ্গা বা কলহ সৃষ্টির সম্ভাবনা দেখা দিলে শাস্তি- অনধিক ৬ মাস কারাদন্ড বা অনধিক এক হাজার টাকা অর্থদন্ড বা উভয়দন্ড।
১,৬১৭.
‘C’ একজন রাজস্ব কর্মকর্তাকে তার দায়িত্ব পালনের সময় আঘাত করে, যার ফলে কর্মকর্তার একটি চোখের স্থায়ী দৃষ্টিশক্তি নষ্ট হয়। দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর কোন ধারা অনুসারে ‘C’ অপরাধী হবে?
  1. ধারা ৩৩২
  2. ধারা ৩৩৩
  3. ধারা ৩৩৪
  4. ধারা ৩৩৫
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৩৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৩৩
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩৩৩ অনুসারে, সরকারি কর্মচারীকে দায়িত্ব পালনের সময় বা তাকে বিরত করার উদ্দেশ্যে গুরুতর আঘাত (যেমন চোখের স্থায়ী দৃষ্টিশক্তি নষ্ট) করলে শাস্তি ১০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং জরিমানা। 

⇒ দণ্ডবিধির ৩৩৩ ধারা: সরকারি কর্মচারীকে স্বেচ্ছাকৃতভাবে গুরুতর আঘাত:
যদি কোনো ব্যক্তি কোনো সরকারি কর্মচারীকে তার দায়িত্ব পালনকালে স্বেচ্ছাকৃতভাবে গুরুতর আঘাত দেয়, অথবা তাকে তার দায়িত্ব পালন থেকে বিরত রাখার উদ্দেশ্যে গুরুতর আঘাত করে, অথবা সরকারি কর্মচারীর দায়িত্ব পালনকালে কিছু করার পরিণামে গুরুতর আঘাত করে, তবে সেই ব্যক্তি সর্বোচ্চ ১০ বছর মেয়াদের কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবে।
------------
⇒ The Penal Code, 1860, Section 333- Voluntarily causing grievous hurt to deter public servant from his duty:
Whoever voluntarily causes grievous hurt to any person being a public servant in the discharge of his duty as such public servant, or with intent to prevent or deter that person or any other public servant from discharging his duty as such public servant, or in consequence of anything done or attempted to be done by that person in the lawful discharge of his duty as such public servant, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine.

১,৬১৮.
Criminal trespass এর সর্বোচ্চ শাস্তি কোনটি?
  1. ৩ মাসের কারাদণ্ড
  2. ৬ মাসের কারাদণ্ড
  3. ৩ বছরের কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড
  4. ২ মাসের কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড
সঠিক উত্তর:
৩ মাসের কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ মাসের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধি ৫৪৭ ধারা মতে অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশের শাস্তি (Punishment for criminal trespass) হলো অনধিক ৩ মাস কারাদণ্ড বা অনধিক ৫০০ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড।
১,৬১৯.
দণ্ডবিধির ৪৪২ ধারা অনুসারে, 'গৃহ' বলতে নিচের কোনটি অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. তাঁবু
  2. গাড়ি
  3. দালান
  4. জাহাজ
সঠিক উত্তর:
গাড়ি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গাড়ি
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪৪২ ধারা অনুসারে, 'গৃহ' বলতে বোঝায়—
- দালান (Building)
- তাঁবু (Tent)
- জাহাজ বা নৌকা (Vessel) → যদি এটি মানুষের বসবাস, উপাসনা বা সম্পত্তি সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হয়।
তবে, গাড়ি (Car) বা অন্যান্য যানবাহন এই সংজ্ঞার অন্তর্ভুক্ত নয়। কারণ, গাড়িকে সাধারণত মানুষের স্থায়ী বসবাস বা সম্পত্তি সংরক্ষণের নির্দিষ্ট স্থান হিসেবে গণ্য করা হয় না।
সুতরাং, ‘গাড়ি’ ৪৪২ ধারায় বর্ণিত ‘গৃহ’-এর সংজ্ঞার মধ্যে পড়ে না, তাই সঠিক উত্তর হলো ‘ঘ) গাড়ি’।

⇒ দণ্ডবিধির ৪৪২ ধারার বিধান অনধিকার গৃহে প্রবেশ:- কোন ব্যক্তি যদি মানুষের আবাসস্থল হিসাবে ব্যবহৃত কোন গৃহে, তাঁবুতে বা জলযানে অথবা উপাসনালয় হিসাবে ব্যবহৃত কোন গৃহে অথবা সম্পত্তি হেফাজতের স্থান হিসাবে ব্যবহৃত কোন গৃহে প্রবেশ করে বা সেখানে অবস্থান করে অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ সংঘটন করে, তবে উক্ত ব্যক্তি 'অনধিকার গৃহে প্রবেশ' অপরাধটি করেছে বলে গণ্য হয়।
ব্যাখ্যা:- অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশকারীর দেহের কোন অংশের প্রবেশই গৃহে অনধিকার প্রবেশ অপরাধ প্রতিদানের পক্ষে যথেষ্ট।
-------------
⇒ The Penal Code, 1860-Section 442- House-trespass:- Whoever commits criminal trespass by entering into or remaining in any building, tent or vessel used as a human dwelling or any building used as a place for worship, or as a place for the custody of property, is said to commit "house-trespass".
Explanation:-The introduction of any part of the criminal trespasser's body is entering sufficient to constitute house trespass.
১,৬২০.
কোন পরিস্থিতিতে দণ্ডবিধির ধারা ২২৭ কার্যকর হয়?
  1. দণ্ডের মেয়াদ শেষ হলে
  2. দণ্ড হ্রাসের শর্ত ভঙ্গ করলে
  3. মামলার নিষ্পত্তি হলে
  4. নতুন দণ্ডের আদেশ প্রদান করলে
সঠিক উত্তর:
দণ্ড হ্রাসের শর্ত ভঙ্গ করলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দণ্ড হ্রাসের শর্ত ভঙ্গ করলে
ব্যাখ্যা
ধারা ২২৭- দণ্ড হ্রাসের শর্ত অমান্য করা:
যে লােক, কোন শর্তাধীনে দণ্ড হ্রাসের সুবিধা গ্রহণ করার পর, যে শর্তের উপর ভিত্তি করে এরূপ দণ্ড হ্রাসের সুবিধা মঞ্জুর করা হয়েছিল, জ্ঞাতসারে সেই শর্ত অমান্য করে, সেই লােক, সে ইতিমধ্যেই ঐ দণ্ডের কোন অংশ ভােগ না করে থাকলে, তাকে মূলত যে দণ্ডের আদেশ প্রদান করা হয়েছিল সেই দণ্ডে দণ্ডিত হবে ও সে ঐ দণ্ডের কোন অংশ ভােগ করে থাকলে সে ইতিমধ্যেই দণ্ডের যেই অংশ ভােগ করে নি, সেই পরিমাণ দণ্ডে দণ্ডিত হবে।

Section 227- Violation of condition of remission of punishment:
Whoever, having accepted any conditional remission of punishment, knowingly violates any condition on which such remission was granted, shall be punished with the punishment to which he was originally sentenced, if he has already suffered no part of that punishment, and if he has suffered any part of that punishment, then with so much of that punishment as he has not already suffered.
১,৬২১.
সাধারণ অভিপ্রায়ের বিধান দণ্ডবিধির কত ধারায় রয়েছে?
  1. ৩২
  2. ৩৪
  3. ৩৫
  4. ৩৮
সঠিক উত্তর:
৩৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৪
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৪ ধারামতে যখন কতিপয় ব্যক্তি (২ বা ততোধিক) দ্বারা সকলের একই অভিপ্রায় পূরণকল্পে (in furtherance of Common Intention) কোন অপরাধমূলক কার্য সম্পাদিত হয় তখন প্রত্যেকে যৌথভাবে দায়ী হবে যেন নিজে কাজটি করেছে।
- উক্ত ধারা অনুযায়ী যখন একই অভিপ্রায় পূরণকল্পে একাধিক ব্যক্তি কোন অপরাধমূলক কাজ সম্পাদন করে তখন তাদের প্রত্যেকে উক্ত কাজের জন্য এমনভাবে দায়ী হবেন যেন প্রত্যেকে আলাদাভাবে কাজটি সম্পাদন করেছে।
 অর্থাৎ দণ্ডবিধির ৩৪ ধারায় সাধারণ অভিপ্রায়ের বিধান রয়েছে।

-দণ্ডবিধির ৩৪ ধারার অধীনে সাধারণ অভিপ্রায় প্রমাণ করার ক্ষেত্রে নিম্নলিখিত বিষয় সমূহ গুরুত্বপূর্ণ:
ⅰ) কতিপয় ব্যক্তি কর্তৃক অপরাধমূলক কাজ সম্পাদিত হবে;
ii) তাদের প্রত্যেকের সাধারণ অভিপ্রায় এবং পূর্ব পরিকল্পনা ছিল উক্ত অপরাধ সংঘটন করা; এবং
iii) অভিপ্রায়কে সফল করার জন্য অপরাধ সংঘটনে অংশগ্রহণ।
---------------
⇒ The Penal Code, 1860: Section 34: Acts done by several persons in furtherance of common intention:
- When a criminal act is done by several persons, in furtherance of the common intention of all, each of such persons is liable for that act in the same manner as if it were done by him alone.
১,৬২২.
কোন ব্যক্তি সূর্যাস্তের পরে ও সূর্যোদয়ের পূর্বে সিঁদ কেটে বা দরজা-জানালা ভেঙ্গে গৃহে প্রবেশ করলে সে ব্যক্তির অপরাধ হবে-
  1. গৃহে অনধিকার প্রবেশ
  2. রাত্রিকালে গৃহে সিঁদ কেটে বা দরজা জানালা ভেঙ্গে অনধিকার প্রবেশ
  3. সঙ্গোপনে গৃহে অনধিকার প্রবেশ
  4. সিঁদ কেটে বা দরজা জানালা ভেঙ্গে গৃহে প্রবেশ
সঠিক উত্তর:
রাত্রিকালে গৃহে সিঁদ কেটে বা দরজা জানালা ভেঙ্গে অনধিকার প্রবেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাত্রিকালে গৃহে সিঁদ কেটে বা দরজা জানালা ভেঙ্গে অনধিকার প্রবেশ
ব্যাখ্যা
♦পেনাল কোডের ৪৪৬ ধারার বিধান রাত্রিকালে সিঁধ কাটিয়া বা দরজা- জানালা ভাঙ্গিয়া গৃহে প্রবেশ:

কোন ব্যক্তি যদি সূর্যাস্তের পরে ও সূর্যোদয়ের পূর্বে সিধ কেটে বা দরজা-জানালা ভেঙ্গে গৃহে প্রবেশ করে তবে উক্ত ব্যক্তি রাত্রিকালে অপথে গৃহে প্রবেশ করেছে বলে গণ্য হয়।

♦পেনাল কোডের ৪৪৭ ধারার বিধান অপরাধজনক অনধিকার প্রবেশের শাস্তি:

কোন ব্যক্তি যদি অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ করে, তবে উক্ত ব্যক্তি তিন মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা পাচশত টাকা পর্যন্ত যে কোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
১,৬২৩.
চুরির অপরাধের ক্ষেত্রে কোনটি সঠিক নয়?
  1. অসাধুভাবে সম্পত্তি গ্রহণ করা হয়
  2. সম্মতি ছাড়া সম্পত্তি গ্রহণ করা হয়
  3. চুরির অপরাধ স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত হতে পারে
  4. অন্য ব্যক্তির দখল থেকে নেয়া হয়
সঠিক উত্তর:
চুরির অপরাধ স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত হতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চুরির অপরাধ স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত হতে পারে
ব্যাখ্যা
• যখন কোন ব্যক্তি অন্য ব্যক্তির দখলে থাকা কোন অস্থাবর সম্পত্তি উক্ত ব্যক্তির সম্মতি ছাড়া অসাধু উপায়ে গ্রহণ করার অভিপ্রায়ে বা অনুরুপ গ্রহণের উদ্দেশ্যে উক্ত সম্পত্তি স্থানান্তর করে, সেই ব্যক্তি চুরি করেছে বলে গণ্য হবে। দণ্ডবিধির ৩৭৮ ধারায় চুরিকে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। 

চুরির উপাদান বা শর্তসমূহ:
(i) অন্য কোনো ব্যক্তির দখল হতে অসাধুভাবে সম্পত্তি গ্রহণ করা।
(ii) সম্পত্তিটি অবশ্যই অস্থাবর সম্পত্তি হবেl যেমন- টাকা, স্বর্ণালংকার ইত্যাদি।
(iii) উক্ত সম্পত্তি অন্য ব্যক্তির দখল থেকে নিতে হবে।
(iv) সম্পত্তিটি উক্ত ব্যক্তির সম্মতি ছাড়া নিবে।
(v) চুরি সম্পন্ন হবে যদি সম্পত্তিটি সামান্য হলেও প্রকৃতপক্ষে স্থানান্তর করা হয়।
১,৬২৪.
দণ্ডবিধি আইনের ২৯৫ক ধারা অনুযায়ী ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দেয়ার সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ৬ মাস পর্যন্ত মেয়াদের কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড
  2. ১ বছর পর্যন্ত মেয়াদের কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড
  3. ২ বছর পর্যন্ত মেয়াদের কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড
  4. ৩ বছর পর্যন্ত মেয়াদের কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড
সঠিক উত্তর:
২ বছর পর্যন্ত মেয়াদের কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছর পর্যন্ত মেয়াদের কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ দণ্ডবিধি আইনের ২৯৫ক ধারায় বলা হয়েছে,
যদি কোনো ব্যক্তি স্বেচ্ছাপ্রণোদিত হয়ে বাংলাদেশের যে কোনো নাগরিকের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দেয়ার অসদুদ্দেশ্যে লিখিত বা মৌখিক বক্তব্য দ্বারা কিংবা দৃশ্যমান অঙ্গভঙ্গি দ্বারা সংশ্লিষ্ট ধর্মটিকে বা কারো ধর্মীয় বিশ্বাসের প্রতি অবমাননা করে বা অবমাননার চেষ্টা করে, সে ক্ষেত্রে সেই ব্যক্তিকে দুই বছর পর্যন্ত মেয়াদের কারাদণ্ড অথবা অর্থদণ্ড কিংবা উভয়দণ্ডে দণ্ডিত করা যেতে পারে।

উল্লেখ্য, ১৮৬০ সালের মূল আইনে এ ধারাটি ছিল না। পরবর্তীতে ১৯২৭ সালে এক সংশোধনীর মাধ্যমে এ ধারাটি যুক্ত করা হয়।
এই ধারার অভিযোগ প্রমাণ করতে হলে:
ক. অভিযুক্ত ব্যক্তি কিছু বলেছিলেন বা কোনো শব্দ লিখেছিলেন বা কোন ভাবভঙ্গি করেছিলেন।
খ. অভিযুক্ত ব্যক্তি ওইরকম কাজ করে কোনো ধর্মকে বা ধর্মীয় বিশ্বাসকে অবমাননা করেছিলেন।
গ. অভিযুক্ত ব্যক্তি উক্ত শ্রেণির ধর্মীয় অনুভূতিতে কঠোর আঘাত আনার অভিপ্রায়ে ইচ্ছাকৃত এবং বিদ্বেষাত্মকভাবে  করেছিলেন।
১,৬২৫.
ক্ষতি (Mischief) অপরাধ সংঘটনের জন্য কোনটি অপরিহার্য?
  1. বলপ্রয়োগ
  2. সম্পত্তির মূল্য বেশি হওয়া
  3. অন্যায় ক্ষতি করার উদ্দেশ্য বা জ্ঞান
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
অন্যায় ক্ষতি করার উদ্দেশ্য বা জ্ঞান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অন্যায় ক্ষতি করার উদ্দেশ্য বা জ্ঞান
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ৪২৫ ধারার বিধান- ক্ষতি বা অনিষ্ট:
 কোন ব্যক্তি যদি জনসাধারণের বা কোন ব্যক্তির অন্যায় ক্ষতি বা অনিষ্ট করার উদ্দেশ্যে, অথবা সে জনসাধারণের বা কোন ব্যক্তির অন্যায় ক্ষতি বা অনিষ্ট করতে পারে বলে জানা সত্ত্বেও কোন সম্পত্তি ধ্বংস বা বিনষ্ট করে, অথবা কোন সম্পত্তিতে বা উহার অবস্থানে এমন কোন পরিবর্তন সাধন করে, যার ফলে উহার মূল্য বা আবশ্যকীয়তা বিনষ্ট হয় বা হ্রাস প্রাপ্ত হয়, বা উহা ক্ষতিগ্রস্ত হয়, তবে উক্ত ব্যক্তি 'ক্ষতি' সাধন করেছে বলে গণ্য হবে।

ব্যাখ্যা ১:- ক্ষতি অনুষ্ঠিত হওয়ার জন্য অপরাধীর ক্ষতিগ্রস্ত কিংবা বিনষ্ট সম্পত্তির মালিকের ক্ষতি বা লোকসান করার ইচ্ছা থাকা প্রয়োজন নয়। কোন সম্পত্তির ক্ষতিসাধন করে কোন ব্যক্তির অন্যায় ক্ষতি বা ব্যক্তিসানের উদ্দেশ্য থাকলে অথবা সম্পত্তির অনুরূপ ক্ষতিসাধন কর্তৃক কোন ব্যক্তির অন্যায় ক্ষতি বা ব্যক্তিসানের আশঙ্কা রয়েছে জানা সত্ত্বেও সম্পত্তিটির ক্ষতিসাধন করলে অপরাধটি সংঘটিত হবে, যে সম্পত্তিটির অনুরূপ ক্ষতিসাধন করা হল, সে সম্পত্তিটি অনুরূপে অন্যায়ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির সম্পত্তি হোক আর নাই হোক।

ব্যাখ্যা ২:- যে ব্যক্তি কাজ সংঘটন করল সে ব্যক্তির নিজের বা মিলিতভাবে সে ব্যক্তির ও অন্যান্য ব্যক্তির সম্পত্তি ক্ষতিগ্রস্ত করে অনুষ্ঠিত কাজ কর্তৃক ক্ষতি সাধিত হতে পারে।

১,৬২৬.
দণ্ডবিধির ৩২৬ ধারায় কোন অপরাধের শাস্তির বিধান রয়েছে?
  1. ধারালো অস্ত্র দ্বারা স্বেচ্ছাকৃতভাবে আঘাতের
  2. যেকোনো উপায়ে স্বেচ্ছাকৃতভাবে গুরুতর আঘাতের
  3. ধারালো অস্ত্র দ্বারা স্বেচ্ছাকৃতভাবে গুরুতর আঘাতের
  4. এসিড জাতীয় পদার্থ দ্বারা মুখ, মাথা বা উভয় চোখে স্বেচ্ছাকৃতভাবে গুরুতর আঘাতের
সঠিক উত্তর:
ধারালো অস্ত্র দ্বারা স্বেচ্ছাকৃতভাবে গুরুতর আঘাতের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারালো অস্ত্র দ্বারা স্বেচ্ছাকৃতভাবে গুরুতর আঘাতের
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৩২৬ ধারাতে 'ধারালো অস্ত্র দ্বারা স্বেচ্ছাকৃতভাবে কাউকে গুরুতর আঘাতের' শাস্তির কথা বলা হয়েছে। এই ধারানুযায়ী,
স্বেচ্ছাকৃতভাবে গুরুতর আঘাত দানকারী ব্যক্তির শাস্তি হবে ১০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড।

নোটঃ
ধারালো অস্ত্র দ্বারা কাউকে স্বেচ্ছাকৃতভাবে আঘাত করলে,তার বিরুদ্ধে ৩২৪ ধারা অনুযায়ী মামলা দায়ের করা হবে। আর ধারালো অস্ত্র দ্বারা কাউকে স্বেচ্ছাকৃতভাবে মারাত্মক আঘাত করলে,তার বিরুদ্ধে ৩২৬ ধারা অনুযায়ী মামলা দায়ের করা হবে।

Section 326- Voluntarily causing grievous hurt by dangerous weapons or means:
Whoever, except in the case provided for by section 335, voluntarily causes grievous hurt by means of any instrument for shooting, stabbing or cutting, or any instrument which, used as a weapon of offence, is likely to cause death, or by means of fire or any heated substance, or by means of any poison or any corrosive substance, or by means of any explosive substance, or by means of any substance which it is deleterious to the human body to inhale, to swallow, or to receive into the blood, or by means of any animal, shall be punished with 107[imprisonment] for life or with imprisonment of either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine.
১,৬২৭.
‘E’ একজন ব্যক্তিকে তার আইনি অধিকার অনুযায়ী একটি পাবলিক পথে যাওয়া থেকে বাধা দেয়, যদিও ‘E’ জানে যে তার এই পথ বন্ধ করার কোনো অধিকার নেই। দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৩৪১ অনুসারে এই অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ১ মাসের কারাদণ্ড
  2. ৩ মাসের কারাদণ্ড
  3. ৬ মাসের কারাদণ্ড
  4. ১ বছরের কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
১ মাসের কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ মাসের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশ দণ্ডবিধির ৩৪১ ধারা অনুযায়ী, যদি কেউ অপর কোনো ব্যক্তিকে অবৈধভাবে বাধা প্রদান করে—অর্থাৎ, সেই ব্যক্তি যে দিক দিয়ে চলাচল করার অধিকার রাখে, সে পথে চলতে বাধা দেয়—তাহলে উক্ত ব্যক্তিকে: সর্বোচ্চ এক মাস মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ড, অথবা সর্বোচ্চ ৫০০ টাকা অর্থদণ্ড, অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা হতে পারে।
⇒ দণ্ডবিধির ৩৪১ ধারা অনুযায়ী, যে ব্যক্তি অন্য ব্যক্তিকে অবৈধভাবে বাধা প্রদান করে, তাকে এক মাস পর্যন্ত মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ড, অথবা ৫০০ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড, অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে।
--------
⇒ The Penal Code, 1860- Section- 341. Punishment for wrongful restraint:
Whoever wrongfully restrains any person, shall be punished with simple imprisonment for a term which may extend to one month, or with fine which may extend to five hundred taka, or with both.

