বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

The Penal Code, 1860

মোট প্রশ্ন২,৪৪৭এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

The Penal Code, 1860

PrepBank · পাতা / ২৫ · ১০০ / ২,৪৪৭

.
দণ্ডবিধির ৫১০ ধারায় সর্বোচ্চ কারাদণ্ড কত?
  1. ১২ ঘন্টা
  2. ২৪ ঘন্টা
  3. ১ মাস
  4. ৩ মাস
সঠিক উত্তর:
২৪ ঘন্টা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৪ ঘন্টা
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ৫১০ ধারা অনুযায়ী,
কোন ব্যক্তি যদি নেশাগ্রস্ত অবস্থায় কোন প্রকাশ্য স্থানে গমন করে, বা যে স্থানে প্রবেশ করা তার পক্ষে অনধিকার প্রবেশ, সে স্থানে প্রবেশ করে এবং সে স্থানে এমন আচরণ করে, যার ফলে কারো বিরক্তি ঘটে, তবে সে ব্যক্তি চব্বিশ ঘন্টা পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে অথবা দশ টাকা পর্যন্ত যেকোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে দণ্ডিত হবে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

Section 510- Misconduct in public by a drunken person:
Whoever, in a state of intoxication appears in any public place, or in any place which it is a trespass in him to enter, and there conducts himself in such a manner as to cause annoyance to any person, shall be punished with simple imprisonment for a term which may extend to twenty-four hours, or with fine which may extend to ten taka, or with both.

.
দণ্ডবিধি অনুযায়ী নিচের কোনটি চোরাই মাল (Stolen Property) বলে গণ্য হবে?
  1. বলপূর্বক গৃহীত সম্পত্তি;
  2. চুরির মাধ্যমে অর্জিত সম্পত্তি;
  3. দস্যুতা এবং ডাকাতিমূলে হস্তান্তরিত সম্পত্তি;
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪১০ ধারায় চোরাই মালের সংজ্ঞা রয়েছে। দণ্ডবিধির ৪১০ ধারামতে যে সকল মাল বা সম্পত্তি চোরাই মাল বলে গণ্য হবে তা হল-
ক) চুরির মাধ্যমে অর্জিত সম্পত্তি;
খ) বলপূর্বক গৃহীত সম্পত্তি;
গ) দস্যুতা এবং ডাকাতিমূলে হস্তান্তরিত সম্পত্তি; এবং
ঘ) অপরাধমূলকভাবে আত্মসাৎকৃত ও বিশ্বাসভঙ্গের দ্বারা অর্জিত সম্পত্তিকে চোরাই মাল বা Stolen Property বলে।
⇒ উক্ত চোরাই মাল যখন আইনানুগভাবে দখলের অধিকারী লোকের দখলে আসে, তখন সেগুলো আর চোরাই সম্পত্তি থাকে না।

⇒ দণ্ডবিধির ৪১০ ধারার বিধান চোরাই সম্পত্তি:- চুরি বা জোরপূর্বক আদায় বা দস্যুতার কর্তৃক যে সম্পত্তি হস্তান্তরিত হয়েছে বা যে সম্পত্তি অপরাধমূলকভাবে আত্মসাৎ হয়েছে বা যে সম্পত্তি সম্পর্কে অপরাধমূলক বিশ্বাস ভঙ্গ হয়েছে সে সম্পত্তিকে "চোরাই সম্পত্তি” বলে। অনুরূপ হস্তান্তর অথবা আত্মসাৎ বা বিশ্বাস ভঙ্গ বাংলাদেশের মধ্যে বা বাহিরে যেখানে সাধিত বা সংঘটিত হোক না কেন, সংশ্লিষ্ট সম্পত্তি 'চোরাই সম্পত্তি' বলে উহা আইনানুগভাবে দখলের অধিকারী ব্যক্তির দখলে আসে, তবে আর উহা চোরাই সম্পত্তি থাকে না।
----------------------
⇒Section 410: Stolen property:
-Property, the possession whereof has been transferred by theft, or by extortion, or by robbery, and property which has been criminally misappropriated or in respect of which criminal breach of trust has been committed, is designated as "stolen property," whether the transfer has been made, or the misappropriation or breach of trust has been committed, within or without Bangladesh. But, if such property subsequently comes into the possession of a person legally entitled to the possession thereof, it then ceases to be stolen property.
.
Which section of the Penal Code contains the provision for the Extra-territorial application of the Penal Code?
  1. 3
  2. 4
  3. 5
  4. 7
সঠিক উত্তর:
4
উত্তর
সঠিক উত্তর:
4
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪ ধারার বিধান: দণ্ডবিধির অতিরাষ্ট্রিক প্রয়োগ (Extra-territorial application of Penal Code)-
-দণ্ডবিধির ৪ ধারায় দণ্ডবিধির অতিরাষ্ট্রিক প্রয়োগের বিধান রয়েছে। বাংলাদেশের কোন নাগরিক বাংলাদেশের বাহিরে কোন স্থানে বা বাংলাদেশের রেজিস্ট্রিকৃত কোন জাহাজ বা উড়োজাহাজে (জাহাজটি যেখানেই থাকুক না কেন) কোন অপরাধ করলে, বাংলাদেশের যে স্থানে উক্ত অপরাধীকে পাওয়া যাবে, সে স্থানে অপরাধ সংঘটন করেছে বলে ধারে নিয়ে তার বিচার করা যাবে।
অর্থাৎ দণ্ডবিধির ৪ ধারানুযায়ী বাংলাদেশের আদালত বাংলাদেশের বাইরে সংঘটিত অপরাধের বিচার করতে এমনভাবে ক্ষমতাবান যেন, বাংলাদেশের যে স্থানে অপরাধীকে পাওয়া যাবে সে স্থানে অপরাধটি সংঘটিত হয়েছে বলে মনে করা হবে।

⇒দণ্ডবিধির অনুযায়ী বাংলাদেশের নাগরিক দেশে-বিদেশে যেখানেই পেনাল কোডের অপরাধ করুক তাঁকে বাংলাদেশে যেখানে পাওয়া যাবে সেখানে বিচার করা যাবে। বিদেশি নাগরিক যদি বাংলাদেশে অবস্থান করে কোনো অপরাধ করলে এবং তা পেনাল কোডে দণ্ডনীয় হলে তার বিচার বাংলাদেশে করা যাবে। কিন্তু বিদেশি কোনো নাগরিক বিদেশে অপরাধ করলে সেটি বাংলাদেশে বিচার্য হবে না।
⇒ দণ্ডবিধির ২ থেকে ৪ ধারায় দণ্ডবিধির প্রয়োগ নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। যে ক্ষেত্রে দণ্ডবিধি প্রয়াগ হবে-
(i) বাংলাদেশের সকল নাগরিকের ক্ষেত্রে: দেশে-বিদেশে যেখানেই অপরাধ সংঘটন করুক না কেন।
(ii) বিদেশি নাগরিকের ক্ষেত্রে: যদি সে বাংলাদেশে অথবা বাংলাদেশের নিবন্ধিত কোন জাহাজ বা বিমানে অপরাধ সংঘটন করে।
(iii) বাংলাদেশের নিবন্ধিত কোন জাহাজ বা বিমানে অপরাধ সংগঠন করার ক্ষেত্রে: উক্ত বাংলাদেশি জাহাজ বা বিমান বাংলাদেশ বা বিদেশে যেখানেই অবস্থান করুক না কেন।
---------------------
⇒The penal Code Section -4.Extension of Code to extra-territorial offences:
The provisions of this Code apply also to any offence committed by-
(1) any citizen of Bangladesh in any place without and beyond Bangladesh;
(4) any person on any ship or aircraft registered in Bangladesh wherever it may be.
Explanation.-In this section the word "offence" includes every act committed outside Bangladesh which, if committed in Bangladesh, would be punishable under this Code.
.
আইনানুগ অভিভাবকের নিকট থেকে কত বছরের নাবালক বা নাবালিকাকে অপহরণ করলে তা আইনানুগ অভিভাবকত্ব থেকে মনুষ্য হরণ হবে?
  1. ১৪ বছরের নাবালক ও ১৮ বছরের নাবালিকা
  2. ১৪ বছরের নাবালক ও ১৬ বছরের নাবালিকা
  3. ১৬ বছরের নাবালক ও ১৬ বছরের নাবালিকা
  4. ১৬ বছরের নাবালক ও ১৮ বছরের নাবালিকা
সঠিক উত্তর:
১৪ বছরের নাবালক ও ১৬ বছরের নাবালিকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪ বছরের নাবালক ও ১৬ বছরের নাবালিকা
ব্যাখ্যা
ধারা ৩৬০। বাংলাদেশ হতে মনুষ্য হরণ:- কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তিকে তার সম্মতি ছাড়াই অথবা তার স্বপক্ষে সম্মতি দানের ক্ষমতাসম্পন্ন অপর কারো সম্মতি ছাড়াই বাংলাদেশের সীমানার বাইরে পাঠিয়ে দেয় বা নিয়ে যায়, তবে উক্ত ব্যক্তি তাকে বাংলাদেশ হতে অপহরণ করেছে বলে পরিগণিত হয়।

Section 360. Kidnapping from Bangladesh:-Whoever conveys any person beyond the limits of Bangladesh without the consent of that person, or of some person legally authorized to consent on behalf of that person, is said to kidnap that person from Bangladesh.

ধারা ৩৬১। আইনসম্মত অভিভাবকত্ব হতে মনুষ্যহরণ:- কোন ব্যক্তি যদি চৌদ্দ বৎসরের কম বয়সী কোন নাবালককে অথবা ষোল বৎসরের কম বয়সী কোন নাবালিকাকে অথবা বিকৃত মস্তিষ্ক কোন ব্যক্তিকে তার অভিভাবকের সম্মতি ছাড়াই অভিভাবকের রক্ষণাবেক্ষণ হতে নিয়ে যায়, তবে সে ব্যক্তি উক্ত অপ্রাপ্তবয়স্ক বালক বা বালিকাকে অথবা অনুরূপ বিকৃতমস্তিষ্ক ব্যক্তিকে আইনসম্মত অভিভাবকত্ব হতে অপহরণ করেছে বলে পরিগণিত হয়।

ব্যাখ্যা:- এই ধারায় "আইনসম্মত অভিভাবক" বলতে অনুরূপ অপ্রাপ্ত বয়স্ক বা অপর ব্যক্তির রক্ষণাবেক্ষণের জন্য আইনতঃ ভারপ্রাপ্ত যেকোন ব্যক্তিকেও বুঝাবে।

ব্যতিক্রম:- যে ব্যক্তি সরল বিশ্বাসে নিজেকে কোন অবৈধ সন্তানের পিতা বলে বিশ্বাস করে অথবা যে ব্যক্তি নিজেকে অনুরূপ শিশুর আইনসম্মত রক্ষণাবেক্ষণের ক্ষমতাপ্রাপ্ত বলে সরলমনে বিশ্বাস করে, সে ব্যক্তি কোন অবৈধ বা বেআইনী উদ্দেশ্যে অনুরূপ কাজ না করলে তার ক্ষেত্রে এই ধারা প্রয়োগযোগ্য হবে না।
.
কোন ব্যক্তি যদি কাউকে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে শ্রম দান করতে বাধ্য করে তাহলে তার দণ্ডবিধি অনুযায়ী সর্বোচ্চ শাস্তি কত দিন?
  1. ছয় মাস
  2. এক বৎসর
  3. দুই বৎসর
  4. তিন বৎসর
সঠিক উত্তর:
এক বৎসর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এক বৎসর
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৭৪ ধারার বিধান বেআইনী শ্রমে বাধ্য করা :- (১) কোন ব্যক্তি যদি কাউকে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে শ্রম দান করতে বাধ্য করে, তবে সে ব্যক্তি এক বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

(২) কোন ব্যক্তি যদি কোন যুদ্ধবন্দী বা অপর কোন আশ্রিত ব্যক্তিকে বাংলাদেশ সশ্রম বাহিনীতে কার্য করতে বাধ্য করে, তবে সে ব্যক্তি এক বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে।

ব্যাখ্যা:- এই “যুদ্ধবন্দী" এবং "আশ্রিত ব্যক্তি" অভিব্যক্তিসমূহ যথাক্রমে ১৯৪৯ সনের ১২ই আগষ্ট তারিখের যুদ্ধবন্দীর ব্যবস্থাপনা সম্পর্কিত জেনেভা সম্মেলনের-৪ দফা এবং ১৯৪৯ সনের ১২ই আগষ্ট তারিখের যুদ্ধকালে বেসামরিক ব্যক্তিবর্গের নিরাপত্তা সম্পর্কিত জেনেভা সম্মেলনের ৪ দফা মোতাবেক তৎসমূহের প্রতি আরোপিত অর্থের অনুরূপ অর্থ দ্যোতক হবে।
----------------
Unlawful compulsory labour
Section 374. (1) Whoever unlawfully compels any person to labour against the will of that person, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to one year, or with fine, or with both. 
 
(2) Whoever compels a prisoner of war or a protected person to serve in the armed forces of Bangladesh shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to one year. 
 
Explanation. In this section the expressions "prisoner of war" and "protected person" shall have the same meaning as have been assigned to them respectively by Article 4 of the Geneva Convention Relative to the Treatment of Prisoners of War of August 12, 1949, and Article 4 of the Geneva Convention Relative to the Protection of Civilian Persons in Time of War of August 12, 1949,
.
মিথ্যা সাক্ষ্য কর্তৃক 'চ'-কে ডাকাতির দায়ে দণ্ডিত করার অভিপ্রায়ে 'ক' আদালতে মিথ্যা সাক্ষ্য দান করে। ডাকাতির সাজা হচ্ছে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড অথবা অর্থদণ্ডসহ বা অর্থদণ্ড ছাড়া দশ বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম কারাদণ্ড। সুতরাং, এক্ষেত্রে 'ক' কী শাস্তি পেতে পারে?
  1. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  2. অর্থদণ্ডসহ কারাদণ্ড
  3. অর্থদণ্ড ছাড়া কারাদণ্ড
  4. ক বা খ বা গ
সঠিক উত্তর:
ক বা খ বা গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক বা খ বা গ
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ১৯৫ ধারার বিধান- যাবজ্জীবন কারাদণ্ড অথবা কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধে দণ্ডিত করার উদ্দেশ্যে মিথ্যা সাক্ষ্যদান বা মিথ্যা সাক্ষ্য তৈরি করা:
কোন ব্যক্তি যদি বর্তমানে বলবৎ কোন আইনবলে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় নয়, কিন্তু যাবজ্জীবন কিংবা সাত বৎসর বা তদূর্ধ্ব মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধে অন্য কোন ব্যক্তিকে দণ্ডিত করানোর উদ্দেশ্যে অথবা উক্ত অন্য কোন ব্যক্তি অনুরূপ অপরাধে দণ্ডিত হতে পারে জানা সত্ত্বেও মিথ্যা সাক্ষ্য তৈরি করে, তবে সে ব্যক্তি পূর্বোলিখিত অপরাধে কোন ব্যক্তি অপরাধী সাব্যস্ত হলে তাকে যে দণ্ডে দণ্ডিত করা যেত, সে দণ্ডে দণ্ডিত হবে।

উদাহরণ-
মিথ্যা সাক্ষ্য কর্তৃক 'চ'-কে ডাকাতির দায়ে দণ্ডিত করার অভিপ্রায়ে 'ক' আদালতে মিথ্যা সাক্ষ্য দান করে। ডাকাতির সাজা হচ্ছে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড অথবা অর্থদণ্ডসহ বা অর্থদণ্ড ছাড়া দশ বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম কারাদণ্ড। সুতরাং 'ক' যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে বা অর্থদণ্ডসহ বা ছাড়া কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে।
.
What does Section 362 of The Penal Code, 1860 specifically deal with?
  1. Force
  2. Assault
  3. Abduction
  4. Kidnapping
সঠিক উত্তর:
Abduction
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Abduction
ব্যাখ্যা
Section 362- Abduction:
Whoever by force compels, or by any deceitful means induces, any person to go from any place, is said to abduct that person.

⇒ দণ্ডবিধির ৩৬২ ধারা- অপহরণ বা মনুষ্যহরণ:
যদি কোন ব্যক্তি, অপর কোন ব্যক্তিকে কোন স্থান হতে গমন করার জন্য জোরপূর্বক বাধ্য করে বা কোন প্রতারণামূলক উপায়ে প্রলুব্ধ করে, তবে উক্ত ব্যক্তি অনুরূপ ব্যক্তিকে অপহরণ করে বলে গণ্য হবে।
.
দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ৩১০ কোন বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত?
  1. চুরির সংজ্ঞা
  2. ঠগের সংজ্ঞা
  3. শাস্তির প্রকারভেদ
  4. মানহানি সংজ্ঞা
সঠিক উত্তর:
ঠগের সংজ্ঞা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঠগের সংজ্ঞা
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩১০ ধারায় ঠগের সংজ্ঞা (Thug) রয়েছে। খুন অথবা খুন সহকারে দস্যুতা সংঘটন অথবা শিশু অপহরণ করার উদ্দেশ্যে দুষ্টু মন নিয়ে মেলামেশা করাকে ঠগ (Thug) বলে। অর্থাৎ অভ্যাসগতভাবে কাউকে খুন বা শিশু অপহরন করে দস্যুতার উদ্দেশ্যে মেলামেশা করাকে ঠগ বলা হয়। সমস্ত ঠগই দস্যু এবং ডাকাত কিন্তু সমস্ত দস্যু বা ডাকাত ঠগ নয়।
⇒ দণ্ডবিধির ৩১১ ধারার বিধান ঠগের শাস্তি:-কোন ব্যক্তি যদি ঠগ হয়, তবে সে ব্যক্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।
------
⇒ The Penal Code, 1860: Section 310: Thug:
-Whoever, at any time after the passing of this Act, shall have been habitually associated with any other or others for the purpose of committing robbery or child-stealing by means of or accompanied with murder, is a thug.
⇒ The Penal Code, 1860: Section 311:Punishment:
- Whoever is a thug, shall be punished with imprisonment for life, and shall also be liable to fine.
.
"Wrongful loss" এর উদাহরণ কী হতে পারে?
  1. কোনো ব্যক্তি সম্পত্তি ভুলভাবে হারানো
  2. কোনো ব্যক্তির অন্যের সম্পত্তি অবৈধভাবে দখল করা
  3. কোনো ব্যক্তির অনুমতি ছাড়া অন্যের সম্পত্তি ব্যবহার করা
  4. ক ও খ
সঠিক উত্তর:
কোনো ব্যক্তির অন্যের সম্পত্তি অবৈধভাবে দখল করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোনো ব্যক্তির অন্যের সম্পত্তি অবৈধভাবে দখল করা
ব্যাখ্যা
• Section 23- Wrongful loss:
"Wrongful loss" is the loss by unlawful means of property to which the person losing it is legally entitled.
"অন্যায্য ক্ষতি" হল অবৈধ উপায়ে এমন সম্পত্তির ক্ষতি যার উপর ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির আইনগত অধিকার রয়েছে।

"Wrongful loss" বা অবৈধ ক্ষতি বলতে এমন ক্ষতিকে বোঝানো হয়, যেখানে কোনো ব্যক্তি তার আইনগত অধিকার থাকা সত্ত্বেও অবৈধ উপায়ে তার সম্পত্তি হারায়। এর একটি উদাহরণ হল যখন কোনো ব্যক্তি অন্যের সম্পত্তি অবৈধভাবে দখল করে নেয়। এটি "Wrongful loss" এর একটি  উদাহরণ, কারণ:
- অধিকারী ব্যক্তি তার সম্পত্তির উপর আইনগত অধিকার রাখে।
- অন্য ব্যক্তি অবৈধভাবে (যেমন চুরি বা দখল করে) সেই সম্পত্তি থেকে তাকে ক্ষতিগ্রস্ত করে, অর্থাৎ সম্পত্তি হারানো হয়।

এটি একটি অবৈধ ক্ষতি কারণ এখানে সম্পত্তির অধিকারী ব্যক্তির অনুমতি ছাড়াই তার সম্পত্তি দখল করা হচ্ছে, যা আইনসিদ্ধ নয়।
১০.
'খ' একজন পুলিশ কর্মকর্তা আদালতের নির্দেশে 'ক'-কে আইনানুগভাবে গ্রেফতার করে। এতে 'ক 'প্রচণ্ডভাবে উত্তেজিত হয়ে 'খ' কে হত্যা করে। 'ক' পেনাল কোডের কোন ধারার শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছে?
  1. দণ্ডবিধির ৩০০ ধারায়
  2. দণ্ডবিধির ৩০২ ধারায়
  3. দণ্ডবিধির ৩০৪ ধারায়
  4. দণ্ডবিধির ৩০৪ক ধারায়
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধির ৩০০ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধির ৩০০ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩০০ ধারার বিধান খুন:- খুনের যে সবক্ষেত্রে ব্যতিক্রম নির্দেশ করা হয়েছে। সে সকল ক্ষেত্র ব্যতীত অন্যান্য সকল ক্ষেত্রে শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুন হবে, যদি যে কার্যটি কর্তৃক মৃত্যু অনুষ্ঠিত হয়, সে কার্যটি মৃত্যু সংঘটনের জন্যই করা হয়ে থাকে, অথবা

দ্বিতীয়ত, যদি কার্যটি কোন ব্যক্তিকে এমনভাবে দৈহিক আঘাত দেওয়ার উদ্দেশ্যে করা হয়ে থাকে, যে আঘাতের ফলে যে ব্যক্তিকে আঘাত দেওয়া হল, সে ব্যক্তির মৃত্যু হতে পারে বলে অপরাধী জানে, অথবা

তৃতীয়ত, যদি কোন ব্যক্তিকে দৈহিক আঘাত দানের উদ্দেশ্যে কার্যটি করা হয় এবং যদি যে দৈহিক আঘাত দেওয়ার অভিসন্ধি করা হয়েছে, সে আঘাতটি প্রকৃতির স্বাভাবিক গতিতে মৃত্যু ঘটাবার পক্ষে যথেষ্ট হয়, অথবা

চতুর্থত, যদি যে ব্যক্তি কার্যটি অনুষ্ঠান করে সে ব্যক্তি জানে যে, কার্যটি এমন আশু বিপজ্জনক যে, ইহার দরুণ খুব সম্ভব মৃত্যু ঘটবে, অথবা ইহার দরুণ অবশ্যই এমন দৈহিক আঘাত ঘটবে, যার ফলে মৃত্যু ঘটতে পারে এবং মৃত্যু ঘটাবার বা অনুরূপ দৈহিক আঘাত ঘটাবার ঝুঁকি গ্রহণের অপর কোন অজুহাত ব্যতিরেকে অনুরূপ কার্য করে।

ব্যতিক্রম ১:- যেক্ষেত্রে শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুন পরিগণিত হবে না :- শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি মারাত্মক ও আকস্মিক প্ররোচনার ফলে অপরাধী আত্ম-সংযমশক্তি হারাইয়া ফেলে এবং যে ব্যক্তি প্ররোচনা দান করেছে, সে ব্যক্তির মৃত্যু ঘটায় অথবা ভুলক্রমে বা দুর্ঘটনাক্রমে অপর কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটায়।

উপরোক্ত ব্যতিক্রমটি নিম্নোক্ত শর্তাবলী সাপেক্ষে:-

প্রথমত, প্ররোচনাটি কোন ব্যক্তিকে হত্যা করার বা তার ক্ষতি সাধনের অজুহাতস্বরূপ অপরাধী কর্তৃক স্বয়ং প্রার্থীত বা প্ররোচিত হতে পারবে না।
দ্বিতীয়ত, উক্ত প্ররোচনাটি আইনানুসারে কৃত কোন কার্য দ্বারা বা কোন সরকারী কর্মচারীর সরকারী কর্মচারী হিসেবে যথাযোগ্য ক্ষমতাবলীর আইনসম্মত প্রয়োগসঞ্জাত হতে পারবে না।
তৃতীয়ত, প্ররোচনা আত্মরক্ষার ব্যক্তিগত অধিকারের আইনসম্মত প্রয়োগক্রমে সম্পাদিত কোন কার্য পালন হতে পারবে না।

ব্যাখ্যা:- প্ররোচনাটি এমন মারাত্মক ও আকস্মিক ছিল কিনা, যার ফলে অপরাধটি খুনের শামিল হবে না, তা একটি ঘটনাগত প্রশ্ন।
উদাহরণ:
'চ' আইনসম্মতভাবে 'ক'-কে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারের ফলে 'ক' হঠাৎ ও আকস্মিকভাবে উত্তেজিত হয়ে 'চ'-কে হত্যা করে। এটা খুন, কেননা এটা উস্কানির ফলে একজন সরকারী কর্মচারী কর্তৃক তার ক্ষমতা প্রয়োগক্রমে কৃত একটি কাজ।

ব্যতিক্রম ২:- শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি অপরাধী সরল মনে তার আত্মরক্ষার অথবা সম্পত্তি রক্ষার ব্যক্তিগত অধিকার প্রয়োগক্রমে তাকে আইন প্রদত্ত ক্ষমতার সীমা অতিক্রম করে এবং যার বিরুদ্ধে সে এই অধিকার প্রয়োগ করে, কোনরূপ পূর্ব-পরিকল্পনা ব্যতীত অথবা অনুরূপ অধিকার রক্ষার জন্য যতটুকু ক্ষতিসাধন করা আবশ্যক, তদপেক্ষা বেশি ক্ষতি সাধনের ইচ্ছা ব্যতিরেকে, তার মৃত্যু ঘটায়।

ব্যতিক্রম ৩:- শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি দোষী একজন সরকারী কর্মচারী হিসেবে অথবা সরকারী কর্মচারীর সহায়তাকারী হিসেবে তাকে প্রদত্ত আইনানুগ ক্ষমতার সীমা অতিক্রম করে এবং এমন একটি কাজ সম্পাদন করে মত্যু ঘটায়, যা সে অনুরূপ সরকারী কর্মচারীর দায়িত্ব সুষ্ঠুভাবে সম্পাদন করার জন্য আবশ্যকীয় ও আইনসম্মত বলে সরল মনে বিশ্বাস করে এবং সে ব্যক্তির মৃত্যু ঘটলে তার প্রতি কোনরূপ দুরভিসন্ধি ছাড়াই কার্যটি করে।

ব্যতিক্রম ৪ :- শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি অপরাধটি কোন আকস্মিক বিবাদের সময় আকস্মিক উত্তেজনার কারণে কোনরূপ পূর্ব পরিকল্পনা ছাড়াই সংঘটিত হয় এবং অপরাধী কোন অন্যায় সুযোগ গ্রহণ না করে থাকে অথবা নিষ্ঠুরভাবে বা অস্বাভাবিকভাবে কার্য না করে থাকে।

ব্যাখ্যা:- এইরূপ ক্ষেত্রে কোন পক্ষ প্রথম উস্কানি দেয় বা প্রথম আঘাত করে, তা আদৌ গুরুত্বপূর্ণ নয়।

ব্যতিক্রম ৫:- শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি সে ব্যক্তির মৃত্যু হয়, সে ব্যক্তি আঠারো বৎসরের উর্ধ্ব বয়স্ক হলে স্বেচ্ছায় স্বীয় সম্মতিক্রমে মৃত্যুবরণ করে বা মৃত্যুর ঝুঁকি গ্রহণ করে।

------
⇒  Murder
Section 300. Except in the cases hereinafter excepted, culpable homicide is murder, if the act by which the death is caused is done with the intention of causing death, or- 
 
Secondly.- If it is done with the intention of causing such bodily injury as the offender knows to be likely to cause the death of the person to whom the harm is caused, or – 
 
Thirdly.- If it is done with the intention of causing bodily injury to any person and the bodily injury intended to be inflicted is sufficient in the ordinary course of nature to cause death, or – 
 
Fourthly.- If the person committing the act knows that it is so imminently dangerous that it must, in all probability, cause death, or such bodily injury as is likely to cause death, and commits such act without any excuse for incurring the risk of causing death or such injury as aforesaid.
When culpable homicide is not murder

Exception 1.-Culpable homicide is not murder if the offender, whilst deprived of the power of self-control by grave and sudden provocation, causes the death of the person who gave the provocation or cause the death of any other person by mistake or accident. 

The above exception is subject to the following provisos:
Firstly.-That the provocation is not sought or voluntarily provoked by the offender as an excuse for killing or doing harm to any person. 
Secondly.-That the provocation is not given by anything done in obedience to the law, or by a public servant in the lawful exercise of the powers of such public servant. 
Thirdly.-That the provocation is not given by anything done in the lawful exercise of the right of private defence. 
Explanation.- Whether the provocation was grave and sudden enough to prevent the offence from amounting to murder is a question of fact.
Illustration
(c) A is lawfully arrested by Z, a bailiff. A is excited to sudden and violent passion by the arrest, and kills Z. This is murder, inasmuch as the provocation was given by a thing done by a public servant in the exercise of his powers.