১,৬২৮.
ক একজন সরকারি অফিসার। তিনি একটি দস্যুতা অপরাধ সংঘটনে সাহায্য করে কিন্তু অপরাধটি সংঘটিত হয়নি। এখানে ক কী ধরনের শাস্তি পাবে?
  1. দস্যুতার জন্য নির্ধারিত দীর্ঘতম মেয়াদের অর্ধেক পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের কারাদণ্ড অথবা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড
  2. অনধিক ১৪ বছর কারাদণ্ড অথবা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড
  3. অনধিক ৭ বছরের কারাদণ্ড অথবা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড
  4. উপরের যে কোন একটি
সঠিক উত্তর:
দস্যুতার জন্য নির্ধারিত দীর্ঘতম মেয়াদের অর্ধেক পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের কারাদণ্ড অথবা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দস্যুতার জন্য নির্ধারিত দীর্ঘতম মেয়াদের অর্ধেক পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের কারাদণ্ড অথবা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড
ব্যাখ্যা
• ধারা ১১৬ মতে মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ব্যতীত অন্য যে কোন কারাদন্ডে দন্ডিত অপরাধে সহায়তার করার পরও অপরাধটি সংঘটিত না হলে-
(i) সহায়তাকারী সরকারি কর্মচারী হলে মূল অপরাধের জন্য নির্ধারিত সর্বোচ্চ মেয়াদের অর্ধেক কারাদণ্ড অথবা    অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড।
(ii) সহায়তাকারী সাধারণ ব্যক্তি হলে মূল অপরাধের জন্য নির্ধারিত সর্বোচ্চ মেয়াদের এক চতুর্থাংশ কারাদণ্ড অথবা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড।
১,৬২৯.
ক” একটি জমির উপরিভাগের এবং খ” ভূ-গর্ভের মালিক। খ” উপরিভাগের তাৎক্ষণিক কোন ক্ষতি না করে ভু-গর্ভ থেকে কয়লা খনন ও উত্তোলন করে। কিন্তু পরে জমিটির উপরিভাগ ধসে পড়ে। এই ক্ষেত্রে ক” কর্তৃক খ” এর বিরুদ্ধে জমি ধসে পড়ার কারণে মামলা করলে তামাদির মেয়াদ গণনা শুরু হবে-
  1. জমি ধসে পড়ার সময় থেকে
  2. ভূ-গর্ভ খনন করে কয়লা উত্তোলন করার সময় থেকে
  3. ক” যে দিন মামলা দায়ের করে সে দিন থেকে
  4. উপরের সবকটি
সঠিক উত্তর:
জমি ধসে পড়ার সময় থেকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জমি ধসে পড়ার সময় থেকে
ব্যাখ্যা
♦তামাদি আইনের ২৪ ধারায় এই বিধানের কথা বলা আছে; যে কাজের দ্বারা কোন নির্দিষ্ট ক্ষতি সাধিত না হলে কোন মামলার কারণ উদ্ভব হয় না, সে রকম ক্ষতিপূরণের মামলার জন্য যখন ক্ষতি হয়, তখন থেকে তামাদির মেয়াদ গণনা করতে হবে। যেহেতু তাৎক্ষণিক কোন ক্ষতি না করে ভূ-গর্ভ থেকে কয়লা খনন ও উত্তোলন করে, কিন্তু পরে জমিটির উপরিভাগ ধসে পড়ে ক্ষতি হওয়ায় জমিটির উপরিভাগ ধসে পড়ার তারিখ থেকে তামাদি গণনা শুরু হবে।
১,৬৩০.
দণ্ডবিধির কত ধারায় কোনো ব্যক্তির মৃত্যু ঘটানো অথবা আটক করার প্রস্তুতি নিয়ে চুরির শাস্তির বিধান রয়েছে?
  1. দণ্ডবিধির ৩৯২ ধারায়
  2. দণ্ডবিধির ৩৮২ ধারায়
  3. দণ্ডবিধির ৩৭৯ ধারায়
  4. দণ্ডবিধির ৩৩৮১ ধারায়
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধির ৩৮২ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধির ৩৮২ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৮২ ধারার বিধান চুরির উদ্দেশ্যে মৃত্যু ঘটানো, আঘাত করা বা আটকানোর প্রস্তুতি গ্রহণান্তে চুরি:-
কোন ব্যক্তি যদি চুরি করার পূর্বে চুরি করার জন্য, অথবা চুরি করে পলায়নের জন্য অথবা অনুরূপ চুরি কর্তৃক লব্ধ সম্পত্তি রক্ষণের জন্য মৃত্যু ঘটানোর, অথবা আঘাত করার, অথবা আটকানোর অথবা মৃত্যুর ভয় সৃষ্টি করার, অথবা আঘাত করার, ভয় সৃষ্টি করার অথবা আটকানোর প্রস্তুতি গ্রহণান্তে চুরি করে, তবে উক্ত ব্যক্তি দশ বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থদেণ্ডও দণ্ডিত হবে।

⇒ উদাহরণসমূহ
(ক) ক, গ এর দখলভুক্ত সম্পত্তি চুরি করে। চুরি করার সময় সে পোশাকের নীচে একটি গুলি ভর্তি পিস্তল লুকিয়ে রাখে। গ বাধা দিলে তাকে আঘাত করার উদ্দেশ্যে ক গুলি ভর্তি পিস্তলটি রাখে। 'ক' এই ধারায় বর্ণিত অপরাধ করেছে বলে পরিগণিত হবে।

(খ) ক গ-এর পকেট মারে। পকেট মারার পূর্বে সে তার কয়েকটি সঙ্গীকে আশেপাশে মোতায়েন করে। গ যদি টের পায় যে, তার পকেট মারা হচ্ছে এবং টের পেয়ে যদি সে তা রোধ করতে চায় অথবা যদি সেককে আটক করার চেষ্টা করে, তবে তাকে রাখার উদ্দেশ্যে ক তার সঙ্গীদের মোতায়েন করে। ক এই ধারায় বর্ণিত অপরাধ করেছে বলে পরিগণিত হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৮২ ধারার অপরাধ দস্যুতার অপরাধের কাছাকাছি। কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটানোর বা কাউকে আঘাত করার বা আটকে রাখার প্রস্তুতি নিয়ে চুরি করা ৩৮২ ধারার অপরাধ, আর চুরি করার সময় এই সকল কাজ করলে অর্থাৎ কারো মৃত্যু ঘটালে বা কাউকে আঘাত করলে অথবা আটকে রাখলে তা দস্যুতা হয়ে যায়।

 ⇒ অর্থাৎ পরিস্থিতি অনুযায়ী দন্ডবিধির ৩৮২ ধারার অপরাধ দস্যুতায় রূপান্তরিত হতে পারে।
----------------
 ⇒ Theft after preparation made for causing death, hurt or restraint, in order to the committing of the theft:
Section 382. Whoever commits theft, having made preparation for causing death, or hurt, or restraint, or fear of death, or of hurt, or of restraint, to any person, in order to the committing of such theft, or in order to the effecting of his escape after the committing of such theft, or in order to the retaining of property taken by such theft, shall be punished with rigorous imprisonment for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine.

 ⇒ Illustrations:
(a) A commits theft on property in Z's possession; and, while committing this theft, he has a loaded pistol under his garment having provided this pistol for the purpose of hunting Z in case Z should resist. A has committed the offence defined in this section. 
(b) A picks Z's pocket, having posted several of his companions near him, in order that they may restrain Z, if Z should perceive what is passing and should resist, or should attempt to apprehend A. A has committed the offence defined in this section.
১,৬৩১.
দণ্ডবিধির কোন ধারায় আক্রমণ (Assault) এর সংজ্ঞা আছে?
  1. ৩৪৯
  2. ৩৫০
  3. ৩৫১
  4. ২৮৯
সঠিক উত্তর:
৩৫১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৫১
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৫১ ধারার বিধান  আক্রমণ:- কোন ব্যক্তি যদি এই উদ্দেশ্য নিয়ে বা এটা জানা সত্ত্বেও এমন কোন অঙ্গভঙ্গি করে বা কোন প্রস্তুতি গ্রহণ করে যে, তাতে হাজির কোন ব্যক্তির ভয় হয় যে, যে ব্যক্তি উক্ত অঙ্গভঙ্গি বা প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে, সে ব্যক্তি উক্ত হাজির ব্যক্তির উপর অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করতে উদ্যত হয়েছে, তবে প্রথমোক্ত ব্যক্তি আক্রমণ করেছে বলে পরিগণিত হয়।
ব্যাখ্যা:- কেবলমাত্র মুখের কথা আক্রমণ বলে পরিগণিত হয় না। কিন্তু কোন ব্যক্তির ব্যবহৃত কথাগুলি তার অঙ্গভঙ্গিকে বা প্রস্তুতিকে এমন অর্থপূর্ণ করতে পারে, যার কারণে তার অঙ্গভঙ্গি বা প্রস্তুতি আক্রমণ বলে পরিগণিত হতে পারে।
উদাহরণ:
(ক) ক, চ-এর প্রতি মুষ্টি উত্তোলন করে। ইহার ফলে চ যাতে বিশ্বাস করে যে ক তাকে আঘাত করতে উদ্যত হয়েছে, সে জন্যই ক তা করে অথবা ইহার ফলে এইরূপ হতে পারে জানা সত্ত্বেও তা করে। ক আক্রমণ করেছে। 
-----------
Section 351: Assault:
-Whoever makes any gesture, or any preparation intending or knowing it to be likely that such gesture or preparation will cause any person present to apprehend that he who makes that gesture or preparation is about to use criminal force to that person, is said to commit an assault. 
Explanation.- Mere words do not amount to an assault. But the words which a person uses may give to his gestures or preparation such a meaning as may make those gestures or preparations amount to an assault. 
Illustrations 
(a) A shakes his fist at Z, intending or knowing it to be likely that he may thereby cause Z to believe that A is about to strike Z. A has committed an assault. 
(b) A begins to unloose the muzzle of a ferocious dog, intending, or knowing it to be likely that he may thereby cause Z to believe that he is about to cause the dog to attack Z. A has committed an assault upon Z. 
(c) A takes up a stick, saying to Z, "I will give you a beating". Here, though the words used by A could in no case amount to an assault, and though the mere gesture, unaccompanied by any other circumstances, might not amount to an assault, the gesture explained by the words may amount to an assault.
১,৬৩২.
ধারা ১৪৮-এর শাস্তি আরোপের প্রধান শর্ত কোনটি?
  1. সরকারি স্থানে হওয়া
  2. মারাত্মক অস্ত্র বহন করা
  3. দশের বেশি সংখ্যক লোক থাকা
  4. প্রকাশ্য স্থানে হওয়া
সঠিক উত্তর:
মারাত্মক অস্ত্র বহন করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মারাত্মক অস্ত্র বহন করা
ব্যাখ্যা

ধারা ১৪৮ – মারাত্মক অস্ত্রসহ দাঙ্গা:
যে ব্যক্তি মারাত্মক অস্ত্র (deadly weapon) বহন করে দাঙ্গার (rioting) অপরাধে দোষী হন, অথবা এমন কোনো বস্তুসহ থাকেন যা অস্ত্র হিসেবে ব্যবহৃত হলে মৃত্যু ঘটানোর সম্ভাবনা থাকে- তিনি সর্বোচ্চ তিন বছর পর্যন্ত যেকোনো ধরনের কারাদণ্ডে (সশ্রম বা বিনাশ্রম), অথবা অর্থদণ্ড, অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন।

The Penal Code, 1860- Section- 148. Rioting, armed with deadly weapon:
Whoever is guilty of rioting, being armed with a deadly weapon or with anything which, used as a weapon of offence, is likely to cause death, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, or with fine, or with both.

১,৬৩৩.
'A' জানে যে 'B', 'Z' কে হত্যা করেছে, তবুও 'B' কে শাস্তি হতে রক্ষা করার উদ্দেশ্যে 'Z' এর মৃতদেহ লুকিয়ে ফেলতে 'A', 'B' কে সাহায্য করে। দণ্ডবিধির কোন ধারায় অনুসারে 'A' শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছে?
  1. ২০১
  2. ২০২
  3. ৩০২
  4. ৩০৪
সঠিক উত্তর:
২০১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১
ব্যাখ্যা

⇒ উল্লিখিত ঘটনাটি দণ্ডবিধির ধারা ২০১-এর একটি স্পষ্ট উদাহরণ, যা ধারাটির উদাহরণ (Illustration) হিসেবেও উল্লেখিত আছে।
- দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ২০১ অনুসারে, যদি কোনো ব্যক্তি অপরাধ সংঘটিত হয়েছে জেনেশুনে বা বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও, অপরাধীকে শাস্তি থেকে রক্ষা করার উদ্দেশ্যে অপরাধের সাক্ষ্য (যেমন: মৃতদেহ) অদৃশ্য করে বা মিথ্যা তথ্য দেয়, তাহলে সে শাস্তিযোগ্য। এখানে 'A'-এর কাজ (মৃতদেহ লুকিয়ে সাহায্য করা) হত্যার সাক্ষ্য অদৃশ্য করার অপরাধ, যা ধারা ২০১-এর উদাহরণের মতোই।
শাস্তি: হত্যার মতো মৃত্যুদণ্ডযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে ৭ বছর পর্যন্ত যেকোনো প্রকারের কারাদণ্ড এবং জরিমানা।

⇒ দণ্ডবিধির ২০১ ধারার বিধান অপরাধকারীকে গোপন করিবার জন্য অপরাধের সাক্ষ্য অদৃশ্য করিয়া দেওয়া বা মিথ্যা তথ্য সরবরাহ করা:
- কোন ব্যক্তি যদি কোন অপরাধীকে আইনের সাজা হতে বাঁচাবার উদ্দেশ্যে, কোন অপরাধ অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে জানা সত্ত্বেও অথবা অপরাধ অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে তার বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও, সে অপরাধটি সংঘটনের কোন সাক্ষ্য বা প্রমাণ বিলুপ্ত করে বা করায়, অথবা সে উদ্দেশ্য নিয়ে সে অপরাধটি সম্পর্কে কোন খবর দেয়, যা সে মিথ্যা বলে জানে অথবা যা মিথ্যা বলে তার বিশ্বাস করার কারণ রয়েছে, তখন-
-যদি অপরাধটি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় হয় (if a capital offence):-
যদি, যে অপরাধটি অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে সে জানে বা যে অপরাধটি অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে তার বিশ্বাস সে অপরাধটি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়, তবে সে ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে;
যদি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয় (if punishable with imrisonment for life):-
এবং যদি অপরাধটি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়, তবে সে ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে;
যদি দশ বৎসর অপেক্ষা কম মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয় (if punishable with less thatn ten year’s imprisonment):-
এবং যদি অপরাধটি দশ বৎসর অপেক্ষা কম মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়, তবে সে ব্যক্তি অপরাধটির জন্য যে ধরনের কারাদণ্ডের বিধান করা হয়েছে, সে ধরনের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং অপরাধটির জন্য দীর্ঘতম যে মেয়াদের কারাদণ্ডের বিধান করা হয়েছে, তার কারাদণ্ডের মেয়াদ উহার এক চতুর্থাংশ পর্যন্ত যেকোনো দৈর্ঘ্যের হবে, অথবা অর্থ দণ্ডে দণ্ডিত হবে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
উদাহরণ:
'খ', 'চ'-কে খুন করেছে জানা সত্ত্বেও 'ক', 'খ'-কে সাজা হতে বাঁচাবার উদ্দেশ্যে 'খ'-কে 'চ' এর মৃতদেহটি লুকিয়ে ফেলিতে সহায়তা করে। 'ক' সাত বৎসর সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং এতদ্‌ব্যতীত তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে।
------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 201. Causing disappearance of evidence of offence, or giving false information to screen offender- if a capital offence; if punishable with imprisonment for life; if punishable with less than ten years’ imprisonment:
Whoever, knowing or having reason to believe that an offence has been committed, causes any evidence of the commission of that offence to disappear, with the intention of screening the offender from legal punishment, or with that intention gives any information respecting the offence which he knows or believes to be false,
shall, if the offence which he knows or believes to have been committed is punishable with death, be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine;
and if the offence is punishable with [imprisonment for life], or with imprisonment which may extend to ten years, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, and shall also be liable to fine;
and if the offence is punishable with imprisonment for any term not extending to ten years, shall be punished with imprisonment of the description provided for the offence, for a term which may extend to one-fourth part of the longest term of the imprisonment provided for the offence, or with fine, or with both.

Illustration:
A, knowing that B has murdered Z, assists B to hide the body with the intention of screening B from punishment. A is liable to imprisonment of either description for seven years, and also to fine.

১,৬৩৪.
দণ্ডবিধি অনুযায়ী আত্মহত্যার সহায়তাকরণের অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি?
  1. ৭ বছর কারাদণ্ড
  2. ১০ বছর কারাদণ্ড
  3. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  4. মৃত্যুদণ্ড
সঠিক উত্তর:
১০ বছর কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ৩০৬ ধারার বিধান আত্মহত্যায় সহায়তা বা প্ররোচনা দান:- কোন ব্যক্তি যদি আত্মহত্যা করে, তবে যে ব্যক্তি আত্মহত্যায় সহায়তা বা প্ররোচনা দান করবে, উক্ত ব্যক্তি দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

⇒The Penal Code, 1860: Section 306 Abetment of suicide:- If any person commits suicide, whoever abets the commission of such suicide, shall be punished with imprisonment either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine.

১,৬৩৫.
ধারা ৩৪৯ অনুযায়ী, যদি কেউ অন্যের বাহিত দ্রব্যের গতি পরিবর্তন করে, তাহলে সেই ব্যক্তি কোন অপরাধে অভিযুক্ত হবে?
  1. আঘাত
  2. বলপ্রয়োগ
  3. ক্ষতিসাধন
  4. আক্রমণ
সঠিক উত্তর:
বলপ্রয়োগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বলপ্রয়োগ
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৩৪৯ ধারার বিধান: বলপ্রয়োগ:
কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তির গতি সঞ্চার করে, গতি পরিবর্তন করে বা গতি স্তব্ধ করে, অথবা যদি সে কোন বস্তুতে এমন গতি সঞ্চার করে, বা গতি স্তব্ধ করে, যাতে উহা অপর কোন ব্যক্তির দেহের কোন অংশের সংস্পর্শে আসে, অথবা যদি সে অপর কোন ব্যক্তির পরিহিত বা বাহিত কোন দ্রব্যে অনুরূপ গতি সঞ্চার, গতি পরিবর্তন বা গতি স্তব্ধ করে, অথবা যদি সে এমন কোন বস্তুর সাথে উহা করে যা এমনভাবে সংস্থিত যে, উহার সংস্পর্শ দ্বিতীয়োক্ত ব্যক্তির অনুভব-শক্তি ব্যাহত করে, তবে সে ব্যক্তি অন্য ব্যক্তির প্রতি বলপ্রয়োগ করেছে বলে পরিগণিত হয়:-

তবে শর্ত থাকে যে, যে ব্যক্তি গতি সঞ্চার করে, গতি পরিবর্তন করে বা গতি স্তব্ধ করে, সে ব্যক্তির গতি সঞ্চারের, গতি পরিবর্তনের বা গতি স্তব্ধকরণের পদ্ধতি নিম্নোক্ত তিনটি উপায়ের যেকোন একটি হতে হবে-
প্রথমত: তার নিজ দেহের শক্তি প্রয়োগ করে।
দ্বিতীয়ত: কোন বস্তু এমনভাবে ব্যবহার করে, যার ফলে তার নিজের বা অপর কোন ব্যক্তির কোন কাজ ব্যতীত গতি বা গতির পরিবর্তন বা গতির স্তব্ধতা সাধিত হয়।
তৃতীয়ত: কোন পশুকে চালিত করে গতি পরিবর্তন বা পশুটির গতি স্তব্ধ করে।

Section 349: Force:
A person is said to use force to another if he causes motion, change of motion, or cessation of motion to that other, or if he causes to any substance such motion, or change of motion, or cessation of motion as brings that substance into contact with any part of that other's body, or with anything which that other is wearing or carrying, or with anything so situated that such contact affects that other's sense of feeling:

Provided that the person causing the motion, or change of motion, or cessation of motion, causes that motion, change of motion, or cessation of motion in one of the three ways hereinafter described:
Firstly. By his own bodily power.
Secondly. By disposing any substance in such a manner that the motion or change or cessation of motion takes place without any further act on his part, or on the part of any other person.
Thirdly. By inducing any animal to move, to change its motion, or to cease to move.
১,৬৩৬.
'A' একটি চুরি করা ল্যাপটপ 'B'-এর কাছে নিয়ে আসে। 'B' জানে যে ল্যাপটপটি চুরি করা। পুলিশের হাত থেকে 'A' কে বাঁচাতে, 'B' ইচ্ছাকৃতভাবে ওই ল্যাপটপটি তার ঘরের মেঝেতে লুকিয়ে রাখে। দণ্ডবিধি অনুযায়ী, 'B'-এর সর্বোচ্চ শাস্তি কী হতে পারে? 
  1. ১ বছরের কারাদণ্ড
  2. ২ বছরের কারাদ
  3. ৩ বছরের কারাদণ্ড
  4. ৫ বছরের কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
৩ বছরের কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ 'B'-এর কাজটি দণ্ডবিধির ধারা ৪১৪-এর আওতায় পড়ে। এই ধারা অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে এমন কোনো সম্পত্তি লুকানো, অপসারণ বা নিষ্পত্তি করতে সাহায্য করে, যে সম্পত্তি সম্পর্কে তার জানা আছে বা বিশ্বাস করার যুক্তিসঙ্গত কারণ আছে যে সেটি চুরিকৃত, তবে সে এই ধারায় শাস্তিযোগ্য হবে। শাস্তি হলো সর্বোচ্চ ৩ বছরের কারাদণ্ড (সশ্রম বা বিনাশ্রম), বা অর্থদণ্ড, বা উভয়ই।
- সুতরাং, 'B' ধারা ৪১৪-এর অধীনে দোষী সাব্যস্ত হলে তার শাস্তি সর্বোচ্চ ৩ বছরের কারাদণ্ড হতে পারে।

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৪১৪ অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে (voluntarily), চুরিকৃত সম্পত্তি লুকানো, অপসারণ বা বিক্রয়ে সহায়তা করে, এ সময় জানে বা বিশ্বাস করার কারণ থাকে যে সম্পত্তিটি চুরিকৃত, তাহলে তার শাস্তি হবে সর্বোচ্চ ৩ বছরের কারাদণ্ড (সশ্রম বা বিনাশ্রম) অথবা অর্থদণ্ড অথবা উভয় শাস্তি।
--------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 414: Assisting in concealment of stolen property: Whoever voluntarily assists in concealing or disposing of or making away with property which he knows or has reason to believe to be stolen property, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, or with fine, or with both.