Exception 2.- Culpable homicide is not murder if the offender, in the exercise in good faith of the right of private defense of person or property, exceeds the powers given to him by law and causes the death of the person against whom he is exercising such right of defense without premeditation, and without any intention of doing more harm than is necessary for the purpose of such defense.

Exception 3.-
Culpable homicide is not murder if the offender, being a public servant or aiding a public servant acting for the advancement of public justice, exceeds the powers given to him by law, and causes death by doing an act which he, in good faith, believes to be lawful and necessary for the due discharge of his duty as such public servant and without ill-will towards the person whose death is caused. 
 
Exception 4.-Culpable homicide is not murder if it is committed without premeditation in a sudden fight in the heat of passion upon a sudden quarrel and without the offender's having taken undue advantage or acted in a cruel or unusual manner. 
Explanation.- It is immaterial in such cases which party offers the provocation or commits the first assault. 
 
Exception 5.- Culpable homicide is not murder when the person whose death is caused, being above the age of eighteen years, suffers death or takes the risk of death with his own consent.
১১.
The Penal Code, 1860 অনুযায়ী নিচের কোনটি গুরুতর আঘাত?
  1. পায়ে ১ ইঞ্চি পরিমাণ কাটার আঘাত
  2. বাহুতে আঘাত
  3. ঘাড়ে ১.৫ ইঞ্চি পরিমাণ আঘাত
  4. বাম কর্ণের শ্রবণশক্তি স্থায়ীভাবে রহিতকরণ
সঠিক উত্তর:
বাম কর্ণের শ্রবণশক্তি স্থায়ীভাবে রহিতকরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাম কর্ণের শ্রবণশক্তি স্থায়ীভাবে রহিতকরণ
ব্যাখ্যা
♦দণ্ডবিধির ৩২০ ধারায় ৮ শ্রেণীর জখমকে গুরুতর জখম' হিসাবে উল্লেখ করা হয়েছে।
৮ শ্রেণির গুরুতর আঘাত হল। যথা:
(i) পুরুষত্বহীনকরণ 
(ii) স্থায়ীভাবে চোখের দৃষ্টি রহিতকরণ 
(iii) স্থায়ীভাবে কানের শ্রুতিশক্তি রহিতকরণ 
(iv) যে কোন অঙ্গ বা গ্রন্থির অনিষ্ট সাধন 
(v) যে কোন অঙ্গ বা গ্রন্থির স্থায়ী ক্ষতিকরণ 
(vi) মাথা বা মুখমন্ডলের স্থায়ী বিকৃতি 
(vii) হাড় বা দাঁত ভাঙ্গা 
(viii) কোন ব্যক্তিকে ২০ পর্যন্ত তীব্র যন্ত্রণা দেয় এমন আঘথা
♦অর্থাৎ স্থায়ীভাবে কানের শ্রবণশক্তি রহিতকরণ ৩২০ ধারা অনুসারে গুরুতর আঘাত।
১২.
বাংলাদেশের বাইরে সংঘটিত অপরাধের ক্ষেত্রে দণ্ডবিধি প্রযোজ্য হবে যদি-
  1. অপরাধী বাংলাদেশের নাগরিক হয়
  2. অপরাধটি বাংলাদেশে সংঘটিত হলে দণ্ডনীয় হয়
  3. অপরাধী বাংলাদেশের কোনো জাহাজ বা বিমানে অবস্থান করে
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের দণ্ডবিধি, ১৮৬০ (অধীন) ৪ ধারার অধীনে বাংলাদেশের বাইরে সংঘটিত অপরাধের জন্য প্রযোজ্য হবে যদি:
→ অপরাধী বাংলাদেশের নাগরিক হয় (ক):
- যদি বাংলাদেশের নাগরিক বিদেশে কোনো অপরাধ করে, তবে তাকে বাংলাদেশে বিচারের আওতায় আনা যাবে এবং দণ্ডবিধির বিধান অনুসারে তার বিচার হবে।
→ অপরাধটি বাংলাদেশে সংঘটিত হলে দণ্ডনীয় হয় (খ):
- যদি কোনো অপরাধ বিদেশে সংঘটিত হলেও, সেই অপরাধ যদি বাংলাদেশে দণ্ডনীয় হয়, তবে সেই অপরাধে দণ্ডবিধি প্রয়োগ করা যাবে।
→ অপরাধী বাংলাদেশের কোনো জাহাজ বা বিমানে অবস্থান করে (গ):
- যদি অপরাধী বাংলাদেশের জাহাজ বা বিমানে থাকে, এমনকি তা বিদেশে অবস্থান করলে, সে ক্ষেত্রে বাংলাদেশে দণ্ডবিধি প্রযোজ্য হবে।
⇒ এ কারণে, "উপরের সবগুলো" ক্ষেত্রেই দণ্ডবিধি কার্যকর হবে।
১৩.
নিচের কোনটি দণ্ডবিধির ধারা ৫৩-এর আওতাভুক্ত শাস্তি নয়?
  1. মৃত্যুদণ্ড
  2. অর্থদণ্ড
  3. সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত
  4. বেত্রাঘাত
সঠিক উত্তর:
বেত্রাঘাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেত্রাঘাত
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: ঘ) বেত্রাঘাত।

⇒ দণ্ডবিধির ৫৩ ধারায় পাঁচ প্রকার শাস্তি উল্লেখ আছে। যথা:
(i) মৃত্যুদণ্ড (Death penalty);
(ii) যাবজ্জীবন কারাদণ্ড (Imprisonment for life);
(iii) কারাদণ্ড (Imprisonment) দুই প্রকার:
ক) সশ্রম( Rigorous, that is, with hard labour) এবং
খ) বিনাশ্রম (Simple);
(iv) সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত (forfeiture of property);
(v) অর্থদণ্ড (fine).

ব্যাখ্যা: যাবজ্জীবন কারাদণ্ড সর্বদায় সশ্রম কারাদণ্ড হবে। 

⇒ বেত্রাঘাত (whipping) ধারা ৫৩-এর আওতাভুক্ত নয়।

১৪.
দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ষষ্ঠ অধ্যায় কোন বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত?
  1. মানহানি
  2. রাষ্ট্রবিরোধী অপরাধ
  3. বিবাহ সংক্রান্ত অপরাধ
  4. সম্পত্তির বিরুদ্ধে অপরাধ
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রবিরোধী অপরাধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রবিরোধী অপরাধ
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ষষ্ঠ অধ্যায় (Chapter VI) এর শিরোনাম হলো:
- "Offences Against the State" অর্থাৎ রাষ্ট্রবিরোধী অপরাধ।
- এই অধ্যায় ধারা ১২১ থেকে ১৩০ পর্যন্ত বিস্তৃত অপরাধগুলো অন্তর্ভুক্ত করে।
- ষষ্ঠ অধ্যায় মূলত রাষ্ট্রের নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ।
- এটি রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে যুদ্ধ, ষড়যন্ত্র, রাষ্ট্রদ্রোহ, সরকারবিরোধী সহিংসতা ইত্যাদি অপরাধের বিচার ও শাস্তির বিধান দেয়।

গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় ও বিষয়বস্তু:
দ্বিতীয় অধ্যায়: সাধারণ ব্যাখ্যা (ধারা ৬-৫২-ক) – অপরাধ সংজ্ঞায়নের মূল শব্দাবলি।
তৃতীয় অধ্যায়: শাস্তি (ধারা ৫৩-৭৫) – মৃত্যুদণ্ড, কারাদণ্ড, জরিমানা প্রভৃতি।
চতুর্থ অধ্যায়: সাধারণ ব্যতিক্রম (ধারা ৭৬-১০৬) – আত্মরক্ষা, ভুল ইত্যাদি কারণে দায়মুক্তি।
পঞ্চম অধ্যায়: অপরাধে সহায়তা বা প্ররোচনা (ধারা ১০৭-১২০)।
পঞ্চম-ক অধ্যায়: অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র (ধারা ১২০-ক থেকে ১২০-খ)।
ষষ্ঠ অধ্যায়: রাষ্ট্রবিরোধী অপরাধ (ধারা ১২১-১৩০) – রাষ্ট্রদ্রোহ, যুদ্ধঘোষণা ইত্যাদি।
নবম অধ্যায়: সরকারি কর্মকর্তাদের অপরাধ (ধারা ১৬১-১৭১) ।
নবম-ক অধ্যায়: নির্বাচন সংক্রান্ত অপরাধ (ধারা ১৭১-ক থেকে ১৭১-ঝ)।
ষোড়শ অধ্যায়: মানবদেহের বিরুদ্ধে অপরাধ (ধারা ২৯৯-৩৭৭) – হত্যা, আহত করা, ধর্ষণ ইত্যাদি।
সপ্তদশ অধ্যায়: সম্পত্তির বিরুদ্ধে অপরাধ (ধারা ৩৭৮-৪৬২খ) – চুরি, ডাকাতি, প্রতারণা।
বিংশ অধ্যায়: বিবাহ সংক্রান্ত অপরাধ (ধারা ৪৯৩-৪৯৮) – বহুবিবাহ, বৈবাহিক প্রতারণা।
একবিংশ অধ্যায়: মানহানি (ধারা ৪৯৯-৫০২) – মিথ্যা অপবাদ দেওয়া।
১৫.
কোন পরিস্থিতিতে দণ্ডবিধির ৯৫ ধারা প্রযোজ্য হবে?
  1. যখন কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে কাউকে আঘাত করে
  2. যখন কাজটি এত ছোট যে সাধারণ মানুষ এতে অভিযোগ করবে না
  3. যখন কাজটি গুরুতর অপরাধের পর্যায়ে পড়ে
  4. যখন কাজটি সাধারণ মানুষকে ভয় বা বিপদে ফেলে
সঠিক উত্তর:
যখন কাজটি এত ছোট যে সাধারণ মানুষ এতে অভিযোগ করবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যখন কাজটি এত ছোট যে সাধারণ মানুষ এতে অভিযোগ করবে না
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৯৫ ধারা- সামান্য ক্ষতিকারক কার্য:
সামান্য ক্ষতিকারক যে কার্যে সাধারণ বোধ ও মেজাজ সম্পন্ন কোন ব্যক্তি ক্ষতির অভিযোগ করবে না, এমন কোন কাজ অপরাধ বলে পরিগণিত হবে না- যদিও কার্যটির ফলে অনুরূপ ক্ষতিসাধিত হয় বা কাজটি অনুরূপ ক্ষতিসাধনের উদ্দেশ্যে প্রণোদিত হয়, অথবা কার্যটির ফলে অনুরূপ ক্ষতি হতে পারে বলে উহার সম্পন্নকারীর জানা থাকে।

Section 95. Act causing slight harm:
Nothing is an offence by reason that it causes, or that it is intended to cause, or that it is known to be likely to cause, any harm, if that harm is so slight that no person of ordinary sense and temper would complain of such harm.
১৬.
দণ্ডবিধি অনুযায়ী কোনো ধর্মীয় সমাবেশে ইচ্ছাকৃতভাবে বিঘ্ন ঘটালে সর্বোচ্চ কত বছর কারাদণ্ড হতে পারে?
  1. ৬ মাস
  2. ১ বছর
  3. ২ বছর
  4. ৫ বছর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ২৯৬ অনুযায়ী, যদি কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে কোনো আইনসম্মত ধর্মীয় সমাবেশ (religious assembly) বা ধর্মীয় অনুষ্ঠানে বিঘ্ন সৃষ্টি করে,
তাহলে তার সর্বোচ্চ শাস্তি হলো এক বছরের কারাদণ্ড, অথবা জরিমানা, অথবা উভয় দণ্ড।

অর্থাৎ ধারা ২৯৬ → ধর্মীয় সমাবেশে বিঘ্ন → ১ বছর কারাদণ্ড বা জরিমানা বা উভয়।
সুতরাং, ধর্মীয় সমাবেশে ব্যাঘাত ঘটালে সর্বোচ্চ শাস্তি ১ বছর কারাদণ্ড, তাই সঠিক উত্তর (খ)।

⇒ দণ্ডবিধির ১৮৬০-এর ধারা ২৯৬ অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে এমন কোনো কাজ করে যার ফলে ধর্মীয় উপাসনা বা ধর্মীয় অনুষ্ঠানে আইনগতভাবে একত্র হওয়া কোনো সমাবেশে ব্যাঘাত সৃষ্টি হয়, তাহলে সেই ব্যক্তি অপরাধী হিসেবে গণ্য হবেন।
- এই অপরাধের জন্য শাস্তি: সর্বোচ্চ ১ (এক) বছর কারাদণ্ড, অথবা জরিমানা, অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা যেতে পারে।

⇒ The Penal Code, 1860, Section 296: Disturbing religious assembly:
“Whoever voluntarily causes disturbance to any assembly lawfully engaged in the performance of religious worship, or religious ceremonies, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to one year, or with fine, or with both.”

১৭.
'ক' একজন বিক্রেতা। এক প্রকার পানীয় স্বাস্থ্যহানিকর জানার পরেও, বিক্রয়ের জন্য 'ক' তার দোকানে উক্ত পানীয় প্রদর্শন করে। এক্ষেত্রে তার সর্বোচ্চ কী শাস্তি হতে পারে?
  1. শুধুমাত্র জরিমানা
  2. ৬ মাসের কারাদণ্ড বা ১,০০০ টাকা জরিমানা অথবা উভয়
  3. ১ বছরের কারাদণ্ড বা ১,০০ টাকা জরিমানা অথবা উভয়
  4. ২ বছরের কারাদণ্ড বা ২,০০০ টাকা জরিমানা অথবা উভয়
সঠিক উত্তর:
৬ মাসের কারাদণ্ড বা ১,০০০ টাকা জরিমানা অথবা উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ মাসের কারাদণ্ড বা ১,০০০ টাকা জরিমানা অথবা উভয়
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ২৭৩ ধারা: ক্ষতিকর খাদ্য বা পানীয় বিক্রয়:
কোন ব্যক্তি যদি এমন কোন দ্রব্য, খাদ্য বা পানীয় হিসেবে বিক্রয় করে, প্রদান করে বা বিক্রয়ার্থে উপস্থাপন করে, যা ক্ষতিকর করা হয়েছে বা সেরূপ হয়ে গিয়েছে অথবা যা এমন অবস্থায় রয়েছে, যাতে উহা খাদ্য বা পানীয় হিসেবে ব্যবহারের অনুপযুক্ত এবং উহা খাদ্য বা পানীয় হিসেবে স্বাস্থ্যহানিকর জানাসত্ত্বেও বা বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও তা করে, তবে সে ব্যক্তি ছয় মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা এক হাজার টাকা পর্যন্ত যেকোন পরিমাণ অর্থদণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

Section 273- Sale of noxious food or drink:
Whoever sells, or offers or exposes for sale, as food or drink, any article which has been rendered or has become noxious, or is in a state unfit food or drink, knowing or having reason to believe that the same is noxious as food or drink, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to six months, or with fine which may extend to one thousand taka, or with both.
১৮.
সূর্যাস্ত ও সূর্যোদয়ের মধ্যবর্তী সময় কোথায় দস্যুতা অনুষ্ঠিত হলে, কারাদণ্ডের মেয়াদ চৌদ্দ বৎসর পর্যন্ত হতে পারে?
  1. বাসগৃহে
  2. রাজপথে
  3. সরকারি ভবনে
  4. ক বা খ বা গ
সঠিক উত্তর:
রাজপথে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাজপথে
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৩৯২ ধারা- দস্যুতার সাজা:
কোন ব্যক্তি যদি দস্যুতা সংঘটন করে তবে সে ব্যক্তি দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে এবং যদি সূর্যাস্ত ও সূর্যোদয়ের মধ্যবর্তী সময় রাজপথে দস্যুতা অনুষ্ঠিত হয়, তবে কারাদণ্ডের মেয়াদ চৌদ্দ বৎসর পর্যন্ত হতে পারে।

Section 392⇒ Punishment for robbery:
Whoever commits robbery shall be punished with rigorous imprisonment for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine; and, if the robbery be committed on the highway between sunset and sunrise, the imprisonment may be extended to fourteen years.
১৯.
‘ক’ ‘খ’-কে হত্যা করার উদ্দেশ্যে তার খাবারে বিষ মেশায়; কিন্তু ‘খ’ তা না খাওয়ায় মৃত্যু ঘটে না। দণ্ডবিধি অনুযায়ী ‘ক’-এর কাজটি কোন ধারার অধীনে শাস্তিযোগ্য?
  1.  ১২০ ধারা
  2. ১২০ক ধারা
  3. ৫০৬ ধারা
  4. ৫১১ ধারা
সঠিক উত্তর:
৫১১ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫১১ ধারা
ব্যাখ্যা

⇒  দণ্ডবিধি, ১৮৬০–এর ধারা ৫১১–এ যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে বা কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধ সংঘটনের উদ্যোগ (attempt)–এর শাস্তির বিধান দেওয়া হয়েছে।
- প্রশ্নে বলা হয়েছে— ‘ক’ ‘খ’–কে হত্যা করার উদ্দেশ্যে তার খাবারে বিষ মেশায়, কিন্তু ‘খ’ তা না খাওয়ায় মৃত্যু ঘটে না। এখানে হত্যা সংঘটিত হয়নি, তবে হত্যার উদ্দেশ্যে একটি কার্য সম্পাদিত হয়েছে। অর্থাৎ এটি অপরাধ সংঘটনের উদ্যোগ।
- ধারা ৫১১ অনুযায়ী: যদি কেউ যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে বা কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধ সংঘটনের উদ্যোগ নেয় এবং সেই উদ্দেশ্যে কোনো কাজ করে, তবে সে অপরাধী হবে।
শাস্তি: সংশ্লিষ্ট অপরাধের জন্য নির্ধারিত সর্বোচ্চ কারাদণ্ডের অর্ধেক মেয়াদ পর্যন্ত কারাদণ্ড, অথবা অর্থদণ্ড, অথবা উভয় দণ্ড।
- তাই সঠিক উত্তর হলো: ঘ) ধারা ৫১১।

⇒ দণ্ডবিধির ৫১১ ধারার বিধান যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে বা কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধ সংঘটনের উদ্যোগের সাজা:-
কোন ব্যক্তি যদি এই বিধিবলে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় কোন অপরাধ সংঘটন করার অথবা অনুরূপ কোন অপরাধ সংঘটন করানোর উদ্যোগ করে এবং অনুরূপ উদ্যোগের মাধ্যমে অপরাধটি সংঘটনের উদ্দেশ্যে কোন কাজ করে, তবে যেক্ষেত্রে অনুরূপ উদ্যোগের সাজার জন্য এই বিধিতে কোন প্রকাশ্য বিধান করা হয় নাই, সেক্ষেত্রে সে ব্যক্তি অপরাধটির জন্য সে ধরনের অপরাধের জন্য বিহিত দণ্ডের দীর্ঘতম মেয়াদের অর্ধেক পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে বা সে অপরাধটির জন্য যে অর্থ দণ্ডেও বিধান করা হয়েছে সে অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
উদাহরণ:
(ক) 'ক' একটি বাক্স ভেঙ্গে কিছু গহনাপত্র চুরি করার উদ্যোগ করে। সে বাক্সটি ভেঙ্গে দেখতে পায় যে, উহাতে কোন গহনাপত্র নাই। সে চুরির উদ্দেশ্যে এই কাজটি করেছে; সুতরাং সে এই ধারার আওতায় অপরাধী বলে পরিগণিত হবে।
(খ) 'ক', 'চ'- এর পকেটে হাত দিয়ে চ-এর পকেট মারার উদ্যোগ নেয়। 'চ'- এর পকেটে কিছু ছিল না বলে ক-এর চেষ্টা ব্যর্থ হয়। 'ক' এই ধারার আওতায় অপরাধী বলে পরিগণিত হবে।
----------- 
⇒ The Penal Code, 1860,Section 511- Punishment for attempting to commit offences punishable with imprisonment for life or imprisonment:
Whoever attempts to commit an offence punishable by this Code with imprisonment for life or imprisonment, or to cause such an offence to be committed, and in such attempt does any act towards the commission of the offence, shall, where no express provision is made by this Code for the punishment of such attempt, be punished with imprisonment of any description provided for the offence, for a term which may extend to one-half of the longest term of imprisonment provided for that offence, or with such fine as is provided for the offence, or with both.

Illustration:
(a) A makes an attempt to steal some jewels by breaking open a box, and finds after so opening the box, that there is no jewel in it. He has done an act towards the commission of theft, and therefore is guilty under this section. 
(b) A makes an attempt to pick the pocket of Z by thrusting his hand into Z's pocket. A fails in the attempt in consequence of Z's having nothing in his pocket. A is guilty under this section.

২০.
দণ্ডবিধির ধারা ৩৯২ কোন অপরাধের শাস্তি নির্ধারণ করে?
  1. চুরি
  2. ডাকাতি
  3. দস্যুতা
  4. বলপূর্বক গ্রহণ
সঠিক উত্তর:
দস্যুতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দস্যুতা
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ৩৯২ ধারার বিধান- দস্যুতার সাজা:
কোন ব্যক্তি যদি দস্যুতা সংঘটন করে তবে সে ব্যক্তি দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে। এবং যদি সূর্যাস্ত ও সূর্যোদয়ের মধ্যবর্তী সময় রাজপথে দস্যুতা অনুষ্ঠিত হয়, 
তবে কারাদণ্ডের মেয়াদ চৌদ্দ বৎসর পর্যন্ত হতে পারে।

Section 392- Punishment for robbery:
Whoever commits robbery shall be punished with rigorous imprisonment for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine; and,
 if the robbery be committed on the highway between sunset and sunrise, the imprisonment may be extended to fourteen years.

২১.
দণ্ডবিধির ৩৯১ ধারার অধীনে ডাকাতি সংঘটিত হতে হলে কমপক্ষে কতজন ব্যক্তির উপস্থিতি প্রয়োজন?
  1. তিনজন
  2. চারজন
  3. পাঁচজন
  4. ছয়জন
সঠিক উত্তর:
পাঁচজন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাঁচজন
ব্যাখ্যা
→ দণ্ডবিধির ৩৯১ ধারার অধীনে ডাকাতি সংঘটিত হতে হলে কমপক্ষে ৫ জন ব্যক্তির উপস্থিতি প্রয়োজন।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৯১ ধারার বিধান ডাকাতি:- যদি পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি মিলিতভাবে দস্যুতা সংঘটন করে বা দস্যুতা সংঘটনের চেষ্টা করে, অথবা যদি কোন ক্ষেত্রে মিলিতভাবে দস্যুতা সংঘটনের চেষ্টা করে, অথবা যদি কোন ক্ষেত্রে মিলিতভাবে দস্যুতা সংঘটন প্রচেষ্টারত ব্যক্তির ও অনুরূপ কার্যে বা প্রচেষ্টায় সহায়তাকারী ব্যক্তির মোট সংখ্যা পাঁচ বা ততোধিক হয়, তবে অনুরূপ কাজ সংঘটনকারী বা প্রচেষ্টাকারী বা সহায়তাকারী প্রত্যেক ব্যক্তি ডাকাতি করছে বলে পরিগণিত হবে।
-------------- 
⇒ The Penal Code, 1860- Section 391 Dacoity: When five or more persons conjointly commit or attempt to commit a robbery, or where the whole number of persons conjointly committing or attempting to commit a robbery, and persons present and aiding such commission or attempt, amount to five or more, every person so committing, attempting or aiding, is said to commit "dacoity".
২২.
'মানবদেহ সংক্রান্ত অপরাধসমূহ' The Penal Code, 1860 এর কত অধ্যায়ে বর্ণিত আছে?
  1. ষষ্ঠ অধ্যায়
  2. নবম অধ্যায়
  3. ষোড়শ অধ্যায়
  4. বিংশ অধ্যায়
সঠিক উত্তর:
ষোড়শ অধ্যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ষোড়শ অধ্যায়
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধি ,১৮৬০ আইনে মোট অধ্যায় ২৩ টি এবং দণ্ডবিধির মোট ধারা ৫১১ টি (মূল দণ্ডবিধিতে ৪৮৮টি ধারা ছিল)।

• গুরুত্বপূর্ণ কিছু অধ্যায়ের নাম:
- দ্বিতীয় অধ্যায়: সাধারণ ব্যাখ্যা সমূহ,
- তৃতীয় অধ্যায়: শাস্তি,
- চতুর্থ অধ্যায়: সাধারণ ব্যতিক্রম সমূহ,
- পঞ্চম অধ্যায়: অপরাধে সহায়তা বা প্ররোচনা,
- পঞ্চম-ক অধ্যায়: অপরাধ মূলক ষড়যন্ত্র,
- ষষ্ঠ অধ্যায়: রাষ্ট্রবিরোধী অপরাধ,
- নবম অধ্যায়: সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীর সংক্রান্ত অপরাধ,
- নবম-ক অধ্যায়: নির্বাচন সংক্রান্ত অপরাধ,
- ষোড়শ অধ্যায়: মানবদেহ সংক্রান্ত অপরাধ,
- সপ্তদশ অধ্যায়: সম্পত্তির বিরুদ্ধে অপরাধ,
- বিংশ অধ্যায়: বিবাহ সংক্রান্ত অপরাধ,
- একবিংশ অধ্যায়: মানহানি,
- ত্রয়োবিংশ অধ্যায়: অপরাধ সংগঠনের উদ্যোগ।
২৩.
দন্ডবিধির ৪০৩ ধারার মূল আলোচ্য বিষয় কি?
  1. আঘাত
  2. শান্তি শৃঙ্খলা
  3. অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাত
  4. প্রতারণা
সঠিক উত্তর:
অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাত
ব্যাখ্যা
♦ পেনাল কোডের ৪০৩ ধারার বিধান অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎকরণ: কোন ব্যক্তি যদি অসাধুভাবে কোন অস্থাবর সম্পত্তি আত্মসাৎ করে অথবা তা তার নিজের ব্যবহারে প্রয়োগ করে, তবে উক্ত ব্যক্তি ১ বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থদণ্ড, অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবে।

ব্যাখ্যা ১:- কিছু সময়ের জন্য একটি অসাধু আত্মসাত্ত এই ধারা অনুযায়ী আত্মসাৎ বলে গণ্য হবে।

ব্যাখ্যা ২:- কোন ব্যক্তি যদি কোন সম্পত্তি কারো দখলে নেই দেখতে পেয়ে সম্পত্তিটি তার মালিকের স্বপক্ষে সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে অথবা মালিককে প্রত্যর্পণের উদ্দেশ্যে নিয়ে যায়, তবে সে অসাধুভাবে তা নিয়ে গিয়েছে বা আত্মসাৎ করেছে বলে গণ্য হবে না এবং কোন অপরাধে অপরাধী হবে না; কিন্তু সে উপরে বর্ণিত অপরাধে অপরাধী হবে যদি সে সম্পত্তিটির মালিককে জানা সত্ত্বেও বা মালিককে খুঁজে বাহির করার উপায় থাকা সত্ত্বেও তা নিজের কাজে ব্যবহার করে, অথবা যদি সে মালিককে খুঁজে বাহির করার ও তাকে বিজ্ঞাপিত করার জন্য যুক্তিসঙ্গত মাধ্যম অবলম্বনের উদ্দেশ্যে যথোপযুক্ত সময় পর্যন্ত সম্পত্তিটি সংরক্ষণ না করে তা তার নিজের কাজে ব্যবহার করে। অনুরূপ ক্ষেত্রে যুক্তিসঙ্গত মাধ্যম কি এবং যথোপযুক্ত সময় কত দীর্ঘ হবে তা একটি ঘটনাগত প্রশ্ন। সম্পত্তিটি প্রাপকের পক্ষে তার যথার্থ মালিককে তা জানার বা কোন বিশেষ ব্যক্তি যে তার মালিক তা জানার আবশ্যকতা নেই; যদি সে সম্পত্তিটি আত্মসাৎ করার সময় সেটা যে তার নয় তা বিশ্বাস করে বা সরল মনে বিশ্বাস করে যে, প্রকৃত মালিককে খুঁজে বের করা সম্ভব নয়, তবে তাই যথেষ্ট হবে।
২৪.
যে অপরাধের একমাত্র শাস্তি জরিমানা, সেক্ষেত্রে জরিমানা অনাদায়ে কারাদন্ড হবে-
  1. বিনাশ্রম
  2. সশ্রম
  3. নির্জন
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
বিনাশ্রম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিনাশ্রম
ব্যাখ্যা
♦দণ্ডবিধির ৬৭ ধারার বিধান অপরাধটি শুধু অর্থদণ্ড কর্তৃক দণ্ডনীয় হলে অর্থদণ্ড অনাদায়ে প্রদত্ত কারাদণ্ড:- অপরাধটি যদি শুধু অর্থদণ্ড কর্তৃক দণ্ডনীয় হয়, তবে অর্থদণ্ড অনাদায়ের জন্য আদালত যে কারাদণ্ডের আদেশ দিবেন, তা বিনাশ্রম হবে এবং অর্থদণ্ড অনাদায়ের জন্য আদালত অপরাধীকে যে মেয়াদের জন্য কারাদণ্ডে দণ্ডিত করার আদেশ দিবেন, তা নিম্নে নির্দেশিত বিভিন্ন পরিমাণের অধিক হবে না, যথা: অর্থদণ্ডের পরিমাণ পঞ্চাশ টাকার বেশি না হলে, অনূর্ধ্ব দুই মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদ; অর্থদণ্ডের পরিমাণ একশত টাকার অধিক না হলে, অনতিরিক্ত চার মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদ; এবং এতদ্ব্যতীত অপর যে কোন ক্ষেত্রে অনধিক ছয় মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদ।

♦দণ্ডবিধির ৬৮ ধারার বিধান অর্থদণ্ড আদায়ে কারামুক্তি:- যে অর্থদণ্ড অনাদায়ে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে, সে অর্থদণ্ড প্রদত্ত হলে অথবা আইনগত কার্যক্রমের মাধ্যমে আদায়ীকৃত হলে আসামীর কারামুক্তি হবে।

♦দণ্ডবিধির ৬৯ ধারার বিধান অর্থদণ্ডের আনুপাতিক অংশ আদায়ের কারামুক্তি:- যদি অর্থদণ্ড অনাদায়ের জন্য প্রদত্ত কারাদণ্ডের নির্দিষ্ট মেয়াদ শেষ হওয়ার পূর্বে অর্থদণ্ডেও এমন একটি আনুপাতিক অংশ প্রদত্ত অথবা আদায়ীকৃত হয় যে, অর্থদণ্ডে ও অনাদায়ের জন্য প্রদত্ত কারাদণ্ডের মেয়াদের যে অংশ উত্তীর্ণ হয়েছে, তা অর্থদণ্ডে ও এখনও অপ্রদত্ত বা অনাদায়ীকৃত অংশের সাথে আনুপাতিক হার অপেক্ষা কম নয়, তবে আসামীর কারামুক্তি হবে।
২৫.
নিম্নের কোন ক্ষেত্রে কোনো অপরাধ সংঘটিত হয়নি?
  1. অসতর্কতা হেতু কুড়ালের মাথা উড়ে নিকটস্থ ব্যক্তিকে আহত করা
  2. মৃত্যুর সম্ভাবনা আছে জেনেও ডাক্তার সদবিশ্বাসে রুগির অনুমতি ছাড়া অস্ত্রপচার করায় রুগি মারা গেলে
  3. সৈনিক তার উর্দ্ধতন পদস্থ কর্মকর্তার আদেশক্রমে আইনের নির্দেশ মোতাবেক জনতার উপর গুলি করেন
  4. 'ক'-কে গ্রেফতার করার জন্য আদিষ্ট হলেও ভুলক্রমে 'ক' মনে করে 'খ'-কে গ্রেফতার করা
সঠিক উত্তর:
সৈনিক তার উর্দ্ধতন পদস্থ কর্মকর্তার আদেশক্রমে আইনের নির্দেশ মোতাবেক জনতার উপর গুলি করেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সৈনিক তার উর্দ্ধতন পদস্থ কর্মকর্তার আদেশক্রমে আইনের নির্দেশ মোতাবেক জনতার উপর গুলি করেন
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৭৬ ধারার বিধান আইনবলে বাধ্য বা ভুল ধারণাবশতঃ নিজেকে আইনবলে বাধ্য বলে বিশ্বাসকারী ব্যক্তিবিশেষ কর্তৃক সম্পাদিত কার্য:- যে ব্যক্তি কোন কাজ করতে আইনত: বাধ্য বলে কোন কাজ সম্পাদন করলে, অথবা আইনের কাজটি ভুল না করে ঘটনা সম্পর্কে ভুলবশত: কাজটি করতে আইনত: বাধ্য বলে সরল মনে বিশ্বাস করে সে ব্যক্তি কোন কাজ সম্পাদন করলে তা অপরাধ হবে না।

উদাহরণসমূহ:
(ক) ক একজন সৈনিক। সে তার উর্ধ্বতন অফিসারের নির্দেশক্রমে আইনের বিধানমতে কোন জনতার উপর গুলিবর্ষণ করে। ক-এর গুলিবর্ষণ কাজ অপরাধ হবে না।

(খ) বিচারালয়ের জনৈক কর্মকর্তা 'ক' উক্ত বিচারালয় কর্তৃক ম-কে গ্রেফতার করার জন্য আদিষ্ট হয়ে এবং যথাযথ তদন্তের পর 'খ'-কে 'ম' মনে করে 'খ'-কে গ্রেফতার করেন। 'ক' কোন অপরাধ সংঘটন করেন নাই।

উল্লেখ্য,
অপশন "ক" তে অসতর্কতা হেতু মানে অসতর্কতার কারণে,
অপশন "খ" তে অনুমতি ছাড়া।
অপশন "ঘ" তে যথাযথ তদন্ত না করে। 
কৃতকাজ গুলো করেছেন তাই এগুলো অপরাধ সংঘটিত হয়েছে হিসেবে পরিগণিত হবে। 
------------
-Section 76. Act done by a person bound, or by mistake of fact believing himself bound, by law:
Nothing is an offence which is done by a person who is, or who by reason of a mistake of fact and not by reason of a mistake of law in good faith believes himself to be, bound by law to do it. 
 
Illustrations
(a) A, a soldier, fires on a mob by the order of his superior officer, in conformity with the commands of the law. A has committed no offence. 
 
(b) A, an officer of a Court of Justice, being ordered by that Court to arrest Y, and, after due enquiry, believing Z to be Y, arrests Z. A has committed no offence.
২৬.
'A' তার পকেটে কুকুরের জন্য একটি টোপ রাখে এবং এর সাহায্যে 'B'-এর কুকুরকে এটি অনুসরণ করতে প্রলুব্ধ করে। কুকুরটি 'A' কে অনুসরণ করতে থাকে। 'A' এর অপরাধ-
  1. চুরি
  2. বলপূর্বক গ্রহণ
  3. ডাকাতি
  4. দস্যুতা
সঠিক উত্তর:
চুরি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চুরি
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৭৮ ধারায় চুরির বিধান রয়েছে। ৩৭৮ ধারামতে কোন ব্যক্তির দখল থেকে সম্মতি ব্যতীত কোন অস্থাবর সম্পত্তি (Movable property) অসাধুভাবে গ্রহণের উদ্দেশ্যে স্থানান্তর করলে বা সরানো হলে তা চুরি বলে গণ্য হবে। অন্যভাবে বলা যায়, যদি কোন ব্যক্তি কোন অস্থাবর সম্পত্তি অসাধুভাবে গ্রহণের উদ্দেশ্যে সম্পত্তির দখলে থাকা ব্যক্তির সম্মতি ছাড়া উক্ত সম্পত্তি স্থানান্তর করে তবে তা চুরি বলে গণ্য হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৭৮ ধারার বিধান চুরি:- কোন ব্যক্তি যদি কারো দখল হতে তার সম্মতি ব্যতীত কোন অস্থাবর সম্পত্তি অসাধুভাবে গ্রহণ করার উদ্দেশ্য নিয়ে উক্ত সম্পত্তি অনুরূপভাবে গ্রহণের জন্য স্থানান্তর করে, তবে উক্ত ব্যক্তি চুরি করেছে বলে গণ্য হবে।

ব্যাখ্যা ১:- কোন বস্তু যতক্ষণ পর্যন্ত অস্থাবর সম্পত্তি না হওয়া বিধায় মাটির সাথে যুক্ত থাকে, ততক্ষণ পর্যন্ত উহা চুরি করার বস্তু বলে গণ্য হবে না, কিন্তু যে মুহূর্তে উহাকে মাটি হতে বিচ্ছিন্ন করা হয় সে মহূর্তেই উহা চুরি করার বস্তু হওয়ার যোগ্য গণ্য হবে।
ব্যাখ্যা ২:- যে কাজ কর্তৃক (মাটি হতে) বিচ্ছিন্নতা সাধন করা হয়, সে কাজ দ্বারাই স্থানান্তর করা হলে তা চুরি হতে পারে।
ব্যাখ্যা ৩:- কোন ব্যক্তি কোন বস্তুর গতির প্রতিবন্ধক অপসারণ করলে বা উহাকে অপর কোন বন্ধু হতে বিচ্ছিন্ন করলে এবং বাস্তবিকভাবে উহা স্থানান্তর করলে উক্ত বস্তু স্থানান্তর করে বলে পরিগণিত হবে।
ব্যাখ্যা ৪:- কোন ব্যক্তি যে কোন উপায়ে কোন পশুকে হাঁটায়, সে লোক সে পশুকে এবং অনুরূপভাবে সৃষ্ট গতির ফলে উক্ত পশু দ্বারা স্থানান্তরিত প্রত্যেক বস্তুকে স্থানান্তর করে বলে গণ্য হবে।
ব্যাখ্যা ৫:- সংজ্ঞায় উল্লেখিত সম্মতি প্রকাশ্য অথবা পরোক্ষ হতে পারে: এবং উক্ত সম্মতি দখলকারী ব্যক্তি বা উক্ত উদ্দেশ্য প্রকাশ্য বা পরোক্ষ ক্ষমতাসম্পন্ন ব্যক্তির দ্বারা প্রদত্ত হতে পারে।

(ক) ক গ-এর জমিতে একটি গাছ কেটে ফেলে। তার উদ্দেশ্য, সে গ-এর জমি হতে গ-এর সম্মতি ব্যতীত গাছটি অসাধুভাবে নিয়ে যাবে। এইক্ষেত্রে যে মুহূর্তে ক গাছটি নিয়ে যাবার উদ্দেশ্যে কেটেছে সে মুহূর্তে চুরি সংঘটিত হয়েছে।

(খ) ক তার পকেটে একটি কুকুরের টোপ রাখে এবং তার ফলে গ-এর কুকুর তাকে অনুসরণ করতে থাকে। এক্ষেত্রে ক-এর উদ্দেশ্য যদি হয় গ-এর সম্মতি ব্যতীত গ-এর কুকুরটি অসাধুভাবে নিয়ে যাওয়া তবে যে মুহূর্তে গ-এর কুকুর তাকে অনুসরণ করতে শুরু করেছে সে মূহূর্তে চুরি সংঘটিত হয়েছে।

(গ) ক একটি সম্পদ ভর্তি বাক্স বহনকারী ষাঁড় দেখতে পায়; সে ষাঁড়টিকে একটি বিশেষ দিকে তাড়াইয়া দিতে থাকে যাতে সে অসাধুভাবে বাক্সটি হস্তগত করতে পারে। যে মুহূর্তে ষাঁড়টি চলতে শুরু করেছে সে মুহূর্তে ক বাক্সটি চুরি করেছে বলে পরিগণিত হবে।
----------------
Theft:
Section 378. Whoever, intending to take dishonestly any moveable property out of the possession of any person without that person's consent, moves that property in order to such taking, is said to commit theft. 
Explanation 1.- A thing so long as it is attached to the earth, not being moveable property, is not the subject of theft; but it becomes capable of being the subject of theft as soon as it is severed from the earth. 
Explanation 2.- A moving effected by the same act which effects the severance may be a theft. 
Explanation 3.- A person is said to cause a thing to move by removing an obstacle which prevented it from moving or by separating it from any other thing, as well as by actually moving it. 
Explanation 4.- A person, who by any means causes an animal to move, is said to move that animal, and to move everything which, in consequence of the motion so caused, is moved by that animal. 
Explanation 5.- The consent mentioned in the definition may be express or implied, and may be given either by the person in possession, or by any person having for that purpose authority either express or implied.
২৭.
The Penal Code, 1860 এর ৩২০ ধারা অনুসারে কত শ্রেণির আঘাতকে গুরুতর আঘাত বলা হয়েছে?
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
♦The Penal Code, 1860 এর ৩২০ ধারা অনুযায়ী ৮ শ্রেণির আঘাতকে গুরুতর আঘাত বলা হয়েছে। যথা:
(i) পুরুষত্বহীনকরণ
(ii) স্থায়ীভাবে চোখের দৃষ্টি রহিতকরণ
(iii) স্থায়ীভাবে কানের শ্রুতিশক্তি রহিতকরণ
(iv) যে কোন অঙ্গ বা গ্রন্থির অনিষ্ট সাধন
(v) যে কোন অঙ্গ বা গ্রন্থির স্থায়ী ক্ষতিকরণ
(vi) মাথা বা মুখমন্ডলের স্থায়ী বিকৃতি
(vii) হাড় বা দাঁত ভাঙ্গা
(viii) কোন ব্যক্তিকে ২০ পর্যন্ত তীব্র যন্ত্রণা দেয় এমন আঘাত।
২৮.
একদিন সকালে 'ক' তার ভাই 'খ' এর ঘরে প্রবেশ করে দেখে 'গ' এর মৃতদেহ পড়ে আছে, পাশে 'খ' রক্তমাখা ছুরি হাতে দাঁড়িয়ে আছে। অতঃপর 'ক', 'খ' থেকে জানতে পারে, 'গ' তার পাওনা টাকা পরিশোধ করার জন্য বলায় 'খ' তাকে খুন করে। তা শুনে 'ক' ছুরিটা নিয়ে বাড়ির পাশের পুকুরে ফেলে দেয়। এক্ষেত্রে 'ক' দণ্ডবিধির অধীন সর্বোচ্চ কী শাস্তি পেতে পারে?
  1. মৃত্যুদণ্ড
  2. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  3. সাত বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ড
  4. দশ বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
সাত বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাত বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ২০১ ধারা- অপরাধের সাক্ষ্য প্রমাণের বিলোপসাধন অথবা অপরাধীকে অব্যাহতি দেওয়ার মিথ্যা খবর দেওয়া:

কোন ব্যক্তি যদি কোন অপরাধীকে আইনের সাজা হতে বাঁচাবার উদ্দেশ্যে, কোন অপরাধ অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে জানা সত্ত্বেও অথবা অপরাধ অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে তার বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও, সে অপরাধটি সংঘটনের কোন সাক্ষ্য বা প্রমাণ বিলুপ্ত করে বা করায়, অথবা সে উদ্দেশ্য নিয়ে সে অপরাধটি সম্পর্কে কোন খবর দেয়, যা সে মিথ্যা বলে জানে অথবা যা মিথ্যা বলে তার বিশ্বাস করার কারণ রয়েছে, তখন-

যদি অপরাধটি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়: যদি, যে অপরাধটি অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে সে জানে বা যে অপরাধটি অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে তার বিশ্বাস সে অপরাধটি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়, তবে সে ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে;

যদি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়: এবং যদি অপরাধটি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়, তবে সে ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে;

যদি দশ বৎসর অপেক্ষা কম মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়: এবং যদি অপরাধটি দশ বৎসর অপেক্ষা কম মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়, তবে সে ব্যক্তি অপরাধটির জন্য যে ধরনের (সম্ভ্রম অথবা বিনাশ্রম) কারাদণ্ডের বিধান করা হয়েছে, সে ধরনের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং অপরাধটির জন্য দীর্ঘতম যে মেয়াদের কারাদণ্ডের বিধান করা হয়েছে, তার কারাদণ্ডের মেয়াদ উহার এক চতুর্থাংশ পর্যন্ত যেকোন দৈর্ঘ্যের হবে, অথবা অর্থ দণ্ডে দণ্ডিত হবে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

যেহেতু 'খ' খুনের অপরাধ করেছে এবং তা ৩০২ ধারার অধীন মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয়, সেহেতু 'ক' সর্বোচ্চ সাত বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে।
২৯.
দণ্ডবিধি ৭০ ধারার বিধান অনুসারে, কোন ক্ষেত্রে অর্থদণ্ড আদায়ের সময়সীমা ৬ বছরেরও বেশি হতে পারে?
  1. কারাদণ্ড ৩ বছরের বেশি হলে
  2. কারাদণ্ড ২ বছরের কম হলে
  3. কারাদণ্ড ৬ বছরের বেশি হলে
  4. আসামির সম্পত্তি না থাকলে
সঠিক উত্তর:
কারাদণ্ড ৬ বছরের বেশি হলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কারাদণ্ড ৬ বছরের বেশি হলে
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৭০ ধারায় অর্থদণ্ড আদায়ের সময়সীমা সম্পর্কে ৩টি বিধানের উল্লেখ আছে-
(i) দণ্ডাদেশ প্রদানের পরবর্তী ৬ বছরের মধ্যে যেকোনো সময়।
(ii) ৬ বছরের অধিক কারাদণ্ড হলে- কারাদণ্ডের মেয়াদ শেষ/উত্তীর্ণ হওয়ার আগে।
(iii) অর্থদণ্ড অনাদায়ে আসামির মৃত্যু হলে- আসামির সম্পত্তি থেকে আদায় করা হবে। অর্থাৎ আসামির মৃত্যু হলেও অর্থদণ্ড/জরিমানা মওকুফ হবে না।

দণ্ডবিধির ৭০ ধারার বিধান- অর্থদও ছয় বৎসরের মধ্যে বা কারাদণ্ড চলতে থাকাকালে আদায়যোগ্য:
মৃত্যুর ফলে সম্পত্তি দায়মুক্ত হবে না:- অর্থদণ্ড বা উহার কোন অপরিশোধিত অংশ দণ্ডাদেশ দানের পরবর্তী ছয় বৎসরের মধ্যে যে কোন সময়ে আদায় করা যাবে, এবং উক্ত দণ্ডাদেশবলে অপরাধী যদি ছয় বৎসর হতেও দীর্ঘতর মেয়াদের জন্য কারাদণ্ডে দণ্ডিত হয়, তবে অর্থদণ্ড বা উহার কোন অপরিশোধিত অংশ উক্ত কারাদণ্ডের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে যে কোন সময়ে আদায় করা হবে; অপরাধীর মৃত্যুর পর তার যে সম্পত্তি তার দায় পরিশোধ আইনতঃ দায়গ্রস্ত হতে পারে, অপরাধীর মৃত্যুর ফলে অনুরূপ সম্পত্তি দায়মুক্ত হবে না।
৩০.
মুদ্রা জালকরণ (Counterfeiting coin) সম্পর্কিত দণ্ডবিধির ধারা কত?
  1. ২৩১ ধারা
  2. ২৩৩ ধারা
  3. ২৩২ ধারা
  4. ২৩০ ধারা
সঠিক উত্তর:
২৩১ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৩১ ধারা
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ২৩১ ধারার বিধান: মুদ্রা জাল করণ- কোন ব্যক্তি মুদ্রা জাল করলে অথবা জ্ঞাতসারে মুদ্রা জালকরণ প্রক্রিয়ার অংশ বিশেষ সম্পাদন করলে, সে ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

- ব্যাখ্যা:- কোন ব্যক্তি প্রতারণা করার অভিপ্রায়ে, অথবা তার কাজের ফলে প্রতারণা সংঘটিত হবে জানা সত্ত্বেও, কোন খাঁটি মুদ্রাকে দেখতে অপর কোন মুদ্রার মতো করলে, সে অপরাধ করেছে বলে পরিগণিত হবে।

-------------------------------
♦ Counterfeiting coin:

Section 231. Whoever counterfeits or knowingly performs any part of the process of counterfeiting coin, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine. 
 
- Explanation.- A person commits this offence who intending to practice deception, or knowing it to be likely that deception will thereby be practiced, causes a genuine coin to appear like a different coin.
৩১.
The Penal Code, 1860 এর কত ধারায় বিচারিক কার্যধারায় নিযুক্ত কোনো সরকারি কর্মচারিকে ইচ্ছাকৃত অবজ্ঞা বা বাধাগ্রস্থ করার শাস্তির বিষয়ে বলা হয়েছে?
  1. দণ্ডবিধির ২২৮ ধারা
  2. দণ্ডবিধির ২২৭ ধারা
  3. দণ্ডবিধির ২২৫ ধারা
  4. দণ্ডবিধির ২২৪ ধারা
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধির ২২৮ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধির ২২৮ ধারা
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ২২৮ ধারার বিধান হল বিচার বিষয়ক কার্যক্রমের কোন পর্যায়ে বিচারকের আসন গ্রহণকারী কোন সরকারী কর্মচারীকে ইচ্ছাকৃতভাবে অপমান করা বা তাহার কার্যে বাধা দেওয়ার শাস্তি: কোন সরকারী কর্মচারী কোন বিচার বিভাগীয় কার্যক্রমের যেকোন পর্যায়ে নিয়ত থাকাকালে কোন ব্যক্তি যদি ইচ্ছাকৃতভাবে তাকে অপমান করে বা তার কাজে বাধা প্রদান করে, তবে সে ব্যক্তি ছয় মাস পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা এক হাজার টাকা পর্যন্ত যেকোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

----------
♦ Intentional insult or interruption to public servant sitting in judicial proceeding:
- Section 228. Whoever intentionally offers any insult, or causes any interruption to any public servant, while such public servant is sitting in any stage of a judicial proceeding, shall be punished with simple imprisonment for a term which may extend to six months, or with fine which may extend to one thousand taka, or with both.
৩২.
দণ্ডবিধির ৩৩৮ক ধারায় _________________ গুরুতর আঘাত প্রদান করার অপরাধের শাস্তির বিধান রয়েছে।
  1. প্ররোচনা দেয়ার ফলে
  2. এসিড বা দাহ্য পদার্থ ব্যবহার করে
  3. মারাত্মক অস্ত্র ব্যবহার করে
  4. বেপরোয়াভাবে গণপথে গাড়ি চালিয়ে
সঠিক উত্তর:
বেপরোয়াভাবে গণপথে গাড়ি চালিয়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেপরোয়াভাবে গণপথে গাড়ি চালিয়ে
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৩৩৮ক ধারা: জনপথে বেপরোয়া গাড়ি চালিয়ে বা অশ্বারোহণ করে গুরুতর আঘাত প্রদান করা:
যে ব্যক্তি বেপরোয়া বা অবহেলামূলকভাবে গণপথে গাড়ি চালিয়ে বা অশ্বারোহণ করে কোন ব্যক্তিকে এমন গুরুতর আঘাত করে যাতে মনুষ্যজীবন ও অন্যের ব্যক্তিগত নিরাপত্তা বিপন্ন হয়, তবে উক্ত ব্যক্তি দুই বৎসর মেয়াদ পর্যন্ত কারাদণ্ডে, বা অর্থদণ্ডে বা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

Section 338A- Causing grievous hurt by rash driving or riding on a public way:
Whoever causes grievous hurt to any person by driving any vehicle, or riding on any public way so rashly or negligently as to endanger human life, or the personal safety of others, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.
৩৩.
A ও B আলাদাভাবে ও বিভিন্ন সময়ে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র মাত্রায় বিষ প্রয়োগ করে C কে খুন করার জন্য একমত হয়। A ও B, C কে খুন করার লক্ষ্যে চুক্তি মোতাবেক বিষ প্রয়োগ করলে C এর মৃত্যু হয়। A ও B এর দায় সম্পর্কে নিম্নলিখিত কোন তথ্যটি সঠিক?
  1. A খুনের জন্য এবং B খুনে সহায়তার জন্য দায়ী হবে
  2. A ও B প্রত্যেকে খুনের জন্য দায়ী হবে
  3. A ও B প্রত্যেকে খুনে সহায়তার জন্য দোষী হবে
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
A ও B প্রত্যেকে খুনের জন্য দায়ী হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
A ও B প্রত্যেকে খুনের জন্য দায়ী হবে
ব্যাখ্যা
যে কোন একটি কাজ সম্পাদনের মাধ্যমে অপরাধ সংঘটনে সহযোগীতা (Co-operation by doing one of several acts constituting an offence)-
♦ দণ্ডবিধির ৩৭ ধারা অনুযায়ী যখন কতিপয় কার্যের মাধ্যমে অপরাধ অনুষ্ঠিত হয়, তখন কেউ কতিপয় কাজের মধ্যে একটি সম্পাদনের মাধ্যমে অপরাধ সংঘটনে সহযোগীতা করলে উক্ত সহযোগীতাকারী ব্যক্তি অন্য অপরাধীদের সাথে যৌথভাবে সমান দায়ী হবে। অর্থাৎ একই অভিপ্রায় বিদ্যমান না থাকলেও একজন অপরাধীর কাজ যদি অপর অপরাধীর কাজের সহায়ক বা সমর্থনমূলক হয়, তাহলে উভয়ই দায়ী হবে।

♦ যেমন- ক ও খ পৃথকভাবে ভিন্ন ভিন্ন সময়ে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র মাত্রায় বিষ প্রয়োগ করে ফ-কে খুন করার জন্য একমত হয়। ক ও খ, ফ- কে খুন করার উদ্দেশ্যে চুক্তি অনুযায়ী বিষ প্রয়োগ করে। ফ-এর প্রতি অনুরূপভাবে প্রযুক্ত কতিপয় মাত্রা বিষ প্রয়োগের ফলে ফ-এর মৃত্যু হয়। এখানে ক ও খ ইচ্ছাপূর্বকভাবে খুন সংঘটনে সহযোগিতা করে এবং তারা প্রত্যেকেই এইরূপ একটি কার্য সম্পাদন করে যা দ্বারা মৃত্যু সংঘটিত হয়। সুতরাং যদিও ক ও খ এর কার্যসমূহ স্বতন্ত্র তবুও উভয়েই ফ-কে খুনের অপরাধে দায়ী।
৩৪.
"Cheating by Personation" এর সংজ্ঞা দণ্ডবিধির কোন ধারায় দেওয়া আছে?
  1. ৪১৫ ধারায়
  2. ৪১৬ ধারায়
  3. ৪১৭ ধারায়
  4. ৪১৮ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৪১৬ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪১৬ ধারায়
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ৪১৬ ধারার বিধান অপরের রূপ ধারণপূর্বক প্রতারণা:
- কোন ব্যক্তি যদি নিজেকে অন্য কোন ব্যক্তি বলে প্রতারণা করে অথবা জ্ঞাতসারে কোন ব্যক্তিকে অন্য ব্যক্তি বলে চালিয়ে প্রতারণা করে অথবা নিজেকে বা অন্য কোন ব্যক্তিকে সে নিজে বা সে ব্যক্তি অন্য যে ব্যক্তি নয় সে ব্যক্তি বলে চালিয়ে প্রতারণা করে, তবে উক্ত ব্যক্তি অপরের রূপ ধারণ করে প্রতারণা করেছে বলে গণ্য হয়।
ব্যাখ্যা:- যে ব্যক্তির রূপ ধারণ করা হয়েছে সে ব্যক্তি প্রকৃত ব্যক্তি হোক আর কাল্পনিক ব্যক্তি হোক না কেন অপরাধটি অনুষ্ঠিত হবে।
উদাহরণ:
(ক) ক একই নামে একজন বিত্তশালী ব্যাংকার বলে নিজেকে পরিচয় দান করে। ক অপরের রূপ ধারণ করে প্রতারণা করেছে।
(খ) ক নিজেকে খ বলে পরিচয় দিয়ে প্রতারণা করে; খ জনৈক মৃত ব্যক্তি। ক অপরের রূপ ধারণ করে প্রতারণা করেছে।
--------------
⇒ The Penal Code, 1860, Section-416. Cheating by personation:
A person is said to "cheat by personation" if he cheats by pretending to be some other person, or by knowingly substituting one person for another, or representing that he or any other person is a person other than he or such other person really is.
Explanation.-The offence is committed whether the individual personated is a real or imaginary person.

Illustrations
(a) A cheats by pretending to be a certain rich banker of the same name. A cheats by personation.
(b) A cheats by pretending to be B, a person who is deceased. A cheats by personation.