১,৬৩৭.
'গ' রাজপথে 'চ' কে পেয়ে পিস্তল দেখিয়ে 'চ' এর নিকট অর্থ দাবি করায় 'চ' তার নিকট থাকা অর্থ 'গ' এর নিকট সমর্পণ করে। এখানে 'গ' কর্তৃক সংঘটিত অপরাধ-
  1. Theft
  2. Extortion
  3. Robbery
  4. Dacoity
সঠিক উত্তর:
Extortion
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Extortion
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৩৮৩ অনুসারে, কোনো ব্যক্তির ইচ্ছাকৃতভাবে তাহার বা অন্য কারও ক্ষতির ভয় দেখিয়ে সম্পত্তি বা মূল্যবান জামানত বা সাক্ষরিত বা সীলমোহরকৃত যা মূল্যবান জামানতে রূপান্তরিত হয় তাহা হস্তান্তরে বাধ্য করে, সেই ব্যক্তি বলপূর্বক গ্রহণ বা আদায় (Exortion) করে। এখানে 'গ' বলপূর্বক গ্রহণ (Exortion) করে। কারণ সে 'চ' কে পিস্তলের ভয় দেখিয়ে অর্থ সমর্পণে বাধ্য করেছে।

সাধারণ ভাষায় বলা যায়, ইচ্ছাকৃতভাবে কোন ব্যক্তিকে ভয় দেখিয়ে তার নিকট থেকে সম্পত্তি গ্রহণ করাকে জোরপূর্বক গ্রহণ (Extortion) বলা হয়।

বলপূর্বক গ্রহণের শাস্তি :
দণ্ডবিধির ৩৮৪ ধারা মোতাবেক যে ব্যক্তি জোরপূর্বক গ্রহণের অপরাধ করে সে ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
১,৬৩৮.
দণ্ডবিধির ধারা ৫১০ অনুযায়ী নেশাগ্রস্ত ব্যক্তির শাস্তির ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ জরিমানার পরিমাণ কত?
  1. ১০ টাকা
  2. ৫০ টাকা
  3. ১০০ টাকা
  4. ৫০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
১০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ টাকা
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৫১০ ধারায় নেশাগ্রস্ত ব্যক্তি যদি প্রকাশ্যে অসদাচরণ করে, তাহলে তাকে চব্বিশ ঘণ্টা পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড অথবা অধিকতম ১০ টাকা অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ড দেওয়া যেতে পারে।

⇒ দণ্ডবিধির ৫১০ ধারা অনুযায়ী, নেশাগ্রস্ত ব্যক্তি দ্বারা প্রকাশ্যে অসদাচরণ:
কোন ব্যক্তি যদি নেশাগ্রস্ত অবস্থায় কোন প্রকাশ্য স্থানে গমন করে, বা যে স্থানে প্রবেশ করা তার পক্ষে অনধিকার প্রবেশ, সে স্থানে প্রবেশ করে এবং সে স্থানে এমন আচরণ করে, যার ফলে কারো বিরক্তি ঘটে, তবে সে ব্যক্তি চব্বিশ ঘণ্টা পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে অথবা দশ টাকা পর্যন্ত যেকোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে দণ্ডিত হবে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
----------
⇒ The Penal Code, 1860, Section 510- Misconduct in public by a drunken person:
Whoever, in a state of intoxication appears in any public place, or in any place which it is a trespass in him to enter, and there conducts himself in such a manner as to cause annoyance to any person, shall be punished with simple imprisonment for a term which may extend to twenty-four hours, or with fine which may extend to ten taka, or with both.
১,৬৩৯.
দন্ডবিধি অনুসারে কত বছরের কম বয়স্ক শিশুর কর্মকান্ড শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসাবে গণ্য হবে না?
  1. ৭ বছর
  2. ৮ বছর
  3. ৯ বছর
  4. ১২ বছর
সঠিক উত্তর:
৯ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯ বছর
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ৮৩ ধারামতে ৯ বছরের বেশি কিন্তু ১২ বছরের কম বয়স্ক অপরিণত বোধ সম্পন্ন (immature understanding) শিশুর কাজ অপরাধ নয় ।
♦ তবে পরিপক্কতা অর্জন করলে অর্থাৎ কাজের প্রকৃতি ও পরিণতি উপলব্ধি করতে পারলে উক্ত ৯ বছরের বেশি কিন্তু ১২ বছরের কম বয়স্ক শিশুর কাজ অপরাধ বলে গণ্য হবে।
♦ দন্ডবিধির ৮২ ধারা অনুযায়ী ৯ বছরের কম বয়স্ক কোন শিশুর কার্য অপরাধ হিসাবে গণ্য হয় না। এবং ৮৩ ধারা অনুযায়ী ৯ বছরের বেশী কিন্তু ১২ বছরের কম বয়স্ক অপরিনত বোধ সম্পন্ন শিশুর কোন কার্যই অপরাধ বলে গণ্য হবে না।
♦ অর্থাৎ দন্ডবিধি অনুসারে ৯ বছরের কম বয়স্ক শিশুর কর্মকান্ড শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসাবে গণ্য হবে না।
১,৬৪০.
দণ্ডবিধির অধীন এসিড দিয়ে মুখ বিকৃতকরণের সর্বোচ্চ শাস্তি কোনটি হতে পারে?
  1. মৃত্যুদণ্ড 
  2. ১০ বছর কারাদণ্ড
  3. ৭ বছর কারাদণ্ড
  4. ৫ বছর কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুদণ্ড 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুদণ্ড 
ব্যাখ্যা

দণ্ডবিধির ৩২৬ক ধারা: স্বেচ্ছাকৃতভাবে দুইটি চোখ উপড়ে বা এসিড জাতীয় পদার্থ দ্বারা চোখ দুইটির দৃষ্টি নষ্টকরণ বা মুখমণ্ডল বা মস্তক এসিড দ্বারা বিকৃতিকরণ:
যে ব্যক্তি ৩৩৫ ধারায় উল্লেখিত ক্ষেত্র ছাড়া স্বেচ্ছাকৃতভাবে নিম্নবর্ণিত উপায়ে-
(ক) ৩২০ ধারার দ্বিতীয় অনুচ্ছেদে বর্ণিত অপরাধ যেক্ষেত্রে উভয় চক্ষুর ব্যাপারে হয় উৎপাটন দ্বারা অথবা যেকোন ধরনের এসিড জাতীয় পদার্থ কর্তৃক, কিংবা
(খ) ৩২০ ধারার ষষ্ঠ অনুচ্ছেদে বর্ণিত অপরাধ যেক্ষেত্রে কোন এসিড জাতীয় পদার্থ দ্বারা কোন ব্যক্তিকে গুরুতর আঘাত করে, তবে সে ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে এবং অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা হবে।

১,৬৪১.
থমাস ব্যাবিংটন ম্যাকুলে (Lord Macaulay) এর সভাপতিত্বে যে আইন কমিশন দণ্ডবিধির খসড়া করেছিল, সেই আইন কমিশন গঠন করা হয়েছিল-
  1. ১৮৩৭ সালে
  2. ১৮৩৪ সালে
  3. ১৮৫৯ সালে
  4. ১৮৬০ সালে
সঠিক উত্তর:
১৮৩৪ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮৩৪ সালে
ব্যাখ্যা
♦ ১৮৩৩ সালে ভারতের শাসনভার ইংরেজ কোম্পানী হাত হতে ব্রিটিশ রাজ গ্রহণ করার পর ভারতবর্ষের জন্য একটি আইন কমিশন গঠন করেন। ভারতীয় উপমহাদেশে সর্বপ্রথম আইন কমিশন গঠন করা হয় ১৮৩৪ সালে। প্রথম আইন কমিশনের চেয়ারম্যান ছিলেন থমাস ব্যাবিংটন ম্যাকুলে (Lord Macaulay).
প্রথম আইন কমিশনের কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন যা নিম্নরুপ:-
i) সভাপতি-লর্ড ম্যাকলে।
ii) সদস্য- মিঃ ম্যাকলিউড।
iii) সদস্য-মিঃ এন্ডারসন।
iv) সদস্য-মিঃ মিলার।

♦ ১৮৩৭ সালে এই কমিশন  দণ্ডবিধি প্রণয়নের জন্য খসড়া জমা দেয় এবং ৬ অক্টোবর ১৮৬০ সালে বিলটি পাস হয় এবং দণ্ডবিধি ১লা জানুয়ারী ১৮৬২ সালে আইনটি কার্যকর হয়।

♦ এ কমিশন দন্ডবিধির খসড়া প্রণয়ন করে ১৮৩৭ সালের ১৪ই অক্টোবর ভারতের তৎকালীন গভর্নর জেনারেল লর্ড আ্যাকল্যান্ডের নিকট পেশ করেন। যা কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি স্যার বার্নেস পিকক এবং অন্যান্য বিচারপতগণ (যারা ফোর্ট উইলিয়ম লেজিসলেটিভ কাউন্সিলের সদস্য ছিলেন)। সতর্কতার সাথে পরীক্ষা করে ১৮৫৬ সালে দন্ডবিধির খসড়া লজেসলেটিভ কাউন্সিলে উপস্থাপিত হয়। ১৮৬০ সালে লেজিসলেটিভ কাউন্সিল আরও পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে চূড়ান্ত খসড়া তৈরী করেন। অতঃপর ভারতে বিদ্যমান বিভিন্ন আইনের সাথে সামঞ্জস্য রেখে কিছু সংশোধনী করে ১৮৬২ সালের ৬ই অক্টোবর দন্ডবিধি পাশ হয়। যার নামকরণ করা হয় ১৮৬০ সালের ৪৫ নং আইন, দন্ডবিধি।
১,৬৪২.
জনপথে বেপরোয়া গাড়ি চালিয়ে বা অশ্বারোহণ করে গুরুতর আঘাত প্রদান করার সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ছয় মাসের কারাদণ্ড
  2. তিন বছরের কারাদণ্ড
  3. এক বছরের কারাদণ্ড
  4. দুই বছরের কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
দুই বছরের কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুই বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৩৮ক ধারার বিধান: জনপথে বেপরোয়া গাড়ি চালিয়ে বা অশ্বারোহণ করে গুরুতর আঘাত প্রদান করা :- যে ব্যক্তি বেপরোয়া বা অবহেলামূলকভাবে গণপথে গাড়ি চালিয়ে বা অশ্বারোহণ করে কোন ব্যক্তিকে এমন গুরুতর আঘাত করে যাতে মনুষ্যজীবন ও অন্যের ব্যক্তিগত নিরাপত্তা বিপন্ন হয়, তবে উক্ত ব্যক্তি দুই বৎসর মেয়াদ পর্যন্ত কারাদণ্ডে, বা অর্থ দণ্ডে বা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
-------
⇒ Section 338A. Causing grievous hurt by rash driving or riding on a public way:-Whoever causes grievous hurt to any person by driving any vehicle, or riding on any public way so rashly or negligently as to endanger human life, or the personal safety of others, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.
১,৬৪৩.
'ক' সরল মনে 'গ'- এর সম্পত্তি তা নিজের সম্পত্তি বলে বিশ্বাস করে, 'গ' -এর দখল হতে সে সম্পত্তি নিয়ে যায়। এক্ষেত্রে 'ক'-
  1. চুরি করেছে বলে গণ্য হবে
  2. অসাধুভাবে গ্রহণ করেছে বলে গণ্য হবে
  3. চুরি করে নাই বলে গণ্য হবে
  4. ক এবং খ
সঠিক উত্তর:
চুরি করে নাই বলে গণ্য হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চুরি করে নাই বলে গণ্য হবে
ব্যাখ্যা
ধারা ৩৭৮: চুরি [Theft]:

কোনো ব্যক্তি যদি কারো দখল হতে তার সম্মতি ব্যতীত কোনো অস্থাবর সম্পত্তি অসাধুভাবে গ্রহণ করার উদ্দেশ্য নিয়ে উক্ত সম্পত্তি অনুরূপভাবে গ্রহণের জন্য স্থানান্তর করে, তবে উক্ত ব্যক্তি চুরি করেছে বলে গণ্য হবে। [Whoever, intending to take dishonestly any movable property out of the possession of any person without that person’s consent, moves that property in order to such taking, is said to commit theft.]
 
ব্যাখ্যা ১ : কোনো বস্তু যতক্ষণ পর্যন্ত অস্থাবর সম্পত্তি না হওয়া বিধায় মাটির সাথে যুক্ত থাকে, ততক্ষণ পর্যন্ত উহা চুরি করার বস্তু বলে গণ্য হবে না, কিন্তু যে মুহূর্তে উহাকে মাটি হতে বিচ্ছিন্ন করা হয় সে মুহূর্তেই উহা চুরি করার বস্তু হওয়ার যোগ্য গণ্য হবে। [A thing so long as it is attached to the earth, not being moveable property, is not the subject of theft; but it becomes capable of being the subject of theft as soon as it is severed from the earth.]
 
ব্যাখ্যা ২ : যে কাজ কর্তৃক (মাটি হতে) বিচ্ছিন্নতা সাধন করা হয়, সে কাজ দ্বারাই স্থানান্তর করা হলে তা চুরি হতে পারে। [A moving effected by the same act which effects the severance may be a theft.]
 
ব্যাখ্যা ৩ : কোনো ব্যক্তি কোনো বস্তুর গতির প্রতিবন্ধক অপসারণ করলে বা উহাকে অপর কোনো বস্তু হতে বিচ্ছিন্ন করলে এবং বাস্তবিকভাবে উহা স্থানান্তর করলে উক্ত বস্তু স্থানান্তর করে বলে পরিগণিত হবে। [A person is said to cause a thing to move by removing an obstacle which prevented it from moving or by separating it from any other thing, as well as by actually moving it.]
 
ব্যাখ্যা ৪ : কোনো ব্যক্তি যেকোনো উপায়ে কোনো পশুকে হাঁটায়, সে লোক সে পশুকে এবং অনুরূপভাবে সৃষ্ট গতির ফলে উক্ত পশু দ্বারা স্থানান্তরিত প্রত্যেক বস্তুকে স্থানান্তর করে বলে গণ্য হবে। [A person, who by any means causes an animal to move, is said to move that animal, and to move everything which, in consequence of the motion so caused, is moved by that animal.]
 
ব্যাখ্যা ৫ : সংজ্ঞায় উল্লি­খিত সম্মতি প্রকাশ্য অথবা পরোক্ষ হতে পারে এবং উক্ত সম্মতি দখলকারী ব্যক্তি বা উক্ত উদ্দেশ্য প্রকাশ্য বা পরোক্ষ ক্ষমতাসম্পন্ন ব্যক্তির দ্বারা প্রদত্ত হতে পারে। [The consent mentioned in the definition may be express or implied, and may be given either by the person in possession, or by any person having for that purpose authority either express or implied.]

এক্ষেত্রে, যেহেতু ক অসাধুভাবে সম্পত্তিটি নিয়ে যায় নাই, সেহেতু সে চুরি করেছে বলে পরিগণিত হবে না।
১,৬৪৪.
আত্মহত্যায় সহায়তাকারী ব্যক্তি দণ্ডপ্রাপ্ত হবে, যদি আত্মহত্যাকারীর বয়স হয়-
  1. ১৮ বছরের কম
  2. ১৮ বছরের বেশি
  3. অন্যূন ১৮ বছর
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
কোনটিই নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৩০৬ ধারা- আত্মহত্যায় সহায়তা বা প্ররোচনা দান:

কোন ব্যক্তি যদি আত্মহত্যা করে, তবে যে ব্যক্তি আত্মহত্যায় সহায়তা বা প্ররোচনা দান করবে, উক্ত ব্যক্তি দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

Section 306- Abetment of suicide:
If any person commits suicide, whoever abets the commission of such suicide, shall be punished with imprisonment either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine.

এই ধারায় 'কোনো ব্যক্তি' বলতে যেকোনো বয়সের ব্যক্তিকে বোঝায়, নির্দিষ্ট বা নির্ধারিত কোনো বয়সের নয়। যার দরুণ সঠিক উত্তর 'ঘ' ই গ্রহণযোগ্য।
১,৬৪৫.
কাউকে দশ বা ততোধিক দিনব্যাপি অবৈধভাবে অবরোধ করার সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ১ বৎসরের কারাদণ্ড
  2. ৩ বৎসরের কারাদণ্ড
  3. ৫ বৎসরের কারাদণ্ড
  4. ৭ বৎসরের কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
৩ বৎসরের কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বৎসরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৪৪ ধারার বিধান দশ বা ততোধিক দিনব্যাপি অবৈধভাবে অবরোধ:- কোন ব্যক্তি যদি কাউকে দশ বা ততোধিক দিনের জন্য অবৈধভাবে অবরোধ করে রাখে; তবে উক্ত ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।
-------------
⇒ Section 344. Wrongful confinement for ten or more days:- Whoever wrongfully confines any person for ten days, or more, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, and shall also be liable to fine.
১,৬৪৬.
আঠার বৎসরের কম বয়স্ক কোন বালিকাকে অবৈধ যৌন সহবাস করিতে বাধ্য করার জন্য কোন স্থান হইতে গমন করিতে বাধ্য বা প্রলুব্ধ করার সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ১২ বৎসরের কারাদণ্ড
  2. ৫ বৎসরের কারাদণ্ড
  3. ৭ বৎসরের কারাদণ্ড
  4. ১০ বৎসরের কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
১০ বৎসরের কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ বৎসরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৬৬ক ধারার বিধান অপ্রাপ্ত বয়স্কা বালিকা সংগ্রহ করণ:- কোন ব্যক্তি যদি যে কোন প্রকারেই হোক আঠারো বৎসরের কম বয়সী কোন অপ্রাপ্ত বয়স্কা বালিকাকে কোন স্থান হতে গমনে বা কোন কাজ সম্পাদনে বাধ্য করে এবং যদি তা করার উদ্দেশ্য হয়, বালিকাটিকে অপর কোন ব্যক্তির সাথে যৌন- অবৈধ সহবাসে জোরপূর্বক বা ফুসলিয়ে বাধ্য করা, অথবা তাকে অন্যভাবে অপর কোন ব্যক্তির সাথে অবৈধ যৌন-সহবাসে জোরপূর্বক বা ফুসলিয়ে বাধ্য করা হতে পারে বলে জানা সত্ত্বেও তাকে কোনস্থান হতে গমনে বা কোন কাজ সম্পাদন বাধ্য করে, তবে সে ব্যক্তি দশ বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।
----------
Procuration of minor girl:
Section 366A. Whoever, by any means whatsoever, induces any minor girl under the age of eighteen years to go from any place or to do any act with intent that such girl may be, or knowing that it is likely that she will be, forced or seduced to illicit intercourse with another person shall be punishable with imprisonment which may extend to ten years and shall also be liable to fine.
১,৬৪৭.
যদি কোনো ব্যক্তি আত্মহত্যার চেষ্টা করে এবং তা সফল না হয়, তবে তাকে ধারা ৩০৯ অনুযায়ী কোন ধরনের শাস্তি দেওয়া হতে পারে?
  1. শাস্তি হবে না
  2. অর্থদণ্ড
  3. বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  4. খ বা গ বা উভয়
সঠিক উত্তর:
খ বা গ বা উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ বা গ বা উভয়
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৩০৯ ধারা- আত্মহত্যা করার চেষ্টা:
কোন ব্যক্তি যদি আত্মহত্যা করার চেষ্টা করে এবং অনুরূপ অপরাধ সংঘটনের উদ্দেশ্যে কোন কার্য করে, তবে উক্ত ব্যক্তি এক বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থদণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

Section 309- Attempt to commit suicide:
Whoever attempts to commit suicide and does any act towards the commission of such offence, shall be punished with simple imprisonment for a term which may extend to one year, or with fine, or with both.
১,৬৪৮.
দণ্ডবিধির কত ধারায় মারামারি সংজ্ঞা দেওয়া আছে?
  1. ১৫৯
  2. ১৬০
  3. ৩৭৮
  4. ৪৯
সঠিক উত্তর:
১৫৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫৯
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৫৯ ধারার বিধান মারামারি:
যদি দুই বা ততোধিক ব্যক্তি কোন প্রকাশ্য স্থানে মারামরি করে শান্তিভঙ্গ করে, তবে তারা "মারামারি” করেছে বলে পরিগণিত হয়।

⇒ দণ্ডবিধির ১৬০ ধারার বিধান  মারামারির শাস্তি:
কোন ব্যক্তি যদি মারামারির অপরাধ সংঘটন করে, তবে সে ব্যক্তি এক মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা একশত টাকা পর্যন্ত যে কোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
___________________________________________
⇒ Section 159:- Affray:
When two or more persons, by fighting in a public place, disturb the public peace, they are said to "commit an affray".
⇒ Section 160: Punishment for committing affray:
-Whoever commits an affray, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to one month, or with fine which may extend to one hundred taka, or with both.
১,৬৪৯.
দণ্ডবিধির ৪০৩ ধারা অনুযায়ী, শাস্তি সর্বোচ্চ কত বছর হতে পারে?
  1. ১ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৫ বছর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ৪০৩ অনুযায়ী, "যে ব্যক্তি অসৎ উদ্দেশ্যে কোনো অস্থাবর সম্পত্তি নিজের জন্য আত্মসাৎ করে বা নিজের ব্যবহারে রূপান্তরিত করে, সে ব্যক্তি অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎ অপরাধে দণ্ডনীয় হবেন।"
- এই অপরাধের শাস্তি হতে পারে সর্বোচ্চ ২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড (সাধারণ বা সশ্রম), অথবা অর্থদণ্ড, অথবা উভয় দণ্ড।