৩৫.
দণ্ডবিধি অনুযায়ী "Affray" সংঘটিত হওয়ার জন্য কোন শর্তটি অপরিহার্য?
  1. ব্যক্তিগত স্থানে সংঘর্ষ হওয়া
  2. সরকারবিরোধী স্লোগান দেওয়া
  3. জনসাধারণের শান্তি বিঘ্নিত হওয়া
  4. নির্দিষ্ট কোনো সম্পত্তির ক্ষতি হওয়া
সঠিক উত্তর:
জনসাধারণের শান্তি বিঘ্নিত হওয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জনসাধারণের শান্তি বিঘ্নিত হওয়া
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: গ) জনসাধারণের শান্তি বিঘ্নিত হওয়া।

- "Affray" বা সড়ক মারামারি সংঘটিত হওয়ার জন্য জনসাধারণের শান্তি বিঘ্নিত হওয়া অপরিহার্য। এটি দণ্ডবিধির ১৫৯ ধারায় উল্লেখিত যে, দুই বা ততোধিক ব্যক্তি প্রকাশ্য স্থানে মারামারি করলে জনশান্তি বিঘ্নিত হয় এবং এটি "Affray" হিসেবে গণ্য হয়।

⇒ দণ্ডবিধির ১৫৯ ধারার বিধান মারামারি:
যদি দুই বা ততোধিক ব্যক্তি কোন প্রকাশ্য স্থানে মারামারি করে শান্তিভঙ্গ করে, তবে তারা "মারামারি” করেছে বলে পরিগণিত হয়।
⇒ দণ্ডবিধির ১৬০ ধারার বিধান মারামারির শাস্তি:
কোন ব্যক্তি যদি মারামারির অপরাধ সংঘটন করে, তবে সে ব্যক্তি এক মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা একশত টাকা পর্যন্ত যে কোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section-159. Affray:
When two or more persons, by fighting in a public place, disturb the public peace, they are said to "commit an affray".
⇒ The Penal Code, 1860- Section-160. Punishment for committing affray:
Whoever commits an affray, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to one month, or with fine which may extend to one hundred taka, or with both.
৩৬.
দণ্ডবিধির কোন ধারা “Oath” (শপথ) শব্দটির আইনগত অর্থ সংজ্ঞায়িত করেছে?
  1. ধারা ৪৯
  2. ধারা ৫০
  3. ধারা ৫১
  4. ধারা ৫২
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫১
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ৫১ অনুসারে, “শপথ” (Oath) শব্দটির আইনগত অর্থ সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। এই ধারায় বলা হয়েছে, “শপথ” বলতে শপথের পরিবর্তে আইন দ্বারা গৃহীত গুরুতর ঘোষণা (solemn affirmation), এবং আইন দ্বারা কোনো সরকারি কর্মচারীর সামনে বা প্রমাণের উদ্দেশ্যে ব্যবহারের জন্য অনুমোদিত বা প্রয়োজনীয় যেকোনো ঘোষণা বোঝায়, যা বিচারালয়ে বা অন্যত্র ব্যবহৃত হতে পারে।

⇒ দণ্ডবিধির ৫১ ধারার বিধান শপথ/ হলফ:
- আইনের বিধানমতে শপথের পরিবর্তে গ্রহণীয় দৃঢ়, প্রতিজ্ঞান্তিক অনুমোদন, এবং কোন আদালতেই হোক অথবা আদালতের বাইরে অন্যত্রই হোক, যে ঘোষণা কোন সরকারী কর্মচারীর সম্মুখে অথবা প্রমাণ হিসেবে ব্যবহারের উদ্দেশ্যে প্রদান করার জন্য আইনবলে নির্দেশ করা হয় বা ক্ষমতা দেওয়া হয়, তার ‘শপথ’ কথাটির অন্তর্ভুক্ত।
----------
⇒ The Penal Code,1860. Section-51. “Oath”
The word "oath" includes a solemn affirmation substituted by law for an oath, and any declaration required or authorized by law to be made before a public servant or to be used for the purpose of proof, whether in a Court of Justice or not.

৩৭.
নিম্ম লিখিত কোনভাবে প্ররোচনা বা অপরাধে সহায়তা অপরাধ হতে পারে?
  1. কাউকে প্ররোচিত করে
  2. ষড়যন্ত্রে অংশগ্রহণ করে
  3. কার্য বা কার্যবিরতি দ্বারা ইচ্ছাকৃতভাবে সহায়তা করে
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
• ১০৭ ধারা অনুযায়ী ৩ ভাবে প্ররোচনা বা অপরাধে সহায়তা অপরাধ হতে পারে।
(i) কাউকে প্ররোচিত করে
(ii) ষড়যন্ত্রে অংশগ্রহণ করে
(iii) কার্য বা কার্যবিরতি দ্বারা ইচ্ছাকৃতভাবে সাহায্য করে
৩৮.
দণ্ডবিধির ৪৯৭ ধারায় ব্যভিচারের জন্য স্ত্রীলোকটি-
  1. দুষ্কর্মের সহায়তাকারী হিসাবে দণ্ডিত হবে না
  2. ব্যভিচারের জন্য দণ্ডিত হবে
  3. প্রধান আসামী হিসাবে দণ্ডিত হবে
  4. ক এবং খ উভয়
সঠিক উত্তর:
দুষ্কর্মের সহায়তাকারী হিসাবে দণ্ডিত হবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুষ্কর্মের সহায়তাকারী হিসাবে দণ্ডিত হবে না
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধি ৪৯৭ ধারার বিধান ব্যভিচারঃ কোন ব্যক্তি যদি অপর কোন ব্যক্তির স্ত্রী অথবা যাকে সে অন্য কোন ব্যক্তির স্ত্রী বলে জানে বা তার অনুরূপ বিশ্বাস করার কারণ আছে এমন কোন ব্যক্তির সাথে উক্ত অন্য ব্যক্তির সম্মতি ও সমর্থন ছাড়া এইরূপ যৌন সঙ্গম করে যা নারী ধর্ষণের সামিল নয়, তবে সে ব্যক্তি ব্যভিচারের অপরাধের জন্য দোষী হবে এবং তাকে সাত বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত করা যাবে।

অনুরূপ ক্ষেত্রে স্ত্রী ব্যক্তিটি দুষ্কর্মের সহায়তাকারী হিসেবে দণ্ডিত হবে না।

♦ অর্থাৎ ৪৯৭ ধারায় ব্যভিচারের ক্ষেত্রে স্ত্রীলোটি দুষ্কর্মের সহায়তাকারী [Abettor] হিসাবেও দণ্ডিত হবে না।
৩৯.
Under Section 391 of The Penal Code,1860, "Dacoity" is committed when five or more persons do which of the following?
  1. Plan to commit robbery
  2. Steal property from a public place
  3. Perform any act of theft individually
  4. Commit or attempt to commit a robbery conjointly
সঠিক উত্তর:
Commit or attempt to commit a robbery conjointly
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Commit or attempt to commit a robbery conjointly
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৩৯১ ধারার বিধান- ডাকাতি:
যদি পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি মিলিতভাবে দস্যুতা সংঘটন করে বা দস্যুতা সংঘটনের চেষ্টা করে, অথবা যদি কোন ক্ষেত্রে মিলিতভাবে দস্যুতা সংঘটনের চেষ্টা করে, অথবা যদি কোন ক্ষেত্রে মিলিতভাবে দস্যুতা সংঘটন প্রচেষ্টারত ব্যক্তির ও অনুরূপ কার্যে বা প্রচেষ্টায় সহায়তাকারী ব্যক্তির মোট সংখ্যা পাঁচ বা ততোধিক হয়, তবে অনুরূপ কাজ সংঘটনকারী বা প্রচেষ্টাকারী বা সহায়তাকারী প্রত্যেক ব্যক্তি ডাকাতি করছে বলে পরিগণিত হবে।

Section 391- Dacoity:
When five or more persons conjointly commit or attempt to commit a robbery, or where the whole number of persons conjointly committing or attempting to commit a robbery, and persons present and aiding such commission or attempt, amount to five or more, every person so committing, attempting or aiding, is said to commit "dacoity".
৪০.
দণ্ডাদেশ প্রদানের পরবর্তী কত বছরের মধ্যে অর্থদণ্ড আদায়যোগ্য?
  1. ৬ বছর
  2. ৩ বছর
  3. ২ বছর
  4. ১ বছর
সঠিক উত্তর:
৬ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ বছর
ব্যাখ্যা
♦ দন্ডবিধির ৭০ ধারামতে সাধারনত অর্থদন্ড প্রদানের ৬ বছরের মধ্যে অর্থদন্ড আদায় করতে হবে, কিন্তু যদি অপরাধী ৬ বৎসরের বেশি সময়ের জন্য দণ্ডিত হয়, তাহলে উক্ত দন্ডের মেয়াদ সমাপ্ত হওয়ার পূর্বে যে কোন সময়ে অর্থদন্ড আদায়যোগ্য হবে। অপরাধীর মৃত্যু হলে তার সম্পত্তি থেকে অর্থদন্ড আদায় করা যাবে।

♦ কারাদন্ডের আদেশ হওয়ার ৬ বছরের মধ্যে জরিমানার টাকা আদায় করা না হলে, উক্ত টাকা আর কখনও আদায় করা যাবে না। উহা তামাদি দোষে বারিত হবে।
৪১.
দণ্ডবিধির ধারা ৩০৭ অনুযায়ী, খুনের উদ্দেশ্যে যদি কারো উপর আঘাত করা হয়, তবে অপরাধীর সর্বোচ্চ শাস্তি কী হতে পারে?
  1. ৭ বছর কারাদণ্ড
  2. ১০ বছর কারাদণ্ড
  3. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  4. মৃত্যুদণ্ড
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩০৭ (খুনের উদ্যোগ) অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি এমন উদ্দেশ্যে বা জ্ঞানে এমন কাজ করে, যা দ্বারা মৃত্যু ঘটলে সেটি খুন (murder) হতো, তবে
- সাধারণভাবে তার সর্বোচ্চ শাস্তি ১০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড হতে পারে।
- কিন্তু যদি সেই কাজের দ্বারা কাউকে আঘাত (hurt) করা হয়, তবে সর্বোচ্চ শাস্তি হতে পারে "যাবজ্জীবন কারাদণ্ড"।
- আর যদি সেই ব্যক্তি আগে থেকেই যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত হয়ে থাকে এবং আঘাত করে, তবে মৃত্যুদণ্ডও হতে পারে।
সুতরাং এই প্রশ্নে সঠিক উত্তর: গ) যাবজ্জীবন কারাদণ্ড।

⇒ দণ্ডবিধির ৩০৭ ধারার বিধান খুনের উদ্যোগ:- কোন ব্যক্তি যদি এমন উদ্দেশ্য নিয়ে বা এমন আশঙ্কা জানা সত্ত্বেও এমন অবস্থায় এমন কোন কার্য করে, যার ফলে মৃত্যু ঘটলে সে খুনের দায়ে অপরাধী সাব্যস্ত হবে, তবে উক্ত ব্যক্তি দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে, এবং যদি অনুরূপ কাজের কর্তৃক কোন ব্যক্তিকে আঘাত করা হয়, তবে অপরাধী যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা ইতোপূর্বে যে সাজার উলেখ করা হয়েছে, সে দণ্ডে দণ্ডিত হবে।
⇒ যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত ব্যক্তির উদ্যোগ:- যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত কোন ব্যক্তি যদি এই ধারায় উল্লেখিত অপরাধ করে এবং তার ফলে কেউ আহত হয়, তবে উক্ত ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করা যেতে পারে।
--------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 307. Attempt to murder Attempts by life-convicts
 Whoever does any act with such intention or knowledge, and under such circumstances that, if he by that act caused death, he would be guilty of murder, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine; and, if hurt is caused to any person by such act, the offender shall be liable either to imprisonment for life, or to such punishment as is hereinbefore mentioned. 
- When any person offending under this section is under sentence of imprisonment for life, he may, if hurt is caused, be punished with death.
৪২.
A, B এবং C-কে মধ্যরাতে একটি বাসযোগ্য বাড়িতে ডাকাতির উদ্দেশ্যে প্রবেশ করতে প্ররোচিত করে এবং এই উদ্দেশ্যে তাদের অস্ত্র সরবরাহ করে। B এবং C বাড়িতে প্রবেশ করে, এবং বাড়ির একজন বাসিন্দা Z বাধা দিলে তাকে হত্যা করে। এখানে-
  1. A কোনো ভাবেই হত্যার জন্য দায়ী হবে না
  2. A শুধু ডাকাতির প্ররোচনার জন্য দায়ী হবে
  3. ক এবং খ
  4. প্ররোচনার স্বাভাবিক ফল হিসেবে হত্যাটি হলে, A হত্যার জন্য দায়ী হবে
সঠিক উত্তর:
প্ররোচনার স্বাভাবিক ফল হিসেবে হত্যাটি হলে, A হত্যার জন্য দায়ী হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্ররোচনার স্বাভাবিক ফল হিসেবে হত্যাটি হলে, A হত্যার জন্য দায়ী হবে
ব্যাখ্যা
ধারা ১১১- যখন একটি কাজ প্ররোচিত করা হয় এবং একটি ভিন্ন কাজ সংঘটিত হয়, তখন প্ররোচনাকারীর দায়িত্ব:
যখন কোনো একটি কাজ প্ররোচিত করা হয় এবং একটি ভিন্ন কাজ সংঘটিত হয়, তখন প্ররোচনাকারী সেই সংঘটিত কাজের জন্য ঠিক সেইভাবেই দায়ী থাকবে, যেমনটি সে সরাসরি সেই কাজটি প্ররোচিত করলে হতো।

শর্ত: যদি সংঘটিত কাজটি প্ররোচনার একটি সম্ভাব্য ফলাফল হয় এবং তা প্ররোচনার প্রভাবে, বা প্ররোচনার অংশ হিসেবে সম্পাদিত হয়, অথবা কোনো ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে সংঘটিত হয় যা প্ররোচনার অংশ ছিল।

উদাহরণ:
A, B এবং C-কে মধ্যরাতে একটি বাসযোগ্য বাড়িতে ডাকাতির উদ্দেশ্যে প্রবেশ করতে প্ররোচিত করে এবং এই উদ্দেশ্যে তাদের অস্ত্র সরবরাহ করে। B এবং C বাড়িতে প্রবেশ করে, এবং বাড়ির একজন বাসিন্দা Z বাধা দিলে তাকে হত্যা করে। এখানে, যদি ওই হত্যা A-এর প্ররোচনার স্বাভাবিক ফল হিসেবে ঘটে, তবে A হত্যার জন্য নির্ধারিত শাস্তির জন্য দায়ী থাকবে।
৪৩.
নিম্নের কোনটি বলপ্রয়োগ নয়?
  1. একজন ব্যক্তি অন্য কাউকে ধাক্কা দিলে
  2. একজন লোক বল ছুঁড়ে অন্য কাউকে আঘাত করলে
  3. কোন দুর্ঘটনায় অনিচ্ছাকৃতভাবে প্রাপ্ত আঘাত
  4. কেউ একটি কুকুরকে চালিত করে অন্য কাউকে আক্রমণ করালে
সঠিক উত্তর:
কোন দুর্ঘটনায় অনিচ্ছাকৃতভাবে প্রাপ্ত আঘাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোন দুর্ঘটনায় অনিচ্ছাকৃতভাবে প্রাপ্ত আঘাত
ব্যাখ্যা
• বলপ্রয়োগের সংজ্ঞা (Force)-
দণ্ডবিধির ৩৪৯ ধারায় বলপ্রয়োগের বিধান রয়েছে। কোন ব্যক্তি বা বস্তুকে গতিশীল করানো, গতি পরিবর্তন, গতিরোধ করানো অথবা অপর কোন ব্যক্তির দেহে বা পরিহিত পোশাক স্পর্শ করে তার অনুভূতিকে প্রভাবিত করা অর্থাৎ একজনের শক্তি অন্যের উপর প্রয়োগ করাকে বলপ্রয়োগ বা Force বলা হয়।

দণ্ডবিধির ৩৪৯ ধারামতে বলপ্রয়োগ ৩ ভাবে হতে পারে। যথা-
ⅰ) দৈহিক শক্তি প্রয়োগ করার মাধ্যমে (by bodily power);
ii) বস্তুর গতি পরিবর্তন করার মাধ্যমে (by disposing any substance that the motion or change or cessation of motion takes place); এবং
iii) কোন পশু বা জন্তুকে চালিত করে গতি পরিবর্তন করার মাধ্যমে (by inducing any animal to move, to change its motion or to cease to move)।

যদি কোন ব্যক্তি সচেতনভাবে অন্য কারো গতি পরিবর্তন বা স্তব্ধ করার উদ্দেশ্য না থাকে এবং তাতে অনিচ্ছাকৃতভাবে আঘাত বা ক্ষতির কারণ হয়ে  থাকে, তাহলে তা বলপ্রয়োগের অন্তর্ভুক্ত হবে না। তাই কোন দুর্ঘটনায় যদি অনিচ্ছাকৃতভাবে আঘাত লাগে, তবে তা বলপ্রয়োগ হবে না।

Section 349: Force:
A person is said to use force to another if he causes motion, change of motion, or cessation of motion to that other, or if he causes to any substance such motion, or change of motion, or cessation of motion as brings that substance into contact with any part of that other's body, or with anything which that other is wearing or carrying, or with anything so situated that such contact affects that other's sense of feeling: Provided that the person causing the motion, or change of motion, or cessation of motion, causes that motion, change of motion, or cessation of motion in one of the three ways hereinafter described:

Firstly, By his own bodily power.
Secondly, By disposing any substance in such a manner that the motion or change or cessation of motion takes place without any further act on his part, or on the part of any other person.
Thirdly, By inducing any animal to move, to change its motion, or to cease to move.
৪৪.
দণ্ডবিধির কোন ধারায় “স্বেচ্ছায়” (Voluntarily) শব্দটির সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে?
  1. ধারা ৩৭
  2. ধারা ৩৮
  3. ধারা ৩৯
  4. ধারা ৪০
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৯
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ৩৯ অনুসারে, “স্বেচ্ছায়” (Voluntarily) শব্দটির সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। এই ধারায় বলা হয়েছে, কোনো ব্যক্তি তখনই কোনো ফলাফল “স্বেচ্ছায়” ঘটায় যখন সে:
- ইচ্ছাকৃতভাবে সেই ফলাফল ঘটানোর উদ্দেশ্যে কাজ করে, অথবা
- এমন উপায় ব্যবহার করে যা সম্পর্কে সে জানে বা বিশ্বাস করার যুক্তিসঙ্গত কারণ রয়েছে যে, তা সেই ফলাফল ঘটাতে পারে।
------- 
⇒ The Penal Code, 1860: Section 39. “Voluntarily”
- A person is said to cause an effect "voluntarily" when he causes it by means whereby he intended to cause it, or by means which, at the time of employing those means, he knew or had reason to believe to be likely to cause it.
Illustration:
A sets fire, by night, to an inhabited house in a large town, for the purpose of facilitating robbery and thus causes the death of a person. Here, A may not have intended to cause death, and may even be sorry that death has been caused by his act: yet, if he knew that he was likely to cause death, he has caused death voluntarily.

৪৫.
'A'-কে জনৈক জেলা জজ সাক্ষী হিসেবে উপস্থিত হওয়ার নির্দেশ দিয়ে সমন দিয়েছেন। 'A' এই সমন মোতাবেক সাক্ষী হিসেবে উক্ত জেলা জজের সম্মুখে উপস্থিত হতে আইনত: বাধ্য। কিন্তু 'A' ইচ্ছাকৃত গরহাজির থাকে। 'A' দণ্ডবিধির কত ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছ?
  1. দণ্ডবিধির ১৭৪ ধারায়
  2. দণ্ডবিধির ১৭৫ ধারায়
  3. দণ্ডবিধির ১৭৩ ধারায়
  4. দণ্ডবিধির ১৭২ ধারায়
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধির ১৭৪ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধির ১৭৪ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৭৪ ধারার বিধান সরকারী কর্মচারীর আদেশানুসারে উপস্থিত না হওয়া- কোন ব্যক্তি সরকারী কর্মচারী হিসেবে আইনতঃ কোন সমন, বিজ্ঞপ্তি, আদেশ বা ঘোষণা জারি করার ক্ষমতাসম্পন্ন অনুরূপ সরকারী কর্মচারীর নিকট থেকে উদ্ভূত অনুরূপ সমন, বিজ্ঞপ্তি, আদেশ বা ঘোষণার আজ্ঞানুযায়ী স্বয়ং বা প্রতিনিধি মারফত কোন নির্দিষ্ট স্থানে এবং সময়ে হাজির হওয়ার জন্য আইনতঃ বাধ্য হওয়া সত্ত্বেও,- ইচ্ছাকৃত সে স্থানে ও সময়ে উপস্থিত না হয় অথবা যে স্থানে সে উপস্থিত থাকতে বাধ্য সে স্থান হতে যখন তার প্রস্থান করা আইনসম্মত হত তার আগেই প্রস্থান করে, তবে সে ব্যক্তি এক মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা পাঁচশত টাকা পর্যন্ত যে কোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে; 

⇒ অথবা সমন, নোটিশ, আদেশ বা ঘোষণাটি যদি স্বয়ং বা প্রতিনিধি, মারফত কোন আদালতে উপস্থিত হওয়ার নির্দেশবাহী হয়ে থাকে, তবে সে ব্যক্তি ছয় মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা এক হাজার টাকা পর্যন্ত যে কোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

⇒ উদাহরণসমূহ
(ক) ক বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট হতে ইস্যুকৃত একটি নির্দেশ মোতাবেক উক্ত আদালতে উপস্থিত হতে আইনতঃ বাধ্য। কিন্তু সে ইচ্ছাকৃত আদালতে গরহাজির থাকে। ক এই ধারায় বর্ণিত অপরাধ করেছে।

(খ) ক-কে জনৈক জেলা জজ সাক্ষী হিসেবে উপস্থিত হওয়ার নির্দেশ দিয়ে সমন দিয়েছেন। ক এ সমন মোতাবেক সাক্ষী হিসেবে উক্ত জেলা জজের সম্মুখে উপস্থিত হতে আইনত: বাধ্য। কিন্তু ক ইচ্ছাকৃত গরহাজির থাকে। ক এই ধারায় বর্ণিত অপরাধ করেছে।
---------
⇒ Section 174. Non-attendance in obedience to an order from public servant:
 Whoever, being legally bound to attend in person or by an agent at a certain place and time in obedience to a summons, notice, order or proclamation proceeding from any public servant legally competent, as such public servant, to issue the same, intentionally omits to attend at that place or time, or departs from the place where he is bound to attend before the time at which it is lawful for him to depart,shall be punished with simple imprisonment for a term which may extend to one month, or with fine which may extend to five hundred taka or with both; 

or, if the summons, notice, order or proclamation is to attend in person or by agent in a Court of Justice, with simple imprisonment for a term which may extend to six months, or with fine which may extend to one thousand taka, or with both.

⇒ Illustrations 
(a) A, being legally bound to appear before the 62[Supreme Court of Bangladesh] in obedience to a subpoena issuing from that Court, intentionally omits to appear. A has committed the offence defined in this section. 
 
(b) A, being legally bound to appear before a Zila Judge, as a witness, in obedience to a summons issued by that Zila Judge, intentionally omits to appear. A has committed the offence defined in this section.
৪৬.
What constitutes an "affray" under Section 159?
  1. A peaceful protest
  2. A verbal argument between two people
  3. Fighting in private that grievously hurt each other
  4. Fighting in a public place that disturbs the public peace
সঠিক উত্তর:
Fighting in a public place that disturbs the public peace
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Fighting in a public place that disturbs the public peace
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৫৯ ধারার বিধান মারামারি:
-যদি দুই বা ততোধিক ব্যক্তি কোন প্রকাশ্য স্থানে মারামরি করে শান্তিভঙ্গ করে, তবে তারা "মারামারি” করেছে বলে পরিগণিত হয়।
⇒ দণ্ডবিধির ১৬০ ধারার বিধান  মারামারির শাস্তি:
-কোন ব্যক্তি যদি মারামারির অপরাধ সংঘটন করে, তবে সে ব্যক্তি এক মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা একশত টাকা পর্যন্ত যে কোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
___________________________________________
⇒ The Penal Code, 1860-Section-159: Affray: 
 -When two or more persons, by fighting in a public place, disturb the public peace, they are said to "commit an affray".
⇒ The Penal Code, 1860-Section 160: Punishment for committing affray:
-Whoever commits an affray, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to one month, or with fine which may extend to one hundred taka, or with both.
৪৭.
'A' shakes his fist at 'Z', intending or knowing it to be likely that he may thereby cause 'Z' to believe that 'A' is about to strike 'Z'. 'A' has committed _________. 
  1. hurt
  2. assault
  3. force
  4. Criminal force
সঠিক উত্তর:
assault
উত্তর
সঠিক উত্তর:
assault
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৩৫১ ধারা- আক্রমণ:
কোন ব্যক্তি যদি এই উদ্দেশ্য নিয়ে বা এটা জানা সত্ত্বেও এমন কোন অঙ্গভঙ্গি করে বা কোন প্রস্তুতি গ্রহণ করে যে, তাতে হাজির কোন ব্যক্তির ভয় হয় যে, যে ব্যক্তি উক্ত অঙ্গভঙ্গি বা প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে, সে ব্যক্তি উক্ত হাজির ব্যক্তির উপর অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করতে উদ্যত হয়েছে, তবে প্রথমোক্ত ব্যক্তি আক্রমণ করেছে বলে পরিগণিত হয়।

ব্যাখ্যা:- কেবলমাত্র মুখের কথা আক্রমণ বলে পরিগণিত হয় না। কিন্তু কোন ব্যক্তির ব্যবহৃত কথাগুলি তার অঙ্গভঙ্গিকে বা প্রস্তুতিকে এমন অর্থপূর্ণ করতে পারে, যার কারণে তার অঙ্গভঙ্গি বা প্রস্তুতি আক্রমণ বলে পরিগণিত হতে পারে।

উদাহরণ:
(ক) ক, চ-এর প্রতি মুষ্টি উত্তোলন করে। ইহার ফলে চ যাতে বিশ্বাস করে যে ক তাকে আঘাত করতে উদ্যত হয়েছে, সে জন্যই ক তা করে অথবা ইহার ফলে এইরূপ : হতে পারে জানা সত্ত্বেও তা করে । ক আক্রমণ করেছে।

Section 351: Assault:
Whoever makes any gesture, or any preparation intending or knowing it to be likely that such gesture or preparation will cause any person present to apprehend that he who makes that gesture or preparation is about to use criminal force to that person, is said to commit an assault. 

Explanation.- Mere words do not amount to an assault. But the words which a person uses may give to his gestures or preparation such a meaning as may make those gestures or preparations amount to an assault. 

Illustrations:
(a) A shakes his fist at Z, intending or knowing it to be likely that he may thereby cause Z to believe that A is about to strike Z. A has committed an assault.
৪৮.
দণ্ডবিধির ৪৯৯ ধারার ব্যাখ্যা-১ অনুযায়ী, মৃত ব্যক্তির ক্ষেত্রে মানহানি হতে পারে যদি:
  1. তার সম্পত্তি নষ্ট করা হয়
  2. তার নামে মিথ্যা মামলা করা হয়
  3. তার ছবি অননুমোদিতভাবে ব্যবহার করা হয়
  4. তার পরিবার-পরিজনের মনকে পীড়িত করার উদ্দেশ্যে নিন্দাবাদ করা হয়
সঠিক উত্তর:
তার পরিবার-পরিজনের মনকে পীড়িত করার উদ্দেশ্যে নিন্দাবাদ করা হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তার পরিবার-পরিজনের মনকে পীড়িত করার উদ্দেশ্যে নিন্দাবাদ করা হয়
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৪৯৯ ধারায় মানহানি বা defamation এর সংজ্ঞা দেয়া হয়েছে।

মানহানি:
কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তির খ্যাতি বা সুনাম নষ্ট করার উদ্দেশ্যে বা তার খ্যাতি বা সুনাম নষ্ট হবে বলে জানা সত্ত্বেও বা তার বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও কথিত বা পঠিত হওয়ার জন্য অভিপ্রেত কথা বা চিহ্ন কর্তৃক বা দৃশ্যমান কল্পমূর্তির সাহায্যে সে ব্যক্তি সম্পর্কিত কোন নিন্দাবাদ প্রণয়ন বা প্রকাশ করে, তবে নিম্নে নির্দেশিত ব্যতিক্রমসমূহ ছাড়াই অন্যান্য ক্ষেত্রে, সে ব্যক্তি উক্ত অন্য ব্যক্তির মানহানি করে বলে পরিগণিত হয়।

ব্যাখ্যা ১:
যে মৃত ব্যক্তির জীবনকালে তার সম্পর্কে কোন নিন্দা করা হলে তার মানহানি ঘটত, সে মৃত ব্যক্তি সম্পর্কে অনুরূপ কোন নিন্দাবাদ এবং সে মৃত ব্যক্তির পরিবার-পরিজনের বা অন্যান্য কাছে আত্মীয়ের মনকে পীড়িত করার উদ্দেশ্যে অনুরূপ নিন্দাবাদ করা, মানহানি বলে পরিগণিত হবে।

ব্যাখ্যা ২:
কোন কোম্পানি বা সংঘ বা ব্যক্তিসমাবেশ সম্পর্কে সমষ্টিগতভাবে কোন নিন্দাবাদ করা মানহানি বলে পরিগণিত হতে পারে।

ব্যাখ্যা ৩:
বিকল্পরূপে বা বিদ্রূপাত্মকরূপে ব্যক্ত কোন নিন্দাবাদ মানহানির সামিল হতে পারে।

ব্যাখ্যা ৪:
কোন ব্যক্তি সম্পর্কে কোন নিন্দাবাদ প্রত্যক্ষভাবে বা পরোক্ষভাবে অন্যান্য ব্যক্তির দৃষ্টিতে সে ব্যক্তির নৈতিক বা বুদ্ধিগত চরিত্র হেয় না করলে, অথবা তার বর্ণ বা সম্প্রদায় কিংবা তার পেশার দিক হতে সে ব্যক্তির চরিত্রকে হেয় না করলে, অথবা সে ব্যক্তির প্রসিদ্ধি ক্ষুন্ন না করলে, অথবা তার দেহ বীভৎস বা ঘৃণা অবস্থায় বা যে অবস্থা সাধারণভাবে অরুচির বলে গণ্য, সে অবস্থায় রয়েছে বলে বিশ্বাস সৃষ্টি না করলে, সে ব্যক্তি সম্পর্কে উক্ত নিন্দাবাদ তার খ্যাতি বা সুনাম নষ্ট করে নাই বলে পরিগণিত হয়।
৪৯.
দণ্ডবিধির ধারা ৭৩-এর অধীন কারাদণ্ড ৬ মাসের অধিক কিন্তু ১ বছরের অনধিক হলে নির্জন কারাবাসের সর্বোচ্চ মেয়াদ কত?
  1. ১ মাস
  2. ২ মাস
  3. ৩ মাস
  4. ৬ মাস
সঠিক উত্তর:
২ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ মাস
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৭৩-এর অধীন, সশ্রম কারাদণ্ডপ্রাপ্ত অপরাধীর নির্জন কারাবাসের সর্বোচ্চ মেয়াদ কারাদণ্ডের দৈর্ঘ্য অনুসারে নির্ধারিত হয়। যদি কারাদণ্ড ৬ মাসের অধিক কিন্তু ১ বছরের অনধিক হয়, তাহলে নির্জন কারাবাসের সর্বোচ্চ মেয়াদ অনধিক ২ মাস। সামগ্রিকভাবে নির্জন কারাবাস ৩ মাসের বেশি হতে পারে না, এবং ধারা ৭৪-এর অধীন একটানা ১৪ দিনের বেশি বা এক মাসে ৭ দিনের বেশি হতে পারে না।

⇒ দণ্ডবিধির ৭৩ ধারার বিধান, নির্জন কারাবাস:- যদি কোন ব্যক্তিকে এমন কোন অপরাধের জন্য দণ্ডিত করা হয়, যে অপরাধের জন্য আদালত এই আইনবলে তাকে সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করতে পারেন তবে, আদালত তার দণ্ডাজ্ঞার মাধ্যমেই আদেশ করতে পারবেন যে অপরাধীকে তার বিরুদ্ধে প্রদত্ত কারাদণ্ডের মেয়াদের কোন অংশবিশেষের বা কয়েকটি অংশের জন্য-যা সর্বসাকুল্যে তিন মাসের বেশি হতে পারবে না-নির্জন কারাবাসে আবদ্ধ রাখা হবে বিভিন্ন ক্ষেত্রে কতসময়ের জন্য অপরাধীকে নির্জন কারাবাসে আবদ্ধ রাখা হবে তা নিম্নে নির্দেশ করা যাচ্ছে: কারাদণ্ডের মেয়াদ ছয় মাসের অধিক না হলে অনধিক এক মাস পর্যন্ত; কারাদণ্ডের মেয়াদ ছয় মাসের অধিক কিন্তু এক বৎসরের অনধিক হলে অনধিক দুই মাস পর্যন্ত; কারাদণ্ডের মেয়াদ এক বৎসরের অধিক হলে অনধিক তিন মাস পর্যন্ত।

⇒ দণ্ডবিধির ৭৪ ধারার বিধান, নির্জন কারাবাসে সাজার সীমা:- নির্জন কারাবাস আদেশ কার্যকরীকরণে অনুরূপ কারাবাসের মেয়াদ কোন ক্ষেত্রেই একাদিক্রমে ১৪ দিনের বেশি হবে না এবং কারাবাসের মেয়াদসমূহের মধ্যবর্তী বিরতিকালের মেয়াদও কারাবাসের মেয়াদ অপেক্ষা কম হবে না; প্রদত্ত কারাদণ্ডের মেয়াদ তিন মাসের বেশি হলে প্রদত্ত কারাদণ্ডের সমগ্র মেয়াদের মধ্যে কোন এক মাসে নির্জন কারাবাসের মেয়াদ সাত দিনের বেশি হবে না এবং অনুরূপ কারাবাসের মেয়াদসমূহের মধ্যবর্তী বিরতিকালের মেয়াদ অপেক্ষা কম হবে না।

৫০.
"Abetment" বা প্ররোচনার সংজ্ঞা দণ্ডবিধির কোন ধারায় দেওয়া আছে?
  1. ১০৫ ধারা
  2. ১০৬ ধারা
  3. ১০৭ ধারা
  4. ১০৮ ধারা
সঠিক উত্তর:
১০৭ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০৭ ধারা
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ১০৭ ধারায় "প্ররোচনা বা Abetment" এর সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। এতে উল্লেখ আছে যে, কোনো ব্যক্তি যদি অপরাধ সংঘটনের জন্য কাউকে প্ররোচিত করে (instigation), ষড়যন্ত্রে অংশগ্রহণ করে (conspiracy) বা ইচ্ছাকৃতভাবে সাহায্য করে (aiding), তাহলে তা প্ররোচনা বলে গণ্য হবে।

⇒ যে সমস্ত কাজ করলে অপরাধ হয় সেই সমস্ত কাজ করার জন্য প্রত্যক্ষভাবে বা পরোক্ষভাবে কোন ইন্ধন জোগান কিংবা সমর্থন করাকে আইনের ভাষায় প্ররোচনা বা Abetment বলা হয়।
- দণ্ডবিধির ১০৭ ধারা অনুযায়ী ৩ ভাবে প্ররোচনা বা অপরাধে সহায়তা অপরাধ হতে পারে।
(i) কাউকে প্ররোচিত করে (instigation)
(ii) ষড়যন্ত্রে অংশগ্রহণ করে (engagement)
(iii) কার্য বা কার্যবিরতি দ্বারা ইচ্ছাকৃতভাবে সাহায্য করে (aiding)
---------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 107: Abetment of a thing: A person abets the doing of a thing, who
Firstly.- Instigates any person to do that thing; or
Secondly.- Engages with one or more other person or persons in any conspiracy for the doing of that thing, if an act or illegal omission takes place in pursuance of that conspiracy, and in order to the doing of that thing; or
Thirdly.- Intentionally aids, by any act or illegal omission, the doing of that thing.
Explanation-1: A person who, by wilful misrepresentation, or by wilful concealment of a material fact which he is bound to disclose, voluntarily causes or procures, or attempts to cause or procure, a thing to be done, is said to instigate the doing of that thing.

৫১.
'A' সহ চার ব্যক্তি 'B'-কে হত্যা করার পরিকল্পনা করে। পরিকল্পিত দিন, তারিখ ও সময়ে তারা সকলে মিলে 'B'-কে হত্যা করে। 'A' সহ উক্ত চার ব্যক্তির বিরূদ্ধে দণ্ডবিধির ৩০২ ধারার সাথে নিচের কোন ধারাটি প্রাসঙ্গিক?
  1. ৩৪ ধারা
  2. ১১৪ ধারা
  3. ১৩৪ ধারা
  4. ১২৪ ধারা
সঠিক উত্তর:
৩৪ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৪ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৪ ধারামতে যখন কতিপয় ব্যক্তি (২ বা ততোধিক) দ্বারা সকলের একই অভিপ্রায় পূরণকল্পে (in furtherance of Common Intention) কোন অপরাধমূলক কার্য সম্পাদিত হয় তখন প্রত্যেকে যৌথভাবে দায়ী হবে যেন নিজে কাজটি করেছে।
- অভিন্ন অভিপ্রায় ফৌজদারি আইনের একটা নীতি, যেটা দিয়ে যৌথভাবে অভিযুক্ত করা যায়। অভিন্ন অভিপ্রায় মৌলিক/স্বতন্ত্র অপরাধ নয়।
⇒ দণ্ডবিধির ৩৪ ধারা অনুযায়ী যখন একই অভিপ্রায় পূরণকল্পে একাধিক ব্যক্তি কোন অপরাধমূলক কাজ সম্পাদন করে তখন তাদের প্রত্যেকে উক্ত কাজের জন্য এমনভাবে দায়ী হবেন যেন প্রত্যেকে আলাদাভাবে কাজটি সম্পাদন করেছে।
⇒ দণ্ডবিধির ৩৪ ধারার অধীনে সাধারণ অভিপ্রায় প্রমাণ করার ক্ষেত্রে নিম্নলিখিত বিষয় সমূহ গুরুত্বপূর্ণ:
ⅰ) কতিপয় ব্যক্তি কর্তৃক অপরাধমূলক কাজ সম্পাদিত হবে;
ii) তাদের প্রত্যেকের সাধারণ অভিপ্রায় এবং পূর্ব পরিকল্পনা ছিল উক্ত অপরাধ সংঘটন করা; এবং
iii) অভিপ্রায়কে সফল করার জন্য অপরাধ সংঘটনে অংশগ্রহণ।
- কোনো ব্যক্তিকে ৩৪ ধারায় দায়ী করতে হলে এ ধারার যেকোনো একটি উপাদান থাকতে হবে।

উল্লিখিত প্রশ্নে ৩৪ ধারার মূলনীতি প্রয়োগ করে ৩০২ ধারার অধীনে Common Intention এর জন্য দায়ী করে শাস্তি দেওয়া যাবে। অর্থাৎ ৩০২ ধারার সাথে ৩৪ ধারাটি প্রাসঙ্গিক।
৫২.
'A' makes an attempt to pick the pocket of 'Z' by thrusting his hand into 'Z's pocket. 'A' fails in the attempt in consequence of 'Z's having nothing in his pocket. এটি Penal Code এর কত ধারার অপরাধ?
  1. ১০৮
  2. ৫১১
  3. ৩৭৯
  4. কোন অপরাধ হয় নি
সঠিক উত্তর:
৫১১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫১১
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৫১১ ধারার বিধান যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে বা কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধ সংঘটনের উদ্যোগের সাজা:-

কোন ব্যক্তি যদি এই বিধিবলে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় কোন অপরাধ সংঘটন করার অথবা অনুরূপ কোন অপরাধ সংঘটন করানোর উদ্যোগ করে এবং অনুরূপ উদ্যোগের মাধ্যমে অপরাধটি সংঘটনের উদ্দেশ্যে কোন কাজ করে, তবে যেক্ষেত্রে অনুরূপ উদ্যোগের সাজার জন্য এই বিধিতে কোন প্রকাশ্য বিধান করা হয় নাই, সেক্ষেত্রে সে ব্যক্তি অপরাধটির জন্য সে ধরনের অপরাধের জন্য বিহিত দণ্ডের দীর্ঘতম মেয়াদের অর্ধেক পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে বা সে অপরাধটির জন্য যে অর্থ দণ্ডেও বিধান করা হয়েছে সে অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

উদাহরণ:
(ক) 'ক' একটি বাক্স ভেঙ্গে কিছু গহনাপত্র চুরি করার উদ্যোগ করে। সে বাক্সটি ভেঙ্গে দেখতে পায় যে, উহাতে কোন গহনাপত্র নাই। সে চুরির উদ্দেশ্যে এই কাজটি করেছে; সুতরাং সে এই ধারার আওতায় অপরাধী বলে পরিগণিত হবে।

(খ) 'ক', 'চ'- এর পকেটে হাত দিয়ে চ-এর পকেট মারার উদ্যোগ নেয়। 'চ'- এর পকেটে কিছু ছিল না বলে ক-এর চেষ্টা ব্যর্থ হয়। 'ক' এই ধারার আওতায় অপরাধী বলে পরিগণিত হবে।

Section 511- Punishment for attempting to commit offences punishable with imprisonment for life or imprisonment:
Whoever attempts to commit an offence punishable by this Code with imprisonment for life or imprisonment, or to cause such an offence to be committed, and in such attempt does any act towards the commission of the offence, shall, where no express provision is made by this Code for the punishment of such attempt, be punished with imprisonment of any description provided for the offence, for a term which may extend to one-half of the longest term of imprisonment provided for that offence, or with such fine as is provided for the offence, or with both. 
 
Illustration
(a) A makes an attempt to steal some jewels by breaking open a box, and finds after so opening the box, that there is no jewel in it. He has done an act towards the commission of theft, and therefore is guilty under this section. 

(b) A makes an attempt to pick the pocket of Z by thrusting his hand into Z's pocket. A fails in the attempt in consequence of Z's having nothing in his pocket. A is guilty under this section.
৫৩.
দণ্ডবিধির ৫৪ ধারায় সরকারের কী ক্ষমতা রয়েছে?
  1. অপরাধীকে ক্ষমা করার ক্ষমতা
  2. অপরাধীর সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার ক্ষমতা
  3. মৃত্যুদণ্ড কমিয়ে অন্য শাস্তি নির্ধারণের ক্ষমতা
  4. মৃত্যুদণ্ড ছাড়া অন্য শাস্তি কমানোর ক্ষমতা
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুদণ্ড কমিয়ে অন্য শাস্তি নির্ধারণের ক্ষমতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুদণ্ড কমিয়ে অন্য শাস্তি নির্ধারণের ক্ষমতা
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৫৪ ধারা- মৃত্যুদণ্ড হ্রাসকরণ:
প্রতিটি ক্ষেত্রে যেখানে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ প্রদান করা হয়েছে, সেখানে সরকার অপরাধীর সম্মতি ব্যতীত উক্ত শাস্তি এই বিধিতে নির্ধারিত অন্য কোনো শাস্তিতে রূপান্তর করতে পারে।

Section  54: Commutation of sentence of death:
In every case in which sentence of death shall have been passed, the Government may, without the consent of the offender, commute the punishment for any other punishment provided by this Code.
৫৪.
ইসলামী ফৌজদারি আইনের শাস্তির দর্শনের ভিত্তি কী ছিল?
  1. সামাজিক শৃঙ্খলা রক্ষা
  2. প্রতিশোধের উদ্দেশ্যে শাস্তি
  3. অপরাধীর পুনর্বাসনের জন্য শাস্তি
  4. বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিতকরণ
সঠিক উত্তর:
অপরাধীর পুনর্বাসনের জন্য শাস্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপরাধীর পুনর্বাসনের জন্য শাস্তি
ব্যাখ্যা

⇒ ইসলামী ফৌজদারি আইনে শাস্তির দর্শন প্রতিশোধ (revenge) নয়, বরং অপরাধীর সংস্কার বা পুনর্বাসনের (reformation) উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছিল। শাস্তি নির্ধারণের ক্ষেত্রে এটি অপরাধের সীমা অতিক্রম করা উচিত নয় এবং এটি সমাজে উদাহরণ স্থাপনের (exemplary) মাধ্যমে প্রতিরোধমূলক (deterrent) হওয়া উচিত। কুরআনের সূরা আল-মায়িদা (৫:৩৮)-এর উদ্ধৃতিতে বলা হয়েছে: "চোর পুরুষ ও চোর নারীর হাত কেটে দাও, তাদের কৃতকর্মের প্রতিদানস্বরূপ, আল্লাহর পক্ষ থেকে একটি exemplary punishment। আর আল্লাহ পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়।" এই আয়াতের ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে, ইসলামী সমাজে শাস্তির উদ্দেশ্য হলো অপরাধীকে সংস্কার করা এবং সমাজে অপরাধ প্রতিরোধ করা। ইসলামী অর্থনৈতিক ও সামাজিক ব্যবস্থা প্রত্যেক নাগরিকের জন্য ন্যায়বিচার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করে, যাতে অপরাধের প্রবৃত্তি হ্রাস পায়।
উদাহরণস্বরূপ, চুরির মতো অপরাধের জন্য কঠোর শাস্তি (যেমন, হাত কাটা) নির্ধারিত হলেও, এটি সমাজে সততা ও নৈতিকতা বজায় রাখার জন্য এবং অপরাধীকে সংশোধনের পথে আনার জন্য প্রয়োগ করা হয়। ইসলামী সমাজে সরল জীবনযাপন, সত্যবাদিতা, ন্যায়পরায়ণতা এবং অপ্রয়োজনীয় রীতিনীতি থেকে বিরত থাকার উপর জোর দেওয়া হয়, যা অপরাধের সম্ভাবনা কমিয়ে দেয়।

অন্যান্য অপশনের বিশ্লেষণ:
ক) সামাজিক শৃঙ্খলা রক্ষা: যদিও ইসলামী ফৌজদারি আইনের একটি লক্ষ্য ছিল সমাজে শৃঙ্খলা বজায় রাখা, তবে এটি শাস্তির মূল দর্শন নয়। শৃঙ্খলা রক্ষা একটি ফলাফল, কিন্তু শাস্তির প্রাথমিক উদ্দেশ্য ছিল অপরাধীর পুনর্বাসন।
খ) প্রতিশোধের উদ্দেশ্যে শাস্তি: ইসলামে শাস্তি প্রতিশোধের জন্য নয়। প্রতিশোধের পরিবর্তে, ইসলামী আইন অপরাধীর সংস্কার ও সমাজের সুরক্ষার উপর জোর দেয়। উদাহরণস্বরূপ, দিয়াত (রক্তমূল্য) বা কিসাস (সমান প্রতিশোধ) ব্যবস্থা থাকলেও, এগুলো সংস্কার ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার জন্য নিয়ন্ত্রিত হয়।
ঘ) বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিতকরণ: ইসলামী ফৌজদারি আইনে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা একটি গৌণ বিষয় ছিল। শাস্তির দর্শন মূলত অপরাধীর সংস্কার ও সমাজে নৈতিকতা প্রতিষ্ঠার সাথে সম্পর্কিত। বিচারকদের বিবেচনাধীন ক্ষমতা (যেমন তাজির) থাকলেও, এটি শাস্তির প্রধান ভিত্তি নয়।

অর্থাৎ ইসলামী ফৌজদারি আইনের শাস্তির দর্শন ছিল অপরাধীর পুনর্বাসন ও সংস্কারের উপর ভিত্তি করে, যা সমাজে ন্যায়বিচার ও নৈতিকতা প্রতিষ্ঠার জন্য প্রয়োগ করা হতো। এটি প্রতিশোধের পরিবর্তে প্রতিরোধমূলক ও সংস্কারমূলক পদ্ধতির উপর জোর দেয়।

তথ্যসূত্র: Enactment of Penal Code, 1860: A Historical Analysis by Dr. Masuma Pervin. [লিঙ্ক]

৫৫.
বাংলাদেশ বা উহার কোন অংশে কার্যনির্বাহী সরকার পরিচালনা করিবার জন্য আইন বলে ক্ষমতা প্রদত্ত ব্যক্তি বা ব্যক্তিবর্গকে বলা হয়-
  1. প্রশাসন
  2. সরকার
  3. সংসদ সদস্য
  4. আইনের লোক
সঠিক উত্তর:
সরকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকার
ব্যাখ্যা
- দণ্ডবিধির ১৭ ধারার বিধান 'সরকার' বলতে বাংলাদেশ বা উহার কোন অংশে কার্যনিবাহী সরকার পরিচালনা করবার জন্য আইনবলে ক্ষমতা প্রাপ্ত ব্যক্তি বা ব্যক্তিবর্গকে বুঝাইবে।

- The Penal Code, 1860 Section 17: “Government”: The word “Government” denotes the person or persons authorized by law to administer executive Government in Bangladesh, or in any part thereof.
৫৬.
দণ্ডবিধির ধারা ১৪৪ অনুসারে, মারাত্মক অস্ত্র নিয়ে অবৈধ সমাবেশে যোগ দেওয়ার সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ১ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
  2. ২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
  3. ৩ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
  4. ৫ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ১৪৪ অনুসারে, যে কেউ মারাত্মক অস্ত্র বা এমন কিছু নিয়ে অবৈধ সমাবেশে যোগ দেয়, যা অপরাধের অস্ত্র হিসেবে ব্যবহৃত হলে মৃত্যু ঘটাতে পারে, তাকে যে কোনো ধরনের কারাদণ্ডে সর্বোচ্চ ২ বছর পর্যন্ত দণ্ডিত করা যেতে পারে, অথবা জরিমানা, অথবা উভয়ই।

⇒ দণ্ডবিধির ১৪৪ ধারার বিধান মারাত্মক অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে বে-আইনী সমাবেশে যোগদান করা :- কোন ব্যক্তি যদি মারাত্মক অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে অথবা যে বস্তু অপরাধের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করলে মৃত্যু ঘটতে পারে তা কর্তৃক সজ্জিত হয়ে কোন বেআইনী সমাবেশে যোগদান করে, তবে সে ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
----------
⇒ The Penal Code, 1860-Section-144: Joining unlawful assembly armed with deadly weapon:-
- Whoever, being armed with any deadly weapon, or with anything which, used as a weapon of offence, is likely to cause death, is a member of an unlawful assembly, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.

৫৭.
দণ্ডবিধি, ১৮৬০ এর কোন ধারা অনুযায়ী মিথ্যা সার্টিফিকেট ইস্যু করা বা স্বাক্ষর করা শাস্তিযোগ্য অপরাধ?
  1. ধারা ১৯৬
  2. ধারা ১৯৭
  3. ধারা ১৯৮
  4. ধারা ১৯৯
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৯৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৯৭
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ১৯৭ অনুসারে, যদি কোনো ব্যক্তি আইনত প্রয়োজনীয় বা সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য কোনো সার্টিফিকেট ইস্যু করে বা স্বাক্ষর করে, অথচ জেনে বা বিশ্বাস করে যে তা কোনো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে মিথ্যা, তবে তাকে মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়ার মতোই শাস্তি দেওয়া হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ১৯৭ ধারার বিধান মিথ্যা সার্টিফিকেট ইস্যু করা কিংবা উহাতে স্বাক্ষর করা:
- কোন ব্যক্তি যদি আইনের নির্দেশানুসারে কোন সার্টিফিকেট ইস্যু করে কিংবা উহাতে স্বাক্ষর করে কিংবা যে বিষয়ে আইনানুসারে কোন সার্টিফিকেট সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য, সে বিষয়ে অনুরূপ সার্টিফিকেট দান বা স্বাক্ষর করে এবং সার্টিফিকেটটি কোন বাস্তব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের দিক হতে মিথ্যা বলে জানা সত্ত্বেও বা অনুরূপভাবে মিথ্যা বলে বিশ্বাস করা সত্ত্বেও অনুরূপভাবে উহা দান বা স্বাক্ষর করে থাকে, তবে সে ব্যক্তি স্বয়ং মিথ্যা সাক্ষ্যদান করলে যেভাবে দণ্ডিত হত, এক্ষেত্রেও সে সেভাবে দণ্ডিত হবে।
-------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 197: Issuing or signing false certificate:
- Whoever issues or signs any certificate required by law to be given or signed, or relating to any fact of which such certificate is by law admissible in evidence, knowing or believing that such certificate is false in any material point, shall be punished in the same manner as if he gave false evidence.

৫৮.
দণ্ডবিধির ৩৪৯ ধারা অনুযায়ী 'বলপ্রয়োগ' বলতে বোঝায়:
  1. ইচ্ছাকৃতভাবে অন্যের ক্ষতি করা
  2. মানসিক নির্যাতন
  3. অন্যকে ভয় দেখানো
  4. গতি সঞ্চার, পরিবর্তন বা স্তব্ধকরণ
সঠিক উত্তর:
গতি সঞ্চার, পরিবর্তন বা স্তব্ধকরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গতি সঞ্চার, পরিবর্তন বা স্তব্ধকরণ
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: গতি সঞ্চার, পরিবর্তন বা স্তব্ধকরণ।
⇒ দণ্ডবিধির ৩৪৯ ধারার মতে, কারো প্রতি বলপ্রয়োগ তখনই হয়েছে বলে ধরা হয়, যখন কোনো ব্যক্তি তার দেহ বা অন্য কোনো মাধ্যম ব্যবহার করে অপর ব্যক্তির প্রতি এমন কোনো গতি সঞ্চার, পরিবর্তন বা স্তব্ধ করে, যার ফলে তা ওই ব্যক্তির শরীর, তার পরিধেয় বা বাহিত বস্তু অথবা সংবেদনশক্তিকে স্পর্শ করে বা প্রভাবিত করে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৪৯ ধারার বিধান: বলপ্রয়োগ:- কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তির গতি সঞ্চার করে, গতি পরিবর্তন করে বা গতি স্তব্ধ করে, অথবা যদি সে কোন বস্তুতে এমন গতি সঞ্চার করে, বা গতি স্তব্ধ করে, যাতে উহা অপর কোন ব্যক্তির দেহের কোন অংশের সংস্পর্শে আসে, অথবা যদি সে অপর কোন ব্যক্তির পরিহিত বা বাহিত কোন দ্রব্যে অনুরূপ গতি সঞ্চার, গতি পরিবর্তন বা গতি স্তব্ধ করে, অথবা যদি সে এমন কোন বস্তুর সাথে উহা করে যা এমনভাবে সংস্থিত যে, উহার সংস্পর্শ দ্বিতীয়োক্ত ব্যক্তির অনুভব-শক্তি ব্যাহত করে, তবে সে ব্যক্তি অন্য ব্যক্তির প্রতি বলপ্রয়োগ করেছে বলে পরিগণিত হয়: 
তবে শর্ত থাকে যে, যে ব্যক্তি গতি সঞ্চার করে, গতি পরিবর্তন করে বা গতি স্তব্ধ করে, সে ব্যক্তির গতি সঞ্চারের, গতি পরিবর্তনের বা গতি স্তব্ধকরণের পদ্ধতি নিম্নোক্ত তিনটি উপায়ের যেকোন একটি হতে হবে-
প্রথমত:- তার নিজ দেহের শক্তি প্রয়োগ করে।
দ্বিতীয়ত:- কোন বস্তু এমনভাবে ব্যবহার করে, যার ফলে তার নিজের বা অপর কোন ব্যক্তির কোন কাজ ব্যতীত গতি বা গতির পরিবর্তন বা গতির স্তব্ধতা সাধিত হয়।
তৃতীয়ত:- কোন পশুকে চালিত করে গতি পরিবর্তন বা পশুটির গতি স্তব্ধ করে। 
------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 349. Force:
A person is said to use force to another if he causes motion, change of motion, or cessation of motion to that other, or if he causes to any substance such motion, or change of motion, or cessation of motion as brings that substance into contact with any part of that other's body, or with anything which that other is wearing or carrying, or with anything so situated that such contact affects that other's sense of feeling:
Provided that the person causing the motion, or change of motion, or cessation of motion, causes that motion, change of motion, or cessation of motion in one of the three ways hereinafter described: 
Firstly. By his own bodily power. 
Secondly. By disposing any substance in such a manner that the motion or change or cessation of motion takes place without any further act on his part, or on the part of any other person. 
Thirdly. By inducing any animal to move, to change its motion, or to cease to move.
৫৯.
‘E’ একজন ব্যক্তিকে চুরি যাওয়া গহনা ফেরত দেওয়ার জন্য নির্যাতন করে, যার ফলে ব্যক্তির একটি দাঁত ভেঙে যায়। দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর কোন ধারা অনুসারে ‘E’ অপরাধী হবে?
  1. ধারা ৩২৫
  2. ধারা ৩২৯
  3. ধারা ৩৩১
  4. ধারা ৩৩৩
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৩১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৩১
ব্যাখ্যা

⇒ ‘E’ একজন ব্যক্তিকে চুরি যাওয়া গহনা ফেরত দেওয়ার জন্য নির্যাতন করে, যার ফলে ব্যক্তির একটি দাঁত ভেঙে যায়। এই ক্ষেত্রে, দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৩৩১ প্রযোজ্য হবে।
⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৩৩১-এ বলা হয়েছে, যে কেউ স্বীকারোক্তি বা তথ্য আদায় করার উদ্দেশ্যে অথবা কোনো সম্পত্তি বা মূল্যবান নিরাপত্তা ফেরত দেওয়ার জন্য কাউকে বাধ্য করার উদ্দেশ্যে ইচ্ছাকৃতভাবে গুরুতর ক্ষতি (grievous hurt) সাধন করে, সে সাত বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং জরিমানার জন্য দায়ী হবে।

গুরুতর ক্ষতি (Grievous Hurt): দণ্ডবিধির ধারা ৩২০-এ গুরুতর ক্ষতির সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে, যার মধ্যে একটি দাঁত ভাঙা বা হারানো (loss or fracture of a tooth) গুরুতর ক্ষতি হিসেবে বিবেচিত হয়। অতএব, ‘E’ কর্তৃক সৃষ্ট ক্ষতি গুরুতর ক্ষতির শ্রেণীভুক্ত।
উদ্দেশ্য: ‘E’ চুরি যাওয়া গহনা ফেরত পাওয়ার জন্য নির্যাতন করেছে, যা ধারা ৩৩১-এ উল্লিখিত "সম্পত্তি ফেরত দেওয়ার জন্য বাধ্য করা" উদ্দেশ্যের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

- অর্থাৎ ‘E’-এর কাজটি ধারা ৩৩১-এর অধীনে অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হবে, কারণ তিনি সম্পত্তি (গহনা) ফেরত পাওয়ার উদ্দেশ্যে গুরুতর ক্ষতি (দাঁত ভাঙা) সৃষ্টি করেছেন। সঠিক উত্তর: গ) ধারা ৩৩১।
-----------
⇒ The Penal Code, 1860- Section- 331. Voluntarily causing grievous hurt to extort confession, or to compel restoration of property:
 Whoever voluntarily causes grievous hurt for the purpose of extorting from the sufferer or any person interested in the sufferer any confession or any information which may lead to the detection of an offence or misconduct, or for the purpose of constraining the sufferer or any person interested in the sufferer to restore or to cause the restoration of any property or valuable security or to satisfy any claim or demand or to give information which may lead to the restoration of any property or valuable security shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine.