⇒ দণ্ডবিধির ৪০৩ ধারার বিধান অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎ:
কোন ব্যক্তি যদি অসাধুভাবে কোন অস্থাবর সম্পত্তি আত্মসাৎ করে অথবা উহা তার নিজের ব্যবহারে প্রয়োগ করে, তবে উক্ত ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থদণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
ব্যাখ্যা ১:- কিছু সময়ের জন্য একটি অসাধু আত্মসাৎও এই ধারা অনুযায়ী আত্মসাৎ বলে পরিগণিত হবে।
ব্যাখ্যা ২:- কোন ব্যক্তি যদি কোন সম্পত্তি কারো দখলে নাই দেখতে পেয়ে সম্পত্তিটি উহার মালিকের স্বপক্ষে সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে অথবা মালিককে প্রত্যর্পণের উদ্দেশ্যে উহা নিয়ে যায়, তবে সে অসাধুভাবে উহা নিয়ে গিয়েছে বা আত্মসাৎ করেছে বলে পরিগণিত হবে না এবং কোন অপরাধে অপরাধী হবে না; কিন্তু সে উপরে বর্ণিত অপরাধে অপরাধী হবে যদি সে সম্পত্তিটির মালিককে জানা সত্ত্বেও বা মালিককে খুঁজে বাহির করার উপায় থাকা সত্ত্বেও উহা নিজের কাজে ব্যবহার করে, অথবা যদি সে মালিককে খুঁজে বাহির করার ও তাকে বিজ্ঞাপিত করার জন্য যুক্তিসংগত মাধ্যম অবলম্বনের উদ্দেশ্যে যথোপযুক্ত সময় পর্যন্ত সম্পত্তিটি সংরক্ষণ না করে উহা তার নিজের কাজে ব্যবহার করে।
অনুরূপ ক্ষেত্রে যুক্তিসংগত মাধ্যম কি এবং যথোপযুক্ত সময় কত দীর্ঘ হবে তা একটি ঘটনাগত প্রশ্ন। সম্পত্তিটি প্রাপকের পক্ষে উহার যথার্থ মালিককে তা জানার বা কোন বিশেষ ব্যক্তি যে উহার মালিক তা জানার আবশ্যক নাই; যদি সে সম্পত্তিটি আত্মসাৎ করার সময় উহা যে তার নয় তা বিশ্বাস করে বা সরল মনে বিশ্বাস করে যে, প্রকৃত মালিককে খুঁজে বাহির করা সম্ভব নয়, তবে তাই যথেষ্ট হবে।

⇒The Penal Code, 1860, Section 403. Dishonestly misappropriation of property:
-Whoever dishonestly misappropriates or converts to his own use any moveable property, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.
Explanation-1.-A dishonest misappropriation for a time only is a misappropriation within the meaning of this section. 
Explanation-2.-A person who finds property not in the possession of any other person, and takes such property for the purpose of protecting it for, or of restoring it to, the owner, does not take or misappropriate it dishonestly, and is not guilty of an offence; but he is guilty of the offence above defined, if he appropriates it to his own use, when he knows or has the means of discovering the owner, or before he has used reasonable means to discover and give notice to the owner and has kept the property a reasonable time to enable the owner to claim it. 
What are reasonable means or what is a reasonable time in such a case, is a question of fact. 
It is not necessary that the finder should know who is the owner of the property, or that any particular person is the owner of it, it is sufficient if, at the time of appropriating it, he does not believe it to be his own property, or in good faith believes that the real owner cannot be found.
১,৬৫০.
প্ররোচনার ক্ষেত্রে "Illegal Omission" বলতে কী বোঝায়?
  1. অপরাধ না করা
  2. পুলিশকে জানানো
  3. আইনগত দায়িত্ব পালন না করা
  4. আদালতে অভিযোগ দায়ের করা
সঠিক উত্তর:
আইনগত দায়িত্ব পালন না করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইনগত দায়িত্ব পালন না করা
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১০৭ ধারার তৃতীয় অংশে "Illegal Omission" বা "অবৈধ কার্যবিরতি" এর ধারণাটি উল্লেখ করা হয়েছে। এখানে এর অর্থ হলো:
আইনগত দায়িত্বে অবহেলা: যখন কোনো ব্যক্তির আইনত দায়িত্ব থাকে কোনো কাজ করার (যেমন: নিরাপত্তা কর্মীর গেট পাহারা দেওয়া), কিন্তু সে ইচ্ছাকৃতভাবে তা না করে।
- "Illegal Omission" (অবৈধ অবহেলা) বলতে বুঝায়, এমন কোনো কাজ যা আইনি দায়িত্বের আওতায় থাকা সত্ত্বেও করা হয়নি। 
প্ররোচনার ক্ষেত্রে "Illegal Omission" সাধারণত তখন ঘটে, যখন কোনো ব্যক্তি আইনগত দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হয়, এবং তার অবহেলার কারণে অপরাধ ঘটানোর সুযোগ সৃষ্টি হয়।
- অর্থাৎ, যদি কেউ জানে যে কোনো কাজটি আইন অনুযায়ী করা প্রয়োজন, কিন্তু সে তা না করে, এবং এর ফলে অপরাধ সংঘটিত হয়, তবে এটি Illegal Omission বা অবৈধ অবহেলা হিসেবে গণ্য হবে।
১,৬৫১.
Chapter V of The Penal Code deals with-
  1. ABETMENT
  2. CRIMINAL CONSPIRACY
  3. PUNISHMENTS
  4. GENERAL EXCEPTIONS
সঠিক উত্তর:
ABETMENT
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ABETMENT
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধি ১৮৬০ আইনে মোট অধ্যায় ২৩ টি এবং দণ্ডবিধির মোট ধারা ৫১১ টি (মূল দণ্ডবিধিতে ৪৮৮টি ধারা ছিল)।

♦ গুরুত্বপূর্ণ কিছু অধ্যায়ের নাম:

দ্বিতীয় অধ্যায়: সাধারণ ব্যাখ্যা সমূহ,(GENERAL EXPLANATIONS)

তৃতীয় অধ্যায়: শাস্তি,(PUNISHMENTS)

চতুর্থ অধ্যায়: সাধারণ ব্যতিক্রম সমূহ,(GENERAL EXCEPTIONS)

পঞ্চম অধ্যায়: অপরাধে সহায়তা বা প্ররোচনা,(ABETMENT)

পঞ্চম-ক অধ্যায়: অপরাধ মূলক ষড়যন্ত্র,(CRIMINAL CONSPIRACY)

ষষ্ঠ অধ্যায়: রাষ্ট্রবিরোধী অপরাধ, (OFFENCES AGAINST THE STATE)

নবম অধ্যায়: সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীর সংক্রান্ত অপরাধ, (OFFENCES BY OR RELATING TO PUBLIC SERVANTS)

নবম-ক অধ্যায়: নির্বাচন সংক্রান্ত অপরাধ,(OFFENCES RELATING TO ELECTIONS)

ষোড়শ অধ্যায়: মানবদেহ সংক্রান্ত অপরাধ,(OFFENCES AFFECTING THE HUMAN BODY)

সপ্তদশ অধ্যায়: সম্পত্তির বিরুদ্ধে অপরাধ,  (OFFENCES AGAINST PROPERTY)

বিংশ অধ্যায়: বিবাহ সংক্রান্ত অপরাধ, (OFFENCES RELATING TO MARRIAGE)

একবিংশ অধ্যায়: মানহানি, ( DEFAMATION)

ত্রয়োবিংশ অধ্যায়: অপরাধ সংগঠনের উদ্যোগ। (ATTEMPTS TO COMMIT OFFENCES)
১,৬৫২.
দণ্ডবিধির ১০৭ ধারা অনুসারে, প্ররোচনার ক্ষেত্রে "Instigation" বলতে কী বোঝায়?
  1. বস্তু ব্যবহার করা
  2. ষড়যন্ত্রে অংশগ্রহণ করা
  3. ইচ্ছাকৃতভাবে সাহায্য করা
  4. কাউকে কোনো কাজ করতে উদ্দীপিত করা
সঠিক উত্তর:
কাউকে কোনো কাজ করতে উদ্দীপিত করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কাউকে কোনো কাজ করতে উদ্দীপিত করা
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১০৭ ধারা অনুযায়ী "Instigation" বলতে বোঝায় কাউকে কোনো নির্দিষ্ট কাজ করতে বা না করতে উৎসাহিত করা, প্রভাবিত করা বা প্ররোচিত করা। এটি সরাসরি হতে পারে (যেমন: মুখে বলা, নির্দেশ দেওয়া) অথবা পরোক্ষভাবে হতে পারে (যেমন: মিথ্যা তথ্য প্রদান, কিছু তথ্য গোপন করে অপরাধ সংঘটনে সহায়তা করা)।
- যদি কেউ অন্য কাউকে ইচ্ছাকৃতভাবে প্ররোচিত করে এবং তার ফলে অপরাধ সংঘটিত হয়, তাহলে প্ররোচনাকারীও অপরাধের জন্য দায়ী হবে।

উদাহরণ:
- কেউ যদি অন্য ব্যক্তিকে হত্যা করতে উসকানি দেয় বা প্ররোচনা দেয়, তবে সে ব্যক্তি Instigation করেছে বলে বিবেচিত হবে।
- কেউ যদি মিথ্যা তথ্য দিয়ে কাউকে বেআইনি কাজ করতে উৎসাহিত করে, তবে সেটিও Instigation হিসেবে গণ্য হবে।

⇒ যে সমস্ত কাজ করলে অপরাধ হয় সেই সমস্ত কাজ করার জন্য প্রত্যক্ষভাবে বা পরোক্ষভাবে কোন ইন্ধন জোগান কিংবা সমর্থন করাকে আইনের ভাষায় প্ররোচনা বা Abetment বলা হয়।
-দণ্ডবিধির ১০৭ ধারা অনুযায়ী ৩ ভাবে প্ররোচনা বা অপরাধে সহায়তা অপরাধ হতে পারে।
(i) কাউকে প্ররোচিত করে (instigation)
(ii) ষড়যন্ত্রে অংশগ্রহণ করে (engagement)
(iii) কার্য বা কার্যবিরতি দ্বারা ইচ্ছাকৃতভাবে সাহায্য করে (aiding)
-------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 107: Abetment of a thing: A person abets the doing of a thing, who
Firstly.- Instigates any person to do that thing; or
Secondly.- Engages with one or more other person or persons in any conspiracy for the doing of that thing, if an act or illegal omission takes place in pursuance of that conspiracy, and in order to the doing of that thing; or
Thirdly.- Intentionally aids, by any act or illegal omission, the doing of that thing.

Explanation-1: A person who, by wilful misrepresentation, or by wilful concealment of a material fact which he is bound to disclose, voluntarily causes or procures, or attempts to cause or procure, a thing to be done, is said to instigate the doing of that thing.
১,৬৫৩.
‘C’ ‘Y’-এর দিকে মুষ্টি তুলে ভয় দেখায়, জেনে যে এটি ‘Y’-কে মনে করতে পারে যে তার উপর আঘাত করা হবে। দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর কোন ধারা অনুসারে ‘C’ অপরাধী হবে?
  1. ধারা ৩৪৯
  2. ধারা ৩৫০
  3. ধারা ৩৫১
  4. ধারা ৩৫২
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৫১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৫১
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৩৫১ অনুসারে, কোনো ব্যক্তি যদি এমন অঙ্গভঙ্গি বা প্রস্তুতি করে যা অন্য ব্যক্তিকে এই ভয় সৃষ্টি করে যে তার উপর অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ করা হতে পারে, তবে তা আক্রমণ (Assault) বলে গণ্য হয়। এখানে, ‘C’ ইচ্ছাকৃতভাবে ‘Y’-এর দিকে মুষ্টি তুলে ভয় দেখায়, জেনে যে এটি ‘Y’-কে মনে করতে পারে যে তার উপর আঘাত করা হবে। এটি ধারা ৩৫১-এর অধীনে আক্রমণ হিসেবে বিবেচিত হয়।

অন্যান্য অপশন:
ক) ধারা ৩৪৯: এটি বলপ্রয়োগের সংজ্ঞা দেয়, কিন্তু কোনো শাস্তিযোগ্য অপরাধ নির্দেশ করে না।
খ) ধারা ৩৫০: এটি অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ সংজ্ঞায়িত করে, যেখানে শারীরিক বল প্রয়োগ করা হয়। এখানে ‘C’ শুধু ভয় দেখিয়েছে, তাই এটি প্রযোজ্য নয়।
ঘ) ধারা ৩৫২: এটি আক্রমণ বা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগের শাস্তি নির্ধারণ করে, কিন্তু প্রশ্নে কোন ধারার অধীনে অপরাধী হবে তা জানতে চাওয়া হয়েছে, এবং ধারা ৩৫১ অপরাধটি সংজ্ঞায়িত করে।
সুতরাং, ‘C’ ধারা ৩৫১-এর অধীনে অপরাধী হবে।
------
⇒ দণ্ডবিধির ৩৫১ ধারার বিধান আক্রমণ:
- কোন ব্যক্তি যদি এই উদ্দেশ্য নিয়ে বা এটা জানা সত্ত্বেও এমন কোন অঙ্গভঙ্গি করে বা কোন প্রস্তুতি গ্রহণ করে যে, তাতে হাজির কোন ব্যক্তির ভয় হয় যে, যে ব্যক্তি উক্ত অঙ্গভঙ্গি বা প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে, সে ব্যক্তি উক্ত হাজির ব্যক্তির উপর অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করতে উদ্যত হয়েছে, তবে প্রথমোক্ত ব্যক্তি আক্রমণ করেছে বলে পরিগণিত হয়।

ব্যাখ্যা:- কেবলমাত্র মুখের কথা আক্রমণ বলে পরিগণিত হয় না। কিন্তু কোন ব্যক্তির ব্যবহৃত কথাগুলি তার অঙ্গভঙ্গিকে বা প্রস্তুতিকে এমন অর্থপূর্ণ করতে পারে, যার কারণে তার অঙ্গভঙ্গি বা প্রস্তুতি আক্রমণ বলে পরিগণিত হতে পারে।

উদাহরণ:
(ক) 'ক', 'চ'-এর প্রতি মুষ্টি উত্তোলন করে। ইহার ফলে 'চ' যাতে বিশ্বাস করে যে 'ক' তাকে আঘাত করতে উদ্যত হয়েছে, সে জন্যই 'ক' তা করে অথবা ইহার ফলে এইরূপ: হতে পারে জানা সত্ত্বেও তা করে । 'ক' আক্রমণ করেছে।
(খ) ক একটি হিংস্র কুকুরের মুখ বন্ধনী খুলতে শুরু করে। চ যাতে বিশ্বাস করে যে, ক কুকুরটিকে দিয়ে তাকে আক্রমণ করার উদ্দেশ্যেই কুকুরটির মুখ বন্ধনী খুলে দিচ্ছে, এই উদ্দেশ্যেই, অথবা চ এইরূপ বিশ্বাস করতে পারে জানা সত্ত্বেও ক এই কাজ করে। ক-চ এর উপর আক্রমণ করেছে।
(গ) ক একটি ছুড়ি ঘুরাতে ঘুরাতে চ-কে বলিল, “তোমাকে পিটুনি দেব।” এখানে যদিও কেবল ক-এর ব্যবহৃত কথাগুলি কোনক্রমেই আক্রমণ বলে পরিগণিত হতে পারে না, এবং যদিও অপর কোন অনুষঙ্গ ব্যতীত কেবল ক-এর অঙ্গভঙ্গি আক্রমণতৃল্য নয়, তবুও অঙ্গভঙ্গি ও তার আনুষঙ্গিক ব্যাখ্যামূলক কথাগুলি মিলিয়ে আক্রমণ বলে পরিগণিত হবে।
--------------------
⇒ The Penal Code, 1860, Section-351:Assault:
-Whoever makes any gesture, or any preparation intending or knowing it to be likely that such gesture or preparation will cause any person present to apprehend that he who makes that gesture or preparation is about to use criminal force to that person, is said to commit an assault. 

- Explanation.- Mere words do not amount to an assault. But the words which a person uses may give to his gestures or preparation such a meaning as may make those gestures or preparations amount to an assault. 
Illustrations:
(a) A shakes his fist at Z, intending or knowing it to be likely that he may thereby cause Z to believe that A is about to strike Z. A has committed an assault.
(b) A begins to unloose the muzzle of a ferocious dog, intending, or knowing it to be likely that he may thereby cause Z to believe that he is about to cause the dog to attack Z. A has committed an assault upon Z. 
(c) A takes up a stick, saying to Z, "I will give you a beating". Here, though the words used by A could in no case amount to an assault, and though the mere gesture, unaccompanied by any other circumstances, might not amount to an assault, the gesture explained by the words may amount to an assault.

১,৬৫৪.
দণ্ডবিধির অধীন জরিমানা প্রদানের ব্যর্থতার কারণে যে কারাদণ্ড আরোপ করা হয়, তা কখন সমাপ্ত হয়?
  1. জরিমানা পরিশোধ করা হলে
  2. আইনগত প্রক্রিয়ায় জরিমানা আদায় করা হলে
  3. ক বা খ
  4. জরিমানা আদায়ের সময়সীমা শেষ হলে
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৬৮ ধারা- অর্থদণ্ড আদায়ে কারামুক্তি:
জরিমানা প্রদানে ব্যর্থতার কারণে যে কারাদণ্ড আরোপ করা হয়, তা সমাপ্ত হবে যখনই সেই জরিমানা পরিশোধ করা হয় অথবা আইনগত প্রক্রিয়ায় আদায় করা হয়।

Section 68- Imprisonment to terminate on payment of fine:
The imprisonment which is imposed in default of payment of a fine shall terminate whenever that fine is either paid or levied by process of law.
১,৬৫৫.
'ক' একজন সৈনিক। সে তার উর্ধ্বতন অফিসারের নির্দেশক্রমে আইনের বিধানমতে কোন জনতার উপর গুলিবর্ষণ করে। 'ক'- এর গুলিবর্ষণের কাজ-
  1. ৭৬ ধারায় অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে
  2. ৭৬ ধারায় অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে না
  3. ৭৭ ধারায় অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে
  4. ৭৭ ধারায় অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে না
সঠিক উত্তর:
৭৬ ধারায় অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭৬ ধারায় অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে না
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৭৬ ধারার বিধান- আইনবলে বাধ্য বা ভুল ধারণাবশত নিজেকে আইনবলে বাধ্য বলিয়া বিশ্বাসকারী ব্যক্তি বিশেষে কর্তৃক সম্পাদিত কার্য:
যে ব্যক্তি কোন কাজ করতে আইনত বাধ্য বলে কোন কাজ সম্পাদন করলে, অথবা আইনের কাজটি ভুল না করে ঘটনা সম্পর্কে ভুলবশতঃ কাজটি করতে আইনত বাধ্য বলে সরল মনে বিশ্বাস করে সে ব্যক্তি কোন কাজ সম্পাদন করলে তা অপরাধ হবে না।

উদাহরণসমূহ:
ক) ক একজন সৈনিক। সে তার উর্ধ্বতন অফিসারের নির্দেশক্রমে আইনের বিধানমতে কোন জনতার উপর গুলিবর্ষণ করে। ক-এর গুলিবর্ষণ কাজ অপরাধ হবে না।

খ) বিচারালয়ের জনৈক কর্মকর্তা 'ক' উক্ত বিচারালয় কর্তৃক ম-কে গ্রেফতার করার জন্য আদিষ্ট হয়ে এবং যথাযথ তদন্তের পর; 'খ'- কে 'ম' মনে করে 'খ'-কে গ্রেফতার করেন। 'ক' কোন অপরাধ সংঘটন করেন নাই।
১,৬৫৬.
‘B’ একজন মহিলার ওপর ইচ্ছাকৃতভাবে বলপ্রয়োগ করে, জেনে যে এটি তার লজ্জার হানি করতে পারে। দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর কোন ধারা অনুসারে ‘B’ অপরাধী হবে?
  1. ধারা ৩৫২
  2. ধারা ৩৫৪
  3. ধারা ৩৫৫
  4. ধারা ৩৫৬
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৫৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৫৪
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩৫৪ অনুসারে, কোনো মহিলার উপর আক্রমণ বা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ করে তার লজ্জার হানি করার উদ্দেশ্যে কাজ করলে শাস্তি ২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, জরিমানা, বা উভয়ই। ‘B’-এর কাজ এই ধারার অধীনে অপরাধ।
⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩৫৪ মতে- 
যদি কোন ব্যক্তি কোন নারীর শালীনতা নষ্ট করার অভিপ্রায়ে বা সে তৎকর্তৃক তার শালীনতা নষ্ট করতে পারে জেনে তাকে আক্রশ করে বা তৎপ্রতি অপরাধজনক বলপ্রয়োগ করে, তাহলে সে ব্যক্তি যেকোন বর্ণনার কারাদণ্ডে—যার মেয়াদ দুই বছর পর্যন্ত হতে পারে বা অর্থদণ্ডে বা উভয়বিধ দণ্ডে দণ্ডিত হবে।
---------
⇒ The Penal Code, 1860- Section- 354- Assault or criminal force to woman with intent to outage her modesty:
Whoever assaults or uses criminal force to any woman, intending to outrage or knowing it to be likely that he will thereby outrage her modesty, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.