৬০.
‘C’ এর বাড়িতে আগুন লাগানোর জন্য ‘B’ পাগল প্রকৃতির ব্যক্তি ‘A’ কে বলেন এবং সে মোতাবেক ‘C’ এর বাড়িতে ‘A’ আগুন লাগায় এক্ষেত্রে-
  1. A পাগল হওয়ার কারণে তার কোন অপরাধ বা শাস্তি হবে না
  2. B প্ররোচনা দিয়েছে তাই আগুন লাগানোর দোষে দোষী হবে
  3. B এর ৪৩৬ ধারার অধীনে ক্ষতিসাধনের শাস্তি হবে
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
♦ ধারা ১০৮ ব্যাখ্যা-৩ অনুযায়ী যখন প্ররোচিত ব্যক্তি অপরাধী না হলেও প্ররোচনাকারী অপরাধী হয়। অর্থাৎ অপরাধ করতে যে ব্যক্তি আইনগত অযোগ্য যেমন: নাবালক, অপ্রকৃতিস্থ বা পাগল ব্যক্তিকে দিয়ে অপরাধ করালে যিনি উক্ত অপরাধ সংঘটিত করান তিনি দোষ কর্মের সাহায্যকারী হিসেবে দোষী হবেন।

⇒ ধারা ৪৩৬ এ উল্লেখ আছে যে গৃহ ইত্যাদি ধ্বংস করার অভিপ্রায়ে অগ্নি বা বিস্ফোরক দ্রব্য ব্যবহার করে অনিষ্ট সাধন।
৬১.
‘A’ ‘Z’-এর দেওয়া ১০,০০০ টাকার একটি ক্রেডিট লেটারে একটি শূন্য যোগ করে তা ১,০০,০০০ টাকা করে এবং এটি ‘Z’-এর দ্বারা লিখিত বলে বিশ্বাস করার উদ্দেশ্যে ‘B’-কে প্রতারিত করে। দণ্ডবিধির ৪৬৫ ধারা অনুসারে এই অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ২ বছরের কারাদণ্ড
  2. ৫ বছরের কারাদণ্ড
  3. ৭ বছরের কারাদণ্ড
  4. ১০ বছরের কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
২ বছরের কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৪৬৩ অনুসারে, কোনো ব্যক্তি যদি প্রতারণার উদ্দেশ্যে বা ক্ষতি করার, সম্পত্তি হস্তান্তর করানোর, বা চুক্তিতে প্রবেশ করানোর উদ্দেশ্যে মিথ্যা দলিল তৈরি করে, তবে তা জালিয়াতি (Forgery) হিসেবে গণ্য। এখানে, ‘A’ ‘Z’-এর দেওয়া ১০,০০০ টাকার ক্রেডিট লেটারে একটি শূন্য যোগ করে তা ১,০০,০০০ টাকা করেছে, যা ধারা ৪৬৪-এর দ্বিতীয় উপায়ে (দলিলে অসাধুভাবে পরিবর্তন) জালিয়াতি। ধারা ৪৬৫ অনুসারে, জালিয়াতির শাস্তি হলো ২ বছর পর্যন্ত যেকোনো প্রকারের কারাদণ্ড, জরিমানা, বা উভয়ই।

অর্থাৎ ‘A’-এর কাজ ধারা ৪৬৩ এবং ৪৬৪-এর অধীনে জালিয়াতি হিসেবে গণ্য, এবং ধারা ৪৬৫ অনুসারে সর্বোচ্চ শাস্তি ২ বছরের কারাদণ্ড, জরিমানা, বা উভয়ই। সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো ক) ২ বছরের কারাদণ্ড।

⇒ The Penal Code, 1860-Section-465. Punishment for forgery:
- Whoever commits forgery shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.

৬২.
বাংলাদেশী নাগরিক ”ক” যুক্তরাজ্যে একটি খুন করে। ”ক” এর বিচার এবং শাস্তি-
  1. বাংলাদেশে বিচার করা যবে না
  2. বাংলাদেশে বিচার করা যাবে এবং খুনের দণ্ডে দণ্ডিত করা যাবে
  3. বাংলাদেশের দণ্ডবিধি ”ক” এর ক্ষেত্রে প্রয়োজ্য নয়
  4. বিদেশে অপরাধ করায় ”ক” বাংলাদেশের দণ্ডবিধি অনুযায়ী কোন অপরাধ করেনি
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশে বিচার করা যাবে এবং খুনের দণ্ডে দণ্ডিত করা যাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশে বিচার করা যাবে এবং খুনের দণ্ডে দণ্ডিত করা যাবে
ব্যাখ্যা
♦পেনাল কোড অনুযায়ী বাংলাদেশের নাগরিক দেশে-বিদেশে যেখানেই পেনাল কোডের অপরাধ করুক তাঁকে বাংলাদেশে যেখানে পাওয়া যাবে সেখানে বিচার করা যাবে। বিদেশী নাগরিক যদি বাংলাদেশে অবস্থান করে কোনো অপরাধ করলে এবং তা পেনাল কোডে দণ্ডনীয় হলে তার বিচার বাংলাদেশে করা যাবে। কিন্তু বিদেশী কোনো নাগরিক বিদেশে অপরাধ করলে সেটি বাংলাদেশে বিচার্য হবে না।
♦দণ্ডবিধির ২ থেকে ৪ ধারায় দণ্ডবিধির প্রয়োগ নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। যে ক্ষেত্রে দণ্ডবিধি প্রয়াগ হবে-
(i)  বাংলাদেশের সকল নাগরিকের ক্ষেত্রে: দেশে-বিদেশে যেখানেই অপরাধ সংঘটন করুক না কেন।
(ii) বিদেশি নাগরিকের ক্ষেত্রে: যদি সে বাংলাদেশে অথবা বাংলাদেশের নিবন্ধিত কোন জাহাজ বা বিমানে অপরাধ সংঘটন করে।
(iii) বাংলাদেশের নিবন্ধিত কোন জাহাজ বা বিমানে অপরাধ সংগঠন করার ক্ষেত্রে: উক্ত বাংলাদেশি জাহাজ বা বিমান বাংলাদেশ বা বিদেশে যেখানেই অবস্থান করুক না কেন।
৬৩.
'ক' জুমার নামাজের সময় মসজিদে ঢুকে উচ্চস্বরে চিৎকার করতে থাকে, যা নামাজরত মুসল্লিদের নামাজ ব্যাহত করে। এক্ষেত্রে 'ক' দণ্ডবিধির ২৯৬ ধারায় সর্বোচ্চ কত বছরের কারাদণ্ড পেতে পারে?
  1. ৫ বছরের
  2. ৩ বছরের
  3. ২ বছরের
  4. ১ বছরের
সঠিক উত্তর:
১ বছরের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ বছরের
ব্যাখ্যা
• ২৯৬ ধারা: "ধর্মীয় সমাবেশে বিঘ্ন সৃষ্টি"-
যে কেউ স্বেচ্ছায় কোনো আইনসম্মত ধর্মীয় উপাসনা বা ধর্মীয় অনুষ্ঠানে নিযুক্ত সমাবেশে বিঘ্ন সৃষ্টি করবে, তাকে এক বছর পর্যন্ত যেকোনো ধরনের কারাদণ্ড, বা জরিমানা, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে।

এই ধারার মূল বিষয়গুলি:
⇒ অপরাধের প্রকৃতি: ধর্মীয় সমাবেশে বিঘ্ন সৃষ্টি করা।

⇒ অপরাধের শর্তাবলী:
a) বিঘ্ন সৃষ্টি স্বেচ্ছায় করা হয়েছে;
b) বিঘ্ন সৃষ্টি করা হয়েছে এমন একটি সমাবেশে যা আইনসম্মতভাবে ধর্মীয় উপাসনা বা অনুষ্ঠানে নিযুক্ত ছিল।

⇒ শাস্তি:
a) সর্বোচ্চ এক বছরের কারাদণ্ড;
b) জরিমানা;
c) কারাদণ্ড ও জরিমানা উভয়।
৬৪.
দণ্ডবিধির ধারা ১৭৪ কোন অপরাধের শাস্তির বিধান আছে?
  1. সরকারি নথি জালিয়াতি
  2. সরকারি কর্মচারীর সম্পত্তি চুরি
  3. সরকারি কর্মচারীর উপর আক্রমণ 
  4. সরকারি কর্মচারীর আদেশানুসারে উপস্থিত না হওয়া
সঠিক উত্তর:
সরকারি কর্মচারীর আদেশানুসারে উপস্থিত না হওয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকারি কর্মচারীর আদেশানুসারে উপস্থিত না হওয়া
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ১৭৪ তে সরকারি কর্মচারীর আদেশানুসারে উপস্থিত না হওয়া অপরাধের শাস্তির বিধান করেছে। সুতরাং, সঠিক উত্তর হল: ঘ) সরকারি কর্মচারীর আদেশানুসারে উপস্থিত না হওয়া।

⇒ দণ্ডবিধির ১৭৪ ধারার বিধান সরকারি কর্মচারীর আদেশানুসারে উপস্থিত না হওয়া- কোন ব্যক্তি সরকারি কর্মচারী হিসেবে আইনত কোন সমন, বিজ্ঞপ্তি, আদেশ বা ঘোষণা জারি করার ক্ষমতাসম্পন্ন অনুরূপ সরকারি কর্মচারীর নিকট থেকে উদ্ভূত অনুরূপ সমন, বিজ্ঞপ্তি, আদেশ বা ঘোষণার আজ্ঞানুযায়ী স্বয়ং বা প্রতিনিধি মারফত কোন নির্দিষ্ট স্থানে এবং সময়ে হাজির হওয়ার জন্য আইনত বাধ্য হওয়া সত্ত্বেও,- ইচ্ছাকৃত সে স্থানে ও সময়ে উপস্থিত না হয় অথবা যে স্থানে সে উপস্থিত থাকতে বাধ্য সে স্থান হতে যখন তার প্রস্থান করা আইনসম্মত হতো তার আগেই প্রস্থান করে, তবে সে ব্যক্তি এক মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা পাঁচশত টাকা পর্যন্ত যে কোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে;
- অথবা সমন, নোটিশ, আদেশ বা ঘোষণাটি যদি স্বয়ং বা প্রতিনিধি, মারফত কোন আদালতে উপস্থিত হওয়ার নির্দেশবাহী হয়ে থাকে, তবে সে ব্যক্তি ছয় মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা এক হাজার টাকা পর্যন্ত যে কোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

উদাহরণ:
(ক) ক বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট হতে ইস্যুকৃত একটি নির্দেশ মোতাবেক উক্ত আদালতে উপস্থিত হতে আইনত বাধ্য। কিন্তু সে ইচ্ছাকৃত আদালতে গরহাজির থাকে। ক এই ধারায় বর্ণিত অপরাধ করেছে।
(খ) ক-কে জনৈক জেলা জজ সাক্ষী হিসেবে উপস্থিত হওয়ার নির্দেশ দিয়ে সমন দিয়েছেন। ক এ সমন মোতাবেক সাক্ষী হিসেবে উক্ত জেলা জজের সম্মুখে উপস্থিত হতে আইনত বাধ্য। কিন্তু ক ইচ্ছাকৃত গরহাজির থাকে। ক এই ধারায় বর্ণিত অপরাধ করেছে।
-----------
⇒ The Penal Code, 1860-Section 174. Non-attendance in obedience to an order from public servant:
Whoever, being legally bound to attend in person or by an agent at a certain place and time in obedience to a summons, notice, order or proclamation proceeding from any public servant legally competent, as such public servant, to issue the same, intentionally omits to attend at that place or time, or departs from the place where he is bound to attend before the time at which it is lawful for him to depart,shall be punished with simple imprisonment for a term which may extend to one month, or with fine which may extend to five hundred taka or with both;
or, if the summons, notice, order or proclamation is to attend in person or by agent in a Court of Justice, with simple imprisonment for a term which may extend to six months, or with fine which may extend to one thousand taka, or with both.

৬৫.
কোন পরিস্থিতিতে পুরুষকে ধর্ষণের দায়ে দোষী সাব্যস্ত করা হবে?
  1. যখন স্ত্রীর বয়স ১৮ বছরের বেশি
  2. যখন সম্মতিতে যৌনসঙ্গম করা হয়
  3. যখন সম্মতি ব্যতিরেকে যৌনসঙ্গম করা হয়
  4. যখন সম্মতি সহ অর্থের বিনিময়ে যৌনসঙ্গম করা হয়
সঠিক উত্তর:
যখন সম্মতি ব্যতিরেকে যৌনসঙ্গম করা হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যখন সম্মতি ব্যতিরেকে যৌনসঙ্গম করা হয়
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৭৫ ধারা- ধর্ষণ (Rape):
কোন পুরুষ অতঃপর উল্লেখিত ব্যতিক্রম ভিন্ন অপর সকল ক্ষেত্রে নিম্নোক্ত পাঁচটি যেকোন অবস্থায় কোন স্ত্রীলোকের সাথে যৌনসঙ্গম করলে সে ধর্ষণ করেছে বলে পরিগণিত হবে।
প্রথমত: স্ত্রীলোকটির ইচ্ছার বিরুদ্ধে;
দ্বিতীয়ত: স্ত্রীলোকটির সম্মতি ব্যতিরেকে;
তৃতীয়ত: স্ত্রীলোকটির সম্মতিক্রমেই, যেক্ষেত্রে মৃত্যু বা জখমের ভয় প্রদর্শন করে স্ত্রীলোকটির সম্মতি আদায় করা হলে;
চতুর্থত: স্ত্রীলোকটির সম্মতিক্রমেই, যেক্ষেত্রে পুরুষটি জানে যে, সে স্ত্রীলোকটি স্বামী নয়, এবং পুরুষটি ইহার জানে যে, স্ত্রীলোকটি তাকে এমন অপর একজন পুরুষ বলে ভুল করেছে, যে পুরুষটির সাথে সে আইন সম্মতভাবে বিবাহিত হয়েছে বা বিবাহিত বলে বিশ্বাস করে;
পঞ্চমত: স্ত্রীলোকটি সম্মতিক্রমে অথবা সম্মতি ব্যতিরেকে, যদি স্ত্রীলোকটির বয়স চৌদ্দ বৎসরের কম হয়।

ব্যাখ্যা: ধর্ষণের অপরাধের জন্য আবশ্যকীয় যৌনসঙ্গমের জন্য যৌনাঙ্গ প্রবিষ্ট করাই যথেষ্ট গণ্য হবে।

ব্যতিক্রম: কোন পুরুষের কর্তৃক নিজ স্ত্রীর সাথে যৌনসঙ্গম ধর্ষণ বলে পরিগণিত হবে না, যদি স্ত্রী তের বৎসরে নিম্ন বয়স্কা না হয়।
৬৬.
'ক', 'খ'-এর পকেটে হাত দিয়ে পকেটমারির উদ্যোগ নেয়। 'খ'-এর পকেটে কিছু না থাকায় 'ক'-এর চেষ্টা ব্যর্থ হয়। 'ক' দণ্ডবিধির কোন ধারার অধীনে শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছে?
  1. ধারা ৩৭৯
  2. ধারা ৪১১
  3. ধারা ২৫১
  4. ধারা ৫১১
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫১১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫১১
ব্যাখ্যা

⇒ উল্লিখিত ঘটনাটি দণ্ডবিধির ধারা ৫১১-এর একটি স্পষ্ট উদাহরণ, যা ধারাটির উদাহরণ (Illustration)-এও উল্লেখ আছে।
-‘ক’ পকেটমারির (চুরি) উদ্দেশ্যে ‘খ’-এর পকেটে হাত ঢুকিয়েছে, অর্থাৎ অপরাধ সংঘটনের উদ্দেশ্যে সুস্পষ্ট কাজ করেছে। পকেটে কিছু না থাকায় চুরি সম্পূর্ণ হয়নি, কিন্তু এটি দণ্ডবিধির ধারা ৫১১-এর সরাসরি উদাহরণ (Illustration-b)। যেহেতু কারাদণ্ডযোগ্য অপরাধের চেষ্টার জন্য আলাদা কোনো বিধান নেই, তাই ‘ক’ ধারা ৫১১-এর অধীনে দোষী হবে এবং সর্বোচ্চ চুরির শাস্তির অর্ধেক পর্যন্ত (সাধারণত ৩ বছর পর্যন্ত) কারাদণ্ড বা জরিমানা বা উভয় দণ্ড পেতে পারে।

⇒ দণ্ডবিধির ৫১১ ধারার বিধান যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে বা কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধ সংঘটনের উদ্যোগের সাজা:-
কোন ব্যক্তি যদি এই বিধিবলে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় কোন অপরাধ সংঘটন করার অথবা অনুরূপ কোন অপরাধ সংঘটন করানোর উদ্যোগ করে এবং অনুরূপ উদ্যোগের মাধ্যমে অপরাধটি সংঘটনের উদ্দেশ্যে কোন কাজ করে, তবে যেক্ষেত্রে অনুরূপ উদ্যোগের সাজার জন্য এই বিধিতে কোন প্রকাশ্য বিধান করা হয় নাই, সেক্ষেত্রে সে ব্যক্তি অপরাধটির জন্য সে ধরনের অপরাধের জন্য বিহিত দণ্ডের দীর্ঘতম মেয়াদের অর্ধেক পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে বা সে অপরাধটির জন্য যে অর্থ দণ্ডেও বিধান করা হয়েছে সে অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
উদাহরণ:
(ক) 'ক' একটি বাক্স ভেঙ্গে কিছু গহনাপত্র চুরি করার উদ্যোগ করে। সে বাক্সটি ভেঙ্গে দেখতে পায় যে, উহাতে কোন গহনাপত্র নাই। সে চুরির উদ্দেশ্যে এই কাজটি করেছে; সুতরাং সে এই ধারার আওতায় অপরাধী বলে পরিগণিত হবে।
(খ) 'ক', 'চ'- এর পকেটে হাত দিয়ে চ-এর পকেট মারার উদ্যোগ নেয়। 'চ'- এর পকেটে কিছু ছিল না বলে ক-এর চেষ্টা ব্যর্থ হয়। 'ক' এই ধারার আওতায় অপরাধী বলে পরিগণিত হবে।
----------- 
⇒ The Penal Code, 1860,Section 511- Punishment for attempting to commit offences punishable with imprisonment for life or imprisonment:
Whoever attempts to commit an offence punishable by this Code with imprisonment for life or imprisonment, or to cause such an offence to be committed, and in such attempt does any act towards the commission of the offence, shall, where no express provision is made by this Code for the punishment of such attempt, be punished with imprisonment of any description provided for the offence, for a term which may extend to one-half of the longest term of imprisonment provided for that offence, or with such fine as is provided for the offence, or with both.

Illustration:
(a) A makes an attempt to steal some jewels by breaking open a box, and finds after so opening the box, that there is no jewel in it. He has done an act towards the commission of theft, and therefore is guilty under this section. 
(b) A makes an attempt to pick the pocket of Z by thrusting his hand into Z's pocket. A fails in the attempt in consequence of Z's having nothing in his pocket. A is guilty under this section.

৬৭.
ইচ্ছাকৃতভাবে কারো ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করার জন্য কথা বলা বা অঙ্গভঙ্গি করার অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ৬ মাস
  2. ১ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৫ বছর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ধারা ২৯৮ অনুযায়ী যদি কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে কারো ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করার উদ্দেশ্যে:
- কোনো কথা বলে, অথবা
- কোনো শব্দ করে, অথবা
- কোনো অঙ্গভঙ্গি করে, অথবা
- কোনো বস্তু প্রদর্শন করে,
তাহলে তার সর্বোচ্চ শাস্তি হলো: এক বছরের কারাদণ্ড, অথবা জরিমানা, অথবা উভয় দণ্ড।

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ২৯৮ – ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করার উদ্দেশ্যে শব্দ উচ্চারণ ইত্যাদি
যে কেউ, ইচ্ছাকৃতভাবে অন্য কোনো ব্যক্তির ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করার উদ্দেশ্যে, কোনো শব্দ উচ্চারণ করে, অথবা এমন কোনো ধ্বনি করে যা ওই ব্যক্তি শুনতে পান, অথবা এমন কোনো অঙ্গভঙ্গি করে যা ওই ব্যক্তি দেখতে পান, অথবা এমন কোনো বস্তু স্থাপন করে যা ওই ব্যক্তি দেখতে পান, তবে সেই ব্যক্তি এক বছরের মধ্যে যে কোনো মেয়াদের কারাদণ্ডে, অথবা জরিমানায়, অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন।

⇒ The Penal Code, 1860, section 298. Uttering words, etc., with deliberate intent to wound religious feelings:
Whoever, with the deliberate intention of wounding the religious feelings of any person, utters any word or makes any sound in the hearing of that person or makes any gesture in the sight of that person or places any object in the sight of that person, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to one year, or with fine, or with both.
৬৮.
‘ক’ একজন যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত কয়েদি। কারাগারে অবস্থানকালে সে এক নিরাপত্তারক্ষীকে হত্যার উদ্দেশ্যে আক্রমণ করে এবং গুরুতরভাবে আহত করে। এই পরিস্থিতিতে ‘ক’-এর বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির কোন ধারা প্রযোজ্য হবে?
  1. ৩০৪ ধারা
  2. ৩০৪ক ধারা
  3. ৩০৭ ধারা
  4. ৩০৩ ধারা
সঠিক উত্তর:
৩০৭ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০৭ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩০৭-এর দ্বিতীয় অংশ বিশেষভাবে এই ধরনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য:
• পরিস্থিতি বিশ্লেষণ:
→ 'ক' যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত কয়েদি (Life Convict)
→ সে নিরাপত্তারক্ষীকে হত্যার উদ্দেশ্যে (with intent to murder) আক্রমণ করেছে
→ এতে নিরাপত্তারক্ষী গুরুতরভাবে আহত হয়েছে (hurt is caused)

• ধারা ৩০৭-এর বিধান:
→ সাধারণ ক্ষেত্রে খুনের উদ্যোগ: সর্বোচ্চ ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড + জরিমানা (প্রথম অংশ)
→ যাবজ্জীবন কয়েদি কর্তৃক খুনের উদ্যোগ ও আঘাত সৃষ্টি: মৃত্যুদণ্ড পর্যন্ত শাস্তির বিধান (দ্বিতীয় অংশ)

→ অর্থাৎ যেহেতু ঘটনায় একজন যাবজ্জীবন কয়েদি কর্তৃক খুনের উদ্দেশ্যে আক্রমণ ও আঘাতের ঘটনা রয়েছে, সেহেতু ধারা ৩০৭-এর দ্বিতীয় অংশ প্রযোজ্য হবে যা মৃত্যুদণ্ডের বিধান রাখে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩০৭ ধারার বিধান খুনের উদ্যোগ:- কোন ব্যক্তি যদি এমন উদ্দেশ্য নিয়ে বা এমন আশঙ্কা জানা সত্ত্বেও এমন অবস্থায় এমন কোন কার্য করে, যার ফলে মৃত্যু ঘটলে সে খুনের দায়ে অপরাধী সাব্যস্ত হবে, তবে উক্ত ব্যক্তি দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে, এবং যদি অনুরূপ কাজের কর্তৃক কোন ব্যক্তিকে আঘাত করা হয়, তবে অপরাধী যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা ইতোপূর্বে যে সাজার উলেখ করা হয়েছে, সে দণ্ডে দণ্ডিত হবে।
⇒ যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত ব্যক্তির উদ্যোগ:- যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত কোন ব্যক্তি যদি এই ধারায় উল্লেখিত অপরাধ করে এবং তার ফলে কেউ আহত হয়, তবে উক্ত ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করা যেতে পারে।
--------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 307. Attempt to murder:
Whoever does any act with such intention or knowledge, and under such circumstances that, if he by that act caused death, he would be guilty of murder, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine; and, if hurt is caused to any person by such act, the offender shall be liable either to imprisonment for life, or to such punishment as is hereinbefore mentioned.
→ Attempts by life-convicts:- When any person offending under this section is under sentence of imprisonment for life, he may, if hurt is caused, be punished with death.
৬৯.
What is the maximum punishment for causing a miscarriage without a woman's consent?
  1. Death penalty
  2. Life imprisonment
  3. 10 years imprisonment
  4. 7 years imprisonment
সঠিক উত্তর:
Life imprisonment
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Life imprisonment
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩১৩ ধারার বিধান স্ত্রীলোকের সম্মতি ছাড়া গর্ভপাত করণ:-
-কোন ব্যক্তি যদি পূর্ববর্তী ধারায় বর্ণিত অপরাধটি সংশ্লিষ্ট স্ত্রীলোকের সম্মতি ছাড়া সম্পাদন করে স্ত্রীলোকটি আসন্ন প্রসবা হোক বা না হোক- তবে সে ব্যক্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।
---------------------------
⇒ The Penal Code, 1860 Section 313. Causing miscarriage without women's consent:
- Whoever commits the offence defined in the last preceding section without the consent of the woman, whether the woman is quick with child or not, shall be punished with imprisonment for life, or with imprisonment of either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine.
৭০.
নিচের কোনটি অপথে গৃহে প্রবেশ হবে না?
  1. তালা খুলে বা ভেঙ্গে গৃহে প্রবেশ করলে
  2. নতুন পথ তৈরি করে গৃহে প্রবেশ করলে
  3. প্রবেশ বা প্রস্থানের জন্য যে পথ তা দিয়ে গৃহে প্রবেশ করলে
  4. বন্ধ দরজা বা পথ খুলে গৃহে প্রবেশ করলে
সঠিক উত্তর:
প্রবেশ বা প্রস্থানের জন্য যে পথ তা দিয়ে গৃহে প্রবেশ করলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রবেশ বা প্রস্থানের জন্য যে পথ তা দিয়ে গৃহে প্রবেশ করলে
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৪৪৫ ধারা অনুযায়ী নিম্নলিখিত ৬টি উপায়ে কোন গৃহে প্রবেশ করলে বা গৃহ থেকে বের হলে তা অপথে গৃহে প্রবেশ বা House breaking বলে গণ্য হবে। যথা-

(i) বন্ধ দরজা বা পথ খুলে 

(ii) তালা খুলে বা ভেঙ্গে 

(iii) নতুন পথ তৈরি করে

(iv) আক্রমন বা বলপ্রয়োগের ভয় দেখিয়ে 

(v) আটকানো কোন কিছুকে খুলে বা অন্যভাবে মুক্ত করে অস্বাভাবিক পন্থায় ভিতরে প্রবেশ করা বা নির্গমন হওয়া; অথবা 

(vi) প্রবেশ বা প্রস্থানের জন্য নয় এমন পথ দিয়ে গৃহে প্রবেশ করলে অপথে গৃহ প্রবেশ (house breaking) এর অপরাধ হবে।

♦অর্থাৎ প্রবেশ বা প্রস্থানের জন্য যে পথ তা দিয়ে গৃহে প্রবেশ করলে অপথে গৃহে প্রবেশ হবে না।
৭১.
“Whoever, being under sentence of imprisonment for life, commits murder, shall be punished with death.” — এটি দণ্ডবিধির কোন ধারার বিধান?
  1. ধারা ৩০২
  2. ধারা ৩০৩
  3. ধারা ৩০৫
  4. ধারা ৩০৭
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩০৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩০৩
ব্যাখ্যা

⇒ প্রদত্ত উক্তিটি দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ৩০৩-এর বিধান, যা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত ব্যক্তি কর্তৃক খুনের শাস্তি নির্ধারণ করে। এই ধারায় বলা হয়েছে যে, যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের অধীনে থাকা কোনো ব্যক্তি যদি খুন করে, তাহলে তার একমাত্র শাস্তি মৃত্যুদণ্ড।
- সঠিক উত্তর: খ) ধারা ৩০৩।

⇒ দণ্ডবিধি ৩০৩ ধারার বিধান যাবজ্জীবন কারাবাসে দণ্ডিত ব্যক্তি কর্তৃক অনুষ্ঠিত খুনের শাস্তি: কোন ব্যক্তি যদি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত অবস্থায় খুন করে, তবে সে ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত হবে।
⇒ দণ্ডবিধির ৩০৩ ধারা অনুযায়ী, যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত কোন ব্যক্তি খুন করলে তার শাস্তি একমাত্র মৃত্যুদণ্ড।
------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 303. Punishment for murder by life-convict: Whoever, being under sentence of imprisonment for life, commits murder, shall be punished with death.