১,৬৫৭.
মারাত্মক অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে বেআইনি সমাবেশ করলে সর্বোচ্চ কারাদণ্ড-
  1. ২ বছর
  2. ৩ বছর
  3. ৫ বছর
  4. ৭ বছর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
ব্যাখ্যা
• ১৪৪ ধারা মতে মারাত্মক অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে বেআইনি সমাবেশের শাস্তি হিসেবে অনধিক ২ বছর কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দন্ডের বিধান রয়েছে।
১,৬৫৮.
যদি মিথ্যা অভিযোগটি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধ সম্পর্কে হয়, তবে সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  2. ৭ বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
  3. ৫ বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
  4. ৩ বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
সঠিক উত্তর:
৭ বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ২১১ ধারা বিধান- ক্ষতিসাধনের উদ্দেশ্যে অপরাধ বিষয়ক মিথ্যা অভিযোগ উত্থাপন:
কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তিকে ক্ষতিসাধনের জন্য উক্ত অন্য ব্যক্তির বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা রুজু করার বা অপরাধ সংঘটনের অভিযোগ উত্থাপন করার কোন সংগত বা আইনানুগ যুক্তি নাই বলে জানা সত্ত্বেও উক্ত অন্য ব্যক্তির বিরুদ্ধে কোন ফৌজদারি মামলা রুজু করে বা অনুরূপ মামলা রুজু করায়, কিংবা উক্ত অন্য ব্যক্তির কোন অপরাধ করেছে বলে মিথ্যা অভিযোগ উত্থাপন করে, তবে সে ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা উভয় দণ্ডেই দণ্ডিত হবে;

এবং যদি অনুরূপ ফৌজদারি মামলায়, মৃত্যুদণ্ডে, যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে, কিংবা সাত বৎসর বা তদূর্ধ্ব মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় কোন অপরাধ সংঘটনের মিথ্যা অভিযোগ রুজু করা হয়, তবে সে ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং এতদ্‌ব্যতীত তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে।

১,৬৫৯.
কোনটি দস্যুতা বলিয়া গণ্য হইবে?
  1. চুরির উগ্রতা
  2. বলপূর্বক গ্রহণের উগ্রতা
  3. অপরাধ জনক বিশ্বাস ভঙ্গ
  4. 'ক' অথবা 'খ' যে কোন একটি
সঠিক উত্তর:
'ক' অথবা 'খ' যে কোন একটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'ক' অথবা 'খ' যে কোন একটি
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৯০ ধারার বিধান দস্যুতা:- প্রত্যেক দস্যুতায় হয় চুরি, না হয় বলপূর্বক সম্পত্তি আদায়ের অপরাধ সংঘটিত হয়।

যেক্ষেত্রে চুরি দস্যুতা বলে পরিগণিত হবে:- চুরি করার উদ্দেশ্যে, অথবা চুরি করতে, কিংবা চুরিতে লব্ধ সম্পত্তি বহন বা বহনের উদ্যোগ কালে, অপরাধকারী তদুদ্দেশ্যে ইচ্ছাপূর্বক কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটায় বা তাকে আঘাতদান করে তাকে অন্যায় ভাবে আটক করে বা করার উদ্যোগ করে, বা তাকে তাৎক্ষণিক মৃত্যু বা তাৎক্ষণিক আঘাত বা তাৎক্ষণিক অবৈধ আটকের ভীতি প্রদর্শন করে বা করার উদ্যোগ করে, তা হলে উক্ত চুরি হচ্ছে 'দস্যুতা'।

বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় যেক্ষেত্রে দস্যুতা বলে পরিগণিত হবে:- বলপূর্বক সম্পত্তি আদায়ের সময় অপরাধী- যে ব্যক্তিকে ভয়ে বিহ্বল করা হয়েছে, সে ব্যক্তির বা অন্য কোন ব্যক্তিকে আশু মৃত্যুর, আশু আঘাতের বা আশু অন্যায় নিয়ন্ত্রণের ভয়ে অভিভূত করে বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় করলে, এবং এইভাবে যে ব্যক্তিকে ভয়ে অভিভূত করা হয়েছে, সে ব্যক্তিকে তখন বলপূর্বক আদায়কৃত বস্তুটি অর্পণে বাধ্য করলে, বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় 'দস্যুতা' বলে পরিগণিত হবে।
ব্যাখ্যা:- অপরাধী অন্য ব্যক্তিকে আশু মৃত্যুর, আঘাতের বা আশু অন্যায় নিয়ন্ত্রণের ভয়ে অভিভূত করার পক্ষে যথেষ্ট নিকটে থাকলে সে হাজির বলে পরিগণিত হবে।

---------
⇒  Section 390- Robbery:  In all robbery there is either theft or extortion.
⇒ When theft is robbery
Theft is "robbery" if, in order to the committing of the theft, or in committing the theft, or in carrying away or attempting to carry away property obtained by the theft, the offender, for that end, voluntarily causes or attempts to cause to any person death or hurt or wrongful restraint, or fear of instant death or of instant hurt, or of instant wrongful restraint.
⇒  When extortion is robbery
Extortion is “robbery” if the offender, at the time of committing the extortion, is in the presence of the person put in fear, and commits the extortion by putting that person in fear of instant death, instant hurt, or of instant wrongful restraint to that person, or to some other person, and, by so putting in fear, induces the person so put in fear then and there to deliver up the thing extorted.

⇒ Explanation.-The offender is said to be present if he is sufficiently near to put the other person in fear of instant death, of instant hurt, or of instant wrongful restraint.
১,৬৬০.
'ক' নিজেকে 'খ' দাবি করে 'খ'-এর ব্যাংক একাউন্ট থেকে ১০,০০০ টাকা উত্তোলন করে। 'ক'-এর অপরাধ পেনাল কোডের কোন ধারায় শাস্তিযোগ্য?
  1. ৪১৫ ধারায়
  2. ৪১৬ ধারায়
  3. ৪১৭ ধারায়
  4. ৪১৯ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৪১৯ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪১৯ ধারায়
ব্যাখ্যা
• পেনাল কোডের ৪১৬ ধারায় অপরের রূপ ধারন পূর্বক প্রতারণা বা ছদ্মবেশী প্রতারণার (cheating by personation) সংজ্ঞা রয়েছে। প্রতারণার উদ্দেশ্যে অন্যের পরিচয়ে নিজেকে উপস্থিত করলে তাকে ছদ্মবেশী প্রতারণা বা Cheating by personation বলে।

৪১৯ ধারায় cheating by personation এর শাস্তি বর্ণিত আছে, যা অনধিক ৩ বৎসর কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড। পেনাল কোডের ৪১৯ ধারায় শাস্তি বর্ণিত আছে তাই ৪১৯ ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
১,৬৬১.
'ক' যদি 'খ' কে আংশিকভাবে খাবার না দিয়ে এবং আংশিকভাবে তাকে মারধর করে হত্যা করে, তাহলে 'ক'-
  1. খুনের দায়ে অপরাধী হবে
  2. নৈতিক অপরাধে দায়ী হবে শুধু
  3. খুনের দায়ে অপরাধী হবে না
  4. শুধুমাত্র মারধরের অপরাধে দায়ী হবে
সঠিক উত্তর:
খুনের দায়ে অপরাধী হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খুনের দায়ে অপরাধী হবে
ব্যাখ্যা
ধারা ৩৬: আংশিক কার্যানুষ্ঠান দ্বারা এবং আংশিক কার্য বিরতির দ্বারা সৃষ্ট ফল:
যখন কার্যানুষ্ঠান বা কার্য বিরতির দ্বারা কোন বিশেষ ফলাফল ঘটানোর বা উক্ত ফলাফল ঘটানোর কোন উদ্যোগ অপরাধ বলে গণ্য হয়, সেক্ষেত্রে আংশিকভাবে কোন কার্য এবং আংশিকভাবে কোন কার্যানুষ্ঠান বিরতির সাহায্যে উক্ত ফলাফল ঘটানো একই অপরাধ বলে বিবেচনা করতে হবে।

উদাহরণ: 
 'ক' যদি 'খ' কে আংশিকভাবে খাবার না দিয়ে এবং আংশিকভাবে তাকে মারধর করে হত্যা করে, তাহলে 'ক' খুনের দায়ে অপরাধী হবে।

সহজ ভাষায়, 
যদি কোনো ব্যক্তি আংশিকভাবে কোনো কাজ করে অথবা আংশিকভাবে কোনো কাজ না করে, আর এর ফলে কোনো অপরাধমূলক ঘটনা ঘটে, তাহলে এটি অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। অর্থাৎ, আংশিকভাবে কাজ করা বা না করার মাধ্যমে যদি অপরাধ সংঘটিত হয়, তবে সেই ব্যক্তিকে ওই অপরাধের জন্য দায়ী করা হবে।
১,৬৬২.
‘C’ একটি জাল মুদ্রা-নোট তৈরি করে এবং তা বাজারে সত্য বলে বিক্রি করে। দণ্ডবিধির কোন ধারা অনুসারে 'C'-এর অপরাধটি শাস্তিযোগ্য?
  1. ধারা ৪৮৯ক
  2. ধারা ৪৮৯খ
  3. ধারা ৪৮৯গ
  4. ধারা ৪৮৯ঘ
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪৮৯ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪৮৯ক
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৪৮৯ক (Section 489A) অনুসারে, যে কেউ মুদ্রা-নোট বা ব্যাংক-নোট জাল করে বা জালিয়াতির প্রক্রিয়ায় অংশ নেয়, তার শাস্তি হলো যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা ১০ বছর পর্যন্ত যেকোনো প্রকারের কারাদণ্ড এবং জরিমানা।
- এখানে, ‘C’ একটি জাল মুদ্রা-নোট তৈরি করেছে এবং তা বাজারে সত্য বলে বিক্রি করেছে, যা ধারা ৪৮৯ক-এর অধীনে মুদ্রা-নোটের জালিয়াতি হিসেবে গণ্য।

অন্যান্য অপশন বিশ্লেষণ:
খ) ধারা ৪৮৯খ (Section 489B): এটি জাল বা নকল মুদ্রা-নোট বা ব্যাংক-নোট সত্য বলে বিক্রি, ক্রয়, গ্রহণ, বা ব্যবহারের জন্য প্রযোজ্য। এখানে ‘C’ নিজে জাল নোট তৈরি করেছে, তাই ধারা ৪৮৯ক প্রাধান্য পায়।
গ) ধারা ৪৮৯গ (Section 489C): এটি জাল মুদ্রা-নোট বা ব্যাংক-নোট জেনেশুনে দখলে রাখা এবং সত্য বলে ব্যবহারের উদ্দেশ্যে রাখার জন্য প্রযোজ্য, কিন্তু তৈরির জন্য নয়।
ঘ) ধারা ৪৮৯ঘ (Section 489D): এটি জাল মুদ্রা-নোট বা ব্যাংক-নোট তৈরির জন্য যন্ত্র বা উপকরণ তৈরি, ক্রয়-বিক্রয়, বা দখলে রাখার জন্য প্রযোজ্য।
অর্থাৎ ‘C’-এর কাজ, অর্থাৎ জাল মুদ্রা-নোট তৈরি এবং তা বাজারে সত্য বলে বিক্রি, ধারা ৪৮৯ক-এর অধীনে শাস্তিযোগ্য। সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো ক) ধারা ৪৮৯ক।

⇒ The Penal Code, 1860-Section-489A. Counterfeiting currency-notes or bank-notes:
Whoever counterfeits, or knowingly performs any part of the process of counterfeiting, any currency-note or bank-note, shall be punished with imprisonment for life, or with imprisonment of either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine.
Explanation. For the purposes of this section and of sections 489B, 489C and 489D, the expression "bank-note" means a promissory note or engagement for the payment of money to bearer on demand issued by any person carrying on the business of banking in any part of the world, or issued by or under the authority of any State or Sovereign Power, and intended to be used as equivalent to, or a substitute for, money.

১,৬৬৩.
কোনো ব্যক্তি মিথ্যা এজাহার দায়ের করলে তার শান্তির বিধান দণ্ডবিধির কোন ধারায় উল্লেখ আছে?
  1. ২২০ ধারা
  2. ২১১ ধারা
  3. ৩০৫ ধারা
  4. ৪১২ ধারা
সঠিক উত্তর:
২১১ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২১১ ধারা
ব্যাখ্যা
♦দণ্ডবিধির ২১১ ধারার বিধান ক্ষতি করিবার উদ্দেশ্যে অপরাধের মিথ্যা অভিযোগঃ
কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তিকে ক্ষতিসাধনের জন্য উক্ত অন্য ব্যক্তির বিরুদ্ধে ফৌজদারী মামলা রুজু করার বা অপরাধ সংঘটনের অভিযোগ উত্থাপন করার কোন সংগত বা আইনানুগ যুক্তি নাই বলে জানা সত্ত্বেও উক্ত অন্য ব্যক্তির বিরুদ্ধে কোন ফৌজদারী মামলা রুজু করে বা অনুরূপ মামলা রুজু করায়, কিংবা উক্ত অন্য ব্যক্তির কোন অপরাধ করেছে বলে মিথ্যা অভিযোগ উত্থাপন করে, তবে সে ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা উভয় দণ্ডেই দণ্ডিত হবে, এবং যদি অনুরূপ ফৌজদারি মামলায়, মৃত্যুদণ্ডে, যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে, কিংবা সাত বৎসর বা তদূর্ধ্ব মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় কোন অপরাধ সংঘটনের মিথ্যা অভিযোগ রুজু করা হয়, তবে সে ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং এতদ্ব্যতীত তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে।
১,৬৬৪.
দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৪৯১ অনুযায়ী, যদি কেউ আইনানুগ চুক্তির দ্বারা কোনো অসহায় ব্যক্তির দেখাশোনা বা চাহিদা পূরণে বাধ্য থাকেন এবং তা ইচ্ছাকৃতভাবে না করেন, তবে সর্বোচ্চ কী শাস্তি হতে পারে?
  1. ১ মাস কারাদণ্ড বা ১০০ টাকা জরিমানা বা উভয়দণ্ড
  2. ২ মাস কারাদণ্ড বা ২০০ টাকা জরিমানা বা উভয়দণ্ড
  3. ৩ মাস কারাদণ্ড বা ২০০ টাকা জরিমানা বা উভয়দণ্ড
  4. ৬ মাস কারাদণ্ড বা ৫০০ টাকা জরিমানা বা উভয়দণ্ড
সঠিক উত্তর:
৩ মাস কারাদণ্ড বা ২০০ টাকা জরিমানা বা উভয়দণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ মাস কারাদণ্ড বা ২০০ টাকা জরিমানা বা উভয়দণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৪৯১ অনুসারে, যদি কোনো ব্যক্তি আইনানুগ চুক্তির দ্বারা কোনো অসহায় ব্যক্তির (যেমন শিশু, বৃদ্ধ, বা অক্ষম ব্যক্তি) দেখাশোনা, রক্ষণাবেক্ষণ, বা চাহিদা পূরণে বাধ্য থাকেন এবং ইচ্ছাকৃতভাবে তা না করেন, তবে তিনি অপরাধী হিসেবে গণ্য হবেন। এই অপরাধের শাস্তি হলো ৩ মাস পর্যন্ত যেকোনো প্রকারের কারাদণ্ড, ২০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা, বা উভয়ই।

অর্থাৎ ধারা ৪৯১ অনুসারে, আইনানুগ চুক্তির দ্বারা অসহায় ব্যক্তির দেখাশোনা বা চাহিদা পূরণে ইচ্ছাকৃতভাবে ব্যর্থ হওয়ার সর্বোচ্চ শাস্তি হলো ৩ মাস কারাদণ্ড বা ২০০ টাকা জরিমানা বা উভয়ই। সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো গ) ৩ মাস কারাদণ্ড বা ২০০ টাকা জরিমানা বা উভয়দণ্ড।

⇒The Penal Code, 1860- Section-491. Breach of contract to attend on and supply wants of helpless person:
Whoever, being bound by a lawful contract to attend on or to supply the wants of any person who, by reason of youth, or of unsoundness of mind, or of a disease or bodily weakness, is helpless or incapable of providing for his own safety or of supplying his own wants, voluntarily omits so to do, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three months, or with fine which may extend to two hundred taka, or with both.

১,৬৬৫.
দণ্ডবিধির কত ধারায় খুনের উদ্যোগের (Attempt to murder) এর শাস্তির বিধান আছে?
  1. ২৯৯
  2. ৩০২
  3. ৩০৪
  4. ৩০৭
সঠিক উত্তর:
৩০৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০৭
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩০৭ ধারার বিধান খুনের উদ্যোগ:- কোন ব্যক্তি যদি এমন উদ্দেশ্য নিয়ে বা এমন আশঙ্কা জানা সত্ত্বেও এমন অবস্থায় এমন কোন কার্য করে, যার ফলে মৃত্যু ঘটলে সে খুনের দায়ে অপরাধী সাব্যস্ত হবে, তবে উক্ত ব্যক্তি দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে, এবং
যদি অনুরূপ কাজের কর্তৃক কোন ব্যক্তিকে আঘাত করা হয়, তবে অপরাধী যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা ইতোপূর্বে যে সাজার উলেখ করা হয়েছে, সে দণ্ডে দণ্ডিত হবে।
⇒ যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত ব্যক্তির উদ্যোগ:- যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত কোন ব্যক্তি যদি এই ধারায় উল্লেখিত অপরাধ করে এবং তার ফলে কেউ আহত হয়, তবে উক্ত ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করা যেতে পারে।
উদাহরণ:
(অ) ক চ-কে হত্যা করার উদ্দেশ্যে এমন অবস্থায় গুলি করে, যে অবস্থায় মৃত্যু অনুষ্ঠিত হলে ক খুনের দায়ে অপরাধী সাব্যস্ত হবে। ক এই ধারা বলে দণ্ডিত হবে।
(আ) ক একটি অতি অল্প বয়স্ক শিশুকে হত্যা করার উদ্দেশ্যে উহাকে মরুভূমিতে রেখে আসে। ইহার ফলে শিশুটির মৃত্যু না হলেও ‘ক’ এই ধারায় বর্ণিত অপরাধ করেছে।
(ই) ক, চ কে খুন করার উদ্দেশ্যে একটি বন্দুক ক্রয় করে উহা গুলি ভর্তি করে। এতদূর পর্যন্ত ক অপরাধ করেছে বলে বিবেচনা করা হবে না। ক চ-এর প্রতি গুলি বর্ষণ করে। এইক্ষেত্রে সে এই ধারায় উল্লেখিত অপরাধ করেছে, এবং এই গুলি বর্ষণের দরুণ যদি সে চ-কে আহত করে থাকে, তবে সে এই ধারার প্রথম অনুচ্ছেদের শেষাংশে নিদিষ্ট দণ্ডে দণ্ডিত হবে।
(ঈ) ক চ-কে বিষ প্রয়োগ করে খুন করার উদ্দেশ্যে বিষ ক্রয় করে এবং খাদ্যে বিষ মিশ্রিত করে; বিষ মিশ্রিত খাদ্য দ্রব্যটি ক-এর নিকটই রয়েছে। এতদূর পর্যন্ত ক এই ধারায় বর্ণিত অপরাধ করেছে বলে বিবেচনা করা হবে না। ক বিষ মিশ্রিত খাদ্য দ্রবটি চএর খাবার টেবিলে রাখে অথবা উহা চ-এর খাবার টেবিলে রাখার জন্য চ-এর চাকরকে প্রদান করে । ক এই ধারায় বর্ণিত অপরাধ করেছে।
--------
⇒Section 307: Attempt to murder, Attempts by life-convicts:
 Whoever does any act with such intention or knowledge, and under such circumstances that, if he by that act caused death, he would be guilty of murder, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine; and, if hurt is caused to any person by such act, the offender shall be liable either to imprisonment for life, or to such punishment as is hereinbefore mentioned.
⇒ When any person offending under this section is under sentence of imprisonment for life, he may, if hurt is caused, be punished with death.
Illustration 
(a) A shoots at Z with intention to kill him, under such circumstances that, if death ensued, A would be guilty of murder. A is liable to punishment under this section. 
(b) A with the intention of causing the death of a child of tender years exposes it in a desert place. A has committed the offence defined by this section, though the death of the child does not ensue. 
(c) A, intending to murder Z, buys a gun and loads it. A has not yet committed the offence. A fires the gun at Z. He has committed the offence defined in this section, and, if by such firing he wounds, he is liable to the punishment provided by the latter part of the first paragraph of this section. 
(d) A, intending to murder Z, by poison, purchases poison and mixes the same with food which remains in A's keeping; A has not yet committed the offence in this section. A places the food on Z's table or delivers it to Z's servants to place it on Z's table. A has committed the offence defined in this section.
১,৬৬৬.
একজন ব্যক্তি একটি চুরির পরিকল্পনায় সহায়তা করে এবং চুরির সময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত থাকে। দণ্ডবিধির ১১৪ ধারার অধীনে তার শাস্তি কী হবে?
  1. কেবল সহযোগী হিসেবে শাস্তি হবে
  2. তার শাস্তি অপরাধের তুলনায় কম হবে
  3. তাকে মূল অপরাধী হিসেবে গণ্য করা হবে
  4. সে কোনো শাস্তি পাবে না
সঠিক উত্তর:
তাকে মূল অপরাধী হিসেবে গণ্য করা হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তাকে মূল অপরাধী হিসেবে গণ্য করা হবে
ব্যাখ্যা
ধারা ১১৪: অপরাধ সংঘটনের সময় উপস্থিত প্ররোচনাকারী:
যখন কোনো ব্যক্তি, যে অনুপস্থিত থাকলে প্ররোচনাকারী হিসেবে শাস্তি পাওয়ার যোগ্য হতো, সেই ব্যক্তি যদি সেই কাজ বা অপরাধ সংঘটনের সময় উপস্থিত থাকে, যার জন্য সে প্ররোচনার কারণে শাস্তিযোগ্য হতো, তখন তাকে সেই কাজ বা অপরাধ সংঘটিত করেছে বলে গণ্য করা হবে

Section 114- Abettor present when offence is committed:
Whenever any person, who if absent would be liable to be punished as an abettor, is present when the act or offence for which he would be punishable in consequence of the abetment is committed,he shall be deemed to have committed such act or offence.
১,৬৬৭.
আইনানুগ অভিভাবকের নিকট থেকে কত বছরের নাবালক বা নাবালিকার অপহরণ করলে আইনানুগ অভিভাবকত্ব থেকে মনুষ্য হরণ হবে?
  1. ১৪ ও ১৮ বছর
  2. ১৪ ও ১৬ বছর
  3. ১২ ও ১৬ বছর
  4. ১৬ ও ১৮ বছর
সঠিক উত্তর:
১৪ ও ১৬ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪ ও ১৬ বছর
ব্যাখ্যা
♦দণ্ডবিধির ৩৬১ ধারার বিধান আইনানুগ অভিভাবকত্ব হইতে মনুষ্যহরণঃ
কোন ব্যক্তি যদি চৌদ্দ বৎসরের কম বয়সী কোন নাবালককে অথবা ষোল বৎসরের কম বয়সী কোন নাবালিকাকে অথবা বিকৃত মস্তিষ্ক কোন ব্যক্তিকে তার অভিভাবকের সম্মতি ছাড়াই অভিভাবকের রক্ষণাবেক্ষণ হতে নিয়ে যায়, তবে সে ব্যক্তি উক্ত অপ্রাপ্তবয়স্ক বালক বা বালিকাকে অথবা অনুরূপ বিকৃতমস্তিষ্ক ব্যক্তিকে আইনসম্মত অভিভাবকত্ব হতে অপহরণ করেছে বলে পরিগণিত হয়।

ব্যাখ্যা (Explanation):-
এই ধারায় আইনসম্মত অভিভাবক বলতে অনুরূপ অপ্রাপ্ত বয়স্ক বা অপর ব্যক্তির রক্ষণাবেক্ষণের জন্য আইনতঃ ভারপ্রাপ্ত যেকোন ব্যক্তিকেও বুঝাবে।
ব্যতিক্রম (Exception):-
যে ব্যক্তি সরল বিশ্বাসে নিজেকে কোন অবৈধ সন্তানের পিতা বলে বিশ্বাস করে অথবা যে ব্যক্তি নিজেকে অনুরূপ শিশুর আইনসম্মত রক্ষণাবেক্ষণের ক্ষমতাপ্রাপ্ত বলে সরলমনে বিশ্বাস করে, সে ব্যক্তি কোন অবৈধ বা বেআইনী উদ্দেশ্যে অনুরূপ কাজ না করলে তার ক্ষেত্রে এই ধারা প্রয়োগযোগ্য হবে না।
১,৬৬৮.
দণ্ডবিধির কোন ধারায় মানহানির শাস্তি বর্ণিত হয়েছে?
  1. ধারা ৪৯৯
  2. ধারা ৫০০
  3. ধারা ৫০১
  4. ধারা ৫০২
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫০০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫০০
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ৪৯৯ ধারা অনুযায়ী যখন কোন ব্যক্তি সম্পর্কিত কোন কুৎসা রটনা করা হয় যা উক্ত ব্যক্তির সুনাম নষ্ট করে (harm reputation) তাকে মানহানি বা Defamation বলে। অর্থাৎ কুৎসাজনক কথা বা চিহ্ন দ্বারা বা দৃশ্যমান কল্পমূর্তি প্রকাশের মাধ্যমে মানহানি করা হয়।

-দণ্ডবিধির ৫০০ ধারার অধীন মানহানির [defamation] শাস্তি হল ২ বছর পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড।
অর্থাৎ দণ্ডবিধি, ১৮৬০ এর ধারা ৫০০-এ মানহানির (Defamation) শাস্তি বর্ণিত হয়েছে।
-------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section- 500: Punishment for defamation: 
 -Whoever defames another shall be punished with simple imprisonment for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.

১,৬৬৯.
সরকারী কর্মকর্তা বেআইনীভাবে সম্পত্তি কিনলে বা সম্পত্তির জন্যে নিলাম ডাকলে তার শাস্তির বিধান দণ্ডবিধির কত ধারায় বর্ণিত আছে?
  1. দণ্ডবিধির ১৬৭ ধারায়
  2. দণ্ডবিধির ১৬৮ ধারায়
  3. দণ্ডবিধির ১৬৯ ধারায়
  4. দণ্ডবিধির ১৭০ধারায়
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধির ১৬৯ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধির ১৬৯ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ১৬৯ ধারার বিধান সরকারী কর্মচারী কর্তৃক বেআইনীভাবে সম্পত্তি ক্রয় বা ক্রয়ের উদ্দেশ্যে দরকষাকষি:- যদি কোন সরকারী কর্মচারী হিসেবে কোন বিশেষ সম্পত্তি ক্রয় বা ক্রয়ের জন্য দরকষাকষি না করতে আইনতঃ বাধ্য থাকা সত্ত্বেও নিজের নামে অথবা অন্য কারো নামে অথবা যুক্তভাবে অথবা অন্যান্যের সাথে অংশ নিয়ে উক্ত সম্পত্তি ক্রয় করেন বা ক্রয় করার জন্য দরকষাকষি করেন, তবে তিনি দুই বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবেন; এবং সম্পত্তিটি ক্রয় করা হয়ে থাকলে তা বাজেয়াপ্ত হবে।

---------------------------
Section 169. Public servant unlawfully buying or bidding for property:- Whoever, being a public servant and being legally bound as such public servant, not to purchase or bid for certain property, purchases or bids for that property, either in his own name or in the name of another, or jointly, or in shares with others, shall be punished with simple imprisonment for a term which may extend to two years, or with fine, or with both; and the property, if purchased, shall be confiscated.
১,৬৭০.
The punishment under Section 197 is equivalent to punishment for-
  1. Cheating
  2. Criminal breach of trust
  3. Giving false evidence
  4. Fabricating documents
সঠিক উত্তর:
Giving false evidence
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Giving false evidence
ব্যাখ্যা

⇒ The Penal Code, 1860, Section 197: Issuing or signing false certificate:
-Whoever issues or signs any certificate required by law to be given or signed, or relating to any fact of which such certificate is by law admissible in evidence, knowing or believing that such certificate is false in any material point, shall be punished in the same manner as if he gave false evidence.

⇒ দণ্ডবিধির ১৯৭ ধারার বিধান- মিথ্যা সার্টিফিকেট ইস্যু করা কিংবা উহাতে স্বাক্ষর করা:
-কোন ব্যক্তি যদি আইনের নির্দেশানুসারে কোন সার্টিফিকেট ইস্যু করে কিংবা উহাতে স্বাক্ষর করে কিংবা যে বিষয়ে আইনানুসারে কোন সার্টিফিকেট সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য, সে বিষয়ে অনুরূপ সার্টিফিকেট দান বা স্বাক্ষর করে এবং সার্টিফিকেটটি কোন বাস্তব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের দিক হতে মিথ্যা বলে জানা সত্ত্বেও বা অনুরূপভাবে মিথ্যা বলে বিশ্বাস করা সত্ত্বেও অনুরূপভাবে উহা দান বা স্বাক্ষর করে থাকে, তবে সে ব্যক্তি স্বয়ং মিথ্যা সাক্ষ্যদান করলে যেভাবে দণ্ডিত হত, এক্ষেত্রেও সে সেভাবে দণ্ডিত হবে।

১,৬৭১.
‘A’ অবৈধভাবে ‘Z’-এর ক্ষতি করার ইচ্ছায় তার মালিকানাধীন একটি মূল্যবান জামানত পুড়িয়ে ফেলার মাধ্যমে দণ্ডবিধির অনুযায়ী কী অপরাধ করেছে?
  1. অনিষ্টসাধন
  2. বিশ্বাসভঙ্গ
  3. জালিয়াতি
  4. অবৈধভাবে ক্ষতি করার
সঠিক উত্তর:
অনিষ্টসাধন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনিষ্টসাধন
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪২৫ ধারার বিধান ক্ষতি বা অনিষ্ট:- কোন ব্যক্তি যদি জনসাধারণের বা কোন ব্যক্তির অন্যায় ক্ষতি বা অনিষ্ট করার উদ্দেশ্যে, অথবা সে জনসাধারণের বা কোন ব্যক্তির অন্যায় ক্ষতি বা অনিষ্ট করতে পারে বলে জানা সত্ত্বেও কোন সম্পত্তি ধ্বংস বা বিনষ্ট করে, অথবা কোন সম্পত্তিতে বা উহার অবস্থানে এমন কোন পরিবর্তন সাধন করে, যার ফলে উহার মূল্য বা আবশ্যকীয়তা বিনষ্ট হয় বা হ্রাস প্রাপ্ত হয়, বা উহা ক্ষতিগ্রস্ত হয়, তবে উক্ত ব্যক্তি 'ক্ষতি' সাধন করেছে বলে গণ্য হবে।

ব্যাখ্যা ১:- ক্ষতি অনুষ্ঠিত হওয়ার জন্য অপরাধীর ক্ষতিগ্রস্ত কিংবা বিনষ্ট সম্পত্তির মালিকের ক্ষতি বা লোকসান করার ইচ্ছা থাকা প্রয়োজন নয়। কোন সম্পত্তির ক্ষতিসাধন করে কোন ব্যক্তির অন্যায় ক্ষতি বা ব্যক্তিসানের উদ্দেশ্য থাকলে অথবা সম্পত্তির অনুরূপ ক্ষতিসাধন কর্তৃক কোন ব্যক্তির অন্যায় ক্ষতি বা ব্যক্তিসানের আশঙ্কা রয়েছে জানা সত্ত্বেও সম্পত্তিটির ক্ষতিসাধন করলে অপরাধটি সংঘটিত হবে, যে সম্পত্তিটির অনুরূপ ক্ষতিসাধন করা হল, সে সম্পত্তিটি অনুরূপে অন্যায়ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির সম্পত্তি হোক আর নাই হোক।

ব্যাখ্যা ২:- যে ব্যক্তি কাজ সংঘটন করল সে ব্যক্তির নিজের বা মিলিতভাবে সে ব্যক্তির ও অন্যান্য ব্যক্তির সম্পত্তি ক্ষতিগ্রস্ত করে অনুষ্ঠিত কাজ কর্তৃক ক্ষতি সাধিত হতে পারে।
---------------------- 
⇒ The Penal Code, 1860- Section 425. Mischief:
 Whoever, with intent to cause, or knowing that he is likely to cause, wrongful loss or damage to the public or to any person, causes the destruction of any property, or any such change in any property or in the situation thereof as destroys or diminishes its value or utility, or affects it injuriously, commits "mischief".

Explanation 1.-It is not essential to the offence of mischief that the offender should intend to cause loss or damage to the owner of the property injured or destroyed. It is sufficient if he intends to cause, or knows that he is likely to cause, wrongful loss or damage to any person by injuring any property, whether it belongs to that person or not.

Explanation 2.-Mischief may be committed by an act affecting property belonging to the person who commits the act, or to that person and others jointly.

Illustrations:
(a) A voluntarily burns a valuable security belonging to Z intending to cause wrongful loss to Z. A has committed mischief.
১,৬৭২.
দণ্ডবিধির ২৬৪ ধারা অনুযায়ী, যদি কেউ জেনে-বুঝে প্রতারণার উদ্দেশ্যে ভুল ওজন যন্ত্র ব্যবহার করে, তবে তার সর্বোচ্চ কী শাস্তি হতে পারে?
  1. ৬ মাসের কারাদণ্ড
  2. ১ বছরের কারাদণ্ড
  3. ২ বছরের কারাদণ্ড
  4. ৩ বছরের কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
১ বছরের কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ২৬৪ ধারা অনুযায়ী, কেউ যদি প্রতারণার উদ্দেশ্যে এমন কোনো ওজন যন্ত্র ব্যবহার করে যা সে জানে মিথ্যা বা ভুল, তবে সে সর্বোচ্চ ১ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, বা জরিমানা, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হতে পারে।
- অর্থাৎ, জেনে-বুঝে প্রতারণামূলকভাবে ভুল যন্ত্র ব্যবহার করা হলে সর্বোচ্চ ১ বছরের সাজা হতে পারে।
----------
⇒ The Penal Code, 1860-Section- 264. Fraudulent use of false instrument for weighing:
- Whoever fraudulently uses any instrument for weighing which he knows to be false, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to one year, or with fine, or with both.

১,৬৭৩.
"Wrongful gain" ও "Wrongful loss" সংক্রান্ত সংজ্ঞা দণ্ডবিধির কোন ধারায় দেওয়া হয়েছে?
  1. ধারা ২২
  2. ধারা ২৩
  3. ধারা ২৪
  4. ধারা ২৫
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৩
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ২৩-এ “Wrongful gain” ও “Wrongful loss”–এর সংজ্ঞা প্রদান করা হয়েছে।
→ Wrongful gain বলতে বোঝায় – এমন কোনো সম্পত্তি অবৈধ উপায়ে অর্জন করা, যার উপর অর্জনকারী ব্যক্তি আইনি অধিকার রাখে না।
→ Wrongful loss হলো – এমন কোনো ব্যক্তি যিনি আইনি অধিকারসহ কোনো সম্পত্তির মালিক, সেই ব্যক্তি যদি অবৈধ উপায়ে উক্ত সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত হন, সেটিই wrongful loss।

→ অবৈধ লাভ [Wrongful Gain]: অবৈধ লাভ অর্থ হলো বেআইনিভাবে এরূপ সম্পত্তি লাভ করা, যে সম্পত্তিতে লাভকারী ব্যক্তির কোন আইনানুগ অধিকার নেই। যেমন 'ক' একটি ঘড়ি চুরি করলো। উক্ত ঘড়িতে চোর, ক-এর কোনো আইনানুগ অধিকার নেই। সুতরাং ক সম্পত্তিটি অবৈধ লাভ করেছে বলে গণ্য হবে।
→ অবৈধ ক্ষতি [Wrongful Loss]: অবৈধ ক্ষতি হলো বেআইনিভাবে এমন সম্পত্তির ক্ষতি, যাতে ক্ষতিগ্রস্ত লোকের আইনানুগ অধিকার আছে। A, B এর একটি ঘড়ি চুরি করলো। এখানে B হলো ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি এবং উক্ত ঘড়িতে B এর আইনানুগ অধিকার ছিল। সুতরাং চুরির ফলে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি, B এর অবৈধ ক্ষতি হলো এবং চোর, A অবৈধ লাভ করলো।

⇒ The Penal Code, 1860, Section-23:
→ “Wrongful gain”
 "Wrongful gain" is gain by unlawful means of property to which the person gaining is not legally entitled.
→ “Wrongful loss”
"Wrongful loss" is the loss by unlawful means of property to which the person losing it is legally entitled.
→ Losing wrongfully.
- A person is said to gain wrongfully when such person retains wrongfully, as well as when such person acquires wrongfully.
- A person is said to loss wrongfully when such person is wrongfully kept out of any property, as well as when such person is wrongfully deprived of property.
১,৬৭৪.
নিম্নের কোন ধরনের আইনের উপর দণ্ডবিধি, ১৮৬০–এর কোনো প্রভাব নেই?
  1.  বিশেষ আইন
  2. স্থানীয় আইন
  3. সামরিক বিদ্রোহ ও পরিত্যাগ সংক্রান্ত আইন 
  4.  উল্লিখিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
 উল্লিখিত সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
 উল্লিখিত সবগুলো
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০–এর ধারা ৫ অনুযায়ী এই আইন কোনো বিশেষ আইন, স্থানীয় আইন কিংবা সামরিক বিদ্রোহ ও পরিত্যাগ সংক্রান্ত আইনকে বাতিল, পরিবর্তন বা স্থগিত করার উদ্দেশ্যে প্রণীত নয়। অর্থাৎ, দণ্ডবিধি, ১৮৬০–এর বিধানগুলো এই তিন ধরনের আইনের উপর কোনো প্রভাব বিস্তার করে না। তাই প্রশ্নে উল্লিখিত অপশন সবগুলোই সঠিক এবং উত্তর হবে “উল্লিখিত সবগুলো”।
⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ৫ অনুসারে, এই আইন কোনো বিশেষ আইন, স্থানীয় আইন বা সামরিক বিদ্রোহ ও পরিত্যাগ সংক্রান্ত আইনের বিধানকে বাতিল, পরিবর্তন, স্থগিত বা প্রভাবিত করার উদ্দেশ্য রাখে না। 
------
⇒ The Penal Code, 1860- Section: 5. Certain laws not to be affected by this Act:
- Nothing in this Act is intended to repeal, vary, suspend, or affect any of the provisions of any Act for punishing mutiny and desertion of officers, soldiers, sailors or airmen in the service of the Republic, or of any special or local law.

১,৬৭৫.
'খ' আগে ৩০২ ধারায় খুনের অভিযোগে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত ছিল। কিন্তু পরে 'খ' আবার খুন করে। এক্ষেত্রে-
  1. 'খ' কে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হবে
  2. 'খ' কে আবার যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হবে
  3. 'খ' কে শুধু অতিরিক্ত অর্থদণ্ড দেওয়া হবে
  4. ক বা খ
সঠিক উত্তর:
'খ' কে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'খ' কে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হবে
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৩০৩ ধারা অনুযায়ী,
যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত কোন ব্যক্তি খুন করলে তার শাস্তি একমাত্র মৃত্যুদণ্ড।

Section 303- Punishment for murder by life-convict:
Whoever, being under sentence of imprisonment for life, commits murder, shall be punished with death.
১,৬৭৬.
দণ্ডবিধির ধারা ৩৮১ অনুযায়ী, কর্মচারী যদি তার মালিকের সম্পত্তি চুরি করে, তবে সর্বোচ্চ শাস্তি কী হতে পারে?
  1. ৩ বছর কারাদণ্ড
  2. ৫ বছর কারাদণ্ড
  3. ৭ বছর কারাদণ্ড
  4. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
৭ বছর কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩৮১ অনুযায়ী কর্মচারীর দ্বারা মালিকের সম্পত্তি চুরির শাস্তি হলো সর্বোচ্চ ৭ বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড।
⇒ দণ্ডবিধির ৩৮১ ধারা অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি কেরানি বা কর্মচারী হিসেবে অথবা কেরানি বা কর্মচারীর দায়িত্বে নিযুক্ত হয়ে তার মালিক বা নিয়োগকর্তার দখলে থাকা যেকোনো সম্পত্তি চুরি করে, তবে তাকে সাত বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড দেওয়া হতে পারে।
⇒ The Penal Code, 1860, Section 381: Theft by clerk or servant of property in possession of master:
- Whoever being a clerk or servant, or being employed in the capacity of a clerk or servant, commits theft in respect of any property in the possession of his master or employer, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine.
১,৬৭৭.
যদি কোন ব্যক্তি কাউকে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে কাজ করতে বাধ্য করে, তাহলে সর্বাধিক কত বছরের কারাদণ্ড হতে পারে?
  1. ছয় মাস
  2. এক বছর
  3. দুই বছর
  4. তিন বছর
সঠিক উত্তর:
এক বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এক বছর
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৭৪ ধারা- বেআইনী শ্রমে বাধ্য করা:
(১) কোন ব্যক্তি যদি কাউকে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে শ্রম দান করতে বাধ্য করে, তবে সে ব্যক্তি এক বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

(২) কোন ব্যক্তি যদি কোন যুদ্ধবন্দী বা অপর কোন আশ্রিত ব্যক্তিকে বাংলাদেশ সশ্রম বাহিনীতে কার্য করতে বাধ্য করে, তবে সে ব্যক্তি এক বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে।

ব্যাখ্যা:- এই “যুদ্ধবন্দী" এবং "আশ্রিত ব্যক্তি" অভিব্যক্তিসমূহ যথাক্রমে ১৯৪৯ সনের ১২ই আগষ্ট তারিখের যুদ্ধবন্দীর ব্যবস্থাপনা সম্পর্কিত জেনেভা সম্মেলনের-৪ দফা এবং ১৯৪৯ সনের ১২ই আগষ্ট তারিখের যুদ্ধকালে বেসামরিক ব্যক্তিবর্গের নিরাপত্তা সম্পর্কিত জেনেভা সম্মেলনের ৪ দফা মোতাবেক তৎসমূহের প্রতি আরোপিত অর্থের অনুরূপ অর্থ দ্যোতক হবে।
১,৬৭৮.
পেনাল কোডে বর্ণিত অপরাধগুলোর মধ্যে সর্বনিম্ন সাজা-
  1. ২৪ ঘন্টার বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা ১০ টাকা জরিমানা
  2. ২৪ ঘন্টার বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা ১০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা বা উভয়ই
  3. ১ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা ১০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা বা উভয়ই 
  4. ১ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা ৫০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা বা উভয়ই
সঠিক উত্তর:
২৪ ঘন্টার বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা ১০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা বা উভয়ই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৪ ঘন্টার বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা ১০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা বা উভয়ই
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৫১০ ধারা অনুযায়ী প্রকাশ্যে মাতাল ব্যক্তির অশুভ আচরণ এর জন্য শাস্তি হতে পারে ২৪ ঘণ্টা পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা ১০ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড। ৫১০ ধারাটিতে দণ্ডবিধির সর্বনিম্ন শাস্তি উল্লেখ আছে।

⇒ দণ্ডবিধির ৫১০ ধারা অনুযায়ী নেশাগ্রস্থ ব্যক্তি দ্বারা প্রকাশ্যে অসদাচরণ:- কোন ব্যক্তি যদি নেশাগ্রস্ত অবস্থায় কোন প্রকাশ্য স্থানে গমন করে, বা যে স্থানে প্রবেশ করা তার পক্ষে অনধিকার প্রবেশ, সে স্থানে প্রবেশ করে এবং সে স্থানে এমন আচরণ করে, যার ফলে কারো বিরক্তি ঘটে, তবে সে ব্যক্তি চব্বিশ ঘন্টা পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে অথবা দশ টাকা পর্যন্ত যেকোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে দণ্ডিত হবে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

----------------------------------------------------------------------- 
⇒ Section 510. Misconduct in public by a drunken person :- Whoever, in a state of intoxication appears in any public place, or in any place which it is a trespass in him to enter, and there conducts himself in such a manner as to cause annoyance to any person, shall be punished with simple imprisonment for a term which may extend to twenty-four hours, or with fine which may extend to ten taka, or with both.
১,৬৭৯.
মিথ্যা তথ্য পরিবেশন (Furnishing false information) সম্পর্কিত দণ্ডবিধির ধারা কত?
  1. দণ্ডবিধির ১৭৮ ধারায়
  2. দণ্ডবিধির ১৭৭ ধারায়
  3. দণ্ডবিধির ১৮১ ধারায়
  4. দণ্ডবিধির ১৭৫ ধারায়
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধির ১৭৭ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধির ১৭৭ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ১৭৭ ধারার বিধান মিথ্যা তথ্য পরিবেশন:- কোন ব্যক্তি যদি কোন সরকারী কর্মচারীর নিকট, তিনি সরকারী কর্মচারী বলেই, কোন বিষয়ে তথ্য দিতে আইনত: বাধ্য হয়ে, সে বিষয়টির উপর সত্য বলে এমন কোন তথ্য পরিবেশন করে যা মিথ্যা বলে সে জানে বা যা মিথ্যা বলে বিশ্বাস করার তার কারণ রয়েছে, তবে সে ব্যক্তি ছয় মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা এক হাজার টাকা পর্যন্ত যে কোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে;

-অথবা উক্ত ব্যক্তি যে তথ্য দিতে আইনত বাধ্য, তা যদি কোন অপরাধের সংঘটন বিষয়ক হয়, বা কোন অপরাধের সংঘটন নিরোধের জন্য আবশ্যকীয় হয়, বা কোন অপরাধীকে গ্রেফতার করার জন্য আবশ্যকীয় হয়, তবে সে ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে। 