৭২.
দণ্ডবিধির ৩৬৪ক ধারা অনুসারে ১০ বছরের কম বয়সী শিশুকে অপহরণ বা আটক করার সর্বনিম্ন শাস্তি কী?
  1. ২ বছরের কারাদণ্ড
  2. ৩ বছরের কারাদণ্ড
  3. ৫ বছরের কারাদণ্ড
  4. ৭ বছরের কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
৭ বছরের কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশ দণ্ডবিধির ধারা ৩৬৪ক অনুসারে, যদি কেউ ১০ বছরের কম বয়সী কোনো শিশুকে অপহরণ বা আটক করে হত্যার উদ্দেশ্যে, গুরুতর আঘাত, দাসত্ব বা যৌন লালসার উদ্দেশ্যে ব্যবহার করে, তাহলে তার জন্য শাস্তি হতে পারে: মৃত্যুদণ্ড, অথবা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, অথবা সর্বোচ্চ ১৪ বছর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ড, কিন্তু কমপক্ষে ৭ বছর দণ্ড দেওয়া আবশ্যক।
অতএব, সর্বনিম্ন শাস্তি ৭ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড।
--------
⇒The Penal Code, 1860-Section- 364A. Kidnapping or abducting a person under the age of ten:
- Whoever kidnaps or abducts any person under the age of ten, in order that such person may be murdered or subjected to grievous hurt, or slavery, or to the lust of any person or may be so disposed of as to be put in danger of being murdered or subjected to grievous hurt, or slavery, or to the lust of any person shall be punished with death or with imprisonment for life or with rigorous imprisonment for a term which may extend to fourteen years and shall not be less than seven years.
৭৩.
দণ্ডবিধির ১৭৪ ধারা অনুযায়ী, যদি আদালতে উপস্থিত হওয়ার জন্য সমন জারি করা হয় এবং তা পালন না করা হয়, তবে শাস্তি কী হতে পারে?
  1. সর্বোচ্চ ১ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  2. সর্বোচ্চ ৩ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  3. সর্বোচ্চ ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  4. সর্বোচ্চ ১ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
সর্বোচ্চ ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সর্বোচ্চ ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ১৭৪ ধারা অনুযায়ী, যদি আদালতে উপস্থিত হওয়ার জন্য সমন, নোটিশ, আদেশ বা ঘোষণা জারি করা হয় এবং তা ইচ্ছাকৃতভাবে পালন না করা হয়, তবে শাস্তি হতে পারে সর্বোচ্চ ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা ১০০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা বা উভয়ই।
- সঠিক উত্তর: গ) সর্বোচ্চ ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড।

⇒ দণ্ডবিধির ১৭৪ ধারার বিধান সরকারী কর্মচারীর আদেশানুসারে উপস্থিত না হওয়া- কোন ব্যক্তি সরকারী কর্মচারী হিসেবে আইনতঃ কোন সমন, বিজ্ঞপ্তি, আদেশ বা ঘোষণা জারি করার ক্ষমতাসম্পন্ন অনুরূপ সরকারী কর্মচারীর নিকট থেকে উদ্ভূত অনুরূপ সমন, বিজ্ঞপ্তি, আদেশ বা ঘোষণার আজ্ঞানুযায়ী স্বয়ং বা প্রতিনিধি মারফত কোন নির্দিষ্ট স্থানে এবং সময়ে হাজির হওয়ার জন্য আইনত বাধ্য হওয়া সত্ত্বেও,- ইচ্ছাকৃত সে স্থানে ও সময়ে উপস্থিত না হয় অথবা যে স্থানে সে উপস্থিত থাকতে বাধ্য সে স্থান হতে যখন তার প্রস্থান করা আইনসম্মত হত তার আগেই প্রস্থান করে, তবে সে ব্যক্তি এক মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা পাঁচশত টাকা পর্যন্ত যে কোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে; 

- অথবা সমন, নোটিশ, আদেশ বা ঘোষণাটি যদি স্বয়ং বা প্রতিনিধি, মারফত কোন আদালতে উপস্থিত হওয়ার নির্দেশবাহী হয়ে থাকে, তবে সে ব্যক্তি ছয় মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা এক হাজার টাকা পর্যন্ত যে কোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

উদাহরণ:
(ক) ক বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট হতে ইস্যুকৃত একটি নির্দেশ মোতাবেক উক্ত আদালতে উপস্থিত হতে আইনত বাধ্য। কিন্তু সে ইচ্ছাকৃত আদালতে গরহাজির থাকে। ক এই ধারায় বর্ণিত অপরাধ করেছে।
(খ) ক-কে জনৈক জেলা জজ সাক্ষী হিসেবে উপস্থিত হওয়ার নির্দেশ দিয়ে সমন দিয়েছেন। ক এ সমন মোতাবেক সাক্ষী হিসেবে উক্ত জেলা জজের সম্মুখে উপস্থিত হতে আইনত বাধ্য। কিন্তু ক ইচ্ছাকৃত গরহাজির থাকে। ক এই ধারায় বর্ণিত অপরাধ করেছে।
---------
⇒ The Penal Code, 1860-section 174. Non-attendance in obedience to an order from public servant:
Whoever, being legally bound to attend in person or by an agent at a certain place and time in obedience to a summons, notice, order or proclamation proceeding from any public servant legally competent, as such public servant, to issue the same, intentionally omits to attend at that place or time, or departs from the place where he is bound to attend before the time at which it is lawful for him to depart,shall be punished with simple imprisonment for a term which may extend to one month, or with fine which may extend to five hundred taka or with both; 

or, if the summons, notice, order or proclamation is to attend in person or by agent in a Court of Justice, with simple imprisonment for a term which may extend to six months, or with fine which may extend to one thousand taka, or with both.

৭৪.
‘‘All murders are culpable homicide but not all-culpable homicide is murder’’ উক্তিটি-
  1. সত্য
  2. মিথ্যা
  3. আংশিক সত্য
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
সত্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সত্য
ব্যাখ্যা
• কোন হত্যা একই সাথে নিন্দনীয় নরহত্যা এবং খুন হতে পারে।
• মূলত নিন্দনীয় নরহত্যা খুনে পরিণত হয়।
• অর্থাৎ কোন হত্যাকাণ্ড প্রথমত নিন্দনীয় নরহত্যার শর্তপূরণ করবে অতপর সেটা ৩০০ ধারায় উল্লেখিত খুনের শর্ত পূরণ করলে, তখন উক্ত হত্যাটি খুন হিসাবে গণ্য হবে।
৭৫.
দণ্ডবিধির কত ধারায় জাল দলিলের সংজ্ঞা রয়েছে?
  1. ৪৬৩
  2. ৪৬৫
  3. ৪৭০
  4. ৪৭৫
সঠিক উত্তর:
৪৭০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৭০
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪৭০ ধারার বিধান জাল দলিল:
- সম্পূর্ণ কিংবা আংশিক জালিয়াতির কর্তৃক কৃত যে কোন মিথ্যা দলিলকে জাল দলিল বলে পরিগণিত করা হয়।
--------------------
⇒The Penal Code,1860: Section- 470: Forged document:
-A false document made wholly or in part by forgery is designated “a forged document".
৭৬.
'ক' বিষপান করে আত্মহত্যার চেষ্টা করে, কিন্তু তাকে সময়মতো হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ায় তার প্রাণরক্ষা হয়। দণ্ডবিধি অনুসারে 'ক' এর এই কাজটি কোন ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ?
  1. ধারা ৩০৬
  2. ধারা ৩০৭
  3. ধারা ৩০৯
  4. ধারা ৩১০
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩০৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩০৯
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ৩০৯ অনুসারে, আত্মহত্যা করার চেষ্টা (Attempt to commit suicide) শাস্তিযোগ্য অপরাধ। এখানে ‘ক’-এর বিষপান করা আত্মহত্যার উদ্দেশ্যপ্রণোদিত কাজ, যা অপরাধ সংঘটনের দিকে অগ্রসর। যেহেতু সে বেঁচে যায়, এটি চেষ্টা হিসেবে গণ্য।
শাস্তি: ১ বছর পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড, জরিমানা বা উভয়।

⇒ দণ্ডবিধির ৩০৯ ধারা- আত্মহত্যা করার চেষ্টা:
কোন ব্যক্তি যদি আত্মহত্যা করার চেষ্টা করে এবং অনুরূপ অপরাধ সংঘটনের উদ্দেশ্যে কোন কার্য করে, তবে উক্ত ব্যক্তি এক বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থদণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

⇒The Penal Code, 1860-Section Section 309- Attempt to commit suicide:
Whoever attempts to commit suicide and does any act towards the commission of such offence, shall be punished with simple imprisonment for a term which may extend to one year, or with fine, or with both.

৭৭.
Section 509 of the Penal Code deals with-
  1. Defamation
  2. Obscene acts in public
  3. Criminal intimidation
  4. Insulting the modesty of a woman
সঠিক উত্তর:
Insulting the modesty of a woman
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Insulting the modesty of a woman
ব্যাখ্যা

Section 509- Word, gesture or act intended to insult the modesty of a woman:
Whoever, intending to insult the modesty of any woman, utters any word, makes any sound or gesture, or exhibits any object, intending that such word or sound shall be heard, or that such gesture or object shall be seen, by such woman, or intrudes upon the privacy of such woman, shall be punished with simple imprisonment for a term which may extend to one year, or with fine, or with both.

দণ্ডবিধির ৫০৯ ধারা- কোন নারীর শালীনতার অমর্যাদার অভিপ্রায়ে কোন মন্তব্য, অঙ্গভঙ্গি বা কোন কার্য:
কোন ব্যক্তি যদি কোন নারীর শ্লীলতাহানির উদ্দেশ্যে সে নারী যাতে শুনতে পায় এমন কোন কথা বলে বা শব্দ করে অথবা সে নারী যাতে দেখতে পায় এমন ভাবে কোন অঙ্গভঙ্গি করে বা কোন বস্তু প্রদর্শন করে অথবা অনুরূপ নারীর গোপনীয়তা অনধিকার লঙ্ঘন করে, তবে সে ব্যক্তি এক বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থদণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

৭৮.
দণ্ডবিধির ধারা ১৪১ অনুসারে কোন ধরনের লক্ষ্য থাকলে একটি সমাবেশ বেআইনি হয় না?
  1. আইন কার্যকরে বাধা দেওয়া
  2. শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ সভা করা
  3. আইনসভাকে ভীতি প্রদর্শন করা
  4. অপরাধমূলক বলপ্রয়োগে সম্পত্তি দখল করা
সঠিক উত্তর:
শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ সভা করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ সভা করা
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ১৪১-এ বেআইনি সমাবেশ হওয়ার জন্য পাঁচটি বিশেষ "সাধারণ লক্ষ্য" উল্লেখ করা হয়েছে। যেমন: সরকার বা আইনসভাকে ভীতিপ্রদর্শন, আইনের কার্যকরকরণে বাধা দেওয়া, অপরাধমূলক কাজ করা, বলপ্রয়োগে সম্পত্তি দখল করা বা কাউকে বেআইনিভাবে বাধ্য করা ইত্যাদি।
- শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ সভা করার লক্ষ্য এই ধারার আওতায় পড়ে না, যদি না তাতে উপরিউক্ত কোনো বেআইনি উদ্দেশ্য বা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগের হুমকি থাকে।
অতএব, শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ সভা বেআইনি সমাবেশের সংজ্ঞায় পড়ে না।

⇒ দণ্ডবিধির ১৪১ ধারার বিধান বেআইনি সমাবেশ:- পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তির সমাবেশকে 'বেআইনি সমাবেশ' সেক্ষেত্রেই বলা হয়, যেক্ষেত্রে উক্ত সমাবেশের ব্যক্তিদের সাধারণ লক্ষ্য হয়-
প্রথম:- বাংলাদেশের সরকার বা আইনসভাকে অথবা কোন সরকারি কর্মচারীকে অনুরূপ কর্মচারীর আইনসম্মত ক্ষমতা প্রয়োগের সময় অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ অথবা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগের হুমকি কর্তৃক ভীতি প্রদর্শন করা; কিংবা
দ্বিতীয়:- কোন আইনের অথবা কোন আইনগত ব্যবস্থার কার্যকরকরণে বাধা সৃষ্টি করা; কিংবা
তৃতীয়:- কোন ব্যক্তির দুষ্কর্ম বা অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ অথবা অন্যবিধ অপরাধ অনুষ্ঠিত করা; কিংবা
চতুর্থ:- কোন ব্যক্তির প্রতি অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ করে বা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগের হুমকি প্রদর্শন করে কোন সম্পত্তির দখল গ্রহণ করা, অথবা কোন ব্যক্তিকে পথের অধিকার ভোগ হতে বঞ্চিত করা অথবা জল ব্যবহারের অধিকার হতে বঞ্চিত করা অথবা তাকে তার দখলে অবস্থিত অপর কোন অশরীরী অধিকার থেকে বঞ্চিত করা অথবা কোন অধিকার বা কল্পিত অধিকার প্রতিষ্ঠা করা; কিংবা
পঞ্চম:- অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করে বা অপরাধমূলক বল প্রয়োগের হুমকি প্রদর্শন করে কোন ব্যক্তিকে সে আইনত বাধ্য নয় এমন একটি কার্য সম্পাদনে বাধ্য করা অথবা যে কার্যটি করতে সে আইনত বাধ্য বা অধিকারী তা সম্পাদন হতে বিরত করা।

ব্যাখ্যা:- যে সমাবেশ, সমাবিষ্ট হওয়া কালে বেআইনি ছিল না তা পরে বেআইনি সমাবেশ হতে পারে।
-----------
⇒ The Penal Code, 1860-Section-141. Unlawful assembly:
An assembly of five or more persons is designated an "unlawful assembly," if the common object of the persons composing that assembly is:
First.-To overawe by criminal force, or show of criminal force, Government or Legislature, or any public servant in the exercise of the lawful power of such public servant; or
Second.-To resist the execution of any law, or of any legal process; or
Third.- To commit any mischief or criminal trespass, or other offence; or
Fourth.-By means of criminal force, or show of criminal force, to any person to take or obtain possession of any property, or to deprive any person of the enjoyment of a right of way, or of the use of water or other incorporeal right of which he is in possession or enjoyment, or to enforce any right or supposed right; or
Fifth.-By means of criminal force, or show of criminal force, to compel any person to do what he is not legally bound to do, or to omit to do what he is legally entitled to do.

Explanation.-An assembly which was not unlawful when it assembled, may subsequently become an unlawful assembly.

৭৯.
আত্মহত্যা প্রচেষ্টার সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড
  2. অর্থদন্ডসহ ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড
  3. ১ বছরের বিনাশ্রম কারাদন্ড
  4. অর্থদন্ডসহ ১ বছরের বিনাশ্রম কারাদন্ড
সঠিক উত্তর:
অর্থদন্ডসহ ১ বছরের বিনাশ্রম কারাদন্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অর্থদন্ডসহ ১ বছরের বিনাশ্রম কারাদন্ড
ব্যাখ্যা
♦দণ্ডবিধির ৩০৯ ধারার বিধান আত্মহত্যা করার চেষ্টা:- কোন ব্যক্তি যদি আত্মহত্যা করার চেষ্টা করে এবং অনুরূপ অপরাধ সংঘটনের উদ্দেশ্যে কোন কার্য করে, তবে উক্ত ব্যক্তি এক বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
৮০.
একজন ব্যক্তি ১৬ বছর বয়সী একটি শিশুকে আত্মহত্যা করতে প্ররোচিত করে এবং শিশুটি আত্মহত্যা করে। প্ররোচনাকারী ব্যক্তি দণ্ডবিধির কোন ধারায় শাস্তিযোগ্য হবে?
  1. ৩০৪ ধারা
  2. ৩০৫ ধারা
  3. ৩০৬ ধারা
  4. ৩০৭ ধারা
সঠিক উত্তর:
৩০৫ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০৫ ধারা
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩০৫ অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি ১৮ বছরের নিচের শিশু, পাগল, মত্ত বা মাতাল ব্যক্তিকে আত্মহত্যা করতে প্ররোচিত করে, তাহলে সে মৃত্যুদণ্ড, জীবনভর কারাদণ্ড বা ১০ বছরের বেশি নয় এমন কারাদণ্ড এবং জরিমানা-এর আওতায় শাস্তিযোগ্য হবে। এক্ষেত্রে শিশুটি ১৬ বছরের, তাই ধারা ৩০৫–এর আওতায় অপরাধীকে শাস্তি দেওয়া হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩০৫ ধারার বিধান শিশুর বা উন্মাদ ব্যক্তির আত্মহত্যায় সহায়তা বা প্ররোচনা দান:- যদি আঠারো বৎসরের কম বয়স্ক কোন ব্যক্তি, কোন উন্মাদ ব্যক্তি, প্রলাপগ্রস্ত ব্যক্তি, নির্বোধ ব্যক্তি, বা কোন ব্যক্তি নেশাগ্রস্ত অবস্থায় আত্মহত্যা করে, তবে যে ব্যক্তি এই আত্মহত্যায় সহায়তা বা প্ররোচনা দান করে, সে ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা অনধিক দশ বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।
-------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 305: Abetment of suicide of child or insane person:
-If any person under eighteen years of age, any insane person, any delirious person, any idiot, or any person in a state of intoxication commits suicide, whoever abets the commission of such suicide shall be punished with death or imprisonment for life, or imprisonment for a term not exceeding ten years, and shall also be liable to fine.

৮১.
নিচের কোন ক্ষেত্রে দণ্ডবিধি প্রযোজ্য হবে না?
  1. বাংলাদেশের অভ্যন্তরে বাংলাদেশি কোন নাগরিক কর্তৃক সংঘটিত অপরাধে
  2. আমরিকান জাহাজে বাংলাদেশের জলসীমায় চায়নার নাগরিক হত্যা হলে
  3. বাংলাদেশের অভ্যন্তর বাংলাদেশ বা বিদেশি নাগরিক কর্তৃক সংঘটিত অপরাধ
  4. বাংলাদেশের নিবন্ধিত জাহাজে বা বিমানে সংঘটিত অপরাধে
সঠিক উত্তর:
আমরিকান জাহাজে বাংলাদেশের জলসীমায় চায়নার নাগরিক হত্যা হলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আমরিকান জাহাজে বাংলাদেশের জলসীমায় চায়নার নাগরিক হত্যা হলে
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ২ থেকে ৪ ধারায় দণ্ডবিধির প্রয়োগ নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
যে ক্ষেত্রে দণ্ডবিধি প্রয়াগ হবে-
(i)  বাংলাদেশের সকল নাগরিকের ক্ষেত্রে: দেশে-বিদেশে যেখানেই অপরাধ সংঘটন করুক না কেন।
(ii) বিদেশি নাগরিকের ক্ষেত্রে: যদি সে বাংলাদেশে অথবা বাংলাদেশের নিবন্ধিত কোন জাহাজ বা বিমানে অপরাধ সংঘটন করে।
(iii) বাংলাদেশের নিবন্ধিত কোন জাহাজ বা বিমানে অপরাধ সংগঠন করার ক্ষেত্রে: উক্ত বাংলাদেশি জাহাজ বা বিমান বাংলাদেশ বা বিদেশে যেখানেই অবস্থান করুক না কেন।
৮২.
ধারা ৩২৫ অনুযায়ী, স্বেচ্ছাকৃতভাবে গুরুতর আঘাত দেওয়ার জন্য অপরাধীকে কোন ধরনের শাস্তি প্রদান করা হয়?
  1. শুধুমাত্র কারাদণ্ড
  2. শুধুমাত্র সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  3. শুধুমাত্র বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  4. সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
সঠিক উত্তর:
সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৩২৫ ধারা- স্বেচ্ছাকৃতভাবে গুরুতর আঘাত দানের (Voluntarily causing grievous hurt) শাস্তি:

কোন ব্যক্তি, যদি ৩৩৫ ধারার বিধান সাপেক্ষে, স্বেচ্ছাকৃতভাবে গুরুতর আঘাত করে, তবে সে ব্যক্তি ৭ বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবে।
[Whoever, except in the case provided for by section 335, voluntarily causes grievous hurt, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine.]
৮৩.
দণ্ডবিধি অনুযায়ী মুদ্রা জালকরণ (Counterfeiting coin) এর সর্বোচ্চ শাস্তি কী হবে?
  1. অনধিক ৩ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
  2. অনধিক ৭ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
  3. অনধিক ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
  4. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
অনধিক ৭ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনধিক ৭ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ২৩১ ধারার বিধান: মুদ্রা জাল করণ- কোন ব্যক্তি মুদ্রা জাল করলে অথবা জ্ঞাতসারে মুদ্রা জালকরণ প্রক্রিয়ার অংশ বিশেষ সম্পাদন করলে, সে ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

- ব্যাখ্যা:- কোন ব্যক্তি প্রতারণা করার অভিপ্রায়ে, অথবা তার কাজের ফলে প্রতারণা সংঘটিত হবে জানা সত্ত্বেও, কোন খাঁটি মুদ্রাকে দেখতে অপর কোন মুদ্রার মতো করলে, সে অপরাধ করেছে বলে পরিগণিত হবে।
-------------------------------
⇒ The Penal Code, 1860, Section 231- Counterfeiting coin:
Whoever counterfeits or knowingly performs any part of the process of counterfeiting coin, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine.

- Explanation.- A person commits this offence who intending to practice deception, or knowing it to be likely that deception will thereby be practiced, causes a genuine coin to appear like a different coin.
৮৪.
দণ্ডবিধির কোন ধারা অনুযায়ী ধর্মীয় অনুভূতি আঘাত করার উদ্দেশ্যে কথা বলা, লেখা বা দৃশ্য প্রদর্শন করলে দণ্ডিত করা হয়?
  1. ধারা ২৯৫
  2. ধারা ২৯৫ক
  3. ধারা ২৯৬
  4. ধারা ২৯৮
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৯৫ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৯৫ক
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: খ) ধারা ২৯৫ক।
⇒ দণ্ডবিধির ধারা ২৯৫ক অনুযায়ী যে ব্যক্তি ইচ্ছাকৃত এবং কু-উদ্দেশ্যপূর্ণভাবে (deliberate and malicious intention) বাংলাদেশের কোনো শ্রেণির নাগরিকদের ধর্মীয় অনুভূতি আঘাত করতে, কথা বলে (spoken words),  লিখে (written words), দৃশ্যরূপে কোনো উপস্থাপনা (visible representation) করে, বা ধর্ম বা ধর্মীয় বিশ্বাসের অবমাননা করে বা অবমাননার চেষ্টা করে, তাকে সর্বোচ্চ দুই বছরের কারাদণ্ড, অথবা জরিমানা, অথবা উভয় দণ্ড প্রদান করা হবে।

⇒ The Penal Code, 1860, section 295A-Deliberate and malicious acts intended to outrage religious feelings of any class by insulting its religion or religious beliefs:
- Whoever, with deliberate and malicious intention of outraging the religious feelings of any class of the citizens of Bangladesh, by words, either spoken or written, or by visible representations insults or attempts to insult the religion or the religious beliefs of that class, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.
৮৫.
বল প্রয়োগে সম্পত্তি আদায় ও চুরির মধ্যে মূল পার্থক্য কী?
  1. সময়
  2. সম্পত্তির মূল্য
  3. ভীতি প্রদর্শনের উপস্থিতি
  4. সম্পত্তির ধরন
সঠিক উত্তর:
ভীতি প্রদর্শনের উপস্থিতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভীতি প্রদর্শনের উপস্থিতি
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: গ) ভীতি প্রদর্শনের উপস্থিতি

⇒ বল প্রয়োগে সম্পত্তি আদায় (ধারা ৩৮৩) এবং চুরি (ধারা ৩৭৮)–এর মধ্যে মূল পার্থক্য হলো ভীতি প্রদর্শনের উপস্থিতি।

বল প্রয়োগে সম্পত্তি আদায়ে:
- অপরাধী ভুক্তভোগীকে জখম, ক্ষতি বা অন্য কোনো অনিষ্টের ভয়ে অভিভূত করে
- সেই ভীতির মাধ্যমে তাকে নিজেই সম্পত্তি অর্পণে বাধ্য করে।

চুরিতে:
- কোনো ভীতি বা হুমকি থাকে না
- অপরাধী গোপনে ও সম্মতি ছাড়া সম্পত্তি স্থানান্তর করে।

তাই, এখানে- সম্পত্তির ধরন, সময়, সম্পত্তির মূল্য—এসব নয়, বরং ভীতি প্রদর্শনের উপস্থিতিই দুই অপরাধের মূল পার্থক্য।

৮৬.
দণ্ডবিধির ১৭৭ ধারা অনুসারে, যদি কেউ সরকারি কর্মচারীকে মিথ্যা তথ্য প্রদান করে, তবে তার সর্বোচ্চ শাস্তি কী হতে পারে?
  1. ৩ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড বা ৫০০ টাকা জরিমানা
  2. ৬ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড বা ১০০০ টাকা জরিমানা
  3. ১ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড বা ১০০০ টাকা জরিমানা
  4. ২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড বা ৫০০০ টাকা জরিমানা
সঠিক উত্তর:
৬ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড বা ১০০০ টাকা জরিমানা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড বা ১০০০ টাকা জরিমানা
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ১৭৭ ধারায় বলা হয়েছে, যদি কোনো ব্যক্তি আইনত বাধ্য থাকা সত্ত্বেও সরকারি কর্মচারীকে (তিনি সরকারি কর্মচারী বলেই) মিথ্যা তথ্য প্রদান করে, এবং সে তথ্য যে মিথ্যা তা যদি সে জানে বা বিশ্বাস করার যথেষ্ট কারণ থাকে, তাহলে তাকে ৬ মাস পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা ১০০০ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড বা উভয়বিধ দণ্ডে দণ্ডিত করা যাবে।

তবে, যদি মিথ্যা তথ্য প্রদান কোনো অপরাধ সংঘটনের বিষয় সম্পর্কিত হয়, অথবা অপরাধ প্রতিরোধ বা অপরাধীর গ্রেফতারের জন্য প্রয়োজনীয় হয়, তাহলে শাস্তির মাত্রা বৃদ্ধি পাবে। এক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ২ বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড, অর্থদণ্ড বা উভয়বিধ দণ্ড হতে পারে।

⇒ তাই, শুধুমাত্র সরকারি কর্মচারীকে মিথ্যা তথ্য প্রদান করলে ৬ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড বা ১০০০ টাকা জরিমানাই সর্বোচ্চ শাস্তি হবে, যা অপশন (খ)-এর সাথে মিলে যায়।

⇒ দণ্ডবিধির ১৭৭ ধারা- মিথ্যা তথ্য পরিবেশন:
কোন ব্যক্তি যদি কোন সরকারি কর্মচারীর নিকট, তিনি সরকারি কর্মচারী বলেই, কোন বিষয়ে তথ্য দিতে আইনত: বাধ্য হয়ে, সে বিষয়টির উপর সত্য বলে এমন কোন তথ্য পরিবেশন করে যা মিথ্যা বলে সে জানে বা যা মিথ্যা বলে বিশ্বাস করার তার কারণ রয়েছে, তবে সে ব্যক্তি ছয় মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা এক হাজার টাকা পর্যন্ত যে কোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে;
অথবা, উক্ত ব্যক্তি যে তথ্য দিতে আইনত বাধ্য, তা যদি কোন অপরাধের সংঘটন বিষয়ক হয়, বা কোন অপরাধের সংঘটন নিরোধের জন্য আবশ্যকীয় হয়, বা কোন অপরাধীকে গ্রেফতার করার জন্য আবশ্যকীয় হয়, তবে সে ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
--------------
⇒The Penal Code, 1860- Section 177- Furnishing false information:
Whoever, being legally bound to furnish information on any subject to any public servant, as such, furnishes, as true, information on the subject which he knows or has reason to believe to be false, shall be punished with simple imprisonment for a term which may extend to six months, or with fine which may extend to one thousand taka, or with both;
or, if the information which he is legally bound to give respects the commission of an offence, or is required for the purpose of preventing the commission of an offence, or in order to the apprehension of an offender, with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.