------------------
♦ Furnishing false information
Section 177. Whoever, being legally bound to furnish information on any subject to any public servant, as such, furnishes, as true, information on the subject which he knows or has reason to believe to be false, shall be punished with simple imprisonment for a term which may extend to six months, or with fine which may extend to one thousand taka, or with both; 
 
or, if the information which he is legally bound to give respects the commission of an offence, or is required for the purpose of preventing the commission of an offence, or in order to the apprehension of an offender, with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.
১,৬৮০.
'খ' একজন বৃটিশ নাগরিক। সে রংপুরে একটি খুনের অপরাধ সংঘটিত করে। উক্ত খুনের দায়ে "খ" এর বিচার কোন আইন অনুযায়ী হবে?
  1. জাতিসংঘের আইন অনুযায়ী।
  2. বাংলাদেশের দণ্ডবিধি অনুযায়ী।
  3. শুধু ব্রিটেনের আইন অনুযায়ী।
  4. খ এর বিচার বাংলাদেশে হবে না।
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশের দণ্ডবিধি অনুযায়ী।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশের দণ্ডবিধি অনুযায়ী।
ব্যাখ্যা
♦পেনাল কোড অনুযায়ী বাংলাদেশের নাগরিক দেশে-বিদেশে যেখানেই পেনাল কোডের অপরাধ করুক তাঁকে বাংলাদেশে যেখানে পাওয়া যাবে সেখানে বিচার করা যাবে। বিদেশী নাগরিক যদি বাংলাদেশে অবস্থান করে কোনো অপরাধ করলে এবং তা পেনাল কোডে দণ্ডনীয় হলে তার বিচার বাংলাদেশে করা যাবে। কিন্তু বিদেশী কোনো নাগরিক বিদেশে অপরাধ করলে সেটি বাংলাদেশে বিচার্য হবে না।
♦দণ্ডবিধির ২ থেকে ৪ ধারায় দণ্ডবিধির প্রয়োগ নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। যে ক্ষেত্রে দণ্ডবিধি প্রয়াগ হবে-
(i)  বাংলাদেশের সকল নাগরিকের ক্ষেত্রে: দেশে-বিদেশে যেখানেই অপরাধ সংঘটন করুক না কেন।
(ii) বিদেশি নাগরিকের ক্ষেত্রে: যদি সে বাংলাদেশে অথবা বাংলাদেশের নিবন্ধিত কোন জাহাজ বা বিমানে অপরাধ সংঘটন করে।
(iii) বাংলাদেশের নিবন্ধিত কোন জাহাজ বা বিমানে অপরাধ সংগঠন করার ক্ষেত্রে: উক্ত বাংলাদেশি জাহাজ বা বিমান বাংলাদেশ বা বিদেশে যেখানেই অবস্থান করুক না কেন।
১,৬৮১.
ফৌজদারী অপরাধে অভিযুক্ত করার প্রাথমিক শর্তসমূহ কী কী?
  1. অপরাধী মন
  2. দোষাবহ কার্য বা অপরাধজনক কার্য
  3. ক ও খ
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ক ও খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক ও খ
ব্যাখ্যা
• কোন ব্যক্তিকে ফৌজদারী অপরাধে অভিযুক্ত করতে প্রধানত ২টি শর্ত অবশ্যই পূরণ করতে হয়।
(i) অপরাধী মন [Mens Rea] এবং
(ii) দোষাবহ কার্য বা অপরাধজনক কার্য [Actus Rea]
১,৬৮২.
দণ্ডবিধির ৩৭৮ ধারায় ‘সম্মতি’ বলতে কী বোঝায়?
  1. শুধু মৌখিক সম্মতি
  2. শুধু লিখিত সম্মতি
  3. আদালতের সম্মতি
  4. প্রকাশ্য বা পরোক্ষ সম্মতি
সঠিক উত্তর:
প্রকাশ্য বা পরোক্ষ সম্মতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রকাশ্য বা পরোক্ষ সম্মতি
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ৩৭৮ ধারার বিধান- চুরি:
কোন ব্যক্তি যদি কারো দখল হতে তার সম্মতি ব্যতীত কোন অস্থাবর সম্পত্তি অসাধুভাবে গ্রহণ করার উদ্দেশ্য নিয়ে উক্ত সম্পত্তি অনুরূপভাবে গ্রহণের জন্য স্থানান্তর করে, তবে উক্ত ব্যক্তি চুরি করেছে বলে গণ্য হবে।

ব্যাখ্যা ১:- কোন বস্তু যতক্ষণ পর্যন্ত অস্থাবর সম্পত্তি না হওয়া বিধায় মাটির সাথে যুক্ত থাকে, ততক্ষণ পর্যন্ত উহা চুরি করার বস্তু বলে গণ্য হবে না, কিন্তু যে মুহূর্তে উহাকে মাটি হতে বিচ্ছিন্ন করা হয় সে মুহূর্তেই উহা চুরি করার বস্তু হওয়ার যোগ্য গণ্য হবে।

ব্যাখ্যা ২:- যে কাজ কর্তৃক (মাটি হতে) বিচ্ছিন্নতা সাধন করা হয়, সে কাজ দ্বারাই স্থানান্তর করা হলে তা চুরি হতে পারে।

ব্যাখ্যা ৩:- কোন ব্যক্তি কোন বস্তুর গতির প্রতিবন্ধক অপসারণ করলে বা উহাকে অপর কোন বন্ধু হতে বিচ্ছিন্ন করলে এবং বাস্তবিকভাবে উহা স্থানান্তর করলে উক্ত বস্তু স্থানান্তর করে বলে পরিগণিত হবে।

ব্যাখ্যা ৪:- কোন ব্যক্তি যে কোন উপায়ে কোন পশুকে হাঁটায়, সে লোক সে পশুকে এবং অনুরূপভাবে সৃষ্ট গতির ফলে উক্ত পশু দ্বারা স্থানান্তরিত প্রত্যেক বস্তুকে স্থানান্তর করে বলে গণ্য হবে।

ব্যাখ্যা ৫:- সংজ্ঞায় উল্লিখিত সম্মতি প্রকাশ্য অথবা পরোক্ষ হতে পারে: এবং উক্ত সম্মতি দখলকারী ব্যক্তি বা উক্ত উদ্দেশ্য প্রকাশ্য বা পরোক্ষ ক্ষমতাসম্পন্ন ব্যক্তির দ্বারা প্রদত্ত হতে পারে।

১,৬৮৩.
According to Section 94 of The Penal Code, 1860, An act committed under threat is not an offence if the threat creates a reasonable apprehension of:
  1. Instant death
  2. Loss of property
  3. Immediate physical harm
  4. All of above
সঠিক উত্তর:
Instant death
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Instant death
ব্যাখ্যা
Section 94- Act to which a person is compelled by threats:
Except murder, and offences against the State punishable with death, nothing is an offence which is done by a person who is compelled to do it by threats, which, at the time of doing it, reasonably cause the apprehension that instant death to that person will otherwise be the consequence: Provided the person doing the act did not of his own accord, or from a reasonable apprehension of harm to himself short of instant death, place himself in the situation by which he became subject to such constraint. 
 
Explanation 1.-A person who, of his own accord, or by reason of a threat of being beaten, joins a gang of dacoits, knowing their character, is not entitled to the benefit of this exception on the ground of his having been compelled by his associates to do anything that is an offence by law. 
 
Explanation 2.-A person seized by a gang of dacoits, and forced by threat of instant death, to do a thing which is an offence by law; for example, a smith compelled to take his tools and to force the door of a house for the dacoits to enter and plunder it, is entitled to the benefit of this exception.

ধারা ৯৪: হুমকির মাধ্যমে বাধ্য করা হলে যে কাজ অপরাধ নয়:
হত্যা এবং রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডযোগ্য অপরাধ ব্যতীত, কোনো ব্যক্তি যদি হুমকির কারণে এমন কোনো কাজ করতে বাধ্য হয়, যা তার কাছে তখন এমনভাবে উপলব্ধি হয় যে তাৎক্ষণিকভাবে মৃত্যুর আশঙ্কা সৃষ্টি হয়েছে, তবে সেটি অপরাধ বলে গণ্য হবে না।

শর্ত: যদি কাজটি করা ব্যক্তি তার ইচ্ছায় বা তাৎক্ষণিক মৃত্যুর আশঙ্কা ছাড়া অন্য ক্ষতির কারণে এমন অবস্থানে নিজেকে না নিয়ে থাকে, যে কারণে তাকে এমন হুমকির অধীন হতে হয়েছে।

ব্যাখ্যা ১: কোনো ব্যক্তি যদি তার নিজের ইচ্ছায় বা মার খাওয়ার ভয়ে দস্যুদের একটি গ্যাং-এ যোগ দেয় এবং গ্যাংয়ের প্রকৃতি সম্পর্কে জানে, তাহলে তার সহযোগীদের দ্বারা তাকে বাধ্য করা হলে, আইনত যা অপরাধ, সেই কাজ করার ক্ষেত্রে এই বিধির সুবিধা পাওয়ার অধিকার তার থাকবে না।

ব্যাখ্যা ২: কোনো ব্যক্তি যদি দস্যুদের একটি গ্যাং-এর দ্বারা ধরে নিয়ে গিয়ে তাৎক্ষণিক মৃত্যুর হুমকির মাধ্যমে বাধ্য হয় কোনো অপরাধমূলক কাজ করতে, যেমন একজন লৌহশিল্পীকে তার সরঞ্জাম ব্যবহার করে বাড়ির দরজা খুলতে বাধ্য করা হয় যাতে দস্যুরা বাড়িতে প্রবেশ করে লুটপাট করতে পারে, তাহলে সেই ব্যক্তি এই বিধির সুবিধা পাওয়ার অধিকারী হবে।
১,৬৮৪.
সৌদি আরব বসবাসকারী ‘ক’ একজন বাংলাদেশি নাগরিক সে পাকিস্তানের এক ব্যক্তিকে হত্যা করে। বাংলাদেশের যোগ্যতাসম্পন্ন কোন আদালত ‘ক’ এর বিচার করতে পারে, যদি তাকে পাওয়া যায়-
  1. পাকিস্তান
  2. বাংলাদেশে
  3. সৌদি আরব
  4. যেকোনো দেশে
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশে
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ২ থেকে ৪ ধারায় দণ্ডবিধির প্রয়োগ নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
⇒ দণ্ডবিধি অনুযায়ী বাংলাদেশের নাগরিক দেশে-বিদেশে যেখানেই দণ্ডবিধির অপরাধ করুক তাঁকে বাংলাদেশে যেখানে পাওয়া যাবে সেখানে বিচার করা যাবে। বিদেশি নাগরিক যদি বাংলাদেশে অবস্থান করে কোনো অপরাধ করলে এবং তা দণ্ডবিধিতে দণ্ডনীয় হলে তার বিচার বাংলাদেশে করা যাবে। কিন্তু বিদেশি কোনো নাগরিক বিদেশে অপরাধ করলে সেটি বাংলাদেশে বিচার্য হবে না।
অর্থাৎ বাংলাদেশের যোগ্যতাসম্পন্ন কোন আদালত দণ্ডবিধি অনুযায়ী ‘ক’ এর বিচার করতে পারে, যদি তাকে বাংলাদেশে পাওয়া যায়।

-যে ক্ষেত্রে দণ্ডবিধি প্রয়াগ হবে-
(i) বাংলাদেশের সকল নাগরিকের ক্ষেত্রে: দেশে-বিদেশে যেখানেই অপরাধ সংঘটন করুক না কেন।
(ii) বিদেশি নাগরিকের ক্ষেত্রে: যদি সে বাংলাদেশে অথবা বাংলাদেশের নিবন্ধিত কোন জাহাজ বা বিমানে অপরাধ সংঘটন করে।
(iii) বাংলাদেশের নিবন্ধিত কোন জাহাজ বা বিমানে অপরাধ সংগঠন করার ক্ষেত্রে: উক্ত বাংলাদেশি জাহাজ বা বিমান বাংলাদেশ বা বিদেশে যেখানেই অবস্থান করুক না কেন।
১,৬৮৫.
দণ্ডবিধির ৩৯৯ ধারা অনুযায়ী, যদি কেউ ডাকাতির প্রস্তুতি গ্রহণ করে, তবে সর্বোচ্চ কী শাস্তি হতে পারে?
  1. পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড
  2. সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ড
  3. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  4. দশ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
দশ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দশ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৮৬০ সালের ৩৯৯ ধারায় বলা হয়েছে: “যে কেউ ডাকাতি সংঘটনের উদ্দেশ্যে কোনো ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করে, তাকে সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হবে, যা দশ বছর পর্যন্ত মেয়াদ হতে পারে, এবং অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যেতে পারে।”
- এখানে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো এটি ডাকাতির প্রস্তুতি মাত্র, কিন্তু আইন এটিকে গুরুতর অপরাধ হিসেবে বিবেচনা করে এবং এজন্য সর্বোচ্চ ১০ বছর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডের বিধান রয়েছে।
- তাই, সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে — দশ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৯৯ ধারা: ডাকাতি সংঘটনের প্রস্তুতি:
যে কেউ ডাকাতি সংঘটনের উদ্দেশ্যে কোনো ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করে, তাকে সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হবে, যা দশ বছর পর্যন্ত মেয়াদ হতে পারে, এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যেতে পারে।

⇒ The Penal Code, 1860, Section 399- Making preparation to commit dacoity:
Whoever makes any preparation for committing dacoity, shall be punished with rigorous imprisonment for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine.
১,৬৮৬.
খ একটি পেট্রোল পাম্পে জানতো যে জ্বালানি মাপার মেশিনটি ভুল এবং ৫% কম তেল দেয়। সে ইচ্ছাকৃতভাবে সেই মেশিন ব্যবহার করে গ্রাহকদের প্রতারিত করে। দণ্ডবিধির ২৬৪ ধারা অনুযায়ী খ-এর সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ৬ মাসের কারাদণ্ড
  2. ১ বছরের কারাদণ্ড
  3. ৩ বছরের কারাদণ্ড
  4. ৫ বছরের কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
১ বছরের কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ২৬৪ ধারায় "প্রতারণামূলকভাবে মিথ্যা ওজন যন্ত্র ব্যবহার" (Fraudulent use of false instrument for weighing) এর শাস্তি হিসেবে স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে যে, অপরাধীকে যেকোনো ধরনের (সশ্রম বা বিনাশ্রম) কারাদণ্ডে এক বছর পর্যন্ত, অথবা জরিমানা, অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা যাবে। এখানে 'খ'-এর কাজ (জ্বালানি মাপার মেশিন, যা ওজন যন্ত্রের অনুরূপ, ভুল জেনেও ইচ্ছাকৃতভাবে ব্যবহার করে প্রতারণা) এই ধারার অধীনে পড়ে।

⇒ দণ্ডবিধির ২৬৪ ধারা অনুযায়ী, কেউ যদি প্রতারণার উদ্দেশ্যে এমন কোনো ওজন যন্ত্র ব্যবহার করে যা সে জানে মিথ্যা বা ভুল, তবে সে সর্বোচ্চ ১ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, বা জরিমানা, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হতে পারে।
----------
⇒ The Penal Code, 1860-Section- 264. Fraudulent use of false instrument for weighing:
- Whoever fraudulently uses any instrument for weighing which he knows to be false, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to one year, or with fine, or with both.

১,৬৮৭.
দণ্ডবিধির ৫০০ ধারার অধীন মানহানির শাস্তির সর্বোচ্চ মেয়াদ কত?
  1. ১ বছর 
  2. ২ বছর
  3. ৫ বছর
  4. ৭ বছর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ৪৯৯ ধারা অনুযায়ী যখন কোন ব্যক্তি সম্পর্কিত কোন কুৎসা রটনা করা হয় যা উক্ত ব্যক্তির সুনাম নষ্ট করে (harm reputation) তাকে মানহানি বা Defamation বলে। অর্থাৎ কুৎসাজনক কথা বা চিহ্ন দ্বারা বা দৃশ্যমান কল্পমূর্তি প্রকাশের মাধ্যমে মানহানি করা হয়।

⇒ দণ্ডবিধির ৫০০ ধারার অধীন মানহানির [defamation] শাস্তি হল ২ বছর পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড।

১,৬৮৮.
ব্যাংক কর্মকর্তা বা কর্মচারীর negligent (অবহেলাজনিত) আচরণের কারণে ব্যাংকের সম্পত্তিতে ক্ষতি হলে সর্বোচ্চ শাস্তি কী হতে পারে?
  1.  ১ বছর কারাদণ্ড
  2. ২ বছর কারাদণ্ড
  3. ৩ বছর কারাদণ্ড
  4. ৫ বছর কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
২ বছর কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৪৬২ক অনুসারে, কোনো ব্যাংক কর্মকর্তা বা কর্মচারী যদি অবহেলাজনিত আচরণের (negligent conduct) মাধ্যমে ব্যাংকিং লেনদেনে ব্যাংকের গ্রাহক বা অন্য কোনো ব্যক্তির দ্বারা ব্যাংকের সম্পত্তির ক্ষতি হতে দেয়, তবে তার শাস্তি হলো ২ বছর পর্যন্ত যেকোনো প্রকারের কারাদণ্ড, জরিমানা, বা উভয়ই। এখানে সর্বোচ্চ কারাদণ্ড হলো ২ বছর।

⇒The Penal Code, 1860- Section-462A. Penalty for negligent conduct of bank officers and employees:
Whoever, being an officer or employee of a banking company, by his negligent conduct in dealing with a banking transaction allows any customer of the company or any other person to cause loss of property to the company shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years or with fine or with both. 
 
Explanation.-An officer or employee of a banking company shall be guilty or negligent conduct if in discharging his duties he fails, either wilfully or negligently, to follow any direction of law prescribing the mode in which such duties are to be discharged.

১,৬৮৯.
নিম্নের কোনটি ধর্ষণের উপাদান নয়?
  1. ইচ্ছার বিরুদ্ধে যৌন সহবাস করা
  2. মৃত্যু বা আঘাতের ভয় দেখিয়ে সম্মতি আদায় করা
  3. সম্মতি ছাড়া যৌন সহবাস করা
  4. ১৮ বছরের বেশি বয়স্কার ক্ষেত্রে সম্মতিসহ সহবাস করা
সঠিক উত্তর:
১৮ বছরের বেশি বয়স্কার ক্ষেত্রে সম্মতিসহ সহবাস করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮ বছরের বেশি বয়স্কার ক্ষেত্রে সম্মতিসহ সহবাস করা
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৩৭৫ ধারায় ধর্ষণের ৫টি উপাদানের উল্লেখ আছে। কোন পুরুষ ধর্ষণ করেছে বলে গণ্য হবে যদি সে নিম্নলিখিত প্রেক্ষাপটে কোন নারীর সাথে যৌন সহবাস করে-

১. তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে [Against her will);
২. তার সম্মতি ছাড়া (Without her consent):
৩. তার সম্মতিতে কিন্তু মৃত্যু বা আঘাতের ভয় দেখিয়ে সম্মতি আদায় করা হলে (With her consent, when her consent has been obtained by putting her in fear of death, or of hurt):
৪. তার সম্মতিতে যখন মহিলা মনে করে যে, পুরুষ লোকটি তার স্বামী যদিও পুরুষ লোকটি জানে যে, সে উক্ত মহিলার স্বামী নয় (With her consent, when the woman belives that the man is her husband though the man knows that he is not her husband):
৫. তার সম্মতিসহ বা ছাড়া, যেক্ষেত্রে সে ১৪ চৌদ্দ বছরের কম বয়স্কা হয় With or without consent, when she is under 14 years of age.

অর্থাৎ, ১৮ বছরের বেশি বয়স্কার ক্ষেত্রে সম্মতিসহ সহবাস করা'- ধর্ষণের উপাদান নয়।
১,৬৯০.
মারাত্মক প্ররােচনা ছাড়া কোন ব্যক্তিকে অপমান করার জন্য আক্রমণ করা হলে, অপরাধীকে কী ধরনের শাস্তি দেয়া হতে পারে?
  1. শুধুমাত্র কারাদণ্ড
  2. শুধুমাত্র অর্থদণ্ড
  3. কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড
  4. কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড অথবা উভয়ই
সঠিক উত্তর:
কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড অথবা উভয়ই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড অথবা উভয়ই
ব্যাখ্যা
ধারা ৩৫৫- মারাত্মক প্ররােচনা ছাড়া কোন লােককে অপমান করার জন্য আক্রমণ বা অপরাধজনক বল প্রয়ােগ করা:
যদি কেউ কোন লােককে তৎকর্তৃক দেয় মারাত্মক প্ররােচনা ও আকস্মিক উত্তেজনাবশত ছাড়া প্রকারান্তরে অপমান করার ইচ্ছায় আক্রমণ করে, বা তার উপর অপরাধজনক বলপ্রয়ােগ করে, তা হলে সে লােক যে কোন বর্ণনার কারাদণ্ডে - যার মেয়াদ দুই বৎসর পর্যন্ত হতে পারে বা অর্থদণ্ডে বা উভয় প্রকার দণ্ডে দণ্ডিত হবে

[Whoever assaults or uses criminal force to any person, intending thereby to dishonour that person, otherwise than on grave and sudden provocation given by that person, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.]
১,৬৯১.
সূর্যাস্ত ও সূর্যোদয়ের মধ্যবর্তী সময়ে রাজপথে দস্যুতা সংঘটিত হলে সর্বোচ্চ কারাদণ্ড কত?
  1. যাবজ্জীবন
  2. ১০ বছর
  3. ১২ বছর
  4. ১৪ বছর
সঠিক উত্তর:
১৪ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪ বছর
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ৩৯২ ধারার বিধান- দস্যুতার সাজা:
কোন ব্যক্তি যদি দস্যুতা সংঘটন করে তবে সে ব্যক্তি দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে। এবং যদি সূর্যাস্ত ও সূর্যোদয়ের মধ্যবর্তী সময় রাজপথে দস্যুতা অনুষ্ঠিত হয়, তবে কারাদণ্ডের মেয়াদ চৌদ্দ বৎসর পর্যন্ত হতে পারে।


Section 392. Punishment for robbery:
Whoever commits robbery shall be punished with rigorous imprisonment for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine; and, if the robbery be committed on the highway between sunset and sunrise,
 the imprisonment may be extended to fourteen years.

১,৬৯২.
প্রতিটি দস্যুতায় রয়েছে-
  1. চুরি এবং জোরপূর্বক সম্পত্তি আদায়
  2. জোরপূর্বক সম্পত্তি আদায় এবং চুরি
  3. চুরি অথবা জোরপূর্বক সম্পত্তি আদায়
  4. ডাকাতি এবং চুরি
সঠিক উত্তর:
চুরি অথবা জোরপূর্বক সম্পত্তি আদায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চুরি অথবা জোরপূর্বক সম্পত্তি আদায়
ব্যাখ্যা
♦ পেনাল কোডের ৩৯০ ধারায় দস্যুতার সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। চুরি করার সময় কোন কাজ করলে সেটি দস্যুতায় রূপ নেবে এবং বলপূর্বক গ্রহণের সময় কী কাজ করলে সেটি দস্যুতায় রূপ নিবে সেটি বর্ণনা করা হয়েছে। চুরি অপরাধ সংঘটনকালে যদি death, hurt, wrongful restraint ইত্যাদি করে বা তা করার চেষ্টা করে বা তা করার তাৎক্ষণিক ভয় দেখায় তবে তা দস্যুতায় রূপ নেবে। কিন্তু extortion –এর ক্ষেত্রে উক্ত অপরাধগুলো সংঘটন করা নয়, বরং তা করার ভয় দেখালেই তা দস্যুতায় রূপান্তরিত হবে।
♦ পেনাল কোডের ৩৯০ ধারা মতে প্রত্যেক দস্যতায় হয় চুরি, না হয় বলপূর্বক সম্পত্তি আদায়ের অপরাধ সংঘটিত হয়।

♦যেক্ষেত্রে চুরি দস্যুতা বলে পরিগণিত হবে (When theft is robbery):-
চুরি করার উদ্দেশ্যে, অথবা চুরি করতে, কিংবা চুরিতে লব্ধ সম্পত্তি বহন বা বহনের উদ্যোগ কালে, অপরাধকারী তদুদ্দেশ্যে ইচ্ছাপূর্বক কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটায় বা তাকে আঘাতদান করে তাকে অন্যায় ভাবে আটক করে বা করার উদ্যোগ করে, বা তাকে তাৎক্ষণিক মৃত্যু বা তাৎক্ষণিক আঘাত বা তাৎক্ষণিক অবৈধ আটকের ভীতি প্রদর্শন করে বা করার উদ্যোগ করে, তা হলে উক্ত চুরি হচ্ছে দস্যুতা।

♦বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় যেক্ষেত্রে  দস্যুতা বলে পরিগণিত হবে (When extortion is robbery):-
বলপূর্বক সম্পত্তি আদায়ের সময় অপরাধী-যে ব্যক্তিকে ভয়ে বিহবল করা হয়েছে, সে ব্যক্তির বা অন্য কোন ব্যক্তিকে আশু মৃত্যুর, আশু আঘাতের বা আশু অন্যায় নিয়ন্ত্রণের ভয়ে অভিভূত করে বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় করলে, এবং এইভাবে যে ব্যক্তিকে ভয়ে অভিভূত করা হয়েছে, সে ব্যক্তিকে তখন বলপূর্বক আদায়কৃত বস্তুটি অর্পণে বাধ্য করলে, বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় দস্যুতা বলে পরিগণিত হবে।
♦ ব্যাখ্যা (Explanation):-
অপরাধী অন্য ব্যক্তিকে আশু মৃত্যুর, আঘাতের বা আশু অন্যায় নিয়ন্ত্রণের ভয়ে অভিভূত করার পক্ষে যথেষ্ট নিকটে থাকলে সে হাজির বলে পরিগণিত হবে।

♦ অর্থাৎ চুরি করার উদ্দেশ্যে বা বলপূর্বক গ্রহণের সময় কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটালে, আঘাত দান করলে বা আটক করে রাখলে অথবা মৃত্যু, আঘাত বা অবৈধ বাধার তাৎক্ষণিক ভয় (instant fear) দেখানো হলে তখন তা দস্যুতা বা Robbery বলে গণ্য হবে।

♦দস্যুতাকে হিংস্রতম চুরি বা হিংস্রতম বলপ্রয়োগ গ্রহণ বলা হয়। কেননা প্রত্যেক দস্যুতার অপরাধের মধ্যে চুরি বা বলপূর্বক গ্রহণ থাকতে হবে।

♦দস্যুতার মধ্যে নিম্নলিখিত উপাদান বিদ্যমান-
i)এক বা একাধিক ব্যক্তি তবে ৫ জনের কম যৌথভাবে অপরাধটি সংঘটিত করে;
ii) আঘাতের ভয় বা মৃত্যুভয় দেখিয়ে বা অবৈধ আটকের ভয় দেখায়;
iii) অসাধুভাবে সম্পত্তিটি প্রদানে বাধ্য করে; এবং
iv) প্রত্যেক দস্যুতার অপরাধের মধ্যে চুরি বা বলপূর্বক গ্রহণ থাকে।

♦দস্যুতার সর্বনিম্ন সদস্য ১ জন এবং সর্বোচ্চ সদস্য ৪ জন। অন্যদিকে ডাকাতির সর্বনিম্ন সদস্য ৫ জন। দস্যুতার সদস্য যদি ৫ বা ততোধিক হয় তখন দস্যুতা ডাকাতিতে পরিণত হয়।

♦ প্রত্যেক ডাকাতির ক্ষেত্রে দস্যুতা ( চুরি অথবা বলপূর্বক গ্রহণ) থাকে। কিন্তু দস্যুতা এবং ডাকাতির মধ্যে মূল পার্থক্য হলো সংখ্যাগত। দণ্ডবিধির ৩৯১ ধারা অনুযায়ী ডাকাতির ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন সদস্য ৫ জন থাকতে হবে।
১,৬৯৩.
'মিথ্যা প্রমাণ তৈরি করা' (Fabricating false evidence) এর সংজ্ঞা কোন ধারায় দেওয়া আছে?
  1. ধারা ১৯১
  2. ধারা ১৯২
  3. ধারা ১৯৩
  4. ধারা ১৯৪
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৯২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৯২
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ১৯২ ধারার বিধান: মিথ্যা সাক্ষ্য উদ্ভাবন করা:- কোন ব্যক্তি যদি কোন অবস্থার অস্তিত্ব সৃষ্টি বা উদ্ভাবন করে, অথবা কোন বইতে বা রেকর্ডে মিথ্যা কথা লিপিবদ্ধ করে অথবা মিথ্যা বিবরণ সাক্ষ্য হিসেবে কোন বিচারবিভাগীয় কার্যক্রমে অথবা সরকারী কর্মচারীর সম্মুখে সরকারী কর্মচারী হিসেবে কোন আইনগত কার্যক্রমে অথবা কোন সালিসের সম্মুখে উত্থাপন করার উদ্দেশ্যেই যদি তা করা হয়ে থাকে এবং অনুরূপ অবস্থা বা মিথ্যা দলিল বা মিথ্যা বিবৃতি যদি এমন প্রকৃতির হয় যে, উক্ত কার্যক্রমে যিনি সাক্ষ্যের উপর ভিত্তি করে তাঁর মতামত গঠন করবেন, তিনি উক্ত অবস্থা বা মিথ্যা দলিল বা মিথ্যা বিবৃতিজনিত সাক্ষ্যে প্রভাবিত হয়ে অনুরূপ কার্যক্রমের সাথে গুরুত্বপূর্ণভাবে জড়িত কোন বিষয় সম্পর্কে ভুল ধারণা বা মত পোষণ করবেন, তবে সে ব্যক্তি 'মিথ্যা সাক্ষ্য তৈরি করেছে' বলে পরিগণিত হয়।
--------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 192. Fabricating false evidence:
Whoever causes any circumstance to exist or makes any false entry in any book or record, or makes any document containing a false statement, intending that such circumstance, false entry or false statement may appear in evidence in a judicial proceeding, or in a proceeding taken by law before  a public servant as such, or before an arbitrator, and that such  circumstance, false entry or false statement, so appearing in evidence, may cause any person who in such proceeding is to form an opinion upon the evidence, to entertain an erroneous opinion touching any point material to the result of such proceeding, is said "to fabricate the evidence.” 

Illustrations:
(a) A puts jewels into a box belonging to Z, with the intention that they may be found in that box, and that this circumstance may cause Z to be convicted of theft. A has fabricated false evidence. 
(b) A makes a false entry in his Shop-book for the purpose of using it as corroborative evidence in a Court of Justice. A has fabricated false evidence. 
(c) A, with the intention of causing Z to be convicted of a criminal conspiracy, writes a letter in imitation of Z's handwriting purporting to be addressed to an accomplice in such criminal conspiracy, and puts the letter in a place which he knows that the officers of the Police are likely to search. A has fabricated false evidence.

১,৬৯৪.
দণ্ডবিধির ৫৫ক ধারায় রাষ্ট্রপতির কোন ক্ষমতা সংরক্ষিত আছে?
  1. ক্ষমা প্রদর্শন
  2. দণ্ড মওকুফ
  3. দণ্ড স্থগিত
  4. উল্লিখিত সব
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সব
ব্যাখ্যা

দণ্ডবিধির ৫৫ক ধারা- রাষ্ট্রপতির বিশেষ অধিকার সংরক্ষণ:
৫৪ ধারা বা ৫৫ ধারার কোন বিধান দ্বারাই রাষ্ট্রপতির ক্ষমা প্রদর্শন, দণ্ড মওকুফ বা স্থগিত করা বা দণ্ডাজ্ঞা হ্রাসের অধিকার ক্ষুন্ন হবে না।

Section 55A- Saving for President prerogative:
Nothing in section fifty- four or section fifty-five shall derogate from the right of the President to grant pardons, reprieves, respites or remissions of punishment.

১,৬৯৫.
অর্থদণ্ড সম্পূর্ণ পরিশোধিত হলে, অর্থদণ্ডের অনাদায়ে যে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছিল তা কী হবে?
  1. কারাদণ্ড সমাপ্ত হবে
  2. কারাদণ্ড বহাল থাকবে
  3. কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে
  4. কারাদণ্ডের আংশিক সমাপ্তি হবে
সঠিক উত্তর:
কারাদণ্ড সমাপ্ত হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কারাদণ্ড সমাপ্ত হবে
ব্যাখ্যা
→ দণ্ডবিধির ৬৮ ধারায় বলা হয়েছে, যদি অর্থদণ্ড অনাদায়ে কারাদণ্ড দেওয়া হয়, তবে অর্থদণ্ড পরিশোধিত হলে বা আদায় হয়ে গেলে আসামী মুক্তি পাবে এবং তার কারাদণ্ড সমাপ্ত হবে।

→ দণ্ডবিধির ৬৮ ধারার বিধান অর্থদণ্ড আদায়ে কারামুক্তি:
- যে অর্থদণ্ড অনাদায়ে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে, সে অর্থদণ্ড প্রদত্ত হলে অথবা আইনগত কার্যক্রমের মাধ্যমে আদায়ীকৃত হলে আসামীর কারামুক্তি হবে। 
অর্থাৎ অর্থদণ্ড সম্পূর্ণ পরিশোধিত হইলে অর্থদণ্ড অনাদায়ে যে কারাদণ্ড দেওয়া আছে তা সমাপ্ত হবে।
------------------
→ The Penal Code,1860- Section 68. Imprisonment to terminate on payment of fine:
- The imprisonment which is imposed in default of payment of a fine shall terminate whenever that fine is either paid or levied by process of law.
১,৬৯৬.
দণ্ডবিধির কত ধারায় রাষ্ট্রপ্রতির বিশেষ ক্ষমা প্রদর্শনের ক্ষমতা সংরক্ষণ করা হয়েছে?
  1. ৫৫ ধারায়
  2. ৫৪ ধারায়
  3. ৫৫ক ধারায়
  4. ৫৭ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৫৫ক ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৫ক ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির  ৫৫ক ধারার বিধান রাষ্ট্রপতির বিশেষ অধিকার সংরক্ষণ:- ৫৪ ধারা বা ৫৫ ধারার কোন বিধান দ্বারাই রাষ্ট্রপতির ক্ষমা প্রদর্শন, মৃত্যুদণ্ড মওকুফ বা স্থগিত করা বা দণ্ডাজ্ঞা হ্রাসের অধিকার ক্ষুন্ন হবে না।

♦ দণ্ডবিধির  ৫৪ ধারার বিধান মৃত্যুদণ্ড হ্রাসকরণ:- মৃত্যুদণ্ড দান করা যেতে পারে এইরূপ প্রত্যেক ক্ষেত্রে সরকার অপরাধকারীর সম্মতি ব্যতিরেকে উক্ত দত্তকে এই বিধি ও আইন বলে ব্যবস্থিত অন্য যেকোন স্বল্প দণ্ডে রূপান্তরিত করতে পারবেন।

♦ দণ্ডবিধির  ৫৫ ধারার বিধান যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হ্রাস বা পরিবর্তন:- যে সকল মামলার ক্ষেত্রে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করা হয়, তার প্রত্যেক ক্ষেত্রে সরকার অপরাধীর সম্মতি ব্যতীতই দণ্ডা হ্রাস করে অনূর্ধ্ব ২০ বৎসর মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে পরিবর্তন করতে পারবেন।

--------------------------
♦ Section 55A. Saving for President prerogative:- Nothing in section fifty- four or section fifty-five shall derogate from the right of the President to grant pardons, reprieves, respites or remissions of punishment.

♦ Section 54. Commutation of sentence of death:- In every case in which sentence of death shall have been passed, the Government may, without the consent of the offender, commute the punishment for any other punishment provided by this Code.

♦ Section 55. Commutation of sentence of imprisonment for life:- In every case in which sentence of imprisonment for life shall have been passed, the Government may, without the consent of the offender, commute the punishment for imprisonment of either description for a term not exceeding twenty years.
১,৬৯৭.
মুদ্রা জাল করণের সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ৩ বৎসর কারাদণ্ড
  2. ৫ বৎসর কারাদণ্ড
  3. ৭ বৎসর কারাদণ্ড
  4. ১০ বৎসর কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
৭ বৎসর কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ বৎসর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ২৩১ ধারার বিধান: মুদ্রা জাল করণ- কোন ব্যক্তি মুদ্রা জাল করলে অথবা জ্ঞাতসারে মুদ্রা জালকরণ প্রক্রিয়ার অংশ বিশেষ সম্পাদন করলে, সে ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

ব্যাখ্যা:- কোন ব্যক্তি প্রতারণা করার অভিপ্রায়ে, অথবা তার কাজের ফলে প্রতারণা সংঘটিত হবে জানা সত্ত্বেও, কোন খাঁটি মুদ্রাকে দেখতে অপর কোন মুদ্রার মতো করলে, সে অপরাধ করেছে বলে পরিগণিত হবে।
-------------------------------
♦ Counterfeiting coin:
Section 231. Whoever counterfeits or knowingly performs any part of the process of counterfeiting coin, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine. 
 
Explanation.- A person commits this offence who intending to practice deception, or knowing it to be likely that deception will thereby be practiced, causes a genuine coin to appear like a different coin.
১,৬৯৮.
দণ্ডবিধির ৪১৩ ধারায় দোষী ব্যক্তির জন্য সর্বোচ্চ কারাদণ্ডের মেয়াদ কত?
  1. তিন বছর
  2. সাত বছর
  3. দশ বছর
  4. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ৪১৩ ধারা অনুসারে, যদি কোন ব্যক্তি অভ্যাসগতভাবে (habitually) এমন সম্পত্তির লেনদেন করে যা সে জানে বা বিশ্বাস করার কারণ আছে যে তা চোরাই সম্পত্তি, তাহলে সে ব্যক্তি দোষী সাব্যস্ত হলে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে, অথবা ১০ বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, এবং অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবে।
- অতএব, সর্বোচ্চ শাস্তি: যাবজ্জীবন কারাদণ্ড — এটি ৪১৩ ধারার সর্বোচ্চ কারাদণ্ডের মেয়াদ।

⇒ দণ্ডবিধির ৪১৩ ধারার বিধান অভ্যাসগতভাবে চোরাই সম্পত্তির বেচাকেনা করা:- কোন ব্যক্তি যদি যে সম্পত্তি চোরাই বলে সে জানে বা তার বিশ্বাস করার কারণ রয়েছে, অভ্যাসগতভাবে বরাবর সে সম্পত্তির বেচাকেনা করে, তবে উক্ত ব্যক্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডনীয় হবে।
--------------
⇒ The Penal Code, 1860, Section 413. Habitually dealing in stolen property:
- Whoever habitually receives or deals in property which he knows or has reason to believe to be stolen property, shall be punished with imprisonment for life, or with imprison - ment of either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine.
১,৬৯৯.
দণ্ডবিধির ৮৩ ধারা অনুযায়ী, কোন বয়সের অপরিণত বুদ্ধিসম্পন্ন শিশু দ্বারা সম্পাদিত কাজ অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে না?
  1. ৫ থেকে ১০ বছর
  2. ৬ থেকে ৯ বছর
  3. ৯ থেকে ১২ বছর
  4. ১০ থেকে ১৪ বছর
সঠিক উত্তর:
৯ থেকে ১২ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯ থেকে ১২ বছর
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৮৩ ধারা- নয় বৎসরের অধিক কিন্তু বার বৎসরের কম বয়সের অপরিণত বুদ্ধিসম্পন্ন শিশু দ্বারা সম্পাদিত কাজ:
নয় বৎসর অপেক্ষা বেশি কিন্তু বার বৎসর অপেক্ষা কম বয়সের এমন কোন শিশুর কোন কাজ অপরাধ বলে গণ্য হবে না, যে শিশু সংশ্লিষ্ট কাজটি করার সময় উহার প্রকৃতি ও ফলাফল বিচার করার পক্ষে পর্যাপ্ত বুদ্ধির পরিপক্কতা লাভ করে নাই।

Section 83- Act of a child above nine and under twelve of immature understanding:
Nothing is an offence which is done by a child above nine years of age and under twelve, who has not attained sufficient maturity of understanding to judge of the nature and consequences of his conduct on that occasion.

এই ধারায় বলা হয়েছে,
নয় থেকে বারো বছর বয়সের মধ্যে থাকা শিশু কোনো অপরাধ সংঘটিত করলে তা অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে না, যদি প্রমাণিত হয় যে শিশুটি সংশ্লিষ্ট কাজের প্রকৃতি এবং ফলাফল বিচার করার মতো বুদ্ধিমত্তা অর্জন করে নি। অর্থাৎ, যদি শিশুটি কাজের গুরুতর পরিণতি বোঝার মতো পরিপক্কতা না পায়, তাহলে তাকে অপরাধের জন্য দায়ী করা হবে না।
১,৭০০.
দণ্ডবিধির ২০১ ধারা অনুযায়ী, যদি মূল অপরাধটি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়, তবে অপরাধের সাক্ষ্য অদৃশ্যকারী বা ধ্বংসকারী ব্যক্তির সর্বোচ্চ শাস্তি কত?
  1. ৩ বছর কারাদণ্ড
  2. ৭ বছর কারাদণ্ড
  3. ১০ বছর কারাদণ্ড
  4. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
৭ বছর কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ২০১ অনুসারে, যদি মূল অপরাধটি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় হয় (যেমন: খুন, ডাকাতির সময় হত্যা ইত্যাদি), তবে অপরাধের সাক্ষ্য অদৃশ্যকারী বা ধ্বংসকারী ব্যক্তির শাস্তি হলো: সর্বোচ্চ ৭ বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড।

⇒ দণ্ডবিধির ২০১ ধারার বিধান অপরাধকারীকে গোপন করিবার জন্য অপরাধের সাক্ষ্য অদৃশ্য করিয়া দেওয়া বা মিথ্যা তথ্য সরবরাহ করা:
- কোন ব্যক্তি যদি কোন অপরাধীকে আইনের সাজা হতে বাঁচাবার উদ্দেশ্যে, কোন অপরাধ অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে জানা সত্ত্বেও অথবা অপরাধ অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে তার বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও, সে অপরাধটি সংঘটনের কোন সাক্ষ্য বা প্রমাণ বিলুপ্ত করে বা করায়, অথবা সে উদ্দেশ্য নিয়ে সে অপরাধটি সম্পর্কে কোন খবর দেয়, যা সে মিথ্যা বলে জানে অথবা যা মিথ্যা বলে তার বিশ্বাস করার কারণ রয়েছে, তখন-
-যদি অপরাধটি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় হয় (if a capital offence):-
যদি, যে অপরাধটি অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে সে জানে বা যে অপরাধটি অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে তার বিশ্বাস সে অপরাধটি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়, তবে সে ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে;
যদি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয় (if punishable with imrisonment for life):-
এবং যদি অপরাধটি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়, তবে সে ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে;
যদি দশ বৎসর অপেক্ষা কম মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয় (if punishable with less thatn ten year’s imprisonment):-
এবং যদি অপরাধটি দশ বৎসর অপেক্ষা কম মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়, তবে সে ব্যক্তি অপরাধটির জন্য যে ধরনের কারাদণ্ডের বিধান করা হয়েছে, সে ধরনের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং অপরাধটির জন্য দীর্ঘতম যে মেয়াদের কারাদণ্ডের বিধান করা হয়েছে, তার কারাদণ্ডের মেয়াদ উহার এক চতুর্থাংশ পর্যন্ত যেকোনো দৈর্ঘ্যের হবে, অথবা অর্থ দণ্ডে দণ্ডিত হবে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
উদাহরণ:
'খ', 'চ'-কে খুন করেছে জানা সত্ত্বেও 'ক', 'খ'-কে সাজা হতে বাঁচাবার উদ্দেশ্যে 'খ'-কে 'চ' এর মৃতদেহটি লুকিয়ে ফেলিতে সহায়তা করে। 'ক' সাত বৎসর সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং এতদ্‌ব্যতীত তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে।
------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 201. Causing disappearance of evidence of offence, or giving false information to screen offender- if a capital offence; if punishable with imprisonment for life; if punishable with less than ten years’ imprisonment:
Whoever, knowing or having reason to believe that an offence has been committed, causes any evidence of the commission of that offence to disappear, with the intention of screening the offender from legal punishment, or with that intention gives any information respecting the offence which he knows or believes to be false,
shall, if the offence which he knows or believes to have been committed is punishable with death, be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine;
and if the offence is punishable with [imprisonment for life], or with imprisonment which may extend to ten years, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, and shall also be liable to fine;
and if the offence is punishable with imprisonment for any term not extending to ten years, shall be punished with imprisonment of the description provided for the offence, for a term which may extend to one-fourth part of the longest term of the imprisonment provided for the offence, or with fine, or with both.

Illustration:
A, knowing that B has murdered Z, assists B to hide the body with the intention of screening B from punishment. A is liable to imprisonment of either description for seven years, and also to fine.