৮৭.
বাংলাদেশে নিবন্ধিত জাহাজ বা বিমানে কেউ অপরাধ করলে, তা বাংলাদেশে বিচারযোগ্য—এই বিধান কোথায় রয়েছে?
  1. দণ্ডবিধির ২ ধারা
  2. দণ্ডবিধির ৪ ধারা
  3. ফৌজদারী কার্যবিধির ১৮৮ ধারা
  4. খ + গ উভয়
সঠিক উত্তর:
খ + গ উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ + গ উভয়
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশে নিবন্ধিত জাহাজ বা বিমানে কেউ অপরাধ করলে, তা বাংলাদেশে বিচারযোগ্য তা দণ্ডবিধির ৪ ধারা এবং ফৌজদারী কার্যবিধির ১৮৮ ধারাতে রয়েছে।

⇒ দণ্ডবিধির ৪ ধারার বিধান বাংলাদেশের বাইরে সংঘটিত অপরাধের জন্য বিধিটির আওতার সম্প্রসারণ:
- নিম্নোক্ত ব্যক্তিগণ দ্বারা সংঘটিত কোন অপরাধের ক্ষেত্রেও এই বিধির বিধানগুলো প্রয়োগযোগ্য হবে;
(১) বাংলাদেশের বাইরে অবস্থিত কোন জায়গায় বাংলাদেশের নাগরিক;
(৪) বাংলাদেশে রেজিষ্ট্রিকৃত যে কোন জাহাজ বা বিমান পোতে আরোহী যে কোন ব্যক্তি উক্ত জাহাজ কিংবা বিমান পোতে যেখানেই থাকুক না কেন।
- ব্যাখ্যা:- এই ধারা মতে যে কার্য বাংলাদেশের মধ্যে সংঘটিত হলে এই বিধি অনুযায়ী দণ্ডনীয় হত তা বাংলাদেশের বাইরে সংঘটিত হলে তার 'অপরাধ' কথাটির আওতাভুক্ত হবে।

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ১৮৮ ধারার বিধান বাংলাদেশের বাহিরে সংঘটিত অপরাধের দায়:
যখন বাংলাদেশের কোন নাগরিক বাংলাদেশের সীমার বাহিরে কোন স্থানে কোন অপরাধ করে; অথবা যখন কোন ব্যক্তি বাংলাদেশে নিবন্ধিকৃত কোন জাহাজ বা উড়োজাহাজে, তাহা যেখানেই অবস্থান করুক না কেন, কোন অপরাধ করে;
তখন বাংলাদেশের যে স্থানেই তাকে খুঁজে পাওয়া যাবে সে স্থানে অপরাধ সংঘটন করেছে মর্মে ধরে নিয়ে সে অনুসারে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া যাবে।

⇒ দণ্ডবিধির ২ ধারার বিধান বাংলাদেশের মধ্যে সংঘটিত অপরাধ এর সাজা:
- বাংলাদেশের মধ্যে এই বিধির আওতায় প্রণীত বিধানের পরিপন্থি কোন কার্য করলে অথবা বিধানের নির্দেশ অনুযায়ী কোন কার্য না করলে প্রত্যেক ব্যক্তি এই বিধির আওতায় সাজার জন্য দায়ী হবেন এবং অপর কোনভাবে নয়।
৮৮.
ধারা ৩২৬ক ধারা বিশেষত কোন প্রকার পদার্থ ব্যবহারের মাধ্যমে স্বেচ্ছাকৃতভাবে গুরুতর আঘাত অপরাধের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য?
  1. আগুন
  2. ধারালো অস্ত্র
  3. এসিড জাতীয় পদার্থ
  4. ক বা খ
সঠিক উত্তর:
এসিড জাতীয় পদার্থ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এসিড জাতীয় পদার্থ
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৩২৬ক ধারা: স্বেচ্ছাকৃতভাবে দুইটি চোখ উপড়ে বা এসিড জাতীয় পদার্থ দ্বারা চোখ দুইটির দৃষ্টি নষ্টকরণ বা মুখমণ্ডল বা মস্তক এসিড দ্বারা বিকৃতিকরণ:
যে ব্যক্তি ৩৩৫ ধারায় উল্লেখিত ক্ষেত্র ছাড়া স্বেচ্ছাকৃতভাবে নিম্নবর্ণিত উপায়ে-
(ক) ৩২০ ধারার দ্বিতীয় অনুচ্ছেদে বর্ণিত অপরাধ যেক্ষেত্রে উভয় চক্ষুর ব্যাপারে হয় উৎপাটন দ্বারা অথবা যেকোন ধরনের এসিড জাতীয় পদার্থ কর্তৃক, কিংবা
(খ) ৩২০ ধারার ষষ্ঠ অনুচ্ছেদে বর্ণিত অপরাধ যেক্ষেত্রে কোন এসিড জাতীয় পদার্থ দ্বারা কোন ব্যক্তিকে গুরুতর আঘাত করে, তবে সে ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে এবং অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা হবে।

Section 326A- Voluntarily causing grievous hurt in respect of both eyes, head or face by means of corrosive substance, etc:
Whoever, except in the case provided for by section 335, voluntarily causes grievous hurt of the kind mentioned in-
(a) clause secondly of section 320 in respect of both the eyes either by gouging out the same or by means of any corrosive substance; or
(b) clause sixthly of section 320 by means of any corrosive substance, shall be punished with death, or imprisonment for life and shall also be liable to fine.
৮৯.
মানহানির জন্য সর্বোচ্চ কত দিনের কারাদণ্ড হতে পারে?
  1. ৩ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
  2. ২ বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  3. ২ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
  4. শুধুমাত্র কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
২ বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
• ধারা-৫০০ অনুযায়ী মানহানির শাস্তি হলো অনধিক ২ বছর 'বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ড।
• দণ্ডবিধির ৫০০ ধারায় মানহানির অপরাধের শাস্তি হিসেবে সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হলে তা সম্পূর্ণরূপে বেআইনী হবে।
৯০.
দণ্ডবিধির ৫৪ ধারায় সরকার নিম্নলিখিত কোন অপরাধটি যেকোন দণ্ডে হ্রাস করতে পারে-
  1. মৃত্যুদণ্ড
  2. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  3. ১০ বছরের অধিক কারাবাস
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৫৪ ধারার বিধান মৃত্যুদণ্ড হ্রাসকরণ:- মৃত্যুদণ্ড দান করা যেতে পারে এইরূপ প্রত্যেক ক্ষেত্রে সরকার অপরাধকারীর সম্মতি ব্যতিরেকে উক্ত দণ্ডকে এই বিধি ও আইন বলে ব্যবস্থিত অন্য যেকোন স্বল্প দণ্ডে রূপান্তরিত করতে পারবেন। 
----------------------------
⇒The Penal Code, 1860-Section  54: Commutation of sentence of death:
- In every case in which sentence of death shall have been passed, the Government may, without the consent of the offender, commute the punishment for any other punishment provided by this Code.
৯১.
‘E’ একজন পরিবহনকারী হিসেবে ‘Z’-এর মাল (সম্পত্তি) পরিবহন করার জন্য নিযুক্ত হয়, কিন্তু 'E' সেই মাল (সম্পত্তি) অসাধুভাবে আত্মসাৎ করে। দণ্ডবিধি, ১৮৬০ অনুযায়ী, এই অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি কত?
  1. ৫ বছরের কারাদণ্ড
  2. ৭ বছরের কারাদণ্ড
  3. ১০ বছরের কারাদণ্ড
  4. ৩ বছরের কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
৭ বছরের কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৪০৫ অনুসারে, কোনো ব্যক্তি যিনি সম্পত্তি বা সম্পত্তির উপর নিয়ন্ত্রণের জন্য অর্পিত হয়েছেন, সেই সম্পত্তি অসাধুভাবে আত্মসাৎ করলে বা নিজের ব্যবহারে রূপান্তর করলে তা অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ (Criminal Breach of Trust) হিসেবে গণ্য।
- এখানে, ‘E’ একজন পরিবহনকারী হিসেবে ‘Z’-এর সম্পত্তি বহনের জন্য অর্পিত ছিলেন এবং তা 'E' অসাধুভাবে আত্মসাৎ করেছেন, যা ধারা ৪০৫-এর অধীনে অপরাধ। ধারা ৪০৭ অনুসারে, পরিবহনকারী হিসেবে অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের শাস্তি হলো ৭ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং জরিমানা।
সুতরাং, ‘E’-এর অপরাধের জন্য ধারা ৪০৭ অনুসারে অপরাধের নাম অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ এবং সর্বোচ্চ শাস্তি ৭ বছরের কারাদণ্ড।

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৪০৭: পরিবহনকারী, গুদামদার ইত্যাদির দ্বারা বিশ্বাসভঙ্গ-
যে কেউ, যিনি পরিবহনকারী (carrier), ঘাটের মালিক বা তত্ত্বাবধায়ক (wharfinger), অথবা গুদামদার (warehouse-keeper) হিসেবে কোনো সম্পত্তি সংরক্ষণের জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত হন, এবং সেই সম্পত্তি সম্পর্কে বিশ্বাসভঙ্গ করেন, তিনি সর্বোচ্চ ৭ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবেন এবং তার সাথে অর্থদণ্ডও হতে পারে।
---------- 
⇒ The Penal Code, 1860- Section 407- Criminal breach of trust by carrier, etc.
Whoever, being entrusted with property as a carrier, wharfinger or warehouse-keeper, commits criminal breach of trust in respect of such property, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine.

৯২.
কখন অপরাপধমূলক নরহত্যা খুন বলে গণ্য হবে?
  1. মৃত্যু ঘটানোর অভিপ্রায় নিয়ে মৃত্যু ঘটালে
  2. কোন দৈহিক জখম যা মৃত্যু ঘটাতে পারে জেনেও এমন দৈহিক জখমে মৃত্যু ঘটালে
  3. যে কার্য দ্বারা সম্ভাব্য মৃত্য ঘটবে সেই কার্য দ্বারা মৃত্য ঘটালে
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
• ৩০০ ধারা মতে ৪ ভাবে মৃত্যু ঘটালে অপরাধমূলক নরহত্যা খুন বলে বিবেচিত হবে।
(i) মৃত্যু ঘটানোর অভিপ্রায় নিয়ে মৃত্যু ঘটালে
(ii) কোন দৈহিক জখম যা মৃত্যু ঘটাতে পারে জেনেও এমন দৈহিক জখমে মৃত্যু ঘটালে
(iii) এমন কোন আঘাত যা স্বাভাবিকভাবে মৃত্যু ঘটায় তা করা যদিও তাতে হত্যা করার উদ্দেশ্য থাকে না
(iv) যে কার্য দ্বারা সম্ভাব্য মৃত্য ঘটবে সেই কার্য দ্বারা মৃত্য ঘটালে
৯৩.
দণ্ডবিধির ৩২০ ধারা অনুসারে, গুরুতর আঘাতের ধরন কতগুলি?
  1. ছয়টি
  2. সাতটি
  3. আটটি
  4. নয়টি
সঠিক উত্তর:
আটটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আটটি
ব্যাখ্যা

দণ্ডবিধির ৩২০ ধারা অনুসারে গুরুতর আঘাত (Grievous Hurt)-এর সংজ্ঞায় মোট আটটি ধরন উল্লেখ করা হয়েছে:
১. প্রথমত – পুরুষত্বহীন করণ (Emasculation)
২. দ্বিতীয়ত – চোখের দৃষ্টিশক্তি স্থায়ীভাবে নষ্ট করা
৩. তৃতীয়ত – কানের শ্রবণশক্তি স্থায়ীভাবে নষ্ট করা
৪. চতুর্থত – কোনো অঙ্গ বা গ্রন্থির বঞ্চনা
৫. পঞ্চমত – কোনো অঙ্গ বা গ্রন্থির শক্তি ধ্বংস বা স্থায়ীভাবে খর্ব করা
৬. ষষ্ঠত – মাথা বা মুখমণ্ডল স্থায়ীভাবে বিকৃত করা
৭. সপ্তম – হাড় বা দাঁত ভাঙা বা স্থানচ্যুত করা
৮. অষ্টম – জীবনসংশয়কারী আঘাত বা বিশ দিন পর্যন্ত প্রচণ্ড দৈহিক যন্ত্রণা বা সাধারণ কাজ করতে অপারগতা

সুতরাং, গুরুতর আঘাতের মোট আটটি ধরন রয়েছে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩২০ ধারার বিধান গুরুতর আঘাত:- শুধু নিম্নলিখিত আঘাতসমূহকেই "গুরুতর" বলে পরিগণিত করা যায়:-
প্রথমত, পুরুষত্বহীন করণ।
দ্বিতীয়ত, যেকোন চোখের জ্যোতি বা দৃষ্টিশক্তি চিরতরে নষ্ট করণ।
তৃতীয়ত, যেকোন কর্ণের শ্রবণশক্তি স্থায়ীভাবে নষ্ট করণ।
চতুর্থত, যেকোন অঙ্গ বা গ্রন্থির অনিষ্ট সাধন।
পঞ্চমত, যেকোন অঙ্গের বা গ্রন্থির শক্তিসমূহ ধ্বংস করণ বা চিরতরে খর্ব করণ।
ষষ্ঠত, মাথা বা মুখমণ্ডল স্থায়ীভাবে বিকৃত করণ।
সপ্তম, কোন অস্থি বা দন্ত ভগ্ন বা স্থানচ্যুত করণ।
অষ্টম, এমন কোন আঘাত যা জীবন সংশয় সৃষ্টি করে বা যাতে আহত ব্যক্তি বিশ দিন পর্যন্ত প্রচণ্ড দৈহিক যন্ত্রণা ভোগ করে বা সাধারণ কাজকর্ম করতে অপারগ হয়।
-----------------
⇒The Penal Code, 1860- Section 320- Grievous hurt:
The following kinds of hurt only are designated as "grievous":-
Firstly.-Emasculation.
Secondly.-Permanent privation of the sight of either eye.
Thirdly.-Permanent privation of the hearing of either ear.
Fourthly.-Privation of any member or joint.
Fifthly.-Destruction or permanent impairing of the powers of any member or joint.
Sixthly.-Permanent disfiguration of the head or face.
Seventhly.-Fracture or dislocation of a bone or tooth.
Eighthly.-Any hurt which endangers life or which causes the sufferer to be during the space of twenty days in severe bodily pain, or unable to follow his ordinary pursuits.

৯৪.
দণ্ডবিধির কত ধারায় নারীর শালীনতা নষ্ট করার অভিপ্রায়ে আক্রমণ বা অপরাধজনক বলপ্রয়োগের শাস্তির বিধান রয়েছে?
  1. ধারা ৩৫২
  2. ধারা ৩৫৩
  3. ধারা ৩৫৪
  4. ধারা ৩৫৫
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৫৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৫৪
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০–এর ধারা ৩৫৪–এ নারীর শালীনতা নষ্ট করার অভিপ্রায়ে আক্রমণ বা অপরাধজনক বলপ্রয়োগের শাস্তির বিধান রয়েছে। এই ধারায় বলা হয়েছে যদি কোনো ব্যক্তি কোনো নারীর শালীনতা নষ্ট করার উদ্দেশ্যে বা সে জানে যে তার কাজের ফলে নারীর শালীনতা নষ্ট হতে পারে, তখন সে নারীর প্রতি আক্রমণ করে বা অপরাধজনক বলপ্রয়োগ করে, তবে সে অপরাধী হবে। এর শাস্তি হলো সর্বোচ্চ ২ বছরের কারাদণ্ড, অথবা অর্থদণ্ড, অথবা উভয় দণ্ড।
- তাই সঠিক উত্তর হলো: গ) ধারা ৩৫৪।

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩৫৪ মতে- 
যদি কোন ব্যক্তি কোন নারীর শালীনতা নষ্ট করার অভিপ্রায়ে বা সে তৎকর্তৃক তার শালীনতা নষ্ট করতে পারে জেনে তাকে আক্রশ করে বা তৎপ্রতি অপরাধজনক বলপ্রয়োগ করে, তাহলে সে ব্যক্তি যেকোন বর্ণনার কারাদণ্ডে—যার মেয়াদ দুই বছর পর্যন্ত হতে পারে বা অর্থদণ্ডে বা উভয়বিধ দণ্ডে দণ্ডিত হবে।
---------
⇒ The Penal Code, 1860- Section- 354- Assault or criminal force to woman with intent to outage her modesty:
Whoever assaults or uses criminal force to any woman, intending to outrage or knowing it to be likely that he will thereby outrage her modesty, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.

৯৫.
The Penal Code, 1860 এ প্রদত্ত বর্ণনানুযায়ী কোনটি সাধারন আঘাত?
  1. হাড় বা দাঁত ভাঙ্গা
  2. কানের শ্রুতিশক্তি রহিতকরণ
  3. মুখমন্ডলের স্থায়ী বিকৃতি
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
কোনোটিই নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
• The Penal Code, 1860 এর ৩২০ ধারা অনুযায়ী ৮ শ্রেণির আঘাতকে গুরুতর আঘাত বলা হয়েছে। যথা:
(i) পুরুষত্বহীনকরণ;
(ii) স্থায়ীভাবে চোখের দৃষ্টি রহিতকরণ;
(iii) স্থায়ীভাবে কানের শ্রুতিশক্তি রহিতকরণ;
(iv) যে কোন অঙ্গ বা গ্রন্থির অনিষ্ট সাধন;
(v) যে কোন অঙ্গ বা গ্রন্থির স্থায়ী ক্ষতিকরণ;
(vi) মাথা বা মুখমন্ডলের স্থায়ী বিকৃতি;
(vii) হাড় বা দাঁত ভাঙ্গা;
(viii) এমন কোন আঘাত যা জীবন সংশয় সৃষ্টি করে বা যাতে আহত ব্যক্তি বিশ দিন পর্যন্ত প্রচণ্ড দৈহিক যন্ত্রণা ভোগ করে বা সাধারণ কাজকর্ম করতে অপারগ হয়।
৯৬.
দণ্ডবিধির ধারা ২৭৩ এর অধীনে সর্বোচ্চ কারাদণ্ডের মেয়াদ কত?
  1. ৩ মাস
  2. ৬ মাস
  3. ১ বছর
  4. ২ বছর
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ২৭৩ অনুসারে, ক্ষতিকর খাদ্য বা পানীয় বিক্রয়ের অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ কারাদণ্ডের মেয়াদ ছয় মাস (যেকোনো ধরনের কারাদণ্ড: সশ্রম বা বিনাশ্রম), অথবা ১,০০০ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড, বা উভয়।

⇒ দণ্ডবিধির ২৭৩ ধারার বিধান: ক্ষতিকর খাদ্য বা পানীয় বিক্রয়:- কোন ব্যক্তি যদি এমন কোন দ্রব্য, খাদ্য বা পানীয় হিসেবে বিক্রয় করে, প্রদান করে বা বিক্রয়ার্থে উপস্থাপন করে, যা ক্ষতিকর করা হয়েছে বা সেরূপ হয়ে গিয়েছে অথবা যা এমন অবস্থায় রয়েছে, যাতে উহা খাদ্য বা পানীয় হিসেবে ব্যবহারের অনুপযুক্ত এবং উহা খাদ্য বা পানীয় হিসেবে স্বাস্থ্যহানিকর জানা সত্ত্বেও বা বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও তা করে, তবে সে ব্যক্তি ছয় মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা এক হাজার টাকা পর্যন্ত যেকোনো পরিমাণ অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
----------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 273. Sale of noxious food or drink:- Whoever sells, or offers or exposes for sale, as food or drink, any article which has been rendered or has become noxious, or is in a state unfit food or drink, knowing or having reason to believe that the same is noxious as food or drink, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to six months, or with fine which may extend to one thousand taka, or with both.

৯৭.
দণ্ডবিধির ৩২০ ধারা অনুসারে, নিচের কোনটি গুরুতর আঘাতের উদাহরণ নয়?
  1. দাঁত ভাঙা
  2. হাড় ভাঙা
  3. সামান্য কাটা ছেঁড়া
  4. চোখের দৃষ্টিশক্তি স্থায়ীভাবে নষ্ট করা
সঠিক উত্তর:
সামান্য কাটা ছেঁড়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সামান্য কাটা ছেঁড়া
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩২০ ধারা অনুযায়ী, "গুরুতর আঘাত" (Grievous hurt) হিসেবে কয়েকটি নির্দিষ্ট আঘাত অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
- এর মধ্যে দাঁত ভাঙা, হাড় ভাঙা এবং চোখের দৃষ্টিশক্তি স্থায়ীভাবে নষ্ট হওয়া গুরুতর আঘাত হিসেবে গণ্য হয়।
- তবে, সামান্য কাটা ছেঁড়া সাধারণত গুরুতর আঘাত হিসেবে বিবেচিত হয় না, এটি সাধারণ আঘাত হিসেবে পরিগণিত হতে পারে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩২০ ধারার বিধান গুরুতর আঘাত:- শুধু নিম্নলিখিত আঘাতসমূহকেই "গুরুতর" বলে পরিগণিত করা যায়:-
প্রথমত, পুরুষত্বহীন করণ।
দ্বিতীয়ত, যেকোন চোখের জ্যোতি বা দৃষ্টিশক্তি চিরতরে নষ্ট করণ।
তৃতীয়ত, যেকোন কর্ণের শ্রবণশক্তি স্থায়ীভাবে নষ্ট করণ।
চতুর্থত, যেকোন অঙ্গ বা গ্রন্থির অনিষ্ট সাধন।
পঞ্চমত, যেকোন অঙ্গের বা গ্রন্থির শক্তিসমূহ ধ্বংসকরণ বা চিরতরে খর্ব করণ।
ষষ্ঠত, মাথা বা মুখমণ্ডল স্থায়ীভাবে বিকৃত করণ।
সপ্তম, কোন অস্থি বা দন্ত ভগ্ন বা স্থানচ্যুত করণ।
অষ্টম, এমন কোন আঘাত যা জীবন সংশয় সৃষ্টি করে বা যাতে আহত ব্যক্তি বিশ দিন পর্যন্ত প্রচণ্ড দৈহিক যন্ত্রণা ভোগ করে বা সাধারণ কাজকর্ম করতে অপারগ হয়।
-----------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 320: Grievous hurt:
The following kinds of hurt only are designated as "grievous":-
Firstly.-Emasculation.
Secondly.-Permanent privation of the sight of either eye.
Thirdly.-Permanent privation of the hearing of either ear.
Fourthly.-Privation of any member or joint.
Fifthly.-Destruction or permanent impairing of the powers of any member or joint.
Sixthly.-Permanent disfiguration of the head or face.
Seventhly.-Fracture or dislocation of a bone or tooth.
Eighthly.-Any hurt which endangers life or which causes the sufferer to be during the space of twenty days in severe bodily pain, or unable to follow his ordinary pursuits.
৯৮.
দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ৪৪৫ অনুসারে “গৃহভঙ্গ” (House-breaking) সংঘটিত হয় কতগুলি নির্দিষ্ট উপায়ের মাধ্যমে?
  1. ৪টি
  2. ৫টি
  3. ৬টি
  4. ৩টি
সঠিক উত্তর:
৬টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬টি
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৪৪৫ অনুসারে, "House-breaking" বা "গৃহভঙ্গ" সংঘটিত হয় যখন কেউ house-trespass commits করে নিম্নলিখিত ৬টি নির্দিষ্ট উপায়ের যে কোনো একটিতে প্রবেশ বা প্রস্থান করার মাধ্যমে:
প্রথমত: নিজে বা অপরাধের সহায়ক দ্বারা তৈরি করা passage দিয়ে প্রবেশ বা প্রস্থান করা।
দ্বিতীয়ত: কোনো এমন passage দিয়ে প্রবেশ বা প্রস্থান করা যা মানুষের প্রবেশের জন্য উদ্দেশ্য নয় (যেমন: ছাদ, চিমনি) বা দেয়াল টপকে প্রবেশ করা।
তৃতীয়ত: এমন কোনো passage দিয়ে প্রবেশ বা প্রস্থান করা যা trespasser বা তার সহায়ক দ্বারা খোলা হয়েছে এবং যা গৃহowner দ্বারা খোলার উদ্দেশ্য ছিল না (যেমন: জানালা ভাঙা)।
চতুর্থত: তালা ভেঙে বা খুলে প্রবেশ বা প্রস্থান করা।
পঞ্চমত: criminal force বা assault ব্যবহার করে বা assault-এর threat দিয়ে প্রবেশ বা প্রস্থান করা।
ষষ্ঠত: এমন কোনো passage দিয়ে প্রবেশ বা প্রস্থান করা যা trespasser জানে যে বন্ধ ছিল এবং সে বা তার সহায়ক এটি খুলেছে।
সুতরাং, সঠিক উত্তর গ) ৬টি উপায়।

⇒ দণ্ডবিধির ৪৪৫ ধারায় অপথে গৃহে প্রবেশের বিধান রয়েছে। ৪৪৫ ধারা অনুযায়ী নিম্নলিখিত ৬টি উপায়ে কোন গৃহে প্রবেশ করলে বা গৃহ থেকে বের হলে তা অপথে গৃহে প্রবেশ বা House breaking বলে গণ্য হবে। যথা-
i) বন্ধ দরজা বা পথ খুলে (Opening any passage fastended for );
ii) তালা খুলে বা ভেঙ্গে (Opening or breaking lock);
iii) নতুন পথ তৈরি করে (Passage made by him);
iv) আক্রমন বা বলপ্রয়োগের ভয় দেখিয়ে (Using criminal force);
v) আটকানো কোন কিছুকে খুলে বা অন্যভাবে মুক্ত করে অস্বাভাবিক পন্থায় ভিতরে প্রবেশ করা বা নির্গমন হওয়া; অথবা
vi) প্রবেশ বা প্রস্থানের জন্য নয় এমন পথ দিয়ে গৃহে প্রবেশ করলে অপথে গৃহ প্রবেশ (house breaking) এর অপরাধ হবে।
------
⇒ The Penal Code,1860-Section: 445: House-breaking: A person is said to commit “house-breaking" who commits house-trespass if he effects his entrance into the house or any part of it in any of the six ways hereinafter described; or if, being in the house or any part of it for the purpose of committing an offence, or, having committed an offence therein, he quits the house or any part of it in any of such six ways, that is to say:
Firstly.-If he enters or quits through a passage made by himself, or by any abettor of the house-trespass, in order to the committing of the house-trespass. 
Secondly.-If he enters or quits through any passage not intended by any person, other than himself or an abettor of the offence, for human entrance; or through any passage to which he has obtained access by scaling or climbing over any wall or building. 
Thirdly.-If he enters or quits through any passage which he or any abettor of the house-trespass has opened, in order to the committing of the house-trespass by any means by which that passage was not intended by the occupier of the house to be opened. 
Fourthly.-If he enters or quits by opening any lock in order to the committing of the house-trespass, or in order to the quitting of the house after a house-trespass. 
Fifthly.-If he effects his entrance or departure by using criminal force or committing an assault, or by threatening any person with assault. 
Sixthly.-If he enters or quits by any passage which he knows to have been fastened against such entrance or departure, and to have been unfastened by himself or by an abettor of the house-trespass. 
Explanation- Any out-house or building occupied with a house, and between which and such house there is an immediate internal communication, is part of the house within the meaning of this section.

৯৯.
‘ক’ অজ্ঞাত মালিকের একটি সোনার আংটি পায়। মালিককে খুঁজে বের করার চেষ্টা না করেই ‘ক’ তা বিক্রি করে। 'ক' যে অপরাধ দোষী হবে?
  1. চুরি
  2. অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ
  3. অসাধুভাবে আত্মসাৎ
  4. দস্যুতা
সঠিক উত্তর:
অসাধুভাবে আত্মসাৎ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অসাধুভাবে আত্মসাৎ
ব্যাখ্যা
♦ দন্ডবিধির ধারা ৪০৩ মতে- এখানে 'ক’ আংটি ঘটনাক্রমে পেয়েছে। 'ক'সেটার মালিককে আবিষ্কার না করে আংটি বিক্রয় করেছে অর্থাৎ সে অসাধুভাবে আংটিটি নিজ ব্যবহারে পরিণত করেছে। তাই 'ক' অসাধুভাবে আংটিটি আত্মসাৎ করেছে বলে গণ্য হবে। ‘ক’ 'অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের জন্য দোষী হতো যদি সে আংটি অন্যকোন ব্যক্তির নিকট হতে বিশ্বাসভরে গ্রহণ করতো এবং উক্ত ব্যক্তির সম্মতি ছাড়া বিক্রি করে দিতো।
১০০.
'ক' একজন সরকারি কর্মচারী। তার সরকারি কর্তব্যপালনে বাধা দেবার উদ্দেশ্যে 'খ' তাকে আক্রমণ করে। 'খ' এর সর্বোচ্চ শাস্তি নিচের কোনটি হতে পারে?
  1. ৩ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড
  2. ৬ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড
  3. ১ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
  4. ৩ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
৩ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩৫৩ অনুসারে,
সরকারি কর্মচারীকে দায়িত্ব পালনের সময় বা তাকে বাধা দেওয়ার উদ্দেশ্যে আক্রমণ বা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ করলে শাস্তি ৩ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ড।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৫৩ ধারা: সরকারি কর্মচারীকে তার দায়িত্ব পালনে বাধা দেওয়ার উদ্দেশ্যে আক্রমণ বা অপরাধমূলক:

কোনো ব্যক্তি যদি এমন অন্য কোনো ব্যক্তিকে আক্রমণ করে বা তার ওপর বল প্রয়োগ করে, যে ব্যক্তি সরকারি কর্মকর্তা বা কর্মচারী হিসেবে কর্তব্য সম্পাদনরত অথবা অনুরূপ কর্মচারীকে তার সরকারি কর্মচারী হিসেবে করণীয় কর্তব্য সম্পাদনে বাধা দানের উদ্দেশ্যে তার ওপর অনুরূপ আক্রমণ বা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ করে তিন বছর বা যেকোনো মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থদণ্ডে, বা উভয়বিধ দণ্ডে দণ্ডিত হবে।
----------- 
⇒ The Penal Code, 1860- Section 353- Assault or criminal force to deter public servant from discharge of his duty:
Whoever assaults or uses criminal force to any person being a public servant in the execution of his duty as such public servant, or with intent to prevent or deter that person from discharging his duty as such public servant, or in consequence of anything done or attempted to be done by such person in the lawful discharge of his duty as such public servant, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, or with fine, or with both.